উইকিসংকলন
bnwikisource
https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.15
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিসংকলন
উইকিসংকলন আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
লেখক
লেখক আলাপ
নির্ঘণ্ট
নির্ঘণ্ট আলাপ
পাতা
পাতা আলাপ
প্রবেশদ্বার
প্রবেশদ্বার আলাপ
প্রকাশক
প্রকাশক আলোচনা
রচনা
রচনা আলাপ
অনুবাদ
অনুবাদ আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
উইকিসংকলন:লিপিশালা
4
140
1993920
1992833
2026-08-14T11:20:32Z
Kuldeepburjbhalaike
17909
/* Invitation to pre-conference activities for WikiConference India 2026 */ নতুন অনুচ্ছেদ
1993920
wikitext
text/x-wiki
{{প্রক্রিয়ার শীর্ষক
| শিরোনাম = লিপিশালা
| অনুচ্ছেদ =
| পূর্ববর্তী = [[উইকিসংকলন:সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার|সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার]]
| পরবর্তী = [[উইকিসংকলন:লিপিশালা/মহাফেজখানা|মহাফেজখানা]]
| সংক্ষিপ্ত = [[WS:S]]<br/>[[WS:আলোচনাসভা]]
| টীকা = লিপিশালা উইকিসংকলন সম্প্রদায় আলোচনা পৃষ্ঠা। যে কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা মন্তব্য করুন মুক্ত মনে। আপনি যেকোন বর্তমান আলোচনায় মন্তব্য করতে পারেন অথবা একটি নতুন শুরু করতে পারেন।<!--প্রকল্প সদস্যরা প্রায়ই #wikisource IRC চ্যানেল webclient পাওয়া যাবে।--> এছাড়া এটি উইকিসংকলনের প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য নিবেদিত পাতা। এখানে প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো প্রসঙ্গ তুলে ধরতে পারেন। উইকিসংকলনের যেকোন সদস্য প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে এখানে মন্তব্য রাখতে পারেন।
}}
{{উইকিসংকলন:লিপিশালা/দিকনির্দেশ}}
__TOC__
__NEWSECTIONLINK__
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলন প্রশাসন]]
== সার্বজনীন আচরণবিধি ও প্রয়োগ নির্দেশিকার বার্ষিক পর্যালোচনা ==
<section begin="announcement-content" />
আপনাকে জানানো হচ্ছে যে, সার্বজনীন আচরণবিধি ও প্রয়োগ নির্দেশিকার বার্ষিক পর্যালোচনার সময়কাল শুরু হয়েছে। আপনি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত যেকোন পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে পারেন। বার্ষিক পর্যালোচনার নির্ধারিত ধাপগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম। [[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Annual review/2026|আরও বিস্তারিত জানতে এবং মেটা-উইকির UCoC পাতায় চলমান আলোচনায় অংশ গ্রহণ করতে এখানে ক্লিক করুন]]।
[[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Coordinating Committee|সার্বজনীন আচরণবিধি সমন্বয় কমিটি]] (ইউ৪সি) একটি বৈশ্বিক দল, যা সার্বজনীন আচরণবিধির ন্যায্য ও ধারাবাহিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করে। এই বার্ষিক পর্যালোচনাটি ইউ৪সি কর্তৃক পরিকল্পিত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইউ৪সি এবং এর দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে, আপনি [[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Coordinating Committee/Charter|ইউ৪সি সনদ দেখতে পারেন]]।
দয়া করে এই তথ্যটি আপনার সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যদের সাথে এবং অন্য যে কোনও উপযুক্ত স্থানে শেয়ার করুন।
-- ইউ৪সি-এর সহযোগিতায়, [[m:User:Keegan (WMF)|কিগান (WMF)]] ([[m:User talk:Keegan (WMF)|আলাপ]])<section end="announcement-content" />
২১:০২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=29905753-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== PageImages এক্সটেনশন যোগ ==
{{tracked|T416800}}
সুধী, উইকিসংকলনে [[:mw:Extension:PageImages|PageImages এক্সটেনশন]] যোগ করার জন্য সম্প্রদায়ের মতামত ও সমর্থন চাওয়া হচ্ছে। এই এক্সটেনশন যোগ করলে উইকিসংকলনের পাতায় যুক্ত ছবির থাম্বনেল তৈরি করে বাইরের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তা প্রদর্শিত হবে। উল্লেখ্য সকল উইকিপিডিয়া প্রকল্পে এই এক্সটেনশন ইতিমধ্যে অনেকদিন ধরেই যুক্ত। -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:০৩, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} -- [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১৫:২০, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{support}} - [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:৫৫, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:জয়শ্রীরাম সরকার|জয়শ্রীরাম সরকার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:জয়শ্রীরাম সরকার|আলাপ]]) ১৬:৫১, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Nettime Sujata|Nettime Sujata]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Nettime Sujata|আলাপ]]) ১১:১৪, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Mahir256|মাহির২৫৬]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mahir256|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} – [[User:Tarunno|<span style="display:inline-block;color:#008329;font-weight:bold; transform: scale(-1,1);text-shadow:0 1px 2px #ddd">তারুণ্য</span>]]<span style="font-size:10px;vertical-align:text-top;"> [[ব্যবহারকারী আলাপ:Tarunno|আলাপ]]</span> • ১৫:০৬, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৫:৩৭, ১৭ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২০০০-পূর্ব বাংলাদেশি কর্মের কপিরাইট মেয়াদ ==
সুধী,
আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। বাংলাদেশে <small>(ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে)</small> প্রকাশিত কর্ম এবং বাংলাদেশি <small>(ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানি)</small> লেখকদের কপিরাইট মেয়াদ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাবনা আমরা উত্থাপন করছি।
প্রস্তাবনা: বাংলাদেশি/পূর্ব পাকিস্তানি নাগরিকের বা বাংলাদেশে/পূর্ব পাকিস্তানে প্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''সাহিত্যিক''' কর্মের ক্ষেত্রে কপিরাইট মেয়াদ: '''লেখকের মৃত্যু + ৫০ বছর''';
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''সরকারি''' কর্মের ক্ষেত্রে: '''প্রকাশ + ৫০ বছর''';
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''ছবি''' কর্মের ক্ষেত্রে: '''প্রকাশ + ৫০ বছর''';
# এবং ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে [https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047 কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২]-এর অধ্যায় ৩ কর্তৃক প্রণীত [[#মেয়াদ ৬২|অন্যান্য মেয়াদ সমূহ]]।
এই প্রস্তাবনা লিখিতভাবে উপস্থাপনে সার্বিক সহায়তার জন্য [[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]]কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
=== আইনি বিশ্লেষণ ও যৌক্তিকতা ===
বর্তমান বাংলাদেশি ভূখণ্ডে কপিরাইট আইনসমূহের ক্রম নিচে উল্লেখ করা হলো:
{| class="wikitable" style="margin: auto;"
!আইন
!সময়কাল
!সাধারণ মেয়াদ
|-
|[https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/15848 ভারতীয় কপিরাইট আইন ১৯১৪]
|১৯১৪ - ১৯৬২
|৫০ বছর
|-
|[https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047 কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২]<br>(১৯৭৮ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|১৯৬২ - ২০০০
|৫০ বছর
|-
|[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html কপিরাইট আইন, ২০০০]<br>(২০০৫ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|২০০০ - ২০২৩
|৬০ বছর
|-
|[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452.html কপিরাইট আইন, ২০২৩]
|২০২৩ - বর্তমান
|৬০ বছর
|-
| colspan="3" |যেকোনো আইন রহিতকরণের ক্ষেত্রে:<br>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬]<br>(২০১৮ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|}
অর্থাৎ ২০০০ সালের আইনে কপিরাইটের সাধারণ মেয়াদ প্রথমবারের মতো ৫০ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৬০ বছরে উন্নীত করা হয় এবং ২০২৩ সালের আইনেও তা চলমান থাকে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ২০০০ সালের পূর্বে প্রকাশিত যে কর্মগুলোর কপিরাইট মেয়াদ তখনো শেষ হয়নি (যেমন, ১৯৯০ সালের একটি প্রকাশনা), সেগুলো কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই বর্ধিত ৬০ বছরের মেয়াদের আওতায় চলে আসবে? শুরুতে মনে হতে পারে, যেহেতু নতুন আইনে সাধারণ মেয়াদ ৬০ বছর, তাই পুরনো সব বিদ্যমান কর্মও হয়তো এই সুবিধা পাবে। কিন্তু আইনের '''আক্ষরিক ব্যাখ্যা''' অনুসরণ করলে আমরা বিপরীত চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।
[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] ও সাধারণ আইনি কর্যধারা অনুযায়ী, কোনো আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে নতুন কোনো বিধান ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) পেছনের কর্মের ওপর কার্যকর হয় না। ২০০০ সালের আইনের কোথাও স্পষ্টভাবে বলা নেই যে, পূর্বের কর্মগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাবে। বরং এই <mark>আইনের ১০৫ নং ধারা অনুযায়ী ১৮ জুলাই, ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে যেকোনো কর্মের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়নি।</mark>
<div style="float: right; margin-left: 15px; margin-bottom: 5px; border: 2px solid yellow">
{{show
|1= আইন দেখুন
|2={{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-846/section-30242.html|ধারা ১০৪|}}<br>ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html|কপিরাইট আইন, ২০০০}}}}
১০৪। এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি পাঠ প্রকাশ করিবে যাহা এই আইনের অনূদিত ইংরেজী পাঠ (Authentic English Text) নামে অভিহিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন ও উক্ত ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
{{Collapse bottom|}}
}}
</div>
উল্লেখ্য, ধারা ১০৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার একটি নির্ভরযোগ্য অনূদিত পাঠ প্রদান করেছে। ইংরেজি ও বাংলা পাঠের সাথে সংঘর্ষ হলে, বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে। সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বাংলা পাঠ হতে আসতে হবে। তবে ইংরেজি পাঠ সংযুক্ত রাখা হয়েছে বোঝার সুবিধার্থে এবং আইনের ইন্টেন্ট বা উদ্দেশ্য পরিষ্কার করার জন্য।
<div style="display:flex; flex-wrap:wrap; gap:10px;">
<div style="flex:1; min-width:300px; padding:10px;">
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-846/section-30242.html|ধারা ১০৫|}}<br>রহিতকরণ, হেফাজত এবং ক্রান্তিকালীন বিধান<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html|কপিরাইট আইন, ২০০০}}}}
১০৫। (১) The Copyright Ordinance, 1962 (Ordinance no XXXIV of 1962) এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে এমন কোন কাজ করিয়া থাকেন যা দ্বারা তিনি সংশ্লিষ্ট সময়ে আইন মোতাবেক কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য অথবা এই আইন কার্যকর না হইলে ঐরূপ পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন বৈধ হইত এমন কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য কোন প্রকার ব্যয় বা দায় এর জন্য দায়ী হন, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই ঐরূপ কাজ হইতে বা তৎসূত্রে উদ্ভূত কোন অধিকার বা স্বার্থ খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না, যদি না এই আইনবলে পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন করিবার অধিকারী ব্যক্তি চুক্তিভঙ্গের দরুণ বোর্ড যেরূপ নির্ধারণ করে ঐরূপ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে সম্মত না হন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত আইনের অধীন কোন কর্মের কপিরাইট ছিল না এমন কোন কর্মের ক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কপিরাইট থাকিবে না।
(৪) এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে যেক্ষেত্রে কোন কর্মের কপিরাইট বিদ্যমান ছিল ঐরূপ কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত অধিকার, এই আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ হইতে, কর্মটি যে শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ঐ শ্রেণী সম্বন্ধে ধারা ১৪-এ উলি্লখিত অধিকার হইবে এবং যদি উক্ত ধারা দ্বারা কোন নতুন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহা হইলে উক্ত অধিকারের মালিক-
:(ক) এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে কর্মটির কপিরাইটের সম্পূর্ণ স্বত্ব-নিয়োগ হইয়া থাকিলে, উক্ত নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারী স্বার্থের উত্তরাধিকারী হইবেন।
:(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, ঐ ব্যক্তি হইবেন যিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন বাতিলকৃত আইনে কর্মটির কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
<mark>(৫) এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে, তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।</mark>
<br>(৬) এই আইনের কোন কিছুই উহা কার্যকর হওয়ার পূর্বে কৃত কোন কাজ কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কাজ হিসাবে ব্যাখ্যায়িত হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি ঐ কাজ অন্যভাবে ঐরূপ অধিকারলঙ্ঘন গঠন না করিয়া থাকে।
<br>(৭) এই ধারায় ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, রহিতকরণের ফলাফলের বিষয়ে ১৮৯৭ সনের জেনারেল ক্লজেস এ্যাক্ট (১৮৯৭ সনের ১০নং আইন) প্রযোজ্য হইবে।
{{Collapse bottom|}}
</div>
<div style="flex:1; min-width:300px; padding:10px;">
{{Collapse top|Section 105<br>Repeals, savings and transitional provisions<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/upload/act/2021-11-17-10-44-05-32.-The-Copyright-Act-2000.pdf|Authentic English Text of Copyright Act, 2000 }}}}
105. (1) The Copyright Ordinance, 1962, (Ordinance no XXXIV of 1962) is hereby repealed.
(2) Where any person has, before the commencement of this Act, taken any action whereby he has incurred any expenditure or liabilities in connection with the reproduction or performance of any work in a manner which at that time was lawful or for the purpose of or with a view to the reproduction or performance of a work at a time when such reproduction or performance would, but for the coming into force of this Act, have been lawful, nothing in this section shall diminish or prejudice any rights or interests arising from or in connection with such action which are subsisting and valuable at the said date, unless the person who, by virtue of this Act, becomes entitled to restrain such reproduction or performance agrees to pay such compensation as, failing agreement, may be determined by the Board.
(3) Copyright shall not subsist by virtue of this Act in any work in which copyright did not subsist immediately before the commencement of this Act under any Act or Ordinance repealed by sub-section (1).
(4) Where copyright subsisted in any work immediately before the commencement of this Act, the rights comprising such copyright shall, as from the date of such commencement, be the rights specified in section 14 in relation to the class of works to which such work belongs, and where any new rights are conferred by that section, the owner of such rights shall be⎯
:(a) in any case where copyright in the work was wholly assigned before the commencement of this Act, the appointed assignee; and
:(b) in any other case, the person who was the first owner of the copyright in the work under any Act or Ordinance repealed by sub-section (1) or his legal representatives.
<mark>(5) Except as otherwise provided in this Act, where any person was entitled immediately before the commencement of this Act to copyright in any work or any right in such copyright or to an interest in any such right, he shall continue to be entitled to such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force.</mark>
(6) Nothing contained in this Act shall be deemed to render any act done before its commencement an infringement of copyright if that act would not otherwise have constituted such an infringement.
(7) If there is nothing otherwise provided by this section, the General Clauses Act, 1897 (Act X of 1897) shall apply with respect to the effect of repeals.
{{Collapse bottom|}}
</div>
</div>
উপরের ধারা ১০৫(৫) অনুসারে সিদ্ধান্তে আসা যায়, নতুন আইন প্রবর্তনের পূর্বে যে কর্মগুলোর কপিরাইট বহাল ছিল, সেগুলোর মেয়াদকাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে যেন ২০০০ সালের আইনটি পাসই হয়নি। অর্থাৎ, পুরোনো কর্মগুলোর ক্ষেত্রে ১৯৬২ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী পূর্বনির্ধারিত ৫০ বছরের মেয়াদই বলবৎ থাকবে।
ধারা ১০৫(৫) এর একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
{| class="wikitable"
|+
!বিষয়
!বাংলা
!ইংরেজি
!ব্যাখ্যা
|-
|'''দ্বন্দ্ব'''
|এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে
|Except as otherwise provided in this Act
|সাধারণ হেফাজত। আইনে ভিন্ন কিছু উল্লেখ নেই।
|-
|'''কে?'''
|কোন ব্যক্তি
|where any person
|বাংলাদেশি কর্মের প্রণেতা
|-
|'''কখনকার কর্ম?'''
|এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে
|was entitled immediately before the commencement of this Act
|১৮ জুলাই, ২০০০ এর পূর্বে
|-
|'''কী?'''
|কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে
|to copyright in any work or any right in such copyright or to an interest in any such right
|কপিরাইট সুরক্ষা
|-
|'''সময়কাল'''
|তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন
|such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force.
|২০০০ এর আইন না থাকলে ৫০ বছর মেয়াদি সুরক্ষা থাকতো।
|-
|'''ক্রিয়া'''
|তাহা অব্যাহত থাকিবে
|he shall continue to be entitled to
|৫০ বছর সুরক্ষা পাবে
|}
১. '''দ্বন্দ্ব''': ''"এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে"'' - এই বাক্যাংশটি "দ্বন্দ্ব নিরোধ" হিসেবে পরিচিত। বাক্যাংশটি মূলত একই বা ভিন্ন আইনের সাথে দ্বন্দ্ব রোধে ঢালাওভাবে ব্যবহৃত হয়। ধারা ১০৫(৫) চাচ্ছে পূর্বের প্রদত্ত আইনি সুরক্ষার মেয়াদ অব্যাহত রাখতে। এই মেয়াদের অব্যাহতি ঢালাওভাবে সকল বাংলাদেশি কর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু এই ঢালাওভাবে প্রয়োগ সহজেই অপ্রত্যাশিত দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। এই দ্বন্দ্ব বর্তমানে প্রতীয়মান না হলেও, ভবিষ্যতে কোনো মামলায় আবিষ্কৃত হতে পারে। ফলে আপাত দৃষ্টিতে দ্বন্দ্ব না থাকলেও, সুরক্ষার খাতিরে এই দ্বন্দ্ব নিরোধ অংশ যুক্ত করেন আইন প্রণেতারা।
এখন প্রশ্ন হতে পারে দ্বন্দ্ব আছে নাকি নেই? এই উপধারার সাথে কী প্রকারের দ্বন্দ্ব হওয়ার সুযোগ আছে? উদাহরণ স্বরূপ ধরি, ৬২-এর আইনে লোকসংস্কৃতির মেয়াদ ছিল ২৫ বছর কিন্তু নতুন আইন সেটাকে অসীম সুরক্ষা দিয়েছে। যেহেতু লোক সংস্কৃতির প্রকাশকাল নেই বা থাকলেও সেটি ২০০০ সালের পরে প্রকাশিত হলে সেটি আর লোকসংস্কৃতি বলে বিবেচিত হবে না। তাহলে এখানে দ্বন্দ্ব প্রতীয়মান হওয়ার সুযোগ আছে। পুরাতন আইনের অধীনে থাকলে, আইনের ইচ্ছা অনুযায়ী এরা অসীম সুরক্ষা পাবে না। তাই এক্ষেত্রে আইনের মূল অংশ প্রাধান্য পাবে। উল্লেখ্য এটি একটু উদাহরণ মাত্র এবং বাস্তবতার সাথে মিল নেই।
আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো সাধারণ সাহিত্যকর্ম, ছবি, সরকারি কর্ম ইত্যাদি। এই বিষয়সমূহে এরূপ কোনো দ্বন্দ্ব নেই আইনে।
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, আইনে তো নতুন ৬০ বছর মেয়াদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ধারা চাচ্ছে আগের মেয়াদ অব্যাহত রাখতে, তাহলে এটা কি দ্বন্দ্ব?
আইনি ব্যাখ্যার সুপ্রতিষ্ঠিত 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' (Rule Against Redundancy) অনুযায়ী এই ধারণাটি পুরোপুরি যৌক্তিক নয়। আইনে কখনোই কোনো অর্থহীন বা অপ্রয়োজনীয় ধারা যুক্ত করা হয় না। যদি ২৪ থেকে ৩৩ ধারার সাধারণ ৬০ বছরের নিয়মটিকেই ১০৫(৫) ধারায় উল্লেখকৃত 'ভিন্নরূপ বিধান' হিসেবে ধরে নেওয়া হয়, তবে ১০৫(৫) ধারাটির কোনো প্রয়োগই অবশিষ্ট থাকে না। আইনশাস্ত্রে একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি হলো, 'বিশেষ বিধান সাধারণ বিধানের ওপর প্রাধান্য পায়' (Lex specialis derogat legi generali)। আইনের ২৪ থেকে ৩৩ ধারা হলো কপিরাইট মেয়াদের একটি General Provision, যা আইন পাসের পর থেকে নতুন কর্মের জন্য প্রযোজ্য। অন্যদিকে ১০৫(৫) ধারা হলো পুরোনো কর্মের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট বিশেষ বিধান।
প্রকৃতপক্ষে <mark>এখানে "ভিন্নরূপ বিধান" বলতে বোঝানো হয়েছে: যদি আইনের অন্য কোথাও স্পষ্টভাবে লেখা থাকত যে "পুরোনো 'কোনও' কর্মের মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাবে", কেবল তখনই সেটি কার্যকর হতো।</mark>
২. '''কে?''': ''"কোন ব্যক্তি"'' - বাংলাদেশি কর্মের প্রণেতাকে বুঝানো হয়েছে। কপিরাইট আইন, ২০০০ এর ২(২৭) ধারা অনুযায়ী:
(২৭) "বাংলাদেশী কর্ম" অর্থ এমন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্প কর্ম-
(ক) যাহার প্রণেতা বাংলাদেশের নাগরিক; বা
(খ) যাহা প্রথম বাংলাদেশে প্রকাশিত হইয়াছে; বা
(গ) অপ্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে, যাহার প্রণেতা উহা তৈরীর সময় বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন;
৩. '''কখনকার কর্ম?''': ''"এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে"'' - কপিরাইট আইন, ২০০০ কার্যকর হয়েছে ১৮ জুলাই, ২০০০ খ্রিস্টাব্দে। অর্থাৎ উক্ত তারিখের পূর্বে প্রকাশিত যেকোনো কর্মের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য।
৪. '''কী?''': ''"কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে"'' - সাধারণ কপিরাইট সুরক্ষা।
৫. '''সময়কাল''': ''"তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন" / "such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force."'' -
এই অংশে বলা আছে যে, ''এই আইন কার্যকর না হইলে'' কিন্তু আইন যেহেতু কার্যকর হয়েছে, এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, তাই এই অংশ প্রযোজ্য নয়। এখানে আমাদের পূর্ববর্তী 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' যুক্তি প্রযোজ্য। আর এই বাক্যাংশটি শর্তমূলক (conditional clause) নয়। এখানে ''"এই আইন কার্যকর না হইলে"'' ("''if this Act had not come into force''") একটি counterfactual / irrealis / hypothetical / unreal conditional clause.
আরও নির্দিষ্টভাবে, এটি হলো:
* একটি শর্তবাচক উপবাক্য
* যা past perfect রূপে আছে
* এবং একটি অবাস্তব অতীত শর্ত প্রকাশ করছে
* ব্যাকরণ আলোচনায় একে প্রায়ই প্রতিবাস্তব (counterfactual), অবাস্তব (irrealis), বা কাল্পনিক (hypothetical) বলা হয়
এতে এই অর্থ নেই যে আইনটি সত্যিই কার্যকর হয়নি। এর অর্থ হলো যে এই অধিকার বা স্বার্থ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এমন একটি অবস্থা কল্পনা করতে হবে, যেখানে এই আইন কখনোই কার্যকর হয়নি; এবং সেই অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কত সময়ের জন্য ওই অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হতেন, তা নির্ধারণ করতে হবে।
অতএব বাক্যটি একটি আইনগত-কাল্পনিক তুলনা ব্যবহার করছে:
বাস্তব অবস্থা: আইনটি কার্যকর আছে।
কল্পিত অবস্থা: আইনটি কার্যকর হয়নি।
তারপর আইনটি জিজ্ঞেস করছে: এই কল্পিত অবস্থায় ব্যক্তি কোন সময়কাল পর্যন্ত অধিকারী হতেন?
এটি আইন প্রণয়নে খুবই সাধারণ একটি কৌশল। এখানে “অসম্ভব” কথাটির অর্থ গোঁজামিল বা অযৌক্তিক নয়; বরং এটি অধিকার নির্ণয়ের জন্য একটি প্রতিবাস্তব মানদণ্ড।
৬. '''ক্রিয়া''': ''"তাহা অব্যাহত থাকিবে"'' (''"he shall continue to be entitled to"''): এখানে "আব্যাহত"কে বাংলাদেশ সরকার ইংরেজিতে continue শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে।
{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1123.html|বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩}} দ্বারা কার্যরত বাংলা ভাষা বিষয়ক বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলা একাডেমি। বাংলাদেশ সরকার তার নিজের সরকারি কাজে বাংলা ব্যবহারে বাংলা একাডেমির নিয়ম মানতে নির্দেশনা দেয়।<sup>[https://file-rajshahi.portal.gov.bd/files/bscic.rajshahi.gov.bd/files/62628c74_11b2_48a4_98e3_e694fdb18021/604f94fbbfa1ac882cb826c1fe5a2784.pdf]</sup> তাদের প্রকাশিত [https://web.archive.org/web/20210117115141/https://xeroxtree.com/pdf/adhunik_bangla_ovidhan.pdf আধুনিক বাংলা অভিধান] অনুযায়ী নকশা, মডেল ও ডিজাইনের সংজ্ঞা নিচে দেওয়া হলো। উল্লেখ্য, এই সংজ্ঞাসমূহ মানতে আইন {{color|red|বাধ্য (binding) নয়}}।
অব্যাহত <small>/অব্ব্যাহতো/</small> [স. 7+| 17 + sqrt(27) + 5 ] বিণ, ১ অপ্রতিহত, অবাধ (অব্যাহত গতি)। ২ অব্যর্থ। ৩ অপ্রতিবন্ধ।
অপ্রতিহত অর্থ বাধাহীনভাবে।
অর্থাৎ, এই অংশ দ্বারা বলা হয়েছে। তার আগের মেয়াদ continue করবে। আগে যা ছিল তাই থাকবে। এবং তার মেয়াদে কোনো বাধা থাকবে না। অনেকে প্রায়োগিক অর্থ ভেবে বলতে পারেন যে, এই আইন শুধু চাচ্ছে যে অধিকার খর্বকারী মেয়াদ না কমাতে। কিন্তু অব্যাহত-এর বুৎপত্তিগত এবং সকল সংজ্ঞা অনুযায়ী, মেয়াদে বাধা দেবে না। এটি উভয়দিকে কাজ করে। শুধুমাত্র একদিকে নয়। সংজ্ঞার ক্ষেত্রে প্রয়োগ ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে নিতে পারে। এজন্য বুৎপত্তিগত ব্যাখ্যা মেনে নেওয়া শ্রেয়। আইনের ইন্টেন্ট বুঝার জন্য ইংরেজি অনুবাদ ব্যাবহার করা যেতে পারে। ইংরেজিতে "continue" শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে। যা বুঝায়, আগে যা ছিল তাই থাকবে। অর্থাৎ আগের ৫০ বছর মেয়াদ বলবৎ থাকবে।
'''ধারা ১০৫(১)''': কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ রহিত করা হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয়। ধারা ১০৫, আগের আইনের অধীন প্রকাশিত কর্মসমূহ নিজ নতুন আইনের আওতায় আত্তীকরণ করেনি, যেমনটা কপিরাইট আইন, ২০২৩ করেছে। অর্থাৎ, আগের কর্মসমূহের লাইসেন্স বিবেচনা কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর আলোকে করতে হবে।
'''ধারা ১০৫(২)''': কোন মামলা বা অপরাধ ২০০০ এর আগে সংঘটিত হলে, তা আগের আইনের অধীনে বিচার হবে।
'''ধারা ১০৫(৩)''': কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর অধীন বিবেচিত কপিরাইটহীন অসুরক্ষিত কর্ম নতুন করে সুরক্ষা পাবে না।
'''ধারা ১০৫(৪)''': এই ধারায় "অধিকারের পরিধি বা প্রকৃতি" ব্যাখ্যা করা হয়ছে; "মেয়াদ" নয়। ১০৫(৪)-এর আশ্রয় নিয়ে প্রস্তাবের আরেকটা বিরোধিতা করা যেতে পারে যে ''ধারা ১০৫(৪)-এ বলা হয়েছে, পুরোনো কর্মগুলো নতুন আইনের "ধারা ১৪-এ উল্লিখিত অধিকার" পাবে। ফলে, যেহেতু কর্মটি নতুন আইনের (১৪ ধারার) অধীনে চলে আসছে, তাই এর মেয়াদও নতুন আইনের ৬০ বছর হওয়া উচিত।''
উ: আইনের দৃষ্টিতে "অধিকারের পরিধি বা প্রকৃতি" এবং "অধিকারের মেয়াদ" সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। ধারা ১০৫(৪) অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শুধুমাত্র "ধারা ১৪"-এর কথা উল্লেখ করেছে, যেখানে কপিরাইটের মেয়াদ নিয়ে একটি শব্দও নেই। ধারা ১৪ কেবল সংজ্ঞায়িত করেছে কপিরাইট বলতে কী কী 'কর্ম' বোঝায় এবং সেসব 'কর্ম'-এর কোন কোন অধিকার একচেটিয়াভাবে পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ধারা ১০৫(৪) পুরোনো কর্মগুলোকে কেবল ধারা ১৪-তে থাকা নতুন ধরনের অধিকার ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকারটি কতদিন বজায় থাকবে, অর্থাৎ সময়কাল বা মেয়াদের বিষয়টি ঠিক তার পরের উপধারা ১০৫(৫)-এ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। <mark>১০৫(৫)-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে, অধিকার যা-ই হোক না কেন, ব্যক্তি ঠিক সেই "সময়ের জন্য" অধিকার ভোগ করবেন, যা তিনি এই নতুন আইন না এলে পেতেন (অর্থাৎ ৫০ বছর)।</mark>
'''ধারা ১০৫(৫)''': ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
'''ধারা ১০৫(৬)''': ধরুন এক প্রকারের পুনঃব্যবহার অনুমতি ১৯৬২ সালের আইনে দেওয়া হলেও, ২০০০ সালের আইনে দেওয়া হয়নি। তাহলে ২০০০ সালের আগে সেই কর্ম কেউ পুনঃব্যবহার করে থাকলে, সেটি নতুন আইনের আওতায় দণ্ডনীয় নয়।
'''ধারা ১০৫(৭)''': [http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] এর ৬ষ্ঠ ধারা বাংলাদেশের যেকোনো আইনের রহিতকরণের প্রভাব নির্ধারণ করে। কপিরাইট আইন, ২০০০-এর ১০৫(৭)-এ তা উল্লেখ করা আছে। ১০৫(৭)-এ উল্লেখ করা না থাকলেও, এই আইন বলবৎ থাকতো। কপিরাইট বাদেও এই ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের সকল আইন অ-ভূতাপেক্ষ (Non-retroactive) যদিনা নতুন আইনে আলাদা করে উল্লেখ না থাকে।
[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] এর ৬(গ) ধারা অনুযায়ী, নতুন আইনে অন্যথায় উল্লেখ না থাকলে, নতুন আইন নাগরিকের পূর্ব আইনের আওতায় প্রাপ্ত রাইট (অধিকার)কে প্রভাবিত করবে না। কপিরাইট এর নামানুসারেই একপ্রকারের রাইট বা অধিকার। কপিরাইট আইন, ২০০০ এর ধারা ১০৫ এই অংশের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। affect অর্থ প্রভাবিত করা। সেটা অধিকার বৃদ্ধি বা হ্রাস উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ১৯৬৩ সালের প্রকাশিত কোনো প্রকাশনার ক্ষেত্রে, কর্মের স্রষ্টা ৫০ বছরের অধিকার পেয়েছিলেন তার কর্মের উপর। আমি জনগণ, ৫০ বছর পর এটি মুক্তভাবে ব্যাবহারের অধিকার পেয়েছিলাম। নতুন আইন যেহেতু পূর্বের কর্মের ব্যাপারে কিছু বলেনি; শুধু নতুন কর্মের জন্য নতুন বর্ধিত অধিকার দিয়েছে। তাই এই আইন অনুযায়ী নতুন আইন আমার পূর্বে প্রাপ্ত অধিকারকে প্রভাবিত করবে না। সেটা যেকারো লাভ বা ক্ষতি যেজন্যই হোক না কেনো। ২০০০ এর আইনের ১০৫(৫)-এ এই আইনের নীতিমালাকে প্রয়োগ করা হয়েছে।
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-73/section-19978.html|Section 6}}<br>Effect of repeal<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html|The General Clauses Act, 1897}}}}
6. Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not-
:(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or
:(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or
:<mark>(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed;</mark> or
:(d) affect any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
:(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid;
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
{{Collapse bottom|}}
'''কপিরাইট আইন, ২০২৩''':
এবার বর্তমানে বলবৎ 'কপিরাইট আইন, ২০২৩'-এ আসি। বলা যেতে পারে, নতুন আইনের ১২৭(২)(ক) ধারায় যেহেতু (২০০০-এর আইনে থাকা) পুরোনো অধিকারগুলো বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই পুরোনো কর্মগুলোও ৬০ বছর মেয়াদ পাবে। কিন্তু ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬(c) ধারা অনুযায়ী, রহিতকৃত আইনের অধীনে নির্ধারিত অধিকারের কাঠামো (যেমন ৫০ বছরের সীমা) অপরিবর্তিত থাকে। ফলে ২০২৩ সালের আইনটি কেবল সেই অবস্থাকেই সংরক্ষণ করে, যা ২০০০ সালের আইনের অধীনে অর্জিত হয়েছিল। যেহেতু ২০০০ সালের আইনটি ১০৫(৫) ধারার মাধ্যমে পুরোনো কর্মগুলোর মেয়াদকে সুনির্দিষ্টভাবে ৫০ বছরেই আটকে দিয়েছিল এবং অতিরিক্ত দশ বছর যুক্ত করার পক্ষে স্পষ্ট কোনও বিধান রাখেনি, তাই ২০২৩ সালের আইনও সেটিকে নতুন করে ৬০ বছরে উন্নীত করেনি। নিচে ২০২৩ সালের আইনের রহিতকরণ ধারাটি দেওয়া হলো:
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html|ধারা ১২৭|}}<br>রহিতকরণ ও হেফাজত<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1452.html|কপিরাইট আইন, ২০২৩}}}}
১২৭। (১) কপিরাইট আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ২৮ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত আইনের অধীন-
:(ক) <mark>কৃত কোনো কাজ-কর্ম</mark>, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রণীত কোনো বিধি, জারীকৃত প্রজ্ঞাপন বা নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তি, প্রদত্ত আদেশ, স্বত্বনিয়োগ, <mark>নিবন্ধন বা লাইসেন্স</mark>, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ থাকিবে, এবং এই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীন কৃত, গৃহীত, প্রণীত, জারীকৃত বা প্রদত্ত বলিয়া গণ্য হইবে;
:(খ) উক্ত আইনের অধীন সূচিত কোনো কার্যধারা অসম্পূর্ণ থাকিলে উহা উক্ত আইন অনুযায়ী এইরূপে সমাপ্ত করা হইবে, যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই;
:(গ) দায়েরকৃত কোনো মামলা বা মোকদ্দমা কোনো আদালতে চলমান থাকিলে উহা এমনভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই;
:(ঘ) উক্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত বোর্ড এইরূপে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে; এবং
:(ঙ) কপিরাইট অফিসে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিতপূর্বে যে শর্তাধীনে চাকুরিতে নিয়োজিত ছিলেন, এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত, সেই একই শর্তে চাকুরিতে নিয়োজিত থাকিবেন এবং পূর্বের নিয়মে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হইবেন।
{{Collapse bottom|}}
উল্লেখ্য যে কপিরাইট আইন, ২০২৩ তার পূর্বসূরী আইন (শুধুমাত্র ২০০০ এর আইন)-এর অধীন প্রকাশিত কর্ম ১২৭(২)(ক) দ্বারা নিজের মধ্যে আত্তীকরণ করে। কিন্তু ২০০০ এর আইন, তার পূর্বসূরি ১৯৬২এর আইনের জন্য তা করে না। ফলে ১৯৬২ এর অধীন প্রকাশিত কর্ম ২০০০ বা ২০২৩ এর আইন আত্তীকরণ করে না এবং উত্তরসূরি আইনসমূহ তাদের নিজ নিজ হেফাজত ধারা অনুযায়ী ১৯৬২ এর অধীন কর্মগুলোতে ১৯৬২ এর আইন বলবৎ রাখে। ১৯৬২ হতে ২০০০ এর আইনে মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল কিন্তু ২০০০ থেকে ২০২৩ এর আইনে করা হয়নি/ তাই পূর্ববর্তী কর্মের মেয়াদ অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে কোনো ধারা যুক্ত করা হয়নি বা যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কিন্তু আইনের ইচ্ছা অনুযায়ী মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হলে, তা আলাদা ভাবে যুক্ত করতে হতো, যা করা হয়নি।
<mark>নিরপেক্ষভাবে বিচার করলে, আইনের এই আক্ষরিক ও অ-ভূতাপেক্ষ (Non-retroactive) ব্যাখ্যাটিই আইনিভাবে অধিকতর নিরাপদ ও প্রচলিত।</mark> কারণ, কোনো অধিকারের মেয়াদ বা ব্যাপ্তি যদি পেছনের তারিখ থেকে বাড়াতে হয়, তবে আইনে তা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে লিখে দিতে হয়।
'''আন্তর্জাতিক উদাহরণ'''
আন্তর্জাতিক রীতির দিকে তাকালেও অ-ভূতাপেক্ষতার প্রমাণ মেলে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধির আইন, ''Sonny Bono Copyright Term Extension Act ([https://www.copyright.gov/legislation/s505.pdf CTEA 1998]'')-এর 102(b) ধারায় বিদ্যমান কপিরাইটগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল। একইভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপিরাইট মেয়াদ নির্দেশিকা '''('''[https://eur-lex.europa.eu/legal-content/en/TXT/?uri=CELEX:31993L0098#:~:text=regulating%20moral%20rights.-,Article%2010,-Application%20in%20time Directive 93/98/EEC]''')'''-এর Article 10-এ (Application in time) অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছিল যে, এই নির্দেশিকা পাসের দিন যেসব কর্ম কপিরাইট দ্বারা সুরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/contents The Duration of Copyright and Rights in Performances Regulations 1995]-এ যখন মেয়াদ বাড়ানো হয়, তখন এর পার্ট-৩ (Transitional Provisions)-এ '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/regulation/17 Extended and revived copyright]' শিরোনামে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আইনে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা আইনি ভাষ্য নেই।
'''কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২''':
আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য ১৯৬২ সালের কপিরাইট অধ্যাদেশ। কপিরাইট আইন, ২০০০ পূর্ববর্তী আইনের মেয়াদসমূহ সংরক্ষণ করে। কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২-এর মেয়াদসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
{{Collapse top|{{anchor|মেয়াদ ৬২}}CHAPTER III<br>TERM OF COPYRIGHT<br>{{url|https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047|The Copyright Ordinance, 1962}}}}
18. Term of copyright in published <mark>literary, dramatic, musical and artistic works.</mark>-
:Except as otherwise hereinafter provided, copyright shall subsist in any literary, dramatic, musical or artistic work (other than a photograph) published within the life-time of the author until <mark>fifty years</mark> from the beginning of the calendar year next following the year in which the <mark>author dies</mark>. Explanation-In this section, the reference to the author shall, in the case of a work of joint authorship, be construed as a reference to the author who dies last.
19. Term of copyright in posthumous work.-
:(1) In the case of a literary, dramatic or musical work or an engraving, in which copyright subsists at the date of the death of the author or, in the case of any such work of joint authorship, at or immediately before the date of the- death of the author who dies last, but which or any adaptation of which, has not been published before that date, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published or, where an adaptation of the work is published in any earlier year, from the beginning of the calendar year next following that year.
:(2) For this purposes of this section, a literary, dramatic or musical work or an adaptation of any such work shall be deemed to have been published, if it has been performed in public or if any records made in respect of the work have been sold, or offered for sale, to the public.
20. Term of copyright in cinematographic works, records and photographs.
:(1) In the case of a cinematographic work, copyright shall subsist until fifty years fro.n the beginning of the calendar year next following the year in which the work is published.
:(2) In the case of a record, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the record is published.
:(3) In the case of a photograph, copyright shall subsist until fifty years from "the beginning of the calendar year next following the year in which the photograph is published.
20A. Term of copyright in broadcast.-
:In the case of a broadcast, copyright shall subsist until twenty-five years from the beginning of the calendar year next following the year in which the broadcast first took place.
21. Term of copyright in anonymous and pseudonymous work.-
:(1) In the case of a literary, dramatic, musical or artistic work (other than a photograph), which is published anonymously or pseudonymously, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.<br>Provided that where the identity of the author is disclosed before the expiry of the said period, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the author dies.
:(2) In sub-section (1), references to the author shall, in the case of an anonymous work of joint authorship be construed,
::(a) where the identity of one of the authors is disclosed as references to that author;
::(b) where the identity of more authors than one is disclosed, as references to the author who dies last from amongst such authors.
:(3) In sub-section (1), references to the author shall, in the case of a pseudonymous work of joint authorship, be construed,
::(a) where the names of one or more (but not all) of the authors are pseudonym and his or their identity is not disclosed, as references to the author whose name is not a pseudonym, or, if the names of two or more of the authors are not pseudonyms, as references to such one of those authors who dies last;
::(b) where the names of one or more (but not all ) of the authors are pseudonyms and the identity of one or more of them is disclosed, as references to the author who dies last from amongst the authors whose names are not pseudonyms and the authors whose names are pseudonyms and are disclosed; and
::(c) where the names of all the authors are pseudonyms and the identity of one of them is disclosed, as references to the author whose identity is disclosed or, if the identity of two or, more of such authors is disclosed as references to such one of those authors who dies last. Explanation-s-Pot the purposes of this section, the identity of an author shall be deemed to have been disclosed, if either the identity of the author is disclosed publicly by both the author and the publisher or is otherwise established to the satisfaction of the Board by that author.
22. Term of copyright in <mark>Government works</mark> and in works of International Organisations.-
:(l) Copyright in a Government work shall, where government is the first owner of the copyright therein, subsist until <mark>fifty years</mark> from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.
:(2) In the case of a work of an international organisation to which the provisions of section 53 apply, copyright shall subsist shall until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.
23. Term of copyright in unpublished work.-
:(1) If a work, whose author's identity is known, is not published posthumously within fifty years after the death of the author, such work shall fall into the public domain after fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the author dies.
:(2) If a work, whose author's identity is not known, is not published within fifty years of its creation, such work shall fall into the public domain after fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is created.
{{Collapse bottom|}}
=== সংশোধন বনাম রহিতকরণ ===
কপিরাইটের মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারতের একটি সুপরিচিত নজির রয়েছে, যা আপাতদৃষ্টিতে আমাদের প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে যাচ্ছে বলে মনে হতে পারে। স্বাধীন ভারতে ১৯৯২ সালের সংশোধনী আইনের ([[:en:Indian_Copyright_Act_(3rd_Amendment)_1992|The Copyright Amendment Act, 1992]]) মাধ্যমে কপিরাইটের সাধারণ মেয়াদ ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। এই সংশোধনী পাসের সময় ভারতে যে কর্মগুলোর কপিরাইট তখনো বিদ্যমান (Alive) ছিল, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন বর্ধিত ৬০ বছরের সুবিধা পেয়েছিল। প্রশ্ন আসতে পারে, ভারতে যদি বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বেড়ে থাকে, তবে বাংলাদেশে ২০০০ সালের নতুন আইন পাসের সময় বিদ্যমান কর্মগুলোর মেয়াদ কেন ৬০ বছর হবে না?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে দুই দেশের আইন প্রণয়নের কাঠামোগত পার্থক্যের (''Amendment'' বনাম ''Repeal'') মধ্যে। ভারতের এই মেয়াদ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্মের কপিরাইট। ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যু হওয়ায় তৎকালীন আইন অনুযায়ী তাঁর কর্মের কপিরাইট ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিন আগে ভারত সরকার তড়িঘড়ি করে একটি অধ্যাদেশ জারি করে মেয়াদ [https://www.telegraphindia.com/india/tagore-copyright-freedom-at-midnight/cid/910127?utm_source=chatgpt.com ১০ বছর বাড়িয়ে দেয়]। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে যখন এটিকে স্থায়ী আইন হিসেবে পাস করা হয়, তখন ভারত ১৯৯১ সালের সাময়িক অধ্যাদেশটি রেটিফাই করা সাপেক্ষে রহিত করলেও তাদের ১৯৫৭ সালের মূল আইনটিকে রহিত (Repeal) করেনি, বরং কেবল মূল একটি 'সংশোধনী' (Amendment) এনেছিল।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে মূল আইনের পঞ্চম অধ্যায়ে 'fifty years'-এর স্থলে 'sixty years' প্রতিস্থাপিত করা হয় এবং নতুন আইনটিকে ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) ঠিক সেই ২৮ ডিসেম্বর ১৯৯১ তারিখ থেকেই কার্যকর ঘোষণা করা হয়। ফলে চলমান মূল আইন যখন 'সংশোধিত' হয়, তখন আইনের অধীনে থাকা সমস্ত বিদ্যমান বা 'অ্যালাইভ' অধিকারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সংশোধিত অবস্থার সুবিধা পায়।
বিপরীতে, বাংলাদেশ সরকার ১৯৬২ সালের মূল আইনটিকে (অধ্যাদেশ) 'সংশোধন' করেনি, বরং ২০০০ সালের আইনের ১০৫(১) ধারা দিয়ে তা সম্পূর্ণরূপে রহিত (Repeal) করে একটি নতুন আইন প্রবর্তন করে। যখন কোনো পুরোনো আইন বাতিল করে নতুন আইন আনা হয়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরোনো আইনের অধীনে থাকা কর্মগুলো নতুন আইনের সুবিধা পায় না। কারণ, '''The General Clauses Act, 1897'''-এর ধারা ৬(c) অনুযায়ী, কোনো আইন রহিত (Repeal) হলে নতুন আইনে স্পষ্ট 'ভিন্নরূপ কোনো উদ্দেশ্য' (Different intention) না থাকলে, বাতিলকৃত আইনের অধীন অর্জিত অধিকার বা মেয়াদের কাঠামো (যেমন- ৫০ বছরের সীমা) ক্ষুণ্ণ বা পরিবর্তিত হয় না।
বাংলাদেশ যদি ভারতের মতো শুধু "মৃত কর্মগুলো আর জ্যান্ত হবে না" (ধারা ১০৫(৩)) লিখেই ক্ষান্ত হতো, তবে হয়তো বিতর্কের সুযোগ থাকত। কিন্তু আইনে ১০৫(৫) ধারায় অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে: ''"...তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।"''
অর্থাৎ, আইনসভা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, মেয়াদের ক্ষেত্রে নতুন আইনে তাদের 'ভিন্নরূপ কোনো উদ্দেশ্য' নেই। তারা পুরোনো আইনটি বাতিল করলেও, বিদ্যমান কর্মগুলোর মেয়াদ পুরোনো আইন (৫০ বছর) অনুসারেই চলবে। অধিকন্তু, ১০৫(৭) ধারায় 'জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট'-এর প্রয়োগ নিশ্চিত করে এই মেয়াদের সুরক্ষাকে সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে।
=== সার্বিক উপসংহার ===
উপরের বিস্তারিত আইনি পর্যালোচনা, ভারত ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক নজিরের তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে, ২০০০ সালের ১৮ জুলাইয়ের পূর্বে প্রকাশিত কোনো কর্ম নতুন আইনের সাধারণ ৬০ বছরের মেয়াদের সুবিধা পাবে না। ভারতের আইনটি ছিল চলমান আইনের একটি 'সংশোধনী' হওয়ায় আতা বাংলাদেশের ২০০০ সালের সম্পূর্ণ নতুন আইনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হয় না।) তাই ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারার মাধ্যমে এবং ২০২৩ আইনে তা কন্টিনিউ করার মাধ্যমে ২০০০-পূর্ব কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ '''প্রকাশ বা লেখকের মৃত্যু + ৫০ বছর''' হিসেবেই আইনিভাবে নির্ধারিত হবে। ফলে আজকের তারিখ: {{#time: j F Y}} হিসেবে ৫০ বছর তথা {{#time: j F Y | -50 years }}-এর আগের সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কর্ম কিংবা মৃত্যুবরণকারী লেখকের কর্ম উইকিসংকলনে আপলোড দিয়ে মুদ্রণ সংশোধন করতে কোনও আইনি বাধা নেই। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}}: প্রস্তাবকারী হিসেবে। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৭:০২, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:১৪, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* সহ-প্রস্তাবক হিসেবে {{দৃঢ় সমর্থন}}। শুরুতে আমি বরং বিরোধিতাকারী হিসেবেই প্রস্তাবককে নানান যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু দুজনে মিলে দীর্ঘ আলোচলা, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও ক্রসচেক শেষে শেষপর্যন্ত এই ব্যাখ্যাতেই উপনীত হতে সক্ষম হই। ২০০০-পূর্ব প্রকাশনার জন্য এটাই এই আইনের সবচেয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা। সবশেষে, বেশ কিছুদিন ধরে নিরলসভাবে বাংলাদেশের কপিরাইট আইনের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করে আইনে লুকিয়ে থাকা এই বিধান এবং কমন্সে [[C:Commons:Village pump/Copyright#FoP in Bangladesh|বাংলাদেশের ভবনের ছবির কপিরাইট-অযোগ্যতা]]র বিষয়টি খুঁজে বের করার জন্য প্রস্তাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[Special:Contributions/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৩৮, ২১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৭:০৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{Comment}} — উপরে দেওয়া ব্যাখ্যার সঙ্গে আমার কিছু মতপার্থক্য আছে। নিচে তার আলোচনা করছি:—
* '''ভূতাপেক্ষিতা''' — উপরে বলা হয়েছে যে নতুন আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বৃদ্ধি পেলে তা ভূতাপেক্ষ (retrospective), যা কিনা General Clauses Act অনুযায়ী হওয়ার কথা নয়; ফলে নতুন আইন দিয়ে পুরনো আইনের অধীনে প্রকাশিত বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারে না। আমার তা মনে হয় না। যে বইয়ের কপিরাইট জীবিত আছে, সেই জীবিত কপিরাইটের জীবৎকাল বাড়ানোকে ভূতাপেক্ষ বলা যায় কি? যদি তা হয়, তবে কবে থেকে ভূতাপেক্ষ? যদি পুরনো আইনের জন্মলগ্ন থেকে ভূতাপেক্ষ হয়, তবে যেসব বইয়ের কপিরাইট অধুনা শেষ হয়ে গেছে কিন্তু পুরনো আইনের আমলে কিছুকাল আগে কপিরাইটে ছিল, সেই বইগুলিও এই ভূতাপেক্ষিতার সুযোগ লাভ করত এবং তাদের কপিরাইট পুনর্জীবিত হত। কিন্তু তা হয় না। কপিরাইট শেষ হয়ে গেলে এই তথাকথিত ভূতাপেক্ষ প্রাবধান দিয়ে কপিরাইট আর ফিরে আসে না। এতেই প্রমাণিত হয় যে এটা ভূতাপেক্ষ নয়; নতুন আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বাড়লে তা ভূতকাল থেকে বাড়ে না, বরং বর্তমান কাল থেকে বাড়ে। সেজন্যেই বিগত-কপিরাইট বইগুলি এর সুবিধা পায় না। ফলে এর সঙ্গে General Clauses Act-এর কোনই সংঘাত নেই।
* '''রবীন্দ্রসাহিত্য ও ভারতীয় আইন''' — ১৯৯২ সালে ভারতীয় কপিরাইট আইন সংশোধন করে কপিরাইটের মেয়াদ লেখকের মরণোত্তর ৫০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। সেসময় রবীন্দ্রসাহিত্যের কপিরাইট ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন বিশ্বভারতীর কাছে। তাই এই অতীব লাভজনক কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধিই ছিল আইন-সংশোধনের মূল কারণ। প্রস্তাবকের মতে এমনটা হওয়া ভূতাপেক্ষ, তাহলে কিভাবে হল? প্রস্তাবকের দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী ১৯৯২-তে নতুন আইন না বানিয়ে চলমান আইনের সংশোধন হয়েছিল, তাই এটা ভূতাপেক্ষ নয়; নতুন আইন বানালে ভূতাপেক্ষ হত। বেশ, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের লেখাগুলো তো চলমান ১৯৫৭-এর আইনের অধীনে প্রকাশিতই হয় নি। রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিককার লেখাগুলি প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৪৭-এর আইনের অধীনে (তাতে লেখকের মরণোত্তর সাত বছর কপিরাইট থাকত), আর পরের দিকের বইগুলি প্রকাশিত হয় ১৯১৪-এর আইনের অধীনে (তাতে মরণোত্তর ৫০ বছরের বিধান ছিল)। ১৮৪৭ এবং ১৯১৪-এর সাপেক্ষে ১৯৫৭-এর আইন হচ্ছে নতুন আইন। এই নতুন আইন দিয়ে কিভাবে রবীন্দ্রসাহিত্যের মেয়াদবৃদ্ধি করা গেল? এটা কি ভূতাপেক্ষ হচ্ছে না? প্রস্তাবক দেখাতে চেয়েছেন যে বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারা একটা ভূতাপেক্ষিতা-প্রতিরোধক ব্যবস্থা, যার কারণে ২০০০-এর আইন দিয়ে আগের বইগুলির কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটেনি। কিন্তু একই ব্যবস্থা তো ভারতীয় আইনেও ছিল। ভারতের ১৯৫৭-এর আইনের ৭৯(৫) ধারা এবং বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারা অবিকল এক ধারা, শুধু ধারার নম্বর আলাদা। কাজেই একই নিয়মের উপস্থিতিতে ভারতে যদি কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটে থাকে, তবে বাংলাদেশে তা ঘটেনি বলে কেন আমরা ধরে নেব?
* '''ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইনের তুলনাযোগ্যতা''' — এখানে মনে পারে, ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইন ভিন্নপথগামী, তাই পরিণতিও ভিন্ন। কিন্তু ব্যাপারটা সেরকম নয়। দুদেশেরই আইনি পরিকাঠামো, বিভিন্ন স্থানীয় সংশোধনী সহ, কলোনিয়াল লেগ্যাসি। ব্রিটিশদের বানানো General Clauses Act, স্থানীয় সংশোধনী সহ, দুদেশেই চালু আছে। কাজেই একটার সঙ্গে অন্যটা তুলনাযোগ্য। কাজেই ভারতীয় আইনে যদি কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারে, তবে একই ব্যবস্থাযুক্ত বাংলাদেশি আইনে তা না বাড়ার কোন কারণ নেই। তাহলে ১০৫(৫) ধারার উপযোগিতা কী রইল? হ্যাঁ, উপযোগিতা আছে বৈকি, কিন্তু তা প্রস্তাবকের ব্যাখ্যার অনুসারী নয়। নিচে অন্যভাবে ব্যাখ্যার চেষ্টা করছি।
* '''রহিতকরণ ধারা ও তার তাৎপর্য''' — যখন পুরনো আইন বাতিল করে নতুন আইন রচিত হয়, তখন নতুন আইনের শেষদিকে একটা রহিতকরণ ধারা (repeal section) থাকে। ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশেই এই দস্তুর। পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকরা নতুন আইন দিয়ে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটা নিশ্চিত করতে এই ধারায় কয়েকটা উপধারা থাকে। নতুন আইনে কি সুবিধা পাওয়া যাবে বা যাবে না, সেসব এই ধারায় থাকে না, শুধু পুরনো আইনই এর ফোকাস। বাংলাদেশি আইনের ১০৫(৫) ধারা এই রহিতকরণ ধারার একটা উপধারা। এই ধারা দিয়ে পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকদের লেখকের মরণোত্তর ৫০ বছর কপিরাইটের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন আইনে মেয়াদ যদি ৫০ থেকে কমিয়ে ৪০ বছর করা হত, তাহলেও পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকদের, এই ধারার কারণে, ৫০ বছরের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকত। কিন্তু নতুন আইনের সুবিধা-অসুবিধার জন্য এই ধারা নয়। অর্থাৎ, পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকরা এই ধারা অনুযায়ী ৫০ বছরের অধিকার পাওয়ার পর, নতুন আইনের উপযুক্ত ধারা অনুযায়ী আরও অতিরিক্ত ১০ বছর পেতে পারেন। তাতে কোনই বাধা নেই।
* '''নতুন আইনে পুরনো কপিরাইটের আত্তীকরণ''' — দেশে নতুন রাজা হলে পুরনো রাজার বিদ্যমান প্রজারা স্বতস্ক্রিয়ভাবে নতুন রাজার প্রজা হয়ে যায়। সেইরকম, নতুন কপিরাইট আইন হলে আগে থেকে কপিরাইটে থাকা বইগুলি স্বতস্ক্রিয়ভাবে নতুন আইনের আওতায় চলে আসে, ফলে তাদের কপিরাইটের মেয়াদ কমানো না গেলেও বাড়ানো যায়। এই কারণেই ভারতে রবীন্দ্রসাহিত্যের কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটেছিল।
* '''ব্যবহারিক উদাহরণ''' — এটা সবারই জানা যে বিখ্যাত বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই অন্যান্য প্রকাশকরা সেগুলি ছেপে বাজারে ছাড়তে থাকে। রবীন্দ্রসাহিত্যের বেলাতেও এই ব্যাপার ঘটেছিল। যদি বাংলাদেশে ২০০০ সালের আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ না বেড়ে থাকে, তবে ১৯৫০ ও পরবর্তীতে মৃত লেখকদের বইগুলি এর সুবিধা পায় নি। সেক্ষেত্রে লেখকমৃত্যুর পর ৫০ পেরোনো কিন্তু ৬০-অনুত্তীর্ণ বিভিন্ন বিখ্যাত বই অবশ্যই অন্যান্য প্রকাশকরা বাজারে ছেড়ে থাকবেন। প্রস্তাবকের কাছ থেকে এমন কিছু ব্যবহারিক উদাহরণ আশা করছি, যাতে এই কপিরাইট না বাড়াটা পরিষ্কারভাবে প্রতিপন্ন হয়। — [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১২:৪২, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
*:{{ping|Hrishikes}} প্রথমেই উপরোক্ত প্রস্তাবনাসমূহ সময় নিয়ে পড়ার এবং একটি গঠনমূলক সমালোচনার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষাগত কারণে উত্তর দিতে দেরি হওয়ায় আমি দুঃখিত।
*:<br>১। '''ভূতাপেক্ষিতা''' — ভূতাপেক্ষিতা কী? ভূতাপেক্ষিতা বলতে সাধারণত যা বুঝায় যে, ধরুন "জনাব 'ক' কাউকে খুন করলো"। কিন্তু তৎকালীন সময়ে আইনানুযায়ী খুন করা অবৈধ ছিলো না। কিন্তু পরে নতুন আইন সৃষ্টির মাধ্যমে খুন করাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যেহেতু খুন করার কার্য, আইন প্রণয়নের আগে সংঘটিত হয়েছিল, তাই জনাব 'ক'কে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এখানে "জনাব 'ক' তো বেঁচে আছেন" বলে তাকে আদালতে নেওয়ার সুযোগ নেই।
*:<br>আমি মানছি যে, কপিরাইটের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু জটিল। একটি কর্মের কপিরাইট শুরু হয় তার প্রকাশকাল থেকে। একটি কর্মকে কপিরাইট অফিসে লাইসেন্স রেজিস্টার করা হয়, বা প্রকাশকাল থেকে একটি অটো লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয় (রেজিস্টার করা না হলেও)। এই লাইসেন্সটি কপিরাইট মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ অথবা লাইসেন্সে বলা আছে যে আপনি "X" বছর অধিকার পাবেন। এখন নতুন আইন এলো। ফলে আইনের পরবর্তী নতুন প্রকাশিত বই বা কর্মসমূহ নতুন আইনের অধীনে নতুন লাইসেন্স নতুন মেয়াদ সময়ের জন্য প্রাপ্ত হবে। কিন্তু পুরাতন কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আপনাকে সময়ে পিছনে যেতে হবে এবং সেই লাইসেন্সকে পরিবর্তন করতে হবে; অথবা বিদ্যমান লাইসেন্সকে আপডেট করতে হবে। এইটাই ভুতাপেক্ষতা। আইন সাধারণত সম্মুখমুখী বা তার সামনের কর্মে affect করে, পিছনের বা বিদ্যমান কর্মকে না। বিদ্যমান মামলা যেমন পুরাতন আইনেই চালাতে হয়।
*:<br>ধরুন বাংলাদেশের সংবিধানে ইন্টারনেট সংযোগ মৌলিক অধিকার বলে স্বীকৃত নয়। কিন্তু পরে সংশোধনী করে একে মৌলিক অধিকার ঘোষণা করা হয়েছে। এখন আপনার যুক্তি অনুসারে, আমি, তাওসীফ হাসান, তো জীবিত আছি। তাহলে কি আমাকে অনেককাল আগে ইন্টারনেট থেকে বঞ্চিত করার জন্য, আমি সরকারের বিরুদ্ধে এখন বর্তমানে মামলা দিতে পারব? কপিরাইটও এক প্রকার অধিকার। কপিরাইট জীবিত থাকে না; বরং তার লাইসেন্স চলমান থাকে। আর লাইসেন্সের পরিবর্তন করতে হলে, সেটি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে আইন শুধু সামনের কর্মকে affect করে।
*:<br>এখন মূল যুক্তিতে আসি। আমার উত্তরের প্রথমাংশের সব কথাই মোটামুটি অপ্রাসঙ্গিক। আপনি মূল প্রস্তাবনায় উদ্ধৃতিকৃত সকল আইন পড়ে দেখতে পারেন। কোথাও "ভূতাপেক্ষিতা" বা "retroactivity' শব্দটি উচ্চারিত হয়নি। আপনার সমালোচনা মূলত "ভূতাপেক্ষিতা" শব্দটি কেন্দ্র করে। এই শব্দ আইনের কোথাও নেই। বরং আইনে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এই শর্তের ভিত্তিতে আমরা আইনকে ভূতাপেক্ষ বলছি। এই উল্টো; "ভূতাপেক্ষিতা" শব্দের ভিত্তিতে আমরা শর্ত প্রতিপাদন করছি না। আইনে কি কি শর্ত আছে? ১০৫(২) বলে পূর্বের মামলা পূর্বের আইনে চলবে। ১০৫(৩) বলে কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর অধীন বিবেচিত কপিরাইটহীন অসুরক্ষিত কর্ম নতুন করে সুরক্ষা পাবে না। ১০৫(৪) বলে পূর্ববর্তী কর্ম নতুন অধিকার পাবে না। ১০৫(৫) মেয়াদ বৃদ্ধি আটকায়। ১০৫(৬) পুনঃব্যবহার অনুমতি বহাল রাখে। এই সকল শর্তের ভিত্তিতে আমরা বলছি আইনটি ভুতাপেক্ষ। এর উল্টোটি নয়।
*:<br>আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে, এই ধারাসমূহে বলা নেই যে মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া পুরাতন কর্ম নতুন করে কপিরাইট পাবে না; কেননা ১০৫(৫) দ্বারা আগেই মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে। মূল প্রস্তাবনার 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' (Rule Against Redundancy)-এর কারণেই তা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়নি।
<div style="float: right; margin-left: 15px; margin-bottom: 5px; border: 2px solid yellow">
{{show
|1= আন্তর্জাতিক উদাহরণ
|2=আন্তর্জাতিক রীতির দিকে তাকালেও অ-ভূতাপেক্ষতার প্রমাণ মেলে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধির আইন, ''Sonny Bono Copyright Term Extension Act ([https://www.copyright.gov/legislation/s505.pdf CTEA 1998]'')-এর 102(b) ধারায় বিদ্যমান কপিরাইটগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল। একইভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপিরাইট মেয়াদ নির্দেশিকা '''('''[https://eur-lex.europa.eu/legal-content/en/TXT/?uri=CELEX:31993L0098#:~:text=regulating%20moral%20rights.-,Article%2010,-Application%20in%20time Directive 93/98/EEC]''')'''-এর Article 10-এ (Application in time) অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছিল যে, এই নির্দেশিকা পাসের দিন যেসব কর্ম কপিরাইট দ্বারা সুরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/contents The Duration of Copyright and Rights in Performances Regulations 1995]-এ যখন মেয়াদ বাড়ানো হয়, তখন এর পার্ট-৩ (Transitional Provisions)-এ '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/regulation/17 Extended and revived copyright]' শিরোনামে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আইনে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা আইনি ভাষ্য নেই
}}</div>
*:<br>এই বিষয়ে আমি আন্তর্জাতিক উদাহরণ মূল প্রস্তাবনায় টেনেছি। আমি আবার উল্লেখ করছি।
*:<br>এই অংশে আমি বেশ কিছু দাবি করেছেন। যদিও আমি মনে করি দাবিসমূহ আইনের ভিত্তিতে নয়, আপনি চাইলে আপনার দাবির আইনি উৎস ব্যক্ত করতে পারেন।
*:<br>২। '''রবীন্দ্রসাহিত্য ও ভারতীয় আইন''': রবীন্দ্রনাথের কিছু কর্ম ১৮৬৭ সালের আইনের অধীন প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১৪ এর আইনের [https://ipindia.gov.in/writereaddata/Portal/Images/pdf/The_Copyright_Act__1914.pdf সর্বশেষ পাতা] অনুযায়ী এটি স্পষ্টত অভূতাপেক্ষি। ১৯১৪-এর আইন নিজেই ১৮৬৭ সালের একটি রেজিস্ট্রেশনের আইনকে সংশোধন করে। যার মাধ্যমে রেজিস্টারকৃত সকল কর্মকে ১৯১৪-এর আইন আত্তীকরণ করে। উল্লেখ্য তৎকালীন যুগে শুধুমাত্র রেজিস্টারকৃত কর্ম কপিরাইট সুরক্ষা পেত। ১৯১৪-এর আইনে নতুন আইনের মতো ভুতাপেক্ষতার কোনো ধারা নেই। ফলে ১৮৪৭ সালের আইনের অধীনের যেসকল কর্ম যা প্রকাশিত হয়েছিল, ১৯১৪-এর আইন তাদের মেয়াদ বৃদ্ধি করে। সব কপিরাইট আইনকেই ভুতাপেক্ষ মনে করা একটি ভ্রান্ত ধারণা। ১৯৫৭ সালের আইনের ১৯৯২ সালের সংশোধন নিয়ে আমি নিচে আলোচনা করছি।
*:<br>৩। '''ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইনের তুলনাযোগ্যতা''': বাংলাদেশ ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' এবং ভারতীয় ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' তুলনাযোগ্য এটা সত্য, কিন্তু এদের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। বাংলাদেশের কপিরাইট সুরক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' দ্বারা যা সরাসরি পূর্ববর্তী আইনকে রহিত করে। কিন্তু ভারতের কপিরাইট সুরক্ষার মেয়াদের বৃদ্ধি ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' দ্বারা করা হয়নি। ভারতে বৃদ্ধি করা হয়েছে ভিন্ন একটা সংশোধনী আইন দ্বারা। ১৯৯২ সালের ১৩ নং আইন - ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২'' দ্বারা ভারতের কপিরাইট মেয়াদ মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই আইনটি ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' থেকে আলাদা একটি আইন। ১৯৯২ সালের এই আইনের ভুতাপেক্ষিতার ব্যাপারে ধারা আছে। ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২''-এর ৩ নং ধারা শুধু পাবলিক ডোমেইনে চলে যাওয়া কর্মকে কপিরাইটেড হওয়া থেকে আটকায়। এই আইনে মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানোর ব্যাপারে কিছু লেখা নেই। ফলে কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধিকারী আইন ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' পাবলিক ডোমেইনে চলে যাওয়া কর্মকে কপিরাইটেড হওয়া থেকে আটকানোর পাশাপাশি মেয়াদও আটকানো হয়েছে ১০৫(৫) দ্বারা।
*:<br>আমি আমার প্রস্তাবনায় যুক্তি দিয়েছি যে, ২০২৩-এর আইনের মতো করে স্পষ্ট করে না বলায়, কপিরাইট আইন, ২০০০ তার পূর্ববর্তী কর্মকে আত্তীকরণ করেনি। আমার কাছে সেটাই গ্রহণযোগ্য বেশি। তবে আপনি চাইলে ২০০০-এর আইনের ১০৫(৩) ও ১০৫(৪) এবং ভারতীয় বর্তমান আইনের ৭৯(৩) ও ৭৯(৪) দ্বারা বলার সুযোগ আছে যে এই আইন দুটি পূর্ববর্তী কর্মসমূহকে আংশিক আত্তীকরণ করেছে। যেহেতু ১০৫(৫) দ্বারা সরাসরি মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে, তাই এই নিয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু ভারতীয় আইনে আপনি চাইলে উক্ত ধারা সমূহকে সতর্কতার নীতিমালার দোহাই দিয়ে বলতে পারেন যে, বর্তমান ভারতীয় আইন তার পূর্ববর্তী কর্মকে আত্তীকরণ করেছে এবং পরবর্তীতে ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২'' এর মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। ভারতীয় মেয়াদ বৃদ্ধিকারী আইনে বাংলাদেশি ১০৫(৫) বা ভারতীয় ৭৯(৫) এর মতো কোনো মেয়াদ আটকানোর ধারা নেই। বাংলাদেশি আইনে যা আছে।
*:<br>আইনের আদালতে আইনের হুবুহু বাক্য এবং পূর্ববর্তী মামলার উদাহরণ ব্যতীত কিছুই প্রামণ্য নয়। আপনার, আমার, আইনজীবীর, সংবাদপত্রের সাংবাদিকের, আইন প্রণেতার, সরকারি কর্মচারীর, কর্মের প্রকাশকের মতামতকে সাধারণত আমলে নেওয়া হয় না ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-24.html The Evidence Act, 1872]) এবং উচিতও না (বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার একটি বিশেষ ক্ষেত্র যেখানে এইসকল প্রকাশনাকে আলামত হিসেবে নেওয়া হয়েছিল<sup>[https://www.cambridge.org/core/books/abs/trials-for-international-crimes-in-asia/trials-for-international-crimes-in-bangladesh/995CD8AA54604F855E32F031EF19E2D4]</sup> <small><sub>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-435/section-12495.html ধারা ১৯(৫) The International Crimes (Tribunals) Act, 1973])</sub></small>। ফলে ভারতীয় আইন প্রণয়নের ব্যাপারে শুধু আইনের মূল পাঠ্য ও আদালতের উদাহরণকে আমলে নিতে হবে। কারো মতামত বা ভিন্ন কোন মাধ্যমের তথ্য আমলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। সেকারণে আমি আমার প্রস্তাবনায় আইনের আক্ষরিক পাঠ্যের আশ্রয় নিয়েছি শুধু। আরেকটি বিষয় হলো, বিশ্বের বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো, আদালতে রায় সত্যের পক্ষে যায় না; যায় তার পক্ষে যে সবচেয়ে ভালো যুক্তি উপস্থাপন করতে পেরেছে।
*:<br>সাধারণত কোনো দেশের কপিরাইট মেয়াদ বাড়ানোর জন্য প্রতিটি দেশ আলাদা করে আইন প্রণয়ন করে অথবা আইনে সরাসরি উল্লেখ করা থাকে যে, মেয়াদ বৃদ্ধি পূর্ববর্তী কর্মের উপর লাগু হবে। এই বিষয়ে আমি আগেই আন্তর্জাতিক উদাহরণ দিয়েছি। আমেরিকায় "মেয়াদ বৃদ্ধি" নাম দিয়েই আলাদা আইন পাশ করানো হয়েছে। মেয়াদ বৃদ্ধি একটি সংবেদনশীল, গুরুত্বপূর্ণ এবং delicate বিষয়। তাই প্রতিটি দেশ অনেক বিচার বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করে। একটি আইন সাধারণত কমপক্ষে এক থেকে দেড় বছর খসড়া পর্যায়ে থাকে। সরকার stakeholder-দের সাথে আলোচনা করে, আইনজীবীদের মতামত নেয়, আইন মন্ত্রণালয় শুদ্ধিকরণ করে ইত্যাদি। বাংলাদেশের "মুক্ত সরকারি তথ্য আইন"-এর খসড়া ২০১৫ সাল হতে লেখা হচ্ছে।<sup>[https://objectstorage.ap-dcc-gazipur-1.oraclecloud15.com/n/axvjbnqprylg/b/V2Ministry/o/office-sid/2024/12/bad818b033344c2faa5ad1276e9ad0d9.pdf]</sup> কিন্তু ভারতের তৎকালীন আইন প্রণয়নকারী সংস্থার অধিবেশনের বিতর্ক<sup>[https://obhanmason.com/blog/copyright-in-perpetuity/]</sup> ঘেঁটে বুঝা যায়, মাত্র তিন দিন আগে, আইন প্রণয়নকারী সংস্থা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এখানে উপরোক্ত আইন প্রণয়নের সাধারণ প্র্যাকটিস মানা হয়নি। ফলে অনেক সমস্যা থেকে গেছে আইনে। এইভাবে ৫০ এর বদলে ৬০ বসিয়ে মেয়াদ বৃদ্ধি করা sloppy কাজ, অনেক খুঁটিনাটি বিষয় বাকি থেকে যায়। মেয়াদ বৃদ্ধির মতো সূক্ষ্ম সংবেদনশীল কাজ আন্তর্জাতিক উদাহরণের মতে আলাদা আইনেই করা হয়। বাংলাদেশের বর্তমান আইনে সরকারের কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ রাখা হয়েছে ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52693.html ধারা ৬৭])। আমি যতদূর দেখলাম ভারতে সে ব্যবস্থা নেই। ফলে তাড়াহুড়ো হয়েছে বলে একটি যুক্তি দেওয়া সম্ভব। আমার মতে স্বল্প সময়ে সম্মানিত তৎকালীন ভারতীয় আইন প্রণেতাদের এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে উপযুক্ত ছিল। কিন্তু এই কারণে ভারতের এই মেয়াদ বৃদ্ধি মূল আইনের অনেক কিছুর সাথেই সাংঘর্ষিক। তাই আমার মূল প্রস্তাবনার ভারতীয় আইনে অংশকে তার মাতৃ উৎসের মতোই খানকিটা সাংঘর্ষিক মনে হওয়ার সুযোগ আছে। ফলে উপরোক্ত কারণসমূহের কারণে মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে <u>বাংলাদেশেরসহ যেকোনো দেশের কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যার নজির টানার ক্ষেত্রে ভারতীয় আইন ব্যবহার না করাই শ্রেয়;</u> কেননা যথাযথ কারণে এই নজির প্রশ্নবিদ্ধ। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই বিষয়ে ভারতে কোনো মামলা হয়নি কেনো? আমার মতে ভারতে কপিরাইটের সুবিধাভোগীদের লবিং অনেক বেশি। ধরুন কেউ মামলা করলো, ভারত সরকার আইনের সংশোধনী করে একটি ব্যাখ্যা যুক্ত করে দিলো। সংশোধনী করে আইনের Footer এ ব্যাখ্যা যুক্ত করা সাধারণ চর্চা। যেহেতু ৭৯(৫) এর শুরুতেই লেখা আছে ''"এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে"'', তাই সংঘর্ষ সৃষ্টি হবে না এবং মেয়াদ বৃদ্ধি বৈধ থাকবে। এই কারণে মামলা করা সময় ও শ্রমের অপচয় হবে শুধু। বাংলাদেশি আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি rigid এবং সুগঠিত। ফলে বাংলাদেশি আলাদত আইনের আক্ষরিক ব্যাখ্যায় থেকে যেতে পারে। যদি আলাদা কোনো রায় না হয়, তাহলে শুধুমাত্র বাংলাদেশি আইনের আক্ষরিক ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই শ্রেয়।
*:<br>৪। '''রহিতকরণ ধারা ও তার তাৎপর্য''': আমি আগে ভূতাপেক্ষিতা অংশে বলেছি, আইনের নাম, ধারার নাম অথবা ধারার সাধারণ নাম কোনো নীতি নির্ধারণ করতে পারে না। পারে শুধুমাত্র আইনের মূল পাঠ্য। আপনার প্রদত্ত মতামতে আইনের কোনো ধারা উল্লেখ করে তার আক্ষরিক বিশ্লেষণ নেই। বরং আপনার মতামত বাংলাদেশের আইনের ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আইনের প্রতিটি শব্দের থেকে এক চুলও নড়বার সুযোগ নেই। আমি ১০৫(৫) ধারা শব্দ ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছি। এই ধারার ব্যাখ্যায় আমার কোন যুক্তি কেন ভুল, তা তুলে ধরুন। ধারায় বলা আছে, ''"তাহা অব্যাহত থাকিবে"'' এবং এর ইংরেজি অনুবাদে বলা আছে, ''"shall continue to be entitled to".'' এখানে "অব্যাহত" এবং "continue" এর অর্থ কি কোনো অভিধানে বলা আছে যে, "কর্মের স্রষ্টার অধিকার কমলে নতুন নিয়ম চলবে এবং বেশি থাকলে আগের নিয়ম থাকবে"? কোনো অভিধানে এই ব্যাখ্যা পাবেন না আপনি। আমি মূল প্রস্তাবনায় অভিধানিক অর্ধ দিয়েছি। অব্যাহত এবং continue অর্থ, আগে যা ছিল, তাই থাকবে। এখানে লাভ-ক্ষতির বা কমা-বাড়ার কোনো হিসেব নেই এবং থাকারও সুযোগ নেই। অব্যাহত শব্দ দ্বারা আপনি যদি ভিন্ন কিছু বুঝে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে তা ব্যক্ত করুন। উল্লেখ্য একটি শব্দ একেকজন একেকভাবে বুঝতে পারে। তাই অভিধানিক ব্যাখ্যা বেছে নেওয়া বেশি শ্রেয়। আবার এই ধারাটি সম্পূর্ণ হুবুহু ঔপনেবেশিক আইনের ইংরেজি বাক্যের অনুবাদ। এর উৎস ইংরেজিতে "continue" শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে, এর অর্থ universally accepted "আগে যা ছিল তা"; এর সাথে বাড়া-কমা বা লাভ-ক্ষতির হিসেব নেই। যদিও ১০৪নং ধারা অনুযায়ী বাংলা সংস্করণ থেকে সিদ্ধান্তে আসা উচিত, ইংরেজি এই উৎস আইনের ইচ্ছা বুঝতে সাহায্য করবে। আইনের বাহিরে গিয়ে আমরা কেউ মনগড়া ব্যাখ্যা দাড়া করাতে পারি না। কোনো ব্যাখ্যা দিতে হলে আইনের ধারার পাঠ্য ধরে শব্দ ধরে আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। বস্তুত আপনার ব্যাখ্যা "শর্ত সাপেক্ষে অধিকারের মেয়াদ সংরক্ষণ" যদি আইন করতে চাইতো, তাহলে আইন আলাদা করে তা বলতে পারতো। কিন্তু তা করা হয়নি। অধিকারের ক্ষেত্রে ১০৪(৪) ধারা রয়েছে। এবং ১০৫(৫) দ্বারা মেয়াদ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। শর্ত প্রয়োগ করলে তা উল্লেখ করে দিতো আইন। ১০৫(৪) সরাসরি ''সুবিধা-অসুবিধা'' (অধিকার স্থানান্তর)-এর কথা বলা আছে। তাই "এই ধারা ''সুবিধা-অসুবিধার'' জন্য না" বলাটা আইনের স্পষ্ট পরিপন্থী।
*:<br>৫। '''নতুন আইনে পুরনো কপিরাইটের আত্তীকরণ''': আপনি বারংবার আইনের পাঠ্য বাদ দিয়ে, আইনের নাম, সাধারণ নাম এবং কনসেপ্ট ধরে ব্যাখ্যা প্রকাশ করছেন। আপনার এই দাবির আইনি ভিত্তি কি? আমি আইনের লেখা ও আদালতের রায় ব্যতীত এক চুলও সরার পক্ষপাতি নই। আগের আইনের কর্ম নতুন আইনে আনতে হলে সেটা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে, যেমনটি করেছে ভারতীয় ''কপিরাইট আইন, ১৯১৪''([https://ipindia.gov.in/writereaddata/Portal/Images/pdf/The_Copyright_Act__1914.pdf সর্বশেষ পাতা]) এবং বাংলাদেশ ''কপিরাইট আইন, ২০২৩'' ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html ধারা ১২৭])। নতুন আইনের আওতায় কী শর্তে পুরাতন কর্ম এসেছে, সেটাও উল্লেখ করা আছে এই আইন সমূহে।<sup>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html]</sup> আগের আইনের কী বহাল থাকবে এবং কী থাকবে না তাও বলা আছে। কপিরাইট আইন, ২০০০-ও বলে দিয়েছে আগের কর্মের কী কী হবে। তন্মদ্ধে ১০৫(৫) বলেছে মেয়াদ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
*:<br>৬। '''ব্যবহারিক উদাহরণ''': অন্যান্য প্রকাশকরা লাইসেন্স ফির বিনিময়ে বই প্রকাশ করেছে নাকি পাবলিক ডোমেইন বলে বই প্রকাশ করেছে তা প্রমাণ করবেন কিভাবে। আমি লক্ষ লক্ষ বই উদাহরণ দিলাম। কিন্তু আপনার বলার সুযোগ থাকবে, এরা লাইসেন্স করে অর্থের বিনিময়ে পুনঃপ্রকাশ করেছে। আলাদা করে বইয়ের গায়ে লেখা থাকে না এই বিষয়। ব্যবহারিক উদাহরণ আইনের আদালতে কোনো সিধান্ত গ্রহণকারী ফ্যাক্টর হতে পারে না।([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-24.html The Evidence Act, 1872]) কপিরাইট একটি কঠোর ও জটিল আইন। তাই এখানে ''Chilling Effect'' কাজ করতে পারে। Chilling Effect এমন একটি মানসিক বা সামাজিক অবস্থা যেখানে মানুষ আইনি জটিলতা বা কঠোর শাস্তির ভয়ে নিজের ওপর অঘোষিত বিধিনিষেধ আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে বর্তমানে এই পরিস্থিতি বিরাজমান।<sup>[https://www.npr.org/2022/03/30/1089462508/teachers-fear-the-chilling-effect-of-floridas-so-called-dont-say-gay-law]</sup> তাই আলদালতে ব্যবহারিক উদাহরণকে আমলে নেওয়া হয় না। আবার, যদি এই ১০ বছর সময়কালে কোন বিখ্যাত বা পুনঃপ্রকাশ যোগ্য কর্ম না থাকে বা প্রকাশকদের অনীহা থাকে তাহলে কি করবেন? তাও আমি উদাহরণ দিচ্ছি। [[:w:সৈয়দ মুজতবা আলী|সৈয়দ মুজতবা আলী]]র মৃত্যু ১৯৭৪ সালে বা ৫২ বছর আগে। তার বিখ্যাত গ্রন্থ [[:w:দেশে বিদেশে|দেশে বিদেশে]]। এই বইটি [https://www.rokomari.com/book/80412/deshe-bideshe বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র], [https://www.prothoma.com/shop/deshe-bideshe-31138 প্রথমা প্রকাশনা], [https://www.rokomari.com/book/25566/desh-bedeshe স্টুডেন্ট ওয়েজ], [https://www.rokomari.com/book/318056/deshe-bideshe নিউ এজ পাবলিশার্স] প্রকাশ করছে বর্তমানে। আমি নিশ্চিত যে আপনি খুঁজলে বা বইয়ের দোকানে গেলে আরও উদাহরণ পাবেন। কিন্তু এরা পাবলিক ডোমেইন বলে মুক্তভাবে প্রকাশ করছে নাকি লাইসেন্স ফির বিনময়ে তা জানার জন্য তাদের সাথে আলাদা আলাদ করে যোগাযোগ করতে হবে। যেহেতু আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, তাই আলাদা কওরে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই বলে মনে করি আমি।
*:<br>আমি আপনার মতামতের প্রতিটি বাক্য ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছি। এরপর মতবিরোধের জায়গা থাকলে আইনের পাঠ্য ধরে করুন এবং আমার যুক্তি কেন অসন্তোষজনক সেটি উল্লেখ করে আইনি ভিত্তিতে প্রতিযুক্তি দিন। ধন্যবাদ।
*:[[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ০৭:০৩, ৩০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
::আপনার যা বক্তব্য, “আইনের আদালতে আইনের হুবুহু বাক্য এবং পূর্ববর্তী মামলার উদাহরণ ব্যতীত কোনো কিছুর মূল্য নেই।”; এটা একটা ইজ্ম, যাকে বলে textualism. আইনের দুটো দিক, letter of law এবং spirit of law. শুধু letter of law আইনের সব কথা নয়, শেষ কথাও নয়। মার্কিন সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়ে লেটার-বাদী আর স্পিরিট-বাদীদের মধ্যে বিতর্ক আছে, তা ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় পাবেন। তবে আমার পক্ষে ভারতীয় উদাহরণ দেওয়া সহজ। Spirit of law অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ভাষ্য অনুযায়ী ভারতীয় সংবিধানের একটা spirit তথা basic tenets আছে, সংসদ এর বাইরে গিয়ে আইন বানালে সুপ্রিম কোর্ট তা নাকচ করে দিতে পারে। ভারতে Public Interest Litigation নামে একটা সিস্টেম আছে, সেটা সংসদে পাশ হওয়া কোন আইন থেকে আসে নি, বরং সুপ্রিম কোর্টের spirit of law বিষয়ক ভাষ্য থেকে এসেছে। সমলিঙ্গ সম্পর্কের ওপর “বেআইনি” তকমা (৩৭৭ IPC) আদালতের spirit of law ব্যাখ্যায় সরে গিয়েছিল। সেই কারণে আইনের হুবহু পাঠই শেষ কথা নয়, আইনের সাধারণ প্রবণতা, পরম্পরা, আইনের কোন্ অধ্যায়ে ধারা বা উপধারাটা আছে, ধারার হেডিং কি, এসবও গুরুত্বপূর্ণ।
* ভূতাপেক্ষ শব্দটা আলোচনায় আমি আমদানি করিনি, আপনার বক্তব্য থেকেই শব্দটা নেওয়া। এটা যে ব্যাখ্যামূলক শব্দ, এবং সরাসরি আইনে থাকে না, সেটাও আমার জানা আছে। কপিরাইটের জীবিত থাকার ব্যাপারটা যে biological অর্থে বলা হয় নি, সেটা বুঝতে সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানই যথেষ্ট। যেসব আন্তর্জাতিক উদাহরণ আপনি দিয়েছেন, তার সবেতেই নতুন আইনে মেয়াদ বাড়লে কপিরাইটভুক্ত পুরনো বইগুলোরও মেয়াদ বেড়েছে। ঐসব আইনের বাচনভঙ্গি পুরনো ব্রিটিশ লেগ্যাসিভুক্ত উপমহাদেশীয় আইনগুলির বাচনভঙ্গি থেকে আলাদা হতেই পারে, কিন্তু ধারণাটা একই, যে, নতুন আইনে কপিরাইটভুক্ত পুরনো বইয়ের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটে থাকে।
* আপনার বক্তব্য অনুযায়ী ১০৫(৫) দ্বারা সরাসরি মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে। আমার কাছে এমন কিছু প্রতিভাত হয় নি। অব্যাহত শব্দের অর্থ আপনি ভুল বুঝেছেন। অভিধান খুললে দেখবেন, ব্যাহত মানে বাধাপ্রাপ্ত। কোন কিছুর প্রবাহ আটকে দিলে তা ব্যাহত বা বাধাপ্রাপ্ত হয়। প্রবহমানতা বাড়িয়ে দিলে ব্যাহত হওয়ার কোন ব্যাপারই নেই। কাজেই ১০৫(৫)-এ শুধু মেয়াদ-হ্রাসই আটকানো হয়েছে, মেয়াদ-বৃদ্ধি নয় (এ-ব্যাপারটা নিচে বিশদে দেখাচ্ছি)।
* ভারতের আইনকে sloppy বলাটা শিষ্টাচার-বিরুদ্ধ হয়েছে। “আইন প্রণয়নকারী সংস্থা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।” — এটা অজ্ঞতা-প্রসূত মন্তব্য। ভারতের এই সাময়িক অধ্যাদেশগুলি সংসদের অধিবেশন চলাকালীন জারি করা যায় না। সংসদ যখন অধিবেশনে থাকে না, তখন আইন প্রণয়ণ করার আপৎকালীন প্রয়োজন অনুভূত হলে অধ্যাদেশ জারি হয়। কিন্তু অধ্যাদেশ সাময়িক হওয়ায় এর সময়সীমার মধ্যে সংসদীয় আইন দিয়ে অধ্যাদেশ জারির দিন থেকে তা আত্তীকরণ করতে হয়, নইলে তা তামাদি হয়ে যায়। আপনি একটা ব্লগ থেকে সংসদীয় বিতর্কের যে আংশিক রূপ পেয়েছেন (সম্পূর্ণটা অফিসিয়াল সাইটে আছে) তা অধ্যাদেশ নিয়ে নয়, বরং পরবর্তী প্রতিস্থাপক আইন নিয়ে। সেটা সাংসদদের রাজনৈতিক বিতর্ক (সংসদে যেটা হয়ে থাকে), আইনের টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি নিয়ে নয়। সেই আইনটা তার সংশোধন কার্য সম্পন্ন করার পর Repealing and Amending Act, 2001 দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। যাই হোক, আইনটা জারি হয়েছে ১৯৯২-এর এপ্রিলে, কাজেই বিষয়বস্তু পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রকের বিশেষজ্ঞদের কাছে সময় ছিল। আপনার ভিন্নমত সত্ত্বেও, ১৯৫৭-র আইন সংশোধন করে যে পুরনো আইনের অধীনে প্রকাশিত কিন্তু তখনও কপিরাইটে থাকা বইয়ের মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনবিদদের মনে সন্দেহ ছিল না বলেই বিল বানিয়ে সংসদে পাঠানো হয়েছিল, নইলে অধ্যাদেশটাকে তামাদি হতে দেওয়া হত। কাজেই এটা কোন sloppy কাজ নয়।
* বাংলাদেশের ২০২৩-এর আইন কিছুটা অন্য পথে গেছে ঠিকই, কিন্তু ২০০০-এর আইনটা গতানুগতিকতার মধ্যেই আছে। ভারতের ১৯৫৭-র আইন ও বাংলাদেশের ২০০০-এর আইন — এদুটোকে পাশাপাশি রেখে পড়লে স্বতই মনে হয় একটার অনুপ্রেরণায় অন্যটা রচিত (আসলেই কপি করা হয়েছে সেকথা বলছি না)। যেটাকে উইকিতে আমরা Edict-Gov বলি, অর্থাৎ ভারতীয় আইনের ধারা ৫২ আর বাংলাদেশের ধারা ৭২, এদুটো পাশাপাশি রাখলেই মিলটা বোঝা যাবে। সেজন্যেই ভারতীয় আইনকে sloppy বলে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশি আইনের ব্যাখ্যা মার্কিন আর ইউরোপীয় আইন দেখিয়ে করা যায় না।
* এবার আপনার “আইনের ধারার পাঠ্য ধরে শব্দ ধরে আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিতে হবে” এই textualist দাবির বিষয়ে দেখছি।
** বাংলাদেশের ১০৫(৪) অনুসারে আগের বইগুলোর কপিরাইটের অধিকার নতুন আইন চালু হওয়ার পর থেকে নতুন আইনের ধারা ১৪ অনুসারে প্রযুক্ত হবে, এমনকি নতুন আইনে নতুন অধিকার থাকলে সেগুলিও পুরনো বইতে বর্তাবে। এতদ্বারা পুরনো বইগুলো নতুন আইনের আওতায় এসেছে। তবে এতে মেয়াদ সম্পর্কে কিছু বলা নেই।
** ১০৫(৩) অনুসারে নতুন আইন আগের আইনের অধীনে প্রকাশিত বিগত-কপিরাইট বইয়ের কপিরাইট পুনরুদ্ধার করবে না। বিগত-কপিরাইট বইয়ের জন্য এই exclusion principle থাকায় কপিরাইটভুক্ত বইগুলি স্বতই অন্তর্ভুক্ত হয়।
** ধারা ১৩ অনুসারে কপিরাইট শুধু নতুন আইন অনুসারেই চলতে পারবে। অর্থাৎ রহিত আইন অনুসারে কপিরাইট চলতে পারবে না (বলা বাহুল্য, আগে যা অধিকার দেওয়া হয়ে গেছে, সেটার কাটছাঁট না করে, তথা “অব্যাহত” রেখে)।
** কপিরাইট নতুন আইন অনুযায়ী চলতে হলে ধারা ২৪ অনুযায়ী মরণোত্তর ৬০ বছরের বিধানও লাগু হবে। এই ধারায় আগের বইগুলোর জন্য কোন exclusion principle দেওয়া নেই, ফলে এটা generic ভাবে সর্বত্র প্রযোজ্য।
** এবার General Clauses Act, যাকে পাশ কাটিয়ে উপমহাদেশে কোন আইন রচনা করা যায় না।
*** প্রথমে ৬ নম্বর ধারা দেখা যাক, যার বক্তব্য ২০০০-এর আইনের ১০৫ ধারায় বিধৃত। ১০৫(৩) এসেছে GC আইনের 6(a) থেকে। ১০৫-এর (২) এবং (৫) আগেকার অধিকার ও দায় (rights and liabilities) সম্পর্কিত, যা এসেছে GC আইনের 6(c) থেকে। ক্রিয়াপদ হিসাবে ১০৫(২)-তে আছে “খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না” (nothing in this section shall diminish or prejudice) এবং ১০৫(৫)-এ আছে “অব্যাহত থাকিবে” (shall continue to be entitled to)। GC আইনের 6(b) থেকে 6(e)-তে একটাই ক্রিয়াপদ: to affect. আভিধানিক অর্থে বাড়ানো বা কমানো দুটোতেই affect হয়। কিন্তু এটা উনিশ শতকের শেষদিকের আইন। সেযুগে আইনের পরিভাষায় affect বলতে কি বোঝাত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত [[:en:Page:Black's Law Dictionary (Second Edition).djvu/54|ব্ল্যাকের আইন অভিধান]] অনুসারে “This word is often used in the sense of acting injuriously upon persons and things.” অর্থাৎ সেযুগের আইনি ব্যবহারে affect দিয়ে কমানো বোঝায়, বাড়ানো নয়। সেজন্যেই ১০৫ ধারায় “খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না” লিখেছে। “অব্যাহত থাকিবে”-কেও এভাবেই বুঝতে হবে, কারণ GC আইনে দুটোই affect.
*** এবার অন্য ধারা দেখা যাক। ধারা ২৪ অনুসারে এক আইন রহিত হয়ে একই বিষয়ে পরিবর্তনসহ বা অপরিবর্তিত ভাবে নতুন আইন হলে, পুরনো আইনের অধীনে জারি করা ব্যবস্থাগুলি চলতে থাকবে, যদি না তা নতুন আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ (inconsistent) হয়, এবং ধরে নেওয়া হবে যে নতুন আইন অনুসারে এই ব্যবস্থাগুলি চলছে; এবং পরে নতুন আইনের কোন ব্যবস্থা পরিবর্তিত (superseded) হলে পুরনো ব্যবস্থাগুলিও পরিবর্তিত হবে।
*** GC আইনের ৬ ও ২৪ নং ধারা থেকে এই ব্যাখ্যাই দাঁড়ায় যে কপিরাইটের মেয়াদ সংক্রান্ত আগের আইনের ব্যবস্থা পুরনো বইয়ের জন্য নতুন আইন অনুসারে চলতে থাকবে কিন্তু সময়টা নতুন আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ৫০-এর জায়গায় ৬০ বছর হবে।
* ব্যবহারিক উদাহরণ বিষয়ে লক্ষ লক্ষ উদাহরণের নামে আপনি দিয়েছেন শুধু ভারতীয় বইয়ের উদাহরণ (''দেশে বিদেশে'' ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত)। বড় বড় প্রকাশকদের আইনি টিম থাকে, ফলে তারা আইনি পরামর্শ সহজেই পেতে পারে, chilling effect-এর কোন সম্ভাবনাই নেই। মূল কোম্পানি বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রি চালাতে থাকলে একই দেশে অন্য কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয় না, দিলেও একসঙ্গে অনেক কোম্পানিকে দেয় না। License fee, chilling effect, বিখ্যাত বই না থাকা, এসব শুধুই অযুক্তি। পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ যে বাড়ে নি, সেটা বাংলাদেশের প্রকাশকরা বুঝতে পারল না, আর আপনি শুধু একাই বুঝতে পারলেন? আর এটা আদালত নয়, একটা আলোচনাসভা। এখানে এভিডেন্স অ্যাক্ট দেখিয়ে ব্যবহারিক উদাহরণকে পাশ কাটানো যায় না।
* যাক, প্রকাশকরা না হয় নাই বুঝল, বাংলাদেশের বিদ্বজ্জনরাও কি বোঝে নি? বাংলাপিডিয়া একটা সরকারি প্রকাশনা। সেখানে [https://en.banglapedia.org/index.php?title=Copyright কপিরাইট] নিবন্ধে লিখেছে “In the Bangladesh Copyright Act 2000, the period has been fixed at 60 years.” কপিরাইটের দুরকম ব্যবস্থা থাকলে এখানে লিখল না কেন? এছাড়া [https://www.universepg.com/public/img/storage/journal-pdf/Sketch%20of%20the%20copyright%20act,%202000%20in%20Bangladesh%20enforcement,%20impediments%20and%20solutions.pdf এই নিবন্ধটা] দেখুন। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়-স্তরের আইনবিদদের লেখা, ২০০০-এর আইনের ওপরে। এখানেও ৬০ বছর দিয়েছে, পুরনো বইয়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থার কথা কিছু লেখেনি। এরকম আরও কিছু লেখা পড়লাম, কোথাও দুরকম ব্যবস্থার কথা (৬০ ও ৫০) লেখা নেই। বাংলাদেশের ৬০-অনুত্তীর্ণ পুরনো বইয়ের সংখ্যা এখনও বিশাল। সেইসব বইয়ের আলাদা কপিরাইট মেয়াদের কথা কেউ কিছু লিখছে না কেন? কেউ কি এটা জানে না?
সব দেখেশুনে আমি যা বুঝলাম, এই দুরকম কপিরাইট-মেয়াদের ব্যবস্থা শুধু আপনার কল্পনাতেই আছে, আর কোথাও নেই। উইকিমিডিয়া প্রকল্পগুলিতে বক্তব্য-প্রতিষ্ঠার জন্য secondary ও tertiary source-এর কদর আছে, কিন্তু আইনগুলি সবই primary source. কাজেই আপনার বক্তব্যটাকে অরিজিন্যাল রিসার্চের পর্যায়ে ফেলা যেতে পারে। আমি একজন সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন সাধারণ সম্পাদক, কোন আইনজ্ঞ নই। কিন্তু এটুকু বলতে পারি যে অরিজিন্যাল রিসার্চের উপর ভিত্তি করে (যেটা আদৌ আমার কাছে convincing মনে হয়নি) কপিরাইটের মত জটিল বিষয়ে উইকিসংকলনে এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে না। আপনি আপনার এই রিসার্চ কোন প্রতিষ্ঠিত আইনের জার্নালে প্রকাশ করতে পারেন। তারপর peer review-তে যদি দেখা যায় যে প্রতিষ্ঠিত আইন-বিশারদরা আপনার বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, তখন আপনার নিবন্ধকে রেফারেন্স হিসেবে দেখিয়ে উইকিসংকলনে পরবর্তী পদক্ষেপ করা যেতে পারে।
আমাদের বিতর্ক অনেক হলো, এবার দেখা যাক, অন্য সম্পাদকরা কি বলেন। [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১৩:২৯, ৩০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:ব্যস্ততার জন্য শুধুমাত্র কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করছি
:১। "অব্যাহত" এর সাথে এর সময়কালও বলা আছে "তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন", অর্থাৎ এইখানে সময়কাল দেওয়া আছে, যে পূর্বের সময়কাল বজায় থাকবে। আইনসভা যখন পরিষ্কার করে বলছে ‘আইন পাস না হলে যা হতো, তা-ই থাকবে’, তখন তারা মূলত একটি Time-lock বা মেয়াদের সীমা টেনে দিয়েছে।
:২। কপিরাইট কোনো ‘প্রাকৃতিক অধিকার’ বা ‘সংবিধানের মৌলিক কাঠামো’র অংশ নয়। এটি একটি Statutory Right বা আইন দ্বারা সৃষ্ট অধিকার। বিধিবদ্ধ আইনের ক্ষেত্রে বিচারিক ব্যাখ্যা তখনই ‘Spirit’ খোঁজে, যখন আইনের ভাষা অস্পষ্ট থাকে। বাংলাদেশের ২০০০ সালের আইনের ১০৫(৫) ধারার ভাষা অত্যন্ত গাণিতিক এবং স্বচ্ছ। যেখানে ভাষা স্পষ্ট, সেখানে ‘Spirit’-এর দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত ১০ বছর যোগ করা আইনসভার ক্ষমতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল।
:৩। GCA-এর ২৪ নম্বর ধারা প্রযোজ্য হয় তখন, যখন নতুন আইন পুরোনো আইনের কোনো প্রবিধান বা আদেশ সম্পর্কে নীরব থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের ২০০০ সালের আইনের ১০৫(৫) ধারাটি একটি Explicit Saving Clause। GCA-এর ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো আইন রহিত হয়, তখন নতুন আইনে ‘ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য’ (Different intention) না থাকলে পুরোনো মেয়াদের কাঠামোই বজায় থাকে। ১০৫(৫) ধারাটিই হলো সেই ‘ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য’ যা নিশ্চিত করেছে যে পুরোনো কর্মগুলো নতুন আইনের ‘৬০ বছর’ মেয়াদের ছাঁচে পড়বে না।
:৪। একাডেমিক নিবন্ধ বা এনসাইক্লোপিডিয়া সাধারণত আইনের মূল সুর (General Rule) নিয়ে আলোচনা করে, তারা প্রতিটি আইনের Transitional Provisions বা ‘সংক্রমণকালীন বিধান’ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে না। ল জার্নালের সাধারণ আলোচনা কখনোই আইনের বিধিবদ্ধ ধারাকে বাতিল করতে পারে না। নীরবতা মানেই এই নয় যে আইনটি পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
:৫। আইনের কোনো ধারা নিয়ে যদি দুটি ব্যাখ্যার সুযোগ থাকে, তবে আদালত সবসময় কোন ব্যাখ্যাটি বেছে নেবে? যা জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে (Public Access) প্রসারিত করে নাকি স্রষ্টার একচেটিয়া অধিকার। ১০৫(৫) ধারা যেহেতু পুরোনো মেয়াদের (৫০ বছর) দিকে সরাসরি নির্দেশ করছে, তাই একে টেনে বড় করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা বা যৌক্তিকতা নেই।
:৬। বাংলাদেশে কপিরাইট লঙ্ঘনের হাজারো মামলা কেন হচ্ছে না? কারণ কপিরাইট এনফোর্সমেন্ট এমনিতেই দুর্বল। এই দুর্বলতাকে আইনের ‘বৈধতা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া যায় না। আবার এই ১০ বছরের সময়কালের বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশ বই খোঁজা কষ্টকর।
:৭। ভারতীয় মেয়াদ "সংশোধনী" আইন দ্বারা বেড়েছে। এই আলাদা আইনটি খুলে দেখতে পারেন। সেখানে ভুতাপেক্ষিতার যে ধারা আছে সেখানে মেয়াদের ধারাটি নেই।
:৮।আবার ১০৫(৫)কে যদি আপনি না মানেন তাহলে ১৯৯০-২০০০ যে বই পাবলিক ডোমেইনে ঢুকেছে, সেটা আবার ফেরত আসার কথা।
:আমার বাসা থেকে কপিরাইট অফিস দূরে নয়। এই মাসের মঝামাঝি সময়ে আবার যাবো। তবে তাদের থেকে লিখিত কিছু আশা করা বৃথা। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৭:১০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::আপনার যুক্তিগুলো বেশিটাই অযুক্তি। কপিরাইট আইন আপনি বুঝতে পারেন নি, কারণ আপনি এই আইনের উদ্দেশ্যটাই জানেন না। কপিরাইট আইন ''জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকার''-এর জন্য তৈরি হয় না, কপিরাইট-হোল্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কপিরাইট-ভঙ্গকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করাই এই আইনগুলির লক্ষ্য। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন নিয়ে লেখা [https://www.universepg.com/public/img/storage/journal-pdf/Sketch%20of%20the%20copyright%20act,%202000%20in%20Bangladesh%20enforcement,%20impediments%20and%20solutions.pdf এই নিবন্ধে] Objectives of the Copyright Law অনুচ্ছেদ লক্ষ্য করুন: The motive of this law is to save the proprietor of the work from an unlawful reproduction or exploitation of his work by others. অর্থাৎ এখানে জনসাধারণের অধিকারের কোন গল্পই নেই। বরং জনসাধারণকে কিভাবে অধিকার না দেওয়া যায় এবং দিলেও কিভাবে তাতে যতটা সম্ভব দেরি করা যায় সেটা দেখাই কপিরাইট আইনের লক্ষ্য। সেজন্যই সারা পৃথিবী জুড়ে দিন কে দিন কপিরাইটের মেয়াদ বেড়েই চলেছে। বার্ন কনভেনশনে মরণোত্তর অন্তত ৫০ বছরের ব্যবস্থা থাকলেও সদস্য দেশগুলি যে যতটা পারে বাড়িয়ে নিয়েছে। আমেরিকা করেছে ৭০ বছর, মেক্সিকো ১০০ বছর। WTO-র চুক্তির দরুণ যেসব দেশ বিদেশি বইয়ের কপিরাইট মানত না, তাদেরকেও মানতে হচ্ছে। বাংলাদেশ তো আরও এককাঠি ওপরে। সচরাচর অধিকাংশ দেশই সরকারি কর্মের ওপর কিছু না কিছু Edict-Gov provisions দিয়ে থাকে, কিন্তু বাংলাদেশ সেটাও তুলে নিয়েছে তাদের ২০২৩-এর আইনে।
* এই কারণেই কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যা এমন ভাবে করতে হয় যাতে তা কপিরাইট-হোল্ডারদের পক্ষে যায়। তা না করলেই সেই ব্যাখ্যা ভুল পথে যাবে।
* ''বিধিবদ্ধ আইনের ক্ষেত্রে বিচারিক ব্যাখ্যা তখনই ‘Spirit’ খোঁজে, যখন আইনের ভাষা অস্পষ্ট থাকে।'' — এটাও ভুল কথা। এজন্যেই আপনাকে ওপরে ভারতের 377 IPC-র উদাহরণ দিয়েছি, যা ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাকচ করে দিয়েছে।
* ''GCA-এর ২৪ নম্বর ধারা প্রযোজ্য হয় তখন, যখন নতুন আইন পুরোনো আইনের কোনো প্রবিধান বা আদেশ সম্পর্কে নীরব থাকে।'' — এটাও ভুল কথা। কারণ ঐ ধারায় “unless it is otherwise expressly provided” — এই বাক্যবন্ধ আছে। ফলে শুধু নীরব থাকলে হবে না, বরং উল্টো কথা বলতে হবে।
* ১০৫(৫) ধারা কোন ''ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য'' নয়, তার উদ্দেশ্য কপিরাইটভোগীর “অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের” বিষয়ে; ফলে এটা GCA 6(c)-এর “the repeal shall not affect any right, privilege,”-এর আওতায় পড়ে। বরং এই উপধারায় উক্ত “এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে” বক্তব্য অনুযায়ী ভিন্নরূপ বিধান আছে, তা হলো নতুন আইনের ধারা ২৪।
* ভারতীয় সংশোধনী আইন অন্য আইনকে রহিত করেনি, কাজেই তাতে রহিতকরণ ধারা কারণ ছাড়া কেন থাকবে? শুধু মূল আইন চালু হওয়ার পর বিগত-কপিরাইট বইয়ের কপিরাইট ফেরত না আসার উপধারাটা দরকার ছিল, তাই আছে। বাকি ব্যবস্থা তো মূল আইনেই আছে।
* ভারতের ১৯৫৭ আর বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনে যে ছত্রে ছত্রে মিল, তা পাশাপাশি পড়লেই বোঝা যায়। কাজেই সম্পূর্ণ একরকম ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ভারতে কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারলে বাংলাদেশে না বাড়ার কোন কারণই নেই। এর ব্যাখ্যায় ভারতের ব্যবস্থাকে sloppy বলা আর সংশোধনী আইনে রহিতকরণ ধারা নেই বলে কপিরাইট বেড়েছে বলা অযুক্তি আর কুযুক্তি ছাড়া কিছু নয়।
* ''ল জার্নালের সাধারণ আলোচনা কখনোই আইনের বিধিবদ্ধ ধারাকে বাতিল করতে পারে না।'' — এটাও কুযুক্তি, কারণ আপনি প্রমাণই তো করতে পারেননি যে আপনার বক্তব্যটা বিধিবদ্ধ।
* এখন এই বিতর্কের যা পরিস্থিতি, আপনার একার বক্তব্যে আর এই প্রস্তাব দাঁড়াবে না। কাজেই এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের সমর্থন লাগবে, প্রকাশিত বই বা জার্নাল থেকে। আপনি যদি এই অবস্থান নেন যে বিশেষজ্ঞরা এ-জাতীয় ''চুলচেরা বিশ্লেষণ করে না'', তাহলে তো প্রস্তাবের সেখানেই ইতি।
[[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১২:০৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬ শুরু হয়েছে, এখনই অংশ নিন! ==
<div style="padding:15px; font-size:120%; line-height:1.6; margin:10px 0; border:2px solid #c90023; background-color:#FFFFFF; border-radius:8px;">
সুধী,
[[File:বাংলার প্রেমে উইকি লোগো.svg|right|100px|frameless|link=Commons:Wiki Loves Bangla 2025]]
আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে [[c:Commons:Wiki Loves Bangla 2026|বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬]] শুরু হয়েছে! এ বছরের প্রতিযোগিতার বিষয় '''বাংলার উৎসব''', যেখানে অংশগ্রহণকারীদের বাংলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে শেয়ার করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
'''[[c:Commons:Wiki Loves Bangla|বাংলার প্রেমে উইকি]]''' হলো উইকিমিডিয়া কমন্সে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নথিভুক্ত করা। এটি [[meta:Bangla Culture and Heritage Collation Program|বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কর্মসূচীর]] অংশ হিসেবে প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হয়।
'''আপনি কিভাবে অংশ নেবেন''', প্রক্রিয়াটি সহজ—আপনার প্রতিটি অবদান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্ত জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করবে:
[[File:পাতি মাছরাঙ্গা (Alcedo atthis), জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান ঢাকা.jpg|thumb|right|250px|link=Commons:Wiki Loves Bangla 2025|বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৫-এর বিজয়ী ছবি]]
* '''ছবি তুলুন''': বাংলার উৎসবের ছবি তুলুন বা ভিডিও ধারণ করুন।
* '''আপলোড করুন''': আপনার ফাইলগুলো '''১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ মে ২০২৬''' তারিখের মধ্যে উইকিমিডিয়া কমন্সে আপলোড করুন।
* '''জিতুন''': মোট '''১,১০০ মার্কিন ডলার''' পুরস্কার।
শুরু করতে প্রস্তুত? [https://commons.wikimedia.org/w/index.php?title=Special:UploadWizard&uselang=bn&campaign=Wlbangla এখানে ক্লিক করে আপনার মিডিয়া আপলোড করুন], অথবা বিস্তারিত জানতে [[c:Commons:Wiki Loves Bangla 2026|প্রতিযোগিতার মূল পাতা]] দেখুন।
আপনার অবদান বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী সংরক্ষণ ও উপস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ইমেইল করুন অথবা আমাদের [https://t.me/WikiLovesBangla টেলিগ্রাম গ্রুপে] যুক্ত হোন।
শুভেচ্ছান্তে,<br>
'''বাংলার প্রেমে উইকি দল'''<br>
<nowiki>#WikiLovesBangla</nowiki><br>
</div> [[User:Moheen Reeyad|<span style="text-shadow:#8b9dc3 3px 3px 2px;"><font color="#3b5998">~ <b>মহীন</b></font></span>]] [[User Talk:Moheen Reeyad|<span style="text-shadow:gray 3px 3px 2px;"><sup>(আলাপ)</sup></span>]] ২০:১৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Request for comment (global AI policy) ==
<bdi lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr">
Apologies for writing in English. {{int:Please-translate}}
A [[:m:Requests for comment/Artificial intelligence policy|request for comment]] is currently being held to decide on a global AI policy. {{int:Feedback-thanks-title}}
[[ব্যবহারকারী:MediaWiki message delivery|MediaWiki message delivery]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MediaWiki message delivery|আলাপ]]) ০০:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
</bdi>
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30424282-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Codename Noreste@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== [স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান] বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬-এর আয়োজক দলে যোগ দিন! ==
সুপ্রিয় উইকিমিডিয়ান ও শুভানুধ্যায়ী,
আশা করি ভালো আছেন।
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা আমাদের আসন্ন '''‘বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬’''' সফলভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছি। উইকিমিডিয়া আন্দোলনের এই বৃহত্তর আয়োজনকে সফল করতে আমরা একদল উৎসাহী এবং নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছি।
আপনি যদি এই সম্মেলনের নেপথ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী হন, তবে আমরা আপনাকে নিচের যেকোনো একটি দলে যুক্ত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি:
=== আমরা মূলত তিনটি দলের জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছি: ===
# '''অনুষ্ঠান বিন্যাস দল:''' সেশন পরিকল্পনা, স্পিকারদের সাথে সমন্বয় এবং ইভেন্টের সার্বিক এজেন্ডা ব্যবস্থাপনা।
# '''কার্য পরিচালন দল:''' লজিস্টিকস, ভেন্যু ব্যবস্থাপনা, রেজিস্ট্রেশন এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা।
# '''বৃত্তি পর্যালোচনা দল:''' অংশগ্রহণকারীদের বৃত্তির আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন।
=== আবেদন করবেন যেভাবে: ===
আপনি যদি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে অনুগ্রহ করে আগামী '''২০ মে ২০২৬''' তারিখের মধ্যে নিচের লিঙ্কে গিয়ে আবেদন ফর্মটি পূরণ করুন: '''https://docs.google.com/forms/u/5/d/e/1FAIpQLSdlX3Bm-A2zyBDFbeawk5rSjYuGCGjdOcsSBeP_pd03BWZkJA/viewform?usp=send_form'''
আপনার শ্রম ও মেধা বাংলা উইকিসম্মেলনকে আরও প্রাণবন্ত ও সফল করে তুলবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আয়োজক দলের পক্ষে, [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ০৬:২৬, ১১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২০২৬ সালের ইউ৪সি নির্বাচনে এখনই ভোট দিন ==
<section begin="announcement-content" />
যোগ্য ভোটারদের ২০২৬ সালের [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|সর্বজনীন আচরণবিধি সমন্বয় কমিটির]] নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। যোগ্যতা যাচাই, ভোটদান প্রক্রিয়া, প্রার্থীদের তথ্য এবং ভোটদানের লিঙ্কসহ আরও তথ্য মেটার [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|২০২৬ সালের নির্বাচনী তথ্যপাতায়]] পাওয়া যাবে। ভোটগ্রহণ ২০২৬ সালের ২ জুন [https://zonestamp.toolforge.org/1780358400 ০০:০০ ইউটিসিতে] শেষ হবে।
আপনার অ্যাকাউন্ট যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে থাকলে অনুগ্রহ করে ভোট দিন। ফলাফল ১৪ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশ করা হবে। -- ইউ৪সির পক্ষে,<section end="announcement-content" />
[[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৭:১৫, ২৭ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== [[Special:Import]] ==
*[[:en:Index:1865 Durgeshnandini.pdf]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/1]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/6]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/7]]
Sorry for English. :/ [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ০৯:২৬, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{ping|Koavf}}, we already have the same edition available here. You can delete the index and pages from English Wikisource. -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
::Thanks. I did check before I posted and [[নির্ঘণ্ট:1865 Durgeshnandini.pdf]] is a redlink and the file at [[:c:File:1865 Durgeshnandini.pdf]] is not used on bn.ws. Where is this work? [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ১৩:০২, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
:::{{ping|Koavf}}, apologies for the delay to reply. I missed your second message. The file you are looking for is [[নির্ঘণ্ট:দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu|here]] on bn.ws. It is actually a 1924 edition and not 1865 edition as claimed in the title of the newly uploaded file. -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ০২:২৬, ১৭ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
::::<span lang="en-US">I see.</span> ধন্যবাদ. [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ০৯:০৬, ১৭ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬: ভ্রমণ বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে! ==
[[File:Bangla WikiConference 2026 logo.svg|ডান|250px|link=]]
সুপ্রিয় সুধী,
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আগামী '''৩০ অক্টোবর - ১ নভেম্বর ২০২৬''' তারিখে বাংলাদেশে [[wmbd:বিশেষ:আমার_ভাষা/বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬|'''বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬''']] অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই সম্মেলনকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে অবস্থানরত আগ্রহী উইকিমিডিয়ানদের জন্য ভ্রমণ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বৃত্তির অধীনে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত ভাতা এবং সম্মেলনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সম্মেলনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেককেই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হবে এবং আবেদন সফল হওয়া অংশগ্রহণকারীগণই সম্মেলনে অংশ নিতে পারবেন।
=== বৃত্তি আবেদনের প্রাথমিক যোগ্যতা ===
নিম্নলিখিত শর্তাবলি পূরণ না করলে আবেদনটি সরাসরি অযোগ্য বলে গণ্য হবে:
# উইকিমিডিয়া অ্যাকাউন্টটি কমপক্ষে ৬ মাস পুরোনো হতে হবে (অর্থাৎ '''১৯ ডিসেম্বর ২০২৫''' বা এর পূর্বে তৈরি অ্যাকাউন্ট)।
# আবেদনকারীর বৈশ্বিক মোট সম্পাদনা সংখ্যা কমপক্ষে '''২৫০''' হতে হবে।
# আবেদনের সময় আবেদনকারীর অ্যাকাউন্ট কোনো বাংলা প্রকল্পে অবরুদ্ধ থাকা যাবে না।
=== কীভাবে বৃত্তির জন্য আবেদন করবেন? ===
বৃত্তির আবেদন করার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্মটি বিস্তারিতভাবে পূরণ করতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় প্রয়োজন হতে পারে। আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃত্তি নির্ধারণী উপদল যাচাই করবেন আপনি বৃত্তির জন্য উপযুক্ত কি না। ফর্ম পূরণ ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানার জন্য অনুগ্রহ করে [[wmbd:বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬/বৃত্তি|'''বৃত্তি সংক্রান্ত পাতাটি''']] পড়ে দেখুন।
=== গুরুত্বপূর্ণ সময়রেখা ===
* '''আবেদন শুরু:''' ১৯ জুন, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
* '''আবেদন শেষ:''' ১৯ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
''নির্দিষ্ট সময়সীমার পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে সময়সীমার অন্তত কয়েক দিন পূর্বেই আবেদন জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।''
বৃত্তি সম্পর্কে আরও জানতে যেকোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শের জন্য নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে আলাপ পাতা কিংবা [mailto:bnwikiconference@wikimedia.org.bd bnwikiconference@wikimedia.org.bd] ঠিকানায় ইমেইল করার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।
শুভেচ্ছান্তে,<br>
বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬ আয়োজক দল<br>
১৮:১৫, ১৮ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
== RFC about AI-generated content in Wikimedia Commons ==
<bdi lang="en" dir="ltr">Apologies for writing in English, please help translate this message to your language. You are invited to participate in a [[c:Commons:Requests for comment/Policy update for AI content|request for comment on Wikimedia Commons about a policy update for AI content]]. This may affect files that are uploaded to Wikimedia Commons for use on this project. Thank you. [[m:User:Codename Noreste|Codename Noreste]] ([[m:User talk:Codename Noreste|আলোচনা]])</bdi> ১৭:১২, ২৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Codename Noreste@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== <span lang="en" dir="ltr">Deployment of Legal and Safety Contacts Link in the Footer of Your Wiki</span> ==
<div lang="en" dir="ltr">
<section begin="Message"/>
'''Legal & Safety Contacts'''
Hello community, the Wikimedia Foundation has provided a [[wmf:Special:MyLanguage/Legal:Wikimedia Foundation Legal and Safety Contact Information|single legal and safety contact page]], to be linked in the footer of your wiki, to ensure access to accurate legal information. This is a regulatory requirement. We have already rolled out links to English, German, Italian, Spanish and other wikis and we will deploy to your wiki soon. [[m:Special:MyLanguage/Wikimedia_Foundation_Legal_and_Safety_Contacts_FAQ|Please read more on the project page]] and leave any comments in this thread or on the [[m:Special:MyLanguage/Talk:Wikimedia Foundation Legal and Safety Contacts FAQ|talk page]].
<section end="Message"/>
</div>
-- [[User:Sannita (WMF)|User:Sannita (WMF)]] ([[User talk:Sannita (WMF)|talk]]) ১৩:৩০, ২৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Sannita_(WMF)/Mass_sending_test&oldid=30731267-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Sannita (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== Request for comment (the future of Abstract Wikipedia) ==
<bdi lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr">
Apologies if this has not yet been translated into your wiki's language. {{int:Please-translate}}
You are invited to voice your opinions in a [[:m:Requests for comment/The future of Abstract Wikipedia|request for comment about the future of Abstract Wikipedia]]. {{Int:Feedback-thanks-title}}
[[:m:User:Kowal2701|Kowal2701]] ([[:m:User talk:Kowal2701|talk]]) ১২:২৫, ২৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
</bdi>
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:DreamRimmer@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== <span lang="en" dir="ltr">Migration to Parsoid</span> ==
<div lang="en" dir="ltr">
<section begin="announcement-content" />
<em>[[m:Special:MyLanguage/Wikimedia Foundation/Product and Technology/Parsoid Read Views/Read View Announcement|Read this in another language]]</em>
Hello everyone! I am glad to inform you that as the next step in the [[mw:Special:MyLanguage/Parsoid/Parser Unification|Parser Unification]] project, Parsoid will soon be turned on as the default article renderer on your wiki. We are gradually increasing the number of wikis using Parsoid, with the intention of making it the default wikitext parser for MediaWiki's next long-term support release. This will make our wikis more reliable and consistent for editors, readers, and tools to use, as well as making the development of future wikitext features easier.
If this disrupts your workflow, don’t worry! You can still opt out through a user preference or turn Parsoid off on the current page using the Tools submenu, as described in the [[mw:Special:MyLanguage/Help:Extension:ParserMigration|Extension:ParserMigration]] documentation.
There is [[mw:Special:MyLanguage/Parsoid/Parser Unification/Confidence Framework|more information about our roll-out strategy]] available, including the testing done before we turn on Parsoid for a new wiki.
To report bugs and issues, please look at our [[mw:Special:MyLanguage/Parsoid/Parser Unification/Known Issues|known issues]] documentation and if you found a new bug please create a phab ticket and tag the [[phab:project/view/5846|Content Transform Team in Phabricator]].
<section end="announcement-content" />
</div>
[[mw:User:MSantos (WMF)|Content Transform Team]] ১৬:৩১, ৩ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery/Wikisource&oldid=28221043-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:MSantos (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== Invitation to pre-conference activities for WikiConference India 2026 ==
Dear Wikimedia contributors,
As the Wikiconference India 2026 draws nearer, the excitement is soaring as well! We are sending this message to inform you that two pre-conference activities are being held as a part of this meetup. The Wiki Loves Villages campaign 2026 starts on 15th August 2026, so get ready to contribute! This initiative aims to expand and enhance content and media about villages across all Wikimedia projects, creating a comprehensive, open-access knowledge base.
Campaign Focus:
A. Expand Wikipedia articles about Villages in India in multiple languages
B. Improve content quality with citations, images, and comprehensive information
C. Populate Wikimedia Commons with freely licensed media about a village
D. Enrich Wikidata with structured information about Village-related topics
We invite you to contribute by writing new articles, enhancing existing ones, uploading media, or organizing data on Wikidata. Whether you're an experienced editor or new to Wikimedia, your participation matters.
For more information and to get involved, visit the campaign page ([https://meta.wikimedia.org/wiki/Wiki_Loves_Village_2026](https://meta.wikimedia.org/wiki/Wiki_Loves_Village_2026)) on your preferred Wikimedia project.
Another way to contribute to a pre-conference activity is the innovative Wiki Loves Medicinal Plants 2026- it is a photography campaign hosted by WikiConference India 2026. The activity already started on 1st August and ends on 31st August 2026, so gear up to document local medicinal knowledge and fill the knowledge gaps.
This initiative aims to expand and enhance freely licensed images and other media of medicinal plants in and around our surroundings.
Campaign Focus:
A. Add freely licensed images of medicinal plants.
B. Improve description of existing medicinal plants.
C. Improve depictions of images.
D. Improve wikidata items.
We invite you to contribute by adding new photos, videos or enhancing existing ones. Whether you're an experienced editor or new to Wikimedia, your participation matters.
To know more about how to contribute, rules, and tips head to the Meta page to find information ([https://commons.wikimedia.org/wiki/Commons:Wiki_Loves_Medicinal_Plants](https://commons.wikimedia.org/wiki/Commons:Wiki_Loves_Medicinal_Plants)) on your preferred Wikimedia project.
Best regards,<br>WikiConference India 2026 pre-conference organizing team
-- [[ব্যবহারকারী:Kuldeepburjbhalaike|Kuldeepburjbhalaike]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Kuldeepburjbhalaike|আলাপ]]) ১১:২০, ১৪ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
6futce0cjk58kij934md0omjtloizli
টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD
10
9620
1993916
1993847
2026-08-14T07:02:38Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993916
wikitext
text/x-wiki
444845
30ks43y4af8xm0flc0uyylyup6puucx
টেমপ্লেট:ALL PAGES
10
9621
1993917
1993848
2026-08-14T07:02:48Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993917
wikitext
text/x-wiki
558411
8bc8zpetcr55gwn7pe0ausl8fea6ztq
টেমপ্লেট:PR TEXTS
10
9622
1993918
1993671
2026-08-14T07:02:58Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993918
wikitext
text/x-wiki
19733
poupd5evn1f9p2decai3ouuhoga5ywi
টেমপ্লেট:ALL TEXTS
10
9623
1993919
1993672
2026-08-14T07:03:08Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1993919
wikitext
text/x-wiki
19733
poupd5evn1f9p2decai3ouuhoga5ywi
পাতা:ভানুসিংহের পত্রাবলী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩
104
294273
1993896
1678847
2026-08-13T16:03:27Z
Bodhisattwa
2549
1993896
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>পত্রধারা—২
{{dhr|2em}}
{{c|{{xxxx-larger|'''ভানুসিংহের পত্রাবলী'''}}
{{dhr|10em}}
{{x-larger|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
{{dhr|10em}}
[[চিত্র:Visva-Bharati University logo.svg|70px]]
{{dhr|10em}}
{{larger block|বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়}}
২১০ নং কর্নওআলিস স্ট্রীট, কলকাতা।}}<noinclude></noinclude>
c67kr8fmmia0rc3u8w255f1d9lvkrpz
পাতা:বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন.pdf/৭
104
554603
1993881
1562542
2026-08-13T12:25:42Z
Bodhisattwa
2549
1993881
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="4" user="রাহুল মীর" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত।'''}}
{{rule|7em}}
{{x-larger|'''উপক্রমণিকা।'''}}}}
{{gap}}দেশ-বিদেশের অনেক কৃতবিদ্য মহানুভব ব্যক্তি, সাধারণের নিকট যশস্বী হইবার মানসে—বিদ্যোৎসাহী, দেশহিতৈষী, অবলাবন্ধু, দয়াময়, আজন্ম-বিশুদ্ধচরিত, পূজ্যপাদ জ্যেষ্ঠাগ্রজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জীবনচরিত লিখিতে প্রবৃত্ত হইয়াছেন শুনিয়া, স্বল্পমতি আমিও, ঐ সকল যশস্বী লেখকগণের ন্যায় জীবনচরিত লিখিতে প্রবৃত্ত হইলাম। এবিষয়ে আমি নিশ্চয়ই সাধারণের নিকট উপহাসাষ্পদ হইব। অথবা পাঠকবর্গ আমাকে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের তৃতীয় সহোদর বলিয়া জানিতে পারিলে, অবজ্ঞা না করিতেও পারেন। আমি বাল্যকাল হইতেই অগ্রজ মহাশয়ের নিতান্ত অনুগত ছিলাম। তাঁহার জন্মভূমির কীর্ত্তিস্তম্ভম্বরূপ বীরসিংহবিদ্যালয়, বালিকাবিদ্যালয়, রাখালস্কুল, দাতব্য-চিকিৎসালয় ও বৃত্তিভোগী নিরুপায় দরিদ্রলোকদিগের মাসহরা বিলি, বিধবাবিবাহাদি কার্য্যসমূহ, এবং সন ১২৭২।৭৩ সালের বিষম দুর্ভিক্ষসময়ে প্রত্যহ সহস্ৰাধিক দরিদ্র লোকের প্রাণরক্ষাদি কার্য্য আমার তত্ত্বাবধানে ছিল। আমি বাল্যকাল হইতে পিতামহী, মাতামহী ও জননীদেবীর প্রমুখাৎ তাঁহার বাল্যকালের যে সকল আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি বিশিষ্টরূপ অবগত হইয়াছি, অদ্যাপি সেই সকল কথা আমার স্মৃতিপথে জাজ্জ্বল্যমান রহিয়াছে। অগ্রজ মহাশয় কাশীধামে বৃদ্ধ পিতৃদেবের শেষাবস্থায় তাঁহার শুশ্রষ্যাদি কার্য্যে প্রায় ৬/৭ বৎসর আমায় নিযুক্ত রাখিয়াছিলেন। তথায় পিতৃদেবের প্রমুখাৎ এবং আমি যৎকালে সংস্কৃত-কলেজে অধ্যয়ন করি, তৎকালে কলেজের ব্যাকরণের অধ্যাপক পূজ্যপাদ গঙ্গাধর তর্কবাগীশ, সাহিত্যা-<noinclude></noinclude>
4xe72cg3pi557o5tx88rfqxfeydfv7e
1993883
1993881
2026-08-13T12:27:21Z
Bodhisattwa
2549
1993883
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="4" user="রাহুল মীর" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|'''বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত।'''}}
{{rule|7em}}
{{x-larger|'''উপক্রমণিকা।'''}}}}
{{gap}}দেশ-বিদেশের অনেক কৃতবিদ্য মহানুভব ব্যক্তি, সাধারণের নিকট যশস্বী হইবার মানসে—বিদ্যোৎসাহী, দেশহিতৈষী, অবলাবন্ধু, দয়াময়, আজন্ম-বিশুদ্ধচরিত, পূজ্যপাদ জ্যেষ্ঠাগ্রজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জীবনচরিত লিখিতে প্রবৃত্ত হইয়াছেন শুনিয়া, স্বল্পমতি আমিও, ঐ সকল যশস্বী লেখকগণের ন্যায় জীবনচরিত লিখিতে প্রবৃত্ত হইলাম। এবিষয়ে আমি নিশ্চয়ই সাধারণের নিকট উপহাসাষ্পদ হইব। অথবা পাঠকবর্গ আমাকে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের তৃতীয় সহোদর বলিয়া জানিতে পারিলে, অবজ্ঞা না করিতেও পারেন। আমি বাল্যকাল হইতেই অগ্রজ মহাশয়ের নিতান্ত অনুগত ছিলাম। তাঁহার জন্মভূমির কীর্ত্তিস্তম্ভম্বরূপ বীরসিংহবিদ্যালয়, বালিকাবিদ্যালয়, রাখালস্কুল, দাতব্য-চিকিৎসালয় ও বৃত্তিভোগী নিরুপায় দরিদ্রলোকদিগের মাসহরা বিলি, বিধবাবিবাহাদি কার্য্যসমূহ, এবং সন ১২৭২৷৭৩ সালের বিষম দুর্ভিক্ষসময়ে প্রত্যহ সহস্ৰাধিক দরিদ্র লোকের প্রাণরক্ষাদি কার্য্য আমার তত্ত্বাবধানে ছিল। আমি বাল্যকাল হইতে পিতামহী, মাতামহী ও জননীদেবীর প্রমুখাৎ তাঁহার বাল্যকালের যে সকল আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি বিশিষ্টরূপ অবগত হইয়াছি, অদ্যাপি সেই সকল কথা আমার স্মৃতিপথে জাজ্জ্বল্যমান রহিয়াছে। অগ্রজ মহাশয় কাশীধামে বৃদ্ধ পিতৃদেবের শেষাবস্থায় তাঁহার শুশ্রষ্যাদি কার্য্যে প্রায় ৬৷৭ বৎসর আমায় নিযুক্ত রাখিয়াছিলেন। তথায় পিতৃদেবের প্রমুখাৎ এবং আমি যৎকালে সংস্কৃত-কলেজে অধ্যয়ন করি, তৎকালে কলেজের ব্যাকরণের অধ্যাপক পূজ্যপাদ গঙ্গাধর তর্কবাগীশ, সাহিত্যা-<noinclude></noinclude>
rq5ib4859v9wp615ino4kdo2tncxdjx
পাতা:বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন.pdf/১১
104
554607
1993882
1562544
2026-08-13T12:26:16Z
Bodhisattwa
2549
1993882
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="4" user="রাহুল মীর" />{{rh||উপক্রমণিকা।|৭}}</noinclude>{{gap}}রামজয় অতি বুদ্ধিমান, বলশালী ও সাহসী পুরুষ ছিলেন। লৌহযষ্টি হস্তে লইয়া সর্বত্র ভ্রমণ করিতেন, কাহাকেও ভয় করিতেন না। এক সময় বীরসিংহ হইতে মেদিনীপুর যাইতেছেন, পথিমধ্যে এক ভল্লুক দেখিতে পাইলেন। ভল্লুক দেখিয়া ভয় না পাইয়া, এক বৃক্ষের অন্তরালে দণ্ডায়মান হইলে, ভল্লুক তাঁহাকে আক্রমণ করিবার জন্য বৃক্ষের চতুর্দিকে তাঁহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ ঘূর্ণ্যমান হওয়ায়, তিনিও অগ্রে অগ্রে ঘুরিতে লাগিলেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভল্লুক দুই হস্ত প্রসারণপূর্ব্বক বৃক্ষটী আঁকড়াইয়া, তাহাকে ধরিবার চেষ্টা করিল; ঐ সময় রামজয়, বৃক্ষের অপর পার্শ্ব হইতে ভালুকের দুই হস্ত ধরিয়া বৃক্ষে ঘর্ষণ করিতে আরম্ভ করিলেন। তাহাতে ভল্লুক মৃতপ্রায় হইলে ছাড়িয়া দিলেন। ভল্লুককে মৃতকল্প ভূপতিত দেখিয়া, প্রস্থান করিতে উদ্যত হইলেন এমন সময় ভল্লুক উঠিয়া দ্রুতবেগে দৌড়িয়া গিয়া, রামজয়ের পৃষ্ঠে নখাঘাত করিল; তখন পৃষ্ঠে শোণিতধারা বিনিৰ্গত দেখিয়া, ক্রোধাভরে লৌহদণ্ডপ্রহারে ভল্লুকের প্রাণবিনাশ করিলেন। ভল্লুকের পাঁচটী নখাঘাতের ক্ষতে প্রায় মাসাধিক কষ্ট পাইয়া পরে আরোগ্যলাভ করেন।
{{gap}}বীরসিংহায় বাস্তু-বাটীর ভূস্বামী, রামজয়কে নিষ্কর ব্রহ্মোত্তর করিয়া দিবেন মানস করিয়াছিলেন; কিন্তু রামজয় দান গ্রহণ করিতে সম্মত হন নাই। গ্রামের অনেকেই নাখরাজ করিবার জন্য তাঁহাকে অনেক উপদেশ দিয়াছিলেন, কিন্তু কাহারও অনুরোধ রক্ষা করেন নাই। তদবধি বাস্তুভূমির ৯৷৴০ টাকা কর আদায় হইয়া আসিতেছে। রামজয়ের মনোগত ভাব এই যে, নিষ্করে বাস করিলে, ভুস্বামী পুণ্যের অংশ গ্রহণ করিতে পরিবেন এবং তিনি আজন্মকাল মনে মনে অহঙ্কার করিতে পরিবেন যে, আমি উহাকে চিরকালের জন্য বাসস্থান দান করিয়াছি; একারণ নিষ্করে বাস করিতে সম্মত হইলেন না।
{{gap}}ঠাকুরদাসের বাঙ্গালা, শ্যাখতি ও জমিদারী কাগজ শিক্ষা হইয়াছে দেখিয়া, রামজয়, ঠাকুরদাসকে সমভিব্যাহাৱে লইয়া কলিকাতা যাত্রা করিলেন। তথায় বাগবাজারস্থ সঙ্গতিপন্ন জ্ঞাতি সভারাম বাচস্পতির ভবনে উপস্থিত হইলে,<noinclude></noinclude>
kx8ilgfz4ap9fkv5nqbcripzb0f6c96
পাতা:বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন.pdf/২১
104
554617
1993884
1557856
2026-08-13T12:28:32Z
Bodhisattwa
2549
1993884
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="4" user="রাহুল মীর" />{{rh||শিশুচরিত।|১৭}}</noinclude>বিদ্যাভূষণ স্বীয় আবাসে অগ্রজ, মধ্যম ভ্রাতা ও জননীদেবীকে সমভিব্যাহারে লইয়া যান। তথায় খানাকুল কৃষ্ণনগরের সন্নিহিত কোঠারা গ্রামে যে সকল চিকিৎসাব্যবসায়ী বৈদ্য বাস করিতেন, তন্মধ্যে উৎকৃষ্ট চিকিৎসককে আনাইয়া শাস্ত্রমত চিকিৎসা করান হয়। রাধামোহন বিদ্যাভূষণের যত্নে ও কবিরাজ রামলোচনের সুচিকিৎসায়, অগ্রজ মহাশয় সে যাত্রা রক্ষা পান। বাল্যকাল্লে অগ্রজ মহাশয় জননীদেবীর সহিত মধ্যে মধ্যে পাতুলগ্রামে যাইতেন। রাধামোহন বিদ্যাভূষণ ও তাঁহার ভ্রাতৃবর্গ অগ্রজকে আন্তরিক ভাল বাসিতেন; তজ্জন্য অগ্রজ মহাশয় যাবজ্জীবন রাধামোহনের পরিবারসমূহকে যথেষ্ট স্নেহ ও শ্রদ্ধা করিয়া, মাসিক-ব্যয়-নির্ব্বাহার্থে বন্দোবস্ত করিয়াছিলেন।
{{gap}}প্রায় ছয় মাস পাতুলগ্রামে অবস্থিতি করিয়া, সম্পূর্ণরূপ আরোগ্যলাভপূর্বক, বীরসিংহায় আসিয়া তিনি পুনর্ব্বার পাঠশালায় অধ্যয়নার্থ নিযুক্ত হন।
{{gap}}বাল্যকালে অগ্রজ অত্যন্ত দুরন্ত ছিলেন। ৫৷৬৷৭৷৮ বৎসর বয়ঃক্রমকালে প্রত্যুষে কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের পাঠশালায়, যাইবার সময়, প্রতিবেশী অনুগত মথুরামোহন মণ্ডলের মাতা পার্ব্বতী ও পত্নী সুভদ্রাকে বিরুক্ত করিবার মানসে, প্রায় প্রত্যহ তাহাদের দ্বারে মলমূত্র ত্যাগ করিতেন। মথুরের পত্নী সুভদ্রা ও জননী পার্ব্বতী ঐ বিষ্ঠা প্রত্যহ স্বহস্তে পরিষ্কার করিতেন। যদি কোন দিন মথুরের পত্নী সুভদ্রা বিরক্ত হইয়া বলিত, দুষ্ট বামুন প্রত্যহই তুমি পাঠশালা যাইবার সময় আমার দ্বারে মল ত্যাগ করিবে? অতঃপর এরূপ গর্হিত কার্য্য করিলে গুরুমহাশয় ও তোমার পিতামহীকে বলিয়া তোমাকে শাসন করাইব। ইহা শুনিয়া সুভদ্রার শ্বশ্রূ, বৌকে এই বলিয়া উপদেশ দিতেন যে, এই ছেলেটী সহজ নহে; ইহার পিতামহ ১২ বৎসর বিবাগী হইয়া তীর্থক্ষেত্রে জপ তপ করিয়া দিনপাত করিতেন। তিনি সাক্ষাৎ ঋষিতুল্য ছিলেন। তাঁহার মুখে শুনিয়াছি, এই বালক অদ্বিতীয়-শক্তিসম্পন্ন হইবে। অতএব তুমি বিরক্ত হইও না; আমি স্বয়ং ইহাঁর মলমূত্র পরিষ্কার করিব। ভবিষ্যতে ঐ বালক যে কে, তাহা জানিতে পরিবে।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
j8evfjri45v2owe42o9o2lwc7d97bfi
নির্ঘণ্ট:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf
102
860826
1993912
1993496
2026-08-13T20:22:04Z
Bodhisattwa
2549
1993912
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134982654
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=V
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2="বিজ্ঞাপন" 3="প্রচ্ছদ" 4="প্রকাশক" 5="সূচীপত্র" 6="—" 7="5" 33to34="চিত্র" 35="31" 53="বিজ্ঞাপন" 54="মলাট" />
|Volumes=
|Remarks={{পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫}}
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
i5puuhjnp5ioj15op9h3b5u5gugy876
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৪৫
104
883970
1993879
2026-08-13T12:11:10Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993879
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||শক্তি ও তড়িৎ|৪১}}</noinclude>{{ফাঁক}}তাহার পর পরীক্ষায় প্রমাণিত হইল যে, একটি পরমাণু হইতে বিযুক্ত হইয়া অতি ক্ষুদ্র কণিকা বাহির হয়; ইহারা নেগেটিভ তড়িৎযুক্ত। ইহাদের নাম দেওয়া হইল ইলেক্ট্রন। পজিটিভ তড়িৎযুক্ত ইহাদের জুড়িদারদের সন্ধান চলিল। সন্ধান মিলল। উহাদের নাম দেওয়া হইল প্রোটন। দেখা গেল, পরমাণুমাত্রই ইলেকট্রন-প্রোটনের সমষ্টি, অতএব পরমাণুকে আর বিশ্বের মূল বলা চলিল না। পরমাণুকে ভাগ করিয়া যাহা পাওয়া গেল সেই প্রোটন-ইলেক্ট্রন বিশ্বের মূল উপাদান বলিয়া পরিগণিত হইল।
{{ফাঁক}}পরে আর-কতকগুলি কণিকার সন্ধান মিলিল; তাহারা ইলেক্ট্রন প্রোটন নয়, অথচ ঐ জাতীয়। ইহারা বিশ্বে ছড়াইয়া আছে, তবে ইহাদের জীবিতকালের পরিমাণ অত্যন্ত কম, একটি সেকেণ্ডের অতি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ মাত্র। সেই কারণে পরীক্ষার বিপুল আয়োজন করিয়া ইহাদিগের সন্ধান মিলিল। ইলেক্ট্রন-প্রোটনের ন্যায় ইহাদিগকেও বিশ্বের উপাদান বলিয়া ধরা হইল।
{{ফাঁক}}ইহার পর অন্য একটি প্রশ্ন দেখা দিল। এই সব উপাদান তো অবিভাজ্য; কিন্তু ইহারা কি পরিবর্তনশীল? পজিট্রন প্রভৃতি তো প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হইতেছে, কিন্তু ইলেক্ট্রন প্রোটন? অন্য আর-কিছু হইতে কি ইলেক্ট্রন-প্রোটনের উৎপত্তি হইতেছে এবং অপর কিছুতে কি উহারা বিলীন হইয়া যাইতেছে? এ সম্বন্ধে বিজ্ঞানের সাক্ষ্য অনুসন্ধান করা যাক।
{{ফাঁক}}একটি পরমাণু যদি পূর্ণসংখ্যক ইলেক্ট্রন-প্রোটনের সমষ্টি হয় তবে ইহার আণবিক ওজন একজোড় ইলেক্ট্রন-প্রোটন অর্থাৎ একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর গুণিতক হইবে; উহাতে ভগ্নাংশ আসিতে পারে না। আচ্ছা, হিলিয়ামের আণবিক ওজন ধরা যাক, উহা ৪.০০৩৮৪।<noinclude></noinclude>
elitnxwkmuih1iok43fcqp79i0mj98d
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৪৬
104
883971
1993880
2026-08-13T12:23:19Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993880
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৪২|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>হাইড্রোজেনের আণবিক ওজন ১.০০৮১৩, হাইড্রোজেনের আণবিক ওজনের অর্থ একজোড় ইলেক্ট্রন-প্রোটনের ওজন। হিলিয়মে যদি ২ নিউট্রন + ২ প্রোটন + ২ ইলেক্ট্রন (বাহিরে) থাকে তবে হিলিয়মের আণবিক ওজন হওয়া উচিত ৪.০৩৪১৮; কিন্তু তাহা না হইয়া ৪.০০৩৮৪ হইল কিরূপে।
{{ফাঁক}}পদার্থ অবিনশ্বর, ইহার হ্রাসও নাই, বৃদ্ধিও নাই—বহু পূর্ব হইতে বিজ্ঞান এই মতবাদ গ্রহণ করিয়াছিল এবং ইহার উপর সে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল। আইনস্টাইন বলিলেন, কথাটার একটু পরিবর্তন করিতে হইবে। তিনি বলিলেন যে, পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়; এতটুকু পদার্থের বিলোপে কত পরিমাণ শক্তির উদ্ভব হয় আইনস্টাইন তাহারও একটা হিসাব দিলেন। প্রচণ্ড এ শক্তি! ঠিক করা হইল যে, ইলেক্ট্রননিউট্রন-প্রোটন লইয়া হিলিয়ম-পরমাণু যখন প্রথম গঠিত হয় তখন একটুখানি পদার্থ (.০৩০৩২) বিনষ্ট হয়, সঙ্গে সঙ্গে বহুপরিমাণ শক্তি বাহির হইয়া যায়। হিসাবে দাঁড়াইল একটি হিলিয়ম-পরমাণুর উৎপত্তির জন্য পদার্থের বিলোপে যে শক্তির উদ্ভব হইবে, তাহা একটি তিন কোটি বিভবের (potential) তড়িৎ দ্বারা চালিত একটি ইলেক্ট্রনের শক্তির সমান।
{{ফাঁক}}সূর্যের এত তেজ কোথা হইতে আসিতেছে। এখনকার সিদ্ধান্ত এই, বস্তুর রূপান্তরে সূর্যের এই তেজ। হাইড্রোজেনের প্রোটন হিলিয়মে রূপান্তরিত হইতেছে, ফলে কিছু পদার্থ শক্তির রূপ লইতেছে।
{{ফাঁক}}এখন, সূর্যে যাহা হইতেছে পৃথিবীতে অনুরূপ ব্যাপার ঘটানো কি সম্ভব নয়? বিজ্ঞানী অ্যাটম বোমার সৃষ্টি করিলেন, বিশেষ রকমের অল্প একটু পদার্থ প্রচণ্ড শক্তি রূপে দেখা দিল।
{{ফাঁক}}এখন অন্য এক প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করা যাক। পদার্থ শক্তিতে<noinclude></noinclude>
2x0z1d1xx3t7mafecedtdt8mlv6ijea
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৪৭
104
883972
1993885
2026-08-13T12:49:58Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993885
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||শক্তি ও তড়িৎ|৪৩}}</noinclude>রূপান্তরিত হইতেছে, কিন্তু ইহার বিপরীত প্রক্রিয়া কি সম্ভব যে, শক্তি অন্তর্হিত হইতেছে এবং সেই অনুপাতে পদার্থের জন্ম হইতেছে? তাহাও হইতেছে; প্রমাণ মিলিল।
{{ফাঁক}}একজোড়া পজিট্রন-ইলেক্ট্রনের যে ভর তাহার তুল্যমূল্য রশ্মির শক্তি হইল দশ লক্ষ ইলেক্ট্রন-ভোল্ট। তাহা হইলে অন্তত এই পরিমাণের শক্তি না হইলে একজোড় পজিট্রন ইলেক্ট্রনের উদ্ভব সম্ভব নয়। কোথায় মিলিবে এ শক্তি? দেখা গেল, থোরিয়ম C” হইতে নির্গত গামা রশ্মির শক্তি ২৬ লক্ষ ইলেক্ট্রন-ভোল্ট। উইল্সনের কক্ষমধ্যেই এই গামা-রশ্মি নির্গত হইতে লাগিল এবং সঙ্গে সঙ্গে বিবিধ ফটোগ্রাফ লওয়া হইল। ফটোগ্রাফ হইতে দেখা গেল যে, পজিট্রন ও ইলেক্ট্রনের সৃষ্টি হইতেছে এবং শুধু তাহা নয়, গণনাটি আর একদিক হইতে বিস্ময়কররূপে মিলিয়া গেল। ২৬ লক্ষ ইলেক্ট্রন-ভোল্ট শক্তির ১০ লক্ষ যদি পজিট্রন-ইলেক্ট্রনের উৎপত্তিতে ব্যয়িত হয়, তবে অবশিষ্ট ১৬ লক্ষ ইলেক্ট্রন-ভোল্ট শক্তি ঐ পজিট্রন ইলেক্ট্রনের মধ্যে বণ্টন হইবে। পরীক্ষায় ইহাও প্রতিপন্ন হইল।
{{ফাঁক}}পদার্থ যদি শক্তির অভিব্যক্তি হয় তবে বিশ্বের মূল হিসাবে আর ইলেক্ট্রন প্রভৃতিকে ধরা কেন, কেবল শক্তিকেই তো বিশ্বের মূল উপাদান বলা চলে। অবশ্য, উহার উপর যোগ করিতে হয় তড়িৎ। শেষ অবধি তাহাই দাঁড়াইল।
{{ফাঁক}}এই ব্রহ্মাণ্ডের বিশালত্ব সম্বন্ধে একটা আখ্যান আছে। এক দেবদূত মানবকে ব্রহ্মাণ্ডের মধ্য দিয়া লইয়া যাইতেছিল। যতই অগ্রসর হয় সম্মুখে ততই সীমাহীন পথ দেখিয়া সেই যাত্রী থামিয়া পড়িল, কাঁদিতে কাঁদিতে দেবদূতকে বলিল, “আর আমি অগ্রসর হইব না; সম্মুখে কোনও সীমা দেখিতেছি না, এই সীমাহীনতা আমার<noinclude></noinclude>
fee89rr1m6bstjnl802555xw3fz1asj
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৪৮
104
883973
1993886
2026-08-13T12:51:32Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993886
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৪৪|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>মনকে পীড়া দিতেছে, আমার দেহ অবসন্ন হইয়া আসিতেছে, এই খানেই আমার যাত্রা শেষ করিব।” দেবদূত তখন অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া বলিল, “ভগবানের এ রাজত্বের শেষ নাই, আবার দেখো, আরম্ভও নাই।”
{{ফাঁক}}এই ব্রহ্মাণ্ড! কিন্তু ইহা যতই বিরাট হোক, যতই কল্পনাতীত হোক, ইহার মূলে রহিল মাত্র দুইটি কথা—শক্তি ও তড়িং। পদার্থ শক্তির রূপান্তরিত অবস্থা মাত্র, কিন্তু শক্তির হ্রাসও নাই বৃদ্ধিও নাই; শক্তি অবিনশ্বর। আর তড়িৎও অবিনশ্বর।
{{ফাঁক}}এই অবিনশ্বরের পর্যায়ে অন্য দুইটা কথা আসিয়া পড়ে, তাহা হইল ভরবেগ (momentum) এবং কৌণিক ভরবেগ (angular momentum)।<noinclude></noinclude>
7fzv1gel4v15o4lufogadr2j3ge98g2
বিশ্বের উপাদান/শক্তি ও তড়িৎ
0
883974
1993887
2026-08-13T12:52:09Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=44 to=48 fromsection=B header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993887
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=44 to=48 fromsection=B header=1/>
gd9kgwfgpsr5t776vrfm0m4ltam46k2
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৪৯
104
883975
1993888
2026-08-13T13:06:46Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993888
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{x-larger|উপসংহার}}}}
{{ফাঁক}}প্রসঙ্গক্রমে কথাটা উঠিয়াছে যে, পদার্থ হইল শক্তির রূপান্তরিত অবস্থা। মানব ঔৎসুক্যের সহিত প্রশ্ন করিতেছে, আজও কি পদার্থের জন্ম হইতেছে এবং যদি হয় তবে কোথায় কিভাবে হইতেছে। সম্পূর্ণ উত্তর সে আজও পায় নাই, তবে বর্তমান কালের বিভিন্ন পরীক্ষা হইতে মনে হয়, যেন তিমিরদুয়ার একটু একটু করিয়া খুলিয়া যাইতেছে। এইসব পরীক্ষার সামান্য একটু আভাস দেওয়া হইতেছে।
{{ফাঁক}}রেডিয়ম, এক্স্-রশ্মি যখন আবিষ্কৃত হয় সেই সময় হইতে দেখা গিয়াছিল যে, উহাদের চারিদিকের গ্যাস তড়িৎ-পরিবাহক হয়। বর্তমান শতাব্দীর প্রারম্ভে গাইটেল তেজষ্ক্রিয় পদার্থ হইতে কোনও রকম রশ্মি আসিতে না পারে এইরূপ বন্দোবস্ত করিয়াও দেখিলেন যে, বায়ুকে সম্পূর্ণরূপে তড়িৎপরিবাহকত্বহীন করা যায় না। তাহার পর গোকেল, হেম, কোল্হর্স্টার স্বর্ণপত্রযুক্ত তড়িৎ-নির্দেশক যন্ত্র (gold-leaf electroscope) খুব উচ্চে লইয়া গেলেন; তড়িৎপরিবাহকত্ব কমিল না বরং দেখা গেল, পাঁচ মাইল উচ্চে উহা সাতগুণ বাড়িয়া গিয়াছে। গাইটেলের পরীক্ষা সম্বন্ধে এতদিন রাদার্ফোর্ড্ বলিয়া আসিতেছিলেন যে, মাটির মধ্যে লুক্কায়িত কোনও তেজষ্ক্রিয় পদার্থ হইতে নির্গত রশ্মি দ্বারা ঐরূপ ঘটিতেছে। কিন্তু এখন আর সে কথা বলা চলিল না। মাটি হইতে যদি ঐ রশ্মি নির্গত হয় তবে পাঁচ মাইল পথ ভ্রমণ করিবার পর উহা হয় লুপ্ত হইবে না-হয় খুব কমিয়া যাইবে, বাড়িয়া যাইতে পারে না। নিশ্চয় পৃথিবীর বাহির হইতে আগত কোনও রশ্মি দ্বারা ঐরূপ ঘটিতেছে।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
ido4n8oqntx7vco87mhpnw806aawfdi
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫০
104
883976
1993889
2026-08-13T13:11:29Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993889
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৪৬|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>{{ফাঁক}}১৯১৪ সালে মিলিক্যান এ সম্বন্ধে গবেষণা আরম্ভ করিলেন, কিন্তু যুরোপীয় মহাযুদ্ধের জন্য কাজ বেশীদূর অগ্রসর হইল না। ১৯২১ সালে মিলিক্যান এ সম্বন্ধে আবার মনোনিবেশ করিলেন। পর্বতশিখরে, গভীর হ্রদে, আকাশে খুব উচ্চে এই রশ্মির তীব্রতা সম্বন্ধে মিলিক্যান অনুসন্ধান আরম্ভ করিলেন। তিনি একটি যন্ত্র নির্মাণ করিলেন যাহাতে উষ্ণতা, বায়ুর চাপ, তড়িৎ-নির্দেশক যন্ত্রে পাতা মুড়িবার হার, স্বতই লিখিত হয়। যন্ত্রটির প্রধান বিশেষত্ব এই যে, উহা ওজনে মাত্র সাত আউন্স্। ইহার সহিত দুইটি বেলুন যুক্ত করিয়া দেওয়া হইল, স্ফীত অবস্থায় প্রত্যেকটির ব্যাস ১৮ ইঞ্চি মাত্র। বেলুন দুটি হালকা গ্যাসে ভরিয়া দেওয়ায় উহারা উপরে উঠিতে লাগিল। খুব বেশী উঁচুতে উঠিয়া একটি ফাটিল; তখন আর একটি প্যারাসুটের ন্যায় কাজ করিল এবং সমস্তটি ধীরে ধীরে নামিতে লাগিল। একটি পরীক্ষার যন্ত্রটি প্রায় ১০ মাইল উর্ধ্বে উঠিল, সেখানে শৈত্য—৬০° ডিগ্রি সেণ্টিগ্রেড; উঠিতে সময় লাগিয়াছিল ১১৫ মিনিট, নামিতে ৭৬ মিনিট। এই দশ মাইলের মধ্যে পৃথিবীর উপরিস্থিত বায়ুর প্রায় ১০ ভাগের ৯ ভাগ আছে। পরীক্ষায় কয়েকটি ব্যাপার লক্ষিত হইল। যত উপরে উঠা যায় রশ্মির তীক্ষ্ণতা তত বাড়ে এবং যে হারে বাড়ে তাহাতে এই প্রমাণ হয় যে, এই রশ্মি বায়ু দ্বারা খুবই অল্প পরিমাণে শোষিত হয়। জলের মধ্য দিয়া যাইলেও রশ্মির তীব্রতা যে খুব অল্প পরিমাণে হ্রাস পায়, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে নানা পরীক্ষা হইতে তাহা প্রমাণিত হইল। সকল পরীক্ষা হইতে এই সিদ্ধান্ত করা হইল যে, এই রশ্মির উৎপত্তি পৃথিবীর কোথাও নয়, কোনও নির্দিষ্ট দিক হইতে ইহা আসিতেছে না, ইহা ছায়া ফেলে না। মিলিক্যান বলিলেন পৃথিবী হইতে দূরে, বহুদূরে, সরল মৌলিক পদার্থ হিলিয়ম, কার্বন, সিলিকন প্রভৃতিতে পরিণত হইতেছে; তজ্জনিত যে শক্তির<noinclude></noinclude>
1pgoc5luwxu6i4pw6bc2muyr8x0oeyv
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫১
104
883977
1993890
2026-08-13T13:16:11Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993890
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||উপসংহার|৪৭}}</noinclude>উদ্ভব তাহারই কিছু ঐ রশ্মিরূপে পৃথিবীতে আসিয়া পৌঁছিতেছে। ইহার নাম দেওয়া হইল কস্মিক রশ্মি। পরে প্রমাণিত হইল, এই কস্মিক রশ্মি ইলেক্ট্রন, প্রোটন, পজিট্রন ও মেসন-এর সমষ্টি, কিছু ফোটন থাকাও সম্ভব। ষাট হাজার কোটি ভোল্ট শক্তিযুক্ত ইলেক্ট্রন মিলিল।
{{ফাঁক}}পদার্থের ধ্বংসে এই শক্তির উৎপত্তি। কিন্তু উৎপত্তির স্থান কোথায়, কত দূরে? কিছু কিছু অনুমান হইতেছে, সঠিক সংবাদ মিলে নাই, তবে এটা ঠিক যে, উহারা লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ অতিক্রম করিয়া আসিতেছে। বিজ্ঞানীর পরীক্ষা শেষ হয় নাই; আজও গাইগারের কক্ষে বিজ্ঞানী উহাদের আগমন লক্ষ্য করিতেছে, বায়ুস্তরে বেশীরকম প্রবেশ করিয়া পরমাণুকে ক্ষতিগ্রস্ত করিবার পূর্বে আজও বেলুন পাঠাইয়া উহাদিগকে ধরা যাইতেছে। কিন্তু উহাদের সম্বন্ধে কত সংবাদ এখনও জানিতে বাকী! এই মুহূর্তে একটি মানবদেহে কত কণিকা আসিয়া পড়িতেছে? মিনিটে হয়তো ৩০টি, ঘণ্টায় ১৮০০, দিনে ৪৩২০০, বৎসরে ১৫৭৬৮০০০। উহারা আমাদের অনিষ্ট করে না উপকার করে, না কিছুই করে না? উহাদের অভাবে আমরা নির্জীব হইয়া আসি না উহাদের সম্বন্ধে আমরা সম্পূর্ণ নির্বিকার? এসব কথা বিজ্ঞানী এখন ও জানে না। কিন্তু সৃষ্টির রহস্যজাল উদ্ঘাটনে বিজ্ঞানী চিরদিনই অসাধ্যসাধন করিয়া আসিতেছে, বন্ধুর পথে সে যাত্রা করিতেছে, নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে না। এ সম্বন্ধে একটি দুঃসাহসিকতার কাহিনী এইরূপ। উর্ধ্বে এ সম্বন্ধে পরীক্ষা করিবার জন্য পিকার্ড্ নামে এক বিজ্ঞানী এক নূতন ধরনের বেলুন নির্মাণ করিলেন এবং তাহাতে নিজে চড়িলেন। বেলুন উপরে উঠিতে লাগিল। সূর্যাস্তের পরে পিকার্ড যাত্রা করিলেন; উঠিতে<noinclude></noinclude>
hgloov0s08wlid7evymxdvrrzf9fzjz
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৫২
104
883978
1993891
2026-08-13T13:23:03Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993891
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|৪৮|বিশ্বের উপাদান|}}</noinclude>উঠিতে রাত্রি শেষ হইল, সূর্যকিরণ দেখা দিল; সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এত তীব্র যে চোখে পড়িলে মুহূর্তের মধ্যে অন্ধ করিয়া দিবে। এরোপ্লেন পূর্বে সর্বোচ্চ ৪৭৫৭২ ফুট অবধি উঠিয়াছিল, পিকার্ড্ তাহারও উপর আরও ৬০০০ ফুট উঠিলেন বেলুন আর উঠিল না, তাই পিকার্ড্কে সেখানে থামিতে হইল এবং ২০ ঘণ্টা পরে সেখানকার অনেক সংবাদ সংগ্রহ করিয়া ফিরিয়া আসিলেন।
{{ফাঁক}}বিজ্ঞানী মনে করেন যে, কস্মিক রশ্মি সম্বন্ধে যখন আরও অনেক পরীক্ষা হইবে তখন মানব পদার্থের সৃষ্টি ও ধ্বংস সম্বন্ধে অনেক তথ্য আহরণ করিবে। তবে কবি যে প্রশ্ন করিতেছেন—
{{block center|<poem>::অবশিষ্ট অমেয় আলোকধারা
::::::পথহারা
:::আদিম দিগন্ত হতে
অক্লান্ত চলেছে ধেয়ে নিরুদ্দেশ স্রোতে।
সঙ্গে সঙ্গে ছুটিয়াছে অপার তিমির-তেপান্তরে
অসংখ্য নক্ষত্র হতে রশ্মিপ্রার্থী নিরন্ত নির্ঝরে
:::::সর্বত্যাগী অপব্যয়,
আপন সৃষ্টির ’পরে বিধাতার নির্মম অন্যায়।
কিংবা এ কি মহাকাল কল্পকল্পান্তের দিনে রাতে
এক হাতে দান ক’রে ফিরে ফিরে নেয় অন্য হাতে।
সঞ্চয়ে ও অপচয়ে যুগে যুগে কাড়াকাড়ি যেন,
:::::কিন্তু কেন।</poem>}}
এ ‘কেন’র উত্তর কিন্তু বিজ্ঞানের নিকট হইতে কোনও দিন মিলিবে না।
{{dhr}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
sghr07pnxbpkac3zcjw2qx0q7mxrtkr
বিশ্বের উপাদান/উপসংহার
0
883979
1993892
2026-08-13T13:23:42Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=49 to=54 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993892
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=49 to=54 header=1/>
nda4bse5lgcp96xnhsfqc8n7v0o8l0r
পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২৪৬
104
883980
1993893
2026-08-13T14:02:49Z
Hrishikes
1618
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
1993893
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh|২৩০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
অর্থ বিনা ব্যর্থ যে এই সংসার সবারি।
ওমা তুমিও কোন্দল করেছ বলিয়ে শিব ভিখারি॥
</poem>{{block center/e}}
{{gap}}এই তর্ক শুধু রামপ্রসাদের তর্ক নয়; ধর্মকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে বনাইয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছে অষ্টাদশ শতকের যে নিম্নমধ্যবিত্ত দারিদ্র্য-ক্লিষ্ট সম্প্রদায় তাহাদেরই চেতনায় একটি অন্তর্দ্বন্দ্বের ভিতরে দেখা দিয়াছে এই তর্কের ইচ্ছা। রামপ্রসাদের ধর্মবোধের প্রকৃষ্ট পরিচয় পাওয়া যায় তাহার গানের অদ্ভুত একটি পদে, যেখানে তিনি বলিয়াছেন,
{{block center|<poem>
এ সংসারে এনে মাগো করলি আমায় লোহাপেটা।
আমি তবু কালী ব’লে ডাকি
::::সাবাস্ আমার বুকের পাটা॥
</poem>}}
কালী মঙ্গলময়ী আনন্দময়ী মা বলিয়া সমস্ত জীবনটা শধু মঙ্গলে আর আনন্দেই ভরা—এমন ছোঁদো বালিতে রামপ্রসাদের মন ওঠে নাই; রামপ্রসাদ সারা জীবনই দেখিয়াছেন, বাস্তব সংসারের ক্ষেত্রে আনিয়া মা নিরন্তর 'লোহাপেটা'ই করিয়াছেন; কিন্তু রামপ্রসাদ 'সাবাস্ ' পাইবার দাবি রাখেন কোথায়? এই সমস্ত 'লোহাপেটা'কে এড়াইয়া গিয়া বা অস্বীকার করিয়া তিনি মাকে স্বীকার করিবার চেষ্টা করেন নাই, এই 'লোহাপেটা'র ভিতরেই তিনি ব্যক্তিজীবন এবং বিশ্বজীবনের পিছনে একটি মহাশক্তিতে বিশ্বাসকে অটুট রাখিবার চেষ্টা করিয়াছেন তাঁহার রক্তাক্ত দেহমন লইয়া। রামপ্রসাদের এই গানের সারে মানষের আধুনিক ধর্মবোধের আভাস ফুটিয়া উঠিয়াছে। বাস্তব জীবন-সংগ্রাম মনকে সংশয়াচ্ছন্ন করিয়া ফেলিতেছে, ধর্মবোধকে তাই প্রকাশ পাইতে হইয়াছে সংশয়-মেঘের ফাঁকে ফাঁকে আভাসিত বিশ্বাসের বর্ণচ্ছটায়। রামপ্রসাদের গানগুলির মধ্যে বাস্তব-জীবন-জিজ্ঞাসা যেরূপ ওতপ্রোতভাবে জড়িত দেখিতে পাই তাঁহার পরবর্তী শাক্ত-সঙ্গীতকারগণের গানের মধ্যেও ধর্মবিশ্বাসের এই বাস্তবে প্রতিষ্ঠা আমরা নানাভাবে লক্ষ্য করিতে পারি। আর বাস্তব জীবনের সঙ্গে শাক্তগণের সঙ্গীত এইরূপ ওতপ্রোতভাবে মিলিত ছিল বলিয়াই দেখিতে পাই, শাক্ত-সঙ্গীতের ভাষাও হইল সাধারণ জীবনের ব্যাবহারিক ভাষা। তালকে জমিদারি, বিষয়-সম্পত্তি, মামলা-মোকদ্দমা, লেন-দেন, দলিল-দস্তাবেজ, ঋণ-বন্ধক, নায়েব তফিলদার, ব্যাপারী-ব্যবসায়ী, কলা-কৃষক—কাহারই এই সঙ্গীতের মধ্যে অনায়াসে স্থান পাইবার কোনও বাধা ছিল না। পূর্বেই বলিয়াছি, ব্যাপকভাবে সকল শাক্ত-সঙ্গীতকেই সাধন-সঙ্গীত আখ্যা দেওয়া যাইতে পারিলেও উহাদের আবার দুই ভাগে ভাগ করা যাইতে পারে— লীলা-সঙ্গীত বা লীলাশ্রিত সাধন-সঙ্গীত, আর বিশদ্ধে সাধন-সঙ্গীত। বিশদ্ধ সাধন-সঙ্গীতগুলিতে তৎকালে প্রচলিত বাঙলাদেশের বিবিধ মাতৃ-সাধনারই বিবরণ দেখিতে পাই। ভক্তি ও যোগাশ্রিত তান্ত্রিক গৃহ্য সাধনার বর্ণনার ফাঁকে<noinclude></noinclude>
6u14doihj24y7no0abpq24p51x52n47
1993894
1993893
2026-08-13T15:35:08Z
Hrishikes
1618
1993894
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh|২৩০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
অর্থ বিনা ব্যর্থ যে এই সংসার সবারি।
ওমা তুমিও কোন্দল করেছ বলিয়ে শিব ভিখারি॥
</poem>{{block center/e}}
{{gap}}এই তর্ক শুধু রামপ্রসাদের তর্ক নয়; ধর্মকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে বনাইয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছে অষ্টাদশ শতকের যে নিম্নমধ্যবিত্ত দারিদ্র্য-ক্লিষ্ট সম্প্রদায় তাহাদেরই চেতনায় একটি অন্তর্দ্বন্দ্বের ভিতরে দেখা দিয়াছে এই তর্কের ইচ্ছা। রামপ্রসাদের ধর্মবোধের প্রকৃষ্ট পরিচয় পাওয়া যায় তাহার গানের অদ্ভুত একটি পদে, যেখানে তিনি বলিয়াছেন,
{{block center|<poem>
এ সংসারে এনে মাগো করলি আমায় লোহাপেটা।
আমি তবু কালী ব’লে ডাকি
::::সাবাস্ আমার বুকের পাটা॥
</poem>}}
{{gap}}কালী মঙ্গলময়ী আনন্দময়ী মা বলিয়া সমস্ত জীবনটা শুধু মঙ্গলে আর আনন্দেই ভরা—এমন ছেঁদো বুলিতে রামপ্রসাদের মন ওঠে নাই; রামপ্রসাদ সারা জীবনই দেখিয়াছেন, বাস্তব সংসারের ক্ষেত্রে আনিয়া মা নিরন্তর ‘লোহাপেটা’ই করিয়াছেন; কিন্তু রামপ্রসাদ ‘সাবাস্’ পাইবার দাবি রাখেন কোথায়? এই-সমস্ত ‘লোহাপেটা’কে এড়াইয়া গিয়া বা অস্বীকার করিয়া তিনি মাকে স্বীকার করিবার চেষ্টা করেন নাই, এই ‘লোহাপেটা’র ভিতরেই তিনি ব্যক্তিজীবন এবং বিশ্বজীবনের পিছনে একটি মহাশক্তিতে বিশ্বাসকে অটুট রাখিবার চেষ্টা করিয়াছেন তাঁহার রক্তাক্ত দেহমন লইয়া। রামপ্রসাদের এই গানের সুরে মানষের আধুনিক ধর্মবোধের আভাস ফুটিয়া উঠিয়াছে। বাস্তব জীবন-সংগ্রাম মনকে সংশয়াচ্ছন্ন করিয়া ফেলিতেছে, ধর্মবোধকে তাই প্রকাশ পাইতে হইয়াছে সংশয়-মেঘের ফাঁকে ফাঁকে আভাসিত বিশ্বাসের বর্ণচ্ছটায়।
রামপ্রসাদের গানগুলির মধ্যে বাস্তব-জীবন-জিজ্ঞাসা যেরূপ ওতপ্রোতভাবে জড়িত দেখিতে পাই তাঁহার পরবর্তী শাক্ত-সঙ্গীতকারগণের গানের মধ্যেও ধর্মবিশ্বাসের এই বাস্তবে প্রতিষ্ঠা আমরা নানাভাবে লক্ষ্য করিতে পারি। আর বাস্তব জীবনের সঙ্গে শাক্তগণের সঙ্গীত এইরূপ ওতপ্রোতভাবে মিলিত ছিল বলিয়াই দেখিতে পাই, শাক্ত-সঙ্গীতের ভাষাও হইল সাধারণ জীবনের ব্যাবহারিক ভাষা। তালকে জমিদারি, বিষয়-সম্পত্তি, মামলা-মোকদ্দমা, লেন-দেন, দলিল-দস্তাবেজ, ঋণ-বন্ধক, নায়েব তফিলদার, ব্যাপারী-ব্যবসায়ী, কলা-কৃষক—কাহারই এই সঙ্গীতের মধ্যে অনায়াসে স্থান পাইবার কোনও বাধা ছিল না। পূর্বেই বলিয়াছি, ব্যাপকভাবে সকল শাক্ত-সঙ্গীতকেই সাধন-সঙ্গীত আখ্যা দেওয়া যাইতে পারিলেও উহাদের আবার দুই ভাগে ভাগ করা যাইতে পারে— লীলা-সঙ্গীত বা লীলাশ্রিত সাধন-সঙ্গীত, আর বিশদ্ধে সাধন-সঙ্গীত। বিশদ্ধ সাধন-সঙ্গীতগুলিতে তৎকালে প্রচলিত বাঙলাদেশের বিবিধ মাতৃ-সাধনারই বিবরণ দেখিতে পাই। ভক্তি ও যোগাশ্রিত তান্ত্রিক গৃহ্য সাধনার বর্ণনার ফাঁকে<noinclude></noinclude>
j0r3l2gcovjy1jj5hgu4qwb67yn3stb
1993895
1993894
2026-08-13T15:41:32Z
Hrishikes
1618
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993895
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|২৩০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
অর্থ বিনা ব্যর্থ যে এই সংসার সবারি।
ওমা তুমিও কোন্দল করেছ বলিয়ে শিব ভিখারি॥
</poem>{{block center/e}}
{{gap}}এই তর্ক শুধু রামপ্রসাদের তর্ক নয়; ধর্মকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে বনাইয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছে অষ্টাদশ শতকের যে নিম্নমধ্যবিত্ত দারিদ্র্য-ক্লিষ্ট সম্প্রদায় তাহাদেরই চেতনায় একটি অন্তর্দ্বন্দ্বের ভিতরে দেখা দিয়াছে এই তর্কের ইচ্ছা। রামপ্রসাদের ধর্মবোধের প্রকৃষ্ট পরিচয় পাওয়া যায় তাহার গানের অদ্ভুত একটি পদে, যেখানে তিনি বলিয়াছেন,
{{block center|<poem>
এ সংসারে এনে মাগো করলি আমায় লোহাপেটা।
আমি তবু কালী ব’লে ডাকি
::::সাবাস্ আমার বুকের পাটা॥
</poem>}}
{{gap}}কালী মঙ্গলময়ী আনন্দময়ী মা বলিয়া সমস্ত জীবনটা শুধু মঙ্গলে আর আনন্দেই ভরা—এমন ছেঁদো বুলিতে রামপ্রসাদের মন ওঠে নাই; রামপ্রসাদ সারা জীবনই দেখিয়াছেন, বাস্তব সংসারের ক্ষেত্রে আনিয়া মা নিরন্তর ‘লোহাপেটা’ই করিয়াছেন; কিন্তু রামপ্রসাদ ‘সাবাস্’ পাইবার দাবি রাখেন কোথায়? এই-সমস্ত ‘লোহাপেটা’কে এড়াইয়া গিয়া বা অস্বীকার করিয়া তিনি মাকে স্বীকার করিবার চেষ্টা করেন নাই, এই ‘লোহাপেটা’র ভিতরেই তিনি ব্যক্তিজীবন এবং বিশ্বজীবনের পিছনে একটি মহাশক্তিতে বিশ্বাসকে অটুট রাখিবার চেষ্টা করিয়াছেন তাঁহার রক্তাক্ত দেহমন লইয়া। রামপ্রসাদের এই গানের সুরে মানুষের আধুনিক ধর্মবোধের আভাস ফুটিয়া উঠিয়াছে। বাস্তব জীবন-সংগ্রাম মনকে সংশয়াচ্ছন্ন করিয়া ফেলিতেছে, ধর্মবোধকে তাই প্রকাশ পাইতে হইয়াছে সংশয়-মেঘের ফাঁকে ফাঁকে আভাসিত বিশ্বাসের বর্ণচ্ছটায়।
{{gap}}রামপ্রসাদের গানগুলির মধ্যে বাস্তব-জীবন-জিজ্ঞাসা যেরূপ ওতপ্রোতভাবে জড়িত দেখিতে পাই তাঁহার পরবর্তী শাক্ত-সঙ্গীতকারগণের গানের মধ্যেও ধর্মবিশ্বাসের এই বাস্তবে প্রতিষ্ঠা আমরা নানাভাবে লক্ষ্য করিতে পারি। আর বাস্তব জীবনের সঙ্গে শাক্তগণের সঙ্গীত এইরূপ ওতপ্রোতভাবে মিলিত ছিল বলিয়াই দেখিতে পাই, শাক্ত-সঙ্গীতের ভাষাও হইল সাধারণ জীবনের ব্যাবহারিক{{sic}} ভাষা। তালুক-জমিদারি, বিষয়-সম্পত্তি, মামলা-মোকদ্দমা, লেন-দেন, দলিল-দস্তাবেজ, ঋণ-বন্ধক, নায়েব-তফিলদার, ব্যাপারী-ব্যবসায়ী, কলু-কৃষক—কাহারই এই সঙ্গীতের মধ্যে অনায়াসে স্থান পাইবার কোনও বাধা ছিল না।
{{gap}}পূর্বেই বলিয়াছি, ব্যাপকভাবে সকল শাক্ত-সঙ্গীতকেই সাধন-সঙ্গীত আখ্যা দেওয়া যাইতে পারিলেও উহাদের আবার দুই ভাগে ভাগ করা যাইতে পারে—লীলা-সঙ্গীত বা লীলাশ্রিত সাধন-সঙ্গীত, আর বিশুদ্ধ সাধন-সঙ্গীত। বিশুদ্ধ সাধন-সঙ্গীতগুলিতে তৎকালে প্রচলিত বাঙলাদেশের বিবিধ মাতৃ-সাধনারই বিবরণ দেখিতে পাই। ভক্তি ও যোগাশ্রিত তান্ত্রিক গুহ্য সাধনার বর্ণনার ফাঁকে<noinclude></noinclude>
ni9jdp69lhaf89swgzol5vryqvxamqx
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩
104
883981
1993897
2026-08-13T16:04:00Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993897
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{dhr|2em}}
{{c|{{xxxx-larger|'''বিশ্বের উপাদান'''}}
{{dhr|2m}}
''শ্রীচারুচন্দ্র ভট্টাচার্য''
{{dhr|12em}}
[[চিত্র:Visva-Bharati University logo.svg|70px]]
{{dhr|12em}}
{{larger block|বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়}}
২, বঙ্কিম চাটুজ্যে স্ট্রীট
কলকাতা।}}
{{dhr}}<noinclude></noinclude>
pjb9n5tp19x1igpoz332vfiu6kigmwv
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৪
104
883982
1993898
2026-08-13T16:07:04Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993898
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{dhr}}
{{C|প্রকাশক শ্রীপুলিনবিহারী সেন}}
{{C|বিশ্বভারতী। ৬।৩ দ্বারকানাথ ঠাকুর লেন। কলিকাতা}}
{{dhr|10em}}
{{c|প্রকাশ ১৩৫০ কার্তিক}}
{{c|পুনর্মুদ্রণ ১৩৫১ মাঘ, ১৩৫৯ পৌষ}}
{{dhr|4em}}
{{c|মূল্য আট আনা}}
{{dhr|10em}}
{{c|মুদ্রাকর শ্রীপ্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়}}
{{c|শান্তিনিকেতন প্রেস, শান্তিনিকেতন, বীরভূম।}}
{{c|+২.১+২.১}}<noinclude></noinclude>
pq5h3twokcu5q8xwt9ou44z4oyj64fs
চিত্র:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 34 crop b).jpg
6
883983
1993899
2026-08-13T16:51:52Z
Bodhisattwa
2549
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
1993899
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
i47bgvni7xhfvbkyprx00zvdx679qac
চিত্র:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 34 crop a).jpg
6
883984
1993900
2026-08-13T16:54:08Z
Bodhisattwa
2549
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
1993900
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
i47bgvni7xhfvbkyprx00zvdx679qac
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩৪
104
883985
1993901
2026-08-13T19:04:29Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993901
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Block center|width=420px|
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 34 crop a).jpg
| width = 200px
| align = left
| cap = একটি কস্মিক-রশ্মিকণা হইতে প্রায় দুই শত নূতন কণার সৃষ্টি; ইহারা ইলেকট্রন ও মিসট্রোন।}}
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 34 crop b).jpg
| width = 140px
| align = right
| cap = কসমিক-রশ্মি-নিউট্রনের আঘাতে একটি কেন্দ্রক চার টুকরা হইয়াছে।}}
}}
{{clear}}
{{dhr|3em}}
{{float center|বসু-বিজ্ঞান-মন্দিরের পরীক্ষায় প্রাপ্ত চিত্র}}<noinclude></noinclude>
8yw5j3tzmbd6r17uicpqbonjg3m3l9p
1993913
1993901
2026-08-13T20:23:33Z
Bodhisattwa
2549
1993913
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Block center|width=420px|
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 34 crop a).jpg
| width = 200px
| align = left
| cap = একটি কস্মিক-রশ্মিকণা হইতে প্রায় দুই শত নূতন কণার সৃষ্টি; ইহারা ইলেকট্রন ও মিসট্রোন।}}
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 34 crop b).jpg
| width = 140px
| align = right
| cap = কসমিক-রশ্মি-নিউট্রনের আঘাতে একটি কেন্দ্রক চার টুকরা হইয়াছে।}}
}}
{{clear}}
{{center|বসু-বিজ্ঞান-মন্দিরের পরীক্ষায় প্রাপ্ত চিত্র}}<noinclude></noinclude>
lmpxr4jqlizh0xw0mi9lar4yutw6vtq
পাতা:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf/৩৩
104
883986
1993902
2026-08-13T19:55:55Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{Block center|width=400px| {{multicol}} {{Img float | file = Plus icon within a circle with grey background and diagonal stripes.png | width = 40px | align = left | cap = প্রোটন }}{{multicol-break}}{{Img float | file = Plus and minus icon within a circle with grey background and diagonal stripes.svg | width = 40px | align = center | cap = নিউট্রন }}{{multicol-break}}{{Img float | file = Ic add circle outline 48px.svg | w..." দিয়ে পাতা তৈরি
1993902
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Block center|width=400px|
{{multicol}}
{{Img float
| file = Plus icon within a circle with grey background and diagonal stripes.png
| width = 40px
| align = left
| cap = প্রোটন
}}{{multicol-break}}{{Img float
| file = Plus and minus icon within a circle with grey background and diagonal stripes.svg
| width = 40px
| align = center
| cap = নিউট্রন
}}{{multicol-break}}{{Img float
| file = Ic add circle outline 48px.svg
| width = 40px
| align = center
| cap = পজিট্রন
}}{{multicol-break}}
{{Img float
| file = Ic remove circle outline 48px.svg
| width = 40px
| align = right
| cap = ইলেক্ট্রন
}}{{multicol-end}}}}
{{clear}}
চারিটি প্রধান উপাদান।
নিউটন অক্সিজেন-
অ্যাটমকে ভাঙিয়াছে ।
ডানদিকের লম্বা রেখা
সব হিলি-
অ্যাটমের জন্য এবং
ইলেকট্রন ও পতিটনের সৃষ্টি
হইয়াছে; ইলেকট্রন এক
বামদিকের ছোট রেখাটি
কার্বন টিমের
দিকে এবং প্রতিটন বিপরীত
গতিরেগা।
দিকে বাকিয়াছে।
জি. পি. টমসনের পরীক্ষায় দেখা যাইতেছে যে ইলেকট্রন তরঙ্গের মত
রেখাচিত্র অঙ্কিত করিতেছে।<noinclude></noinclude>
jna67in1lx4p9dm4bxlwxqicnxsabqp
1993908
1993902
2026-08-13T20:19:13Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1993908
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{Block center|width=400px|
{{multicol}}
{{Img float
| file = Plus icon within a circle with grey background and diagonal stripes.png
| width = 40px
| align = left
| cap = প্রোটন}}{{multicol-break}}{{Img float
| file = Plus and minus icon within a circle with grey background and diagonal stripes.svg
| width = 40px
| align = center
| cap = নিউট্রন}}{{multicol-break}}{{Img float
| file = Ic add circle outline 48px.svg
| width = 40px
| align = center
| cap = পজিট্রন}}{{multicol-break}}
{{Img float
| file = Ic remove circle outline 48px.svg
| width = 40px
| align = right
| cap = ইলেক্ট্রন}}{{multicol-end}}}}
{{clear}}
{{c|চারিটি প্রধান উপাদান।}}
{{clear}}
{{Block center|width=420px|
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 33 crop a).jpg
| width = 130px
| align = left
| cap = ইলেকট্রন ও পজিট্রনের সৃষ্টি হইয়াছে; ইলেকট্রন একদিকে এবং পজিট্রন বিপরীত দিকে বাঁকিয়াছে।}}
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 33 crop b).jpg
| width = 200px
| align = right
| cap = নিউট্রন অক্সিজেন-অ্যাটমকে ভাঙিয়াছে। ডানদিকের লম্বা রেখা সম্বভত হিলিয়ম-অ্যাটমের জন্য এবং বামদিকের ছোট রেখাটি কার্বন-অ্যাটমের গতিরেখা।}}
}}
{{clear}}
{{Block center|width=420px|
{{Img float
| file = বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 33 crop c).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap = জি. পি. টমসনের পরীক্ষায় দেখা যাইতেছে যে ইলেকট্রন তরঙ্গের মত রেখাচিত্র অঙ্কিত করিতেছে।
}}}}<noinclude></noinclude>
6dmfs4chhp4emmtwk3oo5ud03l0ixen
চিত্র:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 33 crop a).jpg
6
883987
1993903
2026-08-13T20:05:13Z
Bodhisattwa
2549
[[:File:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf]] cropped 77 % horizontally, 67 % vertically, 92 % areawise using [[Commons:CropTool|CropTool]] with precise mode.
1993903
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
t1h6bh0ejife4g6tikhoba31ft4xedy
1993904
1993903
2026-08-13T20:11:11Z
Bodhisattwa
2549
1993904
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
i47bgvni7xhfvbkyprx00zvdx679qac
চিত্র:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 33 crop b).jpg
6
883988
1993905
2026-08-13T20:11:26Z
Bodhisattwa
2549
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
1993905
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
i47bgvni7xhfvbkyprx00zvdx679qac
চিত্র:বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২) (page 33 crop c).jpg
6
883990
1993907
2026-08-13T20:17:33Z
Bodhisattwa
2549
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
1993907
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Information
| description= বিশ্বের উপাদান বইয়ের চিত্র
| date = 1952
| author = {{unknown}}
| source = {{Extracted from|বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf}}
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান]]
i47bgvni7xhfvbkyprx00zvdx679qac
বিষয়শ্রেণী:বিশ্বের উপাদান
14
883991
1993909
2026-08-13T20:19:49Z
Bodhisattwa
2549
"[[বিষয়শ্রেণী:চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য রচিত]]" দিয়ে পাতা তৈরি
1993909
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য রচিত]]
aq8rz5mfxa5wqu1opd2h4u5w5chu5u5
বিশ্বের উপাদান/পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, মিসোট্রন
0
883992
1993910
2026-08-13T20:20:35Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=27 to=36 fromsection=B tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1993910
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=27 to=36 fromsection=B tosection=A header=1/>
eob5a90t72xhb8640ddamsrjbpuzbdg
বিশ্বের উপাদান
0
883993
1993911
2026-08-13T20:21:55Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=1 to=3 header=প্রচ্ছদ/> {{ppb}} <pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=4 to=4/> {{ppb}} <pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্ট..." দিয়ে পাতা তৈরি
1993911
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=1 to=3 header=প্রচ্ছদ/>
{{ppb}}
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=4 to=4/>
{{ppb}}
<pages index="বিশ্বের উপাদান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৯৫২).pdf" from=5 to=6/>
{{PD-India}}
9v1y1pa67wl5m5sfw8fqwc6t7v37wrd