উইকিসংকলন bnwikisource https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.13 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিসংকলন উইকিসংকলন আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা লেখক লেখক আলাপ নির্ঘণ্ট নির্ঘণ্ট আলাপ পাতা পাতা আলাপ প্রবেশদ্বার প্রবেশদ্বার আলাপ প্রকাশক প্রকাশক আলোচনা রচনা রচনা আলাপ অনুবাদ অনুবাদ আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD 10 9620 1992384 1991061 2026-07-31T07:02:26Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1992384 wikitext text/x-wiki 447985 enm4ksuws43379l8ebhxmn9h5vn2g3s টেমপ্লেট:ALL PAGES 10 9621 1992385 1991062 2026-07-31T07:02:36Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1992385 wikitext text/x-wiki 561449 0y3d1dmr7kmgivvh6ubjjbd5kmfq5vd টেমপ্লেট:PR TEXTS 10 9622 1992386 1990864 2026-07-31T07:02:46Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1992386 wikitext text/x-wiki 19681 4t0divdgzn25ydzn2tx1eleanq1c11x টেমপ্লেট:ALL TEXTS 10 9623 1992387 1990865 2026-07-31T07:02:56Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1992387 wikitext text/x-wiki 19681 4t0divdgzn25ydzn2tx1eleanq1c11x পাতা:সুকান্ত সমগ্র.djvu/৪০৪ 104 14039 1992186 1984756 2026-07-31T04:29:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992186 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude><poem>{{larger|'''“নব জ্যামিতি”র ছড়া'''}}<sup>২০</sup> {{larger|'''Food Problem'''}} (একটি প্রাথমিক সম্পাদ্যের ছায়া অবলম্বনে) '''সিদ্ধান্ত''': আজকে দেশে রব উঠেছে, দেশেতে নেই খাদ্য; ‘আছে’, সেটা প্রমাণ করাই অধুনা ‘সম্পাদ্য’। '''কল্পনা''': মনে করো, আসছে জাপান অতি অবিলম্বে সাধারণকে রাখতে হবে লৌহদৃঢ় ‘লম্বে’। "খাদ্য নেই” এর প্রথম পাওয়া খুব ‘সরল রেখাতে’তে, দেশরক্ষার ‘লম্ব’ তোলাই আজকে হবে শেখাতে। '''অঙ্কন''': আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবীর ক্ষুদ্র বিন্দু থেকে, প্রতিরোধের বিন্দুতে নাও ঐক্য-রেখা এঁকে। ‘হিন্দু’—‘মুসলমানের’র কেন্দ্রে, দুদিকের দুই ‘চাপে’, যুক্ত করো উভয়কে এক প্রতিরোধের ধাপে। প্রতিরোধের বিন্দুতে দুই জাতি যদি মেলে, সাথে সাথেই খাদ্য পাওয়ার হদিশ তুমি পেলে। '''প্রমাণ''': খাদ্য এবং প্রতিরোধ উভয়েরই চাই, হিন্দু এবং মুসলমান মিলন হবে তাই।</poem><noinclude>{{left|৩৯৭}}</noinclude> 1wzeky6mhbzipdt4qtoqdyrqhuq9m1v পাতা:অক্ষয়কুমার বড়াল গ্রন্থাবলী.djvu/৯ 104 14110 1991894 1983996 2026-07-31T04:10:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991894 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Engr.Raju" /></noinclude>{{center|<big>'''সম্পূর্ণ গ্রন্থাবলীর ভূমিকা'''</big>}} {{gap}}গ্রন্থাবলী-আকারে কবি অক্ষয়কুমার বড়ালের যতদুর-সম্ভব-সম্পুর্ণ কাব্য ও কবিতার মুদ্রণ সমাপ্ত হইল।<br /> {{gap}}ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষৎ-প্রকাশিত “সাহিত্য-সাধক-চরিত-মালা"র ৫৬ সংখ্যক গ্রন্থ্ ‘অক্ষয়কুমার বড়ালে’ কবির সংক্ষিপ্ত জীবনী দিয়াছেন। শ্রীনরেন্দ্রনাথ লাহা প্রণীত ‘সুবর্ণবণিক কথা ও কীর্তি’ গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে (১৯৪০) ৮০-১০৬ পৃষ্ঠায় কবির জীবনী ও কাব্য-প্রতিভার পরিচয় দিয়াছেন। ইহাতে এবং ১৩২৬ বঙ্গাব্দের ‘সুবর্ণবণিক সমাচারে’, “সাহিত্য-সাধক-চরিত-মালা"র অতিরিক্ত যে সংবাদ পাওয়া যায় তাহা এইঃ ১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দে কলিকাতার চোরবাগানস্থ শ্রীনাথ রায়ের গলির ৯ন্ং বাড়িতে অক্ষয়কুমারের জন্ম হয়। মাতার নাম রাণী দাসী। পাঠদ্দশায় ১৭ বৎসর বয়সে তিনি কবি বিহারিলাল চক্রবর্তীর সংস্পর্শে আসেন ও শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। তাঁহার স্ত্রী ছিলেন জোড়াসাঁকোর দত্ত পরিবারের সুবাসিনী দাসী। ২৫ বৎসর বয়সে পিতৃবিয়োগ ও ১৩১৩ সালের ১৯শে মাঘ তাঁহার পত্নীবিয়োগ হয়। তিনি “চণ্ডীদাস” নামক একখানি নাটক রচনা করিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন, কিন্তু তাহা শেষ হয় নাই। মৃত্যুর কয়েকমাস পূর্বে শ্রীশ্রীবঙ্গধর্ম মহামণ্ডল তাঁহাকে “কবিতিলক” উপাধিতে ভূষিত করেন। ৪ আষাঢ় ১৩২৬ বৃহস্পতিবার রাত্রি ৯টা ১০ মিনিটে তাঁহার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁহার দুই পুত্র অজয়কুমার ও অময়কুমার এবং তিন কন্যা জীবিত ছিলেন। {{gap}}অক্ষয়কুমারের কবি-প্রতিভা সম্পর্কে বেশি আলোচনা হয় নাই। বিভিন্ন মনীষী তাঁহার বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের ভূমিকাসরূপ যে সকল আলোচনা করিয়াছেন তাহা এই গ্রন্থাবলীতেও সন্নিবিষ্ট হইয়াছে। কবির মৃত্যুর পর বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের স্মরণসভায় (৪ আশ্বিন, ১৩২৬) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রমুখ বিদ্বজ্জন কিছু আলোচনা করিয়াছিলেন ও শ্রীনরেন্দ্রনাথ লাহা একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ পাঠ করিয়াছিলেন। এই প্রবন্ধটিই সম্পাদিত হইয়া ‘সুবর্ণবণিক কথা ও কীর্তি’র ১ম খণ্ডে স্থান পাইয়াছে। ‘এষা’র তৃতীয় সংস্করণেও ইহা যোজিত হইয়াছে। এতদ্ব্যতীত প্রিয়লাল দাস ‘এষার কবি’ নামক গ্রন্থে (পৃ ১৭৫)<noinclude></noinclude> qcm4t1odcqc80r894b885a2cqjn1ucf পাতা:অক্ষয়কুমার বড়াল গ্রন্থাবলী.djvu/১৫ 104 14130 1991896 1984007 2026-07-31T04:10:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991896 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Sumita Roy Dutta" /></noinclude>{{center|{{x-larger|'''সম্পাদকীয় ভূমিকা'''}}}} {{indent/s}} উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা দেশের কবি-সম্প্রদায় যে খাতে কাব্যধারা প্রবাহিত করিয়াছিলেন তাহা প্রধানত বহিঃকেন্দ্রিক— অবজেক্‌টিব। যাহা আশেপাশে দৃশ্যমান ও প্রকট-প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্য, মানুষের বিরাট কীর্তি হইতে আরম্ভ করিয়া “এণ্ডা-ভরা” তপসে মাছ, মায় পাঁঠাকে পর্যন্ত তাঁহারা কাব্যের বিষয় করিয়াছিলেন। আর একটি ধারার উৎসমুখ খুলিয়া দিলেন কবি বিহারিলাল চক্রবর্তী। সে ধারা আত্মকেন্দ্রিক- সাবজেক্‌টিব। মানব-মনের গহনে ভাবের যে লীলা অহরহ হইতেছে, বিহারিলালের কাব্যে তাহারই পরিচয় মেলে। তাঁহার জীবন-দেবতাকে সম্বোধন করিয়া তিনি বলেন: {{indent/e}} {{center|<poem> "বিচিত্র এ মত্তদশা ভাবভরে যোগে বসা- হৃদয়ে উদার জ্যোতি কি বিচিত্র জলে! কি বিচিত্র সুরতান ভরপূর করে প্রাণ- কে তুমি গাহিছ গান আকাশমণ্ডলে!” </poem>}} {{indent/s}} রবীন্দ্রনাথ বিহারিলালের শিষ্যত্ব গ্রহণ করিয়া এই ধারারই চরম পুষ্টি সাধন করিয়া গিয়াছেন। তাঁহার মত অক্ষয়কুমারও বিহারিলালেরই মন্ত্রশিষ্য; রবীন্দ্রনাথ অপেক্ষাও একটু বেশী বিহারিলাল। বিহারিলালের ভাষা ভঙ্গি ও ভাব অক্ষয়কুমারেই সর্বাধিক পরিণতি লাভ করিয়াছিল। অক্ষয়কুমাররের সর্বপ্রথম কাব্য ‘প্রদীপে’ ইহার প্রচুর নিদর্শন মিলিবে। ১২৯০ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে (ইংরেজী ১৮৮৪ এপ্রিল) কবির চব্বিশ বৎসর বয়সে ‘প্রদীপ’— “গীতি-কবিতাবলী” প্রথম আত্মপ্রকাশ করে। পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ৬৮। সঞ্জীবচন্দ্র-সম্পাদিত ‘বঙ্গদর্শনে’ (অগ্রহায়ণ, ১২৮৯) অক্ষয়কুমারের যে কবিতাটি সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয় সেই “রজনীর মৃত্যূ” ‘প্রদীপে’ সন্নিবিষ্ট হয়। ‘প্রদীপ’ বাহির হইবার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলার কাব্যরসিক শিক্ষিত সমাজ কর্তৃক আদৃত হয়। কিন্তু প্রথম কাব্যগ্রন্থের উৎকর্ষ সন্মন্ধে অক্ষয়কুমার স্বয়ং কিঞ্চিৎ সংশয়াচ্ছন্ন ছিলেন। তাই দেখিতে পাই ১৩০০ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে ইহার দ্বিতীয় সংস্করণ<noinclude>{{indent/e}}</noinclude> 360iwec1008bjbjtx3p6acl4g16hrdy পাতা:অক্ষয়কুমার বড়াল গ্রন্থাবলী.djvu/১৬ 104 14131 1991897 1984008 2026-07-31T04:10:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991897 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Sumita Roy Dutta" />{{rh|৷০|'''অক্ষয়কুমার বড়াল-গ্রন্থাবলী'''|}}</noinclude>প্রকাশের সময় তিনি ইহাকে ঢালিয়া সাজান। এই সংস্করণের “বিজ্ঞাপনে” কবি লেখেন- “প্রথম সংস্করনের সাত আটটি কবিতা রাখিলাম। তাহাও আমূল পরিশধিত, এমন কি, নূতন কবিতাও বলা যায়। সূত্রানুসারে কনকাঞ্জলি ও ভূলের দুইটি কবিতা স্থান পাইয়াছে। অবশিষ্টগুলি নূতন।” দ্বিতীয় সংস্করনের পৃষ্ঠা-সংখ্যা ছিল ১১৩। {{gap}}কবি ইহাতেও ‘প্রদীপ’ সম্বন্ধে নিশ্চিন্ত হইতে পারেন নাই। ১৩১৯ সালের ফাল্গুন মাসে- তাঁহার সর্বশেষ কাব্য ‘এষা’ প্রকাশেরও সাত মাস পরে কবি ‘প্রদীপের’ দ্বিতীয় রূপান্তর ঘটান। তৃতীয় সংস্করনের পৃষ্ঠা-সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৫। কবিতাগুলি আবার আমূল সংস্কৃত হয়। কোন কোন সমালোচক মনে করেন, ইহাতে কাব্যখানির অপকর্ষই ঘটে। ‘সাহিত্য’— সম্পাদক সুরেশচন্দ্র সমাজপতি মহাশয় এই সংস্করনের জন্য “প্রস্তুতি” নামীয় ভূমিকা লিখিয়া দেন। কবির জীবিতকালে ‘প্রদীপের’ আর সংস্করন হয় নাই। আমরা সমাজপতি মহাশয়ের “প্রস্তুতি"সহ এই তৃতীয় সংস্করনের পাঠই এই ‘গ্রন্থাবলী’তে গ্রহণ করিয়াছি। {{gap}}ডক্টর নরেন্দ্রনাথ লাহা তাঁহার “৺কবিবর অক্ষয়কুমার বড়াল ও তাঁহার কাব্য-প্রতিভা” শীর্ষক বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ-স্মৃতিসভায় পঠিত প্রবন্ধে (২১ সেপ্টেম্বর, ১৯১৯) ‘প্রদীপ’ সম্বন্ধে বলেনঃ {{gap}}“প্রদীপ” কবির প্রথম গ্রন্থ। এই প্রথম রচনাতেই তাঁহার কবি-প্রতিভার যথেষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়। ইহার একটী মাত্র কবিতা “হৃদয়-সংগ্রাম” পাঠ করিলেই−− আমার কথার সার্থকতা বুঝা যাইবে। অন্তরের সহিত বাহিরের এই দুর্ব্বার দ্বন্দ্বকে লক্ষ্য করিয়াই ডাক্তার ব্রজেন্দ্রনাথ শীল মহাশয়, এই খানেই আধুনিক বাঙ্গলা সাহিত্যে Romanticism-এর জন্ম বলিয়া নির্দ্দেশ করিয়াছেন। রবীন্দ্রনাথের কাব্য-সৃষ্টির একস্তরে ইহা আছে। বড়ালকবিতেও ইহা আছে।— {{center|<poem> "কি ভীষণ চলেছে সংগ্রাম প্রিয়জন সনে অবিরাম! পূজ্য বৃদ্ধ পিতা মাতা,{{gap|3em}}স্নেহের পুত্তলী ভ্রাতা, সহোদরা−−বালিকা সুঠাম, তাহারাও জনে জনে{{gap|3em}}উন্মত্ত এ মহারণে! হা জীবন, হায় ধরাধাম! সখা সখী আত্মীয় স্বজন– তারাও যুঝিছে অনুক্ষণ! </poem>}}<noinclude></noinclude> ni0qh1oe5l8n7ddttj127kip9ksikow পাতা:অক্ষয়কুমার বড়াল গ্রন্থাবলী.djvu/১৭ 104 14138 1991899 1983292 2026-07-31T04:10:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991899 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Taheralmahdi" />{{rh||প্রদীপ: সম্পাদকীয় ভূমিকা|৶০}}</noinclude>{{center|<poem> প্রাণাধিকা প্রাণেশ্বরী{{gap|4em}}তারও সনে যুদ্ধ করি, সেও শত্রুসেনা এক জন! শত তপস্যার ফল{{gap|4em}}এই শিশু সুকোমল, এ-ও এক যোদ্ধা বিচক্ষণ!"</poem> Romanticism-এর মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব আছে, একটা বিদ্রোহের ভাবও আছে। রবীন্দ্রনাথের প্রথম স্তরের কবিতায় তাহা সুপরিস্ফুট। কিন্তু বড়ালকবির কাব্যের রূপান্তরে যে দ্বন্দ্ব ও বিদ্রোহের ভাব ফুটিয়াছে, তাহা প্রথম হইতেই অধিক পরিমাণে আত্মস্থ। বড়ালকবি কোথাও নিজেকে হারাইয়া ফেলেন নাই। তাঁহার ‘প্রদীপে’র “আবাহন”—কবিতা একনিষ্ঠ ও বিশ্বাসী হিন্দু সাধকের আবাহন,—এ আবাহনের অভিনবত্ব বুঝাইতে হইলে মাঝে মাঝে উধৃত করিতে হয়−−}} {{center|<poem>"হের, এ প্রণবে, সতী, স্তম্ভিত ব্রহ্মাণ্ড-গতি; দূর বিষ্ণুলোক হ’তে আশীর্ব্বাদ আসে স্রোতে, ঝর ঝর সপ্ত স্বর্গ, ঝরে শির’পর। ক্ষুদ্র নয়, তুচ্ছ নয় নর।”</poem>}} {{gap}}ইহা ইহলোক-পরলোকের সন্বন্ধ-বিশ্বাসী হিন্দুর কথা। প্রাণের দুর্ব্বার বেগে বড়ালকবি ঘর হইতে বাহির হইয়াছেন। {{gap}}তারপর— {{center|<poem>"এস তবে এস ভবে, সত্যই কৃতার্থ হবে; এ বিকচ তনু-মন বিধাতার ধ্যেয় ধন— দেবাসুর রণক্ষেত্র, সর্ব্বতীর্থ—সার; উপযুক্ত আসন তোমার।”</poem>}} কবির সুর এখানে উচ্চ গ্রামে পৌঁছিয়াছে— “যাহা আমার অভিমান ও আমিত্বের আকর, যাহা পাপাসুর ও পুণ্য-দেবতার রণভূমি— এক কথায় যাহা আমার সর্ব্বতীর্থের সারস্বরূপ সেই তনু-মনকে তোমার উপযুক্ত আসন করিয়া দিতেছি।” {{gap}}তারপর— {{center|<poem>” এল, ভেদি'/ব্রহ্মরন্ধ্র, হে আনন্দ—ভূমানন্দ! উৎপাটিয়া মর্ম্মস্থল সদ্যঃ-রক্তে ঝল—ঝল— </poem>}}<noinclude></noinclude> 06rmnsk90ldgc1jyk2hjqje58g4yspk পাতা:অক্ষয়কুমার বড়াল গ্রন্থাবলী.djvu/৩১ 104 14148 1991901 1984014 2026-07-31T04:10:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991901 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Taheralmahdi" /></noinclude><big>{{center|'''১'''}}</big> <big>{{center|'''কবিতা'''}}</big> {{center|<poem>আহা, প্রাণারাম কিবা{{gap}}নির্ম্মল উজ্জ্বল বিভা চারি দিকে খেলিছে তোমার, ছড়াইছে সৌন্দর্য্য অপার! ও আলোকে মুগ্ধ হিয়া,{{gap}}দিগ্বিদিক্ হারাইয়া, বিহ্বল- পাগল কোথাকার- দেখ, দেখ, কি আনন্দ তার! একটা প্রদীপ ল’য়ে{{gap}}ছুটে আসে ব্যস্ত হ’য়ে, গরবে বলিয়া বার বার,— ‘এই লও, ধর উপহার!'</poem>}} <big>{{center|'''ভাবুকতা'''}}</big> {{center|<poem>ওই দূরে- গিরি-নির্ঝরিণী লইয়া কোমল দেহখানি, অতৃপ্ত, চঞ্চল, আভিমানী, যায় ত্যাজি’ গিরির হৃদয়, সুখ-স্বপ্ন-কল্পনা-আলয়; না ভাবিয়া ক্ষণ-তরে{{gap}}ধরায় আছাড়ি’ পড়ে— কাঁদিয়া বেড়াতে ধরাময়! একদিন— দ্বিপ্রহরে{{gap}}জগতের মরু’পরে শুষ্ককণ্ঠে করিতে চিৎকার,— ‘সে পাষাণ কোথায় আমার!'</poem>}} <big>{{center|'''কবিত্ব'''}}</big> {{center|<poem>একবার, নারী, তব প্রেম-মুখ হেরি’, আর বার প্রকৃতির শ্যাম বুক হেরি’,</poem>}}<noinclude></noinclude> gggqibhni6hnrtlwksxz091av0xjbhh পাতা:অক্ষয়কুমার বড়াল গ্রন্থাবলী.djvu/৩৪ 104 14163 1991850 1980565 2026-07-31T04:07:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991850 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Engr.Raju" /></noinclude>{{center|অক্ষয়কুমার বড়াল-গ্রন্থাবলী}} {{center|<poem>এত ভিন্ন, এত দূরে,—তবু দু’জনায় জীবনে মরণে বাঁধা—কি রহস্য মরি! লুটিছে বরষা-লীলা ক্ষুদ্র উর্ম্মি ধরি’, ফুটিছে বসন্ত-রুচি শীত-কুয়াসায়! অঙ্গারের সৃষ্ট মণি, মরের অমরী- এ কি শুভ স্বস্তিবাণী রূঢ় অভিশাপে! নরকে জন্মিল স্বর্গ, পূণ্য- পাপে তাপে, মানবে ফলা’ল রঙ্গ্ বিধি-চিত্রোপরি! </poem>}} <big>{{center|নারী-বন্দনা}}</big> {{center|<poem>রমণী রে, সৌন্দর্য্যে তোমার সকল সৌন্দর্য্য আছে বাঁধা। বিধাতার দৃষ্টি যথা{{gap}}জড়িত প্রকৃতি সনে, দেব-প্রাণ বেদ-গানে সাধা! সৌন্দর্য্যের মেরুদণ্ড তুমি, বিশ্বের শৃঙ্খলা তোমা’পরে। তপনের আকর্ষণে{{gap}}ঘুরে যথা গ্রহগণ, তালে তালে, গেয়ে সমস্বরে। তোমারি ও লাবণ্য-ধারায় কালের মঙ্গল-পরকাশ। অসম্পূর্ণ এ সংসারে{{gap}}তুমি পূর্ণতার দীপ্তি, সান্ধ্য-মেঘে স্বর্গের আভাস! এ নির্ম্মম জীবন-সংগ্রামে তুমি বিধাতার আশীর্ব্বাদ। নিত্য জয়-পরাজয়ে{{gap}}পাছে পাছে ফিরিতেই অঞ্চলে লইয়া সুখ-সাধ!</poem>}}<noinclude></noinclude> hmpc8dnyoao155u5cm9d67awmrd6otf পাতা:বর্ত্তমান ভারত.djvu/১২ 104 19033 1992326 1966784 2026-07-31T05:01:53Z Bodhisattwa 2549 1992326 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumita Roy Dutta" />{{center|ভূমিকা}} {{rule}}</noinclude>লোকের তো কথাই নাই, তাহাদের রুচি মার্জ্জিত এবং বিশুদ্ধ হইয়া চিন্তাশীল লোকের সম্মানার্হ হওয়া এখনও অনেক দূর। অতএব ভাষা সম্বন্ধেও এ প্রকার প্রতিবাদের উত্তর প্রদান আমরা অনাবশ্যক বিবেচনা করিলাম এবং পাঠকের নিজ নিজ বিচারবুদ্ধিই এস্থলে মীমাংসক রহিল। {{ফাঁক}}পরিশেষে ব্রাহ্মণাদি উচ্চ বর্ণের উপর স্বামীজীর কিছু বিশেষ কটাক্ষ আছে বলিয়া যে প্রতিবাদ-ধ্বনি “বর্ত্তমান ভারতের” প্রথমাবির্ভাবে উঠিয়াছিল, সে বিষয়েও সপক্ষে বা বিপক্ষে কোন কথা না বলিয়া পাঠকের সত্যানুরাগ এবং স্পষ্টবাদিতার উপরেই আমরা নির্ভর করিলাম। সহস্র প্রতিবাদেও সত্যের অপলাপ বা অসত্যের প্রতিষ্ঠা হয়না এবং “মন মুখ এক করাই” সত্যলাভের প্রধান সাধন, ইহা যেন আমরা নিত্য মনে রাখতে পারি। নিন্দার কটুকশাঘাতে অভিজাত ব্যক্তির হৃদয়ে আত্মানুসন্ধান এবং সংশোধনেচ্ছাই<noinclude>{{center|৷৵৹}}</noinclude> dae2br8293t8my6766uqo9ympdo99bd পাতা:বর্ত্তমান ভারত.djvu/১৩ 104 19035 1992324 1977756 2026-07-31T05:00:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992324 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumita Roy Dutta" />{{rh||{{larger|ভূমিকা{{rotate|90|'''~'''}}}}|}} {{rule}}</noinclude>বলবতী হয়, কিন্তু ইতর ব্যক্তির হৃদয় ঐ আঘাতে জঘন্য অসত্য, হিংসা, সত্যগোপন প্রভৃতি কুপ্রবৃত্তির আশ্রয় গ্রহণ করিয়া অবনতির পথে দ্রুতপদসঞ্চারে অগ্রসর হয়। {{indent/s}} এখানে ভারতের মহাকবির কথা আমাদের মনে উদয় হইতেছে, যথা:— ::"অলোকসামান্যমচিন্ত্যহেতুকম্‌::নিন্দন্তি মন্দাশ্চরিতম্‌ মহাত্মনাম্!” {{rh|{{gap|1em}}{{smaller|১লা জ্যৈষ্ঠ}}<br/>{{gap|4em}}{{smaller|১৩১২}}|{{xx-larger|<big>}</big>}}|{{smaller|অলমিতি-}}<br/>{{gap|3em}}{{larger|সারদানন্দ।}}}} {{indent/e}} {{nop}}<noinclude></noinclude> elowd59uqphenidba0nrhx1ko7xm21c 1992331 1992324 2026-07-31T05:03:43Z Bodhisattwa 2549 1992331 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumita Roy Dutta" />{{rh||{{larger|ভূমিকা{{rotate|90|'''~'''}}}}|}} {{rule}}</noinclude>বলবতী হয়, কিন্তু ইতর ব্যক্তির হৃদয় ঐ আঘাতে জঘন্য অসত্য, হিংসা, সত্যগোপন প্রভৃতি কুপ্রবৃত্তির আশ্রয় গ্রহণ করিয়া অবনতির পথে দ্রুতপদসঞ্চারে অগ্রসর হয়। {{ফাঁক}}এখানে ভারতের মহাকবির কথা আমাদের মনে উদয় হইতেছে, যথা:— {{bc|<poem>“অলোকসামান্যমচিন্ত্যহেতুকম্‌ নিন্দন্তি মন্দাশ্চরিতম্‌ মহাত্মনাম্!”</poem>}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>১লা জ্যৈষ্ঠ ১৩১২</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|অলমিতি—<br/> {{larger|সারদানন্দ।}}}} |}<noinclude></noinclude> df85g4xmdaqo0012qcj5adu1yf18y8o পাতা:বৌদ্ধগান ও দোহা.djvu/৪৮ 104 24198 1992371 1815384 2026-07-31T05:40:04Z Hrishikes 1618 1992371 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" /></noinclude><section begin="অ০" />{{c|{{xx-larger|চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়ঃ}} '''বৌদ্ধ-সহজিয়া-মতের''' {{larger|অতিপুরাণ বাঙ্গালা গান<p/> ও তাহার সংস্কৃত টীকা}} {{dhr|3em}} {{larger|নমঃ শ্রীবজ্রযোগিন্যৈ।}}}} <section end="অ০" /> <section begin="অ১" />{{c|১}} {{block center|<poem> কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চীএ পইঠো কাল॥॥ দিট করিঅ মহাসুহ পরিমাণ লুই ভণই গুরু পুচ্ছিঅ জাণ॥ ধ্রু॥ সঅল স[মা]হিঅ কাহি করিঅই সুখ দুখেতেঁ নিচিত মরিআই॥ ধ্রু॥ এড়িএউ ছান্দক বান্ধ করণক পাটের আস সুনুপাখ ভিতি লাহু রে পাস॥ ধ্রু॥ ভণই লুই আম্‌হে সাণে দিঠা ধমণ চমণ বেণি পাণ্ডি বইণ॥ ধ্রু॥ {{smaller|শ্রীমৎসৎগুরুবক্ত্রপঙ্কজরসাস্বাদস্ফুরদ্ধীদয়ো নত্বা শ্রীকুলিশেশমদ্দ্বয়ধিয়ং শ্রদ্ধাপ্রসন্নাননঃ। শ্রীলূয়ীচরণাদিসিদ্ধরচিতেঽপ্যাশ্চর্য্যচর্য্যাচয়ে সদ্বর্ত্মা<ref>পুথিতে বর্ত্মো আছে।</ref>বগমায় নির্ম্মলগিরাং টীকাং বিধাস্যে স্ফুটম্॥}} </poem>}} {{nop}} <section end="অ১" /><noinclude>{{smallrefs|85%}}</noinclude> emfd6002hfxdya7fhugf9m5f4v0o529 পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৪০১ 104 26590 1991692 1858678 2026-07-31T04:01:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991692 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|বঙ্গদেশ (অধিবাসী)|[৩৯১]|বঙ্গদেশ (অবস্থা)}} {{Head2Columns‎||}}</noinclude><section begin="বঙ্গদেশ উৎপন্ন দ্রব্য ও অধিবাসী" />বাণিজ্যকেন্দ্র বলিয়া পরিগণিত। তন্মধ্যে যে গুলি বিশেষ সমৃদ্ধ ও ধনজনপূর্ণ, নিম্নে তাহাদের নাম উল্লেখ করা গেল— {{block center/s|width=350px}} {|{{ts|mc|wa}} |{{ts|ac}} colspan="3"|নগরের নাম |{{ts|ac}} colspan="2"|লোকসংখ্যা |- |{{ts|al}} colspan="3"|কলিকাতা সহরতলী, ভবানীপুর কালীঘাট একত্র |{{ts|ar}} |৮ |{{ts|ar}} |লক্ষ |- |{{ts|al}} |পাটনা |{{ts|ar}} |১ |{{ts|ac}} |লক্ষ |{{ts|ar}} |৭১ |{{ts|ar}} |হাজার |- |{{ts|al}} |হাবড়া |{{ts|ar}} |১ |{{ts|ac}} |„ |{{ts|ar}} |৫ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |ঢাকা |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৮০ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} width=60%|গয়া |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৭৭ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} width=60%|ভাগলপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৬৯ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} width=60%|দরভাঙ্গা |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৬৬ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} width=60%|মুঙ্গের |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৫৬ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |ছাপরা |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৫২ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |বেহার |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৪৯ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |আরা |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৪৩ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |কটক |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৪৩ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |মুজঃফরপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৪২॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |মুর্শিদাবাদ |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩৯॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |দানাপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩৮ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |বৰ্দ্ধমান |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩৪ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |মেদিনীপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩৩॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |হুগলী ও চুঁচুড়া |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩১ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |আগরপাড়া |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩০॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |বরাহনগর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |৩০ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |শান্তিপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২৯॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |কৃষ্ণনগর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২৭॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |শ্রীরামপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২৫॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |হাজীপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২৫ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |বহরমপুর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২৩॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |পুরী |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২২ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |নৈহাটী |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২১॥ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |বেতিয়া |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২১ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |সিরাজগঞ্জ |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২১ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |চট্টগ্রাম |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২১ |{{ts|ac}} |„ |- |{{ts|al}} |বালেশ্বর |{{ts|ar}} |&nbsp; |{{ts|ac}} |&nbsp; |{{ts|ar}} |২০ |{{ts|ac}} |„ |} {{block center/e}} {{gap}}বিগত ১৯০৫ খৃষ্টাব্দে রাজকীয় নিয়মানুসারে বঙ্গরাজ্যকে দ্বিখণ্ড করিয়া উহার কতকাংশ লইয়া আসাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে। এই মিলিত প্রদেশ এক্ষণে ‘পূর্ব্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ’ বলিয়া পরিচিত। প্রাচীন বাঙ্গালা হইতে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বগুড়া, পাবনা, ময়মনসিংহ, রঙ্গপুর, দিনাজপুর, ফরিদপুর ও রাজশাহী জেলা বিচ্ছিন্ন করিয়া এই বিভাগে সংযুক্ত করা হইয়াছে। পক্ষান্তরে সীমা-সামঞ্জস্য রক্ষা হেতু মধ্যপ্রদেশ হইতে সম্বলপুর বিভাগ বাঙ্গালা প্রেসিডেন্সীভুক্ত করা হইয়াছে। {{gap}}বাঙ্গালার জনসংখ্যা প্রায় ৭ কোটি হইবে। এই ৭ কোটির মধ্যে প্রায় ৪ কোটি ৬০ লক্ষ লোক বেকার। এই কারণেই যে দেশের দারিদ্র্য উত্তরোত্তর পরিবর্দ্ধিত হইতেছে, তাহাতে সন্দেহ নাই। ঐ ৪॥০ কোর্টি লোকের মধ্যে শিশু বালিকা ও রমণীগণ গৃহীত। তন্মধ্যে ৩ কোটি ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার লোক গৃহকর্ম্মাদি ব্যতীত অপর কোন কার্য্যই করে না। অবশিষ্ট ৪০ লক্ষ ৫০ হাজার স্ত্রীলোকের মধ্যে প্রায় ২০ লক্ষ কৃষিকার্য্যের সহযোগিতা করে এবং তদবশিষ্ট কলকারখানায় ও গৃহস্থের বাটীতে কার্য্যে লিপ্ত থাকে। কতকগুলি বা বাঁশের কাজে, ডাকের গহনা ও জরি প্রভৃতি প্রস্তুত কার্য্যে বা তদনুরূপ সামান্য শিল্পকার্য্যে নিযুক্ত রহিয়াছে। ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ পুরুষের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ৩৫ হাজার লোক বেকার। ইহাদের{{TwoColumns}} মধ্যে বালক ও বৃদ্ধের সংখ্যাই অধিক। প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৩০ হাজার লোক কৃষি ও ভূসম্পত্তিভোগী, ২৫ লক্ষ কলকারখানায় ও বিভিন্ন শিল্পকার্য্যে নিযুক্ত রহিয়াছে। অনুমান ১০ লক্ষ বাণিজ্যকার্য্যে লিপ্ত। তদপেক্ষা কিছু কম দাসত্বশৃঙ্খলে আবদ্ধ। অবশিষ্ট প্রায় ৬ লক্ষ ২৫ হাজার লোক গবর্মেণ্টের বেতনভোগী কর্ম্মচারী। {{gap}}হিন্দু, মুসলমান, খৃষ্টান প্রভৃতি বিভিন্ন ধর্ম্মাবলম্বী জাতি লইয়া বাঙ্গালার এই অধিবাসিসংখ্যা গঠিত। প্রকৃত বঙ্গবাসীর মধ্যে সামাজিক মর্য্যাদানুসারে যে যে শ্রেণীগত বিভাগ হইয়াছে, নিম্নে তাহদের নাম বা সামাজিকসংজ্ঞা লিখিত হইল:— {{gap}}হিন্দু—ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, ক্ষত্রিয় বা রাজপুত, বৈদ্য, বাভন, বেণিয়া, গোয়ালা, আহীর, সদ্গোপ, কৈবর্ত্ত, জেলে, তিওর, পোদ, তেলী, কলু, শুঁড়ী, কুমার, কামার, গোঁড়, তাম্বূলী, কোএরী, কুর্ম্মী ইত্যাদি এবং অনার্য্য—সাঁওতাল, কোল, ওরাওন, মুণ্ডা, ভুঁইয়া, ভূমিজ, খরবার, কোচ ইত্যাদি। অৰ্দ্ধহিন্দু—চণ্ডাল, কোচ, পলী, রাজবংশ, বাগ্‌দী, বাওরী, চামার, মুচী, দোসাধ, মুসাহর, পাসী প্রভৃতি।<ref group=ব্যাখ্যা>Tribes and Castes of Bengal by {{wdl|Q15130813|Risley}}.</ref> এই সকল ও বঙ্গবাসী অন্যান্য জাতির বিবরণ অন্যত্র প্রদত্ত হইয়াছে। {{float right|4=1em|[তত্তৎ শব্দ দেখ।]}} {{gap}}পূর্ব্বে কথিত হইয়াছে যে, কৃষিকার্য্যই এখানকার অধিবাসিবর্গের প্রধান উপজীবিকা। উৎপন্ন দ্রব্যের মধ্যে ধান্য ও পাট প্রধান, তদ্ভিন্ন এখানকার কৃষকগণ আবশ্যক মত তৈলকর বীজ, ছোলা, কলাই প্রভৃতি নানা শস্যের চাস করিয়া থাকে। আমন, আউস, বোরো এবং উরী বা জাড়া (জলা) ধান বিভিন্ন সময়ে উৎপন্ন হয়। সরিষা, তিসি ও কলাই প্রভৃতি রবি শস্য সময়ান্তরে উৎপন্ন হইতে দেখা যায়। পাট বা কোষ্টার চাস এখন উত্তরোত্তর বাড়িতেছে, কিন্তু নীলের চাস উঠিয়া যাইতেছে। পূর্ব্ববঙ্গের নীলকুটীমাত্রই এখন পতিতাবস্থায় পড়িয়া রহিয়াছে। পশ্চিম বঙ্গের কএকটী স্থানে মাত্র নীল পচান হইতেছে। হিমালয়পাদমূলস্থ দাৰ্জ্জিলিঙ্গ জেলাসমূহে চা ও সিন্‌কোনা এবং ভাগলপুর ও বেহার অঞ্চলের নানাস্থানে অহিফেনের চাস আছে। <section end="বঙ্গদেশ উৎপন্ন দ্রব্য ও অধিবাসী" /> <section begin="বঙ্গদেশ বর্ত্তমান অবস্থা" /><noinclude>{{c|বর্ত্তমান অবস্থা।}}</noinclude>{{gap}}অবস্থার পরিবর্ত্তনের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবাসী বাঙ্গালী জাতির অদৃষ্টও ক্রমশঃ মন্দ হইয়া পড়িতেছে। যে বাঙ্গালীর বীরত্বকাহিনী চিরন্তন কাল হইতে ইতিহাসের উজ্জ্বল চিত্রপটে প্রতিফলিত রহিয়াছে, সেই বাঙ্গালী আজি অন্নদায়ে লালায়িত। মহাভারতীয় যুগেও বঙ্গীয় বীরগণের প্রভাব দিগন্তে রাষ্ট্র হইয়াছিল। স্বাধীন বাঙ্গালী রাজগণ দোর্দ্দণ্ড প্রতাপে রাজ্যশাসন করিয়া গিয়াছেন। শূরবংশ, পালবংশ ও সেনবংশীয়<noinclude> {{rule}} {{smallrefs|85%|group=ব্যাখ্যা}}</noinclude><section end="বঙ্গদেশ বর্ত্তমান অবস্থা" /><noinclude>{{Foot2Columns}}</noinclude> 0z30k1chhb9j030432j9bie3ed60ku3 পাতা:সুকান্ত সমগ্র.djvu/২০ 104 26669 1992182 1986781 2026-07-31T04:29:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992182 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Muhammad Abdullah ffaf" /></noinclude>সুকান্তকে সেই চায়ের দোকানে এনে হাজির করেছিল। সুকান্তর চোখের দিকে তাকিয়ে তার কবিত্বশক্তি সম্বন্ধে সেদিন কেন আমি নিঃসংশয় হয়েছিলাম, সে বিষয়ে কেউ যদি আমাকে জেরা করে আমি সদুত্তর দিতে পারব না। {{gap}}সে সব কবিতা পরে ‘পূর্বাভাস’—এ ছাপা হয়েছে। তাতে কী এমন ছিল যে, প’ড়ে সেদিন আমরা একেবারে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম? আজকের পাঠকেরা আমাদের সেদিনকার বিস্ময়ের কারণটা ধরতে পারবেন না। কারণ, বাংলা কবিতার ধারা তারপর অনেকখানি ব’য়ে এসেছে। কোনো কিশোরের পক্ষে ঐ বয়সে ছন্দে অমন আশ্চর্য দখল, শব্দের অমন লাগসই ব্যবহার সেদিন ছিল অভাবিত। হালে সে জিনিস প্রায় অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছে। {{gap}}জীবনের অভিজ্ঞতাকে ক্ষমতায় বেঁধে সুকান্ত যখন কবিতার বিদ্যুৎশক্তিকে কলকারখানায় খেতে খামারে ঘরে ঘরে সবে পৌছে দিতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই মৃত্যু তাকে কেড়ে নিয়ে গেল। আরম্ভেই সমাপ্তির এই শোকে বাংলা সাহিত্য চিরদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলবে। {{gap}}সুকান্ত বেঁচে থাকতে তার অনুরাগী পাঠকদের মধ্যে আমার চেয়ে কড়া সমালোচক অপর কেউ ছিল কিনা সন্দেহ। এখন ভেবে খারাপ লাগে। সামনাসামনি তাকে কখনো আমি বাহবা দিই নি। তার লেখায় সামান্য ক্রটিও আমি কখনও ক্ষমা করি নি। {{gap}}এ প্রসঙ্গ তুলছি স্মৃতিচারণার জন্যে নয়। পাঠকেরা পাছে বিচারে ভুল করেন, তার যুগ আর তার বয়স থেকে পাছে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে দেখবার চেষ্টা করেন—সেইজন্যে গোড়াতেই আজকের পাঠকদের খানিকটা হুঁশিয়ার ক’রে দিতে চাই।<br /> খুঁত ধরব জেনেও, নতুন কিছু লিখলেই সুকান্ত আমাকে একবার না শুনিয়ে ছাড়ত না। আমি তখন কবিতা ছেড়ে ‘জনযুদ্ধ’ নিয়ে ডুবে আছি। অফিসে ব’সে কথা বলবারও বেশি সময় পেতাম না। আমাদের অধিকাংশ কথাবার্তা হত সভায় কিংবা মিছিলে যাতায়াতের রাস্তায়। ‘কী নিয়ে লিখব?'—এটা কখনই আমাদের আলোচনার বিষয় হত না। ‘কেমন ক’রে লিখব?'—এই নিয়েই ছিল আমাদের যত মাথাব্যথা। {{gap}}কিশোর বাহিনীর আন্দোলনে সুকান্তকে টেনে এনেছিল তখনকার<noinclude></noinclude> g1sl8igxv1im59r3kyz0k4w3jp5dsw3 পাতা:সুকান্ত সমগ্র.djvu/২০৬ 104 26786 1992183 1983190 2026-07-31T04:29:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992183 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude><section begin="A" /><poem> কেউ তাকে বলল, ‘বিশ্বকবি’, কেউ বা ‘কবিগুরু’ উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম চারদিক করল প্রণাম। তাই পৃথিবী আজো অবাক হয়ে তাকিয়ে বলছে: কেমন ক’রে? সে প্রশ্ন আমাকে ক’রো না, এ প্রশ্নের জবাব তোমাদের মতো আমিও খুঁজি॥ </poem> {{dhr|6em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{larger|'''ভেজাল'''}} <poem> ভেজাল, ভেজাল, ভেজাল রে ভাই, ভেজাল সারা দেশটায়, ভেজাল ছাড়া খাঁটি জিনিস মিলবে নাকো চেষ্টায়। ভেজাল তেল আর ভেজাল চাল, ভেজাল ঘি আর ময়দা, ‘কৌন ছোড়ে গা ভেজাল ভেইয়া, ভেজালসে হয় ফয়দা।’ ভেজাল পোশাক ভেজাল খাবার, ভেজাল লোকের ভাবনা, ভেজালেরই রাজত্ব এ পাটনা থেকে পাবনা। ভেজাল কথা—বাংলাতে ইংরেজী ভেজাল চলছে, ভেজাল দেওয়া সত্যি কথা লোকেরা আজ বলছে। ‘খাটি জিনিস’ এই কথাটা রেখো না আর চিত্তে, ‘ভেজাল’ নামটা খাঁটি কেবল আর সকলই মিথ্যে। কলিতে ভাই ‘ভেজাল’ সত্য ভেজাল ছাড়া গতি নেই, ছড়াটাতেও ভেজাল দিলাম, ভেজাল দিলে ক্ষতি নেই॥ </poem> <section end="B" /><noinclude>{{left|১৯৯}}</noinclude> t38slx74pkw8nivv5vej3me0e5kzxoy পাতা:সুকান্ত সমগ্র.djvu/২১০ 104 26790 1992184 1959531 2026-07-31T04:29:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992184 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude><section begin="A" /><poem> ‘মল্লিক’ ‘মল্লিকা’, ‘দাস’ হলে ‘দাসা’ শোনাবে পদবীগুলো অতিশয় খাসা; ‘কর’ যদি করা হয়, ‘ধর’ হয় ‘ধরা’, মেয়েরা দেখবে এই পৃথিবীটা—“সরা”। ‘নাগ’ যদি ‘নাগা’ হয়, ‘সেন’ হয় ‘সেনা, বড়ই কঠিন হবে মেয়েদের চেনা॥ {{dhr|6em}} </poem> <section end="A" /> <section begin="B" /><poem> {{larger|'''বিয়ে বাড়ির মজা'''}} বিয়ে বাড়ি: বাজছে সানাই, বাজছে নানান বাদ্য একটি ধারে তৈরি হচ্ছে নানা রকম খাদ্য; হৈ-চৈ আর চেঁচামেচি, আসছে লুচির গন্ধ, আলোয় আলোয় খুশি সবাই, কান্নাকাটি বন্ধ, বাসরঘরে সাজছে ক’নে, সকলে উৎফুল্ল, লোকজনকে আসতে দেখে কর্তার মুখ খুলল: “আসুন, আসুন বসুন সবাই, আজকে হলাম ধন্য, যৎসামান্য এই আয়োজন আপনাদেরই জন্য; মাংস, পোলাও, চপ-কাটলেট, লুচি এবং মিষ্টি খাবার সময় এদের প্রতি দেবেন একটু দৃষ্টি।” বর আসে নি, তাই সকলে ব্যস্ত এবং উৎসুক, আনন্দে আজ বুক সকলের নাচছে কেবল ধুক্-ধুক্, ‘হুলু’ দিতে তৈরি সবাই, শাঁখহাতে সব প্রস্তুত, সময় চলে যাচ্ছে বলে মনটা করছে খুঁত-খুঁত। </poem> <section end="B" /><noinclude>{{left|২০৩}}</noinclude> cgd4354yr2qk7vvzzil3oowr53as40i পাতা:সুকান্ত সমগ্র.djvu/২৮১ 104 26856 1992185 1784841 2026-07-31T04:29:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992185 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" /></noinclude>প্রসন্ন, অন্যথায় প্রসন্ন করবার প্রাণপণ চেষ্টা করবে। তোমার প্রেমের মৃদুশীতলধারায় তার নিত্যস্নানের ব্যবস্থা কর, আর তোমার সান্নিধ্যের উষ্ণতায় তাকে ভরিয়ে তুলো। {{gap}}তুমি চলে যাবার পর আমি তারাশঙ্করের ‘ধাত্রীদেবতা’, বুদ্ধদেব প্রেমেন্দ্র-অচিন্ত্যর ‘বনশ্রী’, প্রবোধের ‘কলরব’, মণীন্দ্রলাল বসুর ‘রক্তকমল’ ইত্যাদি বইগুলি পড়লাম। প্রত্যেকখানিই লেগেছে খুব ভাল। আর অনাবশ্যক চিঠির কলেবব বৃদ্ধির কি দবকার? আশা করি তোমরা সকলে, তোমাব মা-বাবা-ভাই-বোন... ... ইত্যাদি সকলেই দেহে ও মনে সুস্থ। তুমি কি লিখলে-টিখলে? তোমার মা গল্প-সল্প কিছু লিখছেন তো? তাহলে আজকের মতো লেখনী কিন্তু চিঠির কাগজের কাছে বিদায় নিচ্ছে। {{Right|২১শে পৌষ, ’৪৮}} {{Right|—সুকান্ত ভট্টাচার্য}} ♠ '''দুই''' {{Right|বেলেঘাটা}} {{Right|কলকাতা}} {{Right|৩৪, হরমোহন ঘোষ লেন}} {{Right|—ফাগুনের একটি দিন।}} অরুণ, {{gap}}তোর অতি নিরীহ চিঠিখানা পেয়ে তোকে ক্ষমা করতেই হল, কিন্তু তোর অতিরিক্ত বিনয় আমাকে আনন্দ দিল এইজন্যে যে, ক্ষমাটা তোর কাছ থেকে আমারই প্রাপ্য; কারণ তোর আগের ‘ডাক-বাহিত’<noinclude>{{right|২৭৪}}</noinclude> 2s6rggrko2w8thpqfprrxa8nb1gud7i পাতা:সুকান্ত সমগ্র.djvu/৪১৪ 104 26962 1992187 1926387 2026-07-31T04:29:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992187 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" /></noinclude>{{Right|অপ্রচলিত রচনা: পরিচিতি}} {{gap}}১। ‘ক্ষুধা’ গল্পটি ২রা এপ্রিল ১৯৪৩-এর অরণি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। অরুণাচলকে লেখা ২৭শে চৈত্র ১৩৪৯ তারিখের চিঠিতে এই গল্পটির উল্লেখ করেছেন সুকান্ত। {{gap}}২। ‘দুর্বোধ্য’ গল্পটি ২৮শে মে ১৯৪৩-এর অরণি পত্রিকায় চিত্র-গল্প হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে। {{gap}}৩। ‘ভদ্রলোক’ গল্পটিও অরণিতে ১৪ই ফ্রেব্রুয়ারী ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে। {{gap}}৪। ‘দরদী কিশোর’ গল্পটি সাপ্তাহিক জনযুদ্ধ পত্রিকায় কিশোর বিভাগে ২৮শে এপ্রিল ১৯৪৩ সালে প্রকাশিত হয়। {{gap}}৫। ‘কিশোরের স্বপ্ন’ গল্পটি জনযুদ্ধের কিশোর বিভাগে ৬ই অক্টোবর ১৯৪৩ সালে প্রকাশিত হয়। জনযুদ্ধে প্রকাশিত গল্প দুটি শ্রীসুধী প্রধানের সহায়তায় সংগৃহীত। {{gap}}৬। ‘ছন্দ ও আবৃত্তি’ প্রবন্ধটি ২৫শে ফেব্রুয়ারী ১৯৪৪-এর অরণিতে প্রকাশিত হয়েছে। {{gap}}৭। গানটির রচনাকাল আনুমানিক ১৯৪০। এটি ‘সূর্য-প্রণাম’-এর সমকালীন একটি অসম্পূর্ণ গীতিকাব্যের প্রথমাংশ বলে মনে হয়। {{gap}}৮। এই গানটি শ্রীবিমল ভট্টাচার্য তাঁর স্মৃতি থেকে উদ্ধার করে দিয়েছেন। গানটি গীতিগুচ্ছের গানগুলির সমকালীন বলে মনে হয়। {{gap}}৯। সেপ্টেম্বর ১৯৪২-এ প্রকাশিত ‘জনযুদ্ধের গান’ সংকলন গ্রন্থটি থেকে এই গানটি সংগৃহীত। {{gap}}১০। গানটি মাসিক বসুমতী, আশ্বিন ১৩৬৩-তে প্রকাশিত হয়েছে। পাণ্ডুলিপিও পাওয়া গেছে। রচনাকাল আনুমানিক ১৯৪৩-৪৪ সাল। {{gap}}১১। গানটির রচনাকাল ১৯শে জুলাই ১৯৪৪ সাল। ১২-১৩। ‘ভবিষ্যতে’ ও ‘সুচিকিৎসা'—এই ছড়া দুটি শ্রীভূপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের লেখা সুকান্ত-প্রসঙ্গ’, ‘শারদীয়া বসুমতী’, ১৩৫৪-থেকে সংগৃহীত। পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় নি! এগুলি ১৯৪০-এর আগের লেখা বলে অনুমিত। {{nop}}<noinclude>{{Left|৪০৭}}</noinclude> ms0tiduxm9inlyotavpo1pygw8na71y পাতা:রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ.djvu/১০৯ 104 27184 1992155 1561497 2026-07-31T04:26:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992155 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Santd3" /></noinclude>চতুর্থ পরিচ্ছেদ। ৭৫ অনুশীলন করা। ইহাদের প্রযত্নে রামপুরে উক্ত উভয় বিষয়েই উন্নতি হইতে লাগিল এবং তাহার ফল সমগ্র দেশে ব্যাপ্ত হইয়া পড়িল। এই কালের আর একটী অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। সে সময়ে যে সকল সিবিলিয়ান পুরাতন হালিবরি কালেজ হইতে উত্তীর্ণ হইরা এদেশে আসিতেন, তাহাদিগকে আসিয়াই দেশের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে গমন করিতে হইত এবং শাসন সংক্রান্ত বিবিধ গুরুতর কার্যের ভার গ্রহণ করিতে হইত। তাহারা যখন এদেশে পদার্পণ করিতেন তখন সম্পূর্ণরূপে এদেশীয় ভাষা, এদেশীয় রীতি নীতি, এদেশীর লোকের স্বভাব চরিত্র, মনের ভাব, প্রভৃতি বিষয়ে অনভিজ্ঞ থাকিতেন! এজন্য তাঁহারা অনেক সময়ে আপনাদের কার্য্য সুচারুরূপে সম্পন্ন করিতে পারিতেন না; অনেক সময়ে অজ্ঞতা বশতঃ উৎকোচজীবী নিম্নতম কর্ম্মচারীদের আশ্রয় লইতেন; অনেক সময়ে বিচার কার্য্যে ভ্রম প্রমদ করিয়া ফেলতেন। গবর্ণর জেনেরাল লর্ড ওয়েলেসলি এই অভাবটী দূর করিবার চেষ্টা করেন। লর্ড ওয়েলেসলির ন্যায় প্রতিভাশালী ও মনস্বী গবর্ণর জেনেরাল অতি অল্পই দেখা গিয়াছে। তিনি সঙ্কল্প করিলেন, যে নবাগত সিবিলিয়ানদিগকে কিছুদিন কলিকাতাতে দেশীয় ভাষা শিক্ষা দিয়া পরে রাজকার্য্যে প্রেরণ করবেন। তদনুসারে ১৮০০ সালে কলিকাতাতে ফোর্ট উইলিয়াম কালেজ নামে একটা কালেজ স্থাপন করিলেন। কালেজ স্থাপন করিলেই পাঠ্য পুস্তকের প্রয়োজন হইল। তখন বাঙ্গালী ভাষায় পাঠ্য পুস্তক ছিল না। লর্ড ওয়েলেসলি কিছুতেই পশ্চাৎপদ হইবার লোক ছিলেন না। তাঁহার প্ররোচনায় মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার নামক উড়িষ্যা-দেশীয় কলেজের একজন পণ্ডিত বাঙ্গালা গ্রন্থ রচনা করিতে প্রবৃত্ত হইলেন। এই সময়ে মুহূঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, উইলিয়াম কেরী, রামরাম বসু, হরপ্রসাদ রায় প্রভৃতি কয়েক ব্যক্তি কতকগুলি গ্রন্থ প্রণয়ন করেন। তন্মধ্যে রাজীবলোচন প্রণীত “কৃষ্ণচন্দ্র চরিত’, কেরী প্রণীত “বাঙ্গালী ব্যাকরণ”, রামরাম বসু প্রণীত “প্রতাপাদিত্য চরিত” ও “লিপিমালা”, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার প্রণীত “বত্রিশসিংহাসন” ও “রাজাবলী,” চণ্ডীচরণ মুন্সী প্রণীত ‘তোতার ইতিহাস’, হরপ্রসাদ রায় প্রণীত “পুরুষ পরীক্ষা” বিশেষ . উল্লেখযোগ্য। ১৮০০ খৃষ্টাব্দ হইতে ১৮১৮ খৃষ্টাব্দের মধ্যে ঐ সমস্ত গ্রন্থ রচিত হইয়াছিল। এই সকল গ্রন্থের অধিকাংশের ভাষা পারসী-বহুল ও দুর্বোধ। তখনকার বাঙ্গালা ও বর্তমান বাঙ্গালাতে এত প্রভেদ যে পাঠ করিলে বিস্ময়াবিষ্ট হইতে হয়।<noinclude></noinclude> 8t16l7nl3labcvf834p32gzkjttrfav পাতা:রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ.djvu/১৮২ 104 27257 1992156 1561534 2026-07-31T04:26:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992156 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Taheralmahdi" />{{rh|১৪০|রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ।|}}</noinclude>বর্ত্তমান মেটকাফ হল নির্ম্মিত হইলে ১৮৪৪ সালে সেই হলে উঠিয়া আসে। ডেপুটী লাইব্রেরিয়ানের পদ হইতে প্যারীচাঁদ নিজের বিদ্যাবুদ্ধি ও কার্য্যদক্ষতা প্রভৃতির গুণে একাদিক্রমে লাইব্রেরিয়ান, সেক্রেটারি ও কিউরেটারের পদে উন্নীত হইয়াছিলেন এবং ঐ পদেই চিরদিন প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। {{gap}}অন্য লোক হইলে কেবলমাত্র অর্থোপার্জ্জনের জন্য এ পদকে ব্যবহার করিত; কিন্তু প্যারীচাঁদ লাইব্রেরিটী হাতে পাইয়া আপনার জ্ঞানভাণ্ডার পূর্ণ করিতে প্রবৃত্ত হইলেন; এবং নানা বিষয়ে গবেষণা আরম্ভ করিলেন। বালক কাল হইতেই তাঁহার যেমন জ্ঞানলাভ-স্পৃহা ছিল, তেমনি জ্ঞানবিতরণ-স্পৃহাও ছিল, ইহা পূর্বেই প্রদর্শিত হইয়াছে। তাঁহার সেই জ্ঞান-বিতরণ-স্পৃহা এখনও বলবতী দৃষ্ট হইল। তিনি একদিকে যেমন জ্ঞান-সঞ্চয় করিতে লাগিলেন, অপরদিকে সংবাদপত্রাদিতে লিখিয়া সেই জ্ঞান বিতরণ করিতে লাগিলেন। প্রথমে তিনি তাঁহার বন্ধু রসিককৃষ্ণ মল্লিকের সহিত মিলিয়া “জ্ঞানান্বেষণ” পত্রিকা সম্পাদন করিতেন। তৎপরে রামগোপাল ঘোষ প্রভৃতি একত্র হইয়া যখন ‘বেঙ্গল স্পেক্টেটর” নামে এক সংবাদপত্র বাহির করেন, সে সময়ে তিনি তাঁহার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন। এতদ্ভিন্ন বেঙ্গল হরকর, ইংলিসম্যান, কলিকাতা রিভিউ প্রভৃতিতে সর্ব্বদা লিখিতেন। {{gap}}কিন্তু একটা বিশেষ কার্য্যের জন্য বঙ্গসাহিত্যে তিনি চিরস্মরণীয় হইয়া রহিয়াছেন। একদিকে পণ্ডিতবর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগয়, অপরদিকে খ্যাতনামা অক্ষয়কুমার দত্ত, এই উভয় যুগপ্রবর্ত্তক মহাপুরুষের প্রভাবে বঙ্গভাষা যখন নবজীবন লাভ করিল, তখন তাহা সংস্কৃত-বহুল হইয়া দাঁড়াইল। বিদ্যাসাগর মহাশয় ও অক্ষয় বাবু উভয়ে সংস্কৃত-ভাষাভিজ্ঞ ও সংস্কৃত-ভাষানুরাগী লোক ছিলেন; সুতরাং তাঁহারা বাঙ্গালাকে যে পরিচ্ছদ পরাইলেন তাহা সংস্কৃতের অলঙ্কারে পরিপূর্ণ হইল। অনেকে এরূপ ভাষাতে প্রীতিলাভ করিলেন বটে, কিন্তু অধিকাংশ লোকের নিকট, বিশেষতঃ সংস্কৃতানতিজ্ঞ শিক্ষিত ব্যক্তিদিগের নিকট, ইহা অস্বাভাবিক, কঠিন ও দুর্ব্বোধ বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। সে সময়ে পাঁচজন ইংরাজীশিক্ষিত লোক কলিকাতার কোনও বৈঠকখানাতে একত্র বসিলেই এই সংস্কৃত-বহুল ভাষা লইয়া অনেক হাসাহাসি হইত। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকরের ন্যার পত্রেও সেই উপহাস বিদ্রুপ প্রকাশিত হইত। অক্ষয় বাবু যখন সংস্কৃতকে আশ্রয় করিয়া, “জিগীষা” “জিজীবিষা”, প্রভৃতি শব্দ প্রণয়ন করিলেন, তখন আমরা কলিকাতার যে কোনও<noinclude></noinclude> is11shphe5r13xseg7zcie3hp05ib7l পাতা:রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ.djvu/১৮৩ 104 27258 1992157 1561535 2026-07-31T04:26:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992157 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Taheralmahdi" />{{rh||ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ।|১৪১}}</noinclude>শিক্ষিত লোকের বাটীতে যাইতাম শুনিতে পাইতাম “জিগীষা” “জিজীবিষা” প্রভৃতি শব্দের সহিত চিট্‌টীমিষা’ শব্দ যোগ করিয়া হাসাহাসি হইতেছে। {{gap}}যখন বিদ্যাসাগর মহাশয় ও অক্ষয় বাবুর সংস্কৃত বহুল বাঙ্গালার ভার দুর্ব্বহ বোধ হইতে লাগিল, তখন ১৮৫৭ কি ৫৮ সালে, “মাসিক পত্রিকা” নামে এক ক্ষুদ্রকায় পত্রিকা দেখা দিল। প্যারীচাঁদ মিত্র ও রাধানাথ শিকার এই পত্র সম্পাদন করিতেন। ইহা লোকপ্রচলিত সহজ বাঙ্গালাতে লিখিত হইত। স্ত্রীলোকে বালকে যেন বুঝিতে পারে এই লক্ষ্য রাখিয়া লেখকগণ লিখিতেন। এই জন্য মাসিক পত্রিকা পড়িতে সকলে এক প্রকার আনন্দ অনুভব করিত। কখন পত্রিকা আসে তজ্জন্য উৎসুক হইয়া থাকিত। ইহারই কিছুদিন পরে টেকচাঁদ ঠাকুরের “আলালের ঘরের দুলাল” প্রকাশিত হইল। প্যারীচাঁদ মিত্রই এই টেকচাঁদ ঠাকুর। আলালের ঘরের দুলাল একখানি উপন্যাস। কুমারখালীর হরিনাথ মজুমদারের প্রণীত “বিজরবসন্ত” ও টেকচাঁদ ঠাকুরের “আলালের ঘরের দুলাল” বাঙ্গালীর প্রথম উপন্যাস। তন্মধ্যে বিজয়বসন্ত তৎকাল-প্রচলিত বিশুদ্ধ সংস্কৃত-বহুল বাঙ্গালাতে লিখিত। কিন্তু আলালের ঘরের ছলাল, বঙ্গসাহিত্যে এক নবযুগ আনয়ন করিল। এই পুস্তকের ভাষার নাম ‘আলালী ভাষা’ হইল। তখন আমরা কোনও লোকের ভাষাকে গাম্ভীর্য্যে হীন দেখিলেই তাহাকে আলালী ভাষা বলিতাম। এই আলালী ভাষার উৎকৃষ্ট নমুনা ‘হুতমের নক্সা”। যাঁহার ইচ্ছা হয় পাঠ করিয়া দেখবেন তাহা কেমন সরস, মিষ্ট্র ও হৃদয়গ্রাহী। এই আলালী ভাষার সৃষ্টি হইতে বঙ্গসাহিতোর গতি ফিরিয়া গেল। ভাষা সম্পূর্ণ আলালী রহিল না বটে কিন্তু, ঈশ্বরচন্দ্রী রহিল না, বঙ্কিমী হইয়া দাঁড়াইল। এজন্য আমার পূজ্যপাদ মাতুল, সোমপ্রকাশ সম্পাদক, খ্যাতনামা দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ মহাশয় সোমপ্রকাশে কতই শোক করিলেন। কিন্তু আমার বোধ হয় ভালই হইয়াছে; জীবন্ত মানুষ ও ভাষা যত কাছাকাছি থাকে, ততই ভাল। {{gap}}যাহা হউক প্যারীচাঁদ মিত্র বঙ্গসাহিত্যে এই যুগান্তর আনয়ন করিলেন। তৎপরে তিনি ‘অভেদী” “যৎকিঞ্চিৎ, “বামাতোষিণী” “রামারঞ্জিকা”, “আধ্যাত্মিকা” প্রভৃতি অনেকগুলি উৎকৃষ্ট বাঙ্গালা গ্রন্থ প্রণয়ন করিয়াছেন। তাহাতে কিন্তু আলালী ভাষা ব্যবহার করেন নাই, বরং বঙ্কিমী ভাষাই ব্যবহার করিয়াছেন।<noinclude></noinclude> d1nzt8i2ch75f2iuckzl27ryv4wtqup পাতা:কথা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৩ 104 29805 1992210 1951254 2026-07-31T04:36:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992210 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{center|বিশ্বভারতী গ্রন্থন-বিভাগ ২১০ নং কর্নওআলিস স্টীট, কলিকাতা প্রকাশক-শ্রকিশোরীমোহন সাঁতরা।}} {{rule|25em}} {{dhr|2em}} {{center|{{xx-larger|কথা}}}} {{dhr|3em}} {{rule|3em}} {{dhr|3em}} {{Block center|প্রথম সংস্করণ {{gap}} ... {{gap}} ১৩০৬ সাল। {{***|3|3em}} পুনর্মুদ্রণ (১১০০) চৈত্র, ১৩৩৪ সাল। পুনর্মুদ্রণ (১১০০) অগ্রহায়ণ, ১৩৪৫ সাল।}} {{dhr|5em}} {{rule|3em}} {{dhr|5em}} {{center|{{larger|'''মূল্য-আট আনা।'''}}}} {{dhr|5em}} {{rule|25em}} {{center|শাস্তিনিকেতন প্রেস হইতে প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় কর্তৃক মুদ্রিত।}} }}}}<noinclude></noinclude> fws2xoyskoybldngxqrr7haoc7k476k পাতা:কথা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৮ 104 29875 1992211 1631101 2026-07-31T04:36:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992211 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Nettime Sujata" />{{rh||কথা|২৩}} {{block center/s}}</noinclude>{{block center/s}}<poem> পথিক কহে “আমি বণিকজাতি, :::ডুবিয়া গেছে মোর তরী। এখন দ্বারে দ্বারে হস্ত পাতি :::কেমন রবো প্রাণ ধরি। করুণা-পারাবার কোশলপতি :::শুনেছি নাম চারিধারে, অনাথনাথ তিনি দীনের গতি, :::চলেছে দীন তাঁরি দ্বারে।” শুনিয়া নৃপসুত ঈষৎ হেসে :::রুধিলা নয়নের বারি, নীরবে ক্ষণকাল ভাবিয়া শেষে :::কহিলা নিশ্বাস ছাড়ি,— “পান্থ যেথা তব বাসনা পূরে :::দেখায়ে দিব তারি পথ। এসেছ বহু দুখে অনেক দূরে :::সিদ্ধ হবে মনোরথ।” বসিয়া কাশীরাজ সভার মাঝে; :::দাড়াল জটাধারী এসে। “হেথায় আগমন কিসের কাজে।” :::নৃপতি শুধাইল হেসে। </poem> {{block center/e}}<noinclude></noinclude> cpm0rbkm6tppug3qnovxs9zsex6z2w8 পাতা:কথা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৩৯ 104 29908 1992212 1631112 2026-07-31T04:36:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992212 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪|কথা|}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="অভিসার"/><poem> “কে এসেছ তুমি ওগো দয়াময়” শুধাইল নারী, সন্ন্যাসী কয় “আজি রজনীতে হয়েছে সময় ::এসেছি বাসবদত্তা।” </poem> {{block center/e}} ১৯শে আশ্বিন, ১৩০৬ {{rule|3em}} <section end="অভিসার"/> <section begin="পরিশোধ"/>{{C|{{larger|পরিশোধ}}}} {{C|(মহাবস্ত্ববদান)}} {{block center/s}}<poem> রাজকোষ হতে চুরি! ধ’রে আন চোর, নহিলে, নগরপাল, রক্ষা নাহি তোর, মুণ্ড রহিবে না দেহে —রাজার শাসনে রক্ষীদল পথে পথে ভবনে ভবনে চোর খুঁজে খুঁজে ফিরে। নগর-বাহিরে ছিল শুয়ে বজ্রসেন বিদীর্ণ মন্দিরে, বিদেশী বণিক পান্থ তক্ষশিলাবাসী; অশ্ব বেচিবার তরে এসেছিল কাশী, দস্যুহস্তে খোয়াইয়া নিঃস্বরিক্ত শেষে ফিরিয়া চলিতেছিল আপনার দেশে </poem> <section end="পরিশোধ"/><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 006vcx88mpdoex1mqbgj82wuigxwdxt পাতা:কথা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১১৫ 104 30139 1992213 1955392 2026-07-31T04:37:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992213 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Atudu" />{{rh|১১০|কথা|}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="বিচারক” /><poem> ছাড়ি দিয়া গেলা গৌরবপদ, দূরে ফেলি দিলা সব সম্পদ, গ্রামের কুটীরে চলি গেলা ফিরে :::দীন দরিদ্র বিপ্র। </poem> {{block center/e}} ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৩০৬ {{dhr}} {{rule|3em}} {{dhr}} <section end="বিচারক” /> <section begin="পণরক্ষা” />{{C|{{xx-larger|পণরক্ষা}}}} {{block center/s}} <poem> “মারাঠা দস্যু আসিছে রে ঐ, :::করো করো সবে সাজ। আজমীর গড়ে কহিলা হাঁকিয়া :::দুর্গেশ দুমরাজ। বেলা দু-পহরে যে-যাহার ঘরে :::সেঁকিছে জোয়ারী-রুটি, দুর্গ তোরণে নাকাড়া বাজিতে :::বাহিরে আসিল ছুটি’। প্রাকারে চড়িয়া দেখিল চাহিয়া ::দক্ষিণে বহুদূূরে আকাশ জুড়িয়া উড়িয়াছে ধুলা :::মারাঠি অশ্বখুরে। </poem> <section end="পণরক্ষা” /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> fsolng6xdxp2icakk3t10lowiuim41t 1992215 1992213 2026-07-31T04:37:42Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1955392 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Atudu" />{{rh|১১০|কথা|}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="বিচারক" /><poem> ছাড়ি দিয়া গেলা গৌরবপদ, দূরে ফেলি দিলা সব সম্পদ, গ্রামের কুটীরে চলি গেলা ফিরে :::দীন দরিদ্র বিপ্র। </poem> {{block center/e}} ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৩০৬ {{dhr}} {{rule|3em}} {{dhr}} <section end="বিচারক" /> <section begin="পণরক্ষা" />{{C|{{xx-larger|পণরক্ষা}}}} {{block center/s}} <poem> “মারাঠা দস্যু আসিছে রে ঐ, :::করো করো সবে সাজ। আজমীর গড়ে কহিলা হাঁকিয়া :::দুর্গেশ দুমরাজ। বেলা দু-পহরে যে-যাহার ঘরে :::সেঁকিছে জোয়ারী-রুটি, দুর্গ তোরণে নাকাড়া বাজিতে :::বাহিরে আসিল ছুটি’। প্রাকারে চড়িয়া দেখিল চাহিয়া ::দক্ষিণে বহুদূূরে আকাশ জুড়িয়া উড়িয়াছে ধুলা :::মারাঠি অশ্বখুরে। </poem> <section end="পণরক্ষা" /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 2ji35oxkyvisi8go5c3z5kaa76ynasw পাতা:চিত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৮৪ 104 30917 1992220 1516516 2026-07-31T04:39:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992220 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Atudu" />{{rh||শীতে ও বসন্তে।|৭৫}}{{block center/s}}</noinclude><poem> চারিদিকে তোলপাড় ::বেধে গেছে মহাকাণ্ড! নদীজলে, বনে, গাছে কেহ গাহে কেহ নাচে, উলটিয়া পড়িয়াছে ::দেবতার সুধাভাণ্ড। উতলা পাগল-বেশে দক্ষিণে বাতাস এসে কোথা হতে হাহা হেসে ::প’ল যেন মদমত্ত! লেখাপত্র কেড়েকুড়ে- কোথা কি যে গেল উড়ে,— ওই রে আকাশ জুড়ে ::ছড়ায় “সমাজ-তত্ত্ব!” “রুশিয়ার অভিপ্রায়” ওই কোথা উড়ে যায়, গেল বুঝি হায় হায় ::"আমিরের ষড়যন্ত্র!” “প্রাচীন ভারত” বুঝি আর পাইব না খুঁজি,</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 0q0gm8ugepbu61mia1ijfesrpew5n3g পাতা:সোনার তরী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৯ 104 31304 1992204 1915692 2026-07-31T04:29:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992204 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="জয়শ্রীরাম সরকার" />{{rh|১২|{{larger|সােনার তরী।}}|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> {{C|২}} {{C|মধ্যাহ্নে।}} :উপরে বসে’ পড়ে রাজার মেয়ে, :রাজার ছেলে নীচে বসে। পুঁথি খুলিয়া শেখে কত কি ভাষা, :খড়ি পাতিয়া আঁক কষে। রাজার মেয়ে পড়া যায় ভুলে’, পুঁথিটি হাত হ’তে পড়ে খুলে’, রাজার ছেলে এসে দেয় তুলে’, :আবার পড়ে’ যায় খসে’। উপরে বসে’ পড়ে রাজার মেয়ে, :রাজার ছেলে নীচে বসে। দুপুরে খরতাপ, বকুলশাখে :কোকিল কুহু কুহরিছে। রাজার ছেলে চায় উপর পানে, :রাজার মেয়ে চায় নীচে। {{dhr}} {{C|সায়াহ্নে।}} রাজার ছেলে ঘরে ফিরিয়া আসে, :রাজার মেয়ে যায় ঘরে। খুলিয়া গলা হতে মোতির মালা :রাজার মেয়ে খেলা করে। </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> mzhvg8i5xxut3ulumna6k4xn6ffr52j পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৯ 104 31312 1992337 1983024 2026-07-31T05:07:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992337 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|ফুলবালা।}} {{block center/s}}</noinclude><poem> ভাকিয়া আনিয়া সবারে তখনি :প্রমোদে হইয়া ভোর কহে হাসি হাসি করতালি দিয়া :"কেমন পরাগ চোর!” এত বলি ধীরে কলপনা রাণী :বীণায় আভানি তান বাজাইল বীণা আকাশ ভরিয়া :অবশ করিয়া প্রাণ! গভীর নিশীথে সুদূর আকাশে :মিশিল বীণার রব, ঘুম ঘোরে আঁখি মুদিয়া রহিল :দিকের বালিকা সব। ঘুমায়ে পড়িল আকাশ পাতাল, :ঘুযায়ে পড়িল স্বরগ বালা, দিগন্তের কোলে ঘুমায়ে পড়িল :জোছনা মাখানো জলদ মালা। একি একি ওগো কলপনা সখি! :কোথায় অ’নিলে মোরে! ফুলের পৃথিবী—ফুলের জগৎ— :স্বপন কি ঘুম ঘোরে? </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> fe3gjyktfli9o8hmazjs97q40la2v7j পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১২ 104 31318 1992338 1968465 2026-07-31T05:07:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992338 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|শৈশব সঙ্গীত।}} {{block center/s}}</noinclude><poem> অমনি হাসিয়া কলপনা সখি :বীণাটি লইয়া করে, ধীরি ধীরি ধীরি মৃদুলমৃদুল :বাজায় মধুর স্বরে। অবাক্‌ হইয়া ফুলবালাগণ :মোহিত হইয়া তানে নীরব হইয়া চাহিয়া রহিল :শোভনার মুখ পানে। ধীরি ধীরি সবে বসিয়া পড়িল :হাত খানি দিয়া গালে, ফুলে বসি বসি ফুল শিশুগণ :দুলিতেছে তালে তালে। হেন কালে এক আসিয়া ভ্রমর :কহিল তাদের কানে— "এখনো রয়েছে বাকী কত কাজ :বসে আছ এই খানে? রঙ্গ দিতে হবে কুসুমের দলে :ফুটাতে হইবে কঁড়ি মধুহীন কত গোলাপ কলিকা :রয়েছে কানন জুড়ি!” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> juilixoypdjg85txkxossu4wigfd2yf পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২১ 104 31336 1992339 1487469 2026-07-31T05:07:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992339 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||ফুলবালা।|১৭}} {{block center/s}}</noinclude><poem> ওদের কাছে মনের ব্যথা :বল্‌রে মুখ ফুটিয়ে! ভ্রমর কহে, “হোথায় বেলা :হোথায় আছে নলিনী— ওদের কাছে বলিব নাকো :আজিও যাহা বলিনি! মরমে যাহা গোপন আছে :গোলাপে তাহা বলিব, বলিতে যদি জ্বলিতে হয় :কাঁটারি ঘায়ে জ্বলিব!” বিষাদের গান কেন গো আজিকে? :আজিকে প্রমোদ-রাতি! হরষের গান গাওগো অশোক :হরষে প্রমোদে মাতি! সবাই কহিল, “গাওগো অশোক, :গাওগো প্রমোদ-গান, নাচিয়া উঠুক কুসুম-কানন :নাচিয়া উঠুক প্রাণ!” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> qf7wwe44c9ke0ere4l8k3xtedhgkxp6 পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৩৩ 104 31360 1992340 1490886 2026-07-31T05:07:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992340 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||ফুলবালা।|২৯}} {{block center/s}}</noinclude><poem> নয়ন হইতে শিশিরের মত :সলিল পড়িছে ঝরি! ঘুমায়ে ঘুমায়ে অশোকের যেন :অধর উঠিল কাঁপি! "মালতী” “মালতী” বলিয়া বালার :হাত-টি ধরিল চাপি! হরষে ভাসিয়া কহিল মালতী :হেঁট করি আহা মাথা— "অশোক—অশোক—মালতী তোমার :এই যে রয়েছে হেথা!” ঘুমের ঘোরেতে পশিল শ্রবণে :"এইযে রয়েছে হেথা!” নয়নের জলে ভিজায়ে পলক :অশোক তুলিল মাথা! একিরে স্বপন? এখনো একিরে :স্বপন দেখিছে নাকি? আবার চাহিল অশোক বালক, :আবার মাজিল আঁখি! অবাক্‌ হইয়া রহিল বসিয়া :বচন নাহিক সরে— </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> cuqbjmzx140t46hbx5vuo2r92ldntw3 পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৩৪ 104 31362 1992341 1491354 2026-07-31T05:07:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992341 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৩০|শৈশব সঙ্গীত।|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> থাকিয়া থাকিয়া পাগলের মত :কহিল অধীর স্বরে! "মালতী—মালতী—আমার মালতী!” :মালতী কহিল কাঁদি "তোমারি মালতী! তোমারি মালতী!” :অশোকের হৃদয়ে বাঁধি!— "ক্ষমা কর মোরে অশোক আমার— :কত না দিয়েছি জ্বালা— ভাল বাসি বোলে ক্ষমা কর মোরে :আমি যে অবোধ বালা! তোমার হৃদয় ছাড়িয়া কখন :আর না যাইব চলি,— দিবস রজনী রহিব হেথায় :বিষাদ ভাবনা ভুলি! ও হৃদয় ছাড়ি মালতীর আর :কোথায় আরাম আছে? তোমারে ছাড়িয়া দুখিনী মালতী :যাবে আর কার কাছে?” অশোকের হাতে দিয়া দুটি হাত :কত যে কাঁদিল বালা! </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> eowouswz5byan9dje85rpf0ew5ozlax পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৪৮ 104 31391 1992342 1491054 2026-07-31T05:07:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992342 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৪৪|শৈশব সঙ্গীত।|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> নয়নে জ্বলিল দ্বিগুণ আগুন, :কথা হয়ে গেল রোধ, শোণিতে লিখিলা ভূমির উপরে— :"প্রতিশোধ প্রতিশোধ!” পিতার চরণ পরশ করিয়া, :ছুঁইয়া কৃপাণ খানি, আকাশের পানে চাহিয়া কুমার :কহিল শপথ বাণী!— "ছুঁইনু কৃপাণ, শপথ করিনু; :শুন ক্ষত্র-কুল-প্রভু, এর প্রতিশোধ তুলিব তুলিব, :অন্যথা নহিবে কভু! সেই বুক ছাড়া এ ছুরিকা আর :কোথা না বিরাম পাবে, তার রক্ত ছাড়া এই ছুরিকার :তৃষা কভু নাহি যাবে।” রাখিলা শোণিত-মাখা সে ছুরিকা :বুকের বসনে ঢাকি। ক্রমে মুমূর্ষুর ফুরাইল প্রাণ, :মুদিয়া পড়িল আঁখি। </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 1lucfhlm54aaep72s55epvagm1tuw5f পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৪৯ 104 31393 1992343 1491055 2026-07-31T05:07:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992343 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||প্রতিশোধ।|৪৫}} {{block center/s}}</noinclude><poem> ভ্রমিছে কুমার কত দেশে দেশে, :ঘুচাতে শপথ ভার। দেশে দেশে ভ্রমি তবুওত আজি :পেলে না সন্ধান তার। এখনো সে বুকে ছুরিকা লুকানো, :প্রতিজ্ঞা জ্বলিছে প্রাণে— এখনো পিতার শেষ কথা গুলি :বাজিছে যেন সে কানে। "কোথা যাও যুবা! যেওনা যেওনা, :গহন কানন ঘোর, সাঁঝের আঁধার ঢাকিছে ধরণী, :এস গো কুটীরে মোর!” "ক্ষম গো আমায়, কুটীর স্বামী! বিরাম আলয় চাহিনা আমি, যে কাজের তরে ছেড়েছি আলয় :সে কাজ পালিব আগে।”— "শুন গো পথিক, যেওনাকো আর, অতিথির তরে মুক্ত এ দুয়ার! দেখেছ চাহিয়া, ছেয়েছে জলদ :পশ্চিম গগন ভাগে।” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 8gwrpf56cmv1to4eyrv70oxux8wzqop পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৫৬ 104 31407 1992344 567146 2026-07-31T05:07:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992344 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৫২|শৈশব সঙ্গীত।|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> হৃদয় হইতে টানিয়া ছুরিকা :দিলেন আমার হাতে সে অবধি এই বিষম ছুরিকা :রাখিয়াছি সাথে সাথে। করিনু শপথ ছুঁইয়া কৃপাণ :শুন ক্ষত্র-কুল-প্রভু— এর প্রতিশোধ তুলিব—তুলিব :না হবে অন্যথা কভু। নাম কি তাহার জানিতাম নাকো :ভ্রমিনু সকল গ্রাম—" অধীরে প্রতাপ উঠিল কহিয়া :"প্রতাপ তাহার নাম! এখনি এখনি ওই ছুরি তব :বসাইয়া দেও বুকে, যে জ্বালা হেথায় জ্বলিছে—কেমনে :কব তাহা এক মুখে? নিভাও সে জ্বালা—নিভাও সে জ্বালা :দাও তার প্রতিফল— মৃত্যু ছাড়া এই হৃদি অনলের :নাই আর কোন জল!” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> gn4klvrsiij2m3h7lo5bq2y4t27h55v পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৫৭ 104 31409 1992345 567147 2026-07-31T05:07:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992345 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||প্রতিশোধ।|৫৩}} {{block center/s}}</noinclude><poem> কাঁদিয়া উঠিল মালতী কহিল :পিতার চরণ ধ’রে, "ও কথা বলোনা—বলোনা গো পিতা, :যেওনা ছাড়িয়ে মোরে! কুমার—কুমার—শুন মোর কথা :এক ভিক্ষা শুধু মাগি,— রাখ মোর কথা, ক্ষম গো পিতারে, :দুখিনী আমার লাগি!— শোণিত নহিলে ও ছুরির তব :পিপাসা না মিটে যদি, তবে এই বুকে দেহ গো বিঁধিয়া :এই পেতে দিনু হৃদি!” আকাশের পানে চাহিয়া কুমার :কহিল কাতর স্বরে, ক্ষমা কর পিতা, পারিব না আমি, :কহিতেছি সকাতরে! অতি নিদারুণ অনুতাপ শিখা :দহিছে যে হৃদি-তল, সে হৃদয় মাঝে ছুরিকা বসায়ে :বল গো কি হবে ফল? </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> h93wo9pv7kx5nolpq1t2z5307wud79a পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৫৮ 104 31411 1992346 567148 2026-07-31T05:07:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992346 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৫৪|শৈশব সঙ্গীত।|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> অনুতাপী জনে ক্ষমা কর পিতা! :রাখ এই অনুরোধ!” নীরব সে গৃহে ধ্বনিল আবার, :প্রতিশোধ।—প্রতিশোধ।— হৃদয়ের প্রতি শিরা উপশিরা :কাঁপিয়া উঠিল হেন— সবলে ছুরিকা ধরিল কুমার, :পাগলের মত যেন। প্রতাপের সেই অবারিত বুকে :ছুরি বিঁধাইল বলে। মালতী বালিকা মূর্চ্ছিয়া পড়িল :কুমারের পদতলে। উন্মত্ত হৃদয়ে, জ্বলন্ত নয়নে, :বদ্ধ করি হস্ত মুঠি— কুটীর হইতে পাগল কুমার :বাহিরেতে গেল ছুটি। এখনো কুমার, সেই বন মাঝে, :পাগল হইয়া ভ্রমে। মালতী বালার চির মূর্চ্ছা আর :ঘুচিল না এ জনমে। </poem>{{block center/e}}<noinclude></noinclude> 9att1ueziyjokl8uymxa6mao818isae পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৬৬ 104 31427 1992347 608051 2026-07-31T05:07:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992347 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৬২|শৈশব সঙ্গীত।|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> শোণিত-লুলিতা—কপাল মালিকা! ::কর এই বর দান— তাহারি শোণিতে মিটায় পিপাসা ::যেন মোর এ কৃপাণ!” কহিতে কহিতে বিজন-নিশীথে শুনিল বিজয় সুদুর হইতে ::শত শত অট্ট হাসি— একেবারে যেন উঠিল ধ্বনিয়া ::শমশান শান্তিরে নাশি! শত শত শিবা উঠিল কাঁদিয়া ::কি জানি কিসের লাগি! কুস্বপ্ন দেখিয়া শ্মশান যেন রে ::চমকি উঠিল জাগি! শতেক আলেয়া উঠিল জ্বলিয়া— আঁধার হাসিল দশন মেলিয়া, ::আবার যাইল মিশি! সহসা থামিল অট্ট হাসি ধ্বনি, শিবার রোদন থামিল অমনি, আবার ভীষণ সুগভীরতর ::নীরব হইল নিশি! </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> hkj5ljsy3ho1amuogppsgqclagxobin পাতা:শৈশব সঙ্গীত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৭২ 104 31440 1992348 928415 2026-07-31T05:07:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992348 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৬৮|শৈশব সঙ্গীত।|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> "লীলা!—রণধীর এসেছে তোমার ::এস এ বুকের পরে!” ভূমিতল হতে চাহি দেখে লীলা ::সহসা চমকি উঠি, হরষ-আলোকে জ্বলিতে লাগিল ::লীলার নয়ন দুটি। "এস নাথ এস অভাগীর পাশে ::বস একবার হেথা, জনমের মত দেখি ও মুখানি ::শুনি ও মধুর কথা। ডাক নাথ সেই আদরের নামে ::ডাক মোরে স্নেহভরে, এ অবশ মাথা তুলে লও সখা ::তোমার বুকের পরে!” লীলার হৃদয়ে ছুরিকা বিঁধানো ::বহিছে শোণিত ধারা— রহে রণধীর পলক বিহীন ::যেন পাগলের পারা। রণধীর বুকে মুখ লুকাইয়া ::গলে বাঁধি বাহুপাশ; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> qm382ka88jxr8tzk7vff126on3doed1 পাতা:প্রবাহিণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৪১ 104 34163 1992066 1699226 2026-07-31T04:19:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992066 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Suman Das 2021" />{{rh|২৫||গীতগান}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="৩৩"/><poem> :::::যখন এ-কুল যাব ছাড়ি’, :::::পারের খেয়ায় দেব পাড়ি, মোর ফাগুনের গানের বোঝা বাশির সাথে যাবে ভাসি॥ সেই যে আমার বনের গলি রঙীন ফুলে ছিল আঁকা, সেই ফুলেরি ছিন্ন দলে চিহ্ন যে তা’র প’ড়ল ঢাকা। :::::মাঝে মাঝে কোন বাতাসে :::::চেনা দিনের গন্ধ আসে, হঠাৎ বুকে চমক লাগায় আধ-ভোলা সেই কান্না হাসি॥</poem>{{block center/e}} {{dhr}} <section end="৩৩"/> <section begin="৩৪"/>{{C|৩৪}} {{dhr}} {{block center/s}}<poem> :কণ্ঠে নিলেম গান আমার শেষ পারাণীর কড়ি, ::::::::একলা ঘাটে রইব না গো পড়ি॥ :::{{word-spacing|1em|আমার}} সুরের রসিক নেয়ে, ::{{word-spacing|1em|তা’রে}} ভোলাব গান গেয়ে, ::পারের খেয়ায় সেই ভরসায় চড়ি। :পার হব কি নাই হব তা’র খবর কে রাখে, :দূরের হাওয়ায় ডাক দিল এই স্বরের পাগলাকে। :::{{word-spacing|1em|ওগো তোমরা}} মিছে ভাব, :::{{word-spacing|1em|আমি যাবই}} যাবই যাব, :::ভাঙল দুয়ারকাট্ল দড়া দড়ি॥</poem> <section end="৩৪"/><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> fa5zvkc44slmzo34x4y029rqf9jwsti পাতা:প্রবাহিণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১০৮ 104 34364 1992067 1699277 2026-07-31T04:19:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992067 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh|প্রবাহিণী||৯২}}{{block center/s}}</noinclude><poem> গেল দিন ধরামাঝে কত ভাবে কত কাজে, সুখে দুখে কভু লাজে, ::::কভু গরবে। ::যেতে যদি হয় হবে প্রাণপণে কতদিন শুধেছি কঠিন ঋণ, কখনো বা উদাসীন ::::ভুলেছি সবে। কভু ক’রে গেনু খেলা, স্রোতে ভাসাইনু ভেলা, আনমনে কত বেলা ::::কাটামু ভবে। :::যেতে যদি হয় হবে জীবন হয় নি ফাকি, ফলে ফুলে ছিল ঢাকি’, যদি কিছু রহে বাকি ::::কে তা’হা ল’বে</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 3it6slnb3v1j9jjysbftbvc4b1rq2gt পাতা:ভগ্নহৃদয় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৭১ 104 36272 1991998 1794995 2026-07-31T04:12:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991998 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Kazimizanur" />{{rh||ষষ্ঠ সর্গ।|৬৫}} {{block center/s}}</noinclude><poem> কপালে মারিছে উঁকি, কপোল পড়িছে ঝুঁকি, ওই মুখ দেখিবারে কৌতুহলে সমাকুল; অজস্র গোলাপ রাশি পড়িয়া চরণ তলে না জানি কি মনেদুখে আকুল শিশির জলে! তোমার প্রতিমা লোয়ে কল্পনা এমনি করি খেলাইয়া বেড়াইছে নাহি দিবা বিভাবরী; কভু বা তারার মাঝে, কভু বা ফুলের পরে, কভু বা উষার কোলে, কভু সন্ধ্যা-মেঘ স্তরে; কত ভাবে দেখিতেছে—কত ছবি আঁকিতেছে; প্রফুল্ল-আনন কভু হরষের হাসিমাখা, অভিমান-নত আঁখি কভু অশ্রুজলে ঢাকা। কাছে এস’, কাছে এস’, একবার মুখ দেখি, তোল গো, নলিনী বালা, হাসি ভারে নত আঁখি! মর্ম্মভেদী আশা এক লুকানো হৃদয় তলে, ওই হাতে হাত দিয়ে—প্রাণে প্রাণে মিশাইয়ে বসন্তের বায়ু সেবি, কুসুমের পরিমলে, নীরব জোছনা রাতে, বিপাশা তটিনী তীরে, ফুল-পথ মাড়াইয়া দোঁহে বেড়াইব ধীরে; আকাশে হাসিবে চাঁদ, নয়নে লাগিবে ঘোর, ঘুমময় জাগরণে করিব রজনী ভোর! আহা সে কি হয় সুখ! কল্পনায় ভাবি মনে বিহ্বল আঁখির পাতা মুদে আসে দু-নয়নে! {{overfloat left|depth=3em|মুরলা।—(স্বগত) হৃদয় রে—}} এ সংসারে আর কেন রয়েছি আমরা? </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 7su0y1zpqmhagokcngvsgdhllav7ud7 পাতা:পথের পাঁচালী.djvu/৩১ 104 39307 1992057 1983990 2026-07-31T04:17:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992057 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|পথের পাঁচালী| |২৫}}</noinclude>{{ফাঁক}}নবীন পালিত বলিল, বরং এক কাজ করো হরি, মাছ যদি ধরতে হয়, তবে বঁয়াশার বিলে একদিন চলে যাওয়া যাক্—পূব-পাড়ার নেপাল পাড়ুই বাচ্ দিচ্চে, রোজ দেড়মণ দু’মণ এইরকম পড়চে—পাঁচ-সেরের নীচে মাছ নেই! শুন্‌লাম, একদিন শেষরাত্তিরে নাকি বিলের একেবারে মধ্যিখানে অথৈ জলে সাঁ সাঁ করে ঠিক যেন বক্‌না বাছুরের ডাক–বুঝ্‌লে? {{ফাঁক}}সকলে একসঙ্গে আগাইয়া আসিয়া নবীন পালিতের মুখের দিকে চাহিয়া রহিল। {{ফাঁক}}—অনেক-কেলে পুরোনো বিল, গহিন জল, দেখেছো তো মধ্যিখানে জল যেন কালো শিউগোলা, পদ্মগাছের জঙ্গল, কেউ বলে রাঘব বোয়াল, কেউ বলে যক্ষি—যতক্ষণ ফর্সা না হোলো ততক্ষণ তো মশাই নৌকোর ওপর সকলে বসে ঠক্ ঠক্ করে কাঁপতে লাগ্‌লো— {{ফাঁক}}বেশ জমিয়া আসিয়াছে, হঠাৎ হরিহরের ছেলেটি মহা-উৎসাহে পাশের এক উলুখড়ের ঝোপের দিকে আঙুল তুলিয়া চিৎকার করিতে করিতে ছুটিয়া গেল—ঐ যাচ্ছে বাবা, দ্যাখো বাবা, ঐ গেল বাবা, বড় বড় কান, ঐ— {{ফাঁক}}তাহার বাবা পিছন হইতে ডাক দিয়া বলিল,—উঁহু উঁহু উঁহু—কাঁটা কাঁটা কাঁটা—পরে তাড়াতাড়ি আসিয়া খপ্ করিয়া ছেলের হাতখানি ধরিয়া বলিল,—আঃ বড্ড বিরক্ত কল্লে দেখচি তুমি, একশ’ বার বারণ কিচ্চি তা তুমি কিছুতেই শুনবে না, ঐ জন্যেই তো আনতে চাচ্ছিলাম না। {{ফাঁক}}বালক উৎসাহে ও আগ্রহে উজ্জ্বল মুখ উঁচু করিয়া বাবার দিকে তুলিয়া জিজ্ঞাসা করিল—কি বাবা? {{ফাঁক}}হরিহর বলিল—কি তা কি আমি দেখেচি!—শূওর-টুওর হবে—নাও চলো, ঠিক রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটো— {{ফাঁক}}শূয়োর না বাবা, ছোট্ট যে!—পরে সে নীচু হইয়া দৃষ্ট বস্তুর মাটি হইতে উচ্চতা দেখাইতে গেল। {{ফাঁক}}চল চল—হ্যাঁ—আমি বুঝতে পেরেচি, আর দেখাতে হবে না—চল দিকি!······ {{ফাঁক}}নবীন পালিত বলিল—ও হোলো খরগোস, খোকা খরগোস। এখানে খড়ের ঝোপে খরগোস থাকে, তাই। বালক বর্ণপরিচয়ে ‘খ’—এ খরগোসের ছবি দেখিয়াছে, কিন্তু তাহা যে জীবন্ত অবস্থায় এ রকম লাফাইয়া পালায় বা তাহা আবার সাধারণ চক্ষুতে দেখিতে পাওয়া যায়, এ কথা সে কখনো ভাবে নাই। {{ফাঁক}}খরগোস!—জীবন্ত! একেবারে তোমার সাম্‌নে লাফাইয়া পালায়,—ছবি না, কাচের পুতুল না—একেবারে কানখাড়া সত্যিকারের খরগোস!—এই রকম ভাঁটগাছ বৈঁচিগাছের ঝোপে!—জল-মাটির তৈরি নশ্বর পৃথিবীতে এ ঘটনা কি করিয়া সম্ভব হইল, বালক তাহা কোনমতেই ভাবিয়া ঠাহর করিতে পারিতেছিল না। {{ফাঁক}}সকলে বনে ঘেরা সরু পথ ছাড়াইয়া মাঠে পড়িল। নদীর ধারের বাবলা ও জীওল গাছের আড়ালে একটা বড় ইটের পাঁজার মতো জিনিস নজরে পড়ে, ওটা পুরানো কালের নীলকুঠির জ্বালঘরের ভগ্নাবশেষ। সেকালে নীলকুঠির আমলে এই নিশ্চিন্দিপুর বেঙ্গল ইণ্ডিগো কন্‌সারনের হেড কুঠি ছিল,<noinclude></noinclude> sgd2sbxy0dkrrt17q2aqgdrs34a20kl পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-প্রথম খণ্ড.djvu/১০৮ 104 40835 1992351 1754225 2026-07-31T05:09:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992351 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude> {{right|{{larger|'''বুদ্ধিমানের সাজা'''}}}} {{gap}}আলি শাকালের মতো ওস্তাদ আর ধূর্ত নাপিত সে সময়ে মেলাই ভার ছিল। বাগদাদের যত বড়লোক তাকে দিয়ে খেউড়ি করাতেন, গরিবকে সে গ্রাহ্যই করত না। {{gap}}একদিন এক গরিব কাঠুরে ঐ নাপিতের কাছে গাধা বোঝাই করে কাঠ বিক্রী করতে এল। আলি শাকাল কাঠুরেকে বলল, “তোমার গাধার পিঠে যত কাঠ আছে সব আমাকে দাও; তোমাকে এক টাকা দেব।” কাঠুরে তাতেই রাজি হয়ে গাধার পিঠের কাঠ নামিয়ে দিল। তখন নাপিত বলল, “সব কাঠ তো দাও নি; গাধার পিঠের ‘গদি’'টা কাঠের তৈরি; ওটাও দিতে হবে।” কাঠুরে তো কিছুতেই রাজি হলো না; কিন্তু নাপিত তার আপত্তি গ্রাহ্য না করে গদিটা জবরদস্তি করে কেড়ে নিয়ে, কাঠুরেকে এক টাকা দিয়ে বিদায় করে দিল। {{gap}}কাঠুরে বেচারা আর কি করে? সে গিয়ে খালিফের কাছে তার নালিশ জানাল। খালিফ বললেন, “তুমি তো ‘গাধার পিঠের সমস্ত কাঠ’ দিতে রাজি ছিলে; তবে আর এখন আপত্তি করছ কেন? কথামতই তো কাজ হয়েছে।” তারপর কাঠুরের কানে ফিস্‌ ফিস্‌ করে কি জানি বললেন; কাঠুরে মুচ্‌কি হেসে, “যো হুকুম” বলে সেলাম ঠুকে চলে গেল। {{gap}}কিছুদিন বাদে কাঠুরে আবার নাপিতের কাছে এসে বলল, “নাপিতসাহেব, আমি আর আমার সঙ্গীকে খেউরি করার জন্য দশ টাকা দেব, তোমার মত ওস্তাদের হাতে অনেক বেশি টাকা দিয়ে খেউড়ি হতে পারলে জন্ম সার্থক হয়। তুমি কি রাজি আছ?” নাপিত তো খোসামোদে ভুলে, কাঠুরেকে চটপট কামিয়ে দিল; তারপর তাকে বলল, “কই হে তোমার সঙ্গী?” কাঠুরে তাড়াতাড়ি ছুটে গিয়ে তার গাধাটি এনে হাজির করল। নাপিত তো বেজায় চটে গিয়ে দাঁত মুখ খিঁচিয়ে, ঘুঁষি বাগিয়ে বলল, “এত বড় বেয়াদবি আমার সঙ্গে! সুলতান, খালিফ, আগা, বেগ যার হাতে খেউড়ি হবার জন্য সর্বদাই খোসামোদ করে, সে কিনা গাধাকে কামাবে! বেরোও এখনি এখান থেকে!” {{gap}}কাঠুরে নাপিতের কথার কোন উত্তর না দিয়ে সটান গিয়ে খালিফের কাছে হাজির। খালিফ তার নালিশ শুনে আলি শাকালকে ডেকে পাঠালেন। নাপিত এসেই হাত জোড় করে বলল, “দোহাই ধর্মাবতার! গাধাকে কি কখনো মানুষের সঙ্গী ব’লে ধরা যেতে পারে?” খালিফ বললেন, “তা’ না হতেও পারে, কিন্তু গাধার পিঠের গদিও কি কখনো কাঠের বোঝার মধ্যে ধরা যেতে পারে? তুমি এ কথার জবাব দাও।” নাপিত তো একেবারে চুপ! কিছুক্ষণ বাদে খালিফ বললেন, “আর দেরি কেন? গাধাকে কামিয়ে ফেল; কথামত কাজ না করতে পারলে তার উচিত সাজার ব্যবস্থা হবে জানই তো।” {{gap}}নাপিত বেচারা আর করে কি? গাধাকে বেশ করে ক্ষুর বুলিয়ে কামাতে লাগল। সেই তামাশা দেখবার জন্য চারিদিকে ভিড় জমে গেল। কামানো শেষ হতেই নাপিত অপমানে মাথা হেঁট ক’রে বাড়ি পালাল। কাঠুরেও নেড়া গাধায় চড়ে নাচতে নাচতে বাড়ি পালাল। {{right|সন্দেশ—১৩২৪}}<noinclude>{{rh|দেশ-বিদেশের গল্প||১০৩}}</noinclude> cabjc2bn60c7ft2xv0ns2q1xu8rtkgl পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৭ 104 40902 1992188 1984760 2026-07-31T04:29:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992188 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jayantanth" /></noinclude>৪ গ্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। তার মধ্যে ওয়াসিলিস ও পাজি পিটার (প্রথম খণ্ড প্রকাশিত) পরবর্তীতে কোনো কোনো গ্রন্থে বা পত্রিকায় পুনর্মুদ্রণের সময় উপেন্দ্রকিশোরের নামেও ছাপা হয়েছিল। সন্দেশে রচনা গুলি স্বাক্ষরহীন থাকায়—এই গল্পট ও আরো দু-একট প্রথম দিকের সদেশে প্রকাশিত রচনা সম্পর্কে আমরা এদের ঘনিষ্ঠ দু-একজনের সাক্ষ্যে যা জেনেছি, তাতে আমাদেরও সংশয় নিরসন হয় নি। কিন্তু যেহেতু আমরা নিশ্চিত নই, তাই স প্রতি সেগুন স কুমার রায়ের নামে মুদ্রিত হওয়ায়, আমরাও সেই রচনাগুলি সুকুমার সমগ্র রচনাবলীতেই স্থান দিয়েছি। এরও আগে মুকুন পত্রিকায় তাঁর বাল্যরচনা নদী (জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৩) ও টিক-টিক-টং (জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৪) এবং আশ্বিন ১৩১৩ সংখ্যায় সম্ভবত তাঁর প্রথম গদ্যরচনা সুর্যের রাজ্য প্রকাশিত হয়েছিল। সন্দেশে প্রকাশিত তাঁর অন্যান্য রচনা এই খণ্ডে জীবজন্তুর কথা ও নানা নিবন্ধের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রথম খণ্ডে প্রকাশিত রচনাগুলির পর বর্তমান খণ্ডে অবশিষ্ট প্রায় সকল রচনাই সংকলিত হল। শুধুমাত্র ভাষা ও সাহিত্য, আলোকচিত্র ইত্যাদি সম্পর্কে ইংরাজি ও বাংলায় তার ‘গুরুতর’ কয়েকটি প্রবন্ধ এর অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি। এ ছাড়া, তাঁর মাত্র বারো-তেরো বছরের সামগ্রিক সাহিত্যিক জীবনের আরো কিছু কিছু রচনা হয়তো ইতস্তত ছড়িয়ে থাকতে পারে—যদি সেই রচনাগুলির ভবিষ্যতে সন্ধান প্রকাশ পায় তাহলে আমরা সেই সমস্ত রচনা নিয়ে পৃথকভাবে একটি তৃতীয় খণ্ড প্রকাশের বাসনা রাখি। কিন্তু সেই নতুন প্রকল্প আমাদের কাছে আদৌ স্পষ্ট নয়। {{gap}}বর্তমান খণ্ডে বিবিধ কবিতা পর্যায়ে ‘ফাজিলের ডিকশেনারি (রঙমশা, পূজাবার্ষিকী ১৩২৭) ও কলিকাতা কোথা রে’ ন্যাশনাল বুক এজেন্সী প্রকাশিত সুভাষ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পাতাবাহার সংকলন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতা দুটি সংগ্রহ করে দিয়েছেন শ্রীসনৎকুমার গুপ্ত ও বন্ধুবর শ্রীঅশোককুমার মিত্র। এ ছাড়াও সনৎবাবু বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছেন। এদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। {{gap}}যার সর্বক্ষণের পরামর্শ ও উপদেশ আমাকে এই কাজে উৎসাহী করেছে-সেই সর্বজন শ্রদ্ধেয়া লীলাদির (শ্রীমতী লীলা মজুমদার) ঋণ আমার কাছে অপরিশোধ্য। {{gap}}এই বই বিলম্বে প্রকাশের কারণ হিসেবে প্রকাশিকা তার বক্তব্য রেখেছেন। কিন্তু অন্য একটি গুরুতর কারণ হচ্ছে—বাজারে প্রচলিত বইয়ে অনেক ক্ষেত্রেই সুকুমারের সম্পাদিত’ যে চেহারা আমরা পেয়েছি, সুকুমারের ‘মল রচনা’র সঙ্গে তার প্রভেদ অনেকখানি—এ বিষয়টি আমাদের এতই সংশয়িত করেছে যে এ সম্পর্কে সঠিক সতর্ক সিদ্ধান্ত নিতে আমাদের কিছু বেশি সময় লেগেছে। বর্তমান খণ্ডে প্রত্যেকটি পর্যায়ের রচনার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক তথ্য ও ‘পাঠ’—প্রসঙ্গের উল্লেখ আছে। মোটামুটিভাবে প্রায় সর্বক্ষেত্রেই আমরা সন্দেশের পাঠ এবং প্রকাশিত কালানুক্রম অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি। এ ব্যাপারে সব থেকে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি-ইস্কুলের গল্প পর্যায়ে। তাই এই গল্পগুলির পাঠ প্রসঙ্গে দু-একটি কথা বলা প্রয়োজনবর্তমান পর্যায়ে এই গল্পগুলির সন্দেশে মুদ্রিত পাঠ’কেই আমরা প্রায় অবিকৃতভাবে অনুসরণ করেছি। অপ্রচলিত ও প্রচলিত বিভিন্ন সংস্করণে গল্পগুলির যে মুদ্রিত পাঠ পাওয়া যায়, তার সঙ্গে সন্দেশের মুদ্রিত ‘পাঠ’-এর অনেক ক্ষেতেই গুরুতর পার্থক্য আছে। এ ক্ষেত্রে যদি ধরে নিই যে, সেগুলি সর্বক্ষেত্রেই সুকুমার রায় স্বয়ং সম্পাদনা করেছেন, তা হলে এমন কিছু কিছু অসংগত ও অসমঞ্জস অংশ আছে, যার দায়িত্ব লেখকের উপর চাপালে, তাকেই সব থেকে বেশি অস্বস্তিতে ফেলা হবে। অন্যান্য প্রচলিত “পাঠের সঙ্গে বর্তমান ' ‘ঠের তুলনামূলক বিচার করলেই সচেতন পাঠকের কাছে এই বক্তব্য প্রমাণিত হবে। এই পরিস্থিতিতে বংগত পাঠ’ নির্ধারণ করতে গিয়ে তৃতীয় আর-একটি পাঠ’ প্রস্তুত করতে গেলে জটিলতা আরো বৃদ্ধি পডেবেই সে প্রচেষ্টা থেকে বিরত হয়েছি। এমন-কি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পাদিত পাঠ অনুসরণ করলে অপেক্ষাকৃত ভালো হত এ কথা ভেবেও, সে প্রলোভন সম্পাদককে সম্বরণ করতে হয়েছে। যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নি যে প্রচলিত সম্পাদিত পাঠ’ স্বয়ং খেকেরই, সে ক্ষেত্রেও কৌতুহলী পাঠক এখানে অন্য-একটি দুষ্প্রাপ্য ‘পাঠ’—এর সঙ্গে প্রচলিত ‘পাঠ’—এর তুলনামুলক পরিচয়ে সামগ্রিকভাবে সুকুমার রায়কে বিচারের সুযোগ পাবেন। এত ব্যাপকভাবে না হলেও অন্যান্য রচনার ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য। {{gap}}যারা অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযাপিত্ব ছাড়া আমার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব হত না—তিনি হচ্ছেন শ্রীমতী<noinclude></noinclude> j6aw3l866bb72a0548rgjljxnnyj6y5 পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-প্রথম খণ্ড.djvu/১৭২ 104 40918 1992202 1816361 2026-07-31T04:29:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992202 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Md.Fahamidul Islam Dipro" /></noinclude>{{Block center|<poem> '''ভালো ছেলের নালিশ''' মাগো! প্রসন্নটা দুষ্টু এমন! খাচ্ছিল সে পরোটা গুড় মাখিয়ে আরাম করে বসে— আমায় দেখে একটা দিল, নয়কো তাও বড়টা, দুইখানা সে আপনি খেল কষে! তাইতে আমি কান ধরে তার একটুখানি পেঁচিয়ে কিল মেরেছি, ‘হ্যাংলা ছেলে’ বলে— অমনি কিনা মিথ্যে করে ষাঁড়ের মতো চেঁচিয়ে গেল সে তার মায়ের কাছে চলে! মাগো! এমনি ধারা শয়তানি তার, খেলতে গেলাম দুপুরে, বল্ল, ‘এখন খেলতে আমার মানা’, ঘণ্টাখানেক পরেই দেখি দিব্যি ছাতের উপরে ওড়াচ্ছে তার সবুজ ঘুড়ি খানা। তাইতে আমি দৌড়ে গিয়ে, ঢিল মেরে আর খুঁচিয়ে ঘুড়ির পেটে দিলাম করে ফুটো— আবার দেখ, বুক ফুলিয়ে, সটান মাথা উঁচিয়ে আনছে কিনে নতুন ঘুড়ি দুটো! {{smaller|সন্দেশ-১৩২৯}} </poem>}} {{nop}}<noinclude>{{rh|বিবিধ কবিতা||১৬৭}}</noinclude> k3ojvqaigg4mowioo915w9m56dnwhim পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৩২ 104 40955 1992189 1984761 2026-07-31T04:29:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992189 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Arindam Maitra" />{{rh|{{xx-larger|কবিতাগুচ্ছ}}||}}</noinclude>{{dhr|6em}} {{gap}}‘কবিতাগুচ্ছে’র অন্তর্গত তেরোটি কবিতা ১৩২৩ মাঘ থেকে ১৩৩০ কার্তিক এই প্রায় সাত বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে সন্দেশে প্রকাশিত হয়েছিল। এর মধ্যে একমাত্র ‘কিছু চাই’ কবিতাটি সুকুমার রায়ের মৃত্যুর পরে ১৩৩০-এর কার্তিক-সংখ্যা সন্দেশে প্রকাশিত হয়। অন্যান্য কবিতাগুলির প্রকাশের সময় সুকুমারই ছিলেন সন্দেশের সম্পাদক। ১৩১৩ বৈশাখ সংখ্যা ‘মুকুল’—এ ‘কানা-খোঁড়া সংবাদ’ প্রথম প্রকাশিত হওয়ার সাড়ে চোদ্দো বছর পরে সংশোধিত আকারে সন্দেশে কবিতাটির বর্তমান-পাঠ প্রকাশিত হয়। {{gap}}‘আবোল তাবোল’ পর্যায়ের কবিতাগুলির প্রথম কবিতা ‘খিচুড়ি’র প্রকাশ কাল—১৩২১-এর মাঘ এবং শেষ কবিতা ‘পালোয়ান’ প্রকাশিত হয় ১৩৩০-এর ভাদ্র-সংখ্যা সন্দেশে— অর্থাৎ ঐ-সব উদ্ভট খেয়ালরসের কবিতার পাশাপাশিই বর্তমান পর্যায়ের নির্মল হাস্যরসের কবিতাগুলিও তিনি প্রায় একই সময় রচনা করে চলেছিলেন। কাব্যগুণে ‘আবোল তাবোল’ পর্যায়ের কবিতাগুলির সঙ্গে তুলনীয় না হলেও এই কবিতাগুলির মধ্যে সরল হাস্যরসিক সুকুমারের পরিচয় পেতে কস্ট হয় না। উপরন্তু এগুলির কয়েকটিতে নাট্যগুণ ও কাহিনীরস এতে ভিন্নতর আস্বাদন এনে দিয়েছে। এই পর্যায়ের কবিতার মধ্যে ‘আবোল তাবোল’, ‘বাবু’, ‘কানা-খোঁড়া সংবাদ’ ও ‘কিছু চাই’ এই চারটি কবিতা ছাড়া অন্যগুলি সিগনেট প্রেস প্রকাশিত সুকুমার রায়ের কবিতা-সংকলন ‘খাই খাই’—এর অন্তর্ভুক্ত হলেও, সব কবিতার সন্দেশে মুদ্রিত পাঠ-ই আমরা এ ক্ষেত্রে গ্রহণ করেছি। কবিতাগুলির বিন্যাসেও সন্দেশে প্রকাশিত কালানুক্রম অনুসৃত হয়েছে। {{nop}}<noinclude></noinclude> mt0sqwpvxgiok13g2l5fd5qhw8elhfw পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৭৩ 104 41037 1992190 1984762 2026-07-31T04:29:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992190 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" /></noinclude><section begin="A" />তাঁহাকে আর বাহিরে কোথাও বড়ো দেখা যাইত না। নিজে সারাজীবন সাধনা করিয়া যাহা সত্য বুঝিয়াছেন, তাহা প্রাণ খুলিয়া প্রচার করিতে পারিলেন না, এই দুঃখ লইয়াই তাঁহার জীবন শেষ হইল। যদি গ্যালিলিও জানিতেন আজ জগতের লোকে তাঁহার শিক্ষা এমন সম্মান ও শ্রদ্ধার সহিত গ্রহণ করিবে, তবে বোধ হয় বৃদ্ধের শেষ জীবন এত কষ্টের হইত না। {{right|সন্দেশ- বৈশাখ, ১৩২৪}} <section end="A" /> <section begin="B" />'''আর্কিমিডিস''' {{gap}}প্রায় বাইশশত বৎসর আগে, গ্রীস সাম্রাজ্যের অধীন সাইরাকিউস নগরে আর্কি- মিডিসের জন্ম হয়। আর্কিমিডিসের মতো অসাধারণ পণ্ডিত সেকালে গ্রীক জাতির মধ্যে আর দ্বিতীয় তত ছিলই না—সমস্ত পৃথিবীতে তাঁহার সমান কেহ ছিল কিনা সন্দেহ। দিনরাত তিনি আপনার পুঁথিপত্র লইয়া কী যে চিন্তায় ডুবিয়া থাকিতেন, আর অঙ্ক কষিয়া কষিয়া কত যে আশ্চর্য তত্ত্বের হিসাব করিতেন, লোকে তাহার কিছুই বুঝিত না- দু-দশজন পণ্ডিতলোকে পরম আগ্রহে অদির করিয়া তাহার সংবাদ লইত, আর অবাক হইয়া বলিত, “পণ্ডিতের মতো পণ্ডিত যদি কেউ থাকে, তবে সে হচ্ছে আকিমিডিস।” {{gap}}সাইরাকিউসের রাজা হীয়েরো ছিলেন আর্কিমিডিসের বন্ধু। তিনি কেবলই বলিতেন, “এত বড় পণ্ডিত হইয়া তোমার কী লাভ হইল, যদি লোকে তোমার কদর না বোঝে? তুমি কেবল বিজ্ঞানের বড়ো-বড়ো তত্ত্ব আর সুক্ষ-সুক্ষ হিসাব নিয়া থাক। মানুষের কাজে লাগে এমন সব যন্ত্র করিয়া দেখাও—লোকে বুঝুক তুমি কত বড়ো পণ্ডিত।” বন্ধুর কথায় আর্কিমিডিস মাঝে মাঝে ‘কেজো জিনিস গড়িবার দিকে মন দিতেন। তাহার ফলে নানারকম ‘স্কু’, জল তুলিবার জন্য প্যাঁচালো পাম্প’ জলে-চালানো বাতাসে-চালানো কতরকম যন্ত্র প্রভৃতি সৃষ্টি হইল। পাখা টানিবার জন্য দেয়ালে যে চাকার ‘পুলি’ খাটানো থাকে, সেই পুলি জিনিসটাও আকিমিডিসের আবিষ্কার। বড়ো বড়ো মালপত্র বোঝাই হইয়া এত যে কলের গাড়ি আর এত যে জাহাজ পৃথিবীময় ছুটিয়া বেড়াইতেছে, আর বড়ো-বড়ো কারখানায় এত যে ভারী ভারী কলকামান লোহালক্কড় লইয়া নাড়াচাড়া করিতেছে, সবখানেই দেখিবে মলি উঠানামার জন্য পুলি’ না হইলে চলে না। মুর্খ লোকে যখন আর্কিমিডিসের কলকব্জার পরিচয় পাইল, তখন তাহারাও ভাবিতে লাগিল, লোকটা পণ্ডিত বটে। {{gap}}আকিমিডিসের জীবনের একটি গল্প তোমর বোধ হয় অনেকে শুনিয়া থাকিবে। রাজা হীয়েরো এক সেকরার কাছে একটি সোনার মুকুট গড়াইতে দিয়াছিলেন। সেকরা মুকুটটি গড়িয়াছিল ভালোই কিন্তু রাজার মনে সন্দেহ হইল যে, সে সোনা চুরি করিয়াছে <section end="B" /><noinclude>{{rh|৭০||সুকুমার সমগ্র রচনাবলী: ২}}</noinclude> c47ze5jxfdqepyyyot4faijb4kbuqaf পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-প্রথম খণ্ড.djvu/২৩৫ 104 41042 1991848 1935723 2026-07-31T04:07:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991848 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{Head2Columns‎}}</noinclude>{{hi|দুলিরাম।{{gap|1em}}হ্যাঁ—আমি দেখিছি, সাদা মতন আবার ন্যাজ আছে। কার ন্যাজ কে জানে?}} {{c|{{smaller|রামকানাইয়ের দ্রুত প্রবেশ}}}} {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}এই রে সেই দাড়িওয়ালা! সেই দাড়িওয়ালা বাবুটা আমায় তেড়ে এসেছিল! উঃ!}} সকলে।{{gap|1em}}কি হয়েছে! কি হয়েছে? {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}সেই বাইরের ঘরের বাবুরা—উঃ—আমায় বেদম মারপিট করেছে! একজন ছাগলদাড়ি বাবু আছে, সে আমায় দেখেই হঠাৎ ছাতের সমান লাফ দিয়ে তেড়ে এসেছিল—উঃ!}} পণ্ডিত।{{gap|1em}}সিকী রে! তুই করেছিলি কি? {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}আমি তো কিচ্ছু করি নি—আমি বললাম, এখেনে ঢোল বসবে, বাবুরা যদি একটু, অন্যত্তর যান, নেহাত যদি না যান, আপনাদের ঘাড়ে ধাক্কা দেওয়া হবে।}} {{hi|দুলিরাম।{{gap|1em}}কি! ভদ্রলোককে এমনি করে ইনসাল্‌ট্!}} খেঁটুরাম।{{gap|1em}}যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা! রামকানাই।{{gap|1em}}আমি তো মিষ্টি করে বলেছিলুম— {{hi|খেঁটুরাম।{{gap|1em}}ব্যাটা, তোমায় মিষ্টি জুতো না দিলে তুমি সিধে হবে না—}} {{hi|পণ্ডিত।{{gap|1em}}আমার জিনিসপত্রগুলো কি কল্‌লি?}} {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}ঐ যে, বাইরের উঠোনে ফেলে রেখেছি!}} {{hi|পণ্ডিত।{{gap|1em}}দেখলেন মশাই, কাণ্ডটা দেখলেন?}} রামকানাই।{{gap|1em}}এই বাবুটি যে বললেন! {{hi|পণ্ডিত।{{gap|1em}}যা, যা, যেখানে হয় শিগগির বন্দোবস্ত করে দে! আমাদের ন্যায়শাস্ত্রে এক জায়গায় এমনি লিখেছে—}} {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}বলি ন্যায়শাস্ত্র শুনলে তো আর পেট ভরবে না! তোমরা কি এইখেনে বসেই রাত কাবার করবে নাকি? জমিদারমশায়ের কি আর খাওয়া-দাওয়া নেই?}} {{দুই কলাম}} {{hi|জমিদার।{{gap|1em}}ওরে রামা অমন করে বলতে নেই—বাবুদের মান্য করে কথা বলিস—আর পণ্ডিতমশাইকে কি চোখ রাঙায়?}} {{hi|রামাকানাই।{{gap|1em}}যে আজ্ঞে, প্রাতঃ প্রণাম পণ্ডিতমশাই!}} {{hi|পণ্ডিত।{{gap|1em}}রামা, নেতাইবাবুর বাড়ি আমার দুই পোড়ো থাকে, তাদের খবর দিস তো।}} {{right|{{smaller|[ পণ্ডিত, খেঁটুরাম ও দুলিরামের প্রস্থান}}}} {{hi|জমিদার।{{gap|1em}}রামা, দেখছিস তো কাণ্ডটা?}} রামকানাই।{{gap|1em}}আজ্ঞে হ্যাঁ— {{hi|জমিদার।{{gap|1em}}উৎপাত যে বেড়ে চলল—কি করা যায়?}} {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}আজ্ঞে, হুকুম পেলেই সব সাফ করে দি।}} {{hi|জমিদার।{{gap|1em}}না, না, ওরা আপনা থেকে উঠে যায়, এমন কিছু, করা যায় না? অথচ আমার নিন্দেটা না হয়!}} {{hi|রামকানাই।{{gap|1em}}তাহলে ওদের ঘরে লঙ্কার ধোঁয়া দিলে হয় না?}} {{hi|জমিদার।{{gap|1em}}দূৎ! এটাকে কিছু জিগগেস করাই ঝকমারি! যা, তুই এক কাজ কর—আমার মামার বাড়ি যা। সেখেন থেকে কেদারমামাকে ডেকে আনবি—তাকে সব বলে কয়ে আনিস!}} রামকানাই।{{gap|1em}}যে আজ্ঞে— {{hi|জমিদার।{{gap|1em}}মামা এলেই সব সিধে করে দেবে—উকিলে বুদ্ধি কিনা!}} {{c|{{smaller|গান}}}} {{bc/s}}<poem> নাছোড়বান্দা নড়েন না! :উড়ে আসেন, জড়ে বসেন, :মাথায় কেন চড়েন না! নাছোড়বান্দা নড়েন না! :যাবার নামটি করেন না, :ধাক্কা দিলে সরেন না! নাছোড়বান্দা নড়েন না! কচ্ছে সবাই যা’চ্ছা তাই! :চাকর ব্যাটা দিচ্ছে গালি, :হাঁ করে সব খাচ্ছে তাই!</poem><noinclude>{{bc/e}}{{Foot2Columns‎}}{{rh|২৩০||সুকুমার সমগ্র রচনাবলী}}</noinclude> cs9wl3kr2fdonxuvs0omuyiodwnyvl8 পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৯৮ 104 41090 1992191 1986811 2026-07-31T04:29:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992191 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jayantanth" /></noinclude>{{xx-larger|'''ইস্কুলের গল্প'''}} সন্দেশ পত্রিকার চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা থেকে দশম বধ ষষ্ঠ সংখ্যা (বৈশাখ ১৩২৩ থেকে আশ্বিন ১৩২৯) এই সাড়ে দু’বছরে প্রকাশিত সুকুমার রায়ের গল্পগুলির মধ্যে আঠারােঠি গল্প এই পর্যায়ে নির্বাচন করা হয়েছে। বিষয়বস্তুর দিকে নজর রেখেই এই পর্যায়ে নামকরণ করা হয়েছেইস্কুলের গল্প'। এই গল্পগুলি প্রকাশের সময় সুকুমারই ছিলেন সন্দেশের সম্পাদক। ১৯৪০ সালের ২২ নভেম্বর এম. সি. সরকার এ্যাণ্ড সন্স কলকাতা- পাগলা দাশু ও অন্যান্য কয়েকটি গল্প নিয়ে পাগলা দাশু’ শিরােনামে সুকুমার রায়ের একটি গল্প-সংকলন প্রকাশ করেন। সুপ্রভা রায়ের অনুরোধে রবীন্দ্রনাথ এই বইয়ের একটি ভূমিকা লিখে দেন। পরবর্তী পৃষ্ঠায় রবীন্দ্র-হস্তাক্ষরে ভমিকাটি মুদ্রিত হল। এই সংকনের মােট বাইশটি গল্পের মধ্যে চোদ্দোটি গল্প ‘ইস্কুলের গল্প’ পর্যায়ে দেওয়া হল। এ ছাড়া দ্রিঘাংচু, সবজান্তা দাদা, হিংসুটি, বাজে গল্প ১ ও ২ (বাজে গল্প ৩ এই সংস্করণে মুদ্রিত হয় নি) যতীনের জুতো, পেটুক হাসির গল্প এই সাতটি গল্প আমাদের প্রথম খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। হেশোরাম হুশিয়ারের ডায়েরি বর্তমান খণ্ডে অন্যান্য গল্প’ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ১৯৪৬ সালের ২১ জুন ‘পাগলা দাশু’র সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশিত সংস্করণে—দ্রিঘাংচু, হিংসুঠি, বাজেগল্প ১ ও ২, হাসির গল্প ও হেশােরাম হুশিয়ারের ডায়েরি এই পাঁচটি গল্প বজিত হয় এবং কালাচাঁদের ছবি, গোপালের পড়া ও ভুল গল্প এই তিনটি গল্প যুক্ত হয়ে মােট কুড়িটি গল্প নিয়ে ‘পাগলা দাশু’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। ঐ সংস্করণে গল্পের সঙ্গে যে ছবিগুলি অঙ্কিত তা অধিকাংশ শ্রীসত্যজিৎ রায়ের আঁকা (দুটিমাত্র সুকুমার রায়ের)। সিগনেট সংস্করণে রবীন্দ্রনাথের লেখা ভূমিকাটি বজিত হয়। আনন্দ পাবলিশার্স প্রকাশিত সুকুমার সাহিত্য সমগ্রতে ‘পাগলা দাশু পর্যায়ে মূলত সিগনেট সংস্করণকেই অনুসরণ করা হয়েছে। তবে শ্রীসত্যজিৎ রায়ের আঁকা ছবিগুলি বর্জন করে লেখকব আঁকা ছবিগুলিই ছাপা হয়েছে। এম, সি, সরকার প্রকাশিত সংস্করণের দ্রিঘাংচু ও হিংসুটি গল্প দুটি ‘বহুরূপী’র এবং বাজে গল্প ১ ও ২, হাসির গল্প ও হেশোরাম হুশিয়ারের ডায়েরি এই গল্পগুলি অন্যান্য গল্প’ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ‘পাগলা দাশুর প্রথম সংস্করণের চোদ্দোটি গল্পের সঙ্গে কালাচাদের ছবি (প্রথম সংস্করণে নেই, সিগনেট সংস্করণে আছে) গল্পটি আমরা বর্তমান পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করেছি। বাকি তিনটি গল্পের—পালােয়ান ও বিষ্ণুবাহনের দিবিজয় এই দুটি প্রথম সংস্করণে বা সিগনেট সংস্করণে ছিল না। আনন্দ পাবলিশার্সের সুকুমার সাহিত্য সমগ্রতে এই দুটি গল্প অন্যান্য গল্প” পর্যায়ে প্রকাশিত হয়েছে। ইস্কুলের গল্প’ পর্যায়ের প্রথম গল্প ধােড়া সুধীর সন্দেশে প্রকাশিত হওয়ার পর আর কোনো সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয় নি। গল্পগুলির বিন্যাসে সন্দেশে প্রকাশিত কালানুকমই অনুসৃত হয়েছে। গল্পের সঙ্গে আঁকা ছবিগুলিও স্বয়ং লেখকের। গল্পগুলির ‘পাঠ’—এ প্রায় অবিকৃত ভাবে সন্দেশ’—এ মুদ্রিত পাঠকেই অনুসরণ করা হয়েছে প্রচলিত পাঠের সঙ্গে তার অনেক ক্ষেত্রে গুরুতর পার্থক্য আছে। এ সম্পর্কে বিস্তৃত আলােচনা ভুমিকায় দ্রস্ত্রব্য।<noinclude></noinclude> qlizqsnxxmig2snkh0gbvivi86i110o পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/১৪৮ 104 41150 1992192 1968762 2026-07-31T04:29:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992192 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Md.Fahamidul Islam Dipro" /></noinclude>{{left|'''নানা নিবন্ধ'''}} {{gap}}এই পর্যায়ের প্রথম উনসত্তরটি প্রবন্ধ মাঘ ১৩২০ থেকে শ্রাবণ ১৩৩০ এই সাড়ে ন’ বছর ধরে “সন্দেশ’—এ প্রকাশিত সন্দেশের কিশোর-পাঠকদের কথা মনে রেখেই পত্রিকায় প্রয়োজনে এই লেখাগুলির জন্ম। তাই এর মধ্যে এমন অনেক বিষয় আছে তথ্যের দিক থেকে যার আজ আর কোনো মূল্য নেই। বলা বাহুল্য বিজ্ঞান ও চিন্তা জগতের তথা সামগ্রিকভাবে সময়ের অগতিই তার কারণ। তবু আজ থেকে পঞ্চাশ-আট বছর আগেকার কিশোর-মনের কৌতুহলের চেহারা কি ধরনের ছিল তার একটি ধারণা পাঠকরা এই নিবন্ধগুলির মধ্যে পাবেন। সেদিক থেকে এই রচনাগুলির একটি ঐতিহাসিকমূল্য অবশ্যই প্রাপ্য। {{gap}}চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা থেকে কলকাতার পাতাল রেল প্রকল্পবিষয়ের বৈচিত্র্যের দিক থেকে অনেক কিছুই পাঠকরা এই নিবন্ধময় খুঁজে পাবেন, কিশোের-পাঠকদের কাছে যা কৌতুক ও কৌতুহল দুইই জোগাবে। {{gap}}প্রবন্ধগুলি সন্দেশে প্রকাশিত কালানুক্রমেই বিন্যস্ত হল। শ্রাবণ ১৩৩০ সংখ্যার সন্দেশে প্রকাশিত ‘বুমেরাং’ নিবন্ধটি উহ্যনাম পণ্ডিত এই ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। সমস্ত নিবন্ধগুলির সঙ্গেই প্রকাশের তারিখ উল্লেখ আছে। {{gap}}সন্দেশ-এর ‘পাঠ’ই এখানে যথাসম্ভব অবিকৃতভাবে অনুসরণ করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই নিবন্ধের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক চিত্রও ছিল। সেগুলি প্রায় সমস্তই বিবর্ণ হয়ে যাওয়ায় ছবিগুলি দেওয়া সম্ভব হয় নি। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই ছবিগুলির প্রসঙ্গে যে-সব কথা ছিল তা সম্পাদনার প্রয়োজন হয়েছে। পাঠের সঙ্গতি বজায় রাখার জন্যই এই ন্যূনতম সম্পাদনা অনিবার্য ছিল। {{gap}}এই পর্যায়ের শেষ নিবন্ধ সুর্যের রাজ্য মুকুল পত্রিকায় আশ্বিন ১৩১৩ সংখ্যায় মুদ্রিত হয়েছিল। সম্ভবত এটি সুকুমার রায়ের প্রথম মুদ্রিত গদ্যরচনা। এই রচনা প্রকাশের সময় সুকুমারের বয়স ছিল প্রায় উনিশ বছর। স্বতন্ত্র সময়ের রচনা বলে কালানুক্রমে না দিয়ে এটি এই পর্যায়ের শেষে দেওয়া! ১৬৬ পৃষ্ঠার প্রবন্ধের শিরোনামে ‘বাড়ি’ স্থান ‘বড়ি’ হবে। {{nop}}<noinclude>{{left|সু. স. র. --- ১৮}}</noinclude> 9ht2s27h0uluadjnoeicarn8qhfb289 পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/১৫৮ 104 41162 1992193 1986826 2026-07-31T04:29:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992193 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude><section begin="5" />{{right|{{larger|'''ডুবুরী জাহাজ'''}}}} {{gap}}প্রায় চল্লিশ বৎসর আগে একজন ফরাসি লেখক একটা গল্প লিখিয়াছিলেন, তাহাতে এক অদ্ভুত জাহাজের কথা ছিল। সে জাহাজকে মাছের মতো জলের উপর বা নীচ দিয়া যেমন ইচ্ছা চালানো যাইত। সে সময়ে লোকের কাছে গল্পটা খুবই অসম্ভবগোছের শুনাইয়াছিল এবং অনেকে গল্পলেখকের ‘আজগুবি কল্পনার’ খুব প্রশংসা করিয়াছিলেন। কিন্তু এখন আর এরূপ গল্পে লোকের আশ্চর্য হইবার কথা নয়, কারণ, বাস্তবিকই ঐরকম জাহাজ এখন অনেকগুলি তৈয়ার হইয়াছে। শুধু ইংলণ্ডেই এখন অন্তত পঁচাশিটা এইরূপ জাহাজ আছে। {{gap}}জাহাজটা যতক্ষণ জলের উপরে থাকে ততক্ষণ তাহার পিঠে নানারকম মাস্তুল দড়ি, কলকব্জা ইত্যাদি দেখা যায়, কিন্তু জাহাজ ডুব মারিবার আগে এ-সমস্ত গুটাইয়া লওয়া হয়। তখন কেবল দুটি চোঙা আর একটি টুপির মতো ঢাকনি জাহাজের উপরে থাকে। ঢাকনিটার গায়ে পুরু কাঁচের শার্শী দেওয়া থাকে, তাহার ভিতর দিয়া জাহাজের কাপ্তান বাহিরের সমস্ত দেখিতে পান। জাহাজটা যতক্ষণ আধ-ডোবা অবস্থায় থাকে ততক্ষণ এইভাবে দেখার কাজ চলিতে পারে, কিন্তু আর কয়েক হাত ডুবিলেই সে পথ বন্ধ। তখন ঐ চোঙা দুটিই চোখের কাজ করে—চোঙার আগায় আয়না ও কাঁচ সুদ্ধ একটি যন্ত্র বসানো থাকে, যন্ত্রটা ঘুরিয়া ঘুরিয়া চারিদিকে তাকাইতে থাকে—আর জাহাজের কাপ্তান নীচে বসিয়া সেই আয়নার সাহায্যে বাহিরের সমস্ত অবস্থা দেখিতে পান। দশ হাতের নীচে গেলে এই ‘দিকবীক্ষণ’ যন্ত্রও ডুবিয়া যায়, তখন কেবল আন্দাজে আর কম্পাস দেখিয়া জাহাজ চালাইতে হয়। {{gap}}জাহাজের মধ্যে একটা লোহার চৌবাচ্চা থাকে—চৌবাচ্চাটা খালি থাকিলে জাহাজ জলের উপরে ভাসে কিন্তু চৌবাচ্চাটার মধ্যে জল ভরিলে জাহাজ ভারি হইয়া ক্রমে ডুবিয়া যায়। এইরকমে জল বাড়াইয়া বা কমাইয়া জাহাজকে অল্প বা বেশি ডুবানো যায়। তাড়াতাড়ি জল ভরিবার বা খালি করিবার জন্য জাহাজের মধ্যে বড়ো বড়ো ‘পাম্প’—কল রাখা হয়-তাহার সাহায্যে এক মিনিটের মধ্যে জাহাজকে পঞ্চাশ হাত জলের নীচে ভুবাইয়া দেওয়া যায়। জাহাজের দুই পাশে ও পিছনে মাছের উনি ও সেজের মতো হা বসানো থাকে, সেইগুলিকে ঘুরাইয়া ফিরাইয়া জাহাজের মুখ ডাইনে বাঁয়ে উপরে নীচে যেমন ইচ্ছা ফিরানো যায়। পিছন দিকে দুইটা পাখার মতো ইস্ক্রুপ ঘুরিতে থাকে তাহাই জল কাটিয়া জাহাজকে চালায়। জাহাজের ভিতরে বড়ো বড়ো লোহার বোতলে চাপ দিয়া বাতাস ভরিয়া রাখা হয়। তাহাতে জাহাজের বাতাস অনেকক্ষণ পরিষ্কার রাখিবার সুবিধা হয় এবং অন্যান্য কাজও চালান যায়। ক্রমাগত চব্বিশ ঘণ্টা জলের নীচে থাকিলেও জাহাজের লোকেরা কোনোরকম অসুবিধা বোধ করে না। জাহাজে এরূপ বন্দোবস্ত করা যায় যাহাতে একটা জাহাজ কোথাও না থামিয়া চারহাজার মাইল স্বচ্ছন্দে চলিয়া যাইতে পারে। {{nop}}<section end="5" /><noinclude>{{rh|নানা নিবন্ধ||১৫৫}}</noinclude> jqs4ziccq69muoqnrmswmedczefidj9 পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/১৫৯ 104 41163 1992194 1986827 2026-07-31T04:29:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992194 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}মনে কর অমরা এইরূপ একটা জাহাজের মধ্যে ঢুকিয়াছি—ঢুকিয়াই সকলের আগে চোখে পড়ে—জাহাজের এক মাথা হইতে আর এক মাথা পর্যন্ত কেবল চাকা আর লোহা কলকব্‌জা। চেয়ার টেবিল আসবাবপত্র নাই বলিলেই হয়। সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন। {{gap}}কাপ্তান উপর হইতে হুকুম করিতেছেন আর অন্য একটি কর্মচারী নাবিকদিগের দ্বারা সেই হুকুম তামিল করাইতেছেন। প্রত্যেক লোক তাহার নিজের নিজের জায়গায় প্রস্তুত হইয়া আছে-কখন কি হুকুম আসে। কাপ্তান বলিলেন ‘জাহাজ ডাইনে ফিরাও’, অমনি একটা চাকা ঘুরাইবামাত্র জাহাজ ডাইনে ফিরিয়া গেল। ‘থাম! টর্পিডোওয়ালা, প্রস্তুত হও।’ টর্পিডো কেন? শত্রপক্ষের জাহাজ দেখা গিয়াছে। টর্পিডো বড়ো সাংঘাতিক অস্ত্র। একবার বিপক্ষের জাহাজে ভালোমতো টপিডো দাগিতে পারিলে আর দ্বিতীয়বার মারিবার দরকার হয় না। একটা প্রকাণ্ড ছুঁচোবাজির মতো তার চেহারা-তার ভিতরে বারুদ আর অদ্ভুত কল-কারখানা। ডুবুরী জাহাজের সামনেই টপিডোর কলখানা—সেই কলের চাবি টিপিলেই টর্পিডো ঘণ্টায় চারশো মাইল বেগে ছুটিয়া বাহির হয় এবং বিপক্ষের জাহাজে বা অন্য কোনো শক্ত জিনিসে ঠেকিয়া বাধা পাইবামাত্র ভয়ানক শব্দে ফাটিয়া ও জাহাজ ফাটাইয়া এক তুমুল কাও বাধাইয়া দেয়। বড়ো ডুবুরী জাহাজে তিন-চারটি পর্যন্ত টর্পিডো কল থাকে। ‘টপিডোওয়ালা, প্রস্তুত হও!’ হুকুম অসিবামাত্র তাহারা প্রস্তুত। সকলেই জানিয়াছে বিপক্ষের জাহাজ আসিতেছে-কাহারও মুখে টুঁ শব্দটি নাই। জাহাজের মধ্যে কেবল কলের বন্‌বন্ শব্দ ছাড়া আর কোনো আওয়াজ নাই। {{gap}}হুকুম আসিল ‘চল্লিশ হাত নামাও’-বলিতে বলিতে জাহাজ ডুবিতে লাগিল। একটা কলের কাঁটা আস্তে আস্তে সরিয়া যাইতে লাগিল -কুড়ি হাত, পঁচিশ হাত, ত্রিশ হাত। চল্লিশ-এর দাগে কাঁটা নামিল। এখন আর বাহিরের কিছুই দেখা যায় না। কাপ্তান এখন ঘড়ির দিকে একদৃষ্টে তাকাইয়া আছেন। বিপক্ষের জাহাজটি ঠিক কোনদিকে এবং কত দূরে তিনি খুব ভালো করিয়া তাহার হিসাব লইয়াছেন—তাঁহার জাহাজ কিরকম জোরে চলিতেছে তাহাও তিনি জানেন–সুতরাং তিনি ঠিক বলিতে পারেন কোন মুহর্তে দুই জাহাজে কতখানি তফাত থাকিবে। নিঃশব্দে জলের নীচে জাহাজ চলিতেছে শত্রু জাহাজ কিন্তু তাহার কিছুই জানে না। ‘জাহাজ উঠিতে দাও’-আবার কলের কাঁটা নড়িয়া উঠিল—“ত্রিশ হাত, বিশ হাত, দশ হাত–বাস।'—‘সম্মুখের টর্পিডো হঁশিয়ার হও। এতক্ষণে দিকবীক্ষণ যন্ত্র ভাসিয়া উঠিয়াছে-আবার সব দেখা যাইতেছে। আধ মাইল দূরে শত্রুর জাহাজ-প্রকাণ্ড যুদ্ধজাহাজ। প্রায় কুড়িটা ডুবুরীর সমান। কাপ্তান একমনেই হিসাব করিতেছেন জাহাজটা আরেকটু সামনে সরুক, আরেকটু, আরেকটু—বাস। ‘ছাড়'! একটা ভয়ানক ধাক্কা লাগিল—ডুবুরী জাহাজ কাঁপিতে কাঁপিতে প্রায় কাত হইয়া গেল-হালের নাবিক তাড়াতাড়ি তাহাকে সামলাইয়া লইল। কিন্তু বিপক্ষের জাহাজে যে টর্পিডো লাগিল সে আর তাহা সামলাইতে পারিল না। জাহাজের গায়ে বিশ হাত গর্ত-জাহাজটা<noinclude>{{rh|১৫৬||সুকুমার সমগ্র রচনাবলী: ২}}</noinclude> hecfrpm48qim3wm1udl1z9w7hfxpbub পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/১৭৩ 104 41181 1992195 1816266 2026-07-31T04:29:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992195 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}সার ওয়াল্টার র‌্যালে যখন বিলাতে আলু আর তামাকের প্রচলন করলেন, তখনো তাঁকে রীতিমত নাকাল হতে হয়েছিল। শোনা যায়, তিনি একদিন খুব আরাম করে নিজের ঘরে বসে ‘পাইপ’ মুখে দিয়ে তামাক টানছিলেন, এমন সময় তাঁর চাকর এসে সেই ব্যাপার দেখে, মনিবের মুখে আগুন লেগেছে মনে করে, একেবারে হতভম্ব হয়ে গেল। কি করবে কিছু বুঝতে না পেরে সে এক বালতি জল নিয়ে সার ওয়াটারের মাথায় ঢেলে দিল। আলু খেতেও প্রথমটা লোকে কম আপত্তি করে নি। আলু ভয়ানক বিষাক্ত জিনিস, ‘আলু খেয়ে লোক মরে যাচ্ছে’, এইরকম সব অদ্ভুত গুজব চারিদিকে রাষ্ট্র হয়ে বহুদিন পর্যন্ত লোকের মনে ভয় জন্মিয়ে রেখেছিল। {{gap}}কলকাতায় হাওড়ার পোল যখন তৈরি হয় নি, তখন একজন সাহেব বলেন যে নৌকার উপর খিলান ভাসিয়ে এইরকম পোল তৈরি হতে পারে। এ কথাটা সে সময়ে লোকের কাছে এমনই অদ্ভুত ঠেকেছিল যে খবরের কাগজে পর্যন্ত সেই বেচারার নামে নানারকম ঠাট্টা-তামাশা বেরিয়েছিল। অথচ এখন হাজার হাজার লোকে প্রতিদিন পোলের উপর যাওয়া-আসা করছে—সেটা বাস্তবিক একটা অদ্ভুত ব্যাপার কিনা, কেউ সে কথা ভেবে দেখবার অবসর পায় না। {{gap}}রেলগাড়ির প্রচলনও এমনি করেই হয়েছিল। প্রায় একশো বৎসর আগে জর্জ স্টিফেনসন বাষ্পের জোরে গাড়ি চালিয়ে তাতে লোকের যাতায়াতের ব্যবস্থা করবার প্রস্তাব করেন। তখন সে প্রস্তাবে এতরকম আপত্তি উঠেছিল যে, ক্রমে তর্কটা পার্লামেট পর্যন্ত গড়ায়। শেষটায় অনেক ঝগড়াঝাটি গণ্ডগোলের পর, স্টিফেনসনকে নানারকম জেরা করে তার পর অনুমতি দেওয়া হল—“আচ্ছা, তোমার রেলগাড়িটা নাহয় একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক!” স্টিফেনসন সহজে জেদ ছাড়বার লোক ছিলেন না-তাই তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে ছাড়েন নি। {{gap}}এই জর্জ স্টিফেনসনের জীবনের কথা অতি অদ্ভুত। নিতান্ত গরিবের ঘরে যার জন্ম, যে লেখাপড়ার কোনোরকম সুযোগ পায় নি এবং ত্রিশ বৎসর বয়স পর্যন্ত কেবল কয়লার খনিতে সামান্য কাজ করেই জীবন কাটিয়েছে, তার মনে এমন আশ্চর্য শক্তি আসে কোথা হতে, ভাবলে অবাক হয়ে যেতে হয়। স্টিফেনসনের ছয় ভাইবোন। বাপ-মা অত্যন্ত গরিব, কাজেই ছেলেবেলা থেকেই সব কটি ভাইকে টাকা উপার্জনের চেষ্টা করতে হত। তারা নানান কাজ করে একেকজন দিনে প্রায় দু-আনা রোজগার করত। খনিতে নানারকম কল-কারখানা থাকে, সেগুলার উপর জর্জের ভারি নজর ছিল। সুযোগ পেলেই সে সেগুলাকে নেড়েচেড়ে তার ভিতরের কলকব্জা খুলে দেখত। বইটই কিছুমাত্র না পড়েও কেবল নিজে দেখেশুনে এ-সকল বিষয়ে তার আশ্চর্য দখল জমেছিল। সে সময়ে কয়লার খনিতে যে-সকল এঞ্জিন ব্যবহার হত তাদের ‘খাড়া এঞ্জিন’ বলা যায়—অর্থাৎ সে এঞ্জিন এক জায়গায় খাটানো থাকে। তার চাকার সঙ্গে দড়ি শিকল বা লোহার হাতল জুড়ে গাড়ি টানা, মোট বওয়া, জিনিসপত্র উঠানো-নামানো প্রভৃতি নানারকম কাজ চালানো হয়। সেই সময় হতেই চাকায়-বসানো চলন্ত এঞ্জিন গড়বার খেয়াল স্টিফেনসনের মাথায় চেপেছিল। {{gap}}যা হোক ক্রমে স্টিফেনসনের অবস্থার উন্নতি হতে লাগল। ক্রমে তার সপ্তাহে বারো<noinclude>{{rh|১৬৮||সুকুমার সমগ্র রচনাবলী: ২}}</noinclude> 15nujkxbb2t7ph2z24ht7hh3l2j4lqj পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/২৩০ 104 41238 1992196 1986850 2026-07-31T04:29:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992196 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>জোখের হিসাব লওয়া। সে কিরকম হিসাব? কোনখানে কত গরম তাহার হিসাব, কোনখানের বাতাস কতখানি ভিজা বা শুকনা তাহার হিসাব। কোনখানে বাতাসের চাপ কিরূপ, বাতাস কতটা হাল্কা বা কতটা ভারী, তাহার হিসাব; বাতাস কতখানি জোরে কোনদিকে চলিতেছে, কোনখানে কতখানি বৃষ্টি পড়িল, কিরকম মেঘ দেখা দিল, তাহার হিসাব। {{gap}}বাতাস যখন চলে তখন তাহাকে বলে ‘হাওয়া’, হাওয়া যখন ছোটে তখন তাহার নাম ‘ঝড়'। বাতাস আবার চলাফিরা করে কেন? গরম লাগিলে বা জলের বাম্প মিশিলে বাতাস ছড়াইয়া হালকা হইয়া উপর দিকে ভাসিয়া উঠে। তখন তাহার চাপ কমিয়া খানিকটা জায়গা যেন ফাঁকা হইয়া উঠিতে চায়। কিন্তু ফাঁকা হইবার জো নাই, চারিদিকের চাপে আশপাশ হইতে বাতাস ছুটিয়া সেই হালকা জায়গাটাকে দখল করিতে চায়, তাহাতেই বাতাসের চলাচল হয়। বাতাস যখন যেদিকে চলে, সে এখন মেঘগুলিকে সুদ্ধ সেদিকে টানিয়া লইতে থাকে। এইরকম টানাটানির মধ্যে পড়িয়া এক-একটা মেঘের এক একরকম চেহারা হইয়া ওঠে। যাঁহারা এ-বিষয়ে আলোচনা করিয়া থাকেন তাঁহারা মেঘের চেহারা দেখিয়া তাহার সম্বন্ধে অনেক কথা বলিতে পারেন। খুব উঁচুতে পাঁচ-ছয় মাইল উপরে যে মেঘ থাকে তাহার চেহারা অতি হালকা সূক্ষ চামরের মতো। সে মেঘে বৃষ্টি হয় না, সে মেঘ নীচে নামিতে গেলেই গরম বাতাসে শুকাইয়া মিলাইয়া যায়। {{gap}}তার পর দু মাইল চার মাইল উঁচুতে ছিটানো তুলার মতো বা চষাক্ষেতের মতো যে-সব সাদা সাদা মেঘ দেখা যায়, তাহাতেও হঠাৎ বৃষ্টি পড়িবার কোনো আশঙ্কা নাই। এইসমস্ত মেঘ যখন সূর্যাস্তের সময়ে লম্বা লম্বা স্তর বাঁধিয়া আকাশের গায়ে শুইয়া থাকে তখন তাহার উপর সূর্যের আলো পড়িয়া কি আশ্চর্য সুন্দর রঙের খেলা দেখা যায়, তাহা সকলেই দেখিয়াছ। বিদ্যুতের যে মেঘ তাহার চেহারাটা খুব গম্ভীর ও জমকাল হয়, সে যেন রাগে ফুলিয়া পাহাড়ের মতো উঁচু হইয়া উঠিতে থাকে কিন্তু বৃষ্টি নামিতে আরম্ভ করিলেই সে দেখিতে দেখিতে শান্ত হইয়া যায়। তখন সে বৃষ্টি মেঘ হইয়া ধোঁয়ার প্রলেপের মতো আকাশের গায়ে লেপিয়া যায়। {{gap}}বিদ্যুৎ যখন চমকায় তখনই মনে হয় ‘এইবার বাজ পড়ার শব্দ শুনিব’—এবং অনেক সময়ই সে শব্দ শোনা যায়। বিদ্যুৎ চমকাইলে বাতাসটা কিরকম তোলপাড় হইয়া উঠে ঐ আওয়াজটা হইতেই তাহা বুঝিতে পার। বিদ্যুতের ঝলক ছুঠিবামাত্র চারিদিকে গরম বাতাস ঠিকরাইয়া পড়ে, আবার সেই চোট সামলাইতে গিয়া চারিদিকের বাতাস ছুটিয়া কড়কড় শব্দে টক্কর বাধাইয়া বসে। তাহার পরেও খানিকক্ষণ পর্যন্ত বার বার বহু দূরের মেঘ হইতে গুড়্ গুড়্ করিয়া সেই শব্দের প্রতিধ্বনি আসিতে থাকে। {{gap}}মিটিয়রলজিক্যাল অফিস থাকাতে বৃষ্টি-বাদল সম্বন্ধে নানারকম খবর আমরা আগে হইতে জানিতে পারি। ‘ঝড় আসিতেছে’ এই খবর সময়মতো জানিতে পারিলে মানুষে সাবধান হইয়া তাহার জন্য প্রস্তুত থাকিতে পারে। মনে কর, খবর আসিল-এখনি হইতে দুইশত মাইল দূরে একটা বড়ো ঝড় খুব বৃষ্টি লইয়া ঘটায় পঞ্চাশ মাইল বেগে এইদিকে আসিতেছে। সে যদি বরাবর ঐভাবে এই মুখেই আসে এবং আসিতে আসিতে তাহার বৃষ্টি<noinclude>{{rh|নানা নিবন্ধ||২২৫}}</noinclude> 5amyk7efnye1kjj66jxgxtl40tf6msx পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/২৭৮ 104 41286 1992197 1986867 2026-07-31T04:29:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992197 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>দিবার জন্য ভারি ভারি কাঠের ‘স্লিপার’ চাই—যেখানেই মার্টির নীচে খনি খোঁড়ার কাজ চলছে সেখানেই খনির দেয়ালে ছাদে ঠেকা দিবার জন্য বড়ো-বড়ো কাঠের গুঁড়ি কাঠের থাম দরকার হচ্ছে। ইউরোপের বড়ো-বড়ো শহরে রাস্তা বাঁধাবার জন্য কত অসংখ্য কাঠ ইঁটের মতো চৌকো করে কেটে বসানো হচ্ছে। {{gap}}কিন্তু কাঠকে কাজে লাগাবার জন্য আজকাল এর চাইতেও অনেক অদ্ভুত উপায় বের করা হয়েছে। কাঠ থেকে যে কাগজ তৈরি হয়, তা বোধ হয় তোমরা সকলেই জান। যত খবরের কাগজ দেখ, সে-সমস্তই কাঠের কাগজে ছাপা। কেবল কাগজ তৈরির জন্যই। প্রতি বৎসর প্রায় দশকোটি মণ কাঠের দরকার হয়। কাঠওয়ালারা কাঠকে পিটিয়ে থেঁৎলিয়ে সিদ্ধ করে একটা অদ্ভুত জিনিস বানায়, তার নাম ‘উড্‌পাল্প’ (Wood-Pulp)। বাংলায় ‘কাঠের আমসত্ত’ বললে বর্ণনাটা নেহাত মন্দ হয় না। কাগজওয়ালারা নানা দেশ থেকে এই অপরূপ আমসত্ত কিনে এনে তা দিয়ে কাগজ বানায়। আগে এইরকমে কেবল সাধারণ সস্তা এবং খেলো কাগজই তৈরি হত কিন্তু আজকাল কাঠকে নানারকম প্রক্রিয়ায় ধুয়ে এমন পরিষ্কার এবং বিশুদ্ধ করা হচ্ছে যে তা থেকে খুব উচু দরের ভালো কাগজ পর্যন্ত তৈরি হতে পারে। {{gap}}কাঠের মধ্যে প্রধান জিনিসটি হচ্ছে সেলুলোস্ (Cellulose); কাঠকে বিশুদ্ধ করা মানে এই জিনিসটিকে খাঁর্টি অবস্থায় বের করা। পরিষ্কার সাদা তুলো দেখেছ ত? সেই তুলোও সেলুলোস্ ছাড়া আর কিছুই নয়। তুমি যে ধুতি পরে আছ সেও হচ্ছে সেলুলোসেরই ধুতি। কাঠ থেকে যে সেলুলোস্ বেরোয় তাতে তুলোর মতো আঁশ থাকে না কিন্তু তা থেকে খুব সস্তায় অনেক আশ্চর্য জিনিস তৈরি হচ্ছে। সেলুলোসকে রাসায়নিক উপায়ে বদলিয়ে একরকম আঠালো জিনিস তৈরি হয় তা থেকে টেনে সুতোর মতো সেলুলোসের আঁশ বার করা যায়। এই উপায়ে ইউরোপে প্রতি বৎসর কুড়ি লক্ষ মণ ‘নকল রেশম’ তৈরি হয়। তার চেহারা অনেক সময়ে আসল রেশমের চাইতেও সুন্দর হয়। এই ‘রেশম’ দেশ-বিদেশে চালান দেওয়া হয়-আর কত শৌখিন লোকে সেই রেশমের পোশাক পরে বেড়ায়। তারা জানেও না যে তারা কাঠের পোশাক পরেছে। {{gap}}এই সেলুলোস্ থেকে নাকি খুব সস্তায় খাঁটি ‘স্পিরিট’, অর্থাৎ আলকোহল (Alcohol) বা সুরাসার প্রভৃতি অনেক জিনিস তৈরি হতে পারবে। তখন মানুষের কলকারখানা এঞ্জিন মোটর জাহাজ সব নাকি কাঠের স্পিরিট জ্বালিয়ে চালানো হবে। অনেক হাজাররকম ওষুধপত্র আরক প্রভৃতি তৈরি করার কাজে এই সুরাসার না হলে চলে না। রাসায়নিক কারখানায় এমন দরকারি জিনিস খুব কমই আছে। সুতরাং কাঠের কুচি আর করাতের গুড়ো থেকে যদি এমন জিনিসটাকে সস্তায় পাওয়া যায় তবে তাতে যে কতদিকে মানুষের কতরকম সুবিধা হবে সে আর বলে শেষ করা যায় না। শোনা যায়, শীঘ্র নাকি বাজারে কাঠের চিনি বেরোবার সম্ভাবনা আছে। নকল চিনি নয়, সত্যিকারের চিনি। {{gap}}এতক্ষণ আমরা কাঠের গুণ ব্যাখ্যা করেছি, এখন তার জীবনচরিতের একটু পরিচয় নেওয়া যাক। পৃথিবীর নানা দেশে যত কাঠ আমদানী হয় তার মধ্যে কানাডার কাঠই সবচাইতে বেশি। সেদেশে শীতকালের গোড়াতেই গাছ কাটা আরম্ভ হয়। তার পর<noinclude>{{rh|নানা নিবন্ধ||২৭৩}}</noinclude> 2laka2z5rkkfozh3s8hml0vfwynf84w পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/২৯৩ 104 41300 1992198 1984824 2026-07-31T04:29:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992198 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude><section begin="A" />যখন ইচ্ছা তোমায় খবর পাঠাতে পারবে। তুমি নিশ্চিন্ত থাকতে পার যে, যেখানেই তুমি থাক-না কেন, হঠাৎ বিশেষ কোনোও দরকার পড়লে কিম্বা কোনো বিপদ-আপদ ঘটলে তখনি তোমার কাছে তার খবর পৌছাতে পারবে। {{gap}}এমনি করে ‘যে গান কানে যায় না শোনা’, যে গান আকাশের তরঙ্গে চড়ে বিদ্যুতের মতো বেগে চারিদিকে ছুটে বেড়ায়, সেই অশব্দ গানকে আকাশময় ছড়িয়ে দিয়ে মানুষ আবার তাকে কলের মধ্যে ধরে আকাশের ভাষা ও আকাশের সুর শুনছে। আমাদের দেশে গল্প ও পুরাণে যে আকাশবাণীর কথা শুনতে পাই-এও যেন সেই আকাশবাণীর মতো কোথাও কোনো আওয়াজ নাই, জনমানুষের সাড়া নাই, অথচ কলের মধ্যে কান দিলেই শুনি আকাশময় কত কণ্ঠের কত ভাষা, কত বিচিত্র গান আর কত যন্ত্রের সুর। {{right|সন্দেশ-ভাদ্র, ১৩২৯}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{left|{{larger|'''যদি অন্যরকম হত'''}}}} {{gap}}এই পৃথিবীটাকে জন্মে অবধি আমরা যেমন দেখে আসছি সে যে বরাবর ঠিক সেরকম ছিল না তা তোমরা সবাই জান। এখন সে যেমনটি আছে চিরকাল তেমনটিও থাকবে না। আমরা এখন তার যেরকম চেহারা দেখছি সেরকম না হয়ে যদি সে অন্যরকম হত, যদি তার শনির মতো আংটি থাকত কিম্বা বৃহস্পতির মতো দশ-বারোটা চাঁদ থাকত তা হলে আরো কত অদ্ভুত কাণ্ড দেখতে পেতাম। চাঁদ যেমন বারো মাসে তার একই পিঠ পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে থাকে, ও পিঠে কি আছে তা আমাদের দেখতে দেয় না বুধগ্রহ ঠিক তেমনি করে সারা বছর সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকে। পৃথিবী যদি তেমনি করে কেবল একটা দিকই সূর্যের দিকে ঘুরিয়ে রাখত—তা হলে ব্যাপারটা কি হত একবার ভাব দেখি। একদিকে চিরকালই রোদ, চিরকালই গরম, একটু জুড়াবার অবসর নাই, সব মরুভূমি, সব ফেটে চৌচির। আর-একদিকে কেবলই রাত, কেবলই ঠাণ্ডা আর কেবলই বরফ। জীবজন্তুর সাধ্য কি যে তেমন ঠাণ্ডায় বা তেমন গরমে পাঁচ মিনিটও বেঁচে থাকে। এই দুইয়ের মাঝখানে যেখানে বারো মাস কেবলই সন্ধ্যা, যেখানে সূর্য অস্ত যায় না, উদয়ও হতে চায় না, কেবল আকাশের সীমান্তের কাছে উঁকিঝুঁকি মারে সেখানে হয়তো কষ্টেসৃষ্টে জীবজন্তুরা টিকে থাকতে পারে, গাছপালা যদি থাকে তবে তাও ঐ সন্ধের দেশটুকুতেই থাকবে। {{gap}}এক জায়গায় মাটি যদি গরম হয় আর তার কাছেই আশেপাশে যদি তার চাইতেও ঠাণ্ডা জায়গা কোথাও থাকে তা হলে গরম জায়গার হাওয়া হালকা হয়ে উপরদিকে উঠতে থাকে, আর চারিদিকের ঠাণ্ডা বাতাস এসে সেই জায়গা দখল করতে থাকে। এমনি করে ছোটো-বড়ো ঝড়ের সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর একটা দিক যদি আগুনের মতো গরম আর একদিক বরফের চাইতেও ঠাণ্ডা হত তা হলে সারা বছর ধরে যে ভীষণঝড়ের সৃষ্টি হত, তার কাছে এই পৃথিবীর বড়-বড়ো তুফানগুলো নিতান্তই ছেলেখেলা। সুতরাং পৃথিবীর যে এখনো চাঁদের মতো বা বুধগ্রহের মতো দশা হয় নি সেটা আমাদের পক্ষে খুবই সৌভাগ্যের কথা বলতে <section end="B" /><noinclude>{{rh|২৮৮||সুকুমার সমগ্র রচনাবলী: ২ }}</noinclude> ht7dag2gfzcm34z0v3fb7skz10xu1av পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৩৩০ 104 41337 1992199 1984831 2026-07-31T04:29:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992199 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>শুধু হাওয়া খেয়ে থাকে। এরকম বিশ্বাসের কারণ এই যে, বহুরূপী একে তো খায় খুবই কম, তার উপর খাওয়া কাজটি তার চক্ষের নিমেষে এমন চট্‌পট্ শেষ হয়ে যায় যে, একটু ঠাওর করে না দেখলে অনেক সময় বোঝাই যায় না। যতটুকু প্রাণী, জিভটি প্রায় ততখানি লম্বা; সেই জিভটি তীরের মতো ছিটকিয়ে পোকামাকড়ের উপরে পড়ে আর পরক্ষণেই টপ করে মুখের ভিতর ফিরে যায়। এর মধ্যে যে শিকার ধরা, শিকার মারা এবং খাওয়া, এই তিন কাজ শেষ হয়ে গেছে—সেটা বুঝতে অনেক সময় দেরি লাগে। {{gap}}বহুরূপীর আর-একটি অদ্ভুত জিনিস তার চোখ দুটি। বড়ো-বড়ো চোখ দুটি এমনভাবে তৈরি যে একবার চোখ পাকালেই উপর নীচ ডাইনে বাঁয়ে ডাঙা এবং আকাশের প্রায় সব খানিই বেশ দেখে নিতে পারে। তার উপর দুইটা চোখ একেবারে আলগাভাবে গাঁথা। একটা যখন সামনের দিকে স্থিরভাবে তাকিয়ে আছে, আর-একটা হয়তো ততক্ষণ চারিদিক ঘুরে ঘুরে ঘরবাড়ি গাছপালা সব তদ্‌বির করছে। {{gap}}আর আছে বৃদ্ধ জরদ্গবের মতো এক জন্ত-আমেরিকার গেছো-গিরগিটি। গিরগিটি বললাম বটে কিন্তু গোসাপ বললেও চলত, কারণ এর এক-একটি নাকি প্রায় সাড়ে তিন হাত পর্যন্ত লম্বা হতে দেখা গিয়েছে। গলায় গলকম্বল, পিঠে সাংঘাতিক কাঁটা, তার উপর কোনো কোনোটার গায়ে মাথায় বড়ো-বড়ো আঁচিল, তাতে চেহারাটা কেমন কিম্ভুতকিমাকার হয় তা সহজেই কল্পনা করতে পার। {{gap}}খাঁটি গোসাপ-জাতীয় জন্তু আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। ‘হিংস্র’ বলতে যা বোঝায় গোসাপেরা ঠিক তা নয় কিন্তু একবার গো ধরলে সেও ভয়ানক হয়ে উঠতে পারে। আমাদের দেশে কথায় বলে ‘কচ্ছপের কামড়’, সাহেবেরা বলেন ‘বুলডগের কামড়'—কিন্তু গোসাপ ক্ষেপলে পরে তার কামড় ছাড়ানোও বড় কম শক্ত নয়। হঠাৎ দেখলে মনে হতে পারে যে, গিরগিটিটাকে খুব বড়ো করতে পারলেই বুঝি ঠিক গোসাপ হয়ে দাঁড়াবে, কিন্তু বাস্তবিক গিরগিটি আর গোসাপের গড়নে কিছু তফাত আছে। গোসাপের ঘাড়টা অনেকটা লম্বা গোছের, আর তার জিভটা সাপের মতো চেরা, চলতে ফিরতে লকলক করে। গোসাপেরা আমিষ-খোর, সাপ, টিকটিকি, ইঁদুর, ব্যাঙ, পাখি, এই-সব খেয়ে থাকে-তাদের বিশেষ প্রিয় খাদ্য নাকি কুমিরের ডিম। আমাদের দেশে গোসাপ ডাঙায়ও থাকে জলেও নামে, তাই সাঁতারের সবিধার জন্য তাদের ল্যাজগুলি চ্যাটাল হয়। যে-সব গোসাপ কেবল শুকনো ডাঙায় বা গাছে থাকে, তাদের ল্যাজ হয় চাবুকের মতো গোল। {{gap}}আরেকরকমের জন্তু রয়েছে যার গায়ে চক্র চক্র দাগ, সেটি হচ্ছে মেক্সিকোর ‘বীভৎস গিলা’ (gila monster) বা বিষধর গিরগিটি। ছোটো ছোটো পা, তাতে শরীরটা মাটি থেকে আলগাই হয় না—তাকে সাপের মতো এঁকে বেঁকে মাটি ঘষে চলতে হয়। ছোট্টো দুটি চোখ, মুখভরা দাগের মধ্যে চট করে তাকে খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। দুম্বা ভেড়ার মতো ল্যাজটি চর্বিতে ভরা। যখন খাবার জোটে না, তখন ঐ ল্যাজটা শুকিয়ে আসে, ল্যাজের চর্বি সমস্ত শরীরে শুষে গিয়ে শরীরটাকে তাজা রাখে। কিন্তু আসল দেখবার জিনিসটা ওর মুখের মধ্যে। সেখানে যদি খোঁজ করো তবে দেখবে, ঠিক সাপের মতো তার বিষদাঁত রয়েছে। সে বিষে ছোটোখাটো জন্তু বা পাখি তো মরেই, মানুষ পর্যন্ত মারা গেছে বলে শোনা যায়।<noinclude>{{rh|জীবজন্তুর কথা||৩২৫}}</noinclude> bs2leuuix1eak76vx55g3ca4w8com4n পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৩৭৪ 104 41382 1992200 1984836 2026-07-31T04:29:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992200 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{right|{{x-larger|'''টিয়াপাখির বুদ্ধি।'''}}}} {{gap}}এক ফরাসি ভদ্রলোকের একটা কুকুর আর একটা টিয়াপাখি ছিল। কুকুরটাকে তিনি নানারকম খেলা আর কাজ শিখিয়েছিলেন। ‘বাইরে যাও’, ‘দোকানে যাও’, ‘খাবার আনো’ বলে তিনি যখন যেমন হুকুম করতেন, কুকুরটা ঠিক মতন তার হুকুম তামিল করত। টিয়াপাখিটা কিন্তু কিছু কাজ করতে শেখে নি। সে কেবল সব সময় বকর বকর করে কথা বলত আর কুকুরটার উপর সর্দারি করত। কুকুর বেচারা হয়তো ঘরের মধ্যে শুয়ে আছে হঠাৎ টিয়াপাখিটা চোখ পাকিয়ে ধমক দিয়ে বলল, “এইও, বাইরে যাও”- কুকুরেরও হুকুম শুনে অভ্যাস- সে ভয়ে ভয়ে লেজ গুটিয়ে দরজার দিকে রওনা হত। তখন আবার টিয়াপাখিটা ঠিক তার মনিবের মতো শিস্ দিয়ে তাকে ডেকে আনত। {{gap}}সেই ভদ্রলোকটি কুকুরটাকে প্রায়ই রুটিওয়ালার দোকানে ‘কেক্’ আনবার জন্য পাঠাতেন। কুকুরটাকে সকলেই খুবই চিনত সুতরাং সে টুকরি মুখে নিয়ে দোকানে অসিলেই রুটিওয়ালা টুকরির মধ্যে কেক্ পুরে দিত আর তার মনিবের নামে হিসাব লিখে রাখত। একদি ভদ্রলোকটি হিসাব করতে গিয়ে দেখেন যে তার হিসাবের সঙ্গে দোকানের হিসাব মিলছে না। তিনি যতবার কুকুরটাকে পাঠিয়েছেন-দোকানীর হিসাব তার চাইতেও বেশি লেখা হয়েছে। কয়েকদিন পর্যন্ত এর কারণ কিছু বোঝা গেল না। তার পর তিনি একদিন দেখেন কি, কুকুরটা শুয়ে আছে এমন সময় টিয়াপাখিটা হঠাৎ বলে উঠল, “টুকরি আনো।” কুকুরটা একটু উঠে টুকরি নিয়ে এল। টিয়াপাখি বলল, “দোকানে যাও।” কুকুর বেচারা ইতস্তত করতে লাগল, তাই দেখে সে আবার চীৎকার করে বলল, “এইও, দোকানে যাও।” কুকুর বেচারা আর কি করে? সে দোকানে গিয়ে দু’মিনিটের মধ্যে খাবার এনে পাখিটার সামনে রেখে লেজ নাড়তে লাগল, ইচ্ছাটা সেও কিছু ভাগ পায়, কিন্তু টিয়াপাখি “বাইরে যাও” বলে এক ধমক দিয়ে তাকে তাড়িয়ে, নিজেই সবটা খাবার খেতে লাগল। {{gap}}তখন ভদ্রলোকটি বুঝতে পারলেন যে দোকানীর হিসাবে কেন বেশি লেখা হয়। {{right|সন্দেশ-পৌষ, ১৩২১}}<noinclude>{{rh|আন্যান্য গল্প||৩৬৯}}</noinclude> 7yoky8imbebmzeqhz5c61p6c1hrjypz পাতা:সুকুমার রায় রচনাবলী-দ্বিতীয় খণ্ড.djvu/৩৭৬ 104 41384 1992201 1986882 2026-07-31T04:29:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992201 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude><section begin="A" />{{gap}}তখন তারা ভারি বিরক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গেল। কোলাব্যাঙ তার ছানাদের বলল, “সমুদ্র-টমুদ্র কিছু নেই—ও-সব মিছে কথা!” {{right|(জাপানী গল্প){{gap|10em}}}} {{right|সন্দেশ-আষাঢ়, ১৩২২}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{right|{{x-larger|'''খুকির লড়াই দেখা'''}}}} {{gap}}একদল ইংরেজ সৈন্য মাঠের পাশ দিয়ে লড়ায়ের জায়গায় যাচ্ছে, এমন সময় তাদের একজন হঠাৎ দেখতে পেল, মাঠের কিনারায় একটা খুকি ঘুমাচ্ছে। আশেপাশে কোথাও লোকজন নাই, ঘর বাড়ি যা কিছু ছিল কোন কালে গোলা লেগে ছাতু হয়ে গেছে—এমন জায়গায় খুকি আসল কোথা থেকে? খুকির বয়স বছর দুই, টুকটুক করে হেঁটে বেড়ায়, অতি মিষ্টি ক’রে দু-চারটি কথা বলে ফরাসী ভাষায়। সে যে কোথা থেকে এল তা সে বুঝিয়ে বলতে পারে না। সৈন্যরা ঠিক করল, তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া যাক, পরে খোঁজ করে যা হয় একটা করা যাবে। লড়াইয়ের জায়গায় মাটির মধ্যে খাদ কেটে সৈন্যরা সব সময় হুঁশিয়ার হয়ে বসে থাকে—কখনো একদিন, কখনো দুদিন কখনো বা সপ্তাহ ধরে এক-এক দলকে সেই খাদের মধ্যে থাকতে হয়। সন্ধ্যার অন্ধকারে তারা খুকিকে নিয়েই আস্তে আস্তে খাদের মধ্যে ঢুকল। {{gap}}সামনে জার্মানদের খাদ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, মাঝে মাঝে এদিক-ওদিক গোলা ফাটার শব্দ হচ্ছে, কখনো-বা দুটো-একটা বন্দুকের গুলি সোঁ করে মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু খুকুমনির তাতে ভ্রুক্ষেপ নাই। সৈন্যরা তার জন্য খড় দিয়ে আর বালির বস্তা দিয়ে সুন্দর বিছানা করে দিয়েছে তার মধ্যে সে নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে! সকাল হতেই কামানের লড়াই আরম্ভ হল-প্রথমটা অল্প-স্বল্প-তার পরে ক্রমেই বেশি। খুকি তখন ঘুম থেকে উঠেছে, সে প্রথম প্রথম দুমদাম্ শব্দে বোধহয় একটু ভয় পেয়েছিল কিন্তু খানিকক্ষণ শুনে শুনে আপনা হতেই তার ভয় ভেঙে গেল। সে তখন খাদের মধ্যে ঘুরে ঘুরে সকলের সঙ্গে আলাপ করতে লাগল, তাদের বন্দুক,দুরবীন অস্ত্রশস্ত্র দেখিয়ে, ‘এটা কি?’ ‘ওটা কি?’ জিজ্ঞাসা করতে লাগল। {{gap}}তার পর একদিন যায়, দুদিন যায়, সৈন্যরা তখনো সেখান থেকে বদলি হয় নি। তিন দিনের দিন জার্মানরা খাদের উপর প্রকাণ্ড এক বোমা ফেলল। বোমা ভয়ানক শব্দে ফাটবামাত্র খাদের খানিকটা ধ্বসে গিয়ে কতগুলো লোক চাপা পড়ল। অমনি সকলে একসঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল, “আগে খুকিকে দেখ।” খুকি এক কোণে পুঁটুলি পাকিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে আছে। পরদিন সকালবেলা সকলে খাওয়া-দাওয়া করছে—এমন সময় একজন চেঁচিয়ে উঠল “দেখ, খুকিটা কোথায় গেল”, সকলে চেয়ে দেখে খুকিটা জার্মান খাদের দিকে খুটখুট করে হেঁটে যাচ্ছে। জার্মানরা তো ব্যাপার দেখে অবাক! খানিক বাদে তারা খুকিটাকে ডাকতে লাগল। খুকিও তাদের খাদে গিয়ে অনেক চকলেট লজঞ্চুস আদায় করে ভারি খুশি হয়ে ফিরে এল। এমনি করে তারা এক সপ্তাহ কাটাল। <section end="B" /><noinclude>{{rh|আন্যান্য গল্প||৩৭১}}</noinclude> 7dlo2eo5ghsw31tk78uip96etfd9ebq পাতা:গীতবিতান.djvu/১৫ 104 41863 1991619 1904433 2026-07-31T03:52:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991619 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{কেন্দ্র|মন্তব্য}}</noinclude>রবীন্দ্রনাথ-কর্তৃক সম্পাদিত প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড গীতবিতানের মুদ্রণ ও বিরলপ্রচারিত প্রথম প্রকাশের কাল যথাক্রমে: ভাদ্র ১৩৪৫ ও ভাদ্র ১৩৪৬। <ref follow="gb13a">দ্বিতীয় সংস্করণে গানের সংখ্যা ১৪৪; তন্মধ্যে ১৪২-সংখ্যক রচনা বর্তমানে বর্জিত হইল। ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপির তৃতীয় খণ্ডে এই গান (সংখ্যা ৬) রবীন্দ্রনাথের নামে মুদ্রিত, পরে slip-এ দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম ছাপাইয়া সংশোধিত— এরূপ গ্রন্থ দেখা গিয়াছে। ইন্দিরাদেবীর অভিমত এই সংশোধনেরই অনুকূলে।</ref> <ref follow="gb13b">বর্তমান মুদ্রণে এই গীতিগুচ্ছ দ্বিতীয় খণ্ডে আনুষ্ঠানিক সংগীতের প্রথম পর্যায়রপে সংকলিত। কবির বহু গীতিসংকলনে এই গান বা এরূপ গান সংগত কারণেই অনুষ্ঠানসংগীত-রূপে গণ্য হইয়া আসিতেছে।</ref> <ref follow="gb14">১৩৪৬ ভাদ্রে গ্রন্থমুদ্রণ প্রায় শেষ হইবার পর রচিত হওয়ায় পরিশিষ্টে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। বর্তমানে বিষয় ও রচনা -কাল বিচার করিয়া তৃতীয় খণ্ডে যথোচিত স্থানে সংকলন করা হইয়াছে। তৃতীয় খণ্ডের নানা সংস্করণে নানারূপ যোগবিয়োগের কারণে, ক্রমিক সংখ্যা তথা পৃষ্ঠাঙ্ক নির্দেশ ফলদায়ক হইবে না, গান দুটি প্রেম ও প্রকৃতি অধ্যায়ে সন্নিরিষ্ট, প্রথম ছত্র যথাক্রমে— {{bc|<poem>১. (যবে) রিমিকি ঝিমিকি ঝরে ভাদরের ধারা ২. বারে বারে ফিরে ফিরে তোমার পানে</poem>}}</ref><noinclude>{{reflist}} {{c|[ ৯ ]}}</noinclude> 2bavqtmlnhh48c29wff4flo2ukx3bkl পাতা:গীতবিতান.djvu/৫৩৯ 104 42381 1991188 1956069 2026-07-30T16:16:22Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1991188 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Img float | file = গীতবিতান (page 539 crop).jpg | width = 350px | align = center | cap = }} {{m-larger|{{কেন্দ্র|গান। রাগিনী পিলু। তাল খেমটা}}}} {{multicol}} বল্ গোলাপ, মোরে বল্, তুই ফুটিবি সখি কবে? ফুল ফুটেছে চারি পাশ, চাঁদ হাসিছে সুধা-হাস, বায়ু ফেলিছে মৃদু-শ্বাস, পাখী গাহিছে মধু রবে তুই ফুটিবি সখি করে? প্রাতে পড়েছে শিশিরকণা, সাঁঝে বহিছে দখিনা বায়, {{Multicol-break}} {{Multicol-break}} কাছে ফুলবালা মারি মারি দূরে পাতার আড়ালে সাঁঝের তারা মুখানি দেখিতে যায়। বায়ু দূর হতে আসিয়াছে, যত ভ্রমর ফিরিছে কাছে, কচি কিশলয় গুলি রয়েছে নয়ন তুলি, তারা সুধাইছে মিলি সবে তুই ফুটিবি সখি কবে॥ {{Multicol-end}} {{custom rule|sp|50|w|25|sp|50}}<noinclude></noinclude> k1x0npg0vhyiostbbl00hj0b6echyen পাতা:গীতবিতান.djvu/১০৯৯ 104 42941 1991621 1977208 2026-07-31T03:52:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991621 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{right|৯৭১}}</noinclude>{{c|দ্বিতীয় সংস্করণে {{larger|বিজ্ঞাপন}}}} {{gap}}গীতবিতান যখন প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল তখন সংকলন কর্তারা সত্বরতার তাড়নায় গানগুলির মধ্যে বিষয়ানুক্রমিক শৃঙ্খলা বিধান করতে পারেননি। তাতে কেবল যে ব্যবহারের পক্ষে বিঘ্ন হয়েছিল তা নয়, সাহিত্যের দিক থেকে বসবোধেরও ক্ষতি করেছিল। সেই জন্যে এই সংস্করণে ভাবে অনুষঙ্গ রক্ষা করে গানগুলি সাজানো হয়েছে। এই উপায়ে, সুরের সহযোগিতা না পেলেও, পাঠকেরা গীতিকাব্যরূপে এই গানগুলির অনুসরণ করতে পারবেন। {{r|{{larger|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}}} {{c|{{larger|রবীন্দ্র-সম্পাদিত}} {{x-larger|গীতবিতানের বিষয়বিন্যাস}}}} {|{{ts|w90|ma}} |{{smaller|ভাগ}} ||{{ts|ar}}|{{smaller|গীতসংখ্যা}} ||{{block right|align=center|{{smaller|ইদানীন্তন<br/>গীতবিতানের পৃষ্ঠা}}}} |- |ভূমিকা||{{ts|ar}}|১{{em}}||{{ts|ar}}|১{{gap}} |- |{{overfloat left|depth=2em|পূজা}} |- |গান||{{ts|ar}}|৩২{{em}}||{{ts|ar}}|৫-১৮{{gap}} |- |বন্ধু||{{ts|ar}}|৫৯{{em}}||{{ts|ar}}|১৮-৪২{{gap}} |- |প্রার্থনা||{{ts|ar}}|৩৬{{em}}||{{ts|ar}}|৪২-৫৯ {{gap}} |- |বিরহ ||{{ts|ar}}|৪৭{{em}}||{{ts|ar}}|৫৯-৭৯{{gap}} |- |সাধনা ও সংকল্প||{{ts|ar}}|১৭{{em}}||{{ts|ar}}|৮০-৮৬{{gap}} |- |দু:খ||{{ts|ar}}|৪৯{{em}}||{{ts|ar}}|৮৭-১০৫{{gap}} |- |আশ্বাস||{{ts|ar}}|১২{{em}}||{{ts|ar}}|১০৫-১১০{{gap}} |- |অন্তর্মুখে||{{ts|ar}}|৬{{em}}||{{ts|ar}}|১১০-১১২{{gap}} |- |আত্মবোধন||{{ts|ar}}|৫{{em}}||{{ts|ar}}|১১২-১১৪{{gap}} |- |জাগরণ||{{ts|ar}}|২৬{{em}}||{{ts|ar}}|১১৪-১২২{{gap}} |- |নিঃসংশয়||{{ts|ar}}|১০{{em}}||{{ts|ar}}|১২২-১২৬{{gap}}<noinclude></noinclude> rph1me45vtw1qsjj76e31320axuyx78 পাতা:কলিকাতার ইতিহাস.djvu/১৯ 104 46736 1991981 1842840 2026-07-31T04:12:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991981 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh|১৪|কলিকাতার ইতিহাস।|}}</noinclude>হলওয়েল সাহেব গ্রামত্রয়ের পরিমাণফল এইরূপ নির্দ্দেশ করিয়াছেন, যথা,— {{gap}}দিল্লী কলিকাতা ... বিঘা ১,৭০৪৴৩ কাঠা। {{gap}}সূতানুটী ... “১৮৬১ ৹২॥ কাঠা। {{gap}}গোবিন্দপুর ... “১,৭৪১॥৩॥ কাঠা। {{gap}}“১৭৫৭ অব্দে কলিকাতার চতুঃসীমা এইরূপ নিদিষ্ট ছিল;—বর্ত্তমানে যে স্থানে বেঙ্গল ব্যাঙ্ক ও চাঁদপাল ঘাট অবস্থিত, সেইখান হইতে আরম্ভ করিয়া চৌরঙ্গি রোড ভেদ করিয়া লবণ জলের হ্রদ পর্য্যন্ত যে খাড়ি বিস্তৃত ছিল, সে খাড়ির উত্তর; লালবাজার ও চিৎপুর রোডের পশ্চিম; বড়বাজারের দক্ষিণ; এবং ভাগীরথী নদীর পূর্ব্ব। এই চতুঃসীমার বহির্ভূত তাবৎ স্থানকে মহাদেশ-বলিত, কেননা খাড়ি, নদী ও মার্হাট্টা খাত দ্বারা পরিবেষ্টিত হইয়া কলিকাতা একটি দ্বীপস্বরূপ ছিল।” {{gap}}“১৬৯৮ খৃষ্টাব্দে ইহা যখন জমিদারীরূপে ক্রীত হয় তৎকালে ইহার পরিমাণ-ফল ১৷৷৹ বর্গ মাইল মাত্র ছিল। কলিকাতা সে সময়ে একটী বাণিজ্যিক উপনিবেশ বলিয়া প্রসিদ্ধ ছিল।” {{gap}}নগরের যে অংশের মধ্য দিয়া চিৎপুর রোড বিস্তৃত তাহাই পুর্ব্বকালের সূতানুটী। যে ঘাট এক্ষণে হাটখোলা ঘাট নামে পরিচিত, তাহাই প্রায় এক শতাব্দীকাল সূতানুটী ঘাট নামে প্রসিদ্ধ ছিল, এবং তাহারই অতি নিকটে সূতানুটী বাজার নামে একটী প্রকাণ্ড বাজার ছিল। ১৮৫০ সালের ২৩ আইন অনুসারে সমস্ত কলিকাতা যখন জরিপ করা হয়, তখন সূতানুটীর চতুঃসীমা এইরূপ নিদিষ্ট হয়: বাগবাজার খালের (মার্হাট্টা খাতের) দক্ষিণ, অপার সার্কুলার রোডের পশ্চিম, রতন সরকারের গার্ডেন ষ্ট্রীট নামক রাস্তার<noinclude></noinclude> ren2t9kf2g18vj7upjx7olv7hse4yho পাতা:কলিকাতার ইতিহাস.djvu/২৬৬ 104 46988 1991982 1731573 2026-07-31T04:12:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991982 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" />{{rh||নবম অধ্যায়। |২৬১}}</noinclude>খিলিতেন, এবং তাঁহাদের মধ্যে কেহ কেহ, সংবাদপত্র-সম্পাদকব্যবসায় অবম্বন করিয়াছিলেন। কাশীপ্রসাদ ঘোষ “হিন্দু ইণ্টেলিজেন্সার” নামক পত্রের সম্পাদক বলিয়া খ্যাত ছিলেন। উহা ১৮৪০ অব্দে বা তৎসমকালে প্রচারিত হয়। কথিত আছে যে, দেশীয়দিগের পরিচালিত ইংরেজী সংবাদপত্রসমূহের মধ্যে উহাই বিশেষ প্রসিদ্ধ ছিল। কাশীপ্রসাদ গদ্য ও পদ্য উঞ্চয় প্রকাশ চনাতেই সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তিনি কাপ্তেন ডি, এল, রিচার্ডসনের একজন প্রসিদ্ধ ও প্রিয় ছাত্র ছিলেন। রামবাগানের দত্তবংশীয় ঈশানচন্দ্র দত্ত “হিন্দু পাইওনিয়ার” পত্রের সম্পাদক ছিলেন। পরন্তু সে সময়ের দেশীয়পরিচালিত ইংরেজী সংবাদপত্রসমূহের মধ্যে উক্ত হিন্দু পাইওনিয়র প্রধান। {{gap}}হিন্দু প্রেট্রিয়ট-~-পত্রই সর্ব্বাপেক্ষা অধিক প্রতিষ্ঠালাভে সমর্থ হইয়াছিল। ইহার প্রাচীন ইতিহাস সম্বন্ধে রামগোপাল সান্ন্যাল কত কৃষ্ণদাস পালের জীবনচরিতে লিখিত আছে যে, শ্রীনাথ ঘোষ, গিরিশচন্দ্র ঘোষ ও ক্ষেত্রচন্দ্র ঘোষ ইহার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। বড়বাজারনিবাসী মধুসূদন রায় নামক এক ব্যক্তি এইরূপ একখানি পত্র প্রকাশের কল্পনা করেন। কালাকার স্ক্রীটে তাঁহার এক মুদ্রাযন্ত্র ছিল। সেই যন্ত্রেই হিন্দু পেট্রয়টের প্রথম সংখ্যা ১৮৫৩ অব্দে মুদ্রিত হয়। ক্রাইন্ সাহেব “রেইস এণ্ড রাইয়ত” পত্রের সম্পাদক শম্ভুচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের জীবনবৃত্তান্তে হিন্দু পেট্রয়টের প্রাচীন ইতিহাস সম্বন্ধে এইরূপ লিখিয়াছেন—“যে সকল সাময়িক পত্র একটি জাতির সাহিত্যিক ভাবের উন্মেষণ ঘোষণা করে, তন্মধ্যে একখানির নাম ‘বেঙ্গল রেকর্ডার’, এবং তাহার চিতাভস্ম হইতে হিন্দু পেট্রিয়টের জন্ম হয়। ইহার স্বত্বাধিকারী<noinclude></noinclude> 1jlqc8z7g64im49yelwi6f46uzc4twq পাতা:গল্পগুচ্ছ (প্রথম খণ্ড).djvu/৭৯ 104 51143 1992214 1980428 2026-07-31T04:37:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992214 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Shahriar Kabir Pavel" />{{rh||সম্পত্তি-সমর্পণ|৭৫}}</noinclude>{{center|{{larger|'''তৃতীয় পরিচ্ছেদ'''}}}} {{gap}}যজ্ঞনাথের ঘরে নিতাই পালের এই অভাবনীয় সমাদর দেখিয়া গ্রামের লোক আশ্চর্য হইয়া গেল। বুঝিল, বৃদ্ধ আর বেশি দিন বাঁচিবে না এবং কোথাকার এই বিদেশী ছেলেটাকেই সমস্ত বিষয় দিয়া যাইবে। {{gap}}বালকের উপর সকলেরই পরম ঈর্ষা উপস্থিত হইল এবং সকলেই তাহার অনিষ্ট করিবার জন্য কৃতসংকল্প হইল। কিন্তু বৃদ্ধ তাহাকে বুকের পাঁজরের মতো ঢাকিয়া বেড়াইত। {{gap}}ছেলেটা মাঝে মাঝে চলিয়া যাইবে বলিয়া শাসাইত। যজ্ঞনাথ তাহাকে প্রলোভন দেখাইতেন, “ভাই, তোকে আমি আমার সমস্ত বিষয়-আশয় দিয়া যাইব।” বালকের বয়স অল্প, কিন্তু এই আশ্বাসের মর্যাদা সে সম্পূর্ণ বুঝিতে পারিত। {{gap}}তখন গ্রামের লোকেরা বালকের বাপের সন্ধানে প্রবৃত্ত হইল। তাহারা সকলেই বলিল, “আহা, বাপ-মা’র মনে না-জানি কত কষ্টই হইতেছে। ছেলেটাও তো পাপিষ্ঠ কম নয়!” {{gap}}বলিয়া ছেলেটার উদ্দেশ্যে অকথ্য-উচ্চারণে গালি প্রয়োগ করিত। তাহার এতই বেশি ঝাঁজ যে, ন্যায়বুদ্ধির উত্তেজনা অপেক্ষা তাহাতে স্বার্থের গাত্রদাহ বেশি অনুভূত হইত। {{gap}}বৃদ্ধ একদিন এক পথিকের কাছে শুনিতে পাইল, দামোদর পাল বলিয়া এক ব্যক্তি তাহার নিরুদ্দিষ্ট পুত্রের সন্ধান করিয়া বেড়াইতেছে, অবশেষে এই গ্রামের অভিমুখেই আসিতেছে। নিতাই এই সংবাদ শুনিয়া অস্থির হইয়া উঠিল; ভাবী বিষয়-আশয় সমস্ত ত্যাগ করিয়া পলায়নোদ্যত হইল। {{gap}}যজ্ঞনাথ নিতাইকে বারম্বার আশ্বাস দিয়া কহিলেন, “তোমাকে আমি এমন স্থানে লুকাইয়া রাখিব যে কেহই খুঁজিয়া পাইবে না। গ্রামের লোকেরাও না।” {{gap}}বালকের ভারি কৌতূহল হইল; কহিল, “কোথায় দেখাইয়া দাও-না।” {{gap}}যজ্ঞনাথ কহিলেন, “এখন দেখাইতে গেলে প্রকাশ হইয়া পড়িবে। রাত্রে দেখাইব।” {{nop}}<noinclude>{{left|৬}}</noinclude> 9gx43v54tch5t3jya0iky8hvd8fgx70 পাতা:গল্পগুচ্ছ (প্রথম খণ্ড).djvu/১০৩ 104 51167 1991961 1662625 2026-07-31T04:10:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991961 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Shahriar Kabir Pavel" />{{rh||কঙ্কাল|৯৯}}</noinclude>{{ফাঁক}}“সংক্ষেপে দাদা বলিলেন, ‘মরিতে।” {{ফাঁক}}“আমি বলিলাম, ‘না, সত্য করিয়া বলো-না।’ {{ফাঁক}}“তিনি পূর্বাপেক্ষ কিঞ্চিৎ খোলসা করিয়া বলিলেন, বিবাহ করিতে। {{ফাঁক}}“আমি বলিলাম ‘সত্য নাকি’– বলিয়া অনেক হাসিতে লাগিলাম। {{ফাঁক}}“অল্পে অল্পে শুনিলাম, এই বিবাহে ডাক্তার বারো হাজার টাকা পাইবেন। {{ফাঁক}}“কিন্তু আমার কাছে এ সংবাদ গোপন করিয়া আমাকে অপমান করিবার তাৎপর্য কী। আমি কি তাহার পায়ে ধরিয়া বলিয়াছিলাম যে, এমন কাজ করিলে আমি বুক ফাটিয়া মরিব। পুরুষদের বিশ্বাস করিবার জো নাই। পৃথিবীতে আমি একটিমাত্র পুরুষ দেখিয়াছি এবং এক মুহূর্তে সমস্ত জ্ঞান লাভ করিয়াছি। {{ফাঁক}}“ডাক্তার রোগী দেখিয়া সন্ধ্যার পূর্বে ঘরে আসিলে আমি প্রচুর পরিমাণে হাসিতে হাসিতে বলিলাম, কী ডাক্তার-মহাশয়, আজ নাকি আপনার বিবাহ।” {{ফাঁক}}“আমার প্রফুল্লতা দেখিয়া ডাক্তার যে কেবল অপ্রতিভ হইলেন তাহা নহে, ভারি বিমর্ষ হইয়া গেলেন। {{ফাঁক}}“জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘বাজনা-বাদ্য কিছু নাই যে’ {{ফাঁক}}“শুনিয়া তিনি ঈষৎ একটু নিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন, ‘বিবাহ ব্যাপারটা কি এতই আনন্দের’ {{ফাঁক}}“শুনিয়া আমি হাসিয়া অস্থির হইয়া গেলাম। এমন কথাও তো কখনো শুনি নাই। আমি বলিলাম, সে হইবে না, বাজনা চাই, আলো চাই।” {{ফাঁক}}“দাদাকে এমনি ব্যস্ত করিয়া তুলিলাম যে, দাদা তখনই রীতিমতো উংসবের আয়োজনে প্রবৃত্ত হইলেন। {{ফাঁক}}“আমি কেবলই গল্প করিতে লাগিলাম, বধূ ঘরে আসিলে কী হইবে, কী করিব। জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘আচ্ছা ডাক্তার-মহাশয়, তখনো কি আপনি রোগীর নাড়ী টিপিয়া বেড়াইবেন।” {{ফাঁক}}“হি হি হি হি! যদিও মানুষের বিশেষত পুরুষের মনটা দৃষ্টিগোচর নয়, তবু আমি শপথ করিয়া বলিতে পারি, কথাগুলি ডাক্তারের বুকে শেলের মতো বাজিতেছিল। {{nop}}<noinclude></noinclude> nndrmdu8344kq7ua6huqntygf1pnmiu পাতা:গল্পগুচ্ছ (প্রথম খণ্ড).djvu/১১৮ 104 51182 1991962 1473528 2026-07-31T04:10:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991962 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Shahriar Kabir Pavel" />{{rh|১১৪|গল্পগুচ্ছ|}}</noinclude>তো তাহা শুনিতে রাজি আছি।” বলিয়া কুসুমকে আর-একটু টানিয়া লইতে চেষ্টা করিল। কুসুম সে আলিঙ্গনপাশে ধরা না দিয়া কহিল, “আমার মৃত্যুকালে তোমাকে যে কথাটা বলিব মনে করিয়াছিলাম, আজ তাহা বলিতে ইচ্ছা করিতেছে। আজ মনে হইতেছে, তুমি আমাকে যত শাস্তি দাও-না কেন, আমি বহন করিতে পারিব।” {{ফাঁক}}শাস্তি সম্বন্ধে জয়দেব হইতে শ্লোক আওড়াইয়া হেমন্ত একটা রসিকতা করিবার উদ্যোগ করিতেছিল। এমন সময়ে শোনা গেল একটা ক্রুদ্ধ চটিজুতার চটাচট্‌ শব্দ নিকটবর্তী হইতেছে। হেমন্তের পিতা হরিহর মুখুজ্জের পরিচিত পদশব্দ। হেমন্ত শশব্যস্ত হইয়া উঠিল। {{ফাঁক}}হরিহর দ্বারের নিকটে আসিয়া ক্রুদ্ধ গর্জনে কহিল, “হেমন্ত, বউকে এখনি বাড়ি হইতে দূর করিয়া দাও।” {{ফাঁক}}হেমন্ত স্ত্রীর মুখের দিকে চাহিল; স্ত্রী কিছুই বিস্ময় প্রকাশ করিল না, কেবল দুই হাতের মধ্যে কাতরে মুখ লুকাইয়া আপনার সমস্ত বল এবং ইচ্ছা দিয়া আপনাকে যেন লুপ্ত করিয়া দিতে চেষ্টা করিল। দক্ষিণে বাতাসে পাপিয়ার স্বর ঘরে প্রবেশ করিতে লাগিল, কাহারও কানে গেল না। পৃথিবী এমন অসীম সুন্দর, অথচ এত সহজেই সমস্ত বিকল হইয়া যায়। {{c|দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ}} {{ফাঁক}}হেমন্ত বাহির হইতে ফিরিয়া আসিয়া স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করিল, “সত্য কি।” {{ফাঁক}}স্ত্রী কহিল, “সত্য।” {{ফাঁক}}“এতদিন বল নাই কেন।” {{ফাঁক}}“অনেকবার বলিতে চেষ্টা করিয়াছি, বলিতে পারি নাই। আমি বডো পাপিষ্ঠা।” {{ফাঁক}}“তবে আজ সমস্ত খুলিয়া বলো।” {{ফাঁক}}কুসুম গম্ভীর দৃঢ় স্বরে সমস্ত বলিয়া গেল— যেন অটলচরণে ধীরগতিতে আগুনের মধ্যে দিয়া চলিয়া গেল, কতখানি দগ্ধ হইতেছিল কেহ বুঝিতে পারিল না। সমস্ত শুনিয়া হেমন্ত উঠিয়া গেল।<noinclude></noinclude> caccv67fwr7no5xflwupap58400glnr পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/৫৮ 104 54537 1992002 1985588 2026-07-31T04:13:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992002 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ahad.a007" />{{rh|৫৬৮|গল্পগুচ্ছ|}}</noinclude>পড়িয়া কাঁদিতে লাগিল। অধরবাবু ব্যাকুল হইয়া কী করিবেন কিছুই ভাবিয়া পাইলেন না। {{gap}}পরদিন বেলা সাড়ে দশটার সময় হরলাল একটা মেসের ঘরে তক্তপোশের উপর উন্মনা হইয়া বসিয়া কলেজে যাইবে কি না ভাবিতেছে, এমন সময় হঠাৎ দেখিল, প্রথমে অধরবাবুদের দরোয়ান ঘরে প্রবেশ করিল এবং তাহার পিছনে বেণু ঘরে ঢুকিয়াই হরলালের গলা জড়াইয়া ধরিল। হরলালের গলার স্বর আটকাইয়া গেল; কথা কহিতে গেলেই তাহার দুই চোখ দিয়া জল ঝরিয়া পড়িবে, এই ভয়ে সে কোনো কথাই কহিতে পারিল না। {{gap}}বেণু কহিল, “মাস্টারমশায়, আমাদের বাড়ি চলো।” {{gap}}বেণু তাহাদের বৃদ্ধ দরোয়ান চন্দ্রভানকে ধরিয়া পড়িয়াছিল, যেমন করিয়া হউক, মাস্টারমশায়ের বাড়িতে তাহাকে লইয়া যাইতে হইবে। পাড়ার যে মুটে হরলালের পে’টরা বহিয়া আনিয়াছিল তাহার কাছ হইতে সন্ধান লইয়া আজ ইস্কুলে যাইবার গাড়িতে চন্দ্রভান বেণুকে হরলালের মেসে আনিয়া উপস্থিত করিয়াছে। {{gap}}কেন যে হরলালের পক্ষে বেণুদের বাড়ি যাওয়া একেবারেই অসম্ভব, তাহা সে বলিতেও পারিল না অথচ তাহাদের বাড়িতেও যাইতে পারিল না। বেণু যে তাহার গলা জড়াইয়া ধরিয়া তাহাকে বলিয়াছিল ‘আমাদের বাড়ি চলো’, এই স্পৰ্শ ও এই কথাটার স্মৃতি কত দিনে কত রাত্রে তাহার কণ্ঠ চাপিয়া ধরিয়া যেন তাহার নিশ্বাস রোধ করিয়াছে। কিন্তু, ক্রমে এমনও দিন আসিল যখন দুই পক্ষেই সমস্ত চুকিয়া গেল, বক্ষের শিরা আঁকড়াইয়া ধরিয়া বেদনা নিশাচর বাদুড়ের মতো আর ঝুলিয়া রহিল না। {{কেন্দ্র|৬}} হরলাল অনেক চেষ্টা করিয়াও পড়াতে আর তেমন করিয়া মনোযোগ করিতে পারিল না। সে কোনোমতেই স্থির হইয়া পড়িতে বসিতে পারি না। খানিকটা পড়িবার চেষ্টা করিয়াই ধাঁ করিয়া বই বন্ধ করিয়া ফেলিত এবং অকারণে দ্রুতপদে রাস্তায় ঘুরিয়া আসিত। কলেজে লেকচারের নোটের মাঝে মাঝে খুব বড়ো বড়ো ফাঁক পড়িত এবং মাঝে মাঝে যে-সমস্ত আঁকজোক পড়িত তাহার সঙ্গে প্রাচীন ঈজিপ্টের চিত্রলিপি ছাড়া আর কোনো বর্ণমালার সাদৃশ্য ছিল না। {{gap}}হরলাল বুঝিল, এ-সমস্ত ভালো লক্ষণ নয়। পরীক্ষায় সে যদি-বা পাস হয়, বৃত্তি পাইবার কোনো সম্ভাবনা নাই। বৃত্তি না পাইলে কলিকাতায় তাহার একদিনও চলিবে না। ও দিকে দেশে মাকেও দু-চার টাকা পাঠানো চাই। নানা চিন্তা করিয়া চাকরির চেষ্টায় বাহির হইল। চাকরি পাওয়া কঠিন, কিন্তু না-পাওয়া তাহার পক্ষে আরও কঠিন; এইজন্য আশা ছাড়িয়াও আশা ছাড়িতে পারিল না। {{gap}}হরলালের সৌভাগ্যক্রমে একটি বড়ো ইংরেজ সদাগরের আপিসে উমেদারি করিতে গিয়া হঠাৎ সে বড়ো সাহেবের নজরে পড়িল। সাহেবের বিশ্বাস ছিল, তিনি মুখ দেখিয়া লোক চিনিতে পারেন। হরলালকে ডাকিয়া তাহার সঙ্গে দু-চার কথা কহিয়াই তিনি মনে-মনে বলিলেন, ‘এ লোকটা চলিবে।’ জিজ্ঞাসা করিলেন, “কাজ জানা আছে?” হরলাল কহিল, “না।” “জামিন দিতে পারিবে?” তাহার উত্তরেও “না।” “কোনো<noinclude></noinclude> pmxx9k78kz8fimigph3fhqt6hf8mvlo পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/৬০ 104 54539 1992003 1985589 2026-07-31T04:13:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992003 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ahad.a007" />{{rh|৫৭০|গল্পগুচ্ছ|}}</noinclude>ফোনোগ্রাফে থিয়েটারের নটীদের ইতর গান বাজাইয়া সে বন্ধুমহলকে আমোদে রাখে। পড়িবার ঘরে সেই সাবেক ভাঙা চৌকি ও দাগি টেবিল কোথায় গেল। আয়নাতে, ছবিতে, আসবাবে ঘর যেন ছাতি ফুলাইয়া রহিয়াছে। বেণু এখন কলেজে যায় কিন্তু দ্বিতীয় বার্ষিকের সীমানা পার হইবার জন্য তাহার কোনো তাগিদ দেখা যায় না। বাপ স্থির করিয়া আছেন, দুই-একটা পাস করাইয়া লইয়া বিবাহের হাটে ছেলের বাজারদর বাড়াইয়া তুলিবেন। কিন্তু, ছেলের মা জানিতেন ও স্পষ্ট করিয়া বলিতেন, “আমার বেণুকে সামান্য লোকের ছেলের মতো গৌরব প্রমাণ করিবার জন্য পাসের হিসাব দিতে হইবে না—লোহার সিন্দুকে কোম্পানির কাগজ অক্ষয় হইয়া থাক্।” ছেলেও মাতার এ কথাটা বেশ করিয়া মনে-মনে বুঝিয়া লইয়াছিল। {{gap}} যাহা হউক, বেণুর পক্ষে সে যে আজ নিতান্তই অনাবশ্যক তাহা হরলাল স্পষ্টই বুঝিতে পারিল এবং কেবলই থাকিয়া থাকিয়া সেই দিনের কথা মনে পড়িল যেদিন বেণু হঠাৎ সকালবেলায় তাহার সেই মেসের বাসায় গিয়া তাহার গলা জড়াইয়া ধরিয়া বলিয়াছিল ‘মাস্টারমশায়, আমাদের বাড়ি চলো।’ সে বেণু নাই, সে বাড়ি নাই, এখন মাস্টারমশায়কে কেই বা ডাকিবে। {{gap}}হরলাল মনে করিয়াছিল, এইবার বেণুকে তাহাদের বাসায় মাঝে মাঝে নিমন্ত্রণ করিবে। কিন্তু তাহাকে আহ্বান করিবার জোর পাইল না। একবার ভাবিল ‘উহাকে আসিতে বলিব’, তাহার পরে ভাবিল ‘বলিয়া লাভ কী-বেণু হয়তো নিমন্ত্রণ রক্ষা করিবে, কিন্তু, থাক্'। {{gap}}হরলালের মা ছাড়িলেন না। তিনি বার বার বলিতে লাগিলেন, তিনি নিজের হাতে রাঁধিয়া তাহাকে খাওয়াইবেন— ‘আহা, বাছার মা মারা গেছে!’ {{gap}}অবশেষে হরলাল একদিন তাহাকে নিমন্ত্রণ করিতে গেল। কহিল, “অধরবাবুর কাছ হইতে অনুমতি লইয়া আসি।” {{gap}}বেণু কহিল, “অনুমতি লইতে হইবে না, আপনি কি মনে করেন আমি এখনো সেই খোকাবাবু আছি।” {{gap}}হরলালের বাসায় বেণু খাইতে আসিল। মা এই কার্তিকের মতো ছেলেটিকে তাঁহার দুই স্নিগ্ধ চক্ষুর আশীর্বাদে অভিষিক্ত করিয়া যত্ন করিয়া খাওয়াইলেন। তাঁহার কেবলই মনে হইতে লাগিল, ‘আহা, এই বয়সের এমন ছেলেকে ফেলিয়া ইহার মা যখন মরিল তখন তাহার প্রাণ না জানি কেমন করিতেছিল।’ {{gap}}আহার সারিয়াই বেণু কহিল, “মাস্টারমশায়, আমাকে আজ একটু সকাল-সকাল যাইতে হইবে। আমার দুই-একজন বন্ধুর আসিবার কথা আছে।” {{gap}}বলিয়া পকেট হইতে সোনার ঘড়ি খুলিয়া একবার সময় দেখিয়া লইল; তাহার পরে সংক্ষেপে বিদায় লইয়া জুড়িগাড়িতে চড়িয়া বসিল। হরলাল তাহার বাসার দরজার কাছে দাঁড়াইয়া রহিল। গাড়ি সমস্ত গলিকে কাঁপাইয়া দিয়া মুহূর্তের মধ্যেই চোখের বাহির হইয়া গেল। {{gap}}মা কহিলেন, “হরলাল, উহাকে মাঝে মাঝে ডাকিয়া আনিস। এই বয়সে উহার মা মারা গেছে মনে করিলে আমার প্রাণটা কেমন করিয়া উঠে।” {{gap}}হরলাল চুপ করিয়া রহিল। এই মাতৃহীন ছেলেটিকে সান্ত্বনা দিবার জন্য সে কোনো প্রয়োজন বোধ করিল না। দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া মনে-মনে কহিল, ‘বাস্, এই<noinclude></noinclude> 0o2rczsa2zoyte7kqdk52etx5io06t3 পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/৬২ 104 54541 1992247 1985591 2026-07-31T04:53:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992247 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ahad.a007" />{{rh|৫৭২|গল্পগুচ্ছ|}}</noinclude>{{gap}}বাপের সঙ্গে রাগারাগি করিয়া হরলালের বাড়িতে আসিয়া বেণু থাকিবে, এ কথাটা হরলালের মোটেই ভালো লাগিল না। অথচ ‘আমার বাড়ি থাকিতে পারিবে না’ এ কথা বলাও বড়ো শক্ত। {{gap}}হরলাল ভাবিল, ‘আর-একটু বাদে মনটা একটু ঠাণ্ডা হইলেই ইহাকে ভুলাইয়া বাড়ি লইয়া যাইব।’ জিজ্ঞাসা করিল, “তুমি খাইয়া আসিয়াছ?” {{gap}}বেণু কহিল, “না, আমার ক্ষুধা নাই, আমি আজ খাইব না।” {{gap}}হরলাল কহিল, “সে কি হয়।” তাড়াতাড়ি মাকে গিয়া কহিল, “মা, বেণু আসিয়াছে, তাহার জন্য কিছু খাবার চাই।” {{gap}}শুনিয়া মা ভারি খুশি হইয়া খাবার তৈরি করিতে গেলেন। হরলাল আপিসের কাপড় ছাড়িয়া মুখ হাত ধুইয়া বেণুর কাছে আসিয়া বসিল। একটুখানি কাশিয়া, একটুখানি ইতস্তত করিয়া, সে বেণুর কাঁধের উপর হাত রাখিয়া কহিল, “বেণু, কাজটা ভালো হইতেছে না। বাবার সঙ্গে ঝগড়া করিয়া বাড়ি হইতে চলিয়া আসা, এটা তোমার উপযুক্ত নয়।” {{gap}}শুনিয়া তখনই বিছানা ছাড়িয়া উঠিয়া বেণু কহিল, “আপনার এখানে যদি সুবিধা না হয়, আমি সতীশের বাড়ি যাইব।” {{gap}}বলিয়া সে চলিয়া যাইবার উপক্রম করিল। হরলাল তাহার হাত ধরিয়া কহিল, “রোসো, কিছু খাইয়া যাও।” {{gap}}বেণু রাগ করিয়া কহিল, “না, আমি খাইতে পারিব না।” বলিয়া হাত ছাড়াইয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া আসিল। {{gap}}এমন সময়, হরলালের জন্য যে জলখাবার প্রস্তুত ছিল তাহাই বেণুর জন্য থালায় গুছাইয়া মা তাহাদের সম্মুখে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। কহিলেন, “কোথায় যাও, বাছা!” {{gap}}বেণু কহিল, “আমার কাজ আছে, আমি চলিলাম।” {{gap}}মা কহিলেন, “সে কি হয় বাছা, কিছু না খাইয়া যাইতে পারিবে না।” এই বলিয়া সেই বারান্দায় পাত পাড়িয়া তাহাকে হাতে ধরিয়া খাইতে বসাইলেন। {{gap}}বেণু, রাগ করিয়া কিছু খাইতেছে না, খাবার লইয়া একটু নাড়াচাড়া করিতেছে মাত্র, এমন সময় দরজার কাছে একটা গাড়ি আসিয়া থামিল। প্রথমে একটা দারোয়ান ও তাহার পশ্চাতে স্বয়ং অধরবাবু মচমচ শব্দে সিড়ি বাহিয়া উপরে আসিয়া উপস্থিত। বেণুর মুখ বিবর্ণ হইয়া গেল। {{gap}}মা ঘরের মধ্যে সরিয়া গেলেন। অধর ছেলের সম্মুখে আসিয়া ক্রোধে কম্পিত কণ্ঠে হরলালের দিকে চাহিয়া কহিলেন, “এই বুঝি! রতিকান্ত আমাকে তখনই বলিয়াছিল, কিন্তু তোমার পেটে যে এত মতলব ছিল তাহা আমি বিশ্বাস করি নাই। তুমি মনে করিয়াছ, বেণুকে বশ করিয়া উহার ঘাড় ভাঙিয়া খাইবে! কিন্তু, সে হইতে দিব না। ছেলে চুরি করিবে! তোমার নামে পুলিস-কেস করিব, তোমাকে জেলে ঠেলিব তবে ছাড়িব।” {{gap}}এই বলিয়া বেণুর দিকে চাহিয়া কহিলেন, “চল্। ওঠ্।” বেণু কোনো কথাটি না কহিয়া তাহার বাপের পিছনে পিছনে চলিয়া গেল। {{gap}}সেদিন কেবল হরলালের মুখেই খাবার উঠিল না।<noinclude></noinclude> jyi070b3mctp6z06ejzvgzooc3ed1i5 পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/১৯১ 104 54670 1992004 1679418 2026-07-31T04:13:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992004 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শেষের রাত্রি|৭০১}}</noinclude>{{gap}}“মণি তােমাকে ভিতরে ভিতরে খুব—” {{gap}}“সে কি জানি নে যতীন। তুই এখন ঘুমাে।” {{gap}}“আমি মণিকে সব লিখে দিলুম বটে, কিন্তু তােমারই সব রইল মাসি। ও তাে তোমাকে কখনাে অমান্য করবে না।” {{gap}}“সেজন্য অত ভাবছ কেন, বাছা।” {{gap}}“তােমার আশীর্বাদেই আমার সব, তুমি আমার উইল দেখে এমন কথা কোনােদিন মনে কোরাে না—” {{gap}}“ও কী কথা যতীন। তােমার জিনিস তুমি মণিকে দিয়েছ বলে আমি মনে করব! আমার এমনি পােড়া মন! তােমার জিনিস ওর নামে লিখে দিয়ে যেতে পারছ বলে তােমার যে সুখ সেই তাে আমার সকল সুখের বেশি, বাপ।” {{gap}}“কিন্তু, তােমাকেও আমি—” {{gap}}“দেখ্ যতীন, এইবার আমি রাগ করব। তুই চলে যাবি, আর তুই আমাকে টাকা দিয়ে ভুলিয়ে রেখে যাবি?” {{gap}}“মাসি, টাকার চেয়ে আরও বড়াে যদি কিছু, তােমাকে—” {{gap}}“দিয়েছিস যতীন, ঢের দিয়েছিস। আমার শূন্য ঘর ভরে ছিলি, এ আমার অনেক জন্মের ভাগ্য। এতদিন তাে বুক ভরে পেয়েছি, আজ আমার পাওনা যদি ফুরিয়ে গিয়ে থাকে তাে নালিশ করব না। দাও, সব লিখে দাও, লিখে দাও—বাড়িঘর, জিনিসপত্র, ঘােড়াগাড়ি, তালক-মুলক —যা আছে সব মণির নামে লিখে দাও—এ-সব বােঝা আমার সইবে না।” {{gap}}“তােমার ভােগে রুচি নেই—কিন্তু, মণির বয়স অল্প, তাই—” {{gap}}“ও কথা বলিস নে, ও কথা বলিস নে। ধনসম্পদ দিতে চাস দে, কিন্তু ভােগ করা—” {{gap}}“কেন ভােগ করবে না মাসি।” {{gap}}“না গাে না, পারবে না, পারবে না! আমি বলছি, ওর মুখে রুচবে না! গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাবে, কিছুতে কোনাে রস পাবে না।” {{gap}}যতীন চুপ করিয়া রহিল। তাহার অভাবে সংসারটা মণির কাছে একেবারে বিস্বাদ হইয়া যাইবে এ কথা সত্য কি মিথ্যা, সুখের কি দুঃখের, তাহা সে যেন ভাবিয়া ঠিক করিতে পারিল না। আকাশের তারা যেন তাহার হদয়ের মধ্যে আসিয়া কানে কানে বলিল, ‘এমনিই বটে—আমরা তাে হাজার হাজার বছর হইতে দেখিয়া আসিলাম, সংসার-জোড়া এই-সমস্ত আয়ােজন এত বড়ােই ফাঁকি।’ {{gap}}যতীন গভীর একটা নিশ্বাস ফেলিয়া বলিল, “দেবার মতাে জিনিস তাে আমরা কিছুই দিয়ে যেতে পারি নে।” {{gap}}“কম কী দিয়ে যাচ্ছ বাছা। এই ঘরবাড়ি-টাকাকড়ির ছল করে তুমি ওকে যে কী দিয়ে গেলে তার মূল্য ও কি কোনােদিন বুঝবে না। যা তুমি দিয়েছ তাই মাথা পেতে নেবার শক্তি বিধাতা ওকে দিন, এই আশীর্বাদ ওকে করি।” {{gap}}“আর-একটু বেদানার রস দাও, আমার গলা শুকিয়ে এসেছে। মণি কি কাল এসেছিল—আমার ঠিক মনে পড়ছে না।” {{gap}}“এসেছিল। তখন তুমি ঘুমিয়ে পড়েছিলে। শিয়রের কাছে বসে বসে অনেক ক্ষণ<noinclude></noinclude> qqpyaxl0rtma7m0xfxt880rcr9c953x পাতা:রাজমোহনের স্ত্রী.djvu/১৬ 104 55231 1992153 1826378 2026-07-31T04:26:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992153 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh|৮| রাজমোহনের স্ত্রী|}}</noinclude>মাধব চমকিয়া উঠিল। মথুর তাহা লক্ষ্য করিয়া বলিল, দেখছি, তুমি ওকে চেন। কে ও? {{ফাঁক}}মাধব বলিল, আমার শ্যালী। {{ফাঁক}}মথুর। কে, রাজমোহনের স্ত্রী? {{ফাঁক}}মাধব বলিল, হ্যাঁ, সেই। মথুর সন্দিগ্ধভাবে বলিল, রাজমোহনের স্ত্রী? অথচ আমি তে কখনও ওকে দেখি নি। {{ফাঁক}}মাধব বলিল, কেমন ক’রে দেখবে? উনি বাড়ির বার হন না। {{ফাঁক}}মথুর। তবে আজ যে বড় বার হয়েছেন! {{ফাঁক}}মাধব। কি জানি। {{ফাঁক}}মথুর এ-কথা সে-কথার পর রাজমোহনের স্ত্রীর চরিত্র কেমন, ঘুরাইয়া ফিরাইয়া তাহাই জানিতে চাহিল ও কিছু অশ্লীল ইঙ্গিতও করিল। মাধব ইহাতে বিরক্ত হইয়া বলিল, ভদ্রলোকের স্ত্রী পথে যাচ্ছে, তার সম্বন্ধে এত খবরে কি প্রয়োজন? {{ফাঁক}}“মথুর কহিল, বলিয়াছি ত দু’পাত ইংরাজি উল্‌টাইলে ভায়ারা সব অগ্নি-অবতার হইয়া বসেন। আর ভাই, শ্যালীর কথা কব না ত কাহার কথা কব? বসিয়া বসিয়া কি পিতামহীর যৌবন বর্ণনা করিব? যাক্ চুলায় যাক; মুখখানা ভাই, সোজা কর—নইলে এখনই কাকের পাল পিছনে লাগিবে। রাজমুহুনে গোবর্দ্ধন এমন পদ্মের মধু খায়? {{ফাঁক}}“মাধব কহিল, বিবাহকে বলিয়া থাকে সুরতি খেলা।” {{ফাঁক}}দুইজনে দুইদিকে চলিয়া গেল। {{nop}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> lzt9gqtmxtqyqqud9nih67l1tnv9anz পাতা:রাজমোহনের স্ত্রী.djvu/৮২ 104 55322 1991733 1826579 2026-07-31T04:04:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991733 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh|৭৪|রাজমোহনের স্ত্রী|}}</noinclude>মেঘের চাইতে কালো কেশ সূর্য্যকিরণে শুকাইয়া লইতেছিল। পাশেই যৌবন-পরিপুষ্ট পূর্ণাঙ্গী কনকের দেহ সদ্য তৈলমাজ্জিত হইয়া মসৃণ দেখাইতেছিল। তাহার কাঁধে ময়লা একটি গামছা— সুবৃহৎ কলসিটি পাশে খালি পড়িয়া ছিল; মিশি-প্রয়োগে-মলিন দাঁতগুলি ইহাই বলিয়া দিতেছিল যে,প্রাতঃকৃত্য সম্পাদনে কনক ঘরের বাহিরে আসিয়াছে বটে, কিন্তু এখনও তাহা বাকি আছে। দুই সখীতে গভীর কোনও বিষয়ের আলোচনায় ব্যাপৃত ছিল। পাঠককে বলিয়া দিতে হইবে না যে, তাহাদের বার্ত্তালাপের বিষয় আমাদের অজ্ঞাত নহে। মাতঙ্গিনী তাহার একমাত্র বিশ্বাসী ও বুদ্ধিমতী সখীর নিকট বিগত রাত্রির ঘটনাপরম্পরা মৃদুস্বরে বিবৃত করিতেছিল। পাঠকের অনুমতি লইয়া এই কথোপকথনের শেষাংশ তাহার অবগতির জন্য উদ্ধৃত করিতেছি। {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ অবাকবিস্ময়ে এই বর্ণনা শুনিয়া; কনক শিহরিয়া বলিয়া উঠিল, মাগো, আমি হ’লে তো ভয়েই ম’রে যেতাম। ধন্যি সাহস তোর, দিদি। আচ্ছা, এখন তুই তোর বরের কাছে ফিরে যাবি? {{ফাঁক}}মাতঙ্গিনী সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়িয়া বলিল, আর কোথাই বা যাব! {{ফাঁক}}কনক অধীরভাবে বলিয়া উঠিল, আমার মাথা খাস দিদি, সেখানে আর ফিরিস না। তারা তোকে জ্যান্ত রাখবে না। {{ফাঁক}}মাতঙ্গিনী কাঁদিতে কাঁদিতে বলিল, মরতে আমাকে হবেই ভাই, অদৃষ্টের লেখা কে খণ্ডাবে? আর কোথায় আমি আশ্রয় পেতে পারি, বল্। {{ফাঁক}}বন্ধুর দুঃখে সহানুভূতিতে কনকের চোখ জলে ভরিয়া আসিল, সে বলিল, আমি বেশ বুঝছি দিদি, আমাদের বাড়িতে থাকা তোমার চলবে না। কিন্তু বাড়িতে তুমি কিছুতেই ফিরো না। হ্যাঁ, তোমার বোনের কাছে যেতেই বা তোমার আপত্তি কি? {{ফাঁক}}এই কথায় মাতঙ্গিনীর দেহে এক অপূর্ব্ব ভাবান্তর ঘটিল। উদ্গত অশ্রু মুছিয়া ফেলিয়া যে কঠিন সংযত ভাষায় সে মাধবের কাছ হইতে বিদায়<noinclude></noinclude> l9he4k0g0el7h5mzirh9yzxxoftz7ib পাতা:বেণু ও বীণা.djvu/১৪০ 104 56364 1992328 1986427 2026-07-31T05:03:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992328 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{right|বেণু ও বীণা৷}} {{c|দেবতার স্থান।}}</noinclude>{{block center|<poem> ভিখারী ঘুমায়েছিল মন্দিরের ছায়ে; সহসা ভাঙিল ঘুম চীৎকার ধ্বনিতে, জাগিয়া, চাহিয়া দেখে, পূজারী দাঁড়ায়ে,— গালি পাড়ে, ক্রোধে যায় ধাইয়া মারিতে। বিস্ময়ে ভিখারী বলে’ ‘গোসাই ঠাকুর! বুঝিতে না পারি মোবে কেন দাও গালি, ভিক্ষা মেগে ‘ফরিয়াছি সারাটি দু’পুর, শ্রান্ত বড়, তাই হেথা শুয়েছিনু খালি।” রুষিয়া পূজাবী কহে “চুপ্‌ বেটী চোর- নীচ জাতি,—জাননা এ দেবতার ঠাই? মন্দিরের অভিমুখে পা’ রাখিয়া তোর— এটা হ’ল আরামের ঠাই?—কি বালাই!” সে বলে ‘পা’ লয়ে তবে কোথা আমি যাই, এ জগতে সকলি যে দেবতার ঠাই!” </poem>}}<noinclude>{{left|১২৩}}</noinclude> 40t5zbz90gyhe09gq5bim6yexpmbvi7 পাতা:বেণু ও বীণা.djvu/১৬৫ 104 56389 1992329 1986430 2026-07-31T05:03:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992329 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{left|বেণু ও বীণা।}} {{c|নামহীন।}}</noinclude>{{block center|<poem> বর্ষাশেষ, সুপ্রভাত, প্রসন্ন আকাশ,— মহাদ্যুতি ইন্দ্রনীল মণির মতন; জলে, স্থলে, ফুলে, ফলে, লাবণ্য-বিকাশ, পথ, ঘাট, সব—যেন সবুজে মগন। পুরাণ প্রাচীর খানি সবুজে সবুজ! আর তা’রে কে বলে’ কঙ্কাল-সার আজ? দেখ্‌রে নিন্দুক তোরা দেখ্‌রে অবুঝ, লাবণ্যের বন্যা—মর্ত্ত্যে—নন্দনের সাজ! অতি ছোট ছোট গাছ—ছেয়েছে প্রাচীর, নেচে উঠে স-পল্লব আকুল উল্লাসে, রৌদ্র-ঝিলে করে স্নান, নত করি’ শির, পাখী সম;–বিচঞ্চল মৃদুল বাতাসে। বল ওরে ছোট গাছ তোদের সুধাই, নাম কি রে—নাম কি রে—নাম কি তোদের? "নাম নাই, আমাদের নাম নাই, ভাই, হর্ষে আছি—হর্ষ দি’ছি—এই—এই ঢের!” </poem>}}<noinclude>{{right|১৪৮}}</noinclude> p4p1r1le6pxnhyfgmr25oz59uuhth7v পাতা:আলোর ফুলকি.djvu/৩৮ 104 56765 1991940 1636448 2026-07-31T04:10:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991940 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Suman Das 2021" />{{rh||আলোর ফুলকি|২৯}}</noinclude>{{gap}}চড়াই বললে, “শুনছিলেম বটে একটা ঘোট চলেছে।” যুটফুটে অন্ধকারে সব ঘুটেগুলো এমন কাপতে লাগল যে রাত্রিটা তুলছে বোধ হল। {{gap}}কুঁকড়ে বললেন, “বটে, ঘোট চলেছে?” চড়াই বললে, “ই তোমার সর্বনাশের, সাৰধান।” “বয়ে গেল।” বলে কুঁকড়ে আবার গিয়ে ঘরে ঢুকলেন। {{gap}}চড়াই আবার ভালোমানুষটির মতো গা-ঝাড় দিয়ে বসল। সে ঠিক-ঠিক কথাই বলেছে কিন্তু কেমন হদিক বাচিয়ে বলেছে। যুধিষ্ঠিরের অশ্বথামাহত-ইতি-গজ গোছের। কথাটা চড়াইয়ের মুখে শুনে কিন্তু পেচাদের সন্দেহ বাড়ল। “চড়াই সত্যিই তাদের দলে কি না” —শুধতে অন্ধকারের মধ্যে একটার পর একটা চোখ চড়াইয়ের দিকে চাইতে লাগল। চড়াই বললে, “আমি বাপু কোনো দলে নেই; তবে ঘোটটা কেমন চলে দেখতে ইচ্ছে আছে।” পেচাতে চড়াই খায় না, কাজেই ঘোটে গেলে কোনো বিপদ তার নেই বলে পেচার চড়াইকে মন্ত্রণাসভায় যাবার স্থানটি বাতলে দিয়ে বললে, “চোরের মন পুইআঁদাড়ে’, এই শোলক বললেই সে দরজা খোলা পাবে।” {{gap}}এ দিকে ঘরের মধ্যে থেকে সোনালিয়ার ইপি ধরছিল; সে একটু ভালো হাওয়া পেতে ঘর থেকে মুখ বার করেই সব নিশাচরকে দেখে একি? বলে চমকে উঠল। অমনি সব চোখ একসঙ্গে ঝপ করে বন্ধ হয়ে গেল। অনেকক্ষণ আর সাড়া-শব্দ নেই। তখন অন্ধকারে একটির পর একটি চোখ খুলল আর বলাবলি শুরু হল। সোনালিয়া চুপ করে শুনছে কে একজন উঠোনের ও-কোণ থেকে বললে, “বেঁচে থাকো পেচা-পেচিরা।” পেচার শুধলে, “আমরা তো ওর নামটি পর্যন্ত সইতে পারি নে তা জানে, কিন্তু তোমরা তার উপর চটা কেন বলো তো।” {{gap}}দিনের বেলায় যারা দুষ্টবুদ্ধি লুকিয়ে বেড়ায়, রাত্রে তাদের পেটের কথাটা আপনিই যেন প্রকাশ হয়ে পড়ে। বেড়াল খুব চাপা জন্তু কিন্তু আগেই তার কথা বেরিয়ে পড়ল, “ওই কুকুরটার সঙ্গে অত তার ভাব ব’লেই কুঁকড়োটাকে চক্ষে আমি দেখতে পারি নে।” পেরু বললেন, “যাকে সেদিন জন্মাতে দেখলেম, সে আজ কর্তা হয়ে উঠল, এটা আমি কিছুতেই সইব না। {{nop}}<noinclude></noinclude> i6ixczwzbgwimaqe9kr5f5awsw10dro পাতা:আলোর ফুলকি.djvu/৫৫ 104 56833 1991941 1980841 2026-07-31T04:10:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991941 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Suman Das 2021" />{{rh|৪৬|আলোর ফুলকি}}</noinclude>পড়েছেন আর বুঝি পারেন না গান করতে, কিন্তু একি যে-সে কুঁকড়ো যে কাজ বাকি রেখে যেমন-তেমন সকাল করেই ছেড়ে দেবে, “আরো আলো চাই” বলে কুঁকড়ো আবার গা-ঝাড় দিয়ে এমন গল। চড়িয়ে ডাক দিলেন যে মনে হল বুঝি, তার বুকটা ফেটে গেল, “আলোর ফুল আলোর ফুল, ফু-উ-উ-উল-কি-ই-ই আলো-র-র-র-র”। দেখতে দেখতে আকাশের শেষ তারাটি সকালের আলোর মধ্যে একেবারে হারিয়ে গেল, তার পর দূরে দূরে গ্রামের কুটিরের উপর জলন্ত আখার সাদা ধুয়ো কুণ্ডলী পাকিয়ে সকালের আকাশের দিকে উঠে চলল আস্তে আস্তে। সোনালি তাকিয়ে দেখলে কুঁকড়ো কী মুন্দর। সে সকালের শিল্পী কুঁকড়োকে মাথা নিচু ক’রে নমস্কার করলে। আর কুঁকড়ো দেখলেন, আলোর ঝিকিমিকি আঁচলের আড়ালে সোনালিয়ার মুন্দর মুখ। কুঁকড়ো মোহিত হলেন। আজ তাঁর সকালের আরতি সার্থক হল, তিনি এক আলোতে তাঁর জন্মভূমিকে আর তাঁর ভালোবাসার পাখিটিকে সোনায়সোনায় সাজিয়ে দিলেন। কুঁকড়ো আনন্দে চারি দিকে চেয়ে দেখলেন, কিন্তু তখনো কেন মনে হচ্ছে, কোথায় যেন একটু অন্ধকার লুকিয়ে আছে। তিনি আবার ডাক দিতে যাবেন, এমনি সময় নীচের পাহাড় থেকে একটির পর একটি মোরগের ডাক শোনা যেতে লাগল; যে যেখানে সবাই সকালের আলো পেয়ে গান গাচ্ছে। আগে আলো হল, পরে এল সব মোরগের গান, কুঁকড়ো কিন্তু সবার আগে যখন আলো ব’লে ডাক দিয়েছেন, তখনে। রাত ছিল, তিনি যে সবার বড়ো তাই অন্ধকারের মাঝে দাড়িয়ে তিনি আলোর আশা সবাইকে শোনাতে পারেন। আলো জাগানো হল, এইবার সূর্যকে আন চাই, কুঁকড়ে আবার শুরু করলেন, “রাঙা ফুল আগুনের ফুলকি”, অমনি দিকে দিকে সব মোরগ গেয়ে উঠল সেই স্বরে, “আলোর ফুলকি, আলোর ফুল।” {{gap}}সোনালি বললে,“দেখেছ ওদের আস্পর্ধা। তোমার সঙ্গে কিনা মুর ধরেছে, এতক্ষণ সবাই ছিলেন কোথা?” {{gap}}কুঁকড়ো বললেন, “তাহোক, স্বর বেম্বর সব এক হয়ে ডাক দিলে যাচাই তাপেতে বেশি দেরি হয় না, সূর্য দেখা দিলেন ব’লে।” কিন্তু তখনো কুঁকড়ে দেখলেন একটি কুটির ছায়ায় মিশিয়ে রয়েছে, তিনি হাক দিলেন অমনি কুটিরের চালে সোনার আলো লাগল। দূরে একটা সরষে খেত<noinclude></noinclude> 7vxba9blf9a2b9jfziibyuy71khhtn4 পাতা:বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী.djvu/১৪৫ 104 57138 1992113 1986322 2026-07-31T04:21:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992113 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ব্যা করণ" />{{rh||সন্ধ্যার উৎসব|১৩৯}}</noinclude>কালভেদে দেশভেদে বিভিন্ন রকমে উৎসব করে’ চলার রহস্যটি পেয়েছে মানুষ এই পৃথিবীতে এসে—গাছেদের কাছ থেকে আকাশের কাছ থেকে এবং যে মাটিতে সে ভূমিষ্ঠ হয়েছে তার কাছ থেকে। মাটির বুকের তালে তাল রেখে যে চলতে পারে না, সে খুঁড়িয়ে চলে কিম্বা পড়ে যায় ধুপ্‌ করে মাটিতে। বাতাসের তালে তাল দিয়ে চলতে যে পাখীর ডানা না চায় সে উঁচুতে উড়তে পারেই না। ডানা ঝট্‌পট্‌ করে’ হয় মরে’ যায়, নয় তো পাখী থাকে না, খাঁচায় বাঁধা পড়ে। খায় দায় আর বনের দিকে চায়—“খায় দায় পাখীটি বনের দিকে আঁখিটি”। এই ভাবে অবিচিত্র দিনের অনুৎসবের অনুৎসাহের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ একদিন তার পক্ষিলীলা সাঙ্গ হয়ে যায়। জীয়ন্তে মরা থেকে মুক্তি পেয়ে সে শেষে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। খাঁচার পাখী পড়তে বল্লে পড়ে, শিষ দিলে গান গায়; কিন্তু তাতে বলতে পারিনে পাখী উৎসব করেছে। তেমনি হুকুম মতো হয় হস্‌টেল বল আর হস্‌টেলের বাইরেই বল আমাদের উৎসব—এইবার পড়, এইবার গাও, এইবার খাও, এইবার সভার রিপোর্ট দাও, এইবার শোক প্রকাশ কর, এইবার স্মৃতি রক্ষা কর— এইভাবে দেশযোড়া একটা খাঁচার মধ্যে আমাদের নিয়ে কে যে খেলাচ্ছে তা বুঝিনে। শুধু বুঝি সুর লাগছে না, তালে ঠিক পা পড়ছে না, কোন রকমে চলেছি—হুকুমে উঠে’-বসে’ পড়ে’—শুনে’ হেসে’—খেলে’। আমাদের ছেলে-বুড়োর শিক্ষা-দীক্ষা উন্নতি অবনতি নিয়ে কত বিষয়ে কতদিকে লোক কত মাথা ঘামাচ্ছে এবং তাতে তারা আনন্দও পাচ্ছে। পাখী পড়িয়ে আনন্দ, পাখীকে শিষ দিয়ে ডেকে গাইয়ে আনন্দ, খাইয়ে আনন্দ, শুইয়ে ঘুম পাড়িয়ে আনন্দ, কিন্তু পাখীর কিসে আনন্দ তা তো দেখে না কেউ। দাঁড়ের পাখীর কোন আনন্দ নেই শিকল কাটার আনন্দটুকু ছাড়া, এটা তো কর্তারা বোঝে না—বড় বড় রিপোর্ট লিখে চলে খাঁচার পাখীর সু ও কু ব্যবহার সম্বন্ধে এবং তাতেই তারা আনন্দ পায়। বারোমাস বেঁধে মার দিয়ে পাঁজিপুঁথি দেখে ছুটি নেওয়া গেল উৎসব করতে। এ যে আজকের নিয়ম হয়েছে তা নয়; এ নিয়ম এ দেশে বরাবরই চলে আসছে। বসন্তের হাওয়া না লাগলেও বাসন্তী পূজো পাঁজির ঠিক দিন ক্ষণ দেখে আসছে দেশে বছরের পর বছর কত যুগ ধরে’ তার ঠিক নেই। যদি বল বসন্তের ঋতু সেও তো ঠিক মাস ধরে’ আসে।<noinclude></noinclude> 5lp4mnjswk1u5ej2p30buja7z6x935s পাতা:বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী.djvu/১৫৪ 104 57147 1992114 1986329 2026-07-31T04:21:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992114 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ব্যা করণ" />{{rh|১৪৮|বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী|}}</noinclude>জন্য অথবা বিপশ্চিতাম মতম্‌-কে বলবৎ রাখার জন্য, এ তর্ক আর্টের জগতে উঠতেই পারে না। {{gap}}Artist যে উদ্দেশ্যেই কায করুক artএর দিকে চেয়ে করাই হ’ল তার প্রধান কায। ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই?—ধৰ্ম বল্লে তুমি আমার কাজে লাগো, দেশ বল্লে আমার, এমনি নানাদিক দিয়ে শিকল পড়ে গেল শিল্পের হাতে পায়ে, তারপর একদিন চিরকালের ছাড়া পাখী তার মনিবের পোষ মানলে, ইসারাতে পুচ্ছ ওঠালে নামালে যে শুধু তাই নয়, জলযন্ত্র ঘোরালে ঘটিযন্ত্র চালালে কামান দাগলে নিয়ম মতো! {{কেন্দ্র|<poem>“অপি শ্রেয়স্করং নৃণাম্‌ দেববিম্বমলক্ষণম্। সলক্ষণং মর্ত্ত্যবিম্বম্ নহি শ্রেয়স্করং সদা॥”</poem>}} এই হুকুমে এককালে আমাদের শিল্পীরা বাঁধা পড়ে’ ছিল। পুঁথিকার দেবতা সমস্তের ধ্যান দিলে শিল্পে, সেই ধ্যান মতো গড়ে চল্লো— এই ঘটনাই যদি পুরোপুরি ঘটতো তবে আমাদের art কেবলমাত্র ধ্যানমালার illustration হয়ে যেতো কিন্তু এর চেয়ে যে বড় জিনিষ হয়ে উঠলো বুদ্ধ নটরাজ প্রভৃতি নানা দেবমূর্তি সেটা ধ্যানমালার লিখিত ধ্যানের অতিরিক্ত এবং শিল্পশাস্ত্রের মান-পরিমাণ লক্ষণাদির বাঁধা নিয়মের থেকে স্বতন্ত্র আর কিছু নিয়ে। প্রাচীন দেবমূর্তিগুলি আমাদের বাঙলার কার্তিকের মতো সম্পূর্ণ কাপ্তেনবাবু বা কলে কাটাছাঁটা মরা জিনিষ হয়ে পড়েনি শুধু শিল্পের শিল্প-ক্রিয়। তাদের অমরত্ব দিলে বলে’ এবং শুধু সেইটুকুর জন্য artএর জগতে এইসব দেবতার স্থান হ’ল। {{gap}}শাস্ত্র বল্লে শিল্পকে ঘাড়ে ধরে’, দেবলোকটাই আছে তোমার কাছে, মর্ত্যলোক নেই, যদি বা থাকে তো সেদিকে দৃক্পা‌ত করবে না— তা হ’লে অন্ধ হবে। কিন্তু artist এর পথ স্বতন্ত্র কেননা art সে অনন্যপরতন্ত্রা, শিল্পীর কাছে দেবলোকের স্বপ্ন সেও যেমন প্রত্যক্ষ ও সুন্দর, মর্ত্যলোকের ছবি সেও তেমনি অভাবনীয় সুন্দর ও প্রত্যক্ষ ব্যাপার, দুটোই তুল্য-মূল্য, যদি art হ’ল এবং রসের স্বাদ দিলে।<noinclude></noinclude> 91bx7ho8m9cqd519fhxiaz5u5jhs917 পাতা:বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী.djvu/১৮৪ 104 57177 1992115 1986357 2026-07-31T04:21:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992115 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ব্যা করণ" />{{rh|১৭৮|বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী|}}</noinclude>যন্ত্রে আর কণ্ঠে রাগ-রাগিণী ভাঁজবারও বাঁধা প্রকরণ আছে আমাদের— সেগুলো শিখলে সহজেই বাজিয়ে আর গাইয়ে দুই-ই হ’তে পারে মানুষ। নাচের বেলায় ছবিমূর্তি গড়ার বেলায় ঐ একই কথা। সুরের রঙ্গের অঙ্গভঙ্গির কতকগুলো প্রকরণ বাঁধা হয়ে গেছে,—বাঁধা রাস্তার মতো সেগুলো সাধারণের পক্ষে সাধারণভাবে চলাচলের বেশ কাজের পথ। কিন্তু এই বাঁধা রাস্তায় বাঁধা অবস্থাতেই যে চল্লো হাতের কায পায়ের কায গলার কায করে’, সে বাঁধন আর বাঁধনের বেদনাটাই প্রকাশ করে’ চল্লো কাযে, সে তো কখন আপনাকে প্রকরণিক ছাড়া আর্টিষ্ট বলতে পারে না। প্রকরণের বাঁধন যে দরদ দিয়ে আনন্দ দিয়ে মুক্ত করলে সেই হ’ল গুণী; নীরস প্রকরণিকের সঙ্গে তার তফাৎ হ’ল ঐখানে। গুণী সে বাঁধনের কসন রসিয়ে তুল্লে, লসন পৌছে দিলে কসনে; নর্তকীর কোমরে মেখলার বেড় যেমন, তেমনি techniqueএর বাঁধন শোভা ধরলে আর্টিষ্টের গড়নটিকে ঘিরে ঘিরে। Techniqueএর এই যে সকল দিক যা নিয়ে মানুষের হাতের কাযে আর কলে-কাটা কলে-কোঁদা জিনিসে তফাৎ হচ্ছে, কিছু করতে যাবার পূর্বে এটার বিষয়ে যদি আমরা না ভাবি তবে art জিনিস আমাদের দ্বারা করা শক্ত হয়। হাতের কাগজ হাতের কাযে এমনি করে ছেড়ে দিলাম যে সেটি মনের জিনিস হ’য়ে রইলো, মুখের কথা সুরের বেদনায় এমন করে ভরে দিলাম যে তারা মন থেকে মনে চলাচলি করতে লাগলো, মন দুলিয়ে দিয়ে গেল। প্রত্যেক পা ফেলা এই রকম যখন হ’ল তখন জানলেম নানা শিল্পের নানা প্রকরণে সিদ্ধি লাভ করলেন আর্টিষ্ট। গাছ গাছই রইলো, ফুলও দিলে না ফলও দিলে না সে যেমন, আর্টের প্রকরণগুলো আয়ত্তের মধ্যে এসে গেল অথচ তা দিয়ে কিছু ফলানো গেল না বা কোন কিছুকে ফুলের মতে ফুটিয়ে তোলা গেল না; কেবল প্রকরণেরই প্রতিষ্ঠা করে গেলেম কাযে, এ হ’লে নিষ্ফলা গাছ প্রতিষ্ঠা করা হ’ল। {{gap}}প্রকরণের সফলতা তখনই যখন সে কিছুর জননী হ’ল, না হ’লে সে সুন্দরী কিন্তু বন্ধ্যা। রসের জনয়িতা আর্ট, সেই আর্ট-সৃষ্টির প্রকরণ নীরস নিরানন্দভাবে গ্রহণ ও প্রয়োগ যে করলে তার সৃষ্টির প্রয়াস ব্যর্থ হ’ল; নিজের কাযে সে প্রয়াসকেই প্রতিষ্ঠিত করলে, প্রসন্নতাকে নয়,—এমন কায দেখে’ মন কোনদিন প্রসন্ন হয় না।<noinclude></noinclude> 46dxotrmb1q0qbxr315tp34qjyo53ng পাতা:বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী.djvu/৩৩০ 104 57335 1992116 1831757 2026-07-31T04:21:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992116 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২৪|বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী|}}</noinclude>ফুটছে যা দেখে’ দেখে’ আমরা সময়ে সময়ে ভয় পেয়ে বলি বুঝি আর্টের সঙ্গে আপনাদেরও হারাতে বসেছি আমরা। ঠিক এই কথাই একদিন হয়তো বলেছিলেম আমরা মোগল আমলে এবং তার পূর্বে ও তারো পূর্বে—‘পরধর্মো ভয়াবহঃ’; কিন্তু ভয়ের মধ্য দিয়ে তবে আসে অভয়রূপ আশীর্বাদ—এই সত্য এখনো দেশের শিল্পীরা সিংহবাহিনী দেবীমূর্তি দিয়ে ঘোষণা করছে, যুগ যুগ আগেও কৃষ্ণবর্ণোদ্ভবা শ্বেতবর্ণ ঊষা ভারতবাসী আর্যশিল্পীদের রচনার মধ্য দিয়ে ফুটেছে কতবার। রাধা শ্যাম ভিন্ন এবং এক, গোচর রূপ এবং অগোচর রসরূপ দুই মিলে’ এক—এ কথা বর্ণে বর্ণে অক্ষরে অক্ষরে সত্য করে’ তুলেছে আর্য এবং অনার্য দুয়ে মিলে নিজেদের শিল্পে। ভারতশিল্পের সূত্র হ’ল এই—রূপের সঙ্গে রূপাতীত এক হ’য়ে গাঁথা। যুগে যুগে একটি একটি যুগচিহ্ন যা আমাদের শিল্পের ধারা রেখে গেল ফেলে দেশের উপরে তার প্রত্যেকটি এই সূত্র ধরে’ রইলো। “সব মূরত বীচ অমূরত”, মূর্তের সঙ্গে মিলিয়ে রইলো অমূর্তও। গাছের ফুল হাতের সূতোয় মিলে’ হ’ল এক গাছি মালা, মানব শিল্পী আর দেব শিল্পী দুয়ের মিলনে হ’ল রসরচনা, এ সব কথা কবীর যিনি মুসলমান হয়েও আর্য্য তিনিও বল্লেন, ঋষি যিনি আর্য হয়েও অনার্য তিনিও বল্লেন। {{rule|3em}} {{nop}}<noinclude></noinclude> j6hp0laulz66joq3dves3yv5i8v2srp পাতা:অবতার.djvu/১৯ 104 57606 1991538 1863369 2026-07-31T03:48:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991538 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{rh|৮|অবতার{{ফাঁক}}|}}</noinclude>কিন্তু এইরূপ মেদমাংসক্ষয়ে তাঁর শরীর দুর্ব্বল হয় নাই। তাঁর হাতের পেশীবন্ধনগুলি বেহালার তারের মত বেশ দৃঢ়বদ্ধ ও সটান ভাবে প্রসারিত। {{ফাঁক}}অক্টেভের অঙ্গুলীনির্দ্দেশে ডাক্তার পালঙ্কের একপাশে একটা নির্দ্দিষ্ট কেদারায় হাঁটু দুম্ড়াইয়া বসিলেন—মনে হয়, এই ভাবে মাদুরের উপর বসাই তাঁর চির-কেলে অভ্যাস। এইরূপ উপবিষ্ট হইয়া ডাক্তার শেরবোনো আলোর দিকে পিঠ ফিরাইলেন; এই আলো পূরাপুরী রোগীর মুখের উপর পড়িয়াছে। এই সংস্থানটি পরীক্ষার অনুকূল। বিশেষতঃ যে ব্যক্তির অপরকে দেখিবার কৌতূহল আছে, অথচ নিজেকে দেখা দিতে চাহে না তার পক্ষে এইভাবে বসাই সুবিধা। যদিও ডাক্তারের মুখ ছায়াচ্ছন্ন ছিল এবং তাঁর সাম্‌রোখের ডিমের মত গোলাকার চক্‌চকে মাথার খুলির উপর একটিমাত্র সূর্যরশ্মি পড়িয়াছিল, তথাপি অক্টেভ দেখিতে পাইল তাঁর নীল চোখের দুটি তারা হইতে যেন ফস্‌ফরস্‌ময় পদার্থের মত স্ফুলিঙ্গ নিঃসৃত হইতেছে। {{ফাঁক}}ডাক্তার একটু চুপ করিয়া থাকিয়া আবার রোগীকে ভাল করিয়া দেখিয়া লইলেন; তারপর বলিলেন, “দেখুন মহাশয়, আমি দেখ্ছি আপনার এ রোগ আমাদের চলিত নিদান-শাস্ত্রের রোগ নয়; যে সব রোগের স্পষ্ট নির্দ্দিষ্ট লক্ষণ আছে,—যা দেখে চিকিৎসকেরা রোগ আরাম করে কিংবা আরও খারাপ করে, সেই তালিকাভুক্ত রোগ এ নয়। আমি আপনার নিকট একটুকরা কাগজ চেয়ে তাতে সাঙ্কেতিক ইজিবিজি অক্ষর লিখে আপনাকে দেব, আর আপনার চাকর ঝাঁ-করে পাশের দাওয়াইখানা থেকে কতকগুলি মার্কামারা শিশি নিয়ে আস্‌বে—এস্থলে সে-সব চল্‌বে না।” অনাবশ্যক ঔষধপত্র হইতে রেহাই পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনচ্ছলে অক্টেভ মৃদু মৃদু হাসিল। {{nop}}<noinclude></noinclude> khxh023ccp1waow3co0fqdw3wgl7fq1 পাতা:তীর্থরেণু.djvu/১৭৮ 104 57912 1992039 1985812 2026-07-31T04:16:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992039 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" />{{right|তীর্থরেণু}}</noinclude><section begin="তিনটি কথা"/>{{center|<big>তিনটি কথা</big>}} {{block center/s}} {{Block center|<poem> মানুষের মনে আমি সযতনে ::::লিখে যাব তিন বাণী, অগ্নি আখরে পরাণের ’পরে ::::অমর এ লিপিখানি;- আশা রেখো মনে, দুর্দ্দিনে কভু :::নিরাশ হয়োনা, ভাই, কোনোদিন যাহা পোহবে না, হায়, ::::তেমন রাত্রি নাই। রেখে বিশ্বাস, তুফান বাতাসে, ::::হ’য়ো না গো দিশাহারা, মানুষের যিনি চালক, তিনিই ::::চালান চন্দ্র তারা। রেখো ভালবাসা সবারি লাগিয়া, ::::ভাই জেনো মানবেরে, প্রভাতের মত প্রভা দান কোরো ::::জনে, জনে, ঘরে, ঘরে। মনে রেখ এই ছোট ক’টি কথা,- ::::‘আশা’, ‘প্রেম’, ‘বিশ্বাস’, আঁধারে জ্যোতির দরশন পাবে, ::::পাবে বল, যাবে ত্রাস। </poem>}} {{right|{{smaller|শিলার।}}}} {{block center/e}}<section end="তিনটি কথা"/><noinclude>{{right|১৫৭}}</noinclude> e6dkoqqqo6i589sq3aohhi0c7zmm9al পাতা:তীর্থরেণু.djvu/১৮১ 104 57915 1992040 1981769 2026-07-31T04:16:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992040 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" />{{rh|তীর্থরেণু|||}}</noinclude><section begin="খোয়ানো ও খোঁজা"/>{{C|{{larger|খোয়ানো ও খোঁজা}}}} {{Block center|<poem> আপন মায়ের খোঁজে গেছে মা আমার, তার আগে তার মার (ও) অমনি ব্যাপার! জগৎ সমান ভাবে চলিয়াছে সোজা, চলেছে সমান ভাবে খোয়ানো ও খোজা! </poem> {{right|{{smaller|‘নাল-আদিয়ার’—গ্রন্থ।}}}}}} <section end="খোয়ানো ও খোঁজা"/> <section begin="বিদায়"/>{{C|{{larger|বিদায়}}}} {{block center/s}}<poem> বিদায়! যে দেশে গেলে ফেরে নাকো আর এবার আমারে যেতে হ’বে সেই দেশে; বিদায় জন্মের মত বন্ধুরা আমার,— যদিও তাহাতে কারো যাবে নাকো এসে। তোমরা হাসিবে বটে শত্রুরা আমার, এ চির প্রয়াণ-বার্তা,অতি সাধারণ; সবারে জানিতে তবু হ’লে এর স্বাদ একদিন; ওগো মিত্র ওগো শত্রুগণ! একদিন অন্ধ-করা অন্ধকার তীরে দাঁড়ায়ে আপন কর্ম্ম স্মরিবে যখন, কখনো দহিবে ক্ষোভে, কভু অসন্তোষে, পরম কৌতুকে হেসে উঠিবে কখন। </poem><section end="বিদায়"/><noinclude>{{block center/e}} {{rh|১৬০|||}}</noinclude> ej0i8wyemov3dzsd93tq3xjcbmprtp0 পাতা:তীর্থরেণু.djvu/১৯৫ 104 57929 1992041 1965922 2026-07-31T04:16:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992041 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" />{{left|তীর্থরেণু}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="শ্রেষ্ঠ ভক্ত"/><poem> কি লিখি’ পুঁথিতে অলখিতে হায় দেবতা গেলেন চলি’, পরদিন রাতে এলেন বিভাতে ভুবন সমুজ্জ্বলি’, সোনালি পুঁথিটি খুলি’ ধরিলেন আবুর আঁখির আগে, নিখিল ভকত জনের শীর্ষে আবুর নামটি জাগে। {{right|{{smaller|লী হাণ্ট।}}}} </poem>{{block center/e}} <section end="শ্রেষ্ঠ ভক্ত"/> <section begin="আদর্শ যাত্রী"/>{{C|{{larger|আদর্শ যাত্রী}}}} {{Block center|<poem> বিশ্বাস তোমার দণ্ড হে যাত্রী নির্ভীক! নিদ্বর্ন্দ্ব সে কমণ্ডলু! চলিয়াছ ঠিক বীরের মতন! কুটির নাহি ভয়; অবজ্ঞা বিদ্রূপ কিছু গ্রাহ্য নাহি হয়! আত্মার অপূর্ব্ব জ্যোতি অমল উজ্জ্বল স্মিতহাস্যে উদ্ভাসিছে ও নেত্র যুগল! তোমার নাহিক কাজ মোহান্তের বেশে, তোমারে যে প্রেমচ্ছদ দিয়েছেন হেসে সৰ্বসাক্ষী; জগতের শ্রেষ্ঠ পরিচ্ছদ; জয়! জয়! তুমি পেলে পরম সম্পদ! যাও হে, বিলাও নাম মানুষের হাটে, নামের মশাল জ্বালি’,—অন্ধকার কাটে যাহে সব; খ্যাতি তুমি কর না তো আশ, নক্ষত্র না চাহে দীপ,—সে যে স্বপ্রকাশ। </poem> {{right|{{smaller|সেন।}}}}}} <section end="আদর্শ যাত্রী"/><noinclude>{{left|১৭৪}}</noinclude> osxot9dvgpugcl4a80n1piz7tqrm8vq পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১১৬ 104 62989 1991516 1795365 2026-07-30T17:28:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991516 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৷৹|সূচীপত্র।|}}</noinclude><section begin="১” />[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫১|৯২১]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৩|৯২৩]] পৃঃ।{{ফাঁক}}[[বঙ্গ সাহিত্য পরিচয় (প্রথম খণ্ড)/ভাগবত/উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল|উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল]] [[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৩|৯২৩]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৪|৯২৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}[[বঙ্গ সাহিত্য পরিচয় (প্রথম খণ্ড)/ভাগবত/ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড|ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড]] (খৃঃ ১৯শ শতাব্দী) [[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৪|৯২৪]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৬০|৯৩০]] পৃঃ।{{ফাঁক}}[[বঙ্গ সাহিত্য পরিচয় (প্রথম খণ্ড)/ভাগবত/রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত|রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত]] (খৃঃ ১৯শ শতাব্দী) [[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৬০|৯৩০]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৮৯|৯৫৯]] পৃঃ। {{rule|3em}} <section end="১” /> <section begin="২” /><noinclude>{{c|{{x-larger|দ্বিতীয় খণ্ড।}} ([[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৫|৯৬১]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৭৭|১৮১৯]] পৃষ্ঠা।)}}</noinclude>{{c|<big>পদাবলী [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭|৯৬৩]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯০|১১৪৬]] পৃঃ।</big>}} চণ্ডিদাসের শ্রীকৃষ্ণ-কীর্ত্তন (খৃঃ ১৪শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭|৯৬৩]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১২|৯৬৮]] পৃঃ।{{ফাঁক}}চণ্ডিদাসের পদাবলী (খৃঃ ১৪শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১২|৯৬৮]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৬|১০০২]] পৃঃ।{{ফাঁক}}রামমণির পদাবলী (খৃঃ ১৪শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৬|১০০২]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৮|১০০৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}বিদ্যাপতির পদাবলী (খৃঃ ১৪-১৫শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৯|১০০৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭০|১০২৬]] পৃঃ।{{ফাঁক}}গোবিন্দদাসের পদাবলী (খৃঃ ১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭০|১০২৬]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৬|১০৫২]] পৃঃ।{{ফাঁক}}গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর পদাবলী (খৃঃ ১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৬|১০৫২]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৯|১০৫৫]] পৃঃ।{{ফাঁক}}জ্ঞানদাসের পদাবলী (খৃঃ ১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৯|১০৫৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১০৮|১০৬৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}বলরাম দাসের পদাবলী (খৃঃ ১৬-১৭শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১০৯|১০৬৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১১৮|১০৭৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}ঘনশ্যাম দাসের পদাবলী (খৃঃ ১৭শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১১৯|১০৭৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৩৩|১০৮৯]] পৃঃ।{{ফাঁক}}অপরাপর প্রাচীন কবিগণের—যথা, মুরারি গুপ্ত, সনাতন, বাসুদেব ঘোষ, গোবিন্দ ঘোষ, নরহরি, রামানন্দ, বৃন্দাবন দাস, রঘুনাথ দাস, বংশীবদন, অনন্ত দাস, লোচন দাস, রায় বসন্ত, যদুনন্দন, যদুনাথ দাস, যাদবেন্দ্র, শ্রীদাম দাস, পুরুষোত্তম, কবিরঞ্জন, প্রেমদাস, জগন্নাথ দাস, রাধামোহন, নরসিংহ দাস, দ্বিজ মাধব, দুখিনী, জ্ঞান-হরিদাস, দ্বিজ ভীম, নরোত্তম দাস, দ্বিজ হরিদাস, ভূপতি সিংহ, বীর হাম্বীর, উদ্ধব দাস, শ্যামানন্দ, জগদানন্দ, মাধব, কবিশেখর, রায়শেখর-চন্দ্রশেখর-শশিশেখর, দ্বিজ শ্যামদাস, রামচন্দ্র, কামদেব দাস, গোপীরমণ, রাজা নৃসিংহদেব, মাধবী দাসী, প্রেমদাস, জয়কৃষ্ণ দাস, রঘুনন্দন গোস্বামী, মুসলমান বৈষ্ণব-পদকর্ত্তা আলওয়াল, অলিরাজা, সাহ আকবর, নসির মামুদ, হবিব, সালবেগ, কবীর, সেথ লাল, ফতন, ভিখন ও সৈয়দ মর্ত্ত জার পদাবলী (খৃঃ ১৫-১৮শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৩৪|১০৯০]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯০|১১৪৬]] পৃঃ। {{c|<big>বৈষ্ণব-চরিতাখ্যান [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯৩|১১৪৭]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩৩০|১২৮০]] পৃঃ।</big>}} গোবিন্দদাসের কড়চা (১৫১০—১৫১১ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯৩|১১৪৭]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২০৯|১১৬৩]] পৃঃ।{{ফাঁক}}জয়ানন্দের চৈতন্য-মঙ্গল (১৫৪০ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২০৯|১১৬৩]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২১৬|১১৭০]] পৃঃ।{{ফাঁক}}বৃন্দাবন দাসের শ্রীচৈতন্য-ভাগবত (১৫০৭—১৫৮৯ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২১৯|১১৭১]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৩৮|১১৯০]] পৃঃ।{{ফাঁক}}লোচনদাসের চৈতন্য-মঙ্গল (১৫৩৭ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৩৮|১১৯০]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৪৪|১১৯৬]] পৃঃ।{{ফাঁক}}নিত্যানন্দের প্রেমবিলাস (১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৪৫|১১৯৭]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৫৩|১২০৫]] পৃঃ।{{ফাঁক}}ঈশান নাগরের {{hws|অদ্বৈত|অদ্বৈত-প্রকাশ}} <section end="২” /><noinclude></noinclude> trxrx7x4djynt4rre2l9fpcnfbvohqq 1991527 1991516 2026-07-30T17:31:50Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/1991516|1991516]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 1991527 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৷৹|সূচীপত্র।|}}</noinclude><section begin="১" />[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫১|৯২১]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৩|৯২৩]] পৃঃ।{{ফাঁক}}[[বঙ্গ সাহিত্য পরিচয় (প্রথম খণ্ড)/ভাগবত/উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল|উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল]] [[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৩|৯২৩]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৪|৯২৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}[[বঙ্গ সাহিত্য পরিচয় (প্রথম খণ্ড)/ভাগবত/ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড|ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড]] (খৃঃ ১৯শ শতাব্দী) [[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৪|৯২৪]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৬০|৯৩০]] পৃঃ।{{ফাঁক}}[[বঙ্গ সাহিত্য পরিচয় (প্রথম খণ্ড)/ভাগবত/রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত|রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত]] (খৃঃ ১৯শ শতাব্দী) [[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৬০|৯৩০]]—[[পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৮৯|৯৫৯]] পৃঃ। {{rule|3em}} <section end="১" /> <section begin="২" /><noinclude>{{c|{{x-larger|দ্বিতীয় খণ্ড।}} ([[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৫|৯৬১]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৭৭|১৮১৯]] পৃষ্ঠা।)}}</noinclude>{{c|<big>পদাবলী [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭|৯৬৩]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯০|১১৪৬]] পৃঃ।</big>}} চণ্ডিদাসের শ্রীকৃষ্ণ-কীর্ত্তন (খৃঃ ১৪শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭|৯৬৩]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১২|৯৬৮]] পৃঃ।{{ফাঁক}}চণ্ডিদাসের পদাবলী (খৃঃ ১৪শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১২|৯৬৮]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৬|১০০২]] পৃঃ।{{ফাঁক}}রামমণির পদাবলী (খৃঃ ১৪শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৬|১০০২]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৮|১০০৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}বিদ্যাপতির পদাবলী (খৃঃ ১৪-১৫শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৯|১০০৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭০|১০২৬]] পৃঃ।{{ফাঁক}}গোবিন্দদাসের পদাবলী (খৃঃ ১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭০|১০২৬]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৬|১০৫২]] পৃঃ।{{ফাঁক}}গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর পদাবলী (খৃঃ ১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৬|১০৫২]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৯|১০৫৫]] পৃঃ।{{ফাঁক}}জ্ঞানদাসের পদাবলী (খৃঃ ১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯৯|১০৫৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১০৮|১০৬৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}বলরাম দাসের পদাবলী (খৃঃ ১৬-১৭শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১০৯|১০৬৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১১৮|১০৭৪]] পৃঃ।{{ফাঁক}}ঘনশ্যাম দাসের পদাবলী (খৃঃ ১৭শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১১৯|১০৭৫]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৩৩|১০৮৯]] পৃঃ।{{ফাঁক}}অপরাপর প্রাচীন কবিগণের—যথা, মুরারি গুপ্ত, সনাতন, বাসুদেব ঘোষ, গোবিন্দ ঘোষ, নরহরি, রামানন্দ, বৃন্দাবন দাস, রঘুনাথ দাস, বংশীবদন, অনন্ত দাস, লোচন দাস, রায় বসন্ত, যদুনন্দন, যদুনাথ দাস, যাদবেন্দ্র, শ্রীদাম দাস, পুরুষোত্তম, কবিরঞ্জন, প্রেমদাস, জগন্নাথ দাস, রাধামোহন, নরসিংহ দাস, দ্বিজ মাধব, দুখিনী, জ্ঞান-হরিদাস, দ্বিজ ভীম, নরোত্তম দাস, দ্বিজ হরিদাস, ভূপতি সিংহ, বীর হাম্বীর, উদ্ধব দাস, শ্যামানন্দ, জগদানন্দ, মাধব, কবিশেখর, রায়শেখর-চন্দ্রশেখর-শশিশেখর, দ্বিজ শ্যামদাস, রামচন্দ্র, কামদেব দাস, গোপীরমণ, রাজা নৃসিংহদেব, মাধবী দাসী, প্রেমদাস, জয়কৃষ্ণ দাস, রঘুনন্দন গোস্বামী, মুসলমান বৈষ্ণব-পদকর্ত্তা আলওয়াল, অলিরাজা, সাহ আকবর, নসির মামুদ, হবিব, সালবেগ, কবীর, সেথ লাল, ফতন, ভিখন ও সৈয়দ মর্ত্ত জার পদাবলী (খৃঃ ১৫-১৮শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৩৪|১০৯০]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯০|১১৪৬]] পৃঃ। {{c|<big>বৈষ্ণব-চরিতাখ্যান [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯৩|১১৪৭]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩৩০|১২৮০]] পৃঃ।</big>}} গোবিন্দদাসের কড়চা (১৫১০—১৫১১ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৯৩|১১৪৭]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২০৯|১১৬৩]] পৃঃ।{{ফাঁক}}জয়ানন্দের চৈতন্য-মঙ্গল (১৫৪০ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২০৯|১১৬৩]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২১৬|১১৭০]] পৃঃ।{{ফাঁক}}বৃন্দাবন দাসের শ্রীচৈতন্য-ভাগবত (১৫০৭—১৫৮৯ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২১৯|১১৭১]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৩৮|১১৯০]] পৃঃ।{{ফাঁক}}লোচনদাসের চৈতন্য-মঙ্গল (১৫৩৭ খৃঃ) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৩৮|১১৯০]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৪৪|১১৯৬]] পৃঃ।{{ফাঁক}}নিত্যানন্দের প্রেমবিলাস (১৬শ শতাব্দী) [[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৪৫|১১৯৭]]—[[পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৫৩|১২০৫]] পৃঃ।{{ফাঁক}}ঈশান নাগরের {{hws|অদ্বৈত|অদ্বৈত-প্রকাশ}} <section end="২" /><noinclude></noinclude> 45w1v0n82ussmqpzir4ofu4hl24022b পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১২৬ 104 62999 1991517 1795366 2026-07-30T17:28:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991517 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৪|বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয়।|}} {{sidenotes begin}}</noinclude>করিবার যথেষ্ট কারণ এখনও পাই নাই। ডাকের বচনের অনেকাংশ অত্যন্ত দুর্ব্বোধ, যথাঃ– {{block center|<poem> “আদি অন্ত ভুঝসি। ইষ্ট দেবতা যেহ পূজসি॥ মরণের যদি ডর বাসসি। অসম্ভব কভু না খায়সি॥" “বুন্দা বুঝিয়া এড়িব লুণ্ড। আগল হৈলে নিবারিব তুণ্ড॥” ইত্যাদি। </poem>}} {{ফাঁক}}ডাক ও খনার বচন শুধু বঙ্গদেশে নহে, এখনও উড়িষ্যায়ও প্রচলিত আছে। বহু-প্রচলন-হেতু ইহাদের ভাষা পরবর্ত্তী কালে যে অনেকটা পরিবর্ত্তিত হইয়াছে, তাহা অস্বীকার করিবার উপায় নাই; তবে আদিম রচনার চিহ্ন এখনও অনেক স্থলে বিদ্যমান আছে। {{block center/s}}<poem><noinclude>{{multicol}}</noinclude>{{outside L|সন্তান-জন্মের পর।}}জন্মমাত্র বলে ডাক। পো এড়িয়া পোআতি রাখ॥<ref>সন্তানকে ত্যাগ করিয়া প্রসূতির প্রতি মনোযোগী হও।</ref> ধুইআ পৌচ্ছআ দিহ কোলে। যবে ফুল নাম্বিবেক ভালে॥ নাড়ি ছেদিআ দিহ জয়। ডাক বলে এই হয়॥ {{c|{{larger|অথ ধর্ম্ম-প্রকরণ।}}}} ধর্ম্ম করিতে যে জন জানি। পুখর দিআ রাখিও পানি॥ অশ্বখ রোপে বড় কর্ম্ম। মণ্ডপ দেএ অশেষ ধর্ম্ম॥ অন্ন বিন্ন<ref>বিনা।</ref> নাহি দান। ইহার পর ধর্ম্ম নাহি আন॥ {{c|{{larger|অথ রন্ধন-প্রকরণ।}}}} নিমপাতা কাসন্দির ঝোল। তেলের ওপর দিয়া তোল॥ <noinclude>{{multicol-break}}</noinclude>পলতা শাক রুহি মাছ। বলে ডাক বেঞ্জন সাছ<ref>সাছ=সাঁচা=সত্য।</ref>॥ মদ্‌গুর মৎস্য দাএ কুটিয়া। হিঙ্গ আদা লবণ দিয়া॥ তেল হলদি তাহাতে দিব। বলে ডাক বেঞ্জন খাব॥ পোনা মাছ জামিরের রসে। কাসন্দি দিআ যে জন পরশে॥ তাহা খাইলে অরুচ্য পালাএ। আছুক মানবের কথা দেবের লোভ যাএ॥ ইচিলা<ref>চিংড়ী।</ref> মাছ তৈলে ভাজিয়া। পাতি লেবু তাতে দিয়া॥ যাহাতে দেই তাতে মেলে। হিঙ্গ মরিচ দিহ ঝোলে॥ চালু দিহ যত তত। পানী দিহ তিন যত॥<ref>চাউল যত দিবে তাহার তিন গুণ জল দেওয়া উচিত।</ref> <noinclude>{{multicol-end}}</noinclude></poem><noinclude>{{block center/e}}{{sidenotes end}}</noinclude> nnujmklpcarxp9zoa5yfvc7xrd504vr পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/৪২১ 104 63400 1991518 1486730 2026-07-30T17:28:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991518 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||বগুড়ার কবি জীবন মৈত্রেয়ের “বিষহরী-পদ্মাপুরাণ” হইতে উদ্ধৃত।|২৯৯}} {{block center/s}}</noinclude><poem> সিন্দূরের বিন্দু ভালে{{ফাঁক}}অলকা উজ্জ্বল করে ::যেন নক্ষত্র-সহিত দ্বিজরাজ। ললাট করিছে শোভা{{ফাঁক}}কল্যাণ-কার্মুক-লোভা ::ভুরুষুগ যেন চাপরাজ<ref>শ্রেষ্ঠ ধনু।</ref>॥ তবেত মেনকা নারী{{ফাঁক}}বিপুলার বেশ করি ::সাজাইয়া দিল বিনোদিনী। সখীগণ সঙ্গে করি{{ফাঁক}}চলিলেন বিদ্যাধরী ::তারামধ্যে শশীর মেলানী॥ কিবা সে রূপের শোভা পূর্ণ শশধর। থাকুক মনুষ্য কায দেবতা চঞ্চল॥ বদনের শোভা কিবা পূর্ণিমার চান্দ। বধিতে যুবক যেন পাতিয়াছে ফান্দ॥ নয়ান বন্দুক তাহে রঞ্জক কজ্জল। পলক পলিতা তাহে তোতা<ref>টোটা।</ref> দুই কর॥ </poem>{{block center/e}}<noinclude></noinclude> dtmbalsguhdxruobvuac8ww32o3cmsb 1991526 1991518 2026-07-30T17:31:16Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/1991518|1991518]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 1991526 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||বগুড়ার কবি জীবন মৈত্রেয়ের “বিষহরী-পদ্মাপুরাণ" হইতে উদ্ধৃত।|২৯৯}} {{block center/s}}</noinclude><poem> সিন্দূরের বিন্দু ভালে{{ফাঁক}}অলকা উজ্জ্বল করে ::যেন নক্ষত্র-সহিত দ্বিজরাজ। ললাট করিছে শোভা{{ফাঁক}}কল্যাণ-কার্মুক-লোভা ::ভুরুষুগ যেন চাপরাজ<ref>শ্রেষ্ঠ ধনু।</ref>॥ তবেত মেনকা নারী{{ফাঁক}}বিপুলার বেশ করি ::সাজাইয়া দিল বিনোদিনী। সখীগণ সঙ্গে করি{{ফাঁক}}চলিলেন বিদ্যাধরী ::তারামধ্যে শশীর মেলানী॥ কিবা সে রূপের শোভা পূর্ণ শশধর। থাকুক মনুষ্য কায দেবতা চঞ্চল॥ বদনের শোভা কিবা পূর্ণিমার চান্দ। বধিতে যুবক যেন পাতিয়াছে ফান্দ॥ নয়ান বন্দুক তাহে রঞ্জক কজ্জল। পলক পলিতা তাহে তোতা<ref>টোটা।</ref> দুই কর॥ </poem>{{block center/e}}<noinclude></noinclude> j6pi2bk23sp1a0oq7rgoi2rmrf4zjqp পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৩ 104 64973 1991519 1711202 2026-07-30T17:28:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991519 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||ভাগবত—উদ্ধবানন্দ—১৮শ শতাব্দী।|৯২৩}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="ভবানন্দ সেনের ভাগবত” /><poem> {{ত্রিপদী|সুধা দিয়া সভা তুণ্ডে|রাহু-দৈত্যের কাট মুণ্ডে|তুমি কর ব্যাধের আচার।}} {{ত্রিপদী|পঞ্চম বরষ কালে|পূতনা বধিলে হেলে|নারী-বধের কি ভয় তোমার॥}} {{ত্রিপদী|শঙ্খাসুরের নারী|পতিব্রতা সুন্দরী|তাহারে হরিলে ছল করি।}} {{ত্রিপদী|মারিয়া তাহার পতি|মস্তকে রাখিলে সতী|সকল পার আপনি শ্রীহরি॥}} {{ত্রিপদী|তোমায় চিনে রাহু শনি|পর্ব্বত কাট গুণমণি|সেই বটে তোমার * * *}} {{ত্রিপদী|যুক্তি করে যত নারী|যদি না আইসে হরি|শনির করিব আরাধন॥}} {{ত্রিপদী|তাহারে বশ করি|দুঃখ দিবেক হরি|তবে পূরে মনের বাসনা।}} {{ত্রিপদী|যে যার শরণ লয়|তাহারে এমন হয়|অবিরত কান্দে ব্রজাঙ্গনা॥}} {{ত্রিপদী|সদা কান্দে ব্রজনারী|যমুনায় পড়ে বারি|সবে ক্ষীণ প্রবল যমুনা।}} {{ত্রিপদী|তোমারে জান্যাছি দঢ়|কাল-বরণ খল বড়|কত কব তব গুণকথা।}} {{ত্রিপদী|ভবানন্দ সেনে কয়|বলিতে উচিত হয়|কহিবারে মনে পাই ব্যথা॥}} </poem>{{block center/e}} {{rule|3em}} <section end="ভবানন্দ সেনের ভাগবত” /> <section begin="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল” />{{c|{{x-larger|উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল।}}}} মহেন্দ্রনাথ বিদ্যানিধির প্রবন্ধ হইতে উদ্ধৃত হইল (সন ১৩০৩ সালের পরিষৎপত্রিকা, ২২৫ পৃষ্ঠা)। {{c|<big>রাধিকার বেশ-বিন্যাস।</big>}} {{block center/s}}<poem> কৃত্তিকা বলেন তবে বৃকভানু রাজে। আভরণ দিব আমি যেখানে যে সাজে॥ কামিলা<ref>সেক্‌রা।</ref> আনিয়া আভবণ সদ্য কর<ref>সদ্য সদ্য প্রস্তুত কর।</ref>। কটিমাঝে পরাইব সোণার ঘুঙ্ঘুর॥ </poem><section end="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল” /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> aicmpwru8bhir295v8dwig2zjmfl6st 1991525 1991519 2026-07-30T17:30:54Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1711202 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||ভাগবত—উদ্ধবানন্দ—১৮শ শতাব্দী।|৯২৩}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="ভবানন্দ সেনের ভাগবত" /><poem> {{ত্রিপদী|সুধা দিয়া সভা তুণ্ডে|রাহু-দৈত্যের কাট মুণ্ডে|তুমি কর ব্যাধের আচার।}} {{ত্রিপদী|পঞ্চম বরষ কালে|পূতনা বধিলে হেলে|নারী-বধের কি ভয় তোমার॥}} {{ত্রিপদী|শঙ্খাসুরের নারী|পতিব্রতা সুন্দরী|তাহারে হরিলে ছল করি।}} {{ত্রিপদী|মারিয়া তাহার পতি|মস্তকে রাখিলে সতী|সকল পার আপনি শ্রীহরি॥}} {{ত্রিপদী|তোমায় চিনে রাহু শনি|পর্ব্বত কাট গুণমণি|সেই বটে তোমার * * *}} {{ত্রিপদী|যুক্তি করে যত নারী|যদি না আইসে হরি|শনির করিব আরাধন॥}} {{ত্রিপদী|তাহারে বশ করি|দুঃখ দিবেক হরি|তবে পূরে মনের বাসনা।}} {{ত্রিপদী|যে যার শরণ লয়|তাহারে এমন হয়|অবিরত কান্দে ব্রজাঙ্গনা॥}} {{ত্রিপদী|সদা কান্দে ব্রজনারী|যমুনায় পড়ে বারি|সবে ক্ষীণ প্রবল যমুনা।}} {{ত্রিপদী|তোমারে জান্যাছি দঢ়|কাল-বরণ খল বড়|কত কব তব গুণকথা।}} {{ত্রিপদী|ভবানন্দ সেনে কয়|বলিতে উচিত হয়|কহিবারে মনে পাই ব্যথা॥}} </poem>{{block center/e}} {{rule|3em}} <section end="ভবানন্দ সেনের ভাগবত" /> <section begin="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল" />{{c|{{x-larger|উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল।}}}} মহেন্দ্রনাথ বিদ্যানিধির প্রবন্ধ হইতে উদ্ধৃত হইল (সন ১৩০৩ সালের পরিষৎপত্রিকা, ২২৫ পৃষ্ঠা)। {{c|<big>রাধিকার বেশ-বিন্যাস।</big>}} {{block center/s}}<poem> কৃত্তিকা বলেন তবে বৃকভানু রাজে। আভরণ দিব আমি যেখানে যে সাজে॥ কামিলা<ref>সেক্‌রা।</ref> আনিয়া আভবণ সদ্য কর<ref>সদ্য সদ্য প্রস্তুত কর।</ref>। কটিমাঝে পরাইব সোণার ঘুঙ্ঘুর॥ </poem><section end="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল" /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 4n085md9jpy5fzbpecse9qct9uny528 পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৫৪ 104 64974 1991520 1711209 2026-07-30T17:28:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991520 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৯২৪|বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয়।|}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল” /><poem> কামিলা আনিঞা রাজা আদেশ করিল। রাজ-আজ্ঞা পাইয়া আভরণ সদ্য কৈল॥ আভরণ দিছে রাজা বহু যতন করি। চাঁচর কেশে সোণার ঝাঁপা পিছে দোলে ঝুরি॥ সুন্দর সরল পদ্ম কত চিত্র তায়। কনকের চুড়ি রাণী যতনে পরায়॥ চরণে ধরিয়া রাণী নূপূর পরায়। বাহুতে ধরিয়া রাণী রাধারে নাচায়॥ বৃকভানু-পুরের লোক ডেকে ডেকে বলে। গগন ছেড়্যা চান্দ কিবা ভূমি চলি ভুলে॥ বরণ-কিরণ এ রাইর যেন কাঁচা সোণা। রাধিকা-মঙ্গল উদ্ধবানন্দের রচনা॥ অগাধ সমুদ্র লীলা কহনে না যায়। এত দূরে রাধিকা-মঙ্গল হৈল সায়॥ </poem>{{block center/e}} {{rule|3em}} <section end="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল” /> <section begin="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড” />{{c|{{x-larger|ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড।}} (রচনা-কাল ১৯শ শতাব্দীর প্রথমার্দ্ধ।)<br/>বটতলার পুথি হইতে উদ্ধৃত হইল।}} {{c|<big>মথুরায় কৃষ্ণ-কর্ত্তৃক রজক-বধ।</big>}} {{block center/s}}<poem> বলরামের প্রতি শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র কয়। এ বেশে কংসের বাসে যাওয়া যোগ্য নয়॥ কংস সভা করি বসিয়াছে সিংহাসনে। কেমনে যাইব বল এমন বসনে॥ কোন্‌ লাজে সভার মাঝে করিব প্রবেশ। সকলে হাসিবে দেখে রাখালের বেশ॥ চূড়া ধড়া ব্রজের ভাব করিয়া গোপন। রাজসভা-যোগ্য চাই উত্তম বসন॥ বিশেষ মাতুল হন কংস নরপতি। আমরা হব রাজার ভগ্নীর সন্ততি॥ লোকাচার বেদাচার বল কিসে ঢাকে। এই বেশে গেলে সব হাসিবেক লোকে॥ </poem><section end="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড” /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 6utmdfyqzvhdlp8og47iofnrawsruv4 1991523 1991520 2026-07-30T17:30:39Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/1991520|1991520]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 1991523 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৯২৪|বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয়।|}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল" /><poem> কামিলা আনিঞা রাজা আদেশ করিল। রাজ-আজ্ঞা পাইয়া আভরণ সদ্য কৈল॥ আভরণ দিছে রাজা বহু যতন করি। চাঁচর কেশে সোণার ঝাঁপা পিছে দোলে ঝুরি॥ সুন্দর সরল পদ্ম কত চিত্র তায়। কনকের চুড়ি রাণী যতনে পরায়॥ চরণে ধরিয়া রাণী নূপূর পরায়। বাহুতে ধরিয়া রাণী রাধারে নাচায়॥ বৃকভানু-পুরের লোক ডেকে ডেকে বলে। গগন ছেড়্যা চান্দ কিবা ভূমি চলি ভুলে॥ বরণ-কিরণ এ রাইর যেন কাঁচা সোণা। রাধিকা-মঙ্গল উদ্ধবানন্দের রচনা॥ অগাধ সমুদ্র লীলা কহনে না যায়। এত দূরে রাধিকা-মঙ্গল হৈল সায়॥ </poem>{{block center/e}} {{rule|3em}} <section end="উদ্ধবানন্দের রাধিকা-মঙ্গল" /> <section begin="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড" />{{c|{{x-larger|ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড।}} (রচনা-কাল ১৯শ শতাব্দীর প্রথমার্দ্ধ।)<br/>বটতলার পুথি হইতে উদ্ধৃত হইল।}} {{c|<big>মথুরায় কৃষ্ণ-কর্ত্তৃক রজক-বধ।</big>}} {{block center/s}}<poem> বলরামের প্রতি শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র কয়। এ বেশে কংসের বাসে যাওয়া যোগ্য নয়॥ কংস সভা করি বসিয়াছে সিংহাসনে। কেমনে যাইব বল এমন বসনে॥ কোন্‌ লাজে সভার মাঝে করিব প্রবেশ। সকলে হাসিবে দেখে রাখালের বেশ॥ চূড়া ধড়া ব্রজের ভাব করিয়া গোপন। রাজসভা-যোগ্য চাই উত্তম বসন॥ বিশেষ মাতুল হন কংস নরপতি। আমরা হব রাজার ভগ্নীর সন্ততি॥ লোকাচার বেদাচার বল কিসে ঢাকে। এই বেশে গেলে সব হাসিবেক লোকে॥ </poem><section end="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড" /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> sv5rxab43ewinus1zvczcehe1wcjejp পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/১০৬০ 104 64980 1991521 1772749 2026-07-30T17:28:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991521 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৯৩০|বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয়।|}} {{sidenotes begin}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড” /><poem> নরের মধ্যেতে তোরে নাহি করি গণ্য। গোকুলে খাইলি তুই গোপ-গৃহে অন্ন॥ মাঠে মাঠে গোঠে গোঠে রাখালের সনে। {{outside L|কংস-বধ।}}চরালি গোধন গরু গিয়া বৃন্দাবনে॥ এতেক ভর্ৎসনা যদি কৃষ্ণকে করিল। মহাক্রোধ-ভরে কৃষ্ণ গর্জ্জিয়া উঠিল॥ ক্রোধ-ভরে কংসরাজার ধরি দুই কর। হস্তি-দন্তাঘাত মারে মস্তক উপর॥ শিরভঙ্গ হইয়া সে কংস মহাবীর। কুঞ্জরের দন্তাঘাতে ত্যজিল শরীর॥ </poem>{{block center/e}}{{sidenotes end}} {{rule|3em}} <section end="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড” /> <section begin="রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত” />{{c|{{x-larger|রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত।}} {{smaller|(রচনাকাল ১৯শ শতাব্দী।)}} <big>দ্বারকা-বিলাস।</big>}} {{ফাঁক}}যে পুথি হইতে এই অংশ উদ্ধৃত হইল তাহা ১০০ বৎসরের ঊর্দ্ধ কালের। এই কবিতার উপরে যে সকল গদ্য হেডিং দেওয়া আছে, তাহাও গ্রন্থকারের রচিত। {{c|<big>নারদগোস্বামী শ্রীকৃষ্ণের নিকটে লক্ষীরূপা রুক্মিণীর প্রসঙ্গ কহেন৷</big>}} {{block center/s}}<poem> নারদের স্তবে তুষ্ট হয়ে নারায়ণ। মুনি প্রতি সাধুবাদ দিলেন তখন॥ ঊভয়ে উভয়ে পেয়ে মনে তুষ্ট অতি। কহেন শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র নারদের প্রতি॥ কহ কহ গুণাকর দেব-ঋষিবর। গমনাগমন তব আছে চরাচর॥ দেখিয়াছ মুনিরাজ ইন্দ্র-চন্দ্রলোক। শিবলোক ব্রহ্মলোক বৈকুণ্ঠ গোলোক॥ </poem><section end="রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত” /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 578eh2n9xoprbk4u85qqbifbsd90y7a 1991524 1991521 2026-07-30T17:30:43Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/1991521|1991521]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 1991524 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৯৩০|বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয়।|}} {{sidenotes begin}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড" /><poem> নরের মধ্যেতে তোরে নাহি করি গণ্য। গোকুলে খাইলি তুই গোপ-গৃহে অন্ন॥ মাঠে মাঠে গোঠে গোঠে রাখালের সনে। {{outside L|কংস-বধ।}}চরালি গোধন গরু গিয়া বৃন্দাবনে॥ এতেক ভর্ৎসনা যদি কৃষ্ণকে করিল। মহাক্রোধ-ভরে কৃষ্ণ গর্জ্জিয়া উঠিল॥ ক্রোধ-ভরে কংসরাজার ধরি দুই কর। হস্তি-দন্তাঘাত মারে মস্তক উপর॥ শিরভঙ্গ হইয়া সে কংস মহাবীর। কুঞ্জরের দন্তাঘাতে ত্যজিল শরীর॥ </poem>{{block center/e}}{{sidenotes end}} {{rule|3em}} <section end="ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের প্রভাস-খণ্ড" /> <section begin="রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত" />{{c|{{x-larger|রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত।}} {{smaller|(রচনাকাল ১৯শ শতাব্দী।)}} <big>দ্বারকা-বিলাস।</big>}} {{ফাঁক}}যে পুথি হইতে এই অংশ উদ্ধৃত হইল তাহা ১০০ বৎসরের ঊর্দ্ধ কালের। এই কবিতার উপরে যে সকল গদ্য হেডিং দেওয়া আছে, তাহাও গ্রন্থকারের রচিত। {{c|<big>নারদগোস্বামী শ্রীকৃষ্ণের নিকটে লক্ষীরূপা রুক্মিণীর প্রসঙ্গ কহেন৷</big>}} {{block center/s}}<poem> নারদের স্তবে তুষ্ট হয়ে নারায়ণ। মুনি প্রতি সাধুবাদ দিলেন তখন॥ ঊভয়ে উভয়ে পেয়ে মনে তুষ্ট অতি। কহেন শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র নারদের প্রতি॥ কহ কহ গুণাকর দেব-ঋষিবর। গমনাগমন তব আছে চরাচর॥ দেখিয়াছ মুনিরাজ ইন্দ্র-চন্দ্রলোক। শিবলোক ব্রহ্মলোক বৈকুণ্ঠ গোলোক॥ </poem><section end="রাধাকৃষ্ণ দাসের ভাগবত" /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 4lzpoftwgaid7p6z91txtlhymx0vfoz পাতা:বিশ্বমানবের লক্ষ্মীলাভ.djvu/৫০ 104 79774 1991695 1967441 2026-07-31T04:01:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991695 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{center|পঞ্চভূতের বশীকরণ}}</noinclude>{{ফাঁক}}হাওয়া যতই শুখিয়ে থাক্ না কেন, তাতে বেশ একটু জলের ভাপ থেকেই যায়। যখন মানুষের সাধ্যি এমন হবে যে, অতিরিক্ত খরচ না করে যেখানে ইচ্ছে আকাশের জল টেনে নামাতে পারবে, তখন ইন্দ্রের পৌরাণিক কর্তব্য আধুনিক মানবে নিজেই সেরে নিতে পারবে। তাহলে দেবরাজ শখের নাচগান নিয়ে মশগুল থাকার সময় “গেলুম রে, মলুম রে” রবে কেও তাঁর মজলিসের রসভঙ্গ করতে দ্বারস্থ হবে না। {{ফাঁক}}তবে সাবধান। অব্যবস্থিত রাজ্যে এবিদ্যে খাটাতে গেলে বিজ্ঞানী উভয় সংকটে পড়ে যেতে পারেন। যার বাড়ি বিয়ে, সে আবদার করবে আকাশ পরিষ্কার ঝক্‌ঝকে থাক্; ওদিকে যে-চাষার খেত খাঁ খাঁ করছে সে ঝম্‌ঝমে বৃষ্টির জন্যে আপসা-আপসি করবে। মাঝে থেকে বিজ্ঞানী-বেচারীকে এক পক্ষ না এক পক্ষের ঠ্যাঙার গুঁতো না খেতে হয়। {{ফাঁক}}USSR-এ সে হাঙ্গামার ভয় নেই। তাদের পঞ্চ বার্ষিক সংকল্পের খবর আগে থাকতেই সকলকে জানিয়ে দেওয়া হয়। যেদিন না বর্ষালে কারো ক্ষতি নেই, উৎসবের পক্ষে সেই দিনই শুভদিন ধরা হবে; আকাশের কোন্ ভাগে কোন্ গ্রহতারা দেখা দিয়েছে তাতে মামুষের ভাগ্যের ওলট-পালট কল্পনা করার দরকার হবে না। মনের মিলে পরস্পরের হিতসাধনে মানুষ যে যে জায়গায় জমায়েত হয়, সেগুলিকেই পরম তীর্থ বলে মানা হবে; ভিড় ঠেলে মরতে মরতে এ-ঘাটে ও-ঘাটে ডুব দিয়ে, মন বা কপাল ফেরাবার দুরাশা মনে পোষা হবে না। যে বর্ষণে দেশশুদ্ধ লোকের অন্নসংস্থান হবে, তার জন্যে দেবতার খামখেয়ালী মর্জির অপেক্ষা থাকবে না, স্তবস্তুতির বাজে খাটুনি বেঁচে যাবে, যাদের গরজ তাদেরই প্রতিনিধি নিজগুণেই যথাযথ ব্যবস্থা করবেন—এই হচ্ছে USSR-এর সমীকরণ যজ্ঞের নববিধান।<noinclude>{{কেন্দ্র|৫০}}</noinclude> s9vntbqqxa6bqv3bp81iq0pwktkirpd পাতা:বিশ্বমানবের লক্ষ্মীলাভ.djvu/১১২ 104 80026 1992135 1887790 2026-07-31T04:23:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992135 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|প্রবাসী-গ্রামবাসী সংবাদ}}</noinclude>{{ফাঁক}}এবার চেনালোকের পাড়ায় এসে পড়েছি। চারিদিক থেকে— “এসো, এসো, একটু বসে যাও, একপাত্র দুধ খেয়ে নাও”,—সমাদরের ডাকাডাকি চলল। তাদের অনুরোধ এড়িয়ে শেষে ছেলেবেলার এক বন্ধুর বাড়ি গিয়ে উঠলাম। আমাকে পেয়ে স্বামীস্ত্রী দুজনেই মহা খুশি, তাড়াতাড়ি নিজের নিজের কাজ সেরে নিয়ে দুধ পনীর ডিমহালুয়া সাজিয়ে খেতে বসিয়ে দিলে। সেখানেই রাত কাটালাম। {{কেন্দ্র|'''গ্রাম্য বৈঠক'''}} {{ফাঁক}}পরদিন রবিবার, সকলেরই ছুটি। রাস্তায় বেরিয়ে দেখি প্রবাসী ফিরে আসার খবরে অনেকে আমায় দেখতে আসছে, তাছাড়া ছুটি বলেও রাস্তায় লোকের আনাগোনা বেশি। কামারের বাড়ির সামনে ফাঁকা জায়গাটায় কাটা গাছের গুঁড়ির উপর আমরা সব আড্ডা করে বললাম। {{ফাঁক}}সমবায়ে সব কিছু দিয়ে থুয়ে যে নিঃস্ব (Bedniak) হয়েছে, বিপ্লবীহিসেবমতো সেই মান্যগণ্য; যে অসমবায়ী গৃহস্থ নিজে আলাদা খাটে খায় (Seredniak) সে মাঝামাঝি; যে পরকে খাটিয়ে নিজে আলস্যের আরামে থাকার চেষ্টা করে সে হয় কুধনী (koolack)। কিন্তু গ্রামসমাজে এসব শ্রেণীভেদের চিহ্ন দেখা গেল না; এখানে মাত্র দুই দল—যারা সমবায়ের পক্ষপাতী, আর যারা সমবায়ের বিরোধী। {{ফাঁক}}মার্কিন দেশের গল্প শোনাবার জন্যে আমায় সবাই ধরে বসল। {{ফাঁক}}আমি কিন্তু সে আবদার কাটিয়ে বললাম, “না, সে হবে না। আমি তোমাদের কথা শুনতে এসেছি, তোমরাই সব বলো।” সব দলের লোক আছে দেখলাম—যার যা মতামত জেনে নেবার এমন সুযোগ ছাড়ি কেন। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১১২}}</noinclude> 0cvs4rrufzpubscpa3yjpf22t75dbjo পাতা:বিশ্বমানবের লক্ষ্মীলাভ.djvu/১৯০ 104 80276 1991696 1879199 2026-07-31T04:01:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991696 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|টিপ্পনী}}}} {{কেন্দ্র|{{larger|ঋণস্বীকার}}}} {{ফাঁক}}পালা সাজাবার জন্যে পাঁচ জায়গা থেকে নানা রসের কথা কুড়িয়ে এনে ধরে দেওয়া গেছে। যেখানে সবই পরের কাছে পাওয়া— সেখানে বিশেষ করে কার ঋণ স্বীকার করা যায়। যে শ্রোতার যা ভালো লেগে যায়, সে যাতে ইচ্ছেমতো মূলে গিয়ে তৃপ্তি পেতে পারে, তার উপায় রাখলেই হল। {{ফাঁক}}USSR-এর সমীকরণ যজ্ঞকে উপলক্ষ্য করে, ভবলীলার আকার প্রকার বোঝা ছিল আমাদের আসল উদ্দেশ্য, যাতে সমজদার হয়ে পরের ভালো খেলা তারিফ করতে পারি, খেলায় পটু হয়ে নিজেরাও আনন্দ দিতে নিতে অপারক না হই। {{ফাঁক}}খেলার দুটো দিক আছে। এক হল নিয়মকামুন,— যা মেনে অন্তত বাঁচিয়ে না চললে খেলা দাঁড়ায় হুটোপাটিতে, আমোদ লাগার চেয়ে চোট লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে বেশি। আর হল ভাব, যার লক্ষণ হচ্ছে পরস্পরের সুবিধে-অসুবিধে বুঝে চলা, নিজের ভালো চালে পরের ভালো চালে সমান খুশি হওয়া, মনে রাখা যে, সকলে মিললে তবেই হয় খেলা, নিজে বাহাদুরি নেবার মোহে না পড়া,— যে ভাবকে ইংরেজিতে বলে স্পোর্টস্‌ম্যান্‌লাইক (sportsmanlike)। {{ফাঁক}}ভবলীলারও সে রকম দুইদিক আছে। একপক্ষে খেলুড়েকে প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলতে হয়; তবে জীবের মধ্যে মানুষ সৃষ্টি করার ক্ষমতা পেয়েছে বলে সে নিয়মকে কতক এড়িয়ে কতক বদলে চলতে পারে। আর খেলুড়েকে ভাবও ঠিক রাখতে হয়, সাথীদের সঙ্গেও বটে,<noinclude>{{কেন্দ্র|১৯০}}</noinclude> g0iglto7bgtep1t2ziehor5i0etsoi4 পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/২৩৭ 104 84544 1992071 1618048 2026-07-31T04:19:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992071 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|left|এয়োদশ অধ্যায়—চাট্‌নি।|২১৭}} {{rule}}</noinclude>(সির্কা) ঢালিয়া দাও। উত্তমরূপে ফেটাও। সমস্তটা বেশ মিশিয়া গেলে সিদ্ধ আলুর উপর ঢালিয়া দাও। আলগোছে ঝাঁকাইয়া আলুর সহিত মাখিয়া লও। আলগোছে ঝাঁকাইয়া না মাখিলে সিদ্ধ আলু ভাঙ্গিয়া যাইবে। {{gap}}সুইট অয়েল ও সির্কার পরিবর্ত্তে সরিষার তেল ও লেবুর রসের _রাও কাজ চলিতে পারে। {{gap}}সিদ্ধ ফুলকোবি, সিদ্ধ বিট, কাঁচা শশা, সিদ্ধ মটর শুঁটি প্রভৃতিরও এই প্রকারে চাট্‌নি প্রস্তুত হইতে পারে। {{C|{{larger|১৮২। লেটুস সালাদ (বৈদেশিক)}}}} {{gap}}‘লেটুস’ কোবির পাতা (টাট্‌কা ও কোমল দেখিয়া পাতা বাছিয়া লইবে) টুকরা টুকরা করিয়া কাট বা ছেঁড়। নুণ, একটু চিনি, রাইসরিষার গুঁড়া, গোলমরিচের গুঁড়া একত্রে মিশাও। কিছু সুইট বা সালাদ অয়েল (তেল) ঢালিয়া দিয়া সমস্ত বেশ করিয়া মাড়িয়া মিশাও। এক্ষণে একটু সির্কা (ভিনিগার) ঢালিয়া দাও। উত্তমরূপে ফোটাও। সমস্তটা বেশ মিশিয়া গেলে লেটুস পাতার উপর ঢালিয়া দাও। আলগোছে মাখিয়া লও। এতৎসহ টোমেটো চাকা, সিদ্ধ বিট চাক’, শক্ত সিদ্ধ পক্ষীডিম্ব চাকা, সিদ্ধ চিঙ্গড়ী মাছ, সিদ্ধ ইলিশ বা ভেটকী মাছ প্রভৃতি মিশাইতে পার। {{gap}}আবার শুধু চিঙ্গড়ী, ভেটকী রা ইলিশ প্রভৃতি মাছ জলে বা তাপে সিদ্ধ করিয়া লইয়াও উপরুক্ত বিধানে সালাদ প্রস্তুত করিতে পার। অথবা আমাদের দেশীয় বিধানে গোলমরিচের গুঁড়ার পরিবর্ত্তে কাঁচালঙ্কা বাটা, এবং সির্কার পরিবর্তে লেবুর রস বা তেঁতুল গোলা দিয়াও এই চাট্‌নি প্রস্তুত করিতে পার। {{C|{{larger|১৮৩। দহির চাট্‌নি}}}} {{gap}}দহির মধ্যে একটু জল মিশাইয়া অপেক্ষাকৃত পাৎলা করিয়া গুলিয়া লও।<noinclude></noinclude> o4oxfn3dtkk039065kokzssgwgnihrd পাতা:আনন্দমঠ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৩ 104 88952 1991887 1985060 2026-07-31T04:09:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991887 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{center|{{xx-larger|ভূমিকা}}}} {{center|{{smaller|(সম্পাদকীয়)}}}} {{gap}}‘আনন্দমঠে’র ঐতিহাসিকত্ব সম্বন্ধে স্যার যদুনাথ সরকার লিখিত একটি ভূমিকা এই গ্রন্থমধ্যে সন্নিবিষ্ট হইয়াছে। ইতিহাসের দিক্ দিয়া ‘আনন্দমঠ’—সম্পর্কে যাবতীয় জ্ঞাতব্য তথ্য ঐ ভূমিকায় দেওয়া হইয়াছে। ‘দেবী চৌধুরাণী’র’ “বিজ্ঞাপনে” (১৮৮৪ খ্রীঃ) স্বয়ং বঙ্কিমচন্দ্র ‘আনন্দমঠে’র ঐতিহাসিকত্ব সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন তাহাও স্মরণীয়। {{blockquote|{{gap}}{{smaller|“আনন্দমঠ” প্রকাশিত হইলে পর, অনেকে জানিতে ইচ্ছা প্রকাশ করিয়াছিলেন, ঐ গ্রন্থের কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে কি না। সন্ন্যাসী-বিদ্রোহ ঐতিহাসিক বটে, কিন্তু পাঠককে সে কথা জানাইবার বিশেষ প্রয়োজনের অভাব। এই বিবেচনায় আমি সে পরিচয় কিছুই দিই নাই। ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনা আমার উদ্দেশ্য ছিল না, সুতরাং ঐতিহাসিকতার ভাণ করি নাই। এক্ষণে দেখিয়া শুনিয়া ইচ্ছা হইয়াছে, আনন্দমঠের ভবিষ্যৎ সংস্করণে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের কিঞ্চিৎ ঐতিহাসিক পরিচয় দিব।—পাঠক মহাশয়, অনুগ্রহ-পূর্ব্বক আনন্দমঠকে—"ঐতিহাসিক উপন্যাস” বিবেচনা না করিলে বড় বাধিত হইব।}}}} {{gap}}‘আনন্দমঠে’র তৃতীয় সংস্করণের (১৮৮৬ খ্রীঃ) দুইটি ''Appendix''-এ ''Gleig's Memoirs of the Life of Warren Hastings এবং Hunters Annals of Rural Bengal'' হইতে বঙ্কিমচন্দ্র সন্ন্যাসী-বিদ্রোহের কিঞ্চিৎ “ঐতিহাসিক পরিচয়” দিয়াছেন। {{gap}}ইতিহাস ছাড়াও অন্য নানা কারণে ‘আনন্দমঠে’র প্রসিদ্ধি। এই উপন্যাস এবং ইহার অন্তর্গত ‘বন্দে মাতরম্’ সঙ্গীত সম্বন্ধে স্বদেশে ও বিদেশে যত আলোচনা হইয়াছে, বঙ্কিমচন্দ্রের অন্য কোনও রচনা লইয়া তত আলোচনা হয় নাই। পরবর্ত্তী কালে বঙ্গদেশে এবং পরে সমগ্র ভারতবর্ষে যে স্বদেশী-আন্দোলনের বন্যা দেশের আপামরসাধারণকে চঞ্চল এবং শাসক-সম্প্রদায়কে ব্যতিব্যস্ত করিয়াছিল, সরকারী এবং বেসরকারী সকল সমালোচক, সন্তান-বিদ্রোহের সহিত তাহার যোগসূত্র খুঁজিয়া বাহির করিয়াছেন; এই কারণে ‘আনন্দমঠ’ ও ‘বন্দে মাতরমে’র কম দুর্গতি হয় নাই। ক্ষুব্ধ মুসলমানসম্প্রদায় এই পুস্তকে ইসলাম-বিবোধিতা এবং উক্ত সঙ্গীতে পৌত্তলিকতা প্রত্যক্ষ করিয়া বিরুদ্ধ আন্দোলন করিয়াছেন; এই আন্দোলনের শেষ এখনও হয় নাই। {{gap}}সাহিত্য ও সমাজের দিক দিয়াও বঙ্কিমচন্দ্র তাঁহার পূর্ববর্ত্তী উপন্যাসের ধারা ত্যাগ করিয়া ‘আনন্দমঠে’ সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ ধরিয়াছেন; এখানে তাঁহার সৃষ্টি উদ্দেশ্যমূলক হইয়া।<noinclude></noinclude> p5ywcvp2arm63g139iz0vqqdt06ymjy পাতা:আনন্দমঠ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৪ 104 88957 1991888 1985061 2026-07-31T04:09:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991888 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" />{{C|৵•}}</noinclude>উঠিয়াছে। তাঁহার পরবর্ত্তী দুইটি উপন্যাসে-'দেবী চৌধুরাণী’ ও ‘সীতারাম’-এই শেষোক্ত ধারারই পরিণতি; বস্তুত, তাঁহার এই শেষ উপন্যাস তিনটি উদ্দেশ্য ও প্রচারদোষ-দুষ্ট বলিয়া বহু সাহিত্যিকের নিন্দভাজন হইয়াছে; আবার অনেকে এই “উপন্যাস-ত্রয়ী"কে তাঁহার পরিণত বয়সের মহোত্তম কীর্ত্তি বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন। প্রথমোক্ত দলে রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র এবং শেষোক্ত দলে {{wdl|Q192207|শ্রীঅরবিন্দ}}, {{wdl|Q43550708|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}} ও {{wdl|Q6894224|মোহিতলাল মজুমদার}}। {{gap}}১২৮৭ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস হইতে সঞ্জীবচন্দ্র-সম্পাদিত ‘বঙ্গদর্শনে’ ‘আনন্দমঠ’ ধারাবাহিক ভাবে বাহির হইতে থাকে; ১২৮৯ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে উহা সমাপ্ত হয়। ১২৮৯ সালেই (ইংরেজী ১৮৮২ খ্রীঃ) পুস্তকাকারে ‘আনন্দমঠে’র প্রথম সংস্করণ “কলিকাতা জন্‌সন্‌ প্রেসে শ্রীরাধানাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্ত্তৃক” মুদ্রিত হইয়াছিল। এই পুস্তক স্বর্গীয় দীনবন্ধু মিত্রকে উৎসর্গীকৃত হয়। প্রথম সংস্করণ-উপক্রমণিকা ১, প্রথম খণ্ড ২৫ ও দ্বিতীয় খণ্ড ২০,—মোট ৪৬ পরিচ্ছেদে ১৯১ পৃষ্ঠায় সম্পূর্ণ হইয়াছিল। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালের শেষ সংস্করণে (৫ম সং.) ইহা উপক্রমণিকা ১, প্রথম খণ্ড ১৮, দ্বিতীয় খণ্ড ৮, তৃতীয় খণ্ড ১২ ও চতুর্থ খণ্ড ৮- মোট ৪৭ পরিচ্ছেদে ২১১ পৃষ্ঠায় সম্পূর্ণ হয়। এখনকার দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পরিচ্ছেদটি চতুর্থ সংস্করণের পর ও পরিশিষ্ট দুইটি দ্বিতীয় সংস্করণের পর নূতন সংযোজন। ‘বঙ্গদর্শনে’ প্রকাশিত “উপকুমণিকা”র সহিত গ্রন্থাকারে প্রকাশিত “উপক্রমণিকা”র বিশেষ পার্থক্য আছে— {{block center|{{smaller block|<poem> প্রতিশব্দ হইল, “এ পণে-হইবে না।” “আর কি আছে? আর কি দিব।” তধন উত্তর হইল, “তোমার প্রিয়জনের প্রাণসৰ্বস্ব।” {{right|—‘বঙ্গদর্শন’, চৈত্র ১২৮৭, পৃ. ৫৩৯।}}</poem>}}}} পুস্তকে “এ পণে হইবে না” স্থলে “জীবন তুচ্ছ; সকলেই ত্যাগ করিতে পারে” এবং “তোমার প্রিয়জনের প্রাণসর্বস্ব” স্থলে “ভক্তি” লিখিত হইয়াছে। এই সামান্য পরিবর্ত্তনেই পুস্তকের মূল আদর্শের সম্পূর্ণ পরিবর্ত্তন ঘটিয়াছে। {{gap}}১২৮১ সালের কার্ত্তিক সংখ্যা ‘বঙ্গদর্শনে’ “কমলাকান্তের দপ্তর। একাদশ সংখ্যা। আমার দুর্গোৎসব” প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্র সেই প্রথম জন্মভূমির মাতৃরূপ দর্শন করিলেন। আনন্দমঠে’র মূল আদর্শ এই পরিকল্পনারই পরিণতি। এই পরিণতি বুঝিতে হইলে আমাদিগকে গোড়ার কথাগুলিও স্মরণ করিতে হইবে— {{blockquote/s}}{{smaller block/s}}{{gap}}দেখিলাম—অকস্মাৎ কালের স্রোত, দিগন্ত ব্যাপিয়া প্রবলবেগে ছুটিতেছে-আমি ভেলায় চড়িয়া ভাসিয়া যাইতেছি। দেখিলাম-অনন্ত, অকূল, অন্ধকারে, বাত্যাবিক্ষুব্ধ তরঙ্গসঙ্কুল<noinclude>{{smaller block/e}}{{blockquote/e}}</noinclude> kwok0bel1e6r1959ronrea4rr0hmo5b পাতা:রাজসিংহ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৮২ 104 89076 1992154 1891474 2026-07-31T04:26:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992154 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৭৮|রাজসিংহ।|}}</noinclude>{{ফাঁক}}রাজসিংহের দীপ্ত চক্ষু হইতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নির্গত হইল। তিনি বলিলেন, “যত দিন হইতে মোগল বাদশাহ অবলাদিগের উপর অত্যাচার আরম্ভ করিরাছেন, ততদিন হইতে রাজপুতকন্যাদিগের বাহুতে বল হইয়াছে।” তখন রাজসিংহ সিংহের ন্যায় গ্রীবাভঙ্গের সহিত, স্বজনবর্গের দিকে ফিরিয়া বলিলেন, “রাজপুতেরা বাগ্‌যুদ্ধে অপটু। বৃথা কালহরণে প্রয়োজন নাই—পীপিলিকার মত এই মোগলদিগকে মারিয়া ফেল।” {{ফাঁক}}এতক্ষণ বর্ষণোন্মুখ মেঘের ন্যায় উভয় সৈন্য স্তম্ভিত হইয়া ছিল—প্রভুর আজ্ঞা ব্যতীত কেহই যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইতে পারিতেছিল না। এক্ষণে রাণার আজ্ঞা পাইয়া “মাতা জী কি জয়!” শব্দে রাজপুতেরা জলপ্রবাহবৎ মোগলসেনার উপরে পড়িল। এদিকে মবারকের আজ্ঞা পাইয়া, মোগলেরা “আল্লা—হো—আকবর!” শব্দ করিয়া তাহাদের প্রতিরোধ করিতে উদ্যত হইল। কিন্তু {{SIC|সহসাভয়সেউনাই|সহসা উভয় সেনাই}} নিষ্পন্দ হইয়া দাঁড়াইল! সেই রণক্ষেত্রে উভয়সেনার মধ্যে অসি উত্তোলন করিয়া—স্থিরমূর্ত্তি চঞ্চলকুমারী দাঁড়াইয়া—সরিতেছে না। {{ফাঁক}}চঞ্চলকুমারী উচ্চৈঃস্বরে বলিতে লাগিলেন, {{ফাঁক}}“যতক্ষণ না একপক্ষ নিবৃত্ত হয়—ততক্ষণ আমি এখান হইতে নড়িব না। অগ্রে আমাকে না মারিয়া কেহ অস্ত্র চালনা করিতে পারিবে না।” {{ফাঁক}}রাজসিংহ রুষ্ট হইয়া বলিলেন, {{ফাঁক}}“তোমার এ অকর্ত্তব্য। স্বহস্তে তুমি রাজপুতকুলে এই কলঙ্ক লেপিতেছ কেন? লোকে বলিবে, আজ স্ত্রীলোকের সাহায্যে রাজসিংহ প্রাণরক্ষা করিল।” {{nop}}<noinclude></noinclude> fhf0e17bmn17r1ghtojmg86ksxyhafw পাতা:দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/২০০ 104 89804 1992047 1636374 2026-07-31T04:16:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992047 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rh||'''মুক্তকণ্ঠ'''|১৯৫}}</noinclude>{{gap}} কোন উত্তর না করিয়া ধীরে ধীরে গোলাবফুলটি নিঃশেষে ছিন্ন করিলেন। পুষ্প শতখগু হইলে কছিলেন, “যুবরাজ! আজ যে তোমার নিকট এ ভাবে বিদায় লইব, তাহা মনে ছিল না। আমি অনেক সহ্য করিতে পারি, কিন্তু কারাগারে তোমাকে একাকী যে এ মনঃপীড়ার ধন্ত্রণ ভোগ করিতে রাখিয়া যাইব, তাহা পারিতেছি না। জগৎসিংহ! তুমি আমার সঙ্গে বাহিরে আইস; অশ্বশীলায় অশ্ব আছে, দিব; অন্য রাত্রেই নিজ শিবিরে যাইও।” {{gap}}তদ্দণ্ডে যদি ইষ্টদেবী ভবানী সশরীরে আসিয়। বরপ্রদা হইতেন, তথাপি রাজপুত্র অধিক চমৎকৃত হইতে পারিতেন না। রাজপুত্র প্রথম উত্তর করিতে পারলেন না আয়েষা পুনর্ব্বার করিলেন, “রাজকুমার! এস।” {{gap}}জগৎসিংহ অনেকক্ষণ পরে কছিলেন, “আয়েষা তুমি আমাকে কারাগার হইতে মুক্ত করিয়া দিবে?” {{gap}}কহিলেন, “এই দণ্ডে।” {{gap}}রা। তোমার পিতার অজ্ঞাতে? {{gap}}আ। সে জন্য চিন্ত করিও না, তুমিশিবিরে গেলে—আমি। তাহাকে জানাইব। {{gap}}“প্রহরীর যাইতে দেবে কেন?” {{gap}}আয়েষা কণ্ঠ হইতে, রত্নকণ্ঠী ছিঁড়িয়া দেখাইয়া কহিলেন, “এই পুরস্কার লোভে প্রহরী পথ ছাড়িয়া দিবে।” {{gap}}রাজপুত্র পুনর্ব্বার কহিলেন, “এ কথা প্রকাশ হইলে তুমি তোমার পিতার নিকট যন্ত্রণা পাইবে।” {{gap}}“তাহাতে ক্ষতি কি?”<noinclude></noinclude> mtq2kp4p7cjzobqtc8u9cyhybbeg91h পাতা:কাহাকে?.djvu/৬৫ 104 122138 1992243 1496492 2026-07-31T04:51:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992243 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||নবম পরিচ্ছেদ।|৬১}}</noinclude>{{gap}}“ভালবাসার অভাব আমি ত এতে কিছুই দেখছিনে। হাজার ভালবাসলেও যদি জানা যায় সে আমাকে চায় না—তাহলে যার একটু আত্মসম্মান জ্ঞান আছে—সে কি আর প্রেমের দোহাই দিয়ে কথা কইতে পারে?” {{gap}}“কিন্তু তিনি যখন বল্লেন—এ বিয়ে না হলে আপনার কিরূপ ক্ষতি তাই বিবেচনা ক’রেই বিয়ে করা না করা স্থির করুন,—আমি ভালবাসি—বা না বিয়ে হলে আমার কষ্ট হবে—এরূপ ভাববেন না;—তখন কি আমি বলব নাকি—হ্যাঁ আপনি ভাল বাসুন বা না বাসুন তাতে কিছু আসে যায় না, আমার মঙ্গলের জন্যই আমি বিয়ে করতে প্রস্তুত। তাঁরই আত্মসম্মান জ্ঞান আছে—আর আমার কিছুমাত্র নেই!” {{gap}}“তুইই তার প্রতি অন্যায় করেছিস, তার মনে আঘাত দিয়েছিস; সে জন্য তুই যদি নিজের ভুল, নিজের দোষ স্বীকার ক’রে তার কষ্ট দূর করতে যেতিস—তাহলে তাতে কি ক’রে যে তোর আত্মসম্মানের হানি হোত তাত আমি বুঝতে পারিনে। তবে সত্যি যদি এড়াবার অভিপ্রায়েই সে তোকে অমন ক’রে বলে থাকে, তাহলেও তাকে সে কথা স্পষ্ট করে বলবার অবসর দেওয়া উচিত ছিল। এখন দাঁড়াচ্ছে এই,—তোর ইচ্ছা নেই ব’লেই বিয়েটা ভাঙ্গতে সে বাধ্য হোল; দোযটা সমস্ত এক তরফেরই।” {{gap}}আমার দিকটি দিদির কিছুতে চোখে পড়িল না। তিনি কেবল দেখিতে লাগিলেন,—আমিই তাঁহাকে অন্যায়রূপে উপেক্ষা করিয়া, অকারণে আমার নিজেরই সুখসৌভাগ্য বিসর্জ্জন দিতে বসিয়াছি! সুপাত্রে ন্যস্ত হওয়াই কন্যাজীবনের চরম সৌভাগ্য,— {{nop}}<noinclude></noinclude> sxt406lcplimrnkfdwhaekt448n72ae পাতা:কাহাকে?.djvu/১১৩ 104 122261 1992244 1495853 2026-07-31T04:52:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992244 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" />{{rh||উনবিংশ পরিচ্ছেদ। |১০৯}}</noinclude>{{gap}}তিনি বিস্মিত ভাবে বলিলেন—“আমি এখানে আসব তা আপনি জানতেন না? মিষ্টার মজুমদারকে ত (আমার বাবা) আগেই লিখেছি!” {{gap}}হাসি পাইল, বাবা যেন সব কথা আমাকে বলিতে যাইবেন! বুলিলাম “কই না, আমি তা শুনিনি। কোনও কেসে এসেছেন বুঝি?” {{gap}}তিনি একটু ইতস্ততঃ করিয়া বলিলেন—“না আপনাদের সঙ্গে দেখা করা ছাড়া আসার অন্য কোন উদ্দেশ্য নেই।” {{gap}}আশ্চর্য্য হইলাম। আমাদের সহিত দেখা করিতে এতদূর আসিয়াছেন। বিস্ময়ের আবেগে সহসা বলিয়া ফেলিলাম,— “আশ্চর্য্য বই কি? কলকাতা থাকতে কবার দেখা করতে এসেছেন—তা এতদূরে—” {{gap}}তিনি একটু হাসিলেন; হাসিয়া চশমার মধ্য হইতে আমার দিকে পূর্ণদৃষ্টি করিয়া বলিলেন—“আমার বিশ্বাস ছিল—অনেক কথা খুলে না বলাতেই আরো সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। কিন্তু জীবনের অনেক ভুলের মত দেখছি এঃ আমার আর একটা ভুল! আমি যে কেন আসতুম না তাকি বোঝেননি আপনি?” {{gap}}“কি করে বুঝব?” {{gap}}তিনি আইপ্লাসটা একবার খুলিয়া আবার ভাল করিয়া চোখে আঁটিয়া উন্নত মধুর দৃষ্টিতে আমার দিকে চাহিয়া বলিলেন—"বেশী আসতে ইচ্ছা করত বলেই আসিনি।” {{gap}}“তাহলে কি মনে করব এখন ইচ্ছা নেই বলেই”— {{gap}}“তাহলে আর একটা ভুল করবেন” তাহার পর একটু খামিয় আবার বলিলেন “একটু যে অবস্থান্তর ঘটেছে তা অস্বীকার<noinclude>{{C|১০}}</noinclude> n6u9uovqrnwvtdlz7n44qd9tbu31o2l পাতা:পৃথিবী.djvu/৫৪ 104 125456 1991209 1987075 2026-07-30T16:23:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991209 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{xxxx-larger|পৃথিবী।}} {{dhr}} {{rule|4em}} {{dhr}} {{xx-larger|সৌরপরিবারবর্ত্তী পৃথিবী।}}}} {{dhr}} {{rule|10em}} {{dhr}} {{center|{{larger|“তারকা-কনক-কুচি, জ্বলদ-অক্ষর-রুচি গীত লেখা নীলাম্বর-পাতে।”}}}} {{gap}}নিঃস্তব্ধ নিশীথে অসংখ্য তারকা-মালা-খচিত অনন্ত নীল নভোমণ্ডল দেখিলে সকলেই রোমাঞ্চিত হয়—সকলের হৃদয়ই অনন্তের ভাবে পরিপূর্ণ হয়। এমন অসাড়চেতা কেহই নাই যে তাহার মনশ্চক্ষু তারকাপূর্ণ আকাশে পরম মঙ্গলময় পরমেশ্বরের হস্তাক্ষর-লিখিত অনন্ত জীবনের অনন্ত কাব্য না পড়ে। {{gap}}একটি মেঘশূন্য অন্ধকার রাত্রি জ্যোতিষ্কপূর্ণ আকাশ নিরীক্ষণ করিয়া অতিবাহিত করিলে আমরা দেখিতে পাই যে কতক গুলি জ্যোতিষ্ক সমান-দলবদ্ধ ভাবে পূর্ব্ব দিকে<noinclude>{{rh||১||}}</noinclude> ckley7762umv5rracgcd5weuqiohdbg পাতা:উড়িয়া স্বতন্ত্র ভাষা নহে.djvu/২৩ 104 133759 1991187 1979849 2026-07-30T16:13:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991187 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{c|(১২)}}</noinclude>লার নিকৃষ্টাংশে মেনে বা মান শব্দ বহুত্বার্থে ব্যবহৃত হয়; বিদ্যাসুন্দরাদি গ্রন্থেও বিশুদ্ধ বাঙ্গালার চলিত কথাতেও এখন প্রকৃতার্থে না হউক কিঞ্চিৎ ভিন্নার্থে তাহার প্রয়োগ দৃষ্ট হয়, তখন উহা যে বাঙ্গালা শব্দ তাহাতে সন্দেহ নাই; এবং এককালে উহার সর্বত্র ব্যবহার ছিল এরূপ অনুমিত হয়। {{ফাঁক}}সংস্কৃত মান শব্দ পরিমাণবাচী; সুতরাং গণ, দ্বিগ, সকল ইত্যাদি শব্দের ন্যায় উহাও পূর্ব্বে বাঙ্গালাতেও বহুত্ব অর্থে ব্যবহৃত হইত। কারণ যেরূপ আমাদিগ শব্দ, ‘আমি আদি গমন করি যাহাদের’ এই অর্থে বহুত্ব-বাচী হইয়াছে, সেইরূপ মনি শব্দ, এমানে, সে মানে, ওমানে ইত্যাদি স্থলে, এ, সে, ইত্যাদি হইয়াছে মান যাদের এই অর্থে বহুত্ব বোধ করাইয়া দেয়। এক্ষণ বাঙ্গালার নিকৃষ্ট অংশে দিগ শব্দ ব্যবহৃত হয় না। গণ, সকল, ও মান ইত্যাদি শব্দই বহুত্ব ৰৌধ জন্য প্রযুক্ত হইয়া থাকে। আর উৎকষ্টাংশে অসুন্দর বোধে বা অন্য কারণে মান শব্দ সমূহার্থে ব্যবহার হয় না। গণ, সকল, দিগ ইত্যাদি শব্দ দ্বারাই বহুবচন বোধ হইয়া থাকে এই মাত্র বিশেষ। “ঙ্ক” এই যুক্ত অক্ষরটা দক্ষিণে সম্মানার্থে ব্যবহার হয়। “ঠাৰু”—ইহার অর্থ হইতে ঠা শব্দটা বিশুদ্ধ বাঙ্গালায় স্থান বাচী। যথা আমার {{SIC|ঠাই|ঠাঁই}} অর্থাৎ আমার স্থান, {{SIC|ঠাই|ঠাঁই}} হইয়াছে—স্থান হইয়াছে, {{SIC|ঠায়|ঠাঁয়}} মারা গেল—সেই স্থানেই মারা গেল—ইত্যাদি; এবং ইহাতে কখন কখন ই সংযোগ হইলে<noinclude></noinclude> 8i44dxodvse8vn8eqyouvir79xkcjrb পাতা:টুনটুনির বই.djvu/১৫ 104 170265 1992383 1958191 2026-07-31T06:54:18Z DoraShin15 16748 1992383 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{gap}}টুনটুনি বললে, ‘তবে ভাত খাই, যদি হাতিকে কামড়াও!’ {{gap}}মশা বললে, ‘সে আবার একটা কথা! এখুনি যাচ্ছি! দেখব হাতি বেটার কত শক্ত চামড়া!’ বলে, সে সকল দেশের সকল মশাকে ডেকে বলল, ‘তোরা আয় তো রে ভাই, দেখি হাতি বেটার কত শক্ত চামড়া।’ অমনি পীন্‌-পীন্‌-পীন্‌-পীন্‌ করে যত রাজ্যের মশা, বাপ বেটা ভাই বন্ধু মিলে হাতিকে কামড়াতে চলল। মশায় আকাশ ছেয়ে গেল, সূর্য ঢেকে গেল। তাদের পাখার হাওয়ায় ঝড় বইতে লাগল। পীন্‌-পীন্‌-পীন্‌-পীন্‌ ভয়ানক শব্দ শুনে সকলের প্রাণ কেঁপে উঠল। তখন— {{Block center|<poem> হাতি বলে, সাগর শুষি! সাগর বলে, আগুন নেবাই! আগুন বলে, লাঠি পোড়াই! লাঠি বলে, বিড়াল ঠেঙাই! বিড়াল বলে, ইঁদুর মারি! ইঁদুর বলে, রাজার ভুঁড়ি কাটি! রাজা বলে, নাপতে বেটার মাথা কাটি!</poem>}} {{gap}}নাপিত হাত জোড় করে কাঁপতে-কাঁপতে বললে, ‘রক্ষে কর, টুনিদাদা! এস তোমার ফোড়া কাটি।’ {{gap}}তারপর টুনটুনির ফোড়া সেরে গেল, আর সে ভারী খুশী হয়ে আবার গিয়ে নাচতে আর গাইতে লাগল—টুনটুনা টুন্‌ টুন্‌ টুন্‌! ধেই ধেই!<noinclude>{{center|১১}}</noinclude> 1jxzsvvcahiczt9yq83ql6muh6ma63s পাতা:বাঙ্গালা ভাষার অভিধান (দ্বিতীয় সংস্করণ) প্রথম ভাগ.djvu/৮ 104 189879 1991992 1557777 2026-07-31T04:12:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991992 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Tahmid02016" />{{rh|৪|ভূমিকা}}</noinclude>সংস্কৃত কোষের বঙ্গানুবাদ অথবা প্রকৃতপক্ষে সংস্কৃত-বাঙ্গালা-অভিধানে পরিণত হইল। তখন হইতে বাঙ্গালা ও সংস্কৃত শিক্ষার্থীদিগের বিশেষরূপ “ব্যবহারোপযোগী” করিবার চেষ্টাই পূর্ব্ব পূর্ব্ব সঙ্কলনকর্ত্তাদের প্রধান লক্ষ হইয়াছিল। হলহেড্‌ সাহেবের ব্যাকরণের ন্যায় বাঙ্গালা ও ইংরেজীতে শ্রীরামপুরের পাদরী কেরী সাহেব সঙ্কলিত ১২০৲ টাকা মূল্যের ৮০,০০০ শব্দ-সম্বলিত বিরাটকায় অভিধান ১৮২৫ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত হইয়াছিল। ইহার ৮ বৎসর পরে ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর আমলে স্বনামখ্যাত হাউটন (Haughton) সাহেব বাঙ্গালা-ইংরেজী বৃহৎ অভিধান এবং তৎপর বৎসর রামকমল সেন মহাশয় ইংরেজী বাঙ্গালা অভিধান সঙ্কলন করিয়াছিলেন। পণ্ডিত রামগতি ন্যায়রত্ন মহাশয় তাঁহার “বাঙ্গালা ভাষা ও বাঙ্গালা সাহিত্যবিষয়ক প্রস্তাব” গ্রন্থের ২য় সংস্করণে, ১২৯৪ সালে লিখিয়াছেন (পৃ. ১৫৪), “ফর্‌ষ্টর্ সাহেব *** বাঙ্গালা ভাষার সর্ব্বপ্রথম অভিধান প্রস্তুত করেন। সে অভিধান এখন আর প্রায় দেখিতে পাওয়া যায় না।” যাহা হউক সাহিত্য, ব্যাকরণ ও অভিধানের মধ্য দিয়া সাধুভাষা নামে বাঙ্গালার লিখিত ভাষা কথ্য-ভাষা হইতে যে ভাবে পৃথক্ হইয়া পড়িতেছিল, তাহা ভয়াবহ হইয়াই উঠিত; কিন্তু, মহাত্মা রাজা রামমোহন রায় পদ্যপ্লাবিত বাঙ্গালার স্রোত ফিরাইয়া গদ্যের প্রবর্ত্তন করিয়া উক্ত পার্থক্য দূর করিবার পথ প্রশস্ত করিয়া দেন। পরে বিদ্যাসাগর মহাশয় রসভাবাত্মক উচ্চ সাহিত্য-সুলভ গুণ-লক্ষণ-যুক্ত রীতি-সিদ্ধ বাঙ্গালার সৃষ্টি করিয়া “পণ্ডিতী বাঙ্গালার” উৎকটতার কলঙ্ক মোচন করেন। অতঃপর, যিনি আধুনিক যুগোপযোগী শক্তিশালী গদ্যরচনার পথ প্রদর্শন করেন, তিনি “বঙ্গদর্শন”—প্রবর্ত্তক, কথা-সাহিত্য-জগতের অবিসম্বাদী সম্রাট স্বৰ্গত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁহার সময় হইতে কত সাহিত্যরথী বর্ত্তমান কবি-সম্রাট মহামনস্বী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্য্যন্ত এবং টেকচাঁদ ঠাকুর, কালীপ্রসন্ন সিংহ হইতে বঙ্গের “বীরবল”<ref>“সবুজপত্র” সম্পাদক শ্রীযুক্ত প্রমথনাথ রায় চৌধুরী, বার-এট্-ল।</ref> পর্য্যন্ত উচ্চ সাহিত্যিক ভাষার সহিত “আলালী” ভাষার অপূর্ব্ব মিশ্রণে বাঙ্গালীর প্রাণের ভাষা গড়িয়া তুলিয়াছেন। ভাষাসংস্কারকগণের বিশ্ব-নাগরিকতা-সুলভ প্রচেষ্টার ফলে বাঙ্গালা কথ্য-ভাষা হইতে লেখ্য-ভাষায় সেই ভয়াবহ এবং ক্রমবর্দ্ধমান অনপনেয় পার্থক্য জনসাধারণের মধ্যে শিক্ষাবিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে লোপ পাইয়া যে একরূপতা প্রাপ্ত হইতে চলিয়াছে, সাধারণের রুচি, আধুনিক সংবাদ পত্রাদির ভাষা ও বর্ত্তমান লোক-সাহিত্যের মধ্য দিয়া তাহার আভাষও পাওয়া যাইতেছে। অবশ্য ইহা স্বীকার্য্য যে, উচ্চ-বিশুদ্ধ-সাহিত্য-কলার আদর্শ চিরদিনই গৌরবের উচ্চ-শিখরে স্বীয় স্বাতন্ত্র্যরক্ষা করিয়া চলিবে। যাহা হউক, এক্ষণে, ভাষার উপযোগী সংস্কৃত-বাঙ্গালা ব্যাকরণ ও অভিধানের পরিবর্ত্তে খাঁটি বাঙ্গালা ব্যাকরণ ও অভিধানের অভাব-মোচনের সহিত বাঙ্গালীর মাতৃভাষাকে অনন্ত শক্তিসঞ্চারিণী করিয়া তুলিবার যুগ দেখা দিয়াছে। অনার্য্য অধিবাসীদের দেশে আর্য্যজাতির অভ্যুদয়ের আদিম যুগ হইতে পূর্ব্বাপর রাষ্ট্র, সমাজ, শিক্ষা, ধর্ম্ম ও যাবতীয় বিপ্লব,<noinclude>{{smallrefs}}</noinclude> 6j4jmqoebxp643h6xrd5d4h1a9sbo4y পাতা:বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২ 104 216221 1991995 1486721 2026-07-31T04:12:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991995 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Mohaguru" />{{center|{{x-larger|পাঠ-পরিচয়}}}}</noinclude>"বিচিত্র প্রবন্ধের” পূর্ব্বের শৃঙ্খলা ভাঙিয়া, এবারে রচনাগুলিকে কালানুক্রমিকভাবে সাজানো হইয়াছে। “নানাকথা” ও “পথপ্রান্তে” নামক রচনা দুইটি পঞ্চাশ বৎসর আগেকার “ভারতী” এবং “বালক” পত্রিকায় হইতে সংগৃহীত। ইতিপূর্বে আর কোনো গ্রন্থে ইহারা প্রকাশিত হয় নাই। বিষয় ও ভঙ্গীগত মিল থাকায় আষাঢ়, সোনার কাঠি, ছবির অঙ্গ ও শরৎ—রচনাচারিটি “পরিচয়” গ্রন্থ হইতে সংগ্রহ করিয়া ইহাতে যোগ করা গেল। পক্ষান্তরে, রাজপথ, যুরোপযাত্রী, পঞ্চভূত, জলপথে, ঘাটে, স্থলে ও বন্ধস্মৃতি রচনা-কয়টি এবারে বাদ দেওয়া হইয়াছে। কারণ, উহার কোনোটি পূর্ব্ব হইতেই অন্য গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত ছিল, আর, কোনোটি বা বিষয়ের সামঞ্জস্যহেতু শীঘ্রই গ্রন্থান্তরে সঙ্কলিত হইবে। স্বতন্ত্র পুস্তকাকারে পঞ্চভূতের একটি নূতন সংস্করণ অচিরেই প্রকাশিত হইতেছে। ইতি— {{gap}}গত দশ বৎসরের পত্র-সংগ্রহ হইতে ১৫টি পত্র বাছিয়া গ্রন্থশেষে “চিঠির টুকরি”—নামে প্রকাশ করা হইয়াছে। {{rh|{{gap}}চৈত্র, ১৩৪২||প্রকাশক{{gap}}}}<noinclude></noinclude> o0lco7p2ejd97dticcglllhh54tjakb পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩৩ 104 218138 1992216 1616009 2026-07-31T04:38:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992216 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Purbayan Chowdhury" /></noinclude>কিন্তু, এই কয়দিন হঠাৎ কী হইয়াছে, হারানবাবু তুচ্ছ একটা ছুতা লইয়া দিনে একাধিক বারও আসিয়াছেন এবং ততোধিক তুচ্ছ ছুতা ধরিয়া সুচরিতার সঙ্গে গায়ে পড়িয়া আলাপ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন। পরেশবাবুও এই উপলক্ষে উভয়কে ভালো করিয়া পর্যবেক্ষণ করিবার অবকাশ পাইয়াছেন এবং তাঁহার সন্দেহও ক্রমে ঘনীভূত হইয়া আসিতেছে। {{gap}}আজ হারানবাবু আসিতেই বরদাসুন্দরী তাঁহাকে আড়ালে ডাকিয়া লইয়া কহিলেন, “আচ্ছা, পানুবাবু, আপনি আমাদের সুচরিতাকে বিবাহ করবেন এই কথা সকলেই বলে, কিন্তু আপনার মুখ থেকে তো কোনোদিন কোনো কথা শুনতে পাই নে। যদি সত্যিই আপনার এরকম অভিপ্রায় থাকে তা হলে স্পষ্ট করে বলেন না কেন?” {{gap}}হারানবাবু আর বিলম্ব করিতে পারিলেন না। এখন সুচরিতাকে তিনি কোনোমতে বন্দী করিতে পারিলেই নিশ্চিন্ত হন— তাঁহার প্রতি ভক্তি ও ব্রাহ্মসমাজের হিতকল্পে যোগ্যতার পরীক্ষা পরে করিলেও চলিবে। হারানবাবু বরদাসুন্দরীকে কহিলেন, “এ কথা বলা বাহুল্য বলেই বলি নি। সুচরিতার আঠারো বছর বয়সের জন্যই প্রতীক্ষা করছিলেম।” {{gap}}বরদাসুন্দরী কহিলেন, “আপনার আবার একটু বাড়াবাড়ি আছে। আমরা তো চোদ্দ বছর হলেই যথেষ্ট মনে করি!” {{gap}}সেদিন চা খাইবার সময় পরেশবাবু সুচরিতার ভাব দেখিয়া আশ্চর্য হইয়া গেলেন। সুচরিতা হারানবাবুকে এত যত্ন-অভ্যর্থনা অনেক দিন করে নাই। এমন-কি, হারানবাবু যখন চলিয়া যাইবার উপক্রম করিতেছিলেন তখন তাঁহাকে লাবণ্যের নূতন একটা শিল্পকলার পরিচয় দিবার উপলক্ষে আরো একটু বসিয়া থাকিতে অনুরোধ করিয়াছিল। {{gap}}পরেশবাবুর মন নিশ্চিন্ত হইল। তিনি ভাবিলেন, তিনি ভুল করিয়াছেন। এমন-কি,তিনি মনে মনে একটু হাসিলেন। ভাবিলেন, এই দুইজনের মধ্যে হয়তো নিগূঢ় একটা প্রণয়কলহ ঘটিয়াছিল, আবার সেটা মিটমাট হইয়া গেছে। {{gap}}সে দিন বিদায় হইবার সময় হারান পরেশবাবুর কাছে বিবাহের<noinclude>{{C|১১৩}}</noinclude> okkvc5twl28ne1b1w2diui7nzoqvx4s পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩৬ 104 218141 1992217 1490413 2026-07-31T04:38:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992217 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Purbayan Chowdhury" /></noinclude>এত অল্প বয়স— সেই নন্দ আজ ভোরবেলায় মারা গিয়াছে। সমস্ত শরীর শক্ত করিয়া গোরা স্তব্ধ হইয়া দাঁড়াইয়া রহিল। নন্দ একজন সামান্য ছুতারের ছেলে— তাহার অভাবে ক্ষণকালের জন্য সংসারে যেটুকু ফাঁক পড়িল তাহা অতি অল্প লোকেরই চোখে পড়িবে, কিন্তু আজ গোরার কাছে নন্দর মৃত্যু নিদারুণরূপে অসংগত ও অসম্ভব বলিয়া ঠেকিল। গোরা যে দেখিয়াছে তাহার প্রাণ ছিল— এত লোক তো বাঁচিয়া আছে, কিন্তু তাহার মতো এত প্রচুর প্রাণ কোথায় দেখিতে পাওয়া যায়! {{gap}}কী করিয়া তাহার মৃত্যু হইল খবর লইতে গিয়া শোনা গেল যে, তাহার ধনুষ্টঙ্কার হইয়াছিল। নন্দর বাপ ডাক্তার আনিবার প্রস্তাব করিয়াছিল, কিন্তু নন্দর মা জোর করিয়া বলিল তাহার ছেলেকে ভূতে পাইয়াছে। ভূতের ওঝা কাল সমস্ত রাত তাহার গায়ে ছেঁকা দিয়াছে, তাহাকে মারিয়াছে এবং মন্ত্র পড়িয়াছে। ব্যামোর আরম্ভে গোরাকে খবর দিবার জন্য নন্দ একবার অনুরোধ করিয়াছিল— কিন্তু পাছে গোরা আসিয়া ডাক্তারি মতে চিকিৎসা করিবার জন্য জেদ করে এই ভয়ে নন্দর মা কিছুতেই গোরাকে খবর পাঠাইতে দেয় নাই। {{gap}}সেখান হইতে ফিরিয়া আসিবার সময় বিনয় কহিল, “কী মূঢ়তা, আর তার কী ভয়ানক শাস্তি!” {{gap}}গোরা কহিল, “এই মূঢ়তাকে এক পাশে সরিয়ে রেখে তুমি নিজে এর বাইরে আছ মনে করে সান্ত্বনা লাভ কোরো না বিনয়। এই মূঢ়তা যে কত বড়ো আর এর শাস্তি যে কতখানি তা যদি স্পষ্ট করে দেখতে পেতে, তা হলে ঐ একটা আক্ষেপোক্তি মাত্র প্রকাশ করে ব্যাপারটাকে নিজের কাছ থেকে ঝেড়ে ফেলবার চেষ্টা করতে না।” {{gap}}মনের উত্তেজনার সঙ্গে গোরার পদক্ষেপ ক্রমশই দ্রুত হইতে লাগিল। বিনয় তাহার কথায় কোনো উত্তর না করিয়া তাহার সঙ্গে সমান পা রাখিয়া চলিবার চেষ্টায় প্রবৃত্ত হইল। {{gap}}গোরা বলিতে লাগিল, “সমস্ত জাত মিথ্যার কাছে মাথা বিকিয়ে দিয়ে<noinclude>{{C|১২৬}}</noinclude> c06mqjlwzi0figu193njgnk3icwl638 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৬১ 104 218166 1992218 1491167 2026-07-31T04:38:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992218 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Purbayan Chowdhury" /></noinclude><section begin="১৮"/>নয়, গোরার সঙ্গে তাহার সম্বন্ধটা ললিতার এবং সম্ভবত এ বাড়ির অন্য মেয়েদের কাছে কিরূপ ভাবে প্রতিভাত হইয়াছে সে কথাটাও বার বার তাহার মনের মধ্যে তোলাপাড়া করিতে লাগিল। {{gap}}তাহার পরে যেদিন বিনয়ের সঙ্গে দেখা হইল ললিতা যেন নিরীহ কৌতূহলের সঙ্গে জিজ্ঞাসা করিল, “গৌরমোহনবাবুকে সেদিনকার সার্কাসের গল্প বলেছেন? {{gap}}এ প্রশ্নের খোঁচা বিনয়কে গভীর করিয়া বাজিল— কেননা তাহাকে কর্ণমূল রক্তবর্ণ করিয়া বলিতে হইল, “না, এখনো বলা হয় নি।” {{gap}}লাবণ্য আসিয়া ঘরে ঢুকিয়া কহিল, “বিনয়বাবু আসুন-না।” {{gap}}ললিতা কহিল, “কোথায়? সার্কাসে নাকি?” {{gap}}লাবণ্য কহিল, “বাঃ, আজ আবার সার্কাস কোথায়? আমি ডাকছি আমার রুমালের চার ধারে পেন্‌সিল দিয়ে একটা পাড় এঁকে দিতে— আমি সেলাই করব। বিনয়বাবু কী সুন্দর আঁকতে পারেন!” {{gap}}লাবণ্য বিনয়কে ধরিয়া লইয়া গেল। {{dhr|3em}} <section end="১৮"/> <section begin="১৯"/>{{C|{{larger|১৯}}}} সকালবেলায় গোরা কাজ করিতেছিল। বিনয় খামকা আসিয়া অত্যন্ত খাপছাড়াভাবে কহিল, “সেদিন পরেশবাবুর মেয়েদের নিয়ে আমি সার্কাস দেখতে গিয়েছিলুম।” {{gap}}গোরা লিখিতে লিখিতেই বলিল, “শুনেছি।” {{gap}}বিনয় বিস্মিত হইয়া কহিল, “তুমি কার কাছে শুনলে?” {{gap}}গোরা। অবিনাশের কাছে। সেও সেদিন সার্কাস দেখতে গিয়েছিল। {{gap}}গোরা আর কিছু না বলিয়া লিখিতে লাগিল। গোরা এ খবরটা আগেই শুনিয়াছে, সেও আবার অবিনাশের কাছ হইতে শুনিয়াছে, সুতরাং তাহাতে বর্ণনা ও ব্যাখ্যার কোনো অভাব ঘটে নাই— ইহাতে <section end="১৯"/><noinclude>{{C|১৫১}}</noinclude> rvslot3uwcjq4c6evbtv51h5gugncrm পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৬৬ 104 218171 1992250 1960660 2026-07-31T04:54:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992250 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>ফিরিয়ে দাও। তোমার কাছ থেকে ভিক্ষে করেই নেব না দস্যুবৃত্তি করেই নেব এতবড়ো মহামূল্য কথা এটা নয়।” {{gap}}পাশের ঘরেই মহিম ছিলেন—গোরা বজ্রস্বরে তাঁহাকে ডাকিল, “দাদা!” {{gap}}মহিম শশব্যস্ত হইয়া ঘরে আসিতেই গোরা কহিল, “দাদা, আমি তোমাকে গোড়াতেই বলি নি যে শশিমুখীর সঙ্গে বিনয়ের বিবাহ হতে পারে না—আমার তাতে মত নেই!” {{gap}}মহিম। নিশ্চয় বলেছিলে। তুমি ছাড়া এমন কথা আর কেউ বলতে পারত না। অন্য কোনো ভাই হলে ভাইঝির বিবাহপ্রস্তাবে প্রথম থেকেই উৎসাহ প্রকাশ করত। {{gap}}গোরা। তুমি কেন আমাকে দিয়ে বিনয়ের কাছে অনুরোধ করালে? {{gap}}মহিম। মনে করেছিলুম তাতে কাজ পাওয়া যাবে, আর কোনো কারণ নেই। {{gap}}গোরা মুখ লাল করিয়া বলিল, “আমি এ-সবের মধ্যে নেই। বিবাহের ঘটকালি করা আমার ব্যবসায় নয়, আমার অন্য কাজ আছে।” {{gap}}এই বলিয়া গোরা ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল। হতবুদ্ধি মহিম বিনয়কে এ সম্বন্ধে কোনো প্রশ্ন করিবার পূর্বেই সেও একেবারে রাস্তায় বাহির হইয়া পড়িল। মহিম দেওয়ালের কোণ হইতে হুঁকাটা তুলিয়া লইয়া চুপ করিয়া বসিয়া টান দিতে লাগিলেন। {{gap}}গোরার সঙ্গে বিনয়ের ইতিপূর্বে অনেক দিন অনেক ঝগড়া হইয়া গিয়াছে, কিন্তু এমন আকস্মিক প্রচণ্ড অগ্ন্যুৎপাতের মতো ব্যাপার আর কখনো হয় নাই। বিনয় নিজের কৃত কর্মে প্রথমটা স্তম্ভিত হইয়া গেল। তাহার পরে বাড়ি গিয়া তাহার বুকের মধ্যে শেল বিঁধিতে লাগিল। এই ক্ষণকালের মধ্যেই গোরাকে সে যে কত বড়ো একটা আঘাত দিয়াছে তাহা মনে করিয়া তাহার আহারে বিশ্রামে রুচি রহিল না। বিশেষত এ ঘটনায় গোরাকে দোষী করা যে নিতান্তই অদ্ভুত ও অসংগত হইয়াছে ইহাই<noinclude>{{center|১৫৬}}</noinclude> dn12t49job2lr57h127zyg2c0jaqlwy পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৬৭ 104 218172 1992251 1960661 2026-07-31T04:54:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992251 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>তাহাকে দগ্ধ করিতে লাগিল; সে বার বার বলিল, “অন্যায়, অন্যায়, অন্যায়!” {{gap}}বেলা দুইটার সময় আনন্দময়ী সবে যখন আহার সারিয়া সেলাই লইয়া বসিয়াছেন এমন সময় বিনয় আসিয়া তাঁহার কাছে বসিল। আজ সকালবেলাকার কতকটা খবর তিনি মহিমের কাছ হইতে পাইয়াছিলেন। আহারের সময় গোরার মুখ দেখিয়াও তিনি বুঝিয়াছিলেন, একটা ঝড় হইয়া গেছে। {{gap}}বিনয় আসিয়াই কহিল, “মা, আমি অন্যায় করেছি। শশিমুখীর সঙ্গে বিবাহের কথা নিয়ে আমি আজ সকালে গোরাকে যা বলেছি তার কোনো মানে নেই।” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “তা হোক বিনয়—মনের মধ্যে কোনো একটা ব্যথা চাপতে গেলে ঐরকম করেই বেরিয়ে পড়ে। ও ভালোই হয়েছে। এ ঝগড়ার কথা দুদিন পরে তুমিও ভুলবে, গোরাও ভুলে যাবে।” {{gap}}বিনয়। কিন্তু, মা, শশিমুখীর সঙ্গে আমার বিবাহে কোনো আপত্তি নেই, সেই কথা আমি তোমাকে জানাতে এসেছি। {{gap}}আনন্দময়ী। বাছা, তাড়াতাড়ি ঝগড়া মেটাবার চেষ্টা করতে গিয়ে আবার একটা ঝঞ্ঝাটে পোড়ো না। বিবাহটা চিরকালের জিনিস, ঝগড়া দুদিনের। {{gap}}বিনয় কোনোমতেই শুনিল না। সে এ প্রস্তাব লইয়া এখনই গোরার কাছে যাইতে পারিল না। মহিমকে গিয়া জানাইল— বিবাহের প্রস্তাবে কোনো বিঘ্ন নাই—মাঘ মাসেই কার্য সম্পন্ন হইবে—খুড়ামহাশয়ের যাহাতে কোনো অমত না হয় সে ভার বিনয় নিজেই লইবে। {{gap}}মহিম কহিলেন, “পানপত্রটা হয়ে যাক-না।” {{gap}}বিনয় কহিল, “তা বেশ, সেটা গোরার সঙ্গে পরামর্শ করে করবেন।” {{gap}}মহিম ব্যস্ত হইয়া কহিলেন, “আবার গোরার সঙ্গে পরামর্শ!” {{gap}}বিনয় কহিল, “না, তা না হলে চলবে না।”<noinclude>{{center|১৫৭}}</noinclude> 3o4n0i7ft0woooo2s6kvw2k3jut51fk পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭১ 104 218176 1992009 1487780 2026-07-31T04:13:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992009 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>হইতে হইতে রাত হইয়া গেল। {{gap}}গোরা একলা বাড়ি ফিরিবার পথে ঐ-সকল কথাই মনের মধ্যে নাড়াচাড়া করিতে লাগিল এবং ঘরে আসিয়া বিছানায় শুইয়া যতক্ষণ ঘুম না আসিল পরেশবাবুর মেয়েদের কথা মন হইতে তাড়াইতে পারিল না। গোরার জীবনে এ উপসর্গ কোনোকালেই ছিল না, মেয়েদের কথা সে কোনোদিন চিন্তামাত্রই করে নাই। জগদ্‌ব্যাপারে এটাও যে একটা কথার মধ্যে, এবার বিনয় তাহা প্রমাণ করিয়া দিল। ইহাকে উড়াইয়া দিলে চলিবে না, ইহার সঙ্গে হয় আপস নয় লড়াই করিতে হইবে। {{gap}}পরদিন বিনয় যখন গোরাকে কহিল, “পরেশবাবুর বাড়িতে একবার চলোই-না—অনেকদিন যাও নি— তিনি তোমার কথা প্রায়ই জিজ্ঞাসা করেন”, তখন গোরা বিনা আপত্তিতে রাজি হইল। শুধু রাজি হওয়া নহে, তাহার মনের মধ্যে পূর্বের মতো নিরুৎসুক ভাব ছিল না। প্রথমে সুচরিতা ও পরেশবাবুর কন্যাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে গোরা সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল, তাহার পরে মধ্যে অবজ্ঞাপূর্ণ বিরুদ্ধ ভাব তাহার মনে জন্মিয়াছিল, এখন তাহার মনে একটা কৌতূহলের উদ্রেক হইয়াছে। বিনয়ের চিত্তকে কিসে যে এত করিয়া আকর্ষণ করিতেছে তাহা জানিবার জন্য তাহার মনে একটা বিশেষ আগ্রহ জন্মিয়াছে। {{gap}}উভয়ে যখন পরেশবাবুর বাড়ি গিয়া পৌঁছিল তখন সন্ধ্যা হইয়াছে। দোতলার ঘরে একটা তেলের শেজ জ্বালাইয়া হারান তাহার একটা ইংরেজি লেখা পরেশবাবুকে শুনাইতেছিলেন। এ স্থলে পরেশবাবু বস্তুত উপলক্ষমাত্র ছিলেন— সুচরিতাকে শোনানোই তাঁহার উদ্দেশ্য ছিল। সুচরিতা টেবিলের দূরপ্রান্তে চোখের উপর হইতে আলো আড়াল করিবার জন্য মুখের সামনে একটা তালপাতার পাখা তুলিয়া ধরিয়া চুপ করিয়া বসিয়া ছিল। সে আপন স্বাভাবিক বাধ্যতাবশত প্রবন্ধটি শুনিবার জন্য বিশেষ চেষ্টা করিতেছিল, কিন্তু থাকিয়া থাকিয়া তাহার মন কেবলই অন্য দিকে যাইতেছিল। {{gap}}এমন সময় চাকর আসিয়া যখন গোরা ও বিনয়ের আগমন-সংবাদ<noinclude>{{rh|১১|১৬১|}}</noinclude> p5zzgk4qwg352h9lp960z82cfi7yi8q পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৫ 104 218190 1992252 1960678 2026-07-31T04:54:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992252 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude><section begin="২০"/>কখনো অভিনয় করি নি— আমাকে কেন?” {{gap}}ললিতা কহিল, “আমরাই বুঝি জন্মজন্মান্তর অভিনয় করে আসছি?” {{gap}}এই সময় বরদাসুন্দরী ঘরের মধ্যে আসিয়া বসিলেন। ললিতা কহিল, “মা, তুমি অভিনয়ে বিনয়বাবুকে মিথ্যা ডাকছ। আগে ওঁর বন্ধুকে যদি রাজি করাতে পার তা হলে—" {{gap}}বিনয় কাতর হইয়া কহিল, “বন্ধুর রাজি হওয়া নিয়ে কথাই হচ্ছে না। অভিনয় তো করলেই হয় না— আমার যে ক্ষমতাই নেই।” {{gap}}বরদাসুন্দরী কহিলেন, “সেজন্যে ভাববেন না— আমরা আপনাকে শিখিয়ে ঠিক করে নিতে পারব। ছোটো ছোটো মেয়েরা পারবে, আর আপনি পারবেন না!” {{gap}}বিনয়ের উদ্ধারের আর কোনো উপায় রহিল না। <section end="২০"/> <section begin="২১"/>{{C|{{larger|'''২১'''}}}} গোরা তাহার স্বাভাবিক দ্রুতগতি পরিত্যাগ করিয়া অন্যমনস্কভাবে ধীরে ধীরে বাড়ি চলিল। বাড়ি যাইবার সহজ পথ ছাড়িয়া সে অনেকটা ঘুরিয়া গঙ্গার ধারের রাস্তা ধরিল। তখন কলিকাতার গঙ্গা ও গঙ্গার ধার বণিক্‌-সভ্যতার লাভলোলুপ কুশ্রীতায় জলে স্থলে আক্রান্ত হইয়া তীরে রেলের লাইন ও নীরে ব্রিজের বেড়ি পরে নাই। তখনকার শীতসন্ধ্যায় নগরের নিশ্বাসকালিমা আকাশকে এমন নিবিড় করিয়া আচ্ছন্ন করিত না। নদী তখন বহুদূর হিমালয়ের নির্জন গিরিশৃঙ্গ হইতে কলিকাতার ধূলিলিপ্ত ব্যস্ততার মাঝখানে শান্তির বার্তা বহন করিয়া আনিত। {{gap}}প্রকৃতি কোনোদিন গোরার মনকে আকর্ষণ করিবার অবকাশ পায় নাই। তাহার মন নিজের সচেষ্টতার বেগে নিজে কেবলই তরঙ্গিত হইয়া ছিল; যে জল স্থল আকাশ অব্যবহিতভাবে তাহার চেষ্টার ক্ষেত্র নহে তাহাকে সে লক্ষ্যই করে নাই।<section end="২১"/><noinclude>{{center|১৭৫}}</noinclude> 36u2o3to9wy6rkk2kgeuxwuktlr6vc0 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৮ 104 218203 1992253 1985616 2026-07-31T04:54:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992253 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>সতীশের উদ্বিগ্ন মুখ দেখিয়া ললিতা হাসিয়া তাহার গাল টিপিয়া দিয়া কহিল, “থাক্‌ থাক্‌, তোকে আর অত ভাবতে হবে না। আচ্ছা, এই গোলাপ ফুল দুটো তাঁকে দিস।” {{gap}}এত সহজে সমস্যার মীমাংসা হইল দেখিয়া সে উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। এবং ফুল দুটি লইয়া তখনই সে তাহার বন্ধুঋণ শোধ করিবার জন্য চলিল। {{gap}}রাস্তায় বিনয়ের সঙ্গে তাহার দেখা হইল। “বিনয়বাবু বিনয়বাবু’ করিয়া দূর হইতে তাঁহাকে ডাক দিয়া সতীশ তাঁহার কাছে আসিয়া উপস্থিত হইল এবং জামার মধ্যে ফুল লুকাইয়া কহিল, “আপনার জন্যে কী এনেছি বলুন দেখি।” {{gap}}বিনয়কে হার মানাইয়া গোলাপ ফুল দুইটি বাহির করিল। বিনয় কহিল, “বাঃ, কী চমৎকার! কিন্তু সতীশবাবু এটি তো তোমার নিজের জিনিস নয়। চোরাই মাল নিয়ে শেষকালে পুলিসের হাতে পড়ব না তো?” {{gap}}এই ফুল দুটিকে ঠিক নিজের জিনিস বলা যায় কি না, সে সম্বন্ধে সতীশের হঠাৎ ধোঁকা লাগিল। সে একটু ভাবিয়া কহিল, “না, বাঃ, ললিতাদিদি আমাকে দিলেন যে আপনাকে দিতে!” {{gap}}এই কথাটার এইখানেই নিষ্পত্তি হইল এবং বিকালে তাহাদের বাড়ি যাইবে বলিয়া আশ্বাস দিয়া বিনয় সতীশকে বিদায় দিল। {{gap}}কাল রাত্রে ললিতার কথার খোঁচা খাইয়া বিনয় তাহার বেদনা ভুলিতে পারিতেছিল না। বিনয়ের সঙ্গে কাহারো প্রায় বিরোধ হয় না। সেইজন্য এইপ্রকার তীব্র আঘাত সে কাহারো কাছে প্রত্যাশাই করে না। ইতিপূর্বে ললিতাকে বিনয় সুচরিতার পশ্চাদ্‌বর্তিনী করিয়াই দেখিয়াছিল। কিন্তু অঙ্কুশাহত হাতি যেমন তাহার মাহুতকে ভুলিবার সময় পায় না, কিছুদিন হইতে ললিতা সম্বন্ধে বিনয়ের সেই দশা হইয়াছিল। কী করিয়া ললিতাকে একটুখানি প্রসন্ন করিবে এবং শান্তি পাইবে বিনয়ের এই চিন্তাই প্রধান হইয়া উঠিয়াছিল। সন্ধ্যার সময় বাসায় আসিয়া ললিতার তীব্রহাস্যদিগ্ধ জ্বালাময় কথাগুলি একটার পর একটা কেবলই তাহার মনে বাজিয়া উঠিত<noinclude>{{center|১৮৮}}</noinclude> 9vgqw6v1uzczcs3k7mzftzv56d5123m পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০০ 104 218205 1992254 1960692 2026-07-31T04:54:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992254 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>বলছেন?” {{gap}}বিনয় কিছু অপ্রতিভ হইয়া কহিল, “তবে তো ভুল বুঝেছি। সতীশবাবু, কার ফুল কাকে দিলে?” {{gap}}সতীশ উচ্চৈঃস্বরে বলিয়া উঠিল, “বাঃ, ললিতাদিদি যে দিতে বললে!” {{gap}}বিনয়। কাকে দিতে বললেন? {{gap}}সতীশ। আপনাকে। {{gap}}ললিতা রক্তবর্ণ হইয়া উঠিয়া সতীশের পিঠে এক চাপড় মারিয়া কহিল, “তোর মতো বোকা তো আমি দেখি নি। বিনয়বাবুর ছবির বদলে তুই তাঁকে ফুল দিতে চাইলি নে?” {{gap}}সতীশ হতবুদ্ধি হইয়া কহিল, “হাঁ, তাই তো, কিন্তু তুমিই আমাকে দিতে বললে না?” {{gap}}সতীশের সঙ্গে তকরার করিতে গিয়া ললিতা আরো বেশি করিয়া জালে জড়াইয়া পড়িল। বিনয় স্পষ্ট বুঝিল ফুল দুটি ললিতাই দিয়াছে, কিন্তু বেনামিতেই কাজ করা তাহার অভিপ্রায় ছিল। বিনয় কহিল, “আপনার ফুলের দাবি আমি ছেড়েই দিচ্ছি, কিন্তু তাই বলে আমার এই ফুলের মধ্যে ভুল কিছুই নেই। আমাদের বিবাদনিষ্পত্তির শুভ উপলক্ষে এই ফুল কয়টি—" {{gap}}ললিতা মাথা নাড়িয়া কহিল, “আমাদের বিবাদই বা কী, আর তার নিষ্পত্তিই বা কিসের?” {{gap}}বিনয় কহিল, “একেবারে আগাগোড়া সমস্তই মায়া? বিবাদও ভুল, ফুলও তাই, নিষ্পত্তিও মিথ্যা? শুধু শুক্তিতে রজতভ্রম নয়, শুক্তিটা-সুদ্ধই ভ্রম? ঐ-যে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের বাড়িতে অভিনয়ের একটা কথা হচ্ছিল সেটা—" {{gap}}ললিতা কহিল, “সেটা ভ্রম নয়। কিন্তু তা নিয়ে ঝগড়া কিসের? আপনি কেন মনে করছেন আপনাকে এইটেতে রাজি করবার জন্যে আমি মস্ত একটা লড়াই বাধিয়ে দিয়েছি, আপনি সম্মত হওয়াতেই আমি কৃতার্থ<noinclude>{{center|১৯০}}</noinclude> nbc8hw5tmh0ig87mz5b2kghiedgxxut পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২২০ 104 218225 1992010 1960710 2026-07-31T04:13:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992010 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>এই সংখ্যায় “সেকেলে বায়ুগ্রস্ত’—নামক একটি প্রবন্ধ আছে, তাহাতে বর্তমান কালের মধ্যে বাস করিয়াও যাহারা সেকালের দিকে মুখ ফিরাইয়া আছে তাহাদিগকে আক্রমণ করা হইয়াছে। যুক্তিগুলি যে অসংগত তাহা নহে, বস্তুত এরূপ যুক্তি সুচরিতা সন্ধান করিতেছিল, কিন্তু প্রবন্ধটি পড়িবা মাত্রই সে বুঝিতে পারিল যে এই আক্রমণের লক্ষ্য গোরা। অথচ তাহার নাম নাই, অথবা তাহার লিখিত কোনো প্রবন্ধের উল্লেখ নাই। বন্দুকের প্রত্যেক গুলির দ্বারা একটা করিয়া মানুষ মারিয়া সৈনিক যেমন খুশি হয় এই প্রবন্ধের প্রত্যেক বাক্যে তেমনি কোনো-একটি সজীব পদার্থ বিদ্ধ হইতেছে বলিয়া যেন একটা হিংসার আনন্দ ব্যক্ত হইয়া উঠিয়াছে। {{gap}}এই প্রবন্ধ সুচরিতার পক্ষে অসহ্য হইয়া উঠিল। ইহার প্রত্যেক যুক্তি প্রতিবাদের দ্বারা খণ্ড খণ্ড করিয়া ফেলিতে তাহার ইচ্ছা হইল। সে মনে মনে কহিল, গৌরমোহনবাবু যদি ইচ্ছা করেন তবে এই প্রবন্ধকে তিনি ধুলায় লুটাইয়া দিতে পারেন। গোরার উজ্জ্বল মুখ তাহার চোখের সামনে জ্যোতির্ময় হইয়া জাগিয়া উঠিল এবং তাহার প্রবল কণ্ঠস্বর সুচরিতার বুকের ভিতর পর্যন্ত ধ্বনিত হইয়া উঠিল। সেই মুখের ও বাক্যের অসামান্যতার কাছে এই প্রবন্ধ ও প্রবন্ধলেখকের ক্ষুদ্রতা এমনই তুচ্ছ হইয়া উঠিল যে সুচরিতা কাগজখানাকে মাটিতে ফেলিয়া দিল। {{gap}}অনেক কাল পরে সুচরিতা আপনি সেদিন বিনয়ের কাছে আসিয়া বসিল এবং তাহাকে কথায় কথায় বলিল, “আচ্ছা, আপনি যে বলেছিলেন যে-সব কাগজে আপনাদের লেখা বেরিয়েছে আমাকে পড়তে এনে দেবেন, কই দিলেন না?” {{gap}}বিনয় এ কথা বলিল না যে ইতিমধ্যে সুচরিতার ভাবান্তর দেখিয়া সে আপন প্রতিশ্রুতি পালন করিতে সাহস করে নাই— সে কহিল, “আমি সেগুলো একত্র সংগ্রহ করে রেখেছি, কালই এনে দেব।” {{gap}}বিনয় পরদিন পুস্তিকা ও কাগজের এক পুঁটুলি আনিয়া সুচরিতাকে দিয়া গেল। সুচরিতা সেগুলি হাতে পাইয়া আর পড়িল না, বাক্সের মধ্যে<noinclude>{{center|২১০}}</noinclude> dvbz58flqmb0xso18ksl78xzpsmis4v পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩৮ 104 218243 1992011 1960728 2026-07-31T04:13:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992011 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>মনস্থির করেছেন এবং গ্রামের লোকের বিরুদ্ধে আপনার ধারণা যখন বদ্ধমূল, তখন আমার আর-কোনো উপায় নেই— আমি গ্রামের লোকদের নিজের চেষ্টায় পুলিসের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার জন্যে উৎসাহিত করব।” {{gap}}ম্যাজিস্ট্রেট চলিতে চলিতে হঠাৎ থামিয়া দাঁড়াইয়া বিদ্যুতের মতো গোরার দিকে ফিরিয়া গর্জিয়া উঠিলেন, “কী! এত বড়ো স্পর্ধা!" {{gap}}গোরা দ্বিতীয় কোনো কথা না বলিয়া ধীরগমনে চলিয়া গেল। {{gap}}ম্যাজিস্ট্রেট কহিলেন, “হারানবাবু, আপনাদের দেশের লোকদের মধ্যে এ-সকল কিসের লক্ষণ দেখা যাইতেছে?” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “লেখাপড়া তেমন গভীরভাবে হইতেছে না, বিশেষত দেশে আধ্যাত্মিক ও চারিত্রনৈতিক শিক্ষা একেবারে নাই বলিয়াই এরূপ ঘটিতেছে। ইংরেজি বিদ্যার যেটা শ্রেষ্ঠ অংশ সেটা গ্রহণ করিবার অধিকার ইহাদের হয় নাই। ভারতবর্ষে ইংরেজের রাজত্ব যে ঈশ্বরের বিধান— এই অকৃতজ্ঞরা এখনো তাহা স্বীকার করিতে চাহিতেছে না। তাহার একমাত্র কারণ, ইহারা কেবল পড়া মুখস্থ করিয়াছে, কিন্তু ইহাদের ধর্মবোধ নিতান্তই অপরিণত।” {{gap}}ম্যাজিস্ট্রেট কহিলেন, “খৃস্টকে স্বীকার না করিলে ভারতবর্ষে এই ধর্মবোধ কখনোই পূর্ণতা লাভ করিবে না।” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “সে এক হিসাবে সত্য।” {{gap}}এই বলিয়া খৃস্টকে স্বীকার করা সম্বন্ধে একজন খৃস্টানের সঙ্গে হারানবাবুর মতের কোন্‌ অংশে কতটুকু ঐক্য এবং কোথায় অনৈক্য তাহাই লইয়া হারানবাবু ম্যাজিস্ট্রেটের সহিত সূক্ষ্ণভাবে আলাপ করিয়া তাঁহাকে এই কথাপ্রসঙ্গে এতই নিবিষ্ট করিয়া রাখিয়াছিলেন যে, মেমসাহেব যখন পরেশবাবুর মেয়েদিগকে গাড়ি করিয়া ডাকবাংলায় পৌঁছাইয়া দিয়া ফিরিবার পথে তাঁহার স্বামীকে কহিলেন, “হ্যারি, ঘরে ফিরিতে হইবে”, তিনি চমকিয়া উঠিয়া ঘড়ি খুলিয়া কহিলেন, “বাই জোভ, আটটা বাজিয়া কুড়ি মিনিট।” গাড়িতে উঠিবার সময় হারানবাবুর কর নিপীড়ন করিয়া বিদায়<noinclude>{{center|২২৮}}</noinclude> trr9jtcusvx4cj05kbyo1soe36q06ew 1992255 1992011 2026-07-31T04:54:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992255 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>মনস্থির করেছেন এবং গ্রামের লোকের বিরুদ্ধে আপনার ধারণা যখন বদ্ধমূল, তখন আমার আর-কোনো উপায় নেই— আমি গ্রামের লোকদের নিজের চেষ্টায় পুলিসের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার জন্যে উৎসাহিত করব।” {{gap}}ম্যাজিস্ট্রেট চলিতে চলিতে হঠাৎ থামিয়া দাঁড়াইয়া বিদ্যুতের মতো গোরার দিকে ফিরিয়া গর্জিয়া উঠিলেন, “কী! এত বড়ো স্পর্ধা!” {{gap}}গোরা দ্বিতীয় কোনো কথা না বলিয়া ধীরগমনে চলিয়া গেল। {{gap}}ম্যাজিস্ট্রেট কহিলেন, “হারানবাবু, আপনাদের দেশের লোকদের মধ্যে এ-সকল কিসের লক্ষণ দেখা যাইতেছে?” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “লেখাপড়া তেমন গভীরভাবে হইতেছে না, বিশেষত দেশে আধ্যাত্মিক ও চারিত্রনৈতিক শিক্ষা একেবারে নাই বলিয়াই এরূপ ঘটিতেছে। ইংরেজি বিদ্যার যেটা শ্রেষ্ঠ অংশ সেটা গ্রহণ করিবার অধিকার ইহাদের হয় নাই। ভারতবর্ষে ইংরেজের রাজত্ব যে ঈশ্বরের বিধান— এই অকৃতজ্ঞরা এখনো তাহা স্বীকার করিতে চাহিতেছে না। তাহার একমাত্র কারণ, ইহারা কেবল পড়া মুখস্থ করিয়াছে, কিন্তু ইহাদের ধর্মবোধ নিতান্তই অপরিণত।” {{gap}}ম্যাজিস্ট্রেট কহিলেন, “খৃস্টকে স্বীকার না করিলে ভারতবর্ষে এই ধর্মবোধ কখনোই পূর্ণতা লাভ করিবে না।” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “সে এক হিসাবে সত্য।” {{gap}}এই বলিয়া খৃস্টকে স্বীকার করা সম্বন্ধে একজন খৃস্টানের সঙ্গে হারানবাবুর মতের কোন্‌ অংশে কতটুকু ঐক্য এবং কোথায় অনৈক্য তাহাই লইয়া হারানবাবু ম্যাজিস্ট্রেটের সহিত সূক্ষ্ণভাবে আলাপ করিয়া তাঁহাকে এই কথাপ্রসঙ্গে এতই নিবিষ্ট করিয়া রাখিয়াছিলেন যে, মেমসাহেব যখন পরেশবাবুর মেয়েদিগকে গাড়ি করিয়া ডাকবাংলায় পৌঁছাইয়া দিয়া ফিরিবার পথে তাঁহার স্বামীকে কহিলেন, “হ্যারি, ঘরে ফিরিতে হইবে”, তিনি চমকিয়া উঠিয়া ঘড়ি খুলিয়া কহিলেন, “বাই জোভ, আটটা বাজিয়া কুড়ি মিনিট।” গাড়িতে উঠিবার সময় হারানবাবুর কর নিপীড়ন করিয়া বিদায়<noinclude>{{center|২২৮}}</noinclude> flxo7ryj51ribme9eo5qxk89t1p5czr পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩৯ 104 218244 1992256 1960729 2026-07-31T04:54:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992256 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude><section begin="২৭"/>সম্ভাষণপূর্বক কহিলেন, “আপনার সহিত আলাপ করিয়া আমার সন্ধ্যা খুব সুখে কাটিয়াছে।” হারানবাবু ডাকবাংলায় ফিরিয়া আসিয়া ম্যাজিস্ট্রেটের সহিত তাঁহার আলাপের বিবরণ বিস্তারিত করিয়া বলিলেন। কিন্তু গোরার সহিত সাক্ষাতের কোনো উল্লেখমাত্র করিলেন না। <section end="২৭"/> <section begin="২৮"/>{{C|{{larger|'''২৮'''}}}} কোনোপ্রকার অপরাধ বিচার না করিয়া কেবলমাত্র গ্রামকে শাসন করিবার জন্য সাতচল্লিশ জন আসামিকে হাজতে দেওয়া হইয়াছে। ম্যাজিস্ট্রেটের সহিত সাক্ষাতের পর গোরা উকিলের সন্ধানে বাহির হইল। কোনো লোকের কাছে খবর পাইল, সাতকড়ি হালদার এখানকার একজন ভালো উকিল। সাতকড়ির বাড়ি যাইতেই সে বলিয়া উঠিল, “বাঃ, গোরা যে! তুমি এখানে!” গোরা যা মনে করিয়াছিল তাই বটে— সাতকড়ি গোরার সহপাঠী। গোরা কহিল, চর-ঘোষপুরের আসামিদিগকে জামিনে খালাস করিয়া তাহাদের মকদ্দমা চালাইতে হইবে। সাতকড়ি কহিল, “জামিন হবে কে?” গোরা কহিল, “আমি হব।” সাতকড়ি কহিল, “তুমি সাতচল্লিশ জনের জামিন হবে তোমার এমন কী সাধ্য আছে?” গোরা কহিল, “যদি মোক্তাররা মিলে জামিন হয় তার ফী আমি দেব।” সাতকড়ি কহিল, “টাকা কম লাগবে না।” পরদিন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে জামিন-খালাসের দরখাস্ত হইল। ম্যাজিস্ট্রেট গতকল্যকার সেই মলিনবস্ত্রধারী পাগড়ি-পরা বীরমূর্তির দিকে একবার কটাক্ষ নিক্ষেপ করিলেন এবং দরখাস্ত অগ্রাহ্য করিয়া দিলেন।<section end="২৮"/><noinclude>{{center|২২৯}}</noinclude> bvez65x3em6fqefrunrw5srfvfv5vr8 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪২ 104 218247 1992257 1960732 2026-07-31T04:54:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992257 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}বেলা যখন তিন-চারটে, ডাকবাংলায় বিনয় হারানবাবু এবং মেয়েরা রিহার্সালে প্রবৃত্ত আছে, এমন সময় বিনয়ের পরিচিত দুইজন ছাত্র আসিয়া খবর দিল, গোরাকে এবং কয়জন ছাত্রকে পুলিসে গ্রেফতার করিয়া লইয়া হাজতে রাখিয়াছে, আগামী কাল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকটে প্রথম এজলাসেই ইহার বিচার হইবে। {{gap}}গোরা হাজতে! এ কথা শুনিয়া হারানবাবু ছাড়া আর-সকলেই একেবারে চমকিয়া উঠিল। বিনয় তখনই ছুটিয়া প্রথমে তাহাদের সহপাঠী সাতকড়ি হালদারের নিকট গিয়া তাহাকে সমস্ত জানাইল এবং তাহাকে সঙ্গে লইয়া হাজতে গেল। {{gap}}সাতকড়ি তাহার পক্ষে ওকালতি ও তাহাকে এখনই জামিনে খালাসের চেষ্টা করিবার প্রস্তাব করিল। গোরা বলিল, “না, আমি উকিলও রাখব না, আমাকে জামিনে খালাসেরও চেষ্টা করতে হবে না।” {{gap}}সে কী কথা! সাতকড়ি বিনয়ের দিকে ফিরিয়া কহিল, “দেখেছ! কে বলবে গোরা ইস্কুল থেকে বেরিয়েছে! ওর বুদ্ধিশুদ্ধি ঠিক সেইরকমই আছে!” {{gap}}গোরা কহিল, “দৈবাৎ আমার টাকা আছে, বন্ধু আছে বলেই হাজত আর হাতকড়ি থেকে আমি খালাস পাব সে আমি চাই নে। আমাদের দেশের যে ধর্মনীতি তাতে আমরা জানি সুবিচার করার গরজ রাজার; প্রজার প্রতি অবিচার রাজারই অধর্ম। কিন্তু এ রাজ্যে উকিলের কড়ি না জোগাতে পেরে প্রজা যদি হাজতে পচে, জেলে মরে, রাজা মাথার উপরে থাকতে ন্যায়বিচার পয়সা দিয়ে কিনতে যদি সর্বস্বান্ত হতে হয়, তবে এমন বিচারের জন্যে আমি সিকি-পয়সা খরচ করতে চাই নে।” {{gap}}সাতকড়ি কহিল, “কাজির আমলে যে ঘুষ দিতেই মাথা বিকিয়ে যেত।” {{gap}}গোরা কহিল, “ঘুষ দেওয়া তো রাজার বিধান ছিল না। সে কাজি মন্দ ছিল সে ঘুষ নিত, এ আমলেও সেটা আছে। কিন্তু এখন রাজদ্বারে বিচারের জন্যে দাঁড়াতে গেলেই, বাদী হোক প্রতিবাদী হোক, দোষী হোক<noinclude>{{center|২৩২}}</noinclude> asgnio9r8fdnhx2rxn1st1tfvimr41k পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪৫ 104 218250 1992258 1960735 2026-07-31T04:54:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992258 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}আজ প্রাতঃকালে পুলিসের সঙ্গে গোরার বিরোধের ইতিহাস বিনয় সমস্ত বিবৃত করিয়া বলিল। সুচরিতা স্তব্ধ হইয়া বসিয়া রহিল, ললিতার কোল হইতে সেলাই পড়িয়া গেল এবং মুখ লাল হইয়া উঠিল। {{gap}}বরদাসুন্দরী কহিলেন, “আপনি কিছু ভাববেন না বিনয়বাবু— আজ সন্ধ্যাবেলায় ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের মেমের কাছে গৌরমোহনবাবুর জন্যে আমি নিজে অনুরোধ করব।” {{gap}}বিনয় কহিল, “না, আপনি তা করবেন না— গোরা যদি শুনতে পায় তা হলে জীবনে সে আমাকে আর ক্ষমা করবে না।” {{gap}}সুধীর কহিল, “তাঁর ডিফেন্সের জন্যে তো কোনো বন্দোবস্ত করতে হবে।” {{gap}}জামিন দিয়া খালাসের চেষ্টা এবং উকিল নিয়োগ সম্বন্ধে গোরা যে-সকল আপত্তি করিয়াছিল বিনয় তাহা সমস্তই বলিল— শুনিয়া হারানবাবু অসহিষ্ণু হইয়া কহিলেন, “এ-সমস্ত বাড়াবাড়ি!” {{gap}}হারানবাবুর প্রতি ললিতার মনের ভাব যাই থাক্‌, সে এ পর্যন্ত তাঁহাকে মান্য করিয়া আসিয়াছে, কখনো তাঁহার সঙ্গে তর্কে যোগ দেয় নাই— আজ সে তীব্রভাবে মাথা নাড়িয়া বলিয়া উঠিল, “কিছুমাত্র বাড়াবাড়ি নয়— গৌরবাবু যা করেছেন সে ঠিক করেছেন— ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের জব্দ করবে আর আমরা নিজেরা নিজেকে রক্ষা করব! তাদের মোটা মাইনে জোগাবার জন্যে ট্যাক্স জোগাতে হবে, আবার তাদের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে উকিল-ফী গাঁট থেকে দিতে হবে। এমন বিচার পাওয়ার চেয়ে জেলে যাওয়া ভালো।” {{gap}}ললিতাকে হারানবাবু এতটুকু দেখিয়াছেন— তাহার যে একটা মতামত আছে সে কথা তিনি কোনোদিন কল্পনাও করেন নাই। সেই ললিতার মুখের তীব্র ভাষা শুনিয়া আশ্চর্য হইয়া গেলেন; তাহাকে ভর্ৎসনার স্বরে কহিলেন, “তুমি এ-সব কথার কী বোঝ? যারা গোটাকতক বই মুখস্থ করে পাস করে সবে কলেজ থেকে বেরিয়ে এসেছে, যাদের কোনো ধর্ম নেই, ধারণা নেই, তাদের মুখ থেকে দায়িত্বহীন উন্মত্ত প্রলাপ শুনে তোমাদের<noinclude>{{center|২৩৫}}</noinclude> mlfpxhjrqerje3ufugmzqnj7uaen3s7 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪৬ 104 218251 1992259 1960736 2026-07-31T04:54:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992259 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude><section begin="২৮"/>মাথা ঘুরে যায়!” {{gap}}এই বলিয়া গতকল্য সন্ধ্যার সময় গোরার সহিত ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষাৎ-বিবরণ এবং সে সম্বন্ধে তাঁহার নিজের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটের আলাপের কথা বিবৃত করিলেন। চর-ঘোষপুরের ব্যাপার বিনয়ের জানা ছিল না। শুনিয়া সে শঙ্কিত হইয়া উঠিল; বুঝিল, ম্যাজিস্ট্রেট গোরাকে সহজে ক্ষমা করিবে না। {{gap}}হারান যে উদ্দেশ্যে এই গল্পটা বলিলেন তাহা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হইয়া গেল। তিনি যে গোরার সহিত তাঁহার দেখা হওয়া সম্বন্ধে এতক্ষণ পর্যন্ত একেবারে নীরব ছিলেন তাহার ভিতরকার ক্ষুদ্রতা সুচরিতাকে আঘাত করিল এবং হারানবাবুর প্রত্যেক কথার মধ্যে গোরার প্রতি যে-একটা ব্যক্তিগত ঈর্ষা প্রকাশ পাইল তাহাতে গোরার এই বিপদের দিনে তাঁহার প্রতি উপস্থিত প্রত্যেকেরই একটা অশ্রদ্ধা জন্মাইয়া দিল। সুচরিতা এতক্ষণ চুপ করিয়া ছিল, কী একটা বলিবার জন্য তাহার আবেগ উপস্থিত হইল, কিন্তু সেটা সংবরণ করিয়া সে বই খুলিয়া কম্পিত হস্তে পাতা উল্‌টাইতে লাগিল। ললিতা উদ্ধতভাবে কহিল, “ম্যাজিস্ট্রেটের সহিত হারানবাবুর মতের যতই মিল থাক্‌, ঘোষপুরের ব্যাপারে গৌরমোহনবাবুর মহত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে।” <section end="২৮"/> <section begin="২৯"/>{{C|{{larger|'''২৯'''}}}} আজ ছোটোলাট আসিবেন বলিয়া ম্যাজিস্ট্রেট ঠিক সাড়ে দশটায় আদালতে আসিয়া বিচারকার্য সকাল-সকাল শেষ করিয়া ফেলিতে চেষ্টা করিলেন। {{gap}}সাতকড়িবাবু ইস্কুলের ছাত্রদের পক্ষ লইয়া সেই উপলক্ষে তাঁহার বন্ধুকে বাঁচাইবার চেষ্টা করিলেন। তিনি গতিক দেখিয়া বুঝিয়াছিলেন যে, অপরাধ স্বীকার করাই এ স্থলে ভালো চাল। ছেলেরা দুরন্ত হইয়াই থাকে, তাহারা অর্বাচীন নির্বোধ ইত্যাদি বলিয়া তাহাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিলেন।<section end="২৯"/><noinclude>{{center|২৩৬}}</noinclude> f2b0qrsledqtg0jxkurc0lcob0ta3qg পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪৯ 104 218254 1992260 1960739 2026-07-31T04:54:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992260 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>ওদের সামনে মুখ দেখাতে পারব না।” {{gap}}সুচরিতা চুপ করিয়া মুখ নিচু করিয়া বসিয়া রহিল। {{gap}}বিনয় অদূরে নদীতে স্টীমারে চলিয়া গেল। এই স্টীমার আজ ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই যাত্রী লইয়া কলিকাতায় রওনা হইবে—আগামী কাল আটটা আন্দাজ সময়ে সেখানে পৌঁছিবে। {{gap}}হারানবাবু উত্তেজিত হইয়া উঠিয়া বিনয় ও গোরাকে নিন্দা করিতে আরম্ভ করিলেন। সুচরিতা তাড়াতাড়ি চৌকি হইতে উঠিয়া পাশের ঘরে প্রবেশ করিয়া বেগে দ্বার ভেজাইয়া দিল। একটু পরেই ললিতা দ্বার ঠেলিয়া ঘরের মধ্যে প্রবেশ করিল। দেখিল, সুচরিতা দুই হাতে মুখ ঢাকিয়া বিছানার উপর পড়িয়া আছে। {{gap}}ললিতা ভিতর হইতে দ্বার রুদ্ধ করিয়া দিয়া ধীরে ধীরে সুচরিতার পাশে বসিয়া তাহার মাথায় চুলের মধ্যে আঙুল বুলাইয়া দিতে লাগিল। অনেকক্ষণ পরে সুচরিতা যখন শান্ত হইল তখন জোর করিয়া তাহার মুখ হইতে বাহুর আবরণ মুক্ত করিয়া তাহার মুখের কাছে মুখ লইয়া গিয়া কানে কানে বলিতে লাগিল, “দিদি, আমরা এখান থেকে কলকাতায় ফিরে যাই, আজ তো ম্যাজিস্ট্রেটের ওখানে যেতে পারব না।” {{gap}}সুচরিতা অনেকক্ষণ এ কথার কোনো উত্তর করিল না। ললিতা যখন বার বার বলিতে লাগিল তখন সে বিছানায় উঠিয়া বসিল, “সে কী করে হবে ভাই? আমার তো একেবারেই আসবার ইচ্ছা ছিল না— বাবা যখন পাঠিয়ে দিয়েছেন তখন যেজন্যে এসেছি তা না সেরে যেতে পারব না।” {{gap}}ললিতা কহিল, “বাবা তো এ-সব কথা জানেন না— জানলে কখনোই আমাদের থাকতে বলতেন না।” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “তা কি করে জানব ভাই!” {{gap}}ললিতা। দিদি, তুই পারবি? কী করে যাবি বল্‌ দেখি! তার পরে আবার সাগগোজ করে স্টেজে দাঁড়িয়ে কবিতা আওড়াতে হবে। আমার<noinclude>{{center|২৩৯}}</noinclude> 50mwpb94ov9z9n7tzxbcrq4dven8vxv পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬০ 104 218265 1992261 1960749 2026-07-31T04:54:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992261 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>হাতপায়ের তলদেশ শীতল হইয়া উঠিল, অনেকক্ষণ পর্যন্ত সে হৃৎপিণ্ডের চাঞ্চল্য নিবৃত্ত করিতে পারিল না। {{gap}}অন্ধকার দূর হইয়া গেল। স্টীমার চলিতে আরম্ভ করিয়াছে। ললিতা মুখ-হাত ধুইয়া প্রস্তুত হইয়া বাহিরে আসিয়া রেল ধরিয়া দাঁড়াইল। বিনয়ও পূর্বেই জাহাজের বাঁশির আওয়াজে জাগিয়া প্রস্তুত হইয়া পূর্বতীরে প্রভাতের প্রথম অভ্যুদয় দেখিবার জন্য অপেক্ষা করিতেছিল। ললিতা বাহির হইয়া আসিবা মাত্র সে সংকুচিত হইয়া চলিয়া যাইবার উপক্রম করিতেই ললিতা ডাকিল, “বিনয়বাবু!” {{gap}}বিনয় কাছে আসিতেই ললিতা কহিল, “আপনার বোধ হয় রাত্রে ভালো ঘুম হয় নি?” {{gap}}বিনয় কহিল, “মন্দ হয় নি।” {{gap}}ইহার পরে দুইজনে আর কথা হইল না। শিশিরসিক্ত কাশবনের পরপ্রান্তে আসন্ন সূর্যোদয়ের স্বর্ণচ্ছটা উজ্জ্বল হইয়া উঠিল। ইহারা দুইজনে জীবনে এমন প্রভাত আর কোনোদিন দেখে নাই। আলোক তাহাদিগকে এমন করিয়া কখনো স্পর্শ করে নাই— আকাশ যে শূন্য নহে, তাহা যে বিস্ময়নীরব আনন্দে সৃষ্টির দিকে অনিমেষে চাহিয়া আছে, তাহা ইহারা এই প্রথম জানিল। এই দুইজনের চিত্তে চেতনা এমন করিয়া জাগ্রত হইয়া উঠিয়াছে যে, সমস্ত জগতের অন্তর্নিহিত চৈতন্যের সঙ্গে আজ যেন তাহাদের একেবারে গায়ে গায়ে ঠেকাঠেকি হইল। কেহ কোনো কথা কহিল না। {{gap}}স্টীমার কলিকাতায় আসিল। বিনয় ঘাটে একটা গাড়ি ভাড়া করিয়া ললিতাকে ভিতরে বসাইয়া নিজে গাড়োয়ানের পাশে গিয়া বসিল। এই দিনের বেলাকার কলিকাতার পথে গাড়ি করিয়া চলিতে চলিতে কেন যে ললিতার মনে উল্‌টা হাওয়া বহিতে লাগিল তাহা কে বলিবে। এই সংকটের সময় বিনয় যে স্টীমারে ছিল, ললিতা যে বিনয়ের সঙ্গে এমন করিয়া জড়িত হইয়া পড়িয়াছে, বিনয় যে অভিভাবকের মতো তাহাকে গাড়ি করিয়া বাড়ি লইয়া যাইতেছে, ইহার সমস্তই তাহাকে পীড়ন করিতে লাগিল। ঘটনা-বশত<noinclude>{{center|২৫০}}</noinclude> s9348ysy9mtc8eb26ceq05ijb4op1lx পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬১ 104 218266 1992262 1960750 2026-07-31T04:54:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992262 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude><section begin="৩০"/>বিনয় যে তাহার উপরে একটা কর্তৃত্বের অধিকার লাভ করিয়াছে ইহা তাহার কাছে অসহ্য হইয়া উঠিল। কেন এমন হইল! রাত্রের সেই সংগীত দিনের কর্মক্ষেত্রের সম্মুখে আসিয়া কেন এমন কঠোর সুরে থামিয়া গেল! {{gap}}তাই দ্বারের কাছে আসিয়া বিনয় যখন সসংকোচে জিজ্ঞাসা করিল, “আমি তবে যাই"— তখন ললিতার রাগ আরো বাড়িয়া উঠিল। সে ভাবিল, বিনয়বাবু মনে করিতেছেন তাঁহাকে সঙ্গে করিয়া পিতার কাছে উপস্থিত হইতে আমি কুণ্ঠিত হইতেছি। এ সম্বন্ধে তাহার মনে যে লেশমাত্র সংকোচ নাই ইহাই বলের সহিত প্রমাণ করিবার এবং পিতার নিকট সমস্ত জিনিসটাকে সম্পূর্ণভাবে উপস্থিত করিবার জন্য সে বিনয়কে দ্বারের কাছ হইতে অপরাধীর ন্যায় বিদায় দিতে চাহিল না। {{gap}}বিনয়ের সঙ্গে সম্বন্ধকে সে পূর্বের ন্যায় পরিষ্কার করিয়া ফেলিতে চায়— মাঝখানে কোনো কুণ্ঠা, কোনো মোহের জড়িমা রাখিয়া সে নিজেকে বিনয়ের কাছে খাটো করিতে চায় না। <section end="৩০"/> <section begin="৩১"/>{{C|{{larger|'''৩১'''}}}} বিনয় ও ললিতাকে দেখিবা মাত্র কোথা হইতে সতীশ ছুটিয়া আসিয়া তাহাদের দুইজনের মাঝখানে দাঁড়াইয়া উভয়ের হাত ধরিয়া কহিল, “কই, বড়দিদি এলেন না?” {{gap}}বিনয় পকেট চাপড়াইয়া এবং চারি দিকে চাহিয়া কহিল, “বড়দিদি! তাই তো, কী হল! হারিয়ে গেছেন।” {{gap}}সতীশ বিনয়কে ঠেলিয়া দিয়া কহিল, “ইস, তাই তো, কক্‌খনো না। বলো-না ললিতাদিদি!” {{gap}}ললিতা কহিল, “বড়দিদি কাল আসবেন।” {{gap}}বলিয়া পরেশবাবুর ঘরের দিকে চলিল। {{gap}}সতীশ ললিতা ও বিনয়ের হাত ধরিয়া টানিয়া কহিল, “আমাদের বাড়ি<section end="৩১"/><noinclude>{{center|২৫১}}</noinclude> ck3zc88jbejfutl26n3us13h43adwba পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬৭ 104 218272 1992263 1985628 2026-07-31T04:54:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992263 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude><section begin="৩১"/>প্রান্তে উপরি উপরি বাজিতে লাগিল। {{gap}}সতীশ তাড়াতাড়ি উঠিয়া বিনয়ের হাত ধরিয়া ঝুলিয়া পড়িয়া মিনতির স্বরে কহিল, “বিনয়বাবু, বসুন, এখনই যাবেন না। আমাদের বাড়িতে আজ খেয়ে যান। মাসিমা, বিনয়বাবুকে খেতে বলো-না। ললিতাদিদি, কেন বিনয়বাবুকে যেতে বললে!” {{gap}}বিনয় কহিল, “ভাই সতীশ, আজ না ভাই! মাসিমা যদি মনে রাখেন তবে আর-এক দিন এসে প্রসাদ খাব। আজ দেরি হয়ে গেছে।” {{gap}}কথাগুলো বিশেষ কিছু নয়, কিন্তু কণ্ঠস্বরের মধ্যে অশ্রু আচ্ছন্ন হইয়া ছিল। তাহার করুণা সতীশের মাসিমার কানেও বাজিল। তিনি একবার বিনয়ের ও একবার ললিতার মুখের দিকে চকিতের মতো চাহিয়া লইলেন— বুঝিলেন, অদৃষ্টের একটা লীলা চলিতেছে। অনতিবিলম্বে কোনো ছুতা করিয়া ললিতা উঠিয়া তাহার ঘরে গেল। কত দিন সে নিজেকে নিজে এমন করিয়া কাঁদাইয়াছে। <section end="৩১"/> <section begin="৩২"/>{{c|৩২}} বিনয় তখনই আনন্দময়ীর বাড়ির দিকে চলিল। লজ্জায় বেদনায় মিশিয়া মনের মধ্যে ভারি একটা পীড়ন চলিতেছিল। এতক্ষণ কেন সে মার কাছে যায় নাই! কী ভুলই করিয়াছিল! সে মনে করিয়াছিল তাহাকে ললিতার বিশেষ প্রয়োজন আছে। সব প্রয়োজন অতিক্রম করিয়া সে যে কলিকাতায় আসিয়াই আনন্দময়ীর কাছে ছুটিয়া যায় নাই সেজন্য ঈশ্বর তাহাকে উপযুক্ত শাস্তিই দিয়াছেন। অবশেষে আজ ললিতার মুখ হইতে এমন প্রশ্ন শুনিতে হইল, “গৌরবাবুর মার কাছে একবার যাবেন না?’ কোনো এক মুহূর্তেও এমন বিভ্রম ঘটিতে পারে যখন গৌরবাবুর মার কথা বিনয়ের চেয়ে ললিতার মনে বড়ো হইয়া উঠে! ললিতা তাঁহাকে গৌরবাবুর মা বলিয়া জানে মাত্র, কিন্তু বিনয়ের কাছে তিনি যে জগতের সকল মায়ের একটিমাত্র প্রত্যক্ষ <section end="৩২"/><noinclude>{{rh|১৭|২৫৭|}}</noinclude> 9vkhd07x4p73okba8l7n79izhpnsa6l পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬৮ 104 218273 1992264 1960756 2026-07-31T04:54:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992264 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>প্রতিমা। {{gap}}তখন আনন্দময়ী সদ্য স্নান করিয়া ঘরের মেঝেয় আসন পাতিয়া স্থির হইয়া বসিয়া ছিলেন, বোধ করি বা মনে মনে জপ করিতেছিলেন। বিনয় তাড়াতাড়ি তাঁহার পায়ের কাছে লুটাইয়া পড়িয়া কহিল, “মা!” {{gap}}আনন্দময়ী তাহার অবলুণ্ঠিত মাথায় দুই হাত বুলাইয়া কহিলেন, “বিনয়!” {{gap}}মার মতো এমন কণ্ঠস্বর কার আছে! সেই কণ্ঠস্বরেই বিনয়ের সমস্ত শরীরে যেন করুণার স্পর্শ বহিয়া গেল। সে অশ্রুজল কষ্টে রোধ করিয়া মুক্তকণ্ঠে কহিল, “মা, আমার দেরি হয়ে গেছে!” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “সব কথা শুনেছি বিনয়!” {{gap}}বিনয় চকিত হইয়া কহিল, “সব কথাই শুনেছ!” {{gap}}গোরা হাজত হইতেই তাঁহাকে পত্র লিখিয়া উকিলবাবুর হাত দিয়া পাঠাইয়াছিল। সে যে জেলে যাইবে সে কথা সে নিশ্চয় অনুমান করিয়াছিল। {{gap}}পত্রের শেষে ছিল— {{gap}}“কারাবাসে তোমার গোরার লেশমাত্র ক্ষতি করিতে পারিবে না। কিন্তু তুমি একটুও কষ্ট পাইলে চলিবে না। তোমার দুঃখই আমার দণ্ড, আমাকে আর-কোনো দণ্ড ম্যাজিস্ট্রেটের দিবার সাধ্য নাই। একা তোমার ছেলের কথা ভাবিয়ো না মা, আরো অনেক মায়ের ছেলে বিনা দোষে জেল খাটিয়া থাকে, একবার তাহাদের কষ্টের সমান ক্ষেত্রে দাঁড়াইবার ইচ্ছা হইয়াছে; এই ইচ্ছা এবার যদি পূর্ণ হয় তুমি আমার জন্য ক্ষোভ করিয়ো না। {{gap}}“মা, তোমার মনে আছে কি না জানি না, সেবার দুর্ভিক্ষের বছরে আমার রাস্তার ধারের ঘরের টেবিলে আমার টাকার থলিটা রাখিয়া আমি পাঁচ মিনিটের জন্য অন্য ঘরে গিয়াছিলাম। ফিরিয়া আসিয়া দেখি, থলিটা চুরি গিয়াছে। থলিতে আমার স্কলার্‌শিপের জমানো পঁচাশি টাকা ছিল; মনে সংকল্প করিয়াছিলাম আরো কিছু টাকা জমিলে তোমার পা ধোবার জলের জন্য একটি রুপার ঘটি তৈরি করাইয়া দিব। টাকা চুরি গেলে পর যখন<noinclude>{{center|২৫৮}}</noinclude> 8sw663kgut3axua83tjfzywzs9fpymk পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭০ 104 218275 1992012 1985629 2026-07-31T04:13:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992012 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>সম্মানে আছে, তাহাদের পাপের ক্ষয় কবে কোথায় কেমন করিয়া হইবে তাহা জানি না| আমি সেই আরাম ও সম্মানকে ধিক্কার দিয়া মানুষের কলঙ্কের দাগ বুকে চিহ্নিত করিয়া বাহির হইব; মা, তুমি আমাকে আশীর্বাদ করো, তুমি চোখের জল ফেলিয়ো না। ভৃগুপদাঘাতের চিহ্ন শ্রীকৃষ্ণ চিরদিন বক্ষে ধারণ করিয়াছেন; জগতে ঔদ্ধত্য যেখানে যত অন্যায় আঘাত করিতেছে ভগবানের বুকের সেই চিহ্নকেই গাঢ়তর করিতেছে। সেই চিহ্ন যদি তাঁর অলংকার হয় তবে আমার ভাবনা কী, তোমারই বা দুঃখ কিসের?’ {{gap}}এই চিঠি পাইয়া আনন্দময়ী মহিমকে গোরার কাছে পাঠাইবার চেষ্টা করিয়াছিলেন। মহিম বলিলেন, আপিস আছে, সাহেব কোনোমতেই ছুটি দিবে না। বলিয়া গোরার অবিবেচনা ও ঔদ্ধত্য লইয়া তাহাকে যথেষ্ট গালি দিতে লাগিলেন; কহিলেন, উহার সম্পর্কে কোন্‌দিন আমার সুদ্ধ চাকরিটি যাইবে। আনন্দময়ী কৃষ্ণদয়ালকে এ সম্বন্ধে কোনো কথা বলা অনাবশ্যক বোধ করিলেন। গোরা সম্বন্ধে স্বামীর প্রতি তাঁহার একটি মর্মান্তিক অভিমান ছিল; তিনি জানিতেন, কৃষ্ণদয়াল গোরাকে হৃদয়ের মধ্যে পুত্রের স্থান দেন নাই— এমন-কি, গোরা সম্বন্ধে তাঁহার অন্তঃকরণে একটা বিরুদ্ধ ভাব ছিল। গোরা আনন্দময়ীর দাম্পত্যসম্বন্ধকে বিন্ধ্যাচলের মতো বিভক্ত করিয়া মাঝখানে দাঁড়াইয়া ছিল। তাহার এক পারে অতি সতর্ক শুদ্ধচার লইয়া কৃষ্ণদয়াল একা, এবং তাহার অন্য পারে তাঁহার ম্লেচ্ছ গোরাকে লইয়া একাকিনী আনন্দময়ী। গোরার জীবনের ইতিহাস পৃথিবীতে যে দুজন জানে তাহাদের মাঝখানে যাতায়াতের পথ যেন বন্ধ হইয়া গিয়াছে। এই-সকল কারণে সংসারে গোরার প্রতি আনন্দময়ীর স্নেহ নিতান্তই তাঁহার একলার ধন ছিল। এই পরিবারে গোরার অনধিকারে অবস্থানকে তিনি সব দিক দিয়া যত হালকা করিয়া রাখা সম্ভব তাহার চেষ্টা করিতেন। পাছে কেহ বলে “তোমার গোরা হইতে এই ঘটিল, তোমার গোরার জন্য এই কথা শুনিতে হইল’, অথবা “তোমার গোরা আমাদের এই লোকসান করিয়া দিল’, আনন্দময়ীর এই এক নিয়ত ভাবনা ছিল। গোরার সমস্ত দায়<noinclude>{{center|২৬০}}</noinclude> es67862hicujcjmcnmjf3pmnbokq9ya পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭৫ 104 218280 1992265 1960763 2026-07-31T04:54:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992265 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>নহে, স্বাতন্ত্র্যের তেজ এবং শক্তির দৃঢ়তা আছে— সেই দৃঢ়তা সকলের মনোরম নহে। তাহা লোকবিশেষকে আকর্ষণ করে, কিন্তু অনেককেই দূরে ঠেলিয়া রাখে। সংসারে ললিতা প্রিয় হইবে না, কিন্তু খাঁটি হইবে ইহাই জানিয়া পরেশবাবু কেমন একটু বেদনার সহিত ললিতাকে কাছে টানিয়া লইতেন— তাহাকে আর কেহ ক্ষমা করিতেছে না জানিয়াই তাহাকে করুণার সহিত বিচার করিতেন। {{gap}}যখন পরেশবাবু শুনিলেন ললিতা একলা বিনয়ের সঙ্গে হঠাৎ চলিয়া আসিয়াছে, তখন তিনি এক মুহূর্তেই বুঝিতে পারিলেন এজন্য ললিতাকে অনেক দিন ধরিয়া অনেক দুঃখ সহিতে হইবে; সে যেটুকু অপরাধ করিয়াছে লোকে তাহার চেয়ে বড়ো অপরাধের দণ্ড তাহার প্রতি বিধান করিবে। সেই কথাটা তিনি চুপ করিয়া ক্ষণকাল ভাবিতেছেন, এমন সময় ললিতা বলিয়া উঠিল, “বাবা, আমি দোষ করেছি। কিন্তু এবার আমি বেশ বুঝতে পেরেছি যে, ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে আমাদের দেশের লোকের এমন সম্বন্ধ যে তাঁর আতিথ্যের মধ্যে কিছুই সম্মান নেই, কেবলই অনুগ্রহ মাত্র। সেটা সহ্য করেও কি আমার সেখানে থাকা উচিত ছিল?” {{gap}}পরেশবাবুর কাছে প্রশ্নটি সহজ বলিয়া বোধ হইল না। তিনি কোনো উত্তর দিবার চেষ্টা না করিয়া একটু হাসিয়া ললিতার মাথায় দক্ষিণ হস্ত দিয়া মৃদু আঘাত করিয়া বলিলেন, “পাগলী!” {{gap}}এই ঘটনা সম্বন্ধে চিন্তা করিতে করিতে সেদিন অপরাহে্‌ণ পরেশবাবু যখন বাড়ির বাহিরে পায়চারি করিতেছিলেন এমন সময় বিনয় আসিয়া তাঁহাকে প্রণাম করিল। পরেশবাবু গোরার কারাদণ্ড সম্বন্ধে তাহার সঙ্গে অনেকক্ষণ ধরিয়া আলোচনা করিলেন, কিন্তু ললিতার সঙ্গে স্টীমারে আসার কোনো প্রসঙ্গই উত্থাপন করিলেন না। অন্ধকার হইয়া আসিলে কহিলেন, “চলো, বিনয়, ঘরে চলো।” {{gap}}বিনয় কহিল, “না, আমি এখন বাসায় যাব।” {{gap}}পরেশবাবু তাহাকে দ্বিতীয় বার অনুরোধ করিলেন না। বিনয় একবার<noinclude>{{center|২৬৫}}</noinclude> qxs4s127cg9vk9zsan4mdwtkzkxzmy7 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭৮ 104 218283 1992266 1960766 2026-07-31T04:54:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992266 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}পরেশবাবু যখন ঘর ছাড়িয়া চলিয়া গেলেন তখন ললিতা একটা চৌকি অধিকার করিয়া দৃঢ় হইয়া বসিল এবং হারানবুবর মুখের দিকে দৃষ্টি স্থির করিয়া কহিল, “আপনি মনে করেন সকলকেই আপনার সব কথা বলবার অধিকার আছে!” {{gap}}ললিতাকে সুচরিতা চিনিত। অন্যদিন হইলে ললিতার এরূপ মূর্তি দেখিলে সে মনে মনে উদ্‌বিগ্ন হইয়া উঠিত। আজ সে জানলার ধারের চৌকিতে বসিয়া একটা বই খুলিয়া চুপ করিয়া তাহার পাতার দিকে চাহিয়া রহিল। নিজেকে সংবরণ করিয়া রাখাই সুচরিতার চিরদিনের স্বভাব ও অভ্যাস। এই কয়দিন ধরিয়া নানাপ্রকার আঘাতের বেদনা তাহার মনে যতই বেশি করিয়া সঞ্চিত হইতেছিল ততই সে আরো বেশি করিয়া নীরব হইয়া উঠিতেছিল। আজ তাহার এই নীরবতার ভার দুর্বিষহ হইয়াছে— এইজন্য ললিতা যখন হারানের নিকট তাহার মন্তব্য প্রকাশ করিতে বসিল তখন সুচরিতার রুদ্ধ হৃদয়ের বেগ যেন মুক্তিলাভ করিবার অবসর পাইল। {{gap}}ললিতা কহিল, “আমাদের সম্বন্ধে বাবার কী কর্তব্য, আপনি মনে করেন, বাবার চেয়ে আপনি তা ভালো বোঝেন! সমস্ত ব্রাহ্মসমাজের আপনিই হচ্ছেন হেড্‌মাস্টার!” {{gap}}ললিতার এইপ্রকার ঔদ্ধত্য দেখিয়া হারানবাবু প্রথমটা হতবুদ্ধি হইয়া গিয়াছিলেন। এইবার তিনি তাহাকে খুব একটা কড়া জবাব দিতে যাইতেছিলেন— ললিতা তাহতে বাধা দিয়া তাঁহাকে কহিল, “এতদিন আপনার শ্রেষ্ঠতা আমরা অনেক সহ্য করেছি, কিন্তু আপনি যদি বাবার চেয়েও বড়ো হতে চান তা হলে এ বাড়িতে আপনাকে কেউ সহ্য করতে পারবে না— আমাদের বেয়ারাটা পর্যন্ত না।” {{gap}}হারানবাবু বলিয়া উঠিলেন, “ললিতা, তুমি—" {{gap}}ললিতা তাঁহাকে বাধা দিয়া তীব্রস্বরে কহিল, “চুপ করুন। আপনার কথা আমরা অনেক শুনেছি, আজ আমার কথাটা শুনুন। যদি বিশ্বাস না করেন তবে সুচিদিদিকে জিজ্ঞাসা করবেন— আপনি নিজেকে যত বড়ো<noinclude>{{center|২৬৮}}</noinclude> kk8jgddsz4r56d9fwehrbcqqevh982w পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭৯ 104 218284 1992267 1960767 2026-07-31T04:54:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992267 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>বলে কল্পনা করেন আমার বাবা তার চেয়ে অনেক বেশি বড়ো। এইবার আপনার যা-কিছু উপদেশ আমাকে দেবার আছে আপনি দিয়ে যান। {{gap}}হারানবাবুর মুখ কালো হইয়া উঠিল। তিনি চৌকি ছাড়িয়া উঠিয়া কহিলেন, “সুচরিতা!” {{gap}}সুচরিতা বইয়ের পাতা হইতে মুখ তুলিল। হারানবাবু কহিলেন, “তোমার সামনে ললিতা আমাকে অপমান করবে!” {{gap}}সুচরিতা ধীরস্বরে কহিল, “আপনাকে অপমান করা ওর উদ্দেশ্য নয়— ললিতা বলতে চায় বাবাকে আপনি সম্মান করে চলবেন। তার মতো সম্মানের যোগ্য আমরা তো কাউকেই জানি নে।” {{gap}}একবার মনে হইল হারানবাবু এখনই চলিয়া যাইবেন, কিন্তু তিনি উঠিলেন না। মুখ অত্যন্ত গম্ভীর করিয়া বসিয়া রহিলেন। এ বাড়িতে ক্রমে ক্রমে তাঁহার সম্ভ্রম নষ্ট হইতেছে ইহা তিনি যতই অনুভব করিতেছেন ততই তিনি এখানে আপন আসন দখল করিয়া বসিবার জন্য আরো বেশি পরিমাণে সচেষ্ট হইয়া উঠিতেছেন। ভুলিতেছেন যে, যে আশ্রয় জীর্ণ তাহাকে যতই জোরের সঙ্গে আঁকড়িয়া ধরা যায় তাহা ততই ভাঙিতে থাকে। {{gap}}হারানবাবু রুষ্ট গাম্ভীর্যের সহিত চুপ করিয়া রহিলেন দেখিয়া ললিতা উঠিয়া গিয়া সুচরিতার পাশে বসিল এবং তাহার সহিত মৃদুস্বরে এমন করিয়া কথাবার্তা আরম্ভ করিয়া দিল যেন বিশেষ কিছুই ঘটে নাই। {{gap}}ইতিমধ্যে সতীশ ঘরে ঢুকিয়া সুচরিতার হাত ধরিয়া টানিয়া কহিল, “বড়দিদি, এসো।” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “কোথায় যেতে হবে?” {{gap}}সতীশ কহিল, “এসো-না, তোমাকে একটা জিনিস দেখাব। ললিতাদিদি, তুমি বলে দাও নি!” {{gap}}ললিতা কহিল, “না।” {{gap}}তাহার মাসির কথা ললিতা সুচরিতার কাছে ফাঁস করিয়া দিবে না<noinclude>{{center|২৬৯}}</noinclude> duvzxr96l4vs6pfuwiskm45zv9d9u8h পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৩ 104 218298 1992268 1960780 2026-07-31T04:54:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992268 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>পারিয়া লজ্জায় ভয়ে তাহার প্রাণ শুকাইয়া গেছে। বিনয়ের হৃদয় যে তাহার প্রতি বিমুখ নহে এ কথা সে বুঝিয়াছে; বুঝিয়াছে বলিয়াই নিজেকে সংবরণ করা তাহার পক্ষে আজ এত কঠিন হইয়াছে। সেইজন্যই সে যখন উতলা হইয়া বিনয়ের আশাপথ চাহিয়া থাকে সেইসঙ্গেই তাহার মনের ভিতরে একটা ভয় হইতে থাকে, পাছে বিনয় আসিয়া পড়ে। এমনি করিয়া নিজের সঙ্গে টানাটানি করিতে করিতে আজ সকালে তাহার ধৈর্য আর বাঁধ মানিল না। তাহার মনে হইল, বিনয় না আসাতেই তাহার প্রাণের ভিতরটা কেবলই অশান্ত হইয়া উঠিতেছে, একবার দেখা হইলেই এই অস্থিরতা দূর হইয়া যাইবে। {{gap}}সকালবেলা সে সতীশকে নিজের ঘরের মধ্যে টানিয়া আনিল। সতীশ আজকাল মাসিকে পাইয়া বিনয়ের সঙ্গে বন্ধুত্বচর্চার কথা একরকম ভুলিয়াই ছিল। ললিতা তাহাকে কহিল, “বিনয়বাবুর সঙ্গে তোর বুঝি ঝগড়া হয়ে গেছে?” {{gap}}সে এই অপবাদ সতেজে অস্বীকার করিল। ললিতা কহিল, “ভারি তো তোর বন্ধু! তুইই কেবল বিনয়বাবু বিনয়বাবু করিস, তিনি তো ফিরেও তাকান না।” {{gap}}সতীশ কহিল, “ইস! তাই তো! কখ্‌খনো না!” {{gap}}পরিবারের মধ্যে ক্ষুদ্রতম সতীশকে নিজের গৌরব সপ্রমাণ করিবার জন্য এমনি করিয়া বারংবার গলার জোর প্রয়োগ করিতে হয়। আজ প্রমাণকে তাহার চেয়েও দৃঢ়তর করিবার জন্য সে তখনই বিনয়ের বাসায় ছুটিয়া গেল। ফিরিয়া আসিয়া কহিল, “তিনি যে বাড়িতে নেই, তাই জন্যে আসতে পারেন নি।” {{gap}}ললিতা জিজ্ঞাসা করিল, “এ কদিন আসেন নি কেন?” {{gap}}সতীশ কহিল, “কদিনই যে ছিলেন না।” {{gap}}তখন ললিতা সুচরিতার কাছে গিয়া কহিল, “দিদিভাই, গৌরবাবুর মায়ের কাছে আমাদের কিন্তু একবার যাওয়া উচিত।”<noinclude>{{center|২৮৩}}</noinclude> ej766tzsr7nweti7i8bwzuhjr6lc4ll পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৬ 104 218301 1992269 1960783 2026-07-31T04:54:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992269 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>"বিনয়বাবু, হঠাৎ আমাদের নখী দন্তী শৃঙ্গী অস্ত্রপাণি কিংবা ঐরকম একটা-কিছু বলে সন্দেহ করে বসেছেন!” {{gap}}বিনয় কহিল, “পৃথিবীতে যারা মুখ ফুটে নালিশ করতে পারে না, চুপ করে থাকে, তারাই উল্‌টে আসামী হয়। দিদি, তোমার মুখে এ কথা শোভা পায় না—তুমি নিজে কত দূরে চলে গিয়েছ এখন অন্যকে দূর বলে মনে করছ।” {{gap}}বিনয় আজ প্রথম সুচরিতাকে দিদি বলিল। সুচরিতার কানে তাহা মিষ্ট লাগিল, বিনয়ের প্রতি প্রথম পরিচয় হইতেই সুচরিতার যে একটি সৌহৃদ্য জন্মিয়াছিল এই দিদি সম্বোধন মাত্রেই তাহা যেন একটি স্নেহপূর্ণ বিশেষ আকার ধারণ করিল। {{gap}}পরেশবাবু তাঁহার মেয়েদের লইয়া যখন বিদায় লইয়া গেলেন তখন দিন প্রায় শেষ হইয়া গেছে। বিনয় আনন্দময়ীকে কহিল, “মা, আজ তোমাকে কোনো কাজ করতে দেব না। চলো উপরের ঘরে।” {{gap}}বিনয় তাহার চিত্তের উদ্‌বেলতা সংবরণ করিতে পারিতেছিল না। আনন্দময়ীকে উপরের ঘরে লইয়া গিয়া মেঝের উপরে নিজের হাতে মাদুর পাতিয়া তাঁহাকে বসাইল। আনন্দময়ী বিনয়কে জিজ্ঞাসা করিলেন, “বিনু, কী, তোর কথাটা কী?” {{gap}}বিনয় কহিল, “আমার কোনো কথা নেই, তুমি কথা বলো।” {{gap}}পরেশবাবুর মেয়েদিগকে আনন্দময়ীর যেমন লাগিল সেই কথা শুনিবার জন্যই বিনয়ের মন ছট্‌ফট্‌ করিতেছিল। {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “বেশ, এইজন্যে তুই বুঝি আমাকে ডেকে আনলি! আমি বলি, বুঝি কোনো কথা আছে।” ভবিনয় কহিল, “না ডেকে আনলে এমন সূর্যাস্তটি তো দেখতে পেতে না।” {{gap}}সেদিন কলিকাতার ছাদগুলির উপরে অগ্রহায়ণের সূর্য মলিনভাবেই অস্ত যাইতেছিল—বর্ণচ্ছটার কোনো বৈচিত্র্য ছিল না—আকাশের প্রান্তে ধূমলবর্ণের বাষ্পের মধ্যে সোনার আভা অস্পষ্ট হইয়া জড়াইয়াছিল। কিন্তু<noinclude>{{center|২৮৬}}</noinclude> 7ry1yftmiw2pvvrfpc4qizxtynv1ea6 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৮ 104 218303 1992270 1960785 2026-07-31T04:54:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992270 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude><section begin="৩৬"/>মনের মিল নিয়েই বিয়ে— সে সময়ে কোন্‌ মন্তরটা পড়া হল তা নিয়ে কী আসে যায় বাবা! যেমন করে হোক ভগবানের নামটা নিলেই হল।” {{gap}}বিনয়ের মনের ভিতর হইতে একটা ভার নামিয়া গেল। সে উৎসাহিত হইয়া কহিল, “মা, তোমার মুখে যখন এ-সব কথা শুনি আমার ভারি আশ্চর্য বোধ হয়। এমন ঔদার্য তুমি পেলে কোথা থেকে!” {{gap}}আনন্দময়ী হাসিয়া কহিলেন, “গোরার কাছ থেকে পেয়েছি।” {{gap}}বিনয় কহিল, “গোরা তো এর উল্‌টো কথাই বলে!” {{gap}}আনন্দময়ী। বললে কী হবে। আমার যা-কিছু শিক্ষা সব গোরা থেকেই হয়েছে। মানুষ বস্তুটি যে কত সত্য—আর মানুষ যা নিয়ে দলাদলি করে, ঝগড়া করে মরে, তা যে কত মিথ্যে—সে কথা ভগবান গোরাকে যেদিন দিয়েছেন সেইদিনই বুঝিয়ে দিয়েছেন। বাবা, ব্রাহ্মই বা কে আর হিন্দুই বা কে। মানুষের হৃদয়ের তো কোনো জাত নেই—সেইখানেই ভগবান সকলকে মেলান এবং নিজে এসেও মেলেন। তাঁকে ঠেলে দিয়ে মন্তর আর মতের উপরেই মেলাবার ভার দিলে চলে কি?” {{gap}}বিনয় আনন্দময়ীর পায়ের ধুলা লইয়া কহিল, “মা, তোমার কথা আমার বড়ো মিষ্টি লাগল। আমার দিনটা আজ সার্থক হয়েছে।” <section end="৩৬"/> <section begin="৩৭"/>{{C|{{larger|'''৩৭'''}}}} সুচরিতার মাসি হরিমোহিনীকে লইয়া পরেশের পরিবারে একটা গুরুতর অশান্তি উপস্থিত হইল। তাহা বিবৃত করিয়া বলিবার পূর্বে, হরিমোহিনী সুচরিতার কাছে নিজের যে পরিচয় দিয়াছিলেন তাহাই সংক্ষেপ করিয়া নীচে লেখা গেল— {{gap}}আমি তোমার মায়ের চেয়ে দুই বছরের বড়ো ছিলাম। বাপের বাড়িতে আমাদের দুইজনের আদরের সীমা ছিল না। কেননা, তখন আমাদের ঘরে <section end="৩৭"/><noinclude>{{center|২৮৮}}</noinclude> igcq28mt86kz8s2yp7xqww3l8s7whtj পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩১০ 104 218315 1992271 1960796 2026-07-31T04:54:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992271 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>চোখের জলে ভাসিতে থাকেন; সুচরিতারও দুই চক্ষু দিয়া জল ঝরিয়া পড়িত। সে তাঁহার গলা জড়াইয়া বলিত, “মাসি, আমিও তো মায়ের আদর বেশি দিন ভোগ করতে পারি নি; আজ আবার সেই হারানো মা ফিরে এসেছেন। কত দিন কত দুঃখের সময় যখন ঈশ্বরকে ডাকবার শক্তি ছিল না, যখন মনের ভিতরটা শুকিয়ে গিয়েছিল, তখন আমার মাকে ডেকেছি। সেই মা আজ আমার ডাক শুনে এসেছেন।” {{gap}}হরিমোহিনী বলিতেন, “অমন করে বলিস নে, বলিস নে। তোর কথা শুনলে আমার এত আনন্দ হয় যে আমার ভয় করতে থাকে। হে ঠাকুর, দৃষ্টি দিয়ো না ঠাকুর! আর মায়া করব না মনে করি— মনটাকে পাষাণ করেই থাকতে চাই কিন্তু পারি নে যে। আমি বড়ো দুর্বল, আমাকে দয়া করো, আমাকে আর মেরো না! ওরে রাধারানী, যা, যা, আমার কাছ থেকে ছেড়ে যা। আমাকে আর জড়াস নে রে, জড়াস নে! ও আমার গোপীবল্লভ, আমার জীবননাথ, আমার গোপাল, আমার নীলমণি, আমাকে এ আবার কী বিপদে ফেলছ!” {{gap}}সুচরিতা কহিত, “আমাকে তুমি জোর করে বিদায় করতে পারবে না মাসি! আমি তোমাকে কখনো ছাড়ব না— আমি বরাবর তোমার এই কাছেই রইলুম।” {{gap}}বলিয়া তাঁহার বুকের মধ্যে মাথা রাখিয়া শিশুর মতো চুপ করিয়া থাকিত। {{gap}}দুই দিনের মধ্যেই সুচরিতার সঙ্গে তাহার মাসির এমন একটা গভীর সম্বন্ধ বাধিয়া গেল যে ক্ষুদ্র কালের দ্বারা তাহার পরিমাপ হইতে পারে না। {{gap}}বরদাসুন্দরী ইহাতেও বিরক্ত হইয়া গেলেন। “মেয়েটার রকম দেখো। যেন আমরা কোনোদিন উহার কোনো আদর-যত্ন করি নাই। বলি, এতদিন মাসি ছিলেন কোথায়! ছোটোবেলা হইতে আমরা যে এত করিয়া মানুষ করিলাম আর আজ মাসি বলিতেই একেবারে অজ্ঞান। আমি কর্তাকে বরাবর বলিয়া আসিয়াছি, ঐ-যে সুচরিতাকে তোমরা সবাই ভালো ভালো কর, ও কেবল বাহিরে ভালোমানুষি করে, কিন্তু উহার মন পাবার<noinclude>{{center|৩০০}}</noinclude> duql9tygzbyw40bzzshjr3ys3gal05q পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩১৪ 104 218319 1992272 1960800 2026-07-31T04:54:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992272 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{dhr|3em}} <section begin="39"/>{{C|{{larger|'''৩৯'''}}}} বরদাসুন্দরী তাঁহার ব্রাহ্মিকাবন্ধুদিগকে প্রায়ই নিমন্ত্রণ করিতে লাগিলেন। মাঝে মাঝে তাঁহাদের ছাদের উপরেই সভা হইত। হরিমোহিনী তাঁহার স্বাভাবিক গ্রাম্য সরলতার সহিত মেয়েদের আদর-অভ্যর্থনা করিতে চেষ্টা করিতেন, কিন্তু ইহারা যে তাঁহাকে অবজ্ঞা করে তাহা তাঁহার কাছে গোপন রহিল না। এমন-কি, হিন্দুদের সামাজিক আচার-ব্যবহার লইয়া তাঁহার সমক্ষেই বরদাসুন্দরী তীব্র সমালোচনা উত্থাপিত করিতেন এবং অনেক রমণী হরিমোহিনীর প্রতি বিশেষ লক্ষ রাখিয়া সেই সমালোচনায় যোগ দিতেন। {{gap}}সুচরিতা তাহার মাসির কাছে থাকিয়া এ-সমস্ত আক্রমণ নীরবে সহ্য করিত। কেবল, সেও যে তাহার মাসির দলে ইহাই সে যেন গায়ে পড়িয়া প্রকাশ করিতে চেষ্টা করিত। যেদিন আহারের আয়োজন থাকিত সেদিন সুচরিতাকে সকলে খাইতে ডাকিলে সে বলিত, “না, আমি খাই নে।” {{gap}}“সে কী! তুমি বুঝি আমাদের সঙ্গে বসে খাবে না!” {{gap}}“না!” {{gap}}বরদাসুন্দরী বলিতেন, “আজকাল সুচরিতা যে মস্ত হিঁদু হয়ে উঠেছেন, তা বুঝি জান না? উনি যে আমাদের ছোঁওয়া খান না।” {{gap}}“সুচরিতাও হিঁদু হয়ে উঠল! কালে কালে কতই যে দেখতে হবে তাই ভাবি।” {{gap}}হরিমোহিনী ব্যস্ত হইয়া বলিয়া উঠিতেন, “রাধারানী মা, যাও মা! তুমি খেতে যাও মা!” {{gap}}দলের লোকের কাছে যে সুচরিতা তাঁহার জন্য এমন করিয়া খোঁটা খাইতেছে ইহা তাঁহার কাছে অত্যন্ত কষ্টকর হইয়া উঠিয়াছিল। কিন্তু সুচরিতা অটল হইয়া থাকিত। একদিন কোনো ব্রাহ্ম মেয়ে কৌতূহলবশত হরিমোহিনীর ঘরের মধ্যে জুতা লইয়া প্রবেশ করিতে প্রবৃত্ত হইলে সুচরিতা পথরোধ করিয়া দাঁড়াইয়া বলিল, “ও ঘরে যেয়ো না।”<section end="39"/><noinclude>{{center|৩০৪}}</noinclude> m66o8x7uf00ia1iw5vcsjk2iep01alf পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩১৫ 104 218320 1992273 1496018 2026-07-31T04:54:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992273 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}“কেন?” {{gap}}“ও ঘরে ওঁর ঠাকুর আছে।” {{gap}}“ঠাকুর আছে! তুমি বুঝি রোজ ঠাকুর পুজো কর।” {{gap}}হরিমোহিনী বলিলেন, “হাঁ মা, পুজো করি বৈকি।” {{gap}}“ঠাকুরকে তোমার ভক্তি হয়?” {{gap}}“পোড়া কপাল আমার! ভক্তি আর কই হল! ভক্তি হলে তো বেঁচেই যেতুম।” {{gap}}সেদিন ললিতা উপস্থিত ছিল। সে মুখ লাল করিয়া প্রশ্নকারিণীকে জিজ্ঞাসা করিল, “তুমি যাঁর উপাসনা কর তাঁকে ভক্তি কর?” {{gap}}“বাঃ, ভক্তি করি নে তো কী!” {{gap}}ললিতা সবেগে মাথা নাড়িয়া কহিল, “ভক্তি তো করই না, আর ভক্তি যে কর না সেটা তোমার জানাও নেই।” {{gap}}সুচরিতা যাহাতে আচার-ব্যবহারে তাহার দল হইতে পৃথক না হয় সেজন্য হরিমোহিনী অনেক চেষ্টা করিলেন, কিন্তু কিছুতেই কৃতকার্য হইতে পারিলেন না। {{gap}}ইতিপূর্বে হারানবাবুতে বরদাসুন্দরীতে ভিতরে ভিতরে একটা বিরোধের ভাবই ছিল। বর্তমান ব্যাপারে উভয়ের মধ্যে খুব মিল হইল। বরদাসুন্দরী কহিলেন— যিনি যাই বলুন-না কেন, ব্রাহ্মসমাজের আদর্শকে বিশুদ্ধ রাখিবার জন্য যদি কাহারো দৃষ্টি থাকে তো সে পানুবাবুর। হারানবাবুও— ব্রাহ্মপরিবারকে সর্বপ্রকারে নিষ্কলঙ্ক রাখিবার প্রতি বরদাসুন্দরীর একান্ত বেদনাপূর্ণ সচেতনতাকে ব্রাহ্মগৃহিণীমাত্রেরই পক্ষে একটি সুদৃষ্টান্ত বলিয়া সকলের কাছে প্রকাশ করিলেন। তাঁহার এই প্রশংসার মধ্যে পরেশবাবুর প্রতি বিশেষ একটু খোঁচা ছিল। {{gap}}হারানবাবু একদিন পরেশবাবুর সম্মুখেই সুচরিতাকে কহিলেন, “শুনলুম নাকি আজকাল তুমি ঠাকুরের প্রসাদ খেতে আরম্ভ করেছ।” {{gap}}সুচরিতার মুখ লাল হইয়া উঠিল, কিন্তু যেন সে কথাটা শুনিতেই পাইল<noinclude>{{rh|২০|৩০৫|}}</noinclude> qg6fur89yiwc5dcxlgizy69n356yih9 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২০ 104 218325 1992274 1960805 2026-07-31T04:54:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992274 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}বরদাসুন্দরী কহিলেন, “বুঝতে পার নি! এত দিন পরে স্বীকার করলে! ঐ মেয়েটিকে বোঝা বড়ো সহজ নয়। ও বাইরে একরকম— ভিতরে একরকম!” {{gap}}বরদাসুন্দরী হারানবাবুকে ডাকিয়া পাঠাইলেন। {{gap}}সেদিন কাগজে ব্রাহ্মসমাজের বর্তমান দুর্গতির আলোচনা ছিল। তাহার মধ্যে পরেশবাবুর পরিবারের প্রতি এমনভাবে লক্ষ করা ছিল যে, কোনো নাম না থাকা সত্ত্বেও আক্রমণের বিষয় যে কে তাহা সকলের কাছেই বেশ স্পষ্ট হইয়াছিল; এবং লেখক যে কে তাহাও লেখার ভঙ্গিতে অনুমান করা কঠিন হয় নাই। কাগজখানায় কোনোমতে চোখ বুলাইয়াই সুচরিতা তাহা কুটিকুটি করিয়া ছিঁড়িতেছিল। ছিঁড়িতে ছিঁড়িতে কাগজের অংশগুলিকে যেন পরমাণুতে পরিণত করিবার জন্য তাহার রোখ চড়িয়া যাইতেছিল। {{gap}}এমন সময় হারানবাবু ঘরে প্রবেশ করিয়া সুচরিতার পাশে একটা চৌকি টানিয়া বসিলেন। সুচরিতা একবার মুখ তুলিয়াও চাহিল না, সে যেমন কাগজ ছিঁড়িতেছিল তেমনি ছিঁড়িতেই লাগিল। {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “সুচরিতা, আজ একটা গুরুতর কথা আছে। আমার কথায় একটু মন দিতে হবে।” {{gap}}সুচরিতা কাগজ ছিঁড়িতেই লাগিল। নখে ছেঁড়া যখন অসম্ভব হইল তখন থলে হইতে কাঁচি বাহির করিয়া কাঁচিটা দিয়া কাটিতে লাগিল। ঠিক এই মুহূর্তে ললিতা ঘরে প্রবেশ করিল। {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “ললিতা, সুচরিতার সঙ্গে আমার একটু কথা আছে।” {{gap}}ললিতা ঘর হইতে চলিয়া যাইবার উপক্রম করিতেই সুচরিতা তাহার আঁচল চাপিয়া ধরিল। ললিতা কহিল, “তোমার সঙ্গে পানুবাবুর যে কথা আছে!” {{gap}}সুচরিতা তাহার কোনো উত্তর না করিয়া ললিতার আঁচল চাপিয়াই রহিল— তখন ললিতা সুচরিতার আসনের এক পাশে বসিয়া পড়িল।<noinclude>{{center|৩১০}}</noinclude> 0gjugy3tj1nl33c9ggucau6ltzu9qo8 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২২ 104 218327 1992275 1960807 2026-07-31T04:54:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992275 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>কোনো উপলক্ষ কাউকে দিই নি এ কথা আমি জোরের সঙ্গে বলতে পারি— সুচরিতাই বলুন আমি ঠিক বলছি কি না।” {{gap}}ললিতা আবার কী একটা উত্তর দিতে যাইতেছিল— সুচরিতা তাহাকে থামাইয়া দিয়া কহিল, “আপনি ঠিক বলেছেন। আপনাকে আমি কোনো দোষ দিতে চাই নে।” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “দোষ যদি না দেবে তবে আমার প্রতি অন্যায়ই বা করবে কেন?” {{gap}}সুচরিতা দৃঢ়স্বরে কহিল, “যদি একে অন্যায় বলেন তবে আমি অন্যায়ই করব— কিন্তু—" {{gap}}বাহির হইতে ডাক আসিল, “দিদি, ঘরে আছেন?” {{gap}}সুচরিতা উৎফুল্ল হইয়া উঠিয়া তাড়াতাড়ি কহিল, “আসুন, বিনয়বাবু, আসুন।” {{gap}}“ভুল করছেন দিদি, বিনয়বাবু আসেন নি, আমি বিনয় মাত্র, আমাকে সমাদর করে লজ্জা দেবেন না"— বলিয়া বিনয় ঘরে প্রবেশ করিয়াই হারানবাবুকে দেখিতে পাইল। হারানবাবুর মুখের অপ্রসন্নতা লক্ষ্য করিয়া কহিল, “অনেক দিন আসি নি বলে রাগ করেছেন বুঝি!” {{gap}}হারানবাবু পরিহাসে যোগ দিবার চেষ্টা করিয়া কহিলেন, “রাগ করবারই কথা বটে। কিন্তু আজ আপনি একটু অসময়ে এসেছেন— সুচরিতার সঙ্গে আমার একটা বিশেষ কথা হচ্ছিল।” {{gap}}বিনয় শশব্যস্ত হইয়া উঠিল; কহিল, “ঐ দেখুন, আমি কখন এলে যে অসময়ে আসা হয় না তা আমি আজ পর্যন্ত বুঝতেই পারলুম না! এইজন্যই আসতে সাহসই হয় না।” {{gap}}বলিয়া বিনয় বাহির হইয়া যাইবার উপক্রম করিল। {{gap}}সুচরিতা কহিল, “বিনয়বাবু, যাবেন না। আমাদের যা কথা ছিল শেষ হয়ে গেছে। আপনি বসুন।” {{gap}}বিনয় বুঝিতে পারিল সে আসাতে সুচরিতা একটা বিশেষ সংকট হইতে<noinclude>{{center|৩১২}}</noinclude> 4kie9yeom140506omtq2xyz6ipt1w65 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩৭ 104 218342 1992276 1960821 2026-07-31T04:54:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992276 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>তিনি উপরে গিয়েছেন।” {{gap}}শুনিয়াই ললিতা সেখানে দাঁড়াইয়া তাঁহার মুখের দিকে চোখ তুলিয়া অসংকোচে কহিল, “জানি। তিনি আমার সঙ্গে না দেখা করে যাবেন না। আমার এখানকার কাজ সারা হলেই উপরে যাব এখন।” {{gap}}ললিতাকে কিছুমাত্র কুণ্ঠিত করিতে না পারিয়া হারানের অন্তররুদ্ধ দাহ আরো বাড়িয়া উঠিতে লাগিল। বিনয় সুচরিতাকে হঠাৎ কী একটা বলিয়া গেল এবং সুচরিতা অনতিকাল পরেই তাহার অনুসরণ করিল, ইহাও হারানবাবুর লক্ষ্য এড়াইতে পারে নাই। তিনি আজ সুচরিতার সহিত আলাপের উপলক্ষ সন্ধান করিয়া বারংবার অকৃতার্থ হইয়াছেন— দুই-এক বার সুচরিতা তাঁহার সুস্পষ্ট আহ্বান এমন করিয়া এড়াইয়া গেছে যে সভাস্থ লোকের কাছে হারানবাবু নিজেকে অপদস্থ জ্ঞান করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহার মন সুস্থ ছিল না। {{gap}}সুচরিতা উপরে গিয়া দেখিল হরিমোহিনী তাঁহার জিনিসপত্র গুছাইয়া এমনভাবে বসিয়া আছেন যেন এখনই কোথায় যাইবেন। সুচরিতা জিজ্ঞাসা করিল, “মাসি, এ কী?” {{gap}}হরিমোহিনী তাহার কোনো উত্তর দিতে না পারিয়া কাঁদিয়া ফেলিলেন এবং কহিলেন, “সতীশ কোথায় আছে তাকে একবার ডেকে দাও মা!” {{gap}}সুচরিতা বিনয়ের মুখের দিকে চাহিতেই বিনয় কহিল, “এ বাড়িতে মাসি থাকলে সকলেরই অসুবিধে হয়, তাই আমি ওঁকে মার কাছে নিয়ে যাচ্ছি।” {{gap}}হরিমোহিনী কহিলেন, “সেখান থেকে আমি তীর্থে যাব মনে করেছি! আমার মতো লোকের কারো বাড়িতে এরকম করে থাকা ভালো হয় না। চিরদিন লোকে আমাকে এমন করে সহ্যই বা করবে কেন?” {{gap}}সুচরিতা নিজেই এ কথা কয়েক দিন হইতে ভাবিতেছিল। এ বাড়িতে বাস করা যে তাহার মাসির পক্ষে অপমান তাহা সে অনুভব করিয়াছিল, সুতরাং সে কোনো উত্তর দিতে পারিল না। চুপ করিয়া তাঁহার কাছে গিয়া বসিয়া রহিল। রাত্রি হইয়াছে। ঘরে প্রদীপ জ্বালা হয় নাই।<noinclude>{{center|৩২৭}}</noinclude> ibu5qokzrzuu72mdty20o90dfc2nm78 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩৯ 104 218344 1992277 1960823 2026-07-31T04:54:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992277 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}সুচরিতা জানিত, শুইতে যাইবার পূর্বে পরেশবাবু তাঁহার কোনো একটি প্রিয় বই খানিকটা করিয়া পড়িতেন। কতদিন এইরূপ সময়ে সুচরিতা তাঁহার কাছে আসিয়া বসিয়াছে এবং সুচরিতার অনুরোধে পরেশবাবু তাহাকেও পড়িয়া শুনাইয়াছেন। {{gap}}আজও তাঁহার নির্জন ঘরে পরেশবাবু আলোটি জ্বালাইয়া এমার্সনের গ্রন্থ পড়িতেছিলেন। সুচরিতা ধীরে ধীরে তাঁহার পাশে চৌকি টানিয়া লইয়া বসিল। পরেশবাবু বইখানি রাখিয়া একবার তাহার মুখের দিকে চাহিলেন। সুচরিতার সংকল্প ভঙ্গ হইল— সে সংসারের কোনো কথাই তুলিতে পারিল না। কহিল, “বাবা, আমাকে পড়ে শোনাও।” {{gap}}পরেশবাবু তাহাকে পড়িয়া বুঝাইয়া দিতে লাগিলেন। রাত্রি দশটা বাজিয়া গেলে পড়া শেষ হইল। তখনো সুচরিতা নিদ্রার পূর্বে পরেশবাবু মনে কোনোপ্রকার ক্ষোভ পাছে জন্মে এইজন্য কোনো কথা না বলিয়া ধীরে ধীরে চলিয়া যাইতেছিল। {{gap}}পরেশবাবু তাহাকে স্নেহস্বরে ডাকিলেন, “রাধে!” {{gap}}সে তখন ফিরিয়া আসিল। পরেশবাবু কহিলেন, “তুমি তোমার মাসির কথা আমাকে বলতে এসেছিলে?” {{gap}}পরেশবাবু তাহার মনের কথা জানিতে পারিয়াছেন জানিয়া সুচরিতা বিস্মিত হইয়া বলিল, “হাঁ বাবা, কিন্তু আজ থাক্‌, কাল সকালে কথা হবে।” {{gap}}পরেশবাবু কহিলেন, “বোসো।” {{gap}}সুচরিতা বসিলে তিনি কহিলেন, “তোমার মাসির এখানে কষ্ট হচ্ছে সে কথা আমি চিন্তা করেছি। তাঁর ধর্মবিশ্বাস ও আচরণ লাবণ্যর মার সংস্কারে যে এত বেশি আঘাত দেবে তা আমি আগে ঠিক জানতে পারি নি। যখন দেখছি তাঁকে পীড়া দিচ্ছে তখন এ বাড়িতে তোমার মাসিকে রাখলে তিনি সংকুচিত হয়ে থাকবেন।” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “আমার মাসি এখান থেকে যাবার জন্যেই প্রস্তুত হয়েছেন।”<noinclude>{{center|৩২৯}}</noinclude> pucqprpvez3ltzghp14otfi579ulzrz পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৪৫ 104 218350 1992278 1960829 2026-07-31T04:54:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992278 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}আনন্দময়ী ললিতার দিকে চাহিয়া সহাস্যে কহিলেন, “আমাদের বিনয় ওর যা অভাব তা সংগ্রহ করতেও জানে আর সংগ্রহ করে প্রাণমনে তার আদর করতেও জানে। তোমাদের ও যে কী চোখে দেখেছে সে আমিই জানি— যা কখনো ভাবতে পারত না তারই যেন হঠাৎ সাক্ষাৎ পেয়েছে। তোমাদের সঙ্গে ওদের জানাশোনা হওয়াতে আমি যে কত খুশি হয়েছি সে আর কী বলব মা! তোমাদের এই ঘরে যে এমন করে বিনয়ের মন বসেছে তাতে ওর ভারি উপকার হয়েছে। সে কথা ও খুব বোঝে আর স্বীকার করতেও ছাড়ে না।” {{gap}}ললিতা একটা কিছু উত্তর করিবার চেষ্টা করিয়াও কথা খুঁজিয়া পাইল না, তাহার মুখ লাল হইয়া উঠিল। সুচরিতা ললিতার বিপদ দেখিয়া কহিল, “সকল মানুষের ভিতরকার ভালোটি বিনয়বাবু দেখতে পান, এইজন্যই সকল মানুষের যেটুকু ভালো সেটুকু ওঁর ভোগে আসে। সে অনেকটা ওঁর গুণ।” {{gap}}বিনয় কহিল, “মা, তুমি বিনয়কে যত বড়ো আলোচনার বিষয় বলে ঠিক করে রেখেছ সংসারে তার তত বড়ো গৌরব নেই। এ কথাটা তোমাকে বোঝাব মনে করি, নিতান্ত অহংকারবশতই পারিনে। কিন্তু আর চলল না। মা, আর নয়, বিনয়ের কথা আজ এই পর্যন্ত।” {{gap}}এমন সময় সতীশ তাহার অচিরজাত কুকুর-শাবকটাকে বুকে চাপিয়া ধরিয়া লাফাইতে লাফাইতে আসিয়া উপস্থিত হইল। হরিমোহিনী ব্যস্তসমস্ত হইয়া বলিয়া উঠিলেন, “বাবা সতীশ, লক্ষ্ণী বাপ আমার, ও-কুকুরটাকে নিয়ে যাও বাবা!” {{gap}}সতীশ কহিল, “ও কিছু করবে না মাসি! ও তোমার ঘরে যাবে না। তুমি ওকে একটু আদর করো, ও কিছু বলবে না।” {{gap}}হরিমোহিনী সরিয়া গিয়া কহিলেন, “না বাবা, না, ওকে নিয়ে যাও।” {{gap}}তখন আনন্দময়ী কুকুর-সুদ্ধ সতীশকে নিজের কাছে টানিয়া লইলেন। কুকুরকে কোলের উপর লইয়া সতীশকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “তুমি সতীশ না? আমাদের বিনয়ের বন্ধু?”<noinclude>{{center|৩৩৫}}</noinclude> pf7id2643vbcs8czxokgshhf7y6daqv পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫২ 104 218357 1992279 1960835 2026-07-31T04:54:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992279 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>প্রাণালী মেলে না।” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “আপনার না মিলতে পারে। কিন্তু আমি সুচরিতাকেই সাক্ষী মানছি, উনিই সত্য করে বলুন দেখি, ললিতার সঙ্গে বিনয়ের যে সম্বন্ধ দাঁড়িয়েছে সে কি শুধু বাইরের সম্বন্ধ? তাদের অন্তরকে কোনোখানেই স্পর্শ করে নি? না সুচরিতা, তুমি চলে গেলে হবে না— এ কথার উত্তর দিতে হবে। এ গুরুতর কথা।” {{gap}}সুচরিতা কঠোর হইয়া কহিল, “যতই গুরুতর হোক এ কথায় আপনার কোনো অধিকার নেই।” {{gap}}হারানবাবু কহিলেন, “অধিকার না থাকলে আমি যে শুধু চুপ করে থাকতুম তা নয়, চিন্তাও করতুম না। সমাজকে তোমরা গ্রাহ্য না করতে পার, কিন্তু যতদিন সমাজে আছ ততদিন সমাজ তোমাদের বিচার করতে বাধ্য।” {{gap}}ললিতা ঝড়ের মতো ঘরে প্রবেশ করিয়া কহিল, “সমাজ যদি আপনাকেই বিচারক পদে নিযুক্ত করে থাকেন তবে এ সমাজ থেকে নির্বাসনই আমাদের পক্ষে শ্রেয়।” {{gap}}হারানবাবু চৌকি হইতে উঠিয়া দাঁড়াইয়া কহিলেন, “ললিতা, তুমি এসেছ আমি খুশি হয়েছি। তোমার সম্বন্ধে যা নালিশ তোমার সামনেই তার বিচার হওয়া উচিত।” {{gap}}ক্রোধে সুচরিতার মুখ চক্ষু প্রদীপ্ত হইয়া উঠিল, সে কহিল, “হারানবাবু, আপনার ঘরে গিয়ে আপনার বিচারশালা আহ্বান করুন। গৃহস্থের ঘরের মধ্যে চড়ে তাদের অপমান করবেন আপনার এ অধিকার আমরা কোনোমতেই মানব না। আয় ভাই ললিতা!” {{gap}}ললিতা এক পা নড়িল না; কহিল, “না দিদি, আমি পালাব না। পানুবাবুর যা-কিছু বলবার আছে সব আমি শুনে যেতে চাই। বলুন কী বলবেন, বলুন।” {{gap}}হারানবাবু থমকিয়া গেলেন। পরেশবাবু কহিলেন, “মা ললিতা, আজ সুচরিতা আমাদের বাড়ি থেকে যাবে— আজ সকালে আমি কোনোরকম<noinclude>{{center|৩৪২}}</noinclude> lz90baiec2d16wozlrhdrxsgwqwwstc পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫৪ 104 218359 1992280 1985648 2026-07-31T04:54:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992280 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>পারিবেন। তাই, আজ যখন সুচরিতা শুচিতা বিসর্জন করিয়া আবার সকলের সঙ্গে একত্রে অন্নগ্রহণ করিবার প্রস্তাব করিল তখন তাঁহার ভালো লাগিল না, তিনি চুপ করিয়া রহিলেন। {{gap}}সুচরিতা তাঁহার মনের ভাব বুঝিয়া কহিল, “আমি তোমাকে নিশ্চয় বলছি এতে ঠাকুর খুশি হবেন। সেই আমার অন্তর্যামী ঠাকুর আমাকে সকলের সঙ্গে আজ একসঙ্গে খেতে বলে দিয়েছেন। তাঁর কথা না মানলে তিনি রাগ করবেন। তাঁর রাগকে আমি তোমার রাগের চেয়ে ভয় করি।” {{gap}}যতদিন হরিমোহিনী বরদাসুন্দরীর কাছে অপমানিত হইতেছিলেন ততদিন সুচরিতা তাঁহার অপমানের অংশ লইবার জন্য তাঁহার আচার গ্রহণ করিয়াছিল এবং আজ সেই অপমান হইতে যখন নিষ্কৃতির দিন উপস্থিত হইল তখন সুচরিতা যে আচার সম্বন্ধে স্বাধীন হইতে দ্বিধা বোধ করিবে না, হরিমোহিনী তাহা ঠিক বুঝিতে পারেন নাই। হরিমোহিনী সুচরিতাকে সম্পূর্ণ বুঝিয়া লন নাই, বোঝাও তাঁহার পক্ষে শক্ত ছিল। {{gap}}হরিমোহিনী সুচরিতাকে স্পষ্ট করিয়া নিষেধ করিলেন না কিন্তু মনে মনে রাগ করিলেন। ভাবিতে লাগিলেন— “মা গো, মানুষের ইহাতে যে কেমন করিয়া প্রবৃত্তি হইতে পারে তাহা আমি ভাবিয়া পাই না। ব্রাহ্মণের ঘরে তো জন্ম বটে!’ {{gap}}খানিকক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া কহিলেন, “একটা কথা বলি বাছা, যা কর তা কর, তোমাদের ঐ বেহারাটার হাতে জল খেয়ো না।” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “কেন মাসি, ঐ রামদীন বেহারাই তো তার নিজের গোরু দুইয়ে তোমাকে দুধ দিয়ে যায়।” {{gap}}হরিমোহিনী দুই চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া কহিলেন, “অবাক করলি— দুধ আর জল এক হল!” {{gap}}সুচরিতা হাসিয়া কহিল, “আচ্ছা মাসি, রামদীনের ছোঁওয়া জল আজ আমি খাব না। কিন্তু সতীশকে যদি তুমি বারণ কর তবে সে ঠিক তার উল্‌টো কাজটি করবে।”<noinclude>{{center|৩৪৪}}</noinclude> scgv3nv456yhskeeardyexz3m3qrf5t পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫৮ 104 218363 1992281 1960841 2026-07-31T04:54:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992281 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}আহারান্তে হরিমোহিনী তাঁহার মাদুরের উপর শুইয়া নিদ্রার উপক্রম করিতেছেন, এবং সুচরিতা পিঠে মুক্ত চুল মেলিয়া দিয়া শতরঞ্চে বসিয়া কোলের উপর বালিশ লইয়া এক মনে কী পড়িতেছে। সম্মুখে আরো কয়খানা বই পড়িয়া আছে। {{gap}}ললিতাকে হঠাৎ ঘরে ঢুকিতে দেখিয়া সুচরিতা যেন লজ্জিত হইয়া প্রথমটা বই বন্ধ করিল, পরক্ষণে লজ্জার দ্বারাই লজ্জাকে দমন করিয়া বই যেমন ছিল তেমনি রাখিল। এই বইগুলি গোরার রচনাবলী। {{gap}}হরিমোহিনী উঠিয়া বসিয়া কহিলেন, “এসো, এসো মা, ললিতা এসো। তোমাদের বাড়ি ছেড়ে সুচরিতার মনের মধ্যে কেমন করছে সে আমি জানি। ওর মন খারাপ হলেই ঐ বইগুলো নিয়ে পড়তে বসে। এখনই আমি শুয়ে শুয়ে ভাবছিলুম তোমরা কেউ এলে ভালো হয়— অমনি তুমি এসে পড়েছ— অনেক দিন বাঁচবে মা!” {{gap}}ললিতার মনে যে কথাটা ছিল সুচরিতার কাছে বসিয়া সে একেবারেই তাহা আরম্ভ করিয়া দিল। সে কহিল, “সুচিদিদি, আমাদের পাড়ায় মেয়েদের জন্যে যদি একটা ইস্কুল করা যায় তা হলে কেমন হয়।” {{gap}}হরিমোহিনী অবাক হইয়া কহিলেন, “শোনো একবার কথা! তোমরা ইস্কুল করবে কী!” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “কেমন করে করা যাবে বল্‌। কে আমাদের সাহায্য করবে? বাবাকে বলেছিস কি?” {{gap}}ললিতা কহিল, “আমরা দুজনে তো পড়াতে পারব। হয়তো বড়দিদিও রাজি হবে।” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “শুধু পড়ানো নিয়ে তো কথা নয়। কী রকম করে ইস্কুলের কাজ চালাতে হবে তার সব নিয়ম বেঁধে দেওয়া চাই, বাড়ি ঠিক করতে হবে, ছাত্রী সংগ্রহ করতে হবে, খরচ জোগাতে হবে। আমরা দুজন মেয়েমানুষ এর কী করতে পারি!” {{gap}}ললিতা কহিল, “দিদি, ও কথা বললে চলবে না। মেয়েমানুষ হয়ে<noinclude>{{center|৩৪৮}}</noinclude> clwllpbkgjo5v6f32qfdfbrizwwxgkt পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬১ 104 218366 1992282 1960843 2026-07-31T04:54:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992282 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>প্রথমে পাঁচ-ছয়টি মেয়ে লইয়া দুই-চার দিনেই ললিতার ইস্কুল বসিয়া গেল। পরেশবাবুর সঙ্গে এই ইস্কুলের কথা আলোচনা করিয়া ইহার নিয়ম বাঁধিয়া ইহার আয়োজন করিয়া সে নিজেকে এক মুহূর্ত সময় দিল না। এমন-কি, বৎসরের শেষে পরীক্ষা হইয়া গেলে মেয়েদের কিরূপ প্রাইজ দিতে হইবে তাহা লইয়া লাবণ্যর সঙ্গে ললিতার রীতিমত তর্ক বাধিয়া গেল— ললিতা যে বইগুলার কথা বলে লাবণ্যর তাহা পছন্দ হয় না, আবার লাবণ্যর সঙ্গে ললিতার পছন্দরও মিল হয় না। পরীক্ষা কে কে করিবে তাহা লইয়াও একটু তর্ক হইয়া গেল। লাবণ্য মোটের উপরে যদিও হারানবাবুকে দেখিতে পারিত না, কিন্তু তাঁহার পাণ্ডিত্যের খ্যাতিতে সে অভিভূত ছিল। হারানবাবু তাহাদের বিদ্যালয়ের পরীক্ষা অথবা শিক্ষা অথবা কোনো-একটা কাজে নিযুক্ত থাকিলে সেটা যে বিশেষ গৌরবের বিষয় হইবে এ বিষয়ে তাহার সন্দেহমাত্র ছিল না। কিন্তু ললিতা কথাটাকে একেবারেই উড়াইয়া দিল— হারানবাবুর সঙ্গে তাহাদের এ বিদ্যালয়ের কোনোপ্রকার সম্বন্ধই থাকিতে পারে না। {{gap}}দুই-তিন দিনের মধ্যেই তাহার ছাত্রীর দল কমিতে কমিতে ক্লাস শূন্য হইয়া গেল। ললিতা তাহার নির্জন ক্লাসে বসিয়া পদশব্দ শুনিবামাত্র ছাত্রী-সম্ভাবনায় সচকিত হইয়া উঠে, কিন্তু কেহই আসে না। এমন করিয়া দুই প্রহর যখন কাটিয়া গেল তখন সে বুঝিল একটা কিছু গোল হইয়াছে। {{gap}}নিকটে যে ছাত্রীটি ছিল ললিতা তাহার বাড়িতে গেল। ছাত্রী কাঁদোকাঁদো হইয়া কহিল, “মা আমাকে যেতে দিচ্ছে না।” {{gap}}মা কহিলেন, অসুবিধা হয়। অসুবিধাটা যে কী তাহা স্পষ্ট বুঝা গেল না। ললিতা অভিমানিনী মেয়ে; সে অন্য পক্ষে অনিচ্ছার লেশমাত্র লক্ষণ দেখিলে জেদ করিতে বা কারণ জিজ্ঞাসা করিতে পারেই না। সে কহিল, “যদি অসুবিধা হয় তা হলে কাজ কী!” {{gap}}ললিতা ইহার পরে যে বাড়িতে গেল সেখানে স্পষ্ট কথাই শুনিতে পাইল। তাহারা কহিল, “সুচরিতা আজকাল হিন্দু হইয়াছে, সে জাত মানে,<noinclude>{{center|৩৫১}}</noinclude> 13p4gxyn9gljosa9axizb4rzg5o3zu7 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬২ 104 218367 1992283 1981527 2026-07-31T04:54:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992283 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>তাহার বাড়িতে ঠাকুরপূজা হয়, ইত্যাদি।” {{gap}}ললিতা কহিল, “সেজন্য যদি আপত্তি থাকে তবে নাহয় আমাদের বাড়িতেই ইস্কুল বসবে।” {{gap}}কিন্তু ইহাতেও আপত্তির খণ্ডন হইল না, আরো-একটা কিছু বাকি আছে। ললিতা অন্য বাড়িতে না গিয়া সুধীরকে ডাকাইয়া পাঠাইল। জিজ্ঞাসা করিল, “সুধীর, কী হয়েছে সত্য করে বলো তো।” {{gap}}সুধীর কহিল, “পানুবাবু তোমাদের এই ইস্কুলের বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লেগেছেন।” {{gap}}ললিতা জিজ্ঞাসা করিল, “কেন, দিদির বাড়িতে ঠাকুরপুজো হয় ব’লে?” {{gap}}সুধীর কহিল, “শুধু তাই নয়।” {{gap}}ললিতা অধীর হইয়া কহিল, “আর কী, বলোই-না।” {{gap}}সুধীর কহিল, “সে অনেক কথা।” {{gap}}ললিতা কহিল, “আমারও অপরাধ আছে বুঝি?” {{gap}}সুধীর চুপ করিয়া রহিল। ললিতা মুখ লাল করিয়া বলিল, “এ আমার সেই স্টীমার-যাত্রার শাস্তি! যদি অবিবেচনার কাজ করেই থাকি তবে ভালো কাজ করে প্রায়শ্চিত্ত করার পথ আমাদের সমাজে একেবারেই বন্ধ বুঝি! আমার পক্ষে সমস্ত শুভকর্ম এ সমাজে নিষিদ্ধ? আমার এবং আমাদের সমাজের আধ্যাত্মিক উন্নতির এই প্রণালী তোমরা ঠিক করেছ!” {{gap}}সুধীর কথাটাকে একটু নরম করিবার জন্য কহিল, “ঠিক সেজন্যে নয়। বিনয়বাবুরা পাছে ক্রমে এই বিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন ওঁরা সেই ভয় করেন।” {{gap}}ললিতা একেবারে আগুন হইয়া কহিল, “সে ভয়, না সে ভাগ্য! যোগ্যতায় বিনয়বাবুর সঙ্গে তুলনা হয় এমন লোক ওঁদের মধ্যে কজন আছে!” {{gap}}সুধীর ললিতার রাগ দেখিয়া সংকুচিত হইয়া কহিল, “সে তো ঠিক কথা। কিন্তু বিনয়বাবু তো—" {{gap}}ললিতা। ব্রাহ্মসমাজের লোক নন! সেইজন্যে ব্রাহ্মসমাজ তাঁকে দণ্ড<noinclude>{{center|৩৫২}}</noinclude> b9gx36yl9j78paw0xenyaym2sjx5mz2 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬৪ 104 218369 1992284 1960845 2026-07-31T04:54:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992284 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>বাহির হইয়া আসিতেছে। ললিতাকে দেখিয়া বিনয় মুহূর্তের জন্য থমকিয়া দাঁড়াইল— ললিতার সঙ্গে দুই-একটা কথা কহিয়া লইবে কি না সে সম্বন্ধে তাহার মনে একটা বিতর্ক উপস্থিত হইল— কিন্তু আত্মসংবরণ করিয়া ললিতার মুখের দিকে না চাহিয়া তাহাকে নমস্কার করিল ও মাথা হেঁট করিয়াই চলিয়া গেল। {{gap}}ললিতাকে যেন অগ্নিতপ্ত শেলে বিদ্ধ করিল। সে দ্রুতপদে বাড়িতে প্রবেশ করিয়াই একেবারে তাহার ঘরে গেল। তাহার মা তখন টেবিলের উপর একটা লম্বা সরু খাতা খুলিয়া হিসাবে মনোনিবেশ করিবার চেষ্টা করিতেছিলেন। {{gap}}ললিতার মুখ দেখিয়াই বরদাসুন্দরী মনে শঙ্কা গনিলেন। তাড়াতাড়ি হিসাবের খাতাটার মধ্যে একেবারে নিরুদ্দেশ হইয়া যাইবার প্রয়াস পাইলেন— যেন একটা কী অঙ্ক আছে যাহা এখনই মিলাইতে না পারিলে তাঁহার সংসার একেবারে ছারখার হইয়া যাইবে। {{gap}}ললিতা চৌকি টানিয়া টেবিলের কাছে বসিল। তবু বরদাসুন্দরী মুখ তুলিলেন না। ললিতা কহিল, “মা!” {{gap}}বরদাসুন্দরী কহিলেন, “রোস্‌ বাছা, আমি এই—" {{gap}}বলিয়া খাতাটার প্রতি নিতান্ত ঝুঁকিয়া পড়িলেন। {{gap}}ললিতা কহিল, “আমি বেশিক্ষণ তোমাকে বিরক্ত করব না। একটা কথা জানতে চাই। বিনয়বাবু এসেছিলেন?” {{gap}}বরদাসুন্দরী খাতা হইতে মুখ না তুলিয়া কহিলেন, “হাঁ।” {{gap}}ললিতা। তাঁর সঙ্গে তোমার কী কথা হল? {{gap}}“সে অনেক কথা।” {{gap}}ললিতা। আমার সম্বন্ধে কথা হয়েছিল কি না? {{gap}}বরদাসুন্দরী পলায়নের পন্থা না দেখিয়া কলম ফেলিয়া খাতা হইতে মুখ তুলিয়া কহিলেন, “তা বাছা, হয়েছিল। দেখলুম যে ক্রমেই বাড়াবাড়ি হয়ে পড়ছে— সমাজের লোকে চার দিকেই নিন্দে করছে, তাই সাবধান করে<noinclude>{{center|৩৫৪}}</noinclude> ma79iufq017qbgnu32q55imolydjqm2 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭০ 104 218375 1992219 1958129 2026-07-31T04:38:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992219 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Tarunsamanta" /></noinclude>{{gap}}সতীশের পকেটেই সেই লেখাটা ছিল, সুতরাং বিনয়ের আহ্বান সে অগ্রাহ্য করিতে পারিল না। কবিযশঃপ্রার্থী বালক তাহাদের বিদ্যালয়ের আসন্ন পরীক্ষার সময়ে সময় নষ্ট করার অপরাধ স্বীকার করিয়াই বিনয়ের বাসায় গেল। {{gap}}বিনয় যেন তাহাকে কোনোমতেই ছাড়িতে চাহিল না। তাহার লেখা তো শুনিলই— প্রশংসা যাহা করিল তাহাতে সমালোচকের অপ্রমত্ত নিরপেক্ষতা প্রকাশ পাইল না। তাহার উপরে বাজার হইতে জলখাবার কিনিয়া তাহাকে খাওয়াইল। {{gap}}তাহার পরে সতীশকে তাহাদের বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছাইয়া দিয়া অনাবশ্যক ব্যাকুলতার সহিত কহিল, “সতীশবাবু, তবে আসি ভাই!” {{gap}}সতীশ তাহার হাত ধরিয়া টানাটানি করিয়া কহিল, “না, আপনি আমাদের বাড়িতে আসুন।” {{gap}}আজ এ অনুনয়ে কোনো ফল হইল না। {{gap}}স্বপ্নাবিষ্টের মতো চলিতে চলিতে বিনয় আনন্দময়ীর বাড়িতে আসিয়া পৌঁছিল, কিন্তু তাঁহার সঙ্গে দেখা করিতে পারিল না। ছাতের উপরে যে ঘরে গোরা শুইত সেই নির্জন ঘরে প্রবেশ করিল— এই ঘরে তাহাদের বাল্যবন্ধুত্বের কত সুখময় দিন এবং কত সুখময় রাত্রি কাটিয়াছে; কত আনন্দালাপ, কত সংকল্প, কত গভীর বিষয়ের আলোচনা; কত প্রণয়কলহ এবং সে কলহের প্রীতিসুধাপূর্ণ অবসান! সেই তাহার পূর্বজীবনের মধ্যে বিনয় তেমনি করিয়া আপনাকে ভুলিয়া প্রবেশ করিতে চাহিল— কিন্তু মাঝখানের এই কয়দিনের নূতন পরিচয় পথরোধ করিয়া দাঁড়াইল, তাহাকে ঠিক সেই জায়গাটিতে ঢুকিতে দিল না। জীবনের কেন্দ্র যে কখন সরিয়া আসিয়াছে এবং কক্ষপথের যে কখন পরিবর্তন ঘটিয়াছে। তাহা এতদিন বিনয় সুস্পষ্ট করিয়া বুঝিতে পারে নাই— আজ যখন কোনো সন্দেহ রহিল না তখন ভীত হইয়া উঠিল। {{gap}}ছাতে কাপড় শুকাইতে দিয়াছিলেন, অপরাহ্নে রৌদ্র পড়িয়া আসিলে<noinclude>{{center|৩৬০}}</noinclude> 6za79t8mxc7lod2xexgekuxata1hxl5 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭২ 104 218377 1992285 1985654 2026-07-31T04:54:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992285 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}ওইখানেই তো বিনয়ের মস্ত খটকা ছিল। তাহার নিজের ব্যবহারটা অনিন্দনীয় কি না সেইটে সে কোনোমতেই বুঝিয়া উঠিতে পারিতেছিল না। ললিতা যখন ভিন্নসমাজভুক্ত, তাহার সঙ্গে বিবাহ যখন সম্ভবপর নহে, তখন তাহার প্রতি বিনয়ের অনুরাগটাই একটা গোপন পাপের মতো তাহাকে ক্লিষ্ট করিতেছিল এবং এই পাপের নিদারুণ প্রায়শ্চিত্তকাল যে উপস্থিত হইয়াছে এই কথাই স্মরণ করিয়া সে পীড়িত হইতেছিল। {{gap}}বিনয় হঠাৎ বলিয়া উঠিল, “মা, শশিমুখীর সঙ্গে আমার বিবাহের যে প্রস্তাব হয়েছিল সেটা হয়ে চুকে গেলেই ভালো হত। আমার যেখানে ঠিক জায়গা সেইখানেই কোনোমতে আমার বদ্ধ হয়ে থাকা উচিত— এমন হওয়া উচিত যে, কিছুতেই সেখান থেকে আর নড়তে না পারি।” {{gap}}আনন্দময়ী হাসিয়া কহিলেন, “অর্থাৎ, শশিমুখীকে তোর ঘরের বউ না করে তোরা ঘরের শিকল করত চাস— শশীর কী সুখেরই কপাল!” {{gap}}এমন সময় বেহারা আসিয়া খবর দিল, পরেশবাবুর বাড়ির দুই মেয়ে আসিয়াছেন। শুনিয়া বিনয়ের বুকের মধ্যে ধড়াস করিয়া উঠিল। তাহার মনে হইল, বিনয়কে সতর্ক করিয়া দিবার জন্য তাহারা আনন্দময়ীর কাছে নালিশ জানাইতে আসিয়াছে। সে একেবারে দাঁড়াইয়া উঠিয়া কহিল, “আমি যাই মা!” {{gap}}আনন্দময়ী উঠিয়া দাঁড়াইয়া তাহার হাত ধরিয়া কহিলেন, “একেবারে বাড়ি ছেড়ে যাস নে বিনয়! নীচের ঘরে একটু অপেক্ষা কর্‌।” {{gap}}নীচে যাইতে যাইতে বিনয় বার বার বলিতে লাগিল, “এর তো কোনো দরকার ছিল না। যা হয়ে গেছে তা হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তো মরে গেলেও আর সেখানে যেতুম না। অপরাধের শাস্তি আগুনের মতো যখন একবার জ্বলে ওঠে তখন অপরাধী দগ্ধ হয়ে ম’লেও সেই শাস্তির আগুন যেন নিবতেই চায় না।’ {{gap}}একতলায় রাস্তার ধারে গোরার যে ঘর ছিল সেই ঘরে বিনয় যখন প্রবেশ করিতে যাইতেছে এমন সময় মহিম তাঁহার স্ফীত উদরটিকে চাপকানের<noinclude>{{center|৩৬২}}</noinclude> p2r9kv41ufi12r1pycg2czxv62777c1 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭৮ 104 218383 1992286 1985656 2026-07-31T04:54:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992286 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}ললিতার কর্ণমূল লাল হইয়া উঠিল। সে নিজের আঁচলে বাঁধা চাবির গোছা লইয়া নাড়িতে লাগিল। তাঁহার এই নিপীড়িতা কন্যার মুখের দিকে তাকাইয়া পরেশের হৃদয় ব্যথিত হইয়া উঠিল। কিন্তু কোনো সান্ত্বনার বাক্য খুঁজিয়া পাইলেন না। কিছুক্ষণ পরে আস্তে আস্তে ললিতা মুখ তুলিয়া কহিল, “বাবা, তা হলে আমাদের এই ইস্কুলটা কোনোমতেই হতে পারবে না!” {{gap}}পরেশ কহিলেন, “এখন হওয়ার অনেক বাধা দেখতে পাচ্ছি। চেষ্টা করতে গেলেই বিস্তর অপ্রিয় আলোচনাকে জাগিয়ে তোলা হবে।” {{gap}}শেষকালে পানুবাবুরই জিত হইবে এবং অন্যায়ের কাছে নিঃশব্দে হার মানিতে হইবে, ললিতার পক্ষে এমন দুঃখ আর-কিছুই নাই। এ সম্বন্ধে তাহার বাপ ছাড়া আর-কাহারো শাসন সে এক মুহূর্ত বহন করিতে পারিত না। সে কোনো অপ্রিয়তাকে ডরায় না, কিন্তু অন্যায়কে কেমন করিয়া সহ্য করিবে! ধীরে ধীরে পরেশবাবুর কাছ হইতে সে উঠিয়া গেল। {{gap}}নিজের ঘরে গিয়া দেখিল তাহার নামে ডাকে একখানা চিঠি আসিয়াছে। হাতের অক্ষর দেখিয়া বুঝিল তাহার বাল্যবন্ধু শৈলবালার লেখা। সে বিবাহিত, তাহার স্বামীর সঙ্গে বাঁকিপুরে থাকে। চিঠির মধ্যে ছিল— {{gap}}‘তোমাদের সম্বন্ধে নানা কথা শুনিয়া মন বড়ো খারাপ ছিল। অনেক দিন হইতে ভাবিতেছি চিঠি লিখিয়া সংবাদ লইব— সময় হইয়া উঠে নাই। কিন্তু পরশু একজনের কাছ হইতে (তাহার নাম করিব না) যে খবর পাইলাম শুনিয়া যেন মাথায় বজ্রাঘাত হইল। এ যে সম্ভব হইতে পারে তাহা মনেও করিতে পারি না। কিন্তু যিনি লিখিয়াছেন তাঁহাকে অবিশ্বাস করাও শক্ত। কোনো হিন্দু যুবকের সঙ্গে নাকি তোমার বিবাহের সম্ভাবনা ঘটিয়াছে। এ কথা যদি সত্য হয়’ ইত্যাদি ইত্যাদি। {{gap}}ক্রোধে ললিতার সর্বশরীর জ্বলিয়া উঠিল। সে এক মুহূর্ত অপেক্ষা করিতে পারিল না। তখনই সে চিঠির উত্তরে লিখিল— {{gap}}“খবরটা সত্য কিনা ইহা জানিবার জন্য তুমি যে আমাকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা<noinclude>{{center|৩৬৮}}</noinclude> d9rwpt366gl4b72e837fla3xuguhraz পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭৯ 104 218384 1992287 1985657 2026-07-31T04:54:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992287 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>করিয়া পাঠাইয়াছ ইহাই আমার কাছে আশ্চর্য বোধ হইতেছে। ব্রাহ্মসমাজের লোক তোমাকে যে খবর দিয়াছে তাহার সত্যও কি যাচাই করিতে হইবে! এত অবিশ্বাস! তাহার পরে, কোনো হিন্দু যুবকের সঙ্গে আমার বিবাহের সম্ভাবনা ঘটিয়াছে সংবাদ পাইয়া তোমার মাথায় বজ্রাঘাত হইয়াছে, কিন্তু আমি তোমাকে নিশ্চয় বলিতে পারি ব্রাহ্মসমাজে এমন সুবিখ্যাত সাধু যুবক আছেন যাঁহার সঙ্গে বিবাহের আশঙ্কা বজ্রাঘাতের তুল্য নিদারুণ এবং আমি এমন দুই-একটি হিন্দু যুবককে জানি যাঁহাদের সঙ্গে বিবাহ যে কোনো ব্রাহ্মকুমারীর পক্ষে গৌরবের বিষয়। ইহার বেশি আর একটি কথাও আমি তোমাকে বলিতে ইচ্ছা করি না।’ {{gap}}এ দিকে সেদিনকার মতো পরেশবাবুর কাজ বন্ধ হইয়া গেল। তিনি চুপ করিয়া বসিয়া অনেকক্ষণ চিন্তা করিলেন। তাহার পরে ভাবিতে ভাবিতে ধীরে ধীরে সুচরিতার ঘরে গিয়া উপস্থিত হইলেন। পরেশের চিন্তিত মুখ দেখিয়া সুচরিতার হৃদয় ব্যথিত হইয়া উঠিল। কী লইয়া তাঁহার চিন্তা তাহাও সে জানে এবং এই চিন্তা লইয়াই সুচরিতা কয়দিন উদ্‌বিগ্ন হইয়া রহিয়াছে। {{gap}}পরেশবাবু সুচরিতাকে লইয়া নিভৃত ঘরে বসিলেন এবং কহিলেন, “মা, ললিতা সম্বন্ধে ভাবনার সময় উপস্থিত হয়েছে।” {{gap}}সুচরিতা পরেশবাবুর মুখে তাহার করুণাপূর্ণ দৃষ্টি রাখিয়া কহিল, “জানি বাবা!” {{gap}}পরেশবাবু কহিলেন, “আমি সামাজিক নিন্দার কথা ভাবছি নে। আমি ভাবছি— আচ্ছা ললিতা কি—" {{gap}}পরেশের সংকোচ দেখিয়া সুচরিতা আপনিই কথাটাকে স্পষ্ট করিয়া লইতে চেষ্টা করিল। সে কহিল, “ললিতা বরাবর তার মনের কথা আমার কাছে খুলে বলে। কিন্তু কিছুদিন থেকে সে আমার কাছে আর তেমন করে ধরা দেয় না। আমি বেশ বুঝতে পারছি—" {{gap}}পরেশ মাঝখান হইতে কহিলেন, “ললিতার মনে এমন কোনো ভাবের উদয় হয়েছে যেটা সে নিজের কাছেও স্বীকার করতে চাচ্ছে না। আমি<noinclude>{{rh|২৪|৩৬৯|}}</noinclude> 9vlmgyayf6nvvz7ejgn8333d4tk8028 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৮০ 104 218385 1992288 1960859 2026-07-31T04:54:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992288 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>ভেবে পাচ্ছি নে কী করলে ওর ঠিক— তুমি কি বল বিনয়কে আমাদের পরিবারে যাতায়াত করতে দিয়ে ললিতার কোনো অনিষ্ট করা হয়েছে?” {{gap}}সুচরিতা কহিল, “বাবা, তুমি তো জান বিনয়বাবুর মধ্যে কোনো দোষ নেই— তাঁর নির্মল স্বভাব— তাঁর মতো স্বভাবতই ভদ্রলোক খুব অল্পই দেখা যায়।” {{gap}}পরেশবাবু যেন একটা কোন্‌ নূতন তত্ত্ব লাভ করিলেন। তিনি বলিয়া উঠিলেন, “ঠিক কথা বলেছ, রাধে, ঠিক কথা বলেছ। তিনি ভালো লোক কিনা এইটেই দেখবার বিষয়— অন্তর্যামী ঈশ্বরও তাই দেখেন। বিনয় যে ভালো লোক, সেখানে যে আমার ভুল হয় নি, সেজন্যে আমি তাঁকে বার বার প্রণাম করি।” {{gap}}একটা জাল কাটিয়া গেল— পরেশবাবু যেন বাঁচিয়া গেলেন। পরেশবাবু তাঁহার দেবতার কাছে অন্যায় করেন নাই। ঈশ্বর যে তুলাদণ্ডে মানুষকে ওজন করেন সেই নিত্যধর্মের তুলাকেই তিনি মানিয়াছেন— তাহার মধ্যে তিনি নিজের সমাজের তৈরি কোনো কৃত্রিম বাটখারা মিশান নাই বলিয়া তাঁহার মনে আর কোনো গ্লানি রহিল না। এই অত্যন্ত সহজ কথাটা এতক্ষণ তিনি না বুঝিয়া কেন এমন পীড়া অনুভব করিতেছিলেন বলিয়া তাঁহার আশ্চর্য বোধ হইল। সুচরিতার মাথায় হাত রাখিয়া বলিলেন, “তোমার কাছে আমার আজ একটা শিক্ষা হল মা!” {{gap}}সুচরিতা তৎক্ষণাৎ তাঁহার পায়ের ধুলা লইয়া কহিল, “না না, কী বল বাবা!” {{gap}}পরেশবাবু কহিলেন, “সম্প্রদায় এমন জিনিস যে, মানুষ যে মানুষ, এই সকলের চেয়ে সহজ কথাটাই সে একেবারে ভুলিয়ে দেয়— মানুষ ব্রাহ্ম কি হিন্দু এই সমাজ-গড়া কথাটাকেই বিশ্বসত্যের চেয়ে বড়ো করে তুলে একটা পাক তৈরি করে— এতক্ষণ মিথ্যা তাতে ঘুরে মরছিলুম।” {{gap}}একটু চুপ করিয়া থাকিয়া পরেশ কহিলেন, “ললিতা তার মেয়ে-ইস্কুলের সংকল্প কিছুতেই ছাড়তে পারছে না। সে এ সম্বন্ধে বিনয়ের সাহায্য নেবার<noinclude>{{center|৩৭০}}</noinclude> e9is4f1qnqq7zcvt6yr1nf6zfp22zl2 পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৮৫ 104 218390 1992289 1960864 2026-07-31T04:54:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992289 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>বিবাহকে আমি কিছুমাত্র অসম্ভব বা অন্যায় বলে মনে করি নে।” {{gap}}হারান বলিয়া উঠিলেন, “কিন্তু তিনি কি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করবেন স্থির হয়েছে?” {{gap}}ললিতা কহিল, “কিছুই স্থির হয় নি— আর দীক্ষা গ্রহণ করতেই হবে এমনই বা কী কথা আছে!” {{gap}}বরদাসুন্দরী এতক্ষণ কোনো কথা বলেন নাই— তাঁর মনে মনে ইচ্ছা ছিল আজ যেন হারানবাবুর জিত হয় এবং নিজের অপরাধ স্বীকার করিয়া পরেশবাবুকে অনুতাপ করিতে হয়। তিনি আর থাকিতে পারিলেন না; বলিয়া উঠিলেন, “ললিতা, তুই পাগল হয়েছিস না কি! বলছিস কী!” {{gap}}ললিতা কহিল, “না মা, পাগলের কথা নয়— যা বলছি বিবেচনা করেই বলছি। আমাকে যে এমন করে চার দিক থেকে বাঁধতে আসবে, সে আমি সহ্য করতে পারব না— আমি হারানবাবুদের এই সমাজের থেকে মুক্ত হব।” {{gap}}হারান কহিলেন, “উচ্ছৃঙ্খলতাকে তুমি মুক্তি বল!” {{gap}}ললিতা কহিল, “না, নীচতার আক্রমণ থেকে, অসত্যের দাসত্ব থেকে মুক্তিকেই আমি মুক্তি বলি। যেখানে আমি কোনো অন্যায়, কোনো অধর্ম দেখছি নে সেখানে ব্রাহ্মসমাজ আমাকে কেন স্পর্শ করবে, কেন বাধা দেবে?” {{gap}}হারান স্পর্ধা প্রকাশপূর্বক কহিলেন, “পরেশবাবু, এই দেখুন। আমি জানতুম শেষকালে এইরকম একটি কাণ্ড ঘটবে। আমি যতটা পেরেছি আপনাদের সাবধান করবার চেষ্টা করেছি— কোনো ফল হয় নি।” {{gap}}ললিতা কহিল, “দেখুন পানুবাবু, আপনাকেও সাবধান করে দেবার একটা বিষয় আছে— আপনার চেয়ে যাঁরা সকল বিষয়েই বড়ো তাঁদের সাবধান করে দেবার অহংকার আপনি মনে রাখবেন না।” {{gap}}এই কথা বলিয়াই ললিতা ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল। {{gap}}বরদাসুন্দরী কহিলেন, “এ-সব কী কাণ্ড হচ্ছে! এখন কী করতে হবে, পরামর্শ করো।” {{gap}}পরেশবাবু কহিলেন, “যা কর্তব্য তাই পালন করতে হবে, কিন্তু<noinclude>{{center|৩৭৫}}</noinclude> cdnt7nx6s7r4wtzbqkpywsirb1wvark পাতা:গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৯৪ 104 218399 1992290 1985659 2026-07-31T04:54:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992290 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" /></noinclude>{{gap}}আনন্দময়ীর চিঠি পড়া হইলে বিনয় কহিল, “আজ সকালে পানুবাবু আমার বাসায় এসেছিলেন— তিনি আমাকে খুব ভর্ৎসনা করে গেলেন।” {{gap}}আনন্দময়ী জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেন?” {{gap}}বিনয় কহিল, “তিনি বলেন, আমার আচরণে তাঁদের সমাজে পরেশবাবুর মেয়েদের সম্বন্ধে নিন্দার কারণ ঘটেছে।” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “লোকে বলছে ললিতার সঙ্গে তোর বিবাহ স্থির হয়ে গেছে, এতে আমি তো নিন্দার কোনো বিষয় দেখছি নে।” {{gap}}বিনয় কহিল, “বিবাহ হবার জো থাকলে নিন্দার কোনো বিষয় থাকত না। কিন্তু যেখানে তার কোনো সম্ভাবনা নেই সেখানে এরকম গুজব রটানো কত বড়ো অন্যায়! বিশেষত ললিতার সম্বন্ধে এরকম রটনা করা অত্যন্ত কাপুরুষতা।” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “তোর যদি কিছুমাত্র পৌরুষ থাকে বিনু, তা হলে এই কাপুরুষতার হাত থেকে তুই অনায়াসেই ললিতাকে রক্ষা করতে পারিস।” {{gap}}বিনয় বিস্মিত হইয়া কহিল, “কেমন করে মা?” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “কেমন করে কী! ললিতাকে বিয়ে করে!” {{gap}}বিনয় কহিল, “কী বল মা! তোমার বিনয়কে তুমি কী যে মনে কর তা তো বুঝতে পারি নে। তুমি ভাবছ বিনয় যদি একবার কেবল বলে যে “আমি বিয়ে করব’ তা হলে জগতে তার উপরে আর কোনো কথাই উঠতে পারে না; কেবল আমার ইশারার অপেক্ষাতেই সমস্ত তাকিয়ে বসে আছে।” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “তোর তো অতশত কথা ভাববার দরকার দেখি নে। তোর তরফ থেকে তুই যেটুকু করতে পারিস সেইটুকু করলেই চুকে গেল। তুই বলতে পারিস “আমি বিবাহ করতে প্রস্তুত আছি'।” {{gap}}বিনয় কহিল, “আমি এমন অসংগত কথা বললে সেটা ললিতার পক্ষে কি অপমানকর হবে না?” {{gap}}আনন্দময়ী কহিলেন, “অসংগত কেন বলছিস? তোদের বিবাহের গুজব যখন উঠে পড়েছে তখন নিশ্চয়ই সেটা সংগত বলেই উঠেছে। আমি<noinclude>{{center|৩৮৪}}</noinclude> 8cm71cxc61a8r6b91x41e7woe2kyfdv পাতা:বাংলাভাষা পরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৮ 104 224266 1992107 1986301 2026-07-31T04:21:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992107 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="রূপক পাল" />{{rh||বাংলাভাষা-পরিচয়}}</noinclude>{{gap}}ঘটিয়েছে। মনে করিয়ে দেওয়া ভালো, দক্ষিণবঙ্গের কথ্য বাংলার কথা বলছি। এই ভাষায় ‘করিলাম’ যদি ‘করলেম’ হয়ে থাকে সে তার স্বরবর্ণের প্রবৃত্তিবশত। এই কারণেই ‘হইয়া’ হয়েছে ‘হয়ে'। {{gap}} বাংলায় উ স্বরবর্ণও খুব চঞ্চল। ইকার টেনে আনে এ স্বরকে, আর ও স্বরকে টানে উকার: পট+উ আ=পোটাে। মাঝের উ ডাইনে বাঁয়ে দিলে স্বর বদলিয়ে। শব্দের আদ্যক্ষরে যদি থাকে ‘আ তা হলে এই সব্যসাচী বাঁ দিকে লাগায় এ, ডান দিকে ও। ‘মাঠ’ শব্দে উআ প্রত্যয় যোগে ‘মাঠুআ’, হ’য়ে গেল ‘মেঠো”; ‘কাঠুআ’ থেকে ‘কেঠো’। উকারের আত্মবিসর্জনের যেমন দৃষ্টান্ত দেখলুম, তার আত্মপ্রতিষ্ঠারও দৃষ্টান্ত আছে, যেমন: কুড়াল=কুড়ুল, উনান=উনুন। কোথাও বা আদ্যক্ষরের উকার পরবর্তী আকারকে ও ক’রে দিয়ে নিজে খাঁটি থাকে, যেমন: জুতা=জুতো, গুড়া= গুড়ো, পূজা=পুজো, সুতা=সুতো, ছুতার=ছুতোর, কুমার= কুমোর, উজাড়=উজোড়। উকারের পরবর্তী অকারকে অনেক স্থলেই উকার করে দেওয়া হয়, যেমন: পুতল=পুতুল, পুখের=পুখুর, হুকম=হুকুম, উপড়=উপুড়। {{gap}} একটা কথা বলে রাখি, ইকারের সঙ্গে উকারের একটা যোগ-সাজোস আছে। তিন অক্ষরের কোনো শব্দের তৃতীয় বর্ণে যদি ই থাকে তা হলে সে মধ্যবর্ণের আ’কে তাড়িয়ে সেখানে বিনা বিচারে উ’এর আসন করে দেয়। কিন্তু প্রথমবর্ণে উ কিংবা ই থাকা চাই, যেমন: উড়ানি=উড়ুনি, নিড়ানি=নিড়ুনি, পিটানি=পিটুনি। কিন্তু “পেটানি’র বেলায় খাটে না; কারণ ওটা একার, ইকার নয়। ‘মাতানি’র বেলায়ও এইরুপ। ‘খাটুনি’ হয়, যেহেতু ট’এ আকারের সংস্রব নেই। গাঁথুনি মাতুনি রাঁধুনি’রও উকার এসেছে অকারকে সরিয়ে দিয়ে। সেই নিয়মে: এখুনি চিরুনি। ‘চালানি’ শব্দে আকারকে মেরে উকার দখল পেলে না, কিন্তু ‘চালনি’ শব্দে অকারকে ঠেলে ফেলে অনায়াসে হল ‘চালুনি’।<noinclude>{{rh||৬৫}}</noinclude> 50jzf0q6n5f2dc92uwt25j7jqqq97pd পাতা:বাংলাভাষা পরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭০ 104 224268 1992108 1986303 2026-07-31T04:21:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992108 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MINHAZ UDDIN SAYEED" />{{center|বাংলাভাষা-পরিচয়}}</noinclude>{{gap}}এই সব দৃষ্টান্ত থেকে বুঝতে পারি, অন্তত পশ্চিম ও দক্ষিণ বঙ্গের রসনার টান আছে উকারের দিকে। ‘হাতড়ি’ শব্দ তাই সহজেই হয়েছে ‘হাতুড়ি’। তা ছাড়া দেখো: বাছুর তেতু্‌ল বামুন মিশুক হিংসুক বিষ্যুৎবার।<ref>হিন্দিতে ‘হাতুড়ি’ শব্দের প্রতিশব্দ স্ত্রীলিঙ্গে ‘হতৌড়ি'। বিহারীতে স্ত্রীলিঙ্গে ‘হতউরি’। ঔড়া এবং উরা প্রতায় থেকে উকারের প্রবেশ স্বাভাবিক। হিন্দিতেও হ্রস্ব ওকারকে উকারের মতো বলবার ও লেখবার প্রবৃত্তি আছে: বোলবানা=বূলবানা, ফোড়বানা=ফুড়বানা, গোবর+ঐলা=গূবরৈলা।</ref> {{gap}}এই প্রসঙ্গে আর-একটা দৃষ্টান্ত দেবার আছে। ‘চিবোতে’ ‘ঘুমোতে’ শব্দের স্থলে আজকাল ‘চিবুতে’, ‘ঘুমুতে’ উচ্চারণ ও বানান চলেছে। আজকাল বলছি এইজন্যে যে, আমার নিজের কাছে এই উচ্চারণ ছিল অপরিচিত ও অব্যবহৃত। ‘চিবোতে’ ‘ঘুমোতে’ শব্দের মূলরূপ: চিবাইতে ঘুমাইতে। আ+ই’কে ঠেলে ফেলে নিঃসম্পর্কীয় উ এসে বসল। অবশ্য এর অন্য নজির আছে। বিনানি=বিনুনি, ঝিমানি=ঝিমুনি, পিটানি=পিটুনি শব্দে দেখা যাচ্ছে প্রথম বর্ণের ইকার তার সবর্ণ তৃতীয় বর্ণের ’পরে হস্তক্ষেপ করলে না, অথচ মধ্যবর্ণের আ’কে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় বসিয়ে দিলে উ। মনে রাখতে হবে, প্রথম বর্ণের ইকার তার এই বন্ধু উ’কে নিমন্ত্রণের জন্যে দায়ী। গোড়ায় যেখানে ই’কারের ইঙ্গিত নেই সেখানে উ পথ পায় না ঢুকতে। পবেই তার দৃষ্টান্ত দিয়েছি। “ঠ্যাঙানি হয় না ঠেঙুনি’, ‘ঠকানি হয় না ঠকুনি’, ‘বাঁকানি হয় না ‘বাঁকুনি’। ‘চিবুতে’ ‘ঘুমুতে’ উচ্চারণ আমার কানে ঠিক ব’লে ঠেকে না, সে যে নিতান্ত কেবল অভ্যাসের জন্যে তা আমি মানতে পারি নে। বাংলা ভাষায় এ উচ্চারণ অনিবার্য নয়। আমার বিশ্বাস ‘চিনাইতে’ শব্দকে কেউ ‘চিনুতে’ বলে না, অন্তত আমার তাই ধারণা। ‘দুলাইতে’ কেউ কি ‘দুলুতে’, কিংবা ‘ছুটাইতে’ ‘ছুটুতে’ বলে? “বুঝাইতে’ বলতে ‘বুঝুতে’ কেউ বলে কি না নিশ্চিত জানি<noinclude>{{rh||৬৭}}</noinclude> ttdjbs1vl4ruevwsqmdpvh77f5i3cjy পাতা:বাংলাভাষা পরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৪ 104 224272 1992109 1986306 2026-07-31T04:21:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992109 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MINHAZ UDDIN SAYEED" />{{center|বাংলাভাষা-পরিচয়}}</noinclude>Paris শব্দকে বাংলায় লিখি ‘প্যারিস,' সংস্কৃত বানানের নিয়ম অনুসারে এর উচ্চারণ হওয়া উচিত ছিল ‘পিয়ারিস’। একদা ‘ন্যায়’ শব্দটাকে বাংলায় ‘নেয়ায়’ লেখা হয়েছে দেখেছি। {{gap}}অথচ ‘ন্যায়’ শব্দকে বানানের ছলনায় আমরা তৎসম শব্দ বলে চালাই। ‘যম’কেও আমরা ভয়ে ভয়ে বলে থাকি বিশুদ্ধ সংস্কৃত শব্দ, অথচ রসনায় ওটা হয়ে দাঁড়ায় তদ্ভব বাংলা। {{gap}}সংস্কৃত শব্দের একার বাংলায় অনেক স্থলেই স্বভাব পরিবতন করেছে, যেমন ‘খেলা’, যেমন ‘এক'। জেলাভেদে এই ‘এ’কারের উচ্চারণ একেবারে বিপরীত হয়। তেল মেঘ পেট লেজ— শব্দে তার প্রমাণ আছে। {{gap}}পূর্বেই দেখিয়েছি আ এবং বাংলা অ স্বরবর্ণ সম্বন্ধে ইকার এবং উকারের ব্যবহার আধুনিক খবরের কাগজের ভাষায় যাকে বলে চাঞ্চল্যজনক, অর্থাৎ এরা সর্বদা অপঘাত ঘটিয়ে থাকে। কিন্তু এদের অনুগত একারের প্রতি এরা সদয়। ‘এক’ কিংবা ‘একটা’ শব্দের এ গেছে বেঁকে, কিন্তু উ তাকে রক্ষা করেছে ‘একুশ’ শব্দে। রক্ষা করবার শক্তি আকারের নেই, তার প্রমাণ ‘এগারো’ শব্দে। আমরা দেখিয়েছি ন’এর পূর্বে অ হয়ে যায় ও, যেমন ‘ধন’ ‘মন’ শব্দে। ঐ ন একারের বিকৃতি ঘটায়: ফেন সেন কেন যেন। ইকারের পক্ষপাত আছে একারের প্রতি, তার প্রমাণ দিতে পারি। ‘লিখন’ থেকে হয়েছে ‘লেখা’—বিশুদ্ধ এ— ‘গিলন’ থেকে ‘গেলা’। অথচ ‘দেখন’ থেকে ‘দ্যাখা’ ‘বেচন’ থেকে ‘ব্যাচা,’ ‘হেলন’ থেকে ‘হ্যালা’। অসমাপিকা ক্রিয়ার মধ্যে এদের বিশেষ রূপেগ্রহণের মূলে পাওয়া যায়, যেমন: লিখিয়া=লেখা (পূর্ববঙ্গে ‘ল্যাখা’), গিলিয়া=গেলা। কিন্তু: খেলিয়া=খ্যালা, বেচিয়া=ব্যাচা। মিলন অর্থে আর-একটা শব্দ আছে মেলন, তার থেকে হয়েছে ‘ম্যালা,’ আর ‘মিলন’ থেকে হয়েছে ‘মেলা’ (মিলিত হওয়া)। {{gap}}য ফলায় আকার না থাকলেও বাংলায় তার উচ্চারণ অ্যাকার,<noinclude>{{rh||৭১}}</noinclude> p9cjobjd2s7avb8xi25pixk2o1cdm69 পাতা:বাংলাভাষা পরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৪ 104 224299 1992110 1986311 2026-07-31T04:21:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992110 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahin493" />{{center|বাংলাভাষা-পরিচয়}}</noinclude>{{gap}}‘যেই’ শব্দের একটি প্রয়োগ আছে, তাতে ‘মুহূর্তে’ বা ‘ক্ষণে’ উহ্য থাকে, যথা: যেই এল অমনি চলে গেল, যেই দেখা সেই আর মুখে কথা নেই। এখানে ‘যেই আর সেই’ শব্দের পিছনে ঊহ্য আছে ‘ক্ষণে’। অন্যত্র ‘যেই’ বা ‘সেই’ শব্দের প্রয়োগে ঊহ্য থাকে ‘মানুষ’, যেমন: যেই আসকে সেই মার খাবে। ‘যাই’ শব্দের সঙ্গে ঊহ্য থাকে দুটি বিশেষণের দ্বন্দ্ব, যেমন: সে যাই বলুক। অর্থাৎ, এটাই বলুক বা ওটাই বলুক, ভালোই বলুক বা মন্দই বলুক। আর-এক প্রকার প্রয়োগ আছে ‘যেই কথা সেই কাজ’, অথাৎ কাজে কথায় প্রভেদ নেই— এখানে ই প্রত্যয় নিশ্চয়ষতা অথে ঝোঁক দেবার জন্যে। {{gap}}‘যে’ অসম্পূর্ণার্থক সর্বনাম বিশেষণ, মানবার্থে তার পূরণ হয় ‘ও’ এবং ‘সে’ দিয়ে। অন্য জীব বা বস্তুর সম্বন্ধে যখন তার প্রয়োগ হয় তখন সেই বস্তু বা জীবের নাম তার সঙ্গে জুড়তে হয়, যেমন: যে পুকুর, যে ঘটি, যে বেড়াল। নির্বস্তুক শব্দেও সেই নিয়ম, যেমন: যে স্নেহ শিশুর অনিষ্ট করে সে স্নেহ নিষ্ঠুরতা। {{gap}}কখনো কখনো বাক্যকে অসম্পূর্ণ রেখে ‘যে’ শব্দের ব্যবহার হয়, যেমন: যে তোমার বৃদ্ধি। বাকিটুকু ঊহ্য আছে বলেই এর দংশনের জোর বেশি। বাংলা ভাষায় এইরকম খোঁচা-দেওয়া বাঁকা ভঙ্গীর আরও অনেক দৃষ্টান্ত পরে পাওয়া যাবে। {{gap}}মানুষ ছাড়া আর কিছুকে কিংবা সমুহকে বোঝাতে গেলে ‘যে’ ছেড়ে ‘যা’ ধরতে হবে, যেমন: যা নেই ভারতে (মহাভারতে) তা নেই ভারতে। কিন্তু ‘যারা’ শব্দ ‘যা’ শব্দের বহুবচন নয়, ‘যে’ শব্দেরই বহুবচন, তাই ওর প্রয়োগ মানবার্থে। ‘তা’ বোঝায় অচেতনকে, কিন্তু ‘তারা’ বোঝায় মানুষকে। ‘সে’ শব্দের বহুবচন ‘তারা’। {{gap}}শব্দকে দুনো করে দেবার যে ব্যবহার বাংলায় আছে, ‘কে’ এবং ‘যে’ সর্বনাম শব্দে তার দৃষ্টান্ত দেখানো যাক: কে কে এল, যে যে এসেছে। এর পূরণার্থে ‘সে সে লোক’ না বলে বলা হয় ‘তারা’ কিংবা ‘সেই সেই লোক’। ‘যেই যেই লোক’ এর ব্যবহার নেই। সম্বন্ধপদে<noinclude>{{rh||৯১}}</noinclude> sze40beodfblfonebgqknfil3q5vq6h পাতা:বাংলাভাষা পরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৯ 104 224329 1992111 1967257 2026-07-31T04:21:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992111 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{center|বাংলাভাষা-পরিচয়}}</noinclude>এই থাকার ভাবকে আশ্রয় করে। করেছে করছে করেছিল করছিল—শব্দগুলো ‘আছি’ ক্রিয়াপদকে ভিত্তি ক’রে স্থিতির অর্থকেই মুখ্য করেছে। সংস্কৃত ভাষায় এটা নেই, গৌড়ীয় ভাষায় আছে। হিন্দিতে বলে ‘চলা থা’, চলেছিল। কাজটা যদিও চলা, তব, থা শব্দে বলা হচ্ছে, চলার অবস্থাতে স্থিতি করেছিল। গতিটা যেন স্থিতির উপরেই প্রতিষ্ঠিত। {{gap}}যে কাজকে নির্দেশ করা হচ্ছে প্রধানত সেই কাজের মূল ধাতুকে দিয়েই ক্রিয়াপদের গড়ন। ‘খা’ ধাতুতে খাওয়া বোঝায়, খাওয়া কাজের সমস্ত ক্রিয়ার‍ূপ এই ধাতুর যোগেই তৈরি। কিন্তু বাংলা ভাষায় অনেক স্থলে কার্যটা ক্রিয়ার রূপ ধরে নি। ক্ষুধা পাওয়া, তৃষ্ণা পাওয়া, প্রতি দিনের ঘটনা; অথচ বাংলায় সেটা ক্রিয়ারূপ নেয় নি, বিশেষ্যের সঙ্গে জোড়া লাগিয়ে বলতে হয়: ক্ষুধা পেল, তৃষ্ণা পেল। হওয়া উচিত ছিল ‘ক্ষধিল’ ‘তৃষিল’, কাব্যে এইরকম ক্রিয়ারূপের কোনো বাধা নেই। কিন্তু গদ্যবাংলায় ক্রিয়াপদকে অনেক স্থলে গোটা বিশেষ্যপদের ভার বয়ে বেড়াতে হয়। {{gap}}বাংলায় দুটো ক্রিয়াপদ জুড়ে ক্রিয়াবিশেষণ গড়ার একটা রীতি আছে। তাতে যে ইঙ্গিতের ভাষা তৈরি হয়েছে তার ভাবপ্রকাশের শক্তি অসাধারণ। সামান্য এই কথাটা ‘রয়ে বসে কাজ করা’ যা বলে তা কোনো বাঁধা সংস্কৃত শব্দে বলাই যায় না। ‘উঠেপ’ড়ে’ ‘উঠেহেঁটে’ কিংবা ‘নেচেকুঁদে’ বেড়ানোতে যে ফুর্তি প্রকাশ পায় সেটার ঠিক উপযুক্ত শব্দ অভিধানে খুঁজে পাওয়া যায় না। এদের স্বজাতীয় শব্দ: তেড়েফুঁড়ে কেটেছঁটে বেঁচেবর্তে রয়েসয়ে হেসেখেলে। এমন আরও বিস্তর আছে। অনেক স্থলে ঐ জোড়া শব্দের দুটিতে অর্থের সাম্য থাকে না। বস্তুত ওগুলো শব্দযোজনার একরকম খেপামি। ‘বেয়েছেয়ে দেখা’য় যা বলা হচ্ছে তার সঙ্গে বাওয়া এবং ছাওয়ার কোনো সম্পর্কই নেই। যখন বলি ‘নেড়েচেড়ে দেখতে হবে’ তখন ‘নেড়ে’ শব্দের সহচরটিকে ব্যবহার করা হয় অর্থহীন বাটখারার<noinclude>{{center|১০৬}}</noinclude> el39ekbloznxmg2ul9k8m8zc3grr75y পাতা:বাংলাভাষা পরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১১৭ 104 224345 1992112 1967265 2026-07-31T04:21:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992112 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{center|বাংলাভাষা-পরিচয়}}</noinclude>‘এবং’ মধ্যস্থতা করবার অধিকার রাখে না। তিনি হচ্ছেন পাকা জোচ্চোর, এবং তিনি নোট জাল করেন: ইংরেজিতে চলে, বাংলায় চলে না। {{gap}}‘সে দরিদ্র এবং সে মূর্খ’ এ চলে, ‘সে চরকা কাটে. এবং ধান ভেনে খায়’ এও চলে। কারণ প্রথম বাক্যের দুই অংশই অস্তিত্ববাচক, শেষ বাক্যের দুই অংশই কর্তৃত্ববাচক। কিন্তু ‘সে দরিদ্র এবং সে ধান ভেনে খায়’ এ ভালো বাংলা নয়। আমরা বলি: সে দরিদ্র, ধান ভেনে খায়। ইংরেজিতে অনায়াসে বলা চলে: She is poor and lives by husking rice. {{gap}}প্রয়োগবিশেষে ‘যে’ সর্বনামশব্দ ধরে অব্যয়র‍ূপ, যেমন: হরি যে গেল না। ‘যে’ শব্দ ‘গেল না’ ব্যাপারটা নির্দিষ্ট করে দিল। তিনি বললেন যে, আজই তাঁকে যেতে হবে: ‘তাঁকে যেতে হবে’ বাক্যটাকে ‘যে’ শব্দ যেন ঘের দিয়ে স্বতন্ত্র করে দিলে। শুধু উক্তি নয় ঘটনাবিশেষকেও নির্দিষ্ট করা তার কাজ, যেমন: মধু যে রোজ বিকেলে বেড়াতে যায় আমি জানতুম না। মধু বিকেলে বেড়াতে যায়, এই ব্যাপারটা ‘যে’ শব্দের দ্বারা চিহ্নিত হল। {{gap}}আর-একটা অব্যয় শব্দ আছে ‘ই’। ‘ও’ শব্দটা মিলন জানায়, ‘ই’ শব্দ জানায় স্বাতন্ত্র্য। ‘তুমিও যাবে’, অর্থাৎ মিলিত হয়ে যাবে। ‘তুমিই যাবে’, অর্থাৎ একলা যাবে। ‘সে যাবেই ঠিক করেছে’, অর্থাৎ তার যাওয়াটাই একান্ত। ‘ও’ দেয় জুড়ে ‘ই’ ছিঁড়ে আনে। {{gap}}বক্রোক্তির কাজেও ‘ই’কে লাগানো হয়েছে: কী কাণ্ডই করলে, কী বাঁদরামিই শিখেছ। ‘কী শোভাই হয়েছে’ ভালোভাবে বলা চলে, কিন্তু মন্দভাবে বলা আরও চলে। এর সঙ্গে ‘টা’ জুড়ে দিলে তীক্ষ্ণতা আরও বাড়ে, যেমন: কী ঠকানটাই ঠকিয়েছে। আমরা সোজা ভাষায় প্রশংসা করে থাকি: কী চমৎকার, কী সুন্দর। ওর সঙ্গে একটু-আধটু ভঙ্গিমা জুড়ে দিলেই হয়ে দাঁড়ায় বিদ্রূপ। {{gap}}‘তা’ শব্দটা কোথাও সর্বনাম কোথাও অব্যয়। তুমি যে না বলে<noinclude>{{center|১১৪}}</noinclude> lzxlb5stq1fqvm4utqe27mkuw3rf7np পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/১৪৫ 104 229682 1991985 1981228 2026-07-31T04:12:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991985 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{right|'''মালিনী'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> চল মােরা যাই সেথা দোঁহে এক সনে,— যেমন সে বাল্যকালে—সে কি পড়ে মনে- কত দিন সারারাত্রি তর্ক করি’, শেষে প্রভাতে যেতেম দোঁহে গুরুর উদ্দেশে কে সত্য কে মিথ্যা তাহা করিতে নির্ণয়। তেমনি প্রভাত হােক! সকল সংশয় আজিকে লইয়া চলি অসংশয় ধামে, দাঁড়াই মৃত্যুর পাশে দক্ষিণে ও বামে দুই সখা, ল’য়ে দুজনের প্রশ্ন যত। সেথায় প্রত্যক্ষ সত্য উজ্জ্বল উন্নত;— মূহূর্ত্তে পর্ব্বতপ্রায় বিচার বিরােধ বাষ্পসম কোথা যা’বে! দুইটি অবােধ আনন্দে হাসিব চাহি দোঁহে দোঁহাকারে। সব চেয়ে বড় আজি মনে কর যারে তাহারে রাখিয়া দেখ মৃত্যুর সম্মুখে। {{C|সুপ্রিয়}} বন্ধু, তাই হােক। {{C|ক্ষেমঙ্কর}} {{gap}}{{gap}}{{gap}}এস তবে, এস বুকে। বহুদূরে গিয়েছিলে এস কাছে তবে যেথায় অনন্তকাল বিচ্ছেদ না হ’বে।</poem><noinclude>{{center|১৩১}} {{block center/e}}</noinclude> 19nxqudbsmuq89p69u0ocay8anjle27 পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/২১৩ 104 230232 1991987 1981266 2026-07-31T04:12:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991987 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{right|'''সতী'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> ক্ষুধিত চিতাগ্নিরূপে উঠেছে জাগিয়া; আজি রাত্রে সে রাত্রির অসমাপ্ত ক্রিয়া হবে সমাপন। {{C|বিনায়ক}} {{gap}}{{gap}}যাও বৎসে, যাও ফিরে তব পুত্র কাছে, তব শােকতপ্ত নীড়ে। দারুণ কর্ত্তব্য মাের নিঃশেষ করিয়া করেছি পালন,—যাও তুমি।—অয়ি প্রিয়া বৃথা করিতেছ ক্ষোভ। যে নব শাখারে আমাদের বৃক্ষ হ’তে কঠিন কুঠারে ছিন্ন করি নিয়ে গেল বনান্তর ছায়ে, সেথা যদি বিশীর্ণা সে মরিত শুকায়ে অগ্নিতে দিতাম তা’রে; সে যে ফলেফুলে নব প্রাণে বিকশিত, নব নব মূলে নূতন মৃত্তিকা ছেয়ে। সেথা তা’র প্রীতি, সেথাকার ধর্ম্ম তা’র, সেথাকার রীতি। অন্তরের যােগসূত্র ছিঁড়েছে যখন তােমার নিয়মপাশ নির্জ্জীব বন্ধন ধর্ম্মে বাঁধিছে না তা’রে, বাঁধিতেছে বলে। ছেড়ে দাও, ছেড়ে দাও!–যাও বৎসে চলে’,</poem><noinclude>{{center|১৯৯}} {{block center/e}}</noinclude> e8qvzprhvzaoe4hv1p0s1o40ie82dar পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/২২৭ 104 230354 1991988 1959999 2026-07-31T04:12:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991988 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{right|'''নরক-বাস'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> পারি না করিতে যাহা ক্ষত্রিয়-তনয়- কহিলাম স্পর্শি তব পাদপদ্মদ্বয়। শুনিয়া কহিনু মৃদু হাসি’,—হে রাজন শুন তবে। আমি করি যজ্ঞ-আয়ােজন, তুমি হােম কর দিয়ে আপন সন্তান। তারি মেদ-গন্ধ-ধূম করিয়া আঘ্রাণ মহিষীরা হইবেন শত পুত্রবতী- কহিনু নিশ্চয়।—শুনি নীরব নৃপতি রহিলেন নত শিরে। সভাস্থ সকলে উঠিল ধিক্কার দিয়া উচ্চ কোলাহলে। কর্ণে হস্ত রুধি কহে যত বিপ্রগণ ধিক্ পাপ এ প্রস্তাব।—নৃপতি তখন কহিলেন ধীরস্বরে—তাই হবে প্রভু, ক্ষত্রিয়ের পণ মিথ্যা হইবে না কভু। তখন নীরব আর্ত্ত বিলাপে চৌদিক কাঁদি উঠে,—প্রজাগণ করে ধিক্ ধিক্‌, বিদ্রোহ জাগাতে চায় যত সৈন্যদল ঘৃণাভরে। নৃপ শুধু রহিলা অটল। জ্বলিল যজ্ঞের বহ্নি। যজন সময়ে কেহ নাই,কে আনিবে রাজার তনয়ে অন্তঃপুর হ’তে বহি। রাজভৃত্য সবে আজ্ঞা মানিল না কেহ। রহিল নীরবে</poem><noinclude>{{center|২১৩}} {{block center/e}}</noinclude> ffr98t00yow1ppcgtjy9hyo8bivbd3y পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/২২৮ 104 230363 1991989 1985491 2026-07-31T04:12:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991989 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{left|'''নাট্য-কবিতা'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> মন্ত্রীগণ। দ্বাররক্ষী মুছে চক্ষুজল, অস্ত্র ফেলি চলি গেল যত সৈন্যদল। আমি ছিন্নমােহপাশ, সর্ব্বশাস্ত্র-জ্ঞানী, হৃদয়-বন্ধন সব মিথ্যা বলে’ মানি,— প্রবেশিনু অন্তঃপুরমাঝে। মাতৃগণ শত-শাখা-অন্তরালে ফুলের মতন রেখেছেন অতিযত্নে বালকেরে ঘেরি কাতর উৎকণ্ঠাভরে। শিশু মােরে হেরি হাসিতে লাগিল উচ্চে দুই বাহু তুলি;— জানাইল অৰ্ধস্ফুট কাকলী আকুলি’— মাতৃব্যুহ ভেদ করে’ নিয়ে যাও মােরে। বহুক্ষণ বন্দী থাকি খেলাবার তরে ব্যগ্র তা’র শিশুহিয়া। কহিলাম হাসি মুক্তি দিব এ নিবিড় স্নেহবন্ধ নাশি’, আয় মোর সাথে। এত বলি বল করি মাতৃগণ-অঙ্ক হ’তে লইলাম হরি’ সহাস্য শিশুরে। পায়ে পড়ি দেবীগণ পথ রুধি আর্ত্তকণ্ঠে করিল ক্রন্দন- আমি চলে’ এনু বেগে। বহ্নি উঠে জ্বলি- দাঁড়ায়ে রয়েছে রাজা পাষাণপুত্তলি। কম্পিত প্রদীপ্ত শিখা হেরি হর্ষ ভরে কলহাস্যে নৃত্য করি’ প্রসারিত করে</poem><noinclude>{{center|২১৪}} {{block center/e}}</noinclude> 6qt7y1s13n0r8lj12gxuoqkb4k4fd5l পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৩২২ 104 231167 1991990 1985525 2026-07-31T04:12:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991990 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{left|'''নাট্য-কবিতা'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> আমার যা তুমি নিয়ে যাবে ঘরে তা’র তরে দয়া আমায় কে করে? {{C|ঠাকুরাণী}} ধনসুখ আছে যার ভাণ্ডারে দানসুখে তা’র সুখ আরাে বাড়ে। গ্রহণ যে করে তারি হেঁট মুখ, দুঃখের পরে ভিক্ষার দুখ। তুমি সক্ষম আমি নিরুপায় অনায়াসে পার ঠেলিবারে পায়; ইচ্ছা না হয় নাই কোরাে দান অপমানিতেরে কেন অপমান? চলিলাম তবে, বল দয়া করে’ বাসনা পূরিবে গেলে কার ঘরে? {{C|ক্ষীরো}} রাণী কল্যাণী নাম শােন নাই? দাতা বলে’ তার বড় যে বড়াই! এইবার তুমি যাও তাঁরি ঘরে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে এস ভরে’, পথ না জান ত মাের লােকজন। পেঁছিয়ে দেবে রাণীর ভবন।</poem><noinclude>{{center|৩০৮}} {{block center/e}}</noinclude> fc2r4yl0rdc5cjglghgl9onf6rj9dcv পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৩৫৩ 104 231447 1991991 1981332 2026-07-31T04:12:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991991 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{right|'''পূজারিণী'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> সেথা হ’তে ফিরি গেল চলি ধীরি {{gap}}বধূ অমিতার ঘরে। সমুখে রাখিয়া স্বর্ণ-মুকুর বাঁধিতেছিল সে দীর্ঘ চিকুর আঁকিতেছিল সে যত্নে সিঁদুর {{gap}}সিঁথির সীমার পরে। শ্রীমতীরে হেরি বাঁকি গেল রেখা {{gap}}কাঁপি গেল তা’র হাত,— কহিল, “অবােধ, কি সাহস-বলে এনেছিস্ পূজা, এখনি যা চলে’, কে কোথা দেখিবে, ঘটিবে তাহ’লে {{gap}}বিষম বিপদপাত।” অস্ত-রবির রশ্মি-আভায় {{gap}}খােলা জানালার ধারে কুমারী শুক্লা বসি একাকিনী পড়িতে নিরত কাব্য-কাহিনী, চমকি উঠিল শুনি কিঙ্কিণী {{gap}}চাহিয়া দেখিল দ্বারে। শ্রীমতীরে হেরি পুঁথি রাখি ভূমে {{gap}}দ্রুতপদে গেল কাছে। কহে সাবধানে তা’র কানে কানে “রাজার আদেশ আজি কে না জানে,</poem><noinclude>{{center|৩৩৯}} {{block center/e}}</noinclude> qhi299ix5zv9i8fxza8rvdxbvyvvjqi পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৩৬৩ 104 231537 1991993 1985534 2026-07-31T04:12:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991993 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{right|'''পরিশােধ'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> “হায় গাে বিদেশী পান্থ কৌতুক এ নহে। আমার অঙ্গেতে যত স্বর্ণ অলঙ্কার সমস্ত সঁপিয়া দিয়া শৃঙ্খল তােমার নিতে পারি নিজ দেহে; তব অপমানে মোর অন্তরাত্মা আজি অপমান মানে।” এত বলি সিক্তপক্ষ্ম দুটি চক্ষু দিয়া সমস্ত লাঞ্ছনা যেন লইল মুছিয়া বিদেশীর অঙ্গ হ’তে। কহিল রক্ষীরে “আমার যা আছে ল’য়ে নির্দ্দোষী বন্দীরে মুক্ত করে’ দিয়ে যাও।”—কহিল প্রহরী, “তব অনুনয় আজি ঠেলিনু সুন্দরী এত এ অসাধ্য কাজ। হৃত রাজকোষ, বিনা কারাে প্রাণপাতে নৃপতির রােষ শান্তি মানিবে না।” ধরি প্রহরীর হাত কাতরে কহিল শ্যামা,—“শুধু দুটি রাত বন্দীরে বাঁচায়ে রেখাে এ মিনতি করি!” “রাখিব তােমার কথা,”—কহিল প্রহরী। দ্বিতীয় রাত্রির শেষে খুলি বন্দীশালা রমণী পশিল কক্ষে, হাতে দীপ জ্বালা’, লােহার শৃঙ্খলে বাঁধা যেথা বজ্রসেন— মৃত্যুর প্রভাত চেয়ে মৌনী জপিছেন ইষ্টনাম। রমণীর কটাক্ষ-ইঙ্গিতে</poem><noinclude>{{center|৩৪৯}} {{block center/e}}</noinclude> 35kpkiyokra0k9rvdoa954xtpuc7xl6 পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৩৬৯ 104 231587 1992242 1985536 2026-07-31T04:51:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992242 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{right|'''পরিশােধ'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> তােমার কি কাজ ছিল! এ জন্মের লাগি তাের পাপ-মূল্যে কেনা মহাপাপভাগী এ জীবন করিলি ধিক্কৃত। কলঙ্কিনী, ধিক্ এ নিশ্বাস মাের তাের কাছে ঋণী! ধিক্ এ নিমেষপাত প্রত্যেক নিমেষে!” এত বলি উঠিল সবলে। নিরুদ্দেশে নৌকা ছাড়ি চলি গেলা তীরে—অন্ধকারে বনমাঝে। শুষ্কপত্ররাশি পদভারে শব্দ করি বনানীরে করিল চকিত প্রতিক্ষণে; ঘন গুল্মগন্ধ পুঞ্জীকৃত বায়ুশূন্য বনতলে; তরুকাণ্ডগুলি চারিদিকে আঁকাবাঁকা নানা শাখা তুলি অন্ধকারে ধরিয়াছে অসংখ্য আকার বিকৃত বিরূপ; রুদ্ধ হ’ল চারিধার; নিস্তব্ধ নিষেধসম প্রসারিল কর লতাশৃঙ্খলিত বন। শ্রান্তকলেবর পথিক বসিল ভূমে। কে তা’র পশ্চাতে দাঁড়াইল উপচ্ছায়াসম! সাথে সাথে অন্ধকারে পদে পদে তা’রে অনুসরি আসিয়াছে দীর্ঘ পথ মৌনী অনুচরী রক্তসিক্ত পদে। দুই মুষ্টি বদ্ধ করে’ গর্জ্জিল পথিক—“তবু ছাড়িবি না মােরে!”</poem><noinclude>{{center|৩৫৫}} {{block center/e}}</noinclude> 7mqm3n1owdya4sdyxxtgwqgwn7npnxx পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৩৭২ 104 231611 1991994 1985537 2026-07-31T04:12:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991994 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{left|'''কথা ও কাহিনী'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> শাখাঅন্তরালে। দুই বাহু প্রসারিয়া ডাকিতেছে বজ্রসেন—“এস এস প্রিয়া”— চাহি অরণ্যের পানে। হেনকালে তীরে বালুতটে ঘনকৃষ্ণ বনের তিমিরে কার মূর্ত্তি দেখা দিল উপচ্ছায়াসম- “এস এস প্রিয়া!” “আসিয়াছি প্রিয়তম!” চরণে পড়িল শ্যামা—“ক্ষম মোরে ক্ষম! গেল না ত সুকঠিন এ পরাণ মম তােমার করুণ করে।” শুধু ক্ষণতরে বজসেন তাকাইল তা’র মুখপরে,— ক্ষণতরে আলিঙ্গনলাগি বাহু মেলি, চমকি উঠিল,—তা’রে দূরে দিল ঠেলি, গরজিল-“কেন এলি, কেন ফিরে এলি!” বক্ষ হতে নূপুর লইয়া -দিল ফেলি জ্বলন্ত অঙ্গারসম-নীলাম্বরখানি চরণের কাছ হ’তে ফেলে দিল টানি; শয্যা যেন অগ্নিশয্যা, পদতলে থাকি লাগিল দহিতে তা’রে; মুদি দুই আঁখি কহিল ফিরায়ে মুখ—“যাও যাও ফিরে মােরে ছেড়ে চলে’ যাও!” নারী নতশিরে ক্ষণতরে রহিল নীরবে। পরক্ষণে ভূতলে রাখিয়া জানু যুবার চরণে</poem><noinclude>{{center|৩৫৮}} {{block center/e}}</noinclude> a564kaoqkdkhu7hxt2wrv72vc6sz45o পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৪৫৬ 104 232102 1991996 1981372 2026-07-31T04:12:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991996 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{left|'''কথা ও কাহিনী'''}} {{block center/s}}</noinclude><poem> একদিন তা’র পূজা হ’য়ে গেলে {{gap}}চিরদিন তার বিসর্জ্জন, খেলার পুতলি করিয়া তাহারে {{gap}}আর কি খেলিবে পৌরজন? পূজা যদি মাের হ’য়ে থাকে শেষ {{gap}}হ’য়ে গেছে শেষ আমার খেলা। দেবতার লীলা করি সমাপন {{gap}}জলে ঝাঁপ দিবে মাটির ঢেলা। হাস হাস তুমি হে রাজমন্ত্রী {{gap}}ল’য়ে আপনার অহঙ্কার- ফিরে লও তব স্বর্ণমুদ্রা {{gap}}ফিরে লও তব পুরস্কার। বহু কথা বৃথা বলেছি তােমায় {{gap}}তা লাগি হৃদয় ব্যথিছে মােরে। অধম নারীর একটি বচন {{gap}}রেখাে হে প্রাজ্ঞ স্মরণ করে’, বুদ্ধির বলে সকলি বুঝেছ, {{gap}}দুয়েকটি বাকি রয়েছে তবু, দৈবে যাহারে সহসা বুঝায় {{gap}}সে ছাড়া সে কেহ বােঝে না কভু।</poem> {{block center/e}} {{right|৯ই কার্তিক, ১৩০৪}} {{rule|3em}}<noinclude>{{center|৪৪২}}</noinclude> 3shi0tosgnpapqp1lshgsr82hifmkbj পাতা:চিঠিপত্র (প্রথম খণ্ড ১৯৪২)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১১ 104 257441 1991631 1985670 2026-07-31T03:53:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991631 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" /></noinclude>{{Block center|<poem>দেখিলাম খান-কয় পুরাতন চিঠি স্নেহমুগ্ধ জীবনের চিহ্ন দু-চারিটি স্মৃতির খেলেনা কটি বহু যত্নভরে গোপনে সঞ্চয় করি’ রেখেছিলে ঘরে। যে প্রবল কালস্রোতে প্রলয়ের ধারা ভাসাইয়া যায় কত রবি চন্দ্র তারা তারি কাছ হতে তুমি বহু ভয়ে ভয়ে এই কটি তুচ্ছ বস্তু চুরি ক’রে লয়ে লুকায়ে রাখিয়াছিলে,—বলেছিলে মনে অধিকার নাই কারো আমার এ ধনে। আশ্রয় আজিকে তারা পাবে কার কাছে। জগতের কারো নয় তবু তারা আছে। তাদের যেমন তব রেখেছিল স্নেহ তোমারে তেমনি আজ রাখেনি কি কেহ। {{ডান|—স্মরণ}} </poem>}}<noinclude></noinclude> 5nm5ncxblkwdycti0jg05vmveyxrxo5 পাতা:চিঠিপত্র (চতুর্থ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩ 104 259013 1991626 1977279 2026-07-31T03:53:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991626 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" /></noinclude>{{Block right|শিলাইদা<br/>নদীয়া<br/>চৈত্র ১৩১৮}} {{ফাঁক}}বেল্, শরীরটা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছিল। মনে হচ্ছিল সেই সেবারে বিলাতে যাবার আগে একদিন হঠাৎ যেমন একেবারে ভেঙে পড়েছিলুম আবার তেমনিতর হবে—তাই তাড়াতাড়ি কাজকর্ম্ম গোছানো গাছানো সমস্ত ফেলে একেবারে এক দৌড়ে পদ্মার কোলে এসে আশ্রয় নিয়েছি। যেমনি এসেছি অমনি আমার সেই ভয়ঙ্কর ক্লান্তি এক মুহূর্ত্তে কোথায় দূর হয়ে গেছে। পদ্মা আমাকে যেমন করে শুশ্রূষা করতে জানে এমন আর কেউ না। এতদিন চারদিকে নানা জায়গায় ঘোরাঘুরি না করে যদি এইখানে স্থির হয়ে পদ্মার কলধ্বনিতে কান পেতে চুপচাপ পড়ে থাক্‌তে পারতুম তাহলে ভারি উপকার: পেতুম— এবারে এখানে এসে সেটা স্পষ্ট বুঝতে পারচি। {{ফাঁক}}সেদিন আমাদের ওখানে রাত করে এবং নানা অনিয়ম করে তোর শরীর ত খারাপ হয় নি? আমার মনে সেদিন সেই উদ্বেগ ছিল। তোর জন্যে আমার একটা হোমিয়োপ্যাথি ওষুধ মনে পড়চে একবার চেষ্টা করে দেখ্বি? Sulphur 200—এই চিঠির মধ্যে এক পুরিয়া পাঠাচ্চি। বিকেলে তোর যে হাত<noinclude></noinclude> fiho1ormjv7kvt203bdsvkn4rgs16lk পাতা:চিঠিপত্র (চতুর্থ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০ 104 259027 1991627 1902506 2026-07-31T03:53:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991627 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৮|চিঠিপত্র|}}</noinclude>কবির বিধবা স্ত্রী Mrs. Moodyর বাড়িতে আমরা শিকাগো সহরে অতিথি ছিলুম। তিনি আমাদের খুব যত্ন করেছেন। আমাদের সঙ্গে তাঁর এমনি জমে গিয়েছে যে তিনি আমাদের আর ছাড়তে চান না। হপ্তাখানেকের জন্যে আমরা নিউইয়র্কে এসেছিলুম, সেখানে তিনি আমাদের তাঁর বাসায় নিয়ে রেখেছিলেন। বষ্টনেও তিনি আসবেন। তাঁর মধ্যে ভারি একটি স্বাভাবিক মাতৃভাব আছে। {{ফাঁক}}এখানে একটা জিনিষ খুব আমার মনে লাগে— এখানে, অন্তত পশ্চিম আমেরিকায়, প্রায় সকল অবস্থার মেয়েদেরই নিজের হাতে সমস্ত ঘর করনার কাজ করতেই হয় কেননা এখানে চাকর দাসী পাওয়া অসম্ভব বললেই হয়। রাঁধা, বিছানা করা, ঘর ঝাঁট দেওয়া, বাসনমাজা সমস্তই প্রায় গৃহকর্ত্রীরা করেন— অনেক সময় গৃহকর্তাদের তার সঙ্গে যোগ দিতে হয়। কিন্তু কাজ করবার এত রকম সুবিধা আছে যে তাতে যথাসম্ভব ভার লাঘব করে। রান্না গ্যাসের উনুনে হয়— তাতে কষ্ট নেই— অনেক কাজ ইলেকট্রিসিটির সাহায্যেই চলে যায়। এ সমস্ত সুবিধা এখনকার দিনে আমাদের দেশে চালানো অসম্ভব নয়— যদি তা করা যায় তাহলে চাকরদের অধীনতা থেকে অনেক পরিমাণে মুক্তিলাভ করা সম্ভব হয়। বৌমাকেও দীর্ঘকাল সমস্ত কাজ করতে হয়েছিল—— অবশেষে দুজন ভারতবর্ষীয় ছাত্র বেতন এবং খোরাকি নিয়ে তাঁর এই সমস্ত কাজ নির্ববাহ করে দিচ্ছিল। এ দেশের গরীব ছাত্ররা এরকম সামান্য কাজে<noinclude></noinclude> 6ktgu52qvp534s6k5h1j3vlwzttjyle পাতা:চিঠিপত্র (চতুর্থ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২১ 104 259029 1991628 1902507 2026-07-31T03:53:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991628 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh||চিঠিপত্র|৯}}</noinclude>কিছুমাত্র অপমান বা লজ্জা বোধ করেনা - তারা হোটেলে খানসামারও কাজ করচে পড়াশুনাও দিব্যি চালাচ্চে। অনেক সময় যে সব ছাত্রের সঙ্গে তারা একত্রে পড়ে তাদেরই সেবকতা করে তারা নিজেদের ব্যয় নির্বাহ করে। আমাদের দেশে হলে মুখ দেখাতে পারত না। তোর সেবকদের খবর কি? সেই তোর বাবুর্চি আছে ত? তার ছেলের খবর কি? দাসীর সুবিধা করতে পেরেছিস? এবারকার এগারই মাঘ কি রকম হল এখনো তার সংবাদ পাই নি - আর হপ্তাদুয়েক পরে ফাল্গুনের মাঝামাঝি তার সমস্ত বিবরণ পাওয়া যাবে। এগারই মাঘের দিনে এবার আমরা পথের মধ্যেই ছিলুম। অনেকদিন পরে আমার এগারই মাঘ বাদ পড়ল। ৭ই পৌষের ভোরের বেলায় আমাদের আর্ব্বানার শোবার ঘরের একটি কোণে আমরা পাঁচটি বাঙালীতে উৎসব করেছিলুম। ভিড় ছিলনা—কিন্তু বেশ ভাল লেগেছিল। {{ডান|বাবা}} {{nop}}<noinclude></noinclude> 6p2vqvsla3r8t53c7gs550p1p66cwnk পাতা:চিঠিপত্র (চতুর্থ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯ 104 259045 1991629 1902512 2026-07-31T03:53:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991629 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" /></noinclude>{{Block right|[শান্তিনিকেতন<br />ফাল্গুন ১৩১৭ ]}} মীরু {{ফাঁক}}তোরা শিলাইদহে গিয়ে তোদের ঘরকন্না গুছিয়ে নিচ্চিস্ শুনে খুব খুসি হলুম। দূরে তোদের বাড়ি হলে সুবিধা হবে না। বিশেষত তোর পক্ষে যাতায়াত করা চলবে না——পাল্কী করে রোজ আনাগোনা করা ত সহজ ব্যাপার নয়। তোরা কাছাকাছি বাড়ি করে থাকলেই বেশ ভাল হবে।তোদের বাড়িটা কি রকম প্ল্যানে করবি জানতে ইচ্ছা করছে। এমন যেন না হয় যে বর্ষার সময় damp হয়ে তোদের অসুখ হয়। সেইজন্য গোড়াতেই ভিতটা যাতে damp-proof হয় সেই রকম করা কর্ত্তব্য। ভিত যদি ছাই বালি দিয়ে ভরাট করা যায় তাহলে damp কৈশিক আকর্ষণে উপরে উঠতে পারে না। তাছাড়া ইট গাঁথার সময়েও এমন উপায় নিতে হবে যাতে damp উপরে না উঠতে পারে। {{ফাঁক}}রাজা অভিনয়ের রিহার্সল চলচে।কিন্তু শীঘ্র যে হয়ে উঠবে এমন আশা হচ্চে না। বড় শক্ত।শুনে হয়ত খুব এক চোট হাসবি অজিত সুদর্শনা সাজবে।তাকে খুব করে মেজে ঘষে পরচুলো পরিয়ে ঢেকে ঢুকে কোনোমতে কাজ চালিয়ে<noinclude></noinclude> k2570490wp5ryz1l82enu8kafnhush8 পাতা:চিঠিপত্র (চতুর্থ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২ 104 259051 1991630 1934860 2026-07-31T03:53:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991630 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|২০|চিঠিপত্র|}}</noinclude>ইস্কুলে ইতিহাসে কোনোদিন আমি খ্যাতিলাভ করতে পারিনি। আমার ত এই মুস্কিল অতএব আমার জীবনচরিত তারিখ সম্বন্ধে একেবারে নিষ্কণ্টক হয়েই প্রকাশ হবে। {{ফাঁক}}উমাচরণ অনেক চেষ্টায় নিজের যোগ্য একটি পাত্রী জুটিয়েছিল – কিন্তু উপযুক্ত পণ জোটাতে পারেনি। পাত্রীর বয়স তিন বছর সুতরাং তিনশো টাকার কমে তাকে পাওয়। সম্ভব নয়— আরো দুই এক বছর বয়স কম হলে বোধ করি সেই পরিমাণে দামও কম হতে পারত। কিন্তু উমাচরণ অনেকদিন ব্রাহ্ম বাড়িতে কাজ করচে বলে বাল্যবিবাহের প্রতি তার আন্তরিক বিদ্বেষ। এইজন্যে সে অতি কঠোর পণ করেছে যে তিন বছরের কম বয়সের মেয়েকে সে কোনো মতেই বিয়ে করবে না- মরে গেলেও না- তার এই সাধু সঙ্কল্পের দৃঢ়তা দেখে আমরা সকলেই আশ্চর্য্য হয়ে গেছি— কত দুমাস তিন মাসের মেয়ে তাদের মার কোলে শুয়ে চীৎকার শব্দে কাঁদচে কিন্তু সে কান্নায় সে কিছুতেই কর্ণপাত করছে না— এমনি ওর হৃদয় পাষাণের মত অটল— কত সদ্যোজাত নবনীতকোমল। কুমারী দুই চক্ষু মুদ্রিত কোরে অহোরাত্রি ধ্যান করছে কিন্তু তাদের সেই তপস্যার প্রভাবও উমাচরণের হৃদয়কে লেশমাত্র বিচলিত করতে পারচে না—— ওর এই চরিত্রবল দেখে সকলে স্তম্ভিত হয়ে গেছে। তার এই সাধুতার পুরস্কারস্বরূপ তোরা যদি আপনা আপনি মধ্যে তিনশো টাকা কোনোমতে চাঁদা করে তুলতে পারিস্ তাহলে এই একটি তিন বৎসরের বয়স্থা মেয়ের আইবুড়োদশা ঘুচে যায়-<noinclude></noinclude> dwtwa9ujk3arznlvuo9ggthbqzc4o9p পাতা:সাহিত্যের স্বরূপ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪১ 104 264324 1992180 1767829 2026-07-31T04:28:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992180 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" />{{rh||সাহিত্যবিচার|৩৭}}</noinclude>চিত্র এমন ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হয় নি। তখন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লেখকের অভাব ছিল না, তাঁরা প্রায় সকলেই প্রতাপসিংহ বা প্রতাপাদিত্যের ধ্যানে নিবিষ্ট ছিলেন। আমার আশঙ্কা হয়, এক সময়ে ‘গল্পগুচ্ছ’ বুর্জোয়া লেখকের সংসর্গদোষে অসাহিত্য ব’লে অস্পৃশ্য হবে। এখনই যখন আমার লেখার শ্রেণীনির্ণয় করা হয় তখন এই লেখাগুলির উল্লেখমাত্র হয় না, যেন ওগুলির অস্তিত্বই নেই। জাতে-ঠেলাঠেলি আমাদের রক্তের মধ্যে আছে তাই ভয় হয়, এই আগাছাটাকে উপড়ে ফেলা শক্ত হবে। {{ফাঁক}}কিছুকাল থেকে আমি দুঃসহ রোগদুঃখ ভোগ করে আসছি, সেইজন্য যদি ব’লে বসি ‘যাঁরা আমার শুশ্রূষায় নিযুক্ত তাঁরাও মুখে কালো রঙ মেখে অস্বাস্থ্যের বিকৃত চেহারা ধারণ করে এলে তবেই সেটা আমার পক্ষে আরামের হতে পারে’, তা হলে মনোবিকারের আশঙ্কা কল্পনা করতে হবে। প্রকৃতির মধ্যে একটা নির্মল প্রসন্নতা আছে। ব্যক্তিগত জীবনে অবস্থার বিপ্লব ঘটে, কিন্তু তাতে এই বিশ্বজনীন দানের মধ্যে বিকৃতি ঘটে না—সেই আমাদের সৌভাগ্য। তাতে যদি আপত্তি করার একটা দল পাকাই তা হলে বলতে হয়, যাঁরা নিঃস্ব তাঁদের জন্যে মরুভূমিতে উপনিবেশ স্থাপন করা উচিত, নইলে তাঁদের মনের তুষ্টি অসম্ভব। নিঃস্ব শ্রেণীর পাঠকদের জন্য সাহিত্যেও কি মরু-উপনিবেশ স্থাপন করতে হবে।... {{dhr}} {{gap}}'''শান্তিনিকেতন। ১৩৪৭'''<noinclude>'''৩ক'''</noinclude> felg8cwxkzzrhzn205008z5hx0y9qn0 পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৬ 104 276864 1991613 1838563 2026-07-31T03:51:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991613 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" /></noinclude>{{c|{{x-larger|নির্ঘণ্ট।}}}} {{block center/s|width=500px}} {{dotted TOC page listing||বিষয়|পৃষ্ঠা|dottext=}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/কল্পনা|কল্পনা]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৮|১]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/প্রভাত|প্রভাত]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/১২|৫]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/লোভ|লোভ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/১৫|৮]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/দাস|দাস]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/১৬|৯]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/তিমিরাচ্ছন্ন নিশীথ|তিমিরাচ্ছন্ন নিশীথ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/১৮|১১]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/পাপাত্মার অনুতাপ|পাপাত্মার অনুতাপ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/২০|১৩]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/প্রভাতের চন্দ্র|প্রভাতের চন্দ্র]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/২২|১৫]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/গর্ব্ব|গর্ব্ব]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/২৪|১৭]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/মিত্র|মিত্র]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/২৪|১৭]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/খল|খল]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/২৫|১৮]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/নবীন ও বিপিনের সায়ংকালীন ভ্রমণ|নবীন ও বিপিণের সায়ংকালীন ভ্রমণ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/২৬|১৯]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/ধনমদান্ধের প্রতি উপদেশ|ধনমদান্ধের প্রতি উপদেশ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৩০|২৩]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/সংস্কৃত ভাষা|সংস্কৃত ভাষা]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৩২|২৫]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/মৃগের স্বাধীনতা|মৃগের স্বাধীনতা]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৩৬|২৯]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/প্রাসাদ ও কুটীর|প্রাসাদ ও কুটীর]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৩৭|৩০]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/নিত্যকাল|নিত্যকাল]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৪১|৩৪]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/ঈশ্বরপরায়ণের ব্যাকুলতা|ঈশ্বরপরায়ণের ব্যাকুলতা]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৪৪|৩৭]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/হিতোপদেশ|হিতোপদেশ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৪৫|৩৮]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing||[[কবিতাকুসুমাঞ্জলি/বক্ষ|বক্ষ]]|[[পাতা:কবিতাকুসুমাঞ্জলি.pdf/৪৭|৪০]]|symbol=…|spaces=8|chapter-width=4em|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 9ebijop2385gi9t6czgqkbnq4yqmy6n পাতা:বহুবিবাহ.pdf/১০৪ 104 288356 1992080 1559612 2026-07-31T04:19:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992080 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh||বহুবিবাহ।|৯১}}</noinclude>বিবাহ না করে, তবে সেই দারবিরহিত ব্যক্তি আশ্রমত্রংশনিবন্ধন পাতকগ্রস্ত হয়; এজন্য, ঐ অবস্থায় গৃহস্থ ব্যক্তির পক্ষে পুনরায় দারপরিগ্রহের অবশ্যকর্ত্তব্যতাবোধনার্থে, শাস্ত্রকারের দ্বিতীয় বিধি প্রদান করিয়াছেন। স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব চিররোগিত্ব প্রভৃতি দোষ ঘটিলে, পুত্রলাভ ও ধর্ম্মকার্য্যসাধনের ব্যাঘাত ঘটে; এজন্য, শাস্ত্রকারেরা তাদৃশ স্থলে স্ত্রীসত্ত্বে পুনরায় বিবাহ করিবার তৃতীয় বিধি দিয়াছেন।গৃহস্থাশ্রমসমাধানার্থ শাস্ত্রোক্তবিধানামুসারে সবর্ণাপরিণয়ান্তে, যদি কোনও উৎকৃষ্ট বর্ণ যদৃচ্ছাক্রমে বিবাহে প্রবৃত্ত হয়, তাহার পক্ষে অসবর্ণাবিবাহে অধিকারবোধনার্থ শাস্ত্রকারের চতুর্থ বিধি প্রদর্শন করিয়াছেন; এবং এই বিধি দ্বারা, তাদৃশ ব্যক্তির তথাবিধ স্থলে সবর্ণাবিবাহ একবারে নিষিদ্ধ হইয়াছে। {{gap}}স্মৃতিরত্ন, বেদরত্ন প্রভৃতি মহাশয়দিগের অবলম্বিত প্রথম ও দ্বিতীয় প্রমাণে যে বিবাহের বিধি পাওয়া যাইতেছে, তাহা কাম্যবিবাহ; কারণ, প্রথম প্রমাণে, “যে ব্যক্তি এক স্ত্রী বিবাহ করিয়া রতিকামনায় অন্য স্ত্রী বিবাহ করিতে ইচ্ছা করেন”, এবং দ্বিতীয় প্রমাণে, “রতিবিষয়ক সাতিশয় অনুরাগ থাকিলে তাঁহারা অনেক ভার্য্যাও গ্রহণ করিবেন”, এইরূপে কাম্য বিবাহের স্পষ্ট পরিচয় প্রদত্ত হইয়াছে। রতিকামনা ও রতিবিষয়ক সাতিশয় অনুরাগবশতঃ যে বিবাহ করা হইবেক, তাহা কাম্য বিবাহ ব্যতিরিক্ত নামান্তর দ্বারা উল্লিখিত হইতে পারে না। মনু কাম্যবিবাহস্থলে অসবর্ণবিবাহের বিধি দিয়াছেন, এবং সেই বিধি দ্বারা তথাবিধ স্থলে সবর্ণাবিবাহ একবারে নিষিদ্ধ হইয়াছে। সুতরাং স্মৃতিরত্ন, বেদরত্ন প্রভৃতি মহাশয়দিগের অবলম্বিত প্রথম ও দ্বিতীয় প্রমাণ দ্বারা ইহাই প্রতিপন্ন হইতেছে, যে ব্যক্তি, সবর্ণাবিবাহ করিয়া, রতিকামনায় পুনরায় বিবাহ করিতে উদ্যত হয়, সে অসবর্ণ বিবাহ করিতে পারে; নতুবা যদৃচ্ছাক্রমে বিবাহপ্রবৃত্ত ব্যক্তি, রতিকামনা পূর্ণ করিবার<noinclude></noinclude> iqlf0llugugyn50vfjxvmm0lt86e7jk পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৩ 104 298761 1991233 1935075 2026-07-30T16:25:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991233 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|বর্ণানুক্রমিক নাম সূচী}}}} {{block center/s|width=550px}} {{c|{{x-larger|অ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :অকালবর্ষ (শুভতুঙ্গ) ২০০ :অর্ককীর্ত্তি জৈনমুনি ১৮৪ :অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ৫৯, ১১৩ টীকা, ১৬৭, ১৭২ টীকা, ১৭৬, ১৯৮, ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২৩৮, ৩০৪, ৩০৫, ৩১২, ৩২৬, ৩৩০ :অক্ষয়বটের পাদমূলের শিলালিপি ২৬৪ :অগ্নিমিত্র ৩৪, ৯৫ :অগ্ন্যুৎপাদন ৪ :অঙ্গারবহ ২ :অঙ্গ ১৯, ২৯ টীকা, ২৩, ১১৫, ২০৫, ২২৫, ২৩২, ২৩৭, ২৪১, ২৪২, ২৭৩ টীকা, ২৭৭, ৩২৪, ৩৫৫ :অচলবর্ম্মা বণিক ৬৯ :অচলায়তন ২০৯ :অচ্যুত ৪৯ :অজিতনাথ, তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :অজপুরনয় ২০৯ :অজিতমান ৩০০ :অর্জ্জুন, ৮৫, ৯৫, ১১৬ :অণহিলপাটক ২৬৩ :অতিকায় ৪ :অতিকায় জীব ৩ :অতিশয়ধবল (অমোঘবর্ষ ১ম), ২০৬ টীকা :অতীশ (দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান) ২৬১, ২৬৩ :অর্থশাস্ত্র ১৭১ :অর্দোভিসীয় ২ :অদ্ভুতসাগর ৩২১, ৩৩৩, ৩৩৪, ৩৩৫, ৩৩৬ :অধঃপতন মণ্ডল ২৯৪ :অনন্তবাসুদেব মন্দির ৩০২ :অনাচার ৯৫ :অনঙ্গপাল ২৫৫ :অনন্তমূর্ত্তি ৩০৩ :অনন্তদেবী ৬৪, ৮৭ :অনন্তবর্ম্মা ৯৮, ৯৯, ১২২ :অনন্তবর্ম্মা চোড়গঙ্গ ২৯৩ টীকা, ৩০৮, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬, ৩১৭, ৩৩৩ :অন্ত্যাধুনিক ১,২, ৩ :অন্তর্ব্বেদী ৬৯ :অন্ধ্র ১২৪, ২২৪ :অন্ধ্ররাজগণ ৪৬, ১৮১ :অন্ধ্ররাজ ২য় পুলুমায়ি ৫৪ :অন্ধ্ররাজ্য ৩১, ৩২ :অপরমন্দার ২৮৩, ২৮৮, ২৮৯ :অপাপপুরী ২৯ টীকা :অফ্‌সড় ১২১ :অফ্‌সড্‌গ্রাম ১১০ :অফ্‌সড্‌গ্রামের খোদিত লিপি ১১২ :অভয়মিত্র, বৌদ্ধভিক্ষু ৭৮ :অভিধর্ম্ম (পিটক) ১১৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> k1b2mlvb67ne3qtd32u06njzgz87dsi 1991338 1991233 2026-07-30T16:28:41Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1658834 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|বর্ণানুক্রমিক নাম সূচী}}}} {{block center/s|width=550px}} {{c|{{x-larger|অ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :অকালবর্ষ (শুভতুঙ্গ) ২০০ :অর্ককীর্ত্তি জৈনমুনি ১৮৪ :অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ৫৯, ১১৩ টীকা, ১৬৭, ১৭২ টীকা, ১৭৬, ১৯৮, ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২৩৮, ৩০৪, ৩০৫, ৩১২, ৩২৬, ৩৩০ :অক্ষয়বটের পাদমূলের শিলালিপি ২৬৪ :অগ্নিমিত্র ৩৪, ৯৫ :অগ্ন্যুৎপাদন ৪ :অঙ্গারবহ ২ :অঙ্গ ১৯, ২৯ টীকা, ২৩, ১১৫, ২০৫, ২২৫, ২৩২, ২৩৭, ২৪১, ২৪২, ২৭৩ টীকা, ২৭৭, ৩২৪, ৩৫৫ :অচলবর্ম্মা বণিক ৬৯ :অচলায়তন ২০৯ :অচ্যুত ৪৯ :অজিতনাথ, তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :অজপুরনয় ২০৯ :অজিতমান ৩০০ :অর্জ্জুন, ৮৫, ৯৫, ১১৬ :অণহিলপাটক ২৬৩ :অতিকায় ৪ :অতিকায় জীব ৩ :অতিশয়ধবল (অমোঘবর্ষ ১ম), ২০৬ টীকা :অতীশ (দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান) ২৬১, ২৬৩ :অর্থশাস্ত্র ১৭১ :অর্দোভিসীয় ২ :অদ্ভুতসাগর ৩২১, ৩৩৩, ৩৩৪, ৩৩৫, ৩৩৬ :অধঃপতন মণ্ডল ২৯৪ :অনন্তবাসুদেব মন্দির ৩০২ :অনাচার ৯৫ :অনঙ্গপাল ২৫৫ :অনন্তমূর্ত্তি ৩০৩ :অনন্তদেবী ৬৪, ৮৭ :অনন্তবর্ম্মা ৯৮, ৯৯, ১২২ :অনন্তবর্ম্মা চোড়গঙ্গ ২৯৩ টীকা, ৩০৮, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬, ৩১৭, ৩৩৩ :অন্ত্যাধুনিক ১,২, ৩ :অন্তর্ব্বেদী ৬৯ :অন্ধ্র ১২৪, ২২৪ :অন্ধ্ররাজগণ ৪৬, ১৮১ :অন্ধ্ররাজ ২য় পুলুমায়ি ৫৪ :অন্ধ্ররাজ্য ৩১, ৩২ :অপরমন্দার ২৮৩, ২৮৮, ২৮৯ :অপাপপুরী ২৯ টীকা :অফ্‌সড় ১২১ :অফ্‌সড্‌গ্রাম ১১০ :অফ্‌সড্‌গ্রামের খোদিত লিপি ১১২ :অভয়মিত্র, বৌদ্ধভিক্ষু ৭৮ :অভিধর্ম্ম (পিটক) ১১৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> gy6u4jl6tv4pw9ey68w7xufqanrdfdg পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৪ 104 298763 1991234 1935074 2026-07-30T16:25:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991234 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৵৹}} {{block center/s|width=550px}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:অভিনন্দন তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :অমরকণ্টক ২৬৫ :অমরকোষ ৩৪৯ :অমৃতদেব, অযোধ্যাবাসী ৮১ :অমূল্যচরণ ঘোষ বিদ্যাভূষণ ২৭, ৩২৭, ৩৩৫ :অমোঘবর্ষ ২০৩ :অমোঘবর্ষ (১ম) ১৮৫, ১৮৬, ১৯৩, ১৯৭, ২০৬, ২১৫, ২২০ :অমোঘবর্ষ (২য়) ২০০ :অমোঘবর্ষ প্রথমের তাম্রশাসন ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮ :অম্রকার্দ্দব ৫৩ :অয় ৩৬ :অযোধ্যা ৩০১ :অযোধ্যাবাসী অমৃতদেব ৮১ :অযোধ্যাবাসী বর্তু বা বৃতু ৩৪৫ :অরুণ ১৪ :অরুণখালি নদী ১০৩ :অলোয়ার ১৪২ :অল্পাধুনিক ২ :অবমুক্তরাজ ৫০ :অবনীবর্ম্মা ২য় ১৯১ :অবনীবর্ম্মা দ্বিতীয়ের তাম্রশাসন ১৮৯, ১৯০ :অবন্তী ১৪৪, ১৯১, ১৯২ :অবনীবর্ম্মা ১১৮, ১২২ :অশোক ১৮, ২৬, ৩১, ৩২, ৩৫, ৫২, ৫৫, ৬৮, ৯৮, ১১৪, ১১৬, ১৪৬, ২৫৫ :অশোকের অনুশাসন ৩১ :অশোকের শিলাস্তম্ভ ৪১ :অশোকচল্ল ৩৪৭, ৩৪৮ :অশ্বমেধযজ্ঞ ৫০ :অশ্বমেধযজ্ঞ, কুমারগুপ্ত, ১ মের ৬৪ :অশ্বমেধযজ্ঞের স্বর্ণমুদ্রা, কুমারগুপ্ত, ১ম ৬৪ :অশ্বমেধের সুবর্ণমুদ্রা, সমুদ্রগুপ্তের ৫১ টীকা :অশ্বমেধের সুবর্ণমুদ্রা ৫১ :অশ্বিন্‌গণ ১৪ :অশ্মীভূত কাষ্ঠ ৯ :অংশুনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা ১৬৪ টীকা, ১৬৬, ২৩১, ২৪৫, ২৯৭, ৩০৪, ৩৪৭, ৩৪৮ :অহ্‌মদ্‌শাহ আবদালী ৩৪০ :অহ্‌মদ নিয়াল্‌তিগীন্ ২৬৩ :অর্হৎ ১১৪ :অহ্লণদেবীর শিলালিপি ২৫৮, ২৬০, ২৮৪ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|আ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :আইন্-ই-আকবরী ২৮৭, ২৯২ :আওরঙ্গজেব ৯২ :আক্‌বর ১৭০ :আগ্রা ১১ :আগ্রা ও আযোধ্যার যুক্তপ্রদেশ ৭২, ৭৫, ২৭৩ টীকা। :আগ্রাসুবা ৭৭ :আঙ্গুল ৭ :আজমীর ৩৪০, ৩৪১ :আজমীর চিত্রশালা ১৯৫ :আজিমগঞ্জ ৫১ টীকা। :আর্জ্জুনায়ন ৫০ :আটবিক ৪৯ :আটবিক সামন্তচক্র ২৮৩ :আর্ত্ততম ১ম, ১৬ :আর্ত্ততম ২য়, ১৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> njjrq5ehcvcokuz1gvn28aassebaggc 1991337 1991234 2026-07-30T16:28:39Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874454 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৵৹}} {{block center/s|width=550px}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:অভিনন্দন তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :অমরকণ্টক ২৬৫ :অমরকোষ ৩৪৯ :অমৃতদেব, অযোধ্যাবাসী ৮১ :অমূল্যচরণ ঘোষ বিদ্যাভূষণ ২৭, ৩২৭, ৩৩৫ :অমোঘবর্ষ ২০৩ :অমোঘবর্ষ (১ম) ১৮৫, ১৮৬, ১৯৩, ১৯৭, ২০৬, ২১৫, ২২০ :অমোঘবর্ষ (২য়) ২০০ :অমোঘবর্ষ প্রথমের তাম্রশাসন ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮ :অম্রকার্দ্দব ৫৩ :অয় ৩৬ :অযোধ্যা ৩০১ :অযোধ্যাবাসী অমৃতদেব ৮১ :অযোধ্যাবাসী বর্তু বা বৃতু ৩৪৫ :অরুণ ১৪ :অরুণখালি নদী ১০৩ :অলোয়ার ১৪২ :অল্পাধুনিক ২ :অবমুক্তরাজ ৫০ :অবনীবর্ম্মা ২য় ১৯১ :অবনীবর্ম্মা দ্বিতীয়ের তাম্রশাসন ১৮৯, ১৯০ :অবন্তী ১৪৪, ১৯১, ১৯২ :অবনীবর্ম্মা ১১৮, ১২২ :অশোক ১৮, ২৬, ৩১, ৩২, ৩৫, ৫২, ৫৫, ৬৮, ৯৮, ১১৪, ১১৬, ১৪৬, ২৫৫ :অশোকের অনুশাসন ৩১ :অশোকের শিলাস্তম্ভ ৪১ :অশোকচল্ল ৩৪৭, ৩৪৮ :অশ্বমেধযজ্ঞ ৫০ :অশ্বমেধযজ্ঞ, কুমারগুপ্ত, ১ মের ৬৪ :অশ্বমেধযজ্ঞের স্বর্ণমুদ্রা, কুমারগুপ্ত, ১ম ৬৪ :অশ্বমেধের সুবর্ণমুদ্রা, সমুদ্রগুপ্তের ৫১ টীকা :অশ্বমেধের সুবর্ণমুদ্রা ৫১ :অশ্বিন্‌গণ ১৪ :অশ্মীভূত কাষ্ঠ ৯ :অংশুনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা ১৬৪ টীকা, ১৬৬, ২৩১, ২৪৫, ২৯৭, ৩০৪, ৩৪৭, ৩৪৮ :অহ্‌মদ্‌শাহ আবদালী ৩৪০ :অহ্‌মদ নিয়াল্‌তিগীন্ ২৬৩ :অর্হৎ ১১৪ :অহ্লণদেবীর শিলালিপি ২৫৮, ২৬০, ২৮৪ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|আ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :আইন্-ই-আকবরী ২৮৭, ২৯২ :আওরঙ্গজেব ৯২ :আক্‌বর ১৭০ :আগ্রা ১১ :আগ্রা ও আযোধ্যার যুক্তপ্রদেশ ৭২, ৭৫, ২৭৩ টীকা। :আগ্রাসুবা ৭৭ :আঙ্গুল ৭ :আজমীর ৩৪০, ৩৪১ :আজমীর চিত্রশালা ১৯৫ :আজিমগঞ্জ ৫১ টীকা। :আর্জ্জুনায়ন ৫০ :আটবিক ৪৯ :আটবিক সামন্তচক্র ২৮৩ :আর্ত্ততম ১ম, ১৬ :আর্ত্ততম ২য়, ১৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> pmrd7hf7qjqvpkj162o0dmjdpvz60gu পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৫ 104 298765 1991235 1935073 2026-07-30T16:25:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991235 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৶৹}} {{block center/s|width=550px}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:আর্ত্তশুমর ১৬ :আদাদ, বাবিরুষের পবনদেবতা ২১, ২২ :আদিগাঞি ওঝা ২০২ :আদিত্য ১৫৫, ১২৪ :আদিত্যবর্ম্মা ১২২ :আদিত্যবর্ম্মা, স্থাণ্বীশ্বররাজ ৯৯ :আদিত্যসেন ৯৩, ১১২, ১১৬, ১২১, ১২২, ১২৮ :আদিদেব ৩০৩ :আদিনা মস্‌জিদ্ ১৫২ :আদিম ২ :আদিবরাহ ২১৯, ২৭০ :আদিশূর ১২৭, ১৩৩, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৭ টীকা, ১৩৮, ১৫২, ১৬১, ২৬৭, ২৬৮, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭২, ২৭৩ :আদিসিংহ মগধরাজ ৩০৯ :আধুনিক ২ :আনর্ত্ত ৫৪, ১৮২ :আনাম ২৭ :আন্তিওক দ্বিতীয়, বা তৃতীয় ৩১ :আনুলিয়ায় আবিষ্কৃত লক্ষ্মণসেনের তাম্রশাসন ৩২৬, ৩৩৫ :আফগানিস্থান ৩৬, ২১১, ২৫৪, ৩৩৭ :আভীর ৫০ :আভীরবংশীয় রাজগণ ৪৬ :আমীর (হম্মীর) ৩৩৯ :আমুরু, সিরিয়া দেশের দেবতা ২১ :আমেনহেতেপ (Amenhetep III), ১৬ :আম্রষণ্ডিকা (মণ্ডল) ১৯৮ :আয়ুক্তক সাণ্ডক বা গাণ্ডক ৭৯ :আয়ুধ ৪ :আর্য্যগণের পঞ্চনদে উপনিবেশ স্থাপন ১৭ :আর্য্যজাতির উত্তরাপথের সীমান্তে ১৯ :আর্য্যজাতির বাবিরুষে আগমন ১৩ :আর্য্যধর্ম্মের বিরুদ্ধে পূর্ব্বভারতে আন্দোলন ২৯ :আর্য্যবিজয় ১২, ১৩ :আর্য্যবিজয়কালে মগধ ও বঙ্গের অবস্থা ১৩ :আর্য্যাধিকার বঙ্গ ও মগধে ২৮ :আর্য্যাবর্ত্ত ৪১, ৪৮, ৪৯, ১১০, ১৩৯, ১৪৫, ১৭৮, ১৯৪, ২৪১, ২৫৩, ২৫৪, ২৫৫, ২৬৩, ২৬৪, ২৭৫, ৩০৩, ৩১৮, ৩২৯, ৩৫৩ :আর্য্যাবর্ত্তের উত্তর সীমান্ত ৬ :আর্য্যাবর্ত্তে দ্রবিড় জাতির অধিকার ২২ :আর্য্যোপনিবেশ, মিথিলায় ১৯ :আর্য্য সভ্যতার প্রচার, বঙ্গে ও মগধে ২৪ :আর্য্য ক্ষেমীশ্বর ২৫১ :আর্য্য ক্ষেমীশ্বর বিরচিত চণ্ডকৌশিক নাটক ২৫১, ২৫২ :আর্দাশির বাবেকান ২৫৩ :আরব (তাজিক) ২৫৩ :আরবগণ ২৫৩, ৩৫৪ :আরা ১১৩ :আরা জেলা ৩৪৬ :আলপ্‌তিগীন ২৫৪ :আলান (John Allan) ৪৯ টীকা, ৬৫, ৭৪, ৮৪ টীকা, ৯৩, ১১৯ :আলুক ৯৫ :আলেকজন্দর ম্যাসিডন-রাজ ৩০ :আবুল ফজল ১৪১, ১৫৩, ১৭০, ২৯২ :আবুল ফজল কৃত আইন-ই-আকবরী ২৮৭ :আশ্বলায়ন শাখা ৩২০ :আসাম ৯, ১০ :আসুর ১৩, ১৫ :আসুরে গ্রন্থ লিখিবার প্রাচীন পদ্ধতি ২১ :আসুরে প্রাচীন সভ্যতা ২০ :আহবমল্ল ৮৬, ২৬৩ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 6s8wkt6xhw58w7smh8lcdfwq1vm0smy 1991336 1991235 2026-07-30T16:28:38Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1658840 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৶৹}} {{block center/s|width=550px}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:আর্ত্তশুমর ১৬ :আদাদ, বাবিরুষের পবনদেবতা ২১, ২২ :আদিগাঞি ওঝা ২০২ :আদিত্য ১৫৫, ১২৪ :আদিত্যবর্ম্মা ১২২ :আদিত্যবর্ম্মা, স্থাণ্বীশ্বররাজ ৯৯ :আদিত্যসেন ৯৩, ১১২, ১১৬, ১২১, ১২২, ১২৮ :আদিদেব ৩০৩ :আদিনা মস্‌জিদ্ ১৫২ :আদিম ২ :আদিবরাহ ২১৯, ২৭০ :আদিশূর ১২৭, ১৩৩, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৭ টীকা, ১৩৮, ১৫২, ১৬১, ২৬৭, ২৬৮, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭২, ২৭৩ :আদিসিংহ মগধরাজ ৩০৯ :আধুনিক ২ :আনর্ত্ত ৫৪, ১৮২ :আনাম ২৭ :আন্তিওক দ্বিতীয়, বা তৃতীয় ৩১ :আনুলিয়ায় আবিষ্কৃত লক্ষ্মণসেনের তাম্রশাসন ৩২৬, ৩৩৫ :আফগানিস্থান ৩৬, ২১১, ২৫৪, ৩৩৭ :আভীর ৫০ :আভীরবংশীয় রাজগণ ৪৬ :আমীর (হম্মীর) ৩৩৯ :আমুরু, সিরিয়া দেশের দেবতা ২১ :আমেনহেতেপ (Amenhetep III), ১৬ :আম্রষণ্ডিকা (মণ্ডল) ১৯৮ :আয়ুক্তক সাণ্ডক বা গাণ্ডক ৭৯ :আয়ুধ ৪ :আর্য্যগণের পঞ্চনদে উপনিবেশ স্থাপন ১৭ :আর্য্যজাতির উত্তরাপথের সীমান্তে ১৯ :আর্য্যজাতির বাবিরুষে আগমন ১৩ :আর্য্যধর্ম্মের বিরুদ্ধে পূর্ব্বভারতে আন্দোলন ২৯ :আর্য্যবিজয় ১২, ১৩ :আর্য্যবিজয়কালে মগধ ও বঙ্গের অবস্থা ১৩ :আর্য্যাধিকার বঙ্গ ও মগধে ২৮ :আর্য্যাবর্ত্ত ৪১, ৪৮, ৪৯, ১১০, ১৩৯, ১৪৫, ১৭৮, ১৯৪, ২৪১, ২৫৩, ২৫৪, ২৫৫, ২৬৩, ২৬৪, ২৭৫, ৩০৩, ৩১৮, ৩২৯, ৩৫৩ :আর্য্যাবর্ত্তের উত্তর সীমান্ত ৬ :আর্য্যাবর্ত্তে দ্রবিড় জাতির অধিকার ২২ :আর্য্যোপনিবেশ, মিথিলায় ১৯ :আর্য্য সভ্যতার প্রচার, বঙ্গে ও মগধে ২৪ :আর্য্য ক্ষেমীশ্বর ২৫১ :আর্য্য ক্ষেমীশ্বর বিরচিত চণ্ডকৌশিক নাটক ২৫১, ২৫২ :আর্দাশির বাবেকান ২৫৩ :আরব (তাজিক) ২৫৩ :আরবগণ ২৫৩, ৩৫৪ :আরা ১১৩ :আরা জেলা ৩৪৬ :আলপ্‌তিগীন ২৫৪ :আলান (John Allan) ৪৯ টীকা, ৬৫, ৭৪, ৮৪ টীকা, ৯৩, ১১৯ :আলুক ৯৫ :আলেকজন্দর ম্যাসিডন-রাজ ৩০ :আবুল ফজল ১৪১, ১৫৩, ১৭০, ২৯২ :আবুল ফজল কৃত আইন-ই-আকবরী ২৮৭ :আশ্বলায়ন শাখা ৩২০ :আসাম ৯, ১০ :আসুর ১৩, ১৫ :আসুরে গ্রন্থ লিখিবার প্রাচীন পদ্ধতি ২১ :আসুরে প্রাচীন সভ্যতা ২০ :আহবমল্ল ৮৬, ২৬৩ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 7g1qrvxp2jrv67b4zk2ypt4brun6qnf পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৬ 104 298767 1991236 1935072 2026-07-30T16:25:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991236 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৷৹}} {{block center/s|width=550px}}</noinclude>{{c|{{x-larger|ই}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ইউচি ৩৩, ৩৬ :ইউফ্রেটিস্ ১৪, ১৫ :ইউয়ান চোয়াঙ্, (হিউয়েন্ থসাং) ৭৪, ১১৩, ১১৪, ১১৫, ১৪০, ২৭৫ :ইউয়ান চোয়াঙ্, ভ্রমণ বৃত্তান্ত ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৭, ১০৯, ১১০ :ই-চিং, চীনদেশীয় পরিব্রাজক ১১৫, ১৬৫, ২৩৬ :ইচ্ছা ২৩৫ :ইচ্ছাদেবী ১১৮ :ইটখৌরী ২২৮ :ইটা জেলা ৫৮, ৬০ :ইতকম ১৬ :ইদিলপুর ১৫৪ :ইদিলপুর পরগণা ২৩৪, ৩৫৫ :ইদিলপুরে আবিষ্কৃত কেশবসেনের তাম্রশাসন ৩৫৫ :ইন্দ্র ১৪, ২১৯ :ইন্দ্র (গুজ্‌রাটের সামন্তবংশের প্রতিষ্ঠাতা) ২০০ :ইন্দ্র (১ম) ২০০ :ইন্দ্র (২য়) ২০০ :ইন্দ্র ৩য় (নিত্যবর্ষ) ১৪৬, ২০০, ২০৩, ২৩০ :ইন্দ্র ৩য়ের তাম্রশাসন ১৮২ :ইন্দ্রগুপ্ত ২১১ :ইন্দ্রদত্ত ৩০৫ :ইন্দ্রপুর নগর ৬৯ :ইন্দ্রপুর বা ইন্দোর ৮৮ :ইন্দ্রমিত্রের মুদ্রা ৪৬ :ইন্দ্ররাজ ১৮০, ১৮৯, ১৯১, ১৯২, ১৯৬, ১৯৭ :ইন্দ্রবিষ্ণু ৮২ :ইন্দ্রশিলা পর্ব্বত ২১২, ২১২ টীকা :ইন্দ্রস্থান ৩৪৪ :ইন্দ্রাগ্নিমিত্র ৩৪ :ইন্দ্রায়ুধ—১২৭, ১৪৪, ১৪৯, ১৮০, ১৮০ টীকা, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৯, ১৯১, ১৯২ :ইন্দ্রায়ুধ, কান্যকুব্জরাজ ১৪৭ :ইণ্ডিয়া অফিস ৩৩৪ :ইমাদপুর গ্রাম ২৫৭ :ইয়াকুব লাইস্ ২৫৪ :ইরসাদ আলি খাঁ চৌধুরী ৫৯ :ইরাণ ৮৮ :ইরাণে আবিষ্কৃত শিলালিপি ৭৬, ৭৭, ৮০, ৮১, ৮২ :ইলুরা ১৪৬ :ইসমাইল, সামানী বংশীয় রাজা ২৫৪ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঈ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঈশানপুর ১১৬ :ঈশানবর্ম্মা ৯৩, ৯৪, ১১৮, ১২২, ১২৪ :ঈশ্বরকৃত বৈদিক কুলপঞ্জী ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০ :ঈশ্বরঘোষ ৩৩০ :ঈশ্বরবর্ম্মা ১২২, ১২৪, ৩২৬, ৩৫৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> gh3g6mfyfhryi6e5fwjykgc9oe9ysxr 1991335 1991236 2026-07-30T16:28:38Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1658833 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৷৹}} {{block center/s|width=550px}}</noinclude>{{c|{{x-larger|ই}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ইউচি ৩৩, ৩৬ :ইউফ্রেটিস্ ১৪, ১৫ :ইউয়ান চোয়াঙ্, (হিউয়েন্ থসাং) ৭৪, ১১৩, ১১৪, ১১৫, ১৪০, ২৭৫ :ইউয়ান চোয়াঙ্, ভ্রমণ বৃত্তান্ত ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৭, ১০৯, ১১০ :ই-চিং, চীনদেশীয় পরিব্রাজক ১১৫, ১৬৫, ২৩৬ :ইচ্ছা ২৩৫ :ইচ্ছাদেবী ১১৮ :ইটখৌরী ২২৮ :ইটা জেলা ৫৮, ৬০ :ইতকম ১৬ :ইদিলপুর ১৫৪ :ইদিলপুর পরগণা ২৩৪, ৩৫৫ :ইদিলপুরে আবিষ্কৃত কেশবসেনের তাম্রশাসন ৩৫৫ :ইন্দ্র ১৪, ২১৯ :ইন্দ্র (গুজ্‌রাটের সামন্তবংশের প্রতিষ্ঠাতা) ২০০ :ইন্দ্র (১ম) ২০০ :ইন্দ্র (২য়) ২০০ :ইন্দ্র ৩য় (নিত্যবর্ষ) ১৪৬, ২০০, ২০৩, ২৩০ :ইন্দ্র ৩য়ের তাম্রশাসন ১৮২ :ইন্দ্রগুপ্ত ২১১ :ইন্দ্রদত্ত ৩০৫ :ইন্দ্রপুর নগর ৬৯ :ইন্দ্রপুর বা ইন্দোর ৮৮ :ইন্দ্রমিত্রের মুদ্রা ৪৬ :ইন্দ্ররাজ ১৮০, ১৮৯, ১৯১, ১৯২, ১৯৬, ১৯৭ :ইন্দ্রবিষ্ণু ৮২ :ইন্দ্রশিলা পর্ব্বত ২১২, ২১২ টীকা :ইন্দ্রস্থান ৩৪৪ :ইন্দ্রাগ্নিমিত্র ৩৪ :ইন্দ্রায়ুধ—১২৭, ১৪৪, ১৪৯, ১৮০, ১৮০ টীকা, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৯, ১৯১, ১৯২ :ইন্দ্রায়ুধ, কান্যকুব্জরাজ ১৪৭ :ইণ্ডিয়া অফিস ৩৩৪ :ইমাদপুর গ্রাম ২৫৭ :ইয়াকুব লাইস্ ২৫৪ :ইরসাদ আলি খাঁ চৌধুরী ৫৯ :ইরাণ ৮৮ :ইরাণে আবিষ্কৃত শিলালিপি ৭৬, ৭৭, ৮০, ৮১, ৮২ :ইলুরা ১৪৬ :ইসমাইল, সামানী বংশীয় রাজা ২৫৪ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঈ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঈশানপুর ১১৬ :ঈশানবর্ম্মা ৯৩, ৯৪, ১১৮, ১২২, ১২৪ :ঈশ্বরকৃত বৈদিক কুলপঞ্জী ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০ :ঈশ্বরঘোষ ৩৩০ :ঈশ্বরবর্ম্মা ১২২, ১২৪, ৩২৬, ৩৫৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 9aaf4ci5vl4ojtu78khwwjp4kw92wpm পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৭ 104 298769 1991237 1935071 2026-07-30T16:25:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991237 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৷৴৹}} {{block center/s|width=550px}}</noinclude>{{c|{{x-larger|উ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :উইঙ্কলার (Hugo Winckler) ১৬ :উইলসন (H. H. Wilson) ১১৯ :উগ্রসেন ৫০ :উচ্ছকল্প ৬৯ :উচ্ছাল ২৮৩, ২৯০ :উচ্ছালের অধিপতি ময়গল সিংহ ২৮৯ :উজ্জয়িনী ৫৪, ১৯২ :উজিয়াল ঘাটী ২৯০ :উজিয়ালপুর ২৯০ :উজিয়ালবাজু ২৯০ :উজ্জ্বল (ভাস্কর) ১৯৮ :উত্তর রাঢ় ২৫০, ২৫২, ২৯০, ২৯৪, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬ :উত্তর রাঢ়া মণ্ডল ৩২২, ৩২৫ :উত্তররাঢ়ীয় কায়স্থ কুলগ্রন্থ ২৭০ :উত্তরলাট (উত্তর গুজরাট) ২৫০ :উত্তির লাড়ম্ ২৫০ :উত্তর বঙ্গ ২৩২, ২৩৯, ২৪২, ২৫২, ৩১২ :উত্তরাকাণ্ড ২৯৮ :উত্তরাপথ ৮, ১০, ৩৪, ৩৬, ৪০, ৪৯, ৫০, ৫৫, ৭৯, ৮৯, ৯৯, ১৪১, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৯২, ২১৯, ২৪১, ৩৩৯, ৩৪৪ :উত্তরাপথে আর্য্যগণ ২৩ :উত্তরাপথ আক্রমণ, বৎসরাজ কর্ত্তৃক ১৪৪ :উত্তরাপথবাসী প্রাচীন মানব ৭ :উত্তরাপথ বিজয়, যৌধেয়গণ কর্ত্তৃক ৪৬ :উত্তরাপথের গুর্জ্জর-প্রতীহার সাম্রাজ্য ১৪২ :উত্তরাপথের সীমান্তে, আর্য্যজাতি ১৯ :উদভাণ্ডপুর (উণ্ড) ২৫৪, ৩৩৯ :উদয়কর শর্ম্মা ৩২০ :উদয়গিরি ৪৩ :উদয়গিরি পর্ব্বত ৫২, ৫৩, ৫৬, ৫৮, ৮৮ :উদয়দেব ১২২ :উদনের (সরকার) ২৮৯ :উদয়মান ৩০১ :উদয়াদিত্যের শিলালিপি ২৫৮ :উদ্দণ্ডপুর (ওতন্তপুর বা ওদণ্ডপুরী) ২২১, ২২৪, ২৪৮, ৩৩২, ৩৫২, ৩৫৩ :উদ্দণ্ডপুরের তারামূর্ত্তি ২৯৬ :উদ্দণ্ডপুরের মূর্ত্তি ২০৩ :উদ্দণ্ডপুরের যুদ্ধ ৩৩৭ :উদ্দাকা, রাজ্ঞী ২৬২ :উদ্ভিদ্‌ভোজী মানব ৩ :উদ্যোতকেশরী ২৮৮ :উনানগরের তাম্রশাসন ১৯০ :উপকারিকা, বিক্রমপুর ৩২০ :উপগুপ্তা ১২২ :উপপুর (ডমর নগর) ২৯১ :উপরিক (চিরাত দত্ত) ৬১, ৬২ :উপ্যালকা বা উপ্পলিকা ২৯৪ :উপাধুনিক ২, ৩ :উমাপতি ২১০ :উমাপতিধর ৩১২, ৩১৯ :উমেশচন্দ্র বটব্যাল ১৯৮ :উসুন্ ৩৩ :উড়িষ্যা ৭, ৫০, ১০৮, ১০৯, ১৬২, ২৪৮, ২৮৭, ২৮৮, ২৯৩ টীকা, ৩০২ :উড়িষ্যার কেশরী বংশ ২৮৮ :উৎকল ২০৩, ২০৪, ২০৬, ২০৭, ২৭০, ২৭৩ টীকা, ২৯২, ২৯৩, ৩১৬, ৩১৮ :উৎকলরাজ ৩০৯ :উৎকলরাজ কর্ণকেশরী ২৪৯, ২৯৩ টীকা {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> okxfh773uielvmpe2tf1l9gt896khor 1991334 1991237 2026-07-30T16:28:37Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1658831 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|৷৴৹}} {{block center/s|width=550px}}</noinclude>{{c|{{x-larger|উ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :উইঙ্কলার (Hugo Winckler) ১৬ :উইলসন (H. H. Wilson) ১১৯ :উগ্রসেন ৫০ :উচ্ছকল্প ৬৯ :উচ্ছাল ২৮৩, ২৯০ :উচ্ছালের অধিপতি ময়গল সিংহ ২৮৯ :উজ্জয়িনী ৫৪, ১৯২ :উজিয়াল ঘাটী ২৯০ :উজিয়ালপুর ২৯০ :উজিয়ালবাজু ২৯০ :উজ্জ্বল (ভাস্কর) ১৯৮ :উত্তর রাঢ় ২৫০, ২৫২, ২৯০, ২৯৪, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬ :উত্তর রাঢ়া মণ্ডল ৩২২, ৩২৫ :উত্তররাঢ়ীয় কায়স্থ কুলগ্রন্থ ২৭০ :উত্তরলাট (উত্তর গুজরাট) ২৫০ :উত্তির লাড়ম্ ২৫০ :উত্তর বঙ্গ ২৩২, ২৩৯, ২৪২, ২৫২, ৩১২ :উত্তরাকাণ্ড ২৯৮ :উত্তরাপথ ৮, ১০, ৩৪, ৩৬, ৪০, ৪৯, ৫০, ৫৫, ৭৯, ৮৯, ৯৯, ১৪১, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৯২, ২১৯, ২৪১, ৩৩৯, ৩৪৪ :উত্তরাপথে আর্য্যগণ ২৩ :উত্তরাপথ আক্রমণ, বৎসরাজ কর্ত্তৃক ১৪৪ :উত্তরাপথবাসী প্রাচীন মানব ৭ :উত্তরাপথ বিজয়, যৌধেয়গণ কর্ত্তৃক ৪৬ :উত্তরাপথের গুর্জ্জর-প্রতীহার সাম্রাজ্য ১৪২ :উত্তরাপথের সীমান্তে, আর্য্যজাতি ১৯ :উদভাণ্ডপুর (উণ্ড) ২৫৪, ৩৩৯ :উদয়কর শর্ম্মা ৩২০ :উদয়গিরি ৪৩ :উদয়গিরি পর্ব্বত ৫২, ৫৩, ৫৬, ৫৮, ৮৮ :উদয়দেব ১২২ :উদনের (সরকার) ২৮৯ :উদয়মান ৩০১ :উদয়াদিত্যের শিলালিপি ২৫৮ :উদ্দণ্ডপুর (ওতন্তপুর বা ওদণ্ডপুরী) ২২১, ২২৪, ২৪৮, ৩৩২, ৩৫২, ৩৫৩ :উদ্দণ্ডপুরের তারামূর্ত্তি ২৯৬ :উদ্দণ্ডপুরের মূর্ত্তি ২০৩ :উদ্দণ্ডপুরের যুদ্ধ ৩৩৭ :উদ্দাকা, রাজ্ঞী ২৬২ :উদ্ভিদ্‌ভোজী মানব ৩ :উদ্যোতকেশরী ২৮৮ :উনানগরের তাম্রশাসন ১৯০ :উপকারিকা, বিক্রমপুর ৩২০ :উপগুপ্তা ১২২ :উপপুর (ডমর নগর) ২৯১ :উপরিক (চিরাত দত্ত) ৬১, ৬২ :উপ্যালকা বা উপ্পলিকা ২৯৪ :উপাধুনিক ২, ৩ :উমাপতি ২১০ :উমাপতিধর ৩১২, ৩১৯ :উমেশচন্দ্র বটব্যাল ১৯৮ :উসুন্ ৩৩ :উড়িষ্যা ৭, ৫০, ১০৮, ১০৯, ১৬২, ২৪৮, ২৮৭, ২৮৮, ২৯৩ টীকা, ৩০২ :উড়িষ্যার কেশরী বংশ ২৮৮ :উৎকল ২০৩, ২০৪, ২০৬, ২০৭, ২৭০, ২৭৩ টীকা, ২৯২, ২৯৩, ৩১৬, ৩১৮ :উৎকলরাজ ৩০৯ :উৎকলরাজ কর্ণকেশরী ২৪৯, ২৯৩ টীকা {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> mbtokr4gp36g359ehknd19q29bm3z7w পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৮ 104 298771 1991239 1935070 2026-07-30T16:25:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991239 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৵৹}}</noinclude>{{c|{{x-larger|ঊ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} :ঊকি ২৭ {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঋ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} :ঋগ্বেদ ৩২০ :ঋগ্বেদের দস্যু ২৩ :ঋগ্বেদের রচনাকাল ১৭ {{div col end}} {{c|{{x-larger|এ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :একল্লাতী নগর, মারদুক নাদীন্ আখি কর্ত্তৃক জয় ২১ :এগেট (Agate) ৩ :এড়ুমিশ্র ১৫৪ :এত্রাহা ২৯৭ :এরণ্ডপল্লরাজ ৫০ :এলাহাবাদ জেলা ৫৮, ৬১, ২৭৩ টীকা :এলাহাবাদ প্রশস্তি, সমুদ্রগুপ্তের ৪০ :এসিয়াবাসী ৬৩ :এসিয়াবাসী যাযাবর জাতি সমূহ ১৫ :এসিয়াটিক সোসাইটি ৩৯, ৫৯, ১৯৮, ২৪৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঐ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঐতরেয় আরণ্যক ২৩ :ঐতরেয় আরণ্যকে চের :ঐতরেয় আরণ্যকে মগধ ১৯ :ঐতরেয় আরণ্যকে বঙ্গ ১৮, ১৯ :ঐতরেয় ব্রাহ্মণ ১৭, ১৮ :ঐন্দ্রমহাভিষেক, ঐতরেয় ব্রাহ্মণে ১৮ :ঐরকিণ (ইরাণ) ৮৩ :ঐরাণ অধিকার, দ্রবিড় জাতি কর্ত্তৃক ১০ :ঐরাণে আর্য্যগণ ১৭ :ঐহোলীগ্রাম ১৪০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ও}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ওড্ড বিষয় (ওড়িষ্যা) ২৪৭ :ওড্র ১২৮, ১২৯ :ওয়ালিদ্, খলিফা ১৪৩ :ওয়ারেণ হেষ্টিংস (Warren Hastings) ৫৭, ৬৫ :ওয়েষ্টমেকট (E. V. Westmacott) ২৪২ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ক}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :কক্ক (অমোঘবর্ষ ৪র্থ) ২০০ :কক্ক ১৯৩, ২২৩ :কক্ক, ১ম, ১৪৭, ১৪৮, ২০০ :কক্ক (২য়) ১৬৬, ২০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> oxde623yjsub2dj7jf80lgk4zmhy34u 1991333 1991239 2026-07-30T16:28:36Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874458 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৵৹}}</noinclude>{{c|{{x-larger|ঊ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} :ঊকি ২৭ {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঋ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} :ঋগ্বেদ ৩২০ :ঋগ্বেদের দস্যু ২৩ :ঋগ্বেদের রচনাকাল ১৭ {{div col end}} {{c|{{x-larger|এ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :একল্লাতী নগর, মারদুক নাদীন্ আখি কর্ত্তৃক জয় ২১ :এগেট (Agate) ৩ :এড়ুমিশ্র ১৫৪ :এত্রাহা ২৯৭ :এরণ্ডপল্লরাজ ৫০ :এলাহাবাদ জেলা ৫৮, ৬১, ২৭৩ টীকা :এলাহাবাদ প্রশস্তি, সমুদ্রগুপ্তের ৪০ :এসিয়াবাসী ৬৩ :এসিয়াবাসী যাযাবর জাতি সমূহ ১৫ :এসিয়াটিক সোসাইটি ৩৯, ৫৯, ১৯৮, ২৪৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঐ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঐতরেয় আরণ্যক ২৩ :ঐতরেয় আরণ্যকে চের :ঐতরেয় আরণ্যকে মগধ ১৯ :ঐতরেয় আরণ্যকে বঙ্গ ১৮, ১৯ :ঐতরেয় ব্রাহ্মণ ১৭, ১৮ :ঐন্দ্রমহাভিষেক, ঐতরেয় ব্রাহ্মণে ১৮ :ঐরকিণ (ইরাণ) ৮৩ :ঐরাণ অধিকার, দ্রবিড় জাতি কর্ত্তৃক ১০ :ঐরাণে আর্য্যগণ ১৭ :ঐহোলীগ্রাম ১৪০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ও}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ওড্ড বিষয় (ওড়িষ্যা) ২৪৭ :ওড্র ১২৮, ১২৯ :ওয়ালিদ্, খলিফা ১৪৩ :ওয়ারেণ হেষ্টিংস (Warren Hastings) ৫৭, ৬৫ :ওয়েষ্টমেকট (E. V. Westmacott) ২৪২ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ক}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :কক্ক (অমোঘবর্ষ ৪র্থ) ২০০ :কক্ক ১৯৩, ২২৩ :কক্ক, ১ম, ১৪৭, ১৪৮, ২০০ :কক্ক (২য়) ১৬৬, ২০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> mrv4wmjsizztxim9x45befgmwoegk2j পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৮৯ 104 298773 1991240 1935069 2026-07-30T16:25:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991240 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কক্ক (৩য়) ২০০ :কক্করাজ ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭ :কক্কুক ১৪৪, ১৮১ :কক্কুকের শিলালিপি ২২৩ :ককুভ গ্রাম ৬৯ :ককুস্থ ১৪৪, ২০১ :কর্কোটবংশের অভ্যুদয়কাল ১৩৯ :কগিন্ ব্রাউন (J. Coggin Brown) ৬, ১০ :কচ্ছ ৫৪ :কচ্ছপঘাতবংশীয় অর্জ্জুন ২৫৬ :কর্চ্ছনা তহশীল ৫৮, ৬২ :কটক ২৭২ :কটক (সরকার) ২৮৭ :কর্ণকেশরী, উৎকলরাজ ২৪৯, ২৮৭, ২৯৩ টীকা :কর্ণ ১৬০, ২২৮, ২২৯, ২৩৭, ২৪১, ২৫২, ২৫৮, ২৫৯, ২৬০, ২৬১, ২৬৩, ২৬৪, ২৬৪ টীকা, ২৬৫, ৩০৭ :কর্ণের তাম্রশাসন ২১৫, ২৭৩ টীকা :কর্ণের স্তম্ভলিপি ২৬৫ :কর্ণসেন ১৬০ :কর্ণসুবর্ণ (কানসোণা) ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৮, ১০৯, ১১১, ১১২, ১১৬ :কর্ণাট ১৪৭, ১৯০, ২৫১, ২৫৮ :কর্ণাটক শব্দানুশাসন, পম্পরাজের ২৩০ :কর্ণাটগণ ২৫১ :কর্ণাটদেশবাসী ক্ষত্রিয় ৩১৪ :কর্ণাটরাজ (চোলরাজ) ২৫২ :কর্ণুল ২ :কর্ত্তৃপুর ৫০ :কনকতুলাপুরুষ মহাদান ৩২০ :কানিংহাম (Sir A. Cunningham) ৩৫ টীকা, ৩৭, ৪০, ৪৯, ৬৫, ৭১, ১৭৯, ২৪৬ :কনৌজ ২৭২ :কর্প্পটিক ৬১ :কপিলবাস্তু ৫৫ :কপিশা ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৬৮, ২৫৪ :কমলা (পৌণ্ড্রবর্দ্ধনের নর্ত্তকী) ১৩২ :কমলাঙ্ক বা কামলঙ্কা (পেগু) ১১৬ :কমলাদেবী ১১৭, ১২১ :কমাদেশ ৩৩১ :কমারতালক মণ্ডল ২৩৪ :কম্বায় বা খম্বায়ৎ ২৩২ :কম্বায় নগরে আবিষ্কৃত গোবিন্দ (৪র্থ) তাম্রশাসন ২৩০ টীকা :কমৌলি গ্রাম ৩০৮, ৩৪৩ :কমৌলি তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯, ১৭০, ১৭৪, ৩০৪ :কয়ঙ্গল মণ্ডল ২৮৩ :কয়ঙ্গল মণ্ডলের নরসিংহার্জ্জুন ২৯০ :কয়েখা ১১৯ :করঞ্জ ১৯৯ :করতোয়া ২৯২ :করমণ্ডল উপকূল ২৭২ :করণবেলের শিলালিপি ২৫৮, ২৬০ :করুষদেশ ৩৪৫ :কলিকাতার এসিয়াটিক সোসাইটীর গ্রন্থাগার ২৯৮, ৩৪৯ :কলিকাতার চিত্রশালা ৩৮, ৩৮ টীকা, ৬৫, ৬৭, ৮৫, ৯০, ৯৭, ১০৩, ১০৫, ২১৩, ২২৪, ২৬৪, ২৯৬, ২৯৭, ৩১২, ৩২২ :কলচুরি ২৫২ :কলচুরি রাজবংশ ২২০, ২২৩ :কলঞ্জর ২৫৫, ২৫৬, ২৬০, ৩৪০ :কলহণ্ডী ৩৪৬ :কলিকাল বাল্মীকী ({{SIC|সন্ধ্যাকরন|সন্ধ্যাকর}} নন্দী) ৩০৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 33klclw8w4wx6jro4pzihr83p8qchcb 1991332 1991240 2026-07-30T16:28:35Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1659155 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কক্ক (৩য়) ২০০ :কক্করাজ ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭ :কক্কুক ১৪৪, ১৮১ :কক্কুকের শিলালিপি ২২৩ :ককুভ গ্রাম ৬৯ :ককুস্থ ১৪৪, ২০১ :কর্কোটবংশের অভ্যুদয়কাল ১৩৯ :কগিন্ ব্রাউন (J. Coggin Brown) ৬, ১০ :কচ্ছ ৫৪ :কচ্ছপঘাতবংশীয় অর্জ্জুন ২৫৬ :কর্চ্ছনা তহশীল ৫৮, ৬২ :কটক ২৭২ :কটক (সরকার) ২৮৭ :কর্ণকেশরী, উৎকলরাজ ২৪৯, ২৮৭, ২৯৩ টীকা :কর্ণ ১৬০, ২২৮, ২২৯, ২৩৭, ২৪১, ২৫২, ২৫৮, ২৫৯, ২৬০, ২৬১, ২৬৩, ২৬৪, ২৬৪ টীকা, ২৬৫, ৩০৭ :কর্ণের তাম্রশাসন ২১৫, ২৭৩ টীকা :কর্ণের স্তম্ভলিপি ২৬৫ :কর্ণসেন ১৬০ :কর্ণসুবর্ণ (কানসোণা) ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৮, ১০৯, ১১১, ১১২, ১১৬ :কর্ণাট ১৪৭, ১৯০, ২৫১, ২৫৮ :কর্ণাটক শব্দানুশাসন, পম্পরাজের ২৩০ :কর্ণাটগণ ২৫১ :কর্ণাটদেশবাসী ক্ষত্রিয় ৩১৪ :কর্ণাটরাজ (চোলরাজ) ২৫২ :কর্ণুল ২ :কর্ত্তৃপুর ৫০ :কনকতুলাপুরুষ মহাদান ৩২০ :কানিংহাম (Sir A. Cunningham) ৩৫ টীকা, ৩৭, ৪০, ৪৯, ৬৫, ৭১, ১৭৯, ২৪৬ :কনৌজ ২৭২ :কর্প্পটিক ৬১ :কপিলবাস্তু ৫৫ :কপিশা ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৬৮, ২৫৪ :কমলা (পৌণ্ড্রবর্দ্ধনের নর্ত্তকী) ১৩২ :কমলাঙ্ক বা কামলঙ্কা (পেগু) ১১৬ :কমলাদেবী ১১৭, ১২১ :কমাদেশ ৩৩১ :কমারতালক মণ্ডল ২৩৪ :কম্বায় বা খম্বায়ৎ ২৩২ :কম্বায় নগরে আবিষ্কৃত গোবিন্দ (৪র্থ) তাম্রশাসন ২৩০ টীকা :কমৌলি গ্রাম ৩০৮, ৩৪৩ :কমৌলি তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯, ১৭০, ১৭৪, ৩০৪ :কয়ঙ্গল মণ্ডল ২৮৩ :কয়ঙ্গল মণ্ডলের নরসিংহার্জ্জুন ২৯০ :কয়েখা ১১৯ :করঞ্জ ১৯৯ :করতোয়া ২৯২ :করমণ্ডল উপকূল ২৭২ :করণবেলের শিলালিপি ২৫৮, ২৬০ :করুষদেশ ৩৪৫ :কলিকাতার এসিয়াটিক সোসাইটীর গ্রন্থাগার ২৯৮, ৩৪৯ :কলিকাতার চিত্রশালা ৩৮, ৩৮ টীকা, ৬৫, ৬৭, ৮৫, ৯০, ৯৭, ১০৩, ১০৫, ২১৩, ২২৪, ২৬৪, ২৯৬, ২৯৭, ৩১২, ৩২২ :কলচুরি ২৫২ :কলচুরি রাজবংশ ২২০, ২২৩ :কলঞ্জর ২৫৫, ২৫৬, ২৬০, ৩৪০ :কলহণ্ডী ৩৪৬ :কলিকাল বাল্মীকী ({{SIC|সন্ধ্যাকরন|সন্ধ্যাকর}} নন্দী) ৩০৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 32ig3gjxfg3zwrfwbvi1oa06xyixg1e পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯০ 104 298775 1991241 1935068 2026-07-30T16:25:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991241 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কলিঙ্গ ২৩, ৩১, ৩২, ৪৫, ১০৯, ১১০, ১২৮, ১২৯, ২৫৮, ২৭২, ২৯২, ৩১৭, ৩২৫ :কলিঙ্গ নগর ৪৪ :কলিঙ্গরাজ ৫০ :কলিঙ্গ, বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে ২৪ :কলিঙ্গের চেতবংশ ৪৩ :কলিঙ্গের রাজগণ ১৮১ :কল্যাণমিত্র চিন্তামণি (নালন্দাবাসী) ২৪৫ :কল্যাণবর্ম্মা ১২৩ :কল্যাণের চালুক্যগণ ২৬৩ :কল্যাণের চালুক্যবংশীয় জয়সিংহ (২য়) ২৪১ :কল্যাণের চালুক্যরাজগণ ১৬৬ :কল্যাণীদেবী ১৩২ :কহাউঁ ৬৯, ১৮৮ :কন্থবেনা নদী ৪৪ :কহ্লণমিশ্রের রাজতরঙ্গিনী ১৩১, ১৩২, ১৩৩, ১৩৩ টীকা :কাহ্লাগ্রামের তাম্রশাসন ২২৪ :কাক ৫০ :কাকনাদবোট ৫৩, ৬৩ :কাঙ্গ্‌ড়া ১৯২ :কাঞ্চনা ২৩৩, ২৩৫ :কাঞ্চী ১৫০, ১৯৩ টীকা :কাঞ্চী নগরাধিপতি ০ :কাটাগঙ্গা ১২০ :কাটোয়া ৩২২ :কাঠমণ্ডু ১৬৪ টীকা :কাঠিয়াবাড় ১৯০ :কাণপুর ১১ :কাণাডাভাষা ২৩০ টীকা :কাণ্বরাজগণ ৪৫ :কাণ্ববংশীয় ৩৪, ৩৫ :কাণ্ববংশীয় বাসুদেব ৩৪ :কাণিষ্ক, ১ম ৩৪, ৩৬, ৩৭, ৩৯ :কাণিষ্কের তাম্রমুদ্রা ৩৮, ৪৬ :কাণিষ্কের বংশধরগণ ২৫৪ :কাণিষ্কবিহার ২১১, ২১২ :কার্ণাটক বংশ ৩৩৬ :কার্ণাটক রাজবংশ, মিথিলার ৩১৮ :কার্ত্তিকেয় মূর্ত্তি, ময়ূর বাহন ৬৭ :কান্যকুব্জ ৫৫, ১০৩, ১০৪, ১০৬, ১১৭, ১২৯, ১৩১, ১৩৪, ১৪১, ১৪২, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৯, ১৭৩, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮০, ১৮৫, ১৮৮, ১৮৯, ১৯১, ১৯২, ২১৫, ২১৯, ২২০, ২২৮, ২৩০, ২৪০, ২৪১, ২৫৫, ২৫৬, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭২, ২৭৬, ২৮৪, ৩২৩, ৩২৪, ৩৪৫ :কান্যকুব্জ রাজগণ ১৪১ :কান্যকুব্জরাজ (চক্রায়ুধ) ১৯৩ :কান্যকুব্জরাজ, ইন্দ্রায়ুধ ১৪৭ :কান্যকুব্জরাজ জয়চ্চন্দ্র ৩৩৮ :কান্যকুব্জরাজ যশোবর্ম্মা ১২৭ :কান্যকুব্জ রাজ্য ১৯৪, ৩৪৬, ৩৫১, ৩৫৫, ৩৫৭ :কান্যকুব্জবিজয় ৩৪৪, ৩৫৮ :কান্যকুব্জ হইতে বঙ্গে ব্রাহ্মণ আগমন ২৭৩ :কান্যকুব্জের গাহড্‌বালবংশ ৩০৭, ৩২৩, ৩৩৮, ৩৩৯ :কান্তিযোঙ্গীয় ৩২০ :কামরূপ ৫০, ১০৮, ২০৩, ২৯৩, ৩১২, ৩২৫, ৩৫৬ :কামরূপবিজয় ৩৫৮ :কামরূপের হর্ষদেব ১২৭ :কামরূপরাজ ভাস্করবর্ম্মা ১২৩ :কামরূপরাজ বৈদ্যদেব ২৯৭, ৩৪৩ :কামরূপরাজের বিদ্রোহ ৩০৮<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 1dzk5771u6lnfr3izzfd3472s7jtxjj 1991331 1991241 2026-07-30T16:28:33Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874460 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কলিঙ্গ ২৩, ৩১, ৩২, ৪৫, ১০৯, ১১০, ১২৮, ১২৯, ২৫৮, ২৭২, ২৯২, ৩১৭, ৩২৫ :কলিঙ্গ নগর ৪৪ :কলিঙ্গরাজ ৫০ :কলিঙ্গ, বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে ২৪ :কলিঙ্গের চেতবংশ ৪৩ :কলিঙ্গের রাজগণ ১৮১ :কল্যাণমিত্র চিন্তামণি (নালন্দাবাসী) ২৪৫ :কল্যাণবর্ম্মা ১২৩ :কল্যাণের চালুক্যগণ ২৬৩ :কল্যাণের চালুক্যবংশীয় জয়সিংহ (২য়) ২৪১ :কল্যাণের চালুক্যরাজগণ ১৬৬ :কল্যাণীদেবী ১৩২ :কহাউঁ ৬৯, ১৮৮ :কন্থবেনা নদী ৪৪ :কহ্লণমিশ্রের রাজতরঙ্গিনী ১৩১, ১৩২, ১৩৩, ১৩৩ টীকা :কাহ্লাগ্রামের তাম্রশাসন ২২৪ :কাক ৫০ :কাকনাদবোট ৫৩, ৬৩ :কাঙ্গ্‌ড়া ১৯২ :কাঞ্চনা ২৩৩, ২৩৫ :কাঞ্চী ১৫০, ১৯৩ টীকা :কাঞ্চী নগরাধিপতি ০ :কাটাগঙ্গা ১২০ :কাটোয়া ৩২২ :কাঠমণ্ডু ১৬৪ টীকা :কাঠিয়াবাড় ১৯০ :কাণপুর ১১ :কাণাডাভাষা ২৩০ টীকা :কাণ্বরাজগণ ৪৫ :কাণ্ববংশীয় ৩৪, ৩৫ :কাণ্ববংশীয় বাসুদেব ৩৪ :কাণিষ্ক, ১ম ৩৪, ৩৬, ৩৭, ৩৯ :কাণিষ্কের তাম্রমুদ্রা ৩৮, ৪৬ :কাণিষ্কের বংশধরগণ ২৫৪ :কাণিষ্কবিহার ২১১, ২১২ :কার্ণাটক বংশ ৩৩৬ :কার্ণাটক রাজবংশ, মিথিলার ৩১৮ :কার্ত্তিকেয় মূর্ত্তি, ময়ূর বাহন ৬৭ :কান্যকুব্জ ৫৫, ১০৩, ১০৪, ১০৬, ১১৭, ১২৯, ১৩১, ১৩৪, ১৪১, ১৪২, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৯, ১৭৩, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮০, ১৮৫, ১৮৮, ১৮৯, ১৯১, ১৯২, ২১৫, ২১৯, ২২০, ২২৮, ২৩০, ২৪০, ২৪১, ২৫৫, ২৫৬, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭২, ২৭৬, ২৮৪, ৩২৩, ৩২৪, ৩৪৫ :কান্যকুব্জ রাজগণ ১৪১ :কান্যকুব্জরাজ (চক্রায়ুধ) ১৯৩ :কান্যকুব্জরাজ, ইন্দ্রায়ুধ ১৪৭ :কান্যকুব্জরাজ জয়চ্চন্দ্র ৩৩৮ :কান্যকুব্জরাজ যশোবর্ম্মা ১২৭ :কান্যকুব্জ রাজ্য ১৯৪, ৩৪৬, ৩৫১, ৩৫৫, ৩৫৭ :কান্যকুব্জবিজয় ৩৪৪, ৩৫৮ :কান্যকুব্জ হইতে বঙ্গে ব্রাহ্মণ আগমন ২৭৩ :কান্যকুব্জের গাহড্‌বালবংশ ৩০৭, ৩২৩, ৩৩৮, ৩৩৯ :কান্তিযোঙ্গীয় ৩২০ :কামরূপ ৫০, ১০৮, ২০৩, ২৯৩, ৩১২, ৩২৫, ৩৫৬ :কামরূপবিজয় ৩৫৮ :কামরূপের হর্ষদেব ১২৭ :কামরূপরাজ ভাস্করবর্ম্মা ১২৩ :কামরূপরাজ বৈদ্যদেব ২৯৭, ৩৪৩ :কামরূপরাজের বিদ্রোহ ৩০৮<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> g729l9t8jgdxrl7agg5pvexfh4wkqku পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯১ 104 298777 1991242 1935067 2026-07-30T16:25:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991242 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কাম্বোজ বা কাম্বোডিয়া ১১৬, ২০৩, ২০৬, ২০৮ :কাম্বোজবংশীয় ২৩১ :কাম্বোজজাতি ২৩২, ২৩৭, ২৩৯, ২৪২, ২৪৪ :কাম্বোজান্বয়জ গৌড়পতি ২৫৫ :কাম্বোজ বংশজাত গৌড়েশ্বর ২৪৩ :কাম্ব্রিক ২ :কাম্বেরাজের তাম্রশাসন ১৭৯ :কামলঙ্কা বা কমলাঙ্ক ১২৪ :কামিল-উৎ-তবারিখ ৩৪১ :কাব্যালঙ্কার সূত্রবৃত্তি গ্রন্থ, বামন ভটের ৬৪ :কাশী ৩৪৪ :কাশী জেলা ৩৪৩ :কাশীনাথ নারায়ণ দীক্ষিত ২৬৫ টীকা :কাশীনাথ পাণ্ডুরঙ্গ পাঠক ৬৪ :কাশীনাথ বিশ্বনাথ পাঠক ৭২ :কাশীরাজ ৩২৫ টীকা, ৩৪২ :কাশীপুর ১৫৯ :কাশীপুরী ১৫৭ :কাশীপ্রসাদ জায়সবাল ৪৩, ৪৪, ১৭২, ৩১৮ টীকা :কাশীয় জাতি ১৩, ১৪ :কাশীয় রাজগণ ১৬ :কাশ্মীর ১৩০, ১৩১, ১৩২, ১৩৯, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৫৫ :কাষ্ঠগিরি গ্রাম ৩১৩ :কায়স্থকুল গ্রন্থ, উত্তর রাঢ়ীয় ২৭০ :কালচক্রযান টীকা (বিমল প্রভা) ৩০৪ :কালসখ ৯৫ :কালিন্দী নদী ৭৭ :কালীঘাট ৫৭, ৮৪, ৯০ :কালীঘাটে আবিষ্কৃত প্রথম কুমারগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৬৫, ৬৬ :কালীঘাটে আবিষ্কৃত ২য় কুমারগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৬ :কালীঘাটে আবিষ্কৃত নরসিংহগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৫ :কাহ্নপাদ (কৃষ্ণাচার্য্য) ৩৫০ :কাহ্নুরদেব ২৮৩, ২৯৬, ৩০৭ :কিটো (Kittoe) ২২৭ :কিরাতার্জ্জুনীয়ের চিত্র ৮৫ :কিরাত দেশ ১৮২ :কিং (L. W. King) ২২ টীকা :ক্রিমিলা (বিষয়) ২০৮ :কীকট ১৭ :কীর্ত্তিবর্ম্মা ২৫৯ :কীর ১৯১, ১৯২, ২৫৮, ২৫৯, ২৭৩ টীকা :কীলকাক্ষর ১৪ :কীলকাক্ষর সুমেরীয়গণের সৃষ্টি (Cuneiform Script) ২০ :কীলক, নাগপুর চিত্রশালার ২১ :কীলক, মধ্যভারতে আবিষ্কৃত ২০, ২১ :কীলক লিপির আবিষ্কার, মধ্যভারতে ২২, ২৬ :কীলহর্ণ (F. Kielhorn) ১৭৬, ১৮০, ১৮১, ১৮৫, ১৮৬, ১৯০, ২১৬, ২১৮, ২২৬, ২৩৮, ২৪৩, ২৮৭, ৩০৩, ৩২৮, ৩৪৩ :কুক্কুটারাম বা কুক্কুটপাদবিহার ১১৪ :কুঙ্গ ২৫৮, ২৫৯ :কু-চে-লো ১৪১ :কুজুল কদফিস ৩৬ :কুঠার ফলক ৯ :কুতব-উদ্দীন ৩৪১, ৩৪২, ৩৫৬ :কুতব-উল-ইসলাম, মসজিদ ৪১ :কুতব্-মিনার ৪১<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 9p9xstqhz1y5k6a4rniio7rha996t5a 1991330 1991242 2026-07-30T16:28:33Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1659301 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কাম্বোজ বা কাম্বোডিয়া ১১৬, ২০৩, ২০৬, ২০৮ :কাম্বোজবংশীয় ২৩১ :কাম্বোজজাতি ২৩২, ২৩৭, ২৩৯, ২৪২, ২৪৪ :কাম্বোজান্বয়জ গৌড়পতি ২৫৫ :কাম্বোজ বংশজাত গৌড়েশ্বর ২৪৩ :কাম্ব্রিক ২ :কাম্বেরাজের তাম্রশাসন ১৭৯ :কামলঙ্কা বা কমলাঙ্ক ১২৪ :কামিল-উৎ-তবারিখ ৩৪১ :কাব্যালঙ্কার সূত্রবৃত্তি গ্রন্থ, বামন ভটের ৬৪ :কাশী ৩৪৪ :কাশী জেলা ৩৪৩ :কাশীনাথ নারায়ণ দীক্ষিত ২৬৫ টীকা :কাশীনাথ পাণ্ডুরঙ্গ পাঠক ৬৪ :কাশীনাথ বিশ্বনাথ পাঠক ৭২ :কাশীরাজ ৩২৫ টীকা, ৩৪২ :কাশীপুর ১৫৯ :কাশীপুরী ১৫৭ :কাশীপ্রসাদ জায়সবাল ৪৩, ৪৪, ১৭২, ৩১৮ টীকা :কাশীয় জাতি ১৩, ১৪ :কাশীয় রাজগণ ১৬ :কাশ্মীর ১৩০, ১৩১, ১৩২, ১৩৯, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৫৫ :কাষ্ঠগিরি গ্রাম ৩১৩ :কায়স্থকুল গ্রন্থ, উত্তর রাঢ়ীয় ২৭০ :কালচক্রযান টীকা (বিমল প্রভা) ৩০৪ :কালসখ ৯৫ :কালিন্দী নদী ৭৭ :কালীঘাট ৫৭, ৮৪, ৯০ :কালীঘাটে আবিষ্কৃত প্রথম কুমারগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৬৫, ৬৬ :কালীঘাটে আবিষ্কৃত ২য় কুমারগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৬ :কালীঘাটে আবিষ্কৃত নরসিংহগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৫ :কাহ্নপাদ (কৃষ্ণাচার্য্য) ৩৫০ :কাহ্নুরদেব ২৮৩, ২৯৬, ৩০৭ :কিটো (Kittoe) ২২৭ :কিরাতার্জ্জুনীয়ের চিত্র ৮৫ :কিরাত দেশ ১৮২ :কিং (L. W. King) ২২ টীকা :ক্রিমিলা (বিষয়) ২০৮ :কীকট ১৭ :কীর্ত্তিবর্ম্মা ২৫৯ :কীর ১৯১, ১৯২, ২৫৮, ২৫৯, ২৭৩ টীকা :কীলকাক্ষর ১৪ :কীলকাক্ষর সুমেরীয়গণের সৃষ্টি (Cuneiform Script) ২০ :কীলক, নাগপুর চিত্রশালার ২১ :কীলক, মধ্যভারতে আবিষ্কৃত ২০, ২১ :কীলক লিপির আবিষ্কার, মধ্যভারতে ২২, ২৬ :কীলহর্ণ (F. Kielhorn) ১৭৬, ১৮০, ১৮১, ১৮৫, ১৮৬, ১৯০, ২১৬, ২১৮, ২২৬, ২৩৮, ২৪৩, ২৮৭, ৩০৩, ৩২৮, ৩৪৩ :কুক্কুটারাম বা কুক্কুটপাদবিহার ১১৪ :কুঙ্গ ২৫৮, ২৫৯ :কু-চে-লো ১৪১ :কুজুল কদফিস ৩৬ :কুঠার ফলক ৯ :কুতব-উদ্দীন ৩৪১, ৩৪২, ৩৫৬ :কুতব-উল-ইসলাম, মসজিদ ৪১ :কুতব্-মিনার ৪১<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 6arhk7esahw7kzcfs0ar5dcwo1xdmhe পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯২ 104 298778 1991243 1935066 2026-07-30T16:25:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991243 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কুন্তল ২৭৩ টীকা :কুণ্ডলিপ্ত ৯৫ :কুণকুণে ৬ :কুমারগুপ্ত ১ম ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৭, ৭০, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯২, ৯৩, ৯৮, ১০৫, ১২১ :কুমারগুপ্ত প্রথমের বিশেষণ চন্দ্রপ্রকাশ ৬৫ :কুমারগুপ্ত প্রথমের রজত মুদ্রা ৬৭, ১০৩ :কুমারগুপ্ত ১ম, অশ্বমেধ যজ্ঞের স্বর্ণমুদ্রা ৬৪ :কুমারগুপ্ত ১ম, অশ্বমেধ যজ্ঞ ৬৪ :কুমারগুপ্ত প্রথমের মুদ্রা ৮০ :কুমারগুপ্ত প্রথমের তাম্রমিশ্রিত সুবর্ণমুদ্রা ৬৫ :কুমারগুপ্ত প্রথমের তাম্রের উপর রজতের আবরণযুক্ত রৌপ্যমুদ্রা ৬৫ :কুমারগুপ্ত প্রথমের স্বর্ণমুদ্রা :কুমারগুপ্ত ২য় ৭২, ৭৪, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯০ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজকীয় মুদ্রা ৭৫ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজমুদ্রা ৭০ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের মুদ্রা ১১২ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের তাম্রশাসন ৭৫ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের স্বর্ণমুদ্রা ৭৬ :কুমারগুপ্ত ৩য় ৯৩, ৯৪, ৯৮, ১২১ :কুমারগুপ্ত, মালবরাজপুত্র ১০৬ :কুমারদেবী ৪৯, ৮৭, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ৩০৭, ৩৩২ :কুমারপাল ১১৩, ১৬৩, ১৬৯, ২০২, ২১৭, ২৮০, ২৯৩, ২৯৬, ২৯৭, ২৯৮, ৩০৭, ৩০৮, ৩১১ :কুমারামাত্য শিখর স্বামী ৫৬ :কুমারামাত্য বেত্রবর্ম্মা ৬১, ৬২ :কুমারামাত্য হরিষেণ ৫২ :কুমায়ুন ৫০, ৩৫৫ :কুমরাহার গ্রাম ৪৬ :কুমুদসূত্রবীথী ২০৯ :কুমিল্লা ৫১, ১২৪, ২৪৪ :কুরটপল্লিকা ২৪৬ :কুরু ১৯১, ১৯২, ২৩১ :কুবের ৫০ :কুবেরনাগা ৮৭ :কুশ ১৪৫ :কুশস্থল (কান্যকুব্জ) ১০৩, ১০৪, ১০৬, ২৭২ :কুশী ১৮ :কুশীকোত্তর ৩৪৪ :কুশীনগর ১১০, ১১১ :কুশান বংশীয় ষাহি ২৫৪ :কুষাণ রাজবংশের অধিকার কালে মহাবোধি মন্দির নির্ম্মাণ ৩৮ :কুষাণবংশীয় রাজগণের মগধে আবিষ্কৃত মুদ্রা ৩৮ :কুষাণ রাজগণের তাম্রমুদ্রা ৪৬ :কুষাণলিপি ৩৭ :কুষাণবংশ ৩৬ :কুষাণ বংশীয় ১ম বাসুদেব ৫৪ :কুষাণ বংশীয় রাজগণের মুদ্রা বঙ্গে আবিষ্কৃত ৩৮ :কুষাণ বংশীয় সম্রাটগণের অধীনে মগধ ৩৭ :কুষাণ সাম্রাজ্য ৩৬ :কুষাণ সাম্রাজ্যের খণ্ড রাজ্যে বিভাগ ৪০ :কুসুমনগর ২৫১ টীকা :কুসুম্বা (কৌশাম্বী) ২৯০ :কুস্থলপুররাজ ৫০ :কুলাচার্য্য ১৩৪, ২৭৩ :কুলকারিকা ১৩৭ :কুলগ্রন্থ ১৬১, ২৬৭, ২৬৮, ২৬৯, ২৭১, ২৭২, ২৭৩ :কুলচন্দ্র ৯৫ :কুলদোষ ১৩৭, ১৩৮ :কুলপঞ্জিকা ১৩৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> dvn9wgoogi5yjs994tpz35aai161sj8 1991329 1991243 2026-07-30T16:28:32Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874462 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কুন্তল ২৭৩ টীকা :কুণ্ডলিপ্ত ৯৫ :কুণকুণে ৬ :কুমারগুপ্ত ১ম ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৭, ৭০, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯২, ৯৩, ৯৮, ১০৫, ১২১ :কুমারগুপ্ত প্রথমের বিশেষণ চন্দ্রপ্রকাশ ৬৫ :কুমারগুপ্ত প্রথমের রজত মুদ্রা ৬৭, ১০৩ :কুমারগুপ্ত ১ম, অশ্বমেধ যজ্ঞের স্বর্ণমুদ্রা ৬৪ :কুমারগুপ্ত ১ম, অশ্বমেধ যজ্ঞ ৬৪ :কুমারগুপ্ত প্রথমের মুদ্রা ৮০ :কুমারগুপ্ত প্রথমের তাম্রমিশ্রিত সুবর্ণমুদ্রা ৬৫ :কুমারগুপ্ত প্রথমের তাম্রের উপর রজতের আবরণযুক্ত রৌপ্যমুদ্রা ৬৫ :কুমারগুপ্ত প্রথমের স্বর্ণমুদ্রা :কুমারগুপ্ত ২য় ৭২, ৭৪, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯০ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজকীয় মুদ্রা ৭৫ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজমুদ্রা ৭০ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের মুদ্রা ১১২ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের তাম্রশাসন ৭৫ :কুমারগুপ্ত দ্বিতীয়ের স্বর্ণমুদ্রা ৭৬ :কুমারগুপ্ত ৩য় ৯৩, ৯৪, ৯৮, ১২১ :কুমারগুপ্ত, মালবরাজপুত্র ১০৬ :কুমারদেবী ৪৯, ৮৭, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ৩০৭, ৩৩২ :কুমারপাল ১১৩, ১৬৩, ১৬৯, ২০২, ২১৭, ২৮০, ২৯৩, ২৯৬, ২৯৭, ২৯৮, ৩০৭, ৩০৮, ৩১১ :কুমারামাত্য শিখর স্বামী ৫৬ :কুমারামাত্য বেত্রবর্ম্মা ৬১, ৬২ :কুমারামাত্য হরিষেণ ৫২ :কুমায়ুন ৫০, ৩৫৫ :কুমরাহার গ্রাম ৪৬ :কুমুদসূত্রবীথী ২০৯ :কুমিল্লা ৫১, ১২৪, ২৪৪ :কুরটপল্লিকা ২৪৬ :কুরু ১৯১, ১৯২, ২৩১ :কুবের ৫০ :কুবেরনাগা ৮৭ :কুশ ১৪৫ :কুশস্থল (কান্যকুব্জ) ১০৩, ১০৪, ১০৬, ২৭২ :কুশী ১৮ :কুশীকোত্তর ৩৪৪ :কুশীনগর ১১০, ১১১ :কুশান বংশীয় ষাহি ২৫৪ :কুষাণ রাজবংশের অধিকার কালে মহাবোধি মন্দির নির্ম্মাণ ৩৮ :কুষাণবংশীয় রাজগণের মগধে আবিষ্কৃত মুদ্রা ৩৮ :কুষাণ রাজগণের তাম্রমুদ্রা ৪৬ :কুষাণলিপি ৩৭ :কুষাণবংশ ৩৬ :কুষাণ বংশীয় ১ম বাসুদেব ৫৪ :কুষাণ বংশীয় রাজগণের মুদ্রা বঙ্গে আবিষ্কৃত ৩৮ :কুষাণ বংশীয় সম্রাটগণের অধীনে মগধ ৩৭ :কুষাণ সাম্রাজ্য ৩৬ :কুষাণ সাম্রাজ্যের খণ্ড রাজ্যে বিভাগ ৪০ :কুসুমনগর ২৫১ টীকা :কুসুম্বা (কৌশাম্বী) ২৯০ :কুস্থলপুররাজ ৫০ :কুলাচার্য্য ১৩৪, ২৭৩ :কুলকারিকা ১৩৭ :কুলগ্রন্থ ১৬১, ২৬৭, ২৬৮, ২৬৯, ২৭১, ২৭২, ২৭৩ :কুলচন্দ্র ৯৫ :কুলদোষ ১৩৭, ১৩৮ :কুলপঞ্জিকা ১৩৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 9dv1kmzewdaw85vch8c2w4y8si7y7iy পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৩ 104 298779 1991244 1935065 2026-07-30T16:25:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991244 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৷৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কুলশাস্ত্রগ্রন্থ ১৩৭ :কুলশাস্ত্রের ঐতিহাসিক প্রমাণ ১৫২ :কুলস্বামী ৯৫ :কূজবটী ২৮৩ :কূজবটীরাজ শূরপাল ২৮৯ :কূটশাসন ৫২ :কৃষ্ণ (১ম) ১৪৭, ১৪৯, ১৯৭, ২০০ :কৃষ্ণ (২য়) ১৪৬, ২০০, ২০৩, ২১৫, ২২৬, ২২৮, ২২৯ :কৃষ্ণ ৩য় (অকালবর্ষ) ১৫০, ২০০ :কৃষ্ণগুপ্ত ৯৩, ৯৪, ১২২ :কৃষ্ণচন্দ্র আগরওয়ালা ১৫২ :কৃষ্ণদয়াল গিরি ৩৫ টীকা :কৃষ্ণদ্বারিকার শিলালিপি ২৬১, ২৭৪ :কৃষ্ণমিশ্র, প্রবোধচন্দ্রোদয়কার ২৫৯।২৬০ :কৃষ্ণাচার্য্য (কাহ্নপাদ) ৩৫০ :কৃষ্ণাদিত্য দেবশর্ম্মা ২৪৬ :কেতুভদ্রের মূর্ত্তি, কাষ্ঠনির্ম্মিত ৪৪ :কেদারতীর্থ ১৯৪ :কেদারপুর গ্রাম ২৩৪ :কেদার মিশ্র ২০৩, ২০৪, ২১৪, ২২০ :কেম্ব্রিজ ৮৫, ২৪৫, ২৬৪, ৩৪৯, ৩৫০, ৩৫১ :কেরল ১৩, ১৮, ৩১, ১৯৩ টীকা, ২৪১, ২৫৮ :কেশরীবংশ, উড়িষ্যার ২৮৮ :কেশব ১৯৮ :কেশবসেন ৬৩, ১৫৩, ২২৫, ৩২০, ৩২৫, ৩৩৩, ৩৩৭, ৩৫৪ :কেশবসেনের তাম্রশাসন, ইদিলপুরে আবিষ্কৃত ৩৫৫ :কৈবর্ত্তরাজ ভীম ১৭৪, ২৯১ :কৈবর্ত্ত রাজ্য ২৮২ :কৈবর্ত্ত বিদ্রোহ ২৩৭, ২৬৪, ২৭৭, ২৮৬, ৩১৬ :কৈলাস পর্ব্বত ৮৫ :কোকল্ল (১ম), চেদী বশীয় ২২৮, ২২৯, ২৪১ :কোকামুখ স্বামী ৭৯ :কোঙ্গোদ ১২৮ :কোঙ্গোদ মণ্ডল ১০৮, ১০৯, ১১০ :কোচ ২৩২ :কুজবটী ২৮৩ :কোট্ঠলা ৩৩২ :কোটাটবী ২৮৩, ২৮৭ :কোটালিপাড় থানা ১১৯ :কোটালিপাড় গ্রাম ১১৮ :কোটিহোমিক ২৩৩ :কোটীবর্ষ বিষয় ৬১, ৬২, ৭৯, ৮১, ২৪৬, ২৬৪, ৩১৩ :কোট্টুর দুর্গ ৫০ :কোণদেবী (কোষদেবী) ১১৭, ১২১ :কোণো (Sten Konow) ২৮৪ :কোশল ৩০, ১২৮, ১২৯, ১৫০, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৫০ :কোশল, দক্ষিণ ১০৯, ১১০ :কোশলনাডু (মহাকোশল) ২৪৭ :কোষ ২৭২ :কোল ৩৪১, ৩৪২ :কোলাচল ২৭২ :কোলাঞ্চ ২৭২, ২৭৩ :কোলাঞ্চল ২৭২ :কোল্লক ২৭২ :কোল্লগিরি ২৭২, ২৭৩ :কৌটিল্য ১৭১ :কোঠেমগ্রাম ১৬৬ :কৌথুম শাখা ৩২২ :কৌশাম্বী ২৪৬, ২৭৭, ২৮৩ :কৌশাম্বী (কুসুম্বা) ২৯০ :কৌশাম্বী অষ্টগচ্ছ মণ্ডল ২৯৪ :কৌশাম্বীর দ্বোরপবর্দ্ধন ২৯০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> ej7s8hw7roy25xfnqs8n80wozaa0d9j পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৪ 104 298780 1991245 1935064 2026-07-30T16:25:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991245 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কৌশাম্বীর প্রাচীন মুদ্রা ৪৬ :কৌরল দেশ ৫০ :কৌলিন্য প্রথা ৩২০, ৩২১ :ক্রৌঞ্চশ্বভ্র ১৯৮ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|খ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :খজুরাহো গ্রাম ২৩১, ২৩১ টীকা :খজুরাহো গ্রামে বিশ্বনাথ মন্দির ২৪১ :খটিক ২ :খড়্গবংশীয় রাজগণ, বঙ্গের ১৬৪, ১৬৫, ১৬৬ :খড়্গোদ্যম ২৩৩, ২৩৫ :খরপরিক ৫০ :খরোষ্ঠি ৩৭ :খস ২৩১ :খাইবার গিরিশঙ্কট ২১১ :খাটাপার ৬০ :খাতি ১৪, ১৬ :খানোদক ৩৪৯ :খারবেল, রাজা ৪৩, ৪৪, ৪৫ :খালিমপুর ১৫১, ১৯৮, ১৯৯ :খালিমপুরের তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৭, ১৭২, ১৭৬, ১৯১, ২১৭ :খাড়ি বিষয় ৩২০ :খুলনা জেলা ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫ :খোট্টিক ২০০ :খোদ্ধোত দেবশর্ম্মা ২৬৪ :খোলাকুটী পুকুর ৬০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|গ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :গউডবহো, বাক্পতিরাজ প্রণীত ১২৯ :গর্গদেব ২১৩, ২৩৫ :গর্গযবন ৩৫৫ :গঙ্গধরে আবিষ্কৃত বিশ্ববর্ম্মার শিলালিপি ৪৭ :গঙ্গবংশ ১৫০, ২৯৩ টীকা :গঙ্গবংশীয় রাজগণ ১৮৪ :গঙ্গা ৬৯, ১৫৭, ২৬৪, ২৮৬, ২৯০ টীকা, ২৯২, ২৯৫, ৩১৫, ৩২৪, ৩৪৫, ৩৫৭ :গঙ্গাতীর ৩০৯ :গঙ্গাধর ৩০১ :গঙ্গাধরের কুলপ্রশস্তি ৩০১, ৩০২ :গঙ্গামোহন লস্কর ২৩৪ :গঙ্গারিডই রাজ্য ৩০ ৩১ :গঙ্গে-গোণ্ডা, গঙ্গাবিজয়ী, রাজেন্দ্র চোলের উপাধি বিশেষ ২৫১ :গঙ্গেরিয়া ১১ :গজনী ২৪১, ২৫৪, ৩৩৭ :গঞ্জামের তাম্রশাসন ১০০ :গঢ়োয়ালী ৫০, ৫৮, ৮৮ :গণপতিনাগ ৪৯ :গণপতিবর্ম্মা ১২৩ :গণেশ্বরশর্ম্মা ৩২৪ :গণ্ড (চন্দেল্ল বংশজাত) ২৪০, ২৪১, ২৫৬ :গণ্ডকী ১৮ :গদাফলক ৯ :গদাধরের মন্দির ৩০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> cacrokh3i25hsre29xy0z82gwf47ap0 1991328 1991245 2026-07-30T16:28:25Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1660415 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:কৌশাম্বীর প্রাচীন মুদ্রা ৪৬ :কৌরল দেশ ৫০ :কৌলিন্য প্রথা ৩২০, ৩২১ :ক্রৌঞ্চশ্বভ্র ১৯৮ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|খ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :খজুরাহো গ্রাম ২৩১, ২৩১ টীকা :খজুরাহো গ্রামে বিশ্বনাথ মন্দির ২৪১ :খটিক ২ :খড়্গবংশীয় রাজগণ, বঙ্গের ১৬৪, ১৬৫, ১৬৬ :খড়্গোদ্যম ২৩৩, ২৩৫ :খরপরিক ৫০ :খরোষ্ঠি ৩৭ :খস ২৩১ :খাইবার গিরিশঙ্কট ২১১ :খাটাপার ৬০ :খাতি ১৪, ১৬ :খানোদক ৩৪৯ :খারবেল, রাজা ৪৩, ৪৪, ৪৫ :খালিমপুর ১৫১, ১৯৮, ১৯৯ :খালিমপুরের তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৭, ১৭২, ১৭৬, ১৯১, ২১৭ :খাড়ি বিষয় ৩২০ :খুলনা জেলা ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫ :খোট্টিক ২০০ :খোদ্ধোত দেবশর্ম্মা ২৬৪ :খোলাকুটী পুকুর ৬০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|গ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :গউডবহো, বাক্পতিরাজ প্রণীত ১২৯ :গর্গদেব ২১৩, ২৩৫ :গর্গযবন ৩৫৫ :গঙ্গধরে আবিষ্কৃত বিশ্ববর্ম্মার শিলালিপি ৪৭ :গঙ্গবংশ ১৫০, ২৯৩ টীকা :গঙ্গবংশীয় রাজগণ ১৮৪ :গঙ্গা ৬৯, ১৫৭, ২৬৪, ২৮৬, ২৯০ টীকা, ২৯২, ২৯৫, ৩১৫, ৩২৪, ৩৪৫, ৩৫৭ :গঙ্গাতীর ৩০৯ :গঙ্গাধর ৩০১ :গঙ্গাধরের কুলপ্রশস্তি ৩০১, ৩০২ :গঙ্গামোহন লস্কর ২৩৪ :গঙ্গারিডই রাজ্য ৩০ ৩১ :গঙ্গে-গোণ্ডা, গঙ্গাবিজয়ী, রাজেন্দ্র চোলের উপাধি বিশেষ ২৫১ :গঙ্গেরিয়া ১১ :গজনী ২৪১, ২৫৪, ৩৩৭ :গঞ্জামের তাম্রশাসন ১০০ :গঢ়োয়ালী ৫০, ৫৮, ৮৮ :গণপতিনাগ ৪৯ :গণপতিবর্ম্মা ১২৩ :গণেশ্বরশর্ম্মা ৩২৪ :গণ্ড (চন্দেল্ল বংশজাত) ২৪০, ২৪১, ২৫৬ :গণ্ডকী ১৮ :গদাফলক ৯ :গদাধরের মন্দির ৩০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> o4jytd6r6571l03p67namx44u7z69e4 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৫ 104 298781 1991246 1935063 2026-07-30T16:25:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991246 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:গদাধর মন্দিরের শিলালিপি ৩৪৮ :গর্দ্দভিল্ল বংশীয় রাজগণ ৪৬ :গন্ধকূটী ২৫৩, ৩১১ :গন্ধর্ব্ববতী ১২৩ :গয়কর্ণ ২৫৮, ৩০৭ :গয়া জেলা ৪৫, ৪৯, ৫৫, ৬৫, ৭১, ৮৫, ৯৮, ১১৪, ২২৪, ২২৭, ২৬১, ২৭৪, ২৮৬, ৩০১, ৩০২, ৩৩২, ৩৪৬, ৩৪৭, ৩৪৮ :গয়াকর (কায়স্থ) ৩৪৯, ৩৫০ :গয়া বিষয় ২০৯ :গয়ার বিষ্ণুপাদ মন্দির ২২৪ :গরুড় ৯৫ :গাঙ্গেয়দেব ২৩৭, ২৪১, ২৪৬, ২৫২, ২৫২ টীকা, ২৫৮, ২৭৩ টীকা, ২৭৪, ২৭৬, ৩০৭ :গাঞী ১৩৭ :গাজীপুর জেলা ৭২, ৭৫ :গাধিপূর ২৭২ :গান্ধার ৩২, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৬৮, ১৪০, ১৯১, ১৯২, ২৫৪ :গাল্লিটিপ্যক বিষয় ৩৩০ :গাহডবাল রাজ্য ৩৪১, ৩৪২, ৩৪৪ :গাহড্‌বাল রাজবংশ ৩১২, ৩২৩, ৩৪৬ :গির্ণার (গিরিনগর) ৬৯ :গিয়াসুদ্দীন বল্‌বন্ ১৫৪, ৩৩৮ :গিরিজানাথ রায় ২৪২ :গিরিয়েক ২১২ টীকা, ২১৩ টীকা :গিরিয়েক পর্ব্বত ২৯৭ :গিলুখিপা ১৬ :গুর্জ্জরগণ ১৮৯, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২০৩, ২১৯, ২২০, ২৩১, ২৩১ টীকা, ৩৬৩ :গুর্জ্জরজাতি ১২৭, ১৩৯, ১৪০, ১৪১ :গুর্জ্জরত্রাভূমি ২১৯ :গুর্জ্জর রাষ্ট্রকূট দ্বন্দ্ব ২০৩ :গুর্জ্জরদেশ ২৫৯ :গুর্জ্জরনাথ ২০৪, ২০৫, ২০৬ :গুর্জ্জর-প্রতীহার রাজগণ ১৪৪, ১৭৭, ১৮৩, ১৮৪, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, ২১৪, ২৫৩, ২৭১ :গুর্জ্জর প্রতীহার বংশীয় বৎসরাজ ১৪৭ :গুর্জ্জর-প্রতীহার সাম্রাজ্য, উত্তরাপথের ১৪২ :গুর্জ্জরবংশীয় রাজগণ, ভরোচের ১৪২ :গুর্জ্জররাজধানী (কান্যকুব্জ) ২৩০ :গুর্জ্জররাজ্য ১৪১ :গুজরাট ১৪২, ১৮৪, ১৯৪ :গুটিকা ৮ :গুণচন্দ্র ৯৫ :গুণমতি ১১৫ :গুণাম্ভোধি (১ম) ২২৩, ২২৪ :গুণাম্ভোধিদেব ২০৩ :গুণাম্ভোধিদেবের তাম্রশাসন ২২৪ :গুণাবে ৩২৪ :গুণেরীয়া ২২৭ :গুপ্তাধিকার কালের শিল্প নিদর্শন ৮৫ :গুপ্তাব্দ ৫২, ৫৯ :গুপ্তরাজগণের মুদ্রা, পাটলিপুত্রে আবিষ্কৃত ৪৬ :গুপ্তরাজবংশ, মগধের ৪০, ১০৫, ১৭৩ :গুপ্তবংশ, মালবের ৯৯ :গুপ্তরাজবংশের স্বর্ণমুদ্রা ৭৯, ১০৪, ১০৫ :গুপ্তবংশ ৩০, ৫২, ৬৩, ৭২, ৩২৯ :গুপ্ত শব্দের অর্থ ১৭২ :গুপ্তসম্রাট ৫৪ :গুপ্তসাম্রাজ্য ৫১, ৫৩, ৫৪, ৬৩ :গুপ্তসাম্রাজ্যের আক্রমণ, হূণগণের দ্বারা ৭০ :গুরুচরণ বিদ্যাসাগর ১৫৮ :গুরুদত্ত ২৪৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 24xey4xa0mg6l0izkrh705cf88idnr4 1991327 1991246 2026-07-30T16:28:24Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1663950 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:গদাধর মন্দিরের শিলালিপি ৩৪৮ :গর্দ্দভিল্ল বংশীয় রাজগণ ৪৬ :গন্ধকূটী ২৫৩, ৩১১ :গন্ধর্ব্ববতী ১২৩ :গয়কর্ণ ২৫৮, ৩০৭ :গয়া জেলা ৪৫, ৪৯, ৫৫, ৬৫, ৭১, ৮৫, ৯৮, ১১৪, ২২৪, ২২৭, ২৬১, ২৭৪, ২৮৬, ৩০১, ৩০২, ৩৩২, ৩৪৬, ৩৪৭, ৩৪৮ :গয়াকর (কায়স্থ) ৩৪৯, ৩৫০ :গয়া বিষয় ২০৯ :গয়ার বিষ্ণুপাদ মন্দির ২২৪ :গরুড় ৯৫ :গাঙ্গেয়দেব ২৩৭, ২৪১, ২৪৬, ২৫২, ২৫২ টীকা, ২৫৮, ২৭৩ টীকা, ২৭৪, ২৭৬, ৩০৭ :গাঞী ১৩৭ :গাজীপুর জেলা ৭২, ৭৫ :গাধিপূর ২৭২ :গান্ধার ৩২, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৬৮, ১৪০, ১৯১, ১৯২, ২৫৪ :গাল্লিটিপ্যক বিষয় ৩৩০ :গাহডবাল রাজ্য ৩৪১, ৩৪২, ৩৪৪ :গাহড্‌বাল রাজবংশ ৩১২, ৩২৩, ৩৪৬ :গির্ণার (গিরিনগর) ৬৯ :গিয়াসুদ্দীন বল্‌বন্ ১৫৪, ৩৩৮ :গিরিজানাথ রায় ২৪২ :গিরিয়েক ২১২ টীকা, ২১৩ টীকা :গিরিয়েক পর্ব্বত ২৯৭ :গিলুখিপা ১৬ :গুর্জ্জরগণ ১৮৯, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২০৩, ২১৯, ২২০, ২৩১, ২৩১ টীকা, ৩৬৩ :গুর্জ্জরজাতি ১২৭, ১৩৯, ১৪০, ১৪১ :গুর্জ্জরত্রাভূমি ২১৯ :গুর্জ্জর রাষ্ট্রকূট দ্বন্দ্ব ২০৩ :গুর্জ্জরদেশ ২৫৯ :গুর্জ্জরনাথ ২০৪, ২০৫, ২০৬ :গুর্জ্জর-প্রতীহার রাজগণ ১৪৪, ১৭৭, ১৮৩, ১৮৪, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, ২১৪, ২৫৩, ২৭১ :গুর্জ্জর প্রতীহার বংশীয় বৎসরাজ ১৪৭ :গুর্জ্জর-প্রতীহার সাম্রাজ্য, উত্তরাপথের ১৪২ :গুর্জ্জরবংশীয় রাজগণ, ভরোচের ১৪২ :গুর্জ্জররাজধানী (কান্যকুব্জ) ২৩০ :গুর্জ্জররাজ্য ১৪১ :গুজরাট ১৪২, ১৮৪, ১৯৪ :গুটিকা ৮ :গুণচন্দ্র ৯৫ :গুণমতি ১১৫ :গুণাম্ভোধি (১ম) ২২৩, ২২৪ :গুণাম্ভোধিদেব ২০৩ :গুণাম্ভোধিদেবের তাম্রশাসন ২২৪ :গুণাবে ৩২৪ :গুণেরীয়া ২২৭ :গুপ্তাধিকার কালের শিল্প নিদর্শন ৮৫ :গুপ্তাব্দ ৫২, ৫৯ :গুপ্তরাজগণের মুদ্রা, পাটলিপুত্রে আবিষ্কৃত ৪৬ :গুপ্তরাজবংশ, মগধের ৪০, ১০৫, ১৭৩ :গুপ্তবংশ, মালবের ৯৯ :গুপ্তরাজবংশের স্বর্ণমুদ্রা ৭৯, ১০৪, ১০৫ :গুপ্তবংশ ৩০, ৫২, ৬৩, ৭২, ৩২৯ :গুপ্ত শব্দের অর্থ ১৭২ :গুপ্তসম্রাট ৫৪ :গুপ্তসাম্রাজ্য ৫১, ৫৩, ৫৪, ৬৩ :গুপ্তসাম্রাজ্যের আক্রমণ, হূণগণের দ্বারা ৭০ :গুরুচরণ বিদ্যাসাগর ১৫৮ :গুরুদত্ত ২৪৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> izi0guc5ojpwjv3l770mgbi7qjomtpv পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৬ 104 298782 1991247 1935062 2026-07-30T16:25:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991247 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:গুরু পরম্পরার ইতিহাস ৩০৫ :গুরুপাদ পর্ব্বত (গুরপা) ১১৫ :গুরব মিশ্র ২০৭, ২১৮, ২২০, ২২৫ :গুরব মিশ্রের স্তম্ভলিপি ২১৩, ২১৭, ২২০ :গুহ্যাবলী বিবৃতি ৩৪৯ :গোকর্ণ ১৯৪ :গোকলিকা মণ্ডল ২৪৬ :গোদাবরী নদী ১৮৩ :গোদাবরী নদীর উপত্যকা ৩ :গোপচন্দ্র ৯৫, ৯৬, ৯৮ :গোপরাজ ৮০, ৮২, ৮৩ :গোপজাতীয় সামন্তরাজগণ ৩৩০ :গোপাদ্রি (গোয়ালিয়র) ১৪৩, ২১৯, ১৫৬ :গোপাল ১ম ১৫১, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ১৬৭, ১৭১, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ২০১, ২১৫, ২১৬, ২৬৮, ২৬৯ :গোপাল (২য়) ২০২, ২০৩, ২২৬, ২৩০, ২৩১ :গোপাল ৩য় ১১৩, ২০২, ২০৩, ২৯৮, ৩০৭, ৩০৮, ৩১১, ৩১২ :গোপাল ৩য়ের শিলালিপি ২৬৭ :গোপাল (কীর্ত্তিবর্ম্মার সেনাপতি) ২৬০ :গোপালস্বামী (বিষয়পতি) ৯৬ :গোপিপ্পলী ১৯৮ :গোপীকাগুহার শিলালিপি ৯৯ :গোয়ালিয়র (গোপাদ্রি) ১৪৩, ১৮১ :গোয়ালিয়রের চিত্রশালা ১৮১, ১৮২ :গোর (ঘোর) ৩৩৭ :গোরকপুর জেলা ২২৩ :গোরক্ষপুর ৫৬ :গোর রাজগণ ৩৩৮, ৩৩৯ :গোরথ গিরি (গোরধ গিরি) ৪৪, ৪৫ :গোরীয় সুলতানগণ ৩৫২ :গোবিন্দ (১ম) ১৪৭, ২০০ :গোবিন্দ (২য়) ১৫০, ২০০ :গোবিন্দ ৩য় ১৪৮, ১৭৯, ১৮০, ১৮২, ১৮৩, ১৮৪, ১৮৫, ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৪, ১৯৬, ১৯৭, ২০০, ২০৫, ২১৫, ২১৯, ২৪০, ২৫৪ :গোবিন্দ, ৪র্থ ২০০ :গোবিন্দ, কাঞ্চীরাজ ১৮৩ :গোবিন্দ তৃতীয়ের তাম্রশাসন ১৮৬, ১৮৭ :গোবিন্দ (১ম ধ্রুবের পুত্র) ২০০ :গোবিন্দ (প্রভূতবর্ষ) ২০০ :গোবিন্দগুপ্ত ৫৬, ৮৭, ৮৮, ৯২, ৯৩, ৯৪, ১০৫, ১২১, ১২২, ১৭৬ :গোবিন্দচন্দ্র, গাহড্‌বালবংশীয় ১১২, ২৩৪, ২৩৫, ২৪৭, ২৪৯, ২৮৪, ৩০৭, ৩০৮, ৩১৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪৫ :গোবিন্দচন্দ্র কর্ত্তৃক মগধ আক্রমণ ৩২৩ :গোবিন্দচন্দ্রের মগধ জয় ৩০৮ :গোবিন্দদেবশর্ম্মা ৩২৭ :গোবিন্দপাল ২০২, ২৫৫, ৩১৩, ৩১৩ টীকা, ৩২৩, ৩২৬, ৩৩৭, ৩৫১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৪৯, ৩৫০, ৩৫২, ৩৫৩ :গোবিন্দপালের বিনষ্টরাজ্য ৩৫০ :গোবিন্দপুর ৬, ৩০২ :গোবিন্দপুর গ্রাম ৩২৭ :গোবিন্দপুরে আবিষ্কৃত {{SIC|লক্ষণ|লক্ষ্মণ}}সেনের তাম্রশাসন ৩২৭, ৩৩৫ :গোবর্দ্ধন ২৭৭, ৩১৮ :গোশর্ম্ম ৫৮ :গোহারবার তাম্রশাসন ২৭৩ টীকা :গৌরীশঙ্কর হীরাচাঁদ ওঝা ১৯৬ :গৌড় ৩১, ৩৫, ৪৫, ৪৮, ৫১, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৮, ১০০, ১০৪,<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> ak1aidhli9n9ib9am2ieqon0n8uc0gz 1991326 1991247 2026-07-30T16:28:23Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1664213 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:গুরু পরম্পরার ইতিহাস ৩০৫ :গুরুপাদ পর্ব্বত (গুরপা) ১১৫ :গুরব মিশ্র ২০৭, ২১৮, ২২০, ২২৫ :গুরব মিশ্রের স্তম্ভলিপি ২১৩, ২১৭, ২২০ :গুহ্যাবলী বিবৃতি ৩৪৯ :গোকর্ণ ১৯৪ :গোকলিকা মণ্ডল ২৪৬ :গোদাবরী নদী ১৮৩ :গোদাবরী নদীর উপত্যকা ৩ :গোপচন্দ্র ৯৫, ৯৬, ৯৮ :গোপরাজ ৮০, ৮২, ৮৩ :গোপজাতীয় সামন্তরাজগণ ৩৩০ :গোপাদ্রি (গোয়ালিয়র) ১৪৩, ২১৯, ১৫৬ :গোপাল ১ম ১৫১, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ১৬৭, ১৭১, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ২০১, ২১৫, ২১৬, ২৬৮, ২৬৯ :গোপাল (২য়) ২০২, ২০৩, ২২৬, ২৩০, ২৩১ :গোপাল ৩য় ১১৩, ২০২, ২০৩, ২৯৮, ৩০৭, ৩০৮, ৩১১, ৩১২ :গোপাল ৩য়ের শিলালিপি ২৬৭ :গোপাল (কীর্ত্তিবর্ম্মার সেনাপতি) ২৬০ :গোপালস্বামী (বিষয়পতি) ৯৬ :গোপিপ্পলী ১৯৮ :গোপীকাগুহার শিলালিপি ৯৯ :গোয়ালিয়র (গোপাদ্রি) ১৪৩, ১৮১ :গোয়ালিয়রের চিত্রশালা ১৮১, ১৮২ :গোর (ঘোর) ৩৩৭ :গোরকপুর জেলা ২২৩ :গোরক্ষপুর ৫৬ :গোর রাজগণ ৩৩৮, ৩৩৯ :গোরথ গিরি (গোরধ গিরি) ৪৪, ৪৫ :গোরীয় সুলতানগণ ৩৫২ :গোবিন্দ (১ম) ১৪৭, ২০০ :গোবিন্দ (২য়) ১৫০, ২০০ :গোবিন্দ ৩য় ১৪৮, ১৭৯, ১৮০, ১৮২, ১৮৩, ১৮৪, ১৮৫, ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৪, ১৯৬, ১৯৭, ২০০, ২০৫, ২১৫, ২১৯, ২৪০, ২৫৪ :গোবিন্দ, ৪র্থ ২০০ :গোবিন্দ, কাঞ্চীরাজ ১৮৩ :গোবিন্দ তৃতীয়ের তাম্রশাসন ১৮৬, ১৮৭ :গোবিন্দ (১ম ধ্রুবের পুত্র) ২০০ :গোবিন্দ (প্রভূতবর্ষ) ২০০ :গোবিন্দগুপ্ত ৫৬, ৮৭, ৮৮, ৯২, ৯৩, ৯৪, ১০৫, ১২১, ১২২, ১৭৬ :গোবিন্দচন্দ্র, গাহড্‌বালবংশীয় ১১২, ২৩৪, ২৩৫, ২৪৭, ২৪৯, ২৮৪, ৩০৭, ৩০৮, ৩১৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪৫ :গোবিন্দচন্দ্র কর্ত্তৃক মগধ আক্রমণ ৩২৩ :গোবিন্দচন্দ্রের মগধ জয় ৩০৮ :গোবিন্দদেবশর্ম্মা ৩২৭ :গোবিন্দপাল ২০২, ২৫৫, ৩১৩, ৩১৩ টীকা, ৩২৩, ৩২৬, ৩৩৭, ৩৫১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৪৯, ৩৫০, ৩৫২, ৩৫৩ :গোবিন্দপালের বিনষ্টরাজ্য ৩৫০ :গোবিন্দপুর ৬, ৩০২ :গোবিন্দপুর গ্রাম ৩২৭ :গোবিন্দপুরে আবিষ্কৃত {{SIC|লক্ষণ|লক্ষ্মণ}}সেনের তাম্রশাসন ৩২৭, ৩৩৫ :গোবর্দ্ধন ২৭৭, ৩১৮ :গোশর্ম্ম ৫৮ :গোহারবার তাম্রশাসন ২৭৩ টীকা :গৌরীশঙ্কর হীরাচাঁদ ওঝা ১৯৬ :গৌড় ৩১, ৩৫, ৪৫, ৪৮, ৫১, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৮, ১০০, ১০৪,<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> qu2dfp9lir06w55trd9w0nf8jg8y36e পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৭ 104 298783 1991248 1935061 2026-07-30T16:25:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991248 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{left margin|3em|</noinclude>১০৮, ১১০, ১১৬, ১২৭, ১২৮, ১৩৯, ১৪১, ১৪৮, ১৫৭, ১৫৯, ১৬০, ১৬২, ১৬৩, ১৭০, ১৭১, ১৭৩, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৮, ২০৩, ২০৭, ২০৮, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২২, ২৩১, ২৩২, ২৩৭, ২৩৯, ২৫৭, ২৫৮, ২৫৯, ২৬০, ২৬২, ২৬৫, ২৬৬, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭৫, ২৭৭, ২৮১, ২৮৭, ৩০০, ৩০২, ৩৪৮, ৩৫৫, ৩৫৬, ৩৫৭<noinclude>}}{{hanging indent/s}}</noinclude> :গৌড়গণ ৯৩, ৯৪, ১২৪ :গৌড়ধ্বজ (গাঙ্গেয়দেব) ২৫২ :গৌপ্তাব্দ ৩২৯ :গৌড়দেশ ৮৩, ১৩২, ১৩৩, ১৪৫ :গৌড়-মগধ-বঙ্গ ১৫১, ২৩২ :গৌড়যুদ্ধ ২৫২ :গৌড়রাজ্য ১৫৫, ২৪৪, ২৪৬ :গৌড়রাজ্যের অমাত্যবংশ ২৩৫ :গৌড়বঙ্গ ১৪৭, ১৪৯, ১৯৮, ২২৫, ২২৯ :গৌড়-বঙ্গের পালরাজগণ ১৪১ :গৌড়ে ব্রাহ্মণ ১৩৫, ২৬৮, ২৬৯ :গৌতম বুদ্ধ ২৯, ১১৪ :গৌতম বুদ্ধের পদচিহ্নাঙ্কিত পাষাণখণ্ড ১০১ :গৌড়েশ্বর বধ, (গউডবহো) ১২৭ :গৌড়সিংহাসন ২৯৫ :গৌড়ীয় ভাস্কর শিল্প ২০৩, ৩২৭ :গৌড়ীয় শিল্প ২৩২ :গ্রহবর্ম্মা, মৌখরীরাজ ৯৯, ১০১, ১০৬, ১২২, ২৯৭ :গ্রহণকুণ্ড ২৯৭ :গ্রীকগণ ৩০ :গ্রীকরাজ্য ৩৪ :গ্রীকরাজ্য, ভারতের পশ্চিমসীমান্তে ৩১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঘ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঘটোৎকচ গুপ্ত ৪৯, ৮৭, ৮৯, ৯০ :ঘনদেব ৩৪৯ :ঘনরামের ধর্ম্মমঙ্গল ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯ :ঘাঘরাহাটীগ্রাম ৯৬ :ঘাঘরাহাটীর তাম্রলিপি ৯৮ :ঘাটিয়ালার শিলালিপি ২২৩ :ঘাসসম্ভোগ ভাট্টবড়াগ্রাম ৩২০ :ঘোর (গোর) ৩৩৭ :ঘোষচন্দ্র ৯৫ :ঘোষরাবাঁ ২১২ :ঘোষরাবাঁগ্রাম ২৬৬ :ঘোষরাবাঁ শিলালিপি ২১১ :ঘোড়াঘাট (সরকার) ৩০০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|চ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :চক্রায়ুধ ১২৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮০, ১৮০ টীকা, ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, {{SIC|২৮৯|১৮৯}}, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২৭৬ :চক্রধরপুর ৮ :চক্রপাণিদত্ত ২৬২ :চক্রপালিত, পূর্ণদত্তের পুত্র {{SIC|৮৬|৬৮}}, ৬৯ :চক্রস্বামী বা বিষ্ণু ৪১ :চঙ্গড পাটক ৩৪৯ :চট্টগ্রাম ৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> mk8gl3rjq0are71dtkns42qtq0pxrn3 1991325 1991248 2026-07-30T16:28:23Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874470 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{left margin|3em|</noinclude>১০৮, ১১০, ১১৬, ১২৭, ১২৮, ১৩৯, ১৪১, ১৪৮, ১৫৭, ১৫৯, ১৬০, ১৬২, ১৬৩, ১৭০, ১৭১, ১৭৩, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৮, ২০৩, ২০৭, ২০৮, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২২, ২৩১, ২৩২, ২৩৭, ২৩৯, ২৫৭, ২৫৮, ২৫৯, ২৬০, ২৬২, ২৬৫, ২৬৬, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭৫, ২৭৭, ২৮১, ২৮৭, ৩০০, ৩০২, ৩৪৮, ৩৫৫, ৩৫৬, ৩৫৭<noinclude>}}{{hanging indent/s}}</noinclude> :গৌড়গণ ৯৩, ৯৪, ১২৪ :গৌড়ধ্বজ (গাঙ্গেয়দেব) ২৫২ :গৌপ্তাব্দ ৩২৯ :গৌড়দেশ ৮৩, ১৩২, ১৩৩, ১৪৫ :গৌড়-মগধ-বঙ্গ ১৫১, ২৩২ :গৌড়যুদ্ধ ২৫২ :গৌড়রাজ্য ১৫৫, ২৪৪, ২৪৬ :গৌড়রাজ্যের অমাত্যবংশ ২৩৫ :গৌড়বঙ্গ ১৪৭, ১৪৯, ১৯৮, ২২৫, ২২৯ :গৌড়-বঙ্গের পালরাজগণ ১৪১ :গৌড়ে ব্রাহ্মণ ১৩৫, ২৬৮, ২৬৯ :গৌতম বুদ্ধ ২৯, ১১৪ :গৌতম বুদ্ধের পদচিহ্নাঙ্কিত পাষাণখণ্ড ১০১ :গৌড়েশ্বর বধ, (গউডবহো) ১২৭ :গৌড়সিংহাসন ২৯৫ :গৌড়ীয় ভাস্কর শিল্প ২০৩, ৩২৭ :গৌড়ীয় শিল্প ২৩২ :গ্রহবর্ম্মা, মৌখরীরাজ ৯৯, ১০১, ১০৬, ১২২, ২৯৭ :গ্রহণকুণ্ড ২৯৭ :গ্রীকগণ ৩০ :গ্রীকরাজ্য ৩৪ :গ্রীকরাজ্য, ভারতের পশ্চিমসীমান্তে ৩১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঘ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঘটোৎকচ গুপ্ত ৪৯, ৮৭, ৮৯, ৯০ :ঘনদেব ৩৪৯ :ঘনরামের ধর্ম্মমঙ্গল ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯ :ঘাঘরাহাটীগ্রাম ৯৬ :ঘাঘরাহাটীর তাম্রলিপি ৯৮ :ঘাটিয়ালার শিলালিপি ২২৩ :ঘাসসম্ভোগ ভাট্টবড়াগ্রাম ৩২০ :ঘোর (গোর) ৩৩৭ :ঘোষচন্দ্র ৯৫ :ঘোষরাবাঁ ২১২ :ঘোষরাবাঁগ্রাম ২৬৬ :ঘোষরাবাঁ শিলালিপি ২১১ :ঘোড়াঘাট (সরকার) ৩০০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|চ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :চক্রায়ুধ ১২৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮০, ১৮০ টীকা, ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, {{SIC|২৮৯|১৮৯}}, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২৭৬ :চক্রধরপুর ৮ :চক্রপাণিদত্ত ২৬২ :চক্রপালিত, পূর্ণদত্তের পুত্র {{SIC|৮৬|৬৮}}, ৬৯ :চক্রস্বামী বা বিষ্ণু ৪১ :চঙ্গড পাটক ৩৪৯ :চট্টগ্রাম ৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> jb7nkk0rwjs3noknd83qssxmiyo5rh6 1991686 1991325 2026-07-31T04:00:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991686 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{left margin|3em|</noinclude>১০৮, ১১০, ১১৬, ১২৭, ১২৮, ১৩৯, ১৪১, ১৪৮, ১৫৭, ১৫৯, ১৬০, ১৬২, ১৬৩, ১৭০, ১৭১, ১৭৩, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৮, ২০৩, ২০৭, ২০৮, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২২, ২৩১, ২৩২, ২৩৭, ২৩৯, ২৫৭, ২৫৮, ২৫৯, ২৬০, ২৬২, ২৬৫, ২৬৬, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭৫, ২৭৭, ২৮১, ২৮৭, ৩০০, ৩০২, ৩৪৮, ৩৫৫, ৩৫৬, ৩৫৭<noinclude>}}{{hanging indent/s}}</noinclude>:গৌড়গণ ৯৩, ৯৪, ১২৪ :গৌড়ধ্বজ (গাঙ্গেয়দেব) ২৫২ :গৌপ্তাব্দ ৩২৯ :গৌড়দেশ ৮৩, ১৩২, ১৩৩, ১৪৫ :গৌড়-মগধ-বঙ্গ ১৫১, ২৩২ :গৌড়যুদ্ধ ২৫২ :গৌড়রাজ্য ১৫৫, ২৪৪, ২৪৬ :গৌড়রাজ্যের অমাত্যবংশ ২৩৫ :গৌড়বঙ্গ ১৪৭, ১৪৯, ১৯৮, ২২৫, ২২৯ :গৌড়-বঙ্গের পালরাজগণ ১৪১ :গৌড়ে ব্রাহ্মণ ১৩৫, ২৬৮, ২৬৯ :গৌতম বুদ্ধ ২৯, ১১৪ :গৌতম বুদ্ধের পদচিহ্নাঙ্কিত পাষাণখণ্ড ১০১ :গৌড়েশ্বর বধ, (গউডবহো) ১২৭ :গৌড়সিংহাসন ২৯৫ :গৌড়ীয় ভাস্কর শিল্প ২০৩, ৩২৭ :গৌড়ীয় শিল্প ২৩২ :গ্রহবর্ম্মা, মৌখরীরাজ ৯৯, ১০১, ১০৬, ১২২, ২৯৭ :গ্রহণকুণ্ড ২৯৭ :গ্রীকগণ ৩০ :গ্রীকরাজ্য ৩৪ :গ্রীকরাজ্য, ভারতের পশ্চিমসীমান্তে ৩১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঘ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঘটোৎকচ গুপ্ত ৪৯, ৮৭, ৮৯, ৯০ :ঘনদেব ৩৪৯ :ঘনরামের ধর্ম্মমঙ্গল ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯ :ঘাঘরাহাটীগ্রাম ৯৬ :ঘাঘরাহাটীর তাম্রলিপি ৯৮ :ঘাটিয়ালার শিলালিপি ২২৩ :ঘাসসম্ভোগ ভাট্টবড়াগ্রাম ৩২০ :ঘোর (গোর) ৩৩৭ :ঘোষচন্দ্র ৯৫ :ঘোষরাবাঁ ২১২ :ঘোষরাবাঁগ্রাম ২৬৬ :ঘোষরাবাঁ শিলালিপি ২১১ :ঘোড়াঘাট (সরকার) ৩০০ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|চ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :চক্রায়ুধ ১২৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮০, ১৮০ টীকা, ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, {{SIC|২৮৯|১৮৯}}, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২৭৬ :চক্রধরপুর ৮ :চক্রপাণিদত্ত ২৬২ :চক্রপালিত, পূর্ণদত্তের পুত্র {{SIC|৮৬|৬৮}}, ৬৯ :চক্রস্বামী বা বিষ্ণু ৪১ :চঙ্গড পাটক ৩৪৯ :চট্টগ্রাম ৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 8p4jpocwd5yd9k84ntmkwqi25nklv5c পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৮ 104 298784 1991249 1935060 2026-07-30T16:25:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991249 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৲}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:চট্টগ্রামের পার্ব্বত্যপ্রদেশ ৬ :চণ্ডকৌশিক নাটক, আর্য্য ক্ষেমীশ্বর বিরচিত ২৫১, ২৫২ :চণ্ডার্জ্জুন (শঙ্কটগ্রামের) ২৮৩, ২৯০ :চণ্ডীমূর্ত্তি, লক্ষ্মণসেনের রাজ্যকালে ৩২৭ :চণ্ডীমৌগ্রাম ৮৫, ২৯৭ :চণ্ডেশ্বর ২৯২ :চতুষ্কোণ তাম্রমুদ্রা ৩৩ :চতুর্ভুজের হরিচরিত কাব্য ১৯৯ :চতুর্ম্মুখ মহাদেব ১৯৮ :চন্দেল্ল রাজগণ ২৫৯, ২৬০ :চন্দেল্লবংশ ২৫৫ :চন্দেল্লবংশের শিলালিপি ২৫৯ :চন্দেল্লবংশীয় যশোবর্ম্মা ২৩১, ২৩২, ২৩৯ :চন্দেল্লরাজ (পরমর্দ্দিদেব) ৩৩৯, ৩৪০ :চন্দেল্লরাজ হর্ষদেব, চিত্রকূট ভূপাল ২২৯ :চন্দেল্লরাজগণ, মহোবার ১৪১ :চন্দেল্লবংশজাত, গণ্ড ২৪০, ২৪১ :চন্দ্রকেতু ২৭২ :চন্দ্রগ্রাম ৭৯ :চন্দ্রগুপ্ত ১ম ৪৮, ৪৯, ৫২, ৮৭, ৮৯, ৯০ :চন্দ্রগুপ্ত ২য় ৪২ টীকা, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৬, ৫৭, ৫৮, ৬৪, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯৩, ১০৫, ১২১ :চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের রজতমুদ্রা ১০৩ :চন্দ্রগুপ্ত, ২য় সুবর্ণমুদ্রা ৫৭ :চন্দ্রগুপ্ত ৩য় (দ্বাদশাদিত্য) ৮৪, ৮৭, ৯০, ৯২, ১১৩, ১০৫ :চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য ৩০, ৩১, ৪৬, ৬৮, ১৭১, ১৭২, ২৫১, ২৫১ টীকা :চন্দ্রদ্বীপ ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫, ২৩৩, ২৩৬, ২৭৬ :চন্দ্রদ্বীপের ভগবতী তারা ২৩৬ :চন্দ্রদেব ৩০৭, ৩১৮ :চন্দ্রপাল ১১৫ :চন্দ্রপ্রকাশ, কুমারগুপ্তের প্রথমে বিশেষণ ৬৫ :চন্দ্রমুখী ২৭২ :চন্দ্রসেন ২৬ :চন্দ্রবর্ম্মা ৪২, ৪৭, ৪৯ :চন্দ্রবর্ম্মা, পুষ্করণাধিপতি ৪১, ৪৮, ৬৭, ১২৩ :চন্দ্রবর্ম্মার শিলালিপি ৪১ :চন্দ্রবংশ ১৫৬, ২৩৩, ৩১৪ :চন্দ্রাদিত্য (বিষ্ণুগুপ্ত) ৮৪, ৮৭ :চম্পা ১১৫ :চম্পাহিট্টি ৩১৩ :চম্পারণ ২৮৪ :চম্পারণ্য ২৮৪ :চম্পানগর ২৯ টীকা :চাইবাসা ৮ :চাকীরাজ ১৮৪ :চাণক্য ১৭১ :চাণক্যনীতি ২৫১ টীকা :চালুক্যরাজগণ ১৬৬, ২৬৪ :চালুক্যরাজ জয়সিংহ, ১ম ১৪৬ :চালুক্যবংশ ২৪১ :চালুক্যবংশীয় ১৪৭ :চালুক্যবংশের দুহিতা রামদেবী ৩২৩, ৩২৩ টীকা :চালুক্যবংশ, বাতাপীপুরের ১৬৬ :চারণের গাথা ৩৩৮, ৩৪৩ :চাহমাণ (চৌহাণ) ১৯৫, ৩৩৯ :চাহমানবীর (পৃথ্বীরাজ ২য়) ৩৪০, ৩৪১ :চিত্তসুখ সান্যাল ২২৫ :চিত্রকূট, ১৯৩ টীকা :চিত্রকূট ভূপাল, (চন্দেল্লরাজ হর্ষদেব) ২২৮<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 9xofazu1doj44p5bpdl72se5mudv1s7 1991324 1991249 2026-07-30T16:28:23Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1666317 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৲}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:চট্টগ্রামের পার্ব্বত্যপ্রদেশ ৬ :চণ্ডকৌশিক নাটক, আর্য্য ক্ষেমীশ্বর বিরচিত ২৫১, ২৫২ :চণ্ডার্জ্জুন (শঙ্কটগ্রামের) ২৮৩, ২৯০ :চণ্ডীমূর্ত্তি, লক্ষ্মণসেনের রাজ্যকালে ৩২৭ :চণ্ডীমৌগ্রাম ৮৫, ২৯৭ :চণ্ডেশ্বর ২৯২ :চতুষ্কোণ তাম্রমুদ্রা ৩৩ :চতুর্ভুজের হরিচরিত কাব্য ১৯৯ :চতুর্ম্মুখ মহাদেব ১৯৮ :চন্দেল্ল রাজগণ ২৫৯, ২৬০ :চন্দেল্লবংশ ২৫৫ :চন্দেল্লবংশের শিলালিপি ২৫৯ :চন্দেল্লবংশীয় যশোবর্ম্মা ২৩১, ২৩২, ২৩৯ :চন্দেল্লরাজ (পরমর্দ্দিদেব) ৩৩৯, ৩৪০ :চন্দেল্লরাজ হর্ষদেব, চিত্রকূট ভূপাল ২২৯ :চন্দেল্লরাজগণ, মহোবার ১৪১ :চন্দেল্লবংশজাত, গণ্ড ২৪০, ২৪১ :চন্দ্রকেতু ২৭২ :চন্দ্রগ্রাম ৭৯ :চন্দ্রগুপ্ত ১ম ৪৮, ৪৯, ৫২, ৮৭, ৮৯, ৯০ :চন্দ্রগুপ্ত ২য় ৪২ টীকা, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৬, ৫৭, ৫৮, ৬৪, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯৩, ১০৫, ১২১ :চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের রজতমুদ্রা ১০৩ :চন্দ্রগুপ্ত, ২য় সুবর্ণমুদ্রা ৫৭ :চন্দ্রগুপ্ত ৩য় (দ্বাদশাদিত্য) ৮৪, ৮৭, ৯০, ৯২, ১১৩, ১০৫ :চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য ৩০, ৩১, ৪৬, ৬৮, ১৭১, ১৭২, ২৫১, ২৫১ টীকা :চন্দ্রদ্বীপ ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫, ২৩৩, ২৩৬, ২৭৬ :চন্দ্রদ্বীপের ভগবতী তারা ২৩৬ :চন্দ্রদেব ৩০৭, ৩১৮ :চন্দ্রপাল ১১৫ :চন্দ্রপ্রকাশ, কুমারগুপ্তের প্রথমে বিশেষণ ৬৫ :চন্দ্রমুখী ২৭২ :চন্দ্রসেন ২৬ :চন্দ্রবর্ম্মা ৪২, ৪৭, ৪৯ :চন্দ্রবর্ম্মা, পুষ্করণাধিপতি ৪১, ৪৮, ৬৭, ১২৩ :চন্দ্রবর্ম্মার শিলালিপি ৪১ :চন্দ্রবংশ ১৫৬, ২৩৩, ৩১৪ :চন্দ্রাদিত্য (বিষ্ণুগুপ্ত) ৮৪, ৮৭ :চম্পা ১১৫ :চম্পাহিট্টি ৩১৩ :চম্পারণ ২৮৪ :চম্পারণ্য ২৮৪ :চম্পানগর ২৯ টীকা :চাইবাসা ৮ :চাকীরাজ ১৮৪ :চাণক্য ১৭১ :চাণক্যনীতি ২৫১ টীকা :চালুক্যরাজগণ ১৬৬, ২৬৪ :চালুক্যরাজ জয়সিংহ, ১ম ১৪৬ :চালুক্যবংশ ২৪১ :চালুক্যবংশীয় ১৪৭ :চালুক্যবংশের দুহিতা রামদেবী ৩২৩, ৩২৩ টীকা :চালুক্যবংশ, বাতাপীপুরের ১৬৬ :চারণের গাথা ৩৩৮, ৩৪৩ :চাহমাণ (চৌহাণ) ১৯৫, ৩৩৯ :চাহমানবীর (পৃথ্বীরাজ ২য়) ৩৪০, ৩৪১ :চিত্তসুখ সান্যাল ২২৫ :চিত্রকূট, ১৯৩ টীকা :চিত্রকূট ভূপাল, (চন্দেল্লরাজ হর্ষদেব) ২২৮<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> cl8gjlsad30vq977sa6pzdnn0di0ktb পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৩৯৯ 104 298785 1991250 1935059 2026-07-30T16:26:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991250 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:চিত্রমতিকা দেবী, পট্টমহাদেবী ২০২, ৩১৩ :চিত্রশালা, লক্ষ্ণৌ ৫০ :চিরাতদত্ত, (উপরিক) ৬১, ৬২ :চীন ১২৯, ১৩০ :চীনদেশ ১৫ :চীনদেশীয় পরিব্রাজক, ই-চিং ২৩৬ :চীনদেশীয় ভিক্ষু, ফা-হিয়েন ৫৪, ৫৫ :চীনদেশীয় শ্রমণ, (ইউয়ান্‌ চোয়াং) ১১৪ :চীন সাম্রাজ্য ৩৬ :চূনার ৩৪৫ :চূটপল্লিকা ২৪৬ :চেতবংশ, কলিঙ্গের ৪৩ :চেদী ২৩১, ২৩১ টীকা :চেদীবংশীয় (কলচুরি) ২৫২ :চেদীবংশীয় কোকল্ল (১ম) ২২৮ :চেদী রাজবংশ ২২০, ২২৩ :চের ১৩, ১৮, ২৬ :চের, ঐতরেয় আরণ্যকে ১৯ :চোল ৩১, ২৫৯ :চোলরাজ (কর্ণাটরাজ) ২৫২ :চোলবংশীয় রাজেন্দ্র চোল (১ম) ২৪১ :চোড়গঙ্গ, অনন্তবর্ম্মা ৩৩৩ :চৌহান (চাহমান) ৩৩৯ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ছ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ছন্দোগপরিশিষ্টপ্রকাশ, নারায়ণ কৃত ২১০, ২১০ টীকা :ছাঁচে ঢালা চতুষ্কোণ বা গোলাকার মুদ্রা ৩৩ :ছুরিকা ৯ :ছেদনাস্ত্র (Celt) ৯, ১১ :ছোটনাগপুর ৯ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|জ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :জগত্তুঙ্গ ২০০, ২২৬ :জগদ্দল মহাবিহার ২৯২ :জগদেকমল্ল ২৯৪ :জগদ্বিজয়মল্ল ২৯৪ :জগন্নাথ দেবশর্ম্মা ২৯৪ :জজ্জ ১৩২ :জজাব (বিষয়পতি) ৯৫ :জটোদা ৩৩০ :জন্নতাবাদ (সরকার) ৩০০ :জনার্দ্দনের মন্দির ৩০০ :জনার্দ্দন মন্দিরের প্রশস্তি ২৬২ :জয়গুপ্ত (প্রকাণ্ডযশা) ৮৪, ৯০, ৯২ :জয়চ্চন্দ্র (জয়চাঁদ) ৩০৭, ৩৩৭, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪২, ৩৪৩, ৩৪৪, ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭, ৩৫১ :জয়চাঁদ (জয়চ্চন্দ্র) ৩৪২ :জয়দত্ত, উপরিক মহারাজ ৭৯ :জয়দেব ১২২, ১২৮, ৩২৭ :জয়নগর ৩১৩ :জয়নাথ ৬৯ :জয়ন্ত ১২৭, ১৩২, ১৩৩, ১৩৩ টীকা, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৯, ২৬৯ :জয়পাল ২০১, ২০৩, ২০৭, ২১০, ২১১, ২১৬, {{SIC|২১|২১৬}} টীকা, ২১৮, ২১৯, ২২১, ২৭৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> oj4sj80t2cr8swxiu4ui795oxtv9g90 1991323 1991250 2026-07-30T16:28:21Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1666420 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:চিত্রমতিকা দেবী, পট্টমহাদেবী ২০২, ৩১৩ :চিত্রশালা, লক্ষ্ণৌ ৫০ :চিরাতদত্ত, (উপরিক) ৬১, ৬২ :চীন ১২৯, ১৩০ :চীনদেশ ১৫ :চীনদেশীয় পরিব্রাজক, ই-চিং ২৩৬ :চীনদেশীয় ভিক্ষু, ফা-হিয়েন ৫৪, ৫৫ :চীনদেশীয় শ্রমণ, (ইউয়ান্‌ চোয়াং) ১১৪ :চীন সাম্রাজ্য ৩৬ :চূনার ৩৪৫ :চূটপল্লিকা ২৪৬ :চেতবংশ, কলিঙ্গের ৪৩ :চেদী ২৩১, ২৩১ টীকা :চেদীবংশীয় (কলচুরি) ২৫২ :চেদীবংশীয় কোকল্ল (১ম) ২২৮ :চেদী রাজবংশ ২২০, ২২৩ :চের ১৩, ১৮, ২৬ :চের, ঐতরেয় আরণ্যকে ১৯ :চোল ৩১, ২৫৯ :চোলরাজ (কর্ণাটরাজ) ২৫২ :চোলবংশীয় রাজেন্দ্র চোল (১ম) ২৪১ :চোড়গঙ্গ, অনন্তবর্ম্মা ৩৩৩ :চৌহান (চাহমান) ৩৩৯ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ছ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ছন্দোগপরিশিষ্টপ্রকাশ, নারায়ণ কৃত ২১০, ২১০ টীকা :ছাঁচে ঢালা চতুষ্কোণ বা গোলাকার মুদ্রা ৩৩ :ছুরিকা ৯ :ছেদনাস্ত্র (Celt) ৯, ১১ :ছোটনাগপুর ৯ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|জ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :জগত্তুঙ্গ ২০০, ২২৬ :জগদ্দল মহাবিহার ২৯২ :জগদেকমল্ল ২৯৪ :জগদ্বিজয়মল্ল ২৯৪ :জগন্নাথ দেবশর্ম্মা ২৯৪ :জজ্জ ১৩২ :জজাব (বিষয়পতি) ৯৫ :জটোদা ৩৩০ :জন্নতাবাদ (সরকার) ৩০০ :জনার্দ্দনের মন্দির ৩০০ :জনার্দ্দন মন্দিরের প্রশস্তি ২৬২ :জয়গুপ্ত (প্রকাণ্ডযশা) ৮৪, ৯০, ৯২ :জয়চ্চন্দ্র (জয়চাঁদ) ৩০৭, ৩৩৭, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪২, ৩৪৩, ৩৪৪, ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭, ৩৫১ :জয়চাঁদ (জয়চ্চন্দ্র) ৩৪২ :জয়দত্ত, উপরিক মহারাজ ৭৯ :জয়দেব ১২২, ১২৮, ৩২৭ :জয়নগর ৩১৩ :জয়নাথ ৬৯ :জয়ন্ত ১২৭, ১৩২, ১৩৩, ১৩৩ টীকা, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৯, ২৬৯ :জয়পাল ২০১, ২০৩, ২০৭, ২১০, ২১১, ২১৬, {{SIC|২১|২১৬}} টীকা, ২১৮, ২১৯, ২২১, ২৭৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 6wuyreuacjlj3jrpxnobfypkdko91pt পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০০ 104 298786 1991251 1935058 2026-07-30T16:26:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991251 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:জয়প্রতাপমল্ল ৩১৮ :জয়ভট, তৃতীয় ১৪২, ১৪৩ :জয়মাল-বীরবাহু ২০৮ :জয়বর্দ্ধন (২য়) ১২৭, ১২৮ :জয়বরাহ ১৪৫ :জয়সিংহ ১ম, চালুক্যরাজ ১৪৬, ২৪১ :জয়সিংহ (২য়) ২৪৬, ২৫১, ২৭৬, ২৮৩ :জয়সিংহের শিলালিপি ২৫৯, ২৬০ :জয়সিংহ, দণ্ডভুক্তির অধিপতি ২৪৯, ২৮৩, ২৯৩ টীকা :জয়সেন ৩৩১, ৩৩২ :জয়স্তম্ভ, লক্ষ্মণসেন কর্ত্তৃক বারাণসীতে ও প্রয়াগে স্থাপিত ৩২৫ :জয়স্বামিনী ১২২ :জয়াপীড় (বিনয়াদিত্য) ১২৭, ১৩২, ১৩৩, ১৩৩ টীকা, ১৩৯ :জয়াবলী, রাজ্ঞী ১৮৩ :জাক্রাগ্রামে আবিষ্কৃত মুদ্রা ৩২ :জাঠগণ ৩৪০ :জাতখড়্গ ২৩৩, ২৩৫ :জাতবর্ম্মা ২৭৬, ২৭৭, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭ :জানকীনাথ সার্ব্বভৌম ২৬৮ :জানিবিঘা ৩৩১ :জাপিলগ্রাম ৩৪৫ :জাপিলীয় মহানায়ক ৩৪৩ :জাফর উজিয়াল ২৯০ :জাহানাবাদ মহকুমা ৫৭, ৬৫ :জাহ্নবী ৩৩৫ :জ্বালামুখী ১৯২ :জিনমিত্র ১১৫ :জিহোনিঅ ৩৬ :জীবিতগুপ্ত (১ম), ১২১ :জীবিতগুপ্ত (২য়,) ১১৮, ১২১, ১২৯, ১৫১, ১৭৩ :জুন (যমুনা) ৩৪১ :জুনাগড় ৮৮ :জুরাসিক ২ :জেজ্জ ১৯৫, ১৯৭ :জেরিনি কর্ণেল জি, ই, (Col. G. E. Gerini) ২৭ :জৈন উঝিয়াল পরগণা ২৮৯ :জৈনধর্ম্ম ২৯ :জৈনধর্ম্মের তীর্থঙ্করগণ ২৯ :জৈন হরিবংশপুরাণ ১৪৪, ১৮০ :জ্যোতির্বর্ম্মা ৩০৬ :জ্ঞানচন্দ্র ১১৫ :জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায় ১৫৩ :জ্যাকসন, এ, এম, টি (A. M. T. Jackson) ১৪১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঝ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঝরিয়া ৭ :ঝাটিবনি পরগণা ১১ :ঝাড়খণ্ড (দেওঘর) ১১৭, ৩৫৭ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ট}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :টমাস্ (F. W. Thomas) ৩৪ :টাইগ্রিস্ ১৪, ১৫ :টালা ১৫৮ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> lkp6j774ee9gruei1eo8ry1e3poo9o7 1991322 1991251 2026-07-30T16:28:20Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874474 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:জয়প্রতাপমল্ল ৩১৮ :জয়ভট, তৃতীয় ১৪২, ১৪৩ :জয়মাল-বীরবাহু ২০৮ :জয়বর্দ্ধন (২য়) ১২৭, ১২৮ :জয়বরাহ ১৪৫ :জয়সিংহ ১ম, চালুক্যরাজ ১৪৬, ২৪১ :জয়সিংহ (২য়) ২৪৬, ২৫১, ২৭৬, ২৮৩ :জয়সিংহের শিলালিপি ২৫৯, ২৬০ :জয়সিংহ, দণ্ডভুক্তির অধিপতি ২৪৯, ২৮৩, ২৯৩ টীকা :জয়সেন ৩৩১, ৩৩২ :জয়স্তম্ভ, লক্ষ্মণসেন কর্ত্তৃক বারাণসীতে ও প্রয়াগে স্থাপিত ৩২৫ :জয়স্বামিনী ১২২ :জয়াপীড় (বিনয়াদিত্য) ১২৭, ১৩২, ১৩৩, ১৩৩ টীকা, ১৩৯ :জয়াবলী, রাজ্ঞী ১৮৩ :জাক্রাগ্রামে আবিষ্কৃত মুদ্রা ৩২ :জাঠগণ ৩৪০ :জাতখড়্গ ২৩৩, ২৩৫ :জাতবর্ম্মা ২৭৬, ২৭৭, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭ :জানকীনাথ সার্ব্বভৌম ২৬৮ :জানিবিঘা ৩৩১ :জাপিলগ্রাম ৩৪৫ :জাপিলীয় মহানায়ক ৩৪৩ :জাফর উজিয়াল ২৯০ :জাহানাবাদ মহকুমা ৫৭, ৬৫ :জাহ্নবী ৩৩৫ :জ্বালামুখী ১৯২ :জিনমিত্র ১১৫ :জিহোনিঅ ৩৬ :জীবিতগুপ্ত (১ম), ১২১ :জীবিতগুপ্ত (২য়,) ১১৮, ১২১, ১২৯, ১৫১, ১৭৩ :জুন (যমুনা) ৩৪১ :জুনাগড় ৮৮ :জুরাসিক ২ :জেজ্জ ১৯৫, ১৯৭ :জেরিনি কর্ণেল জি, ই, (Col. G. E. Gerini) ২৭ :জৈন উঝিয়াল পরগণা ২৮৯ :জৈনধর্ম্ম ২৯ :জৈনধর্ম্মের তীর্থঙ্করগণ ২৯ :জৈন হরিবংশপুরাণ ১৪৪, ১৮০ :জ্যোতির্বর্ম্মা ৩০৬ :জ্ঞানচন্দ্র ১১৫ :জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায় ১৫৩ :জ্যাকসন, এ, এম, টি (A. M. T. Jackson) ১৪১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঝ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঝরিয়া ৭ :ঝাটিবনি পরগণা ১১ :ঝাড়খণ্ড (দেওঘর) ১১৭, ৩৫৭ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ট}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :টমাস্ (F. W. Thomas) ৩৪ :টাইগ্রিস্ ১৪, ১৫ :টালা ১৫৮ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> r6t4ksodltb3xa6v4h9adake9mfbcu7 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০১ 104 298787 1991252 1935057 2026-07-30T16:26:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991252 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৶৹}}</noinclude>{{c|{{x-larger|ড}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ডমর উপপুর ২৯১ টীকা :ডমর নগর, ভীমের রাজধানী ২৯১ :ডবাক ৫০ :ডাহির, সিন্ধুরাজ ১৪৩ :ডিভোনিক ২ টীকা {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঢ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঢাকা ৫০, ১১৮, ১২০ :ঢাকা চিত্রশালা ৯৭, ১১৯, ১২০ :ঢাকা জেলা ১৫৬, ২৩৩, ২৭৬, ৩০০ :ঢাকা জেলার রামপাল ২৯৯, ৩০০ :ঢেকুরি (ঢেক্করীয়) ২৯০ :ঢেক্করী ৩৩০ :ঢেক্করীয় (ঢেকুরি) ২৮৩, ২৯০ :ঢেঁকানাল ৭ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ত}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :তক্কন লাড়ম্ (দক্ষিণ রাঢ়) ২৪৭, ২৫০ :তর্করিকা গ্রাম ২৭৪ :তক্ষশিলা ৫৫ :তদুখিপা ১৬ :তনসুলীয় ৪৪ :তন্দবুত্তি (দণ্ডভুক্তি) ২৪৭, ২৪৮, ২৫০ :তন্ত্রবার্ত্তিক টীকা ২৮৮ :তর্পণদীঘির তাম্রশাসন ({{SIC|লক্ষণ|লক্ষ্মণ}}সেনের ৩২৬, ৩৩৫ :তম্‌লুক ২৬, ৩২, ৩৩, ৩৮, ৬৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|থ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :থুতমসিস্ (Thutmosis III) ১৫, ১৬ :তবকাৎ-ই-নাসীরী ৩৪১, ৩৪৪ :তাজ-উল-মাসীর ৩৪১ :তাজিক (আরব) ২৫৩ :তান্দ্রা বা তাড়াদেবী (লক্ষণ সেনের মহিষী) ৩২৫ :তামাজুরী গ্রাম ১১ :তাম্রনির্ম্মিত অলঙ্কার ও অস্ত্র ১১ :তাম্রনির্ম্মিত অস্ত্র ১০ :তাম্রনির্ম্মিত কঙ্কণ ১২ :তাম্রনির্ম্মিত কুঠার ১১ :তাম্রনির্ম্মিত কৃপাণ ১১ :তাম্রনির্ম্মিত ছুরিকা ১১ :তাম্রনির্ম্মিত তরবারি ১১ :তাম্রনির্ম্মিত পরশু ১১, ১২ :তাম্রপর্ণী ৩১ :তাম্রনির্ম্মিত ভল্ল ১১ :তাম্রমুদ্রা, প্রাচীন ভারতের ৩২ :তাম্রের যুগ ১, ১০, ১১, ১২ :তাম্রনির্ম্মিত বর্ষার শীর্ষ ১১ :তাম্রের ব্যবহার ১২, ১৩ :তাম্রলিপ্তি ২৬, ৩৯, ৫৫, ৬৬, ১১৬, ১৬৫ :তারা উজিয়াল ২৯০ :তারাচণ্ডী ৩৪৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> jkjdgxfbghw4qddpw00yekhgn0n0o2i 1991321 1991252 2026-07-30T16:28:20Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1666477 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৶৹}}</noinclude>{{c|{{x-larger|ড}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ডমর উপপুর ২৯১ টীকা :ডমর নগর, ভীমের রাজধানী ২৯১ :ডবাক ৫০ :ডাহির, সিন্ধুরাজ ১৪৩ :ডিভোনিক ২ টীকা {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ঢ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ঢাকা ৫০, ১১৮, ১২০ :ঢাকা চিত্রশালা ৯৭, ১১৯, ১২০ :ঢাকা জেলা ১৫৬, ২৩৩, ২৭৬, ৩০০ :ঢাকা জেলার রামপাল ২৯৯, ৩০০ :ঢেকুরি (ঢেক্করীয়) ২৯০ :ঢেক্করী ৩৩০ :ঢেক্করীয় (ঢেকুরি) ২৮৩, ২৯০ :ঢেঁকানাল ৭ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ত}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :তক্কন লাড়ম্ (দক্ষিণ রাঢ়) ২৪৭, ২৫০ :তর্করিকা গ্রাম ২৭৪ :তক্ষশিলা ৫৫ :তদুখিপা ১৬ :তনসুলীয় ৪৪ :তন্দবুত্তি (দণ্ডভুক্তি) ২৪৭, ২৪৮, ২৫০ :তন্ত্রবার্ত্তিক টীকা ২৮৮ :তর্পণদীঘির তাম্রশাসন ({{SIC|লক্ষণ|লক্ষ্মণ}}সেনের ৩২৬, ৩৩৫ :তম্‌লুক ২৬, ৩২, ৩৩, ৩৮, ৬৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|থ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :থুতমসিস্ (Thutmosis III) ১৫, ১৬ :তবকাৎ-ই-নাসীরী ৩৪১, ৩৪৪ :তাজ-উল-মাসীর ৩৪১ :তাজিক (আরব) ২৫৩ :তান্দ্রা বা তাড়াদেবী (লক্ষণ সেনের মহিষী) ৩২৫ :তামাজুরী গ্রাম ১১ :তাম্রনির্ম্মিত অলঙ্কার ও অস্ত্র ১১ :তাম্রনির্ম্মিত অস্ত্র ১০ :তাম্রনির্ম্মিত কঙ্কণ ১২ :তাম্রনির্ম্মিত কুঠার ১১ :তাম্রনির্ম্মিত কৃপাণ ১১ :তাম্রনির্ম্মিত ছুরিকা ১১ :তাম্রনির্ম্মিত তরবারি ১১ :তাম্রনির্ম্মিত পরশু ১১, ১২ :তাম্রপর্ণী ৩১ :তাম্রনির্ম্মিত ভল্ল ১১ :তাম্রমুদ্রা, প্রাচীন ভারতের ৩২ :তাম্রের যুগ ১, ১০, ১১, ১২ :তাম্রনির্ম্মিত বর্ষার শীর্ষ ১১ :তাম্রের ব্যবহার ১২, ১৩ :তাম্রলিপ্তি ২৬, ৩৯, ৫৫, ৬৬, ১১৬, ১৬৫ :তারা উজিয়াল ২৯০ :তারাচণ্ডী ৩৪৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 1vxh9353h99z1wcfawbe9w6go6e82al পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০২ 104 298788 1991253 1935056 2026-07-30T16:26:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991253 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:তারানাথ লামা ১৬, ১৬২ টীকা, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৮, ১৯১, ২৫৭, ২৯৫, ৩০০, ৩০৫, ৩২৮, ৩৫৪ :তারামূর্ত্তি, উদ্দণ্ডপুরের ২৯৬ :তারাসী ১২০ :তালচের ৭ :তালপাটক গ্রাম ৩৫৫ :তাড়াদেবী বা তান্দ্রাদেবী ৩৩৩ :তাড়িবাড়ি মহাবিহার ২৪৫ :তিথিমেধা ২৭০ :তিরুমলৈ শিলালিপি ২৪৭, ২৮৯ :তিঙ্গ্যদেব ৩০৮, ৩১০ :তিরৌরীর যুদ্ধ ৩৩৭ :তিব্বত ২৫৭ :তিব্বত দেশীয় ইতিহাসকার (লামা তারানাথ) ২৯৫ :তিব্বতীয় সাহিত্যে কর্ণদেবের উল্লেখ ২৬০, ২৬১ :ত্রিগ্রামী ১৩০ :ত্রিপুরা জেলা ২৪৪ :ত্রিভুবনপাল ১৬৯, ১৯৮, ২০১, ২১৭ :ত্রিভুবনমল্ল ৫ম বিক্রমাদিত্য ১৬৬ :ত্রিলোচনপাল ২০১, ২৫৫, ২৮৪ :ত্রিবিক্রম ১৫৬, ১৫৯ :তীর্থঙ্করগণ জৈনধর্ম্মের ২৯ :তীরভুক্তি ৩২, ২২০, ২২৪, ২২৭, ২৩৭, ২৩৯, ২৪০, ২৫২ টীকা, ২৫৮, ২৭৪, ৩১৮ :তীরভুক্তিতে লিখিত রামায়ণ ২৫২ :তীরহুত ২২৪, ২৪০ :তুকমল, মহারাজ ৪০ :তুঙ্গ (রাষ্ট্রকূট বংশীয়) ২২৬ :তুঙ্গ ধর্ম্মাবলোক ২২৬ :তুঙ্গভদ্রা, নদী ১৮৩, ১৮৪ :তুত্রাহি জল{{SIC|প্রপ্রাত|প্রপাত}} ৩৪৩ :তুমৈন গ্রাম ৮৯ :তুর্কীস্থান ২৫৪ :তুরষ্কদেশ ১৮২ :তুরষ্কজাতীয় মুসলমান ৩৫৪ :তুরষ্করাজ্য ১৪ :তুরষ্কসেনা ৩৪৪ :তুষাষ্ফ ৬৮ :তুষার রাজগণ ৪৬ :তৈল ২য় ১৬৬, ২৫১ :তৈলকম্প (তেলকুপী) ২৮৩, ২৮৯ :তৈলকম্পের অধিপতি রুদ্রশিখর ২৮৯ :তৈলপ্প ১৪৭ :তৈলাঢক ২৪৬ :ত্রৈলোক্যচন্দ্র ২৩৩, ২৩৫ :ত্রৈলোক্যসিংহ রায়ারিদেব ৩১৭ :তোমর ৩৩৯ :তোমরজাতি ৩৩৯ :তোমর রাজ্য ৩৩৮ :তোর্‌খেড়ের তাম্রশাসন ১৮৬ :তোরমাণ, হূণ রাজ ৬৮, ৮২, {{SIC|৮২|৮৩}} {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|দ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :দণ্ডভুক্তি (তন্দবুত্তি) ২৪৭, ২৪৮, ২৫০, ২৮৩, ২৮৭ :দণ্ডভুক্তির অধিপতি জয়সিংহ ২৪৯, ২৯৩ টীকা :দণ্ডভুক্তিরাজ ধর্ম্মপাল ২৪৯, ২৮৯ :দন্তিগ, পল্লবরাজ ১৮৩ :দন্তিদুর্গ, ১২৭, ১৪৭, ১৬৬, ২০০ :দন্তিবর্ম্মা (গুজরাটের) ২০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> a6siiqzox9928xj3gsth8wood5y3j3z 1991320 1991253 2026-07-30T16:28:19Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1666746 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:তারানাথ লামা ১৬, ১৬২ টীকা, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৮, ১৯১, ২৫৭, ২৯৫, ৩০০, ৩০৫, ৩২৮, ৩৫৪ :তারামূর্ত্তি, উদ্দণ্ডপুরের ২৯৬ :তারাসী ১২০ :তালচের ৭ :তালপাটক গ্রাম ৩৫৫ :তাড়াদেবী বা তান্দ্রাদেবী ৩৩৩ :তাড়িবাড়ি মহাবিহার ২৪৫ :তিথিমেধা ২৭০ :তিরুমলৈ শিলালিপি ২৪৭, ২৮৯ :তিঙ্গ্যদেব ৩০৮, ৩১০ :তিরৌরীর যুদ্ধ ৩৩৭ :তিব্বত ২৫৭ :তিব্বত দেশীয় ইতিহাসকার (লামা তারানাথ) ২৯৫ :তিব্বতীয় সাহিত্যে কর্ণদেবের উল্লেখ ২৬০, ২৬১ :ত্রিগ্রামী ১৩০ :ত্রিপুরা জেলা ২৪৪ :ত্রিভুবনপাল ১৬৯, ১৯৮, ২০১, ২১৭ :ত্রিভুবনমল্ল ৫ম বিক্রমাদিত্য ১৬৬ :ত্রিলোচনপাল ২০১, ২৫৫, ২৮৪ :ত্রিবিক্রম ১৫৬, ১৫৯ :তীর্থঙ্করগণ জৈনধর্ম্মের ২৯ :তীরভুক্তি ৩২, ২২০, ২২৪, ২২৭, ২৩৭, ২৩৯, ২৪০, ২৫২ টীকা, ২৫৮, ২৭৪, ৩১৮ :তীরভুক্তিতে লিখিত রামায়ণ ২৫২ :তীরহুত ২২৪, ২৪০ :তুকমল, মহারাজ ৪০ :তুঙ্গ (রাষ্ট্রকূট বংশীয়) ২২৬ :তুঙ্গ ধর্ম্মাবলোক ২২৬ :তুঙ্গভদ্রা, নদী ১৮৩, ১৮৪ :তুত্রাহি জল{{SIC|প্রপ্রাত|প্রপাত}} ৩৪৩ :তুমৈন গ্রাম ৮৯ :তুর্কীস্থান ২৫৪ :তুরষ্কদেশ ১৮২ :তুরষ্কজাতীয় মুসলমান ৩৫৪ :তুরষ্করাজ্য ১৪ :তুরষ্কসেনা ৩৪৪ :তুষাষ্ফ ৬৮ :তুষার রাজগণ ৪৬ :তৈল ২য় ১৬৬, ২৫১ :তৈলকম্প (তেলকুপী) ২৮৩, ২৮৯ :তৈলকম্পের অধিপতি রুদ্রশিখর ২৮৯ :তৈলপ্প ১৪৭ :তৈলাঢক ২৪৬ :ত্রৈলোক্যচন্দ্র ২৩৩, ২৩৫ :ত্রৈলোক্যসিংহ রায়ারিদেব ৩১৭ :তোমর ৩৩৯ :তোমরজাতি ৩৩৯ :তোমর রাজ্য ৩৩৮ :তোর্‌খেড়ের তাম্রশাসন ১৮৬ :তোরমাণ, হূণ রাজ ৬৮, ৮২, {{SIC|৮২|৮৩}} {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|দ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :দণ্ডভুক্তি (তন্দবুত্তি) ২৪৭, ২৪৮, ২৫০, ২৮৩, ২৮৭ :দণ্ডভুক্তির অধিপতি জয়সিংহ ২৪৯, ২৯৩ টীকা :দণ্ডভুক্তিরাজ ধর্ম্মপাল ২৪৯, ২৮৯ :দন্তিগ, পল্লবরাজ ১৮৩ :দন্তিদুর্গ, ১২৭, ১৪৭, ১৬৬, ২০০ :দন্তিবর্ম্মা (গুজরাটের) ২০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> nawnepflwmv6lj9qvny6lguwcpye5uq পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৩ 104 298789 1991254 1935055 2026-07-30T16:26:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991254 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:দন্তিবর্ম্মা (১ম) ১৪৬, ১৪৭ :দন্তিবর্ম্মা, (২য়) ১৪৭ :দন্তিবর্ম্মা, (৩য়) ২০০ :দদ্দ, ১ম ১৪২ :দর্ভপাণি ২১৩, ২১৪, ২৩৫ :দস্যু, ঋগ্বেদে ২৩ :দত্তদেবী ৫২, ৮৭, ১২৩ :দনুজারিদেব ১৫৫ :দনুজমর্দ্দন দেব ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬, ১৬১, ২৩৬ :দনুজামাধব ১৫৩, ১৫৪ :দর্ভপাণি ২০৩, ২০৪ :দমন ৫০ :দশরত্ত (দশরথ) ১৬ :দশরথ মৌর্য্য ৯৮ :দশপুর (মন্দশোর) ৪১ :দশবল লোকনাথ ১৭৭ :দয়িতবিষ্ণু ১৬৩, ১৬৭, ১৭১, ২০১ :দাঁতন ২৪৮ :দাতব্যচিকিৎসালয় (দেবগৃহ) ৫৫ টীকা :দানসাগর ৩০৮, ৩১৭, ৩২১, ৩৩৩, ৩৩৪, ৩৩৫, ৩৩৬ :দামলজাতি (তামল) ২৬ :দামলিপ্তি ২৬ :দামশূর ২৬৭ :দামুক ৯৭ :দামোদর গুপ্ত ৯৮, ৯৯, ১১৮, ১২১ :দামোদরপুর ৬০, ৬১, ৬২, ৮৯, ৯১, ৯৪ :দামোদরপুরের তাম্রশাসন ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৭৯, ৮০, ৮১, ৮৩, ৯৮ :দাক্ষিণাত্য ২৮৫, ২৮৬, ৩২৯ :দাক্ষিণাত্যে প্রাচীন বাবিরুষ জাতির শবাধারের আবিষ্কার ২২ :দাক্ষিণাত্যে দ্রবিড় জাতির অধিকার ২২ :দাহলের কলচুরি বা চেদীবংশ ৩০৭ :দিনাজপুর জেলা ৬০, ৬১, ৭৮, ৯৪, ২০৪, ২০৮, ২২৫, ২৩৭, ৩২৬, ৩৩০ :দিল্লী, পুরাতন, ধ্বংসাবশেষ ৪১ :দিব্বোক ২৭৭, ২৮০, ২৮১, ২৮১ টীকা :দিল্লী ৩৩৯, ৩৪১ :দিল্লীর তোমর রাজবংশ ৩৩৭, ৩৩৮ :দিল্লীর লৌহ স্তম্ভে খোদিত লিপি ৪১, ৪২, ৪২ টীকা :দিগ্‌ঘাসোদিয়া গ্রাম ৩৩০ :দিগম্বর জৈন সম্প্রদায় ১১৪, ১১৬ :দিবাকরসেন ৮৭, ৮৯ :দিব্য ২৭৭ :দীনবন্ধু মিত্র ৩২, ৩৩ :দীনার (সুবর্ণ মুদ্রা) ৫৩, ৬৩ :দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য্য ৩৩৫, ৩৩৬ :দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (অতীশ) ২৩৭, ২৬১, ২৬৩ :দুষ্মন্ত ১৮ :দুর্লভ ৯৫ :দেউ ৩৪৬ :দেউলিগ্রাম ১৫০ :দেওবরনার্ক ১২১ :দেদ্দদেবী ১৭৬, ১৭৯, ২০১ :দেবখড়্গ ১৬৪, ১৬৫, ২৩৩, ২৩৫ :দেবগণের রথযাত্রা ৫৫ :দেবগুপ্ত, (মালবরাজ) ৯৯, ১০৬, ১০৭, ১১৭, ১২১ :দেবগৃহ (দাতব্য চিকিৎসালয়) ৫৫ টীকা :দেবগ্রাম ২৮৩, ২৮৮ :দেবদত্ত রামকৃষ্ণ ভাণ্ডারকর ১৪১, ১৭৯, ১৮০, ১৮২, ৩৩৮ :দেবপাল ১৬, ১৬৯, ১৭১, ১৯৪, ১৯৮, ২০১, ২০৩, ২০৪, ২০৬, ২০৭, ২০৮,<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> picgassz3b5h3f1o8y8xpqjn2lhz8j2 1991319 1991254 2026-07-30T16:28:14Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1666750 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:দন্তিবর্ম্মা (১ম) ১৪৬, ১৪৭ :দন্তিবর্ম্মা, (২য়) ১৪৭ :দন্তিবর্ম্মা, (৩য়) ২০০ :দদ্দ, ১ম ১৪২ :দর্ভপাণি ২১৩, ২১৪, ২৩৫ :দস্যু, ঋগ্বেদে ২৩ :দত্তদেবী ৫২, ৮৭, ১২৩ :দনুজারিদেব ১৫৫ :দনুজমর্দ্দন দেব ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬, ১৬১, ২৩৬ :দনুজামাধব ১৫৩, ১৫৪ :দর্ভপাণি ২০৩, ২০৪ :দমন ৫০ :দশরত্ত (দশরথ) ১৬ :দশরথ মৌর্য্য ৯৮ :দশপুর (মন্দশোর) ৪১ :দশবল লোকনাথ ১৭৭ :দয়িতবিষ্ণু ১৬৩, ১৬৭, ১৭১, ২০১ :দাঁতন ২৪৮ :দাতব্যচিকিৎসালয় (দেবগৃহ) ৫৫ টীকা :দানসাগর ৩০৮, ৩১৭, ৩২১, ৩৩৩, ৩৩৪, ৩৩৫, ৩৩৬ :দামলজাতি (তামল) ২৬ :দামলিপ্তি ২৬ :দামশূর ২৬৭ :দামুক ৯৭ :দামোদর গুপ্ত ৯৮, ৯৯, ১১৮, ১২১ :দামোদরপুর ৬০, ৬১, ৬২, ৮৯, ৯১, ৯৪ :দামোদরপুরের তাম্রশাসন ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৭৯, ৮০, ৮১, ৮৩, ৯৮ :দাক্ষিণাত্য ২৮৫, ২৮৬, ৩২৯ :দাক্ষিণাত্যে প্রাচীন বাবিরুষ জাতির শবাধারের আবিষ্কার ২২ :দাক্ষিণাত্যে দ্রবিড় জাতির অধিকার ২২ :দাহলের কলচুরি বা চেদীবংশ ৩০৭ :দিনাজপুর জেলা ৬০, ৬১, ৭৮, ৯৪, ২০৪, ২০৮, ২২৫, ২৩৭, ৩২৬, ৩৩০ :দিল্লী, পুরাতন, ধ্বংসাবশেষ ৪১ :দিব্বোক ২৭৭, ২৮০, ২৮১, ২৮১ টীকা :দিল্লী ৩৩৯, ৩৪১ :দিল্লীর তোমর রাজবংশ ৩৩৭, ৩৩৮ :দিল্লীর লৌহ স্তম্ভে খোদিত লিপি ৪১, ৪২, ৪২ টীকা :দিগ্‌ঘাসোদিয়া গ্রাম ৩৩০ :দিগম্বর জৈন সম্প্রদায় ১১৪, ১১৬ :দিবাকরসেন ৮৭, ৮৯ :দিব্য ২৭৭ :দীনবন্ধু মিত্র ৩২, ৩৩ :দীনার (সুবর্ণ মুদ্রা) ৫৩, ৬৩ :দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য্য ৩৩৫, ৩৩৬ :দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (অতীশ) ২৩৭, ২৬১, ২৬৩ :দুষ্মন্ত ১৮ :দুর্লভ ৯৫ :দেউ ৩৪৬ :দেউলিগ্রাম ১৫০ :দেওবরনার্ক ১২১ :দেদ্দদেবী ১৭৬, ১৭৯, ২০১ :দেবখড়্গ ১৬৪, ১৬৫, ২৩৩, ২৩৫ :দেবগণের রথযাত্রা ৫৫ :দেবগুপ্ত, (মালবরাজ) ৯৯, ১০৬, ১০৭, ১১৭, ১২১ :দেবগৃহ (দাতব্য চিকিৎসালয়) ৫৫ টীকা :দেবগ্রাম ২৮৩, ২৮৮ :দেবদত্ত রামকৃষ্ণ ভাণ্ডারকর ১৪১, ১৭৯, ১৮০, ১৮২, ৩৩৮ :দেবপাল ১৬, ১৬৯, ১৭১, ১৯৪, ১৯৮, ২০১, ২০৩, ২০৪, ২০৬, ২০৭, ২০৮,<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 6kyau06yk4t80xl3s4fowavpmxj5fwu পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৪ 104 298790 1991255 1935054 2026-07-30T16:26:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991255 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{left margin|3em|</noinclude>২০৯, ২১০, ২১১, ২১২, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৬ টীকা, ২১৭, ২১৮, ২২০, ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৫, ২৭১, ৩২৩<noinclude>}}{{hanging indent/s}}</noinclude> :দেবপালের খোদিত লিপি ১৩০ :দেবপালের তাম্রশাসন ১৬৭, ১৬৮, ১৭৫, ২১৩ :দেবপাড়ায় আবিষ্কৃত বিজয় সেনের শিলালিপি ৩০৮, ৩১২, ৩১৫, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৯ :দেবভূমি বা দেবভূতি ৩৪ :দেববিষ্ণু ৬৯ :দেবরক্ষিত, পীঠিপতি ২৮৫, ২৮৬, ৩০৭ :দেবরাজ ১৪৪, ১৮১ :দেবরাষ্ট্র ৫০ :দেববতী ১২৩ :দেবশক্তি ১৪৪, ২০১ :দেবীপ্রসাদ ৫৭, ২২৩ :দেবেন্দ্র ১৫৫ :দেশাবলী ২৮৬ :দেহনাগা দেবী ২২৮ :দেহেক ২৬৪ :দৌলতপুর ২১৫ :দৌলৎপুর কলেজ ১৫৩ :দক্ষিণ কোশলরাজ ৫০, ২৪৮ :দক্ষিণ মগধ ২৪৯ :দক্ষিণ রাঢ় (রাঢ়া) ২৪৯, ২৫০, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬ :দক্ষিণ লাট (দক্ষিণ গুজরাট) ২৫০ :দক্ষিণ বঙ্গ ৫১ :দক্ষিণবঙ্গে নৌযুদ্ধ ৩০৮, ৩০৯ :দক্ষিণাপথ ৮, ১০, ৫০, ১৮৯, ২২০, ২৮৭ :দক্ষিণাপথে রাষ্ট্রকূট সাম্রাজ্য ১৪৭ :দক্ষিণাপথ বাসী অদিম মানব ৭ :দ্বাদশাদিত্য (তৃতীয় চন্দ্রগুপ্ত) ৮৪, ৮৭ :দ্বারাবতী (আয়ুথা বা অযোধ্যা) ১১৬, ১২৪ :দ্বোরপবর্দ্ধন (গোবর্দ্ধন) কৌশাম্বীর ২৭৭, ২৮৩, ২৯০ :দ্রম্ম ১৯৮ :দ্রবিড় ১৯ :দ্রবিড়গণের ভারতবর্ষ অধিকার ২৩ :দ্রবিড়গণের ভারতবর্ষে প্রবেশ ২০ :দ্রবিড়গণের বাবিরুষ অধিকার ২০ :দ্রবিড় জাতি ১৩, ১৯, ২৬, ২৮ :দ্রবিড়জাতি, আর্য্যাবর্ত্তে ২২ :দ্রবিড়জাতি কর্ত্তৃক ঐরাণ ও বাবীরুষ অধিকার ২০ :দ্রবিড়জাতি, দাক্ষিণাত্যে ২২ :দ্রবিড়জাতির প্রাচীন বাসভূমি (ভারতবর্ষ) ২০ :দ্রবিড় ভাষা ১৩ :দ্রবিড়জাতি, মগধের আদিম অধিবাসী ২৩ :দ্রবিড়জাতি, বঙ্গের আদিম অধিবাসী ২৩ :দ্রবিড়জাতির সম্বন্ধ, বঙ্গদেশীয় গণের সহিত ২৬ :দ্রবিড়জাতির বালুচিস্থানে উপনিবেশ ২৩ :দ্রবিড়জাতির সহিত বাবিরুশীয় গণের সম্বন্ধ ২২ :দ্রবিড়েশ্বর ২০৪, ২০৫, ২০৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ধ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ধঙ্গদেব ২৩৭, ২৪১, ২৪২ :ধনঞ্জয় ৫০ :ধন্যবিষ্ণু ৮২ :ধর্ম্ম ১৮২, ১৮৭, ১৮৮, ১৯০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> btb3bdzrqt5mi9og3omjpr2rvaul0rk 1991318 1991255 2026-07-30T16:28:13Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874480 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{left margin|3em|</noinclude>২০৯, ২১০, ২১১, ২১২, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৬ টীকা, ২১৭, ২১৮, ২২০, ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৫, ২৭১, ৩২৩<noinclude>}}{{hanging indent/s}}</noinclude> :দেবপালের খোদিত লিপি ১৩০ :দেবপালের তাম্রশাসন ১৬৭, ১৬৮, ১৭৫, ২১৩ :দেবপাড়ায় আবিষ্কৃত বিজয় সেনের শিলালিপি ৩০৮, ৩১২, ৩১৫, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৯ :দেবভূমি বা দেবভূতি ৩৪ :দেববিষ্ণু ৬৯ :দেবরক্ষিত, পীঠিপতি ২৮৫, ২৮৬, ৩০৭ :দেবরাজ ১৪৪, ১৮১ :দেবরাষ্ট্র ৫০ :দেববতী ১২৩ :দেবশক্তি ১৪৪, ২০১ :দেবীপ্রসাদ ৫৭, ২২৩ :দেবেন্দ্র ১৫৫ :দেশাবলী ২৮৬ :দেহনাগা দেবী ২২৮ :দেহেক ২৬৪ :দৌলতপুর ২১৫ :দৌলৎপুর কলেজ ১৫৩ :দক্ষিণ কোশলরাজ ৫০, ২৪৮ :দক্ষিণ মগধ ২৪৯ :দক্ষিণ রাঢ় (রাঢ়া) ২৪৯, ২৫০, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬ :দক্ষিণ লাট (দক্ষিণ গুজরাট) ২৫০ :দক্ষিণ বঙ্গ ৫১ :দক্ষিণবঙ্গে নৌযুদ্ধ ৩০৮, ৩০৯ :দক্ষিণাপথ ৮, ১০, ৫০, ১৮৯, ২২০, ২৮৭ :দক্ষিণাপথে রাষ্ট্রকূট সাম্রাজ্য ১৪৭ :দক্ষিণাপথ বাসী অদিম মানব ৭ :দ্বাদশাদিত্য (তৃতীয় চন্দ্রগুপ্ত) ৮৪, ৮৭ :দ্বারাবতী (আয়ুথা বা অযোধ্যা) ১১৬, ১২৪ :দ্বোরপবর্দ্ধন (গোবর্দ্ধন) কৌশাম্বীর ২৭৭, ২৮৩, ২৯০ :দ্রম্ম ১৯৮ :দ্রবিড় ১৯ :দ্রবিড়গণের ভারতবর্ষ অধিকার ২৩ :দ্রবিড়গণের ভারতবর্ষে প্রবেশ ২০ :দ্রবিড়গণের বাবিরুষ অধিকার ২০ :দ্রবিড় জাতি ১৩, ১৯, ২৬, ২৮ :দ্রবিড়জাতি, আর্য্যাবর্ত্তে ২২ :দ্রবিড়জাতি কর্ত্তৃক ঐরাণ ও বাবীরুষ অধিকার ২০ :দ্রবিড়জাতি, দাক্ষিণাত্যে ২২ :দ্রবিড়জাতির প্রাচীন বাসভূমি (ভারতবর্ষ) ২০ :দ্রবিড় ভাষা ১৩ :দ্রবিড়জাতি, মগধের আদিম অধিবাসী ২৩ :দ্রবিড়জাতি, বঙ্গের আদিম অধিবাসী ২৩ :দ্রবিড়জাতির সম্বন্ধ, বঙ্গদেশীয় গণের সহিত ২৬ :দ্রবিড়জাতির বালুচিস্থানে উপনিবেশ ২৩ :দ্রবিড়জাতির সহিত বাবিরুশীয় গণের সম্বন্ধ ২২ :দ্রবিড়েশ্বর ২০৪, ২০৫, ২০৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ধ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ধঙ্গদেব ২৩৭, ২৪১, ২৪২ :ধনঞ্জয় ৫০ :ধন্যবিষ্ণু ৮২ :ধর্ম্ম ১৮২, ১৮৭, ১৮৮, ১৯০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> pqnrnoabbygte6szlwsszpdpxtddyoc 1991687 1991318 2026-07-31T04:00:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991687 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{left margin|3em|</noinclude>২০৯, ২১০, ২১১, ২১২, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৬ টীকা, ২১৭, ২১৮, ২২০, ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৫, ২৭১, ৩২৩<noinclude>}}{{hanging indent/s}}</noinclude>:দেবপালের খোদিত লিপি ১৩০ :দেবপালের তাম্রশাসন ১৬৭, ১৬৮, ১৭৫, ২১৩ :দেবপাড়ায় আবিষ্কৃত বিজয় সেনের শিলালিপি ৩০৮, ৩১২, ৩১৫, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৯ :দেবভূমি বা দেবভূতি ৩৪ :দেববিষ্ণু ৬৯ :দেবরক্ষিত, পীঠিপতি ২৮৫, ২৮৬, ৩০৭ :দেবরাজ ১৪৪, ১৮১ :দেবরাষ্ট্র ৫০ :দেববতী ১২৩ :দেবশক্তি ১৪৪, ২০১ :দেবীপ্রসাদ ৫৭, ২২৩ :দেবেন্দ্র ১৫৫ :দেশাবলী ২৮৬ :দেহনাগা দেবী ২২৮ :দেহেক ২৬৪ :দৌলতপুর ২১৫ :দৌলৎপুর কলেজ ১৫৩ :দক্ষিণ কোশলরাজ ৫০, ২৪৮ :দক্ষিণ মগধ ২৪৯ :দক্ষিণ রাঢ় (রাঢ়া) ২৪৯, ২৫০, ৩০৯, ৩১০, ৩১৬ :দক্ষিণ লাট (দক্ষিণ গুজরাট) ২৫০ :দক্ষিণ বঙ্গ ৫১ :দক্ষিণবঙ্গে নৌযুদ্ধ ৩০৮, ৩০৯ :দক্ষিণাপথ ৮, ১০, ৫০, ১৮৯, ২২০, ২৮৭ :দক্ষিণাপথে রাষ্ট্রকূট সাম্রাজ্য ১৪৭ :দক্ষিণাপথ বাসী অদিম মানব ৭ :দ্বাদশাদিত্য (তৃতীয় চন্দ্রগুপ্ত) ৮৪, ৮৭ :দ্বারাবতী (আয়ুথা বা অযোধ্যা) ১১৬, ১২৪ :দ্বোরপবর্দ্ধন (গোবর্দ্ধন) কৌশাম্বীর ২৭৭, ২৮৩, ২৯০ :দ্রম্ম ১৯৮ :দ্রবিড় ১৯ :দ্রবিড়গণের ভারতবর্ষ অধিকার ২৩ :দ্রবিড়গণের ভারতবর্ষে প্রবেশ ২০ :দ্রবিড়গণের বাবিরুষ অধিকার ২০ :দ্রবিড় জাতি ১৩, ১৯, ২৬, ২৮ :দ্রবিড়জাতি, আর্য্যাবর্ত্তে ২২ :দ্রবিড়জাতি কর্ত্তৃক ঐরাণ ও বাবীরুষ অধিকার ২০ :দ্রবিড়জাতি, দাক্ষিণাত্যে ২২ :দ্রবিড়জাতির প্রাচীন বাসভূমি (ভারতবর্ষ) ২০ :দ্রবিড় ভাষা ১৩ :দ্রবিড়জাতি, মগধের আদিম অধিবাসী ২৩ :দ্রবিড়জাতি, বঙ্গের আদিম অধিবাসী ২৩ :দ্রবিড়জাতির সম্বন্ধ, বঙ্গদেশীয় গণের সহিত ২৬ :দ্রবিড়জাতির বালুচিস্থানে উপনিবেশ ২৩ :দ্রবিড়জাতির সহিত বাবিরুশীয় গণের সম্বন্ধ ২২ :দ্রবিড়েশ্বর ২০৪, ২০৫, ২০৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ধ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ধঙ্গদেব ২৩৭, ২৪১, ২৪২ :ধনঞ্জয় ৫০ :ধন্যবিষ্ণু ৮২ :ধর্ম্ম ১৮২, ১৮৭, ১৮৮, ১৯০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> j2tacrl783osfk1zxieylnoepa33hky পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৫ 104 298791 1991256 1935053 2026-07-30T16:26:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991256 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:ধর্ম্মচক্র ২৫৩ :ধর্ম্মপাল ১১৫, ১৩৪, ১৪৯, ১৫১, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ১৬৭, ১৬৯, ১৭১, ১৭৩, ১৮৫, ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯০, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭, ১৯৮, ১৯৯, ২০১, ২০২, ২০৩, ২০৬, ২১৩, ২১৪, ২১৫, ২১৮, ২৩২, ২৪৭, ২৪৮, ২৫৩, ২৬৮, ২৭১, ২৭৬ :ধর্ম্মপালের উৎপত্তি, সমুদ্র হইতে ১৬৭, ১৬৮ :ধর্ম্মপালের তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৭, ১৭১, ১৭৬, ১৯১, ২১৭ :ধর্ম্মপাল, দণ্ডভুক্তিরাজ ২৪৯, ২৮৯ :ধর্ম্মমঙ্গল, ঘনরামের ১৬৩, ১৬৪, ১৬৮, ১৬৯ :ধর্ম্মমিত্র, ভিক্ষু ২২৪ :ধর্ম্মরাজিকা (ধামেক) ২৫৩ :ধর্ম্মাদিত্য ৯৫, ৯৬, ৯৮ :ধরসেন, বলভীর ৬৯ :ধলভূম পরগণা ১০ :ধাতব অস্ত্র নির্ম্মাণ পদ্ধতি ৪ :ধাতুর ব্যবহার ৪ :ধাদ্‌কা কয়লার খনি ৯ :ধানাইদহ ৫৯, ৬০ টীকা, ৮৯ :ধাম্‌সার ২০২, ২৬৮ :ধারবাড জেলা ১৮৫ :ধুলট ৯৬ :ধূর্ত্তঘোষ ৩৩০ :ধৃতিপাল, নগর শ্রেষ্ঠী ৬১, ৬২ :ধৃতিমিত্র, প্রথম কুলিক ৬১, ৬২ :ধোয়ী ৩২৭ :ধ্রুব (১ম) ২০০ :ধ্রুব (২য়) ২০০, ২২০ :ধ্রুব দেবী বা ধ্রুব স্বামিনী ৫৮, ৮৭, ১২২ :ধ্রুব ধারাবর্ষ ১২৭, ১৪৫, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫০, ১৭৩, ১৭৭, ১৭৮, ১৮৩, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৭, ২০০, ২৪০, ২৫৪ :ধ্রুব ধারাবর্ষ (৩য়) ২০০ :ধ্রুবশর্ম্মা ৫৮ :ধ্রুবানন্দমিশ্র ১৫৪ :ধ্রুবানন্দমিশ্র প্রণীত মহাবংশাবলী ১৩৭ :ধ্রুবানন্দ মিশ্রের সময় ১৩৮ :ধ্রুবিলাটী গ্রাম ৯৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ন}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :নগরশ্রেষ্ঠী ধৃতিপাল ৬১, ৬২ :নগরহার নগর ২১১ :নগেন্দ্র নাথ বসু ২৪ টীকা, ৮৪ টীকা, ১৩৩, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৭, ১৩৮, ১৩৯, ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ১৭০ টীকা, ১৮০ টীকা, ১৯৬, ১৯৭, ২০৬ টীকা, ২১৭, ২২৬, ২৩২, ২৩৩, ২৩৫, ২৩৮, ২৪৩, ২৪৮, ২৪৯, ২৫৫, ২৬৮, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭৩, ২৮৭, ২৮৯, ২৯০, ২৯৪, ২৯৯, ৩০৪, ৩২১, ৩২২, ৩৫১, ৩৫৫, ৩৫৫ টীকা :নর্ত্তেশ্বর মূর্ত্তি ৫১ টীকা :নদীয়া জেলা ৭৫, ২৮৮, ৩২৬, ৩৫৭ :নন্দরাজ ৪৪ :নন্দবংশ ৩০ :নন্দী ৪৯ :নন্দীবনাঙ্ক গ্রাম ২০৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> iny5nhxuss4dr8ijjybkycuz9mmy2jk 1991317 1991256 2026-07-30T16:28:12Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1666802 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:ধর্ম্মচক্র ২৫৩ :ধর্ম্মপাল ১১৫, ১৩৪, ১৪৯, ১৫১, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ১৬৭, ১৬৯, ১৭১, ১৭৩, ১৮৫, ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯০, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭, ১৯৮, ১৯৯, ২০১, ২০২, ২০৩, ২০৬, ২১৩, ২১৪, ২১৫, ২১৮, ২৩২, ২৪৭, ২৪৮, ২৫৩, ২৬৮, ২৭১, ২৭৬ :ধর্ম্মপালের উৎপত্তি, সমুদ্র হইতে ১৬৭, ১৬৮ :ধর্ম্মপালের তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৭, ১৭১, ১৭৬, ১৯১, ২১৭ :ধর্ম্মপাল, দণ্ডভুক্তিরাজ ২৪৯, ২৮৯ :ধর্ম্মমঙ্গল, ঘনরামের ১৬৩, ১৬৪, ১৬৮, ১৬৯ :ধর্ম্মমিত্র, ভিক্ষু ২২৪ :ধর্ম্মরাজিকা (ধামেক) ২৫৩ :ধর্ম্মাদিত্য ৯৫, ৯৬, ৯৮ :ধরসেন, বলভীর ৬৯ :ধলভূম পরগণা ১০ :ধাতব অস্ত্র নির্ম্মাণ পদ্ধতি ৪ :ধাতুর ব্যবহার ৪ :ধাদ্‌কা কয়লার খনি ৯ :ধানাইদহ ৫৯, ৬০ টীকা, ৮৯ :ধাম্‌সার ২০২, ২৬৮ :ধারবাড জেলা ১৮৫ :ধুলট ৯৬ :ধূর্ত্তঘোষ ৩৩০ :ধৃতিপাল, নগর শ্রেষ্ঠী ৬১, ৬২ :ধৃতিমিত্র, প্রথম কুলিক ৬১, ৬২ :ধোয়ী ৩২৭ :ধ্রুব (১ম) ২০০ :ধ্রুব (২য়) ২০০, ২২০ :ধ্রুব দেবী বা ধ্রুব স্বামিনী ৫৮, ৮৭, ১২২ :ধ্রুব ধারাবর্ষ ১২৭, ১৪৫, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫০, ১৭৩, ১৭৭, ১৭৮, ১৮৩, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৭, ২০০, ২৪০, ২৫৪ :ধ্রুব ধারাবর্ষ (৩য়) ২০০ :ধ্রুবশর্ম্মা ৫৮ :ধ্রুবানন্দমিশ্র ১৫৪ :ধ্রুবানন্দমিশ্র প্রণীত মহাবংশাবলী ১৩৭ :ধ্রুবানন্দ মিশ্রের সময় ১৩৮ :ধ্রুবিলাটী গ্রাম ৯৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ন}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :নগরশ্রেষ্ঠী ধৃতিপাল ৬১, ৬২ :নগরহার নগর ২১১ :নগেন্দ্র নাথ বসু ২৪ টীকা, ৮৪ টীকা, ১৩৩, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৭, ১৩৮, ১৩৯, ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ১৭০ টীকা, ১৮০ টীকা, ১৯৬, ১৯৭, ২০৬ টীকা, ২১৭, ২২৬, ২৩২, ২৩৩, ২৩৫, ২৩৮, ২৪৩, ২৪৮, ২৪৯, ২৫৫, ২৬৮, ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ২৭৩, ২৮৭, ২৮৯, ২৯০, ২৯৪, ২৯৯, ৩০৪, ৩২১, ৩২২, ৩৫১, ৩৫৫, ৩৫৫ টীকা :নর্ত্তেশ্বর মূর্ত্তি ৫১ টীকা :নদীয়া জেলা ৭৫, ২৮৮, ৩২৬, ৩৫৭ :নন্দরাজ ৪৪ :নন্দবংশ ৩০ :নন্দী ৪৯ :নন্দীবনাঙ্ক গ্রাম ২০৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> qeudcf3z258w8e1p5vntd5m3d7dlxbt পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৬ 104 298792 1991257 1935052 2026-07-30T16:26:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991257 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:নন্দোর ১৪২ :নন্দোড্ ১৪২ :নন্ননারায়ণ ১৯৮ :ননীগোপাল মজুমদার ৩২১, ৩২৪ টীকা, ৩৩১, ৩৩৫, ৩৩৬ :নর্ম্মদা ৩৬, ৭৭, ৮২, ১৪১, ২১৩ :নরক ৩৩৩ :নরেন্দ্র দেব ১২২ :নরসিংহ ২৩০, ৩০৭, ৩০৯ :নরসিংহগুপ্ত (বালাদিত্য) ৭৩, ৭৪, ৮৭, ১০৫, ১১৮ :নরসিংহগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৫ :নরসিংহমন্দিরের শিলালিপি ২৬২, ২৭৪ :নরসিংহমূর্ত্তি ৩০৩ :নরসিংহার্জ্জুন (কয়ঙ্গল মণ্ডলরাজ) ২৮৩, ২৯০ :নরেন্দ্রগুপ্ত ১০২, ১০৪ :নরেন্দ্রাদিত্য ১০৫ :নরেন্দ্রাদিত্যের স্বর্ণমুদ্রা ১০০, ১০৩ :নরবর্ম্মা ৪১, ৬৭ :নল ৩৩৫ :নলিনীকান্ত ভট্টশালী ৫১ টীকা, ৯১, ৯৭, ১১৯, ১২০, ১২২, ১৫৬, ২৩৪, ৩০৪, ৩২১, ৩২৯ :নবদ্বীপ ৩৫৬, ৩৫৭ :নবীনচন্দ্র চক্রবর্ত্তী ৯ :নব্যজীবক ১, ১ টীকা, ২ :নব্যপ্রস্তরের যুগ ১, ৫, ৮, ৯, ১১ :নব্যাবকাশিকা ৯৬, ৯৭ :নসরত উজিয়াল ২৯০ :নসরত শাহ ২৯০ :নয়ন দেবী ১২৩ :নয়পাল ২০২, ২৩৭, ২৫৭, ২৫৮, ২৬০, ২৬১, ২৬৩, ২৭৪, ২৮৬, ৩০০, ৩০৭ :নয়িকা গ্রাম ২০৯ :নাগদত্ত (উপরিক) ৪৯, ৯৬ :নাগদেব (উপরিক) ৯৬ :নাগপুর চিত্রশালায় কীলক ২১ :নাগপুরের শিলালিপি ২৫৮ :নাগপূজকজাতি, বঙ্গদেশের ২৬ :নাগভট (১ম) ১৪৩, ১৪৪, ২০১ :নাগভট, (২য়) ১৪৮, ১৪৯, ১৭৭, ১৮০, ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২০১, ২০৬, ২০৭, ২১৫, ২৫৬ :নাগভট দ্বিতীয়ের শিলালিপি ১৮৩ :নাগর ব্রাহ্মণ ৩৩৮ :নাগশর্ম্মা ৫৯ :নাগসেন ৪৯ :নাগবংশীয়রাজগণ ২৯৩, ২৯৩ টীকা :নাগাবলোক, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭ :নাগার্জ্জুনী পর্ব্বতে গোপীকা গুহার শিলালিপি ৯৯ :নাগার্জ্জুনী পর্ব্বতে লোমশঋষি গুহার শিলালিপি ৯৯ :নাগার্জ্জুন পর্ব্বতে বতথি গুহার শিলালিপি ৯৯ :নাটোর মহকুমা ৫৯ :নান্যদেব ৩০৮, ৩১৭, ৩১৮, ৩৩৬ :নান্যমণ্ডল ২৩৩ :নান্নুর গ্রামে আবিষ্কৃত নরসিংহ গুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৫ :নাভক ৭৮, ৭৯ :নারায়ণ ২৬২ :নারায়ণ (অধিকৃত) ৩২৭ :নারায়ণদেব ১৫৫ :নারায়ণপাল ১৭৬, ২০২, ২০৩, ২০৭, ২১৭, ২১৮, ২২০, ২২১, ২২২, ২২৪, ২২৫, ২৩২, ২৪৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> tdlakvkjcccmrjuvekyx85vqyy8cdl4 1991316 1991257 2026-07-30T16:28:11Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874482 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:নন্দোর ১৪২ :নন্দোড্ ১৪২ :নন্ননারায়ণ ১৯৮ :ননীগোপাল মজুমদার ৩২১, ৩২৪ টীকা, ৩৩১, ৩৩৫, ৩৩৬ :নর্ম্মদা ৩৬, ৭৭, ৮২, ১৪১, ২১৩ :নরক ৩৩৩ :নরেন্দ্র দেব ১২২ :নরসিংহ ২৩০, ৩০৭, ৩০৯ :নরসিংহগুপ্ত (বালাদিত্য) ৭৩, ৭৪, ৮৭, ১০৫, ১১৮ :নরসিংহগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৫ :নরসিংহমন্দিরের শিলালিপি ২৬২, ২৭৪ :নরসিংহমূর্ত্তি ৩০৩ :নরসিংহার্জ্জুন (কয়ঙ্গল মণ্ডলরাজ) ২৮৩, ২৯০ :নরেন্দ্রগুপ্ত ১০২, ১০৪ :নরেন্দ্রাদিত্য ১০৫ :নরেন্দ্রাদিত্যের স্বর্ণমুদ্রা ১০০, ১০৩ :নরবর্ম্মা ৪১, ৬৭ :নল ৩৩৫ :নলিনীকান্ত ভট্টশালী ৫১ টীকা, ৯১, ৯৭, ১১৯, ১২০, ১২২, ১৫৬, ২৩৪, ৩০৪, ৩২১, ৩২৯ :নবদ্বীপ ৩৫৬, ৩৫৭ :নবীনচন্দ্র চক্রবর্ত্তী ৯ :নব্যজীবক ১, ১ টীকা, ২ :নব্যপ্রস্তরের যুগ ১, ৫, ৮, ৯, ১১ :নব্যাবকাশিকা ৯৬, ৯৭ :নসরত উজিয়াল ২৯০ :নসরত শাহ ২৯০ :নয়ন দেবী ১২৩ :নয়পাল ২০২, ২৩৭, ২৫৭, ২৫৮, ২৬০, ২৬১, ২৬৩, ২৭৪, ২৮৬, ৩০০, ৩০৭ :নয়িকা গ্রাম ২০৯ :নাগদত্ত (উপরিক) ৪৯, ৯৬ :নাগদেব (উপরিক) ৯৬ :নাগপুর চিত্রশালায় কীলক ২১ :নাগপুরের শিলালিপি ২৫৮ :নাগপূজকজাতি, বঙ্গদেশের ২৬ :নাগভট (১ম) ১৪৩, ১৪৪, ২০১ :নাগভট, (২য়) ১৪৮, ১৪৯, ১৭৭, ১৮০, ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৫, ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ১৯৪, ২০১, ২০৬, ২০৭, ২১৫, ২৫৬ :নাগভট দ্বিতীয়ের শিলালিপি ১৮৩ :নাগর ব্রাহ্মণ ৩৩৮ :নাগশর্ম্মা ৫৯ :নাগসেন ৪৯ :নাগবংশীয়রাজগণ ২৯৩, ২৯৩ টীকা :নাগাবলোক, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭ :নাগার্জ্জুনী পর্ব্বতে গোপীকা গুহার শিলালিপি ৯৯ :নাগার্জ্জুনী পর্ব্বতে লোমশঋষি গুহার শিলালিপি ৯৯ :নাগার্জ্জুন পর্ব্বতে বতথি গুহার শিলালিপি ৯৯ :নাটোর মহকুমা ৫৯ :নান্যদেব ৩০৮, ৩১৭, ৩১৮, ৩৩৬ :নান্যমণ্ডল ২৩৩ :নান্নুর গ্রামে আবিষ্কৃত নরসিংহ গুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৫ :নাভক ৭৮, ৭৯ :নারায়ণ ২৬২ :নারায়ণ (অধিকৃত) ৩২৭ :নারায়ণদেব ১৫৫ :নারায়ণপাল ১৭৬, ২০২, ২০৩, ২০৭, ২১৭, ২১৮, ২২০, ২২১, ২২২, ২২৪, ২২৫, ২৩২, ২৪৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> lpze2henlt7b9atyi5c54s1th1oa4sh পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৭ 104 298793 1991258 1935051 2026-07-30T16:26:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991258 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:নারায়ণপালের তাম্রশাসন ১৮০, ১৮৩, ১৮৭, ২০৩, ২১৮, ২২২ :নারায়ণের ছন্দোগপরিশিষ্টপ্রকাশ ২০৩, ২১০, ২১০ টীকা :নারায়ণদত্ত (মহাসান্ধিবিগ্রহিক) ৩৩৫ :নারায়ণবর্ম্মা (মহাসামন্তাধিপতি) ১২৩, ১৯৮ :নালন্দ (নালন্দা) ১১৫, ২০৬, ২০৮, ২০৯, ২২৬, ২৩০, ২৩৭, ২৪৬, ২৫১, ২৯৭, ৩৩২, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৫২ :নালন্দায় প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধমূর্ত্তি ২০৯, ২১০ টীকা :নালন্দার মহাবিহার ২১২, ২৬৩ :নালন্দ ও বিক্রমশিলা ধ্বংস ৩৩৭ :নালন্দার তাম্রশাসন ২১৩ :নালন্দাবাসী, কল্যাণমিত্র চিন্তামণি ২৪৫ :নাসত্যদ্বয় ১৪ :নাসিক প্রদেশ ১৮৪ :নিখিল নাথ রায় ৮৪ টীকা :নিজামউদ্দীন ৩৫৬ :নিজামের রাজ্য ৩ :নিদ্রাবল ২৮৩ :নিদ্রাবলের বিজয়রাজ ২৯০ :নিধানপুর ১১৩, ১২৩, ১৯৩, ২০৫ :নিধানপুরের তাম্রশাসন ১১১, ১১২ :নিনিভ্ (Nineva) ২৫ :নিমিনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :নিংরাহার ২১১ :নীলগুণ্ড ১৯৩, ২০৫ :নীলরাজ ৫০ :নৃত্যগোপাল রায় ২৬৮ :নৃপেন্দ্র নাথ বসু ৩৩ :নেপাল ৫০, ৮৬, ৮৯, ১১৪, ১৬৪ টীকা, ১৯৯, ২৫১, ২৯৮, ৩০৪, ৩১৮, ৩৫৪ :নেপালে পশুপতিনাথ মন্দির, ১২৮ :নেপালরাজগণের বংশাবলী ৩১৮ :নেপালের লিচ্ছবি বংশ ১২৮ :নেহকাষ্ঠি ২৩৩ :নোদীয়া ৩৫৬, ৩৫৭ :নৌকামেলক ২৮০, ২৮১, ২৯০ :নৌজা ১৫৩, ১৫৪ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|প}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :পঞ্চাকার ৩৫০ :পঞ্চগৌড় ২৭০ :পচম্বা মহকুমা ১১ :পঞ্চকুল্যবাপক ৮১ :পঞ্চজন সাগ্নিক ব্রাহ্মণ ১৩৪ :পঞ্চতীর্থঙ্করের মূর্ত্তিপ্রতিষ্ঠা ককুভ গ্রামে ৬৯ :পঞ্চনদ ৩৪, ৩৬, ৬৮, ১৩৯, ১৯২, ১৯৩, ২১৯, ২৭৫, ৩৩৭, ৩৩৮, ৩৩৯ :পঞ্চরক্ষা ২৩২, ২৬২ :পঞ্চানন মিত্র ১২ :পট্টমহাদেবী চিত্রমতিকা ৩১৩ :পর্ণদত্ত, সুরাষ্ট্রের শাসনকর্ত্তা ৬৮ :পতিক ৩৬ :পথারি ১৯৫, ১৯৬ :পদ্মনাথ ভট্টাচার্য্য বিদ্যাবিনোদ ১১১, ১২৪, ১২৫ :পদ্মপ্রভ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :পদ্মা ২৮০ :পদুবন্বা ২৮৩ :পদুবন্বার সোম ২৯০ :পমহৈগ্রাম ৩৪৪ :পম্পরাজের কর্ণাটকশব্দানুশাসন ২৩০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> r9o5g9niloindz2s8jae8qwbsuyznbj 1991315 1991258 2026-07-30T16:28:11Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1667194 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:নারায়ণপালের তাম্রশাসন ১৮০, ১৮৩, ১৮৭, ২০৩, ২১৮, ২২২ :নারায়ণের ছন্দোগপরিশিষ্টপ্রকাশ ২০৩, ২১০, ২১০ টীকা :নারায়ণদত্ত (মহাসান্ধিবিগ্রহিক) ৩৩৫ :নারায়ণবর্ম্মা (মহাসামন্তাধিপতি) ১২৩, ১৯৮ :নালন্দ (নালন্দা) ১১৫, ২০৬, ২০৮, ২০৯, ২২৬, ২৩০, ২৩৭, ২৪৬, ২৫১, ২৯৭, ৩৩২, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৫২ :নালন্দায় প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধমূর্ত্তি ২০৯, ২১০ টীকা :নালন্দার মহাবিহার ২১২, ২৬৩ :নালন্দ ও বিক্রমশিলা ধ্বংস ৩৩৭ :নালন্দার তাম্রশাসন ২১৩ :নালন্দাবাসী, কল্যাণমিত্র চিন্তামণি ২৪৫ :নাসত্যদ্বয় ১৪ :নাসিক প্রদেশ ১৮৪ :নিখিল নাথ রায় ৮৪ টীকা :নিজামউদ্দীন ৩৫৬ :নিজামের রাজ্য ৩ :নিদ্রাবল ২৮৩ :নিদ্রাবলের বিজয়রাজ ২৯০ :নিধানপুর ১১৩, ১২৩, ১৯৩, ২০৫ :নিধানপুরের তাম্রশাসন ১১১, ১১২ :নিনিভ্ (Nineva) ২৫ :নিমিনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :নিংরাহার ২১১ :নীলগুণ্ড ১৯৩, ২০৫ :নীলরাজ ৫০ :নৃত্যগোপাল রায় ২৬৮ :নৃপেন্দ্র নাথ বসু ৩৩ :নেপাল ৫০, ৮৬, ৮৯, ১১৪, ১৬৪ টীকা, ১৯৯, ২৫১, ২৯৮, ৩০৪, ৩১৮, ৩৫৪ :নেপালে পশুপতিনাথ মন্দির, ১২৮ :নেপালরাজগণের বংশাবলী ৩১৮ :নেপালের লিচ্ছবি বংশ ১২৮ :নেহকাষ্ঠি ২৩৩ :নোদীয়া ৩৫৬, ৩৫৭ :নৌকামেলক ২৮০, ২৮১, ২৯০ :নৌজা ১৫৩, ১৫৪ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|প}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :পঞ্চাকার ৩৫০ :পঞ্চগৌড় ২৭০ :পচম্বা মহকুমা ১১ :পঞ্চকুল্যবাপক ৮১ :পঞ্চজন সাগ্নিক ব্রাহ্মণ ১৩৪ :পঞ্চতীর্থঙ্করের মূর্ত্তিপ্রতিষ্ঠা ককুভ গ্রামে ৬৯ :পঞ্চনদ ৩৪, ৩৬, ৬৮, ১৩৯, ১৯২, ১৯৩, ২১৯, ২৭৫, ৩৩৭, ৩৩৮, ৩৩৯ :পঞ্চরক্ষা ২৩২, ২৬২ :পঞ্চানন মিত্র ১২ :পট্টমহাদেবী চিত্রমতিকা ৩১৩ :পর্ণদত্ত, সুরাষ্ট্রের শাসনকর্ত্তা ৬৮ :পতিক ৩৬ :পথারি ১৯৫, ১৯৬ :পদ্মনাথ ভট্টাচার্য্য বিদ্যাবিনোদ ১১১, ১২৪, ১২৫ :পদ্মপ্রভ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :পদ্মা ২৮০ :পদুবন্বা ২৮৩ :পদুবন্বার সোম ২৯০ :পমহৈগ্রাম ৩৪৪ :পম্পরাজের কর্ণাটকশব্দানুশাসন ২৩০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> ewwi15kfqdmrejt8dyf1w8yrwzzvyar পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৮ 104 298794 1991259 1935050 2026-07-30T16:26:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991259 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:পরকেশরীবর্ম্মা (রাজেন্দ্রচোল ১ম) ২৪৭ :পরমর্দ্দীদেব ৩৩৯ :পরমার-রাজগণ ২৫৮ :পরবল (রাষ্ট্রকূটবংশীয়) ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭ :পরশু-ফলক ১১ :পরিতোষ ২৬১ :পরিব্রাজকবংশীয় ৬৯ :পরিহাস-কেশব ১৩০, ১৩১ :পরিহাসপুর ১৩০ :পরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ৪৬ :পলক্করাজ ৫০ :পল্লবগণ ১৫০, ১৮৪ :পলাশবৃন্দক ৭৮ :পলিয়া ২৩২ :পবনদেবতা ১৪ :পবিত্রক বিষয়পতি ৯৭ :পশ্চিম খাটিকা ৩৩৫ :পশুমাংস ভোজন ৩ :পাইকোর ২৬৬ :পাইকোরের স্তম্ভলিপি ২৬৫, ২৬৫ টীকা :পাঙ্গালা থিরইয়র ২৬ :পাঞ্চাল ১৯১, ১৯২ :পার্জিটার (F. E. Pargiter) ৯৪, ৯৭ :পাঞ্জাব ৩৬, ১৯২ :পাটনা ৪৬, ৫১, ৩৫২ :পাটনা জেলা ৮৫, ২০৮, ২১২ টীকা, ২২১, ২৬৬, ২৯৭, ৩২৪, ৩৪৭ :পাটলিপুত্র ৩৪, ৪৮, ৫০, ৫৫, ৫৬, ৯৩, ১১০, ১১১, ১১৪ :পাটলিপুত্রে আবিষ্কৃত গুপ্তরাজগণের মুদ্রা ৪৬ :পাটলিপুত্রের ধ্বংসাবশেষ ৩৭, ৩৮, ৪৬ :পাটলিপুত্রভুক্তি ২০৯ :পাটলীপুত্র, মগধের রাজধানী ৩০ :পাণিপথের যুদ্ধক্ষেত্র ৩৪০ :পাদোলি ৩২৪ :পাতিত্যদোষ ২৩ :পাণ্ডুনগর ১৫৩, ১৫৫ :পাণ্ডুয়া ১৫২, ১৫৩, ১৫৬ :পাণ্ডেয় রামাবতার শর্ম্মা ৩২৪ টীকা :পাণ্ড্য ৩১, ৪৪, ২৪১ :পার্মিক ২ :পারদ সাম্রাজ্য ৩৬ :পারনগরের ধ্বংসাবশেষ ১৪২ :পারস্য ২৫৩ :পারী (Paris) ৫৫ :পালকুল ২৯৮ :পালবংশ ৩০৭, ৩৪৮ :পালবংশীয়, ৫১ টীকা :পালরাজগণ ১৪১, ১৬৩, ১৬৪ টীকা, ১৬৬, ১৭১, ২১৭, ২২০, ২২২, ২৬৯, ২৭৪, ২৭৬, ২৮৬ :পালরাজগণের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮, ১৬৯ :পালরাজগণের খোদিত লিপি, বঙ্গের ১৭১ :পালরাজগণের জাতি নির্ণয়, বঙ্গের ১৭০ :পালরাজগণের তাম্রশাসন, বঙ্গের ১৬৬, ১৬৭, ১৬৯ :পালরাজবংশ, বঙ্গের ১৪৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৯৮, ২৪৮ :পালসাম্রাজ্য ২০৩ :পালসাম্রাজ্যের শিল্প নিদর্শন ৩২৭ :পালামগ্রাম ৩৩৮ :পালামবগ্রাম ২০৯ :পালিতক ১৯৮ :পার্শ্বনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :পার্শ্বনাথ (মূর্ত্তি) ৫৮ :পার্শ্বনাথ পর্ব্বত ৯, ২৯ টীকা :পাষাণনির্ম্মিত বেষ্টনী ৩৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 8mj2yaxgox3quhih3mtj3nsv84x7btu 1991314 1991259 2026-07-30T16:28:10Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874484 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:পরকেশরীবর্ম্মা (রাজেন্দ্রচোল ১ম) ২৪৭ :পরমর্দ্দীদেব ৩৩৯ :পরমার-রাজগণ ২৫৮ :পরবল (রাষ্ট্রকূটবংশীয়) ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭ :পরশু-ফলক ১১ :পরিতোষ ২৬১ :পরিব্রাজকবংশীয় ৬৯ :পরিহাস-কেশব ১৩০, ১৩১ :পরিহাসপুর ১৩০ :পরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ৪৬ :পলক্করাজ ৫০ :পল্লবগণ ১৫০, ১৮৪ :পলাশবৃন্দক ৭৮ :পলিয়া ২৩২ :পবনদেবতা ১৪ :পবিত্রক বিষয়পতি ৯৭ :পশ্চিম খাটিকা ৩৩৫ :পশুমাংস ভোজন ৩ :পাইকোর ২৬৬ :পাইকোরের স্তম্ভলিপি ২৬৫, ২৬৫ টীকা :পাঙ্গালা থিরইয়র ২৬ :পাঞ্চাল ১৯১, ১৯২ :পার্জিটার (F. E. Pargiter) ৯৪, ৯৭ :পাঞ্জাব ৩৬, ১৯২ :পাটনা ৪৬, ৫১, ৩৫২ :পাটনা জেলা ৮৫, ২০৮, ২১২ টীকা, ২২১, ২৬৬, ২৯৭, ৩২৪, ৩৪৭ :পাটলিপুত্র ৩৪, ৪৮, ৫০, ৫৫, ৫৬, ৯৩, ১১০, ১১১, ১১৪ :পাটলিপুত্রে আবিষ্কৃত গুপ্তরাজগণের মুদ্রা ৪৬ :পাটলিপুত্রের ধ্বংসাবশেষ ৩৭, ৩৮, ৪৬ :পাটলিপুত্রভুক্তি ২০৯ :পাটলীপুত্র, মগধের রাজধানী ৩০ :পাণিপথের যুদ্ধক্ষেত্র ৩৪০ :পাদোলি ৩২৪ :পাতিত্যদোষ ২৩ :পাণ্ডুনগর ১৫৩, ১৫৫ :পাণ্ডুয়া ১৫২, ১৫৩, ১৫৬ :পাণ্ডেয় রামাবতার শর্ম্মা ৩২৪ টীকা :পাণ্ড্য ৩১, ৪৪, ২৪১ :পার্মিক ২ :পারদ সাম্রাজ্য ৩৬ :পারনগরের ধ্বংসাবশেষ ১৪২ :পারস্য ২৫৩ :পারী (Paris) ৫৫ :পালকুল ২৯৮ :পালবংশ ৩০৭, ৩৪৮ :পালবংশীয়, ৫১ টীকা :পালরাজগণ ১৪১, ১৬৩, ১৬৪ টীকা, ১৬৬, ১৭১, ২১৭, ২২০, ২২২, ২৬৯, ২৭৪, ২৭৬, ২৮৬ :পালরাজগণের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮, ১৬৯ :পালরাজগণের খোদিত লিপি, বঙ্গের ১৭১ :পালরাজগণের জাতি নির্ণয়, বঙ্গের ১৭০ :পালরাজগণের তাম্রশাসন, বঙ্গের ১৬৬, ১৬৭, ১৬৯ :পালরাজবংশ, বঙ্গের ১৪৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৯৮, ২৪৮ :পালসাম্রাজ্য ২০৩ :পালসাম্রাজ্যের শিল্প নিদর্শন ৩২৭ :পালামগ্রাম ৩৩৮ :পালামবগ্রাম ২০৯ :পালিতক ১৯৮ :পার্শ্বনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :পার্শ্বনাথ (মূর্ত্তি) ৫৮ :পার্শ্বনাথ পর্ব্বত ৯, ২৯ টীকা :পাষাণনির্ম্মিত বেষ্টনী ৩৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> cjp3lktjxgmgzv90g2omss8t7eki20b পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪০৯ 104 298795 1991260 1935049 2026-07-30T16:26:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991260 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:পিট্টপুরম্ (পিষ্টপুর) ৫০, ২৮৫, ২৮৬ :পিয়োল্ল মণ্ডল ৩৩০ :পিলিপ্পিঙ্কানয় ২০৯ :পি-লো-মো-লো ১৪১ :পিষ্টপুর (পিট্টপুরম) ৫০ :পীঠঘট্টা ২৮৬ :পীঠি ২৮৩, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৭, ৩৩১, ৩৩২ :পীঠির ছিক্কোর বংশ ৩০৭ :পীতাম্বর দেবশর্ম্মা ২৯৪ :পীতবাস গুপ্ত শর্ম্মা ২৩৩ :পুটিয়া ২৬৮ :পুড্যাগ্রাম ১৫৪ :পুণ্ড্র জাতি ১৭, ১৮ :পুণ্ড্রবর্দ্ধন ১৭, ৬৩ :পুণ্ড্রবর্দ্ধনভুক্তি ৬১, ৬২, ৬৩, ৭৭, ৭৮, ৭৯ :পুরগুপ্ত ৬৪, ৭০, ৭২, ৭৩, ৮৭, ১১২ :পুরগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৩ :পূরণচাঁদ নাহার ৫১ টীকা :পূরণবৃন্দিক হরির পাটক ৮১ :পুরন্দর ১৫৫ :পুরন্দর কাব্যতীর্থ ১৩৬, ১৩৭ :পুরাণ ৩২ :পুরাণ ভাটপাড়া ১২০ :পুরী জেলা ৪৩, ৩০২ :পুরুজিৎ ১৫৫ :পুরুষপুর ৫৫, ২১১ :পুলকেশী ২য় (চালুক্যরাজ) ১০৯, ১১০, ১৪০ :পুলুময়ি ২য়, অন্ধ্ররাজ ৫৪ :পুষ্যগুপ্ত, সুরাষ্ট্রের শাসনকর্ত্তা ৬৮ :পুশ্যমিত্র ৬৩ :পুশ্যমিত্রীয় যুদ্ধ ৬৫, ৬৮ :পুষ্করণা নগর ৪০ :পুষ্করণাধিপতি চন্দ্রবর্ম্মা ৪৮, ৬৭ :পুষ্করণার প্রাচীন রাজবংশ ৪৭ :পুষ্পদন্ত তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :পুষ্যমিত্র ৩৪ :পুষ্যবর্ম্মা ১২৩ :পূর্ণচন্দ্র ২৩৩, ২৩৫ :পূর্ণদাস বৌদ্ধভিক্ষু ২২২ :পূর্ণবর্ম্মা মগধরাজ ১০১ :পূর্ণিয়া জেলা ৩২ :পূরাণ ৩৩৫ :পূর্ব্ববঙ্গ ৬৩ :পৃথ্বীরাজ ৩৩৭ :পৃথ্বীরাজ ২য় ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪৪ :পৃথিবীশ্বর, ৬০ :পৃথিবীষেণ ৬০, ৬৭ :পৃথূদকনগর ২১৯ :পেশাবর ২১১ :পেট্রোগ্রাড নগরের চিত্রশালা ৯০ :পেহোবা ২১৯ :পৌণ্ড্রজাতীয় রাজগণ ২৬ :পৌণ্ড্রদেশ ১২৭ :পৌণ্ড্রভুক্তি ২৩৩, ২৯৪ :পৌণ্ড্রবর্দ্ধন ১১৬, ১৩২, ১৩৩ টীকা, ২৯৯ :পৌণ্ড্রবর্দ্ধনভুক্তি ৬৩, ৮১, ১৭০, ২৪৬, ২৬৪, ৩১৩, ৩২০, ৩২৬, {{SIC|৫৫|৩৫৫}} :পৌণ্ড্ররাজ ১২৮ :প্রকাণ্ডযশা (জয়গুপ্ত) ৮৪ টীকা, ৮৭ :প্রকাশাদিত্যের স্বর্ণমুদ্রা ৭৩ :প্রজাপতিনন্দী ২৯৬, ২৯৮ :প্রত্নজীবক ১ টীকা, ২ :প্রত্নপ্রস্তরের যুগ ১, ৫, ৬, ৮ :প্রত্নপ্রস্তর যুগের পাষাণ নির্ম্মিত আয়ুধ ৬, ৭ :প্রতাপধবল ৩৪৬ :প্রতাপশীল ১৪০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> riruhz54fmli2hainkyjgjzkwab2u67 1991313 1991260 2026-07-30T16:28:08Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874485 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৷৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:পিট্টপুরম্ (পিষ্টপুর) ৫০, ২৮৫, ২৮৬ :পিয়োল্ল মণ্ডল ৩৩০ :পিলিপ্পিঙ্কানয় ২০৯ :পি-লো-মো-লো ১৪১ :পিষ্টপুর (পিট্টপুরম) ৫০ :পীঠঘট্টা ২৮৬ :পীঠি ২৮৩, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৭, ৩৩১, ৩৩২ :পীঠির ছিক্কোর বংশ ৩০৭ :পীতাম্বর দেবশর্ম্মা ২৯৪ :পীতবাস গুপ্ত শর্ম্মা ২৩৩ :পুটিয়া ২৬৮ :পুড্যাগ্রাম ১৫৪ :পুণ্ড্র জাতি ১৭, ১৮ :পুণ্ড্রবর্দ্ধন ১৭, ৬৩ :পুণ্ড্রবর্দ্ধনভুক্তি ৬১, ৬২, ৬৩, ৭৭, ৭৮, ৭৯ :পুরগুপ্ত ৬৪, ৭০, ৭২, ৭৩, ৮৭, ১১২ :পুরগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭৩ :পূরণচাঁদ নাহার ৫১ টীকা :পূরণবৃন্দিক হরির পাটক ৮১ :পুরন্দর ১৫৫ :পুরন্দর কাব্যতীর্থ ১৩৬, ১৩৭ :পুরাণ ৩২ :পুরাণ ভাটপাড়া ১২০ :পুরী জেলা ৪৩, ৩০২ :পুরুজিৎ ১৫৫ :পুরুষপুর ৫৫, ২১১ :পুলকেশী ২য় (চালুক্যরাজ) ১০৯, ১১০, ১৪০ :পুলুময়ি ২য়, অন্ধ্ররাজ ৫৪ :পুষ্যগুপ্ত, সুরাষ্ট্রের শাসনকর্ত্তা ৬৮ :পুশ্যমিত্র ৬৩ :পুশ্যমিত্রীয় যুদ্ধ ৬৫, ৬৮ :পুষ্করণা নগর ৪০ :পুষ্করণাধিপতি চন্দ্রবর্ম্মা ৪৮, ৬৭ :পুষ্করণার প্রাচীন রাজবংশ ৪৭ :পুষ্পদন্ত তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :পুষ্যমিত্র ৩৪ :পুষ্যবর্ম্মা ১২৩ :পূর্ণচন্দ্র ২৩৩, ২৩৫ :পূর্ণদাস বৌদ্ধভিক্ষু ২২২ :পূর্ণবর্ম্মা মগধরাজ ১০১ :পূর্ণিয়া জেলা ৩২ :পূরাণ ৩৩৫ :পূর্ব্ববঙ্গ ৬৩ :পৃথ্বীরাজ ৩৩৭ :পৃথ্বীরাজ ২য় ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪৪ :পৃথিবীশ্বর, ৬০ :পৃথিবীষেণ ৬০, ৬৭ :পৃথূদকনগর ২১৯ :পেশাবর ২১১ :পেট্রোগ্রাড নগরের চিত্রশালা ৯০ :পেহোবা ২১৯ :পৌণ্ড্রজাতীয় রাজগণ ২৬ :পৌণ্ড্রদেশ ১২৭ :পৌণ্ড্রভুক্তি ২৩৩, ২৯৪ :পৌণ্ড্রবর্দ্ধন ১১৬, ১৩২, ১৩৩ টীকা, ২৯৯ :পৌণ্ড্রবর্দ্ধনভুক্তি ৬৩, ৮১, ১৭০, ২৪৬, ২৬৪, ৩১৩, ৩২০, ৩২৬, {{SIC|৫৫|৩৫৫}} :পৌণ্ড্ররাজ ১২৮ :প্রকাণ্ডযশা (জয়গুপ্ত) ৮৪ টীকা, ৮৭ :প্রকাশাদিত্যের স্বর্ণমুদ্রা ৭৩ :প্রজাপতিনন্দী ২৯৬, ২৯৮ :প্রত্নজীবক ১ টীকা, ২ :প্রত্নপ্রস্তরের যুগ ১, ৫, ৬, ৮ :প্রত্নপ্রস্তর যুগের পাষাণ নির্ম্মিত আয়ুধ ৬, ৭ :প্রতাপধবল ৩৪৬ :প্রতাপশীল ১৪০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> elhfcunxx0c03hmtepo45h40mcn8sw0 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১০ 104 298796 1991261 1935048 2026-07-30T16:26:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991261 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:প্রতাপসিংহ (ধেক্করীয় রাজ) ২৮৩, ২৯০ :প্রতিষ্ঠান নগরী ১৮৩, ২৬৩ :প্রতীহারগণ, গুর্জ্জর জাতির শাখা ১৪২ :প্রতীহার-গুর্জ্জর বংশ ২২৯ :প্রতীহাররাজগণ ১৪১, ১৪২, ১৪৫, ১৮১, ২৫৫ :প্রতীহারবংশের শিলালিপি ও তাম্রশাসন ১৪১, ১৪২ :প্রদ্যুম্নেশ্বর মন্দির ৩০৮, ৩১৯ :প্রপিতামহেশ্বর ২৬৪ :প্রহরাজশর্ম্মা ৩৪৩ :প্রপিতামহেশ্বর মন্দির ৩০০ :প্রফুল্লনাথ ঠাকুর ৫১ টীকা, ৫৭ :প্রবোধচন্দ্রোদয়, কৃষ্ণমিশ্র কৃত ২৫৯, ২৬০ :প্রভাকরবর্দ্ধন ৯৯, ১০২, ১০৫, ১০৬, ১১১, ১৪০ :প্রভামিত্র ১১৫ :প্রভাবতী গুপ্তা ৮৭, ৮৯ :প্রভাস ২১৯ :প্রয়াগ ১৩২, ২৬৩, ৩২৫ :প্রলম্ব ২০৮ :প্রস্তরনির্ম্মিত ছুরিকা ৩, ৮ :প্রস্তর নির্ম্মিত কুঠার ফলক ৭ :প্রস্তরের যুগ ১, ৫ :প্রহরাজশর্ম্মা, রাজপুরোহিত ৩৪৩ :প্রহাস ২৭৪ :প্রাগাধুনিক ২ :প্রাগায়ুধ ৪ :প্রাগৈতিহাসিক যুগ ১ :প্রাগ্‌জ্যোতিষ, ২০৮ :প্রাচীন শিলানির্ম্মিত প্রহরণ ৭ :প্রায়শ্চিত্ত নিরূপণ, ভবদেব ভট্ট কৃত ২৮৮ :প্রার্জ্জুন ৫০ :প্রাসিই ৩০ :প্রিয়দর্শী ৩৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ফ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ফতেপুর ১১ :ফরক্কাবাদ ১১ :ফরিদপুর জেলা ৭১, ৯৪, ৯৫, ৯৬, ১১৮, ২৩৪, ৩৫৫ :ফরিদপুরের তাম্রলিপি গুলি ৯৪, ৯৮ :ফল্গুনদী ২২৭ :ফা-হিয়েন, চীনদেশীয় ভিক্ষু ৫৪, ৫৫ :ফিউডাল (Fewdal) প্রথা ৩৫২ :ফিণো (Louis Finot) ১২৪, ১২৫ :ফ্লিট (F. Fleet) ৪০, ৮০, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ১৯৬, ১৯৭ :ফুলবাড়ী ৬০ :ফুশে (A. Foucher) ২৩৬ :ফোঙ্‌চু ২৭ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ভ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ভগদত্ত বংশীয় ১২৩, ১২৮, ২০৮ :ভগবতীতারা, চন্দ্রদ্বীপের ২৩৬ :ভগবানলাল ইন্দ্রজী ৪৩, ৬১, ১৪২, ১৪৫ :ভটঘটী ৩০৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> hpqkuyi8sxfevrmy6zndo7js5bouyd5 1991312 1991261 2026-07-30T16:28:06Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1667359 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:প্রতাপসিংহ (ধেক্করীয় রাজ) ২৮৩, ২৯০ :প্রতিষ্ঠান নগরী ১৮৩, ২৬৩ :প্রতীহারগণ, গুর্জ্জর জাতির শাখা ১৪২ :প্রতীহার-গুর্জ্জর বংশ ২২৯ :প্রতীহাররাজগণ ১৪১, ১৪২, ১৪৫, ১৮১, ২৫৫ :প্রতীহারবংশের শিলালিপি ও তাম্রশাসন ১৪১, ১৪২ :প্রদ্যুম্নেশ্বর মন্দির ৩০৮, ৩১৯ :প্রপিতামহেশ্বর ২৬৪ :প্রহরাজশর্ম্মা ৩৪৩ :প্রপিতামহেশ্বর মন্দির ৩০০ :প্রফুল্লনাথ ঠাকুর ৫১ টীকা, ৫৭ :প্রবোধচন্দ্রোদয়, কৃষ্ণমিশ্র কৃত ২৫৯, ২৬০ :প্রভাকরবর্দ্ধন ৯৯, ১০২, ১০৫, ১০৬, ১১১, ১৪০ :প্রভামিত্র ১১৫ :প্রভাবতী গুপ্তা ৮৭, ৮৯ :প্রভাস ২১৯ :প্রয়াগ ১৩২, ২৬৩, ৩২৫ :প্রলম্ব ২০৮ :প্রস্তরনির্ম্মিত ছুরিকা ৩, ৮ :প্রস্তর নির্ম্মিত কুঠার ফলক ৭ :প্রস্তরের যুগ ১, ৫ :প্রহরাজশর্ম্মা, রাজপুরোহিত ৩৪৩ :প্রহাস ২৭৪ :প্রাগাধুনিক ২ :প্রাগায়ুধ ৪ :প্রাগৈতিহাসিক যুগ ১ :প্রাগ্‌জ্যোতিষ, ২০৮ :প্রাচীন শিলানির্ম্মিত প্রহরণ ৭ :প্রায়শ্চিত্ত নিরূপণ, ভবদেব ভট্ট কৃত ২৮৮ :প্রার্জ্জুন ৫০ :প্রাসিই ৩০ :প্রিয়দর্শী ৩৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ফ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ফতেপুর ১১ :ফরক্কাবাদ ১১ :ফরিদপুর জেলা ৭১, ৯৪, ৯৫, ৯৬, ১১৮, ২৩৪, ৩৫৫ :ফরিদপুরের তাম্রলিপি গুলি ৯৪, ৯৮ :ফল্গুনদী ২২৭ :ফা-হিয়েন, চীনদেশীয় ভিক্ষু ৫৪, ৫৫ :ফিউডাল (Fewdal) প্রথা ৩৫২ :ফিণো (Louis Finot) ১২৪, ১২৫ :ফ্লিট (F. Fleet) ৪০, ৮০, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ১৯৬, ১৯৭ :ফুলবাড়ী ৬০ :ফুশে (A. Foucher) ২৩৬ :ফোঙ্‌চু ২৭ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ভ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ভগদত্ত বংশীয় ১২৩, ১২৮, ২০৮ :ভগবতীতারা, চন্দ্রদ্বীপের ২৩৬ :ভগবানলাল ইন্দ্রজী ৪৩, ৬১, ১৪২, ১৪৫ :ভটঘটী ৩০৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 6yc7lydyqz7p037en3o9jq3c9i0h44r পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১১ 104 298797 1991262 1935047 2026-07-30T16:26:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991262 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:ভট্ট গুরবমিশ্র ২০৩, ২০৪, ২০৬, ২৩৫ :ভট্ট গোমিদত্ত স্বামী ৯৬ :ভট্টনারায়ণ ২০২, ২৬৮ :ভট্ট শ্রীনির্ব্বোক শর্ম্মা ৩৩০ :ভট্টবরাহরাত ২০৮ :ভট্টবিশ্বরাত ২০৮ :ভট্ট শ্রীবীহেকরাত ২০৮ :ভণ্ডী ১০২, ১০৭, ১৪৪, ১৮১ :ভণ্ডির বংশ ১৪৯ :ভদ্র ১৭৬ :ভদ্রেশ্বর দেবশর্ম্মা ৩২২ :ভরডিডিহ ৫৬, ৬০, ৮৮ :ভরত ১৮ :ভরুকচ্ছ ১৪২ :ভরোচ ১৪২, ১৪৩ :ভরোচের গুর্জ্জর বংশীয় রাজগণ ১৪২ :ভল্ল ৪ :ভবদেব ভট্ট ১ম ৩০৩ :ভবদেব ভট্ট ২য় (বালবলভীভুজঙ্গ) ৩০৩ :ভবদেব ভট্টের প্রশস্তি ২৮৮, ৩০২ :ভাগলপুর জেলা ৫৬, ৫৭, ৬৯, ৮৫, ২০৭ :ভাগলপুরের তাম্রশাসন ১৮০, ১৮২, ১৮৩, ১৮৭, ২২২ :ভাগবত ২৭২ :ভাগীরথী ২৮০, ২৯০, ২৯৬ :ভাগ্যদেবী ২০২, ২০৩, ২২৬ :ভার্গবগোত্র ৩৩০ :ভানুগুপ্ত ৮০, ৮১, ৮২, ৮৩, ৮৪, ৮৯, ৯৩, ৯৮ :ভাণ্ডদেব ২২৪ :ভাণ্ডদেবের শিলালিপি ২২৪ :ভাদুড়ীবংশাবলী ২৬৮ :ভামো ১২৪ :ভাশৈত্য ৯৫ :ভাস্কর উজ্জ্বল ১৯৮ :ভাস্করবর্ম্মা (কামরূপ রাজপুত্ত্র) ১০৮, ১১০, ১১১, ১১২, ১১৩, ১২৩ :ভাস্করবর্ম্মার তাম্রশাসন ১১১, ১১২ :ভাস্কর দেবশর্ম্মা ৩২০ :ভারতে আর্য্যজাতির আগমন ১৩ :ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত ১৩৯ :ভারতের প্রাচীন তাম্রমুদ্রা ৩২ :ভারতবর্ষ ৪৪, ৪৫ :ভারতবর্ষ আক্রমণ, হূণগণ দ্বারা ৬৯, ৭০ :ভিওয়ালি ৩২৪ :ভিটরীগ্রাম ৭২, ৭৫, ৮৮, ১১২ :ভিটরীগ্রামে আবিষ্কৃত ২য় কুমারগুপ্তের রাজকীয় মুদ্রা ৭৫ :ভিনিস্ ২৯৭ :ভিন্সেণ্ট স্মিথ (V. A. Smith) ৩৪, ৫৩, ৫৫, ৩২৮, ৩৩৩, ৩৫১ :ভিল্লমাল ১২৭, ১৪২, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৯২ :ভীম ১ম ২৬০ :ভীম, কৈবর্ত্তরাজ ১৭৪, ২৬৭, ২৮১, ২৮১ টীকা, ২৮২, ২৮৩, ২৯৩ টীকা, ২৯৯ :ভীমের রাজধানী ডমরনগর ২৯১ :ভীমযশঃ ২৮৩, ২৮৪, ২৮৬, ২৮৭ :ভূয়িকাদেবী ১৪৪ :ভুবনেশ্বর ৪৩, ৩০২, ৩০৩ :ভুবনেশ্বরের প্রশস্তি ২৮৮ :ভৃগুকচ্ছ ১৪২ :ভেড়াঘাটের শিলালিপি ২৫৮, ২৬০, ২৮৪ :ভৈক্ষুকীলিপি ৮৫ :ভোগবতী ১২৩ :ভোগবর্ম্মা (মৌখরি বংশীয় নরপতি) ১১৭, ১২২ :ভোগেল, পি (P. Vogel) ৪২ টীকা :ভোজ ১৯১, ১৯২, ২০৩, ২০৭, ২৭০, ২৭১, ২৮৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 354yu9ue1ic029hvpgbkdmpp4uvxqnq 1991311 1991262 2026-07-30T16:28:06Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1667416 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:ভট্ট গুরবমিশ্র ২০৩, ২০৪, ২০৬, ২৩৫ :ভট্ট গোমিদত্ত স্বামী ৯৬ :ভট্টনারায়ণ ২০২, ২৬৮ :ভট্ট শ্রীনির্ব্বোক শর্ম্মা ৩৩০ :ভট্টবরাহরাত ২০৮ :ভট্টবিশ্বরাত ২০৮ :ভট্ট শ্রীবীহেকরাত ২০৮ :ভণ্ডী ১০২, ১০৭, ১৪৪, ১৮১ :ভণ্ডির বংশ ১৪৯ :ভদ্র ১৭৬ :ভদ্রেশ্বর দেবশর্ম্মা ৩২২ :ভরডিডিহ ৫৬, ৬০, ৮৮ :ভরত ১৮ :ভরুকচ্ছ ১৪২ :ভরোচ ১৪২, ১৪৩ :ভরোচের গুর্জ্জর বংশীয় রাজগণ ১৪২ :ভল্ল ৪ :ভবদেব ভট্ট ১ম ৩০৩ :ভবদেব ভট্ট ২য় (বালবলভীভুজঙ্গ) ৩০৩ :ভবদেব ভট্টের প্রশস্তি ২৮৮, ৩০২ :ভাগলপুর জেলা ৫৬, ৫৭, ৬৯, ৮৫, ২০৭ :ভাগলপুরের তাম্রশাসন ১৮০, ১৮২, ১৮৩, ১৮৭, ২২২ :ভাগবত ২৭২ :ভাগীরথী ২৮০, ২৯০, ২৯৬ :ভাগ্যদেবী ২০২, ২০৩, ২২৬ :ভার্গবগোত্র ৩৩০ :ভানুগুপ্ত ৮০, ৮১, ৮২, ৮৩, ৮৪, ৮৯, ৯৩, ৯৮ :ভাণ্ডদেব ২২৪ :ভাণ্ডদেবের শিলালিপি ২২৪ :ভাদুড়ীবংশাবলী ২৬৮ :ভামো ১২৪ :ভাশৈত্য ৯৫ :ভাস্কর উজ্জ্বল ১৯৮ :ভাস্করবর্ম্মা (কামরূপ রাজপুত্ত্র) ১০৮, ১১০, ১১১, ১১২, ১১৩, ১২৩ :ভাস্করবর্ম্মার তাম্রশাসন ১১১, ১১২ :ভাস্কর দেবশর্ম্মা ৩২০ :ভারতে আর্য্যজাতির আগমন ১৩ :ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত ১৩৯ :ভারতের প্রাচীন তাম্রমুদ্রা ৩২ :ভারতবর্ষ ৪৪, ৪৫ :ভারতবর্ষ আক্রমণ, হূণগণ দ্বারা ৬৯, ৭০ :ভিওয়ালি ৩২৪ :ভিটরীগ্রাম ৭২, ৭৫, ৮৮, ১১২ :ভিটরীগ্রামে আবিষ্কৃত ২য় কুমারগুপ্তের রাজকীয় মুদ্রা ৭৫ :ভিনিস্ ২৯৭ :ভিন্সেণ্ট স্মিথ (V. A. Smith) ৩৪, ৫৩, ৫৫, ৩২৮, ৩৩৩, ৩৫১ :ভিল্লমাল ১২৭, ১৪২, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৯২ :ভীম ১ম ২৬০ :ভীম, কৈবর্ত্তরাজ ১৭৪, ২৬৭, ২৮১, ২৮১ টীকা, ২৮২, ২৮৩, ২৯৩ টীকা, ২৯৯ :ভীমের রাজধানী ডমরনগর ২৯১ :ভীমযশঃ ২৮৩, ২৮৪, ২৮৬, ২৮৭ :ভূয়িকাদেবী ১৪৪ :ভুবনেশ্বর ৪৩, ৩০২, ৩০৩ :ভুবনেশ্বরের প্রশস্তি ২৮৮ :ভৃগুকচ্ছ ১৪২ :ভেড়াঘাটের শিলালিপি ২৫৮, ২৬০, ২৮৪ :ভৈক্ষুকীলিপি ৮৫ :ভোগবতী ১২৩ :ভোগবর্ম্মা (মৌখরি বংশীয় নরপতি) ১১৭, ১২২ :ভোগেল, পি (P. Vogel) ৪২ টীকা :ভোজ ১৯১, ১৯২, ২০৩, ২০৭, ২৭০, ২৭১, ২৮৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> brghk3nv9k6aw9fvrz16dxyv5z6z3ij পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১২ 104 298798 1991263 1935046 2026-07-30T16:26:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991263 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:ভোজদেব ১ম (প্রতীহার বংশীয়) ১৪৩, ১৯০, ১৯১, ২০১, ২১৫, ২১৯, ২২০, ২২২, ২২৩, ২২৫, ২২৭, ২২৯, ২৪০, ২৫৯ :ভােজদেব প্রথমের শিলালিপি ১৮৮, ১৮৯ :ভােজ (২য়) ২০১, ২০৩, ২২৮, ২২৯ :ভোজকগণ ৪৪ :ভােজবর্ম্মা ১৫৬, ১৫৮, ২৯০, ২৯৪, ৩০২, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭, ৩১৬ :ভােজবর্ম্মার তাম্রশাসন ২৭৩, ২৭৬ :ভ্রমরশাল্মলী ৩০১ :ভ্রূকুণ্ঠসিংহ নির্ম্মিত সূর্য্যদেবের মন্দির ৬৯ :মক্করগুপ্ত ২৩৩ :মগধ ১৭, ১৮, ১৯, ২৩, ২৮, ২৯ টীকা, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৪৪, ৪৫, ৪৮, ৫০, ৫১, ৫৫, ৫৬, ৫৭, ৫৮, ৬৫, ৭০, ৭৭, ৭৮, ৮৪, ৮৫, ৯০, ৯২, ৯৪, ৯৮, ১০০, ১০৪, ১১০, ১১১, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১১৮, ১২৭, ১২৯, ১৩০, ১৩৯, ১৬২, ১৬৩, ১৭০, ১৭১, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৯, ২০৩, ২০৫, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২০, ২২২, ২২৪, ২২৭, ২৩০, ২৩১, ২৩২, ২৩৯, ২৪০ টীকা, ২৫৫, ২৫৭, ২৬১, ২৬২, ২৭৫, ২৮৩, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ২৯৬, ৩১২, ৩১৩, ৩১৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩৩১, ৩৩৭, ৩৪০, ৩৪৫, ৩৪৮, ৩৫৩, ৩৫৪, ৩৫৫, ৩৫৬, ৩৫৭ :মগধ আক্রমণ, গােবিন্দ চন্দ্র কর্ত্তৃক ৩২৩ :মগধ, ঐতরেয় আরণ্যকে ১৯ :মগধ, কুষাণ বংশীয় সম্রাটগণের অধীনে ৩৭ :মগধজয়, গােবিন্দ চন্দ্রের ৩০৮ :মগধবিজয় ৩৩৭ :মগধে আর্য্য সভ্যতার প্রচার ২৪ :মগধে আবিষ্কৃত কুষাণ বংশীয় রাজগণের মুদ্রা ৩৮ :মগধের আদিম অধিবাসী দ্রবিড় জাতি ২৩ :মগধের গুপ্তরাজবংশ ৪০, ৯২, ১০৫, ১২২, ১২৭, ১৫১, ১৭৩ :মগধের রাষ্ট্রকূটবংশ ৩০৭ :মগধের শূদ্রজাতীয় রাজগণ ২৯ :মগধে শকাধিকার ৩৯ :মঙ্গলস্বামী ভিক্ষু ৩৩২ :মজঃফরপুর জেলা ৫১, ৫৭, ১১৩ :মঞ্জুশ্রী ৫৫ :মণ্টরাজ ৫০ :মতিল ৪৯ :মতিদত্ত প্রথম কুলিক ৮১ :মত্তিউয়জ ১৪, ১৬ :মথন দেব (বা মহন দেব, রাষ্ট্রকূট বংশীয়) ১৪২, ২৮৩, ২৮৪ ২৮৫ ২৮৬, ২৯৬, ৩০৭ :মথুরা ৪৪, ৫৫, ৫৮, ৮৫, ৮৮, ২৫৬ :মথুরায় নির্ম্মিত বােধিস্বত্ব{{sic}} মূর্ত্তি ৩৯ :মদনপাল (গাহড্‌বাল বংশীয়) ৩২৩ :মদনপাল (পাল বংশীয়) ২০২, ২১৭, ২৯২, ২৯৬, ২৯৮, ৩০২, ৩০৭, ৩০৮, ৩০৯, ৩১১, ৩১২, ৩১৩, ৩১৭, ৩২৩ :মদনপালের তাম্রশাসন ১১৩, ২১৭ :মদনপালের প্রশস্তি ২৮০ :মদনপাড় গ্রাম ৩৫৫ :মদনপাড়ে আবিষ্কৃত বিশ্বরূপ সেনের তাম্রশাসন ৩৫৩ :মদনমােহন সাহা ১২০ :মদ্র ৬৯, ১৯১ :মদ্রক ৫০ :মধুবন ১১৩ :মধ্যএসিয়া ৩৫, ১৩৯, ১৪০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 0cxtbrf9wszmxub9haqoiazwxlriv2r 1991310 1991263 2026-07-30T16:28:04Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874488 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:ভোজদেব ১ম (প্রতীহার বংশীয়) ১৪৩, ১৯০, ১৯১, ২০১, ২১৫, ২১৯, ২২০, ২২২, ২২৩, ২২৫, ২২৭, ২২৯, ২৪০, ২৫৯ :ভােজদেব প্রথমের শিলালিপি ১৮৮, ১৮৯ :ভােজ (২য়) ২০১, ২০৩, ২২৮, ২২৯ :ভোজকগণ ৪৪ :ভােজবর্ম্মা ১৫৬, ১৫৮, ২৯০, ২৯৪, ৩০২, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭, ৩১৬ :ভােজবর্ম্মার তাম্রশাসন ২৭৩, ২৭৬ :ভ্রমরশাল্মলী ৩০১ :ভ্রূকুণ্ঠসিংহ নির্ম্মিত সূর্য্যদেবের মন্দির ৬৯ :মক্করগুপ্ত ২৩৩ :মগধ ১৭, ১৮, ১৯, ২৩, ২৮, ২৯ টীকা, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৪৪, ৪৫, ৪৮, ৫০, ৫১, ৫৫, ৫৬, ৫৭, ৫৮, ৬৫, ৭০, ৭৭, ৭৮, ৮৪, ৮৫, ৯০, ৯২, ৯৪, ৯৮, ১০০, ১০৪, ১১০, ১১১, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১১৮, ১২৭, ১২৯, ১৩০, ১৩৯, ১৬২, ১৬৩, ১৭০, ১৭১, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৯, ২০৩, ২০৫, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২০, ২২২, ২২৪, ২২৭, ২৩০, ২৩১, ২৩২, ২৩৯, ২৪০ টীকা, ২৫৫, ২৫৭, ২৬১, ২৬২, ২৭৫, ২৮৩, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ২৯৬, ৩১২, ৩১৩, ৩১৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩৩১, ৩৩৭, ৩৪০, ৩৪৫, ৩৪৮, ৩৫৩, ৩৫৪, ৩৫৫, ৩৫৬, ৩৫৭ :মগধ আক্রমণ, গােবিন্দ চন্দ্র কর্ত্তৃক ৩২৩ :মগধ, ঐতরেয় আরণ্যকে ১৯ :মগধ, কুষাণ বংশীয় সম্রাটগণের অধীনে ৩৭ :মগধজয়, গােবিন্দ চন্দ্রের ৩০৮ :মগধবিজয় ৩৩৭ :মগধে আর্য্য সভ্যতার প্রচার ২৪ :মগধে আবিষ্কৃত কুষাণ বংশীয় রাজগণের মুদ্রা ৩৮ :মগধের আদিম অধিবাসী দ্রবিড় জাতি ২৩ :মগধের গুপ্তরাজবংশ ৪০, ৯২, ১০৫, ১২২, ১২৭, ১৫১, ১৭৩ :মগধের রাষ্ট্রকূটবংশ ৩০৭ :মগধের শূদ্রজাতীয় রাজগণ ২৯ :মগধে শকাধিকার ৩৯ :মঙ্গলস্বামী ভিক্ষু ৩৩২ :মজঃফরপুর জেলা ৫১, ৫৭, ১১৩ :মঞ্জুশ্রী ৫৫ :মণ্টরাজ ৫০ :মতিল ৪৯ :মতিদত্ত প্রথম কুলিক ৮১ :মত্তিউয়জ ১৪, ১৬ :মথন দেব (বা মহন দেব, রাষ্ট্রকূট বংশীয়) ১৪২, ২৮৩, ২৮৪ ২৮৫ ২৮৬, ২৯৬, ৩০৭ :মথুরা ৪৪, ৫৫, ৫৮, ৮৫, ৮৮, ২৫৬ :মথুরায় নির্ম্মিত বােধিস্বত্ব{{sic}} মূর্ত্তি ৩৯ :মদনপাল (গাহড্‌বাল বংশীয়) ৩২৩ :মদনপাল (পাল বংশীয়) ২০২, ২১৭, ২৯২, ২৯৬, ২৯৮, ৩০২, ৩০৭, ৩০৮, ৩০৯, ৩১১, ৩১২, ৩১৩, ৩১৭, ৩২৩ :মদনপালের তাম্রশাসন ১১৩, ২১৭ :মদনপালের প্রশস্তি ২৮০ :মদনপাড় গ্রাম ৩৫৫ :মদনপাড়ে আবিষ্কৃত বিশ্বরূপ সেনের তাম্রশাসন ৩৫৩ :মদনমােহন সাহা ১২০ :মদ্র ৬৯, ১৯১ :মদ্রক ৫০ :মধুবন ১১৩ :মধ্যএসিয়া ৩৫, ১৩৯, ১৪০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 97nhd2mmg26tdumxq3gfb60n0zbcsza পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৩ 104 298799 1991264 1935045 2026-07-30T16:26:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991264 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মধ্যজীবক ১ টীকা, ২ :মধ্যদেশ ৭৬, ৭৭, ৭৮, ২৯৪, ৩২০, ৩৩৯ :মধ্যপ্রদেশ ১১, ৭৬, ৮০ :মধ্যভারতে আবিষ্কৃত কীলক ২০, ২১ :মধ্যভারতে কীলকলিপির আবিষ্কার ২২ :মধ্যভারতে বাবিরুষীয় কীলকলিপির আবিষ্কার ২৬ :মধ্যরাঢ় ২৪৯ :মধ্যাধুনিক ২ :মনকুয়ার ৬২, ৮৮ :মনহলি ১১৩ :মনহলির তাম্রশাসন ২১৭, ২৭৯, ২৯৬ :মণিঅরি পত্তলা ৩২৪ :মণিগুল ৩৬ :মণিপুর ১২৪ :মণিমোহন ঘটক ১৩৬ :মণিলাল নাহার ৫১ টীকা :মণিবায়ক গ্রাম ২০৯ :মনুসংহিতা ১৭২ :মনের বা মুনের (মণিঅরি) ৩২৪, ৩৫২ :মনোমোহন চক্রবর্ত্তী ২৬১, ৩২৮, ৩৩৩ :মনোমোহন মুকুটমণি ২৬৮ :মনোরথ ২৯৮ :মন্দশোর (প্রাচীন দশপুর) ৪১, ৮৩, ৮৪, ৮৮ :মন্দশোরের শিলালিপি ৪৭ :মন্দার ২৬৭ :মন্দারাধিপতি ৩০৯ :মন্দার পর্ব্বত ১১৭ :মন্দারণ ২৮৯ :মরুত্তস্ বা মরুৎ ১৪, ২৬ :মল্লবর্ম্মা ১৫৭, ১৫৯, ১৬০ :মল্লিনাথ, তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :মশাগ্রাম ৪৯ :মহন দেব ২৮৩ :মহন বা মথন ৩০৭ :মহন্তাপ্রকাশ (বিষয়) ১৯৮ :মহ্‌মূদ ২৪১, ২৫৫, ২৫৬, ৩৩৭ :মহ্‌মূদাবাদ (সরকার) ২৯০ :মহম্মদ-ই-বখ্‌তিয়ার ৩৩৭, ৩৪৮, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৩, ৩৫৮, ৩৫৭ :মহম্মদ গোরী ৩৪২ :মহম্মদপুর ৫৮, ৬৭, ৭১, ১৩৩, ১০৪, ১১৮ :মহম্মদ-বিন-সাম ১৪৩, ৩৩৭, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫১ :মহাকান্তার ৫০ :মহাকাশ্যপ ১১৫ :মহাক্ষত্রপ রুদ্রসিংহ ৫৪, ৫৭ :মহাহ্মত্রপ সত্যসিংহ ৫৪ :মহাখুসাপার বিষয় ৫৯ :মহাচম্পা (কোচিন, চীন ও আনাম) ১১৬, ১২৪ :মহাদেব ৮৫ :মহানন্দ ৩০ :মহানাদ গ্রাম ৬৫, ৭১ :মহাপদ্মনন্দ ৩০, ৩০ টীকা, ৪৫ :মহাভারত ২৬, ২৭২ :মহাভূতবর্ম্মা ১২৩ :মহাযান ৫৫ :মহাযানধর্ম্ম, মহাযানধর্ম্মধাত্ববিশেষতাশাস্ত্র ১১৫ :মহাযানাবতারকশাস্ত্র ১১৫ :মহারাষ্ট্র ১৪৫ :মহারাষ্ট্রশক্তি ৩৪০ :মহালক্ষ্মী দেবী ৭৫ :মহাবংশাবলী, ধ্রুবানন্দমিশ্র প্রণীত ১৩৭ :মহাবোধিবিহার ৩৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> h6n8xefhg5w2k7xw7e6js99s4iyb2eo 1991309 1991264 2026-07-30T16:28:03Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674162 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|১৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মধ্যজীবক ১ টীকা, ২ :মধ্যদেশ ৭৬, ৭৭, ৭৮, ২৯৪, ৩২০, ৩৩৯ :মধ্যপ্রদেশ ১১, ৭৬, ৮০ :মধ্যভারতে আবিষ্কৃত কীলক ২০, ২১ :মধ্যভারতে কীলকলিপির আবিষ্কার ২২ :মধ্যভারতে বাবিরুষীয় কীলকলিপির আবিষ্কার ২৬ :মধ্যরাঢ় ২৪৯ :মধ্যাধুনিক ২ :মনকুয়ার ৬২, ৮৮ :মনহলি ১১৩ :মনহলির তাম্রশাসন ২১৭, ২৭৯, ২৯৬ :মণিঅরি পত্তলা ৩২৪ :মণিগুল ৩৬ :মণিপুর ১২৪ :মণিমোহন ঘটক ১৩৬ :মণিলাল নাহার ৫১ টীকা :মণিবায়ক গ্রাম ২০৯ :মনুসংহিতা ১৭২ :মনের বা মুনের (মণিঅরি) ৩২৪, ৩৫২ :মনোমোহন চক্রবর্ত্তী ২৬১, ৩২৮, ৩৩৩ :মনোমোহন মুকুটমণি ২৬৮ :মনোরথ ২৯৮ :মন্দশোর (প্রাচীন দশপুর) ৪১, ৮৩, ৮৪, ৮৮ :মন্দশোরের শিলালিপি ৪৭ :মন্দার ২৬৭ :মন্দারাধিপতি ৩০৯ :মন্দার পর্ব্বত ১১৭ :মন্দারণ ২৮৯ :মরুত্তস্ বা মরুৎ ১৪, ২৬ :মল্লবর্ম্মা ১৫৭, ১৫৯, ১৬০ :মল্লিনাথ, তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :মশাগ্রাম ৪৯ :মহন দেব ২৮৩ :মহন বা মথন ৩০৭ :মহন্তাপ্রকাশ (বিষয়) ১৯৮ :মহ্‌মূদ ২৪১, ২৫৫, ২৫৬, ৩৩৭ :মহ্‌মূদাবাদ (সরকার) ২৯০ :মহম্মদ-ই-বখ্‌তিয়ার ৩৩৭, ৩৪৮, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৩, ৩৫৮, ৩৫৭ :মহম্মদ গোরী ৩৪২ :মহম্মদপুর ৫৮, ৬৭, ৭১, ১৩৩, ১০৪, ১১৮ :মহম্মদ-বিন-সাম ১৪৩, ৩৩৭, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫১ :মহাকান্তার ৫০ :মহাকাশ্যপ ১১৫ :মহাক্ষত্রপ রুদ্রসিংহ ৫৪, ৫৭ :মহাহ্মত্রপ সত্যসিংহ ৫৪ :মহাখুসাপার বিষয় ৫৯ :মহাচম্পা (কোচিন, চীন ও আনাম) ১১৬, ১২৪ :মহাদেব ৮৫ :মহানন্দ ৩০ :মহানাদ গ্রাম ৬৫, ৭১ :মহাপদ্মনন্দ ৩০, ৩০ টীকা, ৪৫ :মহাভারত ২৬, ২৭২ :মহাভূতবর্ম্মা ১২৩ :মহাযান ৫৫ :মহাযানধর্ম্ম, মহাযানধর্ম্মধাত্ববিশেষতাশাস্ত্র ১১৫ :মহাযানাবতারকশাস্ত্র ১১৫ :মহারাষ্ট্র ১৪৫ :মহারাষ্ট্রশক্তি ৩৪০ :মহালক্ষ্মী দেবী ৭৫ :মহাবংশাবলী, ধ্রুবানন্দমিশ্র প্রণীত ১৩৭ :মহাবোধিবিহার ৩৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> n6k1mzy69sg47z76f3szlb6wbazmekc পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৪ 104 298800 1991265 1935044 2026-07-30T16:26:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991265 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৲}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মহাবোধি মন্দির ৩৫ টীকা, ৩৩১ :মহাবোধি মন্দিরের পাষাণ বেষ্টনীর সূচী ৩৫ টীকা :মহাবোধি বিহার ১১৪, ১৯৮, ২১২, ২৬১, ৩৪৭ :মহাসামন্তাধিপতি, নারায়ণবর্ম্মা ১৯৮ :মহাসার নগর ১১৩ :মহাসেনগুপ্ত ৯৯, ১০৫, ১১১, ১১২, ১২১ :মহাস্থানগড় ৩০০ :মহিমচন্দ্র মজুমদার ১৩৫ :মহীপাল (১ম) ৫১ টীকা, ৬১, ২০২, ২১৭, ২৩৪, ২৩৭, ২৩৯, ২৪০, ২৪১, ২৪২, ২৪৪, ২৪৫, ২৪৬, ২৪৭, ২৫০, ২৫১, ২৫২ টীকা, ২৫৩, ২৫৫, ২৫৬, ২৫৭, ২৫৮, ৩০৭ :মহীপাল (২য়) ২০২, ২৬৫, ২৭৮, ২৭৮ টীকা, ২৭৯, ২৮০, ২৮৬, ৩০৭ :মহীপালদেব (গুর্জ্জর বংশীয়) ২০১, ২০৩, ২২৯, ২৩০, ২৩২, ২৩৯ :মহীপালের তাম্রশাসন ২৫৭ :মহীশাসক সম্প্রদায়ের বৌদ্ধাচার্য্যগণ ৬৮ :মহেন্দ্র ৫০, ৫৮ :মহেন্দ্রগিরি ৫০, ৮৩, ৮৪ :মহেন্দ্রদেব ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬ :মহেন্দ্রপাল ১৮৯, ১৯০, ১৯১, ২০১, ২০৩, ২১৯, ১৪০ :মহেন্দ্র পাল (১ম) ২২৭, ২২৮ :মহেন্দ্রপালের রাজ্যকালের মূর্ত্তি, ব্রিটিশ মিউজিয়মে ২২৭ টীকা :মহেন্দ্রবর্ম্মা ১২৩ :মহেন্দ্রাদিত্য ৫৮, ৮৭ :মহেন্দ্রায়ুধ ১৮৯ :মহেশচন্দ্র শিরোমণি ২৬৮ :মহেশ্বর ১৫৪ :মহোদয় (কান্যকুব্জ) ১৮৫, ২১৫, ২৩০ টীকা, ২৭২ :মহোবা ২৪২, ৩৩৯ :মহোবার চন্দেল্ল রাজগণ ১৪১ :মহোবারের শিলালিপি ২৫৯ :ময়গলসিংহ (উচ্ছালের অধিপতি) ২৮৩, ২৮৯ :ময়ূরখণ্ডী ১৮৪ :মৎস্যদেশ ১৮২, ১৯১, ১৯২ :মাঝগ্রাম ২৬৮ :মাঢাসাম্মলী ১৯৮ :মাতৃদাস ৫৮ :মাতৃবিষ্ণু ৮২, ৮৩ :মাৎস্যন্যায় ১৫১ :মাৎস্যন্যায়ের অর্থ ১৭১, ১৭২ টীকা, ১৭৩ :মাৎস্যন্যায় বঙ্গে ১৭১, ১৭২ :মাদারিপুর মহকুমা ২৩৪ :মাদ্রাজ ৭, ১০০, ২৭২, ২৮৫ :মাদ্রাজের চিত্রশালা ১২ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ম}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :মাধব রাজা ৮০, ২৭০, ২৭১ :মাধবগুপ্ত, মাগধরাজপুত্র ১০৬, ১১১, ১১২, ১১৭, ১১৯, ১২১, ১২২ :মাধবপুর গ্রাম ৫৭, ৬৫, ৬৬ :মাধববর্ম্মা, সৈন্যভীত ১০০, ১০৮, ১১০ :মাধবসেন ৩৩৩, ৩৩৭, ৩৫৪, ৩৫৫ :মাধাইনগরে আবিষ্কৃত লক্ষ্মণসেনের তাম্রশাসন ৩২৫, ৩২৬ :মানভূম জেলা ৯, ২৮৯ :মানবধর্ম্মশাস্ত্র ১৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> odz9a3etn5fgdagx1zlnjul4pj9hp0y 1991308 1991265 2026-07-30T16:28:02Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674267 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৲}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মহাবোধি মন্দির ৩৫ টীকা, ৩৩১ :মহাবোধি মন্দিরের পাষাণ বেষ্টনীর সূচী ৩৫ টীকা :মহাবোধি বিহার ১১৪, ১৯৮, ২১২, ২৬১, ৩৪৭ :মহাসামন্তাধিপতি, নারায়ণবর্ম্মা ১৯৮ :মহাসার নগর ১১৩ :মহাসেনগুপ্ত ৯৯, ১০৫, ১১১, ১১২, ১২১ :মহাস্থানগড় ৩০০ :মহিমচন্দ্র মজুমদার ১৩৫ :মহীপাল (১ম) ৫১ টীকা, ৬১, ২০২, ২১৭, ২৩৪, ২৩৭, ২৩৯, ২৪০, ২৪১, ২৪২, ২৪৪, ২৪৫, ২৪৬, ২৪৭, ২৫০, ২৫১, ২৫২ টীকা, ২৫৩, ২৫৫, ২৫৬, ২৫৭, ২৫৮, ৩০৭ :মহীপাল (২য়) ২০২, ২৬৫, ২৭৮, ২৭৮ টীকা, ২৭৯, ২৮০, ২৮৬, ৩০৭ :মহীপালদেব (গুর্জ্জর বংশীয়) ২০১, ২০৩, ২২৯, ২৩০, ২৩২, ২৩৯ :মহীপালের তাম্রশাসন ২৫৭ :মহীশাসক সম্প্রদায়ের বৌদ্ধাচার্য্যগণ ৬৮ :মহেন্দ্র ৫০, ৫৮ :মহেন্দ্রগিরি ৫০, ৮৩, ৮৪ :মহেন্দ্রদেব ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬ :মহেন্দ্রপাল ১৮৯, ১৯০, ১৯১, ২০১, ২০৩, ২১৯, ১৪০ :মহেন্দ্র পাল (১ম) ২২৭, ২২৮ :মহেন্দ্রপালের রাজ্যকালের মূর্ত্তি, ব্রিটিশ মিউজিয়মে ২২৭ টীকা :মহেন্দ্রবর্ম্মা ১২৩ :মহেন্দ্রাদিত্য ৫৮, ৮৭ :মহেন্দ্রায়ুধ ১৮৯ :মহেশচন্দ্র শিরোমণি ২৬৮ :মহেশ্বর ১৫৪ :মহোদয় (কান্যকুব্জ) ১৮৫, ২১৫, ২৩০ টীকা, ২৭২ :মহোবা ২৪২, ৩৩৯ :মহোবার চন্দেল্ল রাজগণ ১৪১ :মহোবারের শিলালিপি ২৫৯ :ময়গলসিংহ (উচ্ছালের অধিপতি) ২৮৩, ২৮৯ :ময়ূরখণ্ডী ১৮৪ :মৎস্যদেশ ১৮২, ১৯১, ১৯২ :মাঝগ্রাম ২৬৮ :মাঢাসাম্মলী ১৯৮ :মাতৃদাস ৫৮ :মাতৃবিষ্ণু ৮২, ৮৩ :মাৎস্যন্যায় ১৫১ :মাৎস্যন্যায়ের অর্থ ১৭১, ১৭২ টীকা, ১৭৩ :মাৎস্যন্যায় বঙ্গে ১৭১, ১৭২ :মাদারিপুর মহকুমা ২৩৪ :মাদ্রাজ ৭, ১০০, ২৭২, ২৮৫ :মাদ্রাজের চিত্রশালা ১২ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ম}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :মাধব রাজা ৮০, ২৭০, ২৭১ :মাধবগুপ্ত, মাগধরাজপুত্র ১০৬, ১১১, ১১২, ১১৭, ১১৯, ১২১, ১২২ :মাধবপুর গ্রাম ৫৭, ৬৫, ৬৬ :মাধববর্ম্মা, সৈন্যভীত ১০০, ১০৮, ১১০ :মাধবসেন ৩৩৩, ৩৩৭, ৩৫৪, ৩৫৫ :মাধাইনগরে আবিষ্কৃত লক্ষ্মণসেনের তাম্রশাসন ৩২৫, ৩২৬ :মানভূম জেলা ৯, ২৮৯ :মানবধর্ম্মশাস্ত্র ১৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> ndvwmfv388vf73x9ek03u1j4kbe8ezq পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৫ 104 298801 1991266 1935043 2026-07-30T16:26:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991266 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মান্দা গ্রামের শিলালিপি ২৬৭, ৩০৮, ৩১২ :মান্দা দুর্গ ৩০৯ :মান্যখেট ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৯ ১৫০, ২০৫ :মাণ্ডব্যপুর, ২২৩ :মান্যখেটের রাষ্ট্রকূট রাজগণ ১৪১ :মারদুক নাদীন আখি, বাবিরুষরাজ ২১ :মারশর্ব্ব ১৮৪ :মালতী ১৫৭, ১৫৯, ১৬০ :মালদহ ১৫২, ১৫৪ :মালদোয়ার রাজষ্টেট ৩৩০ :মালব, ৪১, ৫০, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৮০, ১০১, ১০৫, ১০৬, ১৪০, ১৮২, ১৯২, ১৯৩ টীকা, ২০৫, ২৩১ :মালব দেশ, ৬৭, ৮০, ৮১, ৮২, ৮৩ :মালবরাজ ১৪৮ :মালব সুবা ৭৭ :মালবের গুপ্তবংশ ৯৯ :মালবের প্রাচীন রাজবংশ ৪৭ :মালব্যদেবী ২৯৪, ৩০৬ :মাসার গ্রাম ১১৩ :মার্শেল, স্যর জে (Sir J. marshall) ২১০ টীকা :মাড়ওয়ারের রাঠোরগণ ১৪৫ :মিতান্নিজাতি ১৩, ১৪, ১৬ :মিত্র ১৪ :মিত্রবংশের (বা শুঙ্গবংশের) মুদ্রা ৪৬ :মিথিলা ১৮, ১৯, ২৯ টীকা, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৪০, ২৫২, ২৮৪, ৩১৮, ৩২৮, ৩৩৬ :মিথিলার শত{{SIC|পদ|পথ}} ব্রাহ্মণে উল্লেখ ১৯ :মিথিলার কার্ণাটক রাজবংশ ৩১৮ :মিথিলার আর্য্যোপনিবেশ ১৩, ১৯ :মিনহাজ্-উস-সিরাজ ৩৪৪, ৩৫২, ৩৫৬, ৩৫৮ :মিশর ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২১ :মিশ্রধাতু নির্ম্মিত অস্ত্র ১০ :মিশ্রধাতুর ব্যবহার ১১ :মিহিরকুল ৭৪ :মুগীস্উদ্দীন ইয়ুজ্‌বক্‌ ৩৫৭ :মুঙ্গের (মুদ্গগিরি) ১১২, ১৯৪, ২০৩, ২০৬, ২০৮, ২২৩, ২২৪, ২৪৭, ৩১৩, ৩২৪ :মুঙ্গেরের তাম্রশাসন ১৬৭, ১৬৮, ১৭৫, ২০৪, ২১৩, ২১৬ :মুতেমুয়া ১৬ :মুদ্গগিরি বা মুঙ্গের ১১২, ১৯৪, ২০৩, ২০৬, ২০৮, ২২৩, ২২৪, ২৪৭, ৩১৩, ৩২৪ :মুদ্গগিরির যুদ্ধ ২০৩ :মুরল (কেরল) ২৫৮ :মুরুণ্ড রাজগণ ৪৬ :মুর্শীদাবাদ ৩৯, ৫১ টীকা, ৮৪, ৯০, ১০৪ :মুসলমানগণের নাগভটের হস্তে পরাজয় ১৪৪ :মুসলমান বিজয় ৩১৩, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩৭ :মুসলমান-শাসনকর্ত্তৃগণ, সিন্ধুদেশের ২২০ :মুস্তসিম বিল্লা ৩৫৪ :মূলসর্ব্বাস্তিবাদ-নিকায়-বিনয়-সংগ্রহ ১১৫ :{{SIC|মূষল|মুষল}} ৯, ১০ :মূষিকনগর ৪৪ :মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য্য ৭৫ :মৃত্যুঞ্জয় রায় চৌধুরী, ৫১ টীকা, ৫৭, ১১৯ :{{SIC|মৃণ্ময়|মৃন্ময়}} মুদ্রা ({{SIC|Terrocatta|Terracotta}} Plaque) ৩৭ :মৃণ্ময় সন্ধিপত্র ১৪ :মেগাস্থিনিস্, যবনদূত, তাহার বিরচিত “ইণ্ডিকা” ৩১ :মেগুটি মন্দিরের শিলালিপি ১৪০ :মেঘনা ১৫৭ :মেচ ২৩২<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> ejs3pnd2qq4be6odmouyl9g5k74md3b 1991307 1991266 2026-07-30T16:28:01Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674350 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মান্দা গ্রামের শিলালিপি ২৬৭, ৩০৮, ৩১২ :মান্দা দুর্গ ৩০৯ :মান্যখেট ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৯ ১৫০, ২০৫ :মাণ্ডব্যপুর, ২২৩ :মান্যখেটের রাষ্ট্রকূট রাজগণ ১৪১ :মারদুক নাদীন আখি, বাবিরুষরাজ ২১ :মারশর্ব্ব ১৮৪ :মালতী ১৫৭, ১৫৯, ১৬০ :মালদহ ১৫২, ১৫৪ :মালদোয়ার রাজষ্টেট ৩৩০ :মালব, ৪১, ৫০, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৮০, ১০১, ১০৫, ১০৬, ১৪০, ১৮২, ১৯২, ১৯৩ টীকা, ২০৫, ২৩১ :মালব দেশ, ৬৭, ৮০, ৮১, ৮২, ৮৩ :মালবরাজ ১৪৮ :মালব সুবা ৭৭ :মালবের গুপ্তবংশ ৯৯ :মালবের প্রাচীন রাজবংশ ৪৭ :মালব্যদেবী ২৯৪, ৩০৬ :মাসার গ্রাম ১১৩ :মার্শেল, স্যর জে (Sir J. marshall) ২১০ টীকা :মাড়ওয়ারের রাঠোরগণ ১৪৫ :মিতান্নিজাতি ১৩, ১৪, ১৬ :মিত্র ১৪ :মিত্রবংশের (বা শুঙ্গবংশের) মুদ্রা ৪৬ :মিথিলা ১৮, ১৯, ২৯ টীকা, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৪০, ২৫২, ২৮৪, ৩১৮, ৩২৮, ৩৩৬ :মিথিলার শত{{SIC|পদ|পথ}} ব্রাহ্মণে উল্লেখ ১৯ :মিথিলার কার্ণাটক রাজবংশ ৩১৮ :মিথিলার আর্য্যোপনিবেশ ১৩, ১৯ :মিনহাজ্-উস-সিরাজ ৩৪৪, ৩৫২, ৩৫৬, ৩৫৮ :মিশর ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২১ :মিশ্রধাতু নির্ম্মিত অস্ত্র ১০ :মিশ্রধাতুর ব্যবহার ১১ :মিহিরকুল ৭৪ :মুগীস্উদ্দীন ইয়ুজ্‌বক্‌ ৩৫৭ :মুঙ্গের (মুদ্গগিরি) ১১২, ১৯৪, ২০৩, ২০৬, ২০৮, ২২৩, ২২৪, ২৪৭, ৩১৩, ৩২৪ :মুঙ্গেরের তাম্রশাসন ১৬৭, ১৬৮, ১৭৫, ২০৪, ২১৩, ২১৬ :মুতেমুয়া ১৬ :মুদ্গগিরি বা মুঙ্গের ১১২, ১৯৪, ২০৩, ২০৬, ২০৮, ২২৩, ২২৪, ২৪৭, ৩১৩, ৩২৪ :মুদ্গগিরির যুদ্ধ ২০৩ :মুরল (কেরল) ২৫৮ :মুরুণ্ড রাজগণ ৪৬ :মুর্শীদাবাদ ৩৯, ৫১ টীকা, ৮৪, ৯০, ১০৪ :মুসলমানগণের নাগভটের হস্তে পরাজয় ১৪৪ :মুসলমান বিজয় ৩১৩, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩৭ :মুসলমান-শাসনকর্ত্তৃগণ, সিন্ধুদেশের ২২০ :মুস্তসিম বিল্লা ৩৫৪ :মূলসর্ব্বাস্তিবাদ-নিকায়-বিনয়-সংগ্রহ ১১৫ :{{SIC|মূষল|মুষল}} ৯, ১০ :মূষিকনগর ৪৪ :মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য্য ৭৫ :মৃত্যুঞ্জয় রায় চৌধুরী, ৫১ টীকা, ৫৭, ১১৯ :{{SIC|মৃণ্ময়|মৃন্ময়}} মুদ্রা ({{SIC|Terrocatta|Terracotta}} Plaque) ৩৭ :মৃণ্ময় সন্ধিপত্র ১৪ :মেগাস্থিনিস্, যবনদূত, তাহার বিরচিত “ইণ্ডিকা” ৩১ :মেগুটি মন্দিরের শিলালিপি ১৪০ :মেঘনা ১৫৭ :মেচ ২৩২<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> hl4oy46yy5rw6giq4n62hf14gnhlnrl পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৬ 104 298802 1991267 1935042 2026-07-30T16:26:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991267 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মেদিনীপুর জেলা ৩২, ৩৮, ৬৬, ৭১, ২৮৪, ২৮৭ :মেধাতিধি ২৭২ :মেলপাতি শিলালিপি ২৪৭ :মেষিকা ২০৮ :মৈথিল ২৭ :মৈনপুরী ১১ :মৈমনসিংহ জেলা ১৫৪ :মোঅ ৩৬ :মোবারক উজিয়াল ২৯০ :{{SIC|মোগ বা|মোগ বা মোঅ}} ৩৬ :মোঙ্গোলীয় জাতি ২৩ :মোজাঃফরপুর জেলা ২৫৭ :মৌখরীগণ ৯৮ :মৌখরী রাজ্য ৯৯ :মৌখরীরাজ ভোজবর্ম্মা ১২৮ :মৌখরী-রাজবংশ ১১৮, ১২২, ১২৪ :মৌখরী বংশজাত ১১৮ :মৌর্য্যরাজগণ ৩১, ৪৫ :মৌর্য্যবংশ ৩০, ৩৪, ১৪৬ :মৌর্য্যসাম্রাজোর রাষ্ট্রীয় বন্ধন ৩২ :মৌর্য্যাধিকার কালে ভারউতের মুদ্রা ৩২ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|​}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :যক্ষপাল ৩০০, ৩০২ :যক্ষপালিত (রাণক) ৮৬ :যজ্ঞবতী ১২৩ :যজ্ঞবর্ম্মা ৯৮, ১২২ :যদু ১৯১, ১৯২ :যদুনাথ সরকার ৩২৪, ৩২৪ টীকা :যদুবংশ ১৪৬, ১৫৮, ৩০২ :যমুনা ২৩০, ৬৯, ৬১, ৭৭, ৮২ :যবন ১৯১, ১৯২ :যবনগণ ৩০ :যবনরাজগণ ৪৬, ৩৬ :যবনরাজ্য ৩৪ :যবদ্বীপ বা যমনদ্বীপ ১১৬, ১২৪, ২০৯ :যবদ্বীপের শৈলেন্দ্রবংশীয় রাজগণ ২০৯ :যবপতি ১১৬ :যবভূমি ২০৯ :যশঃকর্ণ ২৮৪, ৩০৭ :যশোদেবী ৩১৬, ৩৩৩ :যশোধর্ম্মদেব ১০৫, ৮৩, ৮৪, ৭৪ :যশোরাপুর ৩৪৯ :যশোবর্ম্মা ১২৯, ১৩০, ২০৩, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৭০, ২৭১, ১৭৩, ২৩৯ :যশোবর্ম্মপুর ২১১, ১৩০ :যশোহর জেলা ৭১, ১০৫, ৫৮, ১১৮, ১০৩ :যাদবজাতি ২৭৫ :যুগবিপ্লব ৪, ৫ :যোগদেব ২৯৬ :যোগরত্নমালা ৩৫০ :যোধপুর ২১৫ :যোধপুরের শিলালিপি ৩২৩ :যোধপুরের রাঠোর রাজবংশ ৩৩৮ :যৌধেয় ৫০, ৪৬ :যৌবনশ্রী ২০২, ৩০৭, ২৬৬, ২১৬, ২৬৩, ২৬৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|র}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :রক্তমৃত্তিক সঙ্ঘারাম, ১১৬ :রঙ্গপুর, ৫৭, ১১৯, ১৫২ :রঙ্গপুর জেলা ২৪৯ :রঘুদেব গ্রাম ৩২৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> g649cyc0l5xc7v39al8ewdtn2gtyzg0 1991306 1991267 2026-07-30T16:28:00Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674358 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:মেদিনীপুর জেলা ৩২, ৩৮, ৬৬, ৭১, ২৮৪, ২৮৭ :মেধাতিধি ২৭২ :মেলপাতি শিলালিপি ২৪৭ :মেষিকা ২০৮ :মৈথিল ২৭ :মৈনপুরী ১১ :মৈমনসিংহ জেলা ১৫৪ :মোঅ ৩৬ :মোবারক উজিয়াল ২৯০ :{{SIC|মোগ বা|মোগ বা মোঅ}} ৩৬ :মোঙ্গোলীয় জাতি ২৩ :মোজাঃফরপুর জেলা ২৫৭ :মৌখরীগণ ৯৮ :মৌখরী রাজ্য ৯৯ :মৌখরীরাজ ভোজবর্ম্মা ১২৮ :মৌখরী-রাজবংশ ১১৮, ১২২, ১২৪ :মৌখরী বংশজাত ১১৮ :মৌর্য্যরাজগণ ৩১, ৪৫ :মৌর্য্যবংশ ৩০, ৩৪, ১৪৬ :মৌর্য্যসাম্রাজোর রাষ্ট্রীয় বন্ধন ৩২ :মৌর্য্যাধিকার কালে ভারউতের মুদ্রা ৩২ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|​}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :যক্ষপাল ৩০০, ৩০২ :যক্ষপালিত (রাণক) ৮৬ :যজ্ঞবতী ১২৩ :যজ্ঞবর্ম্মা ৯৮, ১২২ :যদু ১৯১, ১৯২ :যদুনাথ সরকার ৩২৪, ৩২৪ টীকা :যদুবংশ ১৪৬, ১৫৮, ৩০২ :যমুনা ২৩০, ৬৯, ৬১, ৭৭, ৮২ :যবন ১৯১, ১৯২ :যবনগণ ৩০ :যবনরাজগণ ৪৬, ৩৬ :যবনরাজ্য ৩৪ :যবদ্বীপ বা যমনদ্বীপ ১১৬, ১২৪, ২০৯ :যবদ্বীপের শৈলেন্দ্রবংশীয় রাজগণ ২০৯ :যবপতি ১১৬ :যবভূমি ২০৯ :যশঃকর্ণ ২৮৪, ৩০৭ :যশোদেবী ৩১৬, ৩৩৩ :যশোধর্ম্মদেব ১০৫, ৮৩, ৮৪, ৭৪ :যশোরাপুর ৩৪৯ :যশোবর্ম্মা ১২৯, ১৩০, ২০৩, ২৩১, ২৩১ টীকা, ২৭০, ২৭১, ১৭৩, ২৩৯ :যশোবর্ম্মপুর ২১১, ১৩০ :যশোহর জেলা ৭১, ১০৫, ৫৮, ১১৮, ১০৩ :যাদবজাতি ২৭৫ :যুগবিপ্লব ৪, ৫ :যোগদেব ২৯৬ :যোগরত্নমালা ৩৫০ :যোধপুর ২১৫ :যোধপুরের শিলালিপি ৩২৩ :যোধপুরের রাঠোর রাজবংশ ৩৩৮ :যৌধেয় ৫০, ৪৬ :যৌবনশ্রী ২০২, ৩০৭, ২৬৬, ২১৬, ২৬৩, ২৬৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|র}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :রক্তমৃত্তিক সঙ্ঘারাম, ১১৬ :রঙ্গপুর, ৫৭, ১১৯, ১৫২ :রঙ্গপুর জেলা ২৪৯ :রঘুদেব গ্রাম ৩২৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> sdl94e4lthp1reornx6d08v2j12opy6 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৭ 104 298803 1991268 1935041 2026-07-30T16:26:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991268 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:রঘুনাথ বর্ম্মাকৃত লৌকিক ন্যায়সংগ্রহ ১৭২ :রঘোলি গ্রাম, ১২৭ :রঞ্চুবুল, ৩৬ :রট্ট ১৪৫, ১৪৬ :রণশূর ২৪৭, ২৪৯, ২৬৭ :রণ্ণাদেবী ১৬৭, ১৬৮, ১৯৫, ১৯৬, ২০১, ২৩৫ :রতন তাতা, স্যার ৪৬ :রত্নবতী, ১২৩ :রত্নাকর দেবশর্ম্মা ৩২০ :রমরৌতি (রমৌতি) ২৯২ :রমাপ্রসাদ চন্দ—৩০ টীকা, ৩৯ টীকা, ৪৪, ১০৫, ১১১, ১২৮, ১৩১, ১৩৫, ১৮৫, ১৮৬, ১৮৯, ১৯০, ১৯৫, ১৯৯, ২০৭, ২১৪, ২১৫, ২৩১, ২৪৩, ২৫২, ২৫৫, ২৬৮, ২৬৯, ২৭১, ২৬১, ২৭৩, ২৯৩ টীকা, ৩০৩, ৩০৪, ৩২১, ৩২৯ :রমেশচশ্র মজুমদার ৪৪, ৭৩, ৯১ :রমৌতি ২৯২ :রবিগুপ্ত, ৮৪ টীকা :রবীন্দ্রনারারণ ঘোষ, ২২৫ টীকা :রয়েল এসিয়াটীক সোসাইটির গ্রন্থকার ৩৪ :রহঙ্কর দেবশর্ম্মা ৩২০ :র‍্যাঙ্কি‍‌‌ণ (J. T. {{SIC|Ranking, Jes.|Rankin, I.C.S.}}) ২৩৪ :রাঘব ৩০৮, ৩১৭, ৩১৮, ৩৩৩ :রাঘব পাণ্ডবীর ২৯৮ :রাঙ্গামাটী গ্রাম ৮৪, ৯০ :রাঙ্গামাটী, কর্ণসুবণের বর্ত্তমান নাম ১০৪ :রাজগৃহ ২৯ টীকা, ৪৪, ৪৫, ৫৫, ১১৫, ২১২ টীকা, ২৯৭ :রাজগৃহ বিষয় ২০৯ :রাজগৃহের ধ্বংসাবশেষ ৩৮ :রাজ রাজ ভট্ট (রাজভট) ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ২৩৫ :রাজতরঙ্গিণী, কহ্লন মিশ্র প্রণীত ১৩১, ১৩২, ১৩৩ ১৩৩ টীকা :রাজ পিপলা রাজ্য ১৪২ :রাজপুত চারণের বংশাবলী ৩৩৮ :রাজপুত জাতি ৩৩৮ :রাজপুতনা ১৩৯, ১৪১, ১৪২, ১৯২, ৩৩১, :রাজপুতনার মরু প্রদেশ ৪০ :রাজভট (রাজ রাজভট্ট) ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ২৩৫ :রাজমহল ৩৫৭ :রাজসাহী ১৩৩ টীকা, ১৯৯, ২৭৪ :রাজসাহী জেলা ৫৯, ৬০, ২৬৭, ২৯০, ৩১২, ৩১৯ :রাজাসন, ১২০ :রাজেন্দ্র চোল (১ম) ২৩৪, ২৩৭, ২৪১, ২৪৬, ২৪৭, ২৪৮, ২৪৯, ২৫০, ২৫২, ২৭৬, ২৮৭, ২৮৯ :রাজেন্দ্র চোলের উত্তরাপথাভিযান ২৪৭ :রাজেন্দ্রলাল মিত্র ১৭৯, ১৮০ টীকা, ২২৬, ২৪২, ২৪৩ :রাজোর (রাজোর গড়) ১৪২ :রাজ্য ঘঙ্গক গ্রাম ১৮৩ :রাজ্যপাল (গুর্জ্জরবংশীয়) ২৫৬ :রাজ্যপাল (পালবংশীয়), ১৭১, ২০১, ২০২, ২০৩, ২০৮, ২১১, ২১৬, ২১৭, ২২৫, ২২৬, ২২৯, ২৩০, ২৮৩, ২৯১, ২৯২, ২৯৫, ২৯৬ :রাজ্যমতী, ১২২, ১২৮ :রাজ্যবর্দ্ধন, ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪, ১০৬, ১০৭, ১১১, ১১৩ :রাজ্যশ্রী ৯৯, ১০৬ :রাণক (শূল পাণি) ৩১৯ :রাণাঘাট মহকুমা ৭৫ :রাণাবংশ ৩৩৮<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 1lx5cvuuq23m8ig4nxfpea7s1n1mnvo 1991305 1991268 2026-07-30T16:28:00Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674361 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:রঘুনাথ বর্ম্মাকৃত লৌকিক ন্যায়সংগ্রহ ১৭২ :রঘোলি গ্রাম, ১২৭ :রঞ্চুবুল, ৩৬ :রট্ট ১৪৫, ১৪৬ :রণশূর ২৪৭, ২৪৯, ২৬৭ :রণ্ণাদেবী ১৬৭, ১৬৮, ১৯৫, ১৯৬, ২০১, ২৩৫ :রতন তাতা, স্যার ৪৬ :রত্নবতী, ১২৩ :রত্নাকর দেবশর্ম্মা ৩২০ :রমরৌতি (রমৌতি) ২৯২ :রমাপ্রসাদ চন্দ—৩০ টীকা, ৩৯ টীকা, ৪৪, ১০৫, ১১১, ১২৮, ১৩১, ১৩৫, ১৮৫, ১৮৬, ১৮৯, ১৯০, ১৯৫, ১৯৯, ২০৭, ২১৪, ২১৫, ২৩১, ২৪৩, ২৫২, ২৫৫, ২৬৮, ২৬৯, ২৭১, ২৬১, ২৭৩, ২৯৩ টীকা, ৩০৩, ৩০৪, ৩২১, ৩২৯ :রমেশচশ্র মজুমদার ৪৪, ৭৩, ৯১ :রমৌতি ২৯২ :রবিগুপ্ত, ৮৪ টীকা :রবীন্দ্রনারারণ ঘোষ, ২২৫ টীকা :রয়েল এসিয়াটীক সোসাইটির গ্রন্থকার ৩৪ :রহঙ্কর দেবশর্ম্মা ৩২০ :র‍্যাঙ্কি‍‌‌ণ (J. T. {{SIC|Ranking, Jes.|Rankin, I.C.S.}}) ২৩৪ :রাঘব ৩০৮, ৩১৭, ৩১৮, ৩৩৩ :রাঘব পাণ্ডবীর ২৯৮ :রাঙ্গামাটী গ্রাম ৮৪, ৯০ :রাঙ্গামাটী, কর্ণসুবণের বর্ত্তমান নাম ১০৪ :রাজগৃহ ২৯ টীকা, ৪৪, ৪৫, ৫৫, ১১৫, ২১২ টীকা, ২৯৭ :রাজগৃহ বিষয় ২০৯ :রাজগৃহের ধ্বংসাবশেষ ৩৮ :রাজ রাজ ভট্ট (রাজভট) ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ২৩৫ :রাজতরঙ্গিণী, কহ্লন মিশ্র প্রণীত ১৩১, ১৩২, ১৩৩ ১৩৩ টীকা :রাজ পিপলা রাজ্য ১৪২ :রাজপুত চারণের বংশাবলী ৩৩৮ :রাজপুত জাতি ৩৩৮ :রাজপুতনা ১৩৯, ১৪১, ১৪২, ১৯২, ৩৩১, :রাজপুতনার মরু প্রদেশ ৪০ :রাজভট (রাজ রাজভট্ট) ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৫, ১৬৬, ২৩৫ :রাজমহল ৩৫৭ :রাজসাহী ১৩৩ টীকা, ১৯৯, ২৭৪ :রাজসাহী জেলা ৫৯, ৬০, ২৬৭, ২৯০, ৩১২, ৩১৯ :রাজাসন, ১২০ :রাজেন্দ্র চোল (১ম) ২৩৪, ২৩৭, ২৪১, ২৪৬, ২৪৭, ২৪৮, ২৪৯, ২৫০, ২৫২, ২৭৬, ২৮৭, ২৮৯ :রাজেন্দ্র চোলের উত্তরাপথাভিযান ২৪৭ :রাজেন্দ্রলাল মিত্র ১৭৯, ১৮০ টীকা, ২২৬, ২৪২, ২৪৩ :রাজোর (রাজোর গড়) ১৪২ :রাজ্য ঘঙ্গক গ্রাম ১৮৩ :রাজ্যপাল (গুর্জ্জরবংশীয়) ২৫৬ :রাজ্যপাল (পালবংশীয়), ১৭১, ২০১, ২০২, ২০৩, ২০৮, ২১১, ২১৬, ২১৭, ২২৫, ২২৬, ২২৯, ২৩০, ২৮৩, ২৯১, ২৯২, ২৯৫, ২৯৬ :রাজ্যমতী, ১২২, ১২৮ :রাজ্যবর্দ্ধন, ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪, ১০৬, ১০৭, ১১১, ১১৩ :রাজ্যশ্রী ৯৯, ১০৬ :রাণক (শূল পাণি) ৩১৯ :রাণাঘাট মহকুমা ৭৫ :রাণাবংশ ৩৩৮<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> fgx57higdjqqrfw9ys332vbvzdzx5hb পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৮ 104 298804 1991269 1935040 2026-07-30T16:26:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991269 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:রাণীগঞ্জ, ৭ :রাধণ পুরের তাম্রশাসন ১৮৭ :রাধা কৃষ্ণ, ৫৭ :রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যার ৩০ টীকা :রাধাগোবিন্দ বসাক, ৪৭, ৬০, ৭৯, ৮০, ৯১, ১৫৬, ৩০৪, ৩১৯ টীকা :রাধেশ চন্দ্র শেঠ, ১৫২, ১৫৩, ১৫৫, ১৫৬ :রামকৃক গোপল ভাণ্ডারকর, ১৪৬, ২৪২, ২৪৩ :রামগতি ন্যায়রত্ন ৩২৭, ৩২৭ টীকা :রামগয়া, ২২৭ :রামচন্দ্র, ১৪৫, ২৯৮ :রামচরিত, সন্ধ্যাকর নন্দী কৃত, ১৬০, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৭২ টীকা, ১৭৪, ১৭৫, ২১৭, ২৬৭, ২৭৭, ২৭৯, ২৭৯ টীকা, ২৮০, ২৮১ টীকা, ২৮২ টীকা, ২৮৩ টীকা, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৫ টীকা, ২৮৮, ২৯৩ টীকা, ২৯৪, ২৯৬, ২৯৮, ২৯৯, ৩০৫, ৩১১, ৩১৭, ৩৩২ :রামচরিতের টীকা ২৯০ :রামদেব বিদ্যাভূষণের বৈদিক কুলমঞ্জরী, ১৫৭ :রামদেবশর্ম্মা ২৯৪ :রামদেবী, (লক্ষ্মণসেনের মাতা) ৩২৩, ৩২৩ টীকা, ৩৩৩ :রামপাল ১৬৯, ১৭৪, ২০২, ২১৭, ২৬৫, ২৬৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮০, ২৮১, ২৮২, ২৮৩, ২৮৫, ২৮৬, ২৯০, ২৯১, ২৯৩, ২৯৩ টীকা, ২৯৪, ২৯৫, ২৯৬, ২৯৭, ২৯৯, ৩০০, ৩০৫, ৩০৩, ৩০৭, ৩০৮, ৩২৬, ৩২৭, ৩৩৬ :রামপাল গ্রাম, ২৩৪, ২৯৯, ৩০০ :রামপালের সেনাগণ ২৯১ :রামপুর বোয়ালিয়া ২৬৮ :রামপুরা ৩০০ :রামভদ্র, ১৯৪, ২০১, ২০৩, ২০৬, ২০৭, ২১৫ :রামস্বামীর মূর্ত্তি ১৩১ :রামায়ণ ২৬, ২৯৮ :রামাবতী ২৯২, ২৯৫, ২৯৯, ৩০০ :রামেশ্বর তীর্থ ১৮৩ :রাষ্ট্রকূট রাজগণ ১২৭, ১৪৬, ১৭৭, ১৮২, ১৮৯, ২২০, ২৫৩, ২৬৫ :রাষ্ট্রকূট রাজগণের খোদিত লিপি (মান্যখেটের) ১৪১ :রাষ্ট্রকূট রাজ্য ১৫০, ২৪১ :রাহুগণ ১৮ :রাঢ় ৩১, ৩৫, ৪৮, ৫১, ১০৪, ১১০, ১১৬, ১৩৫, ১৫৫, ২৩২, ২৭৩, ২৩৯, ২৪০, ২৪১, ২৪২, ২৬৫, ২৬৭, ৩০২, ৩০৩, ৩০৮, ৩১২, ৩১৪, ৩১৬, ৩১৭, ৩৩০, ৩৫৬ :রাঢ়ীয় ও বারেন্দ্র ব্রাহ্মণগণের আগমন, বঙ্গে ১৬১ :রাঢ়ীয় কুলপঞ্জী মিশ্র কৃত ১৩৭ :রাঢ়ীয় কুলমঞ্জরী ১৩৬, ১৩৭, ১৩৮, ২৬৯ :রাঁচি জেলা ২৯ :রাঢ়ের ঘোষ বংশ ৩০৮ :রুদ্রদাম ৫৪, ৬৮ :রুদ্রদেব ৪৯ :রুদ্রমান ৩০০, ৩০২ :রুদ্রশিখর ২৮৩, ২৮৯ :রুদ্রসিংহ, মহাক্ষত্রপ ৫৪, ৫৭ :রুদ্রসেন ৮৯ :রুশিয়াদেশ ৯০ :রূদোক ২০১ :রেবানদী ২০৪, ২১৩ :রেড্ডি ১৪৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 29svtr7rnaoj8s2ln4xaxfv7ltchdyx 1991304 1991269 2026-07-30T16:27:58Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674439 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:রাণীগঞ্জ, ৭ :রাধণ পুরের তাম্রশাসন ১৮৭ :রাধা কৃষ্ণ, ৫৭ :রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যার ৩০ টীকা :রাধাগোবিন্দ বসাক, ৪৭, ৬০, ৭৯, ৮০, ৯১, ১৫৬, ৩০৪, ৩১৯ টীকা :রাধেশ চন্দ্র শেঠ, ১৫২, ১৫৩, ১৫৫, ১৫৬ :রামকৃক গোপল ভাণ্ডারকর, ১৪৬, ২৪২, ২৪৩ :রামগতি ন্যায়রত্ন ৩২৭, ৩২৭ টীকা :রামগয়া, ২২৭ :রামচন্দ্র, ১৪৫, ২৯৮ :রামচরিত, সন্ধ্যাকর নন্দী কৃত, ১৬০, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৭২ টীকা, ১৭৪, ১৭৫, ২১৭, ২৬৭, ২৭৭, ২৭৯, ২৭৯ টীকা, ২৮০, ২৮১ টীকা, ২৮২ টীকা, ২৮৩ টীকা, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৫ টীকা, ২৮৮, ২৯৩ টীকা, ২৯৪, ২৯৬, ২৯৮, ২৯৯, ৩০৫, ৩১১, ৩১৭, ৩৩২ :রামচরিতের টীকা ২৯০ :রামদেব বিদ্যাভূষণের বৈদিক কুলমঞ্জরী, ১৫৭ :রামদেবশর্ম্মা ২৯৪ :রামদেবী, (লক্ষ্মণসেনের মাতা) ৩২৩, ৩২৩ টীকা, ৩৩৩ :রামপাল ১৬৯, ১৭৪, ২০২, ২১৭, ২৬৫, ২৬৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮০, ২৮১, ২৮২, ২৮৩, ২৮৫, ২৮৬, ২৯০, ২৯১, ২৯৩, ২৯৩ টীকা, ২৯৪, ২৯৫, ২৯৬, ২৯৭, ২৯৯, ৩০০, ৩০৫, ৩০৩, ৩০৭, ৩০৮, ৩২৬, ৩২৭, ৩৩৬ :রামপাল গ্রাম, ২৩৪, ২৯৯, ৩০০ :রামপালের সেনাগণ ২৯১ :রামপুর বোয়ালিয়া ২৬৮ :রামপুরা ৩০০ :রামভদ্র, ১৯৪, ২০১, ২০৩, ২০৬, ২০৭, ২১৫ :রামস্বামীর মূর্ত্তি ১৩১ :রামায়ণ ২৬, ২৯৮ :রামাবতী ২৯২, ২৯৫, ২৯৯, ৩০০ :রামেশ্বর তীর্থ ১৮৩ :রাষ্ট্রকূট রাজগণ ১২৭, ১৪৬, ১৭৭, ১৮২, ১৮৯, ২২০, ২৫৩, ২৬৫ :রাষ্ট্রকূট রাজগণের খোদিত লিপি (মান্যখেটের) ১৪১ :রাষ্ট্রকূট রাজ্য ১৫০, ২৪১ :রাহুগণ ১৮ :রাঢ় ৩১, ৩৫, ৪৮, ৫১, ১০৪, ১১০, ১১৬, ১৩৫, ১৫৫, ২৩২, ২৭৩, ২৩৯, ২৪০, ২৪১, ২৪২, ২৬৫, ২৬৭, ৩০২, ৩০৩, ৩০৮, ৩১২, ৩১৪, ৩১৬, ৩১৭, ৩৩০, ৩৫৬ :রাঢ়ীয় ও বারেন্দ্র ব্রাহ্মণগণের আগমন, বঙ্গে ১৬১ :রাঢ়ীয় কুলপঞ্জী মিশ্র কৃত ১৩৭ :রাঢ়ীয় কুলমঞ্জরী ১৩৬, ১৩৭, ১৩৮, ২৬৯ :রাঁচি জেলা ২৯ :রাঢ়ের ঘোষ বংশ ৩০৮ :রুদ্রদাম ৫৪, ৬৮ :রুদ্রদেব ৪৯ :রুদ্রমান ৩০০, ৩০২ :রুদ্রশিখর ২৮৩, ২৮৯ :রুদ্রসিংহ, মহাক্ষত্রপ ৫৪, ৫৭ :রুদ্রসেন ৮৯ :রুশিয়াদেশ ৯০ :রূদোক ২০১ :রেবানদী ২০৪, ২১৩ :রেড্ডি ১৪৫<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> g6u3byt8al0lzpmxk1eze5l6wvfi0k7 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪১৯ 104 298805 1991270 1935039 2026-07-30T16:26:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991270 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:রোট্ট জয়বৃদ্ধি ৬৮ :রোট্ট সিদ্ধিবৃদ্ধি ৬৮ :রোমক সাম্রাজ্য ৬৩ :রোহ্‌টসগড়ের শিলালিপি ১০০, ১০৪ :রোহতক জেলা ৩৩৮ :রোহিত গিরি বা রোহিতাশ্ব ২৩৩ :রোহিতাশ্ব দুর্গ (রোহ্‌টস গড়) ৩৪৫, ৩৪৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ল}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :লক্ষা মণ্ডলের শিলালিপি ২৭৫ :লক্ষ্মণসেন ৬১, ৬৩, ১৫৫, ২৫৫, ৩৩১, ৩৩৩, ৩৩৫, ২৯৩, ৩০৮, ৩২০, ৩২২, ৩২৩, ৩২৫, ৩২৫ টীকা, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩২, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৪, ৩৫৬, ৩৫৭, ৩৫৮ :লক্ষ্মণসংবত ৩২৮ :লক্ষ্মণ সেন স্থাপিত জয়স্তম্ভ, বারাণসীতে ও প্রয়াগে ৩২৫ :লক্ষ্মণ সেনের মাতা রামদেবী ৩২৩ :লক্ষ্মণ সেনের রাজ্যকালের চণ্ডীমূর্ত্তি ৩২৭ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন ৩০৮, ৩২৬, ৩২৭, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন আনুলিয়ায় আবিষ্কৃত ৩২৬, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, গোবিন্দপুরে আবিষ্কৃত ৩২৭, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, তর্পণদীঘিতে আবিষ্কৃত ৩২৬, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, মাধাইনগরে আবিষ্কৃত ৩২৫, ৩২৬ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, সুন্দরবনে আবিষ্কৃত ৩২৭ :লক্ষ্মণ সেনের রাজ্যাভিষেককালে প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্মণাব্দ ৩২৬ :লক্ষ্মণ সেনের রাজ্যে সাহিত্য চর্চ্চা ৩০৮ :লক্ষ্মণাবতী ২৯২, ৩৫৬, ৩৪৭ :লক্ষ্মণাব্দ ৩০৮, ৩২৬, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩৫, ৩৪৭, ৩৪৮ :লক্ষ্মীধর দেবশর্ম্মা ৩২২ :লক্ষ্মীবতী ১২২ :লক্ষ্মীশূর ২৬৭, ২৮৩, ২৮৮ :লক্ষ্ণৌ চিত্রশালা ৫০ :লক্ষ্ণৌতি ২৯২ :লজ্জাদেবী ২০১, ২২০, ২২২ :লতহচন্দ্র ৫১ টীকা :ললিতাদিত্য মুক্তাপীড় ১৩০, ১৪১, ১৩২ :লল্লীয় ২৫৪ :লবক (Sir John {{SIC|Lubbck|Lubbock}}, Lord {{SIC|Aveleuory|Avebury}}) ৫ :লবণ সমুদ্র ১৫৭ :লবঙ্গসিকা ৮১ :লহরচন্দ্র ৫১ টীকা :লসং ৩২৮ :লীকলোঙ্ ২৭ :লাটদেশ ১৪০, ১৯৮ :লাটদেশীয় দস্যুগণ ১৪০ :লালোর ২৬৮ :লিঅক কুশলক ৩৬ :লিচ্ছবিরাজ দুহিতা ৪৯ :লিচ্ছবি রাজবংশ ৪৮, ১২২ :লিবুরবেলীর মুদ্রা ২২ :লুডার্স, এইচ (H. Luedars) ৪০ :লেলিয়া গ্রাম ২৩৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> r46u0eeusipmc8bvsbxzc21pewfx44h 1991303 1991270 2026-07-30T16:27:58Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674440 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:রোট্ট জয়বৃদ্ধি ৬৮ :রোট্ট সিদ্ধিবৃদ্ধি ৬৮ :রোমক সাম্রাজ্য ৬৩ :রোহ্‌টসগড়ের শিলালিপি ১০০, ১০৪ :রোহতক জেলা ৩৩৮ :রোহিত গিরি বা রোহিতাশ্ব ২৩৩ :রোহিতাশ্ব দুর্গ (রোহ্‌টস গড়) ৩৪৫, ৩৪৬ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ল}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :লক্ষা মণ্ডলের শিলালিপি ২৭৫ :লক্ষ্মণসেন ৬১, ৬৩, ১৫৫, ২৫৫, ৩৩১, ৩৩৩, ৩৩৫, ২৯৩, ৩০৮, ৩২০, ৩২২, ৩২৩, ৩২৫, ৩২৫ টীকা, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩২, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৪, ৩৫৬, ৩৫৭, ৩৫৮ :লক্ষ্মণসংবত ৩২৮ :লক্ষ্মণ সেন স্থাপিত জয়স্তম্ভ, বারাণসীতে ও প্রয়াগে ৩২৫ :লক্ষ্মণ সেনের মাতা রামদেবী ৩২৩ :লক্ষ্মণ সেনের রাজ্যকালের চণ্ডীমূর্ত্তি ৩২৭ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন ৩০৮, ৩২৬, ৩২৭, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন আনুলিয়ায় আবিষ্কৃত ৩২৬, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, গোবিন্দপুরে আবিষ্কৃত ৩২৭, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, তর্পণদীঘিতে আবিষ্কৃত ৩২৬, ৩৩৫ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, মাধাইনগরে আবিষ্কৃত ৩২৫, ৩২৬ :লক্ষ্মণ সেনের তাম্রশাসন, সুন্দরবনে আবিষ্কৃত ৩২৭ :লক্ষ্মণ সেনের রাজ্যাভিষেককালে প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্মণাব্দ ৩২৬ :লক্ষ্মণ সেনের রাজ্যে সাহিত্য চর্চ্চা ৩০৮ :লক্ষ্মণাবতী ২৯২, ৩৫৬, ৩৪৭ :লক্ষ্মণাব্দ ৩০৮, ৩২৬, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩৫, ৩৪৭, ৩৪৮ :লক্ষ্মীধর দেবশর্ম্মা ৩২২ :লক্ষ্মীবতী ১২২ :লক্ষ্মীশূর ২৬৭, ২৮৩, ২৮৮ :লক্ষ্ণৌ চিত্রশালা ৫০ :লক্ষ্ণৌতি ২৯২ :লজ্জাদেবী ২০১, ২২০, ২২২ :লতহচন্দ্র ৫১ টীকা :ললিতাদিত্য মুক্তাপীড় ১৩০, ১৪১, ১৩২ :লল্লীয় ২৫৪ :লবক (Sir John {{SIC|Lubbck|Lubbock}}, Lord {{SIC|Aveleuory|Avebury}}) ৫ :লবণ সমুদ্র ১৫৭ :লবঙ্গসিকা ৮১ :লহরচন্দ্র ৫১ টীকা :লসং ৩২৮ :লীকলোঙ্ ২৭ :লাটদেশ ১৪০, ১৯৮ :লাটদেশীয় দস্যুগণ ১৪০ :লালোর ২৬৮ :লিঅক কুশলক ৩৬ :লিচ্ছবিরাজ দুহিতা ৪৯ :লিচ্ছবি রাজবংশ ৪৮, ১২২ :লিবুরবেলীর মুদ্রা ২২ :লুডার্স, এইচ (H. Luedars) ৪০ :লেলিয়া গ্রাম ২৩৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> giiw45cykoorj5npjldvu0ipbj1nc67 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২০ 104 298806 1991271 1935038 2026-07-30T16:26:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991271 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:লেভী, এস্‌ (S. {{SIC|Lavi|Lévi}}) ১২৫, ১২৯, ১৩০ :লোকদত্ত ২৪৪ :লোকনাথের তাম্রশাসন ৩০৫ :লোমশঋষি গুহার শিলালিপি ৯৮ :লোহর বংশ ২৫৫ :লৌকিক ন্যায় সংগ্রহ রঘুনাথ বর্ম্মাকৃত ১৭২ :লৌহনির্ম্মিত অস্ত্র ১৫ :লৌহিত্য ৩২, ৮৩, ৯৯, ৮৩, ৯৯ :লৌহের যুগ ১১ :লৌহের ব্যবহার ১২, ১৩, ১৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ব}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :বক্রদন্ত যুক্ত ভল্ল, ১১ :বগধ মগধের প্রাচীন নাম ১৮ :বগুড়া জেলা ৩৮, ১১৮, ২৭৪, ২৯৯, ৩০০ :বঙ্গ (উত্তর) ১০৪, ২৬৪, ২৭৭, ২৮১ :বঙ্গ, ১৯, ২৩, ২৮, ৩০, ৩১, ৩৫, ৩৬, ৫১, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৬৫, ৮৪, ৮৫, ১০০, ১০৬, ১১০, ১১৮, ১৩৯, ১৪৮, ১৫৬, ১৫৯, ১৬০, ১৬২, ১৬৩, ১৬৬, ১৭০, ১৭৩, ১৭৫, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৮৮, ২০৫, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২২, ২৩৩, ২৫৫, ২৫৭, ২৫৮, ২৬২, ২৬৫, ২৬৭, ২৭৫, ২৭৭, ২৮৮, ৩১২, ৩১৭, ৩৫৫, ৩৫৬ :বঙ্গ ঐতরেয় আরণ্যকে ১৯ :বঙ্গদেশ ৭, ৪০, ৪১, ৪৫, ৪৮, ৭০, ১১২, ১১৯, ১২৯, ২৩২, ২৩৬, ২৩৯, ২৪৭, ২৪৯, ২৯৪, ৩৫৮ :বঙ্গদেশ, ঐতরেয় আরণ্যকে উল্লেখ ১৮ :বঙ্গদেশীয় গণের সহিত দ্রাবিড় জাতির সম্বন্ধ ২৬ :বঙ্গদেশীয় নাগপূজক জাতির তামিলকম দেশে গমন ২৬ :বঙ্গদেশীয় রাজগণ ২৬ :বঙ্গদেশের দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্ত, ৬ :বঙ্গ ও মগধের উল্লেখ, ১৩ :বঙ্গরাজ ৩০৩ :বঙ্গরাজ্য, ২৪১ :বঙ্গ, বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে ২৪ :বঙ্গবাসিগণ সম্বন্ধে নৃতত্ত্ববিদগণের মত ২৩ :বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, ৪৯, ৫৯, ১৩৩ :বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের চিত্রশালা ৫১ টীকা, ৫৭, ৬৭, ২২৫, ৩২৬ :বঙ্গীয় সাহিতা পরিষদ পত্রিকা ৮৫, ১৩৩ টীকা :বঙ্গে আবিষ্কৃত কুষাণ বংশীয় রাজগণের মুদ্রা ৩৮ :বঙ্গে আর্য্য সভ্যতার প্রচার ২৪ :বঙ্গে বৈদিক ব্রাহ্মণগণের আগমন ১৬১ :বঙ্গে মাৎস্যন্যায় ১৭১, ১৭২ :বঙ্গের খড়্গ রাজ বংশ, ২৩৫ :বঙ্গের আদিম অধিবাসী দ্রাবিড় জাতি ২৩ :বঙ্গের খড়্গবংশীয় রাজগণ ১৬৪, ১৬৫, ১৬৬ :বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস, ব্রাহ্মণকাণ্ড ১৩৮ :বঙ্গের পাল রাজগণ ১৬৪ টীকা, ১৬৬, ২১৭, ২২০, ২২২, ২৬৯, ২৭৪, ২৭৬, ২৮৬ :বঙ্গের পাল রাজবংশ ১৬৩, ১৭১, ১৭৮, ১৭৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> dcejpnk646t12cqvy691qhjo5rq5g80 1991302 1991271 2026-07-30T16:27:57Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674444 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:লেভী, এস্‌ (S. {{SIC|Lavi|Lévi}}) ১২৫, ১২৯, ১৩০ :লোকদত্ত ২৪৪ :লোকনাথের তাম্রশাসন ৩০৫ :লোমশঋষি গুহার শিলালিপি ৯৮ :লোহর বংশ ২৫৫ :লৌকিক ন্যায় সংগ্রহ রঘুনাথ বর্ম্মাকৃত ১৭২ :লৌহনির্ম্মিত অস্ত্র ১৫ :লৌহিত্য ৩২, ৮৩, ৯৯, ৮৩, ৯৯ :লৌহের যুগ ১১ :লৌহের ব্যবহার ১২, ১৩, ১৫ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ব}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :বক্রদন্ত যুক্ত ভল্ল, ১১ :বগধ মগধের প্রাচীন নাম ১৮ :বগুড়া জেলা ৩৮, ১১৮, ২৭৪, ২৯৯, ৩০০ :বঙ্গ (উত্তর) ১০৪, ২৬৪, ২৭৭, ২৮১ :বঙ্গ, ১৯, ২৩, ২৮, ৩০, ৩১, ৩৫, ৩৬, ৫১, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৬৫, ৮৪, ৮৫, ১০০, ১০৬, ১১০, ১১৮, ১৩৯, ১৪৮, ১৫৬, ১৫৯, ১৬০, ১৬২, ১৬৩, ১৬৬, ১৭০, ১৭৩, ১৭৫, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ১৮৮, ২০৫, ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৯, ২২২, ২৩৩, ২৫৫, ২৫৭, ২৫৮, ২৬২, ২৬৫, ২৬৭, ২৭৫, ২৭৭, ২৮৮, ৩১২, ৩১৭, ৩৫৫, ৩৫৬ :বঙ্গ ঐতরেয় আরণ্যকে ১৯ :বঙ্গদেশ ৭, ৪০, ৪১, ৪৫, ৪৮, ৭০, ১১২, ১১৯, ১২৯, ২৩২, ২৩৬, ২৩৯, ২৪৭, ২৪৯, ২৯৪, ৩৫৮ :বঙ্গদেশ, ঐতরেয় আরণ্যকে উল্লেখ ১৮ :বঙ্গদেশীয় গণের সহিত দ্রাবিড় জাতির সম্বন্ধ ২৬ :বঙ্গদেশীয় নাগপূজক জাতির তামিলকম দেশে গমন ২৬ :বঙ্গদেশীয় রাজগণ ২৬ :বঙ্গদেশের দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্ত, ৬ :বঙ্গ ও মগধের উল্লেখ, ১৩ :বঙ্গরাজ ৩০৩ :বঙ্গরাজ্য, ২৪১ :বঙ্গ, বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে ২৪ :বঙ্গবাসিগণ সম্বন্ধে নৃতত্ত্ববিদগণের মত ২৩ :বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, ৪৯, ৫৯, ১৩৩ :বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের চিত্রশালা ৫১ টীকা, ৫৭, ৬৭, ২২৫, ৩২৬ :বঙ্গীয় সাহিতা পরিষদ পত্রিকা ৮৫, ১৩৩ টীকা :বঙ্গে আবিষ্কৃত কুষাণ বংশীয় রাজগণের মুদ্রা ৩৮ :বঙ্গে আর্য্য সভ্যতার প্রচার ২৪ :বঙ্গে বৈদিক ব্রাহ্মণগণের আগমন ১৬১ :বঙ্গে মাৎস্যন্যায় ১৭১, ১৭২ :বঙ্গের খড়্গ রাজ বংশ, ২৩৫ :বঙ্গের আদিম অধিবাসী দ্রাবিড় জাতি ২৩ :বঙ্গের খড়্গবংশীয় রাজগণ ১৬৪, ১৬৫, ১৬৬ :বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস, ব্রাহ্মণকাণ্ড ১৩৮ :বঙ্গের পাল রাজগণ ১৬৪ টীকা, ১৬৬, ২১৭, ২২০, ২২২, ২৬৯, ২৭৪, ২৭৬, ২৮৬ :বঙ্গের পাল রাজবংশ ১৬৩, ১৭১, ১৭৮, ১৭৯<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> edn62hr3y9vz34ri8cyzdk5evn1e2o0 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২১ 104 298807 1991272 1935037 2026-07-30T16:26:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991272 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বঙ্গের পাল রাজগণের খোদিত লিপি ১৭১ :বঙ্গের পালরাজবংশের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮, ১৭০ :বঙ্গের পাল রাজগণের জাতি নির্ণয় ১৭০ :বঙ্গের পালরাজগণের তাম্রশাসন ১৬৬, ১৬৭, ১৬৯ :বঙ্গের যাদব বংশ ৩০৭ :বঙ্গে রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণগণের আগমন ২৭১ :বঙ্গে রাঢ়ীয় ও বারেন্দ্র ব্রাহ্মণগণের আগমন ১৬১ :বঙ্গে ব্রাহ্মণ আগমন, ২৭৩ :বঙ্গে সাগ্নিক ব্রাহ্মণ অগমনের কাল ১৩৮ :বজ্জিদেশ, ১১৪ :বজ্রপানি (বৈদ্য) ২৬২ :বজ্রবর্ম্মা ২৭৬, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭ :বজ্রাসন ৩৫, ২৬১, ৩৩২ :বজ্রাসন, বুদ্ধ গয়ার ৩৭ :বজ্রায়ুধ ১৩২ :বটু দাস ৩২৭, ৩৩৫ :বটু ভট্ট রচিত কুল গ্রন্থ (দেববংশ) ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬ :বটেশ ২৬৪ :বটেশ মন্দির ৩০০ :বটেশ্বর স্বামী শর্ম্মা ৩১৩ :বডথি গুহার শিলালিপি ৯৯ :বড্ডিগ (অমোঘবর্ষ, ৩য়) ২০০ :বন্দ্য, ২৮৭ :বন্ধুবর্ম্মা ৬৭ :বন্ধুবর্ম্মার শিলালিপি ৪৭ :বন্ধু মিত্র সার্থবাহ, ৬১, ৬২ :বন-লাঙ্ ২৭ :বপ্প, ৯৫ :বপ্যট ১৫১, ১৬৩, ১৭১ :বরণা ৩৪২, ৩৪৩ :বরহুত গ্রামের স্তূপ, ৩৫ টীকা, :বরাবর পাহাড় ৪৫ :বরাহ গুপ্ত, ২৩৩ :বরাহদেব শর্ম্মা ৩২২ :বরাহভূম পরগণা, ৩ :বরাহ স্বামী, ৫৯ :বরুণ, ১৪ :বরুণ বিষ্ণু, ৮২ :বরুণিকা, ({{SIC|দেওবনারফ|দেওবরনার্ক}}) ১১৮ :বরেন্দ্র ৩১, ১৫৭ :বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি ১৩৬, ১৩৭, ৩০৫ :বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির চিত্রশালা, ৬০, ১৯৯, ২৭৪ :বরেন্দ্র ভূমি ৬১, ১৩৫, ২৭৪, ২৭৭, ২৮৬, ২৯১, ৩০৫, ৩১২, ৩১৭ :বরেন্দ্র মণ্ডল ৩২৬, ৩২৭ :বরেন্দ্রী ২৩৯, ২৪২, ২৪৪, ২৮১, (টীকা), ২৮৩, ৩১২, ৩২৩ :বরেন্দ্রী বা বরেন্দ্র ভূমি ১৭৪ :বরোদা ১৪৮ :বরোদার চিত্রশালা ১৮২ :বল (V. Ball) ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ :বলভীর ধরসেন ৬৯ :বলভীরাজ্য ১৪১ :বলবর্ম্মা ৪৯, ১২৩, ১৯১, ২০৯, ৩৩৩ :বলবর্ম্মার তাম্রশাসন ১৮৯, ১৯০ :বল্লভরাজ (কৃষ্ণ ২য়) ২২৮ :বল্লভরাজ ৩০৭ :বল্লভদেব ৩১৭ :বল্লভা ১৬৮, ১৬৯ :বল্লাল সেন ১৫৮, ১৬১, ২৬৮, ৩০৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২১, ৩২২, ৩২৩, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩৩, ৩৩৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> k0nvrmt35eqbuoc0cws6r52id899h67 1991301 1991272 2026-07-30T16:27:55Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874497 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বঙ্গের পাল রাজগণের খোদিত লিপি ১৭১ :বঙ্গের পালরাজবংশের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮, ১৭০ :বঙ্গের পাল রাজগণের জাতি নির্ণয় ১৭০ :বঙ্গের পালরাজগণের তাম্রশাসন ১৬৬, ১৬৭, ১৬৯ :বঙ্গের যাদব বংশ ৩০৭ :বঙ্গে রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণগণের আগমন ২৭১ :বঙ্গে রাঢ়ীয় ও বারেন্দ্র ব্রাহ্মণগণের আগমন ১৬১ :বঙ্গে ব্রাহ্মণ আগমন, ২৭৩ :বঙ্গে সাগ্নিক ব্রাহ্মণ অগমনের কাল ১৩৮ :বজ্জিদেশ, ১১৪ :বজ্রপানি (বৈদ্য) ২৬২ :বজ্রবর্ম্মা ২৭৬, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭ :বজ্রাসন ৩৫, ২৬১, ৩৩২ :বজ্রাসন, বুদ্ধ গয়ার ৩৭ :বজ্রায়ুধ ১৩২ :বটু দাস ৩২৭, ৩৩৫ :বটু ভট্ট রচিত কুল গ্রন্থ (দেববংশ) ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬ :বটেশ ২৬৪ :বটেশ মন্দির ৩০০ :বটেশ্বর স্বামী শর্ম্মা ৩১৩ :বডথি গুহার শিলালিপি ৯৯ :বড্ডিগ (অমোঘবর্ষ, ৩য়) ২০০ :বন্দ্য, ২৮৭ :বন্ধুবর্ম্মা ৬৭ :বন্ধুবর্ম্মার শিলালিপি ৪৭ :বন্ধু মিত্র সার্থবাহ, ৬১, ৬২ :বন-লাঙ্ ২৭ :বপ্প, ৯৫ :বপ্যট ১৫১, ১৬৩, ১৭১ :বরণা ৩৪২, ৩৪৩ :বরহুত গ্রামের স্তূপ, ৩৫ টীকা, :বরাবর পাহাড় ৪৫ :বরাহ গুপ্ত, ২৩৩ :বরাহদেব শর্ম্মা ৩২২ :বরাহভূম পরগণা, ৩ :বরাহ স্বামী, ৫৯ :বরুণ, ১৪ :বরুণ বিষ্ণু, ৮২ :বরুণিকা, ({{SIC|দেওবনারফ|দেওবরনার্ক}}) ১১৮ :বরেন্দ্র ৩১, ১৫৭ :বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি ১৩৬, ১৩৭, ৩০৫ :বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির চিত্রশালা, ৬০, ১৯৯, ২৭৪ :বরেন্দ্র ভূমি ৬১, ১৩৫, ২৭৪, ২৭৭, ২৮৬, ২৯১, ৩০৫, ৩১২, ৩১৭ :বরেন্দ্র মণ্ডল ৩২৬, ৩২৭ :বরেন্দ্রী ২৩৯, ২৪২, ২৪৪, ২৮১, (টীকা), ২৮৩, ৩১২, ৩২৩ :বরেন্দ্রী বা বরেন্দ্র ভূমি ১৭৪ :বরোদা ১৪৮ :বরোদার চিত্রশালা ১৮২ :বল (V. Ball) ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ :বলভীর ধরসেন ৬৯ :বলভীরাজ্য ১৪১ :বলবর্ম্মা ৪৯, ১২৩, ১৯১, ২০৯, ৩৩৩ :বলবর্ম্মার তাম্রশাসন ১৮৯, ১৯০ :বল্লভরাজ (কৃষ্ণ ২য়) ২২৮ :বল্লভরাজ ৩০৭ :বল্লভদেব ৩১৭ :বল্লভা ১৬৮, ১৬৯ :বল্লাল সেন ১৫৮, ১৬১, ২৬৮, ৩০৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২১, ৩২২, ৩২৩, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩৩, ৩৩৬<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> ng14jvgjsy132g0xprh5ozubaqvdje1 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২২ 104 298808 1991273 1935036 2026-07-30T16:26:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991273 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বল্লাল সেনের তাম্রশাসন সীতাহাটীতে আবিষ্কৃত ৩০৮, ৩১৪, ৩১৬ :বল্লাল সেনের মাতা বিলাস দেবী ৩২২ :বর্ষা ৪ :বসন্ত পাল ২০২, ২৫৩, ২৫৭ :বসন্তরঞ্জন রায় ২২৫, টীকা :বসাঢ় ১১৩ :বসির হাট মহকুমা ৩৩ :বহরমপুর ১০৪ :বহসতিমিত (বৃহস্পতিমিত্র) ৪৪ :বহ্বাধুনিক ২, ৩ :বড়ইগ্রাম ৫৯ :বড়গাঁও গ্রাম ২০৮, ৩৩২ :বড়পিলা ৩৪৬ :বড়বাঁকি জেলা ৯৩, ১২৪ :বক্ষুনদী ৩৩ :বৎসদেবী ৭৩, ১২২, ১২৮ :বৎসদেশ ১৮২ :বৎস পাল স্বামী (বিনিযুক্ত) ৯৬ :বৎস রাজ ১২৭, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৮, ১৪৯, ১৫০, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮১, ১৮৩, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৪, ২০১, ২৫৪, ২৫৬ :বৎস রাজের উত্তরাপথ আক্রমণ ১৪৪ :বৎস রাজ গুর্জ্জর রাজ ১৭৩ :বৎস রাজ, গুর্জ্জর প্রতীহার বংশীয়, ১৪৭ :বংশীবদন বিদ্যারত্ন ২৭১ :বংশীবিদ্যারত্ন ঘটকের সংগৃহীত কুলপঞ্জিকা ১৩৪, ১৩৮ :বর্দ্ধন ৩০৮, ৩১৭ :বর্দ্ধমান জেলা ৪৯, ৬৭, ৩২২ :বর্দ্ধমান ভুক্তি ৩২২, ৩৩৫ :বর্দ্ধমান মহাবীর তীর্থঙ্কর ২৯, ২৯ টীকা, ৩৪ :বর্ম্মবংশীয় রাজগণ, ২৭৫, ২৯৪, ৩০৫ :বাউকের শিলালিপি, ২২৩ :বাক্‌পতিরাজ ১ম ১৮৪ :বাকপতিরাজ প্রণীত গাউডবহো ১২৯ :বাক্‌পাল ১৯৪, ২০১, ২১০, ২১৫, ২১৬, ২১৮, ২১৯ :বাক্‌লা (সরকার), ২৩৬ :বাকাটক (বংশ) ৮৭ :বাগড়ী ২৮৮ :বাঘাউরা গ্রাম ২৪৪ :বাঘৌরাগ্রামে আবিষ্কৃত বিষ্ণুমূর্ত্তি ৫১ টীকা :বাঙ্গালা ৭ :বাঙ্গালাদেশ ৯২, ৯৪ :বাঙ্গালার আদিম অধিবাসী ১৩ :বাদালের শিলাস্তম্ভলিপি ২০৪, ২০৫ :বামন ভট্ট ২৫৭ :বামনভটের “কাব্যালঙ্কার সূত্র বৃত্তি” গ্রন্থ ৬৪ :বামন শিবরাম আপ্তে ২৭২ :বারিগ্রাম ৭৯ :বারকমণ্ডল ৯৫, ৯৬, ৯৭ :বারাকপুরে আবিষ্কৃত বিজয় সেনের তাম্রশাসন ৩০৮ :বারাগুণ্ডা তামার খনি ১১ :বারাণসী ৩৬, ৭২, ৭৭, ৭৮, ৮৫, ১১৩, ২৪০, ২৫৩, ২৫৬, ২৫৮, ২৬৩, ৩২৫, ৩৪২, ৩৪৩ :বারাণসীতে প্রতিষ্ঠিত বোধি{{SIC|স্বত্ব|সত্ত্ব}} মূর্ত্তি ৩৯ :বারাণসীতে মহীপালের কীর্ত্তি ২৩৭ :বারাণসীর তাম্রশাসন (কর্ণদেবের) ২২৮ :বাঙ্গালীর জাতি সম্বন্ধে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মত ২৫ :বাচস্পতি মিশ্র ২৬৯, ২৭০ :বাজুহা (সরকার) ২৯০, ৩০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> dl6gytxpiqp1o7em3vyxao54onv5c78 1991300 1991273 2026-07-30T16:27:54Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874498 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বল্লাল সেনের তাম্রশাসন সীতাহাটীতে আবিষ্কৃত ৩০৮, ৩১৪, ৩১৬ :বল্লাল সেনের মাতা বিলাস দেবী ৩২২ :বর্ষা ৪ :বসন্ত পাল ২০২, ২৫৩, ২৫৭ :বসন্তরঞ্জন রায় ২২৫, টীকা :বসাঢ় ১১৩ :বসির হাট মহকুমা ৩৩ :বহরমপুর ১০৪ :বহসতিমিত (বৃহস্পতিমিত্র) ৪৪ :বহ্বাধুনিক ২, ৩ :বড়ইগ্রাম ৫৯ :বড়গাঁও গ্রাম ২০৮, ৩৩২ :বড়পিলা ৩৪৬ :বড়বাঁকি জেলা ৯৩, ১২৪ :বক্ষুনদী ৩৩ :বৎসদেবী ৭৩, ১২২, ১২৮ :বৎসদেশ ১৮২ :বৎস পাল স্বামী (বিনিযুক্ত) ৯৬ :বৎস রাজ ১২৭, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৮, ১৪৯, ১৫০, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৮১, ১৮৩, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৪, ২০১, ২৫৪, ২৫৬ :বৎস রাজের উত্তরাপথ আক্রমণ ১৪৪ :বৎস রাজ গুর্জ্জর রাজ ১৭৩ :বৎস রাজ, গুর্জ্জর প্রতীহার বংশীয়, ১৪৭ :বংশীবদন বিদ্যারত্ন ২৭১ :বংশীবিদ্যারত্ন ঘটকের সংগৃহীত কুলপঞ্জিকা ১৩৪, ১৩৮ :বর্দ্ধন ৩০৮, ৩১৭ :বর্দ্ধমান জেলা ৪৯, ৬৭, ৩২২ :বর্দ্ধমান ভুক্তি ৩২২, ৩৩৫ :বর্দ্ধমান মহাবীর তীর্থঙ্কর ২৯, ২৯ টীকা, ৩৪ :বর্ম্মবংশীয় রাজগণ, ২৭৫, ২৯৪, ৩০৫ :বাউকের শিলালিপি, ২২৩ :বাক্‌পতিরাজ ১ম ১৮৪ :বাকপতিরাজ প্রণীত গাউডবহো ১২৯ :বাক্‌পাল ১৯৪, ২০১, ২১০, ২১৫, ২১৬, ২১৮, ২১৯ :বাক্‌লা (সরকার), ২৩৬ :বাকাটক (বংশ) ৮৭ :বাগড়ী ২৮৮ :বাঘাউরা গ্রাম ২৪৪ :বাঘৌরাগ্রামে আবিষ্কৃত বিষ্ণুমূর্ত্তি ৫১ টীকা :বাঙ্গালা ৭ :বাঙ্গালাদেশ ৯২, ৯৪ :বাঙ্গালার আদিম অধিবাসী ১৩ :বাদালের শিলাস্তম্ভলিপি ২০৪, ২০৫ :বামন ভট্ট ২৫৭ :বামনভটের “কাব্যালঙ্কার সূত্র বৃত্তি” গ্রন্থ ৬৪ :বামন শিবরাম আপ্তে ২৭২ :বারিগ্রাম ৭৯ :বারকমণ্ডল ৯৫, ৯৬, ৯৭ :বারাকপুরে আবিষ্কৃত বিজয় সেনের তাম্রশাসন ৩০৮ :বারাগুণ্ডা তামার খনি ১১ :বারাণসী ৩৬, ৭২, ৭৭, ৭৮, ৮৫, ১১৩, ২৪০, ২৫৩, ২৫৬, ২৫৮, ২৬৩, ৩২৫, ৩৪২, ৩৪৩ :বারাণসীতে প্রতিষ্ঠিত বোধি{{SIC|স্বত্ব|সত্ত্ব}} মূর্ত্তি ৩৯ :বারাণসীতে মহীপালের কীর্ত্তি ২৩৭ :বারাণসীর তাম্রশাসন (কর্ণদেবের) ২২৮ :বাঙ্গালীর জাতি সম্বন্ধে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মত ২৫ :বাচস্পতি মিশ্র ২৬৯, ২৭০ :বাজুহা (সরকার) ২৯০, ৩০০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 2tkgpcc282n6vplgtw8lmmgp35yrg1m পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৩ 104 298809 1991274 1935035 2026-07-30T16:26:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991274 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বাণগড় ৬১, ২০৮ :বাণগড়ের তাম্রশাসন ২২৫, ২৩৭, ২৩৮, ২৫৭ :বাণগড়ের স্তম্ভলিপি ২৩৭, ২৪২, ২৪৪ :বাণভট্ট হর্ষচারিতকার ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৭, ১৪০ :বাতভোগ (সাধনিক) ৯৫ :বাতাপীপুর ১৪৭ :বাতাপীপুরের চালুক্যবংশ ১৬৬ :বাৎস্য গোত্র ৩২০, ৩৩৫ :বাদামী ১৪৭ :বারেন্দ্রক ৩১৯ :বারেন্দ্র কুলপঞ্জিকা ২৬৯, ২৭২ :বারেন্দ্র ব্রাহ্মণাগমন, বঙ্গে ১৬১ :বার্লিনের প্রাচ্যবিদ্যানুশীলন সমিতির গ্রন্থাগার ৩১৮ :বালপুত্র ২১০ :বালাম নৌকা ২৫ :বাল বলভী ২৮৩, ২৮৮ :বাল বলভী ভুজঙ্গ ২৮৮ :বালাঘাট জেলা ১১ :বালাদিত্য ৭৪, ২৪৬ :বালুচিস্থানে দ্রাবিড় জাতির উপনিবেশ স্থাপন ২৩ :বালুচিস্থানের ব্রহুই জাতি ১৯ :বাল্লাহট্টগ্রাম ৩২২, ৩৩৫ :বাবিরুষ (Babylon) ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২৫ :বাবিরুষ অধিকার দ্রাবিড়জাতি কর্ত্তৃক ২০ :বাবিরুষ কীলকলিপি মধ্য ভারতে আবিষ্কার ২৬ :বাবিরুষীয়গণের সহিত দ্রাবিড় জাতির সম্বন্ধ ২২ :বাবিরুষী&#x9df; দেবতা ও খোদিত লিপি ১৩ :বাবিরুষী&#2527; শবাধারের আবিষ্কার দক্ষিণাত্যে ২২ :বাবিরুষের গ্রন্থ লিখিবার প্রাচীন পদ্ধতি ২১ :বাবিরুষে দ্রাবিড়গণ ১৩, ২০ :বাবিরুষের আর্য্যরাজগণ ১৭ :বাবিরুষের পবন দেবতা আদাত ২১, ২২ :বাবিরুষের প্রাচীন মুদ্রা (Cylinder {{SIC|Seel|Seal}}) ২১ :বাবিরুষের প্রাচীন রাজবংশ ২২ :বাবিরুষের প্রাচীন সভ্যতা ২০ :বাসুদেব ২৬ :বাসুদেব, কাণ্ববংশীয় ৩৪ :বাসুদেব, ১ম, কুষান বংশীয় ৩৪, ৫৪ :বাসুদেব ১মের স্বর্ণমুদ্রা ৩৯ :বাসুদেব ২য় ও তৃতীয়ের স্বর্ণমুদ্রা ৩৯ :বাসুদেবপুর গ্রাম ১৫৩ :বাসুদেব শর্ম্মা ৩২২ :বাসুদেব স্বামী ৯৬ :বাহুপূজ্য তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :বাহুকধবল ১৯০, ১৯১ :বাহ্লীক ৩৩, ৩৬, ৪১, ৪৮, ২৫৪ :বাঁকীপুর ৪১, ৪৬ :বাঁশখেরা ১১৩ :বিক্রমপুর ৬৩, ১৫৭, ২৩৩, ২৬৩, ৩৫৫ :বিক্রমপুর উপকারিতা ৩২০ :বিক্রমপুর জয়স্কন্ধাবার ৩২৬, ৩৩৫ :বিক্রম রাজ ২৮৮ :বিক্রম শিলা ৩৩২, ৩৫২, ৩৫৪ :বিক্রম শিলা বিহার ২৩১ :বিক্রমাঙ্ক ৮৭ :বিক্রমাঙ্ক চরিত, বিহ্লনকৃত ২৬০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> kqkj86fnb5jsojyumzhd9kcs1m6xtav 1991299 1991274 2026-07-30T16:27:53Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674501 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বাণগড় ৬১, ২০৮ :বাণগড়ের তাম্রশাসন ২২৫, ২৩৭, ২৩৮, ২৫৭ :বাণগড়ের স্তম্ভলিপি ২৩৭, ২৪২, ২৪৪ :বাণভট্ট হর্ষচারিতকার ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৭, ১৪০ :বাতভোগ (সাধনিক) ৯৫ :বাতাপীপুর ১৪৭ :বাতাপীপুরের চালুক্যবংশ ১৬৬ :বাৎস্য গোত্র ৩২০, ৩৩৫ :বাদামী ১৪৭ :বারেন্দ্রক ৩১৯ :বারেন্দ্র কুলপঞ্জিকা ২৬৯, ২৭২ :বারেন্দ্র ব্রাহ্মণাগমন, বঙ্গে ১৬১ :বার্লিনের প্রাচ্যবিদ্যানুশীলন সমিতির গ্রন্থাগার ৩১৮ :বালপুত্র ২১০ :বালাম নৌকা ২৫ :বাল বলভী ২৮৩, ২৮৮ :বাল বলভী ভুজঙ্গ ২৮৮ :বালাঘাট জেলা ১১ :বালাদিত্য ৭৪, ২৪৬ :বালুচিস্থানে দ্রাবিড় জাতির উপনিবেশ স্থাপন ২৩ :বালুচিস্থানের ব্রহুই জাতি ১৯ :বাল্লাহট্টগ্রাম ৩২২, ৩৩৫ :বাবিরুষ (Babylon) ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২৫ :বাবিরুষ অধিকার দ্রাবিড়জাতি কর্ত্তৃক ২০ :বাবিরুষ কীলকলিপি মধ্য ভারতে আবিষ্কার ২৬ :বাবিরুষীয়গণের সহিত দ্রাবিড় জাতির সম্বন্ধ ২২ :বাবিরুষী&#x9df; দেবতা ও খোদিত লিপি ১৩ :বাবিরুষী&#2527; শবাধারের আবিষ্কার দক্ষিণাত্যে ২২ :বাবিরুষের গ্রন্থ লিখিবার প্রাচীন পদ্ধতি ২১ :বাবিরুষে দ্রাবিড়গণ ১৩, ২০ :বাবিরুষের আর্য্যরাজগণ ১৭ :বাবিরুষের পবন দেবতা আদাত ২১, ২২ :বাবিরুষের প্রাচীন মুদ্রা (Cylinder {{SIC|Seel|Seal}}) ২১ :বাবিরুষের প্রাচীন রাজবংশ ২২ :বাবিরুষের প্রাচীন সভ্যতা ২০ :বাসুদেব ২৬ :বাসুদেব, কাণ্ববংশীয় ৩৪ :বাসুদেব, ১ম, কুষান বংশীয় ৩৪, ৫৪ :বাসুদেব ১মের স্বর্ণমুদ্রা ৩৯ :বাসুদেব ২য় ও তৃতীয়ের স্বর্ণমুদ্রা ৩৯ :বাসুদেবপুর গ্রাম ১৫৩ :বাসুদেব শর্ম্মা ৩২২ :বাসুদেব স্বামী ৯৬ :বাহুপূজ্য তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :বাহুকধবল ১৯০, ১৯১ :বাহ্লীক ৩৩, ৩৬, ৪১, ৪৮, ২৫৪ :বাঁকীপুর ৪১, ৪৬ :বাঁশখেরা ১১৩ :বিক্রমপুর ৬৩, ১৫৭, ২৩৩, ২৬৩, ৩৫৫ :বিক্রমপুর উপকারিতা ৩২০ :বিক্রমপুর জয়স্কন্ধাবার ৩২৬, ৩৩৫ :বিক্রম রাজ ২৮৮ :বিক্রম শিলা ৩৩২, ৩৫২, ৩৫৪ :বিক্রম শিলা বিহার ২৩১ :বিক্রমাঙ্ক ৮৭ :বিক্রমাঙ্ক চরিত, বিহ্লনকৃত ২৬০<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> hqd3qmoo3didbkegb0bb2hgmeqba7ju পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৪ 104 298810 1991275 1935034 2026-07-30T16:26:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991275 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বিক্রমাদিত্য ৭৩, ৮৭ :বিক্রমাদিত্য (২য় চন্দ্রগুপ্ত) ৫২ :বিক্রমাদিত্য (চালুক্য) ২৬৩, ২৭৭ :বিক্রমাদিত্য ৫ম ২৫১ :বিগ্রহপালের সম্বন্ধ নির্ণয় ২০৩ :বিগ্রহ পাল (১ম) ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৬ টীকা, ২১৭, ২১৮, ২১৯, ২২০, ২২১, ২২২ :বিগ্রহ পাল (২য়) ২০২, ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৯, ২৪২, ২৪৫ :বিগ্রহ পাল (৩য়) ২০২, ২১৭, ২৩৭, ২৩৮, ২৬১, ২৬২, ২৬৩, ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬, ২৭৪, ২৭৬, ২৭৭, ২৭৮, ২৮৬, ২৯৬, ৩০০, ৩০৭ :বিগ্রহ পাল (৩য়) তাম্রশাসন ২১৬ :বিগ্রহ পাল তৃতীয়ের শিলালিপি ২৬৪ :বিজয় কর্ণ (রাণক) ৩৩৭, ৩৪৫ :বিজয় চন্দ্র ৩০৭, ৩৩৯, ৩৩৯ টীকা, ৩৪৫, ৩৪৬ :বিজয়চন্দ্র মজুমদার ২৭ :বিজয় নন্দী ৭৯ :বিজয় পাল ২০১ :বিজয় পালদেবে প্রতিহার বংশীয় ১৪২ :বিজয়রাজ (নিদ্রাবলের) ২৮৩, ২৯০ :বিজয়সিংহ কর্ত্তৃক সিংহল বিজয় ২৪, ২৫ :বিজয় সেন ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০, ২৭৩, {{SIC|২৭০|২৯০}}, ২৯৩, ৩০২, ৩০৮, ৩১০, ৩১২, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩৩ :বিজয় সেনের তাম্রশাসন ১৬১, ৩০৮, ৩১২, ৩১৭, ৩১৯ :বিজয়সেনের শিলালিপি, দেবপাড়ায় আবিষ্কৃত ৩০৮, ৩১৫, ৩১৬ :বিজাপুর জেলা ১৪০ :বিজ্ঞানবতী, ১২৩ :ব্রিটিশ মিউজিয়াম ৫৭, ৭৩, ৮০, ১১৯, ২২৭ টীকা :বিঠুর, ১১ :বিত্তপাল ২৯১, ২৯১ টীকা :বিদর্ভদেশের রাজগণ ১৮১ :বিদ্যাধর ২৫৬ :বিনয় (পিটক), ১১৪ :বিনয়সেন (পুস্তপালি) ৯৫ :বিনয়াদিত্য (জয়াপীড়) ১৩২, ১৩৩ :বিন্দুসার ৩১ :বিন্ধ্যপর্ব্বত, ১২৯, ১৮৪, ২০৩, ২০৪, ২০৫, ২০৬ :বিন্ধ্যমাণিক্য, ২৮৫ :বিম কদফিস, ৩৬ :বিমলনাথ তীর্থঙ্কার ২৯ টীকা :বিমল প্রভা ৩০৪ :বিলসড, ৫৮, ৮৮, :বিলহরির তাম্রশাসন, ২১৫ :বিলহরির শিলালিপি, ২২৮ :বিলাসদেবী ১৬১, ৩০৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২০ টীকা, ৩২২, ৩৩৩ :বিলাসপুর ২৪৮ :বিলাড়া জেলা ১৮৩ :বিলোলা, ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০ :বিশ্বকোষ কার্য্যালয় ৩৩৪ :বিশ্বরূপ দেবশর্ম্মা ২৯৪, ৩৫৫ :বিশ্ববর্ম্মার শিলালিপি ৪৭ :বিশ্বরূপ ২৬১ :বিশ্বরূপ সেন ১৫৭, ৩২০, ৩২৫, ৩৩৩, ৩৩৭, ৩৫৪ :বিশ্বরূপ সেনের তাম্রশাসন, মদন পাড়ে আবিষ্কৃত ৩৫৫ :বিশ্বাদিত্য ২৩৪, ৩০০, ৩০২<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 6etys7e0i5po2do5ddp8d0mpzqr4v57 1991298 1991275 2026-07-30T16:27:52Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874500 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বিক্রমাদিত্য ৭৩, ৮৭ :বিক্রমাদিত্য (২য় চন্দ্রগুপ্ত) ৫২ :বিক্রমাদিত্য (চালুক্য) ২৬৩, ২৭৭ :বিক্রমাদিত্য ৫ম ২৫১ :বিগ্রহপালের সম্বন্ধ নির্ণয় ২০৩ :বিগ্রহ পাল (১ম) ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৬ টীকা, ২১৭, ২১৮, ২১৯, ২২০, ২২১, ২২২ :বিগ্রহ পাল (২য়) ২০২, ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৯, ২৪২, ২৪৫ :বিগ্রহ পাল (৩য়) ২০২, ২১৭, ২৩৭, ২৩৮, ২৬১, ২৬২, ২৬৩, ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬, ২৭৪, ২৭৬, ২৭৭, ২৭৮, ২৮৬, ২৯৬, ৩০০, ৩০৭ :বিগ্রহ পাল (৩য়) তাম্রশাসন ২১৬ :বিগ্রহ পাল তৃতীয়ের শিলালিপি ২৬৪ :বিজয় কর্ণ (রাণক) ৩৩৭, ৩৪৫ :বিজয় চন্দ্র ৩০৭, ৩৩৯, ৩৩৯ টীকা, ৩৪৫, ৩৪৬ :বিজয়চন্দ্র মজুমদার ২৭ :বিজয় নন্দী ৭৯ :বিজয় পাল ২০১ :বিজয় পালদেবে প্রতিহার বংশীয় ১৪২ :বিজয়রাজ (নিদ্রাবলের) ২৮৩, ২৯০ :বিজয়সিংহ কর্ত্তৃক সিংহল বিজয় ২৪, ২৫ :বিজয় সেন ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০, ২৭৩, {{SIC|২৭০|২৯০}}, ২৯৩, ৩০২, ৩০৮, ৩১০, ৩১২, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩৩ :বিজয় সেনের তাম্রশাসন ১৬১, ৩০৮, ৩১২, ৩১৭, ৩১৯ :বিজয়সেনের শিলালিপি, দেবপাড়ায় আবিষ্কৃত ৩০৮, ৩১৫, ৩১৬ :বিজাপুর জেলা ১৪০ :বিজ্ঞানবতী, ১২৩ :ব্রিটিশ মিউজিয়াম ৫৭, ৭৩, ৮০, ১১৯, ২২৭ টীকা :বিঠুর, ১১ :বিত্তপাল ২৯১, ২৯১ টীকা :বিদর্ভদেশের রাজগণ ১৮১ :বিদ্যাধর ২৫৬ :বিনয় (পিটক), ১১৪ :বিনয়সেন (পুস্তপালি) ৯৫ :বিনয়াদিত্য (জয়াপীড়) ১৩২, ১৩৩ :বিন্দুসার ৩১ :বিন্ধ্যপর্ব্বত, ১২৯, ১৮৪, ২০৩, ২০৪, ২০৫, ২০৬ :বিন্ধ্যমাণিক্য, ২৮৫ :বিম কদফিস, ৩৬ :বিমলনাথ তীর্থঙ্কার ২৯ টীকা :বিমল প্রভা ৩০৪ :বিলসড, ৫৮, ৮৮, :বিলহরির তাম্রশাসন, ২১৫ :বিলহরির শিলালিপি, ২২৮ :বিলাসদেবী ১৬১, ৩০৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২০ টীকা, ৩২২, ৩৩৩ :বিলাসপুর ২৪৮ :বিলাড়া জেলা ১৮৩ :বিলোলা, ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০ :বিশ্বকোষ কার্য্যালয় ৩৩৪ :বিশ্বরূপ দেবশর্ম্মা ২৯৪, ৩৫৫ :বিশ্ববর্ম্মার শিলালিপি ৪৭ :বিশ্বরূপ ২৬১ :বিশ্বরূপ সেন ১৫৭, ৩২০, ৩২৫, ৩৩৩, ৩৩৭, ৩৫৪ :বিশ্বরূপ সেনের তাম্রশাসন, মদন পাড়ে আবিষ্কৃত ৩৫৫ :বিশ্বাদিত্য ২৩৪, ৩০০, ৩০২<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 2xgbt2p35epvr8cl1giex27st4rdd0y পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৫ 104 298811 1991276 1935033 2026-07-30T16:26:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991276 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বিশ্বামিত্র ২৩১, ২৬৪ :বিষ্ণু বা চক্রস্বামী ৪১ :বিষ্ণুগুপ্ত ৮৪, ১১৮ :বিষ্ণুগুপ্ত, (চন্দ্রাদিত্য) ৯০, ৯২, ১১৩ :বিষ্ণুগোপ ৫০ :বিষ্ণুদত্ত, পুস্তপাল ৭৯ :বিষ্ণুপদ মন্দির গয়া ২২৪ :বিষ্ণুপালিত ভট্ট ৫৬ :বিষ্ণুপুর ১২৪ :বিষ্ণুর দশাবতারের প্রস্তর মূর্ত্তি ২২৭ :বিহার, ১৮৮, ৩০৩, ৩২৪ :বিহার (উদ্দন্তপুর) ২৪৮, ৩৫২ :বিহার নগর ৩১৩, ২২১, ৩৩২ :বিহার নগরে আবিষ্কৃত বৌদ্ধমূর্ত্তি ২৬৪ :বিহার মহকুমা, ২১২ টীকা, ৩৪৭ :বিহ্লানের বিক্রমাঙ্ক চরিত ২৬০ :বীচিং (Capt Beeching), ৮৭ :বীতরাগ ২৭০, ২৭২ :বীর ৩০৮, ৩১৭, ৩১৮, ৩৩৩ :বীরগুণ ২৮৩, ২৮৭ :বীরদেব ২০৩, ২১১, ২১২, ২১৩ টীকা, ২৬৬ :বীরদেবের শিলালিপি, ২১৩ :বীরভূম জেলা ৭৫, ২৬৫ :বীর লাইব্রেরী ১৬৪ টীকা :বীরবর্ম্মার শিলালিপি ২৫৯ :বীরবাহু ৩৩৩ :বীরশ্রী, ২৭৬, ৩০২, ৩০৬, ৩০৭ :বীরসেন (শাব), ৫৩, ৫৬, ৩১৪, ৩৩৩ :বীরেন্দ্রনাথ বসু, ১২০ :বীসল দেব ৩৩৯ :বুচ্‌কলার শিলালিপি ১৮৩ :বুদ্ধগয়া, ৩৫, ৫৫, ১১০, ১১৪, ২২৬, ২৩০, ২৪৫, ৩৬১, ৩৩২, ৩৪৬, ৩৪৭ :বুদ্ধগয়ার ধ্বংসাবশেষ খনন, কোলার কর্ত্তৃক ৩৮, ৩৯ :বুদ্ধগয়ার মন্দির ৩৯ :বুদ্ধগয়ার মন্দির নির্ম্মাণ ৩৭ :বুদ্ধগয়ার মন্দির সংস্কার ৩৭ :বুদ্ধগয়ার বজ্রাসন ৩৭, ৩৮ :বুদ্ধগয়ার বোধিবৃক্ষ ছেদন, শশাঙ্ক কর্ত্তৃক ১০১ :বুদ্ধগয়ার শিলা{{SIC|পিলি|লিপি}} ৩২৬ :বুদ্ধ ঘোষ, মহাস্থবির ৩৭ :বুদ্ধদেব ২৬, ১১৩ :বুদ্ধ নির্ব্বাণাব্দ ৩৩১ :বুদ্ধ পুরাণ ৩০৫ :বুদ্ধমিত্র, ৬২ :বুদ্ধমূর্ত্তি {{SIC|সারণাক্ষের|সারনাথের}} ৭২ :বুদ্ধবরষ ১৮৪ :বুদ্ধসেন ৩৩১, ৩৩২ :বুদ্ধিষ্ট টেক্‌ষ্ট্ সোসাইটীর পত্রিকা ২৬১ :বুধগুপ্ত ৭৮, ৭৯, ৮১, ৮২, ৮৯, ৯৮ :বুধগুপ্তের রজতমুদ্রা ৮০ :বুধগুপ্তের রাজ্যের সীমা ৮১ :বুধগুপ্তের শিলালিপি ৭৬ :বুলার ({{SIC|Buchlers|Bühler}}), ৪০, ৮৯, ১০২, ২২৩, ৩০৩ :বুড়াডিহ, ৯ :বেগলার, জে ডি এম (J. D. M. Beglar) কর্ত্তৃক বুদ্ধগয়ার ধ্বংসাবশেষ খনন ৩৮, ৩৯ :বেঙ্গী, ৫০, ২০৫ :বেঙ্গীরাজ ১৮৪ :বেণ্ডল ({{SIC|Beeil|Cecil}} Bendall), ৮৬, ৩৫০ :বেতর গ্রাম ৩৩৫ :বেতড্ড চতুরষ্ক ৩৩৫ :বেত্রবর্ম্মা (কুমার সত্য), ৬১, ৬২<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 8s2lo7vwkgbkz7i16fzqryeitkjrw0e 1991297 1991276 2026-07-30T16:27:51Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1874501 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৷৷৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বিশ্বামিত্র ২৩১, ২৬৪ :বিষ্ণু বা চক্রস্বামী ৪১ :বিষ্ণুগুপ্ত ৮৪, ১১৮ :বিষ্ণুগুপ্ত, (চন্দ্রাদিত্য) ৯০, ৯২, ১১৩ :বিষ্ণুগোপ ৫০ :বিষ্ণুদত্ত, পুস্তপাল ৭৯ :বিষ্ণুপদ মন্দির গয়া ২২৪ :বিষ্ণুপালিত ভট্ট ৫৬ :বিষ্ণুপুর ১২৪ :বিষ্ণুর দশাবতারের প্রস্তর মূর্ত্তি ২২৭ :বিহার, ১৮৮, ৩০৩, ৩২৪ :বিহার (উদ্দন্তপুর) ২৪৮, ৩৫২ :বিহার নগর ৩১৩, ২২১, ৩৩২ :বিহার নগরে আবিষ্কৃত বৌদ্ধমূর্ত্তি ২৬৪ :বিহার মহকুমা, ২১২ টীকা, ৩৪৭ :বিহ্লানের বিক্রমাঙ্ক চরিত ২৬০ :বীচিং (Capt Beeching), ৮৭ :বীতরাগ ২৭০, ২৭২ :বীর ৩০৮, ৩১৭, ৩১৮, ৩৩৩ :বীরগুণ ২৮৩, ২৮৭ :বীরদেব ২০৩, ২১১, ২১২, ২১৩ টীকা, ২৬৬ :বীরদেবের শিলালিপি, ২১৩ :বীরভূম জেলা ৭৫, ২৬৫ :বীর লাইব্রেরী ১৬৪ টীকা :বীরবর্ম্মার শিলালিপি ২৫৯ :বীরবাহু ৩৩৩ :বীরশ্রী, ২৭৬, ৩০২, ৩০৬, ৩০৭ :বীরসেন (শাব), ৫৩, ৫৬, ৩১৪, ৩৩৩ :বীরেন্দ্রনাথ বসু, ১২০ :বীসল দেব ৩৩৯ :বুচ্‌কলার শিলালিপি ১৮৩ :বুদ্ধগয়া, ৩৫, ৫৫, ১১০, ১১৪, ২২৬, ২৩০, ২৪৫, ৩৬১, ৩৩২, ৩৪৬, ৩৪৭ :বুদ্ধগয়ার ধ্বংসাবশেষ খনন, কোলার কর্ত্তৃক ৩৮, ৩৯ :বুদ্ধগয়ার মন্দির ৩৯ :বুদ্ধগয়ার মন্দির নির্ম্মাণ ৩৭ :বুদ্ধগয়ার মন্দির সংস্কার ৩৭ :বুদ্ধগয়ার বজ্রাসন ৩৭, ৩৮ :বুদ্ধগয়ার বোধিবৃক্ষ ছেদন, শশাঙ্ক কর্ত্তৃক ১০১ :বুদ্ধগয়ার শিলা{{SIC|পিলি|লিপি}} ৩২৬ :বুদ্ধ ঘোষ, মহাস্থবির ৩৭ :বুদ্ধদেব ২৬, ১১৩ :বুদ্ধ নির্ব্বাণাব্দ ৩৩১ :বুদ্ধ পুরাণ ৩০৫ :বুদ্ধমিত্র, ৬২ :বুদ্ধমূর্ত্তি {{SIC|সারণাক্ষের|সারনাথের}} ৭২ :বুদ্ধবরষ ১৮৪ :বুদ্ধসেন ৩৩১, ৩৩২ :বুদ্ধিষ্ট টেক্‌ষ্ট্ সোসাইটীর পত্রিকা ২৬১ :বুধগুপ্ত ৭৮, ৭৯, ৮১, ৮২, ৮৯, ৯৮ :বুধগুপ্তের রজতমুদ্রা ৮০ :বুধগুপ্তের রাজ্যের সীমা ৮১ :বুধগুপ্তের শিলালিপি ৭৬ :বুলার ({{SIC|Buchlers|Bühler}}), ৪০, ৮৯, ১০২, ২২৩, ৩০৩ :বুড়াডিহ, ৯ :বেগলার, জে ডি এম (J. D. M. Beglar) কর্ত্তৃক বুদ্ধগয়ার ধ্বংসাবশেষ খনন ৩৮, ৩৯ :বেঙ্গী, ৫০, ২০৫ :বেঙ্গীরাজ ১৮৪ :বেণ্ডল ({{SIC|Beeil|Cecil}} Bendall), ৮৬, ৩৫০ :বেতর গ্রাম ৩৩৫ :বেতড্ড চতুরষ্ক ৩৩৫ :বেত্রবর্ম্মা (কুমার সত্য), ৬১, ৬২<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 14851xheenvn5eb3xad2otvuetjlpxg পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৬ 104 298812 1991277 1935032 2026-07-30T16:26:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991277 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বেলখরার স্তম্ভলিপি ৩৩৭, ৩৪৫, ৩৫০ :বেলহিষ্টী গ্রাম ৩২৬ :বেলাবা তাম্রশাসন ২৭৬, ৩০২ :বেলাবো ১৫৬, ১৫৮, ১৬০ :বেস্পসি, বা বেত্রসি, ৩৬ :বেড়াচাঁপা, ৩৩ :বোখারোর কয়লার খনি, ৭ :বোঠলিঙক (Bochtlingk) ১৭৩ :বোম্বাই প্রদেশ ১৪০, ১৪৭, ১৮৫, ১৯০, ১৯৪, ২৩২ :বোগ্‌দাদ ৩৫৪ :বোগাজকোই, ১৪ :বোধিদেব ২৯৬, ৩০৮ :বোধিবৃক্ষ, ৩৫, ৩৭ :বোধিবৃক্ষ ছেদন শশাঙ্ক কর্ত্তৃক ১০১ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি তুকমলের রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত ৪০ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি মথুরায় নির্ম্মিত ৩৮, ৩৯ :বোধিস্বত্বমূর্ত্তি, রক্তবর্ণ প্রস্তর নির্ম্মিত ৩৯ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি বারাণসীতে প্রতিষ্ঠিত ৩৯ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি শ্রাবস্তী ধ্বংসাবশেষ মধ্যে আবিষ্কৃত ৩৯ :বোপ্পট ২০১ :বৈদিক ব্রাহ্মণগণের বঙ্গে আগমন ১৬১ :বৈদিক সাহিত্য, ১৩ :বৈদ্যদেব, ২৯৮, ৩০৮, ৩০৯, ৩১০, ৩৪৩ :বৈদ্যদেবের কামরূপ জয় ৩০৮ :বৈদ্যদেবের তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯, ১৭০, ১৭৪, ৩০৪ :বৈদ্যনাথ দেবের মূল মন্দির, ১১৭ :বৈসালী, ২৯ টীকা, ৫৫, ৮৮, ৯০, ১১৩, ১১৪, ১২১ :বৃতু অযোধ্যাবাসী ৩৪৫ :বৃহচট্ট ৯৫ :বৃহদ্রথ, মৌর্য্য নরপতি ৩৪ :বৃহস্পতি মিত্র (বহসতিমিত) ৪৪ :ব্রঞ্জ (Bronze) ১০ :ব্রঞ্জের যুগ ১০ :ব্রাহুই জাতি ১৯, ২২, ২৩ :ব্রাহুই ভাষা ২২ :ব্রহ্মদত্ত উপরিক মহারাজ ৭৮ :ব্রহ্মদেশ ১২৪ :ব্রহ্মপুত্র (লৌহিত্য) ৯৯ :ব্রহ্মপুত্রতীর ৮৩, ৮৪ :ব্রহ্মমিত্র ৩৫ :ব্রাহ্মণগণের বঙ্গে আগমন, রাঢ়ীয় ২৭১ :ব্রাহ্মণগণের বঙ্গে আগমন, বৈদিক ১৬১ :ব্রাহ্মণডাঙ্গা নিবাসী বংশী বিদ্যারত্ন ১৩৪, ১৩৫ :ব্রাহ্মণাগমন, বঙ্গে রাঢ়ীয় ও বারেন্দ্র ১৬১, ২৭৩ :ব্রাহ্মণী গ্রাম ২৬৪ :ব্লক (T. {{SIC|Block|Bloch}}) ৩৫ টীকা, ৩৮, ২৪৩ :বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে বঙ্গ ২৪ :বৌদ্ধধর্ম্ম ২৯ :বৌদ্ধাচার্য্যগণ, মহীশাসন সম্প্রদায়ের ৬৮ :বৌধায়ণ ধর্ম্মসূত্রে কলিঙ্গে ২৪ :বৌধায়ণ ধর্ম্মসূত্রে সৌবীর ২৪ :{{SIC|ব্যাগ্র|ব্যাঘ্র}}তটী {{SIC|৩৬|৩২৬}}, ১৯৮, ২০৯ :ব্যাঘ্র রাজ ৫০ :ব্যাসদেব শর্ম্মা ৩৩৫ :ব্যোমকেশ মুস্তফী ৫৯, ১৩৩ :বিভুপাল নগরশ্রেষ্ঠী ৭৯, ১৩৩ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> s88rutskimpn0uwn8gh5015uzpevycr 1991296 1991277 2026-07-30T16:27:50Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674545 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:বেলখরার স্তম্ভলিপি ৩৩৭, ৩৪৫, ৩৫০ :বেলহিষ্টী গ্রাম ৩২৬ :বেলাবা তাম্রশাসন ২৭৬, ৩০২ :বেলাবো ১৫৬, ১৫৮, ১৬০ :বেস্পসি, বা বেত্রসি, ৩৬ :বেড়াচাঁপা, ৩৩ :বোখারোর কয়লার খনি, ৭ :বোঠলিঙক (Bochtlingk) ১৭৩ :বোম্বাই প্রদেশ ১৪০, ১৪৭, ১৮৫, ১৯০, ১৯৪, ২৩২ :বোগ্‌দাদ ৩৫৪ :বোগাজকোই, ১৪ :বোধিদেব ২৯৬, ৩০৮ :বোধিবৃক্ষ, ৩৫, ৩৭ :বোধিবৃক্ষ ছেদন শশাঙ্ক কর্ত্তৃক ১০১ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি তুকমলের রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত ৪০ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি মথুরায় নির্ম্মিত ৩৮, ৩৯ :বোধিস্বত্বমূর্ত্তি, রক্তবর্ণ প্রস্তর নির্ম্মিত ৩৯ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি বারাণসীতে প্রতিষ্ঠিত ৩৯ :বোধিস্বত্ব মূর্ত্তি শ্রাবস্তী ধ্বংসাবশেষ মধ্যে আবিষ্কৃত ৩৯ :বোপ্পট ২০১ :বৈদিক ব্রাহ্মণগণের বঙ্গে আগমন ১৬১ :বৈদিক সাহিত্য, ১৩ :বৈদ্যদেব, ২৯৮, ৩০৮, ৩০৯, ৩১০, ৩৪৩ :বৈদ্যদেবের কামরূপ জয় ৩০৮ :বৈদ্যদেবের তাম্রশাসন ১৬৩, ১৬৪, ১৬৯, ১৭০, ১৭৪, ৩০৪ :বৈদ্যনাথ দেবের মূল মন্দির, ১১৭ :বৈসালী, ২৯ টীকা, ৫৫, ৮৮, ৯০, ১১৩, ১১৪, ১২১ :বৃতু অযোধ্যাবাসী ৩৪৫ :বৃহচট্ট ৯৫ :বৃহদ্রথ, মৌর্য্য নরপতি ৩৪ :বৃহস্পতি মিত্র (বহসতিমিত) ৪৪ :ব্রঞ্জ (Bronze) ১০ :ব্রঞ্জের যুগ ১০ :ব্রাহুই জাতি ১৯, ২২, ২৩ :ব্রাহুই ভাষা ২২ :ব্রহ্মদত্ত উপরিক মহারাজ ৭৮ :ব্রহ্মদেশ ১২৪ :ব্রহ্মপুত্র (লৌহিত্য) ৯৯ :ব্রহ্মপুত্রতীর ৮৩, ৮৪ :ব্রহ্মমিত্র ৩৫ :ব্রাহ্মণগণের বঙ্গে আগমন, রাঢ়ীয় ২৭১ :ব্রাহ্মণগণের বঙ্গে আগমন, বৈদিক ১৬১ :ব্রাহ্মণডাঙ্গা নিবাসী বংশী বিদ্যারত্ন ১৩৪, ১৩৫ :ব্রাহ্মণাগমন, বঙ্গে রাঢ়ীয় ও বারেন্দ্র ১৬১, ২৭৩ :ব্রাহ্মণী গ্রাম ২৬৪ :ব্লক (T. {{SIC|Block|Bloch}}) ৩৫ টীকা, ৩৮, ২৪৩ :বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে বঙ্গ ২৪ :বৌদ্ধধর্ম্ম ২৯ :বৌদ্ধাচার্য্যগণ, মহীশাসন সম্প্রদায়ের ৬৮ :বৌধায়ণ ধর্ম্মসূত্রে কলিঙ্গে ২৪ :বৌধায়ণ ধর্ম্মসূত্রে সৌবীর ২৪ :{{SIC|ব্যাগ্র|ব্যাঘ্র}}তটী {{SIC|৩৬|৩২৬}}, ১৯৮, ২০৯ :ব্যাঘ্র রাজ ৫০ :ব্যাসদেব শর্ম্মা ৩৩৫ :ব্যোমকেশ মুস্তফী ৫৯, ১৩৩ :বিভুপাল নগরশ্রেষ্ঠী ৭৯, ১৩৩ {{hanging indent/e}} {{div col end}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> n29v92yixmvh51abjoyv1gxz57ls45x পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৭ 104 298813 1991278 1935031 2026-07-30T16:26:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991278 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৴৹}}</noinclude>{{c|{{x-larger|শ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :শকজাতি ৩৩, ৫৩ :শকদ্বীপ ৩৩ :শকরাজগণ ৩৬, ৪০, ৪৫, ৫৪ :শকরুক (রাউত) ৩৪৫ :শকাধিকার কাল ৩৪ :শকাধিকার মগধে ৩৯ :শক্রসেন ২৩০ :শঙ্কট গ্রাম ২৮৩ :শঙ্করগণ ২২৩, ২২৮ :শঙ্করদেবী ২৮৬, ৩০৬ :শঙ্খ ৬৯ :শতপথ ব্রাহ্মণ ১৮ :শতপথ ব্রাহ্মণে মিথিলার উল্লেখ ১৯ :শাম্‌স্-উদ্দীন আলতাম্‌শ্, ৩৪৪, ৩৫৮ :শর ৮ :শর্করাদেবী ২৩৫ :{{SIC|শরৎচ্চন্দ্র|শরৎচন্দ্র}} দাস ২৬০ :শরিকাবাদ (সরকার) ২৯০ :শর্ব্ব (১ম অমোঘবর্ষ) ২৫০ :শর্ব্ব (অমেঘবর্ষ ৩য়) ২৫০ :শর্ব্বনাগ ৬৯ :শর্ব্ব বর্ম্মা ১১৮, ১২২ :শশাঙ্ক ৯৮, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৫, ১০৬, ১০৭, ১০৮, ১০৯, ১১০, ১১১, ১১২, ১১৯ :শশাঙ্ক নরেন্দ্র গুপ্ত ১২১, ২৭১ :শশাঙ্ক কর্ত্তৃক বোধিবৃক্ষ ছেদন ১০১ :শশাঙ্কের স্বর্ণমুদ্রা ১০০, ১০৩, ১০৪ :শড়ঙ্গ ৩২০ :শাকুণসত্র ১৫৬ :শাণ্ডিল্য গোত্র ২৩৩ :শাতকর্ণী ৪৪ :শান্তিবারিক ২৩৩ :শান্ত্যাগারাধিকৃত ২৯৪ :শাম্বপাল, প্রথম কায়স্থ ৬১, ৬২ :শার্দ্দূল বর্ম্মা ৯৮, ৯২২ :শাব (বীরসেন), ৫৩, ৫৬ :শাবান, ই (E. Chavannes) ১২৯ :শাহ আলম্‌ ১ম ৯২ :শিখরস্বামী কুমারামাত্য ৫৬ :{{SIC|শিল|শীল}} ভদ্র ১১৫ :শিললোকনাথ, হরিকেলের ২৩৬ :শিলিমপুরের শিলালিপি ২৭৪ :শিবদেব ১২২, ১২৮ :শিবধারী ১৮৩ :শিবরাজ (রাষ্টকূট বংশীয়) ২৮২, ২৮৩, ২৯৬ :শিবশর্ম্মা ৫৯ :শিশুনাগ বংশীয় রাজগণ ৩০ :শীতলনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :শীতলা মন্দিরের শিলালিপি ৩০২ :শিয়ম্বগ্রাম ২৭৪ :শুঙ্গ রাজগণ ৩৪, ৩৫ :শুঙ্গবংশের (মিত্রবংশের) মুদ্রা ৪৬ :শুততর ১৬ :শুতর্ণ ১৬ :শুভতুঙ্গ (কৃষ্ণ ২য়) ২২৬ :শুভদেব ৯৫ :শুভস্থলী ১৯৮ :শুশুনিয়ার শিলালিপি ৪১, ৪২, 8৭ :শূদ্রক ২৬১, ৩০০ :শূদ্রজাতির রাজগণ মগধের ২৯ :শূদ্র বংশীয় রাজগণ ৩০ :শূন্যোদক গ্রাম ৩৪৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> p24r1umhie519roqcq71o49he2we7uu 1991295 1991278 2026-07-30T16:27:49Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674546 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৴৹}}</noinclude>{{c|{{x-larger|শ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :শকজাতি ৩৩, ৫৩ :শকদ্বীপ ৩৩ :শকরাজগণ ৩৬, ৪০, ৪৫, ৫৪ :শকরুক (রাউত) ৩৪৫ :শকাধিকার কাল ৩৪ :শকাধিকার মগধে ৩৯ :শক্রসেন ২৩০ :শঙ্কট গ্রাম ২৮৩ :শঙ্করগণ ২২৩, ২২৮ :শঙ্করদেবী ২৮৬, ৩০৬ :শঙ্খ ৬৯ :শতপথ ব্রাহ্মণ ১৮ :শতপথ ব্রাহ্মণে মিথিলার উল্লেখ ১৯ :শাম্‌স্-উদ্দীন আলতাম্‌শ্, ৩৪৪, ৩৫৮ :শর ৮ :শর্করাদেবী ২৩৫ :{{SIC|শরৎচ্চন্দ্র|শরৎচন্দ্র}} দাস ২৬০ :শরিকাবাদ (সরকার) ২৯০ :শর্ব্ব (১ম অমোঘবর্ষ) ২৫০ :শর্ব্ব (অমেঘবর্ষ ৩য়) ২৫০ :শর্ব্বনাগ ৬৯ :শর্ব্ব বর্ম্মা ১১৮, ১২২ :শশাঙ্ক ৯৮, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৫, ১০৬, ১০৭, ১০৮, ১০৯, ১১০, ১১১, ১১২, ১১৯ :শশাঙ্ক নরেন্দ্র গুপ্ত ১২১, ২৭১ :শশাঙ্ক কর্ত্তৃক বোধিবৃক্ষ ছেদন ১০১ :শশাঙ্কের স্বর্ণমুদ্রা ১০০, ১০৩, ১০৪ :শড়ঙ্গ ৩২০ :শাকুণসত্র ১৫৬ :শাণ্ডিল্য গোত্র ২৩৩ :শাতকর্ণী ৪৪ :শান্তিবারিক ২৩৩ :শান্ত্যাগারাধিকৃত ২৯৪ :শাম্বপাল, প্রথম কায়স্থ ৬১, ৬২ :শার্দ্দূল বর্ম্মা ৯৮, ৯২২ :শাব (বীরসেন), ৫৩, ৫৬ :শাবান, ই (E. Chavannes) ১২৯ :শাহ আলম্‌ ১ম ৯২ :শিখরস্বামী কুমারামাত্য ৫৬ :{{SIC|শিল|শীল}} ভদ্র ১১৫ :শিললোকনাথ, হরিকেলের ২৩৬ :শিলিমপুরের শিলালিপি ২৭৪ :শিবদেব ১২২, ১২৮ :শিবধারী ১৮৩ :শিবরাজ (রাষ্টকূট বংশীয়) ২৮২, ২৮৩, ২৯৬ :শিবশর্ম্মা ৫৯ :শিশুনাগ বংশীয় রাজগণ ৩০ :শীতলনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :শীতলা মন্দিরের শিলালিপি ৩০২ :শিয়ম্বগ্রাম ২৭৪ :শুঙ্গ রাজগণ ৩৪, ৩৫ :শুঙ্গবংশের (মিত্রবংশের) মুদ্রা ৪৬ :শুততর ১৬ :শুতর্ণ ১৬ :শুভতুঙ্গ (কৃষ্ণ ২য়) ২২৬ :শুভদেব ৯৫ :শুভস্থলী ১৯৮ :শুশুনিয়ার শিলালিপি ৪১, ৪২, 8৭ :শূদ্রক ২৬১, ৩০০ :শূদ্রজাতির রাজগণ মগধের ২৯ :শূদ্র বংশীয় রাজগণ ৩০ :শূন্যোদক গ্রাম ৩৪৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> l930faxl0vlox2boge71bgnn9mprihx পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৮ 104 298814 1991279 1935030 2026-07-30T16:26:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991279 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:শূরপাল ১ম (বিগ্রহপাল ১ম) ২০১ :শূর পাল (১ম) শিলালিপি ২২১ :শূরপাল (১ম) ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২১৯,২২৭, ২২১ :শূরপাল ২য় ২০২, ২৬৫, ২৭৮ টীকা, ২৭৯, ২৮০, ২৮৯, ২৮৬, ২৮৯, ২৯৪, ৩০৭ :শূরবংশীয় রাজগণের অস্তিত্ব ১৩৯ :শূরপাল কুজবটীর ২২৩, ২৮৯ :শূররাজগণ ২৬৭ :শূরবংশ ১৩৮, ১৬১ :শূরবংশের দুহিতা বিলাসদেবী ৩১৯, ৩২০ :শূলপাণি (রাণক) ৩১৯ :শূলিক ১২৪ :শৈলবংশীয় নরপতি ১২৭, ১২৮ :শৈলেন্দ্রবংশীয় রাজগণ, যবদ্বীপের ২০৯ :শৈলোদ্ভব বংশ ১২৮ :শ্যামল বর্ম্মা ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০, ১৬১, ২৭৩, ২৯৪, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭ :শ্যামচতুরানন ২৭০ :শ্যামাদেবী ১২৩ :শ্রাবস্তীভুক্তি ২২৭, ২৭৪ :শ্রাবস্তী বিষয় ২২৭ :শ্রাবস্তী ৫৫ :শ্রাবস্তীর ধ্বংসাবশেষ ৩৯ :শ্রী ১৬১ :শ্রীগুপ্ত ৪৯, ৮৭, ৯৩, ১১২ :শ্রীচন্দ্র{{SIC|বেদ|দেব}}, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ :শ্রীজীবদত্ত ৯৭ :শ্রীধর রামকৃষ্ণ ভাণ্ডারকর ১৮২, ১৮৭ :শ্রীধর ঠাকুর ২১২ :শ্রীধর দাসের সদুক্তি{{SIC|করর্ণামৃত|কর্ণামৃত}} ৩২৭, ৩৩৫ :শ্রীধর্ম্মরক্ষী ৩৩১ :শ্রীধৌতমান ৩০১ :শ্রীনগরভুক্তি ২০৯ :শ্রীনগর ১৩১ :শ্রীনগর ভুক্তি (পাটলিপুত্ত্র) ২০৮, ২০৯ :শ্রীমতীদেবী, ১১৬, ১১৭, ১২১ :শ্রীবল্লভ ১৪৪ :শ্রীবালপুত্র ২০৯ :শ্রীবাল ঘোষ ৩৩০ :শ্রীবীর ২০৯ :শ্রীহেতু ২৯২ :শ্রীক্ষেত্র, (প্রোম), ১১৩ :শ্রীক্ষেত্র, ১২৪ :শ্বেতবরাহ স্বামী ৭৯ :শ্বেতবরাহ স্বামীর মন্দির, ৮১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ষ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ষষ্ঠিমূর্ত্তি ৩১৩ :ষাহি জয়পাল ২৫৪, ২৫৫ :ষাহীয় গণ ৩৩৭ :ষাহিরাজ্য ২৫৫, ২৫৬, ৩৩৭ :ষ্টাইন, স্যর এ, (Sir A. Stein) ১৩১, ১৩১ টীকা, ১৩২, ১৩৯ :ষ্টেপলটন, (H. E. {{SIC|Stapltone|Stapleton}}) ১১৯, ১৫৫, ১৫৬, ২৩৯ টীকা {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|স}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :সইস্‌, (Dr. Saise) ১১ :সঙ্কট গ্রামের চণ্ডার্জ্জুন ২১০ :সঙ্কাশ্য, ৫৫ :সতটপদ্মাবাটী বিষয় ২৩৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 97ox8km6rrizvnghteggvtak0hjowlc 1991294 1991279 2026-07-30T16:27:48Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674549 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:শূরপাল ১ম (বিগ্রহপাল ১ম) ২০১ :শূর পাল (১ম) শিলালিপি ২২১ :শূরপাল (১ম) ২১১, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২১৯,২২৭, ২২১ :শূরপাল ২য় ২০২, ২৬৫, ২৭৮ টীকা, ২৭৯, ২৮০, ২৮৯, ২৮৬, ২৮৯, ২৯৪, ৩০৭ :শূরবংশীয় রাজগণের অস্তিত্ব ১৩৯ :শূরপাল কুজবটীর ২২৩, ২৮৯ :শূররাজগণ ২৬৭ :শূরবংশ ১৩৮, ১৬১ :শূরবংশের দুহিতা বিলাসদেবী ৩১৯, ৩২০ :শূলপাণি (রাণক) ৩১৯ :শূলিক ১২৪ :শৈলবংশীয় নরপতি ১২৭, ১২৮ :শৈলেন্দ্রবংশীয় রাজগণ, যবদ্বীপের ২০৯ :শৈলোদ্ভব বংশ ১২৮ :শ্যামল বর্ম্মা ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮, ১৫৯, ১৬০, ১৬১, ২৭৩, ২৯৪, ৩০৪, ৩০৬, ৩০৭ :শ্যামচতুরানন ২৭০ :শ্যামাদেবী ১২৩ :শ্রাবস্তীভুক্তি ২২৭, ২৭৪ :শ্রাবস্তী বিষয় ২২৭ :শ্রাবস্তী ৫৫ :শ্রাবস্তীর ধ্বংসাবশেষ ৩৯ :শ্রী ১৬১ :শ্রীগুপ্ত ৪৯, ৮৭, ৯৩, ১১২ :শ্রীচন্দ্র{{SIC|বেদ|দেব}}, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ :শ্রীজীবদত্ত ৯৭ :শ্রীধর রামকৃষ্ণ ভাণ্ডারকর ১৮২, ১৮৭ :শ্রীধর ঠাকুর ২১২ :শ্রীধর দাসের সদুক্তি{{SIC|করর্ণামৃত|কর্ণামৃত}} ৩২৭, ৩৩৫ :শ্রীধর্ম্মরক্ষী ৩৩১ :শ্রীধৌতমান ৩০১ :শ্রীনগরভুক্তি ২০৯ :শ্রীনগর ১৩১ :শ্রীনগর ভুক্তি (পাটলিপুত্ত্র) ২০৮, ২০৯ :শ্রীমতীদেবী, ১১৬, ১১৭, ১২১ :শ্রীবল্লভ ১৪৪ :শ্রীবালপুত্র ২০৯ :শ্রীবাল ঘোষ ৩৩০ :শ্রীবীর ২০৯ :শ্রীহেতু ২৯২ :শ্রীক্ষেত্র, (প্রোম), ১১৩ :শ্রীক্ষেত্র, ১২৪ :শ্বেতবরাহ স্বামী ৭৯ :শ্বেতবরাহ স্বামীর মন্দির, ৮১ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ষ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ষষ্ঠিমূর্ত্তি ৩১৩ :ষাহি জয়পাল ২৫৪, ২৫৫ :ষাহীয় গণ ৩৩৭ :ষাহিরাজ্য ২৫৫, ২৫৬, ৩৩৭ :ষ্টাইন, স্যর এ, (Sir A. Stein) ১৩১, ১৩১ টীকা, ১৩২, ১৩৯ :ষ্টেপলটন, (H. E. {{SIC|Stapltone|Stapleton}}) ১১৯, ১৫৫, ১৫৬, ২৩৯ টীকা {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|স}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :সইস্‌, (Dr. Saise) ১১ :সঙ্কট গ্রামের চণ্ডার্জ্জুন ২১০ :সঙ্কাশ্য, ৫৫ :সতটপদ্মাবাটী বিষয় ২৩৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> kl2jyk1wb6rnfb4zv5t2yoo4ir4y8dn পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪২৯ 104 298815 1991280 1935029 2026-07-30T16:26:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991280 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:সতীশচন্দ্র মিত্র ২৪ টীকা, ৪৬, ১৫৩ :সত্য ৩১ :সত্য চন্দ্র, ৯৫ :সত্যসিংহ মহাক্ষত্রপ, ৫৪ :সত্যাশ্রয় ১ম ২৫১ :সদরউদ্দীন মহম্মদ বিণ হসননিজামী ৩৪১ :সদানীরা ১৮ :সদাসেন, ১৫৩ :সদুক্তি করণামৃত শ্রীধর দাসের ৩২৭ :সদ্যঃ পুষ্করিণী, ৫৭, ১১৯ :সনকানীক ৫০ :সনকাণীক জাতীয় সামন্তরাজ, ৫৩ :সনসিদ্ধ, উপাসক, ৬৩ :সন্ধ্যাকর নন্দী (কলি{{SIC|কার|কাল}} বাল্মীকি) রামচরিত ১৬০, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৭, ১৬৯, ১৭০, ১৭২ টীকা, ১৭৪, ১৭৫, ২১৭, ২৬৭, ২৭, ২৭৯, ২৭৯ টীকা, ২৮০, ২৮১, ২৮১ টীকা, ২৮২ টীকা, ২৮৩ টীকা, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৫ টীকা, ২৮৮, ২৯১, ২৯৬, ২৯৯, ৩০৫, ৩১১, ৩১৬ :সপাদলক্ষ ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮ :সপ্তগ্রাম ৩৩৫ :সপ্তঘট্ট ৩৩২ :সপ্তশতী ১৩৭ :সমতট ৫০, ৫১, ১১৬, ১২৪, ১৬৫, ১৬৬, ২৪৪ :সমতটের পূর্ব্বে, ১২৪ :সমণ গড়, ১৪৭ :সমাচার দেবের মুদ্রা ৯৭ :সমাচার দেব ৯৫, ৯৭, ৯৮ :সমুদ্রগুপ্ত ৪২, ৪৮, ৫৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯০, ১০৫ :সমুদ্রগুপ্তের অশ্বমেধের সুবর্ণ মুদ্রা, ৫১ টীকা, :সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ প্রশস্তি ৪০, ৪১, ৪২ :সমুদ্র গুপ্তের দিগ্বিজয় কাহিনী ৪১, ৫১ :সমুদ্রগুপ্তের সুবর্ণ মুদ্রা, ধনুর্ব্বাণ হস্তে ৫১ :সমুদ্রবর্ম্মা, ১২৩ :সমুদ্র হইতে ধর্ম্মপালের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮ :সমুদ্র হইতে পালবংশের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮, ১৬৯, ১৭০ :সমেতশিখর ২৯ টীকা, :সম্বল পুর, ৭ :সম্ভব তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা, :{{SIC|সম্মতীর|সম্মতীয়}} সম্প্রদায়, {{SIC|১১৩|১১৬}} :সম্‌ সাম্‌ উদ্দীন ৩৫৬ :সম্পেণাগো, ১২৪ :সরযূ ১৮ :সর্ব্বজ্ঞ শান্তি বৌদ্ধচার্য্য, ২১২ :সর্ব্বনাথ ৬৯ :সবুকতিগীন ২৫৪, ৩৩৭ :সহদেব (বাজীবৈদ্য) ২২৭, ২৬২ :সাইবিরিয়া, ৩৬ :সাগর তালের শিলা{{SIC|পিলি|লিপি}} ১৮১, ১৮৩, ১৮৮, ১৮৯, ১৯২, ২০৭, ২২২ :সাঞ্চি ৫৩, ৮৮ :সাটু {{SIC|বণাশ্রমক|বনাশ্রমক}}, ৮১ :সাতশতী ১৩৫ :সাধুগুপ্ত (স্থবির) ২৪৫ :সাধু সহরণ ২৯৭ :সান্ধি বিগ্রহিক, ৫১ :সাভার, ১২০ :সামন্তসেন ২৯৫, ৩০৮, ৩১৪, ৩১৫, ৩১৮, ৩২৯, ৩৩৩ :সামবেদ ৩২২ :সামাণীবংশীয় রাজা ইসমাইল ২৫৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> e29e6twqjoze77p9evy4q6i0xcx9uop 1991293 1991280 2026-07-30T16:27:47Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674560 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|২৸৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:সতীশচন্দ্র মিত্র ২৪ টীকা, ৪৬, ১৫৩ :সত্য ৩১ :সত্য চন্দ্র, ৯৫ :সত্যসিংহ মহাক্ষত্রপ, ৫৪ :সত্যাশ্রয় ১ম ২৫১ :সদরউদ্দীন মহম্মদ বিণ হসননিজামী ৩৪১ :সদানীরা ১৮ :সদাসেন, ১৫৩ :সদুক্তি করণামৃত শ্রীধর দাসের ৩২৭ :সদ্যঃ পুষ্করিণী, ৫৭, ১১৯ :সনকানীক ৫০ :সনকাণীক জাতীয় সামন্তরাজ, ৫৩ :সনসিদ্ধ, উপাসক, ৬৩ :সন্ধ্যাকর নন্দী (কলি{{SIC|কার|কাল}} বাল্মীকি) রামচরিত ১৬০, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৭, ১৬৯, ১৭০, ১৭২ টীকা, ১৭৪, ১৭৫, ২১৭, ২৬৭, ২৭, ২৭৯, ২৭৯ টীকা, ২৮০, ২৮১, ২৮১ টীকা, ২৮২ টীকা, ২৮৩ টীকা, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৫ টীকা, ২৮৮, ২৯১, ২৯৬, ২৯৯, ৩০৫, ৩১১, ৩১৬ :সপাদলক্ষ ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮ :সপ্তগ্রাম ৩৩৫ :সপ্তঘট্ট ৩৩২ :সপ্তশতী ১৩৭ :সমতট ৫০, ৫১, ১১৬, ১২৪, ১৬৫, ১৬৬, ২৪৪ :সমতটের পূর্ব্বে, ১২৪ :সমণ গড়, ১৪৭ :সমাচার দেবের মুদ্রা ৯৭ :সমাচার দেব ৯৫, ৯৭, ৯৮ :সমুদ্রগুপ্ত ৪২, ৪৮, ৫৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯০, ১০৫ :সমুদ্রগুপ্তের অশ্বমেধের সুবর্ণ মুদ্রা, ৫১ টীকা, :সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ প্রশস্তি ৪০, ৪১, ৪২ :সমুদ্র গুপ্তের দিগ্বিজয় কাহিনী ৪১, ৫১ :সমুদ্রগুপ্তের সুবর্ণ মুদ্রা, ধনুর্ব্বাণ হস্তে ৫১ :সমুদ্রবর্ম্মা, ১২৩ :সমুদ্র হইতে ধর্ম্মপালের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮ :সমুদ্র হইতে পালবংশের উৎপত্তি ১৬৭, ১৬৮, ১৬৯, ১৭০ :সমেতশিখর ২৯ টীকা, :সম্বল পুর, ৭ :সম্ভব তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা, :{{SIC|সম্মতীর|সম্মতীয়}} সম্প্রদায়, {{SIC|১১৩|১১৬}} :সম্‌ সাম্‌ উদ্দীন ৩৫৬ :সম্পেণাগো, ১২৪ :সরযূ ১৮ :সর্ব্বজ্ঞ শান্তি বৌদ্ধচার্য্য, ২১২ :সর্ব্বনাথ ৬৯ :সবুকতিগীন ২৫৪, ৩৩৭ :সহদেব (বাজীবৈদ্য) ২২৭, ২৬২ :সাইবিরিয়া, ৩৬ :সাগর তালের শিলা{{SIC|পিলি|লিপি}} ১৮১, ১৮৩, ১৮৮, ১৮৯, ১৯২, ২০৭, ২২২ :সাঞ্চি ৫৩, ৮৮ :সাটু {{SIC|বণাশ্রমক|বনাশ্রমক}}, ৮১ :সাতশতী ১৩৫ :সাধুগুপ্ত (স্থবির) ২৪৫ :সাধু সহরণ ২৯৭ :সান্ধি বিগ্রহিক, ৫১ :সাভার, ১২০ :সামন্তসেন ২৯৫, ৩০৮, ৩১৪, ৩১৫, ৩১৮, ৩২৯, ৩৩৩ :সামবেদ ৩২২ :সামাণীবংশীয় রাজা ইসমাইল ২৫৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> iwka43kjfwysy0ztvtefud65liv16iz পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪৩০ 104 298816 1991281 1935028 2026-07-30T16:26:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991281 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৲}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:সাম্রাজ্যের যুগের পূর্ব্বে, মিশর দেশে, ১৪ :সারদাদেবী ১৩০ :সারনাথ, ৮৯, ২৪০, ৩৩২ :সারণাথের বুদ্ধমূর্ত্তি ৭২ :সারণাথের শিলালিপি ৭২, ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৮০, ২৫৭, ২৫৮, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬ :সারস্বত ২৭০ :সার্থবাহ বন্ধুমিত্র, ৬১, ৬২ :সাবর্ণ গোত্র ৩০২ :সালপক্ষ, ২১৭ :সাহ (সুবর্ণকার), ২৬৪ :সাহিত্য ৩০৫ :সিকন্দর শাহ ৩৫৮ :সিজিস্থান ২৫৪ :সিদ্ধল গ্রাম ২৯৪, ৩০৩ :সিন্ধুদেশ, ২২০, ২২৫ :সিন্ধুনদ ১৪১, ১৯২ :সিলিউরিক, ২ :সিরিয়া দেশের দেবতা আমুরু ২১ :সিরুর, ১৯৩, ২০৫ :সিরুরের শিলালিপি ১৮৫, {{SIC|১৮৫|১৮৬}} :সিহবর গ্রাম ৩৪৩ :সিংহনদ ১০২ :সিংহপুর ২৭৫, ২৭৬ :সিংহভূম জেলা ৮, ১০ :সিংহল ৫৬, ১১৪, ৩৩২ :সিংহলবিজয়, বিজয়সিংহ কর্ত্তৃক ২৪, ২৫ :সিংহলের ইতিহাস ২৪ :সিংহ বর্ম্মা ৪১, ৪৭ :সীতাকুণ্ড পর্ব্বত ৯ :সীতারামপুর ৭ :সীতাহাটী ৩২২ :সীতাহাটীতে আবিষ্কৃত বল্লালসেনের তাম্রশাসন ৩০৮, ৩১৪, ৩১৬, ৩২২ :সূক্ষ্মশিব ১৭১ :সুঙ্গভৃত্য রাজগণ ৪৫ :সূঙ্গরাজগণ ৪৫ :সুদর্শন হ্রদ ৬৮, ৬৯ :সুধন্যাদিত্য ১২০ :সুধানিধি ২৭০, ২৭২ :সুন্দরবনে আবিষ্কৃত লক্ষ্মণসেনের তাম্রশাসন ৩২৭ :সুপার্শ্ব তীর্থঙ্কর ২৯, টীকা :সুপ্রতিষ্ঠিত বর্ম্মা ১১৩, ১২৩ :সুপ্রতিক স্বামী ৯৭ :সুমঙ্গল গুপ্ত ২৩৩ :সুমতিনাথ তীর্থঙ্কার ২৯ টীকা :সুমেকার ({{SIC|Schu mackier|Schumacher}}) ৩১৯ :সুমেরিয় ১৩ :সুমেরীয় জাতি ২০, ২৩, ২৬ :সুরশ্মিচন্দ্র ৭৭, ৮২ :সুরাষ্ট্র ৬৮, ৬৯, ৮০, ২৭৩ :সুরাষ্ট্রে শকক্ষেত্র ৩৮ :সুরেন্দ্রনাথ কুমার ৩২১ :সুলতান গঞ্জ ৫৬ :সুলতানপুর উজিয়াল ২৯০ :সুবর্ণ চন্দ্র ২২৩, ২২৫ :সুবর্ণদেব ২৮৩, ২৯৬, ২০৭ :সুবর্ণ দ্বীপ ২০৯ :সুবিশাল রুদ্রদানের অমাত্য ৬৮ :সুব্বিলুলি উমা ১৬ :সুব্রতনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :সুব্রতা ১২৩ :সুস্থিতবর্ম্মা, কামরূপ রাজ ১৯, ১১১, ২২৩ :সুহ্ম ১১৬ :সূর্য্যদেবের মন্দির ৩০০ :সূর্য্যনারায়ণ ঘোষ ৮৫ :সূর্য্যবর্ম্মা ১২৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 965nj9ua32dl12cpniedr300zj21zjo 1991292 1991281 2026-07-30T16:27:47Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674564 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৲}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:সাম্রাজ্যের যুগের পূর্ব্বে, মিশর দেশে, ১৪ :সারদাদেবী ১৩০ :সারনাথ, ৮৯, ২৪০, ৩৩২ :সারণাথের বুদ্ধমূর্ত্তি ৭২ :সারণাথের শিলালিপি ৭২, ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৮০, ২৫৭, ২৫৮, ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬ :সারস্বত ২৭০ :সার্থবাহ বন্ধুমিত্র, ৬১, ৬২ :সাবর্ণ গোত্র ৩০২ :সালপক্ষ, ২১৭ :সাহ (সুবর্ণকার), ২৬৪ :সাহিত্য ৩০৫ :সিকন্দর শাহ ৩৫৮ :সিজিস্থান ২৫৪ :সিদ্ধল গ্রাম ২৯৪, ৩০৩ :সিন্ধুদেশ, ২২০, ২২৫ :সিন্ধুনদ ১৪১, ১৯২ :সিলিউরিক, ২ :সিরিয়া দেশের দেবতা আমুরু ২১ :সিরুর, ১৯৩, ২০৫ :সিরুরের শিলালিপি ১৮৫, {{SIC|১৮৫|১৮৬}} :সিহবর গ্রাম ৩৪৩ :সিংহনদ ১০২ :সিংহপুর ২৭৫, ২৭৬ :সিংহভূম জেলা ৮, ১০ :সিংহল ৫৬, ১১৪, ৩৩২ :সিংহলবিজয়, বিজয়সিংহ কর্ত্তৃক ২৪, ২৫ :সিংহলের ইতিহাস ২৪ :সিংহ বর্ম্মা ৪১, ৪৭ :সীতাকুণ্ড পর্ব্বত ৯ :সীতারামপুর ৭ :সীতাহাটী ৩২২ :সীতাহাটীতে আবিষ্কৃত বল্লালসেনের তাম্রশাসন ৩০৮, ৩১৪, ৩১৬, ৩২২ :সূক্ষ্মশিব ১৭১ :সুঙ্গভৃত্য রাজগণ ৪৫ :সূঙ্গরাজগণ ৪৫ :সুদর্শন হ্রদ ৬৮, ৬৯ :সুধন্যাদিত্য ১২০ :সুধানিধি ২৭০, ২৭২ :সুন্দরবনে আবিষ্কৃত লক্ষ্মণসেনের তাম্রশাসন ৩২৭ :সুপার্শ্ব তীর্থঙ্কর ২৯, টীকা :সুপ্রতিষ্ঠিত বর্ম্মা ১১৩, ১২৩ :সুপ্রতিক স্বামী ৯৭ :সুমঙ্গল গুপ্ত ২৩৩ :সুমতিনাথ তীর্থঙ্কার ২৯ টীকা :সুমেকার ({{SIC|Schu mackier|Schumacher}}) ৩১৯ :সুমেরিয় ১৩ :সুমেরীয় জাতি ২০, ২৩, ২৬ :সুরশ্মিচন্দ্র ৭৭, ৮২ :সুরাষ্ট্র ৬৮, ৬৯, ৮০, ২৭৩ :সুরাষ্ট্রে শকক্ষেত্র ৩৮ :সুরেন্দ্রনাথ কুমার ৩২১ :সুলতান গঞ্জ ৫৬ :সুলতানপুর উজিয়াল ২৯০ :সুবর্ণ চন্দ্র ২২৩, ২২৫ :সুবর্ণদেব ২৮৩, ২৯৬, ২০৭ :সুবর্ণ দ্বীপ ২০৯ :সুবিশাল রুদ্রদানের অমাত্য ৬৮ :সুব্বিলুলি উমা ১৬ :সুব্রতনাথ তীর্থঙ্কর ২৯ টীকা :সুব্রতা ১২৩ :সুস্থিতবর্ম্মা, কামরূপ রাজ ১৯, ১১১, ২২৩ :সুহ্ম ১১৬ :সূর্য্যদেবের মন্দির ৩০০ :সূর্য্যনারায়ণ ঘোষ ৮৫ :সূর্য্যবর্ম্মা ১২৪<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> r2q840fyrmxxqxvdw5b9exm7hy8bm0h পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪৩১ 104 298817 1991282 1935027 2026-07-30T16:26:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991282 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:সূর্য্যবংশ ১৪৫ :সূর্য্যবংশে পালরাজগণের উৎপত্তি ১৬৯, ১৭০ :সূর্য্যশ্ ১৪ :সেখশুভোদয়া ২৯৫, ৩৩৬ :সেঙ্গ-চি, চীনদেশীয় পরিব্রাজক ১৬৫, ১৬৬ :সেনরাজবংশ ১৬১, ৩০৮, ৩৩১, ৩৪৬, ৩৪৭ :সেনরাজবংশের উৎপত্তি ৩০৮ :সেমিটিক জাতি ১৬, ২০ :সোডাস ৩৬ :সোনারগাঁও (সরকার) ৩০০ :সোম, পদুবন্বার ২৮৩, ২৯০ :সোমবংশীয় নরপতিগণ ২৯৩ টীকা :সোমস্বামী ৯৩ :সোমেশ্বর ২০৩, ২১৪, ২৩৫ :সোঢ়দেব ২২৩ :সৌভরী ২৭০, ২৭২ :সৌর্য্য ১৪৫ :সৌরাষ্ট্র ২৩, ৮৯, ৫৪, ৫৬, ১৮৪, ২১৯, ২২০ :সৌবীর, বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে ২৪ :সৌশ্‌শতর ১৬ :স্কন্দগুপ্ত ৬৩, ৬৪, ৬৭, ৬৮, ৬৯, ৭২, ৭৩, ৮৭, ৮৮, ৯০, ৯২, ১০৫, ১১২, ১১৩, ১১৯ :স্কন্দগুপ্তের মৃত্যু ৭০ :স্কন্দগুপ্তের মুদ্রা ৮০, ১১৮ :স্কন্দগুপ্তের রজতমুদ্রা ৭১, ১০৩ :স্কন্দগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭০, ৭১, ৭৩ :স্কন্দপাল, প্রথম কায়স্থ ৮১ :স্তন্যপায়ী জীবের অস্থি ৩ :স্তম্ভেশ্বর দাস ৬০ :স্থহ্নেশ্বর দাস ৬০ :স্থানুদত্ত, স্বার্থবাহ ৮১, ৯৫ :স্থান্বীশ্বর ১০০, ১০৬, ১০৭, ১০৮, ১১০, ২৫৬ :স্থানুনন্দী ৭৯ :স্থালিক্কট (বিষয়) ১৯৮ :স্থিরবর্ম্মা ১২৩ :স্থিরপাল ২০২, ২৫৩, ২৫৭ :স্মিথ (V. A. Smith) ৪২ টীকা, ৪৩, ৭৪, ৯৭, ১০৯, {{SIC|১০৯|১০৯ টীকা}}, ১১১, ১৩৩, ১৩৩ টীকা, ১৩৯, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ২১৯ :স্পলগদম ৩৬ :স্পলহোর ৩৬ :স্পূনার (D. B. Spooner) ৩৭, ৩৮, ৪৬, ৫৬, ৩২০ :স্বচ্ছন্দপাটক ৮১ :স্বর্ণরেখ ১৯৯ :স্বর্ণরেখা নদী ১৫৯ :স্বর্ণরেখা পুরী ১৫৯ :স্বয়ম্ভুদেব, বিষয়পতি ৮১ :স্বামিদত্ত, ৫০ :সংযুক্তা ৩৪১ :সাঁচি (কাকনাদ বোট) ৬৩ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|হ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :হখামানিষীয় রাজগণ ৪৬ :হম্মীর (আমীর) ৩৩৯, ৩৩৯ টীকা :হরদত্ত ২৪৬ :হরনন্দন পাণ্ডেয় ৩৩১<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> sqqur213oymg64xxt5e9eufkq5wffkm 1991291 1991282 2026-07-30T16:27:45Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1887723 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৴৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:সূর্য্যবংশ ১৪৫ :সূর্য্যবংশে পালরাজগণের উৎপত্তি ১৬৯, ১৭০ :সূর্য্যশ্ ১৪ :সেখশুভোদয়া ২৯৫, ৩৩৬ :সেঙ্গ-চি, চীনদেশীয় পরিব্রাজক ১৬৫, ১৬৬ :সেনরাজবংশ ১৬১, ৩০৮, ৩৩১, ৩৪৬, ৩৪৭ :সেনরাজবংশের উৎপত্তি ৩০৮ :সেমিটিক জাতি ১৬, ২০ :সোডাস ৩৬ :সোনারগাঁও (সরকার) ৩০০ :সোম, পদুবন্বার ২৮৩, ২৯০ :সোমবংশীয় নরপতিগণ ২৯৩ টীকা :সোমস্বামী ৯৩ :সোমেশ্বর ২০৩, ২১৪, ২৩৫ :সোঢ়দেব ২২৩ :সৌভরী ২৭০, ২৭২ :সৌর্য্য ১৪৫ :সৌরাষ্ট্র ২৩, ৮৯, ৫৪, ৫৬, ১৮৪, ২১৯, ২২০ :সৌবীর, বৌধায়ন ধর্ম্মসূত্রে ২৪ :সৌশ্‌শতর ১৬ :স্কন্দগুপ্ত ৬৩, ৬৪, ৬৭, ৬৮, ৬৯, ৭২, ৭৩, ৮৭, ৮৮, ৯০, ৯২, ১০৫, ১১২, ১১৩, ১১৯ :স্কন্দগুপ্তের মৃত্যু ৭০ :স্কন্দগুপ্তের মুদ্রা ৮০, ১১৮ :স্কন্দগুপ্তের রজতমুদ্রা ৭১, ১০৩ :স্কন্দগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা ৭০, ৭১, ৭৩ :স্কন্দপাল, প্রথম কায়স্থ ৮১ :স্তন্যপায়ী জীবের অস্থি ৩ :স্তম্ভেশ্বর দাস ৬০ :স্থহ্নেশ্বর দাস ৬০ :স্থানুদত্ত, স্বার্থবাহ ৮১, ৯৫ :স্থান্বীশ্বর ১০০, ১০৬, ১০৭, ১০৮, ১১০, ২৫৬ :স্থানুনন্দী ৭৯ :স্থালিক্কট (বিষয়) ১৯৮ :স্থিরবর্ম্মা ১২৩ :স্থিরপাল ২০২, ২৫৩, ২৫৭ :স্মিথ (V. A. Smith) ৪২ টীকা, ৪৩, ৭৪, ৯৭, ১০৯, {{SIC|১০৯|১০৯ টীকা}}, ১১১, ১৩৩, ১৩৩ টীকা, ১৩৯, ১৭৭, ১৭৮, ১৭৮ টীকা, ১৭৯, ২১৯ :স্পলগদম ৩৬ :স্পলহোর ৩৬ :স্পূনার (D. B. Spooner) ৩৭, ৩৮, ৪৬, ৫৬, ৩২০ :স্বচ্ছন্দপাটক ৮১ :স্বর্ণরেখ ১৯৯ :স্বর্ণরেখা নদী ১৫৯ :স্বর্ণরেখা পুরী ১৫৯ :স্বয়ম্ভুদেব, বিষয়পতি ৮১ :স্বামিদত্ত, ৫০ :সংযুক্তা ৩৪১ :সাঁচি (কাকনাদ বোট) ৬৩ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|হ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :হখামানিষীয় রাজগণ ৪৬ :হম্মীর (আমীর) ৩৩৯, ৩৩৯ টীকা :হরদত্ত ২৪৬ :হরনন্দন পাণ্ডেয় ৩৩১<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> igyuzqutfya8e7e4aipt4w8ranhw4s4 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪৩২ 104 298818 1991283 1935026 2026-07-30T16:26:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991283 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ৪১, ৪২ টীকা, ৪৭, ৬৪, ১৫৫ ১৬০, ১৬৪ টীকা, ১৭২, ১৭২ টীকা, ১৯৯, ২৪৫, ২৪৮, ২৫১, ২৮৮, ২৯৩ টীকা, ২৯৭, ২৯৮, ২৯৯, ৩০৪, ৩০৫ :হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মত, বাঙ্গালী জাতি সম্বন্ধে ২৫ :হরি (কৈবর্ত্ত নায়ক) ২৯১, ২৯২ টীকা :হরিকেল ২৩৩, ২৩৬, ২৭৬ :হরিকেলের শিললোকনাথ, ২৩৬ :হরিগুপ্ত, ৯২ :হরিচরিত কাব্য (চতুর্ভুজের) ১৯৯ :হরিদেব, ১৫৫ :হরিনাথ দে ৩০৪ :হরিপুকুর, ৬০ :হরিভদ্রের অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতার টীকা, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৬ :হরিমিত্র, ১৫৩, ১৫৪, ২৭০, ২৭১ :হরিবর্ম্মা ১২২, ১২৪, ২৮৮, ৩০২, ৩০৩, ৩০৪, ৩০৬ হরিবিষ্ণু, ৮২ :হরিবংশ পুরাণ, জৈন ১৪৪, ১৮০ :হরিবংশ, ২৭৩ :হরিশ্চন্দ্র ৩০৭, ৩৩৭, ৩৪২, ৩৪৩, ৩৪৪, ৩৪৫ :হরিষেণ ৮৭ টীকা :হরিস্বামিনী, উপাসিকা, ৬৩ :হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ২৬৫, ২৬৫ টীকা :হর্জ্জরবর্ম্মা, ৮৯, ২৭৪ :হর্ণলি (Dr. A. F. R. Hoernle) ৬৪, ৭৪, ১৭৯, ১৮১, ২১৬, ৩২২, ৩২২ টীকা, ৩৩৪ :হর্ষচরিত, বাণভট্ট প্রণীত ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪ :হর্ষগুপ্ত, ১২২ :হর্ষদেব, (কামরূপ রাজ) ১২২, ১২৭, ১২৮, ১৭৩ :হর্ষদেব, চন্দেল্ল রাজ, ২২৯ :হর্ষবর্দ্ধন ৯৯, ১০১, ১০২, ১০৫, ১০৬, ১০৭, ১০৮, ১১০, ১১২, ১১৬, ১১৭, ১৪০, ১৪৪, ১৪৭ :হর্ষাব্দ, ১২৮ :হল (H. R. Hall) ২০, ২২, ২৬ :হসাম্‌উদ্দীন্ আগল্‌বক্ ৩৫২ :হস্তিগ্রাম ২০৯ :হস্তিনীভিট্ট ৩০৩ :হস্তিবর্ম্মা, ৫০ :হস্তী ৬৯ :হড়াহাগ্রাম ৯৩, ৯৪, ১২৪ :হাওড়া জেলা ৩৩৫ :হাজারীবাগ্ ৯, ১১, ৩০৮ :হাজারীবাগ্ জেলা, ২২৮ :হাজীপুর ৫১, ৫৭ :হাথিগুম্ফার শিলালিপি ৪৩ :হয়দরাবাদ, ৩ :হিউয়েন-থ্‌সাং (ইউয়ান চোয়াং) ৭৪, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১৪০, ২৭৫ :হিমালয় পর্ব্বত, ২১৩, ২৩৮ :হিমালয়ের পাদমূল, ৬ :হিমবচ্ছিখর ৭৯ :হিরণ্যকশিপু, ১৪৫ :হীনযান, ৫৫ :হীরানন্দ শাস্ত্রী ১৮১, ২০৮, ২১০ টীকা :হীরালাল, রায়বাহাদুর ২২ টীকা, ২৯৩ টীকা :হুগলী জেলা, ৬, ৫৭, ৬৫, ৬৬, ৭১ :হুলাগু খাঁ ৩৫৪ :হুবিষ্ক ৩৬, ৫৪ :হুবিষ্কের স্বর্ণমুদ্রা ৩৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> 6q6ksub8s179mx1xj0vozet1nhex7oq 1991290 1991283 2026-07-30T16:27:43Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674572 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৵৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ৪১, ৪২ টীকা, ৪৭, ৬৪, ১৫৫ ১৬০, ১৬৪ টীকা, ১৭২, ১৭২ টীকা, ১৯৯, ২৪৫, ২৪৮, ২৫১, ২৮৮, ২৯৩ টীকা, ২৯৭, ২৯৮, ২৯৯, ৩০৪, ৩০৫ :হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মত, বাঙ্গালী জাতি সম্বন্ধে ২৫ :হরি (কৈবর্ত্ত নায়ক) ২৯১, ২৯২ টীকা :হরিকেল ২৩৩, ২৩৬, ২৭৬ :হরিকেলের শিললোকনাথ, ২৩৬ :হরিগুপ্ত, ৯২ :হরিচরিত কাব্য (চতুর্ভুজের) ১৯৯ :হরিদেব, ১৫৫ :হরিনাথ দে ৩০৪ :হরিপুকুর, ৬০ :হরিভদ্রের অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতার টীকা, ১৬৪, ১৬৪ টীকা, ১৬৬ :হরিমিত্র, ১৫৩, ১৫৪, ২৭০, ২৭১ :হরিবর্ম্মা ১২২, ১২৪, ২৮৮, ৩০২, ৩০৩, ৩০৪, ৩০৬ হরিবিষ্ণু, ৮২ :হরিবংশ পুরাণ, জৈন ১৪৪, ১৮০ :হরিবংশ, ২৭৩ :হরিশ্চন্দ্র ৩০৭, ৩৩৭, ৩৪২, ৩৪৩, ৩৪৪, ৩৪৫ :হরিষেণ ৮৭ টীকা :হরিস্বামিনী, উপাসিকা, ৬৩ :হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ২৬৫, ২৬৫ টীকা :হর্জ্জরবর্ম্মা, ৮৯, ২৭৪ :হর্ণলি (Dr. A. F. R. Hoernle) ৬৪, ৭৪, ১৭৯, ১৮১, ২১৬, ৩২২, ৩২২ টীকা, ৩৩৪ :হর্ষচরিত, বাণভট্ট প্রণীত ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪ :হর্ষগুপ্ত, ১২২ :হর্ষদেব, (কামরূপ রাজ) ১২২, ১২৭, ১২৮, ১৭৩ :হর্ষদেব, চন্দেল্ল রাজ, ২২৯ :হর্ষবর্দ্ধন ৯৯, ১০১, ১০২, ১০৫, ১০৬, ১০৭, ১০৮, ১১০, ১১২, ১১৬, ১১৭, ১৪০, ১৪৪, ১৪৭ :হর্ষাব্দ, ১২৮ :হল (H. R. Hall) ২০, ২২, ২৬ :হসাম্‌উদ্দীন্ আগল্‌বক্ ৩৫২ :হস্তিগ্রাম ২০৯ :হস্তিনীভিট্ট ৩০৩ :হস্তিবর্ম্মা, ৫০ :হস্তী ৬৯ :হড়াহাগ্রাম ৯৩, ৯৪, ১২৪ :হাওড়া জেলা ৩৩৫ :হাজারীবাগ্ ৯, ১১, ৩০৮ :হাজারীবাগ্ জেলা, ২২৮ :হাজীপুর ৫১, ৫৭ :হাথিগুম্ফার শিলালিপি ৪৩ :হয়দরাবাদ, ৩ :হিউয়েন-থ্‌সাং (ইউয়ান চোয়াং) ৭৪, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৪, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১৪০, ২৭৫ :হিমালয় পর্ব্বত, ২১৩, ২৩৮ :হিমালয়ের পাদমূল, ৬ :হিমবচ্ছিখর ৭৯ :হিরণ্যকশিপু, ১৪৫ :হীনযান, ৫৫ :হীরানন্দ শাস্ত্রী ১৮১, ২০৮, ২১০ টীকা :হীরালাল, রায়বাহাদুর ২২ টীকা, ২৯৩ টীকা :হুগলী জেলা, ৬, ৫৭, ৬৫, ৬৬, ৭১ :হুলাগু খাঁ ৩৫৪ :হুবিষ্ক ৩৬, ৫৪ :হুবিষ্কের স্বর্ণমুদ্রা ৩৭<noinclude>{{hanging indent/e}} {{div col end}} {{block center/e}}</noinclude> kxaij4dsv16h3nntptvjljvaoho4zh3 পাতা:বাঙ্গালার ইতিহাস প্রথম ভাগ (রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়).djvu/৪৩৩ 104 298819 1991284 1935025 2026-07-30T16:26:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991284 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:হুসেন উজিয়াল ২৯০ :হুসেন শাহ্ ২৯০ :হূণগণ ৬৩, ৮২, ৯৮, ১০৭, ১৪০, ২০৪, ২০৬, ২৫৩, ২৫৯ :হূণগণের গুপ্তসাম্রাজ্য আক্রমণ ৭০ :হূণগণের ভারতবর্ষ আক্রমণ ৬৯,৭০, ১৩৯ :হূণরাজগণ ৪৫ :হূণযুদ্ধ ৬৫, ৬৮ :হূণরাজ্য, ২৪১ :হেমচন্দ্র দাশগুপ্ত ৩, ১২ :হেমচন্দ্র সূরি ২৬০ :হেমন্তসেন ১৫৮, ৩০৮, ৩১৫, ৩১৬, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩৩ :হেমরাজ ৩৪১ :হেমাশ্বমহাদান ৩২২ :হেবজ্রপঞ্জিকা ৩৫০ :হেষ্টিংস, ওয়ারেণ (Warren Hastings) ৭৫ :হৈহয় রাজবংশ, ২২০, ২২৩ :হংসকোঞ্চি ১০৮ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ক্ষ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ক্ষত্রপ, ৩৬ :ক্ষত্রপ চাষ্টন, ৫৪ :ক্ষান্তিরক্ষিত ৩৪৯ :ক্ষিতীন্দ্র ১৫৫ :ক্ষিতীশ ২৭০, ২৭১ :ক্ষেমেন্দ্রভদ্র ৩০৫ :ক্ষেমেশ্বর ২৯২ :ক্ষুদ্রক গ্রাম ৫৯ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{dhr}} {{rule|5em|height=2px}} {{block center/e}}<noinclude></noinclude> r8eif5m3mj76l052wi1etibpnz45ptg 1991289 1991284 2026-07-30T16:27:40Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]] ([[User talk:Bodhisattwa-bot|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1674580 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=550px}} {{c|৩৶৹}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}}</noinclude>:হুসেন উজিয়াল ২৯০ :হুসেন শাহ্ ২৯০ :হূণগণ ৬৩, ৮২, ৯৮, ১০৭, ১৪০, ২০৪, ২০৬, ২৫৩, ২৫৯ :হূণগণের গুপ্তসাম্রাজ্য আক্রমণ ৭০ :হূণগণের ভারতবর্ষ আক্রমণ ৬৯,৭০, ১৩৯ :হূণরাজগণ ৪৫ :হূণযুদ্ধ ৬৫, ৬৮ :হূণরাজ্য, ২৪১ :হেমচন্দ্র দাশগুপ্ত ৩, ১২ :হেমচন্দ্র সূরি ২৬০ :হেমন্তসেন ১৫৮, ৩০৮, ৩১৫, ৩১৬, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩৩ :হেমরাজ ৩৪১ :হেমাশ্বমহাদান ৩২২ :হেবজ্রপঞ্জিকা ৩৫০ :হেষ্টিংস, ওয়ারেণ (Warren Hastings) ৭৫ :হৈহয় রাজবংশ, ২২০, ২২৩ :হংসকোঞ্চি ১০৮ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{c|{{x-larger|ক্ষ}}}} {{div col|style=column-gap:4em}} {{hanging indent/s}} :ক্ষত্রপ, ৩৬ :ক্ষত্রপ চাষ্টন, ৫৪ :ক্ষান্তিরক্ষিত ৩৪৯ :ক্ষিতীন্দ্র ১৫৫ :ক্ষিতীশ ২৭০, ২৭১ :ক্ষেমেন্দ্রভদ্র ৩০৫ :ক্ষেমেশ্বর ২৯২ :ক্ষুদ্রক গ্রাম ৫৯ {{hanging indent/e}} {{div col end}} {{dhr}} {{rule|5em|height=2px}} {{block center/e}}<noinclude></noinclude> klaufp0iuo7bue8oldlti65zwuxarqt পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/১৯ 104 306738 1992310 1965972 2026-07-31T04:57:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992310 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ১৪ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> অবকাশ নাহি মোর;—সারা দিন পূজে দনুজ ঈশ্বর মোরে—তেঁইসে এলাম রাতে; না হোতে প্রত্যূষ, যেতে হবে পুনঃ। এইত আমার সুখ, কারাবাসী প্রায়— মরুক আমার ভাগ্যে যা থাকে তা হোক, দেবগণদুঃখ আর দেখিতে না পারি। একেত অসুররাজ প্রবল প্রতাপ, রণব্যস্ত, রণ ভিন্ন থাকিতে না পারে, তাহাতে আবার আছে শিবের সোহাগ; মরণের ভয় এক তাও নাহি তার, কাযে কাযে। দেবগণে দলিছে দানব অপমানে সদা। দেখ সে প্রফুল্ল মুখ, নাহি আর কার; মরি, ম্লান অবনত ঘোর দুঃখ ভারে; নব তেজী তরু যেন, জীর্ণ জড় সড়, মহা বিষবল্লী চাপে! মুখে কি বলিব মাতঃ, দেখ বিদ্যমান দেবগণদুখ; মনে উচ্ছ্বসিত হয়ে, বহিতেছে যাহা সদা ইন্দ্রিয়ের দ্বারা। তোমারই রক্ষিত এই অমর নিকর, তোমারই হেলায় এরা ভুঞ্জে এত দুঃখ!” নীরবিলা পদ্মালয়া এতেক কহিয়া। :আরম্ভিলা তবে ইন্দ্র বিনীত বচনে;— </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> edhdexuk3nxygx7apqlrfqky2ew1u77 পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৩৬ 104 306755 1992311 1965989 2026-07-31T04:57:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992311 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৩১ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> যার বাণে জর জর অমর নিকর, অন্তর জর্জ্জর তার মদনের বাণে, আজি তোমার লাগিয়া।—এস মোর সাথে, আমি লয়ে যাই তোমা সে শুম্ভের পাশে। ত্রিলোকের আধিপত্য মুকুট ফেলিয়া, অমনি তুলিয়া তোমা, লইবে মস্তকে; শোভিবে অরুণ যেন উদয় শেখরে!” :হাসিয়া কহিলা গৌরী;—"হাঁহে শুম্ভ দূত, এই কি মনের কথা? এসেছ কি তুমি ইহারি লাগিয়া?—মোরে লইবার তরে? জানি শুম্ভ মহাবীর, ত্রিলোকের পতি, দেব গণ পরাভূত যার বাহু বলে, বলগে সে দৈত্যরাজে, যার দূত তুমি, যে জন সমরে মোরে, পারিবে জিনিতে, যেজন পারিবে মোর দর্প হরিবারে, স্ববলে লইতে মোরে পারিবে যে জন, পতিত্বে বরণ আমি করিব তাহায়। এই মোর পণ দূত বলগে শুম্ভেরে। সাধ্য যদি থাকে তাঁর আসিয়া যুঝুন মোর সাথে। পরাভবি, আমায় সংগ্রামে, লয়ে যাউন তথা হয় অভিলাষ তাঁর; বিনা যুদ্ধে এক পদ নড়িব না কভু।” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 01phls2wxyes25d55o4z5mjqso8tt0k পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৩৭ 104 306756 1992312 1965990 2026-07-31T04:57:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992312 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৩২ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> :"সে কি ধনি, এ কি কথা, (কহিলা সুগ্রীব, বিস্মিত নয়নে) ধনি, তোমারে কি সাজে, শস্ত্র যুদ্ধ; কোমলাঙ্গী তুমি, ফুল দল, ছিঁড়িতে কাতরা? বল, কেমনে যুঝিবে, দৈত্য অনীকিনী সহ, বজ্রবক্ষ তারা? কেমনে কোমল ভুজে আকর্ষিবা ছিলা, তুলিয়া ধরিতে যাহা ঢলিয়া পড়িছে? কমনীয় কলেবরে কেমনে সহিবা, সে ক্লেশ? ভ্রমিতে সুখে কুসুম কাননে, স্বেদ রূপে চাঁদ মুখে উথলিছে সুধা, যদিচ বিজনি করে ফিরিছে পবন তব সাথে সাথে। যুদ্ধ কি মুখের কথা?— সুলোচনে, ছাড় হেন সর্ব্বনেশে পণ! ধূম্রাক্ষ প্রভৃতি সেই সেনাপতি কুল, পাষাণ হৃদয় তারা নাহি দয়া লেশ। চোক্‌ বুজে তীক্ষ শর হানিবে বরাঙ্গে, কোমল শরীরে অস্ত্র কাটিয়া বসিবে ঠেকিতে ঠেকিতে। আপনার নাশ হেতু আপনি হয়ো না। এস মোর সাথে ধনি, এস মোর সাথে, আমি মিলিইগে তোমা, লয়ে সে শুম্ভের সাথে; মিলিবে সুন্দর;— চাঁদে চাঁদে যেন মেলা হইবে সংসারে!” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 3mopzalmhsmg6rh9083qwjub2dw46pa পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৬১ 104 306780 1992313 1966015 2026-07-31T04:57:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992313 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৫৬ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> "সার্থক জনম তব মানি হিমালয়, হেন রূপ রাশি শিরে করেছ ধারণ কত জন্ম পুণ্য ফলে বলিতে না পারি। গাম্ভীর্য্য গুণেতে তব মজে কি প্রকৃতি, ললাটে দিয়াছে হেন সমুজ্জ্বল ফোটা, পতিত্বে বরিতে? মরি, মরি কিবা রূপ— প্রেমের মুকুর হেন দেখি বিদ্যমান; সংসারের মনঃছবি পড়েছে উহাতে।” :কহিলা চণ্ডেরে মুণ্ড আসি তার পাশে; প্রস্ফুট নয়ন যুগ, উন্নত উরস আহ্লাদে;—"দেখেছ ভাই, দেখ একবার, হিম গিরি শিখরে কি?—মানস তপন!” :হাসিয়া কহিলা চণ্ড মুণ্ড পানে চাহি; "সব দেখেছিরে ভাই, দেখাতে আমারে হবে নাক কিছু আর। চল তবে যাই কাছে গিয়া ভাল করে দেখিগে উহারে।” গেলা ধীরে ধীরে দোঁহে, যথা হররমা। হাসি হাসি মুখ মুণ্ড, কহে শৈলজারে!— :"একাকিনী কেন ধনী বসিয়া বিরলে?— রূপের ভাণ্ডার বুঝি লুঠি বিধাতার, পলায়ে এসেছ হেথা লুকাবার লাগি? হেট মুখে কেন বসি জগত আঁধারি? </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> aks1vrdb53phb92bo2e924y3te984wo পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৬২ 104 306781 1992314 1966016 2026-07-31T04:57:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992314 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৫৭ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> তোল দেখি মুখ, দেখি দেখি, বেলা কত? উদুক ভাস্কর ধনী ওমুখ প্রভায়!” :এতেক কহিতে মুণ্ড, আরম্ভিলা চণ্ড!— "কি রূপসি, রূপ রাশি পর্ব্বত শিখরে ঢালিয়াছ কেন? উচ্চ দেশে রেখেছ কি দেখাতে সংসারে? ছিলে লুকাইয়ে তবে কেন এতকাল? বাঁচে কি না বাঁচে জীব তোমার বিহনে, বুঝি দেখিবার লাগি? আপন মনেতে বসি কি ভাব ভাবিছ?— সুখ সাগরের ঢেউ গণিছ কি বসি? সুধাপাত্র হাতে করি বৃথা বসি আর কেন রয়েছ সুন্দরি, কর সুধাপান;— রূপ যৌবনের সুধা শরীরে কি বৃথা আনাড় হইয়া ধনি, রবে চিরকাল? এস মোর সাথে; আমি লয়ে যাই তোমা প্রেম আক্রীড় উদ্যানে—খেল সিয়ে সেথা কৌমুদী যেমন খেলে বিমল সরসে।” :শুনিয়া দোঁহার বাণী তুলিলা বদন গিরিবালা; ভ্রাতৃদ্বয়ে হেরিলা বিস্ময়ে; যুগল শরদ ঋতু মূর্ত্তিমান যেন।— নির্ম্মল নভস সম শ্যামল বরণ, তীক্ষ্ণরবি আঁখি যুগ জ্বলে বীরতেজে; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> t0glco6gg8nr0bk23tlngh3tbqlqvsw পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৬৬ 104 306785 1992315 1966020 2026-07-31T04:57:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992315 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৬১ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> কাহারে; (কহিলা চণ্ড) ঘাও তবে ভাই, সাবধানে যুঝ গিয়া; ঘোর মায়াবিনী ও কামিনী, কহিলাম তোমারে নিশ্চয়।” :চলিলা সদর্পে মুণ্ড দৃঢ়পাদ ক্ষেপে, ধ্বনিতে লাগিল অঙ্গে গুরু অস্ত্র সাজ। কহিলা উমারে আসি;—"থাম তেজস্বিনি, না থামে যে হাত দেখি বাণ বরিষণে। এস দেখি একবার দেখি তব বল। একাকিনী তুমি, এস আমিও একাকী যুঝিতেছি তব সাথে; না ধরিবে অস্ত্র সৈন্যগণ কেহ, অস্ত্র না ধারবে চণ্ড, বীরত্ব অনল শিখা, দেবের আতঙ্গ। :"সকলে ধরুক অস্ত্র কিম্বা ধর তুমি একাকী, (কহিলা গেীরী) সমান সকলি মোর, ধনুর্দ্দণ্ডে যবে হলো ধরিবারে। এস তবে বীরবর দেখি বীরপণা!” :ধরিলা ধনুক দোঁহে বীর দর্প ভরে; বাজিল বিঘোর যুদ্ধ; যথা নিদাঘেতে মেঘআড়ম্বরে মেঘ যুঝে পরস্পর, তাড়িত আয়ূধ বর্ষি এ উহার প্রতি, স্তনিত নিনাদে ঘোর পূরিয়া সংসার, আঁধারে আকুলি দিক; যুঝিতে লাগিলা </poem><noinclude>{{block center/e}} {{left|৬}}</noinclude> bil72doje40xgiy1zacht3i0xsmeykw পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৭০ 104 306789 1992316 1966024 2026-07-31T04:57:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992316 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৬৫ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> অপযশে মোর; এবে না দেখি উপায়!” স্তব্ধ ভাবে থাকি ক্ষণ মনে মনে সতী স্মরিলা পদ্মারে তবে, প্রিয় সহচরী। "কোথা পদ্মে, প্রিয়সখী এস একবার এসময়, দেহ মোরে উপদেশ আসি, কেমনে দুর্ম্মদ দৈত্যে জিনি এ সমরে, কেমনে বা রক্ষা করি বল নিজ মান। অস্থির হয়েছি সখি দৈত্যের প্রভাবে।” অবনত মুখে সতী ছাড়িলা নিশ্বাস! চঞ্চল হইল মন কৈলাসে পদ্মার, মরি সে নিশ্বাসে যেন!—চঞ্চল যেমন অনিল হিল্লোলে সরে কমল কৌমুদী। বুঝিলা অন্তরে সাধ্বী উমার বিপদ। আলোক ছটার গতি অমনি সত্বরে আসি দেখা দিলা ধনী একাকিনী যথা রণস্থলে ম্লান মুখে ভাবেন ভবানী। মহামায়া মায়াবলে কেহ না পাইল দেখিতে নয়নে তাঁরে, কেবল শুনিল মধুর শিঞ্জন বোল শ্রুতি অভিরাম। কহিতে লাগিলা পদ্মা সমরে কাতরা দেখি শৈলজারে;—"কেন এ দুর্গতি দুর্গে! আহা মরি, জর জর কোমল শরীর, </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 97rpu4jurimztxbi9owa0lrtdxi4pkg পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৮৫ 104 306804 1992317 1966040 2026-07-31T04:57:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992317 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৮০ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> অভিমান করিয়া কি আমার উপরে? হেন অপরাধ আমি কি করেছি ভাই,— হেরিবে না মুখ মোর করিলে যে পণ। কোথা সে মধুর হাসি? কেন তব হেরি মলিন বদন আজ্‌? কাতর কি তুমি, রণে? উঠ তবে উঠ, এস বক্ষে মোর, সান্ত্বনা করি তোমারে শান্ত হই আমি, আলিঙ্গনে বাঁধি হৃদে অভিন্ন হৃদয়ে। মেল এক বার আঁখি, মেলি দেখ দেখি, নিমেষে বধিছি আমি তব শত্রুগণে।— দেহ মোরে বল ভাই, ঈষৎ হাসিয়া, ভ্রাতৃ সম্বোধনে। রঙ্গে দলি দেবগণে, ঘোর দাবানল যথা বনস্পতি কুলে। ভাই, ঘুচাইলে মোর বাহু বল; মরি ঘুচাইলে দৈত্যকুল আশা! নাহি আর ধরিব জীবন আমি তোমার বিহনে। ধরিব না অস্ত্র আর দেব বিপরীতে; এড়াই শোকের হাত ত্যজি এ জীবন!” :ভাঙ্গিয়া পড়িছে পদ, অবসন্ন কায় দারুণ শোকের ভরে, ধীরে ধীরে তবে, আসি গেীরী পাশে বীর কহিতে লাগিলা;— "হে চণ্ডিকে! মহা শক্তি লোকে বলে তোমা: </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> d8ycb6r6vwmox2rx73jmq4am9vicvnu পাতা:দানবদলন কাব্য.pdf/৮৭ 104 306806 1992318 1966042 2026-07-31T04:57:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992318 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{center|[ ৮২ ]}} {{block center/s}}</noinclude><poem> দেবগণ লাগি অস্ত্র ধরি অকারণে বধিলাম দৈত্যবরে; বীরত্ব রতনে ফেলিলাম কাল অন্ধকূপে; কাটিলাম শক্তি রথচক্র; মরি, ভাঙ্গিলাম পুনঃ সে সাহস ধ্বজ, ঘোরতর যুদ্ধঝড়ে! হায়, নিবাতে উদ্যত আমি দীপাবলি সংসারের!—দৈত্যকুল সৃষ্টির আলোক। কি করি এখন; যাই রণস্থল ছাড়ি কৈলাসেতে; দেবভাগ্যে যা থাকে তা হোক। চণ্ডের কাতর ভাব দেখিতে না পারি আর; ভায়ের বিহনে, আহামরি বীর, উদাস মুরতি যেন শ্মশানের প্রায়!” স্তব্ধ প্রায় হয়ে সতী রহিলা দাঁড়ায়ে। :দেখিয়া উমার ভাব প্রমাদ গণিলা ইন্দ্র। ভাবিলা অন্তরে, সর্ব্বনাশ হলো; দয়া উপজিল বুঝি করুণাময়ীর চণ্ডের বিলাপে। এবে না দেখি উপায়। বিরস বদনে বীর চাহে চারিদিকে। সাগর ভেদিয়া যথা জ্বলে ঔব্বানল; শোকের সাগর ভেদি জ্বলিয়া উঠিল সহসা, ক্রোধের অগ্নি চণ্ডের মানসে। অধীরা হইয়া বীর কহে কালিকারে;— </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> nkqm6w41o1ix3mjo4vwwxqtat9mlprv পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১০৮ 104 317610 1992072 1622673 2026-07-31T04:19:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992072 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="SUSMITA2511" />{{rh||{{larger|বহুবিবাহ।}}|১০৩}}</noinclude><poem>{{smaller|{{gap}}এক সঙ্গে এই কথা বলাতে, ক্রমে অন্য পতি হইতে পারে, ইহা {{gap}}প্রতীয়মান হইতেছে। এই নিমিত্ত, “স্বামী অনুদ্দেশ হইলে, মরিলে, {{gap}}ক্লীৰ স্থির হইলে, সংসার ধর্ম্ম পরিত্যাগ করিলে, অথবা পতিত {{gap}}হইলে, স্ত্রীদিগের পুনর্ব্বার বিবাহ করা শাস্ত্রবিহিত"। এই বচন {{gap}}দ্বারা মনু স্ত্রীদিগের অন্য পতি বিধান করিয়াছেন। বেদান্তরেও {{gap}}উক্ত হইয়াছে, “অতএব এক ব্যক্তি বহুভার্য্যাবিবাহ করিতে পারে। {{gap}}যে সকল নিমিত্তবশতঃ অধিবেদন করিতে পারে, যাজ্ঞবল্ক্য {{gap}}তৎসমুদয়ের নির্দ্দেশ করিয়াছেন। যথা, “যদি স্ত্রী সুরাপায়িণী, {{gap}}চিররোগিণী, ব্যভিচারিণী, বন্ধ্যা, অর্থনাশিনী, অপ্রিয়বাদিনী, {{gap}}কন্যামাত্রপ্রসবিনী ও পতিদ্বেষিণী হয়, তৎসত্ত্বে অধিবেদন অর্থাৎ {{gap}}পুনরায় দারপরিগ্রহ করিবেক"। মনুও কহিয়াছেন, যদি স্ত্রী {{gap}}সুরাপায়িণী, ব্যভিচারিণী, সতত স্বামীর অভিপ্রায়ের বিপরীত {{gap}}কারিণী, চিররোগিণী, অতিক্রূরস্বভাবা, ও অর্থনীশিনী হয়, তৎসত্ত্বে {{gap}}অধিবেদন অর্থাৎ পুনরায় দারপরিগ্রহ করিবেক"। আপস্তম্ব {{gap}}কহিয়াছেন, এই সকল নিমিত্ত না ঘটিলে, অধিবেদন করিতে {{gap}}পারিবেক না। যথা, “যে স্ত্রীর সহযোগে ধর্ম্মকার্য্য ও পুত্রলাভ {{gap}}সম্পন্ন হয়, তৎসত্ত্বে অন্য স্ত্রী বিবাহ করিবেক না। ধর্ম্মকার্য্য অথবা {{gap}}পুত্রলাভ সম্পন্ন না হইলে, অগ্ন্যাধানের পুর্ব্বে পুনরায় বিবাহ {{gap}}করিবে। “অগ্ন্যাধানের পূর্ব্বে”, এ কথা বলার অভিপ্রায় এই, {{gap}}অগ্ন্যাধানের পূর্ব্বে বিবাহ করা মুখ্য কল্প; নতুবা অগ্ন্যাধানের পর {{gap}}বিবাহ করিতে পারিবে না, এরূপ তাৎপর্য্য নহে; তাহা হইলে {{gap}}অধিবদন অগ্ন্যাধানের নিমিত্ত বলিয়া পরিগণিত হইতে পারে না। {{gap}}অন্য স্মৃতিতেও উক্ত হইয়াছে, “প্রথমপরিণীতা স্ত্রীতে পুত্র না {{gap}}জন্মিলে, পুনরায় বিবাহ করিবেক; তাহাতেও পুত্র না জন্মিলে, {{gap}}পুনরায় বিবাহ করিবেক; এইরূপে, যাবৎ পুত্রলাভ না হয় তাবৎ {{gap}}বিবাহ করিবেক; আর, এই অবস্থায় যদি বৈরাগ্য জন্মে, বনগমন {{gap}}অথবা সন্ন্যাস অবলম্বন করিবেক”।}}</poem> দেখ, মিত্রমিশ্র, অধিবেদনপ্রকরণের আরম্ভ করিয়া, সর্ব্বপ্রথম তর্কবাচ- চস্পতি মহাশয়ের অবলম্বিত বেদবাক্যদ্বয়কে অধিবেদনের প্রমাণস্বরূপ বিন্যস্ত করিয়াছেন; তৎপরে যে সকল নিমিত্ত ঘটিলে অধিবেদন করিতে পারে, তৎপ্রদর্শনার্থ যাজ্ঞবল্ক্যবচন ও মনুবচন উদ্ধৃত করিয়াছেন। পরিশেষে, ঐ সকল নিমিত্ত না ঘটিলে অধিবেদন করিতে পারিবে না, ইহা আপস্তম্ববচন দ্বারা প্রতিপন্ন করিয়া<noinclude></noinclude> j5awkmx7ttvsptsle2ik8j3k3bc1h5z পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১১০ 104 317612 1992073 1622675 2026-07-31T04:19:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992073 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="SUSMITA2511" />{{rh||{{larger|বহুবিবাহ।}}|১০৫}}</noinclude><poem>{{smaller|{{gap}}পারে"। বেদান্তরেও উক্ত হইয়াছে, “অতএব এক ব্যক্তির বহু {{gap}}ভার্য্যা হইতে পারে; এক স্ত্রীর সহ অর্থাৎ এক সঙ্গে বহু পতি {{gap}}হইতে পারে না। এ বিষয়ে অপিস্তম্ব কহিয়াছেন, “যে স্ত্রীর {{gap}}সহযোগে ধর্ম্মকার্ষ্য ও পুত্রলাভ সম্পন্ন হয়, তৎসত্ত্বে অন্য স্ত্রী {{gap}}বিবাহ করিবেক না। ধর্ম্মকার্য্য অথবা পুত্রলাভ সম্পন্ন না হইলে, {{gap}}অগ্ন্যধানের পূর্ব্বে পুনরায় বিবাহ কৰিৰেক”। “ত্রিবিধ ঋণে {{gap}}ঋণগ্রস্ত হয়”, “অপুত্র ব্যক্তির সদ্গতি হয় না”, এই দুই বেদবাক্য {{gap}}তাহার প্রমাণ। স্মৃতিতেও উক্ত হইয়াছে। “প্রথম পরিণীতা স্ত্রীতে {{gap}}পুত্র না জন্মিলে পুনরায় বিবাহ করিবেক; তাহাতেও পুত্র না {{gap}}জন্মিলে পুনরায় বিবাহ করিবেক; এই রূপে, যাবৎ পুত্রলাভ না হয়, {{gap}}তাবৎ বিবাহ করিবেক; আর এই অবস্থায় যদি বৈরাগ্য জন্মে, {{gap}}বনগমন অথবা সন্ন্যাস অবলম্বন করিবেক। যাজ্ঞবল্ক্য কহিয়াছেন, {{gap}}“যদি স্ত্রী সুরাপায়িণী, চিররোগিণী, ব্যভিচারিণী, বন্ধ্যা, {{gap}}অর্থনাশিনী, অপ্রিয়বাদিনী, কন্যামাত্রপ্রসবিনী, ও পতিদ্বেষিণী হয়, {{gap}}তৎসত্ত্বে অধিবেদন অর্থাৎ পুনরায় দারপরিগ্রই করিবেক।}}</poem> এক্ষণে, সকলে বিবেচনা করিয়া দেখুন, তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের অবলম্বিত বেদবাক্যদ্বয়ে যে বহুভার্য্যাপরিগ্রহের নির্দ্দেশ আছে, মিত্র- মিশ্রের ন্যায়, অনন্তভট্টের মতেও ঐ বহুভার্য্যাপরিগ্রহ অধিবেদনের নির্দিষ্টনিমিত্তর্নিবন্ধন হইতেছে কি না। {{gap}}কিঞ্চ, <poem>{{larger|{{gap}}“তন্মাদেকস্য বহ্বো জায় তবন্তি নৈকস্যৈ বহবঃ {{gap}}সহ পতয়ঃ”।}}</poem> <poem>{{smaller|{{gap}}অতএব এক ব্যক্তির বহু ভার্য্যা হইতে পারে, এক স্ত্রীর সহ {{gap|1.5em}}অর্থাৎ এক সঙ্গে বহু পতি হইতে পারে না।}}</poem> এই বেদাংশ যে উপাখ্যানের উপসংহারস্বরূপ, তাহা সমগ্র উদ্ধৃত হইতেছে; তদ্দৃষ্টে, বোধ করি, তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের বিতণ্ডাপ্রবৃত্তি নিবৃত্ত হইতে পারে। <poem>{{larger|{{gap}}“ঋক্‌ চ বা ইদমগ্রে সাম চাস্তাম্। সৈব নাম ঋগাসীৎ {{gap}}অমো নাম সাম। সা বা ঋক্ সামোপাবদৎ মিথুনং}}</poem><noinclude></noinclude> jnawtcfxji78cxcwl19fyoinw97r5sd পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১২৪ 104 317626 1991986 1643234 2026-07-31T04:12:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991986 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Jayantanth" />{{rh||{{larger|বহুবিবাহ।}}|১১৯}}</noinclude>ব্যাখ্যা শ্রীকৃষ্ণ, অচ্যুতানন্দ ও কৃষ্ণকান্তের ব্যাখ্যার প্রতিবিম্বমাত্র। তন্মধ্যে বিশেষ এই, তাঁহারা তিন জনে স্ব স্ব বর্ণে পাঁচ ছয় বিবাহ দূষ্য নয়, এই মীমাংসা করিয়াছেন; তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের বুদ্ধি তাঁহাদের সকলের অপেক্ষা অধিক তীক্ষ্ন; এজন্য তিনি, প্রত্যেক বর্ণে পাঁচ প্রভৃতি বিবাহ দূষ্য নয়, এই সিদ্ধান্ত করিয়াছেন। তর্কবাচস্পতি মহাশয় শ্রীকৃষ্ণ, অচ্যুতানন্দ ও কৃষ্ণকান্তের ব্যাখ্যার অনুসরণ করিয়াছেন; কিন্তু, তাঁহাদের ব্যাখ্যা অনুসৃত হইল বলিয়া উল্লেখ বা অঙ্গীকার করেন নাই। কেহ কেহ তদীয় এই ব্যবহারকে অন্যায়াচরণের উদাহরণস্থলে উল্লিখিত করিতে পারেন। কিন্তু, তাঁহার এই ব্যবহার নিতান্ত অভিনব ও বিস্ময়কর নহে; পরস্ব হরণ করিয়া নিজস্ব বলিয়া পরিচয় দেওয়া তাহার অভ্যাস আছে। {{gap}}এস্থলে ইহাও উল্লেখ করা আবশ্যক, রামভদ্র ন্যায়ালঙ্কার, শ্রীনাথ আচার্য্য চূড়ামণি, স্মার্ত্ত ভট্টাচার্য্য রঘুনন্দন ও মহশ্বের ভট্টাচার্য্যও দায়ভাগের টীকা লিখিয়াছেন; কিন্তু, তাঁহারা উল্লিখিত দায়ভাগলিখনের উক্তবিধ তাৎপর্য্যব্যাখ্যা করেন নাই। যাহা হউক, পূর্ব্বনির্দিষ্ট নারদবচন দ্বারা ইহা নির্ব্বিবাদে প্রতিপাদিত হইতেছে, শ্রীকৃষ্ণ তর্কালঙ্কার প্রভৃতি টীকাকার মহাশয়েরা, অথবা সর্ব্বশাস্ত্রবেত্তা তর্কবাচস্পতি মহোদয়, স্ব স্ব বর্ণে, অথবা প্রত্যেক বর্ণে, যদৃচ্ছাক্রমে যত ইচ্ছা বিবাহ করা দূষ্য নয়, ইহা দায়ভাগকারের অভিপ্রেত বলিয়া যে তাৎপর্য্য ব্যাখ্যা করিয়াছেন, তাহা কোনও মতে সঙ্গত বা সম্ভব হইতে পারে না (২৩)। <ref> {{gap}}(২৩) অচ্যুতানন্দ চক্রবর্ত্তী, “ব্রহ্মণের পাঁচ ছয় সবর্ণা বিবাহ দূষ্য নয়”, এই যে তাৎপর্য্যব্যাখ্যা করিয়াছেন, তাহা কেবল অনরধানমুলক বলিতে হইবেক। তদীয় তাৎপর্ষ্যব্যাখ্যার মর্ম্ম এই, ব্রাহ্মণ যদৃচ্ছাক্রমে যত ইচ্ছা সবর্ণ বিবাহ করতে পারে। কিন্তু, তিনি দায়ভাধৃত <poem>{{gap|6em}}সবর্ণাগ্রে দ্বিজাতীনাং প্রশস্তা দারকর্ম্মণি। {{gap|6em}}কামতস্তু প্রবৃত্তানামিমাঃ স্যুঃ ক্রমশোহবরা।৩।১২।</poem>}} </ref><noinclude>{{rule}} {{smallrefs}}</noinclude> 78qzyr0tv9haz1ityz9hakhreu54tzz পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১২৫ 104 317627 1992074 1630848 2026-07-31T04:19:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992074 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="SUSMITA2511" />{{rh|১২০|{{larger|বহুবিবাহ।}}|}}</noinclude>তর্কবাচস্পতি মহাশয় যে প্রমাণ অবলম্বন পূর্ব্বক একবারে একাধিক ভার্য্যা বিবাহের ব্যবস্থা করিয়াছেন, তাহা উদ্ধৃত ও আলোচিত হইতেছে। <poem>{{larger|{{gap|2.5em}}“অথ যদি গৃহস্থো দ্বে ভার্য্যে বিন্দেত কথং কুর্য্যাৎ।}} {{gap}}ইত্যাশঙ্ক {{larger|{{gap|2.5em}}যস্মিন্ কালে বিন্দেত উভবগ্নী পরিচরেৎ}} {{gap}}ইত্যুপক্রম্য {{larger|{{gap|5em}}দ্বয়োর্ভার্য্যয়োরান্বারব্ধয়োর্যজমানঃ}} </poem> <poem>{{gap}}ইতি বিধানপারিজাতধৃতবৌধায়নসূত্রেণ যুগপদ্ভার্য্যাদ্বয়ং তদনু- {{gap}}গুণমগ্নিদ্বয়ঞ্চ বিহিতং দ্বয়োঃ পত্ন্যোরদ্বারব্ধয়োরিতি বদতা {{gap}}চ অগ্নিদ্বয়ে যুগপত্তয়োর্হোমাদিসম্বন্ধপ্রতীতের্ষুগপদ্বিবাহদ্বয়ং {{gap}}স্পষ্টমেব প্রতীয়তে(২৪)।”</poem><ref>(২৪) বহুবিবাহবাদ, ২১ পৃষ্ঠা।</ref> <poem>{{smaller|{{gap}}দ্বিজাতিদিগের প্রথম বিবাহে সবর্ণা কন্যা বিহিত; কিন্তু যাহারা {{gap}}কামৰশতঃ বিবাহে প্রবৃত্ত হয়, তাহারা অনুলোমক্রমে অসবর্ণা {{gap}}বিবাহ করিবেক।}}</poem> <poem>{{smaller|এই মনুবচনের যে ব্যাখ্যা করিয়াছেন, তদ্বারা যদৃচ্ছাস্থলে অসবণাবিবাহ- মাত্র প্রতিপাদিত হইয়াছে। যথা,}}</poem> <poem>{{smaller|{{gap}}“ইমাঃ বক্ষ্যমাণাঃ বৈশ্যক্ষত্রিয়বিপ্রাণাং শূদ্রাবৈশ্যাক্ষত্রিয়াঃ”। {{gap}}ব্যক্ষমাণ কন্যারা অর্থাৎ বৈশ্য, ক্ষত্রিয় ও ব্রাহ্মণের শুদ্রা, বৈশ্যা ও {{gap}}ও ক্ষত্রিয়া।}}</poem> ইহা দ্বারা অচ্যুতানন্দ স্পষ্টাক্ষরে স্বীকার করিয়াছেন, যদৃচ্ছাক্রমে বিবাহে প্রবৃত্ত হইলে ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয়া, বৈশ্যা ও শূদ্রা; ক্ষত্রিয় বৈশ্যা ও শূদ্রা; বৈশ্য শূদ্রা বিবাহ করতে পারে। অতএব, যিনি মনুচনব্যাখ্যাকালে যদৃচ্ছাসস্থলে অসবর্ণাবিবাহমাত্র ব্যবস্থাপিত করিয়াছেন; তাঁহার পক্ষে ব্রাহ্মণের পাঁচ ছয় সবর্ণা বিবাহ দূষ্য নয়”, এরূপ ব্যবস্থা করা কত দূর সঙ্গত, তাহা সকলে বিবেচনা করিয়া দেখিবেন। ফলতঃ, অচ্যুতানন্দকৃত মনুবচনব্যাখ্যা ও দায়ভাগলিখনের তাৎপর্য্যব্যাখ্যা যে পরস্পর নিতান্ত বিরুদ্ধ, তাহার সন্দেহ নাই।<noinclude></noinclude> 88pzzi8z61dkkl3xlyuq3rc6s0iwg6f পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১৩৫ 104 317637 1992075 1622684 2026-07-31T04:19:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992075 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh|১৩০|বহুবিবাহ।|}}</noinclude>নির্দ্দেশ করিয়াছেন, “যদি সাগ্নিক গৃহস্থ, নিমত্তবশতঃ, পূর্ব্বস্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় দারপরিগ্রহের ইচ্ছা করে, কোন অগ্নিতে সেই বিবাহের হোম করিবেক। প্রথম বিবাহের অগ্নিতেই ঐ হোম করিতে হইবেক, লৌকিক অর্থাৎ নূতন অগ্নিতে কদাচ করিবেক না”। ত্রিকাগুনগুনও কহিয়াছেন, “যদি সাগ্নিক গৃহস্থ, প্রথমা স্ত্রী বিদ্যমান থাকিতে, দ্বিতীয়া বিবাহ করে, তাহা হইলে অবসধ অগ্নিতে বিবাহসংক্রান্ত কর্ম্ম করিবেক।” সুদর্শনভাষ্যে নির্দ্দিষ্ট আছে, দ্বিতীয় বিবাহের হোম লৌকিক অগ্নিতেই করিবেক, পূর্ব্ববিবাহের অগ্নিতে নহে। অসম্ভব পক্ষে এই ব্যবস্থা। এ পক্ষে অগ্নিদ্বয়ের মেলন করিতে হয়; শৌনক তাহার বিধি দিয়াছেন, “স্ত্রীদিগের সহাধিকার সিদ্ধির নিমিত্ত, সপত্নীভেদনিমিত্তক গৃহ্য অগ্নীদ্বয়ের মেলনবিধি কহিতেছি। ধর্ম্মলোপভয়ে অরোগা কন্যার পাণিগ্রহণ করিবেক। বিবাহ সম্পন্ন হইলে, ব্রতান্তে, পর দিবসে, যথাবিধি পৃথক্ দুই স্থণ্ডিলে দুই অগ্নির স্থাপন করিয়া, পৃথক্ অম্বাধান প্রভৃতি আজ্যভাগ পর্যন্ত কর্ম্ম সম্পাদন পূর্ব্বক, পুর্ব্বপত্নীর সহিত সমবেত হইয়া, “অগ্নীনীলে পুরোহিতম” ইত্যাদি নব মন্ত্র দ্বারা প্রথম বিবাহের অগ্নিতে আহুতি প্রদান করিবেক। পরে “অয়ং তে যোনিঃ” এই মন্ত্র দ্বারা সমিধের উপর ঐ অগ্নির ক্ষেপণ করিয়া, “প্রত্যবরোহ” এই মন্ত্র দ্বারা কনিষ্ঠাগ্নিতে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিবাহের অগ্নিতে ক্ষেপণ পূর্ব্বক, প্রথম হইতে আজ্যভাগান্ত কর্ম্ম করিয়া, উভয় পত্নীর সহিত সমবেত হইয়া, হোম করবেক, অনন্তর “অগ্নাবগ্নিশ্চরতি”, “অগ্নি নাগ্নিঃ সমিধ্যতে”, এই দুই, “অস্তীদম্” ইত্যাদি তিন, “পাহি নো অগ্ন একয়া” এই এক, এই ছয় মন্ত্র দ্বারা চতুর্গৃহীত ঘৃতেরআহুতি দিবেক, তৎপরে স্বিষ্টকৃৎ প্রভৃতি কর্ম্ম করিয়া, হোমশেষ সমাপন করিবেক এবং আহিতাগ্নি শ্রোত্রিয়কে গোযুগল দক্ষিণা দিবেক। যদি পত্নীদ্বয়ের মধ্যে একের মৃত্যু হয়, সেই অগ্নি দ্বারা তাহার দাহ করিয়া, গৃহস্থ, আধানবিধি অনুসারে, অন্য স্ত্রীর সহিত পুনরায় আধান করিবেক”। {{gap}}কিন্তু বৌ ধায়নসূত্রে অগ্নিদ্বয়ের মেলনপ্রক্রিয়া প্রকারান্তরে উক্ত হইয়াছে; যথা যদি গৃহস্থ দুই ভার্য্যার পাণিগ্রহণ করে, সে স্থ লে কিরূপ করিবেক? যৎকালে বিবাহ করিবেক, উভয় অগ্নির স্থাপন করিবেক; অপরাগ্নির অর্থাৎ দ্বিতীয় বিবাহের অগ্নির স্থাপন ও পরিস্তরণ করিয়া, ঘৃত গলাইয়া, স্রুচে চারি বার ঘূত গ্রহণ করিয়া, “নমস্তে ঋষে গদাব্যধায়ৈ ত্বা স্বধায়ৈ ত্বা মান ইন্দ্রাভিমতস্ত্বদৃষ্টা<noinclude></noinclude> 1zn8m7mha4e1clflllok1ywdv5bolxx পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১৪৫ 104 317647 1992076 1563808 2026-07-31T04:19:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992076 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|১৪০|বহুবিবাহ।|}}</noinclude>{{smaller|হয়, তবে তাহার ফললাভের নিমিত্ত বিবাহ করিবেক, ইহা ভঙ্গিক্রমে উক্ত হইয়াছে। ধর্ম্ম ও প্রজা এই বিশেষণবশতঃ, রতিকামনামুলক বিবাহ সে সময়ে করিতে পারে, ইহা প্রতীয়মান হইতেছে, নতুবা ধর্ম্ম ও প্রজা এ কথা বলিতেন না। ঋণত্রয় শোধনের নিমিত্ত উপযোগিতা না থাকাতে, সে ফলের উদ্দেশে আর বিবাহ করিবেক না, ইহা সিদ্ধ হইতেছে। “অন্যতরের অভাবে অর্থাৎ ধর্ম্ম ও পুত্রের মধ্যে একের অভাব ঘটিলে, অন্য স্ত্রী বিবাহ করিয়া তাহার সহিত অয়্যাধান করিবেক”। অতএব মনু দ্বিতীয় বিবাহের স্ত্রী- বিয়োগরূপ যে কাল নির্দ্দেশ করিয়াছেন, ধর্ম্ম ও পুত্রের মধ্যে একের অভাবস্থলেই তাহা অভিপ্রিত; নতুবা স্ত্রীবিয়োগ হইলেই পুনরায় বিবাহ করিবেক, এরূপ তাৎপর্য্য নহে। মনুবচন দ্বারা স্ত্রীবিয়োগ হইলে পুনরায় বিবাহ করিবার যে অধিকার হইয়াছিল, “যাহার প্রাপ্তি থাকে তাহার নিষেধ হয়”, এই ন্যায় অনুসারে, ধর্ম্ম ও পুত্র সম্পন্ন হইলে, সেই অধিকারের নিষেধ হইতেছে। মনুবচনের অবকাশবিশেষদানের নিমিত্ত, বৌধায়নবচনের উত্তরার্দ্ধ আরব্ধ হইয়াছে। অতএব পূৰ্বার্দ্ধমাত্র ধরিয়া, উত্তরার্দ্ধের গোপন করিয়া, “যে স্ত্রীর সহযোগে ধর্ম্মকার্য্য ও পুত্রলাভ সম্পন্ন হয়, তৎসত্ত্বেও অন্য স্ত্রী বিবাহ করিবেক না”, এই রূপে তাদৃশী স্ত্রী সত্ত্বেও সে দারান্তর পরিগ্রহ নিষেধ কল্পনা, তাহা অতীব যুক্তিবিরুদ্ধ; যদি তাঁহার মতে দার সত্ত্বেও দারান্তর পরিগ্রহের প্রাপ্তিসম্ভাবনা থাকিত, তাহা হইলে তাহার নিষেধ হইতে পারত। পূর্ব্ববৎ অগ্ন্যাধান করবেক এই কথা বলাতে, এ বচন সব-বিবাহবিষয়ক হইতেছে, সুতরাং উহা কামার্থ বিবাহবিষয়অক হইতে পারেনা; কারণ, তাঁহার মতে কামার্থ বিবাহ কেবল অসবর্ণাবিষয়ক। কিঞ্চ, ধর্ম্মপ্রজাসম্পয়ে এই কথা বলাতে, এই নিষেধ ধর্ম্মার্থ ও পুত্রার্থ বিবাহবিষয়ক বলিয়া বোধ হইতেছে; সুতরাং কামার্থবিষয়ক বলিয়া কল্পনা করাও যুক্তিবিরুদ্ধ; কারণ, ঐ দুই পদের বৈষর্থ্য ঘটে; উভয় ফলের __দ্ধ হইলে, দারসত্ত্বেও দারান্তর পরিগ্রহ নিষেধ করিয়া, উভয়ের মধ্যে একের অভাব ঘটিলে, ধর্ম্মের অভাবে অথবা পুত্রের অভাবে, দারসত্ত্বেও দরান্তর পরিগ্রহ এক বিবাহবাদীর মতে কিরূপে সঙ্গত হইতে পারে। তাঁহার মতে পুত্রের অভাবে দারসত্ত্বেও দারান্তর পরিগ্রহ বিহিত হইলেও, অগ্নিহোত্রাদি সমস্ত কর্ত্তব্য ধর্ম্মের অভাবেও, পুত্রসত্ত্বে দারান্তর পরিগ্রহ নিষিদ্ধ হইয়াছে। অতএব, “অদারে” এইরূপ পদচ্ছেদ দ্বারাই সর্ব্বসামঞ্জস্য হইতেছে; এমন স্থলে “দ্বারাক্ষতলাজানা_ বহুত্বঞ্চ” পুংলিঙ্গাধিকারে পাণিনিকৃত এই }}<noinclude></noinclude> opiyk7zf052e8yz9dm8f4ysnk8xqcip পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১৫৬ 104 317658 1992077 1618169 2026-07-31T04:19:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992077 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" />{{rh||বহুবিবাহ।|১৫১}}</noinclude>তিনি, অদ্ভুত বুদ্ধিশক্তিপ্রভাবে যে অভিনব ব্যবস্থার উদ্ভাবন করিয়াছেন, তদ্বারাও তাহাই বিহিত হইতেছে। তিনি তৎপরে কহিতেছেন, {{gap}}ধর্ম্ম ও পুত্র এই বিশেষণবশতঃ রতিকামনমূলক বিবাহ সে সময়ে করিতে পারে, ইহা প্রতীয়মান হইতেছে।” {{gap}}তদীয় এই ব্যবস্থা যার পর নাই কৌতুককর। পুত্রলাভ ও ধর্ম্মকার্যনির্বাহ হইলে যদি স্ত্রীবিয়োগ ঘটে, তবে “বানপ্রস্থ অথবা পরিব্রজ্যা আশ্রম আশ্রয় করিবেক”, এই ব্যবস্থা করিয়া, “রতিকামনামূলক বিবাহ সে সময়ে করিতে পারে”, এই ব্যবস্থান্তর প্রদান করিতেছেন। তদনুসারে, আপস্তম্ব পুত্র দ্বারা ইহাই প্রতিপন্ন হইতে পারে, পুত্রলাভ ও ধর্ম্মকার্য্যনির্বাহের পর স্ত্রীবিরোগ ঘটিলে, ধর্ম্মার্থে ও পুত্রার্থে বিবাহ না করিয়া, বানপ্রস্থ অথবা পরিব্রজ্যা আশ্রম অবলম্বন করিবেক, কিন্তু রতিকামনামূলক বিবাহ সে সময়ে করিতে পরিবেক। সুতরাং, তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের উদ্ভাবিত অদ্ভুত ব্যাখ্যা ও অদ্ভুত ব্যবস্থা অনুসারে, অতঃপর রতিকামনামূলক বিবাহ করিয়া, সেই স্ত্রীর সমভিব্যাহারে, মোক্ষপথ অবলম্বন করিতে হুইবেক। সেবাদাসী সঙ্গে লইয়া, মোক্ষপথ অবলম্বন করা নিতান্ত মন্দ বোধ হয় না; তাহাতে ঐহিক ও পারত্রিক উভয় রক্ষা হুইবেক। {{gap}}{{gap}}“অতএব মনু দ্বিতীয় বিবাহের স্ত্রীবিরোগরূপ যে কল নির্দেশ করিয়াছেন, ধর্ম্ম ও পুত্রের মধ্যে একের অভাব স্থলেই তাহা অভিপ্রেত, নতুবা স্ত্রাবিয়োগ হইলেই পুনরায় বিবাহ করিবেক, এরূপ তাৎপর্য্য নহে"। {{gap}}তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের এই তাৎপর্য্যব্যাখ্যা শাস্ত্রানুসারিণী নহে। বৈরাগ্য না জন্মিলে, আটচল্লিশ বৎসর বয়সের পূর্ব্বে স্ত্রবিরোগ হইলে, পুনরায় বিবাহ করিতে হইবেক, ধর্ম্ম ও পুত্র উভয়ের সদ্ভাবও<noinclude></noinclude> lksohxkpgjnpcfsev5a43l5gyjcm5w5 পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১৬২ 104 317664 1992078 1618173 2026-07-31T04:19:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992078 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" />{{rh||বহুবিবাহ। |১৫৭}}</noinclude>৫। অন্তরালেহুপি দার এব। ২। ১। ১। ১৮। ৬। দারে প্রজায়াঞ্চ উপস্পর্শনভাষা বিস্রম্ভপূর্ব্বাঃ পরিবর্জ্জয়েৎ। ২। ২। ৫। ১০। ৭। বিদ্যাং সমাপ্য দারং কৃত্বা অগ্নীনধায় কর্ম্মণ্যারভহে সোমাবরার্দ্ধ্যানি যানি শ্রায়ন্তে। ২। ৯। ২২। ৭। ৮। অবুদ্ধিপূর্ব্বামলঙ্কৃতো যুবা পরদারমনুপ্রবিশন কুমারীং বা বাচা বাধ্যঃ। ২। ১০। ২৩। ১৮। ৯। দীরং চাস্য কর্শয়েৎ। ২। ১০। ২৭। ১০। আমাদের মানবচক্ষুতে এই সকল সূত্রে “দারং”, “দারম্” “দারেণ” “দারে” এই রূপে দারশব্দ প্রথম, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া ও সপ্তমীর একবচনে প্রযুক্ত দৃষ্ট হইতেছে। তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের দিব্য চক্ষুতে কিরূপ লক্ষিত হয়, বলিতে পারা যায় না। {{C|{{x-larger| ধর্ম্মপ্রজাসম্পন্নে দারে নান্যাং কুর্ব্বীত।২।৫|১১|১২।}}}} এ স্থলে দারশব্দ সপ্তমীর একবচনে প্রযুক্ত আছে। কিন্তু তর্কবাচস্পতি মহাশয়, পাণিনিকৃত নিয়মের অলঙ্ঘনীয়তা স্থির করিয়া, আপস্তম্বীয় ধর্ম্মস্থত্রে দারশব্দের একবচনান্তপ্রয়োগরূপ যে দোষ ঘটিয়াছে, উহার পরিহারবাসনায়, “দারে” এই পদের পূর্ব্বে এক লুপ্ত অকারের কল্পনা করিয়াছেন। এক্ষণে, পূর্ব্বনির্দিষ্ট নয় সুত্রে যে দারশব্দের একবচনান্ত প্রয়োগ আছে, উল্লিখিত প্রকারে, দয়া করিয়া, তিনি তাহার সমাধান করিয়া না দিলে, নিরবলম্ব আপস্তম্ব অব্যাহতি লাভ করিতে পারিতেছেন না। আপাততঃ যেরূপ লক্ষিত হইতেছে, তাহাতে সকল স্থলে লুপ্ত অকার কম্পনার পথ আছে, এরূপ বোধ হয় না। অতএব, প্রসিদ্ধ বৈয়াকরণ ও প্রসিদ্ধ সর্বশাস্ত্রবেত্তা তর্কবাচস্পতি মহাশয়, অদ্ভুত বুদ্ধিশক্তিপ্রভাবে, কি অদ্ভুত প্রণালী অবলম্বন করিয়া,<noinclude></noinclude> gil6s7w0myw2zi89w6pce819oyv3uxg পাতা:বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার - দ্বিতীয় পুস্তক.pdf/১৯৭ 104 317700 1992079 1795985 2026-07-31T04:19:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992079 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh|১৯২|বহুবিবাহ।|}}</noinclude>গণ্য হইবেক; এ কথা বলিলে, সে ব্যক্তির বর্তমান সকল স্ত্রীই পুত্ত্রহীনা, ইহাই প্রতিপন্ন হয়। বস্তুতঃ, পুল্লহীন স্ত্রীসমূহের বিষয়েই এই ব্যবস্থা প্রদত্ত হইয়াছে। অতএব, “পুত্ত্রবতী স্ত্রী সত্ত্বেও বিবাহ প্রতিপন্ন হইতেছে”, সামশ্রমী মহাশয়ের এই সিদ্ধান্ত বচনের অর্থ দ্বারা সমর্থিত হইতেছে না। “সপত্নীদের মধ্যে যদি কেহ পুত্ত্রবতী হয়,” এ স্থলে “যদি হয়” এরূপ সংশয়াত্মক নির্দেশ না থাকিয়া, “সপত্নীদের মধ্যে এক জন পুত্ত্রবতী”, যদি এরূপ নিশ্চয়াত্মক নির্দ্দেশ থাকিত, তাহা হইলেও বরং পুত্ত্রবতী স্ত্রী সত্ত্বে বিবাহ করিয়াছে, এরূপ অনুমান কথঞ্চিৎ সম্ভব হইতে পারিত। আর, যদি কোনও ব্যক্তি পূর্ব্ব পূর্ব্ব স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব আশঙ্কা করিয়া ক্রমে ক্রমে বহু বিবাহ করিয়া থাকে, সে স্থলে “শেষপত্নীই পুত্ত্রিণী সুস্থিরই রহিয়াছে,” কেন, বুঝিতে পারা যায় না। সামশ্রমী মহাশয় সিদ্ধান্ত করিয়া রাখিয়াছেন, যখন পূর্ব্ব পূর্ব্ব স্ত্রীকে বন্ধ্যা স্থির করিয়া পুনরায় বিবাহ করিয়াছে, তখন কনিষ্ঠা স্ত্রীরই সন্তান হওয়া সম্ভব, পূর্ব্ব পূর্ব্ব স্ত্রীদিগের আর সন্তান হইবার সম্ভাবনা কি। কিন্তু ইহা অদৃষ্টচর ও অশ্রুতপূর্ব্ব নহে যে, পূর্ব্বস্ত্রীকে বন্ধ্যা স্থির করিয়া পুত্ত্রার্থে পুনরায় বিবাহ করিলে পর, কোনও কোন ও স্থলে পূর্ব্বাস্ত্রীর সন্তান হইয়াছে, কোনও কোনও স্থলে উভয় স্ত্রীর সন্তান হইয়াছে; কোনও কোনও স্থলে উভয়েই গর্ভধারণে অসমর্থ হইয়াছে। অতএব “শেষপত্নীই পুত্ত্রিণী সুস্থিরই রহিয়াছে,” এই সিদ্ধান্ত নিতান্ত অনভিজ্ঞতামুলক, তাহার সংশয় নাই। {{gap}}সামশ্রমী মহাশয়ের তৃতীয় আপত্তি এই;– {{gap}}পূর্ব্বোক্ত প্রকারে শাস্ত্ররূপ প্রমাণ প্রদর্শন করিয়া, পূর্ব্বকালীন রাজাদিগের যদৃচ্ছাকৃত বহুবিবাহ দৃষ্টান্ত দর্শাইয়া, তিনি যদৃচ্ছাপ্রবৃত্ত বহুবিবাহব্যবহারের সমর্থনের নিমিত্ত লিথিয়াছেন,<noinclude></noinclude> 665o7o0vi6bao4v24zdj295vvcc3jx8 পাতা:শিক্ষানবিশের পদ্য.pdf/৬২ 104 321356 1992006 1558721 2026-07-31T04:13:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992006 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="কামরুল ইসলাম শাহীন" />{{rh||মৃত্যু।|৫৩}} {{block center/s}}</noinclude><poem> "অনাথিনী জননীর{{ফাঁক}}করিব উদ্ধার, পুল্র হয়ে কার্য্য আমি{{ফাঁক}}করিব মাতার, দেখিবে সকল লোক{{ফাঁক}}বঙ্গের গৌরব, ফুটিবে বঙ্গের ফুল{{ফাঁক}}ছুটিবে সৌরভ।” অকস্মাৎ ভাবে যুবা{{ফাঁক}}“হায় একজনে পারে নাকি করিবারে বঙ্গের উদ্ধার?” বিষাদে ভাঙ্গিল সাধ{{ফাঁক}}জীবনে অসাধ; দ্বাররুদ্ধ গৃহমধ্যে{{ফাঁক}}লম্বমান দেহ, গলদেশে কাল পাশ{{ফাঁক}}বিস্কারিত চক্ষুঃ কপালে উঠিয়া আছে, জিহ্বা বহির্গত। কোথা কমনীয় যুবা{{ফাঁক}}কোথা দেখ এই আত্মহার ভয়াত্মক{{ফাঁক}}উৎকট বিকট লম্বমান দেহদণ্ড!{{ফাঁক}}কোথায় এখন বঙ্গের উদ্ধার আর{{ফাঁক}}মাতৃমুখোজ্জল। হায়রে অভাগী তুই{{ফাঁক}}দুর্দ্দশা দেখিয়া পলাইল কোল ছাড়ি{{ফাঁক}}তোর যাদুধন! নীরবেতে বঙ্গমাতা{{ফাঁক}}কাঁদিতে লাগিল; বিরলে সরল{{ফাঁক}}গালে অশ্রুধারা দিল; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 893zocihvepuua7fcb3wiikfavbzvs6 পাতা:অদ্ভুত রামায়ণ - সৌদামিনী দেবী.pdf/২০৩ 104 327709 1991535 1889835 2026-07-31T03:48:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991535 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{rh||সপ্তবিংশ সর্গ।|১৮৯}}</noinclude>{{c|{{larger|গীত।}}}} {{bc|<poem>আমি না চাহি অন্য ধন। হইয়ে শ্রীরামধনে ধনী যেন যায় জীবন। পাইলে সামান্য ধন, ভুলিব সে নিত্যধন, অহঙ্কারে সদা মন, হইবে মগন। অহল্যা পাষাণী ছিল, পরশে মানবী হল, যে পদ পরশে কাষ্ঠতরী হইল কাঞ্চন। কহে দেবী সৌদামিনী, দিয়ে সেই পদ দুখানি, তার মোরে রঘুমণি, এই চির আকিঞ্চন।</poem>}} {{rule|2em}} {{c|সম্পূর্ণ।}}<noinclude></noinclude> qhmeb2oeatzxpr9dfqcmltzzqq6q2fu পাতা:আশাকানন.pdf/২১ 104 346334 1991942 1490127 2026-07-31T04:10:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991942 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|১২|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> পল্লবে বসিয়া{{ফাঁক}}পার্থী নানা জাতি ::মধুর কৃজিত করে; নাচিয়া নাচিয়া{{ফাঁক}}গ্রীবা-ভঙ্গি করি ::ময়ূর পেখম ধরে; কুছ কুহু কুহু{{ফাঁক}}কুহরে গলায় ::কোকিল প্রমত্ত ভাব, মুহু মুহু মুহু{{ফাঁক}}তনু-স্নিগ্ধকর ::সুগন্ধ সুধার স্রাব; সরোবর-কোলে{{ফাঁক}}প্রফুল্ল কমল, ::কুমুদ, কহ্লার ফুটে, গুঞ্জরিয়া অলি{{ফাঁক}}কুসুমে কুসুমে ::আনন্দে বেড়ায় ছুটে; চলেছে সেখানে{{ফাঁক}}প্রাণী শত শত ::সদা প্রমুদিত প্রাণ, সুমধুর সুরে{{ফাঁক}}পূরে বনস্থলী ::আনন্দে করিয়া গান; কেহ বা বলিছে{{ফাঁক}}“আজ নিরখিব ::কুমুদরঞ্জন শোভা, উঠিবে যখন{{ফাঁক}}গগনেতে শশী ::জগজন-মনোলোভা; আজি রে আনন্দে{{ফাঁক}}ধরিব হৃদয়ে ::মধুর চাঁদের কর, কোমল করিয়া{{ফাঁক}}কুসুম সে করে ::রাখিব হৃদয়’পর; তাহার উপরে{{ফাঁক}}রাখিয়া প্রিয়ারে, ::কত যে পাইব সুখ। কখন হেরিব{{ফাঁক}}গগনে শশাঙ্ক, ::কখন তাহার মুখ।” কহে কোন জন{{ফাঁক}}বেণুরবে সুখে ::"কোথা পাব হেন স্থান; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> gzjwtlrgtn2dkk6m0enwwp3bemd7l3v পাতা:আশাকানন.pdf/২২ 104 346335 1991943 1556395 2026-07-31T04:10:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991943 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|১৩}} {{block center/s}}</noinclude><poem> জগত-দুর্লভ{{ফাঁক}}রাখিয়া এ নিধি ::নিরখি জুড়াই প্রাণ! দিলা যে গোঁসাই{{ফাঁক}}এ হেন রতন ::যতনে রাখিতে ঠাঁই ভূমণ্ডল মাঝে{{ফাঁক}}নিরজন হেন ::নয়নে দেখিতে নাই।” কেহ বা বলিছে{{ফাঁক}}“হায় কত দিনে ::পাব সে কাঞ্চন-ফল; নাহি রে সুন্দর{{ফাঁক}}দেখিতে তেমন ::খুঁজিলে অবনীতল। সে দুর্লভ ফল{{ফাঁক}}কি যে অপরূপ ::দেখিতে কিবা সুন্দর, বুঝি ক্ষিতিতলে{{ফাঁক}}অনুরূপ তার ::নাহি কিছু সুখকর! পাই দরশন{{ফাঁক}}নয়নে কেবল ::না লভি আস্বাদ কভু, হায় মধুময়{{ফাঁক}}কিবা সে আনন্দ, ::কিবা সে আস্বাদ তবু; না জানি সঞ্চয়ে{{ফাঁক}}পাব কত সুখ, ::ঘুচিবে সকল ভয়, কতু যদি পাই{{ফাঁক}}করিব পৃথিবী ::অপূর্ব্ব সৌন্দর্য্যময়; ভাবনা কি ছার,{{ফাঁক}}ছার চিন্তা, রোগ, ::সে ফল যদ্যপি মিলে, বিনিময়ে তার{{ফাঁক}}জীবন পরাণী ::ক্ষোভ নাহি বিকাইলে।” চলে কত জন{{ফাঁক}}সুখে করে গীত, ::বলে “কবে পাব যশ, পরিয়া শিরেতে{{ফাঁক}}শোভিব উজ্জ্বল, ::ধরণী করিব বশ; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> le22set8xal8mn28yfakynmfe0atdo6 পাতা:আশাকানন.pdf/২৩ 104 346336 1992223 1556396 2026-07-31T04:45:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992223 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|১৪|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> পৃথিবী-ভিতরে{{ফাঁক}}দ্বিতীয় রতন ::কে আছে তেমন আর— হীরা মণি হেম{{ফাঁক}}চিকণ মৃত্তিকা, ::কেবল যখের ভার!” বাজিছে কোথাও{{ফাঁক}}জয় জয় নাদে ::গম্ভীর দুন্দুভি-স্বর, চলে প্রাণিগণ{{ফাঁক}}করিয়া সঙ্গীত ::কম্পিত মেদিনী’পর! বলে “প্রভাকর{{ফাঁক}}আজি কি সুন্দর ::হেরিতে গগন-ভালে, আজি মত্ত নদী{{ফাঁক}}মাতঙ্গ-বিক্রমে ::হের কি তরঙ্গ ঢালে! আজি রে প্রতাপ{{ফাঁক}}প্রভঞ্জন তোর ::হেরিতে আনন্দ কত, আজি ধরা তব{{ফাঁক}}হেরি অবয়ব ::কিবা সুখ অবিরত! তোল হৈম ধ্বজা{{ফাঁক}}গগনের কোলে ::কেতনে বিদ্যুৎ জ্বাল— লেখ ধরাতলে{{ফাঁক}}কৃপাণের মুখে ::মানব জিনিবে কাল;” বলিয়া সুসজ্জ{{ফাঁক}}তুরঙ্গ-উপরে ::ভর করি কত জন, চলে দ্রুতবেগে{{ফাঁক}}শাণিত কৃপাণ ::করে করি আকর্ষণ। দশ দিক্‌ হৈতে{{ফাঁক}}কত হেনরূপ ::সঙ্গীত শুনিতে পাই; হরষ উল্লাসে{{ফাঁক}}উন্মত্ত পরাণ ::প্রাণী হেরি যত যাই। যথা সে জাহ্নবী{{ফাঁক}}তরঙ্গ নির্ম্মল ::ছাড়িয়া শিখরতল, </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 8r8xaymd9p5qextblha43ct34xz32le পাতা:আশাকানন.pdf/২৫ 104 346338 1992224 1556397 2026-07-31T04:45:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992224 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|১৬|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> নিরখি কৌতুকে{{gap}}চাহিয়া চৌদিকে ::সাগরের যেন বালি— চলে প্রাণিগণ{{gap}}ঢাকি ধরাতল, ::চলে দিয়া করতালি; অশেষ উৎসাহ{{gap}}আনন্দ আশ্বাসে ::সকলে করে গমন, দেখিয়া বিস্ময়ে{{gap}}পুরিয়া আশ্বাসে ::আশারে হেরি তখন; জিজ্ঞাসি তাহায়{{gap}}“এরূপ আনন্দে ::প্রাণী সবে কোথা যায়, কি বাসনা মনে{{gap}}চলে কোন্‌ স্থানে ::কি ফল সেখানে পায়!” আশা কহে শুনি{{gap}}হাসিয়া তখন ::"চল বৎস, চল আগে, প্রাণি-রঙ্গভূমি{{gap}}কর্ম্মক্ষেত্র নাম ::নিরখিবে অমুরাগে; প্রাণী যত তুমি{{gap}}হের এই সব ::সেইখানে নিত্য যায়, বাসনা কল্পনা{{gap}}যাদৃশ যাহার ::সেইখানে গিয়া পায়। আশা-বাণী শুনি{{gap}}চলি দ্রুত বেগে, ::আশা চলে আগে আগে, আসি কিছু দূর{{gap}}দেখি মনোহর ::পুরী এক পুরোভাগে। </poem> {{block center/e}}<noinclude></noinclude> 8m4mywome6qwb8s9rw3lv0aidx2rkng পাতা:আশাকানন.pdf/৪৭ 104 346360 1991944 1556414 2026-07-31T04:10:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991944 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৩৮|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> না পড়ে যাহারা{{ফাঁক}}উঠিয়া শিখরে, ::ঘন সিংহনাদ ছাড়ে; পড়িছে প্রাসাদ{{ফাঁক}}চারি দিকে যত ::নিরখি আনন্দ বাড়ে। সে প্রাসাদমালা{{ফাঁক}}উপরে আশ্চর্য্য ::প্রাণী এক হেরি ভ্রমে, বিজুলির লতা{{ফাঁক}}ক্রীড়া করে যেন ::প্রাসাদশিখরে ক্রমে। আরোহী প্রাণীরা{{ফাঁক}}নিকটে আইলে ::মুকুট তুলিয়া ধরে; অধৈর্য্য হইয়া{{ফাঁক}}প্রাণী সে সকল ::কিরীট শিরেতে পরে; পরিয়া উজ্জ্বল{{ফাঁক}}কিরীট মস্তকে ::বেগে নামে ধরাতলে; ছাড়িয়া হুঙ্কার{{ফাঁক}}কাঁপায়ে মেদিনী ::মহাদম্ভ তেজে চলে; বলে গর্ব্ব করি{{ফাঁক}}“পৃথিবী সৃজন ::বল সে কাহার তরে, না যদি সম্ভোগ{{ফাঁক}}করিবে এ ধরা ::কেন বিধি সৃজে নরে। সুর-বীর্য্য ধরি{{ফাঁক}}যে আসে মহীতে ::তাহারি উচিত হয়। ভুঞ্জিতে ধরাতে{{ফাঁক}}ঐশ্বর্য্য প্রতাপ, ::পশু যারা ভাবে ভয়। ধর্ম্ম লৈয়ে ভাবে{{ফাঁক}}পাবে কর্ম্ম-ফল ::পাবে মোক্ষপদ, হায়! মর্ত্ত্যে ইন্দ্রালয়{{ফাঁক}}করিতে পারিলে ::স্বৰ্গপুরী কেবা চায়। হেন গর্ব্বভাব{{ফাঁক}}চলে দর্প করি ::প্রাণী সে সকল হেরি, </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> krp0zbs1f9ls6kzkb8xkmeux0y4rv5q পাতা:আশাকানন.pdf/৫৬ 104 346369 1991945 1980861 2026-07-31T04:10:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991945 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৪৭}} {{block center/s}}</noinclude><poem> যেন শত বীণা{{ফাঁক}}বাজিছে একত্রে ::মিলিত করিয়া তান, শ্রবণে প্রবেশ{{ফাঁক}}করিলে তখনি ::পুলকিত করে প্রাণ। শূন্যে দৃষ্টি করি{{ফাঁক}}রোমাঞ্চ শরীর, ::বিস্ময় ভাবিয়া চাই, কিবা কোন যন্ত্র,{{ফাঁক}}কিবা বাদ্যকর, ::কিছু না দেখিতে পাই। হাসি কহে আশা{{ফাঁক}}“বৃথা আকিঞ্চন, ::দৃষ্টি না হইবে নেত্রে; এ মধুর ধ্বনি{{ফাঁক}}নিত্য এইরূপে ::নিনাদিত এই ক্ষেত্রে; বীণা কি বাঁশরি{{ফাঁক}}কিম্বা কোন যন্ত্র ::নিঃসৃত নহেক স্বর, স্বতঃ বিনির্গত{{ফাঁক}}সুললিত সদা, ::ভ্রমে নিত্য গিরি’পর, সদা মনোহর{{ফাঁক}}বায়ুতে বায়ুতে ::বেড়ায় ঝঙ্কার করি, কমলের দল{{ফাঁক}}বেষ্টিয়া যেমন ::ভ্রমর ভ্রমে গুঞ্জরি।” শুনিতে শুনিতে{{ফাঁক}}আশার বচন ::ক্রমশ অচলে উঠি, যত ঊৰ্দ্ধে যাই{{ফাঁক}}তত সুমধুর ::ধ্বনি ভ্রমে সেথা ছুটি। ছাড়ি অধোদেশ{{ফাঁক}}উঠিনু যখন ::মধ্যভাগে গিরিকায়; শরীর পরশি{{ফাঁক}}ধীরে ধীরে ধীরে ::বহিল মৃদুল বায়! সে বায়ুতে মিশি{{ফাঁক}}সুমধুর ভ্রাণ ::করিল আমোদময়; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> mt19100a68c6et0bc86kizgbvdvj2dr পাতা:আশাকানন.pdf/৮০ 104 346393 1991946 772162 2026-07-31T04:10:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991946 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৭১}} {{block center/s}}</noinclude><poem> চিন্তিয়া না পাই{{ফাঁক}}কারণ তাহার, ::আশারে জিজ্ঞাসা করি, কেন সে প্রাণীরা{{ফাঁক}}সলিল-পরশে ::থাকে হেন ভাব ধরি! হাসি কহে আশা{{ফাঁক}}“শুন রে বালক, ::অতি শুচি এই জল, পবিত্র-মানস{{ফাঁক}}প্রাণী যেই জন ::পরশি হয় শীতল; অপবিত্র-দেহ{{ফাঁক}}অপবিত্র-প্রাণ ::যে ইহা পরশ করে, তখনি সে জন{{ফাঁক}}সলিল-মাহাত্ম্যে ::পাষাণ-মূরতি ধরে; কাঁদে চিরকাল{{ফাঁক}}এই ভাবে সদা ::চলৎ-শকতিহীন, অনুতাপ হেরে{{ফাঁক}}অন্য প্রাণী যত ::স্নিগ্ধ হয় অনুদিন; সতী-ঝর নামে{{ফাঁক}}এ সব নির্ঝর ::সুপবিত্র বারি অতি, পরশে যে নারী{{ফাঁক}}সলিল ইহার ::লভে যশঃ নাম সতী; পুরুষ যে জন{{ফাঁক}}কবে ইথে স্নান ::জিতেন্দ্রিয় নাম তার, ধরাধামে থাকি{{ফাঁক}}লভে স্বর্গসুখ ::আনন্দ লভে অপার। কঠোর সাধনা{{ফাঁক}}প্রণয়ে যাহার ::পবিত্র নির্ম্মল মন, পরচিন্তা চিতে{{ফাঁক}}জনমে যে প্রাণী ::করে নাই কোন ক্ষণ, সেই নারী নর{{ফাঁক}}পরশে এ বারি, ::অন্যে না ছুঁইতে পারে; </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> ag96k7842s1bhtk901o2hxauqm0zkpe পাতা:আশাকানন.pdf/৮১ 104 346394 1991947 1490157 2026-07-31T04:10:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991947 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৭২|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> অন্যে যে পরশে{{ফাঁক}}অপবিত্র মনে ::আই দশা ঘটে তারে।” নিরখি নির্ঝর{{ফাঁক}}নিকটে সে সব ::ভ্রমে প্রাণী এক জন, মধুময় হাসি,{{ফাঁক}}মধুর মাধুরী ::অঙ্গেতে করে ধারণ; অতি সুললিত{{ফাঁক}}আকৃতি তাহার ::দেহকান্তি নিরুপম, মুখে দিব্য ছটা{{ফাঁক}}অধরে সতত ::মৃদু হাসি সুধা-সম; গলে প্রস্ফুটিত{{ফাঁক}}প্রীতিকর দাম ::গ্রথিত অপূর্ব্ব ফুলে; স্বতঃ-নিনাদিত{{ফাঁক}}মধুর বাদিত্র ::লম্বিত বাহুর মূলে; সুখে করি গান{{ফাঁক}}ভ্রমে ঝরে ঝরে ::সরল সুমিষ্ট ভাষে; বিমল বদনে{{ফাঁক}}নিরমল জ্যোতি ::সূর্য্য-আভা পরকাশে। নিবার-বিলাসী{{ফাঁক}}প্রাণিগণ তারে ::কত সমাদর করে; বসায়ে নিকটে{{ফাঁক}}আনন্দে বিহ্বল ::শুনে গীত প্রেমভরে। হেরি কত ক্ষণ{{ফাঁক}}জিজ্ঞাসি আশারে ::কেবা সে অপূর্ব্ব জন, তুষি এ সবারে{{ফাঁক}}নির্ঝরে নির্ঝরে ::এরূপে করে ভ্রমণ? আশা কহে হাসি{{ফাঁক}}“এই যে পরাণী ::দেখিতে হেন সুঠাম, প্রণয়-কাননে{{ফাঁক}}চিরদিন বাস, ::সন্তোষ ইহার নাম।” </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 9bhgtru5yhatvtunm7n0719wakglv2c পাতা:আশাকানন.pdf/৮৬ 104 346399 1992225 772201 2026-07-31T04:45:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992225 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৭৭}} {{block center/s}}</noinclude><poem> বসি এইখানে{{ফাঁক}}দ্যুলোক ভুবন, ::বৈকুণ্ঠ দেখিতে পাই; জলনিধি মেঘ{{ফাঁক}}বায়ু ব্যোম ধরা ::সকলি ভুলিয়া যাই! ভাবি যেন মনে{{ফাঁক}}আসি সুরবালা ::আনিয়া স্বর্গের রথ ঘেরিয়া আমারে{{ফাঁক}}লইয়া বিমানে ::চলে বহি শূন্য-পথ, প্রবেশি স্বরগে{{ফাঁক}}নিরখি সেখানে ::নন্দনবনের ফুল, শুনি দেবধ্বনি{{ফাঁক}}হেরি মনঃসুখে ::মন্দাকিনী-নদীকূল; দেববৃন্দ সেথা{{ফাঁক}}দেখায় আমারে ::আনন্দে অমরালয়; তারা শশধর{{ফাঁক}}অমৃত-ভাণ্ডার, ::সুর-সুখ সমুদয়। কেমনে বুঝাব{{ফাঁক}}সে সুখ তোমারে ::বাণীতে বর্ণিব কিবা— দিবাকর-জ্যোতি{{ফাঁক}}জ্যোতি যে কিরূপ ::তাহা সে প্রকাশে দিবা!” যথা হুতাশন{{ফাঁক}}পরশে যেমন ::যখন গৃহের ছদ; প্রথমে প্রকাশ{{ফাঁক}}ধূম অনর্গল ::শেষে অনলের হ্রদ। বলিতে বলিতে{{ফাঁক}}সেইরূপ তার ::বদন পুরে ছটায়, নেত্রে বাষ্পধূম{{ফাঁক}}নিমেষে শরীর ::প্রদীপ্ত বহ্নির প্রায়। পরে পুনরায়{{ফাঁক}}সেই প্রাণী-পাশে ::এক চিন্তা এক ধ্যান </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> hbdyqtoeunz3jv7l810jfzkj84e4kmi পাতা:আশাকানন.pdf/৯২ 104 346405 1991948 772236 2026-07-31T04:10:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991948 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৮৩}} {{block center/s}}</noinclude><poem> ভাবি মর্ত্তধামে{{ফাঁক}}থাকিতে এ পুরী ::আবার কি হেতু লোক যাইতে কামনা{{ফাঁক}}করে স্বর্গপুরী ::ছাড়িয়া মরত-লোক? ভুলিয়া সে ভ্রমে{{ফাঁক}}ভাবিতে ভাবিতে ::মৃত্যুরূপ পুনঃ স্মরি; কাতর অন্তরে{{ফাঁক}}উৎসুক হইয়া ::আশারে জিজ্ঞাসা করি, এই ভাবে নিত্য{{ফাঁক}}এ শোভা প্রকাশ ::থাকে কি তোমার বনে? এ আনন্দ-ধারা{{ফাঁক}}নাহি কি শুকায় ::মৃত্যুশিখা-পরশনে? ধরাতে সে জানি{{ফাঁক}}বিধির ছলনে ::বৃথা সে শৈশব-নিধি! কৈশোরে রাখিয়া{{ফাঁক}}মৃত্যু-ফণী শিরে ::মানবে বঞ্চিলা বিধি! এ কাননে পুনঃ{{ফাঁক}}আছে কি সে কীট ::দারুণ করাল কাল? আশারও কাননে{{ফাঁক}}এ স্বর্গ-পুত্তলি- ::পথে কি আছে জঞ্জাল? শুনি কহে আশা{{ফাঁক}}“কখন এখানে ::পড়ে সে কালের ছায়া, কিন্তু সে ক্ষণিক,{{ফাঁক}}নিবারি তাহাতে ::নিমেষে প্রকাশি মায়া। অশেষ কৌশলে{{ফাঁক}}করেছি নির্ম্মাণ ::দিব্য অট্টালিকা ফুলে; শোকতপ্ত প্রাণী{{ফাঁক}}প্রবেশে যে তায় ::তখনি সকল ভুলে। প্রবেশি তাহাতে{{ফাঁক}}পায় নিরখিতে ::যে যাহা হয়েছে হার— </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> t502x8n86ve4dtyshodacap4if1rctl পাতা:আশাকানন.pdf/৯৯ 104 346412 1991949 772240 2026-07-31T04:10:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991949 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৯০|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> চল এই পথে"{{ফাঁক}}হেন কালে হেরি ::জ্যোতির্ম্ময় ঋষি-বেশ, তেজঃপুঞ্জ ধীর,{{ফাঁক}}অমল-বদন ::শ্বেত-শ্মশ্রু, শ্বেত-কেশ প্রাণী একজন{{ফাঁক}}আসি উপনীত ::শিরেতে কিরণ-ছটা, ছায়াশূন্য দেহ{{ফাঁক}}দেবের সদৃশ, ::অঙ্গেতে সৌরভঘটা; কহিলা আমারে{{ফাঁক}}“কুহকে ভুলিয়া ::কোথা, বৎস, কর গতি! দেখিছ যে অই{{ফাঁক}}আশা মায়াবিনী, ::বড়ই কুটিলমতি। করো না প্রত্যয়{{ফাঁক}}উহার বচনে ::ভুলো না উহার ছলে, হেন প্রবঞ্চক{{ফাঁক}}দেখিতে পাবে না ::কদাপি অবনীতলে। ছিল সত্য আগে{{ফাঁক}}অমর-আলয়ে, ::সদা সত্যপ্রিয় অতি, মিথ্যা, প্রবঞ্চনা{{ফাঁক}}না জানিত কভু, ::সরল সুন্দর গতি। বলিত যাহারে{{ফাঁক}}যখন যেরূপ ::ফলিত বচন তথা; ত্রিলোক ভুবনে{{ফাঁক}}আছিল সুখ্যাতি ::মিথ্যা না হইত কথা। ছিল বহু দিন{{ফাঁক}}সুখে স্বর্গধামে ::ক্রমে দৈববিড়ম্বনা— দানব দুরন্ত{{ফাঁক}}স্বর্গ লৈল হরি ::অমরে করি ছলনা। ইন্দ্রাদি দেবতা{{ফাঁক}}দনুজ-দৌরাত্ম্যে ::স্বর্গপুরী পরিহরি, </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 7vlu1dhxmox37tdfscmofps7xi9aldr পাতা:আশাকানন.pdf/১০২ 104 346415 1991950 1980872 2026-07-31T04:10:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991950 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৯৩}} {{block center/s}}</noinclude><poem> শুনিয়া সে ধ্বনি{{ফাঁক}}কানন-বাহিরে ::পরাণী নিস্তব্ধ সব; ঘন হাহা রব,{{ফাঁক}}প্রচণ্ড নিশ্বাস, ::উঠিছে ঝটিকা সম; কভু শান্ত ভাব{{ফাঁক}}কভু ভয়ানক ::এই সে তাহার ক্রম। প্রবেশের মুখে{{ফাঁক}}সে অরণ্য-পাশে ::দেখি প্রাণী একজন, অতি ম্লান ভাব,{{ফাঁক}}হাতে ফুলমালা, ::দুঃখেতে করে ভ্রমণ; পড়িয়াছে কালি{{ফাঁক}}বদন-মগুলে, ::গভীর চিন্তার রেখা, ফেলি অশ্রুধারা{{ফাঁক}}চাহি ধরা-পানে ::সতত ভ্রমিছে একা। দেখিয়া তাহার{{ফাঁক}}কাতর অন্তর ::উপনীত হই কাছে, জিজ্ঞাসি কি হেতু{{ফাঁক}}ভ্রমে সেইখানে ::কত দিন সেথা আছে? কহিল সে জন{{ফাঁক}}“আশার কাননে ::আছি আমি বহু দিন, ভ্রমি এইরূপে{{ফাঁক}}দিবা বিভাবরী, ::শরীর করেছি ক্ষীণ; পক্ষ ঋতু মাস,{{ফাঁক}}বৎসর কতই, ::অতীত হইল, হায়, তবু কা’র গলে{{ফাঁক}}নারিলাম দিতে ::এ ছার স্নেহ-মালায়। কত যে পুরুষ,{{ফাঁক}}কত যে রমণী, ::সাধনা করিনু কত— গ্রহণ করিতে{{ফাঁক}}এ কুসুম-দাম ::কেহ সে নহে সম্মত! </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 960kqnewq3b740fcx075kms0mb1nozd পাতা:আশাকানন.pdf/১০৬ 104 346419 1991951 1956428 2026-07-31T04:10:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991951 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৯৭}} {{block center/s}}</noinclude><poem> আ(ই)স ফিরে ঘরে{{ফাঁক}}ক্রোড়ে করি তায় ::বদন আঘ্রাণ নেবে;” বলিয়া দুঃখেতে{{ফাঁক}}করিয়া ক্রন্দন ::পশ্চাতে ধাইছে তার, ছায়ারূপী প্রাণী{{ফাঁক}}না শুনে সে কথা ::দূরে যায় পুনঃ আর। আহা সুরূপসী{{ফাঁক}}রামা কোন জন ::দুই বাহু ঊর্দ্ধে তুলি ছুটে ঊর্দ্ধশ্বাসে{{ফাঁক}}“নাথ নাথ” বলি ::কুন্তল পড়িছে খুলি, "দাঁড়াও বারেক{{ফাঁক}}ক্ষণকাল, নাথ, ::জুড়াক তাপিত বুক, বারেক তুলিয়া{{ফাঁক}}দেখাও আমারে ::অই শশিসম মুখ; ভ্রমি অনিবার{{ফাঁক}}এ আঁধার বনে ::বরষ বরষ হায়। সাগর-সলিলে{{ফাঁক}}ধ্রুবতারা যেন ::নাবিক নিরখি যায়। উঠিছে তরঙ্গ{{ফাঁক}}চারি পাশে তার ::তরণী ছুটিছে আগে, অনিমেষ আঁখি{{ফাঁক}}দেখিছে চাহিয়া ::আকাশের সেই ভাগে! সেইরূপে নাথ{{ফাঁক}}জাগি দিবা নিশি ::সেইরূপে দুঃখে চাই; তবু এ দুরন্ত{{ফাঁক}}অকূল সাগরে ::কুল নাহি খুঁজে পাই; কবে পুনরায়{{ফাঁক}}আবার তেমতি ::পাইব হৃদয়ে স্থান। শুনিব মধুর{{ফাঁক}}সুধা-সম স্বর ::জুড়াবে শরীর প্রাণ!" </poem><noinclude>{{block center/e}} {{left|১৩}}</noinclude> aiktmr5mxfu2bvqf9ihy3fdql92w738 1992226 1991951 2026-07-31T04:45:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992226 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|৯৭}} {{block center/s}}</noinclude><poem> আ(ই)স ফিরে ঘরে{{ফাঁক}}ক্রোড়ে করি তায় ::বদন আঘ্রাণ নেবে;” বলিয়া দুঃখেতে{{ফাঁক}}করিয়া ক্রন্দন ::পশ্চাতে ধাইছে তার, ছায়ারূপী প্রাণী{{ফাঁক}}না শুনে সে কথা ::দূরে যায় পুনঃ আর। আহা সুরূপসী{{ফাঁক}}রামা কোন জন ::দুই বাহু ঊর্দ্ধে তুলি ছুটে ঊর্দ্ধশ্বাসে{{ফাঁক}}“নাথ নাথ” বলি ::কুন্তল পড়িছে খুলি, "দাঁড়াও বারেক{{ফাঁক}}ক্ষণকাল, নাথ, ::জুড়াক তাপিত বুক, বারেক তুলিয়া{{ফাঁক}}দেখাও আমারে ::অই শশিসম মুখ; ভ্রমি অনিবার{{ফাঁক}}এ আঁধার বনে ::বরষ বরষ হায়। সাগর-সলিলে{{ফাঁক}}ধ্রুবতারা যেন ::নাবিক নিরখি যায়। উঠিছে তরঙ্গ{{ফাঁক}}চারি পাশে তার ::তরণী ছুটিছে আগে, অনিমেষ আঁখি{{ফাঁক}}দেখিছে চাহিয়া ::আকাশের সেই ভাগে! সেইরূপে নাথ{{ফাঁক}}জাগি দিবা নিশি ::সেইরূপে দুঃখে চাই; তবু এ দুরন্ত{{ফাঁক}}অকূল সাগরে ::কুল নাহি খুঁজে পাই; কবে পুনরায়{{ফাঁক}}আবার তেমতি ::পাইব হৃদয়ে স্থান। শুনিব মধুর{{ফাঁক}}সুধা-সম স্বর ::জুড়াবে শরীর প্রাণ!” </poem><noinclude>{{block center/e}} {{left|১৩}}</noinclude> d9qmd5jq67l16l6pty4wriyg145xv75 পাতা:আশাকানন.pdf/১১৭ 104 346430 1992227 1489922 2026-07-31T04:45:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992227 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|১০৮|হেমচন্দ্র-গ্রন্থাবলী|}} {{block center/s}}</noinclude><poem> কেন বিধি হেন{{ফাঁক}}আশ্বাসে ভুলায়ে ::জ্বালিলে হৃদয়ে শিখা? জানিতে যদ্যপি{{ফাঁক}}অগ্রে এ ললাটে ::এ হেন অভাগ্য লিখা!” এরূপে বিলাপ{{ফাঁক}}করিছে অনেকে, ::কেহ বা উঠিয়া ধায়, ভাবে যেন শূন্যে{{ফাঁক}}কোন সে আকৃতি ::সহসা দেখিতে পায়। গিয়া দ্রুতপদে{{ফাঁক}}করতল যুড়ে ::বাহু প্রসারণ করি; বাতাস মিলায়{{ফাঁক}}ঘুচে সে প্রমাদ, ::পালটে আশা সম্বরি, ফিরে অধোমুখ{{ফাঁক}}বসিয়া আবার ::দিনমণি-পানে চায়, দেখে শূন্যমার্গে{{ফাঁক}}ধীরে ধীরে সূর্য্য ::গগনে ভাসিয়া যায়। নিরখি সেখানে{{ফাঁক}}প্রাণী অন্য কত ::মনস্তাপে ধীরে ধীরে কণ্ঠ হ(ই)তে খুলি{{ফাঁক}}কুসুমের হার ::নিরখিছে ফিরে ফিরে; করি ছিন্ন ছিন্ন{{ফাঁক}}ফেলিছে ভূতলে ::পদতলে দৃঢ় চাপি; নেত্রে অশ্রুবিন্দু{{ফাঁক}}ফেলি মুহুর্ম্মুহু ::উঠিছে সঘনে কাঁপি; পদাঘাতে চূর্ণ{{ফাঁক}}খণ্ড খণ্ড হয়ে ::সে মালা পড়ে যখন; "উদ্‌যাপন” বলি{{ফাঁক}}ছাড়িয়া নিশ্বাস ::সে প্রাণী করে গমন। দেখি কত জন{{ফাঁক}}বসিয়া নির্জ্জনে ::ধীরে চিত্রপট খুলে, </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 4968bcaj8439fkoc2lnxgr77io0p3p7 পাতা:আশাকানন.pdf/১২৪ 104 346437 1992228 1983626 2026-07-31T04:45:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992228 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||আশাকানন|১১৫}} {{block center/s}}</noinclude><poem> সে অনল-কুণ্ডে{{ফাঁক}}মুহূর্ত্তে মুহূর্ত্তে ::নিক্ষেপে বহ্নির ‘পর। ঋষি কহে “বৎস,{{ফাঁক}}হের রে হতাশ ::হতাশ-কূপ নেহার; আশার কাননে{{ফাঁক}}পরিণাম এই ::নিরূপিত বিধাতার!” নেহারি আতঙ্কে{{ফাঁক}}কম্পিত শরীর, ::ভয়ে শিরে কাঁপে কেশ— ধু ধু করে দিক্‌{{ফাঁক}}অনন্ত ব্যাদান ::বালুময় মরুদেশ; জলিছে অনল{{ফাঁক}}সে বিষম কুণ্ডে ::আশাভগ্ন নারী নর দশ দিক্‌ হৈতে{{ফাঁক}}হতাশ-তাড়িত ::পড়ে তাহে নিরন্তর। হেরি ক্ষণ কাল{{ফাঁক}}সে অনল-কুণ্ড ::ব্যাকুলিত হয় প্রাণ; বলি, “শীঘ্র ঋষি{{ফাঁক}}পরিহরি ইহা ::চল কোন অন্য স্থান। যেন সে কোন বা{{ফাঁক}}অর্ণবের কুলে ::বসি নিরখিলে একা, অকুল সাগরে{{ফাঁক}}নিত্য ঊর্ম্মিকুল ::নেত্রপথে যায় দেখা; হু হু চলে জল,{{ফাঁক}}অনন্ত জলধি, ::অনন্ত ঘন উচ্ছ্বাস; শূন্য অন্তরীক্ষে{{ফাঁক}}অগাধ অনন্ত ::ব্যোমকায় পরকাশ; পক্ষি-প্রাণি-শূন্য{{ফাঁক}}নিখিল গগন, ::পক্ষি-প্রাণি-শূন্য সিন্ধু; জলধি-গর্জ্জন{{ফাঁক}}কেবলি নিয়ত, ::নাহি অন্য স্বরবিন্দু। </poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 7lxkyb0c9pibpnptuanyjjxouzpkzoj পাতা:বিবিধ সমালোচন (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়).pdf/১০৮ 104 347884 1992327 1813021 2026-07-31T05:02:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992327 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||আর্য্যজাতির সূক্ষ্ম শিল্প।|৯৭}}</noinclude>ভাস্কর্য্যের ইহা একটী প্রধান ধর্ম্ম—সর্ব্বত্রেই ইহার গৌরবের কথা শ্রবণগোচর হয়। পাঠক! বোধ করি আপনি অবগত আছেন যে এইরূপ সুখস্পর্শ ও কোমলগঠন এবং মনোহর অঙ্গ বিশ্বাস প্রভৃতি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের লক্ষণ। অতএব আপনি শুনিলে আনন্দিত হইবেন যে আর্য্যগণ এই সকল উৎকষ্ট লক্ষণ দ্বারা অলঙ্কৃত করিয়া অধিকাংশ প্রতিমূর্ত্তাদি বিশেষ নৈপুণ্য সহকারে নির্ম্মাণ করিয়াছিলেন! এই জাতীয় শিল্পের অপর একটী উৎকৃষ্ট ধর্ম্ম “প্রয়োজम সিদ্ধি” অর্থাৎ, শিল্পী পুত্তলিকাদিগকে যে যে কার্য্যে নিয়োজিত করিবার কল্পনা করিয়াছেন দৃষ্টিমাত্রে দর্শকের মনে সেই সেই উদ্দেশ্য-সাধন ভাবের উপলব্ধি হয়। আমি আহ্লাদের সহিত ব্যক্ত করিতেছি যে অনেক বিখ্যাত ইউরোপীয় পণ্ডিত অস্মদ্দেশীয় পৌরাণিক ভাস্কর্য্যে এই মহদ গুণের অস্তিত্ব স্বীকার করিয়াছেন!” {{ফাঁক}}পরে মথুরার বিখ্যাত পুত্তলিকা সকলের বিস্তারিত বর্ণনা করিয়াছেন। অনেকে উহা গ্রীক শিল্পিনির্ম্মিত সাইলেনসের প্রতিমূর্ত্তি বিবেচনা করেন। শ্রীমাণি বাবু এ কথার প্রতিবাদ করিয়াছেন।<ref>গ্রীক্ জাতিরা মথুরা পর্য্যন্ত আসিয়াছিল, একথা অসম্ভব বলিয়া শ্রীমাণি মহাশয় যে আপত্তি করিয়াছেন, তাহা অকিঞ্চিৎকর। হণ্টর সাহেব প্রমাণ করিয়াছেন, যে গ্রীক জাতীয়েরা মধ্য ভারতবর্ষের নানা স্থানে বাস করিত। মহাভাষ্যের বিখ্যাত উদাহরণ অরুণৎ যবনো সাকেতম,” শ্রীমাণি মহাশয় কি বিস্মৃত হইয়াছেন? যখন গ্রীকেরা অযোধ্যা অবরোধ করিয়াছিল তখন মথুরার না আসিবে কেন?</ref> তিনি বলেন যে উহা হিন্দু শিল্পকরের খোদিত কৃষ্ণলীলা বর্ণন। সাইলেনস নহে— বলরাম। যদি এই ভাস্কর্য্য হিন্দু প্রণীত হয়, তবে সে হিন্দু গ্রীকদিগের নিকট শিল্প শিক্ষা<noinclude>{{rule}}</noinclude> bimkx4kflpv7jnfxxq308z3ci4ua6fm পাতা:কোরান-কণিকা - মীর ফজলে আলী.pdf/২২ 104 352860 1991999 1983766 2026-07-31T04:12:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991999 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|বিভুনাম}} {{larger|সূরাহ্‌—আল্‌হাশর,}} (মদীনায় অবতীর্ণ—২১-২৪ আয়াত, ৩য় রুকু') '''দাতা ও দয়ালু আল্লাহ্‌ তা’লার নামে।''' لو ٱنزلنا هدا القران على حبل……………وهوا العزيز الحكيم}} {{block center/s}}<poem> এই সে কোরান—যদি রাখিতাম পাহাড়ের পরে ::::নিশ্চয় দেখিতে তুমি খোদারই যে ডরে :::::ধসে যেত অধোগতি ‘ঐ সে পাষাণ’, ::::::::টুটে যেত হয়ে খান খান। :::::বুঝিবারে পারে যেন সকলি মানব ::::তাই আমি উপমা যে দিতেছি এ সব। খোদা ভিন্ন উপাস্য যে নাহি কোনো জন, প্রকাশ্য অথবা যাহা আছে রে গোপন— জানে সব জানে প্রভু,—'সর্ব্বজ্ঞানময়’, :::::কৃপাদাতা অতি সদাশয়। খোদা ভিন্ন আরাধ্য যে নাহি কেহ আর :::::রাজা তিনি, পুণ্যের আধার, </poem><noinclude>{{block center/e}} {{center|৬}}</noinclude> 9rkcg14z7z3aatbs3cbhatbds6pt7ys পাতা:কোরান-কণিকা - মীর ফজলে আলী.pdf/২৩ 104 352862 1992000 1985574 2026-07-31T04:12:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992000 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{left|কোরান-কণিকা}} {{block center/s}}</noinclude><poem> শান্তিকর্ত্তা, স্বস্তিদাতা, রক্ষক সবার, শক্তিমান্‌, সর্ব্বেসর্ব্বা, সব কিছু মহত্ত্ব যে তাঁর হোক তবে উচ্চে অতি খোদার সম্মান,— ‘পুতুলের’ সাথে ওরা দিল যাঁর স্থান! সৃষ্টিকর্ত্তা খোদা তিনি গঠনকারক; সুবিন্যাসকারী ও গো ‘বিশ্ব-বিরচক’, সর্ব্বোত্তম নাম যত সকলি তাঁহার। যাহা কিছু আছে স্বর্গে ধরণী মাঝার সকলেই ঘোষিতেছে তাঁরি জয়গান, :::::শক্তিমান্‌, সর্ব্বজ্ঞানবান্‌। </poem>{{block center/e}} ইহাতে পবিত্র কোরানের মহত্ত্ব ও বিভিন্ন নামে খোদাতা’লায় গুণাবলী বিবৃত করা হইয়াছে। খোদাতা’লা বলিতেছেন, কোরানের কথায় পাষাণও টুটিয়া যায়, পাহাড় বিধ্বস্ত হইয়া যায়; কিন্তু বিধর্ম্মীয় কঠিন হৃদয় বিগলিত হয়না।<noinclude>{{center|৭}}</noinclude> nm5ixwdvva9tesjwdbg6ktgi25h1h3s পাতা:কোরান-কণিকা - মীর ফজলে আলী.pdf/২৪ 104 352864 1992001 1985575 2026-07-31T04:12:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992001 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|সিংহাসন}} আয়াতুল কুর্সী {{larger|সূরাহ্‌—বকর,}} (মক্কায় অবতীর্ণ—৩৪ রুকূ’, ২৫৫-২৫৭ আয়াত) '''দাতা ও দয়ালু আল্লাহ তা’লার নামে।'''}} {{block center/s}}<poem> খোদা ভিন্ন আরাধ্য যে নাহি কেহ আর, চিরকাল বাঁচে খোদা, অন্ত নাহি তাঁর। তন্দ্রা কিম্বা নিদ্রা তাঁরে করে না বিহ্বল, স্বর্গ মর্ত্ত্যে আছে যাহা তাঁহারি সকল। কে আছে এমন তাঁর বিনা অনুমতি সুপারিশ করে কিছু ‘তাঁর কাছে’, করে গো মিনতি? সম্মুখে পশ্চাতে ওগো যা’ আছে তাদের পরিজ্ঞাত সব তিনি—'ভাবী অতীতের'। জানাইতে ইচ্ছা যাহা সে বিষয় ছাড়া খোদার জ্ঞানের কিছু বুঝিবে না ওরা, স্বর্গ মর্ত্ত্যে জুড়ে আছে তাঁর সিংহাসন, তবু তার রক্ষা হেতু বিব্রত সে নহে কদাচন; :::সকলের পরে তিনি সর্ব্বশ্রেষ্ঠ জন। </poem><noinclude>{{block center/e}} {{center|৮}}</noinclude> ly0b494vl3idcj58r42m516pdi6upgi পাতা:রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী.pdf/৬১ 104 367631 1992160 1968287 2026-07-31T04:26:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992160 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumana roy" />{{left|'''রেণু।'''}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''মৃত্যুঞ্জয়।'''}}}} {{Block center| <poem> মৃত্যু সদা চারিদিকে ধরণীর মাঝে, প্রতি শ্যাম তৃণাঙ্কুরে প্রতি কিশলয়ে বসন্তের শোভা শুধু ক্ষণিক বিরাজে মধুমাসে, চন্দ্রকর মিলায় সভয়ে নিশি না হইতে শেষ; মৃত্যু নিশিদিন জীবনের প্রতি অঙ্গে রহিয়াছে পশে’, কোমল শৈশব শোভা কোথায় বিলীন দৃঢ় মুষ্টি যৌবনের প্রথম পরশে! মৃত্যুর বসতি নাই মানব অন্তরে, প্রতি দিবসের স্মৃতি যেথা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হইয়া থাকে, শৈশবের খেলা, দূরাতীত শরতের কত সন্ধ্যাবেলা মোদের নিভৃত সুখ আজো জাগে প্রাণে মনসিজ প্রেম তাই মৃত্যু নাহি জানে! </poem> }}<noinclude>{{left|৫০}}</noinclude> bbcyzwtb1j8ji7ufnw70oua0fl716qa পাতা:বিদ্যাসাগর গ্রন্থাবলী (শিক্ষা ও বিবিধ).djvu/৭ 104 394888 1992123 1986404 2026-07-31T04:22:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992123 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Taheralmahdi" /></noinclude>{{dhr|3em}} {{center|{{xx-larger|'''ভূমিকা'''}}}} {{gap}}গ্রন্থাবলী প্রচারের পূর্ব্বে এবং সাহিত্য-খণ্ড প্রকাশের পর বিদ্যাসাগর-স্মৃতি-সমিতি যে দুইটি পরিচয়-পত্র প্রচার করিয়াছিলেন, তাহাতে উল্লিখিত হইয়াছিল যে, এই গ্রন্থাবলী সাহিত্য, সমাজ, শিক্ষা ও বিবিধ এই চারি খণ্ডে সমাপ্ত হইবে। আমরা নানা দিক বিবেচনা করিয়া শিক্ষা ও বিবিধ অংশকে একত্র করিয়া তিন খণ্ডে গ্রন্থাবলী সমাপ্ত করিলাম। শিক্ষা ও বিবিধ অংশের বিষয় বিভাগে ও পূর্ব্ব প্রতিশ্রুতির কিছু কিছু পরিবর্তন সাধিত হইয়াছে; ‘সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা’ ও ‘বর্ণপরিচয়’ দুই ভাগ সম্পূর্ণ মুদ্রিত ও ব্যাকরণ কৌমুদী পরিত্যক্ত হইয়াছে; শব্দমঞ্জরী ও “শব্দসংগ্রহ” (সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা, ১৩০৮, ২য় সংখ্যা, পু ৭৪-১৩০) গ্রন্থাবলীতে স্থান পায় নাই। ঋজুপাঠ, বৈতালপচ্চাশী’, ‘সর্বদর্শন সংগ্রহঃ’, ‘মেঘদূতম, ‘উত্তরচরিতম, ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ ও ‘হর্ষ চরিতম’ প্রভৃতি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের সম্পাদিত গ্রন্থের ভূমিকা আমরা মুদ্রিত করি নাই, কারণ এই সকল ভূমিকা হইতে মূল বক্তব্যগুলি লইয়া আমরা আমাদের ভূমিকায় আলোচনা করিয়াছি। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ইংরেজী-বাংলা চিঠিপত্রগুলিও ছাপা সম্ভব হয় নাই। এমনিতেই পুস্তক বিপুল আকার ধারণ করিয়াছে; বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ইংরেজী চিঠির সংখ্যা এত বেশী যে, সেগুলি ছাপিতে হইলে সমান আকারের আর একটি খণ্ড পুস্তকের প্রয়োজন হইত। আমরা অধিকন্তু রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের ‘নীতিবোধ’ হইতে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের লিখিত অংশ গ্রন্থাবলীতে সন্নিবিষ্ট করিয়াছি।<br /> {{gap}}এখানে বর্তমান খণ্ডের কয়েকটি পুস্তকের পাঠ সম্বন্ধে দুই একটি কথা বলা প্রয়োজন মনে করিতেছি। ‘বর্ণপরিচয় প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ’, ‘আখ্যানমঞ্জরী প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ, বোধোদয়’ ও ‘কথামালা’র কিছু কিছু অংশ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের মৃত্যুর পর মুদ্রিত সংস্করণ হইতে গৃহীত হইয়াছে—তাঁহার জীবিতকালের পুস্তক আমরা অনেক চেষ্টাতেও সংগ্রহ করিতে পারি নাই। প্রত্যেক পুস্তকে সন্নিবিষ্ট সম্পাদকীয় মন্তব্য হইতে পাঠকের বর্তমান সংস্করণের পাঠ-পরিচয় পাইবেন। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের স্ব-সম্পাদিত সংস্করণের পাঠ যেখানে পাওয়া যায় নাই, সেখানে রিসিভার অথবা অন্যান্য পরবর্ত্তী<noinclude></noinclude> j77z0mfv3g0kk6z9pzwhrb9yshfm8nj পাতা:নাট্য-বিকার.pdf/৪৬ 104 397807 1992319 1949121 2026-07-31T04:57:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992319 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kabir.bmc007" />{{rh|৪২|নাট্য-বিকার।|}}</noinclude>{{center|(দিগম্বরের কিঞ্চিৎ অগ্রসর ও দণ্ডায়মান)}} {{gap}}কিরে, ফিরলি যে? {{gap}}দিগ। আজ্ঞে,রঙ্গালয়ে যে ধূমপান নিষেধ! {{gap}}হরিশ। বেটার কাছে তাল ফাঁক যাবার যো নাই। {{gap}}১ম দর্শক। তা থাকনা, নিয়মভঙ্গের আবশ্যক কি? {{gap}}হরিশ। নটা বেজে গেল, রামমণি ও রমেন্দ্রের যে দেখা নাই; বোধ হয় তারা রিহার্স্যাল দিচ্ছে। {{center|(কমলমণির প্রবেশ।)}} {{gap}}কমল। ওগো, সর্ব্বনাশ হয়েছে। এদিকে রমেন ছোঁড়া যে সীতাহরণ করে নিয়ে গেছে! {{gap}}দিগ। আহা হা হা! কি কল্লে,কি কল্লে? ওকথা যে আমি জটায়ুর মুখে শুনবো। {{gap}}কমল। আঃ থাম্‌নারে মুখপোড়া! {{gap}}দিগ। ‘মুখপোড়া’ এখন কেন? {{gap}}হরিশ। না না, দিগ্‌মে তো ঠিক বলেছে। দিদি,তোমার ভুল হচ্ছে। {{gap}}কমল। আঃ দূর হোগগে ছাই! হরিশ, তুমিও ক্ষেপলে নাকি? আঃ দূর হোগগে ছাই! {{gap}}দিগ। “দূর হ কুলটা!” {{gap}}১ম ভৃত্য। “যা বলেন বলুন শ্রীরাম, কাটিব ইহার নাক কাণ!” (নাক কাটিতে উদ্যত) {{gap}}কমল। কি জ্বালারে বাবু! হরিশ,তুমি কি চোখের মাথা খেয়েছ? কি করছে দেখতে পাচ্ছ না? {{nop}}<noinclude></noinclude> kaiuvvh0kd0nus4rth33xrobmr36qw9 পাতা:হ'ল কি! নূতন নক্‌সা.pdf/১ 104 403363 1992206 1975233 2026-07-31T04:30:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992206 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="SHIMUL ALAM" /></noinclude>{{block center|{{center|{{xxxx-larger|'''হ’ল কি!'''}} {{dhr}} {{xx-larger|'''নূতন নক্‌সা।'''}} {{dhr}} {{larger|(ক্লাসিক থিয়েটারে অভিনীত।)}} {{dhr}} “লালা গোলোকচাঁদ”, “পরিতোষ”, “রামকুমার”, “যুগল চিত্র”,<br/> “শ্মশানে মিলন”, “পাষাণ-মূরতি”, “কর্ম্ম-কর্ত্তা”,<br/> “ভূতের গল্প” ইত্যাদি পুস্তক প্রণেতা {{dhr}} {{larger|'''শ্রীসুরেন্দ্র চন্দ্র বসু কর্ত্তৃক প্রণীত ও প্রকাশিত।'''}} {{dhr}} {{rule|5em}} {{dhr}} {{larger|বসু প্রেস,}}<br/> জি, সি, বসু এণ্ড কোং দ্বারা মুদ্রিত।<br/> {{larger|কলিকাতা।}} {{dhr}} সন ১৩১২ সাল।}} {{dhr}} {{rule|4em}} {{right|মূল্য।৹৴ পাঁচ আনা।}} (এক আনা জাতীয় ধন ভাণ্ডারে দেওয়া হইবে।)}}<noinclude></noinclude> m95rranyhzcby8d7ihn95ovy2f5lfwl পাতা:ললিতাসুন্দরী ও কবিতাবলী - অধরলাল সেন.pdf/২৫ 104 404416 1992005 1484755 2026-07-31T04:13:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992005 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Engr.Raju" />{{rh||ললিতাসুন্দরী।|১৭}}{{block center/s}}</noinclude><poem>তুমি মম, আমি তব, যদি তাই হয়, তবে আর এ জগত আর কারে নয়!— যদি কভু এ ধরাতে থাকে কোন সুখ, যদি কভু দেখা যায় তা’র হাসিমুখ; বিষাদ-সাগরে যদি থাকে কোন দ্বীপ, আঁধার আগারে যদি জ্বলে কোন দীপ, তবে বসুমতী-মাঝে আছে এক ধন, প্রেমের চুম্বন তাহা প্রেমের চুম্বন! প্রণয় প্রফুল্ল মনে যবে সে সুন্দরী চুমিবে অধর, তা’রে হৃদয়েতে ধরি; তখন কি করে’, ওগো জনক জননি, প্রণয়ের প্রতিদান পা’বে সে রমণী! {{center|১৪}} এই রূপে বোধহীন জননী জনক সর্ব্বনাশ করেছিল—অভাগা বালক! দেখিতে মনের সাধ বধুর বদন, জানিত না তা’রা কভু হইবে এমন; ধাইতে স্বরগ পানে ঘটিল বিষাদ, সাধের আশার মূলে ঘোর পরমাদ!</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 56cu652wc35nmmdyg5b9gvo94ymk84t পাতা:মিঠেকড়া - সুকান্ত ভট্টাচার্য্য.pdf/১৯ 104 408258 1992147 1986540 2026-07-31T04:25:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992147 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jayantanth" /></noinclude>{{Block center|<poem>মেয়েদের পদবীতে গোলমাল ভারী, অনেকের নামে তাই দেখি বাড়াবাড়ি; ‘আ’কার অন্ত দিয়ে মহিলা করার চেষ্টা হাসির। তাই ভূমিকা ছড়ার। ‘গুপ্ত’ ‘গুপ্তা’ হয় মেয়েদের নামে, দেখেছি অনেক চিঠি, পোষ্ট কার্ড, খামে। সে নিয়মে যদি আজ ‘ঘোষ হয় ‘ঘোষা’, তা হ’লে অনেক মেয়ে করবেই গোসা, ‘পালিত’ ‘পালিতা’ হ’লে ‘পাল’ হ’লে ‘পালা’ নির্ঘাৎ বাড়বেই মেয়েদের জ্বালা; ‘মল্লিক’ মল্লিকা’, ‘দাস’ হ’লে ‘দাসা’ শোনাবে পদবীগুলো অতিশয় খাসা, ‘কর’ যদি ‘করা’ হয়, ‘ধর’ হয় ‘ধরা”, মেয়েরা দেখবে এই পৃথিবীটা—“সরা”। ‘নাগ যদি ‘নাগা’ হয়, "সেন" হয় ‘সেনা’, বড়োই কঠিন হবে মেয়েদের চেনা॥ </poem>}}<noinclude>{{C|২১}}</noinclude> q0wa5poqp33sr2afuszvcrdqflatduj 1992151 1992147 2026-07-31T04:26:11Z Bodhisattwa 2549 1992151 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jayantanth" /></noinclude>{{Block center|<poem>মেয়েদের পদবীতে গোলমাল ভারী, অনেকের নামে তাই দেখি বাড়াবাড়ি; ‘আ’কার অন্ত দিয়ে মহিলা করার চেষ্টা হাসির। তাই ভূমিকা ছড়ার। ‘গুপ্ত’ ‘গুপ্তা’ হয় মেয়েদের নামে, দেখেছি অনেক চিঠি, পোষ্ট কার্ড, খামে। সে নিয়মে যদি আজ ‘ঘোষ হয় ‘ঘোষা’, তা হ’লে অনেক মেয়ে করবেই গোসা, ‘পালিত’ ‘পালিতা’ হ’লে ‘পাল’ হ’লে ‘পালা’ নির্ঘাৎ বাড়বেই মেয়েদের জ্বালা; ‘মল্লিক’ মল্লিকা’, ‘দাস’ হ’লে ‘দাসা’ শোনাবে পদবীগুলো অতিশয় খাসা, ‘কর’ যদি ‘করা’ হয়, ‘ধর’ হয় ‘ধরা’, মেয়েরা দেখবে এই পৃথিবীটা—“সরা”। ‘নাগ যদি ‘নাগা’ হয়, "সেন" হয় ‘সেনা’, বড়োই কঠিন হবে মেয়েদের চেনা॥ </poem>}}<noinclude>{{C|২১}}</noinclude> cfd0rr3xgrr4a1mwul2h1smlmttfjud পাতা:ইঙ্গিত - কৃষ্ণদাস আচার্য্য চৌধুরী.pdf/১১ 104 469517 1992208 1490281 2026-07-31T04:35:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992208 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="কামরুল ইসলাম শাহীন" /></noinclude>{{dhr|4em}} {{center|{{xxx-larger|'''ইঙ্গিত'''}} {{dhr|.5em}} {{Custom rule|sp|20|d|6|sp|20}} {{dhr|.25em}} {{x-larger|'''ক্ষুদে'''}}}} {{indent/s}}এক ফোঁটা মেয়ে। মা ডাক্‌লেন, “ক্ষুদে, ভাত খাবি নি? আয়।” “না।” “কেন?“ “বিশুদাদা যে বল্লে কাল তারা খায় নি।” বিশু ওপাড়ার গরীব বিধবার ছেলে। {{rule|4em}} {{rule|4em}} {{indent/e}} {{nop}}<noinclude></noinclude> ky7ngzwy9ws3j9ae6ybvtu62jxb90yv 1992209 1992208 2026-07-31T04:36:15Z Bodhisattwa 2549 1992209 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="কামরুল ইসলাম শাহীন" /></noinclude>{{dhr|4em}} {{center|{{xxx-larger|'''ইঙ্গিত'''}} {{dhr|.5em}} {{Custom rule|sp|20|d|6|sp|20}} {{dhr|.25em}} {{x-larger|'''ক্ষুদে'''}}}} {{indent/s}}এক ফোঁটা মেয়ে। মা ডাক্‌লেন, “ক্ষুদে, ভাত খাবি নি? আয়।” “না।” “কেন?” “বিশুদাদা যে বল্লে কাল তারা খায় নি।” বিশু ওপাড়ার গরীব বিধবার ছেলে। {{rule|4em}} {{rule|4em}} {{indent/e}} {{nop}}<noinclude></noinclude> oej1kd2bv0wb9zf5ox8lsnzgynfpcai পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৩৩ 104 479962 1991678 1905657 2026-07-31T03:59:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991678 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ManikDas1122" />{{right|9}}{{কেন্দ্র|'''বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}হানাদার বাহিনীর বেশ কয়েকটা ঘাঁটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। যশোর, রংপুর সিলেট এসব শহরেও এখন পর্যন্ত প্রচণ্ড গোলাগুলি চলছে এবং হানাদার সৈন্যদের এখন মূল লক্ষ্যস্থল হলো বেতার কেন্দ্রগুলো। তারা বেতার কেন্দ্রগুলো দখল করে সেখান থেকে ভুয়া প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু বাংলার বীর জনতা তাতে মোটেই বিভ্রান্ত না হয়ে তাদের যুদ্ধ অব্যাহত রেখেছেন। ঢাকার পথে পথে এখন মুক্তিসেনা এবং বেংগল রেজিমেণ্ট, ই-পি-আর ও পুলিশদের সাথে হানাদার সৈন্যদের প্রচণ্ড লড়াই চলছে এবং সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ, টিক্কা খান তার দলবল সহ নিহত হয়েছেন। সারা বাংলাদেশে পাকিস্তানী হানাদার সৈন্যের নির্দেশ অমান্য করে জনসাধারণ স্বাধীন বাংলার পাহারাদার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশক্রমে চলছেন এবং তারা বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত প্রত্যেকটি নির্দেশকে হুবহু মেনে চলছেন। স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জাতিসংঘের কাছে এক আহবানে বলেছেন, যেহেতু পাকিস্তানী হানাদার সৈন্যরা বাংলাদেশ আক্রমণ করেছে তাই জাতিসংঘের এখন উচিত বিদেশী সৈন্যদের বাংলাদেশ থেকে হটানোর ব্যাপারে বাংলার মুক্তিকামী মানুষকে সহযোগিতা করা। আপনারা এ খবর শুনছেন স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে। {{ফাঁক}}টিক্কা খান সদলবলে নিহত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে তার নির্দেশ জারি করে চলেছেন। তার সর্বশেষ নির্দেশ হলো যে, আপনারা জনসাধারণ যে যেখানে আছেন সেখান থেকেই পশ্চিমা সেনাবাহিনীর অবস্থান নির্দেশ করুন। এবং পশ্চিমা সেনাবাহিনী কোথায় আছে সেটা জেনে তাদের ধ্বংসকাজে লিপ্ত থাকুন। ই-পি-আর, বেংগল রেজিমেণ্ট ও পুলিশ বাহিনীকে খাদ্য-পানীয় দিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করুন। যার ঘরে যা আছে, বন্দুক, পিস্তল, রিভলভার, প্রয়োজনবোধে সেটা ই-পি-আর অথবা ংগল রেজিমেণ্টের হাতে তুলে দিন আর আপনারা যারা চালানো জানেন তারাও তৈরী হয়ে থাকুন এবং যেখানে পশ্চিমা সেনাবাহিনী দেখবেন তাদের উপর আক্রমণ করুন। তবে একটি জিনিস মনে রাখবেন যে, কোথাও বাংগালী বা অন্য কেথাও কোন সৈন্য দেখা গেলে তার প্রতি গুলি করবেন না এবং এসব করার আগে ই-পি-আর, বেংগল রেজিমেণ্ট অথবা পুলিশ বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করুন। গত রাত্রেও সারা বাংলাদেশের উপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চলেছে কিন্তু বাংলার বিপ্লবী বীর জনতা পশ্চিমা হানাদার সৈন্যদের উপর আঘাতের পর আঘাত হেনে চলেছে। স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিদেশের কাছে এক আবেদনে জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানী হানাদার সৈন্যরা বাংলাদেশ আক্রমণ করে এটাকে দখল করে নিতে চাইছে। তাই প্রত্যেকটি দেশের উচিত এ অবস্থায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা ও সাহায্য করা এবং পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর উপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে করে তারা অবিলম্বে এখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর এক নির্দেশে এ কথাও জানিয়েছেন যে ... পাকিস্তানী সৈন্য যারা যেখানে আছেন তারা যদি আত্মসমর্পণ করেন তাহলে তাদেরকে ক্ষমা প্রদর্শন করা যেতে পারে। অন্যথায় বাংলার মাটি থেকে তাদের সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে এবং যাতে করে তারা বাংলাদেশ থেকে পালাতে না পারে তারও সম্পূর্ণ নির্দেশ তিনি জারি করেছেন। জয় বাংলা। বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে খবর প্রচার আপাতত এখানে শেষ হলো। {{ফাঁক}}Here is an announcement from Radio Free Bangladesh. Our leader Sheikh Mujibur Rahman had declared the independence of Bangladesh. Now Bangladesh is an independent and sovereign state. After the declaration of independence, the Pakistani anti people forces have become mad like dog and are out to massacre our people, thus creating a reign of terror in Bangladesh. But the gallant forces of Bangladesh under the guidance of Sheikh Mujibur Rahman are fighting them out of the homeland of ours. East Bengal Regiment, East Pakistan Rifles and Police forces with all the efforts and help of the people of Bangladesh, are restricting them, sticking hard on them throughout the whole Bangladesh. Chittagong is completely under the control of Bangla Regiment as well as other sectors such as Comilla, Rajshahi, Sylhet, Jessore, Rangpur. In Dacca, heavy fighting is going on and our gallant forces are marching towards victory. We appeal to<noinclude></noinclude> qq1grcpnv9ugyp9szscwxai1nemos0m পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৮৫ 104 480014 1992102 1905676 2026-07-31T04:21:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992102 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ManikDas1122" />{{right|61}}{{কেন্দ্র|'''বাংলাদেশে স্বাধীনতার যুদ্ধ দলিলপত্র: পঞ্চম খণ্ড}}</noinclude>{{ফাঁক}}জার্মান গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্রের এই ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছা এবং সেখানকার গণনির্বাচিত নেতৃবর্গের পরামর্শ ও পরিকল্পনার ভিত্তিতেই মৌলিক রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের এক সঠিক ও সহজ পথ খুঁজে পাওয়া যাবে। {{ফাঁক}}জার্মান গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্রের এই ইশতেহারকে বিশ্বের সকল দেশের রাজনৈতিক মহল দারুণ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। তাঁরা বলেন, এই ইশতেহারে বাংলাদেশ থেকে যেসব শরণার্থী ভারতে চলে গেছে তাদের সমস্যাকে শুধু যে কেবল আন্তর্জাতিক সমস্যা বলে বর্ণনা করা হয়েছে তা নয়। এই ইশতেহারে দাবী করা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর প্রত্যাহার, শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব রাজনৈতিক নেতার মুক্তি, আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, গণনির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রভৃতি। {{ফাঁক}} ইউরোপ ও আমেরিকার পত্রপত্রিকা ও রেডিও-টেলিভিশনসমূহের প্রকাশিত ও প্রচারিত বিভিন্ন সংবাদ ও মন্তব্যে বলা হয়; গত ২৫ শে মার্চ থেকে পশ্চিম পাকিস্তানী সৈন্যরা বাংলাদেশে যে বর্বরতা চালিয়েছে তাতে বাংলাদেশ থেকে আরও লক্ষ লক্ষ নরনারী দেশছাড়া হতে বাধ্য হবে। {{ফাঁক}} গত ১৯৭০ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশে যে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিলো তাতে অনুমানিক ১৮ থেকে ২০ লাখ লোক প্রাণ হারিয়েছে এবং এই ব্যাপক প্রাণহানির মূল্যেও পশ্চিম পাকিস্তানীদের প্রচ্ছন্ন কারসাজি ছিলো। যেসব ব্যবস্থা অবলম্বন করলে ঘূর্ণিঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে মৃত্যুর হাত থেকে শতকরা ৯৫ জন অব্যাহতি পেতে পারতো, পশ্চিম পাকিস্তানীরা তথা ইয়াহিয়া সরকার ইচ্ছা করেই সেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমন কি ব্যাপক প্রাণহানির খবরটুকু পর্যন্ত চেপে গেছে। বাইরের জগত যেটুকু জেনেছে তা বাংলাদেশের বেসরকারী কতগুলো পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে এবং বিদেশী সাংবাদিকদের খবর থেকে। গত ২৫শে মার্চ থেকে ইয়াহিয়া সরকার বাংলাদেশে যে গণহত্যা চাললো, এর খবরও তারা চেপে গেছে। ইয়াহিয়ার জঙ্গী বাহিনী ১০ লাখ নরনারীকে গুলি করে ও আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। {{ফাঁক}} লণ্ডনে কমনওয়েলথ প্রেস সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা থেকে এই তথ্য উদ্ধৃত করা হয়। অনেকগুলো পত্র-পত্রিকায় একরম মন্তব্য করা হয়েছে যে, পবিত্র বাইবেল গ্রন্থে বর্ণিত মুসার (আঃ) যুগে মিশরের উপর পর পর যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় এসেছিলো তাতেও এত প্রাণহানি ঘটেনি। পশ্চিম পাকিস্তানীরা এ পর্যন্ত যত বাঙালী খুন করেছে তার দ্বিতীয় কোন দৃষ্টান্ত নেই। এত নরহত্যা প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে এ পর্যন্ত কখনও ঘটেনি। '''২৮ জুন, ১৯৭১ {{ফাঁক}}বিশ্বব্যাঙ্ক পাকিস্তানকে আর কোন আর্থিক সাহায্য দেবে না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক “ওয়াশিংটন পোস্ট’—এ প্রকাশিত এক খবরে উল্লেখ করা হয় যে, সম্প্রতি প্যারিস পাকিস্তানকে সাহায্য দানকারী কনসর্টিয়ামভুক্ত ১১টি দেশের প্রতিনিধিদের এক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কনসর্টিয়ামভুক্ত দেশসমূহের প্রতিনিধিগণ স্থির করেছেন যে, বাংলাদেশে সবদিক থেকে পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত পাকিস্তানকে নতুন করে কোন রকম আর্থিক সাহায্যদানের প্রশ্ন উঠতে পারে না। বরং পাকিস্তান এ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে যেসব ঋণ নিয়েছে সেগুলোই সুদে-আসলে আদায় করা হবে। বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়ে যে, আর্থিক সাহায্য লাভের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্যে পাকিস্তান যত কান্নাকাটিই করুক না কেন, এ ব্যাপারে কনসর্টিয়ামের আর কোন বৈঠক বসবে না। {{nop}}<noinclude></noinclude> 6jg0uwc2htp28m4vdaaznla5kinlmi4 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/১০৬ 104 480035 1991679 1905697 2026-07-31T03:59:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991679 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ManikDas1122" />{{right|82}}{{কেন্দ্র|'''বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড}}</noinclude>'''২৯ অক্টোবর, ১৯৭১ {{ফাঁক}} ...গত বাইশে অক্টোবর থেকে পচিশে অক্টোবরে মধ্যে নয়াদিল্লীতে ভারত ও সোভিয়েট ইউনিয়নের মধ্যে আলোচনা হয় তাতে এই উপমহাদেশের পরিস্থিতি এবং পাকিস্তান ভারতের সীমান্তে যে গুণ্ডামি ও তস্করবৃত্তির দেশের মধ্যে চারদিনব্যাপী আলোচনার পর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়ঃ পাকিস্তান ভারত সীমান্তে ব্যাপক সৈন্য সমাবেশ করে এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি ও সামরিক তৎপরতায় লিপ্ত হয়ে এই উপমহাদেশে যে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে তাতে এ অঞ্চলের শান্তি বিঘ্নিত হবার দারুণ আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে ভারত যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সোভিয়েট ইউনিয়নের তাতে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সুতরাং ভারত আক্রমণ করে বাংলাদেশ প্রশ্নকে ভারত-পাকিস্তান প্রশ্নে রূপান্তরিত করার সপক্ষে এবং পরে জাতিসংঘের সাহায্য নিয়ে ত্রাণ পাওয়ার যে স্বপ্ন দেখেছে তাও সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে গেছে। আজ ভারত আক্রমণের অর্থ হবে পাকিস্তানের আত্মহত্যা, ভারত আক্রমণ করতে গেলে গোটা পাকিস্তানটাই কবর হয়ে যাবে। {{ফাঁক}} গত ছাব্বিশে অক্টোবর মস্কো ও অটোয়ায় যুগপৎভাবে প্রকাশিত সোভিয়েট-কানাডা যুক্ত ইশতাহারে বাংলাদেশ সমস্যার প্রকৃত রাজনৈতিক সমাধানের দাবী জানানো হয়। {{ফাঁক}} সোভিয়েট ইউনিয়ন এবং কানাডার এই যুক্ত ইশতাহারে বলা হয়ঃ বাংলাদেশ পরিস্থিতির এমন একটি রাজনৈতিক সমাধান আনতে হবে যাতে বাংলাদেশের জনগণের আইনসম্মত অধিকার ও স্বার্থ সম্পূর্ণ রক্ষিত এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীরা পূর্ণ আস্থায় ও মর্যাদায় দেশে ফিরে আসতে পারবেন। কানাডায় সোভিয়েট প্রধানমন্ত্রী মিঃ আলেক্সী কোসিগিনের আটদিনব্যাপী সরকারী সফরশেষে এই ইশতাহার প্রচারিত হয়। '''১ নভেম্বর ১৯৭১ {{ফাঁক}} পুঁজিবাদী ও সমাজতন্ত্রীবাদী উভয় ব্লকেই এই সম্পর্কে কোনো দ্বিমত নেই। বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের কাছেই জোটনিরপেক্ষ যুগোশ্লাভিয়া সমানভাবে সমাদৃত। {{ফাঁক}} গোষ্ঠীনিরপেক্ষ যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেণ্ট টিটোও আজ বাংলাদেশের পাকিস্তানী বর্বরতার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন। {{ফাঁক}} প্রেসিডেণ্ট টিটো বলেছেনঃ বাংলাদেশে পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যা করেছে এবং আজও তারা সেখানে যা করে চলেছে পৃথিবীর ইতিহাসে তার কোন দৃষ্টান্ত নেই। পাকিস্তানী সৈন্যরা বাংলাদেশে যে ব্যাপক গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং নারী-শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে সেখানকার নিরপরাধ সাধারণ মানুষের ওপর যে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও বর্বরতা চালিয়েছে তার ফলেই বাংলাদেশ থেকে নব্বই লক্ষাধিক শরণার্থী তাদের ঘরবাড়ি সহায়-সম্বল ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। {{ফাঁক}} অথচ পাকিস্তানের প্রেসিডেণ্ট ইয়াহিয়াসহ গোটা সরকারী প্রচারযন্ত্র এতদিন প্রচার করে এসেছিলেন যে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙালী মুষ্টিমেয় অবাঙালীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিলো, আর তাকেই থামাতে গিয়ে সেনাবাহিনীকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করে জনগণতান্ত্রিক স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠন করে বাংলাদেশের মানুষ আজ দেশ থেকে হানাদার নিশ্চিহ্ন করার যে দুর্বার অভিযান চালিয়েছে তাকে দুষ্কৃতকারী ও ভারতীয় অনুচরদের কার্যকলাপ বলে ইয়াহিয়া সরকার কতদিন যাবৎ প্রচার করে এসেছে। {{nop}}<noinclude></noinclude> ma64imykp4vrz4r7squp9j98x93khht পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/১১৬ 104 480045 1991680 1905707 2026-07-31T03:59:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991680 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ManikDas1122" />{{right|92}}{{কেন্দ্র|'''বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড}}</noinclude>{{ফাঁক}} দুনিয়ার মানুষের মনে? তবু, যাদের মাথায় দুবুদ্ধি ভর করেছে, যাদের মাধ্যমণি হিসেবে ইয়াহিয়া খান ধরাকে সরা জ্ঞান করেছে, তারা এই রেডিও গলাবাজির আগে একটা অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্যে বাজনা তো কম দেশদেশান্তরে মিষ্টি কথা তো কম পরিবেশন করেনি। পাকিস্তানী শাসকচক্রের ঝানু ঝানু উপদেষ্টারা ইতিমধ্যে তদ্বির-তদারকের বাকি কিছু রাখেনি। কিন্তু কোন ফল হলো না। ইয়াহিয়া খানের ২৮ শে জুনের রেডিও ভাষণ একটা জঘন্য অপভাষণ হিসেবেই বরং চিহ্নিত হয়ে গেল। উলঙ্গ হয়ে ধরা পড়ে গেলে রাওয়ালপিণ্ডি সামরিকচক্রের সেই মুনাফালোভী দুবুদ্ধিতা, যা এই চক্রকে বাংলাদেশ দমনে প্রবৃত্ত করেছে। ইয়াহিয়া খান তার প্রলাপে বলেছে যে, রাওয়ালপিণ্ডির সামরিক চক্র নিজেরাই শাসনতন্ত্র রচনা করবে। তারা পশ্চিম পাকিস্তানের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরও শাসনতন্ত্র রচনার এখতিয়ার নাকচ করে দিয়েছে। বাংলাদেশকে তো তারা ধ্বংস করতেই চেয়েছে। এটা ইয়াহিয়ার কারণে দুনিয়ার কাছে জাহির হয়ে গিয়েছে। {{ফাঁক}} ২৮শে জুনের আগে দুনিয়ার যেসব রাষ্ট্রের কর্মকর্তারা চিন্তা করছিলেন যে, দাবনীয় অপকর্ম করে ফেলে হাতেনাতে ধরা পরে ইয়াহিয়া খানেরা হয়তো তওবা করে পশ্চিম পাকিস্তানে বহাল থাকার জন্যেও দুনিয়ার কাছে একটা সম্মানজনক মীমাংসাসূত্র রাখতে পারবে, তারাও খুঁজে পেতে কিছু পায়নি ইয়াহিয়া খানের বাচনে। {{ফাঁক}} বস্তুতপক্ষে ২৮শে জুনের পরে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মুখপাত্র এবং প্রতিনিধিবৃন্দ বাংলাদেশের ঘটনা সম্পর্কে যেসব বক্তব্য বলেছেন, তাদের প্রত্যেকটি থেকেই একথা বুঝতে পারা যায় যে, এইসব মুখপাত্র এবং প্রতিনিধি ইয়াহিয়া খানের বাচনকে আমলেই আনেননি। নিউজিল্যাণ্ডের প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিম জার্মানীর পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী বাংলাদেশ সম্বন্ধে বলতে গিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক মীমাংসাসূত্রের জন্যেই তাগিদ দিয়েছেন। এটা ধরে নেওয়া যায়, তাঁরা কূটনৈতিক সূত্রে ইয়াহিয়া খানের রাজনৈতিক সমাধান সূত্রগুলিকে প্রত্যাখান করেছেন। {{ফাঁক}} কানাডা আর আয়ারল্যাণ্ডের আইন পরিষদের যেসব সদস্য বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছেন, তাদেরও একই কথা। তাঁরা স্বচক্ষে দেখে যাচ্ছেন, বাংলাদেশে ইয়াহিয়া খানের রাওয়ালপিণ্ডি চক্রের জল্লাদেরা একটা গোটা জাতিকে সাড়ে সাত কোটি নরনারী শিশুকে ধ্বংস করে দেওয়ার উদ্দেশ্য কি ধরনের হত্যাকাণ্ড করেছে। বাংলাদেশের প্রশ্নে রাজনৈতিক সমাধানের যে তাগিদ তাঁরা দিয়েছেন তাতে বুঝতে পারা যায়, ইয়াহিয়ার বাচনকে তাঁরা ঝাড়া অগ্রাহ্য করেছে। গোটা বাঙালী জাতিকে নিধন করার জন্য পাকিস্তানী শাসকচক্র যে ষড়যন্ত্র চালিয়ে এসেছে এতদিন, ইয়াহিয়ার বক্তব্য তারই একটা বেতালা পদক্ষেপের মহড়া ছাড়া যে আর কিছু নয় সে কথা আজ বিশ্বের মানুষ বুঝে নিয়েছে। পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন সমাজতন্ত্রী দেশ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পক্ষে তাঁদের সমর্থন জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ সংবাদে দেখা গেল, চেকোশ্লোভাকিয়ার কর্মকর্তারা সরকারীভাবে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁরা বাংলাদেশের ব্যাপারে রাজনৈতিক মীমাংসার জন্যে তাগিদ দিয়েছেন। এর সোজা অর্থ এই যে, ইয়াহিয়া খানের রেডিও বাচনকে তাঁরা ধর্তব্যের মধ্যেই আনেননি। বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। এটাই সত্য, এটাই বাস্তব, এটাই বর্তমান, এটাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিজের শাসনতন্ত্র নিজেরাই তৈরী করবে। দুনিয়ার দেশ-দেশান্তরের কাছে এই ঘটনা অনিবার্য অপ্রতিরোধ্য ঘটনা হিসেবে উন্মোচিত হয়ে চলেছে। ইয়াহিয়া খানেরা মিথ্যা। স্বাধীন বাংলাদেশ সত্য। বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি নরনারী-শিশু বুকের রক্ত ঢেলে এই সত্যের ভিত্তিতেই বাংলাদেশের মুক্তির দিনকে এগিয়ে নিয়ে আসছেন। {{Block right|("জামিল শারাফি’ ছদ্মনামে রণেশ দাশগুপ্ত রচিত)}}<noinclude></noinclude> 80q2w1hhfmxb5ejji6es5yx6pserf4l পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/১৮০ 104 480109 1992103 1967104 2026-07-31T04:21:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992103 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{right|156}} {{center|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড}}</noinclude>কেউ শোনে না। কে শুনবে? যারা নিজেদের চোখে দেখেছে মেঘনা নদীকে কারবালার রক্তরাঙা ফোরাত নদী হয়ে যেতে, যাদের চোখের সামনে হয়েছে নির্মম নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড, তারা কি করে বিশ্বাস করবে দখলীকৃত ঢাকা বেতারের নির্লজ্জ মিথ্যা প্রচার? গল্পের পাগলা মেহের আলীর মতো অবস্থা হয়েছে ঢাকা বেতারের। মেহের আলী থেকে থেকে কেবল বলতো, সব ঝুট হ্যায়- সব ঝুট। ঢাকা বেতারও সেই মার্চ মাসের সাতাশ তারিখ থেকে কেবল চেঁচাচ্ছে, সব নর্মাল হায়- সব নর্মাল। {{ফাঁক}}এবার রমজান মাসের শুরুতে যশোরের এক মুক্তাঞ্চলে গিয়েছিলাম। দেখি মাগরিবের নামাজ ও ইফতার সেরে গ্রামের মসজিদের এক হিমাম সাহেব তার ট্রানজিস্টর রেডিও নিয়ে বসেছেন। নিবিষ্ট মনে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনছেন। পরিবেশটি বড় চমৎকার। আকাশে চাঁদ নেই। মিটি মিটি জ্বলছে তারার প্রদীপ। কার্তিকের হিমেল বাতাসে শরীর জুড়িয়ে যায়। যে পুকুরের পাড়ে ইমাম সাহেব বসেছেন, তার পানিতে ঝিকিমিকি তারার প্রতিভাস। ক’দিন আগেই এই গ্রামটিতে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়েছে- তার চিহ্ন এখন নেই। হানাদারের পালাবার সময় কোন কোন বড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। ধানের গোলা পুড়িয়ে দিয়েছে। মুক্তিবাহিনীর উপস্থিতিতে গ্রামের মানুষ আবার নতুন উৎসাহে ঘর বাঁধার কাজে হাত দিয়েছে। তাদের কেউ হারিয়েছে তার প্রিয়তম ভাইকে। কেউ হয়েছে পিতৃহারা। কারো যুবতী বোন লাঞ্ছিত হয়েছে বর্বর হানাদার দস্যুদের হাতে। কিন্তু তাতে কারো চোখে অশ্রুকণা নেই। সব অশ্রুকণা পুড়ে যেন ক্রোধের বারুদ হয়ে গেছে। সকলের মুখে, সকলের বুকে এক প্রতিজ্ঞা- মরতে হয় আরো মরবো, তবু হানাদারদের দেশছাড়া করবো। {{ফাঁক}}ইমাম সাহেবের পাশে বসে আমি দেখছিলাম সোনার বাংলার সংগ্রামী রূপ। এই তো কার্তিকের হিমে ভেজা বাংলার সবুজ ঘাস। মাথার উপরে সাদা মেঘের কারুকাজ করা নীল আকাশ। ইমাম সাহেব নিবিষ্ট মনে শুনছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান। আমি হঠাৎ জিজ্ঞেস করলাম। এই গ্রামে আপনি কি একাই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শোনেন, না সবাই শোনেন? ইমাম সাহেব হেসে বললেন, কি যে বলেন, সবাই শোনে। এই অনুষ্ঠান শোনার জন্য আমরা সারাদিন পাগল হয়ে থাকি। {{ফাঁক}}প্রশ্ন করলাম, এই অনুষ্ঠান শুনে কি লাভ হয় আপনাদের? {{ফাঁক}}ইমাম সাহেব বললেন, আমাদের আশা বাড়ে, সাহস বাড়ে, বুকের হিম্মত বাড়ে। এরপরই আমার কাছে সরে এসে বললেন, একটা সত্য ঘটনা বলি শুনুন। তখনো আমাদের এই গ্রাম মুক্ত এলাকা হয়নি। পাকিস্তানী সৈন্যরা চারিদিকে ঘোরাঘুরি করছে, দিনে-দুপুরে লুটপাট চালাচ্ছে, ঘরের মেয়েকে বেআব্রু করে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা বুড়ো মানুষেরা তখন কেবল চোখের পানিতে ভাসি, আল্লাহকে ডাকি আর ভাবি, মুক্তিবাহিনীর নওজোয়ানেরা করে আমাদের গ্রামে আসবে? আমার ছোট নাতিটির বয়স বছর দশ। সে রোজ লুকিয়ে লুকিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শোনে। আমি তাকে একদিন সাবধান করে দিলাম, বললাম- নানু, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনিস না। মিলিটারিরা জানতে পারলে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে। নাতি বলল, কতজনকে মারবে! এই গ্রামের সকলেই তো লুকিয়ে লুকিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শোনে। কেউ ঢাকা বেতারে হুক্কামে মারশাল ল’র অনুষ্ঠান শোনে না। {{ফাঁক}}এর পরই নাতি আমাকে জিজ্ঞেস করে বসলো- আচ্ছা নানা, হুক্কামে মারশাল ল’র অর্থ কি? {{ফাঁক}}নাতির প্রশ্ন শুনে এই বুড়ো বয়সেও ঠাট্টার লোভ সামলাতে পারলাম না। বললাম, নানু, হুক্কামে মারশাল ল’—র অর্থ- মার শালাদের। এই শালা কারা জানো? ওই বর্বর পাকিস্তানী সৈন্যরা। বৃদ্ধ ইমাম তার নাতির গল্প শেষ করে মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন। আমি তাকে বললাম, আপনার নাতির কথা বুঝতে পারলাম। কিন্তু আপনি এবং আপনার এই মসজিদের অন্যান্য মুসল্লিরাও কি ঢাকা বেতারের অনুষ্ঠান শোনেন না? {{nop}}<noinclude></noinclude> 4risuhmby33itjusf96ee33wi6tmibr পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/১৮৬ 104 480115 1992104 1986283 2026-07-31T04:21:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992104 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{right|162}} {{center|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড}}</noinclude>এবং হতহাতের সংখ্যা বহু বলে উল্লেখ করা হবে। সবশেষে বলা হবে, ‘কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ দিনের পর দিন তোতার কণ্ঠে রেডিও গায়েবী আওয়াজের এই বাণীই শুনতে পাওয়া যাবে। অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যাও আবার কয়েক হাজার, কিন্তু তোমার প্রভুর ক’জন বরকন্দাজ মারা গেল সে সম্পর্কে গায়েবী আওয়াজ এক্কেবারেই চুপ। {{ফাঁক}}সমরবিদ্যার সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিরও পেটের পিলে এই জাতীয় কথাবার্তা শুনে ফেটে যেতে পারে হাসতে হাসতে। সীমান্তের কয়েকশ’ গজ ভেতরে, হতাহতের সংখ্যা বহু, কয়েকজন গ্রেফতার’— অর্থাৎ সঠিক সুস্পষ্ট কোন তথ্য তোতার মুখে ভুল করেও শোনা যাবে না। যদি প্রশ্ন করা যায়- মাথা খারাপ হয়েছে, ও কথা মুখে আনবেন না। কোন তথ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা সাফ মানা। তার উপর তোতা কি প্রশ্ন করতে পারে? কিন্তু মুশকিল হোয়েছে গ্রামোফোন কোম্পানীর তোতা আর তার প্রভু ছাড়াও বাইরের যে জগতটি রয়েছে তাকে নিয়ে তারা তো তোতা নয়, তাই প্রশ্ন তারা তুলছে। বলছে, নাদীর শাহের বংশধর আর গোয়েবলসের মন্ত্রশিষ্যারা হাতে কোন সুস্পষ্ট তথ্য থাকলে ছাড়ুন। কয়েক হাজার অনুপ্রবেশকারী, কয়েকশ’ গজ ভেতরে, কয়েকজন গ্রেফতার, হতাহত বহু- এসব কথা শুনলে তো পাগলেও হাসবে। {{ফাঁক}}বাংলাদেশে কি ঘটেছে বা এখন কি ঘটছে, সে সম্পর্কে তোতার মুখের কাহিনীর ছাড়া অন্য কিছু যাতে দুনিয়ায় প্রচারিত না হয় তার জন্যই ইয়াহিয়া খাঁর আর সাঙ্গপাঙ্গরা প্রথমেই সমস্ত বিদেশী সাংবাদিককে ঢাকা থেকে বহিষ্কার করে দিয়েছিলেন। পরে দুনিয়াব্যাপী প্রতিবাদের মুখে নিজেদের ইচ্ছমত বাছাই করা সাংবাদিককে বাংলাদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হলো। সেই সঙ্গে বলে দেয়া হলো- অমুক অমুক জায়গায় যেতে পারবেন না, তমুক তমুক কথা লিখতে পারবেন না। অমান্য করলে হয় ফাটক, না হয় লেখা গুম। এতসব বাধানিষেধ সত্ত্বেও বিদেশী খবরের কাগজগুলো যা লিখছে, তাতে জঙ্গীশাহীর বিচারের বেলুনটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। {{ফাঁক}}‘নিউজউইক’ পত্রিকার কথাই ধরা যাক। এই মার্কিন সাপ্তাহিকীটির সাথে সাক্ষাৎকারে ইয়াহিয়া খাঁ ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ অপরিহার্য বলেছিলেন। সেই কাগজই লিখেছে, ইয়াহিয়ার সরকার যাদেরকে অনুপ্রবেশকারী, ভারতীয় চর বলছে, তারা তো শুরু থেকেই লড়ছে সামরিক চক্রের বিরুদ্ধে। এরা বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর লোকজন ছাড়া আর কিছুই নয়। পত্রিকাটিতে ভারতীয় গোলাবর্ষণের পাকিস্তানী অভিযোগের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, শেলগুলো পরীক্ষা করলেই যে কোন পর্যবেক্ষক বুঝতে পারবেন—এগুলো নিকটপাল্লার কামান বা দু’ইঞ্চি মর্টার থেকে বর্ষিত হয়েছে। দূরত্ব বিচার করে একথা অনায়াসে বলা চলে, ভারত থেকে বর্ষণ করলে শেলগুলো এত দূরে আসতে পারে না। বিলেতের কাগজগুলো বলছে, বিবিসি বলছে, ফ্রান্সের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন সংবাদপত্র ‘নামদ’ বলছে একই কথা। কিন্তু তাতে কি আসে যায়! তোতার শেখানো লবজ তা পাল্টে যাবে না। {{ফাঁক}}এরপর ধরুন না ‘অবস্থা স্বাভাবিক, দেশপ্রেমিকেরা দুষ্কৃতকারীদের ধরিয়ে দিচ্ছে’ তোতার এ বাণীর কথা। দেশপ্রেমিক নাগরিকরা জঙ্গিশাহীর সাথে এমনই সহযোগিতা করছেন যে, এখন তাদের উপর পিটুনি ট্যাক্স ধার্য করতে হচ্ছে জঙ্গীশাহীকে। এতেও যদি নিজেদের দৈন্য প্রকাশ না পায়, তবে ‘দৈন্য’ শব্দের আধিধানিক অর্থই পাল্টে ফেলতে হবে। বিবিসির ভাষ্যকারের মতে, পিটুনি ট্যাক্স ধার্য থেকে বাংলাদেশের অবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, জঙ্গীশাহীর এ দাবির অসারতা দুনিয়ার মানুষ বুঝতে পেরেছে। শুধুই তাই নয়, মুক্তিবাহিনীর লোকজন বাংলার মানুষের যে অকুণ্ঠ সহযোগিতা পাচ্ছে, এ থেকেই তা স্পষ্ট বোঝা যায়। গার্ডিয়ান, ডেলি টেলিগ্রাফ ও বিবিসির মতে, বাংলাদেশের মাইলে পর মাইল এলাকায় ইয়াহিয়ার জল্লাদ বাহিনী বা তার ক্রীড়নক সরকারের কোন অস্তিত্ব নেই। সেখানে মুক্তিবাহিনীর কর্তৃত্ব সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত। সর্বোপরি ইয়াহিয়ার চামুর দল রাতের বেলা কোথাও বের হতে সাহস করে না। {{nop}}<noinclude></noinclude> jzt01icf0mpwafdcyfvj89dux0dhgif পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/২২৬ 104 480155 1991681 1982499 2026-07-31T03:59:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991681 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kryesmin" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড|202}}</noinclude>{{ফাঁক}}নয়। পাইকারী। কতলে আ’ম! ধর্ম ছাড়া আরও হাজার রকম মানবিকতার মিল বাংলার হিন্দু-মুসলমানেরা মধ্যে বর্ণের দিক থেকে এক। দেখতে একই রকম। পঁচিশে মার্চ থেকে নামটা উচ্চারণ করতে ঘৃণা হয়, টিক্কা খান ও অনুচরেরা বাঙালী ধ্বংস করতে নামল। এক মাস পরে যখন নিজেদের কৃতকর্মের চেহারা ওরা দেখতে পেল, তখন আবার সেই পুরাতন ফন্দি-সাম্প্রদায়িকতায় ফিরে গেল। প্রথম কিস্তি, হিন্দু মুসলমানকে নির্যাতন করছে, তাদের ঘরে আগুন দিয়েছে। কিন্তু শয়তানের জন্মগত খাসলৎ অভ্যাস কি সহজে যায়? জনসাধারণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির ফন্দি পুনরায় চালু হলো। এবার বেছে বেছে হিন্দু হত্যা, হিন্দুর গৃহদাহ ওরা শুরু করল। তাই বলে কেউ মনে করবেন না, মুসলমানদের তখন টিক্কা খান ভগ্নিপতির আদরে আপ্যায়িত করছিল। হিন্দুর ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে, মুসলমানের ক্ষেত্রে অপ্রকাশ্যে। তফাৎ এতটুকু। বাঙালী ধ্বংসের পরিকল্পনা থেকে পাঞ্চাবী মুসলমান (হায় মুসলমানদের নামধারী!) সেনারা এতটুকু নড়েনি। কৌশল বদলেছিল, নীতি যথারীতি অব্যাহত। এইভাবে মুসলমানদের কাছে গোঁসাই ঠাকুর সাজার ফন্দি। নিজেদের অপরাধের বোঝা হাল্কা করার অপচেষ্টা ওরা নিয়েছিল। এইভাবে আমার মৃত সাম্প্রদায়িকতাকে খুঁচিয়ে তোলার চেষ্টা চলে। {{ফাঁক}}কিছুটা সফল হলো বৈকি পাঞ্জাবাগত এই হানাদারের দল নেজামে ইমাম ইসলাম, জামাতে ইসলামীর ধর্মান্ধ পশুর দল যারা এতদিন গণঅভ্যুত্থানের সামনে কেঁচোর মত মাটিতে মিশেছিল, তারা তাদের মিলিটারী আব্বাজানের ডাকে এবং উৎসাহে কেউটের মত তৎপর হয়ে উঠল। নেজামে ইসলাম, জামাতে ইসলামীর গুণ্ডারা বাঙালী নয়। পাঞ্জাবী মিলিটারীরা সত্যি ওদের বাবা ও বাপজান। নচেত বাংলাদেশের মাটিতে জন্মে, বাংলার মা-বোনের বেইজ্জতি দেখেও ওরা কীভাবে মিলিটারীর সঙ্গে হাত মিলায়? যারা দেশকে বিদেশীর হাতে বিকিয়ে দিতে পারে, তারা মা-বোনকেও বিদেশীর হাতে বিকিয়ে দিতে সক্ষম। বাংলাদেশের যুদ্ধে বুদ্ধিজীবী, কবি, লেখক- আশা করি এই কথাটা স্মরণ রাখবেন। {{ফাঁক}}কিন্তু সকলেই তো নেজামে ইসলাম ও জামাতে ইসলামীর অনুচর নয়। সাড়ে সাত কোটির মানবজননী বাংলাদেশের কি সাচ্চা সন্তান নেই, জন্মভূমির অপমান যাদের বুকে যন্ত্রণার ঝড় তোলে; দেশের চাষীমজুর ও অন্যান্য সকলের দুঃখ-কষ্ট যাদের বিচলিত করে। তারা এগিয়ে এসেছে বৈকি। শুধু এগিয়ে আসেনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে হাতিয়ার হাতে। আমাদের মুক্তিবাহিনীর দিকে তাকান। কতো সামরিক অফিসার নিজেদের ভবিষ্যতের কথা ভাবেননি। ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল, পুলিশ ভায়েদের গৃহসুখ, স্নেহমমতা ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। জন্মভূমি প্রেমের বেদীতে সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন। আর আছে আমাদের দেশের তরুণেরা-যাদের অধিকাংশ স্কুল-কলেজের ছেলে। নিজেদের সকল সাধ-আরাম- আয়েস হারাম ভেবে যারা সৈনিকজীবনের কঠিন ব্রত গ্রহণ করেছে। হিন্দু-মুসলমান এখানে এক-কাতার। যে বিভেদ মারফৎ বাংলাদেশকে পশ্চিম পাকিস্তানের কায়েমী স্বার্থ বছরের পর বছর শোষণ করেছে, তা মুছে দিয়ে এক-কাতারে দাঁড়িয়েছে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান। নতুন বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছে। নতুন আদর্শের প্রদীপ জ্বালিয়েছে আমাদের মুক্তিবাহিনী। সেই প্রদীপের শিখা-রোশনাই অনির্বাণ রাখার দায়িত্ব আমাদের, আমার যারা ঠিক লড়াইয়ের ময়দানে নেই, তারাও জন্মভূমির মুক্তিসংগ্রামে শরীক। মনে রাখবেন, এই লড়াই সর্বাত্মক লড়াইয়ের পর্যায়ে পড়ে। আজ আমরা প্রত্যেকেরই সৈনক- হাতে হাতিয়ার থাক বা না থাক। পশ্চিম পাকিস্তানে তৈরি সামগ্রী যে কেনেনা সেও লড়াইয়ের ময়দানে আছে বৈকি। শত্রক সেও ঘায়েল করছে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আছে। যে পাটচাষী পাট চাষ করে না, ধান চাষ করে সেও লড়াইয়ে শরীক। কোন সভ্য দেশে নজীর নেই, দুশমনেরা আমাদের প্রতিটি বাজারে চাল-ডাল ধ্বংস করে দিয়েছে, যেন আমাদের অম্ল না জোটে এবং দুর্ভিক্ষ আমাদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়- যার ফলে গোলামি আমরা শেষ পর্যন্ত মেনে নেব। এই চালেঞ্জ-তালু-ঠুকা-স্পর্ধার মোকাবিলা করছে সেই চাষী যে প্রচুর পরিমাণ ফসল ফলানোর চেষ্টায় কোমল বেঁধেছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা যাতে শত্রু না পায় তার জন্যে সতর্ক-সে পাট করছে না। এই কৃষক কোন সৈনিকের চেয়ে কম নয় যদিও স্রেফ কাস্তেধারী, অস্ত্রধারী নয়। এমনিভাবে জন্মভূমির স্বাধীনতার লড়াইয়ে আমরা সকলেই শরীক হতে পারি।{{nop}}<noinclude></noinclude> m7q5d0nnlhxeafh54u6r0so2dgz9gza পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/২৪৯ 104 480178 1991682 1872216 2026-07-31T03:59:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991682 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kryesmin" />{{rh|| বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড|225}}</noinclude>{{ফাঁক}}জোরে এই ভাগাড়েই কামড়াকামড়ি করেছে একে অন্যে। এই চব্বিশ বছরের নৃশংস ভাগাড়কে, শকুনের উচ্ছিষ্ট এই হাড়গোড়ের পাহাড়কে অপসারণ করে যদি সজীব করতে পারি তাহলে হবে আমাদের সত্যিকারের মুক্তি। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন- “জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক।” নজরুল বলেছেন, “সজীব করিব মহাশ্মশান”। এই শপথই আমাদের সত্যিকারের মুক্তির শপথ। {{ফাঁক}}আমাদের অনেক ক্ষত-জাতীয় দেহ আজ ক্ষতবিক্ষত। এই মুক্তির প্রভাতে আমরা হয়তো মনের ক্ষতই উপলব্ধি করছি গভীরভাবে। {{ফাঁক}}আমাদের এখনই ফিরে যেতে হবে ১৯৫২-র সেই ভাষা আন্দোলনে, আমাদের এখনই ফিরে যেতে হবে ১৯৪৮-এর মোহাম্মদ আলী জিন্না সেই সমাবর্তন বক্তৃতায়, সে বক্তৃতায় জিন্না বলেছিলেন,— “পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুই হবে।” {{ফাঁক}}আমাদের মনে রাখতে হবে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ বরক্ত, সালামের মায়ের কথা- আজকের খসরু ড্রাইভারের মায়ের মতই। এ স্বাধীনতাকে তাদেরও ভাগ আছে সমান সমান। স্বাধীনতার প্রত্যেকটি শহীদকে আমাদের জানতে হবে। এ যুগের দধীচির মতই। এবং সেখান থেকে শুরু করতে হবে এই নতুন জাতির পুনর্গঠন। {{ফাঁক}}শত্রুরা আমাদের অর্থনীতিকে যেনম তছনছ করেছে তেমন তছনছ করেছে সংস্কৃতি ও জাতীয় সম্ভ্রমকে। একটা জাতির বিকাশে অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা যেমন বাধ্যস্বরূপ, তেমনই সমান প্রতিবন্ধক হল সাংস্কৃতিক সংকট। আমাদের সামনে এখন দুটোরই সংকট অতিমাত্রায়। জাতির অর্থভাণ্ডার আজু মুক্তির ঊষালগ্নে যেমনই শূন্য, সংস্কৃতিও একইভাবে শূন্য। শত্রুরা জাতীয় তহবিলের অর্থের মতোই শেষবেলায় রাইফেল দিয়ে লুটিয়ে দিয়ে গেছে আমাদের জাতীয় সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিজীবী তথা শিল্পী গোষ্ঠীকে। {{ফাঁক}}সব খুইয়ে মুক্তি পেয়েছি বলে আমাদের হতাশায় ভেঙ্গে পড়া ভুল- শূন্যতা আমাদেরই পূর্ণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ইসলামের ধ্বজাধারীরা সাথে কোন তহবিল নিয়ে আসেনি- আমাদের সম্পদ নিয়ে তারা মোড়লী করেছে এতকাল। আমাদের মাটিতে ফসল ফলে- আমাদের ভেতর থেকেই এসছিলেন জাতীয় সংস্কৃতিক বা বুদ্ধিজীবীরা। সুরের ইন্দ্রজাল বা মধুকণ্ঠ আমাদেরই ঘরের ফসল। তাই শূন্য দেখে ভেঙ্গে যাওয়া মানেই পূর্ণতার পথে কাটা দেওয়া। শত্রুর শিবিরে নির্যাতিতা বোনদের দেখে আমাদের শিউরে ওঠার প্রয়োজন নেই। তাদের সামনে আমরা মুখ তুলেই দাঁড়াবো। আমাদের ছেলেরাই দেবে তাদের এই চরম ত্যাগের বখশীস। তাদের ত্যাগের মর্যাদা দিতে যদি আমরা না পারি তাহলে অসংখ্য শহীদকেও আমরা অপমানিত করবো- কারণ শহীদের আত্মার সঙ্গে এই নির্যাতিত আত্মার যোগ খুবই নিবিড়। {{ফাঁক}}আমরা জীবন দিয়েই নতুন জীবন লাভ করেছি। ত্যাগের মধ্যে দিয়ে এসেছে আমাদের এই মুক্তির প্রভাত, তাই সেই ত্যাগ দিয়েই এই মুক্তিকে আমাদের বরণ করতে হবে ভোগ দিয়ে শুরু করে নয়। আমরাই প্রমাণ করেছি- ভোগের জগৎ মিথ্যা এবং মিথ্যা বলেই আজ চব্বিশ বছর পরে ভোগের চিরনিবৃত্তি হোল। {{ফাঁক}}আজ নতুন দিনের এই প্রভাতবেলায় আমাদের আরো ত্যাগের জন্য শপথ নিতে হবে। কারণ, কোন মতেই আবার যেন আমাদের এই মুক্ত আকাশ কালো মেঘে না ঢেকে যায়, কোনোমতেই যেন আজকের এই মুক্ত বাতাস আবার বিষিয়ে না যায়।{{nop}}<noinclude></noinclude> j604x2n3klikmfua9cuzex30ys06w09 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চম খণ্ড).pdf/২৫৫ 104 480184 1991683 1849152 2026-07-31T03:59:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991683 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kryesmin" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চম খণ্ড|231}}</noinclude>{{ফাঁক}}উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। শিক্ষালাভের সুযোগের ক্ষেত্রেও দেশের দুই অংশে ইচ্ছাকৃতভাবে বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার। পশ্চিম পাকিস্তানে এর সংখ্যা ছিল অনেক কম। গত বছরে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা দাঁড়িয়ে ২৪ হাজার আর পশ্চিম পাকিস্তানে সে সংখ্যা স্ফীত হয়ে দাঁড়ায় ৪০ হাজারের চেয়ে বেশি। {{ফাঁক}}শুধু স্কুল-কলেজের সংখ্যা নিয়েই কথা নয়। সরকারের প্রতিক্রিয়াশীল নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্কুলকলেজের যে পাঠ্য তালিকা তৈরী করা হয়, তা প্রকৃত শিক্ষার অগ্রগতির সহায়ক ছিল না; বরঞ্চ ভাষার চাপ, সাম্প্রদায়িক বিষয়বস্তুর অবতারণা এবং অগণতান্ত্রিক ধ্যান-ধারণার প্রবর্তনে এই পাঠ্য তালিকা ছিল গঠনশীল চিত্তের পক্ষে ক্ষতিকর। উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে চিন্তার ও বক্তব্যের স্বাধীনতা হরণ ছিল সরকারী শিক্ষানীতির অঙ্গ। শিক্ষার প্রশাসনের ক্ষেত্রেও সরকার যে অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন, তাও স্বাধীন ও ফলপ্রসূ শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের পথ রুদ্ধ করেছিল। মাতৃভাষার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাদানের বিষয়েও সরকারী উদাসীনতা ছিল এই নীতির অংশস্বরূপ। {{ফাঁক}}সরকারের আমলে যে নতুন শিক্ষানীতির অবতারণা হয়, তাতেই এই অগণতান্ত্রিক শিক্ষা পদ্ধতির সম্পূর্ণ চেহারাটা ধরা পড়ে। বাংলাদেশের শিক্ষক ও ছাত্ররা স্বভাবতঃই এই শিক্ষানীতির বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু এই প্রতিবাদকে আন্দোলনের রূপ দেওয়ার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ছাত্রসমাজের প্রাপ্য। ১৯৬২ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর সেই আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী দিবস হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। {{ফাঁক}}সরকারী শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের সূচনা হলেও, তা শুধু শিক্ষানীতির প্রতিবাদস্বরূপ ছিল না। ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে আইয়ুব খান যে একনায়কত্ববাদী শাসনের প্রবর্তন করেন, ১৭ই সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ সেই অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধেই পরিচালিত হয়েছিল। যখন সারাদেশ প্রকৃতপক্ষে এক সামরিক শাসনের নিষ্পেষণে পীড়িত হচ্ছিল, তখন ছাত্ররাই বিদ্রোহের ধ্বজা উড়িয়েছিল এবং প্রাণের বিনিময়ে সে আন্দোলনে তারা সাফল্য অর্জন করেছিল। একনায়ক আইয়ুবের সেই ছিল প্রথম পশ্চাদপসরণ। আর এর চূড়ান্ত বিকাশ ঘটে ১৯৬৯ সালে- যখন আইয়ুবকে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যেতে হয়। {{ফাঁক}}এরপর ১৯৬৯ সালে ইয়াহিয়া-সরকারের প্রস্তাবিত শিক্ষানীতিতে দেখা গেল শিক্ষাসংক্রান্ত আন্দোলনের আরো স্বীকৃতি ঘটেছে। প্রস্তাবিত নীতিতে শিক্ষা প্রশাসনের গণতন্ত্রীকরণের ধারণা কিছুটা গৃহীত হয়। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা পদ্ধতির জন্য যে দাবী শিক্ষক ও ছাত্ররা করেছিলেন, তা স্বীকার করা হয়নি। মাতৃভাষার মাধ্যমে উচ্চতর শিক্ষাদানের প্রস্তাবও সেখানে ছিল না। কিন্তু এর চেয়ে বড় কথা, এই শিক্ষা সংস্কারের প্রস্তাবও শেষ পর্যন্ত ধামাচাপা দেয়া হয় এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্যকেই মেনে নেয়া হয় নীতি হিসাবে। আশা করা গিয়েছিল যে, দেশে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষানীতিতেও ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করা সম্ভবপর হবে। {{ফাঁক}}কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি। তার আগেই সামরিক শাসনের বর্বরতম আঘাত নেমে এসেছে দেশের মানুষের উপর। {{ফাঁক}}আজ বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মরণপণ সংগ্রামে লিপ্ত। দেশকে শত্রুমুক্ত করার পরে সার্বিক পুনর্গঠনের সময়ে শিক্ষাব্যবস্থার নব রূপায়ণ ঘটবে। যে শিক্ষাব্যবস্থায় দেশের শতকরা আশি ভাগ লোক নিরক্ষরতার অভিশাপগ্রস্ত, সেই শিক্ষাব্যবস্থা দেশের কলঙ্কস্বরূপ। শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে সকলকে। শিক্ষার ভিত্তি প্রসারিত করে গণতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে আমাদের। শিক্ষার সঙ্গে জীবনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর করতে হবে। শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে কাজের সুযোগ। সত্যিকার স্বাধীনতা অর্জন না করা পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থার এই অভিপ্রেত পুনর্গঠন সম্ভবপর হবে না।{{nop}}<noinclude></noinclude> hs029vu5r7yj9igm8jzv4abgdnywjnj পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (প্রথম খণ্ড).pdf/৯২ 104 480703 1992105 1741995 2026-07-31T04:21:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992105 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ প্রথম খণ্ড|৬৭}} {{left margin|2em}}</noinclude>থাকে। ভাষা সম্পূর্ণ বিকাশ লাভ না করিলে জাতির মেরুদণ্ড গঠিত হইয়া উঠিতে পারে না। কোন এক বিশেষ প্রভাবে পড়িয়া তাঁহারা হয়ত আপনাদের অস্তিত্বের বিলোপ করিতে পারেন, তবে পূর্ব পাকিস্তানের চারি কোটি চল্লিশ লক্ষ লোক কিছুতেই তাহাদিগকে ক্ষমা করিবে না। কিছুতেই তাহারা তাহাদের মাতৃভাষা বাংলার অবমাননা সহ্য করিবে না। তাই ইতিমধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ধর্মঘট করিয়াছে এবং মিছিল সহকারে সর্বত্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করিয়াছে। কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রগণই নহে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন গড়িয়া উঠিতেছে। এই গনবিক্ষোভ যখন পূর্ণ আত্মপ্রকাশ করিবে তখন এইসব নেতাদের আসনও টলটলায়মান হইয়া পড়িবে। </div> সর্বশেষে পাকিস্তানের শান্তি এবং ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়ে সম্পাদকীয়টিতে বলা হয়: {{left margin|2em|তাই পূর্বাহ্নেই আমরা কর্তৃপক্ষ মহলকে অনুরোধ করিতেছি যদি পাকিস্তানের সংহতি, ঐক্য ও সর্বোপরি শান্তি বজায় রাখিবার জন্য তাহাদের মনে এতটুকু আগ্রহ থাকে তাহা হইলে অনতিবিলম্বে তাহাদের কর্মের সংশোধন করুন। পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ও শিক্ষার মাধ্যমরূপে বাংলাকে গ্রহণ করুন। তাহা হইলে স্বভাবতঃই পূর্ব পাকিস্তানবাসীর মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল হইতে থাকিবে যে পূর্ব পাকিস্তানের উপর যুক্ত প্রদেশ ও পশ্চিম পাঞ্জাবের লোকের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করিবার জন্য বাংলাকে আস্তে আস্তে তার ন্যায্য আসন হইতে সরাইয়া ফেলা হইতেছে।<ref>এই সময় ঢাকা থেকে কোন দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হত না। সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘নও বেলাল’—এর ভূমিকা ছিল প্রগতিশীল ও বাংলা তার পক্ষে।</ref>}}<noinclude>{{rule}} <references/></noinclude> bgqmh2huiyrebbydb0uso08k9nnoew4 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (প্রথম খণ্ড).pdf/২৬৮ 104 481269 1992106 1811733 2026-07-31T04:21:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992106 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ প্রথম খণ্ড|২৪৩}}</noinclude>করিতে পারেন, তাহার জন্য এমন পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজন যেন সর্বপ্রকার ভয়ভীতির বাহিরে {{SIC|থাকয়িা|থাকিয়া}} তাহারা কাজ করিতে পারেন। এই রূপ পরিবেশ সৃষ্টি না হইলে গণতান্ত্রিকতার বিলোপ হইয়া উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসনই কায়েম হয়। ভয় দেখাইয়া ও উচ্ছৃঙ্খলতার সৃষ্টি করিয়া দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিপন্ন করিবার এই যে ষড়যন্ত্র হইয়াছিল, সরকারের অবলম্বিত ব্যবস্থা ফলে যদিও সাময়িকভাবে সে বিপদের অবসান হইয়াছে তথাপি আমাদের আজাদীর বিরুদ্ধে যে বিপদ দেখা দিয়াছিল এখনও তাহা সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হয় নাই। প্রদেশের শান্তি ও নিরাপত্তা যেমন করিয়াই হউক আমাদিগকে রক্ষা করিতে হইবে। আমি আশা করি এই ব্যাপারে সরকার দেশপ্রেমিক সকল পাকিস্তানীরই পূর্ণ সমর্থন পাইবেন। আমি সকল পাকিস্তানীর কাছে আবেদন করিতেছি, সরকারের হাত মজবুত করিতে আগাইয়া আসুন, সমগ্র প্রদেশে আইন ও শৃঙ্খলা অব্যাহত রাখিতে সরকারকে সাহায্য করুন- দৃষ্কৃতকারীদের আতংক সৃষ্টি, মিথ্যা গুজব প্রচারণা এবং জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টির প্রয়াস ব্যর্থ করুন। {{কেন্দ্র|ইসলামের আদর্শ}} {{ফাঁক}}দেশবাসীর খেদমতে আমার আরও আরজ, আপনারা সীমান্তের ওপারে একবার দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন, উপলব্ধি করিতে চেষ্টা করুন বর্তমানে আমরা কি সংকটের সম্মুখীন হইয়াছি। শুধু পাকিস্তান নয় বরং ইসলামই আজ নিদারুণ সংকটের সম্মুখীন। আমরা দাবী করিয়া থাকি, জাতিগত, ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও ভাষাগত ব্যবধান দূর করিয়া ইসলাম একদিন যে স্বর্ণযুগের সূচনা করিয়াছিল, বর্তমানেও ইসলাম তাহা করিতে সক্ষম-যাহার ফলে মানব জাতির জীবনে আসিবে অশেষ সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি। আমরা পাকিস্তানে ইসলামের এই আদর্শই বাস্তবে রূপায়িত করতে চাই। লক্ষ লক্ষ লোকের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পাকিস্তান হাসিল করিয়াছি শুধুমাত্র ইসলামকে কায়েম রাখিবার জন্যই। বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন ভাষাভাষী লোক অদ্যাবধি ভৌগোলিক বৈচিত্র্যপূর্ণ আমাদের এই পাকিস্তানের বিভিন্ন অংশকে ইসলাম এক সূত্রে গ্রথিত করিয়া রাখিয়াছে। আমাদের সংহতি ও সংঘবদ্ধতা শত্রু-মিত্র সকলকেই বিস্মিত করিয়াছে। পাকিস্তান সমগ্র মুসলিম জাহানে নবজীবন আনয়ন করিয়াছে এবং সর্বত্রই ইসলামের এই নবজীবন স্পন্দন অনুভূত হইতেছে। দুনিয়ার নিকট আমাদিগকে প্রতিপন্ন করিতে হইবে যে, যদিও আমাদের পথ প্রদর্শন করার জন্য কায়েদে আজম ও কায়েদে মিল্লাত আজ আর নাই, তথাপি ইসলাম আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখিয়া আমাদিগকে সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করিতে সক্ষম। এই ব্যাপারে আমাদের দায়িত্বই বেশী। কারণ, এখানে যত মুসলমানের বাস দুনিয়ার আর কোথাও এক জায়গায় এত মুসলমান বাস করে না। সুতরাং বিশ্ব মুসলিমের সংহতি রাখার দায়িত্ব বিশেষভাবে আমাদেরই। মুসলিম জাহানের এই সংকট মুহূর্তে আমরা কি পাকিস্তান ও ইসলামের প্রতি এই গুরুদায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইব? পাকিস্তানের ও মুসলিম জাহানের প্রতি আমাদের পবিত্র কর্তব্য সম্পাদনে আমরা কোন দিনই পশ্চাৎপদ হইব না। {{কেন্দ্র|পাকিস্তান জিন্দাবাদ}} {{কেন্দ্র|'''(পূর্ব পাকিস্তানের উজীরে আলা জনাব নূরুল আমীনের বেতার বক্তৃতা। ৩রা মার্চ ১৯৫২''')<ref>ভাষণটি “মাহে নও”—এর ৪র্থ বর্ষ, ১ম সংখ্যা, এপ্রিল, ১৯৫২ থেকে উদ্ধৃত।</ref>}} {{nop}}<noinclude>{{rule}}</noinclude> k10widsk3vvfhyturzwro7lj4k1b95p পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (তৃতীয় খণ্ড).pdf/৩৫৭ 104 481865 1992082 1974741 2026-07-31T04:20:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992082 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="RockyMasum" />{{ডান|325}} {{center|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ তৃতীয় পত্র}}</noinclude>{{বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র শীর্ষক|“মোনাফেকদের ক্ষমা নেই”|বাংলাদেশ সরকার, প্রচার দপ্তর|...........১৯৭১}} {{কেন্দ্র|<big>গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকার <br/> মোনাফেকদের ক্ষমা নেই</big>}} {{ফাঁক}}ক্ষমতার দন্তে, উন্মত্ততায় মানুষ বিবেকবুদ্ধি হারিযে এমন সব কথাবার্তা বলে থাকে যখন মনে হয় মানুষ তার আসল হারিয়ে জানোয়ারের স্তরে নেমে এসেছে। {{ফাঁক}}পাকিস্তানের ২৩ বছরের ইতিহাস এরূপ বহু নজীর সৃষ্টি করেছে। পশ্চিম পাকিস্তানের কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে এতটুকু হতে পড়তে দেখলেই অস্থির হয়ে ওঠে। ন্যায় নীতির সমর্থকদের বিরুদ্ধে পশ্চিম পাঞ্জাবী গোষ্ঠী ও তাদের তাঁবেদারগণ তখন তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনায়, ষড়যন্ত্রে লেগে যায়। পাকিস্তানের ২৩ বছরের ইতিহাস ষড়যন্ত্রের ইতিহাস, শোষণ ও পীড়নের ইতিহাস। {{ফাঁক}}সিরাজুদ্দৌলা নাটকে নাট্যকার নবাব সিরাজুদ্দৌলার মুখ দিয়ে জানিয়েছেনঃ “মীরজাফর,জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, উমিচাঁদের দল কি আর জন্মগ্রহন করবে না গোলাম হোসেন?” নাট্যকারের সে আশঙ্কা অমূলক নয়। বাংলায় বহু বিশ্বাসঘাতক জন্ম নিয়েছে এবং তারা বহাল তবিয়তে বাংলাদেশ ও বাঙ্গালীর সাথে বেঈমানী করে চলেছে। বাংলার এই বেঈমান, বিশ্বাসঘাতকগণই কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর পদলেহী হয়ে দেশ ও দশের সর্বনাশ করে চলেছে। এদের দাস-সূলভ মনোভাবের উপর নির্ভর করে তাদের পাঞ্জাবী প্রভুরা বাঙ্গালীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে, বাঙ্গালীদের উৎখাত করে। {{ফাঁক}}বাংলার মানুষ যখনই তাদের হক আদায়ের দাবী জানিয়েছে, ইনসাফের আওয়াজ তুলেছে,সুখে-শান্তিতে, মর্যাদার সাথে বাঁচতে চেয়েছে তখনই পশ্চিম পাকিস্তানী গোষ্ঠী তাদের “দেশদ্রোহী”, “বিচ্ছিন্নতাবাদী”, “ভারতের দালাল” বলে কুৎসা রটনা করে বাংলার সরল, সহজ মানুষের মনে ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। {{ফাঁক}}অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস! যে দেশের সিংহপুরুষ মরহুম এ, কে ফজলুর হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করল, যে দেশের মানুষ তাদের প্রিয় নেতা মরহুম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে পাকিস্তানের পক্ষে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকে সুনিশ্চিত করেছিল, যে দেশের মানুষ তাদের প্রাপ্য আসন কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, মরহুম লিয়াকত আলী খান, চৌধুরী খালিকুজ্জামান, চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, খান আবদুল কাইয়ুম খানকে ছেড়ে দিয়েছিল, সে দেশের মানুষ ও তাদের নেতৃবৃন্দের দেশপ্রেমে কটাক্ষ করা হয়েছে। অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস! যে দেশের আবাল-বৃদ্ধবণিতা, নিজেদের অটুট ধর্ম-বিশ্বাসে পঞ্জেগানা নামাজ আদায়ে ভুল করে না, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে মদ খেয়ে বেহুশ হয়ে থাকে না, কামুক নারীর উলঙ্গ নৃত্য ও উৎকট সঙ্গীত শুনে ক্লাবে, ক্যাবারেতে আল্লাহর শান খুঁজে ফেরে না, ধর্মীয় বিধান মেনে যারা জিঘাংসাকে সংযত করে প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বাণী প্রচার করে, যে দেশের মানুষ পশ্চিম পাঞ্জাবী শোষণ ও শাসনকে ছোট ভাইয়ের উৎপাত বলে মনে করে নির্যাতনের অবসান কামনায় তাদের উপর আল্লাহতালার হেদায়েত বর্ষণের প্রার্থনা জানায়, সেই বাংলাদেশের মানুষের ধর্ম বিশ্বাসে সন্দেহ সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস চালান হয়েছে ও হচ্ছে। {{ফাঁক}}অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস! যারা কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে বিনা চিকিৎসায়, অবহেলায় মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করেছিল, যারা লিয়াকত আলী খানকে হত্যা করেছিল, যারা নিজেদের প্রভুত্ব বিস্তারে রাজনীতিতে ষড়যন্ত্রের আমদানী করে পাকিস্তানের পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলেছে, যারা বৃটিশের গোলামী করেছে আর পরে গোষ্ঠীস্বার্থে জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে দিয়ে নিজেরাই পাকিস্তানের ভাগ্য বিধাতা হয়েছে, যারা<noinclude></noinclude> djebd5e7myol7fdttz3en96ovn4gg6l পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (প্রথম খণ্ড).pdf/৮০১ 104 482761 1991684 1977885 2026-07-31T03:59:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991684 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ প্রথম খণ্ড|'''৭৭৬'''}}</noinclude>{| style="border: none; border-collapse: collapse;" |- !style="width: 4%;"| !style="width: 33%;" |{{c|Name}} !style="width: 33%;" | {{c|Period}} ! style="width: 30%;" |{{c|Portfolios}} |- |1. |''Ministers of State''<br/>Haji Maula Bakhsh Soomro |16-12-1957 to 7-10-1958 |Defence, Economic Affairs, Rehabilitation, Information, Broadcasting, Kashmir Affairs, Law & Parliamentary Affairs. |- |2. |Mr. Akshay Kumar Das (E.P) |16-12-1957 to 7-10-1958 |Finance |- |3. |Khan Mohammad Jalauddin Khan |5-4-1958 to 7-10-1958 |Interior and Finance |- |4. |Syed ahmad Nawaz Shah Gardezi |5-4-1958 to 7-10-1958 |Food and Finance |- |5. |Sardar Mohammad Akbar Khan Bugti |20–9–1958 to 7–10–1958 |Interior |- |6. |Mian Abdus Salam |20-9-1958 to 7-10-1958 |Information and Broadcasting |- |7. |Abdur Rahman Khan |2-10-1958 to 7–10–1958 | |- |8. |Mr. Peter Paul Gozmez (E.P) |2-10-1958 to 7–10–1958 | |- |9. |Mr. Adiluddin Ahmad |2-10-1958 to 7–10–1958 | |- |10. |Syed Alamdar Hussain Shah gilani |2–10–1958 to 7–10–1958 | |} {{কেন্দ্র|GENERAL MOHAMMAD AYUB KHAN-CHIEF MARTIAL LAW ADMINISTRATOR}} {{কেন্দ্র|(8-10-1958 ΤΟ 26-10-1958)}} {{বাম|''President''}} {{বাম|'''Iskandar Mirza together with advisory council consisting of central Secretaries.'''}} {| style="border: none; border-collapse: collapse;" |- !style="width: 45%;" |{{বাম|''Prime Minister''}} !style="width: 30%;" | ! style="width: 25%;" | |- |{{gap|1}}Gen. Mohammad Ayub Khan |27-10-1958 |Defence & Kashmir Affairs |} {| style="border: none; border-collapse: collapse;" |- !style="width:4%;"|{{বাম|''Ministers''}} !style="width: 33%;" | !style="width: 33%;" | ! style="width: 30%;" | |- |1. |Lt. Gen. Mohammad Azam Khan |27-10-1958 |Rehabilitation |- |2. |Lt. Gen. W. A. Burki |Do |Health & Social Welfare(Labour) |- |3. |Mr. Mohammad Ibrahim (E.P) |Do |Law |- |4. |Lt. Gen. K. M Shaikh |Do |Interior |- |5. |Mr. Abul Qasim Khan (E.P) |Do |Industries & works, Irrigation & Power. |- |6. |Khan F.M. Khan |Do |Communications |- |7. |Mr. Z.A. Bhutto |Do |Commerce. |- |8. |Mr. Mohammad Hafizur Rahman (E.P) |Do |Food & Agriculture |}<noinclude></noinclude> 3t2g76m7m5s8t9cdzdl0dzah8n3hom3 পাতা:বিদ্যাসাগর (বিহারীলাল সরকার).pdf/২৬ 104 487944 1992119 1796173 2026-07-31T04:22:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992119 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" /></noinclude>{{C|{{xxxx-larger|বিদ্যাসাগর}}}} {{C|{{xx-larger|অবতরণিকা।}}}} {{gap}}দ্বিতীয় দাতা- কর্ণ এবং দয়ার সাগর অনাথ-বান্ধব বঙ্গের “বিদ্যাসাগর”, ১৮৯১ খৃঃ অব্দে ২৯শে জুলাই বা ১২৯৮ সালে ১৩ই শ্রাবণ, মঙ্গলবার রাত্রি ২টা ১৮ মিনিটে ইহলোক ত্যাগ করিয়াছেন। {{gap}}বলা বাহুল্য,—“বিদ্যাসাগর’ বলিলে, ঈশ্বরচন্দ্র বিস্তাসাগরকেই বুঝায়। সেই বিশ্ব-বিশ্রুত “বিদ্যাসাগর” ত্রিংশৎ বৎসর হইল, অমাদিগকে পরিত্যাগ করিয়া চলিয়া গিয়াছেন। এ কর্ম্মক্ষেত্রে সেই কর্ম্ম-শূর আপন কর্ম্ম সাধন.করিয়া, অপেক্ষাকৃত অল্পতর ভাগ্যহীন ব্যক্তিবর্গকে কর্ম্মের শিক্ষা-দীক্ষা দিয়া, স্বস্থানে প্রত্যাবর্ত্তন করিয়াছেন। জীবমাত্রের এই অবস্থা সেই আদ্যা শক্তি মূলা প্রকৃতির এই ব্যবস্থা। অবোধ মায়াময় জীব আমরা, মায়া-মুগ্ধ হইয়া, এ সব তত্ত্ব বুঝিয়াও, বুঝিতে পারি না। এ অনিত্য সংসারে কেবল বিয়োগবিলাপে অধীর হইয়া পড়ি। তাই বিদ্যাসাগরের স্মৃতিতে এখনও বিয়োগ-ঝড়বানল প্রজ্বলিত হইয়া উঠে। যে যায়, সে ত আর আসে না। যায়, কিন্তু স্মৃতি যে জাগে! স্মৃতি ত নয়, সে যে জালাময়ী জাল। সে জ্বালা জুড়াইব কিসে?<noinclude></noinclude> 6jkjsrqk5irp6pjd51ynjz4vuadb4pi পাতা:বিদ্যাসাগর (বিহারীলাল সরকার).pdf/১৮৩ 104 488093 1992120 1986385 2026-07-31T04:22:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992120 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh|১৫৪|বিদ্যাসাগর|}}</noinclude>বাড়ী যাও।” এই কথা বলিয়া তিনি দ্রুতপদে তীরবেগে চলিতে আরম্ভ করিলেন। শ্রীরাম সঙ্গ লইতে পারিল না। ক্রমে বিদ্যাসাগর মহাশয় দামোদর নদের তীরে উপস্থিত হইলেন। বিষম বর্ষায় দামোদরে খরতর একটানা স্রোত,—‘দুকুল-ভরা’,—‘কানে কান জল!’ {{gap}}গ্রীষ্মকালে দামোদরে সামান্য-মাত্র জল থাকে; এমন কি হাঁটিয়াই পার হওয়া যায়। বর্ষাকালে কিন্তু ইহা প্রলয়ঙ্করী সংহারমুর্তি ধারণ করে। আজ সেই দামোদর বাত্যাবিক্ষোভিত বারিধিবৎ ভীষণ সংহারমূর্ত্তি ধারণ করিয়াছে। বিদ্যাসাগর মহাশয় দেখিলেন,— পারাপারের নৌকা অন্য পারে। তাঁহার বন্ধু বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, পিতা, ভ্রাতা, ভগিনী, যুবতী বনিতা<ref>১৮৩৬ কি ৩৭ খৃষ্টাব্দে বা ১৮৪৪ কি ১৮৪৩ সালের ফাল্গুন মাসে বিদ্যাসাগরের বিবাহ হইয়াছিল।</ref>—সবই আছে; আজ কিন্তু বিদ্যাসাগর ভাবিতেছেন,—“তাঁহার কেহই নাই –আছেন কেবল,—“জননী”। বিদ্যাসাগর বাহ্যজ্ঞান শূন্য;— অন্তরে বাহিরে কেবল সেই অন্নপূর্ণা মাতৃ মূর্ত্তি! অনন্ত বিশ্ব-ব্যোম ব্যাপিনী মাতৃ-মূর্ত্তি। তিনি আর স্থির থাকিতে পারিলেন না। নৌকার অপেক্ষা না করিয়া, তিনি উচ্চকণ্ঠে ‘মা, মা’ বলিয়া ডাকিয়া দামোদরের জলে ঝাঁপ দিলেন। {{gap}}দেখিতে দেখিতে বিদ্যাসাগর সাঁতার দিয়া দামোদর পার হইয়া গেলেন। বিদ্যাসাগর কি নিজ-বলে সে দুর্জ্জয় দামোদর পার হইলেন? মানুষের শক্তিতে কি তাহা কুলায়? এ ব্যাপার দেখিয়া মনে হয়, মাতৃভক্তের কাতর ক্রন্দনে স্থির থাকিতে না পারিয়া, স্বয়ং মাতৃরূপিণী মহামায়া বিদ্যাসাগরকে বুকের ভিতর<noinclude></noinclude> fran0iha4h7mkrq66espw1hnl8jh85d পাতা:বিদ্যাসাগর (বিহারীলাল সরকার).pdf/২২১ 104 488131 1992121 1984430 2026-07-31T04:22:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992121 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" />{{rh|১৯২|বিদ্যাসাগর।|}}</noinclude>পাওয়া যায়। যাহাই হউক, “বেতালে"র আদর প্রথমে হউক বা না হউক, যখন ইহা আদরণীয় হইয়া উঠে, তখন অনেকে বেতালের অনেক অংশ মুখস্থ করিয়া রাখিতেন। {{gap}}“বেতালে"র প্রথম কয়েক সংস্করণে বিরাম-চিহ্ন অর্থাৎ কমা, সেমিকোলন প্রভৃতি ব্যবহৃত হয় নাই; পরে সাধারণের সুবিধার্থ ব্যবহৃত হয়। ফোর্ট উইলিয়ম্‌ কলেজের জন্য কর্ত্তৃপক্ষ তিন শত টাকা দিয়া একশত খণ্ড বেতাল ক্রয় করিয়াছিলেন। {{gap}}কয়েক বৎসর পূর্ব্বে ৺ মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জামাতা ৺ যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ এম্‌ এ, তর্কালঙ্কার মহাশয়ের জীবনচরিত লেখেন। এই জীবন-চরিতের ৪২ পৃষ্ঠায় “বেতাল”—সম্বন্ধে নিম্নলিখিত কয়েক ছত্র লিখিত হয়,— {{gap}}“বিদ্যাসাগর-প্রণীত ‘বেতাল-পঞ্চবিংশতি’তে অনেক নূতন ভাব ও অনেক সুমধুর বাক্য তর্কালঙ্কার দ্বারা এতদূর সংশোধিত ও পরিমার্জ্জিত হইয়াছিল যে, রোমাল্ট ও ফ্লেচরের লিখিত গ্রন্থ গুলির ন্যায় উহা উভয় বন্ধুর রচিত বলিলেও বলা যাইতে পারে।” {{gap}}বিদ্যাসাগর মহাশয় এ কথা স্বীকার করেন নাই। তিনি বলেন, শ্রীযুক্ত গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন ও মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে “বেতাল” পড়াইয়া শুনান হইয়াছিল মাত্র। তাঁহাদের কথামতে দুই একটী শব্দ মাত্র পরিবর্ত্তিত হইয়াছিল, ইহার প্রমাণার্থ তিনি ৺ গিরিশ চন্দ্র বিদ্যারত্নকে এই পত্র লেখেন,— {{gap|8em}}অশেষগুণাশ্রয় {{gap|6em}}শ্রীযুক্ত গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন ভ্রাতৃপ্রেমাস্পদেষু {{gap|4em}}সাদরসম্ভাষণমাবেদনম্‌ {{gap}}তুমি জান কি না বলিতে পারি না, কিছু দিন হইল, সংস্কৃত<noinclude></noinclude> 7y6e4efeokx9mtdt9k7c8h1ork8ownb পাতা:বিদ্যাসাগর (বিহারীলাল সরকার).pdf/৭২৯ 104 488645 1992122 1986396 2026-07-31T04:22:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992122 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh|৬৯২|বিদ্যাসাগর।|}}</noinclude>তাঁহার ছাত্রদিগের কবিতা ও প্রবন্ধ মুদ্রিত হইত। ঈশ্বরচন্দ্র প্রায় ১০ বৎসর নানাস্থানে ঘুরিয়া বহু যত্ন ও পরিশ্রমে ভারতচন্দ্র, রামপ্রসাদ সেন, রাম বসু, হরুঠাকুর, নিতাই দাস প্রভৃতি প্রাচীন কবিগণের জীবন চরিত ও অনেক লুপ্ত কবিতা প্রকাশ করেন। বস্তুতঃ প্রাচীন বঙ্গীর কবিদিগের জীবনবৃত্তান্ত উদ্ধার বিষয়ে ঈশ্বরচন্দ্রই প্রথম ও প্রধান উদ্যোগী। ১২৬৪ সালে ইনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রে “প্রবোধপ্রভাকর”, “হিত প্রভাকর”, “বোধেন্দু বিকাশ” নামক তিনখানি গ্রন্থ প্রকাশ করেন। তৎপরে শ্রীমদ্ভাগবতের বাঙ্গালা পদ্যানুবাদ প্রকাশ করিতে আরম্ভ করেন; পরন্তু মঙ্গলাচরণ ও কয়েকটা শ্লোকের অনুবাদ করিয়া মৃত্যুশয্যায় শয়ন করেন। ১২৬৫ সালের ১০ই মাঘ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সজ্ঞানে গঙ্গালাভ করেন। {{gap}}ঈশ্বরচন্দ্রের মৃত্যুর পর তদীয় অনুজ রামচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদন ভার গ্রহণ করেন। এই সময়ে পূর্বোক্ত মহেশচন্দ্র গভীর দুঃখের সহিত গাহিয়াছিলেন;— {{C|<poem>“সাত মেড়াতে জড় হয়ে নষ্ট করলে প্রভাকর। জন্মে কলম ধরেনি কো, রাম হল এডিটর। আগা পাছ বাদ দিয়ে শ্যাম হল কমাণ্ডর। </poem>}} {{gap}}বাঙ্গালীদিগের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তই প্রথম কেবল নিজের লেখনীয় উপর নির্ভর করিয়া জীবনযাত্রা নির্বাহ করেন। ইনি বিলক্ষণ অর্থোপার্জ্জন ও সমাজে প্রতিপত্তি লাভ করিয়াছিলেন। ইনি যেমন অর্থোপার্জ্জন করিতেন, তেমনি তাহার সদ্ব্যয় করিতেন। ইনি মুক্ত পুরুষ ছিলেন; ইঁহার বাড়ীতে সদাব্রত ছিল। অন্নপ্রার্থী হইয়া কেহ কখনও বিমুখ হয় নাই। ইনি খুব উচ্চশ্রেণীর<noinclude></noinclude> 0fp4hcyzjm5nbrrzkw262xpg6f6cfru পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/৩৮ 104 494613 1992083 1986044 2026-07-31T04:20:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992083 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|13}}</noinclude>রাত্রির কোন সময়েই কোন নৌকা ইত্যাদিকে আর জাহাজগুলোর ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে দেয়া হচ্ছে না।” (পাক সেনাবাহিনীর তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট থেকে উদ্ধৃত)। {{gap}}সামুদ্রিক ও নদীবন্দরগুলোর উপর এই চমকপ্রদ সফল হামলা পাকিস্তানীদের হকচকিত করে দিয়েছিলো। এমন একটা দুঃসাহসী অভিযান মুক্তিযোদ্ধারা চালাতে পারে এটা ছিলো পাকিস্তানীদের চিন্তারও বাইরে। এই হামলার আগ পর্যন্ত আমাদের যুদ্ধের পদ্ধতি সম্পর্কে পাকিস্তনীরা মোটামুটি পরিচিত হয়ে উঠেছিলো। সারা দেশ জুড়ে এ সময়ে মুক্তিযোদ্ধারা অসংখ্য ছোট ছোট হামলা চালায়। কিন্তু জুন-জুলাই মাসের এইসব ছোট ছোট হামলাগুলি ছিলো কম তাৎপর্যপূর্ণ। হ্যাণ্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, শত্রুর গাড়ি ধ্বংস, রাজাকার, দালাল, শান্তিবাহিনী বা আলবদর, আলশামস-এর লোকজন হত্যার মধ্যে এ সময়ের ঘটনাবলী সীমিত ছিলো। কোন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর ওপর তখনও হামলা চালানো হয়নি। শত্রুপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ছিলো তখন পর্যন্ত অক্ষত। এমন কি নেতৃস্থানীয় বাঙালী দালালরা পর্যন্ত বেশ আয়েশের সাথে তাদের দৈনন্দিন কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলো। মাঝে- মধ্যে এদের ওপর পরিকল্পনাহীন কয়েকটি হামলা হলেও তা ব্যর্থ হয়ে গেছে। মাঝখান থেকে গেরিলারা ধরা পড়ে পাকিস্তানীদের হাতে প্রাণ দিয়েছে। {{gap}}রণকৌশলের দিক থেকে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ বিভিন্ন হেডকোয়ার্টার, অফিসার মেস, অস্ত্র ও রসদ গুদাম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী কেন্দ্র, বন্দর, রেলওয়ে-এসবের উপর আগস্ট পর্যন্ত কোন সুপরিকল্পিত ‘গেরিলা’ হামলা চালানো হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে বাংলাদেশ প্রশ্ন মৃতপ্রায় হয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের এবং দেশের মানুষের মনোবল কিছুটা যেন ভেঙ্গে পড়ে। {{gap}}অন্যদিকে পাক-বাহিনীর অবস্থা তখন বেশ সুবিধাজনক। যুদ্ধের প্রথমদিকে আমাদের নিয়মিত বাহিনী তাদের বেশ কিছু ক্ষতি করেছিলো। শত্রুপক্ষে হতাহতের সংখ্যাও ছিলো প্রচুর। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে মোটামুটি জানা যায়, পাঁচ থেকে ছয় হাজার শত্রুসৈন্য নিহত এবং আট থেকে দশ হাজার তখন আহত হয়েছিলো। আহতদের মধ্যে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ পুনরায় যুদ্ধ করার অনুপযুক্ত হয়েছিলো। সামরিকভাবে গেরিলা তৎপরতা সন্তোষজক না হলেও ভবিষ্যতের জন্য আমরা অবশ্যই আশাবাদী ছিলাম। মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ প্রচলিত পদ্ধতিতে দু’ থেকে তিন সপ্তাহের ট্রেনিং পেত এবং ট্রেনিং শেষ করেই বাংলাদেশের অভ্যান্তরে তাদেরকে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করতে হতো। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রায় সবারই বয়স কম, আবেগ বেশী। কেউ কেউ আবার অতিরিক্ত উচ্চভিলাষী। এরা প্রত্যেকেই গ্রুপ লিডার কিংবা ঐ ধরনের কিছু একটা হতে চাইতো। এটা বুঝতে চাইতো না যে সবাই “লিডার” হলে অনুসারী কোথা থেকে আসবে। অবশ্য যুদ্ধ সম্পর্কে আমাদের সকলের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এর চাইতে বেশী কিছু আমাদের আশা করার ছিলো না। {{gap}}এমনি যখন আমাদের অবস্থা যে সময়ে অপারেশন ‘জ্যাকপট’—এর সাফল্য একথা প্রমাণ করেছিলো যে, যথাযথ শিক্ষা এবং নেতৃত্ব দিতে পারলে আমাদের ছেলেরাও অবিশ্বস্য কাজ করতে পারে। তাদের মধ্যে আন্তরিকতার কোন অভাব ছিলো না। তারা বুদ্ধিমান, কোন পরিস্থিতিতে কি করতে হবে দ্রুত তা বুঝে নিতেও সক্ষম। তাদের মানসিক উৎকর্ষ ছিলো নিঃসন্দেহে নিরক্ষর পাকিস্তানী সৈন্যদের চাইতে উত্তম। শিক্ষিত এক বিরাট গেরিলা বাহিনী আমরা পেয়েছিলাম, এটা আমাদের সৌভাগ্য।... {{gap}}সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি মাসে ২০ হাজার গেরিলাকে ট্রেনিং প্রদান করে তাদেরকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই হিসাবে ‘৭১- এর ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে গেরিলাদের সংখ্যা অনুমান করা হয় এক লাখের ওপরে। এদের মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগ যথাযথভাবে কাজ করলেও পাক বাহিনীর সময় পরিকল্পনায় একটা ভাঙ্গন ধরানো সম্ভব। এই পরিস্থিতিতে গেরিলাদের নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হবে পাকিস্তানী<noinclude></noinclude> s54vqanjn3j2bvqdt04omaf5u4e0nu2 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/৮৫ 104 494709 1991677 1905617 2026-07-31T03:59:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991677 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="AtikHasanMKT" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র : দশম খণ্ড|60}}</noinclude>(গ) রাজাকার অপারেশন- {{ফাঁক}}(১) জিরি মাদ্রাসায় ২১ জন রাজাকার নিহত, ১৬ টি রাইফেল (২) বোয়ালখালীতে ১ জন রাজাকার (৩) রাইজানে ৮জন রাজাকার (৪) ....২ জন রাজাকার, ২ জন পুলিশ ও চেয়ারম্যান নিহত। (ঘ) অন্যান্য- {{ফাঁক}}(1) ১৩২০০০ ভোল্টের দুটো পাওয়ার পাইলন কলকারকানার মেইন ইলেকট্রিক সাপ্লাই লাইন ধ্বংস- ২৮ দিন সমস্ত কলকারখানা বন্ধ থাকে, (২) কৈয়াগ্রাম ১টি পুল বিনষ্ট, (৩) রেলের বিট উপড়ে ফেলায় ট্রেন লাইনচ্যুত (দোহাজারী লাইন)। ৪। সেপ্টেম্বর মাসঃ (ক) রাজাকার অপারেশনঃ {{ফাঁক}}(১) কালারপুল থানা-২ জন রাজাকার, ৬টি রাইফেল ও এমুনিশন (২) লাখাড়া-তিনজন রাজাকার দুইটি রাইফেল (৩) ধলঘাট ৭ জন মুজাহিদ (৪) বোয়ালখালী থানা- ২ জন পাঞ্জাবী, ২ জন পুলিশ, ৩৫ জন রাজাকার ও মুজাহিদ (৫) ধলঘাট-৭ জন মুজাহিদসহ মোট ২১ জন (৬) জৈষ্ঠাপুরা-১ জন রাজাকার (৭) মিলিটারী পুলে ১ জন পাঞ্জাবী। (খ) গ্রেনেড চার্জ- {{ফাঁক}}(১) রেয়াজুদ্দিন বাজার ২ জন (২) স্টেশন রোড-কেউ মারা যায়নি (৩) লালদীঘির পাড়- জামাতের মিছিলে ৭/৮ জন নিহত। (গ) দালাল অপারেশন- {{ফাঁক}}(১) কোরাইল ডাঙ্গায় ১ জন (২) লারোয়াতলীতে ১ জন (৩) বোরলায় ১ জন (৪) ধলঘাটে ১ জন। (ঘ) অন্যান্য- {{ফাঁক}}(১) ১টি পুল ধ্বংস (২) লাখাড়ায় Signal wireless station সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়। (৩) কোরাইল ডেঙ্গা পাহাড়ে কাঠ কাটা নিষিদ্ধ করা হয় (৪) ফসফরাস দিয়ে পেট্রোল পাম্প ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ৫। অক্টোবর মাসঃ (ক) রাজাকার অপারেশন- {{ফাঁক}}(১) কদুরখিল গ্রামের সকল রাজাকারদের বাড়ীঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। (২) পরদিন কদুরখিল গ্রামে ৫২ জন রাজাকার ও ..... বন্দী (৩) ধলঘাট রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন আক্রমণ- ২১ জন পুলিশ ও রাজাকার ধৃত (৪) পশ্চিম পটিয়ায় ২ জন রাজাকার ও ৬টি স্টেনগান উদ্ধার (৫) রাউজানে তিনজন রাজাকার (৬) শিলচলে সাতজন পাঞ্জাবী সাহয্যকারী (৭) বান্দরবন রাস্তায় চারজন পাঞ্জাবী (৮) দুইজন মুজাহিদ। (খ) দালাল অপারেশন- (১) পশ্চিম পটিয়ায় ১ জন (২) রাউজানে ৫ জন (৩) রাঙ্গুনিয়ায় ৩ জন।<noinclude></noinclude> taj1pf7asx1kbmjq3hxjkgddw12431m পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/১৬৮ 104 494883 1992084 1986085 2026-07-31T04:20:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992084 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|143}}</noinclude>পিছন দিক থেকে আক্রমণ চালিয়েছি। উপায়ন্তর না দেখে সবকিছু ফেলে তারা চট্টগ্রামের দিকে পালাতে থাকে। পালাবার পথে আমাদের মর্টারের এবং মেশিনগানের গুলিতে অনেক পাকসৈন্য হতাহত হয়। প্রায় ৪০ জন হতাহত পাকসেনাকে আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে পাই। ৮জন পাকসেনা বন্দী হয়, ৪৯জন ইপিসিএএফ অস্ত্রশস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। প্রচুর গোলাবারুদ ও অন্যান্য জিনিসপত্র আমাদের হস্তগত হয়। রেশন বোঝাই কয়েকটি ট্রাকও আমাদের দখলে আসে। পালাবার সময় পূর্ব থেকে লেঃ শওকতের গণ-বাহিনীর কোম্পানীও পাকসেনাদের উপর আক্রমণ চালায় এবং অনেককে হতাহত করে। পাকসেনারা রাস্তা ছেড়ে গ্রামের মধ্যে দিয়ে চট্টগ্রামে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয় ১৪ই ডিসেম্বর নাজিরহাট সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত হয়। আমাদের একজন শহীদ ও ১জন সৈনিক আহত হয়। পাকসেনারা নাজিরহাট সড়কসেতু আগে থেকেই ধ্বংস করে দিয়েছিলো। সেজন্য নাজিরহাট থেকে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রযাত্রা একদিন দেরি হয়ে যায়। নাজিরহাটের স্থানীয় জনগণের সাহায্যে সেই সেতুটির আংশিক পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হয় এবং ১৫ই ডিসেম্বর নাজিরহাট থেকে চট্টগ্রামের দিকে আমাদের অগ্রাভিযান পুনরায় শুরু হয়। সকালে হাটহাজারী পৌছার পর ১০ম বেঙ্গলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। ১০ম বেঙ্গল মেজর জাফর ইমামের নেতৃত্বে সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রামের দিকে এগিয়ে আসছিল। হাটহাজারীতে যোগাযোগের পর ‘কে-ফোর্স’—এর ১০ম বেঙ্গল ও ৪র্থ বেঙ্গল সম্মিলিতভাবে অগ্রসর হয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শত্রুমুক্ত করে। ১৬ই ডিসেম্বর সকালে এই সম্মিলিতবাহিনী চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অগ্রসর হয়ে চট্টগ্রাম শহর আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়। এই সময় বাংলাদেশ ফোর্সেস হেডকোয়পার্টার আক্রমণে স্থগিত রাখার নির্দেশ পাঠায়। আরো খবর আসে যে, পাকসেনারা ওইদিন আত্মসমর্পণ করবে। ১৬ই ডিসেম্বর বিকাল ৪-৩০ মিনিটে পাকসেনাদের এক ডিভিশন সৈন্য ‘কে ফোর্স-এর কিট অস্ত্রশস্ত্র সহ আত্মসমর্পন করে। পাকনোদেরকে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ট্রানজিট ক্যাম্প প্রভৃতি জায়গায় বন্দী করে রাখা হয়। সমস্ত চট্টগ্রাম ‘কে-ফোর্স’—এর নিয়ন্ত্রন আসে। স্বতঃস্ফুর্ত জনগণ বিজয়মাল্যে ভূষিত করে আমাদের বিজয়ী বীর সৈনিকদের নিয়ে বিজয় উল্লাসে শহর প্রদক্ষিণ করে। {{gap}}১১ই এবং ১২ই নভেম্বর ৯ম বেঙ্গলের ‘এ’ কোম্পানী এবং ‘বি’ কোম্পানী কৃষ্ণপুর ও বগাবাড়ি অবস্থান থেকে পাকসেনাদের অবস্থানের উপর আক্রমণ চালিয়ে তাদেরকে কুমিল্লার দিকে আরো পিছু হটিয়ে দেয়। দু’দিনের যুদ্ধে পাকসেনাদের ১৪জন নিহত ও ৭ জন আহত হয়। আমাদের পক্ষে ২ জন শহীদ এবং একজন আহত হয়। এই সময় ৪র্থ বেঙ্গল শালদা নদীর দিক থেকে পাকসেনাদের উপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছিল। এই দুই ব্যাটালিয়নের আক্রমণে পাকসেনারা পরাস্ত হয়ে শালদা নদী কসরা; মন্দভাগ প্রভৃতি এলাকা সম্পূর্নরুপে পরিত্যাগ করে নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে কুমিল্লাতে আশ্রয় নেয়। ডিসেম্বর মাসের ১লা তারিখে কুমিল্লার উত্তর এলাকা সম্পূর্নরূপে শত্রু মুক্ত হওয়ার পর চারটি সেক্টর কোম্পানীকে এই এলাকা মোতায়েন রেখে ৯ম বেঙ্গলকে কুমিল্লার দক্ষিণ পূর্বে মিয়ারবাজার এলাকায় সমাবেশ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখে ৯ম বেঙ্গল মেজর আইনউদ্দিনের নেতৃত্বে মিয়াবাজারের দিকে অগ্রসর হয়। মিয়াবাজারে ক্যাপ্টেন মাহবুবের ছয়টি সেক্টর কোম্পানীও তাঁর সঙ্গে যোগ দেয়। ৩রা ডিসেম্বর সকালে এই সম্মিলিত বাহিনী মিত্র বাহিনীর কামানের সহায়তায় মিয়াবাজারে পাকসেনাদের প্রতিরক্ষাব্যূহের উপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালায়। পাকসেনারা এ আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে কুমিল্লার দিকে পিছু হটে যায়। মিয়াবাজারে শত্রুমুক্ত করার পর ৯ম বেঙ্গলের একটি দলকে লাকসামের দিকে অগ্রসর নির্দেশ দিয়ে মেজর আইনউদ্দিন কুমিল্লা আক্রমণের জন্য অগ্রসর হতে থাকে। যাত্রাপথে শত্রুর প্রতিরক্ষাব্যূহ ধ্বংস করে অগ্রাভিযানের গতি অব্যাহত রেখে ৪ঠা ডিসেম্বরের ভোরে মেজর আইনউদ্দিনের দল কুমিল্লার বিমানবন্দর এলাকা পর্যন্ত পৌঁছতে সমর্থ হয়। কুমিল্লা বিমানবন্দরের নিকট পাকসেনাদের একটি শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। ৯ম বেঙ্গল মিত্রবাহিনীর গোলন্দাজ বাহিনীর সহায়তায় এই ঘাঁটিটির উপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালায়। পাকসেনারা এই আক্রমণ পতিহত করতে না পেরে কুমিল্লা শহরের দিকে পালিয়ে যায়। দুপুর পর্যন্ত সমস্ত কুমিল্লা বন্দর এলাকা শত্রুমুক্ত হয় এবং ৯ম বেঙ্গলের দুটি কোম্পানী কুমিল্লার দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক (রাজগঞ্জ বাজার) থেকে কুমিল্লা শহরের অভ্যান্তরে প্রবেশ<noinclude></noinclude> di5wr1nf7p1zqhr25pfq1vuud1h6lk5 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/২৩৫ 104 495020 1992085 1986098 2026-07-31T04:20:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992085 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|210}}</noinclude>{{gap}}এই হেডকোয়ার্টার যখন ইসলামপুরের নিকট পৌঁছে তখন পেছন থেকে একখানা ট্রাক আসতে দেখা যায়। ট্রাকখানা যে রঙ্গের ছিল সে রকম একখানা গাড়ী ১১ইস্ট বেঙ্গলেরও ছিল। ব্যাটালিয়ন কমাণ্ডার গাড়ীখানা দূর থেকে দেখে আমাকে বলে “স্যার তেলিয়াপাড়া নিশ্চয়ই আমাদের হস্তগত হয়েছে এবং আমার গাড়ীও চলে আসছে।” এখানে বলে রাখা দরকার যে, গাড়ী একমাত্র তেলিয়াপাড়া হয়ে আসতে পারত। আমাদের গাড়ী ছাড়া অন্য কোন গাড়ী আসতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস ছিল না। কেননা চান্দুরা এবং মাধবপুরের মাঝামাঝি জায়গায় আমাদের রোড ব্লক ছিল, যার কমাণ্ডার ছিল মেজর সুবেদ আলী ভূঁইয়া। গাড়ী আমাদের কাছে আসতেই ড্রাইভারকে ইশারা দিয়ে আসতে বলা হয় এবং গাড়ী থেমে যায়। আশ্চর্যের বিষয় যে গাড়ীটা আমাদের ছিল না। সে গাড়ীতে পাকিস্তানী সৈন্য বোঝাই ছিল। তারা তেলিয়াপাড়া থেকে পশ্চাদপসরণ করে ‘আসছিল। গাড়িতে পাকিস্তানী সৈন্য দেখে তাদেরকে আত্মসমর্পণের জন্য নির্দেশ দেই। দু’ চারজন অস্ত্র রেখে হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে যায় এবং তার মধ্যে থেকে দুই একজন বোধ হয় আমাদের সংখ্যা কম দেখে গোলাগুলি শুরু করে এবং গাড়ির চারিদিকে লাফিয়ে পড়ে। গাড়ীর সামনের সিটে বসা ছিল একজন সুবেদার। সেও গাড়ী থেকে লাফিয়ে পড়ে আমাকে ধরে ফেলে। বাকী সৈন্যরা গাড়ী থেকে নেমে রাস্তার অপর পাশে চলে যায়। এসব সৈনিকদের অধিকাংশই ছিল পাঠান এবং মিলিশিয়া পোশাক পরিহিত। {{gap}}আমরা ইসলামপুরের যে স্থানে ছিলাম সেখানে থেকে এক হাজার গজ দূরে শাহাবাজপুরের দিকে ছিল এক কোম্পানী সৈন্য। এবং আমাদের প্রায় মাইলখানেক পিছনে পাইকপাড়া থেকে ক্রস কানট্রি হয়ে চান্দুরার দিকে অগ্রসরমান বাকী সৈন্য। গাড়ীর দক্ষিণ পার্শ্বে এবং পেছনে আমাদের লোক অস্ত্র উঠিয়ে ছিল। গাড়ীর উত্তর পাশ দিয়ে লাফিয়ে পড়ে পাকিস্তানী সৈন্যরা গ্রামের দিকে পালিয়ে যায় এবং সেখান থেকে গোলাগুলি ছোড়ে। সুবেদার সামনের সিটে দক্ষিণ পার্শ্বে বসা ছিল। সে গাড়ী থেকে লাফিয়ে পড়ে আমাকে ধরে ফেলে। সুবেদারের কাছে ছিল পিস্তল। আমার কাছেও ছিল পিস্তল। দুইজনেরই পিস্তল ছিল ‘পাউচ’—এর মধ্যে। আমার এসএমজিটা আমার রানারের কাছে। রানার ছিল আমার পিছনে দাঁড়িয়ে। সুবেদার এবং আমার মাঝে ধস্তাধস্তি প্রচণ্ড। কেউ কারোর পিস্তল বের করার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। ইতিমধ্যে আমার রানার কয়েকবার সুবেদারকে লক্ষ্য করে গুলি করতে চেয়েছিল। হঠাৎ আমার রানারের পায়ে গুলি লাগে এবং সে পড়ে যায়। পড়ে গিয়ে গুলি করার চেষ্টা করছিল। কিছুক্ষণের মধ্যে মেজর নাসিমও গুলিবদ্ধ হয় এবং আহত হয়ে পড়ে যায়। আমি অবশেষে জুডো কায়দায় তার বেষ্টনী থেকে মুক্তি পাই এবং আমি জোরের সাথে তার মুখের চোয়ালে এক ঘুষি মারি। তাতে সে পড়ে যায় এবং গিয়ে আমার রানারকে ধরে ফেলে এবং স্টেন দিয়েই আমাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তার ও আমার মাঝে ব্যবধান ছিল মাত্র খুব বেশি হলে এক গজ। গুলি যে বেরিয়ে গেছে সেটা আমি দেখেছি কিন্তু কোথায় লেগেছে তা লক্ষ্য করিনি। {{gap}}সে সময় আমাদের “একজন সৈন্য সেখানে রাইফেল উঁচিয়ে গুলি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আমি তার কাছ থেকে রাইফেলটা নিয়ে সে সুবেদারের মাথায় বাড়ি দেই। সুবেদার মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। আমি রাইফেল দিয়ে তার মাথায় কয়েকবার আঘাত করছিলাম। সে সময় আমাদের কোন সৈন্যই অবস্থানে ছিল না। তাদের সবার অবর্তমানে। ঐ সুবেদারকে মেরেছিলাম। আমরা যখন ধস্তাধস্তি, গোলাগুলিতে বাস্ত ছিলাম তখন আমাদের সম্মুখে যে কোম্পানী অগ্রসর হচ্ছিল তারা পেছনের দিকে আসে এবং যারা পেছন থেকে আসে তারাও সম্মুখে অগ্রসর হয়। ঠিক এ সময় আমি দেখি যে আর একখান গাড়ী পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে। সেটা একটা বাস ছিল। সে বাস থেকে অবতরণ করছিল পাকিস্তানী সৈন্য। আমি তা দেখে রাইফেল উঁচিয়ে তাদের উপর গুলি করতে প্রস্তুতি নেই। কিন্তু দেখলাম যে রাইফেলটা ভেঙ্গে গেছে। রাইফেলটা ছুড়ে ফেলে আমি চিৎকার করে বলি আমার স্টেন কোথায়? এবং সাথে সাথে পিস্তল বের করি। পিস্তল বের করে দেখি সেটাও বিকল হয়ে গেছে। তখন বুঝতে পারলাম সুবেদার যখন আমাকে এসএমজি দিয়ে গুলি করেছিল তা পিস্তলে লেগেছিল। পিস্তলে দুটো গুলির আঘাত বিদ্যমান ছিল। পিস্তলটাকে আমি আবার পাউচ-এর ভিতর রেখে কোন উপায় না দেখে এক<noinclude></noinclude> srkv4z0xdsjytf8t8wddnol48v0z3vo পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/২৬৫ 104 495084 1992086 1984194 2026-07-31T04:20:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992086 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|240}}</noinclude>একজন সৈন্য আহত হয়। আমি তাকে বললাম যেভাবে হোক তোমার গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে হবে। লেফটেন্যাণ্ট জহীরের কাছ থেকে খবর আসল সে বিনা বাধায় কানাইঘাট-দরবস্ত রাস্তা পার হয়ে গন্তব্যস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রাত যত বাড়তে লাগল ততই গোলাগুলির আওয়াজ বাড়তে লাগল। রাত প্রায় দুটোর সময় লেফটেন্যাণ্ট গিয়াসের কাছ থেকে খবর পেলাম ওরা শত্রুসৈন্যকে ঘিরে ফেলেছে, তবে তার একটি ছেলে শহীদ হয়েছে এবং সে শত্রুদের উপর শেষ হামলা চালাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে জহীরের কাছ থেকে খবর পেলাম তার গন্তব্যস্থল প্রায় ৭০০/৮০০ গজ দূরে, তার উপর ভীষণভাবে মর্টারের গোলাবর্ষণ হচ্ছে এবং সে এগুতে পারছে না। মেজর রবের কাছ থেকে খবর পেলাম তার দুটো কোম্পানী ধীরগতিতে গন্তব্যস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সে এখনও মুখোমুখি সংঘর্ষের সম্মুখীন হয়নি। লেফটেন্যণ্ট গিয়াসের কাছ থেকে ৪ঠা ডিসেম্বর রাত তিনটার সময় খবর আসল শত্রুদের একটি পুলের চার কোনায় চারটি বাংকার। এবং তার ভেতর থেকে প্রচণ্ড গোলাগুলি আসছে। লেফটেন্যাণ্ট গিয়াসের সৈন্যরা বাংকারের উপর গ্রেনেডের সাহায্যে শত্রুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। ভেতর থেকে বাংলায় চীৎকার করে বলল, “আমরা বাঙ্গালী, আমাদের মারবে না। দুটো পশ্চিম পাকিস্তানী রাস্তার উপর দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আপনাদের সাহায্য করব।” রাত প্রায় সাড়ে তিনটে-চারটে হবে। লেফট্যানেণ্ট গিয়াসের কাছ থেকে খবর পেলাম ওরা ওদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। বাংকারের ভেতরে ওরা যেতে পারেনি। কারণ বাংকারে অনেক মৃতদেহ পড়ে আছে। এবং ৭ জন রাজাকার বাইরে চলে এসে আত্মসমর্পণ করেছে। নয়জন পশ্চিম পাকিস্তানী গ্রেনেড ছোড়ার ফলে মারা যায়। দু’জন পশ্চিম পাকিস্তানী পালাবার সময় মুক্তিযোদ্ধারা মেরে ফেলে। ৭ জন বাঙালী রাজাকার আত্মসমর্পণ করে। লেফটেন্যাণ্ট গিয়াসকে পুরো এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলো যাতে দরবস্ত থেকে শত্রুরা কানাইঘাটের দিকে আসতে না পারে। রাত বাড়তে লাগল, লেফটেন্যাণ্ট জহীরের কাছ থেকে খবর পেলাম সে এগুতে পারছে না। এদিকে মেজর রব শত্রুসৈন্যর মুখোমুখি প্রায় এসে পড়েছে। তার উপর প্রচণ্ড গোলাবর্ষণ হচ্ছে। বেলা বাড়তে লাগল- মেজর রব শত্রুসৈন্যকে নদীর তীর দিয়ে প্রায় ঘিরে ফেলেছে। সে ওদের কাছ থেকে দুশো গজ দূরে আছে। তার দুটো ছেলে গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। তার গোলাবারুদ দরকার বলে সে জানাল। ৪ঠা ডিসেম্বর সকাল ৬টায় জহীরের কাছ থেকে খবর পেলাম এম-জি এবং মর্টারের গোলাগুলিতে সে এগুতে পারছে না। তিনজন গুরুত্বরভাবে আহত হয়েছে। আরো সৈন্য এবং গোলাবারুদ চেয়ে সে অনুরোধ জানাল। আমি বললাম, সৈন্য আর পাঠাতে পারব না, তবে গোলাবারুদ পাঠিয়ে দিচ্ছি। সকাল ৭টায় মেজর রবেব কাছ থেকে খবর পেলাম নদীর ওপার থেকে ওদের উপর গোলাগুলি আসছে। আমি জানতাম আটগ্রামে ১ম বেঙ্গল রেজিমেণ্ট আছে এবং এটাও জানতাম নদীর ওপারে শত্রুসৈন্য আছে। ১ম বেঙ্গলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল নদীর ওপার থেকে শত্রুসৈন্যদের সরিয়ে দিতে। আমার সঙ্গে ১ম বেঙ্গল রেজিমেণ্ট এবং ‘জেড’— ফোর্স- এর বেতার যোগাযোগ ছিল না। মেজর রবের উপর নদীর ওপার থেকে গোলাগুলি আসতে লাগল। মেজর রবকে বললাম, ভারতের সাথে বেতার যোগযোগ করে ভারতীয় গোলন্দাজ বাহিনীর সাহায্য আমি নিচ্ছি। তুমি তোমার দায়িত্ব পালন করে যাও। ভারতের সাথে যোগাযোগ করি এবং গোলন্দাজ বাহিনীর সাহায্য পাবো বলে তারা আশ্বাস দেয়। এদিকে, যেহেতু মেজর রবের আরো সৈন্যর দারকার ছিল সেইহেতু জহীরকে মেজর ববের সাহায্য পাঠানো হল। লেফটেন্যাণ্ট গিয়াসের কাজ থেকে খবর পেলাম দরবস্ত থেকে পাকিস্তানীদের কানাইঘাটের দিকে আসার কোন পরিকল্পনা আছে বলে তার মনে হচ্ছে না। গিয়াসকে লেফটেন্যাণ্ট জহীরকে সাহায্যের জন্য পাঠানো হল। মেজর রব এবং লেফটেন্যাণ্ট জহীরের দলের উপর শত্রুরর ভীষণ গোলাগুলি হচ্ছিল। আস্তে আস্তে ওরা এগুতে লাগল। বেলা প্রায় দশটায় খবর পেলাম নদীর ওপার থেকে পাকিস্তানীরা পেছনে পালাচ্ছে। এদিকে কানাইঘাট থেকেও পাকিস্তানীরা বাংকার থেকে উঠে পড়েছে। কানাইঘাটে শত্রুদের উপর মুক্তিযোদ্ধারা ঝাঁপিয়ে পড়ল। বেলা প্রায় সাড়ে দশটায় মেজর রব, লেফটেন্যাণ্ট গিয়াস ও লেফটেন্যাণ্ট জহীরের সৈন্যরা সম্মিলিতভাবে কানাইঘাটে শত্রুসৈন্যদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। এবং হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। পাকিস্তানীরা রাস্তা না পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিতে আরম্ভ করল এবং নিজেদের পোঁতা মাইন বিস্ফোরণে নিজেরাই মরতে আরম্ভ করল। যারা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল ওরাও মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে প্রাণ হারায়। নদীর পানি লাল হয়ে গিয়েছিল। অনেকে পানিতে<noinclude></noinclude> ewrc4t9mzbj093bkvvf1b59yqbskkvy পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/৩৫৩ 104 495305 1992087 1986113 2026-07-31T04:20:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992087 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|328}}</noinclude>রাইফেল হাতে কেবল নিয়েছি, দৌড়ে কিভাবে গুলি করতে হয় সেটা শিখেছিলাম। ওরা সবাই দৌড়ে গিয়ে রাইফেল হাতে তাড়াতাড়ি পজিশন নিয়েছে। আমিও নিয়েছি, তবে তত তাড়াতাড়ি না পারায় ১০/১৫ হাত পিছনে পজিশন নিয়েছি। ওরা সেখান থেকে ফায়ার করছে, পাল্টা জবাব দিচ্ছে। আমিও অনুমান ১০/১৫ হাত পিছনে একপাশ থেকে পাল্টা জবাব দিচ্ছি। আনসারের একজন লোক ছিল, সে আমাকে যেভাবে গালি দিচ্ছিলো, সে গালির কথা আমি কখনও ভুলবোনা। খুব মজার গালি- ‘সামনে, সামনে এসে ফায়ার কর, নইলে তোকে মেরে ফেলবে।’ ও শেখাচ্ছিলো যেন আমি আমার নিজের জীবন বাঁচাতে পারি। এবং একই সময় আমি আমার বন্ধুর জীবনকেও যেন রক্ষা করতে পারি। তারপর সামনে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ফায়ার করলাম। ২" মর্টার ছিল আমাদের কাছে। এক সময় ফায়ার বন্ধ করি। পরে জানতে পেরেছিলাম ওদের উদ্দেশ্য ছিল নদী পার হয়ে আসা। কলাগাছ দিয়ে ভেলা তৈরী করেছিল তারা। পাকসেনারা লং রেঞ্জে ফায়ার করে দেখতে চেয়েছিল আমরা এপারে কেউ আছি কিনা। পরে আমাদের পাল্টা জবাব পেয়ে তারা আর নদী পার হবার সাহস পায়নি। এটা আগস্টের ঘটনা হবে। তারপর সেখান থেকে আমরা চলে যাই বাগভাণ্ডার বি-ও- পি তে। বাগভাণ্ডারে বি-ডি-আর’ এর সুবেদার মেজর আরব আলী ছিল। তার একটি কোম্পানী ছিল এবং আমি সেই কোম্পানীর একজন সাধারণ সৈনিক ছিলাম। সুবেদার আরব আলীই সেই কোম্পানীর কমাণ্ডার ছিলেন। সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টর অধীন বাগভাণ্ডার ডিফেন্সই আমি বেশ কিছুদিন ছিলাম ওখানে থাকাকালীন আমাদের কটা উল্লেখযোগ্য অপারেশন হয়েছিল অক্টোবরের শেষের দিকে। লেঃ সামাদ, যিনি শহীদ হয়েছেন জয়মনিরহাটে এবং লেঃ আবদুল্লাহ এরা কেবল কমিশন পেয়ে এসেছেন আর আমরা সেকেণ্ড ব্যাচের জন্য সিলেক্ট হয়েছি যাবো। এরা যখন প্রথম আসলো তখন এদেরকে নিয়ে একটা অপারেশন করা হলো, জয়মনিরহাটে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটা কোম্পানী সেখানে ছিল। আমরা তা জানতে পেরেছিলাম। এই রেইডের পরিকল্পনা করেন ক্যাপ্টেন নওয়াজেশ, আমি সেদিন তাঁর সাথেই ছিলাম। আমি ছিলাম তাঁর সিগনাল অপারেটর, অয়ারলেস সেট নিয়ে একটা তেঁতুল গাছের উপরে মাচা তৈরী করে উনি ছিলেন আর আমি তেঁতুল গাছের নীচে অয়ারলেস সেট নিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে তিনি পাক ক্যাম্পের উপর ডাইরেক্ট করছিলেন আক্রমণ। আমার কোম্পানী, অর্থাৎ যেটা সুবেদার আরব আলীর কোম্পানী এবং ডানদিকে একটা এফ-এফ কোম্পানী ছিল সুবেদার শামসুল হকের নেতৃত্বে- এই দুটো কোম্পানীর একটি দেওয়া হল লেঃ সামাদের নেতৃত্বে এবং অপরটা লেঃ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে। এই দুটো কোম্পানী নিয়ে ভূরুঙ্গামারী আক্রমণ করি, সন্ধ্যের পর। পরিকল্পনা মোতাবেক দুটি কোম্পানী প্রায় ভূরুঙ্গামারীর কাছে পৌঁছে যায়। বাঁ দিকে সোনারহাটে যে কোম্পানী ছিল তাদেরকে রাস্তার উপর ব্লক করতে বলা হলো যাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঐ দিকে পালিয়ে যেতে না পারে। তাদের একটাই পথ খোলা রাখা হয়েছিল, সেটা হলো নাগেশ্বরীর দিকে। কিন্তু ঐ কোম্পানী ঠিকমত এ্যাকশন নিতে পারেনি, ফলে পাকস্তানীরা ভুরুঙ্গামারী ছেড়ে সোনাহাটা দিয়ে ভিতরে ঢোকে এবং উল্টা দিক দিয়ে আমাদের দিকে ফায়ার করতে শুরু করে। আমরা জানতে পাই যে ওটা আমাদের এফ-এফ কোম্পানীর দল না। ওটা পাকিস্তানীরা বিতাড়িত হয়ে উল্টা দিক দিয়ে ভিতরে এসে আমাদের ওপর আঘাত হানছে, এজন্যে সেখানে বেশীক্ষণ থাকা সম্ভব হয়নি। সব কিছু তছনছ করে, বাঙ্কার ভেঙ্গে দিয়ে আমরা রাতের অন্ধকারেই ওখান থেকে ফিরে আসি। রেইড হিসাবে এটিকে আমরা সফল রেইড বলতে পারি, তবে আক্রমণ হিসাবে এটা সফল ছিল না। কেননা, পরবর্তীতে পাকিস্তানীরা আবার সেখানে ডিফেন্স গড়ে তুলেছিল। {{C|{{larger|মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি<ref>দৈনিক ‘সংবাদ’— এর ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮১ সংখ্যায় প্রকাশিত মুসা সাদিক রচিত প্রতিবেদন থেকে সংকলিত।</ref>}}}} {{C|॥ রায়গঞ্জ দখলের লড়াই॥}} {{gap}}লেঃ সামাদ আর লেঃ আবদুল্লাহ ২৫ মাইল রেঞ্জের অয়ারলেস হাতে দুই গ্রুপ কমাণ্ডো নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলো ১৯শে নভেম্বর পাকিস্তানীদের শক্ত ঘাঁটি রায়গঞ্জ দখলের জন্যে। সবার হাতে একটা করে স্টেন আর<noinclude>{{rule}}</noinclude> trpjbqj1p0awtf11i625pfnc9dxb7r5 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/৫৫৪ 104 495821 1992088 1811627 2026-07-31T04:20:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992088 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" />{{ডান|529}} {{কেন্দ্র|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড}}</noinclude>{{বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র শীর্ষক|২৬। চূড়ান্ত পর্যায়ে সংঘটিত যুদ্ধের বিবরণ|......<ref>‘রোববার’—স্বাধীনতা দিবস সংখ্যা ১৯৮৩-তে প্রকাশিত মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, পিএসসি-রচিত প্রতিবেদন থেকে সংকলিত।</ref>|১৯৭১}} {{C|{{larger|চূড়ান্ত যুদ্ধে মুক্তিবাহিনী}}}} {{gap}}১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে প্রতিটি সেক্টর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস, ক্ষিপ্রতা ও অবশ্যম্ভাবী বিজয় দেখে পাকিস্তানী বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে। সীমান্ত অঞ্চলে বিরাট এলাকা মুক্তিবাহিনী দখল করে নেয়। সারাদেশে গেরিলা তৎপরতা এতো বৃদ্ধি পায় যে পাকসেনারা আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে। {{gap}}পরিস্থিতি ক্রমশঃ পাকিস্তানী ও ভারতের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো। প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নেয়ার জন্য ভারতের অর্থনীতিতে প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়। ভারত বৃহৎ শক্তিবর্গকে একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য বারবার অনুরোধ জানানোর জন্য কোনো ফলপ্রসূ সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বিবিসির সাথে ২ আগস্ট এক সাক্ষাৎকারে ইয়াহিয়া খান ঘোষণা করেন, “পূর্ব পাকিস্তানী ও ভারতের সীমান্ত বরাবর সংঘর্ষ অব্যাহত থাকলে তা ভয়াবহ যুদ্ধে পরিণত হতে পারে।” আমেরিকান টেলিভিশন সংস্থার সাথে এক সাক্ষাৎকারে ১১ আগস্ট ইয়াহিয়া খান বলেন, “দুটো দেশই এখন যুদ্ধের খুব কাছাকাছি এসে পড়েছে। আমি হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে, পাকিস্তানকে রক্ষার জন্য আমরা যুদ্ধ করবো।” {{gap}}ইয়াহিয়া খান প্যারিস থেকে প্রকাশিত ‘লা ফিগারো’ পত্রিকার সাথে এক সাক্ষাৎকারে ১ সেপ্টেম্বর বলেন, “আমি এই মর্মে সমগ্র বিশ্বকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে তারা যদি মনে করে বিনা যুদ্ধে তারা এক বিন্দু জমি দখল করতে পারবে তবে তারা মারাত্মক ভুল করছে। এর অর্থই হবে সর্বাত্মক যুদ্ধ।’ পূর্বাঞ্চলীয় কমাণ্ডার অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ, এ, কে, নিয়াজী ৭ই অক্টোবর পাকিস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত এক ঘোষণার বলেন, ‘যদি ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ চায়, তাহলে সে যুদ্ধ হবে ভারতের ঘাঁটিতে।’ {{gap}}পাকিস্তানী সমরনায়কদের এসব বল্গাহীন বক্তব্যে এটা পরিষ্কার হয়ে উঠেছিলো যে ভারত ও পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। এমন একটি সর্বাত্মক পাকিস্তান চীন ও আমেরিকার সরাসরি হস্তক্ষেপ আশা করেছিলো। অবশেষে ইয়াহিয়া ২৫ নভেম্বর আমেরিকান সংবাদ সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেসের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ঘোষণা করলেন ‘আগামী দশদিন পরে আমাকে এই রাওয়ালপিণ্ডিতে বসে থাকতে দেখবেন না। আমি তখন সীমান্তে যুদ্ধ করবো।’ ইয়াহিয়া খান তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করলেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনী ৩ ডিসেম্বর বিকেল পৌনে ছ’টার সময় অমৃতসর, পাঠানকোট, শ্রীনগর, যোধপুর ও আগ্রার বিমানবন্দরগুলোতে অঘোষিত বোমার্ষণ করে সর্বাত্মক যুদ্ধের সূচনা করলো। {{gap}}স্মরণাতীতকালের ইতিহাসে এই প্রথম একটি আক্রমণকারী দল অতিসহজেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়তে সক্ষম হয়। এর কারণ, সমগ্র দেশবাসী আক্রমণকারীদলকে শুধু অভ্যর্থনাই জানায়নি অত্যাচারী হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের জন্য তারা আক্রমণকারীদলকে সর্বপ্রকার সাহায্য করেছে। {{gap}}বাংলাদেশ অসংখ্য নদী-নালার দেশ। আক্রমণকারীকে বিলম্বিত ও প্রতিহত করার জন্য নদী-নালা অত্যন্ত অসুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করা যায়। কয়েকটি নদী খুবই বিশাল। পাকা রাস্তা দিয়ে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চল যেতে হলে অসংখ্য নদী অতিক্রম করতে হবে। এই বিশাল নদীগুলো সমগ্র দেশকে কয়েকটি ভৌগোলিক<noinclude>{{rule}} <references/></noinclude> 3ricqiojo5nw2kmbnqam4sabd0pyif1 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/৫৬২ 104 495837 1992089 1984283 2026-07-31T04:20:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992089 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|537}}</noinclude>সবাইকে জাহাজ ত্যাগ করতে বলেন। ইঞ্জিন আর্টিফিসার মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন উপরে এসে চিৎকার করে জানতে চান ‘জাহাজ থামতে কেন বলা হয়েছে। আমরা মৃত্যুর ভয়ে ভীত নই-এগিয়ে যাবোই।” বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ‘পলাশ’—এর উপরে পাকিস্তানী বোমাবর্ষণের ফলে শহীদ হন। {{gap}}৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ যুদ্ধ বিরতির জন্য প্রস্তাব পাস করে। রাশিয়া এই প্রস্তাবে ভেটো দেয় এবং বৃটেন ও ফ্রান্স ভোটদানে বিরত থাকে। ইয়াহিয়া খান প্রত্যাশিত আমেরিকান ও চীনের সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে বঞ্চিত হন। পাকিস্তানী এক লক্ষ সৈন্যের শোচনীয় পরাজয় ও আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিবাহিনীর পরম বিজয় সূচিত হলো- পৃথিবীর মানচিত্রে সংযোজিত হলো স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। {{dhr|4em}} {{rule|4em}} {{nop}}<noinclude></noinclude> pn06nql5ww1mkq6z1xdnhw7hot77y63 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড).pdf/৫৮৭ 104 495889 1992090 1986185 2026-07-31T04:20:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992090 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: দশম খণ্ড|562}}</noinclude>অস্ত্রশক্তি প্রয়োজন সেখানে তারা প্রথম লক্ষ্য দেবেন এবং আমাদের বাহিনী শত্রুকে ‘আউটফ্লাঙ্ক’ অর্থাৎ শত্রুকে দু’পাশ দিয়ে অতিক্রম করে- ‘ক্রস কাণ্ট্রি’ দিয়ে গিয়ে ব্যূহের পার্শ্বভাগে আক্রমণ করবে অথবা ভারতীয়রা সামনের দিকে শত্রুকে ঠেকিয়ে রাখবে এবং আমাদের বাহিনী ‘আউটফ্লঙ্ক’ করে পেছন দিক দিয়ে আক্রমণ করবে। যেহেতুে অঞ্চলগুলো সম্পর্কে আমাদের বাহিনীর অভিজ্ঞতা ছিলো, আমার বাহিনী হাল্কা ছিলো ও ক্ষিপ্রতার সাথে রণাঙ্গনে চলাচলে সক্ষম এবং যেহেতু অঞ্চলাগুলো সম্পর্কে আমাদের বাহিনী সম্পূর্ণ সজাগ ছিলো। সে জন্যে এই কাজগুলো করার দায়িত্ব ছিলো আমাদের উপর। যেখানে অধিকসংখ্যক গোলাবারুদ, বিমান বা ট্যাঙ্কের আক্রমণ করতে হবে সেখানে ভারতীয় বাহিনী শক্তি নিয়োগ করবে। {{gap}}যেসব অঞ্চল কেবলমাত্র বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী অর্থাৎ মুক্তিবাহিনী মুক্ত করেছিলো সেখানে আমাদের বাহিনী সম্পূর্ণভাবে আমাদের নিজেদের পরিকল্পিত পদ্ধতিতেই যুদ্ধ করেন। আমাদের বাহিনী যেসব অঞ্চল এভাবে মুক্ত করে তার মধ্যে উত্তরবঙ্গের কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট অঞ্চল, সিলেটের সুনামগঞ্জ ও দুতিক অঞ্চল, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, আখাউড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উত্তরাঞ্চল, চট্টগ্রামের করেহাট, হায়াকু, হাটহাজারী অঞ্চলের ‘এক্সেস অব এডভান্স, কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর অঞ্চল, যশোরের মনিররামপুর ও অভয়নগর অঞ্চল, খুলনার বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও কালিগঞ্জ অঞ্চল, ফরিদপুর সদর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ অঞ্চল, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং ঢাকা পৌঁছার শেষ পর্যায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব, নরসিংদী, ঢাকা-এই ‘এক্সেস অব এডভান্স’ রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মিত্ররাও এই পদ্ধতিটি বেশী কার্যকর বলে মেনে নিয়েছিলেন। এই পদ্ধতি ছিলো- শত্রুর সেখানে পাকা বাঙ্কার বা রি-ইনফোর্সড কংক্রিটের শক্তিশালী ব্যূহ বা স্ট্রং পয়েণ্ট রয়েছে সেখানে গিয়ে সরাসরি ঢুঁ মারা বুরবকের কাজ। এ ক্ষেত্রে যা করতে হবে তা ১৯৪২ সালে জাপানীরা বৃটিশ বাহিনীকে (যাতে আমিও ছিলাম) শিখিয়েছিলো। এক্ষত্রে সামনে দিয়ে শত্রুকে ব্যস্ত রাখতে হবে এবং তাকে ‘আউটফ্লঙ্ক’ করে ওর পেছনে গিয়ে স্ট্রং পয়েণ্ট বানিয়ে বসুন। সে যাবে কোথায় এবং ওর রি-ইনফোর্সমেণ্ট ও গেলাবারুদ, রসদ ইত্যাদি আসবে কেথেকে? এইভাবে তাকে বিছিন্ন করে তার ব্যূহের পেছনে ও পার্শ্বভাগে আঘাত করুন। প্রথম প্রথম মিত্রদের অনেকে ভাববেন তাকে বিছিন্ন করে তার ব্যূহকে পেছনে ও পার্শ্বভাগে আঘাত করেন। প্রথম প্রথম মিত্রদের অনেকে ভাবতেন আমরা কি ভীতু নাকি! তারপর একটি অভিজ্ঞাতা হওয়ার পর বুঝলেন যে আমাদের পদ্ধতিই একমাত্র কার্যকর রণপদ্ধতি। এইভাবে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেণ্টের কেবল একটি ব্যাটালিয়ন শত্রুর ১৪নং ডিভিশনকে আশুগঞ্জের যুদ্ধের পর ঘেরাও কের অকেজো করে দেয়। {{gap}}তাই যেসব অঞ্চলে আমরা একা যুদ্ধ করেছি সেখানে আমাদের পদ্ধতি ছিলো, শত্রুর শক্তিশালী ঘাঁটিকে বিছিন্ন করে তাকে সম্মুখভাগে ব্যস্ত রেখে তাকে ‘আউটফ্লাঙ্ক’ করে পেছনে গিয়ে বসা এবং তারপর পার্শ্বভাগ ও পেছনের দিক থেকে আক্রমণ করে তাকে ধ্বংস করা। অভ্যন্তর ভাগের গেরিলাদের (গণবাহিনীর) ও আমাদের নিয়মিত বাহিনীর আক্রমণের সামঞ্জস্য বিধন করা। নির্দেশ থাকতো, গেরিলারা যখন অমুক জায়গায় আক্রমণ করবে তখন দৃষ্টিকে অন্যদিকে ধাবিত করতে হবে এবং শত্রুর যাতে গোলাগুলি ও রি- ইনফোর্সমেণ্ট না আসতে পারে তার ব্যবস্থা করবে। গেরিলারা অমুক জায়গায় অমুক পুলটি উড়াবেন। তবে আমরা বড় বড় পুলগুলোতে হাত দিইনি। সেই পুলগুলো শত্রুরাই আত্মসমর্পণের আগে ভেঙ্গেছিলো। {{gap}}যেখানে সম্মিলিতভাবে কাজ করেছি সেখানে কৌশল ছিলো যেখানে অধিক অস্ত্র, গোলাবারুদ, ট্যাঙ্ক ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দবে, ‘এক্সেস অব এডভান্স’—এ ভার শত্রুর স্ট্রং পয়েণ্টের উপর চাপ প্রয়োগ করবে এবং বাংলাদেশ বাহিনী ‘আউটফ্লাঙ্ক’ করে গিয়ে পার্শ্বভাগে বা পেছনের দিক থেকে আক্রমণ করবে। {{gap}}এর সঙ্গে সঙ্গে এটাও সুস্পষ্ট নীতি ছিলো যে, স্ট্রং পয়েণ্টগুরো ‘ক্লিয়ার করার পরবর্তী পর্যায় শত্রুর অন্য পজিশনগুলো আয়ত্ত্ব করতে হবে, সেখানে মুক্তিবাহিনী অর্থাৎ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এগোবে। তাঁদের অগ্রাভিযানে ভারতীয় গোলন্দাজ বাহিনী যতোটুকু সাপোর্ট দেয়ার ঠিক ততোটুকু দেবে। {{gap}}প্রঃ মক্তিবাননী ও ভারতীয় বাহিনী যখন একসাথে এগোতে তখন অগ্রবর্তী দল হিসেবে মুক্তিবাহিনী যেতো এবং সাপোর্ট আসতো ভারতীয় বাহিনীর কাছ থেকে-তাই কি?<noinclude></noinclude> f8m8v91dhhnnwnfs0cj8bupgpnat2i1 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড).pdf/১৫ 104 496054 1992091 1984291 2026-07-31T04:20:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992091 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" />{{c|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ দ্বাদশ খণ্ড}}</noinclude>{{c|'''দলিল প্রসঙ্গঃ বিদেশী প্রতিক্রিয়া-ভারত'''}} {{gap}}বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ভারতের সরকারী ও বেসরকারী প্রতিক্রিয়া এবং ভূমিকা সম্পর্কিত দলিলপত্র বর্তমান খণ্ডে সন্নিবেশিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারতের সরকারী প্রতিক্রিয়া’, ‘বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য সরকার ও বিধান সভাসমূহ’, ‘বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারতের বেসরকারী প্রতিক্রিয়া’, ‘ভারতীয় রাজ্যসভায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ’ এবং ভারতীয় লোকসভায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ’-এই পাঁচটি শিরোনামে দলিলসমূহকে বিন্যাস করা হয়েছে। {{gap}}বাংলাদেশে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ শুরু হবার পরদিন ২৬ মার্চেই ভারতীয় লোকসভায় প্রসঙ্গটি আলোচিত হয়। ৩১ মার্চে ভারতের রাজ্য ও লোকসভার যৌথ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী উত্থাপিত এক প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সরকারের তীব্র নিন্দা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করা হয়। ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্যন্ত নয় মাসের বিভিন্ন সময়ে দেশে ও বিদেশে প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী সহ সরকারী নেতৃবৃন্দের উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা, বিবৃতি ও সাক্ষাৎকারসমূহ এই খণ্ডে সন্নিবেশিত হয়েছে। যুদ্ধ চলাকলীন বিভিন্ন সময়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদেশ সফরকালে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নসহ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীবর্গের ভারত সফরকালে প্রকাশিত যুক্ত ইশতেহার ও বিবৃতিসমূহ বর্তমান খণ্ডে সংকলিত হয়েছে। ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেণ্ট মার্শাল টিটোর ভারত সফর ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (পৃ: ১০০-১০৩)। ২৩ অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও ফ্রান্সসহ পাশ্চাত্যের কয়েকটি দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে প্রকাশিত যুক্ত ইশতেহার, বিবৃতি, সাক্ষাৎকার ও বিভিন্ন সমাবেশে তাঁর ভাষণসমূহও এখানে উদ্ধৃত হয়েছে। পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করে ১৫ নভেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেণ্টকে লিখিত টিঠিটি এই খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। {{gap}}সরকারীভাবে ১৯৭১-এর ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া হলেও স্বীকৃতির দাবী উত্থাপিত ও আলোচিত হয়ে আসছিলো প্রথম দিক থেকেই। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় স্বীকৃতির সর্বসম্মত প্রস্তাব গৃহীত হয় ৮ মে (পৃঃ ২৩০-২৮১)। রাজ্যসভায় দাবীটি উত্থাপিত হয় ২৫ মে (পৃঃ ৫৩৩-৫৩৭)। এ ছাড়া শরণার্থী সমস্যা, পাকিস্তানকে দেয়া মার্কিন অস্ত্র, চীনের সমর্থন, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যসহ বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নেই রাজ্যসভা ও লোকসভার কার্যবিবরণী এই খণ্ডে সন্নিবেশিত হয়েছে। {{gap}}সরকার এবং পার্লামেণ্টের বাইরে বাংলাদেশের সমর্থনে গড়ে ওঠা সকল শ্রেণীর জনগণের আন্দোলন ও তৎপরতার চিত্রও মিলবে গ্রন্থের বিভিন্ন দলিলপত্র ও সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে। ‘সংগ্রামী স্বাধীন বাংলাদেশ সহায়ক সমিতি’, ‘কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ সহায়ক সমিতি’, ‘বাংলাদেশ সহায়ক শিল্পী সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী সমিতি’, ‘ইয়োথ ফর বাংলাদেশ” সহ বিভিন্ন সংস্থার তৎপরতার সম্পর্কিত দলিলপত্র এই খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এই সময়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিলো ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে দিল্লীতে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ প্রশ্নে আন্তর্জাতিক সম্মেলন (পৃঃ ৪৬৫-৪৭৯)। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের সমর্থনে সশস্ত্র বিশ্ব বাহিনী গঠনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল (পৃঃ ৪৬৯-৭০)। এছাড়া ক্ষমতাসীন ও বিরোধী প্রতিটি রাজনৈতিক দল, শ্রমিক ও ছাত্র সংঘঠনেরই বাংলাদেশ প্রশ্নে প্রস্তাব, বিবৃতি, ও তৎপরতা সংক্রান্ত তথ্যসমূহ এ খণ্ডে সন্নিবেশিত হয়েছে। ভারতীয় সংবাদপত্রসমূহের ভূমিকারও উল্লেখ রয়েছে এই গ্রন্থে। {{gap}}এই খণ্ডের দলিলপত্রসমূহের সূত্র হিসেবে ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডকুমেণ্টস’ ১ম ও ২য় খণ্ড, ভারতের তথ্য ও বেতার মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘ইয়ার্স অফ এণ্ডীভার’, লোকসভা ও রাজ্যসভার কার্যবিবরণী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কার্যবিবরনী, বিভিন্ন সংগঠনের মূল দলিল, পুস্তিকা ও প্রচারপত্র এবং বিশেষতঃ ভারতের বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদনসমূহ ব্যবহৃত হয়েছে। রাজ্য ও লোকসভায় সদস্যদের ভাষণে ইংরেজী ছাড়া ব্যবহৃত হিন্দীসহ অন্যান্য ভাষা অনুবাদ বাংলায় মুদ্রন করা হয়েছে। কতিপয় স্থলে কার্যবিবরণীর কম গুরুত্বপূর্ণ ও অসংশ্লিষ্ট অংশ বাদ দেয়া বা সম্পাদনা করা হয়েছে। {{nop}}<noinclude></noinclude> riw2dgmrzhonfj9skss5o37is0woc4n পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড).pdf/২৩ 104 496073 1992092 1967059 2026-07-31T04:20:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992092 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{center|'''বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ দ্বাদশ খণ্ড'''}} {{right|'''সতের'''}} {{TOC begin}} {{TOC row 1-1-1|ক্রমিক নং|বিষয়|পৃষ্ঠা}}</noinclude>{{TOC row 1-1-1|১১৯।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১১৯|বোম্বেতে বাংলাদেশ সহায়ক সমিতি গঠিত]]|{{pli|330|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২০।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২০|ইয়াহিয়া খানের বর্বরতার বিরুদ্ধে ভারতের মুসলিম নেতাদের বিবৃতি]]|{{pli|331|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২১।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২১|গান্ধী শান্তি ফাউণ্ডেশন কর্তৃক বাংলাদেশের সমর্থনে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত]]|{{pli|332|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২২।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২২|পাকসেনাদের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কোলকাতার মুসলমান সমাজের প্রস্তাব]]|{{pli|333|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৩।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৩|বাংলাদেশ প্রশ্নে আচার্য বিনোবার সাক্ষাৎকার]]|{{pli|334|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৪।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৪|সকল দেশের প্রতি ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেণ্ডশীপ সোসাইটির আহ্বান]]|{{pli|337|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৫।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৫|বাংলাদেশ জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমাবেশে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান]]|{{pli|339|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৬।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৬|বাংলাদেশে দুর্গত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্যে ভারতের ৪৪ জন অধ্যাপক, লেখক ও বুদ্ধিজীবীর আবেদন]]|{{pli|341|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৭।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৭|জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আবেদন]]|{{pli|344|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৮।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৮|বাংলাদেশকে স্বীকৃতির প্রশ্ন-বি, এল, শর্মার পর্যালোচনা]]|{{pli|346|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১২৯।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১২৯|বিরোধী নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকঃ বাংলাদেশকে আশু স্বীকৃতি দানের সম্ভাবনা নেই]]|{{pli|349|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩০।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩০|বাংলাদেশ দ্য ট্রুথ]]|{{pli|351|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩১।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩১|ঈদ সমাবেশে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের দাবী]]|{{pli|367|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩২।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩২|বাংলাদেশকে স্বীকৃতির প্রশ্নে আনন্দবাজার প্রত্রিকার সম্পাদকীয়]]|{{pli|369|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৩।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৩|গান্ধী শান্তি ফাউণ্ডেশনের সভায় বাংলাদেশ প্রশ্নে জয়প্রকাশ নারায়ণের ভাষণ]]|{{pli|371|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৪।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৪|স্বীকৃতির প্রশ্নে ভারতের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের অভিমত]]|{{pli|373|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৫।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৫|কায়রোতে সাংবাদিক ও বুদ্ধিজবিদের সমাবেশে জয়প্রকাশ নারায়ণ]]|{{pli|374|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৬।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৬|কোলকাতার আর্চবিশপের বিবৃতিঃ ‘শরণার্থীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করতে হবে’]]|{{pli|375|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৭।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৭|অবিলম্বে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে হবেঃ অধ্যাপক সমর গুহ এম-পি’র নিবন্ধ]]|{{pli|377|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৮।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৮|বাংলাদেশে অত্যাচার বন্ধ করার জন্য বিশ্ব শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের দাবী]]|{{pli|382|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৩৯।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৩৯|বাংলাদেশকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সারা ভারতে ট্রেড ইউনিয়ন সংস্থা গঠিত]]|{{pli|383|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪০।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪০|সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিনেশ সিং-এর নিবন্ধ]]|{{pli|384|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪১।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪১|জয়প্রকাশ নারায়ণ কর্তৃক বাংলাদেশ প্রশ্নে বিশ্ব সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা]]|{{pli|387|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪২।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪২|স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিন’—একটি সম্পাদকীয়]]|{{pli|389|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৩।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৩|লগুনে জয় প্রকাশ নারায়ণ কর্তৃক বাংলাদেশ প্রশ্নে বিশ্বকে সক্রিয় হবার আহ্বান]]|{{pli|391|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৪।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৪|ইয়োথ ফর বাংলাদেম-এর একটি আবেদন]]|{{pli|392|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৫।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৫|প্রধানমন্ত্রীর কাছে গারো পাহাড়ের কেন্দ্রীয় ত্রাণ সংস্থার স্মারকলিপি]]|{{pli|395|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৬।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৬|স্বীকৃতি দানের জন্য মিঃ এম, সি, চাগলার দাবী]]|{{pli|397|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৭।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৭|শরণার্থীদের দায়িত্ব সকল রাজ্যকেই নিতে হবেঃ কমিউনিষ্ট নেতা রাজেশ্বর রাওয়ের মন্তব্য]]|{{pli|399|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৮।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৮|সারভেণ্টস অফ ইণ্ডিয়া সোসাইটির সভাপতি কর্তৃক {{SIC|জাতিসংগের|জাতিসংঘের}} ভূমিকার সমালোচনা]]|{{pli|400|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৪৯।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৪৯|বাংলাদেশ প্রশ্নে পাশ্চাত্যের প্রতি জয়প্রকাশ নারায়ণের আহ্বান]]|{{pli|402|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৫০।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৫০|বাংলাদেশকে স্বীকৃতির প্রশ্নে কেন্দ্রীয় সরকারের বিলম্বের সমালোচনা]]|{{pli|404|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৫১।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৫১|{{SIC|মাসর্কবাদী|মার্কসবাদী}} কমিউনিষ্ট পার্টি কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানে কেন্দ্রের বিলম্বের সমালোচনা]]|{{pli|406|26}}}} {{TOC row 1-1-1|১৫২।|[[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)/১৫২|পাকিস্তানে মার্কিন অস্ত্রের বিরুদ্ধে করকাতার ইয়োথ ফর বাংলাদেশ-এর বিক্ষোভ মিছিল]]|{{pli|407|26}}}}<noinclude>{{TOC end}}</noinclude> o949su26yjxyfxexs3qo8lt5csh1kjh পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (চতুর্দশ খণ্ড).pdf/৫৩৩ 104 496310 1991676 1811593 2026-07-31T03:58:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991676 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{right|501}} {{C|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: চতুর্দশ খণ্ড}}</noinclude>immediately. The U.N. would be the best coordinating organization. The Guardian goes on to say that the United Nations is in fact already considering a scheme; and it urges that this scheme is considered by the General Assembly of the U.N. in the autumn of this year. The Guardian recognizes that a U.N. Disaster Organization would be unable to do much in cases where governments are unwilling to cooperate. But it wonders whether the Pakistan Government would have been able to delay accepting outside assistance so long if there had been a fully equipped organization pressing to be allowed in. The Guardian also thinks that the Security Council could put pressure on Governments to accept help from a United Nations Disasters Organization. {{gap}}The Sun which is a mass circulation tabloid newspaper, has a strongly worded editorial which blames President Yahya Khan for the sufferings of the refugees and the troubles in East Pakistan. Nevertheless the Sun thinks that aid should be given to Pakistan on the strict understanding that its distribution is supervised by some international organization like the United Nations. Another popular paper, the Daily Express, also has an editorial, The Express says that all governments should do their utmost to help the refugees, and no more so than the Government of Pakistan which in the Express's view caused the disaster. {{gap}}There is also a letter in the Times and the Telegraph from Malcolm Muggeridge the journalist and Television personality suggesting that people who want to help the refugees should sent money to Mother Teresa and her Missionaries of Charity in Calcutta. The Salvation Army has advertisements in several papers asking people to give money to their work amongst the refugees; tonight on television there is to be an appeal by the Disasters Emergency Committee. {{gap}}১৪। ASIAN TOPICAL TALKS NEWSNOTE: '''OPPOSITION MEMBERS OF''' {{gap|17em}}'''PARLIAMENT SIGN MOTION''' {{gap|17em}}'''ON PAKISTAN''' {{gap}}26th June, 1971{{gap|8em}} ''by Murk Tully (S)'' {{gap}}Last night over half the opposition Labor Party members of the British House of Commons signed a motion in the Commons indicating the Government of Pakistan for what it describes as the widespread murder of civilians and the atrocities on a massive scale by the Pakistan army in East Pakistan. The motion says that the government of Pakistan no longer has any right to rule East Pakistan. It calls on the United Nations to consider the situation urgently as a threat to international peace and as a contravention of the United Nations Convention on Genocide. The motion states that until order is restored under United Nations supervision the provisional Government of Bangladesh should be recognized as the vehicle for the expression of self determination by the people of East Bengal The chief sponsor of the motion is Mr. John Stonehouse a former minister for Posts and Telegraphs. {{gap}}Several other former ministers have signed the motion including Mr. Reg Prentice, a former minister of Overseas Development and Mr. Richard Crossman who is now editor of the New Statesman. The Present Labor spokesman for Overseas Development, Mrs.<noinclude></noinclude> 45o8wyaghejgw5ytuuap6g0ji1x16ja পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (নবম খণ্ড).pdf/৭২ 104 497766 1992093 1986196 2026-07-31T04:20:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992093 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: নবম খণ্ড|৪৭}}</noinclude>{{gap}}বেতার-কেন্দ্রটি খোলা হয়েছিল চট্টগ্রামের কালুরঘাটে। ২৮শে মার্চ সকালে কালুরঘাটে মেজর জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করে চট্টগ্রাম শহরে ফেলার পথে আমি প্রথমবারের মতো বেতার কেন্দ্রটিতে প্রবেশ করি। কিছুক্ষনের মধ্যেই ঐ বেতার কেন্দ্রে কর্মরত স্টাফের সাথে আমার পরিচয় হয়। সেখানে ৮ম বেঙ্গল রেজিমেণ্টের লেফটেন্যাণ্ট শমশেরের সাথেও আমার দেখা হলো লেফটেন্যাণ্ট শমশের সে সময়ে বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের লিখিত ভাষণ বারবার প্রচার করছিলেন। {{gap}}সেদিন পশ্চিম কমোডোর মমতাজের বাসা আক্রমণের পর আমি বেতার কেন্দ্রে ফিরে আসি এবং লেফটেন্যাণ্ট শমশেরের স্থলাভিষিক্ত হই। মেজর জিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী লেফটেন্যাণ্ট শমশের সে সময়ে কালুরঘাটে ফিরে যান। {{gap}}বেতার কেন্দ্রে অবস্থানকালে সেখানে আমার কাজ ছিল ঐ বিপ্লবী বেতার কেন্দ্রের চারদিকে মোতায়েন প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কমাণ্ড করা ঐ কেন্দ্রের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং বেতার কেন্দ্র প্রচারিতব্য সংবাদ, বুলেটিন ও নানা কথিকা পড়ে সে-সব এ্যাপ্রুভ করে দেওয়া। আমার স্পষ্ট মনে আছে, বেতার-কেন্দ্রে থাকাকালীন আমাদের সাথে যারা কাজ করতেন তাদের বেতার কেন্দ্রের অভ্যন্তরে আসা যাওয়ার অনুমতি দিয়ে আমি ৭টি ‘পাস’ ইস্যু করেছিলাম। প্রথমে ৬টি এবং পরে ১টি পাস ইস্যু করা হয়েছিল। মেজর জিয়ার নির্দেশ ছিল কোন সংবাদ বা কথিকা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রচার করার আগে অবশ্যই তা কোন অফিসারকে পড়ে চেক করে দিতে হবে। লেফটেন্যাণ্ট শমশের বেতার কেন্দ্র থেকে কালুরঘাট চলে যাবার সময় মেজর জিয়ার এই নির্দেশের কথা আমাকে বলে গিয়েছিলেন। সে সময় বেতার কেন্দ্র থেকে আমি যেসব সংবাদ এবং কথিকা পাঠ করেছি তার সবগুলোতেই আমি আমার ইনিশিয়াল দিয়েছি। বলা বাহুল্য, এসব কাজ করার সময় আমার মনে এক অসাধারণ বিপ্লবী চেতনার জন্ম হয়েছিল। বলতে দ্বিধা নেই, সে সময় আরব জাহানের প্রখ্যাত গেরিলা নেতা ইয়াসের আরাফাতের কর্মধারা ও জীবন-চেতনা আমাকে অনুপ্রানিত করে তুলেছিল। তাঁর কথা তখন আমার বারবারই মনে পড়তো, মনে পড়তো তাঁর বিপ্লবী-সংস্থা ‘প্যালেস্টাইন লিবারেশন ফ্রণ্ট’—এর কথাও। মনে আছে, একটি কথিকায় লেখক-প্রদত্ত নামটি কেটে দিয়ে তার ওপর আমি লাল কালিতে আমাদের সংগ্রামী-সংস্থার নাম দিয়েছিলাম ‘বেঙ্গল লিবারেশন ফ্রণ্ট'। পরবর্তীকালে সাংবাদিকরা এর বাংলা অনুবাদ করেছিলেন ‘মুক্তিফৌজ'। {{gap}}২৮শে মার্চ সন্ধ্যায় লেফটেন্যাণ্ট শমশের ও আমি অনেক্ষণ আলাপ আলোচনার পর ব্লাক আউট ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিই। সে অনুসারে বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে ব্লাক আউট পালনের ঘোষণাও প্রচারিত হয়। বেতার কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী যথারীতি ব্লাক আউট পালিতও হয়েছিল। বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত আরেকটি গুরুত্বপুর্ন নির্দেশে সবাইকে নিজ নিজ হাতিয়ার নিয়ে ক্যাপ্টেন মুহসিন, ক্যাপ্টেন মুখলেস, ক্যাপ্টেন ইনাম, ক্যাপ্টেন ওয়ালী, ক্যাপ্টেন ভূঁইয়া ও অন্যান্যের কাছে রিপোর্ট করার আহবান জানানো হয়েছিল। অবশ্য এই ঘোষণায় কোনো জায়গার নাম উল্লেখিত হয়নি। {{gap}}আরেকটি গুরুত্বপূর্ন ঘোষণায় বলা হয়েছিলঃ ‘নিজ নিজ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে লালদীঘির ময়দানে ক্যাপ্টেন ভূঁইয়ার কাছে রিপোর্ট করুন। এই ঘোষনায় রিপোর্ট করার স্থান হিসাবে লালদীঘির ময়দান এর উল্লেখ ছিল কারণ ২৯শে মার্চ সকালে দেখা গেল যে চট্টগ্রাম কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই রোড ধরে হাজার হাজার লোক নিজ নিজ বাড়ির দিকে ছুটে যাচ্ছে। উল্লেখ করা আবশ্যক যে, ২৮-২৯শে মার্চ রাতে পি, এন, এস, জাহাঙ্গীর যুদ্ধজাহাজ থেকে পাঞ্জাবীরা চট্টগ্রাম শহরে অত্যাধিক শেলিং করেছিল। শেলিং এর দরুন কয়েক জায়গায় আগুন ধরে যায়। আগুনের ফুলকিতে মনে হয়েছিলো চট্টগ্রাম শহরে বুঝি পাইকারী ধ্বংসলীলা চলছে। এ অবস্থা দেখে বেসামরিক লোকেরা যার হাতে যে বন্দুক বা অন্য অস্ত্র ছিল তাই নিয়ে প্রাণভয়ে গ্রামের দিকে ছুটে যাচ্ছিল। তাদের মধ্যে তখন নেতৃত্ব দেওয়ার মত কেউ ছিল না, তাই তারা অসংঘবদ্ধভাবে গ্রামের দিকে চলে যাচ্ছিল। ঐসব লোকদের আবার একত্রিত করে পুনর্গঠিত করার উদ্দেশ্যেই বিপ্লবী বেতার থেকে অস্ত্র নিয়ে লোকদের আবার একত্রিত করে<noinclude></noinclude> lwo225cn5ydl3xkh0ldnaf5nhanekkz পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (নবম খণ্ড).pdf/১৭৪ 104 497868 1992094 1984308 2026-07-31T04:20:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992094 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: নবম খণ্ড|১৪৯}}</noinclude>উজানিসারে প্রচণ্ড মার খেয়ে পাকিস্তানী সৈন্যদের এক ব্যাটালিয়ন সৈন্য গঙ্গাসাগর হয়ে আখাউড়া আসার চেষ্টা করে। আমাদের এক প্লাটুন ইপিআর হাবিলদার আসদ্দর আলীর নেতৃত্বে গঙ্গাসাগর ব্রীজে ডিফেন্স বানিয়েছিল। পাকিস্তানী সৈন্যরা সেখানে পৌঁছলে এক প্লাটুন ইপিআর তাদের উপর ফায়ার ওপেন করে। এই অতর্কিত আক্রমণে (১৫ই এপ্রিল) পাকিস্তানীদের ৩জন অফিসারসহ আনুমানিক ৭০/৭৫জন সৈন্য নিহত হয়েছিল। তিনজন অফিসারের কবর ও সৈন্যদের কবর সেখানে পাওয়া গিয়েছিল। প্লাটুনটির ডিফেন্স দুদিন সেখানে থাকে। পাকিস্তানী সৈন্যরাও তাদের ডিফেন্স মজবুত করে। পাকিস্তানী ব্রিগেড কমাণ্ডার ঐ ব্যাটালিয়নকে উইথড্র করে নতুন আর একটা ব্যাটালিয়ন গঙ্গাসাগরে পাঠায় এবং দুই দিনের মধ্যে গঙ্গাসাগরে মুক্তিফৌজদের ডিফেন্স ধ্বংস করে আখাউড়া পৌঁছার নির্দেশ দেয়। পাকিস্থানী সৈন্যরা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং গুলী ছুঁড়তে ছুঁড়তে আমাদের ডিফেন্সে চলে আসে। আর্টিলারী ও ৩" মর্টার দিয়ে তারা ওভারহেড ফায়ার অব্যাহত রেখেছিল। ইপিআর মোহাম্মদ সুফি মিয়া তখনও গুলী ছুঁড়ে চলছিল। পাকিস্তানী সৈন্যরা বাংকারে ঢুকে তাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। ল্যান্স নায়েক মোবাশ্বের আলীকেও বাংকারে ঢুকে বেয়নেট দিয়ে হত্যা করা হয়। ৭ জনকে গুরুতররূপে আহত অবস্থায় আগরতলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ১৮ই এপ্রিল প্লাটুন-এর অন্যান্য সৈন্য উইথড্র করে আখাউড়া চলে আসে। {{gap}}১৯শে এপ্রিল পুরো ইপিআর কোম্পানীকে ক্লোজ করে আখাউড়ায় একত্রিত করা হয়। এখানে ৪র্থ বেঙ্গলের ১টা কোম্পানীও এসেছিল ক্যাপ্টেন আইনউদ্দীনের নেতৃত্বে। {{gap}}২১শে এপ্রিল ঘয়েরকোট ও ইটনা গ্রামে আমরা মিলিতভাবে ডিফেন্স করি। {{gap}}২২শে এপ্রিল গঙ্গাসাগরে এক গ্রামবুশে আমরা ৬জন পাকিস্তানী সৈন্যকে হত্যা করি ও বাইশ হাজার চীনা এ্যামুনিশন উদ্ধার করি ৫টা রাইফেল ও একটা স্টেনগানসহ। {{gap}}২৮শে এপ্রিল আমাদের দুট প্লাটুনকে ক্যাপ্টেন আইনউদ্দীন আজমপুরে আসার নির্দেশ দেন। {{gap}}১১ই মে আজমপুরে আমরা এক এ্যামবুশ তৈরি করি। পাকিস্তানী সৈন্যদের একটি কোম্পানী সিলেটের মুকুন্দপুর থেকে আজমপুরের দিকে আসছিল। আমাদের দুটি প্লার্টুন নরসিঙ্গর নামক জায়গায় ওদেরকে এ্যামবুম করে। এই এ্যামুবশে তাদের ৬৩জন নিহত হয়। {{gap}}১৩ই মে সিঙ্গারবিল এলাকায় এক এ্যামবুশে ৩ জন পাকিস্তানী সৈন্য নিহত হয়। {{gap}}১৮ই মে এই এলাকায় এক রেইডে ৬ জন পাকিস্তানী সৈন্য নিহত হয়। একজন আহত সৈন্যকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছিল। {{gap}}২৭শে মে রাজাপুর এলাকায় এক রেইডে ৪ জন পাকসেনা নিহত হয়। {{gap}}২৯শে মে সিঙ্গারবিল এলাকায় এক এ্যামবুশে ৬ জন পাকসেনা নিহত হয়। ৩১শে মে সিঙ্গারবিলে আর এক এ্যামবুশে ১৩ জন পাকসেনা নিহত হয়। ৪ঠা জুন দুটি এ্যামবুশে ৯ জন পাকসেনা নিহত হয় সিঙ্গারবিল এলাকায়। {{C|{{larger|কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলায় সশস্ত্র প্রতিরোধের আরও বিবরণ<ref>সত্যের সেন রচিত ‘প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ’, কলিকাত, আগস্ট ১৯৭১ থেকে সংকলিত।</ref>}}}} {{C|॥ বড় কামতার যুদ্ধ॥}} {{gap}}বর্ডার পেরিয়ে আগরতলা এসে পৌঁছেছি। তারপর ক’টা দিন কেটে গেছে। মুক্তিবাহিনীর ভাইদের স্বচক্ষে দেখবার জন্য আর তাদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা শোনাবার জন্য আকুলি-বিকুলি করে মরছিলাম। কিন্তু আমাদের<noinclude>{{rule}}</noinclude> 7mgycp33owg56ftdcgcjw2ucehqsbkf পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (নবম খণ্ড).pdf/২১৫ 104 497909 1992095 1986212 2026-07-31T04:20:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992095 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: নবম খণ্ড|১৯০}}</noinclude>বেলা দুটো-আড়াইটার দিকে এবং সন্ধ্যার দিকে ফিরে আসে। সে জানায় যে, টঙ্গীতে পাক আর্মি তাকে বিশ্বাসই করতে চায় না, তাকে এবং তার সঙ্গের সবাইকে ‘ডিস আর্ম’ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে, এমনকি তার পাঞ্জাবীতে কথা বলার উপরে সন্দেহ প্রকাশ করে। {{gap}}যাই হোক, ঐ অফিসার জায়দেবপুর থেকে টঙ্গী রওনা হয়ে যাওয়ার পর কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিতে উপরে নিজের কামরায় গেলাম। কিছু সময় পরে মেজর মইন আমার কামরায় এসে বেলন যে, আমাদের প্ল্যান নাকি পাঞ্জাবী এবং অবাঙালীদের কাছে ফাঁস হয়ে গিয়েছে, অথবা তারা আঁচ পেয়ে গিয়েছে। কারণ হিসেবে বলল যে, আমাদের কোন সেপাই ক্যাণ্টিনের কিছু পাঠান সিভিলিয়ানকে প্রকারান্তরে বলে ফেলেছে ঐ রাত্রে সাবধান থাকতে, এবং সে কথা তাদের ভিতরে ছড়িয়ে পড়েছে। আমি তাকে আশ্বস্ত করে বললাম আরও সাবধান হয়ে যেতে এবং আমি ভাবছি এ ব্যপারে কি করা যায়। এর কিছুক্ষণ পরে ক্যাপ্টেন আজিজ আমাকে এসে বললেন যে, একজন স্থানীয় ছাত্রনেতা আমার সঙ্গে টেলিফেনে কথা বলতে চায় এবং দেখা করতে চায়। আমি অল্পক্ষণ পরেই আসছি বলে দিতে বললাম (প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে যে, যদিও ঢাকার সঙ্গে আমাদের টেলিফোন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল তবুও জয়দেবপুরে স্থানীয় এক্সচেঞ্জ কাজ করছিল এবং গাজীপুর ফ্যাক্টরী পর্যন্ত আমাদের যোগাযোগ ছিল) এই মনে করে যে ছাত্রনেতার সঙ্গে ‘ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় দেখা করা হয়ত ঠিক হবে না এবং আমাদের ভিতরকার অবাঙালীদেরকে প্রকারন্তরে ভাব দেখানো যে কোন কিছু অঘটন ঘটতে যাচ্ছে না, আমি ‘ইউনিফর্ম’ না পরে একটা প্রাইভেট শার্ট এবং প্যাণ্ট পরে নীচে নেমে আসলাম। ঐ ছাত্রনেতার (তার নাম আমার এখন মনে নাই) সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে সন্ধ্যার সময় গেটের সামনে দেখা করার সময় দিলাম। নীচে নেমে আসার পর থেকে প্রাইভেট পোশাকেই সুবেদার নূরুল হক এবং অন্যান্য সকলের সঙ্গে ‘ডিটেলস টাই আপ’ অর্থাৎ খুঁটনাটি বিষয়ে নির্দেশাদি দিতে ব্যস্ত ছিলাম। এ সময় আমি যথেষ্ট চিন্তকুল এবং উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণসমূহ ছিল (১) মেজর শফিউল্লাহ টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন কিনা এবং আগে কি করেছেন তার তখন পর্যন্ত পাই নাই, (২) ময়মনসিংহ কোম্পানীর সঙ্গে সকাল থেকে যোগাযোগ বিছিন্ন, (৩ আমাদের প্ল্যান যদি খোদা-না-খাস্তা সফল না হয়ে তাহলে পরিণতি কি, (৪) বিদ্রোহহের ভবিষ্যৎ কি, এবং (৫) আমার ফ্যামিলি এবং ছেলেরা যারা ক্যাণ্টনমেণ্ট আছে তাদের ভাগ্যে আগামীকাল থেকে কি পরিণতি ইত্যাদি। আমার এই চিন্তাযুক্ত ভাব দেখে হয়ত কেউ সন্দেহ প্রকাশ করলেন আমি তাদের সঙ্গে যাব কিনা। আমি তাদেরকে উত্তরে বললাম যে, সব কিছু প্ল্যান করে তো পিছনে থাকা যায় না, কারণ পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না। যাক, বেলা প্রায় ৪টার দিকে খবর পাওয়া গেল যে, মেজর শফিউল্লাহ টাঙ্গাইল অতিক্রম করে ওখানকার কোম্পানী সমেত ময়মনসিংহের পথে রয়েছেন। কিছু আশ্বস্ত হওয়া গেল। {{gap}}এখন আমাদের খেয়াল ‘লাষ্ট মিনিট কো-অর্ডিনেশন’, বিশেষ করে রাজেন্দ্রপুরের প্লাটুন এবং গাজীপুরের কোম্পানীর সঙ্গে। ক্যাপ্টেন আজিজ যথেষ্ট জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজেন্দ্রপুরের প্লাটুনকে বলে আসলেন সন্ধ্যার সময় তোকে তাদের অয়ারলেস খুলে রাখতে এবং ‘সাংকেতিক বাক্য’ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন তারা সেখানকার তার ডিঙ্গিয়ে নিজের বন্দোবস্তে বেরিয়ে পড়েন। এম্যুনিশন ডিপোতে ঢোকার উপর সব সময় কড়াকড়ি, এবং ঐ সময়ে খুব বেশী ছিল। ঐ জায়গার ও-সি বা অধিনায়ক ছিলেন এক অবাঙালী। ক্যাপ্টেন আজিজ তাকে যেয়ে বললেন যে, তিনি এসেছেন ‘সামারী অব এভিডেন্স’ রেকর্ড করতে। দুই রাত আগে যে দুইজন লোক আমাদের প্লাটুন থেকে পালিয়ে ছিল, তাদেরকে এ্যারেস্ট করে রাখা হয়েছে এবং সি- ও সাহেব আগামীকাল তাদের ‘সামারী কোর্ট মার্শাল’ করবেন। ভিতরে ঢুকবার অনুমতি পাওয়া পর্যন্ত ক্যাপ্টেন আজিজের উপর স্টেনগান তাক কার ছিল। এইসব ঘটনাপ্রবাহে ঐ দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যায়। সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গে ওখানকার অফিসাররা উতলা হয়ে ওঠেন যাওয়ার সময় সংকেত দেওয়ার জন্যে। সন্ধ্যার সময় বা কিছু আগে খবর পেলাম আমাদের ময়মনসিংহ কোম্পানীর সঙ্গে অয়ারলেসে সংযোগ স্থাপন হয়েছে। ঐ কোম্পানী কমাণ্ডারকে নিজে সাংকেতিকভাবে জানিয়ে দিলাম যে মেজর শফিউল্লাহ তাদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্যে টাঙ্গাইল ছেড়ে আরও এগিয়ে গেছেন, এবং আমরাও রওনা হচ্ছি। আমি সন্ধ্যাটা একটু গাঢ় হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। ঐ দিন সন্ধ্যা থেকে ঐ অঞ্চলে<noinclude></noinclude> mcc33t0ei5dbcqw1kq9i3ylfuodsm7a পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (নবম খণ্ড).pdf/৩২৭ 104 498021 1992096 1986231 2026-07-31T04:21:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992096 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: নবম খণ্ড|৩০২}}</noinclude>{{C|{{larger|সশস্ত্র প্রতিরোধে দিনাজপুর }}}} {{C|সাক্ষাৎকারঃ হাবিলদার বাসারতউল্লাহ }} {{C|১৬-১১-১৯৭৪}} {{gap}}২৫শে মার্চ আমি দিনাজপুর ৪নং সেক্টর কুটিবাড়ীতে ৮নং উইং- এর ‘সি’ কোম্পানীতে ছিলাম। আমরা তখন উইং হেডকোয়ার্টারে ছিলাম। ৮নং শাখার কমাণ্ডার ছিল মেরজ আমীন তারিক (পাঞ্জাবী)। সহ উইং কমাণ্ডার ছিল বাঙ্গালী নজরুল ইসলাম এবং অপরজন পাঞ্জাবী ছিল। উইং হেডকোয়ার্টারে ‘সি’ কোম্পানী ছিল। কামণ্ডার ছিল আতাউল হক। ‘বি’ কোম্পানী হিলি এলাকাতে ছিল, কমাণ্ডার ছিল সুবেদার আবদুস শুকুর। ‘এ’ কোম্পানী ছিল চাপাসারে, কমাণ্ডার ছিল সুবেদার আখতারুজ্জামান। ‘ই’ কোম্পানী ছিল বিরলে, কমাণ্ডার ছিল সুবেদার বাদশা আহমদ (বিহারী)। {{gap}}দিনাজপুর সার্কিট হাউসে বেলুচ রেজিমেণ্টের এক প্লাটুনের কিছু বেশী পুরা আধুনিক অস্ত্রে জানুয়ারী থেকে অবস্থান করছিল। পাক আর্মির ৩ জন অয়ারলেস সেট নিয়ে উইং হেডকোয়ার্টারের মধ্যে থাকতো। ৩ জন আর্মির মধ্যে একজন বাঙ্গালী সিগন্যালম্যান ছিল। আমি ওখানে গেলে তারা কথাবার্তা বন্ধ করে দিত। বাঙ্গালী অপারেটরটি অপর দুজন পাঞ্জাবীকে ২৮তারিখ দুপুর তোমরা অগ্রসর হও আমি যাচ্ছি’, এই বলে আমাদের সিগনাল সেণ্টারে আসে এবং বলে ‘যদি পাকিস্তানীদের আক্রমণ করতে হয় তবে এখনই কারো, পাকসেনারা কিছুক্ষণের মধ্যে তোমাদের উপর আক্রমণ করবে।’ আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিলাম আক্রমণের। {{gap}}হাবিলদার ভুলু মিয়া, নায়েক সুবেদার মোসলেম, সুবেদার মোমিনুল হক এদের নেতৃত্বে ২৮শে মার্চ রবিবার প্রায় ২টা ৪৫মিনিটে উইং- এর সকল অবাঙ্গালী ইপিআরদের উপর আক্রমণ করি। আমরা উইং এবং সেক্টর হেডকোয়ার্টার দখল করে নিই সন্ধ্যার মধ্যে। সকল অস্ত্র আমরা আমাদের আওতায় নিয়ে আসলাম। ঐ তারিখেই পাকসেনারা আমাদেরকে আক্রমণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। {{gap}}৩১শে মার্চ পর্যন্ত আমরা কুটিবাড়ীতেই (উইং হেডকোয়ার্টার) ছিলাম। সীমান্ত এলাকার কোম্পানীগুলো কুটিবাড়ীতে চলে আসে। ৩১শে মার্চ বিকাল থেকে হাবিলদার নাজিমউদ্দিন ৬ পাউণ্ডার ছুড়তে থাকে পাক ঘাঁটির উপর। একই সাথে আমরা ব্যপকভাবে আক্রমণ করি। ঐ তারিখ রাতেই পাকসেনারা দিনাজপুর থেকে পালিয়ে যায়। পাকসেনারা পার্বতীপুরের দিকে যায়। পথে বহু পাকসেনা জনতার হাতে নিহত হয়। {{gap}}নায়েক সুবেদার কাউসারের নেতৃত্বে একটি প্লাটুন রংপুরের বদরগঞ্জ পৌঁছায়। সৈয়দপুর থেকে পাকসেনারা যাতে দিনাজপুরে না আসতে পারে সেজন্য বদরগঞ্জে ডিফেন্স নিই। আমাদের সামনে নদীর পাড়ে এক প্লাটুন মত বেঙ্গল রেজিমেণ্টের অংশ ছিল। {{gap}}অনুমান ৮/৯ ই এপ্রিল বদরগঞ্জের পতন ঘটে পাক বাহিনীর হাতে। আমরা পিছু হটে ফুলবাড়ীতে আসলাম। ওখানে সুবেদার শুকুর সাহেব তার ফোর্স নিয়ে আগে থেকেই ছিল। বেঙ্গল রেজিমেণ্টের কিছু সৈন্যও ছিল। পরদিন আমরা দিনাজপুর চলে আসলাম। এরপর কাউঘর মোড়ে যাই। হাবিলদার আবদুস সোবহানের নেতৃত্বে ঐ মোড়ে ডিফেন্স নিই। নায়েক সুবেদার মোমিনুল হক সাপোর্ট প্লাটুন নিয়ে আমাদের পিছনে থাকলো। ফুলবাড়ী- দিনাজপুর সড়কে আমরা ডিফেন্স নিলাম। এখান থেকে শিয়ালগাজী মাজারের পার্শ্বে নায়েক সুবেদার মোয়াজ্জেমের নেতৃত্বে ডিফেন্স নিই। {{gap}}১৩ই এপ্রিল সাড়ে ১২ টার সময় রাজবাড়ীর দিক থেকে শহরের পূর্বপাশ দিয়ে সৈয়দপুর-দিনাজপুর রাস্তার বাম দিক থেকে পাকবাহিনী আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আর্টিলারী ও ট্যাঙ্ক নিয়ে। পাকবাহিনীর ব্যাপক আক্রমণে এখানকার বিভিন্ন আমাদের লোকেরা বিচ্ছিন্নভাবে পিছু হটতে থাকে। সন্ধ্যার পূর্বেই পাকসেনা দিনাজপুর শহর দখল করে নেয়।<noinclude></noinclude> mv5rtmrz751wa9yy8fp2an25oudwc5s পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (নবম খণ্ড).pdf/৪৯৭ 104 498191 1992097 1874105 2026-07-31T04:21:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992097 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: নবম খণ্ড|৪৭২}}</noinclude>মুক্তিযোদ্ধারা আতর্কিত আক্রমণ করেন। এই হামলায় ২৭ হস পাকসেনা নিহত ও ৪ জন গুরুতররুপে আহত হয়, ৩ টি ট্রাক সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ৭-১২-৭১- মেজর আফছার সাহেব ও কোম্পানী কমাণ্ডার ফজলুল ওয়াহাব তিনটি কোম্পানীসহ পাকসৈন্যের ভালুকা ঘাঁটি আক্রমণ করেন। ২ জন পাকসেনা ও ৩০ জন রাজাকার নিহত হয়। ৩০ ঘণ্টাকাল যুদ্ধ চলার পর পাকবাহিনী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ফলে ভালুকা ঘাঁটি সম্পূর্ণরূপে মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে। ৮ ডিসেম্বর পলায়নরত পাকফৌজের পিছু ধাওয়া করে মেজর আফছার ও কোম্পানী কমাণ্ডার ফজলুল ওয়াহাব গফরগাঁও থানার ভারইল গ্রামের নিকটবর্তী স্থানে পাক সেনাদেরকে ঘেরাও এবং আক্রমণ করেন। তিনজন পাকসেনা ও ৫ জন রাজাকার নিহত হয়। পরের দিন মেজর আফছার মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গফরগাঁও থানা হেডকোয়ার্টার দখল করেন এবং অনেক অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেন। {{gap}}১০-১২-৭১- গফরগাঁও থানার নতুন অফিস ইন-চার্জ হাফিজুর রহমান, কোম্পানী কমাণ্ডার ফজলুল ওয়াহাব, কোম্পানী কমাণ্ডার নাজিমউদ্দিন খান ও প্লাটুন কমাণ্ডার আবদুল বারী মাস্টার সাহেবের নেতৃত্বে ত্রিশালে পাকবাহিনীর ঘাঁটি আক্রমণ করা হয়। পাকসেনারা রাজাকারদের সাথে ছলনা করে পালিয়ে যায়। রাজাকররা অন্য উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে ১০৬ টি রাইফেলসহ আত্মসমর্পণ করে। ত্রিশাল ঘাঁটি মুক্তিযোদ্ধাদের হস্তগত হয়। ১৪-১২-৭১- ময়মনসিংহ শহর থেকে পলায়নরত প্রায় ১০০ জন পাকসেনারা একটি দল ভালুকা থানার পাড়াগাঁও এলাকার এক গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নেয়। মেজর আফছার সাহেবের তৃতীয় ছেলে সেকশন কমাণ্ডার নাজিমউদ্দিন কিছুসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা উক্ত পাকসেনাদেরকে আক্রমণ করে। ২ ঘণ্টা তুমুল যুদ্ধের পর নাজিমউদ্দিন আহত হয়। {{gap}}১৫ ডিসেম্বর- মেজর আফছার উদ্দিন তাঁর দলের কোম্পানী কমাণ্ডার কুদ্দুছ খান, গিয়াসউদ্দিন ও কোম্পানী কমাণ্ডার নাজিমউদ্দিনের সাঙ্গে মিলিত হয়ে আক্রমণ করেন উক্ত পলায়নরত পাকবাহিনীকে। মেজর সাহেব পাকবাহিনীর ওপর তুমুল আক্রমণ চালিয়ে ৪০ জনকে হত্যা করেন এবং ১৮ জনকে অস্ত্রশস্ত্রসহ জীবন্ত ধরে ফেলেন। তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে ১৭ ডিসেম্বর তিনি ঢাকা পৌঁছেন। কুরমীটোলা ঘাঁটির নিকট পাকবাহিনীর ২ জন সৈন্য মারা যায়। বাকী মৃত সৈন্যদেরকে নিয়ে মেজর আফছার ক্যাণ্টনমেণ্টে পৌঁছতে সক্ষম হন। {{gap}}আফছার ব্যাটালিয়নের মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকাঃ অধিনায়ক - মেজর আফছারউদ্দিন আহমেদ; সহকারী অধিনায়ক- মোমতাজউদ্দিন খান (শহীদ); নাজিমউদ্দিন (শহীদ); আবদুল হাকিম; আবুল কাশেম এবং হাফিজুর রহমান। এডজুট্যাণ্ট- এ, এম এম মোছলেহউদ্দিন আহমেদ বি,এ; সিকিউরিটি অফিসার- মোঃ আখতার হোসাইন মণ্ডল; সহ-সিকিউরিটি অফিসার- মোঃ আঃ হামিদ (গফরগাঁও), কোয়াটার মাস্টার - ডাঃ হাফিজউদ্দিন আহমেদ ও এ, কে, এম আছাদুজ্জামান; মোঃ মোছলেহ উদ্দিন (ডাকাতিয়া) ও নুরুল আমিন, মোঃ ফজলুল হক বেগ ও এস,এস ওমর আলী, মোঃ আবদুল গফুর মাস্টার ও মোছলেহ উদ্দিন (রসুলপুর) এবং মোঃ আবদুল মোতালিব; সুবেদার মেজর - সুলতান আহমেদ; অফিস-ইন-চার্জ- মোঃ হাফিজুর রহমান; জে, সি, ও এডজুট্যাণ্ট- মোঃ আঃ মোতালেব হাবিলদার; একাউণ্ট ক্লার্ক- মোঃ আবুল কাশেম; সহকারী ক্লার্ক-মোঃ নূরুল আমীন; ডিসপাচ ক্লার্ক- মোঃ আব্দুল খালেক; সহকারী ক্লর্ক- মোঃ শাহজাহান চৌধুরী; ষ্টেট ক্লার্ক- মোঃ জামালউদ্দিন; সহকারী ক্লার্ক- মোঃ আলী আকবর; রেকর্ড ক্লার্ক এফ, এম আবুল কাশেম; সহকারী ক্লার্ক - নুরুল হুদা চৌধুরী (দুলু); বি, এইচ, এম- মোঃ আবুল কাশেম (বখুরা) গফুরগাঁও; অডিটর মোঃ আঃ সবুর, বি, কম। {{gap}}উপদেষ্টা পরিষদঃ ১। মেজর আফছারউদ্দিন আহমেদ, অধিনায়ক; ২। ডাঃ ওয়াইজউদ্দিন আহমেদ, মেডিক্যাল অফিসার; ৩। মোঃ হাফিজুর রহমান, অফিস-ইন-চার্জ, ৪। মোঃ আবদুল হাকিম, কোম্পানী কমাণ্ডার; ৫। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ; সাম্পাদক ‘জাগ্রত বাংলা’, ৬। আখতার হোসাইন মণ্ডল, সিকিউরিটি অফিসার, ৭। মোঃ ফজলুল হক বেগ, কোম্পানী কমাণ্ডার, ৮। মোঃ আবদুল জলিল, কোয়াটার মাস্টার; ৯। মোঃ আনছারউদ্দিন মাস্টার, কোম্পানী কমাণ্ডার; ১০। এবং মোঃ ফজলুল ওয়াহাব।<noinclude></noinclude> e2awza6gtsgxc46bh5s23c3kmzd4ep8 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (নবম খণ্ড).pdf/৫১১ 104 498217 1992098 1986258 2026-07-31T04:21:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992098 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Preetidipto.21" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: নবম খণ্ড|৪৮৬}}</noinclude>জনাব নজরুল ইসলাম (পরবর্তীতে শহীদ)। তারা ট্রান্সফর্মারগুলি কিভাবে ধ্বংস করতে হবে তার জন্য প্রয়োজনীয় ডায়াগ্রাম ইত্যাদি সরবরাহ করেছিলেন। একই সঙ্গে স্মরণ করতে হয় তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সেকশন অফিসার জনাব ডাবলু আহমেদর কথা। তিনি বাংলাদেশের সমস্ত ব্রিজ আর কালভার্ট-এর ব্লুপ্রিণ্ট তাঁর অফিস থেকে গোপনে মুজিবনগর সরকারের কাছে আমার মাধ্যমে সরবরাহ করেছিলেন, পরে তিনি পাকবাহিনী কর্তৃক ধৃত হয়ে ক্যাণ্টনমেণ্টে অকথ্য নির্যাতনের শিকার হন। সেলিম নামের এক বোম্বাইয়া যুবকের কথাও প্রসঙ্গতঃ উল্লেখের দাবী রাখে। সে বার্মা থেকে এসে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন ছিল। পাঞ্জাবীদের সাথে তার যোগাযোগ থাকায় তার মারফত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতাম। সেগুলি আমাদের অপারেশনের পক্ষে সহায়ক হয়েছিল। {{gap}}হোটেল ইণ্টারকনের ওপর ১১ ই আগস্টের ২য় দফায় হামলা ছিল ক্র্যাক প্লাটুনের একটি মাস্টার পিস বিশেষ। এ অপারেশনের মূল নায়ক ছিলাম আমি এবং বাকের (পরে শহীদ)। উলফত, মায়া ও গাজী ছিল সাথে। হোটেল ইণ্টারকনের ওপর জুন মাসের হামলার পর খানসেনারা কড়া পাহারা বসিয়েছিল। সেখানে প্রবেশ করা ছিল দুঃসাধ্য ব্যাপার। মিঃ জামান ও ওয়ারিস নামে জনৈক বিহারীর বদৌলতে হোটেলের প্রেমিসে অবস্থিত থাই ইণ্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের নতুন অফিস কক্ষের জন্য গ্লো-সাইন তৈরীর অর্ডার সংগ্রহ করে সেই সুবাদে হোটেলে প্রবেশের সুযোগ করে নিই এবং কিভাবে অপারেশন করা যায় সে সম্বন্ধে রেকি করি। ব্যবসার নাম করে আমি সব সময় একটি ব্রীফকেস বহন করে নিয়ে যেতাম। গ্লো-সাইন তৈরীর কাজ শেষ হওয়ার পর দিনই ব্রীফকেসে ২৮ পাউণ্ড পি-কে এবং ৫৫ মিনিট মেয়াদী ‘টাইম পেন্সিল’ ভরে বিকেলে গাড়ীতে চেপে রওয়ানা হলাম আমি, বাকের, মায়া ও গাজী। এদের মধ্যে শেষের দু’জন গাড়ীতে স্টেনগান নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো। এরপর হেদায়েত হোসাইন মোরশেদ-রচিত ‘বিচ্ছুদের নেপথ্য কাহিনী’ শিরোনামে দৈনিক বাংলা, ১০ জানুয়ারী, ১৯৭২-এ প্রকাশিত সিরিজে* অপারেশনের অবশিষ্ট বর্ণনা হচ্ছেঃ হোটেলের লাউঞ্জে প্রবেশের জন্যে মূল দরজা দিয়ে না ঢুকে ‘সুইস এয়ার’— এর অফিসকক্ষের দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকলো সামাদ ও বাকের। এ ব্যাপারে সহায়তা করলো ঐ অফিসেরই এক বন্ধু মোঃ শফি। প্রথমে সামাদ টয়লেট রুমে ঢুকলেন। খানিক পরে বাকের। ব্রীফকেস নিয়ে একবারে কোনার ল্যাট্রিনে ঢুকলো বাকের। বাক্স খুলে ‘টাইম পেন্সিল’ প্রেস করলো। এর আগেই ল্যাট্রিনের দরজার ‘লক’ করা হয়েছে, সামাদ সাহেব রয়েছেন টয়লেটের মূল দরজায় দাঁড়িয়ে ‘কভার’ হিসেবে। বাকের ব্রীফকেসটি রাখলো কমোডের পেছনে। তারপর দরজা তেমনি বন্ধ রেখে ল্যাট্রিনের উপর দিক দিয়ে দেয়াল টপকে বেরিয়ে এলো বাকের। তারপর প্রথমে সামাদ ও পরে বাকের হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে গেল। ৫-৫৬ মিনিটে ঘটলো প্রচণ্ড বিস্ফোরণ। হোটেল লাউঞ্জ, শপিং আর্কেড এবং আশেপাশের কক্ষের কাঁচ টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে গেল, ছিটকে গেল কক্ষের দরজা, ভেঙ্গে পড়লো কক্ষের ভেতরকার এবং লাউঞ্জের লাগোয়া দেয়াল। আহত হলো বেশ কয়েকজন। বিশ্ব সংবাদপত্রসমূহে বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর তৎপরতার আরেকটি রোমাঞ্চকর সচিত্র সংবাদ গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হলো। প্রকাশিত এরূপ একটি সংবাদের অংশবিশেষ এখনো আমার মনে আছে। এটা ছিল, “It shows that the guerillas can move at Dacca city at their will.” {{C|ঢাকায় গেরিলা অপারেশন-৪}} {{C|সাক্ষাৎকার: নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু}} {{gap}}২৫ এপ্রিল আমি সীমান্ত অতিক্রম করি। কাঠালিয়া হয়ে আগরতলা এসে পৌঁছি। সেখানে মেজর হায়দারের সাথে আমার দেখা হয়। মেজর হায়দারের সাথে আলাপ হলো। মেজর হায়দার আমাকে ঢাকা থেকে ছেলে <ref>পরবর্তীতে ঢাকায় গেরিলা অপারেশন’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। ঢাকার গেরিলা অপারেশন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যাদির জন্য বইটি দ্রষ্টব্য।</ref> <ref>মানিক বাহিনী গেরিলা ইউনিট প্রধান রেজাউল করিম মানিক হানাদার বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে শাহাদাৎ বরণের পর তিনি উক্ত ইউনিটের অধিনায়কত্ব করেন। সাক্ষাৎকারটি প্রকল্প কর্তৃক ১২-৭-৮৩ তারিখে গৃহীত।</ref><noinclude>{{rule}}</noinclude> 0uv1eg4wkdoxu7hc2i8qyee5fzwoyvv পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চদশ খণ্ড).pdf/২২৪ 104 498463 1992099 1986263 2026-07-31T04:21:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992099 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চদশ খণ্ড|১৯৯}}</noinclude>জ্বলছিল। আমরা বহুকষ্টে মূল্যবান মামলার রেকর্ডগুলি সরিয়ে এসে একটা টেবিলে জমা করি। কোন ঘরে আমরা প্রবেশ করতে পারিনি, কারণ দারোয়ানরা তালা লাগিয়ে পালিয়েছে। পরে বহু চেষ্টায় কাচের জানালা ভেঙ্গে দু’একটি অফিস কক্ষে প্রবেশ করি। মুন্সেফ, সাব জজ, এডিশনাল জজ সাহেবরা সকলে একটি কাগজে তাদের নাম লিখে আমার হাতে দিয়ে অফিসের হাজিরার দায়িত্ব পালন করেন। {{gap}}এমনিভাবে কয়েকদিন কাটিয়ে দিলাম। পথের হয়রানি লেগেই আছে। পাকসৈন্যরা সবা কাছে পরিচয়পত্র চায়-আমরা পাকিস্তানের দুশমন কিনা জানতে চায়। তাই সবার নামে একটি করে ‘আইডেণ্টিটি কার্ড’ প্রদান করতে হল যাতায়াতে যাতে করে বিঘ্ন না ঘটে। কিন্তু প্রধান হিসেবে আমার নাম দস্তখত করলাম অস্পষ্টভাবে, পাক সেনারা যাতে জানতে না পারে যে আমি একজন হিন্দু। কারণ তাদের ধারণা হিন্দুরা কাফের এবং তারাই যত অনিষ্টের মূল। কোর্ট কাচারী তখন নামেই চলছিল। মক্কেল নেই, লোকজন প্রাণের ভয়ে কোর্টে আসত না। আমার ছোট একটা ফিয়েট মটর কার ছিল। ঐটায় তখন কোনমতে কোর্টে আর বাসায় যাতায়াত করতাম। গাড়ীর ভেতর রাখতাম ‘জিন্নাহ ক্যাপ’ যাতে করে কেউ টের না পায় আমি একজন হিন্দু জজ। আর কাগজে লিখে নিয়ে তিন-চারটা কলেমা মুখস্থ করে আওড়াতাম যাতে আমি পাক-সেনাদের বুঝাতে পারি একজন সাচ্চা মুসলমান। {{gap}}পাক-সেনা পরিবেষ্টিত হয়ে প্রতিনিয়ত মৃত্যুভয়ে ভীত অবস্থায় কয়েকটি দিন কাটিয়ে দিলাম কোন মতে। এর মধ্যে একদিন তৎকালীন জুনিয়র এডভোকেট জনাব বি, এ, খান এস বলেন, ‘স্যার শীঘ্র ঢাকা থেকে অন্য চলে যান। আপনার নাম মিলিটারী জান্তার তালিকায় ৩ নং এ দেখলাম। ওরা ‘কম্বিং অপারেশন’ শুরু করতে যাচ্ছে। {{gap}}সংবাদটা বড়ই করুণ। বুকটা কেঁপে উঠলো। ঢাকা ছেড়ে কোথায় যাব? ঢাকা জেলার না চিনি গ্রামগঞ্জ, না চিনি পথঘাট। চারিদিকে মিলিটারী আর মিলিটারী। মৃত্যুর দিন গুনছিলাম। ঠিক এই সময় এডভোকেট আলী আমজাদ সাহেবের শ্যালক এম. এ সরোয়ার (খোকন) এসে হাজির। তিনি আমাদের অতি পরিচিত, ছেলেমেয়েদের খোকন ভাই। তিনি বললেন কোন ভয় নেই, গাড়ী রেডী আছে, পথঘাট সব ঠিক আছে, বৈদ্যের বাজার দিয়ে কুমিল্লা হয়ে আগরতলায় পৌঁছাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যাপার, বেলা ১০ টায় রওয়ানা হলে সন্ধ্যার আগেই আমরা পৌঁছে যাচ্ছি, অতি সহজ ভাষায় বলে ফেললেন। আমিও তার কথা সহজভাবেই বিশ্বাস করে মুক্তি পথ খুঁজে পেলাম। {{gap}}কয়েকটা হাতব্যাগের মধ্যে সোনাদানা, টাকা পয়সা, কয়েকটা মূল্যবান জামা কাপড় পরে নিয়ে ২/৩ দিনের মধ্যে ঢাকা ছাড়ার সংকল্প করলাম। আশপাশের অফিসাররা জানতে পারলে সমূহ বিপদ হবে। তাই কাউকে কিছু বলিনি। খোকন মিয়ার প্ল্যান অনুযায়ী আমি বেলা ১০টার আগেই আমার মটর কারে জজ কোর্টে চলে গেলাম। আমার পরিবারবর্গ খোকন মিয়ার কোন বন্ধুর গাড়ীর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো। ১০-১৫ মিঃ-এর মধ্যে অপর একটি মটর কার এসে হাজির যেটি তাদেরকে ডেমরা ঘাটের নিকট পৌঁছে দিল। আর আমি ১০-৩০ মিঃ মধ্যে ঢাকা জজ কোর্ট হয়ে রওয়ানা হলাম ডেমরা ঘাটের দিকে। ড্রাইভার সাহাবুদ্দিনকে অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়ে খোকন মিয়ার সাহায্যে আমার গাড়ী নিয়ে ডেমরার দিকে ছুটলাম। অফিসে রেখে গেলাম একটা ৬ দিনের ‘ক্যাজুয়াল লীভ’—এর দরখাস্ত। প্ল্যান মত ডেমরায় গিয়ে পরিবারবর্গের সংগে মিলিত হলাম। গাড়ী দুটিকেই ফিরিয়ে দিলাম। {{gap}}বহু কষ্টে স্কুটার করে আমরা গিয়ে বৈদ্যের বাজার পৌঁছাই। তখন বেলা প্রায় ৪টা। খোকন মিয়ার কথানুযায়ী কোথায় সন্ধ্যার আগেই গিয়ে ভারতের আগরতলায় পৌঁছাব, তা না হয়ে বৈদ্যের বাজারেই পড়ে রইলাম বিকাল অবধি। চিন্তায় অধীর হয়ে পড়লাম। সমূহ বিপদের ঘনঘটা দেখতে পেলাম। এখন উপায়? {{gap}}অসুস্থ স্ত্রীকে সঙ্গে এনেছি। প্রায় না খেয়েই রওয়ানা দিয়েছি কোন সকালে। ছেলেমেয়েরা ক্ষুধায় ছটফট করছে। খাবার জিনিসের মধ্যে পেলাম কিছু লিচু। তাই কিনে নিলাম। বেলা ৫টার দিকে দেখলাম, দূর থেকে<noinclude></noinclude> h66tas9keqwhf71du4hmwgjb07uysz6 পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চদশ খণ্ড).pdf/২৭৯ 104 498518 1992100 1986272 2026-07-31T04:21:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992100 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চদশ খণ্ড|২৫৪}}</noinclude>কণ্ট্রোল রুমের রিটায়ার্ড সুবেদার দবিরউদ্দিন (ওস্তাদজী) ও হাবিলদার এমদাদুল হক ওরফে তোতাও এ ব্যাপারে সহায়তা করেন। এছাড়া রাইফেল বাহিনীর স্থানীয় কমাণ্ডার মেজর নাজমুল হকও এ বিষয়ে সহযোগিতা করেন। {{gap}}দেশের অন্যান্য সীমান্তের মত নওগাঁ সীমান্তেও তখন উন্মুক্ত ছিল। কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকারও দু’এক কপি সীমান্ত পথে আমাদের হাতে আসতে শুরু করেছিল। “জয় বাংলা’র ১১শ সংখ্যায় ‘জবাসস সংগৃহীত এবং এসব পত্র পত্রিকা থেকে উদ্ধৃত হয়ে কিছু সংবাদ ছাপানো হয়। অমৃতবাজার পত্রিকার ৯ই এপ্রিল তারিখের সংবাদে জানতে পারি যে, ২৫শে মার্চ রাতে ঢাকার দৈনিক ইত্তেফাক’, ‘সংবাদ’ ও ‘দি পিপল’-এর কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা হয়েছে এবং বেশ কিছু সাংবাদিক ও কর্মচারীদের হত্যা করা হয়েছে। আরও জানি ‘দি পাকিস্তান অবজারভার’, ‘দি মনিং নিউজ’, দৈনিক পাকিস্তান’, ‘আজাদ’, ও পূর্বদেশ পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছাপা হচ্ছে। ‘জয় বাংলা’য় এ খবর উদ্ধৃত করে মন্তব্য করা হয়- “পশ্চিমা বর্বরেরা বিশ্বকে ধোঁকা দিবার জন্য উক্ত বিখ্যাত পত্রিকাগুলির নাম বা Goodwill ব্যবহার করিতেছি।” এই সংখ্যায় জনপ্রিয় সংবাদপত্রগুলোর অফিস ধ্বংস ও সাংবাদিক হত্যার নিন্দা করা হয়। {{gap}}হানাদারদের আক্রমণের ভয়ে নওগাঁ শহর তখন প্রায় ফাঁকা। কাজীপাড়ার যে ছোট প্রেস থেকে ‘জয় বাংলা’ ছাপা হচ্ছিল তার কর্মচারীদের অনেক বলে-কয়েও নওগাঁ থাকতে রাজী করান যাচ্ছিল না। সকলের মনেই ভীতি, -এই বুঝি হানাদাররা এসে পড়ে। অন্যান্য প্রেসও বন্ধ। এ পরিস্থিতিতে ‘জয়বাংলা’ আর ছাপানো সম্ভব হয় নি। {{gap}}১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশের ভেতর কিংবা বাইরে থেকে ‘স্বাধীন বাংলা’র আর কোন দৈনিক পত্রিকা ছাপা হয়নি। দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম দিয়ে বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় একাধিক সাপ্তাহিক/পাক্ষিক ইত্যাদি পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু ‘দৈনিক’ একটিও বের হয়নি। {{gap}}নিজস্ব সীমিত পুঁজির ওপর নির্ভর করেই “জয় বাংলা’ প্রকাশের কাজে হাত দিয়েছিলাম। কারও কাছ থেকে কোন আর্থিক সাহায্য নেবার প্রয়োজন হয়নি। প্রেস কর্তৃপক্ষও কোন লাভ নিতেন না, শুধু কাগজ ও মুদ্রণের খরচ নিতেন। ‘জয় বাংলা’র প্রথম সংখ্যার মূল্য ১০ পয়সা ধার্য হয়েছিল। এক ঘণ্টায় ২০০ কপি বিক্রিও হয়েছিল। কিন্তু এ সামান্য দাম আদায়ে ঝামেলার কারণে প্রথম সংখ্যার অবশিষ্ট কপি ও দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে শেষ সংখ্যার সকল কপিই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছিল। {{gap}}‘জয় বাংলা’র প্রথম সংখ্যাটি ছাপা হয়েছিল ১০০০ কপি। পরবর্তী সংখ্যাগুলোর কোনটা ১,৫০০ কোনটা ৩,০০০ কপি ছাপা হয়। সর্বমোট কপি সংখ্যা ছিল প্রায় ৩০,০০০। খুলনা নিউজপ্রিণ্টের হাফ ডিমাই সাইজের কাগজে জয় বাংলা ছাপানো হত। প্রথম কয়েক সংখ্যা এক পাতার এক পাশে এবং অবশিষ্টগুলো এক পাতার দু’পাশে ছাপা হতো। ঐ পরিস্থিতিতে ছোট হাতে চালানো প্রেস থেকে এর চেয়ে বড় আকারে পত্রিকা বের করা কোনমতেই সম্ভব ছিল না। {{gap}}‘জয় বাংলা’র প্রথম সংখ্যাটি আমি নিজে আমার স্কুলজীবনের সহপাঠী জাহিদ হোসেনকে সাথে নিয়ে নওগাঁ শহরে বিলি করেছিলাম- ৩০শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখে। এ পত্রিকা প্রকাশকালে নওগাঁর তৎকালীন এম এন এ জনাব বায়তুল্লাহ (পরবর্তীকালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার), নওগাঁ, রাজশাহী ও বগুড়া মুক্তাঞ্চলের তৎকালীন কমাণ্ডার রাইফেল (ইপিআর) বাহিনীর মেজর নাজমুল হক, বিভিন্ন এলাকার মুক্তিযোদ্ধাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের আরও অনেকেই উৎসাহ দিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন। মেজর হকের অনুমতিক্রমেই তার বাহিনীর যানবাহনে নওগাঁর বাইরে ‘জয় বাংলা’র বাণ্ডিল পাঠানো সম্ভব হয়েছে। {{gap}}এপ্রিলের মাঝামাঝি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মুক্তাঞ্চলের একে একে আমাদের হাতছাড়া হতে থাকে। পাবনা, রাজশাহী, বগুড়া ও অন্যান্য শহরগুলোতে হানাদার বাহিনী ধীরে ধীরে তাদের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে<noinclude></noinclude> t9ktl26n0onjsgm8cyqzb7xhj493zfg পাতা:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (পঞ্চদশ খণ্ড).pdf/২৮২ 104 498521 1992101 1984363 2026-07-31T04:21:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992101 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rh||বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রঃ পঞ্চদশ খণ্ড|২৫৭}}</noinclude>{{gap}}১৮ ও ১৯ তারিখ দু’দিন ষ্টেট গেষ্ট হাউসে থাকার পর সেখানে অবস্থানরত গণপরিষদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা জনাব অধ্যাপক ইউসুফ আলীর সুপারিশে আমাকে আরও ৭ দিনের জন্য গেষ্ট হাউজে থাকতে দেয়া হয়। {{gap}}১৯শে এপ্রিল কোলকাতার দৈনিক ‘যুগান্তর’ ‘জবাসস’ সম্পর্কিত এবং মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত দেশের বাইরে ‘জবাসস’ প্রাচারিত প্রতম সংবাদটি ছাপা হয়। এতে উত্তরাঞ্জলের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং অবিলম্বে সাহয্যের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়। ঐ দিনই ভারতের সর্ববৃহৎ সংবাদ সংস্থা পিটিআই- এর কোলকাতা ব্যুরোর ম্যানেজার শ্রী সুধীর চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করি এবং বাংলাদেশের একজন সাংবাদিক হিসেবে বিশ্বের লেখক এবং সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত জোদার করার আহ্বান জায়য়ে বিবৃতি দেই। পিটিআই তোদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারা বিশ্বে এটি প্রচার করে। প রদিন ২০শে এপ্রিল প্রায় সব গুলো দৈনিকের প্রথম পাতায় এ বিবৃতিটি ছাপা হয়েছে দেখতে পাই। ২১শে এপ্রিল পিটিআই-এর মাধ্যমে প্রচারিত আরেকটি বিবৃতিতে বাংলাদেশে গণহত্যা বন্দের জন্য জাতিসংঘসহ বিশ্ব বিবেকের প্রতি আহ্বান জানাই। এতে বাঙ্গালী মুসলমান নিধনযজ্ঞে পাকিস্তানী বর্বরদের সাহর্য না করার জন্য আরসিডি জোটভুক্ত ইরান ও তুরস্কের মুসলমান বাইদের প্রতিও আহান জানাই। এতে বাংলাদেশ সরকারকে স্বীকৃতি দানের জন্যও আবেদন জানানো হয়। এটিও ২২শে এপ্রিল দৈনিক পত্রিকাগুলোতে গুরুত্বের সঙ্গে ছাপা হয়। এরপরে ভারতের অপর সংবাদ সংস্থা উইএআই-এর কোলকাতা ব্যুরোর ম্যানেজার শ্রী ইউআর কালকুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। বগুড়ার মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব সম্পর্কিত আমরা ‘জয়বাংলা’র বিশেষ সংখ্যার রির্পোর্টির উদ্ধৃতি দিয়ে ২৫শে এপ্রিল উইএনআই দুটি রিপোর্ট প্রচার করে। ২৬ এপ্রিল এ রিপোর্ট বিভিন্ন দৈনিকের প্রথম পাতায় ছাপা হয়। যুগান্তরের হেডিং ছিল ‘বীরের এ রক্ত স্রোত’, Statesman -এর Student forced Pak Army Column to Retreat; দিল্লীর Times of India-এর Many a Heroic Saga from Bangladesh ইত্যাদি। {{gap}}এর আগে ১৯শে এপ্রিল আকাশবাণী, কোলকাতার সঙ্গে যোগাযোগ হয়। ২১শে এপ্রিলের সংবাদ পরিক্রমায় ‘জয় বাংলা’ সম্পর্কে এবং আমার প্রদত্ত বিবৃতিগুলোর উল্লেখ করা হয়। {{gap}}এ সময়ের মধ্যেই কোলকাতার সব প্রথম শ্রেনীর পত্রিকা যথা- আনন্দবাজার পত্রিকা, Hindustan standard, যুগান্তর, Amrita Bazar Patrika Statesman, সাপ্তাহিক দেশ, অমৃত ইত্যাদির সাংবাদিকসহ কোলকাতা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী ও সদস্যদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় হয়। এভাবেই ভারতীয় তথা বিশ্ব প্রচারমাধ্যমের সঙ্গে কোন প্রকার সরকারী সাহায্য বা আনুকূল্য ছাড়াই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও অরাজনৈতিক প্রচেষ্টায় ভারতে প্রবেশের এক সপ্তাহের মধ্যেই একটা কার্যকর যোগসূত্র প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হই। {{gap}}কোলকাতায় অবস্থানকালে সাংবাদিক ছাড়াও অন্যান্য বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। কোলকাতা সফররত সর্বোদয় নেতা শ্রী জয় প্রকাশ নারায়ণের সঙ্গেও ২৮শে এপ্রিল সাক্ষাত করি এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রামের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করি। শ্রী নারায়ণ তাঁর এই সফরকালে বাংলাদেশী নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছিলেন। এখানে উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না যে, শ্রী নারায়ণ এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সর্বোদয় ও গান্ধী আদর্শবাদী আন্দোলনের ভারতব্যাপী শত শত প্রতিষ্ঠানের শাখাউপশাখাগুলো বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে এবং শরণার্থী শিবিরগুলোতে বেসরকারী পর্যায়ে ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতা চালিয়েছে। শ্রী নারায়ণ ভারতে এবং ভারতের বাইরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন এবং ব্যাপক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। এ সময়ে প্রায় প্রত্যেকদিনই প্রবীণ সাংবাদিক শ্রী দক্ষিণারঞ্জন বসুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতাম। তিনি আমাকে বাংলাদেশের এক তরুণ সাংবাদিক হিসেবে যথেষ্ট স্নেহ করতেন। একদিন সে তাঁর অফিসে তাঁর টেবিলের ওপর রক্ষিত রাশি রাশি কাগজপত্র দেখিয়ে আমাকে বললেন, “দেখ রহমত” এসবই যুগান্তর এবং অমৃতের পাঠকদের কাছ থেকে পাওয়া তোমাদের<noinclude></noinclude> 20p7mu759qsomynz36qqgnniwlmztgr পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/৭২ 104 503652 1991513 1648812 2026-07-30T17:28:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991513 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Shibamoulilahiri" />{{Block center|[ ৬০ ]}}</noinclude>দেওয়া অপরাধে ভাস সাহেবের বিচারে এক মাসকাল কঠোর পরিশ্রম সহ কারাবাস করিবার জন্য আদিষ্ট হন। ইঁহাদিগের দুইজনেরই নিমিত্ত অনুরাগনিদর্শন রজত পদক প্রেরিত হইয়াছে। {{gap}}এতদ্ভিন্ন শ্রীযুক্ত সাধু ও শ্রীযুক্ত সিধু এই লবণের মামলায় আসামী হন। বিচারে ইঁহাদিগের প্রত্যেকের পঞ্চাশ টাকা করিয়া অর্থদণ্ড হয়। জরিমানার টাকা দিতে না পারিলে উভয়ের চতুর্দশ দিবসের কঠোর শ্রীঘরবাস নিৰ্দ্ধারিত ছিল। উভয়েই এই অর্থদণ্ড প্রদানে অসমর্থ হওয়ায় কারাগৃহে অবরুদ্ধ হইয়াছিলেন। পরে স্থানীয় হিন্দু ভদ্রলোকেরা এ ব্যাপার অবগত হইয়া জরিমানার টাকা তুলিয়া দেন, তখন এই দুইজনের মুক্তি লাভ ঘটে। এই দুইজনকে “বন্দেমাতরম্” অঙ্কিত রজত দোলক বা লকেট অনুরাগ নিদর্শন স্বরূপ প্রদান করা হইল। {{gap}}বরিশাল আমাদিগের আন্দোলনে তীর্থক্ষেত্র স্বরূপ ও সর্ব্বাগ্রগণ্য হইয়াছে। সুতরাং আমরা বরিশালের লাঞ্ছিত স্বদেশানুরাগীদিগের নাম করিয়া শেষ করিতে পারি না। যে কয়েকজন মহাপুরুষ কার্য্যক্ষেত্রে আমাদিগের স্মৃতিগোচর হইয়াছিলেন তাঁহাদিগেরই নাম উল্লিখিত হইল। {{c|{{larger|ঢাকা।}}}} {{gap}}ঢাকা, নরসিংদি গ্রামে, দেশহিতৈষী মহাত্মা ললিত বাবুর হাটে দুইজন মুসলমান গত ৮ই ডিসেম্বর বিলাতী লবণ বিক্রয়<noinclude></noinclude> 3mt6jk10yapkxamabhvukib7qxctfig পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১৩৩ 104 503728 1991514 1962957 2026-07-30T17:28:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991514 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="" /><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু” />{{center|[১১৭]}}</noinclude>নাই। কৃষ্ণকুমার বাবু বরিশালের প্রথম দিবসের ঘটনা বিবৃত করিলে শ্রীযুক্তকালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ অসুস্থতাসত্ত্বেও কিয়ৎকাল বক্তৃতা করেন। তিনি বরিশালে পুলিশ ঘটিত অত্যাচারকাহিনী বিবৃত করেন এবং পুলিশ যে আবশ্যক হইলে কিরূপ পণ্ডবল প্রকাশ করিতে উদ্যত হইতে পারে, তাহা বুঝাইয়া দেন। বরিশালের ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ ইমার্সন দেশমান্য শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কিরূপ অসদ্ব্যবহার করিয়াছেন, তাহাও তিনি প্রকাশ করেন। ইহাতে সমাগত জনসমূহ ভয়ানক উত্তেজিত হইয়া উঠেন এবং প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধই তাঁহাদের বীজমন্ত্র হইবে বলিয়া স্বীকার করেন। তাঁহারা কখনও আর বিলাতী দ্রব্য স্পর্শ করিবেন না, তাহাতেই বরিশালের অত্যাচারে প্রতিশোধ লইবেন বলিয়া প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন। {{gap}}তদনন্তর পণ্ডিত শ্রীযুক্ত গীস্পতি রায়চৌধুরী কাব্যতীর্থ, দণ্ডায় মান হইয়া নূতন বঙ্গের ছোটলাট ফুলার সাহেব ও তাঁহার উপযুক্ত পাশ্বচর, অনুচর প্রভৃতির পাশবিক গুণের কথা একে একে ব্যক্ত করিলেন। বক্তৃতান্তে সভা ভঙ্গ হয়। সকলেই বন্দেমাতরম্ ধ্বনি সহকারে স্বস্থানে প্রস্থান করেন।<noinclude></noinclude> aumxvgl8sqkc6prvppumpw5w46cc4j3 1991522 1991514 2026-07-30T17:29:16Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1991522 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{center|[১১৭]}}</noinclude>নাই। কৃষ্ণকুমার বাবু বরিশালের প্রথম দিবসের ঘটনা বিবৃত করিলে শ্রীযুক্তকালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ অসুস্থতাসত্ত্বেও কিয়ৎকাল বক্তৃতা করেন। তিনি বরিশালে পুলিশ ঘটিত অত্যাচারকাহিনী বিবৃত করেন এবং পুলিশ যে আবশ্যক হইলে কিরূপ পণ্ডবল প্রকাশ করিতে উদ্যত হইতে পারে, তাহা বুঝাইয়া দেন। বরিশালের ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ ইমার্সন দেশমান্য শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কিরূপ অসদ্ব্যবহার করিয়াছেন, তাহাও তিনি প্রকাশ করেন। ইহাতে সমাগত জনসমূহ ভয়ানক উত্তেজিত হইয়া উঠেন এবং প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধই তাঁহাদের বীজমন্ত্র হইবে বলিয়া স্বীকার করেন। তাঁহারা কখনও আর বিলাতী দ্রব্য স্পর্শ করিবেন না, তাহাতেই বরিশালের অত্যাচারে প্রতিশোধ লইবেন বলিয়া প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন। {{gap}}তদনন্তর পণ্ডিত শ্রীযুক্ত গীস্পতি রায়চৌধুরী কাব্যতীর্থ, দণ্ডায় মান হইয়া নূতন বঙ্গের ছোটলাট ফুলার সাহেব ও তাঁহার উপযুক্ত পাশ্বচর, অনুচর প্রভৃতির পাশবিক গুণের কথা একে একে ব্যক্ত করিলেন। বক্তৃতান্তে সভা ভঙ্গ হয়। সকলেই বন্দেমাতরম্ ধ্বনি সহকারে স্বস্থানে প্রস্থান করেন।<noinclude></noinclude> 92gmf6mfrtodu9v8jemxwhqe6fszqm3 পাতা:গৌড়রাজমালা.djvu/৪১ 104 521098 1991965 1773305 2026-07-31T04:11:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991965 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Bodhisattwa" />{{right|গৌড়াধিপ শশাঙ্ক।}}</noinclude>{{gap}}পৌণ্ড্রদেশ যখন “শৈলবংশীয়” আক্রমণকারীর পদানত, তখন {{wdl|Q20671872|যশোবর্ম্মা}} নামক একজন উচ্চাভিলাষী নরপাল কান্যকুব্জের সিংহাসন লাভ করিয়া, হৰ্ষবর্দ্ধনের রাজধানীর পূর্ব্ব-গৌরব পুনরুজ্জীবিত করিতে যত্নবান্ হইয়াছিলেন। যশোবর্ম্মার দিগ্বিজয়-কাহিনী তদীয় সভাকবি বাক্‌পতিরাজ কর্ত্তৃক “গউড়বহো” নামক প্রাকৃত ভাষায় রচিত কাব্যে বর্ণিত হইয়াছে।<ref>[https://archive.org/details/gadavahohistor00vakpuoft “गउड़ वहो”]—এস্, পি, পণ্ডিত সম্পাদিত। সটীক। Bombay Sanskrit Series, No. 34.</ref> চীনদেশের ইতিহাসে উল্লিখিত হইয়াছে, ৭৩১ খৃষ্টাব্দে যশোবর্ম্মা চীন সম্রাটের নিকট {{SIC|দুত|দূত}} প্রেরণ করিয়াছিলেন। ইহার পূর্ব্বেই সম্ভবতঃ যশোবর্ম্মার “গউড়বহো”—বর্ণিত দিগ্বিজয় সম্পন্ন হইয়াছিল। {{gap}}বাক্‌পতিরাজের কাব্যের “গউড়” বা গৌড়পতি এবং “মগহনাহ” বা মগধ-নাথ অভিন্ন ব্যক্তি; অর্থাৎ তৎকালে মগধেশ্বর শশাঙ্ক-প্রবর্ত্তিত উত্তরাপথের পূর্ব্বাংশের অধিপতি “গৌড়াধিপ”-উপাধিতে ভূষিত ছিলেন। বস্তুতঃ সপ্তম শতাব্দের সূচনা হইতে [দ্বাদশ শতাব্দের অবসানে] {{SIC|তুরুষ্ক|তুরূষ্ক}}-বিজয় পর্য্যন্ত, গৌড়মণ্ডলের আভ্যন্তরীণ অবস্থা যখন যেরূপই হউক, “গৌড়েশ্বর” বা “গৌড়াধিপ”-উপাধিধারী নরপতির অভাব কখনও উপস্থিত হয় নাই। যশোবর্ম্মার প্রতিদ্বন্দ্বী “গৌড়পতি” সম্ভবতঃ আদিত্যসেনের প্রপৌত্র মহারাজাধিরাজ দ্বিতীয় জীবিত গুপ্ত। বাক্‌পতি লিখিয়াছেন,—কান্যকুব্জ হইতে দিগ্বিজয়ার্থ বহির্গত হইয়া, যশোবর্ম্মা যখন বিন্ধ্য-পর্ব্বত অতিক্রম করিতেছিলেন, তখন “তাঁহার ভয়ে, মদস্রাবী গজের ললাট-নিঃসৃত জলের দ্বারা সম্মুখ-দেশ মায়া-নির্ম্মিত নৈশ-অন্ধকারের মত অন্ধকার করিয়া, মগধ-নাথ পলায়ন করিলেন (৩৬৫ শ্লোক)॥” কিন্তু মগধ-নাথের সামন্তগণ পলায়ন করিতে সম্মত হইলেন না; ফিরিয়া যুদ্ধার্থ প্রস্তুত হইলেন। {{gap}}“পলায়নপর মগধ-নাথের (সামন্ত)-নৃপতিগণ প্রত্যাবর্ত্তন করিয়া, উল্কা-নির্গত অগ্নিকণা-সমূহের ন্যায় শোভা পাইতে লাগিলেন (৪১৪ শ্লোক)॥ {{gap}}“সেই যুদ্ধের আরম্ভে (যশোবর্ম্মার) শত্রু-সৈন্যের শোণিতের দ্বারা তাম্রবর্ণে রঞ্জিত মহীতল মেঘ হইতে পতিত বিদ্যুল্লতার ন্যায় শোভা পাইতে লাগিল (৪১৫)॥ {{gap}}“রাজা (যশোবর্ম্মা) পলায়ন-পর মগধ-নাথকে নিহত করিয়া, দারুচিনির সুগন্ধে পরিপূর্ণ সমুদ্রতীর-বনে গমন করিয়াছিলেন (৪১৭)॥” {{gap}}মগধ-নাথ যেরূপ সমরানুরাগী সামন্তগণে পরিবেষ্টিত হইয়া, যশোবর্ম্মার সম্মুখীন হইতে সমর্থ হইয়াছিলেন, তাহাতে বোধ হয়,—তাঁহার “গৌড়াধিপ” উপাধি নিরর্থক ছিল না। কিন্তু বঙ্গ-পতি এই সামন্ত-চক্রের বহির্ভূত ছিলেন। বাক্‌পতি “মগধ-নাথের” ন্যায় বঙ্গ-পতির নামের উল্লেখ করেন নাই। তিনি এই মাত্র লিখিয়াছেন, যশোবর্ম্মা মগধ-নাথকে নিহত করিয়া, সমুদ্রতীরস্থিত বঙ্গ-রাজ্যে উপনীত হইলে, অসংখ্য হস্তীর অধিনায়ক বঙ্গেশ্বর যুদ্ধে পরাজিত হইয়া, বিজেতার পদানত হইয়াছিলেন। {{gap}}যশোবর্ম্মা বাহুবলে উত্তরাপথ-সাম্রাজ্য পুনঃ প্রতিষ্ঠায় সমর্থ হইলেও, তাঁহার ভাগ্যে অধিক দিন<noinclude>{{smallrefs}} {{c|১৫}}</noinclude> rojeyje9tivte12p2xxp5eazcn17zf8 পাতা:গৌড়লেখমালা (প্রথম স্তবক).djvu/৭৭ 104 521960 1992013 1807633 2026-07-31T04:13:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992013 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{right|নারায়ণপালদেবের তাম্রশাসন।}}</noinclude>{{c|(৩)}} {{gap}}সেই বলবান্ রাজা ইন্দ্ররাজ প্রভৃতি শত্রুবর্গকে জয় করিয়া, [মহোদয়-শ্রী] কান্যকুব্জের রাজশ্রী লাভ করিয়াছিলেন; এবং [পুরাণ-প্রসিদ্ধ] বলিরাজা যেমন [পুরাকালে] ইন্দ্রাদি শত্রুগণকে জয় করিয়া, মহোদয়শ্রী লাভ করিয়াও, যাচকরূপী [চক্রায়ুধ] বামনাবতারকে তৎসমস্ত পুনরায় দান করিয়াছিলেন, এই বলবান্<ref>“বলিনা”-শব্দটি দ্ব্যর্থ। ইহা এক পক্ষে বলি নামক রাজাকে, অন্য পক্ষে বলবান্‌ ধর্ম্মপালকে সূচিত করিতেছে।</ref> রাজাও সেইরূপ প্রণতি-পরায়ণ [বামনরূপে চরণাবনত] চক্রায়ুধ নামক সামন্ত-নরপালকে কান্যকুব্জের রাজশ্রী প্রদান করিয়াছিলেন।<ref>এই শ্লোকেও শ্লেষের অভাব নাই। ধর্ম্মপাল যে ইন্দ্রায়ুধকে পরাভূত করিয়া, তাঁহার কান্যকুব্জের রাজসিংহাসনে [আপন সামন্ত-নরপাল] চক্রায়ুধকে প্রতিষ্ঠাপিত করিয়াছিলেন, তাহা ধর্ম্মপালের শাসন-সময়ের একটি স্মরণীয় ঐতিহাসিক ঘটনা। তাহার আভাস ধর্ম্মপালের [খালিমপুরে আবিষ্কৃত] তাম্রশাসনেও [১২ শ্লোকে] প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছে। এই শ্লোকের “আনতি”-শব্দে প্রণতি বুঝাইতে পারে; কিন্তু ডাক্তার হুল্‌জ্ এই শব্দকেই “অবতার-বিজ্ঞাপক”(?) বলিয়া গ্রহণ করিয়া, লিখিয়া গিয়াছেন,—Applied to Vishnu, ''Ánati'' seems to be used in the sense of ''avatàra''.</ref> {{c|(৪)}} {{gap}}সত্যব্রত-পালন-পরায়ণ শ্রীরামচন্দ্রের অনুজ সৌমিত্রীর তুল্য মহিম-সমন্বিত বাক্‌পাল নামে [এই রাজার] এক অনুজ ভ্রাতা জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি নীতি এবং বিক্রমের নিবাসস্থল ছিলেন; এবং জ্যেষ্ঠ-ভ্রাতার শাসনে অবস্থিত থাকিয়া, একচ্ছত্র-শাসন-সংস্থিত দশদিক্‌ শত্রু-পতাকিনী-শূন্য করিয়া দিয়াছিলেন।<ref>এই শ্লোকে বাক্‌পালের গুণ-কর্ম্মাদির উল্লেখ থাকিলেও, ইহা মুখ্যতঃ [তদীয় জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা] ধর্ম্মপালেরই প্রশংসা-বিজ্ঞাপক।</ref> {{c|(৫)}} {{gap}}সেই [ধর্ম্মপাল<ref name="p77">এই শ্লোকের ব্যাখ্যা-বিভ্রাটে পালবংশীয় নরপালগণের বংশ-বিবরণ ভ্রমসঙ্কুল হইয়া পড়িয়াছিল। “তস্মাৎ”—শব্দকে [পূর্ব্বশ্লোকোক্ত] বাক্‌পালের দ্যোতকরূপে গ্রহণ করিয়া, ডাক্তার হুল্‌জ্ এবং অন্যান্য মনীষিগণ দেবপালকে এবং জয়পালকে বাক্‌পালের পুত্র বলিয়াই গ্রহণ করিয়াছিলেন। দেবপালদেব কিন্তু</ref>] হইতে বিজয়ী জয়পাল নামক পুত্র জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি <ref follow="p76">করা সকলের পক্ষে সহজ হইত না। কিন্তু তিনি তাহাতে সফলকাম হইয়াছিলেন; (৪) তৎকালে যে সকল সামন্ত নরপাল স্বপক্ষচ্ছেদভযে ব্যাকুল ছিলেন, তিনি তাহাদিগকে আশ্রয় দান করিয়াছিলেন; (৫) তিনি সর্ব্বদা লোক-সমাজের মর্য্যাদা রক্ষা করিতে যত্নশীল ছিলেন; এবং (৬) বীরত্বের আধার বলিয়াও প্রতিষ্ঠালাভ করিয়াছিলেন।</ref><noinclude>{{smallrefs}} {{c|৬৫}}</noinclude> 54o6kph965ynt3p1te9a2hslzi1poqc পাতা:মহম্মদ সিরাজুদ্দীন আবুজফর বাহাদুর শাহ (প্রথম খণ্ড).pdf/৬৬ 104 524815 1991380 1934974 2026-07-30T16:29:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991380 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Satdeep Gill" /></noinclude>ariga “ttea afukat Q241 atfa pizicpe grita atata dikata al, atettek Meatfe stęico da atezife | PO4ITA Gigia qqagia @fa¶ife cētdte atĝata al, feg aqualaetâi digicae atèata al i qtata atazia di Syta— Afasta plavice up yde atkata al i Stato aifa life ato afa ate 1 Case alfa fance etatéal (ofanife ata Aizata a GhV-Vdja Šav Gifa ateica faami afaz, cela-fbfæentda qgahta pfanife qikata al i “Gra”—aifa feo gifa, qe:239 Gita, - carica ca fe fe aqižnico, qta fe qty até 1 .0:— غزل {{Block center|<poem> کیا هوا اگر تیرے رخسار کو هم چومتے هیر جو مسلمان ہیں وہ قرآن کو صنم چومتے ھیں * جوشِ وحشت میں جو میں اپنے بڑھاتا ھوں قدم خار صحرا کے جنون میرے قدم چومتے میں </poem>}}<noinclude></noinclude> kdergmbym2ahoo6zlfu64fegbvin4e4 1991430 1991380 2026-07-30T16:35:31Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1991430 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Bodhisattwa" /></noinclude>0:— غزل {{Block center|<poem> کیا هوا اگر تیرے رخسار کو هم چومتے هیر جو مسلمان ہیں وہ قرآن کو صنم چومتے ھیں * جوشِ وحشت میں جو میں اپنے بڑھاتا ھوں قدم خار صحرا کے جنون میرے قدم چومتے میں </poem>}}<noinclude></noinclude> nx5jz7vgr3l4v3f047ue2x5o0j1bnlf পাতা:দুনিয়ার দেনা - হেমলতা দেবী.pdf/৬৮ 104 552167 1991663 1985845 2026-07-31T03:55:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991663 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Medha RS" />{{rh|৬২|দুনিয়ার দেনা|}}</noinclude>{{gap}}স। ঠিক বলেছ, তুমি এর জন্যে আমাকে তৈরী করে নাও। {{gap}}আ “তাই নেবো।” {{কেন্দ্র|{{x-larger|২}}}} {{gap}}হরিদ্বার জায়গাটির দক্ষিণ পশ্চিম কোণ ঘেঁসে, অনেকখানি জায়গা জুড়ে একটি আশ্রম। আশ্রমটি বহুকালের পুরণ। পরে পরে কয়েকজন যোগী এইখানে থেকে নাকি যোগ সাধন করে গেছেন এই রকম শোনা যায়। কেউ তাঁদের দেখেনি লোকের মুখে মুখে এই কথা কেবল রটতে শোনা গেছে। একজন সাধু পুরুষকে এইখানে সবাই দেখেছে ও জানে বলে, লোকেরা তাঁকে ‘যোগী মহারাজ’ বোলে ডাকত। কিছুদিন আগে পর্য্যন্ত তিনি নাকি এ আশ্রমে বাস করেছেন। ইদানিং দু তিন বছর আর তাঁকে দেখা যায় নি, কেউ জানে না তিনি কোথায় গেছেন। ‘যোগী মহারাজ’ একদিকে যোগের সাধক আর একদিকে অসাধারণ শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত ছিলেন। বেদ, বেদান্তও, উপনিষদ অ গীতা প্রভৃতি দর্শন শাস্ত্রগুলিতে তাঁর অসামান্য বুৎপত্তি দেখা যেত। আমাদের আগন্তুক সন্ন্যাসিনী দৈবপ্রভা এঁরই শিষ্য, এঁরই হাতের তৈরী। কেমন করে দৈবপ্রভা এঁর কাছে এসেছিল<noinclude></noinclude> jqyyyz6p1cawscm8up6trk4i2zrrrq8 পাতা:সিরাজদ্দৌলা - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/৩৭৩ 104 585295 1992181 1649872 2026-07-31T04:29:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992181 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||পলাশীর যুদ্ধকাব্য।|৩৫৯}} {{rule}}</noinclude>সমর ত্যাগ করাইয়া ছাড়িয়া দিয়াছেন!<ref>ইতিহাসের হুগলীর সমর-কাহিনী অন্যরূপ। সিরাজ তাহাতে আদৌ উপস্থিত ছিলেন না। তিনি “দাঁতে তৃণ লয়ে “সভয়ে” সমরত্যাগ করা দূরে থাকুক,—ইংরাজেরা তাঁহার অগোচরে গোপনে তস্করের ন্যায় হুগলী লুণ্ঠন করায়, তাহাদিগকে সমুচিত শিক্ষা দিবার জন্যই দ্বিতীয়বার কলিকাতা আক্রমণ করেন। ক্লাইব তাঁহার গতিরোধ করিতে গিয়া তাঁহার দুই জন সেনানায়ক এবং সেক্রেটারী পঞ্চত্বলাভ করিয়াছিলেন; নিশারণে শত্রুসংহার করিতে গিয়া স্বয়ং ক্লাইব হেটমুণ্ডে পলায়ন করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন। “কবির পথ” অবশ্যই “নিষ্কণ্টক”, ইতিহাসের পথ সেরূপ হইলেই ভাল হইত।</ref> মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় এবং তাঁহার জ্যেষ্ঠপুত্র কুমার শিবচন্দ্র ইংরাজের পক্ষাবলম্বী বলিয়া নবাব মীর কাশিমের আদেশে ১৭৬৩ খৃষ্টাব্দে প্রাণদণ্ডের প্রতীক্ষায় “মঙ্গীর দুর্গে” কারারুদ্ধ থাকিয়া ইংরাজ-কৃপায় মুক্তিলাভ করেন।<ref>ইংরাজি ইতিহাস ভিন্ন সুপ্রসিদ্ধ “ক্ষিতীশ বংশাবলি চরিতেও” (১২৩-১২৬ পৃষ্ঠা) এই ঘটনা আনুপূর্ব্বিক বর্ণিত রহিয়াছে। “ক্ষিতীশ বংশাবলি চরিতের” চারি বৎসর পরে “পলাশির যুদ্ধকাব্য” প্রকাশিত হয়। অথচ শ্রীযুক্ত নবীনচন্দ্র সেন মহাশয়ের ন্যায় লব্ধপ্রতিষ্ঠ সাহিত্য সেবক এবং তাঁহার “বঙ্গ সাহিত্য সমাজে সুপরিচিত” কোন একজন বন্ধু মহাশয় চারি বৎসরের মধ্যেও “ক্ষিতীশবংশাবলি চরিতের” ন্যায় “বঙ্গ সাহিত্য সমাজে সুপরিচিত” গ্রন্থখানি একবার মাত্রও পাঠ করিবার অবসর প্রাপ্ত হন নাই। অহো! স্বদেশের ইতিহাসের অপরিসীম সৌভাগ্য!</ref> কবি সময়-শ্রোত উত্তীর্ণ হইয়া সিরাজদ্দৌলাকেই তাহার জন্য অপরাধী সাজাইয়া, “কোন একজন বঙ্গ-সাহিত্য-সমাজে সুপরিচিত বন্ধুর মুখে” শুনিয়াছেন বলিয়া নিষ্কৃতিলাভ করিয়াছেন!<ref>পলাশির যুদ্ধকাব্য পরিশিষ্ট।</ref> যে দেশের কবি-কাহিনী ইতিহাস রচনার ভার গ্রহণ করিয়াছে, সে দেশে সিরাজ-কালিমা যে উত্তরোত্তর দুরপনেয় হইয়া উঠিবে, তাহাতে আর বিস্ময়ের কথা কি? {{nop}}<noinclude></noinclude> khavizfjcws0u8ij75ceimk4nw1g5em পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/১১ 104 586560 1991689 1885876 2026-07-31T04:00:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991689 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{dhr|10em}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''বিবিধ প্রবন্ধ'''}}}} {{dhr}} {{কেন্দ্র|{{smaller|[১৮৮৭ খ্রীষ্টাব্দে মুদ্রিত সংস্করণ হইতে]}}}}<noinclude>{{dhr|10em}}</noinclude> 9lzfuiv6z2xnd23yugrjzcd9xxwpgbu পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/৭৩ 104 586622 1991690 1894041 2026-07-31T04:00:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991690 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh||দ্রৌপদী|৬৩}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্রৌপদীচরিত্রের রীতিমত বিশ্লেষণ দুরূহ; কেন না, মহাভারত অনন্ত সাগরতুল্য, তাহার অজস্র তরঙ্গাভিঘাতে একটি নায়িকা বা নায়কের চরিত্র তৃণবৎ কোথায় যায়, তাহা পর্য্যবেক্ষণ কে করিতে পারে! তথাপি দুই একটা স্থানে বিশ্লেষণে যত্ন করিতেছি। {{ফাঁক}}দ্রৌপদীর স্বয়ম্বর। দ্রুপদরাজার পণ যে, যে সেই দুর্বেধনীয় লক্ষ্য বিঁধিবে, সেই দ্রৌপদীর পাণিগ্রহণ করিবে। কন্যা সভাতলে আনীতা। পৃথিবীর রাজগণ, বীরগণ, ঋষিগণ সমবেত। এই মহাসভার প্রচণ্ড প্রতাপে কুমারীকুসুম শুকাইয়া উঠে; সেই বিশোষ্যমাণা কুমারী লাভার্থ দুর্য্যোধন, জরাসন্ধ, শিশুপাল প্রভৃতি ভুবনপ্রথিত মহাবীরসকল লক্ষ্য বিঁধিতে যত্ন করিতেছেন। একে একে সকলেই বিন্ধনে অক্ষম হইয়া ফিরিয়া আসিতেছেন। হায়! দ্রৌপদীর বিবাহ হয় না। {{ফাঁক}}অন্যান্য রাজগণমধ্যে সর্ব্বশ্রেষ্ঠ অঙ্গাধিপতি কর্ণ লক্ষ্য বিঁধিতে উঠিলেন। ক্ষুদ্র কাব্যকার এখানে কি করিতেন বলা যায় না—কেন না, এটি বিষম সঙ্কট। কাব্যের প্রয়োজন, পাণ্ডবের সঙ্গে দ্রৌপদীর বিবাহ দেওয়াইতে হইবে। কর্ণ লক্ষ্য বিঁধিলে তাহা হয় না। ক্ষুদ্র কবি বোধ হয়, কর্ণকেও লক্ষ্য বিন্ধনে অশক্ত বলিয়া পরিচিত করিতেন। কিন্তু মহাভারতের মহাকবি জাজ্বল্যমান দেখিতে পাইতেছেন যে, কর্ণের বীর্য্য, তাঁহার প্রধান নায়ক অর্জ্জুনের বীর্য্যের মানদণ্ড। কর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী এবং অর্জ্জুনহস্তে পরাভূত বলিয়াই অর্জ্জুনের গৌরবের এত আধিক্য; কর্ণকে অন্যের সঙ্গে ক্ষুদ্রবীর্য্য করিলে অর্জ্জুনের গৌরব কোথা থাকে? এরূপ সঙ্কট, ক্ষুদ্র কবিকে বুঝাইয়া দিলে তিনি অবশ্য স্থির করিবেন যে, তবে অত হাঙ্গামায় কাজ নাই—কর্ণকে না তুলিলেই ভাল হয়। কাব্যের যে সর্ব্বাঙ্গসম্পন্নতার ক্ষতি হয়, তাহা তিনি বুঝিবেন না—সকল রাজাই যেখানে সর্ব্বাঙ্গসুন্দরী লোভে লক্ষ্য বিঁধিতে উঠিতেছেন, সেখানে মহাবলপরাক্রান্ত কর্ণই যে কেন একা উঠিবেন না, এ প্রশ্নের কোন উত্তর নাই। {{ফাঁক}}মহাকবি আশ্চর্য্য কৌশলময়, এবং তীক্ষ্ম দৃষ্টিশালী। তিনি অবলীলাক্রমে কর্ণকে লক্ষ্যবিন্ধনে উখিত করিলেন, কর্ণের বীর্য্যের গৌরব অক্ষুন্ন রাখিলেন, এবং সেই অবসরে, সেই উপলক্ষে, সেই একই উপায়ে, আর একটি গুরুতর উদ্দেশ্য সুসিদ্ধ করিলেন। দ্রৌপদীর চরিত্র পাঠকের নিকটে প্রকটিত করিলেন। যে দিন জয়দ্রথ দ্রৌপদী কর্ত্তৃক ভূতলশায়ী হইবে, যে দিন দুর্য্যোধনের সভাতলে দ্যূতজিতা অপমানিতা মহিষী স্বামী হইতেও স্বাতন্ত্র্য অবলম্বনে উন্মুখিনী হইবেন, সে দিন দ্রৌপদীর যে চরিত্র প্রকাশ পাইবে,<noinclude></noinclude> 0elgvcye6lkwcm2c3lib7au7ghh1lfo পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/২০৯ 104 586758 1991691 1889314 2026-07-31T04:00:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991691 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||গৌরদাস বাবাজির ভিক্ষার ঝুলি|১৯৯}}</noinclude>{{ফাঁক}}বাবাজি তখন হরিবোল দিয়া উঠিলেন। এক ব্রাহ্মণ পরিবেশন করিতেছিল, সে হরিবোল শুনিয়া বলিল, “বাবাজি! অত হরিবোলের ধুম কেন? পাঁটাটা রান্না বড় ভাল হয়েছে, বটে!” {{ফাঁক}}তাই ত! সর্ব্বনাশ! এতক্ষণ কথাবার্ত্তায় অন্যমনা ছিলাম, দেখি নাই যে, বাবাজি এক রাশি ছাগমাংস উদরসাৎ করিয়া দ্বিতীয় তৈমুরলঙ্গের ন্যায় অস্থির স্তূপ সাজাইয়া রাখিয়াছেন! ক্রুদ্ধ হইয়া বলিলাম, “বাবাজি! এই তোমার হরিবোল! এই তোমার বৈষ্ণবধর্ম্ম! তুমি কণ্ঠী ছিঁড়িয়া ফেল। আমরা কেহ তোমার সঙ্গে আহারাদি করিব না।” {{ফাঁক}}বাবাজি। কেন, কি হয়েছে বাপু! {{ফাঁক}}আমি। আমার মাথা হয়েছে! তুমি বৈষ্ণব নামের কলঙ্ক! এক রাশ, যাহার নাম করিতে নাই, তাই খেয়ে পার করিলে, আবার জিজ্ঞাসা কর কি হয়েছে? {{ফাঁক}}বাবাজি। পাঁটা খেয়েছি? বাপু, ভগবান্ কোথায় বলেছেন যে, পাঁটা খাইও না? যদি পুরাণ ইতিহাসের দোহাই দিতে চাও, তবে পদ্মপুরাণ খোল, দেখাইব যে, মাংস দিয়া বিষ্ণুর ভোগ দিবার ব্যবস্থা আছে। ভগবান্ স্বয়ং ক্ষত্রিয়কুলে জন্মগ্রহণ করিয়া, অন্যান্য ক্ষত্রিয়ের ন্যায় মাংসেই নিত্যসেবা করিতেন। তিনি পাপাচরণের জন্য জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন বটে? তুই বেটা আবার বৈষ্ণব? {{ফাঁক}}আমি। তবে অহিংসা পরম ধর্ম্ম বলে কেন? {{ফাঁক}}বাবাজি। অহিংসা যথার্থ বৈষ্ণব-কন্যা বটে, কিন্তু কুলত্যাগ করিয়া বৌদ্ধঘরে গিয়া জাত হারাইয়াছে। {{ফাঁক}}আমি। ছেঁদো কথা বুঝিতে পারি না। {{ফাঁক}}বাবাজি। দেখ, বাপু! বৈষ্ণব নাম গ্রহণ করিবার আগে বৈষ্ণব ধর্ম্ম কি, বোঝ। তোমার কণ্ঠীতে বৈষ্ণব হয় না, কুঁড়োজালিতেও নয়, নিরামিষেও নয়, পঞ্চসংস্কারেও নয়, দেড় কাহন বৈষ্ণবীতেও নয়। জগতের সর্ব্বশ্রেষ্ঠ বৈষ্ণব কে বল দেখি? {{ফাঁক}}আমি। নারদ, ধ্রুব, প্রহ্লাদ। {{ফাঁক}}বাবাজি। প্রহ্লাদই সর্ব্বশ্রেষ্ঠ। প্রহ্লাদ বৈষ্ণবধর্ম্মের কি ব্যাখ্যা করিয়াছেন, শুন, {{Block center|<poem> সর্ব্বত্র দৈত্যাঃ সমতামুপেত সমত্বমারাধনমচ্যুতস্য।</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থাৎ “হে দৈত্যগণ! তোমরা সর্ব্বত্র সমদর্শী হও। সমত্ব, অর্থাৎ সকলকে আত্মবৎ জ্ঞান করাই বিষ্ণুর যথার্থ উপাসনা।” কণ্ঠী, কুঁড়োজালি, কি দেখাস রে মূর্খ! এই<noinclude></noinclude> 7i9kvdfp1cdvdugltnx52j5acdnfjec পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/২১৪ 104 586763 1992130 1905921 2026-07-31T04:22:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992130 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{right|}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''কাম'''}}<ref>প্রচার, ১২৯২, আষাঢ়।</ref>}} {{ফাঁক}}হিন্দুধর্ম্মগ্রন্থসকলে “কাম” শব্দটি সর্ব্বদা ব্যবহৃত হইয়া থাকে। যে কামাত্মা বা কামার্থী, তাহার পুনঃ পুনঃ নিন্দা আছে। কিন্তু সাধারণ পাঠক এই “কাম” শব্দের অর্থ বুঝিতে বড় গোল করেন, এই জন্য সকল স্থানে তাঁহারা শাস্ত্রার্থ বুঝিতে পারেন না। তাঁহারা সচরাচর ইন্দ্রিয়বিশেষের পরিতৃপ্তির ইচ্ছার্থে ঐ শব্দ ব্যবহার করিয়া থাকেন, এবং শাস্ত্রেও ঐ অর্থে ইহা ব্যবহৃত হইয়াছে, ইহাই তাঁহারা বুঝেন। সেটা ভ্রান্তি। মহাভারত হইতে দুই একটা কথা উদ্ধৃত করিয়া আমরা কাম শব্দের অর্থ বুঝাইতেছি। {{ফাঁক}}“পঞ্চ ইন্দ্রিয়, মন ও হৃদয় স্ব স্ব বিষয়ে বর্ত্তমান থাকিয়া যে প্রীতি উপভোগ করে তাহারই নাম কাম।” (বনপর্ব্ব, ৩৩ অধ্যায়)। ইহা একেবারে নিন্দনীয় বিষয় বলিয়া স্থির হইতেছে না। “মন ও হৃদয়” এই কথা না বলিয়া কেবল যদি পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের কথা বলা হইত, তাহা হইলে বুঝা যাইত যে, ইন্দ্রিয়বশ্যতা (Sensuality) এই দুষ্প্রবৃত্তিরই নাম কাম। কিন্তু “মন” ও “হৃদয়” থাকাতে সে কথা খাটিতেছে না। স্থানান্তরে বলা হইতেছে যে, “স্রক্‌চন্দনাদিরূপ দ্রব্য স্পর্শ বা স্বর্ণাদিরূপ অর্থ লাভ হইলে মনুষ্যের যে প্রীতি জন্মে, তাহারই নাম কাম।” {{ফাঁক}}ইহাতে দেখা যাইতেছে যে, প্রথমতঃ উহা কোন প্রকার প্রবৃত্তি বা বৃত্তি নহে; প্রবৃত্তি বা বৃত্তির পরিতৃপ্তাবস্থা মাত্র। দ্বিতীয়তঃ দেখা যাইতেছে যে, উহা সকল সময়ে নিন্দনীয় বা জঘন্য সুখ নহে। উহা সদসৎ কর্মের ফল। এই জন্য পশ্চাৎ কথিত হইতেছে যে, “উহা কর্ম্মের এক উৎকৃষ্ট ফল। মনুষ্য এইরূপে ধর্ম্ম, অর্থ ও কাম, এই তিনের উপর পৃথক্ পৃথক্ রূপে দৃষ্টিপাতপূর্ব্বক কেবল ধর্ম্মপর বা কামপর হইবে না। সতত সম-ভাবে এই ত্রিবর্গের অমুশীলন করিবে। শাস্ত্রে কথিত আছে যে, পূর্ব্বাহ্ণে ধর্ম্মানুষ্ঠান, মধ্যাহ্নে অর্থচিন্তা ও অপরাহ্ণে কামানুশীলন করিবে।” {{ফাঁক}}“কেবল ধর্ম্মপর হইবে না।” এমন একটা কথা শুনিলে হঠাৎ মনে হয়, যে ব্যক্তি এ উপদেশ দিতেছে, সে ব্যক্তি হয় ঘোরতর অধার্ম্মিক, নয় সে ধর্ম্ম শব্দ কোন বিশেষ অর্থে ব্যবহার করিতেছে। এখানে দুই কথাই কিঞ্চিৎ পরিমাণে সত্য। এখানে বক্তা খোদ ভীমসেন; তিনি অধার্ম্মিক নহেন, কিন্তু তিনি যুধিষ্ঠির বা অর্জ্জুনের ন্যায় ধর্ম্মের সর্ব্বোচ্চ<noinclude>{{rule}}</noinclude> gissnxw0y6p525juodzb8g0pe0d0na5 পাতা:Intermediate Bengali Selections.pdf/২০৪ 104 595432 1991515 1763052 2026-07-30T17:28:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991515 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="" /><pagequality level="3" user="জয়শ্রীরাম সরকার” />{{rh|১৮৬|সমর্থ রামদাস স্বামী|}}</noinclude>ভাষায় বিবিধ গ্রন্থ রচনা করিয়াছেন; এবং অপরকেও তৎকার্য্যো প্রবৃত্ত করিতে চেষ্টা করিয়াছেন, দেখিতে পাই। এই সময়ে মহারাষ্ট্রদেশে বামন পণ্ডিত নামক একজন সুপ্রসিদ্ধ সংস্কৃতত্ত্বপণ্ডিত ছিলেন। যমকালঙ্কারযুক্ত করিতা রচনায় তৎকালে তাহার সমকক্ষ আর কেহ ছিল না। তিনি অধিকাংশ পণ্ডিতকে বিচারে পরাস্ত করিয়াছিলেন। সংস্কৃত শাস্ত্রে অতিশয় পারদর্শিতা হেতু মহারাষ্ট্রীয় ভাষার প্রতি তাহার অত্যন্ত বিরাগ ছিল। পরে রামদাস স্বামীর সহিত আত্মতত্ত্ব-বিষয়ক বিচারে পরাজিত হইলে,— স্বামিজী তাহাকে বলিলেন,—“বর্ত্তমানকালে বুদ্ধির স্থূলতাবশতঃসংস্কৃত ভাষা জন সাধারণের দুর্বোধ্য হইয়া উঠিয়াছে। সুতরাং অধুনা সংস্কৃত ভাষার চর্চায় সাধারণের কোনও উপকারের সম্ভাবনা নাই। এই নিমিত্ত ভগবানের আদেশ এ যে, আপনি বেদাদিশাস্ত্রের মর্ম্ম মারাঠী ভাষায় সঙ্কলিত ও প্রকাশিত করিয়া জাতীয় ভাষাকে পবিত্র, স্বীয় জীবনকে সার্থক ও সাধারণের উপকার, সাধন করুন।” রামদাস স্বামীর এই উপদেশে বামন পণ্ডিতের” চক্ষু ফুটিল। তিনি সংস্কৃতজ্ঞতার বৃথা অভিমানে আর মত্ত না থাকিয়া, মহারাষ্ট্রীয় সাহিত্যের উন্নতি বিধানে চেষ্টিত হইলেন। নিগমসার প্রভৃতি গ্রন্থ এই চেষ্টার ফলস্বরূপ। {{ফাঁক}}রামদাস স্বামী অশ্বচালনায় বিশেষ দক্ষ ছিলেন। রঙ্গনাথ। স্বামী, জয়রাম স্বামী প্রভৃতি তাৎকালিক সন্ন্যাসিগণও সশিষ্য, অশ্বারোহণে ভ্রমণ করিতেন। অশ্বারোহণ তাৎকালিক সাধারণ শিক্ষার একটি প্রধান অঙ্গ ছিল। {{ফাঁক}}স্বদেশের হিত সাধন শিবাজীর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল। রামদাস স্বামীরও জীবনের লক্ষ্য তাহাই ছিল বলিয়া,<noinclude></noinclude> hewkydjgn875z7s2lxex1tesgejcf93 পাতা:মহর্ষি মনসুর - মোজাম্মেল হক.pdf/১০ 104 600390 1992144 1635980 2026-07-31T04:24:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992144 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Taher Almahdi" /></noinclude>{{C|গভর্ণমেণ্ট কর্ত্তৃক প্রাইজ ও লাইব্রেরীর জন্য মনোনীত}} {{rule|30%}} {{dhr|1em}} {{C|{{xxxx-larger|'''মহর্ষি মন্‌সুর'''}}}} {{C|ধর্ম্মবীর মহাত্মা মন্‌সুর হাল্লাজের অলৌকিক}} {{C|জীবন-কাহিনী}} {{dhr|3em}} {{C|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতপূর্ব্ব পরীক্ষক,}} {{C|শাহ্‌নামা, ফেরদৌসী-চরিত প্রভৃতি গ্রন্থ-প্রণেতা}} {{dhr|3em}} {{C|প্রণীত}} {{dhr|3em}} {{C|‘ভূ-প্রদক্ষিণ’—প্রণেতা সুপ্রসিদ্ধ পরিব্রাজক}} {{C|'''শ্রীযুক্ত চন্দ্রশেখর সেন, ব্যারিষ্টার মহাশয়'''}} {{C|কর্ত্তৃক লিখিত ভূমিকা-ভূষিত}} {{dhr|3em}} {{C|{{xx-larger|মোস্‌লেম পাব্‌লিশিং হাউস্}}}} {{C|কলেজ স্কয়ার (ইষ্ট); কলিকাতা}} {{Right|মূল্য দেড় টাকা}}<noinclude></noinclude> 7oe1odej256vr4ruidxka0dbll7hig9 পাতা:তরুণের স্বপ্ন - সুভাষচন্দ্র বসু.pdf/৫২ 104 606297 1992034 1985783 2026-07-31T04:15:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992034 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||পত্র|৪৩}}</noinclude>আপাততঃ স্বামী বিবেকানন্দের এই বইগুলি পড়িতে পার। তাঁহার বই-এর মধ্যে ‘পত্রাবলী’ ও বক্তৃতাগুলি বিশেষ শিক্ষাপ্রদ। ‘ভারতে বিবেকানন্দ’ বই-এর মধ্যে এ সব বোধ হয় পাইবে। আলাদা বইও বোধ হয় পাওয়া যায়। ‘পত্রাবলী’ ও বক্তৃতাগুলি না পড়িলে অন্যান্য বই পড়িতে যাওয়া ঠিক নয়। 'Philosophy of Religion', 'Jnan-Yoga' বা ঐ জাতীয় বইতে আগে হস্তক্ষেপ করিও না। তারপর সঙ্গে সঙ্গে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ-কথামৃত’ পড়িতে পার। রবিবাবুর অনেক কবিতার মধ্যে খুব inspiration পাওয়া যায়। ডি, এল, রায়ের অনেক বই আছে (যেমন ‘মেবার পতন’, ‘দুর্গাদাস') যা পড়িলে বেশ শক্তি পাওয়া যায়। বঙ্কিমবাবুর ও রমেশ দত্তের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলিও খুব শিক্ষাপ্রদ; নবীন সেনের ‘পলাশীর যুদ্ধ’ও পড়িতে পার। ‘শিখের বলিদান’ও (বোধ হয় শ্রীমতী কুমুদিনী বসু লিখিত) ভাল বই; Victor Hugoর 'Les Miserables' পড়িও (বোধ হয় লাইব্রেরীতে আছে), খুব শিক্ষা পাইবে। তাড়াতাড়িতে এখন বেশী নাম দিতে পারিলাম না। আমি অবসরমত চিন্তা করিয়া একটী তালিকা করিয়া পাঠাইব। ইতি— {{c|'''২'''}} {{right|মান্দালয় জেল}} স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য তুমি যদি প্রত্যহ কিছু ব্যায়াম-চর্চ্চা কর, তবে খুব উপকার পাবে। Muller-এর “My System” বই জোগাড় ক’রে যদি তদনুসারে ব্যায়াম কর তবে ভাল হয়। আমি নিজে মধ্যে মধ্যে Muller-এর ব্যায়াম ক’রে থাকি এবং উপকার ও পেয়েছি। Muller-এর<noinclude>{{left|৪}}</noinclude> k8lp2ljhbx5pihbf20sx35jjbi0ffda পাতা:তরুণের স্বপ্ন - সুভাষচন্দ্র বসু.pdf/৫৫ 104 606303 1992035 1985786 2026-07-31T04:15:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992035 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৪৬|তরুণের স্বপ্ন|}}</noinclude>—গিরিজাশঙ্কর রায় চৌধুরী; (৩) ‘বঙ্কিম গ্রন্থাবলী'; (৪) নবীন সেনের ‘কুরুক্ষেত্র’, ‘প্রভাস’, ‘রৈবতক” ও ‘পলাশীর যুদ্ধ'; (৫) ‘যোগেন্দ্র গ্রন্থাবলী’ (বসুমতী সংস্করণ); (৬) রবি ঠাকুরের ‘কথা ও কাহিনী’, ‘চয়নিকা’, ‘গীতাঞ্জলি’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘গোরা'; (৭) ভূদেববাবুর ‘সামাজিক প্রবন্ধ’ ও ‘পারিবারিক প্রবন্ধ; (৮) ডি, এল্‌, রায়ের ‘দুর্গাদাস’, ‘মেবার পতন’, ‘রাণা প্রতাপ’, (৯) ‘ছত্রপতি শিবাজী'—সত্যচরণ শাস্ত্রী; (১০) ‘শিখের বলিদান'—কুমুদিনী বসু; (১১) রাজনারায়ণ বসুর ‘সেকাল ও একাল'; (১২) সত্যেন দত্তের কুহু ও কেকা’ (কবিতা গ্রন্থ); (১৩) মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের ‘আত্মজীবনচরিত’ (১৪) ‘রাজস্থান’ (বসুমতী সংস্করণ); (১৫) ‘নব্য জাপান'—মন্মথ ঘোষ; (১৬) ‘সিপাহী-যুদ্ধের ইতিহাস'—রজনীকান্ত গুপ্ত; (১৭) উপেনবাবুর ‘নির্ব্বাসিতের আত্মকথা’ ও অন্যান্য পুস্তক; (১৮) ‘কর্ণেল সুরেশ বিশ্বাস'—উপেন্দ্রকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শিশুপাঠ্য ৶৹ আনা সংস্করণের ভারতের অনেক মহাপুরুষের ছোট ছোট জীবনী পাবে। এই বইর তালিকা যথেষ্ট। অন্ততঃপক্ষে এক বৎসরের খোরাক এর মধ্যে পাবে। প্রাথমিক শিক্ষা সম্বন্ধে কিছু বলি। প্রাথমিক শিক্ষার সহিত উচ্চ শিক্ষার একটা বড় প্রভেদ এই যে প্রাথমিক শিক্ষার নূতন facts শিখাবার চেষ্টাই বেশী প্রয়োজন। উচ্চ শিক্ষার নূতন facts যেরূপ শিখাতে হয় তার সঙ্গে সঙ্গে reasoning faculty-র অনুশীলনও সেইরূপ করতে হয়। প্রাথমিক শিক্ষায় ইন্দ্রিয়শক্তির উপর বেশী নির্ভর করতে হয়, কারণ তখন চিন্তা করবার বা মনে রাখবার শক্তি ভাল রকম জাগে। সে জন্য কোনও বিষয় শেখাতে গেলে যেমন গরু, ঘোড়া, ফল, ফুল, সেই জিনিষগুলি চোখের সামনে না ধরলে<noinclude></noinclude> irvejf04yr7pwzfu9pshklggllyslij পাতা:তরুণের স্বপ্ন - সুভাষচন্দ্র বসু.pdf/৬০ 104 606313 1992036 1983882 2026-07-31T04:15:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992036 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" /></noinclude>{{c|'''৪''' [তদানান্তর ‘আত্মশক্তি’—সম্পাদক শ্রীযুক্ত গোপাললাল সান্যালকে লিখিত পত্রাংশ]}} {{right|ইনসিন জেল ৫ই এপ্রিল, ১৯২৭}} পরম প্রীতিভাজনেষু, আপনার ৫ই চৈত্রের পত্র পাইয়া আনন্দিত হইয়াছি। অনেক প্রশ্ন করিয়াছেন—কি উত্তর দিব জানি না। অনেক কথাই ত লিখিতে ইচ্ছা! করে, কিন্তু লেখা যায় কি? শরীরের সম্বন্ধে নূতন কিছু বলিবার নাই—"যথা পূর্ব্বং তথা পরং"। পরিণামে কি দাঁড়াইবে, জানি না—এখন আর শরীরের কথা ভাবি না। গত কয়েক মাসের মধ্যে আমার মনের গতি কোনও কোনও দিকে দ্রুতবেগে চলিয়াছে। আমার এই ধারণা বদ্ধমূল হইতেছে যে, জীবনে ষোল আনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত না হইলে মেরুদণ্ড ঠিক রাখা মুস্কিল হইয়া পড়ে। জীবন-প্রভাতে এই প্রার্থনা বুকে লইয়া কর্ম্মক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইয়াছিলাম—"তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি।” ভবিষ্যতের কথা জানি না, তবে এখন পর্য্যন্ত ভগবান সে প্রার্থনা সফল করিয়া আসিতেছেন। তাই আমি বড় সুখী—সময়ে সময়ে মনে হয়, আমার মত সুখী জগতে আর কয়জন আছে? এখন এই বৃত্তাকার উন্নত প্রাচীরের বাহিরে যাইবার আশা যে পরিমাণে সুদূরপরাহত হইতেছে, সেই পরিমাণে আমার চিত্ত শান্ত ও উদ্বেগশূন্য হইয়া আসিতেছে। অন্তরের<noinclude></noinclude> cvy4u60sbnzjx3p68t2u6y0dkqr23w5 পাতা:তরুণের স্বপ্ন - সুভাষচন্দ্র বসু.pdf/৮২ 104 606357 1992295 1489220 2026-07-31T04:56:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992295 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh||পত্র|৭৩}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="A73"/><poem> {{***}} কবে প্রাণ খুলি বলিতে পারিব ::"পেয়েছি আমার শেষ!” তোমরা সকলে এস মোর পিছে গুরু তোমাদের সবারে ডাকিছে, আমার জীবনে লভিয়া জীবন জাগরে সকল দেশ!” </poem>{{block center/e}} শরীর তত ভাল নাই, তবে তার জন্য চিন্তাও নাই। আমার ভালবাসা ও প্রতিসম্ভাষণ জানিবেন। অমৃত প্রভৃতি ভাইরা কেমন আছেন? আপনাদের কুশল সংবাদ পাইলে অত্যন্ত সুখী হইব। তবে কাজের সময় নষ্ট করিয়া পত্র লিখিবার প্রয়োজন নাই। আমার প্রীতিপূর্ণ নমস্কার গ্রহণ করিবেন। ইতি— {{rule|3em}} <section end="A73"/> <section begin="B73"/>{{c|'''হিন্দু-মুসলমান প্যাক্ট'''}} [হিন্দু-মুসলমান প্যাক্ট ও তাহার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে আলোচনা প্রসঙ্গে লিখিত ইংরেজী চিঠির অংশবিশেষের বঙ্গানুবাদ] {{right|মান্দালয় জেল}} আমি আপনাদের ইস্তাহার ও শ্রীযুক্ত সেনগুপ্ত লিখিত তাহার প্রতিবাদ-পত্র পাঠ করিয়াছি; এ পর্য্যন্ত সেনগুপ্তের প্রতিবাদের কোন প্রত্যুত্তর দেখি নাই। প্যাক্টকে পুনরায় গ্রহণ করিবার কথা উঠিতেই পারে না। গত সিরাজগঞ্জ সম্মিলনীতে যখন প্যাক্ট গৃহীত <section end="B73"/><noinclude></noinclude> 2st59bdfr73p67l0gavkhiymkrhkz3l পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৩ 104 617780 1991643 1905225 2026-07-31T03:54:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991643 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ।|২১}}</noinclude>সকল পাঠ করিতে আরম্ভ করিবেন। শুদ্ধ হউক অশুদ্ধ হউক যেরূপ শিখিয়াছেন অবিকল আবৃত্তি করিতে পারিবেন। বর্ত্তমান হিন্দু সমাজের ধর্ম্মানুষ্ঠানের সাহায্যের জন্য যেমন এক শ্রেণীর দশকর্ম্মান্বিত লোক দৃষ্ট হয়, প্রাচীন আর্য্য সমাজেও বেদ মন্ত্র সকলের রক্ষা ও শিক্ষার নিমিত্ত এক শ্রেণীর লোক নিযুক্ত হইয়াছিলেন। ইহাঁরাই উত্তরকালে “ব্রাহ্মণ” বলিয়া প্রসিদ্ধ হইলেন। ব্রাহ্মণ শব্দের বুৎপত্তি-লব্ধ অর্থ যিনি ব্রহ্মকে জানেন বা ধারণ করেন। প্রাচীন সংস্কৃতে ব্রহ্ম শব্দের অনেক অর্থঃ—এক অর্থ ঈশ্বর, দ্বিতীয় অর্থ ব্রাহ্মণ জাতি তৃতীয় অর্থ বেদ মন্ত্র। এখানে ব্রহ্ম অর্থে বেদমন্ত্র। বেদমন্ত্র যাঁহারা ধারণ করেন তাঁহারা ব্রাহ্মণ। {{ফাঁক}}মনু কহিয়াছেন:― {{Block center|<poem>উত্তমাঙ্গোদ্ভবাৎ জ্যৈষ্ঠাৎ ব্রহ্মণশ্চৈব ধারণাৎ সর্ব্বস্যৈবাস্য সর্গস্য ধর্ম্মতো ব্রাহ্মণঃ প্রভুঃ॥</poem>}} {{ডান|মনু ১ম অধ্যায়।{{gap|2em}}}} {{ফাঁক}}“উত্তমাঙ্গ হইতে উৎপন্ন হওয়াতে, জ্যেষ্ঠতা নিবন্ধন এবং বেদমন্ত্রের ধারণ নিবন্ধন ব্রাহ্মণ এই সমূদায় সৃষ্টির প্রভু।” {{ফাঁক}}এইরূপে যখন প্রাচীন আর্য্য সমাজের একাঙ্গ সশস্ত্র হইয়া সমাজ রক্ষা ব্রতে ব্রতী হইলেন এবং অপরাঙ্গ বেদমন্ত্র সকল শিক্ষা ও রক্ষা কার্য্যে নিযুক্ত হইলেন, তখন<noinclude></noinclude> 7u1dhe14r9bs9mvt6924tctui28e0v2 পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৪ 104 617782 1991644 1905226 2026-07-31T03:54:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991644 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|২২|জাতিভেদ।|}}</noinclude>সমাজের অপর সকল লোক—ইহাঁদেরই সংখ্যা সর্ব্বাপেক্ষা বেশি ছিল—কৃষি বাণিজ্য প্রভৃতিতে নিযুক্ত হইয়া অর্থোৎপাদনে রত হইলেন। বেদে ইহাঁরা “বিশ” শব্দে উক্ত হইয়াছেন। বর্ত্তমান বাঙ্গালা ভাষাতে “সাধারণ প্রজা” এই শব্দদ্বয় ব্যবহার করিলে যেরূপ অর্থ বোধ হয় বেদমন্ত্র সকলে “বিশ” শব্দের সেই প্রকার অর্থ। বিশ অর্থাৎ প্রজাবর্গ। এই কারণে “বিশাম্পতিঃ” শব্দের অর্থ রাজা, যিনি প্রজাদিগের প্রভু। {{ফাঁক}}দেখুন তবে কেমন অপরিহার্য্য কারণে আদিম আর্য্যসমাজ মধ্যে চারি প্রকার জাতির সূত্রপাত হইল। প্রথম যখন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণী ভিন্ন ভিন্ন কার্য্যের ভার গ্রহণ করিলেন, তখন জাতিভেদের বর্ত্তমান চিহ্ন সকল কিছুই বিদ্যমান ছিল না। অর্থাৎ বর্ত্তমান সময়ে জাতিভেদের যে তিনটী প্রধান চিহ্ন দৃষ্ট হয় (১ম) নিম্ন জাতীয়দিগের অন্ন পান গ্রহণ নিষেধ, (২য়)ভিন্ন ভিন্ন বর্ণের মধ্যে বিবাহ সম্বন্ধ নিষেধ (৩য়)জাতির প্রভেদ অনুসারে ব্যবসায়ের বিভিন্নতা। আদিম আর্য্যসমাজে এই সকল চিহ্নের কোনটীই লক্ষিত হয় না। এগুলি প্রবল দলাদলি ও বৈরভাবের ফলস্বরূপ, সুতরাং এগুলি সামাজিক নিয়মরূপে পরিগণিত হইতে অনেক শতাব্দী লাগিয়াছিল। বরং শাস্ত্রে এমন ভূরি ভূরি নিদর্শন প্রাপ্ত হওয়া যায়, যদ্দ্বারা ইহা স্পষ্টই বুঝিতে পারা যায় যে বর্ত্তমান সময়ে জাতি যেমন জন্মগত, গুণগত নয়, পূর্ব্বে তাহা ছিল<noinclude></noinclude> j1uyagssb9bfv1wb67ms73jg1l13ku3 পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৫ 104 617784 1991645 1853163 2026-07-31T03:54:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991645 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ ৷|২৩}}</noinclude>না, উৎকৃষ্ট বর্ণের হীন বর্ণত্ব প্রাপ্তি, এবং হীনবর্ণের উত্তম বর্ণত্ব প্রাপ্তি দেখিতে পাওয়া যায়। ইহার শাস্ত্রীয় প্রমাণ সকল পরে প্রদর্শন করিতেছি। {{ফাঁক}}এখন একটী কথা আপনারা স্মরণ রাখিবেন। বর্ত্তমান সময়ে সভ্যসমাজে সাধারণ শিক্ষার যেমন রীতি দৃষ্ট হয় আদিম আর্য্যসমাজে তাহা কখনই ছিল না। অর্থাৎ এখন যেমন একটী বিদ্যালয়ে তুমি আমি দশজন আপনাপন অবস্থা ও শক্তি অনুসারে আমাদের সন্তানদিগকে প্রেরণ করিতে পারি, দশদিক হইতে দশ শত বালক বালিকা আসিয়া প্রতিদিন শিক্ষা করিতে পারে, প্রাচীন ভারতসমাজে এরূপ বিদ্যালয় ছিল না। তখন বিদ্যার্থীদিগকে গুরুকুলে বাস করিতে হইত, ও গুরুদিগের প্রতি কঠোর, শাসন ছিল, তাঁহারা ভৃতি বা বেতন গ্রহণ করিতে পারিতেন না, পরন্তু শিষ্যগণকে অন্ন দিয়া পুষিতে হইত। শিষ্যগণ গুরুগৃহে বাস ও গুরুগৃহের পরিচর্য্যায় নিযুক্ত হইয়া দিনাতিপাত করিতেন। বিশেষ তখন বর্ত্তমান সময়ের মত গ্রামে গ্রামে বিদ্যালয় ছিল না; মুদ্রা-যন্ত্র না থাকাতে অতিকষ্টে অনেক পরিশ্রম সহকারে বিদ্যার্থীদিগকে বিদ্যাভ্যাস করিতে হইত; সুতরাং ব্যুৎপন্ন গুরুর সংখ্যা অধিক হইত না। যে সকল ব্যুৎপন্ন ব্যক্তি শাস্ত্র-বিশারদ বলিয়া প্রতিষ্ঠা-ভাজন হইতেন, বহুদূর হইতে শিষ্যগণ আকৃষ্ট হইয়া সেখানে আসিয়া বাস করিত। এইরূপ অবস্থায়<noinclude></noinclude> 74wqg3jrb7shnlu82s5x22kcwz2em04 পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪০ 104 617813 1991646 1857794 2026-07-31T03:54:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991646 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|৩৮|জাতিভেদ।|}}</noinclude>একজনের কেন লক্ষ জনেরও সাধ্য নাই, যে সভ্য সমাজের বিকাশোন্মুখ শক্তি সকলকে বাধা দিতে পার? দেখ না কি চির পরাধীন, চির বন্দীকৃত জাতিসকলের মুক্তির জন্য বিধাতার বিধি প্রচার হইয়াছে, কার সাধ্য এই বিধির প্রতিকূলতা করে, দেখ জাতিভেদের আসন্ন কাল উপস্থিত। বলিতে গেলে এখন জাতিভেদ প্রথাকে আক্রমণ করা আর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা মারা দুই সমান। বিশ্বাস কর, জাতিভেদের মৃত্যুদিন ঘনাইয়া আসিতেছে; এমন ঔষধ নাই যাহাতে ইহার জীবনকে আর রক্ষা করিতে পারে। আর যদিই তোমরা ইহাকে বাঁচাইয়া রাখিতে চাও জিজ্ঞাসা করি ঐ সকল প্রাচীন ব্যবস্থা পুনর্জ্জীবিত করিতে চাও কি না? আমি নিশ্চয় জানি তোমরা তাহা চাও না। কারণ শাস্ত্রে কোন্ কালে কবে শুনিয়াছ যে নিম্নজাতীয় ব্যক্তি উচ্চজাতীয়দিগকে ধর্ম্মোপদেশ দেয়? মনু বলিয়াছেন নিম্নজাতীয় ব্যক্তি যদি ব্রাহ্মণদিগকে ধর্ম্মোপদেশ দিবার চেষ্টা করে তাহা হইলে ঘৃত অগ্নিবর্ণ করিয়া তাহার গলদেশে ফেলিয়া দিতে হইবে। কিন্তু দেখ নিকৃষ্ট জাতীয় ব্যক্তিগণ এখন ব্রাহ্মণদিগের ধর্ম্মোপদেষ্টা হইয়াছে। কত কত ব্রাহ্মণ যুবক ইহাঁদিগের নিকট ধর্ম্মোপদেশ গ্রহণ করিয়া আপনাদিগকে কৃতার্থ মনে করিতেছেন। এই জন্যই বলিতে ছ জাতিভেদ আর নাই। তোমরা তাহা মান না। {{ফাঁক}}জাতিভেদ প্রথার বর্ত্তমান দুর্ব্বলতা কিরূপে উপস্থিত<noinclude></noinclude> r2t6f2dkg79c9d7ueluzjlf1s3mxmy0 পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫৯ 104 617851 1991647 1905248 2026-07-31T03:54:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991647 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ।|৫৭}}</noinclude>হইয়া যায় এবং কালে উৎসন্ন দশা প্রাপ্ত হয়। দুইটী হাঁস পোষ, তাহাদিগকে এমন স্থানে লইয়া যাও যেখানে অন্য হাঁস নাই। এই দুইটী হাঁসের যে বংশ তাহাদেরই মধ্যেই বংশ বৃদ্ধি চলুক, আব বাহিরের হাঁস আনিও না। কয়েক পুরুষের মধ্যেই দেখিবে হাঁসগুলি দুর্ব্বল, নিস্তেজ হইয়া গিয়াছে, আরও কয়েক পুরুষ পরে দেখিবে তাহাদের বংশ বৃদ্ধি বন্ধ হইয়া গেল। রক্তের বিমিশ্রণাভাবে যে শারীরিক দুর্ব্বলতা তাহা বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্য। সুতরাং এবিষয়ে অধিক বলা নিরর্থক। আবার অপরদিকে ইংরাজ জাতির প্রতি দৃষ্টিপাত কর ইহাদের বল বিক্রম ও শৌর্য্য বীর্য্যের বিষয় চিন্তা কর। সমগ্র ইংলণ্ড দ্বীপটী ভারতবর্ষের তুলনায় কি সামান্য স্থান! বিস্তৃতিতে ইহার একটী প্রদেশের ন্যায়ও নহে অথচ এই সামান্য দ্বীপে যে জাতি বাস করিতেছে তাহাদের শৌর্য্য বীর্য্য কত? কেবল যে ভারতবর্ষের ন্যায় প্রকাণ্ড সাম্রাজ্য ইহাঁদের দ্বারা সুচারুরূপে চালিত হইতেছে তাহা নহে, কিন্তু ইহাঁদের ভয়ে পৃথিবীয় জাতি সকল সর্ব্বদা সশঙ্কিত। ইহাঁদিগকে অগ্রাহ্য করিয়া জর্ম্মণির সম্রাট কার্য্য করিতে পারেন না; ইহাঁদিগের ভ্রুকুটী দেখিলে রুসিয়ার সম্রাটকে তাঁহার সিংহাসনে বসিয়া কাঁপিতে হয়। ভারতবর্ষ কিরূপে শাসন হইতেছে তাহাই একবার চিন্তা কর। কিরূপ লোকের দ্বারা আমরা শাসিত হইতেছি? ইংলণ্ডের প্রথম<noinclude></noinclude> 9vu3fdsrrjvbyfvjp0nq10fitk19aec পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬০ 104 617853 1991648 1905249 2026-07-31T03:54:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991648 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|৫৮|জাতিভেদ।|}}</noinclude>শ্রেণীর লোক গ্লাডস্টোন, ব্রাইট প্রভৃতি; তাঁহারা ত এদেশে আসিবার কথা স্বপ্নেও দেখেন না; দ্বিতীয় শ্রেণীর লোক ফসেট প্রভৃতি ইহাঁদের দুই এক জন, গবর্ণর জেনারলের পদ গ্রহণ করিয়া আসেন; তৃতীয় শ্রেণীর লোকগণও এদেশে আসা প্রয়োজন মনে করেন না; কেবল সেখানকার চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর লোকেরা সিবিল সার্ব্বিসে প্রবিষ্ট হইয়া ও অপরাপর কর্ম্ম অবলম্বন করিয়া এদেশে আগমন করেন। এই পঞ্চম শ্রেণীর লোকেরাই এদেশকে ভাঙ্গিতেছেন, গড়িতেছেন, রাজাগুলিকে কাদার পুতুলের ন্যায় সিংহাসনে তুলিতেছেন, নামাইতেছেন, সমুদায় রাজকার্য্য সুচারুরূপে চালাইতেছেন। ইহা কি আশ্চর্য্য দৃশ্য নয়? ইহাতে কি ইংলণ্ডের বলের পরিচয় পাওয়া যায় না? সে দেশ না জানি কিরূপ হইবে যাহার পঞ্চম শ্রেণীর লোকদিগের এত শক্তি, এত বিক্রম। কিন্তু ইংরাজদিগের এই তেজস্বিতা ও মানসিক শক্তির মূল কোথায়? ইহার মূল তাঁহাদের রক্তে। আমরা অনেক সময় ভুলিয়া যাই যে নির্ভীকতা, উদ্যোগিতা, কর্ম্ম কুশলতা, শ্রম দক্ষতা, অধ্যবসায়, স্বাধীনচিত্ততা প্রভৃতি গুণ গুলি অনেক পরিমাণে শারীরিক তেজের উপর নির্ভর করে। এ বিষয়ে আমার একটী পৌরাণিক আখ্যায়িকা মনে হয়। একবার দেবগণ কোন অসুরের উপদ্রবে নিতান্ত উত্যক্ত হইলেন। দানব নিপাতের জন্য তাঁহারা অবশেষে বিষ্ণুর শরণাপন্ন হইলেন;—<noinclude></noinclude> 9h5cx9qm14acf7zzpus99s0rvxsil9l পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬১ 104 617855 1991649 1859878 2026-07-31T03:54:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991649 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ ৷|৫৯}}</noinclude>এইরূপ স্থির হইল যে দেবগণের অংশোদ্ধার করিয়া একজন অমিত-তেজ-সম্পন্ন রাজাকে সৃষ্টি করা হইবে। ইন্দ্র তিন ভাগ দিলেন, যম তিন ভাগ দিলেন, বায়ু বরুণ প্রভৃতি অপর দিকপাল স্বীয় স্বীয় অংশোদ্ধার করিয়া দিলেন। এই সকল অংশে এক মহাশক্তির জন্ম হইল, তিনিই সেই দানব দলনে সমর্থ হইলেন। এরূপ আখ্যায়িকা আপনারা অনেকবার নিশ্চয় শুনিয়া থাকিবেন। ইংরাজ জাতির জন্মও সেই প্রকারে। আদিতে স্যাক্সন, দিনেমার, নর্ম্মান, প্রভৃতি নানা জাতি সম্মিলিত হইয়া তাহাদের সৃষ্টি হইয়াছে। তৎপরে এখনও বিবাহ সম্বন্ধ বিষয়ে তাঁহাদের কোন কুসংস্কার নাই। ইহাঁরা যেখানেই যাইতেছেন সেইখানেই বিবাহ সম্বন্ধে আবদ্ধ হইতেছেন। ইংরাজ ফরাসিদেশে যাইতেছেন, একটী ফরাসি রমণী ঘরে আনিতেছেন, ইটালিতে যাইতেছেন ইটালীর রমণী ঘরে আনিতেছেন, এইরূপে নিরন্তর নব নব রুধির-স্রোত ইংরাজ সমাজে প্রবাহিত হইতেছে। নানা শক্তির সমাবেশ হইয়া ইহাঁরা শক্তি সম্পন্ন হইয়াছেন। ইহাঁদের ভাষা যেমন নানাভাষা হইতে শব্দ সংগ্রহ করিয়া উন্নতি প্রাপ্ত হইয়াছে, ইহাঁদের দেহ মনও তেমনি নানা জাতির গুণ শক্তি সকল লাভ করিয়া সবল হইয়াছে। {{ফাঁক}}পঞ্চমতঃ—এই জাতিভেদ প্রথা বহু বহু শতাব্দী ধরিয়া আমাদের উন্নতির পথে একটী কঠিন অর্গল স্বরূপ হইয়া রহিয়াছে। চীনদেশবাসীগণ যেমন এক পাষাণ প্রাচীরের<noinclude></noinclude> ma15l62o4g5ygpqse6ymqa13d7td4ws পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬২ 104 617857 1991650 1905250 2026-07-31T03:54:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991650 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|৬০|জাতিভেদ।|}}</noinclude>দ্বারা আপনাদের রাজ্যকে বেষ্টন করিয়া বাহিরের আলোক, বাহিরের উন্নতির স্রোত, বাহিরের চিন্তাকে বহু শতাব্দী ধরিয়া আপনাদের রাজ্যে প্রবেশ করিতে দেয় নাই, হিন্দুগণও তেমনি জাতিভেদরূপ এক আধ্যাত্মিক প্রাচীরের দ্বারা আপনাদিগকে আবদ্ধ করিয়া সকল প্রকার উন্নতির পথে প্রতিবন্ধক অর্পণ করিয়া রাখিয়াছেন। এই কারণেই জাপানবাসীগণ বিগত ৩০ বৎসরের মধ্যে রাজ নীতি, সমাজনীতি প্রভৃতি সম্বন্ধে যতদূর অগ্রসর হইতে পারিয়াছেন, বিগত দেড় শতাব্দীর অধিক ইংরাজ রাজ্যে বাস করিয়াও এদেশবাসীগণ সে উন্নতিলাভ করিতে পারেন নাই। কি আশ্চর্য্য এই ভারতের উপর দিয়া কত স্রোত বহিয়া যাইতেছে। এখানে মহাত্মা বুদ্ধের নব ধর্ম্ম প্রচারিত হইয়াছিল, এখানে মুসলমানগণ সশস্ত্র হইয়া আপনাদের ধর্ম্ম প্রচার করিবার চেষ্টা করিয়াছেন, এখানে শত শত খ্রীষ্টীয় প্রচারক দিবারাত্র পরিশ্রম করিয়া দেহের শোণিত শুষ্ক করিতেছেন, কিন্তু কেহই যেন এই স্থাবর, অচলিষ্ণু ঘণীভূত প্রাণিপুঞ্জকে অগ্রসর করিতেছেন না। ইহার কারণ কি? এই জাতিভেদ প্রথাই ইহার কারণ। জাতিখড়্গ মস্তকোপরি দোদুল্যমান, কে হঠাৎ পা বাড়াইতে সাহসী হইবে। যদি এদেশবাসী নরনারীর গলদেশ জাতির নিগড়ে এত দৃঢ়তর রূপে বদ্ধ না হইত, তাহা হইলে এদেশের রক্ষণশীলতা এত অধিক হইত না।{{nop}}<noinclude></noinclude> 0k15v34vivvpmmt90v9wyupbtwmw0ni পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৩ 104 617859 1991651 1905251 2026-07-31T03:54:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991651 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ।|৬১}}</noinclude>ষষ্ঠত:—জাতিভেদ যেমন এদেশবাসীদিগকে রক্ষণশীল ও উন্নতি পরাঙ্মুখ করিয়াছে, তাহার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনুষ্যত্ব হরণ করিয়াছে। আমাদিগকে কাপুরুষের জাতি করিয়াছে। এই কথাগুলি হৃদয়ের গুরুতর দুঃখ ও ক্ষোভের সহিত বলিতেছি। মানবাত্মার উন্নতির সহায়তা করিবার জন্যই জনসমাজ। যে সমাজে বাস করিয়া আমি জ্ঞানে ধর্ম্মে বর্দ্ধিত হইব, প্রেম পবিত্রতা লাভ করিব, কর্তব্যের পথে অবাধে অগ্রসর হইতে পারিব, স্বাধীন ভাবে অসংকোচে ও নির্ব্বিঘ্নে আপনার সেই মনের শক্তি সকল ঈশ্বরের প্রয়কার্য্য সাধনে নিয়োগ করিতে পারিব, তাহাই ঈশ্বরের ইচ্ছার অনুগত সমাজ। কিন্তু তাহা না হইয়া জনসমাজ যখন প্রপীড়ক ও অত্যাচারী হয়, যখন অবাধে স্বীয় কর্ত্তব্য পালন করিতে দেয় না, যখন সরল ধর্ম্মপিপাসু লোকদিগকে দস্যু তস্করের ন্যায় সাজা দিতে আরম্ভ করে, যখন তন্মধ্যে স্বাধীন ভাবে বিবেকের আদেশ পালন করা যায় না, নিজের আত্মার গৌরব ও মনুষ্যত্ব রক্ষা করিতে পারা যায় না, তখন সে বিকৃত সমাজ ব্যাধিগ্রস্ত দেহের ন্যায়, মানবাত্মার বাসের অযোগ্য হইয়া পড়ে। এই জাতিভেদ প্রথা নিবন্ধন হিন্দু সমাজের সেই দুরবস্থা উপস্থিত হইয়াছে। হায় হায়! ইহাতে আমাদের পুরুষদিগকে কাপুরুষ করিয়া ফেলিয়াছে। জাতি যাওয়ার ভয়ে লোকে স্বীয় কর্তব্যপালনেও পরাঙ্মুখ হইতেছে। ঐ দেখ একজন শিক্ষিত<noinclude></noinclude> 7qou06zpkuqmxoqm0hzlmms20aagkxh পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৪ 104 617861 1991652 1859965 2026-07-31T03:54:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991652 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|৬২|জাতিভেদ ৷|}}</noinclude>গৃহস্থের নিরপরাধা বালিকা কন্যা দশমবর্ষে বৈধব্য দশা প্রাপ্ত হইতেছে। সেই সুকুমারমতি সরল স্বভাবা বালিকা সংসারের সুখ দুঃখ বিষয়ে অনভিজ্ঞ থাকিয়া ধূলা খেলা করিতেছিল, এমন সময়ে পিতা দেশাচারের ভয়ে তাহাকে ধরিয়া তাহার বিবাহ দিয়াছিলেন। এক বৎসর না যাইতে যাইতে সে ঘোর বৈধব্য দশা প্রাপ্ত হইয়াছে। এখন তাহার নবযৌবনের উদয়। শিক্ষিত পিতা ও অশিক্ষিতা জননী যতবার তাহার নবযৌবন প্রস্ফুটিত, সরল ও অনিন্দিত মুখের দিকে দৃষ্টিপাত করিতেছেন ততবার গোপনে অশ্রুবর্ষণ করিতেছেন। তাহাদের হৃদয় বলিতেছে, প্রাণ বলিতেছে, ধর্ম্মজ্ঞান বলিতেছে যে, বল পূর্ব্বক তাহাকে চির বৈধব্য রাখা অকর্ত্তব্য—কিন্তু সাহসে কুলাইতেছে না। কাহার ভয়? জাতি যাওয়ার ভয়। যদি জাতি বলিয়া একটা কিছু না থাকিত যদি দশজনে মিলিয়া একজনকে এত কষ্ট দিতে না পারিত তাহা হইলে কি ঐ বালিকার সাংসারিক সুখের পথে অর্গল পড়িত? বলিতে কি সমাজের ভয়ে লোকের মনুষ্যত্ব লোপ হইতেছে। যদি জাতিভেদ প্রথা না থাকিত সমাজের এত ভয় থাকিত না। {{ফাঁক}}সপ্তমতঃ চিন্তা করিয়া দেখ এই জাতিভেদ প্রথা হইতেই বিবাহ সম্বন্ধীয় রীতি নীতি এতদূর দূষিত হইয়া পড়িয়াছে। ভারতবর্ষের যেখানে হিন্দু সেইখানেই বাল্য বিবাহ প্রচলিত দেখা যায় কেন? জাতিভেদ প্রথা কি ইহার অন্যতম কারণ<noinclude></noinclude> mmd4q4yeetizjvwp9c7b5hsmfb14wlh পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৫ 104 617863 1991653 1905252 2026-07-31T03:54:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991653 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ।|৬৩}}</noinclude>নহে? বাঙ্গলা দেশে প্রধানতঃ তিন শ্রেণীর ব্রাহ্মণ আছেন রাঢ়ী, বৈদিক ও বারেন্দ্র। ইহারা পরস্পরের সহিত বিবাহ সম্বন্ধে আবদ্ধ হন না। ইহাঁদের মধ্যে আবার কুলীন, মৌলিক, বংশজ আছে। ইহাদেরও পরস্পরের মধ্যে বিবাহ সম্বন্ধে অনেক কঠিন নিয়ম। এইরূপে কালক্রমে বিবাহোপযোগী স্থল ক্রমেই সংকীর্ণ হইতে সংকীর্ণতর সীমার মধ্যে বদ্ধ হইয়া আসিতেছে। ইহার উপর এক বাটীতে এক পুরুষের বিবাহ হইলে, সে বাড়ীতে তাঁহার সন্তান সন্ততির বিবাহ হওয়ার স্থল অতি অল্প থাকে। ওদিকে আবার কন্যাদিগকে দশম বৎসরের পর অবিবাহিত রাখিতে ধর্ম্ম শাস্ত্রে কঠিন নিষেধ আছে, সুতরাং কালক্রমে যথা সময়ে উপযুক্ত পাত্র পাওয়া দুষ্কর হইয়া পড়িয়াছে। সুতরাং কন্যাকর্ত্তাগণ উপযুক্ত পাত্র দেখিলেই সময় না আসিতে বিবাহ দিতে বাধ্য হইয়া থাকেন। কি জানি কন্যা বড় হইলে যদি উপযুক্ত পাত্র না পাই, তখন কন্যা রাখিতে পারিবনা সুতরাং উপযুক্ত অনুপযুক্ত বিবেচনার সময় থাকিবে না, অতএব সময় থাকিতে একটা উপযুক্ত পাত্র দেখিয়া দুই হস্ত এক করিয়া দেওয়া যাউক। গৃহস্থগণ এইরূপ বুদ্ধি প্রণোদিত হইয়া কার্য্য করিয়াছেন ও করিতেছেন। এই কারণে কলিকাতার দক্ষিণস্থ বৈদিকগণের মধ্যে সূতিকা গৃহ হইতে বহির্গত হইলেই কন্যার বিবাহ সম্বন্ধ করিবার প্রথা প্রচলিত হইয়াছে। এই জন্যই কুলীন ব্রাহ্মণ দিগের মধ্যে পারিবারিক সুখের কণ্টক স্বরূপ বাল্য বিবাহ<noinclude></noinclude> gofygauutyl4javcfrfymgiufs7eumd পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৬ 104 617865 1991654 1859996 2026-07-31T03:54:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991654 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|৬৪|জাতিভেদ।|}}</noinclude>প্রথা প্রচলিত হইয়াছে। এই কারণেই এতদ্দেশীয় সুবর্ণ বণিক, বৈদ্য, কায়স্থ প্রভৃতি সকল শ্রেণীর মধ্যেই কন্যার বিবাহের ব্যয় ভয়ানক বৃদ্ধি হইতেছে। এই ব্যয় ইতিমধ্যে এতদূর বাড়িয়াছে যে, কোন গৃহস্থের গৃহে তিনটী কন্যা জন্মিলে, সেই তিন কন্যার বিবাহ দিতে তাঁহাকে সর্ব্বস্বান্ত হইতে হইতেছে। যাঁহাদের ঘরে উপযুক্ত বুদ্ধিমান ও শিক্ষিত পুত্র আছে, তাঁহাদের লাভের সীমা নাই। তাঁহারা এক একটী পুত্রকে নীলামে বিক্রয় করিয়া অনেক অর্থ উপার্জ্জন করিতেছেন। এই সামাজিক দৌরাত্ম্য পূর্ব্বোক্ত শ্রেণীসকলের মধ্যে এত অসহ্য হইয়া পড়িয়াছে যে, তাঁহারা এই অনিষ্ট নিবারণের জন্য মধ্যে মধ্যে সভা করিতেছেন ও বলিতেছেন এস সকলে প্রতিজ্ঞা পুর্ব্বক একটা ব্যয় ধার্য্য করি, তাহার অধিক কোন বরকর্ত্তা চাহিতে পারিবেন না। কিন্তু তাঁহাদের সে সকল চেষ্টা সম্পূর্ণ সফল হইতেছে না। হইবে কেন? যে জাতিভেদ প্রথা হইতে বাল্য বিবাহের সৃষ্টি, যে জাতিভেদ প্রথা নিবন্ধন একটী ভাল ছেলের জন্য নীলামের ডাক পড়ে, সে প্রথা অপরিবর্তিত থাকিতে উক্ত অনিষ্ট নিবারিত হইতে পারে না। {{ফাঁক}}অষ্টমতঃ—জাতিভেদ প্রথাকে এজন্য ঘৃণা করি যে ইহা অধর্ম্মের উপরে প্রতিষ্ঠিত। জগদীশ্বর মানবকে দেহ মনের শক্তি দিয়া প্রত্যেককে এই অধিকার দিয়াছেন, আপনার ইচ্ছা মত সেই সমুদায় শক্তি নিজ উন্নতি সাধনে ও অপরের<noinclude></noinclude> gamc8fh8wqnkoxkzyvwk8j6wbqdk20n পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৭ 104 617867 1991655 1905253 2026-07-31T03:54:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991655 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh||জাতিভেদ।|৬৫}}</noinclude>কল্যাণ সাধনে নিয়োগ করিবে। ইহাই ঐশ্বরিক বিধি। জাতিভেদ প্রথা এই বিধিকে লঙ্ঘন করিয়াছে। জাতিভেদ প্রথা বলিতেছে তুমি যদি বুদ্ধিমান হও, যদি জ্ঞানী হও, যদি ধার্ম্মিক প্রবর হও, কিন্তু তুমি যদি শূদ্র হও তবে তুমি ব্রাহ্মণের সমাধিকার পাইবে না। এই ন্যায়বিরুদ্ধ, ধর্ম্মবিরুদ্ধ ও ঈশ্বরেচ্ছা বিরুদ্ধ বিধি প্রচলিত থাকাতে বহু বহু শতাব্দী ধরিয়া ব্রাহ্মণগণ ব্রাহ্মণেতর জাতিদিগের প্রতিভা ও আধ্যাত্মিক শক্তি সকলকে চাপিয়া রাখিয়াছিলেন। তাহাদিগকে এইরূপে পদতলে চাপিয়া রাখাতে কি দেশের সমূহ অকল্যাণ করা হয় নাই? তাহারা যদি অবাধে আপনাদের শক্তি সকলকে বিকশিত করিবার অবসর পাইত, যদি স্বীয় শক্তি অনুসারে উন্নত পদে আরোহণ করিতে পারিত, যদি তদনুরূপ সামাজিক সম্ভ্রম লাভে সমর্থ হইত, যদি আপনাদের প্রতিভালোকে দেশীয় সাহিত্যকে আলোকিত করিতে পারিত, তাহা হইলে কি তাহাদের গৌরবে দেশ আরও গৌরবান্বিত হইত না? তাহাদের যশঃ সৌরভে ভারতাকাশকে আমোদিত করিত না? সে লাভ কাহার হইত? বর্ত্তমান সময়ে জাতিভেদের প্রকোপ শিথিল হওয়ার ফল আমরা কি দেখিতে পাইতেছি? আমাদের ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার, আমাদের কৃষ্ণদাস পাল, কে ইহাদের নাম স্মরণপূর্ব্বক স্বদেশকে গৌরবান্বিত মনে করে না? জাতিভেদ প্রবল থাকিলে কি এ সকল লোককে পাওয়া যাইত? ইহাদিগের দ্বারা<noinclude></noinclude> ax41kktjdi1jbnvxdfqibndm1ele198 পাতা:জাতিভেদ - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৮ 104 617869 1991656 1905254 2026-07-31T03:54:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991656 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sba-202" />{{rh|৬৬|জাতিভেদ।|}}</noinclude>দেশ কি উপকৃত হইতেছে না? চিন্তাবিহীন যুবক! তুমি কি কখনও ভাবিয়া দেখিয়াছ, এই দুরন্ত জাতিভেদ প্রথা প্রচলিত না থাকিলে আরও কত মহেন্দ্রলাল সরকার ও কৃষ্ণদাস পাল জন্মিতে পারিত। তবে দেখ জাতিভেদ প্রথা তোমার দেশের কি শত্রুতা করিয়াছে। ইলবার্ট বিলের আন্দোলনের সময় ইংরাজগণ বলিয়াছিলেন— ভারতবীরগণ বিদ্যা বুদ্ধিতে যতই বড় হউক, আমাদের সমাধিকার পাইতে পারে না। তাহাতে কেন সকলে বিরক্ত হইয়াছিলেন? ইহাতে জাতিভেদের কথা. ইহা ধর্ম্ম বিরুদ্ধ। পাপের উপর ইহার ভিত্তি। {{ফাঁক}}নবমতঃ—আমি মনে করি জাতিভেদ প্রথা নিবন্ধনই এ দেশবাসীদিগের পক্ষে পরের দাসত্ব পাশ গলে ধারণ করা সহজ হইয়াছে। ব্রাহ্মণেতর জাতির সংখ্যা দেশে সর্ব্বকালেই অধিক ছিল। উক্ত ব্রাহ্মণেতর জাতিগণ কঠোর আধ্যাত্মিক দাসত্বের মধ্যে বাস করিয়া মনুষ্যত্ববিহীন হইয়া পড়িয়াছিল সুতরাং যখন বিদেশীয়গণ এ দেশ আক্রমণ করিল, তখন মনুষ্যত্ববিহীন ও দাসত্বে অভ্যস্ত জাতি সকল অনায়াসে তাহাদের দাসত্ব নিগড় গলদেশে ধারণ করিতে সম্মত হইল। {{ফাঁক}}আর অধিক দোষ প্রদর্শনের প্রয়োজন নাই। এই জাতি ভেদ হইতে সমুহ অনর্থের উৎপত্তি হইয়াছে। এই জাতিভেদ প্রথা, ভারতে ঈর্ষ্যানল প্রজ্জ্বলিত করিয়াছে ইহাতে ভ্রাতৃবিদ্বেষ ঘটাইয়াছে, কায়িক শ্রমকে নিকৃষ্ট করিয়াছে, শিল্প বাণিজ্যের দুর্গতি করিয়াছে, দারিদ্র যাতনা বৃদ্ধি করিয়াছে,<noinclude></noinclude> pk4mdumt3of2736zxam7kmdg42vu7gq পাতা:পুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড দ্বিতীয় সংখ্যা) - দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/২৬৮ 104 629314 1992062 1985936 2026-07-31T04:18:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992062 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh|১৫২|পূর্ব্ববঙ্গ গীতিকা|}}{{block center/s}}</noinclude><poem> নিশির স্বপ্নের কথা হয় বা না হয়<ref>হয় বা না হয় = সত্য বা মিথ্যা কে বলিতে পারে।</ref>। এই ডিঙ্গায় যে আইছে সাধু কি তার পরতয়<ref>পরতয় = প্রত্যয়, বিশ্বাস।</ref>॥২০ মুখেতে চান্নিমার পর<ref>চান্নিমার পর = চাঁদের কিরণ। ‘পর’ শব্দের অর্থ বোধ হয় ‘আলো’, ‘পশর’ শব্দের অপভ্রংশ।</ref> মৈলান হইয়া গেল। শুকের গলা ধইরা কন্য কান্দিতে লাগিল। শুকেরে জিগায় কন্যা দুস্থের বিবরণ। এই ডিঙ্গায় আইছে নি কও সাধুর নন্দন॥ ২৪ মূরুখ বনিয়ালা পাখী এক কথা কয়। সেই কথা কন্যার কাছে সাধুর পরিচয়॥ ২৬ দরবারে বসিয়া আছে মানিক সদাগর। চাইর দিকে সাইসঙ্গত<ref>সাই সঙ্গত = সাথী ও বন্ধু, সঙ্গত = বাহারা সঙ্গে থাকে।</ref> কত বহুতর॥ হেন কালে মদন সাধু কোন্ কাম করে। হীরামন মাণিক্য লইয়া ভেটাইল সাধুরে॥ ৩০ মাণিক সাধু কয় আরে সাধু সদাগর। কি কাজে আইসাছ তুমি কোন্‌বা দেশে ঘর॥ চান্দের সমান রূপ নাহি দেখি আর। কিবা নাম মাতা পিতার কিবা নাম তোমার॥ ৩৪ আমার বাপের নাম মুরারী সদাগর। উজানি নদীর পারে শঙ্খপুরে ঘর। বাণিজ্য কারণে ঘুরি আমি তাহার নন্দন। বাপমায় নাম মোর রাইখ্যাছে মদন॥ বড় দাগা পাইয়া আইসাছি তোমার কাছে। বিধাতা লেপ্যাছে দুস্থ কপালে ফল্যাছে<ref>ফল্যাছে = ফলিয়াছে।</ref>॥</poem><noinclude>{{block center/e}}{{rule}}</noinclude> 6h96w1dxw5t3ngttq6h72nvx95q80gl পাতা:বাঙ্গালা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বক্তৃতা.pdf/৮০ 104 637859 1992117 1872288 2026-07-31T04:21:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992117 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh|৭৬|বাঙ্গালা ভাষা ও সাহিত্য।|}}</noinclude>উপযুক্ত সময়েই এই সভা সংস্থাপন করিয়াছেন। তাঁহাদিগের যত্ন ও অধ্যবসায় দেখিলে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হইতে হয়। নিরুৎসাহ বৃদ্ধত্বের একটি প্রধান লক্ষণ, কিন্তু তাঁহাদিগের উৎসাহ দেখিয়া বৃদ্ধেরা পর্য্যন্ত যৌবনের উৎসাহে উৎসাহান্বিত হইয়াছেন। উৎসাহ সাংক্রামিক গুণ; এই উৎসাহানল তাঁহারা ক্রমশঃ চতুর্দ্দিকে বিকীর্ণ করিতে থাকুন। তাঁহারা অচিরাৎ সুসিদ্ধির সহিত সাক্ষাৎ করিবেন। তাঁহাদিগের মধ্যে অধিকাংশই যুবক, তাঁহারা অনেক দিন বাঁচিবেন। তাঁহাদিগের নিকট হইতে আমরা এক্ষণে অনেক প্রত্যাশা করিতে পারি। যৌবন অতি মনোহর কাল। এক্ষণে আশা তাঁহাদিগের সম্মুখে,—উৎসাহ তাঁহাদিগের দক্ষিণে,—আনন্দ তাঁহাদিগের বামে। এক্ষণে তাঁহাদিগকে কে পায়?— ঈশ্বর তাঁহাদিগের মঙ্গল চেষ্টা সফল করুন।<ref>এই প্রবন্ধে ভুলক্রমে যথাস্থানে হেমবাবুর “বৃত্রসংহার” নামক শ্রেষ্ঠ বীররস প্রধান কাব্য এবং বঙ্কিম বাবুর “বিজ্ঞানরহস্য” গ্রন্থের উল্লেখ করা হয় নাই। বঙ্কিমবাবুর “বিজ্ঞানরহস্য” কেবল মাত্র অনুবাদ অথবা সংগ্রহ নহে! এই পুস্তক এবং তাঁহার প্রণীত “লোকরহস্য”, “বিবিধসমালোচন” এবং উচ্চভাবের বহুতর তানবিশিষ্ট “কমলাকান্তের দপ্তর” প্রমাণ করিতেছে যে, তিনি কেবল উপন্যাস রচনাতে অদ্বিতীয় এমত নহে; অন্যান্য বিষয়েও লিখিতে অসাধারণরূপে পারগ। গভীর চিন্তাশীল বান্ধব সম্পাদক শ্রীযুক্ত কালীপ্রসন্ন ঘোষের “প্রভাত চিত্তা”, সাধারণীর সুযোগ্য ও সুরসিক সম্পাদক শ্রীযুত অক্ষয়চন্দ্র সরকারের প্রণীত “উদ্দীপনা” প্রভৃতি প্রবন্ধেরও কোন উল্লেখ এই বক্তৃতাতে করা হয় নাই, কিন্তু উক্ত প্রবন্ধগুলি বঙ্গদর্শন ও বান্ধবে প্রথম প্রকাশিত হইয়াছিল। যখন এই বক্তৃতায় ঐ সাময়িক পত্রিকাদ্বয়ের বিষয় বলা হইয়াছে, তখন ঐ সকল প্রবন্ধের কথাও বলা হইয়াছে গণা করিতে হইবেক।</ref> {{dhr}} {{কেন্দ্র|{{larger|'''সম্পূর্ণ।'''}}}} {{কেন্দ্র|PRINTED AT THE NEW BENGAL PRESS, 102, GREY STREET, CALCUTTA.―1878.}} {{nop}}<noinclude></noinclude> fkekuvkfy0zq5jh1r8w9g2jdmwks9uc পাতা:গোপীচন্দ্র (দ্বিতীয় খণ্ড) - দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/১৪ 104 642764 1992249 1873337 2026-07-31T04:54:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992249 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh|৮|গোপীচন্দ্রের গান|}}</noinclude>সংস্কৃত-যুগে এই চুলের সমৃদ্ধি বুঝাইতে কালসর্প, “কলঙ্ক চাঁদার” প্রভৃতি কত উৎপ্রেক্ষার ছড়াছড়ি পড়িত। তারপর,—কথা বলিবার একটা নির্দ্দিষ্ট ভঙ্গী এই সকল কবিতায় পাওয়া যায়, যদ্দ্বারা ইহাদের আদর্শের একত্ব প্রতিপাদিত হয়। কি গোরক্ষ বিজয়, কি ময়নামতীর গান, কি রূপ-কথা,—সর্ব্বত্র, “প্রদীপ নিবিলে তৈল দিয়া কি হইবে? জল চলিয়া গেলে আইল বাঁধিলে কি হইবে?—ইত্যাদি ধরণের আক্ষেপোক্তি আছে—অবশ্য সংস্কৃত উদ্ভট কবিতা খুঁজিলে “নির্ব্বাণ দীপে কিমু তৈল দানং” প্রভৃতি কথা পাওয়া যায়। কিন্তু আমার বিশ্বাস প্রাচীন বাঙ্গলা কবিতা হইতে এইরূপ সংস্কৃত উদ্ভট সৃষ্ট হইয়াছিল। তৃতীয়তঃ কোথায় গোপীচন্দ্রের গান আর কোথায় ময়মনসিংহ গীতিকা?—কিন্তু ইহারা দুই ভিন্ন জগতের কথা হইলে অনেক কথা ছত্রে ছত্রে মিলিয়া যায়—ময়মনসিংহ গীতিকার মলুয়ায় ৮০ পৃঃ (২১-২৬) পংক্তি ও আমাদের এই গোপীচন্দ্রের ৯৭ পৃঃ ৬৭৫-৭৬ পংক্তি মিলাইয়া পড়ুন। গোপীচন্দ্রের গানের সন্ন্যাস খণ্ডে ৫৫ পৃষ্ঠার সঙ্গে মনসার ভাসানে (বঙ্গসাহিত্য পরিচয়) ২৮৮ পৃষ্ঠার বর্ণনারও সেইরূপ বিশেষ ঐক্য দৃষ্ট হয়।<ref> {{block center|<poem>“বান্দি বান্দি বলি তখন ডাকে বন বন কি করি বান্দিব বিটি কার পানে চাও বাপ কালিয়া কাপড়ের ঝাপী আনিয়া ফেলাও। আনিল প্যাটারা বান্দি ঘুচালে ঢাকনি! দুই নগুলে বাহির কেল্ল বাঙ্গাল গাইয়া ভনি। ঐ সাড়ি পরি নটী উপ নেহালায়। মনত না খাইল সাড়ি বান্দিকে বিলায়। আর এক না সাড়ি পরে নির্যর মেলানি।” {{gap|8em}}গোপীচন্দ্র, সন্ন্যাস, খণ্ড, ২.. পৃঃ “কাপড়ের পেটারি বালি আনে টান দিয়া। খান কত বঙ্গ তোলে নিচিয়া বাচিয়া। প্রথমে পরেন সাড়ি ‘নাম যাত্রা সিদ’। নাটুয়ায় নাট করে গায়েন গায় গীত। সে কাপড় পরিয়া বালি আগে পাছে চায়। মনোরমা নহে কাপড় পেটরায় পরায়।” {{gap|8em}}বঙ্গ সাহিত্য পরিচয়, ২৮৮ পৃঃ।</poem>}}</ref> তাহা -<noinclude></noinclude> 2ybku02z7pqa23lu7ws1p6v9xigaf97 পাতা:গোপীচন্দ্র (দ্বিতীয় খণ্ড) - দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৩৫১ 104 643119 1992008 1768305 2026-07-31T04:13:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992008 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||গোপীচন্দ্রের পাঁচালী|৭৭}} {{Head2Columns‎}}</noinclude>{{hi/m}}প্রচুর লালা নির্গত হয়। ঐ লালাই অভ্র। কবিকঙ্কণে ‘মেঘ ডম্বরু কাপড়’।{{hi/e}} {{hi|{{larger|নেপুর—}}গুজরাটীতেও।}} {{hi|{{larger|ঝামুর জুমুর—}}ধ্বন্যাত্মক শব্দ।}} {{hi|{{larger|কাম সিন্দুর—}}উদ্দীপক সিন্দুর-বিন্দু। কৃ° কী°’এ ‘শিশত শোভএ তোর কাম সিন্দুর।’ (পৃ° ৬৮), বিজয় গুপ্তেব পদ্মাপুরাণে ‘আর এক আইও বলে আপন কপাল নিন্দ। কাম-সিন্দুর হয় লখাই কপাল ভরিয়া পিন্ধ॥’ (পৃ° ১৭৭)। হিন্দুসমাজে সধবা স্ত্রীলোকদিগের সীমন্তে সিন্দুর ধারণ একটি প্রাচীন প্রথা। গোভিলগৃহ্যসূত্র ও সংস্কার তত্ত্বাদিতে উহার উল্লেখ আছে। পতিব্রতা ভর্ভতার আয়ু ইচ্ছা করিলে সিন্দুর, করভূষণ প্রভৃতি কখন ত্যাগ করিবে না।}} {{Block center|<poem>হরিদ্রাং কুমকুমঞ্চৈব সিন্দুরং কজ্জলং তথা। কার্পাসকঞ্চ তাম্বুলং মাঙ্গল্যাভরণং শুভম্॥ কেশসংস্কার-কবরী করকর্ণ-বিভূষণম্। ভর্ত্তুর্ আয়ুষ্যম ইচ্ছন্তী দরয়েন্ ন পতিব্রতা॥ {{ডান|—স্কন্দপুরাণ, কাশীখণ্ড, ৪ অধ্যায়।}}</poem>}} {{hi/m}}{{gap}}আবার বিধবার পক্ষে ঐ ঐ দ্রব্য-ধারণ বা উহার ব্যবহার নিষিদ্ধ।{{hi/e}} {{Block center|<poem>ন ধত্তে দিব্যবস্ত্রঞ্চ গন্ধদ্রবং সুতৈলকন। স্রজঞ্চ চন্দনঞ্চৈব শঙ্খ-সিন্দূর-ভূষণম॥ {{ডান|—ব্রহ্মবৈবর্ত্ত, শ্রীকৃষ্ণজন্মখণ্ড, ৮৩ অধ্যায়।}}</poem>}} {{C|{{larger|পৃষ্ঠা ৩৩৫}}}} {{hi|{{larger|জোড় মন্দির ঘর—}}পূর্ব্বে ‘জোড় বাঙ্গালা’ (পৃ° ৬৭, ২৪৯, ২৫২)।}} {{hi|{{larger|রূপ রঙ্গ—}}রূপের লীলাবৈচিত্র বা সুরতশোভা।}} {{hi|{{larger|দয়ার বন্ধু—}}সোহাগের স্বামী।}} {{hi|{{larger|তোমার আমার—}}আমাদের তোমায়।}} {{দুই কলাম}} {{hi|{{larger|তার—}}তারে, তাহাকে।}} {{hi|{{larger|প্রভু নিরঞ্জন—}}‘নিরঞ্জন’ শব্দ বৌদ্ধ ত্রিরত্নের অন্যতম ধর্ম্মের তথা শিবেরও দ্যোতক।}} {{hi|{{larger|আহে—}}সম্ভাষণে।}} {{hi|{{larger|পরাণি—}}প্রাণ, জীবন; বিপ্রকর্ষ।}} {{hi|{{larger|চরা করে—}}বিচরণ করে, ঘাস খায়।}} {{hi|{{larger|হরিণা—}}প্রা° হ রি ণ অ।}} {{hi|{{larger|পাসরএ—}}প্রা° প স্ স র ই (প্রস্মরতি)।}} {{hi|{{larger|সেই পশুর বুদ্ধি}} ইত্যাদি—তুমি রাজা, কিন্তু তোমার পশুর ন্যায় বুদ্ধিও নাই। ভর্ৎসনা।}} {{hi|{{larger|এতবারে—}}পুনঃ পুন।}} {{hi|{{larger|আঠার বৎসর হল}} ইত্যাদি—এখানে রাজা ও রাণীদের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ছয় বৎসর; কিন্তু ‘তুমি সাত আমি পাচ’ ইত্যাদি চরণে মাত্র দুই বৎসরের তফাৎ হয়।}} {{hi|{{larger|বিমশিল—}}বিচার করিল, চিন্তা করিল।}} {{C|{{larger|পৃষ্ঠা ৩৩৬}}}} {{hi|{{larger|অদুনাএ বোলে বৈন গ}} ইত্যাদি—ভগিনি পদুনা সুন্দরি, ভাবনা কি? আমি কম বুদ্ধিমতী নহি। কায়স্থ জাতি বুদ্ধিজীবী বলিয়া প্রসিদ্ধ, কিন্তু তুলনায় তাহাদের প্রতিভাও আমার নিকট হারি মানে।}} {{hi/s}}{{larger|অদুনাএ—}}nom. sing, মাগধী ‘ইদেৎসৌ’; বাঙ্গালায় আকারান্ত শব্দেও প্রযুক্ত হয়। {{larger|সুন্দর—}}বিশেষ্য-পদ, স্ত্রী-প্রত্যয়ের অভাব। সুন্দরী রমণী। সাত অঙ্কের বিশিষ্টতা লক্ষণীয়: ‘সাত রাজার ধন এক মাণিক’, ‘সাতেও হুঁ পাঁচেও হুঁ’, ‘সাতেও নাই পাঁচেও নাই’, ‘সাত নকলে আসল খাস্ত’, ‘সাত চড়ে রা নাই’, ‘সাত সমুদ্র তের নদী’, ‘সাত পাঁচ’, ‘সাত সতের’, ‘সাত কাণ্ড’, ইত্যাদি। {{larger|কাইত—}}ধর্ম্মশাস্ত্র ও পুরাণে{{hi/e}}<noinclude>{{Foot2Columns‎}}</noinclude> fwdr2xf6x5i9g8b6qryt9fl29bl00kz পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১১ 104 655016 1991885 1980741 2026-07-31T04:09:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991885 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{Rh||আ জ কা ল প র শু র গ ল্প|}}</noinclude>ধমক দিয়ে বারণ করে দিয়েছে রামপদকে। অন্য ক’জন উপস্থিত ছিল সেখানে। একটু ভয় হয়েছে তাই রামপদ’র। একটু ভাবনা হয়েছে। {{ফাঁক}}একটু! {{ফাঁক}}নৌকোতে পাতবার সতরঞ্চিটা কাঁঠাল তলায় বিছিয়ে তিন জন বসে। রামপদকেও বসায়। মুক্তা এতক্ষণ পরে সরে এসে সুরমার পিছনে গা ঘেঁষে মাটিতেই বসে। ঘোমটা তার ছোট হয়ে গেছে। ছোট ঘোমটার মিথ্যে আড়াল থেকে একদৃষ্টে সে তাকিয়ে থাকে রামপদ’র মুখের দিকে। বৌয়ের চােখে এমন চাউনি রামপদ কোন দিন দ্যাখেনি। {{ফাঁক}}এ সমস্যা তুচ্ছ করার মতো নয়। এক জন বড় মাতব্বর আর তার ধামাধরা ক’জন তুচ্ছ লোক রামপদ’র পারিবারিক ব্যাপারে নিয়ে কর্ত্তালি না করতে এলে এ হাঙ্গামা ঘটত না। দু’চার জন হয়তো ঠাট্টা বিদ্রূপ করত কিছু দিন, দু’—চার জন হয়তো বর্জ্জনও করত রামপদকে, কিন্তু সাধারণভাবে মানুষ মাথা ঘামাত না। চারিদিকে যা ঘটেছে আর ঘটছে তার কাছে এ আর এমন কি কাণ্ড? না খেয়ে রোগে ভুগে কত মানুষ মরে গেল, কত মানুষ কত পরিবার নিরুদ্দেশ হয়ে গেল, কোন বাড়ীর দশ জন কোথায় গিয়ে ফিরে এল মটে দু’জন ধুঁকতে ধুঁকতে, কত মেয়ে-বৌ চালান হয়ে গেল কোথায়, এমনি সব কাণ্ডের মধ্যে কার বৌ কোথায় ক’মাস নষ্টামী করে ফিরে এসেছে, এ কি আবার একটা গণ্য করার মতো ঘটনা? এ যেন প্রলয়ের সময় কে কার ডোবার জল নোংরা করছে তোই নিয়ে ব্যস্ত হওয়া। কিন্তু<noinclude>{{ডান|৭}}</noinclude> jiosvmja2k09lfvuci0btk4bct5rqf6 পাতা:বীরবলের হালখাতা - প্রমথ চৌধুরী.pdf/১৮ 104 663882 1992137 1984469 2026-07-31T04:23:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992137 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Taheralmahdi" />{{rh|২০|বীরবলের হালখাতা|}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৫}} {{gap}}তোমরা বিদেশে ছুটে বেড়াও, আমরা ঘরে শুয়ে থাকি। আমাদের সমাজ স্থাবর, তোমাদের সমাজ জঙ্গম। তোমাদের আদর্শ জানোয়ার, আমাদের আদর্শ উদ্ভিদ। তোমাদের নেশা মদ, আমাদের নেশা আফিং। তোমাদের সুখ ছটফটানিতে, আমাদের সুখ ঝিমুনিতে। সুখ তোমাদের ideal, দুঃখ আমাদের real। তোমরা চাও দুনিয়াকে জয় করবার বল, আমরা চাই দুনিয়াকে ফাঁকি দেবার ছল। তোমাদের লক্ষ্য আরাম, আমাদের লক্ষ্য বিরাম। তোমাদের নীতির শেষ কথা শ্রম, আমাদের আশ্রম। {{কেন্দ্র|৬}} {{gap}}তোমাদের মেয়ে প্রায়-পুরুষ, আমাদের পুরুষ প্রায়-মেয়ে। বুড়ো হলেও তোমাদের ছেলেমি যায় না, ছেলেবেলাও আমরা বুড়োমিতে পরিপূর্ণ। আমরা বিয়ে করি যৌবন না আসতে, তোমরা বিয়ে কর যৌবন গত হলে। তোমরা যখন সবে গৃহপ্রবেশ কর, আমরা তখন বনে যাই। {{কেন্দ্র|৭}} তোমাদের আগে ভালোবাসা পরে বিবাহ; আমাদের আগে বিবাহ পরে ভালোবাসা। আমাদের বিবাহ ‘হয়’, তোমরা বিবাহ ‘কর’। আমাদের ভাষায় মুখ্য ধাতু ‘ভূ’, তোমাদের ভাষায় ‘কৃ'। তোমাদের রমণীদের রূপের আদর আছে, আমাদের রমণীদের গুণের কদর নেই। তোমাদের স্বামীদের পাণ্ডিত্য চাই অর্থশাস্ত্রে, আমাদের স্বামীদেব পাণ্ডিত্য চাই অলংকারশাস্ত্রে। {{কেন্দ্র|৮}} {{gap}}অর্থাৎ এক কথায়, তোমরা যা চাও আমরা তা চাই নে, আমরা যা চাই তোমরা তা চাও না; তোমরা যা পাও আমরা তা পাইনে, আমরা যা পাই তোমরা তা পাও না। আমরা চাই এক, তোমরা চাও অনেক। আমরা একের বদলে পাই শূন্য, তোমরা অনেকের বদলে পাও একের পিঠে অনেক শূন্য। তোমাদের দার্শনিক চায় যুক্তি, আমাদের দার্শনিক চায় মুক্তি। তোমরা চাও বাহির, আমরা চাই ভিতর। তোমাদের পুরুষের জীবন বাড়ির বাইরে, আমাদের পুরুষের মরণ বাড়ির ভিতর। আমাদের গান আমাদের বাজনা তোমাদের মতে শুধু বিলাপ, তোমাদের গান তোমাদের বাজনা আমাদের মতে শুধু প্রলাপ। তোমাদের বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য সব জেনে কিছু না জানা, আমাদের জ্ঞানের উদ্দেশ্য কিছু না জেনে সব জানা। তোমাদের পরলোক<noinclude></noinclude> e9hizeiv0dw9ae9uy78latke47almvr পাতা:দেবদাস - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৮ 104 680006 1992049 1428493 2026-07-31T04:16:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992049 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" />{{rh|৭||দেবদাস}}</noinclude>বাতাস করিতেছিল। সছাত্র পণ্ডিতের অসময় আগমনে কিছু বিস্মিত হইয়া কহিলেন, গোবিন্দ যে! {{gap}}গোবিন্দ জাতিতে কায়স্থ—ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিয়া ভুলোকে দেখাইয়া সমস্ত কথা সবিস্তারে বর্ণনা করিলেন। মুখুয্যেমশায় বিরক্ত হইলেন; বলিলেন, তাইত, দেবদাস যে শাসনের বাইরে গেছে দেখচি! {{gap}}কি করি, আপনি হুকুম করুন। {{gap}}জমিদারবাবু নলটা রাখিয়া দিয়া কহিলেন, কোথা গেল সে? {{gap}}তা কি জানি? যারা ধরতে গিয়েছিল, তাদের ইঁট মেরে তাড়িয়েচে। {{gap}}তাঁহারা দুইজনেই কিছুক্ষণ চুপ করিয়া রহিলেন। নারায়ণবাবু বলিলেন, বাড়ি এলে যা হয় করব। {{gap}}গোবিন্দ ছাত্রের হাত ধরিয়া পাঠশালায় ফিরিয়া গিয়া মুখ ও চোখের ভাব-ভঙ্গীতে সমস্ত পাঠশালা সন্ত্রাসিত করিয়া তুলিলেন এবং প্রতিজ্ঞা করিলেন যে, দেবদাসের পিতা সে অঞ্চলের জমিদার হইলেও তাহাকে আর পাঠশালে ঢুকিতে দিবেন না। সেদিন পাঠশালার ছুটি কিছু পূর্বেই হইল; যাইবার সময় ছেলেরা অনেক কথা বলাবলি করিতে লাগিল। {{gap}}একজন কহিল, উঃ! দেবা কি ষণ্ডা দেখেচিস! {{gap}}আর একজন কহিল, ভুলোকে আচ্ছা জব্দ করেচে। {{gap}}উঃ, কি ঢিল ছোঁড়ে! {{gap}}আর একজন ভুলোর তরফ হইতে কহিল,—ভুলো শোধ নেবে দেখিস। {{gap}}ইস্‌—সে তো আর পাঠশালায় আসবে না যে শোধ নেবে। {{gap}}এই ক্ষুদ্র দলটির একপাশে পার্ব্বতীয় বই-শ্লেট লইয়া বাড়ি আসিতেছিল। সে নিকটবর্তী একজন ছেলের হাত ধরিয়া জিজ্ঞাসা করিল, মণি, দেবদাদাকে আর পাঠশালায় সত্যি আসতে দেবে না? {{gap}}মণি বলিল, না—কিছুতেই না। {{gap}}পার্ব্বতী সরিয়া গেল—কথাটা তার বরাবরই ভাল লাগে নাই। {{gap}}পার্ব্বতীর পিতার নাম নীলকণ্ঠ চক্রবর্তী। চক্রবর্তী মহাশয় জমিদারদের প্রতিবেশী অর্থাৎ মুখুয্যে মহাশয়ের খুব বড় বাড়ির পার্শ্বে তাঁহার ছোট এবং পুরাতন সেকেলে ইঁটের বাড়ি। তাঁহার দু-দশ বিঘা জমিজমা আছে, দু’—চার<noinclude></noinclude> jwh1hwvxyfvhbc5omsels1ogkx2j3lx পাতা:দেবদাস - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/১০৭ 104 680305 1992050 1428646 2026-07-31T04:16:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992050 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ali Imran Jidny" />{{rh|দেবদাস||১০৭}}</noinclude>{{gap}}ভোর হইল। সকালবেলা জমিদারবাটী হইতে লোক বাহির হইল,— এক আশ্চর্য দৃশ্য। গাছতলায় একজন লোক মরিতেছে। ভদ্রলোক। গায়ে শাল, পায়ে চকচকে জুতো, হাতে আংটি। একে একে অনেক লোক জমা হইল। ক্রমে ভুবনবাবুর কানে এ কথা গেল, তিনি ডাক্তার আনিতে বলিয়া নিজে উপস্থিত হইলেন। দেবদাস সকলের পানে চাহিয়া দেখিল; কিন্তু তাহার কণ্ঠরোধ হইয়াছিল— একটা কথাও বলিতে পারিল না, শুধু চোখ দিয়া জল গড়াইয়া পড়িতে লাগিল। গাড়োয়ান যতদূর জানে বলিল, কিন্তু তাহাতে সুবিধা হইল না। ডাক্তার আসিয়া কহিল, শ্বাস উঠেছে, এখনই মরবে। {{gap}}সকলেই কহিল, আহা! {{gap}}উপরে বসিয়া পার্ব্বতী এ কাহিনী শুনিয়া বলিল, আহা! {{gap}}কে একজন দয়া করিয়া মুখে একফোঁটা জল দিয়ে গেল। দেবদাস তাহার পানে করুণদৃষ্টিতে একবার চাহিয়া দেখিল, তাহার পর চক্ষু মুদিল। আরও কিছুক্ষণ বাঁচিয়া ছিল, তাহার পরে সব ফুরাইল। এখন কে দাহ করিবে, কে ছুঁইবে, কি জাত ইত্যাদি লইয়া তর্ক উঠিল। ভুবনবাবু নিকটস্থ পুলিশ-স্টেশনে সংবাদ দিলেন। ইন্‌স্পেক্টর আসিয়া তদন্ত করিতে লাগিল। প্লীহা-লিভারে মৃত্যু। মুখে রক্তের দাগ। পকেট হইতে দুইখানা পত্র বাহির হইল। একখানা তালসোনাপুরের দ্বিজদাস মুখুয্যে বোম্বায়ের দেবদাসকে লিখিতেছে—টাকা পাঠান এখন সম্ভব নয়। আর একটা কাশীর হরিমতী দেবী উক্ত দেবদাস মুখুয্যেকে লিখিতেছে—কেমন আছ? {{gap}}বাঁ হাতে উলকি দিয়া ইংরাজী অক্ষরে নামের আদ্যাক্ষর লেখা আছে। ইন্‌স্পেক্টরবাবু তদন্ত করিয়া কহিলেন, হ্যাঁ, লোকটা দেবদাস বটে। {{gap}}হাতে নীলপাথর দেওয়া আংটি—দাম আন্দাজ দেড় শ’, গায়ে একজোড়া শাল—দাম আন্দাজ দুই শ'। জামাকাপড় ইত্যাদি সমস্তই লিখিয়া লইলেন। চৌধুরীমহাশয় ও মহেন্দ্রনাথ উভয়েই উপস্থিত ছিলেন। তালসোনাপুর নাম শুনিয়া মহেন্দ্র কহিল, ছোটমার বাপের বাড়ির লোক, তিনি দেখলে— {{gap}}চৌধুরীমহাশয় তাড়া দিলেন, সে কি এখানে মড়া সনাক্ত করতে আসবে নাকি?<noinclude></noinclude> mpa0jrlfon5o5f3qhr7alck66jao9mh পাতা:জন্ম ও মৃত্যু - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১ 104 695363 1992020 1981677 2026-07-31T04:15:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992020 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" />{{rh|৫||যদু হাজরা ও শিখিধ্বজ{{ফাঁক}}}}</noinclude>কেরানীবাবু ও পোস্ট মাস্টারবাবুদের যত্ন করে বসাতে সবাই মহা ব্যস্ত। {{ফাঁক}}যাত্রা আরম্ভ হ’ল। নল-দময়ন্তীর পালা। একটু পরেই যদু হাজরা “নল" সেজে আসরে ঢুকতেই—তখন হাততালির রেওয়াজ ছিল না—চারিদিকে হরিধ্বনি উঠল। অত বড় আসর মন্ত্রমুগ্ধবৎ স্থির ও নীরব হ’য়ে গেল। {{ফাঁক}}আমি যদু হাজরার নাম কখনো এর আগে শুনিনি, এই প্রথম শুনলুম। মুগ্ধ হয়ে চেয়ে রইলুম, শ্যামবর্ণ, সুপুরুষ—বয়স তখন বুঝবার ক্ষমতা হয়নি, ত্রিশও হ’তে পারে, পঞ্চাশও হ’তে পারে। কিন্তু কি কথা বলবার ভঙ্গি, কি চোখ মুখের ভাব, কি হাত পা নাড়ার ঢং। আমার এগারো বৎসরের জীবনে আর কখনো অমনটি দেখিনি। ভিড়ের কষ্ট ভুলে গেলুম, কিছু খেয়ে বেরুই নি, খিদেতে পেটের মধ্যে যেন বোল্‌তায় হুল ফোটাচ্ছে—সে কথা ভুললুম—যাত্রা থেমে গেলে এত রাত্রে এক অজানা স্থানে শীতে কোথায় যাব—সে সব কথাও ভুলে গেলুম—পঞ্চ দেবতা পঞ্চ নলরূপে দময়ন্তীর স্বয়ম্বর সভায় এসে বসেছেন, আসল “নল”—রূপী যদু হাজরা বিস্ময়বিহ্বল দৃষ্টিতে চারদিক চেয়ে বলছেন— {{block center|<poem> এ কি হেরি চৌদিকে আমার— মম সম রূপ নল চতুষ্টয় মম সম সাজে সাজি বসিয়াছে সভা মাঝে। বুঝিতে না পারি কিবা মায়াজাল ইষ্টদেব, পুরাও বাসনা মোর, মায়া জাল ফেল ছিন্ন করি। </poem>}}<noinclude></noinclude> k4bdqbhhhpsgcfzrqz6jxsf8l7rj0fb পাতা:বক্সা ক্যাম্প.djvu/৬ 104 698716 1991675 1899405 2026-07-31T03:58:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991675 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>[[File:বক্সা ক্যাম্প (প্রচ্ছদ ক্রোপ).png|center]] {{dhr|20em}} {{block center|<poem>{{x-larger|বেঙ্গল পাবলিশার্স ১৪, বঙ্কিম চাটুজ্জে স্ট্রীট}} {{larger|★★★★★★★ কলিকাতা-১২ ★★★★ ★★★}}</poem>}}<noinclude></noinclude> bmtj3pj3hjfprfb7cr9kw5c6yl4om7v পাতা:বীরবলের হালখাতা - প্রমথ চৌধুরী.pdf/১৫ 104 704818 1992136 1986422 2026-07-31T04:23:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992136 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Taheralmahdi" />{{rh||কথার কথা|১৭}}</noinclude>ভাঙিয়ে দেওয়া যায়। ‘ঘরের ছেলে ঘরে যাও, ঘরের ভাত বেশি করে খেয়ো’, এই বাক্যটি হতে কোথাও ‘ঘর’ তুলে দিয়ে ‘গৃহ’ স্থাপনা করে দেখুন তো কানেই বা কেমন শোনায়, আর মানেই বা কত পরিষ্কার হয়। {{কেন্দ্র|{{x-larger|৬}}}} {{gap}}আসল কথাটা কি এই নয় যে, লিখিত ভাষায় আর মুখের ভাষায় মূলে কোনো প্রভেদ নেই? ভাষা দুয়েরই এক, শুধু প্রকাশের উপায় ভিন্ন— এক দিকে স্বরের সাহায্যে, অপর দিকে অক্ষরের সাহায্যে। বাণীর বসতি রসনায়। শুধু মুখের কথাই জীবন্ত। যতদূর পারা যায়, যে ভাষায় কথা কই সেই ভাষায় লিখতে পারলেই লেখা প্রাণ পায়। আমাদের প্রধান চেষ্টার বিষয় হওয়া উচিত কথায় ও লেখায় ঐক্য রক্ষা করা, ঐক্য নষ্ট করা নয়। ভাষা মানুষের মুখ হতে কলমের মুখে আসে, কলমের মুখ হতে মানুষের মুখে নয়। উলটোটা চেষ্টা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে। কেউ-কেউ বলেন যে, আমাদের ভাবের ঐশ্বর্য এতটা বেড়ে গেছে যে বাপ-ঠাকুরদাদার ভাষার ভিতর তা আর ধরে রাখা যায় না। কথাটা ঠিক হতে পারে, কিন্তু বাংলাসাহিত্যে তার বড়ো-একটা প্রমাণ পাওয়া যায় না। কণাদের মতে ‘অভাব’ একটা পদার্থ। আমি হিন্দুসন্তান, কাজেই আমাকে বৈশেষিকদর্শন মানতে হয়; সেই কারণেই আমি স্বীকার করতে বাধ্য যে, প্রচলিত বাংলাসাহিত্যেও অনেকটা পদার্থ আছে। ইংরেজিসাহিত্যের ভাব, সংস্কৃতভাষার শব্দ, ও বাংলাভাষার ব্যাকরণ— এই তিন চিজ, মিলিয়ে যে খিচুড়ি তয়ের করি, তাকেই আমরা বাংলাসাহিত্য বলে থাকি; বলা বাহুল্য, ইংরেজি না জানলে তার ভাব বোঝা যায় না। আমার এক-এক সময়ে সন্দেহ হয় যে, হয়তো বিদেশের ভাব ও পুরাকালের ভাষা এই দুয়ের আওতার ভিতর পড়ে বাংলাসাহিত্য ফুটে উঠতে পারছে না। এ কথা আমি অবশ্য মানি যে, আমাদের ভাষায় কতক পরিমাণে নতুন কথা আনবার দরকার আছে। যার জীবন আছে, তারই প্রতিদিন খোরাক জোগাতে হবে। আর আমাদের ভাষার দেহ পুষ্টি করতে হলে প্রধানত অমরকোষ থেকেই নতুন কথা টেনে আনতে হবে। কিন্তু যিনি নূতন সংস্কৃত কথা ব্যবহার করবেন, তার এইটি মনে রাখা উচিত যে, তার আবার নূতন করে প্রতি কথাটির প্রাণপ্রতিষ্ঠা করতে হবে; তা যদি না পারেন তা হলে বঙ্গ-সরস্বতীর কানে শুধু পরের সোনা পরানো হবে। বিচার না করে একরাশ সংস্কৃত শব্দ জড়ো করলেই ভাষারও শ্রীবৃদ্ধি হবে না, সাহিত্যেরও গৌরব বাড়বে না, মনোভাবও পরিষ্কার করে ব্যক্ত করা হবে না। ভাষার<noinclude>{{gap}}২</noinclude> gd0555gnix827p95yce04nojxtz25rq পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩ 104 710807 1991688 1838572 2026-07-31T04:00:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991688 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Mahir256" /></noinclude>{{c|{{x-larger|সূচী}}}} {{rule|3em}} {{block center|width=500px| {{dotted TOC page listing|১।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/দালিয়া|দালিয়া]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫|১]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|২।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/জীবিত ও মৃত|জীবিত ও মৃত]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২২|১৮]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|৩।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/মুক্তির উপায়|মুক্তির উপায়]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৫|৪১]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|৪।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/সুভা|সুভা]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬১|৫৭]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|৫।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/অনধিকার প্রবেশ|অনধিকার প্রবেশ]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৩|৬৯]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|৬।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/মহামায়া|মহামায়া]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮২|৭৮]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|৭।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/একটা আষাঢ়ে গল্প|একটা আষাঢ়ে গল্প]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৬|৯২]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} {{dotted TOC page listing|৮।|[[বিচিত্র গল্প (দ্বিতীয় ভাগ)/একটি ক্ষুদ্র ও পুরাতন গল্প|একটি ক্ষুদ্র ও পুরাতন গল্প]]|[[পাতা:বিচিত্র গল্প দ্বিতীয় ভাগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১১১|১০৭]]|symbol=…|spaces=8|chapter-align=left|entry-width=90%|entry-align=justify|hi=0em}} }} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> as81l3t91nc3zeihxj6sto1eml3l8vv পাতা:বিভূতি রচনাবলী (প্রথম খণ্ড).djvu/২১ 104 713100 1992131 1982574 2026-07-31T04:22:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992131 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="অনিন্দ্য" /></noinclude>সেখানে কত না উক্তি আছে, কত না জাতি আছে। আদি আর্য্য ভাষায় পৃথিবীকে মানবের ও অন্য সমস্ত প্রাণীর “মাতা” ৰ’লে উল্লেখ করা হ’ত—"পৃথিবী মাতা, দেী বা আকাশ পিতা”, এটি মূল আর্য-জাতির একটি অতি সাধারণ ধারণা— সংস্কৃতে, গ্রীকে আর অন্য আর্য্য ভাষায় পাওয়া যায়। ভারতের অতি প্রাচীন আদিবাসী নিষাদ (কোল) সাওঁতাল-জাতির কাছেও তেমনি “সের্মা-অতে” অর্থাৎ “আকাশ আর পৃথিবী” হচ্ছে মানুষের “আপা-এঙ্গা” অর্থাৎ, “পিতা ও মাতা।” অথর্ববেদের “ভূমি-সুক্ত” পৃথিবী-সম্বন্ধে প্রাচীন ভারতীয় আর্য্য জাতির শ্রদ্ধা আর প্রীতির নিদর্শন এক অপূর্ব পৃথিবী-স্তুতি;— এই পৃথিবীর প্রতি, যে পৃথিবী ছিল আদিযুগের “অহল্যা” পৃথিবী— মানবের দ্বারা হল বা লাঙ্গল আর পশুর সাহায্যে খাদ্যের জন্য কর্ষিতা হ’য়ে, এখনকার মত ক্রমবর্ধমান, বুভুক্ষা আর লোভের বশবর্তী, সুষ্ঠু-সংখ্যা-সীমা অতিক্রমিষ্ণু, দোর্দণ্ডপ্রতাপ মানব-অক্ষৌহিণীর দ্বারা বিজিতা, নিপীড়িতা ও ধৰ্ষিতা হয় নি— বিভূতিভূষণের সমস্ত সাহিত্য-সর্জনার মধ্যে, মানব-জাতির স্নেহময়ী মাতৃস্বরূপিনী এমন পৃথিবীর প্রতি যে অপার শ্রদ্ধা আর ভালবাসা প্রকাশিত হ’য়েছে, তার এক জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত উৎস আমরা অথর্ববেদের এই ভূমি-সুক্তের মত প্রাচীন সাহিত্য-রচনায় যেন পাচ্ছি। বিভূতিভূষণের মত আধুনিক কালের প্রকৃতি ও পৃথিবীর উদ্গাতা, তাদের পক্ষে যাঁরা ছিলেন পূজ্য, পুর্ব্য, পূর্বজ আর পথিকৃৎ কবিঋষি, তাদের মধ্যে, অথর্ববেদের দ্বাদশ কাণ্ডের ভূমি-সুক্তের দ্রষ্টা অথর্বা ঋষি ছিলেন অন্যতম। তাঁর রচিত কাব্যময় এই পৃথিবী-বন্দনা থেকে কতকগুলি মন্ত্র উদ্ধার ক’রে পাঠ ক’রলে, প্রাচীনের সঙ্গে আধুনিকের আশ্চর্য্য যোগ-সুত্র বা ভাব-সাদৃশ্য ধ’রতে পারা যায়। বাঙলার বিভূতিভূষণ তঁর বিভিন্ন রচনায় যেন ছিলেন আরণ্য-সুক্তের বা ভূমি-সুক্তের দ্রষ্টা দিব্যতাবযুক্ত এযুগের এক নবীন ঋষি। বিভূতিভূষণের প্রশস্তিতে রচিত এই নিবন্ধে, তাঁরই প্রতি শ্রদ্ধা-নিবেদনের উদ্দেশ্যে, অথর্ববেদের দ্বাদশ কাণ্ডের তেষট্টিটি মন্ত্রে গ্রথিত প্রথম সুক্ত এই ভূমি-সূক্ত থেকে নির্বাচিত ছাব্বিশটি মন্ত্র, মূল বৈদিক পাঠ সমেত বাঙলা অনুবাদে, বিভূতিভূষণের অনুরাগী পাঠকদের সামনে তাঁদের চিত্তপ্রসাদনের জন্য উপস্থাপিত ক’রে দেওয়া গেল। *** ২। অসমবাধং বধ্যতো মানবানাং যস্যা উদ্বতঃ প্রবতঃ সমম্ বহু। নানাবীর্যা ওষধীর্যা বিভর্তি পৃথিবী নঃ প্রথতাং রাধ্যতাং নঃ॥ “যে পৃথিবী মনুপুত্র মানবজাতির চাপে মানবের দ্বারা (এখনও) আচ্ছন্ন বা আবৃত হন নি; যে পৃথিবীতে বহু উঁচু-নীচু আর সমতল ভূমি আছে, যে পৃথিবী নানা গুণ বা শক্তির নিধান বহু ওষধি ধারণ করেন- সেই পৃথিবী আমাদের জন্য বিস্তীর্ণা হোন, আমাদের কৃপা করুন।” ৩। যস্যাং সমুদ্র উত সিন্ধুরাপো যস্যামন্নং কৃষ্টয়ঃ সম্ বভূবুঃ। যস্যামিদং জিয়তি প্রাণাদেজং সা নো ভূমিঃ পূৰ্বপেয়ে দধাতু॥ “যে পৃথিবীতে সমুদ্র, সিন্ধু ও সমস্ত জল বিদ্যমান, এবং যাতেই সমস্ত অন্ন ও কৃষ্টি সমুদ্ভুত<noinclude></noinclude> 0adtr4aqkqf46fldzf3o5rccf1rlh0i নির্ঘণ্ট:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf 102 734876 1992368 1990123 2026-07-31T05:24:50Z Bodhisattwa 2549 1992368 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q120002291 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=5 |Progress=V |Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to6="—" 5="প্রচ্ছদ" 6="প্রকাশক" 7to10="সূচীপত্র" 9="নিবেদন" 10="—" 11="7" 14to15="—" 16="চিত্র" 17="11" 98to102="—" /> |Volumes= |Remarks={{Scrollpane|height=500px| {{পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭}} {{পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮}} }} |Notes= |Header= |Footer={{কেন্দ্র|{{{pagenum}}}}} }} 98241mobgyjr5tu3wxim437igo054q8 পাতা:চীন ভ্রমণ - ইন্দুমাধব মল্লিক.pdf/১৮৫ 104 746099 1992015 1981586 2026-07-31T04:14:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992015 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh||এময়।|১৭৫}}</noinclude>আমি খুব চেষ্টা করিয়াও সামান্য আবশ্যকীয় দু’চারিটী কথা ভাল করিয়া শিখিতে পারি নাই। চীন ভাষাটী মনুষ্যজাতির অতি আদিম অবস্থার ভাষা। শব্দগুলিতে বিভক্তির কোন পার্থক্য নাই। যে কথার মানে “আমি, সেই কথাই “আমার” “আমাকে” ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। প্রতি কথাটী একটী ছবির মত হরফে লেখা হয়। ছত্রগুলি ডান দিক হইতে আরম্ভ হইয়া উপর হইতে নীচের দিকে লেখা হয়। আমি জাহাজের একজন চীনে কর্ম্মচারীকে “পীড়িত” এই কথাটী চীনে ভাষায় লিখতে বলিলাম; তিনি পারিলেন না। বলিলেন,—“ও কথাটী আমি শিখি নাই!” ইহা ছাড়া চীনে ভাষা শিখিবার আর এক অসুবিধা এই যে, অতি নিকটবর্ত্তী নানা স্থানে ভিন্ন ভিন্নি ভাষা প্রচলিত, তাদের মধ্যে এত প্রভেদ যে, এক জন অপরের কথা বুঝিতে পারে না। আমি মুখস্থ করিয়া শিখিয়াছিলাম,— “খী মান্ সান্” মানে, —“আমাকে বাজার দেখাতে নিয়ে চল”, গাড়ী ওয়ালাদিগকে বলিলে কহ বুঝিত, কেহ বুঝিত না। {{gap}}কিন্তু যদিও কথার উচ্চারণে প্রভেদ দেখা যায়, —তথাপি লিখিত ভাষা চীনের সকল স্থানেই সমান। লেখার কোনও প্রভেদ নাই। যাহারা কথা বুঝিতে পারে না, তাহারা লিখিলে পরস্পরের মনের ভাব বুঝতে পারে। একপ যে শুধু চীনেই আছে তাহা নহে, —ইউরোপেও কি ইংরাজ, কি ফরাসী, কি জার্ম্মাণ, কি ইটালিয়ান সকলেরই লিখিত ভাষা রোমান্,—কিন্তু ভাষা গুলির উচ্চারণ এবং অন্য অনেক বিষয়েই প্রভেদ। {{gap}}চীনে বিদ্বান লোকের বড়ই সম্মান। কালি কলম কাগজ ইত্যাদি লিখিবার উপকরণ সকল দেবতার দ্রব্য বলিয়া গণ্য। লোকে পুণ্য কাজ বিবেচনায় পথে ছেঁড়া কাগজ ও বই কুড়াইয়া বেড়ায়। সেগুলি ফেলিবার জন্য রাস্তার ধারে ঝুড়ী রক্ষা করা হয়। সেখান থেকে<noinclude></noinclude> 861yfblyiopkanon4aoi11374bz3ma7 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/১ 104 752593 1992364 1991177 2026-07-31T05:20:50Z Bodhisattwa 2549 1992364 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xxxx-larger|'''শ্যামাপ্রসাদের'''}}}} {{c|{{xxx-larger|'''কয়েকটি রচনা'''}}}}<noinclude></noinclude> j7eq1jweo2vsolkrgzcikz3gixjxnlk 1992366 1992364 2026-07-31T05:22:33Z Bodhisattwa 2549 1992366 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xxxx-larger|'''শ্যামাপ্রসাদের'''}}}} {{c|{{xxx-larger|'''কয়েকটি রচনা'''}}}} {{dhr|28em}}<noinclude></noinclude> 1jdggt5xpfhw8s5lfjclxvpdqfw3p4f পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫ 104 753946 1991458 1991176 2026-07-30T16:41:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991458 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''শ্যামাপ্রসাদের'''}}}} {{c|{{xx-larger|'''কয়েকটি রচনা'''}}}} {{c|প্রাপ্তিস্থান:}} {{c|{{larger|'''এম, সি, সরকার এণ্ড সনস্, (প্রাইভেট) লিঃ'''}}}} {{c|১৪, বঙ্কিম চাটুজ্যে স্ট্রীট, কলিকাতা-১২}}<noinclude></noinclude> bl69eltxhh4xsqkkdyvuqjbgsandc1h 1992365 1991458 2026-07-31T05:21:35Z Bodhisattwa 2549 1992365 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xxxx-larger|'''শ্যামাপ্রসাদের'''}}}} {{c|{{xxx-larger|'''কয়েকটি রচনা'''}}}} {{dhr|25em}} {{c|প্রাপ্তিস্থান:}} {{c|{{larger|'''এম, সি, সরকার এণ্ড সনস্, (প্রাইভেট) লিঃ'''}}}} {{c|১৪, বঙ্কিম চাটুজ্যে স্ট্রীট, কলিকাতা-১২}}<noinclude></noinclude> nct3z90bhow9oqzppvov4040cvmcf9o পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯ 104 753958 1991407 1990400 2026-07-30T16:33:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991407 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|নিবেদন}}}} শ্রদ্ধেয় ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের পঞ্চপঞ্চাশত্তম জন্মোৎসব উপলক্ষে তাঁহার ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত বাঙলা রচনাবলীর কিয়দংশ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হইল। এই লেখাগুলির মধ্যে বর্তমানে পীড়িত, লাঞ্ছিত ও অভাবগ্রস্ত বাঙালী জাতিকে উপলক্ষ করিয়া অনেক আশার কথা আছে। তাঁহার মতে, ভারতের কষ্টলব্ধ স্বাধীনতাকে রক্ষা করিতে হইলে ভারতের নিজস্ব ধর্ম, নীতি, সংস্কৃতি, সভ্যতা ও সাহিত্যকে বলশালী করিতে হইবে। দুঃখে এবং অভাবে অবসন্ন হইয়া পড়িলে চলিবে না। কারণ “দুঃখই শক্তির উৎস, দুঃখই মান,ষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক।” নৈরাশ্যের মধ্যে তাঁহার এই বাণী সমগ্র জাতিকে উদ্বুদ্ধ করিবে মনে করিয়া আমরা এই গ্রন্থখানি প্রকাশ করিলাম। {{Block right|{{কেন্দ্র|বিভাস রায়চৌধুরী সম্পাদক}}}}<noinclude></noinclude> 6c3iqk19xt8ytc1bdpn6qy0ze94rgst পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/১১ 104 753964 1991408 1989612 2026-07-30T16:33:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991408 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''ভূমিকা'''}}}} {{ফাঁক}}শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনার সংগ্ৰহ এই গ্রন্থ। এর মধ্যে বেশীর ভাগ নানা সময়ে ও সভায় তাঁর অভিভাষণ। ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নিবন্ধটি তাঁর ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ গ্রন্থের অন্তর্গত, যা ঐ মন্বন্তরের কালেই প্রকাশিত হয়েছিল। ‘বাঙলার রঙ্গালয়’ প্ৰবন্ধটি শ্যামাপ্রসাদের এম্-এ পরীক্ষার থিসিসের অনুবাদ। ১৯২৪ সালের জানুয়ারী মাসের ‘দি ক্যালকাটা রিভিউ’তে লেখাটি ছাপা হয়। {{ফাঁক}}শ্যামাপ্রসাদের ব্যক্তিত্বের পৌরুষ ও তাঁর একাগ্র নিরলস কর্মজীবন দেশের গৌরবের বস্তু। শক্তি ও কমোদ্যমের মধ্যাহ্নে স্বাধীন ভারতবর্ষে এই দেশকমীর রাজবন্দীদশায় মৃত্যুর শোক দেশের মনে অনির্বাণ রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের স্পর্শ যাতে আছে দেশের লোকের তা প্রিয়। এই রচনাগুলি তাঁর জীবনের গতির বেগে স্পন্দমান। {{ফাঁক}}শ্যামাপ্রসাদ সাহিত্যিক ছিলেন না, ছিলেন বিচিত্র কমের নিষ্ঠাবান প্ৰবল কর্মী। এবং সে সকল রকম কমের উৎস ছিল তাঁর দেশপ্রীতি ও দেশকে বড় করার সংকলপ। সেই কারণে ‘বিষবৃক্ষ’ ও ‘কপালকুণ্ডলা’র বঙ্কিমের চেয়ে ‘বন্দে মাতরম্’-এর বঙ্কিম তাঁর মনে উজ্জ্বলতর ছিল। “সত্য সত্যই দেশমাতাকে তিনি সকল দেবতার উপর আসন দিয়াছিলেন। তাঁহার নিকট হইতে আমরা যে আদর্শ ভাষা, অমূল্য ভাব ও অপূর্ব সাহিত্য-সম্পদ্ লাভ করিয়াছি, তাহা তাঁহার অনন্যসাধারণ প্রতিভাপ্রসূত হইলেও, মনে রাখিতে হইবে, সে প্রতিভা তাঁহার প্রগাঢ় দেশপ্রীতির প্রভাবেই পরিচালিত হইয়াছিল।” শরৎচন্দ্রের সাহিত্যসৃষ্টিতে মানুষের জন্য বেদনাবোধই তাঁকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করেছিল। “ব্যথিতের জন্য এত অধিক বেদনাবোধ ছিল বলিয়াই তাঁহার সৃষ্ট সাহিত্যে তিনি মমতার ধারা ঢালিয়া দিতে পারিয়াছিলেন। এই অমৃতধারার আস্বাদন-সুখ যাহারা উপভোগ করিয়াছে, তাহারা শরৎচন্দ্রকে কখনও ভুলিতে পারে না।” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৭}}</noinclude> 0fwdc7085hntbk6fchgc3le5zbclzif 1991459 1991408 2026-07-30T16:41:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991459 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''ভূমিকা'''}}}} {{ফাঁক}}শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনার সংগ্রহ এই গ্রন্থ। এর মধ্যে বেশীর ভাগ নানা সময়ে ও সভায় তাঁর অভিভাষণ। ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নিবন্ধটি তাঁর ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ গ্রন্থের অন্তর্গত, যা ঐ মন্বন্তরের কালেই প্রকাশিত হয়েছিল। ‘বাঙলার রঙ্গালয়’ প্রবন্ধটি শ্যামাপ্রসাদের এম্-এ পরীক্ষার থিসিসের অনুবাদ। ১৯২৪ সালের জানুয়ারী মাসের ‘দি ক্যালকাটা রিভিউ’তে লেখাটি ছাপা হয়। {{ফাঁক}}শ্যামাপ্রসাদের ব্যক্তিত্বের পৌরুষ ও তাঁর একাগ্র নিরলস কর্মজীবন দেশের গৌরবের বস্তু। শক্তি ও কমোদ্যমের মধ্যাহ্নে স্বাধীন ভারতবর্ষে এই দেশকমীর রাজবন্দীদশায় মৃত্যুর শোক দেশের মনে অনির্বাণ রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের স্পর্শ যাতে আছে দেশের লোকের তা প্রিয়। এই রচনাগুলি তাঁর জীবনের গতির বেগে স্পন্দমান। {{ফাঁক}}শ্যামাপ্রসাদ সাহিত্যিক ছিলেন না, ছিলেন বিচিত্র কমের নিষ্ঠাবান প্রবল কর্মী। এবং সে সকল রকম কমের উৎস ছিল তাঁর দেশপ্রীতি ও দেশকে বড় করার সংকলপ। সেই কারণে ‘বিষবৃক্ষ’ ও ‘কপালকুণ্ডলা’র বঙ্কিমের চেয়ে ‘বন্দে মাতরম্’-এর বঙ্কিম তাঁর মনে উজ্জ্বলতর ছিল। “সত্য সত্যই দেশমাতাকে তিনি সকল দেবতার উপর আসন দিয়াছিলেন। তাঁহার নিকট হইতে আমরা যে আদর্শ ভাষা, অমূল্য ভাব ও অপূর্ব সাহিত্য-সম্পদ্ লাভ করিয়াছি, তাহা তাঁহার অনন্যসাধারণ প্রতিভাপ্রসূত হইলেও, মনে রাখিতে হইবে, সে প্রতিভা তাঁহার প্রগাঢ় দেশপ্রীতির প্রভাবেই পরিচালিত হইয়াছিল।” শরৎচন্দ্রের সাহিত্যসৃষ্টিতে মানুষের জন্য বেদনাবোধই তাঁকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করেছিল। “ব্যথিতের জন্য এত অধিক বেদনাবোধ ছিল বলিয়াই তাঁহার সৃষ্ট সাহিত্যে তিনি মমতার ধারা ঢালিয়া দিতে পারিয়াছিলেন। এই অমৃতধারার আস্বাদন-সুখ যাহারা উপভোগ করিয়াছে, তাহারা শরৎচন্দ্রকে কখনও ভুলিতে পারে না।” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৭}}</noinclude> j4fqg5coq7rap4l0xvriqq14jeolv89 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/১৩ 104 753970 1991409 1990402 2026-07-30T16:33:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991409 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" /></noinclude>ভারতীয়দের ইংরেজী শিখিতে হইয়াছিল ইংরেজী রাষ্ট্রভাষা ছিল বলিয়া, কিন্তু বাঙালী ইংরেজী ভাষা এবং সাহিত্য আত্মস্থ করিয়াছে তাহার সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক মূল্যের জন্য। শুধু চাকরির প্রয়োজনে যে শিক্ষার দরকার ছিল বাঙালী তাহা অপেক্ষা অধিক শিখিয়াছে এবং সে শিক্ষাকে আনন্দে পরিণত করিয়াছে। আজ চাকরির প্রয়োজনে ইংরেজীর মূল্য কমিলেও বাঙালী-প্রতিভার নিকট বিদেশী ভাষা ও সাহিত্যের মূল্য এবং প্রয়োজন কমিতে পারে না। পশ্চিমে যে দ্বার একদিন খুলিয়া গিয়াছিল সে দ্বার যদি আরও প্রসারিত করিতে না পারি তবে স্বাধীনতার সার্থকতা কোথায়?” {{ফাঁক}}কথা নূতন নয়। বিশেষ বাঙলা দেশে। কিন্তু ভাবুকের ভাব যখন কর্মবীরের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় তখন মনে আনন্দ ও আশা জাগে। কিন্তু এ দঃখও মনে চেপে রাখা যায় না যে স্বাধীন ভারতবর্ষকে বিদ্যা ও জ্ঞানের এই আদর্শে গড়ে ওঠার সযোগ-সুবিধার কাজে শ্যামাপ্রসাদ হাত দিয়ে যেতে পারলেন না। {{ডান|অতুলচন্দ্র গুপ্ত}} আষাঢ়, ১৩৬৩<noinclude>{{কেন্দ্র|৯}}</noinclude> ala7ziohqe1mb97fx0lgiln32i8u6vb পাতা:পোকা-মাকড়.pdf/১৮৩ 104 766056 1992369 1488966 2026-07-31T05:36:11Z Hrishikes 1618 1992369 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="4" user="Jayantanth" />{{rh||পতঙ্গের আকৃতি-পরিবর্ত্তন|১৬৫}}</noinclude><section begin="A183" />অনেক বিবেচনা করে। ডিম হইতে বাহির হইয়াই বাচ্চারা যেখানে অনেক খাবার মুখের গোড়ায় পাইবে, সেই রকম জায়গাতেই উহাদিগকে ডিম পাড়িতে দেখা যায়। ইহা আশ্চর্য্য নয় কি? তোমরা হয় ত ভাবিতেছ, পতঙ্গদের বুদ্ধি বুঝি মানুষের চেয়েও বেশি। কিন্তু তা নয়,—ভগবান্ তাহাদের মনে এমন একটা সংস্কার করিয়া দিয়াছেন যে, তাহারা কলের মত চলিয়া উপযুক্ত জায়গায় ডিম পাড়ে। আমরা যেমন অনেক চিন্তা এবং অনেক বিচার করিয়া কাজ করি, তাহারা সে-রকম করে না; অন্ধ সংস্কারের তাড়ায় সকল কাজ-কর্ম্ম করে। বাহির হইতে দেখিলে মনে হয়, তাহারা অনেক বুদ্ধি খরচ করিয়া কাজ করিতেছে। {{dhr}} {{rule|5em}} {{dhr}} <section end="A183" /> <section begin="B183" />{{c|{{larger|'''পতঙ্গের আকৃতি-পরিবর্ত্তন'''}}}} {{gap}}গোরু, ছাগল, কুকুর, বিড়াল প্রভৃতি বড় জন্তুদিগকে যদি জন্মের পর হইতে মৃত্যু পর্য্যন্ত পরীক্ষা করা যায়, তবে বয়সের সঙ্গে তাহাদের আকৃতির খুব বেশি পরিবর্ত্তন দেখা যায় না। বাছুর ও বুড়ো গাইয়ের চেহারায় বিশেষ তফাৎ নাই। বাছুর আকারে ছোট এবং বুড়ো গাই আকারে বড়, হয় ত তাহার শিং লম্বা,—ইহাই একমাত্র তফাৎ। মানুষের<section end="B183" /><noinclude></noinclude> pd91xpq2alef774ey68y3l46yqc5it4 পাতা:অক্ষয়-সুধা - অক্ষয়কুমার দত্ত.pdf/১ 104 767202 1991847 1983359 2026-07-31T04:07:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991847 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="SHIMUL ALAM" /></noinclude> '''<big>অক্ষয়-সুধা</big>''' [অক্ষয় কুমার দত্ত মহাশয়ের রচনা-সংগ্রহ] কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষক, ‘বঙ্গীয় সাহিত্য-সেবক’, ‘গোপীচন্দ্র’, ‘চিন্ময়ী’, ‘সাঁজের কথা’, ‘নিশির কথা’, ‘প্রবন্ধ রত্ন,’ ‘প্রবন্ধমুকুল’, ‘সীতার বনবাস,’ শকুন্তলা’, ‘রতন-পাঠ,’ ‘রত্ন-কণা’, ‘সাগর-কণা’, ‘ভারত-কণা’, ‘ভারতবর্ষের ইতিহাস’, ‘শিশুতোষ ভারত- ইতিহাস’, ‘সাগর-সুধা,‘মোহন-সুধা,’ ‘প্যারী-সুধা’, ‘বিচিত্র-সুধা’, Types of Early Bengali Prose (Cal-University) প্রভৃতি গ্রন্থ রচয়িতা ও সম্পাদক '''শ্রী শিবরতন মিত্র''' সঙ্কলিত প্রথম সংস্করণ ১৩৩১ মূল্য ১।০ এক টাকা মাত্র<noinclude></noinclude> qweiui4v69m48548a5ndtge5otasqt0 1991849 1991847 2026-07-31T04:07:47Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1991849 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Bodhisattwa" /></noinclude> '''<big>অক্ষয়-সুধা</big>''' [অক্ষয় কুমার দত্ত মহাশয়ের রচনা-সংগ্রহ] কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষক, ‘বঙ্গীয় সাহিত্য-সেবক’, ‘গোপীচন্দ্র’, ‘চিন্ময়ী’, ‘সাঁজের কথা’, ‘নিশির কথা’, ‘প্রবন্ধ রত্ন,’ ‘প্রবন্ধমুকুল’, ‘সীতার বনবাস,’ শকুন্তলা’, ‘রতন-পাঠ,’ ‘রত্ন-কণা’, ‘সাগর-কণা’, ‘ভারত-কণা’, ‘ভারতবর্ষের ইতিহাস’, ‘শিশুতোষ ভারত- ইতিহাস’, ‘সাগর-সুধা,‘মোহন-সুধা,’ ‘প্যারী-সুধা’, ‘বিচিত্র-সুধা’, Types of Early Bengali Prose (Cal-University) প্রভৃতি গ্রন্থ রচয়িতা ও সম্পাদক '''শ্রী শিবরতন মিত্র''' সঙ্কলিত প্রথম সংস্করণ ১৩৩১ মূল্য ১।০ এক টাকা মাত্র<noinclude></noinclude> s4v7wg3z80g2wiihtu04khxthp9m00v পাতা:রূপসী বোম্বেটে - দীনেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৫২ 104 772859 1992158 1984598 2026-07-31T04:26:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992158 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{rh|৪৪|রূপসী বোম্বেটে|}}</noinclude>পীড়াপীড়ি আরম্ভ করিয়াছে; কামান বন্দুকগুলিও পুরাতন হইয়া গিয়াছে, শীঘ্রই কিছু নূতন অস্ত্র আমদানি করিতে হইবে। সাণ্টা-রোজা পর্য্যন্ত রেলের লাইনটুকু খুলিতে না পারিলে চলিতেছে না; আর প্রাসাদের কোন কোন অংশের পরিবর্ত্তন পরিবর্দ্ধনও নিতান্ত আবশ্যক। এইবার আমাকেও কিছু সম্বল ফরিয়া লইতে হইবে ও দুই কোটী টাকা এক সঙ্গে কখনও হাতে আসে নাই।” {{gap}}বস্তুতঃ এতগুলি টাকা হস্তগত হওয়ায় প্রেসিডেণ্ট পিয়ারসনের মনে আনন্দ-সঞ্চারের যথেষ্টই কারণ ছিল। পাঁচ বৎসর পূর্ব্বে যখন তিনি একাকী সাল্‌ভেরিটায় পদার্পণ করেন, তখন তিনি তেমন ধনবান ছিলেন না, কাহাও সহিত তাঁহার বিশেষ পরিচয়ও ছিল না। তাহার পর এই পাঁচ বৎসরে তাঁহার কি পরিবর্তন! এখন তিনি সাল্‌ভেরিটার নির্ব্বাচিত নরপতি; প্রজাতন্ত্রের ভাগ্য-নিয়ন্তা! প্রজা-বিপ্লবে তিনি ভূস্বামীগণের পক্ষে যোগদান না করিলে, এত শীঘ্র তিনি রাজ্যের সর্ব্বেসর্ব্বা হইতে পারিতেন না। এখন ধন মান, যশ, প্রভূত্ব সকলই তিনি লাভ করিয়াছেন। অষ্ট্রেলিয়ার একটা সোনার খনির ডাইরেক্টর আজ সাল্‌ভেরিটা রাজ্যের অধিনায়ক। অদ্ভুত ভাগ্য! {{gap}}সাল্‌ভেরিটা রাজ্যের সৈন্যগণই তাঁহার প্রধান সহায়। তিনি অপূর্ব্ব কৌশলে বহু চেষ্টায় সৈন্যগণকে তাঁহার পক্ষাবলম্বী করিয়া, ছিলেন।—সেনাপতির মৃত্যুর পর সর্ব্ব-সম্মতিক্রমে তিনিই প্রধান। সেনানায়কের পদ লাভ করেন;—সেই পদ হইতে প্রেসিডেণ্টের পদ লাভ করা তাঁহার পক্ষে কঠিন হয় নাই। {{gap}}‘জিগ্‌স’ খনির মালেকান স্বত্ত্ব কৌশলে আত্মসাৎ করিয়া মিসেস্‌ কার্টারের বিশ্বাসঘাতক কর্মচারীরা প্রচুর সুবর্ণ লাভ করিয়াছিল;কিন্তু’পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায়’, এ কথা মিথ্যা নহে পিয়ারসন।<noinclude></noinclude> 2fvxap2qued2qcz03stkpco8qkeqzj2 পাতা:রূপসী বোম্বেটে - দীনেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৮৫ 104 772898 1992159 1513200 2026-07-31T04:26:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992159 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}}} স্মিথকে বিদায় দান করিয়া মিঃ ব্লেক তাঁহার গৃহকর্ত্রী মিসেস্‌ বার্ডেলকে আহ্বানপূর্ব্বক তাঁহার ব্যাগে কাপড়-চোপড় পুরিতে বলিলেন; তাহার পর তিনি একরাশি পত্র লিখিলেন। {{gap}}মিঃ ব্লেক রাত্রি-শেষে প্রিয় কুকুর টাইগারকে সঙ্গে লইয়া তাঁহার মোটর গাড়ীতে উঠিলেন; মোটর দ্রুতবেগে প্লাইমাউথ বন্দরের দিকে ধাবিত হইল। {{gap}}ডকে আসিয়া তিনি বড় ধাঁধায় পড়িলেন; ডকের কোন্ জাহাজখানি লর্ড কার্ডবাইয়ের, অন্ধকারে তাহা স্থির করিতে পারিলেন না। অতঃপর তিনি কি করিবেন ভাবিতেছেন, এমন সময় একজন মাঝির সহিত তাঁহার সাক্ষাৎ হইল; মাঝি তত রাত্রে তাঁহাকে একাকী ডকে ঘুরিতে দেখিয়া বিস্মিত হইল, নমস্কার করিয়া বলিল, “মহাশয় কি এখানে কাহারও অনুসন্ধানে আসিয়াছেন?” {{gap}}মিঃ ব্লেক বলিলেন, “না, লর্ড কার্ডবাইয়ের জাহাজ ‘কর্সেয়ার’ কোথায়, তাহাই আমি খুঁজিতেছি। তুমি আমাকে সেইখানে পঁহুছাইয়া দিতে পার?” {{gap}}মাঝি বলিল, “তা আর পারি না? আমার ত উহাই কাজ। আপনি আমার নৌকায় উঠিলে আপনাকে দুই মিনিটের মধ্যে সেই জাহাজে তুলিয়া দিব। ঐ দেখুন ‘কর্সেয়ার’,—ঐ সবুজ আলো।” {{gap}}মিঃ ব্লেক মোটর গাড়ীখানি বিদায় করিয়া নৌকায় উঠিলেন;<noinclude></noinclude> f8n727xcki6vyc4jrhln6uj5ko11pq4 পাতা:লঘুগুরু প্রবন্ধাবলী - রাজশেখর বসু.pdf/৯০ 104 777800 1992165 1982876 2026-07-31T04:26:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992165 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ব্যা করণ" />{{rh|৮৬ |লঘুগুরু|}}</noinclude>নিতান্ত আবশ্যক হলে বিশেষ ব্যবস্থা করা যেতে পারে। উচ্চারণের উপর বেশী ঝোঁক দেওয়া অনাবশ্যক। কলকাতার লােক যদি পড়ে ‘রমণীর মােন’, আর বরিশালবাসী যদি পড়ে ‘রােমােণীর মঅন’, তাতে সর্বনাশ হবে না, পাঠকের অর্থবােধ হ’লেই যথেষ্ট। লৈখিকভাষাকে স্থানবিশেষের উচ্চারণের অনুলেখ করা অসম্ভব। লৈখিক বা সাহিত্যের ভাষার রূপ ও প্রকার সংযত নিরূপিত ও সহজে অধিগম্য হওয়া আবশ্যক, নতুবা তা সর্বজনীন হয় না, শিক্ষারও বাধা হয়। সুতরাং একটু রফা ও কৃত্রিমতা—অর্থাৎ সকল মৌখিকভাষা হতে অল্পাধিক প্রভেদ―অনিবার্য। {{gap}}মােট কথা, চলিতভাষাই একমাত্র লৈখিকভাষা হতে পারে যদি তাতে নিয়মের বন্ধন পড়ে এবং সাধুভাষার সঙ্গে রফা করা হয়। বহু লেখক যে আধুনিক চলিতভাষাকে দূর থেকে নমস্কার করেন তার কারণ কেবল অনভ্যাসের কুণ্ঠা নয়, তাঁরা এ ভাষার নমুনা দেখে পথহারা হয়ে যান। বিভিন্ন লেখকের মর্জি অনুসারে একই শব্দের বানান বদলায়, একই রূপের বিভক্তি বদলায়, কভু বা বিশেষ্য সর্বনামের আগে অকারণে ক্রিয়াপদ এসে বসে, বাংলা শব্দাবলীর অদ্ভুত সমাস কানে পীড়া দেয়, ইংরেজী ইডিয়মের সজ্জায় মাতৃভাষা চেনা যায় না। সাধুভাষার প্রাচীন গণ্ডি ছেড়ে চলিতভাষায় এলেই অনেক লেখক একটু অসামাল হয়ে পড়েন। {{gap}}এমন লৈখিকভাষা চাই যাতে প্রচলিত সাধুভাষা আর<noinclude></noinclude> am0axap7tzkmfxq6zyd9zb2legkjkbn পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২ 104 779842 1991890 1985075 2026-07-31T04:10:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991890 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{block center|width=220px|ঈশ্বরে বিশ্বাসীদের মধ্যে ফুটপাতের ভিখারি থেকে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী—সবই উপস্থিত। এদের যুক্তি নানা বৈচিত্র্যে ভরপুর। আটপৌরে থেকে বিজ্ঞানের কূটকচালি, সবই হাজির। গ্রন্থটিতে লেখক দীর্ঘ পরিশ্রমলব্ধ গবেষণায় বিশ্বাসের অকিঞ্চিৎকর থেকে অসাধারণ, তামাম যুক্তিকে সংগ্রহ ও হাজির করেছেন। তারপর, প্রতিটি ঈশ্বর-পক্ষীয় যুক্তিকে আবেগশূন্য নির্লিপ্ততায় শাণিত যুক্তি ও বিশ্লেষণে নস্যাৎ করেছেন। ‘ভাববাদী’ বা ‘আধ্যাত্মবাদী’ অথবা ‘অলীক-কল্পনাবাদী’দের ‘প্রাণভোমরা’ তিনটি ‘মায়া পেটিকা’য় এতদিন সুরক্ষিত ছিল ‘হুজুর ও তার সহযোগী দৈত্যদের নিচ্ছিদ্র পাহারায়। মায়া পেটিকা তিনটি—‘নিয়তিবাদ’, ‘আধ্যাত্মবাদ’ ‘ঈশ্বরবাদ'। চিরায়ত গ্রন্থ ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’-এর তৃতীয় ও চতুর্থ খণ্ডের শাণিত যুক্তি খণ্ড-বিখণ্ড করেছে যথাক্রমে ‘নিয়তিবাদ’ ও ‘আধ্যাত্মবাদ’—এর মায়া পেটিকা। এবার শেষ লড়াই। এতদিনকার ‘ঈশ্বর-বিশ্বাস’ ও ‘বিজ্ঞান’—এর লড়াই শেষ হতে চলেছে, ঈশ্বর বিশ্বাসের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। ‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমণ্ডলী মনে করে—এই গ্রন্থটির প্রকাশ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। পৃথিবীর সংস্কৃতির জগতে, মননের জগতে, ঈশ্বর বিশ্বাসের তামাম যুক্তির বিরুদ্ধে এমন অমোঘ খণ্ডন ও চরম আঘাত এই প্রথম। এখন আমরা সোচ্চারে ঘোষণা রাখতেই পারি—এতদিনে ভাববাদের সঙ্গে যুক্তির লড়াই শেষ হতে চলেছে, ভাববাদী বিশ্বাসের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে।}}<noinclude></noinclude> 9jp3t29iq1wgbjdon8osbkmmbk1w2nf পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩ 104 779846 1991891 1985076 2026-07-31T04:10:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991891 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{Img float | file = আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ (page 3 crop).jpg | width = 250px | align = center | cap = }} {{block center|width=250px| প্রবীর ঘোষ ‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক এবং যুক্তিবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ। তাঁর নেতৃত্বেই ‘যুক্তিবাদ-চিন্তা’ আজ ব্যক্তি গণ্ডি অতিক্রম করে আন্দোলনের রূপ পেয়েছে; আন্দোলিত হয়েছেন সমাজের লক্ষ-কোটি মানুষ, আন্দোলিত হয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, নাট্য-সংস্থা, বিজ্ঞান-ক্লাব সহ বহু সংগঠন, এরা অংশ নিয়েছে যুক্তিবাদী-চিন্তার বাতাবরণ সৃষ্টিতে। আন্দোলিত হয়েছে সমাজের দর্পণ সাহিত্য, নাটক ইত্যাদি। আজ বহু জনপ্রিয় লেখকের গল্প-উপন্যাস-নাটকে বিরাজ করে প্রবীরের আদলে গড়া একটি চরিত্র, অথবা হাজির হয় বুজককি ফাঁসের কাহিনী। পত্র-পত্রিকায়, প্রকাশিত প্রবন্ধে, কি সম্পাদকীয়তে বার বার ঘুরে ফিরে যে ভাবে ‘যুক্তিবাদী’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে, মাত্র কয়েক বছর আগেও তা ছিল অকল্পনীয়। যুক্তিবাদী-চিন্তার সার্বজনীনতার পিছনে রয়েছে প্রবীরের জনগণকে আন্দোলনে শামিল করার দক্ষতা, আপসহীন লড়াই, দৃষ্টিভঙ্গির স্বচ্ছতা, বলিষ্ঠ লেখনী এবং চ্যালেঞ্জ, প্রলোভন ও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে নিরবচ্ছিন্ন জয়। এ-সবই তাঁকে করেছে জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর সৃষ্টি ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’, একটি দর্শন, অন্ধকার থেকে আলোয় উত্তরণের দর্শন।}}<noinclude></noinclude> nhdh6gbeorjh2q1v73oo98n2q6l879z পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৭ 104 779890 1991892 1849894 2026-07-31T04:10:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991892 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>ভুল করবেন। সত্যি বলতে কি আমি নিজেই কি ছাই সব ঘটনার কার্য-কারণ সম্পর্ক বুঝি নাকি! আমার জীবনেই একটা ঘটনা মাঝে-মাঝেই ঘটে, যার ব্যাখ্যা আমার জানা নেই। জানি না, সত্যিই ব্যাপারটা লৌকিক? না অলৌকিক? আমি দেখেছি জোড়া পায়ে তিন বার লাফালে অনেক সময়ই আমার উচ্চতা তিন ইঞ্চি বেড়ে যায়। ব্যাপারটা মোটেই গাল-গপ্পো নয়। আপনাদের সামনেই ঘটিয়ে দেখাচ্ছি।” {{gap}}মঞ্চের পাশেই একটি স্তম্ভ, সম্ভবত কোনও কিছুর স্মৃতিতে তৈরি। যোগীতান্ত্রিক-জ্যোতিষীকে ডেকে নিয়ে সিঁড়ি বেড়ে দু’জনেই উঠে গেলাম স্তম্ভের বেদিমূলে। আমার অনুরোধে যোগীতান্ত্রিক আমার উচ্চতা চিহ্নিত করে স্তম্ভে দাগ দিলেন। জনতা অধীর আগ্রহ আর উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। আমি জোড়া পায়ে তিনবার লাফালাম। যোগীবাবাকে বললাম, “এ’বার মাপলেই দেখতে পাবেন তিন ইঞ্চি বেড়ে গেছি।” {{gap}}কিছু দর্শকের কথা কানে আসছিল, “ওই তো বেড়ে গেছেন”, “বেড়েছেন, এখান থেকেই বোঝা যাচ্ছে” ইত্যাদি ইত্যাদি। {{gap}}যোগীবাবা আমার উচ্চতা মাপলেন। মাপতে গিয়ে বোধহয় কিছু গণ্ডগোলে পড়লেন। আবার মাপলেন। আবারও। তারপর অবাক গলায় বললেন, “আপনার উচ্চতা তো একটুও বাড়েনি!” {{gap}}আমি কম অবাক হলাম না, “সে কী! আমি বাড়িনি? ঠিক মেপেছেন তো?” {{gap}}“হ্যাঁ, ঠিকই মেপেছি। যে কেউ এসে দেখতে পারেন।” {{gap}}বললাম, “না না, আপনাকে অবিশ্বাস করছি না। যাই হোক, আজ আমি আপনাদের অবাক করতে পারলাম না। যে কোনও কারণে ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু আজ ব্যর্থ হওয়ার মানে এই নয় যে, আমি পারি না। আমি পারি। আমি তিন লাফে তিন ইঞ্চি বাড়ি। আবার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসি। কেন এমনটা হয়? যুক্তিতে এর ব্যাখ্যা পাইনি। এই রহস্যের কারণ আপনারা কেউ বলতে পারবেন?” {{gap}}আমার কথায় দর্শকদের মধ্যে গুঞ্জন শোনা গেল। অনেকেই বোধহয় আমার কথায় বিশ্বাস রাখতে পারলেন না। প্রথম জোরালো প্রতিবাদ জানালেন যোগীবাবাই, “আপনি যে বাড়েন, সে কথাই প্রমাণ করতে পারলেন না। সুতরাং বাড়ার ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রসঙ্গ আসছে কোথা থেকে?” {{gap}}আমাকে সবার সামনে এভাবে মিথ্যেবাদী প্রমাণ করার চেষ্টায় ব্যথিত হলাম। বললাম, “ভাই, আজ লাফিয়েও লম্বা হতে ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমি সত্যিই লাফিয়ে এমনটা ঘটাতে পারি। অনেক বার ঘটিয়েছি। এখন নিশ্চয় আপনি ও দর্শকরা সবাই আমার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করতে পারছেন?” {{nop}}<noinclude>{{c|১৭}}</noinclude> g2yvi7rt9rj9mml4d503sfqj6997y76 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩০ 104 779912 1991893 1985079 2026-07-31T04:10:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991893 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>পুস্তকাকারে তুলে ধরলেন এক বৈজ্ঞানিক সত্যকে—সূর্যকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে পৃথিবীসহ গ্রহগুলো। তাঁরই উত্তরসূরী হিসেবে এলেন ইতালির {{wdl|Q36330|জিয়োর্দানো ব্রুনো}}, {{wdl|Q307|গ্যালিলিও গ্যালিলেই}}। সেদিন পৃথিবীর তামাম বিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী, দার্শনিক থেকে সাধারণ মানুষ তাঁদের তত্ত্বকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এমন এক ‘গাঁজাখুরি’, ‘অদ্ভুতুড়ে’ ও ধর্মবিরোধী মত প্রকাশের জন্য সেদিন ব্রুনোকে বন্দী করা হয়েছিল। রাখা হয়েছিল এমন এক কম উচ্চতার ঘরে, যার ছাদ সীসেতে মোড়া। গ্রীষ্মে ঘর হত চুল্লি, শীতে বরফ। এমনি করে দীর্ঘ আট বছর ধরে তাঁর উপর চালানো হয়েছিল বর্বরোচিত ধর্মীয় অত্যাচার। তথাকথিত সত্যের পূজারী, ঈশ্বর প্রেমিক ধর্মযাজকরা শেষবারের মত ব্রুনোকে বাঁচার সূযোগ দিল। নিজের মতকে ভ্রান্ত বলে স্বীকার করে নিয়ে বাঁচার সুযোগ। অসীম সাহসী ব্রুনো সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বাইবেল বিরোধী অসত্য ভাষণের অপরাধে ব্রুনোকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হল প্রকাশ্যে। {{gap}}গ্যালিলিও গ্যালিলেইকেও ধর্মান্ধতার বিচারে অর্ধামিক ও অসত্য মতবাদ প্রচারের অপরাধে জীবনের শেষ আটটা বছর বন্দী জীবন কাটাতে হয়েছিল। {{gap}}কিন্তু এত করেও সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, ঈশ্বর-পুত্র, পোপ এবং সংখ্যাগুরু জনমত সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর ঘোরা বন্ধ করতে পারেনি। {{gap}}{{wdl|Q83041|আনাক্সাগোরাস}} বলেছিলেন, চন্দ্রের কোনও আলো নেই। সেই সঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন চন্দ্রের হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ ও চন্দ্রগ্রহণের কারণ। সেদিন আনাক্সাগোরাসের তত্বের প্রতিটি সত্যই ছিল ধর্মবিশ্বাসী বিশ্ববাসী সংখ্যাগুরুদের চোখে মিথ্যে। ঈশ্বর বিরোধিতা, ধর্ম বিরোধিতা ও অসত্য প্রচারের অপরাধে দীর্ঘ ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের পর তাঁকে দেশ থেকে নির্বাসিত করা হয়। কিন্তু এত করেও সে’দিনের সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, ঈশ্বর-পুত্র ও জনগণের অজ্ঞানতা নির্বাসনে পাঠাতে পারেনি আনাক্সাগোরাসের জ্ঞানকে, সত্যকে। সেদিনের সংখ্যাগুরু মানুষের দ্বারা সমর্থিত চন্দ্র বিষয়ক ঈশ্বরের অভ্রান্ত বাণীই আজ শিক্ষিত সমাজে নির্বাসিত। {{gap}}ষোড়শ শতকেও পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষ বিশ্বাস করত, অসুখের কারণ পাপের ফল বা অশুভ শক্তি। ষোড়শ শতকে সুইজারল্যাণ্ডের {{wdl|Q372608|বেসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের}} রসায়নশাস্ত্র ও ভেষজবিদ্যার অধ্যাপক {{wdl|Q83428|ডাক্তার ফিলিপ্রাস অ্যাউরেওলাস প্যারাসেলসাস}} ঘোষণা করলেন—মানুষের অসুস্থতার কারণ কোনও পাপের ফল বা অশুভ শক্তি নয়, রোগের কারণ জীবাণু। পরজীবী এই জীবাণুদের শেষ করতে পারলেই নিরাময় লাভ করা যাবে। {{gap}}প্যারাসেলসাসের এমন উদ্ভট ও ধর্মবিরোধী তত্ত্ব শুনে তাবৎ ধর্মের ধারক-বাহকরা ‘রে-রে’ করে উঠলেন। এ কী কথা! রোগের কারণ হিসেবে ধর্ম আমাদের যুগ যুগ ধরে যা বলে এসেছে, তা সবই কি একজন উন্মাদ অধ্যাপকের কথায় মিথ্যে হয়ে যাবে? শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পবিত্র ধর্মনায়কেরা যা<noinclude>{{center|৩০}}</noinclude> jh8ei7i79z8qtry0d751lvfqligas4t পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২১৫ 104 779955 1991939 1985153 2026-07-31T04:10:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991939 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" />{{block center/s|width=400px}}</noinclude>'''র‌্যাণ্ডি থেকে কভুরের বুজরুকি ফাঁসের লেখাতে কেন অর্থের আঁশটে গন্ধ পান না? দেবীপ্রসাদ থেকে আজিজুল হকের লেখাকে বাতিল করতে কেন অর্থ মূল্যকে যুক্ত করেন না?'''{{block center/e}} {{c|O}} {{gap}}যাঁরা বেছে বেছে শুধুমাত্র যুক্তিবাদের পক্ষে, বুজরুকি ফাঁসের পক্ষে লেখা বই-পত্তরের ক্ষেত্রে লেখকের বাণিজ্যিক মানসিকতার গন্ধ পান, তাঁদের কিন্তু আদৌ অজানা নয়, বুজরুকি ফাঁসে বিরত থাকলে রোজগারটা লেখক অকল্পনীয় অংকে নিয়ে যেতে পারেন। আজ থেকে বছর দশেক আগে ফিলিপিনের ফেইথ হিলারের রহস্যকে উন্মোচন না করার জনা পনের লক্ষ টাকার ভেট দিতে বাড়ি এসে ধনকুবেরের তোয়াজ করে যাওয়ার কাহিনী সেই কবে ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’ এর দ্বিতীয় খণ্ডে বিস্তৃত ভাবে লেখা হয়েছে। দশ বছর আগের পনের লক্ষ টাকা এখনকার কোটি টাকার সমান কি না, সে কূট প্রশ্নে না গিয়েও বলি—এটি একটিমাত্র উদাহরণ, সব নয়। পরিবর্তে আমরা কি দেখেছি? বিকল্প চিকিৎসা নিয়ে কলকাতা দূরদর্শনের নিউজ ম্যাগাজিনের জন্য একটি ছবি তুলেছে একটি প্রাইভেট কোম্পানী। ছবিটিতে যুক্তিবাদী সমিতির পক্ষে হাজির করা কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকদের নানা প্রশ্নের মুখে বিকল্প চিকিৎসকরা হাসির খোরাক হলেন। বিকল্প চিকিৎসকদের এক একজনের জ্ঞানের পরিধি বাস্তবিকই হাস্যকর ছিল। প্রযোজক ছবিটি দেখাবার দিন-ক্ষণও ঘোষণা করলেন। সেদিন ছবি দেখতে গিয়ে দর্শকরা বোকা বনলেন! স্বর্ণসন্ধানী ব্যবসায়ীর কাছে বোকা বনলেন: কারণ ছবিটি দেখান হয়নি। অন্য একটি অনুষ্ঠান জায়গা দখল করেছিল। এবং স্পনসরের ভূমিকায় দেখতে পাওয়া গেল একটি বিকল্প চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাকে। অনেক চেঁচামেচিতে পরের সপ্তাহে ছবিটি যদিও বা এলো, তবে তখন পরিকল্পিত কাঁচি চালনার কল্যাণে সত্য হয়েছে বিকৃত এবং বিকল্প চিকিৎসা ‘বিজ্ঞান-টিজ্ঞান’, এবং স্পনসরের ভূমিকায় আবারও প্রবলভাবে হাজির হলো বিকল্প চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাটি। {{gap}}প্রচারে ভারত বিখ্যাত মহারাষ্ট্রের এক ম্যাগনেটোথেরাপিস্ট কলকাতায় ক্যাম্প করেছিলেন কয়েকদিনের। ব্যবস্থাপত্র মিলছিল বিনি পয়সায়। চুম্বক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সাজ-সরঞ্জাম কিনতে হচ্ছিল, এবং তা স্বপ্ন-মূল্যেই। প্রতিদিনের আয়টা স্বভাবতই ছিল কল্পনাতীত। ম্যাগনেটো-থেরাপিস্টের ডাক্তারী ডিগ্রিটা এক অস্তিত্বহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের। একটি বাংলা দৈনিকের পক্ষে সত্যানুসন্ধানে নেমেছিলাম। লেখায় হাজির করলাম ওঁর বুজরুকি ও বে-আইনি ব্যাপার-স্যাপার। লেখা শেষ হয়েছিল সরাসরি চলেঞ্জ জানিয়ে। তারপর কোথা থেকে কি হল—লেখাটি আজও প্রকাশের মুখ দেখেনি। পরিবর্তে শুনতে হয়েছে চুম্বক চিকিৎসা ক্যাম্পের এক ব্যবস্থাপকের বিদ্রুপ—লেখাটা পারলেন ছাপাতে? {{gap}}এক ধনবান জাদুকরের একটি বিখ্যাত প্রতারণার খুঁটি-নাটি তথ্য-প্রমাণ<noinclude></noinclude> gr0spg1h7159eckiumuas2hvntbt5ol পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/১৭৭ 104 779989 1992172 1469550 2026-07-31T04:28:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992172 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nafiul adeeb" />{{rh||সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি|১৫৭}}</noinclude>উপন্যাস ‘ছন্নছাড়া’ ও ‘হারানেস্মৃতি’, জ্যোতিঃপ্রভা দেবীর শিশুপাঠ্য ‘আনন্দের ফোয়ারা’, সুজাতা দেবীর ‘ওমরখৈয়াম’, তমাললতা বসুর উপন্যাস ‘কথার দাম’, আশালতা দেবীর ‘পাওয়ার বেদনা’, প্রীতিকণা দত্তজায়ার শিশুপাঠ্য জীবনী ‘অরুন্ধতী’, ‘দুর্গাবতী’, ‘রাণী ভবানী’, অনুরূপা দেবীর (দেরাদুন, মুসৌরী হইতে কেদার-বদরীভ্রমণের সঙ্গে মোটামুটি উত্তরাখণ্ডের সমস্ত কিম্বদন্তী এবং ইতিহাস সম্বলিত) ভ্রমণকাহিনী ‘উত্তরাখণ্ডের পত্র’ প্রকাশিত হয়। এই সময়ের খুব কাছাকাছি গল্পলেখিকাদের মধ্যের কয়েকজন লেখিকার বলিষ্ঠ পুরুষোচিত ভাষা ও নারী-অসাধারণ সূক্ষ্মদৃষ্টি ও লিপিচাতুর্য প্রশংসনীয়। এর মধ্যে একজন বাণী রায়, অপর নিঃসন্দিগ্ধ ছদ্মনাম্নী অমলাদেবী, —“মনোরমা” “সরোজিনী” “সুধার প্রেম” প্রভৃতির লেখিকা অথবা লেখক। {{gap}}১৯৩৭ খৃষ্টাব্দে পুষ্পলতা দেবীর “পুষ্পচয়ন” নামক গল্পসংগ্রহ, প্রতিভা সেনের ‘ভারতের শাসনপদ্ধতি’, প্রভাবতী দেবীর উপন্যাস ‘বাংলার বউ’, উমা দেবী কাব্যনিধির কাব্য ‘মানস বেণু’, সরলা দেবীর ‘ইন্দ্রজাল’, গিরিবালা দেবীর উপন্যাস ‘দান প্রতিদান’, ইলারাণী মুখোপাধ্যায়ের উপন্যাস “পল্লীর মেয়ে”, গীতা দেবীর ‘মেয়েলি ব্রতকথা’, জ্যোতির্ময়ী দেবীর ‘বারোমেসে লক্ষ্মী দেবীর পাঁচালী’, সুকবি রাধারাণী দেবীর “বনবিহগী” সম্ভবতঃ এই সালেই ছাপা হয়েছিল। শ্রীমতী লীলা দেবীর “রক্তকমল মানিকের” ছাপার তারিখ জানা যায় নি, এখানি ছোট্ট একটী নাটিকা। তাঁর “ধ্রুবা” “কিসলয়” এবং রূপহীনার রূপ ইতিপূর্বেই ছাপা হয়। তাঁর লেখায় একটা মিষ্টিক ভাব দেখা যায়,<noinclude></noinclude> opwsvq0gatsxf395u6ov9lewopcx2fw পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/২১৯ 104 780031 1992024 1983852 2026-07-31T04:15:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992024 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Firuz Ahmmed" /></noinclude>করেন নাই। পুরুষের মত নারীরও বানপ্রস্থ অবলম্বনে বাধা নাই— তাঁহারা এইরপ অভিমত প্রকাশ করিলেন। পণ্ডিত রামভজও ইহাতে বাদ সাধেন নাই। তাঁহার নিকট হইতেও সম্মতি পাইয়া সরলা দেবী সুস্থ চিত্তে হিমালয়ে হৃষিকেশে অবস্থান করিতে লাগিলেন। {{gap}}কিন্তু তাঁহার এবারকার হিমালয়-জীবন দীর্ঘায়ত হইল না। কারণ পণ্ডিত রামভজ দত্তচৌধুরী হঠাৎ অসুস্থ হইয়া পড়িলেন। সেবাপরায়ণা সরলা আর স্থির থাকিতে পারিলেন না। অসুস্থতার সংবাদে তিনি স্বামীর নিকট ছুটিলেন। চিকিৎসা, সেবা-শুশ্রষার সুব্যবস্থা সত্ত্বেও পণ্ডিত রামভজ ১৯২৩ সনের ৬ই আগস্ট মুশৌরীতে মারা গেলেন। সরলা দেবীর পক্ষে হিমালয়ে ফিরিয়া যাওয়া আর সম্ভব হইল না। পুত্র দীপক ১৯১৮-১৯ সনে বোলপুর-শান্তিনিকেতনে অধ্যয়ন করেন। মার্শাল ল’র পরে তিনি লাহোরে ফিরিয়া গেলেন। মহাত্মা গান্ধী তাঁহাকে অতঃপর সঙ্গে করিয়া সবরমতী আশ্রমে যথোপযুক্ত শিক্ষাদানের জন্য লইয়া গেলেন। কলিকাতা পুনরায় সরলা দেবী চৌধুরাণীর কর্মস্থল হইল। এখানেই তিনি আমত্যু বাস করেন। {{gap}}'''ভারত-সম্পাদনা—সাহিত্যক—সাংস্কৃতিক সভা-সমিতি:''' পঞ্জাব- বাসকালে নানা রকমের কর্মপ্রচেষ্টার মধ্যেও সরলা দেবীর বাংলা সাহিত্যচর্চা যে অব্যাহত ছিল তাহার উল্লেখ ইতিপূর্বে করিয়াছি। তিনি কলিকাতায় প্রত্যাবৃত্ত হইয়া পুনরায় সাহিত্যসেবায় মনঃসংযোগ করিলেন। ‘ভারতী’র সম্পাদনা-ভার স্বতঃই তাঁহার উপর পড়িল। তিনি ১৩৩১ সালের বৈশাখ মাস হইতে ‘ভারতী’-সম্পাদনা শুর করিলেন। তিনি আড়াই বৎসর পর্যন্ত একাদিক্রমে ‘ভারতী’—সম্পাদনায় লিপ্ত ছিলেন। এই সময়ে তাঁহার সাহিত্যচর্চা পুনরায় পূর্ণোদ্যমে আরম্ভ হইল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ সর্ববিধ রচনায়ই তিনি হস্তক্ষেপ করিলেন। এ সময়ে তাঁহার বড়মামা দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং দিদি হিরন্ময়ী দেবী পরলোকগমন করেন। তাঁহাদের উপরে লিখিত সরলা দেবীর প্রবন্ধ দুইটিতে অনেক নূতন কথা জানা যাইতেছে। {{gap}}তাঁহার কৃতি শুধু ‘ভারতী’র পৃষ্ঠায়ই নিবদ্ধ রহিল না। তিনি এই সময় কলিকাতা ও বিভিন্ন অঞ্চলে সাহিত্য-সংস্কৃতিমূলক সভা- সমিতিতে আহুত হইতে লাগিলেন। তাঁহার ভাষণসমূহ ‘ভারতী’তে যথাসময়ে প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন বিষয়ে তাঁহার ভাবধারণা এই-সকল পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় আমাদের পক্ষে জানিয়া লওয়া আজও সম্ভব।<noinclude>{{left|২০২}}</noinclude> 24b6uevhpjqaz5k7x170ejyw602quqa পাতা:ভারতীয় প্রাচীন চিত্রকলা.pdf/৫৪ 104 780146 1992143 1466337 2026-07-31T04:24:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992143 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh||ভারতীয় প্রাচীন চিত্রকলা|৪১}}</noinclude>যেখানে সর্পভ্রম ঘটিত, বা মরীচিকায় জলভ্রম হইত, সেখানেও একটি মিথ্যা সর্প বা মিথ্যা জল বাহিরে সৃষ্ট হইত বলিয়া অঙ্গীকার করা হইয়াছে। সেই বহিঃসৃষ্ট মিথ্যা বিষয়ের সহিত ইন্দ্রিয়জ জ্ঞান জন্মিত। বোধ হয় এই জন্যই চিত্রানুকৃতির সময়ও শিল্পীদিগের নিকট এই দাবী করা হইত যে, যাহা চক্ষুতে দেখা যায় তাহারি অনুকৃতি যখন চিত্রীর উদ্দেশ্য, তখন চিত্রের সমস্ত বস্তুকেই চিত্রীকে অঙ্কিত করিতে হইবে। কোন একটি মূর্ত্তির কেবলমাত্র মাথা দেখাইলে সেই মাথা হইতে অবয়বের সম্বন্ধে আমাদের যে জ্ঞান হয়, তাহা দর্শন নহে—অনুমান। এই জন্যই শ্রীকুমার শিল্পরত্নে লিখিয়াছেন—“সর্ব্বাঙ্গদৃশ্যকরণং চিত্রমিত্যভিধীয়তে”, অর্থাৎ সমস্ত অঙ্গকেই দৃশ্য করিতে হইবে। সেই জন্যই স্থানবিনিবেশসূচক perspective-এর জ্ঞান থাকিলেও আমাদের দেশের শিল্পীরা দূরত্বজ্ঞাপন করার যে সমস্ত কৌশল আছে সে সমস্ত কৌশল অনেকসময় চিত্রে ও ভাস্কর্যে ব্যবহার করিতেন না,—এবং পৃথক্ পৃথক্‌ চিত্রফলকে একই plane-এ দূরের এবং নিকটের বস্তু পৃথক্‌ পৃথক্ করিয়া দেখাইতেন। Perspective-এর যে তাঁহাদের জ্ঞান ছিল তাহা চিত্রসম্বন্ধীয় অনেক বর্ণনা এবং অজন্তার কোন কোন চিত্র এবং চিত্রশাস্ত্র হইতে প্রমাণ করা যায়। চিত্রসূত্রে লিখিত আছে—“সুপ্তং চ চেতনাযুক্তং মৃতং চৈতন্যবর্জ্জিতম্। নিম্নোন্নতবিভাগঞ্চ যঃ করোতি স চিত্রবিৎ।” অর্থাৎ যে চিত্রী নিদ্রিতকে নিদ্রিতের ন্যায় আঁকিতে পারে, চেতনাবানকে সচেতনের<noinclude></noinclude> skpmi2kvojt1we3bqm4ggam24v640xf পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১১১ 104 780177 1991952 1983631 2026-07-31T04:10:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991952 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh||কোচিন।|১০৭}}</noinclude>{{gap}}কিয়ৎকাল বিশ্রামের পর, আমি আবার সেই দ্বীপটির মধ্যে—সেই আমার সুপ্ত প্রাসাদের মধ্যে প্রবেশ করিলাম।, {{gap}}যখন সূর্য্য অন্তপ্রায়, সেই সময়ে এখান হইতে চিরবিদায় লইবার জন্য আমি উদ্যেগ করিলাম। সেই চল্লিশ দাড়ের নৌকায় উঠিয়া কোচিনরাজ্যের দক্ষিণতম নগর “ত্রিচূড়”—অভিমুখে যাত্রা করিলাম। এখান হইতে আরো একরাত্রির পথ যাইতে হইবে। {{gap}}প্রত্যেক জলযাত্রার আরম্ভে আমার নৌকা ইতপূর্ব্ব্বে যেরূপ বেগে চলিয়াছিল, এবার সেইরূপ বেগে চলিল। বিশ্রামের পর দাড়ীরা নববলে বলীয়ান্ হইয়া, কোদালি-কোদালি মাটি উঠাইবার মত, ‘প্রত্যেক দাড়ের আঘাতে রাশি-রাশি জল উঠাইয়া চলিতে লাগিল। দাড়ীদের সাহায্যার্থে আমরা পাল তুলিয়া দিলাম। তালীবনসমাচ্ছন্ন দুই কুলের মধ্যবর্তী বিলের মধ্যে আবার প্রবেশ করিলাম। {{gap}}বলা বাহুল্য—আমাদের অস্তগামী সূর্য্য রক্তিম স্বর্ণ-আভার মধ্যে অবতরণ করিয়া নিৰ্বাপিত হইল; এবং পরক্ষণেই,ঐ অদূরে, চির-উদ্ভিজ্জের পশ্চাতে অদৃশ্য হইয়া পড়িল। আমাদের এই প্রশান্ত জগতের উপর, অতীব মধুর বর্ণে রঞ্জিত নির্মেঘ অমল আকাশ প্রসারিত। আমরা এখন মৎস্যজীবীর রাজ্যে—জেলে-নৌকার মধ্যে—মৎস্যজালের মধ্যে আসিয়৮ পড়িয়াছি। এই ভারতীয় বিলের চারিধারে, তালীবনের পর্দা থাকায় সেই আদিমকালের হূদবাসী মৎস্যজীবীর জীবন এখানে বেশ সুরক্ষিত রহিয়াছে। {{gap}}কল্যকার মত আজও আমার মাঝিমাল্লারা মুখ বুজিয়া সমস্বরে তান ধন্ধিয়াছে; এই তান,—এই প্রশান্ত সময়ের সহিত বেশ খাপ খাইয়াছে। পবনদেবের কৃপায় আমাদের নৌকা পালভরে চলিতেছে; দাড়ীরা ঔদাস্তের সহিত অলসভাবে দাঁড় ফেলিতেছে। অন্য নৌকাতেও জেলেরা গান ধরিয়াছে; যে স্বরে গান গাহিতেছে, তাহা মানবকণ্ঠ পর বলিয়া মনে হয় না,মনে হয় যেন গির্জ্জাঘড়ির ঘণ্টাধ্বনি<noinclude></noinclude> ei701blrugmfq9mthzj311xiksrjc59 পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৪৮ 104 780251 1991953 1556488 2026-07-31T04:10:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991953 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh|১৪৪|ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ|১৪৪}}</noinclude>উদ্দেশে কতকগুলি অনুরোধপত্র ত্রিবন্ধুরে প্রাপ্ত হইয়াছিলাম। প্রথমেই আমি ব্রাহ্মণদিগের গৃহে উপস্থিত হইলাম। ভারতে, ব্রাহ্মণেরাই সর্ব্বাপেক্ষা বিশিষ্ট ও পরিশুদ্ধ। {{gap}}গুরুভার, পিণ্ডাকৃতি, উচ্চ-"ভিত”—বিশিষ্ট একটি ক্ষুদ্র একতালা গৃহ। এই মাদুরা নগরে ব্রাহ্মণদিগের যত গৃহ, সমস্তই এই আদর্শের। একটা বারাণ্ডা বারাণ্ডার থামের মাথায় বিকটাকার জীবজন্তুর মস্তক। একটা পাথরের সিঁড়ি; সেই সিঁড়ি দিয়া গৃহের অভ্যর্থনাশালায় যাওয়া যায়। সেখান হইতে লতাপাতার কাজ করা অতীব ক্ষুদ্র তিনটি গবাক্ষ দিয়া নীচের রাস্তা দেখিতে পাওয়া যায়। এই ঘরে গৃহস্বামী আমাকে অভ্যর্থনা করিলেন। তিনি পলিতকেশ বৃদ্ধ; চারিটি যুবক তাহাকে ঘিরিয়া আছে;—ইহারা তাহার পুত্র। ইহাদের দীর্ঘ নেত্র নীলকৃষ্ণ অঞ্জনরেখায় অঙ্কিত। পরিচ্ছদের মধ্যে একটা ধুতি কোমরে জড়াননা; কিন্তু ইহাতে করিয়া তাহাদের উদাত্তভাব, বিশিষ্টতা ও কুলগৌরবের কিছুমাত্র লাঘব হয় নাই। ঘরটি চুকাম-করা, খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, কি একটা সুগন্ধি ধূপে আমোদিত; সাজসজ্জাও নিতান্ত অশোভন নহে। আরামকেদারাগুলি খোদিত আব্লুস্ কাঠের। দেয়ালের উপর, গিণ্টিকরা “ফ্রেমে” পুরাতন জলরঙের ছবি সংরক্ষিত;—ছবিগুলি বিষ্ণুর অবতার-মুর্ত্তি। কুমিতলে সুন্দর ভারতীয় গালিচা, এবং ফুলকাটা কাপড়ে আচ্ছাদিত গদী। আমার আগমনে ইহারা একটু বিস্মিত হইল; কেন না, বৈদেশিকেরা এখানে বড় একটা আইসে না; তথাপি, ভদ্রতা ও আতিথ্য প্রদর্শন পূর্ব্বক গৃহের সমস্ত অংশ আমাকে দেখাইতে চাহিল। প্রথমে একটি অন্তঃপ্রাঙ্গণ প্রাচীরবেষ্টিত ও বিষাদময়। একটা “মকুটে মারা” বটগাছের ছায়ায় মেষ ও ছাগল বিশ্রাম করিতেছে। তাহার পর, গৃহের ছাদ;—ছাদে পায়রারা বাস করে ও কাকেরা আসিয়া বসে। সেখান হইতে, মাদুরাব প্রাচীন রাজাদিগের প্রাসাদ দেখা যায়;— উহা সপ্তদশ শতাব্দীর<noinclude></noinclude> licjg30v7gm54z8k6bxk0bjx8dgl5p4 পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৬৩ 104 780257 1991955 1516185 2026-07-31T04:10:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991955 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh||তাঞ্জোরের অদ্ভূত শৈল।|১৫৯}}</noinclude>{{gap}}পূর্ব্বের কথামত পুরোহিতেরা আমার জন্য অপেক্ষা করিতেছিলেন। তাহারা আমাকে অন্ধকারময় মন্দিরের গভীরদেশে লইয়া গেলেন।, আমার সম্মুখে, একটা গুরুভার তাম্র-দ্বার উদঘাটিত হইল; উহাই মন্দিরের গুপ্ত অংশ। {{gap}}প্রথমে একটা দালান, তাহার দুই ধারে সারি সারি কৃষ্ণবর্ণ দেবমুত্তি, গুহাগহবরের মত সমস্ত অন্ধকারে আচ্ছন্ন,—তাহার পরেই বিমল আলোকচ্ছটা, “স্বর্ণপদ্ম-সরোবর” নামে একটি পবিত্র পুষ্করিণী;মুক্ত আকাশতলে, একটি চতুষ্কোণ গভীর জলাশয়; নামিবার জন্য, চারিধারে পাথরের সিঁড়ি; জলাশয়ের চারিদিকে, শোভন-সুন্দর স্তম্ভশ্রেণী চলিয়া গিয়াছে; কতকগুলি খিলান-মণ্ডপ খোদাই-কাজকরা ও কতকগুলি খিলান-মণ্ডপ পবিত্র গম্ভীর বর্ণে রঞ্জিত; আর সারি সারি ঢাকা-বারাণ্ডা; এই বারাণ্ডাগুলি, ব্রাহ্মণদিগের গুপ্ত বিচরণভূমি। এই বদ্ধ ঘেরের একটা দিক, সুশীতল নীল ছায়ায় এখনও পরিস্নাত; অন্য দিক্‌, সূর্যের উদয়ে ইহারই মধ্যে পাটল-রাগে,—ভাতিক সিন্দুররাগে রঞ্জিত হইয়াছে। এই সরোবরের চতুদ্দিকস্থ সারি সারি বারাণ্ডাদালানের মাথা ছাড়াইয়া, উর্ধে রক্তিম মন্দির-চূড়াগুলি; সকল স্থান হইতেই এই চূড়াগুলি দেখা যাইতেছে; এই চূড়াগুলি বিভিন্ন ব্যবধানে ও বিভিন্ন উচ্চতায় অবস্থিত হইয়া দীপ্তি পাইতেছে এবং প্রত্যেক চূড়ার চারিধারে পাখীরা ঝাকে ঝাকে উড়িয়া বেড়াইতেছে; আর একটি সোনার গম্বুজও ঝিকমিক্ করিতেছে মন্দিরের যে স্থানটি সর্ব্বাপেক্ষা পবিত্র ও সর্ব্বপেক্ষা রহস্যময়, যেখানে আমি কোনো উপায়েই প্রবেশলাভ করিতে পারি নাই—সেই গম্বুজটি তাহারই মাথায় অধিষ্ঠিত। অপূর্ব্ব সরোবর! নিষ্পতা যেন মুর্তিমতী! তীরস্থ কঠোর ও বিরাট দৃশ্যের মধ্যে এই সরোবরের জল যেন মৃত বলিয়া মনে হয়—উহাতে একটি রেখামাত্র নাই। চতুর্দিকের স্তম্ভশ্রেণী, জলের উপর প্রতিবিম্বিত, দ্বিগুণিত, দীর্ঘীকৃত ও বিপর্যস্ত ভাবে দেখা যাইতেছে। এই “স্বর্ণপদ্ম-সবোবর”,—এই তপন-তারা জলদরাজির<noinclude></noinclude> 7e334895oj3go81l7cmo2s9li2o9oyh পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫৫ 104 780266 1991954 1980878 2026-07-31T04:10:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991954 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh||তাঞ্জোরের অদ্ভূত শৈল।|১৫১}}</noinclude>{{gap}}এই খিলান-পথের পরেই একটা দ্বার; দেবমূর্ত্তিময় অভ্রভেদী মন্দির’চূড়ার তলদেশে, একটা অন্ধকেরে সুড়ঙ্গ-কাটা পথ। এই পথ দিয়া একেবারেই মন্দিরের মধ্যে প্রবেশ করা যায়; মন্দির না বলিয়া ইহাকে একটা নগর বলিলেও চলে; এই নিস্তব্ধ অথচ শব্দায়মান নগরটি পথে-পথে একেবারে আচ্ছন্ন—পথগুলা আড়াআড়িভাবে প্রসারিত; এবং ইহার অসংখ্য লোক সমস্তই প্রস্তরময়। প্রত্যেক স্তম্ভ, প্রত্যেক বিরাটাকৃতি পিপা এক-একটা অখণ্ড প্রস্তরে নির্মিত; কি উপায়ে যে উহাদিগকে খাড়া করিয়া তুলিয়াছে তাহা আমাদের বুদ্ধির অগম্য,—(অবশ্য লক্ষ লক্ষ বাহু-পেশীর সমবেত চেষ্টায়) তাহার পর, বিবিধ দেবতা ও দানবের মূর্তি খুদিয়া-খুদিয়া বাহির করা হইয়াছে। এই খিলান মণ্ডপগুলি প্রায়ই সমতল; প্রথম দৃষ্টিতে বুঝিতে পারা যায় না কেমন করিয়া উহারা ভারসাম্য রক্ষা করিয়া স্থিরভাবে দণ্ডায়মান আছে। এই খিলানমণ্ডপগুলি ৮১০ গজ লম্বা অখণ্ড প্রস্তরে নির্মিত, এবং দুই প্রান্তে ভর দিয়া রহিয়াছে, আমাদের সাদাসিধা কাঠফলকের মত এইরূপ কত অসংখ্য প্রস্তরখণ্ড পাশাপাশি অবস্থিত। এই সমস্ত,পুরাতন মিসরের ‘থেব’ ও ‘সেমৃফিস নগরের ধরণে নির্মিত; কালের দ্বারা বিনষ্ট হইবার নহে উহারা প্রায় অনন্তকালস্থায়ী। “শ্রী-রাগম”—মন্দিরের ন্যায়, এখানেও, আকাশে সতেজে পা ছুঁড়িতেছে এইরূপ অশ্বের মুর্তি কিংবা দেবতাদের মূর্তি সারি সারি রহিয়াছে এবং সুদূর আঁধারে ক্রমশ মিশিয়া গিয়াছে। এই সকল মুর্তির কৃষ্ণবর্ণ মসৃণ তলদেশ—যেখানে মানুষের হাত কিংবা শরীর পৌঁছায়—তাহা মনুষ্য ও পশুর দৈনিক গাত্র ঘর্ষণে ক্ষয় হইয়া গিয়াছে— এবং শুধু ইহাতেই উহাদের প্রাচীনত্ব সূচিত হয়। একদিকে বিরাট মহিমা, অপরদিকে গোময়-রাশি; একদিকে ইন্দ্রপুরীর বিলাস-বিভব, অপর দিকে বর্বরোচিত অযত্ন তাচ্ছিল্য। খাড়ার ও কাটা-কদলীপত্রের মালা—যাহা পূর্ব্বে কোন উৎসবের সময়ে টাঙ্গান হইয়াছিল, তাহা গুড়া<noinclude></noinclude> 5428hq4upkf4tp18m0uiqwovvrfpll1 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/৮৮ 104 780294 1991895 1985088 2026-07-31T04:10:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991895 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>সারে। যাঁদের সেরেছে, তাঁরা প্রাকৃতিক নিয়মকেই আংটির অলৌকিক নিয়ম বলে ভুল করেছেন। {{gap}}এই প্রসঙ্গে আর একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। ‘৮৮-র ২৯ জুলাই সাংবাদিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এক প্রতিবেদনে আনন্দবাজার পত্রিকায় মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুকে লেখা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল সেনের চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। চিঠিটা এখানে তুলে দিচ্ছি। {{gap}}''“প্রীতিভাজনেষু জ্যোতিবাবু, {{gap}}''আনন্দবাজার পত্রিকায় পড়লাম আপনি স্পণ্ডিলাইটিসে কষ্ট পাচ্ছেন। আমি স্পণ্ডিলাইটিসে অনেকদিন ধরে ভুগেছি। তখন তদানীন্তন প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ প্রতুল মুখার্জি আমাকে একটা বালা দেন যার মধ্যে হাই ইলেকট্রিসিটি ভোল্ট পাস করানো হয়েছে, সেটা পরে কয়েকদিনের মধ্যেই আমি সুস্থ হই। আমি আপনাকে কয়েকদিনের মধ্যেই একটি তামার বালা পাঠাব, আশা করি সেটা পরে আপনি উপকার পাবেন।'' {{gap}}''আপনার দ্রুত নিরাময় কামনা করি, আমি এখন আরামবাগে আছি।'' {{gap}}''পুনঃ সম্ভবপর হলে সাইকেলে অন্তত দৈনিক আধঘণ্টা চাপবেন। আপনি বোধহয় জানেন আমি সাইকেলে চেপে একদা ভাল ফল পেয়েছি।'' {{Right|''স্বা: প্রফুল্লচন্দ্র সেন''}} {{Right|''২৮.৭.৮৮''}} {{gap}}পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রফুল্লচন্দ্র সেন জানান, তামার বালা পরেছিলেন ১৯৭৯ সালে। শ্রীসেনের কথায়, “স্পণ্ডিলাইটিস হয়েছিল। ডঃ নীলকান্ত ঘোষাল দেখছিলেন। কিছুই হলো না। কিন্তু সেই তামার বালা ব্যবহার করলাম, প্রথম ৭ দিনে ব্যথা কমে গেল। পরের ১৫ দিনে গলা থেকে কলার খুলে ফেললাম।” {{gap}}এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর নাকি তামার বালা বিক্রি খুব বেড়ে গিয়েছিল শহর কলকাতায়। প্রফুল্লচন্দ্র সেনের বক্তব্য এবং জ্যোতি বসুকে লেখা চিঠি শুধুমাত্র সাধারণ মানুষদের মধ্যে নয়, বিজ্ঞানকর্মীদের মধ্যেও যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছিল। যার ফলশ্রুতি হিসেবে শরীরের ওপর ধাতুর প্রভাব কতখানি অথবা বাস্তবিকই প্রভাব আছে কি না, বহু প্রশ্নের ও পত্রের মুখোমুখি হয়েছি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁদের জানিয়েছি, ‘শরীরের উপর ধাতুর প্রভাব আছে’, এটা সম্পূর্ণ অলীক ধারণা। {{gap}}‘আর্থ’ না করে তামার বালা পরে জীবনধারণ করার চিন্তাও বাস্তবসম্মত নয়। তামাকে ‘আর্থ’ হওয়া থেকে বাঁচাতে বালাধারণকারীকে তবে পৃথিবীর ছোঁয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখে জীবন ধারণ করতে হয়। কারণ,<noinclude>{{c|৮৮}}</noinclude> hyzrj7dz2q0ghjadxclbjiq8cbhbr5p পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/৯৪ 104 780333 1991898 1985091 2026-07-31T04:10:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991898 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>{{gap}}সে সময়কার মানুষদেরও একটা ‘ধর্ম’ অবশ্যই ছিল। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীদের ধর্ম থেকে মানুষের ধর্ম-এর একটা স্পষ্ট পার্থক্যও ছিল। এই পার্থক্যই মানুষকে অন্য প্রাণীদের থেকে আলাদা করেছে, বিশিষ্ট করেছে। সে সময় মানুষের ‘ধর্ম ছিল ‘মনুষ্যধর্ম’, যা বর্তমান মানবতারই প্রাথমিক পর্যায়। অন্যান্য প্রাণীদের সঙ্গে আদিম মানুষদের এই ‘ধর্ম’—এর পার্থক্য ছিল এই, অন্যান্য প্রাণীরা প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছিল; কিন্তু মানুষ সেখানে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেবার পাশাপাশি প্রতিকূল প্রকৃতিকে নিজেদের অনুকূলে আনতেও সচেষ্ট ছিল। {{gap}}এই আলোচনার সূত্র ধরে আমরা এখন নিশ্চয়ই বলতে পারি, “ঈশ্বর বিশ্বাস পৃথিবীর সব ধর্মেই আবহমান কাল থেকে চলে আসছে"—ইত্যাদি জাতীয় প্রতিটি কথা ঐতিহাসিক ভাবেই অসত্য, কারণ ‘ধর্ম বলতে বর্তমানকালের ধর্মীয়বেত্তারা যা বোঝান, সেই ‘ধর্ম’ই আবহমানকালের নয়। {{center|O}} {{block center|width=400px|'''“ঈশ্বর বিশ্বাস পৃথিবীর সব ধর্মেই আবহমান কাল থেকে চলে আসছে” ইত্যাদি জাতীয় প্রতিটি কথা ঐতিহাসিক ভাবেই অসত্য, কারণ ‘ধর্ম’ বলতে বর্তমানকালের ধর্মীয়বেত্তারা যা বোঝান, সেই ‘ধর্ম’ই আবহমানকালের নয়।'''}} {{center|O}} {{gap}}দুইঃ ঈশ্বর অবিশ্বাসী প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের ইতিহাসও প্রাচীন। এই ঈশ্বর বাদ দেওয়া ধর্মকেও সমষ্টিগত রূপ দেওয়া হয়েছিল, সংঘের রূপ দেওয়া হয়েছিল। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম এমনই দুই ধর্ম যারা নিরীশ্বরবাদী এবং বেদবিরোধী হিসেবে প্রাচীন ভারতে প্রসিদ্ধ ছিল। {{gap}}এই প্রসঙ্গে এটুকু মনে করিয়ে দিলে বোধহয় একটা অপ্রাসঙ্গিক হবে না যে, চার্বাক দর্শনের নিরীশ্বরবাদী নাস্তিকতাবাদের সঙ্গে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের নিরীশ্বরবাদী নাস্তিকতাবাদের মৌলিক পার্থক্য ছিল। {{gap}}বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম নিরীশ্বরবাদী ও বেদবিরোধী হলেও এই ধর্মের প্রবক্তা চিন্তানায়করা মানুষের পার্থিব জীবনের অনিবার্য পরিণতি দুঃখময় বলে মনে করতেন। পীড়া-জরা-মৃত্যু ইত্যাদি দুঃখময় জীবন থেকে নিজেকে বাঁচাতে জীবন বিচ্ছিন্ন এক জীবনকে খুঁজতে চেয়েছিলেন। তাঁদের এমনই ত্যাগ ও তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা ছিল স্পষ্টতই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক। {{gap}}চার্বাকবাদ নিরীশ্বরবাদী ও বেদবিরোধী অবশ্যই কিন্তু মানুষের পার্থিব জীবনের প্রতি চার্বাক দর্শনের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যথেষ্ট ইতিবাচক। তাঁদের চিন্তার মধ্যে ছিল যুক্তি ও বিজ্ঞানমনস্কতার বীজ। {{nop}}<noinclude>{{c|৯৪}}</noinclude> ksb6koo1fpxofanbutsatkqlwk0i4b6 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৮৮ 104 780359 1991922 1985132 2026-07-31T04:10:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991922 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{rule}} {{center|{{x-larger|অধ্যায়: আট}}}} {{rule}} {{center|{{x-larger|'''ঈশ্বর বিশ্বাস: নাস্তিকতা-মানবতা-যুক্তিবাদ ও প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা'''}}}} '''‘নাস্তিকতা’ ও ‘মানবতা’''' '''ধর্ম যাদের ‘মানবতা’, তাদের নাস্তিক বলে চিহ্নিত করলে একটা বড় রকমের ভুল করা হবে। এই বক্তব্যের যৌক্তিকতা বোঝাতে যা প্রয়োজন তা হল, ‘নাস্তিকতাবাদ’ ও ‘মানবতাবাদ’ নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা।''' {{gap}}নাস্তিকতাবাদ’ ও ‘মানবতাবাদ’ শব্দ দুটি সমার্থক তো নয়ই, বরং সুস্পষ্ট একটা পার্থক্য রয়েছে। ‘নাস্তিকতাবাদ’—এর ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Atheism'। 'Atheism' শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘নিরীশ্বরবাদ'। অর্থাৎ ‘ঈশ্বরের অস্তিত্বকে মানা মতবাদ'। {{gap}}নাস্তিক’ শব্দের বাংলা আভিধানিক অর্থ অবশ্য কিঞ্চিৎ বিস্তৃত। ‘সাহিত্য সংসদ’ প্রকাশিত ‘বাঙ্গালা ভাষার অভিধান’ বলছে, ১) যে বেদ মানে না; যে বেদকে আপ্তবাক্য বলিয়া স্বীকার করে না; ২) যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব, বেদ ও পরকাল স্বীকার করে না; ৩) দেশাচার যে মানে না। {{gap}}‘সাহিত্য সংসদ’ প্রকাশিত অভিধানের লেখক জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস ‘নাস্তিক’ শব্দের অর্থ হিসেবে যখন বলেন, “যে বেদ মানে না; যে বেদকে আপ্তবাক্য বলিয়া স্বীকার করে না তখন সেই বলার মধ্যে প্রকাশিত হয় হিন্দু ধর্ম-শাস্ত্রের দেওয়া ‘নাস্তিক’ শব্দের ব্যাখ্যা। {{gap}}হিন্দু ধর্মের দেওয়া ‘নাস্তিক’ শব্দের সংজ্ঞাটি আমরা প্রথমেই বাতিল করছি।<noinclude>{{c|১৮৮}}</noinclude> kuwfvxm61pd11vfc1aynwga246w43a3 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৮৯ 104 780365 1991923 1985133 2026-07-31T04:10:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991923 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>কারণ, এই সংজ্ঞাকে মেনে নিলে হিন্দু ধর্ম ছাড়া যে কোনও প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মে বিশ্বাসীকেও ‘নাস্তিক’ বলে চিহ্নিত করতে হয়। অথচ বাস্তবে অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মাবলম্বীরা কেউই 'atheist'-এর দেওয়া সংজ্ঞায় পড়েন না। {{gap}}বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম যদিও ‘নিরীশ্বরবাদী’ অর্থাৎ ঈশ্বর বা পরমাত্মায় বিশ্বাসী নয়, তবু এই দুই ধর্মকে ‘নাস্তিক’ বলে চিহ্নিত করলে ভুল করা হবে। কারণ, এই দুই ধর্মই আত্মায় বিশ্বাসী এবং হিন্দু ধর্মের প্রভাবে, জন্মান্তরে বিশ্বাসও প্রবল। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মে বিশ্বাসীরাও তাঁদের ধর্মের বিধানকে তাঁদের ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আচার বা দেশাচার বলে মান্য করেন। {{gap}}সাংখ্য ও ন্যায়বৈশেষিক দর্শনের অবস্থা বেশ গোলমেলে। চিন্তায় কিছুটা বস্তুবাদের ছোঁয়া থাকলেও আত্ম-অদৃষ্ট-কর্মফল-পুনর্জন্ম-চতুর্বর্ণ ইত্যাদি বিষয়কে মেনে নিয়ে স্ববিরোধিতার আবর্তে পাক খাচ্ছে। {{gap}}‘নাস্তিকতাবাদ’ শব্দটি আমরা কখনও কখনও ‘যুক্তিবাদ’ বা ‘বস্তুবাদ’ শব্দের পরিবর্ত হিসেবে ব্যবহার করি। যেমন—বিজ্ঞান যতই এগুচ্ছে, ততই নাস্তিকতার পথে হাঁটছে'। বাক্যটিতে ‘নাস্তিকতা’ শব্দটি ব্যবহার না করে ‘যুক্তিবাদ’ বা ‘বস্তুবাদ’ শব্দটি নিয়ে এলে বাক্যটি আরও সুবিন্যস্ত হতো। কারণ, সাধারণভাবে, মূলগতভাবে ‘নাস্তিকতাবাদ’ বলতে বুঝি সেই মতবাদ, যা আত্মা-পরমাত্মার অস্তিত্বকে বিশ্বাস করে না, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিধানকে মান্য করে না। মানবতাবাদ’—এর সঙ্গে ‘নাস্তিকতাবাদ’-এর মিল এইখানে যে, মানবতাবাদও আত্মা-পরমাত্মার অস্তিত্বকে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিধানকে মান্য করে না। অমিলও প্রচুর। {{gap}}নাস্তিকতাবাদে যুক্তিহীন অধ্যাত্মবাদী চিন্তাকে বাতিল করার ঝাঁজ যতখানি উপস্থিত, ততখানিই অনুপস্থিত ভবিষ্যম্মুখী মানবতাবাদী সমাজ সচেতনতা বোধ। বহুক্ষেত্রেই নাস্তিকদের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায় নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী, উন্নাসিকতা, আর্থ-সামাজিক ও সমাজ-সাংস্কৃতিক বিষয়ে স্বচ্ছ ও সুসংবদ্ধ চিন্তার অভাব। যাই হোক, আমরা নিশ্চয়ই বলতে পারি, শুধুমাত্র আত্মা-পরমাত্মার অস্তিত্বকে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিধানকে অস্বীকার করাই সাম্যের সুন্দর সমাজ গড়ার পক্ষে অবশ্যই যথেষ্ট নয়। কারণ, ‘নাস্তিকতাবাদ’ শব্দটি সাধারণত যে অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাতে অনুপস্থিত থাকে মানবিক মূল্যবোধের নিরিখে নিজের জীবনচর্যাকে পরিচালিত করে সমাজ-বিকাশকে প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''নাস্তিকতাবাদে যুক্তিহীন অধ্যাত্মবাদী চিন্তাকে বাতিল করার ঝাঁজ যতখানি উপস্থিত, ততখানিই অনুপস্থিত ভবিষ্যৎমুখী মানবতাবাদী সমাজ সচেতনতা বোধ।'''}} {{c|O}} {{gap}}এই প্রসঙ্গের সূত্র ধরে এটুকু মনে করিয়ে দিতে চাই, ভারতবর্ষের নাস্তিক্যবাদ দর্শনের এক বিরাট অংশ জুড়ে থাকা চার্বাক দর্শনে আর্থসামাজিক<noinclude>{{c|১৮৯}}</noinclude> otvgt0gwr4112nikvkh3gxbinx1liq0 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৯০ 104 780367 1991924 1985134 2026-07-31T04:10:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991924 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>কাঠামোর পরিবর্তন ঘটিয়ে সাম্যের সমাজ গড়ার কোনও চিন্তা ছিল না। তাই চার্বাক দর্শন গণশক্তি নির্ভর ও সক্রিয় রূপ ধারণ করতে পারেনি। এ’দেশের প্রাচীন ধর্মসূত্রগুলো যেমন পরিপূর্ণভাবে রাজতন্ত্রের সমর্থক ছিল, চার্বাকবাদীরাও ছিল তেমনই সেই সময়কার রাজতন্ত্রকেন্দ্রীক শোষণ কাঠামোর সমর্থক। তাঁরাও মনে করতেন, “লোকসিদ্ধো ভবেদ্রাজা পরেশো নাপরঃ স্মৃতঃ"। অর্থাৎ রাজার উপরে কোনও পরমেশ্বর নেই। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''এ’দেশের প্রাচীন ধর্মসূত্রগুলো যেমন পরিপূর্ণভাবে রাজতন্ত্রের সমর্থক ছিল, চার্বাকবাদীরাও ছিল তেমনই সেই সময়কার রাজতন্ত্রকেন্দ্রীক শোষণ কাঠামোর সমর্থক।'''}} {{c|O}} {{gap}}একজন মানবতাবাদীর মধ্যে দার্শনিক আত্মোপলব্ধি রয়েছে। সে যুক্তির পথ ধরে সব কিছুকে বিচার করে। তার সংঘর্ষের মধ্যেও থাকে সুন্দর সমাজ বিকাশের প্রেরণা; মানুষকে ‘মানুষ’ করে তোলার প্রেরণা। অর্থাৎ, মানবতাবাদ নাস্তিকতাবাদের সঙ্গে বাড়তি কিছু। {{gap}}নিছক নাস্তিকতাবাদ যে’হেতু এক ধরনের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী, সে’হেতু এই মতবাদ কখনই মানুষের ‘সুগুণ’ বা ‘সুবৈশিষ্ট্য’—এর পরিচয় বহন করে না। শুধুমাত্র ‘নাস্তিকতাবাদ’ বা ‘নিরীশ্বরবাদিতা’ ও ‘প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অবিশ্বাস’ মানুষের আদর্শ আচরণ বিধি বা আদর্শ জীবন যাপন পদ্ধতি হয়ে উঠতে পারে না। এবং শেষ পর্যন্ত ‘নাস্তিকতাবাদ’ মানুষের মানুষ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুণ হয়ে ওঠে না। অর্থাৎ, শেষতক ‘নাস্তিকতাবাদ’ মানুষের ‘ধর্ম’ হয়ে উঠতে পারে না। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''শুধুমাত্র ‘নাস্তিকতাবাদ’ বা ‘নিরীশ্বরবাদিতা’ ও ‘প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অবিশ্বাস’ মানুষের আদর্শ অচিরণ বিধি বা আদর্শ জীবন যাপন পদ্ধতি হয়ে উঠতে পারে না।'''}} {{c|O}} {{gap}}প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, আপনারাই পারেন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম, রাষ্ট্রশক্তি ও প্রচারমাধ্যমগুলোর পরিকল্পিত এক ষড়যন্ত্রকে বানচাল করে দিতে। জনতার মগজ ধোলাইয়ের জন্য খরচ করা বিপূল শ্রম ও ব্যয়কে ফালতু করে দিতে। আপনারাই পারেন ‘মানুষের ধর্ম’কে মানুষের কাছে শুভকর, ইতিবাচক ও মানবিক করে তুলতে। প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, আজ থেকে চিন্তায়, কথায়, লেখায় ‘ধর্ম’—এর সংজ্ঞা নিরূপণ করুন ‘বৈশিষ্ট্য’ বা ‘গুণ’—এর নিরিখে। আর তবেই, এবং শুধুমাত্র তবেই, মানুষের একমাত্র ‘ধর্ম’ হয়ে উঠবে ‘মনুষ্যত্ব’ বা ‘মানবতা'।<noinclude>{{c|১৯০}}</noinclude> 202i790ucip3ezs55s58m76xao9oal4 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৯১ 104 780368 1991925 1985135 2026-07-31T04:10:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991925 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{center|'''‘ধর্ম’ যেখানে ‘গুণ’, মূল্যবোধ যেখানে ‘মানবতা''''}} {{gap}}‘ধর্ম যেখানে অলীক চিন্তায় নুব্জ নয়, বেঁধে দেওয়া আচরণবিধিতে বন্দি নয়, স্থবির অনড় মূল্যবোধের শৃঙ্খলে শঙ্খলিত নয়, ধর্ম যেখানে ‘বৈশিষ্ট্য’ বা ‘গুণ’, ‘ধর্ম’ যেখানে ‘মনুষ্যত্ব’ বা ‘মানবতা’ সেখানেই ‘ধর্ম’ শব্দটি অর্থবহ ও সার্থক হয়ে ওঠে। {{gap}}যুক্তির পথ হাঁটা মানবতাবাদী মানুষের ‘মূল্যবোধ’ কোনও ছক বাঁধা বিধান নির্ভর হতে পারে না। সময় ও সমাজ অনুসারে মূল্যবোধ পাল্টায়। মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি বা পশ্চাৎমুখিতার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবোধও পাল্টে যায়। {{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিধান মেনে যিনি জীবনকে চালিত করেন, তিনি ধার্মিক। ‘ধার্মিক মানুষ’ সমাজ সচেতন মানুষদের চোখে আদর্শ মানুষ হবেন না, এটাই স্বাভাবিক। তার মানে এই নয় যে, ‘নাস্তিক মানুষ’ অর্থাৎ ঈশ্বর, আত্মা ও ধর্মীয় বিধানে অবিশ্বাসী মানুষ মানেই আদর্শ মানুষ (অবশ্য হিন্দু ধর্মের বিধান-দাতা মনুর কথা মত—যে ‘শ্রুতি’ ও ‘স্মৃতি’র একটিকেও অবজ্ঞা করে, তাকে বেদবিরোধী ও নাস্তিক বলে গণ্য করতে হবে। ফলে হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস মতে “হিন্দু ভিন্ন অন্যানা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মে বিশ্বাসী মাত্রেই ‘নাস্তিক')। {{gap}}‘আদর্শ মানুষ’ হতে গেলে মানুষটিকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হবে, তেমনই ‘মানবিক মূল্যবোধ’ দ্বারা নিজের আচরণবিধিকে পরিচালিত করতে হবে। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''‘আদর্শ মানুষ’ হতে গেলে মানুষটিকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম থেকে বিভিন্ন হতে হবে, তেমনই ‘মানবিক মূল্যবোধ’ দ্বারা নিজের আচরণবিধিকে পরিচালিত করতে হবে।'''}} {{c|O}} {{gap}}‘মূল্যবোধ’ শব্দটি বাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও শব্দটির অর্থ বা সংজ্ঞা অনেকের কাছেই অধরা। সত্যি বলতে কি, প্রায়শই শব্দটি ব্যবহারকারিদের কাছেও অধরা। তাই ‘মূল্যবোধ’ নিয়ে আলোচনা এ’ক্ষেত্রে অতি প্রাসঙ্গিক। {{gap}}‘মূল্যবোধ’ শব্দটি ‘মূল্য’ এবং ‘বোধ’ শব্দদুটির সমষ্টি। ‘মূল্য’ বলতে আমরা সাধারণভাবে বুঝি কোনও কিছুর সঙ্গে মুদ্রার বিনিময় হার। কিন্তু আমরা যদি বলি—'পথের পাঁচালী’ বিদেশ থেকে সম্মান আনার আগে আমরা সত্যজিৎ রায়ের প্রতিভার সঠিক মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছিলাম, এই বাক্যটির ক্ষেত্রে মূল্য শব্দটি মুদ্রার বিনিময় হার হিসেবে প্রয়োগ করা হয়নি। এখানে মূল্যায়ন শব্দটি ‘যোগ্যতা নিরূপণ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। {{gap}}‘বোধ’ শব্দের অর্থ “জ্ঞান’, ‘বুদ্ধি’, ‘চৈতন্য’, ‘বোঝ।’ অর্থাৎ কোনও ঘটনা মস্তিষ্ক-স্নায়ুকোষে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে-তাই হল সে সম্পর্কে আমাদের বোধ। {{nop}}<noinclude>{{c|১৯১}}</noinclude> 7wxkp8jco3cczqnqdvvufcrf9sqr3vx পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৯৫ 104 780372 1991926 1983583 2026-07-31T04:10:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991926 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}আবার একই পরিবেশের মধ্যে বেড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে বৈচিত্র্য ও বিভিন্নতার পরিচয়ও আমরা পাই বই কি। কেন এমনটা হয়? এই প্রসঙ্গে মনস্তত্ত্ব নিয়ে আসবে বিভিন্ন ব্যক্তি মানুষের বিভিন্ন প্রবণতার কথা। যমজ হওয়ার সুবাদে একই ধরণের গাত্র-বর্ণ, একই ধরনের দেহ-গঠন এবং একই ধরনের মুখাকৃতি হওয়া সত্ত্বেও প্রত্যেক ব্যক্তিমানুষ স্বতন্ত্র—'ইণ্ডিভিজুয়াল'। প্রত্যেক মানুষের মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষের গতিময়তা, উত্তেজনা-নিস্তেজনা, আবেগপ্রবণতা বা সংবেদনশীলতা ইত্যাদি ধর্মগুলো ভিন্নতর। তাই একই সামাজিক পরিবেশের প্রভাবে বেড়ে ওঠার দরুণ সাধারণভাবে ও সামগ্রিকভাবে সেই পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হলেও সেই প্রভাবেরও নানা তারতম্য ঘটে, রকমফের ঘটে। এমন কি ভিন্নতর, নতুন চিন্তা-ভাবনার উন্মেষও দেখা যায়। অনেক সময়ই দেখা যায় সমাজতত্ত্ব ও মনস্তত্ব উভয় উভয়ের সঙ্গে একটা বিরোধের ভাব পোষণ করে থাকে, সমাজতত্ত্ব যেন একটা ধারণা উপর থেকে চাপিয়ে দিচ্ছে। ব্যক্তির উপর বহুর চিন্তা বা শাসকশ্রেণীর চিন্তা চাপানোর মধ্যে অনেক সময় দেখা দেয় বিরোধ। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''সমাজসেবার মাধ্যমে শোষণ-মুক্তি ঘটেছে, এমন দৃষ্টান্ত আজ পর্যন্ত কোনও ঐতিহাসিকের জ্ঞান ভাণ্ডারে নেই। হাজারটা রামকৃষ্ণ মিশন, হাজারটা ভারত সেবাশ্রম সংঘ, হাজার মাদার টেরিজার সাধ্য নেই ভারতের শোষিত-জনতার শোষণমুক্তি ঘটানোর।'''}} {{c|O}} {{gap}}যে সমাজে শোষণ আছে, সে সমাজে শোষিত থাকবেই। থাকবে শোষক। শোষকরা তাদের প্রতিনিধিদের দ্বারাই চালিয়ে থাকে শাসন। নির্বাচন নির্ভর গণতন্ত্রে বাক্সে জেতার মত ভোট ফেলতে ‘বুথ জ্যাম’, ‘রিগিং’, মস্তানবাহিনী, প্রচার, এজেণ্ট নিয়োগ ইত্যাদি ক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এগোতে হয়—যা বিপুল ব্যয়সাধ্য, এবং যে ব্যয়ভারের প্রায় পুরোটাই জোগায় শোষকশ্রেণী। তার ফলশ্রুতিতে শ্রেণীবিভক্ত সমাজে শাসকশ্রেণী শোষকশ্রেণীর স্বার্থ রক্ষার প্রয়োজনে বহু নীতিবোধ বা মূল্যবোধ সমাজের উপর চাপিয়ে দেয় এই নীতিবোধ বা মূল্যবোধ ব্যাপক প্রচারের ফলে, ব্যাপক মগজ ধোলাইয়ের ফলে বহুর কাছেই গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে। বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা, সমাজ সচেতনতা, রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে অথবা নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান ও বিজ্ঞান পড়ার ফলে, কিংবা সঞ্চিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়ার ফলে আমরা যদি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছোই-এক: দেশপ্রেম মানে দেশের মাটির প্রতি প্রেম নয়, দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের প্রতি প্রেম। দুই: সমাজসেবার মাধ্যমে শোষণ-মুক্তি ঘটেছে, এমন দৃষ্টান্ত আজ পর্যন্ত কোনও ঐতিহাসিকের জ্ঞান ভাণ্ডাবে নেই। হাজারটা রামকৃষ্ণ মিশন, হাজারটা ভারত সেবাশ্রম সংঘ, হাজার মাদার টেরিজার সাধ্য নেই ভারতের শোষিত-জনতার শোষণমুক্তি ঘটানোর। তিন: ঈশ্বর, ভূত,<noinclude>{{c|১৯৫}}</noinclude> snbg9tmm1hu3yhcu1bv850gzdslc0og পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৯৮ 104 780375 1991927 1985139 2026-07-31T04:10:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991927 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}এমন একটা তথ্যগত ভুলে ভরা পাতি বাজে লেখা বুঝিবা অসতর্কতায় প্রকাশিত হয়ে গেছে, ভেবে আমাদের সমিতির তরফ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক দেবাশিস ভট্টাচার্য এবং ‘ভারতের মানবতাবাদী সমতি’র অন্যতম সম্পাদক সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘আজকাল’—এ দুটি চিঠিও দিয়েছিলেন। চিঠি দুটিতে প্রকাশিত বক্তব্যকে খণ্ডণ করে অতি স্পষ্ট করে দেখানো হয়েছিল ষড়যন্ত্রের এক আভাসকে। চিঠি দুটি রেজিস্ট্রি ডাকেই পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আমাদের জন্য আরও কিছু বিস্ময় বুঝিবা অপেক্ষায় ছিল। চিঠি দুটি প্রকাশিত হয়নি। পত্র না ছাপবার গণতান্ত্রিক অধিকার পত্রিকার আছে। সেই গণতান্ত্রিক অধিকার তাঁরা একটুও শিথিল হতে দেননি। এই অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়ে এটুকু অবশ্য আমাদের ভাবার সুযোগ দিয়েছে, তথাকথিত এইসব বুদ্ধিজীবীদের এ’জাতীয় হাস্যকর লেখার পিছনে তাদের সমর্থন আছে। {{gap}}তা, সমর্থন থাকতেই পারে, আর পাঁচটা পত্রিকার থেকে তাদের আলাদা করে ‘বিপ্লবী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ইত্যাদি বলে কখনই আমরা ভাবিনি। কারণ, এই পত্রিকার পিছনেও মূলধন খাটছে কোটিপতি ব্যবসায়ীর। তাঁর কাছে আর পাঁচটা ব্যবসার মতই এটাও একটা ব্যবসা। কাস্টমার ধরার জনা প্রগতিশীলতার মুখোশ মুখে সাঁটা হয়েছে মাত্র। আর সম্পাদক থেকে সাংবাদিক প্রত্যেকেই মালিকের আজ্ঞাবহ কর্মচারী মাত্র। এঁরা স্বাধীন মালিকের পরাধীন কর্মচারী। {{gap}}আমাদের কাছেও আমরা পরিস্কার। আমরা চাই প্রতিটি প্রচার মাধ্যমকে ব্যবহার করে আমাদের মতাদর্শকে সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। {{gap}}এমন একটি উদাহরণ কেউ দেখাতে পারবেন না, যেখানে আমাদের দিয়ে প্রচার মাধ্যম এই সমাজ কাঠামোর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে কিছু বলাতে পেরেছেন বা লেখাতে পেরেছেন। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''এমন একটি উদাহরণ কেউ দেখাতে পারবেন না, যেখানে আমাদের দিয়ে প্রচার মাধ্যম এই সমাজ কাঠামোর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে কিছু বলাতে পেরেছেন বা লেখাতে পেরেছেন।'''}} {{c|O}} {{gap}}‘জ্ঞানবাবা’ চিহ্নিত যুক্তিবাদীরা আধুনিক যুক্তিবাদের মাপকাঠিতে যুক্তিবাদী কিনা, এই প্রসঙ্গ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনায় ঢুকতে আধুনিক যুক্তিবাদ কী, তা এখানে বোঝাতে বসব না। ‘যুক্তিবাদ’ প্রসঙ্গে যাঁরা বিস্তৃত জানতে ইচ্ছুক, তাঁদের অনুরোধ করব, ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’—এর চতুর্থ খণ্ডে অথবা ‘সংস্কৃতিঃ সংঘর্ষ ও নির্মাণ’ গ্রন্থে চোখ বোলাতে। {{gap}}যাঁরা বিভিন্ন দর্শন নিয়ে পড়াশুনো করেননি, ‘যুক্তিবাদ’ বিষয়ে ভাসা-ভাসা কিছু শুনেছেন, সেই আমজনতাও তাঁদের সাধারণ বোধবুদ্ধির সাহায্য নিয়েই বুঝে নিতে পারবেন, কিছু যুক্তিহীন বিশ্বাসের বিরোধিতার পাশাপাশি কিছু যুক্তিহীন<noinclude>{{c|১৯৮}}</noinclude> 2uucnz67kryjz1s1i24o1oetdsppgkd পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৯৯ 104 780376 1991928 1985140 2026-07-31T04:10:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991928 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>বিশ্বাসকে মেনে নেওয়া আর যাই হোক, যুক্তিবাদী মানসিকতার লক্ষণ নয়। দর্শন সম্পর্কে অতি অল্প জানা মানুষও জানেন, আলোচ্য ওইসব দার্শনিকদের কেউই আধুনিক অর্থে ‘যুক্তিবাদী’ ছিলেন না। {{gap}}সাধারণ বুদ্ধির মানুষদের যা জানা, তা কি এইসব বুদ্ধিজীবী জ্ঞানবাবাদের অজানা? {{gap}}একজন ‘জ্ঞানবাবা’ এমনটা লিখলে না হয় সেটা তাঁর অজ্ঞানতা বলে ভাবার অবকাশ থাকলেও বা থাকতে পারত। কিন্তু তা তো নয়! সাম্প্রতিক পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত লেখা-পত্তর চোখ বোলালেই দেখতে পাব এমন হাস্যকর মিথ্যে একগুচ্ছ ‘জ্ঞানবাবা’দের কলম থেকে নিঃসারিত হয়েই চলেছে। {{gap}}কেন এমন ছেলেমানুষী মিথ্যে প্রচার করা হচ্ছে? উদ্দেশ্যহীন কোনও পাগলামী কি প্রচার মাধ্যমগুলোতে ভর করেছে? নাকি এর পিছনে রয়েছে কোনও গভীর গোপন উদ্দেশ্য? {{gap}}কেউ কেউ এর পিছনে উদ্দেশ্যের পরিবর্তে লেখকদের অজ্ঞতাকে দায়ী করতে পারেন। কিন্তু এসব লেখা যে অজ্ঞতার ফলশ্রুতি নয়, তারই একটা প্রমাণ আপনাদের সামনে তুলে দিচ্ছি। {{gap}}স্পিনেজো থেকে হেগেলকে যুক্তিবাদী বলে ‘আজকাল’ পত্রিকায় সোচ্চার হওয়া এই লেখকটি ১৯৯২ সালের যুক্তিবাদী পত্রিকার তৃতীয় সংখ্যায় স্পিনোজা থেকে হেগেলকে ভাববাদী দার্শনিক হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। {{gap}}মাত্র তিন বছরে কী এমন হল যে ‘পত্রবীর’ বাবুটিকে ডিগবাজি খেতে হল? {{gap}}বাবু-বিপ্লবীটির গভীর গোপন ষড়যন্ত্র বুঝতে কোনও অসুবিধে হয় না, যখন দেখি তিনি ‘আজকাল’—এর ওই লেখাটিতেই জানাচ্ছেন, “কার্ল-মার্কস তাঁর দর্শনকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন কাণ্ট, হেগেল এবং ফয়ারবাখকে দুরন্ত খণ্ডণের মধ্য দিয়ে।” {{gap}}অর্থাৎ, লেখক পাঠক-পাঠিকাদের মগজে ঢোকাতে চাইলেন—যুক্তিবাদের এইসব পীর-পয়গম্বরদের কুযুক্তিকে খণ্ডন করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কাল মার্কসের বস্তুবাদী দর্শন। অর্থাৎ কার্ল মার্কসের দর্শন ছিল যুক্তিবাদ বিরোধী। কিন্তু বলাই বাহুল্য, মার্কসীয় দর্শন যুক্তিবাদের পথ ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। {{gap}}এই জ্ঞানদানকারী লেখক নিঃসঙ্গ নন। সঙ্গী আরও অনেক জ্ঞানবাবা’ই এই একই নিপাট মিথ্যে প্রচার করে চলেছেন। {{gap}}ওই লেখক ‘আজকাল’—এর এই লেখাটিতে শুধু এপর্যন্ত বলেই কিন্তু থেমে থাকেননি। আরও একটু এগিয়ে বলেছেন—অনেক ক্ষেত্রেই যুক্তিবাদী আন্দোলন আখেরে বুর্জোয়া মতাদর্শকে শক্তিশালী করবে। {{gap}}এতক্ষণে ঝুলি থেকে বেড়াল বেরুল! মজাটা হল, এই একই ধরণের বক্তব্য অনেক ‘জ্ঞানবাবা’দের কণ্ঠে ও কলমে সম্প্রতি উৎসারিত। উদ্দেশ্য স্পষ্ট। অসাম্যের সমাজ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে যুক্তিবাদী চিন্তার আগ্রাসনকে<noinclude>{{c|১৯৯}}</noinclude> 14nic7rv98bw6woxuslp0blq3yz7rne পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০০ 104 780377 1991929 1985141 2026-07-31T04:10:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991929 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>ঠেকানো। এই ষড়যন্ত্রের আর এক অগ্রণী অংশীদার দেড় যুগ জেল খেটে আপসের রোদে গায়ের টুকটুকে লালকে এখন গোলাপী করার সুবাদে সব রকম লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে গর্বিত ঘোষণা রাখেন, “ইসলাম ইজ দ্য কমিউনিজম অব টুয়েণ্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি।” [কোরক সাহিত্য পত্রিকা, মে-আগস্ট, ‘৯৫ সংখ্যা, দ্বিতীয় পর্ব, পৃষ্ঠা-৩৬] {{gap}}এই মৌলবাদী ‘গোলাপী জ্ঞানবাবা’ তাঁর সাম্প্রতিক একটি লেখায় আর একটি বিস্ফোরক ঘোষণা রেখেছেন—যুক্তিবাদ যে বুর্জোয়া মতাদর্শকেই টিকিয়ে রাখে, তাই নিয়ে একটি বই লিখবেন। {{gap}}‘যুক্তিবাদ’-এর প্রবল জয়যাত্রাকে রুখতে পরিকল্পনা মাফিক এইসব সুবিধাবাদী জ্ঞানবাবাদের দিয়ে একদিকে বলানো হচ্ছে—'যুক্তিবাদ’ বুর্জোয়া মতাদর্শকে টিকিয়ে রাখে, মার্কস যুক্তিবাদের পথিকৃৎদের দর্শনকে দুরন্ত খণের মধ্য দিয়ে তাঁর দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর এক দিকে তাঁদের এই বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজনে ‘না-যুক্তিবাদী’দের ‘যুক্তিবাদী’ বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যেসব সংগঠন ধর্মের ও ঈশ্বরের অস্তিত্বকে সুরক্ষিত রেখে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের জয়গান গাইছে, তাদেরকে ‘যুক্তিবাদী’ আন্দোলনের শরিক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ নিশ্ছিদ্র নিরীশ্বরবাদিতা-বস্তুবাদিতা ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রতি একনিষ্ঠতা, আধুনিক যুক্তিবাদের লক্ষণ। ‘জ্ঞানবাবা’রা অধুনা যে’সব ব্যক্তি ও সংস্থার গায়ে যুক্তিবাদী শিলমোহর দেগে দিচ্ছেন, তাঁদের সবার মধ্যেই আধুনিক যুক্তিবাদের লক্ষণ অনুপস্থিত। {{c|O}} {{block center|width=400px|'''যেসব সংগঠন ধর্মের ও ঈশ্বরের অস্তিত্বকে সুরক্ষিত রেখে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের জয়গান গাইছে, তাদেরকে ‘যুক্তিবাদী’ আন্দোলনের শরিক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ নিচ্ছিদ্র নিরীশ্বরবাদিতা-বস্তুবাদিতা ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রতি একনিষ্ঠতা, আধুনিক যুক্তিবাদের লক্ষণ।'''}} {{c|O}} {{gap}}মজাটা হল, এইসব তথাকথিত যুক্তিবাদীদের স্বরূপ চিনিয়ে দিতে গেলেই জ্ঞানবাবারা ও তাঁদের আড়কাঠি বেজায় রকম চেঁচামেচি শুরু করে দেন—“কাদা ছোঁড়া-ছুঁড়ি হচ্ছে” বলে। জ্ঞানবাবারা যখন ‘না-যুক্তিবাদী’—দের যুক্তিবাদী বলেন, দেশি-বিদেশি টাকা খাওয়া বিজ্ঞান আন্দোলনকে, মতাদর্শহীন সরকারের লেজুড় বিজ্ঞান আন্দোলনকে, সব্জী সংরক্ষণে মাতোয়ারা বিজ্ঞান আন্দোলনকে, আড্ডায় পরিণত নপুংসক বিজ্ঞান আন্দোলনকে {{SIC|স্পষ্ট|স্পট}}-লাইটের আলো ফেলে আলোকিত করার ষড়যন্ত্রে মাতেন, তখন তাঁরা সার্বিক যুক্তিবাদী আন্দোলনকে কী ছুঁড়ে দেন? বেইমানি। স্রেফ বেইমানি। শুধু যুক্তিবাদী আন্দোলনের প্রতি নয়, সমাজের কোটি-কোটি শোষিত মানুষদের প্রতি বেইমানি ছুঁড়ে দেন। {{gap}}এককালের ‘আগুন খাওয়া’ বিপ্লবীদের বর্তমানে এমন উল্টো-পাল্টা লেখার<noinclude>{{c|২০০}}</noinclude> kihwj0x70mey3huy5pfm5hsptwyop2c পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯১ 104 780423 1991958 1556505 2026-07-31T04:10:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991958 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh||হৈদরাবাদে।|১৮৭}}</noinclude>ধূলির উপর আসিয়া পড়িতেছে।•••কে তবে বলিবে, পশ্চিমাঞ্চল হইতে দুর্ভিক্ষ আসিয়াছে—স্বকীয় বিকট দশন বাহির করিয়া দুর্ভিক্ষ ইহারই মধ্যে সীমান্তদেশ পার হইয়াছে। না-জানি তবে কোন্ জলাশয়ের জলসেকে,—কোন্ বিশেষ-রক্ষিত উদ্যানে এই সমস্ত ফুল ফুটানো রহিয়াছে। {{gap}}অবশেষে, সূর্যাস্তসময়ে, “সহস্র-এক রজনীর” ব্যক্তিগণ গৃহ হইতে বাহির হইতে লাগিল—সেই সব সৌখীন লোক, যাহাদের নেত্র নীলাঞ্জনে চিত্রিত, যাহাদের শ্মশ্রুজাল সিন্দুর-রঙ্গে রঞ্জিত, যাহারা কিংখাপের পোক কিংবা জরি-বসানো মখমলের পোষাক পরিয়া বাহির হইয়াছে, কণ্ঠে মণিমুক্তার কণ্ঠহার ধারণ করিয়াছে, এবং যাহাদের বামহস্তের মুষ্টির উপর একএকটা পোপাখী রহিয়াছে। {{gap}}“স্বাগত নিজামবাহাদুর?”—এই কথাগুলি আবার একটা দ্বার প্রকোষ্ঠের চূড়াদেশে লিখিত রেখিলাম; সেই চূড়াদেশে নারাঙ্গি-রঙের একটা ক্রেপ, কাপড় টানা-—তাহাতে নেবু-হলদে ও গন্ধকি-হলদে রঙের ঝালর ঝুলিতেছে, ঝালরের উপর সবুজ-রঙেব চুমকি বসানো। এই দ্বারপ্রকোষ্ঠের পরেই—স্বর্ণচূড়া ও স্বর্ণ-"অর্ধচন্দ্র”—বিশিষ্ট, তুষার-শুভ্র একটা মজিদ। এই সান্ধ্য-নমাজের সময়ে, ভক্ত মুসলমানের এই মজিদে আসিয়া সমবেত হইয়াছে। উহাদের শুভ্র পরিচ্ছদ,—মাথায় মলমলের কাপড় জড়ানো পাগড়ি; দূর হইতে মনে হয়-যেন বিচিত্ররঙের এক প্রকার খুব বড়-বড় ফুল ছড়ান রহিয়াছে।••' {{gap}}কিন্তু এই সময়ে একটা জনরব উঠিল,—নিজামের আসিতে এখনও বিলম্ব আছে; রামাদানের মাস নিশ্চয়ই পার হইয়া যাইবে, বোধ হয় আগামী মাসে আসিবেন, কিংবা আরো বিলম্ব হইতে পারে। ককে ‘আসিবেন, আল্লাই জানেন।<noinclude></noinclude> 3ogck0s6vszrskd981d9mr95joiscxw পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৭ 104 780428 1991957 1983632 2026-07-31T04:10:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991957 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh||হৈদরাবাদে।|১৮৩}}</noinclude>এবং পাগড়ির আঁচলটা, পিছনদিকে, পরিচ্ছদের উপর ঝুলিয়া ‘পড়িয়াছে। {{gap}}কিঞ্চিৎ-কিঞ্চিৎ ব্যবধানে স্থাপিত রাজপথের বিজয়তেরণগুলা গৃহসমূহের মাথা ছাড়াইয়া উঠিয়াছে। তোরণের উপরে সোনালি-"অর্ধচন্দ্র"সমন্বিত মজিদি ধরণের ধ্বজচূড়া (Minaret)। কোথাও বা, এই তোরণের সহিত-রেশমমণ্ডিত ও বংশনির্ম্মিত লঘুধরণের দ্বারপ্রকোষ্ঠ সংযোজিত; নিজামের স্বাগত-অভ্যর্থনার জন্য এই সমস্ত স্থাপিত হইয়াছে। নগরের মধ্যস্থলে – রাজপথসমূহের কেন্দ্রদেশে,—চৌমাথা রাস্তার উপর, একটা প্রকাণ্ড “চারমুখো” তোরণ,—যাহার ধ্বজচূড়া সহরের সমস্ত ধ্বজচূড়া ছাড়াইয়া, মজিদের শীর্ণকায় ধ্বজচূড়া ছাড়াইয়া, হৈদরাবাদের শুভ্র ধূলারাশি ছাড়াইয়া, সুনির্মল ধ্রুব আকাশে একেবারে সিধা উঠিয়াছে। {{gap}}সাদাসিধা ছুচাল-মুখ আরবী-খিলাগুলা ভারতে আসিয়া একটু জটিলভাব ধারণ করিয়াছে,এখন উহাতে কোথাও বা ফুলমালার কাজ -কোথাও বা খাঁজকাটা কাজ দৃষ্ট হয়। ভারতীয় শিল্পীরা মূল আদর্শের নকে শ্রীসম্পদে আরো যেন সমৃদ্ধিশালী করিয়া তুলিয়াছে। প্রত্যেক গৃহের প্রথম-তলে কত যে বিচিত্রধরণের ছোট-ছোট খিলান সারি-সারি চলিয়াছে, তাহার আর অন্ত নাই। খিলানগুলা খুব চুচাল অথবা খুব “থ্যাবড়া”—ধরণের; কোনোটা গোলাপ-পাপড়ির আকারে, কোনোটা বা ত্রিপত্র কিংবা বহুপত্র তৃণের আকারে গঠিত। বরাবর রাস্তার ধারেধারে, খোলা বারণ্ডার নীচে, দোকানদারেরা গদি ও গালিচার উপর উপবিষ্ট। দোকানের পশ্চাদ্ভাগে, প্রাচীরের গায়ে বাহিরখিলানের অনুকরণে খিলানের একটা নক্সা কাটা-সবুজ, নীল কিংবা সোনালি রঙে রঞ্জিত; এবং উহাতে প্রায়ই ময়ূরাদির ন্যায় কোন বৃহৎ পক্ষীর বিস্তারিত পুচ্ছের অনুকৃতি দৃষ্ট হয়। ভিন্ন ভিন্ন পণ্যদ্রব্যের ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ। কোথও রত্নাদির অলঙ্কার, কোথাও মুক্তার কণ্ঠহার, কোথাও বা বলয়াদি<noinclude></noinclude> ooqlnj64wv3nuaotywfp6qe9mlr8m42 পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৬ 104 780429 1991956 1516198 2026-07-31T04:10:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991956 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh|১৮২|ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ|}}</noinclude>শিয়োদেশে, এই কথাগুলি বড়-বড় সোনালি অক্ষরে লিখিত রহিয়াছে - “আমাদের নিজামবাহাদুর দীর্ঘজীবী হউন।” {{gap}}শুভ্রবর্ণ হৈদরাবাদ। একটি শুষ প্রায় নদী সম্মুখ দিয়া বহিয়া যাইতেছে। হাতীরা দলে-দলে নদীতে নাবিয়া উহার শীতল জলে অবগাহন করিতেছে। এখনো কেন নিজাম স্বরাজ্যে প্রত্যাগমন করিতেছেন না— তাই, উৎসবমত্ত হৈদরাবাদ,—ধ্বজপতাকাভূষিত হৈদরাবাদ, একসপ্তাহ ধরিয়া প্রতিদিন তাহার প্রতীক্ষা করিতেছে। {{gap}}যে বিশাল প্রস্তরসেতু দিয়া নগরে প্রবেশ করিতে হয়, সেই সেতুর মুখে স্বর্ণপত্রপচিত লাল ক্রেপ”—বস্ত্রে মণ্ডিত একটি দ্বারপ্রকোষ্ঠ প্রসারিত; —তাহারি ঝালরে লেখা রহিয়াছে;—"স্বাগত নিজামবাহাদুর!" {{gap}}এই সেতুর উপর দিয়া কত বর্ণের কত লোক পদব্রজে, কত লোক যানে, কত লোক বাহনে চলিয়াছে;—কতপ্রকার যান, কতপ্রকার বাহন, কতই সমারোহ, তাহার আর ইয়ত্তা নাই! বিষাদময় বিজনতার মধ্য দিয়া যখন আমি এখানে আসিয়া পৌছিলাম, তখন প্রত্যাশা করি নাই, যে-নগর ক্ষেত্রভূমির মধ্যে,—প্রস্তরময় ধূসর মাঠময়দানের মধ্যে বিলীন, সেই নগরটিকে এমন জীবন-উদ্যমে পূর্ণ দেখিব, এমন উজ্জ্বল বর্ণে রঞ্জিত দেখিব, এমন উৎসবানন্দে মত্ত দেখিব। {{gap}}শাদা-শাদা, সোজা-সোজা, বড়-বড় রাস্তা—লোকের জনতায় সমাচ্ছন্ন। ফুলের রঙের আভায় যেরূপ নানা প্রকাব সূক্ষ্ম ভেদ লক্ষিত হয়, এই সব লোকদিগের মুখবর্ণেও সেইরূপ সূক্ষ্ম ভেদ বিদ্যমান। নেত্র ঝলসিয়া যায় প্রথমেই উষ্ণীষের অনন্ত বৈচিত্র্য ও বিলাসলীলা দেখিয়া; পাগড়ির গোলাপি রং—"সাম”—মাছের রং—পিচ-ফুলের রং। কোনোটায় কুমুদফুলের, কোনোটায় “অ্যামারাস্ত”—ফুলের, কোনোটায় “নাসি” ফুলের, কোনোটায় “বটবৃকপ”—ফুলের রং। পাগড়িগুলা প্রকাণ্ড-বড় -ছোট-ছোট একপ্রকার চুচাল-মুখ টুপির চারিধারে জড়াইয়া বাধা;<noinclude></noinclude> pv7cu1ehuq10nazz0r8j9hqqjm4yhjg 1992229 1991956 2026-07-31T04:46:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992229 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh|১৮২|ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ|}}</noinclude>শিয়োদেশে, এই কথাগুলি বড়-বড় সোনালি অক্ষরে লিখিত রহিয়াছে - “আমাদের নিজামবাহাদুর দীর্ঘজীবী হউন।” {{gap}}শুভ্রবর্ণ হৈদরাবাদ। একটি শুষ প্রায় নদী সম্মুখ দিয়া বহিয়া যাইতেছে। হাতীরা দলে-দলে নদীতে নাবিয়া উহার শীতল জলে অবগাহন করিতেছে। এখনো কেন নিজাম স্বরাজ্যে প্রত্যাগমন করিতেছেন না— তাই, উৎসবমত্ত হৈদরাবাদ,—ধ্বজপতাকাভূষিত হৈদরাবাদ, একসপ্তাহ ধরিয়া প্রতিদিন তাহার প্রতীক্ষা করিতেছে। {{gap}}যে বিশাল প্রস্তরসেতু দিয়া নগরে প্রবেশ করিতে হয়, সেই সেতুর মুখে স্বর্ণপত্রপচিত লাল ক্রেপ”—বস্ত্রে মণ্ডিত একটি দ্বারপ্রকোষ্ঠ প্রসারিত; —তাহারি ঝালরে লেখা রহিয়াছে;—"স্বাগত নিজামবাহাদুর!” {{gap}}এই সেতুর উপর দিয়া কত বর্ণের কত লোক পদব্রজে, কত লোক যানে, কত লোক বাহনে চলিয়াছে;—কতপ্রকার যান, কতপ্রকার বাহন, কতই সমারোহ, তাহার আর ইয়ত্তা নাই! বিষাদময় বিজনতার মধ্য দিয়া যখন আমি এখানে আসিয়া পৌছিলাম, তখন প্রত্যাশা করি নাই, যে-নগর ক্ষেত্রভূমির মধ্যে,—প্রস্তরময় ধূসর মাঠময়দানের মধ্যে বিলীন, সেই নগরটিকে এমন জীবন-উদ্যমে পূর্ণ দেখিব, এমন উজ্জ্বল বর্ণে রঞ্জিত দেখিব, এমন উৎসবানন্দে মত্ত দেখিব। {{gap}}শাদা-শাদা, সোজা-সোজা, বড়-বড় রাস্তা—লোকের জনতায় সমাচ্ছন্ন। ফুলের রঙের আভায় যেরূপ নানা প্রকাব সূক্ষ্ম ভেদ লক্ষিত হয়, এই সব লোকদিগের মুখবর্ণেও সেইরূপ সূক্ষ্ম ভেদ বিদ্যমান। নেত্র ঝলসিয়া যায় প্রথমেই উষ্ণীষের অনন্ত বৈচিত্র্য ও বিলাসলীলা দেখিয়া; পাগড়ির গোলাপি রং—"সাম”—মাছের রং—পিচ-ফুলের রং। কোনোটায় কুমুদফুলের, কোনোটায় “অ্যামারাস্ত”—ফুলের, কোনোটায় “নাসি” ফুলের, কোনোটায় “বটবৃকপ”—ফুলের রং। পাগড়িগুলা প্রকাণ্ড-বড় -ছোট-ছোট একপ্রকার চুচাল-মুখ টুপির চারিধারে জড়াইয়া বাধা;<noinclude></noinclude> 56mbj6wgrwjps904kgir5ol3saj6abg 1992230 1992229 2026-07-31T04:47:41Z Bodhisattwa 2549 1992230 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh|১৮২|ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ|}}</noinclude>শিয়োদেশে, এই কথাগুলি বড়-বড় সোনালি অক্ষরে লিখিত রহিয়াছে—“আমাদের নিজামবাহাদুর দীর্ঘজীবী হউন।” {{gap}}শুভ্রবর্ণ হৈদরাবাদ। একটি শুষ প্রায় নদী সম্মুখ দিয়া বহিয়া যাইতেছে। হাতীরা দলে-দলে নদীতে নাবিয়া উহার শীতল জলে অবগাহন করিতেছে। এখনো কেন নিজাম স্বরাজ্যে প্রত্যাগমন করিতেছেন না— তাই, উৎসবমত্ত হৈদরাবাদ,—ধ্বজপতাকাভূষিত হৈদরাবাদ, একসপ্তাহ ধরিয়া প্রতিদিন তাহার প্রতীক্ষা করিতেছে। {{gap}}যে বিশাল প্রস্তরসেতু দিয়া নগরে প্রবেশ করিতে হয়, সেই সেতুর মুখে স্বর্ণপত্রপচিত লাল ক্রেপ”—বস্ত্রে মণ্ডিত একটি দ্বারপ্রকোষ্ঠ প্রসারিত; —তাহারি ঝালরে লেখা রহিয়াছে;—“স্বাগত নিজামবাহাদুর!” {{gap}}এই সেতুর উপর দিয়া কত বর্ণের কত লোক পদব্রজে, কত লোক যানে, কত লোক বাহনে চলিয়াছে;—কতপ্রকার যান, কতপ্রকার বাহন, কতই সমারোহ, তাহার আর ইয়ত্তা নাই! বিষাদময় বিজনতার মধ্য দিয়া যখন আমি এখানে আসিয়া পৌছিলাম, তখন প্রত্যাশা করি নাই, যে-নগর ক্ষেত্রভূমির মধ্যে,—প্রস্তরময় ধূসর মাঠময়দানের মধ্যে বিলীন, সেই নগরটিকে এমন জীবন-উদ্যমে পূর্ণ দেখিব, এমন উজ্জ্বল বর্ণে রঞ্জিত দেখিব, এমন উৎসবানন্দে মত্ত দেখিব। {{gap}}শাদা-শাদা, সোজা-সোজা, বড়-বড় রাস্তা—লোকের জনতায় সমাচ্ছন্ন। ফুলের রঙের আভায় যেরূপ নানা প্রকাব সূক্ষ্ম ভেদ লক্ষিত হয়, এই সব লোকদিগের মুখবর্ণেও সেইরূপ সূক্ষ্ম ভেদ বিদ্যমান। নেত্র ঝলসিয়া যায় প্রথমেই উষ্ণীষের অনন্ত বৈচিত্র্য ও বিলাসলীলা দেখিয়া; পাগড়ির গোলাপি রং—“সামন্‌”—মাছের রং—পিচ-ফুলের রং। কোনোটায় কুমুদফুলের, কোনোটায় “অ্যামারাস্ত”—ফুলের, কোনোটায় “নাসিসাস্‌” ফুলের, কোনোটায় “বটর্‌কপ”—ফুলের রং। পাগড়িগুলা প্রকাণ্ড-বড় -ছোট-ছোট একপ্রকার চুচাল-মুখ টুপির চারিধারে জড়াইয়া বাধা;<noinclude></noinclude> ne9zdt3wu6ifgv774u1hb8e7demjaxy পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৮ 104 780437 1991959 1606238 2026-07-31T04:10:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991959 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh|১৯৪|ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ|}}</noinclude>এই প্রাচ্য সমাধিক্ষেত্রেও সেই “সাইপ্রেস”—ঝাউগাছগুলি দেখিতে পাওয়া যায়;—কেবল ভারতের প্রখর সূর্য্যোত্তাপে একটু ম্লানপ্রভ হইয়াছে, এইমাত্র। ফ্রাসের “সেকেলে” উদ্যানের ন্যায়, অত্রত্য উদ্যানেও, সরু-সরু বালির পথগুলি সোজা চলিয়াছে; উহার ধারে-ধারে আলবালভূমিতে সারি-সারি গোলাপগাছ। কতকগুলি রমণী ও কতকগুলি বালিকা এই কৃত্রিম মরু-উদ্যানের রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত। উহারা প্রাতঃসন্ধ্যা দুই বেলা মাটির কলসীতে কোন কূপবিশেষের দুর্লভ জল আনিয়া এই সব গাছের তলায় ঢালিয়া দেয়; এবং এই সব অতলস্পর্শ গভীর কূপ হইতে পুরুষেরা অতি কষ্টে উহাদের জন্য জল উত্তোলন করে। {{gap}}দুর হইতে মনে হয়, যেন এই সব সুধালিপ্ত গম্বুজগুলি জীবন-উদ্যমে পূর্ণ। কিন্তু এই সব বিশাল মসজিদের অভ্যন্তরে একটিও চিত্র নাই, একটিও অলঙ্কার নাই। পূর্ব্বেকার সমস্ত বিলাসসামগ্রী এক্ষণে পসর জরাজীর্ণতার মধ্যে বিলীন হইয়া গিয়াছে। {{gap}}তথাপি, এই সব শূন্যগর্ভ গম্বুজের নীচে, সমাধিস্থানের প্রত্যেক প্রস্তর-বেদিকার উপর, এখনও পুষ্পমাল্যাদি দেখিতে পাওয়া যায়। তিনশত বৎসর হইতে যে রাজবংশ বিলুপ্ত হইয়াছে, সেই রাজবংশীয় রাজাদিগের গতি শ্লাঘ্য ভক্তির নিদর্শনস্বরূপ এই পূজাপুস্পাঞ্জলি। {{gap}}তাপদগ্ধ মরুভূমির মধ্যে শুধু জলসেকের বলে এই যে উদ্যানগুলি সংরক্ষিত-ইহাদের কি-একটা অপূর্ব্ব মোহিনী শক্তি আছে; ইহাদের দেখিলে, স্বদেশে ফিরিবার জন্য কেমন-একটা ব্যাকুলতা উপস্থিত হয়। এই সব উদ্যানে সাইপ্রেস্‌-ঝাউ প্রতিবেশী তালীবনের সহিত একত্র বাস করিতেছে; এবং গোলাপ-আলবালের চারিপারে, আমাদের দেশে প্রজাপতিরা যেরূপ পুষ্প হইতে পুষ্পস্তরে উড়িয়া বসে, এখানে সেইরূপ মনিয়া-চড়াই ফুলের উপর উড়িয়া-উড়িয়া বসিতেছে।<noinclude></noinclude> 5ixetf8ezkinzkdiejsmtbvfie0y2bw পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/৪৩ 104 780482 1992169 1983104 2026-07-31T04:28:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992169 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh||সাহিত্যে নারী: স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি|২৩}}</noinclude>পতিতা এবং গণিকারা পর্যন্ত সেদিনের সেই ভিক্ষুণীসঙ্ঘে স্থান পেয়েছিল। এদের মধ্যে যাঁরা শিক্ষিতা ছিলেন তারা পূর্বসংস্কৃতি ত্যাগ করেননি, তাঁদের পাণ্ডিত্য ধর্মের সেবায় লোকশিক্ষার কাজে লাগিয়েছেন, যাঁরা কবি ছিলেন তাঁরা ধর্ম বিষয়ক কবিতা রচনা করে মানুষের অন্তর জয় করেছেন। নারীর রচিত কবিতা শুধু শিক্ষিতের সৌখীনের সখের সামগ্রী হয়ে রাজসভায় এবং নাগরিকের প্রমোদভবনে ব’সে না থেকে যেনি বিশ্বের প্রশস্ত রাজপথে ধর্মের জয়ভেরী বাজিয়ে যাত্রা ক’রল, ‘সেদিন এক হ’য়ে গেল মান-অপমান, ব্রাহ্মণ আর জাঠ’, সেদিন ভারতের এক পরম গৌরবের দিন। এর অনতিকাল পূর্বে এবং পরবর্তী বৌদ্ধ ও হিন্দুযুগে পার্থিব প্রেম এবং প্রকৃতি-বর্ণনাই ছিল অধিকাংশ নারীলিখিত কবিতার বিষয়-বস্তু, ভগবান বুদ্ধের পুণ্যপ্রভাবে প্রাথমিক বৌদ্ধ যুগের নারীকবিরা নিজেদের সমস্ত ক্ষুদ্রতার বন্ধন ছিঁড়ে ফেলে পরিপূর্ণ মনুষ্যত্বের মহিমায় প্রকাশিত হ’লেন, কাব্যক্ষেত্রে ধর্মের জয়গান গেয়ে দুঃখতপ্ত পৃথিবীকে অভয়ের এবং সান্ত্বনার বাণী শোনালেন। মৈত্রেয়ীর বাণী নূতন মূর্তি নিয়ে ফিরে এল। {{gap}}থেরী অনুপমা ছিলেন সাকেত নগরের এক বিখ্যাত ধনীর মেয়ে, তিনি লিখেছেন, “আমার সৌন্দর্যখ্যাতি শুনে আমাকে বিবাহ করবার জন্য বহু রাজপুত্র, বহু শ্রেষ্ঠিপুত্র প্রার্থী হয়েছিলেন, তাঁদের দূতেরা এসে পিতাকে বলতেন ‘অনুপমাকে ওজন ক’রলে যত সোনা হয়, তার আটগুণ সোনা দে’ব, আমাদের পাত্রকে কন্যাদান করুন’ কিন্তু লোকশ্রেষ্ঠ বুদ্ধকে দেখবার জন্য আমার প্রাণ উদ্বুদ্ধ হ’ল, তাঁর চরণবন্দনা ক’রে আমি ধ্যানে বসলুম। তিনি আমায় ধর্ম দীক্ষা দিলেন।” {{nop}}<noinclude></noinclude> qdw4icmsro30yvka6eyo509mhce9nof পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১০৩ 104 780667 1991900 1985095 2026-07-31T04:10:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991900 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>শোষক-টোষক বলে গাল পাড়ে তো পাড়তে দিন। আপনারা নিশ্চিন্ত মনে যত খুশি শোষণ চালিয়ে ভোগ-সাগরে চার বেলা অবগাহন করুন। আপনার সমস্ত পাপকে ধুয়ে সাফ-সুতরো করে পুণ্যের ‘আই এস আই’ ছাপ মেরে দেব কপালে। তারই ফলে পরলোকে...., বিশ্বাস করুন মদ-মেয়েছেলের যা দারুণ আয়োজন, কোথায় লাগে এই জাগতিক সেরা বার কাউণ্টার, সেরা দেহোপজীবিনী, উ—ফ্! তারপর আবার যখন পৃথিবীতে জন্মাবেন, পুণ্যিবলে সোনার চামচ মুখে নিয়ে, তারপর ভাবুন তো—আবার ভোগ, আবার পুণ্যি, আবার পরলোকে ভোগ, আবার সোনার চামচ মুখে...ব্যাপারটা বৃত্তাকারে ঘুরেই চলবে। ভোগে, রসে-বশে থাকতে পেলে কে এ’জন্মেই সব চুকিয়ে ফেলতে চায়—ভদ্রোমহোদয়গণ! তাই আবারও বলি, চার্বাক দর্শনের খপ্পরে না পড়ে, আপনারা ভক্তিবাদ, বিশ্বাসবাদ, অধ্যাত্মবাদ ইত্যাদি ঈশ্বর-নির্ভর দর্শনে মন-প্রাণ সঁপে দিন। হে মহান ভোগবাদে বিশ্বাসী ক্যারিয়ারিস্টগণ, আপনারা নিজেরটা গুছিয়ে নিতে শিখুন। আর শিখুন শ্রদ্ধার সঙ্গে কিছু তুলে দিতে তাঁরই চরণে—যাঁর কৃপাতে হলেন সুখী, পেলেন ধন-জন। আপনি ঈশ্বরকে দেখুন, ঈশ্বর আপনাকে দেখবে। {{gap}}হে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন ভোগবাদীগণ, এতক্ষণের বক্তব্য থেকে এখন নিশ্চয়ই এই বিশ্বাস আপনাদের মধ্যে রোপণ করতে পেরেছি, ঈশ্বর-নির্ভর ভাববাদী দর্শন ভোগবাদ তোষণেরই দর্শন। আমাদের দর্শনের কাছে চার্বাকের তথাকথিত ভোগবাদী দর্শন যেন শ্বেতহাঙরের কাছে নেহাতই পুঁচকে একটা মৌরলা মাছ। {{gap}}শুভবাবু, আপনাকে একটি খবর শোনাই। ১৯৮৮ সালের ২ মার্চ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত একটি অনুসন্ধান বা সার্ভে চালিয়ে ছিল ‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি'। বেছে নেওয়া হয়েছিল ১০০ জন বিভিন্ন ধরনের অপরাধীকে। এই অপরাধীদের মধ্যে ৬৬ জন হিন্দু দেব-দেবীর বাস্তব অস্তিত্ব আছে বলে বিশ্বাস করে, ৩২ জন আল্লাহের অস্তিত্বে বিশ্বাসী, ২ জন যিশুর অলৌকিক ক্ষমতায় ও করুণাময়তায় বিশ্বাসী। ১০০ জনই পরলোকের অস্তিত্বে বিশ্বাসী। স্বর্গ-নরক জাতীয় স্থান বাস্তবিকই আছে বলে বিশ্বাস করে। পাপ-পুণ্যে বিশ্বাস করে। ঈশ্বর কৃপায়, তীর্থদর্শনে, পুণ্য স্থানে, মক্কা দর্শনে এবং ‘কনফেস’—এর মধ্য দিয়ে পাপ স্খলন ও পুণ্য সঞ্চয় হয় বলে বিশ্বাস করে। {{gap}}১০০ জনের মধ্যে ৮৯ জনই বিশ্বাস করে অপরাধ করতে করতে যে কোনও সময় জীবন যেতে পারে। পাপ স্খলনের সুযোগ নেবার আগেই যেতে পারে, আবার নাও যেতে পারে। {{gap}}শুভবাবু, ঈশ্বর-বিশ্বাস, পরলোক-বিশ্বাস, পাপের ফল নরক যন্ত্রণা-এইসব বিশ্বাস কিন্তু অপরাধীকে অপরাধ থেকে নিবৃত্ত করতে পারেনি। {{gap}}কেন পারেনি? এর কারণ খুঁজে পেতে গেলে শুভবাবু, আপনাকে ফিরে তাকাতেই হবে এ’দেশের আর্থসামাজিক ও সমাজ-সাংস্কৃতিক পরিবেশের দিকে।<noinclude>{{c|১০৩}}</noinclude> hzxbu5fv7jhcio32mp7l5rdsoe6dnkd পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪৭ 104 780671 1991915 1983564 2026-07-31T04:10:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991915 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{rule}} {{center|{{x-larger|অধ্যায়: ছয়}}}} {{rule}} {{center|{{x-larger|'''ঈশ্বর বিশ্বাস: আপ্লুত বিজ্ঞানী ও ভুরু কোঁচকানো বিজ্ঞানী'''}}}} {{c|O}} {{block center|width=420px|'''কিছু বাঙালি বিজ্ঞানী ঈশ্বর মানেন। ঈশ্বর মানার পক্ষে তাঁদের যুক্তিগুলো এই অধ্যায়ে হাজির করব। বিজ্ঞানীদের এইসব যুক্তির সঙ্গে পরিচয় ঘটাবার দায়িত্ব নিয়েছিল বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘যুগান্তর'। খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা এই যে, প্রথম কিস্তির লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮১ সালের ‘আন্তর্জাতিক যুক্তিবাদী দিবস’—এ অর্থাৎ ১ মার্চ।''' '''আমরা অবশ্য এখানে ঈশ্বর-বিশ্বাসী বিজ্ঞানীদের যুক্তিগুলোকে হাজির করেই ক্ষান্ত হব না, বিশ্লেষণ করে দেখব—যুক্তিগুলো বাস্তবিকই কতটা যুক্তি।'''}} {{c|O}} '''এক: মণীন্দ্রমোহন চক্রবর্তী''', প্রাক্তন উপাচার্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও কল্যাণী বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ইংলণ্ডের রয়্যাল ইন্সটিটিউট অফ কেমিস্ট্রির ফেলো। ভারতে নামী-দামি রসায়নবিজ্ঞানী যাঁরা আছেন, তাঁদেরই একজন। {{gap}}মার্কস-এঙ্গেল্‌স্ নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করেছেন এককালে। বর্তমানে মার্কসবাদের চেয়েও মানবেন্দ্রনাথ রায়ের (র‍্যাডিক্যাল হিউম্যানিজিমের প্রবক্তা) মানবতা বিকাশের পথনির্দেশকে বেশি গ্রহণযোগ মনে করেন, এবং সে কথা সোচ্চারে প্রচারও করেন। ১৯৮৯ -এ পোঁছে মণীন্দ্রমোহন জানালেন, “বস্তুবাদে বা জড়বাদে মানুষের মুক্তি নেই! নাস্তিকতা মানুষকে শান্তি দিতে পারে না।” {{gap}}তাহলে শোষণ থেকে মুক্তি পেতে, অসাম্যের সমাজ কাঠামোর অনিবার্য ফল যে ‘অশান্তি’, তাকে বিদায় দিয়ে ‘শান্তি’কে ফিরিয়ে আনতে কী করতে<noinclude>{{c|১৪৭}}</noinclude> iahhku7u4z061yw5ytoyis3yt4tr00j পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪৮ 104 780677 1991916 1985119 2026-07-31T04:10:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991916 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>হবে? সে পথনির্দেশও দিয়েছেন মনীন্দ্রমোহন, “আধ্যাত্মিক পথেই মানুষের মুক্তি, ঈশ্বর বিশ্বাসই মানুষের মনের শান্তি।” {{gap}}মণীন্দ্রমোহন চক্রবর্তী অধ্যাপক মানুষ। তাঁর পক্ষে শোভা পায় না, রাজনৈতিক নেতাদের মত, কিচ্ছুটি না জেনেও সে বিষয়ে জনগণকে প্রচুর জ্ঞান দেওয়ার প্রবণতা। অতএব, আশা করছি তিনি ভালমত জেনে বুঝেই বলছেন-অধ্যাত্মবাদ নিয়ে চর্চা করলে মানুষের মুক্তি আসবে। তিনি নিশ্চয়ই ‘অধ্যাত্মবাদ’ কথাটির অর্থ বিষয়েও ওয়াকিবহাল। অর্থাৎ তিনি জানেন, ‘অধ্যাত্মবাদ’ মানে ‘আত্মা সংক্রান্ত মতবাদ’, যার হাত ধরাধরি করে উঠে আসে পরমাত্মা-ঈশ্বর-আল্লা ইত্যাদিরা। উঠে আসে পরলোক, ভূত, জীন্, পরলোকের বিচার ইত্যাদি আরও কত কী! অবিনশ্বর আত্মার সুতো ধরে টান মারলেই এ’সবই এক এক করে সারি-সারি উঠে আসে। আত্মার অমরত্বকে প্রথমেই স্বীকার করে নিয়েছে ‘অধ্যাত্মবাদ'। আত্মার অমরত্ব নিয়ে কোনও প্রশ্নেরই অবকাশ নেই অধ্যাত্মবাদে। কারণ, আত্মা অমরত্ব হারালে অধ্যাত্মবাদের গোটা তত্ত্বটাই মুহুর্তে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। {{gap}}‘আত্মা’ কাকে বলে? অর্থাৎ, ‘আত্মা’র সংজ্ঞা কী? আত্মার সংজ্ঞা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। বহু মতের নির্যাস থেকে বেরিয়ে আসে প্রধান দু’টি মত। {{gap}}এক: ‘চিন্তা’, ‘চেতনা’, ‘চৈতন্য’ বা ‘মন’ই আত্মা। দুইঃ ‘চিন্তা’, ‘চেতনা’, ‘চৈতন্য’ বা ‘মন’ আত্মারই কাজ-কর্মের ফল। {{gap}}বিজ্ঞান পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে—মন, চিন্তা, চেতনা বা চৈতন্য বলে আমরা যাকে চিহ্নিত করি, তা হল মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষেরই ক্রিয়া-বিক্রিয়া বা কাজ-কর্মের ফল। {{gap}}মানুষের মৃত্যুর পর এক সময় মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষের বাস্তব অস্তিত্বই বিলীন হতে বাধ্য। কারণ, মৃত্যুর পর সাধারণভাবে দেহও বিলীন হয় পুড়ে ছাই হয়ে কবরের মাটিতে মিশে গিয়ে, অথবা বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে পচে-গলে-জন্তুর পেটে গিয়ে। দেহ বিলীনের সঙ্গে সঙ্গে দেহাংশ মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষও বিলীন হয়। এরপর মস্তিস্ক স্নায়ুকোষ নেই, কিন্তু তার কাজ-কর্ম আছে এবং কাজ-কর্মের ফল হিসেবে মনও আছে—এমনটা শুধু কল্পনাতেই সম্ভব। {{gap}}অধ্যাত্মবাদীদের ‘আত্মা’র সংজ্ঞা নিয়ে যে দ্বিতীয় মতটি রয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, চিন্তা, চেতনা, চৈতনা বা মন হল আত্মারই কাজ-কর্মের ফল। এই সংজ্ঞাটিকে মেনে নিলে বলতে হয়—আত্মা হল মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষ। {{gap}}মানুষ মরণশীল। গোটা মানুষটাই যখন মরণশীল, তখন তার দেহাংশও যুক্তিগতভাবে মরণশীল হতে বাধ্য। অতএব, আমরা এরপর এই দৃঢ় সিদ্ধান্তে পোঁছাতে পারি—মানুষের দেহাংশ মস্তিষ্কস্নায়ুকোষও মরণশীল। মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষ মরণশীল হলে ‘আত্মা’ও মরণশীল হতে বাধ্য। {{nop}}<noinclude>{{c|১৪৮}}</noinclude> 9p6wj47yzad78x5v2pydwpgk0y9or94 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১০৬ 104 780680 1991902 1985096 2026-07-31T04:10:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991902 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>{{gap}}অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত করতে ‘ঈশ্বর’ নামের জুজুর ভয়ের কোনও প্রয়োজন হয় না। যে মানুষ নিজেকে সঠিক আদর্শবোধ ও সঠিক মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত করে, সে কখনই খারাপ কাজ করে না। তাকে দিয়ে কোনও অন্যায় কাজ করানো যায় না। ‘সঠিক আদর্শবোধ’, ‘সঠিক মূল্যবোধ’ শব্দ দুটি ব্যবহারের কারণ, এই অসাম্যের সমাজ কাঠামোকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে ‘বেঠিক আদর্শবোধ’ ও ‘বেঠিক মূল্যবোধ’ প্রবল ভাবেই প্রতিষ্ঠিত। {{center|O}} {{block center|width=420px|'''অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত করতে ‘ঈশ্বর নামের জুজুর ভয়ের কোনও প্রয়োজন হয় না। যে মানুষ নিজেকে সঠিক আদর্শবোধ ও সঠিক মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত করে, সে কখনই খারাপ কাজ করে না।'''}} {{center|O}} {{gap}}আমাদের এই সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক নীতির নিয়ন্তা ধনকুবেরগোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণকে কায়েম রাখতে হাতে রাখে সরকার, প্রশাসন-পুলিশ-সেনাবাহিনী, প্রচারমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীদের। ধনকুবেরগোষ্ঠীর শোষণের সহায়ক এই শক্তিগুলো শোষকশ্রেণীর স্বার্থরক্ষার প্রয়োজনে বহু নীতিবোধ বা মূল্যবোধ সমাজের উপর চাপিয়ে দেয়। এই নীতিবোধ ও মূল্যবোধ ব্যাপক প্রচারের ফলে, ব্যাপক মগজ ধোলাইয়ের ফলে বহুর কাছেই গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করলেও আসলে এগুলো ‘বেঠিক নীতিবোধ’ বা ‘বেঠিক আদর্শবোধ’ এবং ‘বেঠিক মূল্যবোধ'। '''কারণ: উনচল্লিশ''' '''পাপ-পুণ্যের হিসেবে তো বেজায় গোলমাল।''' পরলোকে বিশ্বাসী হিন্দুরা মনে করেন, মানুষের পাপ-পুণ্যের সমস্ত হিসেব রাখেন চিত্রগুপ্ত। মুসলিম ধর্মে বলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষের কাঁধের উপর বসে রয়েছে দু’জন করে ফেরেস্তা। এদের নাম ‘কেরামান’ ও ‘কাতেবীন'। একজন লেখেন সৎ কাজের বিবরণ, অপরজন অসৎ কাজের। {{gap}}মানুষ জন্মেই কখনও ‘সৎ’ বা ‘অসৎ’ কাজ করতে পারে না। ‘সৎ’ বা ‘অসৎ’ কাজ করার মত ন্যায়-অন্যায় বোধ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চয়ই চিত্রগুপ্তের খাতায় পাপ-পুণ্যের হিসেব চালু হয় না, চালু হয় না কেরামান ও কাতেবীন-এর লেখার কাজ। মুসলিম ধর্মে বিশ্বাসীদের ক্ষেত্রে সাবালক না হওয়া পর্যন্ত কারও উপর নামাজ ও রোজা ফরজ হয় না। নাবালকের মধ্যে ন্যায়-অন্যায় বোধ, পাপ-পুণ্য বোধ তৈরি হয় না বলেই নামাজ ও রোজার ক্ষেত্রে তাদের ছাড় দেওয়া হয়। {{nop}}<noinclude>{{c|১০৬}}</noinclude> pn75trxxwl2v89ko4wij6kmhpetvr9a পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪৯ 104 780681 1991917 1985120 2026-07-31T04:10:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991917 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}‘আত্মা’ না বাঁচলে ‘অধ্যাত্মবাদ’ও যে বাঁচে না। যে অধ্যাত্মবাদ দাঁড়িয়ে আছে ‘আত্মা অমর’ এই অন্ধ ও ভ্রান্ত বিশ্বাসের ভিতের উপর। সেই মিথ্যের এক ‘বাদ’ বা 'ism'-এর পথ ধরে কখনই মানুষের মুক্তি আসতে পারে না। আসতে পারে শুধু সর্বনাশ (আত্মা ও অধ্যাত্মবাদ বিষয়ে বিস্তৃত জানতে উৎসাহী পাঠক-পাঠিকারা পড়তে পারেন, ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’—এর ৪র্থ-খণ্ড)। {{gap}}মণীন্দ্রবাবু, বাস্তবিকই আপনি কি মনে করেন, যে মায়ের চোখের সামনে ছেলের দু’চোখ উপড়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক দলের পোষা খুনেরা, সেই মায়ের মনের শান্তি ফেরাতে হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তির চেয়ে ঈশ্বরে আত্মসমর্পণ অনেক বেশি ফলপ্রসূ দাওয়াই? {{gap}}মণীন্দ্রবাবু, আপনি কি সত্যিই মনে করেন, যে সন্তানের চোখের সামনে মা’কে সম্পূর্ণ নগ্ন করে প্রকাশ্য রাজপথে পেটাই করেছে মহল্লার রাজনৈতিক মস্তানরা, সেই সন্তানের দাউ দাউ অশান্ত মনকে শান্ত করতে পারে ঈশ্বরের কাছে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ? মস্তানদের কঠোর শাস্তি ও রাজনৈতিক সততার জন্য দাবি তোলা, দাবি আদায়ে শেষতক যাওয়ার চেষ্টায় কি শান্তি নেই? অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থার মধ্যে কি অশান্ত মনে শান্তি আসে না? {{gap}}যে ডাক্তারের অবহেলায় শিশু পাপড়ির মৃত্যু হয়েছিল, সেই ডাক্তারদের অকর্মণ্যতা, অবহেলা ও হৃদয়হীনতার বিরুদ্ধে পাপড়ির বাবা-মা দরবার করেছেন মেডিকেল কাউন্সিলের কাছে। আইনের লড়াই চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করতে পেরেছেন। পেরেছেন তাঁকে জেলে ঢোকাতে। পাপড়ির বাবা-মা ডাক্তারটির অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে জয়ী হয়ে যতটুকু শান্তি পেয়েছিলেন, লড়াই না চালিয়ে ঈশ্বরে আত্মসমর্পণ করে ততটুকু কি পেতেন? তাঁদের এই লড়াই এক দিকে যেমন ডাক্তারদের স্বেচ্ছাচারী অবহেলাকে কিছুটা হলেও সংযত করেছে, তেমনই অবহেলিত রোগীদের অধিকার সম্বন্ধে সচেতনাবোধ জাগিয়ে তুলেছে। ফলে ভবিষ্যতে চিকিৎসকের অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যু ও তার দরুন অশান্তির কিছু কারণ নিশ্চয়ই দূর করা গেছে। চিকিৎসকদের দুর্নীতিকে তাড়াতে এবং সেই দুর্নীতির কারণে চেপে বসা অশান্তিকে বাড়াতে সামাজিকভাবেই লড়াই চালাতে হবে, ঈশ্বরের উপর নির্ভর করে বসে থাকলে অশান্তির সঙ্গে সহাবস্থানকেও মেনে নিতে হবে। {{gap}}মণীন্দ্রবাবু, সত্যিই কি আপনি মনে করেন, যে বাবা-মা’র চোখের সামনে কিশোরী কন্যা দলবদ্ধ পুরুষদের কামনার শিকার হয়, সে বাবা-মা ধর্ষণকারী দলবদ্ধ পশুদের বুক ফুলিয়ে শিস্ দিয়ে মহল্লায় টহল দিতে দেখার পরও প্রতিরোধের পথে না গিয়ে, ঠাকুর ঘরে দরজা বন্ধ করে চোখের জলে ভাসে, সে-ই পায় পরম শান্তি, যার কোনও বিকল্প নেই? {{gap}}মণীন্দ্রবাবু, বন্ধ কারখানার শ্রমিক দেখেছেন? মাসের পর মাস, বছরের পর বছর চিমনি থেকে ধোঁয়া না ওঠা কারখানার শ্রমিক দেখেছেন? ওদের<noinclude>{{c|১৪৯}}</noinclude> 1q7bi467pw7zt1jizeqxq2redhyhkkz পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১১০ 104 780694 1991903 1985098 2026-07-31T04:10:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991903 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>মনে করেন, হজরত মোহম্মদকে শেষ নবী বলে বিশ্বাস করেন, কোরান ও হাদিস নির্দিষ্ট পথে চলাকে মানব জীবনের চরম সার্থকতা বলে মনে করেন, কেয়ামতে বিশ্বাস করেন, বিশ্বাস করেন বেহস্ত ও দোজখে, আত্মার অমরত্বে ফেরস্তা ও নিপাকে, রোবাক ও মেয়ারাজের অস্তিত্বে, তিনিই মুসলমান। যাঁরা বাইবেলের ‘নিউ টেস্টামেণ্ট’—এর কাহিনী অনুযায়ী যিশুকে ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র ও প্রতিনিধি বলে বিশ্বাস করেন এবং মান্য করেন, যিশুর পুনরুত্থানের কাহিনী সত্যি বলে বিশ্বাস করেন, নিউ টেস্টামেণ্টের নির্দেশ মত আচার-আচরণকে সদাচার মনে করেন, আত্মা তত্ত্বে বিশ্বাস করেন, তিনিই খ্রিস্টান। {{gap}}কিন্তু শুধুমাত্র এতেই হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিস্ট ধর্মগুলো চূড়ান্ত রূপ পায় না। প্রত্যেক ধর্মেরই রয়েছে কাশী, পুরী, মক্কা, মদিনা, জেরুজালেমের মত পবিত্র তীর্থস্থান; মন্দির, মসজিদ, গীর্জার মত উপাসনাকক্ষ; ঈশ্বরকে তুষ্ট করার নানা উপচার-পদ্ধতি-প্রকরণ, বেদ-কোরান-বাইবেলের মত পবিত্র ধর্মগ্রন্থ এবং ধর্মগুরু বা পুরোহিত শ্রেণী। এই সবকিছু মিলিয়ে, সবকিছুকে সম্পর্কীত করে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্ট এবং আরও বিভিন্ন ধর্মই তাদের সাংগঠনিক কাঠামো বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলেছে। তাই এইসব ধর্মকে সমাজ-বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ‘প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম’ বলে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। {{gap}}‘ধর্ম বলতে 'Religion' বা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের কথা না বলে আমরা যদি কোনও কিছুর গুণ বা বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ 'Property'কে বোঝাতে চাই, বোঝাতেই পারি; কোনও অসুবিধে নেই। বরং বলা যায় ‘ধর্ম’ বলতে আত্মা-পরমাত্মা-পরলোক ইত্যাদি অলীক-বিশ্বাস নির্ভর সাংগঠনিক কাঠামোর চেয়ে, ধর্ম বলতে কোনও কিছুর গুণ বা বৈশিষ্ট্য’—কে চিহ্নিত করাই যুক্তির নিরিখে কাঁটায় কাঁটায় ঠিক। কারণ, প্রথমটি অলীক-বিশ্বাস নির্ভর; দ্বিতীয়টি বাস্তব নির্ভর, যুক্তি নির্ভর। এরপর আমরা নিশ্চয়ই বলতে পারি—'ধর্ম’ মানে শনি, শীতলার পুজো, দরগার সিরনি বা গীর্জার মোম জ্বালানো নয়। ‘ধর্ম’ মানে আত্মা-পরমাত্মা-পরলোকের অলীক চিন্তায় নতজানু হওয়া নয়। ‘ধর্ম’ মানে বেদ-কোরান-বাইবেল-কে অপৌরুষেয় মনে করে ধর্মগ্রন্থের নির্দেশমত অমানবিক জীবন যাপন নয়। ‘ধর্ম’ মানে জীবে প্রেম বিলোবার নামে দুর্নীতিগ্রস্ত শোষকের প্রতি প্রেম বিলানো নয়। আগুনের ‘ধর্ম’ যেমন ‘দহন’, তলোয়ারের ‘ধর্ম’ ‘তীক্ষ্ণতা’, মানুষের ‘ধর্ম’ তেমনই ‘মনুষ্যত্ব’ বা ‘মানবতা’, যে মানবতা সাম্যের সুন্দর সমাজ গড়তে শেখায়, মানুষকে এগিয়ে যেতে শেখায়। এই ‘এগিয়ে যাওয়া’, এই ‘প্রগতি’ আজকের অসাম্যের সমাজ কাঠামোর ‘প্রগতি’ নয়, যেখানে ‘মানুষের প্রগতি’ বলতে মুষ্টিমেয় মানুষের প্রগতি ও তামাম মানুষের দুর্গতিকে বোঝায়। {{center|O}} {{block center/s|width=400px}}'''‘ধর্ম’ বলতে আত্মা-পরমাত্মা-পরলোক ইত্যাদি অলীক-বিশ্বাস নির্ভর'''<noinclude>{{block center/e}}{{c|১১০}}</noinclude> 5lu6ovvpdtve82e2jj2ybyz43gkywe6 পাতা:ইংরাজ-বর্জ্জিত ভারতবর্ষ - জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২১৯ 104 780718 1991960 1516222 2026-07-31T04:10:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991960 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nasirkhan" />{{rh||হৈদরাবাদে|২১৫}}</noinclude>গান গাহিতেছে, অথবা চীৎকার করিয়া কি বলিতেছে। উহাদের উদর ভিতরদিকে ভয়ানক ঢুকিয়া গিয়াছে; চামড়ার খালি বোতলের মত কুঁচকিয়া চুপসিয়া গিয়াছে; বড় বড় চক্ষু;—কেন এত দুঃখ যন্ত্রণা সহিতে হইতেছে ভাবিয়াই যেন বিস্ময়বিস্ফারিত। {{gap}}এই গানের পূর্ণ প্রচণ্ডতা হৃদয়ঙ্গম করিতে হইলে উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে যাইতে হয়, রাজস্থানে যাইতে হয় যেখানে, শুধু একমুষ্টি চাউলের অভাবে শতসহস্র লোক মৃত্যুমুখে পতিত হইতেছে। এই গুহা হইতে সেই সব স্থান প্রায় দেড়শতক্রোশ দূরে। {{gap}}এই প্রদেশে,মৃত বন, মৃত জঙ্গল, সমস্তই মৃত। যে বৃষ্টি পূর্ব্ব্বে আরবসাগর হইতে প্রেরিত হইত, কিয়ৎবৎসর হইতে তাহার অভাব হইয়াছে, অথবা উহা ভিন্নপথে চলিয়া গিয়াছে;—বেলুচিস্থানের মরুভূমির উপর নিরর্থক ছড়াইয়া পড়িয়াছে। স্রোতস্বিনীতে জল নাই; নদী শুকাইয়া গিয়াছে; তরুলতা আর হরিৎ পরিচ্ছদ ধারণ করে না। {{gap}}আমি এখন রৎলাম ও ইন্দোরের রাস্তা ধরিয়া রেলপথে দুর্ভিক্ষপ্রদেশে যাইতেছি। এক্ষণে সমস্ত ভারতই লৌহপথে ক্ষতবিক্ষত। যে ট্রেণে যাইতেছি, উহার সমস্ত গাড়িই প্রায় খালি;—যাত্রীর মধ্যে দুইটিমাত্র ভারতবাসী। {{gap}}আমার চোখের নীচে দিয়া—কয়েকঘণ্টাকাল - কেবলই বন চলিয়াছে; —ইহা তাণীবন নহে; এই সব বনতরু কতকটা আমাদের দেশীয় গাছের মত। বনগুলা যদি এত বড় না হইত, উহার দিগন্তদেশ যদি বনজঙ্গলে আচ্ছন্ন না হইত, তাহা হইলে আমাদের দেশের বন বলিয়া ভ্রম হইতেও পারিত। সুকুমার শাখা, ধূসর শাখা। উহার সাধারণ রং—আমাদের দেশের ডিসেম্বরের “ওক”—গাছের পাতার মত। আমাদের ফ্রান্সদেশে, শরতের শেষভাগেই এইরূপ দৃশ্য দেখিতে পাওয়া যায়। কিন্তু আমরা এখন এপ্রিলমাসে ভারতর্ষে রহিয়াছি। গ্রীষ্মদেশসুলভ প্রখর উত্তাপ, অথচ<noinclude></noinclude> l6apgjfg9qryp0nfpf5qzejlimenqjg পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৫৮ 104 780730 1991918 1983571 2026-07-31T04:10:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991918 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}'''পাঁচ: সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়''' কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, বসু বিজ্ঞান মন্দিরের প্রাক্তন অধিকর্তা, ‘ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দি কালটিভেশন অফ সাইন্স’-এর সভাপতি। ভারতসরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত কমিটির প্রাক্তন সদস্য। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা সারা ভারত বিজ্ঞান জাঠার (১৯৮৭) অন্যতম নেতা (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য—বিজ্ঞান আন্দোলন গড়ে তুলতে যে সব বিষয় জাঠা বেছে নিয়েছিল, তার মধ্যে বিষয় হিসেবে স্থান পায়নি ‘কুসংস্কার’, স্থান পায়নি যুক্তিমনস্ক মানুষ গড়ার প্রয়াস)। মৃত্তিকাবিজ্ঞান ও কৃষিরসায়ন নিয়ে কাজের জন্য ভারতে যাঁরা অগ্রগণ্য, সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁদের একজন। {{gap}}সুশীলবাবু কি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন? এ’বিষয়ে তাঁর সাফ জবাব, “দেখুন, ঈশ্বর নিয়ে আমি কখনও চর্চা করিনি। বিজ্ঞানী কেন, যে কোনো যুক্তিবাদী লোকই বলবে, ‘যা নিয়ে তুমি কখনও চর্চা করোনি, তা নিয়ে তোমার পক্ষে কিছু বলা ঠিক নয়। কেননা, সে সম্বন্ধে তোমার ধারণা ভ্রান্ত হতে পারে। অনুভূতির সাহায্যে হয়তো কিছু বলতে পার, কিন্তু অনুভূতিও অনেক সময় তোমাকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে পারে। কাজেই আমি মনে করি, আমার পক্ষে এ বিষয়ে কিছু না বলাই শ্রেয়।” {{gap}}ভাল কথা! সুশীলবাবু যেহেতু ঈশ্বর নিয়ে চর্চা করেননি, তাই ঈশ্বর আছে, কি নেই, এ বিষয়ে কোনও রকম মত প্রকাশে নারাজ। তিনি আর এক প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্টতই জানিয়েছেন, “ঈশ্বর আছেন কি না আমি জানি না।” এই বিষয়ে তাঁর চর্চা নেই তো, তাই দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। আশা করি, রামগরুড় ইত্যাদির অস্তিত্ব প্রসঙ্গে প্রশ্নের মুখোমুখি হলেও সুশীলবাবু বলতেন—রামগরুড় ইত্যাদির অস্তিত্ব আছে কি না, আমি জানি না। থাকতেও পারে, নাও থাকতে পারে। {{gap}}তবে সুশীলবাবু এ’কথা সোচ্চারে ঘোষণা করেছেন, “ভারতীয় আধ্যাত্মিকতা একটা বিজ্ঞান।” {{gap}}এই জাতীয় কথা আর কোনও বিজ্ঞানীর লেখায় বা কথায় আজ পর্যন্ত উচ্চারিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। সুশীলবাবুর কথায়, “পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের সঙ্গে এই বিজ্ঞানের মিল নেই।” {{gap}}“পাশ্চাত্য বিজ্ঞান মানেই বাইরের জিনিস অর্থাৎ আমরা যে জিনিস দেখতে পাচ্ছি, স্পর্শ করতে পারছি সেই জিনিস। সবই ফিজিক্যাল ব্যাপার। এ দিয়ে ঈশ্বরের পরিমাপ হয় না, এ দিয়ে ঈশ্বর আছে কি নেই বলা যায় না।” {{gap}}“ভারতীয় অধ্যাত্মবাদ ভিতরের জিনিস নিয়ে নিজের ভিতরটা দেখা ও বোঝার চেষ্টা করাই এই বিজ্ঞানের লক্ষ্য।” {{gap}}ডক্টর সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায় নিশ্চয়ই অধ্যাত্মবাদ নিয়ে চর্চা করেই এ’সব কথা বলেছেন। চর্চা করে দেখেছেন, আত্মা অমর। ভূত-প্রেত-পরমাত্মা-ঈশ্বর-<noinclude>{{c|১৫৮}}</noinclude> 3ugcoaylytdntz3u6jbijwbitgivww5 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৫৯ 104 780731 1991919 1985126 2026-07-31T04:10:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991919 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>আল্লা-পরলোক, ইত্যাদি সবেরই বাস্তব অস্তিত্ব আছে! ডক্টর মুখোপাধ্যায়ের মৃত্তিকা গবেষণাপত্র শ’র উপর প্রকাশিত হয়েছে। নামী বিদেশি বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থেও কিছু গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু যা প্রকাশিত হয়েছে, সবই তো পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের জিনিস। প্রাচ্য বিজ্ঞান অর্থাৎ ভারতীয় অধ্যাত্মবাদ নিয়ে তাঁর চর্চা ও গবেষণাপত্র অপ্রকাশিত রেখে তিনি কি প্রাচ্য-বিজ্ঞান, ভারতীয় অধ্যাত্মবাদ ও তামাম বিশ্ববাসীকে বিশালভাবে বঞ্চিত করছেন না? আমজনতার পক্ষ থেকে, বিজ্ঞানমনস্ক মানুষদের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট মৃত্তিকাবিজ্ঞানী ও অধ্যাত্মবিজ্ঞানী ডক্টর সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়ের প্রতি বিনীত নিবেদন, তিনি অধ্যাত্মবিজ্ঞান বিষয়ক তাঁর চর্চা ও গবেষণার সঙ্গে জনগণের পরিচয় ঘটাবার সুযোগ করে দিন। তাঁর প্রাচ্য বিজ্ঞানচর্চার অসাধারণ দিকটি জনগণের কাছে, জনণের স্বার্থে উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক। {{gap}}যে সুশীলবাবু সোচ্চারে ঘোষণা করেছেন, “ঈশ্বর আছেন কি না আমি জানি না, সেই সুশীলবাবুই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা রেখেছেন, “ভারতীয় অধ্যাত্মিকতাও একটা বিজ্ঞান”, অর্থাৎ “ভারতীয় আত্মা পরমাত্মা ও পরলোক তত্ত্ব বিজ্ঞান"। যাঁরা সুশীলবাবুর এমন চূড়ান্ত স্ববিরোধিতায় হতবুদ্ধি ও হতবাক, তাঁদের অবগতির জন্য সুশীলবাবুর আরও কিছু কৌতুহল উদ্দীপক বা ‘মজার ছত্রিশ ভাজা’ মার্কা উক্তি তুলে দিচ্ছি: {{gap}}(এক) “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ঈশ্বর লাভ করেছিলেন এবং নরেনের মতো ঐরকম ঘোর নাস্তিককেও ঈশ্বর দেখিয়েছিলেন, সুতরাং নিশ্চয় তাঁর মধ্যে একটা প্রতীতি (প্রত্যয়) জন্মেছিল। এই প্রতীতিই আসল কথা। বিজ্ঞানীদেরও এইরকম প্রতীতি জন্মায়, তবেই তাঁরা একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারেন।” {{gap}}(দুই) “দেখুন, বিজ্ঞানে সকলের ভাষা সকলে বোঝেন না। স্পেশালাইজেশনের দরুন বিজ্ঞানের ভাষায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। এক বিজ্ঞানের লোক আর-এক বিজ্ঞানের ভাষা খুব বেশি বুঝতে পারেন না। যেমন ধরুন, আমি সয়েল কেমিস্ট্রির লোক, অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের ভাষা আমি ঠিক বুঝি না—অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে এমনসব টার্মিনোলজি ব্যবহার করা হয় যা আমার বোধগম্য হয় না। কিন্তু আকারে-ইঙ্গিতে ভাবে-ভঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলে কিছু বুঝি। আধ্যাত্মিক জগতেও এইরকম আছে।” {{gap}}(তিন) “রামকৃষ্ণদেবের কথা দিয়েই বলি। দক্ষিণেশ্বরে রামকৃষ্ণদেবের কাছে দূরদূরান্ত থেকে অনেক সাধুসন্ত আসতেন। গঙ্গাতীরে এক পরম সাধক আছেন শুনেই তাঁরা আসতেন। তাঁরা তাঁর ভাষা জানতেন না। রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে তাঁদের হয়তো দু-চারটে কথা হত-এছাড়া বেশিরভাগই আকার-ইঙ্গিত, চোখের ভঙ্গি, হাতের মুদ্রা। এইভাবেই তাঁদের মধ্যে ভাবের আদানপ্রদান হত, এক ডিসিপ্লিনের বিজ্ঞানীর আর-এক ডিসিপ্লিনের বিজ্ঞানীর মধ্যে যেমন হয়। কাজেই এ-ও একটা বিজ্ঞান।”<noinclude>{{c|১৫৯}}</noinclude> gksmow0tdn8nuiema6c367syu70bu39 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৬৩ 104 780735 1991920 1985128 2026-07-31T04:10:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991920 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>মত কথায় আমার বন্ধু মিস্টুন বলেছিলেন, “আমাদের পাড়ার ফুচকাওয়ালা ঝুন্নু বলে, ও নাকি এক রকম পাতার রস খাইয়ে বেশ কয়েকজন এইডস রোগীকে একদম সারিয়ে দিয়েছে! কোন গাছের পাতার রস খাওয়ায়? না, ঝুন্নু এ’বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। বলে, ‘এতবড় আবিস্কারটা আমি বলি, আর তোমরা ফোকটাই নাম কেন। নোবেল প্রাইজ দিলে তবে নাম বলব।’ ভাল হয়ে যাওয়া রোগীদের নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করলেই হাসে আর বলে, ‘আমি কি পাগল যে রোগীদের নাম বলব? ওদের নাম বলি, আর পাবলিক ওদের পিছনে লেগে পড়ুক?’ এতদিন ঝুন্নুকে আধা-পাগলা ভাবতাম। এখন তোমার মুখে বীরেন্দ্রবিজয়বাবুর কথা শুনে মনে হচ্ছে, এভাবে ঝুন্নুর দাবিকে উড়িয়ে দেওয়াটা আদৌ ঠিক নয়। কারণ, ঝুন্নুর এইডস সারাবার ক্ষমতা আছে কি নেই, বিজ্ঞান এখনও প্রমাণ করতে পারেনি। এই যুক্তিতে ঝুন্নুকে এইডসের ওষুধের আবিস্কারক হিসেবে সত্যিই নোবেল প্রাইজ দেওয়া যেতেই পারে। বীরেন্দ্রবাবুর বিজ্ঞানী হিসেবে আন্তর্জাতিক নাম আছে। উনি এ ব্যাপারে ঝুন্নুকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারেন। বীরেন্দ্রবাবু তাঁর অকাট্য যুক্তিতে নিশ্চয়ই নোবেল পুরস্কার কমিটিকে প্রভাবিত করতে পারবেন। আর তারপর যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার আনবে ঝুন্নু ফুচকাওয়ালা। ঝুন্নু ও নোবেল পুরস্কার—এই দুয়ের মধ্যে যে দূরত্ব, সেটা ঘোচাতে এখন শুধু দরকার, বীরেন্দ্রবাবুর সঙ্গে ঝুন্নুর আলাপ করিয়ে দেওয়া।” {{gap}}‘ঐশ্বরিক ক্ষমতা’ বলে কিছু আছে কি নেই, বিজ্ঞান যদি প্রমাণ করতে পারত, তা হলে কী হত? বীরেন্দ্রবাবুর কথায়, “তাহলে প্রমাণ হয়ে যেত ঈশ্বর আছেন। ঈশ্বর থেকেই তো ঐশ্বরিক! ঈশ্বর না থাকলে ঐশ্বরিক হয় কী করে?” {{gap}}ভাল! ভাল! কিন্তু এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বীরেন্দ্রবাবু প্রকারান্তরে এ’কথাও স্বীকার করলেন—অবতার নামে চিহ্নিতদের কেউই আজ পর্যন্ত তাঁদের ঐশ্বরিক ক্ষমতা প্রমাণ করতে পারেননি। তেমনটা পারলে তো ঈশ্বরের অস্তিত্বও সুনিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়ে যেত। {{gap}}ঐশ্বরিক ক্ষমতার অস্তিত্ব বিষয়ে বীরেন্দ্রবাবুর দৃঢ় প্রত্যয়ের ভিত্তিভূমি প্রমাণইীন, যুক্তিহীন অন্ধবিশ্বস–এ কথা রূঢ় শোনালেও সত্যি। {{gap}}বীরেন্দ্রবিজয়ের কথায়, “হয়তো মহাপুরুষরা সাধনার দ্বারা তাঁদের মস্তিষ্ককে অনেক বেশি কাজে লাগাতে পারেন। তাতে তাঁদের ক্ষমতা বেড়ে যায়, তখন তাঁরা অনেক অসাধারণ কাজ করতে পারেন। এমন কি ভবিষ্যৎও দেখতে পারেন। বিজ্ঞানের দিক দিয়ে তা অসম্ভব কিছু নয়।” {{gap}}শুরুই ‘হয়তো’ দিয়ে কেন? তাহলে একথাও তো বলা যায়—“হয়তো সাধনার দ্বারা অসাধারণ কাজ বা ঐশ্বরিক ক্ষমতার প্রকাশ আদৌ সম্ভব নয়"। {{gap}}‘হয়তো’, ‘যদি’, ‘তবে’ দিয়ে বীরেন্দ্রবাবুর এই ঐশ্বরিক ক্ষমতার পক্ষে<noinclude>{{c|১৬৩}}</noinclude> jy567dvssmfnlutpxlza4vj9hyxcmr3 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৬৪ 104 780736 1991921 1985129 2026-07-31T04:10:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991921 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>ওকালতির ভিতটা বড় বেশি ঠুনকো। আরও মারাত্মক ব্যাপার হল এই যে, বীরেন্দ্রবাবু মনে করেন বিজ্ঞান মেনেই মানুষের ভবিষ্যৎও দেখা সম্ভব! ভবিষ্যৎ পূর্বনির্ধারিত না হলে তাত্ত্বিকভাবেই ভবিষ্যৎ দেখা সম্ভব নয় (এই প্রসঙ্গে বিস্তৃত জানতে ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’ ৩য় খণ্ড পড়তে পারেন)। পূর্বনির্ধারিত কথার অর্থ যা আগে থেকেই ঠিক হয়ে আছে, কোনওভাবেই যার পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব নয়। ভবিষ্যৎ পূর্বনির্ধারিত না হলে ভবিষ্যৎ দেখার পর তা পাল্টে যেতেই পারে। আর তেমনটা ঘটলে ভবিষ্যৎ দেখা ভুল হতে বাধ্য। অতএব, তাকে আর ‘বিজ্ঞানের দিক থেকেই সম্ভব’, এমনটা বলা যাবে না। ভবিষ্যৎ পূর্বনির্ধারিত হওয়াটা যদি সম্ভবই হয়, তবে সমস্ত রকম প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হতে বাধ্য। {{gap}}বীরেন্দ্রবাবু, আপনি অসুস্থ হলে কি ডাক্তার দেখান? ওষুধ খান? যদি দেখান, যদি খান, তবে বলতেই হয়, আপনি স্ববিরোধী চিন্তার শিকার। কারণ রোগ-ভোগ, সুস্থতা, মৃত্যু সবই যখন পূর্বনির্ধারিত, তখন ডাক্তার ও ওষুধের ভূমিকা শূন্য হতে বাধ্য নয় কি? {{gap}}বীরেন্দ্রবাবু, এক সময় যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, টাইফয়েড সহ অনেক রোগেরই কোনও চিকিৎসা ছিল না। এইসব রোগীর ভাগ্যে তখন নির্ধারিত হত মৃত্যু। ওষুধ আবিষ্কার হতেই নির্ধারিত মৃত্যু পিছু হটেছে। নির্ধারিত ভবিষ্যৎ এভাবেই প্রচেষ্টার কাছে, বিজ্ঞানের কাছে বার বার পরাজিত হয়েছে, হচ্ছে, হবে। {{gap}}বীরেন্দ্রবাবু, ঐশ্বরিক শক্তি, ভবিষ্যৎ দৃষ্টি, বিজ্ঞানের দিক দিয়ে একান্তভাবেই অসম্ভব। তাত্ত্বিকভাবে বা বাস্তবে কোনওভাবেই এই অসম্ভবকে আপনি সম্ভব করতে পারবেন না। কখনই পারবেন না।<noinclude>{{c|১৬৪}}</noinclude> d8l5gj6tu6npjmth9u44bm2qfz9k26v পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/৮৭ 104 780800 1992021 1956762 2026-07-31T04:15:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992021 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" /></noinclude>পড়তে লাগল হপ্তায় হপ্তায় তাঁদের রবিবারের অধিবেশনে। তাছাড়া মধ্যে মধ্যে তাঁদের বাড়ির ভিতরে পারিবারিক আসরেও। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গানের পর গান গেয়ে যাই নানা রকমের—শ্রান্ত হইনে। সেকালে যোড়া- সাঁকোয় পাতানর রেওয়াজটা খুব ছিল—আমার মায়ের অনেকগুলি পাতান সখী ছিলেন। কাশিয়াবাগানে এসে বকুলফুলের পর হলেন “মিষ্টি হাসি” ইনি বৌবাজারের এটর্নী শ্রীনাথ দাসের পুত্র ‘সময়’— সম্পাদক জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের পত্নী। এদের বাড়িতে আমার জন্যে গানের আড্ডা জমতে লাগল। অবিরাম non-stop গান-চার-পাঁচ ঘণ্টা ধরে। গলা ব্যথাও হত না, শরীর ক্লান্তও হত না। তখন ১০।১১ বছর বয়স আমার। এর পর ব্যারিস্টার ডবলিউ সি ব্যানার্জির পত্নীর বাড়ি মধ্যে মধ্যে সখি-সমিতির অধিবেশন হতে লাগল—তাঁর ননদরা অনেকেই থিয়সফিস্ট ছিলেন। সেখানেও আমার উপর গানের ফরমাসের শেষ নেই। সেকালে মেয়েদের মধ্যে গাইয়ের অপ্রাচুর্যতাবশতঃই আমার এত ডাক ছিল। মনে পড়ে মনোমোহন ঘোষ ব্যারিস্টারের ওখানে বঙ্গ নাটকে ও অন্যান্য বড় সাহেব-মেমকে ডিনার ও ঈভনিং পার্টি দেওয়া উপলক্ষে মিসেস ঘোষ ৪নং থিয়েটার রোড থেকে ছুটে ছুটে কাশিয়াবাগানে আসতেন মা-বাবা ও আমাকে নিমন্ত্রণ করতে। ইংরেজী কায়দা অনুসারে তখনো আমার ডিনার পার্টিতে যাবার বয়স হয়নি—১৪ বছরেরও কম বয়সী আমি। যোলর আগে কেউ বাইরে ডিনারে বসার উপযুক্ত গণ্য হয়। কিন্তু necessity has no law দিশী গান শোনাতেই হবে— সাহেব-মেমদের দেখাতে হবে আমাদের দেশের মেয়েরাও সঙ্গীতবিদ্যায়’ নিপুণ। তাই ইংরেজী গান ও বাজনার জন্যে প্রতিভাদিদি ও দিশীর জন্যে আমার প্রয়োজন ছিল। প্রতিদিদি খুব ভাল পিয়ানো বাজাতেন আর চমৎকার ইংরেজী গান গাইতেন। এমন কি প্রথম প্রথম তাঁর ইংরেজীয়ানা গলায় দিশী গান মানাত না, পরে ইংরেজী ছেড়ে হিন্দী গানেরই চর্চা আরম্ভ করলে তাতেই সুপটু হয়ে উঠলেন। {{gap}}এর চেয়েও নিকটস্থ দিনের একটি ঘটনা মনে পড়ে। আমি লাহোর থেকে সেবার কিছু দিনের জন্যে কলকাতায় এসেছি। স্যার রাজেন মুখুয্যের বাড়ি হারকোর্ট বাটলারের বর্মায় গবর্নর হয়ে যাওয়ার উপলক্ষে বিদায় ডিনার পার্টিতে আমার নিমন্ত্রণ হয়েছে। প্রায় একশ লোকের ডিনার। স্যার ও লেডি আর এনের বিশেষ ইচ্ছা সে রাত্রে আমি গান গাই। সে রাতে হঠাৎ যাবার মূহুর্তে মায়ের মোটর গাড়ি বিগড়ে গেল—<noinclude>{{left|৭৪}}</noinclude> jwn9w4cvrts2od0mc80ckr595xs3xyp পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১১১ 104 780802 1991904 1985099 2026-07-31T04:10:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991904 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" />{{block center/s|width=400px}}</noinclude>''' সাংগঠনিক কাঠামোর চেয়ে, ‘ধর্ম’ বলতে কোনও কিছুর ‘গুণ বা বৈশিষ্ট্য’—কে চিহ্নিত করাই যুক্তির নিরিখে কাঁটায় কাঁটায় ঠিক।'''{{block center/e}} {{center|O}} {{center|'''প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম, ধর্মীয় আচরণবিধি ও মানবতা'''}} {{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম যেমন ঈশ্বর বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত, ঈশ্বর বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল, তেমনই এও সত্যি - ধর্মের প্রাতিষ্ঠানিক বা সাংগঠনিক কাঠামো না থাকলে শুধুমাত্র ঈশ্বর বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলো কখনই গড়ে উঠত না। অর্থাৎ ‘প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম’ ও ‘ঈশ্বর বিশ্বাস’ উভয় উভয়ের পরিপূরক। এ যেন দুই টলোমলো মাতালের দু’জনের গায়ে ঠেকনা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। বাস্তবিকই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম না থাকলে ঈশ্বর-বিশ্বাস টেকে না। ঈশ্বর বিশ্বাস না থাকলে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম দাঁড়াতে পারে না। {{gap}}মানুষের ধর্ম কখনই অলীক বিশ্বাসের ভিতের উপর গড়ে ওঠা হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিস্ট ইত্যাদি হতে পারে না। এমন ভ্রান্ত ‘ধর্ম’—চিন্তা আরোপিত। অসাম্যের সমাজ কাঠামোকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থেই আরোপিত। মানুষ ধর্মের নামে কৃত্রিম ভাবে এমন ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ে বিভক্ত হতে পারে না। মানুষের একটাই ধর্ম ‘মনুষ্যত্ব’ বা ‘মানবতা'। ‘মনুষ্যত্ব’ বা ‘মানবতা’র সঙ্গে ঈশ্বর বিশ্বাসের মত অলীক বিশ্বাস একান্তভাবেই সুসম্পর্কহীন। সম্পর্ক যদি কিছু থেকে থাকে, তবে তা সংঘর্ষের। অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের সংগ্রামের। অলীকের বিরুদ্ধে বাস্তবের সংগ্রামের। {{center|O}} {{block center|width=400px|'''মানুষ ধর্মের নামে কৃত্রিম ভাবে এমন ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ে বিভক্ত হতে পারে না। মানুষের একটাই ধর্ম—'মনুষ্যত্ব’ বা ‘মানবতা।'''}} {{center|O}} {{gap}}হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্ট বা অন্য যে কোনও ধর্মবিশ্বাসীরাই বিশ্বাস করেন, তাঁদের ধর্মগ্রন্থের নির্দেশিত আচরণবিধি মেনে চলাটাই সৎ জীবন যাপন ও আদর্শ জীবন যাপনের দিশারি। তাঁদের ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মশাস্ত্রগুলোর নির্দেশের বিরোধী কোনও আচরণ কখনই ‘সৎ’ বা ‘আদর্শ’ আচরণ বলে ধর্মবিশ্বাসীদের কাছে গণ্য হয় না। যদিও সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে অনেক ক্ষেত্রে ধর্মের নির্দেশের বা বাণীর নতুন নতুন ব্যাখ্যা হাজির করা হচ্ছে, তবুও এখনও পর্যন্ত ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মশাস্ত্রগুলোর মূল বক্তব্যকে অস্বীকার করা হয়নি। {{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের নিরিখে একজন ধার্মিক লোক কখনই শাস্ত্রের বিধান অমান্য করে ইচ্ছে মত আচরণ করতে পারেন না। ভগবদ্‌গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ<noinclude>{{c|১১১}}</noinclude> hy3sd6a0lynspf126w77eprj4wyhydb পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১১২ 104 780804 1991905 1985100 2026-07-31T04:10:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991905 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>অস্ত্রত্যাগকারী অর্জুনকে শাস্ত্রের বিধান মেনে ক্ষত্রিয়ের ‘যুদ্ধই ধর্ম’ বিবেচনায় অস্ত্র ধারণ করাটাই ইহলোকের কর্তব্য বলে উপদেশ দিতে গিয়ে বলছেন- যে শাস্ত্র-বিধান না মেনে ইচ্ছে মত কাজ করে, সে সিদ্ধি, সুখ বা পরমগতি লাভ করে না। কোনটা কাজ, কোনটা অকাজ, তা নির্ণয়ের একমাত্র প্রমাণ শাস্ত্র। শাস্ত্রের বিধান জেনে শুধু তা পালনের মধ্যেই তুমি ইহলোকের কাজ করতে পার। [ভগবদ্‌গীতা, ১৬/২৩-২৪] {{gap}}কোরআন-এর দিকে তাকান, সেখানে বলা হচ্ছে—কোরআন সৎপথের দিশারি। যারা এর নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করে; তাদের জন্য রয়েছে মর্মান্তিক শাস্তি। [কোরআন ৪৫(১১)] {{gap}}একইভাবে বৌদ্ধরা ‘ত্রিপিটক’—এর বিধানকে সৎপথের দিশারি মনে করেন। খ্রিস্ট ধর্মে বিশ্বাসীরা ‘নিউ টেস্টামেণ্ট’—এর নির্দেশিত পথই আদর্শ জীবন যাপনের একমাত্র পথ বলে বিশ্বাস করেন। ইহুদিরা ‘ওল্ড টেস্টামেণ্ট’, ‘তালমুদ’ ও ‘তোরাহ’—এর বিধানগুলোকে সৎপথে চলার নির্দেশ বলে মনে করেন। {{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলোর ক্ষেত্রে নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি, মূল্যবোধ, সমাজ সচেতনতা—এসবের কোনও দাম নেই। ধর্মগ্রন্থগুলো যে ছক তৈরি করে দিয়েছে, সেই ছককেই ‘চিরন্তন’, ‘অপরিবর্তনীয়’ আদর্শ বলে ধরে নিতে হবে। {{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলোর নির্দেশিত পথ ‘মানবিক’ গুণে ভরপুর, এমন একটা বিশ্বাস বহু মানুষের চেতনাকেই আচ্ছন্ন করে রেখেছে। এই আচ্ছন্নতার কারণ - ব্যাপক প্রচার। পত্র-পত্রিকার ছাপার অক্ষরকে, টেলিভিশন ও সিনেমার পর্দাকে বুদ্ধিজীবীদের কথা ও কলমকে বিশ্বাস করে মানুষ ভেবেছে—সব ধর্মই মানুষের সাম্যে বিশ্বাসী। মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির বিরোধী। {{gap}}এই ধরনের প্রচার ও বিশ্বাস কতটা যুক্তিগ্রাহ্য, আসুন খোলা মনে একটু বিচার করে দেখি। দেখি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম বাস্তবিকই সাম্যের সমাজ গড়তে কতটা আন্তরিক। যাঁরা আধুনিক যুগের তালে তাল মেলাতে, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মকে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে বলেন, “'ধর্ম’ মানে শনি-শীতলার পুজো, দর্গার সিরনি বা গির্জার মোমবাতি নয়, ‘ধর্ম’ মানে ‘way of life' বা একটি বিশেষ জীবন যাপন পদ্ধতি"—আসুন দেখা যাক, ধর্মীয় বিধান-মাফিক জীবন যাপন পদ্ধতি বা 'way of life' কতটা মানবিক। মানবিক কি না—বিচার-বিশ্লেষণের আগে এটা অবশ্যই আরও একবার পরিষ্কার করে বলে দেওয়া প্রয়োজন, প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মেই পরমাত্মা বা ঈশ্বর আছেন, আছে ঈশ্বরে পূজার নানা রীতি-নীতি-আচার ইত্যাদি। {{gap}}এই একই সুরে কথা বলছেন রামকৃষ্ণ মিশনের ধর্মীয় বেত্তারা থেকে মুসলিম ধর্মগুরুরা, বাহাই ধর্মীয় নেতারা, খ্রিস্ট ধর্মের প্রচারকরা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ধর্ম-গুরুরা পর্যন্ত। {{nop}}<noinclude>{{c|১১২}}</noinclude> 2vz45fdpxy4bvpjs9pkqvwa8s3qbxem পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১২৪ 104 780821 1991906 1985106 2026-07-31T04:10:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991906 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>{{ফাঁক}}আমার এই কথাগুলো লেখার উদ্দেশ্য আফগানিস্তানের সোভিয়েতপন্থী কমিউনিস্ট সরকার বা মুজাহেদিনদের সমর্থন বা অসমর্থন নয়। আমি আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক সমাজ-চিত্র তুলে ধরে এটুকুই প্রমাণ করতে চাইছি, ‘ধর্ম বিশ্বাস’—এর উপর একটি সমাজের সামগ্রিক মূল্যবোধের উন্নতি নির্ভর করে না। {{gap}}'''কারণ: দুই'''—প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক কালের ধর্মগুরু, ধর্মযাজক, পীর-মোল্লাদের ইতিহাসের দিকে প্রিয় পাঠক-পাঠিকারা ফিরে তাকান। স্বচ্ছ দৃষ্টি নিয়ে তাকান। দেখতে পাবেন, এইসব নীতিজ্ঞানী ধর্মীয়বেত্তাদের জীবনে সদাচারের বদলে বার বার জড়িয়ে গেছে ঐশ্বর্যলিপ্সা, বিলাসিতা, ক্ষমতালিপ্সা, দুর্নীতি, ব্যভিচার, বিকৃত-কামনা, ভ্রান্ত-চিন্তা, মিথ্যাচারিতা ইত্যাদি নানা কদাচার। প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম যেখানে ধর্মগুরুদের কদাচারেই লাগাম লাগাতে পারেনি, সেখানে সাধারণ মানুষদের সদাচার শেখাবে কীভাবে? {{center|O}} {{block center|width=400px|'''প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম যেখানে ধর্মগুরুদের কদাচারেই লাগাম লাগাতে পারেনি, সেখানে সাধারণ মানুষদের সদাচার শেখাবে কীভাবে?'''}} {{center|O}} {{gap}}'''কারণ: তিন'''—১৯৮৮ সালে আমাদের দেশের ১০০ জন অপরাধীর উপর একটি ‘সার্ভে’ বা ‘তথ্যানুসন্ধান’—এর কাজ চালিয়েছিল ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি'। বিভিন্ন ধরনের অপরাধীদের এজন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। এই ১০০ জন অপরাধিদের প্রত্যেকেই কোনও না কোনও প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের সঙ্গে নিজেদের বিশ্বাসকে যুক্ত করে হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান বলে পরিচয় দিয়েছিল। এরা প্রত্যেকেই আত্মা, পরমাত্মা, স্বর্গ-নরক, পাপ-পূণ্য ইত্যাদি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের আরোপিত বিশ্বাসে পুরোপুরি আস্থাশীল ছিল। এই প্রসঙ্গ নিয়ে ‘কারণ: আটত্রিশ’—এ আরও একটু বিস্তৃতভাবে আলোচনা করেছি। {{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলোর উপদেশ-ভয়-অলীক বিশ্বাস এইসব অপরাধীদের অপরাধ করা থেকে নিবৃত্ত করতে পারেনি। {{gap}}এই আলোচনার পর একথা বলার আর সুযোগ নেই—'ধর্মগ্রন্থের নির্দেশিত আচরণবিধি কাঁটায় কাঁটায় মেনে চলাই সদাচার, ধর্মের বিধান থেকে গড়ে ওঠা way of life-ই আদর্শ জীবনদিশা’, ‘পাপ-পুণ্য; স্বর্গ-নরক, ঈশ্বর ও ধর্মে বিশ্বাস মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত করে'। '''কারণ: বিয়াল্লিশ''' '''পৃথিবী পাপে-অন্যায়ে-দুর্নীতিতে ভরে গেলে ঈশ্বর কি অবতার হয়ে পৃথিবীতে এসে সমাজ’কে ‘পাপ’ মুক্ত করবে? এই কি সমাজ পাল্টাবার অনিবার্য উপায়?''' পুরানের আমল ছেড়ে ইতিহাসের আমলে পা রাখা থেকে আজ পর্যন্ত যে ইতিহাস<noinclude>{{c|১২৪}}</noinclude> geogufdt83gim78dwjzn122pyuu9xf2 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০২ 104 780882 1991930 1983589 2026-07-31T04:10:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991930 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Md.Fahamidul Islam Dipro" /></noinclude>নিয়স্তার সহায়ক শক্তি। সাম্যের সমাজ গড়ার লক্ষ্যে পৌঁছতে এ’এক বিরাট অগ্রগামিতা, প্রয়োজনীয় উল্লম্ফন। {{gap}}সমাজ কাঠামোকে আঘাত হানতে আন্তরিক বিভিন্ন রাজনীতিক ও রাজনৈতিক দল বইটির প্রকাশকে ঐতিহাসিক বলে অভিনন্দিত করলেন। তাঁরা উদ্দীপ্ত হলেন। তারই পাশাপাশি এই সমাজ কাঠামোর নিয়ন্তক শক্তি ধনকুবের গোষ্ঠী ও তাঁদের সহায়ক রাজনীতিক-পুলিশ-প্রশাসন-প্রচার মাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীরা ভয়ে কেঁপে উঠলেন। {{center|O}} {{block center|width=400px|'''প্রায় প্রতিটি সমাজসেবী সংগঠন বা নন গভর্নমেণ্ট অর্গানাইজেশন, অথবা সংক্ষেপে এন. জি. ও. যখন সরকার ও বিদেশি অর্থ সাহায্যে পুষ্ট এবং প্রায় ক্ষেত্রেই যখন সংগঠনগুলোর পরিচালকরা ওই অর্থ ভাণ্ডারকে আপন পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দে ব্যয় করে চলেছেন, তখন যুক্তিবাদী সমিতি প্রথা ভেঙে সংসার খরচ ছেটে সেই পয়সা খরচ করে দেশের অন্যতম বৃহত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি চালাচ্ছে।'''}} {{center|O}} {{gap}}গত কয়েক বছরে ‘যুক্তিবাদ’-এর বিশাল উত্থানে জনগণকে সমাবেশিত করার শক্তিতে সরকার শঙ্কিত হয়েছে। অন্য যে কোনও সমাজসেবী সংগঠনের সঙ্গে আমাদের সমিতিকে এক করে দেখতে না পারাও বোধহয় শঙ্কার একটি কারণ। প্রায় প্রতিটি সমাজসেবী সংগঠন বা নন গভর্নমেণ্ট অর্গানাইজেশন, অথবা সংক্ষেপে এন. জি. ও. যখন সরকার ও বিদেশি অর্থ সাহায্যে পুষ্ট এবং প্রায় ক্ষেত্রেই যখন সংগঠনগুলোর পরিচালকরা এই অর্থ ভাণ্ডারকে আপন পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দে ব্যয় করে চলেছেন, তখন যুক্তিবাদী সমিতি প্রথা ভেঙে সংসার খরচ হেঁটে সেই পয়সা খরচ করে দেশের অন্যতম বৃহত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি চালাচ্ছে। নিজেদের পকেটের টাকায় চালানো সংগঠন যদি জনমানসকে এই সমাজ কাঠামোর বিরুদ্ধে সমাবেশিত করতে থাকে, তাহলে বাস্তবিকই ভয়ের। সমাজের নিয়ন্ত্রক শক্তি ও তাঁদের সহায়কদের পক্ষে ভয়ের। ওঁরা ভাড়াটে আন্দোলনকারীদের ভয় করেন না। ভয় করেন আদর্শে পরিচালিতদের। {{gap}}গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা দপ্তরগুলোর অন্যতম সি, বি. আই. ‘যুক্তিবাদী সমিতি’র কাজকর্মে নজরদারি করছিল। ফাইল খুলেছিল | রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা দপ্তর আই, বি’র উপর দায়িত্ব রয়েছে আমাদের উপর নজরদারির। সেখানেও ফাইল খুলেছে। ‘সিস্টেম’—এর বিশ্লেষণ প্রকাশিত হতেই নজরদারির পরিধি ও ব্যাপকতা বিস্তৃত করা হল। সেইসঙ্গে যুক্তিবাদের আগ্রাসন রুখতে, তাদের পা-টা আঘাত হানতে অগ্রণী ভূমিকা নিল প্রচার মাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ। পরিকল্পনাকে সার্থক করতে দুটি লক্ষ্য স্থির করল। এক: প্রকৃত যুক্তিবাদী আন্দোলনের পাল থেকে হাওয়া কেড়ে নিতে মেক বিজ্ঞান আন্দোলনকে ‘স্পনসর করা, প্রচারের আলোকে তুলে এনে আমজনতা<noinclude>{{c|২০২}}</noinclude> ijflm57jv790et7olvu5mi12flesyg8 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০৩ 104 780883 1991931 1985142 2026-07-31T04:10:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991931 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>ও আন্দোলনকারীদের বিভ্রান্ত করা। '''দুই:''' ‘যুক্তিবাদ’কে বুর্জোয়া মতাদর্শের সহায়ক প্রমাণ করতে এমন সংস্থা ও ব্যক্তিকে তুলে আনা ও প্রজেক্ট করা, যারা একই সঙ্গে ঈশ্বরতত্ত্ব ও যুক্তিবাদের পক্ষে জয়ধ্বনি দেয়, যাদের তাগা-তাবিজ শোভিত বাহু যুক্তিবাদের পক্ষে আস্ফালন করে। এ সেই পুরনো কৌশল। এ সেই নকশালবাড়ি আন্দোলনে উদ্দীপ্ত আদর্শের মধ্যে সমাজ-বিরোধী ঢুকিয়ে ‘নকশাল = সমাজবিরোধী’ প্রমাণ করার মতই এক গভীর ষড়যন্ত্র। {{gap}}আমরা জানি, ‘যুক্তিবাদী’ শব্দটা কারও একচেটিয়া নয়। ‘যুক্তিবাদ’ নিয়ে আন্দোলন করাটাও কারও একচেটিয়া নয়। তার-ই সঙ্গে এও মনে করি, অন্যান্য ‘যুক্তিবাদী সংস্থা’ বা ‘যুক্তিবাদ’ নিয়ে আন্দোলনে সামিল (!) সংস্থাগুলোর সঙ্গে আমাদের স্পষ্ট মতাদর্শগত যে পার্থক্য আছে, সেগুলো আন্দোলনের স্বার্থেই সাধারণের কাছে তুলে ধরা উচিত। ‘যুক্তিবাদ’-এর সংজ্ঞাও এইসব সংস্থার চোখে ভিন্নতর। এদের চোখে ‘যুক্তিবাদ’ একটি সামগ্রিক জীবনদর্শন হয়ে ওঠেনি। হয়ে ওঠেনি সাংস্কৃতিক আন্দোলন। এদের কাছে যুক্তিবাদ শুধু বিচার-বিশ্লেষণের কিছু পদ্ধতিগত কায়দা-কানুন ও কিছু কিছু কুসংস্কারের বিরূদ্ধে প্রচার। এরা ‘যুক্তিবাদ’ বলতে কী বোঝেন? কেমনভাবে বোঝেন? আসুন দু’চার কথায় বুঝে নিই। সংগঠনগুলোর সংগঠকদের প্রকাশিত বক্তব্যের মধ্য দিয়েই বুঝে নিই। প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, তারপর আপনারাই ঠিক করবেন, আপনাদের ‘সমর্থন’, ‘অসমর্থন’ কোন পক্ষে যাবে। আমরা অতি আন্তরিকতার সঙ্গে বিশ্বাস করি, ‘জনগণই শেষ কথা বলেন'। আর এই পরম বিশ্বাসই আমাদের বেঁচে থাকার শ্বাস-প্রশ্বাস, অসাম্যের শক্তিশালী সমাজ কাঠামোর বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রেরণা। {{center|{{larger|'''ভারতীয় যুক্তিবাদী সংসদ'''}}}} {{gap}}প্রতিষ্ঠা ১৯৯৪ সালে। প্রতিষ্ঠাতা নেতারা প্রত্যেকেই পশ্চিমবঙ্গের একটি জব্বর মার্কসবাদী রাজনৈতিক দলের বা তার কোনও না কোনও গণসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। রাজনৈতিক দলটি ইতিমধ্যেই বিজ্ঞান আন্দোলন ও যুক্তিবাদী আন্দোলনে জনগণকে সামিল করতে একটি ‘বিজ্ঞান মঞ্চ’ খুলেছে। তারপর একই কাজে বকলমে আবার একটা গণসংগঠন খোলা—একটি নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। যুব-ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-মহিলা-রাজ্যসরকারী কর্মচারী-লেখক-শিল্পী ইত্যাদি প্রত্যেকটি পরিধিতে কাজ করতে রাজনৈতিক দলটির একটি করেই গণসংগঠন। শুধুমাত্র বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ নিয়ে আন্দোলনের ক্ষেত্রে দুটি গণসংগঠন কেন? রাজনৈতিক দলটি রাজ্যসম্মেলনে স্বীকার করেছে, বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী আন্দোলনের ক্ষেত্রে জনগণের উপর তাদের গণসংগঠনের প্রভাব খুবই সামান্য। {{gap}}‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’ বিজ্ঞান আন্দোলনকে বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ গড়ার আন্দোলন হিসেবে জনমানসকে প্রভাবিত করায় এবং যুক্তিবাদী<noinclude>{{c|২০৩}}</noinclude> pv42at7j7fntpvyjj9nvhfzwn5ljc20 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০৪ 104 780884 1991932 1985143 2026-07-31T04:10:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991932 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>আন্দোলনে জনগণকে বিশালভাবে সমাবেশিত করে মূলস্রোত তৈরি করায় সরকারি বা বিদেশি সাহায্য পুষ্ট কোনও ভাড়াটে আন্দোলকদের পক্ষে আমাদের পাল থেকে হাওয়া কেড়ে নেওয়া ছিল একান্তই অসম্ভব। তাই কি আমাদের সমিতির কাছাকাছি নাম রাখা হয়েছে জনগণকে বিভ্রান্ত করে ফায়দা তুলতে? {{gap}}‘ভারতীয় যুক্তিবাদী সংসদ’—এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ডঃ বেলা দত্তগুপ্তের কুসংস্কার প্রসঙ্গে রাখা একটি সাম্প্রতিক বক্তব্যের দিকে প্রিয় পাঠক-পাঠিকাদের নজর আকর্ষণ করছি। {{gap}}''“শিশুদের কোমরে তামার পয়সা বাঁধার চল আমাদের দেশে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। অনেকেই তা কুসংস্কার বলে চিহ্নিত করেন। কিন্তু একথা এখন চিকিৎসাশাস্ত্রে সর্বজনবিদিত যে মানুষের দেহে তামা একটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ধাতু এবং সুস্থ স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য তা অত্যন্ত দরকারও। তাই কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করতে গিয়ে অনেক সময়ই যা বলা হয় তা নিতান্তই অসার, অনেকটাই বৃটিশদের কাছ থেকে যান্ত্রিকভাবে ধার করা চিন্তার পরিণতি।”'' {{gap}}বক্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছিল ২ সেপ্টেম্বর ‘৯৪-এর ‘যুগান্তর’ দৈনিক পত্রিকায়। যে প্রতিবেদনে বক্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছিল, তার লেখক ভারতীয় ‘যুক্তিবাদী সংসদ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক শমিত কর। অতএব বক্তব্য বিকৃত করার অভিযোগ এখানে খাটে না। {{gap}}আসুন, এবার আমরা দেখি ডঃ দত্তগুপ্তের বর্ণিত ‘চিকিৎসাশাস্ত্রে সর্বজনবিদিত’ বাস্তবিকই কতটা ‘সর্বজনবিদিত'। {{gap}}তারিখটা ২৬জুন। সাল ১৯৮৬। কলকাতার রাজাবাজারে অবস্থিত ‘সাইন্স কলেজ’—এ দীর্ঘ আলোচনার পর ভারতের বিশিষ্ট ১৮ জন বিজ্ঞানী একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন। প্রস্তাবটির একটি অংশ এখানে তুলে দিচ্ছি: {{gap}}''“আমাদের শরীরে রক্ত আছে। প্রয়োজনে বাহির হইতে সংগ্রহ করিয়া রক্ত দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও ব্যক্তি যদি হঠাৎ দাবি করিয়া বসেন পশু বা মানুষের রক্ত গায়ে মাখিয়াই শরীরের রক্ত-স্বল্পতা দূর করা সম্ভব, তাহা হইলে তাহার মানসিক সুস্থতা সম্পর্কে সন্দেহ জাগে। কেহ যদি প্রশ্ন করিয়া বসেন রক্ত-স্বল্পতার ক্ষেত্রে চিকিৎসাশাস্ত্রে আয়রণ ট্যাবলেট-ক্যাপসুল ইত্যাদির প্রয়োগবিধি আছে, অতএব লৌহ-আংটি ধারণে ওই একই কার্য সমাধা হইবে না কেন? তবে প্রশ্নকর্তার কাণ্ডজ্ঞান বিষয়ে সন্দিহান হই। এইরূপ প্রশ্নকর্তা তাঁহার নিজের রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে ভারি লৌহখণ্ড শরীরের সর্বত্র বাধিয়া রাখিয়া পরীক্ষা করিলেই তাঁহার প্রশ্ন ও বক্তব্যের অসারতা বুঝিতে পারিবেন।” '' {{gap}}এই বিষয়ে পূর্ণ প্রস্তাব জানতে দেখতে পারেন, ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’ গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ডে। {{gap}}এতো গেল বিজ্ঞানীদের সর্বজনবিদিত বক্তব্য, বিজ্ঞানের বক্তব্য। তা বিজ্ঞানবিরোধী বক্তব্য রাখার অধিকার ভারতীয় যুক্তিবাদী সংসদের সভাপতির<noinclude>{{c|২০৪}}</noinclude> avlohwj14jiz9j7osfv3t4m1ik3f973 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০৬ 104 780886 1991933 1985145 2026-07-31T04:10:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991933 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{center|{{larger|'''ইণ্ডিয়ান র‍্যাশনালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন'''}}}} {{gap}}দিল্লীর ঠিকানা অফিস হিসেবে বাবহৃত হয়। প্রধান নেতা এডামারুকু। ওদের ‘র‍্যাশনালিজম’ বা ‘যুক্তিবাদ’-এ মাঝে-মধ্যে চালেঞ্জ উপস্থিত। অনুপস্থিত অধ্যাত্মবাদ-ধর্ম-ঈশ্বর তত্ত্বের বিরোধিতা। {{gap}}সম্প্রতি কিছু প্রচার মাধ্যমের মধ্যে ওদের শক্তিকে ফাঁপিয়ে দেখাবার প্রবণতা লক্ষ্য করছি। সংগঠন ছোট কি বড় তাতে কিছুই এসে যায় না, আমরা জানি। সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর বিশাল আকার আমরা দেখেছি। আবার এমনও দেখেছি আদর্শের চারাবট এখন বনস্পতি—হাতের কাছেই উদাহরণ। দশ বছরে একটা মানুষ লক্ষ মানুষ হয়েছে। আমরা দেখেছি। অতএব এক থাকাটা তত্বগতভাবে কখনই গুণগতমানের দৈন্য প্রকাশ করে না। কিন্তু দীনতা প্রকাশ করে সেইসব প্রচার-মাধ্যমগুলোর, যারা এক’কে ফাঁপিয়ে লক্ষ করার চেষ্টায় মেতেছেন। এই দীনতারই আর এক নাম ‘হলদে সাংবাদিকতা'। {{gap}}বি. বি. সি-র চ্যানেল ফোরের জন্য ভারতের যুক্তিবাদী আন্দোলন নিয়ে ছবি তুলতে ‘৯৪-এ তিন দফা ভারত সফরে এসেছিলেন ডিরেক্টর, প্রোডিউসর রবার্ট ঈগল। এডামারুকুর সঙ্গে ঈগল যোগাযোগ করলেন। ওঁর সংগঠনের কাজ-কর্মকে ক্যামেরা বন্দি করতে চাইলেন। এডামারুকু জানালেন লোক কই? মাস তিনেক সময় পেলে কয়েকজনকে শিখিয়ে-পড়িয়ে নিতে পারি। শেখালেন। জনা চারেক ছাত্র ও জনা পঞ্চাশ দর্শক জোগাড় করতে মাস তিনেক সময় দিতে হয়েছিল। {{gap}}সংস্থা আছে। কাজের লোক নেই। স্টাডি ক্লাশ নেই। সহযোদ্ধা তৈরির প্রক্রিয়া নেই। আমাদের চেয়েও অনেক প্রাচীন সংগঠন হওয়া সত্বেও বাস্তবিক পক্ষে এখনও পুরোপুরি কাগুজে সংগঠন। {{gap}}প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, একবার প্রশ্ন করুন—তবু এইসব কাগুজে সংগঠনকে কেন ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলে আনা হচ্ছে? উত্তর আপনি নিজেই পাবেন। সেই দুটি উত্তর। আপনার-আমার-আমাদের উত্তর মিলবেই। সততার সঙ্গে খুঁজলে উত্তর যে এক-ই হবে। {{gap}}‘যুক্তিবাদী’ শব্দটি নিজেদের নামের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও বিজ্ঞান আন্দোলন বা যুক্তিবাদী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, কিছু সংগঠন। তাদের চোখে ‘যুক্তিবাদী আন্দোলন’ বা ‘বিজ্ঞান আন্দোলন’—এর সংজ্ঞা কী? সংগঠকদের বক্তব্যের মধ্য দিয়েই বুঝে নিই আসুন। {{center|{{larger|'''পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ'''}}}} {{gap}}জন্ম ১৯৮৬-র নভেম্বরে। একটি মার্কসবাদী রাজনৈতিক দলের শাখা। ‘বিজ্ঞান আন্দোলনের ভূমিকা’ প্রসঙ্গে মঞ্চের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য,<noinclude>{{c|২০৬}}</noinclude> c27d7kzjxk88l1ws5otnynnbttp9ksc পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০৭ 104 780887 1991934 1983594 2026-07-31T04:10:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991934 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>“পরিবেশ দূষণ, রোগ প্রতিরোধ, জলসেচ, মৃত্তিকার পরীক্ষা, কীটনাশকের প্রতিক্রিয়া, পারমানবিক যুদ্ধের ভয়াবহতা, জ্বালানী ও শক্তির সমস্যা ইত্যাদি সময়োপযোগী সমস্যা বিষয়ে মানুষের মধ্যে ক্রমাগত প্রচার চালান বিজ্ঞান আন্দোলনের একটি প্রধান কাজ।” {{gap}}আরও কাজের মধ্যে বিজ্ঞান প্রদর্শনী, বিজ্ঞান মেলা, মানুষের কাছে বিজ্ঞানের সুযোগ-সুবিধে পৌঁছে দেওয়ার কথা আছে। যেসব কথা আছে সে সব কথা নিশ্চয়ই ভাল। কিন্তু আমাদের সঙ্গে ওদের সংগঠনের মূলগত পার্থক্য বিজ্ঞান আন্দোলনের সংজ্ঞা নিয়েই। ওরা মনে করেন—বিজ্ঞানের সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধে পৌঁছে দেওয়াই বিজ্ঞান আন্দোলন। আমরা মনে করি-বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ গড়ার আন্দোলনই বিজ্ঞান আন্দোলনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। {{gap}}মঞ্চে কিছু বিধি নিষেধও আছে। ধর্মে বিশ্বাসী মানুষদের চোখে ধর্মগুরু ও জ্যোতিষীরা শ্রদ্ধেয়। তাই ধর্মগুরু ও জ্যোতিষীদের বিরুদ্ধে ‘রা’—কাটা বারণ। কারণ এতে করে বিশ্বাসী মানুষদের বিশ্বাসে আঘাত হানা হবে। মঞ্চের লক্ষ্য, জনচেতনাকে উঠিয়ে আনা নয়। জনচেতনার মনে নিজেদের নামিয়ে আনা। নির্বাচন-নির্ভর রাজনৈতিক দলের গণসংগঠন হলে বুঝিবা এভাবেই চলতে হয়। কারণ, ওদের কাছে শেষ পর্যন্ত মানুষকে যুক্তিবাদী করার চেয়ে মানুষের ভোট পাওয়াটাই জরুরী হয়ে ওঠে। আর তাই তো, ওদের সংগঠনে আমজনতাকে সামিল করতে খোলা-মেলা মুক্ত হাওয়া। মঞ্চের আঞ্চলিক স্তর থেকে কেন্দ্রীয় স্তর পর্যন্ত সর্বত্রই তাই পুজোকমিটি-তাগা তাবিজ বিজ্ঞান আন্দোলন ইত্যাদি স্ববিরোধিতা পরম নিশ্চিন্তে সহাবস্থান করে। {{gap}}‘৯৪-এর কলকতা পুস্তক মেলায় মঞ্চ বইয়ের দোকান দেয়। নানা বইয়ের পাশে কুসংস্কারের ধারক-বাহক বইও স্টলে সহাবস্থান করে। এবং তা যে অনবধানতায় নয়, এটা বুঝতে পারি, যখন আমাদের সমিতির তরফ থেকে তাদের এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরও দেখি যথা পূর্বং তথা পরং। {{gap}}একটি ঘটনা। ১৯৯৩-এর সেপ্টেম্বর। রামকৃষ্ণ মিশন ‘বিশ্ব ধর্ম সম্মেলন’—কে রাজনৈতিক স্টার মেগাস্টারের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে ধর্মের সঙ্গে রাজনীতির মেলবন্ধনকে নতুন মাত্রা দিতে সচেষ্ট। শহর কলকাতার হোর্ডিংগুলো দাঁড়িয়ে আছে ধর্ম সম্মেলনে রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতির সদম্ভ ঘোষণা নিয়ে। ভারতীয় সংবিধানে দেওয়া ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’—র ব্যাখ্যাকে পূর্ণ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে রাষ্ট্রীয় পদাধিকারিদের ‘বিশ্ব ধর্ম সম্মেলন’—এ অংশগ্রহণ থেকে বিরত করতে যুক্তিবাদী সমিতি তখন জোরাল আন্দোলন গড়ে তুলেছে। আমাদের সমিতি সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের কাছে, এবং দল ও নেতাদের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পেয়ে আমরা বাস্তবিকই আপ্লুত। ঠিক এমনি সময়ে বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনের আহ্বায়ক স্বামী লোকেশ্বরান্দ’র সুরে সুর মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ’—এর সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য<noinclude>{{c|২০৭}}</noinclude> e1gyeuoli2cwv4us26lybptioqy9qo2 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০৮ 104 780888 1991935 1985146 2026-07-31T04:10:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991935 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>প্রকাশিত হলো বাংলা দৈনিক ‘সংবাদ প্রতিদিন’—এর পাতায় (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩)। মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আমাদের আন্দোলনের তীব্র বিরোধিতা করলেন। এভাবে তিনি ধর্মের পিঠে জুড়ে দিতে চাইলেন বিজ্ঞানের পাখা। {{gap}}১৯৯৫ এর ডিসেম্বরে মঞ্চের নেতৃত্বে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ জাঠা অনুষ্ঠিত হলো। খড়গপুরে জাঠার উদ্বোধন হলো ঈশ্বরে প্রার্থনা সংগীতের মধ্য দিয়ে। {{center|{{larger|'''গণবিজ্ঞান সমন্বয় কেন্দ্র'''}}}} {{gap}}জন্ম ১৯৮৯ সালে। সি. পি. এম. নিয়ন্ত্রিত পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ যখন বিভিন্ন বিজ্ঞান ক্লাবগুলোকে নিজেদের দখলে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন কিছু বিজ্ঞান ক্লাব ও বিজ্ঞান পত্রিকাগোষ্ঠীর অস্তিত্ব বজায় রাখার তাগিদে গড়ে উঠেছিল এই সময় কেন্দ্র। ঘোষিত কর্মসুচীতে ছিল—কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, গণস্বাস্থ্য আন্দোলন গড়ে তোলা, পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলা সহ আরও অনেক কিছুই। {{gap}}এক বছর না যেতেই ২৫.৩.৯০ তারিখে ৮ নং সার্কুলার দিয়ে সমন্বয় কেন্দ্র যুক্ত সংগঠনগুলোকে জানাল-অদৃষ্টবাদ, কর্মফল বিশ্বাস, ভূত বা ঈশ্বরজাতীয় বিশ্বাস মানুষের মন থেকে দূর করা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ব্যাপার। তাই বঞ্চিত মানুষদের কুসংস্কারমুক্ত করার আন্দোলনের এখন কোনও প্রয়োজন নেই। আগে অলৌকিকতা বিরোধী, ঈশ্বরতত্ত্ব বিরোধী, অদৃষ্টবাদ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার যে পথ নেওয়া হয়েছিল, তা ছিল ভুল পথ। {{gap}}গণবিজ্ঞান সমন্বয় কেন্দ্র ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির লাইনকে পুরোপুরি বর্জন করল। বিজ্ঞান মঞ্চের লাইনকে সমর্থন করল। তারপর-ঈশ্বর বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখার পক্ষে, অধ্যাত্মবাদকে টিকিয়ে রাখার পক্ষে ওদের কর্ণধারেরা কলম ধরতে লাগলেন। {{gap}}গণবিজ্ঞান সমন্বয় কেন্দ্রের সঙ্গে যুদ্ধ পত্রিকাগোষ্ঠী ‘উৎস মানুষ’ ১৯৯৪-এর অক্টোবর-নভেম্বর সংখ্যায় ‘যুক্তিবাদ ও যুক্তিবাদীর মুখোমুখি’ শিরোনামের প্রবন্ধে জানাল: {{gap}}''“ভূতের সঙ্গে ঈশ্বরের অস্তিত্বের তুলনামূলক বিচারে গেলে ঈশ্বরবাদীরা হয়ত রুষ্ট হবেন, কারণ, যেখানে বিজ্ঞান নির্ভর যুক্তির প্রবল প্রয়োগে ভূতকে আমরা প্রায় উৎখাত করে এনেছি, সেখানে ঈশ্বরের অস্তিত্ব বিচারে একই ধরণের বৈজ্ঞানিক যুক্তি প্রয়োগ করতে আমরা অস্বস্তি বোধ করি। ঠিক একই সঙ্কোচ বা অস্বস্তির মুখোমুখি আমরা হই দেবমূর্তিকে দেবতাহীন বলে ঘোষণা করতে। এর কারণ আমাদের মজ্জাগত ধর্মীয় সংস্কার। যেহেতু এই সংস্কার সমাজের সার্বিক উন্নয়ন ও আধ্যাত্মিক বোধ উন্মেষের কাজে সাহায্য করে, এই সংস্কারকে আমরা কুসংস্কার বলব না।”'' {{nop}}<noinclude>{{c|২০৮}}</noinclude> 1rwkf5bxgd4yonfa664vaxnlchj5uls পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২০৯ 104 780889 1991936 1985147 2026-07-31T04:10:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991936 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{gap}}অর্থাৎ, ঈশ্বর বিশ্বাস কুসংস্কার তো নয়ই, বরং এই বিশ্বাস সমাজের সার্বিক উন্নয়নে সাহায্য করে এবং অধ্যাত্মিক বোধ বা আত্মা সংক্রান্ত মতবাদ বিষয়ে বোধের উন্মেষে সাহায্য করে। এরপর মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। {{gap}}প্রগতিশীল পত্রিকা হিসেবে পরিচিত ‘অনুষ্টুপ’ পত্রিকা ৯৫’—এর কলকাতা পুস্তক মেলায় বিশেষ বিজ্ঞান সংখ্যা প্রকাশ করল। সেখানে বিজ্ঞানে অবগাহন প্রবন্ধটির উপসংহারে লেখক জানালেন, ''“বিজ্ঞানমনস্কতা একজন ব্যক্তি মানুষের আত্মিক উন্নতি ও অধিকার আদায়ের সহায়ক শক্তি হতে পারে, কিন্তু নৈতিকতা ছাড়াও আবেগ-অনুভূতির জগতে বিজ্ঞানের অনুপ্রবেশ এখনো স্পষ্ট নয়।...তাই ফের খেয়াল রাখতে হয় বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতায়। বিজ্ঞান মানবপ্রজাতির বহির্জগত ও অন্তর্জগতের সার্বিকমুক্তির মন্ত্র হাতে বসে নেই, বিজ্ঞান কোনো মুক্তিদাতা বা পরমাত্মার বিকল্প নয়।”'' {{gap}}প্রবন্ধটির লেখক ‘উৎস মানুষ’ পত্রিকার সম্পাদক। ধরে নিলাম লেখক অনবধানতায় ‘আত্মিক’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। আসলে মূল্যবোধ বা ‘নীতিবোধ’—জাতীয় কোনও শব্দ ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। তবু বলব, এই ধরনের ‘ভাববাদী’ শব্দ ব্যবহার বিষয়ে তাঁর আরও একটু সতর্ক থাকা উচিত ছিল। কিন্তু তারপর? তিনি সরাসরি বিজ্ঞানের বিচরণ ক্ষেত্র নিয়ে ‘লক্ষণের গণ্ডি টানলেন। ভবিষ্যৎ বিষয়েও নিদান দিলেন, বিজ্ঞান সার্বিক মুক্তির পথ হতে পারে না। {{gap}}বাস্তবে কিন্তু বিজ্ঞানই মুক্তি দেয়। অজ্ঞানতা থেকে মুক্তি। বিজ্ঞানের পথ ধরেই গড়ে ওঠে বৈজ্ঞানিক মূল্যবোধ। সমাজবিজ্ঞানই আমাদের নৈতিকতা বুঝতে সাহায্য করে এবং গড়তে সাহায্য করে, সাম্যের সমাজ গড়ার পথ দেখাতে পারে। মনোবিজ্ঞান ব্যাখ্যা দিতে পারে আবেগ-অনুভূতির এবং দেয়ও। মানুষের মুক্তি যদি কেউ দিতে পারে, তবে তা বিজ্ঞানই। ‘পরমাত্মা’—জাতীয় কেউ কখনও মুক্তিদাতা নয়। ‘পরমাত্মা’-জাতীয় অতীক চিন্তা বরং শৃঙ্খলিত করে মানুষের মননকে, মানুষের ব্যক্তি সত্তাকে। {{gap}}বছর কয়েক আগে ‘উৎস মানুষ’ পত্রিকাতে একই সংখ্যায় দুটি বইয়ের সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছিল। একটি অলৌকিক নয়, লৌকিক প্রথম খণ্ডের, আর একটি মার্টিন গার্ডনার-এর ‘সাইন্স: গুড, ব্যাড অ্যাণ্ড বোগাস'। ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’ বইটি যে কত ‘ওঁচা”, কত ‘ভুসি’ মাল তা প্রচুর আবেগের সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছিল। বইটি যে অনেকের কাছেই বেজায় বাজে লাগে, তা আমার অজানা নয়। সমালোচকের বাজে লাগার অধিকার নিশ্চয় আছে। স্বীকার করি। কিন্তু ‘উৎস মানুষ’—এই করেই থামল না। একই বিষয়ের দুটি বইয়ে কত তফাৎ, দেখাতে ‘মডেল’ বা আদর্শ হিসেবে খাড়া করল মার্টিন গার্ডনারের বইটিকে। ছত্রে ছত্রে আবেগ ঢেলে বোঝাল গার্ডনার কী দারুন যুক্তিবাদী। {{gap}}গার্ডনার কতখানি যুক্তিবাদী? বোঝাতে শুধু এটুকু বললেই বোধহয় যথেষ্ট হবে, তিনি তাঁর বইতেই স্পষ্ট করে লিখেছেন, তাঁর ঈশ্বর বিশ্বাস ও আত্মায় বিশ্বাস করার কথা। ‘উৎস মানুষ’-এর প্রেরণা পাওয়ার মত আদর্শই বটে!<noinclude>{{c|২০৯}}</noinclude> p7zhxyy87c56blul77cf0mwgrrn910v পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২১২ 104 780892 1991937 1985150 2026-07-31T04:10:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991937 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>সংবাদপত্রই বর্তমান সমাজ কাঠামোর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে জনমতকে পরিচালিত করে এবং বহিরঙ্গে এরা সরকার -পুলিশ-প্রশাসনের কিছু কিছু দুর্নীতির কথা ছেপে সিস্টেমকে টিকিয়ে রাখার মূল ঝোঁককে আড়াল করে। এমন সব দুর্নীতির কথা পাবলিক খায়’ বলেই পত্রিকাগুলো ছাপে। এই সমাজ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার চাবিকাঠি যাদের হাতে, তারা জানে, এমন দু-চারটে দুর্নীতি ধরার লালিপপ্ হাতে ধরিয়ে দিয়ে কীভাবে অত্যাচারিতের ক্ষোভের আগুনে জল ঢালতে হয়। তারা জানে, সিস্টেমের প্রেসার কুকারে নিপীড়িতদের ফুটন্ত ক্ষোভকে বের করে দেওয়ার ‘সেফটি ভালভ’ হলো মাঝে-মধ্যে দু-চার জনের দুর্নীতি ফাঁস। পরে অবশ্য শাস্তি-টাস্তি না দিলেও ক্ষতি নেই। জনগণের স্মৃতি খুবই দুর্বল। ভুলে যাবে প্রতিটি ঘটনা, যেভাবে ভুলেছে বফর্স কেলেংকারি, শেয়ার কেলেংকারি। আর এর ফলে একআধটা রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ বা প্রশাসক যদি বধ হয়, তাতেও অবস্থা একটুও পাল্টাবে না। ফাঁকা জায়গা কোনও দিনই ফাঁকা থাকে না, থাকবে না। এক যায়, আর এক উঠে আসে। {{gap}}গত কয়েক বছরে আমরা বিভিন্ন ধরনের দাবি আদায়ের আন্দোলন গড়ে উঠতে দেখেছি। ‘চিপকো’, ‘নর্মদা বাঁচাও’—এর মত বিভিন্ন দাবি বা ইস্যু-ভিত্তিক আন্দোলনের প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা আমাদের আছে। আমরা মনে করি, এইসব আন্দোলনের সামাজিক প্রয়োজনীয়তা আছে। কিন্তু এইসব আন্দোলন যেহেতু অসাম্যের সমাজ কাঠামো বা ‘সিস্টেম’ পাল্টে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত নয়, তাই সমাজ কাঠামো জিইয়ে রাখার অংশীদার রাজনৈতিক দল, প্রচারমাধ্যম, বুদ্ধিজীবী ইত্যাদিরা দলগত-স্বার্থ, ব্যক্তিগত স্বার্থ, ব্যক্তি ইমেজ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে অনেক অঙ্ক কষে এই জাতীয় আন্দোলনকে সমর্থন বা অসমর্থন করেন। {{gap}}এই বক্তব্যকে স্পষ্টতর করতে উদাহরণ হাজির করাটা বোধহয় বাহুল্য হবে না। দৃষ্টান্ত হিসেবে ‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলনকেই না হয় বেছে নেওয়া যাক। ‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলন কিসের আন্দোলন, আসুন একটু বুঝে নেওয়া যাক। নর্মদা নদীর উপর সর্দার সরোবর প্রকল্পে বাঁধ দিয়ে জল সঞ্চয় করতে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের যে চল্লিশ হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হবে, সুদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে তিন রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু এখনও প্রতিশ্রুতি পালন করেনি। এখন পর্যন্ত মাত্র ছ হাজার পাঁচশো বাস্তুচ্যুত পরিবারের জন্য জমি বিলি হয়েছে। প্রতিটি বাস্তুচ্যুত পরিবারের পুনর্বাসনের লক্ষ্যকে কেন্দ্রবিন্দু করে গড়ে উঠেছে ‘নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন'। কোনও সন্দেহ নেই, এই আন্দোলন চৌতিরিশ হাজার পাঁচশো পরিবারের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় এক আন্দোলন| এই আন্দোলনের প্রতি আমাদের সমিতির আন্তরিক সমর্থন রয়েছে। তারপরও একটা প্রয়োজনীয় প্রশ্ন উঠে আসতে পারে। এই আন্দোলন যদি লক্ষ্য পূরণে সমর্থ হয়, অর্থাৎ তিন রাজ্যের সরকার যদি বাঁধ তৈরির জনা বাস্তুহারা প্রতিটি পরিবারকে<noinclude>{{c|২১২}}</noinclude> 9wptjq2gdl374b50phh0jm7ahg8x7n1 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/২১৩ 104 780894 1991938 1985151 2026-07-31T04:10:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991938 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>জমি বিলি করে, তারপরে কীহবে? উত্তর একটাই। জয়ের মধ্য দিয়ে ‘নর্মদা বাঁচাও নান্দোলন’—এর পরিসমাপ্তি ঘটবে। আমাদের দেশের অসাম্যের সমাজ কাঠামোয় একটিও আঁচ না কেটেই পরিসমাপ্তি ঘটবে। {{gap}}‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’ যে সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সামিল হয়েছে, সে আন্দোলনের লক্ষ্য-অসাম্যের সমাজ কাঠামো ভেঙে সাম্যের সমাজ কাঠামো গড়ে তোলা। এবং তারপরও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে গতিশীল রাখা। কারণ, ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞান থেকে আমরা এই শিক্ষা নিয়েছি যে, সাম্যের সমাজ কাঠামো গড়ে উঠলেও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় না। অসাম্যের ঘুণ পোকার আক্রমণ থেকে মানুষের চেতনাকে বাঁচাতে, সাম্যের সমাজ কাঠামোকে বাঁচাতে সাংস্কৃতিক আন্দোলন বিকল্পহীন। {{gap}}আমাদের সমিতি বিভিন্ন ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলনে বার বার সামিল হয়েছে। আন্দোলন কখনও জ্যোতিষী বা ধর্মগুরুদের ভণ্ডামীর বিরুদ্ধে; কখনও বা ভারতীয় সংবিধানে দেওয়া ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যাকে পূর্ণ-মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে রাষ্ট্রীয় পদাধিকারীদের ‘বিশ্ব ধর্ম সম্মেলন’-এ অংশগ্রহণ থেকে বিরত করতে; আবার কখনও বা ড্রাগ অ্যাণ্ড ম্যাজিক রেমেডিস (অবজেকশন্যাবল অ্যাডভারটাইজমেণ্ট অ্যাক্ট, ১৯৫৪-কে আইনের বইয়ের পাতা থেকে তুলে এনে প্রয়োগ করতে। প্রতিটি ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলনেই একের পর এক জয় আমরা এনেছি। কিন্তু কোনও জয়ের মধ্য দিয়েই আমাদের সমিতির আন্দোলনের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায়নি। এমনকি অসাম্যের সমাজ কাঠামোকে চূড়ান্ত আঘাতে ভেঙে ফেলার পরও আমাদের এই সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রয়োজন হারিয়ে যাবে না। সাম্যের সমাজ কাঠামো গড়ে তোলার পরও নয়। কারণ যুক্তিবাদী আন্দোলন বা সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অভাবে ক্ষমতার ঘুণপোকা, ৰীতির ঘুণ পোকা সাম্যের সমাজ কাঠামোকে কুরে কুরে ফোঁপরা করে দেবে। {{gap}}‘নর্মদা বাঁচাও...'এর মত এইসব দাবি আদায়ের আন্দোলন সমাজ কাঠামো বা সিস্টেম পাল্টে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত নয়, তাই এই জাতীয় আন্দোলন সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমর্থন যেমন অনেক সময়ই পেয়ে ঋকে, তেমনই প্রচার মাধাম্যগুলো নিজেদের প্রগতিশীল ইমেজ তৈরি করতে এদের প্রচার দেয়। {{gap}}যদিও কোনও বাণিজ্যিক পত্রিকা দিব্যি গেলে নিজেদের যুক্তিকামী ও সামাকামী দল ঘোষণা করেন, তাহলে তখনাৎ তা মন্ত্রী বা মাতালের ‘ভাট-বকা’ বলে ধরে নিয়ে বাতিল করতে পারেন। কারণ, এটাই পরম সত্য যে-পত্রিকায় পুঁজি নিয়োগ করা কোটিপতি ব্যবসায়ী কখনই চাইবেন না, যুক্তির পথ ধরে সাম্যের সমাজ গড়ে হক, আর তিনি ধনকুবের থেকে সাধারণ মানুষের আর্থিক মানে নেমে আসুন। তাই এঁরা সঠিক সাম্যের আন্দোলনকে ঠেকাতে যড়যন্ত্রের সমস্ত রকম ফাঁদ পাতার শাসনতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত রাখেন ও প্রয়োগ করেন।<noinclude>{{c|২১৩}}</noinclude> 3wry9rxookwd5xgpibrfmktzndru2dz পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৩৪ 104 780934 1991908 1985109 2026-07-31T04:10:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991908 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>তুলে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণটা এই-'ব্ল্যাক হোল’ (কৃষ্ণ গহ্বর)-জাতীয় মহাশূন্যের তথাকথিত ‘সিঙ্গুলারিটি’তে (গাণিতিক উৎসবিন্দু), যেখানে নতুন পদার্থ জন্ম নিচ্ছে, আধুনিক বিজ্ঞানে ভাবা হয় যে, সময় সেখানে স্তব্ধ হয়ে থাকে। সাধারণের মধ্যে বহুল-প্রচলিত কথা ‘ব্রহ্মার এক মুহূর্ত পৃথিবীর সহস্র বছর’ এরই প্রতিধ্বনি।” {{gap}}‘ব্রহ্মার এক মুহূর্ত পৃথিবীর সহস্র বছর’, কথাটা নাকি ‘ব্ল্যাক হোল’— এর সমার্থক শব্দ? ‘ব্ল্যাক হোল’—এর অস্তিত্বেরই ঘোষণা! অস্তিত্বেরই প্রতিধ্বনি!! এটা আপনার আমার মনে না হোক, রামকৃষ্ণ মিশনের মনে হয়েছে, হিন্দু ধর্মের প্রচারক বৃহত্তম সংস্থাটির মনে হয়েছে। এরকম অনেক কিছুই ওদের মনে হয়। ওদের মনে হয়—নলজাতক শিশু (Test-tube baby), বিকল্প মা (surrogate mother), এইসব আধুনিক বিজ্ঞানের দান বলে আমরা মনে করলেও তা আসলে প্রাচীন হিন্দু সভ্যতার কাছে নতুন কিছু নয়। দ্রোণ ও দ্রোণীর জন্মকথা, সত্যবতীর জন্মকথা, এসব পুরাণের ঘটনা তারই প্রমাণ। যে ‘পেট্রিয়ট মিসাইল’ (Patriot missile) নামের বিধ্বংসী অস্ত্র ({{wdl|Q37643|উপসাগরীয় যুদ্ধে}} ব্যবহৃত হয়েছিল) আবিষ্কারের পর প্রমাণিত হয়ে গেছে ‘বরুণ-বাণ’ ও ‘অগ্নি-বাণ’ আদৌ কোনও কল্পনা ছিল না। {{gap}}এই সবই লেখা রয়েছে উল্লেখ করা ‘উদ্বোধন’-এর ১৪৫ পৃষ্ঠায়। এই পৃষ্ঠাতে এ’কথাও বলা হয়েছে—হিন্দু পুরাণে, ধর্মগ্রন্থে, মহাকাব্যে বর্ণিত অধিকাংশই রূপক। রূপকগুলোর ব্যাখ্যা করলেই দেখতে পাব, বিজ্ঞানের নবতম কোনও আবিষ্কারই নতুন নয়। ওই আবিষ্কার আসলে নতুন করে ফিরে দেখা। “আসলে আমরা এক আত্মবিস্মৃত জাতি। আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের জ্ঞানরাশিকে অবহেলা করে পাশ্চাত্যের অসম্পূর্ণ জ্ঞানকেই সম্পূর্ণ বলে মনে করি।... বিদেশের বিজ্ঞানী প্রশংসা না করলে ভারতীয় বিজ্ঞানী স্বীকৃতি পান না। বিদেশী পত্রিকায় ছাপা না হলে ভারতীয় বিজ্ঞানীর গবেষণাপত্র গণ্য হয় না। দেশের কবিরাজী ঔষধকে হেয় প্রতিপন্ন করাই আমাদের ডাক্তারদের ‘উন্নত’ শিক্ষার পরিচয়।” {{gap}}এই পত্রিকায় ১৪৭ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, “সত্যদ্রষ্টা ঋষিরা সত্যকে জেনেছিলেন। সেই সত্যকে তাঁর ‘পরমব্রহ্ম’ বলতেন। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সেই পরমব্রহ্মের স্বরূপ-তাঁদের এই সিদ্ধান্ত নিশ্চয়ই বিজ্ঞানবিরোধী নয়। কাজেই ভগবদ্বিশ্বাস এবং বিজ্ঞানমনস্কতায় কোন বিরোধ নেই।” {{gap}}রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃক প্রচারিত এই অমূল্য বাণী বিশ্লেষণ করলে আমরা পাচ্ছি: {{gap}}এক: বিজ্ঞানের সব নবতম আবিষ্কারই বাস্তবে নতুন কোনও আবিষ্কারই নয়। এ’সবই প্রাচীন যুগে হিন্দুরা আবিষ্কার করেছিল। প্রাচীন হিন্দু পুরাণে, মহাকাব্যে এইসব আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলোর উল্লেখ আমরা পাই। {{nop}}<noinclude>{{c|১৩৪}}</noinclude> 3iggiuzo6itc6mueinrvaub3civsk0x পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৩৭ 104 780946 1991909 1985111 2026-07-31T04:10:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991909 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>আন্দোলনকারীরা আধুনিক বিজ্ঞানকে পশ্চিমা উপদ্রব হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে হটিয়ে ইসলামি বিজ্ঞানকে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে। [আমাদের দেশে আধুনিক বিজ্ঞানকে হটিয়ে হিন্দু বিজ্ঞানকে প্রতিষ্ঠার আহ্বানের সঙ্গে কী অসাধারণ মিল! দু’ দেশের মৌলবাদী চিন্তানায়কদের চিন্তার আশ্চর্য রকম মিল পাঠক-পাঠিকারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন।] অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলা হচ্ছে, বিজ্ঞান একটি আদর্শগত বিষয় এবং ইসলামি বিজ্ঞান খ্রিস্টিয় বিজ্ঞান বা কমিউনিস্টদের বিজ্ঞান থেকে ভিন্নতর ও উৎকৃষ্ট। ইসলামি বিজ্ঞানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ আলাদা এবং পবিত্র কোরআন ইসলামি বিজ্ঞানের অনুপ্রেরণা। ১৯৮৩ সালের নভেম্বরে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ব্যয়বহুল ইসলামিক বিজ্ঞান সম্মেলনে মুসলিম দেশগুলো থেকে আগত শত শত বিজ্ঞান প্রতিনিধিদের বক্তব্য থেকে এই মতটাই উঠে এসেছিল। {{gap}}“ইসলামিক দর্শনকে বিজ্ঞান বলে যারা চালাতে চাইছে, তাদের মধ্যে প্রধান নেতৃত্বে রয়েছে জামাত-ই-ইসলাম’ নামের একটি মৌলবাদী রাজনৈতিক সংগঠন, প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, একটু লক্ষ্য করলেই খুঁজে পাবেন, এক্ষেত্রেও দু’ দেশে অসাধারণ মিল। এদেশে হিন্দু দর্শনকে বিজ্ঞান বলে চালাতে চাইছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ, ভারতীয় জনতা পার্টি, রামকৃষ্ণ মিশন, ইত্যাদি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দল। যারা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে যথেষ্ট সমর্থন যোগাড় করেছে। জামায়তি প্রচারের বৈশিষ্ট্য হল পশ্চিমা বিজ্ঞান ও আধুনিক বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিষোদগার। জামাত-ই-ইসলামের সবচেয়ে বাকপটু নেতাদের মধ্যে একজন মরিয়ম জামিলাহ।...মরিয়ম জামিলাহর মতে, পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের সমপর্যায়ে ওঠার কোনও প্রয়োজন নেই মুসলিম বিজ্ঞানের। এটা অভিপ্রেতও নয়। কারিগরি শিক্ষার সংকীর্ণতায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে জামিলাহ সুপারিশ করেছেন আধুনিক বিজ্ঞানের পরিবর্তে অধ্যাত্মবাদী ইসলামি সাধকদের ফিরিয়ে আনতে।” আমাদের দেশে মৌলবাদী ও প্রগতিশীলতার ছদ্মবেশে মৌলবাদী প্রতিটি শক্তিই আধুনিক বিজ্ঞানের পরিবর্তে ফিরিয়ে আনতে চাইছে অধ্যাত্মবাদী হিন্দু সাধকদের, ঋষিদের। দু’দেশের মৌলবাদী চিন্তায় কী আশ্চর্য রকমের মিল! {{gap}}ডঃ পারভেজ তাঁর প্রবন্ধে আরও লিখেছেন, “গত কয়েক বছরে ‘ইসলামি বিজ্ঞান’—এর প্রবক্তারা একটি নতুন ব্যাখ্যা হাজির করতে শুরু করেছে—এই ‘ইসলামি বিজ্ঞান’ শুধুমাত্র সেকেলে মুসলমানদের বিজ্ঞান নয়। বরং এটা এমনই এক বিজ্ঞান যা সমস্ত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোকে কোরআনের আলোতে ব্যাখ্যার চেষ্টা করে। এইজাতীয় বক্তব্যের সমর্থনে ইসলামি বিজ্ঞানের প্রবক্তরা যুক্তি হাজির করেন যে-কোরআন একটি সম্পূর্ণ জীবন-বিধান। কোরআনে রয়েছে সব বিজ্ঞান।” হিন্দু মৌলবাদীরা যেমন বলেন—আমাদের বেদে, পুরাণে, গীতায় সব আছে। {{nop}}<noinclude>{{c|১৩৭}}</noinclude> a5jn8qxm3ncmcg4yqd8dnkat5wi7301 পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/২৭৬ 104 780948 1992175 1986738 2026-07-31T04:28:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992175 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh|২৫৬|সাহিত্যে নারী: স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি|}}</noinclude>কুহকিনী সার্সির পতিহত্যা, সাইরেনদের মধুর কণ্ঠস্বরে ভুলিয়ে নিরীহ নরহত্যা উল্লেখযোগ্য কদর্য চিত্র। একদিকে স্বামীর উপর প্রতিহিংসা নেবার জন্য ‘প্রোকু’ নিজের ছেলেকে কেটে তার মাংস স্বামীকে খাওয়াচ্ছেন, এই লোমহর্ষণ চরিত্র-চিত্র যেমন দেখা যায়, তেমনি আর একদিকে সন্তানগর্বে দেবতাকে অবজ্ঞা করে ‘নায়োবি’ দেবরোষে তেরোটি সন্তানের মৃত্যু দেখে কেঁদে কেঁদে পাথর হ’য়ে গেছেন, সেই পাথরে শুধু নিরন্তর অশ্রুর ঝরণা ঝরছে, এই করুণ কথা-চিত্রও পাই। ভারতীয় পুরাণের সঙ্গে তুলনায় গ্রীক পুরাণে ‘মন্দ চরিত্র’ অনেক বেশী এবং তা’ অতি কদর্য! পিতৃঘাতিনী ‘স্কাইলা’, পতিঘাতিনী ‘আসিওনি’, ‘ক্লিটেমনেষ্ট্র প্রভৃতির দল গ্রীসে যত সুলভ, ভারতে তেমন নয়, বরং তুলনাই হয় না। উর্বশীর অভিশাপও ভারতে বার বার ঘটেনি! বঙ্গ-সাহিত্যের ছোটখাট দেবীর ভক্তদলের পতন অবস্থার সহায়তা নিয়ে পূজালোভে অনেকের উপর অত্যাচার করলেও মানবের রূপমোহে গ্রীকদেবীদের মতো কদর্য্য মনোবৃত্তির আদৌ অধিকারিণী ছিলেন না। চণ্ডী, মনসা, শীতলা যিনিই হোন না কেন, নিজ নিজ সতীধর্ম্মে অচলা থেকেই শুধু প্রতিহিংসাবৃত্তিরই চরিতার্থতা করেছেন, নিজের পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে; এই পর্য্যন্ত! এদেশে চরিত্রহীন ইন্দ্রের পত্নী পতিব্রতা ইন্দ্রাণী। {{gap}}রোমান কল্পনারাজ্যে গ্রীসের প্রভাব এত বেশী এবং অনুকরণস্পৃহা এত প্রবল যে, তাকে গ্রীক কল্পনারাজ্যেরই অক্ষম রূপান্তর বলা চলে। দেবদেবীরা তো অধিকাংশই গ্রীস এবং মিশরের, এমন কি পারস্যের আমদানী। জিউসকে জুপিটার, হীরাকে<noinclude></noinclude> imo30q72in3m8t90wgxu7vptqk5tb1r পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৩৮ 104 780949 1991910 1985112 2026-07-31T04:10:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991910 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>{{gap}}ডঃ পারভেজ জানাচ্ছেন, কিছু কিছু ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী বিজ্ঞানী পেশার বড় মাপের মানুষ ইসলামি অধ্যাত্মবাদের মধ্যে আবিষ্কার করেছেন আধুনিক বিজ্ঞানের লুকনো নানা তত্ত্ব। {{gap}}ডঃ পারভেজ উদাহরণ হিসেবে হাজির করেছেন এমনই কিছু বিজ্ঞান-বিরোধী ‘ইসলামি বিজ্ঞানী’কে। “প্রথম উদাহরণ একজন পাকিস্তানী অধ্যাপক। লণ্ডনের নামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি-এইচ, ডি, করেছেন। পাকিস্তানের জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি উন্নয়ন সংস্থার প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং একটি বৃহৎ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান শিক্ষাবিদ। এই বিজ্ঞানী বর্তমানে জাতিসংঘের বিজ্ঞান ও কারিগরি কমিশনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি। ১৯৭৯ সালের ‘ইসলামিক বিজ্ঞান সম্মেলন’—এ একটি গবেষণাপত্র পাঠ করেন। তাতে তিনি জানিয়েছেন—এক: প্রতি সেকেণ্ডে আলোর যা গতি, তার চেয়ে কম গতিবেগ হওয়ার কারণে ‘বেহেশত’ বা ‘স্বর্গ’ আক্ষরিক অর্থেই বর্তমান অবস্থান থেকে সরে গেছে। দুই: শবেবরাতের পুণ্য রজনীর এক উপাসনা, সাধারণ রাতের সহস্র উপাসনার চেয়ে শ্রেয়। তাঁর এই বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদকে টেনে এনেছেন। তিন: কোরআনে বর্ণিত ‘সাত আসমান’ তত্ত্ব বিষয়ে প্রফেসর সাহেব বলেন, এগুলো পরমাণুর কোয়াণ্টাম স্তরের মত। যেভাবে শক্তি শোষণ বা বর্জন করে পরমাণু স্তর পরিবর্তন করে, সেভাবে পাপ বা পুণ্য করেও এক আসমান থেকে অন্য আসমানে যাওয়া যায়। {{gap}}“আরেকজন ইসলামি বিজ্ঞানী যাঁকে আমরা সোজাসুজি ডঃ বি. এম. বলে উল্লেখ করব, তিনি পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তি কমিশনের উঁচু পদে অধিষ্ঠিত। শুধু গভীরভাবে ধার্মিক নন, সামাজিক ব্যাধিগুলোর সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে ইসলামি বিজ্ঞান প্রয়োগের ব্যাপারে কৃতসংকল্প। তিনি একটি প্রবন্ধে বলেছেন, কোরআনে বর্ণিত অসীম ক্ষমতাসম্পন্ন অগ্নিময় জীব আসলে জিনের অস্তিত্বের রূপকাকার। এই ধার্মিক বিজ্ঞানী আর একটি প্রবন্ধে জানিয়েছেন কৃষ্ণ গহ্বর (Black Hole)-এর অস্তিত্ব আধুনিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন হলেও হাজার হাজার বছর আগে রচিত কোরআনে এর উল্লেখ আছে। কোরানে যে বেহেশত- এর অর্থাৎ স্বর্গের উল্লেখ আছে, তা আসলে কৃষ্ণ গহ্বর।” (হিন্দু ধর্ম প্রচারক রামকৃষ্ণ মিশন বলছে, ‘ব্রহ্মার এক মুহূর্ত পৃথিবীর সহস্র বছর’, বাক্যটি কৃষ্ণ গহ্বরের অস্তিত্বের প্রতিধ্বনি) বিশিষ্ট ইসলামি বিজ্ঞানী ফতেহ মোহাম্মদ প্রমাণ করতে সচেষ্ট-দোজখ বা নরকই হল কৃষ্ণ গহ্বর। পারমাণবিক শক্তি কমিশনের বড় মাপের বিজ্ঞানী জানাচ্ছেন, কৃষ্ণ গহ্বর আসলে ‘বেহেশত বা স্বর্গ। ঈশ্বর, আল্লাহে বিশ্বাসী মানুষগুলোও যে মৌলবাদী বিজ্ঞানীদের এমন উল্টো-পাল্টা কথায় বিভ্রান্ত হয়ে পরবেন! আরও বেশি বেশি করে ধর্মাত্মা বিজ্ঞানীদের মতামত নিলে, আরও বেশি বেশি করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সম্ভাবনাই প্রবল! {{nop}}<noinclude>{{c|১৩৮}}</noinclude> td6oxrce3uk49e1cv3qycswlhe9olsh পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/২৭৯ 104 780958 1992176 1984719 2026-07-31T04:28:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992176 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh||সাহিত্যে নারী: স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি|২৫৯}}</noinclude>পুরাণের দুটি বিখ্যাত চরিত্র ‘বাথসেবা এবং ‘সেবার রাণী'। ‘বাথসেবা’কে পাবার জন্য রাজা ডেভিড বিশ্বাসঘাতকতা ক’রে তাঁর স্বামীকে হত্যা করান। সেবার রাণী ডেভিডের পুত্র সলোমনের সঙ্গে দেখা করতে এসে স্বেচ্ছায় তাঁকে আত্মদান করেন। ইথিওপিয়ার রাজারা আজও সেবার রাণীর বংশধর বলে পরিচয় দেন এবং দিতে লজ্জিত হ’ন না। {{gap}}গ্রীক রোমানদের পর যে সব জাতি পাশ্চাত্ত্যজগতে প্রাধান্য লাভ করেছে তাদের অর্থাৎ ইংরাজ জার্মান প্রভৃতি জাতির মুল পুরাণকে নরওয়ের পুরাণ বলা চলে। তা’তে যেসব দেবী এবং মানবীদের দেখা পাই, তাদের মধ্যে স্বর্গের রাণী ‘ফ্রিয়া’ বা সৌন্দর্যদেবী ‘ফ্রিয়া’ সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তিনি তাঁর রণরঙ্গিনী সঙ্গিনী ‘ভ্যালকি’দের নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতেন এবং সম্মুখসমরে যে সব বীর প্রাণ দিত, তাদের নিজের সভায় নিয়ে এসে ‘হাইদ্রুন’ ছাগলের দুধ এবং ‘সেহ্রিমনি’ শূকরের অক্ষয় মাংস খাওয়াতেন। ফ্রিয়ার এক ছেলে আলোকদেবতা ‘বলডার’, আর এক ছেলে অন্ধকারের অন্ধদেবতা ‘হোডার'। হোডার খেলাচ্ছলে ‘মিসলটোর’ তীর ছুড়ে ভাইকে হত্যা করলে তাঁকে বাঁচাবার অনেক চেষ্টা হয়েছিল। অদৃষ্টদেবী ‘ভলা’, মৃত্যুদেবী ‘হেলা’ প্রভৃতি নিষ্ঠুর প্রতিহিংসাপরায়ণা দেবীদের সঙ্গে এই সূত্রে আমাদের পরিচয় হয়। হেলা বললেন, পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী যদি বল্ডারের জন্য কাঁদে, তবে তাকে ফিরিয়ে দেবেন, কিন্তু দানবী ‘থক্’ বা ছদ্মবেশী দেবতা ‘লোকি’ বল্ডারের জন্য কাঁদতে রাজি না হওয়ায় তিনি জীবন ফিরে পেলেন না। শেষে পৃথিবীদেবী ‘রিণ্ডা’র গর্ভে দেবরাজ ওডিনের ‘ভ্যানি’ নামক পুত্র জন্ম নিলে, সে অন্ধকারের<noinclude></noinclude> 76lwm0ujag0sdx1s99olyxclg628wdn পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪১ 104 780959 1991911 1985115 2026-07-31T04:10:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991911 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>করেছিলেন। যিনি যুক্তির ধার ধারেন না, তাঁর এমন কথা বলতে কোনও অসুবিধে হওয়ার তো কথা নয়। এমন ভাবার পক্ষেও খলিফা সাহেবের কোনও অসুবিধে নেই যে, পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৪০০৪ সালের ২৩ অক্টোবর, রবিবার, সকাল ৯টায়। আবার এমন উদ্ভট বিজ্ঞান-বিরোধী তথ্যকে বিজ্ঞানের ছাপ মেরে দিতে উন্মাদ বা ধান্ধাবাজ কোনও বিজ্ঞানী রামকৃষ্ণ মিশনের দেওয়া উদাহরণের অনুকরণে বলতেই পারেন - ‘বিশ্বশ্রষ্টা ঈশ্বরের এক মুহূর্ত পৃথিবীর সহস্র বছর’ জাতীয় কথা। সঙ্গে এটুকুও বলে দেবেন সালের হিসেবটা ঈশ্বরের করা, ওটা মানুষর বছরে পরিবর্তিত করতে.... ইত্যাদি ইত্যাদি। {{gap}}কোরআনের বেহস্ত বা স্বর্গের সাতটা ভাগ ও দোজখ বা নরকের সাতটা ভাগকে কিছু মুসলিম বিজ্ঞানীরা যেভাবে পরমাণুর কোয়াণ্টাম স্তরেরই রূপক বলে প্রচারে নেমেছেন, তাতে বেহেস্তে মদ ও মেয়েছেলের ঢালাও ব্যবস্থাকে ‘রূপক’ ছাপ মেরে একটা অকিঞ্চিতকর ব্যাখ্যা হাজির করতে কতক্ষণ? {{gap}}ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিম চিন্তাবিদদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, ধর্মীয় পণ্ডিত হিসেবে খ্যাত {{wdl|Q196546|সৈয়দ আহমেদ খান}} (১৮১৭—১৮৯৮) দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছিলেন—আল্লাহের বাণীর বাহ্যিক অর্থের সঙ্গে বাস্তব সত্যের দ্বন্দ্ব দেখা দিলে সেখানে আল্লাহের বাণীকে ‘রূপক’ হিসেবে ব্যাখ্যা করতে হবে। {{gap}}সৈয়দ সাহেবের এই নীতিটা বিভিন্ন প্রধান ধর্ম দারুণভাবে গ্রহণ করেছে এবং কিছু কিছু বিজ্ঞানীকে বিজ্ঞানের মুক্ত হাওয়া থেকে এনে ‘হিন্দু-বিজ্ঞানী’, ‘মুসলিম-বিজ্ঞানী’, ‘খ্রিস্টান-বিজ্ঞানী’ ইত্যাদি খাঁচায় পুরে সুন্দরভাবে কাজে লাগাচ্ছে। {{center|{{larger|'''খ্রিস্টান-বিজ্ঞানী ও মৌলবাদী চক্রান্ত'''}}}} স্বর্গের কথায় আর একজনের কথা মনে পড়ে গেল। বিখ্যাত জ্যোতিঃপদার্থ বিজ্ঞানী ফ্র্যাংক জে টিপলার-এর কথা। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের টিউলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান। বিষয়: আপেক্ষিকতা। ডক্টরেট হওয়ার পরও {{wdl|Q37547|জ্যোতিঃপদার্থ}} নিয়ে গবেষণা করেছেন বার্কলে এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। লিখেছেন একটি বই, ‘দি ফিজিক্স অব ইম্‌মর্টালিটি'। তাতে টিপলার লিখছেন-কুড়ি বছর আগে যখন আমার কেরিয়ার জ্যোতিঃপদার্থবিদ হিসেবে শুরু করেছিলাম, তখন ছিলাম কট্টর নাস্তিক। তখন স্বপ্নেও ভাবিনি, একদিন আমিই লিখব এমন কোনও বই, যার উপজীব্য হবে ইহুদি-খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্বের মূল দাবিগুলোর সত্যতা প্রমাণ। {{gap}}টিপলার ওই ঘোষণা করেছেন, “কচিৎ-কখনও আমরা পদার্থবিদরা দেখি, আমাদের বহু আগে বাতিল তত্ত্বকেই পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীদের এখন বাতিল ঈশ্বর-বিশ্বাস নিয়ে পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে।<noinclude>{{c|১৪১}}</noinclude> 507osbd5gvugbkci7b91mar3fzf06r7 পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪২ 104 780967 1991912 1985116 2026-07-31T04:10:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991912 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>আমার আশা, এই গ্রন্থে বিজ্ঞানীদের সে কাজে অনুপ্রাণিত করতে পারব। এখন সময় এসেছে ধর্মতত্ত্বকে পদার্থবিদ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার। স্বর্গকে একটা ইলেকট্রনের মতই বাস্তবে পরিণত করার।” {{gap}}টিপলার তাঁর ‘ওমেগা পয়েণ্ট’ তত্ত্বে বলেছেন, স্বর্গ আছে, আছেন ঈশ্বর, আছে পুনর্জন্মের ব্যবস্থা। {{gap}}এক ভারতীয় বিজ্ঞানীর কথা মনে পড়ে গেল। পুনর্জন্মে বেজায় বিশ্বাসী। তার প্রবলতর বিশ্বাস থেকে ধ্বনিত হয়েছে, “ঈশ্বর আছেন, প্রতিটি মানুষকে এই সত্যে একদিন-না-একদিন আসতেই হবে। এ জন্মে না হলে পরের জন্মে, না হলে তার পরের জন্মে। একজন্মে-না-একজন্মে তার ঈশ্বরে বিশ্বাস আসবেই।” {{gap}}বহুজন্ম ধরে ঈশ্বরে বিশ্বাসের উপর পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ না চালিয়েই কী প্রত্যয়ী সিদ্ধান্ত বলুন তো! বিজ্ঞানীদের মধ্যেও এমন ডাকাবুকো অন্ধ বিশ্বাসী বিরল। {{gap}}এই বিরল প্রজাতির বিজ্ঞানীর নাম-বিধানরঞ্জন রায়। ডঃ রায় একজন খাদ্য বিজ্ঞানী; কলকাতার সেণ্ট্রাল ফুড ল্যাবরেটরির প্রাক্তন ডিরেকটর। ইণ্ডিয়ান অ্যাকাদেমি অব ফরেনসিক সায়েন্স-এর সভাপতি। {{gap}}ডঃ টিপলার সাহেবের পুনর্জন্ম ব্যাপারটা অবশ্য একটু আলাদা। তাঁর থিওরি মত এমন {{SIC|কম্‌প্যুটর|কম্পিউটার}} ভবিষ্যতে তৈরি হবে, যে {{SIC|কম্‌প্যুটরকে|কম্পিউটারকে}} একটি প্রাণীর তাবৎ উপাদানের ডিটেল ইনফরমেশন জানালে {{SIC|কম্‌প্যুটর|কম্পিউটার}} প্রাণীটিকে ফের বানিয়ে দেবে। একটি প্রাণীর উপাদানের খুঁটিনাটি তথ্যসমূহ কে জানাবে? জানাবে ভবিষ্যতের একটি অত্যাধুনিক {{SIC|কম্‌প্যুটর|কম্পিউটার}}? এভাবেই ‘ওমেগা পয়েণ্ট’—এ মৃত্যুর পর একদিন আবার আপনি আমি জন্ম নেব আধুনিক {{SIC|কম্‌প্যুটরের|কম্পিউটারের}} দয়ায়। {{gap}}ডঃ টিপলারের এজাতীয় তত্ত্বকে সাধারণ মানুষের মাথায় গ্রহণযোগ্য করে ঢুকিয়ে দিতে বিভিন্ন প্রচারমাধ্যম তড়িঘড়ি কাজে নেমে পড়েছে। দেশ পত্রিকা ‘৯৫-এর কলকাতা বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশিত বিশেষ সংখ্যায় ‘ভাললাগা বই’ হিসেবে টিপলারের বইটি দশ দশটি পাতা জুড়ে প্রবল বিক্রমে বিরাজ করছে। সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে মন্তব্য, “ধর্ম ও বিজ্ঞানের যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল গ্যালিলিওর সময়ে তা বোধহয় শেষ হচ্ছে এত দিনে। শেষ হচ্ছে জ্যোতিঃপদার্থ বিজ্ঞানী ফ্র্যাংক জে টিপলার-এর প্রচেষ্টায়।” {{gap}}একটি ঘটনার দিকে প্রিয় পাঠক-পাঠিকাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ম্যুনিখ-এর ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিট্যুটের তরফ থেকে একটি সেমিনারে জ্যোতিঃপদার্থের উপর বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ডঃ টিপলারকে। আমন্ত্রণ জানানো ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হওয়ার মাঝখানেই প্রকাশিত হয় “দি ফিজিক্স অব ইমমর্টালিটি’ বইটি। বইয়ে বিজ্ঞান বিরোধী বক্তব্য রাখার জন্য বাতিল করা হয় টিপলারকে জানানো বক্তৃতার আমন্ত্রণ। ফ্যাক্স পাঠিয়ে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, কল্পনায় তিনি এতটাই দূরে চলে গিয়ে এমন সব উদ্ভট বক্তব্য রেখেছেন, যাতে বস্তুত বিজ্ঞানের সুনামই নষ্ট হতে পারে। {{nop}}<noinclude>{{c|১৪২}}</noinclude> i8siyt0o03luubjf99dtdqu8jd74u2a পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪৩ 104 780971 1991913 1983561 2026-07-31T04:10:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991913 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>{{gap}}ঈশ্বর-পরলোক-নিয়তি চর্চায় মগ্ন আমাদের দেশের বিজ্ঞানীদের বিরুদ্ধে দেশীয় বিজ্ঞান সংস্থাগুলো কবে এমন দৃঢ় ঋজু পদক্ষেপ নেবে? কবে এইসব বিজ্ঞান-পেশার বিজ্ঞান-বিরোধী মানুষগুলো বয়কটের সম্মুখীন হবেন? গা শোঁকাশুঁকি বন্ধ করে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে এগিয়ে আসার মত সৎ বিজ্ঞানীর সাক্ষাৎ কি আমরা অদূর ভবিষ্যতে পাব না? {{gap}}আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী, ওয়েনবার্গ তাঁর “দি ফাস্ট থ্রি মিনিটস্’—এ লিখেছেন, “মানুষ এ বিশ্বাসকে কিছুতেই ঠেলে দিতে পারে না, এই বিশ্বের সঙ্গে তার একটা বিশেষ যোগাযোগ আছে। মানতে চায় না, তার অস্তিত্ব মোটামুটি কতগুলো আকস্মিক ঘটনার পরিণতি। এই আকস্মিক ঘটনাগুলোর সূত্রপাত হয়েছিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জন্মের তিন মিনিটের মধ্যে। ..... এই পৃথিবী বিশাল ব্রহ্মাণ্ডের নগণ্য একটা ক্ষুদ্রাংশ, এটা মানা মানুষের পক্ষে সত্যিই কষ্টকর। এই বিশ্ব একদিন বিলীন হবে অসহনীয় তাপে কিংবা সীমাহীন শীতলতায়—এটা মেনে নেওয়া মানুষের পক্ষে আরও কষ্টকর। বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড যতই বোধগম্য হয়, ততই উদ্দেশ্যহীন মনে হয় তাকে।” {{gap}}ওয়েনবার্গ যখন বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের আবির্ভাবকে উদ্দেশ্যহীন বলছেন তখন সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিদ্যার অধ্যাপক জন ব্যারো টিপলারের মতই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের আবির্ভাবের মধ্যে একটা উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন। মানুষের আবির্ভাবের মধ্যে একটা উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন। মানুষের আবির্ভাবের জন্যই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। এই প্রস্তুতি-পর্ব ছিল সৃষ্টিকর্তার মর্জিমাফিক। তাঁর মতে—ধর্মতত্ত্ব ও ঈশ্বরতত্ত্বকে বাদ দিয়ে বিশ্বতত্ত্বকে কখনই জানা সম্ভব নয়! {{gap}}{{wdl|Q17714|স্টিফেন হকিং}} বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী হলেও মাঝে-মধ্যে বিজ্ঞানকে সরিয়ে রেখে ঈশ্বরকে কাছে টেনে নেন। দ্বিতীয় বিয়েটাও সেরেছেন চার্চে গিয়ে ঈশ্বর ও ঈশ্বর পুত্রকে সাক্ষী রেখে। তাঁদের আশীর্বাদ {{SIC|প্রার্থণা|প্রার্থনা}} করে। বাঁচোয়া, হকিংকে বিজ্ঞানীরা ও শিক্ষিত সমাজ শ্রদ্ধা করেন তাঁর বিজ্ঞান চর্চার জন্য, ঈশ্বর ও ধর্ম চর্চার জনা নয়! {{gap}}হকিং তাঁর ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ গ্রন্থে লিখেছেন, “ভগবান আমাদের মত প্রাণী সৃষ্টি করবেন বলেই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি এভাবে করতে বাধ্য হয়েছিলেন।” {{gap}}না, হকিং বা ঈশ্বর বিশ্বাসী কোনও বিজ্ঞানীর অন্ধ বিশ্বাসই প্রমাণ করে না—ঈশ্বরের বাস্তব অস্তিত্ব আছে। শুধু এ’টুকুই প্রমাণ করে, তাঁরা বিজ্ঞানী হলেও মাঝে-মধ্যে অন্ধবিশ্বাসে নতজানু। {{gap}}আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় মাপের বিজ্ঞানী পল ডেভিস মাঝে-মধ্যে যুক্তি ও বিজ্ঞানকে সাময়িক ছুটি দিয়ে ভাবনার পাল তুলে ভেসে যান অধ্যাত্মিক জগতের কাছাকাছি। তিনি ‘গড অ্যাণ্ড দি নিউ ফিজিক্স’ গ্রন্থে লিখছেন, “বিশ্ব<noinclude>{{c|১৪৩}}</noinclude> j4vk2b3z4ce3wlai66x723ybdlg5iwc পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৪৪ 104 780975 1991914 1985117 2026-07-31T04:10:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991914 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="শান্তনু চট্টোপাধ্যায়" /></noinclude>একটি মন: যে নিজেকে দেখছে ও একই সঙ্গে নিজেকে তৈরি করছে। আমাদের ব্যক্তিগত ‘মন’ বা ‘চেতনা’কে বিশ্ববাপী মনের সমুদ্রে বিচ্ছিন্ন কিছু দ্বীপ বলে ভাবা যেতে পারে। (প্রিয় পাঠক-পাঠিকারা এখানে ''''ভাবা যেতে পারে'''' কথাটির প্রতি আপনাদের মনোযোগ আকর্ষণ করছি। ‘ভাবা যেতে পারে’ কথাটি আরও একটি ইঙ্গিত বহন করে—'না-ও ভাবা যেতে পারে'।) এই ভাবনা স্মরণ করিয়ে দেয় অতীন্দ্রিয়বাদের সেই ধারণাকে—ঈশ্বর বিভিন্ন খণ্ডিত ব্যক্তি-মনের সমষ্টিস্বরূপ। অধ্যাত্মিক প্রগতির উপযুক্ত স্তরে উন্নীত হলে মানুষের মন তার স্বাতন্ত্র্য হারিয়ে সেই অখণ্ড-মনে লীন হয়ে যায়।” {{gap}}অধ্যাত্মবাদীদের ‘আত্মা-পরমাত্মা’ চিন্তার সঙ্গে পল ডেভিসের চিন্তার সাদৃশ্য থাকায় অধ্যাত্মবাদীরা আনন্দে উদ্বেল, যেন এই সাদৃশ্য অধ্যাত্মবাদকে বিজ্ঞান-এর শিলমোহর দেবে। পরিবর্তে পল ডেভিসের এ-জাতীয় কল্পনা নির্ভর চিন্তা তাঁকে ‘ধার্মিক-বিজ্ঞানী’ হিসেবে চিহ্নিত করছে মাত্র। {{gap}}আর এক ঈশ্বর ভক্ত বিজ্ঞানী ক্যাফাটস পদার্থ বিজ্ঞানী হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী হলেও ঈশ্বর চিন্তায় পল ডেভিসের কাছাকাছি তাঁর অবস্থান। ক্যাফাটস তাঁর ‘দি কনসাস ইউনিভার্স’ গ্রন্থে লিখছেন, “যদিও আমরা আমাদের বোধের গভীরে ‘সমগ্র’—এর অন্তর্নিহিত ঐক্যকে বুঝতে পারি, বা অনুভব করতে পারি [অর্থাৎ, লেখক ও তাঁর সমমানসিকতার মানুষরা অনুভব করতে পারেন, তাঁদের আত্মা পরমাত্মারই অংশ। এই ‘আত্মা-পরমাত্মা’ ব্যাপারটা তাঁদের কাছে শুধুমাত্র মানসিকভাবে অনুভবের বিষয়। এমনই অনুভবের মধ্য দিয়েই মানসিক কারণে কত যে শারীরিক অসুখ হয়, অলীক-দর্শন, অলীক-শ্রবণ ইত্যাদি সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, শুধু এই নিয়েই একটা বড় বই লিখে ফেলা যায়। এবং লেখার ইচ্ছেও অবশ্য রয়েছে।] কিন্তু বিজ্ঞানে শুধুমাত্র বিভিন্ন ‘অংশ’-এর পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়েই আলোচনা করা সম্ভব। অবিভাজ্য-পূর্ণ যা থেকে অংশের জন্ম, সেই পূর্ণ সম্পর্কে বিজ্ঞান কিছুই বলতে পারে না [পূর্ণ = পরমাত্মা সম্পর্কে অনুভব ছাড়া কোনও প্রমাণই যখন নেই, তখন বিজ্ঞান ‘পূর্ণ’ সম্পর্কে কিছু বলবে—প্রত্যাশা রাখাটাই পাগলামী।] {{gap}}ক্যাফাটস-এর এই উক্তিকে টপ্ করে লুফে নিয়ে রামকৃষ্ণ মিশন তাঁদের মুখপত্র ‘উদ্বোধন’-এর ৯৬তম বর্ষের ৩য় সংখ্যায় ক্যাফাটস-এর উল্লিখিত অংশটি তুলে দিয়ে ব্যাখ্যা হিসেবে লিখছে, “যাঁরা বেদান্ত পড়েছেন বা ‘কথামৃত’ পড়েছেন তাঁরাই লক্ষ্য করবেন যে, বেদান্তের ব্রহ্ম বর্ণনা (“সর্বং খন্বিদং ব্রহ্ম”) বা শ্রীরামকৃষ্ণ সাধারণ লোককে বোঝাবার জন্য যেভাবে ব্রহ্মের কথা বলেছেন (“ব্রহ্ম বাক্য মনের অতীত, ব্রহ্ম যে কি, তা মুখে বলা যায় না।”), তার সঙ্গে আধুনিক পদার্থবিদদের ‘পূর্ণ’—এর বর্ণনার বিশেষ সাদৃশ্য আছে।” {{gap}}আর এক পৃথিবী বিখ্যাত বিজ্ঞানী ফ্রিটজফ কাপরা ‘দি টাও অফ ফিজিক্স’ গ্রন্থে পরমাণুর নড়া-চড়া বা কম্পনের মধ্যে নটরাজের নৃত্যকে অনুভব করার<noinclude>{{c|১৪৪}}</noinclude> i8rpmgs88he327y1mza4ee1p40herlv পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৩৩ 104 780990 1991907 1985108 2026-07-31T04:10:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991907 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Asim Chandra Das" /></noinclude>ও ভগবান’ লেখাটির প্রসঙ্গে আবার আমরা ফিরছি। ৪৫ পৃষ্ঠার ১ম কলমে বলা হয়েছে, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী {{wdl|Q40904|ওয়ার্নার হাইসেনবার্গ}}-এর দ্বৈত বিশ্বের (Duplex world) যে ধারণা দিয়েছেন, তা সাংখ্য দর্শনের অব্যক্ত-ব্যস্ত তত্ত্বের মত। ৪৯ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে ‘বিগ ব্যাং’—এর সেই মহাবিস্ফোরণের কথা তাণ্ড্য ব্রাহ্মণ, ‘কঠক সংহিতা’ ইত্যাদি প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে। {{gap}}রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের একমাত্র বাংলা মুখপত্র উদ্বোধন-এর চৈত্র ১৪০০ সংখ্যার ১৪৪ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্বন্ধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিজ্ঞানীমহলে জনপ্রিয় তত্ত্ব ‘বিগ ব্যাং’ (Big Bang)-এর বর্ণনা বিজ্ঞানীদের লেখায় যা পাই, প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থের সৃষ্টি বর্ণনার সঙ্গে রয়েছে তার আশ্চর্য-রকম মিল। বিজ্ঞানের এই ধারণার সঙ্গে তুলনা করা যায় শ্রীমদ্ভাগবতে কথিত সৃষ্টি বর্ণনা: “সকল পদার্থ ভিত হইয়া পরস্পর মিলিত হইল। তাহার পর সেই সকল হইতে একটি অচেতন অণ্ড উৎপন্ন হইল।...ঐ অণ্ড বহির্ভাগে ক্রমশ দশগুণ বর্ধিত প্রধানাদি জলাদি দ্বারা পরিবৃত। সেই অঙেই ভগবান হরির মূর্তিস্বরূপ লোকসমূহ বিস্তৃত আছে। আবার তিনি দশাঙ্গুলি পরিমিত হইলেও এই বিশ্ব আবৃত করিয়া আছেন। মায়ার অধীশ্বর সেই ভগবান বিবিধ রূপ ধারণ কবিতে ইচ্ছা করিয়া আত্মমায়া দ্বারা যদৃচ্ছাক্রমে প্রাপ্তকাল, অদৃষ্ট ও প্রকৃতি আশ্রয় করিয়াছিলেন।” {{gap}}যে প্রবন্ধ থেকে এই অংশটি তুলে দিলাম, তার নাম, ‘বিজ্ঞানমনস্কতা, ভগবদ্ধিশ্বাস ও কুসংস্কার'। লেখক—বিশ্বরঞ্জন নাগ। {{gap}}শ্রীমদ্ভাগবত থেকে আমরা পেলাম, তেজঃপূর্ণ, শক্তিপূর্ণ যে বিশ্ব বিস্ফোরিত হয়ে এই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি, সেই বিশ্ব আবার সষ্টি হয়েছিল সকল পদার্থের আলোড়িত হয়ে মিলনের মধ্য দিয়ে। {{gap}}আধুনিক ‘বিগ ব্যাং'—তত্ত্বের সঙ্গে আশ্চর্যরকম মিলের পরিবর্তে বড় রকম গরমিলই তো চোখে পড়ছে। এরপরও বিশ্বরঞ্জনবাবু আশ্চর্য রকম মিল খুঁজে পেলে, সেটা বিশ্বরঞ্জনবাবুর কথার সত্যতা বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহের সৃষ্টি করে। {{gap}}বিজ্ঞান যখন বলছে, ‘বিগ ব্যাং’ থিওরি যখন বলছে, শক্তিপূর্ণ ওই বিশ্বে সে ধরণের কোনও পদার্থ ছিল না, যে সব পদার্থের সঙ্গে আমরা পরিচিত, জল বায় প্রাণী ইত্যাদি তো দূরের কথা। শ্রীমদ্ভাগবতে বিস্ফোরিত হওয়ার আগের তেজঃপূর্ণ বিশ্ব ‘জলাদি দ্বারা পরিবৃত’ থাকার বর্ণনা পড়েও যাঁরা আশ্চর্য হন, তাঁরা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই যে ‘আশ্চর্য’ হওয়ার ভান করেন, এটুকু বুঝতে কোনও অসুবিধে হয় না। {{gap}}হিন্দু মৌলবাদী, রামকৃষ্ণ মিশনের একমাত্র বাংলা মুখপত্র উদ্বোধন-এর ওই সংখ্যার ১৪৫ পৃষ্ঠাতেই বলা হয়েছে, “ব্ল্যাক হোল’-এর কথা বিজ্ঞানে নতুন হলেও হিন্দু ধর্মে তা আদৌ নতুন নয়। {{ফাঁক}}হিন্দু ধর্মে ব্ল্যাক হোলের কথা কীভাবে আছে? তাও উদাহরণ হিসেবে<noinclude>{{c|১৩৩}}</noinclude> oirxd6bmy12uqnu1wv0ixh11pkk37vh পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/২৮৬ 104 781023 1992177 1986742 2026-07-31T04:28:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992177 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" />{{rh|২৬৬|সাহিত্যে নারী: স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি |}}</noinclude>{{c|“অতোঽসপত্নান্ জয়তে, সমূলেন বিনশ্যতি।”}} {{gap}}বালি-পরিবারেও প্রায় ইহারই অনুরূপ দৃশ্যই দেখা যায়, যথা;—বিতাড়িত কনিষ্ঠ ভ্রাতার পত্নী ‘রুমা’কে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা এবং বলবান্ রাজা গ্রহণ করেছেন, তাতেও লোকনিন্দা বা প্রজাদ্রোহ ঘটেনি! অপর পক্ষে সুগ্রীব রাজা হয়ে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতৃ-জায়া বিদুষী ও রাজ-নাতিজ্ঞা ‘তারা’কে তার পাটরাণী করাতেও রাজ্যের প্রজাবৃন্দ নির্বিচারেই সেই অনাচার মেনে নিয়েছে। এখানে স্পষ্টতঃ দেখা যাচ্ছে, সে দেশের ও সেই সমাজের সেইরূপই প্রথা ছিল। {{gap}}আজও ভারতের দক্ষিণ-পূর্বদিকে কোন কোন সমাজে এই প্রথা বর্তমান আছে। অথচ ঠিক সেই একই সময়ে লক্ষ্মণ ভ্রাতৃজায়া সীতা দেবীর চরণপদ্ম দর্শনে ধন্য হচ্ছেন, মুখ দর্শন করতেও কুণ্ঠানুভব করে থাকেন। {{gap}}পূর্বে বলেছি, কল্পিত-পারস্যের নারী তাদের কল্পিত-সর্বনাশের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে বাঁচলো একটা নারীর বুদ্ধিকৌশলে! এই জগৎ বিখ্যাত পুস্তকটী<ref>আরব্য উপন্যাস।</ref> প্রাচীন আরবের মরুবাসী মূর থেকে প্রাচীন ও নবীন ধর্মের সংমিশ্রিত ও আরব্য পারস্য সভ্যতার বহু চিত্র ও বিচিত্রতর তাদের পূর্বতন সমাজ, রাষ্ট্র, বাণিজ্য প্রভৃতির সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। ‘পারস্য সুন্দরী’ ‘বেদৌরা’, ‘আবুর পত্নী’ এবং আলিবাবার সুবিখ্যাত ‘মর্জিনা’ ‘ইবনেহোসেনে’র পত্নী খলিফা কন্যা রোসেনা প্রমুখ পতিপ্রাণা কূটবুদ্ধিশালিনী উচ্চাঙ্গের নারীদের দেখা ওর মধ্যে আমরা পাই, আবার অতি হীনচরিত্রারাও যে সে যুগে কিছু কম ছিলেন<noinclude>{{rule}}</noinclude> i7x3ge58gmur4u8ag85ciibu2zmh44r পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/১০৪ 104 781025 1992022 1985733 2026-07-31T04:15:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992022 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{center|{{larger|'''॥ তের॥'''}}}} {{center|(দ্বিতীয় পর্যায়)}} {{center|{{larger|'''শান্তিনিকেতন ও লেখকতার প্রারম্ভ'''}}}} দিদি যখন কলকাতার বাইরে নিজের ঘর-সংসার করতে গেলেন আমি তখন মার কাছে একা রইলুম। তখন থেকে মার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা হল। বিলেত যাওয়ার আগে পর্যন্ত দাদাও ছিলেন, কিন্তু দাদা ব্যাটাছেলে তাঁর বহির্মুখী জীবন। তাঁর সখ অনুসারে তাঁকে আরবী ঘোড়া কিনে দেওয়া হয়েছিল। ভোরে উঠে ঘোড়ায় চড়ে বেড়িয়ে আসা, বিকেলে হয় সরেনদের বাড়ি যাওয়া নয় নিজেদের বাড়িতে তাকে ও অন্যদের এনে খেলাধুলা, সন্ধ্যায় মাঝে মাঝে বাগানের গর্ত থেকে বেরন শেয়াল শিকার করা—এই সব তাঁর মুখ্য কাজ ছিল। পড়াশুনাটা গৌণ। সেই সময় ‘সখা’ নামে বালকবালিকাদের জন্যে মাসিক পত্রিকায় একটা কবিতা প্রতি-যোগিতা ঘোষিত হল। মা উৎসাহ দেওয়ায় আমি সেই প্রতিযোগিতার জন্যে দাঁড়ালুম। নির্দিষ্ট বিষয়ে কবিতা রচনা করে সখা-অফিসে পাঠিয়ে দিলুম। ফাস্ট আমিই হলুম, প্রাইজ পেলুম একখানা ইংরেজী ‘ক্লাসিকাল ডিক্‌শনারী’, যত প্রাচীন গ্রীক ও রোমান মাইথলজির গল্প। প্রকাশ্যে রচনায় এই আমার হাতে খড়ি। লিখতে আরম্ভ করেছিলুম কিন্তু কয়েক বছর আগেই। আমাদের শৈশবে সেই সময় একবার সপরিবারে বোলপুর যাওয়া হয়। সেকালের শান্তিনিকেতন সত্যই শান্তিনিকেতন ছিল, ছেলে- বুড়ো সকলেরই মনোমোহন। কর্মকোলাহল ও জনকোলাহলশূন্য, শুধু, শান্ত মৌন প্রকৃতির অবাধ রাজত্বের বিস্তার। {{gap}}শান্তিনিকেতন বাড়িটির গাড়িবারান্দার কার্নিসের উপর অনেকগুলি বড় বড় সমুদ্র-শামুক সাজান ছিল। এমন শামুক এর আগে আমরা কখনও দেখিনি, কি রহসময় মনে হত। তার ছিদ্রের ভিতর কান পাতলে এমন একটা শব্দ পাওয়া যেত ঠিক যেন সমুদ্র কল্লোল। সমুদ্র নিজের তরঙ্গঘন চিত্ত যেন চিরদিনের মত তার ভিতর রুদ্ধ করে রেখেছে। ‘সমুদ্র’ নামটাই তখন আমাদের পক্ষে রহস্যময় ছিল। কর্তা দাদামশায়ের চীন ভ্রমণে যাত্রার বার্তার সঙ্গেই সে নামটি আমাদের পরিচিত হয়েছিল। হয়ত সেই সময়ই তাঁর সংগহীত এই শামুকগুলি। আর রহস্যময় ছিল বোলপুরের খোয়াই পাহাড় ও তাদের মধ্যে দিয়ে বালির ভিতর থেকে<noinclude>{{right|৯১}}</noinclude> 7p9s6x9lcofvn0ffo83yx5spxwnmmvx পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/১০৭ 104 781031 1992023 1985734 2026-07-31T04:15:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992023 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>দিন ধরে অন্যদের লুকিয়ে দু-একটা ছোট গল্প লিখলুম। সরোজা দিদি একদিন ধরে ফেললেন। আমার খাতা কেড়ে নিয়ে সকলকে দেখিয়ে দেখিয়ে ঠাট্টা করে করে বলতে লাগলেন-“লেখিকা হবেন সরলা! গল্প লেখা হয়েছে! কাগজে বেরুবে নাকি?” {{gap}}বড়দের ঠাট্টা-বিদ্রুপ ছোটদের মর্মবিদারক হয়, তাঁর ঠাট্টায় আমার লেখবার প্রবৃত্তি বন্ধ হয়ে গেল। তার অনেক পরে মায়ের উৎসাহে ‘সখা’তে কবিতা প্রতিযোগিতায় কবিতা পাঠালুম। লেখার স্রোতটা কিন্তু ধারাবাহিকভাবে তখন থেকে চলল যে তা নয়। তখন আমি বেশী নিযুক্ত থাকতুম পড়তে। স্কুলের পড়া বলছিনে বাঙলা সাহিত্য, বিশেষ করে পুরনো ভারতী। একেবারে মগ্ন হয়ে থাকতুম তার ভিতর। ঈলিয়াডের অনুকল্পে ‘রামিয়াড়’ প্রভৃতি নতুন মামার কৌতুক রচনা হাসিগত উচ্চ সাহিত্য-রসে আমায় একেবারে ভরপূর রাখত। তখন ভারতীতে প্রতি মাসে হাস্যপ্রধান ‘নক্সা’ বেরত। আমি একবার বিনা নামে একটা নক্সা লিখলুম। মা ভারতীতে বের করলেন। চলে গেল বড়দেরই কারো লেখা বলে। সেই পর্যন্ত নিজের উপর একটা ভরসা এল-লিখতে পারি। বহ, বর্ষ পরে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের হাসির গান যখন আমার কর্ণকুহরে এল- সেগুলো আর মজলিসী আমোদ-প্রমোদের কোটরে পড়ে থাকতে পেল। মহীশূর প্রবাসের অব্যবহিত পর্বে সেগুলি সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে ভারতীতে একটি প্রবন্ধ পাঠালম-‘বাঙলায় হাসির গান ও তার কবি। সাহিত্যের সমুচ্চস্তরে তাদের আসন পাতা হয়ে গেল। দ্বিজ রায় শেষ পর্যন্ত আমার সে বন্ধুকৃত্যটি ভোলেন নি। {{gap}}‘সখা’য় কবিতার পর ‘বালক’—এ আমার দু-একটা রচনা বেরয়। গিরীন্দ্রমোহিনীর সঙ্গে মার তখন ভাব হয়েছে ও ‘মিলন’ পাতাল হয়েছে। তাঁর দেবর অক্রূর দত্ত পরিবারের গোবিন্দ দত্ত রবিমামার বন্ধ ও সাহিত্য-রসিক। ‘বালকে’ প্রকাশিত আমার একটি লেখার তিনি খুব রসগ্রাহী হলেন ও রবিমামাকে সে বিষয়ে লিখে একটি ভবিষ্যদ্বাণী করলেন-“একদিন এই নবীন লেখনী বঙ্গ সাহিত্যে প্রবীণতায় নিজের স্থান নেবে।” রবিমামাই তাঁর চিঠি আমায় পড়ে শোনালেন একটু, হাসতে হাসতে। সে হাসি ঐ ভবিষ্যদ্বাণীর অনুমোদনে বা সন্দিহানে জানিনে। তখন আমার বয়স বার বছর। {{gap}}ইতিমধ্যে আমার এণ্ট্রান্সের টেস্ট পরীক্ষার দিন কাছাকাছি এল। মা শুনে না ভেবে চিন্তেই একটা মন্তব্য করে ফেললেন—“নিশ্চয়ই ফাস্ট<noinclude>{{left|৯৪}}</noinclude> bkcq0r9uw2vv2sgb4r6cdjnao0797ua পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/২৪০ 104 781102 1992026 1985751 2026-07-31T04:15:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992026 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>ফিরিয়া আসেন এবং হাইকোর্টে আইন-ব্যবসায় শুরু করিয়া দেন। এই ব্যবসায়ে তিনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন। তিনি ইংরেজী সাহিত্যে পণ্ডিত ছিলেন। ইংরেজ কবিদের জীবন ও কাব্য সম্বন্ধে তাঁহার কয়েকটি প্রবন্ধ ‘ভারতী’ মাসিকে প্রকাশিত হয়। আশুতোষ স্বদেশের হিতের জন্য বিবিধ আন্দোলনে যোগদান করিয়া ছিলেন। ১৯০৪ সনে বর্ধমানে অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলনে সভাপতি হইয়াছিলেন। অভিভাষণে তিনি বলেন যে, “পরাধীন জাতির রাজনীতি নাই” {“A subject nation has no politics")। এই উক্তিটি লইয়া রাজনীতিক মহলে বিশেষ আলোচনার সৃষ্টি হয়। তিনি সমকালীন রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে যোগদান করেন। স্বদেশী আন্দোলনের সময় জাতীয় শিক্ষা প্রবর্তনে অগ্রণীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। জাতীয় শিক্ষা পরিষদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রুপেও তাঁহার নাম স্মরণীয়। তিনি বহু বৎসর ইহার অবৈতনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি জাতীয় শিক্ষা পরিষদের সভাপতি ছিলেন তিন বৎসর (১৯২০-১৯২৩)। বেঙ্গল ল্যাণ্ডহোল্ডার্স এসোসিয়েসন প্রতিষ্ঠার মূলেও ছিলেন আশুতোষ। এই প্রতিষ্ঠানটি স্বদেশী আন্দোলনের কালে গঠনমূলক কার্যে বিশেষ সহায়তা করে। আশুতোষ ১৯১২ সনে উত্তরবঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে (দিনাজপুর) সভাপতি হন। হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠা কন্যা প্রতিভা দেবীর সঙ্গে তাঁহার বিবাহ হয়। পত্নীর সঙ্গীতানুশীলন এবং সঙ্গীত শিক্ষাদানে তিনি বিশেষ উৎসাহ দান করিতেন। {{gap}}“চৌধরী মহাশয় সদালাপী, মিষ্টভাষী, বিনয়নম্র ও অমায়িক লোক ছিলেন। যেমন কাজের লোক ছাড়া সংসার চলে না, তেমনি কেবল কাজের লোকই পৃথিবীতে থাকিলে লোকালয়ের আনন্দ ও শ্রীসৌন্দর্য্য থাকে না, তজ্জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন আছে। চৌধুরী মহাশয় যে কাজের লোক ছিলেন না, তাহা নহে; কিন্তু তিনি সামাজিকতার জন্য লোকপ্রিয় ছিলেন। এইজন্য তাহার অভাবে কলিকাতার বাঙ্গালী সমাজের এই অংশ অন্যতম ভূষণ হারাইল!”-'প্রবাসী’, আষাঢ় ১৩৩১, পঃ ৪৭৫। {{gap}}'''সার্, রাজেন ও লেডী মুখার্জী:''' সার্ রাজেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় এবং পত্নী লেডী যাদুমণি মুখোপাধ্যায়। ১৮৫৪, জুন মাসে রাজেন্দ্রনাথ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত বসিরহাট মহকুমার ভাবলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছয় বংসর বয়সে তাঁহার পিতৃবিয়োগ হয়। শৈশব ও কৈশোরে তিনি অতি কষ্টে বিদ্যাভ্যাস করেন। বিপদে-আপদে মা ছিলেন একমাত্র সহায়। কোনরুপে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া রাজেন্দ্রনাথ কলিকাতায় ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজে প্রবেশ করেন। তখন এই কলেঞ্জ প্রেসিডেন্সী কলেজের অঙ্গরপে উহারই হাতার মধ্যে অবস্থিত ছিল। কলেজের ত্রৈবার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া তিনি অপরের সঙ্গে অংশীদাররুপে ঠিকাদারী কার্য আরম্ভ করেন। কঠোর পরিশ্রম, অপূর্ব অধ্যাবসায়, আশ্চর্য সততা এবং নিয়মানুবর্তিতার গুণে রাজেন্দ্রনাথ ক্রমে বাবসায়ে উন্নতি করিতে থাকেন। তিনি কলিকাতা, এলাহাবাদ, লক্ষৌ, বারাণসী, পাটনা প্রভৃতি অঞ্চলে জলের কলের ঠিকাদারী করিয়া প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন। মার্টিন কোম্পানীর সমান অংশী রপে তিনি ইহাতে যোগ দেন। পরে তিনিই ইহার সম্পূর্ণ মালিক হন। রাজেন্দ্রনাথ বার্ন কোম্পানীর লৌহ-কারখানা ক্রয় করিয়া যান। ইহা এখন একটি বিরাট প্রতিষ্ঠানে পরিণত হইয়াছে। বাবসাক্ষেত্রে রাজেন্দ্রনাথ দেশে ও বিদেশে বিশেষ মর্যাদা লাভ করিয়াছিলেন। ১৯১১ সনের দিল্লী দরবারে তিনি ‘নাইট’ উপাধি প্রাপ্ত হন। রাজেন্দ্রনাথের দেশহিতৈষণার বিষয় উল্লেখযোগা। তিনি নিজ গ্রামে স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপন করেন, কলিকাতা শ্যামবাজারস্থ অনাথ আশ্রম তাঁহারই অর্থ-সাহায্যে এবং প্রত্যক্ষ পরিচালনায় একটি বিশিষ্ট সমাজহিতকর প্রতিষ্ঠানে দাঁড়াইয়াছিল। ‘সোসাইটি ফর ইমপ্রুভমেণ্ট অব ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস্’—এর সঙ্গে তাঁহার যোগ<noinclude>{{right|২২৩}}</noinclude> maj8vcuapmguxswc9wtf883ua531cc0 পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/২৩৮ 104 781116 1992025 1985749 2026-07-31T04:15:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992025 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>তাহাদের ভার লইতে প্রস্তুত, কোন কোন স্থলে সাধ্যানুসারে অর্থ সাহায্য করিতে প্রস্তুত। {{gap}}“ষে সকল অল্পবয়স্ক অনাথা বিধবা বা কুমারীগণের ভার সখিমমিতি গ্রহণ করিবে, তাহাদিগকে সুশিক্ষিত করিয়া তাঁহাদের দ্বারা স্ত্রীশিক্ষা বিস্তার করা সখি-সমিতির দ্বিতীয় উদ্দেশ্য। শিক্ষিত হইয়া যখন এই বালিকাগণ অন্তঃপুরের শিক্ষা-দান কার্যে নিযুক্ত হইবেন, তখন সমিতি ইহাদিগকে বেতন দান করিবে। ইহা দ্বারা দুইটি কাজ একসঙ্গে সাধিত হইবে। অনাথা ও বিধবা বঙ্গকন্যাগণ হিন্দু, ধর্মানুমোদিত পরোপকার কার্যে জীবন দিয়া সুখে স্বচ্ছন্দে জীবিকা নির্বাহ করতে পারিবেন, আর দেশে স্ত্রীশিক্ষা বিস্তারের একটি প্রকৃত পথ মুক্ত হইবে।” {{center|('ভারতী ও বালক’,পৌষ, ১২৯৫)।}} সখিসমিতির উদ্যোগে একাধিকবার মহিলা শিল্পমেলা অনুষ্ঠিত হয়। সখি-সমিতি বহু বৎসর জীবিত থাকিয়া সমাজসেবায়, বিশেষতঃ নারীজাতির হিতকর্মে রত থাকে। {{gap}}'''মহিলা শিল্পমেলা:''' সরলা দেবী যে শিপ সংগ্রহপূর্বক মেলানুষ্ঠানের কথা বলিয়াছেন তাহাই এই ‘মহিলা শিল্পমেলা'। এই ধরনের মেলার একটির কথা উক্ত বিবরণীতে আছে। ইহার কিয়দংশ এই: {{gap}}“গত ১৫ই পৌয়, কলিকাতার বেথুন স্কুল বাটীতে লেডী বেলী কর্তৃক বেলা দ্বিপ্রহরের সময় হইতে এই মেলা খোলা হয়, মেলা খুলিবার পরেই লেডী ল্যান্সডাউন আগমন করেন।...কলিকাতার অধিকাংশ সম্প্রাস্তু বংশীয় মহিলাগণ এই মেলায় আগমন করিয়াছিলেন। মেলা তিন দিন খোলা ছিল এবং ১২টা হইতে ৩টা অবধি মেলার দোকান খোলা থাকিত। বিক্রেতা, ক্রেতা ও দর্শক সকলেই এই মেলায় মহিলা। মেলা উপলক্ষে বেথুন স্কুলের বাড়িটি লতাপাতাফুল প্রভৃতি দ্বারা সুন্দর করিয়া সাজান হইয়াছিল। বাটীর মধ্যস্থলের খোলা উঠান চাঁদোয়ার দ্বারা ঢাকিয়া উঠানের মধ্যভাগে লতাপাতা রচিত কুটীর নির্মিত হইয়াছিল। কুটীরের মধ্যে ফুলের দোকান। উঠানের চারিপার্শ্বে বারান্দায় ঘরে মহিলাদের ক্রয়োপযোগী নানারূপ দ্রব্যাদ সজ্জিত হইয়াছিল এবং এক এক জন মহিলার উপর বা দুই তিন জনের উপর দ্রব্যবিশেষ বিক্রয়ের ভার ছিল।...এখানে অনেক প্রকার মহিলাশিল্প সংগ্রহ করা হইয়াছিল।.." {{gap}}সরলা দেবী ‘মায়ার খেলা’র অভিনয়ের কথা বলিয়াছেন। উক্ত বিবরণীতে আছে: {{gap}}“মেলার পর বাবু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রণীত ‘মায়ার খেলা’ নামে একখানি গীতি-নাটক বালিকাগণকর্তৃক অভিনীত হইয়াছিল, দর্শক মহিলাগণ অনেকেই অভিনয় দর্শনে বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করিয়াছিলেন।” ('ভারতী ও বালক’, পৌষ ১২৯৫)। {{gap}}'''শশিপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৪০-১৯২৫):''' অপূর্ব ও অনন্যতুল্য সেবা-পরায়ণতার নিমিত্ত তিনি ‘সেবাব্রত’ শশিপদ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে অভিহিত হন। শশিপদ ব্রাহ্মধর্মে একান্ত নিষ্ঠাবান ছিলেন। সর্বজনীন ব্রাহ্মধর্মের প্রবর্তক রামমোহন রায়ের আদর্শে তিনি সাধারণ সভা স্থাপন করেন। ইহারই পরিণতি হয় ‘দেবালয়ে'। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সদ্ভাব স্থাপন, হিন্দু বালবিধবার শিক্ষা ও বিবাহ প্রভৃতি কার্যে তিনি আত্মনিয়োগ করেন। শ্রমজীবীদের নিমিত্ত শ্রমজীবী ক্লাস স্থাপন এবং ‘ভারত শ্রমজীবী’ শীর্ষক মাসিকপত্র (১৮৭৪, বৈশাখ) প্রকাশ দ্বারা তিনি শ্রমজীবীদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক উন্নতিসাধনে তৎপর হন। স্ত্রীশিক্ষার প্রসার ও উন্নতিকল্পে তাঁহার জীবনব্যাপী প্রযত্ন সর্বজনবিদিত। তাঁহার স্থাপিত বরাহনগর হিন্দু বিধবা আশ্রমে বহুসংখ্যক বিধবা শিক্ষা পাইয়া স্বাধীনভাবে<noinclude>{{right|২২১}}</noinclude> 0uekvfxmstz7q57whmfh4czsmmj02rt পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/২৪৪ 104 781118 1992027 1985754 2026-07-31T04:15:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992027 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>{{center|{{larger|'''॥ পনর॥'''}}}} {{gap}}'''গগনদাদা:''' গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬৭-১৯৩৮)। শিল্পগুরু, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা। গগনেন্দ্রনাথ খ্যাতনামা বাঙ্গচিত্র-শিল্পী। তাঁহার বিখ্যাত বাঙ্গচিত্র-গ্রন্থ Reform Screams (নব হুল্লোড়') ১৯২২ সনে প্রকাশিত হয়। নিজে বিদ্যোৎসাহী এবং সাহিত্যসেবীদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। {{center|{{larger|'''॥ ষোল॥'''}}}} {{gap}}'''মহারাণী গার্লস্ স্কুল, মহীশূর:''' সরলা দেবী এই বিদ্যালয়ে এক বৎসর কাল কর্মে লিপ্ত ছিলেন। সমসাময়িক পত্রিকাদিতে এই সময়কার কিছু কিছু সংবাদ বাহির হয়। ইহাতে সরলা দেবীর কার্যকলাপের উপর আলোকপাত হইতেছে: {{gap}}(১) “ভারতীর ভূতপূর্ব সম্পাদিকা শ্রীমতী স্বর্ণকুমারী দেবীর কন্যা শ্রীমতী সরলা দেবী মহীশূর মহারাণীর কলেজে অধ্যাপিকা ছিলেন। তিনি সম্প্রতি ৪৫০ টাকা বেতনে বরদার মহারাণীর প্রাইভেট সেক্রেটারী হইয়াছেন।”—'বামাবোধিনী পত্রিকা’, অগ্রহায়ণ ১৩০২। {{gap}}(২) “কুমারী সরলাদেবী-ইনি বরদার মহারাণীর প্রাইভেট সেক্রেটারীর পদ ত্যাগ করিয়া পুনরায় মহীশূরের কর্মে ফিরিয়া গিয়াছেন।”—ঐ, ফাগুন ১৩০২। {{center|{{larger|'''॥ সতর॥'''}}}} {{gap}}'''ডন সোসাইটির সতীশ মুখুয্যে:''' সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, এম-এ, বি-এল (১৮৬৫-১৯৪৮)। সতীশচন্দ্র হিন্দুশাস্ত্র চর্চা ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন-কল্পে ভবানীপুরে একটি সংস্কৃত চতুম্পাঠী স্থাপন করেন। ইহার মুখপত্র-স্বরূপ ১৮৯৭ সনে ‘ডন পত্রিকা’ প্রকাশিত করিলেন। এই পত্রিকার নাম হইতে ১৯০২ সনে ‘ডন সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্গের বহু শ্রেষ্ঠ মনীষীর প্রবন্ধাবলী এই পত্রিকায় স্থান পাইতে থাকে। ডন সোলাইটিতে সে যুগের উৎকৃষ্ট যুবক ছাত্রগণ যোগ দিয়াছিলেন। সোসাইটির যুবক সদস্যদের মধ্যে অনেকে পরবর্তী কালে বিভিন্ন বিভাগে খ্যাতিলাভ করেন। সতীশচন্দ্রের যুবক শিষ্য এবং ডন সোসাইটির যুবক সদস্যদের মধ্যে বিনয়কুমার সরকার, রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়, হারানচন্দ্র চাকলাদার, রবীন্দ্রনারায়ণ ঘোষ, প্রফুল্লকুমার সরকার প্রভৃতি প্রধান ছিলেন। সতীশচন্দ্র স্বদেশী আন্দোলনের সময় বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ ও স্কুলের সুপারিণ্টেণ্ডেণ্ট হন। অরবিন্দ ঘোষ (শ্রীঅরবিন্দ) পদত্যাগ করিলে সতীশচন্দ্র ইহার অধ্যক্ষ হন। {{gap}}'''বঙ্গের বীর সিরিজের দুখানি বই:''' এই সিরিজের একখানি বই দেখিয়াছি, নাম—'পিতৃধন’, ‘ভারতী’তে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংশোধিত ও পরিবর্ধিত আকারে মুদ্রিত হয়। {{gap}}'''নরেন্দ্রনাথ সেন: ''' (১৮৪৩-১৯১১)। রামকমল সেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র হরিমোহন সেন, তদীয় চতুর্থ পুত্র নরেন্দ্রনাথ। প্রথমে হিন্দু কলেজ ও পরে নিজ গৃহে বিদ্যাভাস করেন। তিনি অল্পবয়স হইতেই সংবাদপত্র সেবায় মনঃসংযোগ করেন। কিশোরীচাঁদ মিত্রের ‘ইণ্ডিয়ান ফিল্ডে’ প্রথম প্রথম তাঁহার রচনা প্রকাশিত হইত। ১৮৬১ সনে ‘ইণ্ডিয়ান মিরর’ প্রকাশিত হইলে তিনি ইহার নিয়মিত লেখক হইলেন। সম্পাদক মনোমোহন ঘোষ ১৮৬৩ সনে বিলাত যান। তদবধি ১৮৬৬ সন পর্যন্ত নরেন্দ্রনাথ এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। কেশবচন্দ্র সেনের তত্ত্বাবধানে ১৮৭১ সন হইতে<noinclude>{{right|২২৭}}</noinclude> 2s0m4quta3tu0wy1v22t8p0a2gc7kxw পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/২৪৫ 104 781119 1992028 1985755 2026-07-31T04:15:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992028 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>এখনি দৈনিকে পরিণত হয়; এই সময় নরেন্দ্রনাথ পুনরায় ইহার সঙ্গে যোগ দেন। কিছুকাল পরে তিনি ক্রমে ইহার সম্পাদক ও স্বত্বাধিকারী হইলেন এবং মত্যুকাল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি রাজনীতি, সমাজসেবী এবং থিয়সফিস্ট মতাবলম্বী ছিলেন। কংগ্রেসের পরিকল্পনা ও প্রতিষ্ঠা অবধি দীর্ঘক্যল তিনি ইহার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। প্রথম কংগ্রেসের (বোম্বাই) অধিবেশনে বঙ্গের তিনজন প্রতিনিধির মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। স্বদেশী আন্দোলনেও তাঁহার সক্রিয় সহযোগিতা লক্ষণীয়। তবে তিনি ছিলেন ধীরপন্থী, অগ্রগামী রাজনীতিক দল বা মতবাদের তিনি সমর্থক ছিলেন না। ১৯১১ সনে সরকারী আনকূল্যে তাঁহারই সম্পাদনায় ‘সুলভ-সমাচার’ পুনঃপ্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সাহিত্য-সংস্কৃতিমূলক প্রতিষ্ঠানের সভাপতিপদে তিনি বৃত ছিলেন। {{center|{{larger|'''॥ আঠার॥'''}}}} {{gap}}'''বীরাষ্টমী ব্রত''' সম্বন্ধে পুস্তকে লিপিবদ্ধ হইয়াছে। এ বিষয়ক সঙ্গীত ‘বীরাষ্টমীর গান’ নিম্নে দিলাম: {{block center|<poem> জান কী মানব কোথাকার তুমি সোনা হতে মূল্যবান, কোথা বহে বায়, সদা সুশীতল জড়াইতে মন প্রাণ। কোথা ফুটে ফল সুবাসে অতুল পারিজাত যার নহে সমতুল, কোথাকার নীর সদা সুধা ঝরে, কারে হেরে হয় পুলকিত মন। পিতামাতা দারাসুত পরিজন, সবা হতে বল কেবা প্রিয়তম, সাধিবারে কাষ লভিলে মরণ, মানব হইবে দেবতা সমান। স্বর্গ হ’তে শ্রেষ্ঠ বল কে বৈভবে, সুধা হ’তে স্বাদু কার নাম ভবে, ::::শোন রে মানব শোন মন দিয়ে, ::::সে যে জন্মভূমি মহা মহীয়ান্। স্বদেশানুরাগে যে জন জাগে, অতি মহাপাপী হোক না কেন তবুও সে জন অতি মহাজন সার্থক জনম তাহার জেনো। দেশহিতব্রত এ পরশমণি, পরশিবে যারে বারেক যখনি, রাজভয় আর কারাভয় তার ঘুচিবে তাহার তখনি জেনো। মাতৃভূমি তরে যেই অকাতরে নিজ প্রাণ দিতে কভু নাহি ডরে অপঘাত ভয় আশু তার যাস মরণে গোলোক যায় সেই জন। </poem>}} {{center|{{larger|'''॥ উনিশ॥'''}}}} {{gap}}'''জাপানী চিত্রকর: ইয়োকোয়ামা:''' ইহার কৃত ‘কালী’ চিত্রের ফোটো ‘প্রবাসী’, আশ্বিন ১৩১০-এ প্রকাশিত হয়। “By the courtesy of Miss Ghosal”- চিত্রের নিম্নে চিত্র ও চিত্রকরের নামের সঙ্গে এইরপ লিপিবদ্ধ আছে। {{gap}}'''—যুন্সো হিষিডা,''' টোকিও কৃত ‘সরস্বতী’—'প্রবাসী’, কার্তিক ১৩১০। উক্ত প্রকার ইহার নিম্নেও মিস ঘোষালের সৌজন্যে লিখিত হইয়াছিল। {{gap}}'''ওকাকুরা:''' ওকাকুরা, ইহার বিখ্যাত পুস্তক 'The Ideal of the East, with special reference to the art of Japan'-১৯০৩ সনে লণ্ডন হইতে প্রকাশিত হয়। {{gap}}'''সত্যসুন্দর দেব:''' জন্ম ২৯শে ডিসেম্বর ১৮৮১। পিতা—ত্রৈলোক্যনাথ দেব। সত্যসুন্দর ১৯০৩ সনের মে মাসে 'Society of Theists' নামক এক সমিতির<noinclude>{{left|২২৮}}</noinclude> dn09tir0qz5zsx5jplf75aan91kmrxi 1992038 1992028 2026-07-31T04:15:57Z Bodhisattwa 2549 1992038 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>এখনি দৈনিকে পরিণত হয়; এই সময় নরেন্দ্রনাথ পুনরায় ইহার সঙ্গে যোগ দেন। কিছুকাল পরে তিনি ক্রমে ইহার সম্পাদক ও স্বত্বাধিকারী হইলেন এবং মত্যুকাল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি রাজনীতি, সমাজসেবী এবং থিয়সফিস্ট মতাবলম্বী ছিলেন। কংগ্রেসের পরিকল্পনা ও প্রতিষ্ঠা অবধি দীর্ঘক্যল তিনি ইহার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। প্রথম কংগ্রেসের (বোম্বাই) অধিবেশনে বঙ্গের তিনজন প্রতিনিধির মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। স্বদেশী আন্দোলনেও তাঁহার সক্রিয় সহযোগিতা লক্ষণীয়। তবে তিনি ছিলেন ধীরপন্থী, অগ্রগামী রাজনীতিক দল বা মতবাদের তিনি সমর্থক ছিলেন না। ১৯১১ সনে সরকারী আনকূল্যে তাঁহারই সম্পাদনায় ‘সুলভ-সমাচার’ পুনঃপ্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সাহিত্য-সংস্কৃতিমূলক প্রতিষ্ঠানের সভাপতিপদে তিনি বৃত ছিলেন। {{center|{{larger|'''॥ আঠার॥'''}}}} {{gap}}'''বীরাষ্টমী ব্রত''' সম্বন্ধে পুস্তকে লিপিবদ্ধ হইয়াছে। এ বিষয়ক সঙ্গীত ‘বীরাষ্টমীর গান’ নিম্নে দিলাম: {{block center|<poem> জান কী মানব কোথাকার তুমি সোনা হতে মূল্যবান, কোথা বহে বায়, সদা সুশীতল জড়াইতে মন প্রাণ। কোথা ফুটে ফল সুবাসে অতুল পারিজাত যার নহে সমতুল, কোথাকার নীর সদা সুধা ঝরে, কারে হেরে হয় পুলকিত মন। পিতামাতা দারাসুত পরিজন, সবা হতে বল কেবা প্রিয়তম, সাধিবারে কাষ লভিলে মরণ, মানব হইবে দেবতা সমান। স্বর্গ হ’তে শ্রেষ্ঠ বল কে বৈভবে, সুধা হ’তে স্বাদু কার নাম ভবে, ::::শোন রে মানব শোন মন দিয়ে, ::::সে যে জন্মভূমি মহা মহীয়ান্। স্বদেশানুরাগে যে জন জাগে, অতি মহাপাপী হোক না কেন তবুও সে জন অতি মহাজন সার্থক জনম তাহার জেনো। দেশহিতব্রত এ পরশমণি, পরশিবে যারে বারেক যখনি, রাজভয় আর কারাভয় তার ঘুচিবে তাহার তখনি জেনো। মাতৃভূমি তরে যেই অকাতরে নিজ প্রাণ দিতে কভু নাহি ডরে অপঘাত ভয় আশু তার যাস মরণে গোলোক যায় সেই জন। </poem>}} {{center|{{larger|'''॥ উনিশ॥'''}}}} {{gap}}'''জাপানী চিত্রকর: ইয়োকোয়ামা:''' ইহার কৃত ‘কালী’ চিত্রের ফোটো ‘প্রবাসী’, আশ্বিন ১৩১০-এ প্রকাশিত হয়। “By the courtesy of Miss Ghosal”- চিত্রের নিম্নে চিত্র ও চিত্রকরের নামের সঙ্গে এইরপ লিপিবদ্ধ আছে। {{gap}}'''—যুন্সো হিষিডা,''' টোকিও কৃত ‘সরস্বতী’—‘প্রবাসী’, কার্তিক ১৩১০। উক্ত প্রকার ইহার নিম্নেও মিস ঘোষালের সৌজন্যে লিখিত হইয়াছিল। {{gap}}'''ওকাকুরা:''' ওকাকুরা, ইহার বিখ্যাত পুস্তক 'The Ideal of the East, with special reference to the art of Japan'-১৯০৩ সনে লণ্ডন হইতে প্রকাশিত হয়। {{gap}}'''সত্যসুন্দর দেব:''' জন্ম ২৯শে ডিসেম্বর ১৮৮১। পিতা—ত্রৈলোক্যনাথ দেব। সত্যসুন্দর ১৯০৩ সনের মে মাসে 'Society of Theists' নামক এক সমিতির<noinclude>{{left|২২৮}}</noinclude> f7yrdyixfbh4xs6ds56hoqd59n5rst9 পাতা:জীবনের ঝরাপাতা.pdf/২৪৬ 104 781120 1992029 1985756 2026-07-31T04:15:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992029 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jdebabrata" /></noinclude>বৃত্তিলাভ করিয়া শিল্প ও কারিগরি বিদ্যা শিক্ষার জন্য জাপানে গমন করেন। জাপান হইতে ফিরিয়া তিনি 'Calcutta Pottery Works' স্থাপন করেন। সত্যসুন্দর দেবের পুত্র সরল দেবের কথাও পুস্তকে উল্লিখিত হইয়াছে। {{center|{{larger|'''॥ কুড়ি॥'''}}}} {{gap}}'''‘ভারতী'''' পত্রিকার গৌরব বৃদ্ধির জন্য সয়লা দেবী বাঙ্গালী ছাড়াও অবাঙ্গালী কয়েকজন বিখ্যাত মনীষীর ইংরেজী রচন্য বাংলায় অনুবাদ করিয়া প্রকাশিত করেন। লেখকদের নাম সহ এইরপ কয়েকটি রচনা: {{gap}}আর্য্যা নিবেদিতা: ‘প্রত্যেক মা ছেলের জন্য কি করিতে পারে'—'ভারতী’, জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬, ‘বঙ্গমাতার কর্তব্য'—'ভারতী’, শ্রাবণ ১৩০৬ {{gap}}মহাদেব গোবিন্দ রানাড়ে: ‘পূর্ব্বকালের সমাজশাসন'—'ভারতী’, শ্রাবণ ১৩০৭ {{gap}}মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী: ‘দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতোপনিবেশ’—‘ভারতী’, বৈশাখ ১৩০৯ {{gap}}শিতোবু হোরী: ‘জাপানের সনাতন আদর্শ’—'ভারতী’, বৈশাখ ১৩১০ {{center|{{larger|'''॥ একুশ॥'''}}}} {{gap}}'''স্বামী স্বরূপানন্দ:''' (? ১৮৭২-১৯০৬): পূর্বাশ্রমে স্বামিজীর নাম ছিল অজয়হরি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ভবানীপুরে সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের সহযোগে হিন্দুশাস্ত্র চর্চা এবং হিন্দু-সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে একটি চতুষ্পাঠী প্রতিষ্ঠা করেন। ‘ডন’ পত্রিকা সম্পাদনা এবং প্রকাশেও তিনি সতীশচন্দ্রের সহযোগী হন। স্বামী বিবেকানন্দের সংস্রবে আসিয়া তিনি ১৮৯৮ সনে তিনি সন্ন্যসব্রত গ্রহণ করেন। তিনি মায়াবতী অদ্বৈতাশ্রমের প্রথম অধ্যক্ষ। ‘প্রবুদ্ধ ভারত’ মাদ্রাজ হইতে মায়াবতীতে নীত হইলে তিনি ইহার সম্পাদনায় ব্রতী হন। আট বৎসর কাল তিনি যোগ্যতার সহিত ‘প্রবুদ্ধ ভারত’ সম্পাদনা করেন। তিনি সেবাপরায়ণ ছিলেন এবং যুবকগণকে সেবাধর্মে উদ্বুদ্ধ করেন। স্বরূপানন্দ হিন্দুশাস্ত্রে বিশেষ ব্যুৎপন্ন ছিলেন। তাঁহার বেদান্তব্যাখ্যা শ্রবণে শ্রোতৃগণ মুগ্ধ হইতেন। শ্রীমদ্‌ভাগবদ্‌গীতার তৎকৃত শঙ্করভাষ্য-ভিত্তিক ইংরেজী অনুবাদ শিক্ষিত-সমাজে বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছি। সরলা দেবী হিমালয়ে অবস্থানকালে স্বামী স্বরূপানন্দদের নিকট শাস্ত্র- ব্যাখ্যা শুনিয়া সবিশেষ মুগ্ধ হন {{center|{{larger|'''॥ বাইশ॥'''}}}} {{gap}}'''আনন্দ রায়:'''আনন্দচন্দ্র রায়: (? ১৮৪৪-১৯৩৫)। কবি গোবিন্দচন্দ্র রায়ের মধ্যম ভ্রাতা, স্বদেশী আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট নেতা। আনন্দচন্দ্রের কর্মক্ষেত্র ছিল ঢাকায়। এখানে তিনি ওকালতি ব্যবসা করিয়া প্রচুর অর্থ উপাভ করেন। আলিপুর বোমার মামলা, কুমিল্লা শুটিং কেস্ প্রভৃতি রাজনৈতিক মোকদ্দমায় তিনি অন্যতম কৌঁসুলী ছিলেন। রাজনীতি এবং সমাজকর্মী হিসাবে তাঁহার প্রসিদ্ধি। শিক্ষা, শিল্প-প্রতিষ্ঠানাদির সঙ্গে তাহার ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল। ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটির প্রথম বেসরকারী চেয়ারম্যান, বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলনের সভাপতি, ঢাকেশ্বরী কটন মিলস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে অন্যতম উদ্যোক্তা। ৯১ বৎসর বয়সে তিনি ইহধাম ত্যাগ করেন।<noinclude>{{right|২২৯}}</noinclude> ji2kmhzv8z1rs36u2vahg0hergi0cr3 পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/১৬২ 104 781165 1992170 1533965 2026-07-31T04:28:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992170 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nafiul adeeb" />{{rh|১৪২|সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি|}}</noinclude>অঙ্গ হিসাবে গৃহীত হয়েছিল। দেশে ফিরে সংস্কৃত পড়া আরম্ভ করেন, বোধ হয় ইচ্ছা ছিল এবার স্বদেশী ভাষায় বই লিখবেন। মহাভারত রামায়ণ পুরাণ প্রভৃতি যত্নের সঙ্গে পড়ছিলেন, দুরন্ত কাল অমন জীবন-রত্নটাকে নির্মম হস্তে অকালে হরণ করে নিলে! এঁর ভগ্নী অরু দত্তের নামও ইংরাজী-সাহিত্যে সুপরিচিত। {{gap}}১৮৯৪ খৃষ্টাব্দে বাংলা হিসাবে নূতন শতাব্দী (১৩০১) আরম্ভ হ’ল, এ বৎসরে প্রসন্নময়ী দেবীর ‘নীহারিকা’ ২য় ভাগ একখানি উল্লেখযোগ্য পুস্তক বলা যায়। {{gap}}এ ছাড়া ১৮৯৪ খৃষ্টাব্দে সরোজিনী দেবীর ‘সুধাময়ী’ মানকুমারী বসুর প্রবন্ধের বই ‘শুভসাধনা’ ছাপা হয়। {{gap}}১৮৯৫ খৃষ্টাব্দে সরোজকুমারী গুপ্তার ‘হাসি ও অশ্রু’ এবং রাণী মৃণালিনীর ‘নির্ঝরিণী,’ কবিতার বই, “দুঃখমালা” রচয়িত্রীর লেখা ‘বিরাটনন্দিনী’ নাটক, স্বর্ণকুমারী দেবীর ‘কবিতা ও গান’। এই সময় সরলাদেবী ও হিরন্ময়ী দেবী ভারতীর সম্পাদন-ভার গ্রহণ করেন। হিরন্ময়ী দেবী ভারতীকে বহু কবিতা উপহার প্রদান করেছেন, ছাপাবই সম্ভবতঃ হয়নি। {{gap}}১৮৯৬ খৃষ্টাব্দে মানকুমারী বসুর ‘কনকাঞ্জলি’, কুন্দকুমারী গুপ্তার ধর্মতত্ত্বের বই ‘প্রেমবিন্দু’। {{gap}}১৮৯৭ খৃষ্টাব্দে অম্বুজাসুন্দরী দাসগুপ্তার ‘প্রীতি ও পূজা’ গিরীন্দ্রমোহিনীর ‘শিখা’। প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবীর সম্পাদনায় ‘পুণ্য’ মাসিক পত্রিকা এই বৎসর বাহির হয়। বনলতাদেবী সম্পাদিত ‘অন্তঃপুর’ পত্রিকাও এই বৎসরে প্রকাশিত হয়। {{gap}}১৮৯৮ খৃষ্টাব্দে নগেন্দ্রবালা মুস্তফীর ‘প্রেমগাথা’, তরঙ্গিণী দাসীর ‘বনফুল হার,’ স্বর্ণকুমারী দেবীর ‘কাহাকে’।<noinclude></noinclude> qfmxwag2u0bc3ke10vai3ezcknvv2z7 পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/১৭২ 104 781239 1992171 1928626 2026-07-31T04:28:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992171 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nafiul adeeb" />{{rh|১৫২|সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী|}}</noinclude>{{gap}}১৯২৮ খৃষ্টাব্দে—প্রভাবতী সরস্বতীর ‘পথের শেষে’ ও ‘তরুণের অভিযান’, উপন্যাস দু’খানি ছাপা হয়ে বাহির হয়। অনুরূপা দেবীর ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘ত্রিবেণী’ প্রকাশিত হয়। শরৎকামিনী বসুর ‘সদগুরু কথামৃত’, রাণী নিরুপমার ‘গোধূলী’। তমাল লতা বসুর ‘অমিয়’, তুষার মালার ‘সীবন ও কাটিং শিক্ষা’, তরুবালার ‘কলিকাতায় তিনটি বিবাহ’। {{gap}}১৯২৯ খৃষ্টাব্দে—শৈলবালা সেনের ‘অনুকণা’, কনকলতা ঘোষের ‘রেখা’ কাব্য, অনুরূপা দেবীর উপন্যাস ‘উত্তরায়ণ,’ গীতা দেবীর নাটক ‘বিপর্য্যয়’, রাধারাণী দেবীর ‘প্রেমের পূজা,’ রমা দেবীর ‘নির্ম্মাল্য’, হেমলতা দেবীর ‘মেয়েদের কথা,’ কামিনী রায়ের ‘দীপ ও ধূপ,’ নীহারবালা দেবীর ‘আদর্শ রন্ধন শিক্ষা’, উমা দেবীর ‘সনাতন পাকপ্রণালী’, কনকতারা ঘোষের ‘রেখা কাব্য’, শৈলবালা ঘোষের ‘শান্তি’, প্রভাবতী সরস্বতীর ‘খেয়ার শেষে’। {{gap}}১৯৩০ খৃষ্টাব্দে—ইন্দুরেখা দেবীর ‘ধ্রুবচরিত’, গিরিবালা দেবীর উপন্যাস ‘হিন্দুর মেয়ে’, ইন্দ্রাণী দেবীর উপন্যাস ‘শুভদৃষ্টি’, চারুলতা দেবীর কাব্য ‘ব্যথিতার গান,’ বিমলা দেবীর ‘চিত্রলেখা’, কামিনী রায়ের ‘জীবন পথে’, শান্তিসুধা ঘোষের ‘শকুন্তলা’, ইন্দুসুধা ঘোষের ‘সীবনী,’ ৺সুরবালা ঘোষের ‘মধুরা’ (কবিতা সংগ্রহ) বিননাদিনী মিত্রের ‘শ্রীদুর্গাচরণ নাগ’, রাধারাণী দেবীর কবিতা পুস্তক ‘লীলা কমল’, বনলতা দেবীর ‘ব্রাহ্মণ পরিবার’, মৈত্রেয়ী দেবীর ‘উদিতা’ কাব্য, প্রভা দেবীর গীতায়ণ’, বিমল দেবীর ‘চিত্রলেখা’, লক্ষ্মীমণি দেবীর ‘অভিশপ্ত’, প্রভাবতী সরস্বতীর ‘ব্রতচারিনী। {{nop}}<noinclude></noinclude> qvfvqgnius6nwjcrulun1z1iassp1f2 পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/৩৮৮ 104 781325 1992178 1515739 2026-07-31T04:28:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992178 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Suvray" />{{rh|৩৬৮|সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী|}}</noinclude>আমাদের মনে পড়িয়ে দেয় রবীন্দ্রনাথের সেই বিয়ের কনের “জীবনযৌবন ক্ষয় করে” তৃপ্তিসাধনের প্রস্তাবের উত্তর;—“আরো কুল পাড়ো গোটা ছয়।” {{ফাঁক}}নব্য-বন্যার নূতনস্রোতে ভাসমানা মেয়েদের নিয়ে তাঁর রঙ্গব্যঙ্গ সর্বত্রই যে অস্বাভাবিক হয়েছে তা’ কেউই বলবে না, কবির চিত্তে ভবিষ্যতের ছায়া পড়ে এ চিরন্তন সত্য কথা! “ফাটকে আর আটক রবো না।” এ ত মেয়েরা বলেইছে চিরদিন এবং আটক আর নেইও। “বিবাহবিভ্রাটে’’র বিলাসিনী কার্‌ফরমা সমাজে অদৃষ্টপূর্বা ন’ন। খাসদখলের বিধুঝির “বাবুকে বাঘে খাইয়াছে, পৃথিবী গোলাকার, মা দুঃখ করিবেন না।” সত্যই উপভোগ্য! শিক্ষিতা মহিলা মোক্ষদার;—“বিধুঝি, যে আমার চুল আঁচড়ে দেয়, ষ্টকিং পরিয়ে দেয়, তার যখন জ্বর হয় তখন ওঠে একশ চার, আর আমার কি না নাইনটি-নাইন!” অতি উপাদেয়। গিরিবালা চরিত্রটিতে চিরপুরাতনী নারীর সেই সনাতনী রূপ যার একান্ত অভাব ঘটলে পৃথিবী থাকলো বা গেল কিছুই এসে যাবে না! অমৃতলাল তাঁর ‘বাবু’, ‘বৌমা’, ‘অবতার’ ‘কালাপানি’ প্রভৃতিতে বহু বিভিন্ন নারীচরিত্র সৃষ্টি করেছেন। “তরুবালা”র পারুলে এবং তরুবালায় মোহ এবং প্রেমের দুই পরস্পরবিরোধী ছবি সুন্দর রূপে ফুটেছে। ঠান্‌দি চরিত্রটী সত্যই সুন্দর। অমৃতলাল বহুবিধ হাস্য-সরস সঙ্গীতে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং অনেক দিক থেকেই অভাগা বাঙ্গালীর প্রাণে হাসি যুগিয়েছেন, অন্ততঃ কিছুক্ষণ সময়ের জন্যও। “ঠানদি, তোমায় সাজাব কনে”,“ও-মা গঙ্গা তোর রাঙ্গা পায়ে দে’ জননি স্থান”, “ইংরাজীতে এলে বি-এ, পাশ করেছেন<noinclude></noinclude> psmak78dr9nigdxocbxhylfjhmoouct পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/১৮১ 104 781538 1992173 1515676 2026-07-31T04:28:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992173 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Suvray" />{{rh||সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী|১৬১}}</noinclude>দেবীর “খণ্ড মেঘ”, আমোদিনী ঘোষের ‘‘ফস্কাগেরো”। {{ফাঁক}}১৯৪৩ খৃষ্টাব্দে স্নেহলতা দেবীর ‘অঞ্জলী’ এবং আভা দেবীয় ‘অর্চ্চনা’ কাব্য, বাসন্তী চক্রবর্তীর কুমুদিনী বসুর ‘জীবন চরিত’, অন্নপূর্ণা গোস্বামীর ‘ভ্রষ্টা”, মায়া দেবী বসুর ‘ত্রিধারা’ উপন্যাস, সুজাতা দেবীর “ওমর খৈয়াম”, মহমুদা সিদ্দিকির ‘পূজারিণী’, স্নেহময়ী রায়, বি-এর “বাংলার রাণী ও বেগম”, জীবন-কথা, শ্রীমতী প্রতিমা ঠাকুরের ‘নির্ব্বাণ’ (রবীন্দ্র-কথা), শ্রীমতী রাণী চন্দের ‘ঘয়োয়া’ (রবীন্দ্র-কথা), শ্রীমতী মৈত্রেয়ী দেবীয় “মংপুতে রবীন্দ্রনাথ”, বীণাপাণি দেবীর “ছেলেদের পিকনিক” ও “মেয়েদের পিকনিক” এই বৎসর বা পূর্ব বৎসর ছাপা হয়েছে। {{ফাঁক}}১৯৪৪ খৃষ্টাব্দের সব চেয়ে উল্লেখযোগ্য বই ডক্টর রমা চোধুরীর “বেদান্ত দর্শন’’, ইতিমধ্যে “নিম্বার্ক দর্শন” লিখে তিনি খ্যাতি লাভ করেছিলেন। {{ফাঁক}}শ্রীমতী বাণী রায়ের ‘জুপিটার’ কবিতা পুস্তক, বাণী গুপ্তা এম-এ, বি-টির ‘ছেলেদের জাহাঙ্গীর’ শ্রীমতী অপরাজিতার ‘শালবন’ ও শ্রীমতী পুষ্পলতার ‘মরুতৃষা’ উপন্যাস প্রকাশিত হয়ে তাঁদের সাহিত্যিক যশ বৃদ্ধি করেছে। {{ফাঁক}}কিন্তু এই বৎসর ও ইহার পূর্ববর্তী বৎসরে ছাপার কাগজের অভাবে বহু লেখক ও তথা লেখিকার পুস্তক প্রকাশের দারুণ বিঘ্ন উপস্থিত করেছে। এর মধ্যে কয়েকজন লেখিকা আছেন, যাঁদের লেখা ছাপা হ’লে বঙ্গসাহিত্য সত্যই লাভবান্‌ হ’তে পারত। তাঁদের মধ্যের দু’জনকার নাম উল্লেখ করবো, একজন শ্রীমতী অরুণা সিংহ ও অপরা পুষ্প মুখোপাধ্যায়। দু’জনেই ডবল এম-এ<noinclude></noinclude> ep1syfer4ms7wyfo0g4xhtc8ph0d3p6 পাতা:সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী.pdf/১৮৩ 104 781541 1992174 1515747 2026-07-31T04:28:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992174 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Suvray" />{{rh||সাহিত্যে নারী ⦂ স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি - অনুরূপা দেবী|১৬৩}}</noinclude>{{Block center|<poem>“ঘর ছেড়ে যারা বাহিরের পথে অসময়ে চলে গেছে, ভালবেসে তারা নিশিদিন ফিরে কাছে হতে আরও কাছে।</poem>}} {{ফাঁক}}ইহলোকের সঙ্গে “পরলোকের” আর যেন “অজানা রহস্য” নেই! উভয় জগতের অর্ধবাসী পরস্পরের মিলন-সূত্র হাতে নিয়ে যেন একান্ত কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে; তাই লেখিকা পরম আশ্বস্ত চিত্তে বলতে পেরেছেন;— {{C|“যারা কাছে আর যারা দূরে আছে জনে জনে দিনু সঁপি।”}} {{ফাঁক}}পূর্বেই বলেছি বর্ত্তমানযুগের লেখিকাদের মধ্যে অনেকেরই পুস্তক প্রকাশের তিথি-তারিখ জানা না থাকায় তাঁদের লেখা অনেক পুস্তকের পরিচয় যথাস্থানে হয়ত দেওয়া হয় নি, যাঁদের পুস্তক সংখ্যা বেশী তাঁদের ক’জনের মাত্র লিখিত পুস্তকের (১৯৪৫-৪৬) একটী করে তালিকা দিচ্ছি;—শ্রীমতী শান্তা দেবী ও সীতা দেবীর একত্রে “উদ্যানলতা” উপন্যাস, ‘‘নিরেট গুরুর কাহিনী”,“হুক্ক হুয়া”,‘সাত রাজার ধন’। এই “উদ্যানলতা” সেদিনে সাহিত্য-কাননে একটা নূতনত্বের সমাবেশ করেছিল। তারপর তাঁরা তাঁদের ধরণে বহু গল্প উপন্যাস বঙ্গ-সাহিত্যকে দান করেছেন এবং বলা বাহুল্য এ দান বাংলা সাহিত্য সম্পূর্ণ কৃতজ্ঞতার সঙ্গেই গ্রহণ করেছে। {{ফাঁক}}শ্রীমতী শান্তাদেবীর ‘‘উষসী”, “স্মৃতির সৌরভ”, “শোক ও সান্ত্বনা”, “চিরন্তনা”, “সিঁথির সিঁদুর”, “বধূবরণ”, “অলখনিরঞ্জন”, “দুহিতা”, “পথের দেখা’, “রামানন্দ ও অর্দ্ধ শতাব্দীর বাংলা”, শ্রীমতী সীতা দেবী লিখিত পুস্তকাবলী “বন্যা”, মাতৃঋণ”, পরভৃতিকা”, “তিনটী গল্প”, “পূণ্যস্মৃতি”, “জন্মসত্ত্ব”, “আজবদেশ”, “ছায়াবীথি”, “বজ্রমণি”, “সোনার খাঁচা”, “সাত রাজার ধন”,<noinclude></noinclude> qqse217v7y81fpe6pp507bq9gkdv57o পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭ 104 782785 1991997 1964905 2026-07-31T04:12:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991997 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jayantanth" />{{center|বিবেচনা ও অবিবেচনা}}</noinclude>নূতন নূতন অভিজ্ঞতার পথ ধরিয়া সে আপনার অধিকার বিস্তার করিয়া চলিতে চায়। প্রাণ দুঃসাহসিক— বিপদের ঠোকর খাইলেও সে আপনার জয়যাত্রার পথ হইতে সম্পূর্ণ নিরস্ত হইতে চায় না। কিন্তু তাহার মধ্যে একটি প্রবীণও আছে, বাধার বিকট চেহারা দেখিবামাত্রই সে বলে, কাজ কী! বহু পুরাতন যুগ হইতে পুরুষানুক্রমে যত-কিছু বিপদের তাড়না আপনার ভয়ের সংবাদ রাখিয়া গিয়াছে তাহাকে পুঁথির আকারে বাঁধাইয়া রাখিয়া একটি বৃদ্ধ তাহারই খবরদারি করিতেছে। নবীন প্রাণ এবং প্রবীণ ভয়, জীবের মধ্যে উভয়েই কাজ করিতেছে। ভয় বলিতেছে, “রোস রোস’, প্রাণ বলিতেছে, “দেখাই যাক-না'। {{gap}}অতএব এই প্রবীণতার বিরুদ্ধে আমরা আপত্তি করিবার কে। আপত্তি করিও না। তাঁহার বৈঠকে তিনি গদিয়ান হইয়া থাকিবেন, সেখান হইতে তাঁহাকে আমরা নড়িয়া বসিতে বলি এমন বেআদব আমরা নই। কিন্তু প্রাণের রাজ্যে তাঁহাকেই একেশ্বর করিবার যখন ষড়যন্ত্র হয় তখনই বিদ্রোহের ধ্বজা তুলিয়া বাহির হইবার দিন আসে। দুর্ভাবনা এবং নির্ভাবনা উভয়কেই আমরা খাতির করিয়া চলিতে রাজি আছি। {{gap}}প্রাণের রাজ্যাধিকারে এই উভয়েই শরিক বটে কিন্তু উভয়ের অংশ যে সমান তাহাও আমরা মানিতে পারি না। নির্ভাবনার অংশটাই বেশি হওয়া চাই নহিলে স্রোত এতই মন্দ বহে যে শেওলা জমিয়া জলটা চাপা পড়ে। মৃত্যুসংখ্যার চেয়ে জন্মসংখ্যা বেশি হওয়াই কল্যাণের লক্ষণ। {{gap}}পৃথিবীতে বারো আনা জল চার আনা স্থল। এরূপ বিভাগ না হইলে বিপদ ঘটিত। কারণ জলই পৃথিবীতে গতিসঞ্চার করিতেছে, প্রাণকে বিস্তারিত করিয়া দিতেছে। জলই খাদ্যকে সচল করিয়া<noinclude>{{center|২১}}</noinclude> m3e5ldqyfxhqi01n686xqh3a7bivmu2 1992007 1991997 2026-07-31T04:13:28Z Bodhisattwa 2549 1992007 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jayantanth" />{{center|বিবেচনা ও অবিবেচনা}}</noinclude>নূতন নূতন অভিজ্ঞতার পথ ধরিয়া সে আপনার অধিকার বিস্তার করিয়া চলিতে চায়। প্রাণ দুঃসাহসিক— বিপদের ঠোকর খাইলেও সে আপনার জয়যাত্রার পথ হইতে সম্পূর্ণ নিরস্ত হইতে চায় না। কিন্তু তাহার মধ্যে একটি প্রবীণও আছে, বাধার বিকট চেহারা দেখিবামাত্রই সে বলে, কাজ কী! বহু পুরাতন যুগ হইতে পুরুষানুক্রমে যত-কিছু বিপদের তাড়না আপনার ভয়ের সংবাদ রাখিয়া গিয়াছে তাহাকে পুঁথির আকারে বাঁধাইয়া রাখিয়া একটি বৃদ্ধ তাহারই খবরদারি করিতেছে। নবীন প্রাণ এবং প্রবীণ ভয়, জীবের মধ্যে উভয়েই কাজ করিতেছে। ভয় বলিতেছে, “রোসো রোসো”, প্রাণ বলিতেছে, ‘দেখাই যাক-না’। {{gap}}অতএব এই প্রবীণতার বিরুদ্ধে আমরা আপত্তি করিবার কে। আপত্তি করিও না। তাঁহার বৈঠকে তিনি গদিয়ান হইয়া থাকিবেন, সেখান হইতে তাঁহাকে আমরা নড়িয়া বসিতে বলি এমন বেআদব আমরা নই। কিন্তু প্রাণের রাজ্যে তাঁহাকেই একেশ্বর করিবার যখন ষড়যন্ত্র হয় তখনই বিদ্রোহের ধ্বজা তুলিয়া বাহির হইবার দিন আসে। দুর্ভাবনা এবং নির্ভাবনা উভয়কেই আমরা খাতির করিয়া চলিতে রাজি আছি। {{gap}}প্রাণের রাজ্যাধিকারে এই উভয়েই শরিক বটে কিন্তু উভয়ের অংশ যে সমান তাহাও আমরা মানিতে পারি না। নির্ভাবনার অংশটাই বেশি হওয়া চাই নহিলে স্রোত এতই মন্দ বহে যে শেওলা জমিয়া জলটা চাপা পড়ে। মৃত্যুসংখ্যার চেয়ে জন্মসংখ্যা বেশি হওয়াই কল্যাণের লক্ষণ। {{gap}}পৃথিবীতে বারো আনা জল চার আনা স্থল। এরূপ বিভাগ না হইলে বিপদ ঘটিত। কারণ জলই পৃথিবীতে গতিসঞ্চার করিতেছে, প্রাণকে বিস্তারিত করিয়া দিতেছে। জলই খাদ্যকে সচল করিয়া<noinclude>{{center|২১}}</noinclude> 0t2nuf0zhyh3qwpw55y1ts09d6u0838 পাতা:কথা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩১ 104 788886 1991970 1631761 2026-07-31T04:11:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991970 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh||কথা|২৫}}{{block center/s}}</noinclude><poem> আঁকিতেছিল সে যত্নে সিঁদুর {{gap}}সিঁথির সীমার পরে। শ্রীমতীরে হেরি বাঁকি গেল রেখা {{gap}}কাঁপি গেল তার হাত,— কহিল, অবােধ, কি সাহস-বলে এনেছিস পূজা, এখনি যা চলে’, কে কোথা দেখিবে, ঘটিবে তাহলে {{gap}}বিষম বিপদপাত। অস্ত-রবির রশ্মি-আভায় {{gap}}খােলা জানালার ধারে কুমারী শুক্লা বসি একাকিনী পড়িতে নিরত কাব্য-কাহিনী, চমকি উঠিল শুনি কিঙ্কিণী {{gap}}চাহিয়া দেখিল দ্বারে। শ্রীমতীরে হেরি পুঁথি রাখি ভূমে {{gap}}দ্রুতপদে গেল কাছে। কহে সাবধানে তার কানে কানে রাজার আদেশ আজি কে না জানে, এমনি করে কি মরণের পানে {{gap}}ছুটিয়া চলিতে আছে? দ্বার হতে দ্বারে ফিরিল শ্রীমতী {{gap}}লইয়া অর্ঘ্যথালি।</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> kykc0na5benrk6of36eiwzk4ur5swxc পাতা:কথা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৩ 104 789414 1991971 1614025 2026-07-31T04:11:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991971 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh||কথা|৬৭}}</noinclude>{{block center/s}}<poem> {{C|{{xx-larger|বন্দীবীর}}}} {{gap}}পঞ্চ নদীর তীরে {{gap}}বেণী পাকাইয়া শিরে দেখিতে দেখিতে গুরুর মন্ত্রে {{gap}}জাগিয়া উঠেছে শিখ,— {{gap}}নির্ম্মম নির্ভীক। হাজার কণ্ঠে গুরুজীর জয় - {{gap}}ধ্বনিয়া তুলেছে দিক্‌। {{gap}}নূতন জাগিয়া শিখ, নূতন উষার সূর্য্যের পানে {{gap}}চাহিল নির্ণিমিখ। {{gap}}“অলখ নিরঞ্জন—” মহারব উঠে বন্ধন টুটে {{gap}}করে ভয়-ভঞ্জন। বক্ষের পাশে ঘন উল্লাসে {{gap}}অসি বাজে ঝঞ্জন। পাঞ্জাব আজি গরজি উঠিল। {{gap}}“অলথ নিরঞ্জন।” {{gap}}এসেছে সে এক দিন লক্ষ পরাণে শঙ্কা না জানে {{gap}}না রাখে কাহারাে ঋণ।</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 6kndw23bw121tfuok3c7smcbqgngpxo পাতা:কথা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮২ 104 789434 1991972 1964444 2026-07-31T04:11:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991972 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh|৭৬|কথা|}}{{block center/s}}</noinclude><section begin="A" /><poem>কহিলা রাজা “অচলগড় দেশের সেরা জগত-পর”, সভার মাঝে পরস্পর {{gap}}নীরবে উঠে পরিহাস। বাশা কহে “অচল হয়ে {{gap}}অচলগড় কর বাস।”</poem>{{block center/e}} {{left|১লা কার্তিক, ১৩০৬}} {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{C|{{xx-larger|প্রার্থনাতীত দান<ref>শিখের পক্ষে বেণীচ্ছেদন ধর্ম্ম পরিত্যাগের ন্যায় দূষনীয়।</ref>}}}} {{block center/s}}<poem> পাঠানেরা যবে বাঁধিয়া আনিল {{gap}}বন্দী শিখের দল- সুহিদগঞ্জে রক্ত-বরণ {{gap}}হইল ধরণী তল। নবাব কহিল–শুন তরুসিং {{gap}}তােমারে ক্ষমিতে চাই। তরুসিং কহে মাের কেন তব {{gap}}এত অবহেলা ভাই? নবাব কহিল, মহাবীর তুমি {{gap}}তােমারে না করি ক্রোধ, বেণীটি কাটিয়া দিয়ে যাও মােরে {{gap}}এই শুধু অনুরােধ।</poem> <section end="B" /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> mhytqtt633e6pa75x56yaage96fkcug পাতা:সংগীত চিন্তা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৪ 104 789897 1992166 1970455 2026-07-31T04:28:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992166 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kapilamarnam" />{{center|সংগীতচিন্তা}}</noinclude>বুঝানো সহজ ব্যাপার নহে। ‘কেন’-নামক একটা চশমা-চক্ষু দুর্দান্ত রাজাধিরাজ যেমনি কৈফিয়ত তলব করেন, অমনি সে আসিয়া হিসাবনিকাশ করিবার জন্য হাজির হয় না। যে-সকল সত্য মহারাজ ‘কেন’র প্রজা নহে, তাহাদের বাসস্থান কবিতায়। আমাদের হৃদয়গত সত্য-সকল ‘কেন’কে বড়ো একটা কেয়ার করে না। যুক্তির একটা ব্যাকরণ আছে, অভিধান আছে, কিন্তু আমাদের রুচির অর্থাৎ সৌন্দর্যজ্ঞানের আজ পর্যন্ত একটা ব্যাকরণ তৈয়ারি হইল না। তাহার প্রধান কারণ, সে আমাদের হৃদয়ের মধ্যে নির্ভয়ে বাস করিয়া থাকে— এবং সে দেশে ‘কেন’—আদালতের ওয়ারেণ্ট জারি হইতে পারে না। একবার যদি তাহাকে যুক্তির সামনে খাড়া করিতে পারা যাইত, তাহা হইলেই তাহার ব্যাকরণ বাহির হইত। অতএব, যুক্তি যে-সকল সত্য বুঝাইতে পারে না বলিয়া হাল ছাড়িয়া দিয়াছে, কবিতা সেই-সকল সত্য বুঝাইবার ভার নিজস্কন্ধে লইয়াছে। এই নিমিত্ত স্বভাবতই যুক্তির ভাষা ও কবিতার ভাষা স্বতন্ত্র হইয়া পড়িয়াছে। অনেক সময় এমন হয় যে, শত-সহস্র প্রমাণের সাহায্যে একটা সত্য আমরা বিশ্বাস করি মাত্র, কিন্তু আমাদের হৃদয়ে সে সত্যের উদ্রেক হয় না। আবার অনেক সময়ে একটি কথায় আমাদের হৃদয়ে একটি সত্যের উদ্রেক হইয়াছে, শত-সহস্র প্রমাণে তাহা ভাঙিতে পারে না। একজন নৈয়ায়িক যাহা পারেন না একজন বাগ্মী তাহা পারেন। নৈয়ায়িকে ও বাগ্মীতে প্রভেদ এই— নৈয়ায়িকের হস্তে যুক্তির কুঠার ও বাগ্মীর হস্তে কবিতার চাবি। নৈয়ায়িক কোপের উপর কোপ বসাইতেছেন, কিন্তু হৃদয়ের দ্বার ভাঙিল না; আর বাগ্মী কোথায় একটু চাবি ঘুরাইয়া দিলেন, দ্বার খুলিয়া গেল। উভয়ের অস্ত্র বিভিন্ন। {{gap}}আমি যাহা বিশ্বাস করিতেছি তোমাকে তাহাই বিশ্বাস করানো আর আমি যাহা অনুভব করিতেছি তোমাকে তাহাই অনুভব করানো— এ দুইটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ব্যাপার। আমি বিশ্বাস করিতেছি একটি গোলাপ সুগোল, আমি তাহার চারি দিক মাপিয়া-জুকিয়া তোমাকে বিশ্বাস করাইতে পারি যে গোলাপ সুগোল। আর আমি অনুভব করিতেছি যে, গোলাপ সুন্দর; হাজার যুক্তির দ্বারা তোমাকে অনুভব করাইতে পারি না যে, গোলাপ সুন্দর। তখন কবিতার সাহায্য অবলম্বন করিতে হয়। গোলাপের সৌন্দর্য আমি যে উপভোেগ<noinclude>{{center|২০ }}</noinclude> skpbyc343kryauks6w4uapug5bsg2qr পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২০ 104 791617 1992014 1616214 2026-07-31T04:14:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992014 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>কণ্ঠে, আমার মনের অসীম আকাশে ধ্বনির নীহারিকা সৃষ্টি করে। আর তােমার ওই হাতখানি, ওই আঙুলগুলি, সত্যমিথ্যে সব-কিছুর ’পরে পরশমণি ছুঁইয়ে দিতে পারে। জানিনে, কী মােহের বেগে, ধিক্‌কার দিতে দিতেই নিয়েছি স্খলিত জীবনের অসম্মান। ইতিহাসে পড়েছি এমন বিপত্তির কথা, কিন্তু আমার মতাে বুদ্ধি-অভিমানীর মধ্যে এটা যে ঘটতে পারে কখনাে তা ভাবতে পারতুম না। এবার জাল ছেঁড়বার সময় এল, তাই আজ বলব তােমাকে সত্য কথা, যত কঠোর হক।” {{gap}}“বলাে, বলো, যা বলতে হয় বলো। দয়া কোরাে না আমাকে। আমি নির্মম, নির্জীব, আমি মূঢ়—তােমাকে বােঝবার শক্তি আমার কোনােকালে ছিল না। অতুল্য যা তাই এসেছিল হাত বাড়িয়ে আমার কাছে, অযােগ্য আমি, মূল্য দিইনি। বহু ভাগ্যের ধন চিরজন্মের মতো চলে গেল। এর চেয়ে শাস্তি যদি থাকে, দাও শাস্তি।” {{gap}}“থাক্, থাক্‌, শাস্তির কথা। ক্ষমাই করব আমি। মৃত্যু যে ক্ষমা করে সেই অসীম ক্ষমা। সেইজন্যেই আজ এসেছি।” {{gap}}“সেইজন্যে?” {{gap}}“হাঁ কেবলমাত্র সেইজন্যে।” {{nop}}<noinclude>{{C|১১৯}}</noinclude> iucm4z46g7bq9tyt66uu8zwzyov24m5 পাতা:যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮১ 104 792645 1992150 1970332 2026-07-31T04:26:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992150 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{center|যোগাযোগ}}</noinclude>{{gap}}মধুসূদন গর্জন করে বলে উঠল, “মিথ্যে কথা বলছ।” {{gap}}“মিথ্যে কথা কেন বলব, ছবি নিয়ে আমি করব কী।” {{gap}}“কোথায় রেখেছ বের করে নিয়ে এস বলছি! নইলে ভালাে হবে না।” {{gap}}“ওমা! কী আপদ! তােমার ছবি আমি কোথায় পাব যে বের করে আনব।” {{gap}}বেহারাকে ডাক পড়ল। মধু তাকে বললে, “মেজোবাবুকে ডেকে আন্।” {{gap}}নবীন এল। মধুসূদন বললে, “বড়ােবউকে আনিয়ে নাও।” {{gap}}শ্যামা মুখ বাঁকিয়ে কাঠের পুতুলের মতাে চুপ করে বসে রইল। {{gap}}নবীন খানিকক্ষণ পরে মাথা চুলকোতে চুলকোতে বললে, “দাদা, ওখানে একবার কি তােমার নিজে যাওয়া উচিত হবে না? তুমি আপনি গিয়ে যদি বল তা হলে বউরানী খুশি হবেন।” {{gap}}মধুসূদন গম্ভীরভাবে খানিকক্ষণ গুড়্‌গুড়ি টেনে বললে, “আচ্ছা, কাল রবিবার আছে, কাল যাব।” {{gap}}নবীন মােতির মার কাছে এসে বললে, “একটা কাজ করে ফেলেছি।” {{gap}}“আমার পরামর্শ না নিয়েই।” {{gap}}“পরামর্শ নেবার সময় ছিল না।” {{gap}}“তাহলে তাে দেখছি তােমাকে পস্তাতে হবে।” {{gap}}“অসম্ভব নয়। কুষ্টিতে আমার বুদ্ধিস্থানে আর কোনাে গ্রহ নেই, আছেন নিজের স্ত্রী। এইজন্য সর্বদা তােমাকে হাতের কাছে রেখেই চলি। ব্যাপারটা হচ্ছে এই—দাদা আজ হুকুম করলেন বউরানীকে আনানাে চাই। আমি ফস করে বলে বসলেম, তুমি নিজে গিয়ে যদি কথাটা তোল ভালাে হয়। দাদা কী মেজাজে ছিলেন রাজি হয়ে গেলেন। তার পর থেকেই ভাবছি এর ফলটা কী হবে।” {{nop}}<noinclude>{{center|২৮১ }}</noinclude> amm167vzk6qbghvrpcsfmfn7hjlhsdf পাতা:কাফ্রি দাসের বৃত্তান্ত - লী রিচমণ্ড.pdf/১৮ 104 795157 1991983 1959749 2026-07-31T04:12:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991983 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="কপিল চক্রবর্ত্তী" />{{center|১৪}}</noinclude>{{gap}}কি রূপে? {{gap}}“আমি তাঁহার প্রতি কখন যথেষ্ট কৃতজ্ঞ নহি, ও যথেষ্ট প্রার্থনা করি না; এবং তিনি যে আমাকে এত উত্তম বস্তু দেন তন্নিমিত্তে তাঁহাকে কখন যথেষ্ট রূপে স্মরণেও রাখি না। মহাশয় আমি ভয় করি, আমার মন অতি দুষ্ট। আমি আপনকার ন্যায় হইতে ইচ্ছা করি।” {{gap}}আমার ন্যায় কেন? তুমি তো আমারই মত ধর্ম্মহীন ও উপায়রহিত পাপী আছ; কেননা ঈশ্বর দয়া ও অনুগ্রহ পূর্ব্বক আমাকে অগ্নিকুণ্ডহইতে জ্বলন্ত কাষ্ঠের ন্যায় নির্গত না করিলে এবং আপন প্রেম ও অনুগ্রহের বিশেষ পাত্র না করিলে আমিও পাপেতে বিনষ্ট হইতাম। ফলত, তোমায় আমায় কোন প্রভেদ নাই; আমরা উভয়ের ঈশ্বরের মহিমা প্রকাশ করণেতে ত্রুটি করিয়াছি। মনুষ্য মাত্রেই পাপ করিয়াছে। {{gap}}“না মহাশয়, আমি তোমার মত নহি। আমার পাপী আর কাহাকেও জানি না, আমার অন্তঃকরণের ন্যায় আর কোন লোকের অন্তঃকরণ নয়।” {{gap}}হাঁ, উইলিয়ম। আমি তোমাকে নিশ্চয় বলিতে পারি যে প্রত্যেক চেতনাপ্রাপ্ত মনুষ্য পাপের অত্যন্ত পাপিষ্ঠতা ও পাপি লোকদের মুক্তির নিমিত্তে খ্রীষ্ট যীশুদ্বারা দত্ত মূল্য দর্শন করে, তাহারই মনের ভাব তোমার মনের ভাবের তুল্য। অতএব তুমিও এই গীতের কথাতে স্বীকার করিতে পার, যথা, {{block center|<poem>আমি দুষ্টাচারিদের ছিলাম প্রধান। তবু যীশু মোর জন্যে দিলেন স্বপ্রাণ॥</poem>}} {{gap}}“আজ্ঞা হাঁ, মহাশয়, আমি বিশ্বাস করি যীশু এই অধম কাফ্রি জন্যেও মরিলেন। যদি খ্রীষ্ট এ দুরাচারের কারণ প্রাণ না দিতেন, তবে আমার কি দশা হইত? কিন্তু<noinclude></noinclude> omst83wmo1vi90srl2asi98jseigfv0 পাতা:দেবী রাবিয়া - রাহাতুন্নেছা খাতুন.pdf/৭৪ 104 796270 1992052 1966141 2026-07-31T04:16:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992052 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="GAZI SHAHABUDDIN SIRAJI" />{{center|'''দেবী রাবিয়া।'''}}</noinclude>লোকেই বিষয় খণ্ড লইয়া মারামারি কাটাকাটি করে; কিন্তু স্বার্থের উপর আঘাত পাইয়াও যিনি আকাশ মণ্ডলের মত নিষ্কম্প, পর্ব্বতের মত অচল, পূর্ণিমার আলােকের মত নির্বিকার, তিনিই তাে প্রকৃত বীর! না না প্রভাে! আমরা বড়ই দুর্ব্বল, বড়ই অশক্ত। কত দিনে এই দুর্ব্বলতা দূর হইবে? ওগাে, কতকালে হে প্রভাে! কতকালে তােমার নীতি, তােমার প্রীতি মানুষে বুঝিবে?—বুঝিয়া আনন্দে কোলাকুলি করিবে? দয়াল প্রভাে! দয়া করে হতবল মানুষকে দয়া কর।! {{gap}}“তিল তিল করিয়া তােমার আয়ু ক্ষয় হইতেছে, পলে পলে তুমি মৃত্যুর মুখে অগ্রসর হইতেছ। হে নির্ব্বোধ মানব, তাহা কি তুমি চিন্তা করিয়া দেখিতেছ? যাঁহার করুণায় জগৎ<noinclude>{{rh|left|৬৬|}}</noinclude> ivwczoo5jqnnzv8dzkezf0591vh2pbt 1992055 1992052 2026-07-31T04:17:19Z Bodhisattwa 2549 1992055 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="GAZI SHAHABUDDIN SIRAJI" />{{center|'''দেবী রাবিয়া।'''}}</noinclude>লোকেই বিষয় খণ্ড লইয়া মারামারি কাটাকাটি করে; কিন্তু স্বার্থের উপর আঘাত পাইয়াও যিনি আকাশ মণ্ডলের মত নিষ্কম্প, পর্ব্বতের মত অচল, পূর্ণিমার আলােকের মত নির্বিকার, তিনিই তাে প্রকৃত বীর! না না প্রভাে! আমরা বড়ই দুর্ব্বল, বড়ই অশক্ত। কত দিনে এই দুর্ব্বলতা দূর হইবে? ওগাে, কতকালে হে প্রভাে! কতকালে তােমার নীতি, তােমার প্রীতি মানুষে বুঝিবে?—বুঝিয়া আনন্দে কোলাকুলি করিবে? দয়াল প্রভাে! দয়া করে হতবল মানুষকে দয়া কর।! {{gap}}“তিল তিল করিয়া তােমার আয়ু ক্ষয় হইতেছে, পলে পলে তুমি মৃত্যুর মুখে অগ্রসর হইতেছ। হে নির্ব্বোধ মানব, তাহা কি তুমি চিন্তা করিয়া দেখিতেছ? যাঁহার করুণায় জগৎ<noinclude>{{c|৬৬}}</noinclude> ak3qo4okadg51aaix6jjmwuktyelz5f মিডিয়াউইকি:Sitenotice/২ 8 800450 1992372 1988653 2026-07-31T05:41:38Z Bodhisattwa 2549 1992372 wikitext text/x-wiki <div style="display: flex; margin-left:auto; margin-right:auto; border:0; box-shadow: 0 1px 3px rgba(0, 0, 0, 0.35); border-radius: 7px; background-color:white; color:#000000; width:95%; height:100px; overflow:hidden; position:relative"> <div style='margin-left:auto; margin-right:auto; margin-top:auto; margin-bottom:auto; text-align: center;padding: 5px; font-size:110%; '>[[নির্ঘণ্ট:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf|<span style="color:#000000">২২শে শ্রাবণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।<br> তাঁর বিশ্বভারতী নামক বইটি মুদ্রণ সংশোধন করুন।</span>]]</div> <div>[[চিত্র:Rabindranath Tagore portrait (2).jpg|100px|right|link=নির্ঘণ্ট:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf|অংশগ্রহণ করুন]]</div> </div> 5uvaqsuitwhdzv6s9zkh0zqbuzhpurz পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/৮ 104 802978 1992246 1985411 2026-07-31T04:53:11Z Bodhisattwa 2549 1992246 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>তার জন্য ওদের হাফ প্যাণ্ট পরতে হবে, বাঁদরের মতো মেক-আপ নিতে হবে আর লম্বা লম্বা লেজ লাগাতে হবে। কী মজাই না হ্য যখন ওরা লাফালাফি করে টিনের তৈরী গদা আর তরোয়াল ঘুরিয়ে যুদ্ধের ভান করে দেখে দেখে দুই মেয়ে -মুনিয়া আর সরু হিংসায় জ্বলে যায়! “কীঈঈই বোকা বোকা!” সরু গোমড়া মুখে ইস্কুলে যাওয়ার পথে একদিন সকালে বললো। “মেয়েরা কেনো রামলীলায় ভাগ নিতে পারে না?” “গতকাল ‘সীতা’কে দেখেছিলি?” মুনিয়া জিজ্ঞেস করলো। “ছেলেটা কল্লুদা’র ক্লাসে পড়ে আর ওর গোঁফ গজাচ্ছে..." “আর ওর গলা কেমন বার বার ভাঙ্গছিলো,” সরু খুকখুকিয়ে বললো। “আমার সত্যিই মনে হয় বিল্লো কাকী সীতা হিসেবে একেবারে দারুন লাগবেন।” “হ্যাঁ, সত্যিই! এখন ওনার বর ধরমকাকা যদি রাম হতে পারেন, উনি সীতা হতে পারেন না কেনো শুনি?” “উনি ত’ মাস্টারমশাইকে জিজ্ঞেসাও করেছিলেন, কিন্তু উনি বললেন যে যদি আসল মহিলাদের ভাগ নিতে দেন তাহলে খাজুরিয়া পাঞ্চায়ত রামলীলা বন্ধই করে দেবে, ধ্যাত!” সরু বিরক্তিতে মাথা নাড়লো। “যাই হোক, আজ বদ্রীদার বড়ো দৃশ্য! “মুনিয়া আনন্দে একটু লাফিয়ে নিলো, “আমার তর সইছে না।” কল্লু আর ওর বন্ধুদের জন্য বীর মতো অভিনেতা হয়ই<noinclude>{{left|৬}}</noinclude> rw9obkexei66peoptqitenwe0ey5alf পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/৯ 104 802979 1992245 1785203 2026-07-31T04:52:43Z Bodhisattwa 2549 1992245 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>না-পাগলা মোষচালক যে সব সময় হনুমানের অভিনয় করে। বেঁটে আর মোটা, একমাখা ঝাঁকড়া ঝাঁকড়া চুল, বিরাট বুনো গোঁফ, বড়ো বড়ো গোল গোল চোখ আর গমগমে আওয়াজ। যখন ও মঞ্চে, গটগটিয়ে এদিক ওদিক হাঁটাহাঁটি করে জোর গলায় ডায়লগ বলে, রাম লক্ষণও যেন ফ্যাকাশে হয়ে যান ওর সামনে। কল্লু আর ওর দলের মতে, ওই দৃশ্যটা যেখানে হনুমান রাবণকে অপমান করে আর তারপর গোটা লঙ্কা পুড়িযে ফেলে-সেটা হলো এক্কেবারে সুপার হিট দৃশ্য। মাস্টারমশাই এমন সাংঘাতিক ডায়লগ লিখেছেন রাবণ আর হনুমানের যে দর্শকেরা একেবারে মুগ্ধ হয়ে নিঃশব্দে শোনে। সেদিন বিকালবেলায় এদের দল তাঁবুতে পৌঁছে গেলো সব্বার আগে। বদ্রীর মোষগুলো কাছেই বাঁধা ছিলো আর দামু বললো যে গোবরের উপর দিয়ে নাকি তাদের ‘হাই জাম্প’ করে যেতে হবে। "সামনে থেকে দ্বিতীয় সারি আর এক্কেবারে মাঝা মাঝি। দারুন!” বললো শব্বো, আনন্দে গালিচার উপর বসতে বসতে। “যাক, কাল আমাদের আর জায়গা ধরতে হবে না,” বললো কলু, মুনিয়া আর সরুকে একটু খেপিযেই মুচকি হেঁসে। “আমরা ছেলেরা ভো মঞ্চে হবো।” “হাঃ।” মুনিয়ার কোঁকড়া চুল দুলে উঠলো। “তোমরা বোকার মতন লাফালাফি করা ছাড়া করো কী, আর মুখ ফুটে বলার মতো তোমাদের কারো কাছে ডায়লগই নেই!” {{nop}}<noinclude>{{right|৭}}</noinclude> ibpdcmaipevlt64tfembmd1av7jmr33 পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১০ 104 802981 1992231 1985412 2026-07-31T04:47:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992231 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>"আর শব্বোকে ত’ মেঘনাদ মেরেই ফেলবে আর ও তখন মরা গাছের মত হাঁ করে পীঠের উপর পড়ে থাকবে নীচে,” হাঁসতে হাঁসতে বলে উঠলো সরু। "জানিস, মরার পার্ট করতে গেলে কত’ অভিনয় করতে হয়?” শব্বো মান বাঁচাতে ব্যস্ত। “আমায় কী ধীমে ধীমে নিশ্বাস নিতে হয় আর চোখ একেবারে জোরে বন্ধ করে রাখতে হয়!” "হ্যাঁ বাবা, তোমায় খাজুরিয়ার সবচাইতে উত্তম মৃত বানর পুরস্কার দাওয়া হবে।” দামু হেঁসে বললো। সূর্যাস্তের সাথে সাথে তাঁবুটাও ভরে আসতে লাগলো। মঞ্চের পেছনে সে কী ব্যস্ততা, সকলেই পোষাক পরছে আর মেকআপ লাগাচ্ছে। ধরমপালের আজ ছুটি কারণ রামের কাজ ছিলো না এই দৃশ্যে, ভাই উনি বদ্রীর চেহারায় হনুমানের রং চড়াতে ব্যস্ত। "আহ, এই গোঁফটা কেটে ফেললেই পারো বদ্রী,” উনি বললেন। “কী অদ্ভুত লাগে। ফিল্মে আর টিভিতে হনুমান এক্কেবারে দাঁড়ি গোঁফ ছাড়া।” "গায়ের রং করে দাও আর কেউ টেরও পাবে না,” বদ্রী গজগজ করে বললো। “আমি কাটবো না! এক্কেবারে না—ভেবোই না!” তার পর ডায়লগের কাগজটাকে মুখের সামনে ধরে চোখ কুঁচকে দেকতে দেখতে বললো, “কেনো যে মাস্টারমশাই প্রতি বছর ডায়লগ পাল্টান কে জানে?” "উনি শিল্পী, আর সব শিল্পীরাই পাগল এমনিতেই। এই বছর ভারত মিলাপের দৃশ্যে উনি রাম আর ভরত কে দিয়ে গান<noinclude>{{left|৮}}</noinclude> 96zs7u7s8iga3pz91wv5qupenl64k57 1992232 1992231 2026-07-31T04:48:49Z Bodhisattwa 2549 1992232 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>“আর শব্বোকে ত’ মেঘনাদ মেরেই ফেলবে আর ও তখন মরা গাছের মত হাঁ করে পীঠের উপর পড়ে থাকবে নীচে,” হাঁসতে হাঁসতে বলে উঠলো সরু। “জানিস, মরার পার্ট করতে গেলে কত’ অভিনয় করতে হয়?” শব্বো মান বাঁচাতে ব্যস্ত। “আমায় কী ধীমে ধীমে নিশ্বাস নিতে হয় আর চোখ একেবারে জোরে বন্ধ করে রাখতে হয়!” “হ্যাঁ বাবা, তোমায় খাজুরিয়ার সবচাইতে উত্তম মৃত বানর পুরস্কার দাওয়া হবে।” দামু হেঁসে বললো। সূর্যাস্তের সাথে সাথে তাঁবুটাও ভরে আসতে লাগলো। মঞ্চের পেছনে সে কী ব্যস্ততা, সকলেই পোষাক পরছে আর মেকআপ লাগাচ্ছে। ধরমপালের আজ ছুটি কারণ রামের কাজ ছিলো না এই দৃশ্যে, ভাই উনি বদ্রীর চেহারায় হনুমানের রং চড়াতে ব্যস্ত। “আহ, এই গোঁফটা কেটে ফেললেই পারো বদ্রী,” উনি বললেন। “কী অদ্ভুত লাগে। ফিল্মে আর টিভিতে হনুমান এক্কেবারে দাঁড়ি গোঁফ ছাড়া।” “গায়ের রং করে দাও আর কেউ টেরও পাবে না,” বদ্রী গজগজ করে বললো। “আমি কাটবো না! এক্কেবারে না—ভেবোই না!” তার পর ডায়লগের কাগজটাকে মুখের সামনে ধরে চোখ কুঁচকে দেকতে দেখতে বললো, “কেনো যে মাস্টারমশাই প্রতি বছর ডায়লগ পাল্টান কে জানে?” “উনি শিল্পী, আর সব শিল্পীরাই পাগল এমনিতেই। এই বছর ভারত মিলাপের দৃশ্যে উনি রাম আর ভরত কে দিয়ে গান<noinclude>{{left|৮}}</noinclude> 2f7z7qxt0lnf165blxbnnoo237hnjin পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১১ 104 802982 1992233 1985413 2026-07-31T04:48:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992233 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>গাওয়াতে চেয়েছিলেন” বললেন ধরমপাল। "গান?” বদ্রী আবার বললো কথাটাকে। "হ্যাঁ! এই ধরণের কিছু একটা-ভ্রাতু প্রেম অমর রইবে। ...কিছু কিছু।...আর কিছু কিছু।...” ধরমপাল হেঁসে ফেললো। "কিন্তু তুমি ত’ গাইতেই পারো না” বললো বদ্রী। "ওই ত'! আর লাটুও পারে না, আর ও হলো ভরত! দু দিন উনি অনেক চেষ্টা করলেন আমাদের গান গাওয়াতে আর শেষে হাল ছাড়লেন। ভাগ্যিস!” ধরমপাল নিশ্চিন্তে বললেন। হঠাত বদ্রী উঠে বসে চিৎকার করে ডাকতে শুরু করলোএত জোরে যে ধরমপাল আঁতকে উঠলো, “মাস্টারমশাই। মাস্টারমশাই!” “কী হলো?” মাস্টারমশাই ঘাবড়ে দৌড়ে এলেন। "আপনি রামের জন্য গান লিখলেন আর হনুমানের জন্য নয়? আর আমি কিনা গাইতেও পারি!” বললো বদ্রী। "আরে বাছা!” মাস্টারমশাই মুখে একটা পান সে বললেন, “হনুমান গায় না।” "আর ভুমি গাইবেই বা কী?” বদ্রী’র নাকটাকে টকটকে লাল রাঙাতে রাঙাতে ধরমপাল জিজ্ঞাসা করলো। “হনুমান-রাবণের শত্রুতা অমর হউক?” {{nop}}<noinclude>{{right|৯}}</noinclude> pmcji634oul4hhpvcel9naek7jz3njo 1992234 1992233 2026-07-31T04:49:16Z Bodhisattwa 2549 1992234 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>গাওয়াতে চেয়েছিলেন” বললেন ধরমপাল। “গান?” বদ্রী আবার বললো কথাটাকে। “হ্যাঁ! এই ধরণের কিছু একটা-ভ্রাতু প্রেম অমর রইবে। ...কিছু কিছু।...আর কিছু কিছু।...” ধরমপাল হেঁসে ফেললো। “কিন্তু তুমি ত’ গাইতেই পারো না” বললো বদ্রী। “ওই ত'! আর লাটুও পারে না, আর ও হলো ভরত! দু দিন উনি অনেক চেষ্টা করলেন আমাদের গান গাওয়াতে আর শেষে হাল ছাড়লেন। ভাগ্যিস!” ধরমপাল নিশ্চিন্তে বললেন। হঠাত বদ্রী উঠে বসে চিৎকার করে ডাকতে শুরু করলোএত জোরে যে ধরমপাল আঁতকে উঠলো, “মাস্টারমশাই। মাস্টারমশাই!” “কী হলো?” মাস্টারমশাই ঘাবড়ে দৌড়ে এলেন। “আপনি রামের জন্য গান লিখলেন আর হনুমানের জন্য নয়? আর আমি কিনা গাইতেও পারি!” বললো বদ্রী। “আরে বাছা!” মাস্টারমশাই মুখে একটা পান সে বললেন, “হনুমান গায় না।” “আর ভুমি গাইবেই বা কী?” বদ্রী’র নাকটাকে টকটকে লাল রাঙাতে রাঙাতে ধরমপাল জিজ্ঞাসা করলো। “হনুমান-রাবণের শত্রুতা অমর হউক?” {{nop}}<noinclude>{{right|৯}}</noinclude> gahqxopsbblc5wnx5oh4a2827i7yhpc পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১৩ 104 803005 1992235 1981129 2026-07-31T04:49:45Z Bodhisattwa 2549 1992235 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>“হেঃ হেঃ। ...হো হো...” মাস্টারমশাই পানের পীকের হিঁটা ছড়াতে ছড়াতে হেঁসে বেরিয়ে গেলেন। ধরমপাল সযত্নে বদ্রী’র উজ্জ্বল হলুদ হাফ প্যাণ্টে লেজ লাগাতে লাগাতে আর খেয়াল করলেন না, বদ্রী-হনুমানের ধূসর চেহারায় ভাবুক ভঙ্গিমা... ঘণ্টাখানেক পর, পর্দা টেনে দেখা গেলো লঙ্কায় রাবনের রাজসভা, আর সে কী আড়ম্বর গালিচা, পর্দা, সিংহাসন দিয়ে সাজানো, সব জয় ভগবানের দোকানের দেন। জয় ভগবান যেহেতু গ্রামের সবচেয়ে মোটা মানুষ, ও কুম্ভকর্ণ হবে। বেশ চলছিলো দৃশ্যটা আর দর্শকেরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বসেছিলো। ছোটে লাল, গ্রামের পালোয়ান সেজেছে রাবণ, আর নারায়ণ, যে ক্লাস টেনে পড়ে, গোলাপী রঙের জরি দাওয়া সাড়ি পরে হযেছে মণ্ডদরী। রাবণের ফোলা ফোলা পেশী, ঘন ভুরু, গোল করা গোঁফ আর বড়ো বড়ো চোখ সাক্ষাত রাবনের মতই ভয়াবহ ছিলো। একমাত্র অসুবিধে ছিলো যে ছোটে কিছুতেই ডায়লগ মনে রাখতে পারতো না। “মাস্টারমশাই কী কষ্টই না পেযেছেন ছোটেকে ওর সংবাদ মুখস্ত করাতে” দামু ফিসফিস করে বললো। “সব গুলিযে ফেলে।” “আর তার পর মাস্টারমশাই সমস্যার সমাধান পেলেন” ফিক করে হাঁসলো কল্লু। সবাই ওর দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করলো, “কী করে?” {{nop}}<noinclude>{{right|১১}}</noinclude> qggenp9sp42zk0ho07x1e4bkvfj68w4 পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১৪ 104 803007 1992236 1956486 2026-07-31T04:49:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992236 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>"নারায়ণের ঠোঁটের দিকে তাকা, ও ছোটেকে সব বলে দিচ্ছে। মাস্টারমশাই ওকে মণ্ডদরী আর রাবন, দুজনেরই লাইন মুখস্ত করিয়েছেন!” আবার ফিসফিসিয়ে বললো কল্লু। "কী বুদ্ধি!” প্রশংসায় দীর্ঘশ্বাস ফেললো মুনিয়া। "এই আসছে!” বলে উঠলো সরু উত্তেজনায় ছটফট করতে করতে, যেই রাক্ষসেরা হনুমানকে টানতে টানতে মঞ্চে তুললো। সকলে আগ্রহে সামনে ঝুঁকে বসলো, হনুমানের উপর চোখ স্থীর, যে মোটা মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা কিন্তু তবু অহংকারে মাখা ভুলে রাবনের দিকে কটমট করে তাকিয়ে আছে। "কে এটা?” মণ্ডদরী ছোটে কে ইঙ্গিত দিলো চুপিসাড়ে। "মমম...” রাবণ ওর দিকে মাথা ঝুঁকিযে, শুনে, তার পর জোর গলায় বললো, “এটা কে?” একটা রাক্ষস এগিয়ে এলো। “আমরা ওকে অশোক বনে ধরেছি মহারাজ! ও সীতা দেবীর সাথে কথা বলছিলো। "কী...” ইঙ্গিত দিলো মণ্ডদরী। "কী!” চেঁচিয়ে এক লাফে উঠে পড়লো রাবণ-হঠাত তার সব ডায়লগ মনে পড়ে গেছে। “ও সেখানে ঢুকলো কী করে? ওখানে করছিলটা কী শুনি?” রাগে হাত নেড়ে বললো সে। মুনিয়া একটু হেঁসে দিলো আর তার পর যেই দর্শকেরা রাবণের মুখ দেখতে পেলো, একে একে সকলেই হাঁসতে শুরু করলো। হাত নাড়াতে গিয়ে রাবণ তার নকল গোঁফ এক কোন থেকে খুলে দিয়েছে, আর সেটা এখন কালো কেঁচোর<noinclude>{{left|১২}}</noinclude> imiln3rng49bvljp6zp2d0zle0rgcb4 1992237 1992236 2026-07-31T04:50:10Z Bodhisattwa 2549 1992237 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>“নারায়ণের ঠোঁটের দিকে তাকা, ও ছোটেকে সব বলে দিচ্ছে। মাস্টারমশাই ওকে মণ্ডদরী আর রাবন, দুজনেরই লাইন মুখস্ত করিয়েছেন!” আবার ফিসফিসিয়ে বললো কল্লু। “কী বুদ্ধি!” প্রশংসায় দীর্ঘশ্বাস ফেললো মুনিয়া। “এই আসছে!” বলে উঠলো সরু উত্তেজনায় ছটফট করতে করতে, যেই রাক্ষসেরা হনুমানকে টানতে টানতে মঞ্চে তুললো। সকলে আগ্রহে সামনে ঝুঁকে বসলো, হনুমানের উপর চোখ স্থীর, যে মোটা মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা কিন্তু তবু অহংকারে মাখা ভুলে রাবনের দিকে কটমট করে তাকিয়ে আছে। “কে এটা?” মণ্ডদরী ছোটে কে ইঙ্গিত দিলো চুপিসাড়ে। “মমম...” রাবণ ওর দিকে মাথা ঝুঁকিযে, শুনে, তার পর জোর গলায় বললো, “এটা কে?” একটা রাক্ষস এগিয়ে এলো। “আমরা ওকে অশোক বনে ধরেছি মহারাজ! ও সীতা দেবীর সাথে কথা বলছিলো। “কী...” ইঙ্গিত দিলো মণ্ডদরী। “কী!” চেঁচিয়ে এক লাফে উঠে পড়লো রাবণ-হঠাত তার সব ডায়লগ মনে পড়ে গেছে। “ও সেখানে ঢুকলো কী করে? ওখানে করছিলটা কী শুনি?” রাগে হাত নেড়ে বললো সে। মুনিয়া একটু হেঁসে দিলো আর তার পর যেই দর্শকেরা রাবণের মুখ দেখতে পেলো, একে একে সকলেই হাঁসতে শুরু করলো। হাত নাড়াতে গিয়ে রাবণ তার নকল গোঁফ এক কোন থেকে খুলে দিয়েছে, আর সেটা এখন কালো কেঁচোর<noinclude>{{left|১২}}</noinclude> rdpzz6xyfoge6p8d6b09h36ck5pe2ou পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১৫ 104 803008 1992238 1981130 2026-07-31T04:50:39Z Bodhisattwa 2549 1992238 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>মতো দুলে রযেছে ওর ঠোঁটের উপর। কল্লু যেখানে বসে আছে সেখান থেকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে মাস্টারমশাই উদ্ধান্ত হয়ে হাত নেড়ে নেড়ে দেখাচ্ছেন রাবণের মুখের দিকে। নিজের ডায়লগ শুরু করার উপক্রমে, হনুমান দর্শকদের দিকে অবাক হয়ে তাকালো। এইটা একটা গম্ভীর দৃশ্য। ওরা হাঁসছে কী বলে? “এই, কী হলো?” জিজ্ঞেসা করলো সে অন্ধকারে পিটপিটিযে। “তোরা হাঁসছিস কেনো?” “রাবণের গোঁফ পড়ে গেলো যে বদ্রীদা!” কেউ দয়া করে ওকে জানিয়ে দিলো। “ওহো! সরি!” রাবণ ঘাবড়ে গিয়ে একটু আঁতকে উঠে তাড়াতাড়ি গোঁফটাকে জায়গায় লাগিয়ে ঘামাক্ত চেহারা মণ্ডদরী’র দিকে ফিরিয়ে, “এর পর কী বলি আমি?”-ভুলে ভুলে ফিস ফিস না করে জোরেই জিজ্ঞেসা করে ফেললো আর সবাই আবার হেঁসে উঠলো! মঞ্চের ধারে মাস্টারমশাই কপকপ করে পান চিবিয়ে যাচ্ছেন ক্রমাগত আরো বেগে... “বলো তুমি কে...চোর বান্দর!” মন্দোদরী যথারীতি ইঙ্গিত দিলো। “কী?” রাবণ তখনও একটু ঘাবড়েই আছে “ওহ ঠিক ঠিক। বলো তুমি কে...চোর বান্দর! “অবশেষে ও হনুমানের দিকে ফিরে বললো, “কোথা থেকে এসেছো?” {{nop}}<noinclude>{{right|১৩}}</noinclude> oonsr57t7j7qhob3uef5621ri97xvz3 পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১৬ 104 803009 1992240 1985414 2026-07-31T04:51:05Z Bodhisattwa 2549 1992240 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>“এইবার!” শব্বো ঝুঁকে পড়ে শুনছে, “আমার প্রিয় ডায়লগ।” মাস্টারমশাই কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ছন্দে সংবাদ লিখেছেন আর যেখানে হনুমান রাবনকে নিজের পরিচয় দেয়, সেই কাব্য শব্বো’র মতে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কবিতার মধ্যে একটি। আর বদ্রী’রর অভিনয় ত’ সবসময় অসাধারণ! ও সটানটান লম্বা হযে, বুক চাপড়ে রেগে জিজ্ঞেসা করে, “চোর বান্দর? তুমি কে হে আমায় তা ডাকার? জানো আমি কে?” আর তার পর দর্শকমুখি হযে শব্বো’র মুখস্ত কবিতটা বলতে শুরু করে: আমি রামঠাকুরের চেলা, হনুমানকে করিস হেলা— ওহে রাবণ বলবান দাঁড়া টানবো যে তোর কান সেখানে একটা নাটকীয় বিরাম দিয়ে, আবার বুক চাপড়ে গমগমাট স্বরে বলে উঠবে... আমি পবনপুত্র হনুমান!! ওরা নিশ্বাস ধরে অপেক্ষা করছে, হনুমান রাবণের দিকে চোখ রাঙিয়ে বললো, “জানো আমি কে?” দর্শকেদের দিকে ফিরে গলা খাঁকাড়ি দিয়ে হঠাত বদ্রী গাইতে শুরু করলো! “আমি রামঠাকুরের চেলা ...আ...আ।” “ও গাইছে?” আশ্চর্য্যে সরুর চোখ বিরাট বড়ো হয়ে গেলো। “"হনুমানকে করিস হেলা ...আ...আ...আ।” হনুমান গেয়ে চলেছে... {{nop}}<noinclude>{{left|১৪}}</noinclude> egahz2l6rmqaqy3qh0lizh57ihmse3x পাতা:কল্লুর জগৎ ২ - মঞ্চে চড়ে মস্করা.pdf/১৮ 104 803016 1992239 1956488 2026-07-31T04:50:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992239 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>"ভালো গাইছে তো!” কল্লু আনন্দে কুল পাচ্ছে না। “বদ্রীদা সত্যি গাইতে পারে দেখি।” পর্দার পাশে মাস্টারমশাই যেন বিদ্যুতের চমক থেমে দাঁড়িয়ে রইলেন। প্রধান নায়ক বদ্রীকে গাইতে শুনে যাচ্ছেন, আচম্ভে পান চিবোতেও ভুলে গেছেন। বদ্রী গাইছে, উপরে চোখ তুলে আর ফিল্মের নায়কের মত হাত ভুলে। ওর সুরটা বেশ মনোরম আর দর্শকেরাও তালি বাজাতে শুরু করলো, নারায়ণও নাটকের কথা ভুলে গিয়ে তালে তাল মিলাতে লাগলো। একটা রাক্ষস কোমর দুলিযে এমন মজার নাচ নাচতে শুরু করলো! বদ্রীর মুখে একটা চাপা হাঁসি দেখা দিলো, আর আনন্দে মাথা নেড়ে ও ঠিক করলো পুরো গানটা আবার গাইবে! শেষের লাইনে পৌঁছে ও দর্শকদের ইঙ্গিত করলো ওর সাথে গাইতে আর গেয়ে বললো, “আমি পবন পুত্র..." আর সমস্ত দর্শক সমস্বরে চেঁচিয়ে বললো, “হনুমা... আ... আ... ন!” বাইরের মাঠের থেকে বদ্রীর অনুগত মহিষের দল সমবেত কণ্ঠে বলে উঠলো, “হাম্বা...হাম্বা..." ক্লান্ত-শ্রান্ত বাড়ির পথে যেতে যেতে কলু একটা বড়ো, আনন্দিত নিশ্বাস ছেড়ে বললো, “কী দারুন সুপার হিট রামলীলাই না ছিলো।” {{dhr|3em}} {{***|4}}<noinclude>{{left|১৬}}</noinclude> meempuz4zqkj3jzjd6y5nkewmnojsz9 1992241 1992239 2026-07-31T04:51:32Z Bodhisattwa 2549 1992241 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>“ভালো গাইছে তো!” কল্লু আনন্দে কুল পাচ্ছে না। “বদ্রীদা সত্যি গাইতে পারে দেখি।” পর্দার পাশে মাস্টারমশাই যেন বিদ্যুতের চমক থেমে দাঁড়িয়ে রইলেন। প্রধান নায়ক বদ্রীকে গাইতে শুনে যাচ্ছেন, আচম্ভে পান চিবোতেও ভুলে গেছেন। বদ্রী গাইছে, উপরে চোখ তুলে আর ফিল্মের নায়কের মত হাত ভুলে। ওর সুরটা বেশ মনোরম আর দর্শকেরাও তালি বাজাতে শুরু করলো, নারায়ণও নাটকের কথা ভুলে গিয়ে তালে তাল মিলাতে লাগলো। একটা রাক্ষস কোমর দুলিযে এমন মজার নাচ নাচতে শুরু করলো! বদ্রীর মুখে একটা চাপা হাঁসি দেখা দিলো, আর আনন্দে মাথা নেড়ে ও ঠিক করলো পুরো গানটা আবার গাইবে! শেষের লাইনে পৌঁছে ও দর্শকদের ইঙ্গিত করলো ওর সাথে গাইতে আর গেয়ে বললো, “আমি পবন পুত্র..." আর সমস্ত দর্শক সমস্বরে চেঁচিয়ে বললো, “হনুমা... আ... আ... ন!” বাইরের মাঠের থেকে বদ্রীর অনুগত মহিষের দল সমবেত কণ্ঠে বলে উঠলো, “হাম্বা...হাম্বা..." ক্লান্ত-শ্রান্ত বাড়ির পথে যেতে যেতে কলু একটা বড়ো, আনন্দিত নিশ্বাস ছেড়ে বললো, “কী দারুন সুপার হিট রামলীলাই না ছিলো।” {{dhr|3em}} {{***|4}}<noinclude>{{left|১৬}}</noinclude> c70sjk1y0u9b7wp5x9rszayn945stlf পাতা:দেনা পাওনা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/১১৬ 104 807712 1992048 1698090 2026-07-31T04:16:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992048 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sumasa" /></noinclude><section begin="A" />কথাটাই যাবার আগে তাদের জানিয়ে যাবো। হঠাৎ সে বাইরের দিকে উঁকি মারিয়া কহিল, কিন্তু এখন আমি চললাম আমার স্নান করতে যাবার সময় হলো। বলিয়া সে তাহার কাপড় ও গামছা আলনা হইতে তুলিয়া লইয়া কাঁধে ফেলিল। {{gap}}জীবানন্দ বিস্ময়ে অবাক হইয়া কহিল, স্নানের সময়? এই রাত্রে? {{gap}}রাত্রি আর নেই। আপনি এবার বাড়ি যান। বলিতে বলিতেই ষোড়শী ঘর হইতে বাহির হইয়া পড়িল। তাহার এ অকারণ আকস্মিক ব্যস্ততায় জীবানন্দ নিজেও ব্যগ্র হইয়া উঠিল? কহিল, কিন্তু আমার সকল কথাই যে বাকী রয়ে গেল, অলকা? {{gap}}ষোড়শী কহিল, আপনি বাড়ি যান। {{gap}}জীবানন্দ জিদ করিয়া কহিল, না। কথা আমার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এইখানেই তোমার প্রতীক্ষা করে রইলাম! {{gap}}প্রত্যুত্তরে ষোড়শী থমকিয়া দাঁড়াইয়া বলিল, না, আপনার পায়ে পড়ি, আমার জন্যে আর আপনি অপেক্ষা করবেন না। বলিয়া সে বামদিকে বনপথ ধরিয়া দ্রুতপদে অদৃশ্য হইয়া গেল। <section end="A" /> <section begin="B" />{{C|{{larger|'''কুড়ি'''}}}} {{gap}}সেদিন প্রাতঃকালটা হঠাৎ একটা ঘন কুয়াশায় সমস্ত অস্পষ্ট হইয়া উঠিয়াছিল। রায়মশাই সেইমাত্র শয্যাত্যাগ করিয়া বাহিরে আসিয়াছিলেন; একজন ভদ্রব্যক্তিকে প্রবেশ করিতে দেখিয়া কহিলেন, কে ও? {{gap}}আমি নির্মল, বলিয়া জামাতা কাছে আসিয়া তাঁহাকে প্রণাম করিল। এই আকস্মিক আগমনে তিনি কোনরূপ বিস্ময় বা হর্ষ প্রকাশ করিলেন না। চাকরদের ডাকিয়া বলিলেন, কে আছিস রে, নির্মলের জিনিসপত্রগুলো সব হৈমর ঘরে রেখে আয়। তা গাড়িতে কষ্ট হয়নি ত বাবা? খোকা, হৈম, এরা সব ভাল আছে ত? {{gap}}নির্মল ঘাড় নাড়িয়া জানাইল, সকলে ভাল আছে। {{gap}}রায়মহাশয় কহিলেন, কিন্তু একা এলে কেন নির্মল, মেয়েটাকে সঙ্গে আনলে ত আর একবার দেখা হতো? {{gap}}নির্মল বলিল, দু’—চার দিনের জন্যে আবার― {{gap}}রায়মশাই ঈষৎ হাস্য করিলেন; বলিলেন, একি দু’-চার দিনের ব্যাপার বাবা, দু’-চার মাসের দরকার। যাও, ভেতরে যাও―মুখ-হাত ধোও গে। {{gap}}নির্মল ভিতরে আসিয়া দেখিল এখানেও সেই একই ভাব। যে প্রকারেই হোক তাহার আসার সম্ভাবনা কাহারও অবিদিত নয়, এবং সেজন্য কেহই প্রসন্ন নহেন। মুখ-হাত ধোয়া, কাপড় ছাড়া প্রভৃতি সমাধা হইলে গরম চা এবং কিছু জলখাবার <section end="B" /><noinclude>{{C|১১৬}}</noinclude> qgyjhl9jcpv3tbnfb67roqpd278kq05 পাতা:পুনশ্চ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৬ 104 812792 1992059 1694426 2026-07-31T04:18:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992059 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh||পুনশ্চ|৩৯}}{{block center/s}}</noinclude><poem> :ঘরগুলোর মধ্যে চিরকালের ছায়া উপুড় হয়ে পড়ে’, :::আর চিরবন্দী পুরাতনের একটা গন্ধ। :::::মেঝের উপর হল্‌দে জাজিম, ধারে ধারে ছাপ-দেওয়া বন্দুকধারী বাঘ-মারা শিকারীর মূর্ত্তি। ::উত্তরদিকে সিসুগাছের তলা দিয়ে ::::চলেচে সাদা মাটির রাস্তা, উড়চে ধূলো, ::::::খর রৌদ্রের গায়ে হাল্কা উড়নির মতো। সামনের চরে গম অড়র ফুটি তরমুজের ক্ষেত, ::দূরে ঝক্‌মক্ করচে গঙ্গা, ::::তার মাঝে মাঝে গুণ-টানা নৌকো ::::::কালির আঁচড়ে আঁকা ছবি যেন। বারান্দায় রূপোর কাঁকন-পরা ভজিয়া ::::::গম ভাঙচে জাঁতায়, ::::::গান গাইচে এক-ঘেয়ে সুরে, গিরধারী দারোয়ান অনেকখন ধরে তার পাশে বসে আছে, ::::::::জানি না কিসের ওজরে। বুড়ো নিমগাছের তলায় ইদারা, ::গোরু দিয়ে জল টেনে তোলে মালী, ::::তার কাকু-ধ্বনিতে মধ্যাহ্ন সকরুণ, :::তার জলধারায় চঞ্চল ভুট্টার ক্ষেত। গরম হাওয়ায় ঝাপ্‌সা গন্ধ আসচে আমের বোলের, খবর আসচে মহা-নিমের মঞ্জুরীতে মৌমাছির বসেছে মেলা। অপরাহ্ণে সহর থেকে আসে একটি পরবাসী মেয়ে, ::তাপে কৃশ পাণ্ডুবর্ণ বিষণ্ণ তার মুখ, ::::মৃদুসুরে পড়িয়ে যায় বিদেশী কবির কবিতা।</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> cacja7583dy713uuv89wr7zkitd3m0z পাতা:পুনশ্চ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫০ 104 812858 1992060 1699138 2026-07-31T04:18:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992060 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh||পুনশ্চ|৪৩}}{{block center/s}}</noinclude><poem> ::::::::বাড়ির লোকে বলে, লজ্জা করে না বাদর? ::::::::::::কেন লজ্জা? :::বক্সিদের খোঁড়া ছেলে তো ঠেঙিয়ে ঠেঙিয়ে ফল পাড়ে, ::::::::::ঝুড়ি ভরে নিয়ে যায়,— ::::::::::গাছের ডাল যায় ভেঙে, ::::::::::::ফল যায় দলে’, ::::::::::::::লজ্জা করে না? একদিন পাকড়াশিদের মেজোছেলে একটা কাঁচ-পরানো চোঙ নিয়ে :::ওকে বল্‌লে, দেখনা ভিতর বাগে। :::দেখল নানারঙ সাজানো, ::::::::নাড়া দিলেই নতুন হয়ে ওঠে। :::বল্‌লে, “দে না ভাই, আমাকে। ::::::তোকে দেব আমার ঘষা ঝিনুক, :::::::কাঁচা আম ছাড়াবি মজা করে, ::::::::আর দেব আমের কষির বাঁশি॥” দিল না ওকে। :::কাজেই চুরি করে আন্‌তে হোলো। ::::::::::ওর লোভ নেই, ::::::::ও কিছু রাখতে চায় না, শুধু দেখতে চায় ::::::::::::::কী আছে ভিতরে। ::::::::খোদন দাদা কানে মোচড় দিতে দিতে বললে, ::::::::::“চুরি করলি কেন।” :::::::::লক্ষ্মীছাড়াটা জবাব করলে, ::::::::::“ও কেন দিল না।” :::::::::যেন চুরির আসল দায় পাকড়াশিদের ছেলের।</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> mwdbsglcxrnoxhgx4scyrd87fmcyuez পাতা:পুনশ্চ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬২ 104 812870 1992061 1982012 2026-07-31T04:18:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992061 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{rh||পুনশ্চ|৫৫}}{{block center/s}}</noinclude><poem> ::কতদিন স্কুলের বাস্ অমনি যেত ফিরে। :::সে চক্রান্তে বাপেরও ছিল যোগ। ফিরে বছর মাসি এল ছুটিতে, :বল্‌লে, “এমন করে চলবে না। :নিজে ওকে যাব নিয়ে, বোর্ডিঙে দেব বেনারসের স্কুলে,— :ওকে বাঁচানো চাই বাপের স্নেহ থেকে। মাসির সঙ্গে গেল চলে। ::অশ্রুহীন অভিমান ::নিয়ে গেল বুক ভরে’, :::::যেতে দিলেম ব’লে। বেরিয়ে পড়লেম বদ্রিনাথের তীর্থযাত্রায়,— ::নিজের কাছ থেকে পালাবার ঝোঁকে। :চার মাস খবর নেই। মনে হোলো গ্রন্থি হয়েচে আলগা :::::গুরুর কৃপায়। মেয়েকে মনে মনে সঁপে দিলেম দেবতার হাতে,— ::বুকের থেকে নেমে গেল বোঝা। চার মাস পরে এলেম ফিরে। :ছুটেছিলেম অমলিকে দেখতে কাশিতে- ::পথের মধ্যে পেলেম চিঠি,— :::কী আর বলব,— ::::দেবতাই তাকে নিয়েছে।—</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> 5uvx90ig8aj8q0vnfuy6b0rrjua7ln3 পাতা:শিক্ষিতা পতিতার আত্মচরিত - মানদা দেবী.pdf/১৩০ 104 813589 1992336 1886567 2026-07-31T05:07:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992336 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{rh||পঙ্কিল আবর্ত্তে|১৩৭}}</noinclude>দেখাইয়া স্পষ্টস্বরে একটু তিরিক্ষি মেজাজে বলিলাম “আপনি কে?—এ সময়ে আপনার কি প্রয়ােজন?” কিন্তু আমার বুক কাঁপিতেছিল। {{ফাঁক}}নন্দ দাদার বন্ধু আমার আপাদমস্তক একবার দৃষ্টিপাত করিয়া বলিল, “মানী তুমি এখানে?” আমি বলিলাম, “আমার নাম ফিরােজা বিবি,—।” নন্দ দাদার বন্ধু ভিতরে আসিয়া বিছানায় বসিয়া লাঠিটা সম্মুখে শােয়াইয়া রাখিল। আমি দাঁড়াইয়া ছিলাম। নন্দ দাদার বন্ধু আমার ডান হাত ধরিয়া বলিল “বস না এই খানে!” আমি যন্ত্র চালিতের মত বসিয়া পড়িলাম। মাথা নীচু করিয়া বিছানার চাদর খুঁটিতে লাগিলাম। নন্দদার বন্ধুর নাম উপেন্দ্র। {{ফাঁক}}নন্দ দাদার বন্ধু আমাকে বলিল “মানী, তুমি শেষে এই করিলে?—পড়াশুনার এই পরিণাম?” আমি নন্দদার বন্ধুর পায়ে পড়িয়া কঁদিয়া ফেলিলাম। সে বলিল, “কাল রাত্রিতে মদের দোকানে পিকেটীং কর্‌তে এসে তােমার চাকরের মুখে ফিরােজা বিবির ঠিকানা পেয়েছি। আমরা মহাত্মা গান্ধীর মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে মদ্যপান রহিত করতে প্রতিজ্ঞা করেছি। বেশ্যাদের ঘরেও আমরা এই জন্যে যাই। আজ ফিরােজা বিবির ঘরে আস্‌বার কাজ আমার উপর পরেছিল। এখানে এসে দেখ্লাম সে আমার পরিচিত মানদা। তা হলে আজ থেকে তােমার ঘরে মদ আসা বন্ধ,—মনে রেখাে!” {{ফাঁক}}উপেন বাবুর নিকট বাড়ীর সমস্ত সংবাদ জানিলাম। বাবা মনােদুঃখে কলিকাতার সমস্ত বাড়ী বিক্রয় করিয়া পল্লী গ্রামে যাইয়া বাস করিতেছেন। আমর মামার (নন্দদার পিতার) মৃত্যু হইয়াছে। নন্দ দাদা গান্ধীর আন্দোলনে মজিয়াছে। মুকুলদা বি এল্ পাশ<noinclude>{{বাম|{{ফাঁক|3em}}১০}}</noinclude> f3gan63pvvm2050ktv2srj6bnwmlf63 পাতা:পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪ 104 813666 1992321 1985924 2026-07-31T04:58:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992321 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{right|পদ্মানদীর মাঝি}}</noinclude>থাকে এবং অবশেষে আষাঢ় ১৩৪৩-এ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় পূর্বাশা-য় পদ্মানদীর মাঝির ধারাবাহিক প্রকাশ শুরু হওয়ার ছ-মাস পরেই ভারতবর্ষ পত্রিকায় পৌষ ১৩৪১ থেকে পুতুলনাচের ইতিকথা ধারাবাহিক প্রকাশিত হতে শুরু করে এবং বিরতিহীন ১২ কিস্তিতে অগ্রহায়ণ ১৩৪২ সালে উপন্যাসটির প্রকাশ সম্পূর্ণ হয়। {{Gap}}পূর্বাশা এবং পদ্মানদীর মাঝি প্রসঙ্গে ‘নব পর্যায়’ পূর্বাশার প্রথম বর্ষ প্রথম সংখ্যার (মাঘ ১৩৭০) সম্পাদকীয় ‘পূর্বাশার কথা’য় পত্রিকার পূর্ব ইতিহাস বিবৃত করে সম্পাদক সঞ্জয় ভট্টাচার্য পদ্মানদীর মাঝি প্রসঙ্গে লেখেন {{blockquote|...তাছাড়া মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে লাগল। তিনিও তখন প্রকাশক-মহলে অনাদৃত। রােদে পুড়ে খুবই উত্তেজিতভাবে তিনি আমাদের কোন ঠিকানায় যে এসেছিলেন মনে পড়ছে না। (কেন না, মাঝে একটা সর্প-অধ্যুষিত একতলায়, সদানন্দ রােডে এবং বুদ্ধদেব বসুর প্রতিবেশী হয়ে ‘গােলাম মহম্মদ ম্যানসনে’ থেকে এসেছি।) মানিকবাবুর হাতে ছিল ‘পদ্মানদীর মাঝি’র পাণ্ডুলিপি। প্রকাশক-পাড়া ঘুরে এসেছেন, কেউ নিতে রাজি নন। কোন এক প্রকাশক নাকি বলেছেন ‘সময় হলে আপনার বাড়ি গিয়েই বই নিয়ে আসব।’ শুনে আমি বললাম: "তা-ই আসতে হবে ওঁদের। কিন্তু ‘পূর্বাশা’কে কি আপনি দেবেন উপন্যাসটা? জানেন ত অবস্থা! বেশি টাকা দিতে পারব না। মাত্র একশাে দিতে পারি।” তিনি রাজি হয়ে দিলেন পাণ্ডুলিপি। আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল হয়ে বলে গেলেন "আমি লিখব—দেখবেন লিখব!” ‘পদ্মানদীর মাঝি’ এক সংখ্যায় বেরােতেই যাঁরা পূর্বাশার পাঠক তাঁরা মানিকবাবুর প্রশংসায় শতমুখ হয়ে উঠলেন।... {{Right|[পৃষ্ঠা ১০]}} }} {{Gap}}মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্মে প্রথমাবধি অধিকাংশ রচনার ক্ষেত্রে উৎকর্ষসাধনের অভিপ্রায়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত প্রথম পাঠ গ্রন্থরূপে প্রকাশকালে কোথাও সামান্য বা কোথাও ব্যাপক সংস্কারসাধন করেছেন। এমনকি, কিছু ক্ষেত্রে একই গ্রন্থের পরবর্তী সংস্করণের ক্ষেত্রেও এই পরিমার্জনের প্রয়াস লক্ষ করা যায়। পদ্মানদীর মাঝির পূর্বাশায় প্রকাশিত পত্রিকাপাঠ, গ্রন্থরূপের প্রথম সংস্করণ এবং পরবর্তী সংস্করণেও এ-জাতীয় পাঠান্তর লক্ষ করা যায়। অনুসন্ধিৎসু পাঠকের জন্য পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রকাশিত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচনাসমগ্র, দ্বিতীয় খণ্ডের (তৃতীয় সংশােধিত মুদ্রণ, জুন ২০০২) গ্রন্থ-পরিচয় অংশে প্রদত্ত এরূপ পাঠান্তরের কিছু তুলনামূলক নমুনা দ্রষ্টব্য। {{Gap}}মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রন্থসমূহের মধ্যে সর্বাধিক অনূদিত গ্রন্থ পদ্মানদীর মাঝি। বারাণসীর সরস্বতী প্রেস থেকে প্রবােধকুমার মজুমদার-কৃত একটি হিন্দি অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে। একই বছর ত্রিচুর, কেরালার কারেণ্ট বুক থেকে মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটির অনুবাদক শ্রীরবি বর্মা এবং ধারওয়ার থেকে প্রকাশিত কানাড়ি অনুবাদটির অনুবাদক শিবানন্দ যােশি। ১৯৬৫ সালে সম্মুখসুন্দরমের তামিল অনুবাদ প্রকাশিত হয় মাদ্রাজ থেকে। গােবিন্দচন্দ্র শাহু-কৃত ওড়িয়া ভাষার অনুবাদটির প্রকাশক সাহিত্য অকাদেমি, নিউ দিল্লি, প্রকাশকাল ১৯৯৭। এছাড়া হিন্দি এবং অন্য দু-একটি ভারতীয় ভাষায় কয়েকটি অননুমতিপ্রাপ্ত অনুবাদ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা যায়নি। {{nop}}<noinclude></noinclude> ej9dwcj1s9zs4l7ozp3du0tltwo0wo5 পাতা:পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৬ 104 813668 1992058 1983994 2026-07-31T04:17:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992058 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{Rh|||পদ্মানদীর মাঝি}}</noinclude>বাংলাদেশের আশীর্বাদ চলচ্চিত্র-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলা ভাষায় নির্মিত পদ্মানদীর মাঝি উভয় দেশে একযােগে মুক্তি পায় ১৯৯৩-এর মার্চ মাসে। উভয় দেশের শিল্পী অভিনীত ছবিটির পরিচালক গৌতম ঘােষ। ইতিপূর্বে ১৯৫৬ সালে লেখকের জীবনাবসানের অব্যবহিত পূর্বে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্থানে পদ্মানদীর মাঝি অবলম্বনে উর্দু ভাষায় নির্মিত ‘জাগাে হুয়া সবেরা’র পরিচালক হাফিজ কারদার। লেখকপক্ষের অজ্ঞাতসারেই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়। {{Gap}}গ্রামােফোন কোম্পানী অফ ইণ্ডিয়া থেকে লং-প্লে রেকর্ডে রাজ্যেশ্বর মিত্র-কৃত গীতিনাট্যরূপ দিনেন্দ্র চৌধুরীর সংগীত পরিচালনায় ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত হয়। রাজ্যেশ্বর মিত্র-কৃত উপন্যাসটির একটি লােকগীতির পালারূপ দিনেন্দ্র চৌধুরীর সংগীত এবং অসিত চট্টোপাধ্যায়ের নৃত্য পরিচালনায় গ্রামীণ গীতি সংস্থা কর্তৃক ১৯৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয়। পদ্মানদীর মাঝি-র একাধিক নাট্যরূপ একাধিক নাট্যসংস্থা কর্তৃক মঞ্চে অভিনীত হয়েছে এবং আকাশবাণীর একাধিক কেন্দ্র থেকে বেতার নাট্যরূপ প্রচারিত হয়েছে। {{Gap}}লেখকের জীবদ্দশায় প্রকাশিত পদ্মানদীর মাঝি-র সর্বশেষ সংস্করণ (ষষ্ঠ সংস্করণ ভাদ্র ১৩৬১)-এর পাঠ বর্তমান সংস্করণে গৃহীত হয়েছে এবং ‘বাংলা আকাদেমি বানান-বিধি’—সম্মত বানান অনুসৃত হয়েছে। {{nop}}<noinclude></noinclude> c0z8c2aylwwljj82kpyoxv0suxqtino পাতা:বিচিন্তা - রাজশেখর বসু.pdf/১৬৯ 104 814597 1992118 1986381 2026-07-31T04:22:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992118 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{rh|১৫৯||সংস্কৃতি ও সাহিত্য{{ফাঁক}}}}</noinclude>লেখকের ভাষাও তেমনি প্রবীণ পাঠকদের অবোধ্য হয়ে পড়েছে। আধুনিক বাঙালী লেখকদের এই প্রবৃত্তি অনেকের মতে অবাঞ্ছনীয় হলেও রােধ করা অসম্ভব; ভাল মন্দ নানা পথ দিয়ে ভাষা অগ্রসর হবে এবং যে রীতি অধিকাংশ সুধী জনের সম্মত তাই কালক্রমে প্রতিষ্ঠা পাবে। {{ফাঁক}}গত ৫ নভেম্বরে Nature পত্রিকায় Dr. John R. Baker একটি প্রবন্ধে লিখেছেন— {{ফাঁক}}Many scientific papers published in Great Britain are written in a style quite different from that adopted by good English authors........Three kinds of error are—those of grammar, grandiloquence, and German construction. {{ফাঁক}}ইংরেজী লেখকদের বিরুদ্ধে ইনি যে অভিযোগ এনেছেন আধুনিক অনেক বাংলা লেখকদের সম্বন্ধেও তা খাটে—ব্যাকরণের ভুল, আড়ম্বর, এবং (জর্মানের বদলে) ইংরেজী বাক্যরীতি। {{ফাঁক}}হিন্দীর কিছু প্রভাব বাংলা ভাষার উপর অবশ্যই আসবে। হিন্দীর মহত্ত্বের জন্য নয়, ভারতের সর্বাধিক প্রচলিত এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রভাষা বলেই আসবে। তার লক্ষণ এখনই দেখা যায়। অনেক বাঙালী লেখক ‘নূতন’ স্থানে ‘নয়া’, ‘সমুদ্র’ স্থানে ‘দরিয়া’, ‘স্বাধীনতা’ স্থানে ‘আজাদী’ লিখতে ভালবাসেন। অনেকে ‘প্রদেশ, বিপ্লব, শিল্প’ স্থানে ‘প্রান্ত, ক্রান্তি, উদ্যোগ’ লিখছেন। কালক্রমে হয়তো ‘অনুগ্রহপূর্বক’ স্থানে হিন্দী ‘কৃপয়া’, ডাকবাক্স স্থানে ‘চিঠ্ঠি ঘুসেড়’, ‘জরুরী’ স্থানে ‘ধড়ধড়’ চলবে। অনেক বাংলা বই-এর নাম মলাটের উপর নাগরী ছাঁদে লেখা হয়। বাঙালী যদি রাশি রাশি ইংরেজী ভেজাল হজম করতে পারে তবে একটু ভারতীয় ভেজাল সইবে না কেন? {{ফাঁক}}১৩৬৩<noinclude></noinclude> c1zvcanu3ni1tocofgs5xzdmnr1txzw 1992129 1992118 2026-07-31T04:22:38Z Bodhisattwa 2549 1992129 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{rh|১৫৯||সংস্কৃতি ও সাহিত্য{{ফাঁক}}}}</noinclude>লেখকের ভাষাও তেমনি প্রবীণ পাঠকদের অবোধ্য হয়ে পড়েছে। আধুনিক বাঙালী লেখকদের এই প্রবৃত্তি অনেকের মতে অবাঞ্ছনীয় হলেও রােধ করা অসম্ভব; ভাল মন্দ নানা পথ দিয়ে ভাষা অগ্রসর হবে এবং যে রীতি অধিকাংশ সুধী জনের সম্মত তাই কালক্রমে প্রতিষ্ঠা পাবে। {{ফাঁক}}গত ৫ নভেম্বরে Nature পত্রিকায় Dr. John R. Baker একটি প্রবন্ধে লিখেছেন— {{ফাঁক}}Many scientific papers published in Great Britain are written in a style quite different from that adopted by good English authors........Three kinds of error are—those of grammar, grandiloquence, and German construction. {{ফাঁক}}ইংরেজী লেখকদের বিরুদ্ধে ইনি যে অভিযোগ এনেছেন আধুনিক অনেক বাংলা লেখকদের সম্বন্ধেও তা খাটে—ব্যাকরণের ভুল, আড়ম্বর, এবং (জর্মানের বদলে) ইংরেজী বাক্যরীতি। {{ফাঁক}}হিন্দীর কিছু প্রভাব বাংলা ভাষার উপর অবশ্যই আসবে। হিন্দীর মহত্ত্বের জন্য নয়, ভারতের সর্বাধিক প্রচলিত এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রভাষা বলেই আসবে। তার লক্ষণ এখনই দেখা যায়। অনেক বাঙালী লেখক ‘নূতন’ স্থানে ‘নয়া’, ‘সমুদ্র’ স্থানে ‘দরিয়া’, ‘স্বাধীনতা’ স্থানে ‘আজাদী’ লিখতে ভালবাসেন। অনেকে ‘প্রদেশ, বিপ্লব, শিল্প’ স্থানে ‘প্রান্ত, ক্রান্তি, উদ্যোগ’ লিখছেন। কালক্রমে হয়তো ‘অনুগ্রহপূর্বক’ স্থানে হিন্দী ‘কৃপয়া’, ডাকবাক্স স্থানে ‘চিঠ্‌ঠি ঘুসেড়’, ‘জরুরী’ স্থানে ‘ধড়ধড়’ চলবে। অনেক বাংলা বই-এর নাম মলাটের উপর নাগরী ছাঁদে লেখা হয়। বাঙালী যদি রাশি রাশি ইংরেজী ভেজাল হজম করতে পারে তবে একটু ভারতীয় ভেজাল সইবে না কেন? {{ফাঁক}}১৩৬৩<noinclude></noinclude> r0yfv0rbl7ggqyt169wfiuylzprvlfa পাতা:সঞ্চয়িতা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪ 104 814782 1991757 1949208 2026-07-31T04:06:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991757 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Img float | file = গল্পগুচ্ছ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (page 5 crop).jpg | width = 500px | align = center }}<noinclude></noinclude> 4luk84u90uh1ogcx8u0883hweujpzpc পাতা:ছিন্নমুকুল - স্বর্ণকুমারী দেবী.pdf/১৭৫ 104 816365 1992019 1981613 2026-07-31T04:14:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992019 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||পঞ্চত্রিংশ পরিচ্ছেদ|১৭৩}}</noinclude>{{gap}}ভৃত্য বলিল, {{gap}}“সে কি কথা! আমিও যে প্রমোদ বাবুকে জরুরি চিঠি দিতে যাচ্ছি, যদি দরজা বন্ধ হয়ে থাকে তো কি হবে? তুমি কি করে দিলে?” {{gap}}সে ব্যক্তি বলিল, “ফটকের বাইরে যে দরোয়ান থাকে, সে আমার বন্ধু। তাকে বিশেষ ক’রে ধরায় দরজা খুলে সে চিঠি খানি একজন চাকরের হাতে দিলে, তাই রক্ষে।” {{gap}}হিরণের ভৃত্য বলিল, “তবে কি আজ অন্য কারো চিঠি সে দরোয়ান প্রমোদ বাবুর কাছে নিয়ে যাবে না? {{gap}}অপরিচিত বলিল, “না, তা যাবে না—” {{gap}}এই কথায় ভৃত্য ভাবিতে ভাবিতে বলিল, “তবে কি করব, তবে কি ফিরে যাব? কিন্তু বাবু বলেছেন, খুব জরুরি চিঠি—একবার বাড়ী পর্য্যন্ত গিয়ে দেখেই আসি।” {{gap}}সে ব্যক্তি বলিল “যাওয়া মিথ্যে, আমি তো এই আসছি। দশটার সময় তাঁদের দরজা বন্ধ হয়ে যায়।” {{gap}}ভৃত্য বলিল, “তবে আজ যাই, কাল আসব।” {{gap}}অপরিচিত বলিল, “এ কি বিশেষ দরকারী চিঠি? আজ কি না দিলেই নয়?” {{gap}}ভৃ। বাৱু তো বলেছেন খুব দরকারী। {{gap}}সে ব্যক্তি বলিল, “আহা, তবে অমনি ফিরে যাবে, তাতে তো তোমার মনীব রাগ করবেন?” {{gap}}ভৃ। তা এতে আমার কি দোষ? {{gap}}সে ব্যক্তি একটু দুঃখের সুরে বলিল, {{gap}}মনীবরা তা বুঝলে কি আর ভাবনা থাকত? তা ত তাঁরা বোঝেন না, যত দোষ নন্দঘোষের উপর চাপান্। এই আজ যদি আমি অত কষ্ট<noinclude></noinclude> 22ef9jfszqms7ui3xnvyz2c86k4b305 পাতা:ছিন্নমুকুল - স্বর্ণকুমারী দেবী.pdf/৩৬ 104 816460 1992017 1732117 2026-07-31T04:14:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992017 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪|ছিন্নমুকুল|}}</noinclude>বলিতে পারিলাম না। কিছু পরে কনক বিরক্তভাবে বইখানি মুড়িয়া অঞ্চলে অশ্রু মুছিতে লাগিল, মুছিয়া মুছিয়া আবার কি ভাবে জানি না, বইখানি খুলিয়া পড়িতে গেল, এই সময় প্রমোদ ঘরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। আস্তে আস্তে তাহার নিকট আসিয়া একখানি চৌকিতে স্থিরভাবে বসিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন “কি পড়ছিলে? {{gap}}“ভারতবর্ষের ইতিহাস।” {{gap}}“কই দেখি” বলিয়া প্রমোদ বইখানি হাতে লইলেন, কিন্তু তাহাতে একবার চক্ষু বুলাইয়াই আবার সশব্দে টেবিলের উপর ফেলিয়া রাখিয়া বলিলেন “কনক!—" {{gap}}কনক বলিয়াই প্রমোদ থামিলেন, কি বলিতে গিয়াছিলেন আর বলিলেন না, কনক তাহা বুঝিয়া বলিল “দাদা, কি? কি বলছিলে বল না?” {{gap}}“না, কিছু না—জিজ্ঞাসা করছিলুম তোর ইতিহাস বেশ মনে আছে? বল দেখি নূরজাহান কে?” {{gap}}“সের আফগানের স্ত্রী, পরে জাহাঙ্গীরের রাণী হয়।” {{gap}}“জাহাঙ্গীর নূরজাহানকে চিন্‌লে কি করে?” {{gap}}“অল্পবয়স্কা নূবজাহান আকবরের অন্দরে প্রায়ই থাকত, সেই সময় যুবরাজ জাহাঙ্গীর তাহাকে দেখে রূপে মুগ্ধ হন।” {{gap}}“আচ্ছা, আচ্ছা, তার পর সের আফগানের সঙ্গে বিবাহের পর আবার জাহাঙ্গীরের রাণী হ’ল কি করে?” {{gap}}“জাহাঙ্গীরের আদেশে সের আফগান নিহত” {{gap}}কনকের কথাটি শেষ না হইতে হইতেই প্রমোদ বলিলেন— {{gap}}“ছিঃ ছিঃ, জাহাঙ্গীরের প্রেম প্রেমই নয়, সে প্রেমে আত্মবিসর্জ্জন কই?” বলিতে বলিতে প্রমোদের মনে কত ভাব বহিয়া গেল। মনে হইল নীরজা যে তাঁহার হইবে, ইহা তো তাঁহার দুরাশা।<noinclude></noinclude> 5al4bf1rai3qrljhmim0e6lppr2599d পাতা:ছিন্নমুকুল - স্বর্ণকুমারী দেবী.pdf/৪৭ 104 816479 1992018 1732122 2026-07-31T04:14:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992018 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||দশম পরিচ্ছেদ|৪৫}}</noinclude>তাঁহাকে তৎক্ষণাৎ উপরে আনিতে ভৃত্যকে আদেশ করিলেন, ভৃত্য বলিল “তিনি আসবেন না, বস্‌বেন না, পথে দাঁড়িয়ে আছেন, পথেই আপনার সঙ্গে কি কথা ক’য়ে চলে যাবেন। প্রমোদ কিছু আশ্চর্যা হইয়া বলিলেন “তবে চল।” এই বলিয়া ভৃত্যের সহিত প্রমোদ সন্ন্যাসীর নিকট আসিলেন। সন্ন্যাসীকে দেখিয়া চিনিতে পারিলেন এবং আহ্লাদের সহিত প্রণাম করিয়া বলিলেন, “যদি অনুগ্রহ কবে আমাকে মনেই করলেন, তবে একবার ভিতরে এসে বসুন।” {{gap}}সন্ন্যাসী মৃহুগম্ভীর স্বরে বলিলেন, “না আমার সঙ্গে একটু বিরলে এস, বিশেষ প্রয়োজন আছে।” বলিয়া সন্ন্যাসী অগ্রে অগ্রে গমন করিলেন, প্রমোদ তাঁহার অনুসরণ করিয়া বিজন উদ্যানের এক নিভৃত প্রান্তে গিয়া দাঁড়াইলেন। {{gap}}তখন রাত্রির প্রথম প্রহর অতীত হইয়া গিয়াছে, আকাশের ক্ষীণ চন্দ্র ক্ষীণালোকে এতক্ষণ পর্য্যন্ত পৃথিবীকে অল্প পরিমাণে উজ্জ্বল করিতেছিল, ক্রমে তাহাও আকাশের কোলে ডুবিয়া গিয়াছে। রজনী অন্ধকার, কিন্তু অসংখ্য খ্যাতমালা এই অন্ধকারে, বাগানের গাছপাতার মধ্যে নিবিয়া নিবিয়া জ্বলিতেছে, এবং সহরের দীপমালা শ্রেণীবদ্ধ তারকারাজির মত দূরে শোভা পাইতেছে। এই নিস্তব্ধ বিজনে আসিয়া, নিশার গভীর নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করিয়া সন্ন্যাসী মেঘনির্ঘোষবৎ গম্ভীরস্বরে বলিলেন, “প্রমোদ, তোমার এ কি আচরণ?” {{gap}}সন্ন্যাসীর স্বরে সন্ন্যাসীর কথায় প্রমোদ আশ্চর্য্যভাবে বলিলেন— {{gap}}“আমার কি আচরণ?” {{gap}}সন্ন্যাসী অধিকতর গম্ভীর স্বরে অধিকতর ক্রুদ্ধস্বরে বলিলেন— {{gap}}“পাষণ্ড! নরাধম! আমার নীরজা কোথায়?” {{nop}}<noinclude></noinclude> bpucmt46yiq8zyc3hz64z5z8r2q3qw2 পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/৩৭৬ 104 816749 1991886 1730873 2026-07-31T04:09:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991886 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" />{{rh|৩৪২|আত্মচরিত |}}</noinclude>আগুনের কাছে আরাম কেদারায় বসেন, তখন তিনি মুখে মুখে ছেলেদের নানা বিষয় শিখাইতে আলস্য করেন না। তাঁহার নিজের জ্ঞানও খূব সঙ্কীর্ণ নহে, ইয়োরোপের ইতিহাস এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাহিত্য তিনি জানেন। কিন্তু ধর্মতত্ত্ব, কাব্য এবং স্কটল্যাণ্ডের ইতিহাসই তাঁহার বিশেষ প্রিয়। স্কটল্যাণ্ডের ইতিহাসে যেসব যুদ্ধ, অবরোধ, সঙ্ঘর্ষ, পারিবারিক বা জাতীয় কলহের কথা কোন ঐতিহাসিক লিপিবদ্ধ করেন না, একজন বুদ্ধিমান কৃষক, সে সমস্ত জানেন; বড় বড় বংশের ইতিহাস তাঁহার নখদর্পণে। স্কটল্যাণ্ডের গীতি কবিতা, চারণ গাথা প্রভৃতি তাঁহার মুখস্থ, এমন কি অনেক সুদীর্ঘ কবিতাও তাঁহার মুখস্থ আছে। যে সব ব্যক্তি স্কটল্যাণ্ডের মর্যাদা বৃদ্ধি করিয়াছেন, তাঁহাদের জীবনের কথা তাঁহার জানা আছে। এসব তো তাঁহার স্মৃতিপটেই আছে, ইহা ছাড়া তাঁহার শেলফের উপর পূথিপত্রও আছে। স্কটল্যাণ্ডের সাধারণ কৃষকের গৃহেও একটি ছোট খাট লাইব্রেরী থাকে,——সেখানে ইতিহাস, ধর্মতত্ত্ব এবং বিশেষ ভাবে কাব্যগ্রন্থাদি আছে। মিলটন এবং ইয়ং তাহাদের প্রিয়। হার্ডের চিন্তাবলী, ‘পিগ্রিস প্রোগ্রেস’, সকল কৃষকের ঘরেই আছে। যাঁমজে, টমসন, ফার্গুসন, এবং বার্নস প্রভৃতি স্কচ লেখকদের গ্রন্থ, গান, চারণ গাথা, সবই ঐ গ্রন্থাগারে একত্র বিরাজ করিতেছে; বহ, ব্যবহারের ফলে ঐগুলির মলাট হয়ত ময়লা হইয়াছে, পাতা গুলি কিছু কিছু ছিন্ন কীটদষ্ট হইয়াছে।” {{gap}}রক্ত সংমিশ্রণের ফলে species বা শ্রেণীর উন্নতি হয়, সন্দেহ নাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ভারতীয় সামাজিক প্রথা জাতিভেদের উপরে প্রতিষ্ঠিত, সুতরাং ইহার ফলে বংশানুক্রমিক উৎকর্ষ হয় না এবং নিম্ন স্তরের জাতিরাও উন্নতি লাভ করিতে পারে না। এই জাতিভেদ প্রথার ত্রুটি ভারতীয় মহাজাতির, অথবা যে কোন রক্ষণশীল দেশের ইতিহাস আলোচনা করিলেই বুঝা যাইতে পারে। {{gap}}ভারতে ব্রিটিশ শাসনের প্রথম অবস্থায়, উচ্চবর্ণীয়েরাই (শিক্ষিত সম্প্রদায়) সর্বাগ্রে পাশ্চাত্য শিক্ষার সংযোগ লাভ করিয়াছেন। ব্রিটিশ শাসন যখন সাদঢ় হইল, তখন আদালত স্থাপিত ও আইনকানুন বিধিবদ্ধ হইল। আমলাতন্ত্রের শাসনযন্ত্র সপ্রতিষ্ঠিত হইল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহও গড়িয়া উঠিল। সুতরাং আইনজীবী, স্কুল মাষ্টার, সেক্রেটারিয়েটের কেরাণী, ডাক্তার প্রভৃতির চাহিদা খুব বাড়িয়া গেল। ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সহিত সংসৃষ্ট অসংখ্য কলেজের সৃষ্টি হইল এবং সেখানে দলে দলে ছাত্রেরা ভর্তি হইতে লাগিল; কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী বা উপাধিই পূর্বোক্ত ওকালতী, ডাক্তারী, কেরাণীগিরি প্রভৃতি পদ লাভের প্রধান উপায় ছিল। কিছু কাল ব্যবস্থা ভালই চলিতে লাগিল। কতক গুলি উকীল, ডাক্তার প্রভৃতি প্রভূত অর্থ উপার্জন করিতে লাগিলেন। কলিকাতা হাইকোর্টের তথা জেলা কোর্টের কতক গুলি জজের পদও ভারতবাসীকে দেওয়া হইল। শাসন ও বিচার বিভাগের নিম্ন স্তরের কাজগুলি সম্পর্ণরূপে ভারতবাসীদেরই দেওয়া হইতে লাগিল। কেন না ঐসব পদের জন্য যে বেতন নির্দিষ্ট ছিল, তাহাতে যোগ্য ইয়োরোপীর কর্মচারী পাওয়া যাইত না। এইরূপে এদেশের শিক্ষিত সম্প্রদায় কেবল যে তাহাদের সক্ষম মস্তিষ্ক চালনার ক্ষেত্র পাইল তাহা নহে, তাহাদের জীবিকার্জনের পথও প্রশস্ত হইল। {{gap}}কিন্তু অন্য দিক দিয়া, এই অস্বাভাবিক ও কৃত্রিম ব্যবস্থা সমাজদেহকে বিষাক্ত করিয়া তুলিতে লাগিল। শুনা যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও যক্ষ্মার প্রথম অবস্থায় প্রতারিত হন, উহা তাঁহাদের দৃষ্টি এড়াইয়া যায়। শিক্ষিত সম্প্রদায়ের উচ্চশিক্ষার প্রতি মোহের ফলে এখন ভীষণ প্রতিক্রিয়া আরম্ভ হইল। তাহারা সভয়ে দেখিল যে, তাহাদের সঙ্কীর্ণ কার্যক্ষেত্রে বিষম ভিড় জমিয়া গিয়াছে। ব্যবসা বাণিজ্য ইতিমধ্যেই অন্য লোকের হাতে চলিয়া গিয়াছে এবং ইহার অপরিহার্য পরিণাম বেকার সমস্যা ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করিতেছে।<noinclude></noinclude> aql51un8izv4p49abxtsue5389c505t 1991889 1991886 2026-07-31T04:10:10Z Bodhisattwa 2549 1991889 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Kazimizanur" />{{rh|৩৪২|আত্মচরিত |}}</noinclude>আগুনের কাছে আরাম কেদারায় বসেন, তখন তিনি মুখে মুখে ছেলেদের নানা বিষয় শিখাইতে আলস্য করেন না। তাঁহার নিজের জ্ঞানও খূব সঙ্কীর্ণ নহে, ইয়োরোপের ইতিহাস এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাহিত্য তিনি জানেন। কিন্তু ধর্মতত্ত্ব, কাব্য এবং স্কটল্যাণ্ডের ইতিহাসই তাঁহার বিশেষ প্রিয়। স্কটল্যাণ্ডের ইতিহাসে যেসব যুদ্ধ, অবরোধ, সঙ্ঘর্ষ, পারিবারিক বা জাতীয় কলহের কথা কোন ঐতিহাসিক লিপিবদ্ধ করেন না, একজন বুদ্ধিমান কৃষক, সে সমস্ত জানেন; বড় বড় বংশের ইতিহাস তাঁহার নখদর্পণে। স্কটল্যাণ্ডের গীতি কবিতা, চারণ গাথা প্রভৃতি তাঁহার মুখস্থ, এমন কি অনেক সুদীর্ঘ কবিতাও তাঁহার মুখস্থ আছে। যে সব ব্যক্তি স্কটল্যাণ্ডের মর্যাদা বৃদ্ধি করিয়াছেন, তাঁহাদের জীবনের কথা তাঁহার জানা আছে। এসব তো তাঁহার স্মৃতিপটেই আছে, ইহা ছাড়া তাঁহার শেলফের উপর পূথিপত্রও আছে। স্কটল্যাণ্ডের সাধারণ কৃষকের গৃহেও একটি ছোট খাট লাইব্রেরী থাকে,—সেখানে ইতিহাস, ধর্মতত্ত্ব এবং বিশেষ ভাবে কাব্যগ্রন্থাদি আছে। মিলটন এবং ইয়ং তাহাদের প্রিয়। হার্ডের চিন্তাবলী, ‘পিগ্রিস প্রোগ্রেস’, সকল কৃষকের ঘরেই আছে। যাঁমজে, টমসন, ফার্গুসন, এবং বার্নস প্রভৃতি স্কচ লেখকদের গ্রন্থ, গান, চারণ গাথা, সবই ঐ গ্রন্থাগারে একত্র বিরাজ করিতেছে; বহ, ব্যবহারের ফলে ঐগুলির মলাট হয়ত ময়লা হইয়াছে, পাতা গুলি কিছু কিছু ছিন্ন কীটদষ্ট হইয়াছে।” {{gap}}রক্ত সংমিশ্রণের ফলে species বা শ্রেণীর উন্নতি হয়, সন্দেহ নাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ভারতীয় সামাজিক প্রথা জাতিভেদের উপরে প্রতিষ্ঠিত, সুতরাং ইহার ফলে বংশানুক্রমিক উৎকর্ষ হয় না এবং নিম্ন স্তরের জাতিরাও উন্নতি লাভ করিতে পারে না। এই জাতিভেদ প্রথার ত্রুটি ভারতীয় মহাজাতির, অথবা যে কোন রক্ষণশীল দেশের ইতিহাস আলোচনা করিলেই বুঝা যাইতে পারে। {{gap}}ভারতে ব্রিটিশ শাসনের প্রথম অবস্থায়, উচ্চবর্ণীয়েরাই (শিক্ষিত সম্প্রদায়) সর্বাগ্রে পাশ্চাত্য শিক্ষার সংযোগ লাভ করিয়াছেন। ব্রিটিশ শাসন যখন সাদঢ় হইল, তখন আদালত স্থাপিত ও আইনকানুন বিধিবদ্ধ হইল। আমলাতন্ত্রের শাসনযন্ত্র সপ্রতিষ্ঠিত হইল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহও গড়িয়া উঠিল। সুতরাং আইনজীবী, স্কুল মাষ্টার, সেক্রেটারিয়েটের কেরাণী, ডাক্তার প্রভৃতির চাহিদা খুব বাড়িয়া গেল। ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সহিত সংসৃষ্ট অসংখ্য কলেজের সৃষ্টি হইল এবং সেখানে দলে দলে ছাত্রেরা ভর্তি হইতে লাগিল; কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী বা উপাধিই পূর্বোক্ত ওকালতী, ডাক্তারী, কেরাণীগিরি প্রভৃতি পদ লাভের প্রধান উপায় ছিল। কিছু কাল ব্যবস্থা ভালই চলিতে লাগিল। কতক গুলি উকীল, ডাক্তার প্রভৃতি প্রভূত অর্থ উপার্জন করিতে লাগিলেন। কলিকাতা হাইকোর্টের তথা জেলা কোর্টের কতক গুলি জজের পদও ভারতবাসীকে দেওয়া হইল। শাসন ও বিচার বিভাগের নিম্ন স্তরের কাজগুলি সম্পর্ণরূপে ভারতবাসীদেরই দেওয়া হইতে লাগিল। কেন না ঐসব পদের জন্য যে বেতন নির্দিষ্ট ছিল, তাহাতে যোগ্য ইয়োরোপীর কর্মচারী পাওয়া যাইত না। এইরূপে এদেশের শিক্ষিত সম্প্রদায় কেবল যে তাহাদের সক্ষম মস্তিষ্ক চালনার ক্ষেত্র পাইল তাহা নহে, তাহাদের জীবিকার্জনের পথও প্রশস্ত হইল। {{gap}}কিন্তু অন্য দিক দিয়া, এই অস্বাভাবিক ও কৃত্রিম ব্যবস্থা সমাজদেহকে বিষাক্ত করিয়া তুলিতে লাগিল। শুনা যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও যক্ষ্মার প্রথম অবস্থায় প্রতারিত হন, উহা তাঁহাদের দৃষ্টি এড়াইয়া যায়। শিক্ষিত সম্প্রদায়ের উচ্চশিক্ষার প্রতি মোহের ফলে এখন ভীষণ প্রতিক্রিয়া আরম্ভ হইল। তাহারা সভয়ে দেখিল যে, তাহাদের সঙ্কীর্ণ কার্যক্ষেত্রে বিষম ভিড় জমিয়া গিয়াছে। ব্যবসা বাণিজ্য ইতিমধ্যেই অন্য লোকের হাতে চলিয়া গিয়াছে এবং ইহার অপরিহার্য পরিণাম বেকার সমস্যা ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করিতেছে।<noinclude></noinclude> 58cs474defnjwt66amm1zxczgipo6yi পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৭ 104 821875 1991864 1984963 2026-07-31T04:08:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991864 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>প্রশ্নটি তিনি সমাজ, সাংস্কৃতিক, আর্থ সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক, রাজনৈতিক ইত্যাদি বিভিন্ন দিক থেকে বিচার করার চেষ্টা করেছেন, তাঁর জ্ঞানের স্বচ্ছ আলোকে আমাদের আলোকিত করতে চেয়েছেন। আমাদের দেশে এই ধরনের ব্যাপক কাজ হয়নি বললে বোধহয় ভুল বলা হবে না। {{ফাঁক}}গ্রন্থে আটটি অধ্যায়। অধ্যায় শুরুর আগে রয়েছে লেখকের ‘যুক্তিবাদী প্রসঙ্গ’—এ লেখা ‘কিছু কথা'। ‘কিছু কথা’য় রয়েছে যুক্তিবাদ নিয়ে বহু যুক্তির অবতারণার পাশাপাশি আমাদের দেশের বিজ্ঞান আন্দোলনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে আলোচনা। এসেছে মুখোশধারী বিশিষ্ট বিজ্ঞান লেখক, বিজ্ঞান আন্দোলনের নেতা, বস্তুবাদী রাজনৈতিক নেতা ও বিজ্ঞান সংস্থার কথা। উচ্চারিত হয়েছে বিজ্ঞান আন্দোলনের স্বার্থে এদের চিহ্নিত করা এবং এদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ঘোষণার কথা। কারণ, এইসব মুখোশধারীরা চিরকালই আমাদের পরিচিত শত্রুদের চেয়ে বহুগুণ বেশ ভয়াবহ। পাশাপাশি বিজ্ঞান আন্দোলনকর্মীদের দিশা দেওয়া হয়েছে কীভাবে তাঁরা নিজেদের শিক্ষিত করে তুলে প্রত্যেকে এক একজন সংগঠক, যোদ্ধা হয়ে উঠবেন, কী ভাবে মানুষকে সাথে নিয়ে এগোবেন। {{ফাঁক}}পরবর্তী বিভিন্ন অধ্যায়ে এসেছে ভূতে ভর, ডাইনির ভর, ঈশ্বরে ভরের নানা বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা এবং সে-সব আলোচনায় উদাহরণের সূত্র ধরে বহু অসাধারণ আকর্ষণীয় সত্যি ঘটনা—যার অনেকগুলিই মুখোমুখি হওয়ার রোমাঞ্চকর বহু কাহিনি। এ-সব কাহিনির নায়ক-নায়িকারা অনেকেই আক্ষরিক অর্থেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রভূত খ্যাতির অধিকারী। এঁদের রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা প্রবীর ঘোষের আগে অনেকেই করেছেন এবং ব্যর্থ হয়েছেন। ব্যর্থ চেষ্টাকারীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বহু ব্যক্তি ও সংবাদমাধ্যম। প্রবীর ঘোষের নিরবচ্ছিন্ন জয় আমাদের মতো সম-মতাবলম্বীদের ভবিষ্যতের উজ্জ্বল স্বপ্ন দেখার, লড়াই করার শক্তি জোগায়, যখন শোষক শ্রেণি আমাদের বিরুদ্ধে তিনটে ফ্রণ্ট খুলে যুদ্ধ চালিয়ে যায় (এক: অবতার ও জ্যোতিষী, দুই: মুখোশধারী আন্দোলনকারী, তিন: ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দের আড়ালে থেকে প্রচার মাধ্যমকে ও গণ-মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে গণ-ধর্মোন্মাদনা সৃষ্টি করে আমাদের কাছ থেকে জনগণকে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায়।) তখন অনেক সময়ই আমরা অন্ধকারাচ্ছন্ন বর্তমান দেশে নৈরাশ্যপীড়িত হই, ভুলে যাই ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে, আর তাইতেই সামনের দীর্ঘস্থায়ী লড়াইকে বড় বেশি ভারী মনে হয়। এই সময় বড় বেশি প্রয়োজন স্বপ্ন দেখানোর। এই স্বপ্নই আন্দোলনকারীদের উদ্বুদ্ধ করবে<noinclude>{{c|১৩}}</noinclude> 19ek9dcl87qmf6u82rf1kz0frxyx91z পাতা:ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম.pdf/৭ 104 822334 1991667 1863024 2026-07-31T03:55:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991667 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{dhr|10em}}</noinclude>{{c|{{xxx-larger|'''সূচী'''}}}} {{block center|width=400px| {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/ধুস্তুরী মায়া (দুই বুড়োর রূপকথা)|ধুস্তুরী মায়া (দুই বুড়োর রূপকথা)]]|{{pli|1|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…|entry-width=20em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/রামধনের বৈরাগ্য|রামধনের বৈরাগ্য]]|{{pli|25|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/ভরতের ঝুমঝুমি|ভরতের ঝুমঝুমি]]|{{pli|40|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/রেবতীর পতিলাভ|রেবতীর পতিলাভ]]|{{pli|54|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/লক্ষ্মীর বাহন|লক্ষ্মীর বাহন]]|{{pli|69|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/অক্রূরসংবাদ|অক্রূরসংবাদ]]|{{pli|88|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/বদন চৌধুরীর শোকসভা|বদন চৌধুরীর শোকসভা]]|{{pli|106|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/যদু ডাক্তারের পেশেণ্ট|যদু ডাক্তারের পেশেণ্ট]]|{{pli|114|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/রটন্তীকুমার|রটন্তীকুমার]]|{{pli|129|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/অগস্ত্যদ্বার|অগস্ত্যদ্বার]]|{{pli|146|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/ষষ্ঠীর কৃপা|ষষ্ঠীর কৃপা]]|{{pli|160|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} {{dotted TOC page listing||[[ধুস্তুরী মায়া ইত্যাদি গল্প/গন্ধমাদন-বৈঠক|গন্ধমাদন-বৈঠক]]|{{pli|171|8}}|dottext=…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…{{gap|4em}}…|entry-width=12em}} }}<noinclude>{{dhr|10em}}</noinclude> fkrbqac1rbxmoaowud52l3kd1jj4xp6 পাতা:ছাড়পত্র - সুকান্ত ভট্টাচার্য.pdf/৫ 104 824609 1992016 1985697 2026-07-31T04:14:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992016 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" /></noinclude>বার করার সিদ্ধান্ত হয়। এই অনিশ্চয়তার জন্যে বই প্রকাশে আরও বেশী বিলম্ব হয়ে গেল; ‘ছাড়পত্র’ প্রকাশের ব্যাপারে আমি গোড়া থেকে জড়িত ছিলাম বলেই এই বিলম্বের জন্য প্রকাশকদের পক্ষ থেকে পাঠকসমাজের কাছে ক্ষমা চাইছি। ‘ছাড়পত্রে’র কবিতাগুলি রচনার কালানুক্রমে সাজানো হয় নি। পর পর সাজানোর ব্যাপারে মোটামুটি ভারসাম্য ও ছন্দোবৈচিত্রের দিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তার ফলে প্রথম দিকে বহু নতুন ও শেষের দিকে বহু পুরানো কবিতাকে স্থান দিতে হয়েছে। ‘চারাগাছ’, ‘প্রার্থী’, ‘একটি মোরগের কাহিনী’, ‘সিঁড়ি’, ‘সিগারেট’ প্রভৃতি কবিতা সুকান্তর রোগশয্যায় লেখা; ‘ফসলের ডাক’, ‘কৃষকের গান’, ‘এই নবান্নে’, ‘আঠারো বছর বয়স’ প্রভৃতি কবিতা চার-পাঁচ বছর আগেকার লেখা—সুকান্তর বয়স তখন পনেরো ষোল। ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’, ‘প্রস্তুত’, ‘দুরাশার মৃত্যু’, সম্ভবত তারও আগের লেখা। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭ সাল—যুগসন্ধির এই পাঁচটা বছর ধরে ‘ছাড়পত্রে’র রচনাকাল। একদিকে মৃত্যুকীর্ণ যুদ্ধ আর দুর্ভিক্ষ, বন্যা আর মহামারী, অন্যদিকে জীবনপ্রতিষ্ঠার মৃত্যুপণ সংগ্রাম—জয়পরাজয় আর উত্থানপতনে, সুখদুঃখ আর আশানিরাশায় ঘেরা এই পাঁচটা বছর ‘ছাড়পত্রে’ উৎকীর্ণ হয়ে আছে। কোটি কোটি মানুষের বলিষ্ঠ আশা কবির কণ্ঠে নির্ভীক ঘোষণায় ফুটে উঠেছে। —সুকান্ত নতুন যুগের সার্থক কবি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন একাত্মতা, সহজ কথা সোজাসুজি বলতে পারার এমন দুঃসাহসী ক্ষমতা লুকাস্তর সমসাময়িক আর কোন কবি দেখাতে পেরেছেন কিনা সন্দেহ। বয়সে সর্বকনিষ্ঠ হয়েও কবিত্বশক্তিতে সুকান্ত ছিল অগ্রগণ্যদের একজন। ইস্কুলের ছাত্র অবস্থায় দেশজোড়া এত বিরাট খ্যাতি বাংলার আর কোন কবির ভাগ্যেই বোধহয় জোটেনি। এই বয়সেই বিদেশে সুকান্তর একাধিক কবিতার অনুবাদ হয়েছে, তার কবিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুকান্তর কবিতা যাঁরা পড়বেন, তাঁরা একথা স্বীকার করবেন যে, সুকান্তর কবিতা শুধুই বিরাট সম্ভাবনার ইঙ্গিত নয়, তাতে আছে মহৎ পরিণতির সুস্পষ্ট পদধ্বনি। ‘ছাড়পত্র’ তাই বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন পাবে। {{nop}}<noinclude></noinclude> 4atw6x81sxch7hqiqpprbaej7frsv5b পাতা:কপালকুণ্ডলা (দ্বিতীয় সংস্করণ).pdf/৩০ 104 824979 1991973 1745828 2026-07-31T04:11:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991973 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{Larger|{{Rh|২৪|কপালকুণ্ডলা।|}}}}</noinclude>লয়বিশিষ্ট হয়। সংসারযাত্রা সেই অবধি সুখময় সঙ্গীতপ্রবাহ বলিয়া বোধ হয়। নবকুমারের কর্ণে সেইরূপ এ ধ্বনি বাজিল। {{gap}}“পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” এ ধ্বনি নবকুমারের কর্ণে প্রবেশ করিল। কি অর্থ, কি উত্তর করিতে হইবে, কিছুই মনে হইল না। ধ্বনি যেন হর্ষবিকম্পিত হইয়া বেড়াইতে লাগিল; যেন পবনে সেই ধ্বনি বহিল; বৃক্ষপত্রে মর্ম্মরিত হইতে লাগিল; সাগরনাদে যেন মন্দীভূত হইতে লাগিল। সাগরবসনা পৃথিবী সুন্দরী; রমণী সুন্দরী; ধ্বনিও সুন্দর; হৃদয়তন্ত্রী মধ্যে সৌন্দর্য্যের লয় উঠিতে লাগিল। {{gap}}রমণী কোন উত্তর না পাইয়া কহিলেন, “আইস।” এই বলিয়া তৰুণী চলিল পদক্ষেপ লক্ষ্য হয় না। বসন্তকালে মন্দানিল-সঞ্চালিত শুভ্র মেঘের ন্যায় ধীরে ধীরে, অলক্ষ্য পাদবিক্ষেপে চলিল; নবকুমার কলের পুত্তলীর ন্যায় সঙ্গে চলিলেন। এক স্থানে একটা ক্ষুদ্র বন পরিবেষ্টন করিতে হইবে, বনের অন্তরালে গেলে, আর সুন্দরীকে দেখিতে পাইলেন না। বন বেষ্টনের পর দেখেন যে সম্মুখে কুটীর। {{dhr|1em}} {{rule|2em}} {{dhr|3em}}<noinclude></noinclude> n73qggjlywiqv5hlxgaub1t8d27rfin পাতা:তীর্থ-সলিল - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০৮).pdf/১১২ 104 831757 1992296 1969461 2026-07-31T04:56:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992296 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ghazilenin" />{{Right|{{larger|{{u|তীর্থ-সলিল}}}}}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="A" /><poem>গেল শীত; এল ফুলের সময়;— ::::মাঠে, ঘাটে, বাটে মুকুল-লেখা!; রাখাল ফিরিল, প্রিয়ারে ঢুঁড়িল, ::::বৃথা হায়,—সে ত’ দিল না দেখা! “দেখা দাও, ওগো, দেখা দাও ফিরে” ::::কহিল ফুকারি’ করুণ সুরে; ধ্বনিল অমনি অশরীরী বাণী— ::::বিদায়—বিদায় রাখাল ওরে!” {{overfloat right|{{smaller|আহ্লাণ্ড।}}|depth=3em}}</poem>{{block center/e}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{c|{{larger|'''প্রেম ও মৃত্যু।'''}}}} {{bc|<poem>ভালবাসা!{{ফাঁক|1em}}যদি তোর পূর্ণ ক্ষেত্র হ’তে, মরণ, সোনার শীষ তোলে;— দিস্‌রে গলায়ে দিস্ শোকে মূঢ় প্রাণ, সোনার প্রদীপ দিস্ জ্বেলে। নিরাশার কুমন্ত্রণা করি’ পরাজয় শুনাস্ মধুর আলাপন; মরণ, ফসল তোর বাঁটি’ যদি লয় ছাড়িস্‌ নে বপন রোপন। {{overfloat right|{{smaller|বেরাঁজ্যার।}}}}</poem>}}<section end="B" /><noinclude>{{right|৯৫}}</noinclude> ebpovsu37vglyei3w4ynwewpv5ld6nk পাতা:মৈমনসিংহ গীতিকা (প্রথম খণ্ড) - দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৩৫৭ 104 832053 1992149 1763871 2026-07-31T04:25:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992149 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Ghazilenin" />{{rh||কঙ্ক ও লীলা|২৯৯}}{{block center/s}}</noinclude><poem>দেখিলে শুনাইও আমার দুঃখের গান। বলিয়া কহিয়া আনিয়া তারে বাঁচাও লীলার প্রাণ॥ সম্পদ-কালেতে পক্ষী পালিল তোমায়। ভুলিতে এমন জনে কভু না জোয়ায়<ref>জোয়ায়=যোগ্য হয়।</ref>॥ পৃথিবী ভ্রমিয়া পক্ষী করিও সন্ধান। বারতা জানিয়া তাহার বাঁচাও লীলার প্রাণ॥{{overfloat right|১—১০৮|depth=6em}}</poem>{{block center/e}} {{c|(১৮)}} {{c|{{larger|ষাণ্মাসিকী গীতি}}}}{{block center/s}} <poem>"দারুণ ফাল্গুন মাস গাছে নানান ফুল। মালঞ্চ<ref>মালঞ্চ=ফুল-বাগান।</ref> ভরিয়া ফুটে মালতী-বকুল॥ মধু-লোভে যাওরে উড়ে ভ্রমরা-ভ্রমরী। বহু দিন নাহি শুনি বঁধুর বাঁশরী॥ নানা দেশে যাওরে ভ্রমর আর পুষ্প-মধু খাও। কৈও কৈও লীলার কথা যদি লাগাল পাও॥ কৈও কৈও বঁধুর আগে শুন অলিকুল। মালতীর গাছে তার ফুটিয়াছে ফুল॥ “দারুণ চৈত্রের হাওয়া দূর হইতে আসে। আমার বঁধু এমন কালে রৈয়াছে বিদেশে॥ গাছে গাছে সোণার পাতা ফুটে সোণার ফুল। কুঞ্জেতে গুঞ্জরী উঠে ভ্রমরার রোল<ref>রোল=ময়মনসিংহের উচ্চারণ ‘রুল’, সুতরাং ফুলের সঙ্গে বেশ মিলিয়া যায়।</ref>॥ ডালে বসে কোকিল ডাকে পুষ্পেতে ভ্রমর। এমন না কালে বঁধু গেল দেশান্তর॥ না কইয়া না বইলারে বঁধু হইলা বৈদেশী। মালঞ্চে ফুটিয়া ফুল ঝইরা হৈল বাসী॥ বিনা সুতে হার গাঁথি মালতী-বকুলে। প্রাণের বঁধু নাহি ঘরে দিব কার গলে॥</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> h047rmi8pyzowe6pwrrr4imgitbrk1p পাতা:एकोत्तरशती — रवीन्द्रनाथ ठाकुर.pdf/৪৩ 104 834171 1991534 1947589 2026-07-31T03:48:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991534 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|'''एकोत्तरशती'''||८}}{{block center/s}}</noinclude><section begin="कविता-३" /><poem>:::शान्त सन्ध्या, स्तब्ध कोलाहल। :निबाओ<ref>'''निबाओ—'''बुझाओ।</ref> वासनावह्नि नयनेर नीरे। :::::चलो धीरे घरे फिरे याइ॥ {{overfloat left|२८ नवम्बर १८८७}}{{overfloat right|‘मानसी’}}</poem>{{block center/e}} {{dhr}} <section end="कविता-३" /> <section begin="कविता-४" /><!-- পাতা:মানসী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১১০ --> {{c|{{x-larger|'''वधू'''}}}} {{block center/s}}<poem>::‘बेला ये पड़े एल<ref>'''बेला...एल—'''दिन ढल गया;</ref>, जल्‌के चल्।’ पुरोनो<ref>'''पुरोनो—'''पुराना;</ref> सेइ सुरे{{gap|5em}}के येन<ref>'''के येन—'''कौन जैसे;</ref> डाके<ref>'''डाके—'''पुकारता है;</ref> दूरे— ::‘कोथा<ref>'''कोथा—'''कहाँ;</ref> से छाया सखी, कोथा से जल! ::‘कोथा से बाँधा घाट, अशथतल!<ref>'''अशथतल—'''अश्वत्थ तल, पीपल के नीचे;</ref> छिलाम आनमने<ref>'''आनमने—'''अनमना;</ref>{{gap|5em}}एकेला<ref>'''एकेला—'''अकेला (-ली)।</ref> गृहकोणे, ::‘के येन डाकिल रे ‘जल्‌के चल्’॥ ::‘कलसी लये काँखे, पथ से बाँका— बामेते<ref>'''बामेते—'''बाँयी ओर;</ref> माठ<ref>'''माठ—'''मैदान;</ref> शुधु<ref>'''शुधु—'''केवल;</ref>{{gap|5em}}सदाइ<ref>'''सदाइ—'''सदा ही;</ref> करे धु धु, ::डाहिने<ref>'''डाहिने—'''दाहिने;</ref> बाँशबन हेलाये<ref>'''हेलाये—'''झुलाता है, झोंका देकर झुकाता है;</ref> शाखा। दिघिर<ref>'''दिघिर—'''पुष्करिणी का, सरोवर का (दिधि-दीर्घिका);</ref> कालो जले{{gap|5em}}साँझेर आलो<ref>'''आलो—'''आलोक, प्रकाश;</ref> झले, ::‘दुधारे<ref>'''दुधारे—'''दोनों ओर;</ref> घन बन छायाय<ref>'''छायाय-ढाका—'''छाया से ढँका;</ref>-ढाका। गंभीर थिर नीरे{{gap|5em}}भासिया<ref>'''भासिया—'''बह कर;</ref> याइ धीरे, ::‘पिक कुहरे तीरे अमियमाखा।<ref>'''अमियमाखा—'''अमृत से घोला हुआ;</ref></poem></noinclude> <section end="कविता-४" /><noinclude>{{block center/e}} {{rule|7em|align=left}}</noinclude> dl8nsozmc6af6w3vcx4rg7vttk2623n পাতা:ভারতের সংবিধান (তৃতীয় সংস্করণ, ২০২২).pdf/৮ 104 836764 1991707 1923161 2026-07-31T04:02:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991707 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Block center/s|width=500px}} {{c|{{xx-larger|'''ভারতের সংবিধান'''}}}} {{c|{{larger|'''বিষয়সূচী'''}}}} <includeonly>{{Dotted TOC page listing|'''[[ভারতের সংবিধান (২০২২)/প্রস্তাবনা|প্রস্তাবনা]]'''||{{gap}}|dottext=|chapter-width=6em}}</includeonly> {{c|{{larger|'''[[ভারতের সংবিধান (২০২২)/ভাগ ১|ভাগ ১]]'''}}}} {{c|{{larger|'''সংঘ ও উহার রাজ্যক্ষেত্র'''}}}} <noinclude>{{Dotted TOC page listing|'''[[ভারতের সংবিধান (২০২২)/প্রস্তাবনা|প্রস্তাবনা]]'''||{{gap}}|dottext=|chapter-width=6em}}</noinclude>{{Dotted TOC page listing|অনুচ্ছেদ||পৃষ্ঠা|dottext=|chapter-width=6em}} {{Dotted TOC page listing|১।|সংঘের নাম ও রাজ্যক্ষেত্র|{{pli|1|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|২।|নূতন রাজ্যের অন্তর্ভুক্তি বা স্থাপনা|{{pli|1|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|২ক।|[বাদ গিয়াছে]||dottext=}} {{Dotted TOC page listing|৩।|নূতন রাজ্যসমূহ গঠন ও বিদ্যমান রাজ্যসমূহের আয়তন, সীমানা বা নামের পরিবর্তন|{{pli|1|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|৪।|২ ও ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত বিধিতে প্রথম ও চতুর্থ তফসিলের সংশোধনের এবং অনুপূরক, আনুষঙ্গিক ও পারিণামিক বিষয়সমূহের বিধান থাকিবে|{{pli|2|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{c|{{larger|'''[[ভারতের সংবিধান (২০২২)/ভাগ ২|ভাগ ২]]'''}}}} {{c|{{larger|'''নাগরিকত্ব'''}}}} {{Dotted TOC page listing|৫।|সংবিধানের প্রারম্ভে নাগরিকত্ব|{{pli|3|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|৬।|পাকিস্তান হইতে প্রব্রজন করিয়া ভারতে আগত কোন কোন ব্যক্তির নাগরিকত্বের অধিকার|{{pli|3|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|৭।|পাকিস্তানে প্রব্রজনকারী কোন কোন ব্যক্তির নাগরিকত্বের অধিকার|{{pli|4|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|৮।|ভারতের বাহিরে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত কোন কোন ব্যক্তির নাগরিকত্বের অধিকার|{{pli|4|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|৯।|স্বেচ্ছায় বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জনকারী ব্যক্তিগণ নাগরিক হইবে না|{{pli|4|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|১০।|নাগরিকত্বের অধিকার বহাল থাকা।|{{pli|4|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}} {{Dotted TOC page listing|১১।|সংসদ বিধি দ্বারা নাগরিকত্বের অধিকার প্রনিয়ন্ত্রণ করিবেন|{{pli|4|37}}|dottext={{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}···{{gap|4em}}}}<noinclude>{{block center/e}}</noinclude> t1zojdth1s37ecvny5t0qf5uqh9k3kq পাতা:পরপারে - প্রচার পুস্তিকা (১৯৩৬).pdf/৫ 104 838850 1991669 1983995 2026-07-31T03:56:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991669 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" /></noinclude>{{block center/s|width=400px}} <noinclude>{{overfloat left|{{xxx-larger|পরপারে}}}}</noinclude>{{c|{{x-larger|'''বিশিষ্ট ভূমিকায়'''}}}} {{dtpl||মহিম|শ্রীদুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||বিশ্বেশ্বর|{{ditto|শ্রী}}অহীন্দ্র চৌধুরী|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||পার্ব্বতী|{{ditto|শ্রী}}নির্ম্মলেন্দু লাহিড়ী|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||দয়াল|{{ditto|শ্রী}}মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য্য|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||প্রদ্যোত|{{ditto|শ্রী}}ভূমেন রায়|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||কালী|{{ditto|শ্রী}}শৈলেন চৌধুরী|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||ভবানী|{{ditto|শ্রী}}অনুপম ঘটক|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||পরেশ|{{ditto|শ্রী}}সন্তোষ সিংহ|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||শ্রীশ|{{ditto|শ্রী}}সন্তোষ দাস|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||চারু|{{ditto|শ্রী}}কৃষ্ণধন মুখার্জ্জি|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||বিনোদ|{{ditto|শ্রী}}আশুতোষ বসু|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||ম্যাজিষ্ট্রেট|{{ditto|শ্রী}}অতুল গাঙ্গুলী|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||ড্রাইভার|মিঃ তিলা মহম্মদ|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||সন্তরণপটু বালক|শ্রীমান রমেশ খাণ্ডেলওয়াল|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||বালক মহিম|শ্রীরমেন চন্দ্র|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||রমেশ|{{ditto|শ্রী}}সুহাস সরকার|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||ইন্সপেক্টরদ্বয়|{{ditto|শ্রী}}রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়<br/>{{ditto|শ্রী}}সুবলচন্দ্র ঘোষ|dottext={{brace2|2|l}}{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||সরযূ|শ্রীমতী জ্যোৎস্না গুপ্তা|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||শান্তা|{{ditto|শ্রীমতী}} বীণা দেবী|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||হিরণ্ময়ী|{{ditto|শ্রীমতী}} নিভাননী|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||করুণাময়ী|{{ditto|শ্রীমতী}} নগেন্দ্রবালা|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{dtpl||সন্তরণপটু বালিকা|কুমারী সাবিত্রী খাণ্ডেলওয়াল|dottext=…{{gap|2em}}…{{gap}}|col3-width=15em|col3-align=left}} {{block center/e}} {{rule|5em|margin_tb=2em}}<noinclude></noinclude> 2ms2ypc236ntu3v98qpx829v4zkf8rz পাতা:মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯৪০).pdf/৩৮ 104 839031 1991710 1803503 2026-07-31T04:03:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991710 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৪|মধুসূদন-গ্রন্থাবলী|১৬-২৪}} {{block center/s}}</noinclude><poem>কে জানে মহিমা তব এ ভবমণ্ডলে? নরাধম আছিল যে নর নরকুলে<ref name=38.2>নরাধম আছিল ইত্যাদি—যে নরাধম যৌবনকালে দস্যুবৃত্তিরত ছিল (অর্থাৎ বাল্মীকি) সে এক্ষণে তোমার প্রসাদে অমর হইয়াছে।</ref> চৌর্য্যে রত, হইল সে তোমার প্রসাদে,<ref name=38.2/> মৃত্যুঞ্জয়, যথা মৃত্যুঞ্জয় উমাপতি!<ref name=38.2/><ref>মৃত্যুঞ্জয়—অমর। মৃত্যুঞ্জয় উমাপতি—মহেশ্বর।</ref> হে বরদে, তব বরে চোর রত্নাকর<ref name=38.5>রত্নাকর—কবিগুরু বাল্মীকির পূর্ব্ব নাম। রত্নাকর—সাগর।</ref> কাব্যরত্নাকর<ref name=38.5/> কবি! তোমার পরশে, সুচন্দন-বৃক্ষশোভা বিষবৃক্ষ ধরে! হায়, মা, এ হেন পুণ্য আছে কি এ দাসে?<ref>হায়, মা, ইত্যাদি—আমার এমন কি পুণ্য আছে যে কবিগুরু বাল্মীকির ন্যায় তোমার প্রসাদ লাভ করি?</ref> কিন্তু যে গো গুণহীন সন্তানের মাঝে</poem><noinclude></noinclude><ref follow=37.11>পূর্ব্বক তাঁহাকে অনেক ভর্ৎসনা করাতে তিনি অসৎ পথ পরিত্যাগ করিয়া কঠোর তপস্যা আরম্ভ করিলেন। একদা তিনি স্নান করিয়া আপন আবাসে প্রত্যাগমন করিতেছেন, এমন সময়ে এক জন ব্যাধ তাঁহার সমস্কে কামক্রীড়াসক্ত ক্রৌঞ্চমিথুনের মধ্যে ক্রৌঞ্চকে বাণাঘাতে বধ করিল। তিনি এতাদৃশ ক্রুরাচবণ দর্শন করিয়া সরোষে এই নিম্নলিখিত শ্লোকটী পাঠ করিলেন— {{block center|<poem>“মা নিষাদ প্রতিষ্ঠাং ত্বমগমঃ শাশ্বতীঃ সমাঃ। যৎ ক্রৌঞ্চমিথুনাদেকমবধীঃ কামমোহিতম্।”</poem>}} {{gap}}ওরে নিষাদ, তুই অকারণে কামমোহিত ক্রৌঞ্চকে রধ করিলি, অতএব এই পৃথিবীতে তুই কখনই প্রতিষ্ঠা লাভ করিতে পারিবি না। {{gap}}সেই শুভক্ষণ অবধি ভূভারতে কবিতার সৃষ্টি হইল। এ স্থলে গ্রন্থকার সরস্বতীর নিকট এই প্রার্থনা করিতেছেন, যে তিনি যেমন কামাসক্ত ক্রৌঞ্চের নিধনাবসরে বাল্মীকির রসনাগ্রে অধিষ্ঠিতা হইয়াছিলেন, তেমনি যেন এ গ্রন্থকারের প্রতিও সানুকম্পা হন। এই কাব্য খানির অনেক স্থল বাল্মীকিকৃত রামায়ণ অবলম্বন করিয়া রচিত হইয়াছে, এই হেতু কবি বাল্মীকীর ভারতীকে আরাধনা করিতেছেন। ক্রৌঞ্চবধূ সহ—অর্থাৎ ক্রৌঞ্চবধূ সহবাসী।</ref><noinclude>{{block center/e}} {{rule}}</noinclude> ojtezuxkfg0dky2xd1ih9ndr51o9uv0 পাতা:মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯৪০).pdf/৩ 104 839058 1992148 1804919 2026-07-31T04:25:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992148 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DoraShin15" />{{dhr|6em}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|ভূমিকা}}}} {{ফাঁক}}‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মধুসূদনের সর্ব্বশ্রেষ্ঠ কবিকীর্ত্তি। তাঁহার আর কোনও রচনা যদি উত্তরকাল পর্য্যন্ত না পৌঁছিত, তাহা হইলেও শুধু এই একখানি কাব্যের সাহায্যে তিনি অমরতা লাভ করিতেন। {{ফাঁক}}এই কাব্য রচনা ও প্রকাশের কোনও বিস্তৃত ধারাবাহিক বিবরণ পাওয়া যায় না; মধুসূদনের চিঠিপত্র হইতে যে খবর পাওয়া যায়, তাহা এই।— {{ফাঁক}}১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দের ২৪ এপ্রিল ৬ নং লোয়ার চীৎপুর রোড হইতে বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে মধুসূদন লিখিয়াছিলেন— {{blockquote|{{smaller block|{{ফাঁক}}The subject you propose for a national epic [সিংহল বিজয়] is good—very good indeed. But I don’t think I have as yet acquired a sufficient mastery over the “Art of poetry” to do it justice. So you must wait a few years more. In the meantime, I am going to celebrate the death of my favourite Indrajit. Do not be frightened my dear fellow, I won't trouble my readors with vira ras (বীরবস). Let me write a few EpicWin lings and thus noquire a pucca fist.... {{ফাঁক}}I enclose the opening invocation of my “মেঘনাদ"—you must tell me what you think of it. A friend here, a good judge of poetry has pronounced it magnificent.—‘জীবন-চরিত’, পৃ. ৩১১-১৩, ৩১৬।}}}} {{ফাঁক}}‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যে’র রচনা তখন শেষ হইয়াছে, কিন্তু পুস্তক মুদ্রিত হইয়া প্রকাশিত হয় নাই। মে মাসে উহা প্রকাশিত হয়। মধুসূদন যে পরীক্ষার ছলে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ আরম্ভ করিয়াছিলেন, উপরের পত্রাংশে তাহার আভাস আছে। {{ফাঁক}}ঐ বৎসরের ১৫ মে তারিখে রাজনারায়ণকে লেখা মধুসূদনের একটি পত্রে আমরা দেখিতে পাই— {{blockquote/s}}{{smaller block/s}}{{ফাঁক}}I am going on with Meghanad by fits and starts. Perhaps the poem will be finished by the ends of the year. I am glad you<noinclude>{{smaller block/e}}{{blockquote/e}}</noinclude> 34f81eqgpvj5dkx1qgrf1l46n7r7aec পাতা:পঞ্চনদের তীরে - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৬ 104 839365 1991205 1961364 2026-07-30T16:21:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991205 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{center|২}}</noinclude>ভারতীয় ভূতক-সৈন্যের (mercenaries) হত্যাকাণ্ডেই তার জ্বলন্ত প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা প্রত্যেকে সপরিবারে প্রাণ দিলে, তবু বিদেশী শত্রুর অধীনে চাকরী স্বীকার করলে না! অতএব কাল্পনিক হ’লেও সুবন্ধু প্রভৃতিকে আমরা ঐতিহাসিক ভারতীয় চরিত্র ব’লে গ্রহণ করতে পারি অনায়াসেই। {{ফাঁক}}পঞ্চনদের তীরে স্বাধীন ভারতের পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেখানোই হচ্ছে আমার মুখ্য উদ্দেশ্য। সেই কারণে, সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের পরবর্তী জীবন দেখাবার প্রয়োজন বোধ করি নি, প্রসঙ্গক্রমে সর্বশেষে দু-চারটি ইঙ্গিত দিয়েছি মাত্র। {{ফাঁক}}এই বইখানি কেবল যারা বয়সে বালক তাদের জন্যেই লেখা হ’ল না। পরীক্ষা ক’রে দেখেছি, প্রাচীন ভারতের ইতিহাস সম্বন্ধে এদেশের বয়স্ক পাঠকরাও বালকদের চেয়ে কম অজ্ঞ নন। বইখানি লেখবার সময়ে তাঁদের কথাও বার বার মনে হয়েছে। ইতি— {{dhr|3em}} {{rh|{{কেন্দ্র|<poem>২৩০|১, অপার চিৎপুর রোড, {{smaller|বাগবাজার, কলিকাতা}}</poem>}}|{{xxxx-larger|}}}|{{dhr|1em}}’’’শ্রীহেমেন্দ্রকুমার রায়’’’}}<noinclude></noinclude> dkfgk8ugvxaipm8j988kihopgoojfis 1991210 1991205 2026-07-30T16:23:48Z Bodhisattwa 2549 1991210 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{center|২}}</noinclude>ভারতীয় ভূতক-সৈন্যের (mercenaries) হত্যাকাণ্ডেই তার জ্বলন্ত প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা প্রত্যেকে সপরিবারে প্রাণ দিলে, তবু বিদেশী শত্রুর অধীনে চাকরী স্বীকার করলে না! অতএব কাল্পনিক হ’লেও সুবন্ধু প্রভৃতিকে আমরা ঐতিহাসিক ভারতীয় চরিত্র ব’লে গ্রহণ করতে পারি অনায়াসেই। {{ফাঁক}}পঞ্চনদের তীরে স্বাধীন ভারতের পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেখানোই হচ্ছে আমার মুখ্য উদ্দেশ্য। সেই কারণে, সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের পরবর্তী জীবন দেখাবার প্রয়োজন বোধ করি নি, প্রসঙ্গক্রমে সর্বশেষে দু-চারটি ইঙ্গিত দিয়েছি মাত্র। {{ফাঁক}}এই বইখানি কেবল যারা বয়সে বালক তাদের জন্যেই লেখা হ’ল না। পরীক্ষা ক’রে দেখেছি, প্রাচীন ভারতের ইতিহাস সম্বন্ধে এদেশের বয়স্ক পাঠকরাও বালকদের চেয়ে কম অজ্ঞ নন। বইখানি লেখবার সময়ে তাঁদের কথাও বার বার মনে হয়েছে। ইতি— {{dhr|3em}} {{dhr}} {| {{ts|wa|mc}} | width=30% |{{কেন্দ্র|<poem>২৩০৷১, অপার চিৎপুর রোড, বাগবাজার, কলিকাতা।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|'''শ্রীহেমেন্দ্রকুমার রায়'''}}}}{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> tvbgywi37dwpmd8821axvelq33fb4oq নির্ঘণ্ট:সাধনা - বিনয়কুমার সরকার (১৯১৩).pdf 102 839655 1992401 1806076 2026-07-31T08:20:31Z Bodhisattwa 2549 1992401 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q124607214 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BSG}} |Header= |Footer= }} feh6p76vcazgzbr5c1xmprxduep48kq নির্ঘণ্ট:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf 102 839796 1992370 1806469 2026-07-31T05:39:10Z Bodhisattwa 2549 1992370 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q124651664 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=7 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1to4="—" 5="শিরোনাম" 6="নিবেদন" 7="প্রচ্ছদ" 8="প্রকাশক" 9="উৎসর্গ" 10="—" 11="7" 29to30="চিত্র" 31="25" 55="চিত্র" 56="—" 57="49" 193="চিত্রসূচী" 194to196="—" /> |Volumes= |Remarks= |Notes= |Header= |Footer= }} 8un5fyh23oro7swj0xh3c5osq5zapxi পাতা:বাংলা বানানের নিয়ম (তৃতীয় সংস্করণ) - কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়.pdf/১০ 104 840362 1992081 1942409 2026-07-31T04:19:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992081 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|[ ৬ ]}}</noinclude>{{larger|৭। ণ ন}} {{gap}}অ-সংস্কৃত শব্দে কেবল ন হইবে, যথা—‘কান, সোনা, বামুন, কোরান, করোনার’। কিন্তু যুক্তাক্ষর ণ্ট, ণ্ঠ, ণ্ড, ণ্ঢ চলিবে, যথা— ‘ঘুণ্টি, লণ্ঠন, ঠাণ্ডা’। {{gap}}‘রানী’ স্থানে বিকল্পে ‘রাণী’ চলিতে পারিবে। {{larger|৮। ও-কার ও ঊর্ধ্ব কমা প্রভৃতি}} {{gap}}সুপ্রচলিত শব্দের উচ্চারণ, উৎপত্তি বা অর্থের ভেদ বুঝাইবার জন্য অতিরিক্ত ও-কার, ঊর্ধ্ব কমা বা অন্য চিহ্ন যোগ যথাসম্ভব বর্জনীয়। যদি অর্থগ্রহণে বাধা হয় তবে কয়েকটি শব্দে অন্ত্য অক্ষরে ও-কার এবং আদ্য বা মধ্য অক্ষরে ঊর্ধ্ব কমা বিকল্পে দেওয়া যাইতে পারে, যথা—‘কাল, কালো; ভাল, ভালো; মত, মতো, পড়ো, প’ড়ো (পড়ুয়া বা পতিত)’। {{gap}}এই সকল বানান বিধেয়- ‘এত, কত, যত, তত; তো, হয়তো; কাল (সময়, কলা), চাল (চাউল, ছাত, গতি), ডাল (দাইল, শাখা)। {{larger|৯। ং ঙ}} {{gap}}‘বাঙ্গলা, বাঙ্গালা, বাঙ্গালী, ভাঙ্গন’ প্রভৃতি এবং ‘বাংলা, বাঙলা, বাঙালী, ভাঙন’ প্রভৃতি উভয়প্রকার বানানই চলিবে। হসন্ত ধ্বনি হইলে বিকল্পে ং বা ঙ বিধেয়, যথা—‘রং, রঙ; সং, সঙ: বাংলা, বাঙলা’। স্বরাশ্রিত হইলে ঙ বিধেয়, যথা- ‘রঙের, বাঙালী, ভাঙন’। ং ও ঙ-র প্রাচীন উচ্চারণ যাহাই হউক, আধুনিক বাংলা উচ্চারণ সমান, সেজন্য অনুস্বার স্থানে বিকল্পে ঙ লিখিলে আপত্তির কারণ নাই। ‘রং-এর’ অপেক্ষা ‘রঙের লেখা সহজ। ‘রঙ্গের লিখিলে অভীষ্ট উচ্চারণ আসিবে না, কারণ ‘রঙ্গ’ ও ‘রং’—এর উচ্চারণ সমান নয়, কিন্তু ‘রং’ ও ‘রঙ’ সমান। {{larger|১০। শ ষ স}} {{gap}}মূল সংস্কৃত শব্দ-অনুসারে তদ্ভব শব্দে শ, ষ বা স হইবে, যথা— ‘আঁশ (অংশ্য), আঁষ (আমিষ), শাঁস (শস্য), মশা (মশক), পিসী (পিতৃঃস্বসা)। কিন্তু কতকগুলি শব্দে ব্যতিক্রম হইবে, যথা— ‘মিন্‌সে’ (মনুষ্য), ‘সাধ’ (শ্রদ্ধা)। {{gap}}বিদেশী শব্দে মূল উচ্চারণ-অনুসারে s স্থানে স, sh স্থানে শ হইবে, যথা— ‘আসল, ক্লাস, খাস, জিনিস, পুলিস, পেনসিল, মসলা, মাসুল, সবুজ, সাদা, সিমেণ্ট, খুশি, চশমা, তক্তাপোশ,<noinclude></noinclude> 7zxs8l8g4tsktmd70tyuojwk5r5fgkw পাতা:সাহিত্য-চিন্তা - কুমুদিনী বসু.pdf/৭৫ 104 840875 1992168 1813309 2026-07-31T04:28:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992168 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh||সার্ব্বভৌমিক প্রেম|৬৯}}</noinclude>{{ফাঁক}}“অমরেন্দ্র তুমি ঠিক‍্ই বলিয়াছ। এই সার্ব্বভৌমিক প্রীতি ভিন্ন জাতীয় দুর্গতি কখনও দূর হইবে না। আজও ইংরেজের যাহা আছে, তুলনায় বাঙ্গালীর কিছুই নাই। ইংরেজের কর্তব্যনিষ্ঠা, স্বদেশ বাৎসল্য, একতা কর্ম্মে উৎসাহ কয়জন বাঙ্গালীর মধ্যে দেখা যায়? যাঁহাদের আছে, তাঁহারাও সমুদ্রে জলবিম্ববৎ। ইংরেজের এ সকল গুণ কি বাঙ্গালীর অনুকরণীয় নয়? বাঙ্গালী ১০ জনে মিলিয়া একটা কাজ করিতে পারে না।” {{ফাঁক}}অমরেন্দ্র,—“দেশের সর্ব্বাঙ্গীন মঙ্গল সার্ব্বভৌমিক প্রীতির উপর নির্ভর করিতেছে। বিধর্ম্মী, বিদেশীয়দিগকেও প্রাণের সহিত প্রীতি করিতে না পারিলে, কখনও স্বদেশের গৌরব প্রতিষ্ঠা হইবে না।”<ref>লেখিকার “অমরেন্দ্র” নামক উপন্যাস হইতে</ref> {{dhr|2em}} {{rule|5em}} {{dhr|2em}}<noinclude>{{rule}}</noinclude> goua7i4nna4oogh5l9bs466pmz7gulg পাতা:ঋষি রবীন্দ্রনাথ - অমলেন্দু দাশগুপ্ত (১৯৫৪).pdf/৬৭ 104 841399 1991967 1818074 2026-07-31T04:11:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991967 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh||ঋষি রবীন্দ্রনাথ|৬৩}}</noinclude>জীবের সুষুপ্তি অবস্থা। এই সুষুপ্তিস্থানের আত্মাকেই মাণ্ডূক্য উপনিষদ বলিয়াছেন—“প্রাজ্ঞ” এবং ছান্দোগ্য বলিয়াছেন, “সম্প্রসাদ”। {{ফাঁক}}এই সুষুপ্তির আবরণ বা কারণ-শরীরমুক্ত অবস্থাই আত্মার ব্রহ্মরূপ। আর এই সুষুপ্তিকেই অথবা কারণ-শরীরকেই উপনিষদে বলা হইয়াছে—অবিদ্যা, মায়া, তমসা ইত্যাদি। এই কারণ-শরীর বা সুষুপ্তির তমসা ভেদ করিয়াই বৈদিক ঋষি বলিয়াছেন — {{ফাঁক}}“বেদাহমেতং পুরুষং মহান্তং আদিত্যবর্ণং তমসঃ পরস্তাৎ—তমসার পারে সেই জ্যোতির্ময় মহান পুরুষকে আমি জানিয়াছি।” {{ফাঁক}}আর রবীন্দ্রনাথও তেমনি স্থূল-সূক্ষ্ম-কারণ দেহের এই আবরণ ভেদ করিয়া বলিয়াছেন—“দেখিয়াছি দেহের ভেদিয়া যবনিকা অনির্বাণ দীপ্তিময়ী শিখা॥” এই জ্যোতি-শিখাই তুরীয় আত্মা অর্থাৎ ব্রহ্ম। {{ফাঁক}}স্থূলদেহ হইতে সজ্ঞানে সূক্ষ্মদেহে আসিয়া অবস্থান করার নামই ধ্যান, ইহা হইল দেহের প্রথম আবরণ ভেদ বা অপসারণ, অথবা দেহের প্রথম যবনিকা উন্মোচন, বা উত্তোলন। {{ফাঁক}}তারপর সেই সূক্ষ্ম শরীর হইতে সজ্ঞানে চেতনাকে কারণ-শরীরে প্রত্যাহার বা নেওয়া। অর্থাৎ সুষুপ্তিতে সজ্ঞানে অবস্থিতির নামই সমাধি। ইহা হইল দেহের দ্বিতীয় আবরণ ভেদ করিয়া তৃতীয় শরীরে প্রবেশ ও অবস্থান। {{ফাঁক}}তৎপর সজ্ঞানে চেতনাকে কারণ-শরীর বা সুষুপ্তি হইতে নিষ্ক্রান্ত করিতে পারিলেই ব্রহ্মচৈতন্যে বা জ্যোতিতে জীবের প্রবেশ লাভ হইয়া থাকে। ইহাই হইল তৃতীয় এবং শেষ শরীর ভেদ বা উন্মোচন। {{ফাঁক}}এই তৃতীয় শরীর পার না হইলে ‘অনির্বাণ দীপ্তিময়ী শিখা’ কদাচ দৃষ্টিগোচর হয় না। বৈদিক ঋষির প্রসিদ্ধ প্রার্থনামন্ত্রে ইহাকেই বলা হইয়াছে—তমসা হইতে জ্যোতিতে গমন এবং মৃত্যু হইতে অমৃতে উত্তরণ। {{ফাঁক}}“দেখিয়াছি দেহের ভেদিয়া যবনিকা“-রবীন্দ্রনাথের এই উক্তি ও উপলব্ধির আড়ালে কি সাধনা ও শক্তি নিহিত আছে, ইহা হইতেই অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ অনুমান করিয়া লইতে পারিবেন। {{nop}}<noinclude></noinclude> t08f7ad46vzzokejh9x8nw02mnbsunm পাতা:ঋষি রবীন্দ্রনাথ - অমলেন্দু দাশগুপ্ত (১৯৫৪).pdf/৮১ 104 841448 1991596 1842271 2026-07-31T03:50:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991596 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh||ঋষি রবীন্দ্রনাথ|৭৭}}</noinclude>{{ফাঁক}}এই চিঠিখানির আরম্ভেই রবীন্দ্রনাথ বলিয়াছেন, {{ফাঁক}}“আবার আমার মন পলাতক। সমস্ত দিন কিছু করিনে কেবল সামনে চেয়ে বসে আছি—দেখি পূর্ণতা সেই শূন্যে॥” {{ফাঁক}}শূন্যকে আমরা শূন্যই দেখি। কিন্তু এ কোন ‘পূর্ণতা’, যাহা শূন্যকেই পূর্ণ করিয়া পরিব্যাপ্ত রহিয়াছে? {{ফাঁক}}তপোবনের ঋষির একটি প্রার্থনা-মন্ত্রে আছে “তোমার এই শূন্যতাকে পূর্ণ করিব নিজে শূন্য হইয়া।” অহং-এর নিঃশেষে বিলোপই ‘নিজে শূন্য হওয়া’ এবং অহং সরিয়া গেলে শূন্যকে যিনি পূর্ণ করিয়া আবির্ভূত হন, তিনিই আত্মা। এঁরই এক নাম পূর্ণ এবং তাঁহাকে দেখিয়াই রবীন্দ্রনাথ বলিতে পারিয়াছেন—“দেখি পূর্ণতা সেই শূন্যে।” {{ফাঁক}}নিজের ‘জীবনবৃত্তান্ত’ লিখিতে অনুরুদ্ধ হইয়া রবীন্দ্রনাথ ১৩১১ সালে যাহা লিখিয়াছিলেন, তাহার একস্থানে এই কয়টি কথা আছে। {{ফাঁক}}“কতদিন নৌকায় বসিয়া সূর্যকরোদ্দীপ্ত জলে স্থলে আকাশে আমার অন্তরাত্মাকে নিঃশেষে বিকীর্ণ করিয়া দিয়াছি, তখন মাটিকে আর মাটি বলিয়া দূরে রাখি নাই, তখন জলের ধারা আমার অন্তরের মধ্যে আনন্দগানে বহিয়া গেছে; তখনি একথা বলিতে পারিয়াছি: যেথা যাব সেথা অসীম বাঁধনে অন্তবিহীন আপনা॥” {{ফাঁক}}ভাষ্য বা ব্যাখ্যা অনাবশ্যক। এই ‘জীবন বৃত্তান্তের’-ই অন্যত্র তিনি লিখিয়াছেন— {{ফাঁক}}“আমি, কি আত্মার মধ্যে, কি বিশ্বের মধ্যে বিস্ময়ের অন্ত দেখি না। আমি জড় নাম দিয়া, অসীম নাম দিয়া কোনো জিনিষকে একপাশে ঠেলিয়া রাখিতে পারি নাই। এই সীমার মধ্যেই এই প্রত্যক্ষের মধ্যেই অনন্তের যে প্রকাশ, তাহাই আমার কাছে অসীম বিস্ময়াবহ॥” {{ফাঁক}}‘অনন্তের প্রকাশকেই’ বৈদিক ঋষি বলিয়াছেন ‘দেবস্যকাব্যং’, আর উপনিষদের ঋষি বলিয়াছেন ‘আনন্দলীলা’ এবং এই দুইয়েরই ব্যাখ্যা পূর্বে করা হইয়াছে। {{ফাঁক}}সপ্ততিবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে কলিকাতা টাউন হলে যে রবীন্দ্র জয়ন্তী (১১ই পৌষ ১৩৩৮) অনুষ্ঠিত হয়, সেই সময়ে দেশবাসীর অভিনন্দনের উত্তরে রবীন্দ্রনাথ তাঁহার ‘প্রতিভাষণে’ নিজের সম্বন্ধে প্রসঙ্গতঃ এই কয়টি কথা জানাইয়াছিলেন— {{ফাঁক}}“আমি জীর্ণ জগতে জন্মগ্রহণ করিনি। আমি চোখ মেলে যা দেখলুম<noinclude></noinclude> 8u8enrwku9d7nn0sggg74ehsyi5xdqe পাতা:ঋষি রবীন্দ্রনাথ - অমলেন্দু দাশগুপ্ত (১৯৫৪).pdf/৩২ 104 841466 1991966 1818308 2026-07-31T04:11:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991966 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" /></noinclude>{{কেন্দ্র|( ৬ )}} {{ফাঁক}}নিত্যসাক্ষীর পাশে দাঁড়াইয়া দেখিলে এই বিশ্ব একটি মহাকাব্যরূপে দেখা দেয়, একথা বলা হইয়াছে। মহাকবির এই বিশ্বকাব্য দেখিয়া বৈদিক ঋষি বলিয়াছেন— {{Block center|<poem>অস্তি সন্তং ন জহাতি অস্তি সন্তং ন পশ্যতি। দেবস্য পশ্য কাব্যং ন মমার ন জীর্যতি।</poem>}} {{ফাঁক}}—কাছে আছেন তাঁকে ছাড়া যায় না, কাছে আছেন তাঁকে দেখা যায় না, কিন্তু দেখো সেই দেবের (ব্রহ্মের) কাব্য সে-কাব্য মরে না, জীর্ণ হয় না॥ {{ফাঁক}}রবীন্দ্রনাথও যে এই দেবস্য কাব্যং-ই দেখিয়াছিলেন, তাঁহার উপলব্ধিতে তাহার প্রমাণ পাওয়া যায়। তিনি বলিয়াছেন— {{ফাঁক}}“অভিনয় চলেচে নানা নাটক নিয়ে, সুখঃদুঃখের নানা প্রকাশ চলচে তাদের প্রত্যেকের স্বতন্ত্র জীবনযাত্রায়, কিন্তু সমস্তটার ভিতর দিয়ে একটা নাট্যরস প্রকাশ পাচ্চে পরমদ্রষ্টার মধ্যে যিনি সর্বানুভূঃ। জীবনলীলাকে রসরূপে দেখা গেল কোনো রসিকের সঙ্গে এক হয়ে।” {{ফাঁক}}বৈদিক ঋষি যাহাকে বলিয়াছেন ‘দেবস্য কাব্যং’, রবীন্দ্রনাথ তাহাকে বলিয়াছেন ‘নাট্য’ এবং বৈদিক ঋষি যাঁহাকে বলিয়াছেন ‘দেবস্য’, তাঁহাকেই রবীন্দ্রনাথ বলিয়াছেন ‘রসিক’, সর্বানুভূঃ। {{nop}}<noinclude></noinclude> 3091o2596z7n2w641cuf1w5grbi2em4 পাতা:নাগপাশ - হেমেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষ.pdf/১৫৮ 104 842273 1991668 1819733 2026-07-31T03:56:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991668 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{বাম|নাগপাশ}}</noinclude>করজোড়ে নিবেদন করিলেন, “ক্ষমা করুন। আজ আহার করিতে পারিব না।” {{ফাঁক}}কৃষ্ণনাথ তাহার পর নানা কথা বলিতে লাগিলেন। নবীনচন্দ্রের কিছুই ভাল লাগিতেছিল না। ক্রমে কৃষ্ণনাথ শোভাকে লইয়া যাইবার কথা তুলিলেন; বলিলেন, “শোভা এখন এখানে থাকুক। ইহার পর লইয়া যাইবেন।” {{ফাঁক}}নবীনচন্দ্র কি ভাবিতেছিলেন, তিনি বড় অন্যমনস্ক;– সে কথার উত্তর দিলেন না। {{ফাঁক}}কৃষ্ণনাথ বিদায় লইয়া দ্বার পর্য্যন্ত অগ্রসর হইলেন। প্রভাত তখনও বসিয়া রহিল। নবীনচন্দ্র বলিলেন, “আমি আজই বাড়ী যাইব।” {{ফাঁক}}কৃষ্ণনাথ ফিরিলেন; অনেক বলিলেন,—তাহা কিছুতেই হইবে না,—নবীনচন্দ্রের বৈবাহিকা বড় রাগ করিবেন,– অন্ততঃ এক দিন থাকিয়া যাইতেই হইবে —ইত্যাদি। {{ফাঁক}}নবীনচন্দ্র বলিলেন, “একটু কাযে কলিকাতায় আসিয়াছিলাম। কায শেষ হইয়াছে,—আর বিলম্ব করিব না।” {{ফাঁক}}কৃষ্ণনাথ তাহাতে অনেক আপত্তি করিলেন; তাহার পর বিদায় লইলেন। প্রভাত তখনও বসিয়া রহিল। পিতৃব্যের এমন ভাব সে পূর্ব্বে কখনও দেখে নাই। সে-ও কি ভাবিতেছিল। {{ফাঁক}}প্রভাত বসিয়া রহিল। নবীনচন্দ্র মনে করিলেন, প্রভাতকে সকল কথা বুঝাইয়া বলিবেন; একবার— আর একবার চেষ্টা<noinclude>{{c|১৫৪}}</noinclude> 2usl6mnn8w060107xt2kl8lq2wdfce2 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/২৯৫ 104 842701 1991758 1821294 2026-07-31T04:06:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991758 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৮৩}}</noinclude>রসনাগ্রে অধিষ্ঠিতা হইয়াছিলেন, তেমনি যেন এ গ্রন্থকারের প্রতিও সানুকম্পা হন। এই কাব্যখানির অনেক স্থান বাল্মীকিক্বত রামায়ণ অবলম্বন করিয়া রচিত হইয়াছে, এই হেতু কবি বাল্মীকির ভারতীকে আরাধনা করিতেছেন। {{hi|ক্রৌঞ্চবধূসহ—অর্থাৎ ক্রৌঞ্চবধূসহবাসী; cohabiting with the she-heron.}} <noinclude>{{gap}}পৃষ্ঠা— ২</noinclude>{{hi|নরাধম আছিল ইত্যাদি—যে নরাধম যৌবনকালে দক্ষাবৃত্তি রত ছিল, (অর্থাৎ বাল্মীকি) সে এক্ষণে তোমার প্রসাদে অমর হইয়াছে।}} {{hi|মৃত্যুঞ্জয়—অমর; conqueror of Death.}} {{hi|মৃত্যুঞ্জয় উমাপতি—মহেশ্বর, শিব; Siva, the husband of Uma and the conqueror of Death.}} {{hi|হে বরদে—O Thou, giver of boons.}} {{hi|রত্নাকর—বাল্মীকির পূর্ব্বনাম।}} {{hi|কাব্যরত্নাকর—কাব্যসাগর; ocean of Poetry.}} {{hi|সুচন্দন বৃক্ষপোতা বিষযুক্ষ ধরে—The tree of poison wears the beauty of a good sandal tree.}} {{hi|কিন্তু যে গো......... সমধিক—The mother looks with the greatest affection upon that one child who is the worst of the unworthy children.}} {{nop}}<noinclude></noinclude> b0o3vxzu0fl8m8y6jmvu90s9bg857ri পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/২৯৬ 104 842703 1991759 1821293 2026-07-31T04:06:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991759 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|২৮৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|উর—আবির্ভূতা হও—appear; come down.}} {{hi|বিশ্বরমে—হে বিশ্বসন্তোষদায়িনি; Oh pleasuregiver of the universe.}} {{hi|মধুকরী কল্পনা—রূপক অলঙ্কার। কবিকল্পনাও যেন একজন দেবী। Imagination, the honeymaker.}} {{hi|কবির চিত্তফুলবনমধু লয়ে—with the honey of the flower garden of the mind of a poet. কবির চিত্ত has been compared to a ফুলবন।}} {{hi|মধুচক্র—honey-comb.}} {{hi|যাহে—যাহাতে, so that.}} {{hi|গৌড়জন—বঙ্গবাসী, The people of Bengal.}} {{hi|হেমকূট—the name of a mountain.}} {{hi|হৈমশিরে—on the golden top; on the top bright with the golden rays of the sun. কনক আসন—is compared with হেমকূটহৈমশির।}} {{hi|শৃঙ্গবর—a great peak. দশানন is compared with the great-peak.}} <noinclude>{{gap}}পৃষ্ঠা—৩</noinclude>{{hi|সভা—সভাস্থল, court house.}} {{hi|স্ফটিকে গঠিত—This should be connected with সভা made of crystal.}} {{nop}}<noinclude></noinclude> f3hfvwxos9msfiw1ndhq8h1mxo0asmb পাতা:জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায় (১৯৩৬).pdf/৯৫ 104 843042 1991657 1842535 2026-07-31T03:54:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991657 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh||মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত|৭৭}} {{block center/s}}</noinclude><poem>অনিদ্রায়, অনাহারে, সঁপি কায়মনঃ, মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি,—”<ref name=js55><includeonly><sup>৫৫</sup></includeonly></sup></ref></poem>{{block center/e}} বাহ্যতঃ মধুসূদন ইউরোপে ছিলেন, কিন্তু অন্তর তাঁহার ভারতে—বিশেষতঃ বঙ্গে পড়িয়াছিল। কবে বাঙ্গালায় শ্রীপঞ্চমী, কবে শরতে সারদার অর্চ্চনা, কবে বিজয়াদশমী, কপোতাক্ষ নদ কেমন কুল কুল করিয়া বহিয়া যায়, কোন্ ঘাটে ভাগ্যবান্ ঈশ্বরী পাট্‌নী খেয়া দিয়া ছিল,—সুদূর ফরাসীদেশে বসিয়া—বিলাসের তরঙ্গে যে দেশ প্লাবিত-প্রায় সেই স্থানে বসিয়া—তিনি বঙ্গের এই সমুদয় সুখস্মৃতি মনে জাগাইতেন, ও না-জানি কত আনন্দই পাইতেন! বাঙ্গালার মেঘমুক্ত শারদাকাশে সায়ংকালের তারা যে কত সুন্দর, তাহা তিনি ভার্‌সেল্‌সে বসিয়া কল্পনা-নেত্রে দেখিতে পাইতেন। জন্মভূমি যশোর সাগরদাঁড়ীর অনতিদূরে নদীতীরে বটবৃক্ষতলে শিবমন্দির নিশাকালে পর্য্যটকের মনে যে কি ভাব জাগাইত, কেমন একটা ঘুমে নয়ন ছাইয়া আসিত, সে সমুদয় তিনি সাগরপারে থাকিয়াও অনুভব করিতে পারিতেন। ফলতঃ তাঁহার হৃদয় যথার্থই মধুময় ছিল। “বাংলার ফুল, বাংলার ফলে,—বাংলার মাটী, বাংলার জলে”<ref name=js56><includeonly><sup>৫৬</sup></includeonly></sup></ref> তাঁহার অন্তর-বাহির ভরপূর হইয়া গিয়াছিল। ফরাসীদেশে বসিয়া তিনি যমুনার কথা ভাবিয়া অশ্রুবিসর্জ্জন করিতেন: {{nop}}<noinclude></noinclude> hdqrbzcfkombzeu9t8i5vz6y9qkn4je 1991664 1991657 2026-07-31T03:55:38Z Bodhisattwa 2549 1991664 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh||মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত|৭৭}}{{block center/s}}</noinclude><poem>অনিদ্রায়, অনাহারে, সঁপি কায়মনঃ, মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি,—”<ref name=js55><includeonly><sup>৫৫</sup></includeonly></sup></ref></poem>{{block center/e}} বাহ্যতঃ মধুসূদন ইউরোপে ছিলেন, কিন্তু অন্তর তাঁহার ভারতে—বিশেষতঃ বঙ্গে পড়িয়াছিল। কবে বাঙ্গালায় শ্রীপঞ্চমী, কবে শরতে সারদার অর্চ্চনা, কবে বিজয়াদশমী, কপোতাক্ষ নদ কেমন কুল কুল করিয়া বহিয়া যায়, কোন্ ঘাটে ভাগ্যবান্ ঈশ্বরী পাট্‌নী খেয়া দিয়া ছিল,—সুদূর ফরাসীদেশে বসিয়া—বিলাসের তরঙ্গে যে দেশ প্লাবিত-প্রায় সেই স্থানে বসিয়া—তিনি বঙ্গের এই সমুদয় সুখস্মৃতি মনে জাগাইতেন, ও না-জানি কত আনন্দই পাইতেন! বাঙ্গালার মেঘমুক্ত শারদাকাশে সায়ংকালের তারা যে কত সুন্দর, তাহা তিনি ভার্‌সেল্‌সে বসিয়া কল্পনা-নেত্রে দেখিতে পাইতেন। জন্মভূমি যশোর সাগরদাঁড়ীর অনতিদূরে নদীতীরে বটবৃক্ষতলে শিবমন্দির নিশাকালে পর্য্যটকের মনে যে কি ভাব জাগাইত, কেমন একটা ঘুমে নয়ন ছাইয়া আসিত, সে সমুদয় তিনি সাগরপারে থাকিয়াও অনুভব করিতে পারিতেন। ফলতঃ তাঁহার হৃদয় যথার্থই মধুময় ছিল। “বাংলার ফুল, বাংলার ফলে,—বাংলার মাটী, বাংলার জলে”<ref name=js56><includeonly><sup>৫৬</sup></includeonly></sup></ref> তাঁহার অন্তর-বাহির ভরপূর হইয়া গিয়াছিল। ফরাসীদেশে বসিয়া তিনি যমুনার কথা ভাবিয়া অশ্রুবিসর্জ্জন করিতেন: {{nop}}<noinclude></noinclude> 8618mvzo3kcwl6pok1r0dn2vx97prya পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/২৯৮ 104 843048 1991760 1821295 2026-07-31T04:06:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991760 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৮৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|রুদ্রেশ্বর—রুদ্রপতি; Lord of the Rudras.}} {{hi|শূলপাণি—যাঁহার পাণিতে অর্থাৎ হস্তে শূল; অর্থাৎ শিব।}} {{hi|রঙ্গে—playfuly; merrilly.}} {{hi|কাকলী—দূরাগত মৃদুমধুর ধ্বনি; Sounds mellowed and sweetened by distance.}} {{hi|লহরী—তরঙ্গ; wares.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪</noinclude>{{hi|ময়—ময়নামক দানব একজন বিখ্যাত শিল্পী ছিলেন। তিনি যুধিষ্ঠিরের রাজসূয় যজ্ঞের সভাগৃহ নির্মাণ করেন।}} {{hi|তুষিতে পৌরবে—in order to satisfy the Pauravas.}} {{hi|কাল-তরঙ্গ—The waves of Time.}} {{hi|নৈকষেয়— Ravana, the son of Nikasa. Nikasa was the mother of Ravana.}} {{hi|ঘন—মেঘ; clouds. দিননাথ-সূর্য্য; the sun.}} {{hi|নিশার স্বপন সম—like the dream of the night.}} <noinclude>{{ফাঁক}}৫—পৃষ্ঠা</noinclude>{{hi|ধনুর্দ্ধর—archer.}} {{hi|ফুলদল দিয়া— with the petals of flowers.}} {{hi|কাল-সমরে—In this deadly war.}} {{hi|শূলী শম্ভুসম—ত্রিশূলধারী শিবের ন্যায় প্রতাপশালী; powerful like Siva armed with His trident.}} {{nop}}<noinclude></noinclude> c71jsfygmejc3jkvxp0rjv8qkjerlj2 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/২৯৯ 104 843062 1991761 1821297 2026-07-31T04:06:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991761 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৮৭}}</noinclude>{{hi|রাক্ষসকুলরক্ষণ—রাক্ষস বংশরক্ষাকারী, the preserver of the family of the Rakshasas.}} {{hi|কাল পঞ্চবটী বনে—in the deadly forest of Panchavati.}} {{hi|কালকূটে ভরা—filled with poison.}} {{hi|ভুজগ—সর্প; snake.}} <noinclude>{{ফাঁক}}৬ পৃষ্ঠা</noinclude>{{hi|পাবকশিখারূপিণী—অগ্নিশিখা তুল্য, like the flame of Fire.}} {{hi|হৈম গেহ—House of gold.}} {{hi|দাম—(১) সমূহ, collection. (২) রজ্জু, মালা; string; wreath.}} {{hi|নাট্যশালা সম—like a theatre.}} {{hi|দেউটি—প্রদীপ; lamp.}} {{hi|রবাব—বেহালা বিশেষ; a kind of violin.}} {{hi|ভীমবাহু—ভয়ঙ্কর বাহু যাহার; fierce-armed; with dreadful arms.}} {{hi|বুধ—জ্ঞানী; a wise man.}} {{hi|শেখর—(১) চূড়া, crest. (২) মুকুট crown.}} {{hi|রাক্ষসকুলশেখর—the crest or crown of the Rakshasa family; the best of the Rakshasa family.}}<noinclude></noinclude> jzredzu4qfl5gphimpuns1u3fvscqzt পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০০ 104 843063 1991762 1821290 2026-07-31T04:06:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991762 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৮৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা ৭</noinclude>{{hi|অভ্রভেদী—আকাশভেদী; penetrating into the sky.}} {{hi|ভূধর—পর্ব্বত; mountain.}} {{hi|মায়াময়—full of illusions; illusive, deceptive.}} {{hi|কুবলয় ধন—the wealth of lotuses.}} {{hi|অমরত্রাস—অমরগণ অর্থাৎ দেবগণ যাহাকে ভর করেন; the dread of the Devas.}} {{hi|মদকল—মদমত্ত; intoxicated with the juice which flows from the temples of an elephant.}} {{hi|বীরকুঞ্জর—বীরশ্রেষ্ঠ; the greatest of heroes.}} {{hi|কুঞ্জর—হস্তী। এখানে কুঞ্জর পদ শ্রেষ্ঠার্থবাচক।}} {{hi|ইরম্মদ—বজ্রাগ্নি; the fire of thunder.}} {{hi|পবনপথ—আকাশ; the sky.}} {{hi|কোদণ্ড—ধনু; bow.}} {{hi|টঙ্কার—twang.}} {{hi|ঘন ঘনাকারে—in the form of dense clouds.}} {{hi|বিদ্যুৎঝলা সম―like the dash of lightning.}} {{hi|চক্‌মকি—চক্‌মক্‌ করিয়া; shining.}} {{hi|কলম্বকুল—তীরসমূহ; flight of arrows.}} {{hi|অম্বরপ্রদেশে—আকাশ প্রদেশে; in the region of the sky.}} {{nop}}<noinclude></noinclude> 33wbl3p89p2fddtn6f6sfxj0rd5nar4 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০১ 104 843064 1991763 1821298 2026-07-31T04:06:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991763 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৮৯}}</noinclude>{{hi|বাসবের চাপ—ইন্দ্রের ধনু; the bow of Indra the rainbow.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯</noinclude>{{hi|মন্দোদরী-মনোহর—The charmer of the mind of Mandodari; i. e., Ravana the husband of Mandadari.}} {{hi|সন্দেশবহ—সংবাদবাহক; messenger.}} {{hi|হর্য্যক্ষ-সিংহ; lion.}} {{hi|দ্বন্দ্বি—দ্বন্দ্ব বা কলহ করিয়া; যুদ্ধ করিয়া; fighting; quarrelling.}} {{hi|নির্ঘোষে—চীৎকার করে; roars; thunders.}} {{hi|ভাতিল—দীপ্ত হইল; shone.}} {{hi|চর্ম্মাবলী—ঢাল সমূহ; numbers of shields.}} {{hi|কম্বু—শঙ্খ; conch.}} {{hi|অম্বুরাশিরবে—জলরাশির শব্দে; with the roars of the mass of waters.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০</noinclude>{{hi|অস্ত্রলেখা—অস্ত্রের দাগ; marks of weapon.}} {{hi|সাবাসি দূত—Bravo, messenger.}} {{hi|বীরপুত্ত্র ধাত্রী—the foster mother of heroic sons.}} {{hi|দিনমণি—(বিশেষ্য) সূর্য্য; sun.}}<noinclude></noinclude> 8wpxrskr5rjbnbm4nawdhjrkpszhynq পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০২ 104 843065 1991764 1821299 2026-07-31T04:06:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991764 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৯০|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|অংশুমালী (বিশেষণ) কিরণমালাধারী; wearing the wreath of his rays.}} {{hi|কাঞ্চনসৌধ কিরিটীনী—কাঞ্চন অর্থাৎ স্বর্ণ দ্বারা নির্ম্মিত সৌধ অর্থাৎ অট্টালিকা যাহার কিরীট বা মুকুট স্বরূপ; wearing the crown of the palaces of gold.}} {{hi|উৎস—a fountain; a spring. রজঃছটা—রজতছটা; having the ছটা or splendour of রজত or silver; silvery.}} {{hi|হীরাচুড়াশিরঃ—হীরকনির্ম্মিত চূড়া হইতেছে শিরঃ যাহার; of which the summit is a pinnacle of diamond.}} {{hi|দেবগৃহ—মন্দির; temple.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১</noinclude>{{hi|জগৎবাসনা—জগতের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু; the desire of the world.}} {{hi|শৃঙ্গধর—পর্ব্বত; যে শৃঙ্গ ধারণ করে; mountain.}} {{hi|বৈদেহীহর—সীতাহরণকারী; the abductor of Vaidehi or Sita.}} {{hi|বালিবৃন্দ সিন্ধুতীরে যথা—বেরূপ সমুদ্রতীরে নগণ্য রালুকারাশি; unnumerable like the sands on the sea-shore.}} {{hi|থানা দিয়া পূর্ব্ব দ্বারে—guarding the eastern gate.}}<noinclude></noinclude> t37haqt7r0u09oy094usw3u4kk4y2j9 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৩ 104 843066 1991765 1821300 2026-07-31T04:06:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991765 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়- প্রথম সর্গ|২৯১}}</noinclude>{{hi|করভ—হস্তিশিশু; the young of an elephant.}} {{hi|বিচিত্র—জমকাল, সুন্দর; gaudy.}} {{hi|কঞ্চুক—সর্পচর্ম্ম; the skin of a snake.}} {{hi|ঊর্দ্ধফণা—with his hood raised up.}} {{hi|লুলি—কাঁপাইয়া; shaking; trembling.}} {{hi|অবলেপে—গর্ব্বে; proudly.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২</noinclude>{{hi|কৌমুদী—moonlight.}} {{hi|কুমুদরঞ্জন—চন্দ্র; চন্দ্রালোকে কুমুদফুল প্রস্ফুটিত হয় বলিয়া কবিগণ চন্দ্রকে কুমুদিনীনায়ক, কুমুদিনীপতি ইত্যাদি আখ্যা প্রদান করেন। কুমুদরঞ্জন—the moon, the lover of the water-lily.}} {{hi|প্রসরণ—প্রাচীর; wall.}} {{hi|কেশরী-কামিনী—সিংহের স্ত্রী অর্থাৎ সিংহী; lioness.}} {{hi|ভীমাসমা—চণ্ডীর ন্যায়; like the fierce-looking goddess Chandi.}} {{hi|সমলোভী—একই প্রকারে লোভযুক্ত; greedy for the same thing.}} {{hi|নিষাদী—গজারোহী; the rider of an elephant; a soldier fightin on elephant-back.}} {{hi|সাদী—অশ্বারোহী; horseman.}} {{hi|শীর্ষক—পাগড়ি; turban.}}<noinclude></noinclude> 29kjv91qhkuu3tc1rjlchoccstkndnh পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৪ 104 843067 1991766 1821301 2026-07-31T04:06:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991766 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৯২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩</noinclude>{{hi|হৈম ধ্বজদণ্ড—সুবর্ণনির্ম্মিত পতাকার দণ্ড; the stick of the banner of gold.}} {{hi|ধ্বজবহ—পতাকাবাহী; flag-bearer.}} {{hi|স্বর্ণচূড়—স্বর্ণনির্ম্মিত চূড়ার ন্যায় চূড়া বাহার; স্বর্ণনিস্মিত চূড়ার ন্যায় শীষ যাহার; which has ears like tops of gold.}} {{hi|স্নেহনীড়ে—স্নেহপূর্ণ নীড়ে, অর্থাৎ স্নেহময় ক্রোড়ে; in the affectionate arms.}} {{hi|গরুড়—গরুড়ের ন্যায় প্রতাপশালী; powerful like the Gadura.}} {{hi|কালপৃষ্ট—কর্ণের ধনুর নাম; the name of the bow of Karna.}} {{hi|একাঘ্নী—যাহা মাত্র একজনকে বিনাশ করে; the destroyer of only one.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪</noinclude>{{hi|বীরেন্দ্র-কেশরী—বীরেন্দ্রশ্রেষ্ঠ; বীরশ্রেষ্ঠগণের মধ্যেও শ্রেষ্ঠ; the greatest of the most heroic.}} {{hi|সিংহ, কেশরী, ঋষভ, কুঞ্জর ইত্যাদি শ্রেষ্ঠার্থবাচক।}} {{hi|বীরকুলর্ষভ—the greatest of the class of heroes}} {{hi|প্রচেতঃ—বরুণদেব; Varuna the ocean-god.}}<noinclude></noinclude> 65xf3kvjhsm5gagkho1r1xc5ytp8704 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৫ 104 843068 1991767 1821302 2026-07-31T04:06:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991767 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৯৩}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৫</noinclude>{{hi|প্রভঞ্জন—পবনদেব; Pavana, the god of winds}} {{hi|নিগড়—শৃঙ্খল; chain; bondage.}} {{hi|বীতংস—মৃগপক্ষীদিগের বন্ধনোপকরণ, ফাঁসি; noose to fasten the beasts and birds.}} {{hi|নীলাম্বুস্বামি—হে নীল জলরাশির কর্ত্তা; Oh Lord of the blue ocean.}} {{hi|কৌস্তুভ রতন—the jewel called Kaustava.}} {{hi|বলি—‘বলী’ এই শব্দের সম্বোধন পদ; O powerful being.}} {{hi|জাঙাল—বাঁধ; embankment.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৬</noinclude>{{hi|কিঙ্কিণীর বোল—অলঙ্কার সমূহের শব্দ; the sound of the ornaments.}} {{hi|কবরী রন্ধন—চুল বান্ধা; the dressing of hair into a knot.}} {{hi|আলু থালু—উন্মুক্ত; dishevelled; disordered.}} {{hi|পদ্মপর্ণ—পদ্মপত্র, the petals of lotuses.}} {{hi|বিবশা—বলহীনা; অস্থিরা; having no self-control.}} {{hi|সুরসুন্দরী—বিদ্যুৎ; lightning.}} {{hi|প্রলয়বায়ু—ধ্বংসকালীন ঝড়; the storm at the time of destruction}}<noinclude></noinclude> 5qjpceuk3x1zi4dxglkx3hm4e69qpzn পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৬ 104 843069 1991768 1821304 2026-07-31T04:06:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991768 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৯৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|আসার—বৃষ্টি-ধারা; the lines of rain.}} {{hi|জীমূত—মেঘ; cloud.}} {{hi|মন্দ্র— ধ্বনি; sound.}} {{hi|শোকের ঝড়...... হাহাকার রব—A storm of grief blew in the court. The females were, as it were, the lightning; their dishevelled hair was, as it were, the cloud; their tears were, as it were, the rains; and the cries of grief were, as it were, the roars of clouds.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৭</noinclude>{{hi|রাজধর্ম্ম—kingly virtue. গঞ্জনা—তিরস্কার; rebuke.}} {{hi|গ্রহদোষে দোষী—গ্রহবৈগুণ্যাধীন; who is under the evil influence of planets.}} {{hi|বরজ—a garden of betel plants.}} {{hi|সজারু—a porcupine. বারুই—betel planter.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৮</noinclude>{{hi|শিমুলশিম্বী—শিমূল গাছের শিম্ব অর্থাৎ তুলার পাব্‌ড়া; the kidney bean of the silk cotton tree.}} {{hi|বলে—forcibly.}} {{hi|ইন্দুনিভাননে—‘ইন্দুনিভাননা’ এই শব্দের সম্বোধন পদ। ইন্দু—চন্দ্র। নিভ—ন্যায়। আনন—মুখ। ইন্দুনিভাননে—O thou moon-faced.}}<noinclude></noinclude> t4b2ygty7jsmgf7spxq7391abuvej0k পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৭ 104 843070 1991769 1821305 2026-07-31T04:06:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991769 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৯৫}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৯</noinclude>{{hi|বীর প্রসূন—the flower of a hero.}} {{hi|প্রসূ—জননী; mother.}} {{hi|রজত প্রাচীর সম—like a wall made of silver.}} {{hi|কাকোদর—সর্প; snake, serpent.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২০</noinclude>{{hi|অরাবণ—রাবণশূন্য; Ravanaless.}} {{hi|অরাম—রামশূন্য; Ramless.}} {{hi|কর্ব্বুর বৃন্দ—রাক্ষস সমূহ; numbers of Rakshasas.}} {{hi|বারী—গজগৃহ; elephant-shed.}} {{hi|বারণযূথ—হস্তিযূথ; crowds of elephants.}} {{hi|মন্দুরা—অশ্বশালা; horse-shed; stable}} {{hi|মুখস লাগায়; bridle.}} {{hi|কনকশিরস্ক—স্বর্ণভূষিত পাগড়ী যাহার—having a turban adorned with gold.}} {{hi|ভাস্বর পিধানে—উজ্জ্বল আবরণে; in a brilliant sheath.}} {{hi|বর্ম্ম ঢাল; shield.}} {{hi|আয়সী—লৌহ আবরণ; সাঁজোয়া; iron-mail.}} {{hi|আয়সী-আবৃতদেহ—with their body protected with iron-mail}}<noinclude></noinclude> s4431cunlnd9xhcxkfasc7dn1gkztbs পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৮ 104 843071 1991770 1821306 2026-07-31T04:06:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991770 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৯৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২১</noinclude>{{hi|হয়ব্যূহ—অশ্ব সমূহ; crowds of horses.}} {{hi|পরশু—কুঠার; axe.{{ফাঁক}}শ্রবণপথ—কর্ণ; ears.}} {{hi|বারীশ—জলপতি বরুণ; Varuna, the god of the sea.}} {{hi|প্রবাল আসনে—on the throne made of corals.}} {{hi|বারুণী—wife of Varuna.}} {{hi|জলেশ—same as বারীশ।}} {{hi|পাশী—পাশ অস্ত্রধারী; whose weapon is a noose.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২২</noinclude>{{hi|লাঘবিতে—লঘু করিতে to lighten.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা ২৩</noinclude>{{hi|গৃহে—অর্থাৎ বৈকুণ্ঠে।{{ফাঁক}}চটুলা—চঞ্চলা; restless.}} {{hi|ধনী—যুবতী বালিকা; a young girl.}} {{hi|সফরী is here comparend to a young girl.}} {{hi|রজত—রৌপ্য, silver.{{ফাঁক}}কান্তি—শোভা; beauty.}} {{hi|ছটা—আভা; splendour.}} {{hi|বিভ্রম—শোভা; beauty.}} {{hi|রজতকান্তিছটা বিভ্রম—রৌপ্যের শোভার আভারূপ বিভ্রম; the beauty of the splendour of silver.}} {{hi|বিভাবসুরে—বিভাবসুকে, সূর্য্যকে; to the sun.}} {{hi|মদনমোহন—বিষ্ণু; Vishnu.}}<noinclude></noinclude> homs111ckx93do6wffft18kfyobi75h পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩০৯ 104 843072 1991771 1821307 2026-07-31T04:06:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991771 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৯৭}}</noinclude>{{hi|কমলপদ—পরিমল আশে—with the hope of smelling the fragrance of the lotus of foot. পদ্মের ন্যায় পদের সুগন্ধের আশায়।}} {{hi|ধনদ—কুবের, Kuvera.{{ফাঁক}}দেউল—মন্দির, temple.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৪</noinclude>{{hi|বিন্যাসিয়া—বিন্যস্ত করিয়া; Placing.}} {{hi|কপোল—গণ্ডস্থল; cheek. উরস্‌—বক্ষঃস্থল; breast.}} {{hi|রমার আশার বাস হরির উরসে—the abode of the hope of Lakshmi is in the breast of Hari.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৫</noinclude>{{hi|যাদঃ—ভীষণ সামুদ্রিক প্রাণী; a sea-monster.}} {{hi|যাদঃপতি—Lord of sea monsters, ''i.e'' the ocean.}} {{hi|রোধঃ—তট; shore.}} {{hi|চলোর্ম্মি—চঞ্চল তরঙ্গ; restless waves; breakers}} {{hi|যাদঃপতিরোধঃ যথা চলোর্ম্মি আঘাতে—as is the case with the sea-shore being beaten by restless breakers.}} {{hi|অতিকায়—রাবণের পুত্র।}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৬</noinclude>{{hi|প্রমদাকুল রোদন—the weepings of the females.}} {{hi|দুকূলবসনা—দুকূল অর্থাৎ পট্টবস্ত্র বসন যাহাদের; covered with pieces of cloth.}}<noinclude></noinclude> lzqpwq760y7vd79q49w6o1iy9wc43v9 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১০ 104 843073 1991772 1821315 2026-07-31T04:06:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991772 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৯৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|চক্রনেমি—চক্রের পরিধি; the circumference of the wheel.}} {{hi|দন্তী—দন্তবিশিষ্ট হস্তী; tusker.}} {{hi|দণ্ডধর—Yama is called, দণ্ডধর, as he is armed with a দণ্ড or club.}} {{hi|নিক্কণ—শব্দ; sound.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৭</noinclude>{{hi|ত্রিবিদবিভব—স্বর্গসম্পদ; the wealth of the Heaven.}} {{hi|স্বরীশ্বর—স্বর্গপতি; Lord of the kingdom of Heaven.}} {{hi|মহারথিকুল ইন্দ্র—মহারথিগণ মধ্যে শ্রেষ্ঠ; the best among the great chariot-warriors.}} {{hi|মহারথী—অত্যন্ত যুদ্ধ বিশারদ; যে যোদ্ধা একাকী দশ সহস্র ধনুর্দ্ধারীর সহিত যুদ্ধ করিতে পারেন}} {{hi|প্রক্ষ্বেড়ন—লৌহধনুঃ—an iron-bow.}} {{hi|রিপুকুল কাল—the death of the enemies.}} {{hi|বলে রিপুকুলকাল বলী—In respect of strength the strong hero is, as it were, the Yama to the enemies,}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৮</noinclude>{{hi|বৈশ্বানর—অগ্নিদেব; fire god.}} {{hi|তুঙ্গতর—উচ্চতর; higher taller.}}<noinclude></noinclude> 9rout7goc9dqtyh5a8h38n7gx0ra29n পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১১ 104 843074 1991773 1821314 2026-07-31T04:06:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991773 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|২৯৯}}</noinclude>{{hi|মহীরুহব্যূহ—বৃক্ষসমূহ; number of trees.}} {{hi|বিমলসলিলা—নির্ম্মল জল যাহার; having clear and transparent water.}} {{hi|সমলা—মলাযুক্ত; dirty.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৯</noinclude>{{hi|প্রাক্তন—অদৃষ্ট; fate.}} {{hi|শিখণ্ডিনী—ময়ূরিণী; peahen.}} {{hi|আখণ্ডল—ইন্দ্র।}} {{hi|কান্তি—সৌন্দর্য্য।}} {{hi|আখণ্ডলধনুঃ বিবিধ রতনকান্তি আভায়—ইন্দ্রধনুর নানাপ্রকার রত্নের সৌন্দর্য্যের আভা দ্বারা। ইন্দ্রধনু নানা প্রকার রত্নের দ্বারা নির্ম্মিত বলিয়া কবিকল্পনা}} {{hi|রঞ্জিয়া—রঞ্জন করিয়া; প্রীত করিয়া; gratifying.}} {{hi|মঞ্জু—সুন্দর, মনোহর; beautiful.}} {{hi|কুঞ্জবন—grove.}} {{hi|পবনপথে—আকাশে; in the sky.}} {{hi/s}}উঠিলা পবন পথে......ধনী মঞ্জু কুঞ্জবনে—Murala has clothes and ornaments of variegated colours. The peahen has a body of variegated colours. Both of them are gaudy like the rainbow and are pleasing to the eyes. The flight of Murala is<noinclude>{{hi/e}}</noinclude> 0xsjw5zf8uymk6muq4tt6no1r82qfjq পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১২ 104 843075 1991774 1821311 2026-07-31T04:06:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991774 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩০০|মেঘনাদবধ কাব্য|}} {{hi/m}}</noinclude>compared to the flight of a peahen proceeding to a beautiful grove.{{hi/e}} {{hi|বৈজয়ন্ত ধাম সম—স্বর্গ ধামের ন্যায়; like the Heaven.}} {{hi|অলিন্দ—বারান্দা; veranda.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩০</noinclude>{{hi|বসন্তানিল—বসন্তবায়ু; the air of the spring season.}} {{hi|শরাসন—শরের আসন অর্থাৎ ধনু; bow.}} {{hi|নিষঙ্গ—তূণীর; quiver.{{ফাঁক}} বেণী—braid of hair.}} {{hi|মণিময় ফণী—serpents with jewels. The arrows with brilliant ends are compared to serpents with jewels on their heads.}} {{hi|কুচযুগ—the pair of breasts.{{ফাঁক}} কবচ—সাঁজোয়া; breast-plate; armour for the breast.}} {{hi|মধুকালে—in the spring season.}} {{hi|শিঞ্জিত ধ্বনি; the tingling.}} {{hi|নিতম্ববিম্ব—the disk of the buttocks of a woman.}} {{hi|বরাঙ্গনা—the best of woman.}} {{hi|দক্ষবালাদল—the daughters of Daksha.}} {{hi|ভানুসুতে—হে সূর্য্যতনয়ে, Oh daughter of the sun. The river Jumna is so called.}}<noinclude></noinclude> 4ff1sndt5fc66xqq1sdefym4hpf8ov8 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৩ 104 843076 1991775 1967270 2026-07-31T04:06:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991775 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—প্রথম সর্গ|৩০১}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩১</noinclude>{{hi|বিশদবসনা—dressed with white clothes. বিশদ—white.}} {{hi|অম্বুরাশিসুতা—the daughter of the Ocean. Lakshmi is so called.}} {{hi|রত্নাকর রত্নোত্তমা—the best of the jewels of the mine of jewels; the best of the jewels of the sea viz. Lakshmi.}} {{hi|ইন্দিরা—''i.e.'' Lakshmi.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩২</noinclude>{{hi|কুণ্ডল—an ear ring. রথীন্দ্রর্ষভ— রথি + ইন্দ্র + ঋষভ। ঋষভ—a bull. Here it is শ্রেষ্ঠার্থবাচক।}} {{hi|বীর-আভরণ—Ornaments worthy of a hero.}} {{hi|হৈমবতীসুত—''i.e.'' Kartikeya, son of Haimabati or Durga.}} {{hi|তারক—the giant named Taraka.}} {{hi|কিরীটী—''i.e.'' Arjuna. মেঘবর্ণ—dark as clouds.}} {{hi|চক্রবিজলীর ছটা—the wheels stand for the flashes of lightning.}} {{hi|ধ্বজ ইন্দ্রচাপরূপী—the banner is like the bow of Indra.}} {{hi|তুরঙ্গম—the horse.{{ফাঁক}}বেগে—in respect of speed.}} {{hi|আশুগতি—whose speed is swift; ''i.e.'' the wind.}}<noinclude></noinclude> 5wwlmt60wh6r0stxs1lmlebvl7u5ep3 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৪ 104 843108 1991776 1821404 2026-07-31T04:06:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991776 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩০২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩৩</noinclude>{{hi|ব্রততী—creeper.{{ফাঁক}}করিপদ—the feet of the elephant.}} {{hi|যূথনাথ—the lord of the herd ''i.e.'' the greatest of the elephants.}} {{hi|উজলি—Brightening. শিঞ্জিনী—the string of the bow.{{ফাঁক}}পক্ষীন্দ্র—''i.e.'' Garuda.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩৪</noinclude>{{hi|কৌশিক—the name of Indra.}} {{hi|কৌশিকধ্বজ—the banner of Indra.}} {{hi|কাঞ্চনকঞ্চুকবিভা—the brilliance of the armour of gold.}} {{hi|বাম মম প্রতি—unfavourable to me.}} {{hi|অসুরারিরিপু—the enemy of the enemy of the Asuras ''i.e.'' the enemy of Indra ''i.e.'' Indrajit,}} {{hi|মেঘবাহন—Indra who is borne by clouds.}} {{hi|দেব অগ্নি—The fire was the god whom Indrajit worshipped.}} {{hi|গঙ্গোদক—the sacred water of the Ganges.}} {{hi|অভিষেক করিলা কুমারে—sprinkled his son with water.}} {{hi|বন্দিল—বন্দনা করিল; sang in praise.}}<noinclude></noinclude> syz1bkq6edffolqepaj5c125ujwhoud পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৫ 104 843109 1991777 1843151 2026-07-31T04:06:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991777 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩০৩}}</noinclude><section begin="A" />{{hi|বন্দী—স্তুতিপাঠক; a panegyrist, or bard attached to the court of prince.}} {{hi|পাণ্ডুবর্ণ—pale with fear.{{ফাঁক}}আখণ্ডল—Indra.}} {{hi|হে রাক্ষসপুরি—Oh the city of Lanka.}} {{hi|ওই ভীম বাম করে—in that dreadful left hand of Meghnada.{{ফাঁক}}পশুপতি—Siva.}} {{hi|পশুপতি-ত্রাস—causing fear even to Siva.}} {{hi|পাশুপত-সম—পাশুপত অস্ত্রের ন্যায়; শিবপ্রদত্ত অস্ত্রের ন্যায়, like the weapon given by Pasupati or Siva.}} {{hi|আকাশদুহিতা—Echo is so called. She is called the daughter of the sky.}} {{hi|অরিন্দম—শত্রুদমন, the subduer of enemies.}} {{hi|রক্ষঃকুলকালি—the dirt or stain of the Rakshasa family.}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|দ্বিতীয় সর্গ।}}}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩৭</noinclude>{{hi|গোধূলি—twilight.}} {{hi|একটী রতন ভালে—with a gem on the forehead ''i.e.'' with the evening star.}} {{hi|কুমুদী—is water lily. The Moon is poetically called the husband of the water lily.}} <section end="B" /><noinclude></noinclude> da1irtelrmtp75aixkab217mztm1lee পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৬ 104 843110 1991778 1821406 2026-07-31T04:06:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991778 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩০৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|নলিনী—is lotus. The sun is poetically called the husband of the lotus.}} {{hi|কূলায়—a nest.}} {{hi|গোষ্ঠ গৃহে—in the enclosure for cows.}} {{hi|সুচারুতারা—''adj.'' qualifying শর্ব্বরী, with beautiful stars; having beautiful stars. বহুব্রীহি সমাস।}} {{hi|শর্ব্বরী—night.}} {{hi|ত্রিদশ-আলয়; the abode of gods.}} {{hi|ত্রিদশ—is a god.}} {{hi|পুলোমনন্দিনী—The daughter of the sage Pulome ''i.e.'' Sachi, the consort of Indra.}} {{hi|চামরী—one who fans a chowry.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩৮</noinclude>{{hi|নন্দনকানন গন্ধমধু—the fragrance and the honey of the Nandan Garden.{{ফাঁক}}ত্রিদিব—Heaven.}} {{hi|বাদিত্র—a musical instrument.}} {{hi|ওদন—an eatable; food.}} {{hi|দেব-ওদন—food for gods.}} {{hi|কুঙ্কুম—saffron.{{ফাঁক}}কস্তুরী—musk.}} {{hi|কেশর—the filament of a flower.}} {{hi|পুণ্ডরীকাক্ষ—Vishnu who has lotus-like eyes.}} {{hi|পুণ্ডরীক—a lotus.}}<noinclude></noinclude> 3x4at9cfk0rejm764plxdgmfu1wsmjg পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৭ 104 843111 1991779 1821407 2026-07-31T04:06:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991779 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩০৫}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৩৯</noinclude>{{hi|বৃত্রবিজয়ী—The conqueror of Vritrasura ''i.e.'' Indra.}} {{hi|বিক্রমকেশরী—a lion in courage.}} {{hi|কেশরী—a lion who has a mane.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪০</noinclude>{{hi|বৈনতেয়—the son of Vinata ''i.e.'' Garuda.}} {{hi|বলজ্যেষ্ঠ—supreme in strength.}} {{hi|শূরমণি—the jewel among the heroes.}} {{hi|কেশববাসনা—The desire of Kesava. Lakshmi is so called.}} {{hi|মুঞ্জুরিত—adorned with buds of flowers.}} {{hi|পিকবর—the best of the cuckoos.}} {{hi|পরগ-অশন—Garuda whose অশন or food is পরগ or snake.}} {{hi|দম্ভোলি—বজ্র; thunder.}} {{hi|সর্ব্বশুচি—The God of fire who purifies everything.{{ফাঁক}}সর্ব্বজয়ী—conqueror of all.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪১</noinclude>{{hi|চন্দ্রশেখর—Siva who has the moon upon his forehead.}}<noinclude></noinclude> ghv3e5nwep0juol8xukbuo8rvhgqayj পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৮ 104 843112 1991780 1821408 2026-07-31T04:06:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991780 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩০৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|বিরূপাক্ষ—Siva.{{ফাঁক}}জটাধর—Siva.}} {{hi|ত্র্যম্বক—Siva who has got three eyes.}} {{hi|অম্বক—means an eyes.}} {{hi|অম্বিকা—is a name of Parvati.}} {{hi|অনম্বরপথ—the path of the sky.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪২</noinclude>{{hi|মাতলি—the Charioteer of Indra.}} {{hi|একান্তে—aside.{{ফাঁক}}পরিমল—sweet fragrance.}} {{hi|পরিমল সুধা—the nectar of sweet fragrance.}} {{hi|মানস-সকাশে—near the Manasasarwar.}} {{hi|শিখরী—পর্ব্বত; hill or mountain which has a শিখর or peak.{{ফাঁক}}তব— ''i.e.'' Siva.}} {{hi|শিখি-পুচ্ছ-চূড়া; the top made of a peacock tail.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪৩</noinclude>{{hi|নির্ঝর-ঝরিত-বারি—water issuing from a fountain.{{ফাঁক}} বিভব—wealth.}} {{hi|দম্ভোলিনিক্ষেপী—the thrower of the thunder; Indra.}} {{hi|পরন্তপ—the tormentor of পর or enemy.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪৪</noinclude>{{hi|অসহ—unbearable.{{ফাঁক}}শেষ—অনন্ত, বাসুকি।}}<noinclude></noinclude> 5xx382uwzizfmtmzdprbnfzcly1cweg পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩১৯ 104 843113 1991781 1821409 2026-07-31T04:06:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991781 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়―দ্বিতীয় সর্গ|৩০৭}}</noinclude>{{hi|শৈব—the worshipper of Siva.}} {{hi|তাপসেন্দ্র—the greatest of the hermits.}} {{hi|বীণাবাণী—having বাণী or words as sweet as the sound of a বীণা or harp.}} {{hi|স্বরীশ্বরী—the ঈশ্বরী or mistress of স্বর্ or Heaven.}} {{hi|কুঞ্জবনসখী—the companion of a grove.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪৬</noinclude>{{hi|বৈদেহীরঞ্জন—the রঞ্জন or lover of বৈদেহী or Sita.}} {{hi|শশাঙ্কধারিণী—Bearing the moon on the head.}} {{hi|শশাঙ্ক—Moon, having অঙ্ক or spots resembling a শশ or a hare.}} {{hi|শরম—Shame.{{ফাঁক}}জিষ্ণু—Indra.}} {{hi|মঞ্জুনাশিনী—the destroyer of the pride of beautiful ladies.{{ফাঁক}}মঞ্জু—সুন্দর; beautiful.}} {{hi|বৃষধ্বজ—Siva whose ধ্বজ or symbol is a বৃষ or a bull.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪৭</noinclude>{{hi|ভৈরর—dreadful.{{ফাঁক}}বসুন্ধরাধর—the Bearer of the Earth.{{ফাঁক}} নিক্কণ—Sound.}} {{hi|ভবেশভাবিনী—Uma who thinks of Bhabesha.}}<noinclude></noinclude> kugelkn65nwj1xjy2ho0aziwqqaxnd5 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২০ 104 843114 1991782 1821410 2026-07-31T04:06:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991782 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩০৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|বারিসংঘটিত—quite filled up with water.}} {{hi|নীলোৎপলাঞ্জলি—the offerings of blue lotuses.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪৮</noinclude>{{hi|তার—ত্রাণ কর; Save.{{ফাঁক}}দ্বিরদগামিনী—having a gait like that of an elephant. দ্বিরদ—is an elephant who has two রদ or tusks.}} {{hi|তারাকারা—Having the shape of stars.}} {{hi|চিররুচি—ever-beautiful.}} {{hi|বিকট শিখর—ভীষণ শৃঙ্গ—the Dreadful Peak. Siva practised Yoga on the Peak. Hence its name was Yogeswara.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৪৯</noinclude>{{hi|যোগিব্রজ—the group of hermits.}} {{hi|ইষ্টদেব—tutelary deity.{{ফাঁক}}ভেটিব—shall meet.}} {{hi|নিমিষে—in a moment.{{ফাঁক}}হিয়া—Heart.}} {{hi|কামবধূ—The wife of Kama}} {{hi|ত্বিষাপতি—The Lord of light, ''i.e.'' the sun.}} {{hi|দূতী—messenger.{{ফাঁক}}আশীষি—Blessing.}} {{hi|সমাধি—Meditation.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫০</noinclude>{{hi|পিনাকী—Siva who is armed with পিনাক; The}}<noinclude></noinclude> etb56849txtwguyj9fg3wq5te1vu805 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২১ 104 843115 1991783 1821411 2026-07-31T04:06:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991783 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩০৯}}</noinclude>{{hi|ঋতুপতি—Spring, the lord of the seasons.}} {{hi|মধুকালে—in the spring seasons.}} {{hi|বনস্থলী—woodland.}} {{hi|কুসুমকুন্তলা—adorned with flowers as her lock of hair.}} {{hi|রত্নসঙ্কলিত আভা—having a splendour derived from jewels.}} {{hi|কৌষেয়—silken; made of silk.}} {{hi|লাক্ষারসে—with the red dye.{{ফাঁক}}চিত্রিলা—painted.}} {{hi|রসান—paint.{{ফাঁক}}বিমল সলিল—transparent water.}} {{hi|বিকচিত—opened.{{ফাঁক}}রুচি—beauty.}} {{hi|স্মর—is Kama or Madana.}} {{hi|স্মরহর—is Siva the destroyer of Kama.}} {{hi|স্মররহর-প্রিয়া—is Parvati.}} {{hi|ফুলধনু—Madana armed with a bow of flowers. It is here a proper name.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫১</noinclude>{{hi|কুলগ্নে—in an inauspicious hour.}} {{hi|বামদেব—is Siva.{{ফাঁক}}হানিনু—cast, threw.}} {{hi|বিভাবসু—the sun or the fire. Here the fire.}} {{hi|ভবেশ্বর-ভালে—on the brow or fore-head of Siva.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫২</noinclude>{{hi|ক্ষেমঙ্করি—() Producer of good.}} {{hi|মথি—churning.{{ফাঁক}}জলনাথ—the sea.}}<noinclude></noinclude> 3f9bjva1afrvyd3i9qxby7v6mwdvqq3 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২২ 104 843126 1991784 1821446 2026-07-31T04:06:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991784 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩১০|নেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|দিতিসুত—the sons of Diti are the Daityas, and the sons of Aditi are the Adityas আদিত্য।}} {{hi|বিবাদিল—Quarrelled.}} {{hi|শ্রীপতি—The Husband of শ্রী or লক্ষ্মী, viz. Vishnu.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৩</noinclude>{{hi|মন্দর আপনি—even the Mandar mountain which became the churning rod মদনদণ্ড at the time of churning the sea.}} {{hi|অচল—motionless.}} {{hi|মলম্বা-অম্বর—an অম্বর or a piece of cloth made of মলম্বা or a gold layer.{{ফাঁক}}মলম্বা—is a gold layer on a copper plate.}} {{hi|মলম্বা-অম্বর—is the disguise of a female.}} {{hi|তাম্র—is vishnu who is a male.}} {{hi|বিশুদ্ধ কাঞ্চন—is Parvati who is herself a female.}} {{hi|ঘন—cloud.}} {{hi|মলম্বা অম্বার etc.—If Vishnu who is a male appeared so beautiful, imagine how very beautiful will you who are a female will appear.}} {{hi|দ্বিরদরদনির্ম্মিত—made of the tusk of an elephant.}}<noinclude></noinclude> fvs8knxr3czzkf0fh26t21ubmyb8vam পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৩ 104 843129 1991785 1821450 2026-07-31T04:06:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991785 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩১১}}</noinclude>{{hi|কণ্টকময় মৃণালে ফুটিল নলিনী—Durga is নলিনী, Madana behind Her is মৃণাল, His arrows are the কণ্টক।}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৪</noinclude>{{hi|ভৃগুমান—precipitous.{{ফাঁক}}ভৃগু—precipice.}} {{hi|গজগতি—having a gait of an elephant.}} {{hi|ভৈরবনিনাদী—making a dreadful thundering sound.{{ফাঁক}}জলকান্ত—the sea.}} {{hi|শান্তি সমাগমে—on the arrival of the goddess of peace ''i.e.'' on the disappearance of storms and tempests.{{ফাঁক}}কপর্দ্দী—Siva.}} {{hi|বিভূতিভূষিত—(1) adorned with ashes. (2) adorned with splendour or majesty.}} {{hi|বাহ্যজ্ঞানহত—destitute of the conciousness of external things; devoid of the powers of the external senses.}} {{hi|শম্বর—the name of a Daitya slain by Madana.}} {{hi|মীনধ্বজ—Madana who is carried by fish.}} {{hi|জটাজূট—the জূট—or cluster of জটা or matted hair. চিত্রভানু—(1) fire (2) the sun; here, the fire.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৫</noinclude>{{hi|কেশরিকিশোর—the cub of a lion.}} {{hi|মায়াঘন আবরণ—the cover of the magical cloud.}}<noinclude></noinclude> g117j33idka7rcvoi4i6qp1mhxszl86 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৪ 104 843135 1991786 1821460 2026-07-31T04:06:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991786 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩১২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|গণেন্দ্রজননী—the mother of Ganesha.}} {{hi|ঈশান—Siva.}} {{hi|অজিন আসন—the seat made of অজিন or deer-skin.{{ফাঁক}}প্রফুল্লিল— bloomed.}} {{hi|মকরন্দ—honey.{{ফাঁক}}শিলীমুখ—Bee.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৬</noinclude>{{hi|মলয়—is a range of mountains—the Western ghats where sandalwood is abundant.}} {{hi|মলয় বায়ু—a fragrant wind blowing from the Malaya Mountains; Southern wind.}} {{hi|কুসুম-আসার—showers of flowers.}} {{hi|কি আর আছেরে... ইহা হ’তে—what else is the abode that is more suitable for Manasija (Madana) than this?}} {{hi|কুসুমেষু—Madan whose ইষু or arrow is the flower.}} {{hi|লজ্জাবেশে—in the guise of bashfulness. Bashfulness is here compared to রাহু।}} {{hi|লজ্জাবেশে...চাঁদেরে—the Moon on the forehead of Siva was swallowed by the Rahu, bashfulness. The Moon became bashful to see Siva so much captivated with the beauty of Parvati.}}<noinclude></noinclude> 40i628kh9dldevbnanmghau8be2r2my পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৫ 104 843136 1991787 1821461 2026-07-31T04:06:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991787 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩১৩}}</noinclude>{{hi|হাসি ভস্মে লুকাইল দেব বিভাবসু—The fire on the forehead too smiled and hid himself in the ashes.{{ফাঁক}}প্রাক্তন—নিয়তি; fate.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৭</noinclude>{{hi|ধন রাশি রাশি— স্বর্ণবর্ণ মেঘপুঞ্জ সুরভিরায়ু স্বরূপ নিশ্বাস ত্যাগ এবং নানাপ্রকার সুগন্ধি পুষ্পবৃষ্টি করিয়া মহাদেবকে ও মহাদেবীকে বেষ্টন করিল—Masses of golden clouds breathing the fragrant air as their breath and casting various flowers as showers of rain surrounded Siva and Sivani.}} {{hi|মন্দ-সমীরণপ্রিয়া—the flowers are spoken of as the wives of the soft breeze.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৮</noinclude>{{hi|পঞ্চশর— Madan is so called as he has got five arrow’s.{{ফাঁক}}ভাস্কর-কর—the rays of the sun.}} {{hi|বাজী—Horse.{{ফাঁক}}অকম্প—firm; unmoved.}} {{hi|চামর—manes.}} {{hi|সহস্রাক্ষ—Indra is so called as he has got thousand eyes.{{ফাঁক}}দেউল—temple.}} {{hi|সৌর খরতরকরজাল-সঙ্কলিত আভাময় স্বর্ণাসন—A throne of gold bright with a splendou like that of the mass of the bright ray of the sun.{{ফাঁক}}সঙ্কলিত—gathered; acquired.}}<noinclude></noinclude> nyx8awvn9lav50yl1d2l6dawt8va0m8 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৬ 104 843137 1991788 1821463 2026-07-31T04:06:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991788 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩১৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৫৯</noinclude>{{hi|কৃত্তিকাকুল বল্লভসেনানী—The commander who was dear to the race of nymphs called Krittikas. Karttikeya, son of Durga was brought up by these nymphs. Hence he is said to be dear (বল্লভ) to them. Here বল্লভ does not mean “Husband”. The nymphs were the foster-mothers of Karttikeya, and he was their forster-son.}} {{hi|নিবাসে—lives.}} {{hi|আপনি কৃতান্ত—Yama himself. কৃতান্ত means literally “one by whom অন্ত or end or death is কৃত or brought about or performed.”}} {{hi|সুনাসীর—Indra.{{ফাঁক}}ফলক—shield.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬০</noinclude>{{hi|বিষাকর—the mine of poison.}} {{hi|দিবাকর-পরিধি—The circle of the sun.}} {{hi|পরিধি—is circumference, but here it is the circle.{{ফাঁক}}ধাঁধিয়া—Dazzling.}} {{hi|বলি—case of address from the base বলিন্, one who has strength.}} {{hi|সুরদল-নিধি—the jewel of gods.}} {{hi|ফুলকুল-সখী—the companion of flowers.}}<noinclude></noinclude> 8s1awe62c4hsctqhhmfqhfaelckc9bx পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৭ 104 843138 1991789 1821464 2026-07-31T04:06:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991789 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩১৫}}</noinclude>{{hi|পূর্ব্বাশা—পূর্ব্বদিক; The east.}} {{hi|পদ্মকর—lotus-like palm.}} {{hi|চিরত্রাস—The cause of ever lasting fear.}} {{hi|বীরেন্দ্র কেশরী—is Lakshman.}} {{hi|ইন্দ্রজিৎ-ত্রাস হীন করিবে—will free you from the dread of Indrajit.}} {{hi|লঙ্কারপঙ্কজরবি—The sun of the lotuses of Lanka. The lotuses of Lanka are the so many heroes of Lanka. Meghanada was to the heroes of Lanka as the sun is to the lotuses. As there can be no lotus without the sun, so there can be no hero in Lanka in the absence of Meghanada.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬১</noinclude>{{hi|সৌমিত্রিকেশরী—the lion-like Soumitri or Lakshmana.{{ফাঁক}}চপলা—Lightning.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬২</noinclude>{{hi|দ্বন্দ্ব যুদ্ধ কর; light.{{ফাঁক}}লম্ফী—Springing.}} {{hi|অন্তরিত-পরাক্রম—পরাক্রমী বায়ুদল তাহার অন্তরে অর্থাৎ গর্ভদেশে আবদ্ধ আছে। এজন্য অন্তরিত পরাক্রম বলা হইতেছে। অন্তরিত-পরাক্রম—Strength or power confined within.{{ফাঁক}}আচম্বিতে—Suddenly:}} {{hi|জাঙ্গাল—embankment.{{ফাঁক}}তুঙ্গ—high.}}<noinclude></noinclude> ixyelc6k0o7qrzovz1i3nglsazx06mw পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৮ 104 843139 1991790 1821465 2026-07-31T04:06:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991790 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩১৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|শৃঙ্গধর—mountain or hill.}} {{hi|তুঙ্গ শৃঙ্গ ধরাকারে—like high mountains.}} {{hi|তরঙ্গ আবলী—series of waves.}} {{hi|মন্দ্রে—with roars.{{ফাঁক}}জীমূত—cloud.}} {{hi|ক্ষণপ্রভা—Lightning.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৩</noinclude>{{hi|তারানাথ—The Lord of stars ''i.e.'' the Moon.}} {{hi|উগারি—vomiting; expelling from the stomach.}} {{hi|প্রলয়—Destruction.}} {{hi|বৃষ্টিল শিলা—শিলা বৃষ্টি হইল; There was a hail storm.}} {{hi|রাজ আভরণ দেহে—with kingly ornaments on.}} {{hi|সারসন—belt.{{ফাঁক}}রাশিচক্র সম—like the zodiac.}} {{hi|সৌর কিরীট—a crown bright as the sun.}} {{hi|দৈববিভা—godly splendour.}} {{hi|হে ত্রিদিববাসি—O dweller in Heaven.}} {{hi|ত্রিদিব ব্যতীত...... রূপে?—ত্রিদিব ব্যতীত কোন্ দেশ এ হেন মহিমায় ও রূপে সাজে? what region other than the Heaven is adorned with such a splendour and beauty?}} {{hi|এ হেন মহিমা, রূপে—এ হেন মহিমায় ও রূপে; with such a splendour and beauty?}}<noinclude></noinclude> 0sdqx7lc6addxrbn00oc2zj9hhxcjhj পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩২৯ 104 843140 1991791 1821466 2026-07-31T04:06:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991791 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—দ্বিতীয় সর্গ|৩১৭}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৪</noinclude>{{hi|পাদ্য—water to wash পাদ or the feet.}} {{hi|অর্ঘ্য—an offer of green grass, rice etc. made in worshipping God or a Brahmin.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৫</noinclude>{{hi|দেবপ্রতি কৃতজ্ঞতা...... সত্যসেবী সেবা—দরিদ্রপালন ও ইন্দ্রিয় দমন করিলে, সদা ধর্ম্ম পথে থাকিলে ও সর্ব্বদা সত্য দেবীর সেবা করিলেই দেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করা হইল। The protection of the poor, the control of the senses, a constant course in the path of virtue and worship of the goddess of Truth amount to gratitude to gods.}} {{hi|নৈবেদ্য—an ablation; an offering.}} {{hi|বলি—পূজোপহার—offerings made in worshipping a god.}} {{hi|দাতা যে যদ্যপি অসৎ—If the giver of these offerings is dishonest.{{ফাঁক}}কৌমুদিনী—is moonlight.}} {{hi|রজোময়—full of flower-dust.}} {{hi|কুমুদিনী—is water lily.{{ফাঁক}}শিবা—jackal.}} {{hi|শবাহারী—the eater of dead bodies.}} {{hi|ভীম প্রহরণধারী—armed with dreadful weapons.}} {{hi|বীরমদ—heroic pride.}}<noinclude></noinclude> 7d7oc47mktjmeknojf16gvyrinx5czo পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩০ 104 843141 1991792 1821468 2026-07-31T04:06:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991792 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩১৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|তৃতীয় সর্গ।}}}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৬</noinclude>{{hi|পতিবিরহে ইত্যাদি—প্রথম সর্গে মেঘনাদ প্রমীলার নিকট হইতে বিদায় লইয়া লঙ্কায় গমন করেন এবং রাবণ কর্ত্তৃক সেনাপতিত্বে অভিষিক্ত হইয়া ফিরিয়া আসিতে পারিলেন না। প্রমীলা পতির বিরহে উতলা হইয়া উঠিলেন।}} {{hi|প্রমোদ উদ্যান—Pleasure garden.}} {{hi|অশ্রু-আঁখি—with eyes full of tears.}} {{hi|অধরে মুরলী—with a flute in the mouth.}} {{hi|কে না জানে......... তাপে বনস্থলী—The attendants pale with sorrow for their mistress Pramila afflicted with separation from her husband Maghanada are compared to the pale, flowers in a garden scorched with sun at the end of the spring season. The spring season stands for Meghanada, the garden for Pramila, and the flowers for the companions of Pramila.}} {{hi|বসন্তসৌরভা—having the fragrance of the spring season.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৭</noinclude>{{hi|তিমির যামিনী—dark night.{{ফাঁক}}ব্যাজ—delay.}} {{hi|বসন্তসখা—friend or companion of spring.}}<noinclude></noinclude> 0zor2mmji7y1jpespev3vi8aw3eofka পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩১ 104 843142 1991793 1821470 2026-07-31T04:06:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991793 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়— তৃতীয় সর্গ|৩১৯}}</noinclude>{{hi|সীমন্তিনী—one who has the partition of the hair of the head; ''i.e.'' a woman who has her hair always parted.}} {{hi|সীমন্তিনি—case of address.}} {{hi|অভেদ্য—Impenetrable.}} {{hi|তাঁরে আঁটিবে—will cope with him.}} {{hi|সরস কুসুম—Juicy flowers: Flowers of vigorous growth.{{ফাঁক}}চিকণিয়া—making fine.}} {{hi|প্রিয়গলে—round the neck of the husband.}} {{hi|দাম—wreath; garland.}} {{hi|বিজয়ী রথচূড়ায়—on the top of the chariot of a conqueror.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৮</noinclude>{{hi|পাঁতি—row line; series.}} {{hi|মর্ম্মরিছে—are making a murmuring sound.}} {{hi|মুক্তিল—মুক্তাফল দিয়া অলঙ্কৃত করিল; adorned, as it were, with pearl beads.}} {{hi|শিশির নীরে—with dew water. The drops of tears are compared to drops of dews.}} {{hi|মিহিরবিরহে—owing to separation from the sun.}} {{hi|পোড়ানয়নে—to these miserable eyes.}} {{hi|অবচয়ি—plucking}}<noinclude></noinclude> hm5hzc45yzg36qq0wpcxe5lsbugwl72 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩২ 104 843143 1991794 1821471 2026-07-31T04:06:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991794 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২০|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৬৯</noinclude>{{hi|স্বজনী—Feminine form of স্বজন।}} {{hi|স্বজন—friend; relative.}} {{hi|অলঙ্ঘ্য সাগরসম—like a sea which cannot be crossed.}} {{hi|চমূ—Army.}} {{hi|গজপতিগতি—having the gait of the lord of elephants.{{ফাঁক}}রোষাবেশে—out of anger.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭০</noinclude>{{hi|দেবদত্ত—is the name of Arjuna’s conch.}} {{hi|উলঙ্গিয়া—making naked; unsheathing; drawring out of the sheath.}} {{hi|কার্ম্মুক টঙ্কারি—sounding the bow string with a twang.}} {{hi|আস্ফালি—parading.{{ফাঁক}}কঞ্চুক—armour.}} {{hi|ঊর্ধ্বকর্ণে—with ears erect.}} {{hi|ঘনপতি—The lord of clouds. অলিন্দ—Verandah.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭১</noinclude>{{hi|কমলে কণ্টকময় যথা মৃণাল—A lotus is very soft, beautiful and charming, but its stalk is full of thorns. So Pramila and her followers are tender, beautiful and charming, but their hands are armed with dreadful weapons.}}<noinclude></noinclude> dayld71598xnfot7jwk9naeq399xahe পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৩ 104 843145 1991795 1821476 2026-07-31T04:06:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991795 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—তৃতীয় সর্গ|৩২১}}</noinclude>{{hi|দানবদলনীপদ্মপদযুগ—the pair of the lotus-like feet of the destroyer of the Danavas: the pair of the lotus-like feet of Kali.}} {{hi|দিবে—in the Heaven.}} {{hi|কাদম্বিনী—a long line of clouds.}} {{hi|অঞ্জন—eye-paint; collyrium.}} {{hi|নয়নরঞ্জিকা—charming to the eyes; gratifying to the eyes.}} {{hi|নিষঙ্গ—quiver of arrows.}} {{hi|হায় রে, বর্ত্তুল যথা রম্ভাবন আভা—The thighs of the female soldiers were charmingly round; and they looked like the trunks of plantain trees. The place where the female soldiers were, looked like a beautiful garden of plantain trees.}} {{hi|হৈমময় কোষ—Sheath made of gold.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭২</noinclude>{{hi|উন্মাদ—haughty; insolent.}} {{hi|বড়বা—means a mare. But here it is a proper name.}} {{hi|বামী—a mare.}} {{hi|বাড়বাগ্নি-শিখা—the flame of a submarine fire.}} {{hi|বিকট—Dreadful.{{ফাঁক}}কটক—army.}}<noinclude></noinclude> tbpqo4vtdp1um6r7nh2892clpytv0x6 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৪ 104 843154 1991796 1821569 2026-07-31T04:06:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991796 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|দানবকুলসম্ভবা—born of the Danava family.}} {{hi|দ্বিষৎশোণিতনদ—the stream of the blood of enemies.}} {{hi|ভুজ-মৃণাল—hands looking like lotus stalks.}} {{hi|বীরপণা—heroism; bravery.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৩</noinclude>{{hi|যথা বায়ুসখাসহ দাবানলগতি দুর্ব্বার, চলিলা সতী পতির উদ্দেশে—The devoted wife with the force of the irresistible forest-fire went in search of her husband accompanied, as it were, by the comrade, wind.}} {{hi|ধূমপুঞ্জ—masses of smoke. The masses of dust surrounding Pramila are compared to masses of smoke surrounding the flame of fire. Pramila is compared to the flame of fire.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৪</noinclude>{{hi|দুর্দ্ধর্ষ—Irresistible.{{ফাঁক}}ময়াবী—Juggler, magician.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৫</noinclude>{{hi|কোন যোধ সাধা—কোন্ যোধের সাধ্য; what fighter is able.}} {{hi|বলীন্দ্র—বলিশ্রেষ্ঠ; the best among the strong.}} {{hi|পাবনি—the son of Pavana Deva.}}<noinclude></noinclude> r5fd2k8n95o4mc0ckw2ly7h77zdkxso পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৫ 104 843155 1991797 1821517 2026-07-31T04:06:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991797 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—তৃতীয় সর্গ|৩২৩}}</noinclude>{{hi|খর্পর—a pot to receive the blood of the victim at a sacrifice.{{ফাঁক}} খণ্ডা―a sword.}} {{hi|মুণ্ডমালী—The goddess Kali, wearing the মালা or garland of cut-off heads.}} {{hi|শশিকলাসমরূপে—like the phase of the moon in beauty.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৬</noinclude>{{hi|প্রেমপাশে—with the tie of love.}} {{hi|সৌদামিনী—lightning.}} {{hi|অঞ্জনানন্দন—Hanuman, the son of Anjana.}} {{hi|শিলাবন্ধে—with the embankment made of stones.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৭</noinclude>{{hi|যে বিদ্যুৎ ছটা... তাহার পরশে—Man dies of the contact with that lightning, the flash of which charms the eye. Pramila reminds Hanuman that they were indeed charming to the eyes, and yet destructive, like the flash of lightning.}} {{hi|নৃমুণ্ডমালিনী দূতী—The name of the female was Nrimundamalini.}} {{hi|নৃমুণ্ডমালিনী আকৃতি—whose appearance is like that of the goddess Kali wearing the garland of human heads.}}<noinclude></noinclude> 3u32ujemqp1em0fj0674gjz1wtyx76t পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৬ 104 843156 1991798 1821518 2026-07-31T04:06:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991798 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২৪|{{SIC|মেঘনাদধব|মেঘনাদবধ}} কাব্য|}}</noinclude>{{hi|গরুত্মতী—winged when applied to তরী (boat) it means “with sails spread.”}} {{hi|তরঙ্গনিকর—the series of waves.}} {{hi|ভামিনী—a passionate woman.}} {{hi|কাঞ্চী—a woman’s girdle or zone with tinkling bells.{{ফাঁক}}কটাক্ষের শর—the arrows of sideglances.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৮</noinclude>{{hi|চন্দ্রক—the eye in a pea-cock’s tail.}} {{hi|কলাপ—assemblage; multitude. The use of the word is appropriate here as it also means a pea-cock’s tail.}} {{hi|চন্দ্রকলাপময়—adorned with an assemblage of the eyes in a pea-cock’s tail.}} {{hi|কুচযুগ মাঝে পীবর—পীবর কুচযুগ মাঝে—in the midst of the plump and prominent breasts.}} {{hi|কুমুদিনীসখী—moon light which is spoken of as the companion of the water-lily.}} {{hi|অংশুময়ী—full of rays; brilliant.}} {{hi|রুদ্রকুলসমতেজঃ—having the vigour of the race of the Rudras.}} {{hi|ভৈরবমূরতি—having a dreadful appearance.}} {{hi|দেবদত্ত—granted by gods.}} {{hi|রঞ্জনরাগে—with the dye of red sandal.}}<noinclude></noinclude> 649gayy3zkz8qfdpm6xgvbti0xyd9zn পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৭ 104 843157 1991799 1821525 2026-07-31T04:06:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991799 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—তৃতীয় সর্গ|৩২৫}}</noinclude>{{hi|দেউটী—lamps.{{ফাঁক}}পিষ্ঠ—altar.}} {{hi|Ramchandra is worshipping the arms granted by gods.}} {{hi|সুবর্ণমণ্ডিত...মেঘ—adorned with gold like clouds adorned with the light of the sun towards the close of day.{{ফাঁক}}প্রসাদ—light.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৭৯</noinclude>{{hi|পিনাক—the bow of Siva.{{ফাঁক}}ঠাট—army.}} {{hi|ত্রস্তে—in a hurry. রক্ষোরথী—is here Bibhisana.}} {{hi|কামরূপী—able to assume any shape at will.}} {{hi|চিররক্ষণ—protector for ever.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮০</noinclude>{{hi|বিশেষিয়া—giving details; in detail.}} {{hi|ভর্ত্রিণী—mistress. শুভে—সম্বোধন পদ; from the base শুভা; Oh blessed. চিত্রবাঘিনী—striped tigress; dappled tigress.}} {{hi|কিরাতিনী—huntress.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮১</noinclude>{{hi|বামা—woman. সুকেশিনি—beautilul-haired; the base is সুকেশিনী।}} {{hi|রঘুরাজকুলে বীরেশ্বর—বীরেশ্বর রঘুরাজকুলে; in the family of King Raghu, the greatest of the heroes.{{ফাঁক}} সুনেত্রা—charming-eyed.}}<noinclude></noinclude> 5b9g8e1w7x6uc4c3kt5gw5pnbwabdyc পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৮ 104 843158 1991800 1821526 2026-07-31T04:06:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991800 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|বাখানি—praise. পরিহার—averting (a danger).}} {{hi|বিধি-বিড়ম্বনে—through the disfavour of the God.}} {{hi|প্রসাদ—food offered to a god; food offered to any superior. Hence any offering.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮২</noinclude>{{hi|ঘাঁটায়—excites; pokes. নির্ধূম—smokeless.}} {{hi|সুবর্ণি বারিদপুঞ্জে—dyeing the masses of clouds with the colour of gold.}} {{hi|কোদণ্ড—bow-stick.}} {{hi|কাকলি-লহরী—the waves of the music of birds.}} {{hi|রত্নসঙ্কলিত আভা—splendour acquired from gem.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৩</noinclude>{{hi|মন্দগতি—adj. qualifying “বাজিরাজী”; moving slowly.{{ফাঁক}}আস্কন্দিতে—to fight.}} {{hi|আস্কন্দন—means “fighting”.}} {{hi|কৃষ্ণহয়ারুঢ়া—mounted on a black horse.}} {{hi|হৈমময়—হেমময়; made of gold. It qualifies the noun “ধ্বজদণ্ড”।}} {{hi|রতনসম্ভবা বিভা ক্ষণ প্রভাসম—the splendour issuing out of jewels, like lightning.}} {{hi|মহিষমর্দ্দিনী—the killer of Mahisasura.}} {{hi|খগেন্দ্র—the king of birds, ''i.e.'' Garuda.}}<noinclude></noinclude> 221d1qtgm5617xq6jk16nw63sjfc4o5 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৩৯ 104 843159 1991801 1821534 2026-07-31T04:06:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991801 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—তৃতীয় সর্গ|৩২৭}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৪</noinclude>{{hi|বামী-ঈশ্বরী—the mistress among the mares.}} {{hi|শিঞ্জিনী—a bow-string.}} {{hi|ভৈরবী—dreadful. It qualifies “কেশরিণী”.}} {{hi|প্রপঞ্চ—(1) phenomenon, দৃশ্য; (2) illusions, মায়া; (3) opposition, বৈপরীত্য; (4) বঞ্চনা, deception.}} {{hi|উরিবেন মায়াদেবী দাসের সহায়ে—the goddess Maya will come down in aid of her servant.{{ফাঁক}}বুধ—wise man.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৫</noinclude>{{hi|হর্য্যক্ষ—lion.}} {{hi|রক্ষেন্দ্রে—the greatest Rakshasa, ''i.e.'' Meghanada.{{ফাঁক}}বিমোহিনী—charming.}} {{hi|রাখে পদতলে—(In the case of Digambari) keeps under her feet. (In the case of Pramila) keeps under control.}} {{hi|Digambari—Kali whose অম্বর or cloth is দিক্‌ or quarters; ''i.e.'' who is naked.}} {{hi|Digambara—is Siva.}} {{hi|নিগড়—chain. Pramila is so called.}} {{hi|মদকল—speaking inarticulately like a drunken person.{{ফাঁক}}কাল-হস্তী—deadly elephant.}}<noinclude></noinclude> o7cduykbz41c52y8h58s1t4x02f152o পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪০ 104 843160 1991802 1821536 2026-07-31T04:06:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991802 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|কাননবৈরী—enemy of forests. Forest fire (দাবানল) is so called.}} {{hi|ভৃগুমান্—having a precipice; precipitous.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৬</noinclude>{{hi|নীলকণ্ঠ—Siva.}} {{hi|রক্ষিত—one protected or sheltered by you}} {{hi|কালসর্প তেজে তবাগ্রজ—your elder brother like a deadly snake in vigour.}} {{hi|বিষদন্ত—fang; poisonous tooth.}} {{hi|প্রকারে—some how.}} {{hi|জয়লাভে—জয় লাভ করে, gains victory.}} {{hi|হতবল—(destitute of strength.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৭</noinclude>{{hi|স্বরীশ্বর অরি—the অরি or enemy of the ঈশ্বর or lord of স্বর or Heaven—Indrajit who is the enemy of Indra.}} {{hi|দুয়ারে দুয়ারে—from door to door.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৮</noinclude>{{hi|তারক-সূদন—Karttikeya, the killer of Tarakasura.}} {{hi|ত্বিষাম্পতি—the sun.}} {{hi|সুধানিধি—the sea or the Reservoir of nectar.}}<noinclude></noinclude> gk50exlq279tysi45zj84cypm4j3g9n পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪১ 104 843161 1991803 1821538 2026-07-31T04:06:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991803 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—তৃতীয় সর্গ|৩২৯}}</noinclude>{{hi|রোষে—is angry. বিরূপাক্ষ রক্ষঃ—the Rakshasa named Birupaksha.}} {{hi|প্রক্ষ্বেড়ন—a kind of iron arrow called নারাচ।}} {{hi|তালজঙ্ঘা—adj. qualifying রক্ষঃ। Having a জঙ্ঘা (shank, the leg below the knee) like a palm. তালসমদীর্ঘ গদাধারী—armed with a weapon as tall as the palm tree.}} {{hi|ভীমমূর্ত্তি—Whose appearance is fierce.}} {{hi|প্রমত্ত—excited; maddened.}} {{hi|কৌন্তিক—a soldier armed with a কুন্ত or শূল (spear).{{ফাঁক}}চণ্ডী—dreadful.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৮৯</noinclude>{{hi|হুলাহুলি—is perhaps the inarticulate sound উলু।}} {{hi|বন্দী—court musician,{{ফাঁক}}আগ্নেয় তরঙ্গ—fiery Waves; waves of fire.}} {{hi|হ্রেষি—neighing}} {{hi|আস্কন্দিল—danced.{{ফাঁক}}পিধান—sheath.}} {{hi|অরিন্দম—the subduer of enemies.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯০</noinclude>{{hi|মনমথ—Manatha, or Madan}} {{hi|শরানল—the fire of arrows.}} {{hi|বিরহ-অনল—the fire of separation.}}<noinclude></noinclude> bhgu30904bu0411bcg0cj0es4rjc8cj পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪২ 104 843162 1991804 1821540 2026-07-31T04:06:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991804 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৩০|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|রতনময় আঁচল—adj. qualifying দুকুল, having the skirts adorned with jewels.}} {{hi|কাঁচলি—Bodice or short jacket for women.}} {{hi|পীনস্তনী—having plump and prominent breasts.}} {{hi|শ্রোণি—নিতম্ব, buttocks.{{ফাঁক}}মেখলা—girdle.}} {{hi|অলক—a curl of hair; a ringlet.}} {{hi|কুণ্ডল—ear-ring.{{ফাঁক}}শ্রবণ—ear.}} {{hi|উৎস—fountain; spring.}} {{hi|কলকলে—with a babbling sound.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯১</noinclude>{{hi|মধু মধুকাল—sweet spring.}} {{hi|বিন্ধ্যশৃঙ্গ-বৃন্দ—the group of the summits of the Vindhyas.}} {{hi|হরি—lion.}} {{hi|শূলপাণি—who has শূল in his hands.}} {{hi|তৃণজীবিজীব—animals living on grass.}} {{hi|বীরব্যূহ—the circle of heroes.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯২</noinclude>{{hi|সঙ্গিনীদল সঙ্গে বরাঙ্গনা—বরাঙ্গনা সঙ্গিনীদল সঙ্গে—with very beautiful women as her companions.}} {{hi|হেন রূপ কার নর-লোকে—who has got such a beauty in the world of men as Pramila has?}}<noinclude></noinclude> fm9j9cje6zmniw28qkbj8qz5o17yb41 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৩ 104 843163 1991805 1821567 2026-07-31T04:06:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991805 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—চতুর্থ সর্গ|৩৩১}}</noinclude><section begin="A" />{{hi|কবরী-বন্ধনে—on the chignon.}} {{hi|গৌরাঙ্গী—having a body of fair complexion.}} {{hi|কনক-কমল—golden lotus.}} {{hi|মানস সরসে—in the Manasarwar.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৩</noinclude>{{hi|রবিচ্ছবিকরস্পর্শ—the touch of the ray of sun light.{{ফাঁক}}ছবি—means ‘brightness’ Here it means ‘light’}} {{hi|দীপি—shining.{{ফাঁক}}উজলিল—brightened.}} {{hi|সুখধাম—in Kailas}} {{hi|রজোময়—is it রজতময়, silvery?}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|চতুর্থ সর্গ।}}}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৪</noinclude>{{hi|পদাম্বুজ—lotus-like foot.}} {{hi|রাজেন্দ্রসঙ্গমে—with the great king.}} {{hi|ভব-দম—the subduer of the earth.}} {{hi|সূরী—learned.}} {{hi|ভবভূতি—author of Vir Charita and other poems.{{ফাঁক}} বরপুত্র—blessed son.}} {{hi|ভারতীর বরপুত্র—favourite of Saraswati.}} <section end="B" /><noinclude></noinclude> ejgz67b73p3mkh007rtg0c6wqebml4l পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৪ 104 843172 1991806 1821562 2026-07-31T04:06:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991806 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৩২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|মুরারি-মুরলীধ্বনি-সদৃশ মুরারি—the poet Murari whose poetry was like the music of the flute of Krishna. The poet Murari is the author of অনর্ঘ রাঘব।}} {{hi|কৃত্তিবাস—author of the Bengalee Ramayana.}} {{hi|কীর্ত্তিবাস—whose বাস, residence is in কীর্ত্তি or fame; or, whose বাস or cloth is কীর্ত্তি or fame.}} {{hi|কবিতারসের সরে রাজহংস-কুল—the assembly of geese in the lake of the water of poetry. The great poets are here called the geese.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৫</noinclude>{{hi|রত্নাকর—the name of Valmiki was Ratnakar. The word is happily used here as it also means the sea, the reservoir of gems and jewels.{{ফাঁক}}সুবর্ণদীপমালিনী—wearing the garland of golden lamps.}} {{hi|রত্নহারা—wearing a হার or necklace of jewels.}} {{hi|সুরত—coition; copulation.}} {{hi|শীধু—wine; liquor.{{ফাঁক}}কল্লোল—noise.}} {{hi|ছাড়িয়া চাঁদেরে রাহু—Lanka is the moon, and the army of Rama is the Rahu.}}<noinclude></noinclude> dngtfws2jazyo9xwu5wsun61lh9ibxz পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৫ 104 843173 1991807 1821563 2026-07-31T04:06:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991807 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—চতুর্থ সর্গ|৩৩৩}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৬</noinclude>{{hi|রাঘব-বাঞ্ছা—Sita.{{ফাঁক}}চেড়ী—maid-servants.}} {{hi|তিমির-গর্ভ—dark pit. বিম্বাধরা রমা—Rama or Lakshmi with lips beautifully red as the bimba fruit.}} {{hi|অম্বুরাশি তলে—at the bottom of the sea.}} {{hi|স্বনিছে—is making a sound.}} {{hi|উচ্ছ্বাসে—sighs.{{ফাঁক}}বিলাপী—mourner.}} {{hi|অরবে—silently.}} {{hi|উচ্চবীচি-রবে—with the sound of high waves; or, with the loud sound of waves.}} {{hi|বারীশ—the sea.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৭</noinclude>{{hi|সুধাংশু-অংশু—the rays of the moon.}} {{hi|সমল-সলিল—dirty water.}} {{hi|ও অপূর্ব্বরূপ—that wonderful beauty of Sita.}} {{hi|প্রভা-আভাময়ী—আভাময়ী প্রভা—brilliant light; splendid light.}} {{hi|তমোময়—full of darkness.}} {{hi|এয়ো—a married woman who has her husband alive and who is therefore to be honoured with gifts before certain ceremonies.}}<noinclude></noinclude> p5c4wsulmtw9753hl6pmjio18i9aqf6 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৬ 104 843174 1991808 1821564 2026-07-31T04:06:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991808 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৩৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|পর্ণ—leaf; petal.}} {{hi|পদ্মের পর্ণ—Sita is a পদ্ম, and her ornaments are the petals of the পদ্ম।}} {{hi|বরাঙ্গ-অলঙ্কার—the ornaments of the beautiful body.{{ফাঁক}}সীমন্ত—the line of the parting of hair.}} {{hi|গোধূলি-ললাট—the forehead of twilight. Twilight is compared to a woman, The evening star is poetically said to be on the forehead of twilight, as the vermilion spot on the forehead of a woman.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৮</noinclude>{{hi|চিরদাসী—for-ever a servant.}} {{hi|সেই সেতু... রঘুনাথে—Sita speaks of her ornaments as forming a bridge which has brought Rama across the sea to Lanka.}} {{hi|স্বয়ম্বর—a system of marriage in which the bride chooses the bridegroom. Sita's marriage was not a স্বয়ম্বরভin the true sense of the term.}} {{hi|সুধামুখ—mouth full of nectar.}} {{hi|তোষ—তুষ্ট কর; satisfy.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—৯৯</noinclude>{{hi|গোমুখী—is a peak in the Himalavas.}}<noinclude></noinclude> 0dhjdb4si9bw3xmpeveipfmi5q6soo4 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৭ 104 843175 1991809 1821565 2026-07-31T04:06:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991809 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—চতুর্থ সর্গ|৩৩৫}}</noinclude>{{hi|পূত—adj. sacred.{{ফাঁক}}হিতৈষিণী—well-wisher.}} {{hi|সুরবন—the garden of the gods; Nandan kanana.{{ফাঁক}}দণ্ডক ভাণ্ডার যাঁর—whose storehouse is the forest of Dandaka.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০০</noinclude>{{hi|পঞ্চবটী-বনচর মধু নিরবধি—Spring is the constant companion of the Panchabati forest.}} {{hi|চিত্ত-বিনোদন—charming the mind.}} {{hi|বৈতালিক-গীত—the song of the court-bard.}} {{hi|করভ—the young of an elephant.}} {{hi|ঘনবর-শিরে—on the top of a great cloud.}} {{hi|তৃষাতুর—one afflicted with thirst.}} {{hi|আপনি সুজলবতী বারিদ-প্রসাদে—which is full of good water through the grace of clouds. Sita means to say she was full of affection through the grace of Ramachandra.}} {{hi|সরসী—feminine form of সরঃ; lake. আরসী—mirror.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০১</noinclude>{{hi/s}}আশার সরসে রাজীব—a lotus blooming in the lake of hope. Sita’s hope to see Ramachandra was, as it were, a lake, and the feet of<noinclude>{{hi/e}}</noinclude> s12x87ovc10hrk9dgsp8fixf6j489za পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৮ 104 843176 1991810 1821566 2026-07-31T04:06:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991810 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৩৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}} {{hi/m}}</noinclude>Ramachandra were, as it were, lotuses in that lake.{{ফাঁক}} কাদম্বা—a goose.{{hi/e}} {{hi|মধুস্বরা—sweet-voiced.{{ফাঁক}}প্লাবন-পীড়নে—owing to the oppressions of the flood.}} {{hi|প্রবাহ—stream.{{ফাঁক}} অতিক্রমি—overflowing.}} {{hi|প্লাবন-পীড়নে etc.—the stream overflows its banks with water through the pressure of flood. So a mind afflicted with sorrows gives over its sorrows to another sympathetic mind. The mind is the stream. The flood of water is the flood of sorrows. The banks are sympathetic minds or persons.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০২</noinclude>{{hi|অবরুপুর—the abode of the Rakshasas.}} {{hi|কান্তার-কান্তি—the beauty of the forest.}} {{hi|কান্তার—বন, forest.{{ফাঁক}} বনবীণা—the forest-flute.}} {{hi|সৌরকর-রাশি-বেশে—in the disguise of the rays of the sun.{{ফাঁক}}সুরবালা-কেলি—the merrymakings of the daughters of gods.}} {{hi|অজিন—skin; hide. {{ফাঁক}}মঞ্জরিত—with buds or blossoms newly put forth; blooming.}} {{hi|মঞ্জরী—a flower-spike. নাতিনী—grand-daughter.}}<noinclude></noinclude> tem44lvpz3bmmqx77qxdblipd258azf পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৪৯ 104 843185 1991811 1821602 2026-07-31T04:06:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991811 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—চতুর্থ সর্গ|৩৩৭}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৩</noinclude>{{hi|রসাল—a mango tree.}} {{hi|পঞ্চমুখ—Siva who has five heads.}} {{hi|সাঙ্গ—at an end.{{ফাঁক}}আয়ত-লোচন—wide-eyed.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৪</noinclude>{{hi|মধুমতি—having a sweet disposition.}} {{hi|পিইছেন—is drinking. দেব-সুধানিধি—the Moon.}} {{hi|মিটাও—satisfy.}} {{hi|নারীকুল-কালি—the dirt of the race of women.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৫</noinclude>{{hi|রঘুরাজ-গৃহ-আনন্দ—the joy of the home of the king of Raghu’s dynasty.}} {{hi|হেমাঙ্গি—having a body bright as gold.}} {{hi|নিষাদ—a hunter.{{ফাঁক}}ললিত—sweet.}} {{hi|যথা যবে ঘোর-বনে etc.—the hunter is the grief of Sita. The bird is Sita herself. The sweet song of the bird is the sweet speech of Sita.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৬</noinclude>{{hi|মরীচিকা—a mirrage; the vapour which at a distance appears like a sheet of water.}} {{hi|বিদ্যুৎ-আকৃতি—like a lightning.}}<noinclude></noinclude> o9s11898pc1f56lfhqi5kkm9715j93x পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫০ 104 843186 1991812 1821605 2026-07-31T04:06:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991812 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৩৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|বারণ—an elephant.{{ফাঁক}}বারণারি—is a lion.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৭</noinclude>{{hi|বায়ুগতি—having the speed of the wind.}} {{hi|অবতংস—ornament.}} {{hi|ভৃগুরাম-গুরু—the teacher of Bhriguram.}} {{hi|বলে—in strength; as regards strength, ''i.e.'' superior to Bhriguram.}} {{hi|বীর-কুলগ্লানি—the slander of the race of heroes.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৮</noinclude>{{hi|করুণস্বরে—in a plaintive tone.}} {{hi|সদাব্রত-ফলাহারী—constantly devoted to a vow and living on fruits.}} {{hi|বৈশ্বানর—God of fire.}} {{hi|বিভূতি—(১) ashes, (২) splendour, magnificence.}} {{hi|ফুলরাশি মাঝে দুষ্ট কালসর্প-বেশে বিমল সলিলে বিষ—there is poison in the transparent water like a wicked and deadly snake in a mass of flowers. The deadly snake or poison is Ravana in his own appearance, and the mass of flowers or the transparent water is the guise of a sannyasi.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১০৯</noinclude>{{hi|প্রতারিত—pretended.}}<noinclude></noinclude> 6jla8217l5xb1j0d34n5e4px82b30ug পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫১ 104 843187 1991813 1821606 2026-07-31T04:06:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991813 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—চতুর্থ সর্গ|৩৩৯}}</noinclude>{{hi|অবহেলা কর—disregard; do not fear.}} {{hi|ব্রহ্মশাপ—the curse of a Brahmin.}} {{hi|ভিক্ষাদ্রব্য—alms.{{ফাঁক}}গুল্ম-পাশে—beside a bush.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১০</noinclude>{{hi|ইরাম্মদাকৃতি-বজ্রাগ্নির ন্যায়, like a flash of lightning. দমে—subdues; quenches.}} {{hi|অশ্রুবিন্দু মানে কিলো কঠিন যে হিয়া?—does a heart that is hard has any regard for tears.}} {{hi|জটাজুট—mass of knotted hair.}} {{hi|রাজরথি-বেশে—in the guise of royal chariot-fighter.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১১—১১২</noinclude>{{hi|ফাঁপর—helpless.{{ফাঁক}}শ্রবণ-কুহর—ear-hole.}} {{hi|শব্দবহ—sound-carrier.}} {{hi|দূতপদ—the post of a messenger.}} {{hi|মধুসখা—the companion of spring.}} {{hi|ভৈরব-মূরতি—with a dreadful appearance.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১৩</noinclude>{{hi|প্রেমদীপ—the light of love.}} {{hi|অস্ত্রিদল—the class of the bearer of weapons; the class of fighters.}} {{hi|সান্দন—chariot.}}<noinclude></noinclude> 0hjzu2o2to9w63pyhglilvsrfgzs4f3 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫২ 104 843188 1991814 1821607 2026-07-31T04:06:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991814 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪০|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১৪—১১৬</noinclude>{{hi|পুতি—burying.{{ফাঁক}}আরব—sound, noise.}} {{hi|ভবিতব্য-দ্বার—the gate of future events.}} {{hi|বলিবৃন্দ—the strong, the heroic.}} {{hi|বারীশ পাশী—Varuna, the sea god whose weapon is a noose.}} {{hi|ধীর ধর্ম্মসম বীর এক—referring to Bibhisana.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১৭—১১৮</noinclude>{{hi|সংসার-মদ—worldy pride. কবন্ধ—headless trunk.}} {{hi|বিহঙ্গম—wanderer of the sky, ''i.e.'' bird.}} {{hi|ভৈরবে—ভীষণতায়। In fearfulness.}} {{hi|কর্ব্বুর-নাথ—the Lord of the Rakshasas.}} {{hi|লাঘব-গরব—with the pride humbled down.}} {{hi|বিরাট-মূরতি-ধর—wearing a dreadful look.}} {{hi|রক্ষোরথী—''i.e.''Kumbhakarna.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১১৯—১২০</noinclude>{{hi|মন্দার—one of the live trees of the Heaven.}} {{hi|অবগাহ—bathe.{{ফাঁক}} সমল—dirty.}} {{hi|পরিষ্কারি—cleaning.}} {{hi|ছিঁড়ে তার যদি—if the wire is torn asunder.}} {{hi|দেবদৈত্য-নরত্রাস—the dread of gods, Daityas and men.{{ফাঁক}}জিষ্ণু—victorious}}<noinclude></noinclude> 74zb4a7avrpv2627krqkqjg60shsh52 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৩ 104 843195 1991815 1821629 2026-07-31T04:06:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991815 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়-চতুর্থ সর্গ|৩৪১}}</noinclude>{{hi|পৌলস্ত্য—the grandson of Pulasta sage, ''i.e.'' Ravana.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২১</noinclude>{{hi|ইন্দীবর-আঁখি—eyes like blue lotuses.}} {{hi|হীনায়—where life is cut short.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২২</noinclude>{{hi|নীলোর্ম্মিময়—full of blue waves.}} {{hi|অতল—bottomless.}} {{hi|মনোরথগতি—having the speed of the mind, swift like imagination.}} {{hi|রঞ্জন—is red sandal.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৩</noinclude>{{hi|বিধির নির্ব্বন্ধ—what is ordained by God, the Maker of all Law.}} {{hi|এ পুরে বীরযোনি—এ বীরযোনি পুরে—in this city of Lanka who is the producer of heroes. Lanka is, as it were, a mother of heroes.}} {{hi|মন্দারের দামে—with the garlands of Mandara or Parijat flowers.}} {{hi|বসুধা-কামিনী—the Earth is likened to a woman. She is adorned with various flowers during spring.}}<noinclude></noinclude> 7gqn74i16r4di87k9s0fcq7xouqi9an পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৪ 104 843196 1991816 1821764 2026-07-31T04:06:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991816 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><section begin="A" /><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৪</noinclude>{{hi|ও প্রতিমা—''i.e.'' Sita herself.}} {{hi|প্রবাহিণী—stream; river.}} {{hi|এ পঙ্কিল জলে পদ্ম—a lotus in this dirty water. Sarama is the lotus, and sinful Lanka is dirty water.}} {{hi|ভুজঙ্গিনী-রূপী এ কাল-কনক-লঙ্কা-শিরে শিরোমণি — এই ভুজঙ্গিনী-রূপী কাল-কনক লঙ্কা-শিরে শিরোমণি—a jewel on the head of this snake-like, deadly golden Lanka. Sarama is the jewel.{{ফাঁক}}অযতনে—অযতন করে, neglects.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৫</noinclude>{{hi|কুরঙ্গী—the-deer.}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|পঞ্চম সর্গ।}}}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৬</noinclude>{{hi|চিত্রলেখা—is the mame of a স্বর্গ-বিদ্যাধরী।}} {{hi|সুসিদ্ধ হবে মনোরম কালি—your desire will be fully satisfied to-morrow.}} <section end="B" /><noinclude></noinclude> j2l71xde4ad6ce8skn8sk3rqasfkn1a পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৫ 104 843197 1991817 1821631 2026-07-31T04:06:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991817 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—পঞ্চম সর্গ|৩৪৩}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৭</noinclude>{{hi|বিশালাক্ষি—Oh big-eyed. দন্তী—an elephant.}} {{hi|মৃগরাজ—পশুরাজ, the king of beasts, ''i.e.'' the lion.{{ফাঁক}}আঁটে—copes with.}} {{hi|মহেষ্বাস—having a great bow; armed with a great bow.}} {{hi|পীঠতল—the surface of the seat.}} {{hi|শারদ-পার্ব্বণ—the autumn festival.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৮</noinclude>{{hi|মন্দার-কাঞ্চন কান্তি—the golden splendour of the Mandara flowers.}} {{hi|ভবানন্দময়ী—pleasant to the worlds.}} {{hi|আনায়—snare.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১২৯</noinclude>{{hi|নমুচিসূদন—the Destructor of Namuchi.}} {{hi|দুর্ম্মদ—maddened.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩০</noinclude>{{hi|পরিমলময়—fuil of fragrance; fragrant.}} {{hi|অলক—a curl of hair; a ringlet.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩৩—১৩৪</noinclude>{{hi|আয়াসিতে—আয়াস অর্থাৎ ক্লেশ দিতে, to trouble.}} {{hi|আয়সী-সদৃশ—like an iron armour.}}<noinclude></noinclude> 8t0659t1aftyi1tg7pi5ete7gwkoojz পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৬ 104 843198 1991818 1821634 2026-07-31T04:06:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991818 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|দেবকুল-আনুকূল্য—the grace of gods.}} {{hi|বীতিহোত্র—fire.}} {{hi|রক্ষোবংশ-ধ্বংস—adj. qualitying “বীরমণি”—the cause of the destruction of the Rakshasas.}} {{hi|মহোরগ—a great serpent.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩৫</noinclude>{{hi|ফেনলেখা—the line of foam.}} {{hi|শারদনিশাতে কৌমুদীর রজোরেখা মেঘমুখে যেন—like the silvery line of moonlight at the openings in the clouds in an antumn night.}} {{hi|রঘুজ-অঙ্গ-অঙ্গজ—the son of Aja the son of Raghu.}} {{hi|চন্দ্রচূড়—having the moon on the head.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩৬</noinclude>{{hi|কপদী—Siva.{{ফাঁক}}হর্ষাক্ষ—a lion}} {{hi|উলঙ্গিলা—unsheathed.}} {{hi|রৌরব—is a hell of fire; here it means forest fire.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩৭</noinclude>{{hi|কুসুমকুণ্ডলামহী—the goddess Earth whose lock of hair is, as it were, the flowers.}} {{hi|স্বনিলা—sounded. স্ত্রীকণ্ঠ-সম্ভব-রব—music flowing from the throat of females.}}<noinclude></noinclude> hhbb8vrapxciie7bxouyrk4dkctrbqb পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৭ 104 843199 1991819 1821633 2026-07-31T04:06:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991819 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—পঞ্চম সর্গ|৩৪৫}}</noinclude>{{hi|অলঙ্কারে—অলঙ্কৃত করে, adorns.}} {{hi|কাম-নিগড়—the chain or bond of Kama}} {{hi|কোলম্বক—বীণার অঙ্গ বিশেষ।{{ফাঁক}}হেমতার—gold wire.}} {{hi|কুচযুগ পীবর মাঝারে — পীবর কুচযুগ মাঝারে—between the plump and prominent breasts.}} {{hi|ক্কণিছে—sounds.{{ফাঁক}}রশনা—an ornament for the waist; মেখলা, চন্দ্রহার।}} {{hi|মরে নর কালফণী নশ্বর-দংশনে—নশ্বর (frail; perish able) is an adj. qualifying “নর”। The frail man dies of the biting of the deathlike snake; ''i.e.'' he does not die unless he is actually bitten by a snake.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩৮</noinclude>{{hi|কিন্তু এ সবার পৃষ্ঠে ছলিছে যে ফণী etc.—But the serpents hanging on the back of the heavenly maidens are far more poisonous than “কালফণী”! Their poison is the poison of carnel desire. The locks of hair are the serpents. The jewel on the locks of hair is the jewel on the head of a serpent. Even the very sight of the locks of hair is more dreadful than the actual biting of the deadly snake.}} {{hi/s}}হেরিলে ফণী... বাঁধিতে গলায়—A man runs away out of fear to see a serpent; but every<noinclude>{{hi/e}}</noinclude> tfdh4d5rkdgz1mwozora0uz2gpn2bxg পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৮ 104 843214 1991820 1821706 2026-07-31T04:06:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991820 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}} {{hi/m}}</noinclude>man wishes to put on these snakes (''viz.'' the locks of hair) on their neck.{{hi/e}} {{hi|কৃতান্তের দূত—a snake is, as it were, a messenger of Yama.}} {{hi|ভুঞ্জঙ্গ-ভূষণ—whose ornaments are snakes.}} {{hi|জলযন্ত্র—an artificial fountains to be found in rich gardens.}} {{hi|কুসুম-আগার—the abode of flowers, ''i.e.'' the garden.}} {{hi|উরজ কমলযুগ—the pair of lotuses growing on the breast, ''i.e.'' the pair of breasts.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৩৯</noinclude>{{hi|জলবিম্ব—a buble of water.}} {{hi|সদ্যোজীবী—transitory; short-lived.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪০</noinclude>{{hi|ক্ষণ বিজলী ঝলকে—with a transitory flash of lightning.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪১</noinclude>{{hi|নিকষ—a sheath for the sword.}} {{hi|যন্ত্রিদল—musicians playing on various musical instruments.}}<noinclude></noinclude> 89i50s8elcy10s8n3hp7eojqaagbc9s পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৫৯ 104 843215 1991821 1821707 2026-07-31T04:06:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991821 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—পঞ্চম সর্গ|৩৪৭}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪২</noinclude>{{hi|আকাশ-সম্ভবা—born from the sky. Speech is called the daughter of the sky.}} {{hi|বাণী—the goddess of speech, ''i.e.'' Saraswati.}} {{hi|রহস্য-কথা—secrets.}} {{hi|সূর্য্যকান্তমণিসম—like the jewel called সূর্য্যকান্ত (jewel of which the lover is the sun). The jewel is so called because it shines only as long as the sun shines.}} {{hi|রবিচ্ছবি—the light of the sun.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪৩</noinclude>{{hi|ভাগ্যবৃক্ষ—the tree of Fate.}} {{hi|চুরি করি কান্তি তব—The flowers are spoken of as stealing the beauty of Promila. They could not have got the beauty, if they had not stolen it from Promila.}} {{hi|অরুণ—is supposed to be the charioteer of the sun.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪৪—১৪৫</noinclude>{{hi|যান-বাহ-দল—the drawers of the conveyance or carriage.}} {{hi|সাষ্টাঙ্গে—অষ্টাঙ্গের সহিত, with the eight members of the body touching the ground; prostrating on the ground.}}<noinclude></noinclude> m0emfw9zopyhpgjehq05zfudkuumb8t পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬০ 104 843216 1991822 1821708 2026-07-31T04:06:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991822 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৪৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|সুযন্ত্রমিলনে—in harmony with the music of good musical instruments.}} {{hi|রোহিণী-গঞ্জিনী-বধূ—daughter-in-law putting Rohini to shame; daughter-in-law surpassing Rohini in beauty.}} {{hi|মানে—admits.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪৬</noinclude>{{hi|প্রেমাগার—the house of love; the abode of love.}} {{hi|শরদিন্দু পুত্র—Son like the autmn moon.}} {{hi|বধূ শারদ কৌমুদী—daughter-in-law like the autumn moon light.}} {{hi|তারা কিরিটিনী নিশি সদৃশী আপনি—hersell like the Night crowned with diadem of stars.}} {{hi|অশ্রুবারিধারা শিশির—the drops of tears are, as it were, the drops of dews.}} {{hi|কপোলপণ—petal-like cheeks.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৪৭—১৪৯</noinclude>{{hi|স্ববন্ধু বান্ধবে—his own friends of relatives.}} {{hi|হেন কুলে কালি দিব কি রাঘবে দিতে?—shall I allow Raghaba to stain such a family?}} {{hi|রাক্ষসকুলরক্ষণ বিরুপাক্ষ—Siva, the protector of the Rakhsasa family.}}<noinclude></noinclude> jpa25nm1daco9y7w2pialc80xcrtwks পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬১ 104 843217 1991823 1821710 2026-07-31T04:06:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991823 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—পঞ্চম সর্গ|৩৪৯}}</noinclude>{{hi|নয়নের তারাহারা—devoid of the apple of the eyes.}} {{hi|বহুলে তারার করে উজ্জ্বল ধরণী—the earth is bright with the light of stars in the dark fortnight. Mandodari is the Earth, Indrajit is the Moon. His absence from the presence of Mandodari is the dark fortnight or বহুল. Pramila is the stars.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৫০—১৫১</noinclude>{{hi|কুসুম-বিবৃত—covered over with flowers.}} {{ফাঁক}}মুকুতামণ্ডিত বুকে নয়ন বর্ষিল উজ্জ্বলতর মুকুতা—the eyes rained brighter pearls on the breast adorned with pearls. The brighter pearls are evidently the drops of tears falling from the eyes of Pramila. {{hi|শতদল—a flower with a hundred petals.}} {{hi|দল—a petal.}} {{ফাঁক}}কি ছার শিরিশ-বিন্দু ইহার তুলনে—insignificant are the dew-drops in comparison with them. {{ফাঁক}}শশাঙ্কের অগ্রে, সতি, উদে লো রোহিণী—The Rohini star rises sooner than the Moon. Indrajit means to say that as Rohini is the favourite consort of Chandra or the Moon, so is Pramila of him; and that as Rohini appears in the sky sooner than her dear<noinclude></noinclude> h8yv64tim6yvn5a8dofw436biq9pg7d পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৩ 104 843220 1991824 1821717 2026-07-31T04:06:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991824 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—ষষ্ঠ সর্গ|৩৫১}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|ষষ্ঠ সর্গ।}}}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৫৩—১৬১</noinclude>{{hi|নশ্বর-সংগ্রাম—fatal fight.}} {{hi|বায়ু-সখা—fire, the friend of the wind.}} {{hi|রাক্ষস-গ্রাম—numbers of Rakshasas.}} {{hi|দুরদৃষ্ট—evil luck.{{ফাঁক}}সভয়—full of fears.}} {{hi|সহস্রাক্ষ—Indra.{{ফাঁক}}কালমেঘ—deadly cloud.}} {{hi|কলুযদ্বেষিণী—a hater of sins.}} {{hi|জীমূতাবৃত—covered with clouds.}} {{hi|ভারী কর্ব্বুররাজ—future king of the Rakshasas.}} {{hi|কাদম্বিনীরূপী কবরী—locks of hair like the masses of clouds.}} {{hi|মেঘ-মালে—in the successive masses of clouds.}} {{hi|জগদম্বা—the অম্বা or mother of the Universe.}} {{hi|মন্থরার কুপন্থায়—in the evil path shown by Manthara.{{ফাঁক}}অবরোধ—the Zenana.}} {{hi|দুর্ব্বার—irresistible.{{ফাঁক}}কেশরী কেশরী—lion-like Kesari. Kesari is the name of a monkey-general.{{ফাঁক}} অহিসহ—with serpents.}} {{hi|কেকারব—the sound of a pea-cock.}} {{hi|ঘোষিল—sounded, roared.{{ফাঁক}}উথলিয়া—swelling.}} {{hi|জলদল—masses of water.}} {{ফাঁক}}অহিসহ যুঝিছে...গরজিলা অজগর—বিজয়ী সংগ্রামে—the pea-cock is the natural destroyer of the serpent. As a pea-cock is to a serpent, so is Indrajit to Lakshmana. As the pea-cock<noinclude></noinclude> qgtaqz69x0b9dmxp54y5702orem58i4 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৪ 104 843224 1991825 1843152 2026-07-31T04:06:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991825 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৫২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>is quite strangely killed by the serpent, so Indrajit will also be killed by Lakshmana. This is the meaning of the fight between the pea-cock and the serpent. {{hi|নিরর্থ—meaningless.}} {{hi|ছায়াবাজী—Bioscope theatre.}} {{ফাঁক}}প্রপঞ্চরূপ—(1) show of opposition; show of inversion; বৈপরীত্যরূপ ''i.e.'' show of what does not usually happen. (2) Detailed manifestation বিস্তারিত রূপ। {{hi|নির্বীরিবে—বীরশূন্য করিবে, will inake destitute of heroes.{{ফাঁক}}দেব-অস্ত্র—arms given by gods.}} {{hi|স্কন্দ—Karttikeya. তারাময়—starry; studded with stars.{{ফাঁক}}সারসন—a belt for the waist.}} {{hi|ঝলিল—shone.{{ফাঁক}}ভাস্বর—bright.}} {{hi|পরিধি সম—like the circle.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৬২—১৬৪</noinclude>{{hi|ফলক—a shield.{{ফাঁক}}তুরঙ্গম—horse.}} {{hi|শৃঙ্গকুলনাদে—with the sounds of horns.}} {{hi|বিভীষণ রণ—fearful battle.}} {{hi|মৃত্যুঞ্জয়-প্রিয়া—the dear wife of Siva.}} {{hi|অভাজন—unfortunate man.}} {{hi|দিবিন্দ্র—King of Heaven দিবে—In the Heaven.}} {{hi|আশুতরে—more speedily.}} {{hi|আঁধার-হৃদয়ে—in the heart clouded with sorrow.{{ফাঁক}} দুঃখতমো-বিনাশিনী—dissipator of the darkness of sorrows.}}<noinclude></noinclude> 4d0o08p02sbdi9zme309qeqz92d85qk পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৫ 104 843225 1991826 1821730 2026-07-31T04:06:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991826 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—ষষ্ঠ সর্গ|৩৫৩}}</noinclude>{{hi|শততারা-তেজে— with the brilliance of a hunidred stars.}} {{hi|ফুটিল কুন্তলে ফুল, নব তারাবলী—the new stars appeared as the flowers on the lock of hair of Dawn.{{ফাঁক}}হিমানী—Winter.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৬৫—১৬৮</noinclude>{{hi|সম্বর—withdraw.}} {{ফাঁক}}নীলাম্বু-সুতা—the daughter of the Ocean. Lakshmi is so called, as she came out of the Ocean when it was churned. {{hi|তার বরদানে, ধর্ম্মপথগামী রামে—save the virtuous Rama by the gift of boons.}} {{hi|বিশ্বধোয়া—worshipped throughout the universe.}} {{hi|সুরমা-very beautiful.{{ফাঁক}}দোঁহে—Lakshimi and maya.{{ফাঁক}} ত্বিষাম্পতি—The Sun.}} {{hi|বিভাবসু—The sun or the Fire. Here the Fire is meant.{{ফাঁক}} গুল্ম-আবরণে—under cover of bushes.}} {{hi|সুযোগ-প্রয়াসী—looking for an {{SIC|apportunity|opportunity}}.}} {{hi|অবগাহক—bather. যমচক্ররূপী—looking like the discus of Yama. নক্র—crocodile, alligator.}} {{hi|শুক্তি—a pearl-oyster.}} {{hi|কাদম্বিনী—a long line of clouds.}} {{hi|নয়নাম্বু তব—''i.e.'' rain water.}} {{hi|অমূল্য মুকুতাফল ফলে যার গুণে—by virtue of which precious pearls are produced.}}<noinclude></noinclude> oow5zcdqw3hg0bsnf1j7ay5qq4kf6z7 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৬ 104 843226 1991827 1821731 2026-07-31T04:06:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991827 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৫৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|ভাতে—glows; shines. স্বাতী-সতী—স্বাতী is the name of a star—the star Arctarus.}} {{ফাঁক}}শুষে শুক্তি যথা... .........গগনমগুলে—here is an allusion to the saying that the rain which falls under this star produces pearls. This rain is called in Bengali স্বাতী নক্ষত্রের জল। {{hi|চতুরঙ্গবল—an army consisting of four limbs, ''i.e.'' of four kinds of soldiers.}} {{hi|মুর-অরি—''i.e.'' Krishna. Mura is the name of a demon slain by Krishna.}} {{hi|দৈত্যকুল-মাৎসর্য্য—an object of the envy of the Daityas.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৬৯—১৭৪</noinclude>{{hi|কাঞ্চনহীরকস্তম্ভ—pillars of gold and diamond.}} {{hi|মহিমার অর্ণব—the ocean of glory.}} {{hi|যশঃসুধা—the nectar of fame.}} {{hi|মৃগাক্ষিগঞ্জিনী—putting the eyes of the dear to shame.{{ফাঁক}}বাজীপাল—the keepers of horses.}} {{hi|সাপটে—(verb) catches hold of.}} {{hi|প্রমদ—great excitement. মুদ্গর—a kind of club.}} {{hi|পট্ট-আবরণ—a covering of cloth.}} {{hi|ঝালর—a fringe.{{ফাঁক}}মুকুতাপাঁতি—a row of pearls.}} {{hi|প্রগল্ভ—pride, boast.}} {{hi|গোষ্ঠ-গৃহ—an enclosure for the cattle.}} {{hi|বাজী—an arrow. বাজী তুণীর—arrows and quiver.}} {{hi|ফলকে—in contact with the shield.}}<noinclude></noinclude> qjjmnedr5pih6s00q1kb6km2av1efyy পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৭ 104 843227 1991828 1821736 2026-07-31T04:06:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991828 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—ষষ্ঠ সর্গ|৩৫৫}}</noinclude>{{hi|রৌদ্র—fierce. ঊর্দ্ধফণা—with the hood expanded and raised.{{ফাঁক}}পিশু—a mass of iron.}} {{hi|মিহির—the sun.{{ফাঁক}}নিদাঘ—the heat of summer.}} {{hi|যক্ষপতিত্রাস বলে—in strength, an object of dread to the lord of the Jakshas}} {{hi|চক্রাবলীরূপে—in circles.}} {{hi|মানবকুলসম্ভব—born in the family of mankind.}} {{hi|দেবকুলোদ্ভব—born in the family of gods.}} {{hi|প্রপঞ্চে—by means of deception.}} {{hi|সর্ব্বভুক—the fire. শৃঙ্গ-শৃঙ্গনাদি গ্রাম—numbers of horns and players on horns.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৭৫—১৭৮</noinclude>{{hi|বিধি—rule.{{ফাঁক}}জলদপ্রতিম স্বনে—with a sound like the roar of a cloud.{{ফাঁক}}আনায়—net, snare.}} {{hi|তপ্ত-লৌহাকৃতি—resembling heated iron in appearance.{{ফাঁক}}কাকোদর—snake; serpent.}} {{hi|শৃঙ্গধরশৃঙ্গে—the peak of a mountain.}} {{hi|শূলী-শম্ভুনিভ—like Siva armed with his trident.}} {{hi|আহবে—in the battle.}} {{hi|বিধুরে—বিধুকে, the moon.{{ফাঁক}}স্থাণু—Siva.}} {{ফাঁক}}স্বচ্ছ-সরোবরে ... ধাম?—the gueese play amidst lotuses in a clear pond. Do they ever go to dirty water, the abode of the masses of moss? {{hi|সম্বোধে—challenges.{{ফাঁক}}কুমতি—mean-minded.}}<noinclude></noinclude> cqjxyh8q6jtrasi8k6y3bq4f30v6xuj পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৮ 104 843238 1991829 1821759 2026-07-31T04:06:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991829 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৫৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৭৯—১৮২</noinclude>{{hi|প্রফুল্ল কমলে কীটবাস—the residence of worms in blooming lotuses.}} {{hi|মহামন্ত্রবলে—with the influence of powerful mantras.{{ফাঁক}} নম্রশিরঃ ফণী—a snake with its hood lowered down.}} {{hi|বাসবত্রাস—Indrajit, the object of the dread of Indra.{{ফাঁক}}মন্দ্রে—(verb) roars.}} {{hi|জীমূতেন্দ্র—a great cloud. কোপি—being angry.}} {{ফাঁক}}গুণবান্ যদি...পর সদা—though the enemy is meritorious and the friend is devoid of any merit, the friend is desirable rather than the enemy who is always an enemy. {{hi|ভূধর শরীরে—down the body of a mountain.}} {{ফাঁক}}জননী যেমতি etc.—as the mother drives away mosquitoes with the motion of her lotus-like hand, from her sleeping son. {{hi|প্রহারক—one who strikes.}} {{hi|চতুর্ভুজে—in the four hands.}} {{hi|চতুর্ভুজ—''i.e.'' Vishnu.{{ফাঁক}}সুদিবা—Heavenly.}} {{hi|নিষ্ফল—(1) (In the case of Meghanada) Devoid of any glow. (2) (In the case of the Moon) Devoid of her কলা or digits.}} {{hi|কলাধর—The Moon.}} {{hi|মরামর জীব—creatures mortal and immortal.}} {{hi|বামেতর নয়ন—the eye different from the left eye, ''i.e.'' the right eye.}}<noinclude></noinclude> 53kq01mdu8icid5d7zfhp70itzpb14w পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৬৯ 104 843239 1991830 1821761 2026-07-31T04:06:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991830 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—ষষ্ঠ সর্গ|৩৫৭}}</noinclude>{{hi|আত্মনবিস্মৃতিতে—unconsciously; forgetting her self.{{ফাঁক}}পরুষ-বচন—harsh word.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৮৩—১৮৪</noinclude>{{hi|রাড়বাগ্নিরাশি সম—like masses of submarine fire.}} {{hi|দাবাগ্নিসদৃশ—like the forest fire.}} {{hi|লোহ—blood.{{ফাঁক}} নির্ব্বাণ—extinguished.}} {{hi|শান্তরশ্মি—having its hot rays cooled down.}} {{ফাঁক}}সুপট্ট শয়নশায়ী—accustomed to lie down upon a bed made of good cloths. {{hi|বিরাগ—indifference.}} {{ফাঁক}}সুরবালা-গ্লানি—the cause of the heart-burning of the daughters of gods. {{hi|রূপে—in appearance or beauty.}} {{hi|দিতিসুতা—the daughter of Diti.}} {{hi|কিঙ্করী—maid servant.}} {{hi|রক্ষঃ-অনীকিনী—Rakshasa army.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৮৫—১৮৭</noinclude>{{hi|চিন্তামণি—''i.e.'' Rama. ত্রিদিব বাদিত্র—Heavenly music. শার্দ্দূলী―tigress.}} {{hi|মনোরথগতি—with the speed of the mind.}} {{hi|হরষে তরাসে ব্যগ্র—eager for joy and fear.}} {{hi|অবতংস—ornament.}} {{hi|শুভঙ্করী—the producer of good.}} {{hi|কুসুমাসার—a shower of flowers.{{ফাঁক}}কটক—army.}} {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> ivy19gcfsatyb6ff4bx3gyc0av5pg6d পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭০ 104 843341 1991831 1821913 2026-07-31T04:06:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991831 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৫৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|সপ্তম সর্গ।}}}} {{hi|পদ্মপর্ণ—a leaf of lotus; a petal of lotus.}} {{hi|পদ্মযোনি—Brahma.{{ফাঁক}} নয়ন-পদ্ম—lotus like eyes.}} {{ফাঁক}}সমপ্রেমাকাঙ্ক্ষী—seeking for the same love. Both the lotus and the Suryamukhi bloom at sunrise. They are therefore poetically said to be the wives of the sun. {{hi|হেমসূর্য্যমুখী—Suryamukhi with a golden hue.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৮৮—১৯২</noinclude>{{hi|পীনপয়োধরা—having plump and prominent breasts.{{ফাঁক}} বিনাইলা—dressed.}} {{hi|চিকণ-কেশ—smooth and bright hair.}} {{hi|বেদনিল—pained.{{ফাঁক}}জীবেশ—''i.e.'' husband.}} {{hi|অনুরোধে—requests.{{ফাঁক}}বীণাবাণী—a person having a voice as sweet as the music of the harp, ''i.e.'' Pramila is meant.}} {{hi|সর্ব্বহরকাল—Time, the Destroyer of everything.}} {{hi|রাজীব—lotus.}} {{hi|ভর—fill up.{{ফাঁক}} ব্যোমচর—the wanderer of the sky.{{ফাঁক}} নিরংশু—devoid of light.}} {{hi|ভৈরব-দূত—the messenger of Siva.}} {{hi|কিংশুক—a kind of beautiful red flower}} {{hi|অমর-হিয়া—the heart of an immortal.}} {{hi|মর-দুঃখ—the grief of a mortal.}} {{hi|ভস্মরাশি-মাঝে—in the mass of ashes.}} {{hi|গুপ্ত বিভাবসুসম—like fire concealed.}}<noinclude></noinclude> e3huzspgkkgu9fh5s87ieoix43cdaax পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭১ 104 843342 1991832 1821914 2026-07-31T04:06:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991832 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—সপ্তম সর্গ|৩৫৯}}</noinclude>{{hi|করপুটে—with both the hands folded together.}} {{hi|সন্দেশবহ—the carrier of a message; a messenger.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৯৩—১৯৬</noinclude>{{hi|নশ্বরশরে—with a fatal arrow.}} {{hi|বিউনিল fanned. {{ফাঁক}}আদ্রিবে—will wet.}} {{hi|পুত্রহানী—the killer of the son.}} {{hi|শৈব—a worshipper of Siva.}} {{hi|চতুরঙ্গে—in four divisions. শৃঙ্গবর—a great horn}} {{hi|অগ্নিবর্ণ-রথগ্রাম—numbers of fiery chariots.}} {{hi|ধূমবর্ণ-বারণ—elephants with a dusky colour.}} {{hi|চামর—the name of a Rakshasa.}} {{hi|উদগ্র—another Rakshasa.}} {{hi|জীমূতবাহন—Indra who is said to be carried on the clouds.}} {{hi|বজ্রী—Indra who is armed with the thunder.}} {{hi|অসিলোমা—is another Rakshasa.}} {{hi|অট্টহাসি—অট্ট অট্ট হাসিয়া, with roars of laughter.}} {{ফাঁক}}লঙ্কাধামে সাজিলা ভৈরবী ইত্যাদি—the Rakshasa army is compared to the dreadful goddess Chandi. The strength of the elephants in the army is the strength in the fearful arms of Chandi. The speed of the horses in the army is the speed of her fearful march. The golden chariots represent the crown on her head. The flags represent the skirts of her<noinclude></noinclude> c9jbun1bok5mpuy6lu17ebfmdi7b0px পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭২ 104 843343 1991833 1821915 2026-07-31T04:06:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991833 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৬০|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>cloth. The sounds of the various musical instruments represent her war-cry. The various weapons of the Rakshasas represent her teeth. The splendour of the armours of the Rakshasas represents the fire in her eyes. {{hi|ভূধরব্রজ—groups of mountains.}} {{hi|রবিকুল-রবি—the seion of the solar family, ''i.e.'' Ramchandra.{{ফাঁক}}ঘন-ঘনরূপে—like thick clouds.{{ফাঁক}}লয়িতে—to destroy.}} {{hi|প্রলয়ে—during destruction.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—১৯৭—২০০</noinclude>{{hi|রক্ষোবর—''i.e.'' Bibhisana.}} {{hi|স্নেহপণ—the price of affection,}} {{hi|দাক্ষিণাত্য—people of the Deccan.}} {{hi|দাক্ষিণ্য—mercy; kindness.}} {{hi|আরাব—noise; sound.}} {{hi|জীবকুল-কুলক্ষণ—an evil omen to the animate creatures.{{ফাঁক}} প্রতিবিধানিতে পুত্রবধ—to avenge the murder of his son.}} {{ফাঁক}}উপকারী জনে, মহৎ......বিপদে—the person who saves his benefactor from danger is great. <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২০১—২০৪</noinclude>{{hi|সমরিব—shall fight.}} {{hi|রাবণি-বিহনে—in the absence of Indrajit.}} {{ফাঁক}}জ্বলিছে অক্ষর যথা বন দাবানলে ইত্যাদি—the sky shone with the splendour of the army of gods<noinclude></noinclude> 649mh1fgkwk0zcpnlswxfuhoyud0tut পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭৩ 104 843344 1991834 1821916 2026-07-31T04:06:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991834 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—সপ্তম সর্গ|৩৬১}}</noinclude>as the forest fire shines in the forest. The elephants in the army represent the masses of smoke issing out of the forest fire. The weapons of the gods represent the flames of the forest fire. {{ফাঁক}}চপলা যেন অচলা, শোভিছে পতাকা—the banners looked like restless flashes of lightning. {{hi|ঘনবাহনে—being carried on the clouds.}} {{hi|প্রতিবিধিৎসিতে মৃত্যু তার—to avenge his death.}} {{ফাঁক}}গগনরতন-শশী চিররাহুগ্রাসে—The Moon, the gem of heaven is once for all in the jaws of Rahu; ''i.e.'' Meghanada is now in the jaws of Death. {{hi|দয়িতা—wife. {{ফাঁক}}বামতম—most unfavourable.}} {{hi|আলবাল—basin of water dug or built round the root of a tree.}} {{hi|অকাল-নিদাঘ—untimely heat of summer.}} {{hi|দ্রবে—melts.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২০৫—২০৮</noinclude>{{hi|ইরম্মদ—flash of lightning.{{ফাঁক}} প্লাবন—flood.}} {{hi|আয়াসে—pains; troubles; harasses.}} {{hi|মদকল-করীত্রয়—the three elephants intoxicated with their liquor.}} {{hi|প্রতিঘ-অন্ধ~~blind with rage.}} {{hi|প্রতাপ—force; strength; power.}} {{hi|শবদ—''i.e.'' শব্দ, sound; noise.}}<noinclude></noinclude> kswuo58gtcnhguzvnv495ht2dwa0hzp পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭৫ 104 843473 1991836 1822186 2026-07-31T04:06:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991836 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—অষ্টম সর্গ|৩৬৩}}</noinclude><section begin="A" /><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২১৭—২২০</noinclude>{{hi|রাজকেতু—royal banner.}} {{hi|পুত্রহা—the murderer of the son.}} {{hi|অঞ্জনাপুত্র—Hanumana, whose mother was Anjana.}} {{hi|তারাকারা রূপে—like a star in beauty.}} {{hi|অনম্বর—the sky.{{ফাঁক}}কলত্র—wife.{{ফাঁক}} চাপ—bow.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২২১—২২৬</noinclude>{{ফাঁক}}সপন্নগ—with the snakes. Lakshmana is the mountain, and his weapons are the snakes. {{hi|তাণ্ডবি—dancing.{{ফাঁক}} অট্টহাসি—laughing loudly.}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|অষ্টম সর্গ।}}}} {{hi|তমোহা—the destructor or dissipator of dark ness.{{ফাঁক}}মিহির—the sun.}} {{ফাঁক}}গৈরিক—red chalk. The blood of Lakshmana has the colour of the red chalk. {{hi|প্রস্রবণ—trickling water. The tears of Rama are the trickling water on the hill-side.}} {{hi|পৌলস্ত্যেয়—Ravana the son of পুলস্ত।}} {{hi|সরস—সরস করিয়া থাক, make juicy.}} {{hi|এ প্রসূন—''i.e.'' Lakshmana who is like a flower.}} {{hi|উচ্ছ্বাসিলা—sighed.{{ফাঁক}}উৎসঙ্গ—lap.}} <section end="B" /><noinclude></noinclude> 5230h7xae8yolvtqy1qzlrq4swblje0 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭৪ 104 843474 1991835 1822179 2026-07-31T04:06:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991835 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৬২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|পরাগ—dust raised by the army.}} {{hi|যোগীন্দ্র-মানস-হংস—a goose playing in the lake (Manasasarovara) of the best of yogis.}} {{hi|তমোগুণ—the destructive quality.}} {{hi|কাল-সর্প-সাধ—the desire of a deadly snake.}} {{hi|শৌরি—Vishnu; বিষ্ণু।}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২০৯—২১২</noinclude>{{hi|সম্বরি—withdrawing.}} {{hi|গরুত্মান্—one who has great wings.}} {{hi|নিস্তেজ-নিস্তেজ কর; make powerless.}} {{hi|কম্বু—a conch.{{ফাঁক}} কলম্ব—an arrow.}} {{hi|দেখিলা বিস্ময়ে নিজ প্রতিমূর্ত্তিমর্ত্ত্যে—saw to his great astonishment his own likeness on the earth.}} {{hi|বিস্ফুলিঙ্গ—fire-particles.{{ফাঁক}}সূত—charioteer.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২১৩—২১৬</noinclude>{{hi|বনবাসী—''i.e.'' the beasts and birds of the forest.}} {{hi|ভীমাকৃতি-ঘন—a cloud of dreadful appearance.}} {{hi|বজ্র-অগ্নি-পূর্ণ—full of the fire of thunder.}} {{hi|বালিবন্ধ—an embankment of sand}} {{hi|গোষ্ঠবৃতি—the enclosure for the cattle.}} {{hi|তারকারি—Kartikeya, the killer of the Tarakasura.}} {{hi|শক্তিধর—is Kartikeya.{{ফাঁক}} প্রসরণ—বেষ্টন, circle.}} {{hi|কুলিশী—armed with কুলিশ or thunder.}} {{hi|জীব—জীবিত থাক, live.}}<noinclude></noinclude> hoph1wgten29kum37ixdn6gjl9rp44d পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭৬ 104 843475 1991837 1822181 2026-07-31T04:06:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991837 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৬৪|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২২৭—২৩২</noinclude>{{hi|সঘনে—frequently.{{ফাঁক}}রাজদণ্ড—sceptre.}} {{hi|খমুখে—আকাশ মুখে, আকাশে; towards the sky.}} {{hi|সিন্ধুতীর্থজলে—in the holy water of the sea.}} {{hi|পরিখা—ditch.{{ফাঁক}}পাবকরাশি—mass of fire.}} {{hi|বাতগর্ভ—having winds within ''them (clouds)''.}} {{hi|পিনাক—is the bow of Siva. ইষু—arrow.}} {{hi|কামরূপী—one who can assume any form at will.{{ফাঁক}}পুলিন—bank, shore.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৩৩—২৩৬</noinclude>{{hi|প্রবেশি—one who enters.}} {{hi|উদরপরতা—gluttony; greediness.}} {{hi|প্রমত্তত্ব—drunkenness.{{ফাঁক}}শুভ্রজলরয়রূপে—like a current or flow of white water.}} {{hi|তৃষ্ণা—thirst is an attendant of cholera.}} {{hi|অঙ্গগ্রহ—spasms of the limbs are also the companions, as it were, of cholera.}} {{hi|উন্মত্তা—a mad woman.}} {{hi|বিভ্রমবিলাস—coquetry and wantonness,{{ফাঁক}}বিভ্রম and বিলাস mean the same thing.}} {{hi|কামী—one possessed with a carnal desire.}} {{hi|কামাতুরা—one afflicted with carnality.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৩৭—২৪০</noinclude>{{hi|রণে—রণকরে; fights.{{ফাঁক}}সূতবেশে—like a charioteer.}} {{hi|আত্মকুল—the numbers of souls.{{ফাঁক}}জীবে—live}} {{hi|আত্মদেশে—in the land of the souls.}}<noinclude></noinclude> nnd30vrdye5scs5c3ywqolq01m5km81 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭৮ 104 843477 1991838 1822185 2026-07-31T04:06:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991838 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৬৬|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৪১—২৪৩</noinclude>{{hi|কিড়িছে—is tearing away or uprooting.}} {{ফাঁক}}নির্দ্দয় শকুনি মৃতজীব-আঁখি যথা—as the merciless vulture draws out the eyes of the dead.{{ফাঁক}}রক্তাক্ত—blood-stained. {{ফাঁক}}সূক্ষ্ম স্বর্ণসূতার কাঁচলী—a covering for the breast, made of fine gold threads. {{hi|কুচরুচি—the beauty of the female breasts.}} {{hi|গুরু ঊরু—great thighs; plump thighs.}} {{hi|রম্ভা-কান্তি—the beauty of a banana fruit. The beauty of the thighs is often compared to that of a banana fruit.}} {{hi|উলঙ্গ বরাঙ্গ—naked, beautiful limbs.}} {{hi|মানসের জলে—in the water of the Manasa. sarowar.}} {{hi|কিম্বা, রতি! মনমথ-মনোরথ তব—or, O goddess, as beautiful as Manmatha, the object of your desire.}} {{ফাঁক}}তপ্তশ্বাসে উড়ি...... আশু আবরিল—the heated breaths of the women maddened with desire blew away the pollens of the flowers of garlands. These pollens darkened the good sense of the men and women, as dusts darken the sun. These pollens made them mad with carnal desires. {{nop}}<noinclude></noinclude> inipp4cl0jtdwd6nfo39bus6r29ecol পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৭৯ 104 843478 1991839 1822187 2026-07-31T04:06:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991839 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—অষ্টম সর্গ|৩৬৭}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৪৪—২৪৬</noinclude>{{ফাঁক}}কি মানসে ......নয়নে—the eyes of the males told the eyes of the females with what object in view they entered into the woods. {{hi|সঙ্গম—cohabitation.{{ফাঁক}}মনোরথ—object in view.}} {{ফাঁক}}মনোরথ বৃথা দুই দলে—the punishment of these males and females consists in the fact that each of the parties is unable to gratify the carnal desire of the other. Both the parties are beautiful and charming to look at. Their beauty excites their carnality. But, alas, they are impotent to satisfy the desire. {{hi|মরুভূমে—''i.e.'' on the earth.}} {{hi|ভোগে বহু—suffers much.}} {{hi|নরকাগ্রে—before they come to hell.}} {{ফাঁক}}যৌবনে অন্যায়......কাঙ্গালী—the excesses in the youth make a person impotent in an advanced age. {{ফাঁক}}অনির্ব্বেয়—that cannot be extinguished or satisfied.{{ফাঁক}}কামধুক—Heaven, which satisfies all good desires. {{hi|কামলতা—a creeper which gives fruits at any time at pleasure.{{ফাঁক}}বন্ধ্য—barren.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৪৭—২৫০</noinclude>{{hi|তড়াগ—Lake.}} {{hi|মহোরগবৃন্দ—numbers of big snakes.}}<noinclude></noinclude> ggmgeucq6xx5vc4vo7j5kfqqgko6s9q পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৮০ 104 843480 1991840 1822189 2026-07-31T04:06:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991840 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৬৮|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|অশেষ-শরীরী——having a limitless body.}} {{hi|শেষ—Ananta; Basuki.}} {{hi|ভীষণদশন—having fierce teeth.}} {{hi|কে কবে লভয়ে—who ever gains.}} {{hi|কাণ্ডারী—boatman.}} {{hi|দিয়া পাড়ী—crossing.{{ফাঁক}}জলারণো—watery forest; a wilderness of water.}} {{ফাঁক}}কুসুমবনজনিত পরিমলসখা সমীর—the air, companion of fragrance, proceeding from a flower garden. {{hi|নবকুবলয়ধাম—numbers of blue water lilies.}} {{hi|রঙ্গভূমি—an arena; a battle-field.}} {{hi|তুরঙ্গমদমী—controlling a horse.}} {{hi|ত্রিপুরারি-অরি ত্রিপুরে—রুদ্রশত্রু ত্রিপুর দৈত্যকে।}} {{hi|আন্ত্যেষ্টি—funeral ceremony.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৫১—২৫৬</noinclude>{{hi|বয়—current, flow.}} {{hi|পীযূষসলিলা—full of water like Ambrosia.}} {{hi|চন্দ্রাতপ—a canopy.}} {{hi|সৌরকরপুঞ্জ—mass of the rays of the sun.}} {{hi|জটাচূড়—having knotted hair on the head.}} {{hi|কলে—with a murmurring sound.}} {{hi|খচিত—adorned.}} {{hi|মরকতপত্রছত্র—having an umbrella of the emerald leaves (of the tree.)}} {{hi|শত্রুঘ্নরণে—killing the enemy in battle.}}<noinclude></noinclude> nvxuvkuxjw7a7uz9la35acu8xiz258f পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৮১ 104 843481 1991841 1822798 2026-07-31T04:06:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991841 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||শব্দ পরিচয়—নবম সর্গ|৩৬৯}}</noinclude><section begin="A" />{{hi|এ ভূমে—in this land.}} {{hi|মরকত-পাতা—emerald leaves.}} {{hi|মুকতিপ্রদায়ী—giving salvation.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৫৭—২৬৪</noinclude>{{hi|আশুগতি-পুত্ত্র—the son of Pavana.}} {{hi|আশুগতি—one who has a swift course, ''i.e.'' the god, Pavana.}} {{hi|আশুগতি-গতি—having the speed of the wind.}} {{hi|গন্ধরস—myrrh.}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|নবম সর্গ।}}}} {{hi|করপুটি—folding the hands.}} {{hi|হিমান্তে—after winter.}} {{hi|দ্বিগুণতেজঃ—having a doubled spirit.}} {{hi|পরমনোরথ—the desire of the enemy.}} {{hi|হিমানীহিনে—in the absence of winter.}} {{hi|নবরস—full of new vigour.}} {{hi|সুহাস—having a charming smile.}} {{hi|পরমারি—a great foe.}} {{ফাঁক}}যে তরুরাজ জ্বলে...সে কালে—the big tree which burns with his heat in the forest is also pale with sorrow. {{ফাঁক}}অপর পর—friend or foe. {{nop}} <section end="B" /><noinclude></noinclude> tbcubuqu8iv4192sblwtldht27r2cfc পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৮২ 104 843482 1991842 1822192 2026-07-31T04:06:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991842 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৭০|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude><noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৬৫—২৭০</noinclude>{{hi|খগেন্দ্র—Garuda, the king of birds.}} {{hi|নগেন্দ্র—the king of snakes; great snakes.}} {{hi|সুবচনী—is a goddes. Here it means speaking sweet words.}} {{hi|বিকট বিপক্ষ-পক্ষে—dreadful for the enemy.}} {{hi|ভীমভুজবলে—with the fearful strength of the arms of Ravana.}} {{hi|গম্ভীর-আরবে—with deep sounds.}} {{hi|সকরুণ ক্কণে—with mournful sound.}} {{hi|কৃষ্ণ হয়ে—on a black horse.}} {{hi|শশিকলাভাবে—for want of the digit of the moon.{{ফাঁক}}জালাবৃত—Surrounded with a net.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৭১—২৭১</noinclude>{{hi|কামের সমরে—in amorous wars.}} {{hi|সর্ব্বভেদী—all-piercing.}} {{ফাঁক}}বড়বা—is a common name for a horse. It is also the proper name for the horse of Pramila. {{ফাঁক}}শূন্যপৃষ্ঠ—because Pramila did not ride on the back. Only the arms and armours of Pramila were carried by the horse. {{ফাঁক}}মলিন দোঁহে। সারসন স্মরি .........গিরিশৃঙ্গ সমা—both the girdle studded with gems, and the armour made of gold were devoid of lustre. Why? The girdle was pale because it missed<noinclude></noinclude> ns2prx9c3pqov7a9rck31r00i39zck6 পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৮৩ 104 843483 1991843 1822194 2026-07-31T04:06:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991843 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||পরিচয়—নবম সর্গ|৩৭১}}</noinclude>the beautiful fine waist of Pramila which lent it its beauty. And the armour was pale as it missed the two plump and prominent breasts, as prominent as the peak of a motintain. {{hi|পেশল—soft and smooth.{{ফাঁক}}উরস—breast}} {{hi|হানি—striking; beating.}} {{hi|প্রতিমাপঞ্জর—the skeleton of the image of a god or goddess.}} {{hi|মহক্ষেপে—owing to great আক্ষেপ or grief.}} {{hi|গীতী—গায়ক, singer.}} {{hi|জলবহ—water-carrier.{{ফাঁক}}দমি উচ্চগামী রেণু—controlling the particles of dust flying upwards.}} {{hi|বিরত সহিতে পদভর—disinclined to bear the weight of feet.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৭৩—২৭৬</noinclude>{{hi|পঙ্কঞ্জিনি—পদ্মিনী, lotus.}} {{hi|স্বয়ম্বরা বধূ ধনী—the creeper is so called as she is supposed to choose her own husband.}} {{hi|উচ্চে উচ্চারয়ে—loudly utters.}} {{hi|হবির্ব্বহ—one who carries to a god an oblation offered to him. Fire is said to do this. Hence means ‘Fire’.{{ফাঁক}}হবিঃ—means (1) an oblation, or (2) clarified butter; ঘৃত}} {{hi|হোত্রী—হোম কর্ত্তা, the priest who performs the homa.{{ফাঁক}}অম্ভোরাশি— mass of water.}}<noinclude></noinclude> hp0u60g0418q56sh6ehsmsby4923bwb পাতা:সটীক মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯১৯).pdf/৩৮৪ 104 843484 1991844 1822195 2026-07-31T04:06:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991844 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৭২|মেঘনাদবধ কাব্য|}}</noinclude>{{hi|গাঙ্গেয়—of the Ganges বিশদ—white and pure.}} {{hi|অধিকারী—lords; masters. রোষে—is angry.}} {{hi|শিষ্টাচার-one who has good breeding; a polite person.{{ফাঁক}}দিব্য বাদ্য—Heavenly music.}} {{hi|মন্দাকিনী-পূত-জল—the holy water of Mundakini.}} {{hi|সুকৌষিক বস্ত্র—good silken cloth.}} {{hi|জীবলীলাস্থলে—in this world.}} <noinclude>{{ফাঁক}}পৃষ্ঠা—২৭৭—২৮০</noinclude>{{hi|পীঠতলে—under the seat of the goddess.}} {{hi|মহাযাত্রা—starting for the next life.}} {{hi|ভাঁড়াইলা—has deprived.}} {{hi|ভৈরব-কল্লোল—dreadful noise.}} {{hi|ত্রিপথগা—The Ganges is so called as she flows along three courses through the Heaven, Earth and the Infernal Regions.}} {{hi|নগরাজবালে—case of address from the word নগরাজবালা; O daughter of the lord of mountains.}} {{hi|পবিত্রি—making sacred or holy.}} {{hi|সর্ব্বশুচি—fire who makes everything pure.}} {{hi|দুগ্ধধার—jets or flows of milk.}} {{hi|স্বর্ণপাটিকেল—bricks of gold.{{ফাঁক}}মঠ—temple.}} {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> 129vgnsstmp4h3bifyfdy6shpxw6ljk পাতা:আমার দেখা রাশিয়া - সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১৯৫২).pdf/১৪২ 104 843908 1991593 1823060 2026-07-31T03:49:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991593 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{কেন্দ্র|আঠার}}</noinclude>{{ফাঁক}}জুগদিদি। এরা বলে গ্রাম, কিন্তু এসে দেখি সহরেরও বাড়া। সুকুমী থেকে ট্রেনে আড়াই ঘণ্টার রাস্তা। বৃষ্টি মাথায় করে পান্থশালায় এলাম; প্রশস্ত রাস্তা বিদ্যুতালোকে উদ্ভাসিত। সকালে দেখি, সম্মুখে বাগান অন্যপাশে বড় বড় দোকান— দলে দলে কৃষকরমণী এসেছে সওদা করতে এবং বেচবে বলে কেউ কাঁকালে করে এনেছে শুকর—ছানা। দেখে ভ্রম হয়, যেন কলকাতার চৌরঙ্গীপাড়ার সৌখিন দোকানে মেম-সাহেবেরা বাজার করতে বেরিয়েছেন। আমার সঙ্গীরা তখনও ঘুমুচ্ছেন; একাই বেরিয়ে পড়লাম। এখানকার মেয়েরা মস্কৌএর মত নয়, পোষাক ও প্রসাধনে পারিপাট্য আছে, অলঙ্কারও প্রচুর। সম্মুখে ভীড় দেখে এগিয়ে গেলাম। ঘড়ীর দোকান, ঘড়ী মেরামতের খদ্দেরদের ভীড়। হাত ঘড়ীর চল এখন বিশ্বব্যাপী। এখানেও তরুণ তরুণীদের হাতে সোনার বক্‌লস দেয়া হাতঘড়ীর ছড়াছড়ি। পথে অনেকে হেসে অভিবাদন করে, আমিও হেসে নমস্কার করি, কথা বলবার উপায় নেই। বাগানের বেঞ্চে এসে বসেছি, পাশে একজন আরাম করে পাইপ টানছেন। ঘনিষ্ঠ হয়ে আলাপ সুরু করলেন। আমি যত বলি, ইণ্ডিস্কী, হিন্দী, তিনি তা কানেই তোলেন না। নিজের বক্তব্য অনর্গল বলে যাচ্ছেন। এমন সময় আমাদের সঙ্গী<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩০}}</noinclude> 0acpq85z30uu65ge6vf70uc8coj85of 1991609 1991593 2026-07-31T03:50:55Z Bodhisattwa 2549 1991609 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" /></noinclude>{{কেন্দ্র|আঠার}} {{ফাঁক}}জুগদিদি। এরা বলে গ্রাম, কিন্তু এসে দেখি সহরেরও বাড়া। সুকুমী থেকে ট্রেনে আড়াই ঘণ্টার রাস্তা। বৃষ্টি মাথায় করে পান্থশালায় এলাম; প্রশস্ত রাস্তা বিদ্যুতালোকে উদ্ভাসিত। সকালে দেখি, সম্মুখে বাগান অন্যপাশে বড় বড় দোকান— দলে দলে কৃষকরমণী এসেছে সওদা করতে এবং বেচবে বলে কেউ কাঁকালে করে এনেছে শুকর—ছানা। দেখে ভ্রম হয়, যেন কলকাতার চৌরঙ্গীপাড়ার সৌখিন দোকানে মেম-সাহেবেরা বাজার করতে বেরিয়েছেন। আমার সঙ্গীরা তখনও ঘুমুচ্ছেন; একাই বেরিয়ে পড়লাম। এখানকার মেয়েরা মস্কৌএর মত নয়, পোষাক ও প্রসাধনে পারিপাট্য আছে, অলঙ্কারও প্রচুর। সম্মুখে ভীড় দেখে এগিয়ে গেলাম। ঘড়ীর দোকান, ঘড়ী মেরামতের খদ্দেরদের ভীড়। হাত ঘড়ীর চল এখন বিশ্বব্যাপী। এখানেও তরুণ তরুণীদের হাতে সোনার বক্‌লস দেয়া হাতঘড়ীর ছড়াছড়ি। পথে অনেকে হেসে অভিবাদন করে, আমিও হেসে নমস্কার করি, কথা বলবার উপায় নেই। বাগানের বেঞ্চে এসে বসেছি, পাশে একজন আরাম করে পাইপ টানছেন। ঘনিষ্ঠ হয়ে আলাপ সুরু করলেন। আমি যত বলি, ইণ্ডিস্কী, হিন্দী, তিনি তা কানেই তোলেন না। নিজের বক্তব্য অনর্গল বলে যাচ্ছেন। এমন সময় আমাদের সঙ্গী<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩০}}</noinclude> s0k5lverc3a1638oobev35gb0wuxfbh পাতা:স্বামিজীর সহিত হিমালয়ে - ভগিনী নিবেদিতা (১৯৫১).pdf/১১০ 104 844909 1992205 1829760 2026-07-31T04:29:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992205 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{বাম|{{larger|স্বামিজীর সহিত হিমালয়ে}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}“পুনরুত্থান (Resurrection) জিনিসটা ত বসন্ত-দাহ (Spring Cremation) প্রথারই রূপান্তরমাত্র। যাহাই হউক না কেন, দাহপ্রথা শুধু ধনী যবন (গ্রীক) ও রোমকগণের মধ্যেই প্রচলিত ছিল, আর সূর্য্যঘটিত নব উপাখানটী সেই অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যেই উহাকে রহিত করিয়া থাকিবে। {{ফাঁক}}“কিন্তু বুদ্ধ! পৃথিবীতে যত লোক জন্ম গ্রহণ করিয়াছেন তন্মধ্যে তিনিই যে সর্ব্বশ্রেষ্ঠ, এ বিষয়ে অনুমাত্র সন্দেহ নাই। তিনি নিজের জন্য একটীবারও নিঃশ্বাস লয়েন নাই! সর্ব্বোপরি তিনি কখনও পূজা আকাঙ্ক্ষা করেন নাই। তিনি বলিয়াছিলেন, ‘বুদ্ধ কোন ব্যক্তি নহেন, উহা একটী অবস্থাবিশেষ। আমি দ্বার খুঁজিয়া পাইয়াছি। আইস, তোমরা সকলেই প্রবেশ কর।’ {{ফাঁক}}“তিনি পাপিনী অন্ত্রপালীর নিমন্ত্রণে গিয়াছিলেন। তিনি অন্ত্যজের গৃহে, উহাতে তাঁহার প্রাণনাশ হইবে জানিয়াও, ভোজন করিয়াছিলেন এবং মৃত্যুকালে তাঁহার অতিথিসৎকারককে এই মহামুক্তি-দানের জন্য ধন্যবাদ দিয়া তাঁহার নিকট লোক পাঠান। সত্যলাভের পূর্ব্বেও একটি ক্ষুদ্র ছাগশিশুর জন্য ভালবাসা ও দয়ায় কাতর! তোমাদের স্মরণ আছে, কিরূপে রাজপুত্র এবং সন্ন্যাসী হইয়াও তিনি নিজ মস্তক পর্য্যন্ত দিতে চাহিয়াছিলেন, যদি রাজা শুধু যে ছাগশিশুটিকে বলি দিতে উদ্যত হইয়াছিলেন সেটিকে মুক্তি দেন, এবং কিরূপে সেই রাজা তাঁহার অনুকম্পার নিদর্শনে মুগ্ধ হইয়া উক্ত ছাগশিশুকে প্রাণদান করেন। জ্ঞানবিচার এবং সহৃদয়তার এরূপ অপূর্ব্ব সংমিশ্রণ আর কোথাও দেখা যায় নাই! নিশ্চয়ই তাঁহার মত আর কেহ যে জন্মেন নাই, এ বিষয়ে দ্বিরুক্তি নাই!”{{nop}}<noinclude>{{c|১০০}}</noinclude> axojpym6e8i3dm77hgwid4fft0kvvaf পাতা:সেই সব শহীদেরা - পিনাকী বিশ্বাস (২০২২).pdf/৫৫ 104 845254 1992203 1986903 2026-07-31T04:29:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992203 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" /></noinclude>মার্চ,’০৫ ৫। সারা ভারতের মধ্যে বাংলাতেই এই পার্টি প্রথম গঠিত হয়। নাম ছিল Workers and Peasant Party of Bengal। প্রতিষ্ঠাদের মধ্যে কুতুবদ্দিন আহমেদ, কাজী নজরুল ইসলাম, হেমন্তকুমার সরকার অগ্রগণ্য। ২১-২৪ ডিসেম্বর পরিবর্তিত ও সর্বভারতীয় নামে সম্মেলন হয় কলকাতার অ্যালবার্ট হলে। অমিতাভ চন্দ্র, অবিভক্ত বাংলায় কমিউনিস্ট আন্দোলন (সূচনা পর্ব), পৃষ্ঠা ৪, ৫ ৬। গৌতম চট্টোপাধ্যায়, সমাজতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষা ও ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলন, পৃষ্ঠা ২৩ ৭। সুচরিতা সেন, নৈরাজ্যবাদ ও মার্কসবাদ, অনীক, কার্ল মার্কস বিশেষ সংখ্যা, মার্চ-এপ্রিল, ১৯৮৪ ৮। জেল জীবনে ভগৎ সিং আরো চারটি বই লেখেন। সমাজতন্ত্রের আদর্শ, আত্মজীবন, মৃত্যু ফটকের সামনে এবং ভারতের বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাস। এই বইগুলির পাণ্ডুলিপি বইয়ের পাচার করার ব্যবস্থা হয়। কিন্তু যেসব সাথী ও সমর্থকদের হাতে তা সুরক্ষিত থাকার ব্যবস্থা ছিল সেই ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়। ভগৎ সিং জেল ডায়েরী, অনুঃ তপনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, পৃষ্ঠা ১৭ ৯। বিজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, ঐ, পৃষ্ঠা ১১১ ১০। অমেলেন্দু ভট্টাচার্য (সম্পা), প্রসঙ্গ ভগৎ সিং, পৃষ্ঠা ২৩ ১১। বিপ্লবী যোগেশ্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দেউলি বন্দীনিবাসে থাকাকালীন এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। যা তিনি In search of freedom গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন। অথচ আজাদ হিন্দ ফৌজে নির্দিষ্ট দিনে শহীদ ভগৎ সিং দিবস পালিত হতো! ওরা আকাশে জাগাতো ঝড়, পৃষ্ঠা ১৬৭ ১২। বিজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, ঐ, পৃষ্ঠা ১৮৫ ১৩। বক্তব্যের এই অংশটি ১৩৩৮ (১৯৩১) সালের ভাদ্র মাসে প্রবাসী পত্রিকায় হুবহু ছেপে দেওয়া হয়েছিল। রঞ্জিত সেন, একটি অপরাভূত বিপ্লবের প্রতি শতবার্ষিকী শ্রধাঞ্জলী, ‘পশ্চিমবঙ্গ’ ভগৎ সিং স্মরণ সংখ্যা, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৫৯ ১৪। মানিক মুখোপাধ্যায় (সম্পা), ভগৎ সিং রচনাসংগ্রহ, পৃষ্ঠা ২৯ ১৫। ‘কমিউনিস্ট পার্টিই সংগ্রামের পথ দেখাবে’, গণশক্তি, মুজফফর আহমেদ, জন্মশতবর্ষ সংখ্যা, পৃষ্ঠা ১৯৬ ১৬। মানিক মুখোপাধ্যায় (সম্পা), ঐ, পৃষ্ঠা ৫১ ১৭। K.N. Panikkar, Celebrating Bhagat Singh, Frontline, 2nd November, 2007, P. 6, 8. ১৮। কমিউনিস্ট পার্টিই সংগ্রামের পথ দেখাবে, ঐ, পৃষ্ঠা ১৯৭ {{nop}}<noinclude>{{c|৫৬}}</noinclude> lx9wolgvhx7tj9d7mke5p58n3gv5py2 পাতা:এখানে দিনের রং বদলায় - আশিসরঞ্জন নাথ (২০২৪).pdf/৮ 104 846081 1991602 1834159 2026-07-31T03:50:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991602 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|সূচিপত্র}}{{TOC begin}} {{c|<poem> [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ১|মেরুদণ্ড ১]] {{pli|9|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ২|মেরুদণ্ড ২]] {{pli|10|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ৩|মেরুদণ্ড ৩]] {{pli|11|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ৪|মেরুদণ্ড ৪]] {{pli|12|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ৫|মেরুদণ্ড ৫]] {{pli|13|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ৬|মেরুদণ্ড ৬]] {{pli|14|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ৭|মেরুদণ্ড ৭]] {{pli|15|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মেরুদণ্ড ৮|মেরুদণ্ড ৮]] {{pli|16|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/উন্নত শিরদাঁড়া|উন্নত শিরদাঁড়া]] {{pli|17|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বেড়াল|বেড়াল]] {{pli|18|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/দুই কুঁজো বন্ধুর কথোপকথন|দুই কুঁজো বন্ধুর কথোপকথন]] {{pli|19|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বেঁচে আছি|বেঁচে আছি]] {{pli|20|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/চোর বেড়াল|চোর বেড়াল]] {{pli|21|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/আশা|আশা]] {{pli|22|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মা|মা]] {{pli|23|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/এক নারী আমার মা|এক নারী আমার মা]] {{pli|24|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/যাই বলতে নেই|যাই বলতে নেই]] {{pli|25|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মা ২|মা]] {{pli|26|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মায়ের প্রয়াণ দিনের স্মৃতি|মায়ের প্রয়াণ দিনের স্মৃতি]] {{pli|27|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/আমার মহিরুহ পতনের দিন|আমার মহিরুহ পতনের দিন]] {{pli|28|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বাবা ১|বাবা ১]] {{pli|29|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বাবা ২|বাবা ২]] {{pli|30|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বাবা ৩|বাবা ৩]] {{pli|31|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/আমার বাবা ও শালিক পাখি|আমার বাবা ও শালিক পাখি]] {{pli|32|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মাতৃভাষা ১|মাতৃভাষা ১]] {{pli|33|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মাতৃভাষা ২|মাতৃভাষা ২]] {{pli|34|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মাতৃভাষা ৩|মাতৃভাষা ৩]] {{pli|35|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/মাতৃভাষা ৪|মাতৃভাষা ৪]] {{pli|36|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/কার লাশ যায়!|কার লাশ যায়!]] {{pli|37|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/ভাষা দ্বন্দ্ব|ভাষা দ্বন্দ্ব]] {{pli|38|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/পরিচিত ঠিকানা|পরিচিত ঠিকানা]] {{pli|39|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/কথা শেষ হয়নি|কথা শেষ হয়নি]] {{pli|40|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/সদরে কড়া নাড়ার শব্দ|সদরে কড়া নাড়ার শব্দ]] {{pli|41|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/সম্পর্ক|সম্পর্ক]] {{pli|42|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/এ শোক কোথায় রাখি|এ শোক কোথায় রাখি]] {{pli|43|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বানে ভাসে বেহুলা-লখিন্দর|বানে ভাসে বেহুলা-লখিন্দর]] {{pli|44|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/আমার ম্যাজিক স্লেট|আমার ম্যাজিক স্লেট]] {{pli|45|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/নিখোঁজ সংবাদ|নিখোঁজ সংবাদ]] {{pli|46|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/কবির জন্মদিনে|কবির জন্মদিনে]] {{pli|47|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/বেহেড মাতাল, খালি বোতল|বেহেড মাতাল, খালি বোতল]] {{pli|48|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/অনেক অনেক ছায়া মাড়িয়ে|অনেক অনেক ছায়া মাড়িয়ে]] {{pli|49|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/পুতুলনাচ|পুতুলনাচ]] {{pli|50|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/এখানে দিনের রং বদলায়|এখানে দিনের রং বদলায়]] {{pli|51|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/দু’টি শালিক ও আমার দিন যাপন|দু’টি শালিক ও আমার দিন যাপন]] {{pli|52|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/হিসেব|হিসেব]] {{pli|53|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/কাকতাড়ুয়া|কাকতাড়ুয়া]] {{pli|54|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/আমার ভেলেণ্টাইন ডে|আমার ভেলেণ্টাইন ডে]] {{pli|55|0}} [[এখানে দিনের রং বদলায়/তোমার কবিতার সরব পঙক্তিমালা|তোমার কবিতার সরব পঙক্তিমালা]] {{pli|56|0}} </poem>}} {{TOC end}}<noinclude></noinclude> bvgki7op7iru1tl4rhg1c3hc4122zyl পাতা:উনিশে মে- ভাষার সংকট - রণবীর পুরকায়স্থ (২০২১).pdf/৯২ 104 846373 1991963 1985252 2026-07-31T04:11:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991963 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Dolon Prova" />{{বাম|উনিশে মে : ভাষার সংকট □ ৯০}}</noinclude>গঞ্জে মহকুমা শহরে শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে বাঙালিদের কীভাবে ধনেপ্রাণে সর্বস্বান্ত হতে হচ্ছে, সেই তথ্যও আমাদের জানা নেই। আসামের সরকারি চাকরির নিয়োগে কী ঘটছে, বহুদশকের বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিতে কীভাবে অসমিয়াকরণ ঘটানো হচ্ছে এসব কেউ জানি না।’ {{ফাঁক}}তাই, লেখাই আমাদের যুদ্ধ। আমাদের গল্প আমাদের অনুভূতির ভাষান্তর। আমাদের দিব্যাস্ত্র। ‘মানুষের ভাষা তবু অনুভূতিদেশ থেকে আলো না পেলে নিছক ক্রিয়া বিশেষণ এলোমেলো নিরাশ্রয় শব্দের কঙ্কাল’, জীবনানন্দের নির্দেশ আমরা মেলে চলি। মানি বলেই নেতি কথাকে আমরা বর্জন করি সগর্বে, ইতির দলের সেনানী আমরা। ইতি কথায় শিকড় আছে, সার সত্য আছে। ইতিতে শেষও আছে জানি, আমরা অশেষ শেষ দেখতে চাই শেষ হতে চাই না। রাজনৈতিক ভূগোলের তেমনই ইচ্ছে ছিল। বদ্ধভূমিকে বধ্যভূমি করার চক্রান্তে আমাদের মুখের ভাষা আমাদের দুখিনি বর্ণমালাই জবাব দিয়েছে বারবার। অন্যভুবনের তাচ্ছিল্য থাকলেও আমরা শহিদের রক্ত ভুলিনি। {{ফাঁক}}দুই {{ফাঁক}}রেখো মা দাসেরে মনে। {{ফাঁক}}মনের কথা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বলার কথাও অনেক, সময় অনেক নয় জানি, পরিসরও নয়। থামার কথা ভাবতে হয়। কিন্তু সলতে পাকানোর কথা জানলে সন্ধ্যাদীপের শিখাটিও যে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হবে। এবার তবে তাদের কথাই হোক, হোক উজ্জ্বল উদ্ধার, প্রিয় গল্পকারদের সঙ্গেই পরিচয় হোক। তালিকায় কম করে শ-দুয়েক গল্পকারের নাম দেখা যাচ্ছে, তৃতীয় ভুবনের বিস্তীর্ণ প্রান্তরে। বরাক ত্রিপুরা আসাম নাগাদেশ মণিপুর নিয়ে এই বিশাল বাংলায় কথা বলা অঞ্চলে। এদের মধ্যে জনাপঞ্চাশেক অমিতাভ বচ্চন থাকতে পারেন। রাজনীতিতে বেড়াতে আসার মতো দু-চারটে গল্প লিখেই চলে গেলেন। রাজনীতি আর গল্পলেখা একইরকম ভাবেন অনেকে। খুব সহজ, বখে গেলেই চাবুক, কলম নিলেই হিরো। অনেকের দল বুঝতেই চান না গল্প লেখা কোনও স্বপ্নাদ্য বটিকা নয়। গল্প লিখতে দুঃসাধ্য শ্রম দিতে হয়, গল্প লিখতে মুনিষ খাটতে হয়, হয় বলেই গদ্যশ্রমিক। কড়ি বরগা চুনসুরকি সঠিক মাপে দিতে হয়, এলিভেশনটা আকর্ষণীয় না হলে কী করে বুঝবেন ফারাক। ঝাড়াই বাছাই না করলে কী করে বুঝবেন যারা থাকল তারাই সব সময়ের। নাওয়া খাওয়া বিশ্রাম এমনকি ঘুমের মধ্যেও সদাসৃষ্টিশীল থাকতে হয়। যারা থাকলেন তারাই আলেকজাণ্ডার। আমাদের সহযোদ্ধা। {{ফাঁক}}অধুনা গুয়াহাটি-কলকাতা নিবাসী দেবীপ্রসাদ সিংহ এক অসাধারণ কথাযোদ্ধা ‘রূপকথার প্রত্যাবর্তন’ তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ। গল্পবিদ্যার এক অতি প্রয়োজনীয় সংহিতা। তাঁর কথায়, ‘গল্প বলবে অরৈখিক শৈলী, উন্মুক্ত অস্ত, অ্যামবিগুইটি।’ {{ফাঁক}}শেখর দাশ ‘কলজে’ ফাটাতে জানেন। চুয়াত্তরে শুরু করে, শতক্রতুর দ্বিতীয় ইনিংস এই একুশ শতকেও সমান চৌখুশ, ‘প্লেইড ডিফেসিভলি’ যেমন জানেন<noinclude></noinclude> 2q4lwp2z1fqyovi3n2fym1n1df4a6ej পাতা:উনিশে মে- ভাষার সংকট - রণবীর পুরকায়স্থ (২০২১).pdf/১১০ 104 846391 1991964 1985260 2026-07-31T04:11:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991964 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|উনিশে মে : ভাষার সংকট □ ১০৮}}</noinclude>বাংলা কথা সাহিত্যের শিকড়ে জল সিঞ্চন করেছে গভীর মমতায়। ‘মহাবাহু’ প্রকাশিত হয়েছে এবং এখনও হয় ‘একা এবং কয়েকজন’ যাপনকথা ও ‘নাইনথ কলাম’। ভিকি পাবলিশার্স তো গুয়াহাটিতে বাংলা প্রকাশনার জগতে বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে মৌলিক কথাসাহিত্যের প্রকাশে এবং অনুবাদ সাহিত্যে। {{ফাঁক}}শিলচর হাইলাকান্দি করিমগঞ্জ নিয়ে যে উপত্যকা সেখানেও ধারাবাহিকতার নিরিখে এগিয়ে ছোটোশহর হাইলাকান্দি। বিজিতকুমার ভট্টাচার্যের ‘সাহিত্য পত্রিকা এক নাগাড়ে এতদিন চলার আর দ্বিতীয় নেই, প্রায় চল্লিশ বছর। শিলচরে তপোধীর ভট্টাচার্যর দ্বিমাসিক দ্বিরালাপ দশ বছরের উপর নিয়মিত দু-মাস অন্তর বেরিয়ে যাচ্ছে বিরতিহীন। বিরতি দিয়ে মিথিলেশ ভট্টাচার্য ও তপোধীর ভট্টাচার্যর যৌথ সম্পাদনায় প্রকাশিত শতক্রতুও এখন চল্লিশোর্ধ। বরাক উপত্যকার সাহিত্য পত্রের ইতিহাসকে যদি নগেন্দ্র চন্দ্র শ্যাম-এর ‘ভবিষ্যৎ’ দিয়ে শুধু করা যায় উল্লেখযোগ্য, তবে এরপর একটা শূন্য সময় পার করে ভাষা আন্দোলনের বছর দুয়েক পর শুরু হয় শক্তিপদ ব্রহ্মচারী এবং তার কবিবন্ধুদের পত্রিকা ‘অতন্দ্র’। যেহেতু তখন কবির শহর হয়ে উঠেছে শিলচর, কবিতাপত্র ও বেরোচ্ছে অনেক। ‘বরাক কিংবা ব্রুকলীন ব্রিজ’-এর কবি শান্তনু ঘোষ-এর কৃত্তিবাস পুরস্কার পাওয়া এবং শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর ‘সময় শরীর হৃদয়’—এর হৃদয় ও শরীর বিষয়ক কবিতা সময়কে আলোড়িত করেছে। সেই ভীষণ আলোড়নের সময় শ্যামলেন্দু চক্রবর্তী প্রকাশ করলেন ‘অনিশ’, প্রথম গদ্যের মুখ শহর শিলচরে, অনিশের উত্তরসূরী হয়ে বেরোল শতক্রতু। তবে বরাক উপত্যকায় পদ্যসাহিত্য আর কথাসাহিত্যে যুগলবন্দীর এক আশ্চর্য বন্দিশ রচিত হয়েছে শুরুর সময় থেকেই। অনিশ শতক্রতু কথাসাহিত্যকে প্রাধান্য দিলেও কবিতা অপ্রধান হয়নি কখনও। দেখাদেখি অনেক প্রথম শ্রেণীর সাহিত্য পত্রিকা বেরোতে শুরু করে কথাসাহিত্যের বিস্তৃত পরিসর সহ। একদার কবিতাপত্র ‘সাহিত্য’ ততদিনে নবসাজে কথাসাহিত্যের ধাত্রীবাড়ি হয়ে উঠেছে। লালা থেকে আশিসরঞ্জন নাথের সম্পাদনায় ‘প্রবাহ’, চার মহিলা সম্পাদকের সম্পাদনায় ‘মাধবী’ সমৃদ্ধ লিটল ম্যাগাজিন নাম। শুধু ত্রিপুরা ব্রহ্মপুত্র বরাক উপত্যকা নয়, বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্য ভুবন বিস্তৃত হয় শিলং-এ নাগাল্যাণ্ড-এর ডিমাপুর থেকে দেবাশিস দত্ত বের করছেন ‘পূর্বাদ্রি’, সেও তো হয়ে গেল অনেককাল। আর ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় গুয়াহাটিকে কেন্দ্রে রেখে এপারে-ওপারে প্রকাশিত হয়েছে শহরে শহরে কথাসাহিত্যের বিস্তৃত ভাণ্ডার। তেজপুর, মরাণ, ডিব্রুগড় তিনসুকিয়া ডিগবয় এবং সর্বশেষ সংযোজন নওগাঁর যাপন কথা, সম্পাদনায় কাত্তার ভূষণ নন্দী ও নিপন দাস। {{ফাঁক}}স্বীকার করে নেওয়া ভাল, ব্যক্তিগত উচ্চারণের কথা যদি কবিতার বেলায় খাটে, কথাসাহিত্যের সলতে পাকানোর কালটাও কোনো ব্যতিক্রম ছিল না। অনুকরণের কলকাতা বারবার ফিরে এসেছে, কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে বলেওছেন কলকাতায় বৃষ্টি হলে<noinclude></noinclude> 66aoe8wqabjw8nz49fv1kkjjngw08ra পাতা:উনিশে মে- ভাষার সংকট - রণবীর পুরকায়স্থ (২০২১).pdf/১২৬ 104 846407 1991595 1985263 2026-07-31T03:50:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991595 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|উনিশে মে : ভাষার সংকট □ ১২৪}}</noinclude>{{ফাঁক}}প্রশ্ন করেছিল ‘টিরেনচ কীরে?’ {{ফাঁক}}‘হায় রাম তুই টিরেনচ নাই চিনলিরে, কবর দেখিস নাই তুই?’ (কেশবলালের ভূমিকা) {{ফাঁক}}অমিতাভ দেবচৌধুরি বরাক উপত্যকার কথাসাহিত্যে ভিন্নপথগামী। সম্পূর্ণ রণসাজসহ অ্যারিনাতে ঢুকেছেন এই মল্ল। অমিতাভ বড়ো দুরন্ত, তাই সপ্রতিভ বুদ্ধির বাংলা লেখেন, শুধু মল্ল নামটা ঘুচিয়ে সেনানায়ক হতে হবে তাকে। তার স্মার্ট গদ্যকে উপলব্ধির মননে ঋদ্ধ করতে হবে। ‘প্রসিদ্ধ রক্ত’র প্রসিদ্ধ গদ্যাংশ তো বাংলা ভাষারই সম্পদ। {{ফাঁক}}‘কী কুৎসিত শেপলেস ভিড় হয় এখানকার বাসে। ওই লোকটার রং কালো ছিল, সাঁওতাল নাকি বাঙালি, পুরুলিয়ার অথবা বাঁকুড়ার? ওর সমাজও কি মাতৃতান্ত্রিক কিন্তু বাঁশি কেন প্রেমের, প্রেমিকার উপহার কি? নাকী অভিসার সংকেত {{ফাঁক}}—কোর পরা, স্যার? {{ফাঁক}}—ঘরর পরা—। {{ফাঁক}}—আজি আরু কালি স্কুল বন্ধ ডিক্লেয়ার —?' (প্রসিদ্ধ রক্ত) {{ফাঁক}}বরাক উপত্যকার মানুষের মুখের ভাষাকে নাগরিক পরিশীলন থেকে সযত্ন দুরে রেখে স্বকীয়তায় বিশিষ্ট থাকতে পেরেছেন বদরুজ্জামান চৌধুরি। বদরুজ্জামানের কথারচনায় গ্রামজীবনের দ্বেষ, হিংসা, ভালোবাসা সবই স্থাবর সম্পদের সারল্যে উঠে আসে। তার রচনার রূপময়তা অননুকরণীয়— {{ফাঁক}}‘আইতাম কুনবালা’ গালে পান সুপারি চুনসাদায় পুঁটুলিটা ঠেসে দিয়ে কিছুক্ষণ চিবোলো ফাজরের বউ। তারপরে প্যাঁচ করে বেশ খানিকটা পিক-লালা-কফ মিশ্রিত তরল পদার্থ নিক্ষেপ করলো দাওয়ার ঠিক নীচেই। ফুলজান ঘৃণায় বিরক্তিতে তবু নিরুপায়, যেখানে সেখানে পিক্‌ থুথু ফেলা তার নাপছন্দ, কিন্তু মামীকে কিছু বলাও যায় না। যা চোপা, ঝগড়া বাঁধিয়ে কুরুক্ষেত্র করবে। ফজিরের পেয়ারের বিবিজান পিক উৎক্ষেপিত করার পর মুখবিবরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে চিবানো সুপারির মণ্ড একটু ওলটপালট করে নিয়ে বলল, ‘তুইন তো আরামে আছোস্, বাইচ্চা কাইচ্চা নাই, বিয়ার তো তিন বছর অই গেল। আমার বুকো, পিঠো, কান্ধো কাঁখো পনে দুই গণ্ডা। এরে গো, ওষুধ-ফসুধ থুড়া কুছ খাইছত নি? আইজ কাইল তো কত রকমোর ছিনালী বারইছে। তিন বছরে তো চাইরটা বাইচ্চার দুনিয়া দেখার কথা। তর ভাইছাব হিদিন আমারে জিগার করলো।’ (ফুলজান বিবির কথামালা) {{ফাঁক}}কথাকারের কাছে সংবাদপত্রে চাকরি করার মতো শ্লাঘনীয় পেশা দ্বিতীয় নেই। বাহারউদ্দিন এক সময় গল্প লিখতেন, এ উচ্চারণ উপত্যকাবাসীর কাছে পীড়াদায়ক। এখন কেন লেখেন না। উপভাষা প্রয়োগকারী যে-কোনো কথাকারই বরাকের পাঠকের বড়ো আপনজন। কাজের ব্যস্ততা যদি তার গল্প লেখায় ব্যাঘাত ঘটায় তবে বলতেই<noinclude></noinclude> k8fxmserhgk9qu5kiy8cv9mt5dmrtxy পাতা:এখন যাঁদের দেখছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/২৭৯ 104 847774 1991968 1841649 2026-07-31T04:11:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991968 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{ডান|{{smaller|'''কল্লোল–গোষ্ঠীর ত্রয়ী'''}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}“শনিবারের চিঠি”র সম্পাদক “কল্লোল” গোষ্ঠীভুক্ত লেখকদের পক্ষে পরমবন্ধুর কাজ করেছেন। “কল্লোলে”র মত ছোট ছোট আরো অনেক পত্রিকা আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলা দেশে। তবে জনসাধারণের দৃষ্টি তাদের দিকে ভালো ক’রে আকৃষ্ট হবার আগেই ফুরিয়ে গিয়েছে তাদের পরমায়ু। কিন্তু “শনিবারের চিঠি” হয়েছিল “কল্লোলের” লোভনীয় বিজ্ঞাপনের মত। “চিঠি”র সম্পাদকই হয়েছিলেন “কল্লোলের” প্রচারকর্তা। তার অশ্লীলতার অভিযোগ শুনে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে “কল্লোলে”র সঙ্গে পরিচিত হন। তারপর তথাকথিত অশ্লীলতার জন্যে কারুর মন অশুচি হয়েছিল কি না সে কথা আমি বলতে পারব না, তবে এটকু অনায়াসেই অনুমান করা যায় যে, একদল অজানিত ও শক্তিধর লেখকের অভাবিত আবির্ভাব দেখে সকলেই বিস্মিত না হয়ে পারেননি। কারুর কারুর কাছে তাঁদের রচনার স্থলবিশেষ হয়তো স্বাস্থ্যকর ব’লে মনে হয়নি, কিন্তু সমগ্রভাবে তাঁদের রচনা যে বলিষ্ঠ, গরিষ্ঠ ও বিশিষ্ট, এ সম্বন্ধে মতদ্বৈধ ছিল না নিশ্চয়ই; তাঁরা কাঁচা হাতে বেলেখেলা খেললে অশ্লীলতার খোরাক জুগিয়েও কিছুতেই টেকসই হ’তে পারতেন না। কিন্তু তাঁরা কচি হাতেও খেলতে পেরেছিলেন পাকা খেলা। লোকে তাই তাঁদের ভুললে না, চিনে রাখলে। {{ফাঁক}}এই দলেরই অন্যতম উজ্জল নক্ষত্র হচ্ছেন বুদ্ধদেব। কাঁচা বয়সে হয়তো তিনি বয়সোচিত দুর্বলতা প্রকাশ করেছিলেন অল্প-বিস্তর। কারণ “কল্লোলে” প্রকাশিত তাঁর প্রথম গল্প “রজনী হ’ল উতলা” (নামটি খাসা) সম্বন্ধে নিজেই তিনি মত প্রকাশ করেছেন—গল্পটি কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। ঐটিই তাঁর রচিত প্রথম গল্প কি না, সে খবর আমি রাখি না। তবে প্রথম গল্প না হ’লেও ওটি তাঁর প্রথম বয়সেরই রচনা। সে হিসাবে গল্পটির রচনানৈপণ্য বিশেষভাবে প্রশংসনীয়। {{ফাঁক}}বুদ্ধদেবের নিজের মুখে থেকেই জানতে পারি, এগারো বৎসর বয়সেই তিনি তিনচারখানা খাতা কবিতায় কবিতায় ভরিয়ে ফেলেছেন এবং তখন তাঁকে আকৃষ্ট করত আমারই কোন কোন কবিতা। সে আজ<noinclude>{{c|২৬৫}}</noinclude> srlgidczb75p6tskyp9r35fk4zyvvoa পাতা:এখন যাঁদের দেখছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/২৪১ 104 847777 1991597 1842335 2026-07-31T03:50:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991597 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|'''দেবীপ্রসাদ রায়চৌধুরী'''}}</noinclude>সাধারণ দর্শকও তার দ্বারা অভিভূত না হয়ে পারবে না। এইখানেই তাঁর প্রধান বিশিষ্টতা, যা অন্য কোন ভারতীয় শিল্পীর কাজে আবিষ্কার করা সহজ নয়। {{ফাঁক}}দেবীপ্রসাদ মাদ্রাজের সরকারি চিত্রবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ। তাঁর কথা সর্বদা মনে পড়লেও তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হবার সুযোগ আর ঘ’টে ওঠে না। তাই তিনি কলকাতায় এসেছেন শুনে কিছুকাল আগে এক সন্ধ্যায় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলুম। ভেবেছিলুম দু’জনে একান্তে ব’সে অতীত স্মৃতির রোমন্থনে খানিকটা সময় কাটিয়ে দেব। কিন্তু তা আর হ’ল না, কারণ গিয়ে দেখলুম, তাঁর ঘরে বসে গেছে একটি সাহিত্য-সভা। উপস্থিত আছেন শ্রীবলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল), শ্রীসজনীকান্ত দাস, শ্রীপ্রবোধেন্দনাথ ঠাকুর (ইনিও কবি ও চিত্রশিল্পী), শ্রীপবিত্রকুমার গঙ্গোপাধ্যায় এবং আরো কেউ কেউ। অতীতের কথা আর উঠল না, বর্তমানকে নিয়েই আলাপ-আলোচনা ও হাস্য-পরিহাস চলতে লাগল—সঙ্গে সঙ্গে পানভোজন। খাবারের পর খাবার আসে—রীতিমত দীয়তাম্ ভুজ্যতাম্। মুখ বন্ধ ক’রে ও ডান–হাতের ব্যাপার সেরে যখন বাড়ীর দিকে ফিরলুম তখন নিশুতি রাত। নির্জন, নিস্তব্ধ, নিদ্রামগ্ন শহর। দেবীপ্রসাদ অতিথি সৎকার করতেও জানেন। {{nop}}<noinclude>{{c|২২৭}}</noinclude> 5s0ukz7lygeadxwa2z349dwz8uwiq0z পাতা:এখন যাঁদের দেখছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/২৯০ 104 847797 1991598 1841829 2026-07-31T03:50:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991598 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|'''এখন যাঁদের দেখছি'''}}</noinclude>বাজারের মহারাজা শ্রীশচন্দ্র নন্দীও গ্রন্থকার। সুসঙ্গের কুমুদচন্দ্রও ছিলেন সাহিত্যিক। {{ফাঁক}}লালগোলার কুমার ধীরেন্দ্রনারায়ণ রায় যখন “রাজা” উপাধি লাভ করেননি, তখন থেকেই একান্তভাবে সাহিত্যসেবা ক’রে আসছেন। এই সাহিত্যানুরাগের উৎস কোথায় তা অনুমান করা কঠিন নয়। তাঁর পিতামহ দানবীর মহারাজা রাও যোগীন্দ্রনারায়ণ রায় অবাঙালী হয়েও বাংলাদেশে এসে মনেপ্রাণে খাঁটি বাঙালী হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি যে বাংলা সাহিত্যের কত বড় বন্ধু ছিলেন, সে কথা এখানে নতুন ক’রে বলবার দরকার নেই। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে তাঁর স্মরণীয় অবদান আছে। অসংখ্য সাহিত্যিক অলঙ্কৃত করতেন তাঁর আসর। এমন কি সাহিত্যগুরু বঙ্কিমচন্দ্র পর্যন্ত কিছুদিনের জন্যে তাঁর আতিথ্য স্বীকার ক’রে রাজবাড়ীতে বসে রচনা করেছিলেন “আনন্দমঠে”র কিয়দংশ। এই পরিবেশের মধ্যে সুকুমার বয়স থেকে মানুষ হয়ে ধীরেন্দ্রনারায়ণেরও চিত্তে উপ্ত হয়েছিল সাহিত্যের বীজ। {{ফাঁক}}তারপর তিনি দীর্ঘকালব্যাপী ছাত্রজীবন যাপন করেন আচার্য {{wdl|Q7289358|রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর}} অধীনে এবং তাঁর কাছেই ধীরেন্দ্রনারায়ণের সাহিত্যশিক্ষা আরম্ভ হয়। এমন অসাধারণ সাহিত্যবীরকে উপদেশকরূপে লাভ ক’রেই তিনি বঙ্গবাণীর পরম ভক্ত না হয়ে পারেননি। রামেন্দ্রসুন্দর ও রবীন্দ্রনাথ ছিলেন পরস্পরের অনুরাগী এবং দুজনেই আনাগোনা করতেন দুজনের আলয়ে। সেই সময়ে প্রায়ই উপস্থিত থাকতেন কিশোর ধীরেন্দ্রনারায়ণ এবং দুই সাহিত্যশিল্পীর কলালাপের ফাঁকে ফাঁকে আবৃত্তি করতেন রবীন্দ্রনাথের কবিতা। তাঁর তরুণ কণ্ঠে স্বরচিত কবিতার আবৃত্তি শুনে রবীন্দ্রনাথ আনন্দপ্রকাশ করতেন। {{ফাঁক}}সুতরাং বোঝা যায়, সাময়িক খেয়াল চরিতার্থ করবার জন্যে তিনি হঠাৎ সাহিত্যিক হয়ে ওঠেননি। সাহিত্য তাঁর আবাল্য সাধনার বস্তু। দীর্ঘকাল ধ’রে তিনি লেখনী চালনা ক’’রে আসছেন। গল্প লিখেছেন, উপন্যাস লিখেছেন, কবিতা ও সঙ্গীত রচনা করেছেন। একদিন বাড়ীতে ফিরে এসে দেখি, আমার লেখবার টেবিলের উপরে পড়ে<noinclude>{{c|২৭৬}}</noinclude> fho4ywujn2hl678gx1eo15l091x81yn পাতা:এখন যাঁদের দেখছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৩২৭ 104 847836 1991601 1841300 2026-07-31T03:50:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991601 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|'''ঘরোয়া গানের সভা'''}}</noinclude>নৃত্যের তালে তালে। ঐকতানের মধ্যে শিল্পীর নিজস্ব ব্যক্তিত্ব আবিষ্কার করা দুষ্কর ব্যাপার। {{ফাঁক}}এই বারে আমার নিজের বাড়ীর গানের বৈঠকের কথা বলব। সেখানেও আপনারা দেখতে পাবেন আধুনিক যুগের বহু যশস্বী সঙ্গীতশিল্পীকে।<noinclude>{{c|৩১৩}}</noinclude> 1oq8n691xhj0p7cdnxdgtas3vm2csq1 পাতা:এখন যাঁদের দেখছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৩১৬ 104 847850 1991599 1985275 2026-07-31T03:50:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991599 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|'''এখন যাঁদের দেখছি'''}}</noinclude>এখানে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, যতীন্দ্রমোহন বাগচী, করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, কালিদাস রায়, কুমুদরঞ্জন মল্লিক ও মোহিতলাল মজুমদার প্রভৃতি রবীন্দ্রনাথের পরবর্তী কবিরা সমুদিত ও সুপরিচিত হয়েছেন। আরো দুই-একজন তখন উদীয়মান অবস্থায়। রবীন্দ্রনাথের লেখনী তখনও অশ্রান্ত। আমাদের কাব্যজগতে সেটা ছিল সুভিক্ষের যুগে। কবিতার কোন অভাবই কেউ অনুভব করে নি। {{ফাঁক}}কিন্তু যুগধর্ম প্রকাশ করতে পারেন, দেশ যে এমন কোন নূতন কবিকে চায়, নজরুলের আত্মপ্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সেই সত্য উপলব্ধি করতে পারলে সকলেই। {{ফাঁক}}এদেশে এমনিই তো হয়ে আসছে বরাবর। য়ুগে যুগে আমরা পুরাতন ও পরিচিতদের নিয়েই মেতে থাকতে চেয়েছি, অর্বাচীনদের উপরে কোন আস্থা না রেখেই। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালী গদ্যলেখকরা যে উৎকট ভাষা ব্যবহার করতেন, তা ছিল পরোমাত্রায় সংস্কৃতের গোলাম। আমরা তারই মধ্যে পেতুম উপভোগের খোরাক, সৌন্দর্যের সন্ধান। হঠাৎ টেকচাঁদ ঠাকুর ও হুতোম আবির্ভূত হয়ে যখন আমাদের ঘরের পানে তাকাতে বললেন, তখন আমরা একটু অবাক হয়েছিলুম বটে, কিন্তু তাঁদের ক’রে রেখেছিলুম কোণঠাসা। সাহিত্যের দরবারে কথ্য ভাষাকে কায়েমী করবার জন্যে পরে দরকার হয়েছিল প্রমথ চৌধুরীর শক্তি ও রবীন্দ্রনাথের প্রতিভা। যখন বঙ্কিমচন্দ্র “দুর্গেশনন্দিনী” ও মাইকেল মধূসুদন “মেঘনাদবধ” নিয়ে আসরে প্রবেশ করেন, তখনও কেউ তাঁদের প্রত্যাশা করে নি। {{ফাঁক}}উপরোক্ত যুগান্তকারী লেখকগণের সঙ্গে নজরুলের তুলনা করা চলে না বটে, কিন্তু বহু কবিদের দ্বারা অধ্যুষিত বাংলা কাব্যসাহিত্যের ক্ষেত্রে তিনি যে এনেছিলেন একটি নূতন সুরু, সে কথা কিছুতেই অস্বীকার করা চলে না। বিংশ শতাব্দীর তরুণদের মধ্যে তিনিই হচ্ছেন প্রথম কবি, রবীন্দ্রনাথের যশোমণ্ডলের মধ্যে থেকেও যিনি খুঁজে পেয়েছেন স্বকীয় রচনাভঙ্গি ও দৃষ্টিভঙ্গি। {{ফাঁক}}প্রথম মহাযুদ্ধে নজরুল ‘ইউনিফর্ম’ প’রে সৈনিকের ব্রত গ্রহণ<noinclude>{{c|৩০২}}</noinclude> te2yhnbr72qoo7h5e8twg62o6yry1m6 পাতা:এখন যাঁদের দেখছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৩২০ 104 847858 1991600 1841219 2026-07-31T03:50:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991600 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|{{smaller|'''এখন যাঁদের দেখছি'''}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}নজরুলের কাছ থেকে বরাবর আমি অগ্রজের মত শ্রদ্ধালাভ ক’রে এসেছি। তিনি আমাকে ভালোবাসতেন। আমার ছোট ছেলে প্রদ্যোত (ডাকনাম গাবলু) কবে অটোগ্রাফের খাতা নিয়ে তাঁর কাছে গিয়ে হাজির হয়েছিল। তার খাতায় তিনি এই শ্লোকটি লিখে দিয়েছিলেন:— {{Block center|<poem>“তোমার বাবার বাবা হও তুমি ::::কবি-খ্যাতিতে যশে, তব পিতা সম হও নিরুপম ::::আনন্দ-ঘন রসে। স্নেহের গাবলু! অপূর্ণ যাহা ::::রহিল -মোদের মাঝে, তোমার বীণার তন্ত্রীতে যেন ::::পূর্ণ হয়ে তা বাজে। </poem>}} {{ডান|শুভার্থী—কাজীকা”}} {{ফাঁক}}নজরুলের অনেক কথা প্রবন্ধান্তরে বলেছি, এখানে পুন– রুল্লেখের দরকার নেই। যখন আমার বাড়ীর বৈঠকের কথা বলব, তখন অন্যান্য নামী গাইয়েদের সঙ্গে মাঝে মাঝে নজরুলেরও দেখা পাওয়া যাবে। {{nop}}<noinclude>{{c|৩০৬}}</noinclude> 3z87mgzyofs4nwhwp0jygbpng2obep8 পাতা:চরিত-কথা - বিপিনচন্দ্র পাল (১৯১৬).pdf/৬ 104 847988 1991623 1841938 2026-07-31T03:53:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991623 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}}{{কেন্দ্র|{{xxx-larger|'''চরিত-কথা'''}}}} {{কেন্দ্র|{{x-larger|সুরেন্দ্রনাথ}}}} {{কেন্দ্র|{{smaller|আধুনিক রাষ্ট্রীয় কর্মজীবনে সুরেন্দ্রনাথের স্থান}}}} সুরেন্দ্রনাথ বাঙ্গালী। কিন্তু তাঁর প্রতিভার প্রেরণা ও সুদীর্ঘ কর্ম্মজীবনের প্রভাব বাংলার সীমা অতিক্রম করিয়া, সমগ্র ভারতরাষ্ট্রকে অধিকার করিয়া আছে। আধুনিক ভারতের রাষ্ট্রীয় জীবনে আরও অনেক শক্তিশালী লোকনায়ক আছেন। ইহাঁদের মধ্যে কেহ কেহ কোনও কোনও বিষয়ে সুরেন্দ্রনাথের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ, ইহাও অস্বীকার করা সম্ভব নহে। কিন্তু তাঁদের সকলের প্রভাব ও প্রতিষ্ঠাই আপন আপন প্রদেশেতে আবদ্ধ। লালা লাজপত্ রায়ের নাম ভারতবিশ্রুত হইলেও, কর্ম্মক্ষেত্র, প্রকৃত পক্ষে, পঞ্চনদের সীমা অতিক্রম করে নাই। পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যও সেইরূপ কেবল এলাহাবাদ ও আগ্রার যুক্ত-প্রদেশের রাষ্ট্রীয় জীবনেই কতকটা নেতৃত্ব-মর্য্যাদা পাইয়াছেন, ভারতের অন্যান্য প্রদেশের লোকে অনেকেই তাঁর নাম জানে, কিন্তু কেহই এ পর্য্যন্ত তাঁর প্রতিভার বা কর্ম্মজীবনের প্রেরণা অনুভব করে নাই। স্যার্ ফিরোজশাহ মেহেতার আসন্নবন্ধুবর্গ যাহাই বলুন না কেন, তাঁর রাষ্ট্রীয়-নেতৃত্বও বোম্বাইএর পার্শী ও গুজরাটের বেনিয়া সম্প্রদায়েই সাক্ষাৎভাবে স্বীকৃত হয়; বোম্বাই প্রদেশের মহারাষ্ট্রীয় সমাজ, কিম্বা বাংলার কি পঞ্জাবের শিক্ষিত সম্প্রদায় এ পর্য্যন্ত তাঁহার নেতৃত্ব স্বীকার করেন নাই। তবে কন্‌গ্রেসে বা জাতীয়<noinclude></noinclude> 3qlylkfbyfgtun9e615cxxmmr10zsve পাতা:চরিত-কথা - বিপিনচন্দ্র পাল (১৯১৬).pdf/৬৩ 104 847990 1991624 1841955 2026-07-31T03:53:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991624 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''শ্রীযুক্ত অশ্বিনীকুমার দত্ত'''}}}} স্বদেশী আন্দোলনের সূচনা হইতে আমাদের রাষ্ট্রীয় ও স্বাদেশিক কর্ম্মক্ষেত্রে একটা নূতন বস্তুর আমদানী হইয়াছে। ইহার নাম নেতা বা নায়ক বা “লীডার”। ত্রিশ বৎসর পূর্ব্বে এ কথা আমরা শুনি নাই। কৃষ্ণদাস জমিদার-সম্প্রদায়ের নেতা ছিলেন না, মুখপাত্র বা প্রতিনিধি ছিলেন। সুরেন্দ্রনাথ বা আনন্দমোহন, শিশিরকুমার কি কালীচরণ, ইঁহাদের কেহই সেকালে নেতা উপাধি লাভ করেন নাই, কিন্তু দেশের নব্যশিক্ষাপ্রাপ্ত সমাজে ইঁহাদের অসাধারণ প্রতিপত্তি ছিল। আমার মনে হয় যে, সে সময়ে আমরা যে ব্যক্তিত্বাভিমানী অনধীনতার আদর্শ ধরিয়া চলিতেছিলাম, তাহা কোনও লোকবিশেষের নেতৃত্বের দাবী সহ্য করিতে পারিত না বলিয়াই, সে যুগে আমাদের মধ্যে নেতার বা নায়কের বা লীডারের প্রতিষ্ঠা হইতে পারে নাই। এখন যে বস্তুকে আমরা নেতা বলি সে বস্তু তখনও ছিল। মনের ভাবে তো আর সংসারে কোথাও বস্তু-বিপর্যয় ঘটে না। তবে আমরা তখন সে বস্তুকে নেতা বা নায়ক বা লীডার বলিয়া ডাকিতাম না, ইহাই কেবল সত্য। {{ফাঁক}}আর আজ আমরা এই সকল নাম দান করিতেছি বলিয়াই যে নূতন বস্তু লাভ করিতেছি, এমনই কি বলা যায়? সুরেন্দ্রনাথ–প্রমুখ কর্ম্মী ও মনীষীগণ শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মুখপাত্র এবং প্রতিনিধি তখনও ছিলেন, এখনও আছেন। আমরা এখন তাঁহাদিগকে প্রতিনিধি না বলিয়া নেতা বলিতে বেশি ভালবাসি; কিন্তু তাই বলিয়া যে আমাদের কথার জোরে তাঁরা নেতা বা নায়ক হইয়া উঠেন, এমনও বলা যায় না। ফলতঃ শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রকৃত নায়কত্ব লাভ করা এমন সহজ ব্যাপারও নহে।<noinclude></noinclude> nbjn5qvjmuz3ekrdabsaepb3dhz2db5 পাতা:চরিত-কথা - বিপিনচন্দ্র পাল (১৯১৬).pdf/২২৬ 104 848377 1991625 1844601 2026-07-31T03:53:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991625 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||অক্ষয়চন্দ্র ও সাহিত্য-সম্মিলন|২২১}}</noinclude>প্রতিষ্ঠা করা আর সম্ভব নহে। এই কারণে অক্ষয়চন্দ্র যে গদ্যরচনাপ্রণালী প্রবর্ত্তিত করিয়াছিলেন, তাহার মূল্যও আজিকার বাজারে ক্রমে কমিয়া যাইতেছে। আজিকার বাঙ্গলাসাহিত্যে গদ্য-রচনার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন রবীন্দ্রনাথ। বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্রের পর অক্ষয়চন্দ্র, চন্দ্রনাথ, কি কালীপ্রসন্ন, ইঁহারা সকলেই সাহিত্যে মহারথী ছিলেন সন্দেহ নাই, কিন্তু বাঙ্গলাভাষায় গদ্য রচনার ক্ষমতাটা যে কত বড়, ইহা রবীন্দ্রনাথ যেমনটা প্রমাণ করিয়াছেন, ইহাদের কেহই তেমনটা প্রমাণ করিতে পারেন নাই। এমন নিরেট গাঁথুনী বাঙ্গলা ভাষার শক্তিতে যে সম্ভব ইহা লোকে পূর্ব্বে কল্পনাও করিতে পারিত না। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের প্রতিভার সমক্ষে অক্ষয়চন্দ্রের গদ্য-সাহিত্যসৃষ্টি আজ অনেকটা মলিন হইয়া পড়িলেও এক সময়ে তিনিও যে বাঙ্গলা শব্দকে লইয়া বিচিত্ররসের খেলা খেলিয়াছিলেন, আর সে খেলাতে বাঙ্গালী চকিত, পুলকিত, স্তব্ধ হ‍ইয়া গিয়াছিল, ইহাও অস্বীকার করা যায় না। সে জাতীয় সাহিত্যসৃষ্টিতে আজিও অক্ষয়চন্দ্র অনন্যপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রাধান্য ভোগ করিতেছেন। তবে তাঁর গদ্যের আদর্শটা যে আজি কালি লোকচক্ষে কতকটা হেয় হইয়া পড়িয়াছে, ইহা বস্তুতঃ অক্ষয়চন্দ্রেরও দোষ নহে। দোষ তাঁর অনুকরণকারীদের। ইহাঁদের না ছিল অক্ষয়চন্দ্রের ধারণা, না ছিল তাঁর চিন্তার শক্তি বা রসানুভূতির প্রাখর্য্য,—ছিল কেবল কাণ। তাই তাঁহারা কেবল কাণের জোরে অক্ষয়চন্দ্রের গদ্যরচনার প্রণালীর অনুকরণ করিতে যাইয়া, তাহার ভিতরকার শক্তি ও সৌন্দর্য্যকে আচ্ছন্ন করিয়া ফেলিয়াছেন। অকৃতি অথচ গুরুমর্য্যাদালোলুপ শিষ্যের হাতে পড়িয়া অনেক গুরুরই যেমন দুর্দ্দশা ঘটে, শিষ্যের আতিশয্য দেখিয়া লোকের গুরুর প্রতিও অশ্রদ্ধা জন্মিয়া যায়, অক্ষয়চন্দ্রের অকৃতি অনুকরণকারীদের হাতে তাঁর সাহিত্য-প্রতিভারও সেই দশা ঘটিয়াছে। এ উৎপাতের আবির্ভাব<noinclude></noinclude> owilqrx3099zub4sgul80hi3fr79awb পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/২২ 104 848605 1991536 1856284 2026-07-31T03:48:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991536 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{dhr|4em}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|তৃতীয় পরিচ্ছেদ}}}} {{কেন্দ্র|{{larger|হত্যাকাহিনী}}}} {{ফাঁক}}সতীশবাবু বলতে লাগলেন: {{ফাঁক}}“মতিলাল মুখোপাধ্যায় খুব ধনী লোক। ব্যাঙ্কে তাঁর প্রচুর টাকা জমা আছে, তা ছাড়া কলকাতায় তাঁর বড় বড় বাড়ীও আছে অনেকগুলো। {{ফাঁক}}তাঁর বয়স ষাটের কাছাকাছি। তিনি নিঃসন্তান। বছর দুই আগে তাঁর স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। মতিবাবুর এক ভাগ্নে আছেন, তাঁর নাম বিনোদলাল চট্টোপাধ্যায়। তিনিই মাতুলের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবেন। {{ফাঁক}}স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে মতিবাবুর স্বাস্থ্য ভেঙে যায়, ইদানিং তিনি ‘ক্রণিক্’ অজীর্ণ রোগে ভুগছিলেন। তাঁর পারিবারিক চিকিৎসক হচ্ছেন ডাক্তার এ, দত্ত—যিনি আমার সঙ্গে এসেছেন। মিঃ দত্ত কেবল মতিবাবুর চিকিৎসক নন, তাঁর বিশেষ বন্ধুও। মতিবাবু লোকের সঙ্গে মেলামেশা করতে মোটেই ভালবাসতেন না, এত ধনী হয়েও তাঁর বন্ধুর সংখ্যা তিন-চারজনের বেশী নয়। ওঁদেরও মধ্যে প্রধান হচ্ছেন মিঃ দত্ত। কোন দরকারি বিষয়<noinclude>{{কেন্দ্র|২০}}</noinclude> 02qyze3b0243w81qdwieehxls7dmt4f পাতা:সাহিত্যে প্রগতি - ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/২৩ 104 848625 1992179 1986760 2026-07-31T04:28:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992179 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" /></noinclude>আকর্ষণ করেন। কিন্তু পুরাণ ও স্মৃতি সমুহে এই প্রতিক্রিয়ার কোন সংবাদই নাই; যদিচ সামন্ততান্ত্রিকযুগের ছাপ ব্রাহ্মণ্যবাদীয় তন্ত্রে আছে। অন্যদিকে বৌদ্ধতন্ত্রেও জাতির বা বর্ণের বালাই নেই, তান্ত্রিক অষ্ট সিদ্ধি লাভ করিবার প্রযত্ন করিতেন, এবং আলকেমীতে পারদর্শীতাকে ধর্ম্মে সিদ্ধি রূপে প্রচার করিতেন (B. N. Datta—Mystic Tales of Lama Taranatha দ্রষ্টব্য)। কিন্তু সাম্যবাদীয় বৌদ্ধদের মহাযানী শাখাতে তৎকালীন সামন্ততান্ত্রীক বাতাবরণের ছাপ বিশেষভাবে পড়ে। তাঁহাদের ভিক্ষু সংঘে যেমন পদভেদ জনিত স্তরভেদ সাধুদের মধ্যে উদ্ভুত হয়, ধর্ম্মেও তদ্রূপ আরাধ্যদের মধ্যে স্তর ভেদ দৃষ্ট হয়। ফলতঃ একই সামন্ততান্ত্রিক বাতাবরণে বিবর্ত্তিত বর্ণাশ্রনীয় ব্রাহ্মণ্যবাদ ও মহাযানী বৌদ্ধবাদ একই ধারায় প্রবাহিত হইয়া শেষে তন্ত্রের ভিতর দিয়ে একীভূত হইয়া যায়। এই জন্যই পরে, বৌদ্ধ ধর্ম্ম ভারত হইতে অন্তর্হিত হয়। ইহার পর, ব্রাহ্মণ্যধর্ম্মের অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিক প্রভাবের সময়ে আমরা মাঘের ‘শিশুপালবধ’, শ্রীহর্ষের ‘নৈষধচরিতম’ ও জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’, ধোয়ীর ‘পবনদূত’ বিরচিত হইত দেখি। উত্তর ভারতে হিন্দুর রাজনীতিক পতনের প্রাক্কালেই এই তিন পুস্তক লিখিত হইয়াছিল। কাব্য হিসাবে এই পুস্তকগুলি উচ্চদরের হইলেও ইহাতে পতনোন্মুখ হিন্দুর সামাজিক চিত্র বিশেষ ভাবে প্রতিফলিত হইয়াছে। এই কয়টী পুস্তকে আমরা প্রথমোক্ত যুগের কবিদের থেকে ভিন্ন সুর বাজিতে দেখি! ইহাতে বীররস অপেক্ষা আদিরস ও কামকলার চিত্রের সংবাদ পাই। পুস্তকগুলি পাঠ করিলে বেশই বুঝা যায় যে, হিন্দুর জাতীয় জীবনে ও নৈতিক আদর্শে ঘুণ ধরিয়াছে। মাঘে— যাদব ও যাদবীদের প্রভাসে মদোন্মত্ত বিহার, নৈষধে— দময়ন্তীর বিবাহে বরযাত্রীদের কদর্য্য রসিকতা এবং বাসরগৃহে বরকন্যার কদর্ঘ্য আলাপের সহিত ভাসের পুস্তকসমূহের বীররসের বর্ণনা, কালিদাসের রঘুর দিগ্‌বিজয়ে এবং ভবভূতিতে (মহাবীর চরিত) রামের সহিত পরশুরামের, পরে রাবণসৈন্যের সহিত যুদ্ধের বর্ণনার কি প্রভেদ! এতংব্যতিরেকে, এই উভয় দলের লেখকদের<noinclude>{{বাম|'''পনের'''}}</noinclude> mhijnxasvatwnyxtznls9ptqe8079p1 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩০ 104 848779 1991865 1984970 2026-07-31T04:08:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991865 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|২৬|অলৌকিক নয়, লৌকিক ২}}</noinclude>ওঁদের কাছে ‘আন্দোলন’, ‘সংগঠন’ ইত্যাদি শব্দগুলো বড় বেশি স্বার্থ-বিরোধী। তাই মূল যুক্তিবাদী আন্দোলনের পাল থেকে হাওয়া কেড়ে নিয়ে, একজনকে কিংবদন্তি পুরুষ করে তুলাতে প্রতিনিয়ত ব্যাপক ও নিবিড় প্রচার চালিয়েই যান। যাঁর পক্ষে এই প্রচার তিনি কিন্তু একদিনের জন্যেও সমাজ সচেতনতার প্রতি পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে উচ্চারণ করেননি—ঈশ্বর, অবতার, জ্যোতিষী, অলৌকিক, জন্মান্তর, কর্মফল ইত্যাদির প্রতি সাধারণ মানুষের শোষিত মানুষের প্রবল অন্ধ-বিশ্বাসের কারণগুলো আমাদের সমাজব্যবস্থার মধ্যেই নিহিত রয়েছে, পালিত হচ্ছে, পুষ্ট হচ্ছে শোষক শ্রেণি ও তাদের উচ্ছিষ্টভোগীদের স্বার্থে। শোষক শ্রেণি চায় শোষিত মানুষ তাদের প্রতিটি বঞ্চনার জন্য সমাজ ব্যবস্থাকে দায়ী না করে দায়ী করুক নিজেদের ভাগ্যকে, পূর্বজন্মের কর্মফলকে এবং ঈশ্বরের কৃপা না পাওয়াকে। {{ফাঁক}}ওই কিংবদন্তির নায়কও যুক্তিবাদী আন্দোলন গড়ার আরামসাধ্য ব্যাপার-স্যাপারে আগ্রহী ছিলেন না। নিজের প্রয়াসকে নিয়োজিত রেখেছিলেন শুধুমাত্র বাবাজি মাতাজিদের চ্যালেঞ্জ জানানোর মধ্যেই। সাধারণ মানুষেরা ওই অসাধারণ বিজ্ঞান পত্রিকা গোষ্ঠীর চোখে কেমন? তার একটা উদাহরণ পেশ করছি। ‘৮৯-তে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে সাত-আটটি বিজ্ঞান সংস্থা মিলে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করেছিলেন, শিরোনাম ছিল ‘বিজ্ঞান আন্দোলন কী? ও কেন?’ আমন্ত্রিত ছিলেন এই পত্রিকা গোষ্ঠী, পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চ এবং আমাদের সমিতি। পত্রিকাগোষ্ঠীকে বক্তব্য রাখতে আহ্বান জানাতে পর্যায়ক্রমে উঠলেন এক ডাক্তার ও এক ডক্টরেট। তাঁরা দর্শকদের বললেন—'বিজ্ঞান আন্দোলন কী? ও কেন?’ ও-সব নিয়ে আলোচনা এ সভায় অর্থহীন বলেই মনে করি। কারণ ও-সব ভারী ভারী কথা বললে আপনারা কিছুই বুঝবেন না। তার চেয়ে বরং আপনাদের কোনও বিজ্ঞান বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে কাগজে লিখে পাঠিয়ে দিন, উত্তর দিচ্ছি।’ {{ফাঁক}}এঁদের নাক উঁচু ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যে দর্শকরা অপমানবোধ করেছিলেন। আমরাও হতচকিত হয়েছিলাম, এমন চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন, নাকতোলা বক্তব্যে। ওঁরা তবে সাক্ষরতার সুযোগ না পাওয়া মানুষকে কী বলবেন? তাঁদের বাদ দিয়েই শুধু উচ্চকোটির মানুষকে নিয়েই কি ওঁরা বিজ্ঞান আন্দোলন গড়ার স্বপ্ন দেখেন? সেদিন ওঁদের ধৃষ্টতার জবাব শ্রোতারাই দিয়ে দিয়েছিলেন তীব্র ধিক্কারে। {{nop}}<noinclude></noinclude> pio059gja3xziawwb1qechf2ek6vzn7 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৬ 104 848785 1991866 1984974 2026-07-31T04:09:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991866 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৩২|অলৌকিক নয় লৌকিক ২}}</noinclude>ও পত্র-পত্রিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে তিনি এবং তাঁর ক্ষুদ্র পত্রিকাগোষ্ঠীই একচেটিয়া ‘ঠিকা’ নিয়ে রেখেছেন তবে বলতেই হয়, তিনি ভাববাদী পরিমণ্ডল বজায় রাখার ক্রীড়নক হিসেবে শোষক শ্রেণি ও রাষ্ট্রক্ষমতারই সহায়তা করছেন। অনুবাদকের কাছে আমাদের একটি বিনীত জিজ্ঞাসা- তিনি যে গ্রন্থটি অনুবাদ করেছিলেন, সেই মূল গ্রন্থটি অনুবাদের বহু বছর আগে থেকেই যুক্তিবাদী নির্ভর দর্শন, রচনা, শ্লোক, গ্রন্থ ইত্যাদি বিভিন্ন সময়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেইসব রচনার জনপ্রিয়তার কারণেই কি মূল গ্রন্থের লেখক গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন বলে অনুবাদক একাস্তভাবে বিশ্বাস করেন? বিনীতভাবে আর একটি কথা নিবেদন করি—এই লেখক ওই অনুবাদকের দ্বারা গ্রন্থটি অনুবাদের বহু আগে থেকেই বাংলা ভাষার এক সময়কার জনপ্রিয়তম সাপ্তাহিক ‘পরিবর্তন’ পত্রিকায় ‘লৌকিক-অলৌকিক’ শিরোনামে বহু প্রবন্ধ লিখেছেন। লেখাগুলো যথেষ্ট জনপ্রিয়তাও লাভ করেছিল। আমাদের সমিতির চ্যালেঞ্জের ‘প্লাস পয়েণ্টকে’ কিছু অক্ষম ঈর্ষাকাতররা ‘ব্যক্তি প্রচার’ অশোভন ইত্যাদি ভাষায় ভূষিত করে নিজেদের অক্ষমতাকে ঢাকতে অতিমাত্রায় সচেষ্ট। {{ফাঁক}}আমরা মনে করি, একতরফাভাবে যুক্তিবাদী আলোচনায় সাধারণ মানুষের ওপর যতটা প্রভাব ফেলা যায়, তার চেয়েও অনেক বেশি প্রভাব ফেলা যায় জ্যোতিষী, অবতার, অলৌকিক ক্ষমতাধর ও ভাববাদী দর্শনের প্রবক্তাদের মুখোমুখি হয়ে তাদের দাবির অসারতা প্রমাণ করতে পারলে। আমরা তাই বার বার জ্যোতিষীদের মুখোমুখি হয়েছি বেতারে, জ্যোতিষ সম্মেলনে, আলোচনাচক্রে, আমরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে হাজির হয়েছি আলোচনায়, আমাদের সমিতির আয়োজিত বিতর্কসভায় ধর্মের পক্ষে আমন্ত্রণ করে এনেছি তাবড় ধর্মবেত্তাদের, আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে শ্রোতাদের সামনে আনতে পেরেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রথম শ্রেণির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্বদের। আমরা প্রতিটি অলৌকিক ক্ষমতাবান ও জ্যোতিষীদেরও মুখোমুখি হয়েই তাদের দাবির অসারতা প্রমাণ করতে চাই। এ-পথে তাঁরা কিছুতেই এগুতে চাইবেন না, যাঁদের আত্মপ্রত্যয়ের অভাব আছে, যাঁদের অনেক জায়গায় হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা আছে। নিজেদের খামতিকে আড়াল করতে তাই গোয়েবলেসর কায়দায় প্রচারে নেমে পড়েন অক্ষমরা। ‘ক্ষুধিত পাষাণ’—এর পাগল মেহের আলির মতোই রেকর্ড বাজিয়েই চলেন—'চ্যালেঞ্জ-ট্যালেঞ্জ সব ফালতু হ্যায়’, বলে এক নাগাড়ে। {{ফাঁক}}সাধারণ মানুষকে কুসংস্কার থেকে মুক্ত করার দায়-দায়িত্ব শুধুমাত্র<noinclude></noinclude> jh8w86zfw0lyrx31zhdmbhocoqcuj7z পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৯ 104 848788 1991867 1984976 2026-07-31T04:09:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991867 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||যুক্তিবাদ প্রসঙ্গ|৩৫}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''<poem>পরজীবী এইসব বুদ্ধিজীবীরা যুক্তিবাদী আন্দোলনের পক্ষে নিঃসন্দেহে ভয়াবহ বিশাল বাধা হয়ে উঠতে পারেন। কারণ পরিচিত শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ, অপরিচিত শত্রু চিরকালই ভয়াবহ।</poem>'''}}}} {{ফাঁক}}অলৌকিক ক্ষমতার দাবিদার ও জ্যোতিষীদের বিরোধিতার স্বরূপ আমাদের জানা, তাই তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করাও তুলনামূলকভাবে সহজ। কিন্তু এইসব ভণ্ড যুক্তিবাদীদের মুখোশের আড়াল সরাতে না পারলে তাদের অজ্ঞাত শত্রুরা, গোপন আঘাত আমাদের আন্দোলনকে বহুগুণ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। {{ফাঁক}}‘৮৯-এ পিপলস্ সায়েন্স কংগ্রেসের অধিবেশনে যোগদানের জন্য আমি এবং আমাদের সমিতি আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। অধিবেশনে আমাদের সমিতির বক্তব্য ছিল-বিজ্ঞান আন্দোলনের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, পরিবেশ দূষণ, জল সমস্যা, বাসগৃহ ইত্যাদি সমস্যার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে নিয়েও আমাদের সমিতি মনে করে এর সঙ্গে কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব স্বীকার করা উচিত। বিজ্ঞান আন্দোলনে যদি বিজ্ঞান মনস্কতা গড়ার আন্দোলনের, কুসংস্কার মুক্তির আন্দোলনের স্থান না থাকে, তবে সেটা আর যাই হোক, বিজ্ঞান আন্দোলন নয়। পিপলস্ সায়েন্স কংগ্রেস আন্দোলনের বিষয় হিসেবে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’কে স্থান দিয়েছেন। কিন্তু যুক্তিবাদী চেতনা গড়ার আন্দোলনকে পাশে সরিয়ে রেখে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা গড়ার আন্দোলন, গাছের গোড়া কেটে আগায় জল দেওয়ার মতোই বাতুলতা। ‘কুসংস্কার মুক্তি’ এবং ‘বিজ্ঞান-মনস্ক চেতনা’কে স্থান না দিয়ে আপনার যদি আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান, তবে সেটা হবে মেকি বিজ্ঞান আন্দোলন, বিজ্ঞান আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞান আন্দোলন। {{ফাঁক}}আমাদের বক্তব্যেরই জের টেনে বক্তব্য রাখলেন, কেরলের ‘শাস্ত্রীয় সাহিত্য পরিষদ’—এর প্রতিনিধি। কেরল শাস্ত্রীয় সাহিত্য পরিষদ কাগজে-কলমে ভারতবর্ষের বৃহত্তম বিজ্ঞান সংগঠন। তাদের প্রতিনিধি সোচ্চারে জানালেন—আমরা আপনাদের সমিতির কর্মধারা সম্পর্কে কিছু কিছু শুনেছি। আমাদের পক্ষে এক্ষুনি কুসংস্কার বিরোধী কোনও কর্মসূচি গ্রহণ করা অসম্ভব। কারণ এর দ্বারা মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।<noinclude></noinclude> 0av42vf956spzzr6qfux7sjxj4xcr6d পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৭৪ 104 848869 1991868 1983418 2026-07-31T04:09:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991868 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৭০|অলৌকিক নয় লৌকিক ২}}</noinclude>কলমের ঢাকনাটা তুলতে বিছানার দিকে হাত বাড়াতেই দেখা গেল, বিছানা থেকে কলের জলের মতো জল পড়ে অমিতের জামা-প্যাণ্ট ভিজিয়ে দিল।” {{ফাঁক}}অমিতদের ঠিক পাশেই অমিতের মামার বাড়ি। ভূতের হাত থেকে বাঁচাতে অমিতকে মামার বাড়িতে রাখা হয়। সেখানেও ভূত অমিতকে রেহাই দেয়নি। সেখানেও শুরু হয় ভূতের উপদ্রব। নানা জায়গায় রহস্যজনকভাবে জলের আবির্ভাব হতে থাকে। অমিত বাথরুমে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করেছে সবে, হঠাৎ ওর মাথার উপর কে যেন ছড়-হুড় করে জল ঢেলে দিল। অথচ বাথরুমের একটি মাত্র জানলাও তখন ছিল বন্ধ। {{ফাঁক}}এরপর অমিতকে আবার নিজের বাড়িতেই ফিরিয়ে আনা হয়। বাড়িতে অনবরত চলতেই থাকে ভূতের জল নিয়ে নানা রহস্যময় খেলা। সেদিনই রাত সাড়ে সাতটা থেকে আটটা নাগাদ গৃহ-শিক্ষক অমিতকে পড়াচ্ছিলেন। গৃহ-শিক্ষকের সামনেই অমিতের চেয়ারে হঠাৎ একগাদা জলে অবির্ভাব। সেই রাতেই বাড়ির ও পাড়ার লোকজন অমিতদের ভিতরের উঠোনে দাঁড়িয়ে জল-ভূতের বিষয় নিয়েই আলোচনা করছিলেন। ইতিমধ্যে বাড়িতে দুজন তান্ত্রিক দিয়ে তন্ত্র-মন্ত্র পুজো হয়েছে। এক ব্রাহ্মণ আট ঘণ্টা ধরে যজ্ঞও করেছেন ভূত তাড়াতে। খরচ হয়েছে প্রচুর; কিন্তু কাজ হয়নি কিছুই। এই আলোচনায় সুদীপবাবু জানান বাড়িটাই বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতদিনের বাস তুলে চলে যাবেন, সিদ্ধান্তটা প্রতিবেশীদের পছন্দ হয়নি। কয়েকজন শেষ চেষ্টা হিসেবে আমার সাহায্য নেওয়ার কথা জানান। অমিত আলোচনা শুনছিল। ও শারীরিকভাবে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করছিল। ঘটনাটা সুদীপবাবুর নজরে পড়ে। অমিতকে এক মগ জল এগিয়ে দিয়ে বলেন, “শরীর খারাপ লাগছে? চোখে মুখে জলের ছিটে দে, ভাল লাগবে।” অমিত জলের ছিটে দিয়ে সবে ঘুরেছে, অমনি কে যেন ওর মাথায় ঝপঝপ করে জল ঢেলে দিল। সারা শরীর ভিজে একশা। অবাক কাণ্ড! অথচ ওপরেও কেউ ছিলেন না। সেই মুহূর্তে সুদীপ ও অনিতা একমত হলেন—আর নয়, প্রবীরবাবু যদি কিছু করতে পারেন ভাল, নতুবা যে কোনও দামে বাড়িটা বিক্রি করে অন্য কোথাও একটা ফ্ল্যাটই নয় কিনে নেবেন। উপস্থিত প্রত্যেকেই ঘটনার আকস্মিকতার হতচকিত হয়ে পড়েছিলেন। সুদীপ, অনিতার মতামতের বিরোধিতা করতে একজনও এগিয়ে এলেন না। {{ফাঁক}}সুদীপের চিঠি ও অনিতার লিপিবদ্ধ বয়ান পড়ে ঠিক করলাম আজ এবং এখনই অমিতদের বাড়ি যাব। ‘আজকাল’—এর গাড়িতেই বেরিয়ে পড়লাম।<noinclude></noinclude> 4zf23mf8zlgp16m59f53z2s4hlqz0lg পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৯৩ 104 848912 1991869 1871337 2026-07-31T04:09:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991869 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৮৯|অলৌকিক নয় লৌকিক ২}}</noinclude>{{ফাঁক}}বললাম, “বেশ তো, যখন ইচ্ছে চলে এসো।” {{ফাঁক}}চলন্ত বাস থেকে টুক করে নেমে পড়ে রবি জানিয়ে দিয়ে গেল ও সম্পূর্ণ সুস্থ। {{ফাঁক}}২১ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রবি আবার এল। বসার ঘরে তখন মেলা ভিড়। পাক্কা তিন ঘণ্টা সকলকে নানা ধরনের ক্যারাটে আর আইকিদো দেখিয়ে জমিয়ে রেখে বিদায় নিল। যাওয়ার আগে দুটো কথা জানিয়ে গেল, এক, আগামী ব্ল্যাক বেল্টের পরীক্ষায় রবি নামছে, প্র্যাকটিসও শুরু করেছে। দুই, ৬ জুলাই তারিখেই কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হসপিটাল-এ মনোরোগ বিভাগে গিয়েছিল। ডাক্তারবাবু জিজ্ঞেস করেছিলেন, “কেমন আছ?” {{ফাঁক}}“কেমন দেখছেন?” {{ফাঁক}}“ভালই তো দেখছি।” {{ফাঁক}}“সত্যিই ভাল আছি, একদম ভাল।” {{ফাঁক}}“দিনে দিনে তো তোমার অবস্থার অবনতিই হচ্ছিল, হঠাৎ এমন আশ্চর্যজনক পরিবর্তন?” {{ফাঁক}}আমার সঙ্গে যোগাযোগ এবং আমার মানসিক চিকিৎসা পদ্ধতির পুরোটাই ডাক্তারবাবুকে জানিয়েছে রবি। {{ফাঁক}}প্রেসক্রিপশনে ডাক্তারবাবু লিখেছেন “stop medicine"। {{ফাঁক}}ইতিমধ্যে রবির কাজের একটা সুরাহা হয়েছে। রবি মাঝেমধ্যে আমার কাছে আসে। আমার সঙ্গে, আমার স্ত্রী সীমা ও আমার ছেলে পিনাকীর সঙ্গে গল্প করে। লক্ষ্য করেছি, রবি আত্মবিশ্বাসী হয়েছে। বিশ্বাস করে ও আর অপদার্থ নয়। সমাজে ওর কিছু দেওয়ার আছে। ও কারও বোঝা নয়, বরং সংসারকে সাহায্য করবে। {{ফাঁক}}রবির মুখ থেকে যে দিন ওর ব্ল্যাক বেল্ট পাওয়ার খবরটা পেলাম সেদিনস ম্ভবত রবির চেয়ে কম আনন্দ আমি পাইনি। {{ফাঁক}}মনোরোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে পরিবেশের প্রভাব আমরা অস্বীকার করতে পারি না। ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, হিংসাত্মক ঘটনাবলি, বেকারত্বের ও দারিদ্র্যের বিভীষিকা, জীবন নির্বাহে প্রতিনিয়ত ব্যয় বৃদ্ধি, ধর্ম-বর্ণ বা রাজনৈতিক অত্যাচার, ভয়, শোষণ, প্রতিবাদহীনভাবে অন্যায়কে মেনে নিতে বাধ্য হওয়া এসব থেকেও আসে মনের রোগ। আমরা মনোরোগীর<noinclude></noinclude> 52au69uzp0fc026xbcty03aza8svh3p পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৩০ 104 848924 1991537 1980589 2026-07-31T03:48:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991537 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" />{{dhr|3em}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}}} {{কেন্দ্র|{{larger|ঘটনাস্থলে}}}} {{ফাঁক}}আমরা কালী বিশ্বাস লেন দিয়ে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করলুম। {{ফাঁক}}হেমন্ত আগে সমস্ত বাড়ীখানা ঘুরে ঘুরে বেড়িয়ে দেখলে। {{ফাঁক}}তারপর মতিবাবুর শয়ন-গৃহের সামনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ররারের জুতোর ছাপটা লক্ষ্য করলে। মাষ্টিফ-কুকুরটা আমাদের দেখে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল এবং মাঝে মাঝে গর্জ্জন করতে লাগল। {{ফাঁক}}ঘরের ভিতর ঢুকে দেখলুম, মতিবাবুর মৃতদেহটা। {{ফাঁক}}হেমন্ত লাসের পাশে ব’সে প’ড়ে বললে, “মিঃ দত্ত, আপনি তো ডাক্তার। আপনার কি বিশ্বাস? মতিবাবুকে কেউ কি গলা টিপে মেরে ফেলেছে?” {{ফাঁক}}-“তা ছাড়া আর কি বলি বলুন?” {{ফাঁক}}—“তাহ’লে ওঁর গলার ওপরে ঐ নীল দাগটা কিসের? ওটা তো আঙুলের দাগ নয়! হঠাৎ দেখলে মনে হয়, যেন ওটা কোন স্বচ্ছ ব্যাণ্ডেজ। আঙুলের দাগ ও-রকম হয় না।” {{ফাঁক}}—“আমার বোধহয় আঙুলের দাগ মিলিয়ে গিয়েছে। ওটা কালশিরার দাগ।” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|২৮}}</noinclude> sw97ncmk0f922kjr6xudqa7whyiwvj3 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৪৭ 104 849055 1991874 1985008 2026-07-31T04:09:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991874 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||ঈশ্বরের ভর|৩৪৩}}</noinclude>মন্ত্রসহ নাচানাচি শুরু করল। {{ফাঁক}}গম্ভীর গলায় মেয়েটি জানাল, সে ভূত নয়, ভগবান, সে ‘বড়ি-মা’ অর্থাৎ মা দুর্গা। ওঝা ওর সামনে বেয়াদপি করলে শাস্তি দেবে। ওঝা অমন অনেক দেখেছে। ভূতের ভয়ে পালাবার বান্দা সে নয়। সে তার মতো মন্ত্র-তন্ত্রে পাঠ চালিয়ে যেতে লাগল। মন্ত্র পড়া সরবের কিছুটা কাঠকয়লার আগুনে আর কিছুটা মেয়েটির গায়ে ছুড়ে মারতেই মেয়েটি অগ্নিকুণ্ড থেকে টকটকে লাল একমুঠো জ্বলন্ত কাঠ কয়লা হাতে তুলে নিয়ে ওঝাকে বলল, “এই নে ধর প্রসাদ।” ওঝার হাতটা মুহূর্তে টেনে নিয়ে ওর হাতে উপুড় করে দিল জ্বলন্ত কাঠকয়লাগুলো। {{ফাঁক}}তাপে ও যন্ত্রণায় তীব্রতায় ওঝা চিৎকার করে এক ঝটকায় কাঠকয়লা উপুড় করে ফেলে দিল। মেয়েটি কিন্তু নির্বিকার। তার চোখে-মুখে যন্ত্রণার সামান্যতম চিহ্ন লক্ষ্য করা গেল না। এমনকী, হাতে ফোস্কা পর্যন্ত নয় উপস্থিত প্রতিটি দর্শক হতচকিত, বিস্মিত। এ মেয়ে ‘বড়ি-মা’ না হয়েই যায় না। প্রথমেই নতজানু হয়ে মার্জনা ভিক্ষা করল ওঝাটি। তার বশ্যতা স্বীকারে প্রত্যেকেরই বিশ্বাস দৃঢ়তর হল। {{ফাঁক}}মেয়েটি তার মা-বাবাকে নাম ধরে সম্বোধন করে জানাল, “আমার কাছে মানত করেও মানত রাখিসনি বলে আমি নিজেই এসেছি।” {{ফাঁক}}মা-বাবা ভয়ে কেঁপে উঠলেন, মানত করে মানত না রাখতে পারার কথাও তো সত্যি। মা-বাবা মেয়ের পায়ের ওপর উপুড় হয়ে পড়লেন। মেয়েটি রাতারাতি ‘বড়ি-মা’ হয়ে গেল। আশপাশের গ্রামগুলো থেকে দলে দলে মানুষ বড়ি-মা’—র দর্শনের আশায়, কৃপালাভের আশায়, সমস্যা সমাধানের আশায় রোগ-মুক্তির আশায় হাজির হতে লাগলেন। কিশোরীটির ব্যবহারে অদ্ভুত একটা পরিবর্তন এসে গেছে। কেউ জুতো পায়ে, লাল পোশাক পরে বা চশমা পরে ঢুকতে গেলেই ভর্ৎসনা করছে। বড়দেরও নানা ধরনের আদেশ করছে। ভক্তরা ফল, ফুল, মেঠাইয়ে ঘর ভরিয়ে তুলতে লাগলেন। শঙ্খ-ঘণ্টা বাজিয়ে ধূপ-দীপ জ্বালিয়ে চলতে লাগল বড়ি-মার পুজো। এরই মধ্যে বড়ি-মার কিছু সেবিকাও জুটে গেছে। বড়ি-মার আবির্ভাবের দিন দুয়েকের মধ্যে এক বয়স্কা বিবাহিতা সেবিকা ঘন ঘন ফিট হতে লাগলেন। এক সময় বড়ি-মার মতন মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে ঘোষণা করলেন তিনি ‘ছোটি-মা’। একই ঘরে দু-মায়েরই পুজো শুরু হয়ে গেল। {{ফাঁক}}কিশোরী ও বিবাহিতা মহিলার ওপর বড়ি-মা ও ছোটি মা-র ভরের কাহিনি<noinclude></noinclude> ff1r08zmjn5lk2o6k4ow0iqopdo95ng পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/২৯ 104 849202 1991854 1846622 2026-07-31T04:08:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991854 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|২৩}}</noinclude>সব সময়ই ওয়াকিবহাল। বিভিন্ন আন্দোলনের গত-প্রকৃতি বুঝে তাকে রুখতে সরকার হাজির করে নানা কৌশল। {{ফাঁক}}এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য কৌশল হলো, সাধারণ মানুষের চিন্তাধারাকে নিজের প্রয়োজনীয় খাতে বইয়ে নিয়ে যাওয়া। {{ফাঁক}}মানুষের চিন্তাধারাকে কোনও একটা বিশেষ খাতে বওয়াতে, চিন্তার কোনও বিশ্বাসকে স্থায়ীভাবে গাঁথতে যে পদ্ধতিটি এখনও সবচেয়ে বেশি সফল বলে স্বীকৃত, তা হল অসীম ধৈর্যের সঙ্গে সুযোগ পেলেই মিথ্যেকেই বার বার নানা ভাবে বিশ্বাসযোগ্য করে পরিবেশন করতে থাকা। সফল রাজনীতিকদের এসব বিষয় জানতে হয়, নইলে শিল্পপতিদের কাছে কলকে পাওয়া যায় না। ওরা ধৈর্য ধরে সুযোগ বুঝে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে জনসাধারণকে মাঝে মধ্যেই জানাতে থাকে ওদের জ্যোতিষ-বিশ্বাস ঈশ্বর বিশ্বাস ও অলৌকিক ক্ষমতাবান ধর্মগুরুদের প্রতি বিশুদ্ধ ভক্তির কথা। এতে কিছু কিছু ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ধর্মগুরুর শিষ্যদের ভোট প্রভাবিত হয়, জনসাধারণের মধ্যে জ্যোতিষ ও ভাগ্য-নির্ভরতা বাড়তে থাকে। কর্মফলে বিশ্বাস, ঈশ্বরনির্ভরতা, গুরুনির্ভরতা ইত্যাদি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাস হ্রাস পেতে থাকে। {{কেন্দ্র|{{larger|'''<poem>আত্মবিশ্বাসহীন মানুষ আত্মনিবেদন করতে জানে, আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে দুঃখ ও বঞ্চনাকে ভুলতে জানে, কিন্তু লড়াকু হতে জানে না। যে মানুষ লড়াকু নয়, তাকে আবার ভয় কী?</poem>'''}}}} {{ফাঁক}}মার্কসবাদের সঙ্গে অপরিক্ষিত এবং শুধুমাত্র বিশ্বাসনির্ভর জ্যোতিষশাস্ত্রের চূড়ান্ত বিবাদ থাকলেও কিছু কিছু মার্কসবাদী মন্ত্রী কিন্তু জ্যোতিষীদের সম্মেলনে হাজির হন প্রধান অতিথি, সভাপতি ইত্যাদি হয়ে। ওইসব সম্মেলনে শুভেচ্ছা বাণী পাঠান। মেহনতি মানুষের বন্ধু ওইসব মার্কসবাদী দলগুলো তাদের দলের মন্ত্রীদের এমন মার্কস-বাদ-ই কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার ফতোয়া জারি করেন না কেন? কেন এমন অদ্ভুত আচরণ? ওইসব কার্যকলাপ কি শুধুই মন্ত্রীদের ব্যক্তিগত চ্যুতি বা নীতিভ্রষ্টতার নিদর্শন? না কি ক্ষমতার শাঁসে-জলে থাকার পরিণতিতে সাধারণ মানুষের চেতনাকে অদৃষ্টবাদী করে তোলার কূট কৌশল? {{কেন্দ্র|{{larger|'''<poem>একটু তলিয়ে দেখলেই দেখতে পাবেন ওইসব তথাকথিত অদৃষ্টবাদে বিশ্বাসী রাজনৈতিক নেতারা প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণ অদৃষ্টবাদ বিরোধী চরম বাস্তববাদী। ‘ভাগ্যে যা লেখা আছে তা-ই হবে’, বলে কোনও রাজনৈতিক নেতা বা দলই নির্বাচনের লড়াইয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকে না।</poem>'''}}}} {{nop}}<noinclude></noinclude> 3pbrmpxydi9oqn45id8vtm0c64cp8lk পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৮ 104 849802 1991603 1980994 2026-07-31T03:50:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991603 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>হয়, তার সম্পূর্ণ ইতিকথা যদি কোনদিন প্রকাশিত হয়, তাহলে সভ্যতা-গর্বী মানুষের গর্ব করবার কিছু থাকবে না। {{ফাঁক}}সৌভাগ্যের বিষয় সেই শ্বেতাঙ্গ জাতির মধ্যেই এমন এক-আধজন লোক মাঝেমধ্যে জন্মগ্রহণ করেছেন, যাঁদের বিবেকে তাঁদের স্বজাতির দ্বারা অনুষ্ঠিত এই সব অনাচার প্রবলভাবে আঘাত করেছে এবং তার ফলে তাঁরা সেই অনাচারের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছেন। সাহিত্যিকদের মধ্যেও এই ভাবে দু’একজন প্রতিভাশালী লেখক জন্মগ্রহণ করেছেন, যাঁরা এই প্রবলের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নিজেদের লেখনীকে চালনা করেছেন। তার জন্যে সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের কাছ থেকে তাঁদের কম লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয় নি। স্বভাবতই সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র এই ধরণের প্রতিভাকে বিশেষ সমাদরে গ্রহণ করতে পারে নি এবং তার কলঙ্ক-কাহিনী যাতে জগতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্যে তাকে রীতিমত সতর্ক থাকতে হয়েছে। সেইজন্যেই এই জাতীয় বই সাম্রাজ্যবাদী-শাসিত জগতে বিশেষ প্রচারের সুযোগ পায় নি। {{ফাঁক}}‘বাতোয়ালা’ সেই জাতীয় একখানি ফরাসী উপন্যাস। সাহিত্য হিসাবে এই বইখানি ১৯২১ সালে সেই বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ পুস্তকরূপে ফরাসী সাহিত্যে স্বনামখ্যাত গোঁকুর পুরস্কার পায়। সম্পূর্ণ এক নতুন ভঙ্গীতে রেনে মারাঁ এই উপন্যাসখানি রচনা করেন। ভাষা ও ভঙ্গীর দিক থেকে ফরাসী গদ্যসাহিত্যে এই<noinclude>{{c|৩}}</noinclude> 1v4kqth40koay379k6qw0fqxb4kx5a6 পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২০ 104 849980 1991587 1974370 2026-07-31T03:48:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991587 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh||প্রথম সর্গ|৩}}</noinclude>{{ফাঁক}}তিনি রাজগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হইয়াও সৈন্য রাখিতেন। সতত দানশীল হইয়াও অহংকারী ছিলেন না। অধীশ্বর হইয়াও সর্বদা সমদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সৌম্যস্বভাব হইলেও মহাশক্তিশালী ছিলেন ॥১০॥<ref>ইহার আক্ষরিক অনুবাদ: “তিনি ভূভৃদ্ গণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হইয়াও পক্ষযুক্ত ছিলেন, তাঁহার দান নিয়ত প্রবৃত্ত হইলেও তিনি মদযুক্ত ছিলেন না। তিনি ঈশ হইয়াও সমদৃষ্টিসম্পন্ন এবং শান্ত প্রকৃতি হইয়াও মহাপ্রতাপশালী ছিলেন।”<br/> {{ফাঁক}}এই শ্লোকের মধ্যে কতকগুলি দ্ব্যর্থযুক্ত শব্দ আছে; যথা ভূভৃদ্ = পর্বত ও রাজা। পক্ষ = পাখা ও সৈন্য, সহায়। দান = মদ (হস্তীর গণ্ড হইতে ক্ষরিত) ও দান। ঈশ = শিব ও ঐশ্বর্যশালী। সমদৃষ্টি = যুগ্মলোচন, সমদর্শী। প্রতাপ = উত্তাপ ও শক্তি। সেইজন্য ইহার আর এক অর্থ হয়:<br/> {{ফাঁক}}"তিনি পর্বতগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হইয়াও পক্ষধারী ছিলেন। তাঁহার মদ নিয়ত নির্গত হইলেও তিনি মদযুক্ত ছিলেন না। তিনি শিব হইয়াও যুগ্মচক্ষুসম্পন্ন ছিলেন এবং শান্ত প্রকৃতি হইয়াও অত্যন্ত উত্তাপ দান করিতেন।<br/> {{ফাঁক}}এইভাবে অর্থ করিলে বাক্যগুলির অর্থে বিরোধ বা অসংগতি দৃষ্ট হয়। কিন্তু পূর্বোক্তরূপ অর্থ করিলে বিরোধ বা অসংগতি থাকে না। সংস্কৃতে ইহাকে বলে বিরোধাভাস অলংকার।</ref> {{ফাঁক}}তাঁহার বাহুদ্বারা অভিহত হইয়া, সমরাঙ্গনে পতিত শত্রুপক্ষীয় গজরাজগণের মস্তক হইতে বহুল পরিমাণ মুক্তা স্খলিত হওয়ায় মনে হইত, যেন ঐ গজসমূহ পুষ্পাঞ্জলির দ্বারা তাঁহাকে ভক্তিভরে প্রণাম করিতেছে ॥১১॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> d2msf12j8gn8h9tpsj3e8nxzj7wz2a0 1991875 1991587 2026-07-31T04:09:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991875 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh||প্রথম সর্গ|৩}}</noinclude>{{ফাঁক}}তিনি রাজগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হইয়াও সৈন্য রাখিতেন। সতত দানশীল হইয়াও অহংকারী ছিলেন না। অধীশ্বর হইয়াও সর্বদা সমদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সৌম্যস্বভাব হইলেও মহাশক্তিশালী ছিলেন ॥১০॥<ref>ইহার আক্ষরিক অনুবাদ: “তিনি ভূভৃদ্ গণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হইয়াও পক্ষযুক্ত ছিলেন, তাঁহার দান নিয়ত প্রবৃত্ত হইলেও তিনি মদযুক্ত ছিলেন না। তিনি ঈশ হইয়াও সমদৃষ্টিসম্পন্ন এবং শান্ত প্রকৃতি হইয়াও মহাপ্রতাপশালী ছিলেন।”<br/> {{ফাঁক}}এই শ্লোকের মধ্যে কতকগুলি দ্ব্যর্থযুক্ত শব্দ আছে; যথা ভূভৃদ্ = পর্বত ও রাজা। পক্ষ = পাখা ও সৈন্য, সহায়। দান = মদ (হস্তীর গণ্ড হইতে ক্ষরিত) ও দান। ঈশ = শিব ও ঐশ্বর্যশালী। সমদৃষ্টি = যুগ্মলোচন, সমদর্শী। প্রতাপ = উত্তাপ ও শক্তি। সেইজন্য ইহার আর এক অর্থ হয়:<br/> {{ফাঁক}}“তিনি পর্বতগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হইয়াও পক্ষধারী ছিলেন। তাঁহার মদ নিয়ত নির্গত হইলেও তিনি মদযুক্ত ছিলেন না। তিনি শিব হইয়াও যুগ্মচক্ষুসম্পন্ন ছিলেন এবং শান্ত প্রকৃতি হইয়াও অত্যন্ত উত্তাপ দান করিতেন।<br/> {{ফাঁক}}এইভাবে অর্থ করিলে বাক্যগুলির অর্থে বিরোধ বা অসংগতি দৃষ্ট হয়। কিন্তু পূর্বোক্তরূপ অর্থ করিলে বিরোধ বা অসংগতি থাকে না। সংস্কৃতে ইহাকে বলে বিরোধাভাস অলংকার।</ref> {{ফাঁক}}তাঁহার বাহুদ্বারা অভিহত হইয়া, সমরাঙ্গনে পতিত শত্রুপক্ষীয় গজরাজগণের মস্তক হইতে বহুল পরিমাণ মুক্তা স্খলিত হওয়ায় মনে হইত, যেন ঐ গজসমূহ পুষ্পাঞ্জলির দ্বারা তাঁহাকে ভক্তিভরে প্রণাম করিতেছে ॥১১॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> obu2cozmpn6jxd7xoy1m6lrn56s0vnr পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৮৭ 104 850001 1991742 1872790 2026-07-31T04:04:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991742 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ADITIMANNA" />{{কেন্দ্র|সা হি ত্য{{gap|1em}}স মা লো চ না{{gap|1em}}প্র স ঙ্গ}}</noinclude>নয়) ভাবতে পারলেন কল্পনা করতেও আমার বিস্ময়ের সীমা থাকছে না। {{ফাঁক}}লেখক কে? পিতার মতো যিনি দেশের মানুষকে সন্তানের মতো জীবনাদর্শ বুঝিয়ে শিখিয়ে পড়িয়ে মানুষ করার ব্রত নিয়েছেন। পিতার মতো, গুরুর মতো জীবনের নিয়ম অনিয়ম, বাঁচার নিয়ম অনিয়ম শেখান বলেই অল্পবয়সী লেখক-শিল্পীও জাতির কাছে পিতার মতো, গুরুর মতো সম্মান পান। দেশের মানুষের মন যোগাতে চেয়েছিল বলে কি আমাদের কিশোর কবি সুকান্তকে দেশের বালবৃদ্ধবণিতা এত ভালোবাসে এত সম্মান করে? দেশের মানুষকে সন্তানের মতো দেখে কাব্যের মারফতে তাদের মানুষ করার ব্রত নিয়েছিল বলেই কিশোর কবিকে জাতি পিতার আসনে বসিয়েছে। {{ফাঁক}}এটাই আসল কথা। দেশের লোকের সস্তা খাতিরকে লেখক-শিল্পী খাতির করেন না। দরকার হলে দেশের মানুষকে কান মলে শাসন করার অধিকার খাটাতে লেখক-শিল্পীর দ্বিধা বা ভয় হবার কথা নয়। তেতো ওষুধ খেতে পচ্ছন্দ করবে না বলে বাপ কি রুগ্ন শিশুকে ওষুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকেন? নানাভাবে মন ভুলিয়ে ধমক দিয়ে শাসন করে ওষুধ খাওয়ান। {{ফাঁক}}কাজেই বাংলার লেখকদের “অভিজ্ঞতার শিক্ষা” “মনস্তত্ত্বগত” কারণে তাঁদের সৃষ্টিতে কতকগুলি বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘট। প্রভৃতি বিচার অচ্যুতবাবু যে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে<noinclude>{{c|৮৩}}</noinclude> s4qwblmu16dp06g5udoghxgjb3xlfx3 পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৮৮ 104 850004 1991743 1986594 2026-07-31T04:04:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991743 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ADITIMANNA" />{{কেন্দ্র|লে খ কে র{{gap|1em}}ক থা}}</noinclude>করেছেন তা সঠিক ধরে নিলে বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশান্বিত হবার বদলে চরম হতাশা জাগাই স্বাভাবিক। {{ফাঁক}} অচ্যুতবাবুর আঙ্গিকের বিচারও ত্রুটিপূর্ণ। {{ফাঁক}}‘ইতিকথার পরের কথা’র চরিত্রগুলি ‘আধা-নিউরোটিক কৃষক’ আর ‘পুরো নিউরোটিক জমিদার-নন্দন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে কিনা—লেখকের নীরব থাকার নীতি অনুসরণ করেই যে আমি এ বিষয়ে কিছু বলবো না তা নয়, বলবার ক্ষমতা আমার নেই। কিন্তু আঙ্গিক বিচারের যে নীতি অচ্যুতবাবু এখানে তুলে ধরেছেন আমি সেটা ভুল মনে করি। {{ফাঁক}}অচ্যুতবাবু বলেছেন, “বৃহত্তর জীবন-সত্যকে রূপায়িত করতে হলে জীবনের খণ্ড খণ্ড অংশ একত্র করলেই চলবে না।······ খণ্ডগুলিকে সমন্বিত করে এমন একটা সামগ্রিক রূপ দিতে হবে যাতে এই সামগ্রিকতা যে কোন খণ্ড অংশকে অতিক্রম করে যাবে।” {{ফাঁক}} তাঁর মতে, জীবনের খণ্ডিত অংশগুলি সমন্বিত করে তাতে এই সামগ্রিকতা না-দেওয়ার কৌশল কেবল সমাজের সংকীর্ণ ক্ষয়িষ্ণু একটা অংশের জীবন-সত্যকে (বাংলার মধ্যবিত্ত) রূপ দেওয়ার পক্ষে ‘অদ্ভুত উপযোগী'। জীবনের খণ্ড খণ্ড অংশ একত্রিত করে এই সামগ্রিকতা এনে দেওয়া বা না দেওয়াটা কি ব্যাপার? আমি তো জানি জীবনের খণ্ড খণ্ড অংশ বাছাই করে শিল্পকলা খাটিয়ে<noinclude>{{c|৮৪}}</noinclude> l36ssd24xkb3archqx406ueiq2jst09 পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৩১ 104 850133 1991604 1850171 2026-07-31T03:50:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991604 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>যদি কোথাও কোন গোলমাল থাকে, তবেই তাকে মানুষ ঢেকে রাখতে চেষ্টা করে। নইলে, পুরুষই হোক, আর নারীই হোক্, যা তার স্বাভাবিক, যা তার প্রকৃতিগত শক্তি, যা তার সৌন্দর্য, তাকে সে লুকোতে যাবে কেন? হাঁ, এমন যদি কোন উদ্ভট জিনিস থাকে, যা দেখে মানুষ হাসতে পারে বা উপহাস করতে পারে, তা না হয় লুকোন চলে! {{ফাঁক}}বাতোয়ালা খেতে আরম্ভ করে··· কাসাভা-দানার ভাত শেষ ক’রে গুটি-পোকার ঝোলের বাটিতে হাত দেয়···গুটি পোকা নিঃশেষ করে শেষকালে মুখে দেয় আলু সেদ্ধ। দু’তিন গ্রাস খাদ্যের পর এক-একবার ‘কেনে’র ভাঁড় তুলে নিয়ে চুমুক দেয়··· ‘কেনে’ হলো তাদের দেশের “বিয়ার”, ভুট্টার বীচি পচিয়ে তৈরী করা হয়। {{ফাঁক}}পরিতৃপ্তভাবে ভোজন শেষ করে বাতোয়ালা ইয়াসী গুইন্দজাকে ঈঙ্গিত করে, তামাকের হুঁকাটা আবার তার কাছে এগিয়ে দেবার জন্যে। মৌজ করে বসে অনেকক্ষণ ধ’রে গড়গড়াটি নিয়ে টানের পর টান দিতে থাকে। দিনটার আরম্ভ মন্দ গেল না, খুসী হয়েই হুঁকোটা নামিয়ে রেখে দেয়। তারপর পা ছড়িয়ে ডান পায়ের আঙুলগুলো নেড়ে-চেড়ে পরীক্ষা ক’রে দেখে, ‘সিগ্‌ড়ে’ অর্থাৎ পোকা-মাকড় কিছু আছে কিনা। এই সিগ্‌ড়ের উৎপাতের জন্যে বেচারা নিগ্রোদের সর্বদাই উদ্‌ব্যস্ত হয়ে থাকতে হয়। একদিন যদি অন্যমনস্ক হয়ে পায়ের<noinclude>{{c|২৬}}</noinclude> iaczahck54s819d8lonksm62pshf7du পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৫ 104 850227 1991738 1982979 2026-07-31T04:04:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991738 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|লে খ কে র স ম স্যা}}</noinclude>{{ফাঁক}}বাংলার পাঠকশ্রেণী নানা স্তরে ভাগ করা। বাংলা সাহিত্যের সমগ্র রূপটাও তাই অতি বিচিত্র। চালু সাময়িক পত্রিকাগুলি একসঙ্গে মিলিয়ে দেখলেই এই বিচিত্র রূপ ধরা পড়বে। এই কারণেই সেকেলে ধাঁচের লেখা থেকে প্রগতিশীল লেখা পর্যন্ত পাঁচমিশেলী লেখা যে পত্রিকায় মেলে তার বিক্রিই সবচেয়ে বেশি! {{ফাঁক}}বাংলার পেশাদার সাহিত্যিকের অবস্থাটা কি দাঁড়ায়? আগেই বলেছি সাময়িকপত্রের দক্ষিণা সামান্য। টাকার জন্য তাই অনেকগুলি কাগজে তাকে লিখতে হবে। বই বিক্রি হয় কম—সুতরাং বেশি বইও তাকে লিখতে হবে। {{ফাঁক}}দু’দিক দিয়ে তার ফল হবে মারাত্মক। {{ফাঁক}}নাম আছে সুতরাং কাগজের মালিকের কথা না ভাবলেও চলে—কিন্তু ওই যে পাঁচখানা কাগজের পাঁচরকম রুচির পাঠক পাঠিকা, তাদের রুচির কথা না ভাবলে তো চলবে না! পাঁচরকমের পাঁচমিশেলী লেখার খিচুড়ি সাহিত্যে বোঝাই পত্রিকাটির বিক্রির মধ্যে যে বাস্তব সত্যের প্রকাশ তাকে খাতির না করলে অর্থাৎ বেশি সংখ্যক লোকের কাছে রুচিকর হয়, খানিকটা এই ধরনের বই না লিখলে তো চলবে না! {{ফাঁক}}ব্যস্, খতম হয়ে গেল লেখকের স্বাধীন সৃষ্টির স্বাধীনতা! {{ফাঁক}}এই গেল ক্রেতা বাড়াবার জন্য নিজের চেতনা ও প্রতিভার যোগ্য ব্যবহার ছাঁটাই করার দিক! অন্য দিকটা হলো বেশি বেশি লিখতে বাধ্য হওয়ার দিক। {{nop}}<noinclude>{{c|৪১}}</noinclude> lchv3q25zfuirilzfwoyy4n6xwtlvge পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৬ 104 850228 1991739 1850041 2026-07-31T04:04:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991739 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|লে খ কে র ক থা}}</noinclude>{{ফাঁক}}হলেন বা নাম-করা লেখক, নতুন চিন্তা আর অভিজ্ঞতার কতই বা তার পুঁজি! পুঁজি খরচ করে বই লিখে তবেই তো নাম-করা লেখক হয়েছেন! পুঁজি ফুরিয়ে গেলে উপায়? পুঁজি বাড়াবার উপায় নেই, বেশি লিখে নতুন চিন্তা ও অভিজ্ঞতার পুঁজি সঞ্চয় করার সময় কই! {{ফাঁক}}অগত্যা বলা কথাই আবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নতুনভাবে বলার চেষ্টা। {{ফাঁক}}ব্যস্, খতম হয়ে গেল সাহিত্য সাধনা। {{ফাঁক}}‘পেশাদার’ সাহিত্যিক বলে তাই কোন জীব হয় না। যে ‘পেশাদার’ সে সাহিত্যিক নয়। পৃথিবীর সর্বত্র এই নিয়ম।যে দেশে প্রচুর সাহিত্য বিক্রি হয়, নাম হলে লেখকের জীবিকার চিন্তা করতে হয় না—বাংলা দেশের সাহিত্যিকের সঙ্গে সে দেশের সাহিত্যিকের তফাত শুধু এই যে, পেটের চিন্তায় বিব্রত না হয়ে অকাজে সময় নষ্ট না করে সাহিত্যিক সাহিত্য-সাধনা চালিয়ে যেতে পারেন। {{ফাঁক}}টাকার জন্য লিখলে সে দেশের সাহিত্যিকের ও সাহিত্যের অপমৃত্যু অবধারিত। সাহিত্য সৃষ্টি করে যে অর্থ মেলে তাতে সন্তুষ্ট না থেকে বেশি টাকা চাওয়া মানে এ ক্ষেত্রেও ক্রেতার মন যোগানো এবং বেশি লেখা। {{ফাঁক}}বহুদিন ধরে অনেক বই লেখার পর পুরানো বইয়ের নতুন নতুন সংস্করণ হওয়া, সিনেমা রাইট বিক্রি হওয়া ইত্যাদি কারণে কোন বিশেষ সাহিত্যিকের ক্ষেত্রে হয়তো<noinclude>{{c|৪২}}</noinclude> ljty07f39xs19ntwzcinugns24vnh55 পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৩ 104 850281 1991740 1906486 2026-07-31T04:04:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991740 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|প্র তি ভা}}</noinclude>{{ফাঁক}}মানুষের সমাজে নিজেদের আজ মানুষ বলেই ভাবতে হবে, প্রতিভাকে দেখতে হবে প্রতিভা বলেই। আজ তাই লেখক-কবির পক্ষেও দরকার হয়ে পড়েছে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি নিয়ে নিজেকে আর নিজের প্রতিভাকে যাচাই করা—সত্য যেমনি হোক অভিমানে কাতর না হয়ে তা মেনে নিতে হবে। মাথা নিচু করে এই মূল সত্যটিকে মেনে নিতে হবে যে, কবিতা লেখাও কাজ, ছবি আঁকাও কাজ, গান করাও কাজ, চাকা ঘোরানোও কাজ, তাঁত চালানোও কাজ এবং কাজের দক্ষতা শুধু কাজেরই দক্ষতা—মানুষ হয়ে জন্মে কারো সাধ্য নেই অমানুষিক প্রতিভার পরিচয় দিয়ে অতিমানব হয়ে যাবে। কি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি! {{ফাঁক}}তবে হ্যাঁ, কাজের তারতম্য আছে। দক্ষতারও তারতম্য আছে। শুধু এইটুকু। {{ফাঁক}}প্রতিভা ওই দক্ষতা অর্জনের বিশেষ ক্ষমতা। আর কিছুই নয়। {{ফাঁক}}কোন বিশেষ প্রতিভা নিয়ে কেউ জন্মায় না। ভ্রূণে প্রতিভার বীজ—অর্থাৎ বিশেষ দক্ষতার জন্য বিশেষ শক্তি অর্জনের যে ভবিষ্যৎ পরিণতি তার সম্ভাবনা—থাকতে পারে কিন্তু ওটা নিছক বীজ। এবং এমনই বীজ যে তা কোন্ নির্দিষ্ট গাছে পরিণত হবে সেটা অনির্দিষ্টই থাকে। সাধারণ গাছের বেলায় তা অনির্দিষ্ট নয়,—বীজটা বট গাছেরই তবে কিনা দেখে চিনতে পারা যাচ্ছে না। প্রতিভার বেলায় অন্য। সে বীজ থেকে যে-কোন গাছ হতে পারে।<noinclude>{{c|৪৯}}</noinclude> gniz08hgpzdtdroojebys55iao2mfxb পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৩৪ 104 850287 1991605 1850201 2026-07-31T03:50:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991605 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>{{ফাঁক}}আরে শুধু পা-ই বা কেন? ওদের সারা গা বোধ হয় ঘেয়ো···রাতদিনই ঢেকে রাখে। গা থেকে যেন মড়ার গন্ধ বেরুচ্ছে। {{ফাঁক}}তাও না হয়, সহ্য করা যায় কিন্তু দোহাই ভগবান্, ভগবানের দেওয়া চোখ দুটোও সব সময় ঢেকে রেখেছে, শাদা, হল্‌দে, নীল কত রকমের কাঁচ দিয়ে! তাতেও কি ক্ষান্ত থাকে? কোথাও কিছু নেই, সারা মাথাটা নানান রকমের ছোট ছোট চুবড়ী দিয়ে ঢেকে রাখে! আশ্চর্য! {{ফাঁক}}পায়ের আঙুলের পোকা বাছতে বাছতে বাতোয়ালা আপনার মনে ভেবে চলে··· মাঝে মাঝে ঘাড় মুখ বেঁকিয়ে খানিকটা থুতু ফেলে যেন ভেতরকার কতকটা ঘৃণা সেইভাবে বেরিয়ে গেল! {{ফাঁক}}সত্যিই, এই সাদা লোকগুলোকে সে অন্তর থেকে ঘৃণা করে। ভয়ও করে। তারা অতিরিক্ত ধূর্ত। তারা জানে না, এমন কিছুই পৃথিবীতে নেই, সেইজন্যেই তাদের এত ভয় করে। ইদানীং এই শাদা লোকগুলোর মধ্যে কেউ কেউ, তাদের দেশ ফ্রান্স থেকে, কাঠের তৈরী একটা আশ্চর্য যন্ত্র নিয়ে এসেছে, তার ভেতর থেকে ঠিক এই শাদা লোকগুলোর মতন কারা সব কথা বলে, গান গায়। বাতোয়ালা ভেবেই ঠিক করে উঠতে পারে না, কি করে তা সম্ভব হয়, আর কেনই বা হয়? {{ফাঁক}}তা ছাড়া, সে নিজের চোখে দেখেছে, ওরা খাবার-টেবিলে<noinclude>{{c|২৯}}</noinclude> l1a5o17blm781xbqoleisrjolcelbp6 পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৩৫ 104 850298 1991606 1850214 2026-07-31T03:50:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991606 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>বসে, ছুরি···হাঁ, ছুরি পর্যন্ত গিলে খায়! {{ফাঁক}}এ নিয়ে তর্ক করে কোন লাভ নেই! এ অঞ্চলে হেন লোক নেই, যে সেই ভয়ঙ্কর শাদা লোকটার নাম না জানে··· মারো কাম্‌বা, যে লোকটা আগুন দিয়ে বান্‌ডাদের ঘর দোর সব জ্বালিয়ে দিয়েছিল··· কে না জানে যে মারো–কাম্‌বা যে-সে সেনাপতি নয়, সে রীতিমত তলোয়ার গিলে খেতে পারতো? {{ফাঁক}}তাছাড়া ওদের অনেকের কাছেই এমন এক অদ্ভুত যন্ত্র আছে, যা চোখে লাগিয়ে ওরা বারাণ্ডাতে বসেই বহু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায়···ঘরে বসেই ওরা দেখতে পায় দূরে বহুদূরে চোখের আড়ালে কি সব ঘটছে···আশ্চর্য নয়? ভয় না করে উপায় কি? {{ফাঁক}}হাঁ···আর একটা ব্যাপার ওদের ভেতর যারা ওঝা···তাদের ওরা বলে “ডক্‌তোরো”...সেই ডক্‌তোরোগুলো কি সাংঘাতিক লোক···যদি ইচ্ছে করে তোমাকে দিয়ে নীলজল প্রস্রাব করিয়ে দিতে পারে! হাঁ নীল সত্যিকারের নীলজল! {{ফাঁক}}কিন্তু···তার চেয়েও ভয়ঙ্কর আর এক ব্যাপার আছে। {{ফাঁক}}কিছুদিন আগে, ফ্রান্স থেকে যে নতুন সেনাপতি এসেছে, সবাই দেখেছে, সে হাসতে হাসতে নিজের হাত থেকে এক পুরু চামড়া তুলে পকেটে রেখে দিল! যদিও সেটা ঠিক, তার, গায়ের সেটা চামড়ার মতন দেখতে নয়···কিন্তু, তাতে কি যায় আসে? যে আসল চামড়া, তাতে কোন সন্দেহ নেই! আসল ব্যাপার<noinclude>{{c|৩০}}</noinclude> 1bwyg4y4a45iqk7jd0mdcmdyt0sazjd পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৩৬ 104 850304 1991607 1850436 2026-07-31T03:50:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991607 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>হলো, লোকটা যন্ত্রনায় একটুখানিও মুখ বেঁকালো না···হাসতে হাসতে এক পুরু চামড়া খুলে ফেল্লো! {{ফাঁক}}দরকার হলে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজের দাঁত পর্যন্ত খুলে ফেলে সামনে রেখে দেয়। শুধু কি দাঁত, এক একটা চোখও তারা হাসতে হাসতে খুলে সামনে রেখে দেয়, আবার দরকার হলে লাগিয়ে নেয়। কি সাংঘাতিক লোক ওরা! {{ফাঁক}}না, তাদের কোন ওঝাই আজ পর্যন্ত এ-রকম যাদু দেখাতে পারে নি। এ-রকম যাদু-শক্তি তাদের কোন ওঝারই নেই। ভাবতে ভাবতে ঘৃণার পরিবর্তে এক সভয় শ্রদ্ধা তার মনে জেগে উঠতে থাকে··· {{ফাঁক}}সূর্য তখন ঠিক মাঝ-আকাশে এসে দাঁড়িয়েছে। যথারীতি সে-সংবাদ ঘোষণা ক’রে ডেকে উঠে কালো পাখীর দল। সমস্ত প্রকৃতি রোদে ঝিম্ হ’য়ে নীথর পড়ে আছে। যেন সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। সব কিছুই ঘুমিয়ে পড়েছে। লম্বা—শীষ-ওয়ালা ঘন ঘাসের বন নিশ্চল দাঁড়িয়ে আছে, এতটুকু বাতাসের চিহ্ন তাদের অঙ্গে ধরা পড়ে না। শুধু তিনবার মাত্র, ঠিক এমনি দুপুরের সময় রোজ কোন্ রহস্যলোক থেকে আসে তিন ঝলক দমকা হাওয়া, দুলে উঠে ঘাসের বন, তারপর আবার নিশ্চল নিশ্চুপ! দূরে ধোঁয়ার কুণ্ডলীকে যেমন মনে হয় স্থির অচঞ্চল, তেমনি স্থির অচঞ্চল দাঁড়িয়ে আছে তূলো-গাছগুলো······একটা পাতাও ভুলে যেন নড়ে না। {{nop}}<noinclude>{{c|৩১}}</noinclude> 7i537uz591zk2huzv6b3jx4izlf4w7r পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৩৭ 104 850311 1991608 1887134 2026-07-31T03:50:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991608 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>{{ফাঁক}}বাতোয়ালা উঠে পড়ে···আর বসে থাকা চলে না। এ-বার সুরু করতে হবে দিনের কাজ। {{ফাঁক}}কিছুদূরে মাঠের ধারে একটা ঢিবির মত উঁচু জায়গা ছিল বাতোয়ালা সেই ঢিবির দিকে এগিয়ে চলে। সেই ঢিবির ওপর তিন জায়গায় থাকের পর থাক তার নিজস্ব তিনটে “লিংঘা” (জয়ঢাক) ছিল। মাটী থেকে দুটো মুগুর তুলে নিয়ে সবচেয়ে বড় লিংঘাটার ওপর দুবার আঘাত করলো ধীরে, মেপে মেপে। সমস্ত নির্জনতা সে-শব্দে মুখর হয়ে উঠলো। {{ফাঁক}}লিংঘার আওয়াজ ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল। কয়েক মুহূর্ত আবার সব চুপ-চাপ আবার মুগুর দুটো তুলে নিয়ে দুবার আঘাত করলো লিংঘায়। গুরুগম্ভীর শব্দে আরার ভরে উঠলো বাতাস। ধীরে ধীরে সে-শব্দ মিলিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতোয়ালার হাতের স্পর্শে এবার সবগুলো লিংঘা থেকে, গুড়, গুড়, টম্ টম্ শব্দ একসঙ্গে জেগে ওঠে, প্রথমে ধীরে, তারপর দ্রুত, তারপর আরও দ্রুত, শেষকালে সর্বোচ্চ সুর থেকে আবার ক্রমে ক্রমে ধীরে ধীরে মৃদু কোমল হয়ে বাতাসে মিলিয়ে যায়। {{ফাঁক}}বাতোয়ালা দূরের দিকে চেয়ে উৎকর্ণ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কয়েক মুহূর্ত যেতে না যেতে, মেঘ-গর্জনের মতন, খুব কাছ থেকে, তারপর কিছু দূর থেকে, আরো দূর থেকে, বাঁ দিক থেকে, ডানদিক থেকে, চারদিক থেকে প্রত্যুত্তর আসতে সুরু করলো।<noinclude>{{c|৩২}}</noinclude> to0awo553uqcw9900jwuzmd6v8re9wx পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৬০ 104 850313 1991741 1850241 2026-07-31T04:04:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991741 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|লে খ কে র ক থা}}</noinclude>{{ফাঁক}}অবাস্তব কথা টেনে আনলাম কি-বেদবেদান্ত উপনিষদের মূলতত্ত্ব? {{ফাঁক}}তা নয়। বড় ব্যাপার সম্পর্কে হলেও কথাটা অতিশয় সহজ এবং সরল। জগৎ আর মানুষকে জানা আর ভালোবাসা যে একত্রীকৃত প্রক্রিয়া। একটা ছাড়া অন্যটা যে শুধু অসম্ভব নয়, অর্থহীনও বটে—এটুকু বোঝা আজকের দিনের মানুষের পক্ষে মোটেই কঠিন হওয়া উচিত নয়। {{ফাঁক}}গল্প নির্বাচনে কোন্‌টা আগে লেখা কোন্‌টা পরে লেখা সে হিসাব কষিনি। গল্পের বিচারে ধারাবাহিকতার হিসাবটাই নিরর্থক। {{ফাঁক}}দশজনে আমার যে গল্পকে যতটা সমাদর করেছেন মোটামুটি সেটাই আমি এই সঙ্কলনের জন্য গল্প নির্বাচনের মাপকাঠি ধরে নিয়েছি। {{ফাঁক}}আমার বিচার হয় তো সকলের মনঃপূত হবে না। এ গল্পটা কেন নির্বাচন করলাম এবং ও গল্পটা কেন বাদ দিলাম তাই নিয়ে নানারকম প্রশ্ন উঠবে। {{ফাঁক}}সেটাও আমি কামনা করি—প্রশ্ন উঠুক, সমালোচনা হোক, দশজনে আমার বিচার বিবেচনার ভুলত্রুটি সংশোধন করে দিন। সাহিত্যিকের পক্ষে সেটা পরম সৌভাগ্যের কথা। {{nop}}<noinclude>{{c|৫৬}}</noinclude> ann5i5v8rp3p1fs0jqo5hspj63l4t28 পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১২৪ 104 850397 1991749 1850670 2026-07-31T04:04:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991749 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|লে খ কে র ক থা}}</noinclude>সম্মেলনে, ফ্যাসি-বিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘ নাম পরিবর্তন করে প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ নাম রাখা হয়। পরিবর্তিত অবস্থায় আমাদের আদর্শগত সামগ্রিক ও সঠিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন ক্রমে ক্রমে জরুরী হয়ে ওঠে। শিল্প ও সাহিত্যের ফর্ম কণ্টেণ্ট থেকে শুরু করে সামাজিক ভূমিকা পর্যন্ত নানা বিষয়ে, এত প্রশ্ন ও সংশয়ের সম্মুখীন আমাদের হতে হয় যে, মার্ক্‌সবাদের বিজ্ঞানসম্মত বিচারের ভিত্তিতে প্রগতি আন্দোলনের নির্ভুল ও সর্বাঙ্গীন আদর্শ স্থির করা অপরিহার্য হয়ে দাড়ায়। {{ফাঁক}}এই চেতনার তাগিদে, সংঘের বিভিন্ন সভার ও সাপ্তাহিক বুধবারের বৈঠকে এবং ‘পরিচয়’ ও অন্যান্য প্রগতিবাদী পত্রিকায়, বক্তৃতা, আলোচনা ও প্রবন্ধের মাধ্যমে সঠিক মার্ক্‌সবাদী দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার প্রচেষ্টা আরম্ভ হয়। শিল্পী সাহিত্যিক ও সংঘের অন্যান্য সভ্যদের বড় একটি অংশের মধ্যে আদর্শের দিকটা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা গড়ে তোলার জন্য বিশেষ আগ্রহ এবং উৎসাহ দেখা যায়। দৃষ্টিভঙ্গির ক্রমবিকাশের সঙ্গে এই আগ্রহ ও উৎসাহ। অন্যদিকে, দৃষ্টিভঙ্গিকে সাফ করার এই আন্তরিক প্রচেষ্টার মধ্যে বুর্জোয়া মনোবৃত্তি সম্পন্ন সুবিধাবাদী কিছু কিছু শিল্পী সাহিত্যিকের মানসিক দৈন্য প্রকট হয়ে যায়। ক্রমে ক্রমে সংঘ থেকে সরে গিয়ে এঁরা প্রগতি-বিরোধী ভূমিকা গ্রহণ করেন। {{ফাঁক}}শিল্প ও সাহিত্যের থিয়োরীর দিকটা সম্পর্কে আমাদের<noinclude>{{c|১২০}}</noinclude> pt4yntpbfgx1ka67ujgq0xm2usua5e4 পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৩ 104 850429 1991588 1871522 2026-07-31T03:48:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991588 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৬|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>দ্বারা চতুর্দিকের জনগণের দারিদ্র্যতাপ প্রশমিত করিয়াছিলেন॥২২॥ {{ফাঁক}}একদা রাজার অনুমতিক্রমে অন্তঃপুরজনের সহিত সেই দেবী উত্তমদোহদা হইয়া লুম্বিনীনামক উপবনে গমন করিলেন॥২৩॥ {{ফাঁক}}দেবী যখন এক পুষ্পভারাবনত শাখা অবলম্বন করিয়া দণ্ডায়মান ছিলেন, তখন বোধিসত্ত্ব তাঁহার কুক্ষিভেদ করিয়া অবিলম্বে বিনির্গত হইলেন॥২৪॥ {{ফাঁক}}সেই সময় পুষ্য নক্ষত্র প্রসন্ন হইল। ব্রতসংস্কৃতা দেবীর পার্শ্বদেশ হইতে, বিনা বেদনায়, নিরাময়ে, এক পুত্র, লোকহিতের জন্য জন্মগ্রহণ করিলেন॥২৫॥ {{ফাঁক}}প্রাতে, পয়োদ হইতে উজ্জ্বল সূর্যের ন্যায়, মাতৃকুক্ষি হইতে নিষ্ক্রমণপূর্বক, তেজের দ্বারা তম নিরসিত করিয়া, তিনি জগৎকে স্বর্ণের ন্যায় উজ্জ্বল করিলেন॥২৬॥ {{ফাঁক}}তাঁহার জন্ম হইবামাত্র সহস্রলোচন ইন্দ্র প্রীত হইয়া, কাঞ্চন যুগের ন্যায় গৌরবর্ণ সেই বোধিসত্ত্বকে অতিযত্নে গ্রহণ করিলেন; আকাশ হইতে তাঁহার (বোধিসত্ত্বের) মস্তকোপরি মন্দারপুষ্পসহ দুইটি নির্মল বারিধারা নিপতিত হইতে লাগিল॥২৭॥ {{ফাঁক}}চতুর্দিক হইতে শ্রেষ্ঠ সুরগণ কর্তৃক ধৃত হইয়া, সেই সুরগণকে নিজ দেহরশ্মির দ্বারা অনুরঞ্জিত করিয়া, সন্ধ্যাকালীন মেঘজালোপরি সন্নিবিষ্ট নবেন্দুকে তিনি সৌন্দর্যে পরাজিত করিলেন॥২৮॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> l1y8zr7oq6gaczeifb7l7pe8458r7zn পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৪ 104 850434 1991589 1850518 2026-07-31T03:48:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991589 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh||প্রথম সর্গ|৭}}</noinclude>{{ফাঁক}}যেরূপ ঊরু হইতে ঔর্বের, হস্ত হইতে পৃথুর, মূর্ধা হইতে ইন্দ্রপ্রতিম মান্ধাতার এবং ভুজাংসদেশ হইতে কক্ষীবতের জন্ম হইয়াছিল, তাঁহার জন্মও সেইরূপ অলৌকিকভাবেই হইল॥২৯॥ {{ফাঁক}}ধীরে ধীরে গর্ভ হইতে অভিনিঃসৃত, অলৌকিকজন্মা সেই পুরুষ, যেন স্বর্গ হইতে আগমন করিলেন। যুগযুগান্তরের ধ্যানের দ্বারা পরিপুর্ণহৃদয় সেই বোধিসত্ত্ব, মুঢ়ভাবে নহে, সজ্ঞানে জন্মগ্রহণ করিলেন॥৩০॥ {{ফাঁক}}দীপ্তি ধৈর্য ও কান্তির দ্বারা, সেই বালক ভূমিতে অবতীর্ণ রবির ন্যায় বিরাজ করিতে লাগিলেন। তাদৃশ দিনমণি-সদৃশ অতিশয় উজ্জ্বল হইলেও (অক্লেশে) দর্শনীয় হইয়া, সকলের চক্ষুকে তিনি শশাঙ্কের ন্যায় হরণ করিলেন॥৩১॥ {{ফাঁক}}ভাস্করের ন্যায় নিজদেহের জ্বলন্ত প্রভার দ্বারা, তিনি দীপপ্রভাকে হরণ করিলেন। মহার্হ কাঞ্চনসম চারুবর্ণ সেই বোধিসত্ত্ব বালক, সর্বদিক আলোকিত করিয়া তুলিলেন॥৩২॥ {{ফাঁক}}অনাকুল, আয়ত, ধীর, গুরুগম্ভীর চরণবিক্ষেপের দ্বারা কমল প্রস্ফুটিত করিয়া, তিনি সপ্তর্ষি-নক্ষত্র-সদৃশ সপ্তপদ গমন করিলেন॥৩৩॥ {{ফাঁক}}সিংহগতি সেই বোধিসত্ত্ব, চতুর্দিক নিরীক্ষণপূর্বক “আমি বোধির জন্য ও জগতের হিতকামনায় জন্মগ্রহণ করিয়াছি, ইহাই আমার শেষ উৎপত্তি” এই ভবিষ্যদ্ বাণী উচ্চারণ করিলেন॥৩৪॥ {{ফাঁক}}চন্দ্রকিরণের ন্যায় শুভ্র শীতোষ্ণ গগনপ্রস্তুত দুইটি বারিধারা<noinclude></noinclude> 3ku1u1qrn2qmqw64jw1ld0smwj2pti6 পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/৩৩ 104 850511 1991974 1985333 2026-07-31T04:12:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991974 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{কেন্দ্র|আঁটকুড়ী}}</noinclude>হবার জন্যই রমণী হয়েছিলে; আর তোমার জন্মের মৌলিক উদ্দেশ্য তোমা হ’তে সাধিত হয় নি বলে’, ভাল শুনাক আর নাই শুনাক, সত্য সত্যই তুমি প্রকৃতির উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে’ আজ আঁটকুড়ী! {{ফাঁক}}প্রসন্ন এতক্ষণে মুখ খুলিল, কেননা, আঁটকুড়ী কথাটা সে কিছুতেই বরদাস্ত করিতে পারিতেছিল না। {{ফাঁক}}প্রসন্ন। মেয়েমানুষকে বিয়েই করতে হবে, আর ছেলে বিয়োতেই হবে, তারই বা মানে কি? {{ফাঁক}}আমি। প্রসন্ন, আমার মত বুড়ো ভূশুণ্ডীকে আর ও-প্রশ্ন কর’ না; উর্ব্বাচীনদের ও হেঁয়ালি বলে’ ধাঁধা লাগাতে চেষ্টা কর'। সাত পাক দিয়ে বিয়ে করতে হবে কি না হবে, সেটা সমাজ বুঝবেন; কিন্তু মেয়েমানুষকে বিয়ে করতেই হবে—তা সাত পাকেই হ’ক, বিনি পাকেই হ’ক, আর বিপাকেই হ’ক। আর যতদিন পুরুষের উরুদেশ ভেদ করে’ সন্তানের জন্ম, ও তর্জ্জনী হ’তে দুগ্ধক্ষরণ উপন্যাসের পৃষ্ঠা হ’তে নেমে এসে এই বাস্তবজগতে সত্য হ’য়ে না উঠবে, ততদিন মেয়েমানুষকে ছেলে বিয়োতেই হবে, আর ওটা একমাত্র তাদেরই কৃত্য মধ্যে পরিগণিত থাকবে। {{ফাঁক}}প্রসন্নর চোখ তখন আবার জলে ভরিয়া উঠিল। {{ফাঁক}}সে বলিল—তবে কি যার ছেলে হ’ল না সে একেবারে দুনিয়ার বার হ’য়ে গেল? অনেক পুত্রহীন কত সদাব্রত, কত দেউল, কত পুষ্করিণী করে’ দিয়েছে, তা’তে কি লোকের উপকার হয় নি? কত পুত্রহীনা নারী ধর্ম্মের পথে, লোকহিতের পথে, কত কীর্ত্তি রেখে গেছে সেগুলা কি অপুত্রক বলে’ ধর্তব্যের মধ্যে নয়? {{nop}}<noinclude>{{c|২৭}}</noinclude> 4y2dv08u3232dfrw52jyqq818psw0tq পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৬২ 104 850554 1991852 1980616 2026-07-31T04:08:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991852 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" /></noinclude>রবীন, আজ কিছুকাল থেকে বাংলাদেশে নতুন এক উৎপাত শুরু হয়েছে। ‘স্কাইস্‌ক্রেপার’ নামে এক অদ্ভুত—এমন কি বেয়াড়া ধরণের বাড়ী আমর। আমেরিকায় দেখে এসেছি। আমেরিকার বায়স্কোপওয়ালার! এই কনারক মন্দির আর তাজমহলের দেশে এসেও সেই ঢঙে ‘মেট্রো’—সিনেমার বাড়ী তৈরী করেছে। সেটা আমাদের চোখকে আঘাত দিলেও ‘মেট্রো’র কর্তৃপক্ষকে দোষ দিতে চাই না। কারণ তারা হচ্ছে সেই দেশের লোক যারা বিদেশের ঠাকুর ফেলে স্বদেশের কুকুর ধ’রে আদর ক’রে মনুষ্যত্বের পরিচয় দেয়। কিন্তু আজকাল বাঙালীরাও দেখছি কলকাতার পথে পথে ‘স্কাইস্‌ক্রেপারে’র নকলে ঘরবাড়ী তৈরি করতে লজ্জিত হয় ন॥ এই নতুন বাড়ীখানার দিকে চেয়ে দেখ। এই বিদেশ আদর্শের বদ্-হজম সহ্য করা অসম্ভব। এমন অনুকরণপ্রিয় জাতি কোনদিনই স্বাধীন হ’তে পারবে না!” {{ফাঁক}}বিরক্ত চোখে হেমন্ত আরো কিছুক্ষন সেইখানে দাঁড়িয়ে রইল। {{ফাঁক}}আমি বললুম, “তোমার স্থাপত্যের সমালোচনা রেখে এখন দশ নম্বরের বাড়ী খোঁজো। পাঁচটা বাজে যে, চায়ের সময় উত্তীর্ণ হয়ে যায়!” {{ফাঁক}}—“যাক গে উত্তীর্ণ হয়ে! এও অনুকরণ। আমরা কি ইংরেজ যে এই সময়ের মধ্যে আমাদেরও চা খেতে হবে?” {{ফাঁক}}—“এস, এস, ও সব নিয়ে পরে আলোচনা করলেও চলবে। মিঃ দত্ত হয়তো আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছেন।” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৬}}</noinclude> onnzdguwtmyyzfvtnfrmw229rjmfjs7 পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৬৩ 104 850555 1992221 1980617 2026-07-31T04:42:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992221 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunsamanta" /></noinclude>{{ফাঁক}}কিছুদূর এগিয়েই দশ নম্বরের বাড়ী পাওয়া গেল। দ্বারবানের উপরে বোধহয় আদেশ ছিল, আমাদের নাম শুনে সে দোতালায় যেতে অনুরোধ করলে। {{ফাঁক}}মিঃ দত্ত তাঁর দোতালার বৈঠকখানায় ব’সে সত্য সত্যই আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। দেখলুম, সতীশবাবু আমাদের আগেই সেখানে এসে হাজির হয়েছেন। {{ফাঁক}}মিঃ দত্ত তাড়াতাড়ি এগিয়ে এসে বললেন, “হেমন্তবাবু, রবীনবাবু! কাল আপনারা কি সাংঘাতিক বিপদে পড়েছিলেন সতীশবাবুর মুখে তা শুনে স্তম্ভিত হয়েছি! রবীনবাবুর মাথায় এখনো ব্যাণ্ডেজ বাঁধা রয়েছে যে! নিশ্চয় ওঁর খুব লেগেছে?” {{ফাঁক}}আমি বললুম, “লাগেনি বললে মিথ্যা বলা হবে। মধু খেলে মিষ্টি লাগে, ভাণ্ডা খেলে কষ্ট পেতে হয়। প্রকৃতির এই স্বাভাবিক নিয়ম।” {{ফাঁক}}মিঃ দত্ত বললেন, “কিন্তু কে এই পাপিষ্ঠ? অনায়াসে যে খুন করছে, ভদ্রলোককে মারাত্মক আক্রমণ করছে, অথচ এখনো মেঘনাদের মতন লুকিয়ে আছে মেঘের আড়ালে? আমার তো মশাই, বাড়ী থেকে আর বেরুতে ভয় করছে!” {{ফাঁক}}সতীশবাবু বললেন, “আপনার আবার কিসের ভয়? আপনি তো পুলিসের লোক নন?” {{ফাঁক}}—“আমি পুলিসের লোক নই বটে, কিন্তু বন্ধু-হত্যার প্রতিশোধ নেবার জন্যে পুলিসকে তো সাহায্য করছি? খুনীদের রাগ আমার ওপরে পড়তে কতক্ষণ!” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৭}}</noinclude> 8p3162lqbs0va49k43b87tiy1g5b4sw পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৭২ 104 850657 1991969 1851022 2026-07-31T04:11:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991969 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>{{ফাঁক}}কিন্তু সেটা এমন কি একটা সর্বনেশে কাণ্ড? আমাদের মধ্যে কে এমন আছে যে বলতে পারে, তার ইয়াসীকে কখনো মারে নি? {{ফাঁক}}বোকা মেয়েটা সোজা গিয়ে কমাণ্ডারের কাছে নালিশ করে দিলো। তখন হবি তো হ’, কমাণ্ডার তার শাদা বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলো। সাধারণত লোকটা ঠাণ্ডা মেজাজেরই লোক কিন্তু সেদিন কি যে হলো, ভীষণ রেগে গেল। একজন দেশী পুলিশকে ডেকে হুকুম দিলো, তক্ষুণি ঔরোকে ধরে নিয়ে কারাগারে বেঁধে রাখতে। লোকটা হুকুম তামিল করতে একটু ইতস্তত করে, তাই না দেখে, কমাণ্ডার তার হাতের কাছের একটা খালি মদের বোতল তুলে সোজা তার মাথায় বসিয়ে দিলো। ব্যাপার দেখ! মাথা কেটে চাপ চাপ রক্ত বেরুলো, লোকটা বেহুঁস হয়ে সেইখানেই পড়ে গেল। আর তাই না দেখে, শাদা লোকগুলো হেসে কুটি-কুটি, যেন কি মজাই না হয়ে গেল! {{ফাঁক}}এই তো ব্যাপার, ওদের কাছ থেকে আমরা সব বিষয়েই এইরকম ব্যবহার পেয়ে আসছি। আমার কথা যে কতখানি সত্যি, তা যদি নিজের চোখে দেখতে চাও ইয়াবাদা, তা হলে কমাণ্ডার যাতে দেখতে পায়, এমনি কোন জায়গায় বসে ‘পাতারা’ খেলায় তুমি দুটো ফ্রাঙ্ক ফেলে দেখ···তা হলেই দেখতে পাবে···খুব কম শাস্তি যদি হয়, তা হলে হাতে-পায়ে বেড়ী! জুয়ো খেলবে শুধু শাদা চামড়ার লোকেরা···” {{nop}}<noinclude>{{c|৬৭}}</noinclude> tk19o91bvlif5xq4t0uinh0opze99w0 পাতা:এরাও মানুষ - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৫০).pdf/৭৩ 104 850658 1991610 1854228 2026-07-31T03:50:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991610 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>{{কেন্দ্র|'''তৃতীয় পরিচ্ছেদ'''}} {{ফাঁক}}বাতোয়ালার চোখ নেশায় লাল হয়েই ছিল, তার ওপর উত্তেজনায় মনে হয় যেন এখুনি রক্ত ফেটে পড়বে। রাগে কথা জড়িয়ে আসে তবুও জোর গলায় সবাইকে ডেকে বলে ওঠে···, {{ফাঁক}}“শাদা চামড়ারা অপদার্থ···আমাদের জন্যে এতটুকু দরদ তাদের নেই···তারা মনে করে আমরা সবাই মিথ্যুক···হাঁ, আমরা মিথ্যে কথা বলি কিন্তু আমাদের সেই মিথ্যে কারুর ক্ষতি করে না, কাউকে সর্বস্বান্ত না। কালে-ভদ্রে সত্যিকে একটু বাড়িয়ে বলতে হয়···তার জন্যে দু-চারটে মিথ্যে বলতে হয়, নইলে সত্যির স্বাদ থাকে না, ঝোলে নুন না দিলে কি ঝোলের কোন স্বাদ থাকে?” {{ফাঁক}}“কিন্তু শাদা চামড়ারা তো সেজন্যে মিথ্যে বলে না···তারা একটা উদ্দেশ্য নিয়ে মিথ্যে বলে···তাদের সব মিথ্যে হলো ভেবে-চিন্তে তৈরী-করা জিনিস···তাদের স্বার্থ-সিদ্ধির জন্যে··· {{ফাঁক}}“তাই তারা সব ব্যাপারে আমাদের ওপর টেক্কা দিতে পারে” {{ফাঁক}}“ওরা বলে, আমরা নিগার পরস্পর পরস্পরকে ঘেন্না করি, নিজেদের মধ্যে মারামারি করি···আর ওরা? ওদের কমাণ্ডার-গুলো আর ওদের বন্দুকওয়ালারা সব সময় গলা জড়াজড়ি করে থাকে নাকি? ওদের মধ্যে ওরা মারামারি করে না? আমরাই বা ওদের মতন করতে পারবো না কেন? গায়ের চামড়ার রঙ<noinclude>{{c|৬৮}}</noinclude> n577hfsx469vq5ho74ru61d3fy121n8 পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৬১ 104 850829 1991975 1985356 2026-07-31T04:12:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991975 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{কেন্দ্র|প্রজাপতির নির্ব্বন্ধ}}</noinclude>বৃক্ষজন্মের শেষ। এই রকম মানুষও সম্ভাবনা নিয়ে জন্মায়, সে সম্ভাবনা বাস্তবে পরিণত হবে কি না তা’র স্থিরতা না থাক্‌লেও একটা নির্দ্দিষ্ট পথেই সে যাবে, আর সে নির্দিষ্ট পথটা তা’র অতীত ও বর্ত্তমান, তা’র পূর্ব্বজন্ম আর ইহুজন্ম দুইয়ে মিলে, ঠিক করে’ দেবে। {{ফাঁক}}এ কথা যদি মান্‌তে হয়, তা হ’লে কখন্ কোন্ ভ্রমর এল কোন্ অজানা ফুলের পরাগ নিয়ে, কোন্ ফুলে ফল-সম্ভাবনা করে’ গেল, সেই সংযোগটাকে সর্ব্বস্ব বলে’ না মেনে, ফুলের পশ্চাতে বৃক্ষ, তা’র পশ্চাতে সহস্র বর্ষের দেওয়া-নেওয়া ভাঙ্গা-গড়াকে মানতে হয়, স্কুলের পূর্ব্বজন্ম মান্‌তে হয়, আর ফুলের ভিতর ফলের, তার পর বৃক্ষের সম্ভাবনা অর্থাৎ পরজন্ম, সেটাকেও মানতে হয়; এবং সংযোগটাকে সুধু সংযোগ মাত্রই ধরে’ নিলে, কোন ক্ষতিই হয় না। মনুষ্য জীবনে অতীতের সঞ্চিত পুঞ্জীকৃত প্রচেষ্টার মর্য্যাদা যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে, ইহজন্মে তা’র সংস্কার, তা’র বিস্তার হয়, আর ভবিষ্য বংশীয়দের শোণিত-স্রোতে সঞ্চারিত হ’য়ে, চিরবহমান হ’য়ে, চলে যেতে পারে, তা’র জন্য যত্ন, তা’র জন্য এই জীবনে সমস্ত আয়োজন, একাগ্রতা, নিষ্ঠা, ভোগ এবং যোগ সমস্তই করে’ যেতে পারলে, তবে ত মনুষ্য জন্ম সার্থক হ’ল; নয়ত অভাগা আর অভাগীর মিলনকে অগ্নিসাক্ষী করে’, নারায়ণকে ডেকে, সংস্কৃত-মন্ত্রপুত করে’ কি লাভ? সেটা শুধু mummery and gibberish ছাড়া আর কিছু নয়! {{ফাঁক}}অর্বাচীনগুলো বিয়েটাকে একটা mummeryই করে’ তুলেচে, একটা অভিনয়ে এনে দাঁড় করিয়েচে। ক’নে যাচাই করা থেকে<noinclude>{{c|১৫৫}}</noinclude> 9tr6p95mu7ps9f6c32cuhtt18ib0qz1 পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০৯ 104 850852 1991746 1851730 2026-07-31T04:04:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991746 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|পা ঠ ক গো ষ্ঠী র আ লো চ না}}</noinclude>গল্পগুলির মোটামুটি বিচার, পরিচয়ে দশজনের সামনে ধরেছেন―দশজনেও যাতে আলোচনা করেন। এটা সাহিত্যিক সৎপ্রচেষ্টা। {{ফাঁক}}বিষ্ণুবাবুর মার্ক্‌সিস্ট দৃষ্টি বিকৃত না হলে নীহারবাবুর প্রবন্ধের মূল ত্রুটি তাঁর চোখে উল্টো প্রতিভাত হতো না, সমালোচনাটির দক্ষিণঘেঁষা দুর্বলতাকে ট্রট্স্কিমার্কা প্রতিক্রিয়াশীলতা বলে ভুল করতেন না। আমাদের সকল প্রগতিপন্থী সাহিত্য সৃষ্টি ও সমালোচনা প্রচেষ্টার মধ্যে এই বামপন্থী বৈধর্মের পরিচয়, নিজ শ্রেণী-মূল-গত মোহ ও ভ্রান্তির নাগপাশ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবার অক্ষমতার প্রমাণ, কমবেশি আছে—কিন্তু সেটা কোনমতেই উগ্র বামত্বের ট্রট্‌স্কিমার্কা প্রতিক্রিয়াশীলতা হয়ে উঠতে পারে না। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অচিন্ত্যকুমার প্রসঙ্গে নীহারবাবু শিককাবাব ও সন্দেশে গুলিয়ে ফেলেননি। তিনি যে মূল কথাটা ধরতে পারেননি তা হলো এই যে, মানিক বা অচিন্ত্য একজনও ভালো শিককাবাব বা সন্দেশ বানাচ্ছেন না। নীহারবাবুর মার্ক্‌সিস্ট দৃষ্টিভঙ্গি কাঁচা বলেই ‘গায়েন’ ও ‘মুচিবায়েন’-এর তুলনামূলক পার্থক্যটাই তাঁর কাছে বড় হয়ে উঠেছে, আজকের দিনের জীবনের গতির সঙ্গে বাস্তব ও সত্যধর্মী সামঞ্জস্য রাখার যে প্রগতিশীল ‘সৎপ্রচেষ্টা’টুকু ‘গায়েন’ গল্পে তাঁর চোখে পড়েছে তাতেই তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। সেই পুরাতন ফাঁকি রসসৃষ্টির খাতিরে, ‘মুচিবায়েন’-এ আজকের দিনের চাষাভুষো, সবার জীবনের<noinclude>{{c|১০৫}}</noinclude> 5dv9apvmxxzw1jou8wi0389fx3w7ue3 পাতা:জওহরলাল - নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৪৮).pdf/২৫ 104 850863 1991634 1893813 2026-07-31T03:54:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991634 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="S.Mukherjee24" />{{rh||জওহরলাল|২৩}}</noinclude>মনে হইল যে, কংগ্রেসে যাহারা আসিয়াছেন, তাঁহাদের মনে রাজনীতির গন্ধ পর্য্যন্ত নাই, যেন তাঁহারা বড়দিনের ছুটিতে দল বাঁধিয়া সব পিকনিকে আসিয়াছেন—বিলাতী পোষাক-কেতা-দুরন্ত সুট—সভায় বই মুখস্থ করা নিরীহ সব বক্তৃতা—অবশেষে বহুবার প্রস্তাবিত একই প্রস্তাবের প্রায় একই রকম ভাষায় বাৎসরিক পুনরাবৃত্তি! {{ফাঁক}}সাত বৎসর ধরিয়া ইংলণ্ডে যে জীবন তিনি দেখিয়া আসিয়াছেন, ভারতবর্ষে আসিয়া দেখিলেন যে, সে-জীবনের কণামাত্র এখানে দেখা যায় না। বালককালেই তিনি ইংলণ্ডে গিয়াছিলেন এবং সমস্ত কৈশোর সেখানেই অতিবাহিত হয়। যৌবনের মুখে অন্তর যে প্রভাব গ্রহণ করে, সেই প্রভাবেই জীবন অনুরঞ্জিত হইয়া থাকে। তাই ভারতবর্ষে আসিয়া জওহরলাল পারিপার্শ্বিক জীবনের প্রাণহীনতা এবং পঙ্গুতায় মর্মাহত হইয়া উঠিলেন! {{ফাঁক}}তাহার আত্মজীবনীতে এই সম্পর্কে সেই ঘটনা হইতে একটা ঘটনার উল্লেখ তিনি করিয়াছেন। তাঁহার মনের অবস্থা স্পষ্ট বোঝা যায়। {{ফাঁক}}তখন নেতা হিসাবে মিঃ শ্রীনিবাস শাস্ত্রীর নাম ভারতবর্ষে সকলেই জানে। এলাহাবাদে ছাত্রদের সভায় তিনি বক্তৃতা দিতেছিলেন। জওহরলাল সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন। শাস্ত্রী মহাশয় ছাত্রদের<noinclude></noinclude> 5xks0cwhy0zq67cg40lml5d5nfos3fb পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১৩ 104 850895 1991747 1851880 2026-07-31T04:04:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991747 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|পা ঠ ক গো ষ্ঠী র আ লো চ না}}</noinclude>{{ফাঁক}}কিন্তু প্রগতিশীল-সমালোচনা, গালাগালি বা দুর্নামের ভয়ে লেখককে ছেড়ে কথা কইতে রাজী নয়, সংগ্রামী বাঙালীর সংস্কৃতির লাল রাস্তা কে তৈরি করেছে আর কিসে তৈরি হয়েছে সে বিষয়ে উদাসীন থেকে, তরল দীপ্তির চটুল আগুনে সমাজ-চেতনার ফুলঝুরির মোহে, সাহিত্যিক স্পেশাল পাওয়ার্সের খেলা চলতে দিতে রাজী নয়। কৃষকসভার রিপোর্ট থেকে যিনি গল্প লেখেন তাঁকেও নয়। কলকাতায় বসে যিনি ‘গায়েন’ লেখেন, হাকিমের আসনে বসে যিনি ‘মুচিবায়েন’ লেখেন, মার্ক্‌সবাদ নিয়ে যিনি ঘরে বসে কাব্য করেন তাঁদেরও নয়! {{ফাঁক}}সংগ্রামী বাঙালীর সংস্কৃতির লাল রাস্তা তৈরি করতে হলে সংগ্রামী সমালোচনা ছাড়া চলবে কেন? পুরানো সংস্কৃতির ধাঁধাকে সাদরে বজায় রেখে নতুন সংস্কৃতি গড়া যায় না। {{ফাঁক}}হেমিংওয়ের বিশেষ পরিণতির সঙ্গে অচিন্ত্যকুমারের বিশেষ পরিণতির তুলনাকে, হেমিংওয়ের সঙ্গে অচিন্ত্যকুমারের তুলনা বলে ভুল করে, নীহারবাবু গজেন্দ্রগামিনী মহিলাকে হাতি মনে করার মতো ‘বাজিকর সমালোচকে’ পরিণত হয়েছেন! নীহারবাবুর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য থেকে বোঝা অসম্ভব ‘পার্থক্য’টা তাঁর খেয়াল ছিল কিনা। তিনিই সেটা জানেন। তবে তাঁর মন্তব্য থেকে ধরে নিলে বোধ হয় অন্যায় হবে না যে, এ বিষয়ে তিনি সচেতন ছিলেন না। হেমিংওয়ের সঙ্গেই তিনি অচিন্ত্যকুমারের তুলনা করার<noinclude>{{c|১০৯}}</noinclude> b3djma1u1whxj7kx8nskme1kyv0m61o পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১৬ 104 850910 1991748 1872801 2026-07-31T04:04:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991748 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|লে খ কে র ক থা}}</noinclude>{{ফাঁক}}আমরা ভদ্রলোকেরা বলি: আহা, গরীবের বৌ অভাবের তাড়নায় দেহ বিক্রি করলো! আমাদের ভাবখানা এই, যেন আমাদের আহা বলবার জন্যই সে এ কাজটা করেছে, অন্যথা কোন প্রয়োজনই ছিল না। {{ফাঁক}}এই জন্যই লেখা থেকে লেখককে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। বিষ্ণুবাবু যদি এই অমার্ক্‌সীয় দৃষ্টি বর্জন করতেন, তাহলে দেখতে পেতেন, অচিন্ত্যকুমারের যে বিশেষ পরিণতির কথা বলছেন তার বিশেষত্ব, নতুন দৃষ্টি, নতুন চেতনা, নতুন জীবনবোধ বা মানসজগতের সমাজমানসগত মৌলিক কোন পরিবর্তন নয়—পরিণতি শুধু এই যে, তিনি নতুন বিষয়কে উপাদান করে আরও পাকা হাতে লিখছেন। তাঁর আগের স্টাইল আরও দৃঢ়বদ্ধ হয়েছে, তাঁর আগের দৃষ্টি আরও ব্যাপক, জীবনক্ষেত্রকে আরও পরিষ্কারভাবে দেখছে, অভিজ্ঞতার সাহিত্যিক রূপায়ণ আরও ঘন ও শৃংখলাবদ্ধ হয়েছে। তাঁর চিন্তাজগতে বিপ্লবাত্মক কোনও মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি। মধ্যবিত্তের জীবন একদিন ছিল তাঁর সাহিত্যের অবলম্বন। তারপর চাকরি জীবনে চাষীর জীবন, বিশেষ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমান চাষীর জীবন, একভাবে তাঁর সামনে এল, একদিকের উলঙ্গ বাস্তবরূপে। ত্রিশংকু শ্রেণীর স্বপ্ন ও বাস্তবে একাকার অর্থহীনতা, ভ্রান্তি, বিরোধ ও ব্যর্থতা, এক কথায় সীমানার মধ্যেই আবদ্ধ মধ্যবিত্ত জীবনের আত্মবিচারগত বাস্তবতা যেভাবে তাঁর সাহিত্যে এসেছিল, তেমনিভাবেই এল চাষীর জীবনের<noinclude>{{c|১১২}}</noinclude> 2xq5tyk5y6i1tm823xx5y1s9ieaxh5j পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০৫ 104 850935 1991744 1872798 2026-07-31T04:04:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991744 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|ভা র তে র ম র্ম বা ণী}}</noinclude>{{ফাঁক}}সংস্কৃতির কোন বিশিষ্ট রূপ ও ধারাকে সংস্কারের মতো রূপান্তরহীন করে রাখলে তার কোন ভবিষ্যৎ থাকে না, তার মৃত্যু অনিবার্য। লোক-কলাকে বাঁচাবার ও লোক-শিক্ষার বাহন হিসাবে তাকে কাজে লাগাবার উদ্দেশ্য তখনই সফল হতে পারে, যখন জনগণের জীবনের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা স্থাপন করা যায়, তাদেরই জীবন্ত আনন্দ-বেদনা আশা-নিরাশা সঙ্কট ও সমস্যা রূপায়িত হয়। গণ-নাট্যসঙ্ঘ এটা উপলব্ধি করেছেন। তাঁরা তাই দেশের সামনে শুধু লোক-কলার কতকগুলি নমুনা ধরে দেশবাসীর কাছে আবেদন জানাননি— ‘জাতির এই সম্পদকে রক্ষা করা চাই!’ জানালে সেটা অরণ্যে রোদন হতো মাত্র। নিজেরাই তাঁরা কাজটা আরম্ভ করেছেন—দেশের সামনে শুধু আদর্শটা নয়, উপায়টাও ধরে দিয়েছেন। সকলের মন তাই নাড়া খেয়েছে, সাড়া মিলেছে। {{ফাঁক}}এই কার্যে ব্রতী তরুণ ও অ্যামেচার অভিনেতা ও অভিনেত্রী নিয়ে গড়া এই বাহিনীটির বয়স এক বছরও পূর্ণ হয়নি। এঁদের এই অপূর্ব অভিনয় নৈপুণ্য কোথা থেকে এল? কি এঁদের অভিনব সাফল্যের মর্মকথা? এর একটিমাত্র জবাব জানি—এঁরা শুধু শিল্প-প্রাণ নন, দেশপ্রাণও বটে। আর্টের জন্য আর্টের ধোঁয়ায় এঁদের চোখ কটকট করে না, শিল্পীর কর্তব্য সম্বন্ধে এঁদের দ্বিধাও নেই, দুর্বলতাও নেই। এই প্রসঙ্গে গণ-নাট্যসঙ্ঘের বাংলা শাখার এমনি অল্পবয়সী অ্যামেচার অভিনেতা<noinclude>{{c|১০১}}</noinclude> r6r8baz3s9q568t9vifll3h0kqgq5sl পাতা:লেখকের কথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০৭ 104 850938 1991745 1851902 2026-07-31T04:04:52Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991745 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Meghna bera" />{{কেন্দ্র|ভা র তে র ম র্ম বা ণী}}</noinclude>{{ফাঁক}}কথা-শিল্পী হিসাবে ভারতীয় গণ-নাট্যসঙ্ঘের কাছে একটি ব্যক্তিগত ঋণের কথা স্বীকার না করলে অন্যায় হবে। নতুন প্রেরণা ও উদ্দীপনা পাওয়ার ঋণ নয়,― ওটা শুধু আমাকেই নয়, সকলকেই ওঁরা পরিবেশন করেছেন, সেজন্য ব্যক্তিগতভাবে কৃতজ্ঞতা জানাবার প্রয়োজন ছিল না। সাহিত্যিক হিসাবে আমার একটি ভীরুতা সম্বন্ধে এঁরা আমাকে সচেতন করেছেন। পাঠক সাধারণকে একটু রেশিরকম ভোঁতা ও একগুঁয়ে মনে করার প্রতিক্রিয়া, অনেক লেখকের রচনাতেই কতগুলি অনাবশ্যক সতর্কতা হয়ে দেখা দেয় নানা ভাবে, এবং সমস্ত রচনাটিকে প্রভাবান্বিত করে। লেখকের ভীরুতাই এজন্য দায়ী। সঙ্ঘের অভিনব প্রচেষ্টাকে সাধারণ দর্শক যে রকম উদারতার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন, তাতে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমরাই, লেখক ও শিল্পীরাই, পাঠক ও দর্শক সাধারণের ঘাড়ে অযথা দোষ চাপাই, তাঁদের কতগুলি সঙ্কীর্ণতা ও বিরোধিতা স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিই। আসলে তাঁরা আমাদের সব রকম সুযোগ ও স্বাধীনতা দিতে সর্বদাই প্রস্তুত, আমরাই তাঁদের এই উদারতা স্বীকার করতে ভয় পাই। আমি বিশ্বাস করি, নিজের এই দুর্বলতা চেনার ফলে আমার লেখার উন্নতি হবে। {{nop}}<noinclude>{{c|১০৩}}</noinclude> s8lxvwovh31sbp8hqjwgk0y73x4rwir পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৬৯ 104 850939 1991976 1985363 2026-07-31T04:12:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991976 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{কেন্দ্র|মহাত্মার ভুল}}</noinclude>হ’ত, তা হ’লে কি মজাই হ’ত! কি সুখের রাজত্বই হ’ত! কিন্তু দুঃখের বিষয়, ভগবান তা’র উল্টা ব্যবস্থাই করে’ রেখেচেন; “যার বিষপাত্র আনি’ দেয় তা’র মুখে” এই নির্ম্মম নিয়মেই জগৎটা চলচে। যিনি যে ফলার মেখেচেন তাঁকেই সেটা তুলতে হবে, “বরাতি” কাজ মোটেই চলবে না। আর পরকালেই যদি সব হিসাবের নিকাশ হ’ত, তা হ’লেও কোন গোল হ’ত না; তা হ’লে {{Block center|<poem>সঙ্কীর্ণ এ ভবকুলে দাঁড়ায়ে নির্ভয়ে করিতাম অবহেলা পরলোকে!</poem>}} কেন না কেই বা পরলোকের খোঁজ রাখচে। কিন্তু ব্যাপার তা নয়, এইখানেই সব কাজের বোঝাপড়া হ’য়ে থাকে; ব্যক্তির বল, জাতির বল, বোঝাপড়া এই এক পুরুষে, না হয়, দু’ পুরুষে, না হয় তিন পুরুষে,—নয়ত পুরুষ-পরম্পরায় যুগ-যুগান্তর ধরে’ তা’র প্রায়শ্চিত্ত চল্তে থাকে। ‘৫৭ সালের বিশ্বাসঘাতকতার প্রায়শ্চিত্ত ত জগৎ শেঠ থেকে আরম্ভ করে’ চুনোপুঁটী সকলেই করে’ গেছে, আর বাংলার লোক—জনসাধারণ, ঠুঁটো জগন্নাথ হ’য়ে বসে’ ছিল বলে’, আজও সেই Criminal indifferenceএর প্রায়শ্চিত্ত করচে-যে বিষের পাত্র অপরিণামদর্শী যুবার মুখে ধরে’ ছিল, সেই বিষপাত্র আজও জনে জনে পান করচে। {{ফাঁক}}কিন্তু কোথা থেকে কোথায় এসে পড়েচি! কয়লাওয়ালার কথা থেকে একেবারে পলাশীতে গিয়ে পড়েচি। {{ফাঁক}}গান্ধীজীর ভুল হ’য়েচে বল্লে হয়ত দেশসুদ্ধ লোক আমার উপর<noinclude>{{c|১৬৩}}</noinclude> naf2halzz7v6doj7bzgczjkeqgvle2u পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৭৭ 104 850956 1991977 1981098 2026-07-31T04:12:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991977 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{কেন্দ্র|প্রসন্ন গোয়ালিনীর আধ্যাত্মিকতা}}</noinclude>Prasanna এই entente cordiale বর্ত্তমান আছে বলে'। {{ফাঁক}}আমাদের এই কৃষিপ্রধান দেশের প্রাণ যে চাষী, তা’র চরিত্র দেখে বিচার করলে, প্রসন্ন ঠিক তা’রই মত spiritual প্রমাণ হ’য়ে যাবে। প্রথম সে সাহেব দেখলে পালায়; লোকে বলে ভয়ে, আমি জানি ম্লেচ্ছসংস্পর্শে তা’র spirituality নষ্ট হ’য়ে যাবে এইজন্য। প্রসন্নও, যে পথ দিয়ে সাহেব চলে’ যায়, তিন দিন সে সে-পথে চলে না; লোকে বলে ভয়ে, আমি জানি তা’র ভয়ের বয়স গেছে, তথাপি পাছে ম্লেচ্ছসংস্পর্শে তা’র গয়লা-বংশ অপবিত্র হ’য়ে যায় এই আশঙ্কায়। চাষা ভায়া ধানচাল বেচেন pile করে,’— ডাল বেচেন ধুলা ও মাটি মিশিয়ে ভারি করে’, পাট বেচেন জলে ভিজিয়ে; প্রসন্ন দুধ বেচে জল মিশিয়ে, অতএব দুই তুল্য মূল্য। এবং উভয়েই যথাক্রমে গঙ্গাজল ছিটিয়ে গৃহের পবিত্রতা সম্পাদন করেন, এবং লক্ষ্মীপূজা করে’, ষষ্ঠীপূজা করে, পুরুত ঠাকুরকে দক্ষিণা দিয়ে আত্মাকে disinfect করেন; অতএব প্রসন্ন আধ্যাত্মিকই প্রমাণ হ’য়ে যাচ্ছে। {{ফাঁক}}দেশের ব্যবসাদার—মাড়োয়ারী থেকে আরম্ভ করে’ চুনোপুটি জেলে-মালা পর্য্যন্ত— সবাই “ধম্ম” করেন, পূজা করেন, পাঠ করেন, রামায়ণ শুনেন, কীর্ত্তন করেন, গোমাতার জন্য পিঁজরাপোল করে’ দেন, খট্ম্‌ল পিলান,—আর ঘিয়ে সাপের চব্বি মিশিয়ে মানুষ ভাইকে খেতে দেন, দরকার মত গণেশ উল্টান, ব্যবসা চলতি হ’য়ে গেলেই মালে খাট করেন, পরদ্রব্যেষু লোষ্ট্রবৎ, পরের টাকাকে খোলামকুচি জ্ঞান করে’ তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলেন। কামার, কুমার, শেকরা,<noinclude>{{c|১৭১}}</noinclude> hzwn762uza8gshs3hnum0pv4fsdwndf পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৭৮ 104 850957 1991978 1985371 2026-07-31T04:12:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991978 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{কেন্দ্র|কমলাকান্তের পত্র}}</noinclude>ময়রা ভাই সকল বিশ্বকর্ম্মার পূজা করেন, হাতুড়ি ছেনি নিক্তি ইত্যাদিকে গড় করেন, আর চোখের আড়াল হ’লেই কাজে ফাঁকি মারেন, ওজনে কম দেন, ভেল্‌সা-ভ্যাজাল চালাতে পাল্লে আর বিশ্বকর্ম্মাকে মনে থাকে না। প্রসন্ন এ সবই যথারীতি করে’ থাকে— কে জানে ডোবার জল, আর কে জানে পতিকোর জল, দুধের সঙ্গে মিশিয়ে কচি ছেলের বিষ তৈরী করে’ বেচেন, নূতন খদ্দেরকে দু’দিন একটু রং রেখে দুধ দিয়েই নিজমুর্ত্তি ধারণ করেন, দুধও নিজমূর্ত্তি ধরে’, মাপে মারেন, পারলে হিসেবেও মারেন। আর এই সব ব্যবসাদারীর হজ্মিগুলি হিসাবে পূজাপাঠ, বারব্রত এ সবই চলতে থাকে। অতএব প্রমাণ হ’য়ে গেল, প্রসন্ন typeও বটে, spiritual typeও বটে। {{ফাঁক}}তারপর প্রসন্ন যাদের, constructive নয়, literal type, অর্থাৎ আমাদের দেশের নারীকুল, তাঁদের আধ্যাত্মিকতা সম্বন্ধে পুরুত ঠাকুর যে certificate দিয়েছেন তা’র উপর ত আর কথা নেই—তাঁরা আছেন বলে’ ধর্ম্ম আছে, আর তা’র আনুসঙ্গিক যা কিছু আছে। তাঁরা হাঁচি টিকটিকি মানেন, বিষ্যুৎবারের বারবেলা মানেন, অশ্লেষা-মঘা মানেন তাই এত বড় জ্যোতিষ-শাস্ত্রটা বেঁচে আছে, ষষ্টি-মাকাল মানেন তাই তেত্রিশ কোটী দেবতার খোরাক জুটচে, উপরন্তু “এঁটো” আর “ব্ল্যাড়া” নামে তেত্রিশ কোটির ওপর দুই জাগ্রত দেবতার প্রাদুর্ভাব হ’য়েচে। তাঁরা এখনও পুরাণপাঠ ছলে কথকতার ভাঁড়ামি শোনেন বলে’ পুরাণাদি শাস্ত্র জীবিত আছে, তাঁরা তীর্থ করেন বলে’ এখনও মোহাত্ত ও পাণ্ডাদের পেট<noinclude>{{c|১৭২}}</noinclude> ac2tyyghlqx91ph5ci9ah25r5um0ifq পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৮৬ 104 851083 1991979 1985376 2026-07-31T04:12:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991979 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{কেন্দ্র|কমলাকান্তের পত্র}}</noinclude>{{ফাঁক}}আমি সে দিন এক M. A. ছাত্রের সঙ্গে কথা কচ্ছিলুম, তিনি Economics নিয়েচেন; তাঁকে প্রশ্ন কল্লুম— বাপু এই যে Fiscal Commission বসল, তা’রা কি মীমাংসা কল্পে কিছু জান? বাছা আমার অনেক মাথা চুল্‌কে উত্তর দিলেন-আজ্ঞে আমাদের Professor এখনও Note দেন নি। অর্থাৎ মোশন-মাষ্টার এখনও মোশন দেন নি, অতএব বাছা এখনও অচল। {{ফাঁক}}আর-একটি ছেলে Anthropology নিয়েচেন M.A.তে; একজন অধ্যাপকের সঙ্গে সেই বিষয়ে কথা কচ্ছিলেন; আমি ঝিমুচ্ছিলুম, তথাপি এই কথাগুলো কানে গেল— {{ফাঁক}}অধ্যাপক। এত-দেশ থাক্‌তে Anthropology নিলে কেন হে? {{ফাঁক}}ছাত্র। কি জানেন, বিষয়টা নতুন, পাস কর্ত্তে পারলে একটা Professorই লাগ্তে পারে। {{ফাঁক}}সুতরাং তাঁর Anthropology পাঠটা পার্ট মুখস্থ ভিন্ন আর কি? এই নতুন বলে’, দিনকতক Commerce, Commerce করে’ ছেলেরা খেপল; উদ্দেশ্য ব্যবসা করা নয়, কারণ সে পথে ব্যবসা শিক্ষা হয় না, প্রফেসারি জুটতে পারে এই আশা। তবেই হ’ল, রঙ্গমঞ্চে ভীম সাজা, ভীম হব বলে’ নয়, ভীমের জন্য লিখিত রক্তৃতা আবৃত্তি করে’ বাহবা ন’ব বলে'; তেমনি Commerce পড়ব ব্যবসা করব বলে’ নয়, Commerce সম্বন্ধে বুলি কেটে, অর্থাৎ lecture দিয়ে, পয়সা রোজকার করব বলে'। {{ফাঁক}}একজন যাত্রায় হনুমান সেজেছিল; পাছে কেউ তা’কে সত্যি<noinclude>{{c|১৮০}}</noinclude> ep8n7v7ax0scib3j0bkrfbnpejor7fh পাতা:কমলাকান্তের পত্র - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৯৬ 104 851093 1991980 1985385 2026-07-31T04:12:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991980 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" /></noinclude>{{কেন্দ্র|৩০}} {{কেন্দ্র|নিরুপদ্রবের শেষ}} কি কল্লে কি হবে তা কেউ বলতে পারে না; অনেকে ভবিষ্যদ্বাণী করবার ধৃষ্টতা রাখে বটে, কিন্তু ফলাফল মিলিয়ে দেখলে কোন ভবিষ্যদ্বাণী হুবহু মিলেছে বলে’ আমার জানা নেই। সূর্য্য চন্দ্রের গ্রহণ বিষয়ে জ্যোতিষের formula আছে, সে formulaর কলে ফেলে সূর্য্যচন্দ্রের গ্রহণ পূর্ব্ব হ’তে গণনা করা যায় বটে, কিন্তু মনুষ্যজীবনে কি কল্লে কি হবে তা’র formula এ পর্য্যন্ত খুঁজে কেউ পায় নি। {{ফাঁক}}আফিং খেলে মৌতাত হবেই এ পর্য্যন্ত কেউ ঠিক করে’ বল্তে পারে না। আফিং খেলেও যে মৌতাত না হ’তে পারে তা’র প্রমাণ আমি কমলাকান্ত স্বয়ং— আমি একেবারেই ত এক ভরি ওজনে এসে পৌঁছাই নি, সর্ষপ পরিমাণ থেকে সুরু করে’, ক্রমে মটর-ভর, তারপর “বদরী সম”, পরে “নবরঙ্গে” এসে দাঁড়িয়েছে; এই ক্রমোন্নতির কারণ হচ্চে পূর্ব্ব পূর্ব্ব অবস্থায় মৌতাত না হওয়া। অহিফেন সেবন রূপ অতি সহজ ও সরল ব্যাপারে যখন ভবিষ্যদ্বাণী চলে না, তখন এতদপেক্ষা জটিলতর ব্যাপারে যে কি কল্লে কি হবে কেউ বল্তে পারবে না তা’র আর আশ্চর্য্য কি? তবে, কি কল্লে কি হবে বলা<noinclude>{{c|১৯০}}</noinclude> fkaeqz2ynvgeeysgitenedhhljlm4px পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৭ 104 851132 1991876 1855183 2026-07-31T04:09:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991876 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১০|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>উঠিলেন। তাঁহার স্নেহপ্রবণ হৃদয় দ্রবীভূত হইল। চক্ষু হইতে আনন্দে ও আশঙ্কায় অশ্রুধারা নিপতিত হইল। {{ফাঁক}}প্রথিতযশা শুদ্ধচরিত বিদ্বান ব্রাহ্মণগণ, কুমারের এই অলৌকিক জন্ম ও অস্বাভাবিক ঘটনাবলীর বিষয় শ্রবণ করিয়া, হর্ষ-বিষাদাচ্ছন্ন রাজা শুদ্ধোদনের নিকট আগমন করিলেন। তাঁহারা আনন্দোৎফুল্ল বদনে রাজাকে উৎসাহিত করিয়া বলিতে লাগিলেন: {{ফাঁক}}“মহারাজ! আনন্দিত হউন। আজ মহা উৎসবের দিন। হৃদয়ে কোনো উদ্‌বেগ, কোনো আশঙ্কা স্থান দিবেন না। আজ যিনি আপনার পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন, জগতের সমস্ত দুঃখ-সন্তপ্ত জনগণের তিনিই হইবেন উদ্ধারকর্তা, পথপ্রদর্শক, অধিনেতা। {{ফাঁক}}“এই উজ্জ্বলকাঞ্চনবর্ণ অনুত্তর শিশুর যে লক্ষণসমূহ দর্শন করিতেছি— তাহাতে নিঃসন্দেহে বলা যায়, হয় ইনি মহামুনি হইয়া পরমসিদ্ধি লাভ করিবেন, নতুবা সমস্ত জগতের চক্রবর্তী সম্রাট হইবেন। {{ফাঁক}}“যদি ইনি পার্থিব সম্পদ ইচ্ছা করেন, তাহা হইলে ইনি ইঁহার অলৌকিক শক্তির দ্বারা, সৌরজগতে সূর্যের ম্যায়, পৃথিবীর সমস্ত রাজগণের মুকুটমণি হইবেন। {{ফাঁক}}“অথবা যদি ইনি নিঃশ্রেয়স পরমগতি আকাঙ্ক্ষা করিয়া, সংসার পরিত্যাগপূর্বক অরণ্যে গমন করেন, তাহা হইলে ইনি ইঁহার অলৌকিক তপস্যালব্ধ তত্ত্বের দ্বারা জগতের সমস্ত<noinclude></noinclude> rwg2rcyl6ij6kc2tdpw47suuqsc9zdd পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৭৭ 104 851185 1991856 1873063 2026-07-31T04:08:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991856 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|৭১}}</noinclude>ছিলেন, তখন সপ্তাহে একটি দিন অফিস যেতেন এবং অ্যাটেনডেন্স খাতায় সারা সপ্তাহের সই করে আসতেন। দেশে যখন তীব্র বেকার সমস্যা, বহু শিক্ষিত বেকার যখন এমপ্লয়মেণ্ট কার্ড করে ইণ্টারভিউ দিতে দিতে চাকরি পাওয়ার বয়েস পেরিয়ে যাচ্ছেন, ডুবে যাচ্ছেন হতাশায়, তখন একটা অতি সাধারণ শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এমন একটি মোটা মাইনের ফাঁকি মারা সুখের চাকরি পেয়ে আমার আত্মীয়টি নিজেকে প্রচণ্ড ভাগ্যবান বলে গর্ব করতেন। {{ফাঁক}}আমার এক স্নেহভাজন ক্যারাটে জুডো ও যোগ ব্যায়ামের প্রশিক্ষক হঠাৎ এক মন্ত্রীর কৃপায় সল্ট লেকে একটা প্লট পেয়ে যাওয়ার ভাবতে শুরু করেছিলেন, ভাগ্যটা ওঁর খুবই ভাল হচ্ছে। {{ফাঁক}}এবার আসুন একটু সাহিত্যজগতে বিচরণ করা যাক। অনুমান করুন তো, কে সেই বাংলা সাহিত্যের দিকপাল অসাধারণ সাহিত্যিক যিনি ১৯৭৬ সালে আমেরিকার বালটিমোরে অনুষ্ঠিত ৩য় বিশ্ব কবি সম্মেলনে ১৯৭৭-এ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৪২-তম বিশ্ব সাহিত্য সম্মেলনে, ১৯৭৭-এ ফিলিপাইনে প্রশান্ত মহাসাগরীয় লেখক সম্মেলনে, ১৯৭৮-এ কোরিয়ার সিওল-এ ৪র্থ বিশ্ব কবি সম্মেলনে এবং ১৯৮১-তে সানফ্রানসিসকোতে ৫ম বিশ্ব কবি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন? {{ফাঁক}}আপনাদের চোখের সামনে নিশ্চয়ই অনেক নামই ভেসে উঠছে, প্রেমেন্দ্র মিত্র, অরুণ মিত্র, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, দিব্যেন্দু পালিত, রমাপদ চৌধুরী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, দেবেশ রায়, বিমল কর, নবনীতা দেবসেন ইত্যাদিদের নাম। না হলো না। আপনাদের অনুমান মিলল না। উনি হলেন বিশ্বজয়ী সাহিত্যিক সুধীর বেরা। ওঁর নাম শোনেননি মনে হচ্ছে? তবে ওঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম জানাচ্ছি, ‘লগ্ন’ ‘শাহানা’, ‘সূর্যনাগ’, ‘অন্যদিন’ ও ‘অভিজ্ঞান'। কী? এইসব কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম কোনদিনই শোনেননি। দেখেননি? পড়েননি? আমিও শুনিনি, দেখিনি, পড়িনি। সুধীর বেরার লেখা একটি জ্যোতিষ বিষয়ক চটি পুস্তিকা ‘নস্ট্রাডামের ভবিষ্যৎবাণী’—তে ছাপা সুবিশাল জীবনীপাঠে এসব অমূল্য তথ্য জানতে পেরেছি। আরো জানতে পেরেছি তিনি ছিলেন ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সদস্য এবং ১৯৭৫-এর সুপ্রিম কোর্টে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী আপিল মামলায় শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর অন্যতম কৌসুলি। জানি না রাজনীতির কল্যাণেই সাহিত্যিক হিসাবে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন কি না? তেমনটি ঘটে থাকলে অবশ্য ভাগ্যে বিশ্বাসী, জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। {{nop}}<noinclude></noinclude> 4oy2jbrtyzcrqbs6a85kog2c2u6aqm1 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৮১ 104 851191 1991857 1983377 2026-07-31T04:08:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991857 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|৭৫}}</noinclude>{{ফাঁক}}১৪। গ্রহ-নক্ষত্ররা কি ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}১৫। ঠিক গ্রহরত্ন পরলে কি ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}১৬। ধাতু, শিকড় বা মাদুলি ধারণ করে কি ভাগ্য পাল্টান সম্ভব? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}১৭। তামা কি বাত কমাতে সাহায্য করে? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}১৮। মন্ত্রশক্তির সাহায্যে সাপের বিষ কি নামানো যায়? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}১৯। বাটি চালান, কঞ্চি চালান, নখদর্পণ বা চাল পড়া খাইয়ে কি চোর ধরা যায়? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}২০। ‘টেলিপ্যাথি’র অস্তিত্ব বাস্তবিক আছে কি? হ্যাঁ/না। {{ফাঁক}}১২, ১৩, ১৪, ১৫ এবং ১৬ নম্বর প্রশ্নগুলো সরাসরি জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত। এই পাঁচাটি প্রশ্নের অন্তত একটিতে ‘হ্যাঁ’—এর পক্ষে মত প্রকাশ করেছিলেন ২১৪৫ জন। অর্থাৎ শতকরা ৭১.৪০ জন। {{ফাঁক}}যুক্তিবাদী আন্দোলন এগিয়ে আসা মানুষদের মধ্যে যদি শতকরা ৪৪ জন অদৃষ্টবাদে বিশ্বাসী হন এবং শরীরে ধাতুর প্রভাব বিষয়ে শতকরা ৭১ জন ভুল ধারণা পোষণ করে থাকেন, তবে সাধারণ মানুষদের ক্ষেত্রে অদৃষ্টবাদে বিশ্বাসী এবং শরীরে ধাতুর প্রভাব বিষয়ে বিশ্বাসীর সংখ্যা যে এর চেয়ে অনেক বেশি হবে, সেটা অনুমান করে নিতে পারি। {{ফাঁক}}এবার একটু অনুসন্ধানের প্রসঙ্গে আসা যাক। আমাদের চালানো অনুসন্ধান থেকে দেখেছি বিজ্ঞানের শিক্ষক, বিজ্ঞানের অধ্যাপক, চিকিৎসক এবং অন্যান্য বিভিন্ন পেশার অনেক মানুষও অদৃষ্টবাদের পক্ষে কোনও না কোনওভাবে মত প্রকাশ করেছিলেন। এমন বিজ্ঞান-বিরোধী অদৃষ্টবাদী চিন্তা ওইসব বিজ্ঞান পেশার মানুষদের কেন প্রভাবিত করল? ওঁরা তো শিক্ষার সুযোগ লাভে বঞ্চিত মানুষ নন? ওঁরা তো অনিশ্চিত পেশার সঙ্গেও যুক্ত নন? তবে? {{ফাঁক}}এই ‘তবের’ একটিই উত্তর—পরিবেশই এইসব বিজ্ঞান পেশার মানুষদের অদৃষ্টবাদী করেছে। {{ফাঁক}}সাধারণভাবে দারিদ্র্য, শিক্ষার সুযোগ না পাওয়ার অজ্ঞতা এবং অনিশ্চিত জীবনযাত্রার জন্য মূলত দায়ী আমাদের বর্তমান সমাজের প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থা অর্থাৎ আর্থসামাজিক পরিবেশ। অর্থ-স্বাচ্ছন্দের মধ্যে গড়ে ওঠা উচ্চশিক্ষিত মানুষরা যখন অন্ধ বিশ্বাস-কুসংস্কারের দাস হয়, তখন এমনতর ঘটনার জন্য অবশ্যই দায়ী ওইসব উচ্চশিক্ষিত মানুষদের পারিপার্শ্বিকতার প্রভাব। মানুষের ওপর পারিপার্শ্বিকতার প্রভাব বা পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে সুদীর্ঘ আলোচনা যেহেতু দ্বিতীয় খণ্ডে করা হয়েছে, তাই এই খণ্ডে আবার সেই একই প্রসঙ্গ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা নিতান্তই প্রয়োজনহীন। তবে তৃতীয় খণ্ডেই যাঁরা ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’ বইটির সঙ্গে প্রথম পরিচিত হলেন, তাঁদের বোঝার<noinclude></noinclude> p9fzxc8lnxqvd3xzw2wuef9icekt93z পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/২৩১ 104 851321 1991858 1983383 2026-07-31T04:08:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991858 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|২২৫|অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|২২৫}}</noinclude>পত্রিকার একেবারে ওপরে বাঁদিকে ওর দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম। বললাম “এই লেখাটা পড়েছ। ওখানে লেখা ছিল, ‘বিজ্ঞাপন ক্রোড়পত্র'। লেখাটা পড়ে বন্ধুটি একটুক্ষণের জন্য একটু অস্বস্তি অনুভব করে তার পরই উপযুক্ত যুক্তি খুঁজে পেয়ে রুখে দাঁড়ালেন, “বিজ্ঞাপন তো কী হয়েছে? তাতে কী ডঃ চ্যাটার্জির মতামতটা তামাদি হয়ে যাচ্ছে? তোমার মতো যুক্তিবাদী কী বলে?” {{ফাঁক}}ওই যে বলেছিলাম, জল অনেক দূরই গড়িয়েছিল, সেই ঘটনার ঘনঘটার কথাগুলোই সেদিন বলতে হয়েছিল বন্ধুকে। আজ আপনাদের বলছি। সেদিন দেবপ্রসাদের ওই লেখায় (বাস্তবে যেটা একটি বিজ্ঞাপন মাত্র) ছিল—“অমৃতলালের মেটাল ট্যাবলেট বিজ্ঞানভিত্তিক কিনা এই প্রশ্ন রেখেছিলেন ‘সাহা ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্স’—এর বায়োফিজিক্সের প্রধান, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ডঃ এস, এন. চ্যাটার্জির কাছে, ডঃ চ্যাটার্জি বললেন—আধুনিক বিজ্ঞান স্বীকার করে নিয়েছে যে ধাতু জীবসত্তার উপযুক্ত বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আরও আশ্চর্যজনক যে, আবহমানকাল থেকেই জ্যোতিষীরা মানবজীবনের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণে ধাতুর কার্যকারিতা লক্ষ্য করে এসেছেন। অমৃতলাল যে মেটাল-ট্যাবলেট উদ্ভাবন করেছেন তা কার্যত অষ্ট ধাতুরই আনুপাতিক সংমিশ্রণ যা মানুষকে শারীরিক ও মানসিক কার্যকারিতাকে সুসংহত পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।” {{ফাঁক}}লেখাটির প্রথম যেদিন আমার নজরে আসে, সে-দিন যথেষ্ট বিস্মিত হয়েছিলাম এমন একটি বক্তব্যের সঙ্গে ডঃ চ্যাটার্জির নাম যুক্ত হতে দেখে। আমরা জানি, মানবদেহে অল্প পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের মৌলিক দ্রব্যের, ধাতুর অস্তিত্ব আছে এবং শরীরে তার প্রভাবও আছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে মানবদেহে মৌলিক পদার্থ ও ধাতুর প্রভাব উপস্থিত। এই সবই সত্য। কিন্তু তাই বলে এমন কথা কী করে বলা যায়—ধাতু শরীরে ধারণ করলে তা কার্যকর ভূমিকা নেবে? এমন অদ্ভুত বিজ্ঞান-বিরোধী কথা বলেছেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী? তবে কী এই বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে কিছু তথ্যপ্রমাণ রয়েছে? {{ফাঁক}}মনস্থির করলাম, এ বিষয়ে বিশিষ্ট কিছু বিজ্ঞানীর মতামত নেব। বেশ কিছু বিশিষ্ট বিজ্ঞানীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ২৬ জুন ১৯৮৬ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স কলেজ রাজাবাজার শাখায় উপস্থিতি থাকতে অনুরোধ জানাই। অনুরোধ করি—ধাতু, রত্ন, ইত্যাদি ধারণ মানবদেহকে কতটা প্রভাবিত করে, সেই বিষয়ে ওই দিন সুচিন্তিত মতামত জানাতে। {{ফাঁক}}২৬ জুন ’৮৬ দীর্ঘ আলোচনার পর ১৮ জন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী সহমত হয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং তাতে স্বাক্ষর দেন। প্রস্তাবটি নিচে দিলাম: {{ফাঁক}}''আমাদের দেশে দীর্ঘদিন যাবৎ হস্তরেখা বিচার, ঠিকুজী কোষ্ঠি, তাবিজ, কবজ, মাদুলি শিকড় ইত্যাদির প্রচল রহিয়াছে। কিছুদিন পূর্বেও এই সকল ব্যবসা শুধুমাত্র মানুষের''<noinclude>{{smaller|অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]—১৫}}</noinclude> fxlkd6xe542nves6v466h1l57x2n50d পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/২৫২ 104 851347 1991859 1871210 2026-07-31T04:08:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991859 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|২৪৬|অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|২৪৬}}</noinclude>{{ফাঁক}}কলকাতার প্রথম নামী মহিলা জ্যোতিষী পারমিতা। তারপর যাঁদের নাম উল্লেখযোগ্য, তাহলে তাঁরা হলেন অঞ্জলি দেবী, প্রিয়াংকা, লোপামুদ্রা, মণিমালা, কৃষ্ণা, কল্যাণী মুখার্জি। এখন টিভি ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারে আছেন জয়া, অনুরাধা, দেবকন্যা, গোপা শাস্ত্রী, খনা মা। এ-ছাড়া আরও অনেক মহিলা জ্যোতিষীরাই ডুবছেন, আবার নতুন নতুন নাম উঠে আসছেন। নামী-দামি হয়ে উঠছেন। নামটা কতখানি ব্যাপক, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে বিজ্ঞাপন ও প্রচারের ওপর। যার যত বিজ্ঞাপন, যার মত প্রচার, সে তত নামী। আর যা যত নাম, তার তত দাম। {{কেন্দ্র|{{larger|'''<poem>বিজ্ঞাপন ও প্রচারের দৌলতে এককালের সম্রাট জ্যোতিষীর দলও আবার এক সময় সিংহাসন ছেড়ে দিতে বাধ্য হন, অন্য জ্যোতিষীদের সঙ্গে বিজ্ঞাপন ও প্রচারের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে।</poem>'''}}}} {{ফাঁক}}পুরনো দিনের পঞ্জিকা বা পত্রিকার পাতা ওল্টালেই চোখে পড়বে অতীত জ্যোতিষ-সম্রাটদের বিজ্ঞাপন। একটু কষ্ট করে খোঁজ করলেই দেখতে পাবেন, বর্তমানে অচেনা এইসব জ্যোতিষীদের অনেকেই এখনও জীবিত এবং এখনও জ্যোতিষ-পেশা আঁকড়ে আছেন। {{ফাঁক}}বিজ্ঞাপনের দৌলতে ১৫ থেকে ২৫ বছর আগের নামী-দামি জ্যোতিষীরা হলেন ডঃ অসিতকুমার চক্রবর্তী, পণ্ডিত রামকৃষ্ণ শাস্ত্রী, সমরেন্দ্র দাস, শ্রীরবি শাস্ত্রী, মনসারাম, নিমাই ঠাকুর, ডঃ সন্দীপন চৌধুরী, পারমিতা, প্রিয়াংকা, নরোত্তম সেন, শুকদেব গোস্বামী ওরফে ভৃগু-আচার্য, শ্রীভৃগু ও অমৃতলাল। {{ফাঁক}}বিজ্ঞাপনে ২০০৫ সাল থেকে যাঁরা সাধারণের পকেট হালকা করার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন, তাঁরা হলেন— রামকৃষ্ণ শাস্ত্রী, সুভাষ শাস্ত্রী, দেবযানী, শ্রীজয়ন্ত, মনসারাম, নিমাই ঠাকুর, মলয় শাস্ত্রী, শ্রীভৃগু, খনা মা, জয়া গাঙ্গুলী, বশিষ্ঠানন্দ, গৌতম ভারতী, প্রলয় শাস্ত্রী, অমৃতলাল। {{ফাঁক}}অমৃতলাল এক বিষয়ে সবার চেয়ে আলাদা। তিনি রত্ন ধারণের ব্যবস্থাপত্র দেন{{SIC|। না|না। }}পরিবর্তে দেন মেটাল ট্যাবলেট। {{ফাঁক}}বৃহত্তর কলকাতায় ‘জ্যোতিষ শিক্ষণ কেন্দ্র’—এর সংখ্যা ৫। জ্যোতিষ বিষয়ক প্রকাশিত পত্রিকার সংখ্যা ৪টি। ২০০৩-এর সমীক্ষায় জানা যায়, বৃহত্তর কলকাতায় ছোট-বড় মিলিয়ে জ্যোতিষীর সংখ্যা ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার। জ্যোতিষ চর্চা করে মাসিক আয় ১০ হাজার বা তার চেয়ে বেশিদের সংখ্যা এই রকম:— {{nop}}<noinclude></noinclude> joe5nzfjwq6fsvyu3wz5bsg30uxidwv পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৪৩ 104 851359 1991860 1852871 2026-07-31T04:08:55Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991860 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|৩৩৭}}</noinclude>উপকৃত হবেন, তেমনই অনেক বন্ধুর ঈর্ষার ও বিরোধিতার মুখোমুখি হবেন। {{ফাঁক}}“আপনি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সতর্ক, সুযোগসন্ধানী, প্রয়োজনে ঝুঁকি নিতে জানেন। (‘সতর্ক’ এবং ‘ঝুঁকি নিতে পারেন’, দুই বিপরীত কথাই বলা হলো। এর মধ্যে সকলে পড়বেন।) আপনি দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন মানুষ, আপনার মধ্যে রয়েছে অনেক উচ্চাশা, অনেক স্বপ্ন, অনেক পরিকল্পনা (উচ্চাশার কথা মধ্যবিত্ত তরুণদের সম্বন্ধেও অবশ্য একইভাবে প্রয়োগ করতে পারেন।) আপনি প্রয়োজনে তথ্য গুপ্ত রাখতে জানেন।” {{ফাঁক}}শিল্পী, লেখক, বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে বলুন, “আপনি সৃজনশীল, উন্নত হৃদয়বৃত্তির মানুষ। নব উদ্ভাবনে সচেষ্ট। কোনও কোনও বিষয় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে ভালবাসেন, অনুভূতিসম্পন্ন মানুষ, জ্ঞানতৃষ্ণা, প্রচণ্ড, যুক্তিপ্রিয়। ভালবাসার ক্ষেত্রে প্রেম বুদ্ধিদীপ্ত ও অসতর্ক। উচ্চমেধার এবং ধান্ধাবাজ—দুধরনের মানুষই আপনার প্রেমে পড়বেন বা ফ্লার্ট করবেন। আয়বৃদ্ধির লক্ষণ আছে। অর্থাভাব হবে না। বহু ভ্রমণ যোগ আছে। বহুর মধ্যে থেকেও মাঝে মাঝে একাকিত্বে পীড়িত হবেন। শত্রু থাকবে। বন্ধুদের মধ্যে থেকেও শত্রুতা আসবে। সম্মান অবশ্যই পাবেন; তবে ঠিক যতটা পাওয়া উচিত ছিল, ততটা পাবেন না। (প্রাপ্য সম্মান পান নি, এঁরা এমনটা ভেবেই থাকেন।) প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনও এগিয়ে নিয়ে যাবে, কখনও কিছুটা থমকে থাকবে। নৈসর্গিক শোভা, সংগীত আপনার ভাল লাগবে। {{ফাঁক}}“গার্হস্থ্যজীবনে শান্তি ও অশান্তি থাকবে মিলেমিশে; যদিও শান্তিই আপনি সর্বদা কামনা করেন। আপনি চিরকালই মনের গভীরে একজন ভালাবাসার মানুষের সন্ধানে থাকবেন। {{ফাঁক}}“আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অসাধারণ। আপনি সংস্কৃতিবান ও দয়ালু। নতুনকে গ্রহণ করতে জানেন, কিন্তু যা নতুন তাই বিনা বিচারে গ্রহণ করতে রাজি নন।” মানুষের নানা শ্রেণিবিন্যাসের ওপর নির্ভর করে এমনি কত কিছুই যে ঠিক-ঠাক বলে দেওয়া যায়, সে নিয়েই একটা বড় বই লিখে ফেলা যায়। জ্যোতিষীরা মনুষ্যচরিত্র বুঝে মোটামুটি বহু আভাসই সার্থকভাবে দিতে পারেন বলেই, এখনও মানুষ প্রতারিত হয়েই চলেছে এবং জ্যোতিষবিশ্বাসও সাধারণের মধ্যে রয়েছে অটুট। {{কেন্দ্র|{{larger|'''<poem>জ্যোতিষশাস্ত্রের নাম করে জ্যোতিষীদের লোক ঠকানোই ব্যবসা; তাই মনুষ্য চরিত্র বুঝতে তাঁরা যতখানি পরিশ্রমী, সাধারণ মানুষ ততটা নন।</poem>'''}}}} {{ফাঁক}}সাধারণ মানুষও মানুষের চরিত্র বোঝার ব্যাপারে পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ<noinclude>{{smaller|অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]—২২}}</noinclude> q35qo001i97yzo5l4w7e9veb7pe43kn পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/২০ 104 851389 1991420 1955369 2026-07-30T16:34:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991420 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|১৪|সাম্য|}}</noinclude>মঙ্গল কর না, অতএব আমরাও তোমাকে কর দিব না বা তোমার আজ্ঞাপালন করিব না। তুমি রত্নসিংহাসন হইতে অবতরণ কর।” {{ফাঁক}}অতএব যে দিন Le Contrat Social প্রচারিত হইল, সেই দিন ফরাসী রাজার হস্তের রাজদণ্ড ভগ্ন হইল। Le Contrat Social গ্রন্থের চরম ফল ষোড়শ লুইর সিংহাসনচ্যুতি, এবং প্রাণদণ্ড। ফরাসীবিপ্লবে যাহা কিছু ঘটিয়াছিল, তাহার মূল এই গ্রন্থে। সেই যজ্ঞে বেদমন্ত্র, এই গ্রন্থোক্ত বাণী। {{ফাঁক}}সেই ফরাসী বিপ্লবে, রাজা গেল, রাজকুল গেল, রাজপদ গেল, রাজনাম লুপ্ত হইল; সম্ভ্রান্ত লোকের সম্প্রদায় লুপ্ত হইল; পুরাতন খ্রীষ্টীয় ধর্ম্ম গেল, ধর্ম্মযাজকসম্প্রদায় গেল; মাস, বার প্রভৃতির নাম পর্য্যন্ত লুপ্ত হইল—অনন্ত প্রবাহিত শোণিতস্রোতে সকল ধুইয়া গেল। কালে আবার সকলই হইল, কিন্তু যাহা ছিল, তাহা আর হইল না। ফ্রান্স নূতন কলেবর প্রাপ্ত হইল। ইউরোপে নূতন সভ্যতার সৃষ্টি হইল—মনুষ্যজাতির স্থায়ী মঙ্গল সিদ্ধ হইল। রূসোর ভ্রান্ত বাক্যে অনন্তকালস্থায়িনী কীর্ত্তি সংস্থাপিতা হইল। কেন না, সেই ভ্রান্ত বাক্য সাম্যাত্মক—সেই ভ্রান্তির কায়া অর্দ্ধেক সত্যে নির্ম্মিত। {{ফাঁক}}ফরাসীবিপ্লব শমিত হইল, তাহার উদ্দেশ্য সিদ্ধ হইল। কিন্তু “ভূমি সাধারণের” এই কথা বলিয়া রূসো যে মহাবৃক্ষের বীজ বপন করিয়াছিলেন, তাহার নিত্য নূতন ফল ফলিতে লাগিল। অদ্যাপি তাহার ফলে ইউরোপ পরিপূর্ণ। “কম্যুনিজম্” সেই বৃক্ষের ফল। “ইণ্টরন্যাশনল” সেই বৃক্ষের ফল। এ সকলের যৎকিঞ্চিৎ পরিচয় দিব। এ দেশে এবং অন্য দেশে সচরাচর সম্পত্তি ব্যক্তিবিশেষের। আমার বাড়ী, তোমার ভূমি, তাহার বৃক্ষ। কিন্তু ইহা ভিন্ন আর কোন প্রকার সম্পত্তি হইতে পারে না, এমত নহে। ব্যক্তিবিশেষের সম্পত্তি না হইয়া, সর্ব্বলোকসাধারণের সম্পত্তি হইতে পারে। এই সর্ব্বলোকপালিকা বসুন্ধরা কাহারও একার জন্য সৃষ্ট হয় নাই বা দশ পনের জন ভূম্যধিকারীর জন্য সৃষ্ট হয় নাই। অতএব ভূমির উপর সকলেরই সমান অধিকার থাকা কর্তব্য। সর্ব্ববিঘ্নবিনাশিনী বাক্শক্তির বলে, এই কথা রূসো পৃথিবীর মধ্যে আদৃতা করাইয়াছিলেন। ক্রমে বিজ্ঞ, বিবেচক পণ্ডিতেরা সেই ভিত্তির উপর সম্পত্তিমাত্রেরই সাধারণতা স্থাপন করিবার মত সকল প্রচার করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}প্রথম মত এই যে, ভূমি এবং মূলধন, যাহার দ্বারা অন্য ধনের উৎপত্তি হইবে, তাহা সামাজিক সর্ব্বলোকের সাধারণ সম্পত্তি হউক। যাহা উৎপন্ন হইবে, তাহা সর্ব্বলোকে সমভাগে বণ্টন করিয়া লউক। ইহাতে বড় লোক ছোট লোক কোন প্রভেদ রহিল না;<noinclude></noinclude> tst60vqmlb3kwnnqvh1om37lt76z3u6 পাতা:বেলুনে পাঁচ সপ্তাহ - রাজেন্দ্রলাল আচার্য (১৯২৫).pdf/১৪ 104 851413 1991698 1986434 2026-07-31T04:01:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991698 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{rh|৮|বেলুনে পাঁচ সপ্তাহ|}} {{rule}}</noinclude>ছিলেন যে, বন্ধুর পর্য্যটন-স্পৃহা বোধ হয় শেষ হ‍ইয়াছে। তিনি মনে মনে তুণ্টই হইয়াছিলেন। সাক্ষাৎ ঘটিলেই কেনেডি তাঁহার বন্ধুকে বলিতেন “আর ছুটা-ছুটি করে কাজ নাই, বিজ্ঞানের জন্য অনেক করেছ—এখন দু’দিন ঘর-সংসারে মন দাও।” ফার্গুসন্‌ সর্ব্বদাই চিন্তাযুক্ত থাকিতেন, বন্ধুর কথায় কোনো উত্তর দিতেন না। {{ফাঁক}}জানুয়ারি মাসে ফার্গুসনের সহিত সাক্ষাৎ হইবার পর কেনেডি বিশেষ ভাবে তাঁহার ভাবান্তর লক্ষ্য করিলেন এবং ফার্গুসন্কে‌ বিদায় দিয়া ভাবিতে লাগিলেন,ফার্গুসনের কি হয়েছে? তাকে অত চিন্তাযুক্ত দেখছি কেন? ব্যাপার কি? অকস্মাৎ এক দিন এক খণ্ড ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’ হস্তগত হওয়ায় কেনেডির আর কিছু বুঝিতে বাকী রহিল না। তিনি টেবিলে সজোরে করাঘাত করিয়া বলিয়া উঠিলেন— {{ফাঁক}}“দেখেছ, কি পাগল! কি বোকা! বেলুনে চড়ে’ আফ্রিকা ভ্রমণ করতে চায়। দু’বচ্ছর ধরে’ ফার্গুসন বুঝি এই চিন্তাতেই নিযুক্ত আছে!” নিকটেই কেনেডির ভৃত্য ছিল। সে কহিল, “ও কিছু নয়—নিশ্চয়ই সব ফাঁকি!” {{ফাঁক}}“তুমি বলছো ফাঁকি! কখনো ফাঁকি নয়। আমি কি আর তাঁকে চিনি না? এমন একটা অসম্ভব প্রস্তার ঠিক তাঁরই উপযুক্ত। দেখছ, আকাশে উড়ে’ বেড়াতে চায়! উঃ কি দুরাকাঙ্ক্ষা! কি দাম্ভিকতা! ঈগল পাখীকেও পরাস্ত, করতে চায়! যাতে তার না যাওয়া হয়, তাই করতে হবে।<noinclude></noinclude> 4rl3vi9ioouhe6s6jgi6v4j4zfnius3 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৫৯ 104 851700 1991855 1871102 2026-07-31T04:08:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991855 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|৫৩}}</noinclude>ভাগ্যে নেমে এল বিপর্যয়। কোনও রত্ন, মাদুলি, মন্ত্রর সাধ্য হল না এই বিপর্যয় সামলানোর। {{larger|'''জ্যোতিষীদের বৃত্তিকর বাতিল করল যুক্তিবাদী সমিতি'''}} {{ফাঁক}}সত্যানন্দের ভাণ্ডাফোড় করতেই কোণঠাসা সত্যানন্দ সাংবাদিকদের ডেকে জানালেন, তিনিই একমাত্র জ্যোতিষী যিনি নিয়মিত বৃত্তিকর দেন। বৃত্তিকর দিয়ে পাওয়া সার্টিফিকেট হাতে তুলে দেখালেন। {{ফাঁক}}এতেই কাল হল। বিষয়টা জেনে জোগাড় করলাম বৃত্তিকর দিয়ে পাওয়া ‘সার্টিফিকেট অফ এনরোলমেণ্ট’—এর জেরক্স কপি। অর্থাৎ বৃত্তিকরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সার্টিফিকেট-এর জেরক্স কপি। {{ফাঁক}}১৯.১০.২০০৫ ডেপুটি কমিশনার, প্রফেশন ট্যাক্স অফিস, হেডকোয়ার্টার {{Img float | file = অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ (page 59 crop).jpg | width = 640px | align = center }}<noinclude></noinclude> czid2gfmphyfv40dij83x6u3rkv2sl4 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৮০ 104 851752 1991861 1871272 2026-07-31T04:08:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991861 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৩৭৪|অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]}}</noinclude>নস্ট্রাডামুসও তাঁর কল্পনা শক্তির সাহায্যেই ডুবোজাহাজের কল্পনা করেছেন; অলৌকিক ক্ষমতায় নয়। আমরাও আগামী দিনের সন্বন্ধে কিছু কিছু কল্পনা করে রেখেছি। আগামী দিনে প্রায় সকলের কাছেই থাকবে তার ব্যক্তিগত আকাশযান; চাঁদে মানুষ আগামী দিনে বসতি গাড়বে; এরকম কল্পনা আমার বাবা ছোটোবেলায় করতেন, শুনেছি ঠাকুমার কাছে। থ্রি-ডাইমেনশন ছবিরও কল্পনা করতেন বাবা, বাবার ছোটোবেলাকার গল্প শোনাতে গিয়ে বলেছেন পিসি। এমনই সব চিন্তা বা আরও অনেক উদ্ভট চিন্তা নিশ্চয় বহু মানুষের মাথাতেই এসেছিল, আসছে, আসবে। কিন্তু এইসব কল্পনা বাস্তবের সঙ্গে মিলে যাওয়া কি-নিখুঁৎ ভবিষ্যদ্বাণীর প্রমাণযোগ্য? অবশ্যই নয়। {{কেন্দ্র|{{x-larger|কবিতা—৪৪ (সেঃ—৩)}}}} {{dent|4em|0|<poem>Quand l’animal a l’homme domestique, Apres grands peines & sauts viendra parler, De fouldre a veirge sera si malefique, De terre prinse & suspvndue en l’air.</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থাৎ: {{dent|4em|0|''<poem>যখন মানুষের পোষা সেই জানোয়ারটা কথা বলতে শিখবে অনেক চেষ্টার পর, বজ্রপাত, যা দণ্ডর (রড) পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক, তাকে পৃথিবী থেকে বার করে মেলে ধরা হবে শূন্যে।</poem>''}} {{ফাঁক}}'''ব্যাখ্যাকারের ব্যাখ্যা: বেতার যোগাযোগ ও বিদ্যুতের আবিষ্কার''' {{ফাঁক}}এরিকা মনে করেন এই কবিতাতে বেতার যোগযোগ, ও বিদ্যুৎ সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। প্রথম দু’লাইনে বেতার যোগাযোগের কথা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন নস্ট্রাডামুস। ‘সেই জানোয়ারটা’ আসলে কোনো জানোয়ারই নয়। ‘জানোয়ার’ বলতে আসলে বলতে চাওয়া হয়েছে বেতার-যন্ত্রের স্পিকারের কথা! তৃতীয় আর চতুর্থ লাইনে বলতে চাওয়া হয়েছে বিদ্যুতের কথা। বজ্রপাত মানেই বিদ্যুৎ। দণ্ড মানে সম্ভবত বিদ্যুৎ-নিরোধক ধাতব রড, যা বাড়ির ছাদে দেখা যায়। ‘মেলে ধরা হবে শূন্যে’, মানে বিদ্যুৎবাহী তারগুলো ঝোলানো হবে শূন্যে। {{ফাঁক}}'''যুক্তিবাদী বিশ্লেষণ:''' {{dent|4em|0|<poem>“যখন মানুষের পোষা সেই জানোয়ারটা কথা বলতে শিখবে অনেক চেষ্টার পর,”</poem>}} {{ফাঁক}}এখানে ‘জানোয়ার’ নিশ্চয়ই কাকাতুয়া, টিয়া, ময়না জাতীয় কোনও পাখি, যারা পোষ মানে, যাদের কথা বলতে শেখানো যায় চেষ্টা করলে। কিন্তু মানুষের পোষা সেই পাখিকে অনেক চেষ্টায় কথা বলা শেখানোর পর কী? উত্তর নেই। আছে<noinclude></noinclude> rax1oo1wnpssj1846l3az3wum1tylu4 পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৭ 104 851786 1991590 1904716 2026-07-31T03:48:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991590 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''দ্বিতীয় সর্গ'''}}}} {{ফাঁক}}আত্মজিৎ জন্মজরান্তগ আত্মজের জন্মদিন হইতে, সেই রাজা, অর্থ, গজ, অশ্ব এবং মিত্রগণের দ্বারা, জলস্রোতে স্রোতস্বিনীর ন্যায়, দিন দিন সমৃদ্ধ হইতে লাগিলেন॥১॥ {{ফাঁক}}তিনি তখন ধন ও রত্নের, সংস্কৃত ও অসংস্কৃত স্বর্ণের, নানা নিধি লাভ করিলেন। তাঁহার সেই ঐশ্বর্যরাশি মনোরথের পক্ষেও অতি ভার (কল্পনারও অতীত) হইল॥২॥ {{ফাঁক}}জগতে পদ্মের (দক্ষিণদিকস্থিত দিগ্‌গজ) ন্যায় শ্রেষ্ঠ হস্তিগণও, যাহাদিগকে মণ্ডলের (খেদার) মধ্যে আনয়ন করিতে অসমর্থ হইত, সেই মদোন্মত্ত হৈমবত (হিমালয়স্থ) গজসমূহও অনায়াসেই তাঁহার সমীপে উপস্থিত হইল॥৩॥ {{ফাঁক}}বলের দ্বারা, মিত্রতার দ্বারা ও ধনের দ্বারা অধিগত অশ্বসমূহ, তাঁহার রাজধানী ক্ষুভিত করিয়া তুলিল। সেই অশ্বগণের কেহ কেহ নানা চিহ্নে চিহ্নিত, কেহ হৈমাভরণভূষিত-কেহ বা দীর্ঘকেশরযুক্ত॥৪॥ {{ফাঁক}}তাঁহার রাজ্যে, সুন্দর, পরিষ্কার, হৃষ্টপুষ্ট, মিষ্ট ও প্রভূত দুগ্ধবর্তী, পরিপুষ্টবৎসরতী বহু গাভীর আবির্ভাব হইল॥৫॥ {{ফাঁক}}শত্রুর সহিত তাঁহার মধ্যস্থতা হইল। সেই মধ্যস্থভাব ক্রমে সৌহার্দে পরিণত হইল, পরে সেই সৌহার্দ্যও দৃঢ় হইল। {{nop}}<noinclude></noinclude> 6y63x1cw0laztb2fmsld0yr6ja553ys পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৯৮ 104 851892 1991862 1984952 2026-07-31T04:08:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991862 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৩৯২}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|কবিতা—২১ (সেঃ—৬)}}}} {{dent|4em|0|<poem>Quant ceux du polle artiq unis ensemble, En Orient grand effrayeur & crainte : Eslun nauveae, soustenu le grand tremble, Rhodes, Bisance de sang Barbare taincte.</poem>}} {{ফাঁক}}এর মানে: {{dent|4em|0|''<poem>যখন উত্তরমেরুর মানুষরা এক হবে, তখন পূর্বে ছড়াবে ভয় আর বিভীষিকা : নতুন একজন নির্বাচিত হবেন, তাকে সমর্থন করবেন ভীতসন্ত্রস্ত আর এক ব্যক্তি, রোডস ও বাইজানটিয়ামে ছড়িয়ে পড়বে ইতরদের রক্ত।</poem>''}} {{ফাঁক}}'''ব্যাখ্যাকারের ব্যাখ্যা: এইডস রোগ''' {{ফাঁক}}এরিকার নতুন বই “THE FINAL PROPHECIES OF NOSTRADAMUS”-এ তিনি লিখেছেন যে, এ কবিতা বলতে চাইছে ‘এইডস’ রোগের কথা। প্রথম দুটো লাইনের দ্বারা বোঝাতে চাওয়া হয়েছে যে এইড্‌স্‌ রোগের বিরুদ্ধে উত্তর মেরুর সমস্ত মানুষ একত্রিত হবেন; ‘এইডস’—এর বিভীষিকার ভয়ে। তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের ব্যাখ্যা নেই! {{ফাঁক}}এরিকা আরও বলেছেন যে, এই কবিতাটির সঙ্গে এই সেঞ্চুরিরই কবিতা—৫ কে মিলিয়ে পড়তে হবে। কেননা কবিতা—৬এর সঙ্গে এই কবিতার বেশ মিল আছে। দেখা যাক কবিতা পাঁচ-এ কী বলা হয়েছে: {{কেন্দ্র|{{x-larger|কবিতা—৫ (সেঃ—৬)}}}} {{dent|4em|0|<poem>Si grand famine par unde pestifere, Par pluie longue le long du polle arctique, Samarobrin cent lieux de l’hemisphere, Vivront sans loi exempt de pollitique.</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থাৎ: {{dent|4em|0|''<poem>মস্ত দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়বে প্লেগ রোগের পর, ছড়াবে গোটা উত্তর মেরুতে, সামারোর্বিন, পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে একশো লীগ<ref>লীগ : দূরত্বের মাপবিশেষ (প্রায় ৩ মাইল)</ref> দূরে তারা আইনমান্য করবে না, অবসর নেবে রাজনীতি থেকে।</poem>''}} {{ফাঁক}}'''ব্যাখ্যাকারের ব্যাখ্যা: এইডস রোগের ওষুধ''' {{ফাঁক}}চিটহ্যাম মনে করেন, এই কবিতাতে এইডস রোগের ওষুধের হদিশ দেওয়া<noinclude>{{bar}}</noinclude> g93rfv8hr0oufx0xzpj17jgy96bzl9f পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৯৯ 104 851893 1991863 1871288 2026-07-31T04:08:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991863 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৩৯৩|অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]|৩৯৩}}</noinclude>আছে। তাঁর মতে, নস্ট্রাডামুস যাকে প্লেগ রোগ বলেছেন, সেটা আসলে এইডস। এইডস ছড়াবে গোটা উত্তর মেরুতে। {{ফাঁক}}তৃতীয় লাইনে যে ‘সামারোবিন’—এর কথা বলা হয়েছে, সেইটাই হয়তো এইডস-এর ওষুধের নাম। এবং এই ওষুধ হয়তো তৈরি হবে পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে দূরে, কোনো মহাকাশে ভাসমান ল্যাবরেটরিতে। {{ফাঁক}}চতুর্থ লাইনের ব্যাখ্যা নেই। {{ফাঁক}}'''যুক্তিবাদী বিশ্লেষণ (কবিতা—২১, এবং ৫ এর):''' {{ফাঁক}}এরিকা এইডস’-এর ওপরই এত জোর দিলেন কেন বুঝলাম না। কবিতা—২১-এ তো কোথাও কোনো রোগ ছড়াবার কথা লেখা নেই? কবিতা—৫-এ প্লেগ রোগের উল্লেখ আছে; কিন্তু প্লেগ আর এইডস-এ তো আসমান-জমিন ফারাক! এরিকা তাঁর বইতে সময়োপযোগী তথ্য ঢোকানোর ইচ্ছায় এই ‘প্লেগ’কে ‘এইডস’ বলে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাহলে কবিতা—২১-এর তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের ব্যাখ্যা কী? কবিতা—৫-এর চতুর্থ লাইনের ব্যাখ্যা কী? {{ফাঁক}}সত্যি বলতে কি, কবিতা—২১-এর সঙ্গে এইডস-এর কোনো যোগাযোগই খুঁজে পাচ্ছি না। আপনারা কবিতাটা আবার পড়ে দেখুন তো, কোনো যোগাযোগ পান কি না এইডস’-এর সঙ্গে? {{ফাঁক}}কবিতা—৫-এর ‘প্লেগ’ ও ‘এইডস’ নিয়ে এইমাত্র আলোচনা করেছি। আর তৃতীয় লাইনটার সত্যতা যেহেতু এখনও যাচাই করার সময় আসেনি, সেহেতু আমরা অপেক্ষায় রইলাম। দেখা যাক, এইডস-এর ওষুধের নাম ‘সামারোর্বিন’ হয় নাকি, এবং তা পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে তিনশো মাইল দূরে কোনও মহাকাশে-ভাসমান গবেষণাগারে আবিষ্কৃত হয় নাকি? {{কেন্দ্র|{{x-larger|কবিতা—২৩ (সেঃ—৬)}}}} {{dent|4em|0|<poem>D’esprit de regne munismes descriees, Et seront peuples esmuez contre leur Roi: Paix faict nouveau, sainctes loix empirees, Rapis one fut en si tres dur arroi.</poem>}} {{ফাঁক}}এর মানে দাঁড়ায়: {{dent|4em|0|''<poem>সরকারী প্রতিরোধ পড়বে ভেঙে, দেশের মানুষ খেপে উঠবে রাজার বিরুদ্ধে : নতুন করে শান্তি আসার পর আইনকানুন হয়ে যাবে আরও খারাপ, রাপিসে আগে কখনও এমন অশান্তি ঘটেনি।</poem>''}} {{ফাঁক}}'''ব্যাখ্যাকারের ব্যাখ্যা: ফরাসি বিপ্লব''' {{ফাঁক}}চার লাইনের ছোট্ট ব্যাখ্যায় এরিকা ঘোষণা করেছেন যে, এই কবিতাতে<noinclude></noinclude> aekq20pm1v3eq7mzh0q4c38hpmefio1 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৬২ 104 851929 1991870 1871377 2026-07-31T04:09:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991870 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|১৫৮|অলৌকিক নয় লৌকিক ২|১৫৮}}</noinclude>{{ফাঁক}}তমোনাশ জানালেন, কয়েকজন সাংবাদিক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার তরফ থেকে ইতিমধ্যে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তাঁদের প্রত্যেককেই হাত জোড় করে জানিয়েছি ক্ষমা করবেন। আমরা প্রচার চাই না। প্রচার ছাড়াই যে বিপুল সংখ্যাক রোগী আসছেন, তার ভিড় সামাল দিতেই হিমশিম খাচ্ছি, অত এব মাপ করবেন। তবে আপনার চিকিৎসার বিষয়ে নিশ্চয়ই সাহায্য করব। এ জন্য আপনাকে দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা ক্যাশ।” {{ফাঁক}}“যারা চিকিৎসা করাতে আসছেন তাঁরা কেমন ফল পাচ্ছেন?”—জিজ্ঞেস করলাম। {{ফাঁক}}“মিরাকল রেজাল্ট।” কয়েকজন রোগীর নাম ও তাদের আরোগ্যলাভের গল্প বলতে বলতে আমার মতো একজন উৎসাহী শ্রোতাকে দেখাবার জন্য ঘরের ভিতরে গিয়ে নিয়ে এলেন কয়েকটা রঙিন ফটোগ্রাফ। তমোনাশের উপর ফেইথ হিলিং চলাকালীন তোলা ছবি। {{ফাঁক}}বললাম, “আপনার ছবি দিয়ে আপনার ফেইথ হিলিং-এর অভিজ্ঞতার কথাই পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে চাই।” {{ফাঁক}}আমার কথায় চিঁড়ে ভিজল মনে হল। খাতা-কলম বের করে তমোনাশের অভিজ্ঞতার কথা জেনে টুকে নিতে শুরু করলাম। {{ফাঁক}}ফিলিপিন থেকে আসা এই ফেইথ হিলারের নাম Mr. Romeo P. Gallarrdo। সহকারী হিসেবে সঙ্গে এসেছেন Mr. Rosita J. Gallardo| উঠেছেন কলকাতার লিটন হোটেলে। এঁদের ভারতে নিয়ে আসার আর্থিক দায়-দায়িত্ব নিয়েছেন গৌহাটির কোটিপতি ব্যবসায়ী রামচন্দ্র আগরওয়াল। কলকাতার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছেন রামচন্দ্র আগরওয়ালের শ্যালক অলোক খৈতান। শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও বেশি রকম সুস্থ ও চনমনে হতে গ্যালার্ডোর ফেইথ হিলিং-এর সাহায্য নিয়েছিলেন তমোনাশ। দারুণ কাজ হয়েছে। তমোনাশকে এ জন্য কোনও টাকা দিতে হয়নি। মিস্টার গ্যালার্ডোর সঙ্গে তমোনাশের খুব ভালো ভাব হয়ে গেছে। ভিড় ভালোই হচ্ছে। দিনে রোগী আসছেন একশো থেকে দেড়শো। {{ফাঁক}}তমোনাশের ছবিগুলো থেকে দুটো ছবি নিয়ে বললাম, “এই ছবি দুটো সহ লেখাটা ছাপতে চাই। লেখাটা আরও ভালো হত যদি গ্যালার্ডোর একটা সাক্ষাৎকার সঙ্গে ছাপতে পারতাম।” {{ফাঁক}}তমোনাশ বললেন, “কাল রাতে একবার আসুন। আমি গ্যালার্ডোর সঙ্গে কথা বলে দেখি কিছু করা যায় কি না।” {{nop}}<noinclude></noinclude> jkizyait30a5woumi3nw6j107caz8vq পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৭৩ 104 851971 1991871 1871386 2026-07-31T04:09:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991871 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||ভূতুড়ে চিকিৎসা|১৬৯}}</noinclude>থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অতএব রোজগারের ধান্দা থাকলেও ২৭ আগস্টের পর মিস্টার ও মিসেস গ্যালার্ডোর আসামে থাকা সম্ভব ছিল না। আগরওয়ালকে প্রশ্ন করলাম, “আপনি একটু আগে বলছিলেন দেশের গরিব মানুষদের সেবার জন্য মিস্টার গ্যালার্ডোকে নিয়ে এসেছেন। তবে রোগীদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন কেন?” {{ফাঁক}}আমার প্রশ্নের শুনে প্রথমটায় আগরওয়াল সামান্য গুটিয়ে গিয়ে পরে সামলে নিয়ে বললেন, “যে বিশাল খরচ করে এঁদের এনেছি তাতে খরচের কিছুটা অংশ না তুলতে পারলে তো মরে যাব দাদা। হোটেল খরচই মেটাচ্ছি রোজ আট-হাজার টাকা। তার উপর এই হোটেলের মালিকের পাঠানো দুজন করে রোগী প্রতিদিন বিনে পয়সায় দেখে দিচ্ছি।” {{ফাঁক}}হাসলাম, বললাম, “আপনি তো প্রত্যেক রোগীকে দিয়েই একটা ডিক্লেয়ারেশন ফর্ম ফিল-আপ করাচ্ছেন। আমাকে ফর্মের ফাইলটা একটু দেবেন। কিছু রোগীর ঠিকানা নেব। একটা সার্ভে করে দেখতে চাই তাঁরা ফেইথ হিলিং করিয়ে কেমন ফল পেয়েছেন।” {{ফাঁক}}অলোক দু-কাঁধ ঝাঁকিয়ে জানালেন, “ফাইলটা কালই হারিয়ে গেছে।” {{ফাঁক}}কথায় কথায় মিনিট কুড়ি বোধহয় পার হয়েছে, একজন তরুণ ভেজানো দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকে তমোনাশকে ইশারায় ডেকে বেরিয়ে গেলেন। তমোনাশও বেরোলেন। মিনিট দুয়েক পরেই তমোনাশ ডাকলেন আগরওয়ালকে। তার মিনিট দুয়েক পরেই আগরওয়াল আমাকে বাইরে ডাকলেন। বাইরে এসে দেখি করিডরে তমোনাশ, আগরওয়াল ও যে ছেলেটি দরজা নক করেছিল সে দাঁড়িয়ে। প্রত্যেকেই যেন কিছুটা অস্বস্তি ও চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। {{ফাঁক}}আগরওয়াল আমাকে সোজাসুজি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার সঙ্গে কি সাদা পোশাকে পুলিশ কমিশনার বা জয়েণ্ট কমিশনার রয়েছেন?” {{ফাঁক}}“কেন বলুন তো?” {{ফাঁক}}“না, খবর পেলাম কি, গ্লোব হলের কাছে ওই জাতীয় পদের কারও একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ইউনিফর্ম পরা বডিগার্ড গাড়িতেই রয়েছে। কমিশনার বা জয়েণ্ট কমিশনার যিনিই এসে থাকুন তিনি যখন বডিগার্ড সঙ্গে নেননি তখন প্লেন ড্রেসেই কাছাকাছি কোথাও আছেন। আমাদের মনে হচ্ছে তিনি আপনার সঙ্গে আছেন।” {{ফাঁক}}“হ্যাঁ, মিস্টার দাশগুপ্তের সঙ্গে যে আলাপ করিয়ে দিলাম, তিনিই জয়েণ্ট<noinclude></noinclude> g8zf9pi5tbifkh0dkegi3xssmp7wdu6 পাতা:বেলুনে পাঁচ সপ্তাহ - রাজেন্দ্রলাল আচার্য (১৯২৫).pdf/৪১ 104 852135 1991699 1872400 2026-07-31T04:01:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991699 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{rh||পঞ্চম পরিচ্ছেদ|৩৫}} {{rule}}</noinclude>{{ফাঁক}}“কেন? তোমার বিশ্বাস হচ্ছে না? আমাদের বার বছরে তাদের এক বছর। এখানে তুমি অত বড় দেখাচ্ছ, কিন্তু জুপিটারে গেলে এখনো তোমাকে অনেকদিন মা’র দুধ খেতে হ’বে। আর ওই যে তুমি ওকে দেখছো—এই পৃথিবীর পঞ্চাশ বছরের বুড়ো—সেখানে ওর বয়স কতই ধরবে? এই মনে কর না, সেখানে উনি ৩।৪ বছরের খোকা বৈত ন’ন।” {{ফাঁক}}“আপনি আমাদের বোকা বোঝাচ্ছেন না ত?” {{ফাঁক}}“আরে তাও কি হয়। শুধু এই ছোট-খাটো পৃথিবীটার খবর রাখলে অমনি ঠেকে বটে। একবার জুপিটারে চল না, তা’ হ’লেই দেখতে পাবে। কিন্তু সেখানে যেতে হ’লে বেশভূষা ভাল চাই। জুপিটারের লোকদের কিন্তু সে দিকে বড় তীব্র দৃষ্টি।” {{ফাঁক}}নাবিকগণ হাস্য করিতে লাগিল দেখিয়া জো আরো গম্ভীর ভাবে বলিতে আরম্ভ করিল— {{ফাঁক}}“তোমরা বুঝি নেপচুনের খবর রাখ না? উঃ সেখানে নাবিকদের কত আদর। আহা নৌবিদ্যার মর্ম্ম নেপচুনের লোকেই জানে। এই দেখ না, মার্সে কেবল সৈনিকদিগেরই সম্মান। সে সম্মান এতই বেশী যে, অন্যের পক্ষে অসহ্য হ’য়ে উঠে। মার্কারিতে ত জানি চোর-ডাকাতের উপদ্রব বড় বেশী। সেখানে বণিকের অভাব নাই—লোকেরও অভাব নাই। চোরে আর বণিকে সে দেশে বড় তফাৎ দেখা যায় না।” {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> 1kisdp1bdliw40pio6bvhu369crnrvp পাতা:মহাভারত - কাশীরাম দাস.pdf/২২ 104 852452 1992145 1872573 2026-07-31T04:25:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992145 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh|৮|মহাভারত।|}}</noinclude><poem>{{Head2Columns‎}}বিভুতি বৈভব বিদ্যা সঞ্চয় যতনে। সংসারে বিমুখ ইথে আছে কোন জনে॥ সংসারেতে যে জন বিমুখ এ সকলে। কাপুৰুষ বলিয়া তাহারে লোকে বলে॥ ব্রহ্মা বিষ্ণু ইন্দ্র তুমি যেমত পূজিত। সাক্ষাতেই সে সকল হইল বিদিত॥ রত্নাকর মথিয়া নিলেক রত্নগণ। কেহ না পুজিল তোমা করিয়া হেলন॥ পার্ব্বতীর এত বাক্য শুনিয়া শঙ্কর। ক্রোধেতে অবশ অঙ্গ কাপে থর থর॥ কাশীরাম দাস কহে কাশীপতি ক্রোধে। {{SIC|বৃযভ|বৃষভ}} সাজাতে আজ্ঞা করিল নন্দিকে॥ পার্ব্বতী কহিল ভাষ, শুনি ক্রোধে দিগবাস, :::আঁটিয়া পরিল বাঘবাস। বাসুকী নাগের দড়ি,কাঁকালে বান্ধিল ভিরি, :::করে তুলি নিল মৃগপাশ॥ কপালেতে শশীকলা, কণ্ঠেতে কপালমালা, :::করযুগে কঞ্চুক কঙ্কণ। ভানু বৃহদ্ভানু শশী, ত্রিবিধ প্রকার ঋষি, :::ক্রোধ যেন প্রলয় কিরণ॥ যেন গিরি হেমকূটে, আকাশে লহরি উঠে, :::বেগে গঙ্গা মধ্যে জটাজুটে। রতন মণির শোভা, কোটিচন্দ্র মুখশোভা, :::ফণি মণি বেড়া যে মুকুটে॥ গলে দিল হাড় সাপ, টঙ্কার পিনাক চাপ, :::ত্রিশূল খট্টাঙ্গ নিল করে। সাজিল শিবের সেনা, যক্ষ রক্ষ অগণন’, :::প্রেত ভুত ভূচর খেচরে॥ আগে ধায় যত দানা, কান্ধেতে ত্রিশির বীণা, :::মুখরব মহাকোলাহলে। ডম্বুরের ডিমডিমি, আকাশ পাতাল ভূমি :::কম্প হৈল লৈলোক্য মণ্ডলে॥ বৃষভ সাজিয়া বেগে,আমি নন্দী দিল আগে, :::নানা রত্নে করিয়া ভূষণ। ক্রোধে কাঁপে ভূতনাথ, যেমন কদুলী পাত, :::অতি শীঘ্র কৈল আরোহণ॥ আগুদলে সেনাপতি, ময়ুর বাহনে গতি, :::শক্তি করে করি ষড়ানন। গণেশ চড়িয়া মূষ, করে ধরি পাশাঙ্কুষ, :::দক্ষিণ ভাগেতে ক্রোধ মন॥ নামে নন্দী মহাকাল, করে শূল শাল তাল, :::পাছে যক্ষ ভৃঙ্গি তিন পাদ।{{দুই কলাম}}চলিলেন দেবরাজ, দেখিয়া শিবের সাজ, :::তিন লোক গণিল প্রমাদ॥ ক্ষণেক ক্ষীরোদকূলে, উত্তরিল সহবলে, :::যথা সিন্ধু মথে সুরাসুর। কহে কাশীদাস দেবে, দ্রুততর গতি সবে, :::প্রণময়ে দেখিয়া ঠাকুর॥ ::করযোড়ে দাঁড়াইল সব দেবগণে। শিব বলে মথ সিন্ধু রহাইলে কেনে॥ ইন্দ্র বলে মথন হইব দেব শেষ। নিবারিয়া আপনি গেলেন হৃষীকেশ॥ একে ক্রোধে আছিলেন দেব মহেশ্বর। দ্বিতীয়ে ইন্দ্রের বাক্য কম্পে কলেবর॥ শিব বলে এত গর্ব্ব তোমা সবাকার। আমারে হেলন কর করি অহঙ্কার॥ রত্নাকর মথি রত্ন নিলা সবে বাঁটি। কেহ চিত্তে না করিলা আছয়ে ধুর্জ্জটী॥ যে করিলা তাহা কিছু নাহি করি মনে। আমি মথিবারে বলি করহ হেলনে॥ এতেক বলিল যদি দেব মহেশ্বর। ভয়েতে উত্তর কেহ না কৈল অমর॥ মিঃশব্দে রহিল যত দেবের সমাজ। করযোড়ে বলয়ে কশ্যাপ মুনিরাজ॥ অবধান কর দেব পার্ব্বতীর কান্ত। কহিব ক্ষীরোদ সিন্ধু মন্থন বৃত্তান্ত॥ পারিজাত মাল্য দুর্ব্বাসার গলে ছিল। স্নেহে সেই মাল্য মুনি ইন্দ্র গলে দিল। গজরাজ আরোহণে ছিল পুরন্দর। সেই মাল্য দিল তার দত্তের উপর॥ সহজে মাতঙ্গ অনুক্ষণ মদে মত্ত। পশুজাতি নাহি জানে মাল্য মুনিদত্ত॥ শুণ্ডে জড়াইয়া ফেলাইল ভুমি তলে। দেখিয়া দুর্ব্বাসা ক্রোধে অগ্নিবৎ জ্বলে॥ অহঙ্কারে ইন্দ্র মোরে অবজ্ঞা করিল। মোর দত্ত পুষ্প রাজা ছিঁড়িয়া ফেলিল॥ সম্পদে হইয়া মত্ত গর্ব্ব কৈল মোরে। দিল শাপ লক্ষ্মীহত হবে পুরন্দরে॥ ব্রহ্মশাপে লোক মাতা প্রবেশিল জলে। লক্ষ্মী বিনা কষ্ট হৈল ত্রৈলোক্য মণ্ডলে॥ লোকের কারণে ব্রহ্মা কৃষ্ণের নিবেদিল। সমুদ্র মথিতে আজ্ঞা নারায়ণ কৈল॥ এই হেতু র্ক্ষীরোদ মথিল মহেশ্বর। শেষ মথনের দড়ি মথিল মন্দর॥{{Foot2Columns‎}}</poem><noinclude></noinclude> n3y2x1oolzaf6n33p7blm6k3n3bo4hx পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/১৯৯ 104 852656 1991872 1983429 2026-07-31T04:09:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991872 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||ভূতুড়ে চিকিৎসা|১৯৫}}</noinclude>{{ফাঁক}}এই বৈঠকের পর আমার মনে এক অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া হল। মনে হল কেউ যেন আমার অন্তরে অফুরন্ত শক্তি জুগিয়ে দিয়েছে। আমি যেন মাইলের পর মাইল দৌড়ে চলে যেতে পারি। আমার পিঠে যেন দুটো ডানা লাগানো হয়েছে। আমার মনের এই বিচিত্র আত্মবিশ্বাস ও আনন্দ উপলব্ধি করে আমি প্রায় উম্মাদ হয়ে উঠলাম। আমার হাতের ছোঁয়া মাত্র রোগী নীরোগ হয়ে উঠবে বলে মনে হতে লাগল। করতল উষ্ণ হয়ে উঠল। আঙুলের প্রান্তগুলোতে যেন তরঙ্গ বয়ে যেতে লাগল। চোখ বুজতেই জ্যোতির্ময় বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডতে স্ফুলিঙ্গের ছটা দেখা দিতে লাগল। এই বিচিত্র অনুভূতির কথা তিনি তাঁর নিজের লেখা বই ‘সাইকো হিলিং’—এ বর্ণনা করেছেন। এরপর তিনি বোম্বের একজন সুবিখ্যাত মিডিয়ামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তাঁর সহযোগিতায় নিজের বিদেহী মার্গদর্শক সম্বন্ধে অনেক আলোচনা করলেন। সূক্ষ্মলোক নিবাসী তিনি দুশো বৎসর আগে এ লোকে থাকাকালীন অবস্থায় সার্জারি ও ডাক্তারি করে গেছেন এবং এখনও তিনি পরলোকে অবস্থান করে নানা প্রকার অনুসন্ধান করে চলেছেন। তিনি এরূপ ক্ষমতাসম্পন্ন যশস্বী ডাক্তার ছিলেন যে জটিল রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করা মাত্র বুঝতে পারতেন রোগী কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ডাক্তার কোনিকে মাধ্যম হিসেবে উপযোগী করে তাঁর ক্ষমতার সদ্ব্যবহার করে তিনি রোগ উপশম করেন। ডা. কোনি যখন রোগীর শরীর স্পর্শ করেন তাঁর আঙুলগুলো রোগীর রোগাক্রান্ত স্থানটির প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে এবং তিনি খুব তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় করে ফেলেন। ওষুধ লেখার সময়ও তিনি অনুভব করেন যেন কেউ তাঁর হাত ধরে ওষুধগুলোর নাম লিখিয়ে নিচ্ছেন যেমন ‘অটোমেটিক রাইটিং’-এ লেখা হয়। অলৌকিক শক্তিসম্পন্ন ও অ্যালোপ্যাথি ডিগ্রি বিভূষিত এই আধুনিক ডাক্তার ভদ্রলোক না জানি কত দুরূহ রোগীর রোগ নিরাময় করে তাদের সুস্থ সবল করেছেন। অনেক কঠিন রোগ নিরাময় করার সম্বন্ধে বর্ণনা তাঁর কাইলে লিপিবদ্ধ রয়েছে। মাত্র অ্যাবসেণ্ট হিলিং দ্বারাই তিনি ১৯৮১ সন পর্যন্ত ২৭০০ রোগীর রোগ উপশম করেছেন। ভারতে শুধু বোম্বের হাসপাতালেই এই স্পিরিচুয়াল হিলিং-এর ব্যবস্থা রয়েছে। {{কেন্দ্র|{{x-larger|'''কনট্যাক্ট হিলিং'''}}}} {{ফাঁক}}যে সব রোগী নানা পদ্ধতিতে নিজেদের চিকিৎসা করিয়ে শ্রান্ত ও নিরাশ হয়ে পড়েন তাঁরাই অবশেষে ডা. কোনির কাছে আসেন বিদেহী চিকিৎসার জন্য।<noinclude></noinclude> crym2pbptiw3b8doyvbg3is2o6365xc পাতা:রাজকাহিনী - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৪).pdf/১২ 104 853191 1991732 1857421 2026-07-31T04:04:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991732 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="S.Mukherjee24" />{{rh|৮|রাজকাহিনী|}}</noinclude>মেঘের কড়মড়ি, ক্রমে যেন দূর হতে বহুদূরে সরে গেল। সুভাগার মনে আর কোনো শোক নাই, কোনো দুঃখ নাই। তাঁর মনের অন্ধকার যেন সূর্য্যের তেজে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। সুভাগা ধীরে ধীরে, ভয়ে ভয়ে, বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের কাছে শেখা সেই সূর্য্যমন্ত্র উচ্চারণ করলেন; তখন সমস্ত পৃথিবী যেন জেগে উঠল, সুভাগা যেন শুনতে পেলেন, চারিদিকে পাখীর গান, বাঁশীর তান, আনন্দের কোলাহল। তারপর গুরু গুরু গভীর গর্জ্জনে সমস্ত আকাশ কাঁপিয়ে, চারিদিক আলোয় আলোময় করে, সেই মন্দিরের পাথরের দেওয়াল, লোহার দরজা, যেন আগুনে আগুনে গলিয়ে দিয়ে, সাতটা সবুজ ঘোড়ার পিঠে আলোর রথে কোটি কোটি আগুনের সমান জ্যোতির্ম্ময় আলোময় সূর্য্যদেব দর্শন দিলেন। সে আলো, সে জ্যোতি মানুষের চোখে সহ্য হয় না। সুভাগা দুই হাতে মুখ ঢেকে বল্লেন, “হে দেব, রক্ষা কর, ক্ষমা কর, সমস্ত পৃথিবী জ্বলে যায়।” সূর্য্যদেব বল্লেন,— “ভয় নাই, ভয় নাই। বৎসে, বর প্রার্থনা কর।” বলতে বলতে সূর্য্যদেবের আলো ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে এল, শুধু একটুখানি রাঙা আভা সধবার সিদুরের মত সুভাগার সিঁথি আলো করে -<noinclude></noinclude> 6tpmwj6wpp182kk0to6unqxg9e52zac পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৬ 104 853422 1992056 1988460 2026-07-31T04:17:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992056 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="S.Mukherjee24" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>{{ফাঁক}}“কলকাতায় আমাদের বাসা-বাড়িখানা অনেক-দিনের। এখন সেটা আমাদের বসত-বাড়ি হয়েছে বটে, কিন্তু সেকালে কর্ত্তারা সে-বাসাটা কেবল গঙ্গাস্নান আর কালীঘাট করবার জন্যেই বানিয়ে ছিলেন। খুবই পুরোনো এই বাসাবাড়ির ঘরগুলো, ঝাড়লণ্ঠন কৌচ-কেদারা ওয়াটার-পেণ্টিং অয়েল-পেণ্টিং বড়-বড় আয়না এবং সোনার ঝালর-দেওয়া মখমলের ভারি ভারি পর্দা দিয়ে যতদূর সম্ভব জাঁকালো এবং মানুষের প্রতিদিন বসবাসের পক্ষে সম্পূর্ণ অনুপযোগী করে কর্ত্তারা সাজিয়ে গিয়েছিলেন। আমাকে সেকালের সেই ধূলোয় ভরা, পুরোনো মদের ছোপ্‌ধরা, সাবেকী আতরের গন্ধমাখানো এই সব ফারনিচার তখন কতক বিক্রি করে, কতক ঝেড়ে-ঝুড়ে মেরামত করে, আর কতক-বা একেবারে ফেলে দিয়ে বাড়িখানাকে একালের বসবাসের মতো করে নিতে হচ্ছিল। আমি এখনো যেমন, তখনো অবিবাহিত। সেই সময় একদিন এই ছবিটা আমার হাতে পড়ল। খানিকটা কালো-অন্ধকারের রং লেপা;—কেবলমাত্র দুটি সুন্দর চোখ—তাও অনেকক্ষণ ধরে ছবিটার দিকে চেয়ে থাকলে তবে দেখা যেত।” {{ফাঁক}}জাহাজ এসে কাশীপুরের জেটিতে লাগল। একদল থার্ড ক্লাস যাত্রী মাড়োয়ারী নেমে গেল, এবং তার চেয়ে আরও বড় একদল কলের কুলী, মিলের চিনে-মিস্ত্রী উঠে এল। অবিন ডেকের এধার থেকে ওধারে একবার পায়চারি করে নিয়ে ফিরে এসে বল্লে— {{ফাঁক}}“এই ছবিটা রাবিস্ বলে নিশ্চয়ই বৌবাজারে পুরোনো জিনিষের<noinclude>{{বাম|২}}</noinclude> 4ljblrvu39v5rvmpqraxsr1azk6hnih পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/২৫ 104 853770 1991422 1955373 2026-07-30T16:34:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991422 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||সাম্য|১৯}}</noinclude>হিসাবানা। তাহা টাকায় তুই পয়সা। পরাণ মণ্ডল ৩২ টাকার জমা রাখে। তাহাকে হিসাবানা ১৲ টাকা দিতে হইল। তাহার পর পার্ব্বণী। নাএব,গোমস্তা, তহশীলদার, মুহুরি, পাইক, সকলেই পার্বণীর হকদার। মোটের উপর পড়তা গ্রাম হইতে এত টাকা আদায় হইল। সকলে ভাগ করিয়া লইলেন। পরাণ মণ্ডলকে তজ্জন্য আর দুই টাকা দিতে হইল! {{gap}}এ সকল দৌরাত্ম্য জমীদারের অভিপ্রায়ানুসারে হয় না, তাহা স্বীকার করি। তিনি ইহার মধ্যে ন্যায্য খাজানা এবং সুদ ভিন্ন আর কিছুই পাইলেন না, অবশিষ্ট সকল নায়েব গোমস্তার উদরে গেল। সে কাহার দোষ? জমীদার যে বেতনে দ্বারবান্ রাখেন, নায়েবেরও সেই বেতন; গোমস্তার বেতন খানসামার বেতন অপেক্ষা কিছু কম। সুতরাং এ সব না করিলে তাহাদের দিনপাত হয় কি প্রকারে? এ সকল জমীদারের আজ্ঞানুসারে হয় না বটে, কিন্তু তাঁহার কার্পণ্যের ফল। প্রজার নিকট হইতে তাঁহার লোকে আপন উদরপুর্তির জন্য অপহরণ করিতেছে, তাহাতে তাঁহার ক্ষতি কি? তাঁহার কথা কহিবার কি প্রয়োজন আছে? {{gap}}তাহার পর আষাঢ় মাসে নববর্ষের শুভ পুণ্যাহ উপস্থিত। পরাণ পুণ্যাহের কিস্তিতে দুই টাকা খাজানা দিয়া থাকে। তাহা ত সে দিল, কিন্তু সে কেবল খাজানা। শুভ পুণ্যাহের দিনে জমীদারকে কিছু নজর দিতে হইবে। তাহাও দিল। হয় ত জমীদারেরা অনেক শরিক, প্রত্যেককে পৃথক্ পৃথক্ নজর দিতে হয়। তাহাও দিল। তাহার পর নায়েব মহাশয় আছেন—তাঁহাকেও কিছু নজর দিতে হইবে। তাহাও দিল। পরে গোমাতা মহাশয়েরা। তাঁহাদের ন্যায্য পাওনা—তাঁহারাও পাইলেন। যে প্রজার অর্থ নজর দিতে দিতে ফুরাইয়া গেল—তাহার কাছে বাকি রহিল। সময়ান্তরে আদায় হইবে। {{gap}}পরাণ মণ্ডল সব দিয়া থুইয়া ঘরে গিয়া দেখিল, আর আহারের উপায় নাই। এদিকে চাষের সময় উপস্থিত। তাহার খরচ আছে। কিন্তু ইহাতে পরাণ ভীত নহে। এ ত প্রতি বৎসরেই ঘটিয়া থাকে। ভরসা, মহাজন। পরাণ মহাজনের কাছে গেল। দেড়ী সুদে ধান লইয়া আসিল। আবার আগামী বৎসর তাহা সুদ সমেত শুধিয়া নিঃস্ব হইবে। চাষা চিরকাল ধার করিয়া খায়, চিরকাল দেড়ী সুদ দেয়। হইবার সম্ভাবনা, চাষা কোন ছার! হয় ত জমীদার নিজেই মহাজন। গ্রামের মধ্যে তাঁহার ধানের গোলা ও গোলাবাড়ী আছে। পরাণ সেইখান হইতে ধান লইয়া আসিল। এরূপ জমীদারের ব্যবসায় মন্দ নহে। স্বয়ং প্রজার অর্থাপহরণ করিয়া, তাহাকে নিঃস্ব ইহাতে রাজার নিঃস্ব<noinclude></noinclude> hhlwulweu6tx6ngqhuvrsh21g5kso9z পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/২৭ 104 853772 1991846 1955375 2026-07-31T04:07:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991846 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||সাম্য|২১}}</noinclude>পরমপবিত্রমূর্ত্তি রৌপ্যচক্রের দর্শন পাইলেন। এই আশ্চর্য্য চক্র দৃষ্টি মাত্রেই মনুষ্যের হৃদয়ে আনন্দরসের সঞ্চার হয়—ভক্তি প্রীতির উদয় হয়। তিনি গোমস্তার প্রতি প্রীত হইয়া থানায় গিয়া প্রকাশ করিলেন, “কেহ কয়েদ ছিল না। পরাণ মণ্ডল ফেরেব্বাজ লোক–সে পুকুর ধারে তালতলায় লুকাইয়া ছিল—আমি ডাক দিবামাত্র সেখান হইতে আসিয়া আমাকে দেখা দিল।” মোকদ্দমা ফাসিয়া গেল। {{gap}}প্রজা ধরিয়া লইয়া গিয়া, কাছারিতে আটক রাখা, মারপিট করা, জরিমানা করা, কেবল খাজানা বাকির জন্য হয়, এমত নহে। যে সে কারণে হয়। আজি গোপাল মণ্ডল গোমস্তা মহাশয়কে কিঞ্চিৎ প্রণামী দিয়া নালিশ করিয়াছে যে, “পরাণ আমাকে লইয়া খায় না”—তখনই পরাণ ধৃত হইয়া আসিল আজি নেপাল মণ্ডল ঐরূপ মঙ্গলাচরণ করিয়া নালিশ করিল যে, “পরাণ আমার ভগিনীর সঙ্গে প্রসক্তি করিয়াছে” – অমনি পরাণ গ্রেপ্তার হইয়া আবদ্ধ হইল। আজি সংবাদ আসিল, পরাণের বিধবা ভ্রাতৃবধূ গর্ভবতী হইয়াছে—অমনি পরাণকে ধরিতে লোক ছুটিল। আজ পরাণ জমীদারের হইয়া মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে নারাজ, অমনি তাহাকে ধরিতে লোক ছুটিল। {{gap}}গোমস্তা মহাশয়, পরাণের কাছে টাকা আদায় করিয়াই হউক বা জামিন লইয়াই হউক বা কিস্তিবন্দী করিয়াই হউক বা সময়ান্তরে বিহিত করিবার আশয়েই হউক বা পুনর্ব্বার পুলিস আসার আশঙ্কায়ই হউক বা বহুকাল আবদ্ধ রাখার কোন ফল নাই বলিয়াই হউক, পরাণ মণ্ডলকে ছাড়িয়া দিলেন। পরাণ ঘরে গিয়া চাষ আবাদে প্রবৃত্ত হইল। উত্তম ফসল জন্মিল। অগ্রহায়ণ মাসে জমীদারের দৌহিত্রীর বিবাহ বা ভ্রাতুষ্পুত্রের অন্নপ্রাশন। বরাদ্দ দুই হাজার টাকা। মহলে মাঙ্গন চড়িল। সকল প্রজা টাকার উপর ৷৹ আনা দিবে। তাহাতে পাঁচ হাজার টাকা উঠিবে। দুই হাজার অন্নপ্রাশনের খরচ লাগিবে—তিন হাজার জমীদারের সিন্দুকে উঠিবে। {{gap}}যে প্রজা পারিল, সে দিল—পরাণ মণ্ডলের আর কিছুই নাই—সে দিতে পারিল না। জমীদারী হইতে পূরা পাঁচ হাজার টাকা আদায় হইল না। শুনিয়া জমীদার স্থির করিলেন, একবার স্বয়ং মহালে পদার্পণ করিবেন। তাঁহার আগমন হইল—গ্রাম পবিত্র হইল। {{ফাঁক}}তখন বড় বড় কালো কালো পাঁটা আনিয়া, মণ্ডলেরা কাছারির দ্বারে বাঁধিয়া যাইতে লাগিল। বড় বড় জীবন্ত রুই, কাতলা, মৃগাল উঠানে পড়িয়া ল্যাজ আছড়াইতে লাগিল। বড় বড় কালো কালো বার্ত্তাকু, গোল আলু, কপি, কলাইশুঁটিতে ঘর পুরিয়া যাইতে লাগিল। দধি দুগ্ধ ঘৃত নবনীতের ত কথা নাই। প্রজাদিগের ভক্তি অচলা, কিন্তু বাবুর<noinclude></noinclude> 1naffpz1503noi9d8mqg6xnkrlgxjqo পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/২৯৩ 104 854013 1991873 1983445 2026-07-31T04:09:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991873 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||ডাইনি ও আদিবাসী সমাজ|২৮৯}}</noinclude>‘গোঁসাঞী-এরা’ ঘা-পাঁচড়া ইত্যাদি চর্মরোগের বোঙ্গা। সাদা মোরগ বলি দিয়ে গোঁসাঞী-এরাকে সন্তুষ্ট রাখা হয়। {{ফাঁক}}‘মোরাইকো-তুরুইকো’ (আক্ষরিক অর্থে পাঁচ ছয়) বোঙ্গা একজন বোঙ্গা হিসেবেই পুজো পান। মোরাইকো-তুরুইকো গ্রামের ভাল মন্দের দেখাশোনা করেন; শস্যের ফলন, বৃষ্টি, খরা, মড়ক ইত্যাদির নিয়ন্ত্রক। {{ফাঁক}}সমাজ বিশ্বাস করে ডাইনি ও ডাইনদের উপর ‘পরগনা বোঙ্গা’র নিয়ন্ত্রণ আছে। ডাইনির নজর পড়ে অসুখ-বিসুখ হচ্ছে বলে জানগুরু ঘোষণা করলে ডাইনিদের মন্ত্রকে কাটান দিতে জানগুরুরা পরগনা বোঙ্গার পুজো করেন। গ্রামের প্রান্তে থাকে জাহের থান বা পবিত্র কুঞ্জ। এই পবিত্রকুঞ্জে সমাজের বোঙ্গা বা দেবতারা থাকেন। পাশাপাশি তিনটি শালগাছের তলার তিনটি পাথর মারাং বুরু, জাহের-এরা ও মোরেইতো-তুরুইতো নামে পূজিত হয়। সমাজের বিশ্বাস পাথরগুলো বোঙ্গারাই রেখে গিয়েছেন। দুটি মহুয়া গাছতলা হয় ‘গোঁসাঞী’-এরা ও পরগনার খান। {{ফাঁক}}জাহেন থানে বোঙ্গারা প্রধান প্রধান পরবের বা উৎসবের সময় পুজো পান। প্রধান উৎসবগুলো হলো ফসল তোলার উৎসব ‘সোহরাই’, ফসল বোনার উৎসব ‘এরোক সিম’ পুষ্প উৎসব ‘বাহা’ ইত্যাদি। {{ফাঁক}}জাহের থানের বোঙ্গারা ছাড়া গ্রামের মাঝে থাকে ‘মাঝি বোঙ্গা’র খান। মাঝি বোঙ্গাকে ‘মাঝি বুড়ি’ বা ‘মাঝি হুড়ম’ নামেও ডাকা হয়। মাঝি থানের অবস্থান গ্রামের মাঝির বাড়ির সামনে। মাঝি বোঙ্গা গ্রামের মাঝির আধ্যাত্মিক উপদেষ্টার কাজ করে। {{ফাঁক}}মাঝি বোঙ্গা গ্রামের ভাল-মন্দ দেখাশোনা করেন। জাহের থানের বোঙ্গাদের পুজো দেবার আগে মাঝি বোঙ্গার পুজো দেওয়া হয়। মাঝি বোঙ্গার পুজো করেন মাঝি স্বয়ং। পুজোয় মাঝি বোঙ্গাকে নিবেদন করা হয় হাঁড়িয়া, বলি দেওয়া হয় দুটি পায়রা| {{ফাঁক}}সমাজের বিশ্বাস মাঝি বোঙ্গা ও পরগনা বোঙ্গার অন্যান্য বোঙ্গাদের উপর যথেষ্ট প্রভাব আছে। {{ফাঁক}}যদিও জাহের বোঙ্গারা আদিবাসী অনেক জনজাতির কাছে পূজনীয়, কিন্তু এক গ্রামের মানুষ অন্য গ্রামের জাহের থানে পূজো দেন না। যদি এক গ্রামের মানুষ স্থায়ীভাবে অন্য গ্রামে বসবাস শুরু করেন, তবে তিনি নতুন গ্রামের জাহের থানে পুজো দেওয়ার অধিকার পান। {{ফাঁক}}এসব ছাড়াও প্রতিটি খুঁটের বা উপগোষ্ঠীর রয়েছে, নিজস্ব দেবতাও৷ {{nop}}<noinclude>{{smaller|অলৌকিক নয় লৌকিক/২য়—১৯}}</noinclude> s89d9b45ur0268mi5frms6ufhc3imp0 পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (চতুর্থ খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩৪৩ 104 854072 1991853 1984912 2026-07-31T04:08:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991853 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" /></noinclude>বিশ শতকের শেষ লগ্নে এই অসাম্যের সমাজ-কাঠামোকে টিকিয়ে রাখতে পুলিশ বা সেনাবাহিনীর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী ‘সাংস্কৃতিক মগজ ধোলাই’, ‘চিন্তার যুদ্ধ’—ইতিহাস অন্তত এ-কথাই বলে। সাম্যের সমাজ গড়ার আবশ্যিক শর্ত তাই পাল্টা চিন্তার যুদ্ধে নামা। এই যুদ্ধের আর এক নামই ‘সাংস্কৃতিক আন্দোলন’, ‘সাংস্কৃতিক বিপ্লব’—যে নামেই ডাকুন। চিন্তার যুদ্ধে জয়ী হতে গেলে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের যোদ্ধাদের স্পষ্ট ও গভীর ভাবে বুঝে নিতে হবে ‘অসাম্যের সমাজ-কাঠামো’ বা ‘সিস্টেম’-এর নিয়ন্তা কে? কারাই বা নিয়ন্তার সহায়ক শক্তি? সমন্বয়কারী শক্তিই বা কী? চিরায়ত গ্রন্থ ‘অলৌকিক নয়, লৌকিক’-এর এই খণ্ডটিতে যুক্তিবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও ‘মানবতাগী নারীবাদ’-এর প্রবক্তা প্রবীর ঘোষ ‘সিস্টেম’কে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন তাঁর দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে। সেই সঙ্গে দেখিয়েছেন এই ‘সিস্টেম’কে ভাঙার দিশা। ‘সিস্টেম’ নিয়ে এমন বিশ্লেষণী আলোচনা পৃথিবীর কোনও ভাষায় ইতিপূর্বে লেখা হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। সে দিক থেকে এই রচনা অবশ্যই ঐতিহাসিক। গ্রন্থে এ-ছাড়াও আছে ‘যুক্তিবাদ’ প্রসঙ্গে আলোচনা। আছে ‘অধ্যাত্মবাদ’, ‘আত্মা’, ‘পরমাত্মা’, ‘পরলোক’, ‘পুনর্জন্ম’। বিখ্যাত প্যারাসাইকোলজিস্টদের দ্বারা উল্লিখিত প্রায় সবকটি তথাকথিত ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কেস লেখক বিপুল অধ্যবসায় খারা সত্যানুসন্ধান চালিয়ে রহস্য উন্মোচিত করেছেন। একই সঙ্গে উম্মোচিত করেছেন মিথ্যা প্রচারে ফুলিয়ে বিশাল বানান অধ্যাত্মবাদী নেতাদের মিথ্যাচার, অজ্ঞতা ও মূর্খতাকে। ‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমণ্ডলী এই গ্রন্থ প্রকাশকে ‘সাংস্কৃতিক আন্দোলন’, ‘সাংস্কৃতিক বিপ্লব’-এর পথে এক উল্লেখযোগ্য ও অনিবার্য পদক্ষেপ বলে মনে করে।<noinclude></noinclude> i88c7408g3bktkv77y48cpd9cxpk5np পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৫৬ 104 854107 1991877 1860365 2026-07-31T04:09:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991877 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh||তৃতীয় সর্গ|৩৯}}</noinclude>তৎক্ষণাৎ বিষণ্ণ হইয়া পড়িলেন। তিনি রথদণ্ডোপরি স্কন্ধ স্থাপনপূর্বক গভীরস্বরে বলিলেন॥৬০॥ {{ফাঁক}}“জীবগণের ইহাই চরমগতি। তথাপি লোকে ভয় ত্যাগ করিয়া আমোদ প্রমোদ করিতে থাকে। যাহারা এই পথে থাকিয়াও উদ্বিগ্ন না হইয়া সুস্থ থাকে, আমার মনে হয় তাহাদের হৃদয় অতিশয় কঠিন॥৬১॥ {{ফাঁক}}“অতএব, হে সূত, রথ নিবর্তিত করো। এই দেশ কাল আমাদের বিহার ভূমিতে গমনের উপযুক্ত নহে। অন্তকালে বিনাশ জানিয়াও কোন্ সচেতন ব্যক্তি, বিপদের সময় প্রমত্ত থাকিবে”॥৬২॥ {{ফাঁক}}রাজকুমার এইরূপ বলিলেও, সারথি রথ প্রত্যাবর্তন না করিয়া, রাজাদেশে শোভান্বিত পদ্মখণ্ড-বনে গমন করিলেন॥৬৩॥ {{ফাঁক}}অনন্তর তাঁহারা বিমানযুক্ত, কমলপূর্ণ চারু দীর্ঘিকা-শোভিত, কুসুমিতবালপাদপবিরাজিত, ইতস্ততভ্রাম্যমান, প্রসন্ন, প্রমত্ত, পিককূলপরিবৃত, নন্দনকাননসম সেই কানন দর্শন করিলেন॥৬৪॥ {{ফাঁক}}অনন্তর সুন্দরী অপ্সরা পরিবৃত, অলকায় আনীত নবব্রতধারী মুনির ন্যায়, বিঘ্নকাতর রাজকুমার, বরাঙ্গনাকুলপূর্ণ সেই উপবনে বলপূর্বক নীত হইলেন॥৬৫॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> au0hyp6qdw62ec60ce0qwhwyt0xj1tf পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৬৩ 104 854136 1991878 1985024 2026-07-31T04:09:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991878 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৪৬|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>{{ফাঁক}}“স্ত্রীগণের কী মাহাত্ম্য দর্শন করুন। জলে এই চক্রবাক্ ভৃত্যের ন্যায় ভার্যার পশ্চাদ অনুসরণ করিতেছে॥৫০॥ {{ফাঁক}}“মত্ত পরপুষ্ট পিকের কূজনধ্বনি শ্রবণ করুন। অন্য এক পিক ইহার কূজন শুনিয়া প্রতিধ্বনির ন্যায় প্রতিকূজন করিতেছে॥৫১॥ {{ফাঁক}}“বসন্তের দ্বারা আহরিত মত্ততা বিহঙ্গদের জন্যই। যাহা চিন্তার অতীত, তাহাই যে চিন্তা করিতেছে— সেই পাণ্ডিত্যাভিমানী ব্যক্তির জন্য নহে”॥৫২॥ {{ফাঁক}}এইরূপে কামোন্মত্তচিত্ত যুবতীগণ কুমারকে নানাভাবে আক্রমণ করিল॥৫৩॥ {{ফাঁক}}তাদৃশ প্রলোভিত হইয়াও ধৈর্যাবৃতেন্দ্রিয় সেই কুমার, ‘সকলকেই মরিতে হইবে’ এই উদ্বেগে, হর্ষ বা ব্যথা অনুভব করিলেন না॥৫৪॥ {{ফাঁক}}তত্ত্বে তাহাদের অনবস্থিতি দেখিয়া পুরুষোত্তম, উদ্বিগ্ন হৃদয়ে, ধীরচিত্তে চিন্তা করিতে লাগিলেন॥৫৫॥ {{ফাঁক}}“জরা যাহাকে ধ্বংস করিবে, সেই রূপে, এই নারীগণ মত্ত হইয়াছে। হায়, ইহারা কি জানে না, যে যৌবন চপল ও চঞ্চল॥৫৬॥ {{ফাঁক}}“নিশ্চয়ই ইহারা কাহাকেও রোগে অভিভূত হইতে দেখে নাই; সেইজন্যই ভয় ত্যাগ করিয়া, স্বভাবত ব্যাধিপরিপূর্ণ এই জগতে আনন্দ করিতেছে॥৫৭॥ {{ফাঁক}}“ইহা স্পষ্টই প্রতীত হইতেছে যে এই স্ত্রীলোকগণ<noinclude></noinclude> q65txmmpenz502zac7bmdbbht81g4v8 পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৪২৪ 104 854370 1991693 1861029 2026-07-31T04:01:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991693 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|বঙ্গদেশ (সেনবংশ)|[৪২২]|বঙ্গদেশ (সেনবংশ)}} {{Head2Columns‎||}}</noinclude>একখানি প্রাচীন হস্তলিখিত সংস্কৃত গ্রন্থে আছে, মহারাজ বিজয়সেন অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গের অধীশ্বর হইয়া কুরঙ্গেষ্টির আয়োজন করেন, এই সময়েও কান্যকুব্জ হইতে যজ্ঞে ব্রতী হইবার জন্য পঞ্চ বৈদিক বিপ্রের শুভাগমন হইয়াছিল। দ্বিজ বাচস্পতির “বঙ্গজ কুলজীসারসংগ্রহে”ও লিখিত আছে— {{block center|<poem> “নয়শ চৌরানই শক পরিমাণে। আইলেন দ্বিজগণ রাজ সন্নিধানে॥ পঞ্চ কায়স্থ সঙ্গে আরোহণ গোযানে। সম্মান করিয়া ভূপ রাখিলা সর্ব্বজনে॥” </poem>}} {{gap}}উক্ত কুলগ্রন্থের প্রমাণে ৯৯৪ শকে কনোজ হইতে বৈদিক বিপ্রাগমন এবং সেই সঙ্গে দক্ষিণরাঢ়ীয় ও বঙ্গজ কায়স্থ-প্রধানদিগের বীজপুরুষগণের গৌড়াগমন সিদ্ধ হইতেছে। পঞ্চ বৈদিক বিপ্র বিনা কারণে গৌড়-রাজসভায় আসেন নাই। বল্লালোদয়ের কথা মানিলে বলিতে হয়, কুরঙ্গেষ্টি সম্পন্ন করিবার জন্য বৈদিক বিপ্রগণ আহূত হইয়াছিলেন। এরূপ স্থলে ৯৯৪ শকে বিজয়সেনের রাজ্যে অভিষেক ও কুরঙ্গেষ্টি যজ্ঞ এবং ঐ সময়ে বিজয় কর্ত্তৃক তৎপুত্র শ্যামলবর্ম্মার যৌবরাজ্যে অভিষেকক্রিয়া সুসম্পন্ন হইয়া থাকিবে। বারেন্দ্র কায়স্থগণের “ঢাকুর” নামক কুলগ্রন্থেও লিখিত আছে— <poem style=margin-left:2em> “যাঁহার বংশের লোকে বল্লাল মর্য্যাদা। নয়শ চৌরানই শকে না ছিল একদা॥” </poem> {{gap}}অর্থাৎ ৯৯৪ শকে যে সকল কায়স্থ আগমন করেন, সে সময়ে তাঁহাদের মধ্যে বল্লালমর্য্যাদা ছিল না। {{gap}}নানা কুলগ্রন্থে ৯৯৪ শক দৃষ্টে মনে হয় যে, ঐ অব্দ বঙ্গীয় ইতিহাসে বিশেষ স্মরণীয়। ঐ বর্ষে বিজয়সেনের অধিরাজপদে অভিষেক, কুরঙ্গেষ্টি যজ্ঞোপলক্ষে বৈদিক বিপ্র ও পঞ্চ কায়স্থের আগমন এবং বিক্রমপুরের শ্যামলবর্ম্মার যৌবরাজ্যে অভিষেক প্রভৃতি স্মরণীয় ঘটনা ঘটিয়াছিল। {{gap}}বিজয়সেন বারেন্দ্রের দক্ষিণাংশ জয় করিলেও উত্তরাংশ তখনও বৌদ্ধ-পালরাজাদিগের অধিকারে ছিল। দীর্ঘকাল বৌদ্ধাধিকারে থাকায় বারেন্দ্রের সকল লোকই প্রায় বৌদ্ধধর্ম্মাবলম্বী হইয়াছিল। রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণদিগের প্রাচীন কুলগ্রন্থে “রাঢ়ী-বারেন্দ্রদোষ-কারিকা” হইতে জানা যায় যে, বারেন্দ্র ব্রাহ্মণদিগের মধ্যেও অনেকে তান্ত্রিক বৌদ্ধাচারী হইয়া উপবীতবর্জ্জিত হইয়াছিলেন,—অবশেষে বৈদিক ধর্ম্মানুরক্ত মহারাজ বিজয়সেনের অভ্যুদয়ে তাঁহারা বৈদিক ব্রাহ্মণগণের সাহায্যে পুনঃসংস্কৃত হইয়াছিলেন।<ref group=ব্যাখ্যা>বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণকাণ্ড) ৬ষ্ঠ অংশ ৩৩ পৃষ্ঠায় বিস্তৃত বিবরণ দ্রষ্টব্য।</ref> বিজয়সেন ও তৎপুত্র<noinclude> {{rule}} {{smallrefs|85%|group=ব্যাখ্যা}}</noinclude>{{TwoColumns}} বল্লালসেনের সময়ে দক্ষিণ বারেন্দ্রের বিপ্রগণ পুনরায় বৈদিকাচার গ্রহণ করিলেও উত্তর-বারেন্দ্রে বহুকাল বৌদ্ধাচার প্রচলিত ছিল। এই কারণেই বোধ হয়, দক্ষিণ-বারেন্দ্রের বিপ্রগণ উত্তর-বারেন্দ্রের সহিত সম্বন্ধত্যাগ করেন। বারেন্দ্রদিগের মধ্যে বৈদিকাচার ও বেদচর্চ্চা অনেকটা লোপ হইয়াছিল, তাহা হলায়ুধের ব্রাহ্মণ-সর্ব্বস্ব পাঠ করিলেও জানা যায়। বারেন্দ্র ব্রাহ্মণদিগের মধ্যে যজুর্ব্বেদীর সংখ্যাই অধিক। তাঁহাদিগকে বৈদিকাচার উপদেশ দিবার অভিপ্রায়েই সুপ্রসিদ্ধ বৈদিক ধর্ম্মাধিকারী হলায়ুধ “ব্রাহ্মণসর্ব্বস্ব” রচনা করেন।<ref group=ব্যাখ্যা>“কৃৎস্নবেদাধ্যয়নাসমর্থানাং বারেন্দ্রকদ্বিজাতীনাং কাণ্বশাখিবাজসনেয়িনাং কর্ম্মানুষ্ঠানার্থং…গার্হস্থ্যকর্ম্মোপযুক্তমন্ত্রব্যাখ্যা প্রষ্টোতব্যা।”— {{right|(হলায়ুধের ব্রাহ্মণসর্ব্বস্ব)}}</ref> {{gap}}রাজা বিজয়সেনের শাসনকালে মুর্শিদাবাদ জেলার উত্তরে প্রবাহিত গঙ্গা হইতে দক্ষিণে উৎকলের সীমা পর্য্যন্ত সর্ব্বত্র ব্রাহ্মণ্য ধর্ম্মপ্রচারের বিপুল আয়োজন চলিয়াছিল। তিনি দেবব্রাহ্মণভক্ত ও বৈদিকাচার-প্রবর্ত্তনে বিশেষ উৎসাহদাতা ছিলেন বলিয়া, কুলগ্রন্থকারগণ তাঁহাকে ২য় আদিশূর নামে পরিচিত করিয়া গৌরবান্বিত করিয়াছেন। বলিতে কি, মহারাজ বিজয়সেন ও তৎপুত্র শ্যামলের প্রভাবে গৌড়মণ্ডলের উচ্চ জাতীয় জনসাধারণের হৃদয়ে আবার দেবদ্বিজ-ভক্তি উদ্রিক্ত হইতেছিল। {{gap}}১০০১ শকে (১০৭৯ খৃষ্টাব্দে) অর্থাৎ মহারাজ বিজয়সেনের কুরঙ্গেষ্টি-যজ্ঞের সপ্ত বর্ষ পরে শ্যামলবর্ম্মা বিক্রমপুরে শাকুনসত্র উপলক্ষে পুনরায় কর্ণাবতী হইতে শুনক, শৌনক, শাণ্ডিল্য, বশিষ্ঠ, সাবর্ণ প্রভৃতি গোত্রের বৈদিক বিপ্রগণকে আনাইয়া সম্মানিত করিয়াছিলেন। তাঁহাদের বংশধরগণ নানা শাসনগ্রাম লাভ করিয়া বঙ্গবাসী হইয়াছিলেন। এখনও তাঁহাদের বংশধরগণ পাশ্চাত্য বৈদিকসমাজে প্রধান বলিয়া সম্মানিত। {{gap}}মহারাজ বিজয়সেন ও শ্যামলবর্ম্মা তখনকার শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণ সমাজের হৃদয় অধিকার করিয়া বসিয়াছিলেন। সকলেই বিজয়কে হিন্দুধর্ম্মের রক্ষক বলিয়া মনে করিতেন। তাঁহারই প্রভাবে তৎপুত্র বল্লালসেন ব্রাহ্মণসমাজের ব্যবস্থাপক হইতে সমর্থ হইয়াছিলেন। {{gap}}মহারাজ বিজয়ের তিন পুত্র—মল্ল, শ্যামল ও বল্লাল। মল্ল সুবর্ণরেখা-তীরবর্ত্তী কাশীপুরী নামক সামন্তরাজ্যে অধিষ্ঠিত ছিলেন। শ্যামল পিতার সহিত দিগ্বিজয়ে নিযুক্ত হন। বিজয়ের গৌড়-বঙ্গের অধিরাজ্যে অভিষেককালে শ্যামলও বিক্রমপুরে অধিষ্ঠিত হইয়াছিলেন এবং বিক্রমপুরের তৎপূর্ব্ববর্ত্তী বর্ম্মরাজগণের ন্যায় তিনিও বর্ম্মোপাধি<ref group=ব্যাখ্যা>বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণকাণ্ড) ৩য়াংশ ২১-২৪ পৃষ্ঠায় বিজয়পুত্র শ্যামলের “বর্ম্মা” উপাধি ধারণের কারণ ও ইতিহাস দ্রষ্টব্য।</ref> গ্রহণ করিয়াছিলেন।<noinclude> {{rule}} {{smallrefs|85%|group=ব্যাখ্যা}}</noinclude>{{nop}}<noinclude>{{Foot2Columns}}</noinclude> s950ddq5gc30rzgs2tfzysinsf3z222 পাতা:বিষম ভ্রম (প্রথম অংশ) - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় (১৯০১).pdf/৩ 104 854506 1991697 1862533 2026-07-31T04:01:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991697 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{rh|দারোগার দপ্তর। ]||[ আষাঢ়, ১৩০৮।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বিষম ভ্রম।}}}} {{কেন্দ্র|{{larger|প্রথম পরিচ্ছেদ।}}}} {{ফাঁক}}বহু দিবস গত হইল, একবার কোন কার্য্যোপলক্ষে আমাকে ব্রহ্মদেশে গমন করিতে হয়। সেই প্রদেশের রাজধানী রেঙ্গুন নগরে উপস্থিত হইয়া, তত্রত্য সর্ব্বপ্রধান পুলিস-কর্ম্মচারীর সহিত সাক্ষাৎ করিলাম। আমরা উভয়ে বসিয়া কথাবার্ত্তায় নিযুক্ত আছি, এমন সময় জনৈক পরিচারক একখানি সংবাদপত্র হস্তে সেই ঘরের ভিতর প্রবেশ করিল ও পূর্ব্বোক্ত কর্ম্মচারীর হস্তে উহা প্রদান করিয়া বহির্গত হইয়া গেল। তিনিও উহা পাঠ করিতে আরম্ভ করিলেন। এইরূপে কিয়ৎক্ষণ অতিবাহিত হইবার পর, সহসা তাঁহার মুখ শুষ্ক ও বিবর্ণ হইয়া গেল। তাঁহার এইরূপ ভাবাত্তর দেখিয়া আমি উহার কারণ জিজ্ঞাসা করায়, তিনি কোনও কথা না বলিয়া, সেই সংবাদপত্র খানি আমার হতে প্রদান করিলেন। আমিও বিনা বাক্যব্যয়ে যে স্থানটা তিনি পড়িতেছিলেন; তাহা বিশেষ মনো-<noinclude></noinclude> nr1brffclguhbp5esckjsbq7m26hgnw পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৮৭ 104 855151 1991879 1985026 2026-07-31T04:09:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991879 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৭০|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>{{ফাঁক}}“বিচ্ছেদ ধ্রুব বলিয়াই, আমার মোক্ষে মতি হইয়াছে। ‘আর যাহাতে স্বজন বিচ্ছেদ না হয়॥১৭॥ {{ফাঁক}}“আমি শোক দূর করিবার জন্য নিষ্ক্রান্ত হইয়াছি। আমার জন্য শোক করা উচিত নহে। শোকের মূল-বিষয়ভোগে আসক্ত অনুরাগী ব্যক্তির জন্যই শোক করা উচিত॥১৮॥ {{ফাঁক}}“আমাদের পূর্বপুরুষগণের ইহাই স্থির সিদ্ধান্ত ছিল। তাঁহাদের উত্তরাধিকার মার্গাবলম্বী আমার জন্য শোক করা উচিত নহে॥ ১৯॥ {{ফাঁক}}“মানুষের মৃত্যুতে, তাহার অর্থের উত্তরাধিকারী বহু পাওয়া যায়, কিন্তু পৃথিবীতে ধর্মের উত্তরাধিকারী অত্যন্ত দুর্লভ, হয়তো বা একেবারেই নাই॥২০॥ {{ফাঁক}}যদি বল, ‘ইনি অসময়ে বনে গমন করিতেছেন’ তাহার উত্তর এই যে—‘এই চঞ্চলজীবনে ধর্মের অসময় নাই'॥২১॥ {{ফাঁক}}“অতএব, ‘অদ্যই আমার পরম কল্যাণ অর্জন করিতে হইবে’, এইরূপই আমার সিদ্ধান্ত। মৃত্যু যখন প্রতিদ্বন্দ্বীরূপে দণ্ডায়মান, তখন জীবনে আস্থা কোথায়॥২২॥ {{ফাঁক}}“হে সৌম্য, তুমি বসুধাধিপকে এই সমস্ত কথা জানাইবে। তিনি যাহাতে আমাকে স্মরণ না করেন তাহার চেষ্টা করিবে॥২৩॥ {{ফাঁক}}“তুমি বরং নৃপতিকে আমার গুণহীনতার বিষয় বলিবে। গুণহীনতাহেতু স্নেহ চলিয়া যায়, এবং স্নেহ চলিয়া গেলে, শোকও থাকে না॥ ২৪॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> pln6hai7k7laqe1b46g3uwgeuz73oa9 পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৯৬ 104 855223 1991880 1865329 2026-07-31T04:09:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991880 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh||সপ্তম সর্গ|৭৯}}</noinclude>আপনাদের সেই সংকল্প কী, তাহা আমার নিকট প্রকাশ করুন॥ ১২॥ {{ফাঁক}}তখন তপোরত সেই দ্বিজ, ঋষভবিক্রম সেই শাক্যর্ষতকে তপোবিশেষ ও তপস্যার ফল, ক্রমে ক্রমে কহিতে লাগিলেন ॥১৩॥ {{ফাঁক}}“সলিলে উৎপন্ন বন্য (অকৃষি-উৎপন্ন) অন্ন (খাদ্য), ফলমূল, পত্র ও জল— শাস্ত্রানুসারে ইহাই মুনিগণের বৃত্তি। তপস্যাবিভেদে ইহাও ভিন্ন হয়॥ ১৪॥ {{ফাঁক}}“কেহ বিহঙ্গের ন্যায় উঞ্ছবৃত্তির দ্বারা জীবন ধারণ করেন, কেহ বা মৃগের ন্যায় তৃণ ভক্ষণ করেন, কেহ বা বল্মীকে পরিণত হইয়া, ভুজঙ্গের সহিত বায়ুভক্ষী হইয়া অবস্থান করেন ॥১৫॥ {{ফাঁক}}“কেহ প্রস্তরের দ্বারা বহুপ্রযত্নে (ভগ্ন বা চূর্ণ করিয়া) যাহা অর্জন করেন, তাহাই আহার করেন। কেহ বা আপনার দন্তের দ্বারা তুষ অপহত করিয়া অন্ন ভক্ষণ করেন, কেহ বা পরের জন্য পাক করিয়া, যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে, তাহাই আহার করেন ॥১৬॥ {{ফাঁক}}“কোনো দ্বিজ, জলসিক্ত জটাকলাপ ধারণ করিয়া, মন্ত্রসহ দুইবার অগ্নিতে আহুতি প্রদান করেন। কেহ বা মীনের ন্যায় জলমধ্যে, কূর্মগণ কর্তৃক বিক্ষতদেহে বাস করেন ॥১৭॥ {{ফাঁক}}“এইরূপে যথাসময়ে সঞ্চিত শ্রেষ্ঠ (পরা) তপস্যার দ্বারা কেহ বা স্বর্গে গমন করেন, এবং (অপেক্ষাকৃত) নিকৃষ্ট (অপরা)<noinclude></noinclude> ayzfua4p7rwj88vdbnnymg0k1f9x9sa পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৯৭ 104 855224 1991881 1873231 2026-07-31T04:09:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991881 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৮০|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>তপস্যার দ্বারা কেহ বা নরলোকেই আগমন করেন। ক্লেশ-দায়ক পথের দ্বারাই সুখ লাভ করা যায়। দুঃখই ধর্মের মূল বলিয়া কথিত হইয়াছে” ॥১৮॥ {{ফাঁক}}রাজকুমার তপোধনের এই প্রকার বাক্য শ্রবণ করিয়া (তখনও) তত্ত্বদর্শী না হইলেও, সন্তুষ্ট হইতে পারিলেন না। তিনি ধীরে ধীরে আত্মগতভাবে বলিতে লাগিলেন ॥১৯॥ {{ফাঁক}}“এই বিবিধ প্রকারের সমস্ত তপস্যাই দুঃখাত্মক, এবং তপস্যার সর্ব শ্রেষ্ঠ ফলও মাত্র স্বর্গলাভ। স্বর্গাদি লোকমাত্রই ক্ষয়শীল। সুতরাং আশ্রমবাসিগণের এই যে শ্রম, ইহার ফল অতি সামান্য ॥২০॥ {{ফাঁক}}“স্ত্রী, বন্ধু, বিষয় পরিত্যাগ করিয়া, যাহারা স্বৰ্গহেতু এইরূপ নিয়ম পালন করে, তাহারা এই বন্ধন হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া, পুনরায় অধিকতর বন্ধনের মধ্যে যাইতে ইচ্ছা করে ॥২১॥ {{ফাঁক}}“তপোনামক এই শরীরক্লেশের দ্বারা, যে বিষয় ভোগের জন্য পুনর্জন্ম (উত্তম কুলে বা উত্তম লোকে) আকাঙ্ক্ষা করে, সে সংসারের দোষ পরীক্ষা না করিয়াই, দুঃখের দ্বারা দুঃখই অন্বেষণ করে ॥২২॥ {{ফাঁক}}“মৃত্যুকে জীবগণ সততই ভয় করে। অথচ তাহারা পুনর্জন্মও সততই আকাঙ্ক্ষা করে। জন্ম থাকিলে মৃত্যু যখন ধ্রুব, তখন যাহাতে তাহাদের ভয়, তাহাতেই তাহারা মগ্ন হয় ॥২৩॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> 80j7h77eijcmkmlx3bgo7qaio7czgha পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৯৯ 104 855226 1991882 1865332 2026-07-31T04:09:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991882 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৮২|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>অবস্থায় সুখে থাকিয়াই সেই অভিপ্রায় করা কর্তব্য। যদি বলেন, সুখে থাকিয়া অভিপ্রায় করিলেই পুণ্য হইবে, ইহা প্রামাণিক নহে, তাহার উত্তর এই যে, দুঃখে থাকিয়া অভিপ্রায় করিলে পুণ্য হইবে, ইহাও প্রামাণিক নহে॥২৯॥ {{ফাঁক}}“যাহারা কর্মশুদ্ধির জন্য, ‘ইহা তীর্থ’, এই মনে করিয়া জল স্পর্শ করে (জলে অবগাহন করে), তাহাদের হৃদয়ে এই সন্তোষ মাত্রই থাকে। জল পাপীকে কখনো পবিত্র করিতে পারে না॥৩০॥ {{ফাঁক}}“গুণবানেরা যে-যে-স্থানে জল স্পর্শ করিয়াছেন, সেই সব স্থানকেই যদি পৃথিবীতে তীর্থ মনে করা হয়, তবে গুণবানগণের গুণকেই আমি তীর্থ জ্ঞান করি। কারণ জল নিঃসংশয়ে জলই” ॥৩১॥ {{ফাঁক}}তিনি এইরূপ বহু যুক্তিযুক্ত বাক্য বলিলেন। এদিকে সূর্যও অস্তাচলে গমন করিল। তিনি তখন তপের দ্বারা প্রশান্ত, হবির্ধূমের দ্বারা বিবর্ণবৃক্ষবিশিষ্ট সেই বনে প্রবেশ করিলেন॥৩২॥ {{ফাঁক}}স্নান সমাপন করিয়া ঋষিগণ চতুর্দিকে অবস্থান করিতেছেন। দেবালয়সমূহে জপধ্বনি ধ্বনিত হইতেছে। হোমাগ্নি প্রজ্বলিত হইয়াছে। সেই প্রজ্বলিত হোমাগ্নি অন্যত্র লইয়া যাওয়া হইতেছে। মনে হইতেছে ইহা যেন এক ধর্মের কর্ম শালা॥৩৩॥ {{ফাঁক}}মুনিগণের তপস্যাসমূহ পরীক্ষা করিবার জন্য, সেই নিশাকরপ্রতিম কুমার, কয়েক নিশা সেই স্থানে বাস করিলেন। সেখানে সর্বত্র পরিভ্রমণ করিয়া, তপস্যা বিষয় জ্ঞাত হইয়া, তিনি সেই তপঃক্ষেত্র হইতে প্রস্থান করিলেন॥৩৪॥ {{nop}}<noinclude></noinclude> f7afzxe82csai91zlvpbyeupv34q8cr পাতা:অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত (প্রথম খণ্ড) - রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০৩ 104 855228 1991883 1865414 2026-07-31T04:09:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991883 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Jana Sumona24" />{{rh|৮৬|অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত|}}</noinclude>ন্যায় আসক্তির সহিত যুদ্ধ করিয়া মোক্ষলাভ ইচ্ছা করে॥৫৩॥ {{ফাঁক}}“ইহাই যদি আপনার স্থির অভিপ্রায়, তাহা হইলে আপনি সত্বর বিন্ধ্যকোষ্ঠে গমন করুন। সেখানে পরম শ্রেয়ে লব্ধদৃষ্টি অরাড় মুনি বাস করেন॥৫৪॥ {{ফাঁক}}“তাঁহার নিকট হইতে আপনি তত্ত্বমার্গ (সাংখ্য) শ্রবণ করিবেন। এবং যদি অভিরুচি হয়, গ্রহণ করিবেন। কিন্তু আপনার যেরূপ মতি দেখিতেছি, তাহাতে ইহা তাঁহার বুদ্ধিকেও অতিক্রম করিয়া যাইবে॥৫৫॥ {{ফাঁক}}“ঋজু উচ্চ নাসিকা, দীর্ঘ বৃহৎ অক্ষি, তাম্রবর্ণ অধরোষ্ঠ, শুভ্র তীক্ষ্ণ দন্তরাজি, তনু লোহিত জিহ্বা বিশিষ্ট এই আনন, সমুদয় জ্ঞেয়ার্ণব পান করিবে॥৫৬॥ {{ফাঁক}}“আপনার যে-অগাধ গাম্ভীর্য ও দীপ্তি, এবং আপনার মধ্যে যে-সকল লক্ষণ বর্তমান, তাহাতে পৃথিবীতে আপনি এরূপ আচার্যের পদ প্রাপ্ত হইবেন, যাহা পূর্ব যুগে ঋষিগণও লাভ করেন নাই” ॥৫৭॥ {{ফাঁক}}‘উত্তম’, এই বলিয়া, কুমার ঋষিগণকে অভিনন্দন করিয়া নির্গত হইলেন। সেই আশ্রমবাসিগণও যথাবিধি শিষ্টাচার প্রদর্শন করিয়া, তপোবনে প্রবেশ করিলেন॥৫৮॥ {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> pfpi52m3ro3xvefaxyz6i35l8vgczae পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৪৫৮ 104 855776 1991694 1869170 2026-07-31T04:01:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991694 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|বঙ্গদেশ (বৃত্তিভোগী নবাববংশ)|[৪৫৬]|বঙ্গদেশ (বৃত্তিভোগী নবাববংশ)}} {{Head2Columns‎||}} {| {{ts|mc}} | {{ts|ac|pr1}} | খৃঃ অঃ || {{ts|pr1}} | হিঃ || {{ts|ac|pr1}} | বঙ্গেশ্বর || {{ts|ac}} | সাময়িক দিল্লীশ্বর</noinclude><section begin="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (চতুর্থ শাসনকাল)" />{{nopt}} |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৬৮০ || {{ts|pr1}} | ১০৯০ || {{ts|pr1}} | সায়েস্তা খাঁ || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৬৮৯ || {{ts|pr1}} | ১০৯৯ || {{ts|pr1}} | ইব্রাহিম খাঁ ২য় || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৬৯৭ || {{ts|pr1}} | ১১০৮ || {{ts|pr1}} | আজিম উস্‌সান || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭০৪ || {{ts|pr1}} | ১১১৬ || {{ts|pr1}} | মুরশিদ কুলি খাঁ || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭২৫ || {{ts|pr1}} | ১১৩৯ || {{ts|pr1}} | সুজা উদ্দিন খাঁ || {{ts|ac}} | মহম্মদ শাহ্ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৩৯ || {{ts|pr1}} | ১১৫১ || {{ts|pr1}} | আলা উদ্দৌলা সরফরাজ খাঁ || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৪০ || {{ts|pr1}} | ১১৫৩ || {{ts|pr1}} | আলিবর্দ্দী খাঁ মহব্বত জঙ্গ || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৫৬ || {{ts|pr1}} | ১১৭০ || {{ts|pr1}} | সিরাজ উদ্দৌলা || {{ts|ac}} | আলম্‌গীর |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৫৭ || {{ts|pr1}} | ১১৭১ || {{ts|pr1}} | মীর জাফর আলী খাঁ || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৬০ || {{ts|pr1}} | ১১৭৪ || {{ts|pr1}} | কাশিম আলী খাঁ || {{ts|ac}} | শাহআলম্ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৬৩ || {{ts|pr1}} | ১১৭৭ || {{ts|pr1}} | মীর জাফর আলী খাঁ || {{ts|ac}} | ঐ |- | {{ts|ac|pr1}} | ১৭৬৫ || {{ts|pr1}} | ১১৭৯ || {{ts|pr1}} | নজিমউদ্দৌলা || {{ts|ac}} | ঐ |} {{gap}}১৭৬৫ খৃষ্টাব্দে জানুয়ারী মাসে মীর জাফরের মৃত্যুর পর, তৎপুত্র নজম্ উদ্দৌলা ইংরাজ কোম্পানীর সহিত সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হইয়া ইংরাজকরে বঙ্গরাজ্য-রক্ষাভার সমর্পণ করেন। তিনি কেবলমাত্র নামে নবাব-নাজিমের পদাভিষিক্ত রহিলেন, বাঙ্গালায় ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিচারের পরিদর্শনভার তাঁহার উপর ন্যস্ত থাকিল না; তিনি বস্তুতঃই বিচারবিভাগের ব্যবস্থাপকত্ব ও সর্ব্বময়কর্ত্তৃত্ব হারাইলেন। তাঁহার অধীনস্থ এক জন দেওয়ানের তত্ত্বাবধানে নিজামতের কার্য্য চলিতে লাগিল। অযোধ্যার উজীর সুজা উদ্দৌলার পরাভবের পর, ইংরাজ কোম্পানী আলাহাবাদ ও কাড়া প্রদেশ দিল্লীশ্বরকে উপঢৌকন দিয়া তৎপরিবর্ত্তে বঙ্গ, বেহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী সনন্দ লাভ করেন, তাহাতে নবাব-নাজিমের “নিজামৎ” রক্ষার জন্য বার্ষিক ৫৩৮৬১৩১ সিক্কা টাকা বৃত্তি ধার্য্য হইয়াছিল। ইংরাজগণ সেই সূত্রে মুর্শিদাবাদের নবাবদিগকে ঐ বৃত্তি দিতে বাধ্য হন। পরে ইংরাজের কূটনীতিতে উহা ক্রমশঃ হ্রাসপ্রাপ্ত হয়। বাস্তবিক পক্ষে এই সময় হইতে ইংরাজ কোম্পানী বাঙ্গালার প্রকৃত শাসনকর্ত্তা হইয়াছিলেন। নিজামৎ মস্‌নদের উপসত্ত্বভোগী বাঙ্গালার পরবর্ত্তী নবাব নাজিমগণের বংশ-তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হইল;— <section end="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (চতুর্থ শাসনকাল)" /> <section begin="বঙ্গদেশ বৃত্তিভোগী বাঙ্গালার নবাববংশ" /><noinclude>{{c|বৃত্তিভোগী বাঙ্গালার নবাববংশ।}}</noinclude>{| {{ts|mc|width:450px}} | {{ts|pr1|vtp}} | ১৭৬৫ || নজম্ উদ্দৌলা—মীরজাফর আলীর পুত্র, ১৭৬৬ খৃষ্টাব্দের ৩রা মে? ইহার মৃত্যু ঘটে। ইনি দেওয়ান ইংরাজ কোম্পানীর নিকট হইতে বার্ষিক ৫৩৮৬১৩১ সিক্কা টাকা বৃত্তি প্রাপ্ত হন। |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৭৬৬ || শৈফ উদ্দৌলা—মীরজাফরের ২য় পুত্র; ১৭৭০ খৃষ্টাব্দের ১০ই মার্চ্চ মৃত্যু হয়। ইঁহার সময় বার্ষিক বৃত্তির হার কমিয়া ৪১৮৬১৩১ সিক্কা টাকা ধার্য্য হইয়াছিল।<noinclude> |} </noinclude>{{TwoColumns}}<noinclude> {| {{ts|mc|width:450px}} </noinclude> |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৭৭০ || মুবারক উদ্দৌলা—মীরজাফর ৩য় পুত্র; ১৭৯৩ খৃষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে মৃত্যু। বৃত্তি ৩১৮১৯৯১ সিক্কা টাকা প্রাপ্ত হন। ইঁহারই অধিকারকালে ১৭৭২ খৃষ্টাব্দে উক্ত বৃত্তির টাকা কমাইয়া বার্ষিক ১৬ লক্ষ রৌপ্যমুদ্রা ধার্য্য হয়। সেই হার অদ্যাপিও চলিয়া আসিতেছে। |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৭৯৩ || নাশির উল্ মুল্‌ক উজীর উদ্দৌলা দেলবার জঙ্গ—মুবারকের পুত্র, ১৮১০ খৃষ্টাব্দের এপ্রিল মাসে তাঁহার মৃত্যু ঘটে। |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৮১০ || সৈয়দ জৈন্ উদ্দীন আলী খাঁ ওরফে আলী জাহ্—নাশির-উল্ মুল্‌কের পুত্র। |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৮২১ || সৈয়দ আহ্মদ আলী খাঁ ওরফে বালা জাহ্—আলী জাহের ভ্রাতা, ১৮২৪ খৃষ্টাব্দে ৩০এ অক্টোবর মৃত্যু। |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৮২৫ || সৈয়দ মুবারক আলী খাঁ ওরফে হুমায়ুন জাহ্—বালা জাহের পুত্র। |- | {{ts|pr1|vtp}} | ১৮৩৮ || ফরিদূন্ জাহ্ সৈয়দ মনসুর আলী খাঁ নসরৎ জঙ্গ—হুমায়ুন জাহের পুত্র। ইনি নানা কারণে ঋণজালে জড়িত হওয়ায় ইংলণ্ড প্রবাসী হন। |} {{gap}}এই সময়ে ইংরাজ-গবর্মেণ্ট তাহাকে অর্থসাহায্য করিতে স্বীকৃত হওয়ায়, তিনি বার্ষিক লক্ষ টাকা মাসহরা ও ঋণমুক্তির জন্য ১০ লক্ষ টাকা প্রাপ্তির আশায় ১৮৮০ খৃষ্টাব্দের ১লা নবেম্বর (মতান্তরে ১৮৮৩ খৃষ্টাব্দে) চিরপোষিত নবাব নাজিম মর্য্যাদা ত্যাগ করিতে স্বীকৃত হইয়া স্বীয় অভিপ্রায় জ্ঞাপন করেন। ১৮৮২ খৃষ্টাব্দে তাঁহার পুত্র সৈয়দ হসন আলী খাঁ সনদ দ্বারা মুর্শিদাবাদের নবাব বাহাদুর উপাধি পান। ১৮৯১ খৃষ্টাব্দের ১২ই মার্চ্চ তারিখে নবাব সর্ সৈয়দ হসন আলী খাঁ বাহাদুর জি, সি, আই, ই ১৮৮০ খৃষ্টাব্দের ১লা নবেম্বর তারিখে স্বীয় পিতৃকৃত নবাব-নাজিম পদত্যাগাঙ্গীকার সাব্যস্ত ও স্বীকার করিয়া সেক্রেটারী অব্ ষ্টেটসের ইণ্ডেঞ্চার পত্রে স্বীয় অভিমত জ্ঞাপন করেন। উক্ত বর্ষের উক্ত মাসের ২১এ তারিখে সকৌঁসিল ভারতপ্রতিনিধি কর্ত্তৃক (by the Council of his Excellency the Viceroy and Governor General of India) ১৮৯১ সালের ১৫ নং রাজবিধিতে ([[:en:Index:A Collection of the Acts passed by the Governor General of India in Council, 1891.pdf|Act XV of 1891]]) তাহা স্থিরীকৃত ও পরিগৃহীত হয়। এই মর্য্যাদা ত্যাগ করিয়া তিনি তৎপরিবর্ত্তে ইংরাজরাজের নিকট হইতে একটী বংশানুক্রমিক বার্ষিক বৃত্তি এবং মুর্শিদাবাদ, কলিকাতা, মেদিনীপুর, ঢাকা, মালদহ, পূর্ণিয়া, পাটনা, রঙ্গপুর, হুগলী, রাজশাহী, বীরভূমি ও সাঁওতাল-পরগণার মধ্যে কতকগুলি নির্দ্দিষ্ট আয়ের ভূসম্পত্তি প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। ইঁহার পাঁচপুত্র—আসফ কাদর সৈয়দ <section end="বঙ্গদেশ বৃত্তিভোগী বাঙ্গালার নবাববংশ" /><noinclude>{{Foot2Columns}}</noinclude> 8pkdwf4y9rj3adr436u1xeqn1nmr19r পাতা:পাপের শহরে - এনামূল হক পলাশ (২০১৮).pdf/৩ 104 855919 1991673 1905578 2026-07-31T03:57:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991673 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Anup Sadi" /></noinclude>{{dhr|5em}} {{ডান|{{larger|উৎসর্গপত্র}}}} {{ডান|<poem>প্রিয় কন্যা, তোমার আবির্ভাবে আমি জেগে উঠেছিলাম, স্বর্গীয় উদ্দীপনায় নেমেছিল পৃথিবীর ভোর। আমি কি জানতাম তোমার চলে যাওয়ার নাম এই পৃথিবীর অনন্ত এক বিচ্ছেদের সুর? আমার কন্যা, আমার অনুভব- আমার স্ত্রী যার নাম রেখেছেন ফাতেমা, আমি হয়তো অন্য নামে তাকে ডাকতাম।</poem>}} {{dhr|20em}}<noinclude> {{c|পাপের শহরে উৎসর্গ}} {{Img float | file = পাপের শহরে - এনামূল হক পলাশ (২০১৮) (page 48 crop).jpg | width = 200px | align = right | cap = }}</noinclude> qa30kl8pqh98bf9dezslm8vx3hiztxf পাতা:মেঘের সন্ন্যাস - এনামূল হক পলাশ (২০১৭).pdf/১ 104 856236 1991711 1869134 2026-07-31T04:03:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991711 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Anup Sadi" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|মেঘের সন্ন্যাস}}}}<noinclude></noinclude> rk46uo2lo87hcniov39hpb6jm923eal পাতা:লাবণ্য দাশ অ্যান্ড কোং - এনামূল হক পলাশ (২০২২).pdf/১ 104 856377 1991737 1906439 2026-07-31T04:04:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991737 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Anup Sadi" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|লাবণ্য দাশ অ্যাণ্ড কোং}}}}<noinclude></noinclude> p4l8v2rg6nfuui8z0e8w4sqq4djg1nl পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/৯ 104 856438 1991592 1869546 2026-07-31T03:49:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991592 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|আঙুর}}}} {{কেন্দ্র|{{larger|মনের দাগ।}}}} {{কেন্দ্র|১}} {{ফাঁক}}সংবাদপত্রে অজীর্ণ রোগের অব্যর্থ ঔষধগুলির বিজ্ঞাপন যখন একে একে সব পরীক্ষা করিয়া হায়রান হইয়া পড়িলাম, তখন একবার চেঞ্জ যাইব মনস্থ করিলাম। মধুপুর যাওয়াটাই প্রথমে স্থির করিয়াছিলাম। ইতিমধ্যে এটোয়া হইতে অনুকূলের এক পত্র আসিয়া উপস্থিত হইল। অনুকূল লিখিয়াছে, “আমি এটোয়া থাকিতে তুমি চেঞ্জের জন্য আর কোথাও গেলে অতিশয় দুঃখিত হইব। এখানকার জল হাওয়া খুব ভাল, তুমি আসিলে তোমার তো নিশ্চয়ই উপকার হইবে, সেই সঙ্গে আমারও প্রবাসের কয়েকটা দিন একটু সুখে কাটিবে। এখানে, বাঙালীর মুখ দেখিতে পাওয়া যায় না—শুধু পাগড়ী আর লাহাঙ্গা<noinclude></noinclude> byuflm8oafpknbpp658sxlfy21vve47 পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/১ 104 856486 1991636 1869632 2026-07-31T03:54:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991636 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Dolon Prova" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xxx-larger|জনপদে ঘোড়ামানুষ}}}}<noinclude></noinclude> 8wiu61gxqe2xej3stiseyl12yc6ynob পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/৩৪ 104 856644 1992222 1985028 2026-07-31T04:43:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992222 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{rh|২৬|আঙুর|}}</noinclude>{{ফাঁক}}পরাণবাবুর পত্নী রাজলক্ষ্মী কেবল স্বামীর মত সূক্ষ্ম-দৃষ্টি-লাভে বঞ্চিতা হইলেন। তিনি পূর্ব্বের মতই নন্দলালকে স্নেহ ও শাসন করিতেন। {{ফাঁক}}শাসন করা হয় হউক, পরাণবাবুর তাহাতে আপত্তি নাই, কিন্তু এত স্নেহ দেখাইয়া অমন আব্দারে করিয়া তুলিবার কি প্রয়োজন! দুধ না হইলে খাওয়া হয়না,— ডালের সঙ্গে ‘ভাজি’ দরকার, —সকালে-বিকালে জলখাবার,—এত কেন?—কিসের জন্য? {{ফাঁক}}রাজলক্ষ্মী যদি বলিতেন, “আহা চিরকাল ও ভাল খেয়ে ভাল পরে, এসেছে!” পরাণবাবু অমনি আঁখি রক্তবর্ণ করিয়া বলিতেন, “পরের বাড়িতে এসে আর ও সব আব্দার করলে চলে না!” {{ফাঁক}}রাজলক্ষ্মী আশ্চর্য্য হইয়। গালে হাত দিয়া বলিতেন, “ওমা! সে কি গো! ‘পরের বাড়ি’ কি!” {{ফাঁক}}পরাণবাবু বিরক্ত হইরা বলিতেন, “হাঁ—হাঁ, আর ‘আপনার’ হয়ে কাজ নেই! কে কার?” {{ফাঁক}}এই কথায় পত্নী মর্ম্মাহত ও বিরক্ত হইয়া একদিন বলিলেন, “তা না হয়, এর খোরাকীর দাম ধরে নিও—ওর বাপের টাকা ত তোমার হাতে আছে!” {{ফাঁক}}পরাণবাবু অগ্নিশর্ম্মা হইয়া বলিলেন— “কি?<noinclude></noinclude> 5smb67tihasydk4qdccd886f88q4r4c পাতা:ভারতকোষ - তৃতীয় খণ্ড.pdf/১২৯ 104 856718 1992140 1961939 2026-07-31T04:24:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992140 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh|গাছ||গাজন}} {{Head2Columns}}</noinclude>রন্ধ বড় হইয়া খুলিয়া যায় ও বাষ্পমোচন বাড়ে। আবার বিপরীত অবস্থায় পত্ররন্ধ্র অত্যন্ত ছোট হইয়া গেলে বাষ্পমোচন কমে। মরু অঞ্চলে জলের অভাবের জন্য নানাবিধ উপায়ে পাতা হইতে বাষ্পমোচন রোধ করিবার ব্যবস্থা থাকে। বাষ্পমোচন ছাড়াও কচু, পদ্ম ইত্যাদি কোনও কোনও গাছের পাতা হইতে একপ্রকার বিশেষ রন্ধপথে জল তরল অবস্থাতেই খনিজ পদার্থের সহিত বাহির হইয়া আসে। {{ফাঁক}}দিবারাত্র পাতা ও অন্যান্য সমস্ত সজীব অঙ্গ দিয়াই গাছ শ্বাসকার্য চালাইয়া যাইতেছে। এই প্রক্রিয়া দ্বারা গাছ অক্সিজেন গ্রহণ করে; সেই অক্সিজেন আন্তঃকোষ রন্ধ দিয়া বিভিন্ন কোষে প্রবেশ করে। অক্সিজেনের সাহায্যে কোষমধ্যস্থ খাতের জারণ (অক্সিডেশন) ক্রিয়ার ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড, জল ও শক্তি উৎপন্ন হয়। এই শক্তি নানাবিধ জৈব প্রক্রিয়া সাধিত করে। {{ফাঁক}}সালোকসংশ্লেষ (ফোটোসিন্‌থেসিস) প্রক্রিয়ায় গাছ নিজ খাদ্য উৎপন্ন করিতে পারে। গাছের সবুজ পাতার ও অন্যান্য সবুজ অংশে ক্লোরোফিল থাকে, সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ইহার সাহায্যেই বাতাস হইতে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মাটি হইতে শোষিত জলের সমন্বয়ে কোষমধ্যে শর্করাজাতীয় খাদ্য উৎপন্ন হয়, এজন্য কিছুটা উত্তাপ ও পটাসিয়ামেরও প্রয়োজন হয়। সালোকসংশ্লেষের জন্য প্রয়োজনীয় কার্বন ডাইঅক্সাইড পররন্ধ দিয়া গাছের দেহে প্রবেশ করে এবং এই প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন অক্সিজেন ঐ একই পথে বাহির হইয়া যায়। সূর্যালোকের প্রয়োজন থাকায় কেবলমাত্র দিনের বেলায় এই প্রক্রিয়া চলে (‘ক্লোরোফিল’ ও ‘সালোকসংশ্লেষ’ দ্র)। {{ফাঁক}}গাছের বৃদ্ধি ও পুষ্টিসাধনের জন্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও লৌহ— এই কয়টি মৌলিক উপাদানের বিশেষ প্রয়োজন; গাছ তন্মধ্যে কার্বন ও অক্সিজেন বায়ুমণ্ডল হইতে গ্রহণ করে, অন্যগুলি মাটি হইতে লয়। ইহা ছাড়া অত্যল্প পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, বোরোন, তামা, মলিবডেনাম, সিলিকন ইত্যাদিও উদ্ভিদের দেহগঠনে সহায়তা করে। {{ফাঁক}}সমস্ত কিছু মৌলিক উপাদান প্রয়োজনীয় অনুপাতে কোষমধ্যে পৌঁছিলে ও আত্তীকরণের কাজ সুষ্ঠুভাবে চলিলে উদ্ভিদের আকার ও ওজনে যে স্থায়ী পরিবর্তন ঘটে, উহাকেই বৃদ্ধি বলে। বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে কোষগুলি বিভক্ত হইয়া বহু নূতন কোষ গঠিত হয়। তাহার পর এই নূতন কোষগুলি আয়তনে বৃদ্ধি পায়। কোষবৃদ্ধির{{দুই কলাম}} এই পর্যায়ে অক্সিন (auxin) নামক উদ্ভিদ-হর্মোন গুরুত্বপূর্ণ অংশ গ্রহণ করে। অবশেষে কোষগুলি স্থায়ী আকার ধারণ করে ও নানাবিধ টিসু বা দেহকলার সৃষ্টি হইয়া থাকে। পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিবর্তনের সহিত সমতা রাখিয়া গাছের বৃদ্ধির আহ্নিক ও ঋতুগত প্রভেদ দৃষ্ট হয়। ‘কাণ্ড’, ‘পাতা’, ‘ফল’, ‘ফুল’ ও ‘মূল’। দ্র E. W. Sinnott & K. S. Wilson, ''Botany: Principles and Problems'', New York, 1955. {{ডান|{{smaller|সন্তোষকুমার পাইন}}}} <section begin="A" />'''গাছ বেড়া''' একটি গাছকে আনুষ্ঠানিকভাবে জুতা দিয়া বেষ্টন করা বীরভূম জেলার সুবর্ণবণিক সমাজের মধ্যে প্রচলিত বিবাহের আনুষঙ্গিক একটি আচার। বিবাহের দিন কিংবা তাহার পূর্বদিন এই আচারটি পালন করা হয়। পাত্র কিংবা পাত্রীর গৃহ হইতে শোভাযাত্রা সহকারে একটি নির্দিষ্ট বৃক্ষের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা হয়। শোভাযাত্রার পুরোভাগে মনসামঙ্গলের গায়ক, মধ্য ভাগে এয়োস্ত্রীগণ, তৎপশ্চাৎ দেয়াশীর ক্রোড়ে মনসার ঘট, তারপর দর্পণ কিংবা কাজললতা হস্তে বর কিংবা কনে এবং সকলের পশ্চাতে বাদ্যভাণ্ড অগ্রসর হয়। গ্রামের নির্দিষ্ট স্থানে একটি বৃক্ষের চারিদিকে সুতা দিয়া বেষ্টন করিয়া তাহা প্রদক্ষিণ করা হয়। মনসামঙ্গলের গায়ক কিছুক্ষণ সেখানে দাড়াইয়া চামর-মন্দিরা সহযোগে মনসামঙ্গল গান করে। অতঃপর শোভাযাত্রা গৃহে ফিরিয়া আসে। দ্র আশুতোষ ভট্টাচার্য, বাংলা মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস, কলিকাতা, ১৯৬৪। {{ডান|{{smaller|আশুতোষ ভট্টাচার্য}}}} <section end="A" /> <section begin="B" />'''গাজন''' বাংলা দেশের লৌকিক উৎসব। ইহা নিম্ন শ্রেণীর লোকের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। চৈত্র সংক্রান্তি হইতে আরম্ভ করিয়া আষাঢ়ী পূর্ণিমা পর্যন্ত কোনও কোনও সংক্রান্তি কিংবা পূর্ণিমা তিথিতে বাংলার সর্বত্রই ইহা অনুষ্ঠিত হইয়া থাকে। {{ফাঁক}}বাংলা দেশে ইহা বিভিন্ন পৌরাণিক ও লৌকিক দেবতার নামের সঙ্গে সংযুক্ত হইয়াছে, যেমন শিবের গাজন, ধর্মের গাজন, নীলের গাজন, আদ্যের গাজন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই উৎসবের লক্ষ্য সূর্য এবং তাহার পত্নী বলিয়া কল্পিত পৃথিবী। সূর্যের সঙ্গে পৃথিবীর বিবাহ দেওয়াই এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য। চৈত্র মাস হইতে বর্ষার প্রারম্ভ পর্যন্ত সূর্য যখন প্রচণ্ড অগ্নিময় রূপ ধারণ করে তখন সূর্যের তেজ প্রশমন ও সুবৃষ্টি লাভের আশায় কৃষিজীবী <section end="B" /><noinclude>{{Foot2Columns‎}} {{center|১০০}}</noinclude> gz8wr4sco17yew1pzf0sczyhwawjj5n পাতা:ভারতকোষ - তৃতীয় খণ্ড.pdf/৩৩০ 104 856740 1992141 1984510 2026-07-31T04:24:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992141 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh|চর্যাগীত||চর্যাগীত}} {{Head2Columns}}</noinclude>ভাষাকেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা বলিয়া অনুমান করিয়াছিলেন। সাধারণভাবে সে অনুমান ভুল নয়। তবে সূক্ষ্মবিচারে ‘দোহাকোষ’ এবং ‘ডাকার্ণব’-এর ভাষাকে অবহট্ট বলা উচিত। সর্বপ্রথম সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এই সূক্ষ্মবিচার করেন। {{ফাঁক}}‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ আসলে চর্যাগানের টীকার পুথি। টীকার সঙ্গে মূল গানগুলি উদ্ধৃত হওয়ায় পুথিখানি সংকলনের আকার ধারণ করিয়াছে। টীকা সংস্কৃতে লেখা। পুথিমধ্যে কিছু খণ্ডিত এবং শেষে দুই-একটি পাতা নাই। তাই টীকাকারের নাম ইহাতে পাওয়া যায় না। টীকাকার মুনিদত্ত। টীকাটির নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ পুথিতে অনুল্লিখিত হইলেও চর্যাগানগুলি এবং সংস্কৃত টীকা তিব্বতী ভাষায় অনূদিত হইয়াছিল। টীকাকারের নাম এই তিব্বতী অনুবাদের সহায়তায় জানা গেল এবং সেই সঙ্গে খণ্ডিত পুথিতে লুপ্ত গানগুলির বিষয়ও জানা গেল। তিব্বতী অনুবাদ প্রকাশ করেন প্রবোধচন্দ্র বাগচী। {{ফাঁক}}‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ খণ্ডিত পুথি। পুথির প্রাপ্ত অংশে ৪৬টি সম্পূর্ণ গান এবং একটি গানের ভগ্নাংশ পাওয়া গিয়াছে। এই ৪৬টি গান ২৪ জন কবির রচনা। গানগুলির দৈর্ঘ্য ১০ হইতে ১২ লাইনের মধ্যে; দুই-একটি দীর্ঘতর গানও আছে। গানে ‘ভণিতা’ আছে। ‘ভণিতা’-য় রচয়িতার নাম পাওয়া যায়। তদুপরি প্রত্যেক গানের শুরুতে রাগ-রাগিণীরও উল্লেখ আছে। {{ফাঁক}}গানগুলি যে ভাষায় লেখা সে ভাষা অধুনা প্রচলিত বাংলা ভাষার দুই পুরুষ পূর্বতন রূপ। গানে ব্যবহৃত অনেক শব্দ বর্তমান কালেও প্রচলিত আছে, যেমন— ‘জান’, নিল’, ‘গেল’, ‘রাতি’, ‘দুই’, ‘ঘরে’, ‘করি’, ‘বিনু’, ‘মাঝে’, ‘চড়িলে’, ‘ছাড়ি’। {{ফাঁক}}গানগুলি ‘সন্ধাভাষা’-য় রচিত বলা হয়। ‘সন্ধাভাষা’ কোনও ভাষার নাম নয়। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সংস্কৃত-অবহট্ট-বাংলা রচনায় অবলম্বিত বিশিষ্ট রীতির নাম ‘সন্ধা’। এই রীতিতে শব্দের বাচ্যার্থের এক অর্থ, গুহ্যার্থের আর এক অর্থ। শব্দের গুহ্যার্থের সাহায্যে সাধকেরা সাধন-পদ্ধতির নিগূঢ় কথা ব্যক্ত করিয়াছেন। {{ফাঁক}}কোনও কোনও গানের রচনারীতি প্রহেলিকাত্মক, যেমন—রুখের তেন্তলি কুম্ভীরে খাই। / (গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়)। / ‘বলদ বিআঅল গবিয়া বাঝে।/ (বলদ প্রসব করিল গাভী বন্ধ্যা)। {{ফাঁক}}কোনও কোনও গানে তত্ত্বকথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করা হইয়াছে, যেমন—জইসো জাম মরণবি তইসো। / জীবন্ত{{দুই কলাম}} মঅলেঁ নাহি বিষেসো॥ / (জন্মও যেমন মরণও তেমনি। / জীবন্ত ও মৃতে পার্থক্য নাই॥)। {{ফাঁক}}চর্যাগানগুলিতে ব্যবহৃত রূপক প্রতিভাসের ভিতর দিয়া তদানীন্তন বাঙালী জীবনের একটি নিখুঁত ছবিও ফুটিয়া উঠিয়াছে। {{ফাঁক}}গানগুলির রচনাকাল অনিশ্চিত, সম্ভবতঃ খ্রীষ্টীয় একাদশ-ত্রয়োদশ শতকে লেখা। দ্র হরপ্রসাদ শাস্ত্রী-সম্পাদিত, হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা, সাহিত্য-পরিষদ-গ্রন্থাবলী ৫৫, কলিকাতা, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ; সুকুমার সেন, চর্যাগীতিপদাবলী, বর্ধমান, ১৯৫৬; Suniti Kumar Chatterji, ''Origin and Development of the Bengali Language, Calcutta'', 1926; P. C. Bagchi & Santi Bhiksu - Sastri, ed., ''Caryagitikosa'', Visva-Bharati, 1956; Sashibhusan Dasgupta, ''Obscure Religious Cults'', Calcutta, 1963; Tarapada Mukherji, ''The Old Bengali Language and Text'', Calcutta, 1963. {{ডান|{{smaller|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}}} {{ফাঁক}}চর্যা প্রকীর্ণক শ্রেণীর প্রবন্ধের অন্তর্গত। যে সব গীত দেশে বিক্ষিপ্তভাবে বিদ্যমান ছিল মধ্যযুগে সেগুলিকে প্রকীর্ণক বলা হইত এবং কলি দ্বারা নিবদ্ধ গীতকে প্রবন্ধ বলা হইত। চর্যা, পদ ও তাল—এই দুই অঙ্গযুক্ত তারাবলী-জাতীয় প্রবন্ধ। শাস্ত্রানুসারে চর্যা উদ্‌গ্রাহ, ধ্রুব এবং অভোগ এই তিনটি কলি দ্বারা নিবদ্ধ। শার্ঙ্গদেব রচিত ‘সংগীতরত্নাকর’ গ্রন্থে (১২১০ - ৪৭ খ্রী?) চর্যাগীতির যে লক্ষণ বর্ণিত হইয়াছে তাহা হইতে জানা যায় যে ইহার বিষয় আধ্যাত্মিক, পাদান্ত অনুপ্রাসযুক্ত, ইহা পদ্ধাড়ী (পজ্‌ঝটিকা) ও তৎপর্যায়ের ছন্দে রচিত এবং দ্বিতীয় বা অনুরূপ তালে নিবদ্ধ। চর্যাগীতি দুই প্রকার। ছন্দ-প্রধান গীতিগুলিকে বলা হইত পূর্ণ এবং যেগুলিতে ছন্দের প্রাধান্য থাকিত না সেইগুলিকে বলা হইত অপূর্ণ। চর্যার আরও দুইটি প্রকারভেদ ছিল: একটি সমধ্রুবা, অপরটি বিষমধ্রুবা। সমধ্রুবা অর্থে সবগুলি পদের এবং বিষমধ্রুবা অর্থে কেবলমাত্র ‘ধ্রুব’ অংশের সমকণ্ঠে আবৃত্তি বুঝাইত। চর্যায় রাগের ব্যবহার ছিল কিন্তু ইহা মুখ্যতঃ রাগসংগীত নহে। যে সমস্ত চর্যা পাওয়া গিয়াছে তাহাতে দেখা যায় চর্যায় ব্যবহৃত রাগের মধ্যে পটমঞ্জরী রাগের সংখ্যা সর্বাপেক্ষা অধিক। এতদ্ব্যতীত মল্লারী, ভৈরবী, কামোদ, বরাড়ী, গুর্জরী, কহ্নগুর্জরী,<noinclude>{{Foot2Columns‎}}{{center|৩০১}}</noinclude> 8jd9av625ntz972g7v1uyyismvmnnb5 পাতা:ভারতকোষ - পঞ্চম খণ্ড.pdf/৭৮ 104 856857 1992142 1961956 2026-07-31T04:24:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992142 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh|বাংলাভাষা||বাংলাভাষা}}{{Head2Columns}}</noinclude>ধ্বনিটি ‘ওয়’-রূপে লিখিত হয়। বাংলায় ‘জ’ ও ‘গ’-এর উচ্চারণ এখন অভিন্ন। চ, ছ, জ, ঝ-এর উচ্চারণ বাংলা দেশে সর্বত্র এক নয়—পূর্ব-উত্তর বঙ্গে এগুলির উচ্চারণ একেবারে পৃথক। ‘ণ’-এর ধ্বনি বাংলায় এখন লুপ্ত, ইহার উচ্চারণ হয় ‘ন’—এর মত। নাসিক্য ধ্বনিগুলিরও নানা উচ্চারণ পরিবর্তন ও বিকৃতি ঘটিয়াছে। {{ফাঁক}}সংস্কৃতে ও প্রাকৃতে নাম পদে তিন লিঙ্গ ছিল—পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ ও ক্লীবলিঙ্গ। বাংলায় ক্লীবলিঙ্গের ব্যবহার হ্রাস পাইল। নূতন স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হইল। পদান্তের ‘—ইঅ (T)’ ই-কার বা ঈ-কারে পরিণত হইয়া নূতন স্ত্রীলিঙ্গের পদ সৃষ্টি করিল। প্রাচীন বাংলা পর্যন্ত স্ত্রীলিঙ্গে স্ত্রী-প্রত্যয় চলিত। মধ্য বাংলা পর্যন্ত এই বৈশিষ্ট্যটি চলিয়াছিল। আধুনিক বাংলায় নাই। বাংলায় স্ত্রী-প্রত্যয় দুটি—‘ঈ (-ই)’ ও ‘(-ই) নী’। প্রথমটি জাতিবাচক, দ্বিতীয়টি কার্যবাচক। {{ফাঁক}}বাংলায় বিশেষণে কারক-বিভক্তি যোগ হয় না। ক্রিয়াবিশেষণ পদে সাধারণত তৃতীয়া-সপ্তমীর ‘— এঁ’, ‘— এ’ বিভক্তি দেখা যায়। কয়েকটি সংস্কৃত অব্যয়েরও ক্রিয়াবিশেষণ রূপে প্রয়োগ আছে। বাংলায় বচন দুইটি—একবচন ও বহুবচন। প্রাচীন ও মধ্য বাংলায় শব্দরূপে একবচন ও বহুবচনের ভেদ নাই। বাংলায়—রা, ― গুলা, ― গুলি, ― সব, ― গণ, ― দিগ ইত্যাদি বিশিষ্ট বহুবাচক শব্দযোগে বহুবচন গঠিত হয়। {{ফাঁক}}বিভক্তি ধরিয়া বিচার করিলে প্রাচীন বাংলায় কারক ছয়টি—কর্তা, কর্ম, করণ, অপাদান, অধিকরণ ও সম্বন্ধ। আধুনিক বাংলায় চারিটি—কর্তা, কর্ম, করণ-অধিকরণ ও সম্বন্ধ। বাংলা ভাষায় কর্তা ও কর্ম কারকের বিশিষ্ট বিভক্তি নাই। করণকারকের বিশিষ্ট বিভক্তি ‘― এ’, ‘— এ’। অধিকরণ ও করণের বিভক্তি অনেক সময় এক। ‘র’ যোগে ষষ্ঠী বিভক্তি সম্বন্ধে প্রযোজ্য। তবে ষষ্ঠী বিভক্তিতে তৃতীয়া-সপ্তমীর—‘এ’ যোগ করিয়া গৌণকর্মের ‘রে’ বিভক্তির উৎপত্তি। অধিকরণের বিশিষ্ট বিভক্তি ― ত, এঁ, ― তেঁ। বাংলায় বিশিষ্ট পঞ্চমী বিভক্তি নাই। {{ফাঁক}}বাংলা অনুসর্গগুলি দুইটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়―নাম অনুসর্গ (অর্থাৎ বিশেষ্য-বিশেষণ) ও অসমাপিকা অনুসর্গ। নাম অনুসর্গগুলি তৎসম, তদ্‌ভব ও বিদেশী এই তিন দফায় ভাগ করা যায়। উপসর্গের ব্যবহার বাংলায় খুব কম। {{ফাঁক}}বাংলায় সর্বনামপদ প্রধানতঃ দুইটি শ্রেণীতে বিভক্ত―পুরুষবাচক সর্বনাম ও নির্দেশক সর্বনাম। পুরুষবাচক সর্বনাম দুইটি—উত্তমপুরুষ ও মধ্যমপুরুষ। নির্দেশক সর্বনাম পাঁচটি। {{ফাঁক}}বাংলা ভাষার ধাতু অধিকাংশ সংস্কৃত হইতে আসিয়াছে। অল্প সংখ্যক ধাতুর উদ্ভব হইয়াছিল প্রাকৃত-সংস্কৃত বা{{দুই কলাম}} দেশী শব্দ হইতে। উৎপত্তির দিক দিয়া বাংলা ক্রিয়াপদের কাল দুইভাগে বিভক্ত―মৌলিক ও কৃদন্ত। মৌলিক কাল দুইটি—বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। কৃদন্তকাল তিনটি—অতীত, ভবিষ্যৎ (— ইব অন্ত) ও নিত্যবৃত্ত। প্রাচীন বাংলায় যৌগিক ক্রিয়া পাওয়া গিয়াছে কিন্তু যৌগিক কালের উদাহরণ মেলে নাই। মধ্য বাংলায় কিছু কিছু, যৌগিক কাল পাওয়া গিয়াছে। আধুনিক বাংলায় যৌগিক কাল যথেষ্ট মিলিয়াছে। এটি আধুনিক বাংলা ভাষার একটি বড় বিশেষত্ব। {{ফাঁক}}বাংলায় বাচ্য তিনটি―কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য। প্রাকৃতের ‘—ইয়’ চিহ্নিত কর্মভাববাচ্য অপভ্রংশ ও প্রাচীন বাংলার মধ্য দিয়া মধ্য বাংলায় পৌঁছিয়াছিল। আধুনিক বাংলায় ণিজন্ত ক্রিয়াপদ কখনও কখনও ভাববাচ্যে বা কর্মকর্তৃবাচ্যে ব্যবহৃত হয়। কর্মভাববাচ্যের অনুজ্ঞার পদ মধ্য বাংলা অবধি মিলিয়াছে। আধুনিক বাংলায় নাই। {{ফাঁক}}বাংলায় নামধাতু প্রায়ই ণিজন্তের মত —‘আ’ প্রত্যয় যোগ করিয়া নিষ্পন্ন হয়। সাধুভাষার তুলনায় কথ্য উপভাষাগুলিতে নামধাতুর প্রচলন বেশি—বিশেষ করিয়া দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গে। {{ফাঁক}}বাংলা ভাষায় যৌগিক ক্রিয়াপদের পূর্বাপর প্রচলন আছে। প্রাচীন ও মধ্য বাংলায় ‘বাস’ ধাতুর যোগে যৌগিক ক্রিয়ার বিশিষ্ট ব্যবহার ছিল। অসমাপিকা ক্রিয়ার প্রচলনও বাংলায় বেশ। প্রত্যয় হিসাবে বাংলা অসমাপিকা তিনটি: ক. ― ‘ই’ ও ― ‘ইয়া’ যুক্ত ল্যবর্থ অসমাপিকা, খ. —‘ইলে’ যজ্ঞ ভূতার্থ— অসমাপিকা এবং গ. —‘ইতে’ যুক্ত তুমর্থ অসমাপিকা। {{ফাঁক}}বাংলা বাক্যগঠনের দুইটি দিক—একটি উদ্দেশ্য, অপরটি বিধেয়। বাংলা বাক্যে সাধারণতঃ উদ্দেশ্য প্রথমে বসে, পরে বিধেয়। বাংলা ভাষায় দুই প্রকারের উক্তি (narration) ধরা যায়—প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ। পরোক্ষ উক্তি একটু ব্যাখ্যানমূলক এবং কিছুটা কৃত্রিম। বাংলা ভাষায় প্রত্যক্ষ উক্তির ব্যবহার বেশী; পরোক্ষ উক্তি সচরাচর ব্যবহৃত হয় না। বাংলা বাক্য সাধারণতঃ তিন রকমের সরল, জটিল ও যৌগিক। {{ফাঁক}}বাংলা শব্দ প্রধানতঃ দুই জাতির―মৌলিক ও আগন্তুক। মৌলিক শব্দ ভারতীয় আর্য ভাষা হইতে আগত বা গৃহীত। আগন্তুক শব্দ অস্ট্রিক-দ্রাবিড় ও ইন্দো-ইওরোপীয় গোষ্ঠীর বিভিন্ন শাখা হইতে লওয়া। মৌলিক শব্দগুলি তিনটি ভাগে পড়ে—১. তদ্‌ভব, ২. তৎসম, ৩. অর্ধতৎসম। আগন্তুক শব্দগুলি দুইটি শ্রেণীতে পড়ে—দেশী ও বিদেশী। দেশী অর্থাৎ অস্ট্রিক-দ্রাবিড় ভাষা হইতে আগত। বাংলায় যে সব বিদেশী ভাষার শব্দ আসিয়াছে তাহার মধ্যে ফারসী-আরবী, পোর্তুগীস ও ইংরেজী উল্লেখযোগ্য। {{ফাঁক}}দ্র {{wdl|Q2385894|সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়}}, ভাষা-প্রকাশ বাংলা<noinclude>{{Foot2Columns‎}}{{center|৫০}}</noinclude> 00fad5ibevgj7xjmu1nlvwgoochqayi পাতা:শঙ্করদেব - উমেশচন্দ্র দেব (১৯২০).pdf/৫ 104 856961 1991455 1988833 2026-07-30T16:40:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991455 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|বিজ্ঞাপিকা}}}} {{ফাঁক}}এই ‘শঙ্করদেব’ নিবন্ধের সহিত আমার একটু সম্পর্ক ছিল—তাই এস্থলে দুএকটি কথার অবতারণা আবশ্যক মনে করিতেছি। {{ফাঁক}}এখন যাহা বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের গৌহাটি শাখারূপে পরিচিত, আজ কিঞ্চিদধিক একাদশ বর্ষ পূর্ব্বে তাহা গৌহাটি বঙ্গসাহিত্যানুশীলনী সভা নামে সংস্থাপিত হয় এবং আমি ইহার অধ্যক্ষ নিযুক্ত হইয়াছিলাম। তদানীং আসাম- তেজপুরপ্রবাসী লেখক মহাশয় আমারই সনির্ব্বন্ধ অনুরোধে “শঙ্করদেব” সম্বন্ধীয় {{SIC|প্রবন্ধগুল|প্রবন্ধগুলি}} পাঠ এবং আলোচনার্থে ঐ সভায় প্রেরণ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}গৌহাটি সাহিত্যানুশীলনী সভার প্রথম বর্ষের কার্য্য বিবরণীতে সভাকর্ত্তৃক প্রকাশিত ও প্রকাশয়িতব্য তিনখানি গ্রন্থের কথা বিজ্ঞাপিত হয়। প্রথম, “তর্ক-বিজ্ঞান”; ইহা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইণ্টারমিডিয়েট্‌ পরীক্ষায় “লজিক” বিষয়ে অন্যতর, পাঠ্যরূপে নির্ব্বাচিত হইয়া বাঙ্গালা পুস্তকের পক্ষে অনন্যসাধারণ গৌরবের অধিকারী হইয়াছে। দ্বিতীয়, “হেড়ম্বরাজ্যের দণ্ডবিধি”; ইহা বিজ্ঞাপনের অল্পসময় পরেই সর্ব্বত্র ভূমিকাসহ প্রকাশিত হইয়া নানা পত্রিকার অশেষ প্রশংসা লাভ করিয়া ধন্য হইয়াছে, এবং যাঁহার অর্থব্যয়ে ইহা মুদ্রিত হইয়াছিল, হেরম্বরাজমন্ত্রিবংশসম্ভূত সেই উদারমতি ব্যক্তির রাজসম্মান লাভে এই দণ্ডবিধিও বোধ হয় কিঞ্চিৎ সহায়তা করিয়াছিল। তৃতীয়, “শঙ্করদেবের জীবন-চরিত”; উক্ত বঙ্গসাহিত্যানুশীলনী সভার সঙ্গে মদীয় সম্পর্কের কিঞ্চিৎ শৈথিল্য নিবন্ধন, তাহা সভাকর্ত্তৃক প্রকাশিত হইতে পারে নাই; তবে রঙ্গপুর পরিষৎ-পত্রিকায় ইহার প্রকাশের ব্যবস্থা করিয়া কথমপি সঙ্কল্প রক্ষা করিয়াছিলাম। সম্প্রতি সুহৃদ্বর্য্য প্রাচ্যবিদ্যামহার্ণব রায় সাহেব শ্রীযুক্ত নগেন্দ্র নাথ বসু মহোদয়ের মধ্যবর্ত্তিতায় কায়স্থকুলপাবন শঙ্করদেবের এই জীবনচরিত বঙ্গদেশীয়-কায়স্থ-সভা কর্ত্তৃক সভার মুখপত্র ‘কায়স্থ-পত্রিকা’য় ঈষৎ পরিবর্ত্তিতাকারে প্রকাশিত হইয়া অধুনা পুস্তকাকারে প্রকাশিত হইতেছে দেখিয়া আমি নিরতিশয় আনন্দলাভ করিয়াছি; বিশেষতঃ আসাম-গৌহাটির সাহিত্যানুশীলনী সভা হইতে না হইয়া কলিকাতাস্থিত বঙ্গদেশীয়-কায়স্থ-সভা কর্ত্তৃক প্রকাশিত হওয়া যে গ্রন্থের পক্ষে সমধিক শ্লাঘ্য বিষয়, তাহাতে অনুমাত্রও সন্দেহ নাই। {{ফাঁক}}বাঙ্গালা ভাষায় অসামীয় মহাত্মবিশেষের জীবনচরিত প্রকাশের প্রযত্ন বোধ হয় এই প্রথম— সয়মারম্ভঃ শুভায় ভবতু। ইতি {| {{ts|wa|mc}} | width=30% |গৌহাটি<br/>বৈশাখ, ১৩২৭। | width=3% rowspan=2| {{brace2|3|r}} | {{ts|ar}} |<center>{{larger|শ্রীপদ্মনাথ দেবশর্ম্মণঃ।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> g81zrjjjlzyx3l1cxrfupk8geycs6gh পাতা:ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৫৫ 104 857084 1991658 1870976 2026-07-31T03:54:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991658 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ।}}}} {{custom rule|sp|20|d|4|d|6|d|4|sp|20}} {{কেন্দ্র|{{larger|নারিকেলের বোরা।}}}} {{ফাঁক}}ছিপ গাছটা আমি ফেলিয়া দিলাম। প্রথম বনের ভিতর দিয়া, তাহার পর পুকুর পাড়ের নীচে দিয়া দুর্লভীর ঘরের পশ্চাৎদিকে উপস্থিত হইলাম। ধীরে ধীরে অগ্রসর হইরা উঁকি মারিয়া দেখিলাম যে, তাহার ঘরে কেহ নাই। দ্বারটী কেবল ভেজানো আছে। টুপ করিয়া আমি তাহার ঘরে প্রবেশ করিলাম। ঘরের ভিতর অন্ধকার। চারিদিক্ চাহিয়া দেখিলাম। একখানি কাপড় কি একখানি গামছা দেখিতে পাইলাম না। কি করি, টুপি মাথায় দিয়া উলঙ্গ অবস্থায় ঘরের এক কোণে বসিয়া রহিলাম। মনে করিলাম যে, একটু অন্ধকার হইলে পলায়ন করিব। আর যদি দুর্লভী দেখিতে পায়, তাহা হইলে আমার সাহেবের পোষাক দেখিয়া তাহার মনে আনন্দ হইবে। {{ফাঁক}}ওদিকে, যাহা ভাবিয়াছিলাম, তাহাই হইল। গদাই ঘোষ গ্রামের চৌকিদার ও অন্যান্য লোক লইয়া পুষ্করিণীর ধারে উপস্থিত হইল। মহা গোল পড়িয়া গেল। ঘরের ভিতর বসিয়া আমি তাহা শুনিতে পাইলাম। ভয়ে সর্ব শরীর আমার কাঁপিতে লাগিল। পুকুরের সেই কোণে বনের ভিতর তাহারা অনেক অনুসন্ধান করিল। ছিপ দেখিতে পাইল। কিন্তু সাহেবকে তাহারা দেখিতে পাইল না। হতাশ হইয়া সকলে বাড়ী ফিরিয়া গেল। তখন দুর্লভী আসিয়া আপনার দাওয়া বা পিঁড়েতে বসিল। {{ফাঁক}}এমন সময় রস্‌কের মা আসিয়া বলিল,—“দুর্লভী! আমাকে শসা দিবি বলিয়াছিলি, কৈ দে।” {{ফাঁক}}দুর্লভী বলিল,—“শসা তুলিয়া রাখিয়াছি। ঘরের বাম কোণে ডালায় আছে; গিয়া লও।” {{nop}}<noinclude></noinclude> mk3p9fy80q5aloftyessneaauq8matw পাতা:ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১১৫ 104 857094 1992032 1983872 2026-07-31T04:15:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992032 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Md Rashidul Hasan Biplob" />{{rh||ধাঙ্গড়ের ঘরে কন্দর্প পুরুষ।|১১১}}</noinclude>উঠিয়া বসিলাম। তাহাকে বলিলাম যে,—বাঘের মুখ হইতে আমি অতি কষ্টে বাঁচিয়া সে স্থানে আসিয়াছি। আর পথ চলিতে পারি না। রাত্রি যাপনের নিমিত্ত তাহারা যদি একটু স্থান প্রদান করে, তাহা হইলে আমার বড় উপকার হয়। {{ফাঁক}}সাধে কি এলোকেশীর মনে সর্ব্বদা আমার প্রতি সন্দেহ! আমার গায়ের বর্ণটী কৃষ্ণঠাকুরের চেয়ে কালো। শরীরের ভিতর কেবল খান কতক হাড়। বাঘ মিথ্যা কথা বলে নাই— মাথার মাঝখানে কিন্তু এমন টাকের চারিদিকে পাকা চুল, চকচকে টাক কার আছে? প্রকাণ্ড টাক। মুখের দুই পাশে সাদা ফেকো। দাঁত একটীও নাই। তথাপি আমার কিরূপ একটা শ্রী ছাঁদ আছে, কিরূপ একটা লাবণ্য আছে যে, তাতে রাহুরও ভুল হয়। আর মাগীগুলোও আমার আর মাগীগুলোও আমার গায়ে যেন ঢলিয়া পড়ে। অবাক হইয়া ধাঙ্গড় মাগী আমার টাক পানে চায়, আর মুচকে মুচকে হাসে। শেষে সে কেবল দুইটা কথা বলিল,—“মাঝি আসুক!” তোমাদের যেমন ‘বাবু’, ইহাদের সেইরূপ সম্মানসূচক উপাধি “মাঝি!” {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে একটা হোঁৎকা মিনসে চালার ভিতর প্রবেশ করিল। তোমরা আমাকে কালো বল, কিন্তু তার রঙ্গের তুলনায় আমি তো ফিট গৌরবর্ণ। সে আসিয়া যেই আমার দিকে দৃষ্টিপাত করিল, আর বাম হাতে আমার মাথা নোওয়াইয়া দক্ষিণ হাতে আমার পিঠে বজ্রসম দুইটা কিল বসাইয়া দিল। গন্ধ পাইয়া আমি বুঝিলাম যে, ধাঙ্গড় মদ খাইয়াছিল। {{ফাঁক}}তাহার পর বলিল,—“এতদিন পরে বেটাকে আজ ধরিয়াছি। ফাঁক পাইলেই আসে যায়, ধরিতে আর পারি না। আজ বেটাকে ধরিয়াছি, ইয়ারকি দিতে জায়গা পাও না, আমার ঘরে ইয়ারকি! হাড় গুড়ো করিয়া ঐখানে আজ পুতিব!” {{ফাঁক}}এই কথা বলিয়া সে পুনরায় আর দুইটা কিল মারিল। {{ফাঁক}}আমি বলিলাম,—“আমি বিদেশী লোক। তোমার ঘরে আমি কখন আসি নাই; আজ বিপদে পড়িয়া এ স্থানে আসিয়াছি।” {{nop}}<noinclude></noinclude> hbix5vb1guuu53mckuwjnqto1meie9x পাতা:ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৫৮ 104 857214 1992033 1985776 2026-07-31T04:15:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992033 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Md Rashidul Hasan Biplob" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{x-larger|তৃতীয় পরিচ্ছেদ।}}}} {{custom rule|tl|40|fy1|40|tr|40}} {{কেন্দ্র|{{larger|বলাই চিন্তির বিবরণ।}}}} {{ফাঁক}}ভূতের কথা শুনিয়া সকলে ভয়ে আপন আপন গৃহে চলিয়া গেল। বিন্দু আপনার দাওয়াতে মাথায় হাত দিয়া বসিয়া পড়িল। সে বলিল যে, কি কপাল করিয়া যে পৃথিবীতে আসিয়াছিলাম, তাহা বলিতে পারি না। আজ রাত্রিতে ভূতে আমাকে খাইয়া ফেলিবে। যাহা হউক, এমন সময় একখানি গরুর গাড়ী লইয়া বলাই চিন্তি বিন্দুর গৃহে আসিয়া উপস্থিত হইল। বলাই জাতিতে সদগোপ। আমাদের গ্রাম হইতে আধ ক্রোশ মাঠ পারে আমডাঙ্গায় তাহার বাস। বিন্দুর ফল পাকড় সে হাটে বিক্রয় করে। {{ফাঁক}}বলাই বলিল, —মা ঠাকুরাণি! গাড়ী লইয়া আমি নিশ্চিন্তপুরে গিয়াছিলাম। বাড়ী ফিরিয়া যাইতেছি। নারিকেল দিবে বলিয়াছিলে, কই দাও। আজ আমার বাড়ীতে রাখিয়া দিব। কাল ভোরে ভোরে হাটে লইয়া যাইব। {{ফাঁক}}বিন্দু বলিল,—'ঘরের ভিতর বোরা করিয়া আমি এক শত নারিকেল রাখিয়াছি। আজ তাহা লইয়া যাও। বাকী পরে দিব।’ {{ফাঁক}}আমি সম্মুখেই বসিয়া ছিলাম। আমার থলিটী সে প্রথম তুলিয়া লইল। পা দুইটা আমি থলির ভিতর গুটাইয়া লইলাম। ‘সব ঝুনো’, একবার বোঁটা দেখে, এই কথা বলিয়া সে আমাকে গাড়ীর সম্মুখ ভাগে বসাইয়া দিল। তাহার পর আর পাঁচটী নারিকেলের থলি আনিয়া আমার পশ্চাতে উচ্চ ভাবেই বসাইয়া দিল। {{ফাঁক}}নারিকেল লইয়া বলাই গাড়ী হাঁকাইয়া দিল। বাড়ী যাইতেছে, সে জন্য গরু দ্রুতবেগে চলিতে লাগিল। গ্রাম পার হইয়া মাঠে গিয়া উপস্থিত হইল। গাড়ীর ভিতর বসিয়া থলির ভিতর যে স্থানে আমার চক্ষু দুইটী<noinclude></noinclude> 4seiifpued5e657hu3pej33b8fdtd1a পাতা:ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় (১৯২৩).pdf/১৭৬ 104 857338 1991659 1893849 2026-07-31T03:55:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991659 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Md Rashidul Hasan Biplob" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xxx-larger| সপ্তম গল্প।}}}} {{custom rule|sp|20|fy1|40|sp|20}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger| প্রথম পরিচ্ছেদ।}}}} {{custom rule|sp|20|fy1|40|sp|20}} {{কেন্দ্র|জিলেট মন্ত্র। }} {{ফাঁক}}পূজার পঞ্চমীর দিন ডমরুধর যথারীতি বন্ধুবান্ধবের সহিত প্রতিমার সম্মুখে বসিয়া আছেন। হাঁ করিয়া তিনি বলিলেন,—“তোমরা একবার আমার মুখের ভিতরটা ভাল করিয়া দেখ।” সকলে দেখিলেন। লম্বোদর, বলিলেন,— “তোমার মুখের ভিতর কি আছে? কিছুই নাই। ফোক্‌লা মুখ। তিমির গিরিগহ্বরের ন্যায়।” ডমরু উত্তর করিলেন,—“তোমাদের পাপ চক্ষু তৈলপেশী বলদের ঠুলি দ্বারা আবৃত। তোমরা দেখিবে কেবল অন্ধকার।” {{ফাঁক}}গজানন জিজ্ঞাসা করিলেন,—“তবে তোমার মুখের ভিতর কি আছে?” {{ফাঁক}}ডমরুধর উত্তর করিলেন, “আমার জিহ্বা ও কণ্ঠে সরস্বতী দেবী অধিষ্ঠিতা আছেন। পূর্ব্বে বলিয়াছি যে, আমি মা দুর্গার বরপুত্র। তাহার পর তাঁহার সঙ্গে যে দেবতাগুলি আগমন করেন, একে একে সকলের আরাধনা করিয়া আমি সিদ্ধি লাভ করিয়াছি। কার্তিকের বরে আমার কন্দর্পের ন্যায় রূপ হইয়াছে। মা সরস্বতীর বরে আমি এতবড় বিদ্বান্ হইয়াছি। মেঘনাদবধ কে লিখিয়াছে জান?” {{ফাঁক}}লম্বোদর উত্তর করিলেন,—“কেন? মাইকেল মধুসূদন দত্ত।” {{ফাঁক}}ডমরুধর বলিলেন, হাঁ, সকলের তাই বিশ্বাস। কিন্তু কলিকাতায় যখন আমি চাকরী করিতাম, তখন সন্ধ্যার পর সাহেবী পোষাক পরিয়া কে আমার নিকট আসিত? দুই ঘণ্টাকাল আমি যাহা বলিতাম, কে তাহা লিখিয়া লইত? সে লোকটি অপর কেহ নয়। সে লোকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদবধ কাব্য আগাগোড়া আমার দ্বারা রচিত। {{nop}}<noinclude></noinclude> 25qw9y6f1njvafa44kws5kc3x44rcln পাতা:দেশটা কি তোর বাপের - হাসান ফকরী (২০২০).pdf/৩০ 104 857383 1991666 1981883 2026-07-31T03:55:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991666 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Anup Sadi" /></noinclude>{{larger|রূপকাহিনীর সত্য কথন}} ::(বাজেট প্রতিক্রিয়া) <poem>শিশু-কিশোর কে না বলো :::রূপকাহিনী পড়তো পেটুক দানব-দৈত্য মারার :::ইচ্ছে কে না করতো? এক বসাতে দৈত্যটা খায় :::হাজার লোকের খাদ্য রাজ্যবাসী ক্ষুধায় মরে :::বাঁচায় কে? কার সাধ্য? গল্প পড়ে চাইতো সবাই :::চাইতো যে তলোয়ার দৈত্যটাকে কেটেকুটে :::করবে একাকার। রূপকাহিনীর যুগ গেলেও :::কী আসে যায় তাতে মানুষ খেকো দৈত্য আজও :::বহাল তবিয়তে। সাত’শ ত্রিশ জন মানুষের :::একবছরের আয় দৈত্য ছাড়া আছে কি কেউ :::একদিনে তা খায়? শেষ করলাম রূপকাহিনীর :::সত্য কথন কিচ্ছা বাঁচতে হলে করো পূরণ :::দৈত্য বধের ইচ্ছা।</poem> ২৬.০৬.২০২০<noinclude>{{dhr|20em}} {{c|৩০}}</noinclude> 1zhj9suww4he9t00f8izwwlq8euf0fb পাতা:রজনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৯৫).pdf/৬৪ 104 857435 1991727 1875146 2026-07-31T04:04:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991727 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh|৬০|রজনী।|}} {{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}}} {{ফাঁক}}আমার এইরূপ মনের অবস্থা, আমি এমত সময়ে—কাশীধামে গোবিন্দ দত্তের কাছে, রজনীর নাম শুনিলাম। মনে হইল, ঈশ্বর আমাকে, বুঝি একটি গুরুতর কার্য্যের ভার দিলেন। এ সংসারে আমি একটি কার্য্য পাইলাম। রজনীর যথার্থ উপকার চেষ্টা করিলে করা যায়। আমার ত কোন কাজ নাই—এই কাজ কেন করি না। ইহা কি আমার যোগ্য কাজ নহে? {{ফাঁক}}এখানে শচীন্দ্রের বংশাবলীর পরিচয় কিছু দিতে হইল। শচীন্দ্রনাথের পিতার নাম রামসদয় মিত্র; পিতামহের নাম বাঞ্ছারাম মিত্র; প্রপিতামহের নাম কেবলরাম মিত্র। তাহাদিগের পূর্ব্বপুরুষের বাস কলিকাতায় নহে— তাহার পিতা প্রথমে কলিকাতায় বাস করেন। তাহাদিগের পূর্ব্ব পুরুষের বাস ভবানীনগর গ্রামে। তাহার প্রপিতামহ দরিদ্র নিঃস্ব ব্যক্তি ছিলেন। পিতামহ বুদ্ধিবলে ধনসঞ্চয় করিয়া তাহাদিগের ভোগ্য ভূসম্পত্তি সকল ক্রয় করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}বাঞ্ছারামের এক পরম বন্ধু ছিলেন, নাম মনোহর দাস। রাঞ্ছারাম মনোহর দাসের সাহায্যেই এই বিভবের অধিপতি হইয়াছিলেন। মনোহর, প্রাণপাত করিয়া তাঁহার কার্য্য করিতেন, নিজে কখন ধনসসঞ্চয় করিতেন না। বাঞ্ছারাম<noinclude></noinclude> l174gnv8pyhrjjsldq6y6yaih9y6sl6 পাতা:রজনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৯৫).pdf/৭২ 104 857650 1991728 1906311 2026-07-31T04:04:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991728 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh|৬৮|রজনী।|}} {{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|সপ্তম পরিচ্ছেদ।}}}} {{কেন্দ্র|{{rule|4em}}}} {{ফাঁক}}কলিকাতায় গমনকালে, আমি একা রজনীকে সঙ্গে করিয়া লইয়া গেলাম না। কুটুম্বগৃহহইতে তিনকড়িনামে একজন প্রাচীনা পরিচারিকা সমভিব্যাহারে লইয়া গেলাম। এ সতর্কতা রজনীর মন প্রসন্ন করিবার জন্য। গমনকালে রজনীকে জিজ্ঞাসা করিলাম— {{ফাঁক}}“রজনী—তোমাদের বাড়ী কলিকাতায়—কিন্তু তুমি এখানে আসিলে কিপ্রকারে?” {{ফাঁক}}রজনী বলিল, “আমাকে কি সকল কথা বলিতে হইবে?” {{ফাঁক}}আমি বলিলাম, “তোমার যদি ইচ্ছা না হয় তবে বলিও না?” {{ফাঁক}}বস্তুতঃ এই অন্ধ স্ত্রীলোকের বুদ্ধি, বিবেচনা, এবং সরলতায় আমি বিশেষ প্রীত হইয়াছিলাম। তাহাকে কোন প্রকার ক্লেশ দিবার আমার ইচ্ছা ছিল না। রজনী বলিল, {{ফাঁক}}“যদি অনুমতি করিলেন, তবে কতক কথা গোপন রাখিব! গোপালবাবু বলিয়া আমার একজন প্রতিবাসী আছেন। তাঁহার স্ত্রী চাঁপা। চাঁপার সঙ্গে আমার হঠাৎ পরিচয় হইয়াছিল। তাহার বাপের বাড়ী হুগলী। সে আমাকে বলিল, ‘আমার বাপের বাড়ী যাইবে?’ আমি রাজি হইলাম। সে আমাকে একদিন সঙ্গে করিয়া গোপালবাবুর বাড়ীতে লইয়া<noinclude></noinclude> naj7n510ljwuotufnibsoasb3bi8r7q পাতা:বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ - জওহরলাল নেহরু - সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১৯৫১).pdf/৬১৬ 104 857840 1992132 1876174 2026-07-31T04:22:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992132 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৫৯৮|বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ|}}</noinclude>তাঁদের জমি দখল করে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিল। এই ব্যাপারে প্রধান অংশ গ্রহণ করল রণক্ষেত্র থেকে প্রত্যাগত সৈন্যরা (তারা সকলেই কৃষকশ্রেণীর লোক)। এই আন্দোলন বাড়তে লাগল, ক্রমে একেবারে ব্যাপক ভাবেই জমি দখল করা হতে লাগল। জুন মাস নাগাদ দেখা গেল, সাইবেরিয়ার স্তেপ-অঞ্চল পর্যন্ত এর ধাক্কা গিয়ে পৌঁচেছে। সাইবেরিয়াতে কোনো বড়ো জমিদার ছিল না; কাজেই সেখানে কৃষকরা দখল করে বসল যত গির্জা আর মঠের জমি। {{ফাঁক}}এটা লক্ষ্য কোরো, এই-যে বড়ো বড়ো জমিদারিগুলো কেড়ে নেওয়া, এটা কিন্তু করছিল সম্পূর্ণভাবেই কৃষকরা, একেবারেই নিজের উদ্যমে। বল্‌শেভিক বিপ্লব এসেছে এরও অনেক মাস পরে। লেনিনের ইচ্ছা ছিল, সমস্ত জমি অবিলম্বে কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে, কিন্তু সুশৃঙ্খল প্রণালীতে। যেখানে যেমন খুশি বিশৃঙ্খলভাবে জমি দখল করার তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ বিরোধী। এর বহু দিন পরে বল্‌শেভিকরা শাসনক্ষমতা হস্তগত করল, রাশিয়ার সমস্ত জমি তার আগেই কৃষকের মালিকানা সম্পত্তিতে পরিণত হয়ে গেছে। {{ফাঁক}}লেনিনের প্রত্যাবর্তনের ঠিক এক মাস পরে আর-একজন প্রসিদ্ধ নির্বাসিত নেতা পেট্রোগ্রাডে এসে পৌঁছলেন। ইনি হচ্ছেন ট্রট্‌স্কি। তিনি ফিরে এলেন নিউইয়র্ক থেকে। পথের মধ্যে আবার ব্রিটিশরা তাঁকে আটকে দিয়েছিল। ট্রট্‌স্কি পুরোনো বল্‌শেভিক-দলের লোক ছিলেন না; তখন তিনি মেন্‌শেভিকও নন। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই তিনি লেনিনের পক্ষে যোগ দিলেন, পেট্রোগ্রাড-সোভিয়েটের সবচেয়ে প্রধান ব্যক্তি হয়ে উঠলেন। ট্রট্‌স্কি ছিলেন অতি চমৎকার বক্তা, খুব ভালো লেখক, এবং ঠিক একটা ইলেকট্রিক ব্যাটারির মতোই প্রাণশক্তিতে ভরপুর। তাঁকে দলে পেয়ে লেনিনের শক্তি অত্যন্ত বেড়ে গেল। {{ফাঁক}}ট্রট্‌স্কি একটি আত্মজীবনী লিখেছিলেন, তার নাম ‘আমার জীবন’। এই বই থেকে একটি দীর্ঘ উক্তি আমি এখানে উদ্‌ধৃত করে দিচ্ছি। ‘মডার্ন সার্কাস’ নামক একটি গৃহে তিনি বহু সভায় বক্তৃতা করেছিলেন, এতে তারই একটি বর্ণনা তিনি দিয়েছেন। এটা যে শুধু একটা সুন্দর রচনা তাই নয়, ১৯১৭ সনে সেই অদ্ভুত বিপ্লবের দিনে পেট্রোগ্রাডের অবস্থা কী ছিল, তারও একটি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং জীবন্ত চিত্র তাঁর এই লেখা থেকে আমরা পাচ্ছি: {{ফাঁক}}“নিশ্বাসে এবং প্রতীক্ষায় গৃহের বায়ু ভারাক্রান্ত; সে বায়ুমণ্ডল চিৎকারে এবং হর্ষধ্বনিতে একেবারে ফেটে পড়ত—মডার্ন সার্কাসের শ্রোতাদের এই ছিল বিশেষত্ব। আমার উপরে, আমার চার পাশে অসংখ্য মানুষ, বাহুতে বাহুতে বক্ষে বক্ষে মাথার মাথায় ঠেলাঠেলি করে দাঁড়িয়েছে। আমি বক্তৃতা করতাম অসংখ্য মানবদেহের মধ্যবর্তী একটি উষ্ণ গহ্বরের মধ্যে দাঁড়িয়ে; যখনই একটুখানি হস্তপ্রসারণ করি, সে হাত কারও-না-কারও অঙ্গ স্পর্শ করে; উত্তরে সে ব্যক্তি যেন কৃতজ্ঞ বিহ্বল হয়ে নড়ে ওঠে। দেখে বুঝি, আমার বক্তৃতার সাফল্য নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো হেতু নেই; বক্তৃতা আমার এখন বন্ধ করলে চলবে না, শুধু বলেই যেতে হবে। উচ্ছ্বসিত জনতার সেই সান্নিধ্য যে বৈদ্যুতিক চেতনার সঞ্চার করে তার আকর্ষণ রোধ করার সাধ্য কোনো বক্তারই নেই, তিনি যতই শ্রান্ত, অবসন্ন হোন না কেন। তারা জানতে চায়, বুঝতে চায়, পথের নির্দেশ পেতে চায়। এক-এক সময় মনে হত যেন এই জনতার উগ্র অনুসন্ধিৎসার স্পর্শ আমি আমার মুখের উপরে অনুভব করছি; জনতার সমস্ত মানুষ যেন একাগ্রতার নিবিড়তায় মিলে একটি দেহে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থায়, আগে থেকে যেসমস্ত যুক্তি এবং বাক্য ভেবে রেখেছি, আমার মনের ব্যাকুল আবেগের চাপে তা ভেঙে বিলুপ্ত হয়ে যেত; তার পরিবর্তে নূতনতর কথা নূতন যুক্তি যেন আমার অবচেতন মনের তলদেশ হতে সুশৃঙ্খলভাবে বার হয়ে আসত—সে কথা বক্তার পক্ষে একেবারেই অপ্রত্যাশিত, অথচ শ্রোতাদের পক্ষে তারই প্রয়োজন ছিল। এই অবস্থায় আমার মনে হত যেন আমি নিজেই বাইরে দাঁড়িয়ে বক্তার কথা শুনছি, তার চিন্তাধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চেষ্টা করছি; ভয় হত যেন আমার সচেতন যুক্তির স্পর্শ লাগলে তিনি নিদ্রা-যোগে ভ্রমণকারীর মতো অতর্কিতে চমকে ছাদের কিনারা থেকে পড়ে খাবেন। {{ফাঁক}}“এই ছিল মডার্ন সার্কাসের সভার রূপ। এর আকৃতি-প্রকৃতি এরই নিজস্ব বস্তু—উৎসাহে জ্বলন্ত, বেদনায় কোমল, উদ্দীপনায় উন্মত্ত। শিশুরা নিশ্চিন্তমনে মাতাদের বক্ষোলগ্ন হয়ে দুগ্ধ<noinclude></noinclude> bshyebmnjx34tfyk8czknweme7lbhcm পাতা:রজনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৯৫).pdf/১২৪ 104 857906 1992152 1876431 2026-07-31T04:26:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992152 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{rh|১২০|রজনী।|}} {{rule}}</noinclude>তোমার নামে ঠকাম করিবার জন্য কি আমি তাহার বাড়ীতে আসিয়াছি?” {{ফাঁক}}এই বলিয়া লবঙ্গলতা হাসিল। তাহার হাসির মর্ম্ম আমি কিছু কথন বুঝিতে পারি না। লবঙ্গ বিলক্ষণ রাগিয়া উঠিয়াছিল—কিন্তু হাসিতে সব রাগ ভাসিয়া গেল। যেন জলের উপর হইতে মেঘের ছায়া সরিয়া গেল, তাহার উপর মেঘমুক্ত চন্দ্রের ন্যায় জ্বলিতে লাগিল। আমি লবঙ্গলতার মর্ম্ম কখন বুঝিতে পারিলাম না। {{ফাঁক}}হাসিয়া লবঙ্গ বলিল, “তবে আমি রজনীর কাছে যাই।” {{ফাঁক}}“যাও।” {{ফাঁক}}“ললিতলবঙ্গলতা, ললিত লবঙ্গলতার মত দুলিতে দুলিতে চলিল। ক্ষণেক পরে, আমাকে ডাকিয়া পাঠাইল। গিয়া দেখিলাম, লবঙ্গলতা দাঁড়াইয়া আছে। রজনী তাহার পায়ে হাত দিয়া কাঁদিতেছে। আমি গেলে লবঙ্গলতা বলিল “শুন, তোমার ভবিষ্যৎ ভার্য্যা কি বলিতেছে! তোমার সম্মুখে নহিলে এমন কথা আমি কাণে শুনিব না।” {{ফাঁক}}আমি বিস্মিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলাম “কি!” {{ফাঁক}}লবঙ্গলতা রজনীকে বলিল, “বল! তোমার বর আসিয়াছেন―” {{ফাঁক}}রজনী সকাতরে অশ্রুপূর্ণলোচনে ললিতলবঙ্গতার চরণস্পর্শ করিয়া বলিল, {{ফাঁক}}“আমার এই ভিক্ষা, আমার যে কিছু সম্পত্তি আছে, এই<noinclude></noinclude> ex70ab6oyy5ob95cr9h2yzl0avwqfww পাতা:রজনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৯৫).pdf/১৬৩ 104 858004 1991731 1876600 2026-07-31T04:04:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991731 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh||অমরনাথের কথা ৷|১৫৯}} {{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|চতুর্থ পরিচ্ছেদ।}}}} {{rule|4em}} {{ফাঁক}}ইহার দুই বৎসর পরে, একদা ভ্রমণ করিতে করিতে আমি ভবানীনগর গেলাম। শুনিলাম যে মিত্রবংশীয় কেহ তথায় আসিয়া বাস করিতেছেন। কৌতূহলপ্রযুক্ত আমি দেখিতে গেলাম। দ্বারদেশে শচীন্দ্রের সহিত সাক্ষাৎ হইল। {{ফাঁক}}শচীন্দ্র আমাকে চিনিতে পারিয়া, নমস্কার আলিঙ্গনপূর্ব্বক আমার হস্তধারণ করিয়া লইয়া উত্তমাসনে বসাইলেন। অনেক ক্ষণ তাঁহার সঙ্গে নানাবিধ কথোপকথন হইল। তাঁহার নিকট শুনিলাম, যে তিনি রজনীকে বিবাহ করিয়াছেন। কিন্তু রজনী ফুলওয়ালী ছিল, পাছে কলিকাতায় ইহাতে লোকে ঘৃণা করে, এই ভাবিয়া, তিনি কলিকাতা পরিত্যাগ করিয়া ভবানীনগরে বাস করিতেছেন। তাঁহার পিতা ও ভ্রাতা কলিকাতাতেই বাস করিতেছেন। {{ফাঁক}}আমার নিজসম্পত্তি, প্রতিগ্রহণ করিবার জন্য শচীন্দ্র আমারে বিস্তর অনুরোধ করিলেন। কিন্তু বলা বাহুল্য যে আমি তাহাতে স্বীকৃত হইলাম না। শেষে শচীন্দ্র রজনীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমাকে অনুরোধ করিলেন। আমারও সে ইচ্ছা ছিল। শচীন্দ্র আমাকে অন্তঃপুরে রজনীর নিকটে লইয়া গেলেন। {{ফাঁক}}রজনীর নিকট গেলে, সে আমাকে প্রণামপূর্ব্বক পদধূলি<noinclude></noinclude> 96irkui6fbca85vmnfm9sw9kpsyeg0q পাতা:রজনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৯৫).pdf/১৫৯ 104 858014 1991730 1906324 2026-07-31T04:04:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991730 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh||অমরনাথের কথা।|১৫৫}} {{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|তৃতীয় পরিচ্ছেদ।}}}} {{কেন্দ্র|{{rule|4em}}}} {{ফাঁক}}পরদিন, আবার মিত্রদিগের আলয়ে গিয়া দেখা দিলাম। লবঙ্গলতাকে বলিয়া পাঠাইলাম, যে আমি কলিকাতা ত্যাগ করিয়া যাইব। এক্ষণে সম্প্রতি প্রত্যাগমন করিব না—তিনি আমার শিষ্যা, আমি তাঁহাকে আশীর্ব্বাদ করিব। {{ফাঁক}}লবঙ্গলতা আমার সহিত, পুনশ্চ সাক্ষাৎ করিল। আমি তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম, {{ফাঁক}}“আমি কালি যাহা শচীন্দ্রকে বলিয়া গিয়াছি, তাহা শুনিয়াছ কি?” {{ফাঁক}}ল। শুনিয়াছি। তুমি অদ্বিতীয়। আমাকে ক্ষমা করিও আমি তোমার গুণ জানিতাম না। {{ফাঁক}}আমি নীরব হইয়া রহিলাম। তখন অবসর পাইয়া লবঙ্গলতা জিজ্ঞাসা করিল, {{ফাঁক}}“তুমি আমার সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা করিয়াছ কেন? তুমি নাকি কলিকাতা হইতে উঠিয়া যাইতেছ?” {{ফাঁক}}অ। যাইব {{ফাঁক}}ল। কেন? {{ফাঁক}}অ। যাইব না কেন? আমাকে যাইতে বারণ করিবার ত কেহ নাই।<noinclude></noinclude> 2ko87xg2bcdudsv4n1dnj8nz0ofnkg7 পাতা:রজনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৯৫).pdf/১৫৫ 104 858069 1991729 1887876 2026-07-31T04:04:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991729 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh||অমরনাথের কথা।|১৫১}} {{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ।}}}} {{rule|4em}} {{ফাঁক}}এ ভবের হাট হইতে, আমার দোকানপাঠ উঠাইতে হইল। আমার অদৃষ্টে সুখ বিধাতা লিখেন নাই—পরের সুখ কাড়িয়া লইব কেন? শচীন্দ্রের রজনী শচীন্দ্রকে দিয়া আমি এ সংসার ত্যাগ করিব। এ হাট ভাঙ্গিব, এ হৃদয়কে শাসিত করিব—যিনি সুখদুঃখের অতীত, তাঁহারই চরণে সকল সমর্পণ করিব। {{ফাঁক}}প্রভো, তোমায় অনেক সন্ধান করিয়াছি, কই তুমি? দর্শনে বিজ্ঞানে তুমি নাই। জ্ঞানীর জ্ঞানে, ধ্যানীর ধ্যানে তুমি নাই। তুমি অপ্রমেয়, এজন্য তোমার পক্ষে প্রমাণ নাই। এই স্ফুটিতোন্মুখ হৃদ্‌পদ্মই তোমার প্রমাণ—ইহাতে তুমি আরোহণ কর। আমি অন্ধ পুষ্পনারীকে পরিত্যাগ করিয়া, তোমার ছায়া সেখানে স্থাপন করি। {{ফাঁক}}তুমি নাই? না থাক, তোমার নামে আমি সকল উৎসর্গ করিব। অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরং তস্মৈ নমঃ বলিয়া এ কলঙ্কলাঞ্ছিত দেহ উৎসর্গ করিব। তুমি যাহা দিয়াছ, তুমি কি তাহা লইবে না? তুমি লইবে, নহিলে এ কলঙ্কের ভার আর কে পবিত্র করিবে? {{ফাঁক}}প্রভো! আপনার কাছে একটা নিবেদন আছে। এ দেহ<noinclude></noinclude> pabjesuwgv5b9oha1cx40yal4qj50yd পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/৩২ 104 858165 1991637 1894346 2026-07-31T03:54:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991637 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Dolon Prova" />{{dhr|20em}} {{larger|{{বাম|নিজস্ব কোমলতার থাকা-না-থাকা শয্যায়}}}}</noinclude>বিরতির পর শ্যাওলা-শ্যাওলা- শয্যায় ফেন-শ্যাওলা জমে ওঠে— আনন্দ বিষয়ের সাথে বিশেষের কী-না - তারচেয়ে আরো দ্রুত বাড়ে বিজয়ের আকুতি কলঙ্ক তখন আকুলিত হয়— কিছুক্ষণ আলোকিত থাকে— চাঁদের কোমলতায় চোখ রাখি আমি— আরো জল দিই— বলি, এই সঙ্গমে উৎপাদিত হোক ঘ্রাণ— ঘনবীর্য উৎপাদিত হোক এরপর ঝিঁঝিরা ডাকলে রাত বাড়ে— বিরতির পর আরো শ্যাওলা-শ্যাওলা- আমি বলি পিতঃ ক্ষমা করো পিতঃ এই রাতে ওঁয়াপোকা কাঁদে - শয্যায় টুংটাং শব্দে শয্যাবতী কাঁদে— চোখের জলে জমিয়ে রাখি চাঁদ— শুঁয়াপোকা তখন চাঁদের উপদেবতা<noinclude>{{বাম|৩২}}</noinclude> 95lt6lby3o5opttyorn1u4n603oitji পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/৩৩ 104 858166 1991638 1894347 2026-07-31T03:54:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991638 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Dolon Prova" />{{dhr|20em}} {{larger|{{বাম|সত্তাবাদ}}}}</noinclude>লাফাতে লাফাতে সত্তা অনন্তে মিশে যেতে থাকলে ভাবি-কী এ-তো-এক গোল সমান ভবিতব্য- এ রকম অস্তিত্বে বাড়ে মীনগণের হীন হয়ে আসা সবজির চাষ, বাড়ে শ্রেণিভেদ আরো বাড়ে কাঙ্ক্ষার আধুলি জীবনের মানে যদি হয় এরকমই তাহলে এ-ও আরেক ভবিতব্য- বলা যেতে পারে, সত্তা এক ক্রমজলধারা অথবা রান্না হয়ে আসা ভাত রাধুনির হাঁড়িতে ছেড়ে দেয়া কয়েকটা গোল আলু<noinclude>{{ডান|৩৩}}</noinclude> pnk071el9w0dpxzpbrp22ih60h5csto পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/৩৪ 104 858167 1991639 1894348 2026-07-31T03:54:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991639 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Dolon Prova" />{{dhr|20em}} {{larger|{{বাম|সমকালের তর্জমা}}}}</noinclude>এ সময় বলা যেতে পারে— কবিতা থেকে জনপদ এবং চিন্তা থেকে ঠিক কুলাউড়ার খাসিয়ারা যেমন ভিটেমাটিহীন বিতর্কে জড়িয়েছে— সে রকম কোন শুভ সূচনার প্রয়োজন আছে বরং ঘুমক্লান্ত এক পাহাড়ের দৃঢ়তা— জীবনের কঠিন যন্ত্রণায় আর যে পথ পাথরের কঙ্কনে ঢাকা— তার যাত্রা শুভাশিস প্রত্যেকের চামড়ায় ঘাত হোক এরপর আর মনে করার কোনই অবকাশ থাকে না যে, আমি ও আমার প্রেমিকার শরীর সমেত— সমুদ্র ও অন্তরীক্ষ ভ্রমণে আরো কোন কষ্টের কথা বলা হবে- অথবা বলা হবে- স্বপ্নকুটিরে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বোধের কোন মাতামাতি আছে আজকাল ভালবাসার নারীদের কোনই নৈঃসঙ্গতা নেই— প্রতিটা ভালবাসাতেই কোন-না-কোন ভাল খদ্দের পাওয়া যায়<noinclude>{{বাম|৩৪}}</noinclude> 1r1w8b00soitvs72zxrdexvn52yhurx পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/৭২ 104 858398 1991884 1983477 2026-07-31T04:09:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991884 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{rh|৬৪|আঙুব|}}</noinclude>করাইয়া দিবে—ছেলে মাসে মাসে টাকা আনিবে, এখন সংসারে যে কষ্ট আছে তাহা আর থাকিবেনা। ছেলের মাহিনার টাকা জমাইয়া কিছু ‘জমিজিরেৎ’, করিবে বাড়ীর সম্মুখে যে জায়গাটা পড়িয়া আছে তাহাতে তরকারির বাগান দিবে, চাষের ধান, বাগানের তরকারী, ছেলের মাহিনার টাকা আর দোকান হইতে যা হ’ক্‌ কিছু আসিবে—কোন কষ্ট থাকিবেনা। {{ফাঁক}}মাণিক যখন ইংরাজী পড়িতে পড়িতে থানিয়া বাংলা ‘চরিতাবলী’ পড়িতে যায় ফকির অমনি বলিয়া উঠে “থাম্‌লি যে?—আর একটু ইংরিজী পড়্‌না!” ফকিরের ইচ্ছা মাণিক শীঘ্র ইংরাজী খানিকটা শিখিয়া ফেলে! {{ফাঁক}}কিন্তু মাণিক যখন তাহার পিতাকে বুঝাইয়া দেয় যে বাংলাও ভাল করিয়া গড়া দরকার, নতুবা তাহাকে ক্লাসে ‘নামিয়া’ যাইতে হইবে, তখন ফকিরচাঁদ দ্বিরুক্তটী না করিয়া পুত্রের ‘চরিতাবলী’পাঠ এক মনে শুনিতে থাকে। তাহাতে যখন সে শুনে যে, অতি দরিদ্রের সন্তানেরা বিদ্যার গুণে কালে পৃথিবীতে ‘বড়লোক’ হইয়াছে, তখন বৃদ্ধের মন আশার নাচিয়া উঠে। {{nop}}<noinclude></noinclude> e3b5dlikk1quuabilvuyq0i7n3q3st2 পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/৩৬ 104 858571 1991640 1894350 2026-07-31T03:54:11Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991640 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Dolon Prova" />{{dhr|20em}} {{বাম|{{larger|পতঙ্গ সকাশে প্রভু}}}}</noinclude>আমরা আর কিছুই কহিব না— আমরা আর কিছুই বলিব না— এ রকম নিত্যতায় প্রশ্নের ঊর্ধ্বলোক আচরণে— এই যে বাদক দল ও তার নির্বাণ প্রকাশের বিষণ্ণতা— ভাববার কিছু নেই— তবে আর এ কথা বলা যাবে না জনহীন নীরবতায় উল্লম্ফ আগমনী বার্তা তার— - ধীরে, খুব ধীরে শুধু পশ্চাতের আরো সম্মুখে— এ কথা জানার পর নিশীথের লগ্ন ব্যতীত শীতের নিত্যতার অনেক কিছুই তবে আর বলা যাবে না<noinclude>{{বাম|৩৬}}</noinclude> 05ejvvu0kgx62p8o2gfw7yd63k11j50 পাতা:বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ - জওহরলাল নেহরু - সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১৯৫১).pdf/৮৯৮ 104 858626 1992133 1984462 2026-07-31T04:23:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992133 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৮৮০|বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ|}}</noinclude>কিছু আগের দিনে নিয়ে যাব, এই আন্দোলনের আরম্ভ কীভাবে হয়েছিল সেই অবস্থাটা দেখিয়ে আনব। {{ফাঁক}}১৯১৮ সনে জর্মনিতে যে বিপ্লব হয়েছিল সেটা হচ্ছে একটা ধাপ্পাবাজি: বিপ্লব তাকে মোটেই বলা চলে না। কাইজার চলে গেলেন, একটা প্রজাতন্ত্রও প্রতিষ্ঠিত হল। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ব্যবস্থা যেমন ছিল ঠিক তেমনই রয়ে গেল। কয়েক বছর যাবৎ দেশের শাসন-কর্তৃত্ব রইল সোশ্যাল ডেমোক্রাটদের হাতে। আগের কালের প্রগতিবিরোধী এবং কায়েমী স্বার্থের মালিক যারা ছিল, তাদের এরা অত্যন্ত ভয় করে চলত, সারাক্ষণ তাদের সঙ্গে একটা আপোষ স্থাপন করতে চেষ্টা করত। এদের পিছনে জোর ছিল অনেক—তাদের দলটিই প্রচণ্ড শক্তিশালী, তার সভ্যের সংখ্যা বহু লক্ষ; ট্রেড ইউনিয়নগুলি তাদের পক্ষে, দেশের আরও বহু লোক এদেরই সমর্থন করত। তবু প্রগতি-বিরোধীদের সামনে ক্রমাগত কাঁচুমাচু হয়ে থাকা, কোনো রকমে নিজেকে বাঁচিয়ে চলাই হল এদের নীতি। উগ্রমূর্তি ধারণ করত তারা শুধু নিজেদেরই মধ্যে চরম বামপন্থীদের প্রতি, আর কমিউনিস্ট দলের প্রতি। দেশশাসনের ব্যাপারে এরা এমন বিশ্রী ভণ্ডুল পাকাতে লাগল যে, শেষে এদের সমর্থকদেরই মধ্যে অনেকে এদের ছেড়ে চলে গেল। যে শ্রমিকরা এদের পক্ষ ত্যাগ করল তারা গিয়ে জুটল কমিউনিস্ট দলে; মধ্যবিত্ত শ্রেণীর যারা এদের সমর্থক ছিল তারা গিয়ে যোগ দিল প্রগতিবিরোধী দলগুলোর সঙ্গে। সোশ্যাল ডেমোক্রাট আর কমিউনিস্টদের মধ্যে ক্রমাগতই যুদ্ধ চলতে লাগল, তার ফলে দুই দলই দুর্বল হয়ে পড়ল। {{ফাঁক}}যুদ্ধোত্তর কালে জর্মনিতে বিপুল মুদ্রাস্ফীতি ঘটল; জর্মনির শিল্পপতিরা আর বড়ো বড়ো ভূস্বামীরা মুদ্রাস্ফীতিকেই সমর্থন করলেন। মুদ্রাস্ফীতির ফলে টাকা প্রায় মূল্যহীন হয়ে পড়ল; ভূস্বামীদের প্রচুর দেনা ছিল, দেনার দায়ে ভূসম্পত্তি বাঁধা ছিল, তাঁরা সেই টাকায় অনায়াসে দেনা শোধ করে দিলেন, বন্ধকী ভূসম্পত্তি আবার উদ্ধার করে নিলেন। বড়ো বড়ো কারখানার মালিকরাও তাঁদের কারখানা রাড়িয়ে তুললেন, বড়ো বড়ো ট্রাস্ট (Trust) গড়ে তুললেন। জর্মনির পণ্য এত সস্তা হয়ে গেল যে পৃথিবীর সর্বত্রই সে পণ্য হু হু করে কাটতে লাগল। জর্মনিতে বেকার সমস্যার চিহ্নমাত্র রইল না। শ্রমিকদের ট্রেড-ইউনিয়নগুলি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী; মার্কের দর ক্রমাগত নেমে চলল কিন্তু এরা শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি অক্ষুণ্ণ রেখে দিল। মুদ্রাস্ফীতির আঘাতটা গিয়ে পড়ল মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উপরে, তারা একেবারেই সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ল। ১৯২০-২৪ সনে যে মধ্যবিত্ত শ্রেণী এইভাবে লুপ্ত-সর্বস্ব হয়ে গেল, তারাই প্রথম হিটলারের দলে যোগ দিল। তারপর বহু ব্যাঙ্ক ফেল হল, বেকার-সমস্যা বাড়ল, দেশে অর্থ-সংকট প্রবল হয়ে উঠল; তারই সঙ্গে সঙ্গে আরও বহু লোক হিটলারের দলে গিয়ে জুটতে লাগল। দেশের যে যেখানে অসন্তোষে ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে তিনিই হয়ে উঠলেন তাদের সবার আশ্রয়স্থল। আরও একটি জায়গা থেকে তিনি অনেক লোক দলে টেনে নিলেন, সে হচ্ছে পুরোনো সেনাবাহিনীর সেনানী-শ্রেণী। যুদ্ধের পরে, ভার্সাই সন্ধির শর্ত অনুসারে সে প্রাচীন সেনাবাহিনীকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছিল; তার হাজার হাজার সেনানী তখন বেকার বসে আছেন, তাঁদের করবার কিছুই নেই। দেশে তখন বহু বেসরকারি বাহিনী গড়ে উঠছে, এরা ক্রমে ক্রমে গিয়ে তারই এক-একটার সঙ্গে জুটে যেতে লাগলেন। নাৎসীদের বাহিনীর নাম ছিল ‘ঝটিকা বাহিনী’; আর ‘লৌহ-শিরস্ত্রাণ’ বাহিনী ছিল জাতীয়তাবাদীদের সেনা—এরা রক্ষণপন্থী, কাইজারের শাসন আবার ফিরিয়ে আনবার পক্ষপাতী। {{ফাঁক}}এই অ্যাডল্ফ্‌ হিটলার কে? শুনে আশ্চর্য হবে, ক্ষমতালাভের এক কি দুই বছর আগেও ইনি কিন্তু জর্মনির নাগরিকপ্রজা পর্যন্ত ছিলেন না। হিটলার একজন জর্মন-অস্ট্রিয়ান। নিম্নপদস্থ সৈনিক হিসাবে তিনি যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। জর্মন প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি বার্থ বিপ্লব বা পুট্‌শ্-এর আয়োজনেও তিনি যোগ দিয়েছিলেন; কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাঁকে সামান্য সাজা দিয়েই ছেড়ে দেন। এর পর তিনি সোশ্যাল ডেমোক্রাটদের বিরোধিতা করবার জন্য তাঁর নিজের দল গড়ে তোলেন, এই দলের নাম, ‘নাশিয়নাল সোৎসিয়ালিস্ট্’ বা ন্যাশানাল সোশ্যালিস্ট। এই নাম থেকেই নাৎসী কথাটার সৃষ্টি হয়েছে: নাশিয়নাল-এর ‘না’, আর সোৎসিয়ালিস্ট-এর ‘ৎসি’। এই<noinclude></noinclude> i6snjnutno90ubqbsu1gup6o0thvoz3 পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/৫ 104 858661 1991591 1878268 2026-07-31T03:49:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991591 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|নিবেদন।}}}} {{ফাঁক}}আঙুর প্রকাশিত হইল। ইহার প্রার সমস্ত গল্পগুলি পূর্ব্বে ভারতী, প্রবাসী, সুপ্রভাত, দেবালয়, নীহার, ভারতমহিলা, সাহিত্য প্রভৃতি মাসিক পত্রে প্রকাশিত হইয়াছিল। {{ফাঁক}}কেবল একটি নূতন গল্প এই সংগ্রহে স্থান পাইয়াছে। বলা বাহুল্য গল্পগুলি সমস্তই মৌলিক। {{ফাঁক}}ভারতী পত্রে যে দিন প্রথম আমার একটি গল্প প্রকাশিত হইয়াছিল, সেদিন কল্পনাও করি নাই যে এত শীঘ্র একখানি পুস্তক প্রকাশ করিতে সমর্থ হইব। কিন্তু আমার সৌভাগ্যক্রমে প্রসিদ্ধ গল্প লেখক শ্রদ্ধেয় শ্রীযুক্ত সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় মহাশরের ন্যায় সহৃদয় বন্ধুর বন্ধুত্ব লাভ ঘটিয়াছিল। তিনি সাহিত্য-সাধনায় আমায় যেরূপ অক্কত্রিম উৎসাহ প্রদান করিয়াছেন তজ্জন্য তাঁহার নিকট আমি চির-ঋণী থাকিব। {{ফাঁক}}মাসিক পত্রের মধ্যে ‘ভারতী’ই সর্ব্ব প্রথম আমার গল্প প্রকাশিত করিয়া আমার নবীন উদ্যমকে যথেষ্ট<noinclude></noinclude> 46gwsh8kse5vmzmlnbs6v5zqtxedxzn পাতা:বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ - জওহরলাল নেহরু - সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১৯৫১).pdf/৯৪২ 104 858753 1992134 1878486 2026-07-31T04:23:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992134 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৯২৪|বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}অথচ এতখানি দুঃখময় বলেই যদি একে আমরা ভাবি, তবে বুঝতে হবে জীবন বা ইতিহাস যে শিক্ষা দিল তাকে আমরা ঠিকমতো শিখে নিতে পারি নি। ইতিহাস আমাদের শেখাচ্ছে বৃদ্ধিলাভ আর প্রগতির কাহিনী, মানুষের মধ্যে অনন্ত উৎকর্ষের যে সম্ভাবনা রয়েছে শেখাচ্ছে তারই কথা। জীবনের সম্পদ বহু এবং বিচিত্র; জলাভূমি বিল কাদাডোবা অনেকই হয়তো আছে এর মধ্যে, কিন্তু তেমনই আবার তো মহাসমুদ্রও আছে, আছে পাহাড় পর্বত, তুষারপাত, বরফের দেশ আর অপূর্ব নক্ষত্রখচিত রাত্রি (বিশেষ করে জেলখানাতে!), আছে পরিবার-পরিজন বন্ধু-বান্ধব, আছে এক লক্ষ্য নিয়ে যাদের সঙ্গে কাজ করছি সেই সহকর্মী ভাইদের মিত্রতাবন্ধন, আছে সংগতি, আছে বই, আছে চিন্তাধারার মহাসাম্রাজ্য। তাই আমাদের প্রত্যেকটি লোকই মন খুলে বলতে পারে— {{ফাঁক}}“হে প্রভু, পৃথিবীতে বাস করতাম আমি, আমি ধরিত্রীর সন্তান, কিন্তু আমাকে পিতার স্নেহে পালন করেছে নক্ষত্রখচিত আকাশ।” {{ফাঁক}}বিশ্বসংসারের সুন্দর বস্তুগুলোকে দেখে মুগ্ধ হওয়া এবং চিন্তা আর কল্পনার রাজ্যে বাস করা অতি সহজ কাজ। কিন্তু শুধু তাই নিয়েই যদি অন্যদের দুঃখকে ভুলে থাকতে চাই, তাদের কী হল না হল সেদিকে ফিরেও তাকাতে না চাই, তবে সেটা সাহস বা জাতি-প্রীতির পরিচয় নয়। চিন্তার সার্থকতা শুধু সেইখানেই, যেখানে সে কর্মে প্রবৃত্তি দিচ্ছে। আমাদের বন্ধু রোমাঁ রোলাঁ বলেন: {{ফাঁক}}“কর্মই হচ্ছে চিন্তার উদ্দেশ্য। যে চিন্তা কোনো কর্মের দিকে প্রেরণা দেয় না সে পণ্ডশ্রম, প্রবঞ্চনা মাত্র। অতএব চিন্তার সেবক যদি আমরা হয়ে থাকি, তবে কর্মেরও সেবক আমাদের হতেই হবে।” {{ফাঁক}}কর্মকে মানুষ অনেক সময়ে এড়িয়ে চলতে চায়, কারণ সে কর্মের ফলাফল সম্বন্ধে তাদের ভয় আছে: কর্ম মানেই ঝুঁকি, বিপদ। কিন্তু ভয়কে দূর থেকেই ভয়ংকর বলে মনে হয়; খুব কাছে গিয়ে যদি তাকিয়ে দেখ তবে আর সে তত ভয়ংকর থাকে না। অনেক সময় আবার সেই হয় সুখপ্রদ সঙ্গী; জীবনের উৎসাহ আর আনন্দকে সে বাড়িয়ে তোলে। আমাদের এই সাধারণ জীবনযাত্রাটা এক এক সময়ে বড়ো একঘেয়ে হয়ে ওঠে, বহু জিনিসকে আমরা শধু গতানুগতিক বলেই মেনে চলে যাই, তার মধ্যে কোনো আনন্দ খুঁজে পাই না। অথচ জীবনের সেই সামান্য জিনিসগুলো থেকেই যদি কিছুদিন বঞ্চিত হয়ে থাকি, তবে তাদেরই মাধুর্য আমাদের কাছে কী দারুন বেড়ে ওঠে! অনেক মানুষ প্রকাণ্ড উঁচু পাহাড়ে গিয়ে চড়ে; শুধু পাহাড় বেয়ে ওঠার আনন্দের লোভে, একটা বিঘ্নকে অতিক্রম করা, বা একটা বিপদকে জয় করার ফলে যে আত্মপ্রসাদটুকু আসবে তারই লোভে নিজের দেহ এবং প্রাণকে বিপন্ন করে; যে বিপদ সেখানে সারাক্ষণ তাদের ঘিরে আছে তারই তাড়নায় তাদের সকল ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি প্রখরতর হয়ে ওঠে; একটি অতি সূক্ষ্ম সুতোর উপরে জীবনটা ঝুলে রয়েছে বলেই সে জীবনের আনন্দ তাদের কাছে গভীরতর লাগে। {{ফাঁক}}দুটি পথই আমাদের সকলের সামনে খোলা রয়েছে, যেটি ইচ্ছা আমরা বেছে নিতে পারি: বাস করতে পারি নীচের উপত্যকায়, সেখানের অস্বাস্থ্যকর ধোঁয়া ধুলো আর কুয়াশা, কিন্তু হাত-পা সেখানে আস্ত থাকবার ভরসা আছে; অথবা গিয়ে চড়তে পারি উঁচু পাহাড়ের চুড়োয়—সে যাত্রায় বিঘ্ন আর বিপদ হবে আমাদের সঙ্গী; যাত্রার অন্তে পাহাড়ের উপরে পরিচ্ছন্ন বায়ুতে নিঃশ্বাস টেনে বাঁচব, দূরের দৃশ্য দেখে আনন্দ পাব, ঊষার প্রথম সূর্যোদয়কে স্বাগত সম্ভাষণ করব। {{nop}}<noinclude></noinclude> palu8w18olopp1ww2iz1l61job7mwub পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/৪৯ 104 859055 1992161 1906393 2026-07-31T04:26:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992161 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{right|লক্ষ্মী}}</noinclude>মাঝে-মাঝে তাঁহার নাড়ী টিপিয়া, কাশির শব্দ শুনিয়া এবং কফের বর্ণ পরীক্ষা করিয়া যাইত। আজ অত্যন্ত বাড়াবাড়ি হইয়াছে শুনিয়া, ভোর হইতেই এ বাড়ী আসিয়া ডাক্তার বাবুকে সকাল-সকাল আসিবার জন্য অনুরোধ করিয়া লোক পাঠাইয়া দিয়াছিল। {{ফাঁক}}সরস্বতী গোকুলকে কাছে বসিতে বলিয়া, ক্ষীণ কণ্ঠে বলিলেন— “আর জন্মে তুমি আমার পেটের ছেলে ছিলে গোকুল।” বলিয়াই খুক্-খুক্‌ করিয়া দুইবার কাসিলেন। গোকুল বলিয়া উঠিল,—“ও কথা আজ তো তুমি নতুন ব’ল্‌ছ না মাসি-মা!” {{ফাঁক}}তিনি বলিলেন,—“তা’ জানি বাবা। কিন্তু আজ আমার মন এ-কথা ঠিক যেমন ক’রে ব’লছে গোকুল, এমন সত্যি ক’রে বোধ করি আর কখনও বলিনি—ব’ল্‌তে পারিনি; এ তুমি বেশ জেন বাবা।” বলিয়া আবার কাসিলেন। {{ফাঁক}}গোকুল কুণ্ঠিত হইয়া বলিল,—“ও কথা থাক্‌ না মাসি-মা।” {{ফাঁক}}“না বাবা, আরো তুমি থাকতে বল? আমি আর কতক্ষণ গোকুল; জানি, তোমরা সব এ কথা মুখ দিয়ে ব’ল্‌তে আমায় মানা ক’র্‌বে, কিন্তু মুখে ‘ম’রবো না” ‘ম’র্‌বে না’ ব’ল্‌লেই মানুষ যে না মরে তা’ তো নয় বাছা।” বলিয়া কাশি আসিতেই চুপ করিলেন। কাশি হইল না। এতগুলি কথা বলার পরিশ্রমে হাঁপাইয়া পড়িয়াছিলেন; একটু জিরাইতে লাগিলেন। এই অবসরে গোকুল বলিয়া উঠিল— “সে যা’ হোক্‌ মাসি-মা তুমি এখন বেশী বোকোনা।” {{ফাঁক}}“না বাবা, আর তার শক্তিও বড় আমার নেই, তাই কথাগুলো শেষ ক’রে ব’লতে পারেই নিশ্চিন্ত হই! দ্যাখ’ বাবা, এই একটী কথাই আমি<noinclude>{{c|৪৭}}</noinclude> chy00o69t3fipl8mf4lkyiydjbljkf6 পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/৫১ 104 859060 1991734 1906394 2026-07-31T04:04:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991734 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{right|লক্ষ্মী}}</noinclude>-পার্‌চিসনে বাছা—না না, অষুধ আর আমি খাব’ না-শেষ সময় আমায় আর জ্বালাতন করিস্‌নে লক্ষ্মী—” লক্ষ্মী “ও কি কথা বল মা?” বলিয়া আঁচলে মুখ ঢাকিয়া কাঁদিয়া ফেলিল। সরস্বতী মেয়েকে সান্ত্বনা দিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে তিনি আবার বলিলেন,—“দেখিস্ বাছারা, মরবার -সময়েও আমি যেন এম্‌নি ক’রেই তোদের দু’জনকে দু’পাশে দেখ্‌তে দেখ্‌তে মর্‌তে পাই। এ আমার বড় সাধ গোকুল, দেখিস্ বাছারা, এ সুখে তোরা যেন আমায় বঞ্চিত করিস না!—হ্যাঁরে, দাদাকে আজ সকাল থেকে দেখ্‌চিনে কেনরে?” {{ফাঁক}}লক্ষ্মী ভিজা গলায় বলিল—“কি জানি, বাবুরা কি জন্যে ডেকে পাঠিয়েছিল,—সেই ভোর বেলা গোকুলদা’কে ডেকে দিয়ে গেছে—এখনও তো এল না।” {{ফাঁক}}সরস্বতী বলিলেন—“এল না, আস্‌বেই অখন— আহাঃ!—তা’র মনে যে কি হ’চ্ছেরে, তা’ তোরা কি বুঝ্‌বি বাবা”—বলিতে বলিতেই ঝর্‌ ঝর্‌ করিয়া অশ্রুবর্ষণ করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে লক্ষ্মী ঘর হইতে বাহির হইয়া গেলে, সরস্বতী বলিলেন —“দ্যাখ্‌ বাবা গোকুল, এর পর আর হয় তো বলার সময় পাবো না, হয় তো বলবার শক্তিও থাক্‌বে না—তাই এখুনি তোকে আর একটী শেষ কথা ব’লে রাখি মাণিক—আমার এই কথাটী কখনও ভুলিসনে গোকুল;— লক্ষ্মীকে-আমার ফেলিস্‌নে—মেয়ের-আমার বড় অভিমান বাছা, তাই ব’ল্‌ছি, ও যদি তোর কাছে এসে কখন কোন’ খোট আব্দার-করে, তুই বাবা সাধ্যমত বিরক্ত হোস্‌নে—বল্ বাবা, তোর মাসিমায়ের<noinclude>{{c|৪৯}}</noinclude> gis3uik5w19pkltt9nwa1pr6g1xfzou পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/৬১ 104 859209 1991735 1906400 2026-07-31T04:04:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991735 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{right|লক্ষ্মী}}</noinclude>ছিলেন। এখন তাহারা যে ঘরটীর মধ্যে বসিয়াছিল, তাহা বৌ’মায়ের ঘর বলিয়া নির্দ্দিষ্ট হইয়াছে। {{ফাঁক}}আজ কাল উভয়ের বেশ ভাব হইয়া গিয়াছে। ইতিপূর্ব্বে অমিয়ার নামে লক্ষ্মীর বুকের ভিতরটায় কিসের যে সেই আশঙ্কা হইত, আজ কাল তাহা আর হয় না। যাহা হয়, তাহা পূর্ব্বের মত মারাত্মক নহে-বরং প্রীতি-দায়ক। পূর্ব্বে লক্ষ্মী ভাবিত, অমিয়া হয় তো তাহার গতিবিধি লক্ষ্য করিয়া করিয়া তাহার প্রতি এমন একটা ধারণা করিয়া বসিবে যাহার ফলে সে প্রথম-প্রথম রাগ করিবে, তারপর তারপর—হয় ত এ বাড়ীর সঙ্গে লক্ষ্মীর সকল সম্পর্ক চিরদিনের জন্য লুপ্ত হইয়া যাইবে এবং ইহার-ই ফলে আরও যে কি হইবে তাহা কে বলিতে পারে?—কিন্তু আজ কাল লক্ষ্মী ইহা বেশ বুঝিয়াছে যে, স্থান-কাল-পাত্রী হিসাবে সম্ভব-হৌক্ আর না-ই হৌক্, অমিয়া কিন্তু কলিকালের মেয়ে নহে; লক্ষ্মীর কথাবার্ত্তা ও আচার ব্যবহারের মধ্যে দৈবাৎ একটু আধ্‌টু বৈলক্ষণ্য লক্ষ্য করিয়া আন্দাজে কিছু একটা ধারণা করিয়া লইয়া তাহার প্রতি রাগ বা অন্য কিছু করা অমিয়ার দ্বারা কখনই সম্ভব হইতে পারে না; উপরন্তু লক্ষ্মী যদি উপর্য্যুপরি তিনদিন এ বাড়ী আসিয়া তাহার সহিত সাক্ষাৎ না করে, তবে, সে যে তাহার উপর অত্যন্ত অভিমান করিবে সে বিষয়-লক্ষ্মীর কিছুমাত্র সন্দেহ নাই; সুতরাং, পাছে তাহার কোন কার্য্যের জন্য অমিয়ার মনে ব্যথা লাগে, এই ভয়ে, লক্ষ্মী আজকাল সদাই শঙ্কিত এবং সেই জন্যই সে আনন্দিত। {{ফাঁক}}ঘরের সানের মেজের উপর পা ছড়াইয়া বসিয়া কোলের উপর চিঠির কাগজ এবং খাতাটী তুলিয়া লইয়া দোয়াতে<noinclude>{{c|৫৯}}</noinclude> mg7k3b3ph16dcmot05vntj3mt5nj5wt পাতা:দেবী চৌধুরাণী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/১৮ 104 859411 1992051 1880720 2026-07-31T04:16:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992051 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|।৹}}</noinclude>‘বঙ্গদর্শনে’ নবজীবন সঞ্চার করিবার জন্য কলিকাতার বউবাজারের বাসায় বসিয়া ‘দেবী চৌধুরাণী’ রচনা করিতে থাকেন। কিন্তু তাঁহার সকল চেষ্টা সত্ত্বেও ‘বঙ্গদর্শন’কে তিনি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করিতে পারেন নাই। ১২৯০ বঙ্গাব্দের কার্ত্তিক হইতে আবার বাহির হইয়া মাঘে উহা চিরতরেই বন্ধ হইয়া যায়, ‘দেবী চৌধুরাণী’র দ্বিতীয় খণ্ড মাত্র শেষ হয়। ওয়েস্ট্‌মেকট সাহেবের হুকুমে বাধ্য হইয়া বঙ্কিমচন্দ্রকে হাওড়ায় বসবাস করিতে হয়। ‘দেবী চৌধুরাণী’ পুস্তকাকারে বাহির হয় ১২৯১ সালের বৈশাখ মাসে—পুস্তকাকারে বঙ্কিমচন্দ্র দ্বিতীয় খণ্ডের অনেক পরিবর্ত্তন সাধন করেন। {{ফাঁক}}বিপিনচন্দ্র পাল ও পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যতীত ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়<ref>“যে সময়ের কথা বলিতেছি, ঠিক সেই সময়ে, অথবা তাহার কিছু পূর্ব্বে বঙ্কিমবাবুর “দেবী চৌধুরাণী” প্রকাশিত হয়। আমি ঐ পুস্তকের একটি সুদীর্ঘ সমালোচনা করি। তাহা আমাদের পাক্ষিকেই প্রকাশিত হয়। আর কোন কাগজেই দেবী চৌধুরাণীর অত বড় বিস্তৃত সমালোচনা প্রকাশিত হয় নাই। ভূদেববাবু ঐ সমালোচনা পাঠ করিয়া প্রীত হইয়াছিলেন এবং “এডুকেশন গেজেটে” “উচ্চ অঙ্গের সমালোচনা” বলিয়া উল্লেখ করিয়াছিলেন। বঙ্কিমবাবুও তাঁহার পুস্তকের ঐ সমালোচনা দেখিয়া সবিশেষ সন্তুষ্ট হইয়াছিলেন এবং কোনও বন্ধুর নিকট সমালোচকের তত্ত্ব লইয়াছিলেন।” {{ডান|—ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়, ‘নারায়ণ’, বৈশাখ ১৩২২, পৃ. ৬৬৫-৬।}}</ref> পূর্ণচন্দ্র বসু, গিরিজাপ্রসন্ন রায় চৌধুরী, হারাণচন্দ্র রক্ষিত, ললিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, শচীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, অক্ষয়কুমার দত্তগুপ্ত, জয়ন্তকুমার দাশগুপ্ত প্রভৃতিও ‘দেবী চৌধুরাণী’ লইয়া আলোচনা করিয়াছেন। ‘বঙ্গসাহিত্যে উপন্যাসের ধারা’ পুস্তকে অধ্যাপক শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ‘দেবী চৌধুরাণী’কে রোমান্স পর্য্যায়ে ফেলিয়া আলোচনা করিয়াছেন। {{ফাঁক}}বঙ্কিমচন্দ্র স্বয়ং ‘দেবী চৌধুরাণী’র ইংরেজী অনুবাদ করিয়াছিলেন। এই অনুবাদ পাণ্ডুলিপি আকারেই ছিল। এই পাণ্ডুলিপির কিয়দংশ মাত্র পাওয়া গিয়াছে এবং সেই অংশটুকু রঞ্জন পাবলিশিং হাউস কর্ত্তৃক প্রকাশিত শ্রীবিমলচন্দ্র সিংহ-সম্পাদিত ‘বঙ্কিমপ্রতিভা’ (১৩৪৫) পুস্তকের 63-86 পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হইয়াছে। ১৮৯৩ খ্রীষ্টাব্দে অমৃতসর হইতে তুলসীরাম এবং ১৯০৬ খ্রীষ্টাব্দে লক্ষ্ণৌ হইতে জে. প্রসাদ ইহার হিন্দুস্থানী অনুবাদ প্রকাশ করেন। ভি. অম্মল মাদ্রাজ হইতে ‘দেবীচন্দ্রপ্রভা’ নাম দিয়া ইহার তামিল অনুবাদ, এবং মস্‌লিপটম হইতে ১৯০৯ খ্রীষ্টাব্দে সি. ভাস্কর রাও ইহার তেলুগু অনুবাদ এবং ১৮৯৯ খ্রীষ্টাব্দে মহীশূর হইতে বি. ভেঙ্কটাচার্য্য ইহার কানাড়ী অনুবাদ প্রকাশ করেন। {{ফাঁক}}১৯০০ খ্রীষ্টাব্দে কেদারনাথ বিশ্বাস ‘ভবানীপাঠক’ নাম দিয়া ‘দেবী চৌধুরাণী’র এক অতি অক্ষম পরিশিষ্ট প্রকাশ করেন। {{nop}}<noinclude></noinclude> d4d5ke05mzgomkzdrv7jo68ee5p2vuu পাতা:দেবী চৌধুরাণী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/১২০ 104 859603 1991665 1887264 2026-07-31T03:55:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991665 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bosesukla" />{{rh|১০২|দেবী চৌধুরাণী|}}</noinclude>ফৌজ লইয়া ছিপে চলিলেন। এইরূপ পাঁচখানি ছিপ ভাটি দিয়া দেবীর বজরা ঘেরাও করিতে চলিল। এ দিকে লেফ্‌টেনাণ্ট্ সাহেব আর কতক সিপাহী সৈন্য লুক্কায়িত ভাবে, বন দিয়া বন দিয়া তটপন্থে পাঠাইলেন। যেখানে দেবীর বজরা থাকিবে, হরবল্লভ বলিয়া দিল; সেইখানে তীরবর্ত্তী বনমধ্যে ফৌজ তিনি লুকাইয়া রাখিলেন, যদি দেবী ছিপের দ্বারা আক্রান্ত হইয়া তটপথে পলাইবার চেষ্টা করে, তবে তাহাকে এই ফৌজের দ্বারা ঘেরাও করিয়া ধরিবেন। আরও এক পলাইবার পথ ছিল— ছিপগুলি ভাঁটি দিয়া আসিবে, দূর হইতে ছিপ দেখিতে পাইলে দেবী ভাঁটি দিয়া পলাইতে পারে, অতএব লেফ্‌টেনাণ্ট্, ব্রেনান্ অবশিষ্ট সিপাহীগুলিকে দুই ক্রোশ ভাঁটিতে পাঠাইলেন, তাহাদিগের থাকিবার জন্য এমন একটি স্থান নিদ্দিষ্ট করিয়া দিলেন যে, সেখানে ত্রিস্রোতা নদী এই শুকার সময়ে সহজে হাঁটিয়া পার হওয়া যায়। সিপাহীরা সেখানে তীরে লুকাইয়া থাকিবে, বজরা দেখিলেই জলে আসিয়া তাহা ঘেরাও করিবে। {{ফাঁক}}সন্ন্যাসিনী রমণীকে ধরিবার জন্য এইরূপ ঘোরতর আড়ম্বর হইল। কিন্তু কর্তৃপক্ষেরা এ আড়ম্বর নিষ্প্রয়োজন মনে করেন নাই। দেবী সন্ন্যাসিনী হউক আর নাই হউক, তাহার আজ্ঞাধীন হাজার যোদ্ধা আছে, সাহেবেরা জানিতেন। এই যোদ্ধাদিগের নাম “বর্‌কন্দাজ”। অনেক সময়ে কোম্পানীর সিপাহীদিগকে এই বর্‌কন্দাজদিগের লাঠির চোটে পলাইতে হইয়াছিল, এইরূপ প্রবাদ। হায় লাঠি! তোমার দিন গিয়াছে! তুমি ছার বাঁশের বংশ বটে, কিন্তু শিক্ষিত হস্তে পড়িলে তুমি না পারিতে, এমন কাজ নাই। তুমি কত তরবারি দুই টুকরা করিয়া ভাঙ্গিয়া ফেলিয়াছ, কত ঢাল খাঁড়া খণ্ড খণ্ড করিয়া ফেলিয়াছ—হায়! বন্দুক আর সঙ্গীন তোমার প্রহারে যোদ্ধার হাত হইতে খসিয়া পড়িয়াছে। যোদ্ধা ভাঙ্গা হাত লইয়া পলাইয়াছে। লাঠি! তুমি বাঙ্গালায় আব্রু পরদা রাখিতে, মান রাখিতে, ধান রাখিতে, ধন রাখিতে, জন রাখিতে, সবার মন রাখিতে। মুসলমান তোমার ভয়ে ত্রস্ত ছিল, ডাকাইত তোমার জ্বালায় ব্যস্ত ছিল, নীলকর তোমার ভয়ে নিরস্ত ছিল। তুমি তখনকার পীনাল কোড ছিলে—তুমি পীনাল কোডের মত দুষ্টের দমন করিতে, পীনাল কোডের মত শিষ্টেরও দমন করিতে এবং পীনাল কোডের মত রামের অপরাধে শ্যামের মাথা ভাঙ্গিতে। তবে পীনাল কোডের উপর তোমার এই সর্দারি ছিল যে, তোমার উপর আপীল চলিত না। হায়! এখন তোমার সে মহিমা গিয়াছে! পীনাল কোড তোমাকে তাড়াইয়া তোমার আসন গ্রহণ করিয়াছে—সমাজ-শাসন-ভার তোমার হাত হইতে তার হাতে গিয়াছে। তুমি, লাঠি! আর লাঠি নও, বংশখণ্ড মাত্র! ছড়িত্ব<noinclude></noinclude> 6zf9ehxcih34icwvfx0kvx2ge2d1vkq নির্ঘণ্ট:ব্রজগাথা - নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী (১৯০২).pdf 102 860171 1992397 1885542 2026-07-31T08:03:00Z Bodhisattwa 2549 1992397 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q134706129 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BSG}} |Header= |Footer= }} h7dtyjm8cye5hh9a6856aed63we0d58 পাতা:শ্রীকৃষ্ণ-মঙ্গল - দেবেন্দ্রনাথ সেন (১৯১২).pdf/৩ 104 860205 1991756 1906515 2026-07-31T04:05:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991756 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''উৎসর্গ।'''}}}} {{c|<poem>{{smaller|যিনি সর্ব্বধর্ম্ম-সমন্বয়রূপ-মহাব্রতে ব্রতী;}} যিনি একাধারে কর্ম্মযোগী,ভক্তিযোগী ও জ্ঞানযোগী; {{smaller|যিনি চণ্ডালকেও}} আলিঙ্গন করেন; {{smaller|যাঁহার হৃদয় দয়ার অমৃত-প্রস্রবণ;}} সেই পুণ্যশ্লোক মহাপুরুষ {{larger|শ্রীযুক্ত শশীপদ বন্দ্যোপাধ্যায় মহোদয়ের}} কর-কমলে এই ক্ষুদ্র গ্রন্থ খানি ভক্তি-উপহার-স্বরূপ অর্পণ করিলাম।</poem>}}<noinclude></noinclude> aw34k3pufz5kta4cni7yf73sqaqyr1k পাতা:শর্ম্মিষ্ঠা নাটক - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯৫৭).pdf/৫৬ 104 861209 1991750 1891352 2026-07-31T04:05:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991750 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{rh|৩৮|মধুসূদন-গ্রন্থাবলী|}}</noinclude>করে এসে, তত্রস্থ দেবদেবীর অদর্শনে, তাঁদের প্রতিমূর্ত্তি আপনার মনোমন্দিরে সংস্থাপিত করে ভক্তিভাবে সর্ব্বদা ধ্যান করে, আমিও সেইরূপ আমার জনক জননীকে ভক্তি ও শ্রদ্ধার সহিত চিরকাল স্মরণ করবো; কিন্তু দৈত্যদেশে প্রত্যাগমন করতে আপনি আমাকে আর অনুরোধ করবেন না। {{gap}}বক।{{gap}}বৎসে, তবে আমি বিদায় হই। {{gap}}শর্ম্মি।{{gap}}(নিরুত্তরে রোদন।) {{gap}}বক।{{gap}}(দীর্ঘনিশ্বাস পরিত্যাগ করিয়া) ভদ্রে, এখনও বিবেচনা করে দেখ! রাজসভা অতিদূরবর্তিনী নয়; রাজচক্রবর্ত্তী যযাতিও পরম দয়ালু ও পরহিতৈষী; তোমার আদ্যোপান্ত সমুদায় বিবরণ শ্রবণমাত্রেই তিনি যে তোমাকে স্বদেশগমনে অনুমতি করবেন, তার কোন সংশয় নাই। {{gap}}শর্ম্মি।{{gap}}(স্বগত) হা হৃদয়, তুমি জ্বালাবৃত্ত পক্ষীর ন্যায় যত মুক্ত হতে চেষ্টা কর, ততই আরো আবদ্ধ হও! (প্রকাশে) হে মহাভাগ! আপনি ও কথা আর আমাকে বলবেন না। {{gap}}বক।{{gap}} তবে আর অধিক কি বলবো? শুভে, জগদীশ্বর তোমার কল্যাণ করুন! আমার আর এ স্থলে বিলম্ব করবার কোন প্রয়োজন নাই; আমি বিদায় হলেম। {{right|[ প্রস্থান।}} {{gap}}শর্ম্মি।{{gap}}(স্বগত) এ দুস্তর শোকসাগর হতে আমাকে আর কে উদ্ধার করবে? হা হতবিধাতঃ, তোমার মনে কি এই ছিল? তা তোমারই বা দোষ কি! (রোদন।) আমি আপন কর্ম্মদোষে এ ফল ভোগ কচ্চি। গুরুকন্যার সহিত বিবাদ করে প্রথমে রাজভোগচ্যুতা হয়ে দাসী হলেম; তা দাসী হয়েও ত বরং ভাল ছিলেম, গুরুর আশ্রমে ত কোন ক্লেশই ছিল না; কিন্তু এ আবার বিধির কি বিড়ম্বনা! হা অবোধ অন্তঃকরণ, তুই যে রাজা যযাতির প্রতি এত অনুরক্ত হলি, এতে তোর কি কোন ফল লাভ হবে? তা তোরই বা দোষ কি? এমন মূর্ত্তিমান্ কন্দর্পকে দেখে কে তার বশীভূত না হয়? দিনকর উদয়াচলে দর্শন দিলে কি কমলিনী নিমীলিত থাকতে পারে? (দীর্ঘনিশ্বাস পরিত্যাগ করিয়া) তা আমার এ রোগের মৃত্যু ভিন্ন আর ঔষধ নাই! আহা! গুরুকন্যা দেবযানী কি ভাগ্যবতী! (অধোবদনে বৃক্ষতলে উপবেশন।) {{nop}}<noinclude></noinclude> 872g5ozbrm95mfe6mzos7kj87750r6l পাতা:অশোক - সুরেন্দ্রনাথ সেন (১৯৫৫).pdf/৩ 104 861407 1991586 1976967 2026-07-31T03:48:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991586 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" /></noinclude>{{block left|align=center|offset=4em|নিঃসঙ্গ প্রবাসে যে সকল বন্ধু ও সহকর্মীর<br/> কথা সর্ব্বদাই স্মরণ করি<br/> ‘অশোক’ তাঁহাদিগকে<br/> উপহার দিলাম।}}<noinclude></noinclude> bur1129glfma33o1z2j5qex7evleapt পাতা:পেশবাদিগের রাজ্যশাসন-পদ্ধতি - সুরেন্দ্রনাথ সেন (১৯৩০).pdf/৬৪ 104 862278 1992065 1985949 2026-07-31T04:19:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992065 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{rh|৩৮|পেশবাদিগের রাজ্যশাসন-পদ্ধতি|}}</noinclude>সময়ে একই ব্যক্তি কুলকর্ণী ও জোশীর কার্য্য করিত। কুলকর্ণী বতনের “মান পান হক্কের” তালিকা আমরা বিধবা মহালসা বাইর বিক্রয়-পত্রে পাইয়াছি। জোশী বতনের পাওনার একটা তালিকাও ঐ দলীলখানিতেই পাওয়া যায়; কারণ, মহালসা বাইর পরলোকগত স্বামী ছিলেন তাঁহার গ্রামের অর্দ্ধ জোশী বতনের মালিক। নিম্বগাঁওর জোশী গুরবের সমান ‘বলুতা’ পাইতেন। গ্রাম্য-দেবমন্দির হইতে প্রথম শ্রেণীর বলুতার সমান প্রসাদ পাইতেন। আর পাইতেন ২৫ বিঘা ইনাম জমি। আমরা দেখিয়াছি যে, পাটীলের পুত্র-সন্তান না থাকিলে, তাহার জারজ সন্তানেরাও পিতৃ-সম্পত্তির উত্তরাধিকার পাইত। জোশীদিগের বেলায় কিন্তু এ নিয়ম খাটিত না। মহাভট নামক একব্যক্তি তাহার খুল্লতাতের জারজ পুত্র সুভানা দাসী-পুত্রের বিরুদ্ধে জোশী বতন সম্বন্ধে যে মামলা করিয়াছিলেন, তাহাতে ইহার চুড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়। গুরব পল্লী—দেবমন্দিরের সেবক। প্রত্যেক পল্লীতেই এক—একটি মন্দির থাকিত; সুতরাং দেবমন্দিরের কার্য্য পরিচালনার জন্য গুরবেরও প্রয়োজন। মহার, সুতার, লোহার, চামার, কুমার, রজক, ও ক্ষৌরকারের কথা বিশেষ করিয়া বলা অনাবশ্যক। {{ফাঁক}}প্রত্যেক গ্রামেই আবার বারোজন ‘বলুতার’, সঙ্গে-সঙ্গে তেরোজন করিয়া ‘আলুতা’ থাকিত। ‘বলুতা’ ও ‘আলুতা'—দিগের অপর নাম ‘কারু’ ও ‘নারু'। বোধ হয় প্রাচীনকালে<noinclude></noinclude> 1e589bl6lphm7y7wd7e6hztfzwsbu58 পাতা:তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯৬১).pdf/৭ 104 862610 1992037 1895711 2026-07-31T04:15:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992037 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{rvh|৷৷৴৹|তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য : ভূমিকা|মধুসূদন-গ্রন্থাবলী}}</noinclude>{{blockquote|{{gap}}I am going to print a plain edition of Tilottama. I wish to try and improve the text. The versification in many places is rather defective. A demand for that work is also increasing daily. You must wait for an edition with notes. Let the text be settled first. ‘জীবন-চরিত’, পৃ. ৪৮২-৮৩ {{gap}}[তিলোত্তমার একটা সাধারণ সংস্করণ বাহির করিতেছি। মূলের কিছু সংস্কারের চেষ্টায় আছি। অনেক স্থলে ছন্দের ত্রুটি নজরে পড়িতেছে। এই কাব্যের চাহিদা প্রতিদিনই বাড়িতেছে। টীকা-সম্বলিত একটি সংস্করণের অবকাশ আছে। প্রথমে মূল পাঠ ঠিক হউক।] {{gap}}...We are reprinting Tilottama and to tell you the candid truth I find the versification very ''kancha'' in many many places, I shall make quite a different thing of the Nymph. Don't fear I shall spoil her.—‘জীবন-চরিত’, পৃ. ৪৯১। {{gap}}[তিলোত্তমা পুনর্মুদ্রিত করিতেছি, তোমাকে যদি খাঁটি সত্য বলি তাহা হইলে স্বীকার করিব, এই কাব্যের রচনা বহু স্থলে অত্যন্ত কাঁচা মনে হইতেছে। অপ্সরীকে একেবারে ঢালিয়া সাজিব। ভয় পাইও না, মাটি করিব না।]}} {{gap}}দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের পর মধুসূদন রাজনারায়ণকে লেখেন— {{blockquote|{{gap}}...Tilottama has been beautifully reprinted, and I hope considerably improved in a literary point of view. I can only undertake to say that the versification is decidedly better, you will have & copy soon.—‘জীবন-চরিত’, পৃ. ৫২৫। {{gap}}[তিলোত্তমা চমৎকার ভাবে পুনর্মুদ্রিত হইয়াছে এবং আমি আশা করিতেছি, সাহিত্যের দিক্ দিয়া প্রভূত উৎকর্ষলাভ করিয়াছে। আমি এইটুকু মাত্র বলিতে পারি যে, রচনা নিঃসংশয়ে উন্নতি লাভ করিয়াছে। তুমি শীঘ্রই এক খণ্ড বই পাইবে।]}} {{gap}}ইহার পর ফ্রান্সে অবস্থানকালে মধুসূদন আবার নূতন করিয়া ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ লিখিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন; কিন্তু প্রথম সর্গের কয়েক পংক্তির অধিক অগ্রসর হইতে পারেন নাই। সেই পুনর্লিখিত অংশটি পরিশিষ্টে মুদ্রিত হইয়াছে। {{gap}}তৃতীয় সংস্করণ দ্বিতীয় সংস্করণেরই প্রায় পুনর্মুদ্রণ; দুই-একটি স্থলে সামান্য পরিবর্ত্তন ঘটিয়াছে। ইহা চুঁচুড়ায় মুদ্রিত এবং কাশীনাথ দত্ত কর্ত্তৃক প্রকাশিত হয়; আখ্যা-পত্রে প্রকাশকাল নাই, পৃষ্ঠা সংখ্যা ১০০। বেঙ্গল লাইব্রেরির পুস্তক-তালিকায় ইহার প্রকাশকাল “১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৭০” দেওয়া আছে। {{nop}}<noinclude>{{left|{{gap}}{{smaller|২}}}}</noinclude> 774efp9jmz907d9wc96q1szo1xa9j5g পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/৮৩ 104 862740 1992162 1906411 2026-07-31T04:26:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992162 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{right|লক্ষ্মী}}</noinclude>এক অপূর্ব্ব আশঙ্কায় তাহার সর্ব্বাঙ্গ কণ্ঠকিত হইয়া উঠিল। কিন্তু তাহা শুনিবার জন্যও তাহার মনে যে কৌতুহল পুঞ্জীভূত হইয়া উঠিল, সে তাহা কোন ক্রমেই দমন করিতে পারিল না। গম্ভীর হইয়া বলিয়া উঠিল— “কেন, কারুর কথা মান্‌বে না—আমার কথাই মান্‌বে, আমি কি?” {{ফাঁক}}উত্তর পাইবার জন্য একটা নিশ্চয়তা ও দৃঢ়তা লক্ষ্মীর মুখে ফুটিয়া উঠিয়াছে দেখিয়া অমিয়া ভয়ে ভয়ে বলিয়া ফেলিল— “তুমি যে ওকে ভালবাস।” {{ফাঁক}}লক্ষ্মীর হৃদয়-মন ক্রমেই শক্ত হইয়া উঠিতে লাগিল। অমিয়ার সঙ্গে আজ সে স্পষ্ট করিয়া যাহা হয় একটা ‘বোঝা-পড়া’ করিয়া লইতে চায়—তা’ এই ‘বোঝা-পড়া’র ফলটা যতই কেন বীভৎস ও মারাত্মক হৌক না! তাই সে সহজ গম্ভীর কণ্ঠে বলিল—“তা’ বাস্‌লেইবা, তাই ব’লে আমার কথা মান্‌বে তার কি মানে আছে?” {{ফাঁক}}“বাঃ—নেই তো কি—সেও তো তোমায় বাসে—আচ্ছা বল দিকি, সে যদি তোমায় একটা কথা বলে, তুমি কি শুন্‌বে না?” {{ফাঁক}}“না শুনবো না—আচ্ছা আচ্ছ। শুন্‌বো, হাঁ তা’কি হ’য়েছে কি?” {{ফাঁক}}অমিয়া বিরক্তি-কাতর কণ্ঠে বলিল,—“তোমার সঙ্গে তর্ক ক’রে পার্‌বো না দিদি—তুমি যদি শোনো তো সে-ও তোমার কথা শুন্‌বে না কেন? ভালবাসা থাক্‌লেই পরস্পর এমন শুনে থাকে।” {{ফাঁক}}লক্ষ্মী চঞ্চলকণ্ঠে বলিল,—“বেশ ভাল কথা,—কিন্তু তুইও তো তোর স্বামীকে ভালবাসিস্, আর গোকুল দা’ও তোকে বাসে, তবে তোর কথাইবা সে শুন্‌বে না কেন?” {{ফাঁক}}অমিয়া একটু মুস্কিলে পড়িয়া গেল। পরক্ষণেই একটুখানি হাসিবার<noinclude>{{c|৮১}}</noinclude> g1yoyvk4tg7vuexgj9d5yhgzu8i3u61 পাতা:অভয়া - রজনীকান্ত সেন (১৯২৭).pdf/৫ 104 862810 1991539 1989544 2026-07-31T03:48:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991539 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|সূচী}}}} {{Head2Columns}} {{dtpl||{{smaller|বিষয়}}|{{smaller|পৃষ্ঠা}}|dottext=}} {{dtpl||[[অভয়া/প্রার্থনা|প্রার্থনা]]|{{pli|১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সৃষ্টির বিশালতা|সৃষ্টির বিশালতা]]|{{pli|৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সৃষ্টির সূক্ষ্মতা|সৃষ্টির সূক্ষ্মতা]]|{{pli|৪|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/পাপ-রাত্রি|পাপ-রাত্রি]]|{{pli|৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অনন্ত মূর্ত্তি|অনন্ত মূর্ত্তি]]|{{pli|৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মিলনান্দ|মিলনান্দ]]|{{pli|৯|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মুক্তি-ভিক্ষা|মুক্তি-ভিক্ষা]]|{{pli|১০|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/ব্যাকুলতা|ব্যাকুলতা]]|{{pli|১১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/দুঃস্থ|দুঃস্থ]]|{{pli|১২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মানস-দর্শন|মানস-দর্শন]]|{{pli|১৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/পতিত|পতিত]]|{{pli|১৪|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/কর্ম্মফল|কর্ম্মফল]]|{{pli|১৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/প্রেম-ভিক্ষা|প্রেম-ভিক্ষা]]|{{pli|১৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/হে নাথ! মামুদ্ধর|হে নাথ! মামুদ্ধর]]|{{pli|১৮|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বন্দী|বন্দী]]|{{pli|২১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মনের কথা|মনের কথা]]|{{pli|২২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/হরি বল|হরি বল]]|{{pli|২৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/স্নেহ|স্নেহ]]|{{pli|২৪|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/জাগাও|জাগাও]]|{{pli|২৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{TwoColumns}}<noinclude>{{dtpl||{{smaller|বিষয়}}|{{smaller|পৃষ্ঠা}}|dottext=}}</noinclude>{{dtpl||[[অভয়া/ব্যর্থ ব্যবসায়|ব্যর্থ ব্যবসায়]]|{{pli|২৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অবোধ|অবোধ]]|{{pli|২৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মা ও ছেলে|মা ও ছেলে]]|{{pli|২৮|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/তোমার স্বরূপ|তোমার স্বরূপ]]|{{pli|৩০|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/পাগল ছেলে|পাগল ছেলে]]|{{pli|৩১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/নিশ্চিন্ত|নিশ্চিন্ত]]|{{pli|৩২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মুখের ডাক|মুখের ডাক]]|{{pli|৩৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মিথ্যামতভেদ|মিথ্যামতভেদ]]|{{pli|৩৪|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সে|সে]]|{{pli|৩৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/রিপু|রিপু]]|{{pli|৩৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অকৃতকার্য‍্য|অকৃতকার্য‍্য]]|{{pli|৩৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অকৃতজ্ঞ|অকৃতজ্ঞ]]|{{pli|৩৯|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/দিন যায়|দিন যায়]]|{{pli|৪১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/ভজন-বাধা|ভজন-বাধা]]|{{pli|৪২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/হতাশ|হতাশ]]|{{pli|৪৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অরণ‍্যে রোদন|অরণ‍্যে রোদন]]|{{pli|৪৪|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বৈরাগ্য|বৈরাগ্য]]|{{pli|৪৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সন্ধি|সন্ধি]]|{{pli|৪৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সমুদ্র-মন্থন|সমুদ্র-মন্থন]]|{{pli|৪৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}}<noinclude>{{Foot2Columns}}</noinclude> ffu5bx5qv9h5lyd0vdivmg4zrg727z3 পাতা:অভয়া - রজনীকান্ত সেন (১৯২৭).pdf/৬ 104 862811 1991540 1989546 2026-07-31T03:48:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991540 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{c|[{{em}}২{{em}}]}} {{Head2Columns}} {{dtpl||বিষয়|পৃষ্ঠা|dottext=}}</noinclude>{{dtpl||[[অভয়া/খেয়া|খেয়া]]|{{pli|৪৯|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/“—হবে, হ’লে কায়া বদল”|“—হবে, হ’লে কায়া বদল”]]|{{pli|৫০|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/দ্বন্দ্ব-রাহিত্য|দ্বন্দ্ব-রাহিত্য]]|{{pli|৫১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/প্রলয়|প্রলয়]]|{{pli|৫৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অবাক্ কাণ্ড|অবাক্ কাণ্ড]]|{{pli|৫৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/আশায় ছাই|আশায় ছাই]]|{{pli|৫৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সান্ত্বনা-গীতি|সান্ত্বনা-গীতি]]|{{pli|৬১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বিদায়-সঙ্গীত|বিদায়-সঙ্গীত]]|{{pli|৬২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/নবীন উদ্যম|নবীন উদ্যম]]|{{pli|৬৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/উৎসাহ|উৎসাহ]]|{{pli|৬৪|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/প্রীতি-অভিনন্দন|প্রীতি-অভিনন্দন]]|{{pli|৬৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বিদ্বন্মণ্ডলীর অভ্যর্থনা|বিদ্বন্মণ্ডলীর অভ্যর্থনা]]|{{pli|৬৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বাণী-বন্দনা|বাণী-বন্দনা]]|{{pli|৬৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/জ্ঞান|জ্ঞান]]|{{pli|৬৯|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বিদায়-সঙ্গীত|বিদায়-সঙ্গীত]]|{{pli|৭১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সমাজ|সমাজ]]|{{pli|৭৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/পতিত ব্রাহ্মণ|পতিত ব্রাহ্মণ]]|{{pli|৭৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{TwoColumns}}<noinclude>{{dtpl||বিষয়|পৃষ্ঠা|dottext=}}</noinclude>{{dtpl||[[অভয়া/নব‍্যানারী|নব‍্যানারী]]|{{pli|৭৯|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মোক্তার|মোক্তার]]|{{pli|৮২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/ডাক্তার|ডাক্তার]]|{{pli|৮৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/পরিণয়াভিনন্দন|পরিণয়াভিনন্দন]]|{{pli|৯০|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/বিদায়-অভিনন্দন|বিদায়-অভিনন্দন]]|{{pli|৯১|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সংস্কৃত ভাষার পুনরুদ্ধার|সংস্কৃত ভাষার পুনরুদ্ধার]]|{{pli|৫৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/সংস্কৃত ভাষা|সংস্কৃত ভাষা]]|{{pli|৫৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/দুর্ভিক্ষ|দুর্ভিক্ষ]]|{{pli|৯৫|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/কোন বন্ধুর অকালমৃত্যু উপলক্ষে|কোন বন্ধুর অকালমৃত্যু উপলক্ষে]]|{{pli|৯৬|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/রুগ্নের দুর্গোৎসব|রুগ্নের দুর্গোৎসব]]|{{pli|৯৭|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/মনোবেদনা|মনোবেদনা]]|{{pli|৯৯|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/অভ্যর্থনা|অভ্যর্থনা]]|{{pli|১০০|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/কোন প্রথিতনামা সাহিত্যসেবীর পরলোকগমণ উপলক্ষে|কোন প্রথিতনামা সাহিত্যসেবীর পরলোকগমণ উপলক্ষে]]|{{pli|১০২|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[অভয়া/যে আশ্রয়|যে আশ্রয়]]|{{pli|১০৩|৮}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{Foot2Columns}} {{dhr}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> f3c46lxwizfd0o4ahg0679euotwnvwb পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/৯২ 104 862951 1992163 1968337 2026-07-31T04:26:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992163 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{left|লক্ষ্মী}}</noinclude>আহ্নিক ভাঙিয়ে ছেলে মাঙ্গুষি ক’রো না—আমি ঘুরে এসে দোর খুলে দিচ্চি” বলিয়াই তাড়াতাড়ি বারান্দা পার হইয়া নীচে নামিয়া গেল। অমি অবাক-স্মিয়ে তাহার দিকে চাহিয়া রহিল। অসাবধানে অস্ফুটে তাহার মুখ দিয়া বাহির হইয়া আসিল—“বাবা, বুকের কি পাটা!” {{ফাঁক}}লক্ষ্মী বরাবর নীচে নামিয়া আসিয়া দেখিল উঠানে কে দাঁড়াইয়া; অন্ধকারে ঠিক চিনিতে পারিল না। বলিল,—“কে দাঁড়িয়ে গা?” {{ফাঁক}}চাষাপুত্র সুরো তাহার তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বর শুনিয়া থতমত খাইয়া গেল। সে গোকুল এবং লক্ষ্মীর বাল্যকালের প্রধান সহচর—অনেকদিন পরে আজ এই প্রথম এবাড়ী ঢুকিয়াছিল। সেই গোকুলের বিবাহের সমর একদিন মাত্র এবাড়ী আসিয়া ক’ণে দেখিয়া আহার করিয়া গিয়াছিল, আর আসে নাই। এখন মনে-মনে বলিল,—“বাবা, সেই মেয়েটা এমন ধারা হয়েচে?” তারপর ভদ্রলোকদের সকলি-ই সম্ভব ভাবিয়া জড়িত কণ্ঠে বলিল,—“আজ্ঞে আপনি আমায় চিন্‌বেন না—বাবু —” {{ফাঁক}}“কে সুরো?” {{ফাঁক}}এইবার সুরো সোৎসাহে বলিয়া উঠিল— “কে লক্ষ্মী দিদি নাকি?” {{ফাঁক}}“হাঁরে—আমায় চিন্‌তে পাচ্চিস্‌নে?—কেমন আচিস্ তোরা— “আমাদের ওদিকে যাস্‌নে কেনরে?” {{ফাঁক}}“কি যাবো দিদি—তুমি আর ডাকো না, তা’ যাবো কি?” {{ফাঁক}}“সেকি কথারে—না না যাস্, জানিস্?” {{ফাঁক}}সে ঘাড় নাড়িয়া সম্মতি জানাইলে লক্ষ্মী বলিল, “হাঁ মাঝে-মাঝে যাস্‌ বুঝ্‌লি?—তারপর গোকুলদাকে কেনরে?”<noinclude>{{c|৯০}}</noinclude> gkuse76uqjxcfs8c7vbb4r9msd2q9jf পাতা:কল্কিপুরাণ - রাজকৃষ্ণ রায় (১৮৯২).pdf/৮ 104 863364 1991615 1902450 2026-07-31T03:51:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991615 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" /></noinclude><section begin="A" />{{c|{{xx-larger|'''কল্কিপুরাণ।'''}} {{custom rule|sp|50|fy3|40|sp|50}} {{x-larger|'''প্রথম অংশ।'''}} {{rule|3em}} {{larger|প্রথম অধ্যায়।}}}} {{2cols/s}} {{bc/s}}<poem>{{c|'''গণেশবন্দনা।'''}} ইন্দ্র আদি সর্ব্ব দেন সাধু ঋষিগণ। আর লোকপালগণ সহ সর্ব্বজন॥ নিজ নিজ কার্য্যসিদ্ধি করিবার তরে। প্রতাহ ভক্তিতে যাঁর আরাধনা করে॥ কি তান্ত্রিক কি বৈদিক সর্ব্বশাস্ত্র মাঝ। প্রথমে বন্দনা যার আছয়ে বিরাজ॥ সবার আশ্রয় রূপ সর্বজ্ঞ যে জন। অজ আর অচ্যুত নামেতে খ্যাত হন॥ সেই বিঘ্ন বিনাশন অনন্ত মহানে। নমস্কার করি আমি ভক্তির বিধানে॥</poem>{{bc/e}}<section end="A" /> <section begin="B" />{{bc/s}}<poem>{{c|'''কল্কিবন্দনা।'''}} {{gap}}নারায়ণ নরোত্তম নর ভারতীরে। নমস্কার করি জয় উচ্চারিবে পরে॥ ধরণীপীড়ক যত ধরাপতিগণ। যাঁর সর্পমুখ সম করে অনুক্ষণ। কবলিত হয়ে হৈল ভস্ম অবশেষ। তীক্ষ্ণধার তরবালে বিদীর্ণ বিশেষ॥ অশ্ব-আরোহণে যাঁর নিয়ত গমন। সত্য আদি চারি যুগ যাঁহার সৃজন॥ ধর্ম্মপ্রবৃত্তিতে সদা প্রবৃত্তি যাঁহার। দ্বিজকুলসমুদ্ভূত ধর্ম্ম-অবতার॥ কল্কিনামধারী পরমাত্মা মহাকায়। সেই ভগবান হরি রক্ষুন সবায়॥</poem>{{bc/e}}<section end="B" /> {{2cols}} <section begin="C" />{{bc/s}}<poem>{{c|'''সূতপ্রতি শৌনকাদির প্রশ্ন।'''}} {{gap}}নৈমিষ অরণ্যবাসী শৌনকাদি মুনি। জ্ঞানিবর সূতমুখে হেন কথা শুনি॥ জিজ্ঞাসিলা তাঁরে লোমহর্ষণ তনয়। ধর্ম্মজ্ঞ ত্রিকাল বিজ্ঞ তুমি হে নিশ্চয়॥ নিখিল পুরাণ নাহি অজ্ঞাত তোমার। জগৎপ্রভু হরি কেবা কহ সবিস্তার॥ কোথায় জন্মিলা তিনি আর কি কারণ। করিলেন নিত্যধর্ম্ম বিনাশ সাধন॥ এ সমস্ত ভগবদ্বিষয়িণী কথা। আমাসবা পাশে তুমি কহ যথা যথা॥ ঋষিগণ মুখে শুনি এ হেন বচন। হর্ষপুলকিত লোমহর্ষণ-নন্দন॥ জগন্নাথ শ্রীহরিরে স্মরণ করিয়া। কহিতে লাগিলা তবে তত্ত্ব বিবরিয়া॥</poem>{{bc/e}}<section end="C" /> <section begin="D" />{{bc/s}}<poem>{{c|'''কল্কিচরিত আরম্ভ।'''}} {{gap}}সূত কহিলেন শুন পূজ্য মুনিগণ। সেই ভবিষ্যৎ কথা করিব কীর্ত্তন ॥ বড়ই আশ্চর্য সেই মধুর অখ্যান। শ্রবণ করহ করি চিত্ত সমাধান॥ দেবর্ষি নারদ পূর্ব্বে জিজ্ঞাসা করাতে। ব্রহ্মা বলিলেন তাহা তাঁহার সাক্ষাতে॥ তৎপরে নারদ মুনি মহামুনি ব্যাসে। শুনাইলা সে আখ্যান সুমধুর ভাষে॥</poem><section end="D" /><noinclude>{{bc/e}}{{2cols/e}}</noinclude> jzgm2vusjko1iyik4rz4o1stfkr12ei পাতা:কল্কিপুরাণ - রাজকৃষ্ণ রায় (১৮৯২).pdf/৫ 104 863366 1991614 1904857 2026-07-31T03:51:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991614 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" />{{rvh|সূচীপত্র|কল্কিপুরাণ।}}{{2cols/s}}</noinclude>{{c|{{x-larger|কল্কিপুরাণের সূচিপত্র।}}}} {{rule|4em}} {{dhr}} {{2cols/s}} {{c|{{larger|প্রথম অংশ।}}}} {{dtpl||{{em}}বিষয়।|পৃষ্ঠা।|dottext=}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/ গণেশবন্দনা|গণেশবন্দনা]]|{{pli|১|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কিবন্দনা|কল্কিবন্দনা]]|{{pli|১|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/সূতপ্রতি শৌনকাদির প্রশ্ন|সূতপ্রতি শৌনকাদির প্রশ্ন]]|{{pli|১|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কিচরিত আরম্ভ|কল্কিচরিত আরম্ভ]]|{{pli|১|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পাতক বা অধর্ম্ম, কলি প্রভৃতির উৎপত্তি|পাতক বা অধর্ম্ম, কলি প্রভৃতির উৎপত্তি]]|{{pli|২|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কলির অত্যাচার ও কলিযুগের মানবচরিত|কলির অত্যাচার ও কলিযুগের মানবচরিত]]|{{pli|২|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/দেবগণের ব্রহ্মলোকে গমন|দেবগণের ব্রহ্মলোকে গমন]]|{{pli|৩|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/ব্রহ্মাদি দেবগণের বিষ্ণুলোকে গমন ও বিষ্ণুর কলিসংহার প্রতিজ্ঞা|ব্রহ্মাদি দেবগণের বিষ্ণুলোকে গমন ও বিষ্ণুর কলিসংহার প্রতিজ্ঞা]]|{{pli|৪|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/বিষ্ণুর কল্কিরূপে জন্মগ্রহণ|বিষ্ণুর কল্কিরূপে জন্মগ্রহণ]]|{{pli|৫|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কির নিকটে বায়ুর গমন|কল্কির নিকটে বায়ুর গমন]]|{{pli|৫|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পরশুরামাদি মুনিগণ কর্ত্তৃক কল্কির নামকরণ|পরশুরামাদি মুনিগণ কর্ত্তৃক কল্কির নামকরণ]]|{{pli|৫|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কির উপনয়ন|কল্কির উপনয়ন]]|{{pli|৬|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পরশুরামের নিকট কল্কির বেদ ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষা|পরশুরামের নিকট কল্কির বেদ ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষা]]|{{pli|৮|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কির শিবস্তব|কল্কির শিবস্তব]]|{{pli|১১|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/শিবের নিকট কল্কির অশ্ব, শুকপক্ষী ও অসিলাভ|শিবের নিকট কল্কির অশ্ব, শুকপক্ষী ও অসিলাভ]]|{{pli|১২|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/প্রজাগণের সহিত বিশাখযূপের সনাতন ধর্ম্মাচরণ|প্রজাগণের সহিত বিশাখযূপের সনাতন ধর্ম্মাচরণ]]|{{pli|১২|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কির বীরসজ্জা ও তাঁহার নিকট বিশাখযূপের আগমন|কল্কির বীরসজ্জা ও তাঁহার নিকট বিশাখযূপের আগমন]]|{{pli|১৩|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/বিশাখযূপের নিকট কল্কির আত্মতত্ত্বকথন|বিশাখযূপের নিকট কল্কির আত্মতত্ত্বকথন]]|{{pli|১৩|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/রাজগণের নিকট কল্কির আত্মতত্ত্বকথন|রাজগণের নিকট কল্কির আত্মতত্ত্বকথন]]|{{pli|১৩|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/সৃষ্ট্যাদি ও ব্রাহ্মণমাহাত্ম্য কীর্ত্তন|সৃষ্ট্যাদি ও ব্রাহ্মণমাহাত্ম্য কীর্ত্তন]]|{{pli|১৪|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/যজ্ঞসূত্র, তিলক ও ব্রাহ্মণমাহাত্ম্য কীর্ত্তন|যজ্ঞসূত্র, তিলক ও ব্রাহ্মণমাহাত্ম্য কীর্ত্তন]]|{{pli|১৪|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/শুকপক্ষি কর্ত্তৃক সিংহলদ্বীপ ও পদ্মাবতীবর্ণন|শুকপক্ষি কর্ত্তৃক সিংহলদ্বীপ ও পদ্মাবতীবর্ণন]]|{{pli|১৫|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/শিবের নিকট পদ্মাবতীর বরলাভ|শিবের নিকট পদ্মাবতীর বরলাভ]]|{{pli|১৭|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{2cols}} <noinclude>{{dtpl||{{em}}বিষয়।|পৃষ্ঠা।|dottext=}}</noinclude>{{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মাবতী স্বয়ম্বর|পদ্মাবতী স্বয়ম্বর]]|{{pli|১৭|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মাবতীর স্বয়ম্বর সভা প্রবেশ|পদ্মাবতীর স্বয়ম্বর সভা প্রবেশ]]|{{pli|১৮|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কামোন্মত্ত রাজগণের নারীভাব প্রাপ্তি|কামোন্মত্ত রাজগণের নারীভাব প্রাপ্তি]]|{{pli|১৯|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মাবতীর বিলাপ|পদ্মাবতীর বিলাপ]]|{{pli|১৯|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মাবতীর নিকট শুকের পুনর্গমন|পদ্মাবতীর নিকট শুকের পুনর্গমন]]|{{pli|২০|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/শুকপদ্মাবতীসংবাদ|শুকপদ্মাবতীসংবাদ]]|{{pli|২০|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/বিষ্ণুপূজাবিধি|বিষ্ণুপূজাবিধি]]|{{pli|২২|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/বিষ্ণুধ্যান|বিষ্ণুধ্যান]]|{{pli|২৪|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dhr}}{{rule|4em}}{{dhr|2em}} {{c|{{larger|দ্বিতীয় অংশ।}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/বিষ্ণুর সর্ব্বাঙ্গ পূজা কথন|বিষ্ণুর সর্ব্বাঙ্গ পূজা কথন]]|{{pli|২৭|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মার নিকট শুককর্ত্তৃক কল্কির পরিচয় প্রদান|পদ্মার নিকট শুককর্ত্তৃক কল্কির পরিচয় প্রদান]]|{{pli|২৮|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/শুকের পুনর্ব্বার শম্ভলযাত্রা|শুকের পুনর্ব্বার শম্ভলযাত্রা]]|{{pli|২৯|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কির সিংহলযাত্রা ও সিংহলপুরী বর্ণন|কল্কির সিংহলযাত্রা ও সিংহলপুরী বর্ণন]]|{{pli|২৯|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মাবতীর উৎকণ্ঠা|পদ্মাবতীর উৎকণ্ঠা]]|{{pli|৩০|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/জলকেলিচ্ছলে সখীগণের সহিত কল্কিদর্শনে পদ্মার সরোবরে গমন|জলকেলিচ্ছলে সখীগণের সহিত কল্কিদর্শনে পদ্মার সরোবরে গমন]]|{{pli|৩১|৭}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মার জলকেলি ও কদম্বকুঞ্জে কল্কিদর্শন|পদ্মার জলকেলি ও কদম্বকুঞ্জে কল্কিদর্শন]]|৩২|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পদ্মার সহিত কল্কির প্রেমসম্ভাষণ|পদ্মার সহিত কল্কির প্রেমসম্ভাষণ]]|৩২|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কিসমীপে বৃহদ্রথের গমন|কল্কিসমীপে বৃহদ্রথের গমন]]|{{pli|৩৩|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/কল্কির সহিত পদ্মাবতীর বিবাহ|কল্কির সহিত পদ্মাবতীর বিবাহ]]|{{pli|৩৪|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/রাজগণের কল্কিস্তব|রাজগণের কল্কিস্তব]]|{{pli|৩৪|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/অনন্ত মুনির বিবরণ|অনন্ত মুনির বিবরণ]]|{{pli|৩৮|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/অনন্ত মুনির আত্মবিবরণ|অনন্ত মুনির আত্মবিবরণ]]|{{pli|৪০|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/অনন্ত মুনির বিষ্ণুমায়া প্রভাবদর্শন|অনন্ত মুনির বিষ্ণুমায়া প্রভাবদর্শন]]|{{pli|৪০|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/পরমহংস কর্তৃক মায়ার শক্তিবর্ণন|পরমহংস কর্তৃক মায়ার শক্তিবর্ণন]]|{{pli|৪৩|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}} {{dtpl||[[কল্কিপুরাণ (রাজকৃষ্ণ রায়)/প্রথম অংশ/বিষ্ণুভক্তির মাহাত্ম‍্য|বিষ্ণুভক্তির মাহাত্ম‍্য]]|{{pli|৪৫|৬}}|dottext=…{{em|5}}…{{em|5}}…{{em|5}}}}<noinclude>{{2cols/e}}</noinclude> px9k4mdf6wptqx0bg16c8zyki9491d3 পাতা:বাংলায় বিপ্লব প্রচেষ্টা - হেমচন্দ্র কানুনগো (১৯২৮).pdf/২০ 104 864667 1991685 1900563 2026-07-31T03:59:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991685 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh|{{larger|৪|প্রথম পরিচ্ছেদ}}|}}</noinclude>বুয়রদের পথ অবলম্বন করি না কেন, এই প্রশ্নই বার বার আমাদের গল্পের মধ্যে উঠতে লাগল। {{ফাঁক}}বুয়রযুদ্ধের পূর্ব্বে আবিসিনিয়ায় ইতালীর পরাজয় এবং খুঁজলে, কালা আদ্‌মি দ্বারা গোরা লোকের পরাজয়ের আরও এক আধটা দৃষ্টান্ত পাওয়া যেতে পারে; কিন্তু এসব খবর আমাদের দেশের খুব কম লোকেই রাখে। তাই এ দেশের লোকের দৃঢ় ধারণা হয়ে গেছল যে, গোরার বিরুদ্ধে কালা কখনও জয়ী হতে পারে না। বুয়রযুদ্ধ থেকে আমাদের সে ধারণা উলটে গেল। বুয়ররা যদিও গোরা, তথাপি তখন বুঝে ফেলেছিলাম, তারা আমাদের তুলনায় অসভ্য মূর্খ। কারণ কোন প্রকারে অন্যকে চেঁচিয়ে ছোট বা অসভ্য জাহির করতে পার্‌লেই বড় হওয়ার গলদঘর্ম্মের দায়টাকে ফাঁকি দেওয়া সহজ হয়। এ প্রকৃতি শুধু আমাদের নয়—ভারতের সাধারণ লোক আমরা ত চির-কৃতদাস; যে কোন জাতি যখন হীন অবস্থায় থাকে, তখনই এই প্রকৃতি সম্পন্ন হয়, আসল কথা ছেড়ে অনেক দূরে এসে পড়েছি। যাক্‌। {{ফাঁক}}বুয়রদের পন্থাটি কিন্তু অবশেষে আমাদের পক্ষে নিতান্ত ঠিক ব’লে, একদিন শুভক্ষণে স্থির করে ফেলা গেল; অর্থাৎ কিনা সিক্রেট সোসাইটী গড়্‌তে হবে, এ মতলবটা আঁটা হয়ে গেল। {{ফাঁক}}পূর্ব্বে যা হয়েছে বা শাস্ত্রে যার আদেশ আছে, তা ছাড়া নতুন কিছু কর্‌তে হলেই আমরা সঙ্কোচ বা অনিচ্ছা বোধ করি। দাস প্রকৃতির এও একটা প্রক্কষ্ট লক্ষণ। আর তখনও আমাদের মধ্যে দৈব আদেশের ব‍্যাপারটা গজায়নি। কাজেই আমাদের মন আরও নজির খুঁজে নিয়েছিল। যেমন আমাদেরই মত দাস জাতি ইতালি, এই সেদিন মাত্র সিক্রেট সোসাইটা করেই স্বাধীন হয়েছে; রাসিয়া এই করেই কিছু কিছু অধিকার পাচ্ছে এবং পূর্ণ স্বাধীন হওয়ার আশা করে; চীনও তাই।<noinclude></noinclude> 1y5m7t1dboowsf38xo6poat8z33vkgj পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/১২৬ 104 864824 1992164 1968352 2026-07-31T04:26:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992164 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{left|লক্ষ্মী}}</noinclude>{{ফাঁক}}তাহাদের এমন নিরীহ ‘মা’টীর মুখে আজ সহসা এমন রাগের আভাষ পাইয়া একজন প্রৌঢ়া একজন কানা বৃদ্ধকে ধমক দিয়া, ‘মা’কে মিষ্টি করিয়া বলিল—“ও আজ নতুন এবাড়ী আস্‌চে মা—ও কিছু জানে না, ওর কথায় তুমি—” {{ফাঁক}}“সে জানুক্‌ আর না জানুক্—তোমরা অন্য বাড়ী দেখ’—” {{ফাঁক}}“এ বাড়ীতে কি দুটি খেতে পাবো না জননি?” {{ফাঁক}}“না, তোমরা যাও বাছা বেশী বিরক্ত কোরোনা আমাকে।” {{ফাঁক}}এইবার প্রৌঢ়াও বিরক্ত হইয়া ‘কত্তাম’শাই’—এর দিকে চাহিয়া বলিল, “ওমা, যাবো কি গো!—রবিবারে আমাদের যে পাওনা—” {{ফাঁক}}লক্ষ্মী জ্বলিয়া উঠিয়া বলিল— “পাওনা! এ বাড়ীতে কিছু গচ্ছিত রেখে গেছ নাকি, তাই পাওনা—মরণ দশা আর কি, কথা শোনোনা, বলে,—পাওনা।” {{ফাঁক}}এইবার প্রৌঢ়াকে ঠেলিয়া সরাইয়া দিয়া একটা বার তের বছরের ছোক্‌রা বলিল, “না গো মা, তা’ নয়— তবে ফি রবিবারে এ বাড়ীতে ভিক্ষে দেওয়া হয় কি না!” {{ফাঁক}}“হাঁ হয় তা’ জানি—কন্তু আর তা’ হ’বে না।” {{ফাঁক}}এইবার শরৎবাবু কথা কহিলেন, বলিলেন—“আহা দাওনা লক্ষ্মী— আমার ওপর রাগ ক’রে ও বেচারাদের আর অন্নটা মা’র কেন - ওরে ও হেমা—” {{ফাঁক}}হেমা নিজের ঘরের ভিতর হইতে রাগভরে বলিল,—“আমি আর কি ব’ল্‌বো বাবু—ভাঁড়ারের চাবি আজ ক’দিন থেকে কি আমার কাছে আছে, যে বার ক’রে দোবো—সে তো সেদিন মা নিয়ে নিয়েছে।” {{nop}}<noinclude>{{c|১২৪}}</noinclude> cmwplzmpvm3v2x15f57v6nsb6jjbqwu পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/১২৯ 104 864874 1991736 1906436 2026-07-31T04:04:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991736 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{right|লক্ষ্মী}}</noinclude>দিন কাটাইয়া দিল। চার দিনের দিন শুক্রবারে অমি ‘মাথামুড়্‌’ খুঁড়িয়া রক্তপাত হইয়া মরিবার ভয় দেখাইয়া স্বামীকে লক্ষ্মীর বাড়ী পাঠাইয়া দিল। গোকুল বরাবর আসিয়া অকারণ চাটুয্যে ম’শাইয়ের বাড়ীতে বসিয়া খানিক আড্ডা দিয়া পুনরায় বাহির হইয়া পড়িল। তারপর লক্ষ্মীদের বাড়ীর কাছাকাছি আসিয়া ছাতাটী বন্ধ করিয়া পথের ধারে একটা অশ্বত্থ গাছের তলায় কিছুক্ষণ দাঁড়াইয়া-দাঁড়াইয়া কি ভাবিল। অবশেষে কি একটা কথা মনে পড়িয়া যাইতেই হালদার মহাশয়ের বাড়ীর দিকে চলিল। ভাবিল সেখান হইতে ফিরিবার সময় লক্ষ্মীর বাড়ী ঘুড়িয়া যাইবে! কিন্তু জানি না কেন, সেদিন তাহা আর ঘটিয়া উঠিল না। {{ফাঁক}}তারপর আরো দুইটা দিন এম্‌নি করিয়াই কাটিরা গেল। তৃতীয় দিন অমিয়ার মুখ চাহিয়া গোকুল আর মিছামিছি বাড়ী ফিরিয়া যাইতে সাহস করিল না। বেলা আন্দাজ চারিটার সমর লক্ষ্মীদের উঠানে পা দিয়া মুখে হাসি আনিবার চেষ্টা করিতে করিতে ডাকিল—“ও লক্ষ্মীআমাদের ওদিকে আর—” {{ফাঁক}}লক্ষ্মী ঘরের মধ্যে কি করিতেছিল। গোকুলের ডাকে মাথার কাপড়টী অস্বাভাবিক রকমে টানিরা দিয়া দালানে আসিয়া বলিল— “আপনি এমন সময় এবাড়ী কেন—উনি এখন বাড়ী নেই—ঝিও তা’র মেয়ের বাড়ী গেছে”—সত্যই খেঁদীর মা বাড়ী ছিল না। {{ফাঁক}}গোকুল হো-হো করিয়া হাসিয়া উঠিয়া বলিল,—“শোধ নিচ্চিস্‌ বুঝিরে? কর্ত্তা নেই আমিও তা জানি—”—বলিতে বলিতে হাসিয়া অগ্রসর হইতে গেল। {{nop}}<noinclude>{{c|১২৭}}</noinclude> i2ct1m6s3i09qxkrk8hd3zi5rixn4ta পাতা:ভাঙা মঞ্চের মঞ্চিনী - দামিনী সেন (২০২২).pdf/৩২ 104 865216 1992138 1902078 2026-07-31T04:23:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992138 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{gap}}“এই অপরেশদার বৌদির আজ একটা অপারেশন আছে। ও-পজিটিভ রক্তের ডোনার তৈরি রাখতে বলেছে। একটু যাবি?” {{gap}}“মানে! আমায় রক্ত দিতে হবে? ওরে বাবা।” {{gap}}“ওরে বাবা মানে! রক্ত দিতে আবার ভয় কীসের রে?” {{gap}}“না মানে, ছুঁচ ফোটাবে তো। তার থেকে কত ধরনের ইনফেকশন হতে পারে জানিস? তাছাড়া কতটা রক্ত নিয়ে নেবে।” নিজের মনের ভয়টাকে আড়াল করতে দেওয়া এক্সকিউজগুলো যে ধোপে টেকে না, সেটা নিজেও বেশ টের পায় সুচি। {{gap}}“এই, তুই না কলেজে পড়িস। এ-সব কী বলছিস! আজকালকার ডিসপোজেবল সিরিঞ্জে ইনফেকশন ছড়ায়! আর তাছাড়া কত লোকই আকছার রক্ত দিচ্ছে। কার কত ইনফেকশন ছড়িয়েছে শুনেছিস রে?” বলতে বলতেই আবার হেসে ফেলে অনি। “চল, চল, রেডি হয়ে নে। তাছাড়া রক্ত যে লাগবেই, তারও তো কোনও কথা নেই। জাস্ট সতর্কতা। আর তোদের বাড়িতে যা খাওয়াদাওয়া, সাতদিনেই তুই আবার কাকীমার সেই লালটুস মেয়েটি হয়ে যাবি। সিওর।” কপট রাগে সুচির ছুঁড়ে মারা টেডি বিয়ারটার থেকে নিজের মাথা বাঁচাতে বাঁচাতে বলে ওঠে অনি। {{gap}}অবাক অপর্ণার চোখের সামনে দিয়েই লাফাতে লাফাতে উপর থেকে নেমে আসে দুই মেয়ে। “মা, একটু আসছি”, এর বেশি আর কিছু বলবারও প্রয়োজন বোধ করে না মেয়ে। গেছো বাঁদরটার সাথেই আরেকটা বাঁদর হয়ে কথাক’টি উচ্চারণ করতে করতেই লাফিয়ে নেমে যায় বাগানে। “আরে, আরে, যাস কোথায়। আমাদের দু’জনের তো বেরোনোর কথা একটু পরেই।” উদ্বিগ্ন অপর্ণা চেঁচিয়ে মরেন। “সে হবে। এখন একটু আসছি।” উত্তরটুকুর সাথেই ভেসে<noinclude>{{c|২৯}}</noinclude> qcu2esearlypc9dkyhocisz4qw1qgnt পাতা:বিদ্যাসাগর জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার (১৯১৩).pdf/১৮ 104 865341 1992124 1908783 2026-07-31T04:22:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992124 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{rh|জন্ম ও বাল্যজীবন।|৭}} {{rule}}</noinclude>{{ফাঁক}}“বিদ্যাভূষণ মহাশয়ের জীবদ্দশার এই মুখোপাধ্যায়পরিবারের স্বগ্রামে ও পার্শ্ববর্ত্তী বহুতর গ্রামে আধিপত্যের সীমা ছিল না। এই সমস্ত গ্রামের লোক বিদ্যাভূষণ মহাশয়ের আজ্ঞানুবর্ত্তী ছিলেন। অনুগত গ্রামবৃন্দের লোকদের বিবাদভঞ্জন, বিপন্মোচন, অসময়ে সাহায্যদান প্রভৃতি কার্য্যই বিদ্যাভূষণ মহাশয়ের জীবনযাত্রার সর্ব্বপ্রধান উদ্দেশ্য ছিল। অনেক অর্থ তাঁহার হস্তগত হইয়াছিল; কিন্তু সেই অর্থের সঞ্চয় অথবা স্বীয় পরিবারের সুখ সাধনে প্রয়োগ, একদিন একক্ষণের জন্যেও তাঁহার অভিপ্রেত ছিল না। কেবল অন্নদান ও সাহায্যদানেই সমস্ত নিয়োজিত ও পর্যয়বসিত হইয়াছিল। বস্তুতঃ প্রাতঃস্মরণীয় রাধামোহন বিদ্যাভূষণ মহাশয়ের মত অমায়িক, পরোপকারী ও ক্ষমতাপন্ন পুরুষ সর্ব্বদা দেখিতে পাওয়া যায় না।” {{ফাঁক}}“রাধামোহন বিদ্যাভূষণ ও তদীয় পরিবারবর্গের নিকট আমরা অশেষ প্রকারে যে প্রকার উপকার প্রাপ্ত হইয়াছি, তাহার পরিশোধ হইতে পারে না। আমার যখন জ্ঞানোদয় হইয়াছিল, মাতৃদেবী পুত্র কন্যা লইয়া মাতুলালয়ে যাইতেন, এবং এক যাত্রায় ক্রমান্বয়ে পাঁচ ছয় মাস বাস করিতেন, কিন্তু একদিনের জন্যও স্নেহ, যত্ন ও সমাদরের ত্রুটি হইত না। বস্তুতঃ ভাগিনেয়ী ও ভাগিনেয়ীর পুত্র কন্যাদের উপর এরূপ স্নেহ প্রদর্শন অদৃষ্টচর ও অশ্রুতপূর্ব্ব ব্যাপার। জ্যেষ্ঠা ভাগিনেয়ীর মৃত্যু হইলে, তদীয় একবর্ষীয় দ্বিতীয় সন্তান, বিংশতি বৎসর বয়স পর্যন্ত অবিচলিত স্নেহে প্রতিপালিত হইয়াছিলেন।” {{ফাঁক}}ভগবতী দেবী শৈশবকালে মাতুলালয়ে লালিত পালিত হইয়াছিলেন। বাল্যকালে তাঁহার কোন অধীত বিদ্যালাভ হয় নাই। কারণ দেশে<noinclude></noinclude> manbhmr1wt71fssybe66fiaqmwle6y1 পাতা:বিদ্যাসাগর জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার (১৯১৩).pdf/৩৮ 104 865368 1992125 1908773 2026-07-31T04:22:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992125 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{rh||বিবাহ ও বধূজীবন।|২৫}} {{rule}}</noinclude>হন নাই। গ্রামের অনেকেই লাখরাজ করিবার জন্য তাঁহাকে অনেক উপদেশ দিয়াছিলেন, কিন্তু তিনি কাহারও অনুরোধ রক্ষা করেন নাই। তদবধি বাস্তুভূমির ৯৷৵ টাকা কর আদায় হইয়া আসিতেছে, রামজয়ের মনোগত ভাব এই যে, নিষ্করে বাস করিলে, ভূস্বামী পুণ্যের অংশ গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং তিনি আজন্মকাল মনে মনে অহঙ্কার করিতে পারিবেন যে, আমি উহাকে চিরকালের জন্য বাসস্থান দান করিয়াছি; একারণ নিষ্করে বাস করিতে সম্মত হইলেন না। {{ফাঁক}}“বীরসিংহে কতিপয় দিবস অতিবাহিত করিয়া, তর্কভূষণ মহাশয় জ্যেষ্ঠপুত্র ঠাকুরদাসকে দেখিবার জন্য কলিকাতার প্রস্থান করিলেন। ঠাকুরদাসের আশ্রয়দাতার মুখে তদীয় কষ্টসহিষ্ণুতা প্রভৃতির প্রভূত পরিচয় পাইয়া, তিনি যথেষ্ট আশীর্ব্বাদ ও সবিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করিলেন। বড় বাজারের দরনাহাটার উত্তর-রাঢ়ীয় কায়স্থ ভাগবতচরণ সিংহ নামে এক সঙ্গতিসম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন। এই ব্যক্তির সহিত তর্কভূষণ মহাশয়ের বিলক্ষণ পরিচয় ছিল। সিংহ মহাশয় অতিশয় দয়াশীল ও সদাশয় মনুষ্য ছিলেন। তর্কভূষণ মহাশয়ের মুখে তদীয় দেশত্যাগ অবধি যাবতীয় বৃত্তান্ত অবগত হইয়া, প্রস্তাব করিলেন, আপনি অতঃপর ঠাকুরদাসকে আমার বাটীতে রাখুন, আমি তাহার আহার প্রভৃতির ভার লইতেছি; সে যখন স্বয়ং পাক করিয়া খাইতে পারে, তখন আর তাহার কোনও অংশে অসুবিধা ঘটিবে না। {{ফাঁক}}“এই প্রস্তাব শুনিয়া তর্কভূষণ মহাশয়, সাতিশয় আহলাদিত হইলেন; এবং ঠাকুরদাসকে সিংহ মহাশয়ের আশ্রয়ে রাখিয়া বীরসিংহে প্রতিগমন করিলেন। এই অবধি ঠাকুরদাসের আহারক্লেশের অবদান হইল।<noinclude></noinclude> 8334rlq803cu0svp3hedoyeyw9d987j পাতা:পরের-মেয়ে - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/১৩ 104 865394 1991672 1902746 2026-07-31T03:57:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991672 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{rh|১১||পরের-মেয়ে}}</noinclude>সে পাশের রান্নঘরে ঢুকিয়া পড়িল। পরের মেয়ে বিনোদিনী আগাইয়া আসিয়া দাওয়ার উপর থপ্‌-করিয়া বসিয়া পড়িলেন। {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে চারু আসন পাতিতে আসিলে, বিনোদিনী বেশ একটু গাম্ভীর্য্যের সহিত বলিলেন,—“আজ তোর কি হ’য়েচে চারু—মুখে হাসি নেই কেন?” {{ফাঁক}}চারু তাঁহার মুখপানে না চাহিয়াই কহিল—“না, কিছু হয়নি তো” বলিতে বলিতে ঘর হইতে গেলাস আনিতে গেল। বিনোদিনী বলিলেন,—"ও সব কা’র জন্যে জায়গা ক’রছিস চারু, আমি খাবো না!” {{ফাঁক}}এইবার চারু তাঁহার মুখপানে চাহিয়া বলিল,—“কেন খাবো না?” {{ফাঁক}}বিনোদিনী কেমন একপ্রকার স্বরে বলিলেন,—“তোর আজ কি হ’য়েছে না ব’ল্‌লে যদি আমি তোর বাড়ীতে এক গণ্ডুষ জল ও মুখে দিই তো আমার অতি বড় দিব্যি—” {{ফাঁক}}চারু জানিত, তিনি যে বিষয় একবার জিদ করিয়া বসিবেন। কাজেও ঠিক্ তাহা না করিয়া ছাড়িবেন না। তাহার জন্য যতই কেন ক্ষতি হউক না—তা’ সে কে জানে পরের, আর কে জানে বা নিজের। কাজেই সে আর উপায়ান্তর নাই দেখিয়া ছেলে মানুষের মত বলিল,—“ব’লবো তবে, কি হ’য়েছে ব’ল্‌বো?” {{ফাঁক}}এই বলিয়া সে ঠিক পাঁচ বছরের মেয়ের মত ঝোঁক দিয়া-দি মাথা নাড়িয়া-নাড়িয়া একটি-একটি করিয়া বলিল,—“এই—তুমি —আমায়—‘ও’—ব’লে—ডাক’—কেন?”<noinclude></noinclude> 7xtg0ighxu19l2x3x6bwcmqk6v0d423 পাতা:শিশুর শিক্ষা – শামসুন নাহার মাহমুদ (১৯৪৬).pdf/১৩ 104 865474 1991755 1903223 2026-07-31T04:05:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991755 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xxx-larger|'''গোড়ার কথা'''}}}} {{bc|<poem>::::“ইহাদের কর আশীর্ব্বাদ! {{ত্রিপদী|ধরায় উঠেছে ফুটি,|ক্ষুদ্র শুভ্র প্রাণগুলি|নন্দনের এনেছে সংবাদ।”|gap={{em|4}}|ml=4em}} </poem>{{overfloat right|—রবীন্দ্রনাথ}}}} শিশুপালন সম্পর্কে কিছু বলতে গেলেই সকলের আগে দুটো বিষয় আলোচনা করতে হয়,—শিশুর স্বাস্থ্যরক্ষা আর চরিত্র গঠন। স্বাস্থ্য এবং চরিত্র দুটোই মানুষের জীবনে খুব দরকারী জিনিষ, আবার দুটোই এমন ওতপ্রোত ভাবে সম্পর্কিত যে দুটোকে মোটেই আলাদা করে’ দেখা যায় না। একটা উদাহরণ দিই। ধরুন, শিশুর আহার। সকল শিক্ষিতা জননীই আজকাল জানেন যে, শিশুকে নির্দ্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত ভাবে খেতে দিতে হবে। নিরূপিত সময়ের বাইরে শিশু কাঁদলেও তার আহারের জন্য মাতা ব্যস্ত হবেন না, কারণ তাতে তার পরিপাকের বিষম অসুবিধা হবার আশঙ্কা। এইত গেল শারীরিক ক্ষতির কথা, তারপরে আরও একটা কথা আছে, যেটা স্বাস্থ্যের চেয়ে কিছু কম দরকারী নয়। সেটা হচ্ছে নৈতিক শিক্ষা (moral education)। শিশু কাঁদলেই যদি খাবার পায়, তা হলে কান্নাকে সে স্বার্থসিদ্ধির একটা অব্যর্থ অস্ত্র বলে জেনে নেবে। শুধু শৈশব জীবন বলে’ নয়, পরবর্ত্তী কালেও যখন তখন অন্যায় আবদার করে,’ অভিযোগ করে’ কাজ<noinclude>{{কেন্দ্র|৩}}</noinclude> jhbfj7dj5dnv3bvmi5fzfw4v8osl19b পাতা:বিদ্যাসাগর জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার (১৯১৩).pdf/১৬৬ 104 866684 1992126 1986408 2026-07-31T04:22:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992126 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="জয়শ্রীরাম সরকার" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ।}}}} {{কেন্দ্র|{{larger|সন্তানবাৎসল্য।}}}} ভগবতী দেবীর ন্যায় উন্নতহৃদয়া, উদারপ্রকৃতি গুণবতী রমণী সচরাচর দৃষ্টিগোচর হয় না। এমন মা না হইলে কি বিদ্যাসাগরের ন্যায় পুত্র জন্মে? মাতার সেই উন্নত হৃদয়ভাব সম্পূর্ণরূপে বিদ্যাসাগরে সংক্রামিত হইয়াছিল। তাঁহার ন্যায় মাতৃভক্ত পুত্রও অতি বিরল। বৃদ্ধ বয়সেও মাতার নাম করিলে, তাঁহার চক্ষুস্বর অশ্রুপূর্ণ হইত। কেহ তাঁহার নিকট ভিক্ষা করিতে আসিয়া যদি বলিত, ‘আমার মা নাই’, তাহা হইলে অশ্রুধারায় তাঁহার বক্ষঃস্থল প্লাবিত হইত। ‘মা’ নাম শ্রবণ করিলে বিদ্যাসাগর মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় হইতেন। ‘মা’ নামই যেন তাঁহার জীবনের সাধন মন্ত্র ছিল। তিনি সঙ্গীতবিদ্যা জানিতেন না। কিন্তু যে সঙ্গীতে ‘মা’ নাম আছে,সেই সঙ্গীত শ্রবণ করিতে তিনি অতিশয় ভাল বাসিতেন। ‘মা’ নাম পূর্ণ সঙ্গীত শ্রবণে তাঁহার ভক্তিপ্রবণ হৃদয়ের ভক্তিরস উদ্বেল হইয়া উঠিত। গগুস্থল বহিয়া প্রবলবেগে অশ্রুধারা নিপতিত হইত। এই মাতাপিতৃভক্ত ঈশ্বরচন্দ্রই একদিন কাশীধামের ব্রাহ্মণদিগকে মাতা-পিতার উদ্দেশে বলিয়াছিলেন, “তোমাদের বিশ্বেশ্বর, অন্নপূর্ণা কি তাহা আমি জানি না। আমার বিশ্বেশ্বর এই— আর আমার অন্নপূর্ণা এই। বিদ্যাসাগর আজীবন প্রত্যূষে শয্যাত্যাগ করিয়া মাতাপিতার প্রতিকৃতি প্রণাম না করিয়া গৃহ হইতে নিষ্ক্রান্ত হইতেন না। {{ফাঁক}}বিদ্যাসাগর মহাশয়ের তৃতীয় ভ্রাতা শম্ভুচন্দ্র বিস্তারত্নের বিবাহ উপ-<noinclude></noinclude> 3hkxq8ow3rz8wg28m90ogmm7mj3ksz4 পাতা:বিদ্যাসাগর জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার (১৯১৩).pdf/১৯৪ 104 866828 1992127 1984453 2026-07-31T04:22:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992127 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="জয়শ্রীরাম সরকার" />{{rvh|১৮০||ভগবতীদেবী।}}{{rule}}</noinclude>সব। বিশ্বেশ্বর ও অন্নপূর্ণার মন্দির জনতায় পরিপূর্ণ। বিবিধ বা ধ্বনিতে চতুর্দ্দিক মুখরিত! পুতহোমগন্ধে দশদিক আমোদিত! ‘হর’, ‘হর’, ‘বম্’, ‘বম্’ শব্দে চতুর্দিক বিকম্পিত! কাশীধামে সে দিন উৎসবের আনন্দস্রোত প্রবাহিত হইয়াছে। ভগবতী দেবী প্রাতঃকালে শয্যাত্যাগ করিয়া স্নান ও সন্ধ্যাবন্দনাদি সুসম্পন্ন করিলেন। তৎপরে দেবমন্দিরাদি দর্শনাভিলাষে গৃহ হইতে বহির্গত হইলেন। ভক্তিসহকারে দেবদর্শন, মন্দিরাদি প্রদক্ষিণ ও দানাদি কার্য্য সুসম্পন্ন করিয়া গৃহে প্রত্যাগত হইলেন। পরে স্বহস্তে রন্ধনাদি সমাপন করিয়া সকলকে ভোজন করাইলেন। {{ফাঁক}}ক্রমে সন্ধ্যা সমাগত হইল। ভগবতী পুনরায় সন্ধ্যাকালীন আরত্রিক দর্শন মানসে বহির্গত হইলেন। দেবদর্শন ও প্রণামাদি করিয়া গৃহে পুনরায় প্রত্যাগত হইলেন। পরিশেষে রন্ধনাদি কার্য্য সমাপনান্তর সকলের পরিচর্য্যা করিয়া স্বয়ং ভোজন করিলেন। ভোজনান্তেই শয়ন করা তাঁহার প্রকৃতিবিরুদ্ধ ছিল। কিয়ৎক্ষণ বসিয়া বিশ্রাম করিতেছেন এবং সকলের সহিত বিবিধ কথোপকথন করিতেছেন এমন সময়ে বিষম বিসূচিকা রোগে তিনি আক্রান্ত হইলেন। দীনবন্ধু দ্রুতপদে চিকিৎসকের নিকট গমন করিলেন। তিনি মুহূর্ত্ত মধ্যে চিকিৎসককে সঙ্গে লইয়া গৃহে প্রত্যাবৃত্ত হইলেন। সকলেই প্রাণপণে শুশ্রুষা করিতে লাগিলেন। কিন্তু রোগ ক্রমেই ভীষণ মূর্ত্তি ধারণ করিতে লাগিল। ক্রমে আরও দুই একজন চিকিৎসক আসিলেন। নিশাশেষে চিকিৎসকেরা পরামর্শ করিয়া বলিলেন, “জীবনের আর কোন আশা নাই!” {{ফাঁক}}ক্রমে রজনী প্রভাত হইল। পুনরায় কাশীধামের চতুর্দ্দিক বিবিধ<noinclude></noinclude> s4cnt16fg5bb34v5ifxdbk2kv5m3sib পাতা:বিদ্যাসাগর জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার (১৯১৩).pdf/১৯৫ 104 866830 1992128 1986414 2026-07-31T04:22:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992128 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="জয়শ্রীরাম সরকার" />{{rvh|১৮১|মৃত্যু।|}}{{rule}}</noinclude>বাদ্যধ্বনিতে মুখরিত ও স্পন্দিত হইতে লাগিল। পুনরায় হোমগন্ধে চতুর্দিক আমোদিত হইয়া উঠিল। পুনরায় ‘হর’, ‘হর’, ‘বম্’, ‘বম্’ ধ্বনিতে চতুর্দিক বিকম্পিত হইল!—এ সমস্ত কি কাশীধামের বিশ্বেশ্বর ও মহামারার পূজার আয়োজন? না,—সাধ্বী সতী ভগবতীর স্বর্গারোহণের আবাহন! সাধু পাঠকগণ! সাধ্বী পাঠিকাগণ! হৃদয় থাকে ও একবার উপলব্ধি করুন,—উপলব্ধি করিয়া নীরবে অশ্রুবিসর্জ্জন করুন। কারণ, সংসারে স্বর্গ, নরক বলিয়া কিছুই জানি না—এই মৃত্যুতেই স্বর্গ নরকের পরিচয়! পাপী, তাপী বলিয়া কিছুই জানি না, এই মৃত্যুতেই তাহার পরিচয়! সরল, কপটাচারী বলিয়া কিছুই জানি না, এই মৃত্যুতেই সে সকলের পরিচয়! সেইজন্য মৃত্যুই সাধুদিগের উপাস্য! তাঁহারা প্রেমভরে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করিয়া থাকেন! এই মৃত্যুই বিশুদ্ধ পবিত্র বহ্ণি!—ইহাই মানবাত্মাকে বিশ্বের পরপারে লইয়া যাইবার সময় পরিশুদ্ধ করে! {{ফাঁক}}ক্রমে মৃত্যু সন্নিকট দেখিয়া সকলে ক্রন্দন করিতে লাগিলেন! ভগবতী সকলকে ক্ষীণস্বরে সুমিষ্টবাক্যে সান্ত্বনা করিয়া, পরিশেষে পতির পদধূলি চাহিলেন। শান্ত, দাস্ত, ধৈর্য্যশীল ঠাকুরদাস এতক্ষণ পর্য্যন্ত স্থিরভাবে ছিলেন। কিন্তু এইবার তাঁহার ধৈর্য্যচুতি হইল। আর তিনি শোকাবেগ সংবরণ করিতে পারিলেন না। গণ্ডস্থল বহিয়া প্রবল বেগে অশ্রুধারা নিপতিত হইতে লাগিল। ক্রন্দন করিতে করিতে ঠাকুরদাস গদগদস্বরে বলিতে লাগিলেন, “তুমি সাধ্বী সতী! তোমাকে আমি আর কি আশীর্ব্বাদ করিব! তুমি নিজ পুণ্যবলে অগ্রেই গমন করিলে। তোমারই জন্ম হইল! তুমি যে সদা সর্ব্বদা বলিতে,—‘জপ তপ কর, কিন্তু মর্‌তে<noinclude></noinclude> 2bexbf2497et78gqlfs09oh4xi4ty4r পাতা:৮০ দিনে ভূপ্রদক্ষিণ - রাজেন্দ্রলাল আচার্য.pdf/১১৬ 104 867569 1991510 1934130 2026-07-30T17:28:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991510 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১০৭|অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ—তঙ্কাদিরি|}}</noinclude>{{ফাঁক}}অদূরে দাঁড়াইয়া গোয়েন্দা ফিক্স এ সমস্ত দেখিতেছিলেন। তিনি নিকটে আসিয়া মিঃ ফগকে জিজ্ঞাসা করিলেন,―“আপনিই না কাল আমাদের সঙ্গে রেঙ্গুন জাহাজে এসেছিলেন?” {{ফাঁক}}“হাঁ। তা’ আপনার সঙ্গে ত আমার সাক্ষাৎ—” {{ফাঁক}}“ক্ষমা করবেন। আপনার ভৃত্যের সঙ্গে এখানে দেখা পাব বলেই এসেছিলাম।” {{ফাঁক}}রাণী আউদা তাড়াতাডি জিজ্ঞাসা করিলেন, “তার সন্ধান কি আপনি দিতে পারেন?” {{ফাঁক}}বিস্ময়ের ভাণ করিয়া গোয়েন্দা উত্তর করিলেন, “আমি? না। সে কি আপনাদের সঙ্গে আসে নাই! এ ত বড় আশ্চর্যা কথা!” {{ফাঁক}}“না সে ত আসে নাই। কাল থেকেই সে অনুপস্থিত। হয় ত বা সে কর্ণাটিক জাহাজে চলেই গেছে।” {{ফাঁক}}“সে কি আপনাদের রেখেই চলে’ যাবে? আপনারাও বুঝি ঐ জাগজে যেতে চেয়েছিলেন?” {{ফাঁক}}“হাঁ।” {{ফাঁক}}“আমিও যাব মনে করেছিলেম। জাহাজখানা চলে যাওয়াতে বড় অসুবিধা হয়েছে। আমি খবর নিয়েছিলেম, শুনলেম যখন ছাড়ার কথা তার ১২ ঘণ্টা পূর্ব্বেই জাহাজখানা ছেড়ে যাবার জন্য প্রস্তুত হয়েছিল। ১২ দিনের মধ্যে ত আর অন্য জাহাজ পাওয়া যাবে না। বড়ই অসুবিধা হ’ল!” {{ফাঁক}}কথা বলিতে বলিতে ফিক্সের নয়নের কোণে অধরের প্রান্তে একটু মৃদু হাসি দেখা দিল। সে হাসি সরল হাসি নহে—তাহা সয়তানের হাসি। সে মনে মনে ভাবিতেছিল, আর ৮ দিন—তাহা হইইে ত পরোয়ানা হস্তগত হইবে। আর ভয় কি? {{nop}}<noinclude></noinclude> h2sblo3l0hpzxrnblji5mlr4yl0t77e পাতা:৮০ দিনে ভূপ্রদক্ষিণ - রাজেন্দ্রলাল আচার্য.pdf/১৩৬ 104 867592 1991511 1911818 2026-07-30T17:28:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991511 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১২৭|দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ—জগন্নাথের রথ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}“তোমার গায়ে একটু জোর-টোর আছে বলে’ বোধ হয়—কেমন?” {{ফাঁক}}“খেতে পেলেই আমার জোর হয়।” {{ফাঁক}}“তুমি গাইতে জান?” {{ফাঁক}}“জানি।” {{ফাঁক}}“এ গানের মধ্যে কথা আছে। মাটিতে মাথা রেখে পা দু’টো তুল্‌তে হ’বে। তোমার বাঁ পায়ের তেলোর উপর একটা লাটিম ঘুরবে আর ডা’ন পায়ের উপর একখানা তরোয়াল এমন করে রাখতে হবে যে না পড়ে। সেই অবস্থায় গান গাইতে হ’বে। পার্‌বে?” {{ফাঁক}}“ওসব কিছু কিছু জানা আছে বৈ কি।” {{ফাঁক}}“তবে ত বুঝলেই—এই তোমার কাজ। যদি পার তবে এস।” {{ফাঁক}}জিয়েন তন্মুহূর্ত্তেই সেই বাজীকরের দলে চাকুরি লইল। ভগবান্ টিঙ্গুর দীর্ঘনাসা ভক্তগণ অন্য জগন্নাথের রথ দেখাইবে। অভিনয়মণ্ডপে লোকারণ্য হইয়াছে, মধ্যে মধ্যে ঐক্যতান বাদন চলিতেছে। অভিনয় আরম্ভ হইল। {{ফাঁক}}পৃথিবীর মধ্যে জাপানীরাই সর্ব্বোৎকৃষ্ট বাজীকর বলিয়া সুপরিচিত। একজন কতকগুলি কাগজের টুকরা লইয়া তাহা দ্বারা পাখার বাতাসে প্রজাপতি ও পুষ্প প্রস্তুত করিতে লাগিল। আর একজন তাহার মুখনিঃসৃত চুরুটের ধূমে শূন্যে স্বাগত বাক্য রচিত করিয়া দর্শকদিগকে অভিনন্দন করিল। কেহ বা অন্যান্য কলা-কৌশল প্রদর্শন করিতে করিতে অলক্ষিতে অনেকগুলি আলোকবর্ত্তিকা নির্ব্বাপিত করিয়া দিল। আবার সেগুলি প্রজ্বালিত করিল। আর একজন বাজীকর কয়েকটা লাটিম ঘুরাইতে লাগিল। লাটিমগুলি নলের উপর উঠিতে লাগিল, কখনো বা নীচে নামিতে লাগিল—আবার তরবারির ধারের উপর দিয়া চলিতে আরম্ভ<noinclude></noinclude> q6hhtjz04rc19yf8ksgv3eh10bt1sds পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/৫৫ 104 867947 1991641 1913742 2026-07-31T03:54:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991641 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="সামিয়া সুলতানা মীম" />{{dhr|20em}} {{larger|{{বাম|শর্তের লগ্নিঘর}}}}</noinclude>যারা যায় তারা আসলে কতটুকু গন্তব্যের দিকে যায় যাত্রার ইচ্ছেপূরণে— যেতে যেতে দেখা যায় তীরবর্তী শহর ঈশ্বরগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদীর মেয়রের স্বর্গীয় যে সুখ— সে-ও তো এক যাত্রাবাড়ি— আসলে বিষয়টি না-সামাজিক, না-গণতন্ত্র— এবং বুকজোড়া ব্রহ্মপুত্র আমাদের শুকাতে শুকাতে ভরা মৌসুমেও যে খেলা দেখালো - তাতে দূতাবাস সমূহের হাত আছে এটা নিশ্চিত— আরো তো শর্তের লগ্নিঘর ফাঁপা তরমুজকেও করে তুলে খয়েরি বর্ণা— তাই চাচা আপন জান বাঁচা— এই রকম যাওয়ার কত শর্টকাট রাস্তাই তো থেকে যায়<noinclude>{{ডান|৫৫}}</noinclude> lxx168rejqcl6ceakro69ditb32ozar পাতা:জনপদে ঘোড়ামানুষ - সরকার আজিজ (২০০৯).pdf/৫৮ 104 867950 1991642 1981671 2026-07-31T03:54:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991642 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="সামিয়া সুলতানা মীম" />{{dhr|20em}} {{larger|{{বাম|ঝাল মরিচের দাগ}}}}</noinclude>বিত্তবানদের বাসায় যে ক’টা কাজের মেয়ে থাকে তাদের আচরণ— সকালে জানালা ফাঁক করে সূর্যের প্রথম আলো আসার আগেই গৃহকর্তার বেদম ঘুম আরো কয়েক ঘণ্টা যাবত স্থায়িত্ব লাভ করবে— অথচ প্রতিটা সকালেই থালা-বাটির কঠোর ঝাঁঝ গিন্নিদের চাইতে ওদের সহজ বলনে ও একটা নতুন পাজামা ও একটা স্কার্ফ এমন কী ঘুম থেকে ওঠে এবং স্নানের সময়ও পর্যন্ত গৃহকর্তার দৃষ্টি এড়াতে পারে না- ওরা জানে, গিন্নিরা সম্ভোগ-উপকরণ আর তাদের নিজেদের তামাটে বর্ণের আড়ালে যতটুকু অহম ও খুশি করার বস্তু রাখা আছে— প্রত্যাদেশীয় বর্ণনানুযায়ী যা অনেক প্রেরিত পুরুষের কপালেও জুটে নাই<noinclude>{{বাম|৫৮}}</noinclude> rwlgoig30vst0zigxwrkbzxkeswx5va পাতা:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf/৯ 104 868093 1991287 1989890 2026-07-30T16:27:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991287 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rh||প্রবাস-স্মৃতি|৩}}</noinclude>{{ফাঁক}}আমি বলিলাম, এত মন্দ নহে। সময়ের সদ্ব্যবহার করিবার একটা উপায় পাওয়া গেল। আজ নারীহৃদয়ের, স্পেক্ট্রম অ্যানালিসিস, রশ্মি-বিশ্লেষণ করিয়া দেখা যাক। কাহার মধ্য হইতে কি রঙের ছটা বাতির হয় সেটা কৌতুকাবহ পরাক্ষার বিষয় বটে। {{ফাঁক}}পরীক্ষা শুরু হল এবং চটা নানা রকমের বাহির হতে লাগিল। চলিতে চলিতে যাহাকে চোখে ধরে বলিয়া উঠি, বাঃ দিব্য! {{ফাঁক}}অমনি কেহ বা চট্‌ করিয়া খুসি হইয়া উঠে; প্রগল্‌ভ আনন্দের প্রকাশ্য হাসি একেবারে এক নিমেষে মুখচক্ষুর সমস্ত কোণ উপকোণ তাতে ঠিকরিয়া বাহির হয়। কাহারো বা লজ্জায় গ্রীবামূল পর্যন্ত রক্তিম শুইয়া উঠে; দ্রুত চকিত হৃৎপিণ্ড খামকা অনাবশ্যক উদ্বেগে দুটি কর্ণপ্রান্ত এবং শুভ্র কপোলকে উত্তপ্ত উদ্দীপ্ত করিয়া তোলে;— লজ্জাবতা নম্রশিরে, তরুণ হরিণীর মত, মুগ্ধদৃষ্টির তীক্ষ্ণ লক্ষ্য হইতে আপনাকে কোনমতে বাঁচাইয়া চলিয়া যায়। কাকাৰো বা মুখে এককালে দুইভাবের দ্বন্দ্ব উপস্থিত হয়, ভালও লাগে অথচ ভাল লাগা উচিত নয় এটাও মনে হয় দুই বিপরীত তরঙ্গ পরস্পরকে ব্যর্থ করিয়া দেয়; পসিও ফোটে না, বিরক্তিকেও যথোচিত অকৃত্রিম দেখিতে হয় না। কিন্তু কোন কোন মহীয়সী মহিলা অপমানদংশিত দ্রুতবেগে দৃঢ় পদক্ষেপে পাপের অপর পার্শ্বে চলিয়া গেছেন, তাঁহাদের জলত্তড়িৎ, রোষকটাক্ষপাত হইতেও আমরা বঞ্চিত হইয়াছি। আবার কোন কোন তেজস্বিনীর দুইটি দীপ্ত কালো চক্ষু, ভুল বানানের উপর প্রচণ্ড পরীক্ষকের কালো পেন্সিলের মত, আমাদের দুজনার মাথা হইতে পা পর্যন্ত সজোরে দুইটা কালো লাঞ্ছনার দাগ টানিয়া দিয়াছে, ক্ষণকালের জন্য আমাদের মনে হইয়াছে যেন বিধাতার রচনা হইতে আমরা এক দামে কাটা পড়িলাম। {{ফাঁক}}শেষকালে আমরা দুই উন্মত্ত জ্যোতির্বিদের মত নীল কৃষ্ণ ধূসর পিঙ্গল পাটল চক্ষুতারকার জ্যোতিষ্কমণ্ডলীর মধ্যে স্নিগ্ধ তাঁর রুষ্ট তুষ্ট স্থির চঞ্চল বিচিত্র রশ্মিজালে একেবারে নিরুদ্দেশ হইয়া গেলাম। যে সকল নব নব রহস্য আবিষ্কার করিতেছিলাম, তাহা কোন চক্ষুতত্ত্বে কোন অপ্‌টিক্‌স্ শাস্ত্রে আজ পর্যন্ত লিপিবদ্ধ হয় নাই। {{nop}}<noinclude></noinclude> pf4yhtkqu23ty6sagh5x9fn8dbxqkki পাতা:৮০ দিনে ভূপ্রদক্ষিণ - রাজেন্দ্রলাল আচার্য.pdf/২০৬ 104 868158 1991512 1934140 2026-07-30T17:28:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991512 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১৯৭|চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ—আউদা—প্রাণাধিকে”|}}</noinclude>{{ফাঁক}}“বিবাহ হ’তে পারে না।” {{ফাঁক}}“হ’তে পারে না—কেন?” {{ফাঁক}}“কাল হ’তে পারে না” {{ফাঁক}}“কেন?” {{ফাঁক}}“কাল রবিবার।” {{ফাঁক}}“না—সোমবার।” {{ফাঁক}}“আজ শনিবার।” {{ফাঁক}}“শনিবার? হ’তেই পারে না!” {{ফাঁক}}“আজ শনিবার—শনিবার। আপনার ভুল হয়েছে। আমরা নির্দ্দিষ্ট সময়ের ২৪ ঘণ্টা পূর্ব্বেই এসেছি! আর ১০ মিনিট মাত্র সময় আছে। আপনি উঠুন! {{ফাঁক}}জিয়েন মিঃ ফগকে আর কথা কহিতে দিল না। সবলে তাঁহার হস্ত ধারণ করিয়া টানিয়া লইয়া চলিল। মিঃ ফগ উর্দ্ধশ্বাসে ছুটিলেন। রাজপথে আসিয়া একখানি গাড়ীতে উঠিয়া চালককে কহিলেন,― {{ফাঁক}}“জলদি চালাও পল্‌মল্—হাজার টাকা বখশিস্!” {{ফাঁক}}নক্ষত্রবেগে গাড়ী ছুটিল। দুইটা কুক্কুর গাড়ীর নীচে পড়িয়া মরিয়া গেল—পাঁচ খানা বিপরীত গামী গাড়ী ধাক্কা লাগিয়া উল্টাইয়া পড়িল! মিঃ ফগ বলিতে লাগিলেন, “চালাও চালাও—হাজার টাকা বখশিস্!” {{ফাঁক}}৮টা ৪৫ মিনিটের সময় গাড়ী আসিয়া সংস্কার-সমিতির দ্বারদেশে থামিল। মিঃ ফগ গৃহমধ্যে প্রবেশ করিলেন। {{ফাঁক}}ফিলিয়াস ফগের ন্যায় সুদক্ষ হিসাবী পর্য্যটকের কেন এরূপ ভুল হইল? তিনি কি দিবস গণনা করিতেই ভুল করিয়াছিলেন? ইহার উত্তর অত্যন্ত সহজ। তিনি অজ্ঞাতে অল্পে অল্পে মোটের উপর ২৪ঘণ্টা<noinclude></noinclude> 23wwhpj551i8331orhv21w0kekpbf6f পাতা:পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯১০).pdf/১৫১ 104 868512 1992063 1914667 2026-07-31T04:18:54Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992063 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১৪১|বন্ধু}}</noinclude>{{ফাঁক}}অনেক দিন পরে একদিন বীরেন্দ্র বৌদিদিকে বাপের বাড়ী রাখিতে গিয়াছে। বীরেন সুকুমারী একলা বসিয়া গল্প করিতেছে। হঠাৎ বীরেন্দ্র বলিল “দেখ বন্ধু, শীগগির তোমার বিয়ে হবে—কিন্তু আমার সঙ্গে নয়—এটা ঠিক। যার সঙ্গেই হোক আমি কিন্তু চিরদিন তোমার বন্ধু থাকব। তুমি তোমার স্বামীর সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দেবে ত।” {{ফাঁক}}সুকুমারী হঠাৎ মুখ ফিরাইয়া সেখান হইতে উঠিয়া গেল। {{ফাঁক}}বীরেন্দ্র ও সুকুমারীর মিলন দুর্ঘট বলিয়াই প্রণয় ক্রমে ক্রমে খুব প্রগাঢ় ঘনিষ্ঠ হইয়া উঠিল। বীরেন্দ্রের বৌদিদি আজকাল প্রণয়-ব্যাপারে নূতন অভিজ্ঞতা লাভ করিতেছিল; সে সব বুঝিতে পারিল। একদিন সুকুমারাকে বলিল “হাঁলো, এমনি করেই কি আত্মহত্যা করতে হয়?” {{ফাঁক}}সুকুমারী কাঁদিয়া ফেলিল। তাহার দিদি তাহাকে কোলের কাছে টানিয়া লইয়া তাহার পিঠে হাত বুলাইয়া দিতে লাগিল। তাহারও অশ্রু ঝরিয়া পড়িতেছিল। {{ফাঁক}}সুকুমারীর বিবাহের সম্বন্ধ চলিতেছিল। তাহার দিদি একদিন বাবাকে বলিল “বাবা, বীরেন ঠাকুরপোর সঙ্গে সুকুর বিয়ে দিলে হয় না?” {{ফাঁক}}“সগোত্রে কি বিয়ে হয় রে পাগলি?” {{ফাঁক}}“কেন? ঐ যে পরিতোষদার হয়েছে!” {{ফাঁক}}“তারা যে ব্রাহ্ম।” {{ফাঁক}}“আমাদের কি কোনো মতে হতে পারে না।” {{ফাঁক}}“না। তা কি হয়।” {{ফাঁক}}“হলে কিন্তু বেশ হত।” {{ফাঁক}}“তা ত বুঝি, দুটি বোনে তোরা এক জায়গায় থাকতিস। কিন্তু তা যে হবার জো নেই।” {{ফাঁক}}বৌদিদি দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া প্রস্থান করিল। মনোভব যখন<noinclude></noinclude> b0uhvoboy9lz3usvpbuy9fi8v7nsnz2 পাতা:ধৰ্ম্মঘট - যতীন্দ্রনাথ পাল (১৯২০).pdf/৬৪ 104 870822 1992053 1933592 2026-07-31T04:16:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992053 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|ধর্ম্মঘট||৬২}}</noinclude>খাওয়াবার বন্দোবস্ত করে দিয়ে যেতে পারিস নি। পাজি—নচ্ছার চা।” {{ফাঁক}}কথা শেষ করিয়াই রামদুলালবাবু পুত্রবধূর মুখের দিকে চাহিলেন, কিন্তু হেমলতা যেমন দাঁড়াইয়াছিল তেমনই পাষাণের মত দাঁড়াইয়া রহিল,—এক পাও নড়িল না। রামদুলালবাবু আবার একটু নীরব থাকিয়া বলিতে লাগিলেন, “তার বারণ মানবার তোমার কোন দরকার নেই। স্বামী তোমার গুরু,— আমি আবার তোমার স্বামীর গুরু। কাজেই আমি তোমার গুরুর গুরু মহাগুরু। আমি যখন বল্‌ছি তখন তোমার কারুর কথা শোনবার দরকার নেই। যাও ছেলে মেয়েদের খাইয়ে আনগে!” {{ফাঁক}}আর হেমলতা চুপ করিয়া থাকিতে পারিল না অতি মৃদুস্বরে বলিল, “তিনি যে দিব্যি দিয়েছেন।” {{ফাঁক}}“দিব্যি দিয়েছে, ব্যাটার আস্পর্দ্ধা তো কম নয়।” রামদুলালবাবু গর্জ্জিয়া উঠিলেন, “তোমার {{SIC|দব্যটিব্যি|দিব্যটিব্য}} মানবার কোন দরকার নেই। ভারি দিব্যি দেনেওয়ালারে। আমি বল্‌ছি, যাও ছেলে মেয়েকে খাইয়ে নিয়ে এসগে।” {{ফাঁক}}হেমলতা তেমনি স্বরে আবার বলিল, “তা কেমন করে হয়।” {{ফাঁক}}রামদুলালবাবু রাগিয়া আগুণ হইয়া উঠিলেন, আস্ফালনও বড় কম করিলেন না কিন্তু কোন ফলই ফলিল না। শেষ অনুপায়, হইয়া আবার তিনি তাহার পুত্র বধুকে কত বুঝাইলেন, কত সাধাসাধি করিলেন কিন্তু হেমলতার মুখে সেই এক কথা তিনি যে<noinclude></noinclude> mhovmptt1m88g6t760rle7dlim92x4p পাতা:গুম খুন - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/৩৬ 104 871593 1991622 1934231 2026-07-31T03:52:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991622 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Atudu" />{{rh|৩৬|দারোগার দপ্তর, ১৯৪ সংখ্যা।|}}</noinclude>রাজারামকে এই প্রাচীরের গঠন বাঁকা হইয়াছে বলা হইল, তখন তাহার মুখের ভাব যেরূপ পরিবর্ত্তিত হইয়াছিল, তাহাতে স্পষ্টই জানিতে পারিয়াছিলাম যে, এই প্রাচীরের মধ্যেই কোন গুপ্ত রহস্য নিহিত আছে। {{ফাঁক}}“তাহার পর করিম খাঁর গলায় যে হার ছিল, তাহারই কিয়দংশ সেই পূর্ব্ব বাসস্থানের নিকট পাওয়া গিয়াছিল। বোধ কর, এ কথা তুমি আমার মুখে শুনিয়া থাকিবে। সেও এই রাজারামের কাজ। নির্দ্দোষী, পরম ধার্ম্মিক মুসলমান ফকিরদিগের স্কন্ধে আপনার দোষ আরোপ করাই উহার উদ্দেশ্য। কিন্তু রাজারাম পাকা লোক নহে। এই সকল ভয়ানক কার্য্যে হন্তক্ষেপ করিতে হইলে যেরূপ বুদ্ধির প্রয়োজন, রাজারামের সেরূপ তীক্ষ্ণবুদ্ধির অভাব। যে দিন সে করিম খাঁকে হত্যা করিয়া ছিল। সেই দিন রাত্রে ও পরদিন সকালে বেশ বৃষ্টি হইয়াছিল। পথ কর্দ্দমাক্ত হইয়াছিল। করিম খাঁর হার যদি তাহার পূর্ব্বে সেই স্থানে পড়িয়া থাকিত, তাহা হইলে উহা নিশ্চয়ই কর্দমাক্ত তইত। কিন্তু আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে, তাহাতে কাদার লেশ পাত্রও ছিল না। হার দেখিয়াই বোধ হইল, কোন লোক ফকিরদিগের উপর দোষারোপ করিবার জন্য এবং গোয়েন্দাকে বিপথে লইয়া যাইবার নিমিত্তই এ কার্য্য করিয়াছে। আমার হেড কনষ্টেবলের বিশ্বাস ছিল যে, করিম খাঁকে হত্যা করিবার সময় সে যখন নিতান্ত অস্থির হইয়াছিল, সেই সময়ে তাহার গলার তার ছিঁড়িয়া সেই স্থানে পড়িয়া যায়। কিন্তু আমার কথায় তাহার ভ্রম দূরীভূত হ‍ইয়াছিল। {{ফাঁক}}“আরও একটা ব্যাপারে রাজারামের উপর সন্দেহ অত্যন্ত<noinclude></noinclude> m70q8skulup8fuehje5h11qefzjhhxi পাতা:ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক-সংবাদ - দোম আন্তোনিও দো রোজারিও.pdf/১৪১ 104 872296 1991702 1925152 2026-07-31T04:01:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991702 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|৭৬|ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক-সংবাদ}}</noinclude><noinclude>{{block center/s}}<poem> ::::te carone omuq dhorile heo naxir polon. zormo cono din Mongolbare Brormo itiadi xober buzhio palon. ::::apone Brormer mohima xrystti heo bicharon.{{dhr}} </poem>{{block center/e}}</noinclude><noinclude>{{block center/s}}</noinclude><poem> ::::তে কারোণে অমুক ধরিলে হেও নাশীর পালোন। জর্মো কোনো দিন মঙ্গোলবারে ব্রর্মো ইত্যাদি সবের বুঝিও পালোন। ::::আপনে ব্রর্মের মহিমা সৃষ্টি হেও বিচারোণ। </poem> {{block center/e}}<noinclude></noinclude> 9zzu4e9wnrw5u62b6kqxkmoi3zhmmxr পাতা:কৃষক আন্দোলন ও মধ্যবিত্ত – সুশীল বসু (১৯৪১).pdf/৮৬ 104 873742 1991616 1934208 2026-07-31T03:51:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991616 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{C|{{xx-larger|'''পরিশিষ্ট'''}}}} {{ফাঁক}}পূর্ব্ববর্ত্তী অধ্যারগুলির আলোচনা হইতে দেখা গিয়াছে যে, কৃষক আন্দোলনের আবির্ভাব আকস্মিক নহে এবং সুদৃঢ় ভিত্তির উপর ইহার প্রতিষ্ঠা। মধ্যবিত্তদের সহিত কৃষকদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ এবং জাতির ভবিষ্যতের উপর কৃষক আন্দোলনের প্রভাবও অস্বীকার্য। সম্প্রদায় হিসাবে মধ্যবিত্তদের ভাগ্যও কৃষকদের সহিত অবিচ্ছেদ্য ভাবে জড়িত। এই অবস্থায় কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে মধ্যবিত্তদের পক্ষে উদাসীন বা নিরপেক্ষ থাকা সম্ভব নহে। তাঁহাদিগকে সুস্পষ্ট ধারণায় উপনীত হইয়া সুনির্দ্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে। {{ফাঁক}}কিন্তু, সম্প্রদায় হিসাবে মধ্যবিত্তেরা কৃষক আন্দোলনকে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সহিত গ্রহণ করিতে পারেন নাই। অথচ, পূর্ব্ববর্ত্তী আন্দোলন সমূহে ই হারাই প্রধান অংশ গ্রহণ করিয়াছেন এবং বলিতে গেলে ইহাদের দ্বারা এই সকল আন্দোলন পরিচালিত হইয়াছে। এই পার্থক্যের কারণ হইতেছে, পূর্ব্ববর্ত্তী আন্দোলন সমূহে কোন প্রকার আদর্শের দ্বন্দ্ব ছিল না। কৃষক, জমিদার, শ্রমিক মালিক প্রভৃতির সম্পর্ক এখনকার ন্যায়ই থাকিবে ও স্বাধীনতা আসিবে—ইহাই ছিল ধারণা। কিন্তু, কৃষক আন্দোলন এই আভ্যন্তরীণ বৈষম্যকে বদলাইতে চায় এবং প্রথমে তাহাকেই আঘাত করিতেছে। কাজেই, মধ্যবিত্তেরা ধাঁধায় পড়িয়া গিয়াছেন। তাঁহারা এতদিন শোষণ ব্যবস্থার অংশ হইয়া কাজ করিয়াছেন এবং জমিদারের প্রতিনিধি হইয়া, গাঁতিদার, তালুকদার ও মহাজন হইয়া কৃষকদিগকে শোষণ করিতেছেন। কৃষকদের সম্পর্কে এইভাবে ইঁহাদের প্রতিকূল মনোভাব গড়িয়া উঠিয়াছে। কৃষক আন্দোলনকেও এইজন্য ইঁহারা সুনজরে দেখিতে পারেন নাই।<noinclude></noinclude> apjxvt0kjd6qnmyni2ytvlpw4q1i60x পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/১৬ 104 873764 1991706 1928739 2026-07-31T04:02:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991706 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{block center/s|width=500px}}</noinclude>{{nop}} {{dotted TOC line|'''দশম অধ্যায়'''|||chapter-width=8em|chapter-align=left|dottext=&nbsp;}} {{dotted TOC line|&nbsp;|ঊনবিংশ শতকের মধ্যভাগে বাঙলা শাক্ত সাহিত্য|৩০৩–৩২৯|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|&nbsp;|(ক) মধুসূদন, নবীনচন্দ্র ও হেমচন্দ্রের শাক্ত সাহিত্য|৩০৩|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|&nbsp;|(খ) দেশ-মাতৃকা—স্বদেশী-সঙ্গীতে শক্তিবাদ|৩১০|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|&nbsp;|(গ) বিহারীলাল ও রবীন্দ্রনাথে শাক্ত-প্রভাব{{gap}}|৩২২|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|'''একাদশ অধ্যায়'''|||chapter-width=8em|chapter-align=left|dottext=&nbsp;}} {{dotted TOC line|&nbsp;|ওড়িয়া শাক্ত সাহিত্য|৩৩০–৩৪১|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|'''দ্বাদশ অধ্যায়'''|||chapter-width=8em|chapter-align=left|dottext=&nbsp;}} {{dotted TOC line|&nbsp;|মৈথিলী শাক্ত সাহিত্য|৩৪২–৩৬৪|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|'''ত্রয়োদশ অধ্যায়'''|||chapter-width=8em|chapter-align=left|dottext=&nbsp;}} {{dotted TOC line|&nbsp;|অসমীয়া শাক্ত সাহিত্য|৩৬৫–৩৮২|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5.5em}} {{dotted TOC line|'''চতুর্দশ অধ্যায়'''|||chapter-width=8em|chapter-align=left|dottext=&nbsp;}} {{dotted TOC line|&nbsp;|হিন্দী শাক্ত সাহিত্য|৩৮৩–৪১৮|symbol=…|spaces=8|chapter-width=1em|col3-width=5em}} {{dotted TOC line|'''সাধক, গ্রন্থকার ও গ্রন্থসূচী'''||৪১৯–৪২৪|symbol=…|spaces=8|chapter-width=12em|col3-width=5em||chapter-align=left}} {{dotted TOC line|'''শব্দসূচী'''||৪২৫–৪৩২|symbol=…|spaces=8|chapter-width=6.5em|col3-width=5em|chapter-align=left}} {{block center/e}} {{dhr}} {{rule|8em}}<noinclude></noinclude> bw9n3jqolvodmr3gitlu5niz7ftnidi পাতা:হজরত মোহাম্মদ - মোজাম্মেল হক (১৯৩৫).pdf/৩ 104 874022 1991851 1975235 2026-07-31T04:08:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991851 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{Block left|align=center|প্রকাশক-<br/>মোহাম্মদ আফজাল-উল হক্‌<br/>৩, কলেজ স্কয়ার; কলিকাতা}} {{dhr|15em}} {{Block right|align=center|শ্রীগৌরাঙ্গ প্রেস<br/>প্রিণ্টার – শ্রীপ্রভাত চন্দ্র রায়<br/>৭১।১ মির্জাপুর স্ট্রীট, কলিকাতা<br/>৮১।৩৬}}<noinclude></noinclude> o2jjcckjenfjconju9yoyjzt2tefhla পাতা:ভারত ও মধ্য এশিয়া - প্রবোধচন্দ্র বাগচী (১৯৫০).pdf/৬৯ 104 874137 1991705 1930174 2026-07-31T04:02:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991705 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh||কুচীয় পণ্ডিত কুমারজীব|৬১}}</noinclude>চীনযাত্রী যে সব বৌদ্ধ পণ্ডিত তুন্-হোয়াং-এ আসতেন তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে সে শাস্ত্রে তাঁর অধিকার গভীরতর হয়। ২৮৪ খৃষ্টাব্দে তিনি তুন-হোয়াং ছেড়ে চীনসাম্রাজ্যের রাজধানীতে যান এবং ২১১ খানি বৌদ্ধগ্রন্থ চীনা ভাষায় অনুবাদ করেন। এ সব অনূদিত গ্রন্থের অনেকগুলি এখনো পাওয়া যায়। {{ফাঁক}}তুন্‌-হোয়াং পল্লীর একান্তে একটি ছোটো নদীর ধারে অনুচ্চ পর্বতমালা; এই পর্বতের নানা গুহা বহুদিন ধরে তুন্-হোয়াং-এর প্রবাসী বৌদ্ধ সাধকদের আকৃষ্ট করেছিল। নিভৃতে সাধনা করবার এরূপ প্রকৃষ্ট স্থান আর সে প্রদেশে ছিল না। এই গুহাগুলি ক্রমশ বৌদ্ধমন্দিরে পরিণত হতে লাগল। খৃষ্টীয় চতুর্থ শতকের শেষভাগে যখন চীন-সাম্রাজ্য বৈদেশিক তুর্কী রাজাদের হস্তগত হল এবং সে রাজারা যখন বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করলেন, তখন তাঁদের উৎসাহ ও সাহায্য পেয়ে চীনদেশের নানাস্থানে বৌদ্ধধর্মের প্রচারকার্য চলন এবং সেই সঙ্গে নূতন নূতন বৌদ্ধ-প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে লাগল। {{ফাঁক}}ঠিক এই সময়েই তুন্‌-হোয়াং-এর গিরিগুহাগুলিকে একটি বিরাট বৌদ্ধ-প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবার চেষ্টা আরম্ভ হল। প্রতি গুহা চিত্রে ও ভাস্কর্যে সুশোভিত হল এবং সর্বসমেত এক হাজার বৌদ্ধ-মূর্তি নির্মিত হল। মধ্য এশিয়া ও চীন হতে বহু ভিক্ষু এখানে বৌদ্ধশাস্ত্রের পুঁথিপত্র নিয়ে এলেন এবং তু-হোয়াং-এর এই গুহামন্দিরগুলি হয়ে উঠল বৌদ্ধশাস্ত্র অধ্যয়ন ও আলোচনার একটি প্রধান কেন্দ্র। তুন্‌-হোয়াং-এ অন্যূন ৫০০ গুহা আছে। তন্মধ্যে প্রায় ৩০০ গুহা চিত্র ও ভাস্কর্যে শোভিত। সেগুলি মন্দির এবং অধ্যয়ন ও ধ্যান ধারণার স্থান হিসাবে ব্যবহৃত হত। অন্য গুহাগুলি ছিল ভিক্ষুদের বাসস্থান। অনুমান ১০০০ বৌদ্ধভিক্ষু এখানে আশ্রয় পেতেন। {{ফাঁক}}খৃষ্টীয় একাদশ শতকে আরব অভিযানের ফলে মধ্য-এশিয়ার<noinclude></noinclude> 3mb4wth99yxgocrj2xni28ckvegjfr8 পাতা:ভারত ও মধ্য এশিয়া - প্রবোধচন্দ্র বাগচী (১৯৫০).pdf/৬০ 104 874163 1992139 1984499 2026-07-31T04:24:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992139 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh|৫২|ভারত ও মধ্য এশিয়া|}}</noinclude>হিসাবে তাদের বিশেষ খ্যাতি ছিল। তাদের মধ্যে নানা প্রকারের যন্ত্রসংগীত ও কণ্ঠ-সংগীতের প্রচলন ছিল। সংগীতে তাদের অদ্ভুত পারদর্শিতা সম্বন্ধে চীনা সাহিত্যে নানা উল্লেখ আছে। বর্ষাকালে যখন বৃষ্টিপাত শুরু হত তখন কুচী শহরের সন্নিহিত পর্বতমালায় নানা জলপ্রপাত পরিপূর্ণ হয়ে উঠত, আর কুচীয় সংগীতজ্ঞেরা সেই জলপ্রপাতের শব্দকে অতি নিপুণভাবে সংগীতে রূপান্তরিত করতেন। খৃষ্টীয় ষষ্ঠ শতকের প্রথম ভাগে চীনা সম্রাট নানা দেশের সংগীত শোনবার জন্য এক বিরাট ‘জলসা’র আয়োজন করেন। এই ‘জলসা’য় জাপান, কম্বুজ, কাশগর, সুগ্ধ প্রভৃতি দেশ হতে শিল্পীরা আসেন এবং তৎসঙ্গে কুচীর শিল্পীরাও আসেন। সে ‘জলসা’য় কুচীদেশের শিল্পীরা এমন দক্ষতার সঙ্গে নানা যন্ত্রসংগীত ও কণ্ঠসংগীতের আলাপ করেন যে, পরিশেষে তাঁরাই সভায় শ্রেষ্ঠ আসন পান। কুচীয় সংগীতের অন্তত ২০টি বিভিন্ন সুরের উল্লেখ চীনা সাহিত্যে রয়েছে। খৃষ্টীয় ষষ্ঠ শতকের মধ্যভাগে সুজীব নামক এক শিল্পী চীনদেশে যান। চীনসাম্রাজ্ঞী কুচীয় সংগীত সম্বন্ধে তাঁকে অনেক প্রশ্ন করেন এবং সুজীব তাঁকে বলেন যে, কুচীয় সংগীতে সাতটি সুর-গ্রাম আছে। এই সুর-গ্রামগুলির যে নাম চীনা সাহিত্যে উল্লিখিত হয়েছে, তন্মধ্যে ষষ্ঠ সুরের নাম হচ্ছে পন্ চেন্ (= পঞ্চম), তৃতীয়ের নাম স’—লি-ছ (= ষড়জ), সপ্তম—ঋষভ, এবং চতুর্থ—সহগ্রাম। এ সব নাম যে ভারতীয় সংগীত শাস্ত্র হতে গৃহীত হয়েছিল তাতে কোনো সন্দেহ নাই, হয়তো তাদের প্রয়োগ ছিল কিছু পৃথক্‌। {{ফাঁক}}ভরুক হতে কুচী পর্যন্ত নানাস্থানে, বিশেষত কিজিল নামক স্থানে নানা গুহামন্দিরে প্রাচীন কুচীয় জাতির শিল্পকলার পরিচয় পাওয়া যায়। এই সব গুহামন্দিরকে বর্তমানে তুর্কীভাষায় মিং-উই বলা হয়; এ কথার অর্থ “হাজার মন্দির” এবং স্থানে স্থানে এই সব গুহামন্দির যে সংখ্যায় হাজার না হলেও খুব বেশি ছিল তাতে সন্দেহ নাই। কিজিলের মিং-<noinclude></noinclude> 3fnavwgh9nqd43qmgld85lpvs2yzfoh পাতা:ভারত ও মধ্য এশিয়া - প্রবোধচন্দ্র বাগচী (১৯৫০).pdf/৬৬ 104 874169 1991704 1986464 2026-07-31T04:02:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991704 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh|৫৮|ভারত ও মধ্য এশিয়া|}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|অগ্নিদেশ}}}} {{ফাঁক}}কুচী হতে যে পথ পশ্চিম মুখে গোবি মরুভূমির একপ্রান্ত হয়ে তুন-হোয়াং পর্যন্ত গিয়েছে, সেই পথের উপরেই প্রাচীন ‘অগ্নিদেশ’ অবস্থিত ছিল। এ দেশের নাম যে অগ্নিদেশ ছিল তা মধ্য এশিয়ার নানা পুঁথিপত্র হতেই জানা যায়; তা ছাড়া প্রাচীন চীনা ইতিহাসে এ দেশের নাম দেওয়া হয়েছে—‘ইয়েন্-কি’ বা ‘অ-কি-নি’ এবং সে সব নামও যে অগ্নি কথারই রূপান্তর তাতে সন্দেহ নেই। {{ফাঁক}}প্রাচীন অগ্নিদেশের রাজধানীর বর্তমান নাম কারাশর। পূর্বেই বলেছি যে, অগ্নিরাজ্যের অধিবাসীরা ছিল কুচীয় জাতির জ্ঞাতিভাই, আর তাদের মাতৃভাষা ছিল সেই ভাষারই একটি পরিবর্তিত রূপ, যার নামকরণ করা হয়েছে তুখারীয় (Tokharian)। এ নাম দেবার প্রধান কারণ হচ্ছে যে, প্রাচীন তুর্কী ভাষায় ‘মৈত্রেয়সমিতি’ নামক বৌদ্ধনাটকের এক প্রাচীন তুর্কী অনুবাদ পাওয়া গিয়েছে এবং সেই অনূদিত গ্রন্থের শেষে বলা হয়েছে যে, এ গ্রন্থ অনূদিত হয়েছিল “তোখ্‌রি” ভাষা হতে। অপর পক্ষে, অগ্নিদেশের প্রাচীন ভাষাতেও এই নাটকের অনুবাদের এক খণ্ডিত পুঁথি পাওয়া গিয়েছে। এই থেকে অনুমান করা হয়েছে যে, তুর্কী অনুবাদের মূল হচ্ছে এই অগ্নিদেশের ভাষায় অনূদিত গ্রন্থ; অতএব ‘তোখ্‌রি’ বা ‘তুখারীয়’ ভাষা হচ্ছে সেই অগ্নিদেশের ভাষা। এ অনুমান এখনও প্রমাণসাপেক্ষ বলে, এবং প্রকৃত তুখার জাতি এদেশে কোনো দিন বাস করত কি না সে সম্বন্ধে নিশ্চয়তার অভাবেই, অনেকে অগ্নিদেশের ভাষাকে “অগ্নিক” বলা যুক্তিসংগত মনে করেন। {{ফাঁক}}সে যা হক এই অগ্নিক ভাষা ছিল আর্য ভাষা এবং সে ভাষায় অনূদিত বৌদ্ধশাস্ত্রের নানা গ্রন্থের খণ্ডিতাংশ মধ্য এশিয়ায় আবিষ্কৃত হয়েছে। কুচীকদের মতো সে দেশের অধিবাসীরাও সর্বাস্তিবাদ-সম্প্রদায়ের<noinclude></noinclude> kepbrx5r9w8pgwgajx3990xo6bjwf9j পাতা:সাঁওতাল মুক্তধারায় প্রবেশ (২০০১).pdf/৫৮ 104 874408 1992167 1930626 2026-07-31T04:28:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992167 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>এই উৎসব প্রায় সব সাঁওতাল গ্রামে হয়। প্রত্যেক দিনের আলাদা আলাদা নাম আছে—প্রথম দিন হল ‘উম’ তার পরের দিনগুলি ‘বোঙ্গা দাকা’, ‘খুণ্টৗ’, ‘জালে’ ও শেষ দিন ‘সাকরাৎ’। {{ফাঁক}}প্রথম দিন উম, নাইকি সকাল বেলায় স্নান সেরে পূর্ব দিকে মুখ করে কাঠের হামানদিস্তা (তুক-উখুড়) হাতে নিয়ে আতপ চাল তৈরি করে তাই দিয়ে পূজা করে। এই পূজা মাঠে হয়। নাইকি একটি নূতন কুলোয় চালের গুড়ি, সিন্দুর, এক ঘটি জল, এক ঢেলা গোবর ও কতকগুলি মুরগি নিয়ে মাঠে যায় এবং এক জায়গায় একটু সাজিয়ে নিয়ে মুরগিগুলোকে সিন্দুর লাগিয়ে চাল গুড়ি খেতে দেওয়া হয়। তারপর মারাং বুরুর নামে সেগুলিকে বলি দেওয়া হয়। এর পর জাহের এরার নামে পূজা করা হয় এবং এই বোঙ্গার জন্য যে মুরগি থাকে তাকে বলি দেওয়া হয়। পূজা শেষ হওয়ার পর একটি আস্ত ডিম পূজার জায়গায় কিছু দিয়ে ঢেকে রাখা হয় এবং বিকেল বেলা রাখালরা সেই জায়গার উপর গরু ছুটিয়ে দেয়। কার গরু ডিমে পা দিয়েছে দেখা হয় এবং সেই চিহ্নিত গরুকে জল ছিটিয়ে তেল সিন্দুর মাখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গরুতে ডিমে পা দেওয়া খুবই শুভ লক্ষণ এবং যার গরু তার শুভ দিন আসন্ন—এই বিশ্বাস করা হয়। এই সবের পর মাদলের আওয়াজে চারপাশ ভরে যায় এবং গ্রামের লোকেরা গান গাইতে গাইতে বাড়ি ফিরে আসে। এই পরবে যুবকদের বেশ বড় ভূমিকা—তারা মাদল বাজিয়ে প্রত্যেক বাড়িতে গিয়ে গো-বন্দনার গান<noinclude>{{c|৪৬}}</noinclude> fbys3ykaqq7evaiotvtkvrevqnhierq পাতা:ভারত ও মধ্য এশিয়া - প্রবোধচন্দ্র বাগচী (১৯৫০).pdf/১০ 104 874411 1991703 1930629 2026-07-31T04:02:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991703 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunno" />{{rh|২|ভারত ও মধ্য এশিয়া|}}</noinclude>{{ফাঁক}}এ দেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমানায় থিয়েশান্ পর্বতমালা অবস্থিত, পশ্চিমে পামির ও কারাকোরাম, আর দক্ষিণে কুন্‌-লুন্ পর্বতশ্রেণী। পূর্বদিকে এ দেশ চীনের সীমান্তবর্তী পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত। মধ্যস্থলে গোবি মরুভূমির যে বিস্তৃত মরুশাখা অবস্থিত বর্তমান কালে তার আখ্যা দেওয়া হয়েছে তারিম অথবা তাক্‌লামাকন্। এই মরুভূমিই এ দেশের আবহাওয়াকে শুষ্ক করে তুলেছে এবং সেইজন্য মরুভূমির চতুর্দিকে যে সব জনপদ অবস্থিত, সেগুলি অনুর্বর। মধ্য এশিয়ার উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের পর্বতশ্রেণী হতে জল আহরণ ক’রে দুটি নদী প্রবাহিত। এই নদী দুটির নাম কাশগর-দরিয়া ও ইয়ারকন্দ-দরিয়া। এরা মধ্যপথে একত্র মিলিত হয়ে মধ্য এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব ভাগে লব-নোর (লবণ-হ্রদ) নামক হ্রদে পতিত হয়েছে। নদী দুটির সমবেত ধারা তারিম (Tarim) নামে অভিহিত; খুব সম্ভব এই নদীকেই আমাদের পুরাণকারের। সীতানদী নামে উল্লেখ করেছেন। নদীগুলি তাদের উৎপত্তিস্থলে জলপূর্ণ থাকলেও মরুভূমির নিকটবর্তী স্থানে শুষ্কপ্রায়। {{ফাঁক}}এ দেশে বৃষ্টিপাত অতি অল্প, সে বৃষ্টিধারাও বহু স্থানে মরুভূমির তপ্ত হাওয়ায় মিশিয়ে যায়; আবার শীতকালে সাইবিরিয়া হতে উত্তরের হাওয়া এমন প্রচণ্ডভাবে বইতে থাকে যে, এ দেশে মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে ওঠে। হাওয়ার তাপ তখন প্রায়ই –৩৫° ডিগ্রিতে নেমে যায়। আবহাওয়ার এই অত্যাচারে এই বিস্তৃত দেশের জনসংখ্যা ২০ লক্ষের বেশী নয়, অথচ দেশের বিস্তৃতি বাংলা দেশের চাইতে অনেক বেশী। {{ফাঁক}}মধ্য এশিয়ায় জনপদ ও নগরগুলি মরুভূমির উত্তর ও দক্ষিণ সীমায় অবস্থিত। দক্ষিণে কাশগর, ইয়ারকন্দ, খোটান; উত্তরে মারালবাশি, কুচার, কারাশর, তুর্ফান ইত্যাদি। এ প্রদেশের দুটি প্রধান পথ এই<noinclude></noinclude> 8shpzpe6vhxvuv8mbfvvczo5hp6icyq পাতা:পরিণীতা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৭).pdf/৯ 104 874433 1991670 1930662 2026-07-31T03:57:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991670 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunno" />{{rh|পরিণীতা||৫}}</noinclude>একজন দীর্ঘায়তন বলিষ্ঠ সুন্দর যুবা ধরে প্রবেশ করিল। {{ফাঁক}}গুরুচরণ বলিলেন, বোসো, আজ সকালে তোমার খুড়িমার কাণ্ডটা শুনেচ বোধ হয়? {{ফাঁক}}শেখর মৃদু হাসিয়া বলিল, কাণ্ড আর কি, মেয়ে হয়েছে তাই? {{ফাঁক}}গুরুচরণ একটা নিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন, তুমি ত বল্‌লে তাই, কিন্তু তাই যে কি, সে শুধু আমিই জানি যে! {{ফাঁক}}শেখর কহিল, ও রকম বল্‌বেন না কাকা, খুড়িমা শুনলে বড় কষ্ট পাবেন। তা ছাড়া ভগবান যাকে পাঠিয়েছেন তাকেই আদর-আহ্লাদ করে ডেকে নেওয়া উচিত। {{ফাঁক}}গুরুচরণ মুহূর্ত্তকাল মৌন থাকিয়া বলিলেন, আদর-আহ্লাদ করা উচিত, সে আমিও জানি! কিন্তু বাবা, ভগবানও ত সুবিচার করেন না। আমি গরীব, আমার ঘরে এত কেন? এই বাড়িটুকু পর্য্যন্ত তোমার বাপের কাছে বাধা পড়েচে, তা পড়ুক, সে জন্যও দুঃখ করিনে শেখর, কিন্তু এই হাতে হাতেই দেখ না বাবা, এই যে আমার ললিতা, মা-বাপ মরা সোনার পুতুল একে শুধু রাজার ঘরেই মানায়। কি করে একে প্রাণ ধরে যার তার হাতে দিই বল? রাজার মুকুটে যে কোহিনুর জলে, তেমনি কোহিনুর রাশীকৃত ক’রে আমার এই মা’টিকে ওজন করলেও দাম হয় না। কিন্তু কে তা বুঝ্‌বে! পয়সার অভাবে এমন রত্নকেও আমাকে বিলিয়ে দিতে হবে! বল দেখি বাবা, সে সময়ে কি রকম শেল বুকে বাজবে? তেরো বছর বয়স হ’ল, কিন্তু হাতে আমার এমন তেরোটা পয়সা নেই যে একটা সম্বন্ধ পর্য্যন্ত স্থির করি। {{ফাঁক}}গুরুচরণের দুই চোখ অশ্রুপূর্ণ হইয়া উঠিল। শেখর চুপ করিয়া রহিল। গুরুচরণ পুনরায় কহিলেন, শেখরনাথ, দেখো ত বাবা, তোমার বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে যদি এই মেয়েটার কোন গতি ক’রে দিতে পার।<noinclude></noinclude> qfobg8p3tagfcx6n19vjq8xwe0j16vt পাতা:পরিণীতা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৭).pdf/১৪ 104 874443 1991671 1930673 2026-07-31T03:57:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991671 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tarunno" />{{rh|১১||দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ}}</noinclude>সস্তান হইতে পারার ভাগ্যটাকেই সে কায়মনে ভগবানের সব চেয়ে বড় দান বলিয়া মনে করিত। {{ফাঁক}}মা বলিলেন, বেশ—ব’লে চুপ ক’রে রইলি যে রে! {{ফাঁক}}শেখর আবার হাসিয়া মুখ নিচু করিয়া বলিল, যা জিজ্ঞেস করলে তাই ত বল্‌লুম! {{ফাঁক}}মাও হাসিলেন, বলিলেন, কই বল্‌লি? রঙ্‌ কেমন ফর্সা? কার মত হবে? আমাদের ললিতার মত? {{ফাঁক}}শেখর মুখ তুলিয়া বলিল, ললিতা ত কালো মা, এর চেয়ে ফর্সা। {{ফাঁক}}মুখ চোখ কেমন? {{ফাঁক}}তাও মন্দ নয়। {{ফাঁক}}তবে কর্ত্তাকে বলি? {{ফাঁক}}এবার শেখর চুপ করিয়া রহিল। {{ফাঁক}}মা ক্ষণকাল পুত্রের মুখের দিকে চাহিয়া থাকিয়া হঠাৎ জিজ্ঞাসা করিয়া উঠিলেন, হাঁ রে, মেয়েটি লেখাপড়া শিখেছে কেমন? {{ফাঁক}}শেখর বলিল, সে ত জিজ্ঞেস করি নি মা! {{ফাঁক}}অতিশয় আশ্চর্য্য হইয়া মা বলিলেন, জিজ্ঞেস করিস নি কি রে! যেটা আজকাল তোদের সব চেয়ে দরকারি জিনিস সেইটেই জেনে আসিস্ নি? {{ফাঁক}}ছেলের কথা শুনিয়া একবার তিনি অতিশয় বিস্মিত হইয়া ক্ষণকাল তাহার মুখপানে চাহিয়া থাকিয়া হাসিয়া উঠিয়া বলিলেন, তবে তুই ওখানে বিয়ে করবি নে দেখচি। {{ফাঁক}}শেখর কি একটা বলিতে যাইতেছিল, কিন্তু এই সময় ললিতাকে ঘরে ঢুকিতে দেখিয়া চুপ করিয়া গেল। ললিতা ধীরে ধীরে ভুবনেশ্বরীর পিছনে আসিয়া দাঁড়াইল, তিনি বাঁ হাত দিয়া তাহাকে সুমুখের দিকে টানিয়া আনিয়া বলিলেন, কি মা? {{nop}}<noinclude></noinclude> ajod3lljr0c4zty3msthaa9xlb8pp1m পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/২১ 104 874516 1991660 1977568 2026-07-31T03:55:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991660 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh||বর্দ্ধিষ্ণু ভীতি|৯}}</noinclude>ইত্যাদি’। তুমি অনুপস্থিত ছিলে বলিয়া, স্বতঃই তোমার কথা আমার মনে হইয়াছিল, এবং বিস্মিত হইয়া ভাবিয়াছিলাম যে, তুমি কোন্ পথে চলিবে তাহা কি নির্ব্বাচন করিয়াছ? আমি আশা করি, তুমি তাহা করিয়াছ। {{ফাঁক}}স্নেহের এইচ, মনে রাখিও, নির্দ্ধারণে ইতস্তত করা, যীশু যে পরিত্রাণ দেওয়ার জন্য ব্যস্ত তাহা প্রত্যাখ্যান করার তুল্য দূষণীয়। {{ফাঁক}}তুমি যদি এ বিষয়ে কোন মীমাংসা না করিয়া থাক, তাহা হইলে এখনই কর। আর দেরি করিও না। {{ডান|তোমার স্নেহের<br/> এল্‌ এম্ ম্যাক্}} {{ফাঁক}}আমি সেই দিনই নির্দ্ধারণ করিয়াছিলাম। কিন্তু, নিজের শক্তিতে নহে। আমার সম্পূর্ণ দুর্ব্বলতা অনুভব করিয়া, আমি প্রার্থনা করিলাম, ‘হে পরমেশ্বর, আমাকে রক্ষা কর। আমি এত পীড়িত এবং এরূপ দুর্ব্বল যে, আমি আমাকে কোন সাহায্য করিতে অসমর্থ।’ বলিলাম, তাঁহারই সব করিতে হইবে। এই নির্দ্ধারণের পর, আমি খুব আনন্দিত বোধ করিলাম, এবং সেই সময়ের জন্য আমার কষ্ট ও গ্লানি যেন প্রায় ভুলিয়া গেলাম। {{ফাঁক}}আমি অমূল্য রত্ন লাভ করিলাম, আমার চিত্ত উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। {{rule|5em|height=2px}} {{nop}}<noinclude></noinclude> lcvyk6veihnx8h8vlk8btejaftbqfek পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/২৩ 104 874749 1991661 1931093 2026-07-31T03:55:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991661 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh||বিশ্বাসী জীবনের সূত্রপাত ও কর্ম|১১}}</noinclude>অধিকাংশ ছাত্রীই সেই পথের পথিক হইয়াছেন, তখন তাঁহার আরও আনন্দ হইল! আহা, আমরা একত্রে কি সুখেই দিন কাটাইয়াছি! {{ফাঁক}}আবার আমার হাত একটু ভাল হইল, এবং আমি অল্প অল্প লিখিতেও পারিলাম। সেজন্য ১৮৭৬ সনের নভেম্বর মাসে আমি এস্ এস্ ইউনিয়নের লুকের সুসমাচার বিষয়ক পরীক্ষা দিলাম, এবং তাহাতে উত্তীর্ণ হইয়া আমার শিক্ষকের নিকট হইতে একটি প্রশংসাপত্র ও একখণ্ড বাইব্‌ল্‌ (a paragraph Bible) গ্রন্থ প্রাপ্ত হইলাম। {{ফাঁক}}আমার জীবনে যাহাই ঘটুক না কেন, আমি যীশুর নিকট যাইতেছি, যেখানে কোন দুঃখ কি অবসাদ থাকিতে পারে না, এই বিশ্বাসে দুঃখের ভিতরেও আমার চিত্ত পরমানন্দে পূর্ণ ছিল, এবং আমি সম্পূর্ণরূপে ভুলিয়া গিয়াছিলাম যে, আমার জীবনে বেদনা ও দুঃখের বোঝা ভিন্ন অপর কোন বোঝা আসিতে পারে, অথবা আসিবে, এবং আমাকে বহু সংগ্রাম করিতে হইবে। {{ফাঁক}}১৮৭৭ সনে এক দিন অপরাহ্ণে, আমাদের রবিবাসরীয় বিদ্যালয়ের পর, আমাদের অত্যন্ত প্রিয়া শিক্ষয়িত্রী তাঁহার ক্লাসের সকল বালিকাদিগকে বলিলেন, শীঘ্রই তাঁহার বিবাহ হইবে, এবং আগামী রবিবারের পর তিনি আর স্কুলে আসিতে পারিবেন না। আমার নিকট ইহা একটি অভাবনীয় ঘটনা বলিয়া মনে হইল, এবং ইহাতে আমার<noinclude></noinclude> p28zihfh2rv041qv293gmk5kppwhpxy পাতা:ভূঁই-চাঁপা - দীনেশরঞ্জন দাশ (১৯২৫).pdf/৯ 104 875472 1991708 1958190 2026-07-31T04:02:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991708 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{right|চম্পা}}</noinclude>কামনা করিত। এমনি ধারা নিয়মের ভিতর তাহাদের ক্ষুদ্র সংসারের সব কাজ সম্পন্ন হইত। কিন্তু আজ নারাণের এরূপ অনিয়ম দেখিয়া চম্পার মনে যেন কেন একটু ভয় আসিল, পূজার পাট্ সাজাইতে সাজাইতে সে কত কি ভাবিতে লাগিল। কত যে ছিন্ন ছিন্ন বিভীষিকার ছবি তাহার মনে আসিয়া দেখা দিতে লাগিল, তাহার সীমা নাই। চম্পা অনেক চেষ্টা করিয়াও যেন সেগুলি তাড়াইতে পারিল না। বারে বারে সে চম্‌কাইয়া উঠিতে লাগিল। তাহার চোখ ভরিয়া জল আসিল, আঁচল দিয়া বারে বারে মুছিয়াও সে কান্না থামাইতে পারিল না। কিসের জন্য যে, তাহার এমন কান্না আসিল তাহাও সে ভাবিয়া উঠিতে পারিল না। একটা অস্পষ্ট উতলা বিষাদের অবসন্নতা যেন তাহাকে ঘিরিয়া ধরিল। {{ফাঁক}}নারাণ স্নান করিয়া আসিয়া দেখিল, চম্পার কপালের চুলের উপর ফোঁটা ফোঁটা শিশির-বিন্দুগুলি ঝরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু তাহার চোখ ভরিয়া জল টল টল্ করিতেছে। নারাণ অবাক হইয়া চাহিয়া রহিল। সস্নেহে ডাকিল, চম্পা, কি হয়েছে রে? {{ফাঁক}}চম্পা কথা বলিতে পারিল না। দাঁড়াইয়া উঠিয়া ‘বাবা’ বলিয়া নারাণকে জড়াইয়া ধরিল; তাহার রুদ্ধ অশ্রু যেন এতক্ষণে ছাড়া পাইল। নারাণের বুকের উপর পড়িয়া সে প্রাণ ভরিয়া কাঁদিতে লাগিল। {{nop}}<noinclude>{{left|৫}}</noinclude> 2un9rpcxqzjzqv5qpni4syjkgkpgfjk পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৮০ 104 875837 1991197 1935109 2026-07-30T16:19:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991197 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh|৬৮|তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব|}}</noinclude>আনন্দ বিরাজ করে; সর্ব্বাপেক্ষা সৌভাগ্যের কথা এই যে, সেখানে আমরা যীশুকে দেখিব। তখন আমি পরিতৃপ্ত হইব, এবং অতীত পরীক্ষার সকল কথা ভুলিয়া যাইব। এখনও যখন আমি আমার অতীত জীবনের কথা চিন্তা করি, তখন আমার ব্যাধি-যন্ত্রণা এবং নানাবিধ পরীক্ষার মধ্যেও আমি এত দিন কি আশ্চর্য্যভাবে পরিচালিত ও রক্ষিত হইয়াছি, তাহা ভাবিয়া বিস্ময়ে অভিভূত হই। মঙ্গল এবং দয়া আমার জীবন-পথের নিত্য সঙ্গী হইয়াছে। ‘ঈশ্বর সেখানে ছিলেন’। {{Block center|<poem>:‘এমন বিস্ময়কর প্রেম, এমন স্বর্গীয় প্রেম, আমার জীবন, মন, প্রাণ, আত্মা সকলই দাবি করিতেছে।’ :‘হে প্রভু, আমার জীবন গ্রহণ কর, এবং তাহা তোমার নামে উৎসর্গীকৃত করিয়া দাও।’ ‘হে আনন্দময় পরিত্রাতা, আমি উত্তরোত্তর তোমার মতন হইবার জন্য প্রার্থনা করিতেছি; আমি প্রার্থনা করিতেছি, যেন তোমার শক্তি কপোতের মতন আমাতে বাস করে। তুমি ত আমার সকল দুর্ব্বলতার কথা, এবং আমার সকল উদ্বেগের কথা জান; যখন আমি তোমার মূল্যবান্ প্রতিশ্রুতি উল্লেখ করিয়া প্রার্থনা করি,</poem>}}<noinclude></noinclude> 7fas6u9sj01rggm55syyrpjo2r4tvxc পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৮১ 104 875838 1991198 1935110 2026-07-30T16:19:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991198 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh||চলচ্ছক্তিহীন রোগীদের ( Invalids) প্রতি আমার বাণী|৬৯}}</noinclude>{{Block center|<poem>তখন আমার প্রত্যেকটি প্রার্থনা শুনিও, এবং তাহা পূর্ণ করিও। হে আনন্দময় পরিত্রাতা, আমি তোমার নিকট এমন স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল বিশ্বাস প্রার্থনা করিতেছি, যাহার জ্যোতি গভীর তমসাচ্ছন্ন রজনীর অন্তরালেও তোমার মহিমা দেখিতে সমর্থ হয়। আমি দীনতার জন্য প্রার্থনা করিতেছি— কৃপা করিয়। আমাকে দীনহীন কর, দীনতা-বসনে আচ্ছাদিত হইয়া তোমার ইচ্ছা ভিন্ন অপর কোন ইচ্ছা যেন আমার না থাকে! আনন্দময় পরিত্রাতা, আমি প্রার্থনা করিতেছি,— আমার নিত্য প্রার্থনা এই,—আমি যেন এই জীবন সম্পূর্ণরূপে তোমাকে উৎসর্গ করিতে পারি, যাহাতে আমাকে আরও তোমার মতন করিবে! যখন আমি তোমার মূল্যবান্ প্রতিশ্রুতি উল্লেখ করিয়া প্রার্থনা করি, তখন আমার প্রত্যেকটি প্রার্থনা শুনিও, এবং তাহা পূর্ণ করিও।’ </poem>}} {{ফাঁক}}মুক্তিদাতা শুধু যে আমার প্রার্থনা শোনেন ও পূর্ণ করেন, এমন নহে; পরন্তু, তিনিও আমার জন্য প্রার্থনা করেন। ইহা জানা আমার পক্ষে পরম সান্ত্বনার বিষয়।<noinclude></noinclude> 5tt0la6pb37afs0gj9qkq9ybsqs303j পাতা:তবুও আমি তাঁহারই উপর নির্ভর করিব - হানা রোসেলি হিগেন্স - মথুরানাথ নন্দী (১৯৩৯).pdf/৯৯ 104 875895 1991199 1935253 2026-07-30T16:19:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991199 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bono.Ruma" />{{rh||প্রার্থনা|৮৭}}</noinclude>তোমার প্রার্থনা শোনেন নাই; তোমার প্রার্থনা পূর্ণ হইবেই হইবে—কোনও সময়ে—কোনও স্থানে। {{block center/s}}<poem> এখনও প্রার্থনার উত্তর পাও নাই? তুমি যখন পিতার চরণে তোমার এই একমাত্র প্রার্থনা প্রথম নিবেদন করিয়াছিলে, তখন তোমার মনে হইয়াছিল, ইহা এত জরুরী যে, তুমি চাহিবার সময় পর্য্যন্তও প্রতীক্ষা করিতে পার না। তাহার পর হইতে যদিও বহু বৎসর চলিয়া গিয়াছে, তবুও তুমি নিরাশ হইও না, প্রভু তোমার প্রার্থনা পূর্ণ করিবেনই, কোনও সময়ে—কোনও স্থানে। এখনও প্রার্থনার উত্তর পাও নাই? না, বলিও না তোমার প্রার্থনা অপূর্ণ রহিয়াছে; হয়ত তোমার যাহা করণীয়, তাহা এখনও সম্পূর্ণরূপে করা হয় নাই; প্রার্থনার সঙ্গে সঙ্গেই তাহা পূর্ণ করিবার কাজ :::::::::::::আরম্ভ হইয়াছে, এবং ঈশ্বর যাহা আরম্ভ করিয়াছেন, তাহা তিনিই শেষ করিবেন; প্রাণে যদি পূজার দ্বীপ প্রজ্বলিত রাখিতে পার, তাহা হইলে তুমি তাঁহার মহিমা নিশ্চয়ই দেখিবে— কোনও সময়ে—কোনও স্থানে।</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude> queo2t8odw15l8xs8k8zqp382v9ppfj পাতা:অমৃত-দ্বীপ - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪০).pdf/৫৭ 104 876181 1991585 1947602 2026-07-31T03:48:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991585 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh||অমৃত-দ্বীপ|৫১}}</noinclude>চেয়ে ভালো চলে! কিন্তু ওর ভেতরে ঢুকলে কি আর আমরা বেরিয়ে আসতে পারব? বেশ বোঝা যাচ্ছে, দুই পাশের আর পিছনের অদৃশ্য শত্রুরা অট্টহাস্য আর পায়ের শব্দ ক’রে আমাদের এই দিকেই তাড়িয়ে আনতে চায়। শিকারীরা বাঘ-সিংহকে যেমন ভাবে নির্দ্দিষ্ট পথে চালনা ক’রে ফাঁদে ফেলে, শত্রুরাও সেই কৌশল অবলম্বন করেছে।” {{ফাঁক}}বিমল বল্‌লে, “ঠিক। তাদের উদ্দেশ্য আমিও বুঝতে পেরেছি। আর আমাদের ঢোকবার সুবিধা হবে ব’লে দয়া ক’রে তারা দরজার পাল্লা-দুখানাও খুলে রেখেছে! অতএব তাদের ধন্যবাদ দিয়ে আমাদের এখন দরজার ফাঁকেই মাথা গলাতে হবে, কারণ পায়ের শব্দ আর দূরে নেই!” {{ফাঁক}}কুমার বল্‌লে, “দরজার ওপাশে যদি নতুন বিপদ্ থাকে?” {{ফাঁক}}—“অকুতোভয়ে সেই বিপদ্‌কে আমরা বরণ করব”- ব’লেই বিমল বন্দুক উদ্যত ক’রে সর্ব্বাগ্রে দরজার ভিতরে গিয়ে ঢুকল। তার পিছনে পিছনে গেল কুমার ও জয়ন্ত! {{ফাঁক}}ভিতরে ঢুকে তারা অবাক হয়ে দেখলে, একটা বৃক্ষহীন, তৃণহীন ছোটখাটো ময়দানের মতন জায়গা এবং তার চারিদিকেই প্রায় চারতালার সমান উঁচু প্রাচীর। হঠাৎ দেখলে মনে হয়, যেন সর্ব্বহারা মরুভূমির খাঁ-খাঁ-করা ভয়াল স্তব্ধতাকে সেখানে কেউ প্রাচীর তুলে কয়েদ ক’রে রেখেছে! {{ফাঁক}}জয়ন্ত বললে, “এর মানে কি? একটা মাঠকে এমন উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে কেন?” {{nop}}<noinclude></noinclude> lwzkjfqgfp968ywhszgmt55902jipb7 পাতা:কথামালা - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (সচিত্র).pdf/৭৩ 104 876532 1991611 1977079 2026-07-31T03:51:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991611 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh|৫৮|কথামালা|}}</noinclude>বিলক্ষণ বুদ্ধির কথা বটে; এবং সেরূপ করিতে পারিলে, আমাদের ইষ্টসিদ্ধিও হইতে পারে। কিন্তু, আমি এই {{Img float | file = কথামালা - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (সচিত্র) (page 73 crop).jpg | width = 350px | align = center | cap = }} জিজ্ঞাসা করিতেছি, আমাদের মধ্যে কে, সাহস করিয়া, বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধিতে যাইবে। ইহা শুনিয়া, সকলে হতবুদ্ধি ও স্তব্ধ হইয়া রহিল। {{কেন্দ্র| {{smaller|কোনও বিষয়ের প্রস্তাব করা সহজ, কিন্তু নির্ব্বাহ করিয়া উঠা কঠিন।}}}} {{Block center|{{columns |bgcol= |width=15em |gap=3.25em |col1= {{smaller| উপদ্রধে—অত্যাচারে।<br/>স্তব্ধ—নির্ব্বাক্, বাক্যহীন।}} |col2= {{smaller| পরিত্রাণ—উদ্ধার, রক্ষা, মুক্তি।<br/>নির্ব্বাহ—সমাধা।}} }}}} {{nop}}<noinclude></noinclude> g7o6g38xmuzeoh5cmutt9tjrfd7eqhp পাতা:কথামালা - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (সচিত্র).pdf/৯৩ 104 876598 1991612 1947634 2026-07-31T03:51:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991612 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh|৭৮|কথামালা|}}</noinclude>হইল। একদিন, সে ক্ষুধায় কাতর হইয়া পড়িয়া আছে, এমন সময়ে, এক মেষ তাহার সম্মুখ দিয়া চলিয়া যায়। {{Img float | file = কথামালা - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (সচিত্র) (page 93 crop).jpg | width = 500px | align = center | cap = }} তাহাকে দেখিয়া, নেকড়ে অতি কাতরবাক্যে বলিল, ভাই হে, কয়েক দিন অবধি আমি চলৎশক্তিরহিত হইয়া, পড়িয়া আছি; ক্ষুধায় অস্থির হইয়াছি, তৃষ্ণায় ছাতি ফাটিয়া যাইতেছে। তুমি কৃপা করিয়া এই খাল হইতে জল আনিয়া দাও, আমি আহারের যোগাড় করিয়া লইব। মেষ বলিল, আমি তোমার অভিসন্ধি বুঝিতে পারিয়াছি; জল দিবার নিমিত্ত নিকটে গেলেই, তুমি আমার ঘাড় ভাঙ্গিয়া আহারের যোগাড় করিয়া লইবে। {{nop}}<noinclude></noinclude> ehvixcl75x3fp0giad1uthjrzc3m856 পাতা:বাড়ী থেকে পালিয়ে - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৯).pdf/৭ 104 876635 1991285 1938101 2026-07-30T16:26:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991285 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Head3Columns}}{{block center|<poem>ওই পদ্মাপারের চরে আমার ছিলরে ঘর বাড়ী, ::আর ছিল মা জননী বিঘা দুই ক্ষেতী বাড়ী। আমি কি দোষে— ::আমি কি দোষে হারাইলাম মাগো {{float right|আইলাম সবই ছাড়ি}} এখন যেখানে হক্ কথা কই মা পিঠে পড়ে জুত্তা। হেথা দুইপাশেতে সারি সারি দুকান মণিহারী। আর গাড়ী বাড়ী শাড়ির বাহার হরেক রকমারী॥ লাখ্‌ বেলাখের—ওরে লাখ্‌ বেলাখের কেনা বেচায়. {{float right|চেঁচায়রে ব্যাপারী}} আর নর্দমা খুইট্যা খায় মানুষ কাইন্দা মরে কুত্তা এই ইট কাঠে পাথরে গড়া সহর বড় ভারী। আর ঘড় ঘড়াইয়া টেরাম চলে, চলে হাওয়া গাড়ী॥ আর ঘেঁষা ঘেঁষি—আর ঘেঁষা ঘেঁষি, ঠ্যাসা ঠ্যাসি, {{float right|রইছে নরনারী,}} তবু কার কড়ি কে ধারে কেউ না রাখে কারও বার্ত্তা।)</poem>}}{{ThreeColumns}} {{block center|<poem>হেথা চিমনিতে উড়াইয়া ধূঁয়া ভোঁ বাজাইয়া কলে। ভোর না হইতে ডাকে মানুষ চলে দলে দলে॥ আর খট্ খটাং খট্-—আর খট্ খটাং খট্ খটাস {{float right|মেশিন দিবা নিশি চলে।}} আর ফুরাইলে কাম ফেইকেক বাহির মাইরা {{float right|তারে গোত্তা।}} এই আজব কইলকাত্তা, এর হাওড়ার পুল দেইখ্যা {{float right|আমার ঘুইরা গেছে মাথা।}} এই এত্তাগুলান বরগার সাথে মিলছে এ্যাত্তা কড়ি। এই লক্ষ কোটি মানুষেও যদি মিলতো এমন করি। এই জীবনের—ওরে এই জীবনের নদীর উপর সেতু {{float right|দিত গড়ি।}} পার হইতাম জীবন, হাইস্যা মরণ, {{float right|পাইত নারে পাত্তা।}} আমি অনেক ঘুরিয়া শ্যাষে আইলামরে কইলকাত্তা।</poem>}}{{ThreeColumns}} {{c|(৩)}} {{block center|<poem>মাগো আমায় ডেকোনাকো আর। ::আমি এখন বাহির হলেম তেপান্তরের পথে, দুঃখ বেদন জয় ক’রে মা নিতে, আবার আমি আসবো যখন তোমার কোলে ফিরে, এই পৃথিবী উজাড় করে দেবো চরন ঘিরে। যদি গো মন কেমন করে, তারার পানে চেয়ে, অশ্রু তোমার ঝরে নয়ন বেয়ে, আমি তোমার ঘুমের মাঝে, স্বপন হ’য়ে এসে, ভুলিয়ে দিয়ে যাবো মাগো অনেক ভালবেসে। যদি পাখীর গান শুনে মা হঠাৎ মনে পড়ে, বাহা তোমার ডাকতো কেমন ক’রে, কান পেতো যা সন্ধ্যা হ’লে, দখিন বাতায়নে, বাতাস হয়ে গুণগুণিয়ে যাবো তোমার কানে। :::মাগো আমার ডেকোনাকো আর॥</poem>}}{{Foot3Columns}} {{***|3|10em|char=●}} অভিনয়াংশে যথাক্রমে: পদ্মা দেবী, শৈলেন ঘোষ, জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, শ্রীমান দীপক, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, কেষ্ট মুখোঃ, গুপী বন্দ্যোঃ, মণি শ্রীমানি, বেচু সিংহ, জলু ঘোষ, শক্তি সেন, শিশির বন্দ্যোঃ, গোপাল চট্টোঃ, শঙ্কর চট্টোঃ, জহর রায়, নৃপেন লাহিড়ী, শ্রীমতী কৃষ্ণজয়া, জরাশু চট্টোঃ, আলো সরকার, পরিতোষ রায়, সুশীল রায়, বারীন বোস, সতীন্দ্র ভট্টাচার্য্য, শ্রীমান স্বপন, মনু মুখোঃ, সীতা মুখোঃ, নৃপতি চট্টোঃ, নীতি পণ্ডিত, মিসেস চালিমন, প্রদ্যোৎ মহলানবীশ, শ্রাবন সেন, মহম্মদ ইসরাইল, সতু মজুমদার, মণি গাঙ্গুলী, বিনয় লাহিড়ী, বিজন ভট্টাচার্য্য, সজল রক্ষিৎ। {{c|নিউথিয়েটার্স ষ্টুডিয়োতে অর্ন্তদৃশ্য গৃহীত, কলিকাতা সহরে এবং সূর্যপুরে বহির্দৃশ্য গৃহীত ও বেঙ্গল ফিল্ম ল্যাবরেটরীতে পরিস্ফুটিত।}} {{c|ইণ্ডিয়া ফিল্ম ল্যাবরেটরীতে ওয়েট্রেক্স শব্দযন্ত্রে সঙ্গীত গৃহীত ও শব্দপুনর্লিখিত।}} {{c|{{larger|একমাত্র পরিবেশক: জনতা পিকচার্স এণ্ড থিয়েটার্স লিমিটেড।}}}}<noinclude></noinclude> b714b36u5fqders3r5rjgpxkh52x8fr পাতা:সরল বাঙ্গালা অভিধান (সপ্তম সংস্করণ).djvu/৩০ 104 876659 1991845 1938273 2026-07-31T04:06:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991845 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude><section begin="অ" />{{c|{{xxxx-larger|'''সরল বাঙ্গালা অভিধান'''}}}} {{custom rule|sp|100|col|6|c|6|col|6|sp|100}} {{c|{{x-larger|অ}}}} <noinclude>{{rh|{{em|4}}অ||অংশুকায়{{em|4}}}}{{rule}}</noinclude>{{Head3Columns}} {{hi|{{wikt|অ}}—১। আদ্য স্বরবর্ণ। ২। বিষ্ণু। অব (রক্ষা করা)+ড ক। সং; পু। ৩। অভাব। বিণ; ব্য। অভাবে নহ্য নো নাপি ইত্যময়ঃ। অভাব অর্থে নহি, অ, নো, ন এবং না অব্যয়। ৪। সম্বোধন। অ অনন্ত ইতি বোপদেবঃ। নঞের স্থানে যে ‘অ’ হয়, তাহা নঞের তুল্যার্থক। তৎমাদৃশ্যম ভাবশ্চ তদন্যত্বং তদল্পতা। অপ্রাশস্ত্যং বিরোধশ্চ নঞর্থাঃ ষট্ প্রকীর্ত্তিতাঃ। স্বার্থেঽপি চ প্রয়োগঃ স্যাদ অকুপারাদি দর্শনাৎ। সাদৃশ্য, অভাব, অন্যতা, অল্পতা, অপ্রশস্ততা ও বিরোধ নঞের এই ছয়টী অর্থ। নঞের প্রয়োগ স্বার্থেও হয়; যেমন কূপার—সমুদ্র, অকূপার—সমুদ্র। স্বরবর্ণের পূর্ব্বে থাকিলে অন হয়; যেমন অনল্প, অনিচ্ছা, অনন্ত।}} {{lm|2em|{{ফাঁক}}অকারের উচ্চারণস্থান কণ্ঠ। অকুহ বিসর্জ্জনীয়ানাং কণ্ঠঃ ইতি পাণিনিঃ। পাণিনি বলেন যে, অকার, কবর্গ, হ এবং বিসর্গ ইহাদের উচ্চারণস্থান কণ্ঠ। অকার ১৮ প্রকার; হ্রস্ব, দীর্ঘ, প্লুতভেদে তিন প্রকার, ঐ তিন প্রকারের প্রত্যেকে উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত ভেদে তিন প্রকার, এবং ঐ {{math|৩×৩{{=}}৯}} প্রকারের প্রত্যেকে অনুনাসিক ও অননুনাসিক ভেদে দুই প্রকার। অতএব অকার {{math|৩×৩×২{{=}}১৮}} প্রকার হইল।}} <section end="অ" /> <section begin="অই" />{{hi|{{wikt|অই}}—সন্মুখে; ওখানে; উহা; সেই; দূরবর্ত্তী দৃশ্য নির্দ্দেশে; বিস্তৃত বিষয়ের সহসা স্মরণে; ক্রোধে। অদস্ শব্দের অপভ্রংশ। পদ্যে “অই” শব্দের পরিবর্ত্তে কখন কখন “ওই” শব্দ ব্যবহৃত হয়। কাব্যে যতি ও ছন্দঃ প্রভৃতির অনুরোধে “অই” পদের পরিবর্ত্তে “ঐ”এর ব্যবহার দেখা যায়।}} <section end="অই" /> <section begin="অঋণী" />{{hi/s}}{{wikt|অঋণী}} (অঋণিন্)—যে ঋণী নয়, যে কাহারও কিছু ধারে না, ঋণশূন্য; ঋণমুক্ত। ন ঋণী, নঞ্‌তৎ। বিণ; ত্রি। “অঋণী চাপ্রবাসী চ স বারিচর মোদতে।” হে বারিচয়! যে অঋণী ও অপ্রবাসী সে সুখী। পক্ষে ‘অনৃণী’ও{{hi/e}}{{ThreeColumns}}{{hi/m}}হয়। নঞ্‌ তৎপুরুষ সমাস না করিয়া বহুব্রীহি সমাস করিলে ‘অনৃণ’ও হইতে পারে। স্ত্রী অঋণিনী।{{hi/e}} <section end="অঋণী" /> <section begin="অও" />{{hi|{{wikt|অও}}—আর, এবং। প্রা, ক।}} <section end="অও" /> <section begin="অওরা" />{{hi|{{wikt|অওরা}} (অউরা)—সস্তা, সুলভ। দেশজ; বিণ।}} <section end="অওরা" /> <section begin="অংরূপিণী" />{{hi|{{wikt|অংরূপিণী}}—বিন্দুরূপা, অংস্বরূপা, সূক্ষ্মরূপবিশিষ্টা। অংরূপ+ইন্‌ অস্ত্যর্থে+ঈপ্‌ স্ত্রীলিঙ্গে। বিণ; স্ত্রী।}} <section end="অংরূপিণী" /> <section begin="অংশ" />{{hi|{{wikt|অংশ}}—১। বিভাগ; বণ্টন: ভাগ; স্থান; খণ্ড; অঙ্গ; অবতার; দেবতার ঔরস বা তল্লব্ধ সহজাত প্রভাব; বিষয়; ভূপরিধির ৩৬০ ভাগের এক এক ভাগ; রাশিচক্রের ত্রিংশৎ ভাগের এক ভাগ; অক্ষাংশ; ভগ্নাংশ। অন্‌শ+ঘঞ্‌ ভা। ২। স্কন্ধ, কাঁধ। অম+শ ক। সং; পু।}} <section end="অংশ" /> <section begin="অংশক" />{{hi|{{wikt|অংশক}}—১। ভাগ; দিবস, দিন; অল্পভাগ। অংশ+ক‍ণ্‌ স্বার্থে, অথবা অংশ+ক অল্পার্থে। সং; ক্লী। ২। দায়াদ, জ্ঞাতি। ভাগকারী। অন্‌শ+ণক ক। সং; পু।}} <section end="অংশক" /> <section begin="অংশকূট" />{{hi|{{wikt|অংশকূট}}, {{wikt|অংসকূট}}—ককুদ্‌, বৃষের স্কন্ধোপরিস্থ উন্নত ভাগ, ষাঁড়ের ঝুটি। ৬তৎ। সং; স্ত্রী।}} <section end="অংশকূট" /> <section begin="অংশগত" />{{hi|{{wikt|অংশগত}}—বিভাগসম্বন্ধীয়। অংশকে গত, ২তৎ। বিণ; ত্রি। স্ত্রী অংশগতা।}} <section end="অংশগত" /> <section begin="অংশতঃ" />{{hi|{{wikt|অংশতঃ}} (—তস্)—কিয়দংশে, কতক, খানিকটা। অংশ+তস্। ব্য।}} <section end="অংশতঃ" /> <section begin="অংশন" />{{hi|{{wikt|অংশন}}—বিভজন, ভাগ করা। অন্‌শ+অনট্‌ ভা। সং; ক্লী।}} <section end="অংশন" /> <section begin="অংশনীয়" />{{hi|{{wikt|অংশনীয়}}—অংশ বা ভাগ করিবার উপযুক্ত, বিভাজ্য, বিভজনীয়। অন্‌শ+অনীয় র্ম্ম। বিণ; ত্রি। স্ত্রী অংশনীয়া।}} <section end="অংশনীয়" /> <section begin="অংশভাক্" />{{hi|{{wikt|অংশভাক্}} (—ভাজ্‌)—অংশভাগী, অংশী, উত্তরাধিকারী। উপ; অংশ শব্দ—ভজ+বিণ্‌ ক। বিণ; ত্রি।}} <section end="অংশভাক্" /> <section begin="অংশভাগী" />{{hi|{{wikt|অংশভাগী}} (—ভাগিন্‌)—অংশগ্রহণকারী বা অংশ পাইবার যোগ্য, দায়াদ, অংশী, সরিক। উপ; অংশ শব্দ—ভজ+ঘিণুন্‌ ক। বিণ; পু। স্ত্রী অংশভাগিনী।}} {{ThreeColumns}} <section end="অংশভাগী" /> <section begin="অংশমান" />{{hi|{{wikt|অংশমান}}—যে অংশ করিতেছে, ভাগ করিতেছে এরূপ। অন্‌শ+শান ক। বিণ; ত্রি।}} <section end="অংশমান" /> <section begin="অংশল" />{{hi|{{wikt|অংশল}}—১। অংশগ্রাহী, ভাগগ্রাহী। অংশ শব্দ-লা (গ্রহণ করা)+ড ক। ২। বিশাল স্কন্ধবিশিষ্ট, বলবান্‌। অংশ শব্দ+ল অন্ত্যর্থে। বিণ; ত্রি। স্ত্রী অংশলা।}} <section end="অংশল" /> <section begin="অংশহর" />{{hi|{{wikt|অংশহর}}—অংশগ্রাহী, দায়াদ। অংশ শব্দ—হৃ (হরণ করা)+অন্‌ ক। বিণ; ত্রি।}} <section end="অংশহর" /> <section begin="অংশা-অংশী" />{{hi|{{wikt|অংশা-অংশী}}—অংশাংশি; তাহা দেখ।}} <section end="অংশা-অংশী" /> <section begin="অংশাংশ" />{{hi|{{wikt|অংশাংশ}}—১। পৃথক্‌ পৃথক্ ভাগ। দ্বন্দ্ব। ২। কলা; ভাগ ভাগ। ৬তৎ। সং; পু।}} <section end="অংশাংশ" /> <section begin="অংশাংশি" />{{hi|{{wikt|অংশাংশি}}—ভাগাভাগি; যথাযোগ্য প্রাপ্য অংশে বিভক্ত; ভাগ বাটোয়ারা। দেশজ; ব্য।}} <section end="অংশাংশি" /> <section begin="অংশাবতার" />{{hi|{{wikt|অংশাবতার}}—ঈশ্বরের আংশিক অবতার—মৎস্য-কূর্ম্মাদি। অংশের অবতার; ৬তৎ। সং; পু}} <section end="অংশাবতার" /> <section begin="অংশিত" />{{hi|{{wikt|অংশিত}}—বিভক্ত, বিভাজিত, যাহা ভাগ করা হইয়াছে এরূপ। অন্‌শ+ক্ত র্ম্ম। বিণ; ত্রি। স্ত্রী অংশিতা।}} <section end="অংশিত" /> <section begin="অংশিত্ব" />{{hi|{{wikt|অংশিত্ব}}—ভাগিতা, ভাগ পাইবার অধিকার, সরিকানা। অংশীর ভাব এই অর্থে অংশিন্‌+ত্ব। সং; ক্লী।}} <section end="অংশিত্ব" /> <section begin="অংশী" />{{hi|{{wikt|অংশী}} (অংশিন্)—অংশ পাইবার উপযুক্ত অংশযোগ্য; ভাগী; অংশবিশিষ্ট; অংশের আশ্রয়। অংশ+ইন্। বিণ; পু। স্ত্রী অংশিনী।}} <section end="অংশী" /> <section begin="অংশীদার" />{{hi|{{wikt|অংশীদার}}—অংশভাগী; দায়াদ, জ্ঞাতি, সরিক। সং। দেশজ শব্দ।}} <section end="অংশীদার" /> <section begin="অংশু" />{{hi|{{wikt|অংশু}}—কিরণ, প্রভা; সূত্রাদির সূক্ষ্মাংশ, আঁশ; সূর্য্য; বস্ত্র; বেগ। [প্র, সহস্র, হিম, সুধা প্রভৃতির সহিত সর্ব্বদা ইহার সমাস হয়। যথা—প্রাংশু, সহস্রাংশু, হিমাংশু, সুধাংশু]। অন্‌শ+উ ক। সং; পু।}} <section end="অংশু" /> <section begin="অংশুক" />{{hi|{{wikt|অংশুক}}—বস্ত্র; শুক্ল বস্ত্র; উত্তরীয় বস্ত্র, সুক্ষ্ম বস্ত্র; কটিদেশে পরিধেয় বস্ত্র, ঘাগরা, শায়া প্রভৃতি; তেজপত্র বা তেজপাত। অংশু শব্দ—কাশ+ড ক। সং; ক্লী।}} <section end="অংশুক" /> <section begin="অংশুকায়" />{{hi|{{wikt|অংশুকায়}}—যাহাদের কর্ম্মেন্দ্রিয়সকল অংশুতুল্য; যেমন প্রবাল কীট, তারা মৎস্য প্রভৃতি। বহু। বিণ; স্ত্রী,—কায়া।}}<section end="অংশুকায়" /><noinclude>{{Foot3Columns}}</noinclude> a3btqyn5kr4g04xaffz61tnfv2igvcs পাতা:চীন দেশীয় বুলবুল পক্ষীর বিবরণ - মধুসূদন মুখোপাধ্যায় (১৮৫৭).pdf/১৪ 104 877716 1991632 1965632 2026-07-31T03:53:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991632 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{center|(১০)}}</noinclude>{{ফাঁক}}উজীর বুলবুলকে অতি সামান্য পক্ষীর ন্যায় দেখিয়া কহিতে লাগিলেন। আমি মনোমধ্যে এক বারও এমন বিবেচনা করিনা যে বুলবুল এমন সামান্য পক্ষী, ওকি প্রকৃত বুলবুল সম্ভব হইতে পারে? বোধ করি আমাদিগের মধ্যে এত সম্ভান্ত লোক সকলকে দেখিয়া ও একেবারে বিবর্ণ হইয়া উঠিয়াছে। বালিকা উচ্চৈঃস্বরে কহিল, ওহে বুলবুল পক্ষী আমাদিগের দয়ালু মহারাজা ইচ্ছা করিয়াছেন, তুমি অদ্য সন্ধ্যাকালে তাঁহার নিকটে যাইয়া আপন সুস্বর শ্রবণ করাইবে। বুলবুল উত্তর করিল আমি পরমাহ্লাদিত হইয়া মহারাজকে সংগীত শ্রবণ করাইব। এই -কথা বলিয়া সে সাধ্যানুসারে আপন স্বর শ্রবণ করাইবাতে সকলে তাহা শুনিয়া অতিশয় প্রফুল চিত্ত হইলেন। উজীর কহিলেন কাঁচের ভিতর ঘণ্টা থাকিলে যেমন শব্দ হইয়া থাকে আ হা মরি তেমনি শব্দ হইতেছে, দেখ দেখ উহার ক্ষুদ্র কণ্ঠ হইতে কেমন শব্দ বাহির হইতেছে, বোধ করি রাজ সভাতে গান করিলে এ অতিশয় প্রসংশা পাইবে। কি আশ্চর্য্য! আমরা পূর্ব্বে কখন এমন সুস্বর শ্রবণ করি নাই। মহারাজ ঐ স্থানে আছেন বুলবুল এমন বিবেচনা করিয়া<noinclude></noinclude> jqy2gghm3ujctd8bgzli5upyxoph8ki পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/১৫ 104 878303 1991185 1985187 2026-07-30T16:11:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991185 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{larger|আর্য্যজাতির আদিনিবাস; তথা হইতে নানা দেশে গমন ও ভারতে প্রবেশ।}}}} {{ফাঁক}}উত্তর কুরুদেশে আর্য্যদের আদি বাস ছিল। উত্তর কুরু কোথায়? ঐতরেয় ব্রাহ্মণে (৮।৩।৩)— {{block center|<poem>তস্মাদেতস্যামুদিচ্যাংদিশি যে কেচ পরেণ। হিমবন্তং জনপদা উত্তর কুরব উত্তর মদ্রা ইতি॥</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থ —উত্তর দিকে হিমবতের (তিব্বতদেশের) পরে উত্তর কুরু দেশ সমুহ ও উত্তর মদ্র (Media) দেশ সকল। উত্তর কুরু ও সুমেরু প্রবন্ধে<ref>‘সুবর্ণ বণিক্ সমাচার’ ১ম বর্ষ ৩৬৭ পৃষ্ঠা।</ref> শান্তিপর্ব্বের প্রমাণে দেখাইয়াছি, ভারতবর্ষের উত্তরে হৈমবতবর্ষ তদুত্তরে মেরুবর্ষ। মেরুবর্ষ ইলাবৃতবর্ষের অন্তর্গত। মেরুর নামান্তর—সুমেরু ও মহামেরু। মেরু হইতে মূর ও মূর হইতে মূজ হইয়াছে। মানচিত্রে মূজতাগ ও বেলুতার্গ পর্ব্বতদ্বয় দৃষ্ট হয়। তাগ, পর্ব্বতবাচক তুরুষ্ক ভাষা শব্দ। সুমেরু যে নর্থপোল নয়, বরাহপূরাণে (১৭০ অ) তাহার প্রমাণ পাইয়াছি, যথা— {{block center|<poem>সুমেরোরুত্তরে পার্শ্বে মহর্ষিগণসেবিতে। তপশ্চচার বিপুলং শুকো ব্যাসসুতো মহান্॥</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থ—মহর্ষিগণ সেবিত সুমেরুর উত্তর পার্শ্বে ব্যাসের পুত্র শুক বিপুল তপস্যা করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}বিষ্ণুপুরাণ অনুসারে জম্বুদ্বীপের মধ্যস্থলে ইলাবৃতবর্ষে কনকপর্ব্বত সুমেরু। সুমেরুর দক্ষিণে হরিবর্ষ, তাহার দক্ষিণে কিম্পুরুষবর্ষ, তাহার দক্ষিণে ভারতবর্ষ। সুমেরুর উত্তরে রম্যকবর্ষ, তাহার উত্তরে হিরণ্ময়বর্ষ, তাহার উত্তরে উত্তরকুরু। বিষ্ণুপুরাণে,— {{block center|<poem>ভদ্রা তথোত্তরগিরীন্ উত্তরাংশ্চ তথা কুরূন। অতীত্যোত্তরমন্তোধিং সমভ্যেতি মহামুনে॥</poem>}} {{ফাঁক}}ভদ্রানদী, উত্তরগিরি সমুদয় ও উত্তর কুরু দেশ সকল অতিক্রম করিয়া উত্তর সমুদ্রে মিলিত হ‍ইতেছে। অতএব বিবেচনা হয় পশ্চিম সাইবিরিয়াও উত্তর<noinclude>{{rule}}</noinclude> 6er986ocxr5uprzx0j9w9fhtz9d4w0w 1991186 1991185 2026-07-30T16:12:19Z Bodhisattwa 2549 1991186 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{larger|আর্য্যজাতির আদিনিবাস; তথা হইতে নানা দেশে গমন ও ভারতে প্রবেশ।}}}} {{ফাঁক}}উত্তর কুরুদেশে আর্য্যদের আদি বাস ছিল। উত্তর কুরু কোথায়? ঐতরেয় ব্রাহ্মণে (৮।৩।৩)— {{block center|<poem>তস্মাদেতস্যামুদিচ্যাংদিশি যে কেচ পরেণ। হিমবন্তং জনপদা উত্তর কুরব উত্তর মদ্রা ইতি॥</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থ —উত্তর দিকে হিমবতের (তিব্বতদেশের) পরে উত্তর কুরু দেশ সমুহ ও উত্তর মদ্র (Media) দেশ সকল। উত্তর কুরু ও সুমেরু প্রবন্ধে<ref>‘সুবর্ণ বণিক্ সমাচার’ ১ম বর্ষ ৩৬৭ পৃষ্ঠা।</ref> শান্তিপর্ব্বের প্রমাণে দেখাইয়াছি, ভারতবর্ষের উত্তরে হৈমবতবর্ষ তদুত্তরে মেরুবর্ষ। মেরুবর্ষ ইলাবৃতবর্ষের অন্তর্গত। মেরুর নামান্তর—সুমেরু ও মহামেরু। মেরু হইতে মূর ও মূর হইতে মূজ হইয়াছে। মানচিত্রে মূজতাগ ও বেলুতার্গ পর্ব্বতদ্বয় দৃষ্ট হয়। তাগ, পর্ব্বতবাচক তুরুষ্ক ভাষা শব্দ। সুমেরু যে নর্থপোল নয়, বরাহপূরাণে (১৭০ অ) তাহার প্রমাণ পাইয়াছি, যথা— {{block center|<poem>সুমেরোরুত্তরে পার্শ্বে মহর্ষিগণসেবিতে। তপশ্চচার বিপুলং শুকো ব্যাসসুতো মহান্॥</poem>}} {{ফাঁক}}অর্থ—মহর্ষিগণ সেবিত সুমেরুর উত্তর পার্শ্বে ব্যাসের পুত্র শুক বিপুল তপস্যা করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}বিষ্ণুপুরাণ অনুসারে জম্বুদ্বীপের মধ্যস্থলে ইলাবৃতবর্ষে কনকপর্ব্বত সুমেরু। সুমেরুর দক্ষিণে হরিবর্ষ, তাহার দক্ষিণে কিম্পুরুষবর্ষ, তাহার দক্ষিণে ভারতবর্ষ। সুমেরুর উত্তরে রম্যকবর্ষ, তাহার উত্তরে হিরণ্ময়বর্ষ, তাহার উত্তরে উত্তরকুরু। বিষ্ণুপুরাণে,— {{block center|<poem>ভদ্রা তথোত্তরগিরীন্ উত্তরাংশ্চ তথা কুরূন। অতীত্যোত্তরমন্তোধিং সমভ্যেতি মহামুনে॥</poem>}} {{ফাঁক}}ভদ্রানদী, উত্তরগিরি সমুদয় ও উত্তর কুরু দেশ সকল অতিক্রম করিয়া উত্তর সমুদ্রে মিলিত হ‍ইতেছে। অতএব বিবেচনা হয় পশ্চিম সাইবিরিয়াও উত্তর<noinclude>{{rule}}</noinclude> i76vyczqgur33tbuwt7zx2ql0a77tzz ব্যবহারকারী:BabulB/খেলাঘর 2 878555 1991182 1990700 2026-07-30T15:57:31Z BabulB 2144 1991182 wikitext text/x-wiki ;Templates * Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]] *[[টেমপ্লেট:Img float]] ;মুদ্ৰণ সংশোধন [[আমেরিকার স্বাধীনতা]], [[বড়বউ]], [[ভারতবর্ষের ইতিহাস (হেমলতা দেবী)]], [[প্রহাসিনী]], [[মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত (১৯৪৪)]], [[চিন্তাতরঙ্গিণী (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)]], [[থার্ডক্লাশ (১৯৪১)]], [[নির্ঘণ্ট:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf]], [[নির্ঘণ্ট:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf|মহাভারতীয় নীতিকথা]], [[নির্ঘণ্ট:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf]] [[নির্ঘণ্ট:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf]], [[নির্ঘণ্ট:নকল রাণী - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়.pdf]] ;অন্যান্য *সূচী: [[নির্ঘণ্ট:ভ্রান্তিবিলাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮৯০).pdf]] * Poem right alignment: [[পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২০৭]] * [[পাতা:গোপাল ভাঁড় - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৩).pdf/২]]]] *nopt: [[পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০১]] * [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১১]] *[[উইকিসংকলন:কপিরাইট নীতিমালা]] * Family tree: [[পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/১২১]] * image float: [[পাতা:দুধ-ভাত - ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী.pdf/৫৮]] *[[পাতা:জাতক (দ্বিতীয় খণ্ড) - ঈশানচন্দ্র ঘোষ (১৯২০).pdf/১৭]] * Pic right left: [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২]] * পরিচ্ছেদ (মূল গ্রন্থে নেই): [[নির্ঘণ্ট:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf]] * Blockquote:[[পাতা:চিন্তাতরঙ্গিণী - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৫৪).pdf/৩]] * Blockcenter|width [[পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/৩]] * Thick rule: [[পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/১]] * Dropinitial [[পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩০]] * Block left [[পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/২]] * [[সাহায্য:টেমপ্লেট]] * Picture, caption in left side: [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে বেতার.pdf/১৩]] * Border, overfloat [[পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪]] * [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে বেতার.pdf/২৪]] * Center and right; [[পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/৫৮]] * Colour font: [[পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩]] * [https://bd.wikimedia.org/wiki/বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬/বৃত্তি বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬] 1r7xxdzqbwziir1704nh585do77ilon পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪২১ 104 878606 1991751 1944042 2026-07-31T04:05:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991751 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>পরে সুরেনকে আর একবার অনুরোধ করিয়া দেখিব। এই বলিয়া অনুরোধ করিব যে আর উপায় নাই দিতেই হইবে। যদি ছাপা না হইয়া থাকে তাহা হইলেই ভাল, কেন না ‘চরিত্রহীন’ ছাপা হইতে পারিবে। {{ফাঁক}}আমাকে গল্প ও প্রবন্ধ পাঠাবেন। অন্যান্য আপনিই দেখিয়া দিবেন। যা-তা গল্প ছাপা নয়, অন্ততঃ হাত থাকিতে ছাপা না হয় এই আমার অভিপ্রায়। {{ফাঁক}}অত্যন্ত তাড়াতাড়ি চিঠি লিখিতেছি (কাজের মধ্যেই), সেই জন্য সব কথা তলাইয়া ভাবিতে পারিতেছি না, কিন্তু যাহা লিখিয়াছি তাহা ঠিকই জানিবেন। {{ফাঁক}}দ্বিজুবাবুকে সম্পাদক করিয়া grand ভাবে হরিদাসবাবু কাগজ বাহির করিতেছেন। ভালই। তাঁরা টাকা দিবেন কাজেই ভাল লেখাও পাইবেন। তা ছাড়া তেলা মাথায় তেল দিতে সকলেই উদ্যত, এটা সংসারের ধর্ম্ম! এর জন্য চিন্তার প্রয়োজন দেখি না। {{ফাঁক}}জ্যৈষ্ঠের জন্য যাহা পাঠাইব তাহা বৈশাখের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই পাঠাইব। শুধু ‘চন্দ্রনাথ’ সম্বন্ধে উদ্বিগ্ন হইয়া রহিলাম। ওটা কেমন গল্প কি রকম লেখার প্রণালী না জেনে প্রকাশ করা উচিত নয় বলে ভয় হচ্চে। যা হোক অতি শীঘ্র এ-বিষয়ে সংবাদ পাবার আশায় রইলাম। {{ফাঁক}}ভাল নই—জ্বরোভাব কাল রাত্র থেকেই হয়ে আছে। না বাড়লেই ভাল। আপনার দেহ কেমন? জ্বর সারল? ইতি—আপনাদের স্নেহের ‘শরৎ’ {{dhr|4em}} {{ডান|রেঙ্গুন, ২৮শে মার্চ, ১৯১৩}} {{ফাঁক}}প্রিয় ফণীবাবু—এই মাত্র আপনার রেজেষ্ট্রী প্যাকেট পাইলাম। যদি Registry করেন, তবে বাড়ীতে পাঠান কেন? আফিসের ঠিকানাই ভাল—কেন না বাড়ীতে যখন পিয়ন যায়, তখন আমি আফিসে থাকি। যদি Unregistered পাঠান তবে বাড়ীর ঠিকানায় দেবেন। প্রবন্ধ দুটি দেখিয়া শুনিয়া শীঘ্রই পাঠাব। বৈশাখের জন্য দেখি বড়ই গোলযোগ। যা হোক এ মাসটা এই রকমে চালান—১) পথনির্দ্দেশ, ২) নারীর মূল্য এবং অন্যান্য প্রবন্ধ প্রভৃতি। ‘চন্দ্রনাথ’ ছাপাবেন না, কারণ যদি ছাপানই মত হয় ত একটু নতুন করে দিতে হবে। জ্যৈষ্ঠ থেকে হয় ‘চরিত্রহীন’ না হয় ‘চন্দ্রনাথ’ আরও বড় এবং ভাল করে ক্রমশঃ। দেখি সুরেন গিরীন কি জবাব দেয়। বৈশাখে আর বিশেষ কোন উপায় হয় না দেখিতেছি। অবশ্য আপনার claim যে আমার উপর first তাহাতে আর সন্দেহ কি! আমি যে-কটা দিন বাঁচিয়া আছি—আপনাকে<noinclude>{{কেন্দ্র|৪০৭}}</noinclude> 792brwze78illnh21hu015tnpeqrc8n পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪২৫ 104 878610 1991752 1944043 2026-07-31T04:05:14Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991752 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{Block right|{{কেন্দ্র|14, Lower Pozoungdoung Street, Rangoon, 10. 5. 1913.}}}} {{ফাঁক}}ফণীন্দ্রবাবু—আপনার তার পাইয়া জবাব দিই নাই। কারণ জবাব দিবার ঠিক জিনিষটা আমার হাতছাড়া। তবে আশা করি শীঘ্র হাতে আসিবে। {{ফাঁক}}আগামী মেলে সমালোচনা, ‘নারীর মূল্য’ পাঠাইব। পরের মেলে ‘চন্দ্রনাথ’ ও একটা যা হয় কিছু। ‘চরিত্রহীন’ যাতে যমুনায় বার হয় তাই আমার আন্তরিক ইচ্ছা এবং ঈশ্বরের ইচ্ছায় তাই হবে। নিশ্চিন্ত হোন। তবে শুনিতেছি, ওটাতে ‘মেসের ঝি’ থাকাতে রুচি নিয়ে হয়ত একটু খিটিমিটি বাধিবে। তা বাধুক। লোকে যতই কেন নিন্দা করুক না, যারা যত নিন্দা করিবে তারা তত বেশী পড়িবে। ওটা ভাল হোক মন্দ হোক একবার পড়িতে আরম্ভ করিলে পড়িতেই হইবে। যারা বোঝে না, যারা artএর ধার ধারে না তারা হয়ত নিন্দা করবে। কিন্তু নিন্দা করলেও কাজ হবে। তবে ওটা Psychology এবং analysis সম্বন্ধে যে খুব ভাল তাতে সন্দেহই নেই। এবং একটা সম্পূর্ণ Scientific Ethical Novel! এখন টের পাওয়া যাচ্ছে না। আঃ শরৎ— {{dhr|4em}} {{ডান|রেঙ্গুন, ১৪-৯-১৩}} {{ফাঁক}}প্রিয়বরেষু—···আমার সংবাদ যে আপনার মাতৃদেবী গ্রহণ করেন, আমার এ বহু সৌভাগ্যের কথা, আমি বেশ সুস্থ হইয়াছি তাঁহাকে জানাইবেন। আমার সংবাদ লইবার লোক সংসারে প্রায় নাই, সেই জন্য কেহ আমার ভাল মন্দ জানিতে চাহেন শুনিলে কৃতজ্ঞতায় পরিপূর্ণ হইয়া উঠি। আমার মত হতভাগ্য সংসারে খুবই কম।··· উপকার করিতেছি, যশ মান স্বার্থ ত্যাগ করিতেছি ইত্যাদি বড় বড় ভাব আমার কোনও দিনই নাই। কোনো দিন ছিল না আজও নাই, এটা আর বেশি কথা কি? যশের কাঙাল হইলে সেই রকম হয়ত ইতিপূর্ব্বেই চেষ্টা করিতাম, এতদিন এমত চুপ করিয়া থাকিতাম না।·····আরো একটা কথা এই যে, শতদ্বারী চণ্ডীপাঠক হইতে আমার লজ্জাও করে। একটা কাগজে নিয়মিত লিখি এই যথেষ্ট। যে আমার লেখা পড়িতে ভালোবাসে সে এই কাগজই পড়িবে এই আমার ধারণা। তা ছাড়া হোমিওপ্যাথী ডোজে এতে একটু ওতে একটু, অশ্রদ্ধা ক’রে, যা তা ক’রে, তর্জ্জমা ক’রে,<noinclude>{{কেন্দ্র|৪১১}}</noinclude> pjvxywszxenp2gkdg1bjs2zhxvhl676 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪৪০ 104 878634 1991753 1944046 2026-07-31T04:05:15Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991753 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>তারা এ বইয়ের সমঝদার হতেই পারে না। কথাটা আমি বানিয়ে বলচি নে। সেদিন যে আলোচনা হয় তা থেকেই এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলুম। যাক্। আবার যদি কখনো দেখা হয় এ-কথা হবে। আপনাকে শত সহস্র ধন্যবাদ দিয়ে আজ বিদায় নিলুম। এমনও হতে পারে আমার ভাল লাগার দাম হয়ত আপনার কাছে খুবই সামান্য।—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় {{dhr|4em}} {{Block right|{{কেন্দ্র|6, Nilkamal Kundu Lane, Baje-Shibpore, Howrah, 11-10-16.}}}} {{ফাঁক}}সবিনয় নিবেদন,—কয়েক দিন হল আপনার চিঠি পেয়ে জবাব দিতে বিলম্ব হওয়ায় লজ্জিত হয়ে আছি। যাওয়াও ঘটে উঠল না বলে নিজের মনেই এক প্রকার ক্লেশ বোধ করচি। পরশু অর্থাৎ বৃহস্পতিবারে যদি বাড়ি থাকেন, বিকেলবেলায় একবার আপনার ওখানে যাবো। কিন্তু কি একটা আমার স্বভাব, বড়লোকের বাড়ি যাবো মনে হলেই কেমন সমস্ত মনটা দ্বিধায় সঙ্কোচে অপ্রসন্ন হয়ে ওঠে। তাই যাইযাই করেও যাওয়া হয় না। {{ফাঁক}}এই সঙ্কোচটা যদি কাটাতে পারি পরশু নিশ্চয় গিয়ে হাজির হব, আর যদি না যাই ত তার কারণ আপনাকে কিছু বোঝাতে হবে না। সে কথা কিন্তু যাক্। {{ফাঁক}}আপনার এই বইখানার সমালোচনা যাঁরা লিখেছিলেন তাঁরা অতি উচ্ছ্বাসের দোষেই যে কাগজওয়ালাদের মনোরঞ্জন করতে পারেন নি তা বোধ হয় নয়। আপনি ত জানেন আমাদের কাগজে ‘নামের ভার’ না থাকলে ধারটা কেউ অর্থাৎ কোন সম্পাদক যাচাই করে দেখতে চান না। আমার সমালোচনা নিশ্চই ভালো হবে না, কারণ, এ বিষয়ে শক্তি আমার বড় কম কিন্তু নামটা নীচে লিখে দিলেই যে-কোন কাগজেই তা স্থান পাবে; সুতরাং তাই আমি আগামী মাসে করব কিনা ভাবচি। হয় ‘ভারতবর্ষে’ না হয় ‘প্রবাসীতে’। তবে কিনা অক্ষমের তুলির আঁচড়ে জিনিসটার চেহারে পাছে আজ-কালকার Indian আর্টের উৎকৃষ্ট নমুনার মত দেখায় সেই আমার ভয়। আর আপনার নিজের ত তাহলে কথাই নেই—আহ্লাদ রাখবার আর জায়গাই থাকবে না। তবে যদি অভয় দেন ত করি। {{ফাঁক}}আপনার ‘বড়বাবুর বড়দিন’— শ্রীযুক্ত পাঁচকড়িবাবু<ref>‘নায়ক’ পত্রিকার সম্পাদক শ্রীপাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়।</ref>রা যাকে বলেন ‘মুন্সিয়ানা’ তার<noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৪২৬}}</noinclude> 5b61eir0a83ng79m182wi6b13vdum8r পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/৩৮ 104 878876 1991211 1982101 2026-07-30T16:23:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991211 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>{{ফাঁক}}গৃহিণী। তা কেন! তা কেন! ঝিকে ডাকি। না হয় ছোট বউমাকে দিয়েই বলে পাঠাই। {{ফাঁক}}কর্ত্তা। তাই কর। ঝিকে দিয়ে ব’লে পাঠানটা কেমন কেমন দেখায়—তা ছোট বউম। যদি ব’লতে পারেন তো দেখ। {{ফাঁক}}গৃহিণী। তাই দেখি রোস। ছোট বউমা বুঝি এখন পান সাজছে। যাই তবে। {{ফাঁক}}এই বলিয়া গৃহিণী আস্তে আস্তে ছোট বউএর ঘরে উপস্থিত হইলেন। ছোট বউ বিছানায় শুইয়া। একখানি শ্লেটে কি লিখিতেছিল। গৃহিণী গৃহে প্রবেশ করিয়া এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য দর্শনে ক্রোধান্ধ হইয়া বলিলেন কিগো! তোমারও যে বড় জায়ের রোগ ধরলো দেখ্‌ছি! পাশ করতে ইচ্ছা আছে নাকি! {{ফাঁক}}এই কথা শুনিবামাত্র ছোট বউ ভয়ে জড়সড় হইল। ব্যস্ত সমস্ত হইয়া গায়ে কাপড় দিল, এবং একহাত ঘোমটা দিয়া বিছানা হইতে নীচে আসিল। {{nop}}<noinclude>{{rvh|৩২}}</noinclude> o0numu4i6mx7mjfcfoe555dqak9potr পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/৪৪ 104 878910 1991212 1982104 2026-07-30T16:23:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991212 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ ৷}}</noinclude>বিন্দু বিক্ষিপ্ত করিয়া, কর্ত্তা মহাশয়কে মুক্তামালায় সাজাইয়া এই কথাগুলি বলিলে, কর্ত্তা মহাশয় বলিলেন তুমিও এক সময়ে অমনি ছিলে। {{ফাঁক}}গৃহিণী। আরে রেখে দাও। তা আর কোন বেটাবেটীকে ব’লতে হয় না। ঠাক্‌রুণ স্বর্গে গেছেন কি আর ব’লব, যা বলেছেন তাই শুনেছি—তাঁর ভাইএর গু পর্যন্ত পরিষ্কার করেছি। {{ফাঁক}}কর্ত্তা। সে সব থাকুক, এখন কি ক’রলে বল? {{ফাঁক}}গৃহিণী। ছোটবউ ব’লতে রাজি নয়। কেঁদে মর্‌ছেন। ওর মুখে আগুন লাগুক। {{ফাঁক}}কর্ত্তা। তা এখন কে ব’লবে? তুমি নিজে যাও। {{ফাঁক}}গৃহিণী। আমার ব’য়ে গেছে। আমি কালই বাপের বাড়ী যাব। ও হতভাগীদের মুখ দেখ্‌লে পাপ। {{ফাঁক}}কর্ত্তা। কেউ না যায়, ঝিকে দিয়েই ব’লে পাঠাও। {{ফাঁক}}গৃহিণী। কাজে কাজেই। রোস, আর এক-<noinclude>{{rvh|৩৮}}</noinclude> orzftm9thy2gthf5kpzcil5nrtqvkf4 পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/৫৩ 104 879070 1991213 1951388 2026-07-30T16:23:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991213 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{right|বড়বউ।}}</noinclude><section begin="A" />বাঘিনী শাশুড়ী জিজ্ঞাসা করিলেন, কি গো কি হলো? {{ফাঁক}}ছোটবউ কাতর ভাবে বলিল, যাবে। {{ফাঁক}}তখন বোধ হয় শাশুড়ীর পাষাণ হৃদয়ে একটু দয়ার সঞ্চার হইল, কিন্তু সে দয়া, আর রহিল না, একবারে অন্তর্হিত হইল। <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|৮}} {{ফাঁক}}ছোট বউ চলিয়া গেলে বড় বউ বিছানায় বসিল। কাঁদিতে কাঁদিতে আপনার চক্ষের জল আপনি মুছিতে লাগিল। হাত সরলার তরল অশ্রু ঘুছ৷ইয়। দিল। {{ফাঁক}}আগে অনেকে চক্ষের জল মুছাইয়া দিত। এখন বড় বউএর কি আপনার কেহই নাই? আছে বইকি। দুই হাত, দুই পা, চোখ, নাক, কাণ, সোণার দেহ, বড় বউএর আপনার। আর আপনার কে? মাটির পৃথিবী—কেন না মাটি চক্ষের জল ধরিয়াছিল। {{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{rvh|৪৭}}</noinclude> srqckkjhti52roo9l7eytdfaq46epms 1991232 1991213 2026-07-30T16:25:47Z Bodhisattwa 2549 1991232 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{right|বড়বউ।}}</noinclude><section begin="A" />বাঘিনী শাশুড়ী জিজ্ঞাসা করিলেন, কি গো কি হলো? {{ফাঁক}}ছোটবউ কাতর ভাবে বলিল, যাবে। {{ফাঁক}}তখন বোধ হয় শাশুড়ীর পাষাণ হৃদয়ে একটু দয়ার সঞ্চার হইল, কিন্তু সে দয়া, আর রহিল না, একবারে অন্তর্হিত হইল। <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|৮}} {{ফাঁক}}ছোট বউ চলিয়া গেলে বড় বউ বিছানায় বসিল। কাঁদিতে কাঁদিতে আপনার চক্ষের জল আপনি মুছিতে লাগিল। হাত সরলার তরল অশ্রু মুছাইয়া দিল। {{ফাঁক}}আগে অনেকে চক্ষের জল মুছাইয়া দিত। এখন বড় বউএর কি আপনার কেহই নাই? আছে বইকি। দুই হাত, দুই পা, চোখ, নাক, কাণ, সোণার দেহ, বড় বউএর আপনার। আর আপনার কে? মাটির পৃথিবী—কেন না মাটি চক্ষের জল ধরিয়াছিল। {{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{rvh|৪৭}}</noinclude> gnvz8cifja36poreakmobu3jjtqmuk9 পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/৭০ 104 879162 1991214 1966668 2026-07-30T16:23:57Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991214 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>{{ফাঁক}}গঙ্গা। কোথা যাব বল। জলে ভিজ্‌তে পারবো না, আমার ঘরে এস না? {{ফাঁক}}অবি। না, তোর ঘরে যে মড়ার গন্ধ। {{ফাঁক}}গঙ্গা। মদ আছে এস। {{ফাঁক}}অবি। তবে যাই। {{ফাঁক}}এই বলিয়া অবিনাশ ইয়ারের ঘরে প্রবেশ করিল। এখানে পাঠিকা হয় তো মনে করিবেন ভদ্রলোকের সন্তান মুর্দ্দফরাসের ইয়ার কেন? ইহার উত্তর এই যে, অনেক ভদ্র সন্তান আছেন যাঁহারা মুর্দ্দফরাসেরও অধম। অবিনাশ সেই প্রকার ভদ্র সন্তান। অবিনাশ গণ্ডমূর্খ। ভাল করিয়া নাম লিখিতে পারেন না। নামজাদা মাতাল—প্রসিদ্ধ লম্পট। ভদ্র দলে অবিনাশের ইয়ার পাওয়া যায় না। ছোট লোকের দলেই অবিনাশের ইয়ারের সংখ্যা অধিক। {{ফাঁক}}অবিনাশ কুঁড়ে ঘরে প্রবেশ করিলে গঙ্গাপুত্র বসিল, এত রাত্রে যে। {{ফাঁক}}অবি। বড় দরকার আছে। এক কাজ করতে পারবি? {{nop}}<noinclude>{{rvh|৬৪}}</noinclude> 8jjays95ebdlpldm1k321bkdorxxqp1 পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১১৩ 104 879276 1992070 1951415 2026-07-31T04:19:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992070 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{right|বড়বউ।}}</noinclude>{{ফাঁক}}কা। প্রাণ রাখিব না। {{ফাঁক}}গো। আচ্ছা, আজ তো আর বেলা নাই, কাল যা হয় হবে। আমাদের কর্ত্তা বাটীতে এলে খবর লওয়াব—তোমার স্বামী কোথায় আছে; তারপর তুমি যেও। {{ফাঁক}}দুঃখের সাগরে ভাসিতে ভাসিতে কামিনী গোলাপের বাড়ীতে দুই দিন অতিবাহিত করিল—দুই দিন আজ কামিনীর পক্ষে দুই বৎসর। স্বামী জেলে আছেন, শুনিয়া কামিনীও জেলে থাকিবে এই স্থির করিল। হিন্দু-রমণীর লজ্জাজড়িত হৃদয়ে সাহসের ভর হইল। ‘স্বামীর যে অবস্থা স্ত্রীরও সেই অবস্থা হউক’, এই ভাবিয়া কামিনী ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করিতে লাগিল। হাতে দুই গাছি সোণার বালা ছিল, তাহা গোলাপকে দিয়া একখানি বসন ভিক্ষা করিয়া লইবে মনে মনে এই স্থির করিল। {{ফাঁক}}তৃতীয় দিবসের প্রাতে, কামিনী গোলাপকে বলিল, আমি আর এখানে থকিব না। তুমি<noinclude>{{rvh|১০৫}}</noinclude> idsjf3wsaq6g4phgtq0zaz1fhq7g45h পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১১৪ 104 879277 1991215 1982113 2026-07-30T16:23:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991215 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>আমার এই বালা দুগাছি নিয়ে একখানি মলিন কাপড় দাও তো বাঁচি। {{ফাঁক}}গো। কেন? মলিন কাপড় কেন? {{ফাঁক}}কা। ভাল কাপড় আর পরিব কেন? {{ফাঁক}}গো। বালা আমায় দিতে চাও কেন? {{ফাঁক}}কা। আমি নিয়ে কি করিব! সঙ্গে থাকিলে রাস্তায় নানা বিপদ হ’তে পারে! {{ফাঁক}}গো। তবে তুমি কি নিশ্চয়ই যাবে? {{ফাঁক}}কা। হাঁ নিশ্চয়ই যাব। {{ফাঁক}}গো। সেখানে অনেক সাহেব আছে, যদি কোন বিপদ ঘটে? {{ফাঁক}}কা। এর চেয়ে আর কি বিপদ্ আছে? {{ফাঁক}}গো। তোমার এখন অল্প বয়স, তাই বলি যদি কেউ কিছু—। {{ফাঁক}}কা। কার সাধ্য। যতক্ষণ জীবন থাকিবে ততক্ষণ কার সাধ্য—আমায় ধর্ম্মভ্রষ্টা করে। {{ফাঁক}}গো। তা যা হয় করগে। বালা পেট কাপড়ে রেখে দিও। আমি ময়লা কাপড় একখানি দিচ্চি। {{nop}}<noinclude>{{rvh|১০৬}}</noinclude> 6k847gx64bxoapp3u88dlzvm17c7sxo পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১২৭ 104 879381 1991216 1951422 2026-07-30T16:23:58Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991216 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{right|বড়বউ।}}</noinclude>{{ফাঁক}}বিশ্বম্ভর শিকড়টি সরলার নাকের নিকট কিয়ৎক্ষণ ধরিবামাত্র সরলার চৈতন্য হইল। সরলা চক্ষু মেলিল। চাহিয়া দেখিল, তাহার চারিদিকে লোক ও চারিদিকে বিস্তৃত মাঠ। চক্ষু চাহিয়া কিয়ৎক্ষণ পরে আবার চক্ষু মুদিল। দুই বিন্দু অশ্রু দেখা দিল। সরলা ভাবিতেছিল, মরিলাম না কেন? ঈশ্বর আবার কত কষ্ট ভোগ করাবেন বুঝি, তাই আমায় বাঁচালেন। পার্শ্বে একটী স্ত্রীলোক ছিল। বিশ্বম্ভর তাহাকে ডাকিয়া বলিল, ওগো তুমি এর সহিত কথ। কও দেখি, আমরা একটু দূরে যাই। {{ফাঁক}}এই সময়ে সাপুড়ে অন্য একটা শিকড় লইয়া আসিতেছিল। তাহাকে দূরে দেখিয়া সকলে বলিল, ভাল হয়েছে—ভাল হয়েছে—ভাল হয়েছে! সাপুড়ের মনে অতিশয় আনন্দ হইল তাড়াতাড়ি সরলার কাছে গেল। গিয়া হাত দেখিয়া বলিল, আর ভয় নাই। সরলা আপনি উঠিয়া বসিল, গায়ে কাপড় আঁটিয়া দিল, মাথায় কাপড় টানিয়া দিল। তার পর আপনার দুরবস্থার<noinclude>{{rvh|১১৯}}</noinclude> e214uar14lq6yfszdg63gunv1lko1z8 পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১৫২ 104 879421 1991217 1966708 2026-07-30T16:23:59Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991217 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>যাইতে লাগিল—সরলা এক দৃষ্টে দেখিতেছে। পরে দেখিল, সেই বিকট ছায়া দুই বাহু প্রসারিত করিয়া সরলাকে ধরিতে উদ্যত। তখন সরলা বুঝিল, এ ভূত নয়—কোন দুশ্চরিত্র। গণেশ ইতিঃপূর্ব্বে সরলাকে গোকুলের দুশ্চরিত্রের কথা বলিয়াছিল। সরলা তাই বুঝিতে পারিল—নহিলে ভূত মনে করিয়া চীৎকার করিয়। উঠিত। {{ফাঁক}}সরলা ঐ দুশ্চরিত্রকে নিকটে দেখিয়া বলিল, কেও? {{ফাঁক}}গো। তোমার প্রাণনাথ। {{ফাঁক}}স। দুশ্চরিত্র! সাবধান! আমায় স্পর্শ করিও না। {{ফাঁক}}গো। কেন প্রিয়ে! এখানে কষ্ট পাও কেন আমার বিছানায় এস। আমার স্ত্রীর অপেক্ষা তোমায় আদর করিব। {{ফাঁক}}স। আমি তোমার মা—সরে যাও—বিপদে পড়েছিনু তোমরা আমার প্রাণ বাঁচাইয়াছ—এখন<noinclude>{{rvh|১৪৪}}</noinclude> 9mtejjfumkfpkxsfafe6f3eoe35szs4 পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১৬৬ 104 879456 1991218 1966715 2026-07-30T16:24:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991218 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>স্থানান্তর গিয়া বসিল এবং বলিল, আপনারা অনুগ্রহ করিয়া যদি আমাকে একখানা মোটা কাপড় দেন তাহা হইলে এ স্থান পরিত্যাগ করি। দেখুন আমার কাপড়খানি জীর্ণ ও ছিন্নপ্রায় হইয়াছে। গণেশের শাশুড়ি বলিলেন, আচ্ছা, এখনি তোকে একখানা মোটা কাপড় দিচ্চি; রাক্ষসি! এ স্থান ত্যাগ কর—তুই এখানে থাকিলে দেশের ছেলে মেয়ে সব খারাপ হবে। গণেশের শাশুড়ি কাপড় কাচিয়া যে কাপড় খানি পরিধান করিবার জন্য আনিয়াছিলেন, সেই কাপড়খানি সরলাকে দান করিল। বাগানের পুকুরে সকলে কাপড় কাচিয়া চলিয়া গেল, কিন্তু গণেশ কাপড় কাচিতে একটু বিলম্ব করিতে লাগিল। ইচ্ছা একবার সরলাকে শেষ দেখা দেখিয়া লয়। গণেশ কাপড় কাচিয়া উপরে আসিয়া, সরলার নিকটে যাইয়া কাঁদিতে লাগিল। গণেশের সে কান্না দেখিয়া সরলাও কাঁদিয়া ফেলিল। সরলা কাঁদিতে কাঁদিতে বলিল, দিদি আর কাঁদিয়া আমায় কাঁদাইও না। ভগবান্<noinclude>{{rvh|১৫৮}}</noinclude> 3q1u615kyykndl2siltpf739uty3c5p পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১৬৮ 104 879459 1991219 1966716 2026-07-30T16:24:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991219 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>চলিল। কিয়দ্দূর গিয়া দেখিল, এক বিস্তীর্ণ মাঠ। মাঠ আষাঢ়ের জলে পূর্ণ হইয়াছে। অপরাহ্নে কৃষকেরা আনন্দে গান গাহিতে গাহিতে চাষ দিতেছে। সরলা আপনার দুরবস্থার বিষয় কিছু না ভাবিয়া, মাঠের কৃষকদিগের দিকে একদৃষ্টে চাহিয়া ভাবিল, কি আশ্চর্য্য! ভগবান্ অপনার সন্তানদিগের প্রতিপালনের জন্য স্বয়ং হল চালনা করিতেছেন। কৃষকের হলযন্ত্র অতি পবিত্র, এবং কৃষকগণ জগতের মহা হিতৈষী। উহারা যদি ঐ রূপে কাজ না করিত, তাহা হইলে আমর। না খাইতে পাইয়া মরিয়া যাইতাম। এইরূপে কৃষকদিগকে মনে মনে ধন্যবাদ প্রদান করিয়া মাঠের মধ্য দিয়া যাইতে লাগিল। ভাবিল, মাঠ পার হইরা অবশ্য কোন গ্রাম পাইব। আবার ভাবিল, গ্রাম পাই আর না পাই, যেখানেই যাই—মা জগজ্জননীতো আমার সঙ্গে সঙ্গে চলিলেন। যদি একান্তই কোন পার্থিব বিপদে পড়ি, মাকে প্রাণ ভরিয়। ডাকিয়া—মায়ের প্রেমমুখ দেখিয়া—<noinclude>{{rvh|১৬০}}</noinclude> q3xwmd9aqvpnt51z2sgy9nozldrna0g পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/১৭০ 104 879461 1991220 1966717 2026-07-30T16:24:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991220 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>এইরূপে ঈশ্বর-প্রেমে উন্মাদিনী হইয়া গাহিতে লাগিল— {{Block center|<poem> :::অনন্তের{{ফাঁক|2.5em}} অধিকারী :::অনন্তেতে{{ফাঁক|1.5em}} বাস {{ফাঁক|1.5em}}করি অনন্ত জ্ঞানের প্রার্থী অনন্ত প্রেম যে চাই। ::::অনন্ত হৃদয়ে গাঁথা ::::অনন্ত যে যেথা সেথা প্রকৃতির প্রতি স্থানে অনন্ত দেখিতে পাই।</poem>}} {{ফাঁক}}সরলা! তুমি গান গাহিতে গাহিতে, গীতে প্রান্তরস্থ কৃষকদিগকে অন্যমনস্ক করিয়া, প্রেম বারি বিসর্জ্জন করিতে করিতে এই বিস্তীর্ণ মাঠ অতিক্রম করিয়া কোথায় যাইতেছে? সন্মুখে যে তামসী বিভাবরী! রাত্রে কোথায় ঘুমাইবে? পার্থিব সুখে আর মন মজিতে চায় না? সরলা! তুমি হৃদয়ে কি এমন অমূল্য রত্ন পাইয়াছ যে, তাহার লোভে সংসারকে ভ্রুকুটী দেখাইতেছ। অমন সোণার দেহ যে মাটী হইল। সে কবরী তোমার কোথা? কবরী যে ধূলায় ধুসরিত। যে দেহে আগে কত আভর<noinclude>{{rvh|১৬২}}</noinclude> 1ezqhasivk046x0uedgwd0dwuew52xc পাতা:মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/২১ 104 879556 1991397 1962384 2026-07-30T16:30:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991397 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="কমলেশ মণ্ডল" />{{rh|১৭|সপ্তম পরিচ্ছেদ|১৭}}</noinclude><section begin="A" />{{gap}}সাহেব প্রথম আসিয়া, মুচিরামের কালোকোলো নধর সুচিক্কণ শরীরটি দেখিয়া, এবং তাহার আভূমিপ্রণত ডবল সেলাম দেখিয়া নিজের সরলচিত্তে একেবারে সিদ্ধান্ত করিলেন যে, আপিসের মধ্যে এই সর্ব্বাপেক্ষা উপযুক্ত লোক। সে বিশ্বাস তাঁহার কিছুতেই গেল না। যাইবারও কোন কারণ ছিল না—কেন না, কাজ কর্ম্মের তিনি খবর রাখিতেন না। একদিন আপিসের মীর মুন্সী মিরজা গোলাম সর্ফদর খাঁ সাহেব, দুনিয়াদারি নামাফিক মনে করিয়া ফৌত করিলেন। সাহেব পরদিনেই মুচিরামকে ডাকিয়া তৎপদে অভিষিক্ত করিলেন। মীর মুন্সীর বেতন কুড়ি টাকা—কিন্তু বেতনে কি করে? পদটি রুধিরে পরিপ্লুত। অজরামরবৎপ্রাজ্ঞ মুচিরাম শর্ম্মা রুধিরসঞ্চয় করিতে লাগিলেন। {{gap}}দোষ কি? অজরামরবৎপ্রাজ্ঞ বিদ্যামর্থঞ্চ চিন্তয়েৎ। দুইটা একজনে পারে না—মুচিরাম বিদ্যাচিন্তা করিতে সক্ষম নহেন; কোষ্ঠীতে তাহা লেখে নাই—অতএব বিষ্ণুশর্ম্মার উপদেশানুসারে মৃত্যুভয় রহিত হইয়া তিনি অর্থচিন্তায় প্রবৃত্ত। যদি সেই “হিতোপদেশ”গুলি অধীত হইবার যোগ্য হয়—যদি সে গ্রন্থ এই ঊনবিংশ শতাব্দীতেও পূজার যোগ্য হয়—তবে মুচিরামও প্রাজ্ঞ—আর এ দেশের সকল মুচিই প্রাজ্ঞ। {{gap}}বিষ্ণুশর্ম্মা ভারতবর্ষের মাকিয়াবেল্লি—চাণক্য ভারতের রোশফুকল। যাহারা এইরূপ গ্রন্থ বিদ্যালয়ের বালকদিগকে পড়াইবার নিয়ম করিয়াছে, তাহাদিগের উচিত, আবার বিদ্যালয়ে প্রবেশ করা। তাহাদের শিক্ষা হয় নাই। <section end="A" /> <section begin="B" />{{c|{{larger|সপ্তম পরিচ্ছেদ}}}} {{gap}}মুচিরাম দুই তিন বৎসর মীর মুন্সীগিরি করিল—তার পর কালেক্টরীর পেস্কারি খালি হইল। পেস্কারিতে বেতন পঞ্চাশ টাকা—আর উপার্জ্জনের ত কথাই নাই। মুচিরাম ভাবিল, কপাল ঠুকিয়া একখানা দরখাস্ত করিব। {{gap}}তখন কালেক্টর ও মাজিষ্ট্রেট পৃথক্ পৃথক্ ব্যক্তি হইত। সেখানে সে সময়ে হোম নামা এক সাহেব কালেক্টর ছিলেন। তিনি অতিশয় বুদ্ধিমান্ ও কর্ম্মঠ লোক ছিলেন, কিন্তু একটা দোষ ছিল—কিছু মিষ্ট কথার বশ। {{gap}}মুচিরাম একখানি ইংরেজি দরখাস্ত লিখাইয়া লইল—মুচিরামের নিজবিদ্যা দরখাস্ত পর্য্যন্ত কুলায় না। যে দরখাস্ত লিখিল, মুচিরাম তাহাকে বলিয়া দিলেন, “দেখিও যেন ভাল ইংরেজি না হয়। আর যা হৌক না হৌক, দরখাস্তের ভিতর যেন গোটা কুড়ি <section end="B" /><noinclude></noinclude> gjuj0otibqxzkm4p40z4fl5suol0w68 পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/২২২ 104 879605 1991221 1966742 2026-07-30T16:24:02Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991221 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{left|বড়বউ।}}</noinclude>{{ফাঁক}}আর অধিক কথা লিখিয়া পুস্তক বাড়াইবার প্রয়োজন নাই, দুই এক কথা বলিয়া শেষ করি। {{ফাঁক}}পুনরায় বিচার হইল। সুরেন্দ্রের পিতামাতার চৌদ্দ বৎসর করিয়া মেয়াদ হইল, এবং অবিনাশের দ্বীপান্তর হইল। ছোট বউ বড় বউএর কাছে অতি যত্নে রহিল। সরলা গণেশসুন্দরীর নিকট লোক পাঠাইয়া তাহাকে আপনার বাটীতে আনাইল। গণেশের স্বামীর সহিত সুরেন্দ্র ও বিনোদের বন্ধুত্ব হইল। গণেশের বাটী সরলার বাটী হইতে পঁয়ত্রিশ ক্রোশ দূরে। আর নয়। {{dhr|2em}} {{কেন্দ্র|{{larger|'''সমাপ্ত'''}}}}<noinclude>{{rvh|২১০}}</noinclude> rwb8e4x6xakpa1osc5l7gnrtod9algw পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৫ 104 879811 1991674 1948009 2026-07-31T03:58:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991674 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|প্রহাসিনী}} {{block center/s}}</noinclude><poem>তাহার পরে ছেলে তো আছে বাপেরই পথে ঢুকে ::অম্লশূলসাধনকৌতুকে। ::::কাঁচা আমের আচার যত ::::রহিবে হয়ে বংশগত, ::::::ধরাবে জ্বালা পারিবারিক বুকে। খাওয়া বাঁচায়ে বাঙালিদের বাঁচিতে হলে ঝোঁক ::এ দেশে তবে ধরিত না তো লোক। ::::অপরিপাকে মরণভয় ::::গৌড়জনে করেছে জয়, ::::::তাদের লাগি কোরো না কেহ শোক। লঙ্কা আনো, শর্ষে আনো, শস্তা আনো ঘৃত, ::গন্ধে তার হোয়ো না শঙ্কিত। ::::আঁচলে ঘেরি কোমর বাঁধো, ::::ঘণ্ট আর ছেঁচকি রাঁধো, ::::::বৈদ্য ডাকো—তাহার পরে মৃত॥</poem> {{block center/e}}<noinclude>{{কেন্দ্র|২৩}}</noinclude> 21oxumkgx4vy01845r8u6u2mort4b7h পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৪৮ 104 879828 1992068 1951354 2026-07-31T04:19:12Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992068 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|প্রহাসিনী}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''পলাতকা'''}}}} {{block center/s}} <poem> কোথা তুমি গেলে যে মোটরে শহরের গলির কোটরে, ::::::এক্‌জামিনেশনের তাড়া। কেতাবের পরে ঝুঁকে থাক’, বেণীর ডগাও দেখি নাকো, ::::::দিনে রাতে পাই নে যে সাড়া। আমার চায়ের সভা শূন্য, মনটা নিরতিশয় ক্ষুণ্ণ, ::::::সুমুখে নফর বনমালী! ‘সুমুখ’ তাহারে বলা মিছে, মুখ দেখে মন যায় খিঁচে, ::::::বিনা দোষে দিই তারে গালি। ভোজন ওজনে অতি কম— নাই রুটি, নাই আলুদম, ::::::নাই রুইমাছের কালিয়া। জঠর ভরাই শুধু দিয়ে দু-পেয়ালা Chinese-tea-য়ে ::::::আধসের দুগ্ধ ঢালিয়া।</poem><noinclude>{{block center/e}} {{কেন্দ্র|৩৬}}</noinclude> 07osn037jnw6829axx9i5d4r3z5b9q9 পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৬২ 104 880034 1992069 1948988 2026-07-31T04:19:13Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992069 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|প্রহাসিনী}} {{block center/s}}</noinclude><poem>::::::সুন্দরীদের জুগিয়ে এলেম মান— :::আজকে যদি বলি ‘আমার প্রাণ জগামালীর মালায় পেল একটা কিছু খাঁটি’, ::::::তাই নিয়ে কি চলবে ঝগড়াঝাঁটি।” নাতনি কহেন, “ঠাট্টা করে উড়িয়ে দিচ্ছ কথা, ::::::আমার মনে সত্যি লাগায় ব্যথা। ::তোমার বয়স চারিদিকের বয়সখানা হতে ::::::চলে গেছে অনেক দূরের স্রোতে। ::একলা কাটাও ঝাপসা দিবসরাতি, ::::::নাইকো তোমার আপন দরের সাথি। ::জগামালীর মালাটা তাই আনে ::::::বর্তমানের অবজ্ঞাভার নীরস অসম্মানে।” আমি বললেম, “দয়াময়ী, ঐটে তোমার ভুল, ::::ঐ কথাটার নাইকো কোনো মূল। ::::::জান তুমি, ঐ যে কালো মোষ আমার হাতে রুটি খেয়ে মেনেছে মোর পোষ, ::মিনি-বেড়াল নয় বলে সে আছে কি তার দোষ। ::::::জগামালীর প্রাণে ::যে জিনিসটা অবুঝভাবে আমার দিকে টানে ::::::কী নাম দেব তার, :::একরকমের সেও অভিসার।</poem><noinclude>{{block center/e}} {{কেন্দ্র|৫০}}</noinclude> i9dn2s0tfagg6kk3ivqc1tt19gexq8e উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার/সদস্য 4 880136 1991531 1949546 2026-07-30T19:26:36Z Kryesmin 20138 নাম যোগ 1991531 wikitext text/x-wiki <noinclude><big><center>আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন<code># <nowiki>[[User:ব্যবহারকারী নাম|]]</nowiki></code> যোগ করে আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন</center></big></noinclude> ; দায়িত্বে {{Div col|cols=2}} # [[User:ROCKY|রকি]] # [[user:Mmrsafy|সাফি]] {{Div col end}} ;আগ্রহী {{Div col|cols=2}} # [[user:Kryesmin|রাবিবা]] {Div col end}} 7t1p0vqlf6nkso0v688q7s8lyqdv46i 1991532 1991531 2026-07-30T19:29:25Z ~2026-42467-62 22345 1991532 wikitext text/x-wiki <noinclude><big><center>আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন<code># <nowiki>[[User:ব্যবহারকারী নাম|]]</nowiki></code> যোগ করে আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন</center></big></noinclude> ; দায়িত্বে {{Div col|cols=2}} # [[User:ROCKY|রকি]] # [[user:Mmrsafy|সাফি]] {{Div col end}} ;আগ্রহী {{Div col|cols=2}} # [[user:Kryesmin|রাবিবা]] {{Div col end}} 7i7tahi6pna7s6py6tmy9hcquw9jjfu 1991533 1991532 2026-07-31T01:08:53Z JIBON 20147 1991533 wikitext text/x-wiki <noinclude><big><center>আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন<code># <nowiki>[[User:ব্যবহারকারী নাম|]]</nowiki></code> যোগ করে আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন</center></big></noinclude> ; দায়িত্বে {{Div col|cols=2}} # [[User:ROCKY|রকি]] # [[user:Mmrsafy|সাফি]] {{Div col end}} ;আগ্রহী {{Div col|cols=2}} # [[user:Kryesmin|রাবিবা]] # [[user:JIBON|মানিক]] {{Div col end}} hp2o6tgr2kpxfx51qy23q28tstsiq4c পাতা:কাব্যগ্রন্থ (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৭ 104 880308 1991984 1985416 2026-07-31T04:12:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991984 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{right|পুরাতন}} {{block center/s}}</noinclude><poem>উঠিছে প্রভাতরবি, {{float right|4=3em|আঁকিছে সোনার ছবি,}} :::::তুমি কেন ফেল তাহে ছায়া, বারেক যে চলে’ যায় {{float right|4=3em|তা’রে ত কেহ না চায়}} :::::তবু তা’র কেন এত মায়া? তবু কেন সন্ধ্যাকালে {{float right|4=3em|জলদের অন্তরালে}} :::::লুকায়ে, ধরার পানে চায়— নিশীথের অন্ধকারে {{float right|4=3em|পুরানো ঘরের দ্বারে}} :::::কেন এসে পুন ফিরে যায়? কি দেখিতে আসিয়াছ, {{float right|4=3em|যাহা কিছু ফেলে গেছ}} :::::কে তাদের করিবে যতন? স্মরণের চিহ্ন যত {{float right|4=3em|ছিল পড়ে’ দিন-কত}} :::::ঝরে’—পড়া পাতার মতন; আজি বসন্তের রায় {{float right|4=3em|একেকটি করে’ হায়}} :::::উড়ায়ে ফেলিছে প্রতিদিন; ধূলিতে মাটিতে রহি’ {{float right|4=3em|হাসির কিরণে দহি'}} :::::ক্ষণে ক্ষণে হতেছে মলিন। ঢাক তবে ঢাক মুখ {{float right|4=3em|নিয়ে যাও দুঃখ সুখ}} :::::চেয়ো না চেয়ো না ফিরে ফিরে, হেথায় আলয় নাহি; {{float right|4=3em|অনন্তের পানে চাহি}} :::::আঁধারে মিলাও ধীরে ধীরে।</poem> {{block center/e}} {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫}}</noinclude> k6ubjcz60dodjp5hdvyea5k41dxn438 পাতা:নজরুলকে যেমন দেখেছি - শামসুন নাহার (১৯৫৮).pdf/৫৭ 104 880464 1991202 1952913 2026-07-30T16:21:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991202 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{block center|<poem>‘শিকল পরা ছল মোদের ::এ শিকল পরা ছল এই শিকল প’রেই শিকল তোদের ::করব রে বিকল।’</poem>}} {{ফাঁক}}এইভাবে কয়েদখানার আবহাওয়াকে কি ক’রে তাঁরা উতরোল ক’রে তুলতেন, অতিষ্ঠ ক’রে তুলতেন জেল কর্তৃপক্ষকে—এসব গল্প আমরা নজরুলের নিজের মুখে শুনেছি। তাঁর চট্টগ্রাম সফরের কথা বলছি। দাদা চট্টগ্রামের ছাত্রদলকে, তরুণ সমাজকে মাতিয়ে তুললেন, ‘নজরুলকে চট্টগ্রামে আনা চাই।’ ফলে ১৯২৬ থেকে ১৯২৯ এই বছর তিনকের মধ্যে নজরুলকে দু’বার আমরা চট্টগ্রামে পেয়েছিলাম আমাদের বাড়ীতে। {{ফাঁক}}আমাদের দাওয়াত তিনি কবুল করেছিলেন খুশী হয়ে। যে ডাক প্রাণের ডাক, সে ডাকে তাঁর স্নেহ-কাঙাল মন সাড়া দিয়েছে চিরকালই। তাছাড়া অলক্ষ্যে চট্টগ্রামের নদীগিরিবন যে দাওয়াত পাঠিয়েছিল তাও বড় কম লোভনীয় ছিল না তাঁর কবি-চিত্তের কাছে। কবির থাকবার ব্যবস্থা হয়েছিল আমাদের বাড়ীতে। এ ব্যাপারে আমার আম্মা ও নানীআম্মার আগ্রহও বড় কম ছিল না। {{ফাঁক}}যে ক’দিন তিনি ছিলেন, শুধু চট্টগ্রাম শহরটাই যে সভাসমিতিতে বক্তৃতায়, গানে, আবৃত্তিতে গুলজার হয়ে থাকত তা’নয়, চট্টগ্রামের পার্বত্য প্রকৃতি, চট্টগ্রামের নদীগিরিবন সমুদ্র পর্যন্ত যেন উতরোল হয়ে উঠত; এমনি ছিল নজরুলের প্রাণের প্রাচুর্য। {{ফাঁক}}বাইরে যেমন সভা-সমিতিতে, বক্তৃতায়, গানে মেতে থাকতেন—অথবা পাহাড়ে, ঝর্ণায়, নদীতে, সমুদ্রে আনন্দ লুটে<noinclude>{{C|৪৮}}</noinclude> nzvd0pci3uyarx9a2b1cda5j6vp6b6e পাতা:দুধ-ভাত - ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী.pdf/৪২ 104 880495 1991662 1955319 2026-07-31T03:55:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991662 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{rh|৩০|দুধ-ভাত|}}</noinclude>{{ফাঁক}}বললেন কেবল বোস বাড়ীর জ্যাঠাইমা। বিরাট বিপুল দেহ, সচল একটি জুয়েলারী দোকান—তাঁর দিকে তাকালেই একথা মনে হয়।—কই গা বৌমা, দেখি নতুন খোকা, কি সব বলছে! {{ফাঁক}}মা তো ভয়ে কাঠ। এই মহিলাকে তিনি সবচেয়ে দূরে রাখতে চান। একে তো মনোবেদনার শেষ নেই, তার উপর আবার একি শাস্তি! {{ফাঁক}}তবুও তোয়ালে জড়ান শিবুকে বা’র ক’রে দেখাতেই হলো। {{ফাঁক}}গালে হাত দিয়ে জ্যাঠাইমা বললেন: ও আমার কপাল—এমনি ধারা ছেলে হলো? {{ফাঁক}}মা চুপ ক’রে রইলেন। {{ফাঁক}}শিবুর জন্মের শুভ শঙ্খধ্বনি এইভাবে দুঃখপূর্ণ ও বিকৃত হয়ে উঠলো। {{dhr}} {{ফাঁক}}শিবু ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে লাগলো॥ ভাইবোন ছাড়া মা আর কারো সঙ্গে খেলতে দেন না, বাইরে যেতে দেন না। সতর্ক দৃষ্টি মায়ের সব সময় জাগ্রত। {{ফাঁক}}শিবু তো নিজের কথা কিছুই বুঝতে পারে না। একটি চোখের দৃষ্টিতেই সে অভ্যস্ত হয়ে উঠলো। এই তার জন্মগত অভ্যাস, কাজেই সে তার বিকৃত অঙ্গের কিছুই বোঝে না। তার জন্মের কিছুদিন পরেই তার সম্পর্কে বাড়ীর আলোচনা থেমে, থিতিয়ে, জুড়িয়ে এসেছে, তাছাড়া মায়ের নিষেধও আছে—বরং ভাইবোন ও অন্য সকলে সচেতন হয়ে থাকে, নূতন কোনও লোক এলে তারা শিবুকে অন্য ঘরে নিয়ে যায় খেলতে। {{nop}}<noinclude></noinclude> fnfwu83xox8hoh61jhd2hz7wy07bq8g পাতা:নজরুলকে যেমন দেখেছি - শামসুন নাহার (১৯৫৮).pdf/৬৫ 104 880531 1992054 1985883 2026-07-31T04:16:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992054 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{ফাঁক}}এবার সারা রাত ধরে চলত অঝোরে কবিতা রচনা। আমাদের কৌতূহল উপচে পড়ত; সকালে উঠেই প্রথম কাজ হ’ত, আজ কি কবিতা লেখা হ’ল, কতখানি লেখা হ’ল দেখা। অধীর আগ্রহে পড়ে যেতাম— {{block center|<poem>:::‘হে সিন্ধু, হে বন্ধু মোর, হে চির বিরহী ::::হে অতৃপ্ত, রহি রহি কোন্ বেদনায় :::উদ্বেলিয়া ওঠ তুমি কানায় কানায়? :কি কথা শুনিতে চাও, কারে কি কহিবে বন্ধু তুমি? প্রতীক্ষায় চেয়ে আছে ঊর্ধ্বে নীলা, নিম্নে বেলাভূমি!’</poem>}} {{ফাঁক}}রাজনৈতিক আন্দোলনের হট্টগোলের মাঝখানে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রচারের উত্তেজনার ভেতরে একই সময় পাশাপাশি বিশ্বপ্রকৃতি কি ক’রে তাঁকে হাতছানি দিত, তা’ আমরা চোখে দেখেছি। সারাদিন সভা-সমিতি, বক্তৃতা, মজলিস নিয়ে ব্যস্ত থাকবার পর রাত্রির অন্ধকারে প্রকৃতি তার রূপের ঐশ্বর্য মেলে ধরত তাঁর কাছে, চট্টগ্রামের গিরিদরীবন তাঁর মনকে উতলা ক’রে তুলতো। রাত্রির পর রাত্রি খাতার পাতায় আত্মপ্রকাশ করতে লাগল ‘সিন্ধু’ প্রথম তরঙ্গ, ‘সিন্ধু’ দ্বিতীয় তরঙ্গ, ‘সিন্ধু’ তৃতীয় তরঙ্গ, ‘কর্ণফুলী’ ‘সাম্পানের গান’, ‘বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি।’ এই সময়েই ‘অনামিকা’, ‘গোপনপ্রিয়া’ প্রভৃতি ‘সিন্ধু-হিন্দোল’ কাব্যের শ্রেষ্ঠ প্রেমের কবিতাগুলি লিখিত হয়। তিনি লিখেছিলেন আমাকে চিঠিতে—আমার পনের আনা রয়েছে স্বপ্নে বিভোর, সৃষ্টির ব্যথায় ডগমগ, আর এক আনা করছে পলিটিক্স, দিচ্ছে বক্তৃতা, গড়ছে সঙ্ঘ। নদীর জল চলেছে<noinclude>{{C|৫৬}}</noinclude> ihbmvy2c7b79ymhfs3e6c2p3xeq6cpe পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৭৪ 104 880661 1991403 1953879 2026-07-30T16:32:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991403 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}} {{block center/s}}</noinclude><section begin="A" /><poem>পাঁচ বছরে করে পঞ্চতপা, তোর হাতে তোর মা-জননী সঁপেচেন ক্ষ্যাপা, বাঁধতে যদি পারিস্‌নি তায়, ::::তাই বলে কি হবে সে পর? (তাই বলে পর হয়ে কি যায়) একবার নাকি গিয়েছিল কুচুনী পাড়ায় সত্যি কথা তোর কাছে সই যদিই সে ভাঁড়ায়। ফেলার জিনিস নয় তো সে তোর বোন ধুয়ে পুঁছে তুল গে যা তারে ঘর॥</poem> {{block center/e}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|তৃতীয় দৃশ্য}}}} {{কেন্দ্র|ষোড়শীর কুটীর}} {{কেন্দ্র|[ নির্ম্মলের প্রবেশ ]}} {{ফাঁক}}ষোড়শী। এ কি, এই রাত্রে শেষে অকস্মাৎ আপনি যে নির্ম্মলবাবু? {{কেন্দ্র|[ নির্ম্মল নিরুত্তর ]}} (হাসিয়া) ওঃ—বুঝেচি। যাবার পূর্ব্বে লুকিয়ে বুঝি একবার দেখে যেতে এলেন? {{ফাঁক}}নির্ম্মল। আপনি কি অন্তর্যামী? {{ফাঁক}}ষোড়শী। তা নইলে কি ভৈরবী-গিরি করা যায় নির্ম্মলবাবু? কিন্তু এখানটায় তেমন আলো নেই, আসুন, আমার ঘরের মধ্যে গিয়ে বসবেন চলুন। {{ফাঁক}}নির্মল। রাত্রে একাকী আমাকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যেতে চান, আপনার সাহস ত কম নয়? {{ফাঁক}}ষোড়শী। আর সে-রাত্রে অন্ধকারে যখন হাত ধরে নদী মাঠ পার করে এনেছিলাম তখনি কি ভয়ের লক্ষণ দেখতে পেয়েছিলেন না কি? সেদিনও ত এমনি একাকী। {{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{c|৬০}}</noinclude> c8yje8291h0blbvpyzoi4l2k7job1iz পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/১৩ 104 880770 1991417 1955367 2026-07-30T16:34:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991417 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||সাম্য|৭}}</noinclude>লোক মূৰ্খ হইল। মনে কর, যদি ইংলণ্ডে এরূপ নিয়ম থাকিত যে, রসেল, কাবেন্দিষ, স্তান্‌লি প্রভৃতি কয়েকটি নিদ্দিষ্ট বংশের লোক ভিন্ন আর কেহ বিদ্যার আলোচনা করিতে পারিবে না, তাহা হইলে ইংলণ্ডের এ সভ্যতা কোথায় থাকিত? কবি, দার্শনিক, বিজ্ঞানবিৎ দূরে থাকুক, ওয়াট্, ষ্টিবিন্‌সন, আর্করাইট, কোথায় থাকিত? ভারতবর্ষে প্রায় তাহাই ঘটিয়াছিল। কিন্তু কেবল তাহাই নহে। অনন্যসহায় ব্রাহ্মণেরা যে বিদ্যার আলোচনা একাধিকার করিলেন, তাহাও বর্ণ বৈষম্য দোষে কুফল প্রদা হইয়া উঠিল। সকল বর্ণের প্রভু হইয়া, তাঁহারা বিদ্যাকে প্রভুত্বরক্ষণীরূপে নিযুক্ত করিলেন। বিদ্যার যেরূপ আলোচনায় সেই প্রভুত্ব বজায় থাকে, যাহাতে তাহার আরও বৃদ্ধি হয়, যাহাতে অন্য বর্ণ আরও প্রণত হইয়া ব্রাহ্মণপদরজ ইহজন্মের সারভূত করে, সেইরূপ আলোচনা করিতে লাগিলেন। আরও যাগযজ্ঞের সৃষ্টি কর, আরও মন্ত্র, দান, দক্ষিণা, প্রায়শ্চিত্ত বাড়াও, আরও দেবতার মহিমাপূর্ণ মিথ্যা ইতিহাস কল্পনা করিয়া এই অপ্সরানূপুরনিক্কণনিন্দিত মধুর আর্য্যভাষায় গ্রন্থিত কর, ভারতবাসীদিগের মূর্খতাবন্ধন আরও আটিয়া বাঁধ। দর্শন, বিজ্ঞান, সাহিত্য, সে সবে কাজ কি? সেদিকে মন দিও না। অমুক ব্রাহ্মণখানির কলেবর বাড়াও—নূতন উপনিষদ্খানি প্রচার কর—ব্রাহ্মণের উপর ব্রাহ্মণ, উপনিষদের উপর উপনিষদ্, আরণ্যকের উপর আরণ্যক, সূত্রের উপর সূত্র, তার উপর ভাষ্য, তার টীকা, তার টীকা; তার ভাষ্য অনন্তশ্রেণী—বৈদিক ধর্ম্মের গ্রন্থে ভারতবর্ষ আচ্ছন্ন কর। বিদ্যা?—–তাহার নাম ভারতবর্ষে লুপ্ত হউক! {{ফাঁক}}লোক বিষণ্ণ, ব্যস্ত, শঙ্কিত হইল। ব্রাহ্মণেরা লেখেন, সকল কাজেই পাপ—সকল পাপেরই প্রায়শ্চিত্ত কঠিন। তবে কি বিপ্রেতরবর্ণের পাপ হইতে মুক্তি নাই পারত্রিক সুখ কি এতই দুর্লভ? লোক কোথায় যাইবে? কি করিবে? এ ধর্ম্মশাস্ত্রপীড়া হইতে কে উদ্ধার করিবে? সর্ব্বসুখ নিরোধকারী ব্রাহ্মণের হাত হইতে কে রক্ষা করিবে? ভারতবাসীকে কে জীবন দান করিবে? {{ফাঁক}}তখন বিশুদ্ধাত্মা শাক্যসিংহ অনন্তকালস্থায়ী মহিমা বিস্তার পূর্ব্বক, ভারতাকাশে উদিত হইয়া, দিগন্তপ্রধাবিত রবে বলিলেন, “আমি এ উদ্ধার করিব। আমি তোমাদিগের উদ্ধারের বীজমন্ত্র বলিয়া দিতেছি, তোমরা সেই মন্ত্র সাধন কর। তোমরা সবই সমান। ব্রাহ্মণ শুভ্র সমান। মনুষ্যে মনুষ্যে সকলেই সমান। সকলেই পাপী, সকলেরই উদ্ধার সদাচরণে। বর্ণ বৈষম্য মিথ্যা। যাগ যজ্ঞ মিথ্যা। বেদ মিথ্যা, সূত্র মিথ্যা, ঐহিক সুখ মিথ্যা, কে রাজা, কে প্রজা, সব মিথ্যা। ধর্ম্ম‍ই সত্য। মিথ্যাত্যাগ করিয়া সকলেই সত্যধর্ম পালন কর।” {{nop}}<noinclude></noinclude> 2xjm3r2pi2tcnwvty602ldq8gcns898 পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/১৪ 104 880771 1991418 1954268 2026-07-30T16:34:22Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991418 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|৮|সাম্য}}</noinclude>{{ফাঁক}}বৈষম্য-পীড়িত ভারত এ মহামন্ত্র শুনিয়া হিমগিরি হইতে মহাসমুদ্র পর্য্যন্ত বিচলিত হইল। বৌদ্ধধর্ম্ম ভারতবর্ষে প্রচলিত হইল—বর্ণ বৈষম্য কতক দূর বিলুপ্ত হইল। প্রায় সহস্র বৎসর ভারতবর্ষে বৌদ্ধধর্ম প্রচলিত রহিল। পুরাবৃত্তজ্ঞ ব্যক্তিরা জানেন যে, সেই সহস্র বৎসরই ভারতবর্ষের প্রকৃত সৌষ্ঠবের সময়। যে সকল সম্রাট্ হিমালয় হইতে গোদাবরী পর্য্যন্ত যথার্থ ই একচ্ছত্রে শাসিত করিয়াছেন--অশোক, চন্দ্রগুপ্ত, শিলাদিত্য প্রভৃতি—এই কালমধ্যেই তাঁহাদিগের অভ্যুদয়। এই সময়েই তক্ষশিলা হইতে তাম্রলিপ্তি পর্য্যন্ত, বহুজনসমাকীর্ণ মহাসমৃদ্ধিশালিনী সহস্র সহস্র নগরীতে ভারতবর্ষ পরিপুরিত হইয়াছিল। এই সময়েই ভারতবর্ষের গৌরব পশ্চিমে রোমকে, পূর্ব্বে চীনে গীত হইয়াছিল—তদ্দেশীয় রাজারা ভারতবর্ষীয় সম্রাট্‌দিগের সহিত রাজনৈতিক সখ্যে বদ্ধ হইয়াছিলেন। এই সময়ে ভারতবর্ষীয় ধর্ম প্রচারকেরা ধর্ম্মপ্রচারে যাত্রা করিয়া অর্দ্ধেক আশিয়া ভারতীয় ধর্ম্মে দীক্ষিত করিয়াছিলেন। শিল্পবিদ্যার যে এই সময়ে বিশেষ উন্নতি হইয়াছিল, তাহার প্রমাণ আছে। দর্শনশাস্ত্রের বিশেষ অনুশীলন বৌদ্ধোদয়ের আনুষঙ্গিক বলিয়া বোধ হয়। বিজ্ঞান সাহিত্যের বিশেষ অনুশীলনের কালনিরূপণ করা কঠিন, কিন্তু শাক্যসিংহের সম্পাদিত ধর্ম্মবিপ্লবের সহিত যে, সে সকলের বিশেষ সম্বন্ধ আছে, তাহা প্রমাণ করা যাইতে পারে। {{ফাঁক}}দ্বিতীয় সাম্যাবতার যীশুখ্রীষ্ট। যে সময়ে খ্রীষ্টধর্ম্মের প্রচার আরম্ভ হয়, তখন ইউরোপ ও পশ্চিম আশিয়া রোমক রাজ্যভুক্ত। রোমের সৌষ্ঠবদিবসের অপরাহু উপস্থিত। তখন রোম আর যুদ্ধবিশারদ বীর প্রসবিনী নহে, অমিত ধনশালী ভোগাসক্ত ইন্দ্রিয়পরবশ “বাবু” দিগের আবাস। যাঁহাদিগের আমোদ কেবল রণক্ষেত্রেই ছিল, তাঁহারা এক্ষণে কেবল আহারে, দাসীসংসর্গে, এবং রঙ্গভূমের কৃত্রিম যুদ্ধে আমোদ প্রাপ্ত হইতে লাগিলেন। যে দেশবাৎসল্যগুণে রোম নাম জগদ্বিখ্যাত হইয়াছিল, তাহা অন্তর্হিত হইয়াছিল। যে সমসামাজিকতার জন্য আমরা রোমের প্রশংসা করিয়াছি, যে সমসামাজিকতার গুণে রোম পৃথিবীশ্বরী হইয়াছিল, তাহা লুপ্ত হইতে লাগিল। আমরা পূর্ব্বে রোমনগরীর কথা বলিয়াছি—এক্ষণে রোমকসাম্রাজ্যের কথা বলিতেছি। রোমকসাম্রাজ্যে চিরদাসত্বজনিত বৈষম্য সাংঘাতিক রোগস্বরূপ প্রবেশ করিয়াছিল। এক এক ব্যক্তির সহস্র সহস্র চিরদাস থাকিত। প্রভুর অকরণীয় সমুদায় কার্য্য সেই সকল দাসের দ্বারা হইত। ভূমিকর্ষণ, গার্হস্থ্য ভৃত্যের কার্য্য, শিল্পকার্য্যাদি চিরদাসগণের দ্বারা নির্ব্বাহ হইত। তাহারা গোরু বাছুরের ন্যায় ক্রীত বিক্রীত হইত। গোরু বাছুরের উপর প্রভুর<noinclude></noinclude> jm8kae6xll7ooc08559j7svgg5w7eel পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/১৯ 104 880777 1991419 1955368 2026-07-30T16:34:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991419 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||সাম্য|১৩}}</noinclude>বলবানে দুর্ব্বলকে অধিকারচ্যুত করিতে লাগিল, তখনই সমাজ সংস্থাপনের আরম্ভ হইল। সেই অপহরণের স্থায়িত্ববিধানের নাম আইন। {{ফাঁক}}যে ব্যক্তি সর্ব্বাদৌ, কোন ভূমিখণ্ড চিহ্নিত করিয়া বলিয়াছিল, “ইহা আমার,” সেই সমাজকর্তা। যদি কেহ তাহাকে উঠাইয়া দিয়া বলিত, “এ ব্যক্তি বঞ্চক, তোমরা উহার কথা শুনিও না, বসুন্ধরা কাহারও নহেন; তৎপ্রসূত শস্য সকলেরই।” সে মানবজাতির অশেষ উপকার করিত। {{ফাঁক}}রূসোর এই সকল কথা অতি ভয়ানক। বল্‌টের শুনিয়া বলিয়াছিলেন, এ সকল বদমায়েসের দর্শনশাস্ত্র। এই সকল কথার অনুবর্ত্তী হইয়া রূসোর মানস শিষ্য প্রুধোঁ বলিয়াছেন যে, অপহরণেরই নাম সম্পত্তি। {{ফাঁক}}জগদ্বিখ্যাত Le Contrat Social নামক গ্রন্থে রূসো এই সকল মতের কিঞ্চিৎ পরিবর্তন করিয়াছিলেন। সভ্যাবস্থার তাদৃশ দোষকীর্তনে ক্ষান্ত হইয়াছিলেন। বলিয়াছিলেন যে, অসভ্যাবস্থায় যেখানে সহজ জ্ঞানে ধর্ম্ম নির্ণীত হয়, সভ্যাবস্থায় তৎপরিবর্তে ন্যায়ানুভাবকতা সন্নিবেশিত হয়। সম্পত্তি সম্বন্ধে তিনি প্রথমাধিকারীকে অধিকারী বলিয়া স্বীকার করেন। কিন্তু অবস্থাবিশেষে মাত্র—প্রথম, যদি ভূমি পূর্ব্বে অধিকৃত না হইয়া থাকে; দ্বিতীয়, অধিকারী যদি আত্মভরণপোষণের উপযোগী মাত্র ভূমি অধিকার করে, তাহার অধিক না লয়; তৃতীয়, যদি নামমাত্র দখল না লইয়া, কর্ষণাদির দ্বারা দখল লওয়া হয়, তবে অধিকৃত ভূমি অধিকারীর সম্পত্তি। {{ফাঁক}}Le Contrat Social গ্রন্থের স্থূলোদ্দেশ্য এই যে, সমাজ সমাজভুক্তদিগের সম্মতিসৃষ্ট। যেমন পাঁচ জন ব্যবসাদার মিলিয়া, পরস্পরে কতকগুলি নিয়মের দ্বারা বদ্ধ হইয়া, একটি জয়েণ্ট ষ্টক কোম্পানি সৃষ্ট করেন, রূসোর মতে সমাজ, রাজ্য, শাসন, এ সকল সেইরূপে লোকের মঙ্গলার্থ লোকের দ্বারা সৃষ্ট। এ কথার ফল অতি গুরুতর। তোমায় আমায় চুক্তি হইয়াছে যে, তুমি আমার জমী চষিয়া দিবে, আমি তোমাকে খাইতে পরিতে দিব, এবং গৃহে স্থান দিব। তুমি যে দিন আমার ভূমিকর্ষণ বন্ধ করিলে, সেই দিন আমি তোমার গলদেশে হস্তার্পণ করিয়া গৃহ হইতে বাহির করিয়া দিলাম এবং গ্রাসাচ্ছাদন বন্ধ করিলাম। এই কার্য্য ন্যায়সঙ্গত হইল। তেমনি যদি রাজা প্রজার সম্বন্ধ কেবল চুক্তিমাত্র হয়, তবে প্রজা অত্যাচারী রাজাকে বলিতে পারে, “তুমি চুক্তি ভঙ্গ করিয়াছ। প্রজার মঙ্গল করিবে এই অঙ্গীকারে তুমি রাজা; তোমার কার্য্য আমাদের মঙ্গল করা, আমাদের কার্য্য তোমাকে করদান ও তোমার আজ্ঞাপালন। তুমি এখন আর আমাদের .<noinclude></noinclude> exb0gibc96bvvqhjigvh9ictsze2f8z পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/২৪ 104 880779 1991421 1955372 2026-07-30T16:34:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991421 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|১৮|সাম্য}}</noinclude>যতক্ষণ জমীদার বাবু সাড়ে সাত মহল পুরীর মধ্যে রঙ্গিল সামীপ্রেরিত স্নিগ্ধালোকে স্ত্রী কন্যার গৌরকাস্তির উপর হীরকদামের শোভা নিরীক্ষণ করিতেছেন, ততক্ষণ পরাণ মণ্ডল, পুত্রসহিত দুই প্রহরের রৌদ্রে, খালি মাথায়, খালি পায়, এক হাঁটু কাদার উপর দিয়া দুইটা অস্থিচর্ম্মাবশিষ্ট বলদে ভোঁতা হালে তাঁহার ভোগের জন্য চাষকর্ম্ম নির্ব্বাহ করিতেছে। উহাদের এই ভাদ্রের রৌদ্রে মাথা ফাটিয়া যাইতেছে, তৃষ্ণায় ছাতি ফাটিয়া যাইতেছে, তাহার নিবারণ জন্য অঞ্জলি করিয়া মাঠের কদম পান করিতেছে; ক্ষুধায় প্রাণ যাইতেছে, কিন্তু এখন বাড়ী গিয়া আহার করা হইবে না, এই চাষের সময়। সন্ধ্যাবেলা গিয়া উহারা ভাঙ্গা পাতরে রাঙ্গা রাঙ্গা বড় বড় ভাত, লুণ, লঙ্কা দিয়া আধপেটা খাইবে। তাহার পর ছেঁড়া মাছরে, না হয়, ভূমে, গোহালের এক পাশে শয়ন করিবে—উহাদের মশা লাগে না। তাহার পরদিন প্রাতে আবার সেই একহাঁটু কাদায় কাজ করিতে যাইবে—যাইবার সময়, হয় জমীদার, নয় মহাজন, পথ হইতে ধরিয়া লইয়া গিয়া দেনার জন্য বসাইয়া রাখিবে, কাজ হইবে না। নয় ত, চষিবার সময় জমীদার জমীখানি কাড়িয়া লইবে, তাহা হইলে সে বৎসর কি করিবে? উপবাস—সপরিবারে উপবাস! {{ফাঁক}}পৌষ মাসে ধান কাটিয়াই কৃষকে পৌষের কিস্তি খাজানা দিল। কেহ কিস্তি পরিশোধ করিল—কাহার বাকি রহিল। ধান পালা দিয়া, আছড়াইয়া, গোলায় তুলিয়া, সময়মতে হাটে লইয়া গিয়া, বিক্রয় করিয়া, কৃষক সম্বৎসরের খাজানা পরিশোধ করিতে চৈত্র মাসে জমীদারের কাছারিতে আসিল। পরাণ মণ্ডলের পৌষের কিস্তি পাঁচ টাকা, চারি টাকা দিয়াছে, এক টাকা বাকি আছে। আর চৈত্রের কিস্তি তিন টাকা। মোটে চারি টাকা সে দিতে আসিয়াছে। গোমস্তা হিসাব করিতে বসিলেন। হিসাব করিয়া বলিলেন, “তোমার পৌষের কিস্তির তিন টাকা বাকি আছে।” পরাণ মণ্ডল অনেক চীৎকার করিল—দোহাই পাড়িল—হয় ত দাখিলা দেখাইতে পারিল, নয় ত না। হয় ত গোমস্তা দাখিলা দেয় নাই, নয় ত চারি টাকা লইয়া, দাখিলায় দুই টাকা লিখিয়া দিয়াছে। যাহা হউক, তিন টাকা বাকি স্বীকার না করিলে সে আখিরি কবচ পায় না। হয় ত তাহা না দিলে গোমস্তা সেই তিন টাকাকে তের টাকা করিয়া নালিশ করিবে। সুতরাং পরাণ মণ্ডল তিন টাকা বাকি স্বীকার করিল। মনে কর, তিন টাকাই তাহার যথার্থ দেনা। তখন গোমস্তা সুদ কষিল। জমিদারী নিরিক টাকায় চারি আনা। তিন বৎসরেও চারি আনা, এক মাসেও চারি আনা। তিন টাকা বাকির সুদ ৮০ আনা। পরাণ তিন টাকা বার আনা দিল। পরে চৈত্রের কিস্তি তিন টাকা দিল। তাহার পর গোমস্তার<noinclude></noinclude> p0t9mdepoxmer0iq1tcn44mcl3k3pma পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/২৮ 104 880783 1991423 1954294 2026-07-30T16:34:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991423 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|২২|সাম্য}}</noinclude>উদর তেমন নহে। বাবুর কথা দূরে থাকুক, পাইক পিয়াদার পর্য্যন্ত উদরাময়ের লক্ষণ দেখা যাইতে লাগিল। {{ফাঁক}}কিন্তু সে সকল ত বাজে কথা। আসল কথা, জমীদারকে “আগমনী”, “নজর” বা “সেলামী” দিতে হইবে। আবার টাকার অঙ্কে ৶৹ বসিল। কিন্তু সকলে এত পারে না। যে পারিল, সে দিল। যে পারিল না, সে কাছারিতে কয়েদ হইল, অথবা তাহার দেনা বাকির সামিল হইল। {{ফাঁক}}পরাণ মণ্ডল দিতে পারিল না। কিন্তু তাহার ক্ষেত্রে উত্তম ফসল হইয়াছে। তাহাতে গোমস্তার চোখ পড়িল। তিনি আট আনার ষ্ট্যাম্প খরচ করিয়া, উপযুক্ত আদালতে “ক্রোক সহায়তার” প্রার্থনায় দরখাস্ত করিলেন। দরখাস্তের তাৎপর্য্য এই, “পরাণ মণ্ডলের নিকট খাজানা বাকি, আমরা তাহার ধান্য ক্রোক করিব। কিন্তু পরাণ বড় দাঙ্গাবাজ লোক, ক্রোক করিলে দাঙ্গা হেঙ্গামা খুন জখম করিবে বলিয়া লোক জমায়ত করিয়াছে। অতএব আদালত হইতে পিয়াদা মোকরর হউক।” গোমস্তা নিরীহ ভাল মানুষ, কেবল পরাণ মণ্ডলের যত অত্যাচার। সুতরাং আদালত হইতে পিয়াদা নিযুক্ত হইল। পিয়াদা ক্ষেত্রে উপস্থিত হইয়াই মায়াময় রৌপ্যচক্রের মায়ায় অভিভূত হইল। দাঁড়াইয়া থাকিয়া পরাণের ধানগুলিন কাটাইয়া জমীদারের কাছারিতে পাঠাইয়া দিল। ইহার নাম “ক্রোক সহায়তা।” {{ফাঁক}}পরাণ দেখিল সর্ব্বস্ব গেল। মহাজনের ঋণও পরিশোধ করিতে পারিব না, জমীদারের খাজানাও দিতে পারিব না, পেটেও খাইতে পাইব না। এত দিন পরাণ সহিয়াছিল—কুমীরের সঙ্গে বাদ করিয়া জলে বাস করা চলে না। পরাণ মণ্ডল শুনিল যে, ইহার জন্য নালিশ চলে। পরাণ নালিশ করিয়া দেখিবে। কিন্তু সে ত সোজা কথা নহে। আদালত এবং বারাঙ্গনার মন্দির তুল্য; অর্থ নহিলে প্রবেশের উপায় নাই। ষ্ট্যাম্পের মূল্য চাই; উকীলের ফিস্ চাই; আসামী সাক্ষীর তলবানা চাই; সাক্ষীর খোরাকি চাই; সাক্ষীদের পারিতোষিক আছে; হয় ত আমীন খরচা লাগিবে। এবং আদালতের পিয়াদা ও আমলাবর্গ কিছু কিছুর প্রত্যাশা রাখেন পরাণ নিঃস্ব।—তথাপি হাল বলদ ঘটি বাটি বেচিয়া আদালতে নালিশ করিল। ইহার অপেক্ষা তাহার গলায় দড়ি দিয়া মরা ভাল ছিল। {{ফাঁক}}অমনি জমীদারের পক্ষ হইতে পালটা নালিশ হইল যে, পরাণ মণ্ডল ক্রোক অস্থল করিয়া সকল ধান কাটিয়া লইয়া বিক্রয় করিয়াছে। সাক্ষীরা সকল জমীদারের প্রজ্ঞা—<noinclude></noinclude> 886nrtu47iw6ao1odyj4heet5b3e0z6 পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/৩৪ 104 880800 1991424 1955380 2026-07-30T16:34:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991424 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh|২৮|সাম্য}}</noinclude>না কেন, উৎপন্ন ধনের যে অংশটি বেতন, সেইটিই তাহাদের মধ্যে বিভক্ত হইবে, “মুনাফার” মধ্য হইতে এক পয়সাও তাহারা পাইবে না। {{ফাঁক}}মনে কর, দেশের উৎপন্ন কোটি মুদ্রা; তন্মধ্যে পঞ্চাশ লক্ষ “বেতন,” পঞ্চাশ লক্ষ “মুনাফা”। মনে কর, দেশে পঁচিশ লক্ষ শ্রমোপজীবী। তাহা হইলে এই পঞ্চাশ লক্ষ মুদ্রা “বেতন,” পঁচিশ লক্ষ লোকের মধ্যে ভাগ হইবে, প্রত্যেক শ্রমোপজীবীর ভাগে দুই মুদ্রা পড়িবে। মনে কর, হঠাৎ ঐ পঁচিশ লক্ষ শ্রমোপজীবীর উপর আর পঁচিশ লক্ষ লোক কোথা হইতে আসিয়া পড়িল। তখন পঞ্চাশ লক্ষ শ্রমোপজীবী হইল। সেই পঞ্চাশ লক্ষ মুদ্রাই ঐ পঞ্চাশ লক্ষ লোকের মধ্যে বিভক্ত হইবে। যাহা “মুনাফা,” তাহার এক পয়সাও উহাদের প্রাপ্য নহে, সুতরাং ঐ পঞ্চাশ লক্ষ মুদ্রার বেশী এক পয়সাও তাহাদের মধ্যে বিভাজ্য নহে। সুতরাং এক্ষণে প্রত্যেক শ্রমোপজীবীর ভাগ দুই মুদ্রার পরিবর্তে এক মুদ্রা হইবে। কিন্তু দুই মুদ্রাই ভরণপোষণের জন্য আবশ্যক বলিয়াই, তাহা পাইত। অতএব এক্ষণে তাহাদের গ্রাসাচ্ছাদনের কষ্টে বিশেষ দুর্দ্দশা হইবে ৷ {{ফাঁক}}যদি ঐ লোকাগমের সঙ্গে সঙ্গে আর কোটি মুদ্রা দেশের ধনবৃদ্ধি হইত, তাহা হইলে এ কষ্ট হইত না। পঞ্চাশ লক্ষ মুদ্রা বেতন ভাগের স্থানে লক্ষ মুদ্রা বেতন ভাগ হইত। তখন লোক বেশী আসাতেও সকলের দুই টাকা করিয়া কুলাইত। {{ফাঁক}}অতএব দেখা যাইতেছে যে, লোকসংখ্যা বৃদ্ধি শ্রমোপজীবীদের মহৎ অনিষ্টের কারণ। যে পরিমাণে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি হয়, যদি সেই পরিমাণে দেশেরও ধনবৃদ্ধি পায়, তবে শ্রমোপজীবীদের কোন অনিষ্ট নাই। যদি লোকসংখ্যা বৃদ্ধির অপেক্ষাও ধনবৃদ্ধি গুরুতর হয়, তবে শ্রমোপজীবীদের শ্রীবৃদ্ধি—যথা ইংলণ্ড ও আমেরিকায়। আর যদি এই দুইয়ের একও না ঘটিয়া, ধনবৃদ্ধির অপেক্ষা লোকসংখ্যা বৃদ্ধি অধিক হয়, তবে শ্রমোপজীবীদের দুর্দশা। ভারতবর্ষে প্রথমোদ্যমেই তাহাই ঘটিল। {{ফাঁক}}লোকসংখ্যা বৃদ্ধি স্বাভাবিক নিয়ম। এক পুরুষ ও এক স্ত্রী হইতে অনেক সস্তান জন্মে। তাহার এক একটি সন্তানের আবার অনেক সন্তান জন্মে। অতএব মনুষ্যের দুর্দ্দশা এক প্রকার স্বভাবের নিয়মাদিষ্ট। সকল সমাজেই এই অনিষ্টপাতের সম্ভাবনা। কিন্তু ইহার সদুপায় আছে। প্রকৃত সদুপায় সঙ্গে সঙ্গে ধনবৃদ্ধি। পরন্তু যে পরিমাণে প্রজাবৃদ্ধি, সে পরিমাণে ধনবৃদ্ধি প্রায়ই ঘটিয়া উঠে না। ঘটিবার অনেক বিঘ্ন আছে। অতএব উপায়ান্তর অবলম্বন করিতে হয়। উপায়ান্তর দুইটি মাত্র। এক উপায়ে দেশীয় লোকের কিয়দংশের দেশান্তরে গমন। কোন দেশে লোকের অন্নে কুলায় না, অন্য দেশে অন্ন<noinclude></noinclude> i0fye5cii9tdm351calt8pfz1pvum08 পাতা:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf/৪ 104 880826 1991416 1975192 2026-07-30T16:34:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991416 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Sbb1413" />{{rh||৵৹}}</noinclude>অসুবিধার মধ্যে এই বিরাট্ দায়িত্ব গ্রহণ করিয়াছেন, এই নিমিত্ত বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের পক্ষ হইতে আমি উভয়কে ধন্যবাদ ও আশীর্বাদ জানাইতেছি। {{ফাঁক}}যাঁহারা স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া সম্পাদকদ্বয়কে বঙ্কিমের সাহিত্য-সৃষ্টি ও জীবনীর উপকরণ দিয়া সাহায্য করিতেছেন, তাঁহাদের সকলের নামোল্লেখ এখানে সম্ভব নয়। আমি এই সুযোগে সমবেতভাবে তাঁহাদিগকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি। {{ফাঁক}}গ্রন্থ প্রকাশ সম্বন্ধে সংক্ষেপে এই মাত্র বক্তব্য যে, বঙ্কিমের জীবিতকালে প্রকাশিত যাবতীয় গ্রন্থের সর্বশেষ সংস্করণ হইতে পূর্ব পূর্ব সংস্করণের পাঠভেদ নির্দেশ করিয়া ও স্বতন্ত্র ভূমিকা দিয়া এই সংস্করণ প্রস্তুত হইতেছে। বঙ্কিমের যে সকল ইংরেজী-বাংলা রচনা আজিও গ্রন্থাকারে সংকলিত হয় নাই, অথবা এখন পর্যন্ত অপ্রকাশিত আছে, এবং বঙ্কিমের চিঠিপত্রাদি—এই সংস্করণে সন্নিবিষ্ট হইতেছে। সর্বশেষ খণ্ডে মল্লিখিত সাধারণ ভূমিকা, শ্রীযুক্ত যদুনাথ সরকার লিখিত ঐতিহাসিক উপন্যাসের ভূমিকা, শ্রীযুক্ত মোহিতলাল মজুমদার লিখিত বঙ্কিমের সাহিত্যপ্রতিভা বিষয়ক ভূমিকা, শ্রীযুক্ত ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্কলিত বঙ্কিমের রচনাপঞ্জী ও রাজকার্যের ইতিহাস এবং শ্রীযুক্ত সজনীকান্ত দাস সঙ্কলিত বঙ্কিমের সংক্ষিপ্ত জীবনী ও বঙ্কিম সম্পর্কে গ্রন্থ ও প্রবন্ধের তালিকা থাকিবে। শ্রীযুক্ত কালিদাস নাগ এই খণ্ডে বিভিন্ন ভাষায় বঙ্কিমের গ্রন্থাদির অনুবাদ সম্বন্ধে বিবৃতি দিবেন। {{ফাঁক}}বিজ্ঞপ্তি এই পর্যন্ত। বঙ্কিমের স্মৃতি বাঙ্গালীর নিকট চিরোজ্জ্বল থাকুক। {{multicol}} {{c|১৩ই আষাঢ়, ১৩৪৫<br/> কলিকাতা}} {{Multicol-break}} {{Multicol-break}} {{c|{{larger|'''শ্রীহীরেন্দ্রনাথ দত্ত'''}}<br/> সভাপতি, বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ}} {{Multicol-end}}<noinclude></noinclude> cbqgvv8k2y92bfhf5fl780jevw3a8gj পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/১২ 104 880997 1992146 1986495 2026-07-31T04:25:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992146 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|চতুর্থ সংস্করণের বিজ্ঞাপন।}}}} {{ফাঁক}}তৃতীয় সংস্করণে শ্রীযুক্ত শৈলেন্দ্রনাথ সরকার এম এ ও শ্রদ্ধাস্পদ পণ্ডিত শ্রীযুক্ত শ্রীপতি কবিরত্ন মহাশয়দিগের উপদেশানুসারে এই পুস্তকের স্থানে স্থানে যেরূপ সংশোধন করা হইয়াছিল, এবারেও সেইরূপ রহিল – উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্ত্তন করা হয় নাই। কেবল পরিচ্ছেদত্রয় যথাক্রমে ‘রাজ্যলাভ, ‘বনবাস,' এবং ‘অজ্ঞাতবাস ও যুদ্ধসূচনা’—-এই তিন নামে অভিহিত করা হইল। {{ফাঁক}}সম্প্রতি এই পুস্তকের দ্বিতীয় খণ্ড সাধারণে প্রকাশিত হইয়াছে। উহাও ‘সংগ্রাম’ ও ‘শাস্তি'—এই দুই পরিচ্ছেদে বিভক্ত করা হইয়াছে। উভয় পুস্তকের সামঞ্জস্য রক্ষা করিবার জন্য পরিচ্ছেদগুলির উক্তরূপ নামকরণ করা হইল। এই পঞ্চ পরিচ্ছেদে সমগ্র মহাভারতের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বর্ণিত হইল। আশা করি, এই পুস্তকদ্বয় পাঠ করিয়া পাঠার্থিগণ মহাভারতের অগাধ নীতিকথার যৎকিঞ্চিৎ আভাস পাইবেন। ইতি— {| {{ts|wa|mc}} | width=30% |{{center|কলিকাতা,<br/>৩ নং মদন মিত্রের লেন।<br/>অগ্রহায়ণ, ১৩২১ সাল।}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|3|r}} | {{ts|ar}} |{{larger|শ্রীরাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল।}}{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> r7xxvl70hvftu8fppdkln11txdt1xzf পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/১০ 104 880999 1991393 1956020 2026-07-30T16:30:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991393 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|৷৴৹}}</noinclude>{{ফাঁক}}এইরূপে প্রত্যেক চরিত্রে নিহিত আদর্শ গুণটি ছাত্রগণের হৃদয়পটে অঙ্কিত করিয়া দেওয়া শিক্ষক মহাশয়দিগের অবশ্য কর্ত্তব্য। {{ফাঁক}}{{larger|ভাষা—}}গ্রন্থের ভাষাসম্বন্ধে আমরা মহাত্মা কালীপ্রসন্ন সিংহের নিকট বিশেষভাবে ঋণী, কারণ মূলতঃ তৎকৃত মহাভারতের অনুবাদ অবলম্বন করিয়া এই পুস্তক রচিত হইয়াছে। তবে পাঠার্থিগণের পক্ষে গ্রন্থের ভাষা সুগম ও সুশ্রাব্য করিবার জন্য আমরা স্থানে স্থানে পরিবর্ত্তন ও পরিবর্দ্ধন করিতে বাধ্য হইয়াছি। স্কুলপাঠ্য পুস্তকে এরূপ পরিবর্তন অপরিহার্য্য। পুস্তকের লিখনপ্রণালী সংস্কৃত অনুবাদের অনুযায়ী হওয়ায়, দুই এক স্থলে সমাসবহুল ও দুরূহ শব্দের প্রয়োগ করা হইয়াছে; কিন্তু আমাদের বিশ্বাস, ভাষাশিক্ষার পক্ষে এরূপ শব্দজ্ঞান নিতান্ত আবশ্যক। ছাত্রদিগের শব্দজ্ঞান সঙ্কীর্ণ হওয়ায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাকালে রচনা-দৈন্যের পরিচয় পাওয়া যায়। এই পুস্তক পাঠে সেই অভাব কিয়ৎ পরিমাণে পরিপূরিত হইতে পারে, আমরা এইরূপ আশা করি। {{ফাঁক}}{{larger|সাহিত্য-রস—}}পুস্তকের ভাষা যাহাতে সৌন্দর্য্যশালী ও শ্রুতিমধুর হয়, তৎপ্রতি আমাদের বিশেষ দৃষ্টি আকৃষ্ট হইয়াছে। সুচারু শব্দসংযোগ, সুললিত পদবিন্যাস ও সুন্দর ভাবাবলী সংগ্রহ করিতে আমরা ত্রুটি করি নাই। অধিকন্তু এই ক্ষুদ্র সন্দর্ভমালায় নানাবিধ সাহিত্যরসের অবতারণা করিয়াছি। যুদ্ধবিগ্রহের লোমহর্ষণ দৃশ্য, শোকের পবিত্র ছায়া, হাস্যের সুবিমল জ্যোৎস্না, শান্তির প্রস্রবণ, ক্রোধের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, হিংসার গাত্রদাহ, বীরত্বের মাদকতা, কাপুরুষের হৃদয়কম্পন, তপস্যার গাম্ভীর্য্যময়ী কৃচ্ছ্রতা এবং ধর্ম্মনিষ্ঠার অমৃতময় ফল প্রভৃতি যথাস্থানে সন্নিবিষ্ট হইয়াছে। {{dhr}} {{কেন্দ্র|✷{{ফাঁক|5em}}✷{{ফাঁক|5em}}✷{{ফাঁক|5em}}✷{{ফাঁক|5em}}✷}} {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> 5e6vdks1nq9qr3ga8m16vtatid66nr0 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩২ 104 881118 1991394 1974963 2026-07-30T16:30:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991394 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৭|ভীষ্মের পিতৃভক্তি ও সত্যানুরাগ।}}</noinclude>ইহা আমার পক্ষে পরম সৌভাগ্যের বিষয়, সন্দেহ নাই; কিন্তু আমার একটী অভিলাষ আছে; তাহা আপনাকে পূর্ণ করিতে হইবে। এই কন্যার গর্ভে যে পুত্র জন্মিবে, আপনার অবর্ত্তমানে সেই পুত্র রাজ্যে অভিষিক্ত হইবে, অন্য কেহ সিংহাসনে অধিরূঢ় হইতে পারিবে না, যদি আপনি এইরূপ অঙ্গীকার করেন, তবে আপনাকেই কন্যা সম্প্রদান করি।” রাজা শান্তনু উপযুক্ত পুত্র বর্ত্তমানে এইরূপ অঙ্গীকার করিতে অসম্মত হইয়া বিষণ্নমনে হস্তিনাপুরে প্রস্থান করিলেন। {{ফাঁক}}অনন্তর দেবব্রত অচিরাৎ পরম হিতৈষী বৃদ্ধ সচিবের মুখে ধীবরকুমারীবৃত্তান্ত শ্রবণ করিয়া ও তজ্জনিত পিতার শোককারণ অবগত হইয়া ক্ষত্রিয়গণসমভিব্যাহারে ধীবররাজসমীপে গমনপূর্ব্বক পিতার নিমিত্ত স্বয়ং তদীয় কন্যারত্ন প্রার্থনা করিলেন। দাসরাজ রাজকুমারকে যথোচিত সমাদর ও অভ্যর্থনা করিয়া কহিলেন, “হে ভরতর্ষভ! আপনি যে সম্বন্ধের বিষয় প্রস্তাব করিতেছেন, তাহা আমার পক্ষে পরম গৌরবের বিষয়। সাক্ষাৎ ইন্দ্রও ঈদৃশ শ্লাঘ্য সম্বন্ধ আগ করিতে পারেন না; কিন্তু আমি কন্যার পিতা, এই জন্য একটা কথা বলিব। আমার বোধ হয়, এই পরিণয়ক্রিয়া সম্পন্ন হইলে রাজকুলে অতি ভয়ঙ্কর বৈরানল প্রজ্বলিত হইবে। আপনি সুরাসুরবিজয়ী মহাতেজস্বী পুরুষ। আপনি ক্রুদ্ধ হইলে চরাচর বিশ্ব দগ্ধ করিতে পারেন। কেবল এইমাত্র দোষ দৃষ্ট হইতেছে, নতুবা এ বিষয়ে আর কোন সংশয় নাই।” {{ফাঁক}}পিতৃভক্ত গাঙ্গেয় ধীবররাজবাক্য শ্রবণ করিয়া সমাগত রাজগণ-সমক্ষে প্রত্যুত্তর করিলেন, “হে সত্যবাদিন! আমার সত্যব্রত শ্রবণ কর; আমি নিশ্চয় বলিতেছি, তোমার কথানুরূপ কার্য্য করিব। যিনি ইহার গর্ভে জন্মগ্রহণ করিবেন, তিনিই আমাদের রাজা হইবেন।” ধীবররাজ কহিলেন, “হে ভরতকুলশ্রেষ্ঠ! আপনি মদীয় কন্যা সত্যবতীর নিমিত্ত ভূপতিগণসমক্ষে যে প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন, তাহা .<noinclude></noinclude> do17liy7e6d2hzmkd7dau0rem6wbvrh 1991400 1991394 2026-07-30T16:31:40Z Bodhisattwa 2549 1991400 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৭|ভীষ্মের পিতৃভক্তি ও সত্যানুরাগ।}}</noinclude>ইহা আমার পক্ষে পরম সৌভাগ্যের বিষয়, সন্দেহ নাই; কিন্তু আমার একটী অভিলাষ আছে; তাহা আপনাকে পূর্ণ করিতে হইবে। এই কন্যার গর্ভে যে পুত্র জন্মিবে, আপনার অবর্ত্তমানে সেই পুত্র রাজ্যে অভিষিক্ত হইবে, অন্য কেহ সিংহাসনে অধিরূঢ় হইতে পারিবে না, যদি আপনি এইরূপ অঙ্গীকার করেন, তবে আপনাকেই কন্যা সম্প্রদান করি।” রাজা শান্তনু উপযুক্ত পুত্র বর্ত্তমানে এইরূপ অঙ্গীকার করিতে অসম্মত হইয়া বিষণ্নমনে হস্তিনাপুরে প্রস্থান করিলেন। {{ফাঁক}}অনন্তর দেবব্রত অচিরাৎ পরম হিতৈষী বৃদ্ধ সচিবের মুখে ধীবরকুমারীবৃত্তান্ত শ্রবণ করিয়া ও তজ্জনিত পিতার শোককারণ অবগত হইয়া ক্ষত্রিয়গণসমভিব্যাহারে ধীবররাজসমীপে গমনপূর্ব্বক পিতার নিমিত্ত স্বয়ং তদীয় কন্যারত্ন প্রার্থনা করিলেন। দাসরাজ রাজকুমারকে যথোচিত সমাদর ও অভ্যর্থনা করিয়া কহিলেন, “হে ভরতর্ষভ! আপনি যে সম্বন্ধের বিষয় প্রস্তাব করিতেছেন, তাহা আমার পক্ষে পরম গৌরবের বিষয়। সাক্ষাৎ ইন্দ্রও ঈদৃশ শ্লাঘ্য সম্বন্ধ আগ করিতে পারেন না; কিন্তু আমি কন্যার পিতা, এই জন্য একটা কথা বলিব। আমার বোধ হয়, এই পরিণয়ক্রিয়া সম্পন্ন হইলে রাজকুলে অতি ভয়ঙ্কর বৈরানল প্রজ্বলিত হইবে। আপনি সুরাসুরবিজয়ী মহাতেজস্বী পুরুষ। আপনি ক্রুদ্ধ হইলে চরাচর বিশ্ব দগ্ধ করিতে পারেন। কেবল এইমাত্র দোষ দৃষ্ট হইতেছে, নতুবা এ বিষয়ে আর কোন সংশয় নাই।” {{ফাঁক}}পিতৃভক্ত গাঙ্গেয় ধীবররাজবাক্য শ্রবণ করিয়া সমাগত রাজগণ-সমক্ষে প্রত্যুত্তর করিলেন, “হে সত্যবাদিন! আমার সত্যব্রত শ্রবণ কর; আমি নিশ্চয় বলিতেছি, তোমার কথানুরূপ কার্য্য করিব। যিনি ইহার গর্ভে জন্মগ্রহণ করিবেন, তিনিই আমাদের রাজা হইবেন।” ধীবররাজ কহিলেন, “হে ভরতকুলশ্রেষ্ঠ! আপনি মদীয় কন্যা সত্যবতীর নিমিত্ত ভূপতিগণসমক্ষে যে প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন, তাহা<noinclude></noinclude> 8w8nckj5nljwgi8g9c4ueadmut32ecg পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/৫ 104 881140 1991425 1975204 2026-07-30T16:35:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991425 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|গ্রন্থকারের নিবেদন}}}} {{ফাঁক}}সুন্দরবন যে কিরূপ ভয়াবহ দুর্গম স্থান জনসাধারণের তৎসম্বন্ধে বিশেষ কোন ধারণা নাই। “যশোহর-খুলনার ইতিহাস” লেখক শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক বাবু সতীশচন্দ্র মিত্র মহাশয় উক্ত গ্রন্থে এ-সম্বন্ধে লিখিয়াছেন: {{ফাঁক}}“ভ্রমণের পক্ষে সুন্দরবনের মত অনুপযুক্ত স্থান আর নাই। সুবিস্তৃত এবং তরঙ্গসঙ্কুল অসংখ্য নদী, নিবিড় দুর্ভেদ্য জঙ্গল, ভীষণ হিংস্ৰজন্তুসমূহের অত্যাচার, প্রতিনিয়ত জলপ্লাবনে অত্যন্ত কর্দমাক্ত ভূপৃষ্ট, আবাস, আশ্রয় বা ভ্রমণ-চিহ্নিত পথের অভাব এবং আরও শতপ্রকার উৎপাত সুন্দরবনকে মনুষ্যের পক্ষে অগম্য করিয়া রাখিয়াছে। বিশেষতঃ সুন্দরবনের স্থানীয় অবস্থাদির বিবরণ বা শিকারের গল্প কাহারও জানিবার বিশেষ উপায় নাই। ইয়োরোপীয় শিকারী ভারতবর্ষের অন্যান্য নানা স্থানে শিকারোপলক্ষে তথাকার স্থানীয় অবস্থার ও জীবজন্তু প্রভৃতির বর্ণনা করিয়াছেন বটে, কিন্তু সুন্দরবন সম্বন্ধে তাঁহারা একপ্রকার নির্ব্বাক। হিমালয় বা মধ্য-ভারতীয় পার্ব্বত্য প্রদেশের শিকার সম্বন্ধে বহু পুস্তক লিখিত হইয়াছে, কিন্তু সুন্দরবন সম্বন্ধে তাহার শতাংশের একাংশও নহে। প্রকৃত কথা এই যে শিকার একটা আমোদজনক ব্যাপার; সুন্দরবনে গেলে আমোদ উপভোগের কোনই সম্ভাবনা নাই। এখানে হিংস্রজন্তুর এত উৎপাত যে, প্রাণ হাতে করিয়া বাহির হইতে হয়; জঙ্গলের নিবিড়তা ও পথের অগম্যতা লক্ষ্যসন্ধানের কোন বাহাদুরীর পরিচয় দিতে দেয় না। আবার খোলা বাতাস নাই, লোনা জল আছে; আশ্রয় নাই, কিন্তু অকুল সমুদ্রোপম নদীপথে পথভ্রান্তির যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে; সাধারণ স্বাস্থ্য ⋅<noinclude></noinclude> 72c26lsz3fpmum649gewidqt246okad পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/৮ 104 881162 1991426 1978288 2026-07-30T16:35:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991426 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|৷৷৹}}</noinclude>ভূমিকা লিখিয়া দিয়া ইহার গৌরব শতগুণে বর্দ্ধিত করিয়াছেন, তজ্জন্য আমি তাঁহার নিকট চিরকৃতজ্ঞ। স্নেহাস্পদ তরুণ চিত্রশিল্পী কাজী আবুল কাসেম সাহেব বিশেষ যত্নসহকারে এই পুস্তকের ছবিগুলি আঁকিয়া দিয়াছেন; তজ্জন্য তাঁহাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাইতেছি। {{ফাঁক}}বর্তমান সংস্করণে এই পুস্তকে বহু নূতন নূতন বিষয় সন্নিবিষ্ট হইয়াছে, পুস্তকের কলেবরও বাড়িয়াছে। এতদ্ব্যতীত অনেকগুলি ছবি দিয়া পুস্তকখানিকে সর্ব্বাঙ্গসুন্দর করিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছি। আমার চেষ্টা কতদূর ফলবতী হইয়াছে, তাহা বলিতে পারি না। সুন্দরবন সম্বন্ধে এইরূপ গ্রন্থ বাঙ্গালা সাহিত্যে আর আছে কিনা জানি না। আশা করি, সহৃদয় সুধীমণ্ডলীর স্নেহদৃষ্টি হইতে পুস্তকখানি বঞ্চিত হইবে না। {| {{ts|wa|mc}} | width=30% |<center>আগষ্ট, ১৯৩৭<br/>গভর্ণমেণ্ট হাই স্কুল,<br/>বারাকপুর<br/>(২৪ পরগণা)</center> | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center> {{larger|শেখ হবিবর রহমান}}</center>{{gap|1.5em}} |}<noinclude></noinclude> pcy2r3qeertph8uzxmoc6dizertdk3a পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/১০ 104 881164 1991427 1986895 2026-07-30T16:35:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991427 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|৷৷৵৹}}</noinclude>‘এই যে পারস্যের খণ্ড বা মিছরী বাঙ্গালা দেশে যাইতেছে, তাহা হইতে ভারতের সমস্ত শুকগণ শর্করামোদী হইবে।’ {{ফাঁক}}এই দুই প্রসিদ্ধ পুস্তকের অনুবাদের জন্য বাঙ্গালী মাত্রই হবিবর রহমান সাহেবের নিকট কৃতজ্ঞ থাকিবেন। মৌলবী সাহেব যে কেবল কাব্যামোদী এবং কাব্যরসের পরিবেশক, তাহা নহে; তিনি স্বয়ং একজন কবি—দেখিবার চোখ এবং বলিবার ভাষা, দুই-ই তাঁহার আছে। তাই একদিকে যেমন ফারসী-সাহিত্যের সযত্নপালিত পুষ্পোদ্যানের গোলাপ ও ফুঁইয়ের স্তবক এবং বুলবুলের গান তাহাদের সকল রমণীয়তা লইয়া তাঁহাকে মুগ্ধ করে, তেমনি অন্যদিকে আবার বাঙ্গালা দেশের অনাদিকালের অরণ্য দ্বারা আবৃত সুন্দরবনের মধুর-ভীষণ সৌন্দর্য্যও তাঁহাকে আকৃষ্ট করে। প্রস্তুত পুস্তকখানিতে মৌলবী সাহেব সুন্দরবনের চিত্র তাঁহার স্বচ্ছন্দ ও সাবলীল ভাষার তুলিকাপাতে আমাদের সমক্ষে ফুটাইয়া তুলিতে চেষ্টা করিয়াছেন। তাঁহার চেষ্টা সফল হইয়াছে; কারণ, গুণজ্ঞ ও সাহিত্য-রসিক তথা দেশ-জিজ্ঞাসু ব্যক্তির নিকট মৌলবী সাহেবের ভ্রমণ-কাহিনীখানি আমাদের স্বল্প-পরিচিত একটি জগতের খবর দিবে। আমরা আমাদের দেশকে জানিবার জন্য চেষ্টা করি না; দেশের মধ্যে, ঘরের পাশেই যে কত দেখিবার ও জানিবার আছে, সে বিষয়ে আমাদের খেয়াল নাই—আমরা ছুটিয়া থাকি আফ্রিকার অরণ্যে, মধ্য-এশিয়ার মরুভূমিতে এবং সুমেরু-কুমেরুর বরফে ঢাকা প্রান্তরে, পশুপক্ষীর জীবনের এবং মানুষের সাহস ও নির্ভীকতার কাহিনী শুনিতে; অথচ আমাদের সম্বন্ধে কবি যে গাহিয়া গিয়াছেন, {{ফাঁক|5em}}বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া আমরা বাঁচিয়া আছি—- সেই বাঘের শেষ আশ্রয়-স্থল, বিপদ ও রোমান্স-এর রঙ্গভূমি, প্রকৃতির অদ্ভুত লীলা-নিকেতন সুন্দরবন সম্বন্ধে আমাদের কৌতূহলও নাই,<noinclude></noinclude> 5x8hemsbe7k6uwduz8hnhcoj78j9rv1 1991431 1991427 2026-07-30T16:36:14Z Bodhisattwa 2549 1991431 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{কেন্দ্র|৷৷৵৹}}</noinclude>‘এই যে পারস্যের খণ্ড বা মিছরী বাঙ্গালা দেশে যাইতেছে, তাহা হইতে ভারতের সমস্ত শুকগণ শর্করামোদী হইবে।’ {{ফাঁক}}এই দুই প্রসিদ্ধ পুস্তকের অনুবাদের জন্য বাঙ্গালী মাত্রই হবিবর রহমান সাহেবের নিকট কৃতজ্ঞ থাকিবেন। মৌলবী সাহেব যে কেবল কাব্যামোদী এবং কাব্যরসের পরিবেশক, তাহা নহে; তিনি স্বয়ং একজন কবি—দেখিবার চোখ এবং বলিবার ভাষা, দুই-ই তাঁহার আছে। তাই একদিকে যেমন ফারসী-সাহিত্যের সযত্নপালিত পুষ্পোদ্যানের গোলাপ ও ফুঁইয়ের স্তবক এবং বুলবুলের গান তাহাদের সকল রমণীয়তা লইয়া তাঁহাকে মুগ্ধ করে, তেমনি অন্যদিকে আবার বাঙ্গালা দেশের অনাদিকালের অরণ্য দ্বারা আবৃত সুন্দরবনের মধুর-ভীষণ সৌন্দর্য্যও তাঁহাকে আকৃষ্ট করে। প্রস্তুত পুস্তকখানিতে মৌলবী সাহেব সুন্দরবনের চিত্র তাঁহার স্বচ্ছন্দ ও সাবলীল ভাষার তুলিকাপাতে আমাদের সমক্ষে ফুটাইয়া তুলিতে চেষ্টা করিয়াছেন। তাঁহার চেষ্টা সফল হইয়াছে; কারণ, গুণজ্ঞ ও সাহিত্য-রসিক তথা দেশ-জিজ্ঞাসু ব্যক্তির নিকট মৌলবী সাহেবের ভ্রমণ-কাহিনীখানি আমাদের স্বল্প-পরিচিত একটি জগতের খবর দিবে। আমরা আমাদের দেশকে জানিবার জন্য চেষ্টা করি না; দেশের মধ্যে, ঘরের পাশেই যে কত দেখিবার ও জানিবার আছে, সে বিষয়ে আমাদের খেয়াল নাই—আমরা ছুটিয়া থাকি আফ্রিকার অরণ্যে, মধ্য-এশিয়ার মরুভূমিতে এবং সুমেরু-কুমেরুর বরফে ঢাকা প্রান্তরে, পশুপক্ষীর জীবনের এবং মানুষের সাহস ও নির্ভীকতার কাহিনী শুনিতে; অথচ আমাদের সম্বন্ধে কবি যে গাহিয়া গিয়াছেন, {{c|বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া আমরা বাঁচিয়া আছি—}} সেই বাঘের শেষ আশ্রয়-স্থল, বিপদ ও রোমান্স-এর রঙ্গভূমি, প্রকৃতির অদ্ভুত লীলা-নিকেতন সুন্দরবন সম্বন্ধে আমাদের কৌতূহলও নাই,<noinclude></noinclude> dagyiissb8f76fmk9i4u7mgv6qfr4oy পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/২৯ 104 881227 1991428 1973142 2026-07-30T16:35:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991428 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১১|সুন্দরবনে দুইদিন}}</noinclude>সাতক্ষীরা অঞ্চলের কোন কোন স্থানে শিক্ষার যথেষ্ট উন্নতি আছে বটে; কিন্তু সদরের দক্ষিণ অংশে ৩০।৪০ মাইলের ভিতরেও একটি মাইনর স্কুলের সন্ধান পাওয়া যাইবে না। কদাচিত দুই একটি প্রাইমারী স্কুল বা মক্তব। তাহার শিক্ষার অবস্থাও অনেকক্ষেত্রে তথৈবচ। একবার এক মক্তবে গিয়া শুনিলাম, নয় বৎসর যাবৎ মক্তবটি নিয়মিতভাবে চলিতেছে। এ পর্য্যন্ত কোনরূপ সরকারী সাহায্য প্রাপ্তির চেষ্টা হয় নাই কেন জিজ্ঞাসা করিয়া এই তথ্য অবগত হইলাম যে, যেহেতু সেই বাটীতে দুই একটি ধানের গোলা আছে, সেইহেতু সাহায্যের জন্য দরখাস্ত করিলে পাছে পুলিসের লোক আসিয়া ইনকাম ট্যাক্স বসাইয়া যায়, এই ভয়ে তাহারা আজ পর্য্যন্ত কোন দরখাস্তই করে নাই। কোথায় পুলিসের লোক কোথায় ইন্‌কাম ট্যাক্স, আর কোথায় বা পাঠশালার সাহায্য। ব্যাপার তিনটির মধ্যে কি নিবিড় সামঞ্জস্য! অনেকদিন আগে কি একখানি শিশুপাঠ্য পুস্তকে একটি শ্লোক পড়িয়াছিলাম: {{Block center|<poem>“ঠ্যাঙ্গা ঠ্যাঙ্গা ঠ্যাঙ্গা ঠ্যাঙ্গায় লাগ্‌ল কোপ, বেরল দুই গোঁপ! গোঁপে লাগল আগুন, বেরল দুই “বাগুন”! “বাগুন বলে বাবা, আলো চা’ল খাবা? </poem>}}<noinclude></noinclude> ht45tug42xrdsmck754vtsrqt8pdwdp পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/৩১ 104 881235 1991429 1984851 2026-07-30T16:35:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991429 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৩|সুন্দরবনে দুইদিন}}</noinclude>করিয়া কাঁদিয়া ফেলিল। তাহার ‘শিক্ষক তাড়াতাড়ি হাতযোড় করিয়া বলিলেন,– হুজুর এরা কখনই মানুষের মুখ চোখে দেখে নাই। কৈফিয়তটা হয়ত ঠিকই; কিন্তু মানুষের মুখ দেখিয়া ভয় পাইয়া কাঁদিবার কি হেতু আছে তাহা বুঝা কঠিন। {{ফাঁক}}এই অঞ্চলের কোন কোন স্থানে শিক্ষার আগ্রহ দেখিয়া বিশেষ সন্তুষ্ট হইয়াছিলাম। সুন্দরবনের নিকটেই গোবরা নামক স্থানে একটি উচ্চশ্রেণীর বিদ্যালয় ছিল। ইহার কর্তৃপক্ষ আমাকে যে শুধু ভূরিভোজনে পরিতৃপ্ত করিতেন, তাহা নহে, পরন্তু ছাত্রগণ পূর্ব্ব হইতেই গজল, আবৃত্তি প্রভৃতি মশ্‌ক্‌ করিয়া রাখিয়া আমাকে অপরিসীম আনন্দ প্রদান করিত। আমার অন্যতম সাংবাদিক বন্ধু মৌলবী আব্দুল ওয়াহাব সিদ্দিকী সাহেব তখন এই মক্তবের প্রধান শিক্ষক। ইনি এই সময় ঐ দেশে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া বিরাজ করিতেছিলেন। ইহার কিঞ্চিৎ দক্ষিণে বেদকাশী নামক ইতিহাসপ্রসিদ্ধ স্থান। একসময় কোন এক কচু রায় এখানে রাজত্ব করিতেন; তাঁহার অনেক স্মৃতিচিহ্ন এখনও বিদ্যমান আছে। একটি সেকেলে পুকুর এমনভাবে ধাপ দ্বারা বদ্ধ হইয়া আছে যে তাহার উপর দিয়া হাঁটিয়া গেলেও জলে পা ডুবে না। এই পুকুরের জল লবণাক্ত নহে; এবং সুপেয় বলিয়া এ অঞ্চলে বিখ্যাত। শুনিলাম, অনেক সময় চড়াদামে এই জল বিক্রয় হয়। কৌতূহলবসে একটু জল গালে দিলাম; ফলটা না বলাই ভাল। কারণ<noinclude></noinclude> e63cybd6e8d1dhioke0e9utlcdzgy0i পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/২৬ 104 881270 1992042 1976237 2026-07-31T04:16:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992042 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>ঘণ্টাভর মাথা কুট্‌ছ!” বৃদ্ধা প্রবাসী সন্তানের কল্যাণে ভিক্ষা করিতেছিল, সন্ত্রস্ত হইয়া উঠিয়া পড়িল। “এস গো এস, চটপট সেরে নাও। পড়, কালী কালী মহাকালীং—আচ্ছা হয়েছে। নাও সিঁদুর আর বেলপাতা, ছেলের মাথায় দিও। আর জোড়া পাঁঠা মানৎ করে’ যাও, ছেলে ভাল হ’য়ে যাবে। আর আমাকে খবর দিও, মানৎ শোধ দেওয়ার দিন আমি নিয়ে আসব।” {{ফাঁক}}বেলা দশটার সঙ্গে সঙ্গে বলির বাজনা বাজিল; অনেকগুলি মাথা নমস্কারের ভঙ্গীতে নত হইল সেই সঙ্গে দশ বারোটা পশু আতঙ্কে আর্ত্তনাদ করিয়া উঠিল। {{ফাঁক}}বলি হইয়া গেল, পূজা দেওয়া হইল না। আশঙ্কায় রামুর বুক কাঁপিয়া উঠিল। আগ্রহে মন্দিরের সিঁড়ির দুই ধাপ উপরে উঠিতেই পূজারী ধমক দিলেন, “আরে সর্ব্বনাশ! নেমে যাও, নেমে যাও! ভোগ রাগ হয়নি। কি সব অনাচার।” {{ফাঁক}}রামু অপ্রতিভ হইয়া নীচে নামিয়া নর্দ্দামার ধারে দাঁড়াইল। নর্দ্দামা দিয়া তখন রক্তগঙ্গা বহিয়া যাইতেছে। {{dhr}} {{কেন্দ্র|(৪)}} {{ফাঁক}}“ওরে বাজা, বাজা, ভোগের বাজনা বাজা! {{ফাঁক}}ঢোল সানাই একসঙ্গে বাজিয়া উঠিল, ড্যাং নাক্ পোঁ। {{ফাঁক}}“সরে’ যা, সরে’ যা সব, ভোগ আস্‌ছে!” {{ফাঁক}}রামু নর্দ্দামার প্রান্ত ছাড়িয়া একেবারে চত্বরে আসিয়া দাঁড়াইল। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৬}}</noinclude> 1bqjp8u4qafbi5fbnqdal3zduhdw9bd পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৩৮ 104 881342 1992298 1979679 2026-07-31T04:57:03Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992298 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>{{ফাঁক}}“ওরে বেটা হারামজাদা!”— শশাঙ্ক ঘোষাল হাঁকিলেন। {{ফাঁক}}“খড়ম পেটা ক’রে তাড়াও ব্যাটাকে গাঁ থেকে; ধর্ম্ম নষ্ট করলি”—ন্যায়রত্ন মহাশয় নস্য লইলেন। সাধুচরণ কাঁপিতে লাগিল। {{ফাঁক}}দেওয়ানজী ডাকিলেন, রাঘব কোথায় হে? কি করা যাবে এর, এস দেখি শুনি।” {{ফাঁক}}স্বর্গীয় মোহন ঠাকুরের সন্তান রাঘব ঠাকুর। বছর ত্রিশেক বয়স। মাথায় বাবরী, বলিষ্ঠ সুপুষ্ট দেহ। কপালে সিন্দুরের ত্রিপুণ্ড্র, হাতে মোটা বাঁশের লাঠি, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। বয়সে সকলের ছোট বলিয়া সকলের পশ্চাতে এক কোণে বসিয়া কলিকায় তামাক খাইতেছিলেন। সম্মুখে আসিয়া কহিলেন, “বিচার আপনারা করুন, খুড়োমশাই। আপনাদের যা মত হবে আমার ও—” {{ফাঁক}}“তা কি হয়? দেওয়ানজী কহিলেন, মোহন ঠাকুরের ছেলে তুমি বাবাজী! বয়সে যাই হও মোহনপুরে তোমার কথাই আগে।” {{ফাঁক}}রাঘব ঠাকুরের গম্ভীর তীব্রকণ্ঠে ধ্বনিত হইল, “সাধুচরণ!” {{ফাঁক}}রাঘব ঠাকুরের দিকে ভয়ে সাধুচরণ চাহিতে পারিল না, চণ্ডীমণ্ডপের পৈঠায় মাথা রাখিয়া আর্ত্তনাদ করিয়া কহিয়া উঠিল, “আর কর‍্ব না, বাবাঠাকুর! এবারকার মত—” {{ফাঁক}}“বেটা হারামজাদা! এবারকার মত! মোহনপুরের জেলে<noinclude>{{কেন্দ্র|২৮}}</noinclude> b7t8zigvirps4fpxewh8v6bgrq9umso পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৫১ 104 881419 1992043 1980344 2026-07-31T04:16:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992043 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|প্রত্যর্পণ}}</noinclude>মনের একটি কোণে একান্ত অসহায় অতিথিটির জন্য খানিকটা মমতা সঞ্চিত হইয়া উঠিয়াছিল, ‘চলিয়া যাও’ বলিতে মন সরিতেছিল না। অনেক ভাবিয়া কহিল, “দু’বেলা ভাত খেয়েই চ’লে যেও।” {{ফাঁক}}“আচ্ছা” বলিয়া বনমালী শয্যা লইল। {{কেন্দ্র|(৩)}} {{ফাঁক}}সে দিন বনমালী ধরিয়া বসিল যে বিকালেও তাহাকে ভাত দিতে হইবে। আপত্তি করিলে সে অন্য কিছু ভাবিয়া লইতে পারে ভাবিয়া চাঁপা কহিল, “বেশ!” কিন্তু তাহার মুখের ভাব বদলাইয়া গেল, সমস্ত দিন আর সে ভালো করিয়া বনমালীর সঙ্গে কথা কহিল না। বনমালী তাহা লক্ষ্য করিল। কয়েকদিন নিয়ত নারীর সংসর্গে থাকিয়া রমণীর চিত্ত-বিশ্লেষণের তাহার কিঞ্চিৎ ক্ষমতা জন্মিয়াছিল। {{ফাঁক}}অপরাহ্নে উনুন জ্বালিয়া চাঁপা হাড়ি চড়াইয়াছে এমন সময় ভিক্ষার ঝুলি হাতে করিয়া এক বৈষ্ণব আসিয়া আঙ্গিনায় দাঁড়াইয়া অতি করুণকণ্ঠে কহিল, “দুটো চাল দাও মা, বৈষ্ণব, একাদশীর দিন। পারণ কর্ব্ব।” আজ একাদশী শুনিয়াই চাঁপার বুকের ভার যেন অনেকটা লঘু হইয়া গেল, বনমালীর দিকে ফিরিয়া সে কহিল, “আজ যে একাদশী তা তো ভুলেই গেছ্‌লাম। {{ফাঁক}}{{SIC|বনলামী|বনমালী}} সমস্ত দিন ধরিয়াই চাঁপার ভাবভঙ্গী লক্ষ্য করিতে-<noinclude>{{কেন্দ্র|৪১}}</noinclude> qbb41hm24z6xz65zspttz9gu1hzbpoa পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে বেতার.pdf/১৯ 104 881441 1991208 1977730 2026-07-30T16:23:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991208 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>'''‘কর্ণফুলী’''' {{ফাঁক}}১৯৬০ সালের ২১শে ও ২২শে সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম সেণ্ট গ্লাসিস হলে ঢাকা বেতার কেন্দ্র এক প্রকাশ্য উৎসবের আয়োজন করে। ঢাকার প্রথম শ্রেণীর বেতার শিল্পীরা ছাড়াও চট্টগ্রামের অনেক প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী এই অনুষ্ঠানে একজোটে অংশ গ্রহণ করেন। বেতার শ্রোতার কানকে পরিতুষ্ট রাখার সংগে সংগে সমবেত দর্শকের চোখের পিপাস। পরিতৃপ্ত করবার জন্য মঞ্চকে মনোরম করে সুসজ্জিত করা হয় এবং প্রচারিত অনুষ্ঠানে গানের সংগে সংগে নাটক ও নৃত্যের ব্যবস্থাও রাখা হয়। {{ফাঁক}}নাটকের নাম ছিল সাঁকো, গীতিনাট্যের নাম ‘কর্ণফুলী’। নিছক অনিন্দ দান করা ছাড়াও কর্ণফুলীর একটা গভীরতর উদ্দেশ্য ছিল। কর্ণফুলীর নৃত্য গীত ও কাহিনী চট্টগ্রামের প্রাণ ও প্রকৃতির একটা বিশেষ সুষমাকে শিল্পরূপ দান করতে চেষ্টা করেছে। {{ফাঁক}}এই গীতিময় নৃত্যনাট্য চাকমা উপকথা নির্ভর। অকস্মাৎ এক চামা রাজকুমারীর কুঞ্জে এক বিদেশী রাজকুমারের আবির্ভাব। তাদের প্রেম পরিপূর্ণ হতে পারেনি। রাজকুমারকে বিদায় নিতে হয়। বিদায়কালে রাজকুমার প্রেমিকাকে স্মৃতিচিহ্ন রূপে কর্ণফুল দিল। রাজকন্যা নদীস্নানে সেই কানফুল হারিয়ে ফেলে। এ যেন তার সমস্ত ভবিষ্যতের মৃত্যু। নদীর নাম হ’ল কর্ণফুলী। শিল্পীরা কথার গানে নাচে সেই বেদনাকেই প্রাণময় করে তোলেন। {{ফাঁক}}মঞ্চে পরিবেশিত ও বেতারে প্রচারিত এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পূর্ব-পাকিস্তানের সেরা শিল্পীরা চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেই নিজস্ব ভংগীতে অভিবাদন জানিয়েছেন। '''‘সুন্দরী’''' {{ফাঁক}}রূপসা নদীর এপারে গ্রাম ওপারে গহন অরণ্য। একটু পরেই মোহনার মুখে সমুদ্র। সমুদ্রের তরঙ্গগর্জন আর অরণ্যের বাঘের হুংকারে অতি বড় সাহসীর বুকও অজানা ভয়ে<noinclude>{{ডান|১১}}</noinclude> k2q1it01jdvfp41hrzccgl4k5dqzvmr 1991222 1991208 2026-07-30T16:24:14Z Bodhisattwa 2549 1991222 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>'''‘কর্ণফুলী’''' {{ফাঁক}}১৯৬০ সালের ২১শে ও ২২শে সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম সেণ্ট গ্লাসিস হলে ঢাকা বেতার কেন্দ্র এক প্রকাশ্য উৎসবের আয়োজন করে। ঢাকার প্রথম শ্রেণীর বেতার শিল্পীরা ছাড়াও চট্টগ্রামের অনেক প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী এই অনুষ্ঠানে একজোটে অংশ গ্রহণ করেন। বেতার শ্রোতার কানকে পরিতুষ্ট রাখার সংগে সংগে সমবেত দর্শকের চোখের পিপাস। পরিতৃপ্ত করবার জন্য মঞ্চকে মনোরম করে সুসজ্জিত করা হয় এবং প্রচারিত অনুষ্ঠানে গানের সংগে সংগে নাটক ও নৃত্যের ব্যবস্থাও রাখা হয়। {{ফাঁক}}নাটকের নাম ছিল সাঁকো, গীতিনাট্যের নাম ‘কর্ণফুলী’। নিছক অনিন্দ দান করা ছাড়াও কর্ণফুলীর একটা গভীরতর উদ্দেশ্য ছিল। কর্ণফুলীর নৃত্য গীত ও কাহিনী চট্টগ্রামের প্রাণ ও প্রকৃতির একটা বিশেষ সুষমাকে শিল্পরূপ দান করতে চেষ্টা করেছে। {{ফাঁক}}এই গীতিময় নৃত্যনাট্য চাকমা উপকথা নির্ভর। অকস্মাৎ এক চামা রাজকুমারীর কুঞ্জে এক বিদেশী রাজকুমারের আবির্ভাব। তাদের প্রেম পরিপূর্ণ হতে পারেনি। রাজকুমারকে বিদায় নিতে হয়। বিদায়কালে রাজকুমার প্রেমিকাকে স্মৃতিচিহ্ন রূপে কর্ণফুল দিল। রাজকন্যা নদীস্নানে সেই কানফুল হারিয়ে ফেলে। এ যেন তার সমস্ত ভবিষ্যতের মৃত্যু। নদীর নাম হ’ল কর্ণফুলী। শিল্পীরা কথার গানে নাচে সেই বেদনাকেই প্রাণময় করে তোলেন। {{ফাঁক}}মঞ্চে পরিবেশিত ও বেতারে প্রচারিত এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পূর্ব-পাকিস্তানের সেরা শিল্পীরা চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেই নিজস্ব ভংগীতে অভিবাদন জানিয়েছেন। '''‘সুন্দরী’''' {{ফাঁক}}রূপসা নদীর এপারে গ্রাম ওপারে গহন অরণ্য। একটু পরেই মোহনার মুখে সমুদ্র। সমুদ্রের তরঙ্গগর্জন আর অরণ্যের বাঘের হুংকারে অতি বড় সাহসীর বুকও অজানা ভয়ে<noinclude>{{ডান|১১}}</noinclude> d3v7opbe923h37j4a8mypjbiuvw2hdg পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭ 104 881462 1991401 1978232 2026-07-30T16:32:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991401 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''সূচনা।'''}}}} {{Custom rule|sp|20|co|6|fy1|40|co|6|sp|20}} {{ফাঁক}}বরাহভূম পরগণার থাকবস্ত পরিমাপ সম্প্রতি পরিসমাপ্ত হইয়াছে। তদুপলক্ষে সরকার বাহাদুর ও ঘাটোয়ালগণের মধ্যে বিবিধ প্রকার মামলার উৎপত্তি হইয়াছিল। সেই সময়ে নিরপেক্ষ প্রকৃতি সদাশয় সিভিলিয়ান শ্রীযুক্ত এইচ্‌, এফ্‌, স্যামন সাহেব বাহাদুর মানভূম জেলার ডেপুটী কমিশনার পদে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। মহানুভব শ্রীযুক্ত স্যামন সাহেব বাহাদুর নিরপেক্ষভাবে সরকারী যাবতীয় পুরাতন কাগজপত্র ঘাটোয়ালগণকে ব্যবহার করিবার জন্য আদেশ দিয়াছিলেন। শ্রদ্ধেয় ডেপুটী কালেক্টার শ্রীযুক্ত বাবু ভুবনমোহন চট্টোপাধ্যায় উপরোক্ত অধিকাংশ মামলার বিচার করিয়াছিলেন। মাননীয় ডেপুটী ম্যাজিষ্ট্রেট শ্রীযুক্ত বাবু রাখালমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার বাহাদুরের পক্ষে যাবতীয় কার্য্যের তত্ত্বাবধান করিবার জন্য নিযুক্ত ছিলেন। তাঁহারা উভয়েই সাতিশয় সদাশয়তা সহকারে বিবিধ সরকারী কাগজপত্র স্থানীয় ও বিভিন্ন স্থানের সরকারী মহাফেজখানা হইতে আনাইয়া তাহা দুর্ব্বল ঘাটোয়ালপক্ষকে ব্যবহার করিতে দিয়াছিলেন। উপরোক্ত অনেকগুলি মামলায় ঘাটোয়ালগণের পক্ষে নিযুক্ত থাকায় যেসকল কাগজপত্র গ্রন্থকারের হস্তে পড়িয়াছিল, তদৃষ্টে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক স্থানীয় “মানভূম” পত্রিকায় ‘লালসিংহ’ শীর্ষক কয়েকটি প্রবন্ধ লিখিত হইয়াছিল। ঐ সকল প্রবন্ধ পাঠ করিয়া মহামতি<noinclude></noinclude> fe4v2khlmg1733ixcyg1i76w8rf2u70 পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৬৮ 104 881620 1992299 1987026 2026-07-31T04:57:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992299 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>তবলা ও খঞ্জনী; দেয়ালের উপর দিকে খান-কয়েক নগ্ন নারীর বিলাতী ছবি, একটা কুলুঙ্গিতে একটি গনেশের সিঁদুর মাখা মাটির মূর্ত্তি। মূর্ত্তিটার পাশে ন্যাক্‌ড়া জড়ানো একটি গাঁজার কলিকা। দেওয়ালের নীচের দিকে ও গৃহের প্রত্যেকটি কোণ পাণের পিকে বিচিত্রিত। তখন বেলা এক প্রহর। মেঝেয় বসিয়া কয়েকজন অভিনেতা আয়নার সামনে বিচিত্র-ভাবের মুখভঙ্গী করিতেছিল। {{ফাঁক}}গৃহের কোণে একটি ছিন্ন তাকিয়ায় বুক রাখিয়া স্বত্বাধিকারী মহাশয় গড় গড়ার নল মুখে দিয়া দৈনিক জমা-খরচের খাতা পরীক্ষা করিতেছিলেন। {{ফাঁক}}এই সময়ে দুলালকে লইয়া ম্যানেজার বাবু গৃহে প্রবেশ করিয়া স্বত্বাধিকারী মহাশয়কে সম্বোধন করিয়া কহিলেন, “দেখুন, এনেচি। তৈরি করে’ নিতে পারলে “ভড়ের সীতা-নির্ব্বাসন” একেবারে কাণা।” {{ফাঁক}}স্বত্বাধিকারী মহাশয় গড়‍্গড়ার নল ছাড়িয়া উঠিয়া বসিয়া কহিলেন, “এ যে একেবারে খোকা দেখচি। পারবে কি?” {{ফাঁক}}“পরখ করেই নিন্ না।” {{ফাঁক}}—“আচ্ছা, একটা গাও তো থোকা।” দুলালের অত্যন্ত ক্ষুধার উদ্রেক হইয়াছিল। সে কহিল, “বড্ড খিদে পেয়েছে।” {{ফাঁক}}ম্যানেজার বাবু, চাকর ডাকিয়া দু’ পয়সার মুড়ি আনিবার আদেশ দিয়া কহিলেন, “আসছে খাবার—তুমি ততক্ষণ একটা গেয়ে ফ্যালো তো।” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৮}}</noinclude> 16jlizwmtsg4bx05fyxa43r7fk1qvq4 পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৭৩ 104 881625 1992300 1987205 2026-07-31T04:57:04Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992300 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|দুলাল}}</noinclude>অভিনয়ের কথা কয়টি উচ্চারণ করিয়া ফোঁপাইয়া কাঁদিয়া উঠিল, "মা, মা, মাগো।” {{ফাঁক}}তাহার এই ক্রন্দনে আর ভগ্ন কণ্ঠস্বরে কিছুকালের জন্য শ্রোতৃমণ্ডলী যাত্রার আসর ভুলিয়া যেন কোন্ সুদূর অতীত লোকে গিয়া উপস্থিত হইল। স্বত্বাধিকারী হইতে বেহালাদার পর্য্যন্ত দুলালের এই শেষ দৃশ্যের অভিনয়ে আশ্চর্য্য হইয়া গেলেন। তাঁহাদের জীবনে যাত্রার আসরে এমন জীবন্ত অভিনয় করিতে তাহারা আর কাহাকেও দেখেন নাই! {{ফাঁক}}গান ভাঙ্গিল। চিকের আড়াল হইতে একটি রমণী একখানা বহুমূল্য শাল কুশের জন্য পাঠাইয়া দিলেন। পুরুষদের দলেও দু’একজন পুরস্কার দিবার জন্য প্রস্তুত হইলেন। তখন দুলালের ডাক পড়িল। কিন্তু খুঁজিয়া কোথাও তাহাকে পাওয়া গেল না। {{ফাঁক}}অভিনয় শেষে দুলাল সাজ-ঘরে আসিয়া পোষাক ছাড়িয়া অপরের অলক্ষিতে একেবারে পথে আসিয়া দাঁড়াইল। তার সমস্ত অন্তর মা’র বুকে ফিরিয়া যাইবার জন্য অধীর আকুল হইয়া উঠিয়াছিল। যাত্রার দলের সাজ-ঘর, ম্যানেজার ও মাষ্টারের প্রশংসা, শ্রোতাদের উৎসাহ-বাণী- এ সব কিছু নয়, কিছু নয়, কিছু নয়। প্রশ্ন করিতে করিতে সে একেবারে ষ্টেশনে আসিয়া উপস্থিত হইল। কিন্তু পয়সা চাই—টিকিট কিনিতে হইবে। নইলে তো চড়িতে দিবে না! উপায়? প্লাটফর্ম্মের এদিক-ওদিক বৃথা ঘুরিয়া ক্লান্ত-পদে গিয়া সে একটা বেঞ্চের উপর বসিয়া<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৩}}</noinclude> ja92qr1o0ul75ce3annrbzwkeju7v2j পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৭৪ 104 881626 1992301 1987207 2026-07-31T04:57:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992301 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>পড়িল। দুই চোখ মুদিয়া আসিতেছিল—সে ঘুমাইয়া পড়িল। তখন ষ্টেশনের প্লাটফর্ম্ম জনশূন্য হইয়া আসিয়াছে! {{ফাঁক}}দুলাল স্বপ্ন দেখিতেছিল, সে যেন মা’র কাছে ফিরিয়া আসিয়াছে, মা’র বুকে মাথা রাখিয়া বলিতেছে, “আমি যাবো না, আর যাবো না মা।” মা তাকে বুকে টানিয়া বলিতেছে “না, বাবা, না, আর তোমায় যেতে দেবো না।” সহসা মাথায় আঘাত পাইয়া সে উঠিয়া বসিল। চোখ চাহিয়া দেখে, সম্মুখে দাঁড়াইয়া ম্যানেজার আর চাকর ভোলা। তারা খোঁজ করিয়া একেবারে ষ্টেশনে আসিয়া উপস্থিত। ম্যানেজারকে দেখিয়াই দুলালের মুখ শুকাইয়া গেল। সে কাঁদিয়া কহিল, আমি মা’র কাছে যাবো। {{ফাঁক}}চোখ রাঙাইয়া দুলালের কাণ ধরিয়া তাকে বেঞ্চ হইতে নামাইয়া ম্যানেজার কহিল, “হতভাগা কম ভোগান ভুগিয়েচো! যাওয়াচ্ছি মা’র কাছে...” বলিয়া টানিতে টানিতে তাকে ঘোড়ার গাড়ীতে উঠাইয়া চিৎপুর রোডের দিকে গাড়ী হাঁকাইয়া দিল। {{ফাঁক}}যাত্রার দলে যে আসে সেই দু’দশ দিনে পোষ মানিয়া যায়—আর এ ছেলেটা বাগ মানিবে না! অধিকারী মহাশয় রাগে গম্‌গম্ করিতেছিলেন। এই সময় ম্যানেজারের সহিত ঘরে প্রবেশ করিয়া দুলাল নতমুখে অপরাধীর মত দাঁড়াইল। দেখিবামাত্র পা হইতে চটি খুলিয়া অধিকারী তাহাকে প্রহার<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৪}}</noinclude> 68hm02upgqavpx4o2ezlnhbi7xauurr পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৮৯ 104 881699 1992302 1981809 2026-07-31T04:57:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992302 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|পরের ছেলে}}</noinclude>কহিলেন, “এখানি আবার রেখেছেন কেন? দেখে মিছিমিছি মন খারাপ করা।” {{ফাঁক}}বৃদ্ধ তাড়াতাড়ি কাগজখানি লইয়া কহিলেন, “না থাক্‌!” তারপর বলিলেন, “বুড়োকে মনে রেখো ভাই সব, ফিরে আসলে আবার দেখা হবে! আর দেরী করবনা, দুর্গা শ্রীহরি! সিদ্দিদাতা গনেশ!” বলিয়া বেতের মোটা লাঠিটার মাথায় ব্যাগ ঝুলাইয়া লাঠিগাছ কাঁধে করিয়া কহিলেন, “শুধু একটা কথা দাদা আমি মধুকে ব’লে গেলাম তোমারাও মনে করিয়ে দিও, ছেলেগুলোকে যেন মারধোর না করে। কে কবে যাবে কে জানে? দু’দিনের জন্য আর কেন—দুর্গা শ্রীহরি!” শম্ভু সরকার বাহির হইয়া গেলেন। {{ফাঁক}}রাম দত্ত কহিলেন, “পুত্রশোকে রাজা দশরথ মরেছিলেন, শম্ভু সরকার তো ছার। আহা রতন ছেলেটি বড় ভাল ছিল।” {{ফাঁক}}শম্ভু সরকারের স্ত্রী রতনের জন্মের পরদিনই ইহলোক হইতে বিদায় লইয়াছিলেন। শম্ভু সরকার আর বিবাহ না করিয়া নিজেই রতনের মায়ের স্থান অধিকার করিলেন। ক্রমে রতন বড় হইয়া পাঠশালায় ঢুকিল। এবার সে প্রাইমারী বৃত্তি-পরীক্ষা দিয়াছিল কিন্তু ফল বাহির হইবার মাসখানেক পূর্ব্বেই একদিনের জ্বরে হঠাৎ সে মৃত্যুলোকে প্রস্থান করিল। অসীম ধৈর্য্যের সহিত শম্ভূ সরকার এই আঘাত সহিয়া গেলেন, পাঠশালা রীতিমত চলিতে লাগিল কিন্তু যেদিন পরীক্ষার ফল ও সেই সঙ্গে পুত্রের বৃত্তি<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৯}}</noinclude> 2emxq76ylnozm47yo7u8yatfe3d9ktu পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৯১ 104 881704 1992044 1981810 2026-07-31T04:16:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992044 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|পরের ছেলে}}</noinclude>{{ফাঁক}}“বাবার ছেলে” রতন জবাব দিল। শম্ভু সরকার রতনের হাত ধরিয়া কহিলেন, “আমিও বাবার ছেলে, আমার নাম শম্ভু সরকার।” রতন তাড়াতাড়ি কহিল, “তুমি শম্ভু? বাবা যে তোমাকে ডাকছে! চল।” বলিয়াই শম্ভু সরকারের হাত ধরিয়া টানিল। সরকার মহাশয় বুঝিলেন যে শিশু ভুল করিয়াছে, তথাপি উঠিয়া কহিলেন, “চল যাই।” তখনকার মত তাঁহার মন্ত্রজপ বন্ধ রহিল। {{ফাঁক}}বড়বাবু ফরাসে বসিয়া তামাক টানিতেছিলেন, এমন সময় রতন শম্ভু সরকারের হাত ধরিয়া উপস্থিত হইয়া কহিল, “বাবা, তুমি যে ডাকছিলে, এনেছি।” {{ফাঁক}}বড়বাবু হাসিয়া কহিলেন, “কাকে এনেছিস্ রে?” {{ফাঁক}}“তুমি যে বললে শম্ভু সরকার!” রতন কহিল। {{ফাঁক}}“আপনার নামও বুঝি শম্ভু সরকার, তাই খোকা আপনাকে টেনে এনেছে। আমি আমাদের নায়েব শম্ভু সরকারকে খুঁজছিলাম। যাহোক আপনি বসুন।” শম্ভু সরকার আসন লইলেন। তারপর কথাবার্তায় শম্ভু সরকার তাঁহার জীবনের সমস্ত কাহিনী আদ্যোপান্ত বলিয়া গেলেন, “শেষে কহিলেন, শেষ-জীবনে যদি কোথাও আশ্রয় পাই, তাহ’লে দিন ক’টা একরকমে কাটিয়ে দিই।” {{ফাঁক}}বড়বাবুর দয়া হইল। কহিলেন, “এখানে থাকতে পারেন, আপত্তি নেই। খোকাকে একটু দেখবেন শুনবেন। দশ টাকা নাইনে, খোরাক পোষাক-পোষাবে?” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৮১}}</noinclude> pft2fx411ughbupm1a9ll6usid4ao0y পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১০০ 104 881849 1992303 1983907 2026-07-31T04:57:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992303 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>আসিয়া যুক্তকরে কহিলেন, “বাবু আমাকে বিদায় দিন। আরও দুই একটা কথাও বলিতে যাইতে ছিলেন কিন্তু গলার স্বর সহসা অত্যন্ত কাঁপিতে লাগিল, ভালো করিয়া আওয়াজ বাহির হইল না। {{ফাঁক}}বড়বাবু সহজভাবেই কহিলেন, “যেতে চাইছেন? কোথায় যাবেন?” {{ফাঁক}}“যে দিকে দু’চক্ষু যায়, আর কটা দিনই বা? একরকম কেটেই যাবে” শম্ভু সরকার কহিলেন। {{ফাঁক}}“তা বেশ। সন্ধ্যার পর কথা হবে।” শম্ভু সরকার তখনকার মত ফিরিয়া গেলেন। {{ফাঁক}}রাত্রি প্রহর-খানেকের সময় সরকার মহাশয়ের ডাক পড়িল। তাহাকে ছাড়িয়া দিতে তিনি বিশেষ দুঃখ বোধ করিতেছেন, এই প্রকারের গুটিকয়েক মামুলী কথা বলিয়া দশখানি দশ টাকার নোট শম্ভু সরকারের হাতে দিয়া বড়বাবু কহিলেন, “আপনার পারিশ্রমিক যৎকিঞ্চিৎ দিলাম।” নোট কয়খানি হাত পাতিয়া লইতে তাহার হাত কাঁপিয়া গেল। কোনক্রমে আত্মসম্বরণ করিয়া নোট কয়খানি ছেঁড়া জামার পকেটে ফেলিয়া শম্ভু সরকার বাবুকে প্রণাম করিয়া কহিলেন, “কাল ভোরেই বেরোব। একবার রতনকে দেখে যাব।” {{ফাঁক}}বড়বাবু কহিলেন, “সে তো ঘুমিয়ে পড়েছে এতক্ষণ বুঝি।” সরকার মহাশয় তাড়াতাড়ি কহিলেন, “ঘুমুচ্ছে? আহা! তবে থাক। সারাদিন তো বিশ্রাম নেই।” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৯০}}</noinclude> s42gxd6tcf438g6incl731rzqsoye2j পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১০৩ 104 881944 1992304 1983910 2026-07-31T04:57:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992304 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|বছিরের দরগা}}</noinclude>{{ফাঁক}}ইহার পর বিশু যে কাজে হাত দিল, তাহাতে সে যে পূর্ব্বজন্মে ব্রাহ্মণ ছিল এই সত্য নিঃসংশয়ে প্রমাণিত হইয়া গেল। এমন কি পাঠশালায় পণ্ডিত তারণ চক্রবর্ত্তী পর্য্যন্ত বলিয়া গেলেন, “দেখো বাগ্দী-বৌ, এই জলজীয়ন্ত বামুনের কথা। তোমার ছেলে ম’রে আবার বামুন হবে। {{ফাঁক}}মা কাণে হাত দিয়া কহিল, “ষাট্ ষাট্!” ব্যাপারটা এই। বিশু রথ দেখিতে ভিন্‌গায়ে গিয়া এক নূতন বিষ্ণুমন্দির নির্মাণের কাজ দেখিয়া আসিয়াছিল। দেখিতে দেখিতে মাথায় তাহার খেয়াল গজাইয়া উঠিল। বাড়ী আসিয়া মাকে কহিল, “আমি হরিমন্দির গড়্‌ব তুই পয়সা দে।” মন্দির গড়িতে কতটা পরসার দরকার তাহ। হাতে গণিয়া ও কুড়ি হিসাবে বিশুকে বুঝাইবার ব্যর্থ চেষ্টা করিয়া বিরক্ত হইয়া বিশুর মা বিড়াল তাড়াইবার লাঠি দিয়া বিশুর পিঠে দু’ঘা বসাইয়া দিল। {{ফাঁক}}ইহাতেও বিশুর সংঙ্কল্প টলিল না। ভোর না হইতেই সে একটা ঝাঁকা মাথায় করিয়া গ্রামের বাহিরের ভাঙ্গা শিবমন্দির হইতে সুরকী সংগ্রহ আরম্ভ করিল। দেব-স্থানের মাটি পায়ে লাগিবে বলিয়া মা প্রথমে তাহাকে যথেষ্ট ভর্ৎসনা করিল; অবশেষে প্রহার। বিশু চড়-চাপড় বিনা বাক্যবয়ে গ্রহণ করিয়া পুনরায় স্বকার্য্যে মন দিল। এইবার বিশুর মা চক্রবর্ত্তী মহাশয়ের শরণ লইল; তিনি তাহাকে আশ্বস্ত করিয়া বলিয়া দিলেন, “খুব সাবধান বাগ্দী-বৌ, ভগবান ওকে দিয়ে তার কাজ করাচ্ছেন।<noinclude>{{কেন্দ্র|৯৩}}</noinclude> jxyb4sk2x0mll1vxxi7f2bgcev1vo2f পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১০৭ 104 881948 1992305 1983912 2026-07-31T04:57:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992305 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|বছিরের দরগা}}</noinclude>মহাশয়ের পাতি নিয়ে আসব। পণ্ডিত মহাশয় কলস গ্রামের চতুষ্পাঠীর অধ্যাপক, সে অঞ্চলে তাঁহার বিধানই প্রামাণ্য ছিল। {{ফাঁক}}কিন্তু বিশুকে আর পাতি আনিতে হইল না, সেই রাত্রেই বাতাসী কলেরার আক্রমণে ও ব্রহ্মশাপের ভয়ে ইহলোক ছাড়িয়। প্রস্থান করিল। ভদ্র-সজ্জনেরা কহিলেন—"শাস্ত্র না মান্‌লে এমনি হয়! ঘোর কলি এখনও হয়নি তো।” {{ফাঁক}}মা’র মৃত্যুর পর বিশু দিন-দুই খুব কাহিল রহিল। তারপর দ্বিগুণ উৎসাহে তার দলবল লইয়া মন্দিরের কাজে লাগিয়া গেল। বৃন্দাঠাকুর ছিলেন গ্রামের মাতব্বর, তার উপর বিশুর বাড়ী ছিল তাঁরই বাড়ীর পাশে; বিশুর কীর্ত্তন, সঙ্গীদের হরিধ্বনি, মৃদঙ্গ করতালের শব্দ তাঁহারই নিদ্রার ব্যাঘাত জন্মাইত বেশী। ইহার পর বিশুর মন্দির উঠিলে তাঁহার বিগ্রহের প্রণামী কমিয়া যাইবারও ভয় ছিল, কাজেই এই বাগ্দী ছোড়ার উপর তিনি জাতক্রোধ হইয়া উঠিলেন। কিন্তু বিশু তখন বড় হইয়াছে-কাহারও ভ্রূকুটি সে গ্রাহ্য করিল না। {{কেন্দ্র|(৪)}} {{ফাঁক}}মন্দির যখন অর্দ্ধেক দূর উঠিয়াছে, তখন এক ঘটনায় গ্রাম তোলপাড় হইয়া উঠিল। রহিম মিস্ত্রীর স্ত্রীর পূর্ব্ব স্বামীর এক কন্যা ছিল। তার বিবাহ হইয়াছিল দূর গ্রামের এক কৃষকের সঙ্গে। সে প্রায় তিন বৎসর পূর্বেকার কথা। এক<noinclude>{{কেন্দ্র|৯৭}}</noinclude> 0awpgy9gepmh4ropom9liiz5b5pww71 পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১০৯ 104 881950 1992306 1983914 2026-07-31T04:57:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992306 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|বছিরের দরগা}}</noinclude>চক্রবর্ত্তী প্রভৃতি মাতব্বরেরা বসিয়াছিলেন; মণ্ডপের প্রাঙ্গণে যুক্তকরে আমিনার মাতা, তার পশ্চাতে জনকয়েক তারই প্রতিবেশী, আর এক কোণে দাড়াইয়া আমিনা মুখে কাপড় দিয়া কাঁদিতেছিল। এই বৈঠক আর সেই সঙ্গে আমিনার মাকে দেখিয়া বিশুর বুকের মধ্যে ধড়াস্ করিয়া উঠিল! সে আসিয়া দাঁড়াইতেই বৃন্দাঠাকুর কহিলেন, “কেষ্টঠাকুর এসেছেন বেটা ছোট জাতের আস্পর্দ্ধা দ্যাখো না। মন্দির গড়বে না! বেটার পেট-পোরা সয়তানী মতলব!” {{ফাঁক}}“সেখের বেটী, তোর নালিশ?” আমিনার মা দশ মিনিট ধরিয়া নানা কথা কহিয়া গেল। বিশু তার মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করিয়াছে, সে বিচার চায়! {{ফাঁক}}বিশুর মাথা ঘুরিতেছিল, আমিনা শেষে তাহার সহিত প্রতারণা করিয়াছে, এই চিন্তা তার সমস্ত মনকে বিষাক্ত করিয়া দিয়াছিল, বিশু কথা কহিল না। আমিনা এতটা মনে করে নাই। মা’র মনে অনেক দিন হইতেই সন্দেহ ছিল। কিন্তু সে কিছু দেখিয়াও দেখে নাই। কাল সন্ধ্যায় যখন কানাঘুষায় কথাটি শুনিয়া বৃন্দাঠাকুর তাহাকে ডাকিয়া পাঠাইলেন, তখন সে তার সন্দেহের কথা তাঁকে জানাইল। তারপর তাঁহারই পরামর্শ মত আমিনাকে প্রশ্ন করিয়া সকল সংবাদ জানিয়া লইল। আমিন। এতখানি ঘটিবে তাহা ভাবে নাই, অকপটে মা’র কাছে সমস্তই বলিয়াছিল। তারপর আজ দ্বিপ্রহরে যখন<noinclude>{{কেন্দ্র|৯৯}}</noinclude> adz9iep9fl0m3xmqitetpq119fmwpxk পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১১০ 104 881951 1992307 1985835 2026-07-31T04:57:07Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992307 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>স্বয়ং বৃন্দাঠাকুর তাহাদের বাড়ীতে উপস্থিত হইয়া আমিনার মা’র সহিত গোপনে পরামর্শ করিয়া গেলেন, তখন অন্তরাল হইতে শুনিয়া ভয়ে তার সর্ব্বাঙ্গ আড়ষ্ট হইয়া গেল। বাবুর বাড়ীতে আসিতেও সে আপত্তি করিয়াছিল। কিন্তু মা তাকে প্রহার করিয়া লইয়া আসিয়াছে। সে আমিনাকে হাজির করিবার ‘জবান’ দিয়াছে, তা’ ছাড়া বৃন্দাঠাকুরের দেওয়া অগ্রিম দশ টাকার নোট তখনও অঞ্চলে বাঁধা ছিল, নেমকহারামী সে কি করিয়া করিবে? {{ফাঁক}}মা’র অভিযোগ শেষ হইলে বিশু তীব্র অথচ বিষণ্ণ দৃষ্টিতে আমিনার দিকে চাহিল, তখন সে আরও বেশী করিয়া কাদিতে লাগিল। চণ্ডীমণ্ডপ হইতে বিশুকে জবাবদিহি করিবার আদেশ হইল, বিশু তবুও কথা কহিল না। তখন ছোটলোকের দুষ্কার্য্যের জন্য যে শাস্তির বিধান আছে, বিশুর প্রতি তাহাই প্রযুক্ত হইল। লালন চক্রবর্ত্তীর নির্দ্দেশ মত তাঁহার পাইক ফেকু সর্দ্দার বিশুর কাণ ধরিয়া সমস্ত উঠান ঘুরাইতে লাগিল, বিশু আপত্তি করিল না। কিন্তু আমিনা কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া একেবারে ফেকু সর্দ্দারের পা জড়াইয়া ধরিয়া কাঁদিয়া কহিল, “মামুজী, মাপ কর! মাপ!” {{ফাঁক}}চণ্ডীমণ্ডপ শুদ্ধ লোক হাসিয়া উঠিল। {{ফাঁক}}কর্ণমর্দ্দন-পর্ব্ব শেষ হইলে বৃন্দাঠাকুর কহিলেন, “তা যেন হলো! তারপর এ মেয়েকে বিয়ে করবে কে? কি বল চৌধুরী,<noinclude>{{কেন্দ্র|১০০}}</noinclude> pwq97zlyyqcbdy4bibxdo0qdquitk3v পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১১১ 104 881952 1992045 1985836 2026-07-31T04:16:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992045 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|বছিরের দরগা}}</noinclude>সেখের বেটী যে ইজ্জৎ হানির নালিশ করেছে, তার কি করবে?” চৌধুরী চুপি চুপি কহিলেন, “দু’—দশ টাকা দিয়ে বিশে বিদেয় ক’রে দিক্!” {{ফাঁক}}বৃন্দাঠাকুর কহিলেন, “আরে বল কি, জাত-মারা কাণ্ড। দু’—দশ টাকা! দু-দশ টাকায় জাত ফিরবে?” তারপর আমিনার মাতাকে কহিলেন, “কি গো সেখের বেটী, দু’—দশ টাকা খেসারত নেবে?" {{ফাঁক}}পূর্ব্ব শিক্ষামত আমিনার মা কাঁদিয়া কহিল, "টাকায় কি ইজ্জৎ ফিরবে বাবু? আমার মেয়ে নিয়ে কে ঘর করবে? বাগ্দীর পো আমার বেটীকে ‘নিকা’ করুক!” এত বড় সংযুক্তিটা এতক্ষণ সমাজপতিদের মাথায় খেলে নাই দেখিয়া তাঁহারা আশ্চর্য হইলেন। বৃন্দাঠাকুর কহিলেন, “আমরা যখন আছি গাঁয়ের মাথা, তখন বিচার করতেই হবে, কি বল চৌধুরী? সেখের বেটী যা বলে।” {{ফাঁক}}আমিনার মাতার পশ্চাৎ হইতে গুটি কয়েক কণ্ঠ সমস্বরে কহিল, হ বাবুজী ঠিক হবে বিচার!” তখন চণ্ডীমণ্ডপ হইতে আদেশ জারি হইল বিশুকে কলেন। পড়িয়া আমিনাকে বিবাহ করিতে হইবে। {{ফাঁক}}কলেমা পড়িবার কথা শুনিয়া বিশু কাঁপিয়া উঠিল। সমস্ত পৃথিবীটা তার চোখের সম্মুখ হইতে মুহূর্ত্তে অপহৃত হইয়া গেল। বিশু সংজ্ঞা হারাইল। কিন্তু বাবুদের পঞ্চায়েতের বিচারের নড়চড় হইবার যো নাই। অচেতন বিশুকে লইয়া যাইবার হুকুম পাইয়া<noinclude>{{কেন্দ্র|১০১}}</noinclude> 99u3epdg1gsexbfk410awwsb1g27r6i 1992308 1992045 2026-07-31T04:57:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992308 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|বছিরের দরগা}}</noinclude>সেখের বেটী যে ইজ্জৎ হানির নালিশ করেছে, তার কি করবে?” চৌধুরী চুপি চুপি কহিলেন, “দু’—দশ টাকা দিয়ে বিশে বিদেয় ক’রে দিক্!” {{ফাঁক}}বৃন্দাঠাকুর কহিলেন, “আরে বল কি, জাত-মারা কাণ্ড। দু’—দশ টাকা! দু-দশ টাকায় জাত ফিরবে?” তারপর আমিনার মাতাকে কহিলেন, “কি গো সেখের বেটী, দু’—দশ টাকা খেসারত নেবে?” {{ফাঁক}}পূর্ব্ব শিক্ষামত আমিনার মা কাঁদিয়া কহিল, "টাকায় কি ইজ্জৎ ফিরবে বাবু? আমার মেয়ে নিয়ে কে ঘর করবে? বাগ্দীর পো আমার বেটীকে ‘নিকা’ করুক!” এত বড় সংযুক্তিটা এতক্ষণ সমাজপতিদের মাথায় খেলে নাই দেখিয়া তাঁহারা আশ্চর্য হইলেন। বৃন্দাঠাকুর কহিলেন, “আমরা যখন আছি গাঁয়ের মাথা, তখন বিচার করতেই হবে, কি বল চৌধুরী? সেখের বেটী যা বলে।” {{ফাঁক}}আমিনার মাতার পশ্চাৎ হইতে গুটি কয়েক কণ্ঠ সমস্বরে কহিল, হ বাবুজী ঠিক হবে বিচার!” তখন চণ্ডীমণ্ডপ হইতে আদেশ জারি হইল বিশুকে কলেন। পড়িয়া আমিনাকে বিবাহ করিতে হইবে। {{ফাঁক}}কলেমা পড়িবার কথা শুনিয়া বিশু কাঁপিয়া উঠিল। সমস্ত পৃথিবীটা তার চোখের সম্মুখ হইতে মুহূর্ত্তে অপহৃত হইয়া গেল। বিশু সংজ্ঞা হারাইল। কিন্তু বাবুদের পঞ্চায়েতের বিচারের নড়চড় হইবার যো নাই। অচেতন বিশুকে লইয়া যাইবার হুকুম পাইয়া<noinclude>{{কেন্দ্র|১০১}}</noinclude> jp62txctt37n5c77h7qn3bpr2led9bl পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/২৯৮ 104 882029 1992335 1980019 2026-07-31T05:07:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992335 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}কলিকাতাবাসী নতুন-দাদার অভিজ্ঞতায় ইন্দ্র ঈষৎ ম্লান হাসিয়া কহিল, “দাঁড়! কারুর সাধ্যি নেই, নতুন-দা, এ রেত টেলে উজোন বয়ে যায়। আমাদের ফিরতে হবে।” {{ফাঁক}}প্রস্তাব শুনিয়া নতুন-দা একমুহূর্ত্তেই একেবারে অগ্নিশর্ম্মা হইয়া উঠিলেন, “তবে আনলি কেন হতভাগা? যেমন করে হোক তোকে পৌঁছে দিতেই হবে। আমার থিয়েটারে হারমোনিয়াম বাজাতেই হবে। তারা বিশেষ করে ধরেছে। {{ফাঁক}}ইন্দ্র কহিল, “তাদের বাজাবার লোক আছে নতুন-দা। তুমি না গেলেও আটকাবে না।” {{ফাঁক}}“না! আটকাবে না? এই মেড়োর দেশের ছেলেরা বাজাবে হারমোনিয়াম! চল্, যেমন করে পারিস্ নিয়ে চল্।” বলিয়া তিনি যেরূপ মুখভঙ্গী করিলেন তাহাতে আমার গা জ্বলিয়া গেল। ইহার বাজনা পরে শুনিয়াছিলাম, কিন্তু সে-কথার আর প্রয়োজন নাই। {{ফাঁক}}ইন্দ্রর অবস্থা সঙ্কট অনুভব করিয়া আমি আস্তে আস্তে কহিলাম, “ইন্দ্র, গুণ টেনে নিয়ে গেলে হয় না? {{ফাঁক}}কথাটা শেষ হইতে না হইতেই আমি চমকিয়া উঠিলাম। তিনি এমনি দাঁত-মুখ ভ্যাংচাইয়া উঠিলেন যে, সে মুখখানি আমি আজও মনে করিতে পারি। বলিলেন, “তবে যাও না, টানো গে না হে! জানোয়ারের মত বসে থাকা হচ্ছে কেন?” {{ফাঁক}}তার পরে, একবার ইন্দ্র, একবার আমি, গুণ টানিয়া অগ্রসর লইতে লাগিলাম। কখনো বা উঁচু পাহাড়ের উপর দিয়া, কখনো বা নীচে নামিয়া এবং সময়ে সময়ে সেই বরফের মত ঠাণ্ডা জল ঘেসিয়া অত্যন্ত কষ্ট করিয়া চলিতে হইল। আবার তারই মাঝে মাঝে বাবুর তামাক সাজার জন্য নৌকা থামাইতে হইল। অথচ বাবুটী ঠায় বসিয়া রহিলেন—এতটুকু সাহায্য করিলেন না। ইন্দ্র একবার তাঁকে হালটা ধরিতে বলায় জবাব দিলেন, তিনি দস্তানা খুলে এই ঠাণ্ডায় নিমোনিয়া করতে পারবেন না। ইন্দ্র বলিতে গেল, “না খুলে―” {{ফাঁক}}“হাঁ, দামী দস্তানাটা মাটি করে ফেলি আর কি!―নে—যা করচিস্ কর্।” {{ফাঁক}}বস্তুতঃ, আমি এমন স্বার্থপর অসজ্জন ব্যক্তি জীবনে অল্পই দেখিয়াছি। তাঁরই একটা অপদার্থ খেয়াল চরিতার্থ করিবার জন্য আমাদের এত ক্লেশ সমস্ত চোখে দেখিয়াও তিনি এতটুকু বিচলিত হইলেন না। অথচ আমরা বয়সে তাঁহার অপেক্ষা কতই বা ছোট ছিলাম। গাছে এতটুকু ঠাণ্ডা লাগিয়া তাঁহার অসুখ করে, গাছে এক ফোঁটা জল পাগিয়া দামী ওভারকোট খারাপ হইয়া যায়, পাছে নড়িলে-চড়িলে<noinclude>{{c|২৮৪}}</noinclude> ak8jhgt41n3agw1d3zybecvtlpp3x7p পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১২৬ 104 882056 1992046 1983930 2026-07-31T04:16:10Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992046 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>অমরেশ সে কথায় কাণ দিল না, সে মিঃ দত্তকে দেখিতে লাগিল ত্যাগী কর্ম্মবীরের এই তো যোগ্য বেশ। খদ্দরের সংক্ষিপ্ত পরিধান আর একখানি মোটা চাদর; অবিন্নস্ত সুদীর্ঘ কেশরাশি। মিঃ দত্ত অমরেশের প্রশংসমান দৃষ্টি লক্ষ্য করিয়া কহিলেন, “বলুন, আপনার কথাই বল্‌ছিলাম। আপনাকে আমাদের চাই।” {{ফাঁক}}অমরেশ আসন লইয়া কহিল, “আমি কি কাজে লাগতে পারি?” {{ফাঁক}}“সমস্ত কাজে। আপনাকে আমি গুরুতর কাজের ভার দেব। আজ আপনারা যদি না আসেন, তবে এই হতভাগ্য অন্ধ দেশবাসীকে কে দৃষ্টি দেবে? এই অত্যাচার জর্জ্জর, বুভুক্ষু জীবন্মৃত মানুষগুলোর মধ্যে নবজীবন সঞ্চারের জন্য দেশমাতা আপনাদের ডাকছেন। আপনারা সাড়া দেবেন না?” তাহার পর জালিয়ানওয়ালাবাগের কাহিনী হইতে আরম্ভ করিয়া উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ পর্য্যন্ত দেশের যাবতীয় ঘটনা মিঃ দত্তের ভাষায় এমন করুণ হইয়া ফুটিয়া উঠিতে লাগিল যে, অমরেশ অশ্রু ত্যাগ না করিয়া থাকিতে পারিল না। মিঃ দত্তের কথা শেষ হইলে সে উঠিয়া দাঁড়াইয়া আবেগ গদ্‌গদ স্বরে কহিল, “আমি সম্পূর্ণ ভাবে আজ আমাকে আপনার হাতে সমর্পণ কল্লাম। দেশের কল্যাণের জন্য আমার দ্বারা যা সম্ভব হ’তে পারে আপনি মনে করেন, আমি তা কর্ব্ব। আপনি শুধু আদেশ দেবেন।” {{ফাঁক}}মিঃ দত্ত কহিলেন, “আমি তোমাকে দেশমাতৃকার নামে<noinclude>{{কেন্দ্র|১১৬}}</noinclude> 4dysdewj2an79gbf77817ghd2tj2v67 পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১২৭ 104 882057 1992309 1980170 2026-07-31T04:57:08Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992309 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|দেশদ্রোহী}}</noinclude>গ্রহণ করলাম। একটা কথা আমি তোমাকে এখানেই জানাচ্ছি—তোমার অন্ন-বস্ত্রের কষ্ট হবে না। তবে আমার দেশ দরিদ্র, তোমার সেবা উপযুক্ত মূল্যে সে কিনতে পারবে না। তবে যতদূর সম্ভব হয়—" {{ফাঁক}}অমরেশ বাধা দিয়া কহিল,—“আমার চিন্তা আমি করিনে। ঘরে মা আছেন, তাঁর প্রয়োজন স্বল্প। তিনি যেন আমার জন্য কষ্ট না পান দেখবেন। ” {{ফাঁক}}মিঃ দত্ত কহিলেন, তাঁকে দেখবার ভার আমার। চল বাইরে লোকজন অপেক্ষা কর্চ্ছে।” {{ফাঁক}}মিঃ দত্ত সভাস্থলে আসিয়া দাঁড়াইলেন, পুরনারীরা লাজ ও পুষ্পাঞ্জলি বর্ষণ করিলেন। “বন্দেমাতরম” শব্দে দশঘরা গ্রামখানি ধ্বনিত হইয়া উঠিল। {{ফাঁক}}তাহার পর সর্ব্বসমক্ষে অমরেশকে আনিয়া দাঁড় করাইয়া, স্বহস্তে পুষ্পমাল্যে ভূষিত করিয়া মিঃ দত্ত তাহাকে স্থানীয় জনমণ্ডলীর নেতৃপদে অভিষিক্ত করিলেন। জনতা জয়ধ্বনি দিল। {{ফাঁক}}এম-এ পরীক্ষার বইগুলি বাক্সে বন্ধ করিয়া ও ডেপুটীগিরির নমিনেশনের চিঠিখানি ছিঁড়িয়া ফেলিয়া অমরেশ সন্ধায় স্বগ্রামে আসিয়া উপস্থিত হইল। মাতা পূর্ব্বেই সংবাদ শুনিয়াছিলেন, অমরেশকে দেখিয়া কহিলেন, “তুই চাকরী ছেড়ে এলি অমর? সব ভেবে-চিন্তে দেখেছিস্ তো? বাপের কিছু দেনা-পত্তর আছে তাও তো জানিস্?” {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১১৭}}</noinclude> 85a49rrk9xyzgxyrmykgclgaev3asca পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৮ 104 882107 1991402 1984610 2026-07-30T16:32:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991402 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="কমলেশ মণ্ডল" /></noinclude>মিঃ স্যামন ‘মানভূমের’ তৎকালীন সম্পাদক শ্রীযুক্ত বাবু জহরলাল বস্তুর নিকট সহানুভূতি ও আহ্লাদ প্রকাশ করিয়াছিলেন। মিঃ স্যামনের উৎসাহে ও জহরলাল বাবুর আগ্রহে ঐ সকল প্রবন্ধ পুনর্লিখিত ও পুস্তকাকারে প্রকাশিত হইল। সেই জন্য গ্রন্থকার শ্রীযুক্ত বাবু জহরলাল বসু এবং উপরোক্ত সরকারী কর্ম্মচারীগণের, বিশেষতঃ মিঃ {{SIC|স্যামানের}}, নিকট বিশেষভাবে ঋণী। {{ফাঁক}}পুস্তকের প্রুফগুলি রীতিমতরূপে সংশোধিত না হওয়ার বিস্তর বর্ণাশুদ্ধি ঘটিয়াছে। তজ্জন্য ও অন্যান্য ভ্রম প্রমাদাদির জন্য গ্রন্থকার স্বয়ং দায়ী। আশা করি সহৃদয় পাঠকবর্গ তজ্জনিত ত্রুটি মার্জনা করিবেন। ইতি— {| | {{কেন্দ্র|পুরুলিয়া<br/>৫ই শ্রাবণ, ১৩২০ সাল৷}} | {{brace2|2|right}} |} {{Block right|{{larger|গ্রন্থকার৷}}}} {{Img float | file = Ludzie i rzeczy 73.png | width = 120px | align = center | cap =}} {{dhr|12em}}<noinclude></noinclude> lpnl0ja8ttmcpdnewxssu6iskzd0b67 1991415 1991402 2026-07-30T16:33:49Z Bodhisattwa 2549 1991415 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="কমলেশ মণ্ডল" /></noinclude>মিঃ স্যামন ‘মানভূমের’ তৎকালীন সম্পাদক শ্রীযুক্ত বাবু জহরলাল বস্তুর নিকট সহানুভূতি ও আহ্লাদ প্রকাশ করিয়াছিলেন। মিঃ স্যামনের উৎসাহে ও জহরলাল বাবুর আগ্রহে ঐ সকল প্রবন্ধ পুনর্লিখিত ও পুস্তকাকারে প্রকাশিত হইল। সেই জন্য গ্রন্থকার শ্রীযুক্ত বাবু জহরলাল বসু এবং উপরোক্ত সরকারী কর্ম্মচারীগণের, বিশেষতঃ মিঃ {{SIC|স্যামানের}}, নিকট বিশেষভাবে ঋণী। {{ফাঁক}}পুস্তকের প্রুফগুলি রীতিমতরূপে সংশোধিত না হওয়ার বিস্তর বর্ণাশুদ্ধি ঘটিয়াছে। তজ্জন্য ও অন্যান্য ভ্রম প্রমাদাদির জন্য গ্রন্থকার স্বয়ং দায়ী। আশা করি সহৃদয় পাঠকবর্গ তজ্জনিত ত্রুটি মার্জনা করিবেন। ইতি— {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>পুরুলিয়া ৫ই শ্রাবণ, ১৩২০ সাল।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|গ্রন্থকার।}}}} |}<noinclude></noinclude> 9s66y72j790lb6liwd89wcm65kg6oqg পাতা:আধুনিক রবিন্‌হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৯০ 104 882136 1991184 1983499 2026-07-30T16:10:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991184 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৯|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্‌হুড্‌}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}জীবন-বীমা-কোম্পানী তিন লক্ষ টাকা লোকসানের দায় থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে কৃতজ্ঞ হয়ে, অঙ্গীকৃত তিন হাজার টাকার চেয়েও বেশী পুরস্কার দিয়ে প্রফেসরদের খুসি করলে। {{ফাঁক}}এই ব্যাপারটি কি উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য্য নয়? কখনো কোন উপন্যাসের ডিটেকটিভও কি ঐ দুই প্রফেসরের চেয়ে বেশী বুদ্ধির পরিচয় দিতে পেরেছে? কিন্তু তোমরা কেউ এই ব্যাপারটিকে অবিশ্বাস করো না, কারণ এটি হচ্ছে অস্ট্রিয়া দেশের একটি বিখ্যাত সত্য ঘটনা! {{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৯}}}}</noinclude> bpq741qn6qoizlpgt0e9bhan7ky8j72 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩৮ 104 882140 1991395 1984543 2026-07-30T16:30:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991395 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}</noinclude>লক্ষ্য উদ্দেশ করিয়া দণ্ডায়মান হইলে, আচার্য দ্রোণ কহিলেন, “বৎস যুধিষ্ঠির! বৃক্ষের শিখরদেশে ঐ শকুন্তকে নিরীক্ষণ কর।” যুধিষ্ঠির কহিলেন, “হাঁ, দেখিতেছি।” দ্রোণ পুনরায় কহিলেন, “তুমি কি দেখিতেছ?” যুধিষ্ঠির কহিলেন, “ভগবন্! আমি এই বৃক্ষকে, আপনাকে ও বৃক্ষস্থিত পক্ষীকে নিরীক্ষণ করিতেছি।" {{ফাঁক}}দ্রোণ যুধিষ্ঠিরের ঐ বাক্য শ্রবণ করিয়া অপ্রসন্নমনে কহিলেন,“তুমি এই লক্ষ্য বিদ্ধ করিতে পারিবে না, অতএব এ স্থান হইতে অপসৃত হও।” এইরূপে যুধিষ্ঠিরকে তিরস্কার করিয়া দ্রোণ ধৃতরাষ্ট্রনন্দন দুর্যোধন প্রভৃতি সকলকে পর্যায়ক্রমে পূর্ব্বোক্ত প্রকারে জিজ্ঞাসা করিলেন, কিন্তু তাঁহার মনোমত উত্তর প্রদান করিতে না পারায় সকলেই তিরষ্কৃত হইলেন। . {{ফাঁক}}অনন্তর অর্জুন গুরুর আদেশ অনুসারে শরাসনে শরসন্ধানপূর্ব্বক অগ্রশাখাস্থ পক্ষীকে লক্ষ্য করিয়া রহিলেন। দ্রোণ পূর্বোক্ত প্রকারে অৰ্জ্জুনকে জিজ্ঞাসা করিলে, অৰ্জ্জুন কহিলেন "ভগবন্! আমি বৃক্ষ বা আপনাকে নিরীক্ষণ করিতেছি না, কেবল শকুন্তকে অবলোকন করিতেছি।” দ্রোণ প্রীতমনে পুনর্ব্বার জিজ্ঞাসা করিলেন, “বৎস! শকুন্তকে সম্যকূরূপে নিরীক্ষণ করিতেছ কি?” অৰ্জ্জুন উত্তর করিলেন, “না, আমি কেবল উহার মস্তক দেখিতেছি।” তখন দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনের বাক্যে সন্তুষ্ট হইয়া কহিলেন, "বৎস! তবে লক্ষ্যভেদ কর।” এই কথা বলিবামাত্র অৰ্জ্জুন লক্ষ্যে অস্ত্রক্ষেপ করিলেন। বৃক্ষশিখরস্থিত পক্ষী অৰ্জ্জুনের খরধার অস্ত্রদ্বারা ছিন্নমস্তক হইয়া ভূতলে নিপতিত হইল। দ্রোণ অৰ্জ্জুনকে তাদৃশ অসাধারণ কর্ম সাধন করিতে দেখিয়া প্রীতি-প্রফুল্ল চিত্তে তাঁহাকে বারংবার আলিঙ্গন করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}এই দৃশ্য হইতে শিক্ষার্থিগণ যথেষ্ট শিক্ষালাভ করিতে পারেন। একাগ্রচিত্তে কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করিলে, সিদ্ধিলাভ যে অনায়াস-সাধ্য, অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা তাহার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। {{nop}}<noinclude></noinclude> 5yhgqyn7erln3mj8j7qhx6ooy02nl0m 1991398 1991395 2026-07-30T16:30:59Z Bodhisattwa 2549 1991398 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}</noinclude>লক্ষ্য উদ্দেশ করিয়া দণ্ডায়মান হইলে, আচার্য দ্রোণ কহিলেন, “বৎস যুধিষ্ঠির! বৃক্ষের শিখরদেশে ঐ শকুন্তকে নিরীক্ষণ কর।” যুধিষ্ঠির কহিলেন, “হাঁ, দেখিতেছি।” দ্রোণ পুনরায় কহিলেন, “তুমি কি দেখিতেছ?” যুধিষ্ঠির কহিলেন, “ভগবন্! আমি এই বৃক্ষকে, আপনাকে ও বৃক্ষস্থিত পক্ষীকে নিরীক্ষণ করিতেছি।” {{ফাঁক}}দ্রোণ যুধিষ্ঠিরের ঐ বাক্য শ্রবণ করিয়া অপ্রসন্নমনে কহিলেন,“তুমি এই লক্ষ্য বিদ্ধ করিতে পারিবে না, অতএব এ স্থান হইতে অপসৃত হও।” এইরূপে যুধিষ্ঠিরকে তিরস্কার করিয়া দ্রোণ ধৃতরাষ্ট্রনন্দন দুর্যোধন প্রভৃতি সকলকে পর্যায়ক্রমে পূর্ব্বোক্ত প্রকারে জিজ্ঞাসা করিলেন, কিন্তু তাঁহার মনোমত উত্তর প্রদান করিতে না পারায় সকলেই তিরষ্কৃত হইলেন। {{ফাঁক}}অনন্তর অর্জুন গুরুর আদেশ অনুসারে শরাসনে শরসন্ধানপূর্ব্বক অগ্রশাখাস্থ পক্ষীকে লক্ষ্য করিয়া রহিলেন। দ্রোণ পূর্বোক্ত প্রকারে অৰ্জ্জুনকে জিজ্ঞাসা করিলে, অৰ্জ্জুন কহিলেন "ভগবন্! আমি বৃক্ষ বা আপনাকে নিরীক্ষণ করিতেছি না, কেবল শকুন্তকে অবলোকন করিতেছি।” দ্রোণ প্রীতমনে পুনর্ব্বার জিজ্ঞাসা করিলেন, “বৎস! শকুন্তকে সম্যকূরূপে নিরীক্ষণ করিতেছ কি?” অৰ্জ্জুন উত্তর করিলেন, “না, আমি কেবল উহার মস্তক দেখিতেছি।” তখন দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনের বাক্যে সন্তুষ্ট হইয়া কহিলেন, "বৎস! তবে লক্ষ্যভেদ কর।” এই কথা বলিবামাত্র অৰ্জ্জুন লক্ষ্যে অস্ত্রক্ষেপ করিলেন। বৃক্ষশিখরস্থিত পক্ষী অৰ্জ্জুনের খরধার অস্ত্রদ্বারা ছিন্নমস্তক হইয়া ভূতলে নিপতিত হইল। দ্রোণ অৰ্জ্জুনকে তাদৃশ অসাধারণ কর্ম সাধন করিতে দেখিয়া প্রীতি-প্রফুল্ল চিত্তে তাঁহাকে বারংবার আলিঙ্গন করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}এই দৃশ্য হইতে শিক্ষার্থিগণ যথেষ্ট শিক্ষালাভ করিতে পারেন। একাগ্রচিত্তে কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করিলে, সিদ্ধিলাভ যে অনায়াস-সাধ্য, অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা তাহার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। {{nop}}<noinclude></noinclude> 37ppbx588mdxqmf9h9sioq5b7io9eex পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪২ 104 882184 1991432 1986986 2026-07-30T16:38:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991432 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|.কর্ণের সহিষ্ণুতা।}}}} {{Dropinitial|এ|margin-left =1em}}কদা কর্ণ অর্জুনের সমকক্ষ হইবার বাসনায় নির্জ্জনে গুরু দ্রোণ-সন্নিধানে গমনপূর্ব্বক মন্ত্রসমেত ব্রহ্মাস্ত্র প্রার্থনা করেন। দ্রোণ প্রিয়তম শিষ্য অৰ্জ্জুনের অনিষ্টাশঙ্কায় কর্ণের নীচবর্ণপ্রযুক্ত ব্রহ্মাস্ত্রলাভের অযোগ্যতা প্রতিপন্ন করিয়া তাঁহার অভিলাষপুরণে অসম্মতি প্রকাশ করিলেন। তখন কর্ণ লজ্জিত হইয়া মহেন্দ্র পর্ব্বতে গমনপূর্ব্বক পরশুরামের শরণাপন্ন হইলেন। তিনি স্বীয় উদ্দেশ্যসিদ্ধির নিমিত্ত আপনাকে ভৃগুকুলোদ্ভব ব্রাহ্মণ বলিয়া পরিচয় দিয়া পরশুরামের শিষ্যত্ব লাভ করিলেন এবং বিনয়, অভিনিবেশ, গুরুশুশ্রূষা ও নৈসর্গিক বীর্য্যপ্রভাবে অচিরকালমধ্যে গুরুর প্রিয়পাত্র হইয়া উঠিলেন। পরশুরাম শিষ্যের সদগুণ দর্শনে পরম প্রীত হইয়া তাঁহাকে অস্ত্রবিদ্যায় সুশিক্ষিত করিলেন এবং পরিশেষে বিধানানুসারে ব্রহ্মাস্ত্র শিক্ষা দিয়া তাঁহার মনোভিলাষ পূর্ণ করিলেন। {{ফাঁক}}একদা পরশুরাম ব্রতোপবাসজনিত ক্লান্তিপ্রযুক্ত কর্ণের ক্রোড়ে মস্তক ন্যস্ত করিয়া নিদ্রাভিভূত হইলেন। এই অবসরে এক শোণিতপায়ী মাংসলোলুপ ভীষণ বজ্রকীট কর্ণের ঊরুদেশ ভেদ করিতে লাগিল। ঐ অষ্টপাদ্‌ কীট অলর্কজাতীয়, উহার দংষ্ট্র তীক্ষ্ণ এবং কলেবর সূচীবৎ লোমজালে আবৃত ছিল। উহার তীব্র দংশনে কর্ণ দারুণ যন্ত্রণা অনুভব করিতে লাগিলেন, কিন্তু পাছে গুরুর নিদ্রাভঙ্গ হয়, এই ভয়ে ভীত হইয়া অসামান্য ধৈর্যসহকারে সেই দুঃসহ বেদনা সহ্য করিয়া কম্পিতকলেবরে গুরুকে ধারণ করিয়া রহিলেন। কিয়ৎক্ষণ পরে কর্ণের উরু হইতে রুধিরধারা নির্গত হইয়া পরশুরামের গাত্রে সংসৃষ্ট হওয়ায়, তাঁহার নিদ্রাভঙ্গ হইল। তখন পরশুরাম ব্যস্তসমস্ত হইয়া কর্ণকে কহিলেন, “আঃ, এ কি! আমি যে অশুচি হইলাম! তুমি কি করিতেছ, নির্ভয়ে আমার নিকট কীর্ত্তন কর।” {{nop}}<noinclude></noinclude> 7crr3nhcjq8jzm23qisci1lcgoxw8zm পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪৩ 104 882185 1991433 1986987 2026-07-30T16:38:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991433 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৮|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>{{ফাঁক}}কর্ণ গুরুর আদেশে কীটদংশন-বৃত্তান্ত সবিশেষ নিবেদন করিলেন। জমদগ্নিনন্দন ঐ করাল কীটের ভীষণাকার দর্শন করিয়া বিস্মিতচিত্তে কর্ণকে কহিলেন, “রে মূঢ়! তুমি কীটদংশন-জনিত যে দারুণ যন্ত্রণা সহ্য করিয়াছ, ব্রাহ্মণজাতি কখনই তাহা সহ্য করিতে পারে না। ক্ষত্রিয় ভিন্ন এরূপ সহিষ্ণুতা, কাহারও সম্ভবে না। তুমি কখনই ব্রাহ্মণ নহ, অবিলম্বে তোমার সত্য পরিচয় প্রদান কর।” {{ফাঁক}}তখন কর্ণ মিথ্যাকথনভয়ে ভীত হইয়া গুরুর ক্রোধোপশমমানসে কহিলেন, “গুরুদেব! আমার অপরাধ ক্ষমা করুন। সত্যই আমি ব্রাহ্মণ নহি। আমি সূত অধিরথের পুত্র; সূতনন্দনী রাধা আমার মাতা। আমার নাম কর্ণ। আমি দ্রোণাচার্য্যের নিকট ব্রহ্মাস্ত্রলাতে অকৃতকার্য্য হইয়া অৰ্জ্জুনকে জয় করিবার মানসে আপনার শিষ্য হইয়াছি। আপনি আমার প্রতি প্রসন্ন হউন।” মহাবীর কর্ণ এই বলিয়া ছিন্নতরুর ন্যায় গুরুপদতলে নিপতিত হইলেন। {{ফাঁক}}পরশুরাম কর্ণের দুরবস্থা দর্শনে সক্রোধে ঈষৎ হাস্য করিয়া কহিলেন, “সূতপুত্র! তোমার অবিচলিত গুরুভক্তি, অবিশ্রান্ত গুরু-শুশ্রূষা, অসাধারণ সহিষ্ণুতাগুণে আমি যৎপরোনাস্তি প্রীত হইয়াছি, এজন্য তোমাকে ক্ষমা করিলাম। আশীর্ব্বাদ করিতেছি, কোন ক্ষত্রিয়ই তোমার ন্যায় যুদ্ধ করিতে পারিবে না। কিন্তু এই স্থান মিথ্যাবাদীর বাসের উপযুক্ত নহে, অতএব তুমি এক্ষণেই প্রস্থান কর। তুমি অস্ত্রলোভে আমার নিকট মিথ্যা কথা কহিয়াছ, সেই পাপে ব্রহ্মাস্ত্র তোমার সঙ্কটসময়ে স্ফুর্ত্তি পাইবে না।” {{ফাঁক}}কর্ণের সহিষ্ণুতা প্রশংসনীয় সন্দেহ নাই, কিন্তু মিথ্যাবাক্য দ্বারা গুরুকে প্রবঞ্চনা করায় তাঁহার ব্রহ্মাস্ত্রলাভ নিষ্ফল হইল, কারণ তিনি গুরুশাপ প্রভাবে অন্তিমকালে ব্রহ্মাস্ত্র বিস্মৃত হইয়া শত্রুহস্তে নিহত হইয়াছিলেন। {{nop}}<noinclude></noinclude> il6ylb6c8cjek7gozdgrkkr1njq922x পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪৫ 104 882188 1991434 1987117 2026-07-30T16:38:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991434 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩০|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>মহাবিক্রমশালী এক পুত্র জন্মিল। ঐ পুত্র জাতমাত্র উচ্চৈঃশ্রবা অশ্বের ন্যায় উচ্চরবে ক্রন্দন করায়, দ্রোণ উহার নাম অশ্বত্থামা রাখিলেন এবং পুত্রলাভে পরম পরিতুষ্ট হইলেন। {{ফাঁক}}ঐ সময়ে অরাতিতপন সর্ব্বজ্ঞানসম্পন্ন সর্ব্বশাস্ত্রবিৎ মহাত্মা পরশুরাম ব্রাহ্মণদিগকে সর্ব্বস্ব প্রদান করিতে কৃতসঙ্কল্প হইয়াছিলেন। দ্রোণ উহা অবগত হইয়া রামের নিকটে ধনুর্ব্বেদ, দিব্যাস্ত্র সমুদয় ও নীতিশাস্ত্র গ্রহণ করিতে সাতিশয় সমুৎসুক হইলেন; অনন্তর ভরদ্বাজ’ শিষ্যগণ-সমভিব্যাহারে তাঁহার সমীপে গমনপূর্ব্বক আত্মপরিচয় প্রদান করিয়া অভিলষিত ধন প্রার্থনা করিলেন। ভগবান্ পরশুরাম তাঁহাকে সাদর সম্ভাষণে অভ্যর্থনা করিয়া কহিলেন, “তোমাকে কি ধন প্রদান করিতে হইবে?” দ্রোণ কহিলেন, “ভগবন্! আমাকে বিবিধ অনন্ত ধন প্রদান করুন।” রাম কহিলেন, “হে তপোধন! আমার যাবতীয় হিরণ্য ও অনান্য ধন ব্রাহ্মণদিগকে প্রদান করিয়াছি, এক্ষণে কেবল আমার শরীর ও বিবিধ মহার্হ অস্ত্রশস্ত্রমাত্র অবশিষ্ট আছে, ইহাদের মধ্যে তোমার যাহা ইচ্ছা হয়, শীঘ্র প্রার্থনা কর, তাহাই প্রদান করিব।” তখন দ্রোণ কহিলেন, “হে মহাত্মন্! যদি প্রসন্ন হইয়া থাকেন, তবে প্রয়োগ ও সংহারসহিত আপনার অস্ত্র সমুদয় আমাকে প্রদান করুন।” পরশুরাম ‘তথাস্তু’ বলিয়া দ্রোণকে সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র ও সরহস্য ধনুর্ব্বেদ প্রদান করিলেন। {{ফাঁক}}একদা শিশু অশ্বত্থামা অন্যান্য বালকদিগকে দুগ্ধপান করিতে দেখিয়া দ্রোণের নিকটে আসিয়া রোদন করিতে লাগিল। তদ্দর্শনে দ্রোণের মন নিতান্ত চঞ্চল হইল। তিনি গাভীর অন্বেষণে বহির্গত হইলেন; কিন্তু কুত্রাপি দুগ্ধবতী গাভী দেখিতে পাইলেন না। পরিশেষে বিষণ্ণবদনে নিজগৃহে প্রত্যাগমন করিয়া দেখিলেন, বালকগণ পিষ্টোদক আনয়ন করিয়া “এই দুগ্ধ, ইহা পান কর” বলিয়া অশ্বত্থামাকে লোভ<noinclude></noinclude> qq4n920mvlqeaqyz6w5cyp7x2odm7wm পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪৬ 104 882189 1991435 1987156 2026-07-30T16:38:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991435 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩১|দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>এ দেখাইতেছে। বালস্বভাব অশ্বত্থামা তাহাই পান করিয়া “দুগ্ধপান করিলাম” বলিয়া পরমানন্দে নৃত্য করিতে লাগিল। বালকগণ তদ্দর্শনে করতালি দিয়া দ্রোণকে উপহাস করিতে লাগিল। দ্রোণ স্বীয় সন্তানের দুর্দ্দশাদর্শনে এবং বালকগণের পরিহাসবাক্যশ্রবণে দুঃখানলে দগ্ধ হইলেন। তিনি মনে মনে আপনাকে তিরস্কার করিয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন, “আমি ইতঃপূর্ব্বে নির্ধনতানিবন্ধন ব্রাহ্মণগণকর্ত্তৃক নিন্দিত ও পরিত্যক্ত হইয়া উপবাসে কালক্ষেপ করিয়াছি, তথাপি বনলিপ্সায় কখনও পাপজনক পরসেবায় আসক্ত হই নাই।” এইরূপ চিন্তা ‘করিয়া দ্রুপদের পূর্ব্বস্নেহ স্মরণপূর্ব্বক পুত্রকলত্রসমভিব্যাহারে পাঞ্চালরাজ্যে যাত্রা করিলেন এবং পথিমধ্যে শ্রবণ করিলেন, দ্রুপদ পিতৃরাজ্যে অভিষিক্ত হইয়াছেন। এই সুসংবাদ শ্রবণে প্রিয় সখার সহবাস ও প্রতিশ্রুত বাক্য স্মরণ করিয়া মনে মনে আহ্লাদিত হইলেন। পরে অবিলম্বে তাঁহার সমীপে গমনপূর্ব্বক কহিলেন, “হে পুরুষশ্রেষ্ঠ! আমি তোমার সখা; তুমি পূর্ব্বে প্রতিজ্ঞা করিয়াছিলে যে, আমার সহিত একত্র রাজ্যভোগ করিবে; আমি তদনুসারে তোমার নিকট আগমন করিয়াছি।” {{ফাঁক}}ঐশ্বর্য্যমদমত্ত দ্রুপদরাজ দ্রোণের বাক্যে কিছুমাত্র আস্থা প্রদর্শন করিলেন না; প্রত্যুত তাঁহাকে হীন লোকের ন্যায় অবজ্ঞা করিয়া কহিলেন, “হে ব্রাহ্মণ! তুমি হঠাৎ আমাকে সখা বলিয়া নিতান্ত নির্ব্বোধের কার্য্য করিয়াছ; ঐশ্বর্য্যশালী ভূপতিগণের সহিত ভবাদৃশ শ্রীহীন লোকের বন্ধুতা হওয়া নিতান্ত অসম্ভব। বাল্যাবস্থায় তোমার সহিত সখ্য ছিল যথার্থ বটে, কিন্তু এক্ষণে তোমার সহিত বন্ধুতা থাকা কোনক্রমেই সম্ভব নহে। কাহারও সহিত চিরকাল বন্ধুতা থাকে না; হয় কালপ্রভাবে, নতুবা ক্রোধবশতঃ উহা বিনষ্ট হইয়া যায়। অতএব তুমি সেই পূর্ব্বতন সৌহার্দ্দ বিস্মৃত হও। যেমন পণ্ডিতের সহিত<noinclude></noinclude> fxdoxr9dldvmpdamkqygqoa9ofeydmn পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪৭ 104 882190 1991436 1987175 2026-07-30T16:38:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991436 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩২|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>মূর্খের ও শূরের সহিত ক্লীবের বন্ধুতা কদাচ সম্ভবে না, তদ্রূপ ধনবানের সহিত দরিদ্রের সখ্য হওয়া নিতান্ত অসম্ভব, তাহা তুমি কি জান না? যাহারা ধনে ও জ্ঞানে আপনার সদৃশ, তাহাদিগেরই সহিত বৈবাহিক সম্বন্ধ ও সখ্যভাব সংস্থাপন করা কর্ত্তব্য; তদ্ব্যতীত উৎকষ্টের সহিত নিকষ্টের বা নিকষ্টের সহিত উৎকষ্টের মৈত্রী বা বৈবাহিক সম্বন্ধ করা নিতান্ত অনুচিত। যেমন অশ্রোত্রিয়ের সহিত শ্রোত্রিয়ের ও অরথীর সহিত রথীর বন্ধুতা হওয়া একান্ত অসম্ভব, সেইরূপ রাজার সহিত দরিদ্রের কখনই সখ্য হয় না। তবে তুমি কি নিমিত্ত অদ্য পূর্ব্বের ন্যায় আমার সহিত সখ্য করিতে অভিলাষী হইতেছ? তুমি কহিতেছ, আমি তোমার সহিত একত্র রাজ্যভোগ করিব বলিয়া প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, কিন্তু তাহার বিন্দুমাত্রও আমার স্মরণ হইতেছে না, এক্ষণে কেবল এক রাত্রির জন্য তোমাকে ভোজন প্রদান করিতে পারি।” মহাতেজাঃ দ্রোণ দ্রুপদের এইপ্রকার কটূক্তিশ্রবণে ক্রোধে কম্পিতকলেবর হইলেন এবং তদবধি দ্রুপদ রাজার প্রতি তাঁহার নিতান্ত বৈরভাব জন্মিল। তিনি বৈরনির্য্যাতনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হইয়া তৎক্ষণাৎ তথা হইতে বহির্গত হইলেন এবং পুত্রকলত্র ও শিষ্যগণ-সমভিব্যাহারে হস্তিনাপুরে আগমনপূর্ব্বক নিজ শ্যালক কৃপাচার্য্যের আবাসে প্রচ্ছন্নভাবে বাস করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}একদা কুরুবালকগণ নগর হইতে বহির্গমনপূর্ব্বক একত্র হইয়া লৌহগুলিকা লইয়া ক্রীড়া করিতেছিল। দৈবাৎ ঐ গুলিকা এক জলশূন্য কূপমধ্যে নিপতিত হইল। কুমারগণ কূপ হইতে গুলিকা উদ্ধার করিবার নিমিত্ত প্রাণপণে চেষ্টা করিতে লাগিল, কিন্তু কোনক্রমেই কৃতকার্য্য হইতে পারিল না। তখন তাহারা অতিশয় উৎকণ্ঠিত ও যৎপরোনাস্তি লজ্জিত হইয়া পরস্পর পরস্পরের মুখাবলোকন করিতে লাগিল। তৎকালে দ্রোণাচার্য্য তাহাদিগের নিকট দিয়া গমন-<noinclude></noinclude> fnr1zvjc1hxuru3hi6stv4whzc4e0fe পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪৮ 104 882191 1991437 1987311 2026-07-30T16:38:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991437 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৩|দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>করিতেছিলেন। গুলিকোদ্ধরণে ভগ্নোৎসাহ কুমারগণ ঐ মহাত্মাকে দেখিয়া উঁহার চতুর্দ্দিকে দণ্ডায়মান হইল। দ্রোণ তাঁহাদিগকে তদবস্থ দেখিয়া ঈষৎ হাস্য করিয়া কহিলেন, “হে বালকবৃন্দ! তোমাদিগকে ধিক্, তোমাদিগের ক্ষাত্রবলে ধিক্ এবং তোমাদিগের অস্ত্রশিক্ষায়ও ধিক্, যেহেতু তোমরা ভরতবংশে জন্মগ্রহণ করিয়াও এই সামান্য কূপ হইতে গুলিকা উদ্ধার করিতে পারিলে না। আমি ঐ লৌহগুলিকা এবং অঙ্গুরীয়ক উভয়ই ঈষিকাদ্বারা উদ্ধার করিব, তোমরা আমাকে ভোজন করাও।” এই বলিয়া আপনার অঙ্গুলিস্থ অঙ্গুরীয়ক ঐ কূপমধ্যে নিক্ষেপ করিলেন। তখন যুধিষ্ঠির দ্রোণকে কহিলেন, “মহাশয়! যদি আপনি কূপ হইতে গুলিকা উদ্ধার করিতে পারেন, তাহা হইলে কৃপাচার্য্যের অনুমতিক্রমে চিরকাল ভিক্ষা পাইবেন।” দ্রোণ তাঁহার বাক্য শ্রবণ করিয়া হাসিতে হাসিতে একমুষ্টি ঈষিকা হস্তে লইয়া কহিলেন, “এই যে ইষিকামুষ্টি দেখিতেছ, ইহার প্রভাব দেখ। একটী ঈষিকাদ্বারা কূপমধ্যস্থিত সেই গুলিকা বিদ্ধ করিব, সেই ঈষিকা অপর একটী দ্বারা এবং তাহা অন্য একটা দ্বারা বিদ্ধ করিব; এইরূপে ক্রমে ক্রমে ঈষিকাশৃঙ্খল নির্ম্মাণ করিয়া ঐ গুলিকা উত্তোলন করিব।” {{ফাঁক}}দ্রোণাচার্য্য তাঁহাদিগকে এই কথা বলিয়া তৎক্ষণাৎ স্বীয় প্রতিজ্ঞানুসারে কূপ হইতে গুলিকা উত্তোলন করিলেন। বালকেরা তদ্দর্শনে চমৎকৃত হইয়া কহিল, “বিপ্রর্ষে! আপনার অঙ্গুরীয়কটীও শীঘ্র উত্তোলন করুন।” দ্রোণাচার্য্য সত্বর-হস্তে ধনুঃশর লইয়া কূপমধ্যে বাণ-নিক্ষেপ করিবামাত্র সেই অঙ্গুরীয়ক শরবিদ্ধ হইয়া উর্দ্ধে উত্থিত হইল। কুমারগণ তদ্দর্শনে পূর্ব্বাপেক্ষা অধিকতর বিস্ময়াপন্ন হইয়া দ্রোণাচার্য্যের পদে প্রণত হইল এবং তাঁহার আদেশানুসারে পিতামহ ভীষ্মের নিকট গমনপূর্ব্বক তাঁহার রূপ {{SIC|গু|ও}} গুণ সবিশেষ নিবেদন করিল। মহাত্মা ভীষ্ম<noinclude></noinclude> hcuzym6vfre6ovvy0pfjv0iky8a8559 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪৯ 104 882192 1991438 1987310 2026-07-30T16:38:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991438 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৪|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>কুমারগণের বাক্য শ্রবণ করিবামাত্র বুঝিতে পারিলেন যে, দ্রোণাচার্য্য আগমন করিয়াছেন। ইতঃপূর্ব্বেই তিনি একজন সুশিক্ষকের হস্তে কুমারগণকে সমর্পণ করিবার মানস করিয়াছিলেন। এক্ষণে ধনুর্বিদ্যাবিশারদ দ্রোণাচার্য্য স্বেচ্ছাক্রমে তাঁহাদিগের রাজ্যে আগমন করিয়াছেন শ্রবণ করিয়া যৎপরোনাস্তি সন্তুষ্ট হইলেন। তিনি স্বয়ং দ্রোণসমীপে গমন করিয়া তাঁহাকে স্বীয় ভবনে আনয়নপূর্ব্বক যথোচিত সৎকার করিলেন এবং সাদর সম্ভাষণে কুশল সংবাদ ও আগমনের কারণ জিজ্ঞাসা করিলেন। তখন দ্রোণাচার্য্য দ্রুপদরাজের পরুষোক্তি ও প্রত্যাখ্যানের বিষয় আনুপূর্ব্বিক সবিশেষ বর্ণন করিয়া কহিলেন, “হে ভীষ্ম! আমি দ্রুপদরাজের প্রতি জাতক্রোধ হইয়া যেরূপ প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, তাহা ত্বরায় সম্পন্ন করিবার মানসে সশিষ্যে কুরুগণের অধিকারে আসিয়াছিলাম। এক্ষণে তোমাকে সংবর্দ্ধনা করিতে এই সুরম্য হস্তিনাপুরে উপস্থিত হইয়াছি; বল, তোমার কি প্রিয় কার্য্য সম্পাদন করিতে হইবে?” {{ফাঁক}}দ্রোণের বাক্য শ্রবণ করিয়া ভীষ্ম সবিনয়ে কহিলেন, “হে মহাত্মন্। আপনি অনুগ্রহ করিয়া বালকগণকে সম্যকরূপে অস্ত্রবিদ্যায় সুশিক্ষিত করুন এবং সতত পূজিত হইয়া প্রীতিপ্রসন্নমনে পরম সুখ ভোগ করুন। কুরুদিগের যাবতীয় ধনরাজ্য সমস্তই আপনার অধীন হইবে। আপনিই রাজা, কুরুগণ আপনারই আজ্ঞাবহ হইবেন।” দ্রোণাচার্য্য ভীষ্মের বাক্যে পরিতুষ্ট হইয়া পরম সমাদরে কুরুগৃহে বাস করিতে লাগিলেন। ভীষ্ম প্রীতচিত্তে প্রচুর অর্থসহ পৌত্রদিগকে তাঁহার হস্তে সমর্পণ করিলেন। অনন্তর কুরুবালকগণ অস্ত্রশিক্ষাভিলাষে আচার্য্য দ্রোণের সমীপে আগমন করিয়া অভিবাদন করিলে, তিনি সানন্দে তাহাদিগকে শিষ্যত্বে পরিগ্রহ করিলেন। কিন্তু দ্রুপদের পূর্ব্বকৃত তিরস্কার-বাক্য তাঁহার স্মৃতিপথে সমুদিত হওয়ায়, তিনি শিক্ষাদানের<noinclude></noinclude> hmse80zmdf5jicmi61uted0ixuav3b1 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫০ 104 882193 1991396 1987398 2026-07-30T16:30:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991396 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>পূৰ্ব্বেই শিষ্যদিগকে স্বীয় উদ্দেশ্যসাধনে প্রতিশ্রুত করাইলেন। এইরূপে মহাবীর দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষার ভার গ্রহণ করিয়া অপূৰ্ব্ব শিক্ষানৈপুণ্য প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। তাঁহার অধ্যবসায় ও যত্নে অচিরাৎ কুমারগণ শস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী হইয়া উঠিলেন। ক্রোধ-পরায়ণ দুর্য্যোধন ও ভীমসেন গদাযুদ্ধে কৃতী হইলেন। অশ্বত্থামা সর্ব্বরহস্যে পারদর্শী হইয়া অপেক্ষাকৃত উৎকর্ষ লাভ করিলেন। যমজ নকুল ও সহদেব অসিচৰ্য্যায় কুশলী হইলেন। যুধিষ্ঠির একজন উৎকৃষ্ট রথী হইলেন। অর্জ্জুন বুদ্ধিযোগ, বল ও উৎসাহে সসাগরা ধরামধ্যে প্রখ্যাত হইলেন। অৰ্জ্জুনই আচার্য্য দ্রোণের প্রতি অসাধারণ অনুরাগ প্রদর্শন করিতেন এবং তিনিই সমুদয় রাজকুমারদিগের মধ্যে অদ্বিতীয় ধনুর্দ্ধর হইয়া উঠিলেন। {{ফাঁক}}এইরূপে কুরুপাণ্ডবগণ অস্ত্রবিদ্যায় সুশিক্ষিত হইলে, একদা দ্রোণাচার্য্য অমাত্যগণপরিবৃত ধৃতরাষ্ট্রের সন্নিধানে গমনপূর্ব্বক কহিলেন, “মহারাজ! কুমারগণ সকলেই ধনুৰ্ব্বেদে কৃতবিদ্য হইয়াছেন। আপনার অনুমতি হইলে, স্ব স্ব অস্ত্রশিক্ষার পরিচয় দিতে পারেন।” ধৃতরাষ্ট্র আচার্য্যবাক্যে পরম পরিতুষ্ট হইয়া কহিলেন, “হে দ্বিজশ্রেষ্ঠ ভারদ্বাজ! আপনি আমাদিগের এক মহৎ কর্ম্ম সাধন করিয়াছেন। এক্ষণে অস্ত্রশিক্ষা-প্রদর্শনোপযোগী রঙ্গভূমি যে স্থানে যে প্রকারে নির্মাণ করা আবশ্যক বোধ করেন, তাহা আজ্ঞা করুন; কদাচ আপনার আদেশের অন্যথা হইবে না। আজি আমার অন্ধতানিবন্ধন নির্ব্বেদের উদয় হইতেছে। যাহা হউক, কুমারগণ যে সকল চক্ষুষ্মান্ ব্যক্তিদিগের সমক্ষে অস্ত্রশিক্ষার পরিচয় দিবে, আমি তাঁহাদিগের সান্নিধ্যলাভের একান্ত অভিলাষ করি।” এই বলিয়া মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র সমীপবৰ্ত্তী বিদুরকে কহিলেন, “হে ধৰ্ম্মাত্মন্! আচাৰ্য্য দ্রোণ যাহা আদেশ করেন, তুমি সত্বর তাহা সম্পাদন করিবে।” বিদুর রাজাজ্ঞা প্রাপ্তিমাত্র .<noinclude></noinclude> fnwe24uw23rbn7qlpz3boaowr7cpo26 1991399 1991396 2026-07-30T16:31:08Z Bodhisattwa 2549 1991399 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>পূৰ্ব্বেই শিষ্যদিগকে স্বীয় উদ্দেশ্যসাধনে প্রতিশ্রুত করাইলেন। এইরূপে মহাবীর দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষার ভার গ্রহণ করিয়া অপূৰ্ব্ব শিক্ষানৈপুণ্য প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। তাঁহার অধ্যবসায় ও যত্নে অচিরাৎ কুমারগণ শস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী হইয়া উঠিলেন। ক্রোধ-পরায়ণ দুর্য্যোধন ও ভীমসেন গদাযুদ্ধে কৃতী হইলেন। অশ্বত্থামা সর্ব্বরহস্যে পারদর্শী হইয়া অপেক্ষাকৃত উৎকর্ষ লাভ করিলেন। যমজ নকুল ও সহদেব অসিচৰ্য্যায় কুশলী হইলেন। যুধিষ্ঠির একজন উৎকৃষ্ট রথী হইলেন। অর্জ্জুন বুদ্ধিযোগ, বল ও উৎসাহে সসাগরা ধরামধ্যে প্রখ্যাত হইলেন। অৰ্জ্জুনই আচার্য্য দ্রোণের প্রতি অসাধারণ অনুরাগ প্রদর্শন করিতেন এবং তিনিই সমুদয় রাজকুমারদিগের মধ্যে অদ্বিতীয় ধনুর্দ্ধর হইয়া উঠিলেন। {{ফাঁক}}এইরূপে কুরুপাণ্ডবগণ অস্ত্রবিদ্যায় সুশিক্ষিত হইলে, একদা দ্রোণাচার্য্য অমাত্যগণপরিবৃত ধৃতরাষ্ট্রের সন্নিধানে গমনপূর্ব্বক কহিলেন, “মহারাজ! কুমারগণ সকলেই ধনুৰ্ব্বেদে কৃতবিদ্য হইয়াছেন। আপনার অনুমতি হইলে, স্ব স্ব অস্ত্রশিক্ষার পরিচয় দিতে পারেন।” ধৃতরাষ্ট্র আচার্য্যবাক্যে পরম পরিতুষ্ট হইয়া কহিলেন, “হে দ্বিজশ্রেষ্ঠ ভারদ্বাজ! আপনি আমাদিগের এক মহৎ কর্ম্ম সাধন করিয়াছেন। এক্ষণে অস্ত্রশিক্ষা-প্রদর্শনোপযোগী রঙ্গভূমি যে স্থানে যে প্রকারে নির্মাণ করা আবশ্যক বোধ করেন, তাহা আজ্ঞা করুন; কদাচ আপনার আদেশের অন্যথা হইবে না। আজি আমার অন্ধতানিবন্ধন নির্ব্বেদের উদয় হইতেছে। যাহা হউক, কুমারগণ যে সকল চক্ষুষ্মান্ ব্যক্তিদিগের সমক্ষে অস্ত্রশিক্ষার পরিচয় দিবে, আমি তাঁহাদিগের সান্নিধ্যলাভের একান্ত অভিলাষ করি।” এই বলিয়া মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র সমীপবৰ্ত্তী বিদুরকে কহিলেন, “হে ধৰ্ম্মাত্মন্! আচাৰ্য্য দ্রোণ যাহা আদেশ করেন, তুমি সত্বর তাহা সম্পাদন করিবে।” বিদুর রাজাজ্ঞা প্রাপ্তিমাত্র<noinclude></noinclude> owehad707v1rmu5nquffalbwqc6f1gm 1991439 1991399 2026-07-30T16:38:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991439 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>পূর্ব্বেই শিষ্যদিগকে স্বীয় উদ্দেশ্যসাধনে প্রতিশ্রুত করাইলেন। এইরূপে মহাবীর দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষার ভার গ্রহণ করিয়া অপূর্ব্ব শিক্ষানৈপুণ্য প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। তাঁহার অধ্যবসায় ও যত্নে অচিরাৎ কুমারগণ শস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী হইয়া উঠিলেন। ক্রোধ-পরায়ণ দুর্য্যোধন ও ভীমসেন গদাযুদ্ধে কৃতী হইলেন। অশ্বত্থামা সর্ব্বরহস্যে পারদর্শী হইয়া অপেক্ষাকৃত উৎকর্ষ লাভ করিলেন। যমজ নকুল ও সহদেব অসিচর্য্যায় কুশলী হইলেন। যুধিষ্ঠির একজন উৎকৃষ্ট রথী হইলেন। অর্জ্জুন বুদ্ধিযোগ, বল ও উৎসাহে সসাগরা ধরামধ্যে প্রখ্যাত হইলেন। অৰ্জ্জুনই আচার্য্য দ্রোণের প্রতি অসাধারণ অনুরাগ প্রদর্শন করিতেন এবং তিনিই সমুদয় রাজকুমারদিগের মধ্যে অদ্বিতীয় ধনুর্দ্ধর হইয়া উঠিলেন। {{ফাঁক}}এইরূপে কুরুপাণ্ডবগণ অস্ত্রবিদ্যায় সুশিক্ষিত হইলে, একদা দ্রোণাচার্য্য অমাত্যগণপরিবৃত ধৃতরাষ্ট্রের সন্নিধানে গমনপূর্ব্বক কহিলেন, “মহারাজ! কুমারগণ সকলেই ধনুর্ব্বেদে কৃতবিদ্য হইয়াছেন। আপনার অনুমতি হইলে, স্ব স্ব অস্ত্রশিক্ষার পরিচয় দিতে পারেন।” ধৃতরাষ্ট্র আচার্য্যবাক্যে পরম পরিতুষ্ট হইয়া কহিলেন, “হে দ্বিজশ্রেষ্ঠ ভারদ্বাজ! আপনি আমাদিগের এক মহৎ কর্ম্ম সাধন করিয়াছেন। এক্ষণে অস্ত্রশিক্ষা-প্রদর্শনোপযোগী রঙ্গভূমি যে স্থানে যে প্রকারে নির্মাণ করা আবশ্যক বোধ করেন, তাহা আজ্ঞা করুন; কদাচ আপনার আদেশের অন্যথা হইবে না। আজি আমার অন্ধতানিবন্ধন নির্ব্বেদের উদয় হইতেছে। যাহা হউক, কুমারগণ যে সকল চক্ষুষ্মান্ ব্যক্তিদিগের সমক্ষে অস্ত্রশিক্ষার পরিচয় দিবে, আমি তাঁহাদিগের সান্নিধ্যলাভের একান্ত অভিলাষ করি।” এই বলিয়া মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র সমীপবর্ত্তী বিদুরকে কহিলেন, “হে ধর্ম্মাত্মন্! আচার্য্য দ্রোণ যাহা আদেশ করেন, তুমি সত্বর তাহা সম্পাদন করিবে।” বিদুর রাজাজ্ঞা প্রাপ্তিমাত্র<noinclude></noinclude> b6kxzeolh7c4f88fmlerokj2my2y0c3 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫১ 104 882194 1991440 1987403 2026-07-30T16:38:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991440 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৬|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>কর্ত্তব্যানুষ্ঠানে নিযুক্ত হইলেন। দ্রোণাচার্য্য সুপরিচ্ছন্ন সমতল ক্ষেত্রে রঙ্গভূমির সীমা নির্দ্দেশ করিয়া শুভদিনে পূজোপহার প্রদানপূর্ব্বক ডিণ্ডিম দ্বারা বীর-সমাজে রঙ্গাভিনয় প্রচার করিলেন। রাজশিল্পিগণ সেই রঙ্গভূমির মধ্যে অস্ত্রশস্ত্রপরিপূর্ণ বিস্তীর্ণ দর্শনাগার, অত্যুন্নত মঞ্চ ও মহামূল্য শিবিকা সকল প্রস্তুত ও সুসজ্জিত করিতে লাগিল। {{ফাঁক}}নির্দ্দিষ্ট দিনে মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র মন্ত্রিগণসমভিব্যাহারে মণিমুক্তা-পরিশোভিত সুবর্ণময় দর্শনাগারে উপস্থিত হইলেন। মহাভাগা গান্ধারী কুন্তী ও অন্যান্য মহিলাগণ দাসীগণ সমভিব্যাহারে হর্ষোৎফুল্লনয়নে তথায় উপনীত হইলেন। ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় প্রভৃতি চাতুর্ব্বণ্য লোক রাজকুমারদিগের অস্ত্রশিক্ষাদর্শনার্থী হইয়া মহানন্দে দ্রুতবেগে তথায় আগমন করিতে লাগিলেন। ক্ষণকালমধ্যে রঙ্গভূমি সোৎসুক দর্শকবৃন্দে পরিপূর্ণ হইল। বাদ্যকরেরা মৃদুমধুররবে বাদ্যধ্বনি করিয়া দর্শকমণ্ডলীর হর্ষোৎপাদন করিতে লাগিল। অভ্যাগত লোকের কোলাহলে সে রঙ্গভূমি উচ্ছ্বলিত মহাসমুদ্রের ন্যায় বারংবার প্রতিধ্বনিত হইতে লাগিল। ইত্যবসরে শুক্লাম্বরধারী, শুক্লকেশ, শুক্লশ্মশ্রু মহানুভব দ্রোণাচার্য্য শ্বেতচন্দনে স্বীয় বরবপুঃ চর্চ্চিত করিয়া এবং গলদেশে শুভ্র যজ্ঞোপবীত ও শুভ্রমাল্য ধারণ করিয়। স্বপুত্র অশ্বত্থামার সহিত জলধরোপরোধশূন্য গগনে সভৌম শশধরের ন্যায় রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করিলেন এবং যথানির্দ্দিষ্ট সময়ে বলি প্রদানপূর্ব্বক বিজ্ঞ ও মন্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণগণকর্ত্তৃক মাঙ্গলিকী ক্রিয়ার অনুষ্ঠান করাইলেন। অবিলম্বে অনুচরেরা অস্ত্র শস্ত্র বহন করিয়া রঙ্গস্থলে প্রবেশ করিল। {{ফাঁক}}অনন্তর অস্ত্রকুশল পরাক্রমশালী রাজপুত্রগণ অঙ্গুলিতে অঙ্গুলিত্র বন্ধনপূর্ব্বক বন্ধতুণ ও বদ্ধপরিকর হইয়া, হস্তে ধনুর্ব্বাণ লইয়া এবং সর্ব্বজ্যেষ্ঠ যুধিষ্ঠিরকে পুরোবর্ত্তী করিয়া জ্যেষ্ঠকনিষ্ঠাদিক্রমে রঙ্গস্থলে প্রবেশ করিলেন। তখন দর্শকমণ্ডলী শরকার্ম্মুকধারী অদ্ভুতরূপ<noinclude></noinclude> bty9zl97njrxdos8bx9hilfmm26hh9d পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫২ 104 882195 1991441 1987406 2026-07-30T16:38:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991441 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৭|দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>কুমারসেনা সন্দর্শন করিয়া বিস্ময়োৎফুল্ললোচনে শতসহস্র সাধুবাদ প্রদান করিতে লাগিলেন। রাজকুমারেরা বেগবান্ তুরঙ্গযানে আরোহণ করিয়া স্বনামাঙ্কিত বাণদ্বারা লক্ষ্যভেদ করিতে লাগিলেন। তাঁহারা কার্ম্মুকদ্বারা অস্থিরলক্ষ্যপাত প্রভৃতি অত্যাশ্চর্য্য, ব্যাপার সকল সম্পাদনপূর্ব্বক রথে আরোহণ করিয়া রঙ্গমধ্যে বারংবার মণ্ডলাকারে ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। খড়্গ ও চর্ম গ্রহণপূর্বক কখন গজে, কখন বা অশ্বে অধিরূঢ় হইয়া পরস্পরকে প্রহার করিতে লাগিলেন। তাঁহারা একমাত্র খড়্গদ্বারা কৌশলক্রমে অনেকাস্ত্র নিবারণ করিলেন। নিরবচ্ছিন্ন ভ্রাম্যমান খড়্গের অংশুমণ্ডল ইতস্ততঃ বিস্তীর্ণ হইয়া এক অপূর্ব্ব শোভা ধারণ করিল। তাঁহাদিগের হস্ত খড়্গগমুষ্টি হইতে একবারও স্খলিত হইল না। এইরূপে অসিপ্রয়োগে তাঁহাদের নৈপুণ্য ও নির্ভীকতা প্রকাশ পাইল। তদ্দর্শনে রঙ্গস্থ দর্শকবর্গ বিস্ময়সাগরে নিমগ্ন হইলেন। {{ফাঁক}}তৎপরে মহাবলপরাক্রান্ত দুর্য্যোধন ও ভীমসেন গদাহস্তে এক-শৃঙ্গ উত্তুঙ্গ শৈলের ন্যায় রঙ্গস্থলে অবতীর্ণ হইলেন। নভোমণ্ডলে জলধর যদ্রূপ গভীর গর্জন করে, সেই বীরপুরুষদ্বয় পৌরুষপ্রকাশার্থ রঙ্গমধ্যে যদ্রূপ সিংহমাদ করিতে লাগিলেন। তৎপরে তাঁহারা গদাহস্তে বামভাগ দিয়া মণ্ডলাকারে ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। দর্শকগণ দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া, কেহ দুর্য্যোধনের, কেহ ভীমসেনের প্রশংসা করিতে লাগিলেন। এইরূপে বীরদ্বয় প্রাণপণে গদাযুদ্ধে প্রবৃত্ত হইলে, চতুর্দ্দিকে মহান্ কোলাহল উত্থিত হইতে লাগিল। তখন দ্রোণাচার্য্য সেই রঙ্গস্থল তরঙ্গসঙ্কুল সাগরের ন্যায় অবলোকন করিয়া স্বীয় পুত্র অশ্বথামাকে সম্বোধনপূর্ব্বক কহিলেন, "বৎস! মহাবীর্য্য ও সুশিক্ষিত বীরদ্বয়কে গদাযুদ্ধ হইতে নিবৃত্ত কর। দেখিও, যেন ভীম ও দুর্য্যোধনের ক্রোধোদ্রেক না হয়।” অশ্বত্থামা পিতার অনুমতি পাইবামাত্র মহাবেগে<noinclude></noinclude> ai8aod8lvncm624oi4b9zmwaxws2l4a পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৩ 104 882196 1991442 1988396 2026-07-30T16:38:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991442 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৮|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>রঙ্গমধ্যে প্রবেশ করিয়া যুগান্তানিলসংক্ষুব্ধ অম্ভোনিধির ন্যায় গদাযুদ্ধনিরত বীরদ্বয়কে নিমেষমধ্যে নিরস্ত করিলেন। {{ফাঁক}}তৎপরে দ্রোণাচার্য্য রঙ্গপ্রাঙ্গণে দণ্ডায়মান হইয়া মহামেঘনির্ঘোষ-সদৃশ বাদ্যধ্বনি নিবারণপূর্ব্বক উচ্চৈঃস্বরে কহিলেন, “মদীয় শিষ্য অৰ্জ্জুন আমার পুত্র হইতেও প্রিয়তর, সর্ব্বশাস্ত্রবিশারদ ও উপেন্দ্রতুল্য মহাবীর; হে দর্শকগণ! তোমরা ইহাকে নিরীক্ষণ কর।” তখন অৰ্জ্জুন আচার্য্যের আদেশক্রমে গোধালতার অঙ্গুলিত্রাণ ও কাঞ্চনময় কবচ ধারণপূর্ব্বক ধনুর্ব্বাণ হস্তে রঙ্গস্থলে প্রবেশ করিয়া সূর্য্যসন্নিহিত সন্ধ্যাকালীন মেঘের ন্যায় পরিদৃশ্যমান হইলেন। তন্মুহূর্ত্তে দর্শকগণের চিত্ত প্রফুল্ল হইল, চতুর্দিকে বিবিধ বাদ্যোদ্যম ও শঙ্খধ্বনি হইতে লাগিল। “ইনি শ্রীমান কুন্তীনন্দন, ইনি পাণ্ডবদিগের তৃতীয়, ইনিই দেবরাজের পুত্র, ইনিই কৌরবদিগের রক্ষক, ইনি অস্ত্রবিদগণের শ্রেষ্ঠ” এইরূপ প্রশংসাবাদ রঙ্গমধ্যে সর্ব্বত্রই শ্রুত হইতে লাগিল। পুত্রের প্রশংসা শ্রবণ করিয়া পুত্রবৎসলা কুন্তীর উরঃস্থল সবাষ্প স্তন্য দ্বারা সিক্ত হইতে লাগিল। রাজা ধৃতরাষ্ট্র এবং ভীষ্মদ্রোণাদি মহাত্মগণ অৰ্জ্জুনের প্রশংসাবাক্য শ্রবণে আনন্দনীরে অভিষিক্ত হইলেন ৷ {{ফাঁক}}ক্রমে সেই জন-কল্লোল নিবৃত্ত হইলে, মহাবীর অর্জুন স্বকীয় অদ্ভুত অস্ত্রকৌশল প্রদর্শন করিতে আরম্ভ করিলেন। সর্ব্বাগ্রে আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা অগ্নি উৎপাদন করিয়া বারুণাস্ত্র প্রয়োগপূর্ব্বক সলিল সৃষ্টি করিলেন। তৎপরে বায়ব্যাস্ত্র দ্বারা বাত্যা উত্থাপিত করিয়া পার্জ্জন্যাস্ত্র দ্বারা নভোমণ্ডলে মেঘ সৃষ্টি করিলেন। ভৌম্যাস্ত্র দ্বারা ভূগর্ভে প্রবেশ করিয়া পার্ব্বতাস্ত্রদ্বারা পর্ব্বত সৃষ্টি করিলেন এবং অন্তর্দ্ধানাস্ত্র দ্বারা অন্তর্হিত হইলেন। অপূর্ব্ব শিক্ষাকৌশলে কখন দীর্ঘবৎ, কখন বা হ্রস্ববৎ প্রতীয়মান হইলেন; কখন রথসম্মুখে, কখন রথমধ্যে অবস্থান করিতে লাগিলেন; আবার অবিলম্বেই ভূতলে অবতীর্ণ হইলেন।<noinclude></noinclude> 8hws829d3bbyduuitqycdumj9u8f8s1 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৪ 104 882197 1991443 1988402 2026-07-30T16:38:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991443 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৯|দ্রোণের দৃঢ়প্রভিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>অনন্তর অৰ্জ্জুন বিবিধ বাণবর্ষণপূর্ব্বক স্থূল ও সূক্ষ্ম লক্ষ্য সকল বিদ্ধ করিতে লাগিলেন। তিনি ভ্রমণশীল লৌহময় বরাহের মুখে এককালে অসঙ্কীর্ণরূপে পঞ্চশর এক শরের ন্যায় নিক্ষেপ করিলেন, তৎপরে কেশময় রজ্জু দ্বারা লম্বিত গোবিষাণকোষে একবিংশতি বাণ বিদ্ধ করিলেন। এইরূপে অসিচর্য্যা, গদাচালনা প্রভৃতিতেও সবিশেষ কৌশল প্রদর্শন করিলেন। দর্শকগণ নিস্পন্দভাবে তাঁহার অস্ত্রপ্রয়োগ-নৈপুণ্য নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}এইরূপ অদ্ভুত অস্ত্রক্রীড়া অবলোকন করিয়া রঙ্গস্থ অধিকাংশ লোক নিষ্ক্রান্ত এবং বাদ্যকোলাহল নিস্তব্ধ হইলে, অকস্মাৎ দ্বারদেশে বজ্র-নির্ঘোষসদৃশ বাহ্বাস্ফোটশব্দ শ্রুত হইতে লাগিল। সকলে সবিস্ময়ে দৃষ্টিনিক্ষেপ করিবামাত্র সুবর্ণ কবচ ও কুণ্ডলধারী মহাবল কর্ণ কটিদেশে খড়্গগবন্ধন করিয়া পাদচারী পর্ব্বতের ন্যায় বিস্তীর্ণ রঙ্গস্থলে প্রবেশ করিলেন। অবিলম্বে সেই উন্নতকায় ও সর্ব্বাঙ্গসুন্দর যুবা পুরুষ অনতি প্রসন্নমনে দ্রোণ ও কৃপাচার্য্যকে প্রণাম করিলেন। রঙ্গস্থ লোকেরা তাঁহার সেই অপূর্ব্ব রূপ সন্দর্শনে স্তম্ভিত হইয়া “ইনি কে” ইহা সবিশেষ জানিবার জন্য একান্ত কৌতূহলাক্রান্ত হইলেন। তখন সূতপুত্র কর্ণ অৰ্জ্জুনকে সম্বোধন করিয়া জলদ-গম্ভীরস্বরে কহিলেন, “হে পার্থ! তুমি যেরূপ কর্ম্ম করিয়াছ, সর্ব্বসমক্ষে আমিও বিশেষ রূপে সেই সেই কার্য সম্পাদন করিব, তুমি বিস্মিত হইও না।” কর্ণের বাক্যাবসানে দর্শকগণ সহসা যন্ত্রোৎক্ষিপ্তের ন্যায় উত্থিত হইলেন। দুর্য্যোধন ইহাতে পরম প্রীতিলাভ করিলেন এবং অর্জ্জুন লজ্জা ও ক্রোধে অভিভূত হইলেন। তৎপরে দ্রোণের আজ্ঞানুসারে দিব্যাস্ত্রবিদ্ কর্ণ অৰ্জ্জুনের অনুরূপ অস্ত্রক্রীড়া প্রদর্শন করিয়া সমবেত দর্শকমণ্ডলীর বিস্ময়োৎপাদন করিলেন। তখন দুর্য্যোধন ভ্রাতৃগণ সমভিব্যাহারে মহাবীর কর্ণকে আলিঙ্গন করিয়া প্রফুল্লমনে ও সাদরবচনে কহিলেন,<noinclude></noinclude> 63b8pf39oey2pcv07av77v0swbl169d পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৫ 104 882198 1991444 1988403 2026-07-30T16:38:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991444 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪০|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>“হে মহাবাহো! আমাদিগের সৌভাগ্যক্রমে তুমি এ স্থলে উপস্থিত হইয়াছ। এক্ষণে স্বেচ্ছানুসারে কুরুরাজ্য উপভোগ কর।” দুর্য্যোধনের বাক্যে উৎসাহিত হইয়া কর্ণ প্রত্যুত্তর করিলেন, “প্রভো! আমি এক্ষণে তোমার সহিত বন্ধুত্ব করিতে এবং অর্জ্জুনের সহিত দ্বন্দ্বযুদ্ধ করিতে বাসনা করি।” তখন দুর্য্যোধন কহিলেন, “ভাল, এক্ষণে আমার সহিত বন্ধুত্ব করিয়া বিষয়ভোগ-বাসনা চরিতার্থ কর, পরে বিপক্ষপক্ষের মস্তকে পদার্পণ করিয়া পরম সুখে কালাতিপাত করিও।” দুর্য্যোধনের এইরূপ উদ্ধতবাক্যে উত্তেজিত হইয়া অৰ্জ্জুন কর্ণকে কহিলেন, “রে কর্ণ! যাহারা অনাহূত হইয়া উপদেশ প্রদান করে এবং যাহারা অনাহূত হইয়া বাক্যালাপ করে, তাহারা যে লোকে গমন করে, অ্দ্য তোর প্রাণ সংহার করিয়া তথায় প্রেরণ করিব।” তখন কর্ণ ক্রুদ্ধ হইয়া প্রত্যুত্তর করিলেন, “হে অর্জ্জুন! দেখ, এই রঙ্গভূমি সাধারণের অধিকৃত সুতরাং এ স্থানে তোমার বিশেষ কোন প্রভুত্ব নাই। অভ্যাগত ভূপালগণ সকলেই পরাক্রান্ত এবং ধর্ম ও পরাক্রমের অনুসরণ করিয়া থাকেন। অধিক কি বলিব, যাবৎ আমি গুরুজনসমক্ষে শরদ্বারা তোমার শিরশ্ছেদ না করিতেছি, তাবৎ আর বিফল শরক্ষেপের আবশ্যকতা নাই ৷” {{ফাঁক}}এইরূপে বীরদ্বয়ের বাগযুদ্ধ সমাপ্ত হইলে, অৰ্জ্জুন গুরু দ্রোণের আদেশ ও ভ্রাতৃগণের উপদেশানুসারে সংগ্রামার্থ কর্ণের সন্মুখীন হইলেন। সমরপ্রিয় কর্ণ, দুর্য্যোধন ও তদীয় ভ্রাতৃগণের উত্তেজনায়, ধনুর্ব্বাণহস্তে সমরাঙ্গনে অবতীর্ণ হইলেন। যে দিকে কর্ণ, সেই দিকে ধার্ত্তরাষ্ট্রেরা; যে দিকে অৰ্জ্জুন, সেই দিকে দ্রোণ, কৃপ ও ভীষ্ম প্রভৃতি বৃদ্ধগণ অবস্থান করিতে লাগিলেন। এইরূপে রঙ্গস্থ ব্যক্তিগণ দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া এক এক পক্ষে পক্ষপাত করিতে লাগিলেন। তখন দ্বন্দ্বযুদ্ধনীতিজ্ঞ কৃপাচার্য্য উভয়কে ধনুর্দ্ধারণ করিতে দেখিয়া<noinclude></noinclude> ba6egw66emq5o8o8ozuu2lwrxz7fi1w পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৬ 104 882199 1991445 1988404 2026-07-30T16:38:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991445 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪১|দ্রোণের দৃঢ়প্রভিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>কর্ণকে কহিলেন, “কুন্তীগর্ভসম্ভূত মহারাজ পাণ্ডুর তৃতীয় পুত্র অর্জ্জুন তোমার সহিত দ্বন্দ্বযুদ্ধ করিবেন। হে বীরবর! এক্ষণে তুমি আপনার জনকজননীর নামোল্লেখ কর এবং কোন্ কুলে জন্মগ্রহণ করিয়াছ, তাহাও সবিশেষ বর্ণন কর। তোমার পরিচয় প্রাপ্ত হইলে, অৰ্জ্জুন প্রতিদ্বন্দ্বী হইতে পারেন, কারণ, রাজকুমারেরা অজ্ঞাতকুলশীল ব্যক্তির সহিত সংগ্রামে প্রবৃত্ত হন না।” কৃপের তাদৃশ বিহিত বাক্য শ্রবণে কর্ণ লজ্জায় অধোমুখ হইয়া রহিলেন। তদ্দর্শনে দুর্য্যোধন দ্রোণকে কহিলেন, “হে আর্য! শাস্ত্রে কথিত আছে, যিনি সৎকুলে সমুদ্ভূত, বীর ও সৈন্যচালনসমর্থ, তাঁহার সহিত রাজকুমারগণ যুদ্ধ করিতে পারেন। তথাপি যদি অর্জ্জুন রাজা ব্যতিরেকে অন্যের সহিত যুদ্ধ না করেন, তবে আমি এই মুহূর্ত্তেই কর্ণকে অঙ্গরাজ্যে অভিষিক্ত করিতেছি।” {{ফাঁক}}অবিলম্বে দুর্য্যোধন কর্ণকে কাঞ্চনময় পীঠোপরি সংস্থাপনপূর্ব্বক মন্ত্রবিদ্‌ ব্রাহ্মণগণকে আহ্বান করিয়া লাজ, কুসুম ও সুবর্ণদ্বারা অঙ্গরাজ্যে অভিষিক্ত করিলেন। এইরূপে যথাবিধি অভিষেকক্রিয়া সম্পন্ন হইলে, তাঁহারা পরস্পর সখ্যসূত্রে আবদ্ধ হইয়া পরমানন্দ অনুভব করিতে লাগিলেন। ইত্যবসরে সূত অধিরথ ঘর্মাক্তকলেবরে রঙ্গমধ্যে প্রবেশ করিলেন। মহাবীর কর্ণ পিতাকে নিরীক্ষণ করিয়া শরাসন পরিত্যাগপূর্ব্বক তদীয় গৌরবরক্ষার্থে অভিষেকাদ্রমস্তকে তাঁহাকে প্রণাম করিলেন। পুত্রবৎসল সারথি কর্ণকে পুত্র বলিয়া সম্বোধনপূর্ব্বক আলিঙ্গন করিলেন। তদ্দর্শনে ভীমসেন কর্ণকে সূতপুত্র বিবেচনা করিয়া পরুষবাক্যে উপহাস করিতে লাগিলেন। ভীমের তাদৃশ কটুক্তি শ্রবণে কর্ণের ওষ্ঠাধর ক্রোধে কম্পিত হইতে লাগিল এবং দুর্যোধন সরোষে তদীয় বাক্যের তীব্র প্রতিবাদ করিয়া কর্ণের প্রশংসা করিতে লাগিলেন। ইতিমধ্যে সূর্য্যদেব অস্তাচলে গমন করিলেন। তখন দুর্য্যোধন কর্ণের<noinclude></noinclude> thpy2ryjwnlgncxf04ka4pdk0isea6r পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৭ 104 882200 1991446 1988489 2026-07-30T16:38:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991446 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪২|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>করগ্রহণপূর্ব্বক রঙ্গ হইতে নিষ্ক্রান্ত হইলেন। এদিকে পাণ্ডবেরা দ্রোণ, কৃপ ও ভীষ্ম সমভিব্যাহারে রঙ্গভূমি পরিত্যাগ করিলেন। দর্শকগণমধ্যে কেহ অৰ্জ্জুনের, কেহ কর্ণের, কেহ দুর্য্যোধনের, কেহ ভীমসেনের পরাক্রমের প্রশংসা করিতে করিতে স্ব স্ব আলয়ে প্রস্থান করিলেন। {{ফাঁক}}অনন্তর দ্রোণাচার্য্য রাজকুমারগণকে সমরকুশল অবলোকন করিয়া গুরুদক্ষিণা গ্রহণ করিবার বাসনা করিলেন। দ্রুপদের মর্ম্মান্তিক নিষ্ঠুর বাক্যে দগ্ধ হইয়া তিনি তাঁহাকে সমুচিত শিক্ষা দিবার মানসে যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাপাশে বদ্ধ হইয়াছিলেন, তাহা স্মরণ করিয়া তিনি শিষ্যগণকে সম্মুখে আহ্বানপূর্ব্বক কহিলেন, “হে শিষ্যগণ! তোমরা পাঞ্চালরাজ দ্রুপদকে পরাজয় কয়িরা রণক্ষেত্র হইতে আনয়ন কর, ইহাই তোমাদিগের গুরুদক্ষিণাস্বরূপ হইবে।” শিষ্যগণ গুরুবাক্যে অঙ্গীকার করিয়া তৎক্ষণাৎ অস্ত্রশস্ত্র গ্রহণপূর্ব্বক আচার্য্য দ্রোণের সহিত রথারোহণে সত্বর রাজধানী হইতে বহির্গত হইলেন। অনতিবিলম্বে পাঞ্চালদেশে উপনীত হইয়া রাজধানী আক্রমণপূর্ব্বক সমরানল প্রজ্বালিত করিলেন। দুর্য্যোধন কর্ণ, যুযুৎসু, দুঃশাসন, বিকর্ণ, জলসন্ধ, সুলোচন প্রভৃতি রাজকুমারগণ ‘আমিই অগ্রে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইব’ বলিয়া আস্ফালন করিতে লাগিলেন এবং সদর্পে নগরীমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া রাজপুরী বিধ্বস্ত করিতে প্রবৃত্ত হইলেন। তখন পাঞ্চালরাজ দ্রুপদ সেই অসংখ্য সৈন্যসন্দর্শন ও তাহাদিগের তুমুল কলরব শ্রবণ করিয়া ভ্রাতৃগণসহ প্রাসাদ হইতে নির্গত হইলেন, এবং অবিলম্বে সুবর্ণময় বর্ম্ম পরিধান ও শুভ্রবর্ণ রথে আরোহণপূর্ব্বক যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইলেন। {{ফাঁক}}ইতিমধ্যে মহাবীর অর্জ্জন রাজকুমারদিগের দর্পোদ্রেকদর্শনে দ্রোণাচার্য্যকে কহিলেন, “হে বিজেন্দ্র! কুমারগণ আত্মানুরূপ পরাক্রম প্রদর্শন করুন, পশ্চাৎ আমরা সাহস প্রকাশ করিব। আমার নিশ্চয় বোধ হইতেছে, ইহারা দ্রুপদরাজকে রণে পরাজিত করিতে পারিবেন<noinclude></noinclude> 0daxzuq3h2677veqq1dn6y5cuggyr19 পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৯ 104 882202 1991447 1988491 2026-07-30T16:38:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991447 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৪|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>-লেন। তৎপরে ধনুর্ব্বাণ পরিত্যাগ করিয়া করবাল ধারণপূর্ব্বক সিংহনাদ করিতে লাগিলেন এবং অকুতোভয়ে স্বীয় রথ হইতে লম্ফপ্রদানপূর্ব্বক দ্রুপদের রথে আরোহণ করিয়া তাঁহাকে আক্রমণ করিলেন। “ তদ্দর্শনে পাঞ্চালদেশীয় বীরপুরুষগণ ইতস্ততঃ পলায়ন করিতে লাগিলেন। {{ফাঁক}}রাজকুমারগণ সব্যসাচীর হস্তে দ্রুপদকে বন্দীকৃত দেখিয়া সকলে সমবেত হইয়া দ্রুপদনগরী: মর্দন করিতে আরম্ভ করিলেন। তদ্দর্শনে অৰ্জ্জুন ভীমকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “আর্য্য! রাজসত্তম দ্রুপদ কুরুবীরদিগের আত্মীয়, তাঁহার সৈন্য সংহার না করিয়া গুরুদক্ষিণা প্রদানের চেষ্টা করুন।” মহাবল ভীমসেন এইরূপে নিবারিত হইয়া সৈন্যাবমর্দ্দ হইতে ক্ষান্ত হইলেন, কিন্তু উপস্থিত যুদ্ধে কিছুমাত্র তৃপ্তিলাভ করিতে পারিলেন না। পরিশেষে রাজকুমারগণ রণস্থল হইতে দ্রুপদরাজ ও তাঁহার সচিবকে গ্রহণ করিয়া আচার্য্য দ্রোণ-সন্নিধানে উপহার প্রদান করিলেন। দ্রোণাচার্য্য দ্রুপদরাজকে ভগ্নদর্প হৃতসর্ব্বস্ব ও বশতাপন্ন দেখিয়া পূর্ব্ববৈর স্মরণপূর্ব্বক কহিলেন, “হে দ্রুপদরাজ! আমার আদেশানুসারে তোমার রাষ্ট্র ও নগরী বিমদিত এবং তোমার জীবনও বিপক্ষপক্ষের হস্তগত হইয়াছে। এক্ষণে তুমি সখ্যসহকারে কি বাসনা কর, বল, আমি তাহা সফল করিব।” এই কথা বলিয়া দ্রোণ হাস্যমুখে পুনর্ব্বার কহিলেন, “হে যজ্ঞসেন! তুমি প্রাণনাশের আশঙ্কা করিও না। আমরা ক্ষমাশীল ব্রাহ্মণ, বিশেষতঃ শৈশবাবস্থায় তোমার সহিত এক আশ্রমে ক্রীড়া করিয়াছিলাম। সেই জন্য তোমার প্রতি আমার প্রীতি সঞ্চারিত হইয়াছে। এক্ষণে তোমার সহিত পুনরায় সখ্যভাব সংস্থাপন করিবার বাসনা করি। তুমি পূর্ব্বে কহিয়াছিলে যে, যে ব্যক্তি রাজা নহে, সে রাজার সখা হইতে পারে না। এই জন্য তোমাকে পুনরায় রাজ্যার্দ্ধ প্রদান করিলাম।<noinclude></noinclude> ovuf23dyrtz7togd2rhhwhdx6fyx8rq পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৬০ 104 882203 1991448 1988405 2026-07-30T16:38:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991448 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৫|দ্রোণের দৃঢ়প্রভিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>এক্ষণে তুমি ভাগীরথীর দক্ষিণকূলের অধিপতি হইলে এবং আমিও উত্তরকূলশাসনে প্রবৃত্ত হইলাম। যদি তোমার ইহাতে প্রবৃত্তি হয়, তবে আমার সহিত সখ্যস্থাপন কর।” {{ফাঁক}}দ্রোণের বাক্য-শ্রবণান্তে দ্রুপদ কহিলেন, “হে ব্রহ্মন্। প্রবল-পরাক্রান্ত মহাত্মা ব্যক্তি যে এরূপ আচরণ করিবেন, ইহা নিতান্ত বিস্ময়কর নহে। আমি মহাশয়ের বাক্যে পরম প্রীত হইলাম, অদ্যাবধি আমি নিত্যকাল আপনার প্রসন্নতালাভের বাসনা করি।” দ্রোণাচার্য্য দ্রুপদবাক্যে তুষ্ট হইয়া তৎক্ষণাৎ তাঁহাকে মুক্ত করিয়া দিলেন এবং প্রসন্নমনে সৎকারপুর্ব্বক তাঁহাকে অপর রাজ্যার্দ্ধও প্রদান করিলেন। {{ফাঁক}}আমরা দ্রোণ-চরিত্রে অপূর্ব্ব তেজস্বিতা ও মধুরতার সমাবেশ দেখিতে পাই। তিনি স্বীয় অসাধারণ অস্ত্রবিদ্যা প্রভাবে গর্ব্বান্ধ ও কটুভাষী দ্রুপদরাজকে পরাস্ত করিয়া যেমন একদিকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞতার পরিচয় দিয়াছেন, তেমনই অন্যদিকে বাল্যসুহৃদের প্রতি অকৃত্রিম স্নেহানুরাগনিবন্ধন ক্ষমাশীলতা প্রদর্শন করিতেও কুণ্ঠিত হন নাই। এইরূপ উজ্জ্বল-মধুর ও ভীম-কান্তের সমন্বয়ই দ্রোণ-চরিত্রের বিশেষত্ব। {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> i2roj7vsky9fg92hpem7ajfng6kbaiw পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৮ 104 882221 1991225 1988802 2026-07-30T16:25:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991225 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>প্রকাশিকা :—<br/> {{larger|বেগম মাহফুজা খাতুন}} {{dhr|8em}} প্রথম সংস্করণ<br/> জানুয়ারী, ১৯৪৬<br/> {{larger|মূল্য—দেড় টাকা}} {{dhr|8em}} {|style=text-align:left |- |width=150px;|<poem>গ্রন্থকার কর্তৃক<br/> সর্ব্বস্বত্ব সংরক্ষিত</poem>||{{brace2|4}}||width=200px|প্রিণ্টারঃ— জীতেন্দ্রনাথ দত্ত<br/> {{larger|লক্ষ্মীবিলাস প্রেস}}<br/> ১৪, জগন্নাথ দত্ত লেন, কলিকাতা |}<noinclude></noinclude> dxycy1u292hhmv4uamziji1bzi7ke1m পাতা:আধুনিক রবিন্‌হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৯৮ 104 882308 1991223 1987223 2026-07-30T16:24:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991223 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৮৬|প্যারীর বালক বিভীষিকা|আধুনিক রবিন্‌হুড্‌}}}}</noinclude>খুলে দিচ্ছি।” আড়ালে ডুবইস্ অপেক্ষা করছিল। ছোক্‌রাকে দেখে সে বল্‌লে, “কি হে, তুমি হাতকড়ি প’রে থানায় যেতে চাও, না আমাকে নিয়ে তোমার আড্ডায় ফিরে যাবে?” {{ফাঁক}}ছোকরা, ডুবইস্‌কে তাদের দলের সর্দ্দারের ঘর দেখিয়ে দিলে। {{ফাঁক}}রাত্রে টেট্ নিজের ঘরে ফিরে এল। হঠাৎ এক পর্দ্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে ডুবইস্ তার সোনালী চুলগুলো বজ্রমুষ্টিতে চেপে ধরলে। তার হাতে হাতকড়ি পরিয়ে দুই পায়ে দড়ি বেঁধে তাকে মাটির উপরে শুইয়ে রাখলে। তারপর ঘরের চারিদিকে চোরাই মাল খুঁজতে লাগল। {{ফাঁক}}ডুবইস্ অবাক হয়ে দেখলে, টেট্‌-ছোক্‌রার পড়াশুনায় মন আছে! কারণ ঘরের দেওয়ালে তাকে তাকে অগুন্তি বই সাজানো রয়েছে। প্রত্যেক বই পুস্তকের দোকান থেকে চুরি করা। {{ফাঁক}}খানিক পরে একটা শব্দ শুনে ডুবইস্ ফিরে দেখলে যে, টেট্‌ জানলার ভিতর দিয়ে বাইরে লাফিয়ে পড়ছে! {{ফাঁক}}ডুবইস্ বিস্ময়ে হতভম্ব হয়ে গেল! ঘরের এব্‌ড়ো-খেব্‌ড়ো দেওয়ালে টেট্ পায়ের দড়ি ঘষে ছিড়ে ফেলেছে! {{কেন্দ্র|{{larger|'''চার'''}}}} {{ফাঁক}}কিন্তু সেই বিশ্বাসঘাতক ছোক্‌রাই কিছুদিন পরে টেট্‌কে আবার ধরিয়ে দিলে। {{ফাঁক}}‘আদালতে তার বিচার হ’ল। বিচারক গম্ভীর ভাবে বললেন,<noinclude>{{c|{{smaller|৮৬}}}}</noinclude> deb2ptfc2nsh4rhs16yhtskgxwlycro পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/২২ 104 882316 1991226 1987236 2026-07-30T16:25:17Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991226 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|১০|ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌}}</noinclude>ফলে তিনি জার্মানী হইতে বিতাড়িত হন। প্রথমতঃ তিনি ফ্রান্সে আসিয়া আশ্রয় লাভ করেন; পরে সেখান হইতেও বিতাড়িত হইয়া ইংলণ্ডে গিয়া অবশিষ্ট জীবন যাপন করেন। ১৮৮৩ খৃষ্টাব্দে মার্কস্ ইংলণ্ডে দেহত্যাগ করেন। আশ্চর্য্যের বিষয়, মার্কস্ জাতিতে জার্মান হইলেও এবং ফ্রান্স ও ইংলণ্ডের সহায়তায় এই বিপ্লবমূলক নবসাম্যবাদ প্রচারিত হইলেও, জার্মানী, ইংলণ্ড বা ফ্রান্স কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁহার প্রচারিত মতবাদ গ্রহণ করে নাই; বরং ইহার বিরোধিতাই করিয়া আসিতেছে। পক্ষান্তরে রাশিয়ার হ্যায় স্বেচ্ছাতান্ত্রিক দেশ এই মতবাদ শুধু যে নিজেরাই গ্রহণ করিয়াছে তাহা নয়, দিকে দিকে ইহার বাণীও প্রচার করিয়া ফিরিতেছে। {{ফাঁক}}মার্কস্ ছিলেন একজন সমাজতান্ত্রিক বা Socialist. অন্যান্য সকলের ন্যায় তিনিও ধনতন্ত্রের বিরুদ্ধে লেখনী চালনা করেন। তবে তাঁহার সমাজতন্ত্রের একটু বৈশিষ্ট্য ছিল। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে তিনি তাঁহার মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করিতে প্রয়াস পান। এই জন্যই তাঁহার সমাজতন্ত্রকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র (Scientific Socialism) বলা হয়। {{ফাঁক}}১৮৪৪ খৃষ্টাব্দে মার্কস্ যখন ফ্রান্সে অবস্থান করিতেছিলেন, তখন তাঁহার অন্তরঙ্গ বন্ধু ফ্রেডারিক এঙ্গেল (Frederich Engels) আসিয়া তাঁহার সহিত যোগ দেন। এঙ্গেলও মার্কসের ভাবে অনুপ্রাণিত হইয়া উঠেন। তথন উভয়ে মিলিয়া নিজেদের মতবাদ প্রচার করিবার জন্য গোপনে একটা পার্টি বা দল গঠন করেন, তাহার নাম দেন League of Communists. ইহার কিছু পরেই মার্কস্ প্যারী ত্যাগ করিয়া ইংলণ্ডে যাইতে বাধ্য হন। অতঃপর ১৮৪৮ খ্রীষ্টাব্দে মার্কস ও এঙ্গেলস্ নিজেদের মতবাদের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করিয়া একটা এশতেহার প্রচার করেন, তাহারা নাম দেন “Manifesto of the Communist Party.” সেই হইতেই ‘কমিউনিস্ট’ এবং ‘কমিউনিজম’ কথার প্রচলন হয়।<noinclude></noinclude> i046gnoomgzugxhzlfesbgqmuc5rg3e পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/২৫ 104 882319 1991227 1987239 2026-07-30T16:25:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991227 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|১৩|কমিউনিস্ট এশতেহার}}</noinclude>{{ফাঁক}}সর্ব্বশেষে বিপ্লবের মধ্য দিয়া যে এই পরিবর্ত্তন আনিতে হইবে, তাহা বুঝাইয়া দিয়। এই বলিয়া উপসংহার করা হইয়াছে: {{ফাঁক}}"Working men of all countries, unite"<br/> {{ফাঁক}}অর্থাৎঃ সকল দেশের শ্রমিকদল, সংঘবদ্ধ হও। {{ফাঁক}}এই এশতেহার প্রথমতঃ জার্মান ভাষায় লিখিত হয়, পরে ইউরোপ ও অন্যান্য দেশের বিভিন্ন ভাষায় ইহার অনুবাদ হইয়াছে। {{ফাঁক}}ইংলণ্ডে অবস্থান কালে মার্কসের জীবন খুব অভাব-অনটনের মধ্য দিয়া অতিবাহিত হয়। এই সময়ে এঙ্গেলস্ যথাসাধ্য তাঁহাকে সাহায্য করিয়া ত্যাগ ও বন্ধুত্বের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেন। {{ফাঁক}}১৮৫০ হইতে ১৮৬০——এই দশবৎসর কাল মার্কস্ ইংলণ্ডের বৃটীশ মিউজিয়ম লাইব্রেরীতে বসিয়া নিজের মতবাদ সম্বন্ধে গবেষণা করিতে থাকেন। মার্কসের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ The Capital (Das Kapital) এই নীরব সাধনারই ফল। {{ফাঁক}}১৮৬৪ খৃষ্টাব্দে মার্কন্ International Workers' Association নামক একটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক-সংঘ গঠন করেন। ইহাই পরে First International নামে অভিহিত হয়। এই সম্মেলন বিশেষ কার্য্যকরী হয় নাই। অল্পসংখ্যক প্রতিনিধিই এই সম্মেলনে যোগদান করে। কিন্তু ইহাতেও মার্কস্ নিরুৎসাহ হন নাই; তাঁহার আন্দোলন সমভাবে তিনি চালু রাখেন। {{ফাঁক}}১৮৮৩ খৃষ্টাব্দে ইংলণ্ডে মার্কসের মৃত্যু হয়। কিন্তু ইহাতে তাঁহার আন্দোলনের মৃত্যু হয় না। মার্কসের পর এঙ্গেলস্ এই আন্দোলনের নৈতৃত্বভার গ্রহণ করেন। ১৮৮৯ খৃষ্টাব্দে এঙ্গেলসের উদ্যোগে লণ্ডননগরে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনের অধিবেশন হয়। ইহারই নাম Second International. প্রায় সমস্ত দেশের শ্রমিক-প্রতিনিধিই এই সম্মেলনে যোগদান করে। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য বহুল<noinclude></noinclude> t8i1y2915uf7ylhqwgka4offh5ab9z0 পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৩২ 104 882326 1991228 1988284 2026-07-30T16:25:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991228 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|২০|ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌}}</noinclude><section begin="A" />ইসলাম ও কমিউনিজম্ হইয়াছে, ‘সোভিয়েট ইউনিয়ন’ বা ‘ইউনিয়ন অব্‌ সোভিয়েট সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক্‌স্ (Union of Soviet Socialist Republics). ইহারই নাম ‘ইউ-এস-এস্-আর’ (U.S.S.R.) {{ফাঁক}}আমরা সোভিয়েট রাশিয়া সম্বন্ধে এইবার কিছু বলিব। {{rule|5em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{c|{{xx-larger|সোভিয়েট রাশিয়ার পরিচয়}}}} {{ফাঁক}}সোভিয়েট ইউনিয়ন বা U.S.S.R. কী? {{ফাঁক}}১৯০৫ খৃষ্টাব্দে রাশিয়ার ইতিহাসে ‘সোভিয়েট’ (Soviet) কথাটী সর্ব্ব প্রথম দেখা দেয়। {{ফাঁক}}পাঠক জানেন, রাশিয়া একটা বিরাট দেশ। বহু প্রদেশ ও বহু জাতির দ্বারা এই সাম্রাজ্য গঠিত। ১০৮টা জাতি ও উপজাতি এই বিশাল দেশে বাস করে; তাহাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতা স্বতন্ত্র। ইউরোপ ও এশিয়া—উভয় মহাদেশেই রাশিয়া-সাম্রাজ্যের বিস্তার। রাশিয়ার যে-অংশ ইউরোপে, তাহাকে শ্বেত-রাশিয়া (White Russia) বলা হয়। বর্ণে, শিক্ষার, সভ্যতায়, অর্থসম্পদে ও ক্ষমতায় শ্বেত-রাশিয়ানরাই ছিল অন্যান্য সকলের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। কাজেই ইহা স্বাভাবিক যে, জারতন্ত্রের আমলে এই শ্বেত-রাশিয়ানরা এশিয়াটিক রাশিয়ানদিগকে অত্যন্ত ঘৃণা করিত এবং সর্ব্বতোভাবে তাহাদিগকে দমাইয়া রাখিতে চেষ্টা করিত। ইউক্রেনিয়ান, পোলস্, আজারবাইজান, জর্জিয়ান, অষ্ট্রেলিয়ান, টাকোম্যান, উজবেক, তাজিক, কসাক, খিরগিজ, ল্যাটাভিয়ান, লিথুয়ানিয়ান, ইষ্টোনিয়ান—ইত্যাদি বহু <section end="B" /><noinclude></noinclude> k8ffgajncrx13atbcgtzykjkct7932s পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৫১ 104 882375 1991451 1988325 2026-07-30T16:40:18Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991451 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Avijit Mandal 2000" />{{rh||পঞ্চম পরিচ্ছেদ|৪৩}}</noinclude>দিয়াছিলেন। রাজ্যস্থাপয়িতা বীরের পক্ষে যুদ্ধনৈপুণ্যের পরিচায়ক উপাধি অতি প্রিয় বস্তু। সেজন্য তিনিও সাদরে ঐ নামে আত্মপরিচয় প্রদান করিতেন। এই প্রবাদ সত্য হইলে, খাঁড়েপাথরের নামানুসারে তাঁহার প্রিয় মৃগয়াক্ষেত্রের নাম খাঁড়িপাহাড়ি হওয়া বিচিত্র নহে। ‘পাথর’ শব্দ পাত্র শব্দের অপভ্রংশ। তৎকালে এই সকল পার্ব্বত্য প্রদেশে পাত্র বা পাথর শব্দে বিশেষ সম্মানশালী ব্যক্তি বুঝাই বরাহভূমের অপর তরফ পঞ্চমদারীর সর্দ্দারগণ অদ্যপি ‘পাত্র’ উপাধিতে আত্মপরিচয় প্রদান করিয়া থাকেন। লাল সিংহের সমকালে যিনি পঞ্চসর্দ্দারির অধীশ্বর ছিলেন, তাঁহার নান কিশন পাথর। {{ফাঁক}}মানভূম জেলার অন্তর্গত পাতকুম পরগণার রাজাগণ আপনাদিগকে সূর্য্যবংশীয়— ক্ষত্রিয় বলিয়া পরিচয় দিয়া থাকেন। তাঁহারা বলেন যে, তাঁহাদের পূর্ব্বপুরুষ বিক্রমাদিত্য নামধারী জনৈক বীরপুরুষ পাতকুম রাজবংশের স্থাপয়িতা। প্রবাদ এই যে, বিক্রমাদিত্য পশ্চিম ভারতবর্ষ হইতে আসিয়া বাহুবলে পাতকুম রাজ্য স্থাপন করিয়াছিলেন। পাতকুম রাজবংশে বিক্রমাদিত্য নামধেয় একাধিক রাজা ছিলেন। পাতকুম রাজবংশের জনৈক বিক্রমাদিত্যের সহিত খাঁড়েপাথরের যুদ্ধ হইয়াছিল। দীর্ঘকালব্যাপী যুদ্ধের পর উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি ও সন্ধি সংস্থাপিত হইয়াছিল। অবস্থানুসারে এ প্রকার যুদ্ধঘটনা অসম্ভব নহে। কিন্তু এ সম্বন্ধে আমরা জনশ্রুতি ব্যতীত অন্য কোন বিশ্বাসযোগ্য বিবরণ সংগ্রহ করিতে পারি নাই। {{ফাঁক}}লালসিংহ খ্রীষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ও উনবিংশ<noinclude></noinclude> 632x7mewibuk74bhop9s3vqg8u99gcw পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৩৭ 104 882399 1991229 1988294 2026-07-30T16:25:19Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991229 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|২৫|সোভিয়েট রাশিয়ার পরিচয়}}</noinclude>স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবী। ইহা কোন নূতন কথা নয়, অসঙ্গতও নয়। ইসলামের সনাতন নীতিই এই। প্রত্যেক জাতির ধর্ম্ম, সংস্কার, কৃষ্টি ও শিক্ষাদীক্ষা বিষয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার থাকিবে, অথচ পরস্পরের মধ্যে থাকিবে একটা মৈত্রী ও প্রীতির বন্ধন, ইহাই ইসলামের আদর্শ। সমস্ত গণতন্ত্রের গোড়ার কথাও এই সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় সংখ্যালঘিষ্ঠ সম্প্রদায়কে নিজেদের কুক্ষিগত করিয়া রাখিবে—ইহার নাম স্বরাজ নয়। ‘Live and let live’—তুমিও বাঁচ আমাকেও বাঁচিতে দাও—ইহাই প্রকৃত স্বরাজ। পাকিস্তান এই কথাই বলিয়াছে—এই দাবীই করিয়াছে। মুসলমান, শিখ, খৃষ্টান, পারিয়া ও অন্যান্য অনুন্নত সমাজ যদি তাহাদের স্বাতন্ত্র্য ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার দাবী করে, তবে অন্যায় কোথায় হয়? {{ফাঁক}}অনেকে বলিবেন: ভারতের অখণ্ডতা ইহাতে নষ্ট হয়। ভারতবর্ষ অবিচ্ছিন্নভাবে এক এবং অথণ্ড— পাকিস্তান এই অথগুহার বিরোধী; কাজেই ইহা সমর্থনযোগ্য নয়। এই অখণ্ডতার যুক্তি আদৌ বিচারসহ নয়। ভারত কোনদিন অখণ্ড ছিলনা এবং এখনও নাই। বিভিন্ন জাতি এখানে বিশিষ্ট রূপ লইয়া দাড়াইয়। আছে। তাহাদের সেই স্বাতন্ত্র্যকে কে অস্বীকার করিবে? যাহারা ‘অখণ্ড’ দেশের পূজারী, তাহারা দেশের অর্থে দেশের মৃণ্ময়ী মূর্ত্তিকে বুঝেন—দেশের মানুষকে নয়। দেশের মানুষই যদি স্বাধীনতার সুখ না পাইল, তবে ‘অখণ্ড’ দেশ দিয়া আমাদের কী হইবে? {{ফাঁক}}রাশিয়াতে যখন বলশেভিজম্ প্রচারিত হয় এবং বলশেভিক পার্টী যখন রাশিয়ার বিভিন্ন জাতিকে স্বরাষ্ট্র সহ আত্ম-নিয়ন্ত্রণের অধিকার দান করিবার সর্তে সকলকে একত্রিত করিয়া জারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান আনিতে চায়, তখনও এই অখণ্ডতার যুক্তি দেখাইয়াই বিরোধীপক্ষ সকলকে নিরস্ত করিবার প্রয়াস পাইয়াছিলেন। কিন্তু দূরদর্শী লেনিন<noinclude></noinclude> tbgk7nlnfl9erjry17gpwbak5frpic8 পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭৪ 104 882501 1991452 1988516 2026-07-30T16:40:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991452 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{center|লাল সিংহ। }}</noinclude>(ভূঁইয়া) অর্থাৎ ‘কৃষিযোগ্য স্থান প্রস্তুতকারী’ আখ্যা প্রাপ্ত হইল।” {{ফাঁক}}এই মুণ্ডা জাতির বিবরণ এবং তাহাদের রাজ্যশাসন প্রণালী ও তৎসংক্রান্ত নিয়মাবলী পর্যালোচনা করিলে, অনেক বিস্ময়কর প্রথা লোকলোচনের পথবর্ত্তী হইয়া থাকে। আমরা পূর্ব্বে বলিয়াছি যে ক্ষুদ্র ভূস্বামীগণ তরফ সর্দ্দারকে সামান্য নির্দ্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিয়া থাকে। হিউয়েট সাহেব প্রমুখ মুণ্ডারিপ্রথাভিজ্ঞ ব্যক্তিগণের মতে তাহা প্রকৃতপক্ষে কর নহে। তরফ সর্দ্দার প্রকৃতপক্ষে আদিম উপনিবেশ স্থাপনকালে রাজা ছিলেন। তাঁহার রাজ্যশাসন সংক্রান্ত আবশ্যকীয় ব্যয়ভার বহন করা প্রকৃতিপুঞ্জ কর্ত্তব্য বলিয়া বিবেচনা করিত। এবং সেই ব্যয়ভার নির্ব্বাহ জন্য এই কর প্রদত্ত হইত। ইহা প্রকৃতপক্ষে ভূমির কর নহে। পরন্তু যদি কখন রাজ্যশাসনজন্য অধিক অর্থের প্রয়োজন হইত, তাহা হইলে তরফসর্দ্দার অধীনস্থ সদিয়াল, গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদারগণকে দরবারে আহ্বান করিতেন। সেই দরবারে সাধারণের মতামত লইয়া যে প্রকার অবধারিত হইত, প্রত্যেককে তদনুসারে কার্য্যানুবর্ত্তী হইতে হইত। হিডয়েট সাহেব তাঁহার রিপোর্টের একস্থানে লিখিয়াছেন,— {{ফাঁক}}“When the income received by the Taraf-Sarder from the tenure-holders and from his own lands was considered according to Mundari ideas, and if the total contribution given by the Mankis did not suffice for State-expenses, he would have called upon them to pay more, and they would have<noinclude></noinclude> d7b8qt2up0ivtzkyjveaq4w199iy0qs পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১১৮ 104 882597 1991453 1988742 2026-07-30T16:40:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991453 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rh|১১০|লাল সিংহ।|}}</noinclude>করিবার জন্য পুলিশের প্রতি আদেশ প্রদত্ত হইয়াছিল। সুতরাং তাঁহার পূর্ব্বকৃত কার্য্যের জন্য ইংরাজ সরকার ক্ষমা প্রদর্শন না করিলে শান্তিসংস্থাপনকার্য্যে তাঁহার সাহায্য গ্রহণ করা সম্ভাবিত ছিল না। পরন্তু বরাহভূমের সামান্য কৃষক হইতে প্রধানতম ব্যক্তি পর্য্যন্ত রাজ-পরিবারের বিবাদে লিপ্ত থাকিয়া, অল্পাধিক আইনের মর্য্যাদা লঙ্ঘন করিয়াছিলেন। এক এক পক্ষাবলম্বন করিয়া তাঁহারা যে সকল কার্য্য করিয়াছিলেন, তাহার অধিকাংশ‍ই আইন অনুসারে দণ্ডনীয় ছিল। তাহাদের সকলকে দণ্ড দান করিয়া আইনের মর্য্যাদা রক্ষা করিতে হইলে, দেশে শান্তি স্থাপনের আশা সুদূরপরাহত হইয়া উঠিত। সুতরাং বর্তমান ক্ষেত্রে দণ্ডনীতির অনুসরণ করা রাজপুরুষগণ সমীচীন বলিয়া মনে করিলেন না। বাস্তবিক, দেশব্যাপী অশান্তির সময়ে প্রজাবর্গের অনুষ্ঠিত যাবতীয় কার্য্যের জন্য আইনের আশ্রয়ে প্রত্যেক অপরাধীকে দণ্ডিত করিবার চেষ্টা করিলে, শান্তিস্থাপন বিশেষ কষ্টসাধ্য হইয়া উঠে। বিশেষতঃ এই দেশবাসীগণ ইতিপূর্ব্বে কখন নির্দ্দিষ্ট রাজ-শক্তির অধীন হয় নাই। আইনের দৃঢ় রজ্জু দ্বারা তাহাদিগকে বন্ধন করিতে হইলে তাহাদিগকে পূর্ব্বাচরিত কার্য্যের জন্য মার্জ্জনা করা ষ্ট্রাচি সাহেব সঙ্গত বলিয়া মনে করিলেন। এই সকল অবস্থা বিশেষভাবে পর্য্যালোচনা করিয়া ষ্ট্রাচি সাহেব লাটদরবারে মন্তব্য প্রেরণ করিলেন যে,— {{ফাঁক}}“Independent of the number of persons concerned other obstacles exist which render it, I conceive, not advisable to proceed against the Choars of Burrabhum according to regular course of Law.” {{nop}}<noinclude></noinclude> t907tz1ye1gkdoeiq25h1fgqizaeai1 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৪).pdf/৮ 104 882613 1991457 1988757 2026-07-30T16:40:53Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991457 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|প্রতিষ্ঠাতা : ৺প্রকাশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} {{dhr}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{smaller|প্রকাশক}} {{larger|শ্রীঅমলকুমার চট্টোপাধ্যায়}} {{smaller|শরৎ-স্মৃতি-মন্দির : ২৪ অশ্বিনী দত্ত রোড : কলিকাতা-২৯}}}}}} {{dhr|15em}} {{কেন্দ্র|{{larger|'''আট টাকা'''}}}} {{dhr|15em}} {{কেন্দ্র|<poem>কলিকাতা ওরিয়েণ্টাল প্রেস লিমিটেড, ৯, পঞ্চানন ঘোষ লেন, কলিকাতা-৯, হইতে শ্রীগেশচন্দ্র সরখেল কর্ত্তৃক মুদ্রিত।</poem>}}<noinclude></noinclude> fryv4xixy1sb6pvhpzqem0370mxjb0b পাতা:শঙ্করদেব - উমেশচন্দ্র দেব (১৯২০).pdf/১ 104 882644 1991454 1988826 2026-07-30T16:40:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991454 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" /></noinclude>{{dhr|2em}} {{c|{{xxxx-larger|শঙ্করদেব}}}} {{dhr|2em}} {{c|<poem>(আসামে মহাপুরুষীয় বৈষ্ণব ধর্ম্মের প্রবর্ত্তক {{larger|মহাত্মা শঙ্করদেবের জীবনচরিত}}) </poem>}} {{dhr|3em}} {{Custom rule|sp|40|do|7|fcw|22|do|7|sp|40}} {{dhr|3em}} {{c|{{larger|উমেশচন্দ্র দেব প্রণীত}}}} {{dhr|2em}} {{c|ও}} {{dhr|2em}} {{c|{{larger|তৎকর্ত্তৃক}}}} {{dhr}} {{c|(১৪৭ নং বারাণসী ঘোষ ষ্ট্রীট্, কলিকাতা)}} {{dhr}} {{c|{{larger|বঙ্গদেশীয় কায়স্থ সভা হইতে প্রকাশিত।}}}} {{dhr|2em}} {{Block right|মূল্য।৹}}<noinclude></noinclude> 0adehqm82ezt902jbi188t86mu4dcpi পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২৬ 104 882685 1991550 1989146 2026-07-31T03:48:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991550 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বাহ্য-বন্ধু বা গুপ্ত-শত্রু।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem>ক্ষীণ বন্য-লতা এক, অতি ক্ষুদ্র-কায়, বিশাল বটের তলে, ভূমিতে লুটায়; বট বলে, “ছায়াময় বাহু প্রসারিয়া, আশ্রয় দিয়েছি তোমা, করুণা করিয়া; নতুবা তপন-তাপে শুষ্ক হ’ত দেহ;” লতা বলে, “ফিরে লহ অযাচিত স্নেহ; তোমার করুণা মোর হইয়াছে কাল, রৌদ্র বিনা হ’য়ে আছি বিশীর্ণ, কঙ্কাল।”</poem> }} {{dhr}} {{rule|6em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১২}}</noinclude> 4r0hf7u8jy1b86p7mt57ei66m5npteu পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২৯ 104 882690 1991551 1989149 2026-07-31T03:48:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991551 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|হিংসার ফল।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> পাখীরা আকাশে উড়ে, দেখিয়া, হিংসায়, পিপীলিকা, বিধাতার কাছে পাখা চায়; বিধাতা দিলেন পাখা; দেখ তার ফল,— আগুনে পুড়িয়া মরে পিপীলিকা-দল। মানবের গীত শুনি’, হিংসা উপজিল, মশক, বিধির কাছে সুকণ্ঠ মাগিল; গীত-শক্তি দিল বিধি; দেখ তার ফল,— নর-করাঘাতে মরে মশক সকল।</poem> }} {{dhr}} {{rule|6em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৫}}</noinclude> cw6py2opqds8hqhvefqdimgtpv90nai পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/১৭ 104 882691 1991542 1989137 2026-07-31T03:48:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991542 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|একতা।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> বর্ণমালা কহে, “দেখ, সীসের অক্ষরে, আমাদের রে’খে দেয় ভিন্ন ভিন্ন ঘরে। শব্দের আকারে যবে মোদের সাজায়, অর্থযুক্ত হই ব’লে শক্তি বে’ড়ে যায়; বহু শব্দযোগে, ধরি বাক্যের আকার, . আরো বৃদ্ধি পায় শক্তি, সন্দেহ কি তার? বাক্যে বাক্যে যোগ করি’ সাজায় যখন, গ্রন্থরূপে কত জ্ঞান করি বিতরণ।”</poem> }} {{dhr}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> 3tuiopb6x7pz7kwxr32zbx5fl4g6l0h পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/১৮ 104 882692 1991543 1989138 2026-07-31T03:48:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991543 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|পরোপকার।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল; গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান, কাষ্ঠ, দগ্ধ হয়ে, করে পরে অন্নদান; স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত; শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরে, সাধুর ঐশ্বর্য্য সুধু পরহিত-তরে।</poem> }} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৪}}</noinclude> icsoffmqidu4r80eui7omo38fwi9onn পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২০ 104 882694 1991544 1989140 2026-07-31T03:48:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991544 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বিহ্বলতা।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> তুফানে পড়িয়া মাঝি হাল যদি ছাড়ে, তা’র কাছে নদীর তরঙ্গ আরো বাড়ে; নিরাশ হইয়া রোগী ঔষধ না খায়, দিনে দিনে রোগ তার আরো বৃদ্ধি পায়; সভাস্থলে, ভীত হ’লে দেখি’ গুণি-গণ, বক্তার হয় না কভু বাক্য-নিঃসরণ; গিরিশিরে উ’ঠে, যদি ভয়ে মাথা ঘোরে, নিশ্চয় শিখর হ’তে নীচে যাবে প’ড়ে। </poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৬}}</noinclude> keczhjex4a7snttq6vx0hp0m0z6wusu পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২১ 104 882695 1991545 1989141 2026-07-31T03:48:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991545 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অসারতা।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> আঘাত করিলে কাংস্যে, যত শব্দ হয়, স্বর্ণে তার শতাংশের একাংশও নয়; প্রচুর পল্লব পত্র যে বৃক্ষে জনমে, বিধির বিধানে তার ফল যায় ক’মে; মেদ, মাংস বে’ড়ে, যার দেহ স্থূল হয়, শ্রমসাধ্য কর্ম্মে তার ধ্রুব পরাজয়; বাহিরে দেখিবে যার বৃথা আড়ম্বর, অন্তঃসার শূন্য সেই গুণ-হীন নর।</poem> }} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৭}}</noinclude> 1ukin83oe9mt2wlqt093u7sw13d5qbh পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২২ 104 882696 1991546 1989142 2026-07-31T03:48:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991546 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|সাধুপ্রকৃতি।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> যত জল শু’ষে লয় প্রখর তপন, প্রতিবিন্দু বৃষ্টিরূপে করে প্রত্যর্পণ; বায়ু, তেজঃ, ক্ষিতি হ’তে বৃক্ষ যাহা পায়, ফল-পত্র-কাণ্ডরূপে ফি’রি দিয়ে যায়; গাভী যে তৃণটী খায়, করে জল পান, তার সার, দুগ্ধরূপে করে প্রতিদান; পরদ্রব্য সাধু যদি করেন গ্রহণ, জীবের মঙ্গল হেতু করেন অর্পণ।</poem> }} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৮}}</noinclude> 058znqc4hh4o14h7igfrmdxbhdiwwn3 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২৩ 104 882697 1991547 1989143 2026-07-31T03:48:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991547 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বৃথাদর্প।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> নর কহে, “ধূলিকণা, তোর জন্ম মিছে, চিরকাল প’ড়ে র’লি চরণের নীচে;” ধূলিকণা কহে, “ভাই, কেন কর ঘৃণা? তোমার দেহের আমি পরিণাম কি না?” মেঘ বলে, “সিন্ধু, তব জনম বিফল, পিপাসায় দিতে নার এক বিন্দু জল;” সিন্ধু কহে, “পিতৃনিন্দা কর কোন্ মুখে? তুমিও অপেয় হবে পড়িলে এ বুকে।”</poem> }} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৯}}</noinclude> 2v4iuq8unawriul0smwdxwaivk9sbxo পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২৪ 104 882705 1991548 1989144 2026-07-31T03:48:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991548 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|উপযুক্ত মাত্রা।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> বায়ু কহে, “দীপ, তব আমিই সম্বল;” দীপ বলে, “যতক্ষণ না হও প্রবল।” বৃষ্টি বলে, “শস্য, আমি তোমার সহায়;” শস্য বলে, “অতিরিক্ত হ’লে, প্রাণ যায়।” বংশী কহে, “কর্ণ, তোমা পরিতৃপ্ত করি;” কর্ণ কহে, “অতি তীক্ষ্ণ-স্বরে, প্রাণে মরি।” বিষ কহে, “রোগি, আমি তোমার ঔষধি;” রোগী কহে, “উচিত মাত্রায় রহ যদি।” </poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১০}}</noinclude> 83ctzs0talfexo4xiazrogh899mlhwm পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/২৫ 104 882706 1991549 1989145 2026-07-31T03:48:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991549 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|চিত্রিত মানব।}}}} {{dhr}} {{block center|<poem> অর্থ আছে, কপর্দ্দক নাহি করে ব্যয়; বিদ্যা আছে, কা’রো সনে কথা নাহি কয়; বুদ্ধি আছে, ব’সে থাকে কাজ নাহি করে; রূপ আছে, বদ্ধ থাকে গৃহের ভিতরে; শক্তি আছে, নাহি করে পর-উপকার, তেজঃ আছে, দাঁড়াইয়া দেখে অবিচার; সে নর চিত্রিত এক ছবির মতন,— গতি নাই, বাক্য নাই, জড়, অচেতন।</poem> }} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১১}}</noinclude> dp5p2m31mug8nozwp0nj5uap827ieq2 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৭ 104 882712 1991541 1988934 2026-07-31T03:48:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991541 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|নিবেদন।}}}} {{ফাঁক}}গল্পচ্ছলে ও সরল ভাষায় বালক-বালিকাগণকে নীতি-শিক্ষা দিবার উদ্দেশ্যে “অমৃত” প্রকাশিত হইল। কবিতাগুলি যাহাতে যুগপৎ শিক্ষাপ্রদ ও হৃদয়গ্রাহী হয়, তাহার জন্য চেষ্টা করিয়াছি। কতদূর সফলকাম হইয়াছি, বলিতে পারি না। {{ফাঁক}}‘অষ্টপদী’ নামে ইহার কয়েকটী কবিতা ইতঃপূর্ব্বে ‘দেবালয়’ নামক মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হইয়াছিল। {{ফাঁক}}পুস্তকের নাম দেখিয়া সাধারণে চমকিত না হন, এ জন্য দু’একটী কথা বলা আবশ্যক। যে সকল নীতিবাক্য সার্ব্বজনীন, ও সার্ব্বকালিক, যাহা জাতি বা সম্প্রদায়বিশেষের নিজস্ব নহে, যাহা অমরসতারূপে চিরদিন মানবসমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ করিয়াছে ও অনন্তকাল করিবে, এই নীতি কবিতাগুলিতে সেই সকল সত্যের অবতারণা করা হইয়াছে বলিয়া গ্রন্থের নাম “অমৃত” রাখা হইল; অমৃতের<noinclude></noinclude> irgh4mqie4qv2g0z32udo4f89r66l3p পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৮ 104 882713 1991192 1988936 2026-07-30T16:18:22Z Bodhisattwa 2549 1991192 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|নিবেদন।।}}</noinclude>ন্যায় স্বাদু হইয়াছে, এরূপ অর্থ করিলে সঙ্গত অর্থ করা হইবে না। {{ফাঁক}}কয়েকটী সুপরিচিত সংস্কৃত নীতি-শ্লোক ও বাঙ্গালা ইংরাজী গল্প হইতে তিন চারিটী কবিতার ভাব গ্রহণ করিয়াছি; কর্ত্তব্য বিবেচনায় ইহার উল্লেখ করিলাম। {{ফাঁক}}কবিতাগুলির পরিচ্ছদ যতই জীর্ণ ও মলিন হউক, প্রিয়-সুহৃদ্‌ শ্রীযুক্ত দীনেশচন্দ্র সেন ও শ্রদ্ধাভাজন শ্রীযুক্ত রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, বঙ্গ-সাহিত্যনায়কদ্বয়ের করুণা-কিরীটি ভূষিত হইয়া উহারা মহিমা ও গৌরবে উজ্জ্বল হইয়াছে। আমি এজন্য তাঁহাদিগের নিকট বিশিষ্টভাবে কৃতজ্ঞ। {{ফাঁক}}পরিশেষে নিবেদন, পুস্তকখানি যাহাতে স্কুলপাঠ্য হইতে পারে, তৎপ্রতি লক্ষ্য রাখিয়াছি। {{dhr}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>{{smaller|মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।}}</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center>বিনয়াবনত<br/> {{larger|গ্রন্থকার।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> gpu9sinsmo6e6hy9dnvilr0epkya7rg 1991203 1991192 2026-07-30T16:21:16Z Bodhisattwa 2549 1991203 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|নিবেদন।।}}</noinclude>ন্যায় স্বাদু হইয়াছে, এরূপ অর্থ করিলে সঙ্গত অর্থ করা হইবে না। {{ফাঁক}}কয়েকটী সুপরিচিত সংস্কৃত নীতি-শ্লোক ও বাঙ্গালা ইংরাজী গল্প হইতে তিন চারিটী কবিতার ভাব গ্রহণ করিয়াছি; কর্ত্তব্য বিবেচনায় ইহার উল্লেখ করিলাম। {{ফাঁক}}কবিতাগুলির পরিচ্ছদ যতই জীর্ণ ও মলিন হউক, প্রিয়-সুহৃদ্‌ শ্রীযুক্ত দীনেশচন্দ্র সেন ও শ্রদ্ধাভাজন শ্রীযুক্ত রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, বঙ্গ-সাহিত্যনায়কদ্বয়ের করুণা-কিরীটি ভূষিত হইয়া উহারা মহিমা ও গৌরবে উজ্জ্বল হইয়াছে। আমি এজন্য তাঁহাদিগের নিকট বিশিষ্টভাবে কৃতজ্ঞ। {{ফাঁক}}পরিশেষে নিবেদন, পুস্তকখানি যাহাতে স্কুলপাঠ্য হইতে পারে, তৎপ্রতি লক্ষ্য রাখিয়াছি। {{dhr}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|বিনয়াবনত {{larger|গ্রন্থকার।}}}}{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> 4wma73p3ul4qjxaemzpgfcbe3ddiexd 1991238 1991203 2026-07-30T16:25:55Z Bodhisattwa 2549 1991238 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|নিবেদন।}}</noinclude>ন্যায় স্বাদু হইয়াছে, এরূপ অর্থ করিলে সঙ্গত অর্থ করা হইবে না। {{ফাঁক}}কয়েকটী সুপরিচিত সংস্কৃত নীতি-শ্লোক ও বাঙ্গালা ইংরাজী গল্প হইতে তিন চারিটী কবিতার ভাব গ্রহণ করিয়াছি; কর্ত্তব্য বিবেচনায় ইহার উল্লেখ করিলাম। {{ফাঁক}}কবিতাগুলির পরিচ্ছদ যতই জীর্ণ ও মলিন হউক, প্রিয়-সুহৃদ্‌ শ্রীযুক্ত দীনেশচন্দ্র সেন ও শ্রদ্ধাভাজন শ্রীযুক্ত রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, বঙ্গ-সাহিত্যনায়কদ্বয়ের করুণা-কিরীটি ভূষিত হইয়া উহারা মহিমা ও গৌরবে উজ্জ্বল হইয়াছে। আমি এজন্য তাঁহাদিগের নিকট বিশিষ্টভাবে কৃতজ্ঞ। {{ফাঁক}}পরিশেষে নিবেদন, পুস্তকখানি যাহাতে স্কুলপাঠ্য হইতে পারে, তৎপ্রতি লক্ষ্য রাখিয়াছি। {{dhr}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|বিনয়াবনত {{larger|গ্রন্থকার।}}}}{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> kjlcjy5ifnp934xx5e9wjmk71jewadj পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/১০ 104 882715 1991193 1988939 2026-07-30T16:18:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991193 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|নিবেদন।}}</noinclude>অনুগ্রহের নিমিত্ত, আমি তাঁহাদের নিকট যে ঋণ-পাশে বদ্ধ রহিলাম, তাহা আমার এ জীবনে পরিশোধ করিবার উপায় নাই। {{ফাঁক}}পরিশেষে নিবেদন, ভগবানের কৃপায় যদি অমৃতের আর এক সংস্করণ দেখিয়া যাইতে পারি, তবে অমৃতে আরও নীতি-কবিতা যোগ করিয়া উহাকে পুষ্ট করিবার সাধ রহিল; মূল ভগবানের ইচ্ছা। ইতি {{bar|2}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>{{smaller|মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতাল,<br/>কটেজ নং ১২।<br/>কলিকাতা, আষাঢ়, ১৩১৭।}}</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center>বিনয়াবনত<br/>{{larger|গ্রন্থকার।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> nqu2xx5qx3f6jiaype8mm63azxeydmy 1991200 1991193 2026-07-30T16:20:05Z Bodhisattwa 2549 1991200 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|নিবেদন।}}</noinclude>অনুগ্রহের নিমিত্ত, আমি তাঁহাদের নিকট যে ঋণ-পাশে বদ্ধ রহিলাম, তাহা আমার এ জীবনে পরিশোধ করিবার উপায় নাই। {{ফাঁক}}পরিশেষে নিবেদন, ভগবানের কৃপায় যদি অমৃতের আর এক সংস্করণ দেখিয়া যাইতে পারি, তবে অমৃতে আরও নীতি-কবিতা যোগ করিয়া উহাকে পুষ্ট করিবার সাধ রহিল; মূল ভগবানের ইচ্ছা। ইতি {{bar|2}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতাল, কটেজ নং ১২। কলিকাতা, আষাঢ়, ১৩১৭।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|বিনয়াবনত<br/> {{larger|গ্রন্থকার।}}}}{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> 0w8hkd4sfpdjdmg2ambeticonv5d3d1 পাতা:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf/৪ 104 882729 1991286 1989080 2026-07-30T16:27:00Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991286 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{dhr|1.5em}} {{কেন্দ্র|<poem>প্রকাশক—শ্রীপ্রিয়রঞ্জন সেন ১ ডোভার লেন, কলিকাতা শ্রীযুক্ত প্রমথ চৌধুরী সংবর্ধনা সমিতির পক্ষে {{dhr|8em}} প্রথম সংস্করণ, ২০শে ভাদ্র, ১৩৪৮ মূল্য ৩॥০ টাকা {{dhr|8em}} মুদ্রাকর—শ্রীপ্রভাতচন্দ্র রায় শ্রীগৌরাঙ্গ প্রেস ৫ চিন্তামণি দাস লেন, কলিকাতা</poem>}}<noinclude></noinclude> ixl0yviakif1dw59g279jbeq4m8gx7y পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৮৩ 104 882737 1991230 1989218 2026-07-30T16:25:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991230 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|৭১|ইসলামের আলোকে কমিউনিজ্‌ম্‌}}</noinclude>{{ফাঁক}}'''(১৩) অন্যান্য বিষয়েঃ—'''কমিউনিজমের অন্যান্য ধারণাও ইসলাম হইতে ধার করা। প্রত্যেক কমিউনিস্ট কে ‘কম্‌রেড’ (Comrade) বলা হয়। এই ‘কমরেড’ কথাটাও ইসলামী কায়দা-মাফিক। ‘কমরেডের’ অর্থ সহচর বা সহকর্মী। হজরত মোহাম্মদের সমসাময়িক শিষ্যদিগকেও সহচর নামেই অভিহিত করা হইত। আরবী ভাষায় এই সহচর বা সহকর্মীর পরিভাষাই হইল ‘সাহাবী’। সাহাবী শব্দটী সমতা বা ভ্রাতৃত্ব-বোধক। স্বয়ং হজরত মোহাম্মদকেও আল্লাহ তালা অ্যান্য মুসলমানদের ‘সাহাবী’ বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেনঃ— {{blockquote|{{larger|“মাদাল্লাহ সাহাবোকুম ওয়া না গাওয়া”}}}} {{ফাঁক}}অর্থাৎঃ—তোমাদের সাহাবী (বন্ধু) মোহাম্মদ কখনও ভুল করেন না অথবা ব্যর্থ হন না।—(কোরান, ৫৩ : ২) {{ফাঁক}}বলশেভিকদিগের জাগরণ-মন্ত্রে ও ইসলামের ছাপ পড়িয়াছে! বলশেভিক দিগের বাণী হইতেছে: “World comrades, arise!” অর্থাৎঃ “বিশ্ব-কমরেড, জাগো!” এই ‘জাগো’ (arise) কথাটা—কোরানের। এটী কর্ম্মে উদ্বুদ্ধ করিবারই বাণী। আল্লাহ্তালা ঠিক এই কথাটী বলিয়াই হজরত মোহাম্মদের কর্মজীবনকে জাগাইয়া দিয়াছিলেন:— {{blockquote|{{larger|“হে বস্ত্রাচ্ছাদিত, জাগো, এবং সকলকে সতর্ক কর।”}} {{right|— (কোরান, ৭৩ : ১)}}}} {{ফাঁক}}কমিউনিস্টরা কোন-এক বিশেষ দেশে নিজেদের মত প্রতিষ্ঠিত করিয়াই সন্তুষ্ট হইতে চায় না—সমস্ত বিশ্বকে তাহারা নিজেদের মতে দীক্ষিত করিতে চায়। “World Communism” অর্থাৎ বিশ্ব-কমিউনিজমই তাহাদের লক্ষ্য। স্বীয় মতকে নিখিল বিশ্বে ছড়াইয়া দিবার এই যে স্বপ্ন—ইহাও ইসলাম হইতে গৃহীত। Pan-Islamই World<noinclude></noinclude> pyr3qn597zlw3afz0g48z5opfa4hshh পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৫ 104 882781 1991567 1989265 2026-07-31T03:48:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991567 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|দ্বাদশ দান।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>অন্নহীনে অন্নদান, বস্ত্র বস্ত্রহীনে, তৃষাতুরে জলদান, ধর্ম্ম ধর্ম্ম-দীনে, মূর্খজনে বিদ্যাদান, বিপন্নে আশ্রয়, রোগীরে ঔষধদান, ভয়ার্ত্তে অভয়, গৃহহীনে গৃহদান, অন্ধেরে নয়ন, পীড়িতে আরোগ্যদান, শোকার্ত্তে সান্ত্বন; স্বার্থ-শূন্য হয় যদি এ দ্বাদশ দান, স্বর্গের দেবতা নহে দাতার সমান।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{c|৩০}}</noinclude> 7bs5kx490jx5og3gvvgsnlplrl8jh5k পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪০ 104 882798 1991562 1989288 2026-07-31T03:48:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991562 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|পরিহাসের প্রতিফল।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>পরিহাস-ভরে, নর কহে, “রে জোনাকি! তিমির-বিনাশে চেষ্টা করিছিস্ নাকি? কি আশ্চর্য্য! ভাগ্যে ওই আলোটুকু আছে, তাই তোরে দেখা যায় অন্ধকার মাঝে; তোর পক্ষে, ক্ষুদ্রজীব, এই তো প্রচুর; তুই কি করিবি কীট, অন্ধকার দূর?” জোনা কী বলিছে, “ভায়া, কিসের বড়াই? তোমার দেহে তো আলো একটুও নাই!”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{কেন্দ্র|২৬}}</noinclude> aglrcyi0249f1oitwiuddvyaxob5yhp পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪১ 104 882799 1991563 1989290 2026-07-31T03:48:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991563 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|উচ্চ নীচ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>উড়িয়া মেঘের দেশে চিল কহে ডাকি’,— “কি কর, চাতক ভায়া, ধূলি-মাঝে থাকি? কোথায় উঠেছি, চেয়ে দেখ একবার, এখানে আসিতে পার সাধ্য কি তোমার?” চাতক কহিছে, “তবু নীচদৃষ্টি তব; সদা ভাব ‘কার কিবা ছোঁ মারিয়া ল’ব।’ মেঘবারি ভিন্ন, অন্য জল নাহি খাই, তাই, আমি নীচে থেকে ঊর্দ্ধমুখে চাই।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২৭}}</noinclude> 89r6dhk7cmrpomzv50sj49x8evkiexf পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪২ 104 882800 1991564 1989292 2026-07-31T03:48:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991564 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|দাম্ভিকের শিক্ষালাভ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সিংহ বলে, “কালোমেঘ, এস দেখি কাছে, যুদ্ধ ক’রে দেখি, কার কত বল আছে! ক্রমাগত দূর থে’কে কর ডাকাডাকি, সম্মুখসমরে, ভায়া, ভয় পাও নাকি?” মেঘ বলে, “মৃত্যু ডে’কে আনিস্ নির্ব্বোধ! আমার শকতি কেবা করে প্রতিরোধ?” অদূরে পড়িল বজ্র, সিংহ মূর্চ্ছা যায়; মূচ্ছার্ভঙ্গে, সভয়ে, মেঘের পানে চায়।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২৮}}</noinclude> nt1zv6y7fsegac6nbw3c8249pghbrvz পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৩ 104 882801 1991565 1989293 2026-07-31T03:48:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991565 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|শিক্ষা ও প্রবৃত্তি।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>আগুন লাগিয়া গেল ব্রাহ্মণের বাড়ী; সর্ব্বস্ব পুড়িয়া যায়, দেখি,’ তাড়াতাড়ি,— প্রবেশিল বিদ্যানিধি নিজপাঠাগারে, যত্নের পাণিনিখানি ছিল একধারে,— বাঁচাইল ব্যাকরণ; গেল আর সব; হেনকালে শুনা গেল ‘হায় হায়’ রব; বিপ্র বলে, “পু’ড়ে গেল বেদান্তের টীকা;” ব্রাহ্মণী কাঁদিছে, “গেল হাঁড়ি, আর সিকা”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২৯}}</noinclude> 8k19c9omsfqw1tcgxhgkut83avjpr29 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৪ 104 882802 1991566 1989296 2026-07-31T03:48:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991566 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|তুলনায় সুখদুঃখ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>বসিয়া নদীর তীরে, চাহি’ নদীপানে, কাঁদিতেছে এক নারী অবসন্ন প্রাণে; পথিক জিজ্ঞাসে তা’রে শোকের কারণ, নারী কহে, “ডু’বে গেছে সন্তান-রতন।” পান্থ বলে, “এক ছেলে গেছে কাঁদ তাই? আমার দুঃখের বার্ত্তা তোমারে শুনাই,— আট পুত্র চারি কন্যা, ডুবেছে এ নীরে; আমারে দেখিয়া, মাগো, বাড়ী যাও ফি’রে।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩০}}</noinclude> fi54ykkbnxd5j6656jkucin7p8t42ui পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৪ 104 882803 1991556 1989297 2026-07-31T03:48:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991556 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|মাতৃস্নেহ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>হুঙ্কারিয়া কহে বজ্র, কঠোর গর্জ্জন, “চূর্ণ করি গিরিকুল, দগ্ধ করি বন; মুহূর্ত্তে সংহার আমি করি জীব-গণে; মম সম শক্তিশালী কে আছে ভুবনে?” শুনিয়া ধরণী, দুখে কহে, “দুষ্ট ছেলে! এত শক্তিগর্ব্ব তুমি কোথা হ’তে পেলে? তুমি অতি উচ্ছৃঙ্খল, দাম্ভিক সন্তান, তথাপি মায়ের বুকে এস, আছে স্থান।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২০}}</noinclude> nv6re9ontegylm0peg3h8beb0k5qmnj পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৫ 104 882804 1991557 1989298 2026-07-31T03:48:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991557 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অদৃষ্টের পরিহাস।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>দীন, বৃদ্ধ পঙ্গু এক ভিক্ষা করি’ খায়, একদিন বিধাতার কাছে অশ্ব চায়। দৈবযোগে এক পান্থ যান সেই পথে, রুগ্ন অশ্বশিশু ল’য়ে পড়েন বিপদে; যুক্তি করি’, সাবধানে বাঁধি’ ল’য়ে তারে, তু’লে দেন বাহক পঙ্গুর পিঠে ঘাড়ে। পঙ্গু বলে, “বিধি মোরে দিল বটে ঘোড়া, উল্টা করিয়া দিল;—কপাল যে পোড়া।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২১}}</noinclude> ln1vguii8zcrc19ztgicmr4hrp17lhi পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩০ 104 882810 1991552 1989308 2026-07-31T03:48:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991552 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|স্বাধীনতার সুখ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>বাবুই পাখীরে ডাকি’, বলিছে চড়াই,— “কুঁ’ড়ে ঘরে থে’কে কর শিল্পের বড়াই; আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা’পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে।” বাবুই হাসিয়া কহে, “সন্দেহ কি তায়? কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়; পাকা হো’ক, তবু ভাই, পরের ও বাসা; নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর, খাসা।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|১৬}}</noinclude> 3nkcsztcwci9b76k1z1lxg3aethf627 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩১ 104 882811 1991553 1989310 2026-07-31T03:48:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991553 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|ক্রোধ ও লোভ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>ক্রোধ বলে, “লোভ ভাই, তুমি বড় খল, তোমার কুহুকে পড়ি’ নিষ্ঠুরের দল, পরের মাথায় করি’ লগুড় প্রহার, পলায়ন করে, সব লু’ঠে নিয়ে তার।” লোভ কহে, “যা” বলিলে করি তা’ স্বীকার, কিন্তু, তুমি পূর্ণরূপে স্কন্ধে চাপ যা’র, সে শুধু অন্যেরে মারি’ ক্ষান্ত নাহি হয়, নিজের মাথায় শেষে প্রহরে নিশ্চয়।” </poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|১৭}} {{left|খ}}</noinclude> spg5eo6lwgptwr3ad9wpxoc44x8niyv পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩২ 104 882812 1991554 1989311 2026-07-31T03:48:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991554 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|কৃতঘ্নতা।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>নৌকা ডু’বে গেল ঝড়ে; দেখি’ তীর হ’তে ভীত, অবসন্ন মাঝি ভে’সে যায় স্রোতে, ঝাঁপায়ে সাহসী যুবা তরঙ্গে পড়িল, অতি কষ্টে বিপন্নেরে উদ্ধার করিল। মাঝি বলে, “প্রাণ দিলে, কি দিব তোমারে? চল, ভৃত্য হ’য়ে র’ব, তোমার দুয়ারে।” রাত্রি-যোগে যুবকের চুরি করি’ সব, মাঝি-ভৃত্য পলাতক; —যুবক নীরব!</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|১৮}}</noinclude> fr143guea7g9ybiafg9luq7sajixhv4 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৩ 104 882813 1991555 1989312 2026-07-31T03:48:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991555 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|দাম্ভিকের পরাজয়।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>গিরি কহে, “সিন্ধু, তব বিশাল শরীর, আমার চরণে কেন লুটাইছ শির? এ অভয়-পদে যদি লয়েছ শরণ, কি প্রার্থনা, কহ আমি করিব পূরণ।” সাগর হাসিয়া কহে, “আমি রত্নাকর, আমার অভাব কিছু নাই, গিরিবর; তব পিতৃ-পিতামহ ডু’বেছে এ নীরে, সেই বার্ত্তা দিতে আমি আসি ঘু’রে ফিরে।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|১৯}}</noinclude> psm1p6f28505zrlmdgockslua2odtq4 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৭ 104 882814 1991559 1989313 2026-07-31T03:48:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991559 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|মনোরাজ্যে জড়ের নিয়ম।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>পাপের টানেতে যদি, কোন(ও) উচ্চমতি, ক্রমে নিম্নদিকে পায় অব্যাহত-গতি, জড় জগতের চির-প্রথা-অনুসারে, অধঃপতনের বেগ ক্রমে তার বাড়ে। একবার নীচে যদি প’ড়ে যায় মন, তারে ক্রমে ঊর্দ্ধে তোলা কঠিন কেমন জড় জগতের চির-প্রসিদ্ধ প্রথায়, ঊর্দ্ধমুখে তার গতি শত বাধা পায়।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২৩}}</noinclude> 1j2ex506wfhz1cbfv3xgn65jxxxjsaa পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৬ 104 882815 1991558 1989314 2026-07-31T03:48:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991558 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|ভাল মন্দ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>এক কূল ভাঙ্গে নদী, অন্য কূল গড়ে; দূষিত বায়ুরে লয় উড়াইয়া ঝড়ে। তীব্র কালকূটে হয় শুদ্ধ রসায়ন, কাক করে কোকিলের সন্তান-পালন। দংশে বটে, মধুচক্র গড়ে মধুকর, বজ্র হানে যদি, বারি ঢালে জলধর। সুখ-দুখ-ভাল-মন্দ-জড়িত সংসার; অবিমিশ্র কিছু নাই সৃষ্ট বিধাতার।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২২}}</noinclude> 7vc6g98fovdf106zxi1q9n58xxttju2 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৮ 104 882816 1991560 1989315 2026-07-31T03:48:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991560 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|আপেক্ষিক তুলনা।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সত্যের সমান বল নাহি ত্রিভুবনে; সৎকার্য্য দানের তুল্য, না হেরি নয়নে। ঈশ-সেবা-সম, নাই চিত্তের শোধক; পরপীড়া তুল্য, নাই সদ্গতি-রোধক। পর-উপকার-সম, পুণ্য নাহি আর; পক্ষপাত-তুল্য, আর নাহি অবিচার। স্বাস্থ্য-হীনতার সম, দুঃখ কিছু নাই; অবাধ্য পুত্রের সম নাহিক বালাই।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২৪}}</noinclude> sg1c65hc6frm7o1y1ij14c9gubnn6f9 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৩৯ 104 882817 1991561 1989316 2026-07-31T03:48:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991561 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অতি পরিচয়ের দোষ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সদা যেই বাস করে চন্দনের বনে, চন্দনেরে সেজন ইন্ধন-তুল্য গণে। যাহার বসতি পূত-ভাগীরথী-তীরে, তা’র কাছে ভেদ নাই কূপ-গঙ্গা নীরে। সুগন্ধি উদ্যানে যেই সদা করে বাস, তার কাছে লোপ পায় পুষ্পের সুবাস। গিরিশোভা নাহি হেরে গিরি-অধিবাসী; অতি-পরিচয়, সম্মানীর মান-নাশী।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|২৫}}</noinclude> 8umdjcwkyjoro7frf5ogw124n1g5089 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৪ 104 882818 1991576 1989317 2026-07-31T03:48:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991576 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|দয়া।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>মাতৃশ্রাদ্ধে নিজহাতে কাঙ্গাল-বিদায় করিছেন মহারাজ, প্রাচীন প্রথায়। লইয়া দু’আনা, আর চাল অর্দ্ধসের, ঘুরিয়া দুখিনী এক আসিয়াছে ফের। দ্বারী ধ’রে ল’য়ে যায় রাজার সম্মুখে, রাজা বলে, “এসেছিস্ ঘু’রে কোন্ মুখে?” দীনা কেঁদে বলে, “পাঁচ শিশু, রুগ্ন স্বামী।” রাজা বলে, “লক্ষ মুদ্রা তোরে দিব আমি।”</poem>}} {{dhr}} {{কেন্দ্র|সমাপ্ত।}}<noinclude>{{C|৪০}}</noinclude> 4rnj54exz8vqsealmy0u0whj0uw4fw5 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৫ 104 882819 1991577 1989318 2026-07-31T03:48:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991577 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|রূপ ও গুণ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>প্রজাপতি বলে, “যূথি, তুই সুধু সাদা, কেমনে বুঝিবি মোর রূপের মর্য্যাদা? নানা বর্ণে মোর পাখা, কেমন রঞ্জিত! রূপ হ’তে বিধি তোরে করেছে বঞ্চিত।” যূথি বলে, “কিন্তু ভাই, রূপ কিছু নয়, গুণের আদর দেখ চিরস্থায়ী হয়। চিরদিন দিয়ে থাকি মধুর সৌরভ; বংশক্রমে আছে মোর গুণের গৌরব!”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪১}} {{left|ঙ}}</noinclude> nip70w7rtq95hcrk6z8fxihjb08hzu6 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৬ 104 882820 1991578 1989319 2026-07-31T03:48:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991578 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|উপযুক্ত কাল।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>শৈশবে সদুপদেশ যাহার না রোচে, জীবনে তাহার কভু মূর্খতা না ঘোচে; চৈত্র মাসে চাষ দিয়া না বোনে বৈশাখে, কবে সেই হৈমন্তিক ধান্য পেয়ে থাকে? সময় ছাড়িয়া দিয়া, ক’রে পণ্ডশ্রম, ফল চাহে, সেও অতি নির্ব্বোধ, অধম; খেয়া তরী চ’লে গেলে, বসে এসে তীরে, কিসে পার হবে, তরী না আসিলে ফিরে?</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪২}}</noinclude> hbbu78k1gstc2akpbqeh7u41291ouo9 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৭ 104 882876 1991579 1989451 2026-07-31T03:48:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991579 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|প্রাণীহিংসা ও পরপীড়া।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সন্ন্যাসীরে দেখি’, এক রাজপুত্র কহে, “আহারের ক্লেশ তব হেরি’ প্রাণ দহে; মৎস্য, মাংস, দধি, দুগ্ধ, খাদ্যের প্রধান; তোমার কপালে কেন শাকান্ন-বিধান?” সন্ন্যাসী বলিছে, “জীবহিংসা নাহি করি, এ কারণ মৎস্য-মাংস-আদি পরিহরি; গোবৎসে বঞ্চিয়া যারা দধি দুগ্ধ খায়, স্বার্থতরে পর-পীড়া তাহারা ঘটায়।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪৩}}</noinclude> rwor6153247xxhdklx120vd1t973qgx পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৮ 104 882877 1991580 1989452 2026-07-31T03:48:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991580 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|কাচের শিশি ও মে’টে সরা।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>শিশি বলে, “মে’টে সরা, তুই শুধু মাটি, নির্ম্মল আমার দেহ, স্বচ্ছ, পরিপাটি; অনাদরে গৃহকোণে ফে’লে রাখে তোরে, আমারে তুলিয়া রাখে কত যত্ন ক’রে!” মেটে সরা কহে, “ভায়া, গর্ব্ব কর দূর, হাত থেকে প’ড়ে গেলে দুজনাই চূর; আরো এক কথা, ভাই, জেনে রে’খ খাঁটি, আমি মাটি, তোমারও বুনিয়াদ মাটি!”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪৪}}</noinclude> 6fgl9fj9qr49taa8c9wmw2eavztt3qm পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৯ 104 882878 1991581 1989453 2026-07-31T03:48:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991581 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|প্রকৃত বন্ধু।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>লেখনী বলিছে, দুখে ডাকি’ ছুরিকারে, “কি দোষ করেছি? তুমি কাট যে আমারে? সহজে দুর্ব্বল আমি তব তুলনায়, সবল দুর্ব্বলে মারে, শোভা নাহি পায়।” ছুরী হে’সে কহে, “ভাই, এ কেমন ভ্রম? জীবের মঙ্গল হেতু তোমার জনম; কার্য্য-উপযোগী করি, কাটিয়া তোমায়, নতুবা জীবন তব বিফলে যে যায়।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪৫}}</noinclude> 31eg6y54z6ne7bbkb276h0q93f8g95x পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৬০ 104 882879 1991582 1989454 2026-07-31T03:48:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991582 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|স্রষ্টার কৌশল।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>গিরিশিরে বৃষ্টি পড়ি’, জন্মায় তুষার, নিদাঘে গলিয়া, জল হয় পুনর্ব্বার; প্রথমে নির্ঝর, পরে বেগবতী নদী, সিন্ধুবক্ষে জলরাশি ঢালে নিরবধি; সিন্ধুবারি বাষ্প হ’য়ে তপনের করে, নির্ম্মাণ করিছে শূন্যে জলধর-স্তরে; সেই মেঘ গিরিশিরে পুনঃ ঢালে জল, ঘুরে ফিরে তাই হয়, বিধির কৌশল।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪৬}}</noinclude> ho3jl6699fu944mz2jh8jjryt00in6d পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৬১ 104 882880 1991583 1989455 2026-07-31T03:48:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991583 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|পরার্থে আত্মত্যাগ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>শির কহে, “ছত্র ভাই, মোর রক্ষা তরে, নিজে দগ্ধ হও তীব্র তপনের করে;” ছত্র বলে, “পর-অর্থে আত্মত্যাগ সম নাহি সুখ এসংসারে, নাহিক ধরম।” চরণ কহিছে দুখে ডাকি’ পাদুকারে, “নিজে ক্ষত হয়ে, বন্ধু, বাঁচাও আমারে; পাদুকা কহিছে, “দেখ, রক্ষিতে তোমায়, নিজে ছিন্ন হই, কিন্তু কি আনন্দ তায়।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৪৭}}</noinclude> 6hvjxl0lb7tx4tmi5r17w83xw6dc58z পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৬২ 104 882881 1991584 1989456 2026-07-31T03:48:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991584 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|করুণাময়।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সংসারের দুঃখ, ব্যথা, বিপদের পাশে, কাহার আদেশে সুখ-শান্তি পরকাশে? তীরে তপ্ত বালি যেন প্রচণ্ড অনল, পাশে বহাইল কেবা প্রবাহ শীতল? সিন্ধুমাঝে দিক্‌হারা নাবিকের তরে, কে রেখেছে ধ্রুবতারা বসায়ে উত্তরে? ভূমিষ্ঠ হবার আগে স্তন্যপ সন্তান, কে করেছে মাতৃস্তনে দুগ্ধের বিধান?</poem>}} {{dhr}} {{কেন্দ্র|সমাপ্ত}}<noinclude>{{C|৪৮}}</noinclude> lsz10ocrk7q4x9gica07odp2ge406u8 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৯ 104 882882 1991571 1989457 2026-07-31T03:48:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991571 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অটল।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>এ সংসার, মায়াজাল করিয়া বিস্তার, সাধুর ঘটা’তে চায় চিত্তের বিকার; সাধু কিন্তু নাহি ভোলে সংসার মায়ায়, প্রকৃত পুণ্যের পথে সোজা চ’লে যায়। মরু যথা, মরীচিকা-মায়া বিস্তারিয়া, দিতে চায় উষ্ট্রের বিভ্রম জন্মাইয়া; উষ্ট্র কিন্তু সে মায়ায় ভোলে না কখন, প্রকৃত জলের দিকে করে সে গমন।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৫}}</noinclude> f39uwtmo4nl4kijbz3y5o679cj74ajm পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫০ 104 882883 1991572 1989458 2026-07-31T03:48:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991572 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|কথার মূল্য।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>নিতান্ত দরিদ্র এক চাষীর নন্দন, উত্তরাধিকার-স্বত্বে পায় বহু ধন; সে সংবাদ নিয়ে এল ব্যবহারজীবী, বলে “চাষী, এত পেলি, আমারে কি দিবি?” চাষী বলে, “অর্দ্ধভাগ দিব সুনিশ্চয়।” গণনায় অর্দ্ধ অংশে কোটি মুদ্রা হয়, সবে বলে, “কি দলিল? কেন দিতে যাস্?” চাষী বলে, “কথা দিয়ে ফেলিয়াছি,—বাস্।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৬}}</noinclude> kkckokm21rl9i9cdll6uyzyotqopwmc পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫১ 104 882885 1991573 1989460 2026-07-31T03:48:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991573 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অসাধুর সঙ্গ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সরল হৃদয় এক সাধু অকপট হেরিয়া, করিল মৈত্রী, এক ধূর্ত্ত শঠ; যুক্তি দিয়া, সাধুরে বিদেশে ল’য়ে যায়, অতিথি হইল এক ধনীর বাসায়। নিশায় করিয়া চুরি সেই দুষ্ট শঠ, বহু অর্থ ল’য়ে দিল গোপনে চম্পট। গৃহস্বামী প্রাতে উঠি,’ সাধুরে ধরিল, চোর বলি’ বাঁধি,’ কত প্রহার করিল।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৭}}</noinclude> 26yu9b6ggp0avgrebbfhr048dav50bg পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫২ 104 882887 1991574 1989463 2026-07-31T03:48:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991574 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|পরিণতি।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>নির্ভীক্, স্বাধীন-চেতা, এক চিত্রকর, আঁকিল শ্মশান-ভূমি, অতি ভয়ঙ্কর; একটী কপাল, আর অস্থি এক খানি, এক স্থানে দেখায়েছে, তুলি দিয়া টানি’; হেরিয়া দেশের রাজা বলে, “চমৎকার! কিন্তু এটা কার অস্থি? কপাল বা কার?” চিত্রকর বলে, “অস্থি মম কুক্কুরের, কপাল, পিতার তব, হে মত্ত কুবের!”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৮}}</noinclude> na7o2q3gf25tz5wy491bekf27vy25dz পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫৩ 104 882890 1991575 1989466 2026-07-31T03:48:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991575 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|ক্ষমা।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>দশবিঘা ভূঁয়ে ছিল আশি মণ ধান, সারা বৎসরের আশা, কৃষকের প্রাণ, খেয়ে গেছে প্রতিবাসী গোয়ালার গরু! ক্ষেতগুলি প’ড়ে আছে, শ্মশান, কি মরু! ক্ষেতের মালিক, আর গরুর মালিক, কেহই ছিল না বাড়ী; চাষা বলে “ঠিক্,— আহার পাইয়া পথে, পরম-সন্তোষ, গরুতো বোঝেনা কিছু, ওদের কি দোষ?”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৯}}</noinclude> q1xrxwzvhb67rzxz6x8hqojnevngw76 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৬ 104 882893 1991568 1989470 2026-07-31T03:48:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991568 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|আশ্রিত-সৎকার।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>সহস্র আশ্রিত-লতা কহে অশ্বত্থেরে, “বড় ব্যথা পাই, তরু, তব কষ্ট হে’রে; আমরা দুর্ব্বল-লতা তব গলগ্রহ, মোদের রক্ষিতে তুমি কি যাতনা সহ! রোদ, বৃষ্টি, ঝড় লও নিজের মাথায়, ব্যথা যেন নাহি লাগে আমাদের গায়।” অশ্বত্থ কহিছে, “এই আশ্রিত-সৎকার, এর সুখে, ক্লেশ-বোধ হয় না আমার।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩২}}</noinclude> kprgk2wcojc7j7tltuqzkx2bzvgzz05 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৭ 104 882895 1991569 1989472 2026-07-31T03:48:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991569 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|উদার প্রতিশোধ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>প্রভু ভৃত্য দুইজনে নৌকা বাহি’ যায়, প্রবল বাতাসে তরী হ’ল মগ্ন-প্রায়; ভার কমাইয়া, তরী রক্ষা করিবারে, ভৃত্যে ফে’লে দিল প্রভু তরঙ্গ-মাঝারে; অমনি ডুবিল নৌকা, প্রভু পড়ে জলে, “ভয় নাই, আমি আছি,” ভৃত্য ডে’কে বলে; সাঁতার না জানে প্রভু, ক্ষুব্ধ মহাত্রাসে, পৃষ্ঠে বহি’, ভৃত্য তারে তীরে নিয়ে আসে।</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৩}}</noinclude> 4mqppgpibe9smenh3fmqdmuuu35cpf6 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৪৮ 104 882896 1991570 1989473 2026-07-31T03:48:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991570 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মীঃ।}}}} {{dhr}} {{Block center|<poem>গঙ্গা-সাগরের স্নানে পুণ্য বাঞ্ছা করি, মহামূল্য হীরকের অলঙ্কার পরি,’ নামিলেন শেঠপত্নী সাগরের জলে, অকস্মাৎ অলঙ্কার প’ড়ে গেল তলে; কাঁদি’ শেঠপত্নী কহে, “তুমি রত্নাকর, ভূষণ ফিরা’য়ে দেহ, করুণাসাগর!” সিন্ধু কহে, “সিন্ধু-পোতে উঠি’ তব স্বামী দূরে যাক্, লক্ষগুণ ফি’রে দিব আমি।”</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude>{{C|৩৪}}</noinclude> 4hwjnk4hu14u3n8nxyaux9z6lxxgmpn পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৬৪ 104 882916 1991204 1989565 2026-07-30T16:21:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991204 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|‘অমৃত’ সম্বন্ধে অভিমত।}}</noinclude>উৎকট রোগের সংবাদে তদীয় সুবৃহৎ বন্ধু-সমাজে গুরুতর আশঙ্কার কারণ উপস্থিত হইয়াছে। আর কি এ সকল অপূর্ব্ব গান তাঁহার কণ্ঠে আমরা শুনিতে পাইব না? রোগশীর্ণ করে এই অমৃতবিন্দু লইয়া তিনি পাঠকের সম্মুখে উপস্থিত হইয়াছেন; আমরা তাঁহাকে এই অবস্থার সাহিত্য সেবায় নিযুক্ত দর্শনে বিস্মিত হইয়া, পুস্তক ভুলিয়া তাঁহারই কথা বলিতেছি। অপ্রাসঙ্গিক হইলেও ইহা স্বাভাবিক। {{ফাঁক}}এই ‘অমৃত’ রবিবাবুর কণিকার আদর্শে রচিত। শুষ্কনীতির পিল শিশুদের গলাধঃকরণ করাইতে যাইয়া কত বেত্র চূর্ণ হইয়া গিয়াছে, কত কোমল পৃষ্ঠ ক্ষত-বিক্ষত হইয়াছে ও কত গুরু-চীৎকারে পাঠশালার জীর্ণ-গৃহ প্রকম্পিত হইয়াছে, তাহার ইয়ত্বা নাই। সেই তিক্ত পিলের পরিবর্ত্তে রজনীকান্ত বালকদের জন্য এই অমৃতের ব্যবস্থা করিয়াছেন; আমরা তাঁহার নিকট এই জন্য ঋণী রহিলাম। ভগবান্ তাঁহার আরোগ্য বিধান করুন। {{dhr}} {| {{ts|wa|mc}} | width=30% |{{কেন্দ্র|<poem>১লা বৈশাখ, ১৩১৭,<br/>১৯, কাঁটাপুকুর লেন,<br/>বাগবাজার, কলিকাতা।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center>{{larger|শ্রীদীনেশচন্দ্র সেন।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude>{{C|৫০}}</noinclude> 2q6kcyymrt1xklb9nhjg7bnkvwyr17k 1991206 1991204 2026-07-30T16:22:03Z Bodhisattwa 2549 1991206 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|‘অমৃত’ সম্বন্ধে অভিমত।}}</noinclude>উৎকট রোগের সংবাদে তদীয় সুবৃহৎ বন্ধু-সমাজে গুরুতর আশঙ্কার কারণ উপস্থিত হইয়াছে। আর কি এ সকল অপূর্ব্ব গান তাঁহার কণ্ঠে আমরা শুনিতে পাইব না? রোগশীর্ণ করে এই অমৃতবিন্দু লইয়া তিনি পাঠকের সম্মুখে উপস্থিত হইয়াছেন; আমরা তাঁহাকে এই অবস্থার সাহিত্য সেবায় নিযুক্ত দর্শনে বিস্মিত হইয়া, পুস্তক ভুলিয়া তাঁহারই কথা বলিতেছি। অপ্রাসঙ্গিক হইলেও ইহা স্বাভাবিক। {{ফাঁক}}এই ‘অমৃত’ রবিবাবুর কণিকার আদর্শে রচিত। শুষ্কনীতির পিল শিশুদের গলাধঃকরণ করাইতে যাইয়া কত বেত্র চূর্ণ হইয়া গিয়াছে, কত কোমল পৃষ্ঠ ক্ষত-বিক্ষত হইয়াছে ও কত গুরু-চীৎকারে পাঠশালার জীর্ণ-গৃহ প্রকম্পিত হইয়াছে, তাহার ইয়ত্বা নাই। সেই তিক্ত পিলের পরিবর্ত্তে রজনীকান্ত বালকদের জন্য এই অমৃতের ব্যবস্থা করিয়াছেন; আমরা তাঁহার নিকট এই জন্য ঋণী রহিলাম। ভগবান্ তাঁহার আরোগ্য বিধান করুন। {{dhr}} {| {{ts|wa|mc}} | width=30% |{{কেন্দ্র|<poem>১লা বৈশাখ, ১৩১৭, ১৯, কাঁটাপুকুর লেন, বাগবাজার, কলিকাতা।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|শ্রীদীনেশচন্দ্র সেন।}}}}{{gap|1em}} |}<noinclude>{{C|৫০}}</noinclude> 44er43isvannozitqx12sgs1ivopym0 পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৬৮ 104 882923 1991207 1989575 2026-07-30T16:22:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991207 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|‘অমৃত’ সম্বন্ধে অভিমত।}}</noinclude>ছন্দোবন্ধ অতি সোজা, অথচ লেখার ভঙ্গী সুমধুর; মনে হয় সাধ করিয়া এমন প্যপুস্তক পুত্রকন্যার হাতে দিই। যাঁহারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক নির্ণয় করেন, তাঁহারা “অমৃতের” আদর করিলে, মনুষ্যত্বের সমাদর করিবেন, বাঙ্গালা সাহিত্যের মর্য্যাদা রাখিবেন, দুঃস্থ সাহিত্যসেবীর অন্নমুষ্টির সংস্থান করিবেন। আমাদের তাই সনির্ব্বন্ধ অনুরোধ যে এই পুস্তকখানি বাঙ্গালার সকল পাঠশালার পাঠ্য পুস্তক বলিয়া নির্ণীত হউক। {{dhr}} {{কেন্দ্র|{{x-larger|বঙ্গবাসী, ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩১৭}}}} {{ফাঁক}}* * * কবিতাগুলি বড় মিষ্ট। আজকাল ছাত্রদিগের যে সব পদ্য পাঠ্য আছে, তাহার আলোচনা করিলে বলিতে হয় ‘অমৃত’ পুস্তকখানি স্কুলের পাঠ্য হওয়া উচিত। {{dhr}} {{কেন্দ্র|{{x-larger|সঞ্জীবনী, ২রা আষাঢ়, ১৩১৭}}}} {{ফাঁক}}‘অমৃত’ কয়েকটী ক্ষুদ্র কবিতার সমষ্টি। প্রত্যেক কবিতা আট লাইনে সম্পূর্ণ। * * * কবিতাগুলির মধ্যে যে সকল চিরন্তন নীতিবাক্য নিহিত রহিয়াছে, তাহা দ্বারা বালক বালিকাদিগের কোমল হৃদয় ও সরল মন শৈশব<noinclude>{{C|৫৪}}</noinclude> lxleu56yw3qzp4jifuwf5k9zadu6f3u পাতা:অমৃত - রজনীকান্ত সেন (১৯১০).pdf/৫ 104 882926 1991189 1989586 2026-07-30T16:16:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991189 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{dhr|1em}} {{কেন্দ্র|জয় জগদীশ।}} {{dhr}} বঙ্গ-সাহিত্য-শরণ, {{কেন্দ্র|{{larger|{{maroon|শ্রীল শ্রীযুক্ত কুমার শরৎকুমার রায় বাহাদুর,}}}}}} {{float right|প্রশান্তোদারচরিতেষু।}} {{dhr|2em}} {{Block center|<poem>নয়নের আগে মোর মৃত্যু-বিভীষিকা; রুগ্ন, ক্ষীণ, অবসন্ন এ প্রাণ-কণিকা। ধূলি হ’তে উঠাইয়া বক্ষে নিলে তারে, কে ক’রেছে তুমি ছাড়া? আর কেবা পারে? কি দিব, কাঙ্গাল আমি? রোগশয্যোপরি, গেঁথেছি এ ক্ষুদ্র মালা, বহু কষ্ট করি’; ধর দীন-উপহার; এই মোর শেষ; কুমার! করুণানিধে! দে’খো, র’ল দেশ।</poem>}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>{{smaller|মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল,<br/>কটেজ ওয়ার্ড।<br/>কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।}}</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center>চিরকৃতজ্ঞ<br/>{{larger|গ্রন্থকার।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> 5fclsg8t6w4zxnczewn3tl0j9nw5dy0 1991190 1991189 2026-07-30T16:17:23Z Bodhisattwa 2549 1991190 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{dhr|1em}} {{কেন্দ্র|জয় জগদীশ।}} {{dhr}} বঙ্গ-সাহিত্য-শরণ, {{কেন্দ্র|{{larger|{{maroon|শ্রীল শ্রীযুক্ত কুমার শরৎকুমার রায় বাহাদুর,}}}}}} {{float right|প্রশান্তোদারচরিতেষু।}} {{dhr|2em}} {{Block center|<poem>নয়নের আগে মোর মৃত্যু-বিভীষিকা; রুগ্ন, ক্ষীণ, অবসন্ন এ প্রাণ-কণিকা। ধূলি হ’তে উঠাইয়া বক্ষে নিলে তারে, কে ক’রেছে তুমি ছাড়া? আর কেবা পারে? কি দিব, কাঙ্গাল আমি? রোগশয্যোপরি, গেঁথেছি এ ক্ষুদ্র মালা, বহু কষ্ট করি’; ধর দীন-উপহার; এই মোর শেষ; কুমার! করুণানিধে! দে’খো, র’ল দেশ।</poem>}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>{{smaller|মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।}}</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center>চিরকৃতজ্ঞ {{larger|গ্রন্থকার।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> 0sd69xpt1ir4vvn2bsigw47z33bl7o1 1991191 1991190 2026-07-30T16:18:20Z Bodhisattwa 2549 1991191 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{dhr|1em}} {{কেন্দ্র|জয় জগদীশ।}} {{dhr}} বঙ্গ-সাহিত্য-শরণ, {{কেন্দ্র|{{larger|{{maroon|শ্রীল শ্রীযুক্ত কুমার শরৎকুমার রায় বাহাদুর,}}}}}} {{float right|প্রশান্তোদারচরিতেষু।}} {{dhr|2em}} {{Block center|<poem>নয়নের আগে মোর মৃত্যু-বিভীষিকা; রুগ্ন, ক্ষীণ, অবসন্ন এ প্রাণ-কণিকা। ধূলি হ’তে উঠাইয়া বক্ষে নিলে তারে, কে ক’রেছে তুমি ছাড়া? আর কেবা পারে? কি দিব, কাঙ্গাল আমি? রোগশয্যোপরি, গেঁথেছি এ ক্ষুদ্র মালা, বহু কষ্ট করি’; ধর দীন-উপহার; এই মোর শেষ; কুমার! করুণানিধে! দে’খো, র’ল দেশ।</poem>}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>{{smaller|মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।}}</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |<center>চিরকৃতজ্ঞ<br/> {{larger|গ্রন্থকার।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> n7cwi4kr7f6hqxnupcl57i2bn0f8z29 1991201 1991191 2026-07-30T16:20:55Z Bodhisattwa 2549 1991201 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{dhr|1em}} {{কেন্দ্র|জয় জগদীশ।}} {{dhr}} বঙ্গ-সাহিত্য-শরণ, {{কেন্দ্র|{{larger|{{maroon|শ্রীল শ্রীযুক্ত কুমার শরৎকুমার রায় বাহাদুর,}}}}}} {{float right|প্রশান্তোদারচরিতেষু।}} {{dhr|2em}} {{Block center|<poem>নয়নের আগে মোর মৃত্যু-বিভীষিকা; রুগ্ন, ক্ষীণ, অবসন্ন এ প্রাণ-কণিকা। ধূলি হ’তে উঠাইয়া বক্ষে নিলে তারে, কে ক’রেছে তুমি ছাড়া? আর কেবা পারে? কি দিব, কাঙ্গাল আমি? রোগশয্যোপরি, গেঁথেছি এ ক্ষুদ্র মালা, বহু কষ্ট করি’; ধর দীন-উপহার; এই মোর শেষ; কুমার! করুণানিধে! দে’খো, র’ল দেশ।</poem>}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|চিরকৃতজ্ঞ<br/> {{larger|গ্রন্থকার।}}</center>{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> ryyb5nxo7jl9cdkduokxlstp5cis80y 1992330 1991201 2026-07-31T05:03:32Z Bodhisattwa 2549 1992330 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{c|অমৃত।}}</noinclude>{{dhr|1em}} {{কেন্দ্র|জয় জগদীশ।}} {{dhr}} বঙ্গ-সাহিত্য-শরণ, {{কেন্দ্র|{{larger|{{maroon|শ্রীল শ্রীযুক্ত কুমার শরৎকুমার রায় বাহাদুর,}}}}}} {{float right|প্রশান্তোদারচরিতেষু।}} {{dhr|2em}} {{Block center|<poem>নয়নের আগে মোর মৃত্যু-বিভীষিকা; রুগ্ন, ক্ষীণ, অবসন্ন এ প্রাণ-কণিকা। ধূলি হ’তে উঠাইয়া বক্ষে নিলে তারে, কে ক’রেছে তুমি ছাড়া? আর কেবা পারে? কি দিব, কাঙ্গাল আমি? রোগশয্যোপরি, গেঁথেছি এ ক্ষুদ্র মালা, বহু কষ্ট করি’; ধর দীন-উপহার; এই মোর শেষ; কুমার! করুণানিধে! দে’খো, র’ল দেশ।</poem>}} {{dhr|2em}} {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কটেজ ওয়ার্ড। কলিকাতা, ১৩১৬ সাল, চৈত্র।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|চিরকৃতজ্ঞ<br/> {{larger|গ্রন্থকার।}}}}{{gap|1em}} |}<noinclude></noinclude> qyee6zsqj5kki51enk9sp5fieknm9g2 পাতা:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf/১২ 104 883055 1991288 1989880 2026-07-30T16:27:01Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991288 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬|গল্পসংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}দেখিলাম মেয়েটিও উদ্বিগ্ন হইয়া উঠিয়াছে—এই বঙ্গসন্তানের প্রতি তাহার স্বামীটিকে চালনা করা ঠিক উপযুক্ত হয় নাই তাহা সে বুঝিতে পারিয়াছিল, কিন্তু শক্তিশেল একবার যখন মারমূর্তি ধরিয়া ছোটে তখন তাহাকে প্রত্যাহার করিবে কে? {{ফাঁক}}আমি দাড়াইয়া রহিলাম। জনপুঙ্গব আমার সম্মুখে আসিয়া গুরুগর্জনে বলিলেন “কি মহাশয়!” ক্রোধে তাহার বাক্যস্ফূর্তি দুরূহ হইয়া পড়িয়াছিল। {{ফাঁক}}আমি গম্ভীর স্থির স্বরে কহিলাম “কেন মহাশয়!” {{ফাঁক}}ইংরাজ কহিল “আপনি যে বলিলেন “দিব্য দেখিতে” তাহার মানে কি?" {{ফাঁক}}আমি তাহার তপ্ত তাম্রবর্ণ মুখের প্রতি শান্ত কটাক্ষপাত করিয়া ঈষৎ হাসিয়া কহিলাম—“তাহার মানে আপনার কুকুরটি দিব্য দেখিতে!” {{ফাঁক}}বন্ধুবর নিকটস্থ তরুকুঞ্জের মধ্য হইতে অট্টহাস্য করিয়া উঠিল। অদূরে উৎস-উচ্ছ্বাসের মত সুমিষ্ট একটি হাস্যকাকলী শুনিতে পাইলাম; আর সেই অকস্মাৎ প্রতিহতারোষ ইংরাজের সুগভীর বক্ষঃকুহর হইতে একটা বিপুল হাস্যধ্বনি সজলগম্ভীর মেঘস্তনিতের মত ভাঙ্গিয়া পড়িল। {{ফাঁক}}দ্বিতীয়বার আর এরূপ ঘটনা ঘটে নাই। {{ফাঁক}}ভারতী: কার্ত্তিক, ১৩০৫ {{rule|5em}}<noinclude></noinclude> 7r230m3wm8w090nnwyyqkhp1fzhbo4a 1992248 1991288 2026-07-31T04:53:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992248 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬|গল্পসংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}দেখিলাম মেয়েটিও উদ্বিগ্ন হইয়া উঠিয়াছে—এই বঙ্গসন্তানের প্রতি তাহার স্বামীটিকে চালনা করা ঠিক উপযুক্ত হয় নাই তাহা সে বুঝিতে পারিয়াছিল, কিন্তু শক্তিশেল একবার যখন মারমূর্তি ধরিয়া ছোটে তখন তাহাকে প্রত্যাহার করিবে কে? {{ফাঁক}}আমি দাড়াইয়া রহিলাম। জনপুঙ্গব আমার সম্মুখে আসিয়া গুরুগর্জনে বলিলেন “কি মহাশয়!” ক্রোধে তাহার বাক্যস্ফূর্তি দুরূহ হইয়া পড়িয়াছিল। {{ফাঁক}}আমি গম্ভীর স্থির স্বরে কহিলাম “কেন মহাশয়!” {{ফাঁক}}ইংরাজ কহিল “আপনি যে বলিলেন “দিব্য দেখিতে” তাহার মানে কি?” {{ফাঁক}}আমি তাহার তপ্ত তাম্রবর্ণ মুখের প্রতি শান্ত কটাক্ষপাত করিয়া ঈষৎ হাসিয়া কহিলাম—“তাহার মানে আপনার কুকুরটি দিব্য দেখিতে!” {{ফাঁক}}বন্ধুবর নিকটস্থ তরুকুঞ্জের মধ্য হইতে অট্টহাস্য করিয়া উঠিল। অদূরে উৎস-উচ্ছ্বাসের মত সুমিষ্ট একটি হাস্যকাকলী শুনিতে পাইলাম; আর সেই অকস্মাৎ প্রতিহতারোষ ইংরাজের সুগভীর বক্ষঃকুহর হইতে একটা বিপুল হাস্যধ্বনি সজলগম্ভীর মেঘস্তনিতের মত ভাঙ্গিয়া পড়িল। {{ফাঁক}}দ্বিতীয়বার আর এরূপ ঘটনা ঘটে নাই। {{ফাঁক}}ভারতী: কার্ত্তিক, ১৩০৫ {{rule|5em}}<noinclude></noinclude> qdqt1f8p1bhp1oymxgwsxx6aw1wbv7l পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪ 104 883058 1991339 1990215 2026-07-30T16:29:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991339 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{dhr|8em}} {{কেন্দ্র|প্রিণ্টার—শ্রীকেশবচন্দ্র চক্রবর্ত্তী, গিরীশ প্রিণ্টিং ওয়ার্কস,}} {{কেন্দ্র|৫২ নং, সুকিয়া ষ্ট্রীট্, কলিকাতা।}} {{dhr|8em}}<noinclude></noinclude> necwlo9zapcyd72imoeonfgjplp9cwb পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২২৯ 104 883068 1991181 1990133 2026-07-30T15:30:37Z Bodhisattwa 2549 1991181 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা শাক্ত-সাহিত্য|২১৩}}</noinclude>{{gap}}রামপ্রসাদেরও এই বৈষ্ণব-ভাষাভঙ্গিতে কালীর বর্ণনা দেখিতে পাই— {{block center|<poem> নব নীল নীরদ তনুরুচি কে? ::ঐ মনোমোহিনী রে। তিমির শশধর, বাল দিনকর, ::সমান চরণে প্রকাশ। কোটিচন্দ্র ঝলকত, শ্রীমুখমণ্ডল, ::নিন্দি সুধামৃত ভাষ॥<ref>ডক্টর শিবপ্রসাদ ভট্টাচার্য, ভারতচন্দ্র ও রামপ্রসাদ (১৩৭ নং পদ)।</ref> </poem>}} {{gap}}অথবা— {{block center|<poem> এলোকেশে, কে শবে, এলো রে বামা। নখর নিকর হিমকরবর, {{gap|2em}}রঞ্জিত ঘন তনু মুখ হিমধামা॥ নব নব সঙ্গিনী, নব রসরঙ্গিণী, {{gap|2em}}হাসত ভাষত নাচত বামা। কুলবালা বাহুবলে, প্রবল দনুজ দলে, {{gap|2em}}ধরাতলে হতরিপু সমা॥<ref>ঐ, (১৪৮ সং পদ)। তুলনীয়— {{block center|কে রে নব-নীল-কমল-কলিকা বলি,<br/>অঙ্গুলি দংশন করিছে অলি,<br/>মুখচন্দ্র চকোরগণ, অধর অর্পণ<br/>{{gap|2em}}করত পূর্ণ শশধর বলি।<br/>ভ্রমর চকোরেতে লাগিল বিবাদ,<br/>এ কহে নীলকমল, ও কহে চাঁদ,<br/>দোঁহে দোঁহ করতহি नाদ,<br/>{{gap|2em}}চিচিকি গুণ গুণ করিয়ে ধ্বনি। ইত্যাদি।<br/>{{float right|2=-3em|—ঐ (১৩৮ সং পদ)।}}}}</ref> </poem>}} {{gap}}অথবা— {{block center|<poem> শঙ্কর পদতলে, মগনা রিপুদলে, ::বিগলিত কুন্তলজাল। বিমল বিধুবর, শ্রীমুখ সুন্দর, ::তনুরুচি বিজিত তরুণ তমাল॥<ref>ঐ (১৫৩ সং পদ)। এই প্রসঙ্গে ১৪২, ১৪৯, ১৫০, ১৫১, ১৫২ পদগুলি দ্রষ্টব্য।</ref> </poem>}} {{gap}}হাতে যে ভয়াল করবাল লইয়া কালী অসুর বিনাশ করিতেছেন তাহাকেও বাঙালী মন রূপান্তরিত করিয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছে। {{block center|ভুবন ভুলালে রে কার কামিনী ঐ রমণী।<br/>বামার করে করাল শোভিছে ভাল করবাল যেন সৌদামিনী॥<ref>মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণ রায়, শা. প. (ক. বি.)।</ref>}} {{nop}}<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> jf4ghne9eqphjd6lbw7fplok1rk59cr পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/১১০ 104 883089 1991231 1990018 2026-07-30T16:25:20Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991231 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|৯৮|ইসলাম ও কমিউনিজ্‌ম্‌}}</noinclude>{{ফাঁক}}বলা বাহুল্য, একমাত্র ইসলামেই আছে এই সাম্য; অন্য কোথাও নাই। {{ফাঁক}}অতএব একথা পরিষ্কার ভাবেই বুঝা যাইতেছে যে, কমিউনিজ্‌মের পরবর্ত্তী সিঁড়িই হইতেছে ইসলামিজম্। জ্ঞাতসারেই হউক, অজ্ঞাত সারেই হউক, কমিউনিজম্ ইসলামের পথেই অগ্রসর হইতেছে। শুধু যে লেনিন বা স্ট্যালিনের হাতেই ইহ। রূপ পাইতেছে, তাহা নহে; ইসলামও অলক্ষ্যে ইহার মধ্যে ঢুকিয়া পড়িয়া ইহার গতিপথকে নিয়ন্ত্রিত করিতেছে। যে ১৬টি রিপাবলিক লইয়া বর্তমান সোভিয়েট রাশিয়া গঠিত, তাহার মধ্যে পাঁচটীই হইতেছে মুসলিম রাষ্ট্র। নবজাগ্রত এই রুশীয় মুসলমানদিগের মধ্যে বহু কবি, লেখক, বৈজ্ঞানিক ও সেনানায়কের আবির্ভাব হইয়াছে। শিল্প ও কৃষিও দ্রুত উন্নতিলাভ করিতেছে। কাজেই আশা করা যায়—ভবিষ্যতে এই সূত্র ধরিয়াই!ইসলাম এক নূতন ভূমিকায় অবতীর্ণ হইবে। রাশিয়া হইতেই ইসলামের নূতন বিশ্বঅভিযান আরম্ভ হইবে, ইহাই আমার বিশ্বাস। “লাইলাহা ইল্লাল্লাহো মোহাম্মাদার রসুলুল্লাহ্” এই মন্ত্রের প্রথমাংশ তাহারা গলাধঃকরণ করিয়া ধীরে ধীরে অগ্রসর হইতেছে; কালে কালে বাকীটুকুও সে গিলিবে এবং তখন তাহার চেহারা বদলাইয়া যাইবে। {{ফাঁক}}রাশিয়ার মুসলমান জাগিয়া উঠিলে ইসলামের সনাতন বাণী “আল্লাহু আকবর” ধ্বনি রাশিয়ার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হইবে—এ আশা আদৌ দুরাশা নয়। সেদিন আর “World comrades, arise'—এই স্লোগান উত্থিত হইবে না, সেদিন ধ্বনিত হইবেঃ {{কেন্দ্র|{{larger|“World Muslims, arise!”<br/>—বিশ্বমুসলিম, জাগো! —}}}} <br/> {{rule|4em}} {{nop}}<noinclude></noinclude> bzzysc3vd0l2ezphp39oowyern3boxd পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৩৩ 104 883140 1991460 1990172 2026-07-30T16:41:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991460 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" /></noinclude>পরিমাণ খাদ্য রহিয়াছে তদনুপাতে মূল্যবৃদ্ধি অসংগত হইয়াছে। মজুত মাল বাজারে বাহির করিতে পারিলেই সংকট দূর হইয়া যাইবে।’ {{ফাঁক}}১৮৬৬ অব্দের মার্চ মাসেই চাউল-আমদানির দাবি উঠিয়াছিল। তখন বাড়ি-ঘর ছাড়িয়া লোকে ইতস্তত ঘুরিতে শুরু করিয়াছে, স্থানে স্থানে খাদ্য লুঠ হইতেছে। কিন্তু সরকার প্রত্যাসন্ন সংকট উপলব্ধি করিতে পারিলেন না। ২৮শে মার্চ স্যার আর্থার কটন দুর্ভিক্ষ-নিবারণের জন্য সরকারকে অবহিত হইতে বলিলেন। এপ্রিল মাসে কলিকাতায় চাঁদা তুলিয়া লোক খাওয়াইবার ব্যবস্থা হইল। কিন্তু রেভেনিউ-বোর্ডের তখনও সন্দেহ, সত্যই খাদ্যাভাব ঘটিয়াছে কিনা। ক্রমে চাউল একেবারে অমিল হইয়া গেল। সৈন্য, সরকারি চাকুরিয়া এবং কয়েদিদের জন্যও চাউল মিলে ‘না। তখন লেফটেন্যাণ্ট-গবর্ণর বাহির হইতে চাউল আমদানির হহুকুম দিলেন। সরকারের অকর্মণ্যতায় এই দুর্ভিক্ষে প্রায় দশ লক্ষ লোক মারা যায়। এইজন্য দুর্ভিক্ষ-কমিশন রেভেনিউ-বোর্ডকে খুব দোষ দিলেন। ১৮৬৭ অব্দের ১১ই আগস্ট রেভেনিউ-বোর্ড অজস্র ত্রুটি স্বীকার করিয়া বলিলেন, ‘সময় মতো কাজে হাত না দেওয়ায় এবং প্রয়োজনের তুলনায় ব্যবস্থা নিতান্ত অপর্যাপ্ত হওয়ায় দুর্দৈব ঘটিয়াছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে আনাড়ি লোক ছিল, দুর্ভিক্ষের লক্ষণ দেখিয়াও তাঁহারা ধরিতে পারেন নাই। কাজে নামিতে অনেক দেরি হইয়া যাওয়ায় এমন অবস্থা ঘটিল যে শেষে টাকা দিয়াও খাদ্য মিলে নাই।’ রেভেনিউ-বোর্ড স্বীকার করিলেন, মিঃ র‍্যাভেন শ’র টেলিগ্রাম পাইয়া তৎক্ষণাৎ যদি কাজে নামা হইত, তাহা হইলে অসংখ্য জীবন রক্ষা পাইত। {{ফাঁক}}১৯৪৩ অব্দের দুর্ভিক্ষের ঠিক এই অবস্থা। আনাড়ি লোকের উপর ভার দিয়া বিস্তর অঘটন ঘটিয়াছে। একজনে একটা কাজের ভার পাইলেন, সে বিষয়ে কিছু অভিজ্ঞতা লাভের পূর্বেই তাঁহাকে অন্য বিভাগে চালান করা হইল। বাঙলা ও কেন্দ্রীয় সরকার খাদ্য-সংক্রান্ত কর্মচারীদের এত রদবদল করিয়াছেন যে দ্রুততায় উহার কাছে সিনেমা-ছবিও হার মানিয়া যায়। ১৯৩৯ অব্দের অক্টোবর হইতে ১৯৪২ অব্দের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার মূল্য-নিয়ন্ত্রণের জন্য ছয়টি কনফারেন্স করিয়াছেন। ১৯৪২ অব্দের ডিসেম্বরে খাদ্য-বিভাগ সৃষ্ট হয়; ১৯৪২ অব্দের এপ্রিলে ফল্ড এডভাইসরি কাউন্সিল হয়। ১৯৪৩ অব্দের<noinclude>{{কেন্দ্র|২৭}}</noinclude> fd8g3p80jcq9c99ipz0sprlmjzy5rqz পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৩৪ 104 883141 1991461 1990173 2026-07-30T16:41:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991461 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" /></noinclude>এপ্রিলে রিজিওন্যাল ফুড-কমিশনার নিযুক্ত হন। গড়ে মাস দুয়েক অন্তর পর পর চারি জন ফুড-মেম্বার হইলেন। ইহা কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপার; বাঙলায় যে কত রকম পট-পরিবর্তন হইয়াছে, তাহা সকলেই আমরা চোখের উপর দেখিয়াছি। {{ফাঁক}}সরকারি ঔদাসীন্যের ফলে ১৯৪৩ অব্দে ঠিক ১৮৬৬ অব্দের মতো অবস্থা অতি শোচনীয় হইল। টাকা ফেলিলেও চাউল মিলে নাই। চাঁদা তুলিয়া নানা প্রতিষ্ঠান লোক খাওয়াইবার ব্যবস্থা করিল। সরকার মনে করিলেন, এই রকম হাজার কয়েক লোক খাওয়াইয়াই জনসাধারণ হাঙ্গামাটা চুকাইয়া দিবে, তাঁহাদের মাথা ঘামাইবার গরজ হইবে না। পেটের দায়ে মানুষ যে ঘরবাড়ি ছাড়িয়া পথে বাহির হইয়াছে, শহরমুখো ধাওয়া করিয়াছে, কর্তাদের সেদিকে নজর পড়িল না। {{ফাঁক}}অথচ এই অবস্থাই সকলের চেয়ে মারাত্মক। গ্রামের মধ্যে খাদ্য পৌঁছাইয়া দিলে লোকের ঘর-গৃহস্থালি খানিকটা বজায় থাকিত, তাহারা কিছু কিছু আয় করিতেও পারিত, যথাসম্ভব শীঘ্র স্বাবলম্বী হইয়া আবার মাথা তুলিবার প্রবৃত্তি তাহাদের মনের মধ্যে জাগরূক থাকিত। দুর্ভিক্ষ গ্রামের মানুষকে তাড়াইয়া শহরে আনে। যে ছিল গৃহস্থ, আত্মসম্মান হারাইয়া সে পথের ভিখারী হইয়া দাঁড়ায়। ১৮৭৮ অব্দের দুর্ভিক্ষ-কমিশনে স্যার রিচার্ড টেম্পল এই সম্পর্কে বলেন, ‘খাদ্যের সন্ধানে মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়িয়া যখন ঘোরাঘুরি আরম্ভ করে, দুর্ভিক্ষে সেই অবস্থা সকলের চেয়ে ভয়াবহ। ইহার ফলে লোক নীতিভ্রষ্ট হইয়া পড়ে। গ্রামে শৃঙ্খলার সহিত সাহায্যদানের ব্যবস্থা করিয়া এই ঘোরাঘুরি বন্ধ করিয়া ফেলা উচিত। কয়েকটি গ্রাম লইয়া এক একটি সাহায্যকেন্দ্র হইবে। উপযুক্ত সময়ে দ্রুত সাহায্যের ব্যবস্থা করিলে ঘোরাঘুরি বন্ধ হইবে।’ {{ফাঁক}}১৮৬৬ অব্দেও লোকে ঘরবাড়ি ছাড়িয়াছিল; ১৯৪৩ অব্দের মতোই সদর রাস্তায় মুমূর্ষ, অবস্থায় মানুষে পড়িয়া থাকিত। আগস্ট মাসে বৃষ্টিতে ভিজিয়া সেবার বিস্তর লোক মরিয়াছিল। দলে দলে অস্থিসার মানুষ লঙ্গরখানায় জমায়েত হইত। তাহাদের উপযুক্ত আশ্রয় ছিল না। সরকার লক্ষ্য করিলেন, বাহিরের লোক আসিয়া শহরের স্বাস্থ্য নষ্ট করিতেছে। তখন একরকম জোর করিয়াই শহরের অন্নসত্র বন্ধ করিয়া<noinclude>{{কেন্দ্র|২৮}}</noinclude> o4jyeb9zp0x508bro6tl2nftusnf034 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৩৫ 104 883146 1991462 1990182 2026-07-30T16:41:21Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991462 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" /></noinclude>দেওয়া হইল; দুঃস্থদের বাহিরে পাঠানো হইল। সত্তর বৎসর পরে সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি দেখিতে পাইয়াছি। সেবার কলিকাতা শহরে লোক জমিয়াছিল পনের ষোল হাজার। ১৯৪৩ অব্দে সরকারি অনুমান, একলক্ষ। {{ফাঁক}}সেবারও রান্না-করা খাদ্য দেওয়া হইত। এ সম্বন্ধে আপত্তি উঠিয়াছিল। কটকের রিলিফ-ম্যানেজার মিঃ কার্কউডের মতে, এই প্রকার সাহায্য দানে গ্রহীতার নৈতিক অধোগতি হয়। এ কথা ঠিক যে, লোকে রান্নাকরা খাদ্য গোপনে বিক্রি করিয়া উদ্দেশ্যের অপব্যবহার করিতে পারে না। কিন্তু আর একটা দিক ভাবিবার আছে। বহু পরিবারেরই এইরূপ সাহায্য লইতে ইজ্জতে বাধে, তাহারা নিঃশব্দে মৃত্যুপথের যাত্রী হয়। ১৯৪৩ অব্দেও এই সমস্যা দেখা দিয়াছে। যাহারা লঙ্গরখানায় যাইতে পারে না, তাহাদিগকে বাঁচাইবার জন্য সরকারি তরফ হইতে কি বিশেষ ব্যবস্থা হইয়াছিল? {{ফাঁক}}১৮৭৩-৭৪ অব্দে দুর্ভিক্ষের সূচনাতেই সরকার অবহিত হইয়াছিলেন, তাই সেবার বেশি লোকক্ষয় হইতে পারে নাই। খাদ্যের সন্ধানে লোকে গ্রাম ছাড়িবার পূর্বেই যাহাতে সাহায্য পৌঁছায়, দেহের শক্তি অবশেষ হইবার আগে যাহাতে কাজ পায়, অতি দ্রুত তাহার ব্যবস্থা হইয়াছিল। প্রার্থী সাহায্যের যোগ্য কিনা, এ বিষয়ে স্থানীয় লোকের সাক্ষ্য সকলের চেয়ে প্রামাণ্য। শহরের উপর অন্নসত্র খুলিলে এই প্রমাণের উপায় থাকে না; অনেক বাজে লোক সাহায্য পায়, অথচ অধিকাংশ দুঃস্থ সেবাকেন্দ্রে পৌঁছিয়া উঠিতে পারে না। যাহাতে এইরকম গোল-যোগ না ঘটে, তখনকার ছোটলাট স্যার জর্জ ক্যাম্পবেল সে বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হইয়াছিলেন। লোকজনকে তাহাদের ঘরবাড়িতে বসাইয়া নামে নামে এবং গ্রাম হিসাবে ভাগ না করিলে সুশৃঙ্খল সাহায্য অসম্ভব, এই ছিল তাঁহার অভিমত। পঞ্চাশ হইতে একশ’টি গ্রাম লইয়া এক একটি সাহায্যকেন্দ্র খোলা হইল; সমগ্র বাঙলাদেশকে এইভাবে ভাগ করিয়া ফেলা হইল। প্রতি কেন্দ্রে এক একটি বড় শস্যাগার—সেখান হইতে গ্রামের শস্যভাণ্ডারে খাদ্য পাঠান হইত। একজন দায়িত্বশীল কর্মচারী প্রতি সপ্তাহে কাজকর্ম পরিদর্শন করিতেন। ১৮৭৩-৭৪ অব্দে দুর্ভিক্ষ দমনের এই প্রচেষ্টা—সকল দিক দিয়া ইহাকে আদর্শস্থানীয়<noinclude>{{কেন্দ্র|২৯}}</noinclude> k3ebrnpljmklfz78i1dpo69lf7wxzu3 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৪৩ 104 883231 1991463 1990326 2026-07-30T16:41:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991463 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" /></noinclude>যত্নপূর্বক দেখিয়াছি। বিদ্যালয়ে পাঠ করিবার সুযোগ যাঁহাদের ঘটে না বাঙলাদেশের সেই সব নরনারীর মধ্যে বাঙলার মাধ্যমে জ্ঞানবিস্তার করিবার উদ্দেশ্যে বিশ্বভারতী লোকশিক্ষা-সংসদ প্রতিষ্ঠা করেন। রবীন্দ্রনাথের এক পত্র হইতে তাঁহার অভিপ্রায় কি ছিল জানিতে পারি। তিনি লিখিয়াছিলেন: “দেশের যে সকল পুরুষ ও স্ত্রীলোক নানা কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষালাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত, তাঁদের জন্য ছোটো বড়ো প্রাদেশিক সহরগুলিতে যদি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা যায়, তবে অনেকেই অবসরমতো ঘরে ব’সে নিজেকে শিক্ষিত করতে উৎসাহিত হবেন। নিম্নতন থেকে উচ্চতন পর্ব পর্যন্ত তাঁদের পাঠ্যবিষয় নির্দিষ্ট ক’রে, তাঁদের পাঠ্যপুস্তক বেঁধে দিলে, সবিহিত ভাবে তাঁদের শিক্ষা নিয়ন্ত্রিত হ’তে পারবে। এই পরীক্ষার যোগে যে-সকল উপাধির অধিকার পাওয়া যাবে সমাজের দিক থেকে তার প্রয়োজনীয়তার মূল্য আছে।” শেষোক্ত প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য—“(ক) প্রাচীন ও আধুনিক বঙ্গসাহিত্যের পরিচয়। (খ) বঙ্গভাষার আভিজাত্য সংরক্ষণ।” এবং তাঁহাদের মতে এই উদ্দেশ্যসাধনের উপায় “প্রবাসী বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পরীক্ষা-পরিষদ দ্বারা নির্দিষ্ট কেন্দ্রে আপাতত বৎসরে একবার মাত্র প্রবেশিকা এবং উপাধি পরীক্ষা গ্রহণ করা।” {{ফাঁক}}উভয় প্রতিষ্ঠানের অভিপ্রায় একরূপ অভিন্ন। উপায়ও প্রায় সমান। তবে পাঠ্যক্রম প্রভৃতি সম্বন্ধে কিছু কিছু পার্থক্য আছে। উভয় প্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিত হইতে হইলে এই পার্থক্য দূর করিতে হইবে। তাহা না হইলে পাঠ্যতালিকার ভেদে কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি নাই। যে উদ্দেশ্যে এই সকল প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হইয়াছে তাহা সিদ্ধ হইলে সর্বতোভাবে জাতির পক্ষে কল্যাণজনক হইবে, তাহাতে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু এই পরীক্ষা-গ্রহণের সহিত নিরক্ষর দেশবাসীকে অ আ ক খ হইতে আরম্ভ করিয়া বাঙলা লেখাপড়া শিখাইবার কোনো সম্বন্ধ নাই। তাহার জন্য স্বতন্ত্র ব্যবস্থা আবশ্যক। সে ব্যবস্থা প্রণয়নে ইঁহাদের সাহায্যই সর্বাগ্রে প্রয়োজন হইবে। {{ফাঁক}}মাতৃভূমিকে আমরা যদি দেবী বলিয়া স্বর্গাদপি গরীয়সী বলিয়া জ্ঞান করি, তবে মাতৃভাষাকেও পরমারাধ্যা বলিয়া জ্ঞান করিব। সৌভাগ্যের কথা, অন্ধভক্তির বশবর্তী হইয়া আমাদের ভাষাকে আরাধনা করিবার<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭}}</noinclude> nnrmokqpn2gqo0iujug2ma8zmohihkl পাতা:আধুনিক রবিন্‌হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/১০২ 104 883263 1991224 1990377 2026-07-30T16:24:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991224 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৯০|সত্যিকার দানব-দানবী|আধুনিক রবিন্‌হুড্‌}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}তার আসল নাম হুগো ব্রিট্‌উইজার। সে অষ্ট্রিয়ার লোক এবং তার কার্য্যক্ষেত্র ভিয়েনা সহরে। {{ফাঁক}}হুগো রীতিমত ভদ্র পরিবারের ছেলে। সে শিক্ষিত ও ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু তার মাথা এত সাফ্ যে, নিজের যত্নে ও অধ্যবসায়ে সে আরো নানান্ বিদ্যায় পাকা হয়ে উঠেছিল। {{ফাঁক}}তালা-চাবি, সিন্দুক, বাক্স ও গরাদে প্রভৃতি তৈরি করবার জন্যে যে-সব লোহা ও অন্যান্য ধাতু ব্যবহৃত হ’ত, তাদের শক্তির খুঁটিনাটি সমস্তই সে জানত। লোহা ও ইস্পাতের উপরে কোন্ অ্যাসিডের কতটা প্রভাব, রসায়ন-বিদ্যা শিখে তাও সে জেনে নিয়েছিল। অক্সি অ্যাসিটিলিন টর্চ্চ দিয়ে কেমন ক’রে ইস্পাতের দরজায় ছ্যাদা করতে হয়, তাও তার অজানা ছিল না। {{ফাঁক}}সে নিজের হাতে নানারকম অদ্ভূত যন্ত্র তৈরি করতে পারত। চোর-ডাকাত ধরবার জন্যে একালের পুলিস যে-সব বৈজ্ঞানিক উপায় অবলম্বন করে, সে সমস্তই ছিল তার নখ-দর্পণে। বিখ্যাত ডিটেক্টিভদের সমস্ত চাতুরীর কাহিনীই সে প’ড়ে ফেলেছিল। সে রীতিমত ব্যায়াম করত। জুজুৎসু, কুস্তি ও বক্সিংয়ের সব প্যাঁ চই খুব ভালো ক’রে শিখেছিল। {{ফাঁক}}যখন তার সমস্ত শিক্ষা সম্পূর্ণ হ’ল, তখন হঠাৎ একদিন সে বাড়ী থেকে একেবারে গা ঢাকা দিলে। বাড়ীর লোকে জানলে, হুগো দেশ ছেড়ে আমেরিকায় গিয়েছে। {{ফাঁক}}সে কিন্তু ভিয়েনা সহরেই লুকিয়ে রইল। ছোটলোকদের বস্তীর ভিতরে একখানা ঘর ভাড়া নিলে। দিন-রাত সেই ঘরে একলা ব’সে<noinclude>{{c|{{smaller|৯০}}}}</noinclude> p42blqduack3565r65oxh08xial7fw4 পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা.pdf/৪ 104 883265 1991404 1990382 2026-07-30T16:33:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991404 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>কথাতেই “শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রথম পরিকল্পনা কালে যে উন্নতি সাধিত হয়েছে তা নিতান্ত নগণ্য না হলেও কোন কোন ক্ষেত্রে নৈরাশ্যজনক। স্কুলের শিক্ষার মান কোথাও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নীত হয়নি; প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে ছাত্র সংখ্যা আশানুরূপ বৃদ্ধি পায়নি।” শিক্ষা ক্ষেত্রে অরাজকতা ও অব্যবস্থা তাই অব্যাহত গতিতে বেড়ে চলেছিল এবং তার কুফল সমাজের সর্বস্তরে ব্যাপ্ত হতে শুরু করেছিল। '''জাতীয় শিক্ষা কমিশন নিয়োগ''' {{ফাঁক}}এই দুর্দিনে কেন্দ্রীয় সরকার দৃঢ়সংকল্প ও বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শিক্ষা সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য এগিয়ে এলেন এবং ১৯৫৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর জাতীয় শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করলেন। আযাদীর দ্বাদশ বৎসরে এটি একটি বিশেষ স্মরণীয় ঘটনা। এগার জন সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন জনাব এস. এম. শরীফ। সদস্যদের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের চারজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদও ছিলেন। {{ফাঁক}}১৯৫৯ সালের ২৬শে আগষ্ট এই কমিশন প্রেসিডেণ্টের নিকট এক বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করেন। শিক্ষা-পদ্ধতির ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য এই রিপোর্টে বহু বিষয় আলোচিত হয়েছে। রিপোর্টের মূল বক্তব্য হচ্ছে, শিক্ষাকে একটি উৎপাদনমূলক কর্মসূচী হিসাবে গণ্য করতে হবে এবং সমৃদ্ধ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য মানবীয় সম্পদকে গড়ে তুলতে হবে। কমিশন যেসব সুপারিশ করেছেন তার মধ্যে নিম্নোক্তগুলো উল্লেখযোগ্য: ::(১) দশ বৎসরের মধ্যে ছয় থেকে এগার বৎসর বয়স্ক বালক-বালিকাদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে স্কুল-শিক্ষার ব্যবস্থা এবং পনের বৎসরের মধ্যে এগার থেকে চৌদ্দ বৎসর বয়স্কদের জন্য অনুরূপ শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। ::(২) মাধ্যমিক স্তরে বিভিন্নমুখী শিক্ষার প্রবর্তন করতে হবে যাতে ছাত্রেরা নিজেদের আগ্রহ ও স্বাভাবিক যোগ্যতা অনুযায়ী পাঠ্যসূচী নির্বাচন করতে পারে। {{nop}}<noinclude>{{left|২}}</noinclude> k8n2hbfnmjzxjl5lm6d09qt95s1tlyh পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা.pdf/৫ 104 883266 1991405 1990383 2026-07-30T16:33:05Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991405 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>::(৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতা থেকে ইণ্টারমিডিয়েট ক্লাশগুলো মাধ্যমিক শিক্ষা-বোর্ডের অধীনে স্থানান্তরিত করতে হবে। ::(৪) বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি শিক্ষার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। ::(৫) মান-উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনকেই শিক্ষার উচ্চস্তরের (বিশ্ববিদ্যালয়ের) প্রধান লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। ::(৬) শিক্ষক শিক্ষণের উপর বিশেষ জোর দিতে হবে। ::(৭) ব্যাপক বৃত্তিদান পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যাতে মেধাবী ছাত্ররা আর্থিক অনটনের দরুণ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়। {{ফাঁক}}কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ তৎপরতার সঙ্গে কমিশনের সমস্ত সুপারিশ অনুমোদন করেন। শুধু তাই নয়, এগুলো যাতে কার্যক্ষেত্রে ঠিকভাবে রূপায়িত হতে পারে সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবস্থাও গ্রহণ করেন। বিভিন্ন স্তরের জন্য কারিকুলাম কমিটি নিযুক্ত হ’ল। এসব কমিটি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে যে সংশোধিত পাঠ্যসূচী রচনা করলেন তা’ দেশের সব স্কুল কলেজে প্রবর্তিত হল। এমন কি নূতন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্য পুস্তক প্রণয়নের ব্যাপারেও কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ উদ্যোগী হয়ে কাজ কিছুটা এগিয়ে দিলেন। এতে প্রাদেশিক সরকারের প্রারম্ভিক অসুবিধা অনেকটা দূরীভূত হলো। এ-ছাড়া দেশের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী কমিশনের প্রধান প্রধান সুপারিশগুলোকে দ্বিতীয় পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনায় গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হল। '''দ্বিতীয় পরিকল্পনায় শিক্ষার স্থান''' {{ফাঁক}}দ্বিতীয় পরিকল্পনায় নূতন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শিক্ষার মর্যাদা নির্ণীত হয়েছে এবং শিক্ষাকে জাতীয় সমৃদ্ধির পুঁজি হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনায়<noinclude>{{right|৩}}</noinclude> cw0hfgdrda0o3dsb5qsgreio9lf3yfj পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা.pdf/৬ 104 883267 1991406 1990385 2026-07-30T16:33:06Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991406 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সরকারী খাতে মোট ১৪৬২ কোটি টাকার বরাদ্দ রয়েছে; এর ভিতর থেকে শিক্ষা উন্নয়নের জন্য দেওয়া হয়েছে ৯৫.৫ কোটি টাকা। শিক্ষা খাতে পূর্ব পাকিস্তানের অংশে পড়েছে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা। সে জন্য প্রাইমারী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব স্তরে বহু পরিকল্পনা এখন কার্যকরী করা সম্ভব হচ্ছে। নীচের হিসেব থেকে পূর্ব পাকিস্তানে এ পরিকল্পনার ব্যাপকতা বোঝা যাবে। ১৯৬০-৬১ সালে সমগ্র প্রদেশে ৬২০টি শিক্ষা কর্মসূচীতে হাত দেওয়া হয় এবং তাতে মোট খরচের পরিমাণ হচ্ছে ৩ কোটি ২২ লক্ষ টাকা। ১৯৬১-৬২ সালে মোট কর্মসূচীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১,৩৭২টিতে এবং খরচের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬ কোটি টাকায়। ১৯৬২-৬৩ সালে ৩,১০০টি কর্মসূচীতে ১৩ কোটি টাকার মত ব্যয়িত হয়েছে। মোট কথা, ১৯৬০ সনের জুলাই থেকে দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে নূতন যুগের সূচনা হয়েছে বললে অত্যুক্তি হয় না। {{ফাঁক}}এখন বিভিন্ন স্তরে উন্নয়ন কার্যের কিছুটা বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। '''প্রাথমিক শিক্ষা''' {{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে মোট ২৬,৬০০ প্রাইমারী স্কুল রয়েছে। এগুলোর মধ্য থেকে ৭,০০০ স্কুলকে দ্বিতীয় পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্কুল গৃহ নির্মাণ ও সম্প্রসারণের জন্য দ্বিতীয় পরিকল্পনার পাঁচ বছরে মোট ৭ কোটি টাক। ব্যয়িত হবে। অতিরিক্ত ৩০,০০০ যোগ্যতর শিক্ষক নিয়োগেরও ব্যবস্থা করা হবে। এই লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হলে স্কুলে অতিরিক্ত ১৩ লক্ষ ছেলে-মেয়ের শিক্ষার সংস্থান হবে এবং ১৯৬৫ সালে প্রাইমারী পর্যায়ের ছাত্র-সংখ্যা ৩০ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪৩ লক্ষে গিয়ে দাঁড়াবে। অদূর ভবিষ্যতে সারা প্রদেশব্যাপী বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার সুদৃঢ় ভিত্তি বর্তমান পরিকল্পনা কালেই এভাবে স্থাপিত হয়ে যাবে। {{ফাঁক}}এই লক্ষ্য অর্জন করার ব্যাপারে এ পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯৬০ সালের জুলাই থেকে ১৯৬৩ সালের জুন পর্যন্ত মোট দুই কোটি তিরানব্বই লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে এবং<noinclude>{{left|8}}</noinclude> 8tehgaw4vzidxcl2r2u9tdvzg1ym1pz পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৩ 104 883278 1991341 1990451 2026-07-30T16:29:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991341 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৭|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}</noinclude><section begin="A" />{{ফাঁক}}মিঃ সীমস্ ব’ললেন,—“হাঁ, আমারও ছেলে আছে। আমি তোমার কষ্টের কথা বুঝতে পারছি। তোমার ভয় নেই। ঐ যে প্রকাণ্ড সাদা বাড়ীটা দেখ্‌ছ, ওখানে যাও। ওঁরা নিশ্চয়ই তোমাকে রক্ষা করবেন।” {{ফাঁক}}ইলাইজা বল্লে—“ভগবান আপনার ভাল করুন।” {{ফাঁক}}এদিকে মিঃ হ্যালি রাগে ও দুঃখে গর্জ্জাতে গর্জ্জাতে হোটেলে ফিরে এলেন। সেখানে “টম লকার” ও “মার্ক” নামে তাঁর দুটি জানা লোক ছিল। তিন জনে ইলাইজাকে ধরবার পরামর্শ করতে লাগ্‌লেন। {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}}} সুন্দর একটি বৈঠকখানায় দিব্যি আলো জ্বলছে। সেই আলোতে মেঝের কার্পেট প্রভৃতি ধব্ ধব্ ক’র্‌ছে। মিঃ বার্ড আজ বাড়ী এসেছেন। তিনি ব্যবস্থাপক সভার একজন সভ্য। যাঁরা দেশের আইন-কানুন তৈরি করেন তাঁদেরই একজন। {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড বল্লেন—“আজ রাত্রে তুমি হঠাৎ বাড়ী আসাতে, আমরা যে কতটা আশ্চর্য্য ও খুসী হয়েছি, তা তুমি মোটেই বুঝতে পারবে না।” {{ফাঁক}}“এ কয়দিনের খাটুনিতে হাড় পিষে গেছে। তাই তোমার তৈরি সুন্দর চা একটু খেতে এলাম!” {{ফাঁক}}চা খাওয়া শেষ হ’লে, মিসেস্ বার্ড জিজ্ঞেস্ কল্লেন, “তোমাদের সভার<section end="B" /><noinclude></noinclude> cr8nhqr1cw1v0xqtxvhmq8f9fyal8sc পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২০ 104 883280 1991340 1990450 2026-07-30T16:29:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991340 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৬|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>দেখ্‌তে পেলে। অমনি ভয়ে তার আপাদমস্তক কেঁপে উঠলো। সেই ঘর থেকে নদীর ধারে যাবার একটা দরজা ছিল। সে হ্যারিকে বুকে জড়িয়ে, ছুটে নদীর দিকে চল্লো। মিঃ হ্যালি তাকে পরিষ্কার দেখতে পেলেন। অমনি খরগোসের পিছনে যেমন শিকারী কুকুর ছোটে, তেমনি বেগে তাকে তাড়া ক’রলেন। তখন প্রাণের মায়া ছেড়ে, ইলাইজা ভয়ানক চীৎকার ক’রে এক লাফ দিল। সেই এক লাফে সে একখানা ভাসা বরফের উপর পড়লো। অমনি সেই প্রকাণ্ড বরফখানার এক দিক ডুবে গেল এবং অপর একখানা চাপে ঠেকে, কড়্‌ কড়্‌ শব্দ হ’তে লাগলো। কিন্তু ইলাইজা তার উপর এক মুহূর্ত্তও রইল না। সে তখন মরিয়া হ’য়ে উঠেছে! চোখে কিছু দেখ্‌তে পাচ্ছে না, কিছু ভাবতে বা বুঝতে পাচ্ছে না। কেবল চীৎকার ক’রতে ক’রতে বরফের একটা চাপ থেকে আর একটা চাপের উপর লাফাতে লাফাতে চলেছে! শেষে খানিক পরে তার মনে হ’ল, কে যেন তাকে সাহায্য করছে—তাকে হাতে ধ’রে পারে নিয়ে যাচ্ছে! ইলাইজা সে মুখ, সে গলার স্বর চিন্‌তে পারলে। মিঃ সেল্‌বির বাড়ীর কাছেই এই লোকটির একটা কারখানা আছে। ইলাইজা ভাঙ্গা ভাঙ্গা স্বরে বল্লে—“ও মিঃ সীমস্‌, বাঁচান আমার হ্যারিকে! এই ছেলেটিকে—আমার এই একটিমাত্র খোকাকে ওরা কেড়ে নিতে এসেছে! ও মিঃ সীমস্, আপনারও ছেলে আছে, আপনি রক্ষা করুন, আমাদের লুকিয়ে রাখুন!” {{nop}}<noinclude></noinclude> jsght6pm67wq4f8e7rp0knispib25zc পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩০ 104 883282 1991348 1990519 2026-07-30T16:29:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991348 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৪|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ডেকে তুল্‌তেও অনেকটা সময় কেটে গেল। অবশেষে লম্বা চওড়া প্রকাণ্ড একজন লোক এসে দরজা খুলে দিলে। এই সেই জন্ ভ্যান্ ট্রমপী। জন্ একটা বাতি ধ’রে আগন্তুকদিগের দিকে মিট্ মিট্‌ ক’রে তাকাচ্ছিল। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা কিছুই সে বুঝতে পারেনি। {{ফাঁক}}মিঃ বার্ড তাকে জিজ্ঞাসা ক’র্‌লেন, “তুমি কি দাসব্যবসায়ীদের হাত থেকে, একটি মেয়ে ও তার ছোট ছেলেকে রক্ষা ক’রবে?” {{ফাঁক}}জন্‌ উত্তর দিল, “হাঁ, এই ত আমার কাজ! আমি বিশেষ চেষ্টা ক’র্‌বো।” {{ফাঁক}}তখন মিঃ বার্ডের কথায়, ঘুমানো খোকাকে বুকে নিয়ে, ইলাইজা ধীরে ধীরে দরজার কাছে এগিয়ে এল। জন্‌ একটা শোবার ঘর দেখিয়ে, তাকে ভিতরে যেতে ইঙ্গিত ক’রলে এবং সাহস দিয়ে ব’ল্লে, “তোমার কোন ভয় নেই। আমার শরীরে একবিন্দু রক্ত থাক্‌তে কেউ তোমাদের ধ’রে নিয়ে যেতে পারবে না। তুমি স্বচ্ছন্দে খোকাকে নিয়ে ঘুমোও।” তারপর সে ঘরের দরজা বন্ধ ক’রে দিয়ে, মিঃ বার্ডকে ব’ল্লে, “আপনিও আজ রাতটা এখানেই থেকে যান।” {{ফাঁক}}মিঃ বার্ড জন্‌কে ধন্যবাদ দিয়ে, সেখানে রাত্রিবাস যে কোন মতেই সম্ভব নয়, তাহা জানালেন এবং দশ ডলারের একখানা নোট বের ক’রে তার হাতে দিয়ে ব’ললেন, “এখানা ওই মেয়েটিরই জন্য।” {{ফাঁক}}জন্ সহাস্যবদনে নোটখানা পকেটে রাখ্‌লে। তারপর মিঃ বার্ডকে বিদায় দিয়ে, সদর-দরজা বন্ধ ক’রে দিলে।{{nop}}<noinclude></noinclude> op4kwbzyu3ij1smp3i5ibn73suplnaj পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৪ 104 883283 1991342 1990505 2026-07-30T16:29:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991342 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৮|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>কি ঠিক হ’লো?–যে সব কাফ্রী পালিয়ে আসে, তাদের কেউ দুটো খেতে দিতেও পারবে না, এই বদ আইন সত্যি সত্যি পাশ হ’লো না কি? ” {{ফাঁক}}“হাঁ, একটা আইন এই হ’য়েছে যে, যারা কেণ্টাকি থেকে পালিয়ে এখানে আসবে, কেউ তাদের পালাবার সাহায্য ক’রতে পাবে না।” {{ফাঁক}}“আইনটা কি ঠিক হলো? এক রাত্রের জন্য বেচারাদের একটু জায়গা দিতে, দুটি খেতে দিতে, বা একখানা পুরান কাপড় পরতে দিতে, বোধ হয় নিষেধ নেই?” {{ফাঁক}}“নিশ্চয়ই আছে। তুমি জান, এ রকম ক’রলে অপরাধের সাহায্য করা হয়।” {{ফাঁক}}“আচ্ছা জন্ (মিঃ বার্ডের ডাকনাম “জন্”), তুমি কি মনে কর, এরূপ আইন করা খৃষ্টানদের উপযুক্ত কাজ হ’য়েছে? এটা একটা জঘন্য আইন। আমি সুবিধা পেলেই, এর বিরুদ্ধে কাজ ক’র্‌বো।” {{ফাঁক}}“কিন্তু দেখ, এটার উপর সাধারণের অনেক ভালমন্দ নির্ভর ক’র্‌ছে। আমাদের নিজেদের মনোভাব যাই হোক না কেন, সব দূর ক’র্‌তে হবে।” {{ফাঁক}}“আমি তোমাদের রাজনীতির ধার ধারি না। আমি বুঝি, আমার ধর্ম্মশাস্ত্রটুকু। তাতে পরিষ্কার ব’ল্‌ছে, যে ক্ষুধার্ত্তকে খাবার দেওয়া, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেওয়া, এবং নিরাশ্রয়কে আশ্রয় দেওয়া আমাদের বিশেষ কর্তব্য।”{{nop}}<noinclude></noinclude> 0hx16ycaaq6ctist8pj4lpwt7o7anry পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৫ 104 883284 1991343 1990507 2026-07-30T16:29:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991343 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৯|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>{{ফাঁক}}“কিন্তু যখন তাতে জনসাধারণের একটা মস্ত অমঙ্গল—” {{ফাঁক}}“ঈশ্বরের ইচ্ছামত চ’ল্‌লে জনসাধারণের কখনো অমঙ্গল হ’তে পারে না। আমি এটা বেশ জানি। ঈশ্বরের নির্দেশমত কাজ করাই সব সময় উচিত।” {{ফাঁক}}ঠিক এই সময় বাড়ীর বুড়ো চাকর কাড্‌জো দরজা দিয়ে মাথা বাড়িয়ে, মিসেস্ বার্ডকে একবার রান্নাঘরে যেতে ডাক্‌লে। মিঃ বার্ডও তর্কের হাত থেকে উদ্ধার পেয়ে, ইজি চেয়ারে বসে খবরের কাগজ প’ড়তে আরম্ভ ক’র্‌লেন। {{ফাঁক}}একটু পরেই দরজায় মিসেস্ বার্ডের স্বর শোনা গেল। তিনি ডেকে বল্লেন, “জন্, জন্, শীঘ্র একবার এদিকে এসো।” মিঃ বার্ড কাগজখানি রেখে রান্নাঘরে গেলেন। সেখানকার সব ব্যাপার দেখে, তিনি একেবারে চম্‌কে উঠ্‌লেন। তিনি দেখ্‌লেন, দুখানা চেয়ারের উপর মড়ার মত অসাড় একটি মেয়ে প’ড়ে রয়েছে! তার কাপড় চোপড় একেবারে ছিঁড়ে গেছে। পায়ের একখানা জুতা নেই, মোজাও নেই। পায়ের তলা কেটে দর্‌দর্ ক’রে রক্ত প’ড়ছে! মিসেস্ বার্ড জন কয়েক কাফ্রি চাকর নিয়ে, তার সেবা শুশ্রূষা ক’র্‌ছেন। আর বুড়ো কাড্‌জো একটি ছেলের ভিজে জুতা মোজা খুলে দিয়ে, তার পা ঘ’সে ঘ’সে গরম ক’র্‌ছে!. {{ফাঁক}}কিছু পরে মেয়েটি তার কালো বড় বড় চোখ দুটি খুললে। মিসেস্‌ বার্ড বল্লেন, “আহা বেচারী—!” মেয়েটি চারিদিকে তাকিয়ে পাগলের<noinclude></noinclude> aymgzse5fc7nu51jru0bdjqc13um1iv পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৬ 104 883285 1991344 1990508 2026-07-30T16:29:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991344 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২০|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>মত ব’লে উঠ্‌লো—“মা, আমাদের বাঁচান। আমার খোকাকে কেউ যেন কেড়ে না নেয়!” {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড বল্লেন—“কেউ তোমার কোন অনিষ্ট করবে না, ভয় নেই!” {{ফাঁক}}দুই হাতে মুখ ঢেকে কাঁদ কাঁদ স্বরে মেয়েটি বল্লে—“ভগবান আপনার মঙ্গল করুন্‌!” {{ফাঁক}}ছেলেটি তখন মার কোলে যেতে অস্থির হ’য়ে উঠ্‌ছিল। তাদের জন্য আগুনের ধারে একটা বিছানা ক’রে দেওয়া হ’ল। দেখতে দেখতে ছেলেটিকে বুকে জড়িয়ে, ইলাইজা ঘুমিয়ে প’ড়্লো। {{ফাঁক}}মিঃ ও মিসেস্ বার্ড আবার বৈঠকখানায় গিয়ে ব’স্‌লেন। মিসেস বার্ড ছুঁচ-সূতা নিয়ে সেলাইএ মন দিলেন। মিঃ বার্ড কাগজখানি তুলে নিয়ে পড়ার ভাণ ক’র্‌তে লাগলেন। {{ফাঁক}}কতক্ষণ পরে মিঃ বার্ড ব’লে উঠ্‌লেন, “আমি ভাবছি, মেয়েটি কে? আচ্ছা, তোমার কাপড় চোপড় কি ওর গায়ে লাগে না?” {{ফাঁক}}ঈষৎ হাসিয়া মিসেস্ বার্ড উত্তর দিলেন—“আচ্ছা, সে দেখবো!” {{ফাঁক}}এমন সময় একটা চাকরাণী মুখ বাড়িয়ে ব’লে যে, মেয়েটি জেগেছে, এবং মাকে একবার দেখ্‌তে চাচ্ছে। {{ফাঁক}}মিঃ ও মিসেস্ বার্ড দুজনেই রান্নাঘরে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বড় ছেলে দুটিও সেখানে গিয়ে হাজির হ’লো। মেয়েটি তখন উনানের কাছে একটা উঁচু জায়গায় বসেছিল।{{nop}}<noinclude></noinclude> 8xaakjksfbhcd4s8jvmqrcd9gyqhy1n পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৭ 104 883286 1991345 1990509 2026-07-30T16:29:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991345 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২১|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>{{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড ব’ল্লেন—“তুমি কি আমায় ডেকেছ? এখানে আমাদের সবাইকেই তুমি বন্ধু মনে ক’র্‌তে পার। তুমি কোথা থেকে এসেছ, আমায় বল দেখি?” {{ফাঁক}}ইলাইজা উত্তর দিল, “কেনটাকি থেকে।” {{ফাঁক}}মিঃ বার্ড জিজ্ঞাসা ক’রলেন, “কখন্‌?” {{ফাঁক}}“আজ রাত্রেই। আমি বরফের উপর দিয়ে নদী পার হ’য়েছি। ভগবানই আজ আমায় বাঁচিয়েছেন!” {{ফাঁক}}মিঃ বার্ড আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কি একজন ক্রীতদাসী ছিলে?” {{ফাঁক}}“হাঁ মশাই, আমি সেখানকার একজন লোকের ক্রীতদাসী ছিলাম। আহা! তিনি বড় ভাল মনিব!” {{ফাঁক}}“তবে অমন ভাল জায়গা তুমি ছেড়ে এলে কেন?” {{ফাঁক}}ইলাইজা তখন মিসেস্ বার্ডের মুখের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টিপাত ক’রে ব’ল্লে—“মা, আপনার কি কখনো কোন ছেলে মারা গেছে?” {{ফাঁক}}সবে মাত্র মাস খানেক পূর্ব্বে মিসেস্ বার্ডের একটি ছেলে মারা গেছে। তার কথা মনে ক’রে তিনি হঠাৎ কেঁদে ফেল্লেন। ব’ল্লেন, “হাঁ, অল্প কয়েকদিন হ’লো, আমি একটিকে হারিয়েছি! কিন্তু তুমি একথা কেন জিজ্ঞাসা ক’র্‌ছো?” {{ফাঁক}}“তা হ’লে আপনি আমার কষ্ট বুঝতে পারবেন। আমি পর পর দুটিকে হারিয়েছি। এইটি মাত্র বাকি। কিন্তু মা, একেও আমার কাছ<noinclude></noinclude> 98huwnlr0wqc7rsr3dtak6e3ox4qpj1 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৮ 104 883287 1991194 1990513 2026-07-30T16:19:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991194 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২২|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>থেকে কেড়ে নেবার ষড়যন্ত্র হ'য়েছিল! যখন জানতে পার্‌লাম, একে তারা বিক্রী করেছে, এবং লেখা পড়াও সব ঠিক হ'য়ে গেছে, তখন না পালিয়ে আর উপায় কি? যে লোকটি আমার হ্যারিকে কিনেছে, সে আমার পিছনে পিছনে তাড়া ক'রে এসেছিল। আমি বরফের উপর লাফিয়ে পড়ে রক্ষে পাই। তারপর লাফাতে লাফাতে কি ক'রে যে নদী পার হ'য়ে এসেছি, তা ব'লতে পারি না!” {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিলেন। মিঃ বার্ডেরও মুখ দেখে বেশ বোধ হ'ল যে, চোখের জল ঢাক্‌তে তিনি বৃথা চেষ্টা ক'র্‌ছেন। {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড শেষটা জিজ্ঞাসা ক’র্‌লেন, “তুমি এখন কোথায় যাবে। ভাব্‌ছ?” {{ফাঁক}}“কেনাডা দেশটা কোথায়, তা জানতে পারলে সেই খানেই যাব।” {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড ও তাঁর স্বামী বৈঠকখানায় ফিরে গেলেন। মিঃ বার্ড বিজ্‌ বিজ্‌ ক'রে ব'ক্‌তে ব’ক্‌তে ঘরের মধ্যে দ্রুত পায়চারী করতে লাগ্‌লেন। অবশেষে তিনি ব’ল্‌লেন, “দেখ, মেয়েটিকে আজ রাত্রেই চলে যেতে হবে। ওকে ধ'র্‌তে যারা বেরিয়েছে, তারা কাল ভোরেই এখানে এসে পৌঁছবে।” {{ফাঁক}}“আজ রাত্রেই! তা কি ক'রে হয়? এখন ওরা যাবে কোথায়?” {{ফাঁক}}বুট জুতা পায় দিতে দিতে, মিঃ বার্ড উত্তর দিলেন—“কোথায় যাবে তা আমার বেশই জানা আছে। ‘জন্‌ ভ্যান ট্ৰমপী' নামে আমার এক<noinclude></noinclude> 0x3vstgcg3d0wmkc5nn3eqsrs64xxbb 1991346 1991194 2026-07-30T16:29:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991346 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২২|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>থেকে কেড়ে নেবার ষড়যন্ত্র হ’য়েছিল! যখন জানতে পার্‌লাম, একে তারা বিক্রী করেছে, এবং লেখা পড়াও সব ঠিক হ’য়ে গেছে, তখন না পালিয়ে আর উপায় কি? যে লোকটি আমার হ্যারিকে কিনেছে, সে আমার পিছনে পিছনে তাড়া ক’রে এসেছিল। আমি বরফের উপর লাফিয়ে পড়ে রক্ষে পাই। তারপর লাফাতে লাফাতে কি ক’রে যে নদী পার হ’য়ে এসেছি, তা ব’লতে পারি না!” {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিলেন। মিঃ বার্ডেরও মুখ দেখে বেশ বোধ হ’ল যে, চোখের জল ঢাক্‌তে তিনি বৃথা চেষ্টা ক’র্‌ছেন। {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড শেষটা জিজ্ঞাসা ক’র্‌লেন, “তুমি এখন কোথায় যাবে। ভাব্‌ছ?” {{ফাঁক}}“কেনাডা দেশটা কোথায়, তা জানতে পারলে সেই খানেই যাব।” {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড ও তাঁর স্বামী বৈঠকখানায় ফিরে গেলেন। মিঃ বার্ড বিজ্‌ বিজ্‌ ক’রে ব’ক্‌তে ব’ক্‌তে ঘরের মধ্যে দ্রুত পায়চারী করতে লাগ্‌লেন। অবশেষে তিনি ব’ল্‌লেন, “দেখ, মেয়েটিকে আজ রাত্রেই চলে যেতে হবে। ওকে ধ’র্‌তে যারা বেরিয়েছে, তারা কাল ভোরেই এখানে এসে পৌঁছবে।” {{ফাঁক}}“আজ রাত্রেই! তা কি ক’রে হয়? এখন ওরা যাবে কোথায়?” {{ফাঁক}}বুট জুতা পায় দিতে দিতে, মিঃ বার্ড উত্তর দিলেন—“কোথায় যাবে তা আমার বেশই জানা আছে। ‘জন্‌ ভ্যান ট্ৰমপী’ নামে আমার এক<noinclude></noinclude> dukep61kfpcfq2epnj3v9q5qft4r8mk পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/২৯ 104 883288 1991195 1990518 2026-07-30T16:19:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991195 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>পুরান মক্কেল কেনটাকি থেকে উঠে এসেছে। সে তার ক্রীতদাসদের ছেড়ে দিয়ে, এখান থেকে সাত মাইল দূরে একটা জায়গা কিনে বাস ক’র্‌ছে। সে জায়গাটা সহজে কেউ বের করতে পারবে না। সেই খানেই মেয়েটি বেশ নিরাপদে থাক্‌বে। তবে আমি ছাড়া আজ রাতে আর কেউ ওকে সেখানে নিয়ে যেতে পার্‌বে না।” {{ফাঁক}}“দেখ জন্, তোমার বিচারবুদ্ধি থেকে দয়ামায়াটাই কিছু বেশী!” {{ফাঁক}}“মেরী, দেখ ওই দেরাজটায় আমাদের হেন্‌রীর সেই সব কাপড় চোপড় রয়েছে!—” এই ব'লেই মিঃ বার্ড তাড়াতাড়ি উঠে বাইরে চলে গেলেন । {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড পাশের ঘরে ঢুকে একটা দেরাজ খুললেন। তার মধ্যে হেন্‌রীর কাপড় চোপড় দেখে, তিনি কিছুতেই চোখের জল থামাতে পারলেন না! হাতের উপর মাথা রেখে তিনি অনেকক্ষণ ধ'রে কাঁদ্‌লেন। তারপর ধীরে ধীরে মাথা তুলে, ইলাইজা ও তার খোকার জন্য কতকগুলো দরকারী কাপড় বের ক'র্‌লেন। {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে মিঃ বার্ড ফিরে এলে, ইলাইজাকে জাগান হ'লো। মিঃ বার্ড তাকে নিয়ে তাড়াতাড়ি গাড়ীতে উঠ্‌লেন। ইলাইজা মুখ বাড়িয়ে কি যেন ব'ল্‌তে গেল, কিন্তু মুখ দিয়ে কোন কথাই বের হ'ল না। সে একবার মাত্র আকাশের দিকে তাকিয়ে, ধীরে ধীরে গাড়ীতে উঠে বস্‌লো। গাড়ী জোরে চ’ল্‌তে লাগলো। {{ফাঁক}}নদীর ধার থেকে উঠে, কাদামাখা গাড়ীখানা যখন প্রকাণ্ড একটা বাড়ীর দরজায় এসে দাঁড়ালো তখন রাত অনেক। বাড়ীর লোকদের<noinclude></noinclude> au0veqqx5rgu6vqaf4srabqf0kbvakg 1991347 1991195 2026-07-30T16:29:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991347 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|চতুর্থ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>পুরান মক্কেল কেনটাকি থেকে উঠে এসেছে। সে তার ক্রীতদাসদের ছেড়ে দিয়ে, এখান থেকে সাত মাইল দূরে একটা জায়গা কিনে বাস ক’র্‌ছে। সে জায়গাটা সহজে কেউ বের করতে পারবে না। সেই খানেই মেয়েটি বেশ নিরাপদে থাক্‌বে। তবে আমি ছাড়া আজ রাতে আর কেউ ওকে সেখানে নিয়ে যেতে পার্‌বে না।” {{ফাঁক}}“দেখ জন্, তোমার বিচারবুদ্ধি থেকে দয়ামায়াটাই কিছু বেশী!” {{ফাঁক}}“মেরী, দেখ ওই দেরাজটায় আমাদের হেন্‌রীর সেই সব কাপড় চোপড় রয়েছে!—” এই ব’লেই মিঃ বার্ড তাড়াতাড়ি উঠে বাইরে চলে গেলেন। {{ফাঁক}}মিসেস্ বার্ড পাশের ঘরে ঢুকে একটা দেরাজ খুললেন। তার মধ্যে হেন্‌রীর কাপড় চোপড় দেখে, তিনি কিছুতেই চোখের জল থামাতে পারলেন না! হাতের উপর মাথা রেখে তিনি অনেকক্ষণ ধ’রে কাঁদ্‌লেন। তারপর ধীরে ধীরে মাথা তুলে, ইলাইজা ও তার খোকার জন্য কতকগুলো দরকারী কাপড় বের ক’র্‌লেন। {{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে মিঃ বার্ড ফিরে এলে, ইলাইজাকে জাগান হ’লো। মিঃ বার্ড তাকে নিয়ে তাড়াতাড়ি গাড়ীতে উঠ্‌লেন। ইলাইজা মুখ বাড়িয়ে কি যেন ব’ল্‌তে গেল, কিন্তু মুখ দিয়ে কোন কথাই বের হ’ল না। সে একবার মাত্র আকাশের দিকে তাকিয়ে, ধীরে ধীরে গাড়ীতে উঠে বস্‌লো। গাড়ী জোরে চ’ল্‌তে লাগলো। {{ফাঁক}}নদীর ধার থেকে উঠে, কাদামাখা গাড়ীখানা যখন প্রকাণ্ড একটা বাড়ীর দরজায় এসে দাঁড়ালো তখন রাত অনেক। বাড়ীর লোকদের<noinclude></noinclude> 0p6inehx0a0x3imqf2pu1vcv60v7cay পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩৪ 104 883317 1991352 1990641 2026-07-30T16:29:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991352 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৮|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ভগবান অনেক জিনিষই দুইবার দেন, কিন্তু মাকে একবার হারালে আর পাওয়া যায় না। তাই বলছি যে, সব সময় মাকে খুসী ক’রবে। লক্ষ্মী ছেলে আমার!” {{ফাঁক}}জর্জ গম্ভীর ভাবে উত্তর দিল, “হাঁ টমকাকা, আমি খুব চেষ্টা কর্‌বো!” {{ফাঁক}}এমন সময় মিঃ হ্যালি হাতকড়া নিয়ে ফিরে এলেন। {{ফাঁক}}তখন জর্জ বল্লে, “টমকাকা, তবে বিদায়! কারো কাছে আমাদের গোপন কথা প্রকাশ ক’রো না।” {{ফাঁক}}টম চোখের জল মুছতে মুছতে বল্লে, “বিদায় জর্জ, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। কেনটাকি সহরে তোমার মত ছেলে আর পাওয়া শক্ত।” পরিপূর্ণ হৃদয় নিয়ে টম অতি ধীরে ধীরে এই কথা কটি বল্লে। ততক্ষণে জর্জের কোমল মুখখানি অদৃশ্য প্রায় হ’য়ে গিয়েছে। যতক্ষণ তাকে একটুকুও দেখা গেল, যতক্ষণ তার ঘোড়ার খুরের একটু শব্দও শুনতে পাওয়া গেল, ততক্ষণ টম সেই দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল! পর বিষাদের একখানা কাল মেঘে তার সমস্ত আশা ভরসা, সুখ শান্তি ঢাকা প’ড়্‌লো! কিন্তু টমের বুকের উপর একটি স্থান যেন জুড়িয়ে যাচ্ছিল! জর্জের অমূল্য দান—সেই ডলারটি সেখানে ঝুলছিল! {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> m3mmlj3e7uvfuntl5nz7z4hhgf6uih8 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩১ 104 883318 1991349 1990636 2026-07-30T16:29:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991349 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|পঞ্চম পরিচ্ছেদ}}}} ভোরের বেলা চারিদিক শীতের কুয়াসায় ঢেকেছে, দেখ্‌তে দেখ্‌তে সে কুয়াসা পরিষ্কার হ’য়ে যাবে! কিন্তু টমকাকার কুটীরখানি যে শোকের কুয়াসায় ঢেকেছে, কে জানে তাহার শেষ কোথায়! ক্লো কাকী সারারাত কেঁদেছে! বেচারীর চোখের জল কিছুতেই বাধা মান্‌ছে না। {{ফাঁক}}টম তার পাশে ব’সে, হাতের উপর মাথা রেখে, কোলের উপর বাইবেল খানা নিয়ে পড়ছিল। তখন সবেমাত্র ভোর হ’য়েছে। ছেলে মেয়েরা তখনও বিছানায় প’ড়ে ঘুমুচ্ছে। হঠাৎ টম আসন ছেড়ে উঠলো এবং ধীরে ধীরে ঘুমানো ছেলে মেয়েদের বিছানার কাছে গেল। তারপর ব’লে উঠলো, “এই শেষ দেখা!” অমনি ক্লো কাকী আবার হাউ হাউ ক’রে কেঁদে ফেল্লে। {{ফাঁক}}অনেকক্ষণ পরে সকালের জল খাওয়া শেষ হ’লে, টম ছোট খুকিকে কোলের উপর তুলে আদর ক’রতে লাগলো। সে দিব্যি আরামে টমের নাকে মুখে আঁচড় কামড় দিচ্ছে, এমন সময় ছেলেদের একজন ব’লে উঠ্‌লো, “গিন্নী মা আস্‌ছেন!” {{ফাঁক}}পর মুহূর্ত্তেই মিসেস্ সেল্‌বি ঘরে ঢুকলেন। দুঃখে ও ভাবনায় তাঁর মুখ একেবারে ফ্যাকাসে হ’য়ে গেছে! তিনি ব’লতে লাগ্‌লেন, “টম্, আমি—!” আর ব’ল্‌তে পারলেন না। হঠাৎ থেমে গিয়ে একটা চেয়ারে বসে কেঁদে ফেললেন।{{nop}}<noinclude></noinclude> 1j2i4bica3haeabs1lzec998fucr1su পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩২ 104 883319 1991350 1990638 2026-07-30T16:29:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991350 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৬|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}ক্লো কাকী ব’লে উঠ্‌লো—“ওকি মা, ছিঃ, কেঁদ না।” কিন্তু এই কথা ব’ল্‌তে ব’ল্‌তে সেও আর থাকতে পারলে না,—কেঁদে ফেল্‌লে! কতকক্ষণ ধ’রে সবাই মিলে কাঁদ্‌তে লাগলো। {{ফাঁক}}অবশেষে মিসেস্ সেল্‌বি ব’লেন, “টম, আমি টাকার যোগাড় হবামাত্র তোমায় ফিরিয়ে আনবো। যতদিন না তা’ পারি, ততদিন ঈশ্বরের উপর নির্ভর ক’রে কোনরূপে থেকো!” {{ফাঁক}}এমন সময় হঠাৎ এক লাথীতে দরজা খুলে, মিঃ হ্যালি ঘরের মধ্যে ঢুকলেন। তাঁর মেজাজটা তখন বেজায় খারাপ ছিল। {{ফাঁক}}টম তার নূতন মনিবের সঙ্গে যাবার জন্য ধীরে ধীরে উঠে দাড়ালো। ক্লো কাকী খুকিকে কোলে নিয়ে গাড়ী পর্য্যন্ত গেল। অন্যান্য ছেলে মেয়েরাও তার পিছন পিছন চ’ল্‌লো। {{ফাঁক}}মিঃ হ্যালি টাকে গাড়ীর ভিতর যেতে ব’ল্‌লেন। টম ভিতরে গেলে, তিনি এক জোড়া বেড়ি নিয়ে টমের পায়ে লাগিয়ে দিলেন। সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না ক’রে টম বল্লে, “এ সময় মাষ্টার জর্জের সঙ্গে দেখা হ’ল না, এ দুঃখ আমার চিরকাল থাক্‌বে! তোমরা তাকে আমার ভালবাসা জানিও।” এই মাষ্টার জর্জ মিঃ সেল্‌বির একমাত্র ছেলে। {{ফাঁক}}মিঃ হ্যালি খুব জোরে গাড়ী হাঁকিয়ে দিলেন। টম শেষ পর্য্যন্ত এক দৃষ্টিতে বাড়ীর পানে তাকিয়ে রইল। সে দৃষ্টি কি করুণ—কি উদাস—কি ব্যথাভরা! দেখতে দেখতে গাড়ী অদৃশ্য হ’য়ে গেল। {{ফাঁক}}প্রায় এক মাইল যাবার পর, মিঃ হ্যালি এক কামারের দোকানের<noinclude></noinclude> r4xb7tjtp7ufeoxghtz4vi1tue9l2hw পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩৩ 104 883320 1991351 1990640 2026-07-30T16:29:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991351 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৭|পঞ্চম পরিচ্ছেদ}}</noinclude>সাম্‌নে গাড়ী থামালেন, এবং এক জোড়া হাত-কড়া নিয়ে দোকানের ভিতর ঢুকলেন। তারপর টমের দিকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে, তিনি কামারকে ব’ল্‌লেন, “এই কড়া দুটো ওর হাতের পক্ষে নেহাৎ ছোট। ঐ হাতে যাতে লাগে, সেই রকম ঠিক ক’রে দেও।” {{ফাঁক}}টম নিতান্ত বিষণ্ণমনে গাড়ীতে বসেছিল। হঠাৎ পিছনে ঘোড়ার পায়ের শব্দ শুনে সে চমকে উঠলো। দেখতে দেখতে জর্জ এসে, গাড়ীতে লাফিয়ে উঠে, দুহাতে টমের গলা জড়িয়ে ধরলে এবং রাগে ও দুঃখে উত্তেজিত হ’য়ে ব’ল্লে, “এ ভয়ানক অন্যায়! আমি যদি বড় হ’তাম, তা হ’লে এরূপ ব্যবহারের প্রতিশোধ না দিয়ে ছাড়তাম না!” {{ফাঁক}}টম করুণস্বরে ব’ল্লে, “জর্জ, তুমি এসেছ, আমার খুব ভাল লাগছে। তোমায় না দেখে যেতে হবে মনে ক’রে, আমার বড়ই কষ্ট হচ্ছিল।” {{ফাঁক}}“দেখ টমকাকা, আমি তোমার জন্য আমার ডলারটা নিয়ে এসেছি।” {{ফাঁক}}টম নিতান্ত বিচলিত হ’য়ে বল্লে, “আমি কিছুতে ওটা নিতে পারি না!” {{ফাঁক}}জর্জ কিন্তু ডলারটা টমের গলায় ঝুলিয়ে দিয়ে ব’ল্লে, “তোমায় নিতেই হবে। এখন বেশ ক’রে জামার বোতামগুলো এঁটে দাও। যতবার ওটা তুমি দেখ্‌বে, ততবারই আমার কথা তোমার মনে প’ড়বে। মনে রেখো যে, একদিন না একদিন আমি নিশ্চয়ই তোমায় ফিরিয়ে আনতে যাব!” {{ফাঁক}}টম বল্লে, “বেশ! এখন আমার অনুরোধ, তোমায় খুব ভাল ছেলে হ’তে হবে। সব সময় মার কাছে কাছে থেকো। বুঝলে জর্জ,<noinclude></noinclude> rgcpgqg7yjtey4iaebwb7cmmdn3oxgf পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৩ 104 883334 1991359 1990679 2026-07-30T16:29:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991359 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|সপ্তম পরিচ্ছেদ}}</noinclude><section begin="A" />দৌড়ে মায়ের কাছে চ’লে গেল। তার মা জিজ্ঞাসা ক’রলেন—“এতক্ষণ কি ক’র্‌ছিলে?” {{ফাঁক}}“ম্যামীকে আমার ওষুধের কৌটাটি দিয়ে এলাম। সে সেটা গির্জ্জায় নিয়ে যাবে।” {{ফাঁক}}“কি!—যাও, এখনই সেটা ফিরিয়ে নিয়ে এস!” {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার বল্লেন— “মেরী, ইভাকে কিছু ব’লো না। ওকে ওর ইচ্ছামত কাজ ক’রতে দাও।—ইভা, তুমি কি গির্জ্জায় যেতে চাও? চল না, বাড়ীতে ব’সে আমরা দুজনে খেলা করিগে!” {{ফাঁক}}“না বাবা, আমি গির্জ্জাতেই যাবো। ঈশ্বর চান যে, আমরা সকলে তাঁর উপাসনার জন্যে গির্জ্জায় যাই।” {{ফাঁক}}"আচ্ছা মা, তাই যাও, আমার জন্যে প্রার্থনা করো।” {{ফাঁক}}“তা বাবা আমি সব সময়ই ক’রে থাকি।” এই ব’লে সে গাড়ীতে মা’র পাশে গিয়ে ব’স্‌লো। {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|সপ্তম পরিচ্ছেদ}}}} {{ফাঁক}}মিঃ বার্ডের কৌশলে হ্যালির সকল চেষ্টা বিফল হ’লো। ইলাইজার যখন কোনই সন্ধান পাওয়া গেল না, তখন অগত্যা তিনি ফিরে গেলেন। {{ফাঁক}}এর পর ইলাইজা কোয়েকার দলের সাহায্যে তার স্বামীর সন্ধান ক’র্‌তে লাগলো। এই কোরেকার দলে অনেক ভাল ভাল লোক<section end="B" /><noinclude></noinclude> tpn8eh8ykrkbgb2muemj3g8e1p5j9gl 1992030 1991359 2026-07-31T04:15:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992030 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|সপ্তম পরিচ্ছেদ}}</noinclude><section begin="A" />দৌড়ে মায়ের কাছে চ’লে গেল। তার মা জিজ্ঞাসা ক’রলেন—“এতক্ষণ কি ক’র্‌ছিলে?” {{ফাঁক}}“ম্যামীকে আমার ওষুধের কৌটাটি দিয়ে এলাম। সে সেটা গির্জ্জায় নিয়ে যাবে।” {{ফাঁক}}“কি!—যাও, এখনই সেটা ফিরিয়ে নিয়ে এস!” {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার বল্লেন— “মেরী, ইভাকে কিছু ব’লো না। ওকে ওর ইচ্ছামত কাজ ক’রতে দাও।—ইভা, তুমি কি গির্জ্জায় যেতে চাও? চল না, বাড়ীতে ব’সে আমরা দুজনে খেলা করিগে!” {{ফাঁক}}“না বাবা, আমি গির্জ্জাতেই যাবো। ঈশ্বর চান যে, আমরা সকলে তাঁর উপাসনার জন্যে গির্জ্জায় যাই।” {{ফাঁক}}“আচ্ছা মা, তাই যাও, আমার জন্যে প্রার্থনা করো।” {{ফাঁক}}“তা বাবা আমি সব সময়ই ক’রে থাকি।” এই ব’লে সে গাড়ীতে মা’র পাশে গিয়ে ব’স্‌লো। {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|সপ্তম পরিচ্ছেদ}}}} {{ফাঁক}}মিঃ বার্ডের কৌশলে হ্যালির সকল চেষ্টা বিফল হ’লো। ইলাইজার যখন কোনই সন্ধান পাওয়া গেল না, তখন অগত্যা তিনি ফিরে গেলেন। {{ফাঁক}}এর পর ইলাইজা কোয়েকার দলের সাহায্যে তার স্বামীর সন্ধান ক’র্‌তে লাগলো। এই কোরেকার দলে অনেক ভাল ভাল লোক<section end="B" /><noinclude></noinclude> 5qqgc8h1ings80z6bvqpndvy89grakg পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩৫ 104 883335 1991353 1990672 2026-07-30T16:29:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991353 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ}}}} প্রায় সমুদ্রের মতই চওড়া “মিসিসিপি” নদীর উপর অস্তগামী সূর্য্যের লাল আভা পড়েছে। পাড়ের বেতগাছগুলি বাতাসে কাঁপছে। সেই সকল বেতগাছ ও বড় বড় সাইপ্রেস্‌ গাছগুলি সোনালি আভায় চক্‌ চক্‌ ক’রছে। এমন সময় একখানি ষ্টীমার নদী দিয়ে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে। এই ষ্টীমারেই আমাদের টম আছে। লোকের ভিড়ের মধ্যে টমকে খুঁজে বের করা সহজ নয়। উপর তলায় এক গাদা তুলোর পাশে ব’সে, টম আপন মনে বাইবেল পাঠ করছে। এমনি সে রোজই পড়ে। {{ফাঁক}}ষ্টীমারে অন্যান্য আরোহীদের মধ্যে অল্পবয়স্ক একটি ভদ্রলোক ছিলেন। তিনি বেশ ধনী। তাঁর নাম “সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার।” ভদ্রলোকটির সঙ্গে তাঁর পাঁচ ছয় বছরের একটি মেয়ে ও আর একজন মহিলা ছিলেন। টম প্রায়ই এই ছোট মেয়েটিকে দেখতে পেত। ক্রমে তাদের দুজনের মধ্যে বেশ ভাব হ’য়ে গেল। {{ফাঁক}}টম একদিন তাকে জিজ্ঞেস্ ক’রলে, “তোমার নাম কি, মা?” {{ফাঁক}}মেয়েটি বল্লে,—“আমার নাম ‘ইভানজেলিন্ সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার।’ তবে মা বাবা আমায় ‘ইভা’ ব’লে ডাকেন। এখন তোমার নাম কি আমায় বল?” {{ফাঁক}}“আমার নাম টম। কেনটাকি সহরে যেখানে আমি থাকতাম, সব ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা আমায় টমকাকা ব’লে ডাকতো।”{{nop}}<noinclude></noinclude> oy7y3gndkfs20t7eydsd26duit2k6u8 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩৬ 104 883336 1991354 1990673 2026-07-30T16:29:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991354 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩০|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}“তা’ হলে আমিও তোমায় টমকাকা ব’লে ডাকবো। তোমাকে আমার বেশ ভাল লাগে!” {{ফাঁক}}কাট সংগ্রহের জন্য ষ্টীমার একটা ছোট ঘাটে এসে লেগেছে। ইভা এতক্ষণ টমের কাছেই ছিল, হঠাৎ তার বাবার গলা শুনতে পেয়ে, তাঁর কাছে ছুটে গেল এবং রেলিংএর ধারে বাবার পাশে দাঁড়িয়ে ষ্টীমার ছাড়া দেখতে লাগলো। এমন সময়, হঠাৎ কি যেন একটা ধাক্কা লেগে, ষ্টীমার যেই একটু কেঁপে উঠেছে, অমনি, ভাব্‌লেও গা কাঁপে, ইভা তাল সাম্‌লাতে না পেরে, একেবারে উল্টে জলের মধ্যে পড়ে গেল! সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার পাগলের মত হ’য়ে গেলেন! জাহাজে মহা হাহাকার প’ড়ে গেল! ইভা ত ডুবেছিই, তার বাবাকেও ধরে রাখা দায় হ’ল! টম তখন নিচের তলায় ছিল। সে ইভাকে পড়তে দেখেই, তার পিছন পিছন ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং তাকে কাঁধে উঠিয়ে নিয়ে ষ্টীমারের কাছে এল। মৃত্যুর গ্রাস থেকে মেয়েকে ফিরিয়ে পেয়ে, সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের আনন্দ দেখে কে? ইভাকে বুকে জড়িয়ে তিনি সজল নেত্রে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিতে লাগলেন। {{ফাঁক}}টমের এই মহৎ কাজে সকলেই আশ্চর্য্য হ’লো। শত মুখে তখন টমের প্রশংসা! অবশেষে সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার টমকে আলিঙ্গন ক’রে হৃদয়ের কৃতজ্ঞতা জানালেন। {{ফাঁক}}পরদিন ষ্টীমারখানা নিউ অর্‌লেন্সের কাছে উপস্থিত হ’লো। টম দেখলে, ষ্টীমারের এক পাশে ইভা, তার বাবা ও মিঃ হ্যালি কি যেন<noinclude></noinclude> n4g49g9xeymbfone2x5rtihv2q5608v পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩৭ 104 883337 1991355 1990674 2026-07-30T16:29:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991355 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩১|ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>পরামর্শ কচ্ছেন। পরামর্শ আর কিছু নয়, মিঃ হ্যালি টমকে বিক্রী ক’বার জন্য তার গুণের বিস্তর প্রশংসা কচ্ছিলেন। ইভার বাবা তাই শুনছিলেন। {{ফাঁক}}মিঃ হ্যালি বল্লেন—“এই টম তার পূর্ব্ব মনিবের কাজ কার্‌বার সব একাই দেখ্‌তো। এর জন্য আমি ১৩০০ ডলার চাই!” {{ফাঁক}}ইভা চুপি চুপি তার বাবাকে বল্লে, “যা টাকা লাগে, লাগুক। তুমি টমকে কেন! আমি ওকে সুখী দেখ্‌তে চাই।” {{ফাঁক}}এক তাড়া নোট বে’র ক’রতে করতে ইভার বাবা বললেন—“কারণটা খুবই নূতন রকম ব’ল্‌তে হবে!” তারপর মিঃ হ্যালির হাতে নোটগুলো দিয়ে বললেন, “ভাল ক’রে গুণে দেখুন।” {{ফাঁক}}আনন্দে মিঃ হ্যালির মুখে হাসি ফুটে উঠলো। তিনি নোট গুণে নিয়ে ব’ল্লেন, “ঠিক আছে।” {{ফাঁক}}তার পর সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার ইভাকে নিয়ে ষ্টীমারের অন্য ধারে—টমের কাছে এসে দাঁড়ালেন এবং টমের চিবুক ধ’রে আদর ক’রে ব’লেন, “টম চেয়ে দেখদেখি, তোমার নূতন মনিবকে কেমন লাগে!” {{ফাঁক}}টম তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলে, “কর্ত্তা, ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন!” {{ফাঁক}}অগষ্টিন্‌ সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের স্ত্রী অতিশয় রুগ্ন ছিলেন। তাঁর একমাত্র মেয়ে ইভার শরীরও তত ভাল ছিল না। ইভার স্বাস্থ্যের জন্যই তিনি তাকে নিয়ে ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন, এবং তার সেবা-শুশ্রূষার জন্য<noinclude></noinclude> b2a2i5wjn2b0709i21rqdyfzcye2g96 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৩৮ 104 883338 1991356 1990676 2026-07-30T16:29:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991356 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩২|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>আপনার খুড়তুতো বোন মিস্ অফেলিয়াকেও সঙ্গে নিয়েছিলেন। এই ষ্টীমারেই এখন তাঁরা বাড়ী ফিরছেন। {{ফাঁক}}ষ্টীমারখানা ক্রমে নিউ অর্‌লেন্সের ঘাটে পৌঁছল। উঠা-নামার গোলমাল একটু কমিলে, সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার গাড়ীতে উঠলেন। {{ফাঁক}}ইভা জিজ্ঞাসা ক’রলে, “টম কোথায়?” {{ফাঁক}}তার বাবা ব’লেন—“সে বাইরে বসেছে। আমি আগেই তাকে তোমার মার কাছে নিয়ে যাব। টমের গুণের কথা শুনলে তিনি নিশ্চয় খুসী হ’বেন। {{ফাঁক}}গাড়ীখানা প্রকাণ্ড একটা ফটক পার হ’য়ে, সেকেলে ধরণের এক মস্ত বাড়ীর সামনে এসে দাঁড়ালো। ইভা তাড়াতাড়ি নেমে, আনন্দে অধীর হ’য়ে একটা ঘরের মধ্যে ঢুকলো। সেখানে খাটের উপর একজন মহিলা শুয়েছিলেন। তিনি ধীরে ধীরে অল্প একটু উঠে ব’লেন। ইভা “মা মা” ব’লে তাঁর কোলে ঝাঁপিয়ে পড়লো। {{ফাঁক}}তার পর ইভা সবেমাত্র টমের কথা ব’ল্‌তে যাচ্ছে, এমন সময় সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার সেই ঘরে এলেন এবং নানা কথাবার্তার পর টমকে ডেকে পাঠালেন। টম নিকটে এলে, সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার তাঁর স্ত্রীকে ব’ল্‌লেন, “দেখ মেরী, তোমার জন্য কেমন ভাল একজন কোচম্যান এনেছি।” {{ফাঁক}}মেরী টমকে বেশ ক’রে দেখে বলেন, “আশা করি এ ভাল হবে!” {{ফাঁক}}“এ যে ভাল হবে, তাতে আর সন্দেহ কি? আজ যে ইভাকে ফিরিয়ে পেলে, সে কেবল এই টমেরই গুণে!” এই ব’লে সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার<noinclude></noinclude> hcov3xecunhzns9oygo13d8pmbwu0ol পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪১ 104 883339 1991357 1990677 2026-07-30T16:29:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991357 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৩|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ইভার হঠাৎ জলে প’ড়ে যাওয়া, এবং ভগবানের কৃপায় টমের সাহায্যে রক্ষা পাওয়ার কথা বর্ণনা করলেন। তারপর দরজার বাইরে এসে, তিনি বাড়ীর পুরান দাসদাসীদের ডাক্‌লেন। তারা নিকটে এলে, সকলের কুশল জিজ্ঞাসা ক’রে ও সস্নেহ ব্যবহারে সকলকে আপ্যায়িত ক’রে আপনার মহৎ হৃদয়ের পরিচয় দিলেন। {{ফাঁক}}ইহার কিছুদিন পরে, একদিন সকলে উপরের বারান্দায় ব’সে আছেন, এমন সময় উঠানে একটা অট্টহাস্য প’ড়ে গেল। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার পরদা সরিয়ে সেই দিকে তাকালেন। অমনি তিনিও হাস্‌তে লাগ্‌লেন। মিস্ ওফেলিয়া বারান্দার রেলিংএর ধারে এসে জিজ্ঞাসা ক’র্‌লেন, “কি হ’য়েছে?” {{ফাঁক}}উঠানের এক জায়গায় ঘাসের উপর টম ব’সে আছে। ইভা এক ছড়া গোলাপ ফুলের মালা নিয়ে হাস্‌তে হাস্‌তে তার গলায় জড়িয়ে দিলে। তার পর টমের হাঁটুর উপর ব’সে, হাস্‌তে হাস্‌তে ব’ল্‌লে, “টমকাকা, তোমাকে কেমন সুন্দর দেখাচ্ছে!” {{ফাঁক}}তার এই ছোট্ট মনিবটির খেলা টমের বেশ ভাল লাগছিল। সেও ইভার সঙ্গে প্রাণ ভ’রে হেসে উঠলো! {{ফাঁক}}এ খেলা শেষ হ’লে, ইভা টমকে নিয়ে আর একদিকে গেল। তাকে টমের হাত ধ’রে নাচতে নাচতে যেতে দেখে, সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার বল্লেন—“ছেলে পিলে না পেলে গরীব দুঃখীরা কি নিয়ে থাক্‌তো! ইভার চোখে টম একজন অসাধারণ লোক। টমের গল্পে সে মোহিত।<noinclude></noinclude> 9gl3i42wybrz4saqov895xc8dlblr99 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪২ 104 883340 1991196 1990678 2026-07-30T16:19:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991196 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৪|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>টমের গান ও স্তবগুলি ইভার কাছে অপেরার গানের চেয়েও মিষ্টি। ইভার বিশ্বাস, কাফ্রীদের মধ্যে টমের মত এমন লোক আর কখনো জন্মেনি!” {{ফাঁক}}পরের রবিবার সকালে মেরী ও মিস্‌ ওফেলিয়া গির্জ্জায় যাবার জন্যে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন। মেরী জিজ্ঞাসা করলেন, “ইভা কোথায়?” {{ফাঁক}}মিস্ ওফেলিয়া উত্তর দিলেন—“সে ম্যামীকে (ম্যামী একজন কৃতদাসী, ইভার বিশেষ প্রিয়) কি যেন বলবার জন্যে সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছে।” {{ফাঁক}}এই সময় সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ইভা ও ম্যামী দুইজনে খুব কথাবার্ত্তা হ’চ্ছিল। ইভা ব'ল্লে— “ম্যামী, আমি বুঝতে পারছি, তোমার মাথা খুব ব্যথা করছে।” {{ফাঁক}}“হাঁ, আজকাল আমার এ রকম প্রায়ই হ'য়ে থাকে।” {{ফাঁক}}“তুমি যে বেড়াতে যাচ্ছ এটা বেশ ভালই। আমার এই ওষুধের কোঁটাটি সঙ্গে নিয়ে যাও।” {{ফাঁক}}“কি, ওই পাথরবসান সোণার কৌটাটি! ওটা আমার কখনই নেওয়া উচিত নয়। {{ফাঁক}}“কেন! উচিত নয় কেন? তোমার ওটা দরকার—আমার তো আর দরকার নেই!” {{ফাঁক}}ম্যামী ব’ল্লে—“শোন, আমাদের পাগলীর কথাটা একবার শোন!” {{ফাঁক}}হঠাৎ ইভা সেই কৌটাটি ম্যামীর কাপড়ের মধ্যে গুঁজে দিয়ে, এক<noinclude></noinclude> 3brj8q5ol7scky4rxc9hwa3h91dbe1z 1991358 1991196 2026-07-30T16:29:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991358 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৪|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>টমের গান ও স্তবগুলি ইভার কাছে অপেরার গানের চেয়েও মিষ্টি। ইভার বিশ্বাস, কাফ্রীদের মধ্যে টমের মত এমন লোক আর কখনো জন্মেনি!” {{ফাঁক}}পরের রবিবার সকালে মেরী ও মিস্‌ ওফেলিয়া গির্জ্জায় যাবার জন্যে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন। মেরী জিজ্ঞাসা করলেন, “ইভা কোথায়?” {{ফাঁক}}মিস্ ওফেলিয়া উত্তর দিলেন—“সে ম্যামীকে (ম্যামী একজন কৃতদাসী, ইভার বিশেষ প্রিয়) কি যেন বলবার জন্যে সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছে।” {{ফাঁক}}এই সময় সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ইভা ও ম্যামী দুইজনে খুব কথাবার্ত্তা হ’চ্ছিল। ইভা ব’ল্লে— “ম্যামী, আমি বুঝতে পারছি, তোমার মাথা খুব ব্যথা করছে।” {{ফাঁক}}“হাঁ, আজকাল আমার এ রকম প্রায়ই হ’য়ে থাকে।” {{ফাঁক}}“তুমি যে বেড়াতে যাচ্ছ এটা বেশ ভালই। আমার এই ওষুধের কোঁটাটি সঙ্গে নিয়ে যাও।” {{ফাঁক}}“কি, ওই পাথরবসান সোণার কৌটাটি! ওটা আমার কখনই নেওয়া উচিত নয়। {{ফাঁক}}“কেন! উচিত নয় কেন? তোমার ওটা দরকার—আমার তো আর দরকার নেই!” {{ফাঁক}}ম্যামী ব’ল্লে—“শোন, আমাদের পাগলীর কথাটা একবার শোন!” {{ফাঁক}}হঠাৎ ইভা সেই কৌটাটি ম্যামীর কাপড়ের মধ্যে গুঁজে দিয়ে, এক<noinclude></noinclude> ppex2ub7fa9bhn9o48ipmx62fki6eyh পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৫ 104 883346 1991361 1990689 2026-07-30T16:29:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991361 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৭|অষ্টম পরিচ্ছেদ}}</noinclude><section begin="A" />{{ফাঁক}}আজন্ম যাদের দাসত্বে কেটেছে, আজ প্রথম মুক্তির আস্বাদ পেয়ে, তারা যেন নূতন জীবন লাভ ক’র্‌লে! জাহাজ ঘাটে লাগলে, তারা মুক্তিদাতা ভগবানকে ধন্যবাদ দিতে দিতে নীচে নেমে গেল! {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|অষ্টম পরিচ্ছেদ}}}} নূতন পরিবারে এসে টমের অন্য কোনই কষ্ট নেই। ইভাকে নিয়ে তার দিনগুলি বেশ সুখেই কাটতে লাগলো, কিন্তু স্ত্রী-পুত্র পরিবারের কথা মনে হ’লে, সে কিছুতেই চোখের জল রাখতে পা’র্‌ত না। সেই সময় বাইবেল ও ইভাই তার প্রধান সান্ত্বনা! {{ফাঁক}}একদিন আস্তাবলের উপর ছোট একটা ঘরে টম ব’সে আছে। সাম্‌নে একখানা শ্লেট্। টম অতি কষ্টে এক একটি অক্ষর লিখ্‌ছে। ইভা তার কাধের উপর ঝুঁকে প’ড়ে তাই দেখ্‌ছে। হঠাৎ ইভা ব’লে উঠল, “টমকাকা, তুমি ও সব কি আঁক্‌চো?” {{ফাঁক}}“আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের কাছে চিঠি লিখ্‌ছি।” {{ফাঁক}}“সত্যি টমকাকা, তোমার চিঠিখানা বেশ হচ্ছে। তারা এ খানা পেয়ে খুব খুসী হবে।” {{ফাঁক}}এমন সময় হঠাৎ সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার সেখানে এলেন। এসেই বল্লেন—“কি টম, এখানে কি হচ্ছে?” {{nop}}<section end="B" /><noinclude></noinclude> giwiifcyhdpavn90lvn487v8o4poo2y পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৪ 104 883347 1991360 1990690 2026-07-30T16:29:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991360 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৬|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ছিলেন। নানা রকমে বিপন্ন লোকের সাহায্য করাই তাঁদের জীবনের ব্রত। পলাতক দাসদাসীগণকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাহাদিগকে নিরাপদে কেনাডায় পৌঁছে দেওয়া তাঁরা ধর্ম্মকার্য্য ব’লে মনে করতেন। এই উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ঘাটিতে ঘাটিতে তাঁরা দলবদ্ধ হ’য়ে বাস করতেন, এবং দাসব্যবসায়ীদের সকল রকম ফন্দী ব্যর্থ ক’রে দিতেন। এ কাজে অনেক সময় তাঁদের প্রাণ নিয়ে টানাটানি পড়তো, তবুও ঈশ্বরের ও মানুষের প্রতি কর্তব্য মনে ক’রে, তাঁরা কখনো নিরস্ত হ’তেন না। {{ফাঁক}}ইলাইজার দুঃখের কথা শুনে, কোয়েকার রমণীরা চোখের জল রাখ্‌তে পারলেন না। তাকে ভগ্নীর ন্যায় ভালবাসতে লাগলেন। কোয়েকার পুরুষগণ নানা স্থানে ইলাইজার স্বামীর সন্ধানে ব্যস্ত হ’লেন। অবশেষে তাঁদের চেষ্টায় জর্জ ও ইলাইজা একত্র হ’লো। {{ফাঁক}}তারপর পালাবার আয়োজন হ’তে লাগ্‌লো। টম লকার, মার্ক প্রভৃতি গুণ্ডারা ইলাইজা ও তার স্বামীকে ধরবার জন্য চেষ্টার ত্রুটী করেনি, কিন্তু কোয়েকার পুরুষগণের কৌশলে তাদের সকল চেষ্টাই ব্যর্থ হ’লো। পদে পদে নানা বিপদ। সেই সমস্ত বিপদ মাথায় নিয়ে ইলাইজার দল জাহাজে গিয়ে উঠলো। জাহাজেও গুপ্তচরের অভাব ছিল না, কিন্তু ইলাইজা প্রভৃতি এরূপ ছদ্মবেশ ক’রেছিল যে, কেহই তাদের চিন্‌তে পারে নাই। জাহাজ ছেড়ে দিলে তারা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলে! {{ফাঁক}}বায়ুভরে নাচ্‌তে নাচ্‌তে জাহাজ চ’ল্‌তে লাগলো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল। অবশেষে স্বাধীনতার রাজ্য কেনাডার দৃশ্য চক্ষে প’ড়্‌লো। {{nop}}<noinclude></noinclude> c046mrdo3paknk7qx2pwzxkk8rfbkfe পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৮ 104 883350 1991364 1990698 2026-07-30T16:29:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991364 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪০|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}ইভা হঠাৎ গম্ভীর হয়ে বল্লে—“বাবা, আমি অনেক দিন থেকে ভাব্‌ছি, তোমায় একটা কথা বলবো। আর ত বেশী সময় নেই। শীঘ্রই আমাকে তোমাদের সকলকে ছেড়ে যেতে হবে!” {{ফাঁক}}“ও কি ইভা, ওমন কথা কি ব’লতে আছে? তুমি চলে গেলে আমরা কি নিয়ে থাকবো?” {{ফাঁক}}“না বাবা, তুমি ভুল বুঝো না। আমি মোটেই ভাল হই নি। শীঘ্রই আমায় যেতে হবে! আর আমি যেতেই এখন চাই।” {{ফাঁক}}“কেন মা ইভা, তোমার প্রাণে এত কি কষ্ট?” {{ফাঁক}}“আমাদের এই ক্রীতদাসদের দেখে আমার বড়ই কষ্ট হয়! তুমি মারা গেলে এদের দশা কি হবে? আচ্ছা বাবা, ক্রীতদাসদের সব স্বাধীন ক’রে দেবার কি কোন উপায় নেই? তুমি কি চেষ্টা ক’র্‌লে এ বিষয়ে সকলকে রাজি করিতে পার না?" {{ফাঁক}}“লক্ষ্মী মা আমার! এ সব বিষয় নিয়ে তুমি মন খারাপ ক’রো না। তুমি যা চাও আমি তাই ক’র্‌বো!” {{ফাঁক}}“আচ্ছা বাবা, অন্ততঃ টমকে আমার মৃত্যুর পর ছেড়ে দেবে বল?” {{ফাঁক}}“হাঁ মা, তুমি যা ব’লবে তাই ক’র্‌বো!” {{ফাঁক}}“বাবা, আমার বড় ইচ্ছা করে যে, তুমি আর আমি একসঙ্গে স্বর্গে যাই!—আহা, তা যদি হ’ত! যা হ’ক, পরে তুমি আমার কাছে যাবে তো?” {{ফাঁক}}“নিশ্চয়ই মা! তোমার কাছেই যাবো। তোমায় কি ভুলতে পারি?”{{nop}}<noinclude></noinclude> 69lkgf7fj9q21svycs06ccu13dplbf7 1992293 1991364 2026-07-31T04:56:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992293 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪০|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}ইভা হঠাৎ গম্ভীর হয়ে বল্লে—“বাবা, আমি অনেক দিন থেকে ভাব্‌ছি, তোমায় একটা কথা বলবো। আর ত বেশী সময় নেই। শীঘ্রই আমাকে তোমাদের সকলকে ছেড়ে যেতে হবে!” {{ফাঁক}}“ও কি ইভা, ওমন কথা কি ব’লতে আছে? তুমি চলে গেলে আমরা কি নিয়ে থাকবো?” {{ফাঁক}}“না বাবা, তুমি ভুল বুঝো না। আমি মোটেই ভাল হই নি। শীঘ্রই আমায় যেতে হবে! আর আমি যেতেই এখন চাই।” {{ফাঁক}}“কেন মা ইভা, তোমার প্রাণে এত কি কষ্ট?” {{ফাঁক}}“আমাদের এই ক্রীতদাসদের দেখে আমার বড়ই কষ্ট হয়! তুমি মারা গেলে এদের দশা কি হবে? আচ্ছা বাবা, ক্রীতদাসদের সব স্বাধীন ক’রে দেবার কি কোন উপায় নেই? তুমি কি চেষ্টা ক’র্‌লে এ বিষয়ে সকলকে রাজি করিতে পার না?” {{ফাঁক}}“লক্ষ্মী মা আমার! এ সব বিষয় নিয়ে তুমি মন খারাপ ক’রো না। তুমি যা চাও আমি তাই ক’র্‌বো!” {{ফাঁক}}“আচ্ছা বাবা, অন্ততঃ টমকে আমার মৃত্যুর পর ছেড়ে দেবে বল?” {{ফাঁক}}“হাঁ মা, তুমি যা ব’লবে তাই ক’র্‌বো!” {{ফাঁক}}“বাবা, আমার বড় ইচ্ছা করে যে, তুমি আর আমি একসঙ্গে স্বর্গে যাই!—আহা, তা যদি হ’ত! যা হ’ক, পরে তুমি আমার কাছে যাবে তো?” {{ফাঁক}}“নিশ্চয়ই মা! তোমার কাছেই যাবো। তোমায় কি ভুলতে পারি?”{{nop}}<noinclude></noinclude> sxg0jmp1e6al6dvwzp84a08ac1n6kpb পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৬ 104 883351 1991362 1990696 2026-07-30T16:29:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991362 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৮|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}অমনি ইভা ব’লে উঠ্‌ল—“দেখ বাবা, টমকাকা কেমন চিঠি লিখ্‌ছে! বেশ সুন্দর হ’য়েছে,—না বাবা?” {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার দেখে ব’লেন—“টম, তুমি না হয় তোমার চিঠিগুলো আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নিও। সেই ভাল হবে।” {{ফাঁক}}ইভা বল্লে—“বাবা, টমকাকা ছেলেমেয়েদের জন্য মাঝে মাঝে কাঁদে। তাদের জন্যে কষ্ট হ’লেই চিঠি লিখতে বসে। আজকের চিঠিটা খুব দরকারী। এই চিঠি পেলেই টমকাকার আগেকার মনিবের স্ত্রী, ওকে খালাস ক’রে নিয়ে যাবার জন্যে টাকা পাঠাবেন।” {{ফাঁক}}সেইদিনই সন্ধ্যার সময় টমের চিঠিখানা ডাকে দেওয়া হ’ল। {{ফাঁক}}দেখ্‌তে দেখ্‌তে সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের বাড়ীতে টমের দুই বছর কেটে গেল। ইভার বয়সের সঙ্গে সঙ্গে টম ও তার বন্ধুত্বও খুব বেড়ে উঠলো। কিন্তু গত ছয় মাস থেকে ইভার হাত, পা ও সমস্ত শরীর এত সরু হয়ে আস্‌ছিল, এবং তার গায়ের রং এত ফ্যাকাসে হয়ে পড়ছিল যে, তাই দেখে বুড়ো টম মাঝে মাঝে প্রাণে বড়ই বেদনা পেত। ইভার নিশ্বাস-প্রশ্বাসও ক্রমে ক্ষীণ হ’য়ে পড়্‌লো। মিস্ ওফেলিয়াও ইভার সেই বিষম শুক্‌নো কাসি লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি একদিন সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারকে সব কথা খুলে বল্লেন। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার খুব ব্যস্ত ও অস্থির হ’য়ে পড়্‌লেন, এবং সব সময়ই ইভার শরীরের উপর চোখ রাখ্‌তে লাগ্‌লেন। {{ফাঁক}}ক্রমে ইভার শরীর এত খারাপ হ’য়ে পড়লো যে, ডাক্তার ডেকে<noinclude></noinclude> j78i80whos93vqe1lgn0xzo687v2ln4 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৭ 104 883352 1991363 1990697 2026-07-30T16:29:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991363 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৯|অষ্টম পরিচ্ছেদ}}</noinclude>রীতিমত চিকিৎসা আরম্ভ কর্‌তে হ’লো। চিকিৎসায় ইভা একটু চান্‌কা হ’য়ে উঠ্‌লো বটে, কিন্তু সেটা নেহাত সাময়িক। মিস্‌ ওফেলিয়া ও ডাক্তার ক্রমেই ভয় পেতে লাগলেন। তাঁরা যে রোগ সন্দেহ ক’রছিলেন, সত্য সত্যই ইভাকে সেই রোগে ধ’রেছিল! {{ফাঁক}}একদিন টমের কাছে ব’সে বাইবেল পড়্‌তে পড়্‌তে ইভা বল্লে—“দেখ টমকাকা, যিশু যে কেন আমাদের জন্যে ম’র্‌তে চেয়েছিলেন তা আমি বেশ বুঝতে পারি। আমার নিজেরই সে রকম মনে হয়। তুমি আমি যে ষ্টীমারে আস্‌ছিলাম তাতে এবং আরও অনেক জায়গায় বেচারা ক্রীতদাসদের উপর অত্যাচার দেখে, আমার এত কষ্ট হ’য়েছে যে, তা ব’লতে পারি না! তখন আমার মনে হ’য়েছিল এবং এখনো মনে হয় যে, আমি ম’লে যদি এদের কষ্ট ঘোচে, তা’হলে আমি খুব আনন্দের সঙ্গেই ম’রতে পারি!” {{ফাঁক}}টম ইভার কথা শু’ন একেবারে অবাক হ’য়ে রইলো। তারপর পিতার কথা শুন্‌তে পেয়ে ইভা যখন চলে গেল, তখন দুঃখে ও আনন্দে টম আর চোখের জল রাখতে পারলে না। {{ফাঁক}}ইভা ছুট্‌তে ছুট্‌তে বারান্দায় বাবার কাছে গেল। তিনি একটা পুতুল কিনে এনেছিলেন। সেইটি দেবার জন্যই তাকে ডাক্‌ছিলেন। ইভার সেই রোগা শরীর দেখে হঠাৎ সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের প্রাণটা কেঁদে উঠ্‌লো। তিনি তাকে বুকের কাছে টেনে নিয়ে জিজ্ঞেস্ ক’রলেন—“ইভা, মা! তুমি আজকাল একটু ভাল বোধ কচ্ছো কি?”{{nop}}<noinclude></noinclude> pczwlbazyyhch8ynb9pi7exdawtkpd7 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫০ 104 883354 1991366 1990707 2026-07-30T16:29:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991366 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪২|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ক’রে দিতে রাজি আছে। আপনি যদি না যেতে দেন, তা’হলে সপ্তাহে ও ডলার কটা আমিই নিয়ে আসতে পারি।” {{ফাঁক}}“ছেলেমেয়েগুলিকে কোথায় রেখে যাবে?” {{ফাঁক}}“কেন মা, তারা ত এখন বড় হ’য়েছে। শুধু ছোট খোকার জন্য ভাবনা; তাকে স্যালির কাছে রেখে যাবো!” {{ফাঁক}}“তা’হলে তুমি খুব যেতে পার। তুমি যে মাইনে পাবে, টমকে ছাড়িয়ে আন্‌বার জন্যে আমি তা জমিয়ে রাখ্‌বো।” {{ফাঁক}}“মা, আপনার মত এমন দয়ালু আর নেই। আমি তবে কাল সকালেই স্যামের সঙ্গে যাই, কি বলেন?” {{ফাঁক}}“আচ্ছা, আমি মিঃ সেল্‌বিকে এ কথা আজই ব’ল্‌বো।” {{ফাঁক}}এই ব’লে মিসেস্ সেল্‌বি আবার বারান্দায় ফিরে এলেন। ক্লো কাকী বিশেষ খুসী হ’য়ে, নিজের কুটরীতে চলে গেল। সেখানে ঢুকেই জর্জকে দেখ্‌তে পেয়ে, সে ব’লে উঠলো – “মাষ্টার জর্জ, তুমি বোধ হয় জান না যে, কালই আমি লুইস্‌ভাইলে যাচ্ছি। আমি সেখানে সপ্তাহে চার ডলার ক’রে পাব। মা বলেছেন, সেগুলো আমার টমকে ছাড়িয়ে আন্‌বার জন্যে জমিয়ে রাখবেন!” {{ফাঁক}}জর্জ বল্লে—“তাই না কি! কখন যাবে?” {{ফাঁক}}“কাল সকালেই স্যামের সঙ্গে যাবো। তোমায় কিন্তু মাষ্টার জর্জ, এখনই ব’সে টমকে একখানা চিঠি লিখে দিতে হবে।” {{ফাঁক}}“নিশ্চয়ই দেব। আমি কাগজ কলম সব নিয়ে আস্‌ছি।”<noinclude></noinclude> 57l8b1td0x9kirg7x5wqle7s7kdit7p পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৪৯ 104 883355 1991365 1990704 2026-07-30T16:29:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991365 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|নবম পরিচ্ছেদ}}}} গ্রীষ্মকাল। প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। মিঃ সেল্‌বি বারান্দার উপর ইজি-চেয়ারে ব’সে আছেন। মিসেস্‌ সেল্‌বি কতকগুলি সেলাই নিয়ে ব্যস্ত। সেলাই ক’রতে ক’রতে তিনি ব’লেন—“ক্লো টমের কাছ থেকে একখানা চিঠি পেয়েছে। টম বিশেষ ক’রে জান্‌তে চেয়েছে যে, কবে তাকে ফিরিয়ে আনা হবে!” {{ফাঁক}}মিঃ সেল্‌বি উত্তর দিলেন —“সে কথা আমি মোটেই ব’ল্‌তে পারি না।” {{ফাঁক}}“আচ্ছা, কোন রকমে কি আমরা টাকাটা তুলতে পারি না? আহা, ক্লো বেচারা ভারী আশা ক’রে ব’সে আছে!” {{ফাঁক}}এমন সময় দরজার পাশে ক্লো কাকীকে দেখা গেল। মিসেস্‌ সেল্‌বি ঘরে ঢুকে জিজ্ঞাসা ক’রলেন—“কি ক্লো, কি মনে ক’রে?” {{ফাঁক}}“গিন্নী মা, আপনারা টাকার জন্যে ভাবছেন কেন? হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তাই কুড়িয়ে নিলেই ত টাকার যোঁগাড় হ’য়ে যায়!” {{ফাঁক}}তাঁদের সব কথাবার্তা ক্লো শুনতে পেয়েছে বুঝতে পেরে, মিসেস্ সেল্‌বি জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কি ব’ল্‌ছো, ক্লো?” {{ফাঁক}}“কেন মা! এই দেখুন্‌ না, অন্য লোকেরা তাদের ঝি-চাকরাণী দিয়ে কেমন টাকা রোজগার করে। স্যাম্ ব’ল্‌ছিল যে, ‘লুইস্‌ভাইলের’ একজন মিঠাইওয়ালা একটি লোক খুঁজছে। সে সপ্তাহে চার ডলার<noinclude></noinclude> iam7a54gq5g7tkpfvgn1nq9c6mmsnqy পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৩ 104 883358 1991369 1990714 2026-07-30T16:29:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991369 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৫|দশম পরিচ্ছেদ}}</noinclude>বারটার সময়, ইভার শেষ অবস্থার লক্ষণ বুঝতে পার্‌লেন। অমনি তাড়াতাড়ি টমকে ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে, তিনি সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারকে ডেকে আন্‌লেন। মুহূর্ত্ত মধ্যেই সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার ইভার ঘরে উপস্থিত হ’লেন। দেখে মনে হ’লো, ইভা যেন ঘুমুচ্ছে! একটু পরে টম ডাক্তার নিয়ে এল। গোলমালে মেরীরও ঘুম ভেঙ্গেছিল। ডাক্তার ও তিনি এক সঙ্গে ঘরে প্রবেশ ক’রলেন। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার ভাঙ্গা গলায় ব’লে উঠলেন—“চুপ! আস্তে—ইভা চলেছে!” {{ফাঁক}}তারপর তিনি ইভার কাছে গিয়ে ব’ল্‌লেন “ইভা, মা আমার! আমার চিন্‌তে পার্‌ছ, মা?” {{ফাঁক}}অনেক কষ্টে ইভা বল্লে—“বাবা!” তারপরেই ভাঙ্গা ভাঙ্গা স্বরে বল্লে—“আঃ কি স্নেহ, কি আনন্দ, কি শান্তি!” ব’লেই শেষ নিশ্বাস ফেলে, ইভা মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে অমৃতের রাজ্যে চ’লে গেল! স্বর্গে আজ আনন্দের উৎসব! পৃথিবী ম্রিয়মাণ! {{ফাঁক}}বাগানে শেওলা ঢাকা চমৎকার একখানা পাথরের আসন ছিল। ইভা টমের সঙ্গে সেখানে ব’সে এতদিন কত খেলা ক’রেছে, কত গল্প শুনেছে, কত বই পড়েছে। আজ সেই আসনের পাশেই ইভাকে কবর দেওয়া হ’ল! {{ফাঁক}}ইভাকে হারিয়ে সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার প্রথমটা সবই শূন্য দেখতে লাগ্‌লেন। ক্রমে তাঁর মনে সান্ত্বনা এল! যিনি ব্যথা দেন, সান্ত্বনাও যে তাঁরই অপার্থিব দান!{{nop}}<noinclude></noinclude> 89itak89gc0sj1pj9xirbh1uysid3gj পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫২ 104 883359 1991368 1990712 2026-07-30T16:29:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991368 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৪|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ডাকিয়ে আন্‌লেন। ইভা তাদের দিকে চেয়ে ব’লতে আরম্ভ ক’র্‌লে—“দেখ, আমি তোমাদের সকলকে খুব ভালবাসি; তাই এখানে ডাকিয়ে এনেছি। তোমরা সব মনে রেখো, স্বর্গ ব’লে একটা খুব ভাল জায়গা আছে! সেখানে যিশু থাকেন! আমি সেখানেই যাচ্ছি। তোমরাও সবাই সেখানে যেতে পারো। তোমাদের জন্যে আমি ভগবানের কাছে প্রার্থনা ক’রেছি। আর আমি জানি, যিশুও তোমাদের খুব ভাল বাসেন। তোমরা রোজ প্রার্থনা ক’রবে। আমি তোমাদের সকলকেই স্বর্গে দেখতে চাই!” {{ফাঁক}}টম, ম্যামী ও আরো কয়েকজনে চোখের জল মুছতে মুছতে ব’লে উঠলো—“ভগবান তাই করুন!” আর সকলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো। {{ফাঁক}}ইভা আবার বল্লে—“আমি জানি, তোমরা সকলেই আমায় খুব ভালবাস। তোমাদের সকলকে আমি আমার এক এক গাছি চুল দিয়ে যাবো। যখনই সেটা দেখবে, তখনই মনে ক’রো যে, আমি তোমাদের খুব ভাল বাস্‌তাম; এবং তোমাদের সকলকে একত্র দেখ্‌বার জন্যে আমি স্বর্গে অপেক্ষা করছি!” {{ফাঁক}}চোখের জলে ভাস্‌তে ভাস্‌তে সকলে ইভার হাত থেকে এক এক গাছি চুল নিল! সেটাকে অমূল্য ধন ভেবে, টম তাহা বুকের মধ্যে চেপে রাখ্‌লে! আহা! এই চুল গাছিই তার ইভার ভালবাসার শেষ চিহ্ন! {{ফাঁক}}এই ঘটনার পর থেকেই ইভার অসুখ তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠ্‌লো। একদিন সারারাত মিস্ ওফেলিয়া তার পাশে ব’সে আছেন, হঠাৎ<noinclude></noinclude> m090o64z68o1tslm06e1vovr867we67 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫১ 104 883360 1991367 1990711 2026-07-30T16:29:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991367 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|দশম পরিচ্ছেদ}}}} চিকিৎসায় যে একটু বল পেয়ে, ইভা চান্‌কা হ’য়ে উঠেছিল, দেখ্‌তে দেখ্‌তে তার সে অবস্থা বদ্‌লে গেল। তাকে বারান্দা পর্যন্ত আস্‌তেও আর বড় একটা দেখা যেত না। ইভা অধিকাংশ সময়ই ঘরের মধ্যে জানালার ধারে, একটা ইজি চেয়ারে হেলান দিয়ে শুয়ে থাক্‌তো। একদিন সেখানে শুয়ে শুয়ে সে তার মাকে বল্লে, “মা, আমার কতকগুলি চুল কেটে রাখ্‌লে হয়!” {{ফাঁক}}তার মা জিজ্ঞেস্ ক’রলেন—“কেন মা?” {{ফাঁক}}“আমায় যারা ভালবাসে, তাদের সকলকে আমি দুই একগাছি ক’রে চুল দিতে চাই! তুমি একবার পিসীমাকে বলো না মা, আমার কতকগুলি চুল কেটে নিতে!” {{ফাঁক}}এমন সময় সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার ঘরে ঢুকে জিজ্ঞেস্ ক’রলেন—“কি কথা হচ্ছে?” {{ফাঁক}}“বাবা, আমি সবাইকে দুই এক গাছি ক’রে চুল দিয়ে যেতে চাই!” {{ফাঁক}}তখন মিস্ ওফেলিয়া ইভার কয়েক গাছি চুল কেটে তার কোলের উপর রাখ্‌লেন। ইভা মনে মনে খুসি হ’য়ে, ইসারা ক’রে তার বাবাকে ডাক্‌লে। তিনি কাছে এসে বস্‌লেন। ইভা বল্লে—“বাবা, আমার সব চাকর চাকরাণীদের একবার দেখ্‌তে ইচ্ছা কর্‌ছে।” {{ফাঁক}}মিস্ ওফেলিয়া তখনই একজন লোক পাঠিয়ে সকলকে সেখানে<noinclude></noinclude> ogbux11mkm4au5h9rpv3oqx13vcty9g পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৬ 104 883362 1991372 1990742 2026-07-30T16:29:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991372 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৮|টমকাকার কুটীর}}</noinclude><section begin="A" />সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার টমকে স্বাধীন ক’রে দিতে চেয়েছিলেন, আশা করি, তুমি তাঁর কথামতই কাজ ক’রবে?” {{ফাঁক}}মেরী উত্তর দিলেন—“সে আমার দ্বারা হবে না। সকলকেই আমি এক সঙ্গে নিলামে পাঠাবো। টম একজন খুব দামী চাকর!” {{ফাঁক}}মিস্ ওফেলিয়া আর কোন কথাই বল্লেন না। মেরীকে তিনি ভাল রকমেই চিনেছিলেন। সুতরাং তিনি বেশ জানতেন, তাঁর কাছে অনুরোধ করা মিছে! তিনি তাড়াতাড়ি মিসেস্ সেল্‌বিকে একখানা চিঠি লিখলেন। সেই চিঠিতে টমের কষ্টের কথা জানিয়ে, তাকে ছাড়িয়ে নেবার জন্য টাকা পাঠাতে, বিশেষ ক’রে অনুরোধ করেন। {{ফাঁক}}পরদিন টম এবং আর সব দাসদাসীকে নিলামে পাঠান হলো। ইভার মৃত্যুশয্যার একমাত্র প্রার্থনা এবং সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা মেরী উচিত মনে ক’রলেন না! জানি না, ভগবান কি দিয়ে তাঁকে গড়েছিলেন! {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|দ্বাদশ পরিচ্ছেদ}}}} যথাসময়ে নিলামের ডাক আরম্ভ হ’লো। টমকে যে কিন্‌লে, তার নাম লিগ্রি। রেড নদীর ধারে সে তুলার চাষ করে। সেই নিলামে টমকে ছাড়া সে আরো কয়েকজন দাসদাসী কিনেছিল। তারা সকলে মিলে উঁচু নীচু রাস্তা দিয়ে লিগ্রির গাড়ী ঠেলে নিয়ে চল্লো। {{nop}}<section end="B" /><noinclude></noinclude> 0s25sro3m729br8g09iuh6re07fjotj পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৪ 104 883364 1991370 1990721 2026-07-30T16:29:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991370 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|একাদশ পরিচ্ছেদ}}}} দিনের পর দিন যেতে লাগলো। ঘর-সংসারের কাজ আবার আগের মতই চলছে। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার টমের স্বাধীনতার জন্য লেখা পড়া ঠিক ক’র্‌তে আরম্ভ করলেন, এবং একদিন কথায় কথায় সে কথা টমকেও বল্‌লেন। ইভা চ’লে যাবার পর টমকে কেহ হাসতে দেখে নাই। সেদিন স্বাধীনতার কথা শুনে, টমের মুখে হঠাৎ আনন্দের চিহ্ন ফুটে উঠলো! {{ফাঁক}}তখন সন্ধ্যাবেলা। টম বারান্দায় ব’সে তার স্বাধীনতার কথা ভাব্‌তে ভাব্‌তে ঘুমিয়ে পড়েছে। একটু পরেই বাইরে কড়া নাড়ার শব্দে ও লোকজনের গোলমালে হঠাৎ তার ঘুম ভেঙ্গে গেল। তাড়াতাড়ি দরজা খুল্‌তেই দেখতে পেলে, কয়েকজনে এক ব্যক্তিকে খাটিয়ায় ক’রে, ব’য়ে নিয়ে আস্‌ছে। বাতির আলো সেই লোকটির মুখের উপর পড়তেই, টম চীৎকার ক’রে কেঁদে উঠলো। {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার খবরের কাগজ পড়্‌বার জন্য একটা হোটেলে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কাগজ পড়্‌ছেন, এমন সময় দুজন গুণ্ডাতে মারামারি বেধে গেল। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার ও আর কয়েকজনে মারামারি থামাতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর পাঁজরে মারাত্মক একটা ছুরির আঘাত লেগেছে! {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারকে ধরাধরি ক’রে একটা বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হ’ল।<noinclude></noinclude> cwuap4h9v1qspa8172rj81rrunjxmg6 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৫ 104 883365 1991371 1990722 2026-07-30T16:29:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991371 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৭|একাদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>বাড়ীতে ভয়ানক কান্নাকাটি প’ড়ে গেল। তিনি অনেকক্ষণ চোখ বুজে শুয়ে রইলেন। তারপর টমের হাতের উপর হাত রেখে ব’ল্‌লেন, “টম, আমি এখনই ইভার কাছে চ’ল্লাম! তুমি আমার জন্যে একটু প্রার্থনা করো!” {{ফাঁক}}টম তার সমস্ত প্রাণ মন দিয়ে সেণ্ট ক্লেয়ারের আত্মার জন্য প্রার্থনা ক’র্‌লে। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার টমের হাতখানি টেনে নিজের বুকের উপর রেখে, আগ্রহের সহিত তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। হঠাৎ তাঁর মুখে যেন আনন্দ ফুটে উঠলো! তিনি একবার মাত্র ব’লে উঠলেন—“মা!”—তার পরই সব শেষ! স্নেহময় পিতা ইভার উদ্দেশে আনন্দধামে যাত্রা ক’রলেন! {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের মৃত্যুর কয়েকদিন পরে, টম একদিন বাগানে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় “এড্‌ল্‌ফ” নামে একজন কৃতদাস এসে বল্লে,—“শুনেছ টম, আমাদের সকলকে বিক্রী ক’রে ফেলা হবে?” {{ফাঁক}}দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে টম বল্লে—“ভগবানের যা ইচ্ছা তাই হবে!” {{ফাঁক}}তারপর টন মিস্ ওফেলিয়ার কাছে গিয়ে বল্লে—“স্বর্গীয় কর্ত্তা আমার স্বাধীন ক’রে দিবেন বলেছিলেন। আপনি যদি এ বিষয় মা-ঠাকরুণকে একটু বলেন!” {{ফাঁক}}"আচ্ছা, আমি চেষ্টা করে দেখ্‌বো।” এই ব’লে তিনি তখনই মেরীর কাছে গিয়ে বললেন—“তোমার সঙ্গে একটা কথা আছে!<noinclude></noinclude> 1mgo9e18y9cyq194gdmn84iyn180np3 1992031 1991371 2026-07-31T04:15:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992031 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৭|একাদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>বাড়ীতে ভয়ানক কান্নাকাটি প’ড়ে গেল। তিনি অনেকক্ষণ চোখ বুজে শুয়ে রইলেন। তারপর টমের হাতের উপর হাত রেখে ব’ল্‌লেন, “টম, আমি এখনই ইভার কাছে চ’ল্লাম! তুমি আমার জন্যে একটু প্রার্থনা করো!” {{ফাঁক}}টম তার সমস্ত প্রাণ মন দিয়ে সেণ্ট ক্লেয়ারের আত্মার জন্য প্রার্থনা ক’র্‌লে। সেণ্ট্‌ ক্লেয়ার টমের হাতখানি টেনে নিজের বুকের উপর রেখে, আগ্রহের সহিত তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। হঠাৎ তাঁর মুখে যেন আনন্দ ফুটে উঠলো! তিনি একবার মাত্র ব’লে উঠলেন—“মা!”—তার পরই সব শেষ! স্নেহময় পিতা ইভার উদ্দেশে আনন্দধামে যাত্রা ক’রলেন! {{ফাঁক}}সেণ্ট্‌ ক্লেয়ারের মৃত্যুর কয়েকদিন পরে, টম একদিন বাগানে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় “এড্‌ল্‌ফ” নামে একজন কৃতদাস এসে বল্লে,—“শুনেছ টম, আমাদের সকলকে বিক্রী ক’রে ফেলা হবে?” {{ফাঁক}}দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে টম বল্লে—“ভগবানের যা ইচ্ছা তাই হবে!” {{ফাঁক}}তারপর টন মিস্ ওফেলিয়ার কাছে গিয়ে বল্লে—“স্বর্গীয় কর্ত্তা আমার স্বাধীন ক’রে দিবেন বলেছিলেন। আপনি যদি এ বিষয় মা-ঠাকরুণকে একটু বলেন!” {{ফাঁক}}“আচ্ছা, আমি চেষ্টা করে দেখ্‌বো।” এই ব’লে তিনি তখনই মেরীর কাছে গিয়ে বললেন—“তোমার সঙ্গে একটা কথা আছে!<noinclude></noinclude> fgzac2lmfo7gc6hcn7ssd298etf9cjf পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭৪ 104 883366 1991389 1990792 2026-07-30T16:29:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991389 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|ষোড়শ পরিচ্ছেদ}}}} জর্জ সেল্‌বি বাড়ী আস্‌বার দিন ঠিক ক’রে পূর্ব্বেই মায়ের কাছে চিঠি লিখেছিল। সন্ধ্যার পর মিসেস্‌ সেল্‌বি ঘরে ব’সে আছেন, ক্লো খাবার এনে দিয়ে জিজ্ঞাসা ক’র্‌লে, “মাষ্টার জর্জ চিঠি লিখেছে না? আমার বড়োর কথা কিছু লিখেছে কি?” {{ফাঁক}}“না, কিছুই লেখেনি।” {{ফাঁক}}“আমার বোধ হয়, ছেলেমেয়েদের কথা তার আর মনে নেই!” {{ফাঁক}}এই সময় দরজায় গাড়ীর শব্দ শুনা গেল। মিসেস্‌ সেল্‌বি ছুটে বাইরে গেলেন। ক্লো যেতে যেতে হঠাৎ কি ভেবে থমকে দাঁড়ালে! তাকে দেখ্‌বামাত্র জর্জ তাড়াতাড়ি নেমে এসে আবেগ ভরে ব’ল্‌তে লাগলো—“আমার সমস্ত সম্পত্তির বদলে যদি টমকাকাকে ফিরিয়ে আনতে পারতাম, তবে তাহা সৌভাগ্য ব’লেই মনে করতাম, কিন্তু তিনি এখন যে লোকে বাস করছেন, সেখান থেকে কাকেও ফিরিয়ে আনা যায় না!” {{ফাঁক}}ক্লো কিছুই ব’ল্লে না। বেচারী আস্তে আস্তে অন্ধকারের মধ্যে লুকাতে চেষ্টা ক’র্‌লে। মিসেস্ সেল্‌বি অমনি তার হাত ধ’রে একখানা চেয়ারে নিয়ে বসালেন, এবং নিজেও তার পাশেই ব’স্‌লেন। ঘরে আলো জ্বলছিল, কিন্তু তবুও যেন সমস্ত ঘরখানি গাঢ় অন্ধকারে ঢাকা! কারু মুখে একটু সাড়া শব্দও নেই! {{nop}}<noinclude></noinclude> s0sho8xkmbh7b37fzwtq3n01y9i6nz6 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭৫ 104 883367 1991390 1990793 2026-07-30T16:29:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991390 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬৫|ষোড়শ পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>{{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে জর্জ টমের শেষ অবস্থার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ ক’রে, অবশেষে উৎসাহের সঙ্গে ব’লে উঠলো—“টমকাকা ভীরু ছিলেন না, মৃত্যুকে তিনি ভয় করেন নি! সে সময় বিশুর পবিত্র আলোকে তাঁর সর্ব্বাঙ্গ উজ্জ্বল হ’য়ে উঠেছিল! ক্ষমার দ্বারা অত্যাচারীর দর্প চূর্ণ ক’রে এবং প্রেমের দ্বারা সকলের হৃদয়কে জয় ক’রে, তিনি হাস্‌তে হাস্‌তে স্বর্গে চলে গেছেন!” {{ফাঁক}}টমের বীরত্বের কাহিনী শুনে মিসেস্‌ সেল্‌বি মনে মনে গর্ব্ব অনুভব ক’রতে লাগলেন। ক্লো কাকী অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যেও যেন সান্ত্বনা লাভ ক’রলে! {{ফাঁক}}এই ঘটনার প্রায় এক মাস পরে একদিন জর্জ সমুদায় দাসদাসীগণকে এক জায়গায় জড় হ’তে বলে। তারা একত্র হ’লে, জর্জ কতকগুলি কাগজপত্র হাতে নিয়ে মাঝখানে দাঁড়িয়ে ব’লতে লাগলো, “আজ তোমাদের একটা সুখের কথা বল্‌বো। এই যে কাগজপত্র দেখ্‌চো, এগুলি তোমাদের মুক্তির হুকুম-নামা। মানুষ হ’য়ে জন্মেও এতদিন যে অধিকার পাও নি, আজ তোমাদের সেই অধিকার দিলাম। তোমরা সকলেই স্বাধীন হ’লে। যে জঘন্য ব্যবসায়ে মানুষ পশুর চেয়েও অধম হ’য়ে যায়, আমাদের পরিবারকে আর তাহা কলঙ্কিত ক’র্‌বে না। এজন্য তোমরা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দাও!” {{ফাঁক}}জর্জের কথা শুনে সকলে পরস্পরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি ক’রতে লাগ্‌লো। কেউ যেন নিজের কানকে বিশ্বাস ক’র্‌তে পার্‌লে না!<noinclude></noinclude> lpk00u1n65m7k8wg39qoxue32z1d8s8 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬২ 104 883369 1991378 1990760 2026-07-30T16:29:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991378 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৪|টমকাকার কুটীর}}</noinclude><section begin="A" />জানিস্ না। আচ্ছা, একটা গাছের সঙ্গে তোকে বেঁধে যদি চাদ্দিকে আগুন ধরিয়ে দিই, তা হ’লে তুই কি করিস্?—যাক্, এখনো বল্‌চি ক্ষমা চা; না হ’লে, ঠিক ঐ রকম শাস্তিই তোর কপালে আছে!” {{ফাঁক}}টম ব’ল্লে, “আমার সাহায্যের অভাব হবে না!” {{ফাঁক}}“কে তোকে বাঁচাবে?” {{ফাঁক}}“ঈশ্বর—তিনি সর্ব্বশক্তিমান্!” {{ফাঁক}}“তবে মর্ বেটা”—এই ব’লে লিগ্রি টমকে আবার ঘুসি মার্‌লে। তারপর বল্লে, “আমার এখন কাজ আছে; পরে আবার আস্‌বো। তোকে আমি ভুল্‌ছি নে। তোর গা থেকে চামড়া খুলে নিয়ে তবে ছাড়্‌বো—এ কথা যেন মনে থাকে!” এই ব’লে লিগ্রি চ’লে গেল। {{dhr}} {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ}}}} টমের বা এখনো শুকায় নি।—চলতে ফিরতে তার খুবই কষ্ট হয়। কিন্তু লিগ্রি জোর ক’র্‌তে লাগলো যে, তাকে সেই অবস্থাতেই বাগানের কাজে যেতে হবে। {{ফাঁক}}প্রহারের পর সে এত বেশী দুর্ব্বল হ’য়ে পড়েছিল যে, মাঠে গিয়ে খেটে-খুটে বাড়ী ফিরতে তার প্রাণ যেন বেরিয়ে যেতো। বাইবেল নিয়ে<section end="B" /><noinclude></noinclude> fdo06nb0up710or3edx34a07kqs1zro পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬১ 104 883370 1991377 1990748 2026-07-30T16:29:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991377 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৩|দ্বাদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>সান্ত্বনা দিতে পারেন, তাঁরই কাছে প্রার্থনা করো। প্রার্থনা ছাড়া আমাদের আর কোন সম্বলই নেই!” {{ফাঁক}}“তাঁর কাছে! কার কাছে? তিনি কোথায় থাকেন?” “তিনিই সেই প্রভু, যার কথা এই মাত্র তুমি প’ড়ে শুনালে!” কেসি কি যেন ভাবতে লাগলো। একটু পরে বল্লে, “এ কথা আর একদিন হবে। তুমি বেশী কথা বলো না। পার ত একটু ঘুমুতে চেষ্টা করো।” এই ব’লে টমকে আর এক গ্লাস জল দিয়ে, সে চলে গেল। {{ফাঁক}}সেরাত্রে লিগ্রিরও ভাল ঘুম হলো না। সে মদে চুর্ চূর্ হ’য়ে শুধু টমের কথাই ভাবতে লাগলো।—“কি, সামান্য একটা নিগ্রো, সে কি না আমার হুকুম অমান্য করে! এত বড় স্পর্দ্ধা! যে রকমে হক, বেটাকে জব্দ ক’রে তবে ছাড়্‌বো!” {{ফাঁক}}ভোর হ’তে না হ’তে লিগ্রি টমের ঘরে গেল। টম তখনো মাটিতে প’ড়েছিল। লিগ্রি তাকে দুই তিনটা লাথী মেরে ব’ল্লে,—“ওঠ না পাজি! এখন কেমন লাগে! যদি বাঁচতে চাস, এখনই হাঁটু গেড়ে ব’সে আমার কাছে ক্ষমা চা!—কি, এখনো ক্ষমা চাইলি নে?” এই ব’লে টমকে খুব জোরে কয়েক ঘা চাবুক মারলে! {{ফাঁক}}টম বল্লে—“মশায়, আমি ক্ষমা চাইতে পারবো না। আমি যা অন্যায় মনে করি, তা কিরূপে করবো?” {{ফাঁক}}“বটে, এখনো এত তেজ! এর পরে তোর যে কি দশা হবে, তা তুই<noinclude></noinclude> fsbn5tgmcqaytqh1wa2n0a0owaejlx4 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৭ 104 883371 1991373 1990743 2026-07-30T16:29:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991373 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৯|দ্বাদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>{{ফাঁক}}গাড়ী লিগ্রির বাড়ীর দরজায় পৌঁছিবামাত্র তিন চারটা ভয়ানক কুকুর ছুটে এল। কুকুরগুলোকে দেখিয়ে লিগ্রি বল্লে—“দেখ, যদি তোমরা কখনো পালাতে চেষ্টা করো, তা হ’লে তোমাদের কি দশা হবে, বুঝতেই পারচো। এই কুকুরগুলোকে বেশ ক’রে শেখান হ’য়েছে—এরা গন্ধ শুঁকে কাফ্রীদের খুঁজে বের করতে পারে।” এই ব’লে সে “সাম্বো” ও “কুইম্বো” নামে দুজন সর্দ্দার চাকরকে ডেকে, তাদের সঙ্গে টমকে যেতে বল্লে। {{ফাঁক}}টমের জন্যে যে ঘরটা ঠিক হয়েছিল, সেটা যেমন ভিজে ও ময়লা তেমনি ছোট। ঘরটা দেখেই টমের মন একেবারে দমে গেল। {{ফাঁক}}সমস্ত দিন হেঁটে টম খুব শ্রান্ত ও ক্ষুধায় কাতর হ’য়ে প’ড়েছিল। এমন কি, ন’ড়তে চ’ড়তেও তার কষ্টবোধ হচ্ছিল। সন্ধ্যার পরে কুইম্বো এসে এক থ’লে যব দিয়ে বল্লে—“দেখ টম, এই গুলো ভাল ক’রে রেখে দাও। এক সপ্তাহের মধ্যে আর কিছুই পাবে না। এই গুলো যাঁতায় ভেঙ্গে রুটি ক’রে খাবে।” {{ফাঁক}}টমের যাঁতা ছিল না। সুতরাং অনেক রাত পর্যন্ত ব’সে থাকতে হ’লো। টমের পাশের কুঁড়েতেই দুটা স্ত্রীলোক ছিল। সমস্ত দিন মাঠে মাঠে কাজ করে তারাঃ শ্রান্ত হ’য়ে পড়েছিল। টম নিজের যবের সঙ্গে তাদের গুলিও ভেঙ্গে দিল। এই দয়ার জন্যে তারাও আবার টমের রুটি তৈরি ক’রে দিল। খাওয়া শেষ হ’লে, টম আগুনের কাছে ব’সে বাইবেল প’ড়তে লাগলো। তারপর একটা পুরাণ কম্বল গায়ে<noinclude></noinclude> m60gsk293p4sk6iye9rp46jnx4l5gmd পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৮ 104 883372 1991374 1990745 2026-07-30T16:29:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991374 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫০|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>ঢেকে, বিচুলির উপর শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। এই ভাবে টমের কয়েক দিন কেটে গেল। {{ফাঁক}}টম কি করে না করে, লিগ্রি তা লুকিয়ে লুকিয়ে সব দেখ্‌তো। টমকে সে কাজের লোক মনে ক’র্‌তো বটে; কিন্তু কেন জানি না, তাকে একটুও দেখতে পারত না। {{ফাঁক}}একদিন সকাল বেলা টম মাঠে কাজ ক’রতে ক’রতে পাশেই একটী স্ত্রীলোককে দেখতে পেলে। সে বেচারীর কাজ করতে ভয়ানক কষ্ট হচ্ছিল। যেন আর দাঁড়াতে পারছিল না। অথচ কাজ না করেও উপায় নেই। পরিমাণ মত তুলা সংগ্রহ না হ’লে, লিগ্রি হাড় থেকে মাংস ছিঁড়ে নেবে! তাকে দেখে টমের মন একেবারে ব্যথায় ভ’রে গেল। সে নিজের থলে থেকে খানিকটা তূলা নিয়ে, তার থলের মধ্যে পুরে দিল! অমনি মেয়েটি ব’লে উঠলো, “না না, এ রকম কাজ কখনো ক’রো না। সর্দ্দার দেখতে পেলে আর রক্ষে থাকবে না।” {{ফাঁক}}সাম্বো কাছেই ছিল এবং সবই দেখেছিল। সে ছুটে এসে টমের মুখে এক ঘুসি এবং সেই স্ত্রীলোকটীকে একটা লাথি মেরে ব’ল্লে, “আমার কাছে চালাকী? আর যদি এ রকম দেখি, তবে মারের চোটে হাড় গুঁড়ো ক’রে দেবো!” টম কোন কথা না ব’লে নীরবে সব সহ্য করলে, কিন্তু বিষম আঘাতে সেই মেয়েটা অজ্ঞান হয়ে পড়লো! {{ফাঁক}}তখন সাম্বো বল্লে, “ও সব ফাঁকী আমি ঢের জানি—অজ্ঞান হওয়া<noinclude></noinclude> 0n5nc2f2bbm56hypuvzphodbb7t0qv0 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৫৯ 104 883373 1991375 1990746 2026-07-30T16:29:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991375 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫১|দ্বাদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>বের করে দিচ্ছি! এই ব’লে পকেট থেকে একটা বড় সূচ নিয়ে মেয়েটার মাথায় বিঁধিয়ে দিলে। অমনি যন্ত্রণায় ছট্‌ফট্‌ ক’রতে ক’রতে সে উঠে বসলো এবং অতি কষ্টে কাজ ক’রতে লাগলো। {{ফাঁক}}সন্ধ্যাবলা দলে দলে ক্রীতদাস তুলার বোঝা মাথায় নিয়ে ক্লান্ত দেহে বাড়ী ফিরলো এবং যেখানে তূলা রাখা হয়, সেই ঘরের সম্মুখে জড় হ’ল। সেখানে লিগ্রি দাঁড়িয়েছিল। দুজন সর্দ্দারের সঙ্গে কি কথা ব’ল্‌ছিল। সাম্বো বল্লে—“এর মধ্যেই টম সয়তানি সুরু ক’রেছে! কেসির উপর তার ভারি দয়া! নিজের তূলা দিয়ে সে আজ কেসির থলে ভ’রে দেছে।” {{ফাঁক}}লিগ্রি ব’ল্লে,—“সত্যি না কি? তা হ’লে টমকে দিয়েই আজ কেসিকে চাবুক দেওয়াতে হবে! তাতে টমেরও বেশ শিক্ষা হবে।” {{ফাঁক}}ক্রমে একে একে সকলেই তুলা ওজন করাতে লাগলো। টমের বোঝা ওজনে ঠিকই হ’ল। টম তখন কেসির বোঝা কম বেশী কি হয়, দেখ বার জন্যে সেদিকে তাকিয়ে রইলো। তার বোঝাও ওজনে ঠিক হ’ল; কিন্তু লিগ্রি ব’লে উঠলো,—“কি আবার কম!—বেটি কুঁড়ের সর্দ্দার!” তারপর টমকে ডেকে ব’ল্লে,—“টম, এদিকে এস; এই চাবুকটা নিয়ে কেসির পিঠে যা কতক লাগিয়ে দেও।” {{ফাঁক}}টম খুব বিনয়ের সঙ্গে বল্লে—“মশায়, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার দ্বারা এ অন্যায় কাজ কিছুতেই হবে না!” {{ফাঁক}}টমের কথা শুনে লিগ্রি রেগে একেবারে আগুন হ’য়ে উঠলো! {{nop}}<noinclude></noinclude> k5kqcup0i9meydgt2qzvdeq0qlctobv পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬০ 104 883374 1991376 1990747 2026-07-30T16:29:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991376 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫২|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}“কি পাজি, তোর এতদূর সাহস? আমার হুকুম তুই অমান্য ক’রছিস্? আমার হুকুমের উপর আবার ন্যায় অন্যায় বিচার! বেটা, তোর শরীর, মন, আত্মা কি এখন আমার নয়?” এই ব’লে সে টমকে খুব জোরে একটা লাথি মারলে। {{ফাঁক}}টম বল্লে—“না, আমার আত্মা কখনো আপনার অধীন নয়! যিনি এর ভার নিতে পারেন, সেই ভগবানই ইহার একমাত্র প্রভু!” {{ফাঁক}}লিগ্রি বল্লে,—“আচ্ছা, তবে দেখ! সাম্বো, কুইম্বো এদিকে আয়! বেটাকে এমন ক’রে চাবুক লাগা যেন এক মাসের মধ্যে উঠে ব’স্‌তে না পারে।” {{ফাঁক}}রাত অনেক হ’য়েছে। টম ঘরের মেঝেতে প’ড়ে ব্যথায় চীৎকার ক’রছে। তার সমস্ত গা কেটে রক্ত প’ড়্‌ছে! এমন সময় কার যেন পায়ের শব্দ শুনা গেল। কেসি ধীরে ধীরে ঘরের মধ্যে এসে, টমকে জল দিল ও তার মাথাটি মাটি থেকে তুলে নিল। টম তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বল্লে,—“দেখ, তুমি যদি দয়া ক’রে বাইবেলখানা নিয়ে একটু প’ড়ে শুনাও, তা হ’লে আমি খুব খুসি হই।” কেসি প’ড়তে লাগ্‌লো, “পিতা, এদের ক্ষমা করো, এরা যে কি করচে তা জানে না!” {{ফাঁক}}টমের চক্ষু জলে ভ’রে উঠলো। কেসিও না কেঁদে থাকতে পার্‌লে না। কাঁদতে কাঁদতে সে তার দুঃখের কাহিনী ব’লতে লাগলো। {{ফাঁক}}কেসির কথা শুনে টম বল্লে—“দেখ, যিনি তোমার এই ভাঙা প্রাণে<noinclude></noinclude> b49sue2zgzpk98hduacfcubg3r4l7bt পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬৩ 104 883376 1991379 1990761 2026-07-30T16:29:46Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991379 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৫|ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>প’ড়্‌তে ব’স্‌লে, মাথা ঘুর্‌তে থাকতো! চোখে ভাল ক’রে কিছুই দেখ্‌তে পেতো না! {{ফাঁক}}একদিন রাত্রে সকলেই ঘুমুচ্ছে, এমন সময় কেসি এসে জানালা দে মুখ বাড়িয়ে, টমকে বাইরে যেতে ডাকলে। তারপর চুপি চুপি ব’ল্লে—“টম, তুমি কি স্বাধীন হ’তে চাও?” {{ফাঁক}}“হাঁ, ঈশ্বরের যেদিন ইচ্ছা হবে, সেই দিনই আমি মুক্তি পাবো।” {{ফাঁক}}“আজই পাবে!—আমার সঙ্গে এস। লিগ্রি এখন তার ঘরের দরজা খুলেই ঘুমুচ্ছে। এই কুড়ুলখানা নেও! আমি তোমাকে পথ দেখিয়ে দিচ্ছি। আমার হাতে তেমন জোর নেই, না হ’লে, আমিই এ কাজ করতে পারতাম!” {{ফাঁক}}“না, আমাকে লক্ষ পৃথিবীর রাজা ক’রে দিলেও এ কাজ আমার দ্বারা হবে না!” {{ফাঁক}}টমের ভাব দেখে কেসি আশ্চর্য্য হ’য়ে গেল। সে বল্লে, “লিগ্রির মত পিশাচের হাত থেকে এতগুলি হতভাগ্য ক্রীতদাসকে রক্ষা করা কি উচিত কাজ নয়?” {{ফাঁক}}টম বল্লে,—“না, খারাপ কাজ থেকে কখনো ভাল ফল পাওয়া যায় না!” {{ফাঁক}}তখন কেসি বল্লে—“তা হলে আমিই এ কাজ ক’র্‌বো!” {{ফাঁক}}টমের মুখখানি বেদনায় ভ’রে উঠলো। সে কম্পিত স্বরে বল্লে,<noinclude></noinclude> 2hin50j6rj4trxohj9kxqqj9km2p8k2 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬৪ 104 883377 1991381 1990762 2026-07-30T16:29:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991381 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৬|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>—“দেখ কেসি, তুমি মিছামিছি তোমার মনকে ও আত্মাকে পাপে ডুবিও না। যতদিন না ঈশ্বরের অন্য রকম ইচ্ছা হয়, ততদিন আমাদের সকল রকম কষ্ট সহ্য করতেই হবে!” {{ফাঁক}}কেসি বল্লে—“ঈশ্বরের মুখ চেয়ে অনেক দিন গেছে, আর নয়! এই লোকটা আমাদের কি কষ্টই না দিয়েছে! এখন সুযোগ উপস্থিত। আজ তাকে মেরে আমি প্রতিশোধ নেবই নেবো!” {{ফাঁক}}কেসিকে উত্তেজিত দেখে, টম একটু ভয় পেলে। তার পর নানা রকমে তাকে বুঝিয়ে বল্লে, “অমন কাজ করো না। ভগবান আমাদের বল দিন, যেন তাঁরই কথামত চ’লতে পারি এবং তাঁরই মত শত্রুকেও ভালবাসতে পারি! {{ফাঁক}}“কি! ওকে ভালবাসা! রক্ত মাংসের শরীরে সে হবে না!” {{ফাঁক}}“না কেসি, তুমি ভুল বুঝছো। তিনি যখন আমাদের ভালবাসার শক্তি দেবেন, তখনই সত্যি সত্যি আমাদের জয়লাভ হবে। সে প্রেমের কাছে শত্রু মিত্রে প্রভেদ থাক্‌বে না। এস প্রার্থনা করি, আমাদের সেই সুদিন আসুক!” {{ফাঁক}}“টম, আমি যে মোটেই প্রার্থনা ক’রতে পারি নে!” {{ফাঁক}}“আহা! আচ্ছা এস, আমিই তোমার জন্যে প্রার্থনা করছি!” টমের কাতর প্রাণের সরল প্রার্থনা—সে যে কি মধুর, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কেসি চুপ ক’রে দাঁড়িয়ে রইল। তার দুই চোখ দিয়ে জল প’ড়্‌তে লাগ্‌লো! {{nop}}<noinclude></noinclude> 5d8us80h8ijpulm7c7pszobkj5i8urr পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬৫ 104 883378 1991382 1990763 2026-07-30T16:29:47Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991382 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৭|চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude><section begin="A" />{{ফাঁক}}কিছুক্ষণ পরে টম বল্লে, “কেসি, এখান থেকে চলে যেতে পার্‌লে, তোমাকে প্রার্থনা করা শিখাতে পার্‌তাম।” {{ফাঁক}}“তবে পালাবার সুযোগ ছাড়্‌চো কেন? চলো না, বেরিয়ে পড়ি!” {{ফাঁক}}“না, এখানকার এইসব হতভাগ্য লোকদের ভাল কর্‌বার ভার ঈশ্বর আমার উপর দিয়াছেন! আমাকে উপলক্ষ ক’রেই ভগবান এদের মুক্তি দেবেন! এজন্য যে কোন অত্যাচার আমি সহ্য করতে পার্‌বো। কিন্তু তোমার কথা আলাদা। এ ভাবে বেশী দিন চ’ল্‌লে তোমার প্রাণ নিয়েই টানাটানি প’ড়্‌বে! সুতরাং তোমার চলে যাওয়াই উচিত।” {{dhr}} {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ}}}} যে রাত্রে টম ও কেসিতে এই সব কথাবার্তা হয়, তার পরদিন সকালেই জানা গেল যে, কেসি ও এমিলিন্ নামে আর একটা মেয়ে, সকলের চোখে ধূলো দিয়ে, কোথায় পালিয়ে গেছে। অমনি চারিদিকে লোক ছুটাছুটি—ধর্-পাকড়, চ’লতে লাগলো, কিন্তু এমন কি, শিকারী কুকুরগুলোও তাদের খুঁজে বের কর্তে পারে না। লিগ্রি ত রেগে একেবারে অগ্নিশর্ম্মা! সে কুইম্বোকে ডেকে বল্লে, “যাও, টমকে এখানে নিয়ে এস। ঐ বেটাই এর মূলে আছে। হয় আমি ওর কাছ থেকে সব খবর বের ক’রবো, না হয়, ওর গায়ের চামড়া খুলে নেবো!”{{nop}}<section end="B" /><noinclude></noinclude> 7y6e0c39dvknp280yzhwb8h8ltkb4e9 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬৬ 104 883380 1991383 1990770 2026-07-30T16:29:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991383 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৮|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}টম সব কথাই জানতো। কি রকম ক’রে তারা পালায়, কোথায় লুকিয়ে আছে, সবই তার জানা ছিল। সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা ক’র্‌লে, দরকার’ হয় ত ঈশ্বরের নাম নিয়ে সে প্রাণ দিবে, তবু সেই বেচারীদের কোন কথা প্রকাশ ক’র্‌বে না। {{ফাঁক}}কুইম্বো ব’ল্লে, “টম, এইবার তুমি বাগে আস্‌বে!”—এই ব’লে তাকে টান্‌তে টান্‌তে নিয়ে চ’ল্লো। {{ফাঁক}}টম কাছে এলে লিগ্রি তার কোটের গলা ধ’রে বল্লে, “টম, আমি ঠিক জানি, কেসিদের পালাবার মূলে তুমি আছ! যদি ভালয় ভালয় সব কথা প্রকাশ করো, তবে তুমি রক্ষা পাবে। তা না হ’লে আমি প্রতিজ্ঞা কর্‌ছি যে, তোমাকে আস্ত রাখ্‌বো না!” {{ফাঁক}}টম বল্লে—“আপনাকে বলবার মত আমার কিছুই নেই।—আমি মর্‌বার জন্যে প্রস্তুত আছি!” {{ফাঁক}}এই কথা শুনে লিগ্রি বল্লে,—“হয়, তুমি সব কথা ব’ল্‌বে, না হ’লে, সত্যিই তোমাকে মেরে ফেল্‌বো। এক এক ফোটা ক’রে তোমার গায়ের সমস্ত রক্ত বের করবো!” {{ফাঁক}}তখন টম লিগ্রির মুখের দিকে তাকিয়ে ব’ল্লে—“মশায়, যদি আমার বুড়ো শরীরের রক্ত এক এক ফোটা ক’রে নিলে, আপনার আত্মার মঙ্গল হয়, তা হ’লে আমি আনন্দের সহিত তা’ দান ক’র্‌বো। প্রভু যিশুও আমাদের জন্যে তাঁর দেহের রক্ত দান ক’রেছিলেন! কিন্তু আমি মিনতি ক’র্‌ছি যে, আপনার আত্মাকে এ রকমে পাপে লিপ্ত ক’র্‌বেন না।<noinclude></noinclude> cbg5gweyovur72nihw0qqh49kwyldg1 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৬৯ 104 883381 1991384 1990771 2026-07-30T16:29:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991384 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৫৯|চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>কেন না, তাতে আমার চেয়ে আপনারই বেশী ক্ষতি। আপনি যতদূর পারেন আমাকে কষ্ট দিন, সে কষ্ট শীঘ্রই দূর হবে! কিন্তু আপনি যদি এর জন্যে অনুতপ্ত না হন, তা’ হ’লে আপনার কষ্ট কিছুতেই দূর হবে না!” {{ফাঁক}}লিগ্রি কিছুক্ষণ চুপ করে রইল; তার পর পশুর ন্যায় উত্তেজিত হ’য়ে, মারতে মারতে টমকে মাটিতে ফেলে দিল। {{ফাঁক}}সাম্বো কাছেই ছিল, সে ব’ল্লে— “কর্ত্তা, এ বেটা প্রায় মরে গিয়েছে!” {{ফাঁক}}লিগ্রি রাগে কাঁপতে কাঁপতে ব’ল্লে,—“যতক্ষণ পর্য্যন্ত না ও সব কথা স্বীকার করে, ততক্ষণ ওকে ছাড়া হবে না! লাগাও বেত, ওর হাড়্‌-গোড়্‌ একেবারে পিষে ফেলো!” {{ফাঁক}}এইবার টম চোখ খুলে লিগ্রির দিকে তাকালে! “হায় হতভাগ্য! তোমার যত দূর কর্‌বার, তা তুমি করেছ, এখন আর কি ক’রবে? আমি তোমাকে অন্তরের সহিত ক্ষমা ক’রছি!” এই বলেই সে অজ্ঞান হ’য়ে পড়্‌লো। {{ফাঁক}}এখনও টম মরে নাই। টমের শেষ কথাগুলি দুজন সর্দ্দারের মনে বড় লেগেছিল। লিগ্রি চলে গেলে, তারা টমকে নীচে নিয়ে গেল। অনেক সেবা শুশ্রূষার পর টমের একটু চেতনা হলে, কুইম্বো ব’ল্লে—“টম, আমরা তোমার উপর বড়ই অত্যাচার ক’রেছি—ক্ষমা করো!” {{ফাঁক}}টম জড়িতস্বরে উত্তর দিল,—“আমি অন্তরের সহিত তোমাদের ক্ষমা ক’র্‌ছি!”{{nop}}<noinclude></noinclude> 6pjeh48e7o1ykxq9ld3xg2xpoc6pdya পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭০ 104 883382 1991385 1990772 2026-07-30T16:29:48Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991385 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬০|টমকাকার কুটীর}}</noinclude><section begin="A" />{{ফাঁক}}তখন সাম্বো জিজ্ঞেস্ ক’র্‌লে,—“টম, আমাকে বল দেখি, কে সেই যিশু, যিনি তোমার ব্যথিত প্রাণে এমন ক’রে শান্তি দেন?” {{ফাঁক}}যিশুর কথায় টমের অসাড় প্রাণে যেন নূতন বল এল! টম লাঠি ভর ক’রে উঠে দাঁড়িয়ে, সংক্ষেপে যিশুর কাহিনী তাদের শুনালে। {{ফাঁক}}সাম্বোর কঠিন প্রাণ একেবারে গ’লে গেল!—“হায়! আমরা একথা আগে কেন শুনি নি?” {{ফাঁক}}টম বল্লে—“আহা বেচারা! আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা ক’র্‌ছি, তিনি এই দুটি আত্মা আমাকে দান করুন!” এই বলেই টম আবার একটু অজ্ঞানের মত হ’য়ে পড়্‌লো। {{dhr}} {{rule|3em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{larger|পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ}}}} এই ঘটনার দুদিন পরে লিগ্রির বাড়ীর সামনে একখানা গাড়ী এসে থাম্‌লো। গাড়ীর মধ্যে একটী যুবক ব’সেছিল। লিগ্রিকে দেখ্‌তে পেয়ে যুবক আস্তে আস্তে নেমে এলো। এই যুবকই আমাদের পরিচিত জর্জ সেল্‌বি। জর্জের বাবা মারা গেছেন। জর্জ মিস্ ওফেলিয়ার চিঠি পেয়ে টমের খোঁজ ক’রতে এসেছে। {{ফাঁক}}লিগ্রি কাছে এলে জর্জ ব’ল্লে—“আমি জানতে পেরেছি, আপনি টম নামে একটী কৃতদাস কিনেছেন। আমি তারই জন্যে এসেছি। যদি তাকে বিক্রী করেন, আমি যথাসম্ভব বেশী দাম দিতে রাজী আছি।”{{nop}} <section end="B" /><noinclude></noinclude> i0j7muyyo6dmei3x268wikdzheb5li9 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭১ 104 883384 1991386 1990788 2026-07-30T16:29:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991386 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬১|পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>{{ফাঁক}}লিগ্রি ভ্রূ কুঞ্চিত ক’র্‌লে! কিছুক্ষণ পরে ব’ল্লে—“হাঁ, আমি সেই বদ্‌মায়েস কুকুরটাকে কিনেছি বটে! আমি এ পর্য্যন্ত যত কাফ্রীকে শাস্তি দিয়েছি, তার মত শাস্তি আর কেউ পায়নি! সে সাধ ক’রে মরণকে ডেকেছে! জানি নে, সে এখনো তার অপরাধ স্বীকার করবে কি না!” {{ফাঁক}}জর্জ জিজ্ঞাসা কল্লে—“সে কোথায় আছে?” {{ফাঁক}}যে লোকটি জর্জের গাড়ীর ঘোড়া ধ’রেছিল, সে বল্লে, “টম ঐ ঘরে আছে।” এই কথা বলাতে, লিগ্রি তাকে একটা লাথি মারলে। কিন্তু জর্জ সে দিকে মন না দিয়ে, তাড়াতাড়ি টমের কাছে গেল। সেখানে গিয়ে জর্জের বীরহৃদয় বেদনায় একেবারে ভ’রে উঠ্‌লো! ভাবের আবেগে সে টমকে জড়িয়ে ধ’রে ব’লতে লাগলো,—“টমকাকা, সত্যি সত্যিই তোমার এই দশা হয়েছে! একবার চেয়ে দেখ, তোমার স্নেহের জর্জ এসেছে!” {{ফাঁক}}টম চোখ খুলে ভাঙ্গা ভাঙ্গা স্বরে ব’লতে লাগলো—“মাষ্টার জর্জ! সত্যিই তুমি মাষ্টার জর্জ? আঃ—! ভগবানকে ধন্যবাদ! আমি এই মাত্র প্রার্থনা ক’র্‌ছিলাম, যেন তোমরা আমাকে ভুলে না যাও! আমি মনে বড় শান্তি পেলাম! এখন সুখে ম’র্‌তে পারবো! করুণাময় ঈশ্বর! তোমার জয় হ’ক্!” {{ফাঁক}}“না টমকাকা, আমি তোমায় ম’তে দেব না! তোমায় কিনে নিয়ে যাব ব’লে আমি এসেছি।” {{nop}}<noinclude></noinclude> dj8r5fj10s2ag2uf7p7fld5sjzzwj9l পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭২ 104 883385 1991387 1990790 2026-07-30T16:29:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991387 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬২|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>{{ফাঁক}}“মাষ্টার জর্জ, আর সে সময় নেই! যিশু আমাকে কিনে ফেলেছেন—এখনই তিনি আমাকে বাড়ী নিয়ে যাবেন! আমার যে দশা দেখ্‌লে, তা যেন ভুলেও তোমার ক্লো কাকীকে ব’লো না! ব’লো—তারা যেন পরে আমার কাছে আসে! ছেলেমেয়ে ও বাড়ীর অন্য সকলকে আমার ভালবাসা জানিও।” {{ফাঁক}}এই ব’লে টম চোখ বন্ধ ক’র্‌লে। তার নিশ্বাস খুব ঘন ঘন বইতে লাগ্‌লো। কিছুক্ষণ পরে সে ব’লে উঠলো—“কে আমাকে যিশুর ভালবাসা থেকে বঞ্চিত ক’রবে?”—এই তার শেষ কথা! টমের অমর আত্মা স্বর্গে চ’লে গেল। ধূলা-মাটীর দেহ ধূলায় লুটাতে লাগ্‌লো! {{ফাঁক}}জর্জ টমের মৃতদেহের পাশে অনেকক্ষণ ব’সে রইল। তার দুটি চক্ষু দিয়ে ধারা বইতেছিল! আহা! এই স্থানটি কত পবিত্র। অবশেষে সে লিগ্রির কাছে গিয়ে বল্লো, “আপনি যতদূর পেরেছেন ভদ্রতার পরিচয় দিয়েছেন! এখন কত টাকা হ’লে মৃতদেহটা বিক্রী ক’রবেন, জান্‌তে পারি কি?—আমি গোর দিয়ে যেতে চাই!” {{ফাঁক}}লিগ্রি ব’ল্লে—“আমি কাফ্রীর মৃতদেহ বিক্রী করি না!” {{ফাঁক}}কতকগুলি কাফ্রীছেলে সেখানে দাঁড়িয়েছিল। জর্জ তাদের ডেকে বল্লে—“এই মৃতদেহটি আমার গাড়ীতে তুলে দেও! আর একখানা কোদাল এনে দাও।” {{ফাঁক}}অমনি একজন দৌড়ে কোদাল আন্‌তে গেল। আর সকলে<noinclude></noinclude> ijhhfdwhbcx1pbslplarfbjb16oh6n5 পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭৩ 104 883386 1991388 1990791 2026-07-30T16:29:50Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991388 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬৩|পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>জর্জের সঙ্গে ধরাধরি ক’রে টমের মৃতদেহ গাড়ীতে উঠিয়ে দিল। জর্জ তাদের সকলকেই বখ্‌সিস্ দিয়ে খুসি ক’র্‌লে। {{ফাঁক}}ব্যাপার দেখে লিগ্রি ত অবাক! কিছুক্ষণ পরে সে বিদ্রূপের স্বরে বল্লে,—“সামান্য একটা কাফ্রীর জন্য এতটা বাড়াবাড়ি কেন? এ লোকদেখানো ভালবাসার কোনই দাম নেই!” {{ফাঁক}}জর্জের আর সহ্য হ’লো না! “কাপুরুষ, তুমি এ ভালবাসার কি বুঝ্‌বে?” এই ব’লে লিগ্রির মুখে ও মাথায় ঘুমির পরে ঘুসি দিয়ে জর্জ তার মনের ঝাল মিটালে! নরাধমের এমন সাহস হ’লো না যে, একটী কথা বলে! {{ফাঁক}}লিগ্রির বাড়ীর সামনেই একটা ফুলের বাগান ছিল। তারই এক পাশে টমের কবর প্রস্তুত হ’ল। সেই কবরে টমের পবিত্র দেহ রাশি রাশি ফুলের মধ্যে ফুলের মতই শোভা ধারণ ক’র্‌লে! {{ফাঁক}}তার পর জর্জ টমের কবরের পাশে হাঁটু গেড়ে ব’সে প্রার্থনা ক’র্‌লে, “হে ভগবান! তুমি সাক্ষী, আমি প্রতিজ্ঞা ক‍রছি যে, ‘এই পৈশাচিক দাসত্ব প্রথা’ রহিত ক’র্‌তে, একজন মানুষের পক্ষে যতদূর সম্ভব, ততদূর চেষ্টার আমি ত্রুটী ক’রবো না! এই কাজেই জীবন উৎসর্গ ক’র্‌লাম। প্রভু, তুমি আমার সহায় হও! আমাকে বল দেও!” {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> imgshk3f6een72qo6gegzldg7k43q9o পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭৬ 104 883388 1991391 1990794 2026-07-30T16:29:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991391 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬৬|টমকাকার কুটীর}}</noinclude>যা স্বপ্নেরও অগোচর, তা কি সত্য হ’তে পারে! তাদের মনের ভাব বুঝতে জর্জের বাকী থাকলো না। তাই জর্জ হুকুম-নামার কথা আবার পরিষ্কার ক’রে বুঝিয়ে দিলে। {{ফাঁক}}তখন চারিদিকে এক আশ্চর্য ভাবের তরঙ্গ উঠলো। কেউ কেউ কেঁদে ফেল্লে! কেউ কেউ উল্লাসে নাচতে লাগলো! আবার কেউ কেউ বা বিষণ্ণ ভাবে ব’লে উঠলো, “কি দোষে আমাদের তাড়িয়ে দিতে চান?” {{ফাঁক}}জর্জ বল্লে, “তোমরা ভুল বুঝ না। তোমাদের কাকেও এই জায়গা ছেড়ে যেতে হবে না। আজ থেকে তোমরা যে কাজ কর্‌বে, তার উপযুক্ত বেতন পাবে। যদি আমি মারা যাই কিংবা দেনায় পড়ি তা হ’লে কেহই আর তোমাদের বিক্রী কর্‌তে পার্‌বে না।” {{ফাঁক}}জর্জের মুখের কথা দাসদাসীগণের প্রাণে যেন অমৃত বর্ষণ ক’রতে লাগলো! একটা বুড়ো কাফ্রী কাঁপ্‌তে কাঁপ্‌তে উঠে বল্লে, “এস আমরা সেই মুক্তিদাতা ভগবানকে ধন্যবাদ দিই! তাঁহারই কৃপায় আজ আমাদের মনুষ্য জন্ম সফল হলো!” {{ফাঁক}}কৃতজ্ঞতার প্রবল উচ্ছ্বাস কমে এলে, জর্জ বল্লে, “টমকাকার কথা নিশ্চয়ই তোমাদের মনে আছে। কয়েক দিন হ’লো তিনি স্বর্গে চলে গেছেন। তাঁরই কবরের পাশে বসে ঈশ্বরের নামে আমি এই প্রতিজ্ঞা করেছি যে, আর কখনো কৃতদাস রাখ্‌বো না এবং এই<noinclude></noinclude> bsapuo1crwibspbnqpb32iv7mjkcfcd পাতা:টমকাকার কুটীর (১৯১৩).pdf/৭৭ 104 883389 1991392 1990787 2026-07-30T16:29:51Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991392 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৬৭|ষোড়শ পরিচ্ছেদ}}</noinclude>নিষ্ঠুর প্রথা দেশ থেকে দূর ক’রে দিতে সাধ্যমত চেষ্টা ক’র্‌বো। আজ যে তোমরা স্বাধীন হ’লে, এ শুধু টমকাকারই জন্য—এ কথা কখনো ভুলো না। তোমাদের এই সুখ ও আনন্দের দিনে সকলে তাঁর পবিত্র নামে জয়ধ্বনি ক’রে ধন্য হও। যখনি তাঁর কুটীরখানি দেখ্‌বে, তখনি ভেবো, ‘টমকাকার জন্যই তোমরা মুক্তি পেয়েছ’ এবং তখনি ঈশ্বরের চরণে প্রণতঃ হ’য়ে তাঁর মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা ক’রো।” {{ফাঁক}}জর্জের কথা শেষ হ’লে, চারিদিক আনন্দ-কোলাহলে পূর্ণ হলো! এমন আনন্দ বুঝি বা স্বর্গেও দুর্লভ! {{dhr}} {{rule|3em}}<noinclude></noinclude> pn5apmxyvk2mmllvhkm484dw0j3wnvd পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৪৯ 104 883425 1991464 1991079 2026-07-30T16:41:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991464 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>কারণ হয়। বাঙলা হরফে হিন্দী বই প্রকাশিত হইলে তাহা বাঙালীর পক্ষে পড়া কঠিন হইবে না। ভারতের অনেকখানি জুড়িয়া নাগরী লিপির প্রচলন। হিন্দী ছাড়াও বহু ভাষার পুস্তক নাগরীতে মুদ্রিত হয়। সুতরাং বাঙলা ভাষার বই নাগরী লিপিতে প্রকাশিত হইলে ভারতের বহু প্রদেশের সহিত আমাদের বৌদ্ধিক এবং সাংস্কৃতিক যোগ সাধিত হইবে। ভারতীয় সকল ভাষা এবং লিপি সম্বন্ধেই এই কথা বলা চলে। তবে প্রথমে প্রধান প্রধান ভাষা এবং লিপি লইয়া পরীক্ষা আরম্ভকরাই ভাল। {{ফাঁক}}৩। আমার সর্বাপেক্ষা বড় যুক্তি আমার নিজের এবং অন্যপ্রদেশীয় কয়েকজন বন্ধুর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা। বস্তুতঃ যে ভাষার সহিত পরিচয় অল্প, নিজের হরফে লিখিত সেই ভাষার রচনা পড়িয়া দেখিলেই আমার কথার তাৎপর্য’ সকলেই হৃদয়ঙ্গম করিতে পারিবেন। {{ফাঁক}}বাঙলা হরফে এ ধরনের কাজ কিছু কিছু হইয়াছে। কাঁথি নীহার প্রেস হইতে প্রকাশিত বাঙলা হরফে মুদ্রিত ওড়িয়া পুস্তকসমূহের নাম এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। নাগরী লিপিতে মুদ্রিত একটি কবিতা-সংকলন গ্রন্থে ভারতের বিভিন্ন ভাষার লোক-সংগীত, কবিতা এবং ছড়া সংগৃহীত হইয়াছে। উহার ভূমিকা, গ্রন্থ-পরিচয়, টীকা-টিপ্পনী ইত্যাদি হিন্দীতে লিখিত। কিন্তু কবিতাসমূহ যে ভাবে সংগৃহীত হইয়াছে সেইভাবেই মুদ্রিত হইয়াছে। তাহাদের ভাষা কিছুমাত পরিবর্তন করা হয় নাই, কেবল নাগরী লিপিতে ছাপানো হইয়াছে এই মাত্র। {{ফাঁক}}লিপির প্রসঙ্গে স্বভাবতই রোমান লিপির কথা উঠিতে পারে; সেই-জন্য এ সম্বন্ধে দুই একটি কথা আগেই বলিয়া রাখা আবশ্যক বোধ করি। এক রোমান লিপির দ্বারা ভারতের সকল ভাষা লেখার ব্যবস্থা করা সম্ভব হইলে সুবিধা অনেক হইত সন্দেহ নাই, কিন্তু দেখা গিয়াছে দেশ তাহা গ্রহণ করিবার জন্য এখনও প্রস্তুত হয় নাই। লিপি ভাষার বাহ্য চিহ্নমাত্র। এক চিহ্নের কাজ অন্য চিহ্নের দ্বারা যদি সহজে চলে, তবে চিহ্ন পরিবর্তনে আপত্তি করিবার কোনো কারণ নাই। যুক্তির দ্বারা তাহা বুঝিতে পারি কিন্তু যুক্তির দ্বারা তাহা বুঝাইতে পারি না। কারণ, যুক্তি যতই শাণিত হউক না কেন, সংস্কারের গায়ে সে সহসা<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৩}}</noinclude> i7da57sviyqwgpgcwbtca7eryyit891 1991507 1991464 2026-07-30T16:43:54Z Bodhisattwa 2549 1991507 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>কারণ হয়। বাঙলা হরফে হিন্দী বই প্রকাশিত হইলে তাহা বাঙালীর পক্ষে পড়া কঠিন হইবে না। ভারতের অনেকখানি জুড়িয়া নাগরী লিপির প্রচলন। হিন্দী ছাড়াও বহু ভাষার পুস্তক নাগরীতে মুদ্রিত হয়। সুতরাং বাঙলা ভাষার বই নাগরী লিপিতে প্রকাশিত হইলে ভারতের বহু প্রদেশের সহিত আমাদের বৌদ্ধিক এবং সাংস্কৃতিক যোগ সাধিত হইবে। ভারতীয় সকল ভাষা এবং লিপি সম্বন্ধেই এই কথা বলা চলে। তবে প্রথমে প্রধান প্রধান ভাষা এবং লিপি লইয়া পরীক্ষা আরম্ভকরাই ভাল। {{ফাঁক}}৩। আমার সর্বাপেক্ষা বড় যুক্তি আমার নিজের এবং অন্যপ্রদেশীয় কয়েকজন বন্ধুর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা। বস্তুতঃ যে ভাষার সহিত পরিচয় অল্প, নিজের হরফে লিখিত সেই ভাষার রচনা পড়িয়া দেখিলেই আমার কথার তাৎপর্য সকলেই হৃদয়ঙ্গম করিতে পারিবেন। {{ফাঁক}}বাঙলা হরফে এ ধরনের কাজ কিছু কিছু হইয়াছে। কাঁথি নীহার প্রেস হইতে প্রকাশিত বাঙলা হরফে মুদ্রিত ওড়িয়া পুস্তকসমূহের নাম এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। নাগরী লিপিতে মুদ্রিত একটি কবিতা-সংকলন গ্রন্থে ভারতের বিভিন্ন ভাষার লোক-সংগীত, কবিতা এবং ছড়া সংগৃহীত হইয়াছে। উহার ভূমিকা, গ্রন্থ-পরিচয়, টীকা-টিপ্পনী ইত্যাদি হিন্দীতে লিখিত। কিন্তু কবিতাসমূহ যে ভাবে সংগৃহীত হইয়াছে সেইভাবেই মুদ্রিত হইয়াছে। তাহাদের ভাষা কিছুমাত পরিবর্তন করা হয় নাই, কেবল নাগরী লিপিতে ছাপানো হইয়াছে এই মাত্র। {{ফাঁক}}লিপির প্রসঙ্গে স্বভাবতই রোমান লিপির কথা উঠিতে পারে; সেই-জন্য এ সম্বন্ধে দুই একটি কথা আগেই বলিয়া রাখা আবশ্যক বোধ করি। এক রোমান লিপির দ্বারা ভারতের সকল ভাষা লেখার ব্যবস্থা করা সম্ভব হইলে সুবিধা অনেক হইত সন্দেহ নাই, কিন্তু দেখা গিয়াছে দেশ তাহা গ্রহণ করিবার জন্য এখনও প্রস্তুত হয় নাই। লিপি ভাষার বাহ্য চিহ্নমাত্র। এক চিহ্নের কাজ অন্য চিহ্নের দ্বারা যদি সহজে চলে, তবে চিহ্ন পরিবর্তনে আপত্তি করিবার কোনো কারণ নাই। যুক্তির দ্বারা তাহা বুঝিতে পারি কিন্তু যুক্তির দ্বারা তাহা বুঝাইতে পারি না। কারণ, যুক্তি যতই শাণিত হউক না কেন, সংস্কারের গায়ে সে সহসা<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৩}}</noinclude> og21ox7jy2643wvg2jataz5jleobby9 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫০ 104 883426 1991450 1991068 2026-07-30T16:40:15Z Bodhisattwa 2549 1991450 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>দাগ বসাইতে পারে না। ইহা লইয়া তর্ক' করা বৃথা। সুতরাং ভারতীয় লিপি দিয়াই কার্যারম্ভ হউক। {{ফাঁক}}আমরা যদি একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি স্থির করিয়া এই কার্যে আত্মনিয়োগ করি, তাহা হইলে অভীষ্ট ফললাভে বিলম্ব হইবে না। আমি কল্পনা-নয়নে সেই শুভদিন প্রত্যক্ষ করিতেছি, যেদিন বিবিধ ভাষার বিচিত্র লিপির শতদলপদ্মে অধ্যাসীনা হইয়া ভারতের সমগ্রা-রূপিণী সরস্বতী ভারত-ভাগ্যবিধাতার জয়োচ্চারণ করিয়া বলিতেছেন: {{ফাঁক}}'''“জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারত-ভাগ্যবিধাতা।”'''<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৪}}</noinclude> dsnjjx4ldprikvm3gc5neiobn7niegi 1991465 1991450 2026-07-30T16:41:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991465 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>দাগ বসাইতে পারে না। ইহা লইয়া তর্ক’ করা বৃথা। সুতরাং ভারতীয় লিপি দিয়াই কার্যারম্ভ হউক। {{ফাঁক}}আমরা যদি একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি স্থির করিয়া এই কার্যে আত্মনিয়োগ করি, তাহা হইলে অভীষ্ট ফললাভে বিলম্ব হইবে না। আমি কল্পনা-নয়নে সেই শুভদিন প্রত্যক্ষ করিতেছি, যেদিন বিবিধ ভাষার বিচিত্র লিপির শতদলপদ্মে অধ্যাসীনা হইয়া ভারতের সমগ্রা-রূপিণী সরস্বতী ভারত-ভাগ্যবিধাতার জয়োচ্চারণ করিয়া বলিতেছেন: {{ফাঁক}}'''“জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারত-ভাগ্যবিধাতা।”'''<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৪}}</noinclude> 9kgydjqxaoeug8nq8b7dqalyticq0xu 1991508 1991465 2026-07-30T16:44:14Z Bodhisattwa 2549 1991508 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>দাগ বসাইতে পারে না। ইহা লইয়া তর্ক করা বৃথা। সুতরাং ভারতীয় লিপি দিয়াই কার্যারম্ভ হউক। {{ফাঁক}}আমরা যদি একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি স্থির করিয়া এই কার্যে আত্মনিয়োগ করি, তাহা হইলে অভীষ্ট ফললাভে বিলম্ব হইবে না। আমি কল্পনা-নয়নে সেই শুভদিন প্রত্যক্ষ করিতেছি, যেদিন বিবিধ ভাষার বিচিত্র লিপির শতদলপদ্মে অধ্যাসীনা হইয়া ভারতের সমগ্রা-রূপিণী সরস্বতী ভারত-ভাগ্যবিধাতার জয়োচ্চারণ করিয়া বলিতেছেন: {{ফাঁক}}'''“জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারত-ভাগ্যবিধাতা।”'''<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৪}}</noinclude> 37ewwb19d6wzlml0599020448zj8x2a পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫১ 104 883427 1991466 1991077 2026-07-30T16:41:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991466 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''দিল্লীর অভিভাষণ'''}}}} {{c|{{x-larger|'''[ প্রবাসী বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলন-১৩৫৫]'''}}}} {{ফাঁক}}প্রবাসী বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলনের অভ্যর্থনা-সমিতির পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে স্বাগত-সম্ভাষণ জানাইতেছি। বঙ্গ-সাহিত্যের বিশাল বনস্পতির ছায়াতলে আমরা বৎসরে একবার করিয়া বাঙলার বাহিরে সম্মিলিত হই। এই সম্মেলন ভারতের নানাস্থান হইতে সমাগত বঙ্গ-সাহিত্যসেবক ও সাহিত্যামোদীদের পারস্পরিক মিলনের এক সার্থক উপলক্ষ। {{ফাঁক}}এবারকার সম্মেলনের অধিবেশন-স্থান ভারতের রাজধানী দিল্লী; অতীত ইতিহাসের সুদূর অস্পষ্ট দিনেও দিল্লীর উপকণ্ঠে আর্যরাষ্ট্র-শক্তি কেন্দ্রীভূত হইয়াছিল। তারপর শতাব্দীর পর শতাব্দী অতীত হইয়াছে, পাঠান-মোগল-ইংরাজ-রাজত্বের অবসান ঘটিয়াছে, কিন্তু দিল্লীর মহিমাসূর্য অস্তমিত হয় নাই। ইংরেজ কবি বলিয়াছেন, "Soft! thy tread is on an empire's dust." দিল্লী কত সাম্রাজ্যের উত্থান পতনই না দেখিয়াছে-রবীন্দ্রনাথের ভাষায় {{c|"তাহাদের স্মৃতি আজ বায়ুভরে}} {{c|{{ফাঁক}}উড়ে যায় দিল্লীর পথের ধূলি ‘পরে।"}} ইতিহাসবিধাতার প্রিয় লীলাভূমি এই নগরীতে যেখানে বিংশ শতাব্দীর বাঙালী বীর ও ভারতের নেতাজী সুভাষচন্দ্রের স্বপ্ন সত্য হইয়া উঠিয়াছে,-লালকেল্লায় ভারতীয় স্বাধীনতার পতাকা উড়িয়াছে, সেই দিল্লীতে আপনাদিগকে অভ্যর্থনা জানাইয়া কৃতার্থ বোধ করিতেছি। {{ফাঁক}}এই সম্মেলনের পরিধি সংকীর্ণ নহে। ভাষার ভিত্তিতে প্রদেশ-বিভাগের নীতি বহুক্ষেত্রে স্বীকৃত হইলেও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সে নীতি<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৫}}</noinclude> 2hrffmkbmzpe3ws8pmzy2zbm0igiodu 1991506 1991466 2026-07-30T16:42:40Z Bodhisattwa 2549 1991506 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''দিল্লীর অভিভাষণ'''}}}} {{c|[ প্রবাসী বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলন-১৩৫৫]}} {{ফাঁক}}প্রবাসী বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলনের অভ্যর্থনা-সমিতির পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে স্বাগত-সম্ভাষণ জানাইতেছি। বঙ্গ-সাহিত্যের বিশাল বনস্পতির ছায়াতলে আমরা বৎসরে একবার করিয়া বাঙলার বাহিরে সম্মিলিত হই। এই সম্মেলন ভারতের নানাস্থান হইতে সমাগত বঙ্গ-সাহিত্যসেবক ও সাহিত্যামোদীদের পারস্পরিক মিলনের এক সার্থক উপলক্ষ। {{ফাঁক}}এবারকার সম্মেলনের অধিবেশন-স্থান ভারতের রাজধানী দিল্লী; অতীত ইতিহাসের সুদূর অস্পষ্ট দিনেও দিল্লীর উপকণ্ঠে আর্যরাষ্ট্র-শক্তি কেন্দ্রীভূত হইয়াছিল। তারপর শতাব্দীর পর শতাব্দী অতীত হইয়াছে, পাঠান-মোগল-ইংরাজ-রাজত্বের অবসান ঘটিয়াছে, কিন্তু দিল্লীর মহিমাসূর্য অস্তমিত হয় নাই। ইংরেজ কবি বলিয়াছেন, “Soft! thy tread is on an empire's dust.” দিল্লী কত সাম্রাজ্যের উত্থান পতনই না দেখিয়াছে—রবীন্দ্রনাথের ভাষায় {{bc|<poem>“তাহাদের স্মৃতি আজ বায়ুভরে উড়ে যায় দিল্লীর পথের ধূলি ‘পরে।”</poem>}} ইতিহাসবিধাতার প্রিয় লীলাভূমি এই নগরীতে যেখানে বিংশ শতাব্দীর বাঙালী বীর ও ভারতের নেতাজী সুভাষচন্দ্রের স্বপ্ন সত্য হইয়া উঠিয়াছে,—লালকেল্লায় ভারতীয় স্বাধীনতার পতাকা উড়িয়াছে, সেই দিল্লীতে আপনাদিগকে অভ্যর্থনা জানাইয়া কৃতার্থ বোধ করিতেছি। {{ফাঁক}}এই সম্মেলনের পরিধি সংকীর্ণ নহে। ভাষার ভিত্তিতে প্রদেশ-বিভাগের নীতি বহুক্ষেত্রে স্বীকৃত হইলেও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সে নীতি<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৫}}</noinclude> lox2i31eet9mwra6od4mdq4cvcjlfv4 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫২ 104 883428 1992323 1991081 2026-07-31T05:00:05Z Bodhisattwa 2549 1992323 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অচল; প্রাদেশিক বিভাগের দ্বারা সাহিত্যের ক্ষেত্র বিভক্ত বা সীমাবদ্ধ হয় না বা করা যায় না। সকল সভ্যদেশেই ইহা স্বীকৃত। সাহিত্যের মানচিত্রে প্রান্ত-প্রত্যন্তের সীমারেখা অবলুপ্ত। আজিকার সাহিত্য সম্মেলনে তাই ভারতের সকল প্রদেশবাসীকেই আমরা সাদরে আহ্বান করি। {{ফাঁক}}প্রতিবৎসর আপনারা ভারতবর্ষের নানা প্রদেশ হইতে সমাগত হইয়া এই সম্মেলনে জ্ঞানবিজ্ঞানের নানা ক্ষেত্রে ভাবের আদান-প্রদান করেন। দীর্ঘকাল এই বাৎসরিক সম্মেলন ভারতে বাঙালী সমাজের বিস্তার এবং ঐক্যের পরিচয় দিয়াছে। নিজ প্রদেশের বাহিরে গিয়াও বাঙালী বঙ্গ-দেশকে ভোলে নাই, বাঙলার সংস্কৃতির সঙ্গে যোগ রাখিয়া তাহাকে বৈচিত্র্য দানে সমৃদ্ধ করিয়াছে। বাঙলার সঙ্গে প্রবাসী বাঙালীর সহমর্মিতা স্বাভাবিক এবং দীর্ঘকাল ধরিয়াই বিদ্যমান রহিয়াছে। অদৃষ্টের নানা ঘাতপ্রতিঘাতেও ইহা লুপ্ত হয় নাই। {{ফাঁক}}পাঁচ বৎসর পূর্বে ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দিল্লী-নগরীতেই প্রবাসী বঙ্গসাহিত্যের একবিংশতিতম অধিবেশন আহত হইয়াছিল। বাঙলা সেদিন মন্বন্তরে মুমুর্ষ; লোভীর নিষ্ঠুর লোভ ও বঞ্চিতের নিত্য-চিত্তক্ষোভে সমগ্র দেশ আলোড়িত। আজ ভারত স্বাধীনতা অর্জন করিয়াছে বটে, কিন্তু আজও বাঙালীর দুর্দিনের অবসান হয় নাই। আজ বাঙলা খণ্ডিত হইয়াছে। তাহার বৃহৎ এক অংশ ভারতের বাহিরে চলিয়া গিয়াছে। অগণিত বাস্তুহীন বাঙালীর যেন আজ ধরণীর কোলে কোথাও স্থান নাই। দুর্ভিক্ষ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার নিপীড়ন শেষ হইতে না হইতে বাঙালী আবার গৃহহীন সর্বহারা হইয়া পড়িয়াছে। একদিক দিয়া দেখিতে গেলে আজ ছয় কোটি বাঙালীর অধিকাংশ প্রবাসী, কেবল প্রবাসী নহে তাহারও অধিক,—রাষ্ট্র-ব্যবস্থায় বিচ্ছিন্ন। {{ফাঁক}}যে সমস্ত বাঙালী বাঙলার বাহিরে ভারতীয় রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রদেশে বাস করেন, তাঁহাদের সঙ্গে বাঙলার যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব ও অপেক্ষাকৃত সহজ। কিন্তু পূর্ববঙ্গে ও উত্তরবঙ্গে যে অগণিত বাঙালী ভারতীয় রাষ্ট্রের বাহিরে গিয়া পড়িয়াছেন তাঁহাদের সমস্যার কি প্রতিকার হইবে? তাঁহাদিগকে লইয়া বাঙালী সমাজের যে সমগ্রতা তাহা রক্ষা করার কি কি ব্যবস্থা হইবে? ইহা আমাদের সম্মুখে এক প্রকাণ্ড<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৬}}</noinclude> q29la2tlf8vbn4a7jmbkpp1udzobzht পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৩ 104 883429 1991467 1991085 2026-07-30T16:41:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991467 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান চিন্তা করিতে সাহিত্য-সাধকগণকে আমি অনুরোধ জানাইতেছি; রাজনীতি ও রাষ্ট্র আমাদের পরস্পরের মধ্যে যে ছেদ ঘটাইয়াছে তাহার উপর দিয়া মিলনের সেতু রচনা করিতে সাহিত্যিকগণকে আমি আহ্বান করিতেছি। {{ফাঁক}}বাঙালী বলিয়া আমরা যদি গৌরব বোধ করি, আশা করি কেহ তাহাকে স্পর্ধা বলিয়া বিবেচনা করিবেন না। আমাদের জীবনেও দুঃখ আছে, দারিদ্র্য আছে, অপমান-অত্যাচার আছে এবং হয়তো কিছু বেশী পরিমাণেই আছে। তাহার জন্য আক্ষেপ করিব না; দুই শতাব্দীর পরাধীনতা আমাদের দেহমনকে যতটা পীড়িত করিয়াছে আর কাহাকেও ততটা আঘাত করিয়াছে কিনা সন্দেহ। আজ বিদেশী শাসনের অবসান ঘটিয়াছে; সংগ্রামে আমরা জয়লাভ করিয়াছি, কিন্তু আমাদের ক্ষতচিহ্ন এখনও মুছিয়া যায় নাই। কখনও যদি নাই মুছে, তাহাতেই বা দুঃখ কি? ব্যক্তিগত সুখের জন্য নহে, প্রদেশগত সুবিধার জন্য নহে, সমগ্র দেশের ও সমগ্র জাতির কল্যাণের দিকে চাহিয়া যাহারা বুক পাতিয়া আঘাত সহ্য করে তাহাদের ত্যাগ ব্যর্থ হয় না। {{ফাঁক}}কিছুকাল যাবৎ ভারতের স্থানে স্থানে সংকীর্ণ প্রাদেশিক বুদ্ধির অতিমাত্রায় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়াছে। এখন হইতেই এই ভাব দূর করিতে না পারিলে সাম্প্রদায়িকতার ন্যায় প্রাদেশিকতাও ভারতের সমস্যা হইয়া দাঁড়াইবে। বিহার বিহারীর জন্য, আসাম অসমীয়াদের জন্য, বাঙলা দেশ বাঙালীর জন্য এই প্রকার ভাবধারা জাতীয়তা এবং ঐক্যের পরিপন্থী। এই সংকীর্ণ প্রাদেশিকতা দূর করিতে হইলে প্রত্যেক প্রদেশের স্থানীয় অধিবাসীদের মত প্রবাসীদেরও তত্তৎপ্রদেশের প্রতি কর্তব্য আছে। একথা প্রত্যেক প্রদেশের প্রবাসীদের পক্ষে প্রযোজ্য। ইংরেজেরা যেভাবে ভারতবর্ষে দীর্ঘকাল বাস করিয়া দূরবীণ দিয়া দূর হইতে এ দেশবাসীকে দেখিয়া তাহাদের সঙ্গে আত্মীয়তা স্থাপন না করিয়াই স্বদেশে চলিয়া যাইতেন, ভারতবর্ষে’র এক প্রদেশের লোক অন্য প্রদেশে বাস করিবার সময়ে যেন সেই মনোবৃত্তি অবলম্বন না করেন। {{ফাঁক}}ভারতে বিভিন্ন প্রদেশগুলির যে স্বাতন্ত্যই গড়িয়া উঠুক না কেন, প্রত্যেকেরই ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মূলে রহিয়াছে এক সংস্কৃত ভাষা এবং এক ভারতীয় সংস্কৃতি। সুতরাং ভারতের বিভিন্ন ভাষা এবং<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৭}}</noinclude> 251gwlytllx5tzgagrt4c1g2pkam0k7 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৪ 104 883430 1991468 1991087 2026-07-30T16:41:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991468 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সংস্কৃতিতে ঐক্যের সন্ধান পাওয়া শুধু সম্ভবপর নয়, অনায়াস-সাধ্য। বিভিন্ন প্রাদেশিক লিপি এ-ক্ষেত্রে যে বাধ্য সৃষ্টি করে তাহা দূর করা কিছুমাত্র দুঃসাধ্য নহে। আজ যদি সমস্ত প্রাদেশিক ভাষাই স্বীয় লিপির সঙ্গে সঙ্গে দেবনাগরী লিপিও গ্রহণ করে, অর্থাৎ যদি দেবনাগরী লিপিতেও প্রাদেশিক সাহিত্যগুলির মুদ্রণ হয়, তবে তাহাতে শুধু যে প্রদেশগুলির পক্ষে পরস্পরের সংস্কৃতির স্বাদ গ্রহণ করার পথ সুগম হইবে তাহা নয়, আপাতদৃষ্টিতে বিভিন্ন সংস্কৃতিগুলি একটা স্বাভাবিক সমন্বয় এবং সর্বভারতীয় ঐক্যের পথে চলিবে। শুধু অনুবাদের ভিতর দিয়া কেবল বিভিন্ন সাহিত্যের মূল রস পূর্ণভাবে আস্বাদ করা যায় না। সর্বভারতীয় ঐক্যের জন্য একটি সর্বভারতীয় লিপি আবশ্যক -এক্ষেত্রে দেবনাগরীই হইবে সেই লিপি। অবশ্য একথাও মনে রাখিতে হইবে যে, লিপি ভাষা নহে, ভাষার চিহ্নমাত্র। সমগ্র ইউরোপে একই রোম্যান লিপি প্রচলন থাকা সত্ত্বেও সেখানে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংকীর্ণতা ও দ্বন্দ্বের লাঘব হয় নাই। তাহা হইলেও যেখানে বিভিন্ন প্রাদেশিক সাহিত্যের মূল উৎসও অভিন্ন, সেখানে সর্বভারতীয় লিপির প্রচলনের দ্বারা প্রদেশগুলির মধ্যে আত্মীয়তা ও সম্প্রীতি বর্ধিত হইবে, প্রাদেশিক ভাষা ও সাহিত্য সমৃদ্ধ হইবে এবং সর্বভারতীয় ঐক্য একটা দৃঢ়ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হইবে। {{ফাঁক}}বাঙলা ভাষা ও বাঙলা সাহিত্য আজ যে স্থান অধিকার করিয়াছে তাহা যেমন বাঙালীর গৌরব, তেমনই ভারতের গৌরব; সাহিত্যের দিক দিয়া পৃথিবীর মানচিত্রে বাঙালীই যে ভারতের স্থান করিয়া দিয়াছে একথা ভারতবর্ষ’ উপলব্ধি করে এবং আনন্দের সহিত স্বীকার করে। বাঙলা সাহিত্যের ঐশ্বর্যে আজ ভারতের সর্বসাধারণের অধিকার। সে অধিকার যাহাতে তাহারা প্রত্যক্ষভাবে গ্রহণ করিতে পারে তাহার সুযোগ করিয়া দেওয়া আমাদের বিশেষ কর্তব্য। বিশ্বভারতীর উদ্যোগে রবীন্দ্রনাথের ‘সঞ্চয়িতা’ গ্রন্থ দেবনাগরী অক্ষরে (বাঙলা ভাষাতেই) প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা হইতেছে। ইহা আনন্দের সংবাদ সন্দেহ নাই। কিন্তু শুধু ‘সঞ্চয়িতা’ নহে, রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য বাঙলা রচনারও এইরূপ দেবনাগরী সংস্করণ আবশ্যক। বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র প্রমুখ সুপ্রতিষ্ঠিত বাঙালী সাহিত্যিকদিগের পরিচয় এ-পর্যন্ত অনুবাদের<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৮}}</noinclude> h2na91qw8ehe3nki3w3bunmjiob8gjz পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৫ 104 883431 1991469 1991088 2026-07-30T16:41:25Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991469 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সাহায্যেই অবাঙালী পাঠক-পাঠিকারা লাভ করিয়া আসিয়াছে। ই’হাদের গ্রন্থাবলীরও দেবনাগরী সংস্করণ প্রকাশিত হওয়া প্রয়োজন বলিয়া মনে করি। ভারতের বিভিন্ন অংশের সাংস্কৃতিক মিলন সাধনের পক্ষে প্রস্তাবিত এই উপায়কে আপনাদের বিবেচনার জন্য এই সভাসমক্ষে উপস্থিত করিলাম। এই প্রসঙ্গে আরও একটি উপায় বিশেষ চিন্তনীয়। প্রতি বৎসর ভিন্ন ভিন্ন প্রাদেশিক সাহিত্য-সম্মেলন পৃথকভাগে আপন আপন সমস্যা আলোচনা করে ও করিবে। কিন্তু ইহা ছাড়া তাহাদের প্রতিনিধিদের লইয়া সর্বভারতীয় সাহিত্য-সম্মেলনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। কিভাবে ভারতের ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যে নিকট সম্বন্ধ স্থাপিত হয়, তাহাদের প্রসার ও প্রচার ঘটিতে পারে, কিভাবে সাহিত্যসাধনার ভিতর দিয়া প্রাদেশিকতার ভাব দূর হয়, ভারতের জাতীয় ঐক্য পরিপুষ্ট হয় ও ভারতীয় সংস্কৃতি শক্তিশালী হইতে পারে, ইহাই সেই সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হইবে। আমি আশা করি, আমার এই প্রস্তাব বিভিন্ন প্রাদেশিক সাহিত্য-সম্মেলনের কর্তৃ-পক্ষেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করিবে। {{ফাঁক}}বাঙলা সাহিত্যে এক অভাবনীয় জাগরণ শুরু হইয়াছে ঊনবিংশ শতাব্দীতে। ইহার মূলে ছিল যেমন বাঙ্গালীর প্রতিভা, অবস্থাও ছিল তেমনই অনুকূল। ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাশ্চাত্ত্য শিক্ষা এবং চিন্তা-ধারার স্রোত বাংলার সাংস্কৃতিক জীবনে জোয়ার আনিয়াছিল। এই রেনেসাঁসের শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ। বাঙালী সর্বপ্রথম পাশ্চাত্ত্য ভাবধারার সন্ধান পাইয়াছিল; তাই ভারতে নূতন যুগের বাণী সর্বপ্রথম বাঙালীর কণ্ঠেই উচ্চারিত হইয়াছিল। এই ঘটনা হইতেই প্রমাণ হয় জাতীয় জীবনে বিচ্ছিন্নতা এবং সংকীর্ণতাই মৃত্যু। সমস্ত পৃথিবীতে জীবনের ধারা বহিয়া চলিয়াছে তাহার সঙ্গে যোগ স্থাপনেই জীবন এবং অগ্রগতি। পিছনে থাকিয়া স্বদেশের সংস্কৃতিতে বিধি-নিষেধের সংকীর্ণ প্রাচীরের মধ্যে আবদ্ধ রাখিতে চাহিলে আমরা শুধু অচলায়তনই গড়িয়া তুলিব। তাই বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের গতি অব্যাহত রাখিতে হইলে অন্য ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে যোগ রাখিতে হইবে, বিদেশের ভাবধারায়ও অবগাহন করিতে হইবে। এই জনাই বাঙালীকে এখন পূর্বাপেক্ষাও অধিকভাবে ইংরেজী, ফরাসী ইত্যাদি<noinclude>{{কেন্দ্র|৪৯}}</noinclude> qfvk5rw9u43qv4docie0czznp00puw8 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৬ 104 883432 1991470 1991093 2026-07-30T16:41:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991470 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>বিদেশী ভাষার সঙ্গে পরিচয় রাখিতে হইবে। এতকাল ভারতীয়দের ইংরেজী শিখিতে হইয়াছিল ইংরেজী রাষ্ট্রভাষা ছিল বলিয়া, কিন্তু বাঙালী ইংরেজী ভাষা এবং সাহিত্য আত্মস্থ করিয়াছে তাহার সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক মূল্যের জন্য। শুধু চাকরির প্রয়োজনে যে শিক্ষার দরকার ছিল বাঙালী তাহা অপেক্ষা অধিক শিখিয়াছে এবং সে শিক্ষাকে আনন্দে পরিণত করিয়াছে। আজ চাকরির প্রয়োজনে ইংরেজীর মূল্য কমিলেও বাঙালী-প্রতিভার নিকট বিদেশী ভাষা ও সাহিত্যের মূল্য এবং প্রয়োজন কমিতে পারে না। পশ্চিমে যে দ্বার একদিন খুলিয়া গিয়াছিল, সে দ্বার যদি আরও প্রসারিত করিতে না পারি, তবে স্বাধীনতার সার্থকতা কোথায়? যে সমস্ত মহাপুরুষ বাঙলাদেশে জন্মগ্রহণ করিয়া বাঙালী সমাজের উন্নতির ভিত্তি সংস্থাপন করিয়া গিয়াছেন, তাঁহারাই একদিন পাশ্চাত্ত্য শিক্ষার সংস্পর্শে বাঙালী জীবনের বিপুল বিকাশ দেখাইয়া গিয়াছেন। আজ বাঙালী সমাজের সর্বাধিক গৌরবের সামগ্রী বাঙলা ভাষা এবং সাহিত্য। আমাদের যে দেশপ্রীতির বন্যা একদিন সমস্ত ভারতকে প্লাবিত করিয়াছিল সে দেশপ্রীতি শুধু কর্মেই নিঃশেষিত হয় নাই; সেদিন বাঙলার চিত্তের উন্মাদনা সাহিত্যরূপেও প্রকাশ পাইয়াছে, আবার সাহিত্যই তাহাকে জন্ম দিয়াছে, পুষ্ট করিয়াছে। বাঙালী ভারতবর্ষে অর্থসম্পদে প্রাধান্য পায় নাই। কিন্তু চিত্তের সম্পদে যেমন নিজেকে পরিপুষ্ট করিয়াছে তেমনই দেশমাতৃকার সেবা করিয়া আপনাকে ধন্য মনে করিয়াছে। {{ফাঁক}}স্বদেশী আন্দোলনের বহু পূর্বে বঙ্কিমচন্দ্র ‘আনন্দমঠে’ সন্তান-ধর্মের আদর্শ ঘোষণা করিয়াছেন, সমগ্র ভারতবর্ষের জন্য "বন্দেমাতরম্'" মন্ত্র প্রচার করিয়াছেন। রবীন্দ্রনাথের অপূর্ব সংগীত বাঙালী-চিত্তে দেশপ্রীতির উৎস খুলিয়া দিয়াছে। বাঙালী গাহিয়াছে- {{c|"ও আমার দেশের মাটি,}} {{c|{{ফাঁক}}তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা,}} {{c|তোমাতে বিশ্বময়ীর,}} {{c|{{ফাঁক}}তোমাতে বিশ্বমায়ের}} {{c|{{ফাঁক}}{{ফাঁক}}আঁচল পাতা।"}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫০}}</noinclude> 4349vw47rzxo9xoidggso0kree09f2q 1991594 1991470 2026-07-31T03:50:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991594 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>বিদেশী ভাষার সঙ্গে পরিচয় রাখিতে হইবে। এতকাল ভারতীয়দের ইংরেজী শিখিতে হইয়াছিল ইংরেজী রাষ্ট্রভাষা ছিল বলিয়া, কিন্তু বাঙালী ইংরেজী ভাষা এবং সাহিত্য আত্মস্থ করিয়াছে তাহার সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক মূল্যের জন্য। শুধু চাকরির প্রয়োজনে যে শিক্ষার দরকার ছিল বাঙালী তাহা অপেক্ষা অধিক শিখিয়াছে এবং সে শিক্ষাকে আনন্দে পরিণত করিয়াছে। আজ চাকরির প্রয়োজনে ইংরেজীর মূল্য কমিলেও বাঙালী-প্রতিভার নিকট বিদেশী ভাষা ও সাহিত্যের মূল্য এবং প্রয়োজন কমিতে পারে না। পশ্চিমে যে দ্বার একদিন খুলিয়া গিয়াছিল, সে দ্বার যদি আরও প্রসারিত করিতে না পারি, তবে স্বাধীনতার সার্থকতা কোথায়? যে সমস্ত মহাপুরুষ বাঙলাদেশে জন্মগ্রহণ করিয়া বাঙালী সমাজের উন্নতির ভিত্তি সংস্থাপন করিয়া গিয়াছেন, তাঁহারাই একদিন পাশ্চাত্ত্য শিক্ষার সংস্পর্শে বাঙালী জীবনের বিপুল বিকাশ দেখাইয়া গিয়াছেন। আজ বাঙালী সমাজের সর্বাধিক গৌরবের সামগ্রী বাঙলা ভাষা এবং সাহিত্য। আমাদের যে দেশপ্রীতির বন্যা একদিন সমস্ত ভারতকে প্লাবিত করিয়াছিল সে দেশপ্রীতি শুধু কর্মেই নিঃশেষিত হয় নাই; সেদিন বাঙলার চিত্তের উন্মাদনা সাহিত্যরূপেও প্রকাশ পাইয়াছে, আবার সাহিত্যই তাহাকে জন্ম দিয়াছে, পুষ্ট করিয়াছে। বাঙালী ভারতবর্ষে অর্থসম্পদে প্রাধান্য পায় নাই। কিন্তু চিত্তের সম্পদে যেমন নিজেকে পরিপুষ্ট করিয়াছে তেমনই দেশমাতৃকার সেবা করিয়া আপনাকে ধন্য মনে করিয়াছে। {{ফাঁক}}স্বদেশী আন্দোলনের বহু পূর্বে বঙ্কিমচন্দ্র ‘আনন্দমঠে’ সন্তান-ধর্মের আদর্শ ঘোষণা করিয়াছেন, সমগ্র ভারতবর্ষের জন্য “বন্দেমাতরম্'" মন্ত্র প্রচার করিয়াছেন। রবীন্দ্রনাথের অপূর্ব সংগীত বাঙালী-চিত্তে দেশপ্রীতির উৎস খুলিয়া দিয়াছে। বাঙালী গাহিয়াছে- {{c|"ও আমার দেশের মাটি,}} {{c|{{ফাঁক}}তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা,}} {{c|তোমাতে বিশ্বময়ীর,}} {{c|{{ফাঁক}}তোমাতে বিশ্বমায়ের}} {{c|{{ফাঁক}}{{ফাঁক}}আঁচল পাতা।"}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫০}}</noinclude> 9xgafyp2hvk1dbti6at3b2he3v2fx94 1991617 1991594 2026-07-31T03:52:13Z Bodhisattwa 2549 1991617 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>বিদেশী ভাষার সঙ্গে পরিচয় রাখিতে হইবে। এতকাল ভারতীয়দের ইংরেজী শিখিতে হইয়াছিল ইংরেজী রাষ্ট্রভাষা ছিল বলিয়া, কিন্তু বাঙালী ইংরেজী ভাষা এবং সাহিত্য আত্মস্থ করিয়াছে তাহার সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক মূল্যের জন্য। শুধু চাকরির প্রয়োজনে যে শিক্ষার দরকার ছিল বাঙালী তাহা অপেক্ষা অধিক শিখিয়াছে এবং সে শিক্ষাকে আনন্দে পরিণত করিয়াছে। আজ চাকরির প্রয়োজনে ইংরেজীর মূল্য কমিলেও বাঙালী-প্রতিভার নিকট বিদেশী ভাষা ও সাহিত্যের মূল্য এবং প্রয়োজন কমিতে পারে না। পশ্চিমে যে দ্বার একদিন খুলিয়া গিয়াছিল, সে দ্বার যদি আরও প্রসারিত করিতে না পারি, তবে স্বাধীনতার সার্থকতা কোথায়? যে সমস্ত মহাপুরুষ বাঙলাদেশে জন্মগ্রহণ করিয়া বাঙালী সমাজের উন্নতির ভিত্তি সংস্থাপন করিয়া গিয়াছেন, তাঁহারাই একদিন পাশ্চাত্ত্য শিক্ষার সংস্পর্শে বাঙালী জীবনের বিপুল বিকাশ দেখাইয়া গিয়াছেন। আজ বাঙালী সমাজের সর্বাধিক গৌরবের সামগ্রী বাঙলা ভাষা এবং সাহিত্য। আমাদের যে দেশপ্রীতির বন্যা একদিন সমস্ত ভারতকে প্লাবিত করিয়াছিল সে দেশপ্রীতি শুধু কর্মেই নিঃশেষিত হয় নাই; সেদিন বাঙলার চিত্তের উন্মাদনা সাহিত্যরূপেও প্রকাশ পাইয়াছে, আবার সাহিত্যই তাহাকে জন্ম দিয়াছে, পুষ্ট করিয়াছে। বাঙালী ভারতবর্ষে অর্থসম্পদে প্রাধান্য পায় নাই। কিন্তু চিত্তের সম্পদে যেমন নিজেকে পরিপুষ্ট করিয়াছে তেমনই দেশমাতৃকার সেবা করিয়া আপনাকে ধন্য মনে করিয়াছে। {{ফাঁক}}স্বদেশী আন্দোলনের বহু পূর্বে বঙ্কিমচন্দ্র ‘আনন্দমঠে’ সন্তান-ধর্মের আদর্শ ঘোষণা করিয়াছেন, সমগ্র ভারতবর্ষের জন্য “বন্দেমাতরম্” মন্ত্র প্রচার করিয়াছেন। রবীন্দ্রনাথের অপূর্ব সংগীত বাঙালী-চিত্তে দেশপ্রীতির উৎস খুলিয়া দিয়াছে। বাঙালী গাহিয়াছে- {{bc|<poem>“ও আমার দেশের মাটি, তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা, তোমাতে বিশ্বময়ীর, ::তোমাতে বিশ্বমায়ের ::::আঁচল পাতা।”</poem>}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫০}}</noinclude> ct3yuukdxsrx08jqoakmj9l5r0e3pa7 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৭ 104 883433 1991471 1991127 2026-07-30T16:41:26Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991471 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}বাঙালীর রাজনীতি যে শুধু শুষ্ক তর্ক’নির্ভর নয়, তাহার প্রমাণ মিলিল যখন অসহযোগ আন্দোলন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মত কবিকেও গ্রাস করিয়া ফেলিল। রাজনীতির কঠোর জীবনের মধ্যে, স্বাধীনতার যজ্ঞে আত্মাহুতির মধ্যে তিনি "সাগর সংগীত” শুনিতে পাইলেন। সাহিত্য-সেবা দেশ-সেবায় পর্যবসিত হইয়া তাঁহার জীবন একটি সার্থক সুন্দর সুমহৎ কবিতায় পরিণতি লাভ করিল। {{ফাঁক}}শুধু দেশপ্রীতিই যে বাঙলা কাব্যে গান গাহিয়া উঠিয়াছে তাহা নয়, বাঙলা কাব্যের সরস্বতী বহুসুরবিশিষ্টা। কাব্য এবং কথা-সাহিত্যে বাঙালীর কীর্তি লইয়া আমরা যথার্থই গর্ব অনুভব করিতে পারি। কিন্তু যতদূর অগ্রসর হইয়াছি তাহাতে গৌরব অনুভব করিয়া সেখানেই থামিয়া যাওয়া জীবনের লক্ষণ নয়। বরং আমাদের কাঁর্তিতে কোথাও ফাঁক রহিয়াছে কি না সেদিকে দৃষ্টি রাখিয়া সেই ফাঁক পুরণ করিয়া নূতন নূতন সম্ভাবনার দিকে আমাদের অগ্রসর হইতে হইবে। এই প্রসঙ্গে আমাদের সাহিত্যের যে দিকটা অপেক্ষাকৃত দুর্বল তাহার উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করি। কাবোর তুলনায় আমাদের প্রবন্ধ-সাহিত্য দরিদ্র ইহা অস্বীকার করা চলে না। অক্ষয়কুমার দত্ত, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রমথ চৌধুরী প্রমুখ মনীষিগণ অতীতে প্রবন্ধ-সাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ করিয়া গিয়াছেন সত্য এবং কাব্যের মত গগনস্পর্শী’ না হইলেও, প্রবন্ধ-সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের কীর্তি’ যে বিরাট ইহা স্বীকার করিয়াও বলা যায় যে, বৈচিত্র্য এবং প্রাচুর্যের দিক দিয়া বাঙলা প্রবন্ধ-সাহিত্য বর্তমানে আশানুরূপ সমৃদ্ধ নয়। বাঙলা সাহিত্যে আজ পর্যন্ত যাহা কিছু উন্নতি হইয়াছে তাহা রাষ্ট্রশক্তির আনুকূলোর অপেক্ষা রাখে নাই। কাজেই অবস্থা এবং পারিপার্শ্বিকের দোষ দিয়া লাভ নাই। আমাদের স্থিরচিত্তে ভাবিয়া দেখিতে হইবে কি উপায়ে বর্তমানে বাঙলা সাহিত্যের এই উপেক্ষিত অংশ বলিষ্ঠ করা যায়। যে প্রখর বাস্তবনিষ্ঠা, গভীর মননশীলতা এবং বলিষ্ঠ চিন্তাশীলতা প্রবন্ধ-সাহিত্যের উৎকর্ষের মূলে তাহার যথাযোগ্য অনুশীলন আজকাল দেখা যাইতেছে না। বাঙলা সাহিত্যের যাঁহারা দিপাল তাঁহাদের দৃষ্টি এদিকে আকর্ষণ করি। {{ফাঁক}}আজ বাঙালী সমাজের সম্মুখে বিভিন্ন এবং বিচিত্র প্রকার কঠিন<noinclude>{{কেন্দ্র|৫১}}</noinclude> 0prypsnrjso5ia15pxf55rookzpgnks 1991618 1991471 2026-07-31T03:52:16Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991618 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}বাঙালীর রাজনীতি যে শুধু শুষ্ক তর্ক’নির্ভর নয়, তাহার প্রমাণ মিলিল যখন অসহযোগ আন্দোলন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মত কবিকেও গ্রাস করিয়া ফেলিল। রাজনীতির কঠোর জীবনের মধ্যে, স্বাধীনতার যজ্ঞে আত্মাহুতির মধ্যে তিনি “সাগর সংগীত” শুনিতে পাইলেন। সাহিত্য-সেবা দেশ-সেবায় পর্যবসিত হইয়া তাঁহার জীবন একটি সার্থক সুন্দর সুমহৎ কবিতায় পরিণতি লাভ করিল। {{ফাঁক}}শুধু দেশপ্রীতিই যে বাঙলা কাব্যে গান গাহিয়া উঠিয়াছে তাহা নয়, বাঙলা কাব্যের সরস্বতী বহুসুরবিশিষ্টা। কাব্য এবং কথা-সাহিত্যে বাঙালীর কীর্তি লইয়া আমরা যথার্থই গর্ব অনুভব করিতে পারি। কিন্তু যতদূর অগ্রসর হইয়াছি তাহাতে গৌরব অনুভব করিয়া সেখানেই থামিয়া যাওয়া জীবনের লক্ষণ নয়। বরং আমাদের কাঁর্তিতে কোথাও ফাঁক রহিয়াছে কি না সেদিকে দৃষ্টি রাখিয়া সেই ফাঁক পুরণ করিয়া নূতন নূতন সম্ভাবনার দিকে আমাদের অগ্রসর হইতে হইবে। এই প্রসঙ্গে আমাদের সাহিত্যের যে দিকটা অপেক্ষাকৃত দুর্বল তাহার উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করি। কাবোর তুলনায় আমাদের প্রবন্ধ-সাহিত্য দরিদ্র ইহা অস্বীকার করা চলে না। অক্ষয়কুমার দত্ত, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রমথ চৌধুরী প্রমুখ মনীষিগণ অতীতে প্রবন্ধ-সাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ করিয়া গিয়াছেন সত্য এবং কাব্যের মত গগনস্পর্শী’ না হইলেও, প্রবন্ধ-সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের কীর্তি’ যে বিরাট ইহা স্বীকার করিয়াও বলা যায় যে, বৈচিত্র্য এবং প্রাচুর্যের দিক দিয়া বাঙলা প্রবন্ধ-সাহিত্য বর্তমানে আশানুরূপ সমৃদ্ধ নয়। বাঙলা সাহিত্যে আজ পর্যন্ত যাহা কিছু উন্নতি হইয়াছে তাহা রাষ্ট্রশক্তির আনুকূলোর অপেক্ষা রাখে নাই। কাজেই অবস্থা এবং পারিপার্শ্বিকের দোষ দিয়া লাভ নাই। আমাদের স্থিরচিত্তে ভাবিয়া দেখিতে হইবে কি উপায়ে বর্তমানে বাঙলা সাহিত্যের এই উপেক্ষিত অংশ বলিষ্ঠ করা যায়। যে প্রখর বাস্তবনিষ্ঠা, গভীর মননশীলতা এবং বলিষ্ঠ চিন্তাশীলতা প্রবন্ধ-সাহিত্যের উৎকর্ষের মূলে তাহার যথাযোগ্য অনুশীলন আজকাল দেখা যাইতেছে না। বাঙলা সাহিত্যের যাঁহারা দিপাল তাঁহাদের দৃষ্টি এদিকে আকর্ষণ করি। {{ফাঁক}}আজ বাঙালী সমাজের সম্মুখে বিভিন্ন এবং বিচিত্র প্রকার কঠিন<noinclude>{{কেন্দ্র|৫১}}</noinclude> cizaebcidiyljh6zpw1c1pm841e6zkc পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৮ 104 883434 1991410 1991128 2026-07-30T16:33:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991410 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সমস্যা দেখা দিয়াছে। এই সমস্যাগুলির সন্তোষজনক সমাধান না হইলে বাঙালী সমাজ সম্মানের সঙ্গে বাঁচিতে পারিবে না। হীন এবং দুর্বল হইয়া পড়িলে বাঙলাদেশ ভারতবর্ষ'কেও দুর্বল করিবে, কেননা অংশের শক্তিই সমগ্রের শক্তির উৎস। দুর্গতি হইতে বাঙলাদেশকে বাঁচাইবার ভার সমগ্র বাঙালী সমাজের উপর। আজ কি উপায়ে সেই মহৎ কর্তব্য পালন করা সম্ভব তাহাই আপনাদিগকে ভাবিতে বলি। এ-বিষয়ে গত শতাব্দীতে যে সমস্ত মনীষীর প্রতিভার জন্য আজ বাঙালী শ্রদ্ধেয়, তাঁহাদের জীবন হইতে আমরা এক বিশেষ শিক্ষালাভ করিতে পারি। বস্তুতঃ আজিকার দিনে এই শিক্ষা গ্রহণেরই প্রয়োজন হইয়াছে। স্বামী বিবেকানন্দ বলিয়াছেন "চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কার্য হয় না।" এই পরম সত্য কথা আজ বিশেষভাবে স্মরণ করিবার সময় হইয়াছে। সাধনা ও নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলাপরায়ণতা, নিয়মানু- বর্তিতা ও শ্রমশীলতা অবলম্বন না করিয়া আমরা বড় হইতে পারিব না। এই গুণসমষ্টির অভাবে জাতি বাঁচিতেই পারে না, বড় হওয়া দূরের কথা। কিছুকাল পূর্বেও শিক্ষা, সাহিত্য এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে অগ্রণী হইয়া বাঙালী ভারতে নেতৃত্বের অধিকার পাইয়াছিল। ইহার পিছনে ছিল বাঙালীর বিরাট সাধনা। আজিকার দুর্দিন অতিক্রম করিতে হইলে আমাদের পূর্ববর্তীগণ যে সাধনার বলে বড় হইয়াছিলেন তাহারই অনুশীলন করা কর্তব্য। আজ আমরা যে সংকটের মধ্যে আসিয়া দাঁড়াইয়াছি বাঙালী-সমাজের ইতিহাসে এমন সংকট ইতিপূর্বে আসে নাই। প্রথম হইতে বাঙালী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অগ্রণী হইয়া দীর্ঘকাল ধরিয়া ত্যাগস্বীকার করিয়া আসিয়াছে। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শেষ পর্যন্ত বাঙলাকে খণ্ডিত হইতে হইয়াছে। জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইহার নিদারূণ প্রতিক্রিয়া হইতে বাঙালী সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাহিত্যিক ভবিষ্যৎকে বাঁচাইতে হইলে বাঙালীকে আবার পুরুষসিংহের মত দাঁড়াইতে হইবে। শুধু পূর্বগৌরবের কথা প্রচারের দ্বারা শ্লাথা বোধ করিলে চলিবে না, অথবা বর্তমান দুর্দশার কথা বারবার ঘোষণা করিয়াও মুক্তি আসিবে না। কঠিন হস্তে সকল মলিনতা ও দুর্বলতাকে দূর করিতে হইবে এবং স্বীয় চরিত্রশক্তি সম্বল করিয়া কর্তব্যসাধনের ক্ষেত্রে অগ্রসর হইতে হইবে;<noinclude>{{কেন্দ্র|৫২}}</noinclude> 7liv3ggttrjtbe7wprh357zka36w5ig 1991472 1991410 2026-07-30T16:41:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991472 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সমস্যা দেখা দিয়াছে। এই সমস্যাগুলির সন্তোষজনক সমাধান না হইলে বাঙালী সমাজ সম্মানের সঙ্গে বাঁচিতে পারিবে না। হীন এবং দুর্বল হইয়া পড়িলে বাঙলাদেশ ভারতবর্ষ’কেও দুর্বল করিবে, কেননা অংশের শক্তিই সমগ্রের শক্তির উৎস। দুর্গতি হইতে বাঙলাদেশকে বাঁচাইবার ভার সমগ্র বাঙালী সমাজের উপর। আজ কি উপায়ে সেই মহৎ কর্তব্য পালন করা সম্ভব তাহাই আপনাদিগকে ভাবিতে বলি। এ-বিষয়ে গত শতাব্দীতে যে সমস্ত মনীষীর প্রতিভার জন্য আজ বাঙালী শ্রদ্ধেয়, তাঁহাদের জীবন হইতে আমরা এক বিশেষ শিক্ষালাভ করিতে পারি। বস্তুতঃ আজিকার দিনে এই শিক্ষা গ্রহণেরই প্রয়োজন হইয়াছে। স্বামী বিবেকানন্দ বলিয়াছেন "চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কার্য হয় না।" এই পরম সত্য কথা আজ বিশেষভাবে স্মরণ করিবার সময় হইয়াছে। সাধনা ও নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলাপরায়ণতা, নিয়মানু- বর্তিতা ও শ্রমশীলতা অবলম্বন না করিয়া আমরা বড় হইতে পারিব না। এই গুণসমষ্টির অভাবে জাতি বাঁচিতেই পারে না, বড় হওয়া দূরের কথা। কিছুকাল পূর্বেও শিক্ষা, সাহিত্য এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে অগ্রণী হইয়া বাঙালী ভারতে নেতৃত্বের অধিকার পাইয়াছিল। ইহার পিছনে ছিল বাঙালীর বিরাট সাধনা। আজিকার দুর্দিন অতিক্রম করিতে হইলে আমাদের পূর্ববর্তীগণ যে সাধনার বলে বড় হইয়াছিলেন তাহারই অনুশীলন করা কর্তব্য। আজ আমরা যে সংকটের মধ্যে আসিয়া দাঁড়াইয়াছি বাঙালী-সমাজের ইতিহাসে এমন সংকট ইতিপূর্বে আসে নাই। প্রথম হইতে বাঙালী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অগ্রণী হইয়া দীর্ঘকাল ধরিয়া ত্যাগস্বীকার করিয়া আসিয়াছে। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শেষ পর্যন্ত বাঙলাকে খণ্ডিত হইতে হইয়াছে। জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইহার নিদারূণ প্রতিক্রিয়া হইতে বাঙালী সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাহিত্যিক ভবিষ্যৎকে বাঁচাইতে হইলে বাঙালীকে আবার পুরুষসিংহের মত দাঁড়াইতে হইবে। শুধু পূর্বগৌরবের কথা প্রচারের দ্বারা শ্লাথা বোধ করিলে চলিবে না, অথবা বর্তমান দুর্দশার কথা বারবার ঘোষণা করিয়াও মুক্তি আসিবে না। কঠিন হস্তে সকল মলিনতা ও দুর্বলতাকে দূর করিতে হইবে এবং স্বীয় চরিত্রশক্তি সম্বল করিয়া কর্তব্যসাধনের ক্ষেত্রে অগ্রসর হইতে হইবে;<noinclude>{{কেন্দ্র|৫২}}</noinclude> 5pyw1vo3pyjp7erkczxwn7u4p029zdz 1991633 1991472 2026-07-31T03:53:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991633 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সমস্যা দেখা দিয়াছে। এই সমস্যাগুলির সন্তোষজনক সমাধান না হইলে বাঙালী সমাজ সম্মানের সঙ্গে বাঁচিতে পারিবে না। হীন এবং দুর্বল হইয়া পড়িলে বাঙলাদেশ ভারতবর্ষ’কেও দুর্বল করিবে, কেননা অংশের শক্তিই সমগ্রের শক্তির উৎস। দুর্গতি হইতে বাঙলাদেশকে বাঁচাইবার ভার সমগ্র বাঙালী সমাজের উপর। আজ কি উপায়ে সেই মহৎ কর্তব্য পালন করা সম্ভব তাহাই আপনাদিগকে ভাবিতে বলি। এ-বিষয়ে গত শতাব্দীতে যে সমস্ত মনীষীর প্রতিভার জন্য আজ বাঙালী শ্রদ্ধেয়, তাঁহাদের জীবন হইতে আমরা এক বিশেষ শিক্ষালাভ করিতে পারি। বস্তুতঃ আজিকার দিনে এই শিক্ষা গ্রহণেরই প্রয়োজন হইয়াছে। স্বামী বিবেকানন্দ বলিয়াছেন “চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কার্য হয় না।” এই পরম সত্য কথা আজ বিশেষভাবে স্মরণ করিবার সময় হইয়াছে। সাধনা ও নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলাপরায়ণতা, নিয়মানু- বর্তিতা ও শ্রমশীলতা অবলম্বন না করিয়া আমরা বড় হইতে পারিব না। এই গুণসমষ্টির অভাবে জাতি বাঁচিতেই পারে না, বড় হওয়া দূরের কথা। কিছুকাল পূর্বেও শিক্ষা, সাহিত্য এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে অগ্রণী হইয়া বাঙালী ভারতে নেতৃত্বের অধিকার পাইয়াছিল। ইহার পিছনে ছিল বাঙালীর বিরাট সাধনা। আজিকার দুর্দিন অতিক্রম করিতে হইলে আমাদের পূর্ববর্তীগণ যে সাধনার বলে বড় হইয়াছিলেন তাহারই অনুশীলন করা কর্তব্য। আজ আমরা যে সংকটের মধ্যে আসিয়া দাঁড়াইয়াছি বাঙালী-সমাজের ইতিহাসে এমন সংকট ইতিপূর্বে আসে নাই। প্রথম হইতে বাঙালী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অগ্রণী হইয়া দীর্ঘকাল ধরিয়া ত্যাগস্বীকার করিয়া আসিয়াছে। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শেষ পর্যন্ত বাঙলাকে খণ্ডিত হইতে হইয়াছে। জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইহার নিদারূণ প্রতিক্রিয়া হইতে বাঙালী সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাহিত্যিক ভবিষ্যৎকে বাঁচাইতে হইলে বাঙালীকে আবার পুরুষসিংহের মত দাঁড়াইতে হইবে। শুধু পূর্বগৌরবের কথা প্রচারের দ্বারা শ্লাথা বোধ করিলে চলিবে না, অথবা বর্তমান দুর্দশার কথা বারবার ঘোষণা করিয়াও মুক্তি আসিবে না। কঠিন হস্তে সকল মলিনতা ও দুর্বলতাকে দূর করিতে হইবে এবং স্বীয় চরিত্রশক্তি সম্বল করিয়া কর্তব্যসাধনের ক্ষেত্রে অগ্রসর হইতে হইবে;<noinclude>{{কেন্দ্র|৫২}}</noinclude> nokmqcsot2s9h2upc1ispu8sz8v61d9 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৫৯ 104 883435 1991473 1991130 2026-07-30T16:41:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991473 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>তবেই সমাজ রক্ষা পাইবে, পুনরুত্থান সম্ভব হইবে। সাহিত্যের দিক দিয়া এক্ষেত্রে যাহা কর্তব্য, বর্তমান সম্মেলনে আপনারা তাহা বিবেচনা করিবেন। ৭৭ বৎসর পূর্বে জাতিগঠনের মহৎ উদ্দেশ্য লইয়া সাহসে বুক বাঁধিয়া বঙ্কিমচন্দ্র "বঙ্গদর্শন” স্থাপন করিয়াছিলেন। তিনি দেখাইয়াছিলেন সাহিত্য শুধু জীবন প্রতিফলিত করিয়াই ক্ষান্ত হয় না, সাহিত্য জাতির পথপ্রদর্শনও করিয়া থাকে। সাহিত্য জাতির আশা আকাঙ্ক্ষাকে যেমন রূপায়িত করে, তেমনই তাহাকে গতিও দেয়। ভাষা এবং সাহিত্যের পথ দিয়াই বঙ্কিমচন্দ্র জাতিগঠনে অগ্রসর হইয়াছিলেন। কি অসামান্য কীর্তি’র প্রতিষ্ঠাই তিনি করিয়াছিলেন, তাহা আজ আমরা তাঁহার পরবর্তীরা সম্যক হৃদয়ঙ্গম করিতেছি। তাঁহার তিরোধানের পর প্রত্যক্ষে হউক, পরোক্ষে হউক, রবীন্দ্রনাথ বাঙালী-সমাজের পথ-প্রদর্শন করিয়াছেন। বাঙালীর সাহিত্য-প্রতিভা একদিন জাতিগঠনের প্রয়োজন সিদ্ধ করিয়াছে, আজ চরম দুর্দিনে সমাজকে রক্ষা করিবার প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করিয়া তাহার প্রাণে পুনরায় বল সঞ্চার করুক, ইহাই প্রার্থনা। {{c|'''বন্দে মাতরম'''}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৩}}</noinclude> 47g3mifs1ae0hywzsweuth3l8nm8ak7 1991635 1991473 2026-07-31T03:54:09Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991635 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>তবেই সমাজ রক্ষা পাইবে, পুনরুত্থান সম্ভব হইবে। সাহিত্যের দিক দিয়া এক্ষেত্রে যাহা কর্তব্য, বর্তমান সম্মেলনে আপনারা তাহা বিবেচনা করিবেন। ৭৭ বৎসর পূর্বে জাতিগঠনের মহৎ উদ্দেশ্য লইয়া সাহসে বুক বাঁধিয়া বঙ্কিমচন্দ্র “বঙ্গদর্শন” স্থাপন করিয়াছিলেন। তিনি দেখাইয়াছিলেন সাহিত্য শুধু জীবন প্রতিফলিত করিয়াই ক্ষান্ত হয় না, সাহিত্য জাতির পথপ্রদর্শনও করিয়া থাকে। সাহিত্য জাতির আশা আকাঙ্ক্ষাকে যেমন রূপায়িত করে, তেমনই তাহাকে গতিও দেয়। ভাষা এবং সাহিত্যের পথ দিয়াই বঙ্কিমচন্দ্র জাতিগঠনে অগ্রসর হইয়াছিলেন। কি অসামান্য কীর্তি’র প্রতিষ্ঠাই তিনি করিয়াছিলেন, তাহা আজ আমরা তাঁহার পরবর্তীরা সম্যক হৃদয়ঙ্গম করিতেছি। তাঁহার তিরোধানের পর প্রত্যক্ষে হউক, পরোক্ষে হউক, রবীন্দ্রনাথ বাঙালী-সমাজের পথ-প্রদর্শন করিয়াছেন। বাঙালীর সাহিত্য-প্রতিভা একদিন জাতিগঠনের প্রয়োজন সিদ্ধ করিয়াছে, আজ চরম দুর্দিনে সমাজকে রক্ষা করিবার প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করিয়া তাহার প্রাণে পুনরায় বল সঞ্চার করুক, ইহাই প্রার্থনা। {{c|'''বন্দে মাতরম'''}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৩}}</noinclude> nuxg230gqmihwfzxylojgwquuor5da5 1992291 1991635 2026-07-31T04:55:37Z Bodhisattwa 2549 1992291 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>তবেই সমাজ রক্ষা পাইবে, পুনরুত্থান সম্ভব হইবে। সাহিত্যের দিক দিয়া এক্ষেত্রে যাহা কর্তব্য, বর্তমান সম্মেলনে আপনারা তাহা বিবেচনা করিবেন। ৭৭ বৎসর পূর্বে জাতিগঠনের মহৎ উদ্দেশ্য লইয়া সাহসে বুক বাঁধিয়া বঙ্কিমচন্দ্র “বঙ্গদর্শন” স্থাপন করিয়াছিলেন। তিনি দেখাইয়াছিলেন সাহিত্য শুধু জীবন প্রতিফলিত করিয়াই ক্ষান্ত হয় না, সাহিত্য জাতির পথপ্রদর্শনও করিয়া থাকে। সাহিত্য জাতির আশা আকাঙ্ক্ষাকে যেমন রূপায়িত করে, তেমনই তাহাকে গতিও দেয়। ভাষা এবং সাহিত্যের পথ দিয়াই বঙ্কিমচন্দ্র জাতিগঠনে অগ্রসর হইয়াছিলেন। কি অসামান্য কীর্তি’র প্রতিষ্ঠাই তিনি করিয়াছিলেন, তাহা আজ আমরা তাঁহার পরবর্তীরা সম্যক হৃদয়ঙ্গম করিতেছি। তাঁহার তিরোধানের পর প্রত্যক্ষে হউক, পরোক্ষে হউক, রবীন্দ্রনাথ বাঙালী-সমাজের পথ-প্রদর্শন করিয়াছেন। বাঙালীর সাহিত্য-প্রতিভা একদিন জাতিগঠনের প্রয়োজন সিদ্ধ করিয়াছে, আজ চরম দুর্দিনে সমাজকে রক্ষা করিবার প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করিয়া তাহার প্রাণে পুনরায় বল সঞ্চার করুক, ইহাই প্রার্থনা। {{c|'''বন্দে মাতরম্‌'''}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৩}}</noinclude> rhipm6u05ecvgk1lb3zebgyr6l9v2vu পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬০ 104 883436 1991700 1991137 2026-07-31T04:01:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991700 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''কটকের অভিভাষণ'''}}}} {{c|{{larger|'''[ নিখিল ভারত বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলন-১৩৫৯ ]'''}}}} {{ফাঁক}}অদ্যকার সভায় যে সম্মানের আসন গ্রহণ করিবার জন্য আমাকে আপনারা আহ্বান করিয়াছেন, তাহা যে আমি নিঃসঙ্কোচে গ্রহণ করিয়াছি এমন কথা বলিতে পারি না। আমি নিজে সাহিত্যিক নহি, তবে জাতীয় জীবনকে পরিপুষ্ট করিতে, বলশালী করিতে সহিত্যের প্রয়োজনীয়তা যে কি তাহা আমি বুঝি। সেই কারণে সুধীজনের অনুরাগপূর্ণ আহ্বানকে উপেক্ষা করিতে পারি নাই। এই সম্মেলনের কাজ সুসম্পন্ন করিবার জন্য আপনাদের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করি। {{ফাঁক}}উড়িষ্যার রজধানী কটক নগরীতে এই সম্মেলন আহ্বান করিয়া আপনারা সুবিবেচনার কার্য করিয়াছেন। এই প্রদেশের সহিত বাঙলার ঘনিষ্ঠ সংযোগ আছে। ধর্ম’, কর্ম, আচার-ব্যবহার, ভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এই দুই প্রদেশের মধ্যে অনেকখানি ঐক্য রহিয়াছে। মহাপ্রভুর প্রেমের বন্যায় বাংলার সহিত উড়িষ্যাও প্লাবিত হইয়াছিল। সেই ভাবধারা আজও সুস্পষ্টভাবে জনগণের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করিয়া আছে। শ্রীগৌরাঙ্গের পদরেণুস্পর্শে এখানকার ধূলিকণা পর্যন্ত পবিত্র হইয়াছে। ভেদাভেদ ও জাতিবিচারশূন্য মহাতীর্থ শ্রীক্ষেত্র ভারতের মিলনক্ষেত্র হইয়াছে। জীবাত্মার ও পরমাত্মার মহামিলন-মন্ত্রে এ দেশ পুণ্যভূমি হইয়াছে। উড়িষ্যার নিজস্ব একটি ঐতিহ্য আছে। সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও তাহার দান কম নহে। কোনারক ও ভুবনেশ্বরের মন্দিরের স্থাপত্যশিল্প, পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরের শিল্পচাতুর্য প্রভৃতির তুলনা নাই। শিল্প ও স্থাপত্য-জগতে ইহারা বিস্ময়ের বন্ধু। এই কটক নগরী বাঙলার তথা সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ বীর সন্তান সুভাষচন্দ্রের জন্মস্থান। পাঠান ও মোগল শক্তির আক্রমণ হইতে রাজনৈতিক<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৪}}</noinclude> ctdiuqypy3t7p7vjeby33kh0g79encp 1992294 1991700 2026-07-31T04:56:35Z Bodhisattwa 2549 1992294 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''কটকের অভিভাষণ'''}}}} {{c|[ নিখিল ভারত বঙ্গ-সাহিত্য সম্মেলন-১৩৫৯ ]}} {{ফাঁক}}অদ্যকার সভায় যে সম্মানের আসন গ্রহণ করিবার জন্য আমাকে আপনারা আহ্বান করিয়াছেন, তাহা যে আমি নিঃসঙ্কোচে গ্রহণ করিয়াছি এমন কথা বলিতে পারি না। আমি নিজে সাহিত্যিক নহি, তবে জাতীয় জীবনকে পরিপুষ্ট করিতে, বলশালী করিতে সহিত্যের প্রয়োজনীয়তা যে কি তাহা আমি বুঝি। সেই কারণে সুধীজনের অনুরাগপূর্ণ আহ্বানকে উপেক্ষা করিতে পারি নাই। এই সম্মেলনের কাজ সুসম্পন্ন করিবার জন্য আপনাদের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করি। {{ফাঁক}}উড়িষ্যার রজধানী কটক নগরীতে এই সম্মেলন আহ্বান করিয়া আপনারা সুবিবেচনার কার্য করিয়াছেন। এই প্রদেশের সহিত বাঙলার ঘনিষ্ঠ সংযোগ আছে। ধর্ম’, কর্ম, আচার-ব্যবহার, ভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এই দুই প্রদেশের মধ্যে অনেকখানি ঐক্য রহিয়াছে। মহাপ্রভুর প্রেমের বন্যায় বাংলার সহিত উড়িষ্যাও প্লাবিত হইয়াছিল। সেই ভাবধারা আজও সুস্পষ্টভাবে জনগণের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করিয়া আছে। শ্রীগৌরাঙ্গের পদরেণুস্পর্শে এখানকার ধূলিকণা পর্যন্ত পবিত্র হইয়াছে। ভেদাভেদ ও জাতিবিচারশূন্য মহাতীর্থ শ্রীক্ষেত্র ভারতের মিলনক্ষেত্র হইয়াছে। জীবাত্মার ও পরমাত্মার মহামিলন-মন্ত্রে এ দেশ পুণ্যভূমি হইয়াছে। উড়িষ্যার নিজস্ব একটি ঐতিহ্য আছে। সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও তাহার দান কম নহে। কোনারক ও ভুবনেশ্বরের মন্দিরের স্থাপত্যশিল্প, পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরের শিল্পচাতুর্য প্রভৃতির তুলনা নাই। শিল্প ও স্থাপত্য-জগতে ইহারা বিস্ময়ের বন্ধু। এই কটক নগরী বাঙলার তথা সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ বীর সন্তান সুভাষচন্দ্রের জন্মস্থান। পাঠান ও মোগল শক্তির আক্রমণ হইতে রাজনৈতিক<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৪}}</noinclude> tv3ga9cmi45q47kj5idqr8jecpz8d44 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬১ 104 883437 1991701 1991139 2026-07-31T04:01:49Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991701 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>স্বাধীনতা উড়িষ্যা বহুদিন রক্ষা করিয়াছিল। শৌর্য বীর্যের ক্ষেত্রে ইহা কম শ্লাঘার কথা নহে। এই সকল কারণে আজ আমরা এইস্থানে সম্মিলিত হইয়া গৌরব অনুভব করিতেছি। {{ফাঁক}}বঙ্গসাহিত্য সম্মেলনের যখন জন্ম হয়, সে সময়টিকে আমাদের মধ্যে অনেকেই বাঙলার একটা দুঃসময় বলিয়া উল্লেখ করিয়া থাকেন। কিন্তু, আমার মনে হয় আজিকার তুলনায় তাহাকে সুসময় বলিলে বিশেষ অন্যায় হইবে না। বঙ্গদেশ তখন বিদেশী শাসকদের কূটনৈতিক চালে দ্বিখণ্ডিত হইলেও সে সময়ে বঙ্গসাহিত্য সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষে বরিশালের নিমন্ত্রণপত্রে ঘোষণা করা হইয়াছিল যে, “সভার উদ্দেশ্য সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রীতি-স্থাপন ও মাতৃভাষার উন্নতিসাধন"। আজ এইরূপ আমন্ত্রণপত্র ঢাকা বা বরিশাল হইতে আসিবার শীঘ্র কোন সম্ভাবনা নাই। ইংরাজ শাসক জোর করিয়া যে বাগুলাকে সে দিন ভাঙিয়া খণ্ডিত করিয়াছিলেন, বাঙালী আপন শক্তিতেই সেই খণ্ডিত বাঙলাকে আবার জোড়া লাগাইয়াছিল। আজ আবার যখন নিয়তির পরিহাসে সেই জোড়া বাঙলা ভাঙিয়াছে, তাহা কি পুনরায় বাঙালী হিন্দু ও মুসলমানের সমবেত শক্তিতে জোড়া লাগিবে? এ প্রশ্ন অনেকেরই মনে জাগিতেছে। {{ফাঁক}}বঙ্কিমচন্দ্র একস্থানে বলিয়াছেন “যে রাজ্য পরজাতি পীড়ন শূন্য, তাহা স্বাধীন” ভারতের স্বাধীনতার জন্য বাঙলায় যে বৃহৎ অংশকে বলি দিতে হইয়াছে, সেই অংশের বাঙালী অধিবাসীরা পর-জাতির পীড়নের তাঁর জ্বালা আজ মর্মে মর্মে অনুভব করিতেছে। আর স্বাধীন ভারতের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রাংশ পশ্চিম বাঙলার মধ্যে যাহারা আছে, তাহারাও আজ নিরাশার নিঃশ্বাস ফেলিয়া ভাবিতেছে “যে রাজ্য স্বজাতি-সহানুভূতি-শূন্য, তাহা কি স্বাধীন? যে রাজ্য তোষণনীতির নিমিত্ত স্বজাতির দুঃখ-দুর্দশার প্রতি উদাসীন, সে রাজ্যকে কি স্বাধীন বলিব? বাঙালীর জীবন আজ মহা বিপন্ন। এমন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বাঙালী জাতিকে আর কখনও পড়িতে হয় নাই। এই বিপর্যয়ের হাত হইতে বাঙালীকে রক্ষা করিতে হইবে। বাঙালীর অস্তিত্ব যাহাতে বিলুপ্ত হইয়া না যায়, তাহার জন্য কর্তব্য-পথ নির্ণয় করিতে হইবে। সেই কারণেই আমি বলিতে চাই-কেবলমাত্র মাতৃভাষার উন্নতিসাধন ও<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৫}}</noinclude> gw15r33btcqnidzr4zifhi88x55f6ct পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬২ 104 883438 1991474 1991140 2026-07-30T16:41:27Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991474 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রীতি-স্থাপন এই সাহিত্য সম্মেলনের উদ্দেশ্য হইতে পারে না। এই সাহিত্য-সভা কেবলমাত্র বঙ্গসাহিতাসেবীদের সভা নহে। নিজেরা লেখক না হইয়াও যাঁহারা সাহিত্যের ভিতর দিয়া জাতীয়-সমস্যা সমাধানের জন্য, জনগণের আশা, আকাঙ্ক্ষা, ভাবকে রূপায়িত দেখিতে চান, তাঁহারাও এখানে উপস্থিত আছেন। সকলে মিলিয়া বাঙালী জাতির জটিলতাপূর্ণ সমস্যাকে আজ স্বাধীন ভারতের সকল প্রদেশের অধিবাসীদের অন্তরে জাগ্রত করিয়া তুলিতে হইবে। অধিকন্তু বিভিন্ন প্রদেশ হইতে অন্য ভাষাভাষী সাহিত্যানুরাগী অনেকেই এখানে সমবেত হইয়াছেন। তাঁহারাও উপলব্ধি করিবেন ভিন্ন ভিন্ন ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যে ঐক্য স্থাপনের একান্ত প্রয়োজনীয়তা আছে। সেই ঐক্য-নীতিকে ভিত্তি করিয়া যাহাতে সর্ব’ প্রদেশের ভাষার ও ভাবের সংগঠনকার্য নির্বাহ হয়, তাহার উপায় নির্ধারণ করা এই সম্মে-লনের এক প্রধান কর্তব্য হইবে। এই প্রকার বিভিন্নমুখী চিন্তাধারার সংযোগে ভারতের বিরাট সাংস্কৃতিক ঐক্য রক্ষিত ও পরিবর্ধিত হইবে। {{ফাঁক}}ভাষা হইতেছে ভাব ও সংস্কৃতির বাহন। এই বাহন যে দেশের যত শক্তিশালী, সভ্যতা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সেই দেশ তত বীর্য’ ও ঐশ্বর্যশালী। দেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী ভাষাই একসূত্রে গাঁথিয়া রাখিতে পারে। ভাষার মুকুরে আমরা অতীতকে প্রতিবিম্বিত দেখি, বর্তমানকে কর্মমুখর করিয়া তুলি এবং ভবিষ্যতের ইঙ্গিত পাইয়া উন্নত মস্তকে লক্ষাপথে অগ্রসর হই। সেই লক্ষ্যপথে ভাষা ও সাহিত্যই যুগে যুগে, দেশে দেশে সভ্যতার পরি-রাজকদের পরিচালিত করে। ইহা শাশ্বত অভ্রান্ত সত্য। ভারতবর্ষে হিমালয় হইতে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত বহুতর ভাষা প্রচলিত। প্রধান প্রধান সকল ভাষার মধ্যেই অল্পবিস্তর কিছু না কিছু ভাব-সুষমা সঞ্চিত আছে। আধুনিক ভারতীয় ভাষাগুলির মধ্যে আমাদের মাতৃভাষা বাঙলা, বিশিষ্ট সাহিত্যগৌরব ও মর্যাদা লাভ করিয়াছে। ইহা সকলেই স্বীকার করেন। দেড়শত বৎসর ধরিয়া সাহিত্য-সাধকদের তপস্যায় ইহা সম্ভব হইয়াছে। তাঁহাদেরই ঐকান্তিক নিষ্ঠা, সাধনা ও তপস্যার প্রভাবে সারা ভারতে এক অভিনব জাগরণ হইয়াছিল। বাঙলায় যে নূতন ভাববন্যা ও কর্মধারার প্রবাহ ছুটিয়াছিল, তাহা বাঙালী নিজের<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৬}}</noinclude> qgrijbpx4f5a4o4m1v9ioztppv2pnfh পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬৩ 104 883439 1992297 1991141 2026-07-31T04:56:59Z Bodhisattwa 2549 1992297 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>ঘরেই সীমাবদ্ধ করিয়া রাখে নাই-নূতন সভ্যতা ও কৃষ্টির বাণী সে ভারতের প্রদেশ হইতে প্রদেশান্তরে বহন করিয়া লইয়া গিয়াছে। সাহিত্যের মাধ্যমে বাঙালী সমগ্র দেশের সুপ্ত মনকে জাগাইয়া তুলিয়া স্বাধীনতার উগ্র আকাঙ্ক্ষায় দেশবাসীকে অস্থির ও উদ্দীপ্ত করিয়া তুলিয়াছিল। স্বদেশ ও স্বজাতির কল্যাণ ও উন্নতিবিধানের জন্য বাঙলার সাহিত্যরথীরাই প্রথম পথের ইঙ্গিত দেন। কবি ঈশ্বর গুপ্ত হইতে আরম্ভ করিয়া আধুনিক কাল পর্যন্ত বহু খ্যাত ও অখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যাত্রাগান, কথকতা, কাবা, গল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধাদির ভিতর দিয়া সমগ্র বাঙালী-চিত্তকে উদ্বুদ্ধ করিয়াছেন। রঙ্গলাল, মধুসূদন, হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্র, গিরিশচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল, শরৎচন্দ্র প্রমুখ বাণীর বরপুত্ররা কাব্য, উপন্যাস, নাটক ও কাহিনীর মধ্য দিয়া স্বদেশের চিত্তভূমিকে তাঁর দেশাত্মবোধের অমৃতধারায় যেমন অভিসিঞ্চিত করিয়াছেন, তেমনি অনাদিকে অক্ষয়, ভূদেব, রাজনারায়ণ, রামেন্দ্রসুন্দর, জগদীশচন্দ্র, প্রফুল্লচন্দ্র প্রমুখ চিন্তাশীল মনীষিগণ দেশের চিন্তাক্ষেত্রকে প্রসারিত করিয়া দিয়াছেন। কাব্য, উপন্যাস ও নাটক ইত্যাদি রসসমন্বিত সাহিত্য সৃষ্টির পার্শ্বে জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস সব কিছুই বঙ্গভারতীর অঙ্গন ও প্রাঙ্গণকে সুশোভিত করিয়া তুলিয়াছে। সংস্কৃত ভাষা বা সংস্কৃতানুগ বাঙলা ভাষা পণ্ডিতমণ্ডলীর একচেটিয়া সম্পত্তিরূপে গণ্য হইত। কিন্তু সব্যসাচী বঙ্কিম সেই যে তাহাকে একটি সার্বজনীন রূপ দিয়া সাধারণের সম্মুখে তুলিয়া ধরিলেন, তদবধি বাঙলাভাষা অজস্র প্রাণধারায় প্রবাহিত হইয়া সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্পত্তিরূপে গড়িয়া উঠিয়াছে। ইহার পর সেই ভাষাকে জনসাধারণের নিকটে লইয়া আসিলেন প্রমথ চৌধুরী। রবীন্দ্রনাথের লেখনীর পুণ্যস্পর্শে এই রচনাপদ্ধতি আরো সরলতা ও বিকাশলাভ করিয়া সাহিতো স্থায়ীরূপ পাইয়াছে। নব নব বিষয়বস্তুর প্রাচুর্যে কবি ও সাহিত্যরথীদের দাক্ষিণ্যে, বৈজ্ঞানিক, ইতিহাসবিদ, প্রত্নতাত্ত্বিক ও দার্শনিকদের অকৃপণ দানের সম্ভার লইয়া বাঙলা-সাহিত্য যে কত শীঘ্র গতিবেগ লাভ করিয়াছে, তাহার কাহিনী ও ইতিহাস আপনাদের অবিদিত নাই। ইংরাজী সাহিত্যের প্রভাব বাঙলার এই গতিশীলতার ক্ষেত্রে অস্বীকার করা যায় না। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৭}}</noinclude> rcyau44l5gffhob12dyj4qyak35n6qo পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬৪ 104 883440 1991475 1991143 2026-07-30T16:41:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991475 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}ভারতের অন্যান্য প্রদেশ হইতে বাঙলার একটা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে। বাঙলার সভ্যতা, কৃষ্টি, আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি ও ধর্ম, সকল ক্ষেত্রেই একটা স্বাতন্ত্র্যবোধ ও নিজস্বতা চিরকালই আছে। সাধারণতঃ সংকীর্ণতা বা স্বার্থপরতাকে বাঙলাদেশ আমল দেয় নাই। এক সমন্বয় পদ্ধতিতে সে আপনার এই বৈশিষ্ট্যকে গড়িয়া তুলিয়াছে। ভাব, কৃষ্টি ও চিন্তার ক্ষেত্রেও এই সমন্বয় পদ্ধতি বাঙলার সাহিত্যকে সেই কারণে সর্বপ্রকার সংকীর্ণ পরিধির ঊর্ধ্বে, উঠিতে সহায়তা করিয়াছে। ইংরাজ যখন বণিকের মানদণ্ড হাতে লইয়া আসিয়া এদেশে রাজদণ্ড অধিকার করিয়া বসিল, তখন সর্বপ্রথম বাংলার সহিত ইংরাজী সভ্যতা, ভাবধারা ও চিন্তাজগতের সংঘাত ঘটিয়া গেল। চারিদিকে এক নব জাগরণের সাড়া পড়িয়া গেল। ইংরাজী সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন ও বিজ্ঞান প্রভৃতি বাঙালীর মননশীলতাকে যেমন উদ্বুদ্ধ করিয়া তুলিল তেমনি দেশাত্মবোধের অভিমন্ত্রও তাহার বুকে এক আলোড়নের সৃষ্টি করিল। কিন্তু, বাঙালী আপন ঘরেই এই নূতন আলোকের দ্যুতিকে ধরিয়া রাখে নাই। আসমুদ্র হিমাচল ভারতের প্রদেশে প্রদেশে তাহার দিব্যচ্ছটা পরিব্যাপ্ত করিয়া দিবার সুযোগ সে গ্রহণ করিয়াছিল। সংকীর্ণ মনোভাব বাঙালীর কোনদিন ছিল না, পরকে সে আপন করিয়াছে, দূরকে নিকট করিয়াছে এবং বাহিরকে ঘর করিয়াছে। তাহার সাহিত্যে বৃহত্তর ভারতের রূপ সে ফুটাইয়া তুলিয়াছে। বৈষ্ণব গীতি-কবিতার’ যুগ হইতে আরম্ভ করিয়া বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত যাহা কিছু, ভাষা অলংকার ও ছন্দে বাঙালী গাঁথিয়া তুলিয়াছে, তাহার সব কিছুই সে বৃহত্তর ভারতের ক্ষেত্রে ছড়াইয়া দিতে চাহিয়াছে। প্রাদেশিকতার বিষবাষ্প আজ কোথাও কোথাও ধুমায়িত হইতে দেখা যাইতেছে, বিরাটের পরিপ্রেক্ষিতে, সর্বভারতীয় মনুষ্যত্ববোধের উদারতার দ্বারা এই আত্মধ্বংসী বিষের বিনাশ সাধন আশু প্রয়োজন হইয়া পড়িয়াছে। এই কার্যের ভার সর্বভারতীয় কবি ও সাহিত্যিকদেরই গ্রহণ করিতে হইবে। {{ফাঁক}}ভারতের বিভিন্ন ভাষাসমূহের প্রত্যেকটির মধ্যেই ভারতীয় সংস্কৃতির বহুধা রূপ ছড়াইয়া আছে। ভারতের কবি, সাধক ও ভাবুকদের অন্তরের অপূর্ব ভাবরাজি সাহিত্যের মধ্য দিয়াই নানাভাবে<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৮}}</noinclude> bf53yrdmh3ra04n4gqguv1am094yvir পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬৫ 104 883441 1991709 1991144 2026-07-31T04:03:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991709 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অজস্র ধারায় আত্মপ্রকাশ করিয়াছে। কবীর, দাদু, নানক, সুরদাস, মীরা ও তুলসীদাস প্রভৃতির অমর রচনাবলীর মধ্যে কতই না মহামূল্য সম্পদ পরিব্যাপ্ত হইয়া আছে। বিভিন্ন ভাষাভাষী হইলেও, আচার-ব্যবহার, রীতিনীতির মধ্যে পার্থক্য থাকিলেও আধ্যাত্মিক ও চিন্তার রাজ্যে যে এই বিরাট দেশের মনীষীরা এক অখণ্ড একাত্মতার সুর জাগাইয়া তুলিয়াছেন, তাহাতে সন্দেহ করিবার অবকাশ নাই। {{ফাঁক}}ভারতের প্রধান লক্ষ্য বিভিন্নতার মধ্যে ঐক্য স্থাপনা। সাহিত্যের মাধ্যমে এই লক্ষ্যের ফল্ম প্রবাহ চিরদিন ভারতের প্রদেশে প্রদেশে চলিয়া আসিয়াছে। ইহা স্মরণ রাখিয়া ভারতের প্রত্যেক প্রদেশের ভাষাই যাহাতে সমৃদ্ধ হইয়া উঠে, সেইদিকে লক্ষ্য রাখিয়া আজ আন্তঃপ্রাদেশিক ভাববিনিময়ের ব্যবস্থার আবশ্যকতা দেখা দিয়াছে। প্রাদেশিক সাহিত্য-গুলি পঠন-পাঠনের দ্বারা এই কাজ সুষ্ঠুভাবে হইতে পারে। তাই আজ প্রয়োজন ভারতীয় সাহিত্যের মধ্যে যেগুলি সমধিক ঐশ্বর্যশালী তাহারা যাহাতে আপন আপন ক্ষেত্রে উন্নত হইয়া উঠে, গৌরবময় হইয়া উঠে, নব নব ভাবধারায় পরিপুষ্ট হইয়া উঠে, সেদিকে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া। এক ভাষাকে দাবাইয়া রাখিয়া অন্য ভাষার প্রসার ও প্রভাব বিস্তৃতির চেষ্টা উচিত নহে, সমর্থনযোগ্যও নয়। ভাষা লইয়া যদি পরস্পরের মধ্যে কলহ ব্যাধয়া উঠে, তাহার অপেক্ষা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর কিছুই থাকিতে পারে না। {{ফাঁক}}স্বাধীনদেশের একটা রাষ্ট্রভাষা থাকা প্রয়োজন। ইংরাজ এদেশ হইতে চলিয়া যাইবার পর রাষ্ট্রভাষারূপে হিন্দী ভাষাকে মর্যাদা দেওয়া হইয়াছে। একথা অস্বীকার করিয়া লাভ নাই যে, ভারতের অধিকাংশ প্রদেশেই হিন্দীভাষা প্রচলিত এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দীভাষা অপেক্ষাকৃত সহজবোধ্য। অনেকের ধারণা, হিন্দী ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করিবার কথা কংগ্রেসমহল হইতেই প্রথম উঠিয়াছিল। কিন্তু, সে ধারণা ঠিক নহে। অনেকেই হয়ত জানেন না, বাঙ্গালীর সাহিত্যগুর, বঙ্কিম-চন্দ্রই বহুকাল পূর্বে, বোধহয় সর্বপ্রথম, বলিয়াছিলেন- “হিন্দীভাষার সাহায্যে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে যাঁহারা ঐক্যবন্ধন স্থাপন করিতে পারিবেন, তাঁহারাই প্রকৃত ভারতবন্ধ নামে অভিহিত হইবার যোগ্য।” বঙ্কিমের এই উক্তির সদৃশ অভিমত বঙ্কিমের অন্যতম<noinclude>{{কেন্দ্র|৫৯}}</noinclude> k2e301go8pvz74x6xhjbpd31eir4jbc পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬৬ 104 883442 1991476 1991145 2026-07-30T16:41:28Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991476 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সাহিত্য-সহচর অক্ষয়চন্দ্রের "সাধারণী” পত্রিকাতেও প্রকাশিত হইয়াছিল। রক্ষণশীল নৈষ্ঠিক বাঙালী ব্রাহ্মণ-মনীষী ভূদেবচন্দ্রও হিন্দীভাষার পক্ষে অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করিয়াছিলেন। এই প্রাদেশিকতা-বর্জিত শুভবিচারবুদ্ধি বাঙালীর তখনও যেমন ছিল, এখনও তেমনি আছে। তবে, অন্য কোন ভাষার ঊর্ধ্বে মাতৃভাষাকে স্থান দেওয়ার নাম যদি প্রাদেশিকতা হয়, তাহা হইলে অকুণ্ঠচিত্তে বলিব, সে প্রাদেশিকতা আমাদের মধ্যে আছে এবং তাহা না থাকিলে আমরা সর্বহারা হইয়া যাইব। মনে রাখিতে হইবে, যে বঙ্কিমচন্দ্র হিন্দীভাষার সাহায্যে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে ঐক্য-বন্ধনের কথা বলিয়াছিলেন, তিনিই তাঁহার ‘বঙ্গদর্শনের’ সূচনায় লিখিয়াছিলেন- "যতদিন না সুশিক্ষিত, জ্ঞানবন্ত বাঙালীরা বাঙলাভাষায় আপন উক্তি সকল বিন্যস্ত করিবেন, ততদিন বাঙালীর উন্নতির কোন সম্ভাবনা নাই।" ভারতের সকল প্রদেশের ভাষাভাষীই নিজেদের ভাষা সম্বন্ধে একথা বলিতে পারেন। সর্ব জাতির পক্ষে সকল সময়েই ইহা সত্য। {{ফাঁক}}কোন প্রদেশ যদি অপর প্রদেশের লোক যাহারা সেখানে কার্যব্যাপ-দেশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করিতেছে, তাহাদের মাতৃভাষা শিখিতে না দিয়া নানা উপায়ে অপর ভাষায় লেখাপড়া শিখাইবার ব্যবস্থা বা চেষ্টা করে, তবে তাহাকে নিন্দা না করিয়া উপায় নাই। যদি কোন প্রদেশ এরূপ ব্যবস্থা প্রবর্তিত করিতে অগ্রসর হয়, তবে তাহাকে কুব্যবস্থাই বলিব। কারণ, তাহার ফল কিছুতেই কল্যাণজনক হইতে পারে না। তাহাতে অন্য ভাষাভাষীর জাতিগত পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য বিনষ্ট হইবার সম্ভাবনা থাকিবেই। কোন জাতির পরিচয় ও বৈশিষ্ট্যকে নষ্ট করিয়া তাহাকে উন্নত করিতে পারা যায় বলিয়া আমি বিশ্বাস করি না। রবীন্দ্রনাথও একদিন বলিয়াছিলেন- "ভালই বল, আর মন্দই বল, প্রকৃতি ভিন্ন জাতিকে এমন ভিন্ন ভিন্ন রকম করিয়া গড়িয়াছেন যে, এক জাতকে ভিন্ন জাতের কাঠামোর মধ্যে পুরিতে গেলে সমস্তই খাপছাড়া হইয়া যায়।" এই মারাত্মক মনোবৃত্তির নামই প্রাদেশিকতা। এই মনো-বৃত্তি মিলনের পথকে অবরুদ্ধ করিয়া জাতি-পরস্পরের মধ্যে কেবল বিরোধ ও বিদ্বেষের ভাবকেই জাগাইয়া তোলে। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনও বলিয়াছিলেন-"জীবন-ধর্মে’র নিয়মে যেখানে বৈচিত্র্য খুব বেশী,<noinclude>{{কেন্দ্র|৬০}}</noinclude> qglmf8cev00tdvji19153d8h7s7wq4x 1991712 1991476 2026-07-31T04:03:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991712 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সাহিত্য-সহচর অক্ষয়চন্দ্রের “সাধারণী” পত্রিকাতেও প্রকাশিত হইয়াছিল। রক্ষণশীল নৈষ্ঠিক বাঙালী ব্রাহ্মণ-মনীষী ভূদেবচন্দ্রও হিন্দীভাষার পক্ষে অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করিয়াছিলেন। এই প্রাদেশিকতা-বর্জিত শুভবিচারবুদ্ধি বাঙালীর তখনও যেমন ছিল, এখনও তেমনি আছে। তবে, অন্য কোন ভাষার ঊর্ধ্বে মাতৃভাষাকে স্থান দেওয়ার নাম যদি প্রাদেশিকতা হয়, তাহা হইলে অকুণ্ঠচিত্তে বলিব, সে প্রাদেশিকতা আমাদের মধ্যে আছে এবং তাহা না থাকিলে আমরা সর্বহারা হইয়া যাইব। মনে রাখিতে হইবে, যে বঙ্কিমচন্দ্র হিন্দীভাষার সাহায্যে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে ঐক্য-বন্ধনের কথা বলিয়াছিলেন, তিনিই তাঁহার ‘বঙ্গদর্শনের’ সূচনায় লিখিয়াছিলেন- “যতদিন না সুশিক্ষিত, জ্ঞানবন্ত বাঙালীরা বাঙলাভাষায় আপন উক্তি সকল বিন্যস্ত করিবেন, ততদিন বাঙালীর উন্নতির কোন সম্ভাবনা নাই।” ভারতের সকল প্রদেশের ভাষাভাষীই নিজেদের ভাষা সম্বন্ধে একথা বলিতে পারেন। সর্ব জাতির পক্ষে সকল সময়েই ইহা সত্য। {{ফাঁক}}কোন প্রদেশ যদি অপর প্রদেশের লোক যাহারা সেখানে কার্যব্যাপ-দেশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করিতেছে, তাহাদের মাতৃভাষা শিখিতে না দিয়া নানা উপায়ে অপর ভাষায় লেখাপড়া শিখাইবার ব্যবস্থা বা চেষ্টা করে, তবে তাহাকে নিন্দা না করিয়া উপায় নাই। যদি কোন প্রদেশ এরূপ ব্যবস্থা প্রবর্তিত করিতে অগ্রসর হয়, তবে তাহাকে কুব্যবস্থাই বলিব। কারণ, তাহার ফল কিছুতেই কল্যাণজনক হইতে পারে না। তাহাতে অন্য ভাষাভাষীর জাতিগত পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য বিনষ্ট হইবার সম্ভাবনা থাকিবেই। কোন জাতির পরিচয় ও বৈশিষ্ট্যকে নষ্ট করিয়া তাহাকে উন্নত করিতে পারা যায় বলিয়া আমি বিশ্বাস করি না। রবীন্দ্রনাথও একদিন বলিয়াছিলেন- “ভালই বল, আর মন্দই বল, প্রকৃতি ভিন্ন জাতিকে এমন ভিন্ন ভিন্ন রকম করিয়া গড়িয়াছেন যে, এক জাতকে ভিন্ন জাতের কাঠামোর মধ্যে পুরিতে গেলে সমস্তই খাপছাড়া হইয়া যায়।” এই মারাত্মক মনোবৃত্তির নামই প্রাদেশিকতা। এই মনো-বৃত্তি মিলনের পথকে অবরুদ্ধ করিয়া জাতি-পরস্পরের মধ্যে কেবল বিরোধ ও বিদ্বেষের ভাবকেই জাগাইয়া তোলে। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনও বলিয়াছিলেন-"জীবন-ধর্মে’র নিয়মে যেখানে বৈচিত্র্য খুব বেশী,<noinclude>{{কেন্দ্র|৬০}}</noinclude> kwjwc2v3iogqkpcitfhr5avcu05m6lw পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬৭ 104 883443 1991411 1991146 2026-07-30T16:33:23Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991411 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সেখানে ঐক্যও তেমনি গভীর ও সুদৃঢ় হইতে পারে-এই ঐক্যই তো জাতীয়তা।" কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে, এই সত্যবাণীর মর্ম স্বাধীনতা লাভের পর আমরা অনেকেই আজ বুঝিতে চাহিতেছি না। {{ফাঁক}}হিন্দীভাষা যদি সহজ সরল হইয়া উঠিয়া সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ভাবপ্রকাশের সাধারণ বাহনরূপে গড়িয়া উঠে, তাহার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ হইতে যে নির্দেশ আসিয়াছে তাহা মানিয়া লইতে কাহারো আপত্তি থাকা সমীচীন নহে। এই ভাষাকে প্রকৃত ভারতীয় রূপ দিতে হইলে ও সকলের কাছে বোধগম্য করিতে হইলে অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় ব্যবহৃত উপযুক্ত শব্দাবলী স্বাভাবিক ভাবে হিন্দীর অন্তর্গত করিতে হইবে। ইহার ব্যাকরণও সরল করা আবশ্যক হইয়া পড়িয়াছে। তবে বিশ্বের সহিত যোগসূত্র রক্ষার জন্য এবং আমাদের শিক্ষা প্রসারের জন্য ইংরাজী ভাষা আমাদের ত্যাগ করা সমীচীন হইবে না। ইংরাজ এদেশ হইতে চলিয়া গিয়াছে বলিয়া তাহার ভাষাকেও এই দেশ ছাড়া করিতে হইবে, এমন কথা কোন শিক্ষিত ব্যক্তি বলিবেন না। বাঙলার যে সময়কার সাহিত্য-সম্পদ দেখাইয়া আমরা গর্ব ও গৌরব প্রকাশ করিয়া থাকি, তাহার সৃষ্টি পাশ্চাত্তা সাহিত্যের সহিত বাঙালীর পরিচয় না ঘটিলে সম্ভবপর হইত না। {{ফাঁক}}এই প্রসঙ্গে আর একটি দায়িত্ব আমাদের গ্রহণ করিতে হইবে। প্রত্যেক প্রদেশে নিজের প্রাদেশিক ভাষা শিক্ষা ছাড়াও ভারতের একাধিক প্রাদেশিক ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়া উচিত। অন্ততঃ যে সকল প্রাদেশিক ভাষার ঐতিহ্য আছে, বিস্তৃতি আছে, ঐশ্বর্য এবং রস-মাধুর্য' আছে, সেই ভাষাগুলি লইয়া কাজ আরম্ভ করা যাইতে পারে। এই আদর্শ অনুযায়ী কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের বিভিন্ন ভাষাগুলির পঠন-পাঠনের রীতি প্রায় ৩৫ বৎসর পূর্বে প্রবর্তিত হইয়াছিল। আমার মনে হয় প্রত্যেক প্রাদেশিক বিশ্ববিদ্যালয় যদি এই আদর্শ গ্রহণ করেন, তাহা হইলে শুভ ফলই পাওয়া যাইবে। {{ফাঁক}}প্রত্যেক প্রদেশেই কিছু না কিছু অন্যান্য প্রদেশের লোক স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁহারা যদি মাতৃভাষার চর্চা অক্ষুণ্ণ রাখেন এবং সভা-সমিতি ও সম্মেলনের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, প্রভৃতি পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন, তাহা হইলে তাঁহাদের স্ব স্ব মাতৃ-<noinclude>{{কেন্দ্র|৬১}}</noinclude> 5etv0q2b7vn29okiwycp1zjibx8sqeu 1991477 1991411 2026-07-30T16:41:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991477 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সেখানে ঐক্যও তেমনি গভীর ও সুদৃঢ় হইতে পারে-এই ঐক্যই তো জাতীয়তা।" কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে, এই সত্যবাণীর মর্ম স্বাধীনতা লাভের পর আমরা অনেকেই আজ বুঝিতে চাহিতেছি না। {{ফাঁক}}হিন্দীভাষা যদি সহজ সরল হইয়া উঠিয়া সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ভাবপ্রকাশের সাধারণ বাহনরূপে গড়িয়া উঠে, তাহার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ হইতে যে নির্দেশ আসিয়াছে তাহা মানিয়া লইতে কাহারো আপত্তি থাকা সমীচীন নহে। এই ভাষাকে প্রকৃত ভারতীয় রূপ দিতে হইলে ও সকলের কাছে বোধগম্য করিতে হইলে অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় ব্যবহৃত উপযুক্ত শব্দাবলী স্বাভাবিক ভাবে হিন্দীর অন্তর্গত করিতে হইবে। ইহার ব্যাকরণও সরল করা আবশ্যক হইয়া পড়িয়াছে। তবে বিশ্বের সহিত যোগসূত্র রক্ষার জন্য এবং আমাদের শিক্ষা প্রসারের জন্য ইংরাজী ভাষা আমাদের ত্যাগ করা সমীচীন হইবে না। ইংরাজ এদেশ হইতে চলিয়া গিয়াছে বলিয়া তাহার ভাষাকেও এই দেশ ছাড়া করিতে হইবে, এমন কথা কোন শিক্ষিত ব্যক্তি বলিবেন না। বাঙলার যে সময়কার সাহিত্য-সম্পদ দেখাইয়া আমরা গর্ব ও গৌরব প্রকাশ করিয়া থাকি, তাহার সৃষ্টি পাশ্চাত্তা সাহিত্যের সহিত বাঙালীর পরিচয় না ঘটিলে সম্ভবপর হইত না। {{ফাঁক}}এই প্রসঙ্গে আর একটি দায়িত্ব আমাদের গ্রহণ করিতে হইবে। প্রত্যেক প্রদেশে নিজের প্রাদেশিক ভাষা শিক্ষা ছাড়াও ভারতের একাধিক প্রাদেশিক ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়া উচিত। অন্ততঃ যে সকল প্রাদেশিক ভাষার ঐতিহ্য আছে, বিস্তৃতি আছে, ঐশ্বর্য এবং রস-মাধুর্য’ আছে, সেই ভাষাগুলি লইয়া কাজ আরম্ভ করা যাইতে পারে। এই আদর্শ অনুযায়ী কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের বিভিন্ন ভাষাগুলির পঠন-পাঠনের রীতি প্রায় ৩৫ বৎসর পূর্বে প্রবর্তিত হইয়াছিল। আমার মনে হয় প্রত্যেক প্রাদেশিক বিশ্ববিদ্যালয় যদি এই আদর্শ গ্রহণ করেন, তাহা হইলে শুভ ফলই পাওয়া যাইবে। {{ফাঁক}}প্রত্যেক প্রদেশেই কিছু না কিছু অন্যান্য প্রদেশের লোক স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁহারা যদি মাতৃভাষার চর্চা অক্ষুণ্ণ রাখেন এবং সভা-সমিতি ও সম্মেলনের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, প্রভৃতি পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন, তাহা হইলে তাঁহাদের স্ব স্ব মাতৃ-<noinclude>{{কেন্দ্র|৬১}}</noinclude> ch2z4i9mqyvt6mrfp18j357ts6wycpv 1991713 1991477 2026-07-31T04:03:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991713 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সেখানে ঐক্যও তেমনি গভীর ও সুদৃঢ় হইতে পারে-এই ঐক্যই তো জাতীয়তা।” কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে, এই সত্যবাণীর মর্ম স্বাধীনতা লাভের পর আমরা অনেকেই আজ বুঝিতে চাহিতেছি না। {{ফাঁক}}হিন্দীভাষা যদি সহজ সরল হইয়া উঠিয়া সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ভাবপ্রকাশের সাধারণ বাহনরূপে গড়িয়া উঠে, তাহার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ হইতে যে নির্দেশ আসিয়াছে তাহা মানিয়া লইতে কাহারো আপত্তি থাকা সমীচীন নহে। এই ভাষাকে প্রকৃত ভারতীয় রূপ দিতে হইলে ও সকলের কাছে বোধগম্য করিতে হইলে অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় ব্যবহৃত উপযুক্ত শব্দাবলী স্বাভাবিক ভাবে হিন্দীর অন্তর্গত করিতে হইবে। ইহার ব্যাকরণও সরল করা আবশ্যক হইয়া পড়িয়াছে। তবে বিশ্বের সহিত যোগসূত্র রক্ষার জন্য এবং আমাদের শিক্ষা প্রসারের জন্য ইংরাজী ভাষা আমাদের ত্যাগ করা সমীচীন হইবে না। ইংরাজ এদেশ হইতে চলিয়া গিয়াছে বলিয়া তাহার ভাষাকেও এই দেশ ছাড়া করিতে হইবে, এমন কথা কোন শিক্ষিত ব্যক্তি বলিবেন না। বাঙলার যে সময়কার সাহিত্য-সম্পদ দেখাইয়া আমরা গর্ব ও গৌরব প্রকাশ করিয়া থাকি, তাহার সৃষ্টি পাশ্চাত্তা সাহিত্যের সহিত বাঙালীর পরিচয় না ঘটিলে সম্ভবপর হইত না। {{ফাঁক}}এই প্রসঙ্গে আর একটি দায়িত্ব আমাদের গ্রহণ করিতে হইবে। প্রত্যেক প্রদেশে নিজের প্রাদেশিক ভাষা শিক্ষা ছাড়াও ভারতের একাধিক প্রাদেশিক ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়া উচিত। অন্ততঃ যে সকল প্রাদেশিক ভাষার ঐতিহ্য আছে, বিস্তৃতি আছে, ঐশ্বর্য এবং রস-মাধুর্য’ আছে, সেই ভাষাগুলি লইয়া কাজ আরম্ভ করা যাইতে পারে। এই আদর্শ অনুযায়ী কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের বিভিন্ন ভাষাগুলির পঠন-পাঠনের রীতি প্রায় ৩৫ বৎসর পূর্বে প্রবর্তিত হইয়াছিল। আমার মনে হয় প্রত্যেক প্রাদেশিক বিশ্ববিদ্যালয় যদি এই আদর্শ গ্রহণ করেন, তাহা হইলে শুভ ফলই পাওয়া যাইবে। {{ফাঁক}}প্রত্যেক প্রদেশেই কিছু না কিছু অন্যান্য প্রদেশের লোক স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁহারা যদি মাতৃভাষার চর্চা অক্ষুণ্ণ রাখেন এবং সভা-সমিতি ও সম্মেলনের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, প্রভৃতি পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন, তাহা হইলে তাঁহাদের স্ব স্ব মাতৃ-<noinclude>{{কেন্দ্র|৬১}}</noinclude> eb9w7d6pv207mrycdx100elmxcsh6dh পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৬৯ 104 883445 1991478 1991148 2026-07-30T16:41:29Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991478 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অখণ্ড যোগ রহিয়াছে। বাঙলা ভাষা হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মাবলম্বীর দ্বারা পরিপুষ্ট হইয়াছে। বহু মুসলমান কবি ও সাহিত্যিক বাঙলা ভাষাকে শ্রীসম্পন্ন করিয়াছেন। রাজনৈতিক ভুল-ভ্রান্তিতে পূর্ব বাঙলা পশ্চিম বাঙলা হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া গেলেও সেখানকার মুসলমান অধিবাসীরা তাহাদের প্রাণের ভাষা এই বাঙলা ভাষাকে আঁকড়াইয়া ধরিয়া রাখিয়াছে। তাহার অমর্যাদা হইতে দিতে তাহারা নারাজ। ভাষা লইয়া আন্দোলন সেখানে ইতিমধ্যেই দেখা দিয়াছে। তাহাদের মাতৃভাষা বাঙলা ভাষাকে ফেলিয়া উর্দ, শিক্ষা করিবার জন্য তাহারা প্রস্তুত নয়। জোর করিয়া উর্দুভাষাকে প্রচলিত করিবার অপচেষ্টা সেখানে আজ পদে পদে বাধা পাইতেছে। বাঙলার সহিত উর্দশব্দ মিশাইয়া এক কৃত্রিম ভাষা-সৃষ্টির চেষ্টাও চলিয়াছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই সকল চেষ্টা ব্যর্থই হইবে। কে জানে এই ভাষার বেদীমূলেই হয়ত কৃত্রিম ভেদরেখার অস্তিত্ব বিলোপ পাইবে, আবার নূতন করিয়া এক সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে, সাহিত্যের উদার ছত্রতলে উভয় বঙ্গের মিলন সাধিত হইবে। শান্ত, সংযতচিত্তে আমাদের সেই শুভদিনের প্রতীক্ষা করিতে হইবে। আজ এই সভাক্ষেত্র হইতে সমস্ত বাঙালীজাতিকে যে যেখানেই থাকুন না কেন -আমাদের আন্তরিক শুভ কামনা জ্ঞাপন করি। {{ফাঁক}}অনেকই বলিতেছেন বাঙালী আজ পিছাইয়া পড়িতেছে। বাঙালীর সেই তেজ ও সজীবতা নাই, সেই উদ্যম ও উৎসাহ নাই। এই অভিযোগ যে অসত্য, এমন কথা অবশ্য বলিতে পারি না। ইংরাজ শাসনের আমলে শুধু বাঙালী নহে ভারতের অন্যান্য প্রদেশবাসীও পাশ্চাত্ত্য শিক্ষা ও সভ্যতার সংস্পর্শে আসিয়াছিল। কিন্তু, সে সংস্পর্শে’র ফলে বাঙলায় যেমন মনীষা ও প্রতিভার দীপ্তি দেখা দিয়াছিল, তেমনটি আর কোথাও দেখা যায় না। ধর্ম’নীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি ও সাহিত্যনীতি প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই বাঙালী ছিল তখন অগ্রণী-সকল বিষয়েই ভারতবাসীর পথপ্রদর্শক। রামমোহন, রাম-গোপাল, বিদ্যাসাগর, মধুসূদন, রাজেন্দ্রলাল, বঙ্কিমচন্দ্র, গিরিশচন্দ্র, কেশবচন্দ্র, সুরেন্দ্রনাথ প্রভৃতি দিকপাল এই কথারই জাজ্জলামান প্রমাণ। ইহার পর বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, আশুতোষ, অরবিন্দ, প্রফুল্লচন্দ্র, জগদীশচন্দ্র, চিত্তরঞ্জন ও সুভাষচন্দ্র প্রভৃতি দিগ্বিজয়ী<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৩}}</noinclude> iqott1jwojnnenzi3r7yd1oz48nl9ig পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭০ 104 883446 1991479 1991149 2026-07-30T16:41:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991479 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>শক্তিধর বাঙালী-শিরোমণিগণ আসিয়া দেশের ধর্মে, শিক্ষায়, দর্শনে ও বিজ্ঞানে, সাহিত্যে ও রাজনীতিতে যে অপূর্ব শক্তি সঞ্চার করিয়াছিলেন, তাহাও অনতিকালপূর্বে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশবাসীর অন্তরে প্রভাব বিস্তার করিয়াছিল। কিন্তু, আজ আর সে দিন নাই। বাঙালীর সেই মনীষাপারম্পর্যের দ্যোতক বা স্মারক বলিতে এখন আর কিছু দেখিতে পাওয়া যায় না। যাঁহাদের নাম এই মাত্র করিলাম, অনেক সময়ে মনে হয়, তাঁহারা বুঝি আমাদের কেহ নহেন। বাস্তবিকই বাঙালী আজ সর্ব কার্যে’ প্রভাহীন, হৃতসর্বস্ব হইতে বসিয়াছে। কিন্তু, কেন এমন হইল, তাহাই ত’ ভাবিবার বিষয়। {{ফাঁক}}কেহ কেহ হয়ত বলিবেন, যে জাতি দুঃখ-দারিদ্র্যের দাবানলে আজ জলিয়া পুড়িয়া মরিতেছে, সে জাতির আত্মোন্নতি সম্বন্ধে চিন্তা করিবার অবসর কোথায়? এই উক্তির মধ্যে যে কিছু সত্য নাই, তাহা আমি বলি না। দুঃখের ভীষণ আঘাতে সকল মানুষই প্রথম বিভ্রান্ত ও বিচলিত হইয়া পড়ে। বাঙালীরও আজ সেই দশা ঘটিয়াছে। কিন্তু, সেইজন্য হতাশ হইলে চলিবে না। বাঙালী কোন দিন তাহা হয় নাই। যে বাঙালী একদিন মাৎস্যন্যায় দূর করিয়া মনের মতন রাজা নির্বাচন করিয়াছিল, সেই বাঙ্গালীর বংশধরেরা যে আজ কাঁদিয়া কাঁদিয়া জীবন ক্ষয় করিবে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। দুঃখই শক্তির উৎস। দুঃখই মানুষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। সুতরাং দুঃখ হইতে, বেদনা হইতে, আজ যদি আমরা শক্তি-সঞ্চয় না করিতে পারি, শিক্ষালাভ না করিতে পারি, তবে তাহার অপেক্ষা বড় ক্ষোভের কথা আর কিছু থাকিবে না। {{ফাঁক}}এখন প্রশ্ন এই যে, সে আশার বাণী, সে শিক্ষার কথা আজ আমাদিগকে কে শুনাইবে? ইহার উত্তরে বলিব, মানব-মঙ্গলের শ্রেষ্ঠ মন্দির যে সাহিত্য তাহারই পুরোহিতবর্গ সে কার্যে ব্রতী হইবেন। সাহিত্যই জাতি-জাগরণের প্রধান সহায়। আমাদের দেশের স্বদেশীযুগের সৃষ্ট সাহিতা এই কথারই সাক্ষ্য বহন করিতেছে। বঙ্কিমচন্দ্র বলিয়া-ছিলেন-"যে লেখনী আর্তে’র উপকারার্থে’ না লিখিল, সে লেখনী নিষ্ফল হউক।" সাহিত্যগুরুর এই বাণী আধুনিক সাহিত্যসেবীরা যেন বিস্মৃত না হন, ইহাই আমার প্রার্থনা। লোকরঞ্জন করা তাঁহাদের প্রধান উদ্দেশ্য হইতে পারে না, মানুষকে দেবত্বে অনুমাণিত করাই তাঁহাদের ব্রত।<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৪}}</noinclude> 5abe9ywrxmkogu04qwjav6a955jixlz 1991714 1991479 2026-07-31T04:03:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991714 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>শক্তিধর বাঙালী-শিরোমণিগণ আসিয়া দেশের ধর্মে, শিক্ষায়, দর্শনে ও বিজ্ঞানে, সাহিত্যে ও রাজনীতিতে যে অপূর্ব শক্তি সঞ্চার করিয়াছিলেন, তাহাও অনতিকালপূর্বে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশবাসীর অন্তরে প্রভাব বিস্তার করিয়াছিল। কিন্তু, আজ আর সে দিন নাই। বাঙালীর সেই মনীষাপারম্পর্যের দ্যোতক বা স্মারক বলিতে এখন আর কিছু দেখিতে পাওয়া যায় না। যাঁহাদের নাম এই মাত্র করিলাম, অনেক সময়ে মনে হয়, তাঁহারা বুঝি আমাদের কেহ নহেন। বাস্তবিকই বাঙালী আজ সর্ব কার্যে’ প্রভাহীন, হৃতসর্বস্ব হইতে বসিয়াছে। কিন্তু, কেন এমন হইল, তাহাই ত’ ভাবিবার বিষয়। {{ফাঁক}}কেহ কেহ হয়ত বলিবেন, যে জাতি দুঃখ-দারিদ্র্যের দাবানলে আজ জলিয়া পুড়িয়া মরিতেছে, সে জাতির আত্মোন্নতি সম্বন্ধে চিন্তা করিবার অবসর কোথায়? এই উক্তির মধ্যে যে কিছু সত্য নাই, তাহা আমি বলি না। দুঃখের ভীষণ আঘাতে সকল মানুষই প্রথম বিভ্রান্ত ও বিচলিত হইয়া পড়ে। বাঙালীরও আজ সেই দশা ঘটিয়াছে। কিন্তু, সেইজন্য হতাশ হইলে চলিবে না। বাঙালী কোন দিন তাহা হয় নাই। যে বাঙালী একদিন মাৎস্যন্যায় দূর করিয়া মনের মতন রাজা নির্বাচন করিয়াছিল, সেই বাঙ্গালীর বংশধরেরা যে আজ কাঁদিয়া কাঁদিয়া জীবন ক্ষয় করিবে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। দুঃখই শক্তির উৎস। দুঃখই মানুষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। সুতরাং দুঃখ হইতে, বেদনা হইতে, আজ যদি আমরা শক্তি-সঞ্চয় না করিতে পারি, শিক্ষালাভ না করিতে পারি, তবে তাহার অপেক্ষা বড় ক্ষোভের কথা আর কিছু থাকিবে না। {{ফাঁক}}এখন প্রশ্ন এই যে, সে আশার বাণী, সে শিক্ষার কথা আজ আমাদিগকে কে শুনাইবে? ইহার উত্তরে বলিব, মানব-মঙ্গলের শ্রেষ্ঠ মন্দির যে সাহিত্য তাহারই পুরোহিতবর্গ সে কার্যে ব্রতী হইবেন। সাহিত্যই জাতি-জাগরণের প্রধান সহায়। আমাদের দেশের স্বদেশীযুগের সৃষ্ট সাহিতা এই কথারই সাক্ষ্য বহন করিতেছে। বঙ্কিমচন্দ্র বলিয়া-ছিলেন-"যে লেখনী আর্তে’র উপকারার্থে’ না লিখিল, সে লেখনী নিষ্ফল হউক।” সাহিত্যগুরুর এই বাণী আধুনিক সাহিত্যসেবীরা যেন বিস্মৃত না হন, ইহাই আমার প্রার্থনা। লোকরঞ্জন করা তাঁহাদের প্রধান উদ্দেশ্য হইতে পারে না, মানুষকে দেবত্বে অনুমাণিত করাই তাঁহাদের ব্রত।<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৪}}</noinclude> ecxkj7eo86e1pyqlm93z8fxyiuq030p 1992322 1991714 2026-07-31T04:58:55Z Bodhisattwa 2549 1992322 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>শক্তিধর বাঙালী-শিরোমণিগণ আসিয়া দেশের ধর্মে, শিক্ষায়, দর্শনে ও বিজ্ঞানে, সাহিত্যে ও রাজনীতিতে যে অপূর্ব শক্তি সঞ্চার করিয়াছিলেন, তাহাও অনতিকালপূর্বে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশবাসীর অন্তরে প্রভাব বিস্তার করিয়াছিল। কিন্তু, আজ আর সে দিন নাই। বাঙালীর সেই মনীষাপারম্পর্যের দ্যোতক বা স্মারক বলিতে এখন আর কিছু দেখিতে পাওয়া যায় না। যাঁহাদের নাম এই মাত্র করিলাম, অনেক সময়ে মনে হয়, তাঁহারা বুঝি আমাদের কেহ নহেন। বাস্তবিকই বাঙালী আজ সর্ব কার্যে’ প্রভাহীন, হৃতসর্বস্ব হইতে বসিয়াছে। কিন্তু, কেন এমন হইল, তাহাই ত’ ভাবিবার বিষয়। {{ফাঁক}}কেহ কেহ হয়ত বলিবেন, যে জাতি দুঃখ-দারিদ্র্যের দাবানলে আজ জলিয়া পুড়িয়া মরিতেছে, সে জাতির আত্মোন্নতি সম্বন্ধে চিন্তা করিবার অবসর কোথায়? এই উক্তির মধ্যে যে কিছু সত্য নাই, তাহা আমি বলি না। দুঃখের ভীষণ আঘাতে সকল মানুষই প্রথম বিভ্রান্ত ও বিচলিত হইয়া পড়ে। বাঙালীরও আজ সেই দশা ঘটিয়াছে। কিন্তু, সেইজন্য হতাশ হইলে চলিবে না। বাঙালী কোন দিন তাহা হয় নাই। যে বাঙালী একদিন মাৎস্যন্যায় দূর করিয়া মনের মতন রাজা নির্বাচন করিয়াছিল, সেই বাঙ্গালীর বংশধরেরা যে আজ কাঁদিয়া কাঁদিয়া জীবন ক্ষয় করিবে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। দুঃখই শক্তির উৎস। দুঃখই মানুষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। সুতরাং দুঃখ হইতে, বেদনা হইতে, আজ যদি আমরা শক্তি-সঞ্চয় না করিতে পারি, শিক্ষালাভ না করিতে পারি, তবে তাহার অপেক্ষা বড় ক্ষোভের কথা আর কিছু থাকিবে না। {{ফাঁক}}এখন প্রশ্ন এই যে, সে আশার বাণী, সে শিক্ষার কথা আজ আমাদিগকে কে শুনাইবে? ইহার উত্তরে বলিব, মানব-মঙ্গলের শ্রেষ্ঠ মন্দির যে সাহিত্য তাহারই পুরোহিতবর্গ সে কার্যে ব্রতী হইবেন। সাহিত্যই জাতি-জাগরণের প্রধান সহায়। আমাদের দেশের স্বদেশীযুগের সৃষ্ট সাহিতা এই কথারই সাক্ষ্য বহন করিতেছে। বঙ্কিমচন্দ্র বলিয়া-ছিলেন-"যে লেখনী আর্তে’র উপকারার্থে’ না লিখিল, সে লেখনী নিষ্ফল হউক।” সাহিত্যগুরুর এই বাণী আধুনিক সাহিত্যসেবীরা যেন বিস্মৃত না হন, ইহাই আমার প্রার্থনা। লোকরঞ্জন করা তাঁহাদের প্রধান উদ্দেশ্য হইতে পারে না, মানুষকে দেবত্বে অনুমাণিত করাই তাঁহাদের ব্রত। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৪}}</noinclude> nkdzw778tz321kcdshwj6929aauj550 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭১ 104 883447 1991480 1991150 2026-07-30T16:41:30Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991480 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}এককালে যে বাঙলাভাষা গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও পদ্মার ত্রিস্রোতা শক্তিবেগ সম্পন্না হইয়া সারা বাঙলার চিত্তভূমিকে উর্বরা ঐশ্বর্যশালিনী ও গরবিনী করিয়া তুলিয়াছিল রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্রের তিরোধানে সেই বাঙলা-সাহিত্যের দিক্চক্রবাল কিছুটা তমসাচ্ছন্ন হইলেও, তাহা স্থায়ী হইতে পারে না। যে ভাষায় প্রাণশক্তির প্রাচুর্য আছে, শক্তি, সাধ্য ও সাধনা আছে তাহার মৃত্যু হইতে পারে না। নূতন সাহিত্যসাধকদের আবির্ভাবে, তাঁহাদের তপস্যার প্রভাবে এই ক্ষণস্থায়ী অন্ধকার অচিরেই বিদূরিত হইবে। অমিত প্রাণশক্তির সঞ্জীবনী ধারায় মরাগাঙে আবার বান ডাকিবে। সেইসব শক্তিধর সাহিত্যসাধকদের আবির্ভাব প্রতীক্ষায় আমাদের আজ তাই নূতন করিয়া সাধনার পঞ্চপ্রদীপ জালাইয়া বঙ্গ-সরস্বতীর মন্দিরকে আলোকিত করিয়া তুলিতে হইবে। নূতন নূতন ভাব-প্রবাহে, বিষয়বস্তুর বিচিত্র সম্ভারে, চিন্তার রাজ্যে নব নব উদ্ভাবনী-শক্তিতে দেবীর অর্থা-উপচার সাজাইয়া তুলিতে হইবে। নূতন নূতন সংকীর্ণতা, স্বার্থপরতাকে বর্জন করিয়া উদার দৃষ্টিভঙ্গি লইয়া আনন্দ-মূলক সাহিত্যের পাশাপাশি জ্ঞানমূলক ও শিক্ষামূলক সাহিত্যের পরিধি বিস্তারে যত্নবান হইতে হইবে। তাহা না হইলে আমাদের নবলব্ধ স্বাধীনতার ভিত্তি সুদৃঢ় হইয়া উঠিবে না। {{ফাঁক}}বাঙলার বাহিরে যেখানেই বঙ্গসন্তান থাকুক না কেন, তাঁহাদের একটি বড় দায়িত্ব প্রতিপালন করিতে হইবে। এক দিকে সেই প্রদেশের ভাষা তাঁহাদের শিখিতে হইবে, সেখানকার সুখদুঃখের সমভাগী হইতে হইবে, অপর দিকে বাঙলা ভাষায় পঠন-পাঠন, আলাপ ও আলোচনা যাহাতে সুষ্ঠুরূপে চলে, সেদিকে তাঁহাদের দৃষ্টি সদ্য-জাগ্রত সৈনিকের মত রাখিতে হইবে। অত্যন্ত সুখের ও আনন্দের বিষয় যে, নিখিল ভারত বঙ্গভাষা প্রসার সমিতি এই বিষয়ে প্রশংসনীয় কাজ করিতেছেন। এই কমিতির চেষ্টায় বঙ্গের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঙলা পঠন-পাঠন ও আলোচনার কিছু কিছু ব্যবস্থা হইয়াছে। বোম্বাই, দিল্লী, এলাহাবাদ, কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, পাটনা, কটক, সাগর, এমন কি রেঙ্গুন বিশ্ব-বিদ্যালয়েও বাঙলা রচনা প্রতিযোগিতার প্রবর্ত’ন ও পুরষ্কার দিবার ব্যবস্থা হইয়াছে। এই সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঙলা পুস্তক সংগ্রহ করিয়া তাহাদের পাঠাগারকে সমৃদ্ধ করিবার চেষ্টাও এই সমিতি করিতেছে। এই কার্যে<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৫}}</noinclude> 40ll4q6njjzwds1oinwqeb8x9feenob পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭২ 104 883448 1991481 1991151 2026-07-30T16:41:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991481 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>বাঙালী সাহিত্যসেবীদের সহায়তা, এবং বিত্তশালীদের দান সর্বসময়েই বিশেষভাবে কাম্য। সমিতির এই মহান কার্যে অনুপ্রেরণা যোগাইবার ভার বাঙালীমায়েরই লওয়া কর্তব্য। {{ফাঁক}}আজ যাঁহারা এই মহাসম্মেলনে সম্মিলিত হইয়াছেন, ভারতীয় সংস্কৃতি ও সাধনার অখণ্ডরূপ প্রচার করিবার জন্য, সাংস্কৃতিক দূত-রূপে এক নূতন সংগঠনী শক্তিতে নূতন ভারত গড়িয়া তুলিবার জন্য তাঁহাদের আহবানে করিতেছি। নানা বিষয়ে পুস্তক রচনা করিয়া জ্ঞানের ক্ষেত্রকে তাঁহারা প্রসারিত করিয়া দিন। ভাষার দৈন্য ঘুচাইয়া নব নব শব্দ-সম্পদ সৃষ্টি করিয়া স্ব স্ব ভাষাকে তাঁহারা শক্তিশালী করিয়া তুলুন। বাঙলার সাহিত্যসেবীদের নিকটও আমি সেই নিবেদন জ্ঞাপন করিতেছি। অপরিমেয় প্রাণ প্রাচুর্যের দাক্ষিণ্যে তাঁহারা নূতন বাঙলা গড়িয়া তুলুন। ভাষাকে তাঁহারা এমন রূপ দিন যাহাতে আপামর জনসাধারণের কাছে তাঁহাদের চিন্তাধারা ও সৃষ্টিতত্ত্ব সহজেই পৌঁছাইতে পারে। বঙ্কিমচন্দ্র হইতে আরম্ভ করিয়া শরৎচন্দ্র পর্যন্ত অনেকেই ভাষার এই সহজবোধ্য রূপ যাহাতে ফুটিয়া উঠে, তাহার জন্য পথ প্রদর্শন করিয়া গিয়াছেন। আজ নূতন সাহিত্য-পথিক ও চিন্তানায়কদের সেই কাজ হাতে লইতে হইবে। তবেই ভাষা সৃষ্টির একটা সার্বজনীন সার্থকতা ফুটিয়া উঠিবে। জনমনের সংস্পর্শে সাহিত্যকে নূতন রূপ দিতে পারিলে শিক্ষার আলোক চতুর্দিকে বিকীর্ণ হইয়া পড়িবে। তাহাতেই দেশের সত্যকার মঙ্গল সাধিত হইবে। কেবলমাত্র বাঙলা-সাহিত্য সম্বন্ধেই আমি একথা বলিতেছি না, ভারতের বিভিন্ন ভাষার মাধ্যমে এই গণ-সংযোগ গড়িয়া তুলিতে হইবে। আজ সেই শুভদিন সমাগত-শুভকার্যে বিলম্ব ঘটিলে বিঘ্যের সৃষ্টি হয়। তাই এই শুভলগ্নে আমাদের কর্মক্ষেত্রে নামিয়া পড়িতে হইবে। বঙ্গ-ভারতীর অপূর্ব দান ও প্রেরণার কথা স্মরণ রাখিয়া ভারতীয় অখণ্ড সংস্কৃতির রূপ ও অতীত ঐশ্বর্যের চিত্র সম্মুখে রাখিয়া ভবিষ্যতের গরিমা উজ্জল দিকচক্রবাল জয় করিবার জন্য আমাদের অগ্রসর হইতে হইবে। আমার দুঢ় বিশ্বাস, বিধাতার আশীর্বাদ আমাদের উপর বর্ষিত হইবে-আমরা জয়যুক্ত হইব।-বন্দে মাতরম্।<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৬}}</noinclude> a4yuiwewfat7qateyat2n7i4819hyl7 1992320 1991481 2026-07-31T04:58:23Z Bodhisattwa 2549 1992320 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>বাঙালী সাহিত্যসেবীদের সহায়তা, এবং বিত্তশালীদের দান সর্বসময়েই বিশেষভাবে কাম্য। সমিতির এই মহান কার্যে অনুপ্রেরণা যোগাইবার ভার বাঙালীমায়েরই লওয়া কর্তব্য। {{ফাঁক}}আজ যাঁহারা এই মহাসম্মেলনে সম্মিলিত হইয়াছেন, ভারতীয় সংস্কৃতি ও সাধনার অখণ্ডরূপ প্রচার করিবার জন্য, সাংস্কৃতিক দূত-রূপে এক নূতন সংগঠনী শক্তিতে নূতন ভারত গড়িয়া তুলিবার জন্য তাঁহাদের আহবানে করিতেছি। নানা বিষয়ে পুস্তক রচনা করিয়া জ্ঞানের ক্ষেত্রকে তাঁহারা প্রসারিত করিয়া দিন। ভাষার দৈন্য ঘুচাইয়া নব নব শব্দ-সম্পদ সৃষ্টি করিয়া স্ব স্ব ভাষাকে তাঁহারা শক্তিশালী করিয়া তুলুন। বাঙলার সাহিত্যসেবীদের নিকটও আমি সেই নিবেদন জ্ঞাপন করিতেছি। অপরিমেয় প্রাণ প্রাচুর্যের দাক্ষিণ্যে তাঁহারা নূতন বাঙলা গড়িয়া তুলুন। ভাষাকে তাঁহারা এমন রূপ দিন যাহাতে আপামর জনসাধারণের কাছে তাঁহাদের চিন্তাধারা ও সৃষ্টিতত্ত্ব সহজেই পৌঁছাইতে পারে। বঙ্কিমচন্দ্র হইতে আরম্ভ করিয়া শরৎচন্দ্র পর্যন্ত অনেকেই ভাষার এই সহজবোধ্য রূপ যাহাতে ফুটিয়া উঠে, তাহার জন্য পথ প্রদর্শন করিয়া গিয়াছেন। আজ নূতন সাহিত্য-পথিক ও চিন্তানায়কদের সেই কাজ হাতে লইতে হইবে। তবেই ভাষা সৃষ্টির একটা সার্বজনীন সার্থকতা ফুটিয়া উঠিবে। জনমনের সংস্পর্শে সাহিত্যকে নূতন রূপ দিতে পারিলে শিক্ষার আলোক চতুর্দিকে বিকীর্ণ হইয়া পড়িবে। তাহাতেই দেশের সত্যকার মঙ্গল সাধিত হইবে। কেবলমাত্র বাঙলা-সাহিত্য সম্বন্ধেই আমি একথা বলিতেছি না, ভারতের বিভিন্ন ভাষার মাধ্যমে এই গণ-সংযোগ গড়িয়া তুলিতে হইবে। আজ সেই শুভদিন সমাগত—শুভকার্যে বিলম্ব ঘটিলে বিঘ্যের সৃষ্টি হয়। তাই এই শুভলগ্নে আমাদের কর্মক্ষেত্রে নামিয়া পড়িতে হইবে। বঙ্গ-ভারতীর অপূর্ব দান ও প্রেরণার কথা স্মরণ রাখিয়া ভারতীয় অখণ্ড সংস্কৃতির রূপ ও অতীত ঐশ্বর্যের চিত্র সম্মুখে রাখিয়া ভবিষ্যতের গরিমা উজ্জল দিকচক্রবাল জয় করিবার জন্য আমাদের অগ্রসর হইতে হইবে। আমার দুঢ় বিশ্বাস, বিধাতার আশীর্বাদ আমাদের উপর বর্ষিত হইবে—আমরা জয়যুক্ত হইব।—বন্দে মাতরম্।<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৬}}</noinclude> 6hnjj6xs60fm06jgbm68xmd0b1psehh পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৩ 104 883449 1991412 1991154 2026-07-30T16:33:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991412 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|স্বামী প্রণবানন্দজী}}}} {{ফাঁক}}বর্তমান সময়ে বাঙলার ও বাঙালীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ভারত-সেবাশ্রম-সংঘ হিন্দুধর্মের পুনরুজ্জীবন এবং মৃতপ্রায় হিন্দুজাতির দেহে শক্তি-সঞ্চার কার্যে অগ্রণী হইয়া ভবিষ্যতের জ্যোতির্ময় ভারতের ভিত্তি পত্তন করিতেছেন। আমাদের কষ্টলব্ধ স্বাধীনতা রক্ষা করিতে হইলে আমাদের প্রকৃত জাতীয়তাকে রক্ষা করিতে হইবে। অর্থাৎ ভারতের নিজস্ব ধর্ম, নীতি, সংস্কৃতি ও সভ্যতা হিন্দুধর্মের স্বর্ণ-পেটিকার মধ্যে সুরক্ষিত আছে, তাহার পুনঃ প্রচার করিতে হইবে। আচার্য' স্বামী প্রণবানন্দজী-প্রতিষ্ঠিত ভারত-সেবাশ্রম-সংঘ সেই হিন্দু-ধর্মের পুনঃ প্রচারের পবিত্রকার্যে প্রবৃত্ত রহিয়াছেন। হিন্দুধর্মের যে দিকটা কেবল মনন ও নিয়ম পালন লইয়াই ব্যাপ্ত, ঘটনাচক্রে এবং অদৃষ্টদোষে বর্তমান হিন্দুসমাজের সমস্ত উদ্যম সেই দিকেই ব্যয়িত হইতেছিল। কিন্তু আমরা ভুলিয়া গিয়াছিলাম যে, যুগ-পরিবর্তনের ফলে প্রত্যেক হিন্দুকেই ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়ের সম্মিলিত কর্তব্য পালন করিতে হইবে। হিন্দুধর্মের অন্তর্গত অবশ্য পালনীয় বীরব্রতের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করিয়া আচার্য প্রণবানন্দ স্বামীজী প্রচলিত অংগহীন হিন্দুধর্মকে পূর্ণাংগ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন-হিন্দুজাতিকে যুগোচিত মুক্তিমন্ত্রে দীক্ষা দিয়াছেন। {{ফাঁক}}স্বামীজী মহারাজের সহিত বহুবার আমার আলাপের সুযোগ ঘটিয়াছিল। কয়েকবার আমি তাঁহার আহ্বানে বালিগঞ্জে অনুষ্ঠিত কয়েকটি সম্মেলনে জন্মাষ্টমী ও শিবরাত্রির সময় বক্তৃতা ও সভাপতিত্ব করিয়াছি। আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করিতেছি যে, তিনি আমার প্রথম রাজনৈতিক জীবনে বিশেষ প্রেরণা ও শক্তি সঞ্চার করিয়াছিলেন। আজিও আমি শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করি এই বিরাট পুরুষের সুমহান্<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৭}}</noinclude> 19pc1b21mn7v9d06ovh3zkyepiy9fq4 1991482 1991412 2026-07-30T16:41:31Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991482 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|স্বামী প্রণবানন্দজী}}}} {{ফাঁক}}বর্তমান সময়ে বাঙলার ও বাঙালীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ভারত-সেবাশ্রম-সংঘ হিন্দুধর্মের পুনরুজ্জীবন এবং মৃতপ্রায় হিন্দুজাতির দেহে শক্তি-সঞ্চার কার্যে অগ্রণী হইয়া ভবিষ্যতের জ্যোতির্ময় ভারতের ভিত্তি পত্তন করিতেছেন। আমাদের কষ্টলব্ধ স্বাধীনতা রক্ষা করিতে হইলে আমাদের প্রকৃত জাতীয়তাকে রক্ষা করিতে হইবে। অর্থাৎ ভারতের নিজস্ব ধর্ম, নীতি, সংস্কৃতি ও সভ্যতা হিন্দুধর্মের স্বর্ণ-পেটিকার মধ্যে সুরক্ষিত আছে, তাহার পুনঃ প্রচার করিতে হইবে। আচার্য’ স্বামী প্রণবানন্দজী-প্রতিষ্ঠিত ভারত-সেবাশ্রম-সংঘ সেই হিন্দু-ধর্মের পুনঃ প্রচারের পবিত্রকার্যে প্রবৃত্ত রহিয়াছেন। হিন্দুধর্মের যে দিকটা কেবল মনন ও নিয়ম পালন লইয়াই ব্যাপ্ত, ঘটনাচক্রে এবং অদৃষ্টদোষে বর্তমান হিন্দুসমাজের সমস্ত উদ্যম সেই দিকেই ব্যয়িত হইতেছিল। কিন্তু আমরা ভুলিয়া গিয়াছিলাম যে, যুগ-পরিবর্তনের ফলে প্রত্যেক হিন্দুকেই ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়ের সম্মিলিত কর্তব্য পালন করিতে হইবে। হিন্দুধর্মের অন্তর্গত অবশ্য পালনীয় বীরব্রতের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করিয়া আচার্য প্রণবানন্দ স্বামীজী প্রচলিত অংগহীন হিন্দুধর্মকে পূর্ণাংগ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন-হিন্দুজাতিকে যুগোচিত মুক্তিমন্ত্রে দীক্ষা দিয়াছেন। {{ফাঁক}}স্বামীজী মহারাজের সহিত বহুবার আমার আলাপের সুযোগ ঘটিয়াছিল। কয়েকবার আমি তাঁহার আহ্বানে বালিগঞ্জে অনুষ্ঠিত কয়েকটি সম্মেলনে জন্মাষ্টমী ও শিবরাত্রির সময় বক্তৃতা ও সভাপতিত্ব করিয়াছি। আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করিতেছি যে, তিনি আমার প্রথম রাজনৈতিক জীবনে বিশেষ প্রেরণা ও শক্তি সঞ্চার করিয়াছিলেন। আজিও আমি শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করি এই বিরাট পুরুষের সুমহান্<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৭}}</noinclude> 7dnmc3suhxepe61doaoni5gw6297nn9 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৪ 104 883450 1991483 1991155 2026-07-30T16:41:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991483 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>ব্যক্তিত্ব, গভীর অন্তর্দৃষ্টি, তেজোব্যঞ্জক পৌরুষ ও আধ্যাত্মিক শক্তির কথা। তাঁহারই দূরদৃষ্টি, বহু বর্ষ পূর্বে হিন্দু-সমাজের রক্ষা ও সংগঠন কল্পে ‘মিলন-মন্দির ও রক্ষিদল’ গঠন আন্দোলন প্রবর্তন করিয়াছিল। তাঁহারই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার ফলে শক্তি-সমন্বিত এই ভারত-সেবাশ্রম-সংঘ ‘নিজ বাসভূমে পরবাসী’ সম দুর্বল ও লাঞ্ছিত হিন্দুকে বিপদে উন্নতশির হইতে শিক্ষা দিতেছেন, ছিন্নভিন্ন ও আত্মকলহপরায়ণ হিন্দু-সমাজকে সংগঠিত একতাবদ্ধ হইবার পথ দেখাইতেছেন, দুঃস্থ ও বিপন্ন হিন্দুকে সান্ত্বনা ও সাহায্য দান করিতেছেন। কেবল তাহাই নহে, স্বদেশে বিস্মৃতিমগ্ন হিন্দুকে তাহার ধর্মের ও সভ্যতার গৌরবগথা স্মরণ করাইয়া দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বামীজীর উপদেশ ও অনুজ্ঞা অনুসারে তাঁহার বাণী বহনকারী ভারত-সেবাশ্রম-সংঘ পৃথিবীর দূর-দূরান্তে অবস্থিত স্থানসমূহে হিন্দুধর্ম প্রচারে প্রবৃত্ত হইয়াছেন। ভারতের অভ্যন্তরে গয়া প্রভৃতি তীর্থস্থানে সংঘ জাতির সেবাকার্যে যেমন তৎপরতা ও ঐকান্তিকতা দেখাইয়াছেন, সুদূর দক্ষিণ আমেরিকার ত্রিনিদাদ প্রভৃতি অঞ্চলে এবং পূর্ব আফ্রিকাতেও তেমনি হিন্দুধর্মের মঙ্গলশঙ্খ নিনাদিত করিতে সক্ষম হইয়াছেন। পৃথিবীর যে সমস্ত অনগ্রসর ও অনাদৃত অঞ্চল হিন্দুধর্মের নাম পর্যন্ত শুনে নাই, হিন্দু-সন্ন্যাসীর পবিত্র গৈরিক বসন চক্ষে দেখে নাই, আজ সেখানকার জনগণ শাশ্বত সনাতন বেদবাণী শ্রবণ ও নির্মল আধ্যাত্মিক চিহ্ন প্রত্যক্ষ করিয়া ধন্য হইয়াছে। আমার মনে হয়, ভারত-সেবাশ্রম-সংঘের সন্ন্যাসীরা সেই ভবিষ্যৎ যুগের অগ্রদূত, যে যুগে হিন্দুধর্ম ও হিন্দুর সভ্যতা আবার শান্তিপূর্ণ অভিযানে বিশ্ববিজয় করিতে সমর্থ হইবে এবং সেই গৌরবময় যুগের চিত্র দেখিয়াছিলেন আচার্য স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ সেই দর্শনকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য দেশকে ও জাতিকে মন্ত্রদীক্ষা দিয়া গিয়াছেন তিনিই। ভবিষ্যতের জ্যোতির্ময় ভারতের দিব্য দ্রষ্টা সেই মহাপুরুষের উদ্দেশ্যে আমি আজ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করিতেছি।<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৮}}</noinclude> 2zmwxf2udz43y0orhmkkeyxzp3w5qvt পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৫ 104 883451 1991484 1991156 2026-07-30T16:41:32Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991484 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|একখানি চিঠি}}}} {{C|(১৯৫৩ সালের ৬ই জুন শ্রীনগর সেণ্ট্রাল জেল হইতে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা শ্রীযুক্ত রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে লিখিত)}} বৌদি, {{ফাঁক}}সেদিন তোমাকে চিঠি লিখে রাখার পর ডাকের চিঠি এল। এক সঙ্গে তোমার আগের লেখা বাঙলায় তিনখানা চিঠি পেয়ে খুব সুখী হলাম। এই সব চিঠি আগে আমাকে দেওয়া হয়নি হয়ত যিনি বাঙলায় লেখা চিঠি পড়ে ‘পাস’ করবেন তিনি ছিলেন না। আমার সব চিঠি ঠিক পেয়েছ আশা করি। আমি মোটের উপর ভালই ছিলাম -কিন্তু আবার দুদিন ডান-পায়ে ব্যথা বেড়েছে। কেন এমন হয় জানি না। ডাক্তার কাল এসে ওষুধ দিয়ে গেছেন। সারাদিন যেন না দাঁড়াই -এই বলেন। এমনি ত বেড়াবার উপায় নেই-বাগানের মধ্যে ছাড়া -তাতে কোন রকম ক্ষিধে হয় না-তার উপর যদি একেবারে শুয়ে বা বসে থাকতে হয়, তাহলে আরো মুশকিল। ক’দিন আবার সন্ধ্যার পর একটু জ্বর হচ্ছে-বেশী নয়, ৯৯০। চোখমুখ জালা করে। ওষুধ খাচ্ছি। খাওয়া ত খুব সাবধানে খাই। সিদ্ধ খাওয়া-তরকারি। মাছ পাওয়া যায় না। দুদিন এনেছিল। ভোরে ঘুম ভেঙে যায়। তবে সাড়ে পাঁচটার আগে উঠি না। মুখ ধুয়ে একটু বাগানে ঘুরি-ঘরে বসি-সে সময়টা খুব সুন্দর থাকে-চণ্ডীপাঠ করি। ৭টায় এক কাপ চা। তারপর বসে পড়া ও কিছু লেখা। সাড়ে আটটার আগে বাগানে গিয়ে বসি-রোদ আসে সেখানে তখন। মুখ পুড়ে কালি হয়েছে-তাই মুখটা গাছের ছায়ায় রাখি ও তার জন্য চেয়ার সরাতে সরাতে চলতে হয়। তখন খাবার আনে। দুখানা ক্রীম ক্রেকার বিস্কুট<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৯}}</noinclude> spznj0in3t6di3z7dpzh5ijrsm0ypkg 1992333 1991484 2026-07-31T05:04:52Z Bodhisattwa 2549 1992333 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|একখানি চিঠি}}}} {{C|(১৯৫৩ সালের ৬ই জুন শ্রীনগর সেণ্ট্রাল জেল হইতে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা শ্রীযুক্ত রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে লিখিত)}} বৌদি, {{ফাঁক}}সেদিন তোমাকে চিঠি লিখে রাখার পর ডাকের চিঠি এল। এক সঙ্গে তোমার আগের লেখা বাঙলায় তিনখানা চিঠি পেয়ে খুব সুখী হলাম। এই সব চিঠি আগে আমাকে দেওয়া হয়নি হয়ত যিনি বাঙলায় লেখা চিঠি পড়ে ‘পাস’ করবেন তিনি ছিলেন না। আমার সব চিঠি ঠিক পেয়েছ আশা করি। আমি মোটের উপর ভালই ছিলাম -কিন্তু আবার দুদিন ডান-পায়ে ব্যথা বেড়েছে। কেন এমন হয় জানি না। ডাক্তার কাল এসে ওষুধ দিয়ে গেছেন। সারাদিন যেন না দাঁড়াই -এই বলেন। এমনি ত বেড়াবার উপায় নেই-বাগানের মধ্যে ছাড়া -তাতে কোন রকম ক্ষিধে হয় না-তার উপর যদি একেবারে শুয়ে বা বসে থাকতে হয়, তাহলে আরো মুশকিল। ক’দিন আবার সন্ধ্যার পর একটু জ্বর হচ্ছে-বেশী নয়, ৯৯০। চোখমুখ জালা করে। ওষুধ খাচ্ছি। খাওয়া ত খুব সাবধানে খাই। সিদ্ধ খাওয়া-তরকারি। মাছ পাওয়া যায় না। দুদিন এনেছিল। ভোরে ঘুম ভেঙে যায়। তবে সাড়ে পাঁচটার আগে উঠি না। মুখ ধুয়ে একটু বাগানে ঘুরি-ঘরে বসি-সে সময়টা খুব সুন্দর থাকে-চণ্ডীপাঠ করি। ৭টায় এক কাপ চা। তারপর বসে পড়া ও কিছু লেখা। সাড়ে আটটার আগে বাগানে গিয়ে বসি-রোদ আসে সেখানে তখন। মুখ পুড়ে কালি হয়েছে-তাই মুখটা গাছের ছায়ায় রাখি ও তার জন্য চেয়ার সরাতে সরাতে চলতে হয়। তখন খাবার আনে। দুখানা ক্রীম ক্রেকার বিস্কুট<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৯}}</noinclude> 5b60qfb2tkkant0hsvlki1nojxodpn3 1992334 1992333 2026-07-31T05:06:31Z Bodhisattwa 2549 1992334 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|একখানি চিঠি}}}} {{C|(১৯৫৩ সালের ৬ই জুন শ্রীনগর সেণ্ট্রাল জেল হইতে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা শ্রীযুক্ত রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে লিখিত)}} বৌদি, {{ফাঁক}}সেদিন তোমাকে চিঠি লিখে রাখার পর ডাকের চিঠি এল। এক সঙ্গে তোমার আগের লেখা বাঙলায় তিনখানা চিঠি পেয়ে খুব সুখী হলাম। এই সব চিঠি আগে আমাকে দেওয়া হয়নি হয়ত যিনি বাঙলায় লেখা চিঠি পড়ে ‘পাস’ করবেন—তিনি ছিলেন না। আমার সব চিঠি ঠিক পেয়েছ আশা করি। আমি মোটের উপর ভালই ছিলাম —কিন্তু আবার দুদিন ডান-পায়ে ব্যথা বেড়েছে। কেন এমন হয় জানি না। ডাক্তার কাল এসে ওষুধ দিয়ে গেছেন। সারাদিন যেন না দাঁড়াই—এই বলেন। এমনি ত বেড়াবার উপায় নেই—বাগানের মধ্যে ছাড়া—তাতে কোন রকম ক্ষিধে হয় না—তার উপর যদি একেবারে শুয়ে বা বসে থাকতে হয়, তাহলে আরো মুশকিল। ক’দিন আবার সন্ধ্যার পর একটু জ্বর হচ্ছে—বেশী নয়, ৯৯০। চোখমুখ জালা করে। ওষুধ খাচ্ছি। খাওয়া ত খুব সাবধানে খাই। সিদ্ধ খাওয়া-তরকারি। মাছ পাওয়া যায় না। দুদিন এনেছিল। ভোরে ঘুম ভেঙে যায়। তবে সাড়ে পাঁচটার আগে উঠি না। মুখ ধুয়ে একটু বাগানে ঘুরি—ঘরে বসি—সে সময়টা খুব সুন্দর থাকে—চণ্ডীপাঠ করি। ৭টায় এক কাপ চা। তারপর বসে পড়া ও কিছু লেখা। সাড়ে আটটার আগে বাগানে গিয়ে বসি—রোদ আসে সেখানে তখন। মুখ পুড়ে কালি হয়েছে-তাই মুখটা গাছের ছায়ায় রাখি ও তার জন্য চেয়ার সরাতে সরাতে চলতে হয়। তখন খাবার আনে। দুখানা ক্রীম ক্রেকার বিস্কুট<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৯}}</noinclude> r26wr6n4ap9ozgo85564qztn3800cw8 1992354 1992334 2026-07-31T05:11:01Z Bodhisattwa 2549 1992354 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|একখানি চিঠি}}}} {{C|(১৯৫৩ সালের ৬ই জুন শ্রীনগর সেণ্ট্রাল জেল হইতে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা শ্রীযুক্ত রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে লিখিত)}} বৌদি, {{ফাঁক}}সেদিন তোমাকে চিঠি লিখে রাখার পর ডাকের চিঠি এল। এক সঙ্গে তোমার আগের লেখা বাঙলায় তিনখানা চিঠি পেয়ে খুব সুখী হলাম। এই সব চিঠি আগে আমাকে দেওয়া হয়নি হয়ত যিনি বাঙলায় লেখা চিঠি পড়ে ‘পাস’ করবেন—তিনি ছিলেন না। আমার সব চিঠি ঠিক পেয়েছ আশা করি। আমি মোটের উপর ভালই ছিলাম —কিন্তু আবার দুদিন ডান-পায়ে ব্যথা বেড়েছে। কেন এমন হয় জানি না। ডাক্তার কাল এসে ওষুধ দিয়ে গেছেন। সারাদিন যেন না দাঁড়াই—এই বলেন। এমনি ত বেড়াবার উপায় নেই—বাগানের মধ্যে ছাড়া—তাতে কোন রকম ক্ষিধে হয় না—তার উপর যদি একেবারে শুয়ে বা বসে থাকতে হয়, তাহলে আরো মুশকিল। ক’দিন আবার সন্ধ্যার পর একটু জ্বর হচ্ছে—বেশী নয়, ৯৯°। চোখমুখ জালা করে। ওষুধ খাচ্ছি। খাওয়া ত খুব সাবধানে খাই। সিদ্ধ খাওয়া—তরকারি। মাছ পাওয়া যায় না। দুদিন এনেছিল। ভোরে ঘুম ভেঙে যায়। তবে সাড়ে পাঁচটার আগে উঠি না। মুখ ধুয়ে একটু বাগানে ঘুরি—ঘরে বসি—সে সময়টা খুব সুন্দর থাকে—চণ্ডীপাঠ করি। ৭টায় এক কাপ চা। তারপর বসে পড়া ও কিছু লেখা। সাড়ে আটটার আগে বাগানে গিয়ে বসি—রোদ আসে সেখানে তখন। মুখ পুড়ে কালি হয়েছে—তাই মুখটা গাছের ছায়ায় রাখি ও তার জন্য চেয়ার সরাতে সরাতে চলতে হয়। তখন খাবার আনে। দুখানা ক্রীম ক্রেকার বিস্কুট<noinclude>{{কেন্দ্র|৬৯}}</noinclude> kee54rd62n6l0qy1i02djtyaj300gom পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৬ 104 883452 1991485 1991126 2026-07-30T16:41:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991485 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>-হাসু <ref>কনিষ্ঠা কন্যা।</ref> পাঠিয়েছে-একটু মাখন দিয়ে আধসিদ্ধ ডিম একটা ও এক কাপ দুধ কফি। তারপর সেখানেই বসে থাকি-বা একটু ঘুরি। বই আর বই-এই চলে-বারোটা অবধি। তখন স্নান করি-ও প্রায়ই বাগানে গাছতলায় খাই। একঘণ্টা বিশ্রাম হয় চিঠি লিখি বা পড়ি। সাড়ে তিনটায় সুপারিনটেণ্ডেণ্ট আসেন-খবরের কাগজ বা ডাক নিয়ে। খালি চা-লেবু দিয়ে-ও ফল (যদি থাকে) খাই। সাড়ে সাতটা থেকে আটটা সন্ধ্যা পর্যন্ত আলো থাকে। তারপর ঘরে এসে বসি। বই, কবিতা, গীতা-এই সব চলে তখন পৌনে নটা পর্যন্ত। তখন বারান্দায় খাওয়া হয়-দুবেলার খাওয়া একই। একখানা রুটি খাই। সিদ্ধ তরকারি-কোনদিন মাংস দই দুবেলাই খাই। মিষ্টি দু-একদিন এনেছিল। রাত ১০টা পর্যন্ত জেগে থাকি। তারপর আলো নিবিয়ে শুয়ে পড়ি। ঘুম প্রথম রাত ভাল হয় না। তারপর একঘুমে ভোর হয়। হাতে অগাধ সময় ভাবতে আরম্ভ করলে তার সীমা পাওয়া যায় না। শুধু যা দিন, বছর পার হয়ে গেছে তার কথা ভাবি না-তার ভিতরেও অনেক জিনিস আছে যা দুঃখ ও সুখ মিশান, কাজেই তাদের ভুলব কেমন করে-তাই ভাবি সেই সব কথা। তার সঙ্গে বর্তমান সময়ের কথা ভাবি-মানুষ ও ঘটনা-ছবির মত মনে আসে-কে কোথায় আছে, কি করছে, কোন ঘটনা কেমন ঘটছে নানা ভাবে এই সব মনে আসে। আবার যখন ভাবি অনিশ্চিত দূর ভবিষ্যতের কথা-তখন আর একরকর্ম ভাবে সব ভাবনা জেগে ওঠে। অন্ধকারের মধ্যে আলো দেখি-পরাজয়ের মধ্যে বিজয় দেখি সবার ভাল দেখি। বেশী দেখেছি এই ক’দিনে কত ক্ষুদ্র, কত তুচ্ছ অথচ কত গর্বিত ও মদমত্ত আমরা-অথচ তা জানি না। বুঝি না যে যন্ত্রচালিত হয়ে চলেছে এ জগৎ ও যাঁর কৃপায় এই সৃষ্টির জন্ম, বুদ্ধি ও নাশ হচ্ছে তাঁর কথা ভাবি না। জীবনের প্রায় সময় কেটে এল কি করলাম এর ভিতর জানি না। কত ছোট কত বাজে কথায় ও কাজে সময় কেটে গেছে ভুল ও অন্যায় কত করেছি তাই ভাবি। বই পড়তে খুব ভাল লাগে, তুমি জান। বই পড়ছি নানা বিষয়ের উপর-নতুন ও পুরাতন-আর শিখছি কত নতুন<noinclude>{{কেন্দ্র|৭০}} {{reflist}}</noinclude> 2wn3eoofvi7kycxsnd8ndyhr9fzxkhl 1992349 1991485 2026-07-31T05:08:40Z Bodhisattwa 2549 1992349 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>--হাসু <ref>কনিষ্ঠা কন্যা।</ref> পাঠিয়েছে—একটু মাখন দিয়ে আধসিদ্ধ ডিম একটা ও এক কাপ দুধ কফি। তারপর সেখানেই বসে থাকি—বা একটু ঘুরি। বই আর বই—এই চলে—বারোটা অবধি। তখন স্নান করি—ও প্রায়ই বাগানে গাছতলায় খাই। একঘণ্টা বিশ্রাম হয় চিঠি লিখি বা পড়ি। সাড়ে তিনটায় সুপারিনটেণ্ডেণ্ট আসেন-খবরের কাগজ বা ডাক নিয়ে। খালি চা—লেবু দিয়ে—ও ফল (যদি থাকে) খাই। সাড়ে সাতটা থেকে আটটা সন্ধ্যা পর্যন্ত আলো থাকে। তারপর ঘরে এসে বসি। বই, কবিতা, গীতা—এই সব চলে তখন—পৌনে নটা পর্যন্ত। তখন বারান্দায় খাওয়া হয়—দুবেলার খাওয়া একই। একখানা রুটি খাই। সিদ্ধ তরকারি—কোনদিন মাংস দই দুবেলাই খাই। মিষ্টি দু-একদিন এনেছিল। রাত ১০টা পর্যন্ত জেগে থাকি। তারপর আলো নিবিয়ে শুয়ে পড়ি। ঘুম প্রথম রাত ভাল হয় না। তারপর একঘুমে ভোর হয়। হাতে অগাধ সময় ভাবতে আরম্ভ করলে তার সীমা পাওয়া যায় না। শুধু যা দিন, বছর পার হয়ে গেছে তার কথা ভাবি না-তার ভিতরেও অনেক জিনিস আছে যা দুঃখ ও সুখ মিশান, কাজেই তাদের ভুলব কেমন করে—তাই ভাবি সেই সব কথা। তার সঙ্গে বর্তমান সময়ের কথা ভাবি—মানুষ ও ঘটনা—ছবির মত মনে আসে—কে কোথায় আছে, কি করছে, কোন ঘটনা কেমন ঘটছে নানা ভাবে এই সব মনে আসে। আবার যখন ভাবি অনিশ্চিত দূর ভবিষ্যতের কথা—তখন আর একরকর্ম ভাবে সব ভাবনা জেগে ওঠে। অন্ধকারের মধ্যে আলো দেখি—পরাজয়ের মধ্যে বিজয় দেখি সবার ভাল দেখি। বেশী দেখেছি এই ক’দিনে কত ক্ষুদ্র, কত তুচ্ছ অথচ কত গর্বিত ও মদমত্ত আমরা—অথচ তা জানি না। বুঝি না যে যন্ত্রচালিত হয়ে চলেছে এ জগৎ ও যাঁর কৃপায় এই সৃষ্টির জন্ম, বুদ্ধি ও নাশ হচ্ছে তাঁর কথা ভাবি না। জীবনের প্রায় সময় কেটে এল কি করলাম এর ভিতর জানি না। কত ছোট কত বাজে কথায় ও কাজে সময় কেটে গেছে ভুল ও অন্যায় কত করেছি তাই ভাবি। বই পড়তে খুব ভাল লাগে, তুমি জান। বই পড়ছি নানা বিষয়ের উপর—নতুন ও পুরাতন—আর শিখছি কত নতুন<noinclude>{{reflist}} {{কেন্দ্র|৭০}}</noinclude> fhz0can30camlzrd3ievfz90dz33mkl 1992353 1992349 2026-07-31T05:09:50Z Bodhisattwa 2549 1992353 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>—হাসু <ref>কনিষ্ঠা কন্যা।</ref> পাঠিয়েছে—একটু মাখন দিয়ে আধসিদ্ধ ডিম একটা ও এক কাপ দুধ কফি। তারপর সেখানেই বসে থাকি—বা একটু ঘুরি। বই আর বই—এই চলে—বারোটা অবধি। তখন স্নান করি—ও প্রায়ই বাগানে গাছতলায় খাই। একঘণ্টা বিশ্রাম হয় চিঠি লিখি বা পড়ি। সাড়ে তিনটায় সুপারিনটেণ্ডেণ্ট আসেন-খবরের কাগজ বা ডাক নিয়ে। খালি চা—লেবু দিয়ে—ও ফল (যদি থাকে) খাই। সাড়ে সাতটা থেকে আটটা সন্ধ্যা পর্যন্ত আলো থাকে। তারপর ঘরে এসে বসি। বই, কবিতা, গীতা—এই সব চলে তখন—পৌনে নটা পর্যন্ত। তখন বারান্দায় খাওয়া হয়—দুবেলার খাওয়া একই। একখানা রুটি খাই। সিদ্ধ তরকারি—কোনদিন মাংস দই দুবেলাই খাই। মিষ্টি দু-একদিন এনেছিল। রাত ১০টা পর্যন্ত জেগে থাকি। তারপর আলো নিবিয়ে শুয়ে পড়ি। ঘুম প্রথম রাত ভাল হয় না। তারপর একঘুমে ভোর হয়। হাতে অগাধ সময় ভাবতে আরম্ভ করলে তার সীমা পাওয়া যায় না। শুধু যা দিন, বছর পার হয়ে গেছে তার কথা ভাবি না-তার ভিতরেও অনেক জিনিস আছে যা দুঃখ ও সুখ মিশান, কাজেই তাদের ভুলব কেমন করে—তাই ভাবি সেই সব কথা। তার সঙ্গে বর্তমান সময়ের কথা ভাবি—মানুষ ও ঘটনা—ছবির মত মনে আসে—কে কোথায় আছে, কি করছে, কোন ঘটনা কেমন ঘটছে নানা ভাবে এই সব মনে আসে। আবার যখন ভাবি অনিশ্চিত দূর ভবিষ্যতের কথা—তখন আর একরকর্ম ভাবে সব ভাবনা জেগে ওঠে। অন্ধকারের মধ্যে আলো দেখি—পরাজয়ের মধ্যে বিজয় দেখি সবার ভাল দেখি। বেশী দেখেছি এই ক’দিনে কত ক্ষুদ্র, কত তুচ্ছ অথচ কত গর্বিত ও মদমত্ত আমরা—অথচ তা জানি না। বুঝি না যে যন্ত্রচালিত হয়ে চলেছে এ জগৎ ও যাঁর কৃপায় এই সৃষ্টির জন্ম, বুদ্ধি ও নাশ হচ্ছে তাঁর কথা ভাবি না। জীবনের প্রায় সময় কেটে এল কি করলাম এর ভিতর জানি না। কত ছোট কত বাজে কথায় ও কাজে সময় কেটে গেছে ভুল ও অন্যায় কত করেছি তাই ভাবি। বই পড়তে খুব ভাল লাগে, তুমি জান। বই পড়ছি নানা বিষয়ের উপর—নতুন ও পুরাতন—আর শিখছি কত নতুন<noinclude>{{reflist}} {{কেন্দ্র|৭০}}</noinclude> gp9cu2lldifnruxn3dufkz8yhxbj7q2 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯৬ 104 883454 1991504 1991094 2026-07-30T16:41:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991504 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}ইতিমধ্যে ন্যাশন্যাল থিয়েটারের দুই বিরোধী দলের মধ্যে যে’ বিবাদ ছিল, তাহা মিটিয়া গেল। তাহার প্রমাণ পাওয়া যায় দিঘাপতিয়ার রাজ-ভবনে এই দুই দলের সম্মিলিত অভিনয় হইতে। এই দুই দলের মিলন সম্ভব হইয়াছিল এমন একটি ঘটনা হইতে, যাহার ফলে একটি নূতন রঙ্গালয় স্থাপনার প্রয়োজন তখনই হইয়াছিল। ঘটনাটি এইরূপ -ধর্ম’দাস সুর ও নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দুই বিরোধী দলের নেতা ভুবন নিয়োগীর সহিত বেঙ্গল থিয়েটারে ‘উঃ! মোহন্তের এই কি কাজ'-এর অভিনয় দেখিতে গিয়াছিলেন; দর্শকদের ভাঁড় এত হইয়াছিল যে, তাঁহারা টিকিটের মূল্য দ্বিগুণ দিয়াও তাহা সংগ্রহ করিতে পারেন নাই। ভুবনমোহন এতই বিরক্ত এবং হতাশ হইয়াছিলেন যে, তিনি নিজ ব্যয়ে একটি রঙ্গালয় খুলিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। নগেন্দ্রনাথ এবং ধর্ম’দাস তাহাদিগের পূর্ব বিরোধ ভুলিয়া এই প্রস্তাবে রাজি হইয়া গেলেন, এবং তাহার ফলে ১৮৭৩ সালে "প্লেট ন্যাশন্যাল থিয়েটার" স্থাপিত হয়। এই থিয়েটার "লুইস থিয়েটার"-এর (মিসেস জি, বি, ডরু, লুইস নাম্মী একজন ইউরোপীয় মহিলার দ্বারা পরিচালিত থিয়েটার) আদর্শে যেখানে বর্তমান মিনার্ভা থিয়েটার অবস্থিত সেখানে স্থাপিত হইয়াছিল। ১৮৭৩ সালে ৩১শে ডিসেম্বর এই থিয়েটারে কাম্য কানন নামে প্রথম নাটকের অভিনয় হয়। এ অভিনয়ের কোন বৈচিত্র্য ছিল না এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ এই অভিনয়ের মাঝামাঝি সময়ে থিয়েটারে আগুন লাগিয়া যায়। তাঁহারা আর কোন উপায় না দেখিয়া কর্মবীর গিরিশ-চন্দ্রের শরণাপন্ন হইলেন। তিনি তৎক্ষণাৎ অবৈতনিক অভিনেতারূপে তাঁহাদের বিপন্মুক্ত করিবার জন্য নিজকৃত বঙ্কিমচন্দ্রের ‘মৃণালিনী’র নাট্যরূপ লইয়া অগ্রসর হইলেন। অভিনেত্রী লইয়া অভিনয় করিবার রীতি বেঙ্গল থিয়েটার প্রবর্তন করিয়াছিল। তাহা জনপ্রিয় হওয়ায় গ্রেট ন্যাশন্যাল থিয়েটারেও ইহার পর ঐ রীতি অবলম্বন করা হইয়াছিল। {{ফাঁক}}এখন হইতে বাঙলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে যে গৌরবময় যুগের সৃষ্টি হইল, তাহাতে বাঙলা নাটকের গৌরবও কম নয়। এই ইতিহাসের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠা গিরিশচন্দ্রের কর্ম-কীর্তিতে উজ্জল হইয়া আছে। ইহার পর হইতে রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস বুঝাইতে প্রধানতঃ গিরিশচন্দ্রের নাটকীয় অবদানকেই বুঝাইয়া থাকে। গ্রেট ন্যাশন্যালকে অনুসরণ<noinclude>{{কেন্দ্র|৯০}}</noinclude> a09ebx3k8txs27gm7h0mvjg8j3hr1mi 1991509 1991504 2026-07-30T16:46:20Z Bodhisattwa 2549 1991509 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}ইতিমধ্যে ন্যাশন্যাল থিয়েটারের দুই বিরোধী দলের মধ্যে যে বিবাদ ছিল, তাহা মিটিয়া গেল। তাহার প্রমাণ পাওয়া যায় দিঘাপতিয়ার রাজ-ভবনে এই দুই দলের সম্মিলিত অভিনয় হইতে। এই দুই দলের মিলন সম্ভব হইয়াছিল এমন একটি ঘটনা হইতে, যাহার ফলে একটি নূতন রঙ্গালয় স্থাপনার প্রয়োজন তখনই হইয়াছিল। ঘটনাটি এইরূপ—ধর্মদাস সুর ও নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দুই বিরোধী দলের নেতা ভুবন নিয়োগীর সহিত বেঙ্গল থিয়েটারে ‘উঃ! মোহন্তের এই কি কাজ’—এর অভিনয় দেখিতে গিয়াছিলেন; দর্শকদের ভাঁড় এত হইয়াছিল যে, তাঁহারা টিকিটের মূল্য দ্বিগুণ দিয়াও তাহা সংগ্রহ করিতে পারেন নাই। ভুবনমোহন এতই বিরক্ত এবং হতাশ হইয়াছিলেন যে, তিনি নিজ ব্যয়ে একটি রঙ্গালয় খুলিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। নগেন্দ্রনাথ এবং ধর্মদাস তাহাদিগের পূর্ব বিরোধ ভুলিয়া এই প্রস্তাবে রাজি হইয়া গেলেন, এবং তাহার ফলে ১৮৭৩ সালে “গ্রেট ন্যাশন্যাল থিয়েটার“ স্থাপিত হয়। এই থিয়েটার “লুইস থিয়েটার”—এর (মিসেস জি, বি, ডরু, লুইস নাম্মী একজন ইউরোপীয় মহিলার দ্বারা পরিচালিত থিয়েটার) আদর্শে যেখানে বর্তমান মিনার্ভা থিয়েটার অবস্থিত সেখানে স্থাপিত হইয়াছিল। ১৮৭৩ সালে ৩১শে ডিসেম্বর এই থিয়েটারে কাম্য কানন নামে প্রথম নাটকের অভিনয় হয়। এ অভিনয়ের কোন বৈচিত্র্য ছিল না এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ এই অভিনয়ের মাঝামাঝি সময়ে থিয়েটারে আগুন লাগিয়া যায়। তাঁহারা আর কোন উপায় না দেখিয়া কর্মবীর গিরিশ-চন্দ্রের শরণাপন্ন হইলেন। তিনি তৎক্ষণাৎ অবৈতনিক অভিনেতারূপে তাঁহাদের বিপন্মুক্ত করিবার জন্য নিজকৃত বঙ্কিমচন্দ্রের ‘মৃণালিনী’র নাট্যরূপ লইয়া অগ্রসর হইলেন। অভিনেত্রী লইয়া অভিনয় করিবার রীতি বেঙ্গল থিয়েটার প্রবর্তন করিয়াছিল। তাহা জনপ্রিয় হওয়ায় গ্রেট ন্যাশন্যাল থিয়েটারেও ইহার পর ঐ রীতি অবলম্বন করা হইয়াছিল। {{ফাঁক}}এখন হইতে বাঙলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে যে গৌরবময় যুগের সৃষ্টি হইল, তাহাতে বাঙলা নাটকের গৌরবও কম নয়। এই ইতিহাসের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠা গিরিশচন্দ্রের কর্ম-কীর্তিতে উজ্জল হইয়া আছে। ইহার পর হইতে রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস বুঝাইতে প্রধানতঃ গিরিশচন্দ্রের নাটকীয় অবদানকেই বুঝাইয়া থাকে। গ্রেট ন্যাশন্যালকে অনুসরণ<noinclude>{{কেন্দ্র|৯০}}</noinclude> owm59lvt7b2z3isgyevfz5e4z9nia5o পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯৫ 104 883455 1991503 1991095 2026-07-30T16:41:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991503 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>শিক্ষা ও অধিনায়কত্বে ‘কৃষ্ণকুমারী’ ১৮৭৩ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি অভিনীত হইল এবং গিরিশচন্দ্র ভীমসিংহের ভূমিকায় অবতীর্ণ হইলেন। প্রেক্ষাগৃহ দর্শকের ভীড়ে ভরিয়া গেল এবং ইহার অভিনয় পূর্ণগৌরবে কিছুদিন চলিতে লাগিল। {{ফাঁক}}আয়ের দিকটা বাড়িল বটে, কিন্তু শীঘ্রই দলের মধ্যে পরিচালনা বিষয়ে নানা প্রকার গোলমাল দেখা দিল। পরিচালনার সুব্যবস্থার জন্য তিনজন পরিচালক নির্বাচন করা হইল এবং সেই তিনজন পরিচালক হইতেছেন গিরিশচন্দ্র ঘোষ, অমৃতবাজার পত্রিকার সম্পাদক শিশির-কুমার ঘোষ এবং নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতা দেবেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। ইহাতেও ভিতরের ঝগড়া থামিল না এবং ১৮৭৩ সালের মার্চ মাসে কৃষ্ণকুমারীর প্রথম অভিনয়ের চারি মাস পরে ন্যাশন্যাল থিয়েটার বন্ধ হইয়া গেল। এই দল ভাঙিয়া আবার দুইটি দল হইল। প্রথম দলের অধিনায়ক হইলেন নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দ্বিতীয় দলের অধিনায়ক হইলেন ধর্ম’দাস সুর। প্রথম দলে রহিলেন অর্ধেন্দ, অমৃতলাল বসু, অমৃতলাল মুখোপাধ্যায় এবং আরও কয়েকজন। দ্বিতীয় দলে রহিলেন মহেন্দ্রলাল বসু, মতিলাল সূর, অবিনাশ কর এবং রাজেন্দ্রলাল পাল। এখন হইতে প্রতিযোগিতা করাই এই দুই দলের কার্য হইল, এবং সেই প্রতিযোগিতায় বিদ্বেষভাব সমানভাবেই প্রকটিত হইতে লাগিল। {{ফাঁক}}এই সময়ে সুবিখ্যাত সাতুবাবুর পৌত্র শরৎচন্দ্র ঘোষ নিয়মিত ন্যাশন্যাল থিয়েটারের অভিনয় দেখিতে যাইতেন এবং কলিকাতায় একটি সাধারণ রঙ্গমণ্ড স্থাপনে ইচ্ছুক হইয়াছিলেন। তিনি ১৮৭৩ সালে আগস্ট মাসে নাট্য-পরিচালনা বিষয়ে অভিজ্ঞ বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায় এবং অখিলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সহায়তায় বিডন স্ট্রীটস্থ সাতুবাবুর বাড়ির সম্মুখস্থ একটি টালি-ছাওয়া বাড়িতে ‘বেঙ্গল থিয়েটার’ নাম দিয়া একটি রঙ্গালয় হঠাৎ গড়িয়া তুলিলেন। এখানে মেয়েদের ভূমিকা অভিনয়ের জন্য অভিনেত্রী সংগ্রহ করা হইল। মধুসূদনের শর্মিষ্ঠা ও মায়া-কানন এবং উঃ! মোহন্তের এই কি কাজ! নামক একটি চিত্ত-চমৎকারী প্রহসনের অভিনয় বেঙ্গল থিয়েটারে হইল। শেষের অভিনয়টি হইতে কোম্পানীর যে আয় হইল তাহা তখনকার দিনে অভাবনীয়।<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৯}}</noinclude> a3xtctyr6klqkunx0767ilzcma2v1g2 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯৪ 104 883456 1991502 1991096 2026-07-30T16:41:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991502 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>থিয়েটার" নাম লইয়া এইরূপ স্বল্প সাজসজ্জায় ভূষিত রঙ্গমঞ্চের অভিনয়ে আশানুরূপ টিকিট বিক্রয় হইবে না এবং তাহা না হইলে গিরিশচন্দ্রের মতে ইহা বড়ই অসাময়িক এবং পরিতাপের বিষয় হইবে। কিন্তু অধিকাংশ সভ্যই গিরিশচন্দ্রের মতের বিরোধী ছিলেন বলিয়া গিরিশচন্দ্র এই থিয়েটারের সংস্রব ত্যাগ করিলেন এবং তাঁহার অনুগামী হইলেন রাধামাধব কর, যোগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুরেশচন্দ্র মিত্র, মহেন্দ্রলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। বেণীমাধব মিত্রকে এই থিয়েটারের সভাপতি করা হইল। উড সাহেবের যে ভূমিকা গিরিশচন্দ্র লইয়াছিলেন, তাঁহা অর্ধেন্দ গ্রহণ করিলেন। অন্যান্য ভূমিকাগুলি গ্রহণ করিলেন অর্ধেন্দু, মতিলাল সুর, মহেন্দ্রলাল বসু এবং অমৃতলাল বসু। এই সময়ে অমৃতলাল কিছুদিনের জন্য বারানসী হইতে কলিকাতায় আসিয়াছিলেন। তাঁহারা জোড়াসাঁকোর মধুসূদন সান্যালের গৃহ-প্রাঙ্গণটি (বর্তমানে ৩৬৮, আপার চিৎপুর রোডস্থিত মল্লিকদের "ঘড়িওয়ালা বাড়ি” নামে পরিচিত) ভাড়া করিয়া, সেখানে একটি রঙ্গমঞ্চ তৈরি করিয়া ১৮৭২ সালের ৭ই ডিসেম্বর নীলদর্পণ অভিনয় করিলেন। বাঙলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে ইহা একটি স্মরণীয় দিন, কারণ এই দিনে এমন একটি নূতন যুগের সৃষ্টি হইয়াছিল, যাহা সম্পূর্ণভাবে অবৈতনিক অভিনয়ের ধারার পরিবর্তন করিয়াছিল। অভিনয় অতি সুন্দর হইয়াছিল এবং এই অভিনয়ে ৫৫০, টাকা প্রবেশমূল্য পাওয়া গিয়াছিল। নীলদর্পণের অভিনয় কেবলমাত্র দুই রাত্রি হইয়াছিল, তারপর ন্যাশন্যাল থিয়েটারে পর পর দীনবন্ধুর জামাই বারিক, নবীন তপস্বিনী এবং বিয়ে পাগলা বুড়ো অভিনীত হইয়াছিল। ক্রমে দীনবন্ধুর নাটক ফুরাইয়া আসিল এবং দর্শকদের মধ্যে একই নাট্যকারের নাট্যাভিনয় বিষয়ে ক্লান্তি আসিয়াছিল; তাহার ফলে টিকিট বিক্রয়ও কমিয়া গেল। ইহার পরে এই দল মধুসূদনের কৃষ্ণকুমারী নাটক অভিনয়ের আয়োজন করিতে লাগিল, কিন্তু তাহাদিগের মধ্যে ‘ভীমসিংহে’র ভূমিকা অভিনয় করিতে পারে, এমন লোকের অভাব হইল। এই সময়ে গিরিশচন্দ্রের অনুপস্থিতি বিশেষভাবে সকলের মনে হইতে লাগিল এবং তাঁহারা গিরিশচন্দ্রের নিকট গিয়া তাঁহার সাহায্য ঐকান্তিকভাবে প্রার্থনা করিলেন। গিরিশচন্দ্র অবৈতনিক অভিনেতা-হিসাবে যোগদান করিতে সম্মত হইলেন। তাঁহার<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৮}}</noinclude> dadxpb706gc0tfzinqqrrjwssiiadnl 1991725 1991502 2026-07-31T04:03:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991725 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>থিয়েটার” নাম লইয়া এইরূপ স্বল্প সাজসজ্জায় ভূষিত রঙ্গমঞ্চের অভিনয়ে আশানুরূপ টিকিট বিক্রয় হইবে না এবং তাহা না হইলে গিরিশচন্দ্রের মতে ইহা বড়ই অসাময়িক এবং পরিতাপের বিষয় হইবে। কিন্তু অধিকাংশ সভ্যই গিরিশচন্দ্রের মতের বিরোধী ছিলেন বলিয়া গিরিশচন্দ্র এই থিয়েটারের সংস্রব ত্যাগ করিলেন এবং তাঁহার অনুগামী হইলেন রাধামাধব কর, যোগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুরেশচন্দ্র মিত্র, মহেন্দ্রলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। বেণীমাধব মিত্রকে এই থিয়েটারের সভাপতি করা হইল। উড সাহেবের যে ভূমিকা গিরিশচন্দ্র লইয়াছিলেন, তাঁহা অর্ধেন্দ গ্রহণ করিলেন। অন্যান্য ভূমিকাগুলি গ্রহণ করিলেন অর্ধেন্দু, মতিলাল সুর, মহেন্দ্রলাল বসু এবং অমৃতলাল বসু। এই সময়ে অমৃতলাল কিছুদিনের জন্য বারানসী হইতে কলিকাতায় আসিয়াছিলেন। তাঁহারা জোড়াসাঁকোর মধুসূদন সান্যালের গৃহ-প্রাঙ্গণটি (বর্তমানে ৩৬৮, আপার চিৎপুর রোডস্থিত মল্লিকদের “ঘড়িওয়ালা বাড়ি” নামে পরিচিত) ভাড়া করিয়া, সেখানে একটি রঙ্গমঞ্চ তৈরি করিয়া ১৮৭২ সালের ৭ই ডিসেম্বর নীলদর্পণ অভিনয় করিলেন। বাঙলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে ইহা একটি স্মরণীয় দিন, কারণ এই দিনে এমন একটি নূতন যুগের সৃষ্টি হইয়াছিল, যাহা সম্পূর্ণভাবে অবৈতনিক অভিনয়ের ধারার পরিবর্তন করিয়াছিল। অভিনয় অতি সুন্দর হইয়াছিল এবং এই অভিনয়ে ৫৫০, টাকা প্রবেশমূল্য পাওয়া গিয়াছিল। নীলদর্পণের অভিনয় কেবলমাত্র দুই রাত্রি হইয়াছিল, তারপর ন্যাশন্যাল থিয়েটারে পর পর দীনবন্ধুর জামাই বারিক, নবীন তপস্বিনী এবং বিয়ে পাগলা বুড়ো অভিনীত হইয়াছিল। ক্রমে দীনবন্ধুর নাটক ফুরাইয়া আসিল এবং দর্শকদের মধ্যে একই নাট্যকারের নাট্যাভিনয় বিষয়ে ক্লান্তি আসিয়াছিল; তাহার ফলে টিকিট বিক্রয়ও কমিয়া গেল। ইহার পরে এই দল মধুসূদনের কৃষ্ণকুমারী নাটক অভিনয়ের আয়োজন করিতে লাগিল, কিন্তু তাহাদিগের মধ্যে ‘ভীমসিংহে’র ভূমিকা অভিনয় করিতে পারে, এমন লোকের অভাব হইল। এই সময়ে গিরিশচন্দ্রের অনুপস্থিতি বিশেষভাবে সকলের মনে হইতে লাগিল এবং তাঁহারা গিরিশচন্দ্রের নিকট গিয়া তাঁহার সাহায্য ঐকান্তিকভাবে প্রার্থনা করিলেন। গিরিশচন্দ্র অবৈতনিক অভিনেতা-হিসাবে যোগদান করিতে সম্মত হইলেন। তাঁহার<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৮}}</noinclude> ikqj2zznmzy09jkrhwwzzwrf15aup8v পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯৩ 104 883457 1991501 1991097 2026-07-30T16:41:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991501 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সফল হইল। শ্যামবাজারের রাজেন্দ্রলাল পালের গৃহে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চে এই অভিনয় হইল। ইতিমধ্যে বাগবাজার দলের নাম হইয়াছিল "ক্যালকাটা ন্যাশন্যাল থিয়েটার"। পরে আবার বদলাইয়া "ন্যাশন্যাল থিয়েটার" হইয়াছিল। এই অভিনয় আশাতীত সাফল্যলাভ করিয়াছিল এবং দীনবন্ধ, নিজে উপস্থিত থাকিয়া যে প্রকার আনন্দলাভ করিয়া-ছিলেন, তাহার সীমা ছিল না। নাটাকার নিজে, ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকার এবং অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকিয়া এই অভিনয়ের প্রত্যেক চরিত্রের প্রশংসা করিয়াছিলেন। ‘লীলাবতী’র অভিনয় এত জনপ্রিয় হইয়াছিল যে, প্রত্যেক শনিবারে ইহার অভিনয় করিতে হইত। হাজারে হাজারে দর্শক আসিত এবং ভীড় কমাইবার জন্য ও স্থান সংকুলানের জন্য, যাহারা অভিনয় বুঝিতে পারিত, কেবল তাহাদিগকে বিনামূল্যে টিকিট দেওয়া হইত। মজার কথা এই যে, দলে দলে লোক আসিত এবং তাহারা যে নাটকের রস-গ্রহণে সক্ষম তাহার জন্য পরিচয়পত্র দাখিল করিত। পাঁচ রাত্রি অভিনয়ের পর প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির জন্য অভিনয় বন্ধ করিতে হইয়াছিল। {{ফাঁক}}স্বয়ং নাট্যকার এবং গিরিশচন্দ্রের পরামর্শে "ন্যাশন্যাল থিয়েটার" দীনবন্ধুর বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ অভিনয়ের ব্যবস্থা করিতে লাগিল। ধর্ম’দাস সুরের প্রতিবেশী ভুবনমোহন নিয়োগী এই বইয়ের রিহার্সালের জন্য গঙ্গাতীরে একটি বাড়ি দিলেন। নীলদর্পণের অভিনয়ের অব্যবহিত পূর্বে টিকিট বিক্রয় করিয়া অভিনয়ের বিষয়ে সভ্যদের মধ্যে বিরোধ বাধিল। তাহার ফলে একটি দল ভাঙিয়া দুইটি হইল। টিকিট বিক্রয়ের পক্ষে যে দল, সে-দলের নেতা হইলেন অর্ধেন্দু; আর ইহার বিপক্ষ দলের অধিনায়ক হইলেন গিরিশচন্দ্র। লীলাবতীর অভিনয়-সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া কয়েকজন অভিনেতা বিনামূল্যে অভিনয় দেখানোর প্রথা তুলিয়া দিতে চাহিলেন। তাঁহাদিগের মতে, প্রবেশ মূল্য লইয়া অভিনয় করিয়া যে লাভ হইবে, তাহার দ্বারা দলের অনেক দরিদ্র অভিনেতাকে সাহায্য করা যাইবে। কিন্তু গিরিশচন্দ্রের যুক্তি ছিল অন্য প্রকারের। তিনি মনে করিয়াছিলেন যে, এইরূপ প্রথা প্রবর্তন করিলে বিদেশীদের নিকট তাঁহারা হাস্যাস্পদ হইবেন, কারণ "বাঙালী" কথাটি উচ্চারণ করিতে এখনই তাঁহারা নাক সিটকাইয়া থাকেন। "ন্যাশন্যাল<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৭}}</noinclude> ny0n8stx61t2ebwpzaqrz7g4ecn9rjz 1991724 1991501 2026-07-31T04:03:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991724 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সফল হইল। শ্যামবাজারের রাজেন্দ্রলাল পালের গৃহে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চে এই অভিনয় হইল। ইতিমধ্যে বাগবাজার দলের নাম হইয়াছিল “ক্যালকাটা ন্যাশন্যাল থিয়েটার"। পরে আবার বদলাইয়া “ন্যাশন্যাল থিয়েটার” হইয়াছিল। এই অভিনয় আশাতীত সাফল্যলাভ করিয়াছিল এবং দীনবন্ধ, নিজে উপস্থিত থাকিয়া যে প্রকার আনন্দলাভ করিয়া-ছিলেন, তাহার সীমা ছিল না। নাটাকার নিজে, ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকার এবং অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকিয়া এই অভিনয়ের প্রত্যেক চরিত্রের প্রশংসা করিয়াছিলেন। ‘লীলাবতী’র অভিনয় এত জনপ্রিয় হইয়াছিল যে, প্রত্যেক শনিবারে ইহার অভিনয় করিতে হইত। হাজারে হাজারে দর্শক আসিত এবং ভীড় কমাইবার জন্য ও স্থান সংকুলানের জন্য, যাহারা অভিনয় বুঝিতে পারিত, কেবল তাহাদিগকে বিনামূল্যে টিকিট দেওয়া হইত। মজার কথা এই যে, দলে দলে লোক আসিত এবং তাহারা যে নাটকের রস-গ্রহণে সক্ষম তাহার জন্য পরিচয়পত্র দাখিল করিত। পাঁচ রাত্রি অভিনয়ের পর প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির জন্য অভিনয় বন্ধ করিতে হইয়াছিল। {{ফাঁক}}স্বয়ং নাট্যকার এবং গিরিশচন্দ্রের পরামর্শে “ন্যাশন্যাল থিয়েটার” দীনবন্ধুর বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ অভিনয়ের ব্যবস্থা করিতে লাগিল। ধর্ম’দাস সুরের প্রতিবেশী ভুবনমোহন নিয়োগী এই বইয়ের রিহার্সালের জন্য গঙ্গাতীরে একটি বাড়ি দিলেন। নীলদর্পণের অভিনয়ের অব্যবহিত পূর্বে টিকিট বিক্রয় করিয়া অভিনয়ের বিষয়ে সভ্যদের মধ্যে বিরোধ বাধিল। তাহার ফলে একটি দল ভাঙিয়া দুইটি হইল। টিকিট বিক্রয়ের পক্ষে যে দল, সে-দলের নেতা হইলেন অর্ধেন্দু; আর ইহার বিপক্ষ দলের অধিনায়ক হইলেন গিরিশচন্দ্র। লীলাবতীর অভিনয়-সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া কয়েকজন অভিনেতা বিনামূল্যে অভিনয় দেখানোর প্রথা তুলিয়া দিতে চাহিলেন। তাঁহাদিগের মতে, প্রবেশ মূল্য লইয়া অভিনয় করিয়া যে লাভ হইবে, তাহার দ্বারা দলের অনেক দরিদ্র অভিনেতাকে সাহায্য করা যাইবে। কিন্তু গিরিশচন্দ্রের যুক্তি ছিল অন্য প্রকারের। তিনি মনে করিয়াছিলেন যে, এইরূপ প্রথা প্রবর্তন করিলে বিদেশীদের নিকট তাঁহারা হাস্যাস্পদ হইবেন, কারণ “বাঙালী” কথাটি উচ্চারণ করিতে এখনই তাঁহারা নাক সিটকাইয়া থাকেন। “ন্যাশন্যাল<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৭}}</noinclude> 2hehinnubwo8gzi7q9qk9uz1337x08n পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯২ 104 883458 1991500 1991098 2026-07-30T16:41:40Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991500 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>জাহাজে ভ্রমণকালে সে রং তৈরির কাজ শিখিয়াছিল এবং বাগবাজারের সকল লোক তাহার এই গুণের কথা জানিত। ধর্মদাস যখন দৃশ্যপট অঙ্কনের কাজে ব্যাপ্ত ছিলেন, তখন এই ম্যাকলীনকে কাজে লাগাইবার কথা প্রথম তাঁহার মনে হইয়াছিল। তিনি ম্যাকলীনের সহিত এই চুক্তি করিয়াছিলেন যে, তিনি তাহাকে খাইতে দিবেন এবং তাহার পরিবর্তে সে দৃশ্যপট অঙ্কিত করিবার জন্য রং তৈরি করিয়া দিবে এবং রঙ্গমঞ্চের তক্তাগুলি পাহারা দিবে। তাঁহারা যখন রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের এই প্রকার প্রাথমিক কাজগুলি করিতেছিলেন, তখন এমন একটি ঘটনা ঘটিল যাহাতে বাগবাজারের দলের উৎসাহ আরও বাড়িয়া গেল। {{ফাঁক}}‘অমৃতবাজার পত্রিকা’য় এই সংবাদ প্রকাশিত হইল যে, ‘লীলাবতী’ নাটকখানি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক পরিবর্তিত এবং সংক্ষিপ্ত হইয়া চু’চুড়াতে অভিনীত হইয়াছে। সে অভিনয়ের পরিচালনা করিয়াছিলেন স্বয়ং বঙ্কিমচন্দ্র এবং অক্ষয়চন্দ্র সরকার। এই সংবাদে আরও বলা হইয়াছিল, সে অভিনয়ের খ্যাতি সারা শহরে ছড়াইয়া পড়িয়াছিল। একটি অজ্ঞাত প্রতিদ্বন্দ্বিদলের এই সাফল্যে বিষন্ন হইয়া নগেন্দ্র, অর্ধেন্দু, ধর্ম’দাস এবং আরও কয়েকজন তৎক্ষণাৎ গিরিশচন্দ্রের নিকট দৌড়িয়া গেলেন এবং বলিলেন, "আমরা চু’চড়োর দলের কাছে হেরে যাব, আর তাই তুমি দেখবে?" ইহাতে উৎসাহিত হইয়া গিরিশ খুবই জোরের সহিত বলিলেন, "একটি কথাও না বদলিয়ে আমরা এই নাটক অভিনয় করবো এবং চু’চড়োর দলকে যে কোন উপায়েই হোক হারিয়ে দেব।" প্রত্যেক সভ্যই আরও উৎসাহ এবং শক্তি সহকারে নিজ নিজ কাজ দিন-রাতি খাটিয়া সম্পূর্ণ করিবার চেষ্টা করিতে লাগিলেন। নাটা-শিক্ষার কাজ গিরিশচন্দ্র নিজে লইলেন এবং তাঁহার ক্ষমতামত সকলই শিখাইলেন। সধবার একাদশীতে যেমন গান লিখিয়াছিলেন, তেমনি মাঝে মাঝে প্রয়োজনমত এই নাটকের জন্যও গান লিখিলেন। ধর্মদাস অতি সত্বর দৃশ্যপট আঁকা ও রঙ্গমঞ্চ তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করিতে লাগিলেন। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, তাঁহার পরিবর্তে সেখানকার কাজের ভার লইলেন একটি মহাপ্রাণ যুবক (অমৃতলাল বসু)। প্রারম্ভিক কার্য শেষ হইলে, বাগবাজার দলের সমবেত চেষ্টায় জুলাই মাসের ১৮৭১ সালে লীলাবতীর অভিনয়<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৬}}</noinclude> 0gemryon98qbpy4nc25waf6jzztnzsa 1991723 1991500 2026-07-31T04:03:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991723 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>জাহাজে ভ্রমণকালে সে রং তৈরির কাজ শিখিয়াছিল এবং বাগবাজারের সকল লোক তাহার এই গুণের কথা জানিত। ধর্মদাস যখন দৃশ্যপট অঙ্কনের কাজে ব্যাপ্ত ছিলেন, তখন এই ম্যাকলীনকে কাজে লাগাইবার কথা প্রথম তাঁহার মনে হইয়াছিল। তিনি ম্যাকলীনের সহিত এই চুক্তি করিয়াছিলেন যে, তিনি তাহাকে খাইতে দিবেন এবং তাহার পরিবর্তে সে দৃশ্যপট অঙ্কিত করিবার জন্য রং তৈরি করিয়া দিবে এবং রঙ্গমঞ্চের তক্তাগুলি পাহারা দিবে। তাঁহারা যখন রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের এই প্রকার প্রাথমিক কাজগুলি করিতেছিলেন, তখন এমন একটি ঘটনা ঘটিল যাহাতে বাগবাজারের দলের উৎসাহ আরও বাড়িয়া গেল। {{ফাঁক}}‘অমৃতবাজার পত্রিকা’য় এই সংবাদ প্রকাশিত হইল যে, ‘লীলাবতী’ নাটকখানি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক পরিবর্তিত এবং সংক্ষিপ্ত হইয়া চু’চুড়াতে অভিনীত হইয়াছে। সে অভিনয়ের পরিচালনা করিয়াছিলেন স্বয়ং বঙ্কিমচন্দ্র এবং অক্ষয়চন্দ্র সরকার। এই সংবাদে আরও বলা হইয়াছিল, সে অভিনয়ের খ্যাতি সারা শহরে ছড়াইয়া পড়িয়াছিল। একটি অজ্ঞাত প্রতিদ্বন্দ্বিদলের এই সাফল্যে বিষন্ন হইয়া নগেন্দ্র, অর্ধেন্দু, ধর্ম’দাস এবং আরও কয়েকজন তৎক্ষণাৎ গিরিশচন্দ্রের নিকট দৌড়িয়া গেলেন এবং বলিলেন, “আমরা চু’চড়োর দলের কাছে হেরে যাব, আর তাই তুমি দেখবে?” ইহাতে উৎসাহিত হইয়া গিরিশ খুবই জোরের সহিত বলিলেন, “একটি কথাও না বদলিয়ে আমরা এই নাটক অভিনয় করবো এবং চু’চড়োর দলকে যে কোন উপায়েই হোক হারিয়ে দেব।” প্রত্যেক সভ্যই আরও উৎসাহ এবং শক্তি সহকারে নিজ নিজ কাজ দিন-রাতি খাটিয়া সম্পূর্ণ করিবার চেষ্টা করিতে লাগিলেন। নাটা-শিক্ষার কাজ গিরিশচন্দ্র নিজে লইলেন এবং তাঁহার ক্ষমতামত সকলই শিখাইলেন। সধবার একাদশীতে যেমন গান লিখিয়াছিলেন, তেমনি মাঝে মাঝে প্রয়োজনমত এই নাটকের জন্যও গান লিখিলেন। ধর্মদাস অতি সত্বর দৃশ্যপট আঁকা ও রঙ্গমঞ্চ তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করিতে লাগিলেন। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, তাঁহার পরিবর্তে সেখানকার কাজের ভার লইলেন একটি মহাপ্রাণ যুবক (অমৃতলাল বসু)। প্রারম্ভিক কার্য শেষ হইলে, বাগবাজার দলের সমবেত চেষ্টায় জুলাই মাসের ১৮৭১ সালে লীলাবতীর অভিনয়<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৬}}</noinclude> 84l13pjbks5g9njni4614mjf85erfyi পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯১ 104 883459 1991499 1991099 2026-07-30T16:41:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991499 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>হইয়াছিল। লীলাবতীর অভিনয়ই "ন্যাশনাল থিয়েটার” স্থাপনার সূত্রপাত করিয়াছিল। সে ইতিহাস যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি চিত্তাকর্ষী। সধবার একাদশীর অভিনয় সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া দীনবন্ধু গিরিশ-চন্দ্রের নিকট প্রস্তাব করিয়াছিলেন যে, ইহার পরে যেন তাঁহার নূতন নাটক লীলাবতীর অভিনয় আয়োজন করা হয়। গিরিশচন্দ্র এই প্রস্তাবে দ্বিরুক্তি না করিয়া বইখানি রিহার্সাল দিতে আরম্ভ করেন। ইতিমধ্যে উদ্যোক্তারা পাড়া হইতে যে সামান্য চাঁদা তুলিয়াছিলেন, তাহা গোবর্ধন নামে একজন দেশী শিল্পীর দ্বারা একটিমাত্র দৃশ্যপট অঙ্কিত করাইতে বায় হইয়া যায়। অভিনয়কে উন্নত করার কল্পনা গিরিশচন্দ্রের মনে চিরদিনই ছিল এবং সেইজন্য তিনি একটি স্থায়ী রঙ্গালয় স্থাপন করিয়া অভিনয়কালে দৃশ্যপট ব্যবহার করার জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়াছিলেন। তাঁহার এই কল্পনাকে সফল করিয়া তুলিতে আর একজন উৎসাহী ব্যক্তির যে আন্তরিক সমর্থন ছিল, তিনি শেষ পর্যন্ত তাহা দেখিয়া যাইতে পারেন নাই। তিনি হইতেছেন গিরিশচন্দ্রের শ্যালক, ব্রজনাথ দেব। তিনি এবং গিরিশচন্দ্র টাকা তুলিবার জন্য একটি সুন্দর মতলব করিয়াছিলেন। উভয়েই মেসার্স এ্যাটকিনসন টিলটন এণ্ড কোম্পানীর মুহরী ছিলেন। তাঁহারা ঠিক করিলেন যে, ঐ কোম্পানীতে কাজ করিয়া তাহাদিগের যে দস্তুরি পাওনা হইয়াছিল, তাহা একটি রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের জন্য যাহাতে পাওয়া যায়, তাহার জন্য ঐ কোম্পানীর দালালদের নিকট তাঁহারা অনুরোধ করিবেন। এ-পর্যন্ত ঐ টাকা তাঁহারা কখনো দাবি করেন নাই। ঐ টাকা পাইয়া শ্যামপুকুরের একটি গৃহ-প্রাঙ্গণে তাঁহারা একটি রঙ্গমঞ্চ স্থাপনা করিতে আরম্ভকরিলেন। রঙ্গমঞ্চের পাদপীঠ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তা ব্রজনাথ অসুস্থ হইয়া পড়িলেন এবং অচিরেই মৃত্যুকে বরণ করিলেন। রঙ্গমঞ্চ তৈরির কাজ বন্ধ হইয়া গেল এবং তক্তাগুলি খুলিয়া নিকটস্থ বাগবাজারের একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত করা হইল। সেখানে কালীপ্রসাদ চক্রবর্তী লেনে ধর্ম’দাস সুরের বাড়ির সামনে একটি জমিতে তক্তাগুলি খাটাইয়া রঙ্গপীঠ তৈরি করা হইল। এই সময়ে আকস্মিকভাবে একজনের সাহায্য পাওয়া গেল। ম্যাকলীন নামে একটি দরিদ্র ইংরাজ নাবিক মাঝে মাঝে বাগবাজার অঞ্চলে ভিক্ষায় আসিত।<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৫}}</noinclude> ny8tmt04qciv9zojkq8lkvavayi9z86 1991722 1991499 2026-07-31T04:03:44Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991722 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>হইয়াছিল। লীলাবতীর অভিনয়ই “ন্যাশনাল থিয়েটার” স্থাপনার সূত্রপাত করিয়াছিল। সে ইতিহাস যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি চিত্তাকর্ষী। সধবার একাদশীর অভিনয় সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া দীনবন্ধু গিরিশ-চন্দ্রের নিকট প্রস্তাব করিয়াছিলেন যে, ইহার পরে যেন তাঁহার নূতন নাটক লীলাবতীর অভিনয় আয়োজন করা হয়। গিরিশচন্দ্র এই প্রস্তাবে দ্বিরুক্তি না করিয়া বইখানি রিহার্সাল দিতে আরম্ভ করেন। ইতিমধ্যে উদ্যোক্তারা পাড়া হইতে যে সামান্য চাঁদা তুলিয়াছিলেন, তাহা গোবর্ধন নামে একজন দেশী শিল্পীর দ্বারা একটিমাত্র দৃশ্যপট অঙ্কিত করাইতে বায় হইয়া যায়। অভিনয়কে উন্নত করার কল্পনা গিরিশচন্দ্রের মনে চিরদিনই ছিল এবং সেইজন্য তিনি একটি স্থায়ী রঙ্গালয় স্থাপন করিয়া অভিনয়কালে দৃশ্যপট ব্যবহার করার জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়াছিলেন। তাঁহার এই কল্পনাকে সফল করিয়া তুলিতে আর একজন উৎসাহী ব্যক্তির যে আন্তরিক সমর্থন ছিল, তিনি শেষ পর্যন্ত তাহা দেখিয়া যাইতে পারেন নাই। তিনি হইতেছেন গিরিশচন্দ্রের শ্যালক, ব্রজনাথ দেব। তিনি এবং গিরিশচন্দ্র টাকা তুলিবার জন্য একটি সুন্দর মতলব করিয়াছিলেন। উভয়েই মেসার্স এ্যাটকিনসন টিলটন এণ্ড কোম্পানীর মুহরী ছিলেন। তাঁহারা ঠিক করিলেন যে, ঐ কোম্পানীতে কাজ করিয়া তাহাদিগের যে দস্তুরি পাওনা হইয়াছিল, তাহা একটি রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের জন্য যাহাতে পাওয়া যায়, তাহার জন্য ঐ কোম্পানীর দালালদের নিকট তাঁহারা অনুরোধ করিবেন। এ-পর্যন্ত ঐ টাকা তাঁহারা কখনো দাবি করেন নাই। ঐ টাকা পাইয়া শ্যামপুকুরের একটি গৃহ-প্রাঙ্গণে তাঁহারা একটি রঙ্গমঞ্চ স্থাপনা করিতে আরম্ভকরিলেন। রঙ্গমঞ্চের পাদপীঠ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তা ব্রজনাথ অসুস্থ হইয়া পড়িলেন এবং অচিরেই মৃত্যুকে বরণ করিলেন। রঙ্গমঞ্চ তৈরির কাজ বন্ধ হইয়া গেল এবং তক্তাগুলি খুলিয়া নিকটস্থ বাগবাজারের একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত করা হইল। সেখানে কালীপ্রসাদ চক্রবর্তী লেনে ধর্ম’দাস সুরের বাড়ির সামনে একটি জমিতে তক্তাগুলি খাটাইয়া রঙ্গপীঠ তৈরি করা হইল। এই সময়ে আকস্মিকভাবে একজনের সাহায্য পাওয়া গেল। ম্যাকলীন নামে একটি দরিদ্র ইংরাজ নাবিক মাঝে মাঝে বাগবাজার অঞ্চলে ভিক্ষায় আসিত।<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৫}}</noinclude> qediwbs2n3fya08bqhqbmk1na9sq8ns পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯০ 104 883460 1991498 1991103 2026-07-30T16:41:39Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991498 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>হইয়াছে।" ‘জীবনচন্দ্রের’ ভূমিকায় অর্ধেন্দুশেখরের অভিনয়ও নাটা-কারের নিকট হইতে কম প্রশংসা পায় নাই। ১ম অঙ্ক, ২য় দৃশ্যে অর্ধেন্দু যখন ‘জীবনচন্দ্র’রূপে রঙ্গমঞ্চ হইতে বাহিরে যাইবার সময় ‘অটল'-কে লাথি মারিয়া নাট্যকারের কল্পনাকে অতিক্রম করিয়াছিলেন, তখন নাট্যকার তাঁহার মহানুভবতার বশে স্বীকার করিয়াছিলেন যে, ইহা নাট্যকারের কল্পনাকে নিশ্চিতরূপে উন্নত করিয়াছে। চতুর্থ অভিনয়ও যে সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী হইয়াছিল, বাবু (পরে বিচারপতি) সারদাচরণ মিত্র নিজে দর্শক-হিসাবে উপস্থিত থাকিয়া ১৩২৩ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসের ‘বঙ্গদর্শনে’ যে প্রশংসাসূচক সমালোচনা লিখিয়াছিলেন, তাহা হইতে প্রমাণ পাওয়া যায়। চোরবাগানের অধিবাসী বিখ্যাত অভিনেতা অমরেন্দ্রনাথ দত্তের পিতামহ লক্ষক্ষ্মীনারায়ণ দত্তের বাড়িতে যে সপ্তম অভিনয় হয়, তাহার বিশেষ আকর্ষণ এই ছিল, সেখানে এই নাট্যকারের লেখা '''"বিয়ে পাগলা বুড়ো"''' নামে একটি নূতন প্রহসন অভিনীত হয়। এই প্রহসনের প্রস্তাবনা-হিসাবে গিরিশচন্দ্র নিম্নের কয়েকটি চরণ লিখিয়াছিলেন এবং সধবার একাদশীর অভিনয়-অন্তে ‘নিমচাঁদের’ বেশে তিনি আবৃত্তি করিয়া নূতন প্রহসনের অভিনয়-সূচনার সংকেত দিয়াছিলেন। {{c|"মাতলামীটে ফুরিয়ে গেল, দেখুন বুড়োর রং।}} {{c|বাসর ঘরে টোপর পরে কিবা বিয়ের ঢং॥}} {{c|আয়না-নসে, রতা কোথা, যা পারিস্ তা বল।}} {{c|ক্ষমা করবেন দোষ আমার রসিক মণ্ডল॥}} {{c|আসছে এবার ছোঁড়ার দল, ভুনো নসে রতা।}} {{c|সভ্যগণ নমস্কার, ফুরালো আমার কথা॥"}} অর্ধেন্দু এবং রাধামাধব যথাক্রমে ‘রাজিব’ এবং ‘রতা’র ভূমিকা গ্রহণ কারয়াছিলেন। {{ফাঁক}}এই উৎসাহী দলের পরবর্তী কৃতিত্ব হইতেছে, দীনবন্ধু মিত্রের আর একখানি নাটক '''"লীলাবতীর"''' অভিনয়। এই অভিনয়ের বৈশিষ্ট্য একাধিক ছিল এবং ইহা যে কেবল বঙ্গ রঙ্গমঞ্চের উন্নতির সহায়তা করিয়াছিল তাহা নয়, ইহা বাঙলায় স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের সহায়ক<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৪}}</noinclude> na920r5hk57748wf00ka7attvhpuz26 1991721 1991498 2026-07-31T04:03:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991721 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>হইয়াছে।” ‘জীবনচন্দ্রের’ ভূমিকায় অর্ধেন্দুশেখরের অভিনয়ও নাটা-কারের নিকট হইতে কম প্রশংসা পায় নাই। ১ম অঙ্ক, ২য় দৃশ্যে অর্ধেন্দু যখন ‘জীবনচন্দ্র’রূপে রঙ্গমঞ্চ হইতে বাহিরে যাইবার সময় ‘অটল’—কে লাথি মারিয়া নাট্যকারের কল্পনাকে অতিক্রম করিয়াছিলেন, তখন নাট্যকার তাঁহার মহানুভবতার বশে স্বীকার করিয়াছিলেন যে, ইহা নাট্যকারের কল্পনাকে নিশ্চিতরূপে উন্নত করিয়াছে। চতুর্থ অভিনয়ও যে সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী হইয়াছিল, বাবু (পরে বিচারপতি) সারদাচরণ মিত্র নিজে দর্শক-হিসাবে উপস্থিত থাকিয়া ১৩২৩ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসের ‘বঙ্গদর্শনে’ যে প্রশংসাসূচক সমালোচনা লিখিয়াছিলেন, তাহা হইতে প্রমাণ পাওয়া যায়। চোরবাগানের অধিবাসী বিখ্যাত অভিনেতা অমরেন্দ্রনাথ দত্তের পিতামহ লক্ষক্ষ্মীনারায়ণ দত্তের বাড়িতে যে সপ্তম অভিনয় হয়, তাহার বিশেষ আকর্ষণ এই ছিল, সেখানে এই নাট্যকারের লেখা '''"বিয়ে পাগলা বুড়ো"''' নামে একটি নূতন প্রহসন অভিনীত হয়। এই প্রহসনের প্রস্তাবনা-হিসাবে গিরিশচন্দ্র নিম্নের কয়েকটি চরণ লিখিয়াছিলেন এবং সধবার একাদশীর অভিনয়-অন্তে ‘নিমচাঁদের’ বেশে তিনি আবৃত্তি করিয়া নূতন প্রহসনের অভিনয়-সূচনার সংকেত দিয়াছিলেন। {{c|"মাতলামীটে ফুরিয়ে গেল, দেখুন বুড়োর রং।}} {{c|বাসর ঘরে টোপর পরে কিবা বিয়ের ঢং॥}} {{c|আয়না-নসে, রতা কোথা, যা পারিস্ তা বল।}} {{c|ক্ষমা করবেন দোষ আমার রসিক মণ্ডল॥}} {{c|আসছে এবার ছোঁড়ার দল, ভুনো নসে রতা।}} {{c|সভ্যগণ নমস্কার, ফুরালো আমার কথা॥"}} অর্ধেন্দু এবং রাধামাধব যথাক্রমে ‘রাজিব’ এবং ‘রতা’র ভূমিকা গ্রহণ কারয়াছিলেন। {{ফাঁক}}এই উৎসাহী দলের পরবর্তী কৃতিত্ব হইতেছে, দীনবন্ধু মিত্রের আর একখানি নাটক '''"লীলাবতীর"''' অভিনয়। এই অভিনয়ের বৈশিষ্ট্য একাধিক ছিল এবং ইহা যে কেবল বঙ্গ রঙ্গমঞ্চের উন্নতির সহায়তা করিয়াছিল তাহা নয়, ইহা বাঙলায় স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের সহায়ক<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৪}}</noinclude> ge61tg800nt8umqfvx6ju7q3u8f98rg 1992363 1991721 2026-07-31T05:19:57Z Bodhisattwa 2549 1992363 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>হইয়াছে।” ‘জীবনচন্দ্রের’ ভূমিকায় অর্ধেন্দুশেখরের অভিনয়ও নাটা-কারের নিকট হইতে কম প্রশংসা পায় নাই। ১ম অঙ্ক, ২য় দৃশ্যে অর্ধেন্দু যখন ‘জীবনচন্দ্র’রূপে রঙ্গমঞ্চ হইতে বাহিরে যাইবার সময় ‘অটল’—কে লাথি মারিয়া নাট্যকারের কল্পনাকে অতিক্রম করিয়াছিলেন, তখন নাট্যকার তাঁহার মহানুভবতার বশে স্বীকার করিয়াছিলেন যে, ইহা নাট্যকারের কল্পনাকে নিশ্চিতরূপে উন্নত করিয়াছে। চতুর্থ অভিনয়ও যে সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী হইয়াছিল, বাবু (পরে বিচারপতি) সারদাচরণ মিত্র নিজে দর্শক-হিসাবে উপস্থিত থাকিয়া ১৩২৩ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসের ‘বঙ্গদর্শনে’ যে প্রশংসাসূচক সমালোচনা লিখিয়াছিলেন, তাহা হইতে প্রমাণ পাওয়া যায়। চোরবাগানের অধিবাসী বিখ্যাত অভিনেতা অমরেন্দ্রনাথ দত্তের পিতামহ লক্ষক্ষ্মীনারায়ণ দত্তের বাড়িতে যে সপ্তম অভিনয় হয়, তাহার বিশেষ আকর্ষণ এই ছিল, সেখানে এই নাট্যকারের লেখা '''“বিয়ে পাগলা বুড়ো”''' নামে একটি নূতন প্রহসন অভিনীত হয়। এই প্রহসনের প্রস্তাবনা-হিসাবে গিরিশচন্দ্র নিম্নের কয়েকটি চরণ লিখিয়াছিলেন এবং সধবার একাদশীর অভিনয়-অন্তে ‘নিমচাঁদের’ বেশে তিনি আবৃত্তি করিয়া নূতন প্রহসনের অভিনয়-সূচনার সংকেত দিয়াছিলেন। {{bc|<poem>“মাতলামীটে ফুরিয়ে গেল, দেখুন বুড়োর রং। বাসর ঘরে টোপর পরে কিবা বিয়ের ঢং॥ আয়না-নসে, রতা কোথা, যা পারিস্ তা বল। ক্ষমা করবেন দোষ আমার রসিক মণ্ডল॥ আসছে এবার ছোঁড়ার দল, ভুনো নসে রতা। সভ্যগণ নমস্কার, ফুরালো আমার কথা॥”</poem>}} অর্ধেন্দু এবং রাধামাধব যথাক্রমে ‘রাজিব’ এবং ‘রতা’র ভূমিকা গ্রহণ কারয়াছিলেন। {{ফাঁক}}এই উৎসাহী দলের পরবর্তী কৃতিত্ব হইতেছে, দীনবন্ধু মিত্রের আর একখানি নাটক '''“লীলাবতীর”''' অভিনয়। এই অভিনয়ের বৈশিষ্ট্য একাধিক ছিল এবং ইহা যে কেবল বঙ্গ রঙ্গমঞ্চের উন্নতির সহায়তা করিয়াছিল তাহা নয়, ইহা বাঙলায় স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ স্থাপনের সহায়ক<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৪}}</noinclude> rd6comesfxsjm8bw17crfob33bcrnes পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৯ 104 883461 1991497 1991104 2026-07-30T16:41:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991497 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সার্থকতা লাভ করিল। যাঁহারা অভিনয় করিয়াছিলেন তাঁহাদিগের মধ্যে গিরিশচন্দ্র এবং অর্ধেন্দুশেখরকে বাদ দিয়া বিশিষ্ট হইতেছেন -নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাধামাধব কর এবং অমৃতলাল মুখোপাধ্যায় (ক্যাপ্টেন বেল)। ই’হারা সকলেই পরবর্তীকালে বঙ্গরঙ্গমঞ্চের গৌরব ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করিয়াছিলেন। এই অভিনয়ের অভূতপূর্ব নাম হইয়াছিল এবং গিরিশচন্দ্রের ‘নিমচাঁদের’ ভূমিকায় অভিনয় পূর্ববর্তী সকল অভিনেতাদের গৌরব স্পান করিয়া দিয়াছিল। যদিও মঞ্চে এই তাঁহার প্রথম অবতরণ, তথাপি নাটকের অন্তর্গত প্রচুর ইংরাজি উদ্ধৃতির সুস্পষ্ট উচ্চারণ এবং তাঁহার দ্বারা প্রধান চরিত্রটির সম্পূর্ণ মর্ম-গ্রহণ, দর্শকবৃন্দের ভক্তি ও বিস্ময় উৎপাদন করিয়াছিল। এই অভিনয়ের কথা বহুদিন পর্যন্ত লোকে স্মরণে রাখিয়াছিল এবং এখনও অনেকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই কথা বলিয়া থাকেন। উদ্যোক্তারা সেদিন কিছুতেই বুঝিতে পারেন নাই যে, যে বীজ খেলার ছলে এবং আমোদের জন্য সেদিন তাঁহারা প্রোথিত করিয়াছিলেন, তাহাই কালক্রমে বনস্পতির রূপ ধরিয়া নানা শাখা-প্রশাখায় চারিদিকে বিস্তারিত হইবে। যাহাকে আমরা বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চ বলিয়া থাকি, দীনবন্ধুর ‘সধবার একাদশী তাহারই অগ্রদূত, একথা দীনবন্ধুকে তাঁহার ''''শান্তি-কি-শান্তি'''' নাটক উৎসর্গ করার কালে গিরিশচন্দ্রই বলিয়াছিলেন। সেদিন দীন-বন্ধুকে বিনম্নচিত্তে প্রণাম জানাইয়া গিরিশ্চন্দ্র বলিয়াছিলেন, দীনবন্ধই বাঙলা রঙ্গমঞ্চের স্রষ্টা। ১৮৬৯ হইতে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত এই নাটক কলিকাতার বিভিন্ন স্থানে অন্ততঃ ছয় বার অভিনীত হইয়াছিল। তৃতীয় এবং চতুর্থ অভিনয়ের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আগের-টিতে নাট্যকার স্বয়ং, তাঁহার কয়েকজন বন্ধু এবং সহরের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাঁহাদিগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হইতেছেন, শোভাবাজারের "বিছু বাহাদুর", কলিকাতা পৌরসভার উপ-সভাপতি গোপাললাল মিশ্র এবং প্রসিদ্ধ চিকিৎসক দুর্গাদাস কর। ‘নিমচাঁদের’ অভিনয়ে গিরিশচন্দ্রের প্রতিভা দেখিয়া নাট্যকার এতই মুগ্ধ হইয়াছিলেন যে, তিনি এই বলিয়া গিরিশচন্দ্রকে অভিনন্দিত করিয়া-ছিলেন, "তুমি না থাকিলে এই নাটক অভিনয় হইতে পারিত না। মনে হয়, নিমচাঁদ কেবলমাত্র তোমারই দ্বারা অভিনীত হইবার জন্য সৃষ্ট<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৩}}</noinclude> 9050hb0lgi5i0sja0qk4a96j80zpee4 1991720 1991497 2026-07-31T04:03:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991720 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সার্থকতা লাভ করিল। যাঁহারা অভিনয় করিয়াছিলেন তাঁহাদিগের মধ্যে গিরিশচন্দ্র এবং অর্ধেন্দুশেখরকে বাদ দিয়া বিশিষ্ট হইতেছেন -নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাধামাধব কর এবং অমৃতলাল মুখোপাধ্যায় (ক্যাপ্টেন বেল)। ই’হারা সকলেই পরবর্তীকালে বঙ্গরঙ্গমঞ্চের গৌরব ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করিয়াছিলেন। এই অভিনয়ের অভূতপূর্ব নাম হইয়াছিল এবং গিরিশচন্দ্রের ‘নিমচাঁদের’ ভূমিকায় অভিনয় পূর্ববর্তী সকল অভিনেতাদের গৌরব স্পান করিয়া দিয়াছিল। যদিও মঞ্চে এই তাঁহার প্রথম অবতরণ, তথাপি নাটকের অন্তর্গত প্রচুর ইংরাজি উদ্ধৃতির সুস্পষ্ট উচ্চারণ এবং তাঁহার দ্বারা প্রধান চরিত্রটির সম্পূর্ণ মর্ম-গ্রহণ, দর্শকবৃন্দের ভক্তি ও বিস্ময় উৎপাদন করিয়াছিল। এই অভিনয়ের কথা বহুদিন পর্যন্ত লোকে স্মরণে রাখিয়াছিল এবং এখনও অনেকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই কথা বলিয়া থাকেন। উদ্যোক্তারা সেদিন কিছুতেই বুঝিতে পারেন নাই যে, যে বীজ খেলার ছলে এবং আমোদের জন্য সেদিন তাঁহারা প্রোথিত করিয়াছিলেন, তাহাই কালক্রমে বনস্পতির রূপ ধরিয়া নানা শাখা-প্রশাখায় চারিদিকে বিস্তারিত হইবে। যাহাকে আমরা বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চ বলিয়া থাকি, দীনবন্ধুর ‘সধবার একাদশী তাহারই অগ্রদূত, একথা দীনবন্ধুকে তাঁহার ''''শান্তি-কি-শান্তি'''' নাটক উৎসর্গ করার কালে গিরিশচন্দ্রই বলিয়াছিলেন। সেদিন দীন-বন্ধুকে বিনম্নচিত্তে প্রণাম জানাইয়া গিরিশ্চন্দ্র বলিয়াছিলেন, দীনবন্ধই বাঙলা রঙ্গমঞ্চের স্রষ্টা। ১৮৬৯ হইতে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত এই নাটক কলিকাতার বিভিন্ন স্থানে অন্ততঃ ছয় বার অভিনীত হইয়াছিল। তৃতীয় এবং চতুর্থ অভিনয়ের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আগের-টিতে নাট্যকার স্বয়ং, তাঁহার কয়েকজন বন্ধু এবং সহরের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাঁহাদিগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হইতেছেন, শোভাবাজারের “বিছু বাহাদুর”, কলিকাতা পৌরসভার উপ-সভাপতি গোপাললাল মিশ্র এবং প্রসিদ্ধ চিকিৎসক দুর্গাদাস কর। ‘নিমচাঁদের’ অভিনয়ে গিরিশচন্দ্রের প্রতিভা দেখিয়া নাট্যকার এতই মুগ্ধ হইয়াছিলেন যে, তিনি এই বলিয়া গিরিশচন্দ্রকে অভিনন্দিত করিয়া-ছিলেন, “তুমি না থাকিলে এই নাটক অভিনয় হইতে পারিত না। মনে হয়, নিমচাঁদ কেবলমাত্র তোমারই দ্বারা অভিনীত হইবার জন্য সৃষ্ট<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৩}}</noinclude> 4x6zap600rf0ct6yer9lrer27b5zi41 1992362 1991720 2026-07-31T05:18:24Z Bodhisattwa 2549 1992362 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সার্থকতা লাভ করিল। যাঁহারা অভিনয় করিয়াছিলেন তাঁহাদিগের মধ্যে গিরিশচন্দ্র এবং অর্ধেন্দুশেখরকে বাদ দিয়া বিশিষ্ট হইতেছেন—নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাধামাধব কর এবং অমৃতলাল মুখোপাধ্যায় (ক্যাপ্টেন বেল)। ই’হারা সকলেই পরবর্তীকালে বঙ্গরঙ্গমঞ্চের গৌরব ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করিয়াছিলেন। এই অভিনয়ের অভূতপূর্ব নাম হইয়াছিল এবং গিরিশচন্দ্রের ‘নিমচাঁদের’ ভূমিকায় অভিনয় পূর্ববর্তী সকল অভিনেতাদের গৌরব ম্লান করিয়া দিয়াছিল। যদিও মঞ্চে এই তাঁহার প্রথম অবতরণ, তথাপি নাটকের অন্তর্গত প্রচুর ইংরাজি উদ্ধৃতির সুস্পষ্ট উচ্চারণ এবং তাঁহার দ্বারা প্রধান চরিত্রটির সম্পূর্ণ মর্ম-গ্রহণ, দর্শকবৃন্দের ভক্তি ও বিস্ময় উৎপাদন করিয়াছিল। এই অভিনয়ের কথা বহুদিন পর্যন্ত লোকে স্মরণে রাখিয়াছিল এবং এখনও অনেকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই কথা বলিয়া থাকেন। উদ্যোক্তারা সেদিন কিছুতেই বুঝিতে পারেন নাই যে, যে বীজ খেলার ছলে এবং আমোদের জন্য সেদিন তাঁহারা প্রোথিত করিয়াছিলেন, তাহাই কালক্রমে বনস্পতির রূপ ধরিয়া নানা শাখা-প্রশাখায় চারিদিকে বিস্তারিত হইবে। যাহাকে আমরা বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চ বলিয়া থাকি, দীনবন্ধুর ‘সধবার একাদশী’ তাহারই অগ্রদূত, একথা দীনবন্ধুকে তাঁহার '''‘শান্তি-কি-শান্তি’''' নাটক উৎসর্গ করার কালে গিরিশচন্দ্রই বলিয়াছিলেন। সেদিন দীন-বন্ধুকে বিনম্নচিত্তে প্রণাম জানাইয়া গিরিশ্চন্দ্র বলিয়াছিলেন, দীনবন্ধই বাঙলা রঙ্গমঞ্চের স্রষ্টা। ১৮৬৯ হইতে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত এই নাটক কলিকাতার বিভিন্ন স্থানে অন্ততঃ ছয় বার অভিনীত হইয়াছিল। তৃতীয় এবং চতুর্থ অভিনয়ের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আগের-টিতে নাট্যকার স্বয়ং, তাঁহার কয়েকজন বন্ধু এবং সহরের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাঁহাদিগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হইতেছেন, শোভাবাজারের “বিজু বাহাদুর”, কলিকাতা পৌরসভার উপ-সভাপতি গোপাললাল মিশ্র এবং প্রসিদ্ধ চিকিৎসক দুর্গাদাস কর। ‘নিমচাঁদের’ অভিনয়ে গিরিশচন্দ্রের প্রতিভা দেখিয়া নাট্যকার এতই মুগ্ধ হইয়াছিলেন যে, তিনি এই বলিয়া গিরিশচন্দ্রকে অভিনন্দিত করিয়া-ছিলেন, “তুমি না থাকিলে এই নাটক অভিনয় হইতে পারিত না। মনে হয়, নিমচাঁদ কেবলমাত্র তোমারই দ্বারা অভিনীত হইবার জন্য সৃষ্ট<noinclude>{{কেন্দ্র|৮৩}}</noinclude> 6htmc8v0r4j8khwyvike66yi8tep2bs পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৮ 104 883462 1991496 1991105 2026-07-30T16:41:38Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991496 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>এবং বাগবাজারের সৌখীন দলের যাঁহারা সম্প্রতি "শর্মিষ্ঠা যাত্রা" করিয়াছিলেন, তাঁহাদিগের মধ্য হইতে অভিনেতা বাছাই করা হইল। নাটকের মধ্যে গানের প্রয়োজন হইলে গিরিশচন্দ্রকে অনুরোধ করা হইল। ইতিপূর্বে গিরিশচন্দ্র মেসার্স এ্যাটকিনসন টিল্টন এণ্ড কোম্পানীতে বুক-কিপারের কাজ করিবার সময় সাহিত্যিক এবং সংস্কৃতিবান লোক বলিয়া পরিগণিত হইয়াছিলেন। তিনি তৎকালীন প্রচলিত জনপ্রিয় হিন্দী গানের রীতি অনুসারে কয়েকটি বাঙলা গান লিখিয়া দিলেন এবং তখনকার রীতি অনুসারে একটি প্রস্তাবনাও লিখিয়া ফেলিলেন। তাহা মূল নাটকে ছিল না। {{ফাঁক}}এই সময়ে একজন নূতন অভিনেতার আগমন হওয়ায় বাগবাজার এমেচার কোম্পানীর শক্তি আরও বাড়িয়া গেল। তখনই তাঁহার প্রতিভা দেখিয়া মনে হইয়াছিল যে, ভবিষ্যতে বাঙলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে তিনি নাম রাখিয়া যাইবেন। তিনি হইতেছেন প্রসিদ্ধ নট অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি। নাটক ও নাট্যাভিনয় বিষয়ে তিনি এরূপ আগ্রহ প্রকাশ করিতেন যে, তাহাতে পরিচালক গিরিশচন্দ্র তাঁহাকে সধবার একাদশীর রিহার্সালে উপস্থিত হইতে অনুরোধ জানাইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুশেখরের এই উপস্থিতি গিরিশচন্দ্রের সহিত যে মিলন ঘটাইয়াছিল, তাহাতে এই দুই মনীষীর মধ্যে প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করিয়াছিল, এবং আজিকার দিনে বঙ্গ-রঙ্গমঞ্চের যে উন্নতি দেখা যাইতেছে, তাহার মূলে রহিয়াছে এই দুই জনের মিলুন। ইতিপূর্বে উভয়পক্ষীয় কয়েকজন বন্ধুর নিকট হইতে গিরিশচন্দ্র অর্ধেন্দর নাট্য-প্রতিভার কথা শুনিয়াছিলেন এবং শুনিয়াই সানন্দে তাঁহাকে দলভুক্ত করিয়াছিলেন। অর্ধেন্দু ছোট ছোট ভূমিকাগুলি শিখাইবার ভার লওয়ায়, গিরিশচন্দ্র দিনের বেলায় অফিস ও রাত্রিতে রিহার্সাল-এইরূপ কঠিন পরিশ্রম হইতে কিছুটা রেহাই পাইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুর অসাধারণ অভিনয় শক্তি শীঘ্রই সকলের দৃষ্টিগোচর হইল এবং অরুণচন্দ্র হালদার যিনি ‘কেনারামের’ ভূমিকা করিতেছিলেন, তিনি সানন্দে তাহা অর্ধেন্দুকে ছাড়িয়া দিলেন। {{ফাঁক}}তারপরে আসিল ১৮৬৯ সালের (১২৭৫ বঙ্গাব্দের) স্মরণীয় সপ্তমী পূজার দিন। সেদিন দীনবন্ধুর প্রথম সৃষ্ট নাটকের অভিনয় হইল এবং সেদিন যুবকগণের বহু দিনের মনের আশা ও আকাঙ্ক্ষা<noinclude>{{কেন্দ্র|৮২}}</noinclude> efki0f8saeyhb8nxituxdi7pivfe4uf 1991719 1991496 2026-07-31T04:03:43Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991719 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>এবং বাগবাজারের সৌখীন দলের যাঁহারা সম্প্রতি “শর্মিষ্ঠা যাত্রা” করিয়াছিলেন, তাঁহাদিগের মধ্য হইতে অভিনেতা বাছাই করা হইল। নাটকের মধ্যে গানের প্রয়োজন হইলে গিরিশচন্দ্রকে অনুরোধ করা হইল। ইতিপূর্বে গিরিশচন্দ্র মেসার্স এ্যাটকিনসন টিল্টন এণ্ড কোম্পানীতে বুক-কিপারের কাজ করিবার সময় সাহিত্যিক এবং সংস্কৃতিবান লোক বলিয়া পরিগণিত হইয়াছিলেন। তিনি তৎকালীন প্রচলিত জনপ্রিয় হিন্দী গানের রীতি অনুসারে কয়েকটি বাঙলা গান লিখিয়া দিলেন এবং তখনকার রীতি অনুসারে একটি প্রস্তাবনাও লিখিয়া ফেলিলেন। তাহা মূল নাটকে ছিল না। {{ফাঁক}}এই সময়ে একজন নূতন অভিনেতার আগমন হওয়ায় বাগবাজার এমেচার কোম্পানীর শক্তি আরও বাড়িয়া গেল। তখনই তাঁহার প্রতিভা দেখিয়া মনে হইয়াছিল যে, ভবিষ্যতে বাঙলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে তিনি নাম রাখিয়া যাইবেন। তিনি হইতেছেন প্রসিদ্ধ নট অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি। নাটক ও নাট্যাভিনয় বিষয়ে তিনি এরূপ আগ্রহ প্রকাশ করিতেন যে, তাহাতে পরিচালক গিরিশচন্দ্র তাঁহাকে সধবার একাদশীর রিহার্সালে উপস্থিত হইতে অনুরোধ জানাইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুশেখরের এই উপস্থিতি গিরিশচন্দ্রের সহিত যে মিলন ঘটাইয়াছিল, তাহাতে এই দুই মনীষীর মধ্যে প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করিয়াছিল, এবং আজিকার দিনে বঙ্গ-রঙ্গমঞ্চের যে উন্নতি দেখা যাইতেছে, তাহার মূলে রহিয়াছে এই দুই জনের মিলুন। ইতিপূর্বে উভয়পক্ষীয় কয়েকজন বন্ধুর নিকট হইতে গিরিশচন্দ্র অর্ধেন্দর নাট্য-প্রতিভার কথা শুনিয়াছিলেন এবং শুনিয়াই সানন্দে তাঁহাকে দলভুক্ত করিয়াছিলেন। অর্ধেন্দু ছোট ছোট ভূমিকাগুলি শিখাইবার ভার লওয়ায়, গিরিশচন্দ্র দিনের বেলায় অফিস ও রাত্রিতে রিহার্সাল-এইরূপ কঠিন পরিশ্রম হইতে কিছুটা রেহাই পাইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুর অসাধারণ অভিনয় শক্তি শীঘ্রই সকলের দৃষ্টিগোচর হইল এবং অরুণচন্দ্র হালদার যিনি ‘কেনারামের’ ভূমিকা করিতেছিলেন, তিনি সানন্দে তাহা অর্ধেন্দুকে ছাড়িয়া দিলেন। {{ফাঁক}}তারপরে আসিল ১৮৬৯ সালের (১২৭৫ বঙ্গাব্দের) স্মরণীয় সপ্তমী পূজার দিন। সেদিন দীনবন্ধুর প্রথম সৃষ্ট নাটকের অভিনয় হইল এবং সেদিন যুবকগণের বহু দিনের মনের আশা ও আকাঙ্ক্ষা<noinclude>{{কেন্দ্র|৮২}}</noinclude> fehycrkf3km1b5q3umt567i5026uop8 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৭ 104 883463 1991495 1991106 2026-07-30T16:41:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991495 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>দিকটা বাধাস্বরূপ হইয়া ওঠে। তথাপি এক্ষেত্রে নিরাশার গহ্বর হইতে আশার উৎস দেখা দিয়াছিল। গিরিশচন্দ্র নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ধর্ম’দাস সুর প্রভৃতি বন্ধ ও প্রতিবেশীদের সহিত পরামর্শ করিয়া স্থির করিয়াছিলেন যে, খরচের স্বল্পতার দিক দিয়া যাত্রা পার্টির স্থাপনা করা মন্দ নয় এবং তদনুযায়ী ১৮৬৭ সালে তাঁহারা বাগবাজারে একটি কোম্পানী সৃষ্টি করিয়া মধুসূদনের '''"শর্মিষ্ঠা"''' অভিনয়ের আয়োজন করিয়াছিলেন। কয়েকটি অতিরিক্ত গানের প্রয়োজন হওয়ায় প্রসিদ্ধ গীতকার প্রিয়মাধব মল্লিককে রচনা করিবার জন্য অনুরোধ করা হয়, কিন্তু তিনি কোন প্রকার উৎসাহ না দেখানোতে উদ্যোক্তারা নিজেদের শক্তির উপর নির্ভর করেন। কাজটি গিরিশচন্দ্রকে দেওয়া হয় এবং তিনি তাঁহার বন্ধু উমেশচন্দ্র চৌধুরীর সহযোগে প্রয়োজনীয় গানগুলি রচনা করিয়া ফেলেন। শর্মিষ্ঠার অভিনয় হয় এবং বাগবাজারে সে অভিনয়ের প্রশংসাও যথেষ্ট শোনা গিয়াছিল। ইতিমধ্যে গিরিশচন্দ্র থিয়েটার কোম্পানী স্থাপনার বিষয়ে তাঁহার মনোগত ইচ্ছার কথা ভুলিয়া যান নাই, যদিও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের অসম্ভব্যতা বিশেষভাবে তাঁহার মনকে আলোড়িত করিতেছিল। যাহা হৌক, একটি সুন্দর সুযোগ শীঘ্রই তাঁহার নিকট উপস্থিত হইয়াছিল। এই সময়ে দীনবন্ধু মিত্র তাঁহার '''"সধবার একাদশীর"''' অভিনয় করাইয়াছিলেন এবং সেই অভিনয় অভূতপূর্ব-ভাবে লোকপ্রিয় হইয়াছিল এবং লোকের মুখে মুখে তাহার আলোচনা চলিতেছিল। বাঙলার তরুণদের মুখে তখন ‘নিমচাঁদের’ অজস্র প্রশংসা শোনা যাইতেছিল। গিরিশচন্দ্র দূরদৃষ্টির বলে তখনই অল্প ব্যয়ে এই নাটকের অভিনয়ের কথা ভাবিয়াছিলেন। ব্যয়বহুল অভিনয় করিবার ক্ষমতা তখন তাহাদের ছিল না। এই নাটক সামাজিক বিষয়ের হওয়ায়, উদ্যোক্তারা এতদিন পর্যন্ত যে বিপদের সম্মুখীন হইয়াছিলেন, তাহা অনেকটা কাটিয়া গেল। পোশাক-পরিচ্ছদ বিষয়ে কোন খরচ ছিল না, কারণ ইহাতে বাঙালী ঘরের সাধারণ পরিচ্ছদের দ্বারা অভিনয় করা চলিবে। দৃশ্যপট বিষয়ে গিরিশচন্দ্র বলিয়াছিলেন যে, তাহা মোটামুটি সহজভাবে রচনা করা হইবে। এই প্রস্তাব সুন্দর মনে হওয়ায় তরুণেরা তৎক্ষণাৎ কাজে লাগিয়া গিয়াছিলেন। বাগবাজারের হরলাল মিত্রের লেনে অরুণচন্দ্র হালদারের গৃহে রিহার্সাল আরম্ভ হইয়া গেল<noinclude>{{কেন্দ্র|৮১}}</noinclude> k9n6pnckbaq5vwvuj0yq10jvtt933nw 1992361 1991495 2026-07-31T05:16:44Z Bodhisattwa 2549 1992361 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>দিকটা বাধাস্বরূপ হইয়া ওঠে। তথাপি এক্ষেত্রে নিরাশার গহ্বর হইতে আশার উৎস দেখা দিয়াছিল। গিরিশচন্দ্র নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ধর্ম’দাস সুর প্রভৃতি বন্ধ ও প্রতিবেশীদের সহিত পরামর্শ করিয়া স্থির করিয়াছিলেন যে, খরচের স্বল্পতার দিক দিয়া যাত্রা পার্টির স্থাপনা করা মন্দ নয় এবং তদনুযায়ী ১৮৬৭ সালে তাঁহারা বাগবাজারে একটি কোম্পানী সৃষ্টি করিয়া মধুসূদনের '''“শর্মিষ্ঠা”''' অভিনয়ের আয়োজন করিয়াছিলেন। কয়েকটি অতিরিক্ত গানের প্রয়োজন হওয়ায় প্রসিদ্ধ গীতকার প্রিয়মাধব মল্লিককে রচনা করিবার জন্য অনুরোধ করা হয়, কিন্তু তিনি কোন প্রকার উৎসাহ না দেখানোতে উদ্যোক্তারা নিজেদের শক্তির উপর নির্ভর করেন। কাজটি গিরিশচন্দ্রকে দেওয়া হয় এবং তিনি তাঁহার বন্ধু উমেশচন্দ্র চৌধুরীর সহযোগে প্রয়োজনীয় গানগুলি রচনা করিয়া ফেলেন। শর্মিষ্ঠার অভিনয় হয় এবং বাগবাজারে সে অভিনয়ের প্রশংসাও যথেষ্ট শোনা গিয়াছিল। ইতিমধ্যে গিরিশচন্দ্র থিয়েটার কোম্পানী স্থাপনার বিষয়ে তাঁহার মনোগত ইচ্ছার কথা ভুলিয়া যান নাই, যদিও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের অসম্ভব্যতা বিশেষভাবে তাঁহার মনকে আলোড়িত করিতেছিল। যাহা হৌক, একটি সুন্দর সুযোগ শীঘ্রই তাঁহার নিকট উপস্থিত হইয়াছিল। এই সময়ে দীনবন্ধু মিত্র তাঁহার '''“সধবার একাদশীর”''' অভিনয় করাইয়াছিলেন এবং সেই অভিনয় অভূতপূর্ব-ভাবে লোকপ্রিয় হইয়াছিল এবং লোকের মুখে মুখে তাহার আলোচনা চলিতেছিল। বাঙলার তরুণদের মুখে তখন ‘নিমচাঁদের’ অজস্র প্রশংসা শোনা যাইতেছিল। গিরিশচন্দ্র দূরদৃষ্টির বলে তখনই অল্প ব্যয়ে এই নাটকের অভিনয়ের কথা ভাবিয়াছিলেন। ব্যয়বহুল অভিনয় করিবার ক্ষমতা তখন তাহাদের ছিল না। এই নাটক সামাজিক বিষয়ের হওয়ায়, উদ্যোক্তারা এতদিন পর্যন্ত যে বিপদের সম্মুখীন হইয়াছিলেন, তাহা অনেকটা কাটিয়া গেল। পোশাক-পরিচ্ছদ বিষয়ে কোন খরচ ছিল না, কারণ ইহাতে বাঙালী ঘরের সাধারণ পরিচ্ছদের দ্বারা অভিনয় করা চলিবে। দৃশ্যপট বিষয়ে গিরিশচন্দ্র বলিয়াছিলেন যে, তাহা মোটামুটি সহজভাবে রচনা করা হইবে। এই প্রস্তাব সুন্দর মনে হওয়ায় তরুণেরা তৎক্ষণাৎ কাজে লাগিয়া গিয়াছিলেন। বাগবাজারের হরলাল মিত্রের লেনে অরুণচন্দ্র হালদারের গৃহে রিহার্সাল আরম্ভ হইয়া গেল<noinclude>{{কেন্দ্র|৮১}}</noinclude> pb1dolnb1enkkv8stji43p9kt825vic পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৬ 104 883464 1992360 1991107 2026-07-31T05:15:40Z Bodhisattwa 2549 1992360 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অভিনেতা প্রতাপচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বসুগণ, প্রতি শনিবারে যে অভিনয় হইত তাহার সকল ব্যয় এবং ছয় বৎসর ধরিয়া প্রতি সপ্তাহে বিশেষ বিশেষ অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য যে ব্যয় হইত, তাহা বহন করিতেন। ইহার পরে অর্থের অভাবে এখানকার অভিনয় বন্ধ হইয়া যায়। এই বহুবাজার থিয়েটারে মনোমোহন বসুর '''“রামের রাজ্যাভিষেক”''', '''“সতী”''' এবং '''“হরিশ্চন্দ্র”''' অভিনীত হয়। সংগীত, দৃশ্যপটাদি, বাচন-ভঙ্গী, ঐকতান এবং সাধারণ পরিচালনা বিষয়ে অভিনয় এত সুসংগত হইত যে, তাহার খ্যাতি সহরের সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িয়াছিল এবং ভারতীয় ও ইউরোপীয় সকল দর্শকই একবাক্যে উহার প্রশংসা করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}১৮৩১ সালের প্রথম বাঙলা নাটকের অভিনয়কাল হইতে এ পর্যন্ত আমরা যত নাটক অভিনীত হইবার সংবাদ পাইয়াছি, তাহার সংখ্যা ও মূল্য কম নয়। এ কথা স্বীকার করিতে হইবে যে, বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিরা যে অভিনয়ের আয়োজন করিয়াছিলেন, তাঁহাদিগের কৃতিত্ব স্বল্প নয়; কিন্তু তাঁহারা যে জনসাধারণের আমোদ-প্রমোদের জন্য উৎসুক ছিলেন, সে-কথা বলা যায় না। যদিও এমন এক সময় ছিল, যখন ঠাকুর পরিবারের মধ্যে নিজেদের অভিনয়কে ক্রমশঃ জনপ্রিয় করিবার জন্য বিনামূল্যে টিকিট বিতরণ করিবার ইচ্ছা জাগিয়াছিল। কিন্তু মনে রাখিতে হইবে, যাহারা ধনী এবং পদস্থ ব্যক্তি তাঁহাদিগকেই সাধারণতঃ বিনামূল্যের টিকিটে আমন্ত্রণ জানানো হইত। যাহা হৌক, বিনামূল্যের টিকিট সাধারণ লোকের জন্য ছিল না এবং তাহারা নাট্যশিল্পের প্রতি যতই অনুরাগী হৌক না কেন, তাহাদিগকে নিরাশ হইতে হইত। কিন্তু এখান হইতেই একদল তরুণ উদ্যোক্তার মনে এই চিন্তা জাগিল যে, জনসাধারণের আনন্দের জন্য একটি রঙ্গালয়ের প্রতিষ্ঠা করিতে হইবে। {{ফাঁক}}ঠাকুর-পরিবারের অভিনয় উপলক্ষে বিনামূল্যের টিকিট সংগ্রহের যে বাধা এবং প্রবেশের যে কঠিন নিয়ম ছিল, তাহা দেখিয়া একজন দর্শকের মনে হইয়াছিল যে, ঠাকুর-পরিবারের এই রক্ষণশীল নিয়মের বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা করিতে হইবে এবং পদমর্যাদা এবং জাতিবর্ণের ভেদাভেদের দিকে না তাকাইয়া নাট্যাভিনয়কে সকলের পক্ষে সহজ করিতে হইবে। এই দর্শকটি আর কেহ নন, তিনি হইতেছেন তরুণ গিরিশচন্দ্র ঘোষ। ধনীর সাহায্য ব্যতীত কোন পরিকল্পনা করিতে গেলে, খরচের<noinclude>{{কেন্দ্র|৮০}}</noinclude> 5wwgd9tkunkn61t39ls8t1go68oj009 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৫ 104 883465 1991494 1991110 2026-07-30T16:41:37Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991494 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}(৪) ২রা নভেম্বর হরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের কয়লাহাটার বাড়িতে (রতন সরকার গার্ডেন পাটি, জোড়াসাঁকো) ভোলানাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা প্রহসন '''কিছু কিছু বুঝি''' অভিনীত হয়। ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় নাটক এবং যাত্রা, পাঁচালী ও তর্জার গান লেখায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন। এই প্রহসন-খানি তিনি লিখিয়াছিলেন যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের প্রহসন ‘বুঝলে কি'-র প্রত্যুত্তরে। এই অভিনয় বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য যে, ইহাতে ভবিষ্যৎ সাধারণ রঙ্গমঞ্চের দুইজন নেতা-অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি এবং ধর্ম’দাস সূর প্রথম নাট্য-পরিচালনা ব্যাপারে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুশেখর নাটা-শিক্ষকের কার্য’ করিয়াছিলেন এবং তদতিরিক্ত ‘দন্তবক্র', ‘মুরাদ আলি’ এবং ‘চন্দনবিলাসে’র চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন। পরবর্তী কালের বিখ্যাত স্টেজ-ম্যানেজার ধর্ম’দাস সূর রঙ্গমঞ্চ তৈরি করিয়াছিলেন এবং ‘চন্দনবিলাসে’র ভূমিকা অভিনয় করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৮'''-এই সময়ে যদুনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে (রাজবল্লভপাড়া, বাগবাজার) '''রত্নাবলীর''' পুনরাভিনয় হয় এবং প্রিয়মাধব বসু-মল্লিকের লেখা একখানি প্রহসন অভিনীত হয়। এ-খানি '''কিছু কিছু বুঝি-র''' বিরুদ্ধে বিষোঙ্গার। {{ফাঁক}}তখনকার দিনে এই সব আমোদ-প্রমোদ জনসাধারণের মনকে আকর্ষণ করিয়াছিল এবং ইহার প্রভাব কলিকাতার সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িয়াছিল। কলিকাতার চোরবাগান, বহুবাজার এবং সহরতলীর ভবানীপুর ও শিবপুর-এই সব স্থানে নাট্যাভিনয় লইয়া প্রতিযোগিতা চলিত। কলিকাতার গণ্ডী ছাড়াইয়া ক্রমে চু’চূড়া এবং মফঃস্বলের সহরেও যে নাট্যাভিনয় ছড়াইয়া পড়িয়াছিল, তাহার প্রমাণও যথেষ্ট পাওয়া যায়। ১৮৬৮ সালে যে সকল নাটা-সংঘ গড়িয়া উঠিয়াছিল তাহাদিগের মধ্যে বহুবাজারে অবস্থিত "বহুবাজার অবৈতনিক নাটা-সমাজ" সবিশেষ খ্যাত। এই প্রতিষ্ঠান রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসের অগ্রগতিতে কম সাহায্য করে নাই। কারণ এখানে বহুবাজারের বসুগণ যে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চের সূচনা করেন, তাহাতে মনোমোহন বসুর লেখা নাটকগুলি অভিনীত হইবার সুযোগ পাইয়াছিল। নিকটবর্তী’ ধর-পরিবারের সহিত একযোগে বসু-পরিবারের মতিলাল বসু ও চুণীলাল বসু নাট্যাভিনয়ে অগ্রসর হইয়াছিলেন। তাঁহাদিগের নেতৃত্ব করিয়াছিলেন অক্লান্তকর্মী এবং<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৯}}</noinclude> ii7h0aiu0ghut56tg7giy91uvzxl2h8 1991718 1991494 2026-07-31T04:03:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991718 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}(৪) ২রা নভেম্বর হরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের কয়লাহাটার বাড়িতে (রতন সরকার গার্ডেন পাটি, জোড়াসাঁকো) ভোলানাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা প্রহসন '''কিছু কিছু বুঝি''' অভিনীত হয়। ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় নাটক এবং যাত্রা, পাঁচালী ও তর্জার গান লেখায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন। এই প্রহসন-খানি তিনি লিখিয়াছিলেন যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের প্রহসন ‘বুঝলে কি’—র প্রত্যুত্তরে। এই অভিনয় বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য যে, ইহাতে ভবিষ্যৎ সাধারণ রঙ্গমঞ্চের দুইজন নেতা-অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি এবং ধর্ম’দাস সূর প্রথম নাট্য-পরিচালনা ব্যাপারে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুশেখর নাটা-শিক্ষকের কার্য’ করিয়াছিলেন এবং তদতিরিক্ত ‘দন্তবক্র’, ‘মুরাদ আলি’ এবং ‘চন্দনবিলাসে’র চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন। পরবর্তী কালের বিখ্যাত স্টেজ-ম্যানেজার ধর্ম’দাস সূর রঙ্গমঞ্চ তৈরি করিয়াছিলেন এবং ‘চন্দনবিলাসে’র ভূমিকা অভিনয় করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৮'''-এই সময়ে যদুনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে (রাজবল্লভপাড়া, বাগবাজার) '''রত্নাবলীর''' পুনরাভিনয় হয় এবং প্রিয়মাধব বসু-মল্লিকের লেখা একখানি প্রহসন অভিনীত হয়। এ-খানি '''কিছু কিছু বুঝি-র''' বিরুদ্ধে বিষোঙ্গার। {{ফাঁক}}তখনকার দিনে এই সব আমোদ-প্রমোদ জনসাধারণের মনকে আকর্ষণ করিয়াছিল এবং ইহার প্রভাব কলিকাতার সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িয়াছিল। কলিকাতার চোরবাগান, বহুবাজার এবং সহরতলীর ভবানীপুর ও শিবপুর-এই সব স্থানে নাট্যাভিনয় লইয়া প্রতিযোগিতা চলিত। কলিকাতার গণ্ডী ছাড়াইয়া ক্রমে চু’চূড়া এবং মফঃস্বলের সহরেও যে নাট্যাভিনয় ছড়াইয়া পড়িয়াছিল, তাহার প্রমাণও যথেষ্ট পাওয়া যায়। ১৮৬৮ সালে যে সকল নাটা-সংঘ গড়িয়া উঠিয়াছিল তাহাদিগের মধ্যে বহুবাজারে অবস্থিত “বহুবাজার অবৈতনিক নাটা-সমাজ” সবিশেষ খ্যাত। এই প্রতিষ্ঠান রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসের অগ্রগতিতে কম সাহায্য করে নাই। কারণ এখানে বহুবাজারের বসুগণ যে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চের সূচনা করেন, তাহাতে মনোমোহন বসুর লেখা নাটকগুলি অভিনীত হইবার সুযোগ পাইয়াছিল। নিকটবর্তী’ ধর-পরিবারের সহিত একযোগে বসু-পরিবারের মতিলাল বসু ও চুণীলাল বসু নাট্যাভিনয়ে অগ্রসর হইয়াছিলেন। তাঁহাদিগের নেতৃত্ব করিয়াছিলেন অক্লান্তকর্মী এবং<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৯}}</noinclude> 0sv1ne8zsl15h7o6mlkw9dvup4kdjkr 1992359 1991718 2026-07-31T05:14:33Z Bodhisattwa 2549 1992359 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}(৪) ২রা নভেম্বর হরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের কয়লাহাটার বাড়িতে (রতন সরকার গার্ডেন পাটি, জোড়াসাঁকো) ভোলানাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা প্রহসন '''কিছু কিছু বুঝি''' অভিনীত হয়। ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় নাটক এবং যাত্রা, পাঁচালী ও তর্জার গান লেখায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন। এই প্রহসন-খানি তিনি লিখিয়াছিলেন যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের প্রহসন ‘বুঝলে কি’—র প্রত্যুত্তরে। এই অভিনয় বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য যে, ইহাতে ভবিষ্যৎ সাধারণ রঙ্গমঞ্চের দুইজন নেতা-অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি এবং ধর্ম’দাস সূর প্রথম নাট্য-পরিচালনা ব্যাপারে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন। অর্ধেন্দুশেখর নাটা-শিক্ষকের কার্য’ করিয়াছিলেন এবং তদতিরিক্ত ‘দন্তবক্র’, ‘মুরাদ আলি’ এবং ‘চন্দনবিলাসে’র চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন। পরবর্তী কালের বিখ্যাত স্টেজ-ম্যানেজার ধর্ম’দাস সূর রঙ্গমঞ্চ তৈরি করিয়াছিলেন এবং ‘চন্দনবিলাসে’র ভূমিকা অভিনয় করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৮'''—এই সময়ে যদুনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে (রাজবল্লভপাড়া, বাগবাজার) '''রত্নাবলীর''' পুনরাভিনয় হয় এবং প্রিয়মাধব বসু-মল্লিকের লেখা একখানি প্রহসন অভিনীত হয়। এ-খানি '''কিছু কিছু বুঝি-র''' বিরুদ্ধে বিষোঙ্গার। {{ফাঁক}}তখনকার দিনে এই সব আমোদ-প্রমোদ জনসাধারণের মনকে আকর্ষণ করিয়াছিল এবং ইহার প্রভাব কলিকাতার সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িয়াছিল। কলিকাতার চোরবাগান, বহুবাজার এবং সহরতলীর ভবানীপুর ও শিবপুর-এই সব স্থানে নাট্যাভিনয় লইয়া প্রতিযোগিতা চলিত। কলিকাতার গণ্ডী ছাড়াইয়া ক্রমে চু’চূড়া এবং মফঃস্বলের সহরেও যে নাট্যাভিনয় ছড়াইয়া পড়িয়াছিল, তাহার প্রমাণও যথেষ্ট পাওয়া যায়। ১৮৬৮ সালে যে সকল নাটা-সংঘ গড়িয়া উঠিয়াছিল তাহাদিগের মধ্যে বহুবাজারে অবস্থিত “বহুবাজার অবৈতনিক নাটা-সমাজ” সবিশেষ খ্যাত। এই প্রতিষ্ঠান রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসের অগ্রগতিতে কম সাহায্য করে নাই। কারণ এখানে বহুবাজারের বসুগণ যে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চের সূচনা করেন, তাহাতে মনোমোহন বসুর লেখা নাটকগুলি অভিনীত হইবার সুযোগ পাইয়াছিল। নিকটবর্তী’ ধর-পরিবারের সহিত একযোগে বসু-পরিবারের মতিলাল বসু ও চুণীলাল বসু নাট্যাভিনয়ে অগ্রসর হইয়াছিলেন। তাঁহাদিগের নেতৃত্ব করিয়াছিলেন অক্লান্তকর্মী এবং<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৯}}</noinclude> k3awsl69ik49zrphw5lyj3ha6sb9hc5 পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৪ 104 883466 1991414 1991111 2026-07-30T16:33:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991414 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>মহেশতলা গ্রামের গিরিশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ইন্দুপ্রভা নাটক এই সম্প্রদায় কর্তৃক অন্ততঃ পরপর সাতবার অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}'''১৮৬৫'''-যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উৎসাহে পাথুরিয়াঘাটা রাজবাড়িতে '''মালবিকাগ্নি মিত্র''' নাটকের অভিনয় হয়। যতীন্দ্রমোহনের গৃহে তাঁহার নিজস্ব একটি নাট্যশালা ছিল, সেখানে মাঝে মাঝে তাঁহার নিজের লেখা নাটক -'''যেমন কর্ম তেমনি ফল, বিদ্যাসুন্দর, মালতীমাধব, উভয়সংকট, চক্ষুদান, বুঝলে কি, রুক্মিণী হরণ''' প্রভৃতি অভিনীত হইত। এই সকল অভিনয়ে বিনামূল্যে টিকিট বিতরণ করা হইত। যাহারা রাজবাড়ির গেটে টিকিট দেখাইতে পারিত না, তাহারা দরওয়ানদের দ্বারা অপমানিত হইয়া গৃহে ফিরিয়া যাইত। {{ফাঁক}}'''১৮৬৬'''-(১) বৈশাখ মাসে এই নাটকগুলি অভিনীত হইয়াছিল-'''মহাশ্বেতা, শকুন্তলা,''' মধুসূদনের '''বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ,''' নিমাইচরণ শীলের '''চন্দ্রাবলী''' এবং একখানি প্রহসন-'''এরাই আবার বড়লোক।''' {{ফাঁক}}(২) চৈত্র মাসে নীলমণি মিত্রের বাড়িতে (স্যার রমেশচন্দ্র মিত্রের পৈতৃক বাস-ভবনে) উমেশচন্দ্র মিত্রের লেখা '''সীতার বনবাস''' অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' অভিনীত হয় শিমুলিয়ায় (শাড়ীপাড়া)। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনেতাদের শিক্ষা দিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৭'''-(১) ১২ই ফেব্রুয়ারি শোভাবাজার রাজবাটীতে মধুসূদনের '''কৃষ্ণকুমারী''' নাটকের অভিনয় হয়। দর্শকদের মধ্যে বাঙলা রঙ্গমন্ডের জনক গিরিশচন্দ্র ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন তেইশ বৎসরের যুবক। নায়ক ভীমসিংহের চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। ছয় বৎসর পরে গিরিশচন্দ্র এই ভূমিকা অভিনয় করিয়া বিহারীলালের খ্যাতিকে স্নান করিয়া অপূর্ব সার্থকতা লাভ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) বহু বিবাহের বিরুদ্ধে লেখা রামনারায়ণ তর্করত্নের '''নব নাটক''' ৬ই জানুয়ারি দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র গিরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে "জোড়াসাঁকো নাট্য-সমাজে" অভিনীত হয়। এই নাটকথানি লিখিয়া রামনারায়ণ পুরস্কার পাইয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' নাটকের দ্বিতীয় অভিনয় হয় ৩০৯নং আপার চিৎপুর রোডস্থিত বিখ্যাত জয়চাঁদ মিত্রের পুত্র পাঁচকড়ি মিত্রের বাড়িতে। সেখানে নাট্য-শিক্ষক ছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী এবং সংগীত-শিক্ষক ছিলেন প্রসিদ্ধ সংগীতজ্ঞ জওলাপ্রসাদ এবং নিতাই চক্রবর্তী।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৮}}</noinclude> qbgdl895bmila83d7rjjyycjtbnyh8t 1991493 1991414 2026-07-30T16:41:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991493 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>মহেশতলা গ্রামের গিরিশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ইন্দুপ্রভা নাটক এই সম্প্রদায় কর্তৃক অন্ততঃ পরপর সাতবার অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}'''১৮৬৫'''-যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উৎসাহে পাথুরিয়াঘাটা রাজবাড়িতে '''মালবিকাগ্নি মিত্র''' নাটকের অভিনয় হয়। যতীন্দ্রমোহনের গৃহে তাঁহার নিজস্ব একটি নাট্যশালা ছিল, সেখানে মাঝে মাঝে তাঁহার নিজের লেখা নাটক -'''যেমন কর্ম তেমনি ফল, বিদ্যাসুন্দর, মালতীমাধব, উভয়সংকট, চক্ষুদান, বুঝলে কি, রুক্মিণী হরণ''' প্রভৃতি অভিনীত হইত। এই সকল অভিনয়ে বিনামূল্যে টিকিট বিতরণ করা হইত। যাহারা রাজবাড়ির গেটে টিকিট দেখাইতে পারিত না, তাহারা দরওয়ানদের দ্বারা অপমানিত হইয়া গৃহে ফিরিয়া যাইত। {{ফাঁক}}'''১৮৬৬'''-(১) বৈশাখ মাসে এই নাটকগুলি অভিনীত হইয়াছিল-'''মহাশ্বেতা, শকুন্তলা,''' মধুসূদনের '''বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ,''' নিমাইচরণ শীলের '''চন্দ্রাবলী''' এবং একখানি প্রহসন-'''এরাই আবার বড়লোক।''' {{ফাঁক}}(২) চৈত্র মাসে নীলমণি মিত্রের বাড়িতে (স্যার রমেশচন্দ্র মিত্রের পৈতৃক বাস-ভবনে) উমেশচন্দ্র মিত্রের লেখা '''সীতার বনবাস''' অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' অভিনীত হয় শিমুলিয়ায় (শাড়ীপাড়া)। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনেতাদের শিক্ষা দিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৭'''-(১) ১২ই ফেব্রুয়ারি শোভাবাজার রাজবাটীতে মধুসূদনের '''কৃষ্ণকুমারী''' নাটকের অভিনয় হয়। দর্শকদের মধ্যে বাঙলা রঙ্গমণ্ডের জনক গিরিশচন্দ্র ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন তেইশ বৎসরের যুবক। নায়ক ভীমসিংহের চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। ছয় বৎসর পরে গিরিশচন্দ্র এই ভূমিকা অভিনয় করিয়া বিহারীলালের খ্যাতিকে স্নান করিয়া অপূর্ব সার্থকতা লাভ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) বহু বিবাহের বিরুদ্ধে লেখা রামনারায়ণ তর্করত্নের '''নব নাটক''' ৬ই জানুয়ারি দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র গিরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে "জোড়াসাঁকো নাট্য-সমাজে" অভিনীত হয়। এই নাটকথানি লিখিয়া রামনারায়ণ পুরস্কার পাইয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' নাটকের দ্বিতীয় অভিনয় হয় ৩০৯নং আপার চিৎপুর রোডস্থিত বিখ্যাত জয়চাঁদ মিত্রের পুত্র পাঁচকড়ি মিত্রের বাড়িতে। সেখানে নাট্য-শিক্ষক ছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী এবং সংগীত-শিক্ষক ছিলেন প্রসিদ্ধ সংগীতজ্ঞ জওলাপ্রসাদ এবং নিতাই চক্রবর্তী।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৮}}</noinclude> i7qzxr9w5edr1kmjjr8ngno42y6456k 1991717 1991493 2026-07-31T04:03:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991717 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>মহেশতলা গ্রামের গিরিশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ইন্দুপ্রভা নাটক এই সম্প্রদায় কর্তৃক অন্ততঃ পরপর সাতবার অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}'''১৮৬৫'''-যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উৎসাহে পাথুরিয়াঘাটা রাজবাড়িতে '''মালবিকাগ্নি মিত্র''' নাটকের অভিনয় হয়। যতীন্দ্রমোহনের গৃহে তাঁহার নিজস্ব একটি নাট্যশালা ছিল, সেখানে মাঝে মাঝে তাঁহার নিজের লেখা নাটক -'''যেমন কর্ম তেমনি ফল, বিদ্যাসুন্দর, মালতীমাধব, উভয়সংকট, চক্ষুদান, বুঝলে কি, রুক্মিণী হরণ''' প্রভৃতি অভিনীত হইত। এই সকল অভিনয়ে বিনামূল্যে টিকিট বিতরণ করা হইত। যাহারা রাজবাড়ির গেটে টিকিট দেখাইতে পারিত না, তাহারা দরওয়ানদের দ্বারা অপমানিত হইয়া গৃহে ফিরিয়া যাইত। {{ফাঁক}}'''১৮৬৬'''-(১) বৈশাখ মাসে এই নাটকগুলি অভিনীত হইয়াছিল-'''মহাশ্বেতা, শকুন্তলা,''' মধুসূদনের '''বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ,''' নিমাইচরণ শীলের '''চন্দ্রাবলী''' এবং একখানি প্রহসন-'''এরাই আবার বড়লোক।''' {{ফাঁক}}(২) চৈত্র মাসে নীলমণি মিত্রের বাড়িতে (স্যার রমেশচন্দ্র মিত্রের পৈতৃক বাস-ভবনে) উমেশচন্দ্র মিত্রের লেখা '''সীতার বনবাস''' অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' অভিনীত হয় শিমুলিয়ায় (শাড়ীপাড়া)। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনেতাদের শিক্ষা দিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৭'''-(১) ১২ই ফেব্রুয়ারি শোভাবাজার রাজবাটীতে মধুসূদনের '''কৃষ্ণকুমারী''' নাটকের অভিনয় হয়। দর্শকদের মধ্যে বাঙলা রঙ্গমণ্ডের জনক গিরিশচন্দ্র ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন তেইশ বৎসরের যুবক। নায়ক ভীমসিংহের চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। ছয় বৎসর পরে গিরিশচন্দ্র এই ভূমিকা অভিনয় করিয়া বিহারীলালের খ্যাতিকে স্নান করিয়া অপূর্ব সার্থকতা লাভ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) বহু বিবাহের বিরুদ্ধে লেখা রামনারায়ণ তর্করত্নের '''নব নাটক''' ৬ই জানুয়ারি দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র গিরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে “জোড়াসাঁকো নাট্য-সমাজে” অভিনীত হয়। এই নাটকথানি লিখিয়া রামনারায়ণ পুরস্কার পাইয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' নাটকের দ্বিতীয় অভিনয় হয় ৩০৯নং আপার চিৎপুর রোডস্থিত বিখ্যাত জয়চাঁদ মিত্রের পুত্র পাঁচকড়ি মিত্রের বাড়িতে। সেখানে নাট্য-শিক্ষক ছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী এবং সংগীত-শিক্ষক ছিলেন প্রসিদ্ধ সংগীতজ্ঞ জওলাপ্রসাদ এবং নিতাই চক্রবর্তী।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৮}}</noinclude> 98ttwfnm202e230fuwmyfxenbzv9vbv 1992358 1991717 2026-07-31T05:14:12Z Bodhisattwa 2549 1992358 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>মহেশতলা গ্রামের গিরিশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ইন্দুপ্রভা নাটক এই সম্প্রদায় কর্তৃক অন্ততঃ পরপর সাতবার অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}'''১৮৬৫'''—যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উৎসাহে পাথুরিয়াঘাটা রাজবাড়িতে '''মালবিকাগ্নি মিত্র''' নাটকের অভিনয় হয়। যতীন্দ্রমোহনের গৃহে তাঁহার নিজস্ব একটি নাট্যশালা ছিল, সেখানে মাঝে মাঝে তাঁহার নিজের লেখা নাটক -'''যেমন কর্ম তেমনি ফল, বিদ্যাসুন্দর, মালতীমাধব, উভয়সংকট, চক্ষুদান, বুঝলে কি, রুক্মিণী হরণ''' প্রভৃতি অভিনীত হইত। এই সকল অভিনয়ে বিনামূল্যে টিকিট বিতরণ করা হইত। যাহারা রাজবাড়ির গেটে টিকিট দেখাইতে পারিত না, তাহারা দরওয়ানদের দ্বারা অপমানিত হইয়া গৃহে ফিরিয়া যাইত। {{ফাঁক}}'''১৮৬৬'''—(১) বৈশাখ মাসে এই নাটকগুলি অভিনীত হইয়াছিল—'''মহাশ্বেতা, শকুন্তলা,''' মধুসূদনের '''বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ,''' নিমাইচরণ শীলের '''চন্দ্রাবলী''' এবং একখানি প্রহসন-'''এরাই আবার বড়লোক।''' {{ফাঁক}}(২) চৈত্র মাসে নীলমণি মিত্রের বাড়িতে (স্যার রমেশচন্দ্র মিত্রের পৈতৃক বাস-ভবনে) উমেশচন্দ্র মিত্রের লেখা '''সীতার বনবাস''' অভিনীত হয়। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' অভিনীত হয় শিমুলিয়ায় (শাড়ীপাড়া)। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বাঙলার সাধারণ রঙ্গমঞ্চের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনেতাদের শিক্ষা দিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৬৭'''—(১) ১২ই ফেব্রুয়ারি শোভাবাজার রাজবাটীতে মধুসূদনের '''কৃষ্ণকুমারী''' নাটকের অভিনয় হয়। দর্শকদের মধ্যে বাঙলা রঙ্গমণ্ডের জনক গিরিশচন্দ্র ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন তেইশ বৎসরের যুবক। নায়ক ভীমসিংহের চরিত্র অভিনয় করিয়াছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। ছয় বৎসর পরে গিরিশচন্দ্র এই ভূমিকা অভিনয় করিয়া বিহারীলালের খ্যাতিকে স্নান করিয়া অপূর্ব সার্থকতা লাভ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) বহু বিবাহের বিরুদ্ধে লেখা রামনারায়ণ তর্করত্নের '''নব নাটক''' ৬ই জানুয়ারি দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র গিরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে “জোড়াসাঁকো নাট্য-সমাজে” অভিনীত হয়। এই নাটকথানি লিখিয়া রামনারায়ণ পুরস্কার পাইয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(৩) মধুসূদনের '''পদ্মাবতী''' নাটকের দ্বিতীয় অভিনয় হয় ৩০৯নং আপার চিৎপুর রোডস্থিত বিখ্যাত জয়চাঁদ মিত্রের পুত্র পাঁচকড়ি মিত্রের বাড়িতে। সেখানে নাট্য-শিক্ষক ছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী এবং সংগীত-শিক্ষক ছিলেন প্রসিদ্ধ সংগীতজ্ঞ জওলাপ্রসাদ এবং নিতাই চক্রবর্তী। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৮}}</noinclude> 7gk6jmyqw43s6yx31fs7sztwcuwlr1b পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮৩ 104 883467 1991413 1991113 2026-07-30T16:33:24Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991413 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}'''১৮৫৯'''-(১) সেপ্টেম্বর মাসে মধুসূদনের '''শর্মিষ্ঠা''' নাটকের প্রথম অভিনয় হয় বেলগাছিয়া থিয়েটারে। রত্নাবলীর ন্যায় এ নাটকের অভিনয় অতি ধুমধামের সহিত সম্পন্ন হয় এবং রত্নাবলীর ন্যায় নাট্যকার নিজেই এ নাটকের একটি ইংরাজি অনুবাদ করেন। ইংরাজি নাটকের অনুসরণে এ নাটকের আংগিক রচনা করা হয় এবং শিক্ষিত লোকেরা ইহাকে সমাদরে গ্রহণ করেন; কিন্তু একদল প্রাচীনপন্থী পণ্ডিত ইহার বিরোধী ছিলেন। শর্মিষ্ঠা প্রকাশের পর রামনারায়ণের খ্যাতি মধুসুদনে আরোপিত হইয়াছিল। তখন লোকে সংস্কৃত অনুবাদের সাহায্যে নাট্যাভিনয় দর্শনে ক্লান্তি বোধ করিতে-ছিল। তাই তাহারা সংস্কৃত নাটকের দাঁতভাঙ্গা শব্দাবলী ত্যাগ করিয়া সহজ প্রথায় লেখা ইংরাজি নাটকের আদর্শে গঠিত বাঙলা নাটকের পক্ষপাতী হইয়া উঠিতেছিল। {{ফাঁক}}(২) '''শকুন্তলার''' দ্বিতীয় অভিনয় হয় জনাই-এর বিখ্যাত জমিদার চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের আহিরীটোলার বাস-ভবনে। {{ফাঁক}}'''১৮৬০'''-সুপ্রসিদ্ধ কেশবচন্দ্র সেনের শিক্ষা ও পরিচালনায় বড়বাজার সিন্দুরিয়াপটিস্থিত গোপালচন্দ্র মল্লিকের গৃহে '''বিধবা-বিবাহ''' নাটকের অভিনয় হয়। ইহার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বেলগাছিয়া থিয়েটারের খ্যাতিকে নিষ্প্রভ করা এবং সেই কথা মনে রাখিয়া ইহার উদ্যোক্তারা বহু পরিশ্রম করিয়াছিলেন। একজন বিখ্যাত ইংরাজ চিত্রকরের দ্বারা দৃশ্যপট অঙ্কিত করানো হইয়াছিল এবং গান ও ঐকতান-বাদনের ভার সূযোগ্য বাক্তির উপর অর্পিত হইয়াছিল। 'বিশ্বকোষে'র মতে, ইহার অভিনয় বেলগাছিয়া থিয়েটার অপেক্ষা কোনক্রমেই ন্যূন হয় নাই এবং ইহাতে সর্বসমেত চার হাজার টাকা ব্যয় হইয়াছিল। {{ফাঁক}}'''১৮৬৪'''-(১) মধুসূদনের '''একেই কি বলে সভ্যতা''' রাজা দেবীকৃষ্ণ দেবের বাড়িতে প্রথম অভিনীত হয়। শোভাবাজারের রাজারা 'শোভাবাজার প্রাইভেট থিয়েট্রিক্যাল সোসাইটি' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। ইহা চমৎকারকৃষ্ণ ঘোষের বহি বাটীতে স্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান তিনটি অভিনয়ের আয়োজন করেন, তন্মধ্যে একটিতে কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় দর্শক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। {{ফাঁক}}(২) কালিদাস সান্যালের রচিত '''নলদময়ন্তী''' নাটক বাগবাজারের গোপাল-চন্দ্র চক্রবর্তী'র অধিনায়কত্বে অভিনীত হয়। অভিনেতাদের মধ্যে একজনের নাম গিরিশচন্দ্র ঘোষ। ইনি সুবিখ্যাত কবি ও নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ নন, ইনি "ল্যাদাড় গিরিশ" নামে পরিচিত ছিলেন। দুই বৎসর পরে চটা-<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৭}}</noinclude> 71l1rdbdsjgtn43map29zk12ulro9nd 1991492 1991413 2026-07-30T16:41:36Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991492 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}'''১৮৫৯'''-(১) সেপ্টেম্বর মাসে মধুসূদনের '''শর্মিষ্ঠা''' নাটকের প্রথম অভিনয় হয় বেলগাছিয়া থিয়েটারে। রত্নাবলীর ন্যায় এ নাটকের অভিনয় অতি ধুমধামের সহিত সম্পন্ন হয় এবং রত্নাবলীর ন্যায় নাট্যকার নিজেই এ নাটকের একটি ইংরাজি অনুবাদ করেন। ইংরাজি নাটকের অনুসরণে এ নাটকের আংগিক রচনা করা হয় এবং শিক্ষিত লোকেরা ইহাকে সমাদরে গ্রহণ করেন; কিন্তু একদল প্রাচীনপন্থী পণ্ডিত ইহার বিরোধী ছিলেন। শর্মিষ্ঠা প্রকাশের পর রামনারায়ণের খ্যাতি মধুসুদনে আরোপিত হইয়াছিল। তখন লোকে সংস্কৃত অনুবাদের সাহায্যে নাট্যাভিনয় দর্শনে ক্লান্তি বোধ করিতে-ছিল। তাই তাহারা সংস্কৃত নাটকের দাঁতভাঙ্গা শব্দাবলী ত্যাগ করিয়া সহজ প্রথায় লেখা ইংরাজি নাটকের আদর্শে গঠিত বাঙলা নাটকের পক্ষপাতী হইয়া উঠিতেছিল। {{ফাঁক}}(২) '''শকুন্তলার''' দ্বিতীয় অভিনয় হয় জনাই-এর বিখ্যাত জমিদার চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের আহিরীটোলার বাস-ভবনে। {{ফাঁক}}'''১৮৬০'''-সুপ্রসিদ্ধ কেশবচন্দ্র সেনের শিক্ষা ও পরিচালনায় বড়বাজার সিন্দুরিয়াপটিস্থিত গোপালচন্দ্র মল্লিকের গৃহে '''বিধবা-বিবাহ''' নাটকের অভিনয় হয়। ইহার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বেলগাছিয়া থিয়েটারের খ্যাতিকে নিষ্প্রভ করা এবং সেই কথা মনে রাখিয়া ইহার উদ্যোক্তারা বহু পরিশ্রম করিয়াছিলেন। একজন বিখ্যাত ইংরাজ চিত্রকরের দ্বারা দৃশ্যপট অঙ্কিত করানো হইয়াছিল এবং গান ও ঐকতান-বাদনের ভার সূযোগ্য বাক্তির উপর অর্পিত হইয়াছিল। ‘বিশ্বকোষে’র মতে, ইহার অভিনয় বেলগাছিয়া থিয়েটার অপেক্ষা কোনক্রমেই ন্যূন হয় নাই এবং ইহাতে সর্বসমেত চার হাজার টাকা ব্যয় হইয়াছিল। {{ফাঁক}}'''১৮৬৪'''-(১) মধুসূদনের '''একেই কি বলে সভ্যতা''' রাজা দেবীকৃষ্ণ দেবের বাড়িতে প্রথম অভিনীত হয়। শোভাবাজারের রাজারা ‘শোভাবাজার প্রাইভেট থিয়েট্রিক্যাল সোসাইটি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। ইহা চমৎকারকৃষ্ণ ঘোষের বহি বাটীতে স্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান তিনটি অভিনয়ের আয়োজন করেন, তন্মধ্যে একটিতে কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় দর্শক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। {{ফাঁক}}(২) কালিদাস সান্যালের রচিত '''নলদময়ন্তী''' নাটক বাগবাজারের গোপাল-চন্দ্র চক্রবর্তী’র অধিনায়কত্বে অভিনীত হয়। অভিনেতাদের মধ্যে একজনের নাম গিরিশচন্দ্র ঘোষ। ইনি সুবিখ্যাত কবি ও নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ নন, ইনি "ল্যাদাড় গিরিশ" নামে পরিচিত ছিলেন। দুই বৎসর পরে চটা-<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৭}}</noinclude> bjkcqbwm0mejfefsr293hnhg9812ig0 1991716 1991492 2026-07-31T04:03:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991716 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{ফাঁক}}'''১৮৫৯'''-(১) সেপ্টেম্বর মাসে মধুসূদনের '''শর্মিষ্ঠা''' নাটকের প্রথম অভিনয় হয় বেলগাছিয়া থিয়েটারে। রত্নাবলীর ন্যায় এ নাটকের অভিনয় অতি ধুমধামের সহিত সম্পন্ন হয় এবং রত্নাবলীর ন্যায় নাট্যকার নিজেই এ নাটকের একটি ইংরাজি অনুবাদ করেন। ইংরাজি নাটকের অনুসরণে এ নাটকের আংগিক রচনা করা হয় এবং শিক্ষিত লোকেরা ইহাকে সমাদরে গ্রহণ করেন; কিন্তু একদল প্রাচীনপন্থী পণ্ডিত ইহার বিরোধী ছিলেন। শর্মিষ্ঠা প্রকাশের পর রামনারায়ণের খ্যাতি মধুসুদনে আরোপিত হইয়াছিল। তখন লোকে সংস্কৃত অনুবাদের সাহায্যে নাট্যাভিনয় দর্শনে ক্লান্তি বোধ করিতে-ছিল। তাই তাহারা সংস্কৃত নাটকের দাঁতভাঙ্গা শব্দাবলী ত্যাগ করিয়া সহজ প্রথায় লেখা ইংরাজি নাটকের আদর্শে গঠিত বাঙলা নাটকের পক্ষপাতী হইয়া উঠিতেছিল। {{ফাঁক}}(২) '''শকুন্তলার''' দ্বিতীয় অভিনয় হয় জনাই-এর বিখ্যাত জমিদার চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের আহিরীটোলার বাস-ভবনে। {{ফাঁক}}'''১৮৬০'''-সুপ্রসিদ্ধ কেশবচন্দ্র সেনের শিক্ষা ও পরিচালনায় বড়বাজার সিন্দুরিয়াপটিস্থিত গোপালচন্দ্র মল্লিকের গৃহে '''বিধবা-বিবাহ''' নাটকের অভিনয় হয়। ইহার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বেলগাছিয়া থিয়েটারের খ্যাতিকে নিষ্প্রভ করা এবং সেই কথা মনে রাখিয়া ইহার উদ্যোক্তারা বহু পরিশ্রম করিয়াছিলেন। একজন বিখ্যাত ইংরাজ চিত্রকরের দ্বারা দৃশ্যপট অঙ্কিত করানো হইয়াছিল এবং গান ও ঐকতান-বাদনের ভার সূযোগ্য বাক্তির উপর অর্পিত হইয়াছিল। ‘বিশ্বকোষে’র মতে, ইহার অভিনয় বেলগাছিয়া থিয়েটার অপেক্ষা কোনক্রমেই ন্যূন হয় নাই এবং ইহাতে সর্বসমেত চার হাজার টাকা ব্যয় হইয়াছিল। {{ফাঁক}}'''১৮৬৪'''-(১) মধুসূদনের '''একেই কি বলে সভ্যতা''' রাজা দেবীকৃষ্ণ দেবের বাড়িতে প্রথম অভিনীত হয়। শোভাবাজারের রাজারা ‘শোভাবাজার প্রাইভেট থিয়েট্রিক্যাল সোসাইটি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। ইহা চমৎকারকৃষ্ণ ঘোষের বহি বাটীতে স্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান তিনটি অভিনয়ের আয়োজন করেন, তন্মধ্যে একটিতে কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় দর্শক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। {{ফাঁক}}(২) কালিদাস সান্যালের রচিত '''নলদময়ন্তী''' নাটক বাগবাজারের গোপাল-চন্দ্র চক্রবর্তী’র অধিনায়কত্বে অভিনীত হয়। অভিনেতাদের মধ্যে একজনের নাম গিরিশচন্দ্র ঘোষ। ইনি সুবিখ্যাত কবি ও নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ নন, ইনি “ল্যাদাড় গিরিশ” নামে পরিচিত ছিলেন। দুই বৎসর পরে চটা-<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৭}}</noinclude> to6kjxq107gp5da8i76o74nyn05s8qu পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮২ 104 883468 1991491 1991114 2026-07-30T16:41:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991491 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অভিনেতা ও নাট্যকার বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। এই অভিনয়ে বিহারীলাল একটি স্ত্রী-চরিত্র গ্রহণ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) কুলীনকুল-সর্বম্বের অভিনয়ের পরের দিন আশুতোষ দেবের (সাতুবাবুর) বাড়িতে শকুন্তলা অভিনয় হয়। সাতুবাবুর পৃষ্ঠপোষকতায় সংস্কৃত হইতে '''শকুন্তলার''' অনুবাদ করা হয়। ‘বেঙ্গল থিয়েটারে’র ভাবী স্বত্বাধিকারী শরৎচন্দ্র ঘোষ ইহাতে অভিনয় করিয়াছিলেন। দর্শক-হিসাবে উপস্থিত ছিলেন-পাইকপাড়ার রাজা প্রতাপচন্দ্র সিংহ ও ঈশ্বরচন্দ্র সিংহ এবং বাবু (পরে মহারাজা) যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর। {{ফাঁক}}(৩) রামনারায়ণ তর্ক’রত্নের দ্বারা অনুদিত '''বেশী-সংহারের''' প্রথম অভিনয় হয়, মহাভারতের বিখ্যাত অনুবাদক কালীপ্রসন্ন সিংহের জোড়া-সাঁকোর বাড়িতে। অভিনেতাদের মধ্যে প্রধান হইতেছেন কালীপ্রসন্ন সিংহ, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (ব্যারিস্টার, বিখ্যাত গুরু, সি, ব্যানার্জি) এবং বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। {{ফাঁক}}(৪) বেণী-সংহারের অভিনয়ের আট মাস পর কালীপ্রসন্ন সিংহের বাড়িতে '''বিক্রমোর্বশীর''' বঙ্গানুবাদের প্রথম অভিনয় হয়। বেণী-সংহারের অভিনয়-সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া কালীপ্রসন্ন নিজেই কয়েকজন পণ্ডিতের সাহায্যে বিক্রমোর্বশীর বঙ্গানুবাদ করেন এবং স্বয়ং পুরুরবার ভূমিকা গ্রহণ করেন। এই অভিনয় দেখিবার জন্য বাঙলা সরকারের তখনকার কর্মসচিব সার সিসিল বিডন এবং আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী নিমন্ত্রিত হইয়া উপস্থিত ছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৫৮'''-এই বছরের ৩১শে জুলাই রাজা ঈশ্বরচন্দ্র সিংহের বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে '''রত্নাবলীর''' বঙ্গানুবাদের প্রথম অভিনয় মহাধুমধামে সম্পন্ন হয়। {{ফাঁক}}১৮৫৮ সালে অর্থাৎ রত্নাবলীর অভিনয়ের বছরে বাঙলা রঙ্গমণ্টের অগ্রগতি আর একটু, প্রসারিত হয়। এতদিন পর্যন্ত অস্থায়ী রঙ্গমঞ্চে যে অভিনয় চলিয়া আসিতেছিল, এবার তাহার একটু, পরিবর্তন হয়। পাইক-পাড়ার রাজাদের বদান্যতায় তাঁহাদেরই বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চে রত্নাবলীর অভিনয় হয়। এই নাট্যাভিনয়ের একটি বৈশিষ্ট্য এই ছিল যে, অভিনয় কালে ইংরাজি রঙ্গালয়ের অনুসরণে ঐকতান-বাদনের প্রথম প্রবর্তন করা হয়। বাঙলা নাট্য-সাহিত্যের ইতিহাসে রত্নাবলীর অভিনয় আরও একটি বিষয়ে স্মরণীয়। ইহা মধুসূদনের শর্মিষ্ঠা নাটক এবং আরও অনেক মৌলিক বাঙলা নাটকের রচনা-বিষয়ে পথপ্রদর্শক। রত্নাবলীর পরে আরও কয়েকখানি নাটকের অভিনয়ের তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হইল।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৬}}</noinclude> 8xjppcwysessvzv64oacks19zngpbxv 1992356 1991491 2026-07-31T05:12:32Z Bodhisattwa 2549 1992356 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অভিনেতা ও নাট্যকার বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। এই অভিনয়ে বিহারীলাল একটি স্ত্রী-চরিত্র গ্রহণ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) কুলীনকুল-সর্বম্বের অভিনয়ের পরের দিন আশুতোষ দেবের (সাতুবাবুর) বাড়িতে শকুন্তলা অভিনয় হয়। সাতুবাবুর পৃষ্ঠপোষকতায় সংস্কৃত হইতে '''শকুন্তলার''' অনুবাদ করা হয়। ‘বেঙ্গল থিয়েটারে’র ভাবী স্বত্বাধিকারী শরৎচন্দ্র ঘোষ ইহাতে অভিনয় করিয়াছিলেন। দর্শক-হিসাবে উপস্থিত ছিলেন-পাইকপাড়ার রাজা প্রতাপচন্দ্র সিংহ ও ঈশ্বরচন্দ্র সিংহ এবং বাবু (পরে মহারাজা) যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর। {{ফাঁক}}(৩) রামনারায়ণ তর্ক’রত্নের দ্বারা অনুদিত '''বেণী-সংহারের''' প্রথম অভিনয় হয়, মহাভারতের বিখ্যাত অনুবাদক কালীপ্রসন্ন সিংহের জোড়া-সাঁকোর বাড়িতে। অভিনেতাদের মধ্যে প্রধান হইতেছেন কালীপ্রসন্ন সিংহ, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (ব্যারিস্টার, বিখ্যাত গুরু, সি, ব্যানার্জি) এবং বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। {{ফাঁক}}(৪) বেণী-সংহারের অভিনয়ের আট মাস পর কালীপ্রসন্ন সিংহের বাড়িতে '''বিক্রমোর্বশীর''' বঙ্গানুবাদের প্রথম অভিনয় হয়। বেণী-সংহারের অভিনয়-সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া কালীপ্রসন্ন নিজেই কয়েকজন পণ্ডিতের সাহায্যে বিক্রমোর্বশীর বঙ্গানুবাদ করেন এবং স্বয়ং পুরুরবার ভূমিকা গ্রহণ করেন। এই অভিনয় দেখিবার জন্য বাঙলা সরকারের তখনকার কর্মসচিব সার সিসিল বিডন এবং আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী নিমন্ত্রিত হইয়া উপস্থিত ছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৫৮'''-এই বছরের ৩১শে জুলাই রাজা ঈশ্বরচন্দ্র সিংহের বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে '''রত্নাবলীর''' বঙ্গানুবাদের প্রথম অভিনয় মহাধুমধামে সম্পন্ন হয়। {{ফাঁক}}১৮৫৮ সালে অর্থাৎ রত্নাবলীর অভিনয়ের বছরে বাঙলা রঙ্গমণ্টের অগ্রগতি আর একটু, প্রসারিত হয়। এতদিন পর্যন্ত অস্থায়ী রঙ্গমঞ্চে যে অভিনয় চলিয়া আসিতেছিল, এবার তাহার একটু, পরিবর্তন হয়। পাইক-পাড়ার রাজাদের বদান্যতায় তাঁহাদেরই বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চে রত্নাবলীর অভিনয় হয়। এই নাট্যাভিনয়ের একটি বৈশিষ্ট্য এই ছিল যে, অভিনয় কালে ইংরাজি রঙ্গালয়ের অনুসরণে ঐকতান-বাদনের প্রথম প্রবর্তন করা হয়। বাঙলা নাট্য-সাহিত্যের ইতিহাসে রত্নাবলীর অভিনয় আরও একটি বিষয়ে স্মরণীয়। ইহা মধুসূদনের শর্মিষ্ঠা নাটক এবং আরও অনেক মৌলিক বাঙলা নাটকের রচনা-বিষয়ে পথপ্রদর্শক। রত্নাবলীর পরে আরও কয়েকখানি নাটকের অভিনয়ের তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হইল। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৬}}</noinclude> 7g4t4vz7lw9tez5ohpcum3gwet31ky3 1992357 1992356 2026-07-31T05:13:05Z Bodhisattwa 2549 1992357 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>অভিনেতা ও নাট্যকার বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। এই অভিনয়ে বিহারীলাল একটি স্ত্রী-চরিত্র গ্রহণ করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}(২) কুলীনকুল-সর্বস্বের অভিনয়ের পরের দিন আশুতোষ দেবের (সাতুবাবুর) বাড়িতে শকুন্তলা অভিনয় হয়। সাতুবাবুর পৃষ্ঠপোষকতায় সংস্কৃত হইতে '''শকুন্তলার''' অনুবাদ করা হয়। ‘বেঙ্গল থিয়েটারে’র ভাবী স্বত্বাধিকারী শরৎচন্দ্র ঘোষ ইহাতে অভিনয় করিয়াছিলেন। দর্শক-হিসাবে উপস্থিত ছিলেন-পাইকপাড়ার রাজা প্রতাপচন্দ্র সিংহ ও ঈশ্বরচন্দ্র সিংহ এবং বাবু (পরে মহারাজা) যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর। {{ফাঁক}}(৩) রামনারায়ণ তর্ক’রত্নের দ্বারা অনুদিত '''বেণী-সংহারের''' প্রথম অভিনয় হয়, মহাভারতের বিখ্যাত অনুবাদক কালীপ্রসন্ন সিংহের জোড়া-সাঁকোর বাড়িতে। অভিনেতাদের মধ্যে প্রধান হইতেছেন কালীপ্রসন্ন সিংহ, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (ব্যারিস্টার, বিখ্যাত গুরু, সি, ব্যানার্জি) এবং বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়। {{ফাঁক}}(৪) বেণী-সংহারের অভিনয়ের আট মাস পর কালীপ্রসন্ন সিংহের বাড়িতে '''বিক্রমোর্বশীর''' বঙ্গানুবাদের প্রথম অভিনয় হয়। বেণী-সংহারের অভিনয়-সাফল্যে উৎসাহিত হইয়া কালীপ্রসন্ন নিজেই কয়েকজন পণ্ডিতের সাহায্যে বিক্রমোর্বশীর বঙ্গানুবাদ করেন এবং স্বয়ং পুরুরবার ভূমিকা গ্রহণ করেন। এই অভিনয় দেখিবার জন্য বাঙলা সরকারের তখনকার কর্মসচিব সার সিসিল বিডন এবং আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী নিমন্ত্রিত হইয়া উপস্থিত ছিলেন। {{ফাঁক}}'''১৮৫৮'''-এই বছরের ৩১শে জুলাই রাজা ঈশ্বরচন্দ্র সিংহের বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে '''রত্নাবলীর''' বঙ্গানুবাদের প্রথম অভিনয় মহাধুমধামে সম্পন্ন হয়। {{ফাঁক}}১৮৫৮ সালে অর্থাৎ রত্নাবলীর অভিনয়ের বছরে বাঙলা রঙ্গমণ্টের অগ্রগতি আর একটু, প্রসারিত হয়। এতদিন পর্যন্ত অস্থায়ী রঙ্গমঞ্চে যে অভিনয় চলিয়া আসিতেছিল, এবার তাহার একটু, পরিবর্তন হয়। পাইক-পাড়ার রাজাদের বদান্যতায় তাঁহাদেরই বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে স্থায়ী রঙ্গমঞ্চে রত্নাবলীর অভিনয় হয়। এই নাট্যাভিনয়ের একটি বৈশিষ্ট্য এই ছিল যে, অভিনয় কালে ইংরাজি রঙ্গালয়ের অনুসরণে ঐকতান-বাদনের প্রথম প্রবর্তন করা হয়। বাঙলা নাট্য-সাহিত্যের ইতিহাসে রত্নাবলীর অভিনয় আরও একটি বিষয়ে স্মরণীয়। ইহা মধুসূদনের শর্মিষ্ঠা নাটক এবং আরও অনেক মৌলিক বাঙলা নাটকের রচনা-বিষয়ে পথপ্রদর্শক। রত্নাবলীর পরে আরও কয়েকখানি নাটকের অভিনয়ের তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হইল। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৬}}</noinclude> li9nsqrjak8pawc59rqy2qravms7ole পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮১ 104 883469 1991490 1991115 2026-07-30T16:41:35Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991490 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>'কুলীনকুল-সর্বস্ব'। সেই নাটক বাঙালীদের কাছে সহজেই গ্রহণীয় হইয়াছিল। তাঁহারা এই ভাবিয়া খুশী হইয়াছিলেন যে, যাঁহারা এই নাটকের অভিনয় আয়োজন করিয়াছেন, তাঁহাদের প্রধান উদ্দেশ্য হইতেছে, বহুবিবাহ এবং কৌলীন্য প্রথার অতিশয় ক্ষতিকর দোষগুলি প্রদর্শন করাইয়া সমাজের মঙ্গল করা। ১৮৫৭ সাল আর এক বিষয়ে বাঙলার রঙ্গমণ্ডের ইতিহাসে স্মরণীয়। বর্তমান কালে আমরা যে রঙ্গমঞ্চে দৃশ্যপটের ব্যবহার দেখিতে পাই, তাহার প্রচলন এই কুলীনকুল-সর্বস্ব নাটকেই প্রথম দেখা গিয়াছিল। তদানীন্তন কালের রঙ্গমঞ্চে নাটা-প্রয়োগ বিষয়ে যতখানি কৌশল ও বৈচিত্র্য সম্পাদন করা সম্ভব, তাহা এই নাটকের অভিনয়ে প্রয়োগ করা হইয়াছিল। বস্ত্রের দ্বারা রঙ্গমঞ্চ-সজ্জার মৌলিকতা তৎক্ষণাৎ দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করিয়াছিল এবং আরও মৌলিক নাট্যাভিনয়ের জন্য তাহারা বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ হইয়াছিল। {{ফাঁক}}এখানে এই কথা বলা আবশ্যক যে, এই নাট্যাভিনয়ের পরে যে বাঙলা নাটকগুলি অভিনীত হইয়াছিল তাহাদের মধ্যে সবই ছিল সংস্কৃতের অনুবাদ। ইহা হইতে এই তথ্য বিশেষভাবে প্রমাণিত হয়, যে যুগে সংস্কৃত নাটক হইতে ইংরাজিতে অনুবাদ করিয়া অভিনয় করার প্রয়োজন ও সম্ভাবনা দেখা দিয়াছিল, সে যুগ আর নাই। এ কথা সত্য, ১৮৩২ সালে মৌলিক বাঙলা নাটকের যেমন অভাব ছিল, এ-যুগেও তেমনি ছিল। তবে একথা দ্বিগুণ জোরের সহিত বলা চলে, সংস্কৃত নাটকের অভিনয় হইতেই মৌলিক বাঙলা নাটক লেখার প্রেরণা আসিয়াছিল এবং ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত মধুসূদনের ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটকে সেই মৌলিকতা দেখা গিয়াছিল। আর বেশীদূর অগ্রসর না হইয়া, ‘কুলীনকুল-সর্বস্ব’ হইতে ‘রত্নাবলী’র অভিনয় পর্যন্ত নাটকীয় ইতিহাসের ঘটনাবলী কালানুসারে সাজাইয়া দিলে বুঝিবার পক্ষে আগ্রহ জাগিবে। নাট্য-সাহিত্যের ইতিহাসে এ-যুগকে প্রধানত অনু-বাদের যুগ বলা হয়। {{ফাঁক}}'''১৮৫৭'''-(১) '''কুলীনকুল-সর্বস্ব''' নাটকের প্রথম অভিনয় হয় পাথুরিয়া-ঘাটা অঞ্চলের চড়কডাঙ্গাস্থিত জয়রাম বসাকের বাড়ি। অভিনেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হইতেছেন ‘বেঙ্গল থিয়েটারে’র পরবর্তীকালের ম্যানেজার,<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৫}}</noinclude> 790bgxl8z1p9f17kkxzxlxhv236o4yn পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮০ 104 883470 1991489 1991116 2026-07-30T16:41:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991489 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>সুবিধা মত নানা স্থানে অভিনীত হইয়াছিল; কিন্তু মেয়েদের ভূমিকা পতিতা নারীদের দ্বারা অভিনীত হওয়ায় ইহার বিরুদ্ধে প্রচুর আন্দোলনও হইয়াছিল। মজার কথা হইতেছে এই, এই বিরোধীদলের মধ্যে অনেক শিক্ষিত ইংরাজও ছিলেন। যাহা হৌক, দৃশ্যপটাদিসহ বিদ্যাসুন্দরের অভিনয়-কৌশল ভবিষ্যতে নূতন নাটকের প্রযোজনায় একটা সাধারণ নাট্য-রীতির সৃষ্টি করিয়াছিল। {{ফাঁক}}কিন্তু অসুবিধা হইল, এই সব তরুণ মনের আশা পুরাইতে পারে এমন কোন বাঙলা নাটক তখন ছিল না। খাঁটি বাঙলা নাটকের অভাবে ইংরাজি নাটকের অভিনয়ে মুগ্ধ হইয়া তাঁহারা ইংরাজি নাটকের অভিনয় করিতে লাগিলেন। কিন্তু এইরূপ অভিনয় অল্পশিক্ষিত সাধারণ লোকের নাট্য-পিপাসা দূর করিতে পারে নাই; কারণ ইহা তাহাদিগের নিকট দুর্বোধ্য ছিল। ইতিমধ্যে তাহারা নাট্যাভিনয় সম্বন্ধে বিশেষভাবে সচেতন হইয়া উঠিয়াছিল এবং স্বভাবতঃই উপযুক্ত বাঙলা নাটকের অভিনয় দেখিবার জন্য আগ্রহান্বিত হইয়া উঠিয়াছিল। এই সময়ে দুই একখানি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নাটিকার অভিনয় দেখার সুযোগ তাহাদের হইয়াছিল বটে, কিন্তু সেগুলি এত দোষ-ত্রুটিপূর্ণ ছিল যে, তাহা জন-সাধারণের ক্রমবর্ধমান নাট্য-পিপাসা ঘুচাইতে পারে নাই। ইংরাজি নাটকের অভিনয় সৌকর্যে যাঁহারা মুগ্ধ হইয়াছিলেন, তাঁহাদের কাছে এই সব নাটকে ভাষা, শব্দ ও রচনারীতির অপপ্রয়োগ, বিষয়বস্তুর আকর্ষণ-হীনতা, নাট্যকারদের নাট্য-প্রয়োগ-কৌশল সম্বন্ধে অজ্ঞতা, যেমন ‘প্রবেশ’ ও ‘নির্গমন’ এবং’ ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্যে নাটকীয় কাহিনীকে বিভাগ করার বিষয়ে যে সকল ত্রুটি দেখা গিয়াছিল, তাহা তাঁহাদিগকে নিরাশ করিয়া-ছিল। ১৮৫৭ সালে পণ্ডিত রামনারায়ণ তর্করত্নের একখানি বাঙলা নাটক অভিনয় না হওয়া পর্যন্ত, বাঙলা নাটক ও নাট্যাভিনয়ের অবস্থা এইরূপ চলিয়াছিল। {{ফাঁক}}ইংরাজি ১৮৫৭ সাল বাঙলা নাটকের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় বৎসর। এই সময়ে এমন একটি নাটকের প্রকাশ হইয়াছিল, যাহার উদ্দেশ্য এবং মৌলিকতা দর্শকদের বহুদিনকার আকাঙ্ক্ষিত নাটকের অভাব পূর্ণ করিয়াছিল এবং ইংরাজি নাটক অভিনয়ের যে প্রথা এতদিন প্রচলিত ছিল, তাহার মূলে আঘাত হানিয়াছিল। সেই নাটকের নাম<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৪}}</noinclude> 7v0bg12x4mpf2x079uuw5zckj29oe5j পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৯ 104 883471 1991488 1991118 2026-07-30T16:41:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991488 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>নটীদের দ্বারা যথাক্রমে নভেম্বর ১৭৯৫ এবং মার্চ ১৭৯৬ সালে তিনি অভিনয় করান। ইতিমধ্যে ইংরাজদের রঙ্গালয়ের যথেষ্ট উন্নতি হইলেও ১৮৩১ সালের পূর্বে বাঙলা নাট্যাভিনয়ের সম্বন্ধে আর কোন সন্ধান পাওয়া যায় না। ইংরাজদের বহু নাট্যশালার মধ্যে বিখ্যাত ‘চৌরঙ্গী থিয়েটার’ ১৮১৩ সালে স্থাপিত হয়। দ্বারকানাথ ঠাকুর প্রমুখ কয়েকজন ধনী ব্যক্তি ছাড়া এই রঙ্গালয়ের প্রতি সাধারণ বাঙালীদের প্রথমে কোন আকর্ষণ ছিল না। ১৮৪১ সালে "সাঁ সুসি" নামে যে ইংরাজি রঙ্গালয়টি স্থাপিত হয়, তাহার অভিনয়-খ্যাতি হইয়াছিল প্রচুর। এই খ্যাতির কারণ হইতেছে এই, সেখানে সুপ্রসিদ্ধ সংস্কৃতজ্ঞ হোরেশ হোম্যান উইলসন, বোর্ডের মেম্বার টরেন্স, বোর্ডের জুনিয়র মেম্বার এইচ, এম, পার্কার ও ব্যারিস্টার হিউম (যিনি পরে কলিকাতার প্রধান ম্যাজিস্ট্রেট হইয়াছিলেন) প্রভৃতি উচ্চশ্রেণীর শিক্ষিত ইউরোপীয়েনরা অভিনয় করিতেন। যে সব ধনী বাঙালী দর্শ’ক-হিসাবে এই সব রঙ্গালয়ে যাতায়াত করিতেন, তাঁহারা এখানকার অভিনব অভিনয়-চাতুর্য, বিশেষ করিয়া অপরূপ দৃশ্যাবলী এবং তাহাদিগের ঐন্দ্রজালিক পরিবর্তন দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছিলেন। ইউরোপীয় আদর্শে নিজেদের আমোদ-প্রমোদকে উন্নত ও সুশোভিত করিবার বাসনা তাঁহাদিগের মনে তখন জাগিয়াছিল। {{ফাঁক}}এইরূপে ১৮৩১ খ্রীস্টাব্দে শ্যামবাজারের নবীনচন্দ্র বসুর বাড়ি ‘বিদ্যাসুন্দর’ নামে একখানি জনপ্রিয় নাটক বিপুল অর্থ ব্যয় করিয়া অভিনীত হইয়াছিল। এই অভিনয়ের বৈশিষ্ট্য ছিল এই, ইহা ইংরাজি রঙ্গমঞ্চের হুবহু অনুকৃতি না হইলেও ইহার মধ্যে নূতনত্ব আনিবার একটা সুস্পষ্ট চেষ্টা ছিল। মেয়েদের চরিত্রগুলি বারনারীদের দ্বারা এবং নাটকের বিভিন্ন দৃশ্য বাড়ির বিভিন্ন স্থানে অভিনীত হইয়া-ছিল। দৃশ্য-পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকবৃন্দকেও দৃশ্যানুযায়ী স্থান পরিবর্তন করিতে হইয়াছিল। ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্যে স্থান-পরিবর্তনের সময় আসন সংগ্রহের জন্য অনবরত হুটোপাটি হওয়া সত্ত্বেও, অভিনয়ের মধ্যে নূতনত্ব থাকায়, দর্শকদের উৎসাহ বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নাই। এই অভিনয়ের সুখ্যাতি হইয়াছিল প্রচুর এবং সুখ্যাতির সহিত ব্যয়ের পরিমাণটিও তুলনীয়; কারণ ব্যয় হইয়াছিল সর্বসমেত দুই লক্ষ টাকা। অভিনয়ের সুখ্যাতির জন্য এই নাটক তিন-চার বছর ধরিয়া সুযোগ-<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৩}}</noinclude> py7rfzeit1anqcez0vaopoy8m8muj64 1991715 1991488 2026-07-31T04:03:41Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991715 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>নটীদের দ্বারা যথাক্রমে নভেম্বর ১৭৯৫ এবং মার্চ ১৭৯৬ সালে তিনি অভিনয় করান। ইতিমধ্যে ইংরাজদের রঙ্গালয়ের যথেষ্ট উন্নতি হইলেও ১৮৩১ সালের পূর্বে বাঙলা নাট্যাভিনয়ের সম্বন্ধে আর কোন সন্ধান পাওয়া যায় না। ইংরাজদের বহু নাট্যশালার মধ্যে বিখ্যাত ‘চৌরঙ্গী থিয়েটার’ ১৮১৩ সালে স্থাপিত হয়। দ্বারকানাথ ঠাকুর প্রমুখ কয়েকজন ধনী ব্যক্তি ছাড়া এই রঙ্গালয়ের প্রতি সাধারণ বাঙালীদের প্রথমে কোন আকর্ষণ ছিল না। ১৮৪১ সালে “সাঁ সুসি” নামে যে ইংরাজি রঙ্গালয়টি স্থাপিত হয়, তাহার অভিনয়-খ্যাতি হইয়াছিল প্রচুর। এই খ্যাতির কারণ হইতেছে এই, সেখানে সুপ্রসিদ্ধ সংস্কৃতজ্ঞ হোরেশ হোম্যান উইলসন, বোর্ডের মেম্বার টরেন্স, বোর্ডের জুনিয়র মেম্বার এইচ, এম, পার্কার ও ব্যারিস্টার হিউম (যিনি পরে কলিকাতার প্রধান ম্যাজিস্ট্রেট হইয়াছিলেন) প্রভৃতি উচ্চশ্রেণীর শিক্ষিত ইউরোপীয়েনরা অভিনয় করিতেন। যে সব ধনী বাঙালী দর্শ’ক-হিসাবে এই সব রঙ্গালয়ে যাতায়াত করিতেন, তাঁহারা এখানকার অভিনব অভিনয়-চাতুর্য, বিশেষ করিয়া অপরূপ দৃশ্যাবলী এবং তাহাদিগের ঐন্দ্রজালিক পরিবর্তন দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছিলেন। ইউরোপীয় আদর্শে নিজেদের আমোদ-প্রমোদকে উন্নত ও সুশোভিত করিবার বাসনা তাঁহাদিগের মনে তখন জাগিয়াছিল। {{ফাঁক}}এইরূপে ১৮৩১ খ্রীস্টাব্দে শ্যামবাজারের নবীনচন্দ্র বসুর বাড়ি ‘বিদ্যাসুন্দর’ নামে একখানি জনপ্রিয় নাটক বিপুল অর্থ ব্যয় করিয়া অভিনীত হইয়াছিল। এই অভিনয়ের বৈশিষ্ট্য ছিল এই, ইহা ইংরাজি রঙ্গমঞ্চের হুবহু অনুকৃতি না হইলেও ইহার মধ্যে নূতনত্ব আনিবার একটা সুস্পষ্ট চেষ্টা ছিল। মেয়েদের চরিত্রগুলি বারনারীদের দ্বারা এবং নাটকের বিভিন্ন দৃশ্য বাড়ির বিভিন্ন স্থানে অভিনীত হইয়া-ছিল। দৃশ্য-পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকবৃন্দকেও দৃশ্যানুযায়ী স্থান পরিবর্তন করিতে হইয়াছিল। ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্যে স্থান-পরিবর্তনের সময় আসন সংগ্রহের জন্য অনবরত হুটোপাটি হওয়া সত্ত্বেও, অভিনয়ের মধ্যে নূতনত্ব থাকায়, দর্শকদের উৎসাহ বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নাই। এই অভিনয়ের সুখ্যাতি হইয়াছিল প্রচুর এবং সুখ্যাতির সহিত ব্যয়ের পরিমাণটিও তুলনীয়; কারণ ব্যয় হইয়াছিল সর্বসমেত দুই লক্ষ টাকা। অভিনয়ের সুখ্যাতির জন্য এই নাটক তিন-চার বছর ধরিয়া সুযোগ-<noinclude>{{কেন্দ্র|৭৩}}</noinclude> tux3qf9p8d4eyy6vufovukt6igbmcjx পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৮ 104 883472 1991487 1991120 2026-07-30T16:41:34Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991487 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''বাঙলার রঙ্গালয়'''}}}} {{ফাঁক}}বর্তমানে ভারতে নাট্যাভিনয়ের যে প্রচলন আমরা দেখিতে পাই, পাশ্চাত্ত্য সভ্যতার প্রভাবের মধ্যে তাহার মূল নিহিত রহিয়াছে। ব্রিটিশ রাজত্বের গোড়ার দিকে যে কয়জন ইউরোপীয় ভদ্রলোক কলিকাতায় সখের নাট্যশালা নির্মাণ করিয়া নিজেদের আমোদ-প্রমোদের জন্য অভিনয় করিতেন, তাঁহারাই হইতেছেন বাঙলাদেশে আধুনিক রঙ্গালয়ের প্রবর্ত’ক। রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠার পূর্বে বাঙলাদেশের লোকেদের আমোদ-প্রমোদের প্রধান বিষয় ছিল যাত্রা, কথকতা, কবিগান, তক্তা ও আখড়াই। ভারতের নাট্য-সাহিত্যের ইতিহাসে এমন এক সময় ছিল যখন রঙ্গালয় স্থাপন করিয়া অভিনয় করার রীতি অত্যন্ত সুপ্রচলিত ছিল। রঙ্গপীঠ, প্রেক্ষাগৃহ, নৃত্য-গীত-বাদ্য এবং অভিনয়ের নানা উপকরণের কথ্য সুবিখ্যাত ভরতনাট্যশাসের বিস্তৃতভাবে বর্ণিত আছে। প্রাচীন ভারতে একদিন নাট্যকলা উচ্চন্তরে উঠিয়াছিল সত্য, কিন্তু অষ্টাদশ শতকে প্রাচীন গৌরবের দিনগুলি হইতে বিচ্যুত হইয়া বাঙালীরা তাঁহাদিগের মূল্যবান কীর্তিগুলির কথা ভুলিয়া গিয়াছিলেন। ইংরাজদের সংস্পর্শে আসিয়া রঙ্গাভিনয়ের প্রতি তাঁহাদিগের সুপ্ত প্রীতি আবার জাগিয়া উঠিয়াছিল। লালবাজারের ‘ওল্ড প্লে হাউস’ কলিকাতায় ইংরাজদের প্রথম নাট্যশালা। ১৮৫৬ সালে কলিকাতা অবরোধকালের কিছু পূর্বে ইহার পত্তন হয়। হেরাসিম লেবেডেফ নামে একজন রুশ ভ্রাম্যমাণের চেষ্টায় বঙ্গ-রঙ্গালয়ে অভিনীত বাঙলা নাটকে ইউরোপীয় নাটকের আংগিক সর্বপ্রথম অনুসৃত হয়। মহামান্য গভর্ণর জেনারেলের অনুমতিক্রমে কলিকাতার মধ্যস্থিত ‘ডোমতলায়’ ১৭৯৫ সালে তিনি একটি ভারতীয় রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে The Disguise এবং Love is the Best Doctor নামে দুইখানি ইংরাজি নাটকের স্বয়ং বঙ্গানুবাদ করিয়া বাঙালী নট-<noinclude>{{কেন্দ্র|৭২}}</noinclude> 8b2e0w6p8vkio0hxe4irpyhzufs80mm পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭৭ 104 883473 1991486 1991122 2026-07-30T16:41:33Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991486 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>করে। লিখতে খুব ইচ্ছা করে কিন্তু ঠিক সম্ভব হচ্ছে না। বাবার জীবনী একটা লেখা হল না-এই ত্রিশ বৎসরে-এর জন্য দুঃখ হয়। এখনও চেষ্টা করলে তাঁর সময়ের অনেক কথা লেখা ইত্যাদি খাজে পাওয়া যায়। ক’দিন ধরে আমারই ইচ্ছা করছে এই লিখতে। নিজের জীবনেও কম অভিজ্ঞতা হয়নি-তাও লিখতে মন চায়। ভাবি তোমাদের কথা, ছেলেমেয়েদের কথা, নাতিনাতনীর কথা আর যে হাজার হাজার ছেলেরা আজ বন্ধ জেলে রয়েছে তাদের কথা। কতদিন এভাবে থাকব জানি না। ভবিষ্যতে কাজ কি করব তাও জানি না। তবে মনে কোন দুঃখ বা দুশ্চিন্তা নেই। বরং আগে যে অফুরন্ত বিশ্বাস নিজের উপর রাখতাম, তা এ ক’দিনে রাখতে পেরেছি-সেই অজানা পরমশক্তির উপর -যাঁর নির্দেশ বিনা আমরা চলতে বা বাঁচতে পারি না। এতে আনন্দ হয়, মনে জোর হয়। সবাই ভাল থাক ও সুখী হও। আজ এই থাক। চিঠি দিও। তোমার মেজঠাকুরপো।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭১}}</noinclude> 3pt0ul4kfazlb8m9tyj1tbdmjcwhpcf 1992350 1991486 2026-07-31T05:09:11Z Bodhisattwa 2549 1992350 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>করে। লিখতে খুব ইচ্ছা করে কিন্তু ঠিক সম্ভব হচ্ছে না। বাবার জীবনী একটা লেখা হল না-এই ত্রিশ বৎসরে--এর জন্য দুঃখ হয়। এখনও চেষ্টা করলে তাঁর সময়ের অনেক কথা লেখা ইত্যাদি খাজে পাওয়া যায়। ক’দিন ধরে আমারই ইচ্ছা করছে এই লিখতে। নিজের জীবনেও কম অভিজ্ঞতা হয়নি--তাও লিখতে মন চায়। ভাবি তোমাদের কথা, ছেলেমেয়েদের কথা, নাতিনাতনীর কথা আর যে হাজার হাজার ছেলেরা আজ বন্ধ জেলে রয়েছে তাদের কথা। কতদিন এভাবে থাকব জানি না। ভবিষ্যতে কাজ কি করব তাও জানি না। তবে মনে কোন দুঃখ বা দুশ্চিন্তা নেই। বরং আগে যে অফুরন্ত বিশ্বাস নিজের উপর রাখতাম, তা এ ক’দিনে রাখতে পেরেছি--সেই অজানা পরমশক্তির উপর -যাঁর নির্দেশ বিনা আমরা চলতে বা বাঁচতে পারি না। এতে আনন্দ হয়, মনে জোর হয়। সবাই ভাল থাক ও সুখী হও। আজ এই থাক। চিঠি দিও। তোমার মেজঠাকুরপো।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭১}}</noinclude> bvruodr3v0bkkbfrvderglgrgt2haw0 1992352 1992350 2026-07-31T05:09:34Z Bodhisattwa 2549 1992352 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>করে। লিখতে খুব ইচ্ছা করে কিন্তু ঠিক সম্ভব হচ্ছে না। বাবার জীবনী একটা লেখা হল না-এই ত্রিশ বৎসরে—এর জন্য দুঃখ হয়। এখনও চেষ্টা করলে তাঁর সময়ের অনেক কথা লেখা ইত্যাদি খাজে পাওয়া যায়। ক’দিন ধরে আমারই ইচ্ছা করছে এই লিখতে। নিজের জীবনেও কম অভিজ্ঞতা হয়নি—তাও লিখতে মন চায়। ভাবি তোমাদের কথা, ছেলেমেয়েদের কথা, নাতিনাতনীর কথা আর যে হাজার হাজার ছেলেরা আজ বন্ধ জেলে রয়েছে তাদের কথা। কতদিন এভাবে থাকব জানি না। ভবিষ্যতে কাজ কি করব তাও জানি না। তবে মনে কোন দুঃখ বা দুশ্চিন্তা নেই। বরং আগে যে অফুরন্ত বিশ্বাস নিজের উপর রাখতাম, তা এ ক’দিনে রাখতে পেরেছি—সেই অজানা পরমশক্তির উপর -যাঁর নির্দেশ বিনা আমরা চলতে বা বাঁচতে পারি না। এতে আনন্দ হয়, মনে জোর হয়। সবাই ভাল থাক ও সুখী হও। আজ এই থাক। চিঠি দিও। তোমার মেজঠাকুরপো।<noinclude>{{কেন্দ্র|৭১}}</noinclude> b84067d5z9u09mqs89tzwlwh6rl7wnm পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৯৭ 104 883474 1991183 1991167 2026-07-30T16:08:16Z Bodhisattwa 2549 1991183 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>করিয়া যেসব নূতন প্রতিষ্ঠান জন্মাইতে লাগিল, তাহারা প্রায় সকলেই গিরিশচন্দ্রের কর্মশক্তি ও উৎসাহে বর্ধিত হইয়াছিল। নূতন প্রতি-ষ্ঠানের মধ্যে 'স্টার', 'এমার‍্যাল্ড', 'সিটি', 'মিনার্ভা', 'ক্লাসিক', 'গ্রান্ড', 'নিউ ক্লাসিক', 'কোহিনূর', 'মনোমোহন' এবং 'বেঙ্গল থিয়েটারে'র অপত্যস্বরূপ 'অরোরা', 'ইউনিক' 'ন্যাশন্যাল', 'গ্রেট ন্যাশন্যাল', 'গ্রান্ড ন্যাশন্যাল' এবং 'থেস্পিয়ান টেম্পল'-এ সবই গিরিশচন্দ্রের নিকট ঋণী। গিরিশচন্দ্রের অসংখ্য গ্রন্থ এই সব প্রতিষ্ঠানের প্রাণধারাকে সঞ্জীবিত রাখিয়াছিল এবং সেইজন্যই কৃতজ্ঞ ভবিষ্যদ্বংশীয়েরা শ্রদ্ধাসহকারে তাঁহাকে 'রঙ্গমঞ্চের পিতা'- এই নাম দিয়াছে। {{ফাঁক}}অন্যান্য কীর্তিমান নাট্যকারেরা উন্নত ধরনের নাটক লিখিয়া এবং রঙ্গালয়কে নানা প্রকারে সাহায্য করিয়া যে সহায়তা দান করিয়াছেন, তাঁহাদিগের নাম এখানে না করিলে অন্যায় হইবে। তাঁহাদিগের মধ্যে স্মরণীয় হইতেছেন রাজকৃষ্ণ রায়, অতুলকৃষ্ণ মিত্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনোমোহন গোস্বামী, অমৃতলাল বসু, এবং ক্ষীরোদ-প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ।অন্যান্য কীর্তিমান নাট্যকারেরা উন্নত ধরনের নাটক লিখিয়া এবং রঙ্গালয়কে নানা প্রকারে সাহায্য করিয়া যে সহায়তা দান করিয়াছেন, তাঁহাদিগের নাম এখানে না করিলে অন্যায় হইবে। তাঁহাদিগের মধ্যে স্মরণীয় হইতেছেন রাজকৃষ্ণ রায়, অতুলকৃষ্ণ মিত্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনোমোহন গোস্বামী, অমৃতলাল বসু, এবং ক্ষীরোদ-প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ। এ কথা অস্বীকার করা চলে না যে, একটি নিয়ন্ত্রণকারী শক্তির অভাবে অনেক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও, বর্তমানে রঙ্গমণ্ড একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়া চলিতেছে।<ref>এই রচনাটি ১৯২৪ সালের জানুয়ারি মাসে 'দি ক্যালকাটা রিভিউ'-এ প্রকাশিত ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ইংরাজি প্রবদ্ধ হইতে শ্রীবিভাস রায়চৌধুরী কর্তৃক অনুন্দিত। ইহা তিনি এম-এ পরীক্ষার দুইটি পত্রের পরিবর্তে থিসিস' হিসাবে লিখিয়াছিলেন।</ref><noinclude>{{reflist}} {{কেন্দ্র|৯১}}</noinclude> 4qaeizofkxf528rq0dqidh46cr3i24p 1991505 1991183 2026-07-30T16:41:42Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991505 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>করিয়া যেসব নূতন প্রতিষ্ঠান জন্মাইতে লাগিল, তাহারা প্রায় সকলেই গিরিশচন্দ্রের কর্মশক্তি ও উৎসাহে বর্ধিত হইয়াছিল। নূতন প্রতি-ষ্ঠানের মধ্যে ‘স্টার', ‘এমার‍্যাল্ড', ‘সিটি', ‘মিনার্ভা', ‘ক্লাসিক', ‘গ্রাণ্ড', ‘নিউ ক্লাসিক', ‘কোহিনূর', ‘মনোমোহন’ এবং ‘বেঙ্গল থিয়েটারে’র অপত্যস্বরূপ ‘অরোরা', ‘ইউনিক’ ‘ন্যাশন্যাল', ‘গ্রেট ন্যাশন্যাল', ‘গ্রাণ্ড ন্যাশন্যাল’ এবং ‘থেস্পিয়ান টেম্পল'-এ সবই গিরিশচন্দ্রের নিকট ঋণী। গিরিশচন্দ্রের অসংখ্য গ্রন্থ এই সব প্রতিষ্ঠানের প্রাণধারাকে সঞ্জীবিত রাখিয়াছিল এবং সেইজন্যই কৃতজ্ঞ ভবিষ্যদ্বংশীয়েরা শ্রদ্ধাসহকারে তাঁহাকে ‘রঙ্গমঞ্চের পিতা'- এই নাম দিয়াছে। {{ফাঁক}}অন্যান্য কীর্তিমান নাট্যকারেরা উন্নত ধরনের নাটক লিখিয়া এবং রঙ্গালয়কে নানা প্রকারে সাহায্য করিয়া যে সহায়তা দান করিয়াছেন, তাঁহাদিগের নাম এখানে না করিলে অন্যায় হইবে। তাঁহাদিগের মধ্যে স্মরণীয় হইতেছেন রাজকৃষ্ণ রায়, অতুলকৃষ্ণ মিত্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনোমোহন গোস্বামী, অমৃতলাল বসু, এবং ক্ষীরোদ-প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ।অন্যান্য কীর্তিমান নাট্যকারেরা উন্নত ধরনের নাটক লিখিয়া এবং রঙ্গালয়কে নানা প্রকারে সাহায্য করিয়া যে সহায়তা দান করিয়াছেন, তাঁহাদিগের নাম এখানে না করিলে অন্যায় হইবে। তাঁহাদিগের মধ্যে স্মরণীয় হইতেছেন রাজকৃষ্ণ রায়, অতুলকৃষ্ণ মিত্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনোমোহন গোস্বামী, অমৃতলাল বসু, এবং ক্ষীরোদ-প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ। এ কথা অস্বীকার করা চলে না যে, একটি নিয়ন্ত্রণকারী শক্তির অভাবে অনেক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও, বর্তমানে রঙ্গমণ্ড একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়া চলিতেছে।<ref>এই রচনাটি ১৯২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ‘দি ক্যালকাটা রিভিউ'-এ প্রকাশিত ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ইংরাজি প্রবদ্ধ হইতে শ্রীবিভাস রায়চৌধুরী কর্তৃক অনুন্দিত। ইহা তিনি এম-এ পরীক্ষার দুইটি পত্রের পরিবর্তে থিসিস’ হিসাবে লিখিয়াছিলেন।</ref><noinclude>{{reflist}} {{কেন্দ্র|৯১}}</noinclude> bll631p0dydld00kwcm3gbg52s8meh1 1991726 1991505 2026-07-31T04:03:45Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1991726 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="NotNahid" /></noinclude>করিয়া যেসব নূতন প্রতিষ্ঠান জন্মাইতে লাগিল, তাহারা প্রায় সকলেই গিরিশচন্দ্রের কর্মশক্তি ও উৎসাহে বর্ধিত হইয়াছিল। নূতন প্রতি-ষ্ঠানের মধ্যে ‘স্টার’, ‘এমার‍্যাল্ড’, ‘সিটি’, ‘মিনার্ভা’, ‘ক্লাসিক’, ‘গ্রাণ্ড’, ‘নিউ ক্লাসিক’, ‘কোহিনূর’, ‘মনোমোহন’ এবং ‘বেঙ্গল থিয়েটারে’র অপত্যস্বরূপ ‘অরোরা’, ‘ইউনিক’ ‘ন্যাশন্যাল’, ‘গ্রেট ন্যাশন্যাল’, ‘গ্রাণ্ড ন্যাশন্যাল’ এবং ‘থেস্পিয়ান টেম্পল’—এ সবই গিরিশচন্দ্রের নিকট ঋণী। গিরিশচন্দ্রের অসংখ্য গ্রন্থ এই সব প্রতিষ্ঠানের প্রাণধারাকে সঞ্জীবিত রাখিয়াছিল এবং সেইজন্যই কৃতজ্ঞ ভবিষ্যদ্বংশীয়েরা শ্রদ্ধাসহকারে তাঁহাকে ‘রঙ্গমঞ্চের পিতা’— এই নাম দিয়াছে। {{ফাঁক}}অন্যান্য কীর্তিমান নাট্যকারেরা উন্নত ধরনের নাটক লিখিয়া এবং রঙ্গালয়কে নানা প্রকারে সাহায্য করিয়া যে সহায়তা দান করিয়াছেন, তাঁহাদিগের নাম এখানে না করিলে অন্যায় হইবে। তাঁহাদিগের মধ্যে স্মরণীয় হইতেছেন রাজকৃষ্ণ রায়, অতুলকৃষ্ণ মিত্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনোমোহন গোস্বামী, অমৃতলাল বসু, এবং ক্ষীরোদ-প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ।অন্যান্য কীর্তিমান নাট্যকারেরা উন্নত ধরনের নাটক লিখিয়া এবং রঙ্গালয়কে নানা প্রকারে সাহায্য করিয়া যে সহায়তা দান করিয়াছেন, তাঁহাদিগের নাম এখানে না করিলে অন্যায় হইবে। তাঁহাদিগের মধ্যে স্মরণীয় হইতেছেন রাজকৃষ্ণ রায়, অতুলকৃষ্ণ মিত্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনোমোহন গোস্বামী, অমৃতলাল বসু, এবং ক্ষীরোদ-প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ। এ কথা অস্বীকার করা চলে না যে, একটি নিয়ন্ত্রণকারী শক্তির অভাবে অনেক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও, বর্তমানে রঙ্গমণ্ড একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়া চলিতেছে।<ref>এই রচনাটি ১৯২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ‘দি ক্যালকাটা রিভিউ’—এ প্রকাশিত ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ইংরাজি প্রবদ্ধ হইতে শ্রীবিভাস রায়চৌধুরী কর্তৃক অনুন্দিত। ইহা তিনি এম-এ পরীক্ষার দুইটি পত্রের পরিবর্তে থিসিস’ হিসাবে লিখিয়াছিলেন।</ref><noinclude>{{reflist}} {{কেন্দ্র|৯১}}</noinclude> qu1z0in880jf3dxprg3np2kmmwzg6od পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২৩৯ 104 883475 1991179 2026-07-30T13:51:42Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1991179 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা শাক্ত-সাহিত্য|২২৩}} {{block center/s}}</noinclude><poem> ডাকি বারে বারে মা মা বলিয়ে, মা কি রয়েছিস চক্ষুকর্ণ খেয়ে, মা বিদ্যমানে এ দুঃখ সন্তানে, মা ম’লে কি আর ছেলে বাঁচে না॥ </poem>{{block center/e}} কিন্তু সত্যকারের মাতৃ-সাধক এইসব সঙ্গীতকারগণ। এই অভিমানের চোখের জলেই হয়ত তাঁহারা বুঝিতে পারিলেন, মা যে শ্মশানবাসিনী, অন্যত্র মায়ের আগমন নাই। তখন চলিল একটু একটু করিয়া নিজের হৃদয়কে শ্মশানে পরিণত করিয়া মায়ের লীলা-ক্ষেত্র রচনা করিবার সাধনা। কামনা-বাসনা-আসক্তিকে নিঃশেষে জ্বালাইয়া পোড়াইয়া তবে হৃদয়কে শ্মশান করিতে হয়; দগ্ধ কামনা-বাসনার চিতাভস্মের উপরেই স্থাপন করেন সর্বশান্তিদায়িনী মা তাঁহার দুই চরণ। সেই মাতৃ-সাধনায় রত রামলাল দাস দত্তের গান— {{block center|শ্মশান ভালবাসিস্ ব’লে শ্মশান করেছি হৃদি।<br/>শ্মশানবাসিনী শ্যামা নাচবি ব’লে নিরবধি॥}} {{gap}}আমরা বাঙলা বৈষ্ণব-পদাবলী ও শাক্ত-পদাবলীর ভিতরকার মিলের কথাই আলোচনা করিতেছিলাম এবং সেই প্রসঙ্গে উভয়-জাতীয় পদাবলীতে বর্ণিত বাৎসল্য-রসের কথা বলিতেছিলাম। এই মিলের প্রসঙ্গে আমরা আরও একটি জিনিস লক্ষ্য করিতে পারি। বাঙলাদেশে শাক্ত ও বৈষ্ণবের দ্বন্দ্বের কথা সুপ্রসিদ্ধ। নবদ্বীপে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পূর্বে দম্ভপূর্বক বিষহরীর পূজা, মঙ্গল-চণ্ডীর গীতে জাগরণ এবং মদ্যমাংস দিয়া বাসুলী পূজার উল্লেখ দেখিতে পাই। সেই পটভূমির উপরে বৈষ্ণবধর্মের জাগরণ, ফলে শাক্ত-ধর্মের সহিত দ্বন্দ্ব-কলহ অনিবার্য। নবদ্বীপে এই দ্বন্দ্ব-কলহ বহুদিন পর্যন্ত চলিয়াছে, তাহার চিহ্ন আজিও বর্তমান। এখন পর্যন্তও বৈষ্ণবগণের একটি প্রধান উৎসব রাসযাত্রার পূর্ণিমা রাত্রিতে নবদ্বীপের প্রধান প্রধান রাস্তাগুলির তেমাথা-চৌমাথায় বিরাট বিরাট দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হইয়া মহাসমারোহে পূজিতা হন। কিন্তু অষ্টাদশ শতকে আমরা এই শাক্ত-বৈষ্ণব-দ্বন্দ্বের একটা জনপ্রিয় সমন্বয়ের প্রবণতা দেখিতে পাই। ধর্মের ভেদ সহজভাবে অবলুপ্ত হইয়া যায় দুই জাতীয় হৃদয়ে, এক যথার্থ সাধক-হৃদয়ে, দ্বিতীয় কবি-হৃদয়ে। যেখানে এই সাধক-হৃদয় ও কবি হৃদয়ের যোগ ঘটিয়াছে সেখানে ত আর কথাই নাই। সাধারণভাবে দেখা যায়, সমাজের জনসাধারণও ধর্মের ক্ষেত্রে সমন্বয়বাদী; সুতরাং কবিগণের প্রচারিত সমন্বয়বাদ জনসাধারণ সাদরেই গ্রহণ করিয়া থাকে। {{gap}}অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকে আমাদের যে-সকল যাত্রা-পাঁচালী প্রভৃতি গড়িয়া উঠিয়াছে তাহার মধ্যে একটা শাক্ত-বৈষ্ণবের সমন্বয়ের সুর দেখিতে পাই। এইসব যাত্রা-পাঁচালীতে দেখিতে পাই, রাধার স্বামী আয়ান ঘোষ ছিলেন শক্তি-উপাসক—কালী-উপাসক। রাধা লুকাইয়া লুকাইয়া করিতেন কৃষ্ণের পূজা! ননদিনী<noinclude></noinclude> 0v22esw9p1hxnbs3f12p25kewqun602 মিডিয়াউইকি:Minerva.css 8 883476 1991180 2026-07-30T14:26:36Z Yahya 7717 "/* স্থানীয় মোবাইল সাইট নোটিশে বামে-ডানে ফাঁকা জায়গা ঠিক করতে */ .sitedir-ltr .mw-dismissable-notice-body { margin: 0!important; } .sitedir-ltr .mw-dismissable-notice-close { float: none!important; text-align: right; }" দিয়ে পাতা তৈরি 1991180 css text/css /* স্থানীয় মোবাইল সাইট নোটিশে বামে-ডানে ফাঁকা জায়গা ঠিক করতে */ .sitedir-ltr .mw-dismissable-notice-body { margin: 0!important; } .sitedir-ltr .mw-dismissable-notice-close { float: none!important; text-align: right; } 3710wwgg2862vzytvco5z20feenqhm5 শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা/শিক্ষা-সম্প্রসারণ 0 883477 1991449 2026-07-30T16:39:16Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=37 to=50 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1991449 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=37 to=50 header=1/> cer0ndspshzvotikt6mt9fbyc15nczi শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা/দিল্লীর অভিভাষণ 0 883478 1991456 2026-07-30T16:40:44Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=51 to=59 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1991456 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=51 to=59 header=1/> 9tlc0x19kf8n2u48oiwqmffj45p1p5l পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২৪০ 104 883479 1991528 2026-07-30T17:52:19Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1991528 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh|২২৪|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>কুটিলা গিয়া ভ্রাতা আয়ানের কাছে অভিযোগ করিল, বধূ রাধা লুকাইয়া কৃষ্ণের পূজা করে। আয়ান ভগিনীকে লইয়া গোপনে স্বচক্ষে সব দেখিতে আসিলেন আসিয়া দেখেন— কুঞ্জকাননে কালী, তাজে বাঁশী বনমালী, করে আসি ধরে শ্রীরাধাকান্ত। শ্যাম শ্যামা ভেদ কেন কররে জীব ভ্রান্ত॥ হরি হলেন দিগম্বরী, মরি মরি হেরি কি রূপের অন্ত। পীতাম্বর পরিহরি, কি বা কাল শশী, লোলজিহবা এলোকেশী, ভালো শশী অট্টহাসি বিকট দন্ত। যে গোবিন্দ পদদ্বয়ে সিগন্ধি তুলসী দিয়ে স্বর নরে সাথে সারা দিনান্ত। দিয়ে সে চরণে রাঙ্গা জবা রঙ্গিণী রাই করে সেবা কে পাবে শ্যাম চিন্তামণির ভাবের অন্ত। বাঙলাদেশে চলিত কৃষ্ণ-যাত্রায় এই পালাটি দর্শকবৃন্দের সোল্লাস সমর্থন লাভ করে—এ সত্য আমরা নিজেরাই বহুবার প্রত্যক্ষ করিয়াছি। রামপ্রসাদের গানেও এই কৃষ্ণ-কালীর উল্লেখ আছে। ইহার অপর পিঠ দেখিতে পাই শাক্ত-পদাবলীতে। সেখানে সমন্বয় দেখা দিয়াছে শব্দমাত্র জনপ্রিয় কবিত্বের মারফতে নয়, সেই সমন্বয়ের গভীর রূপে দেখা দিয়াছে সাধক রামপ্রসাদের সত্যাননুভূতির মধ্যে। রামপ্রসাদের অধ্যাত্ম অনভূতির মধ্যে তিনি লাভ করিয়াছিলেন যে পরমজ্যোতিঃ ও পরম আনন্দ তাহার মধ্যে শ্যাম ও শ্যামার তিনি কোথাও কোন ভেদ দেখিতে পান নাই। তাই তিনি অতি সহজভাবেই গাহিতে পারিলেনকালী হলি মা রাসবিহারী নটবর-বেশে বৃন্দাবনে। ... নিজ-তন, আধা গণেবতী রাধা, আপনি পুরুষ, আপনি নারী। ছিল বিবসন কটি, এবে পীতধটি এলোচুল চূড়া বংশীধারী। সাধকের নিকট রূপে ত কেবল ভিতরে কতগুলি ভাব উদ্বুদ্ধ করিয়া ১ দাশরথি রায়ের পাঁচালী। ৪০ কালবরণ রক্তের জীবন, ব্রজাঙ্গনার মন উদাসী। হলেন বনমালী কৃষ্ণ-কালী, বাঁশী ভাজে করে আসি। কৃষ্ণ-কালী-বিষয়ে কবিওয়ালা লাল, নন্দলালের বিস্তৃত বর্ণনা 'প্রাচীন কবিওয়ালার গান' (শ্রী চন্দ্র পাল সঙ্কলিত) গ্রন্থের ৪২-৪৬ পৃষ্ঠায় দ্রষ্টব্য।<noinclude></noinclude> 020ihil5zwdfkrma7r9cchwvkhxqud6 1991754 1991528 2026-07-31T04:05:27Z Hrishikes 1618 1991754 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh|২২৪|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>কুটিলা গিয়া ভ্রাতা আয়ানের কাছে অভিযোগ করিল, বধূ রাধা লুকাইয়া কৃষ্ণের পূজা করে। আয়ান ভগিনীকে লইয়া গোপনে স্বচক্ষে সব দেখিতে আসিলেন—আসিয়া দেখেন— {{block center|<poem> কুঞ্জকাননে কালী, {{float right|2=-3em|ত্যজে বাঁশী বনমালী,}} :::::করে অসি ধরে শ্রীরাধাকান্ত। ::শ্যাম শ্যামা ভেদ কেন কররে জীব ভ্রান্ত॥ পীতাম্বর পরিহরি, {{float right|2=-3em|হরি হলেন দিগম্বরী,}} :::::মরি মরি হেরি কি রূপের অন্ত। কি বা কাল শশী, {{float right|2=-3em|লোলজিহ্বা এলোকেশী,}} :::::ভালো শশী অট্টহাসি বিকট দন্ত॥ যে গোবিন্দ পদদ্বয়ে {{float right|2=-3em|সুগন্ধি তুলসী দিয়ে}} :::::সুর নরে সাধে সারা দিনান্ত। দিয়ে সে চরণে রাঙ্গা জবা {{float right|2=-3em|রঙ্গিণী রাই করে সেবা}} ::কে পাবে শ্যাম চিন্তামণির ভাবের অন্ত।<ref>দাশরথি রায়ের পাঁচালী।</ref> </poem>}} বাঙলাদেশে চলিত কৃষ্ণ-যাত্রায় এই পালাটি দর্শকবৃন্দের সোল্লাস সমর্থন লাভ করে—এ সত্য আমরা নিজেরাই বহুবার প্রত্যক্ষ করিয়াছি। রামপ্রসাদের গানেও এই কৃষ্ণ-কালীর উল্লেখ আছে। ইহার অপর পিঠ দেখিতে পাই শাক্ত-পদাবলীতে। সেখানে সমন্বয় দেখা দিয়াছে শব্দমাত্র জনপ্রিয় কবিত্বের মারফতে নয়, সেই সমন্বয়ের গভীর রূপে দেখা দিয়াছে সাধক রামপ্রসাদের সত্যাননুভূতির মধ্যে। রামপ্রসাদের অধ্যাত্ম অনভূতির মধ্যে তিনি লাভ করিয়াছিলেন যে পরমজ্যোতিঃ ও পরম আনন্দ তাহার মধ্যে শ্যাম ও শ্যামার তিনি কোথাও কোন ভেদ দেখিতে পান নাই। তাই তিনি অতি সহজভাবেই গাহিতে পারিলেনকালী হলি মা রাসবিহারী নটবর-বেশে বৃন্দাবনে। ... নিজ-তন, আধা গণেবতী রাধা, আপনি পুরুষ, আপনি নারী। ছিল বিবসন কটি, এবে পীতধটি এলোচুল চূড়া বংশীধারী। সাধকের নিকট রূপে ত কেবল ভিতরে কতগুলি ভাব উদ্বুদ্ধ করিয়া ১ ৪০ কালবরণ রক্তের জীবন, ব্রজাঙ্গনার মন উদাসী। হলেন বনমালী কৃষ্ণ-কালী, বাঁশী ভাজে করে আসি। কৃষ্ণ-কালী-বিষয়ে কবিওয়ালা লাল, নন্দলালের বিস্তৃত বর্ণনা 'প্রাচীন কবিওয়ালার গান' (শ্রী চন্দ্র পাল সঙ্কলিত) গ্রন্থের ৪২-৪৬ পৃষ্ঠায় দ্রষ্টব্য।<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> aejo7j0wpumkyv5najsrhok9jc9utd0 1992207 1991754 2026-07-31T04:34:39Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1992207 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|২২৪|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>কুটিলা গিয়া ভ্রাতা আয়ানের কাছে অভিযোগ করিল, বধূ রাধা লুকাইয়া কৃষ্ণের পূজা করে। আয়ান ভগিনীকে লইয়া গোপনে স্বচক্ষে সব দেখিতে আসিলেন—আসিয়া দেখেন— {{block center|<poem> কুঞ্জকাননে কালী, {{float right|2=-3em|ত্যজে বাঁশী বনমালী,}} :::::করে অসি ধরে শ্রীরাধাকান্ত। ::শ্যাম শ্যামা ভেদ কেন কররে জীব ভ্রান্ত॥ পীতাম্বর পরিহরি, {{float right|2=-3em|হরি হলেন দিগম্বরী,}} :::::মরি মরি হেরি কি রূপের অন্ত। কি বা কাল শশী, {{float right|2=-3em|লোলজিহ্বা এলোকেশী,}} :::::ভালো শশী অট্টহাসি বিকট দন্ত॥ যে গোবিন্দ পদদ্বয়ে {{float right|2=-3em|সুগন্ধি তুলসী দিয়ে}} :::::সুর নরে সাধে সারা দিনান্ত। দিয়ে সে চরণে রাঙ্গা জবা {{float right|2=-3em|রঙ্গিণী রাই করে সেবা}} ::কে পাবে শ্যাম চিন্তামণির ভাবের অন্ত।<ref>দাশরথি রায়ের পাঁচালী।</ref> </poem>}} {{gap}}বাঙলাদেশে চলিত কৃষ্ণ-যাত্রায় এই পালাটি দর্শকবৃন্দের সোল্লাস সমর্থন লাভ করে—এ সত্য আমরা নিজেরাই বহুবার প্রত্যক্ষ করিয়াছি। রামপ্রসাদের গানেও এই কৃষ্ণ-কালীর উল্লেখ আছে।<ref><poem style=margin-left:4em>কালবরণ ব্রজের জীবন, ব্রজাঙ্গনার মন উদাসী। হলেন বনমালী কৃষ্ণ-কালী, বাঁশী ত্যজে করে অসি॥</poem><br/>কৃষ্ণ-কালী-বিষয়ে কবিওয়ালা লালু নন্দলালের বিস্তৃত বর্ণনা ‘প্রাচীন কবিওয়ালার গান’ (শ্রীপ্রফুল্লচন্দ্র পাল সঙ্কলিত) গ্রন্থের ৪২-৪৬ পৃষ্ঠায় দ্রষ্টব্য।</ref> {{gap}}ইহার অপর পিঠ দেখিতে পাই শাক্ত-পদাবলীতে। সেখানে সমন্বয় দেখা দিয়াছে শুধুমাত্র জনপ্রিয় কবিত্বের মারফতে নয়, সেই সমন্বয়ের গভীর রূপ দেখা দিয়াছে সাধক রামপ্রসাদের সত্যানুভূতির মধ্যে। রামপ্রসাদের অধ্যাত্ম অনুভূতির মধ্যে তিনি লাভ করিয়াছিলেন যে পরমজ্যোতিঃ ও পরমআনন্দ তাহার মধ্যে শ্যাম ও শ্যামার তিনি কোথাও কোন ভেদ দেখিতে পান নাই। তাই তিনি অতি সহজভাবেই গাহিতে পারিলেন— {{block center|<poem align=center>কালী হলি মা রাসবিহারী নটবর-বেশে বৃন্দাবনে। {{***|3|6em|char=…}}নিজ-তনু আধা গুণবতী রাধা, আপনি পুরুষ, আপনি নারী। ছিল বিবসন কটি, এবে পীতধটি এলোচুল চূড়া বংশীধারী॥ </poem>}} {{gap}}সাধকের নিকট রূপ ত কেবল ভিতরে কতগুলি ভাব উদ্বুদ্ধ করিয়া<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> d9trt8of2mri05pku6czqcaqvq7gi7v পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা.pdf/৯ 104 883480 1991529 2026-07-30T19:06:23Z ROCKY 2687 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1991529 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>২,৯৩০টি প্রাইমারী স্কুলকে উন্নীত করা হয়েছে। এগুলোর ছাত্র সংখ্যাও সাড়ে পাঁচ লক্ষের মত বেড়ে গেছে। দীর্ঘ অবহেলিত যে প্রাইমারী স্তরে তিন বৎসর আগেও হতাশা ও জীর্ণ তা বিরাজ করছিল, আজ সেখানে নূতন আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। '''মাধ্যমিক শিক্ষা''' {{ফাঁক}}দ্বিতীয় পরিকল্পনার মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য ৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। {{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে বর্তমানে যে প্রায় ৩,২০০টি মাধ্যমিক স্কুল আছে তা শিক্ষার্থী ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষে মোটামুটি যথেষ্ট হলেও এগুলোতে শিক্ষার মান বিশেষভাবে উন্নত করা প্রয়োজন। ৭৫টি বালিকা বিদ্যালয়সহ নোট ৫০০টি জুনিয়র হাই স্কুলকে উন্নীত করা হবে। এগুলোর ৫০টিতে থাকবে কারিগরি শিক্ষার (Craft course) ব্যবস্থা। {{ফাঁক}}মোট ৮০০টি হাই স্কুল পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৪০০টিতে বিশেষ বিজ্ঞান শিক্ষা, ৫৫টিতে কৃষি শিক্ষা, ২০টিতে কারিগরি শিক্ষা, ২০টিতে বাণিজ্য বিষয়ক শিক্ষা এবং ১৫টি বালিকা বিদ্যালয়ে গার্হস্থ্য অর্থ নীতি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ফলে ছাত্র ছাত্রীগণ নিজেদের প্রবণতা যোগ্যতা ও প্রতিভা অনুসারে পাঠ্য বিষয় গ্রহণ করতে পারবে। প্রত্যেক স্কুলেই অতিরিক্ত যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রয়োজন মতো শ্রেণীকক্ষ ও গবেষণাগার নির্মিত হবে এবং তাতে আধুনিক উপকরণ ও যন্ত্রপাতি থাকবে ২০টি স্কুলকে বিশেষভাবে উন্নীত করে ‘পাইলট স্কুল’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। এগুলোর প্রত্যেকটিতেই বহুমুখী পাঠ্যক্রমের বন্দোবস্ত রয়েছে। এতদ্ব্যতীত প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিবার উদ্দেশ্যে যোগ্যতর শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত এবং উন্নত শিক্ষার উপকরণে সজ্জিত কয়েকটি আবাসিক বিদ্যালয় ও ক্যাডেট স্কুল স্থাপিত হবে। {{ফাঁক}}এ পর্যন্ত ২৭৩টি জুনিয়র হাই স্কুল এবং প্রায় ৪০০টি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজ শেষ হয়ে এসেছে।<noinclude>{{rh|||৫}}</noinclude> gyc3eorxthscoc44ndadupzhytoa0v0 1991530 1991529 2026-07-30T19:07:02Z ROCKY 2687 1991530 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>২,৯৩০টি প্রাইমারী স্কুলকে উন্নীত করা হয়েছে। এগুলোর ছাত্র সংখ্যাও সাড়ে পাঁচ লক্ষের মত বেড়ে গেছে। দীর্ঘ অবহেলিত যে প্রাইমারী স্তরে তিন বৎসর আগেও হতাশা ও জীর্ণ তা বিরাজ করছিল, আজ সেখানে নূতন আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। '''মাধ্যমিক শিক্ষা''' {{ফাঁক}}দ্বিতীয় পরিকল্পনার মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য ৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। {{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে বর্তমানে যে প্রায় ৩,২০০টি মাধ্যমিক স্কুল আছে তা শিক্ষার্থী ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষে মোটামুটি যথেষ্ট হলেও এগুলোতে শিক্ষার মান বিশেষভাবে উন্নত করা প্রয়োজন। ৭৫টি বালিকা বিদ্যালয়সহ নোট ৫০০টি জুনিয়র হাই স্কুলকে উন্নীত করা হবে। এগুলোর ৫০টিতে থাকবে কারিগরি শিক্ষার (Craft course) ব্যবস্থা। {{ফাঁক}}মোট ৮০০টি হাই স্কুল পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৪০০টিতে বিশেষ বিজ্ঞান শিক্ষা, ৫৫টিতে কৃষি শিক্ষা, ২০টিতে কারিগরি শিক্ষা, ২০টিতে বাণিজ্য বিষয়ক শিক্ষা এবং ১৫টি বালিকা বিদ্যালয়ে গার্হস্থ্য অর্থ নীতি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ফলে ছাত্র ছাত্রীগণ নিজেদের প্রবণতা যোগ্যতা ও প্রতিভা অনুসারে পাঠ্য বিষয় গ্রহণ করতে পারবে। প্রত্যেক স্কুলেই অতিরিক্ত যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রয়োজন মতো শ্রেণীকক্ষ ও গবেষণাগার নির্মিত হবে এবং তাতে আধুনিক উপকরণ ও যন্ত্রপাতি থাকবে ২০টি স্কুলকে বিশেষভাবে উন্নীত করে ‘পাইলট স্কুল’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। এগুলোর প্রত্যেকটিতেই বহুমুখী পাঠ্যক্রমের বন্দোবস্ত রয়েছে। এতদ্ব্যতীত প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিবার উদ্দেশ্যে যোগ্যতর শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত এবং উন্নত শিক্ষার উপকরণে সজ্জিত কয়েকটি আবাসিক বিদ্যালয় ও ক্যাডেট স্কুল স্থাপিত হবে। {{ফাঁক}}এ পর্যন্ত ২৭৩টি জুনিয়র হাই স্কুল এবং প্রায় ৪০০টি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজ শেষ হয়ে এসেছে। {{nop}}<noinclude>{{rh|||৫}}</noinclude> 3ic027hiw8pzk48m1zlu66kbiait3c7 1992064 1991530 2026-07-31T04:18:56Z Bodhisattwa-bot 4843 বট পরিষ্কার করছে, [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa-bot|কোন সমস্যা?]] 1992064 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>২,৯৩০টি প্রাইমারী স্কুলকে উন্নীত করা হয়েছে। এগুলোর ছাত্র সংখ্যাও সাড়ে পাঁচ লক্ষের মত বেড়ে গেছে। দীর্ঘ অবহেলিত যে প্রাইমারী স্তরে তিন বৎসর আগেও হতাশা ও জীর্ণ তা বিরাজ করছিল, আজ সেখানে নূতন আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। '''মাধ্যমিক শিক্ষা''' {{ফাঁক}}দ্বিতীয় পরিকল্পনার মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য ৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। {{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে বর্তমানে যে প্রায় ৩,২০০টি মাধ্যমিক স্কুল আছে তা শিক্ষার্থী ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষে মোটামুটি যথেষ্ট হলেও এগুলোতে শিক্ষার মান বিশেষভাবে উন্নত করা প্রয়োজন। ৭৫টি বালিকা বিদ্যালয়সহ নোট ৫০০টি জুনিয়র হাই স্কুলকে উন্নীত করা হবে। এগুলোর ৫০টিতে থাকবে কারিগরি শিক্ষার (Craft course) ব্যবস্থা। {{ফাঁক}}মোট ৮০০টি হাই স্কুল পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৪০০টিতে বিশেষ বিজ্ঞান শিক্ষা, ৫৫টিতে কৃষি শিক্ষা, ২০টিতে কারিগরি শিক্ষা, ২০টিতে বাণিজ্য বিষয়ক শিক্ষা এবং ১৫টি বালিকা বিদ্যালয়ে গার্হস্থ্য অর্থ নীতি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ফলে ছাত্র ছাত্রীগণ নিজেদের প্রবণতা যোগ্যতা ও প্রতিভা অনুসারে পাঠ্য বিষয় গ্রহণ করতে পারবে। প্রত্যেক স্কুলেই অতিরিক্ত যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রয়োজন মতো শ্রেণীকক্ষ ও গবেষণাগার নির্মিত হবে এবং তাতে আধুনিক উপকরণ ও যন্ত্রপাতি থাকবে ২০টি স্কুলকে বিশেষভাবে উন্নীত করে ‘পাইলট স্কুল’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। এগুলোর প্রত্যেকটিতেই বহুমুখী পাঠ্যক্রমের বন্দোবস্ত রয়েছে। এতদ্ব্যতীত প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিবার উদ্দেশ্যে যোগ্যতর শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত এবং উন্নত শিক্ষার উপকরণে সজ্জিত কয়েকটি আবাসিক বিদ্যালয় ও ক্যাডেট স্কুল স্থাপিত হবে। {{ফাঁক}}এ পর্যন্ত ২৭৩টি জুনিয়র হাই স্কুল এবং প্রায় ৪০০টি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজ শেষ হয়ে এসেছে। {{nop}}<noinclude>{{right|৫}}</noinclude> mb8izd9ivv7hai54bgg0x4chojup18f শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা/কটকের অভিভাষণ 0 883482 1992292 2026-07-31T04:56:09Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=60 to=72 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1992292 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=60 to=72 header=1/> a8qrshlycf54rqtf00cg3vugfpd8680 শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা/স্বামী প্রণবানন্দজী 0 883483 1992325 2026-07-31T05:00:52Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=73 to=74 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1992325 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=73 to=74 header=1/> 5ol3hup5q98viitx0szjzwyuopm7qxx শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা/একখানি চিঠি 0 883484 1992332 2026-07-31T05:04:32Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=75 to=77 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1992332 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=75 to=77 header=1/> 0tin2rcw116rqjx4lmjyemvokobxuwc শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা/বাঙলার রঙ্গালয় 0 883485 1992355 2026-07-31T05:11:23Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=78 to=102 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1992355 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=78 to=102 header=1/> 394s9x8egzo8jfbmznquxmg54w41arc শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা 0 883486 1992367 2026-07-31T05:24:07Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=1 to=4 header=প্রচ্ছদ/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=5 to=5/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=6 to=6/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয..." দিয়ে পাতা তৈরি 1992367 wikitext text/x-wiki <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=1 to=4 header=প্রচ্ছদ/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=5 to=5/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=6 to=6/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=7 to=8/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=9 to=10/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=11 to=15/> {{ppb}} <pages index="শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf" from=16 to=16/> {{PD-India}} fjf9l5x0ev5mydiill5i1jw1mtv77r7 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/১ 104 883487 1992373 2026-07-31T05:42:34Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992373 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/৪ 104 883488 1992374 2026-07-31T05:42:44Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992374 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/৩ 104 883489 1992375 2026-07-31T05:42:49Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992375 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/২ 104 883490 1992376 2026-07-31T05:42:57Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992376 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/১০ 104 883491 1992377 2026-07-31T05:43:08Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992377 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/১৯৪ 104 883492 1992378 2026-07-31T05:43:19Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992378 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/১৯৫ 104 883493 1992379 2026-07-31T05:43:33Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992379 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/১৯৬ 104 883494 1992380 2026-07-31T05:43:41Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992380 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:বিশ্বভারতী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৫১).pdf/৫৬ 104 883495 1992381 2026-07-31T05:43:50Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1992381 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude> mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1 পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২৪১ 104 883496 1992382 2026-07-31T05:58:50Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1992382 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা শাক্ত-সাহিত্য|২২৫}}</noinclude>লইবার জন্য এবং লীলারস আস্বাদন করিবার জন্য। রামপ্রসাদ প্রধানতঃ কালীকে অবলম্বন করিয়াই নিজের ভিতরকার ভাবগুলিকে উদ্বুদ্ধ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন,—মায়ের যে একই সময়ে অসি-মুণ্ড-বর-অভয়ের লীলা চলিয়াছে তাহাই আস্বাদ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন। কিন্তু তাই বলিয়া যে এক পরমসত্যের কালীরূপে লীলা—তাঁহারই কৃষ্ণ লীলা কোনও সময়ে আস্বাদন করিতে সাধকের কিছুই বাধা নাই। তাই লীলা-বৈচিত্র্য-প্রয়াসী রামপ্রসাদেরই গানে দেখি— {{block center|যশোদা নাচত গো ব’লে নীলমণি,<br/>সে বেশ লুকালে কোথা করালবদনী?}} {{gap}}গভীর অধ্যাত্মানুভূতির সহিত সরল কবিপ্রাণ যুক্ত হইয়া রামপ্রসাদের গানে যে সত্য প্রতিভাত হইল তাহারই প্রতিধ্বনি দেখিতে পাই অন্যান্য কবিগণের মধ্যেও। সাধক কমলাকান্তও কালীকে ‘পরম কারণ’ বলিয়া অনুভব করিতে পারিয়াছিলেন। এই ‘পরম কারণে’র নারীরূপে প্রকাশিত হইতে যেমন বাধা নাই, তেমনই পুরুষরূপে প্রকাশিত হইতেও কোন বাধা নাই। {{block center|<poem> জান না কি মন, পরম কারণ, কালী কেবল মেয়ে নয়। মেঘের বরণ করিয়ে ধারণ, কখন কখন পুরুষ হয়॥ হ’য়ে এলোকেশী, করে ল’য়ে অসি, দনুজ-তনয়ে করে সভয়। কভু ব্রজপুরে আসি, বাজাইয়ে বাঁশী, ব্রজাঙ্গনার মন হরিয়ে লয়॥<ref>শা. প. (ক. বি.); তুলনীয়—<br/>অভেদে ভাব রে মন কালা আর কালী।<br/>মোহন মুরলীধারী চতুর্ভুজা মুণ্ডমালী॥<br/>কালী কি কালা বলিলে, কালে ছোঁয় না কোন কালে,<br/>কালের কর্ত্রী কালী সেই, কালা আমার মা কালী॥—রামলাল দাস দত্ত, ঐ।</ref> </poem>}} এ সম্বন্ধে অতি চমৎকার একটি গান দেখিতে পাই নবাই ময়রার। ইহারা কবি মরমিয়া সহজপন্থীদের দলের। হৃদয়ের যে মন্দিরে অসি-মণ্ডধারিণী কালীমায়ের প্রতিষ্ঠা সেই মন্দিরে একই পরম সত্যের কৃষ্ণরাপের মধর-লীলাআস্বাদন করিবার অভিলাষ।হৃদয়-রাসমন্দিরে দাঁড়াও মা বিভঙ্গ হ'য়ে। একবার হয়ে বাঁকা, দে মা দেখা, শ্রীরাধারে বামে ল'য়ে। নর-কর কটি বেড়া, খুলে পর মা পীতধড়া, মাথায় দে মা মোহনচড়া, চরণে চরণ পয়ে। ত্যজি নর-শিরমালা, পর গলে বনমালা, একবার কালী ছেড়ে হও মা কালা, ওগো ও পাষাণের মেয়ে।৪১ ১৫<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> gq62u3dtbga1m6synpkx9l3op99vexe লেখক:যোগেন্দ্রনাথ মিত্র 100 883497 1992389 2026-07-31T07:36:06Z Bodhisattwa 2549 "{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি 1992389 wikitext text/x-wiki {{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}} kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi 1992393 1992389 2026-07-31T07:46:28Z Bodhisattwa 2549 1992393 wikitext text/x-wiki {{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} === সম্পাদক === * ''অন্যান্য'' {{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q140779673|label = ''[[d:Q140779673|কাব্য-কলিকা (প্রথম ভাগ)]]''|p98 = [[লেখক:যোগেন্দ্রনাথ মিত্র|যোগেন্দ্রনাথ মিত্র]]|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:কাব্য-কলিকা_(প্রথম_ভাগ)_-_যোগেন্দ্রনাথ_মিত্র_(১৯১৮).pdf|p577 = 1918}}{{Talikak list end}} {{PD-India}} stm0deakii3s1wkr6q8qzgnyszqg18n নির্ঘণ্ট:কাব্য-কলিকা (প্রথম ভাগ) - যোগেন্দ্রনাথ মিত্র (১৯১৮).pdf 102 883498 1992391 2026-07-31T07:44:21Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1992391 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779673 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BPL}} |Header= |Footer= }} 6n6mdm5rap62p39mv0tgp4nlzawsbqt 1992392 1992391 2026-07-31T07:44:40Z Bodhisattwa 2549 1992392 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779673 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BSG}} |Header= |Footer= }} 7g4huf7v5rghs24ihvzhx0f2eraxlte নির্ঘণ্ট:প্রভাত-চিন্তা - কালীপ্রসন্ন ঘোষ (১৮৯৫).pdf 102 883499 1992396 2026-07-31T07:53:42Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1992396 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779737 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BSG}} |Header= |Footer= }} i9318w4zh1pgp9bn4hz87clgzfa9j93 নির্ঘণ্ট:ভাগ্যলক্ষ্মী - রাধানাথ মিত্র (১৯০১).pdf 102 883500 1992400 2026-07-31T08:11:07Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1992400 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779809 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BSG}} |Header= |Footer= }} kbo5h96jx20loywsrdlenwjabg0rjkj নির্ঘণ্ট:রামরাম বসু - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf 102 883501 1992402 2026-07-31T08:25:33Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1992402 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779931 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{RPL}} |Header= |Footer= }} 2t38yx826635jnenh16uhij5r3v2uad নির্ঘণ্ট:ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf 102 883502 1992403 2026-07-31T08:26:18Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1992403 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779983 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{RPL}} |Header= |Footer= }} ntzkqrg4ceyxmbf45rrr5llsxamq5z3 নির্ঘণ্ট:রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf 102 883503 1992404 2026-07-31T08:28:47Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1992404 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140779995 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{RPL}} |Header= |Footer= }} m0ieo48glgwvx64cm4yt7lcw2eys8kx