উইকিসংকলন
bnwikisource
https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.14
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিসংকলন
উইকিসংকলন আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
লেখক
লেখক আলাপ
নির্ঘণ্ট
নির্ঘণ্ট আলাপ
পাতা
পাতা আলাপ
প্রবেশদ্বার
প্রবেশদ্বার আলাপ
প্রকাশক
প্রকাশক আলোচনা
রচনা
রচনা আলাপ
অনুবাদ
অনুবাদ আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD
10
9620
1993546
1993415
2026-08-10T07:03:27Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993546
wikitext
text/x-wiki
444948
8dcw7whg0p22f4tnel9bwbi7bfcx55c
টেমপ্লেট:ALL PAGES
10
9621
1993547
1993417
2026-08-10T07:03:37Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993547
wikitext
text/x-wiki
558491
sxy2rosw0iz3pazn8v5g4ekfjwytwb6
টেমপ্লেট:PR TEXTS
10
9622
1993548
1993418
2026-08-10T07:03:47Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993548
wikitext
text/x-wiki
19728
3axdijionb0vw2uouk8rckztcl529id
টেমপ্লেট:ALL TEXTS
10
9623
1993549
1993419
2026-08-10T07:03:57Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993549
wikitext
text/x-wiki
19728
3axdijionb0vw2uouk8rckztcl529id
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১২৭
104
270428
1993487
1993420
2026-08-09T14:42:39Z
Bodhisattwa
2549
1993487
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১০৬|অসমাপ্ত কাব্যাবলি।|}}{{block center/s}}</noinclude><poem>বন-লণ্ডভণ্ড-কারী শুণ্ডধর করী,—
গণ্ডার, শার্দ্দূল, কপি, বন-বাসী পশু,— {{pline|১৫|r}}
সুলোচনা কুরঙ্গিণী, বন-কমলিনী,—
ফণিনী কুন্তলে মণি, ফণী বিষ-ভরা,
না যার নিকটে তাঁর—বিকট-শেখরী!
সতত, তিমিরময়, গভীর গহ্বরে,
কোলাহলে জল-দল মহা কোলাহলে,{{pline|২০|r}}
ভোগবতী স্রোতস্বতী পাতালে যেমতি
কল্লোলিনী! বহে বায়ু ভৈরব আরবে,
মহা কোপে লয়-রূপে, পূর্ণ তমোগুণে,
নিশ্বাস ছাড়েন যেন সর্ব্ব-নাশ-কারী!
কি দানব, কি মানব, যক্ষ, রক্ষঃ, বলী,{{pline|২৫|r}}
কি দানবী, কি মানবী, কিবা নিশাচরী,
সকলেরি অগম্য—দুর্গম দুর্গ যেন!
দিবা নিশি মেঘ-রাশি উড়ে চারি দিকে,
ভূতেশের সঙ্গে ভূত নাচে রঙ্গে যেন।
:এ হেন বিজন স্থানে দেব-কুল-পতি {{pline|৩০|r}}
বাসব, বসিয়া কেন একাকী, তা কহ,</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
ne7m2ga2z9d12hg3xgyag112omjkh64
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১২৮
104
270429
1993475
1353641
2026-08-09T14:15:35Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993475
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||তিলোত্তমা-সম্ভব|১০৭}}{{block center/s}}</noinclude><poem>পঙ্কজ-বাসিনি দেবি, এ তর কিঙ্করে?
সুরাসুর সহ অহি অনন্ত, যে বলে
আনন্দে মন্দরে বাঁধি, সিন্ধুরে মথিলা
অমৃত-রসের আশে, সেই বল-সম {{pline|৩৫|r}}
যাচি রূপা, কর দয়া আজি অকিঞ্চনে,
বাগ্দেবি! যতনে মথি বাক্যের সাগরে,
কবিতার সুধা যেন পাই তব বলে!
কর দয়া অভাজনে, বিশ্ব-বিমোহিনি!
অসীম মহিমা তব, হায়, দীন আমি,— {{pline|৪০|r}}
কিন্তু যে চন্দ্রের বাস চন্দ্রচূড়-চূড়ে,
জননি, শিশির-বিন্দু ক্ষুদ্র ফুল-দলে
লভে না কি আভা কভু তাঁর শোভা হতে?
:কোথা সে ত্রিদিব, যার ভোগ লভিবারে,
কঠোর তপস্যা নর করে যুগে যুগে, {{pline|৪৫|r}}
কত শত নরপতি রত অশ্বমেধে,
সগর রাজার বংশ ধ্বংস, মা, যে লোভে?
কোথা সে অমরাবতী—পূর্ণ চির-সুখে?
কোথা বৈজয়ন্ত-ধাম, রত্নময়ী পুরী,</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
k2etp7pq1tmv0hhgwke6am7j1th2dpe
1993477
1993475
2026-08-09T14:22:07Z
Bodhisattwa
2549
1993477
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||তিলোত্তমা-সম্ভব|১০৭}}{{block center/s}}</noinclude><poem>পঙ্কজ-বাসিনি দেবি, এ তর কিঙ্করে?
সুরাসুর সহ অহি অনন্ত, যে বলে
আনন্দে মন্দরে বাঁধি, সিন্ধুরে মথিলা
অমৃত-রসের আশে, সেই বল-সম {{pline|৩৫|r}}
যাচি কৃপা, কর দয়া আজি অকিঞ্চনে,
বাগ্দেবি! যতনে মথি বাক্যের সাগরে,
কবিতার সুধা যেন পাই তব বলে!
কর দয়া অভাজনে, বিশ্ব-বিমোহিনি!
অসীম মহিমা তব, হায়, দীন আমি,— {{pline|৪০|r}}
কিন্তু যে চন্দ্রের বাস চন্দ্রচূড়-চূড়ে,
জননি, শিশির-বিন্দু ক্ষুদ্র ফুল-দলে
লভে না কি আভা কভু তাঁর শোভা হতে?
:কোথা সে ত্রিদিব, যার ভোগ লভিবারে,
কঠোর তপস্যা নর করে যুগে যুগে, {{pline|৪৫|r}}
কত শত নরপতি রত অশ্বমেধে,
সগর রাজার বংশ ধ্বংস, মা, যে লোভে?
কোথা সে অমরাবতী—পূর্ণ চির-সুখে?
কোথা বৈজয়ন্ত-ধাম, রত্নময়ী পুরী,</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
hzm716dp4ryii04vtfpkrrt4tgcnxvw
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১২৯
104
270430
1993476
1353644
2026-08-09T14:19:07Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993476
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১০৮|অসমাপ্ত কাব্যাবলি।|}}{{block center/s}}</noinclude><poem>মলিন প্রভায় যার প্রভাকর ভানু?{{pline|৫০|r}}
কোথায় সে রাজ-ছত্র, রাজাসন কোথা,
রবি-পরিধির আভা মেরু-শৈলোপরি!
কোথায় নন্দন বন, বসন্ত যে বনে
বিরাজেন নিত্য সুখে? পারিজাত কোথা,
অক্ষয়-লাবণ্য ফুল? ঋষি-মনোহরা {{pline|৫৫|r}}
কোথা সে উর্ব্বশী, কহ? কোথা চিত্রলেখা,
জগত-জনের চিত্তে লেখা বিধুমুখী?
অলকা, তিলকা, রম্ভা, ভুবন-মোহিনী?
মিশ্রকেশী, যার চারু কেশ দিয়া গড়ি
নিগড়, বাঁধেন কাম স্বর্গ-বাসী-জনে? {{pline|৬০|r}}
কোথায় কিন্নর, কোথা বিদ্যাধর যত?
গন্ধর্ব্ব, মদন-গর্ব্ব খর্ব্ব যার রূপে,—
গন্ধর্ব্ব-কুলের রাজা চিত্ররথ রথী,
কামিনীর মনোরথ, নিত্য অরি-দমী
দৈত্য-রণে? কোথা, মা, সে ভীষণ অশনি, {{pline|৬৫|r}}
যার দ্রুত ইরম্মদে, গম্ভীর গর্জ্জনে,
দেব-কলেবর কাঁপে থর থর করি,</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
e603euvckq17rf2hwj5ioqmlu8igc70
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১৩০
104
270431
1993478
1353649
2026-08-09T14:27:03Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993478
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||তিলোত্তমা-সম্ভব|১০৯}}{{block center/s}}</noinclude><poem>ভূধর অধীর ভয়ে, ভুবন চমকে
অতিঙ্কে? কোথা সে ধনুঃ, ধনুঃ-কুল-মণি
আভাময়, যার চারু রত্ন-কান্তি-ছটা {{pline|৭০|r}}
নব নীরদের শিরে ধরে শোভা, যথা
শিখির পুচ্ছের চূড়া রাখালের শিরে?
কোথায় পুষ্কর, কোথা আবর্ত্তক, দেবি,
ঘনেশ্বর? কোথা, কহ, সারথি মাতলি?
কোথা সে সুবর্ণ রথ, মনোরথ-গতি, {{pline|৭৫|r}}
যার স্থিরপ্রভা দেখি ক্ষণ-প্রভা লাজে
অস্থিরা, লুকায় মুখ, ক্ষণ দিয়া দেখা,
(কাদম্বিনী স্বজনীর গলা ধরি কাদি)
অম্বরে? কোথায় আজি ঐরাবত বলী,
গজেন্দ্র? কোথায় হয় উচ্চৈঃশ্রবা, কহ, {{pline|৮০|r}}
হয়েশ্বর, আশুগতি যথা আশুগতি?
কোথায় পৌলোমী সতী অনন্ত-যৌবনা,
দেবেন্দ্র-হৃদয়-সরে প্রফুল্ল নলিনী,
ত্রিদিব-লোচনানন্দ, আয়ত-লোচনা
রূপসী? কোথায় এবে স্বর্গ-কল্পতরু,</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
hf55xuernezn32zy3x6oxx1ptw85x0h
1993486
1993478
2026-08-09T14:42:16Z
Bodhisattwa
2549
1993486
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||তিলোত্তমা-সম্ভব|১০৯}}{{block center/s}}</noinclude><poem>ভূধর অধীর ভয়ে, ভুবন চমকে
অতিঙ্কে? কোথা সে ধনুঃ, ধনুঃ-কুল-মণি
আভাময়, যার চারু রত্ন-কান্তি-ছটা {{pline|৭০|r}}
নব নীরদের শিরে ধরে শোভা, যথা
শিখির পুচ্ছের চূড়া রাখালের শিরে?
কোথায় পুষ্কর, কোথা আবর্ত্তক, দেবি,
ঘনেশ্বর? কোথা, কহ, সারথি মাতলি?
কোথা সে সুবর্ণ রথ, মনোরথ-গতি, {{pline|৭৫|r}}
যার স্থিরপ্রভা দেখি ক্ষণ-প্রভা লাজে
অস্থিরা, লুকায় মুখ, ক্ষণ দিয়া দেখা,
(কাদম্বিনী স্বজনীর গলা ধরি কাদি)
অম্বরে? কোথায় আজি ঐরাবত বলী,
গজেন্দ্র? কোথায় হয় উচ্চৈঃশ্রবা, কহ, {{pline|৮০|r}}
হয়েশ্বর, আশুগতি যথা আশুগতি?
কোথায় পৌলোমী সতী অনন্ত-যৌবনা,
দেবেন্দ্র-হৃদয়-সরে প্রফুল্ল নলিনী,
ত্রিদিব-লোচনানন্দ, আয়ত-লোচনা
রূপসী? কোথায় এবে স্বর্গ-কল্পতরু, {{pline|৮৫|r}}</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
pndzq75u86rwu93jkschgsiqlnb9gat
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১৩১
104
270432
1993481
1353653
2026-08-09T14:30:10Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993481
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১১০|অসমাপ্ত কাব্যাবলি।|}}{{block center/s}}</noinclude><poem>কামদা বিধাতা যথা, যে তরুর পদে
আনন্দে নন্দন-বনে দেবী মন্দাকিনী
বহেন, বিমল-আভা, কল কল রবে?
কোথা মূর্ত্তিমান রাগ, ছত্রিশ রাগিণী
মূর্ত্তিমতী—নিত্য যারা সেবিত দেবেশে? {{pline|৯০|r}}
সে দেব-বিভব সব কোথা, কহ, এবে,
কোথা সে দেব-মহিমা,—দেবি রীণাপাণি?
:দুরন্ত দানব-দ্বয়, দৈব-বলে বলী,
বিমুখি সমুখ রণে দেব দেব-রাজে,
পূরি দেবরাজ-পুরী ঘোর কোলাহলে, {{pline|৯৫|r}}
লুটি দেবরাজ-পুর-বৈভব, বিনাশি
(দ্বেষ-বিষে জ্বলি) হায়, দেব-রাজ-পুরে
সে পুরের অলঙ্কার, অহঙ্কারে আজি
বসিয়াছে রাজাসনে দেব-রাজ-ধামে
পামর! যেমতি শ্বাস রুদ্রের, প্রলয়ে {{pline|১০০|r}}
বাতময়, উথলিলে জল-সমাকুলে,
প্রবল তরঙ্গ-দল, অবহেলি রোধে,
ধরার কবরী হতে ছিঁড়ি লয় কাড়ি</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
jtylhbyq1hfg9r855sckihepgeiiswo
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১৩২
104
270433
1993482
1353655
2026-08-09T14:35:10Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993482
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||তিলোত্তমা-সম্ভব|১১১}}{{block center/s}}</noinclude><poem>সুবর্ণ কুসুম-দাম; যে সুন্দর বপুঃ
আনন্দে মদন- সখা সাজান আপনি {{pline|১০৫|r}}
দিয়া নানা ফুল-সাজ; সে সুন্দর বপুঃ
ফুল-সাজ-শূন্য বন্যা করে অনাদরে,—
গম্ভীর হুঙ্কারে পশে রম্য বন-স্থলে!
:দ্বাদশ বৎসর যুঝি দিতিজারি যত,
দুর্জ্জয় দিতিজ-ভুজ প্রতাপে তাপিয়া {{pline|১১০|r}}
(হীন-বল দৈব-বলে) ভঙ্গ দিলা রণে
আতঙ্কে। দাবাগ্নি যথা, সঙ্গে সখা বায়ু,
হুহুঙ্কারে প্রবেশিলে গহন কাননে,
হেরি ভীম শিখা-পুঞ্জে ধূম-পুঞ্জ মাঝে,
চণ্ড মুণ্ড-মালিনীর লোল জিহ্বা যেন {{pline|১১৫|r}}
(রক্ত-বীজ-কুল-কাল!) আক্ত রক্ত-রসে;
পরমাদ গণি মনে পলায় কেশরী
মৃগেন্দ্র; করীন্দ্র-বৃন্দ পলায় তরাসে
ঊর্দ্ধশ্বাস; মৃগাদল ধায় বায়ু-বেগে;
কুরঙ্গ সুশৃঙ্গধর, ভুজঙ্গ চৌদিকে {{pline|১২০|r}}
পলায়; পলায় শূন্যে বিহঙ্গম উড়ি;</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
d8e6zze3b5tvkkvee93immd5o5c5bm6
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১৩৩
104
270434
1993483
1353659
2026-08-09T14:38:30Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993483
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১১২|অসমাপ্ত কাব্যাবলি।|}}{{block center/s}}</noinclude><poem>পলায় মহিষ-দল, রোষে রাঙা আঁখি,
কোলাহলে পূরি দেশ ক্ষিতি টলমলি
পলায় গণ্ডার, বন লণ্ডভণ্ড করি
পলায়নে; ধায় বাঘ; ধায় প্রাণ লয়ে {{pline|১২৫|r}}
ভল্লূক বিকটাকার; আর পশু যত
বলবন্ত, কিন্তু ভয়ে বলশূন্য এবে;—
অব্যর্থ কুলিশে ব্যর্থ হেরি সে সমরে,
পলাইলা পরিহরি সমর কুলিশী
পুরন্দর; পলাইলা জল-দল-পতি {{pline|১৩০|r}}
পাশী, সর্ব্বনাশী পাশে হেরি (দৈব-বলে)
ম্রিয়মাণ, মহোরগ যেন মন্ত্র-তেজে!
পলাইলা ঝড়াকারে বায়ু-কুল-পতি;
পলাইলা শিখী-পৃষ্ঠে শিখীধ্বজ রথী
সেনানী; মহিষাসনে সর্ব্ব-অন্ত-কারী {{pline|১৩৫|r}}
কতান্ত, কৃতান্ত-দূতে হেরিলে যেমতি
সহসা, পলায় প্রাণী প্রাণ বাঁচাইতে!
পলাইলা গদাধারী অলকার পতি,
ব্যর্থ গদা হাতে, হায়, দুর্য্যোধন যথা</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
cqg6afyi8ynm0c116ml8gb39ad26v8p
পাতা:চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf/১৩৪
104
270435
1993484
1353662
2026-08-09T14:41:17Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993484
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||তিলোত্তমা-সম্ভব|১১৩}}{{block center/s}}</noinclude><poem>মিত্র ক্ষত্র-শূন্য দেখি কুরুক্ষেত্রে, গেলা {{pline|১৪০|r}}
(বিষাদে নিশ্বাসি ঘন!) জলাশয় পানে,
একাকী, সহায়-হীন!— পলাইলা এবে
দেবগণ, রণভূমি ত্যজি অভিমানে;
পূরিল জগত দৈত্য জয় জয় নাদে,
বসিল দেবারি দুষ্ট দেব-রাজাসনে, {{pline|১৪৫|r}}
হর-কোপানল যেন, মদনে দহিয়া,
বিরহ-অনল-রূপে, ভৈরবে বেড়িল
রতির কোমল হিয়া, হায়, পোড়াইতে
সে হিয়া, কেন না রতি স্থাপি সে মন্দিরে
নিত্যানন্দ মদনের মুরতি, সুন্দরী {{pline|১৫০|r}}
পূজেন আদরে, প্রেম-ফুলাঞ্জলি দিয়া!
সুন্দ উপসুন্দাসুর, দ্বন্দ্বি সুর সহ
লণ্ড ভণ্ড করিল অখিল ভূমণ্ডলে।</poem>{{block center/e}}
{{c|ইত্যাদি—}}
{{dhr}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
76qn6osnbn4rrfvwv1ttkbnpwitjpi4
নির্ঘণ্ট:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf
102
860826
1993490
1889150
2026-08-09T15:48:41Z
Bodhisattwa
2549
1993490
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134982654
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2="বিজ্ঞাপন" 3="প্রচ্ছদ" 4="প্রকাশক" 5="সূচীপত্র" 6="—" 7="5" 33to34="চিত্র" 35="31" 53="বিজ্ঞাপন" 54="মলাট" />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
pnpj4r4a5xcqkxxxqicmlflfg02prjh
1993496
1993490
2026-08-09T15:50:16Z
Bodhisattwa
2549
1993496
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134982654
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2="বিজ্ঞাপন" 3="প্রচ্ছদ" 4="প্রকাশক" 5="সূচীপত্র" 6="—" 7="5" 33to34="চিত্র" 35="31" 53="বিজ্ঞাপন" 54="মলাট" />
|Volumes=
|Remarks={{পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫}}
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
hacpckfcn6s9z9085gjd6vvmnk8pmtg
নির্ঘণ্ট:পৃথিবীর পুরাতত্ত্ব (তৃতীয় খণ্ড) - বিনোদবিহারী রায় (১৯৪১).pdf
102
869052
1993466
1915953
2026-08-09T13:28:54Z
Bodhisattwa
2549
1993466
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q136512922
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Footer=
}}
nn2chxpcto4c4xewigdj46ci13knwul
টেমপ্লেট:Pline/styles.css
10
880209
1993473
1950788
2026-08-09T13:57:53Z
Bodhisattwa
2549
1993473
sanitized-css
text/css
.wst-pline {
color:#000000;
font-size:83%;
}
.wst-pline-default2 {
margin-left:1em;
}
.wst-pline-r {
float:right;
text-indent:0;
margin-left:1em;
}
.wst-pline-l {
float:left;
text-align:right;
margin-left:-3em;
width:2.5em;
}
.wst-pline-or {
float:right;
text-align:right;
margin-right:-3em;
width:2.5em;
}
.wst-pline-n {
font-style:normal;
}
.wst-pline-i {
font-style:italic;
}
aqq9xg90ti5z5lp0hzb6r5efgvwo89c
পাতা:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf/৯৪
104
883841
1993461
2026-08-09T12:19:55Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1993461
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৮৮|গল্পসংগ্রহ}}</noinclude>বেড়ে চলেছে। মনে পড়ে গেল বৃহদারণ্যক উপনিষদে পড়েছিলুম যে, অশ্বমেধের অশ্বের “যকৃচ্চ ক্লোমানশ্চ পর্বতা”। পীলে ও যকৃত নামক মাংসপিণ্ড দুটিকে পর্বতের সঙ্গে তুলনা করা যে অসঙ্গত নয়, এই প্রথম আমি তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ পেলুম। মানুষের দেহ যে কতদূর শ্রীহীন, শক্তিহীন হতে পারে, তার চাক্ষুষ পরিচয় পেয়ে আমি মনে মনে লজ্জিত হয়ে পড়লুম; এরকম দেহ মনুষ্যত্বকে প্রকাশ্যে অপমান করে। অথচ আমাদের গ্রামের হিন্দুর বীরত্ব এই সব দেহ আশ্রয় করেই টিকে আছে। এরা জাতিতে অস্পৃশ্য হলেও হিন্দু—শরীরে অশক্ত হলেও ধীর। কেননা শিকার এদের জাতব্যবসা। এরা বর্ষা দিয়ে শুয়োর মারে, বনে ঢুকে জঙ্গল ঠেঙ্গিয়ে বাঘ বার করে; অবশ্য উদরান্নের জন্য। এদের তুলনায়, মাথায় লাল পাগড়ি ও গায়ে সাদা চাপকান পরা—আমার দর্শনধারী সঙ্গী ভোজপুরী দরওয়ানটিকে রাজপুত্রের মত দেখাচ্ছিল।
{{ফাঁক}}এই সব কৃষ্ণের জীবদের কাঁধে চড়ে, বিশ মাইল পথ যেতে প্রথমে আমার নিতান্ত অগ্রবৃত্তি হয়েছিল। মনে হল এই সব জীর্ণ শীর্ণ জীবস্মৃত হতভাগ্যদের স্কন্ধে আমার দেহের ভার চাপানটা নিতান্ত নিষ্ঠুরতার কার্য হবে। আমি পাল্কিতে চড়তে ইতস্তত করছি দেখে, বাড়ী থেকে যে মুসলমান সর্দারটি এসেছিল, সে হেসে বললে—“হুজুর উঠে পড়ুন, কিছু কষ্ট হবে না। আর দেরি করলে বেলা চারটের মধ্যে বাড়ী পৌঁছতে পারবেন না।”
{{ফাঁক}}দশ ক্রোশ পথ যেতে দশ ঘণ্টা লাগবে, এ কথা শুনে আমার পাল্কি চড়বার উৎসাহ যে বেড়ে গেল, অবশ্য তা নয়। তবুও আমি 'দুর্গা' বলে হামাগুড়ি দিয়ে সেই প্যাকবাক্সের মধ্যে ঢুকে পড়লুম, কেননা তা ছাড়া উপায়ান্তর ছিল না। বলা বাহুল্য, ইতিমধ্যে নিজের মনকে বুঝিয়ে দিয়েছিলুম যে, মানুষের স্কন্ধে আরোহণ করে যাত্রা করায় পাপ নেই। আমরা ধনীলোকেরা পৃথিবীর দরিদ্র লোকদের কাধে চড়েই ত জীবনযাত্রা নির্বাহ করছি। আর পৃথিবীতে যে স্বল্পসংখ্যক ধনী এবং অসংখ্য দরিদ্র ছিল, আছে, থাকবে এবং থাকা উচিত, এইত ‘পলিটিকাল ইকনমির’<noinclude></noinclude>
ekl0wiji53ptdksg53zwe3zgock8abo
পাতা:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf/৯৫
104
883842
1993462
2026-08-09T12:26:50Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1993462
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৮৯|আহুতি}}</noinclude>শেষ কথা। Conscienceকে ঘুম পাড়াবার কতনা মন্ত্রই আমরা শিখেছি !
{{ফাঁক}}অতঃপর পাল্কি চলতে শুরু করল।
{{ফাঁক}}সর্দারজী আশা দিয়েছিলেন যে, হুজুরের কোনই কষ্ট হবে না। কিন্তু সে আশা যে “দিলাশা” মাত্র, তা বুঝতে আমার বেশিক্ষণ লাগেনি। কেননা হুজুরের সুস্থ শরীর ইতিপূর্বে কখনও এতটা ব্যতিব্যস্ত হয়নি। পাল্কির আয়তনের মধ্যে আমার দেহায়তন খাপ খাওয়াবার বৃথা চেষ্টায় আমার শরীরের যে ব্যস্তসমস্ত অবস্থা হয়েছিল, তাকে শোযাও বল চলে না, বসাও বলা চলে না। শালগ্রামের শোওয়া বসা দুই এক হলেও মানুষের অবশ্য ত নয়। কাজেই এ দুয়ের ভিতর যেটি হোক একটি আসন গ্রহণ করবার জন্য আমাকে অবিশ্রাম কসরৎ করতে হচ্ছিল। কুচিমোড়া না ভেঙ্গে বীরাসন ত্যাগ করে পদ্মাসন গ্রহণ করবার জো ছিল না, অথচ আমাকে বাধ্য হয়ে মিনিটে মিনিটে আসন পরিবর্তন করতে হচ্ছিল। আমার বিশ্বাস এ অবস্থায় হঠযোগীরাও একস্থানে বহুক্ষণ স্থায়ী হতে পারতেন না, কেননা পৃষ্ঠদণ্ড ঋজু করবামাত্র, পাল্কির ছাদ সজোরে মস্তকে চপেটাঘাত করছিল। ফলে, গুরুজনের সুমুখে কুলবধূর মত, আমাকে কুব্জপৃষ্ঠে নতশিরে অবস্থিতি করতে হয়েছিল। নাভিপদ্মে মনঃসংযোগ করবার এমন সুযোগ আমি পূর্বে কখনও পাইনি; কিন্তু অভ্যাসদোষে আমার বিক্ষিপ্ত চিত্তবৃত্তিকে সংক্ষিপ্ত করে নাভি-বিবরে সুনিবিষ্ট করতে পারলুম না ।
{{ফাঁক}}শরীরের এই বিপর্যস্ত অবস্থাতে আমি অবশ্য কাতর হয়ে পড়িনি। তখন আমার নবযৌবন। দেহ তার স্থিতিস্থাপকতা-ধর্ম তখনও হারিয়ে বসেনি। বরং সত্য কথা বলতে গেলে, নিজ দেহের এই সব অনিচ্ছাকৃত অঙ্গভঙ্গী দেখে আমার শুধু হাসি পাচ্ছিল। এই যাত্রার মুখে পূর্বদিক থেকে যে আলো ও বাতাস ধীরে ধীরে বয়ে আসছিল, তার দর্শনে ও স্পর্শনে আমার মন উৎফুল্ল উল্লসিত হয়ে উঠেছিল; সে বাতাস যেমন সুখস্পর্শ, সে আলো তেমনি প্রিয়দর্শন। দিনের এই নব-জাগরণের সঙ্গে সঙ্গে আমার নয়ন মন সব জেগে উঠেছিল। আমি একদৃষ্টে<noinclude></noinclude>
l8ykka30mmj6x4086se8d2c84a2fy8x
নির্ঘণ্ট:বঙ্গদর্শন (অষ্টম খণ্ড) - সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf
102
883843
1993463
2026-08-09T13:11:46Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1993463
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140959550
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=6
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Footer=
}}
igu1x20tuabe0qsb4seqhe4uhv423t6
1993464
1993463
2026-08-09T13:12:15Z
Bodhisattwa
2549
1993464
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140959550
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=8
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Footer=
}}
ejt3wx3gdphw3iv84rywyjf4mx2tv9q
নির্ঘণ্ট:বঙ্গদর্শন (নবম খণ্ড) - সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf
102
883844
1993465
2026-08-09T13:17:45Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1993465
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140959681
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=6
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Footer=
}}
olnm01a61mbwlyifvcqttr08x46pz32
লেখক:বিজয়মাধব মুখোপাধ্যায়
100
883845
1993467
2026-08-09T13:32:36Z
Bodhisattwa
2549
"{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1993467
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi
1993472
1993467
2026-08-09T13:40:04Z
Bodhisattwa
2549
1993472
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
* ''অন্যান্য''
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q140959951|label = ''[[d:Q140959951|ভাই ও ভগিনী]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:ভাই_ও_ভগিনী_-_বিজয়মাধব_মুখোপাধ্যায়_(১৯২৪).pdf|p577 = 1924}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
j53ft1s50neqwk2e68uwewgs6ytaxum
1993474
1993472
2026-08-09T13:58:10Z
Bodhisattwa
2549
1993474
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
* ''অন্যান্য''
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q140959951|label = ''[[d:Q140959951|ভাই ও ভগিনী]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:ভাই_ও_ভগিনী_-_বিজয়মাধব_মুখোপাধ্যায়_(১৯২৪).pdf|p577 = 1924}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q140959976|label = ''[[d:Q140959976|নির্ম্মাল্য]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:নির্ম্মাল্য_-_বিজয়মাধব_মুখোপাধ্যায়_(১৯২৬).pdf|p577 = 1926}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
tuxeyhoptszoc5tzd9u4nlrltzt64va
নির্ঘণ্ট:ভাই ও ভগিনী - বিজয়মাধব মুখোপাধ্যায় (১৯২৪).pdf
102
883846
1993468
2026-08-09T13:36:47Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1993468
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140959951
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Footer=
}}
3d0e53z03o0z7d97dtzo0hgav3rnz29
নির্ঘণ্ট:নির্ম্মাল্য - বিজয়মাধব মুখোপাধ্যায় (১৯২৬).pdf
102
883847
1993471
2026-08-09T13:39:46Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1993471
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140959976
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
mhjhvsz7jn8ac1hygge0xvtliv30hkb
পাতা:গল্পসংগ্রহ - প্রমথ চৌধুরী (১৯৪১).pdf/৯৬
104
883848
1993479
2026-08-09T14:27:17Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "বাইরের দৃশ্য দেখতে লাগলুম। চারিদিকে শুধু মাঠ ধু ধু করছে, ঘর নেই দোর নেই, গাছ নেই পালা নেই, শুধু মাঠ— অফুরন্ত মাঠ – আগা- গোড়া সমতল ও সমরূপ, আকাশের মত বাধাহীন এবং ফাঁকা। কলকাতা..." দিয়ে পাতা তৈরি
1993479
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৯০|গল্পসংগ্রহ}}</noinclude>বাইরের দৃশ্য দেখতে লাগলুম। চারিদিকে শুধু মাঠ ধু ধু করছে, ঘর
নেই দোর নেই, গাছ নেই পালা নেই, শুধু মাঠ— অফুরন্ত মাঠ – আগা-
গোড়া সমতল ও সমরূপ, আকাশের মত বাধাহীন এবং ফাঁকা।
কলকাতার ইটকাঠের পায়রার খোপের ভিতর থেকে বেরিয়ে এসে
প্রকৃতির এই অসীম উদারতার মধ্যে আমার অন্তরাত্মা মুক্তির আনন্দ
অনুভব করতে লাগল। আমার মন থেকে সব ভাবনা চিন্তা করে গিয়ে
সে মন ঐ আকাশের মত নির্বিকার ও প্রসন্নরূপ ধারণ করলে, —তার
মধ্যে যা চিল, সে হচ্ছে আনন্দের ঈযৎ রক্তিম আভা। কিন্তু এ আনন্দ
বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না, কেননা দিনের সঙ্গে রোদ, প্রকৃতির গায়ের জ্বরের
মত বেড়ে উঠতে লাগল, আকাশ বাতাসের উত্তাপ, দেখতে দেখতে একশ'
পাঁচ ডিগ্রীতে চড়ে গেল । যখন বেলা প্রায় নটা বাজে, তখন দেখি
বাইরের দিকে আর চাওয়া যায় না; আলোয় চোখ ঝলসে যাচ্ছে।
আমার চোখ একটা কিছু সবুজ পদার্থের জন্য লালায়িত হয়ে দিগদিগন্তে
তার অন্বেষণ করে এখানে ওখানে দুটি একটি বাবলা গাছের সাক্ষাৎ
লাভ করলে। বলা বাহুল্য, এতে চোখের পিপাসা মিটল না, কেননা এ
গাছের আর যে গুণই থাক, এর গায়ে শ্যামল-স্ত্রী নেই, পায়ের নীচে নীল
ছায়া নেই। এই তরুহীন, পত্রহীন, ছায়াহীন পৃথিবী আর মেঘমুক্ত
রৌদ্রপীড়িত আকাশের মধ্যে ক্রমে একটি বিরাট অবসাদের মূর্তি ফুটে
উঠল ।
প্রকৃতির এই একঘেয়ে চেহারা আমার চোখে আর দক্ষ
হল না। আমি একখানি বই খুলে পড়বার চেষ্টা করলুম। সঙ্গে
Meredith-এর Egoist এনেছিলুম, তার শেষ চ্যাপ্টার পড়তে বাকী
ছিল। একটানা দু'চার পাতা পড়ে দেখি তার শেষ চ্যাপ্টার তার প্রথম
চ্যাপ্টার হয়ে উঠেছে, অর্থাৎ তার একবর্ণও আমার মাথায় ঢুকল না।
বুঝলুম পাল্কির অবিশ্রাম ঝাঁকুনিতে আমার মস্তিষ্ক বেবাক খুলিয়ে গেছে।
আমি নই বন্ধ করে পাল্কি-বেহারাদের একটু চাল বাড়াতে অনুরোধ
করলুম, এবং সেই সঙ্গে বকশিষের লোভ দেখালুম। এতে ফল হল।
অর্ধেক পথে যে গ্রামটিতে আমাদের বিশ্রাম করবার কথা ছিল, সেখানে
বেলা সাড়ে দশটায়, অর্থাৎ মেয়াদের আধঘণ্টা আগে গিয়ে পৌঁছলুম ।<noinclude></noinclude>
qgrlasn3nwsstk571qe31r4mbw8csis
চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি/তিলোত্তমা-সম্ভব
0
883850
1993485
2026-08-09T14:41:44Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf" from=126 to=134 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993485
wikitext
text/x-wiki
<pages index="চতুর্দ্দশপদী-কবিতাবলি.pdf" from=126 to=134 header=1/>
fxrzu5mdnexqawh3xua3c5kxj1k01oy
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৩৭
104
883851
1993488
2026-08-09T14:52:00Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993488
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|২৭|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>নিষ্কলঙ্কচরিত্র, প্রণয়পারাবার, পত্নীময়-জীবিত পতির দ্বারা, জীবনের চিরসহচরী সতী সাধ্বী স্বর্ণপ্রতিমার বিসর্জ্জন দেওয়াইয়া কর্ত্তব্য কার্য্যের দুষ্করত্ব প্রতিপাদন করিতেছেন। কোথাও ফুলের ঘায়ে মূর্চ্ছিত প্রিয়তমার অকালমৃত্যুতে, ধরণীর ঈশ্বর ‘সহজ ধীরতা’য় জলাঞ্জলি দিয়া বালকের মতন উচ্চ কণ্ঠে—
{{block center|<poem>গৃহিণী সচিবঃ সখী মিথঃ
প্রিয়শিষ্যা ললিতে কলাবিধৌ।
করুণাবিমুখেন মৃত্যুনা
হরতা ত্বাং বদ কিং ন মে হৃতম্॥</poem>}}
বলিয়া আর্ত্তনাদ করিতেছেন। কোথাও বা সৌন্দর্য্যে জগজ্জয়ী পতির অকস্মাৎ মরণে বালবিধবা, ‘বসুধালিঙ্গনধূসরস্তনী’ হইয়া ‘দেহি দর্শনং’ বলিতে বলিতে নয়নজলে পৃথিবী ভাসাইতেছেন। ওদিকে আবার প্রিয়তমার চিন্তায় ‘উন্মত্ত’ ‘চেতনাচেতন-কৃপণ’ বিরহ-বিধুর যক্ষ অচেতন মেঘের গলা ধরিয়া কাঁদিতেছে। আবার ঐ দিকে ঐ স্বর্গে দেব সভায়, দেবের বদলে, প্রণয়স্বপ্নে<noinclude></noinclude>
4xqzaq4a0ynbsziqm9h7e9zkbigg6ah
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৩৮
104
883852
1993489
2026-08-09T15:14:08Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993489
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|২৮|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>মানুষের নাম করায় উন্মাদিনীর—দেবতাদের রেজেষ্টরী হইতে নাম কাটা যাইতেছে। আবার ঐ দেখ, কোথাও স্বপ্রিয়াভ্রমে প্রেমিক ‘স্তবকাভিনম্রা’ লতাকে আলিঙ্গন করিতে যাইতেছে। কোথাও বা বিরহিণী সাধ্বীর আর্ত্তনাদে ময়ূর নৃত্য ছাড়িতেছে, ভ্রমর ফুলে বসিতেছে না, মৃগবধূ তৃণকবল স্পর্শ করিতেছে না—। কোথাও আবার ‘কিঞ্চিৎ আবর্জ্জিত-দেহ-যষ্টি’ ‘পুষ্পস্তবকাবনত্রা,’ কুমারী, ‘বসন্ত পুষ্পাভরণে’ দেহ সাজাইয়া,— ‘সঞ্চারিণী’ ‘পল্লবিনী’ ‘লতার’ ন্যায় ঐ দেখ, চিরবাঞ্ছিতের চরণে, বড় আশায় বুক বাঁধিয়া, কুসুমাঞ্জলি অর্পণ করিতে যাইতেছে। প্রণামকালে তাহার ‘নীলালকমধ্যশোভি’ ‘নবকর্ণিকার’ কুসুম হঠাৎ খসিয়া পড়িতেছে। অকস্মাৎ বালিকার শরীর কণ্টকিত হইয়া ‘স্ফুরদ্বাল-কদম্বের’ ন্যায় শোভা পাইতেছে। সে মূর্ত্তির—সে দেবী মূর্ত্তির অমোঘ আকর্ষণে,পরম জিতেন্দ্রিয়ও আজ ‘কিঞ্চিৎ পরিলুপ্ত-ধৈর্য্য’ হইয়াছেন, ‘চন্দ্রোদয়ারম্ভে’ ‘অম্বুরাশি’ যেমন ঈষদ্ তরঙ্গায়িত হয়, সেই প্রকার তাঁহার প্রাণও আজ যেন কেমন একটু তরঙ্গময় হইয়া<noinclude></noinclude>
trxb78aln39enwyyiagxjukf2xcbziw
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১
104
883853
1993491
2026-08-09T15:48:55Z
Bodhisattwa
2549
/* লেখাবিহীন */
1993491
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude>
mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২
104
883854
1993492
2026-08-09T15:48:57Z
Bodhisattwa
2549
/* লেখাবিহীন */
1993492
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude>
mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫৩
104
883855
1993493
2026-08-09T15:49:13Z
Bodhisattwa
2549
/* লেখাবিহীন */
1993493
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude>
mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৬
104
883856
1993494
2026-08-09T15:49:15Z
Bodhisattwa
2549
/* লেখাবিহীন */
1993494
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude>
mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫৪
104
883857
1993495
2026-08-09T15:49:22Z
Bodhisattwa
2549
/* লেখাবিহীন */
1993495
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude>
mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৭
104
883858
1993497
2026-08-09T15:56:15Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993497
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{larger|অণু-পরমাণু}}}}
{{ফাঁক}}খ্রীস্টজন্মের দ্বাদশ শতাব্দী পূর্বে বৈশেষিকদর্শন-প্রণেতা কণাদ তাঁহার এক কল্পনা ব্যক্ত করেন যে, প্রতি পদার্থ কতকগুলি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকার সমষ্টিমাত্র। এই সকল কণিকার নাম ‘পরমাণু’। কণাদ সূত্র করিলেন—
{{c|'''नित्यम् परिमण्डलम्। २०।१।७।''' ইহারা অবিনশ্বর।}}
{{ফাঁক}}তিনি এ সম্বন্ধে বহু আলোচনা ও বিচার করেন।
{{ফাঁক}}খ্রীস্টজন্মের প্রায় পাঁচশত বৎসর পূর্বে গ্রীসদেশের দার্শনিক ডিমক্রিটস্ অনুরূপ মত প্রকাশ করেন। তিনি কণিকাগুলির নাম দিলেন ‘অ্যাটম’, গ্রীকভাষায় যাহার অর্থ হইল অবিভাজ্য। ডিমক্রিটস্ বলিলেন যে, বুঝিবার সুবিধা অনুসারে আমরা মিষ্ট তিক্ত, গরম ঠাণ্ডা, রং, এইসব কথা ব্যবহার করি—কিন্তু অ্যাটম ও শূন্য এই লইয়া ব্রহ্মাণ্ড।
{{ফাঁক}}রবার্ট বয়েল ও নিউটন এই কণিকাবাদ সমর্থন করেন। প্রত্যেক গ্যাসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকার মধ্যে সব সময়ই বিকর্ষণ আছে, নিউটন এইরূপ কল্পনা করিতেন এবং তিনি মনে করিতেন যে, এই বিকর্ষণের ফলে গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।
{{ফাঁক}}গত শতাব্দীর প্রারম্ভে ড্যাল্টন পদার্থের গঠন সম্বন্ধে কতকগুলি সিদ্ধান্ত করিলেন। একটি মৌলিক পদার্থকে ভাঙিয়া ভাঙিয়া চলিলে উহ| শেষ অবধি এমন অবস্থায় গিয়া দাঁড়াইবে যখন উহাকে আর ভাঙা চলিবে না। এই অ্যাটম বা পরমাণু সম্বন্ধে ড্যাল্টন বলিলেন যে, একটি<noinclude></noinclude>
klg6b91qs4tu0egb3lge8xsy9w1t28t
1993553
1993497
2026-08-10T07:38:02Z
Bodhisattwa
2549
1993553
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{x-larger|অণু-পরমাণু}}}}
{{ফাঁক}}খ্রীস্টজন্মের দ্বাদশ শতাব্দী পূর্বে বৈশেষিকদর্শন-প্রণেতা কণাদ তাঁহার এক কল্পনা ব্যক্ত করেন যে, প্রতি পদার্থ কতকগুলি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকার সমষ্টিমাত্র। এই সকল কণিকার নাম ‘পরমাণু’। কণাদ সূত্র করিলেন—
{{c|{{larger|'''नित्यम् परिमण्डलम्। २०।१।७।''' ইহারা অবিনশ্বর।}}}}
{{ফাঁক}}তিনি এ সম্বন্ধে বহু আলোচনা ও বিচার করেন।
{{ফাঁক}}খ্রীস্টজন্মের প্রায় পাঁচশত বৎসর পূর্বে গ্রীসদেশের দার্শনিক ডিমক্রিটস্ অনুরূপ মত প্রকাশ করেন। তিনি কণিকাগুলির নাম দিলেন ‘অ্যাটম’, গ্রীকভাষায় যাহার অর্থ হইল অবিভাজ্য। ডিমক্রিটস্ বলিলেন যে, বুঝিবার সুবিধা অনুসারে আমরা মিষ্ট তিক্ত, গরম ঠাণ্ডা, রং, এইসব কথা ব্যবহার করি—কিন্তু অ্যাটম ও শূন্য এই লইয়া ব্রহ্মাণ্ড।
{{ফাঁক}}রবার্ট বয়েল ও নিউটন এই কণিকাবাদ সমর্থন করেন। প্রত্যেক গ্যাসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকার মধ্যে সব সময়ই বিকর্ষণ আছে, নিউটন এইরূপ কল্পনা করিতেন এবং তিনি মনে করিতেন যে, এই বিকর্ষণের ফলে গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।
{{ফাঁক}}গত শতাব্দীর প্রারম্ভে ড্যাল্টন পদার্থের গঠন সম্বন্ধে কতকগুলি সিদ্ধান্ত করিলেন। একটি মৌলিক পদার্থকে ভাঙিয়া ভাঙিয়া চলিলে উহ| শেষ অবধি এমন অবস্থায় গিয়া দাঁড়াইবে যখন উহাকে আর ভাঙা চলিবে না। এই অ্যাটম বা পরমাণু সম্বন্ধে ড্যাল্টন বলিলেন যে, একটি<noinclude></noinclude>
18i8miva284dj0up2sic2y1i918krkw
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৮
104
883859
1993498
2026-08-09T15:59:48Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993498
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৬|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>মৌলিক পদার্থের পরমাণুগুলি হুবহু সমান; তাহাদের ওজন, তাহাদের গুণাবলির মধ্যে কোনও পার্থক্য নাই; বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণু বিভিন্ন; যখন রাসায়নিক মিলন ঘটে তখন পরমাণুগুলির মধ্যেই মিলন সংসাধিত হয়।
{{ফাঁক}}এই মিলনে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদার্থের সৃষ্টি হয় তাহারা হইল ‘মলিকিউল’, ‘অণু’; এই অণু হইল যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ। একটা উদাহরণ লওয়া যাক। এক চিমটি লবণ লইয়া ভাগ করিতে করিতে উহা এমন অবস্থায় গিয়া ঠেকিবে যখন লবণের গুণাবলি বজায় রাখিয়া আর উহাকে ভাঙা যাইবে না। ইহা হইল লবণের অণু। এই অণুকে আর ছোট করা চলে না, কিন্তু এইবার তড়িৎ সাহায্যে উহাকে ভাঙিয়া যাহা পাওয়া যাইবে তাহা হইবে এই লবণ-অণুর উপাদান— বিভিন্ন পরমাণু। এই পরমাণুগুলির মধ্যে আর লবণত্ব নাই। একটি উপাদান হইল সোডিয়ম, বেশী পরিমাণে উহা বেশ নরম, ছুরি দিয়া কাটা যায়, অগ্নিকাণ্ড বাধায়। আর একটি ক্লোরিন, বেশ ঝাঁঝালো গ্যাস, জল পরিষ্কার করে, কাপড়কে ধব্ধবে সাদা করে, বিপক্ষ সৈন্যকে মারিয়া ফেলে। যৌগিক পদার্থের অণুর সঙ্গে সঙ্গে আর-একটি কল্পনা করিতে হইল যে, অনেক মৌলিক পদার্থেও দুই বা ততোধিক পরমাণু জোট বাঁধিয়া অণু হিসাবে বসবাস করে। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অণুরাই অংশ গ্রহণ করে। অণু-পরমাণুর আমদানি হইল রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহের মীমাংসার জন্য এবং ইহাদের সাহায্যে অনেক প্রাকৃতিক ব্যাপার সুষ্ঠুভাবে মীমাংসিত হইল। এইবার দেখা গেল যে, ইহারা বাস্তব পদার্থ, ইহাদের অস্তিত্ব আছে; ক্ষুদ্র হইলেও ইহাদের আয়তন আছে, ভর (mass) আছে। কত বড় সে আয়তন, ব্যাস কত, ভর কত, এ সবের হিসাব হইল।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
je3s4515hfdnquo67wtkuxc1y9c37eq
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৯
104
883860
1993499
2026-08-09T16:04:26Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993499
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||অণু-পরমাণু|৭}}</noinclude>{{ফাঁক}}লর্ড কেল্ভিন এক টুকুরা সোনা পিটাইয়া উহাকে এত পাতলা করাইলেন যে, উহার বিপরীত দিকের জিনিস দেখা যায়; পানের খিলিতে যে সোনার তবক মোড়া থাকে তাহার তুলনায়ও উহা অনেক পাতলা। হিসাবে দেখা গেল যে, কেলভিনের পাতেও ৫০টির উপর অণু-স্তর আছে। আরও পাতলা কিছু পাওয়া যায় না কি? প্রকাণ্ড একটি পাত্রে জল আছে; জলের উপর খুব ছোট একটি তৈলবিন্দু ছাড়িয়া দেওয়া হইল। জলের উপর ঐ তেলের একটি পর্দা পড়িয়া গিয়া উহাতে লাল, নীল, সবুজ প্রভৃতি রং দেখা গেল; খুব বেশী যেখানে পাতলা হয় সেখানে রং আর দেখা যায় না, স্থানটা কালো হয়। পর্দার এইখানটা কতটা পুরু, সেই হিসাব হইতে অণুর আকারের একটা হিসাব মিলে। অন্যান্য অনেক পরীক্ষার দ্বারাও হিসাব হইল; দেখা গেল, একটি অণুর ব্যাস একটি সেণ্টিমিটারের ৫ কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। এইবার উহার ভর বাহির হইল। হিসাবে মিলিল একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ওজন—
{{c|.০০০০০০,০০০০০০,০০০০০০,০০০০০০১৭ গ্র্যাম্।}}
বিভিন্ন দিক দিয়া বিভিন্ন পরীক্ষায় ঐ একই ফল দাঁড়াইল। এখন বিজ্ঞানীরা জোর করিয়া বলিতে পারেন যে, একটি শহরের লোকগণনায় যে পরিমাণ ভুল থাকে এসব হিসাবে ভুলের পরিমাণ তদপেক্ষা কম।
{{ফাঁক}}একটি অণুর ব্যাস, একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ওজন, সংখ্যায় যাহা দাঁড়াইল তাহা মানবের কল্পনার বাহিরে। উহাদিগকে হৃদয়ঙ্গম করিতে নানারূপ উপমার সৃষ্টি হইল। ব্যাস সম্বন্ধে একটি উপমা এই যে, একটি ক্ষুদ্র জলকণাকে যদি পৃথিবীর আকারে বড় করা যায় তবে ইহার অভ্যন্তরস্থ এক-একটি অণু এক-একটি ফুটবলের আকার ধারণ করিবে। অ্যাস্টন একটি চমৎকার হিসাব দিয়াছেন। এক<noinclude></noinclude>
tjjhmhkp6yxnvf7uzbjs9mlhift63ap
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫
104
883861
1993500
2026-08-09T16:09:19Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993500
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{larger|সূচীপত্র}}}}
{{block center|width=400px|
{{dtpl||[[বিশ্বের উপাদান/অণু, পরমাণু|অণু, পরমাণু]]|{{pli|5|2}}|dottext=}}
{{dtpl||[[বিশ্বের উপাদান/ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|ইলেক্ট্রন ও প্রোটন]]|{{pli|12|2}}|dottext=}}
{{dtpl||[[বিশ্বের উপাদান/পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন|পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন]]|{{pli|25|2}}|dottext=}}
{{dtpl||[[বিশ্বের উপাদান/উপাদানের প্রকৃতি|উপাদানের প্রকৃতি]]|{{pli|32|4}}|dottext=}}
{{dtpl||[[বিশ্বের উপাদান/শক্তি ও তড়িৎ|শক্তি ও তড়িৎ]]|{{pli|40|4}}|dottext=}}
{{dtpl||[[বিশ্বের উপাদান/উপসংহার|উপসংহার]]|{{pli|45|4}}|dottext=}}
}}<noinclude></noinclude>
on902icp14mjt49v070rpy9x7e5x76m
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১০
104
883862
1993501
2026-08-09T16:13:24Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993501
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||৮বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>গ্লাস জল লও; কল্পনায় মনে কর, এই জলের প্রত্যেক অণুর গায়ে একটি করিয়া লেবেল মারিয়া দেওয়া হইল। এই জল এখন সমুদ্রের জলের সহিত মিশাইয়া দাও; অপেক্ষা কর যতদিন পর্যন্ত না পৃথিবীর সমস্ত মহাসাগর, সাগর, উপসাগর, নদনদীর জলের সহিত এই জল সম্পূর্ণরূপে মিশিয়া যায়। এইবার সমুদ্র বা নদী হইতে এক গ্লাস জল লও। এখন দেখিবে, তোমার সেই আগেকার লেবেলযুক্ত অন্তত দু-হাজার অণু এই মাসের জলে আসিয়াছে। পরমাণুর ভরের যে হিসাব দেওয়া হইয়াছে সেখানে কোনও উপমাও মানব হৃদয়ঙ্গম করিতে পারে না।
{{ফাঁক}}এই পৃথিবী, ঐ সূর্যগ্রহতারকা, ব্রহ্মাণ্ডে যত কিছু ভৌতিক পদার্থ আছে সবই পরমাণুর সমষ্টি-মাত্র। মোটের উপর বিশ্বে কত রকমের মৌলিক পদার্থ আছে? ৫০, ৬০, ৭০, ৮০—বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন রকমের মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ৯২টিতে দাঁড়াইয়াছে; তন্মধ্যে ৯০টির সহিত বিজ্ঞানী বিশেষভাবে পরিচিত। এই ব্রহ্মাণ্ড ঐ ৯২টি রকমের পরমাণু লইয়া গঠিত। স্থানে স্থানে উহারা মৌলিকভাবে বিদ্যমান, বেশীর ভাগ যৌগিক ভাবে অবস্থিত। মৌলিক পদার্থ মাত্র ৯২টি, কিন্তু মানুষ প্রায় ৪ লক্ষ বিভিন্ন রকমের যৌগিক পদার্থের সন্ধান পাইয়াছে। মৌলিক পদার্থের মধ্যে দেখা যায় যে, হাইড্রোজেন সর্বাপেক্ষা হালকা, ইয়ুরেনিয়ম সর্বাপেক্ষা ভারী। মৌলিক পদার্থের অধিকাংশই সাধারণ অবস্থান কঠিন, কতকগুলি গ্যাসীয়, এবং খুব অল্পসংখ্যক তরল অবস্থায় বিদ্যমান। ইহাদের মধ্যে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, লৌহ, অ্যালুমিনিয়ম, সিলিকন খুব বেশী পরিমাণে পৃথিবীতে ছড়াইয়া আছে, খাইতে শুইতে বসিতে আমরা ইহাদের সাক্ষাৎ লাভ করি। পক্ষান্তরে রেডিয়ম, ঈট্রিয়ম, ক্রিপ্টন প্রভৃতির পরিমাণ খুবই কম। সমস্ত পৃথিবী হইতে এক পাউণ্ড রেডিয়ম পাওয়া দুষ্কর।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
eykmfoj3jcr5tt3yhxsab50cv7m1auc
1993502
1993501
2026-08-09T16:13:42Z
Bodhisattwa
2549
1993502
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৮|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>গ্লাস জল লও; কল্পনায় মনে কর, এই জলের প্রত্যেক অণুর গায়ে একটি করিয়া লেবেল মারিয়া দেওয়া হইল। এই জল এখন সমুদ্রের জলের সহিত মিশাইয়া দাও; অপেক্ষা কর যতদিন পর্যন্ত না পৃথিবীর সমস্ত মহাসাগর, সাগর, উপসাগর, নদনদীর জলের সহিত এই জল সম্পূর্ণরূপে মিশিয়া যায়। এইবার সমুদ্র বা নদী হইতে এক গ্লাস জল লও। এখন দেখিবে, তোমার সেই আগেকার লেবেলযুক্ত অন্তত দু-হাজার অণু এই মাসের জলে আসিয়াছে। পরমাণুর ভরের যে হিসাব দেওয়া হইয়াছে সেখানে কোনও উপমাও মানব হৃদয়ঙ্গম করিতে পারে না।
{{ফাঁক}}এই পৃথিবী, ঐ সূর্যগ্রহতারকা, ব্রহ্মাণ্ডে যত কিছু ভৌতিক পদার্থ আছে সবই পরমাণুর সমষ্টি-মাত্র। মোটের উপর বিশ্বে কত রকমের মৌলিক পদার্থ আছে? ৫০, ৬০, ৭০, ৮০—বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন রকমের মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ৯২টিতে দাঁড়াইয়াছে; তন্মধ্যে ৯০টির সহিত বিজ্ঞানী বিশেষভাবে পরিচিত। এই ব্রহ্মাণ্ড ঐ ৯২টি রকমের পরমাণু লইয়া গঠিত। স্থানে স্থানে উহারা মৌলিকভাবে বিদ্যমান, বেশীর ভাগ যৌগিক ভাবে অবস্থিত। মৌলিক পদার্থ মাত্র ৯২টি, কিন্তু মানুষ প্রায় ৪ লক্ষ বিভিন্ন রকমের যৌগিক পদার্থের সন্ধান পাইয়াছে। মৌলিক পদার্থের মধ্যে দেখা যায় যে, হাইড্রোজেন সর্বাপেক্ষা হালকা, ইয়ুরেনিয়ম সর্বাপেক্ষা ভারী। মৌলিক পদার্থের অধিকাংশই সাধারণ অবস্থান কঠিন, কতকগুলি গ্যাসীয়, এবং খুব অল্পসংখ্যক তরল অবস্থায় বিদ্যমান। ইহাদের মধ্যে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, লৌহ, অ্যালুমিনিয়ম, সিলিকন খুব বেশী পরিমাণে পৃথিবীতে ছড়াইয়া আছে, খাইতে শুইতে বসিতে আমরা ইহাদের সাক্ষাৎ লাভ করি। পক্ষান্তরে রেডিয়ম, ঈট্রিয়ম, ক্রিপ্টন প্রভৃতির পরিমাণ খুবই কম। সমস্ত পৃথিবী হইতে এক পাউণ্ড রেডিয়ম পাওয়া দুষ্কর।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
tajb0dlso1b3ki7ug5fri86fffdqxij
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১১
104
883863
1993503
2026-08-09T16:34:20Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993503
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||অণু-পরমাণু|৯}}</noinclude>{{ফাঁক}}একে একে অনেকগুলি মৌলিক পদার্থ যখন আবিষ্কৃত হইল তখন বিজ্ঞানী উহাদের মধ্যে কোনো শ্রেণীগত সাদৃশ্য আছে কিনা তাহার অনুসন্ধানে প্রবৃত্ত হইলেন। সুরের পর্দায় যেমন সাতটা অন্তর সাদৃশ্য আছে, আণবিক ওজনে সাজাইয়া মৌলিক পদার্থের মধ্যেও অনেকস্থলে সেইরূপ সাদৃশ্য দেখা দিল; যেমন পোটাসিয়াম, সোডিয়ম, লিথিয়ম, সাতঘর পর পর আছে এবং ইহাদের গুণাবলির সাদৃশ্য আছে। মেণ্ডেলিফ এই গবেষণায় তাঁহার জীবন অতিবাহিত করিলেন। কয়েকটি অনাবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের জন্য স্থান ছাড়িয়া রাখিয়া মেণ্ডেলিফ দৃঢ়ভাবে বলিলেন যে, এইসব মৌলিক পদার্থকে একদিন না একদিন পাওয়া যাইবে; তাহাদের গুণাবলি কি ধরনের হইবে মেণ্ডেলিফ সে সম্বন্ধেও ভবিষ্যদ্বাণী করিলেন। আজ বাংলাদেশের অর্থসচিব যদি ১৯৬৮ সালের বজেট প্রস্তুত করেন এবং ১৯৬৮ সাল যখন শেষ হইবে, তখন যদি দেখা যায় যে ২৫ বৎসর পূর্বে প্রস্তুত বজেট অনুযায়ী আয়-ব্যয়ের পাই পয়সাটি অবধি মিলিয়া গিয়াছে, সেটা যতটা আশ্চর্যের বিষয় হইবে সেইরূপ হইল যখন বিজ্ঞানী দেখিল যে মেণ্ডেলিফের কথার অনুরূপ মৌলিক পদার্থ একে একে আবিষ্কৃত হইয়া মেণ্ডেলিফ-নির্দিষ্ট শূন্যস্থানগুলি অধিকার করিল।
{{ফাঁক}}মৌলিক পদার্থের মধ্যে কয়েকটি আছে, যেমন হিলিয়ম, জিনন, নিয়ন প্রভৃতি যাহারা একলষেঁড়ে, কাহারও সহিত মিশিতে চায় না। অনেকেই কিন্তু মিশুক; প্রকৃতিতে তাহাদের মিলন ঘটিতেছে, আবার মানুষও তাহাদিগকে মিলাইতেছে। আমরা যখন শ্বাস লই, আপনা হইতেই রাসায়নিক মিশ্রণ ঘটে; আবার যখন সলফিউরিক অ্যাসিডে দস্তা দিই, এই মিলন আমরা ঘটাই। মিলিবার আসক্তি কোথাও মৃদু, কোথাও তীব্র; এবং যেখানে তাহারা মিলিতে চাহে না বিজ্ঞানী<noinclude></noinclude>
g2hb446c8vs443cxuh0mmcp7p7a6wg6
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১২
104
883864
1993504
2026-08-09T16:38:28Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993504
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১০|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>সেইরূপ অনেকস্থলে জোর করিয়া মিলন ঘটাইয়া নব নব যৌগিক পদার্থ সৃষ্টি করিয়া জগতের কল্যাণ বা অকল্যাণ সাধিত করিতেছেন। একটা ঘটনার উল্লেখ করা যাইতেছে। ১৮৯৮ সালের ইংলণ্ডের ব্রিস্টল শহরে এক অধিবেশনে উইলিয়ম ক্রুক্স্ সভাপতির আসন হইত বলেন, “আজ ইংলণ্ড ও পৃথিবীর সমস্ত জাতি এক মহাবিপদের সম্মুখীন; শীঘ্রই তাহাদের খা্দ্যের অভাব হইবে; লোক বাড়িতেছে, কিন্তু খাদ্যের পরিমাণ বাড়িতেছে না; জমি যাহা দিবার তাহা দিতেছে, কিন্তু জমির দিবার পরিমাণ নির্ভর করিতেছে প্রকৃতির খেয়ালের উপর।” কিন্তু দেখা গেল, জমি হইতে বেশী আদায় করিয়া লওয়া যায় যদি জমি শোরা প্রভৃতি সার হইতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করিয়া লয়। একটা হিসাব হইল, বৎসরে ১২০ লক্ষ টন শোরা যদি ভূমিতে দেওয়া যায় তো ভূমির উর্বরতা বাড়িয়া গিয়া পৃথিবীর শস্য দেড়গুণের উপর বৃদ্ধি পায়। এইবার কথা হইল যে, এই হারে যদি মাটির ভিতর হইতে শোরা লওয়া যায় তো পৃথিবীর শোরা আর কত দিন! শোরার একটি উপাদান হইল নাইট্রোজেন, আর নাইট্রাজেন বাতাসের প্রধান উপাদান। বাতাসের এই নাইট্রোজেন লইয়া কি পরীক্ষাগারে শোরা প্রস্তুত করা যায় না? জার্মানির রসায়নবিৎ হাবার শোরা প্রস্তুতের এক নুতন উপায় আবিষ্কার করিলেন। বাতাসের নাইট্রোজেন এবং জলের হাইড্রোজেন বেশী উষ্ণতায় ও প্রচণ্ড চাপে রাসায়নিক মিলনে অ্যামোনিয়ায় পরিণত হইল, আর এই অ্যামোনিয়া হইতে শোৱা প্রস্তুত হইতে লাগিল।
{{ফাঁক}}ড্যাল্টনের সময়ে ফিরিয়া আসা যাক। ড্যাল্টন তাঁহার সিদ্ধান্ত প্রচার করিবার দশ বৎসর পরে প্রাউট বলিলেন, ব্রহ্মাণ্ডের মূলে আছে একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু, অন্যরকম পরমাণুর সম্বন্ধে এইমাত্র বলা<noinclude></noinclude>
7cwiy1su4ryqzri352v7sl2k80w5zzl
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৩
104
883865
1993505
2026-08-09T16:41:56Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993505
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||অণু-পরমাণু|১১}}</noinclude>যায় যে, উহারা কয়েকটি হাইড্রোজেন-পরমাণুর জোটপাকানো অবস্থামাত্র, আর কিছু নয়। কথাটা শুনিতে লোকের ভাল লাগিল। এতদিন দার্শনিকেরাই বছর মধ্যে এককে দেখিয়াছেন; আজ যদি বিজ্ঞানী এই বৈচিত্র্যময় ব্রহ্মাণ্ডের মূলে একের সন্ধান পান তবে মানবের মন একটা তৃপ্তিলাভ করে। প্রাউটের মতের যাচাই হইল। মনে করা যাক, ক্লোরিন-পরমাণু। প্রাউটের মতে একটি ক্লোরিন-পরমাণুর যখন কতকগুলি হাইড্রোজেন-পরমাণুর সমষ্টিমাত্র, তখন একটি হাইড্রোজেন-পরমাণুর ওজনের তুলনায় একটি ক্লোরিন-পরমাণুর ওজন একটি পুরাপুরি সংখ্যা হইবে, উহাতে কোনও ভগ্নাংশ থাকিবে না। আর, শুধু ক্লোরিনই বা কেন, প্রত্যেক মৌলিক পদার্থের আণবিক ওজন পূর্ণসংখ্যক হইবে। পরীক্ষায় দেখা গেল, সেরূপ নাই। প্রাউটের সিদ্ধান্ত পরিত্যক্ত হইল। পরিত্যক্ত হইল বটে, কিন্তু শতবর্ষ পরের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ইতিহাস পর্যালোচনা করিলে দেখা যায় যে, প্রাউটের মত পরিত্যাগ করিবার মূলে ছিল একটি কথা; বিজ্ঞানীরা সেই সময় নিঃসংশয়ে ড্যাল্টনের এই কথাটি মানিয়া লইয়াছিলেন যে, একটি মৌলিক পদার্থের সব পরমাণুগুলি হুবহু এক, তাহাদের মধ্যে কোনো রকমের পার্থক্য নাই। কিন্তু শেষে দেখা গেল, আছে। কিন্তু সে কথা যাক।
{{ফাঁক}}ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রায় শেষভাগ অবধি বিজ্ঞানীর নিকট বিভিন্ন রকমের পরমাণু বিশ্বের মূল উপাদান বলিয়া পরিগণিত রহিল। তাহার পর বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নূতন যুগ দেখা দিল।<noinclude></noinclude>
sw6ji3d64z2hiwwjp70z6alsol7inux
বিশ্বের উপাদান/অণু, পরমাণু
0
883866
1993506
2026-08-09T16:42:25Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=7 to=13 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993506
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=7 to=13 header=1/>
gz3g838am9qsp9l1ezl30iux91eeqpz
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৪
104
883867
1993507
2026-08-09T16:47:54Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993507
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{larger|ইলেক্ট্রন ও প্রোটন}}}}
{{ফাঁক}}১৮৫৩ সালে প্যারিস শহরে ম্যাসন নামে এক ব্যক্তি ব্যারোমিটারে পারদের উপরে যে শূন্যস্থান থাকে তাহার মধ্যে একটি শক্তিশালী আবেশকুণ্ডলী (induction coil) হইতে বৈদ্যুতিক ক্ষরণ (discharge) পাঠাইলেন। স্থানটি অভূতপূর্ব-সুন্দর আলোকে রঞ্জিত হইল। ১৮৫৯ সালে প্লকরও এইরূপ পরীক্ষা করিলেন। তাঁহাদের দেখাদেখি অনেকে নানা রকমের কাচের নল প্রস্তুত করিলেন, সেগুলির মধ্য হইতে বায়ু নিষ্কাষণ করিলেন, কেহ কেহ তন্মধ্যে খুব অল্প পরিমাণে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন অক্সিজেন প্রভৃতি গ্যাস ছাড়িয়া দিলেন; এইবার নলের মধ্যে রূম্কর্ফ্-কুণ্ডলী হইতে তড়িৎ-ক্ষরণ পাঠানো হইতে লাগিল; অদৃষ্টপূর্ব বিভিন্ন রঙের সুদৃশ্য আলোকরাশি নলগুলিকে ভরাইয়া দিন। বিভিন্নরকম নলে বিভিন্ন প্রকারের আলোক সম্পাতের সৃষ্টি করিয়া সর্বাপেক্ষা কৃতিত্ব দেখাইলেন জাইস্লার; আজও ঐ-সকল নল ‘জাইস্লারের নল’ নামে পরিচিত। এই-সকল পরীক্ষা নূতন সন্দেহ নাই এবং চমকপ্রদও বটে, কিন্তু ইহার মূলে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিহিত আছে তাহা কেহ জানিল না। জানিল না, কিন্তু বর্তমান কালে পদার্থবিদ্যার যে নৃতন যুগ আসিয়াছে এই সব পরীক্ষাতেই তাহার সূচনা হইল।
{{ফাঁক}}এক পরীক্ষা আর-এক পরীক্ষার পথ খুলিয়া দেয়। এইবার কাচের পাত্রের মধ্যে দুইদিকে দুইখানি ধাতব চাকতি প্রবেশ করাইয়া ধীরে ধীরে পাত্র হইতে বাতাস বাহির করিয়া লওয়া হইতে লাগিল এবং<noinclude></noinclude>
9a4icghb36y32se9wtwn2yq72vj4lhm
1993554
1993507
2026-08-10T07:38:17Z
Bodhisattwa
2549
1993554
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{x-larger|ইলেক্ট্রন ও প্রোটন}}}}
{{ফাঁক}}১৮৫৩ সালে প্যারিস শহরে ম্যাসন নামে এক ব্যক্তি ব্যারোমিটারে পারদের উপরে যে শূন্যস্থান থাকে তাহার মধ্যে একটি শক্তিশালী আবেশকুণ্ডলী (induction coil) হইতে বৈদ্যুতিক ক্ষরণ (discharge) পাঠাইলেন। স্থানটি অভূতপূর্ব-সুন্দর আলোকে রঞ্জিত হইল। ১৮৫৯ সালে প্লকরও এইরূপ পরীক্ষা করিলেন। তাঁহাদের দেখাদেখি অনেকে নানা রকমের কাচের নল প্রস্তুত করিলেন, সেগুলির মধ্য হইতে বায়ু নিষ্কাষণ করিলেন, কেহ কেহ তন্মধ্যে খুব অল্প পরিমাণে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন অক্সিজেন প্রভৃতি গ্যাস ছাড়িয়া দিলেন; এইবার নলের মধ্যে রূম্কর্ফ্-কুণ্ডলী হইতে তড়িৎ-ক্ষরণ পাঠানো হইতে লাগিল; অদৃষ্টপূর্ব বিভিন্ন রঙের সুদৃশ্য আলোকরাশি নলগুলিকে ভরাইয়া দিন। বিভিন্নরকম নলে বিভিন্ন প্রকারের আলোক সম্পাতের সৃষ্টি করিয়া সর্বাপেক্ষা কৃতিত্ব দেখাইলেন জাইস্লার; আজও ঐ-সকল নল ‘জাইস্লারের নল’ নামে পরিচিত। এই-সকল পরীক্ষা নূতন সন্দেহ নাই এবং চমকপ্রদও বটে, কিন্তু ইহার মূলে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিহিত আছে তাহা কেহ জানিল না। জানিল না, কিন্তু বর্তমান কালে পদার্থবিদ্যার যে নৃতন যুগ আসিয়াছে এই সব পরীক্ষাতেই তাহার সূচনা হইল।
{{ফাঁক}}এক পরীক্ষা আর-এক পরীক্ষার পথ খুলিয়া দেয়। এইবার কাচের পাত্রের মধ্যে দুইদিকে দুইখানি ধাতব চাকতি প্রবেশ করাইয়া ধীরে ধীরে পাত্র হইতে বাতাস বাহির করিয়া লওয়া হইতে লাগিল এবং<noinclude></noinclude>
m042fp9hqlx0twa50bnpgkze0pid9zp
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৫
104
883868
1993508
2026-08-09T16:51:31Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993508
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|১৩}}</noinclude>চাকতি দুইটি রূমকর্ফ-কুণ্ডলীর সহিত যোগ করিয়া দেওয়া হইল। তড়িৎ-ক্ষরণ হইতে লাগিল, এদিকে বাতপম্প (air pump) চলিতে লাগিল। কিছু পরে দেখা গেল, একটি সরু রক্তাভ আলোকরেখা কড়্কড়্ শব্দ করিতে করিতে এক চাকতি হইতে আর-এক চাকতি অবধি প্রবাহিত হইতেছে। বায়ু-বহিষ্করণ চলিতে লাগিল। আলোকরেখাটি এখন আর নিরবচ্ছিন্ন নহে, টুকরা টুকরা হইয়াছে; দুইদিকে দুইটি স্থান আলোকশূন্য। বায়ু আরও বাহির হইতে লাগিল; নলের মধ্যে এখন আর আলোক নাই, তবে কাচের পাত্রের উপর সবুজবর্ণের আলোক ছড়াইয়া পড়িয়াছে। এইসব দেখা গেল। দেখা তো গেল, কিন্তু এ সবের মূল কারণ কি?
{{ফাঁক}}ক্রুক্স্ এ সম্বন্ধে আলোচনা আরম্ভ করিলেন। তিনি চিন্তা করিতে লাগিলেন যে, ব্যাপারটি আলোকের ন্যায় কোনোরূপ ঈথর-তরঙ্গ দ্বারা ঘটিতেছে বা পদার্থের কণিকা এইরূপ ঘটাইতেছে। দুইশত বর্ষ পূর্বে হাইগেন্স্ ও নিউটনের নিকট অনুরূপ সমস্যা দেখা দিয়াছিল। কল্পনা ছাড়িয়া পরীক্ষা দ্বারা ক্রুক্স্ সত্য নিরূপণে অগ্রসর হইলেন। ক্রুক্স ভাবিলেন যে, যদি উহারা কণিকা হয় তবে ভীমবেগে ধাবিত হইয়া উহারা যদি কোনও পদার্থের উপর পড়ে তাহা হইলে সেই পদার্থকে গতিমান্ করিতে পারে। ইহারা কি সেইরূপ পারে? ক্রুক্স্ কাচের গোলকের মধ্যে সরু লাইন পাতিলেন এবং তাহার উপর পাখনাযুক্ত একটি চাকা বসাইলেন। গোলক হইতে বায়ু বহিষ্কৃত হইতে লাগিল; এদিকে বিদ্যুৎ-মোক্ষণ আরম্ভ হইল; দেখা গেল, ঢাকা ধীরে ধীরে ঘুরিতে ঘুরিতে চলিল এবং নেগেটিভ (ক্যাথোড) হইতে অপরদিকে গিয়া পৌছিল। আলোক ঈথরতরঙ্গ, তাপও ঈথরতরঙ্গে বিকিরিত হয়, কিন্তু উহারা তো ঐরূপ ভাবে চাকা ঘুরাইতে পারে না। ইহারা<noinclude></noinclude>
t9ksam5orpozw8mp9g87hwldombuxbd
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৬
104
883869
1993509
2026-08-09T16:56:01Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993509
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৪|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>তবে কি? ক্রুক্স্ ইহাও লক্ষ্য করিলেন যে, চুম্বক দ্বারা ইহাদের গতিপথ বাঁকিয়া যায়। ক্রুক্স্ বলিলেন যে, কঠিন তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা ব্যতীত পদার্থের একটি চতুর্থ অবস্থা আছে; গোলকমধ্যে এই অবস্থার পদার্থ উদ্ভূত হইতেছে এবং উহাই পাত্রের কাচের গায়ে আঘাত করিয়া উহাতে সবুজ রঙের প্রতিপ্রভার (fluorescence) সৃষ্টি করিতেছে। পদার্থের চতুর্থ অবস্থার কথাটা লোকের কাছে সেরূপ স্পষ্ট হইল না কিন্তুএটা অনেকে মানিল যে, একটা নূতন কিছুর উদ্ভব হইয়াছে এবং তাহাই কাচের উপর ঐ ব্যাপার ঘটাইতেছে। কাচের মধ্যস্থিত নেগেটিভ বা ক্যাথোড হইতে উদ্ভূত বলিয়া সমসাময়িক অনেক পদার্থবিৎ এই নবাবিস্তৃত পদার্থের নাম দিলেন ক্যাথোড রশ্মি, আর এ নাম এখনও চলিত আছে।
{{ফাঁক}}ক্যাথোড-রশ্মি লইয়া পরীক্ষা করিতে করিতে লেনার্ড দেখিলেন যে, পাত্রের অপর দিকটা কাচের না হইয়া যদি পাতলা অ্যালুমিনিয়মের হয় তবে ক্যাথোড-রশ্মি অ্যালুমিনিয়ম ভেদ করিয়া তাহাদের কারাগৃহের বাহিরে আসিয়া উপস্থিত হয়। তিনি কিন্তু তখনও ঐগুলিকে ঈথরতরঙ্গ বলিয়া মনে করিতেন। কেম্ব্রিজে জে. জে. টম্সন এ সম্বন্ধে অনেক পরীক্ষা করিলেন; তাঁহার পরীক্ষা হইতে নিঃসন্দিগ্ধরূপে কয়েকটি তথ্য প্রমাণিত হইল। ইহারা কণিকা; ইহাদের ওজন আছে; প্রত্যেকের ওজন সর্বাপেক্ষা লঘু যে হাইড্রোজেন-পরমাণু সেই হাইড্রোজেন-পরমাণুর একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ মাত্র; প্রত্যেকটি নেগেটিভ তড়িৎ-মণ্ডিত; ভীমবেগে ইহারা ক্যাথোড হইতে বাহির হইয়া আসিতেছে; চুম্বকের দ্বারা তড়িতের দ্বারা ইহাদের গতিপথ বাঁকিয়া যায়; বিভিন্ন পদার্থের ক্যাথোড হইতে ইহাদিগকে বাহির করা যায়; কিন্তু সর্বাপেক্ষা আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, যে-সকল পদার্থ হইতে ইহারা বাহির<noinclude></noinclude>
j7hthr9t0blsgnfs3u59gk1p4obfr1w
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৭
104
883870
1993510
2026-08-09T17:00:41Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993510
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|১৫}}</noinclude>হইতেছে তাহারা বিভিন্ন হইলেও এই কণিকাগুলি হুবহু এক। জে.
জে. টম্সনের পরীক্ষার মূল কথাগুলি ছিল এই। একটি কণিকার
চলার পথের নিকটে একটি চুম্বক ধরিলে কণিকার গতিপথ কতটা
বাঁকিয়া যাইবে তাহা নির্ভর করিবে চুম্বকের শক্তির উপর, কণিকার
ওজনের উপর, উহাতে যে তড়িত আছে তাহার পরিমাণের উপর, উহা
কি বেগে ছুটিতেছে তাহারও উপর। চুম্বকের পরিবর্তে তড়িৎ আনিলেও
উহা বাঁকিয়া যায়, তবে পূর্বকার লম্ব দিকে বাঁকে এবং তাহাও আগেকার
বিভিন্ন ব্যাপারের উপর বিভিন্ন রকমে নির্ভর করে। জে. জে. টম্সন
আঁক কষিয়া এইসব হিসাব করিলেন, কণিকাগুলি কি পরিমাণে বাঁকে
পরীক্ষায় নিরূপণ করিলেন; প্রতি কণিকার তড়িৎ-পরিমাণ ও ভর এই
দুইয়ের ভাগফল বাহির হইল । জে. জে. টম্সন দেখিলেন যে, যে-পদার্থ
হইতে কণিকা বাহির হোক না কেন, ঐ ভাগফল ({{sfrac|e|m}}) একেবারে সমান
এবং উহার পরিমাণ হইল প্রায় ১,৮০০০০০০ । জলকে তড়িৎ দ্বারা
বিশ্লেষণ করিয়া যখন হাইড্রোজেন পাওয়া যায় তখন দেখা যায় যে,
হাইড্রোজেন-পরমাণুগুলি তড়িৎ-মণ্ডিত এবং প্রত্যেক হাইড্রোজেন-
পরমাণুর পক্ষে ঐ ভাগফল দাড়ায় ১০০০০; জে. জে. টম্সনের পরীক্ষায়
একটি কণিকার ঐ ভাগফল দাঁড়াইল ইহার প্রায় দুই হাজার গুণ। ধরা
যাইতে পারে যে, একটি অ্যাটম ও একটি কণিকা, উভয়ের তড়িতের
পরিমাণ সমান; তাহা হইলে এই দাঁড়ায় যে, একটি কণিকার ওজন
একটি হাইড্রোজেন-পরমাণুর ওজনের প্রায় দুই হাজার ভাগের একভাগ
মাত্ৰ। বিজ্ঞানী তো এক অভূতপূর্ব সিদ্ধান্তে উপনীত হইলেন ।
এতদিন তাঁহার জানা ছিল যে, পৃথিবীতে একটি হাইড্রোজেন-পরমাণু
সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র, ইহার অপেক্ষা ক্ষুদ্র আর-কিছু থাকিতে পারে না। কিন্তু
পরীক্ষায় বাহির হইয়া আসিল এমন-কিছু যাহা একটি হাইড্রোজেন<noinclude></noinclude>
70smx8nkyas7qr9knvi00oeaydd3vb1
1993511
1993510
2026-08-09T17:00:55Z
Bodhisattwa
2549
1993511
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|১৫}}</noinclude>হইতেছে তাহারা বিভিন্ন হইলেও এই কণিকাগুলি হুবহু এক। জে. জে. টম্সনের পরীক্ষার মূল কথাগুলি ছিল এই। একটি কণিকার চলার পথের নিকটে একটি চুম্বক ধরিলে কণিকার গতিপথ কতটা বাঁকিয়া যাইবে তাহা নির্ভর করিবে চুম্বকের শক্তির উপর, কণিকার ওজনের উপর, উহাতে যে তড়িত আছে তাহার পরিমাণের উপর, উহা কি বেগে ছুটিতেছে তাহারও উপর। চুম্বকের পরিবর্তে তড়িৎ আনিলেও উহা বাঁকিয়া যায়, তবে পূর্বকার লম্ব দিকে বাঁকে এবং তাহাও আগেকার বিভিন্ন ব্যাপারের উপর বিভিন্ন রকমে নির্ভর করে। জে. জে. টম্সন আঁক কষিয়া এইসব হিসাব করিলেন, কণিকাগুলি কি পরিমাণে বাঁকে পরীক্ষায় নিরূপণ করিলেন; প্রতি কণিকার তড়িৎ-পরিমাণ ও ভর এই দুইয়ের ভাগফল বাহির হইল। জে. জে. টম্সন দেখিলেন যে, যে-পদার্থ হইতে কণিকা বাহির হোক না কেন, ঐ ভাগফল ({{sfrac|e|m}}) একেবারে সমান এবং উহার পরিমাণ হইল প্রায় ১,৮০০০০০০। জলকে তড়িৎ দ্বারা বিশ্লেষণ করিয়া যখন হাইড্রোজেন পাওয়া যায় তখন দেখা যায় যে, হাইড্রোজেন-পরমাণুগুলি তড়িৎ-মণ্ডিত এবং প্রত্যেক হাইড্রোজেনপরমাণুর পক্ষে ঐ ভাগফল দাড়ায় ১০০০০; জে. জে. টম্সনের পরীক্ষায় একটি কণিকার ঐ ভাগফল দাঁড়াইল ইহার প্রায় দুই হাজার গুণ। ধরা যাইতে পারে যে, একটি অ্যাটম ও একটি কণিকা, উভয়ের তড়িতের পরিমাণ সমান; তাহা হইলে এই দাঁড়ায় যে, একটি কণিকার ওজন একটি হাইড্রোজেন-পরমাণুর ওজনের প্রায় দুই হাজার ভাগের একভাগ মাত্র। বিজ্ঞানী তো এক অভূতপূর্ব সিদ্ধান্তে উপনীত হইলেন। এতদিন তাঁহার জানা ছিল যে, পৃথিবীতে একটি হাইড্রোজেন-পরমাণু সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র, ইহার অপেক্ষা ক্ষুদ্র আর-কিছু থাকিতে পারে না। কিন্তু পরীক্ষায় বাহির হইয়া আসিল এমন-কিছু যাহা একটি হাইড্রোজেন<noinclude></noinclude>
n8jtpzap7yyzobj4he8eztlfsjmh8dl
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৮
104
883871
1993512
2026-08-09T18:16:40Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993512
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৬|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>পরমাণুর প্রায় দুই হাজার ভাগের একভাগ, যাহা সকল পরমাণু ভাঙিয়া পাওয়া যায় এবং যে পরমাণু হইতে পাওয়া যাক না কেন যাহারা হুবহু সমান। তবে তো পরমাণুকে আর অবিভাজ্য বলা চলে না। এই সময়কার একটি কৌতুককর গল্প আছে। সুবিখ্যাত বিজ্ঞানী লর্ড কেল্ভিনের এক ছাত্র কেল্ভিনকে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনি কি শুনিয়াছেন অ্যাটমকে ভাঙা হইয়াছে?” কেল্ভিন উত্তর করিলেন, “অ্যাটমকে ভাঙা? অসম্ভব! গ্রীক ভাষায় অ্যাটম মানে হইল যাহা ভাঙা যায় না।” উদ্ধত ছাত্র বলিয়া ফেলিল, “গ্রীক জানার বিপদ ঐ।”
{{ফাঁক}}খ্রীস্টজন্মের ছয়শত বর্ষ পূর্বে মিলিটাসের থেল্স্ অ্যাম্বার (amber) ঘষিয়া একটি নূতন শক্তির উদ্ভব লক্ষ্য করেন। বহুযুগ পরে রানী এলিজাবেথের সময় ডক্টর গিলবার্ট গ্রীকভাষায় অ্যাম্বারের প্রতিশব্দ হিসাবে ঐ শক্তির নাম দিয়াছিলেন ‘ইলেক্ট্রিসিটি’। এখন এই কণিকা যখন আবিষ্কৃত হইল তখন উক্টর জনস্টন স্টোনি উহার নাম দিলেন ‘ইলেক্ট্রন’। ১৮৯৭ সালে ২৯শে এপ্রিল জে. জে. টম্সন তাঁহার এই নূতন আবিষ্ক্রিয়া সম্বন্ধে প্রথম বক্তৃতা করেন। গল্প আছে, বক্তৃতা শেষে একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তাঁহার এক অবিজ্ঞানী বন্ধুকে সম্বোধন করিয়া বলেন, “ভায়া হে, তুমি যদি বিজ্ঞান কিছু না জান তবে তোমার অবস্থা আমার অপেক্ষা ভাল; কারণ আমার পক্ষে প্রথম দফার যাহা জানি তাহা ভুলিতে হইবে, তাহার পর আবার নূতন করিয়া পাঠ লইতে হইবে।”
{{ফাঁক}}ইলেক্ট্রন আবিষ্কারের পর তড়িৎ সম্বন্ধে অনেক কথা নূতন ছাঁচে প্রকাশ করিবার প্রয়োজন হইল। একটা উদাহরণ দেওয়া যাইতেছে। একটি দণ্ড ঘষা হইল, উহাতে পজিটিভ তড়িৎ উৎপন্ন হইল এবং যাহা দিয়া ঘষা গেল তাহাতে নেগেটিভ তড়িৎ হইল। এ ব্যাপারটি<noinclude></noinclude>
9nq6t042cpzobpdkqbsrigxqtv0mgst
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/১৯
104
883872
1993513
2026-08-09T18:24:49Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993513
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|১৭}}</noinclude>এখন এই ভাবে দেখা হইল। দণ্ডটি ঘষিলে উহা হইতে ইলেকট্রন বাহির হইয়া যাহা দিয়া ঘষা হইলে তাহার গায়ে গিয়া পড়িল। ইলেকট্রনরা নেগেটিভ তড়িৎযুক্ত হওয়ায় যাহার গায়ে গিয়া উহারা জমা হইল তাহা হইল নেগেটিভ তড়িং-যুক্ত, এবং যে দণ্ড হইতে উহারা চলিয়া গেল তাহা পূর্বে তড়িৎ-শূন্য থাকায় এবং নেগেটিভ তড়িৎ-যুক্ত ইলেকট্রন চলিয়া যাওয়ার উহা পজিটিভ তড়িৎ-যুক্ত হইল।
{{ফাঁক}}জে. জে. টম্সনের পরীক্ষায় একটি ইলেক্ট্রনের তড়িতের পরিমাণ এবং উহার ওজন, এই দুইয়ের ভাগফল ({{sfrac|e|m}}) বাহির হইয়াছিল। মিলিক্যান এক উপায় উদ্ভাবন করিলেন যদ্দ্বারা একটি ইলেক্ট্রনের তড়িতের পরিমাণ সঠিকভাবে মাপা যায়। পরমাণু হইতে ইলেক্ট্রন বাহির করিবার কি উপায় আছে? গোলকমধ্যে তড়িৎস্ফুরণ দ্বারা ইহা হইতে পারে; কিন্তু দেখা গেল, নিকটে একস্-রশ্মি, রেডিয়ম বা তজ্জাতীয় দ্রব্য আনিলেও পদার্থ হইতে ইলেক্ট্রন নির্গত হইতে থাকে। মিলিক্যানের একটি পরবর্তী পরীক্ষা এইরূপ: তিনি একটি বদ্ধ কাচের পাত্রমধ্যে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তৈলকণা উৎপাদন করিলেন। নিকটে একটি অণুবীক্ষণ রাখিয়া তাহার মধ্য দিয়া একটি কণিকাকে নিরীক্ষণ করা হইতে লাগিল; ধীরে ধীরে উহা নামিতে থাকিল। গোলকমধ্যে উপরের দিকে একটি ধাতব পাত্র ছিল; এখন উহাকে এইরূপ শক্তির তড়িৎ দেওয়া হইল যাহাতে কণিকাটি আর নামে না, ধীর-স্থির হইয়া দাড়াইয়া থাকে। এইবার পাত্রের বাহিরে এক্স্-রশ্মি-সম্পাতে ভিতরে ইলেক্ট্রনের সৃষ্টি হইল। যেই একটি ইলেক্ট্রন ঐ তৈলকণার গায়ে আসিয়া তাহার নেগেটিভ তড়িৎ দিয়া দিল অমনি তৈলকণাটি আর স্থির থাকিল না, নড়িতে লাগিল; কিন্তু তৎক্ষণাৎ উপরের ধাতব পাত্রে তড়িতের পরিমাণ পরিবর্তন করা হইল যাহাতে তৈলকণাটির নড়াচড়া<noinclude>{{left|{{gap}}২}}</noinclude>
jmg5csvk00drw7r8h5whal7krpiten0
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২০
104
883873
1993514
2026-08-09T18:29:04Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993514
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৮|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>বন্ধ হয়, উহা আবার স্থির হইয়া দাঁড়ায়। এজন্য ধাতব পদার্থে কতটা পরিমাণ তড়িতের পরিবর্তন করিতে হইল লক্ষ্য করিয়া ইলেক্ট্রনে নিবদ্ধ তড়িতের পরিমাণ মাপা হইল। পূর্বে জে. জে. টম্সনের পরীক্ষা হইতে ইলেক্ট্রনে তড়িতের পরিমাণ ও উহার ভর এই দুইয়ের ভাগফল বাহির হইয়াছিল; মিলিক্যানের পরীক্ষায় তড়িতের পরিমাণ নির্দিষ্ট হইল; সুতরাং একটি ইলেক্ট্রনের ভর সঠিকভাবে বাহির হইয়া গেল। জে. জে. টম্সন ও মিলিক্যানের পরীক্ষার কৌশল উন্নতি লাভ করিল, অন্য উপায়েও ঐসব সংখ্যা নির্ধারিত হইল; শেষ অবধি বিজ্ঞানী সঠিকভাবে জানিল যে, একটি ইলেক্ট্রনের ওজন একটি হাইড্রোজেন-পরমাণুর ওজনের ১৮৪৬ ভাগের একভাগ মাত্র। আরও দাঁড়াইল, একটি ইলেক্ট্রনে যে পরিমাণ তড়িৎ আছে তদপেক্ষা স্বল্প পরিমাণের তড়িৎ কোথাও থাকিতে পারে না এবং যেখানে যেরূপ ভাবে তড়িৎ উৎপাদিত হোক সর্বত্র তাহা এই মাত্রা তড়িতের গুণিতক। জে. জে. টম্সনের পরীক্ষা হইতে গোলকমধ্যে ইলেক্ট্রনের বেগ বাহির হইল। কি প্রচণ্ড এই বেগ! সেকেণ্ডে বহু হাজার মাইল হিসাবে। গোলকে বায়ুর অভাব যত হয় এবং তড়িং-বিভব (potential) যত বেশী হয় এই বেগ তত বাড়ে। আলোকের বেগ সেকেণ্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল। কাচের গোলকের মধ্যে ইলেক্ট্রনের বেগ প্রায় তাহার দশ ভাগের একভাগ অবধি গিয়া দাড়াইল।
{{ফাঁক}}এখন কথা হইল যে, একটি পরমাণু যখন তড়িৎ-শূন্য এবং পরমাণুর মধ্যে বাস করে ইলেক্ট্রন যাহা নেগেটিভ তড়িৎ-যুক্ত তখন পরমাণুর অপর একটি অংশ থাকা চাই যাহা পজিটিভ-তড়িৎ-মণ্ডিত। অবশ্য এ অংশ আছে এবং প্রতি পরমাণুতেই আছে। প্রতি পরমাণু পজিটিভ ও নেগেটিভ তড়িতের সমষ্টিমাত্র। এখানে একটি ঘটনার উল্লেখ করা<noinclude></noinclude>
975b3pxcb5gl88ob3m8yy2nf9pv7e9j
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২১
104
883874
1993515
2026-08-09T18:32:24Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993515
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|১৯}}</noinclude>যাইতেছে। প্রথম বার্ষিক শ্রেণীতে স্থিরবিদ্যুৎ পড়ানো হইতেছিল। একটি ছাত্রকে কাচের পায়াযুক্ত টুলের উপর দাঁড় করাইয়া তড়িৎ-উৎপাদক যন্ত্র হইতে তাহার দেহে তড়িৎ সঞ্চারিত হইতে লাগিল। কয়েকরকম পরীক্ষার পর ছাত্রটিকে নামিয়া যাইতে বলা হইল। ছাত্রটি যাইবার সময় জিজ্ঞাসা করিল তাহার দেহে তখনও তড়িৎ আছে কি না? তখন তাহাকে এ কথা বলা চলিল না যে, তাহার দেহটি সকল সময়েই পজিটিভ ও নেগেটিভ তড়িতের সমষ্টিমাত্র। আর শুধু তাহার দেহ নয়— তাহার, তাহার সহপাঠিগণের, তাহার শিক্ষকের, সকলের দেহ—সেই ঘরের টেবিল বেঞ্চ ইট কাঠ, বাহিরের গাছপালা, দূরের অট্টালিকা, যাহা কিছু সে দেখিতেছে, জগতের সকল পদার্থের মধ্যে আছে পজিটিভ ও নেগেটিভ তড়িৎ। একথা তখন তাহাকে বলিতে যাইলে সে মনে করিত, পদার্থবিজ্ঞানের ক্লাসে শিক্ষকমহাশয় বোধ হয় কোনও দার্শনিক তত্ত্বের আলোচনা করিতেছেন।
{{ফাঁক}}এখন, পরমাণুর মধ্যে পজিটিভ তড়িৎ কোথায় কি ভাবে বিদ্যমান? জে. জে. টম্সন কল্পনা করিলেন যে, পরমাণুর সমস্ত অবয়ব ব্যাপিয়া পর্জিটিভ তড়িৎ আছে এবং তাহার মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে ইলেক্ট্রনগুলি বিদ্যমান, ঠিক যেমন কেকের মধ্যে কিশমিশ অবস্থিত। জে জে টম্সনের এ কল্পনা কিন্তু শীঘ্রই পরিত্যক্ত হইল। পরিত্যক্ত তো হইল, কিন্তু দাঁড়াইল কি? সে আলোচনার পূর্বে অন্যান্য কয়েকটি বিষয় স্মরণ করিতে হইবে।
{{ফাঁক}}ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে পদার্থ বিদ্যার ইতিহাসে এক নবযুগ আরম্ভ হয়। সেইসময় ইলেক্ট্রনের পরিচয় মিলিল, সেইসময় রঞ্জনরশ্মি আবিষ্কৃত হইল, সেইসময় বিনা তারে বার্তা প্রেরিত হইল, সেইসময় নবাবিষ্কৃত রেডিয়মের গুণাবলি বিজ্ঞানীর বহুদিন-পোষিত চিস্তার ধারাকে আলোড়িত করিল।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
b5btlr0pcokiu9qbt2flzs3ijcq1wrz
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২২
104
883875
1993516
2026-08-09T18:38:20Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993516
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|২০|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>{{ফাঁক}}রঞ্জনরশ্মি সম্বন্ধে বিভিন্ন পরীক্ষা হইতে প্রমাণিত হইল যে, রঞ্জন-রশ্মির প্রকৃতি আলোকরশ্মির অনুরূপ, উভয়েই ঈথর-তরঙ্গ, তবে রঞ্জনরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অপেক্ষা অনেক ছোট। দৃশ্যমান আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সব সমান নয়; লাল আলোকের একরকম, পীত আলোকের আর-একরম, বেগুনি আলোকের ভিন্নরকম। রঞ্জনরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য কি সমান? মোস্লে এ সম্বন্ধে পরীক্ষা আরম্ভ করিলেন। বাল্বের মধ্যে যে ধাতব পদার্থের উপর ইলেক্ট্রন আঘাত করিয়া রঞ্জনরশ্মি—এক্স্-রশ্মি—উৎপাদন করে, মোস্লে এক এক করিয়া তাহা পরিবর্তন করিতে লাগিলেন। প্রতিবারে যে এক্স্-রশ্মি বাহির হইল তাহার দৈর্ঘ্য মাপিলেন। পরীক্ষার ফলাফল হইতে মোস্লে যে-সিদ্ধান্তে উপনীত হইলেন তাহা বিজ্ঞানীর চিন্তাধারাকে এক নূতন রূপ দিল। এই তরুণ বিজ্ঞানী ১৯১৪ সালের ইয়ুরোপীয় মহাসমরে তাঁহার দেশের পক্ষ হইতে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রেরিত হন এবং ডার্ডেনেলিসে শত্রুর গুলির আঘাতে মৃত্যুমুখে পতিত হন। কিন্তু পঁচিশ বৎসর বয়সে তিনি যে উচ্চধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেন তাহা তাঁহাকে অমরত্ব দান করিয়াছে।
{{ফাঁক}}মোস্লের গবেষণার মূল কথাগুলি এই মৌলিক পদার্থগুলিকে আণবিক ওজন অনুসারে সাজানো হইল। অক্সিজেনের আণবিক ওজন ১৬, এই অনুপাতে হাইড্রোজনের আণবিক ওজন ১.০০৮, হিলিয়মের ও লিথিয়মের ৬.৯৪, বেরিলিয়মের ৯.১, এইরকম বরাবর গিয়া ইয়ুরেনিয়মের আণবিক ওজন ২৩৮.২। দেখা যাইতেছে যে, পর পর মৌলিক পদার্থগুলির মধ্যে আণবিক ওজনের ব্যবধানের কোনও স্থিরতা নাই; ব্যবধান কোথাও কোথাও একেরও কম, কোথাও চারেরও বেশী। মোস্লে মৌলিক পদার্থগুলিকে আণবিক ওজন অনুসারে সাজাইলেন,<noinclude></noinclude>
h3ux739ytxv32kdjille4f3dlvoptxb
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৩
104
883876
1993517
2026-08-09T18:57:33Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993517
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|২১}}</noinclude>সাজাইয়া তাহাদিগকে ক্রমিক সংখ্যা দিলেন। হাইড্রোজেনের সংখ্যা হইল ১, হিলিয়ম ২, লিথিয়ম ৩, বেরিলিয়ম ৪, বরাবর যাইয়া সোনার সংখ্যা দাড়াইল ৭৯, পারদ ৮০, অনাবিষ্কৃতদের জন্য স্থান ছাড়িয়া রাখিয়া ইয়ুরেনিয়মের সংখ্যা পড়িল ৯২। একে একে ইহাদের অনেকগুলিকে এক্স্-রশ্মির বাল্বের মধ্যে দিয়া এবং ইহাদের প্রত্যেকের সহিত সংঘাতে উত্থিত এক্স্-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাপিয়া মোস্লে এক বিস্ময়কর সিদ্ধান্তে উপনীত হইলেন। পর পর আণবিক ওজনের ব্যবধান সমান নয়, কিন্তু ইহাদিগের হইতে উত্থিত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে এক শৃঙ্খলা আছে। কেন এমন হইল? কল্পনা করা হইল যে, আণবিক গুরুত্ব অনুসারে সাজানো পরমাণুর অভ্যন্তরে এমন কিছু আছে যাহা ধাপে ধাপে সর্বত্র সমানভাবে বাড়িয়া চলিতেছে। কিন্তু, কি সে যাহা সমান হারে বাড়িয়া চলিতেছে? অভ্যন্তরস্থ তড়িৎ কি? যাহাই হোক, এটা ঠিকভাবে জানা গেল যে, একটা মৌলিক পদার্থের পরিচয় দিতে হইলে আণবিক ওজনের পরিবর্তে আণবিক সংখ্যা হইবে উহার যথাযথ পরিচায়ক।
{{ফাঁক}}মোস্লে যখন এই-সব পরীক্ষা করিতেছিলেন তাহার অল্প কিছু পূর্ব হইতে রাদারফোর্ড, একটি পরমাণুর পূর্ণচিত্র উদ্ঘাটনে ব্যাপৃত ছিলেন। পূর্বকথাগুলি আর-একবার স্মরণ করা যাক। পরমাণু হইতে ইলেক্ট্রন বাহির হইল। ইলেক্ট্রন নেগেটিভ-তড়িৎ-যুক্ত, কিন্তু সমস্ত পরমাণুটি তড়িৎ-শূন্য। তাহা হইলে পরমাণুর একটি অংশ নিশ্চয়ই আছে যাহা পজিটিভ তড়িৎ-যুক্ত এবং সেই পজিটিভ তড়িতের পরিমাণ ইলেকট্রনের নেগেটিভ তড়িতের সমান। পরমাণুর মধ্যে কোথায় এই পজিটিভ-তড়িৎ আছে? জে. জে. টম্সন কল্পনা করিলেন যে, সমস্ত পরমাণুটি ব্যাপ্ত হইয়া পজিটিভ তড়িৎ আছে, মধ্যে মধ্যে ইলেক্ট্রনগুলি ছড়াইয়া আছে। ইহার মূলে কোনো পরীক্ষালব্ধ সত্য নাই। সঠিক<noinclude></noinclude>
qvyeh7zsog3gm83k73ti37za8axrsog
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৪
104
883877
1993518
2026-08-09T19:03:14Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993518
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|২২|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>সংবাদ পাইতে হইলে পরমাণুর অভ্যন্তরে কাহাকেও পাঠাইতে হইবে এবং আকারে উহা পরমাণুর অপেক্ষা বড় হইলে চলিবে না। সে যেন ফিরিয়া আসে, ভিতরের সংবাদ বহন করিয়া আনে; তজ্জন্য তাহাকে প্রভূত শক্তিমান হইতে হইবে, ভিতরে আটক পড়িয়া না যায়। যে ছট্রা পাঠানো হইবে তাহা পরমাণুর মত ক্ষুদ্র হইবে, অথচ প্রচণ্ড বলশালী হইবে।
{{ফাঁক}}রাদারফোর্ড্ দেখিলেন, এইরূপ ছট্রা তো প্রকৃতির রাজ্যেই রহিয়াছে। রেডিয়ম বা ঐজাতীয় তেজস্ক্রিয় (radio-active) পদার্থ হইতে যে আল্ফা-রশ্মি নির্গত হয় তাহার প্রকৃতি এইরূপ। একটি আল্ফা-রশ্মি হইল পজিটিভ তড়িৎযুক্ত একটি হিলিয়ম পরমাণু, ইলেক্ট্রনে যে পরিমাণ তড়িৎ থাকে ইহাতে তড়িতের পরিমাণ তাহার দ্বিগুণ। তেজস্ক্রিয় পদার্থ হইতে যখন বাহির হয় তখন ইহার বেগ সেকেণ্ডে ২০ হাজার মাইল বা ঐ ধরনের। একটি আল্ফা-রশ্মি যখন পরমাণুর ভিতরে প্রবেশ করিয়া আবার বাহির হইয়া আসিবে তখন উহার গতিপথ দেখিয়া ভিতরের অনেক সংবাদ সংগ্রহ করা যাইতে পারে। পরমাণু হইতে বাহির হইয়া উহা যদি জিঙ্ক্-সলফাইড পর্দার উপরে পড়ে স্থানটি হইতে স্ফুলিঙ্গ বাহির হইবে; যদি সি. টি. আর. উইলসনের কক্ষমধ্যে পরিপৃক্ত জলীয় বাষ্পের ভিতর দিয়া যায় তবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা দ্বারা উহার গতিপথ অঙ্কিত করিবে। এইরূপ কক্ষস্থিত গ্যাসের মধ্যে আল্ফা-রশ্মি পাঠাইয়া এবং বিবিধ ফটোগ্রাফ লইয়া রাদারফোর্ড্ দেখিলেন যে আল্ফা-রশ্মির পথ সোজা গিয়া মাঝে মাঝে হঠাৎ একেবারে বাঁকিয়া গিয়াছে।
{{ফাঁক}}এই সব দেখিয়া রাদারফোর্ড, একটি পরমাণুর আভ্যন্তরিক চিত্র এইরূপ আঁকিলেন। পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে পজিটিভ তড়িৎ অবস্থিত; পদার্থের প্রায় সমস্ত ভর সেইখানেই সংহত হইয়াছে; এই ভর অতি<noinclude></noinclude>
bx7zvgtcz6w0oahzqevh3nox1svqmv0
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৫
104
883878
1993519
2026-08-09T19:07:23Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993519
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||ইলেক্ট্রন ও প্রোটন|২৩}}</noinclude>অল্পপরিসর স্থানে সীমাবদ্ধ; ইলেক্ট্রন অপেক্ষাকৃত দূরে অবস্থিত; ইহাদের মধ্যের স্থান শূন্য। এইরূপ গঠনের পরমাণুর মধ্যে আল্ফা-রশ্মি প্রবেশ করিল। এখন পরমাণুর কেন্দ্রে আছে পজিটিভ-তড়িৎ, আল্ফা-রশ্মিও পজিটিভ-তড়িৎ-যুক্ত; উভয়ে যদি খুব কাছাকাছি আসিয়া পড়ে তবে উহাদের মধ্যে প্রবল বিকর্ষণ হইবে, ফলে আল্ফা-রশ্মির পথ বাঁকিয়া যাইবে। আল্ফা-রশ্মির ভর, উহার তড়িৎ-পরিমাণ, জানা আছে। মনে করা যাক, উহা একটি সোনার পরমাণুর নিকট দিয়া যাইতেছে। এই পরমাণুরও ভর জানা আছে; ইহার অভ্যন্তরস্থ তড়িতের একটা পরিমাণ যদি ধরিয়া লওয়া যায় তবে আল্ফা-রশ্মি উহার কতট| নিকট দিয়া যাইলে উহা কতটা পরিমাণে বাঁকিবে রাদারফোর্ড আঁক কষিয়া ঠিক করিলেন। রাদারফোর্ড্, গাইগার এবং মার্স্ডেন ও স্যাড্উইক পরীক্ষা করিলেন। পরীক্ষায় প্রমাণিত হইল যে, একটি সোনার পরমাণুর আভ্যন্তরিক তড়িতের পরিমাণ একটি ইলেকট্রনের তড়িতের পরিমাণের ৭৯ গুণ। স্মরণ রাখিতে হইবে, সোনার আণবিক সংখ্যা হইল ঐ ৭৯। অন্যান্য পদার্থ লইয়াও পরীক্ষা হইল; সাধারণ ভাবে ইহা প্রতিষ্ঠিত হইল যে, প্রতি পরমাণুর অভ্যন্তরস্থ তড়িতের পরিমাণ উহার আণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করিতেছে। এই-সব পরীক্ষার ফলাফল নির্ণয়ে অঙ্কশাস্ত্রের একটি বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করিতে হইল। একটিমাত্র পরমাণু লইয়া পরীক্ষা করা যায় না; এতটুকু পদার্থ লইলেও তাহার মধ্যে অসংখ্য পরমাণু থাকে, অতএব হিসাবের মধ্যে গড় হিসাব প্রয়োগ করা হইল।
{{ফাঁক}}পরীক্ষা হইতে একটি পরমাণুর গঠন যেরূপ দাঁড়াইল তাহা আর-একবার দেখা যাক। একটি পরমাণুর ভরের প্রায় সবটাই কেন্দ্রে খুব অল্পপরিসর স্থানে সংবদ্ধ। সমস্ত পরমাণুটি পজিটিভ ও নেগেটিভ<noinclude></noinclude>
6ehfsxbeommvsatg22fhj07qxq87bpl
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৬
104
883879
1993520
2026-08-09T19:11:28Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993520
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|২৪|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>তড়িৎ-যুক্ত পদার্থের সমষ্টি; নেগেটিভ তড়িৎ-যুক্ত ইলেকট্রনরা চারিদিকে ছড়াইয়া আছে, আর সমস্ত পজিটিভ তড়িৎ কেন্দ্রস্থিত ভরে আবদ্ধ। পরমাণুর আণবিক সংখ্যা যত বাহিরের ইলেকট্রনের সংখ্যা তত; আর বাহিরে বিক্ষিপ্ত সমস্ত ইলেক্ট্রনে যতটা নেগেটিভ তড়িৎ কেন্দ্রস্থ পজিটিভ তড়িৎ সেই পরিমাণের।
{{ফাঁক}}এই হিসাবে একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর গঠন কিরূপ দাঁড়ায় এইবার দেখা যাক। সর্বাপেক্ষা হালকা হাইড্রোজেন-পরমাণুর গঠন সর্বাপেক্ষা সরল ধরা হইল। এই পরমাণুর বাহিরে আছে একটিমাত্র ইলেক্ট্রন। সমস্ত হাইড্রোজেন পরমাণুর ভর ধরা হইয়াছে ১.০০৮১, এই অনুপাতে ইলেক্ট্রনের ভর হইল .০০০৫৪৮৬, আর, হাইড্রোজেনের অবশিষ্ট অংশ, অর্থাৎ প্রায় সবটাই, কেন্দ্রে অবস্থিত; ইহার ভর দাঁড়াইল ১.০০৭৫৮; এখানে আছে পজিটিভ তড়িৎ, উহার পরিমাণ ইলেক্ট্রনের তড়িতের সমান। ১৯২০ সালে ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশনের বাৎসরিক অধিবেশনে রাদারফোর্ড্ ইহার নাম দিলেন প্রোটন। সুতরাং কল্পনায় দাড়াইল যে, একটি হাইড্রোজেন পরমাণু একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রনের সমষ্টিমাত্র, আর-কিছু ইহাতে নাই। অপেক্ষাকৃত ভারী পরমাণুতে ইলেক্ট্রনের ও প্রোটনের সংখ্যা বাড়িয়া চলে, এই মাত্র। বিভিন্ন পরমাণুর ভিন্ন ভিন্ন অট্টালিকা প্রোটন-রূপ ইট ও ইলেক্ট্রন-রূপ মসলা দ্বারা গ্রথিত। এই-সব অট্টালিকার রূপ ও প্রকৃতি বিভিন্ন, কারণ, ইটের সংখ্যা ও মসলার পরিমাণ এবং গাঁথিবার কৌশল বিভিন্ন। কিন্তু বিভিন্ন পরমাণুর মূল উপাদান হইল ঐ একই রকমের ইলেক্ট্রন এবং একই রকমের প্রোটন। রাদারফোর্ড্ পরমাণুর এইরূপ পরিকল্পনা করিলেন, তবে নিউট্রন আবিষ্কারের পর তাহার পরিকল্পনাকে পরিবর্তন করিবার প্রয়োজন হইল।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
79ghz8kbsiefp5jwms8en3y2s4zr2gj
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৭
104
883880
1993521
2026-08-09T19:16:04Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993521
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন|২৫}}</noinclude><section begin="A" />{{ফাঁক}}বিশ্বের মূল উপাদান হইল ৯২ রকমের বিভিন্ন পরমাণু, বিজ্ঞানীর এ ধারণা এখন ধূলিসাৎ হইল। এখন দাঁড়াইল এই যে, আমাদের দৃষ্টির গোচর এবং অগোচর সকল বস্তুর মূলে, এই পৃথিবীর মূলে, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের মূলে আছে মাত্র দুইটি বস্তু—এক নেগেটিভ তড়িৎ-যুক্ত ইলেক্ট্রন এবং আর-এক পজিটিভ তড়িৎ-যুক্ত প্রোটন, মাত্র এই দুইটি, আর-কিছু নয়।
<section end="A" />
<section begin="B" />{{c|{{larger|পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন}}}}
{{ফাঁক}}বিজ্ঞানীর পরীক্ষা চলিতে লাগিল। বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল হিসাবে শেষ অবধি এমন-সব বস্তু আসিতে লাগিল যাহাদের কথা পূর্বে কল্পনাতেও আনিতে পারা যায় নাই কিন্তু যাহাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে আর কোনও সন্দেহ রহিল না এবং যাহাদিগকে বিশ্বের মূল উপাদান বলিয়া পরিগণিত করিতে হয়।
{{c|পজিট্রন}}
{{ফাঁক}}১৯৩০ সালে ডিরাক ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সম্বন্ধ বিষয়ে একটি বিচার প্রকাশিত করেন। ইলেক্ট্রনের অস্তিত্ব স্বীকার করিয়া এবং কোয়ান্টম-বাদের উপর প্রতিষ্ঠিত বলবিদ্যার (mechanics) নিয়ম প্রয়োগ করিয়া ডিরাক প্রোটনের অস্তিত্ব সম্বন্ধে গণনা করিলেন। এই গণনায় এক অদ্ভুত ফল দেখা দিল; গণনায় একদল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদার্থ আসিল। যাহারা ইলেকট্রনেরই মত কিন্তু যাহাদের তড়িৎ নেগেটিভ নয়, পজিটিভ। ইহাদিগকে কল্পনায় আনিবার জন্য ডিরাক যে চিত্র '<section end="B" /><noinclude></noinclude>
pz3p04vu1xs4jfy3xdn3pzezmmc2lvd
1993552
1993521
2026-08-10T07:36:58Z
Bodhisattwa
2549
1993552
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন|২৫}}</noinclude><section begin="A" />{{ফাঁক}}বিশ্বের মূল উপাদান হইল ৯২ রকমের বিভিন্ন পরমাণু, বিজ্ঞানীর এ ধারণা এখন ধূলিসাৎ হইল। এখন দাঁড়াইল এই যে, আমাদের দৃষ্টির গোচর এবং অগোচর সকল বস্তুর মূলে, এই পৃথিবীর মূলে, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের মূলে আছে মাত্র দুইটি বস্তু—এক নেগেটিভ তড়িৎ-যুক্ত ইলেক্ট্রন এবং আর-এক পজিটিভ তড়িৎ-যুক্ত প্রোটন, মাত্র এই দুইটি, আর-কিছু নয়।
<section end="A" />
<section begin="B" />{{c|{{x-larger|পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন}}}}
{{ফাঁক}}বিজ্ঞানীর পরীক্ষা চলিতে লাগিল। বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল হিসাবে শেষ অবধি এমন-সব বস্তু আসিতে লাগিল যাহাদের কথা পূর্বে কল্পনাতেও আনিতে পারা যায় নাই কিন্তু যাহাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে আর কোনও সন্দেহ রহিল না এবং যাহাদিগকে বিশ্বের মূল উপাদান বলিয়া পরিগণিত করিতে হয়।
{{c|{{larger|পজিট্রন}}}}
{{ফাঁক}}১৯৩০ সালে ডিরাক ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সম্বন্ধ বিষয়ে একটি বিচার প্রকাশিত করেন। ইলেক্ট্রনের অস্তিত্ব স্বীকার করিয়া এবং কোয়ান্টম-বাদের উপর প্রতিষ্ঠিত বলবিদ্যার (mechanics) নিয়ম প্রয়োগ করিয়া ডিরাক প্রোটনের অস্তিত্ব সম্বন্ধে গণনা করিলেন। এই গণনায় এক অদ্ভুত ফল দেখা দিল; গণনায় একদল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদার্থ আসিল। যাহারা ইলেকট্রনেরই মত কিন্তু যাহাদের তড়িৎ নেগেটিভ নয়, পজিটিভ। ইহাদিগকে কল্পনায় আনিবার জন্য ডিরাক যে চিত্র '<section end="B" /><noinclude></noinclude>
911886x43okgdhthskeq12rubyc3oje
বিশ্বের উপাদান/ইলেক্ট্রন ও প্রোটন
0
883881
1993522
2026-08-09T19:16:35Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=14 to=27 tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993522
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=14 to=27 tosection=A header=1/>
8g18iv5peu7b11wyzu714d2deetlvco
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৩৯
104
883882
1993523
2026-08-10T03:45:08Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993523
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|২৯|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>পড়িয়াছে। এই প্রকার কত দেখাইব? সংসারে যাহা কিছু সুন্দর, যাহা কিছু প্রাণের উন্মাদজনক, অন্তঃকরণের আকর্ষক, সব যেন কালিদাস, মানুষের মনের মত, কল্পনার মত, না না—কল্পনার অতীতের মত ছাঁচে ঢালিয়া সামাজিকদিগকে উপহার দিতেছেন। বর্ণনীয় বিষয়ের সহিত সামাজিকদিগকে এমন করিয়া মিশাইয়া ফেলিতেছেন, এমন করিয়া ভাবের সিমেণ্ট দিয়া এক করিয়া গাঁথিতেছেন যে, মর্ত্তে থাকিয়াও মনে হয়, যেন ইন্দ্রের সভায় উর্ব্বশীর নৃত্য দেখিতেছি, অথবা প্রেমোন্মত্ত রাজার সঙ্গে বন্য হস্তীর কাছে প্রিয়া বিষয়ক প্রশ্ন-জিজ্ঞাসায় মাতিয়া উঠিয়াছি, কিংবা সেই সুদূর মালিনী তীরে, পৃথিবীপতির পার্শ্বে দাঁড়াইয়া, তদীয় ‘প্রিয়াপরিভুক্ত লতামণ্ডপে’ দাঁড়াইয়া, তাঁহার কণ্ঠে কণ্ঠ মিশাইয়া করুণ-স্বরে বলিতেছি—
{{block center|<poem>“তস্যাঃ পুষ্পময়ী শরীরলুলিতা শয্যা শিলায়ামিয়ং
ক্লান্তো মন্মথলেখ এষ নলিনীপত্রে নখৈরঙ্কিতঃ।
হস্তাদ্ভ্রষ্টমিদং বিসাভরণমিত্যাসজ্জমানেক্ষণো
নির্গন্তুং সহসা ন বেতসগৃহাৎ শক্নোমি শূন্যাদপি॥”</poem>}}<noinclude></noinclude>
64gnb1k1u6l8s3q994fjhn3d47d6wgb
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪০
104
883883
1993524
2026-08-10T03:49:23Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993524
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩০|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>আবার কিছু পরেই হয়তঃ দূর আকাশে উঠিয়া ভূকণ্ঠে দোদুল্যমান একছড়া মুক্তার হারের ন্যায় ভাগীরথীর ক্ষীণতনু দেখিতেছি, অথবা ‘ধারানিবদ্ধ কলঙ্ক-লেখার’ ন্যায় মহোদধির ‘তমালতালী-বনরাজিনীলা’ বেলাভূমি দর্শনে আত্মহারা হইতেছি, কিংবা নিশীথ-রাত্রে প্রবাস-গত নরপতির ‘স্তিমিতপ্রদীপ’ জনহীন শয়নকক্ষে অকস্মাৎ প্রোষিতভর্ত্তৃকা ‘অদৃষ্টপূর্ব্বা’ বনিতার—তড়িন্ময়ী ললনা আবির্ভাবে চমকিত হইতেছি, তাহার ‘তস্যাঃ পুরঃ সম্প্রতি বীতনাথাং জানীহি রাজন্নধিদেবতাং মাং’ প্রভৃতি পরিচয় শ্রবণে, সাশ্রুনয়নে কবিকে উদ্দেশে প্রণাম করিতেছি। এ প্রকার কত দেখাইব? কালিদাসের কাব্যাবলীর যে কোনও খানিই যখন হাতে লই, তাহাতেই তখন মুগ্ধ হই! আত্মবিস্মৃত হই! সংসার ভুলিয়া যাই!
{{ফাঁক}}কালিদাসের কবিতার একটা প্রধান গুণ এই যে, তাঁহার কবিতার বর্ণিত চরিত পাঠ করিলে পাঠকের অজ্ঞাতসারে, তদীয় হৃদয় অনেকটা সেই রকম হইয়া উঠে। কালিদাসের সৃষ্ট পাত্র গুলি পাঠকের মনে এত অধিক জায়গা জুড়িয়া<noinclude></noinclude>
a30kvl0j1swi1zybj9t5fl2st9eu27w
পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/২০৩
104
883884
1993525
2026-08-10T03:58:27Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993525
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||উত্তর-কাশী|১৯৭}}</noinclude>এবং সহস্র সহস্র ভক্তের সুবিমল ভক্তি ও প্রীতির কুসুমাঞ্জলি দেবদের বিশ্বেশ্বরের মহিমা-দীপ্ত অভয় চরণোদ্দেশে বর্ষিত হয়; তখন বোধ হয়, কোন ভক্তের একবারও মনে হয় না যে, আর একটি দ্বিতীয় কাশী এই পুণ্যভূমি ভারতবর্ষের এক প্রান্তে হিমালয়ের সুগভীর প্রশান্ত ক্রোড়ে লুক্কায়িত আছে, এবং সেখানেও বিশ্বেশ্বর এক প্রকাণ্ড পাষাণমন্দিরে স্বমহিমায় জাগ্রতভাবে অবস্থান করিতেছেন।
এই কাশীর নাম উত্তর কাশী। স্বনামপ্রসিদ্ধ কাশীর সহিত স্বাতন্ত্র্যরক্ষার জন্য ইহার নাম উত্তর কাশী, কি কাশীর। বহু উত্তরে উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত বলিয়া উত্তর-কাশী, তাহা নিঃসন্দেহে বলা যায় না। কাহার গৌরব অধিক, তাহাও নির্দ্দেশ করা কঠিন। তবে ইহা নিশ্চিত যে, বিশ্বেশ্বরের প্রিয় পীঠস্থান বলিয়া যদি কাশীর গৌরব হয়, ভগবতী অন্নপূর্ণার লীলাক্ষেত্র অথবা অন্নক্ষেত্র বলিয়া যদি কাশী সম্মানিত হইতে পারে, তবে উত্তর-কাশীও আপনার গৌরব ও সম্মান রক্ষা করিবার উপযুক্ত। উত্তর-কাশী জননী প্রকৃতির স্বহস্তনির্ম্মিত চারু উপবন, শান্তি ও পবিত্রতার স্নিগ্ধ নিকুঞ্জ। হিমালয়ের কোন্ অজ্ঞাত অংশে কৈলাসধাম সংগুপ্ত রহিয়াছে, কে বলিবে?-কিন্তু কৈলাসনাথের সেই আনন্দ-নিকেতন হইতে উত্তরকাশী কোনও অংশে ন্যূন নহে।
আমাদের দেশের অতি অল্প লোকই এই কাশীর নাম অবগত আছেন; কারণ, পুরাণ ইতিহাস প্রভৃতি গ্রন্থে এই কাশীর উল্লেখ নাই বলিলেই চলে। তাহার পর ভারতবর্ষের<noinclude></noinclude>
60gxuritmopex95xe1mnzsu8582ime6
পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/২০২
104
883885
1993526
2026-08-10T04:09:04Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}ভারতবর্ষে বারাণসী হিন্দুর প্রধান তীর্থ। কতদিন এই তীর্থের প্রতিষ্ঠা হইয়াছে, কেহ বলিতে পারে না। পুরাণ ভাবলম্বন করিলে বলিতে হয়, মানব-সৃষ্টির পূর্ব্ব হইতেই ইহা বর্ত..." দিয়ে পাতা তৈরি
1993526
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||উত্তর কাশী।|}}</noinclude>{{ফাঁক}}ভারতবর্ষে বারাণসী হিন্দুর প্রধান তীর্থ। কতদিন এই তীর্থের প্রতিষ্ঠা হইয়াছে, কেহ বলিতে পারে না। পুরাণ ভাবলম্বন করিলে বলিতে হয়, মানব-সৃষ্টির পূর্ব্ব হইতেই ইহা বর্ত্তমান। যুগান্তর কাল হইতে পৃথিবীর বক্ষ দিয়া বহু পরিবর্তন চলিয়া গিয়াছে, কিন্তু কাশীর মহিমা এ হিন্দুর দেশে অটল অচলের ন্যায় স্থির, এবং প্রভাত-সূর্য্যের কিরণ-প্রদীপ্ত তুষার-মণ্ডিত গিরিশৃঙ্গের ন্যায় সমুজ্জল। এখনও সহস্র সহস্র ব্রাহ্মণ ও পণ্ডিত, ভক্ত ও সাধক, প্রতিদিন অরুণোদয়ের সঙ্গে পূতসলিলা ভাগীরথীর জলে অবগাহনপূর্ব্বক যুক্তকরে ও একান্তচিত্তে বিশ্বেশ্বরের চরণ-বন্দনা করেন। আবার সন্ধ্যাকালে যখন ধরাতল ধীরে ধীরে অন্ধকারে আবৃত হয়, পশ্চিম আকাশের লোহিত রাগ মলিন হইয়া যায়, এবং জাহ্নবীর শান্ত বক্ষে সান্ধ্য-তারকার স্নান-জ্যোতি ফুটিয়া উঠে, তখন শঙ্খ, ঘণ্টা ও দামামা-ধ্বনিতে সমস্ত কাশী জাগত হইয়া উঠে, ধুপ-ধুনা এবং পুষ্পরাশির সুগন্ধে মন্দির-প্রাঙ্গণ পরিপূর্ণ হয়,<noinclude></noinclude>
2j1cemlzvvjw8tp2tntn49979f3e7s6
1993527
1993526
2026-08-10T04:09:25Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993527
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||উত্তর কাশী।|}}</noinclude>{{ফাঁক}}ভারতবর্ষে বারাণসী হিন্দুর প্রধান তীর্থ। কতদিন এই তীর্থের প্রতিষ্ঠা হইয়াছে, কেহ বলিতে পারে না। পুরাণ ভাবলম্বন করিলে বলিতে হয়, মানব-সৃষ্টির পূর্ব্ব হইতেই ইহা বর্ত্তমান। যুগান্তর কাল হইতে পৃথিবীর বক্ষ দিয়া বহু পরিবর্তন চলিয়া গিয়াছে, কিন্তু কাশীর মহিমা এ হিন্দুর দেশে অটল অচলের ন্যায় স্থির, এবং প্রভাত-সূর্য্যের কিরণ-প্রদীপ্ত তুষার-মণ্ডিত গিরিশৃঙ্গের ন্যায় সমুজ্জল। এখনও সহস্র সহস্র ব্রাহ্মণ ও পণ্ডিত, ভক্ত ও সাধক, প্রতিদিন অরুণোদয়ের সঙ্গে পূতসলিলা ভাগীরথীর জলে অবগাহনপূর্ব্বক যুক্তকরে ও একান্তচিত্তে বিশ্বেশ্বরের চরণ-বন্দনা করেন। আবার সন্ধ্যাকালে যখন ধরাতল ধীরে ধীরে অন্ধকারে আবৃত হয়, পশ্চিম আকাশের লোহিত রাগ মলিন হইয়া যায়, এবং জাহ্নবীর শান্ত বক্ষে সান্ধ্য-তারকার স্নান-জ্যোতি ফুটিয়া উঠে, তখন শঙ্খ, ঘণ্টা ও দামামা-ধ্বনিতে সমস্ত কাশী জাগত হইয়া উঠে, ধুপ-ধুনা এবং পুষ্পরাশির সুগন্ধে মন্দির-প্রাঙ্গণ পরিপূর্ণ হয়,<noinclude></noinclude>
nqgdgauliwvq88y4j2z8hwgzfwlp9go
1993534
1993527
2026-08-10T05:55:19Z
Bodhisattwa
2549
/* সমস্যাসঙ্কুল */
1993534
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="2" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{missing image}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|উত্তর কাশী।}}}}
{{Custom rule|sp|5|fy1|40|sp|5}}
{{ফাঁক}}ভারতবর্ষে বারাণসী হিন্দুর প্রধান তীর্থ। কতদিন এই তীর্থের প্রতিষ্ঠা হইয়াছে, কেহ বলিতে পারে না। পুরাণ ভাবলম্বন করিলে বলিতে হয়, মানব-সৃষ্টির পূর্ব্ব হইতেই ইহা বর্ত্তমান। যুগান্তর কাল হইতে পৃথিবীর বক্ষ দিয়া বহু পরিবর্তন চলিয়া গিয়াছে, কিন্তু কাশীর মহিমা এ হিন্দুর দেশে অটল অচলের ন্যায় স্থির, এবং প্রভাত-সূর্য্যের কিরণ-প্রদীপ্ত তুষার-মণ্ডিত গিরিশৃঙ্গের ন্যায় সমুজ্জল। এখনও সহস্র সহস্র ব্রাহ্মণ ও পণ্ডিত, ভক্ত ও সাধক, প্রতিদিন অরুণোদয়ের সঙ্গে পূতসলিলা ভাগীরথীর জলে অবগাহনপূর্ব্বক যুক্তকরে ও একান্তচিত্তে বিশ্বেশ্বরের চরণ-বন্দনা করেন। আবার সন্ধ্যাকালে যখন ধরাতল ধীরে ধীরে অন্ধকারে আবৃত হয়, পশ্চিম আকাশের লোহিত রাগ মলিন হইয়া যায়, এবং জাহ্নবীর শান্ত বক্ষে সান্ধ্য-তারকার স্নান-জ্যোতি ফুটিয়া উঠে, তখন শঙ্খ, ঘণ্টা ও দামামা-ধ্বনিতে সমস্ত কাশী জাগত হইয়া উঠে, ধুপ-ধুনা এবং পুষ্পরাশির সুগন্ধে মন্দির-প্রাঙ্গণ পরিপূর্ণ হয়,<noinclude></noinclude>
4dojw9cd4l5orbpbgcjyh4le95gg71h
পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/২০১
104
883886
1993528
2026-08-10T04:26:23Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993528
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||অতিপ্রকৃত কথা|১৯৫}}</noinclude>ইহা শুনিয়া যদিও অনুগ্রহ পূর্ব্বক আমাকে মিথ্যাবাদী বলেন নাই বটে, কিন্তু গল্পটি অসম্ভব বলিয়া উড়াইয়া দিয়াছিলেন। আমি তাহার উত্তরে সংক্ষেপে মন্তব্যস্বরূপ বলিয়াছিলাম— “There are more things in heaven and earth, Horatio,—than are dreamt of in your philosophy.”
{{ফাঁক}}আজ অনেক দিন পরে সেই ঘটনা যথাযথ বিবৃত করিলাম। জানি, এ বৈজ্ঞানিক যুগে ইহা এলাপোক্তি বলিয়াই বিবেচিত হইবে; কিন্তু আমাদের চতুর্দিকে প্রত্যহ এমন অসংখ্য ঘটনা সংঘটিত হইতেছে, যাহা বিজ্ঞানের পরীক্ষাসিদ্ধ নিয়মে নিয়ন্ত্রিত নহে, সুতরাং তাহার কার্যকলাপ সম্বন্ধে কিছুমাত্র সিদ্ধান্ত করিতে না পারিয়া কখনও তাহা অবিশ্বাস করি, এবং চক্ষু কর্ণের বিবাদ মিটিলে আশ্চর্য্য হইয়া যাই। তখন সহজেই মনে হয়, আধ্যাত্মিক জগতের বিপুল রহস্য ভেদ করিতে বিজ্ঞানের ক্ষুদ্র ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে অসমর্থ; অসীম বিস্তৃত ছায়াপথের অনন্ত নক্ষত্রমণ্ডলীর ন্যায় যাহা দেশ ও কাল আচ্ছন্ন করিয়া চক্ষুর অগোচর ভাবে অবস্থান করিতৈছে, তাহা নিরীক্ষণ এবং তাহাদের গতির পর্যবেক্ষণ করিতে যে দূরবীক্ষণের প্রয়োজন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিকের দুর্ব্বল কল্পনায় তাহা আয়ত্ত হইবার নহে।<noinclude>{{কেন্দ্র|---}}</noinclude>
jc3aeuvqv1vvyrmyfeq64f90ml9ezi7
1993533
1993528
2026-08-10T05:54:01Z
Bodhisattwa
2549
1993533
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||অতিপ্রকৃত কথা|১৯৫}}</noinclude>ইহা শুনিয়া যদিও অনুগ্রহ পূর্ব্বক আমাকে মিথ্যাবাদী বলেন নাই বটে, কিন্তু গল্পটি অসম্ভব বলিয়া উড়াইয়া দিয়াছিলেন। আমি তাহার উত্তরে সংক্ষেপে মন্তব্যস্বরূপ বলিয়াছিলাম— “There are more things in heaven and earth, Horatio,—than are dreamt of in your philosophy.”
{{ফাঁক}}আজ অনেক দিন পরে সেই ঘটনা যথাযথ বিবৃত করিলাম। জানি, এ বৈজ্ঞানিক যুগে ইহা এলাপোক্তি বলিয়াই বিবেচিত হইবে; কিন্তু আমাদের চতুর্দিকে প্রত্যহ এমন অসংখ্য ঘটনা সংঘটিত হইতেছে, যাহা বিজ্ঞানের পরীক্ষাসিদ্ধ নিয়মে নিয়ন্ত্রিত নহে, সুতরাং তাহার কার্যকলাপ সম্বন্ধে কিছুমাত্র সিদ্ধান্ত করিতে না পারিয়া কখনও তাহা অবিশ্বাস করি, এবং চক্ষু কর্ণের বিবাদ মিটিলে আশ্চর্য্য হইয়া যাই। তখন সহজেই মনে হয়, আধ্যাত্মিক জগতের বিপুল রহস্য ভেদ করিতে বিজ্ঞানের ক্ষুদ্র ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে অসমর্থ; অসীম বিস্তৃত ছায়াপথের অনন্ত নক্ষত্রমণ্ডলীর ন্যায় যাহা দেশ ও কাল আচ্ছন্ন করিয়া চক্ষুর অগোচর ভাবে অবস্থান করিতৈছে, তাহা নিরীক্ষণ এবং তাহাদের গতির পর্যবেক্ষণ করিতে যে দূরবীক্ষণের প্রয়োজন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিকের দুর্ব্বল কল্পনায় তাহা আয়ত্ত হইবার নহে।
{{dhr}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
nwdi3jzhvkxwb6fezfry4daizt7lg76
পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/২০০
104
883887
1993529
2026-08-10T04:35:28Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993529
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rvh|১৯৪||প্রবাস-চিত্র}}</noinclude>{{ফাঁক}}যখন জাগিয়া উঠিলাম, দেখিলাম, অপরাহ্ন হইয়াছে। সূর্য্য অস্ত গিয়াছে, পশ্চিম আকাশ লোহিতরাগরঞ্জিত, এবং উচ্চ পর্ব্বতশৃঙ্গে অস্তগত সূর্য্যের আরক্তিম কান্তি শোভা পাইতেছে। উঠিয়া বসিয়া চতুর্দিকে চাহিতে লাগিলাম, কোথাও সন্ন্যাসীকে দেখিতে পাইলাম না।
{{ফাঁক}}আর অগ্রসর না হইয়া পুনর্ব্বার সন্ন্যাসীর কুটীরে ফিরিয়া আসিলাম। দেখিলাম, আমার সঙ্গী সন্ন্যাসী কুটীরপ্রাঙ্গনে দাঁড়াইয়া আছেন। আমি ব্যগ্রভাবে কুটীরবাসী সন্ন্যাসীর কথা জিজ্ঞাসা করিলাম; সঙ্গী বলিলেন, আমি চলিয়া যাওয়ার পর এতক্ষণ তাঁহারা বৃক্ষমূলে বসিয়া কথাবার্তা কহিতেছিলেন, এইমাত্র তিনি উচ্চ বেদীর পার্শ্বে গিয়াছেন, এবং সন্ন্যাসী কুটীরের দিকে আসিয়াছেন। অধিকতর বিস্মিত হইয়া তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “আমি চলিয়া যাওয়ার পর কুটীরবাসী সন্ন্যাসী আমার পশ্চাদগামী হইয়াছিলেন কি না?” এই বলিয়া তখন আমি সমস্ত কথা তাঁহার নিকটে খুলিয়া বলিলাম; তিনি অল্প হাসিয়া বলিলেন,— “এইসি।”
{{ফাঁক}}কুটীরবাসী সন্ন্যাসীকে তখন কোনও কথা জিজ্ঞাসা করিতে সাহসী হই নাই। অল্পক্ষণ পরে কথা প্রসঙ্গে তাঁহাকে এ কথা জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম-কিন্তু তাঁহার নিকট কোনও উত্তর পাই নাই।
{{ফাঁক}}আমার পর্যটনকাহিনীপ্রসঙ্গে আমার বঙ্গীয় বন্ধুমহলে একদিন আমি এই ঘটনার উল্লেখ করিয়াছিলাম; বন্ধুবর্গ<noinclude></noinclude>
2et5akr4zx4ov9wl8pjyobqsc7ip875
পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/১৯৯
104
883888
1993530
2026-08-10T04:51:46Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993530
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||অতিপ্রকৃত করা|১৯৩}}</noinclude>রক্ষাকর্তার আবির্ভাব হইবে?—তাহার কিছুমাত্র সম্ভাবনা ছিল না; তথাপি মরণাপন্ন জীবনের প্রাণপণ শক্তিতে রুদ্ধনয়ন ধীরে ধীরে উন্মুক্ত করিলাম; যাহা দেখিলাম, তাহাতে আনন্দ বিস্ময় যুগপৎ আমার হৃদয় অধিকার করিল। দেখিলাম, আমার শিরোদেশে সন্ন্যাসী, হস্তে একটি লাল নূতন কমণ্ডলু। আমার ঠিক তখনকার মনের ভাব এখন বর্ণনা করা অসম্ভব, এবং মৃত্যুমুখে পতিতপ্রায় হইরা তখন কিরূপ ভাবিয়াছিলাম, তাহাও যথাযথ মনে নাই। তবে বোধ হয় সন্ন্যাসীকে দেখিয়া আমার মনে হর্ষ ও বিস্ময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকখানি সন্দেহেরও উদয় হইয়াছিল,—হয় ত মনে হইয়াছিল, আমার কল্পনা আমাকে ছলনা করিয়াই নয়নসমক্ষে এই অসম্ভব মরীচিকার বিস্তার করিয়াছে। সন্দেহ ও বিশ্বাসে আমি মুখ বাড়াইলাম, তিনি সেই কমণ্ডলু আমার মুখের কাছে ধরিলেন, আমি এক নিশ্বাসে কমণ্ডলুর সমস্ত জল পান করিয়া ফেলিলাম। কিন্তু তখনও আমি কথা কহিতে সম্পূর্ণ অশক্ত, গভীর ক্লান্তি ও অবসাদ এক মুহূর্ত্তে বিদুরিত হয় না। কঠোর পথশ্রম ও ক্লান্তির পর প্রচুর জল পান করায়, আমার শরীরে সর্দ্দিগর্ম্মির লক্ষণ প্রকাশ পাইল, আমি অত্যন্ত অসুস্থ বোধ করিতে লাগিলাম, উঠিবার চেষ্টা করিলাম; কিন্তু উঠিতে পারিলাম না, সর্ব্বাঙ্গ ঘুরিতে লাগিল। রৌদ্রের তেজ অনেক কমিয়া আসিয়াছিল। ধীরে ধীরে শুইয়া পড়িলাম; বোধ হইল, তন্দ্রা আসিতেছে। ক্রমে আমার সুপ্তি বিলুপ্ত হইল।
{{ফাঁক}}১৭<noinclude></noinclude>
9f346mjzb7x1ducftxh9xuji7dk5o5j
1993531
1993530
2026-08-10T05:53:24Z
Bodhisattwa
2549
1993531
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||অতিপ্রকৃত করা|১৯৩}}</noinclude>রক্ষাকর্তার আবির্ভাব হইবে?—তাহার কিছুমাত্র সম্ভাবনা ছিল না; তথাপি মরণাপন্ন জীবনের প্রাণপণ শক্তিতে রুদ্ধনয়ন ধীরে ধীরে উন্মুক্ত করিলাম; যাহা দেখিলাম, তাহাতে আনন্দ বিস্ময় যুগপৎ আমার হৃদয় অধিকার করিল। দেখিলাম, আমার শিরোদেশে সন্ন্যাসী, হস্তে একটি লাল নূতন কমণ্ডলু। আমার ঠিক তখনকার মনের ভাব এখন বর্ণনা করা অসম্ভব, এবং মৃত্যুমুখে পতিতপ্রায় হইরা তখন কিরূপ ভাবিয়াছিলাম, তাহাও যথাযথ মনে নাই। তবে বোধ হয় সন্ন্যাসীকে দেখিয়া আমার মনে হর্ষ ও বিস্ময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকখানি সন্দেহেরও উদয় হইয়াছিল,—হয় ত মনে হইয়াছিল, আমার কল্পনা আমাকে ছলনা করিয়াই নয়নসমক্ষে এই অসম্ভব মরীচিকার বিস্তার করিয়াছে। সন্দেহ ও বিশ্বাসে আমি মুখ বাড়াইলাম, তিনি সেই কমণ্ডলু আমার মুখের কাছে ধরিলেন, আমি এক নিশ্বাসে কমণ্ডলুর সমস্ত জল পান করিয়া ফেলিলাম। কিন্তু তখনও আমি কথা কহিতে সম্পূর্ণ অশক্ত, গভীর ক্লান্তি ও অবসাদ এক মুহূর্ত্তে বিদুরিত হয় না। কঠোর পথশ্রম ও ক্লান্তির পর প্রচুর জল পান করায়, আমার শরীরে সর্দ্দিগর্ম্মির লক্ষণ প্রকাশ পাইল, আমি অত্যন্ত অসুস্থ বোধ করিতে লাগিলাম, উঠিবার চেষ্টা করিলাম; কিন্তু উঠিতে পারিলাম না, সর্ব্বাঙ্গ ঘুরিতে লাগিল। রৌদ্রের তেজ অনেক কমিয়া আসিয়াছিল। ধীরে ধীরে শুইয়া পড়িলাম; বোধ হইল, তন্দ্রা আসিতেছে। ক্রমে আমার সুপ্তি বিলুপ্ত হইল।<noinclude>{{left|{{ফাঁক}}১৭}}</noinclude>
nf3nbtb3g9ktghdmukzkaqn7a0d3ibi
1993532
1993531
2026-08-10T05:53:37Z
Bodhisattwa
2549
1993532
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rh||অতিপ্রকৃত করা|১৯৩}}</noinclude>রক্ষাকর্তার আবির্ভাব হইবে?—তাহার কিছুমাত্র সম্ভাবনা ছিল না; তথাপি মরণাপন্ন জীবনের প্রাণপণ শক্তিতে রুদ্ধনয়ন ধীরে ধীরে উন্মুক্ত করিলাম; যাহা দেখিলাম, তাহাতে আনন্দ বিস্ময় যুগপৎ আমার হৃদয় অধিকার করিল। দেখিলাম, আমার শিরোদেশে সন্ন্যাসী, হস্তে একটি লাল নূতন কমণ্ডলু। আমার ঠিক তখনকার মনের ভাব এখন বর্ণনা করা অসম্ভব, এবং মৃত্যুমুখে পতিতপ্রায় হইরা তখন কিরূপ ভাবিয়াছিলাম, তাহাও যথাযথ মনে নাই। তবে বোধ হয় সন্ন্যাসীকে দেখিয়া আমার মনে হর্ষ ও বিস্ময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকখানি সন্দেহেরও উদয় হইয়াছিল,—হয় ত মনে হইয়াছিল, আমার কল্পনা আমাকে ছলনা করিয়াই নয়নসমক্ষে এই অসম্ভব মরীচিকার বিস্তার করিয়াছে। সন্দেহ ও বিশ্বাসে আমি মুখ বাড়াইলাম, তিনি সেই কমণ্ডলু আমার মুখের কাছে ধরিলেন, আমি এক নিশ্বাসে কমণ্ডলুর সমস্ত জল পান করিয়া ফেলিলাম। কিন্তু তখনও আমি কথা কহিতে সম্পূর্ণ অশক্ত, গভীর ক্লান্তি ও অবসাদ এক মুহূর্ত্তে বিদুরিত হয় না। কঠোর পথশ্রম ও ক্লান্তির পর প্রচুর জল পান করায়, আমার শরীরে সর্দ্দিগর্ম্মির লক্ষণ প্রকাশ পাইল, আমি অত্যন্ত অসুস্থ বোধ করিতে লাগিলাম, উঠিবার চেষ্টা করিলাম; কিন্তু উঠিতে পারিলাম না, সর্ব্বাঙ্গ ঘুরিতে লাগিল। রৌদ্রের তেজ অনেক কমিয়া আসিয়াছিল। ধীরে ধীরে শুইয়া পড়িলাম; বোধ হইল, তন্দ্রা আসিতেছে। ক্রমে আমার সুপ্তি বিলুপ্ত হইল।
{{nop}}<noinclude>{{left|{{ফাঁক}}১৭}}</noinclude>
olfd4w4a4dk6jib2ncz2j9cpbqlysut
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪১
104
883889
1993535
2026-08-10T05:57:21Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993535
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩১|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>বসে যে, পাঠককেই অনেকটা সেই রকম করিয়া তুলে। পাঠকের বা দর্শকের মনে এতটা আধিপত্য ভবভূতি ছাড়া আর কোনও কবিই করিতে পারেন নাই। কালিদাসের এই আধিপত্যের মূল হইল, তাঁহার ওজন-জ্ঞান। মানুষ কতটুকু চায়, তিনি তাহা জানিতেন। নিক্তির কাঁটায় কাঁটায় তাহা ওজন করিয়া লইতে পারিতেন। এই অনন্য-সাধারণ ক্ষমতা ছিল বলিয়াই কালিদাস ‘কালিদাস’ তিনি ‘ভারবি’ বা ‘মাঘ’ নহেন। তিনি ‘বাণ’ বা ‘শ্রীহর্ষ’ নহেন। ছাটিয়া ছুটিয়া মানানসই করিবার ক্ষমতা তাঁহার ন্যায় আর কোনও কবিরই ছিল না। কোথায় কতটুকু বর্ণনার দরকার, কোনস্থলে কতটুকু বই খাপ খাইবে না, কোথায় কোন জিনিষটী বসাইলে ভাল মানাইবে, গোলদার হইয়া খুলিবে, ইহা তিনি যেমন বুঝিতেন, আর কোন কবিই তেমনটী বুঝিতেন না। এক জন প্রসিদ্ধ সমালোচক বলিয়াছেন যে, “কালিদাস চিত্রকরের চক্ষে জগৎ দেখিতেন, আর কবির কলমে লিখিতেন”—এ কথা ঠিক। জগতের যাবতীয় স্বাভাবিক পদার্থই কল্পনার রঞ্জনে<noinclude></noinclude>
f3nb0lf4hsy24isej839vnzy4qv104q
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪২
104
883890
1993536
2026-08-10T05:59:25Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993536
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩২|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>রঙ্গিন করিব, বর্ণনার চাতুর্য্যে সুন্দর করিয়া তুলিব, কবিজনসুলভ এ দুর্ব্বুদ্ধি তাঁহার ছিল না। যাহা ভাল, যাহা চিরদিনের মত মানুষের মনের সিংহাসন অধিকার করিতে পারিবে, সে সকল জিনিষ বাছাই করিতে তিনি ‘বৃহস্পতি’ ছিলেন। বাজে জিনিষ তাঁহার অস্পৃশ্য ছিল। অস্পৃশ্য ছিল বলিয়াই অপরাপর কবির কাব্যের ন্যায়, তাঁহার কাব্য পড়িতে আমরা ক্লান্ত হই না। হাপাইয়া পড়ি না। একবার তাঁহার কাব্য হাতে লইলে, সমাপ্ত না করিয়া উঠিতে পারি না। তাঁহার কবিতার প্রকাণ্ডত্বে নূতনত্বে ও সুন্দরত্বে আমাদিগকে বিস্ময়-বিমুগ্ধ করিয়া তুলে। যখন দেখি, প্রজার জন্য, ধনুকভাঙ্গা-পণে জেতা প্রিয়তমা সাধ্বী ভার্য্যাকে রাম বনে পাঠাইতেছেন, যখন দেখি, পিতার আজ্ঞা পালনের জন্য, রাজতক্ত ছাড়িয়া—তিনি নিজে বাকল পরিতেছেন, যখন দেখি ‘মাভূৎ পরীবাদ-নবাবতারঃ” বলিয়া গদগদকণ্ঠে ‘মৃৎপাত্রশেষ-বিভূতি’ রাজা রঘু ‘গুরুদক্ষিণার্থী ব্রহ্মচারীর আতিথ্য করিতেছেন—তখন, তাঁহার বর্ণনার প্রকাণ্ডত্বে, নূতনত্বে এবং সুন্দরত্বে<noinclude></noinclude>
7nyq452bgwlmfazjxg4r8x9d3dw9jyv
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪৩
104
883891
1993537
2026-08-10T06:01:58Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993537
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩৩|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>কেমন যেন অবাক্—কেমন যেন উদ্ভ্রান্ত হইয়া পড়ি। আনন্দে—বিস্ময়ে—ভক্তিতে মনঃপ্রাণ নত হইয়া আইসে। সংসার ভুলিয়া যাই। তন্ময় হইয়া পড়ি। পাঠকের এই ‘তন্ময়ত্ব’ কালিদাসের কাব্য ছাড়া অন্য কোথাও আছে কি না জানি না।
{{ফাঁক}}কালিদাসের রামের কাছে ভারবির অর্জ্জুন বা মাঘের শ্রীকৃষ্ণ নিষ্প্রভ, কালিদাসের দিলীপের কাছে নৈষধের নল অকিঞ্চিৎকর, কালিদাসের কুশের নিকটে বাণভট্টের তারাপীড় বা শ্রীহর্ষ উল্লেখযোগ্যই নহে। কালিদাসের শকুন্তলা, কালিদাসের মালবিকা, কালিদাসের উর্ব্বশী এক একটী অনুপম সৃষ্টি।
{{ফাঁক}}যখন কালিদাসের বিক্রমোর্ব্বশীতে দেখি যে, মেঘময়ী উর্ধ্বশীর উপরে বসিয়া, রাজা আকাশ পথে নিজের রাজধানীতে ছুটিতেছেন, যখন রঘুবংশে দেখি যে, আকাশ পৃষ্ঠে বিমানে বসিয়া রাম সীতাকে দেখাইতেছেন,
{{block center/s}}<poem>“বৈদেহি পশ্যামলয়াদ্ বিভক্তং
মৎসেতুনা ফেনিলম্বুরাশিম্।</poem><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
718sq18avfhmwbmjv8zdsnt4e2ppi8r
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪৪
104
883892
1993538
2026-08-10T06:05:34Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "<poem>ছায়াপথেনেব শরৎপ্রসন্নং আকাশমাবিস্কৃত-চারুতারম্॥”</poem>{{block center/e}} যখন দেখি, তিনি আদরিণী সীতাকে অতি সন্তর্পণে {{block center|<poem>“পশ্যানবদ্যাঙ্গি! বিভাতি গঙ্গা, ভিন্নপ্রবাহা যমুনা-ত..." দিয়ে পাতা তৈরি
1993538
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩৪|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>ছায়াপথেনেব শরৎপ্রসন্নং
আকাশমাবিস্কৃত-চারুতারম্॥”</poem>{{block center/e}}
যখন দেখি, তিনি আদরিণী সীতাকে অতি সন্তর্পণে
{{block center|<poem>“পশ্যানবদ্যাঙ্গি! বিভাতি গঙ্গা,
ভিন্নপ্রবাহা যমুনা-তরঙ্গৈঃ”—</poem>}}
বলিয়া গঙ্গা-যমুনার সঙ্গম দেখাইতেছেন, তখন তাঁহার কল্পনার দৌড় দেখিয়া আনন্দে—বিস্ময়ে বিহ্বল হইয়া পড়ি। মর্ত্তধাম ছাড়িয়া প্রাণ এক অচিন্তিতপূর্ব্ব অমৃতময় রাজ্যে উপস্থিত হয়। এ প্রকার কত দেখাইব?
{{ফাঁক}}অসাধারণ ক্ষমতা বলে, কালিদাস রামায়ণ মহাভারতের উপরও টেক্কা মারিয়াছিলেন। রামায়ণ মহাভারতে যে যে বিষয় খুটাইয়া খুটাইয়া বর্ণনা করায় পাঠকের ধৈর্য্য চ্যুতি ঘটে, কালিদাস, তাহা সাম্লাইয়া লইয়া, পাঠকের মনের মত ছাঁচে ঢালাই করিয়াছেন। এতটা সামর্থ্য যদি কালিদাসের না থাকিবে, আত্মসত্তায় এতটা বিশ্বাস যদি তাঁহার না থাকিবে, তবে, দীর্ঘকাল হইতে, বহুশত বৎসর হইতে, যে দেশে রামায়ণ<noinclude></noinclude>
op1lz9sy7p9hb8ogy7ad0ue6u5j5y2h
1993539
1993538
2026-08-10T06:06:37Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993539
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩৪|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>ছায়াপথেনেব শরৎপ্রসন্নং
আকাশমাবিস্কৃত-চারুতারম্॥”</poem>{{block center/e}}
যখন দেখি, তিনি আদরিণী সীতাকে অতি সন্তর্পণে
{{block center|<poem>“পশ্যানবদ্যাঙ্গি! বিভাতি গঙ্গা,
ভিন্নপ্রবাহা যমুনা-তরঙ্গৈঃ”—</poem>}}
বলিয়া গঙ্গা-যমুনার সঙ্গম দেখাইতেছেন, তখন তাঁহার কল্পনার দৌড় দেখিয়া আনন্দে—বিস্ময়ে বিহ্বল হইয়া পড়ি। মর্ত্তধাম ছাড়িয়া প্রাণ এক অচিন্তিতপূর্ব্ব অমৃতময় রাজ্যে উপস্থিত হয়। এ প্রকার কত দেখাইব?
{{ফাঁক}}অসাধারণ ক্ষমতা বলে, কালিদাস রামায়ণ মহাভারতের উপরও টেক্কা মারিয়াছিলেন। রামায়ণ মহাভারতে যে যে বিষয় খুটাইয়া খুটাইয়া বর্ণনা করায় পাঠকের ধৈর্য্য চ্যুতি ঘটে, কালিদাস, তাহা সাম্লাইয়া লইয়া, পাঠকের মনের মত ছাঁচে ঢালাই করিয়াছেন। এতটা সামর্থ্য যদি কালিদাসের না থাকিবে, আত্মসত্তায় এতটা বিশ্বাস যদি তাঁহার না থাকিবে, তবে, দীর্ঘকাল হইতে, বহুশত বৎসর হইতে, যে দেশে রামায়ণ<noinclude></noinclude>
lz7dxvxrx9pnhiq3jjqk0pj8ouw7h94
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪৫
104
883893
1993540
2026-08-10T06:07:51Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993540
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩৫|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>মহাভারত পাঠত, গীত এবং ভক্তির সহিত শ্রুত হইতেছে, সেই দেশের সেই সমাজে, তিনি, সেই রামায়ণ মহাভারতের উপরও ‘কারি গরি' করিতে যাইবেন কেন? তিনি বুঝিয়াছিলেন যে, রামায়ণ মহাভারত যে প্রকার লম্বা, যে প্রকার উৎকট উৎকট কল্পনায় রঞ্জিত, তাহাতে তাহাদের দ্বারা ষোল আনা আনন্দরসের অনুভব হয় না বা হইতে পারেও না। তবে তাঁহার একটী বিষয়ে জ্ঞান খুব ভাল ছিল, তিনি জানিতেন যে, ব্যাস বাল্মীকির কলমের উপর কলম চালাইতে হইলে, সর্ব্বপ্রথম কর্ত্তব্য হইতেছে, তাঁহাদের উপেক্ষিত বিষয়গুলি সযত্নে কুড়াইয়া লওয়া—অর্থাৎ ব্যাস-বাল্মীকি যে যে বিষয়ের সম্যক্ বর্ণনা করেন নাই, তাহার সম্যক্ বর্ণনা। আর তাঁহারা যে যে যিষয়, কল্পনার তুলিতে সুচারুরূপে অঙ্কিত করিয়াছেন, তাহা একেবারে স্পর্শ না করা। কালিদাসের সমগ্র গ্রন্থাবলীতেই এই ধ্রুব সত্য বিদ্যমান। রামায়ণ মহাভারতে যাহার বিস্তৃত বর্ণনা আছে, কালিদাসের কাব্যে তাহার অতি সামান্যভাবে নামোল্লেখ দেখা যায় মাত্র। আবার রামায়ণ মহাভারতে<noinclude></noinclude>
4nmwt5yezmj9120e6v7awqyck244x4y
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪৬
104
883894
1993541
2026-08-10T06:09:30Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993541
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩৬|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude>যাহা নাই, অথবা যাহা সামান্যভাবে বর্ণিত হইয়াছে, কালিদাস তাহার সবিস্তর বর্ণনা করিয়াছেন। সুতরাং ব্যাস-বাল্মীকির বর্ণনার সহিত কোনও নির্দিষ্ট বিষয় লইয়া কালিদাসের কোনও প্রকার সংঘর্ষ উপস্থিত হয় নাই, কাজে কাজে উপমাও চলে না। কালিদাস নিজেই সে পথ মারিয়া রাখিয়া গিয়াছেন।
{{ফাঁক}}রামায়ণ মহাভারতের আর একটা ত্রুটি এই যে, কোথাও একটা ছোট্ট কথা খুব জাঁকালো করিয়া, লম্বা করিয়া বর্ণনা করা হইয়াছে,— আবার হয়ত একটা বিশেষ কথা—প্রধান কথা— একেবারে এক লাইনে সারিয়া দেওয়া হইয়াছে। কালিদাস তাঁহার নিজের গ্রন্থে সে দোষ সারিয়া লইয়াছেন। যেখানে যতটুকু দরকার, তারপর আর একটী অক্ষরও বেশী বলেন নাই। সামাজিকগণ কতটুকু চান, তাহা কালিদাস জানিতেন। পৌরাণিক রচনায় সে জ্ঞানটুকু ছিল না। ছাঁটা ছিল না। কালিদাসের ন্যায় ওজন কাঁটায় কাঁটায় সই—ছিল না। যাহা হউক এই ক্ষণে আমি, ভবভূতি সম্বন্ধে সংক্ষেপে দুই চারিটি কথা বলিয়া<noinclude></noinclude>
7h14hj4ql50wyyhi84zap7vt71tayok
পাতা:কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf/৪৭
104
883895
1993542
2026-08-10T06:11:25Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993542
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rvh|৩৭|কালিদাস ও ভবভূতি।}}{{rule}}</noinclude><section begin="A" />কালিদাস ও ভবভূতির তুলনার পর অদ্যকার প্রবন্ধ শেষ করিব।
<section end="A" />
<section begin="B" />{{ফাঁক}}{{larger|'''ভবভূতি।—'''}} আমাদের দেশে ঊনবিংশ শতাব্দীর মনীষিগণের মধ্যে পণ্ডিতকুলরবি, বিদ্যাসাগর মহাশয়ের আসন বোধ হয় অতি উচ্চে। তিনি তাঁহার “সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাবে” লিখিয়া গিয়াছেন যে, ‘কবিত্বশক্তি অনুসারে গণনা করিতে হইলে কালিদাসের অব্যবহিত পরেই ভবভূতির নাম নির্দ্দেশ হওয়া উচিত।” আমাদের অদ্যকার সভাপতি মহাশয়ও একস্থলে বলিয়াছেন ‘সংস্কৃত সাহিত্যে ‘উত্তররামচরিতের’ মত উৎকৃষ্ট নাটক—মনোহর উপদেশ পূর্ণ সরস কাব্য আর নাই।” এই দুইটী উক্তিই সারগর্ভ। ভারতবর্ষের যে কোনও ভাবুক বিদ্বান ব্যক্তি, যদি নিবিষ্ট-মনে একবার, মহা কবি ভবভূতিকে দেখেন—তাঁহার অমৃতময়ী বীণার ঝঙ্কারে—কর্ণপাত করেন—তবে সকলেই এই একই সিদ্ধান্তে—উপনীত হইবেন। বস্তুতঃ কালিদাসের পর যদি কাহাকেও মহা-কবির কিরীট পরাইতে হয়, তবে একমাত্র ভবভূতিই তিনি।<section end="B" /><noinclude></noinclude>
ewgp807pmy9jwf7ut7y6e2zt9a6uxur
কালিদাস ও ভবভূতি/কালিদাস
0
883896
1993543
2026-08-10T06:11:54Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf" from=35 to=47 fromsection=B tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993543
wikitext
text/x-wiki
<pages index="কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf" from=35 to=47 fromsection=B tosection=A header=1/>
725cpvbdmczcj4jms4ib6s75174drun
কালিদাস ও ভবভূতি/ভবভূতি
0
883897
1993544
2026-08-10T06:12:37Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf" from=47 to=47 onlysection=B header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993544
wikitext
text/x-wiki
<pages index="কালিদাস ও ভবভূতি - রাজেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ (১৯০৬).pdf" from=47 to=47 onlysection=B header=1/>
gcmm4h3ebiyrfokfib8eytzztsxump5
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা.pdf/১৭
104
883898
1993545
2026-08-10T06:51:35Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
1993545
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="ROCKY" /></noinclude>বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য অতিরিক্ত গবেষণাগার, গ্রন্থাগার, ছাত্রাবাস, শিক্ষার নানাবিধ উপকরণ, শিক্ষকদের অধ্যয়ন কক্ষ এবং অতিরিক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম কলেজকে ৪৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিশেষভাবে উন্নীত ও সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। এ-সব উন্নয়ন কার্যের ফলে প্রদেশের প্রত্যেক জেলাতেই একটি করে উন্নত মানের ডিগ্রি কলেজ পাওয়া যাবে। এতে উচ্চশিক্ষার পথ, বিশেষ করে বিজ্ঞান শিক্ষার পথ, অনেক প্রশস্ত হবে। যেখানে বর্তমানে বৎসরে মাত্র ৬০০জন বি, এক্, সি, পাশ ছাত্র বেরোয়, সে জায়গায় ১৯৬৬ সালে দু' হাজারের মতো সায়েন্স গ্র্যাজুয়েট বেরুবে।
{{ফাঁক}}প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঢাকায় একটি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান কলেজ বা হোমইকনমিক্স্ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই কলেজের ইণ্টারমিডিয়েট ও ডিগ্রি ক্লাশে বর্তমানে প্রায় ১৭০ জন ছাত্রী পড়াশুনা করছে। এই কলেজ মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রদেশে একটি মস্ত বড় অভাব দূর করেছে।
{{ফাঁক}}এ-ছাড়া শরীর চর্চায় বিশেষ উৎসাহ দানের জন্য প্রায় উনিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ফিজিক্যাল এডুকেশন কলেজের জন্য নূতন গৃহ নির্মিত হয়েছে। এই নূতন পরিবেশে প্রয়োজনীয় সমস্ত সাজ-সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কলেজে মেয়েদের জন্য পৃথক সার্টিফিকেট কোর্সের ব্যবস্থাও রয়েছে।
{{ফাঁক}}উচ্চতর শিক্ষায়তনগুলোতে যাতে যোগ্য শিক্ষকের অভাব না ঘটে, সে জন্য শিক্ষকদের উচ্চশিক্ষার কর্মসূচীও নেয়া হয়েছে। এ কর্মসূচীতে দ্বিতীয় পরিকল্পনার আওতায় মোট ৩০ লক্ষ টাক। ব্যয়িত হবে এবং ১৪৪ জন কৃতী ছাত্র বিদেশে ট্রেনিং গ্রহণ করবে। নানা বিষয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য এ-পর্যন্ত মোট ৬০ জন মেধাবী ছাত্রকে ইউরোপ ও আমেরিকায় পাঠানো হয়েছে।
'''বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন'''
{{ফাঁক}}বর্তমান পৃথিবীতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাল। চলছে এবং তার মধ্যেই জাতিকে অর্থনৈতিক উন্নতি অর্জন করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন এ-অবস্থা মোকা<noinclude></noinclude>
khrmij70529qn8hpbt9yrg8wwj09wq4
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৮
104
883899
1993550
2026-08-10T07:31:48Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993550
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|২৬|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>দিলেন তাহা একদিকে যেমন উজ্জ্বল, অপর দিকে তেমনি দুঃসাহসিকতার পরিচায়ক। এ চিত্র উপলব্ধি করিবার জন্য একটি উপমার কথা চিন্তা করা যাইতে পারে।
{{ফাঁক}}একটি রঙ্গমঞ্চের প্রেক্ষাগৃহের কথা কল্পনা করা যাক। অচিরে অভিনয় আরম্ভ হইবে; দর্শকগণ তাহাদের আসনে উপবিষ্ট। দু-একজন বিলম্বে আগত দর্শক শূন্য আসন খুঁজিয়া বেড়াইতেছে, খালি আসন পাইলেই বসিয়া পড়িবে। ডিরাকের মতে, প্রেক্ষাগৃহের খালি আসনের ন্যায় ব্রহ্মাণ্ডের স্থানে স্থানে গর্ত আছে; এক-একটি গর্ত এক-একটি ইলেকট্রনের জন্য নির্দিষ্ট, ঠিক যেমন প্রেক্ষাগৃহের খালি আসন বিলম্বে আগত দর্শকের জন্য নির্দিষ্ট। প্রেক্ষাগৃহের শূন্য আসনের সংখ্যা অত্যন্ত অল্প, পূর্ণ আসনের সংখ্যা অনেক বেশী। ব্রহ্মাণ্ডেও অধিকাংশ ইলেকট্রন তাহাদের স্থান দখল করিয়াছে; ভবিষ্যতে শূন্যস্থানও পূর্ণ হইবে। প্রেক্ষাগৃহের যে-সব দর্শক আসন গ্রহণ করিয়াছে এবং যাহারা আসন অন্বেষণে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে তাহাদের মধ্যে পার্থক্য অনেক। সেইরূপ যে-সব ইলেকট্রন গর্তে আছে এবং যাহারা নাই তাহাদের মধ্যেও গুরুতর পার্থক্য। যাহারা গর্তের মধ্যে আছে তাহারা আমাদের নিকট একেবারে লুপ্ত; আমাদের কোনও ইন্দ্রিয়ের দ্বারা তাহাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে কোনও জ্ঞান লাভ করিতে পারি না। বাহিরে যে ইলেকট্রনের সহিত আমাদের পরিচয় তাহারা এখনও শূন্য স্থান অধিকার করে নাই। এক-একটি শূন্য স্থান হইল এক-একটি পজিটিভ ইলেকট্রন। একটি ইলেকট্রন যখন একটি শূন্য স্থান দখল করিবে, অর্থাৎ যখন পজিটিভ ইলেকট্রনকে নেগেটিভ ইলেকট্রন আলিঙ্গন করিবে তখনই উহাদের ধ্বংস। ধ্বংসের ফলে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি উৎপন্ন হইবে এবং উহা এই বিরাট ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে বিচরণ করিবে।<noinclude></noinclude>
a7y0r8yqk7abkgyaixy2mlkod2phfke
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/২৯
104
883900
1993551
2026-08-10T07:35:19Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993551
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন|২৭}}</noinclude>যে-সব গর্ত খালি তাহারা পজিটিভ তড়িৎ-যুক্ত অথচ তাহারা প্রোটন নয়; পরবর্তী হিসাবে ডিরাক দেখিলেন যে, তাহাদের ভর ইলেক্ট্রনের ভরের সমান, প্রোটন হইলে ভর ইলেক্ট্রনের ১৮৪৬ গুণ হইত। ডিরাকের কল্পনা যেন স্বপ্নরাজ্য হইতে আনীত; ইহা একটি প্রদীপ্ত শিখা, কিন্তু দেখা গেল ভিতরে অগ্নিও আছে।
{{ফাঁক}}ডিরাকের হিসাব হইতে আর একটি কথা আসিল। একটি পজিটিভ ইলেকট্রনের জীবন অতি অল্পক্ষণস্থায়ী, এক সেকেণ্ডের প্রায় একশত কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যে ব্যবধান যদি এইটুকুমাত্র সময় হয় তবে কিরূপে ইহা নিজেকে প্রকাশিত করিবে? কিন্তু ইহা তো প্রচণ্ড বেগে ধাবমান হয়; এই অত্যল্প সময়ের মধ্যেও ইহা প্রায় এক গজ পথ অতিক্রম করে। তবে তো সি. টি. আর. উইলসনের কক্ষে ইহা আপনার গতিপথ অঙ্কিত করিবে। ইহার পূর্ব হইতে কস্মিক রশ্মি সম্বন্ধে আলোচনা চলিতেছিল। এই রশ্মি পৃথিবীর সর্বত্রই পাওয়া যায়; সমুদ্রতটে, পর্বতশিখরে, গভীর হ্রদের মধ্যে, উপরে যতদূর অবধি উঠা যায়, পৃথিবীর সর্বত্র এই রশ্মি বিদ্যমান। এই কস্মিক রশ্মি-জনিত যে কণিকা পাওয়া যায়, দেখা যায়, তাহার শক্তি অসাধারণ। অত্যন্ত দ্রুত আল্ফা-রশ্মির শক্তি ৪০ লক্ষ ইলেক্ট্রন-ভোল্ট্, এই কণিকার শক্তি প্রায় ১০০ কোটি ইলেক্ট্রন-ভোল্ট্। শক্তি এত বেশী হওয়ায় যে-চুম্বক দ্বারা ইহার গতিপথ বাকিয়া যাইবে তাহাকে প্রচণ্ড শক্তিশালী হইতে হইবে। সহস্রাধিক অ্যাম্পিয়ারের তড়িৎ-স্রোত পাঠাইয়া চুম্বক প্রস্তুত হইল এবং উহা দ্বারা ঐ সব কণিকার গতিপথ কিরূপ বাঁকে সি. টি. আর. উইলসনের কক্ষে তাহার চিত্র লওয়া হইতে লাগিল। এইরূপ এক যন্ত্রে ১৯৩২ সালে ২রা আগস্ট অ্যাণ্ডার্সন একটি ফটোগ্রাফে যে-রেখা দেখিলেন তাহা নিঃসংশয়রূপে এক নূতন পদার্থের<noinclude></noinclude>
3tpteaj8tnesyhzi1sg0jcmqff09sgh
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩০
104
883901
1993555
2026-08-10T07:41:42Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993555
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|২৮|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>অস্তিত্ব প্রকাশিত করিল। ইলেক্ট্রনের মতই উহা ভারী, তড়িৎ-পরিমাণ ইলেক্ট্রনেরই মত, তবে সে তড়িৎ নেগেটিভ নয়, পজিটিভ।
{{ফাঁক}}ইহার নাম দেওয়া হইল পজিট্রন।
{{ফাঁক}}প্রকৃতিতে যখন এই ক্ষণজীবী নূতন পদার্থের সন্ধান মিলিল তখন অনুসন্ধান চলিল কৃত্রিম উপায়ে ইহা সৃষ্ট হইতে পারে কি না। ১৯৩৪ সালে ম্যাডাম কুরীর কন্যা ইরিন ও তাঁহার স্বামী জোলিও দেখিলেন যে, পলোনিয়ম হইতে নির্গত আল্ফারশ্মি যখন বোরন, ম্যাগনিসিয়ম বা অ্যালুমিনিয়মের উপর পড়ে তখন উহারা অস্থায়ীভাবে তেজস্ক্রিয় হয় এবং উহা হইতে পজিট্রন নির্গত হয়। ইহার পর বহু তেজস্ক্রিয় পদার্থের সৃষ্টি হইতে লাগিল যাহা হইতে পজিট্রনের নির্গম লক্ষিত হইল।
{{ফাঁক}}যদিও এই পৃথিবীতে পজিট্রন দুলর্ভ ও ক্ষণস্থায়ী তথাপি নানা পর্যবেক্ষণ হইতে এই কথাটা জানা গেল যে, সমস্ত ব্রহ্মাণ্ড ব্যাপ্ত হইয়া বহুল পরিমাণে পজিট্রন বিরাজ করিতেছে এবং বিশ্বের উপাদান হিসাবে ইহা মোটেই নগণ্য নয়।
{{c|{{larger|নিউট্রন ও নিউট্রিনো}}}}
{{ফাঁক}}১৯৩২ সালের প্রথম ভাগে স্যড্উইক বলিলেন যে, পরীক্ষায় তিনি এমন একটি পদার্থের অস্তিত্বের প্রমাণ পাইয়াছেন যাহার প্রোটনের মতই ভর আছে কিন্তু যাহা আদৌ তড়িৎ-যুক্ত নয়। ইহার নাম দেওয়া হইল নিউট্রন। অবিলম্বে বিভিন্ন পরীক্ষাগারে ইহার অনুসন্ধান চলিল এবং স্যড্উইকের কথা সমর্থিত হইল। যে ঘটনাবলী অনুসরণ করিয়া ইহা আবিষ্কৃত হয় তাহা এই।
{{ফাঁক}}১৯৩০ সালে বোটে এবং বেকার পলোনিয়ম হইতে নির্গত আল্ফা-রশ্মি লইয়া পরীক্ষা করিতে করিতে দেখিলেন যে, উহারা যদি বেরিলিয়ম<noinclude></noinclude>
tmx9jzheto8sis3z884ksd2jhyowhgd
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩১
104
883902
1993556
2026-08-10T07:45:51Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993556
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন|২৯}}</noinclude>বা বোরনের উপর পতিত হয় তবে ঐ বেরিলিয়ম বা বোরন হইতে একপ্রকার রশ্মি নির্গত হয় যাহার পদার্থ ভেদ করিবার ক্ষমতা অসাধারণ। রেডিয়ম ও তজ্জাতীয় তেজস্ক্রিয় পদার্থ হইতে উত্থিত গামা-রশ্মির এইরূপ ক্ষমতা থাকায় তখন উহা গামা-রশ্মি বলিয়া বিবেচিত হইল। কুরী জোলিও ও ওয়েবস্টার দেখিলেন যে, এই নূতন রশ্মির পদার্থের মধ্য দিয়া যাইবার ক্ষমতা গামা-রশ্মি অপেক্ষা অনেক বেশী। পরে কুরী জোলিও ও জোলিও লক্ষ্য করিলেন যে, এই রশ্মি যদি হাইড্রোজেন-যুক্ত কোনও পদার্থের উপর পড়ে তবে সেই পদার্থ হইতে প্রচণ্ডবেগে প্রোটন নির্গত হয়। বহু আলোচনার পর, স্থির হইল যে, ইহা একটি নূতন পদার্থ এবং সঙ্গে সঙ্গে ইহাও কল্পনা করিতে হইল যে, ইহা তড়িৎ-শূন্য। ঠিক করা হইল যে, একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রনের সমাবেশে একটি নিউট্রন গঠিত। কিন্তু, একটি হাইড্রোজেন পরমাণু তো এইরূপই। ঠিক বটে, তবে পার্থক্য এই হইল যে, নিউট্রনে প্রোটন ও ইলেক্ট্রন খুব বেশী নিকটবর্তী হইয়া আছে; হাইড্রোজেন পরমাণুতে উহাদের মধ্যে যেব্যবধান এখানে ব্যবধান তাহার লক্ষ ভাগের একভাগ মাত্র। একটি পরমাণুর আকারের অনুপাতে নিউট্রন এত ক্ষুদ্র হওয়ায় ইহা স্বচ্ছন্দে সছিদ্র পরমাণুর মধ্য দিয়া চলিয়া যাইতে পারে; আর তড়িৎ শূন্য হওয়ায় ইহার গতিপথের উপর বাহিরের ইলেক্ট্রনের কোনও ক্রিয়া থাকে না। যেখানে একটি নির্দিষ্ট বেগের প্রোটন বায়ুর মধ্যে চলিয়া মাত্র এক ফুট যাইয়া থামিয়া পড়িবে, এই নিউট্রন সেখানে কয়েক মাইল পথ অতিক্রম করিয়া তবে তাহার শক্তি হারাইবে।
{{ফাঁক}}এইবার নিউট্রনের ভর বাহির করিবার জন্য বিবিধ পরীক্ষা হইল। নানা পরীক্ষা হইতে শেষ অবধি এই দাঁড়াইল যে, ইহার ভর প্রায় ১.০০৮৯৩৭ যেখানে হাইড্রোজেনের, ১.০০৮১৩। কিন্তু হাইড্রোজেন<noinclude></noinclude>
mfll718gkzoo98cedro8jmwulkqrjlk
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩২
104
883903
1993557
2026-08-10T07:50:00Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993557
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৩০|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>পরমাণু তো একজোড় প্রোটন-ইলেক্ট্রনের সমষ্টি। নিউট্রনও তাহাই। নিউট্রনে যে ভর কমিয়া গেল তাহার কারণ এই যে, নিউট্রন গঠনের সময় কিছুপরিমাণ ভরের হ্রাস হইয়াছিল এবং সেই কারণে ইহাদের বন্ধন খুব দৃঢ় হইয়া আছে। নিউট্রন তড়িৎ-শূন্য হওয়ায় উইলসন-কক্ষে জলবিন্দু উৎপন্ন করে না, কোনও চিত্র পাওয়া যায় না। ইহা যখন একটি অণুকে আঘাত করে তখন সেই অণু ধাক্কা খাইয়া পিছু হঠে এবং তাহা হইতে পরোক্ষভাবে আঘাতকারী নিউট্রনের অস্তিত্ব নির্ণীত হয়।
{{ফাঁক}}পূর্বে মনে করা হইত, পরমাণুর কেন্দ্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রোটন ও ইলেক্ট্রন আছে। এখন ধরা হইল, কেন্দ্রে ইলেক্ট্রন থাকে না, থাকে নিউট্রন ও প্রোটন। হাইড্রোজেনের কেন্দ্রকে (nucleus) মাত্র একটি প্রোটন আছে, লিথিয়ম কেন্দ্রকে দুটি প্রোটন দুটি নিউট্রন—এইরূপ বরাবর চলিয়া গিয়াছে।
{{ফাঁক}}এই সময় বিটা-রশ্মি লইয়া পরীক্ষা করিতে করিতে কতকগুলি ঘটনা দেখা গেল যাহা কোনও রকমে মীমাংসিত হয় না। এজন্য কোনও কোনও বিজ্ঞানী আর-একটি মূল পদার্থের অস্তিত্ব কল্পনা করিলেন এবং তাহার নাম দিলেন নিউট্রিনো। চিন্তা করা হইল যে, এই নিউট্রিনো তড়িৎ-শূন্য এবং ইহার ভর নাই বলিলেই হয়।
{{c|{{larger|মিসোট্রন (মেসন)}}}}
{{ফাঁক}}সম্প্রতি আর-একটি মূল পদার্থ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছে। পজিট্রনের ন্যায় ইহার প্রথম আবির্ভাব বিজ্ঞানীর কল্পনালোকে, খাতায় কলমে। গণনাটা এইরূপে দাঁড়াইল।
{{ফাঁক}}নিউট্রন আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীকে পরমাণুর গঠন সম্বন্ধে তাঁহার পূর্বধারণা পরিবর্তন করিতে হইল। অনেকরকম পরীক্ষা হইতে দেখা<noinclude></noinclude>
7c9w2n6hz64i2uj5mvvxv2m9eyxxxuu
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩৫
104
883904
1993558
2026-08-10T07:54:45Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993558
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন|৩১}}</noinclude>যায় যে, পরমাণুর কেন্দ্রকেরও (nucleus) আবর্তন আছে। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফলের সহিত খাপ খায় না যদি ধরা হয় যে কেন্দ্রে ইলেক্ট্রন আছে। কেন্দ্রক—ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের পরিবর্তে নিউট্রন ও প্রোটন দিয়া গঠিত যদি এইরূপ কল্পনা করা হয় তবে সকল গোলযোগ মিটিয়া যায়। সেইরূপ কল্পনাই হইল। এখন কথা হইল, সেখানে উহাদের বাঁধিয়া রাখিয়াছে কে? বাঁধন খুবই শক্ত, নচেৎ তাহারা আপনা হইতেই দলভ্রষ্ট হইত, পরমাণুটি রূপান্তরিত হইয়া যাইত। দুইটি হাইড্রোজেন-পরমাণু যুক্ত হইয়া একটি হাইড্রোজেন-অণুতে দাঁড়ায়; হাইসেন্বার্গ প্রথমে বলিলেন যে, ঐ-পরমাণু-দুইটির মধ্যে শক্তির আদান প্রদান চলিতেছে এবং ঐ শক্তিই পরমাণু-দুইটিকে বাঁধিয়া রাখিয়াছে। পরমাণুর কেন্দ্রক সম্বন্ধে সেইরূপ কল্পনা করা হইল; মনে করা হইল, উহার বিভিন্ন অংশের মধ্যে শক্তির আদানপ্রদান চলিতেছে এবং ঐ শক্তিই কেন্দ্রককে অটুট রাখিয়াছে। কল্পনা করা হইল যে, কেন্দ্রস্থিত নিউট্রন হইতে ইলেক্ট্রন ও নিউট্রিনো বাহির হইতেছে, প্রোটন তাহা গ্রহণ করিতেছে; এইরূপ প্রক্রিয়ার ফলে শক্তির যে আদানপ্রদান চলিতেছে তাহাই কেন্দ্রককে বাঁধিয়া রাখিয়াছে। কিন্তু এইরূপ পরিকল্পনায় এক বাধা আসিল। যদি ধরিয়া লওয়া হয় যে শক্তির এই আদানপ্রদানে ইলেক্ট্রন অংশ গ্রহণ করিতেছে তবে হিসাবে দেখা যায় যে, তজ্জনিত যে শক্তি হইবে তাহা কেন্দ্রককে বাঁধিয়া রাখিতে পারিবে না। ১৯৩৫ সালে জাপানী বিজ্ঞানী হউকাওয়া ধরিয়া লইলেন যে, ইলেক্ট্রন নয়, তবে সমপরিমাণ নেগেটিভ-তড়িৎ-যুক্ত এক নূতন মূল পদার্থ আছে; ইহা ইলেক্ট্রন অপেক্ষা ভারী এবং প্রোটন অপেক্ষা হাল্কা, ইহা পজিট্রনের ন্যায় ক্ষণজীবী এবং ইহাই শক্তির আদানপ্রদান ক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করিতেছে। ক্ষণজীবী বলিয়া সাধারণত ইহাকে ধরা যাইবে না, তবে<noinclude></noinclude>
8372xvwladtvvcqrpr20h78x8vm29i0
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩৬
104
883905
1993559
2026-08-10T07:57:39Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993559
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৩২|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude><section begin="A" />পজিট্রনের ন্যায় যখন ইহা প্রচণ্ড বেগযুক্ত হইবে তখন ইহার গতিপথ অঙ্কিত হইয়া যাইবে।
{{ফাঁক}}অধুনা কস্মিক রশ্মি লইয়া অনুসন্ধানে এমন সব রেখা মিলিন যাহা এইরূপ পদার্থ ভিন্ন অন্য কিছু দ্বারা ঘটিতেছে বলিয়া কল্পনা করা যায় না। মোটামুটি হিসাবে দেখা গেল, উহা একটি ইলেক্ট্রনের প্রায় ১৫০ গুণ ভারী। ইহার নাম দেওয়া হইল মিসোট্রন (মেসন)। ইহা ক্ষণজীবী আবার দেখা গিয়াছে, সব মেসন এক রকমের নয়— কম ভরের আছে, বেশি ভরেরও আছে; নেগেটিভ তো আছেই আবার পজিটিভও আছে, তড়িৎ-শূন্যও আছে। বিজ্ঞানী নিঃসংশয়রূপে আর-একটি মূল পদার্থের সন্ধান পাইলেন।
{{ফাঁক}}অতএব শেষ অবধি বিশ্বের মূল উপাদান হইল—ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউট্রন, পজিট্রন, মিসোট্রন (যেমন) এবং সম্ভবত নিউট্রিনো। কিন্তু এই কি শেষ কথা? ভবিষ্যৎ তাহার উত্তর দিবে। আর, বিজ্ঞানে শেষ কথা বলিয়া কিছু নাই। তবে ইহাদের সম্বন্ধে অন্য একটু কথা আছে।
<section end="A" />
<section begin="B" />{{c|{{x-larger|উপাদানের প্রকৃতি}}}}
{{ফাঁক}}এই যে বিভিন্ন উপাদানের কথা বলা হইল ইহাদের স্বরূপ কি? ইলেক্ট্রনের কথাই ধরা যাক। কিন্তু সে আলোচনার পূর্বে একটু অন্য কথার অবতারণা করা যাইতেছে।
{{ফাঁক}}যে-সকল দূত বাহির হইতে এই পৃথিবীতে সংবাদ বহন করিয়া আনে আলোক তাহাদের মধ্যে প্রধান। আমরা মনে করি, আমরা দূরের কোনও বস্তু দেখিতেছি, তাহার রং এই, তাহার ঔজ্জ্বল্য এইরকম; কিন্তু আলোক চক্ষুমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়। শুধু এই কথাগুলি আমাদিগকে<section end="B" /><noinclude></noinclude>
bq7d9hc6rwcp1ui948dpjqenas42ug9
পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/১৯৮
104
883908
1993562
2026-08-10T10:31:02Z
DILDAR KIBRIA
21979
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993562
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="DILDAR KIBRIA" />{{rvh|১৯২|অধ্যায়|প্রবাস-চিত্র}}</noinclude>ইয়া গেল; মুখে কিছুমাত্র রস নাই, বুকের মধ্যে ভয়ানক যন্ত্রণাবোধ হইতে লাগিল; কিন্তু তখনও চলচ্ছক্তিহীন হইনাই; জীবনের আশা ত্যাগ করিয়া তখনও চলিতেছিলাম। কিন্তু এরূপ অবস্থার আর কতক্ষণ চলিতে পারা যায়? ক্রমে শরীর অবসন্ন হইয়া আসিল, পদদ্বয় শরীরের ভার বহনে সম্পূর্ণ অশক্ত হইয়া পড়িল। আর দাঁড়াইতে পারিলাম না; গাত্রবস্ত্রখানি সেইখানে ফেলিয়া সেই প্রবল রৌদ্রের মধ্যে শুইয়া পড়িলাম; বুঝিতে পারিলাম, আমার জ্ঞান অপহৃত হইতেছে, জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে আর অধিক ব্যবধান নাই।
{{ফাঁক}}পাঠক মহাশয় বিশ্বাস করিবেন কি না, জানি না; না করিলেও তাঁহাদের দোষী করিতে পারি না; তাহার পর যাহা হইল, তাহা সময়ে সময়ে আমার নিকটই অবিশ্বাস্য বলিয়া মনে হয়, অন্যের ত দূরের কথা। যখন আমি জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিস্থলে অবস্থিতি করিতেছিলাম, এবং মুহূর্তের পর মুহূর্ত আমার চৈতন্য অপসৃত হইয়া চতুর্দিক অন্ধকার হইয়া আসিতেছিল, সেই সময় সহসা আমার কর্ণমূলে যেন কাহার নিশ্বাসপতনের শব্দ অনুভব করিলাম। বাতাস ভিন্ন তাহা যে আর কিছু হইতে পারে, তখন তাহা মনে হয় নাই, কিন্তু পর মুহূর্তেই কে মধুর কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিলেন, “বাবা, বড়ি পিয়াস লাগা?”—চক্ষুর উপর কুয়াশাজাল বিস্তৃত হইতেছিল, কিন্তু এমন সময়ে কর্ণকে কে প্রব ঞ্চিত করিবে? জনমানবশূন্য এই ভীষণ পথপ্রান্তে এই ভয়ানক রৌদ্রের মধ্যে কাহার ইন্দ্রজালপ্রভাবে আমার<noinclude></noinclude>
tth8egjyc84piz72ypxm31s8vy6f3ah