উইকিসংকলন bnwikisource https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.20 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিসংকলন উইকিসংকলন আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা লেখক লেখক আলাপ নির্ঘণ্ট নির্ঘণ্ট আলাপ পাতা পাতা আলাপ প্রবেশদ্বার প্রবেশদ্বার আলাপ প্রকাশক প্রকাশক আলোচনা রচনা রচনা আলাপ অনুবাদ অনুবাদ আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা নির্ঘণ্ট:সরল বাঙ্গালা অভিধান (অষ্টম সংস্করণ).pdf 102 836209 2000238 1788774 2026-09-19T05:17:00Z Bodhisattwa 2549 পাতাকে '' দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল 2000238 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q123235230 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=6 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes= |Header= |Header_even= |Header_odd= |Footer= |Footer_even= |Footer_odd= }} 3vsurfeqywahfzxulxkq9w0sxe86j3j পাতা:সাহিত্য-চিন্তা - কুমুদিনী বসু.pdf/৩ 104 840924 2000212 1986726 2026-09-18T16:35:08Z Bodhisattwa 2549 2000212 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude>{{dhr|5em}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''ভূমিকা'''}}}} {{ফাঁক}}“ভারত-মহিলা” ও “সেবকে” গ্রন্থকর্ত্রী যে সমস্ত প্রবন্ধ লিখিয়াছিলেন তাহা হইতে কয়েকটি প্রবন্ধ ও তাঁহার রচিত অমরেন্দ্র নামক উপন্যাস হইতে কয়েকটি বিষয় উদ্ধৃত করিয়া ‘সাহিত্য-চিন্তা’ নামে এই গ্রন্থ প্রকাশিত করা হইল। {{ফাঁক}}বাঙ্গালা-সাহিত্য-জগতে পণ্ডিতা, কুমুদিনী বসু সুপরিচিতা। তাঁহার রচিত ‘অমরেন্দ্র’ ‘আভা’ ‘লহরী’ ‘পঞ্চ-পুষ্প’ প্রভৃতি গ্রন্থ ইতঃপূর্ব্বে শিক্ষিত সমাজ বিশেষ আদরের সহিত গ্রহণ করিযাছেন। আশা করি সাহিত্য-চিন্তাও তদ্রূপ আদৃত হইবে। {{ফাঁক}}ভাষার মাধুর্য্য, ভাবের উচ্চতা এবং চিন্তার প্রগাঢ়তা ‘সাহিত্য-চিন্তার’ প্রত্যেক প্রবন্ধে প্রতিফলিত হইয়াছে। বঙ্গের শ্রেষ্ঠ লেখক ও লেখিকাগণের মধ্যে পণ্ডিতা কুমুদিনীর আসন কোথায় কি ভাবে নির্দিষ্ট হইবে বিজ্ঞ পাঠকগণই তাহা স্থির করিবেন। নিতান্ত দুঃখের বিষয় যে গ্রন্থকর্ত্রী বঙ্গ-সাহিত্য-ভাণ্ডার ইচ্ছানুরূপ পূর্ণ করিবার পূর্ব্বেই অকালে অমরধামে গমন করিয়াছেন। তিনি যে উদ্দেশ্যে প্রবন্ধগুলি লিখিতেছিলেন, ইহার কোন একটি প্রবন্ধ দ্বারা সেই উদ্দেশ্য কিঞ্চিৎমাত্রও সফল হইলে তাঁহার অমর আত্মা পরম পরিতৃপ্তি লাভ করিবে, সন্দেহ নাই। {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>৪নং কোর্টহাউস্ রোড, ঢাকা ভাদ্র, ১৩২২ সন।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{xx-larger|'''শ্রীঅতুলচন্দ্র বসু।'''}}}} |}<noinclude></noinclude> pzuj224n9vs7qq4w7e67ruars2xcdq5 2000214 2000212 2026-09-18T16:36:14Z Bodhisattwa 2549 2000214 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude>{{dhr|5em}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''ভূমিকা'''}}}} {{ফাঁক}}“ভারত-মহিলা” ও “সেবকে” গ্রন্থকর্ত্রী যে সমস্ত প্রবন্ধ লিখিয়াছিলেন তাহা হইতে কয়েকটি প্রবন্ধ ও তাঁহার রচিত অমরেন্দ্র নামক উপন্যাস হইতে কয়েকটি বিষয় উদ্ধৃত করিয়া ‘সাহিত্য-চিন্তা’ নামে এই গ্রন্থ প্রকাশিত করা হইল। {{ফাঁক}}বাঙ্গালা-সাহিত্য-জগতে পণ্ডিতা, কুমুদিনী বসু সুপরিচিতা। তাঁহার রচিত ‘অমরেন্দ্র’ ‘আভা’ ‘লহরী’ ‘পঞ্চ-পুষ্প’ প্রভৃতি গ্রন্থ ইতঃপূর্ব্বে শিক্ষিত সমাজ বিশেষ আদরের সহিত গ্রহণ করিযাছেন। আশা করি সাহিত্য-চিন্তাও তদ্রূপ আদৃত হইবে। {{ফাঁক}}ভাষার মাধুর্য্য, ভাবের উচ্চতা এবং চিন্তার প্রগাঢ়তা ‘সাহিত্য-চিন্তার’ প্রত্যেক প্রবন্ধে প্রতিফলিত হইয়াছে। বঙ্গের শ্রেষ্ঠ লেখক ও লেখিকাগণের মধ্যে পণ্ডিতা কুমুদিনীর আসন কোথায় কি ভাবে নির্দিষ্ট হইবে বিজ্ঞ পাঠকগণই তাহা স্থির করিবেন। নিতান্ত দুঃখের বিষয় যে গ্রন্থকর্ত্রী বঙ্গ-সাহিত্য-ভাণ্ডার ইচ্ছানুরূপ পূর্ণ করিবার পূর্ব্বেই অকালে অমরধামে গমন করিয়াছেন। তিনি যে উদ্দেশ্যে প্রবন্ধগুলি লিখিতেছিলেন, ইহার কোন একটি প্রবন্ধ দ্বারা সেই উদ্দেশ্য কিঞ্চিৎমাত্রও সফল হইলে তাঁহার অমর আত্মা পরম পরিতৃপ্তি লাভ করিবে, সন্দেহ নাই। {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>৪নং কোর্টহাউস্ রোড, ঢাকা ভাদ্র, ১৩২২ সন।</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|'''শ্রীঅতুলচন্দ্র বসু।'''}}}} |}<noinclude></noinclude> tpkfmc94hzqv2z5zbt86c80p0zextjh বিশ্বকোষ (সপ্তদশ ভাগ)/বঙ্গদেশ 0 855618 2000235 1972535 2026-09-19T05:04:06Z Bodhisattwa 2549 পাতাকে '<pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=390 to=471 fromsection="বঙ্গদেশ" to=471 tosection="বঙ্গদেশ বাঙ্গালার আদম-সুমারী" header=1/>' দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল 2000235 wikitext text/x-wiki <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=390 to=471 fromsection="বঙ্গদেশ" to=471 tosection="বঙ্গদেশ বাঙ্গালার আদম-সুমারী" header=1/> hysysm7qw6avl6xnp7cc93ae9h3t09n 2000236 2000235 2026-09-19T05:05:23Z Bodhisattwa 2549 [[Special:Contributions/Bodhisattwa|Bodhisattwa]] ([[User talk:Bodhisattwa|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa-bot|Bodhisattwa-bot]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 1972535 wikitext text/x-wiki <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" include=390 onlysection="বঙ্গদেশ" header=1/> == নামনিরুক্তি == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=390 fromsection="বঙ্গদেশ নামনিরুক্তি" to=391 tosection="বঙ্গদেশ নামনিরুক্তি" /> == সীমা ও বিভাগ == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=391 fromsection="বঙ্গদেশ সীমা ও বিভাগ" to=392 tosection="বঙ্গদেশ সীমা ও বিভাগ" /> == প্রাকৃতিক দৃশ্য == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=392 fromsection="বঙ্গদেশ প্রাকৃতিক দৃশ্য" to=394 tosection="বঙ্গদেশ প্রাকৃতিক দৃশ্য" /> == ভূতত্ত্ব == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=394 fromsection="বঙ্গদেশ ভূতত্ত্ব" to=400 tosection="বঙ্গদেশ ভূতত্ত্ব" /> == উৎপন্ন দ্রব্য ও অধিবাসী == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=400 fromsection="বঙ্গদেশ উৎপন্ন দ্রব্য ও অধিবাসী" to=401 tosection="বঙ্গদেশ উৎপন্ন দ্রব্য ও অধিবাসী" /> == বর্ত্তমান অবস্থা == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=401 fromsection="বঙ্গদেশ বর্ত্তমান অবস্থা" to=402 tosection="বঙ্গদেশ বর্ত্তমান অবস্থা" /> == ধর্ম্ম == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=402 fromsection="বঙ্গদেশ ধর্ম্ম" to=403 tosection="বঙ্গদেশ ধর্ম্ম" /> {{ppb}} {{smallrefs|85%|group=ব্যাখ্যা}} == বঙ্গের পুরাবৃত্ত == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" include=403 onlysection="বঙ্গদেশ বঙ্গের পুরাবৃত্ত" /> === বৈদিককালের বঙ্গ === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=403 fromsection="বঙ্গদেশ বৈদিককালের বঙ্গ" to=408 tosection="বঙ্গদেশ বৈদিককালের বঙ্গ" /> === বঙ্গে জৈন ও বৌদ্ধপ্রভাব === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=408 fromsection="বঙ্গদেশ বঙ্গে জৈন ও বৌদ্ধপ্রভাব" to=411 tosection="বঙ্গদেশ বঙ্গে জৈন ও বৌদ্ধপ্রভাব" /> {{ppb}} {{smallrefs|85%}} === ব্রাহ্মণাভ্যুদয় === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=411 fromsection="বঙ্গদেশ ব্রাহ্মণাভ্যুদয়" to=416 tosection="বঙ্গদেশ ব্রাহ্মণাভ্যুদয়" /> === শূরবংশের অভ্যুদয় === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=416 fromsection="বঙ্গদেশ শূরবংশের অভ্যুদয়" to=419 tosection="বঙ্গদেশ শূরবংশের অভ্যুদয়" /> === পালরাজবংশ === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=419 fromsection="বঙ্গদেশ পালরাজবংশ" to=421 tosection="বঙ্গদেশ পালরাজবংশ" /> === পূর্ব্ববঙ্গে বর্ম্মবংশ === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=421 fromsection="বঙ্গদেশ পূর্ব্ববঙ্গে বর্ম্মবংশ" to=423 tosection="বঙ্গদেশ পূর্ব্ববঙ্গে বর্ম্মবংশ" /> === সেনরাজবংশ === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=423 fromsection="বঙ্গদেশ সেনরাজবংশ" to=428 tosection="বঙ্গদেশ সেনরাজবংশ" /> == বাঙ্গালায় মুসলমান-প্রভাব == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=428 fromsection="বঙ্গদেশ বাঙ্গালায় মুসলমান-প্রভাব" to=430 tosection="বঙ্গদেশ বাঙ্গালায় মুসলমান-প্রভাব" /> == মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত == === প্রথম শাসনকাল === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=430 fromsection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (প্রথম শাসনকাল)" to=435 tosection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (প্রথম শাসনকাল)" /> === দ্বিতীয় শাসনকাল === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=435 fromsection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (দ্বিতীয় শাসনকাল)" to=447 tosection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (দ্বিতীয় শাসনকাল)" /> === তৃতীয় শাসনকাল === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=447 fromsection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (তৃতীয় শাসনকাল)" to=449 tosection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (তৃতীয় শাসনকাল)" /> === চতুর্থ শাসনকাল === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=449 fromsection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (চতুর্থ শাসনকাল)" to=458 tosection="বঙ্গদেশ মুসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত (চতুর্থ শাসনকাল)" /> === বৃত্তিভোগী বাঙ্গালার নবাববংশ === <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=458 fromsection="বঙ্গদেশ বৃত্তিভোগী বাঙ্গালার নবাববংশ" to=459 tosection="বঙ্গদেশ বৃত্তিভোগী বাঙ্গালার নবাববংশ" /> == মোগলশাসনে বাঙ্গালার অবস্থা == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=459 fromsection="বঙ্গদেশ মোগলশাসনে বাঙ্গালার অবস্থা" to=460 tosection="বঙ্গদেশ মোগলশাসনে বাঙ্গালার অবস্থা" /> == ইংরাজাভ্যুদয় == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=460 fromsection="বঙ্গদেশ ইংরাজাভ্যুদয়" to=466 tosection="বঙ্গদেশ ইংরাজাভ্যুদয়" /> {{ppb}} {{smallrefs|85%|group=ব্যাখ্যা}} == ছোট লাটের শাসন == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=466 fromsection="বঙ্গদেশ ছোট লাটের শাসন" to=467 tosection="বঙ্গদেশ ছোট লাটের শাসন" /> == ইংরাজ শাসনে বাঙ্গালার অবস্থা == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=467 fromsection="বঙ্গদেশ ইংরাজ শাসনে বাঙ্গালার অবস্থা" to=470 tosection="বঙ্গদেশ ইংরাজ শাসনে বাঙ্গালার অবস্থা" /> == বাঙ্গালার আদম-সুমারী == <pages index="বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu" from=470 fromsection="বঙ্গদেশ বাঙ্গালার আদম-সুমারী" to=471 tosection="বঙ্গদেশ বাঙ্গালার আদম-সুমারী" /> 07al6lavcir04fhjlhoinsbj9v532ua নির্ঘণ্ট:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf 102 867004 2000222 1999384 2026-09-18T16:49:07Z Bodhisattwa 2549 2000222 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q136221819 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=5 |Progress=V |Pages=<pagelist 1="মলাট" 2="—" 3="চিত্র" 4="—" 5="প্রচ্ছদ" 6="প্রকাশক" 7="3" 7to14="prpbengalicurrency" 8="—" 14="—" 15="1" 53="—" 54="বিজ্ঞাপন" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{RLFRR}} |Header={{c|({{{pagenum}}})}} |Header_even= |Header_odd= |Footer= |Footer_even= |Footer_odd= }} kbrbksj2n0dbyyxniyg3ol87kinq900 নির্ঘণ্ট:বুদ্ধদেবের ‘নাস্তিকতা’ - হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৯৩৬).pdf 102 883921 2000245 1997612 2026-09-19T05:43:47Z Bodhisattwa 2549 2000245 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q140995090 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="প্রকাশক" 3="1" 3to4="prpbengalicurrency" 5="1" /> |Volumes= |Remarks={{পাতা:বুদ্ধদেবের ‘নাস্তিকতা’ - হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৯৩৬).pdf/৩}} {{পাতা:বুদ্ধদেবের ‘নাস্তিকতা’ - হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৯৩৬).pdf/৪}} |Notes={{RLFRR}} |Header= |Header_even={{rh|{{{pagenum}}}|বুদ্ধদেবের ‘নাস্তিকতা’|}} |Header_odd= |Footer= |Footer_even= |Footer_odd= }} 35epo1o0or0r8hqz03knxaeb4983ppm পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/১০৪ 104 885635 2000247 2000118 2026-09-19T05:47:42Z Salil Kumar Mukherjee 12643 2000247 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>{{dhr|9em}} {{C|{{larger|'''১২'''}}}} {{ফাঁক}}প্রাণহীন হইতে প্রাণীর সৃষ্টি সম্ভব কি না, মধ্যে এ প্রশ্ন একবার জটিল হইয়া উঠে। একদিকে তো বরাবর দেখিতে পাওয়া যায়, মানুষ হইতে মানুষ, পশু হইতে পশু, গাছ হইতে গাছ জন্মায়; অপরদিকে লক্ষ্য করিলে দেখা যায়, একটা পাত্রে জল রাখিয়া দিলে দু’একদিনের মধ্যে উহাতে নানা রকমের পোকা কিল‍্বিল্ করিতে থাকে; দুধ খানিকক্ষণ পরে পচিয়া উঠে এবং অণুবীক্ষণের তলে দেখা যায়, এই পচা দুধে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অগণিত পোকা বেড়াইতেছে। আপাত-দৃষ্টিতে মনে হয়, এ-স্থলে জল দুধের ন্যায় জড় পদার্থ হইতে জীবের সৃষ্টি হইল। {{ফাঁক}}ইডেন (Eden) উদ্যানে যে এক জোড়া করিয়া মানুষ, গরু, গাধা, ছাগল, মাছি, মশা, উকুন, কেন্নো ছিল<noinclude>{{right|৯২}}</noinclude> 1whr43rkharj1vswb3g9ar2ibrm6ihp শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার)/পল্লী-সমাজ/১ 0 886178 2000199 2026-09-18T13:57:37Z Nettime Sujata 5470 "i) <pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf" from=151 to=157 tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 2000199 wikitext text/x-wiki i) <pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf" from=151 to=157 tosection=A header=1/> jwrwl4f7sico8gus3e8l8t4yiov2snz শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার)/পল্লী-সমাজ/২ 0 886179 2000200 2026-09-18T14:01:49Z Nettime Sujata 5470 "iv) <pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf" from=157 to=165 fromsection=B tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 2000200 wikitext text/x-wiki iv) <pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf" from=157 to=165 fromsection=B tosection=A header=1/> fclargo24tbsapeqs67e1g72qcwb9mp শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার)/পল্লী-সমাজ/৩ 0 886180 2000201 2026-09-18T14:03:24Z Nettime Sujata 5470 "iv) <pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf" from=165 to=174 fromsection=B tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 2000201 wikitext text/x-wiki iv) <pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf" from=165 to=174 fromsection=B tosection=A header=1/> lpnd6y2f07pxesynkdvo30dkkmggqiu পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf/১৭৯ 104 886181 2000202 2026-09-18T14:13:09Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000202 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১৬৫|পল্লী-সমাজ|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}রমেশ আবার জিজ্ঞাসা করিল, এর কি কোন প্রতীকার নেই ভট্‌চায্যিমশাই? {{ফাঁক}}প্রতীকার আর কি ক’রে হবে বাবা—এ যে ঘোর কলি, ভট্‌চায একটা নিশ্বাস ফেলিয়া কহিল, তবে একটা কথা বলতে পারি বাবাজী। আমি ভিক্ষে-সিক্ষে করতে অনেক জায়গাতেই ত যাই—অনেকে অনুগ্রহ করেন। আমি বেশ দেখেচি, তোমাদের ছেলে-ছোক্‌রাদের দয়া-ধর্ম্ম আছে—নেই কেবল বুড়ো ব্যাটাদের। এরা একটু বাগে পেলে আর একজনের গলায় পা দিয়ে জিভ্ বার না ক’রে আর ছেড়ে দেয় না। বলিয়া দীনু যেমন ভঙ্গি করিয়া জিভ্ বাহির করিয়া দেখাইল, তাহাতে রমেশ হাসিয়া ফেলিল। দীনু কিন্তু হাসিতে যোগ দিল না, কহিল, হাসির কথা নয় বাবাজী, অতি সত্য কথা। আমি নিজেও প্রাচীন হয়েচি—কিন্তু—তুমি যে অন্ধকারে অনেক দূর এগিয়ে এলে বাবাজী! {{ফাঁক}}তা হোক্‌ ভট্‌চাযমশাই, আপনি বলুন। {{ফাঁক}}কি আর বল্‌ব বাবা, পাড়াগাঁ মাত্রই এ রকম। এই গোবিন্দ গাঙুলী―এ ব্যাটার পাপের কথা মুখে আনলে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়। ক্ষ্যান্তবাম্‌নি ত আর মিথ্যে বলে নি—কিন্তু সবাই ওকে ভয় করে। জাল করতে, মিথ্যে সাক্ষী, মিথ্যে মোকদ্দমা সাজাতে ওর জুড়ি নেই। বেণীবাবু হাতধরা—কাজেই কেউ একটি কথা কইতে সাহস করে না, বরঞ্চ ও-ই পাঁচজনের জাত-মেরে বেড়ায়। {{ফাঁক}}রমেশ অনেকক্ষণ পর্য্যন্ত আর কোন প্রশ্ন না করিয়া চুপ করিয়া সঙ্গে সঙ্গে চলিতে লাগিল—এই আমার কথা তুমি দেখে নিয়ো বাবা, ক্ষ্যান্তিবাম্‌নি সহজে নিস্তার পাবে না। গোবিন্দ গাঙুলী, পরাণ হালদার দু-দুটো ভীমরুলের চাকে খোঁচা দেওয়া কি সহজ কথা! কিন্তু যাই বল বাবা, মাগীর সাহস আছে। আর সাহস থাক্‌বে নাই বা কেন? মুড়ী বেচে খায়, সব ঘরে যাতায়াত করে, সকলের সব কথা টের পায়। ওকে ঘাঁটালে কেলেঙ্কারীর সীমা-পরিসীমা থাকবে না তা বলে দিচ্চি। অনাচার আর কোন্ ঘরে নেই বল? বেণীবাবুকেও— {{ফাঁক}}রমেশ সভয়ে বাধা দিয়া বলিল, থাক্, বড়দার কথায় আর কাজ নেই— {{ফাঁক}}দীনু অপ্রতিভ হইয়া উঠিল। কহিল, বাবা, আমি দুঃখী মানুষ, কারো কথায় আমার কাজ নেই। কেউ যদি বেণীবাবুর কানে তুলে দেয় ত আমার ঘরে আগুন— {{ফাঁক}}রমেশ আবার বাধা দিয়া কহিল, ভট্‌চায্যিমশাই, আপনার বাড়ী কি আরো দূরে? {{ফাঁক}}না বাবা, বেশি দূর নয়, এই বাঁধের পাশেই আমার কুঁড়ে—কোন দিন যদি— {{ফাঁক}}আস্‌ব বই কি, নিশ্চয় আস্‌ব। বলিয়া রমেশ ফিরিতে উদ্যত হইয়া কহিল,<noinclude></noinclude> i3htlx2zepdkm8gif20k2gheb1mwvgh পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/৬ 104 886182 2000203 2026-09-18T14:22:50Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000203 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{dhr|14em}} {{c|<poem>কলিকাতা ১৯৩.১এ বহুবাজার ষ্ট্রীট, চেরি প্রেস লিমিটেড হইতে শ্রীতুলসীচরণ দাস দ্বারা মুদ্রিত।</poem>}} {{dhr|14em}}<noinclude></noinclude> nbyv70kar2eok42c6gm8mk4v29zhjgp পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf/১৮০ 104 886183 2000204 2026-09-18T14:24:56Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000204 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১৬৬|অধ্যায়|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />আবার কাল সকালেই ত দেখা হবে—কিন্তু তার পরেও মাঝে মাঝে পায়ের ধুলো দেবেন, বলিয়া রমেশ ফিরিয়া গেল। {{ফাঁক}}দীর্ঘজীবী হও—বাপের মত হও। বলিয়া দীনু ভট্‌চায অন্তরের ভিতর হইতে আশীর্ব্বচন করিয়া ছেলেপুলে লইয়া চলিয়া গেল। <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|'''৫'''}} {{ফাঁক}}এ-পাড়ার একমাত্র মধু পালের দোকান নদীর পথে হাটের একধারে। দশবারদিন হইয়া গেল, অথচ সে বাকি দশ টাকা লইয়া যায় নাই বলিয়া রমেশ কি মনে করিয়া নিজেই একদিন সকাল-বেলা দোকানের উদ্দেশে বাহির হইয়া পড়িল। মধু পাল মহা সমাদর করিয়া ছোটবাবুকে বারান্দার উপর মোড়া পাতিয়া বসাইল এবং ছোটবাবুর আসিবার হেতু শুনিয়া গভীর আশ্চর্য্যে অবাক্ হইয়া গেল। যে ধারে, সে উপযাচক হইয়া ঘর বহিয়া ঋণ শোধ করিতে আসে তাহা মধু পাল এতটা বয়সে কখনো চোখে ত দেখেই নাই, কানেও শোনে নাই। কথায় কথায় অনেক কথা হইল। মধু কহিল, দোকান কেমন করে চলবে বাবু? দু আনা, চার আনা, এক টাকা, পাঁচ সিকে ক’রে প্রায় পঞ্চাশ, ষাট টাকা বাকি পড়ে গেছে। এই দিয়ে যাচ্চি ব’লে দুমাসেও আদায় হবার যো নেই। এ কি, বাঁড়ুয্যেমশাই যে! কবে এলেন? প্রাতঃপেন্নাম হই। {{ফাঁক}}বাঁড়ুয্যেমশায়ের বাঁ হাতে একটা গাড়ু, পায়ের নখে গোড়ালিতে কাদার দাগ, কানে পৈতা জড়ানো, ডান হাতে কচুপাতায় মোড়া চারিটি কুচোচিংড়ি। তিনি ফোঁস করিয়া একটা নিঃশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন, কাল রাত্তিরে এলুম, তামাক খা’ দিকি মধু, বলিয়া গাড়ু রাখিয়া হাতের চিংড়ি মেলিয়া ধরিয়া বলিলেন, সৈরুবি জেলেনীর আক্কেল দেখ্‌লি মধু, খপ, ক’রে হাতটা আমার ধ’রে ফেল্‌লে? কালে কালে কি হ’ল বল্ দেখি রে, এই কি এক পয়সার চিংড়ী? বামুনকে ঠকিয়ে ক’কাল খাবি মাগী, উচ্ছন্ন যেতে হবে না? {{ফাঁক}}মধু বিস্ময় প্রকাশ করিয়া কহিল, হাত ধ’রে ফেল্‌লে আপনার? {{ফাঁক}}ক্রুদ্ধ বাঁড়ুয্যেমশায় একবার চারিদিকে দৃষ্টিপাত করিয়া উত্তেজিত হইয়া কহিলেন, আড়াইটে পয়সা শুধু বাকি, তাই ব’লে খামকা হাটশুদ্ধ লোকের সাম্‌নে হাত ধর্‌বে আমার? কে না দেখলে বল্! মাঠ থেকে বসে এসে গাড়ুটি মেজে<section end="B" /><noinclude></noinclude> 4b99h1h6v6u4dvebnm0gec7gf3oy6iu পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/৫২ 104 886184 2000205 2026-09-18T14:25:58Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000205 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|(৩৮)}}</noinclude>ভাবে শ্রীযুক্ত শিবচন্দ্র শীল মহাশয়কে একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ব্যক্তি বলিয়া ঘোষণা করিয়া আন্তরিক ধন্যবাদ প্রদান করেন। তিনি প্রসঙ্গক্রমে বলিয়াছিলেন যে শীল মহাশয় যে এরূপ. একজন বিচক্ষণ প্রত্নতত্ত্ববিৎ পণ্ডিত তাহা আমরা পূর্ব্বে জানিতাম না। আমি তাঁহাকে আন্তরিক ধন্যবাদ না দিয়া এস্থান হইতে যাইতে পারিতেছি না। '{{c|অতঃপর সভা ভঙ্গ হয়।}} {{multicol}} {{c|<poem>শীলবাটী, চুঁচুড়া ২২শে ফাল্গুন সন ১৩২৭।</poem>}} {{multicol-break}} {{multicol-break}} {{larger|'''শ্রীনিতাইচাদ শীল।'''}} {{multicol-end}}<noinclude></noinclude> 15uaqlk1n66rlwd3ja6yo1e0lw5m7s6 2000206 2000205 2026-09-18T14:26:15Z Bodhisattwa 2549 2000206 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|(৩৮)}}</noinclude>ভাবে শ্রীযুক্ত শিবচন্দ্র শীল মহাশয়কে একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ব্যক্তি বলিয়া ঘোষণা করিয়া আন্তরিক ধন্যবাদ প্রদান করেন। তিনি প্রসঙ্গক্রমে বলিয়াছিলেন যে শীল মহাশয় যে এরূপ. একজন বিচক্ষণ প্রত্নতত্ত্ববিৎ পণ্ডিত তাহা আমরা পূর্ব্বে জানিতাম না। আমি তাঁহাকে আন্তরিক ধন্যবাদ না দিয়া এস্থান হইতে যাইতে পারিতেছি না। {{c|অতঃপর সভা ভঙ্গ হয়।}} {{multicol}} {{c|<poem>শীলবাটী, চুঁচুড়া ২২শে ফাল্গুন সন ১৩২৭।</poem>}} {{multicol-break}} {{multicol-break}} {{larger|'''শ্রীনিতাইচাদ শীল।'''}} {{multicol-end}}<noinclude></noinclude> odya8a56cfipwz5q1zl3fejnp48cd5h পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫২).pdf/১৮১ 104 886185 2000207 2026-09-18T14:33:20Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000207 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|১৬৭|পল্লী-সমাজ|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>নদীতে হাত-পা ধুয়ে মনে করলুম হাটটা একবার ঘুরে যাই। মাগী এক চুব্‌ড়ি মাছ নিয়ে ব’সে—আমাকে স্বচ্ছন্দে বলে কি না, কিচ্ছু নেই ঠাকুর, যা ছিল সব উঠে গেছে। আরে আমার চোখে ধূলো দিতে পারিস্? ডালাটা ফস্ ক’রে তুলে ফেলতেই দেখি না—অম্‌নি ফস্ ক’রে হাতটা চেপে ধ’রে ফেল্‌লে। তোর সেই আড়াইটে—আর আজকের একটা—এই সাড়ে-তিনটে পয়সা নিয়ে আমি গাঁ-ছেড়ে পালাব? কি বলিস মধু? {{ফাঁক}}মধু সায় দিয়া কহিল, তাও কি হয়! {{ফাঁক}}তবে তাই বল্ না! গাঁয়ে কি শাসন আছে! নইলে ষষ্ঠে জেলের ধোপা-নাপ্‌তে বন্ধ ক’রে চাল কেটে তুলে দেওয়া যায় না! {{ফাঁক}}হঠাৎ রমেশের প্রতি চাহিয়া প্রশ্ন করিলেন, বাবুটি কে মধু? {{ফাঁক}}মধু সগর্ব্বে কহিল, আমাদের ছোটবাবুর ছেলে যে! সেদিনের দশ টাকা বাকি ছিল ব’লে নিজে বাড়ী বয়ে দিতে এসেছেন। {{ফাঁক}}বাঁড়ুয্যেমশায় কুচোচিংড়ির অভিযোগ ভুলিয়া দুই চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া কহিলেন, অ্যাঁ, রমেশ বাবাজী? বেঁচে থাক বাবা। হাঁ, এসে শুনলুম একটা কাজের মত কাজ করেচ বটে! এমন খাওয়া-দাওয়া এ অঞ্চলে কখনও হয় নি। কিন্তু বড় দুঃখ রইল চোখে দেখতে পেলুম না। পাঁচ শালার ধাপ্পায় প’ড়ে কল্‌কাতায় চাক্‌রি কর্‌তে গিয়ে হাড়ীর হাল। আরে ছ্যাঃ, সেখানে মানুষ থাক্‌তে পারে! {{ফাঁক}}রমেশ এই লোকটার মুখের দিকে চুপ করিয়া চাহিয়া রহিল। কিন্তু দোকানশুদ্ধ সকলে তাঁহার কলিকাতা-প্রবাসের ইতিহাস শুনিবার জন্য মহা-কৌতূহলী হইয়া উঠিল। তামাক সাজিয়া মধু দোকানি বাঁড়ুয্যের হাতে হুঁকাটা তুলিয়া দিয়া প্রশ্ন করিল, তার পরে? একটু চাক্‌রি-বাক্‌রি হ’য়েছিল ত? {{ফাঁক}}হবে না? এ কি ধান দিয়ে লেখাপড়া শেখা আমার? হ’লে হবে কি— সেখানে কে থাক্‌তে পারে বল্। যেমনি ধোঁয়া—তেমনি কাদা। বাইরে বেরিয়ে গাড়ি-ঘোড়া চাপা না প’ড়ে যদি ঘরে ফির্‌তে পারিস্ ত জান্‌বি তোর বাপের পুণ্যি! {{ফাঁক}}মধু কখনও কল্‌কাতায় যায় নাই। মেদিনীপুর সহরটা একবার সাক্ষ্য দিতে গিয়া দেখিয়া আসিয়াছিল মাত্র। সে ভারি আশ্চর্য্য হইয়া কহিল, বলেন কি! {{ফাঁক}}বাঁড়ুয্যে ঈষৎ হাসিয়া কহিল, তোর রমেশবাবুকে জিজ্ঞেসা কর্ না, সত্যি কি মিথ্যে! না মধু, খেতে না পাই, বুকে হাত দিয়ে প’ড়ে ম’রে থাকব সেও ভাল, কিন্তু বিদেশ যাবার নামটি যেন কেউ আমার কাছে আর না করে। বল্‌লে বিশ্বেস্ করবি নে, সেখানে শুষণি-কলমি শাক, চালতা, আমড়া, থোড়, মোচা পর্য্যন্ত কিনে<noinclude></noinclude> tkjlt8wu77rdj8lu5bm4cwnpcb2afgt পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/৫১ 104 886186 2000208 2026-09-18T15:14:31Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000208 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{x-larger|'''শেষ কথা।'''}}}} {{ফাঁক}}অগ্রে লিখিত শীল মহাশয়ের প্রবন্ধটি অত্যন্ত দীর্ঘ ছিল বলিয়া প্রবন্ধের শেষভাগ তাঁহাকে সংক্ষেপে পাঠ করিতে হইয়াছিল। তাঁহার প্রবন্ধ পাঠের পর শ্রীযুক্ত লালবিহারী বড়াল মহাশয় শীল মহাশয়ের গবেষণাপূর্ণ প্রবন্ধের ভূয়সী প্রশংসা করিলেন। {{ফাঁক}}অতঃপর শ্রীযুক্ত দীননাথ সেন বি, এ, বি, এল মহাশয় প্রস্তাব করিলেন যে, চুঁচুড়ায় একটি সাহিত্য পরিষৎ স্থাপন করা কর্ত্তব্য। পরিষৎ স্থাপন করিবার জন্য হুগলী চুঁচুড়াবাসী সাহিত্যিকগণকে লইয়া একটি কমিটি গঠিত হউক। ঐ কমিটী ঐ সাহিত্য পরিষৎ চালাইবার জন্য নিয়ম ও প্রণালী গঠন করিবেন। {{ফাঁক}}শ্রীযুক্ত দাশরথি ঘোষ এম, এ, বি, এল মহাশয় ঐ প্রস্তাবটীর সমর্থন করিলে সভাস্থ সকলে উহা গ্রহণ করেন। {{ফাঁক}}উপরোক্ত প্রস্তাবটি প্রস্তাবিত হইবার সময় ইহা স্থির হইয়াছিল যে চুঁচুড়ার সাহিত্য পরিষৎ কলিকাতার “বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে”র হুগলী জেলার শাখারূপে স্থাপিত হইবে। {{ফাঁক}}পরে নিম্নলিখিত মহোদয়গণকে লইয়া সমিতি গঠিত হয়। {{ফাঁক}}১। শ্রীযুক্ত রায় মহেন্দ্রচন্দ্র মিত্র বাহাদুর এম, এ, বি, এল। {{ফাঁক}}২। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} দীননাথ সেন বি, এ, বি, এল। {{ফাঁক}}৩। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} ব্রজবল্লভ কাব্যকণ্ঠ যোগবিশারদ। {{ফাঁক}}৪। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} দাশরথি ঘোষ এম, এ, বি, এল। {{ফাঁক}}৫। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} বলাইচাঁদ দত্ত বি, এ। {{ফাঁক}}৬। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} দীননাথ ধর বি, এ, বি, এল, সাহিত্য বিশারদ। {{ফাঁক}}৭। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} শিবচন্দ্র শীল। {{ফাঁক}}৮। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} লালবিহারী বড়াল। {{ফাঁক}}৯। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} গোবর্দ্ধন শীল। {{ফাঁক}}১০। {{ditto|শ্রীযুক্ত|”}} মৌলবী এজাদবক্স এম, এ, বি, এল। পরিশেষে রায় মহেন্দ্রচন্দ্র মিত্র বাহাদুর, সভাপতি মহাশয়কে এবং বিশেষ-<noinclude></noinclude> 17tj52g4yyyjk87bhtebyb5j4hjtsqf পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/৭ 104 886187 2000209 2026-09-18T15:27:04Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000209 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{larger|শ্রীশ্রীশ্রীধরো বিজয়তে।}}}} {{dhr}} {{rule|5em}} {{dhr}} {{bc|<poem>পদ্মাদেব্যাঃ সহ সুকৃতিনং শীল নীলাম্বরং প্রাগ্ বন্দে রাধা সহিত মদনং মোহনান্তং ক্রমেণ। বন্দেমাতুশ্চরণ যুগলং রেবতী নাম যস্যা বাবস্যাঙ্ঘ্রিং ত্রিদিববসতের্বীরনারায়ণস্য॥ {{dhr}} {{rule|5em}} আলোচ্য নানাশাস্ত্রাণি বেদ দীনি প্রযত্নতঃ। অত্রাবিষ্ক্রিয়তে কিঞ্চিদৈতিহ্যং সুপুরাতনম্॥ আর্য্যাদিবাসে কেষাঞ্চিৎহ্রদাণাং সরিতাং তথা। পুরাণাঞ্চাত্র সংস্থানং নগানাং নির্ণীতং ময়া॥ অনাবিষ্কৃতপূর্ব্বং তদিতি মত্বা কুতূহলাৎ। বিলোক্যঃ শিষ্টৈর্গ্রন্থোঽয়ং ধীমদ্ভিশ্চ বিচক্ষণৈঃ॥</poem>}} {{dhr}} {{rule|5em}}<noinclude></noinclude> eab8u5eaiwjl2g1vib8mnkbglbdyjkh পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/১৩ 104 886188 2000210 2026-09-18T16:31:16Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000210 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|শুদ্ধিপত্র।}}}} {|{{ts|mc|wa}} |- || পৃষ্ঠা || পংক্তি || অশুদ্ধ || শোধন |- || ৬ || ১৭ || অর্য্য || অর্য |- || ১০ || ২৬ || গৃহ || গৃহ্য |- || ১১ || ৩১ || বৈদাুতাগ্নিনা || বৈদ্যুতাগ্নিনা |- || ১২ || 8 || অনুবদ্ধ || অনুবন্ধ |- || {{ditto|১২|“}} || ২২ || সমার‍্যেহণে || সমারোহণে |- || ১৫ || ২৪ || সারণের || সায়ণের |- || ১৬ || ৩০ || ভারতের || ভরতের |- || ১৭ || ১৪ || নিষ্পদকাগ্নি || নিষ্পাদকাগ্নি |- || ১৯ || ২০ || সুক্তের || সূক্তের |- || ২৬ || ৩০ || বিবস্বন্ || বিবস্বান্ |} {{dhr}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> 419gbl39fv2c0m6grarr4q3i0opj7h8 2000211 2000210 2026-09-18T16:31:45Z Bodhisattwa 2549 2000211 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|শুদ্ধিপত্র।}}}} {|{{ts|mc|wa}} |- || পৃষ্ঠা || পংক্তি || অশুদ্ধ || শোধন |- || ৬ || ১৭ || অর্য্য || অর্য |- || ১০ || ২৬ || গৃহ || গৃহ্য |- || ১১ || ৩১ || বৈদাুতাগ্নিনা || বৈদ্যুতাগ্নিনা |- || ১২ || ৪ || অনুবদ্ধ || অনুবন্ধ |- || {{ditto|১২|”}} || ২২ || সমার‍্যেহণে || সমারোহণে |- || ১৫ || ২৪ || সারণের || সায়ণের |- || ১৬ || ৩০ || ভারতের || ভরতের |- || ১৭ || ১৪ || নিষ্পদকাগ্নি || নিষ্পাদকাগ্নি |- || ১৯ || ২০ || সুক্তের || সূক্তের |- || ২৬ || ৩০ || বিবস্বন্ || বিবস্বান্ |} {{dhr}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> kdwficvc0wytknwv5w6izwgs6qfxgvn পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/১২ 104 886189 2000213 2026-09-18T16:35:50Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000213 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|(৷৷৹)}}</noinclude>সহজেই প্রতীয়মান হয় আমরা যাহাকে ইংরাজীতে North Pole বলি, তাহাই সুমেরু এবং দেবতাদের বাসস্থান।” ঐ সকল মতের সহিত আমার মতের ঐক্য হয় না।” এই সকল কথা বলিয়া শীল মহাশয় তাঁহার প্রবন্ধ পাঠ আরম্ভ করিলেন। {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>শীলবাটী, চুঁচুড়া, ২২শে ফাল্গুন, সন ১৩২৭</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{xx-larger|'''শ্রীনিতাইচাঁদ শীল।'''}}}} |} J<noinclude></noinclude> 7yx2ew54z7umk4rpagjmnm3mghrcqx1 2000215 2000213 2026-09-18T16:36:20Z Bodhisattwa 2549 2000215 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|(৷৷৹)}}</noinclude>সহজেই প্রতীয়মান হয় আমরা যাহাকে ইংরাজীতে North Pole বলি, তাহাই সুমেরু এবং দেবতাদের বাসস্থান।” ঐ সকল মতের সহিত আমার মতের ঐক্য হয় না।” এই সকল কথা বলিয়া শীল মহাশয় তাঁহার প্রবন্ধ পাঠ আরম্ভ করিলেন। {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>শীলবাটী, চুঁচুড়া, ২২শে ফাল্গুন, সন ১৩২৭</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|'''শ্রীনিতাইচাঁদ শীল।'''}}}} |} J<noinclude></noinclude> rf9zok8o8a7a7zwnbkrbhggg8h7vv4t 2000216 2000215 2026-09-18T16:36:40Z Bodhisattwa 2549 2000216 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|(৷৷৹)}}</noinclude>সহজেই প্রতীয়মান হয় আমরা যাহাকে ইংরাজীতে North Pole বলি, তাহাই সুমেরু এবং দেবতাদের বাসস্থান।” ঐ সকল মতের সহিত আমার মতের ঐক্য হয় না।” এই সকল কথা বলিয়া শীল মহাশয় তাঁহার প্রবন্ধ পাঠ আরম্ভ করিলেন। {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>শীলবাটী, চুঁচুড়া, ২২শে ফাল্গুন, সন ১৩২৭</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|'''শ্রীনিতাইচাঁদ শীল।'''}}}} |}<noinclude></noinclude> eurmo71ao1i52bha5xh40tqwd4qno7f 2000217 2000216 2026-09-18T16:37:05Z Bodhisattwa 2549 2000217 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{c|৷৷৹}}</noinclude>সহজেই প্রতীয়মান হয় আমরা যাহাকে ইংরাজীতে North Pole বলি, তাহাই সুমেরু এবং দেবতাদের বাসস্থান।” ঐ সকল মতের সহিত আমার মতের ঐক্য হয় না।” এই সকল কথা বলিয়া শীল মহাশয় তাঁহার প্রবন্ধ পাঠ আরম্ভ করিলেন। {| {{ts|wa|mc}} | width=50% |{{কেন্দ্র|<poem>শীলবাটী, চুঁচুড়া, ২২শে ফাল্গুন, সন ১৩২৭</poem>}} | width=3% rowspan=2| {{brace2|4|r}} | {{ts|ar}} |{{c|{{larger|'''শ্রীনিতাইচাঁদ শীল।'''}}}} |}<noinclude></noinclude> aisjgmbwxl7ponlrpexqg3qemc7z534 পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/৫ 104 886190 2000218 2026-09-18T16:41:43Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000218 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{dhr|2em}} {{c|{{xxx-larger|'''আর্য্যজাতির আদি নিবাস'''}} {{larger block|তথা হইতে নানাদেশে গমন ও ভারতে প্রবেশ।}} {{dhr}} {{rule|5em}} {{dhr|4em}} {{x-larger|'''শ্রীশিবচন্দ্র শীল প্রণীত'''}} {{dhr}} {{rule|8em}} {{dhr|4em}} {{larger block|চুঁচুড়া নগরীতে একটি সাহিত্য-পরিষৎ স্থাপনকল্পে তত্রস্থ শীলবাটীতে আহূত সভায় পঠিত।}} {{dhr}} {{rule|3em}} {{dhr|4em}} চুঁচুড়ার শীলবাটী হইতে শ্রীনিতাইচাঁদ শীল কর্ত্তৃক প্রকাশিত। {{dhr}} {{rule|2em}} {{dhr|4em}} সন ১৩২৮, জ্যৈষ্ঠ।}} {{dhr}}<noinclude></noinclude> geeh91gm00zlm490qg5vuzokj574bwb পাতা:আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf/১ 104 886191 2000219 2026-09-18T16:44:06Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000219 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{dhr|2em}} {{c|{{xxx-larger|'''আর্য্যজাতির আদি নিবাস'''}} {{larger block|তথা হইতে নানাদেশে গমন ও ভারতে প্রবেশ।}} {{dhr|12em}} {{xx-larger|'''শ্রীশিবচন্দ্র শীল'''}} {{larger|প্রণীত}}}}} {{dhr|15em}} {{rh|সর্ব্বসত্ত্ব সংরক্ষিত]||মূল্য—এক টাকা।}} {{dhr|2em}}<noinclude></noinclude> cs7ofogc7bacuib9i9a0l0zz7m2zx4d 2000221 2000219 2026-09-18T16:48:09Z Bodhisattwa 2549 2000221 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{dhr|2em}} {{c|{{xxx-larger|'''আর্য্যজাতির আদি নিবাস'''}} {{larger block|তথা হইতে নানাদেশে গমন ও ভারতে প্রবেশ।}} {{dhr|12em}} {{xx-larger|'''শ্রীশিবচন্দ্র শীল'''}} {{larger|প্রণীত}}}} {{dhr|15em}} {{rh|সর্ব্বসত্ত্ব সংরক্ষিত]||মূল্য—এক টাকা।}} {{dhr|2em}}<noinclude></noinclude> 0yoxxxhjmqqdzqd7u1gwm9j4tyh0ysf আর্য্যজাতির আদি নিবাস 0 886192 2000220 2026-09-18T16:47:08Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=1 to=2 header=প্রচ্ছদ/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=3 to=4/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শী..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000220 wikitext text/x-wiki <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=1 to=2 header=প্রচ্ছদ/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=3 to=4/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=5 to=5/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=6 to=6/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=7 to=8/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=9 to=12/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=13 to=14/> {{ppb}} <pages index="আর্য্যজাতির আদি নিবাস - শিবচন্দ্র শীল (১৯২১).pdf" from=15 to=54/> {{ppb}} {{reflist}} {{PD-India}} 662jstwnxnulmz2c4jyy535kishgdae পাতা:বঙ্গভাষা ও সাহিত্য - দীনেশচন্দ্র সেন (১৯০৮).pdf/৬৮ 104 886193 2000223 2026-09-18T17:58:51Z খাঁ শুভেন্দু 5482 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "১৮ বঙ্গভাষা ও সাহিত্য। পাছে কোন ক্ষুদ্র জীব নষ্ট হয়, সেই আশঙ্কায় এই নিষেধ। মুঞ্জশ্রী ব্রাহ্মণপণ্ডিত বলিয়া যেরূপ আদৃত ছিলেন, অপর দিকে বৌদ্ধগুরু বলিয়াও তেমনই প্রসিদ্ধ..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000223 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh|২২|বঙ্গভাষা ও সাহিত্য।|}}</noinclude>১৮ বঙ্গভাষা ও সাহিত্য। পাছে কোন ক্ষুদ্র জীব নষ্ট হয়, সেই আশঙ্কায় এই নিষেধ। মুঞ্জশ্রী ব্রাহ্মণপণ্ডিত বলিয়া যেরূপ আদৃত ছিলেন, অপর দিকে বৌদ্ধগুরু বলিয়াও তেমনই প্রসিদ্ধিলাভ করিয়াছিলেন। আদি চতুর্বর্ণ হইতে নানাপ্রকার সঙ্করজাতির উদ্ভব হয়। সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ চারুদত্ত মৃচ্ছকটিকের শেষাঙ্কে বারবিলাসিনী বসন্তসেনাকে বিবাহ করিলেন বলিয়া বর্ণিত হইয়াছে। মৃচ্ছকটিক বৌদ্ধাধিকারে রচিত। যদি সমাজে পূর্ব্বোক্ত ভাবের বিবাহপ্রথা বিশেষ নিন্দার্হ হইত, তাহা হইলে নাটকের প্রধান নায়ককে গ্রন্থকার কখনই এইরূপ পরিণয়পাশে আবদ্ধ করিতে সাহসী হইতেন না । যে ভাবে বৌদ্ধগণ রামায়ণ বিকৃত করিয়াছেন, তাহাতেই প্রতীত হয়, বৌদ্ধাধিকারে হিন্দুশাস্ত্রের দুর্গতির একশেষ হইয়াছিল। রাজা দশরথের দুই পুত্র, রাম ও লক্ষণ এবং একমাত্র কন্যা, সীতা। রামায়ণের শেষে রাম সহোদরা সীতাকে বিবাহ করিলেন। * ইহা শুধু রামায়ণের বিকৃতি নহে, সমাজে বিবাহ-পদ্ধতি যে যথেচ্ছাচারে পরিণত হইয়াছিল, ইহা হইতে তাহারও আভাস পাওয়া যায় । - শুধু সমাজ-বন্ধন শিথিল হইয়াছিল, এরূপ নহে; — ভাষাও বিশৃঙ্খল এবং শিথিল হইয়া পড়িয়াছিল। কথিত ভাষার উপর লিখিত ভাষার প্রভাব সৰ্ব্বদাই দৃষ্ট হয়। সংস্কৃতের আদর্শ লোক-চক্ষু হইতে অন্তর্হিত হইল ও তাহার স্থানে শিথিল প্রাকৃতভাষা রাজসভায় প্রচলিত হইল । কথিত ভাষাও পূৰ্ব্বাপেক্ষা মৃদুভাব অবলম্বন করিল । যথা, -- | ১ । “পণমহ জমন চলণে মুদ্রারাক্ষস, ১ম অঙ্ক । - ২। "শূপং বিন্ধন্তে ? পণ্ডবে শেদকেছ ? পুত্তে লাধাত্র ? লাবণে ? ইন্দ উত্তে? তাহে। কুন্তীএ তেন লামেণ জাদে ? অশ্বত্থামে ? ধৰ্ম্মপুত্তে ? জাড়উ ?” – মৃচ্ছকটিক, ১ম অঙ্ক। ৩। “পলিত্তাঅদু পাণীএ পুত্তে দলিদচালুদত্তাকে তুনং ॥”- মৃচ্ছকটিক, ৮ন অঙ্ক । * অথ বারাণস্যাং দশরথ মহারাজ নাম অগাতি গমনমপহায় ধহ্মেণ রাজ্যম- কোরসি। তস্য ষোলসন্ন মইথি সহস্থনন জেঠঠিক। অগমহেষি দ্ব পুত্ত একণ সাধরন বিজয়ি। জৈষ্ঠ পুত্তে। রান পণ্ডিতো অহোষি। দুতীয় লক্ষ্মণ কুমারোধিতা সীতাদেবী নাম ৷” ইত্যাদি।— বৌদ্ধজাতকঃ।<noinclude></noinclude> miudyzmtu5kpwlo0zj6geu0vx6pbtwt পাতা:বঙ্গভাষা ও সাহিত্য - দীনেশচন্দ্র সেন (১৯০৮).pdf/৬৭ 104 886194 2000224 2026-09-18T17:58:57Z খাঁ শুভেন্দু 5482 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "দ্বিতীয় অধ্যায় । সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা । ধৰ্ম্মবিপ্লবে প্রাচীন ভাব ও ভাষার সংস্কার এবং নব ভাব ও ভাষার ধর্ম্ম ও ভাষা । প্রতিষ্ঠা হয় । রোমান যাজকদিগের প্রভুত্ব লোপ..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000224 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="খাঁ শুভেন্দু" /></noinclude>দ্বিতীয় অধ্যায় । সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা । ধৰ্ম্মবিপ্লবে প্রাচীন ভাব ও ভাষার সংস্কার এবং নব ভাব ও ভাষার ধর্ম্ম ও ভাষা । প্রতিষ্ঠা হয় । রোমান যাজকদিগের প্রভুত্ব লোপের সঙ্গে সঙ্গে, লাটিনের একাধিপত্য , নষ্ট হয়। বুদ্ধদেব, মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্ব্বে, স্বীয় শিষ্যগণকে তাঁহার বাক্য ও কার্যাবলি পালিভাষায় লিপিবদ্ধ করিবার আজ্ঞা দেন । * ভারতের ভাষার ইতিহাসে সেইদিন এক নবযুগ প্রবর্তিত হয়। যদিচ বৌদ্ধগণও মধ্যে মধ্যে সংস্কৃতে পুস্তকাদি রচনা করিয়াছেন, তথাপি বুদ্ধের সেই অনুজ্ঞা প্রচারের সময় হইতেই সংস্কৃতের অখণ্ড প্রভাব তিরোহিত হয় । দেবভাষা, দেব ও ঋষিগণের জন্য সেই দিন স্বর্গারোহণ করেন । বৌদ্ধাধিকারে প্রাচীন ভাষা ও ভাব দলিত হয় । ব্ৰাহ্মণগণ কৃষিকার্য্য আরম্ভ করেন, কখনও বা বৌদ্ধদিগের জীবে দয়া স্মরণ করিয়া হলকর্ষণ কার্য্যে নিবৃত্ত বৌদ্ধ প্রভাব । হইবার বিধি প্রণয়ন করেন, যথা,— বৈদ্যবৃত্তাপি জীবংস্ত ব্রাহ্মণঃ ক্ষত্রিয়োঽপি বা হিংসাপ্রায়াং পরাধীনাং কৃষিং যত্নেন বর্জয়েৎ । কৃষিং সাধ্বিতি ম্যন্তে সা বৃত্তিঃ সদ্বিগর্হিতা। ভুমিং ভূমিশয়াং চৈব হস্তি কাঠময়োমুখম্ ॥ * মনুসংহিতা, ১০ম অধ্যায়, ৮৪ শ্লোক।—এই অংশ বৌদ্ধগণ কর্তৃক পরবর্ত্তী কালের যোজনা বলিয়া বোধ হয়। হল-চালনায় H আমার বাক্য সকল সংস্কৃতে অনুবাদ করিও না, তাহা হইলে বিশেষ অপরাধী হইবে। আমি যেমত প্রাকৃত ভাষায় উপদেশ দিতেছি, ঠিক সেইরূপ ভাষা গ্রন্থাদিতে ব্যবহার করিবে।” বুদ্ধবাক্য ত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত হইয়াছিল, এবং ইহার টীকাকারও কহেন, বুদ্ধবাক্য সকল মকণিরুত্তি অর্থাৎ প্রাকৃত ভাষায় রচিত ।<noinclude></noinclude> m4kxov28urv88ue9r0o9bn13v0ycan7 পাতা:বঙ্গভাষা ও সাহিত্য - দীনেশচন্দ্র সেন (১৯০৮).pdf/৬৯ 104 886195 2000225 2026-09-18T17:59:23Z খাঁ শুভেন্দু 5482 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা ১৯ সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রান, রাবণ, দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রি..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000225 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="খাঁ শুভেন্দু" /></noinclude>সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা ১৯ সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রান, রাবণ, দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া । ভারতবর্ষের কোন প্রদেশে নিম্নশ্রেণীতে ক্বচিৎ ভাষার এরূপ শিথিল ভাব প্রচলিত থাকিতে পারে; কিন্তু কথিত ভাষাও এখন অনেক পরিমাণে বিশুদ্ধ হইয়াছে। ইহার কারণ, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া। জৈমিনি ও ভুট্টপাদ এই প্রতিক্রিয়ার কার্য্য আরম্ভ করেন। সাহসরামের প্রস্তরলিপিতে ব্রাহ্মণদিগের প্রতি অশোকের যে অত্যাচার বর্ণিত আছে, রাজা সুধন্বা সেই অত্যাচারের প্রতিশোধ লইয়াছিলেন। যথা শঙ্করবিজয়ে,- লাবণ, দলিদ্দ ও চলণ হইয়াছে। এখন “দুষ্টমতাবলম্বিনঃ বৌদ্ধান্ জৈনান্ অসংখ্যা তান্ রাজমুখ্যাননেক বিদ্যা প্রসঙ্গ- ভেদৈনিজিত্য তেষাং শীর্ষাণি পরশু ভিচ্ছিন্ন। বহুধু উদুখলেষু নিক্ষিপ্য কঠভ্ৰমণৈশ্চচূর্ণীকৃত্য চৈবং দুষ্ট-মতধ্বংসানচর নির্ভয়ে বৰ্ত্ততে।” আদিশ্বর বৌদ্ধদিগকে পরাজিত করিয়া গৌড়রাজ্য স্থাপন করেন; যথা— “জিত্ব। বুদ্ধাংশ্চকার স্বয়মপি পতি- গৌড়রাজা।নিরস্তান ।" * হিন্দুধর্ম্মের এই উত্থান কেবল উৎপীড়নেই পর্যবসিত হইল না ; চতুদ্দিকে প্রাচীন শাস্ত্রের চর্চ্চা আরব্ধ হইল। খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীতে আজমীরের রাজপুত্র সারঙ্গদেব বৌদ্ধধর্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন, কিন্তু তদীয় পিতা রাজা বিশালদেব হিন্দুশাস্ত্র শুনাইয়া তাঁহার মতি-গতি পরিবর্তিত করিলেন। চাঁদকবি তাহার বর্ণনা করিয়াছেন ৷ + পাঠক A রাধাকান্ত দেবের শব্দ কল্প দ্রুম দ্রষ্টব্য । বুল্লাহ কুবংর সণমাণ কীন । + “অতি দুচিত ভয়ৈ সরাঙ্গ দেব। ণিত প্রতি করৈ অবিহিতং সেব ৷ বুধ ব্ৰহ্ম লিয়ে বাঁধে ন তেগ । স্থান স্রবণ রাজ মন ভৈ উদেগ ॥ কিহি কাজ তুমং ইহ ব্ৰহ্ম লীন ॥ তুনং ছংড়ি সরম হন তেং দুচিত ৷৷ ইহ নষ্ট জ্ঞান সুনিয়েণ কাণ। কহৈ বত। বণিক পুত্র হন পুরাতন ভজ্জৈ কিত্তী হান ৷ তুম রাজবংশ রাজ নহ সংগ। মৃগয়া সর পুরাণ। রামায়ণ স্থনহÐারত নিদান ॥” ইত্যাদি। — চাঁদ গাথা । খেলে। বন:কুরংগ ॥ পরমোধ ভজো বোধক<noinclude></noinclude> b94uooje0lbksgxakgxdkk1vtrkorln 2000227 2000225 2026-09-18T19:27:45Z খাঁ শুভেন্দু 5482 2000227 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh||সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা|১৯}}</noinclude>সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রাম, রাবণ, {{Float box|বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া ।}}দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, লাবণ, দলিদ্দ ও চলণ হইয়াছে। এখন ভারতবর্ষের কোন প্রদেশে নিম্নশ্রেণীতে ক্বচিৎ ভাষার এরূপ শিথিল ভাব প্রচলিত থাকিতে পারে; কিন্তু কথিত ভাষাও এখন অনেক পরিমাণে বিশুদ্ধ হইয়াছে। ইহার কারণ, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া। জৈমিনি ও ভট্টপাদ এই প্রতিক্রিয়ার কার্য্য আরম্ভ করেন। সাহসরামের প্রস্তরলিপিতে ব্রাহ্মণদিগের প্রতি অশোকের যে অত্যাচার বর্ণিত আছে, রাজা সুধন্বা সেই অত্যাচারের প্রতিশোধ লইয়াছিলেন। যথা শঙ্করবিজয়ে,― {{smaller|“দুষ্টমতাবলম্বিনঃ বৌদ্ধান্ জৈনান্ অসংখ্যাতান্ রাজমুখ্যাননেকবিদ্যাপ্রসঙ্গ- ভেদৈর্নির্জিত্য তেষাং শীর্ষাণি পরশুভিচ্ছিন্ন। বহুষু উলুখলেষু নিক্ষিপ্য কঠভ্ৰমণৈশ্চূর্ণীকৃত্য চৈবং দুষ্ট-মতধ্বংসানচর্‌ নির্ভয়ো বৰ্ত্ততে॥”}} আদিশ্বর বৌদ্ধদিগকে পরাজিত করিয়া গৌড়রাজ্য স্থাপন করেন; যথা— “জিত্বা বুদ্ধাংশ্চকার স্বয়মপি পতি- গৌড়রাজ্যানিরস্তান্‌ ।” * {{ফাঁক}}হিন্দুধর্ম্মের এই উত্থান কেবল উৎপীড়নেই পর্যবসিত হইল না ; চতুদ্দিকে প্রাচীন শাস্ত্রের চর্চ্চা আরব্ধ হইল। খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীতে আজমীরের রাজপুত্র সারঙ্গদেব বৌদ্ধধর্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন, কিন্তু তদীয় পিতা রাজা বিশালদেব হিন্দুশাস্ত্র শুনাইয়া তাঁহার মতি-গতি পরিবর্তিত করিলেন। চাঁদকবি তাহার বর্ণনা করিয়াছেন ৷ + পাঠক A রাধাকান্ত দেবের শব্দ কল্প দ্রুম দ্রষ্টব্য । বুল্লাহ কুবংর সণমাণ কীন । + “অতি দুচিত ভয়ৈ সরাঙ্গ দেব। ণিত প্রতি করৈ অবিহিতং সেব ৷ বুধ ব্ৰহ্ম লিয়ে বাঁধে ন তেগ । স্থান স্রবণ রাজ মন ভৈ উদেগ ॥ কিহি কাজ তুমং ইহ ব্ৰহ্ম লীন ॥ তুনং ছংড়ি সরম হন তেং দুচিত ৷৷ ইহ নষ্ট জ্ঞান সুনিয়েণ কাণ। কহৈ বত। বণিক পুত্র হন পুরাতন ভজ্জৈ কিত্তী হান ৷ তুম রাজবংশ রাজ নহ সংগ। মৃগয়া সর পুরাণ। রামায়ণ স্থনহÐারত নিদান ॥” ইত্যাদি। — চাঁদ গাথা । খেলে। বন:কুরংগ ॥ পরমোধ ভজো বোধক<noinclude></noinclude> ozcnst2k1t3rsvfrg8q3d5tmahrajid 2000228 2000227 2026-09-18T19:28:31Z খাঁ শুভেন্দু 5482 2000228 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh||সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা|১৯}}</noinclude>সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রাম, রাবণ, {{Float box|বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া ।}}দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, লাবণ, দলিদ্দ ও চলণ হইয়াছে। এখন ভারতবর্ষের কোন প্রদেশে নিম্নশ্রেণীতে ক্বচিৎ ভাষার এরূপ শিথিল ভাব প্রচলিত থাকিতে পারে; কিন্তু কথিত ভাষাও এখন অনেক পরিমাণে বিশুদ্ধ হইয়াছে। ইহার কারণ, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া। জৈমিনি ও ভট্টপাদ এই প্রতিক্রিয়ার কার্য্য আরম্ভ করেন। সাহসরামের প্রস্তরলিপিতে ব্রাহ্মণদিগের প্রতি অশোকের যে অত্যাচার বর্ণিত আছে, রাজা সুধন্বা সেই অত্যাচারের প্রতিশোধ লইয়াছিলেন। যথা শঙ্করবিজয়ে,― {{smaller|“দুষ্টমতাবলম্বিনঃ বৌদ্ধান্ জৈনান্ অসংখ্যাতান্ রাজমুখ্যাননেকবিদ্যাপ্রসঙ্গ- ভেদৈর্নির্জিত্য তেষাং শীর্ষাণি পরশুভিচ্ছিন্ন। বহুষু উলুখলেষু নিক্ষিপ্য কঠভ্ৰমণৈশ্চূর্ণীকৃত্য চৈবং দুষ্ট-মতধ্বংসানচর্‌ নির্ভয়ো বৰ্ত্ততে॥”}} আদিশ্বর বৌদ্ধদিগকে পরাজিত করিয়া গৌড়রাজ্য স্থাপন করেন; যথা— {{smaller|“জিত্বা বুদ্ধাংশ্চকার স্বয়মপি পতি- গৌড়রাজ্যানিরস্তান্‌ ।”}} * {{ফাঁক}}হিন্দুধর্ম্মের এই উত্থান কেবল উৎপীড়নেই পর্যবসিত হইল না ; চতুদ্দিকে প্রাচীন শাস্ত্রের চর্চ্চা আরব্ধ হইল। খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীতে আজমীরের রাজপুত্র সারঙ্গদেব বৌদ্ধধর্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন, কিন্তু তদীয় পিতা রাজা বিশালদেব হিন্দুশাস্ত্র শুনাইয়া তাঁহার মতি-গতি পরিবর্তিত করিলেন। চাঁদকবি তাহার বর্ণনা করিয়াছেন ৷ + পাঠক A রাধাকান্ত দেবের শব্দ কল্প দ্রুম দ্রষ্টব্য । বুল্লাহ কুবংর সণমাণ কীন । + “অতি দুচিত ভয়ৈ সরাঙ্গ দেব। ণিত প্রতি করৈ অবিহিতং সেব ৷ বুধ ব্ৰহ্ম লিয়ে বাঁধে ন তেগ । স্থান স্রবণ রাজ মন ভৈ উদেগ ॥ কিহি কাজ তুমং ইহ ব্ৰহ্ম লীন ॥ তুনং ছংড়ি সরম হন তেং দুচিত ৷৷ ইহ নষ্ট জ্ঞান সুনিয়েণ কাণ। কহৈ বত। বণিক পুত্র হন পুরাতন ভজ্জৈ কিত্তী হান ৷ তুম রাজবংশ রাজ নহ সংগ। মৃগয়া সর পুরাণ। রামায়ণ স্থনহÐারত নিদান ॥” ইত্যাদি। — চাঁদ গাথা । খেলে। বন:কুরংগ ॥ পরমোধ ভজো বোধক<noinclude></noinclude> lbmtytinr2btgz88n61vxrvgnuw0otj 2000229 2000228 2026-09-18T19:37:43Z খাঁ শুভেন্দু 5482 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000229 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh||সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা|১৯}}</noinclude>সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রাম, রাবণ, {{Float box|বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া।}}দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, লাবণ, দলিদ্দ ও চলণ হইয়াছে। এখন ভারতবর্ষের কোন প্রদেশে নিম্নশ্রেণীতে ক্বচিৎ ভাষার এরূপ শিথিল ভাব প্রচলিত থাকিতে পারে; কিন্তু কথিত ভাষাও এখন অনেক পরিমাণে বিশুদ্ধ হইয়াছে। ইহার কারণ, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া। জৈমিনি ও ভট্টপাদ এই প্রতিক্রিয়ার কার্য্য আরম্ভ করেন। সাহসরামের প্রস্তরলিপিতে ব্রাহ্মণদিগের প্রতি অশোকের যে অত্যাচার বর্ণিত আছে, রাজা সুধন্বা সেই অত্যাচারের প্রতিশোধ লইয়াছিলেন। যথা শঙ্করবিজয়ে,― {{smaller|“দুষ্টমতাবলম্বিনঃ বৌদ্ধান্ জৈনান্ অসংখ্যাতান্ রাজমুখ্যাননেকবিদ্যাপ্রসঙ্গভেদৈর্নির্জিত্য তেষাং শীর্ষাণি পরশুভিচ্ছিন্ন। বহুষু উলুখলেষু নিক্ষিপ্য কঠভ্রমণৈশ্চূর্ণীকৃত্য চৈবং দুষ্ট-মতধ্বংসানচর্‌ নির্ভয়ো বর্ত্ততে॥”}} আদিশ্বর বৌদ্ধদিগকে পরাজিত করিয়া গৌড়রাজ্য স্থাপন করেন; যথা— {{smaller|“জিত্বা বুদ্ধাংশ্চকার স্বয়মপি পতিগৌড়রাজ্যানিরস্তান্‌।”}} <ref>রাধাকান্ত দেবের শব্দকল্পদ্রুম দ্রষ্টব্য।</ref> {{ফাঁক}}হিন্দুধর্ম্মের এই উত্থান কেবল উৎপীড়নেই পর্য্যবসিত হইল না; চতুর্দ্দিকে প্রাচীন শাস্ত্রের চর্চ্চা আরব্ধ হইল। খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীতে আজমীরের রাজপুত্র সারঙ্গদেব বৌদ্ধধর্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন,―কিন্তু তদীয় পিতা রাজা বিশালদেব হিন্দুশাস্ত্র শুনাইয়া তাঁহার মতি-গতি পরিবর্ত্তিত করিলেন। চাঁদকবি তাহার বর্ণনা করিয়াছেন। <ref>“অতি দুচিত ভয়ৈ সরাঙ্গ দেব। ণিত প্রতি করৈ অবিহিতং সেব॥ বুধ ব্রহ্ম লিয়ৈ বাঁধে ন তেগ। সুনি স্রবণ রাজ মন ভৈ উদেগ॥ বুল্লাহ কুবংর সণমাণ কীন। কিহি কাজ তুমং ইহ ব্রহ্ম লীন॥ তুমং ছংড়ি সরম হম কহৈ বত। বণিক্ক পুত্র হন তেং দুচিত॥ ইহ নষ্ট জ্ঞান সুনিয়েণ কাণ। পুরষাতন ভজ্জৈ কিত্তী হান। তুম রাজবংশ রাজ নহ সংগ। মৃগয়া সর খেলো বন:কুরংগ॥ পরমোধ ভজো বোধক পুরাণ। রামায়ণ সুনভারত নিদান॥” ইত্যাদি।—চাঁদ গাথা।</ref> পাঠক<noinclude></noinclude> al3r6d126l63gw86w8c89fwrd29r0wg 2000230 2000229 2026-09-18T19:38:17Z খাঁ শুভেন্দু 5482 2000230 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh||সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা|১৯}}</noinclude>সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রাম, রাবণ, {{Float box|বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া।}}দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, লাবণ, দলিদ্দ ও চলণ হইয়াছে। এখন ভারতবর্ষের কোন প্রদেশে নিম্নশ্রেণীতে ক্বচিৎ ভাষার এরূপ শিথিল ভাব প্রচলিত থাকিতে পারে; কিন্তু কথিত ভাষাও এখন অনেক পরিমাণে বিশুদ্ধ হইয়াছে। ইহার কারণ, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া। জৈমিনি ও ভট্টপাদ এই প্রতিক্রিয়ার কার্য্য আরম্ভ করেন। সাহসরামের প্রস্তরলিপিতে ব্রাহ্মণদিগের প্রতি অশোকের যে অত্যাচার বর্ণিত আছে, রাজা সুধন্বা সেই অত্যাচারের প্রতিশোধ লইয়াছিলেন। যথা শঙ্করবিজয়ে,― {{smaller|“দুষ্টমতাবলম্বিনঃ বৌদ্ধান্ জৈনান্ অসংখ্যাতান্ রাজমুখ্যাননেকবিদ্যাপ্রসঙ্গভেদৈর্নির্জিত্য তেষাং শীর্ষাণি পরশুভিচ্ছিন্ন। বহুষু উলুখলেষু নিক্ষিপ্য কঠভ্রমণৈশ্চূর্ণীকৃত্য চৈবং দুষ্ট-মতধ্বংসানচর্‌ নির্ভয়ো বর্ত্ততে॥”}} আদিশ্বর বৌদ্ধদিগকে পরাজিত করিয়া গৌড়রাজ্য স্থাপন করেন; যথা— {{smaller|“জিত্বা বুদ্ধাংশ্চকার স্বয়মপি পতিগৌড়রাজ্যানিরস্তান্‌।”}} <ref>রাধাকান্ত দেবের শব্দকল্পদ্রুম দ্রষ্টব্য।</ref> {{ফাঁক}}হিন্দুধর্ম্মের এই উত্থান কেবল উৎপীড়নেই পর্য্যবসিত হইল না; চতুর্দ্দিকে প্রাচীন শাস্ত্রের চর্চ্চা আরব্ধ হইল। খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীতে আজমীরের রাজপুত্র সারঙ্গদেব বৌদ্ধধর্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন,―কিন্তু তদীয় পিতা রাজা বিশালদেব হিন্দুশাস্ত্র শুনাইয়া তাঁহার মতি-গতি পরিবর্ত্তিত করিলেন। চাঁদকবি তাহার বর্ণনা করিয়াছেন। <ref>“অতি দুচিত ভয়ৈ সরাঙ্গ দেব। ণিত প্রতি করৈ অবিহিতং সেব॥ বুধ ব্রহ্ম লিয়ৈ বাঁধে ন তেগ। সুনি স্রবণ রাজ মন ভৈ উদেগ॥ বুল্লাহ কুবংর সণমাণ কীন। কিহি কাজ তুমং ইহ ব্রহ্ম লীন॥ তুমং ছংড়ি সরম হম কহৈ বত। বণিক্ক পুত্র হন তেং দুচিত॥ ইহ নষ্ট জ্ঞান সুনিয়েণ কাণ। পুরষাতন ভজ্জৈ কিত্তী হান। তুম রাজবংশ রাজ নহ সংগ। মৃগয়া সর খেলো বন:কুরংগ॥ পরমোধ ভজো বোধক পুরাণ। রামায়ণ সুনভারত নিদান॥” ইত্যাদি।—চাঁদ গাথা।</ref> পাঠক<noinclude>{{rule}} {{reflist}}</noinclude> g8utqxj33j43cx541q3nfyrtqm6dvee 2000231 2000230 2026-09-18T19:39:10Z খাঁ শুভেন্দু 5482 2000231 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="খাঁ শুভেন্দু" />{{rh||সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বাঙ্গালা ।|১৯}}</noinclude>সংস্কৃতজ্ঞমাত্রেই এইরূপ রচনা বহুবার পড়িয়াছেন। চারুদত্ত, রাম, রাবণ, {{Float box|বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া।}}দরিদ্র, চরণ প্রভৃতি শব্দ স্থলে চালুদত্ত, লাম, লাবণ, দলিদ্দ ও চলণ হইয়াছে। এখন ভারতবর্ষের কোন প্রদেশে নিম্নশ্রেণীতে ক্বচিৎ ভাষার এরূপ শিথিল ভাব প্রচলিত থাকিতে পারে; কিন্তু কথিত ভাষাও এখন অনেক পরিমাণে বিশুদ্ধ হইয়াছে। ইহার কারণ, বৌদ্ধধর্ম্মের প্রতিক্রিয়া। জৈমিনি ও ভট্টপাদ এই প্রতিক্রিয়ার কার্য্য আরম্ভ করেন। সাহসরামের প্রস্তরলিপিতে ব্রাহ্মণদিগের প্রতি অশোকের যে অত্যাচার বর্ণিত আছে, রাজা সুধন্বা সেই অত্যাচারের প্রতিশোধ লইয়াছিলেন। যথা শঙ্করবিজয়ে,― {{smaller|“দুষ্টমতাবলম্বিনঃ বৌদ্ধান্ জৈনান্ অসংখ্যাতান্ রাজমুখ্যাননেকবিদ্যাপ্রসঙ্গভেদৈর্নির্জিত্য তেষাং শীর্ষাণি পরশুভিচ্ছিন্ন। বহুষু উলুখলেষু নিক্ষিপ্য কঠভ্রমণৈশ্চূর্ণীকৃত্য চৈবং দুষ্ট-মতধ্বংসানচর্‌ নির্ভয়ো বর্ত্ততে॥”}} আদিশ্বর বৌদ্ধদিগকে পরাজিত করিয়া গৌড়রাজ্য স্থাপন করেন; যথা— {{smaller|“জিত্বা বুদ্ধাংশ্চকার স্বয়মপি পতিগৌড়রাজ্যানিরস্তান্‌।”}} <ref>রাধাকান্ত দেবের শব্দকল্পদ্রুম দ্রষ্টব্য।</ref> {{ফাঁক}}হিন্দুধর্ম্মের এই উত্থান কেবল উৎপীড়নেই পর্য্যবসিত হইল না; চতুর্দ্দিকে প্রাচীন শাস্ত্রের চর্চ্চা আরব্ধ হইল। খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীতে আজমীরের রাজপুত্র সারঙ্গদেব বৌদ্ধধর্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন,―কিন্তু তদীয় পিতা রাজা বিশালদেব হিন্দুশাস্ত্র শুনাইয়া তাঁহার মতি-গতি পরিবর্ত্তিত করিলেন। চাঁদকবি তাহার বর্ণনা করিয়াছেন। <ref>“অতি দুচিত ভয়ৈ সরাঙ্গ দেব। ণিত প্রতি করৈ অবিহিতং সেব॥ বুধ ব্রহ্ম লিয়ৈ বাঁধে ন তেগ। সুনি স্রবণ রাজ মন ভৈ উদেগ॥ বুল্লাহ কুবংর সণমাণ কীন। কিহি কাজ তুমং ইহ ব্রহ্ম লীন॥ তুমং ছংড়ি সরম হম কহৈ বত। বণিক্ক পুত্র হন তেং দুচিত॥ ইহ নষ্ট জ্ঞান সুনিয়েণ কাণ। পুরষাতন ভজ্জৈ কিত্তী হান। তুম রাজবংশ রাজ নহ সংগ। মৃগয়া সর খেলো বন:কুরংগ॥ পরমোধ ভজো বোধক পুরাণ। রামায়ণ সুনভারত নিদান॥” ইত্যাদি।—চাঁদ গাথা।</ref> পাঠক<noinclude>{{rule}} {{reflist}}</noinclude> 9mzfupzc9r3ead8rwn4x4cvuor65maj পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২০ 104 886198 2000233 2026-09-19T04:49:03Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ইন্দ্রনাথকে এমন করে বলতে একমাত্র এলাই পারে। তবু তার পক্ষেও বলা সহজ নয়, তাই অস্বাভাবিক জোর লাগল গলায় । ; ইন্দ্রনাথকে ভালো দেখতে বললে সবটা বলা হয় না। ওর চেহারায় আছে একটা ক..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000233 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|১৮|চার অধ্যায়}}</noinclude>ইন্দ্রনাথকে এমন করে বলতে একমাত্র এলাই পারে। তবু তার পক্ষেও বলা সহজ নয়, তাই অস্বাভাবিক জোর লাগল গলায় । ; ইন্দ্রনাথকে ভালো দেখতে বললে সবটা বলা হয় না। ওর চেহারায় আছে একটা কঠিন আকর্ষণশক্তি । যেন একটা বজ্ৰ বাঁধা আছে সুদূরে ওর অন্তরে, তার গর্জন কানে আসে না, তার নিষ্ঠুর দীপ্তি মাঝে মাঝে ছুটে বেরিয়ে পড়ে। মুখের ভাবে মাজাঘষা ভদ্রতা, শান-দেওয়া ছুরির মতো। কড়া কথা বলতে বাধে না কিন্তু হেসে বলে ; গলার সুর রাগের বেগেও চড়ে না, রাগ প্রকাশ পায় হাসিতে । যতটুকু পরিচ্ছন্নতায় মর্যাদা রক্ষা হয় ততটুকু কখনো ভোলে না এবং অতিক্রমও করে না। চুল অনতিপরিমাণে ছাঁটা, যত্ন না করলেও এলোমেলো হবার আশঙ্কা নেই। মুখের রঙ বাদামি, লালের আভাস দেওয়া । ভুরুর উপর দুইপাশে প্রশস্ত টানা কপাল, দৃষ্টিতে কঠিন বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা, ঠোঁটে অবিচলিত সংকল্প এবং প্রভুত্বের গৌরব। অত্যন্ত দুঃসাধ্য রকমের দাবি সে অনায়াসে করতে পারে, জানে সেই দাবি সহজে অগ্রাহ হবে না। কেউ জানে তার বুদ্ধি অসামান্য, কেউ জানে তার শক্তি অলৌকিক । তার 'পরে কারও আছে সীমাহীন শ্রদ্ধা, কারও আছে অকারণ ভয়। ইন্দ্ৰনাথ হাসিমুখে বললে, “কী অন্যায় ?” “আপনি উমাকে বিয়ে করতে হুকুম করেছেন, সে তো বিয়ে করতে চায় না।”<noinclude></noinclude> iwcsc5lvf42c7miir6lk3tm382im9zz 2000234 2000233 2026-09-19T04:53:48Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000234 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৮|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথকে এমন করে বলতে একমাত্র এলাই পারে। তবু তার পক্ষেও বলা সহজ নয়, তাই অস্বাভাবিক জোর লাগল গলায়। {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথকে ভালো দেখতে বললে সবটা বলা হয় না। ওর চেহারায় আছে একটা কঠিন আকর্ষণশক্তি। যেন একটা বজ্ৰ বাঁধা আছে সুদূরে ওর অন্তরে, তার গর্জন কানে আসে না, তার নিষ্ঠুর দীপ্তি মাঝে মাঝে ছুটে বেরিয়ে পড়ে। মুখের ভাবে মাজাঘষা ভদ্রতা, শান-দেওয়া ছুরির মতো। কড়া কথা বলতে বাধে না কিন্তু হেসে বলে; গলার সুর রাগের বেগেও চড়ে না, রাগ প্রকাশ পায় হাসিতে। যতটুকু পরিচ্ছন্নতায় মর্যাদা রক্ষা হয় ততটুকু কখনো ভোলে না এবং অতিক্রমও করে না। চুল অনতিপরিমাণে ছাঁটা, যত্ন না করলেও এলোমেলো হবার আশঙ্কা নেই। মুখের রঙ বাদামি, লালের আভাস দেওয়া। ভুরুর উপর দুইপাশে প্রশস্ত টানা কপাল, দৃষ্টিতে কঠিন বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা, ঠোঁটে অবিচলিত সংকল্প এবং প্রভুত্বের গৌরব। অত্যন্ত দুঃসাধ্য রকমের দাবি সে অনায়াসে করতে পারে, জানে সেই দাবি সহজে অগ্রাহ হবে না। কেউ জানে তার বুদ্ধি অসামান্য, কেউ জানে তার শক্তি অলৌকিক । তার 'পরে কারও আছে সীমাহীন শ্রদ্ধা, কারও আছে অকারণ ভয়। {{ফাঁক}}ইন্দ্ৰনাথ হাসিমুখে বললে, “কী অন্যায়?” {{ফাঁক}}“আপনি উমাকে বিয়ে করতে হুকুম করেছেন, সে তো বিয়ে করতে চায় না।”<noinclude></noinclude> 868fek4il0j10lc3uk9uwmcv2z6ic7x 2000237 2000234 2026-09-19T05:10:33Z Bodhisattwa 2549 2000237 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৮|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথকে এমন করে বলতে একমাত্র এলাই পারে। তবু তার পক্ষেও বলা সহজ নয়, তাই অস্বাভাবিক জোর লাগল গলায়। {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথকে ভালো দেখতে বললে সবটা বলা হয় না। ওর চেহারায় আছে একটা কঠিন আকর্ষণশক্তি। যেন একটা বজ্র বাঁধা আছে সুদূরে ওর অন্তরে, তার গর্জন কানে আসে না, তার নিষ্ঠুর দীপ্তি মাঝে মাঝে ছুটে বেরিয়ে পড়ে। মুখের ভাবে মাজাঘষা ভদ্রতা, শান-দেওয়া ছুরির মতো। কড়া কথা বলতে বাধে না কিন্তু হেসে বলে; গলার সুর রাগের বেগেও চড়ে না, রাগ প্রকাশ পায় হাসিতে। যতটুকু পরিচ্ছন্নতায় মর্যাদা রক্ষা হয় ততটুকু কখনো ভোলে না এবং অতিক্রমও করে না। চুল অনতিপরিমাণে ছাঁটা, যত্ন না করলেও এলোমেলো হবার আশঙ্কা নেই। মুখের রঙ বাদামি, লালের আভাস দেওয়া। ভুরুর উপর দুইপাশে প্রশস্ত টানা কপাল, দৃষ্টিতে কঠিন বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা, ঠোঁটে অবিচলিত সংকল্প এবং প্রভুত্বের গৌরব। অত্যন্ত দুঃসাধ্য রকমের দাবি সে অনায়াসে করতে পারে, জানে সেই দাবি সহজে অগ্রাহ হবে না। কেউ জানে তার বুদ্ধি অসামান্য, কেউ জানে তার শক্তি অলৌকিক। তার 'পরে কারও আছে সীমাহীন শ্রদ্ধা, কারও আছে অকারণ ভয়। {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথ হাসিমুখে বললে, “কী অন্যায়?” {{ফাঁক}}“আপনি উমাকে বিয়ে করতে হুকুম করেছেন, সে তো বিয়ে করতে চায় না।” {{nop}}<noinclude></noinclude> gda907a1uv3gf98blyckkll53vzwz5x পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২১ 104 886199 2000239 2026-09-19T05:18:33Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}“কে বললে চায় না।” {{ফাঁক}}“সে নিজেই বলে।” {{ফাঁক}}“হয়তো সে নিজে ঠিক জানে না, কিংবা নিজে ঠিক বলে না।” {{ফাঁক}}“সে আপনার সামনে প্রতিজ্ঞা করেছিল বিয়ে করবে না। {{ফাঁক}}“তখন স..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000239 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|১৯|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“কে বললে চায় না।” {{ফাঁক}}“সে নিজেই বলে।” {{ফাঁক}}“হয়তো সে নিজে ঠিক জানে না, কিংবা নিজে ঠিক বলে না।” {{ফাঁক}}“সে আপনার সামনে প্রতিজ্ঞা করেছিল বিয়ে করবে না। {{ফাঁক}}“তখন সেটা ছিল সত্য, এখন সেটা সত্য নেই। মুখের কথায় সত্য সৃষ্টি করা যায় না। প্রতিজ্ঞা উমা আপনিই ভাঙত, আমি ভাঙালুম, ওর অপরাধ বাঁচিয়ে দিলুম।” {{ফাঁক}}“প্রতিজ্ঞা রাখা না-রাখার দায়িত্ব ওরই, না হয় ভাঙত, না হয় করত অপরাধ।” {{ফাঁক}}“ভাঙতে ভাঙতে আশেপাশে ভাঙচুর করত বিস্তর, লোকসান হোত আমাদের সকলেরই।” {{ফাঁক}}“ও কিন্তু বড়ো কান্নাকাটি করছে।” {{ফাঁক}}“তাহলে কান্নাকাটির দিন আর বাড়তে দেব না—কাল- পরশুর মধ্যেই বিয়ে চুকিয়ে দেওয়া যাবে।” {{ফাঁক}}“কাল-পরশুর পরেও তো ওর সমস্ত জীবনটাই আছে।” {{ফাঁক}}“মেয়েদের বিয়ের আগেকার কান্না প্রভাতে মেঘডম্বরং।” {{ফাঁক}}“আপনি নিষ্ঠুর।” {{ফাঁক}}“কেননা, মানুষকে যে-বিধাতা ভালোবাসেন তিনি নিষ্ঠুর, ন্তুকেই তিনি প্রশ্রয় দেন।” {{ফাঁক}}“আপনি জানেন উমা সুকুমারকে ভালোবাসে।” {{ফাঁক}}“সেইজন্যেই ওকে তফাত করতে চাই।” {{ফাঁক}}“ভালোবাসার শাস্তি ” {{nop}}<noinclude></noinclude> rt9z5vz622q3hmjl97a2hg72vgcggvj 2000254 2000239 2026-09-19T06:36:10Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000254 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|১৯|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“কে বললে চায় না।” {{ফাঁক}}“সে নিজেই বলে।” {{ফাঁক}}“হয়তো সে নিজে ঠিক জানে না, কিংবা নিজে ঠিক বলে না।” {{ফাঁক}}“সে আপনার সামনে প্রতিজ্ঞা করেছিল বিয়ে করবে না। {{ফাঁক}}“তখন সেটা ছিল সত্য, এখন সেটা সত্য নেই। মুখের কথায় সত্য সৃষ্টি করা যায় না। প্রতিজ্ঞা উমা আপনিই ভাঙত, আমি ভাঙালুম, ওর অপরাধ বাঁচিয়ে দিলুম।” {{ফাঁক}}“প্রতিজ্ঞা রাখা না-রাখার দায়িত্ব ওরই, না হয় ভাঙত, না হয় করত অপরাধ।” {{ফাঁক}}“ভাঙতে ভাঙতে আশেপাশে ভাঙচুর করত বিস্তর, লোকসান হোত আমাদের সকলেরই।” {{ফাঁক}}“ও কিন্তু বড়ো কান্নাকাটি করছে।” {{ফাঁক}}“তাহলে কান্নাকাটির দিন আর বাড়তে দেব না—কাল-পরশুর মধ্যেই বিয়ে চুকিয়ে দেওয়া যাবে।” {{ফাঁক}}“কাল-পরশুর পরেও তো ওর সমস্ত জীবনটাই আছে।” {{ফাঁক}}“মেয়েদের বিয়ের আগেকার কান্না প্রভাতে মেঘডম্বরং।” {{ফাঁক}}“আপনি নিষ্ঠুর।” {{ফাঁক}}“কেননা, মানুষকে যে-বিধাতা ভালোবাসেন তিনি নিষ্ঠুর, ন্তুকেই তিনি প্রশ্রয় দেন।” {{ফাঁক}}“আপনি জানেন উমা সুকুমারকে ভালোবাসে।” {{ফাঁক}}“সেইজন্যেই ওকে তফাত করতে চাই।” {{ফাঁক}}“ভালোবাসার শাস্তি?” {{nop}}<noinclude></noinclude> s91hsjd9wpvoxyult7rfpa9ovn7oayj পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/১২০ 104 886200 2000240 2026-09-19T05:28:30Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 2000240 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|নব্য-বিজ্ঞান}}</noinclude>অন্ধকার ঘরে আছি এবং কোন ব্যক্তি বিশেষ কোন যন্ত্রবিশেষ দ্বারা ইচ্ছামত ঈথর-তরঙ্গ উৎপাদন করাইতেছে। কম্পন-সংখ্যা সেকেণ্ডে এক, দশ, শত, সহস্র, লক্ষ, কোটী, লক্ষ কোটী, কোটী কোটী—আমরা কিছুই দেখিতেছি না; কম্পন-সংখ্যা, যখন প্রতি সেকেণ্ডে চারি কোটী কোটা বারে পৌঁছিল, তখন হঠাৎ সেই অন্ধকার ভেদ করিয়া রক্তিম আলোক দেখা দিল। সংখ্যা আরও বাড়ান হইতে লাগিল, আলোর রং লাল হইতে পীত, পীত হইতে সবুজ, সবুজ হইতে নীল, যখন সেকেণ্ডে ৮ কোটী কোটী বার কাঁপিতে লাগিল, তখন রংটা বেগুনে বলিয়া মনে হইল; সংখ্যা আরও বাড়ান গেল, আমাদের চক্ষু পরাস্ত হইল—যে অন্ধকার, আবার সেই অন্ধকার। {{ফাঁক}}আলোর এ তত্ত্ব বিজ্ঞান অনেক দিন হইতে জানে এবং ৪ কোটী কোটী বারের ঠিক এদিকের কতকগুলি কম্পন যে উত্তাপরূপে আমাদের ত্বগিন্দ্রিয়ের গোচর<noinclude>{{right|১০৮}}</noinclude> sjk5bgo9nxerzvqttsd9ss03ohfomil 2000246 2000240 2026-09-19T05:45:34Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000246 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>অন্ধকার ঘরে আছি এবং কোন ব্যক্তি বিশেষ কোন যন্ত্রবিশেষ দ্বারা ইচ্ছামত ঈথর-তরঙ্গ উৎপাদন করাইতেছে। কম্পন-সংখ্যা সেকেণ্ডে এক, দশ, শত, সহস্র, লক্ষ, কোটী, লক্ষ কোটী, কোটী কোটী—আমরা কিছুই দেখিতেছি না; কম্পন-সংখ্যা, যখন প্রতি সেকেণ্ডে চারি কোটী কোটী বারে পৌঁছিল, তখন হঠাৎ সেই অন্ধকার ভেদ করিয়া রক্তিম আলোক দেখা দিল। সংখ্যা আরও বাড়ান হইতে লাগিল, আলোর রং লাল হইতে পীত, পীত হইতে সবুজ, সবুজ হইতে নীল, যখন সেকেণ্ডে ৮ কোটী কোটী বার কাঁপিতে লাগিল, তখন রংটা বেগুনে বলিয়া মনে হইল; সংখ্যা আরও বাড়ান গেল, আমাদের চক্ষু পরাস্ত হইল—যে অন্ধকার, আবার সেই অন্ধকার। {{ফাঁক}}আলোর এ তত্ত্ব বিজ্ঞান অনেক দিন হইতে জানে এবং ৪ কোটী কোটী বারের ঠিক এদিকের কতকগুলি কম্পন যে উত্তাপরূপে আমাদের ত্বগিন্দ্রিয়ের গোচর<noinclude>{{right|১০৮}}</noinclude> 4fb7kivstf271n0ev6eta6qz3wlkv3c পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/৮৮ 104 886201 2000241 2026-09-19T05:30:09Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 2000241 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|নব্য-বিজ্ঞান}}</noinclude>{{ফাঁক}}উড়িবার ইচ্ছাটা মানবের বহুযুগের। চোখের উপর সে দেখিতেছে, কোকিল কুহু কুহু করিয়া, চাতক ফটিক জল বলিয়া, ভ্রমর গুণ-গুণ, করিয়া উড়িতেছে; দেখিতেছে, ময়রার দোকানে বোলতা বন্-বন্ করিয়া, ছেঁড়া মশারির মধ্যে মশা ভ-ভন্ করিয়া এবং তাহার মাথার উপর কাক-চিল ঝটাপট্ করিয়া উড়িতেছে, আর সে শুধু চুপ্‌-চাপ্‌ আছে। তাই প্রথম সে কাব্যে, ব্রতকথায়, রূপকথায় নানান্ জনকে নানান্ যানে উড়াইল। তাহার পর একদিন ভাবিল যে, দুখানা ডানায় যখন সকল খেচর আকাশে ঘুরিয়া বেড়ায়, তথন দুইখানা কৃত্রিম ডানা দিয়া সে-ই বা উড়িতে পারিবে না কেন? সত্য সত্যই নিজের দেহে দুইখানা ডান। লাগাইয়া উড়িতে গেল; কিন্তু তাহার<noinclude>{{right|৭৬}}</noinclude> cabnghohtiywt4i2tniuqtab18f6lxd 2000248 2000241 2026-09-19T05:51:58Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000248 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>{{dhr|9em}} {{C|{{larger|'''১০'''}}}} {{ফাঁক}}উড়িবার ইচ্ছাটা মানবের বহুযুগের। চোখের উপর সে দেখিতেছে, কোকিল কুহু কুহু করিয়া, চাতক ফটিক জল বলিয়া, ভ্রমর গুণ্-গুণ্ করিয়া উড়িতেছে; দেখিতেছে, ময়রার দোকানে বোলতা বন্-বন্ করিয়া, ছেঁড়া মশারির মধ্যে মশা ভন্-ভন্ করিয়া এবং তাহার মাথার উপর কাক-চিল ঝটাপট্ করিয়া উড়িতেছে, আর সে শুধু চুপ্‌-চাপ্‌ আছে। তাই প্রথম সে কাব্যে, ব্রতকথায়, রূপকথায় নানান্ জনকে নানান্ যানে উড়াইল। তাহার পর একদিন ভাবিল যে, দুখানা ডানায় যখন সকল খেচর আকাশে ঘুরিয়া বেড়ায়, তথন দুইখানা কৃত্রিম ডানা দিয়া সে-ই বা উড়িতে পারিবে না কেন? সত্য সত্যই নিজের দেহে দুইখানা ডানা লাগাইয়া উড়িতে গেল; কিন্তু তাহার<noinclude>{{right|৭৬}}</noinclude> 2gbvvpufcq960uqwbj0ql4xqbmdy347 পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/৮৯ 104 886202 2000242 2026-09-19T05:40:18Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 2000242 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|নব্য-বিজ্ঞান}}</noinclude>এই ডানা পিপীলিকার ডানা উঠার মত হইল। পাথা -ছাড়িয়া এইবার অন্য উপায় ধরিল। বাতাসের চেয়ে হাল্কা অনেক গ্যাস তো আছে! কোন এক বড় ব্যাগ হইতে বাতাস তাড়াইয়া তৎপরিবর্তে বাতাস অপেক্ষা হাল্কা এই গ্যাস ভরিয়া দিলে ব্যাগটি যদি অত্যধিক ভারী না হয় তো উহা সমপরিমাণ বাতাস অপেক্ষা লঘু হওয়ায় উপরে উঠিতে থাকিবে, এবং বড় রকমের এইরূপ একটা ব্যাগ চাই কি দু পাঁচ জন লোক লইয়াই উপরে উঠিবে। ১৭৮৩ খৃষ্টাব্দে ১৫ই অক্টোবর এইরূপ একটা বেলুনে মেজ (Metz)-বাসী জনৈক ভদ্রলোক প্রথম আকাশে উঠিসেন; ১৮৬৩ খৃষ্টাব্দে অক্টোবর মাসে ফ্রান্স হইতে ঘে সর্ব্বাপেক্ষা বৃহৎ বেলুন উঠিল, তাহা ১৩টি লোককে আকাশে তুলিল। {{ফাঁক}}কিন্তু এইরূপে আকাশপথে ভ্রমণে মানবের চলাফেরার বড় একটা কর্তৃত্ব থাকে না; সে একেবারে বাতাসের অধীন, বাতাস যে দিকে চালাইবে, তাহার রথ সেই<noinclude>{{left|৭৭}}</noinclude> 0d8yu3osb9vc0dsepjcsgrqg9jxrdtw 2000249 2000242 2026-09-19T05:57:47Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000249 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>এই ডানা পিপীলিকার ডানা উঠার মত হইল। পাথা -ছাড়িয়া এইবার অন্য উপায় ধরিল। বাতাসের চেয়ে হাল্কা অনেক গ্যাস তো আছে! কোন এক বড় ব্যাগ হইতে বাতাস তাড়াইয়া তৎপরিবর্ত্তে বাতাস অপেক্ষা হাল্কা এই গ্যাস ভরিয়া দিলে ব্যাগটি যদি অত্যধিক ভারী না হয় তো উহা সমপরিমাণ বাতাস অপেক্ষা লঘু হওয়ায় উপরে উঠিতে থাকিবে, এবং বড় রকমের এইরূপ একটা ব্যাগ চাই কি দু পাঁচ জন লোক লইয়াই উপরে উঠিবে। ১৭৮৩ খৃষ্টাব্দে ১৫ই অক্টোবর এইরূপ একটা বেলুনে মেজ (Metz)-বাসী জনৈক ভদ্রলোক প্রথম আকাশে উঠিলেন; ১৮৬৩ খৃষ্টাব্দে অক্টোবর মাসে ফ্রান্স হইতে যে সর্ব্বাপেক্ষা বৃহৎ বেলুন উঠিল, তাহা ১৩টি লোককে আকাশে তুলিল। {{ফাঁক}}কিন্তু এইরূপে আকাশপথে ভ্রমণে মানবের চলাফেরার বড় একটা কর্ত্তৃত্ব থাকে না; সে একেবারে বাতাসের অধীন, বাতাস যে দিকে চালাইবে, তাহার রথ সেই<noinclude>{{left|৭৭}}</noinclude> 64ekfbxlvmx5dfzijuqr3izzyy88cnl পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/৯০ 104 886203 2000243 2026-09-19T05:41:30Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 2000243 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|নব্য-বিজ্ঞান}}</noinclude>দিকেই চলিবে; তাই ঠিক এইরূপ যানে আকাশে বিচরণ করিবার চেষ্টায় মানব ক্ষান্ত হইল। বাতাসে ইচ্ছামত বেড়াইবার জন্য জন্য বাতাস অপেক্ষা ভারি হওয়াই সুবিধাজনক, শুধু এই ভারি জিনিষটাকে বাতাসের মধ্য দিয়া চালনা করিতে হইবে। নৌকা যেমন দাঁড় দিয়া জল কাটাইয়া চলে, সেইরূপ বাতাস কাটাইয়া চলিবার উপায় করিলে বাতাস অপেক্ষা ভারি জিনিষও বাতাস ভেদ করিয়া যাইতে পাবে; নৌকার সঙ্গে তফাৎ এইটুকু যে, দাঁড় আস্তে আস্তে চলিলে, এমন কি, না চলিলেও নৌকাডুবির কোন আশঙ্কা নাই। কারণ, নৌকা জলে ভাসে, কিন্তু বাতাস কাটাইয়া যাইবার কল বন্ধ হইলে বা আস্তে আস্তে 'চলিলে সবশুদ্ধ একেবারে ধরণীপৃষ্ঠে। সমস্ত জিনিষটা যত ভারি হইবে, বাতাস কাটাইবার ক্ষমতা তত বেশী হওয়া চাই, এদিকে আবার একটু বেশী ভারি না হইলে হাওয়া-ঝড়ের বিরুদ্ধে যাওয়া দুঃসাধ্য হইবে;<noinclude>{{right|৭৮}}</noinclude> c1yannvv2g0tgma2drk1chx87igj757 2000250 2000243 2026-09-19T06:00:57Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000250 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>দিকেই চলিবে; তাই ঠিক এইরূপ যানে আকাশে বিচরণ করিবার চেষ্টায় মানব ক্ষান্ত হইল। বাতাসে ইচ্ছামত বেড়াইবার জন্য জন্য বাতাস অপেক্ষা ভারি হওয়াই সুবিধাজনক, শুধু এই ভারি জিনিষটাকে বাতাসের মধ্য দিয়া চালনা করিতে হইবে। নৌকা যেমন দাঁড় দিয়া জল কাটাইয়া চলে, সেইরূপ বাতাস কাটাইয়া চলিবার উপায় করিলে বাতাস অপেক্ষা ভারি জিনিষও বাতাস ভেদ করিয়া যাইতে পাবে; নৌকার সঙ্গে তফাৎ এইটুকু যে, দাঁড় আস্তে আস্তে চলিলে, এমন কি, না চলিলেও নৌকাডুবির কোন আশঙ্কা নাই। কারণ, নৌকা জলে ভাসে, কিন্তু বাতাস কাটাইয়া যাইবার কল বন্ধ হইলে বা আস্তে আস্তে চলিলে সবশুদ্ধ একেবারে ধরণীপৃষ্ঠে। সমস্ত জিনিষটা যত ভারি হইবে, বাতাস কাটাইবার ক্ষমতা তত বেশী হওয়া চাই, এদিকে আবার একটু বেশী ভারি না হইলে হাওয়া-ঝড়ের বিরুদ্ধে যাওয়া দুঃসাধ্য হইবে;<noinclude>{{right|৭৮}}</noinclude> ohkhwivnogcuf8nbemwwom2d00osbuh পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/৯১ 104 886204 2000244 2026-09-19T05:42:29Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 2000244 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|নব্য-বিজ্ঞান}}</noinclude>অতএব দুইটার মধ্যে একটা আপোষ করিতে হইবে, এবং সমস্ত ব্যোমযানটার গঠন এরূপ করিতে হইবে, যাহাতে বাতাসের বাধা যত সম্ভব কম পায়। {{ফাঁক}}পুকুরে ডুব-সাঁতার কাটিবার সময় মাটী ধরিয়া যাইতে পারিলে যাওয়াটা খুব তাড়াতাড়ি হয়; নৌকা -যখন নদীর ধার দিয়া চলে, দাঁড়ি তখন দাঁড় ছাড়িয়া একটা লম্বা বাঁশ দিয়া মাটীর উপর ভর দিয়া চলে। মাটীর বদলে জল কাটাইয়া চলিতে অনেক কম জোর পাওয়া যায়; বাতাস কাটাইয়া যাইতে সে জোর আরও অনেক কমিয়া যায়; সুতরাং যে মটরের বাঁকান বাঁকান পাখা হাওয়া কাটাইবে, সেই মটর অত্যধিক শক্তিশালী হওয়া চাই, তবেই উহা বাতাসকে ঠেলা দিয়া বাতাসের মধ্য দিয়া বাতাস অপেক্ষা একটা ভারি জিনিষকে ইচ্ছামত চালনা করিবে। একট। মাছি উড়িবার সময় সেকেণ্ডে ৩০০ १<noinclude>{{left|৭৯}}</noinclude> efhdjf3wmn431qnmmchclkjx2c25id8 2000251 2000244 2026-09-19T06:06:46Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000251 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>অতএব দুইটার মধ্যে একটা আপোষ করিতে হইবে, এবং সমস্ত ব্যোমযানটার গঠন এরূপ করিতে হইবে, যাহাতে বাতাসের বাধা যত সম্ভব কম পায়। {{ফাঁক}}পুকুরে ডুব-সাঁতার কাটিবার সময় মাটী ধরিয়া যাইতে পারিলে যাওয়াটা খুব তাড়াতাড়ি হয়; নৌকা যখন নদীর ধার দিয়া চলে, দাঁড়ি তখন দাঁড় ছাড়িয়া একটা লম্বা বাঁশ দিয়া মাটীর উপর ভর দিয়া চলে। মাটীর বদলে জল কাটাইয়া চলিতে অনেক কম জোর পাওয়া যায়; বাতাস কাটাইয়া যাইতে সে জোর আরও অনেক কমিয়া যায়; সুতরাং যে মটরের বাঁকান বাঁকান পাখা হাওয়া কাটাইবে, সেই মটর অত্যধিক শক্তিশালী হওয়া চাই, তবেই উহা বাতাসকে ঠেলা দিয়া বাতাসের মধ্য দিয়া বাতাস অপেক্ষা একটা ভারি জিনিষকে ইচ্ছামত চালনা করিবে। একটা মাছি উড়িবার সময় সেকেণ্ডে ৩০০<noinclude>{{left|৭৯}}</noinclude> dh30lc3i5ftejbnndovkr8lcew4f0ti পাতা:নব্য-বিজ্ঞান - চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য.pdf/৯২ 104 886205 2000252 2026-09-19T06:07:33Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 2000252 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|নব্য-বিজ্ঞান}}</noinclude>বারের অধিক পাখা নাড়ে, তবেই সে তাহার দেহকে বাতাসের মধ্য দিয়া টানিয়া লইয়া যাইতে সক্ষম হয়। সুতরাং ব্যোমযানে স্থাপিত পাখাকে অপরিমিত বেগে ঘুরিতে হইবে, তবেই উহা অতবড় এক জিনিষকে বাতাস ভেদ করিয়া লইয়া যাইতে পারিবে এবং যে মটর এই পাথা ঘুরাইবে, তাহা যখন ঐ যানের মধ্যে থাকিবে, তখন উহাকে যথাসম্ভব হাল্কা হইতে হইবে। অতএব হাল্কা অথচ অপরিমিত শক্তিশালী মটরই এই সকল আকাশযানের প্রধান অঙ্গ। ১৮৫২ খৃষ্টাব্দে তিন ঘোটক-বলশালী একটি বাষ্পীয় এঞ্জিন (engine) সর্ব্বপ্রথম একটি যানকে আকাশে তুলিল; অনেক দেশে অনেকের হাতে উহার উন্নতি হইতে লাগিল, পরিশেষে ১৯০০ সালে জার্ম্মাণীর কাউণ্ট জেপেলীন এলুমিনিয়ম (aluminium) নির্ম্মিত যে যান তৈয়ারি করিলেন, তাহা তাঁহারই নামে খ্যাত হইয়া ঘণ্টায় ১৮ মাইল বেগে আকাশমধ্য দিয়া চলিল, এবং বর্তমান যুদ্ধে বাষ্পীয় এঞ্জিন মটর-কারের বেগে<noinclude>{{right|৮০}}</noinclude> cmo9qhue5pqu5snskcvpko7pyafxbbe 2000253 2000252 2026-09-19T06:11:14Z Salil Kumar Mukherjee 12643 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000253 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|{{larger|নব্য-বিজ্ঞান}}}}</noinclude>বারের অধিক পাখা নাড়ে, তবেই সে তাহার দেহকে বাতাসের মধ্য দিয়া টানিয়া লইয়া যাইতে সক্ষম হয়। সুতরাং ব্যোমযানে স্থাপিত পাখাকে অপরিমিত বেগে ঘুরিতে হইবে, তবেই উহা অতবড় এক জিনিষকে বাতাস ভেদ করিয়া লইয়া যাইতে পারিবে এবং যে মটর এই পাথা ঘুরাইবে, তাহা যখন ঐ যানের মধ্যে থাকিবে, তখন উহাকে যথাসম্ভব হাল্কা হইতে হইবে। অতএব হাল্কা অথচ অপরিমিত শক্তিশালী মটরই এই সকল আকাশযানের প্রধান অঙ্গ। ১৮৫২ খৃষ্টাব্দে তিন ঘোটক-বলশালী একটি বাষ্পীয় এঞ্জিন (engine) সর্ব্বপ্রথম একটি যানকে আকাশে তুলিল; অনেক দেশে অনেকের হাতে উহার উন্নতি হইতে লাগিল, পরিশেষে ১৯০০ সালে জার্ম্মাণীর কাউণ্ট জেপেলীন এলুমিনিয়ম (aluminium) নির্ম্মিত যে যান তৈয়ারি করিলেন, তাহা তাঁহারই নামে খ্যাত হইয়া ঘণ্টায় ১৮ মাইল বেগে আকাশমধ্য দিয়া চলিল, এবং বর্ত্তমান যুদ্ধে বাষ্পীয় এঞ্জিন মটর-কারের বেগে<noinclude>{{right|৮০}}</noinclude> qiend1jwcekzw2vlewyi4s8k506jd5r পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২২ 104 886206 2000255 2026-09-19T06:40:36Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000255 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২০|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“ভালোবাসার শাস্তির কোনো মানে নেই। তাহলে বসন্ত রোগ হয়েছে বলেও শাস্তি দিতে হয়। কিন্তু গুটি বেরোলে ঘর থেকে বের করে রোগীকে হাসপাতালে পাঠানোই শ্রেয়।” {{ফাঁক}}“সুকুমারের সঙ্গে বিয়ে দিলেই তো হয়। {{ফাঁক}}“সুকুমার তো কোনো অপরাধ করেনি। ওর মতো ছেলে আমাদের মধ্যে কজন আছে?” {{ফাঁক}}“ও যদি নিজেই উমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়?” {{ফাঁক}}“অসম্ভব নয়। সেইজন্যেই এত তাড়া। ওর মতো উঁচুদরের পুরুষের মনে বিভ্রম ঘটানো মেয়েদের পক্ষে সহজ;—সৌজন্যকে প্রশ্রয় বলে সুকুমারের কাছে প্রমাণ করা দুই-এক ফোঁটা চোখের জলেই সম্ভব হোতে পারে । রাগ করছ শুনে?” {{ফাঁক}}"রাগ করব কেন। মেয়েরা নিঃশব্দ নৈপুণ্যে প্রশ্রয় ঘটিয়েছে আর তার দায় মানতে হয়েছে পুরুষকে, আমার অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনার অভাব নেই। সময় হয়েছে সত্যের অনুরোধে ন্যায়বিচার করবার। আমি সেটা করে থাকি বলেই মেয়েরা আমাকে দেখতে পারে না। যার সঙ্গে উমার বিয়ের হুকুম সেই ভোগীলালের মত কী।” {{ফাঁক}}“সেই নিষ্কণ্টক ভালোমানুষের মতামত বলে কোনো উপসর্গ নেই। বাঙালির মেয়েমাত্রকেই সে বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি বলে জানে। ও-রকম মুগ্ধ স্বভাবের ছেলেকে দলের বাইরের আঙিনায় সরিয়ে ফেলা দরকার। জঞ্জাল ফেলবার সবচেয়ে ভালো ঝুড়ি বিবাহ।”{{nop}}<noinclude></noinclude> 9rd2hw1apbhizsgsc26104aoooyu4lh পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৩ 104 886207 2000256 2026-09-19T06:45:19Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}“এই সমস্ত উৎপাতের আশঙ্কা সত্ত্বেও আপনি মেয়ে-পুরুষকে একত্র করেছেন কেন।” {{ফাঁক}}“শরীরটাতে ছাই দিয়েছে যে-সন্ন্যাসী, আর প্রবৃত্তিকে ছাই করেছে যে-ভস্মকুণ্ড সেই ক্লীব..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000256 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২১|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“এই সমস্ত উৎপাতের আশঙ্কা সত্ত্বেও আপনি মেয়ে-পুরুষকে একত্র করেছেন কেন।” {{ফাঁক}}“শরীরটাতে ছাই দিয়েছে যে-সন্ন্যাসী, আর প্রবৃত্তিকে ছাই করেছে যে-ভস্মকুণ্ড সেই ক্লীবদের নিয়ে কাজ হবে না বলে।. যখন দেখব আমাদের দলের কোনো অগ্নি-উপাসক অসাবধানে নিজের মধ্যেই অগ্নিকাণ্ড করতে বসেছে—দেব তাদের সরিয়ে। আমাদের অগ্নিকাণ্ড দেশ জুড়ে, নেবানো মন দিয়ে তা হবে না, আর হবে না তাদের দিয়ে আগুন যারা চাপতে জানে না।” {{ফাঁক}}গম্ভীর মুখে এলা বসে রইল। কিছুক্ষণ বাদে চোখ নামিয়ে বললে, “আমাকে আপনি তবে ছেড়ে দিন।” {{ফাঁক}}“এতখানি ক্ষতি করতে বল কেন।” {{ফাঁক}}“আপনি জানেন না।” {{ফাঁক}}“জানিনে কে বললে দেখা গেল একদিন তোমার খদ্দরে একটুখানি রং লেগেছে । জানা গেল অন্তরে অরুণোদয় । বুঝতে পারি একটা কোন্ পায়ের শব্দের প্রত্যাশায় তোমার কান পাতা থাকে । গেল শুক্রবারে যখন এলুম তোমার ঘরে, তুমি ভেবেছিলে আর-কেউ বা । দেখলুম মনটা ঠিক করে নিতে কিছু সময় লাগল । লজ্জা কোরো না তুমি, এতে অসংগত কিছুই নেই ।” {{ফাঁক}}কর্ণমূল লাল করে চুপ করে রইল এলা । {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথ বললে, “তুমি একজনকে ভালোবেসেছ, এই তো ? তোমার মন তো জড় পাষাণে গড়া নয়। যাকে<noinclude></noinclude> hi7k0u853nuotwovdry7tkqf9f86zr0 2000257 2000256 2026-09-19T06:51:08Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000257 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২১|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“এই সমস্ত উৎপাতের আশঙ্কা সত্ত্বেও আপনি মেয়ে-পুরুষকে একত্র করেছেন কেন।” {{ফাঁক}}“শরীরটাতে ছাই দিয়েছে যে-সন্ন্যাসী, আর প্রবৃত্তিকে ছাই করেছে যে-ভস্মকুণ্ড সেই ক্লীবদের নিয়ে কাজ হবে না বলে। যখন দেখব আমাদের দলের কোনো অগ্নি-উপাসক অসাবধানে নিজের মধ্যেই অগ্নিকাণ্ড করতে বসেছে—দেব তাদের সরিয়ে। আমাদের অগ্নিকাণ্ড দেশ জুড়ে, নেবানো মন দিয়ে তা হবে না, আর হবে না তাদের দিয়ে আগুন যারা চাপতে জানে না।” {{ফাঁক}}গম্ভীর মুখে এলা বসে রইল। কিছুক্ষণ বাদে চোখ নামিয়ে বললে, “আমাকে আপনি তবে ছেড়ে দিন।” {{ফাঁক}}“এতখানি ক্ষতি করতে বল কেন।” {{ফাঁক}}“আপনি জানেন না।” {{ফাঁক}}“জানিনে কে বললে। দেখা গেল একদিন তোমার খদ্দরে একটুখানি রং লেগেছে। জানা গেল অন্তরে অরুণোদয়। বুঝতে পারি একটা কোন্ পায়ের শব্দের প্রত্যাশায় তোমার কান পাতা থাকে। গেল শুক্রবারে যখন এলুম তোমার ঘরে, তুমি ভেবেছিলে আর-কেউ বা। দেখলুম মনটা ঠিক করে নিতে কিছু সময় লাগল। লজ্জা কোরো না তুমি, এতে অসংগত কিছুই নেই।” {{ফাঁক}}কর্ণমূল লাল করে চুপ করে রইল এলা। {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথ বললে, “তুমি একজনকে ভালোবেসেছ, এই তো? তোমার মন তো জড় পাষাণে গড়া নয়। যাকে<noinclude></noinclude> r36rfxiy47nob54vhjke6zimxhsvu16 পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৪ 104 886208 2000258 2026-09-19T06:52:42Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ভালোবাসো তাকেও জানি। অনুশোচনার কারণ কিছুই দেখছিনে।” {{ফাঁক}}“আপনি বলেছিলেন একমনা হয়ে কাজ করতে হবে । সকল অবস্থায় তা সম্ভব না হোতে পারে।” {{ফাঁক}}“সকলের পক্ষে নয়। কিন্তু ভ..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000258 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২২|চার অধ্যায়}}</noinclude>ভালোবাসো তাকেও জানি। অনুশোচনার কারণ কিছুই দেখছিনে।” {{ফাঁক}}“আপনি বলেছিলেন একমনা হয়ে কাজ করতে হবে । সকল অবস্থায় তা সম্ভব না হোতে পারে।” {{ফাঁক}}“সকলের পক্ষে নয়। কিন্তু ভালোবাসার গুরুভারে তোমার ব্রত ডোবাতে পারে তুমি তেমন মেয়ে নও।” {{ফাঁক}}“কিন্তু —” {{ফাঁক}}“এর মধ্যে কিন্তু কিছুই নেই— তুমি কিছুতেই নিষ্কৃতি পাবে না।” {{ফাঁক}}“আমি তো আপনাদের কোনো কাজে লাগিনে, সে আপনি জানেন।” {{ফাঁক}}“তোমার কাছ থেকে কাজ চাইনে, কাজের কথা সব জানাইওনে তোমাকে। কেমন করে তুমি নিজে বুঝবে তোমার হাতের রক্তচন্দনের ফোঁটা ছেলেদের মনে কী আগুন জ্বালিয়ে দেয় । সেটুকু বাদ দিয়ে কেবল শুখো মাইনেয় কাজ করাতে গেলে পুরো কাজ পাব না। আমরা কামিনীকাঞ্চন- ত্যাগী নই। যেখানে কাঞ্চনের প্রভাব সেখানে কাঞ্চনকে অবজ্ঞা করিনে, যেখানে কামিনীর প্রভাব সেখানে কামিনীকে বেদিতে বসিয়েছি।” {{ফাঁক}}“আপনার কাছে মিথ্যে বলব না, বুঝতে পারছি আমার ভালোবাসা দিনে দিনেই আমার অন্য সকল ভালোবাসাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।” {{ফাঁক}}“কোনো ভয় নেই, খুব ভালোবাসো । শুধু মা মা স্বরে<noinclude></noinclude> qlbqqlw0cccb57td9ccb9dmunvbmoyb 2000273 2000258 2026-09-19T08:43:12Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000273 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২২|চার অধ্যায়}}</noinclude>ভালোবাসো তাকেও জানি। অনুশোচনার কারণ কিছুই দেখছিনে।” {{ফাঁক}}“আপনি বলেছিলেন একমনা হয়ে কাজ করতে হবে। সকল অবস্থায় তা সম্ভব না হোতে পারে।” {{ফাঁক}}“সকলের পক্ষে নয়। কিন্তু ভালোবাসার গুরুভারে তোমার ব্রত ডোবাতে পারে তুমি তেমন মেয়ে নও।” {{ফাঁক}}“কিন্তু —” {{ফাঁক}}“এর মধ্যে কিন্তু কিছুই নেই—তুমি কিছুতেই নিষ্কৃতি পাবে না।” {{ফাঁক}}“আমি তো আপনাদের কোনো কাজে লাগিনে, সে আপনি জানেন।” {{ফাঁক}}“তোমার কাছ থেকে কাজ চাইনে, কাজের কথা সব জানাইওনে তোমাকে। কেমন করে তুমি নিজে বুঝবে তোমার হাতের রক্তচন্দনের ফোঁটা ছেলেদের মনে কী আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সেটুকু বাদ দিয়ে কেবল শুখো মাইনেয় কাজ করাতে গেলে পুরো কাজ পাব না। আমরা কামিনীকাঞ্চন-ত্যাগী নই। যেখানে কাঞ্চনের প্রভাব সেখানে কাঞ্চনকে অবজ্ঞা করিনে, যেখানে কামিনীর প্রভাব সেখানে কামিনীকে বেদিতে বসিয়েছি।” {{ফাঁক}}“আপনার কাছে মিথ্যে বলব না, বুঝতে পারছি আমার ভালোবাসা দিনে দিনেই আমার অন্য সকল ভালোবাসাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।” {{ফাঁক}}“কোনো ভয় নেই, খুব ভালোবাসো । শুধু মা মা স্বরে<noinclude></noinclude> anrr9yh3hk7tj2pmq8pkberixe99sbz পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৫ 104 886209 2000259 2026-09-19T06:54:11Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "দেশকে যারা ডাকাডাকি করে, তারা চিরশিশু । দেশ বৃদ্ধ শিশুদের মা নয়, দেশ অর্ধনারীশ্বর— মেয়ে-পুরুষের মিলনে তার উপলব্ধি। এই মিলনকে নিস্তেজ কোরো না সংসার-পিঁজরের বেঁধে।” {{ফাঁ..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000259 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৩|চার অধ্যায়}}</noinclude>দেশকে যারা ডাকাডাকি করে, তারা চিরশিশু । দেশ বৃদ্ধ শিশুদের মা নয়, দেশ অর্ধনারীশ্বর— মেয়ে-পুরুষের মিলনে তার উপলব্ধি। এই মিলনকে নিস্তেজ কোরো না সংসার-পিঁজরের বেঁধে।” {{ফাঁক}}“কিন্তু তবে আপনি যে ওই উমা—” {{ফাঁক}}“উমা ! কালু!— ভালোবাসার শুষ্ক রুদ্ররূপ ওরা সইতে পারবে কী করে । যে দাম্পত্যের ঘাটে ওদের সকল সাধনার অন্ত্যেষ্টিসৎকার, সময় থাকতে সেখানেই দুজনকে গঙ্গাযাত্রায় পাঠাচ্ছি।—সে কথা থাক্‌। ডাকাত ঢুকেছিল পরশু রাত্রে।” {{ফাঁক}}“হাঁ, ঢুকেছিল ।” শোনা গেল তোমার ঘরে {{ফাঁক}}“তোমার জুজুৎসু শিক্ষায় ফল পেয়েছিলে কি।” {{ফাঁক}}“আমার বিশ্বাস ডাকাতের কবজি দিয়েছি ভেঙে।” {{ফাঁক}}“মনটার ভিতর আহা উহু করে ওঠেনি ?”- {{ফাঁক}}“করত কিন্তু ভয় ছিল ও আমাকে অপমান করবে। যদি যন্ত্রণায় হার মানত আমি শেষ পর্যন্ত মোচড় দিতে পারতুম না।” {{ফাঁক}}“চিনতে পেরেছিলে সে কে ?” {{ফাঁক}}“অন্ধকারে দেখতে পাইনি।” {{ফাঁক}}“যদি পেতে তাহলে জানতে, সে অনাদি।” {{ফাঁক}}“আহা সে কী কথা । আমাদের অনাদি ! সে যে ছেলে- মানুষ।” {{ফাঁক}}“আমিই তাকে পাঠিয়েছিলুম।”{{nop}}<noinclude></noinclude> 5x4h8ngfrn8dwmx29b6927wwxp0b5hl 2000282 2000259 2026-09-19T11:58:16Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000282 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|চার অধ্যায়}}</noinclude>দেশকে যারা ডাকাডাকি করে, তারা চিরশিশু। দেশ বৃদ্ধ শিশুদের মা নয়, দেশ অর্ধনারীশ্বর—মেয়ে-পুরুষের মিলনে তার উপলব্ধি। এই মিলনকে নিস্তেজ কোরো না সংসার-পিঁজরের বেঁধে।” {{ফাঁক}}“কিন্তু তবে আপনি যে ওই উমা—” {{ফাঁক}}“উমা! কালু!—ভালোবাসার শুষ্ক রুদ্ররূপ ওরা সইতে পারবে কী করে। যে দাম্পত্যের ঘাটে ওদের সকল সাধনার অন্ত্যেষ্টিসৎকার, সময় থাকতে সেখানেই দুজনকে গঙ্গাযাত্রায় পাঠাচ্ছি।—সে কথা থাক্‌। শোনা গেল তোমার ঘরে ডাকাত ঢুকেছিল পরশু রাত্রে।” {{ফাঁক}}“হাঁ, ঢুকেছিল।” {{ফাঁক}}“তোমার জুজুৎসু শিক্ষায় ফল পেয়েছিলে কি।” {{ফাঁক}}“আমার বিশ্বাস ডাকাতের কবজি দিয়েছি ভেঙে।” {{ফাঁক}}“মনটার ভিতর আহা উহু করে ওঠেনি?”- {{ফাঁক}}“করত কিন্তু ভয় ছিল ও আমাকে অপমান করবে। যদি যন্ত্রণায় হার মানত আমি শেষ পর্যন্ত মোচড় দিতে পারতুম না।” {{ফাঁক}}“চিনতে পেরেছিলে সে কে?” {{ফাঁক}}“অন্ধকারে দেখতে পাইনি।” {{ফাঁক}}“যদি পেতে তাহলে জানতে, সে অনাদি।” {{ফাঁক}}“আহা সে কী কথা। আমাদের অনাদি! সে যে ছেলে-মানুষ।” {{ফাঁক}}“আমিই তাকে পাঠিয়েছিলুম।”{{nop}}<noinclude></noinclude> aj10uga7m9x6icolr95r89kcqnplaou পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৬ 104 886210 2000260 2026-09-19T06:55:54Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}“আপনিই! কেন এমন কাজ করলেন ।” {{ফাঁক}}“তোমারও পরীক্ষা হল, তারও।” {{ফাঁক}}“কী নিষ্ঠুর।” {{ফাঁক}}“ছিলুম নিচের ঘরে, তখনই হাড় ঠিক করে দিয়েছি। তুমি নিজেকে মনে করো ব্যথাকাতর।..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000260 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৪|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“আপনিই! কেন এমন কাজ করলেন ।” {{ফাঁক}}“তোমারও পরীক্ষা হল, তারও।” {{ফাঁক}}“কী নিষ্ঠুর।” {{ফাঁক}}“ছিলুম নিচের ঘরে, তখনই হাড় ঠিক করে দিয়েছি। তুমি নিজেকে মনে করো ব্যথাকাতর। বোঝাতে চেয়েছিলুম বিপদের মুখে কাতরতা স্বাভাবিক নয়। সেদিন তোমাকে - বললুম, ছাগলছানাটাকে পিস্তল করে মারতে । তুমি বললে, কিছুতেই পারবে না । তোমার পিসতুত বোন বাহাদুরি করে . মারলে গুলি। যখন দেখলে জন্তুটা পা ভেঙে পড়ে গেল, কাঠিন্যের ভান করে হা হা করে হেসে উঠল। হিস্টিরিয়ার হাসি, সেদিন রাত্তিরে তার ঘুম হয়নি। কিন্তু তোমাকে যদি বাঘে খেতে আসত আর তুমি যদি ভীতু না তখনই তাকে মারতে, দ্বিধা করতে না ৷ হোতে তাহলে আমরা সেই বাঘটাকে মনের সামনে স্পষ্ট দেখছি, দয়ামায়া দিয়েছি বিসর্জন, নইলে নিজেকে সেন্টিমেন্টাল বলে ঘৃণা করতুম ৷ শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে এই কথাটাই বুঝিয়েছিলেন। নির্দয় হবে না কিন্তু কর্তব্যের বেলা নির্মম হোতে হবে । বুঝতে পেরেছ ?” {{ফাঁক}}“পেরেছি।” {{ফাঁক}}“যদি বুঝে থাকো একটা প্রশ্ন করব। তুমি অতীনকে ভালোবাসো ?” কোনো উত্তর না দিয়ে এলা চুপ করে রইল । {{ফাঁক}}“যদি কখনো সে আমাদের সকলকে বিপদে ফেলে, তাকে নিজের হাতে মারতে পারো না ?”<noinclude></noinclude> nt0xrc2b86dof9fkdr8xoytaiuzvvqx পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৭ 104 886211 2000261 2026-09-19T06:57:48Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}“তার পক্ষে এতই অসম্ভব যে হাঁ বলতে আমার মুখে বাধবে না।” {{ফাঁক}}“যদিই সম্ভব হয় ?” {{ফাঁক}}“মুখে যা-ই বলি না কেন, নিজেকে কি শেষ পর্যন্ত জানি ।” {{ফাঁক}}“জানতেই হবে নিজেকে। সম..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000261 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৫|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“তার পক্ষে এতই অসম্ভব যে হাঁ বলতে আমার মুখে বাধবে না।” {{ফাঁক}}“যদিই সম্ভব হয় ?” {{ফাঁক}}“মুখে যা-ই বলি না কেন, নিজেকে কি শেষ পর্যন্ত জানি ।” {{ফাঁক}}“জানতেই হবে নিজেকে। সমস্ত নিদারুণ সম্ভাবনা প্রত্যহ কল্পনা করে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে।” {{ফাঁক}}“আমি নিশ্চিত বলছি, আপনি আমাকে ভুল করে বেছে নিয়েছেন।” {{ফাঁক}}“আমি নিশ্চিত জানি আমি ভুল করিনি ।” {{ফাঁক}}“মাস্টারমশায়, আপনার পায়ে পড়ি, দিন অতীনকে নিষ্কৃতি ।” {{ফাঁক}}“আমি নিষ্কৃতি দেবার কে। ও বাঁধা পড়েছে নিজেরই সংকল্পের বন্ধনে । ওর মন থেকে দ্বিধা কোনো কালেই মিটবে না, রুচিতে ঘা লাগবে প্রতিমুহূর্তে, তবু ওর আত্মসম্মান ওকে নিয়ে যাবে শেষ পর্যন্ত।” {{ফাঁক}}“লোক চিনতে আপনি কি কখনো ভুল করেন না।” {{ফাঁক}}“করি। অনেক মানুষ আছে যাদের স্বভাবে দু-রকম বুনোনির কাজ। দুটোর মধ্যে মিল নেই। অথচ দুটোই সত্য। তারা নিজেকেও নিজে ভুল করে।” ভারি গলায় আওয়াজ এল, “কী হে ভায়া । ” {{ফাঁক}}“কানাই বুঝি ? এসো এসো।” {{ফাঁক}}কানাই গুপ্ত এল ঘরে। বেঁটে মোটা মানুষটি আধবুড়ো।<noinclude></noinclude> h9fyrtyjokmhgfjj6vweobvsr5io8fy পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৮ 104 886212 2000262 2026-09-19T06:58:38Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "সপ্তাহখানেক দাড়িগোঁফ কামাবার অবকাশ ছিল না, কণ্টকিত হয়ে উঠেছে মুখমণ্ডল ৷ সামনের মাথায় টাক ; ধুতির উপর মোটা খদ্দরের চাদর, ধোবার প্রসাদ-বঞ্চিত, জামা নেই। হাত দুটো দেহের পর..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000262 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৬|চার অধ্যায়}}</noinclude>সপ্তাহখানেক দাড়িগোঁফ কামাবার অবকাশ ছিল না, কণ্টকিত হয়ে উঠেছে মুখমণ্ডল ৷ সামনের মাথায় টাক ; ধুতির উপর মোটা খদ্দরের চাদর, ধোবার প্রসাদ-বঞ্চিত, জামা নেই। হাত দুটো দেহের পরিমাণে খাটো, মনে হয়, সর্বদা কাজে উদ্যত, দলের লোকের যথাসম্ভব অন্নসংস্থানের জন্যই কানাইয়ের চায়ের দোকান ৷ {{ফাঁক}}কানাই তার স্বাভাবিক চাপা ভাঙা গলায় বললে, “ভায়া, তোমার খ্যাতি আছে বাকসংযমে, তুমি মুনি বললেই হয়। এলাদি তোমার সেই খ্যাতি বুঝি দিলে মাটি করে।” {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথ হেসে বললে, “কথা না-বলারই সাধনা আমাদের ৷ নিয়মটাকে রক্ষা করবার জন্যেই ব্যতিক্রমের দরকার। এই মেয়েটি নিজে কথা বলে না, অন্যকে কথা বলবার ফাঁক দেয়, বাক্যের ’পরে এ একটি বহুমূল্য আতিথ্য।” {{ফাঁক}}“কী বলো তুমি ভায়া । এলাদি কথা বলে না ! তোমার কাছে চুপ, কিন্তু যেখানে মুখ খোলে সেখানে বাণীর বন্যা। আমি তো মাথাপাকা মানুষ, সাড়া পেলেই খাতাপত্র ফেলে আড়াল থেকে ওর কথা শুনতে আসি। এখন আমার প্রতি একটু মনোযোগ দিতে হবে। এলাদির মতো কণ্ঠ নয় আমার, কিন্তু সংক্ষেপে যেটুকু বলব তা মর্মে প্রবেশ করবে।” {{ফাঁক}}এলা তাড়াতাড়ি উঠে পড়ল। ইন্দ্রনাথ বললে, “যাবার আগে একটা কথা তোমাকে জানিয়ে রাখি। দলের লোকের কাছে আমি তোমাকে নিন্দে করে থাকি । এমন কি, এমন কথাও বলেছি, যে, একদিন তোমাকে হয়তো একেবারে<noinclude></noinclude> a6892v559eqeffzezgj58khtzij0mw1 পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/২৯ 104 886213 2000263 2026-09-19T07:20:12Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "নিশ্চিহ্ন সরিয়ে দিতে হবে। বলেছি, অতীনকে তুমি ভাঙিয়ে নিচ্ছ, সেই ভাঙনে আরও কিছু ভাঙবে।” {{ফাঁক}}“বলতে বলতে কথাটাকে সত্য করে তুলছেন কেন। কী জানি, এখানকার সঙ্গে হয়তো আমার এক..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000263 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৭|চার অধ্যায়}}</noinclude>নিশ্চিহ্ন সরিয়ে দিতে হবে। বলেছি, অতীনকে তুমি ভাঙিয়ে নিচ্ছ, সেই ভাঙনে আরও কিছু ভাঙবে।” {{ফাঁক}}“বলতে বলতে কথাটাকে সত্য করে তুলছেন কেন। কী জানি, এখানকার সঙ্গে হয়তো আমার একটা অসামঞ্জস্য আছে।” {{ফাঁক}}“থাকা সত্ত্বেও তোমাকে সন্দেহ করিনে। কিন্তু তবু {{ফাঁক}}"ওদের কাছে তোমার নিন্দে করি। তোমার শত্রু কেউ নেই এই জনপ্রবাদ, কিন্তু দেখতে পাই তোমার বারো আনা অনুরক্তের বাংলাদেশী মন নিন্দা বিশ্বাস করবার আগ্রহে লালায়িত হয়ে ওঠে। এই নিন্দাবিলাসীরা নিষ্ঠাহীন । এদের নাম খাতায় টুকে রাখি । অনেকগুলো পাতা ভরতি - হোলো ।” {{ফাঁক}}“মাস্টারমশায়, ওরা নিন্দে ভালোবাসে বলেই নিন্দে করে, আমার উপর রাগ আছে বলে নয়।” {{ফাঁক}}“অজাতশত্রু নাম শুনেছ এলা। এরা সবাই জাতশত্রু । জন্মকাল থেকেই এদের অহৈতুক শত্রুতা বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের সমস্ত চেষ্টাকে কেবলই ধূলিসাৎ করছে।” {{ফাঁক}}“ভায়া, আজ এই পর্যন্ত, বিষয়টা আগামীবারে সমাপ্য। এলাদি, তোমার চায়ের নিমন্ত্রণ ভাঙবার মূলে যদি গোপনে আমি থাকি, কিছু মনে কোরো না। আমার চায়ের দোকানটাতে কুলুপ পড়বার সময় আসন্ন । বোধ হয় মাইল শ-তিন তফাতে গিয়ে এবার নাপিতের দোকান খুলতে হবে । ইতিমধ্যে অলকানন্দা তৈল পাঁচ পিপে তৈরি করে রেখেছি ।<noinclude></noinclude> p1qanejyb2bcf3iofuhdpzt4a3mzucn পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩০ 104 886214 2000264 2026-09-19T07:21:44Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "মহাদেবের জটা নিংড়ে রেব-করা। একটা সার্টিফিকেট দিয়ো বৎসে, বোলো, অলকা তেল মাখার পর থেকে চুল-বাঁধা একটা আপদ হয়েছে, দীর্ঘায়মানা বেণী সামলে তোলা স্বয়ং দশভুজা দেবীর দুঃসাধ্..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000264 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৮|চার অধ্যায়}}</noinclude>মহাদেবের জটা নিংড়ে রেব-করা। একটা সার্টিফিকেট দিয়ো বৎসে, বোলো, অলকা তেল মাখার পর থেকে চুল-বাঁধা একটা আপদ হয়েছে, দীর্ঘায়মানা বেণী সামলে তোলা স্বয়ং দশভুজা দেবীর দুঃসাধ্য ।” {{ফাঁক}}যাবার সময় এলা দরজার কাছে এসে মুখ ফিরিয়ে বললে, {{ফাঁক}}“মাস্টারমশায়, মনে রইল আপনার কথা, প্রস্তুত থাকব। আমাকে সরাবার দিন হয়তো আসবে, নিঃশব্দেই মিলিয়ে যাব।” {{ফাঁক}}এলা চলে গেলে ইন্দ্রনাথ বললে, “তোমাকে চঞ্চল দেখছি কেন হে কানাই।” {{ফাঁক}}“সম্প্রতি রাস্তার ধারে আমার ওই সামনের টেবিলেই বসে গোটাতিনেক গুণ্ডা ছেলে বীররস প্রচার করছিল। আওয়াজে বোঝা যায় জন বৃষভেরই পুষ্যি বাছুর। আমি সিডিশনের নমুনা সুদ্ধ ওদের নামে পুলিসে রিপোর্ট করে দিয়েছি।” {{ফাঁক}}“আন্দাজ করতে ভুল করোনি তো কানাই ?” {{ফাঁক}}“বরং ভুল করে সন্দেহ করা ভালো, কিন্তু সন্দেহ না করে ভুল করা সাংঘাতিক। খাঁটি বোকাই যদি হয় তাহলে কেউ ওদের বাঁচাতে পারবে না, আর যদি হয় খাঁটি দুশমন তাহলে ওদের মারবে কে । আমার রিপোর্টে উন্নতিই হবে। সেদিন চড়া গলায় শয়তানি শাসনপ্রণালীর উপর দিয়ে রক্তগঙ্গা বওয়াবার প্রস্তাব তুলেছিল। নিশ্চয়ই অভয়চরণ রক্ষিত এদের উপাধি । একদিন সন্ধ্যাবেলায় ক্যাশবাক্স নিয়ে হিসেব<noinclude></noinclude> 0nsy7tsl8spin9bhefqjcflemnidomb পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩১ 104 886215 2000265 2026-09-19T07:22:42Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "মেলাতে বসেছিলুম । হঠাৎ একটা ধুলোমাখা ছেঁড়াকাপড়-পরা ছেলে এসে চুপি চুপি বললে, টাকা চাই পঁচিশটা, যেতে হবে দিনাজপুরে। আমাদের মথুর মামার নাম করলে । আমি লাফ দিয়ে উঠে চীৎকার ক..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000265 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৯|চার অধ্যায়}}</noinclude>মেলাতে বসেছিলুম । হঠাৎ একটা ধুলোমাখা ছেঁড়াকাপড়-পরা ছেলে এসে চুপি চুপি বললে, টাকা চাই পঁচিশটা, যেতে হবে দিনাজপুরে। আমাদের মথুর মামার নাম করলে । আমি লাফ দিয়ে উঠে চীৎকার করে বলে উঠলুম, শয়তান, এতবড়ো আস্পর্ধা তোমার। এখনই ধরিয়ে দেব পুলিসের হাতে।— সময় হাতে একটুও ছিল না, নইলে প্রহসনটা শেষ করতুম, নিয়ে যেতুম থানায় ৷ তোমার ছেলেরা যারা পাশের ঘরে বসে চা খাচ্ছিল তারা আমার উপর অগ্নিশর্মা ; ওকে দেবে বলে চাঁদা তোলবার চেষ্টা করতে গিয়ে দেখলে, সবার পকেট কুড়িয়ে ভেরো আনার বেশি ফণ্ড উঠল না। ছেলেটা আমার মূর্তি দেখে সরে পড়েছে।” {{ফাঁক}}“তবে তো দেখছি তোমার ঢাকনির ফুটো দিয়ে গন্ধ বেরিয়ে পড়েছে— মাছির আমদানি শুরু হোলো।” {{ফাঁক}}“সন্দেহ নেই। ভায়া, এখনই ছড়িয়ে ফেলো তোমার - ছেলেগুলোকে দূরে দূরে— ওদের একজনও যেন বেকার না থাকে। Ostensible means of livelihood প্রত্যেকেরই থাকা চাই ।” {{ফাঁক}}“চাই নিশ্চয়ই । কিন্তু উপায় ঠাউরেছ ?” {{ফাঁক}}“অনেকদিন থেকে । হাত খোলসা ছিল না, নিজে করতে পারিনি । ভেবে রেখেছি, উপকরণও জমিয়েছি ধীরে ধীরে ৷ মাধব কবিরাজ বিক্রি করে জ্বরাশনি বটিকা, তার বারো আনা কুইনীন । সেগুলো তার কাছ থেকে নিয়ে লেবেল বদলে নাম দেব ম্যালেরিয়ারি গুটিকা, কুইনীনের পিছনে অনেকখানি<noinclude></noinclude> 37w0emdfgi9f81dpz2qh0q2hffs3g77 পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩২ 104 886216 2000266 2026-09-19T07:23:42Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "মিথ্যে কথা জুড়তে হবে। প্রতুল সেনকে লাগানো যাবে ক্যাম্বিসের ব্যাগ হাতে ওই গুটিকা প্রচার করার কাজে। তোমার নিবারণ ফাস্ট ক্লাস এম. এসসি লজ্জা ত্যাগ করে পড়ুক ভৈরবী কবচ নিয়..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000266 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩০|চার অধ্যায়}}</noinclude>মিথ্যে কথা জুড়তে হবে। প্রতুল সেনকে লাগানো যাবে ক্যাম্বিসের ব্যাগ হাতে ওই গুটিকা প্রচার করার কাজে। তোমার নিবারণ ফাস্ট ক্লাস এম. এসসি লজ্জা ত্যাগ করে পড়ুক ভৈরবী কবচ নিয়ে, এই কবচে সপ্তধাতুর উপরে নব্য রসায়নের আরও গোটাকতক নূতন ধাতুর নাম জড়িয়ে প্রাচীন ঋষিদের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সম্মিলন সাধনা করা যেতে পারে জগবন্ধু সংস্কৃত শ্লোকের উপর ব্যাকরণের ভেলকি লাগিয়ে উচ্চস্বরে প্রমাণ করতে থাকুক যে, চাণক্য জন্মেছিলেন বাংলাদেশে নেত্রকোণায়, আমারও জন্মস্থান ওই সাবডিবিশনে। এই নিয়ে সাংঘাতিক কথা- কাটাকাটি চলুক সাহিত্যে, অবশেষে চাণক্য-জয়ন্তী করা যাবে আমারই প্রপিতামহের পোড়ো ভিটের 'পরে। তোমাদের ক্যাম্বেলি ডাক্তার তারিণী সাণ্ডেল মা শীতলার মন্দির নির্মাণের জন্যে চাঁদা চেয়ে পাড়া অস্থির করে বেড়াক। আসল কথা হচ্ছে, তোমার সবচেয়ে মাথাউঁচু গ্রেনেডিয়ার ছেলের দলকে কিছুদিন বাজে ব্যবসায়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে— কেউ বা ওদের বোকা বলুক, কেউ বা বলুক ওরা চতুর বিষয়ী: লোক।” {{ফাঁক}}ইন্দ্রনাথ হেসে বললে, “তোমার কথা শুনে আমার ইচ্ছে হচ্ছে একটা ব্যবসায়ে লাগি। আর-কিছুর জন্যে না, কেবল দেউলে হবার কার্যপ্রণালী এবং সাইকোলজি অনুশীলন করবার জন্যে।” {{ফাঁক}}কানাই বললে, “তুমি যে-ব্যবসায়ে লেগেছ ভায়া, সেটা<noinclude></noinclude> bgqasrz1f9zcqmepfpj7uuuj8f8lc09 পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৩ 104 886217 2000267 2026-09-19T07:25:05Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "আজ হোক বা কাল হোক নিশ্চিত দেউলে হবারই মুখে আছে। যারা দেউলে হয় তারা বোঝে না বলে হয় তা নয়, তারা লোকসানের রাস্তা কোনোমতে ছাড়তে পারে না বলেই হয়— দেউলে হওয়ার মরণটান একটা সা..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000267 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩১|চার অধ্যায়}}</noinclude>আজ হোক বা কাল হোক নিশ্চিত দেউলে হবারই মুখে আছে। যারা দেউলে হয় তারা বোঝে না বলে হয় তা নয়, তারা লোকসানের রাস্তা কোনোমতে ছাড়তে পারে না বলেই হয়— দেউলে হওয়ার মরণটান একটা সাব্লাইম আকর্ষণ ৷ ও-বিষয়টা বর্তমানে আলোচনা করে ফল নেই ; একটা প্রশ্ন মনে আছে সেটা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে নিই। এলার মতো সুন্দরী সর্বদা দেখতে পাওয়া যায় না— এ-কথা মানো কি না । ” {{ফাঁক}}“মানি বই কি।” {{ফাঁক}}“তাহলে ওকে তোমাদের মধ্যে রেখেছ কোন্ সাহসে ।” {{ফাঁক}}“কানাই, এতদিনে আমাকে তোমার বোঝা উচিত ছিল। আগুনকে যে ভয় করে সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না। আমার কাজে আমি অঞ্জনকে বাদ দিতে চাইনে। {{ফাঁক}}“অর্থাৎ তাতে কিাজ নষ্ট হোক বা না হোক, তুমি কেয়ার করো না।” {{ফাঁক}}“সৃষ্টিকর্তা আগুন নিয়ে খেলা করে। নিশ্চিত ফলের হিসেব করে সৃষ্ট্রির কাজ চলে না; অনিশ্চিতের প্রত্যাশাতেই তার বিরাট প্রবর্তনা ৷ ঠাণ্ডা মালমসলা নিয়ে বুড়ো আঙুলে টিপে টিপে যে পুতুল গড়া হয় তার বাজারদর খতিয়ে লোভ করবার মন আমার নয়। ওই যে অতীন ছেলেটা লোভ করবার মন আমার নয় । এসেছে এলার টানে, ওর মধ্যে বিপদ ঘটাবার ডাইনামাইট আছে,— ওর প্রতি তাই আমার এত ঔৎসুক্য।” {{ফাঁক}}“ভায়া, তোমার এই ভীষণ ল্যাবরেটরিতে আমরা ঝাড়ন<noinclude></noinclude> ajkm2fjgdyy729obme8havcidf2ugsd পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৪ 104 886218 2000268 2026-09-19T07:25:59Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 2000268 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩২|চার অধ্যায়}}</noinclude>কাঁধে বেহারার কাজ করি মাত্র। খেপে ওঠে যদি কোনো 'গ্যাস, যদি কোনো যন্ত্র ফেটে ফুটে ছিটকে পড়ে তাহলে আমাদের কপাল ভাঙবে সাতখানা হয়ে। সেটা নিয়ে গর্ব করবার মতো জোর আমাদের খুলির তলায় নেই।” {{ফাঁক}}“জবাব দিয়ে বিদায় নেও না কেন।” {{ফাঁক}}“ফলের লোভ যে আছে আমাদের, তোমার না থাকতে পারে । তোমারই দালালদের মুখে একদা শুনেছিলুম Elixir of life হয়তো মিলতে পারে। তোমার এই সর্বনেশে রিসর্চের চক্রান্তে গরিব আমরা ধরা দিয়েছি নিশ্চিত আশারই টানে, অনিশ্চিতের কুহকে নয় । তুমি এটাকে দেখছ জুয়ো- খেলার দিক থেকে, আমরা দেখছি ব্যবসার সাদা চোখে ৷ অবশেষে খতেনের খাতায় আগুন লাগিয়ে আমাদের সঙ্গে ঠাট্টা কোরো না, ভায়া ৷ ওর প্রত্যেক সিকি পয়সায় আঁছে আমাদের বুকের রক্ত।” {{ফাঁক}}“আমার মনে কোনো অন্ধ বিশ্বাস নেই কানাই । হার- জিতের কথা ভাবা একেবারে ছেড়ে দিয়েছি। প্রকাণ্ড কর্মের ক্ষেত্রে আমি কর্তা, এইখানেই আমাকে মানায় বলেই আমি আছি,— এখানে হারও বড়ো জিতও বড়ো। ওরা চারদিকের দরজা বন্ধ করে আমাকে ছোটো করতে চেয়েছিল, মরতে মরতে প্রমাণ করতে চাই আমি বড়ো। আমার ডাক শুনে কত মানুষের মতো মানুষ মৃত্যুকে অবজ্ঞা করে চারিদিকে এসে জুটল ; সে তো তুমি দেখতে পাচ্ছ কানাই। কেন। আমি ডাকতে পারি বলেই। সেই কথাটা ভালো করে জেনে<noinclude></noinclude> tqs0a9ujens5w32rl2qpme6riidaqvn 2000272 2000268 2026-09-19T07:31:00Z BabulB 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হোৱা নাই */ 2000272 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩২|চার অধ্যায়}}</noinclude>কাঁধে বেহারার কাজ করি মাত্র। খেপে ওঠে যদি কোনো 'গ্যাস, যদি কোনো যন্ত্র ফেটে ফুটে ছিটকে পড়ে তাহলে আমাদের কপাল ভাঙবে সাতখানা হয়ে। সেটা নিয়ে গর্ব করবার মতো জোর আমাদের খুলির তলায় নেই।” {{ফাঁক}}“জবাব দিয়ে বিদায় নেও না কেন।” {{ফাঁক}}“ফলের লোভ যে আছে আমাদের, তোমার না থাকতে পারে । তোমারই দালালদের মুখে একদা শুনেছিলুম Elixir of life হয়তো মিলতে পারে। তোমার এই সর্বনেশে রিসর্চের চক্রান্তে গরিব আমরা ধরা দিয়েছি নিশ্চিত আশারই টানে, অনিশ্চিতের কুহকে নয় । তুমি এটাকে দেখছ জুয়ো- খেলার দিক থেকে, আমরা দেখছি ব্যবসার সাদা চোখে ৷ অবশেষে খতেনের খাতায় আগুন লাগিয়ে আমাদের সঙ্গে ঠাট্টা কোরো না, ভায়া ৷ ওর প্রত্যেক সিকি পয়সায় আঁছে আমাদের বুকের রক্ত।” {{ফাঁক}}“আমার মনে কোনো অন্ধ বিশ্বাস নেই কানাই । হার- জিতের কথা ভাবা একেবারে ছেড়ে দিয়েছি। প্রকাণ্ড কর্মের ক্ষেত্রে আমি কর্তা, এইখানেই আমাকে মানায় বলেই আমি আছি,— এখানে হারও বড়ো জিতও বড়ো। ওরা চারদিকের দরজা বন্ধ করে আমাকে ছোটো করতে চেয়েছিল, মরতে মরতে প্রমাণ করতে চাই আমি বড়ো। আমার ডাক শুনে কত মানুষের মতো মানুষ মৃত্যুকে অবজ্ঞা করে চারিদিকে এসে জুটল ; সে তো তুমি দেখতে পাচ্ছ কানাই। কেন। আমি ডাকতে পারি বলেই। সেই কথাটা ভালো করে জেনে<noinclude></noinclude> lnpft8znhpwu0yyigtkfxov2a25n68r পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৫ 104 886219 2000269 2026-09-19T07:27:11Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "এবং জানিয়ে যাব, তার পরে যা হয় হোক । তোমাকে তো বাইরে থেকে একদিন দেখতে ছিল সামান্য কিন্তু তোমার অসামান্যকে আমি প্রকাশিত করেছি। রসিয়ে তুললুম তোমাদের, মানুষ নিয়ে এই আমার র..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000269 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৩|চার অধ্যায়}}</noinclude>এবং জানিয়ে যাব, তার পরে যা হয় হোক । তোমাকে তো বাইরে থেকে একদিন দেখতে ছিল সামান্য কিন্তু তোমার অসামান্যকে আমি প্রকাশিত করেছি। রসিয়ে তুললুম তোমাদের, মানুষ নিয়ে এই আমার রসায়নের সাধনা। আর বেশি কী চাই। ঐতিহাসিক মহাকাব্যের সমাপ্তি হোতে পারে পরাজয়ের মহাশ্মশানে। কিন্তু মহাকাব্য তো বটে। গোলামি- চাপা এই খর্ব মনুষ্যত্বের দেশে মরার মতো মরতে পারাও যে -একটা সুযোগ।” {{ফাঁক}}“ভায়া, আমার মতো অকাল্পনিক প্র্যাকটিক্যাল লোককেও তুমি টান মেরে এনেছ ঘোরতর পাগলামির তাণ্ডব নৃত্যমঞ্চে। ভাবি যখন, এ রহস্যের অন্ত পাইনে আমি ।” {{ফাঁক}}“আমি কাঙালের মতো করে কিছুই চাইনে বলেই তোঁমাদের 'পরে আমার এত জোর। মায়া দিয়ে ভুলিয়ে লোভ দেখিয়ে ডাকিনে কাউকে। ডাক দিই অসাধ্যের মধ্যে, ফলের জন্যে নয়, বীর্য প্রমাণের জন্যে। আমার স্বভাবটা ইম্পার্সোন্যাল ৷ যা অনিবার্য তাকে আমি অক্ষুব্ধমনে স্বীকার করে নিতে পারি । ইতিহাস তো পড়েছি, দেখেছি কত মহা মহা সাম্রাজ্য গৌরবের অভ্রভেদী শিখরে উঠেছিল আজ তারা ধুলোয় মিলিয়ে গেছে,— তাদের হিসাবের খাতায় কোথায় মস্ত একটা দেনা জমে উঠেছিল যা তারা শোধ করেনি। আর এই দেশ যেহেতু এ আমারই দেশ, সৌভাগ্যের চিরস্বত্ব নিয়ে ইতিহাসের উঁচু গদিতে গদিয়ান হয়ে বসে থাকবে পরাভবের সমস্ত কারণ- গুলোর গায়ে সিঁদুরচন্দন মাখিয়ে ঘণ্টা নেড়ে পুজো করতে<noinclude></noinclude> 7khs4ywetaoqu43hfj3rr7uxhqysv0a পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৬ 104 886220 2000270 2026-09-19T07:28:33Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "করতে, বোকার মতো এমন আবদার করব কার কাছে আমি তা কখনোই করিনে। বৈজ্ঞানিকের নির্মোহ ম নিয়ে মেনে নিই যার মরণদশা সে মরবেই।” {{ফাঁক}}“তবে!” {{ফাঁক}}“তবে। দেশের চরম দুরবস্থা আমার মাথা..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000270 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৪|চার অধ্যায়}}</noinclude>করতে, বোকার মতো এমন আবদার করব কার কাছে আমি তা কখনোই করিনে। বৈজ্ঞানিকের নির্মোহ ম নিয়ে মেনে নিই যার মরণদশা সে মরবেই।” {{ফাঁক}}“তবে!” {{ফাঁক}}“তবে। দেশের চরম দুরবস্থা আমার মাথা হেঁট করতে পারবে না, আমি তারও অনেক ঊর্ধ্বে – আত্মার অবসাদ ঘটতে দেব না মরবার সমস্ত লক্ষণ দেখেও।” {{ফাঁক}}“আর আমরা!” {{ফাঁক}}“তোমরা কি খোকা। মাঝদরিয়ায় যে-জাহাজের তলা গিয়েছে সাত জায়গায় ফাঁক হয়ে, কেঁদে কেটে মন্ত্র পড়ে কর্তার দোহাই পেড়ে তাকে বাঁচাতে পারবে ?” {{ফাঁক}}“না যদি পারি তবে ?” {{ফাঁক}}“তবে কী। তোমরা কজনে জেনে শুনে সেই ডুবোজাহাজেই ঝড়ের মুখে সাংঘাতিক পাল তুলে দিয়েছ, তোমাদের পাঁজর কাঁপেনি। এমন যে-কজনকে পাই ডুবতে ডুবতে তাদের নিয়েই আমাদের জিত। রসাতলে যাবার জন্যে যে-দেশ অন্ধভাবে প্রস্তুত তারি মাস্তুলে তোমরা শেষ পর্যন্ত জয়ধ্বজা উড়িয়েছ, তোমরা না করেছ মিথ্যে আশা, না করেছ কাঙালপনা, না কেঁদেছ নৈরাশ্যে হাউ হাউ করে ৷ তোমরা তবু হাল ছাড়োনি যখন জলে ভরেছে জাহাজের খোল ৷ হাল ছাড়াতেই কাপুরুষতা— বাস, আমার কাজ হয়ে গেছে তোমাদের যে-কজনকে পেয়েছি তাদেরই নিয়ে। তার পরে কর্মণ্যেবাধিকারতে মা ফলেষু কদাচন।”{{nop}}<noinclude></noinclude> meurq81llkdmn0h3g8fkac0uhpu18sx পাতা:চার অধ্যায় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/৩৭ 104 886221 2000271 2026-09-19T07:30:31Z BabulB 2144 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}“তুমি যা বলছ তার মধ্যে থেকে একটা প্রধান কথা বাদ গেছে বলে বোধ হয়।” {{ফাঁক}}“কোন্ কথাটা।” {{ফাঁক}}“তোমার মনে কি রাগও নেই। এত ইম্পার্সোন্যাল তুমি !” {{ফাঁক}}“রাগ কার 'পরে ।” {..." দিয়ে পাতা তৈরি 2000271 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|চার অধ্যায়}}</noinclude>{{ফাঁক}}“তুমি যা বলছ তার মধ্যে থেকে একটা প্রধান কথা বাদ গেছে বলে বোধ হয়।” {{ফাঁক}}“কোন্ কথাটা।” {{ফাঁক}}“তোমার মনে কি রাগও নেই। এত ইম্পার্সোন্যাল তুমি !” {{ফাঁক}}“রাগ কার 'পরে ।” {{ফাঁক}}“ইংরেজের ’পরে ।” {{ফাঁক}}“যে জোয়ান মদ খেয়ে চোখ লাল না করলে লড়তে পারেই না, সেই গ্রাম্যকে আমি অবজ্ঞা করি । রাগের মাথায় কর্তব্য করতে গেলে অকর্তব্য করার সম্ভাবনাই বেশি।” {{ফাঁক}}“তা হোক, কিন্তু রাগের কারণ থাকলে রাগ না করাটা অমানবিক।” {{ফাঁক}}“সমস্ত য়ুরোপের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে, আমি ইংরেজকেও জানি ৷ যত পশ্চিমী জাত আছে তার মধ্যে ওরা সবচেয়ে বড়ো জাত। রিপুর তাড়ায় ওরা যে মারতে পারে না তা নয় কিন্তু পুরোপুরি পারে না— লজ্জা পায় । ওদের নিজেদের মধ্যে যারা বড়ো তাদেরই কাছে জবাবদিহি - করতে ওদের সবচেয়ে ভয় ;– ওরা নিজেকে ভোলায় তাদেরও ভোলায় ৷ ওদের উপরে যতটা রাগ করলে ফুল স্টীম বানিয়ে তোলা যায় ততটা রাগ করা আমার দ্বারা সম্ভব হয় না।” {{ফাঁক}}“অদ্ভুত তুমি।” {{ফাঁক}}“ষোলো আনা মারের চোটে আমাদের মেরুদণ্ড ওরা<noinclude></noinclude> p9fn61c5xn1t32uan0718dpbj8632e7 পাতা:রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf/১৭ 104 886223 2000275 2026-09-19T11:29:37Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000275 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{x-larger|'''মৃত্যু'''}}}} {{ফাঁক}}সহকারী-সম্পাদকরূপে কিছু দিন সংস্কৃত কলেজে কার্য্য করিবার পর বিদ্যাবাগীশ পীড়াগ্রস্ত হন এবং দীর্ঘকাল রোগভোগের পর ১৮৪৫ খ্রীষ্টাব্দের ২রা মার্চ তাঁহার মৃত্যু হয়। ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’র প্রকাশ:— {{blockquote|{{gap}}তিনি ১৭৬৫ শকের মাঘ মাসে পক্ষাঘাত রোগে পীড়িত হইলেন। তদবধি ইংরাজ ও বাঙ্গালি চিকিৎসক দ্বারা অনেক প্রকার চিকিৎসা হইয়াছিল, কিন্তু তাহাতে উপশম না হইয়া শরীর ক্রমশঃ অবসন্ন হইতে লাগিল। ইহাতে তিনি অনুভব করিলেন, যে কাশী অঞ্চলের জল বায়ু সুস্থতাদায়ক, এবং তথায় উত্তম উত্তম মোসলমান চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা হইবারও সম্ভাবনা, অতএব তিনি ১৭৬৬ শকের ৯ ফাল্গুণ বুধবার দিবা নয় ঘণ্টার সময়ে কাশী যাত্রা করিলেন। কিন্তু তথায় উত্তীর্ণ হইবার পূর্ব্বে পরমেশ্বর তাঁহাকে পীড়ার যন্ত্রণা হইতে মুক্ত করিলেন, এবং তিনি ছয় কন্যা মাত্র বর্ত্তমান রাখিয়। গত ২০ ফাল্গুণ রবিবার [২ মার্চ ১৮৪৫] দিবা অষ্ট ঘণ্টার সময়ে মুরশিদাবাদে ৫৯ বৎসর ২১ দিন বয়ঃক্রমে ইহ লোক হইতে অবস্থত হইলেন।}} {{ফাঁক}}সংস্কৃত কলেজের কর্ম্মচারিবর্গের বেতনের খাতায় দেখিতেছি, ১৮৪৪ খ্রীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর হইতে মৃত্যুকাল পর্য্যন্ত ছয় মাস বিদ্যাবাগীশ ছুটিতে ছিলেন এবং তাঁহার স্থলে গোবিন্দ শিরোমণি অস্থায়ী ভাবে কার্য্য করিয়াছিলেন। {{ফাঁক}}সংস্কৃত কলেজের তদানীন্তন সেক্রেটারী রসময় দত্ত ৫ এপ্রিল ১৮৪৫ তারিখে কাউন্সিল অব এডুকেশনকে যে পত্র লেখেন, তাহাতে বিদ্যাবাগীশের মৃত্যুর সঠিক তারিখ দেওয়া আছে। পত্রখানি এইরূপ:— {{blockquote/s}}{{gap}}With reference to my letter dated 26th February last submitting for sanction a Bill for a moiety of salary of Ramchandar<noinclude>{{blockquote/e}}</noinclude> gti7jai753bjonqboh6mx3via7ydd3u পাতা:রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf/১৮ 104 886224 2000276 2026-09-19T11:43:11Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000276 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৬|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ও হরিহরানন্দনাথ তীর্থস্বামী|}}{{blockquote/s}}</noinclude><section begin="A" />Bidyabageesha Assistant Secretary to this Institution retrenched by the Civil Auditor for the month of January last and order of Government dated 26th ultimo I have the honor to submit for sanction the enclosed Bill for a similar retrenchment for February last. 2. Ramchandar Bidyabageesha died on the 2nd March last.<ref>১১ মার্চ ১৮৪৫ তারিখের ‘বেঙ্গল হরকরা’য় এক জন পত্রলেখক বিদ্যাবাগীশের মৃত্যু-তারিখ “২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৫” বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। ‘ফ্রেণ্ড অব ইণ্ডিয়া’ও ১৩ মার্চ ১৮৪২ তারিখে এই পত্রলেখকের প্রদত্ত তারিখের পুনরাবৃত্তি করিয়াছেন। তারিখটি যে ভুল তাহাতে সন্দেহ নাই।</ref>{{blockquote/e}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{c|{{x-larger|''গ্রন্থাবলী'''}}}} {{ফাঁক}}পণ্ডিত ও সুবক্তা হিসাবে বিদ্যাবাগীশের খ্যাতি ছিল। গ্রন্থরচনাতেও তাঁহার নৈপুণ্য কম ছিল না। তাঁহার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলির একটি কালানুক্রমিক তালিকা দিতেছি:— {{ফাঁক}}১। {{larger|'''জ্যোতিষসংগ্রহসার।'''}} ১০ মাঘ ১২২৩ সাল—১৮১৭, জানুয়ারি। পৃ. ১৫৫। {{ফাঁক}}গ্রন্থের প্রারম্ভে মুদ্রিত নিম্নোদ্ধৃত অংশ হইতে গ্রন্থকারের নাম ও নিবাস পাওয়া যায়:— {{block center/s}}<poem>সেই সত্য পরাৎপরে বাক্যমন অগোচরে বিশ্বব্যাপি বিশ্বের কারণে। দ্বিজরামচন্দ্র নাম বাস পালপাড়া গ্রাম নতিস্তুতি করি কায়মনে॥ বারতিথিরাশিলগ্ন শুনিতে সকলে মগ্ন গৃহস্থের সদা প্রয়োজন। সবিশেষ জানিবারে জ্যোতিষ অপেক্ষা করে এইহেতু করিয়া যতন॥ শকে সপ্তদশশতে আটত্রিশ দিয়া তাতে সাধারণ বোধের কারণ। জ্যোতিষসংগ্রহসার যথাশক্তি আপনার করিলাম ভাষাবিবরণ॥</poem><section end="B" /><noinclude>{{block center/e}} {{rule}}</noinclude> akem6uygefcopwkvxov1vt4m9zxe8mh 2000277 2000276 2026-09-19T11:43:49Z Bodhisattwa 2549 2000277 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৬|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ও হরিহরানন্দনাথ তীর্থস্বামী|}}{{blockquote/s}}</noinclude><section begin="A" />Bidyabageesha Assistant Secretary to this Institution retrenched by the Civil Auditor for the month of January last and order of Government dated 26th ultimo I have the honor to submit for sanction the enclosed Bill for a similar retrenchment for February last. 2. Ramchandar Bidyabageesha died on the 2nd March last.<ref>১১ মার্চ ১৮৪৫ তারিখের ‘বেঙ্গল হরকরা’য় এক জন পত্রলেখক বিদ্যাবাগীশের মৃত্যু-তারিখ “২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৫” বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। ‘ফ্রেণ্ড অব ইণ্ডিয়া’ও ১৩ মার্চ ১৮৪২ তারিখে এই পত্রলেখকের প্রদত্ত তারিখের পুনরাবৃত্তি করিয়াছেন। তারিখটি যে ভুল তাহাতে সন্দেহ নাই।</ref>{{blockquote/e}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{c|{{x-larger|'''গ্রন্থাবলী'''}}}} {{ফাঁক}}পণ্ডিত ও সুবক্তা হিসাবে বিদ্যাবাগীশের খ্যাতি ছিল। গ্রন্থরচনাতেও তাঁহার নৈপুণ্য কম ছিল না। তাঁহার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলির একটি কালানুক্রমিক তালিকা দিতেছি:— {{ফাঁক}}১। {{larger|'''জ্যোতিষসংগ্রহসার।'''}} ১০ মাঘ ১২২৩ সাল—১৮১৭, জানুয়ারি। পৃ. ১৫৫। {{ফাঁক}}গ্রন্থের প্রারম্ভে মুদ্রিত নিম্নোদ্ধৃত অংশ হইতে গ্রন্থকারের নাম ও নিবাস পাওয়া যায়:— {{block center/s}}<poem>সেই সত্য পরাৎপরে বাক্যমন অগোচরে বিশ্বব্যাপি বিশ্বের কারণে। দ্বিজরামচন্দ্র নাম বাস পালপাড়া গ্রাম নতিস্তুতি করি কায়মনে॥ বারতিথিরাশিলগ্ন শুনিতে সকলে মগ্ন গৃহস্থের সদা প্রয়োজন। সবিশেষ জানিবারে জ্যোতিষ অপেক্ষা করে এইহেতু করিয়া যতন॥ শকে সপ্তদশশতে আটত্রিশ দিয়া তাতে সাধারণ বোধের কারণ। জ্যোতিষসংগ্রহসার যথাশক্তি আপনার করিলাম ভাষাবিবরণ॥</poem><section end="B" /><noinclude>{{block center/e}} {{rule}}</noinclude> 4foht1vcmowweftvyjx1ez2saowv1nb 2000279 2000277 2026-09-19T11:45:36Z Bodhisattwa 2549 2000279 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh|১৬|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ও হরিহরানন্দনাথ তীর্থস্বামী|}}{{blockquote/s}}</noinclude><section begin="A" />Bidyabageesha Assistant Secretary to this Institution retrenched by the Civil Auditor for the month of January last and order of Government dated 26th ultimo I have the honor to submit for sanction the enclosed Bill for a similar retrenchment for February last.</br> {{ফাঁক}}2. Ramchandar Bidyabageesha died on the 2nd March last.<ref>১১ মার্চ ১৮৪৫ তারিখের ‘বেঙ্গল হরকরা’য় এক জন পত্রলেখক বিদ্যাবাগীশের মৃত্যু-তারিখ “২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৫” বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। ‘ফ্রেণ্ড অব ইণ্ডিয়া’ও ১৩ মার্চ ১৮৪২ তারিখে এই পত্রলেখকের প্রদত্ত তারিখের পুনরাবৃত্তি করিয়াছেন। তারিখটি যে ভুল তাহাতে সন্দেহ নাই।</ref>{{blockquote/e}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{c|{{x-larger|'''গ্রন্থাবলী'''}}}} {{ফাঁক}}পণ্ডিত ও সুবক্তা হিসাবে বিদ্যাবাগীশের খ্যাতি ছিল। গ্রন্থরচনাতেও তাঁহার নৈপুণ্য কম ছিল না। তাঁহার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলির একটি কালানুক্রমিক তালিকা দিতেছি:— {{ফাঁক}}১। {{larger|'''জ্যোতিষসংগ্রহসার।'''}} ১০ মাঘ ১২২৩ সাল—১৮১৭, জানুয়ারি। পৃ. ১৫৫। {{ফাঁক}}গ্রন্থের প্রারম্ভে মুদ্রিত নিম্নোদ্ধৃত অংশ হইতে গ্রন্থকারের নাম ও নিবাস পাওয়া যায়:— {{block center/s}}<poem>সেই সত্য পরাৎপরে বাক্যমন অগোচরে বিশ্বব্যাপি বিশ্বের কারণে। দ্বিজরামচন্দ্র নাম বাস পালপাড়া গ্রাম নতিস্তুতি করি কায়মনে॥ বারতিথিরাশিলগ্ন শুনিতে সকলে মগ্ন গৃহস্থের সদা প্রয়োজন। সবিশেষ জানিবারে জ্যোতিষ অপেক্ষা করে এইহেতু করিয়া যতন॥ শকে সপ্তদশশতে আটত্রিশ দিয়া তাতে সাধারণ বোধের কারণ। জ্যোতিষসংগ্রহসার যথাশক্তি আপনার করিলাম ভাষাবিবরণ॥</poem><section end="B" /><noinclude>{{block center/e}} {{rule}}</noinclude> r7r6dpa1djfs4thzypo6hngzngz6v4q রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ও হরিহরানন্দনাথ তীর্থস্বামী/রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ/মৃত্যু 0 886225 2000278 2026-09-19T11:44:52Z Bodhisattwa 2549 "<pages index="রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf" from=17 to=18 tosection=A header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 2000278 wikitext text/x-wiki <pages index="রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf" from=17 to=18 tosection=A header=1/> rrtbf7s51bwtuk3xt31hqclq7y8fufu পাতা:রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী - ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৪২).pdf/১৯ 104 886226 2000280 2026-09-19T11:52:50Z Bodhisattwa 2549 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 2000280 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||গ্রন্থাবলী|১৭}}{{block center/s}}</noinclude><poem>প্রথম সংগ্রহ এই মনে বড় ভয় সেই যদি ত্রুটি থাকে কোনস্থানে। শুধিবেন সাধুজনে কৃপা করি নিজগুণে দোষনাশে সাধু সন্নিধানে।</poem>{{block center/e}} {{ফাঁক}}২। {{larger|'''অভিধান।'''}} মূল্য ১৲। ইং ১৮১৮ (?) {{ফাঁক}}কলিকাতা স্থূলবুক সোসাইটির প্রথম বার্ষিক বিবরণের (ইং ১৮১৭-১৮) ৮ম পৃষ্ঠায় এই অভিধান সম্বন্ধে নিম্নলিখিত বর্ণনা পাওয়া যায়:— {{blockquote|{{gap}}A small volume has recently appeared, the design and contents of which are stated in an English and Bengalee advertisement prefixed. The author, Ramchundur Surma, there remarks that he has constantly had occasion to observe in private correspondene and public documents written in Bengalee the deficiency of his countrymen (Pundits only excepted) in orthography: which has induced him to collect as many Bengalee words as are derived from the Sunscrit, and are in most common use, and to publish them, with their definitions or synonymous words, in the form of a pocket volume. This little work therefore, under the name of ''Obhidhan'', (vocabulary) is intended to instruct the natives both in the spelling and the meaning of terms.}} {{ফাঁক}}ইহাই বাংলা ভাষার প্রথম বাংলা অভিধান। ইণ্ডিয়া আপিস লাইব্রেরিতে এই অভিধানের এক খণ্ড আছে, কিন্তু তাহার আখ্যাপত্র নাই। {{ফাঁক}}১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে এই অভিধানের বর্দ্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণের স্বত্ব তিনি কলিকাতা স্কুলবুক সোসাইটিকে তিন শত টাকায় বিক্রয় করিয়াছিলেন। সোসাইটির চতুর্থ বর্ষের (ইং ১৮২০-২১) কার্য্যবিবরণের শেষে মুদ্রিত আয়ব্যয়ের হিসাবে ব্যয়-বিভাগের একটি দফা এই:— {{blockquote|Ram Chundro’s Remuneration, {{gap}}(including 120 Copies of his Obhidhan)...300.00}} {{nop}}<noinclude></noinclude> ao3dpkg3ks7gnlru8n4jeosqmtwdvnx 2000281 2000280 2026-09-19T11:53:17Z Bodhisattwa 2549 2000281 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{rh||গ্রন্থাবলী|১৭}}{{block center/s}}</noinclude><poem>প্রথম সংগ্রহ এই মনে বড় ভয় সেই যদি ত্রুটি থাকে কোনস্থানে। শুধিবেন সাধুজনে কৃপা করি নিজগুণে দোষনাশে সাধু সন্নিধানে।</poem>{{block center/e}} {{ফাঁক}}২। {{larger|'''অভিধান।'''}} মূল্য ১৲। ইং ১৮১৮ (?) {{ফাঁক}}কলিকাতা স্কুলবুক সোসাইটির প্রথম বার্ষিক বিবরণের (ইং ১৮১৭-১৮) ৮ম পৃষ্ঠায় এই অভিধান সম্বন্ধে নিম্নলিখিত বর্ণনা পাওয়া যায়:— {{blockquote|{{gap}}A small volume has recently appeared, the design and contents of which are stated in an English and Bengalee advertisement prefixed. The author, Ramchundur Surma, there remarks that he has constantly had occasion to observe in private correspondene and public documents written in Bengalee the deficiency of his countrymen (Pundits only excepted) in orthography: which has induced him to collect as many Bengalee words as are derived from the Sunscrit, and are in most common use, and to publish them, with their definitions or synonymous words, in the form of a pocket volume. This little work therefore, under the name of ''Obhidhan'', (vocabulary) is intended to instruct the natives both in the spelling and the meaning of terms.}} {{ফাঁক}}ইহাই বাংলা ভাষার প্রথম বাংলা অভিধান। ইণ্ডিয়া আপিস লাইব্রেরিতে এই অভিধানের এক খণ্ড আছে, কিন্তু তাহার আখ্যাপত্র নাই। {{ফাঁক}}১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে এই অভিধানের বর্দ্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণের স্বত্ব তিনি কলিকাতা স্কুলবুক সোসাইটিকে তিন শত টাকায় বিক্রয় করিয়াছিলেন। সোসাইটির চতুর্থ বর্ষের (ইং ১৮২০-২১) কার্য্যবিবরণের শেষে মুদ্রিত আয়ব্যয়ের হিসাবে ব্যয়-বিভাগের একটি দফা এই:— {{blockquote|Ram Chundro’s Remuneration, {{gap}}(including 120 Copies of his Obhidhan)...300.00}} {{nop}}<noinclude></noinclude> rthck3o5p4v2oznel2d3x56fnepdhvx