উইকিসংকলন
bnwikisource
https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.22
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিসংকলন
উইকিসংকলন আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
লেখক
লেখক আলাপ
নির্ঘণ্ট
নির্ঘণ্ট আলাপ
পাতা
পাতা আলাপ
প্রবেশদ্বার
প্রবেশদ্বার আলাপ
প্রকাশক
প্রকাশক আলোচনা
রচনা
রচনা আলাপ
অনুবাদ
অনুবাদ আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
উইকিসংকলন:লিপিশালা
4
140
2001629
2000968
2026-10-01T12:42:30Z
MediaWiki message delivery
2648
/* Wikidata Sitelink changes in Recent Changes and Watchlist */ নতুন অনুচ্ছেদ
2001629
wikitext
text/x-wiki
{{প্রক্রিয়ার শীর্ষক
| শিরোনাম = লিপিশালা
| অনুচ্ছেদ =
| পূর্ববর্তী = [[উইকিসংকলন:সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার|সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার]]
| পরবর্তী = [[উইকিসংকলন:লিপিশালা/মহাফেজখানা|মহাফেজখানা]]
| সংক্ষিপ্ত = [[WS:S]]<br/>[[WS:আলোচনাসভা]]
| টীকা = লিপিশালা উইকিসংকলন সম্প্রদায় আলোচনা পৃষ্ঠা। যে কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা মন্তব্য করুন মুক্ত মনে। আপনি যেকোন বর্তমান আলোচনায় মন্তব্য করতে পারেন অথবা একটি নতুন শুরু করতে পারেন।<!--প্রকল্প সদস্যরা প্রায়ই #wikisource IRC চ্যানেল webclient পাওয়া যাবে।--> এছাড়া এটি উইকিসংকলনের প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য নিবেদিত পাতা। এখানে প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো প্রসঙ্গ তুলে ধরতে পারেন। উইকিসংকলনের যেকোন সদস্য প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে এখানে মন্তব্য রাখতে পারেন।
}}
{{উইকিসংকলন:লিপিশালা/দিকনির্দেশ}}
__TOC__
__NEWSECTIONLINK__
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলন প্রশাসন]]
== সার্বজনীন আচরণবিধি ও প্রয়োগ নির্দেশিকার বার্ষিক পর্যালোচনা ==
<section begin="announcement-content" />
আপনাকে জানানো হচ্ছে যে, সার্বজনীন আচরণবিধি ও প্রয়োগ নির্দেশিকার বার্ষিক পর্যালোচনার সময়কাল শুরু হয়েছে। আপনি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত যেকোন পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে পারেন। বার্ষিক পর্যালোচনার নির্ধারিত ধাপগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম। [[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Annual review/2026|আরও বিস্তারিত জানতে এবং মেটা-উইকির UCoC পাতায় চলমান আলোচনায় অংশ গ্রহণ করতে এখানে ক্লিক করুন]]।
[[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Coordinating Committee|সার্বজনীন আচরণবিধি সমন্বয় কমিটি]] (ইউ৪সি) একটি বৈশ্বিক দল, যা সার্বজনীন আচরণবিধির ন্যায্য ও ধারাবাহিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করে। এই বার্ষিক পর্যালোচনাটি ইউ৪সি কর্তৃক পরিকল্পিত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইউ৪সি এবং এর দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে, আপনি [[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Coordinating Committee/Charter|ইউ৪সি সনদ দেখতে পারেন]]।
দয়া করে এই তথ্যটি আপনার সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যদের সাথে এবং অন্য যে কোনও উপযুক্ত স্থানে শেয়ার করুন।
-- ইউ৪সি-এর সহযোগিতায়, [[m:User:Keegan (WMF)|কিগান (WMF)]] ([[m:User talk:Keegan (WMF)|আলাপ]])<section end="announcement-content" />
২১:০২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=29905753-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== PageImages এক্সটেনশন যোগ ==
{{tracked|T416800}}
সুধী, উইকিসংকলনে [[:mw:Extension:PageImages|PageImages এক্সটেনশন]] যোগ করার জন্য সম্প্রদায়ের মতামত ও সমর্থন চাওয়া হচ্ছে। এই এক্সটেনশন যোগ করলে উইকিসংকলনের পাতায় যুক্ত ছবির থাম্বনেল তৈরি করে বাইরের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তা প্রদর্শিত হবে। উল্লেখ্য সকল উইকিপিডিয়া প্রকল্পে এই এক্সটেনশন ইতিমধ্যে অনেকদিন ধরেই যুক্ত। -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:০৩, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} -- [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১৫:২০, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{support}} - [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:৫৫, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:জয়শ্রীরাম সরকার|জয়শ্রীরাম সরকার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:জয়শ্রীরাম সরকার|আলাপ]]) ১৬:৫১, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Nettime Sujata|Nettime Sujata]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Nettime Sujata|আলাপ]]) ১১:১৪, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Mahir256|মাহির২৫৬]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mahir256|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} – [[User:Tarunno|<span style="display:inline-block;color:#008329;font-weight:bold; transform: scale(-1,1);text-shadow:0 1px 2px #ddd">তারুণ্য</span>]]<span style="font-size:10px;vertical-align:text-top;"> [[ব্যবহারকারী আলাপ:Tarunno|আলাপ]]</span> • ১৫:০৬, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৫:৩৭, ১৭ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২০০০-পূর্ব বাংলাদেশি কর্মের কপিরাইট মেয়াদ ==
সুধী,
আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। বাংলাদেশে <small>(ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে)</small> প্রকাশিত কর্ম এবং বাংলাদেশি <small>(ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানি)</small> লেখকদের কপিরাইট মেয়াদ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাবনা আমরা উত্থাপন করছি।
প্রস্তাবনা: বাংলাদেশি/পূর্ব পাকিস্তানি নাগরিকের বা বাংলাদেশে/পূর্ব পাকিস্তানে প্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''সাহিত্যিক''' কর্মের ক্ষেত্রে কপিরাইট মেয়াদ: '''লেখকের মৃত্যু + ৫০ বছর''';
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''সরকারি''' কর্মের ক্ষেত্রে: '''প্রকাশ + ৫০ বছর''';
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''ছবি''' কর্মের ক্ষেত্রে: '''প্রকাশ + ৫০ বছর''';
# এবং ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে [https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047 কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২]-এর অধ্যায় ৩ কর্তৃক প্রণীত [[#মেয়াদ ৬২|অন্যান্য মেয়াদ সমূহ]]।
এই প্রস্তাবনা লিখিতভাবে উপস্থাপনে সার্বিক সহায়তার জন্য [[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]]কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
=== আইনি বিশ্লেষণ ও যৌক্তিকতা ===
বর্তমান বাংলাদেশি ভূখণ্ডে কপিরাইট আইনসমূহের ক্রম নিচে উল্লেখ করা হলো:
{| class="wikitable" style="margin: auto;"
!আইন
!সময়কাল
!সাধারণ মেয়াদ
|-
|[https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/15848 ভারতীয় কপিরাইট আইন ১৯১৪]
|১৯১৪ - ১৯৬২
|৫০ বছর
|-
|[https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047 কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২]<br>(১৯৭৮ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|১৯৬২ - ২০০০
|৫০ বছর
|-
|[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html কপিরাইট আইন, ২০০০]<br>(২০০৫ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|২০০০ - ২০২৩
|৬০ বছর
|-
|[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452.html কপিরাইট আইন, ২০২৩]
|২০২৩ - বর্তমান
|৬০ বছর
|-
| colspan="3" |যেকোনো আইন রহিতকরণের ক্ষেত্রে:<br>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬]<br>(২০১৮ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|}
অর্থাৎ ২০০০ সালের আইনে কপিরাইটের সাধারণ মেয়াদ প্রথমবারের মতো ৫০ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৬০ বছরে উন্নীত করা হয় এবং ২০২৩ সালের আইনেও তা চলমান থাকে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ২০০০ সালের পূর্বে প্রকাশিত যে কর্মগুলোর কপিরাইট মেয়াদ তখনো শেষ হয়নি (যেমন, ১৯৯০ সালের একটি প্রকাশনা), সেগুলো কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই বর্ধিত ৬০ বছরের মেয়াদের আওতায় চলে আসবে? শুরুতে মনে হতে পারে, যেহেতু নতুন আইনে সাধারণ মেয়াদ ৬০ বছর, তাই পুরনো সব বিদ্যমান কর্মও হয়তো এই সুবিধা পাবে। কিন্তু আইনের '''আক্ষরিক ব্যাখ্যা''' অনুসরণ করলে আমরা বিপরীত চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।
[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] ও সাধারণ আইনি কর্যধারা অনুযায়ী, কোনো আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে নতুন কোনো বিধান ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) পেছনের কর্মের ওপর কার্যকর হয় না। ২০০০ সালের আইনের কোথাও স্পষ্টভাবে বলা নেই যে, পূর্বের কর্মগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাবে। বরং এই <mark>আইনের ১০৫ নং ধারা অনুযায়ী ১৮ জুলাই, ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে যেকোনো কর্মের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়নি।</mark>
<div style="float: right; margin-left: 15px; margin-bottom: 5px; border: 2px solid yellow">
{{show
|1= আইন দেখুন
|2={{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-846/section-30242.html|ধারা ১০৪|}}<br>ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html|কপিরাইট আইন, ২০০০}}}}
১০৪। এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি পাঠ প্রকাশ করিবে যাহা এই আইনের অনূদিত ইংরেজী পাঠ (Authentic English Text) নামে অভিহিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন ও উক্ত ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
{{Collapse bottom|}}
}}
</div>
উল্লেখ্য, ধারা ১০৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার একটি নির্ভরযোগ্য অনূদিত পাঠ প্রদান করেছে। ইংরেজি ও বাংলা পাঠের সাথে সংঘর্ষ হলে, বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে। সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বাংলা পাঠ হতে আসতে হবে। তবে ইংরেজি পাঠ সংযুক্ত রাখা হয়েছে বোঝার সুবিধার্থে এবং আইনের ইন্টেন্ট বা উদ্দেশ্য পরিষ্কার করার জন্য।
<div style="display:flex; flex-wrap:wrap; gap:10px;">
<div style="flex:1; min-width:300px; padding:10px;">
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-846/section-30242.html|ধারা ১০৫|}}<br>রহিতকরণ, হেফাজত এবং ক্রান্তিকালীন বিধান<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html|কপিরাইট আইন, ২০০০}}}}
১০৫। (১) The Copyright Ordinance, 1962 (Ordinance no XXXIV of 1962) এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে এমন কোন কাজ করিয়া থাকেন যা দ্বারা তিনি সংশ্লিষ্ট সময়ে আইন মোতাবেক কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য অথবা এই আইন কার্যকর না হইলে ঐরূপ পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন বৈধ হইত এমন কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য কোন প্রকার ব্যয় বা দায় এর জন্য দায়ী হন, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই ঐরূপ কাজ হইতে বা তৎসূত্রে উদ্ভূত কোন অধিকার বা স্বার্থ খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না, যদি না এই আইনবলে পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন করিবার অধিকারী ব্যক্তি চুক্তিভঙ্গের দরুণ বোর্ড যেরূপ নির্ধারণ করে ঐরূপ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে সম্মত না হন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত আইনের অধীন কোন কর্মের কপিরাইট ছিল না এমন কোন কর্মের ক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কপিরাইট থাকিবে না।
(৪) এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে যেক্ষেত্রে কোন কর্মের কপিরাইট বিদ্যমান ছিল ঐরূপ কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত অধিকার, এই আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ হইতে, কর্মটি যে শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ঐ শ্রেণী সম্বন্ধে ধারা ১৪-এ উলি্লখিত অধিকার হইবে এবং যদি উক্ত ধারা দ্বারা কোন নতুন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহা হইলে উক্ত অধিকারের মালিক-
:(ক) এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে কর্মটির কপিরাইটের সম্পূর্ণ স্বত্ব-নিয়োগ হইয়া থাকিলে, উক্ত নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারী স্বার্থের উত্তরাধিকারী হইবেন।
:(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, ঐ ব্যক্তি হইবেন যিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন বাতিলকৃত আইনে কর্মটির কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
<mark>(৫) এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে, তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।</mark>
<br>(৬) এই আইনের কোন কিছুই উহা কার্যকর হওয়ার পূর্বে কৃত কোন কাজ কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কাজ হিসাবে ব্যাখ্যায়িত হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি ঐ কাজ অন্যভাবে ঐরূপ অধিকারলঙ্ঘন গঠন না করিয়া থাকে।
<br>(৭) এই ধারায় ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, রহিতকরণের ফলাফলের বিষয়ে ১৮৯৭ সনের জেনারেল ক্লজেস এ্যাক্ট (১৮৯৭ সনের ১০নং আইন) প্রযোজ্য হইবে।
{{Collapse bottom|}}
</div>
<div style="flex:1; min-width:300px; padding:10px;">
{{Collapse top|Section 105<br>Repeals, savings and transitional provisions<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/upload/act/2021-11-17-10-44-05-32.-The-Copyright-Act-2000.pdf|Authentic English Text of Copyright Act, 2000 }}}}
105. (1) The Copyright Ordinance, 1962, (Ordinance no XXXIV of 1962) is hereby repealed.
(2) Where any person has, before the commencement of this Act, taken any action whereby he has incurred any expenditure or liabilities in connection with the reproduction or performance of any work in a manner which at that time was lawful or for the purpose of or with a view to the reproduction or performance of a work at a time when such reproduction or performance would, but for the coming into force of this Act, have been lawful, nothing in this section shall diminish or prejudice any rights or interests arising from or in connection with such action which are subsisting and valuable at the said date, unless the person who, by virtue of this Act, becomes entitled to restrain such reproduction or performance agrees to pay such compensation as, failing agreement, may be determined by the Board.
(3) Copyright shall not subsist by virtue of this Act in any work in which copyright did not subsist immediately before the commencement of this Act under any Act or Ordinance repealed by sub-section (1).
(4) Where copyright subsisted in any work immediately before the commencement of this Act, the rights comprising such copyright shall, as from the date of such commencement, be the rights specified in section 14 in relation to the class of works to which such work belongs, and where any new rights are conferred by that section, the owner of such rights shall be⎯
:(a) in any case where copyright in the work was wholly assigned before the commencement of this Act, the appointed assignee; and
:(b) in any other case, the person who was the first owner of the copyright in the work under any Act or Ordinance repealed by sub-section (1) or his legal representatives.
<mark>(5) Except as otherwise provided in this Act, where any person was entitled immediately before the commencement of this Act to copyright in any work or any right in such copyright or to an interest in any such right, he shall continue to be entitled to such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force.</mark>
(6) Nothing contained in this Act shall be deemed to render any act done before its commencement an infringement of copyright if that act would not otherwise have constituted such an infringement.
(7) If there is nothing otherwise provided by this section, the General Clauses Act, 1897 (Act X of 1897) shall apply with respect to the effect of repeals.
{{Collapse bottom|}}
</div>
</div>
উপরের ধারা ১০৫(৫) অনুসারে সিদ্ধান্তে আসা যায়, নতুন আইন প্রবর্তনের পূর্বে যে কর্মগুলোর কপিরাইট বহাল ছিল, সেগুলোর মেয়াদকাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে যেন ২০০০ সালের আইনটি পাসই হয়নি। অর্থাৎ, পুরোনো কর্মগুলোর ক্ষেত্রে ১৯৬২ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী পূর্বনির্ধারিত ৫০ বছরের মেয়াদই বলবৎ থাকবে।
ধারা ১০৫(৫) এর একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
{| class="wikitable"
|+
!বিষয়
!বাংলা
!ইংরেজি
!ব্যাখ্যা
|-
|'''দ্বন্দ্ব'''
|এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে
|Except as otherwise provided in this Act
|সাধারণ হেফাজত। আইনে ভিন্ন কিছু উল্লেখ নেই।
|-
|'''কে?'''
|কোন ব্যক্তি
|where any person
|বাংলাদেশি কর্মের প্রণেতা
|-
|'''কখনকার কর্ম?'''
|এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে
|was entitled immediately before the commencement of this Act
|১৮ জুলাই, ২০০০ এর পূর্বে
|-
|'''কী?'''
|কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে
|to copyright in any work or any right in such copyright or to an interest in any such right
|কপিরাইট সুরক্ষা
|-
|'''সময়কাল'''
|তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন
|such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force.
|২০০০ এর আইন না থাকলে ৫০ বছর মেয়াদি সুরক্ষা থাকতো।
|-
|'''ক্রিয়া'''
|তাহা অব্যাহত থাকিবে
|he shall continue to be entitled to
|৫০ বছর সুরক্ষা পাবে
|}
১. '''দ্বন্দ্ব''': ''"এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে"'' - এই বাক্যাংশটি "দ্বন্দ্ব নিরোধ" হিসেবে পরিচিত। বাক্যাংশটি মূলত একই বা ভিন্ন আইনের সাথে দ্বন্দ্ব রোধে ঢালাওভাবে ব্যবহৃত হয়। ধারা ১০৫(৫) চাচ্ছে পূর্বের প্রদত্ত আইনি সুরক্ষার মেয়াদ অব্যাহত রাখতে। এই মেয়াদের অব্যাহতি ঢালাওভাবে সকল বাংলাদেশি কর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু এই ঢালাওভাবে প্রয়োগ সহজেই অপ্রত্যাশিত দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। এই দ্বন্দ্ব বর্তমানে প্রতীয়মান না হলেও, ভবিষ্যতে কোনো মামলায় আবিষ্কৃত হতে পারে। ফলে আপাত দৃষ্টিতে দ্বন্দ্ব না থাকলেও, সুরক্ষার খাতিরে এই দ্বন্দ্ব নিরোধ অংশ যুক্ত করেন আইন প্রণেতারা।
এখন প্রশ্ন হতে পারে দ্বন্দ্ব আছে নাকি নেই? এই উপধারার সাথে কী প্রকারের দ্বন্দ্ব হওয়ার সুযোগ আছে? উদাহরণ স্বরূপ ধরি, ৬২-এর আইনে লোকসংস্কৃতির মেয়াদ ছিল ২৫ বছর কিন্তু নতুন আইন সেটাকে অসীম সুরক্ষা দিয়েছে। যেহেতু লোক সংস্কৃতির প্রকাশকাল নেই বা থাকলেও সেটি ২০০০ সালের পরে প্রকাশিত হলে সেটি আর লোকসংস্কৃতি বলে বিবেচিত হবে না। তাহলে এখানে দ্বন্দ্ব প্রতীয়মান হওয়ার সুযোগ আছে। পুরাতন আইনের অধীনে থাকলে, আইনের ইচ্ছা অনুযায়ী এরা অসীম সুরক্ষা পাবে না। তাই এক্ষেত্রে আইনের মূল অংশ প্রাধান্য পাবে। উল্লেখ্য এটি একটু উদাহরণ মাত্র এবং বাস্তবতার সাথে মিল নেই।
আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো সাধারণ সাহিত্যকর্ম, ছবি, সরকারি কর্ম ইত্যাদি। এই বিষয়সমূহে এরূপ কোনো দ্বন্দ্ব নেই আইনে।
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, আইনে তো নতুন ৬০ বছর মেয়াদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ধারা চাচ্ছে আগের মেয়াদ অব্যাহত রাখতে, তাহলে এটা কি দ্বন্দ্ব?
আইনি ব্যাখ্যার সুপ্রতিষ্ঠিত 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' (Rule Against Redundancy) অনুযায়ী এই ধারণাটি পুরোপুরি যৌক্তিক নয়। আইনে কখনোই কোনো অর্থহীন বা অপ্রয়োজনীয় ধারা যুক্ত করা হয় না। যদি ২৪ থেকে ৩৩ ধারার সাধারণ ৬০ বছরের নিয়মটিকেই ১০৫(৫) ধারায় উল্লেখকৃত 'ভিন্নরূপ বিধান' হিসেবে ধরে নেওয়া হয়, তবে ১০৫(৫) ধারাটির কোনো প্রয়োগই অবশিষ্ট থাকে না। আইনশাস্ত্রে একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি হলো, 'বিশেষ বিধান সাধারণ বিধানের ওপর প্রাধান্য পায়' (Lex specialis derogat legi generali)। আইনের ২৪ থেকে ৩৩ ধারা হলো কপিরাইট মেয়াদের একটি General Provision, যা আইন পাসের পর থেকে নতুন কর্মের জন্য প্রযোজ্য। অন্যদিকে ১০৫(৫) ধারা হলো পুরোনো কর্মের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট বিশেষ বিধান।
প্রকৃতপক্ষে <mark>এখানে "ভিন্নরূপ বিধান" বলতে বোঝানো হয়েছে: যদি আইনের অন্য কোথাও স্পষ্টভাবে লেখা থাকত যে "পুরোনো 'কোনও' কর্মের মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাবে", কেবল তখনই সেটি কার্যকর হতো।</mark>
২. '''কে?''': ''"কোন ব্যক্তি"'' - বাংলাদেশি কর্মের প্রণেতাকে বুঝানো হয়েছে। কপিরাইট আইন, ২০০০ এর ২(২৭) ধারা অনুযায়ী:
(২৭) "বাংলাদেশী কর্ম" অর্থ এমন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্প কর্ম-
(ক) যাহার প্রণেতা বাংলাদেশের নাগরিক; বা
(খ) যাহা প্রথম বাংলাদেশে প্রকাশিত হইয়াছে; বা
(গ) অপ্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে, যাহার প্রণেতা উহা তৈরীর সময় বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন;
৩. '''কখনকার কর্ম?''': ''"এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে"'' - কপিরাইট আইন, ২০০০ কার্যকর হয়েছে ১৮ জুলাই, ২০০০ খ্রিস্টাব্দে। অর্থাৎ উক্ত তারিখের পূর্বে প্রকাশিত যেকোনো কর্মের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য।
৪. '''কী?''': ''"কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে"'' - সাধারণ কপিরাইট সুরক্ষা।
৫. '''সময়কাল''': ''"তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন" / "such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force."'' -
এই অংশে বলা আছে যে, ''এই আইন কার্যকর না হইলে'' কিন্তু আইন যেহেতু কার্যকর হয়েছে, এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, তাই এই অংশ প্রযোজ্য নয়। এখানে আমাদের পূর্ববর্তী 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' যুক্তি প্রযোজ্য। আর এই বাক্যাংশটি শর্তমূলক (conditional clause) নয়। এখানে ''"এই আইন কার্যকর না হইলে"'' ("''if this Act had not come into force''") একটি counterfactual / irrealis / hypothetical / unreal conditional clause.
আরও নির্দিষ্টভাবে, এটি হলো:
* একটি শর্তবাচক উপবাক্য
* যা past perfect রূপে আছে
* এবং একটি অবাস্তব অতীত শর্ত প্রকাশ করছে
* ব্যাকরণ আলোচনায় একে প্রায়ই প্রতিবাস্তব (counterfactual), অবাস্তব (irrealis), বা কাল্পনিক (hypothetical) বলা হয়
এতে এই অর্থ নেই যে আইনটি সত্যিই কার্যকর হয়নি। এর অর্থ হলো যে এই অধিকার বা স্বার্থ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এমন একটি অবস্থা কল্পনা করতে হবে, যেখানে এই আইন কখনোই কার্যকর হয়নি; এবং সেই অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কত সময়ের জন্য ওই অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হতেন, তা নির্ধারণ করতে হবে।
অতএব বাক্যটি একটি আইনগত-কাল্পনিক তুলনা ব্যবহার করছে:
বাস্তব অবস্থা: আইনটি কার্যকর আছে।
কল্পিত অবস্থা: আইনটি কার্যকর হয়নি।
তারপর আইনটি জিজ্ঞেস করছে: এই কল্পিত অবস্থায় ব্যক্তি কোন সময়কাল পর্যন্ত অধিকারী হতেন?
এটি আইন প্রণয়নে খুবই সাধারণ একটি কৌশল। এখানে “অসম্ভব” কথাটির অর্থ গোঁজামিল বা অযৌক্তিক নয়; বরং এটি অধিকার নির্ণয়ের জন্য একটি প্রতিবাস্তব মানদণ্ড।
৬. '''ক্রিয়া''': ''"তাহা অব্যাহত থাকিবে"'' (''"he shall continue to be entitled to"''): এখানে "আব্যাহত"কে বাংলাদেশ সরকার ইংরেজিতে continue শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে।
{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1123.html|বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩}} দ্বারা কার্যরত বাংলা ভাষা বিষয়ক বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলা একাডেমি। বাংলাদেশ সরকার তার নিজের সরকারি কাজে বাংলা ব্যবহারে বাংলা একাডেমির নিয়ম মানতে নির্দেশনা দেয়।<sup>[https://file-rajshahi.portal.gov.bd/files/bscic.rajshahi.gov.bd/files/62628c74_11b2_48a4_98e3_e694fdb18021/604f94fbbfa1ac882cb826c1fe5a2784.pdf]</sup> তাদের প্রকাশিত [https://web.archive.org/web/20210117115141/https://xeroxtree.com/pdf/adhunik_bangla_ovidhan.pdf আধুনিক বাংলা অভিধান] অনুযায়ী নকশা, মডেল ও ডিজাইনের সংজ্ঞা নিচে দেওয়া হলো। উল্লেখ্য, এই সংজ্ঞাসমূহ মানতে আইন {{color|red|বাধ্য (binding) নয়}}।
অব্যাহত <small>/অব্ব্যাহতো/</small> [স. 7+| 17 + sqrt(27) + 5 ] বিণ, ১ অপ্রতিহত, অবাধ (অব্যাহত গতি)। ২ অব্যর্থ। ৩ অপ্রতিবন্ধ।
অপ্রতিহত অর্থ বাধাহীনভাবে।
অর্থাৎ, এই অংশ দ্বারা বলা হয়েছে। তার আগের মেয়াদ continue করবে। আগে যা ছিল তাই থাকবে। এবং তার মেয়াদে কোনো বাধা থাকবে না। অনেকে প্রায়োগিক অর্থ ভেবে বলতে পারেন যে, এই আইন শুধু চাচ্ছে যে অধিকার খর্বকারী মেয়াদ না কমাতে। কিন্তু অব্যাহত-এর বুৎপত্তিগত এবং সকল সংজ্ঞা অনুযায়ী, মেয়াদে বাধা দেবে না। এটি উভয়দিকে কাজ করে। শুধুমাত্র একদিকে নয়। সংজ্ঞার ক্ষেত্রে প্রয়োগ ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে নিতে পারে। এজন্য বুৎপত্তিগত ব্যাখ্যা মেনে নেওয়া শ্রেয়। আইনের ইন্টেন্ট বুঝার জন্য ইংরেজি অনুবাদ ব্যাবহার করা যেতে পারে। ইংরেজিতে "continue" শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে। যা বুঝায়, আগে যা ছিল তাই থাকবে। অর্থাৎ আগের ৫০ বছর মেয়াদ বলবৎ থাকবে।
'''ধারা ১০৫(১)''': কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ রহিত করা হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয়। ধারা ১০৫, আগের আইনের অধীন প্রকাশিত কর্মসমূহ নিজ নতুন আইনের আওতায় আত্তীকরণ করেনি, যেমনটা কপিরাইট আইন, ২০২৩ করেছে। অর্থাৎ, আগের কর্মসমূহের লাইসেন্স বিবেচনা কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর আলোকে করতে হবে।
'''ধারা ১০৫(২)''': কোন মামলা বা অপরাধ ২০০০ এর আগে সংঘটিত হলে, তা আগের আইনের অধীনে বিচার হবে।
'''ধারা ১০৫(৩)''': কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর অধীন বিবেচিত কপিরাইটহীন অসুরক্ষিত কর্ম নতুন করে সুরক্ষা পাবে না।
'''ধারা ১০৫(৪)''': এই ধারায় "অধিকারের পরিধি বা প্রকৃতি" ব্যাখ্যা করা হয়ছে; "মেয়াদ" নয়। ১০৫(৪)-এর আশ্রয় নিয়ে প্রস্তাবের আরেকটা বিরোধিতা করা যেতে পারে যে ''ধারা ১০৫(৪)-এ বলা হয়েছে, পুরোনো কর্মগুলো নতুন আইনের "ধারা ১৪-এ উল্লিখিত অধিকার" পাবে। ফলে, যেহেতু কর্মটি নতুন আইনের (১৪ ধারার) অধীনে চলে আসছে, তাই এর মেয়াদও নতুন আইনের ৬০ বছর হওয়া উচিত।''
উ: আইনের দৃষ্টিতে "অধিকারের পরিধি বা প্রকৃতি" এবং "অধিকারের মেয়াদ" সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। ধারা ১০৫(৪) অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শুধুমাত্র "ধারা ১৪"-এর কথা উল্লেখ করেছে, যেখানে কপিরাইটের মেয়াদ নিয়ে একটি শব্দও নেই। ধারা ১৪ কেবল সংজ্ঞায়িত করেছে কপিরাইট বলতে কী কী 'কর্ম' বোঝায় এবং সেসব 'কর্ম'-এর কোন কোন অধিকার একচেটিয়াভাবে পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ধারা ১০৫(৪) পুরোনো কর্মগুলোকে কেবল ধারা ১৪-তে থাকা নতুন ধরনের অধিকার ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকারটি কতদিন বজায় থাকবে, অর্থাৎ সময়কাল বা মেয়াদের বিষয়টি ঠিক তার পরের উপধারা ১০৫(৫)-এ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। <mark>১০৫(৫)-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে, অধিকার যা-ই হোক না কেন, ব্যক্তি ঠিক সেই "সময়ের জন্য" অধিকার ভোগ করবেন, যা তিনি এই নতুন আইন না এলে পেতেন (অর্থাৎ ৫০ বছর)।</mark>
'''ধারা ১০৫(৫)''': ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
'''ধারা ১০৫(৬)''': ধরুন এক প্রকারের পুনঃব্যবহার অনুমতি ১৯৬২ সালের আইনে দেওয়া হলেও, ২০০০ সালের আইনে দেওয়া হয়নি। তাহলে ২০০০ সালের আগে সেই কর্ম কেউ পুনঃব্যবহার করে থাকলে, সেটি নতুন আইনের আওতায় দণ্ডনীয় নয়।
'''ধারা ১০৫(৭)''': [http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] এর ৬ষ্ঠ ধারা বাংলাদেশের যেকোনো আইনের রহিতকরণের প্রভাব নির্ধারণ করে। কপিরাইট আইন, ২০০০-এর ১০৫(৭)-এ তা উল্লেখ করা আছে। ১০৫(৭)-এ উল্লেখ করা না থাকলেও, এই আইন বলবৎ থাকতো। কপিরাইট বাদেও এই ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের সকল আইন অ-ভূতাপেক্ষ (Non-retroactive) যদিনা নতুন আইনে আলাদা করে উল্লেখ না থাকে।
[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] এর ৬(গ) ধারা অনুযায়ী, নতুন আইনে অন্যথায় উল্লেখ না থাকলে, নতুন আইন নাগরিকের পূর্ব আইনের আওতায় প্রাপ্ত রাইট (অধিকার)কে প্রভাবিত করবে না। কপিরাইট এর নামানুসারেই একপ্রকারের রাইট বা অধিকার। কপিরাইট আইন, ২০০০ এর ধারা ১০৫ এই অংশের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। affect অর্থ প্রভাবিত করা। সেটা অধিকার বৃদ্ধি বা হ্রাস উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ১৯৬৩ সালের প্রকাশিত কোনো প্রকাশনার ক্ষেত্রে, কর্মের স্রষ্টা ৫০ বছরের অধিকার পেয়েছিলেন তার কর্মের উপর। আমি জনগণ, ৫০ বছর পর এটি মুক্তভাবে ব্যাবহারের অধিকার পেয়েছিলাম। নতুন আইন যেহেতু পূর্বের কর্মের ব্যাপারে কিছু বলেনি; শুধু নতুন কর্মের জন্য নতুন বর্ধিত অধিকার দিয়েছে। তাই এই আইন অনুযায়ী নতুন আইন আমার পূর্বে প্রাপ্ত অধিকারকে প্রভাবিত করবে না। সেটা যেকারো লাভ বা ক্ষতি যেজন্যই হোক না কেনো। ২০০০ এর আইনের ১০৫(৫)-এ এই আইনের নীতিমালাকে প্রয়োগ করা হয়েছে।
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-73/section-19978.html|Section 6}}<br>Effect of repeal<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html|The General Clauses Act, 1897}}}}
6. Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not-
:(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or
:(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or
:<mark>(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed;</mark> or
:(d) affect any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
:(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid;
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
{{Collapse bottom|}}
'''কপিরাইট আইন, ২০২৩''':
এবার বর্তমানে বলবৎ 'কপিরাইট আইন, ২০২৩'-এ আসি। বলা যেতে পারে, নতুন আইনের ১২৭(২)(ক) ধারায় যেহেতু (২০০০-এর আইনে থাকা) পুরোনো অধিকারগুলো বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই পুরোনো কর্মগুলোও ৬০ বছর মেয়াদ পাবে। কিন্তু ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬(c) ধারা অনুযায়ী, রহিতকৃত আইনের অধীনে নির্ধারিত অধিকারের কাঠামো (যেমন ৫০ বছরের সীমা) অপরিবর্তিত থাকে। ফলে ২০২৩ সালের আইনটি কেবল সেই অবস্থাকেই সংরক্ষণ করে, যা ২০০০ সালের আইনের অধীনে অর্জিত হয়েছিল। যেহেতু ২০০০ সালের আইনটি ১০৫(৫) ধারার মাধ্যমে পুরোনো কর্মগুলোর মেয়াদকে সুনির্দিষ্টভাবে ৫০ বছরেই আটকে দিয়েছিল এবং অতিরিক্ত দশ বছর যুক্ত করার পক্ষে স্পষ্ট কোনও বিধান রাখেনি, তাই ২০২৩ সালের আইনও সেটিকে নতুন করে ৬০ বছরে উন্নীত করেনি। নিচে ২০২৩ সালের আইনের রহিতকরণ ধারাটি দেওয়া হলো:
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html|ধারা ১২৭|}}<br>রহিতকরণ ও হেফাজত<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1452.html|কপিরাইট আইন, ২০২৩}}}}
১২৭। (১) কপিরাইট আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ২৮ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত আইনের অধীন-
:(ক) <mark>কৃত কোনো কাজ-কর্ম</mark>, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রণীত কোনো বিধি, জারীকৃত প্রজ্ঞাপন বা নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তি, প্রদত্ত আদেশ, স্বত্বনিয়োগ, <mark>নিবন্ধন বা লাইসেন্স</mark>, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ থাকিবে, এবং এই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীন কৃত, গৃহীত, প্রণীত, জারীকৃত বা প্রদত্ত বলিয়া গণ্য হইবে;
:(খ) উক্ত আইনের অধীন সূচিত কোনো কার্যধারা অসম্পূর্ণ থাকিলে উহা উক্ত আইন অনুযায়ী এইরূপে সমাপ্ত করা হইবে, যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই;
:(গ) দায়েরকৃত কোনো মামলা বা মোকদ্দমা কোনো আদালতে চলমান থাকিলে উহা এমনভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই;
:(ঘ) উক্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত বোর্ড এইরূপে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে; এবং
:(ঙ) কপিরাইট অফিসে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিতপূর্বে যে শর্তাধীনে চাকুরিতে নিয়োজিত ছিলেন, এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত, সেই একই শর্তে চাকুরিতে নিয়োজিত থাকিবেন এবং পূর্বের নিয়মে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হইবেন।
{{Collapse bottom|}}
উল্লেখ্য যে কপিরাইট আইন, ২০২৩ তার পূর্বসূরী আইন (শুধুমাত্র ২০০০ এর আইন)-এর অধীন প্রকাশিত কর্ম ১২৭(২)(ক) দ্বারা নিজের মধ্যে আত্তীকরণ করে। কিন্তু ২০০০ এর আইন, তার পূর্বসূরি ১৯৬২এর আইনের জন্য তা করে না। ফলে ১৯৬২ এর অধীন প্রকাশিত কর্ম ২০০০ বা ২০২৩ এর আইন আত্তীকরণ করে না এবং উত্তরসূরি আইনসমূহ তাদের নিজ নিজ হেফাজত ধারা অনুযায়ী ১৯৬২ এর অধীন কর্মগুলোতে ১৯৬২ এর আইন বলবৎ রাখে। ১৯৬২ হতে ২০০০ এর আইনে মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল কিন্তু ২০০০ থেকে ২০২৩ এর আইনে করা হয়নি/ তাই পূর্ববর্তী কর্মের মেয়াদ অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে কোনো ধারা যুক্ত করা হয়নি বা যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কিন্তু আইনের ইচ্ছা অনুযায়ী মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হলে, তা আলাদা ভাবে যুক্ত করতে হতো, যা করা হয়নি।
<mark>নিরপেক্ষভাবে বিচার করলে, আইনের এই আক্ষরিক ও অ-ভূতাপেক্ষ (Non-retroactive) ব্যাখ্যাটিই আইনিভাবে অধিকতর নিরাপদ ও প্রচলিত।</mark> কারণ, কোনো অধিকারের মেয়াদ বা ব্যাপ্তি যদি পেছনের তারিখ থেকে বাড়াতে হয়, তবে আইনে তা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে লিখে দিতে হয়।
'''আন্তর্জাতিক উদাহরণ'''
আন্তর্জাতিক রীতির দিকে তাকালেও অ-ভূতাপেক্ষতার প্রমাণ মেলে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধির আইন, ''Sonny Bono Copyright Term Extension Act ([https://www.copyright.gov/legislation/s505.pdf CTEA 1998]'')-এর 102(b) ধারায় বিদ্যমান কপিরাইটগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল। একইভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপিরাইট মেয়াদ নির্দেশিকা '''('''[https://eur-lex.europa.eu/legal-content/en/TXT/?uri=CELEX:31993L0098#:~:text=regulating%20moral%20rights.-,Article%2010,-Application%20in%20time Directive 93/98/EEC]''')'''-এর Article 10-এ (Application in time) অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছিল যে, এই নির্দেশিকা পাসের দিন যেসব কর্ম কপিরাইট দ্বারা সুরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/contents The Duration of Copyright and Rights in Performances Regulations 1995]-এ যখন মেয়াদ বাড়ানো হয়, তখন এর পার্ট-৩ (Transitional Provisions)-এ '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/regulation/17 Extended and revived copyright]' শিরোনামে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আইনে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা আইনি ভাষ্য নেই।
'''কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২''':
আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য ১৯৬২ সালের কপিরাইট অধ্যাদেশ। কপিরাইট আইন, ২০০০ পূর্ববর্তী আইনের মেয়াদসমূহ সংরক্ষণ করে। কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২-এর মেয়াদসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
{{Collapse top|{{anchor|মেয়াদ ৬২}}CHAPTER III<br>TERM OF COPYRIGHT<br>{{url|https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047|The Copyright Ordinance, 1962}}}}
18. Term of copyright in published <mark>literary, dramatic, musical and artistic works.</mark>-
:Except as otherwise hereinafter provided, copyright shall subsist in any literary, dramatic, musical or artistic work (other than a photograph) published within the life-time of the author until <mark>fifty years</mark> from the beginning of the calendar year next following the year in which the <mark>author dies</mark>. Explanation-In this section, the reference to the author shall, in the case of a work of joint authorship, be construed as a reference to the author who dies last.
19. Term of copyright in posthumous work.-
:(1) In the case of a literary, dramatic or musical work or an engraving, in which copyright subsists at the date of the death of the author or, in the case of any such work of joint authorship, at or immediately before the date of the- death of the author who dies last, but which or any adaptation of which, has not been published before that date, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published or, where an adaptation of the work is published in any earlier year, from the beginning of the calendar year next following that year.
:(2) For this purposes of this section, a literary, dramatic or musical work or an adaptation of any such work shall be deemed to have been published, if it has been performed in public or if any records made in respect of the work have been sold, or offered for sale, to the public.
20. Term of copyright in cinematographic works, records and photographs.
:(1) In the case of a cinematographic work, copyright shall subsist until fifty years fro.n the beginning of the calendar year next following the year in which the work is published.
:(2) In the case of a record, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the record is published.
:(3) In the case of a photograph, copyright shall subsist until fifty years from "the beginning of the calendar year next following the year in which the photograph is published.
20A. Term of copyright in broadcast.-
:In the case of a broadcast, copyright shall subsist until twenty-five years from the beginning of the calendar year next following the year in which the broadcast first took place.
21. Term of copyright in anonymous and pseudonymous work.-
:(1) In the case of a literary, dramatic, musical or artistic work (other than a photograph), which is published anonymously or pseudonymously, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.<br>Provided that where the identity of the author is disclosed before the expiry of the said period, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the author dies.
:(2) In sub-section (1), references to the author shall, in the case of an anonymous work of joint authorship be construed,
::(a) where the identity of one of the authors is disclosed as references to that author;
::(b) where the identity of more authors than one is disclosed, as references to the author who dies last from amongst such authors.
:(3) In sub-section (1), references to the author shall, in the case of a pseudonymous work of joint authorship, be construed,
::(a) where the names of one or more (but not all) of the authors are pseudonym and his or their identity is not disclosed, as references to the author whose name is not a pseudonym, or, if the names of two or more of the authors are not pseudonyms, as references to such one of those authors who dies last;
::(b) where the names of one or more (but not all ) of the authors are pseudonyms and the identity of one or more of them is disclosed, as references to the author who dies last from amongst the authors whose names are not pseudonyms and the authors whose names are pseudonyms and are disclosed; and
::(c) where the names of all the authors are pseudonyms and the identity of one of them is disclosed, as references to the author whose identity is disclosed or, if the identity of two or, more of such authors is disclosed as references to such one of those authors who dies last. Explanation-s-Pot the purposes of this section, the identity of an author shall be deemed to have been disclosed, if either the identity of the author is disclosed publicly by both the author and the publisher or is otherwise established to the satisfaction of the Board by that author.
22. Term of copyright in <mark>Government works</mark> and in works of International Organisations.-
:(l) Copyright in a Government work shall, where government is the first owner of the copyright therein, subsist until <mark>fifty years</mark> from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.
:(2) In the case of a work of an international organisation to which the provisions of section 53 apply, copyright shall subsist shall until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.
23. Term of copyright in unpublished work.-
:(1) If a work, whose author's identity is known, is not published posthumously within fifty years after the death of the author, such work shall fall into the public domain after fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the author dies.
:(2) If a work, whose author's identity is not known, is not published within fifty years of its creation, such work shall fall into the public domain after fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is created.
{{Collapse bottom|}}
=== সংশোধন বনাম রহিতকরণ ===
কপিরাইটের মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারতের একটি সুপরিচিত নজির রয়েছে, যা আপাতদৃষ্টিতে আমাদের প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে যাচ্ছে বলে মনে হতে পারে। স্বাধীন ভারতে ১৯৯২ সালের সংশোধনী আইনের ([[:en:Indian_Copyright_Act_(3rd_Amendment)_1992|The Copyright Amendment Act, 1992]]) মাধ্যমে কপিরাইটের সাধারণ মেয়াদ ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। এই সংশোধনী পাসের সময় ভারতে যে কর্মগুলোর কপিরাইট তখনো বিদ্যমান (Alive) ছিল, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন বর্ধিত ৬০ বছরের সুবিধা পেয়েছিল। প্রশ্ন আসতে পারে, ভারতে যদি বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বেড়ে থাকে, তবে বাংলাদেশে ২০০০ সালের নতুন আইন পাসের সময় বিদ্যমান কর্মগুলোর মেয়াদ কেন ৬০ বছর হবে না?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে দুই দেশের আইন প্রণয়নের কাঠামোগত পার্থক্যের (''Amendment'' বনাম ''Repeal'') মধ্যে। ভারতের এই মেয়াদ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্মের কপিরাইট। ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যু হওয়ায় তৎকালীন আইন অনুযায়ী তাঁর কর্মের কপিরাইট ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিন আগে ভারত সরকার তড়িঘড়ি করে একটি অধ্যাদেশ জারি করে মেয়াদ [https://www.telegraphindia.com/india/tagore-copyright-freedom-at-midnight/cid/910127?utm_source=chatgpt.com ১০ বছর বাড়িয়ে দেয়]। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে যখন এটিকে স্থায়ী আইন হিসেবে পাস করা হয়, তখন ভারত ১৯৯১ সালের সাময়িক অধ্যাদেশটি রেটিফাই করা সাপেক্ষে রহিত করলেও তাদের ১৯৫৭ সালের মূল আইনটিকে রহিত (Repeal) করেনি, বরং কেবল মূল একটি 'সংশোধনী' (Amendment) এনেছিল।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে মূল আইনের পঞ্চম অধ্যায়ে 'fifty years'-এর স্থলে 'sixty years' প্রতিস্থাপিত করা হয় এবং নতুন আইনটিকে ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) ঠিক সেই ২৮ ডিসেম্বর ১৯৯১ তারিখ থেকেই কার্যকর ঘোষণা করা হয়। ফলে চলমান মূল আইন যখন 'সংশোধিত' হয়, তখন আইনের অধীনে থাকা সমস্ত বিদ্যমান বা 'অ্যালাইভ' অধিকারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সংশোধিত অবস্থার সুবিধা পায়।
বিপরীতে, বাংলাদেশ সরকার ১৯৬২ সালের মূল আইনটিকে (অধ্যাদেশ) 'সংশোধন' করেনি, বরং ২০০০ সালের আইনের ১০৫(১) ধারা দিয়ে তা সম্পূর্ণরূপে রহিত (Repeal) করে একটি নতুন আইন প্রবর্তন করে। যখন কোনো পুরোনো আইন বাতিল করে নতুন আইন আনা হয়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরোনো আইনের অধীনে থাকা কর্মগুলো নতুন আইনের সুবিধা পায় না। কারণ, '''The General Clauses Act, 1897'''-এর ধারা ৬(c) অনুযায়ী, কোনো আইন রহিত (Repeal) হলে নতুন আইনে স্পষ্ট 'ভিন্নরূপ কোনো উদ্দেশ্য' (Different intention) না থাকলে, বাতিলকৃত আইনের অধীন অর্জিত অধিকার বা মেয়াদের কাঠামো (যেমন- ৫০ বছরের সীমা) ক্ষুণ্ণ বা পরিবর্তিত হয় না।
বাংলাদেশ যদি ভারতের মতো শুধু "মৃত কর্মগুলো আর জ্যান্ত হবে না" (ধারা ১০৫(৩)) লিখেই ক্ষান্ত হতো, তবে হয়তো বিতর্কের সুযোগ থাকত। কিন্তু আইনে ১০৫(৫) ধারায় অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে: ''"...তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।"''
অর্থাৎ, আইনসভা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, মেয়াদের ক্ষেত্রে নতুন আইনে তাদের 'ভিন্নরূপ কোনো উদ্দেশ্য' নেই। তারা পুরোনো আইনটি বাতিল করলেও, বিদ্যমান কর্মগুলোর মেয়াদ পুরোনো আইন (৫০ বছর) অনুসারেই চলবে। অধিকন্তু, ১০৫(৭) ধারায় 'জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট'-এর প্রয়োগ নিশ্চিত করে এই মেয়াদের সুরক্ষাকে সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে।
=== সার্বিক উপসংহার ===
উপরের বিস্তারিত আইনি পর্যালোচনা, ভারত ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক নজিরের তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে, ২০০০ সালের ১৮ জুলাইয়ের পূর্বে প্রকাশিত কোনো কর্ম নতুন আইনের সাধারণ ৬০ বছরের মেয়াদের সুবিধা পাবে না। ভারতের আইনটি ছিল চলমান আইনের একটি 'সংশোধনী' হওয়ায় আতা বাংলাদেশের ২০০০ সালের সম্পূর্ণ নতুন আইনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হয় না।) তাই ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারার মাধ্যমে এবং ২০২৩ আইনে তা কন্টিনিউ করার মাধ্যমে ২০০০-পূর্ব কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ '''প্রকাশ বা লেখকের মৃত্যু + ৫০ বছর''' হিসেবেই আইনিভাবে নির্ধারিত হবে। ফলে আজকের তারিখ: {{#time: j F Y}} হিসেবে ৫০ বছর তথা {{#time: j F Y | -50 years }}-এর আগের সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কর্ম কিংবা মৃত্যুবরণকারী লেখকের কর্ম উইকিসংকলনে আপলোড দিয়ে মুদ্রণ সংশোধন করতে কোনও আইনি বাধা নেই। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}}: প্রস্তাবকারী হিসেবে। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৭:০২, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:১৪, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* সহ-প্রস্তাবক হিসেবে {{দৃঢ় সমর্থন}}। শুরুতে আমি বরং বিরোধিতাকারী হিসেবেই প্রস্তাবককে নানান যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু দুজনে মিলে দীর্ঘ আলোচলা, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও ক্রসচেক শেষে শেষপর্যন্ত এই ব্যাখ্যাতেই উপনীত হতে সক্ষম হই। ২০০০-পূর্ব প্রকাশনার জন্য এটাই এই আইনের সবচেয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা। সবশেষে, বেশ কিছুদিন ধরে নিরলসভাবে বাংলাদেশের কপিরাইট আইনের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করে আইনে লুকিয়ে থাকা এই বিধান এবং কমন্সে [[C:Commons:Village pump/Copyright#FoP in Bangladesh|বাংলাদেশের ভবনের ছবির কপিরাইট-অযোগ্যতা]]র বিষয়টি খুঁজে বের করার জন্য প্রস্তাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[Special:Contributions/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৩৮, ২১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৭:০৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{Comment}} — উপরে দেওয়া ব্যাখ্যার সঙ্গে আমার কিছু মতপার্থক্য আছে। নিচে তার আলোচনা করছি:—
* '''ভূতাপেক্ষিতা''' — উপরে বলা হয়েছে যে নতুন আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বৃদ্ধি পেলে তা ভূতাপেক্ষ (retrospective), যা কিনা General Clauses Act অনুযায়ী হওয়ার কথা নয়; ফলে নতুন আইন দিয়ে পুরনো আইনের অধীনে প্রকাশিত বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারে না। আমার তা মনে হয় না। যে বইয়ের কপিরাইট জীবিত আছে, সেই জীবিত কপিরাইটের জীবৎকাল বাড়ানোকে ভূতাপেক্ষ বলা যায় কি? যদি তা হয়, তবে কবে থেকে ভূতাপেক্ষ? যদি পুরনো আইনের জন্মলগ্ন থেকে ভূতাপেক্ষ হয়, তবে যেসব বইয়ের কপিরাইট অধুনা শেষ হয়ে গেছে কিন্তু পুরনো আইনের আমলে কিছুকাল আগে কপিরাইটে ছিল, সেই বইগুলিও এই ভূতাপেক্ষিতার সুযোগ লাভ করত এবং তাদের কপিরাইট পুনর্জীবিত হত। কিন্তু তা হয় না। কপিরাইট শেষ হয়ে গেলে এই তথাকথিত ভূতাপেক্ষ প্রাবধান দিয়ে কপিরাইট আর ফিরে আসে না। এতেই প্রমাণিত হয় যে এটা ভূতাপেক্ষ নয়; নতুন আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বাড়লে তা ভূতকাল থেকে বাড়ে না, বরং বর্তমান কাল থেকে বাড়ে। সেজন্যেই বিগত-কপিরাইট বইগুলি এর সুবিধা পায় না। ফলে এর সঙ্গে General Clauses Act-এর কোনই সংঘাত নেই।
* '''রবীন্দ্রসাহিত্য ও ভারতীয় আইন''' — ১৯৯২ সালে ভারতীয় কপিরাইট আইন সংশোধন করে কপিরাইটের মেয়াদ লেখকের মরণোত্তর ৫০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। সেসময় রবীন্দ্রসাহিত্যের কপিরাইট ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন বিশ্বভারতীর কাছে। তাই এই অতীব লাভজনক কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধিই ছিল আইন-সংশোধনের মূল কারণ। প্রস্তাবকের মতে এমনটা হওয়া ভূতাপেক্ষ, তাহলে কিভাবে হল? প্রস্তাবকের দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী ১৯৯২-তে নতুন আইন না বানিয়ে চলমান আইনের সংশোধন হয়েছিল, তাই এটা ভূতাপেক্ষ নয়; নতুন আইন বানালে ভূতাপেক্ষ হত। বেশ, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের লেখাগুলো তো চলমান ১৯৫৭-এর আইনের অধীনে প্রকাশিতই হয় নি। রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিককার লেখাগুলি প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৪৭-এর আইনের অধীনে (তাতে লেখকের মরণোত্তর সাত বছর কপিরাইট থাকত), আর পরের দিকের বইগুলি প্রকাশিত হয় ১৯১৪-এর আইনের অধীনে (তাতে মরণোত্তর ৫০ বছরের বিধান ছিল)। ১৮৪৭ এবং ১৯১৪-এর সাপেক্ষে ১৯৫৭-এর আইন হচ্ছে নতুন আইন। এই নতুন আইন দিয়ে কিভাবে রবীন্দ্রসাহিত্যের মেয়াদবৃদ্ধি করা গেল? এটা কি ভূতাপেক্ষ হচ্ছে না? প্রস্তাবক দেখাতে চেয়েছেন যে বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারা একটা ভূতাপেক্ষিতা-প্রতিরোধক ব্যবস্থা, যার কারণে ২০০০-এর আইন দিয়ে আগের বইগুলির কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটেনি। কিন্তু একই ব্যবস্থা তো ভারতীয় আইনেও ছিল। ভারতের ১৯৫৭-এর আইনের ৭৯(৫) ধারা এবং বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারা অবিকল এক ধারা, শুধু ধারার নম্বর আলাদা। কাজেই একই নিয়মের উপস্থিতিতে ভারতে যদি কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটে থাকে, তবে বাংলাদেশে তা ঘটেনি বলে কেন আমরা ধরে নেব?
* '''ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইনের তুলনাযোগ্যতা''' — এখানে মনে পারে, ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইন ভিন্নপথগামী, তাই পরিণতিও ভিন্ন। কিন্তু ব্যাপারটা সেরকম নয়। দুদেশেরই আইনি পরিকাঠামো, বিভিন্ন স্থানীয় সংশোধনী সহ, কলোনিয়াল লেগ্যাসি। ব্রিটিশদের বানানো General Clauses Act, স্থানীয় সংশোধনী সহ, দুদেশেই চালু আছে। কাজেই একটার সঙ্গে অন্যটা তুলনাযোগ্য। কাজেই ভারতীয় আইনে যদি কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারে, তবে একই ব্যবস্থাযুক্ত বাংলাদেশি আইনে তা না বাড়ার কোন কারণ নেই। তাহলে ১০৫(৫) ধারার উপযোগিতা কী রইল? হ্যাঁ, উপযোগিতা আছে বৈকি, কিন্তু তা প্রস্তাবকের ব্যাখ্যার অনুসারী নয়। নিচে অন্যভাবে ব্যাখ্যার চেষ্টা করছি।
* '''রহিতকরণ ধারা ও তার তাৎপর্য''' — যখন পুরনো আইন বাতিল করে নতুন আইন রচিত হয়, তখন নতুন আইনের শেষদিকে একটা রহিতকরণ ধারা (repeal section) থাকে। ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশেই এই দস্তুর। পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকরা নতুন আইন দিয়ে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটা নিশ্চিত করতে এই ধারায় কয়েকটা উপধারা থাকে। নতুন আইনে কি সুবিধা পাওয়া যাবে বা যাবে না, সেসব এই ধারায় থাকে না, শুধু পুরনো আইনই এর ফোকাস। বাংলাদেশি আইনের ১০৫(৫) ধারা এই রহিতকরণ ধারার একটা উপধারা। এই ধারা দিয়ে পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকদের লেখকের মরণোত্তর ৫০ বছর কপিরাইটের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন আইনে মেয়াদ যদি ৫০ থেকে কমিয়ে ৪০ বছর করা হত, তাহলেও পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকদের, এই ধারার কারণে, ৫০ বছরের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকত। কিন্তু নতুন আইনের সুবিধা-অসুবিধার জন্য এই ধারা নয়। অর্থাৎ, পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকরা এই ধারা অনুযায়ী ৫০ বছরের অধিকার পাওয়ার পর, নতুন আইনের উপযুক্ত ধারা অনুযায়ী আরও অতিরিক্ত ১০ বছর পেতে পারেন। তাতে কোনই বাধা নেই।
* '''নতুন আইনে পুরনো কপিরাইটের আত্তীকরণ''' — দেশে নতুন রাজা হলে পুরনো রাজার বিদ্যমান প্রজারা স্বতস্ক্রিয়ভাবে নতুন রাজার প্রজা হয়ে যায়। সেইরকম, নতুন কপিরাইট আইন হলে আগে থেকে কপিরাইটে থাকা বইগুলি স্বতস্ক্রিয়ভাবে নতুন আইনের আওতায় চলে আসে, ফলে তাদের কপিরাইটের মেয়াদ কমানো না গেলেও বাড়ানো যায়। এই কারণেই ভারতে রবীন্দ্রসাহিত্যের কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটেছিল।
* '''ব্যবহারিক উদাহরণ''' — এটা সবারই জানা যে বিখ্যাত বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই অন্যান্য প্রকাশকরা সেগুলি ছেপে বাজারে ছাড়তে থাকে। রবীন্দ্রসাহিত্যের বেলাতেও এই ব্যাপার ঘটেছিল। যদি বাংলাদেশে ২০০০ সালের আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ না বেড়ে থাকে, তবে ১৯৫০ ও পরবর্তীতে মৃত লেখকদের বইগুলি এর সুবিধা পায় নি। সেক্ষেত্রে লেখকমৃত্যুর পর ৫০ পেরোনো কিন্তু ৬০-অনুত্তীর্ণ বিভিন্ন বিখ্যাত বই অবশ্যই অন্যান্য প্রকাশকরা বাজারে ছেড়ে থাকবেন। প্রস্তাবকের কাছ থেকে এমন কিছু ব্যবহারিক উদাহরণ আশা করছি, যাতে এই কপিরাইট না বাড়াটা পরিষ্কারভাবে প্রতিপন্ন হয়। — [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১২:৪২, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
*:{{ping|Hrishikes}} প্রথমেই উপরোক্ত প্রস্তাবনাসমূহ সময় নিয়ে পড়ার এবং একটি গঠনমূলক সমালোচনার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষাগত কারণে উত্তর দিতে দেরি হওয়ায় আমি দুঃখিত।
*:<br>১। '''ভূতাপেক্ষিতা''' — ভূতাপেক্ষিতা কী? ভূতাপেক্ষিতা বলতে সাধারণত যা বুঝায় যে, ধরুন "জনাব 'ক' কাউকে খুন করলো"। কিন্তু তৎকালীন সময়ে আইনানুযায়ী খুন করা অবৈধ ছিলো না। কিন্তু পরে নতুন আইন সৃষ্টির মাধ্যমে খুন করাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যেহেতু খুন করার কার্য, আইন প্রণয়নের আগে সংঘটিত হয়েছিল, তাই জনাব 'ক'কে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এখানে "জনাব 'ক' তো বেঁচে আছেন" বলে তাকে আদালতে নেওয়ার সুযোগ নেই।
*:<br>আমি মানছি যে, কপিরাইটের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু জটিল। একটি কর্মের কপিরাইট শুরু হয় তার প্রকাশকাল থেকে। একটি কর্মকে কপিরাইট অফিসে লাইসেন্স রেজিস্টার করা হয়, বা প্রকাশকাল থেকে একটি অটো লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয় (রেজিস্টার করা না হলেও)। এই লাইসেন্সটি কপিরাইট মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ অথবা লাইসেন্সে বলা আছে যে আপনি "X" বছর অধিকার পাবেন। এখন নতুন আইন এলো। ফলে আইনের পরবর্তী নতুন প্রকাশিত বই বা কর্মসমূহ নতুন আইনের অধীনে নতুন লাইসেন্স নতুন মেয়াদ সময়ের জন্য প্রাপ্ত হবে। কিন্তু পুরাতন কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আপনাকে সময়ে পিছনে যেতে হবে এবং সেই লাইসেন্সকে পরিবর্তন করতে হবে; অথবা বিদ্যমান লাইসেন্সকে আপডেট করতে হবে। এইটাই ভুতাপেক্ষতা। আইন সাধারণত সম্মুখমুখী বা তার সামনের কর্মে affect করে, পিছনের বা বিদ্যমান কর্মকে না। বিদ্যমান মামলা যেমন পুরাতন আইনেই চালাতে হয়।
*:<br>ধরুন বাংলাদেশের সংবিধানে ইন্টারনেট সংযোগ মৌলিক অধিকার বলে স্বীকৃত নয়। কিন্তু পরে সংশোধনী করে একে মৌলিক অধিকার ঘোষণা করা হয়েছে। এখন আপনার যুক্তি অনুসারে, আমি, তাওসীফ হাসান, তো জীবিত আছি। তাহলে কি আমাকে অনেককাল আগে ইন্টারনেট থেকে বঞ্চিত করার জন্য, আমি সরকারের বিরুদ্ধে এখন বর্তমানে মামলা দিতে পারব? কপিরাইটও এক প্রকার অধিকার। কপিরাইট জীবিত থাকে না; বরং তার লাইসেন্স চলমান থাকে। আর লাইসেন্সের পরিবর্তন করতে হলে, সেটি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে আইন শুধু সামনের কর্মকে affect করে।
*:<br>এখন মূল যুক্তিতে আসি। আমার উত্তরের প্রথমাংশের সব কথাই মোটামুটি অপ্রাসঙ্গিক। আপনি মূল প্রস্তাবনায় উদ্ধৃতিকৃত সকল আইন পড়ে দেখতে পারেন। কোথাও "ভূতাপেক্ষিতা" বা "retroactivity' শব্দটি উচ্চারিত হয়নি। আপনার সমালোচনা মূলত "ভূতাপেক্ষিতা" শব্দটি কেন্দ্র করে। এই শব্দ আইনের কোথাও নেই। বরং আইনে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এই শর্তের ভিত্তিতে আমরা আইনকে ভূতাপেক্ষ বলছি। এই উল্টো; "ভূতাপেক্ষিতা" শব্দের ভিত্তিতে আমরা শর্ত প্রতিপাদন করছি না। আইনে কি কি শর্ত আছে? ১০৫(২) বলে পূর্বের মামলা পূর্বের আইনে চলবে। ১০৫(৩) বলে কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর অধীন বিবেচিত কপিরাইটহীন অসুরক্ষিত কর্ম নতুন করে সুরক্ষা পাবে না। ১০৫(৪) বলে পূর্ববর্তী কর্ম নতুন অধিকার পাবে না। ১০৫(৫) মেয়াদ বৃদ্ধি আটকায়। ১০৫(৬) পুনঃব্যবহার অনুমতি বহাল রাখে। এই সকল শর্তের ভিত্তিতে আমরা বলছি আইনটি ভুতাপেক্ষ। এর উল্টোটি নয়।
*:<br>আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে, এই ধারাসমূহে বলা নেই যে মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া পুরাতন কর্ম নতুন করে কপিরাইট পাবে না; কেননা ১০৫(৫) দ্বারা আগেই মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে। মূল প্রস্তাবনার 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' (Rule Against Redundancy)-এর কারণেই তা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়নি।
<div style="float: right; margin-left: 15px; margin-bottom: 5px; border: 2px solid yellow">
{{show
|1= আন্তর্জাতিক উদাহরণ
|2=আন্তর্জাতিক রীতির দিকে তাকালেও অ-ভূতাপেক্ষতার প্রমাণ মেলে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধির আইন, ''Sonny Bono Copyright Term Extension Act ([https://www.copyright.gov/legislation/s505.pdf CTEA 1998]'')-এর 102(b) ধারায় বিদ্যমান কপিরাইটগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল। একইভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপিরাইট মেয়াদ নির্দেশিকা '''('''[https://eur-lex.europa.eu/legal-content/en/TXT/?uri=CELEX:31993L0098#:~:text=regulating%20moral%20rights.-,Article%2010,-Application%20in%20time Directive 93/98/EEC]''')'''-এর Article 10-এ (Application in time) অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছিল যে, এই নির্দেশিকা পাসের দিন যেসব কর্ম কপিরাইট দ্বারা সুরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/contents The Duration of Copyright and Rights in Performances Regulations 1995]-এ যখন মেয়াদ বাড়ানো হয়, তখন এর পার্ট-৩ (Transitional Provisions)-এ '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/regulation/17 Extended and revived copyright]' শিরোনামে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আইনে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা আইনি ভাষ্য নেই
}}</div>
*:<br>এই বিষয়ে আমি আন্তর্জাতিক উদাহরণ মূল প্রস্তাবনায় টেনেছি। আমি আবার উল্লেখ করছি।
*:<br>এই অংশে আমি বেশ কিছু দাবি করেছেন। যদিও আমি মনে করি দাবিসমূহ আইনের ভিত্তিতে নয়, আপনি চাইলে আপনার দাবির আইনি উৎস ব্যক্ত করতে পারেন।
*:<br>২। '''রবীন্দ্রসাহিত্য ও ভারতীয় আইন''': রবীন্দ্রনাথের কিছু কর্ম ১৮৬৭ সালের আইনের অধীন প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১৪ এর আইনের [https://ipindia.gov.in/writereaddata/Portal/Images/pdf/The_Copyright_Act__1914.pdf সর্বশেষ পাতা] অনুযায়ী এটি স্পষ্টত অভূতাপেক্ষি। ১৯১৪-এর আইন নিজেই ১৮৬৭ সালের একটি রেজিস্ট্রেশনের আইনকে সংশোধন করে। যার মাধ্যমে রেজিস্টারকৃত সকল কর্মকে ১৯১৪-এর আইন আত্তীকরণ করে। উল্লেখ্য তৎকালীন যুগে শুধুমাত্র রেজিস্টারকৃত কর্ম কপিরাইট সুরক্ষা পেত। ১৯১৪-এর আইনে নতুন আইনের মতো ভুতাপেক্ষতার কোনো ধারা নেই। ফলে ১৮৪৭ সালের আইনের অধীনের যেসকল কর্ম যা প্রকাশিত হয়েছিল, ১৯১৪-এর আইন তাদের মেয়াদ বৃদ্ধি করে। সব কপিরাইট আইনকেই ভুতাপেক্ষ মনে করা একটি ভ্রান্ত ধারণা। ১৯৫৭ সালের আইনের ১৯৯২ সালের সংশোধন নিয়ে আমি নিচে আলোচনা করছি।
*:<br>৩। '''ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইনের তুলনাযোগ্যতা''': বাংলাদেশ ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' এবং ভারতীয় ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' তুলনাযোগ্য এটা সত্য, কিন্তু এদের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। বাংলাদেশের কপিরাইট সুরক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' দ্বারা যা সরাসরি পূর্ববর্তী আইনকে রহিত করে। কিন্তু ভারতের কপিরাইট সুরক্ষার মেয়াদের বৃদ্ধি ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' দ্বারা করা হয়নি। ভারতে বৃদ্ধি করা হয়েছে ভিন্ন একটা সংশোধনী আইন দ্বারা। ১৯৯২ সালের ১৩ নং আইন - ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২'' দ্বারা ভারতের কপিরাইট মেয়াদ মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই আইনটি ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' থেকে আলাদা একটি আইন। ১৯৯২ সালের এই আইনের ভুতাপেক্ষিতার ব্যাপারে ধারা আছে। ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২''-এর ৩ নং ধারা শুধু পাবলিক ডোমেইনে চলে যাওয়া কর্মকে কপিরাইটেড হওয়া থেকে আটকায়। এই আইনে মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানোর ব্যাপারে কিছু লেখা নেই। ফলে কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধিকারী আইন ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' পাবলিক ডোমেইনে চলে যাওয়া কর্মকে কপিরাইটেড হওয়া থেকে আটকানোর পাশাপাশি মেয়াদও আটকানো হয়েছে ১০৫(৫) দ্বারা।
*:<br>আমি আমার প্রস্তাবনায় যুক্তি দিয়েছি যে, ২০২৩-এর আইনের মতো করে স্পষ্ট করে না বলায়, কপিরাইট আইন, ২০০০ তার পূর্ববর্তী কর্মকে আত্তীকরণ করেনি। আমার কাছে সেটাই গ্রহণযোগ্য বেশি। তবে আপনি চাইলে ২০০০-এর আইনের ১০৫(৩) ও ১০৫(৪) এবং ভারতীয় বর্তমান আইনের ৭৯(৩) ও ৭৯(৪) দ্বারা বলার সুযোগ আছে যে এই আইন দুটি পূর্ববর্তী কর্মসমূহকে আংশিক আত্তীকরণ করেছে। যেহেতু ১০৫(৫) দ্বারা সরাসরি মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে, তাই এই নিয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু ভারতীয় আইনে আপনি চাইলে উক্ত ধারা সমূহকে সতর্কতার নীতিমালার দোহাই দিয়ে বলতে পারেন যে, বর্তমান ভারতীয় আইন তার পূর্ববর্তী কর্মকে আত্তীকরণ করেছে এবং পরবর্তীতে ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২'' এর মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। ভারতীয় মেয়াদ বৃদ্ধিকারী আইনে বাংলাদেশি ১০৫(৫) বা ভারতীয় ৭৯(৫) এর মতো কোনো মেয়াদ আটকানোর ধারা নেই। বাংলাদেশি আইনে যা আছে।
*:<br>আইনের আদালতে আইনের হুবুহু বাক্য এবং পূর্ববর্তী মামলার উদাহরণ ব্যতীত কিছুই প্রামণ্য নয়। আপনার, আমার, আইনজীবীর, সংবাদপত্রের সাংবাদিকের, আইন প্রণেতার, সরকারি কর্মচারীর, কর্মের প্রকাশকের মতামতকে সাধারণত আমলে নেওয়া হয় না ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-24.html The Evidence Act, 1872]) এবং উচিতও না (বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার একটি বিশেষ ক্ষেত্র যেখানে এইসকল প্রকাশনাকে আলামত হিসেবে নেওয়া হয়েছিল<sup>[https://www.cambridge.org/core/books/abs/trials-for-international-crimes-in-asia/trials-for-international-crimes-in-bangladesh/995CD8AA54604F855E32F031EF19E2D4]</sup> <small><sub>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-435/section-12495.html ধারা ১৯(৫) The International Crimes (Tribunals) Act, 1973])</sub></small>। ফলে ভারতীয় আইন প্রণয়নের ব্যাপারে শুধু আইনের মূল পাঠ্য ও আদালতের উদাহরণকে আমলে নিতে হবে। কারো মতামত বা ভিন্ন কোন মাধ্যমের তথ্য আমলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। সেকারণে আমি আমার প্রস্তাবনায় আইনের আক্ষরিক পাঠ্যের আশ্রয় নিয়েছি শুধু। আরেকটি বিষয় হলো, বিশ্বের বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো, আদালতে রায় সত্যের পক্ষে যায় না; যায় তার পক্ষে যে সবচেয়ে ভালো যুক্তি উপস্থাপন করতে পেরেছে।
*:<br>সাধারণত কোনো দেশের কপিরাইট মেয়াদ বাড়ানোর জন্য প্রতিটি দেশ আলাদা করে আইন প্রণয়ন করে অথবা আইনে সরাসরি উল্লেখ করা থাকে যে, মেয়াদ বৃদ্ধি পূর্ববর্তী কর্মের উপর লাগু হবে। এই বিষয়ে আমি আগেই আন্তর্জাতিক উদাহরণ দিয়েছি। আমেরিকায় "মেয়াদ বৃদ্ধি" নাম দিয়েই আলাদা আইন পাশ করানো হয়েছে। মেয়াদ বৃদ্ধি একটি সংবেদনশীল, গুরুত্বপূর্ণ এবং delicate বিষয়। তাই প্রতিটি দেশ অনেক বিচার বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করে। একটি আইন সাধারণত কমপক্ষে এক থেকে দেড় বছর খসড়া পর্যায়ে থাকে। সরকার stakeholder-দের সাথে আলোচনা করে, আইনজীবীদের মতামত নেয়, আইন মন্ত্রণালয় শুদ্ধিকরণ করে ইত্যাদি। বাংলাদেশের "মুক্ত সরকারি তথ্য আইন"-এর খসড়া ২০১৫ সাল হতে লেখা হচ্ছে।<sup>[https://objectstorage.ap-dcc-gazipur-1.oraclecloud15.com/n/axvjbnqprylg/b/V2Ministry/o/office-sid/2024/12/bad818b033344c2faa5ad1276e9ad0d9.pdf]</sup> কিন্তু ভারতের তৎকালীন আইন প্রণয়নকারী সংস্থার অধিবেশনের বিতর্ক<sup>[https://obhanmason.com/blog/copyright-in-perpetuity/]</sup> ঘেঁটে বুঝা যায়, মাত্র তিন দিন আগে, আইন প্রণয়নকারী সংস্থা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এখানে উপরোক্ত আইন প্রণয়নের সাধারণ প্র্যাকটিস মানা হয়নি। ফলে অনেক সমস্যা থেকে গেছে আইনে। এইভাবে ৫০ এর বদলে ৬০ বসিয়ে মেয়াদ বৃদ্ধি করা sloppy কাজ, অনেক খুঁটিনাটি বিষয় বাকি থেকে যায়। মেয়াদ বৃদ্ধির মতো সূক্ষ্ম সংবেদনশীল কাজ আন্তর্জাতিক উদাহরণের মতে আলাদা আইনেই করা হয়। বাংলাদেশের বর্তমান আইনে সরকারের কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ রাখা হয়েছে ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52693.html ধারা ৬৭])। আমি যতদূর দেখলাম ভারতে সে ব্যবস্থা নেই। ফলে তাড়াহুড়ো হয়েছে বলে একটি যুক্তি দেওয়া সম্ভব। আমার মতে স্বল্প সময়ে সম্মানিত তৎকালীন ভারতীয় আইন প্রণেতাদের এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে উপযুক্ত ছিল। কিন্তু এই কারণে ভারতের এই মেয়াদ বৃদ্ধি মূল আইনের অনেক কিছুর সাথেই সাংঘর্ষিক। তাই আমার মূল প্রস্তাবনার ভারতীয় আইনে অংশকে তার মাতৃ উৎসের মতোই খানকিটা সাংঘর্ষিক মনে হওয়ার সুযোগ আছে। ফলে উপরোক্ত কারণসমূহের কারণে মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে <u>বাংলাদেশেরসহ যেকোনো দেশের কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যার নজির টানার ক্ষেত্রে ভারতীয় আইন ব্যবহার না করাই শ্রেয়;</u> কেননা যথাযথ কারণে এই নজির প্রশ্নবিদ্ধ। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই বিষয়ে ভারতে কোনো মামলা হয়নি কেনো? আমার মতে ভারতে কপিরাইটের সুবিধাভোগীদের লবিং অনেক বেশি। ধরুন কেউ মামলা করলো, ভারত সরকার আইনের সংশোধনী করে একটি ব্যাখ্যা যুক্ত করে দিলো। সংশোধনী করে আইনের Footer এ ব্যাখ্যা যুক্ত করা সাধারণ চর্চা। যেহেতু ৭৯(৫) এর শুরুতেই লেখা আছে ''"এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে"'', তাই সংঘর্ষ সৃষ্টি হবে না এবং মেয়াদ বৃদ্ধি বৈধ থাকবে। এই কারণে মামলা করা সময় ও শ্রমের অপচয় হবে শুধু। বাংলাদেশি আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি rigid এবং সুগঠিত। ফলে বাংলাদেশি আলাদত আইনের আক্ষরিক ব্যাখ্যায় থেকে যেতে পারে। যদি আলাদা কোনো রায় না হয়, তাহলে শুধুমাত্র বাংলাদেশি আইনের আক্ষরিক ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই শ্রেয়।
*:<br>৪। '''রহিতকরণ ধারা ও তার তাৎপর্য''': আমি আগে ভূতাপেক্ষিতা অংশে বলেছি, আইনের নাম, ধারার নাম অথবা ধারার সাধারণ নাম কোনো নীতি নির্ধারণ করতে পারে না। পারে শুধুমাত্র আইনের মূল পাঠ্য। আপনার প্রদত্ত মতামতে আইনের কোনো ধারা উল্লেখ করে তার আক্ষরিক বিশ্লেষণ নেই। বরং আপনার মতামত বাংলাদেশের আইনের ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আইনের প্রতিটি শব্দের থেকে এক চুলও নড়বার সুযোগ নেই। আমি ১০৫(৫) ধারা শব্দ ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছি। এই ধারার ব্যাখ্যায় আমার কোন যুক্তি কেন ভুল, তা তুলে ধরুন। ধারায় বলা আছে, ''"তাহা অব্যাহত থাকিবে"'' এবং এর ইংরেজি অনুবাদে বলা আছে, ''"shall continue to be entitled to".'' এখানে "অব্যাহত" এবং "continue" এর অর্থ কি কোনো অভিধানে বলা আছে যে, "কর্মের স্রষ্টার অধিকার কমলে নতুন নিয়ম চলবে এবং বেশি থাকলে আগের নিয়ম থাকবে"? কোনো অভিধানে এই ব্যাখ্যা পাবেন না আপনি। আমি মূল প্রস্তাবনায় অভিধানিক অর্ধ দিয়েছি। অব্যাহত এবং continue অর্থ, আগে যা ছিল, তাই থাকবে। এখানে লাভ-ক্ষতির বা কমা-বাড়ার কোনো হিসেব নেই এবং থাকারও সুযোগ নেই। অব্যাহত শব্দ দ্বারা আপনি যদি ভিন্ন কিছু বুঝে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে তা ব্যক্ত করুন। উল্লেখ্য একটি শব্দ একেকজন একেকভাবে বুঝতে পারে। তাই অভিধানিক ব্যাখ্যা বেছে নেওয়া বেশি শ্রেয়। আবার এই ধারাটি সম্পূর্ণ হুবুহু ঔপনেবেশিক আইনের ইংরেজি বাক্যের অনুবাদ। এর উৎস ইংরেজিতে "continue" শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে, এর অর্থ universally accepted "আগে যা ছিল তা"; এর সাথে বাড়া-কমা বা লাভ-ক্ষতির হিসেব নেই। যদিও ১০৪নং ধারা অনুযায়ী বাংলা সংস্করণ থেকে সিদ্ধান্তে আসা উচিত, ইংরেজি এই উৎস আইনের ইচ্ছা বুঝতে সাহায্য করবে। আইনের বাহিরে গিয়ে আমরা কেউ মনগড়া ব্যাখ্যা দাড়া করাতে পারি না। কোনো ব্যাখ্যা দিতে হলে আইনের ধারার পাঠ্য ধরে শব্দ ধরে আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। বস্তুত আপনার ব্যাখ্যা "শর্ত সাপেক্ষে অধিকারের মেয়াদ সংরক্ষণ" যদি আইন করতে চাইতো, তাহলে আইন আলাদা করে তা বলতে পারতো। কিন্তু তা করা হয়নি। অধিকারের ক্ষেত্রে ১০৪(৪) ধারা রয়েছে। এবং ১০৫(৫) দ্বারা মেয়াদ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। শর্ত প্রয়োগ করলে তা উল্লেখ করে দিতো আইন। ১০৫(৪) সরাসরি ''সুবিধা-অসুবিধা'' (অধিকার স্থানান্তর)-এর কথা বলা আছে। তাই "এই ধারা ''সুবিধা-অসুবিধার'' জন্য না" বলাটা আইনের স্পষ্ট পরিপন্থী।
*:<br>৫। '''নতুন আইনে পুরনো কপিরাইটের আত্তীকরণ''': আপনি বারংবার আইনের পাঠ্য বাদ দিয়ে, আইনের নাম, সাধারণ নাম এবং কনসেপ্ট ধরে ব্যাখ্যা প্রকাশ করছেন। আপনার এই দাবির আইনি ভিত্তি কি? আমি আইনের লেখা ও আদালতের রায় ব্যতীত এক চুলও সরার পক্ষপাতি নই। আগের আইনের কর্ম নতুন আইনে আনতে হলে সেটা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে, যেমনটি করেছে ভারতীয় ''কপিরাইট আইন, ১৯১৪''([https://ipindia.gov.in/writereaddata/Portal/Images/pdf/The_Copyright_Act__1914.pdf সর্বশেষ পাতা]) এবং বাংলাদেশ ''কপিরাইট আইন, ২০২৩'' ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html ধারা ১২৭])। নতুন আইনের আওতায় কী শর্তে পুরাতন কর্ম এসেছে, সেটাও উল্লেখ করা আছে এই আইন সমূহে।<sup>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html]</sup> আগের আইনের কী বহাল থাকবে এবং কী থাকবে না তাও বলা আছে। কপিরাইট আইন, ২০০০-ও বলে দিয়েছে আগের কর্মের কী কী হবে। তন্মদ্ধে ১০৫(৫) বলেছে মেয়াদ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
*:<br>৬। '''ব্যবহারিক উদাহরণ''': অন্যান্য প্রকাশকরা লাইসেন্স ফির বিনিময়ে বই প্রকাশ করেছে নাকি পাবলিক ডোমেইন বলে বই প্রকাশ করেছে তা প্রমাণ করবেন কিভাবে। আমি লক্ষ লক্ষ বই উদাহরণ দিলাম। কিন্তু আপনার বলার সুযোগ থাকবে, এরা লাইসেন্স করে অর্থের বিনিময়ে পুনঃপ্রকাশ করেছে। আলাদা করে বইয়ের গায়ে লেখা থাকে না এই বিষয়। ব্যবহারিক উদাহরণ আইনের আদালতে কোনো সিধান্ত গ্রহণকারী ফ্যাক্টর হতে পারে না।([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-24.html The Evidence Act, 1872]) কপিরাইট একটি কঠোর ও জটিল আইন। তাই এখানে ''Chilling Effect'' কাজ করতে পারে। Chilling Effect এমন একটি মানসিক বা সামাজিক অবস্থা যেখানে মানুষ আইনি জটিলতা বা কঠোর শাস্তির ভয়ে নিজের ওপর অঘোষিত বিধিনিষেধ আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে বর্তমানে এই পরিস্থিতি বিরাজমান।<sup>[https://www.npr.org/2022/03/30/1089462508/teachers-fear-the-chilling-effect-of-floridas-so-called-dont-say-gay-law]</sup> তাই আলদালতে ব্যবহারিক উদাহরণকে আমলে নেওয়া হয় না। আবার, যদি এই ১০ বছর সময়কালে কোন বিখ্যাত বা পুনঃপ্রকাশ যোগ্য কর্ম না থাকে বা প্রকাশকদের অনীহা থাকে তাহলে কি করবেন? তাও আমি উদাহরণ দিচ্ছি। [[:w:সৈয়দ মুজতবা আলী|সৈয়দ মুজতবা আলী]]র মৃত্যু ১৯৭৪ সালে বা ৫২ বছর আগে। তার বিখ্যাত গ্রন্থ [[:w:দেশে বিদেশে|দেশে বিদেশে]]। এই বইটি [https://www.rokomari.com/book/80412/deshe-bideshe বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র], [https://www.prothoma.com/shop/deshe-bideshe-31138 প্রথমা প্রকাশনা], [https://www.rokomari.com/book/25566/desh-bedeshe স্টুডেন্ট ওয়েজ], [https://www.rokomari.com/book/318056/deshe-bideshe নিউ এজ পাবলিশার্স] প্রকাশ করছে বর্তমানে। আমি নিশ্চিত যে আপনি খুঁজলে বা বইয়ের দোকানে গেলে আরও উদাহরণ পাবেন। কিন্তু এরা পাবলিক ডোমেইন বলে মুক্তভাবে প্রকাশ করছে নাকি লাইসেন্স ফির বিনময়ে তা জানার জন্য তাদের সাথে আলাদা আলাদ করে যোগাযোগ করতে হবে। যেহেতু আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, তাই আলাদা কওরে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই বলে মনে করি আমি।
*:<br>আমি আপনার মতামতের প্রতিটি বাক্য ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছি। এরপর মতবিরোধের জায়গা থাকলে আইনের পাঠ্য ধরে করুন এবং আমার যুক্তি কেন অসন্তোষজনক সেটি উল্লেখ করে আইনি ভিত্তিতে প্রতিযুক্তি দিন। ধন্যবাদ।
*:[[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ০৭:০৩, ৩০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
::আপনার যা বক্তব্য, “আইনের আদালতে আইনের হুবুহু বাক্য এবং পূর্ববর্তী মামলার উদাহরণ ব্যতীত কোনো কিছুর মূল্য নেই।”; এটা একটা ইজ্ম, যাকে বলে textualism. আইনের দুটো দিক, letter of law এবং spirit of law. শুধু letter of law আইনের সব কথা নয়, শেষ কথাও নয়। মার্কিন সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়ে লেটার-বাদী আর স্পিরিট-বাদীদের মধ্যে বিতর্ক আছে, তা ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় পাবেন। তবে আমার পক্ষে ভারতীয় উদাহরণ দেওয়া সহজ। Spirit of law অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ভাষ্য অনুযায়ী ভারতীয় সংবিধানের একটা spirit তথা basic tenets আছে, সংসদ এর বাইরে গিয়ে আইন বানালে সুপ্রিম কোর্ট তা নাকচ করে দিতে পারে। ভারতে Public Interest Litigation নামে একটা সিস্টেম আছে, সেটা সংসদে পাশ হওয়া কোন আইন থেকে আসে নি, বরং সুপ্রিম কোর্টের spirit of law বিষয়ক ভাষ্য থেকে এসেছে। সমলিঙ্গ সম্পর্কের ওপর “বেআইনি” তকমা (৩৭৭ IPC) আদালতের spirit of law ব্যাখ্যায় সরে গিয়েছিল। সেই কারণে আইনের হুবহু পাঠই শেষ কথা নয়, আইনের সাধারণ প্রবণতা, পরম্পরা, আইনের কোন্ অধ্যায়ে ধারা বা উপধারাটা আছে, ধারার হেডিং কি, এসবও গুরুত্বপূর্ণ।
* ভূতাপেক্ষ শব্দটা আলোচনায় আমি আমদানি করিনি, আপনার বক্তব্য থেকেই শব্দটা নেওয়া। এটা যে ব্যাখ্যামূলক শব্দ, এবং সরাসরি আইনে থাকে না, সেটাও আমার জানা আছে। কপিরাইটের জীবিত থাকার ব্যাপারটা যে biological অর্থে বলা হয় নি, সেটা বুঝতে সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানই যথেষ্ট। যেসব আন্তর্জাতিক উদাহরণ আপনি দিয়েছেন, তার সবেতেই নতুন আইনে মেয়াদ বাড়লে কপিরাইটভুক্ত পুরনো বইগুলোরও মেয়াদ বেড়েছে। ঐসব আইনের বাচনভঙ্গি পুরনো ব্রিটিশ লেগ্যাসিভুক্ত উপমহাদেশীয় আইনগুলির বাচনভঙ্গি থেকে আলাদা হতেই পারে, কিন্তু ধারণাটা একই, যে, নতুন আইনে কপিরাইটভুক্ত পুরনো বইয়ের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটে থাকে।
* আপনার বক্তব্য অনুযায়ী ১০৫(৫) দ্বারা সরাসরি মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে। আমার কাছে এমন কিছু প্রতিভাত হয় নি। অব্যাহত শব্দের অর্থ আপনি ভুল বুঝেছেন। অভিধান খুললে দেখবেন, ব্যাহত মানে বাধাপ্রাপ্ত। কোন কিছুর প্রবাহ আটকে দিলে তা ব্যাহত বা বাধাপ্রাপ্ত হয়। প্রবহমানতা বাড়িয়ে দিলে ব্যাহত হওয়ার কোন ব্যাপারই নেই। কাজেই ১০৫(৫)-এ শুধু মেয়াদ-হ্রাসই আটকানো হয়েছে, মেয়াদ-বৃদ্ধি নয় (এ-ব্যাপারটা নিচে বিশদে দেখাচ্ছি)।
* ভারতের আইনকে sloppy বলাটা শিষ্টাচার-বিরুদ্ধ হয়েছে। “আইন প্রণয়নকারী সংস্থা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।” — এটা অজ্ঞতা-প্রসূত মন্তব্য। ভারতের এই সাময়িক অধ্যাদেশগুলি সংসদের অধিবেশন চলাকালীন জারি করা যায় না। সংসদ যখন অধিবেশনে থাকে না, তখন আইন প্রণয়ণ করার আপৎকালীন প্রয়োজন অনুভূত হলে অধ্যাদেশ জারি হয়। কিন্তু অধ্যাদেশ সাময়িক হওয়ায় এর সময়সীমার মধ্যে সংসদীয় আইন দিয়ে অধ্যাদেশ জারির দিন থেকে তা আত্তীকরণ করতে হয়, নইলে তা তামাদি হয়ে যায়। আপনি একটা ব্লগ থেকে সংসদীয় বিতর্কের যে আংশিক রূপ পেয়েছেন (সম্পূর্ণটা অফিসিয়াল সাইটে আছে) তা অধ্যাদেশ নিয়ে নয়, বরং পরবর্তী প্রতিস্থাপক আইন নিয়ে। সেটা সাংসদদের রাজনৈতিক বিতর্ক (সংসদে যেটা হয়ে থাকে), আইনের টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি নিয়ে নয়। সেই আইনটা তার সংশোধন কার্য সম্পন্ন করার পর Repealing and Amending Act, 2001 দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। যাই হোক, আইনটা জারি হয়েছে ১৯৯২-এর এপ্রিলে, কাজেই বিষয়বস্তু পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রকের বিশেষজ্ঞদের কাছে সময় ছিল। আপনার ভিন্নমত সত্ত্বেও, ১৯৫৭-র আইন সংশোধন করে যে পুরনো আইনের অধীনে প্রকাশিত কিন্তু তখনও কপিরাইটে থাকা বইয়ের মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনবিদদের মনে সন্দেহ ছিল না বলেই বিল বানিয়ে সংসদে পাঠানো হয়েছিল, নইলে অধ্যাদেশটাকে তামাদি হতে দেওয়া হত। কাজেই এটা কোন sloppy কাজ নয়।
* বাংলাদেশের ২০২৩-এর আইন কিছুটা অন্য পথে গেছে ঠিকই, কিন্তু ২০০০-এর আইনটা গতানুগতিকতার মধ্যেই আছে। ভারতের ১৯৫৭-র আইন ও বাংলাদেশের ২০০০-এর আইন — এদুটোকে পাশাপাশি রেখে পড়লে স্বতই মনে হয় একটার অনুপ্রেরণায় অন্যটা রচিত (আসলেই কপি করা হয়েছে সেকথা বলছি না)। যেটাকে উইকিতে আমরা Edict-Gov বলি, অর্থাৎ ভারতীয় আইনের ধারা ৫২ আর বাংলাদেশের ধারা ৭২, এদুটো পাশাপাশি রাখলেই মিলটা বোঝা যাবে। সেজন্যেই ভারতীয় আইনকে sloppy বলে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশি আইনের ব্যাখ্যা মার্কিন আর ইউরোপীয় আইন দেখিয়ে করা যায় না।
* এবার আপনার “আইনের ধারার পাঠ্য ধরে শব্দ ধরে আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিতে হবে” এই textualist দাবির বিষয়ে দেখছি।
** বাংলাদেশের ১০৫(৪) অনুসারে আগের বইগুলোর কপিরাইটের অধিকার নতুন আইন চালু হওয়ার পর থেকে নতুন আইনের ধারা ১৪ অনুসারে প্রযুক্ত হবে, এমনকি নতুন আইনে নতুন অধিকার থাকলে সেগুলিও পুরনো বইতে বর্তাবে। এতদ্বারা পুরনো বইগুলো নতুন আইনের আওতায় এসেছে। তবে এতে মেয়াদ সম্পর্কে কিছু বলা নেই।
** ১০৫(৩) অনুসারে নতুন আইন আগের আইনের অধীনে প্রকাশিত বিগত-কপিরাইট বইয়ের কপিরাইট পুনরুদ্ধার করবে না। বিগত-কপিরাইট বইয়ের জন্য এই exclusion principle থাকায় কপিরাইটভুক্ত বইগুলি স্বতই অন্তর্ভুক্ত হয়।
** ধারা ১৩ অনুসারে কপিরাইট শুধু নতুন আইন অনুসারেই চলতে পারবে। অর্থাৎ রহিত আইন অনুসারে কপিরাইট চলতে পারবে না (বলা বাহুল্য, আগে যা অধিকার দেওয়া হয়ে গেছে, সেটার কাটছাঁট না করে, তথা “অব্যাহত” রেখে)।
** কপিরাইট নতুন আইন অনুযায়ী চলতে হলে ধারা ২৪ অনুযায়ী মরণোত্তর ৬০ বছরের বিধানও লাগু হবে। এই ধারায় আগের বইগুলোর জন্য কোন exclusion principle দেওয়া নেই, ফলে এটা generic ভাবে সর্বত্র প্রযোজ্য।
** এবার General Clauses Act, যাকে পাশ কাটিয়ে উপমহাদেশে কোন আইন রচনা করা যায় না।
*** প্রথমে ৬ নম্বর ধারা দেখা যাক, যার বক্তব্য ২০০০-এর আইনের ১০৫ ধারায় বিধৃত। ১০৫(৩) এসেছে GC আইনের 6(a) থেকে। ১০৫-এর (২) এবং (৫) আগেকার অধিকার ও দায় (rights and liabilities) সম্পর্কিত, যা এসেছে GC আইনের 6(c) থেকে। ক্রিয়াপদ হিসাবে ১০৫(২)-তে আছে “খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না” (nothing in this section shall diminish or prejudice) এবং ১০৫(৫)-এ আছে “অব্যাহত থাকিবে” (shall continue to be entitled to)। GC আইনের 6(b) থেকে 6(e)-তে একটাই ক্রিয়াপদ: to affect. আভিধানিক অর্থে বাড়ানো বা কমানো দুটোতেই affect হয়। কিন্তু এটা উনিশ শতকের শেষদিকের আইন। সেযুগে আইনের পরিভাষায় affect বলতে কি বোঝাত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত [[:en:Page:Black's Law Dictionary (Second Edition).djvu/54|ব্ল্যাকের আইন অভিধান]] অনুসারে “This word is often used in the sense of acting injuriously upon persons and things.” অর্থাৎ সেযুগের আইনি ব্যবহারে affect দিয়ে কমানো বোঝায়, বাড়ানো নয়। সেজন্যেই ১০৫ ধারায় “খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না” লিখেছে। “অব্যাহত থাকিবে”-কেও এভাবেই বুঝতে হবে, কারণ GC আইনে দুটোই affect.
*** এবার অন্য ধারা দেখা যাক। ধারা ২৪ অনুসারে এক আইন রহিত হয়ে একই বিষয়ে পরিবর্তনসহ বা অপরিবর্তিত ভাবে নতুন আইন হলে, পুরনো আইনের অধীনে জারি করা ব্যবস্থাগুলি চলতে থাকবে, যদি না তা নতুন আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ (inconsistent) হয়, এবং ধরে নেওয়া হবে যে নতুন আইন অনুসারে এই ব্যবস্থাগুলি চলছে; এবং পরে নতুন আইনের কোন ব্যবস্থা পরিবর্তিত (superseded) হলে পুরনো ব্যবস্থাগুলিও পরিবর্তিত হবে।
*** GC আইনের ৬ ও ২৪ নং ধারা থেকে এই ব্যাখ্যাই দাঁড়ায় যে কপিরাইটের মেয়াদ সংক্রান্ত আগের আইনের ব্যবস্থা পুরনো বইয়ের জন্য নতুন আইন অনুসারে চলতে থাকবে কিন্তু সময়টা নতুন আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ৫০-এর জায়গায় ৬০ বছর হবে।
* ব্যবহারিক উদাহরণ বিষয়ে লক্ষ লক্ষ উদাহরণের নামে আপনি দিয়েছেন শুধু ভারতীয় বইয়ের উদাহরণ (''দেশে বিদেশে'' ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত)। বড় বড় প্রকাশকদের আইনি টিম থাকে, ফলে তারা আইনি পরামর্শ সহজেই পেতে পারে, chilling effect-এর কোন সম্ভাবনাই নেই। মূল কোম্পানি বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রি চালাতে থাকলে একই দেশে অন্য কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয় না, দিলেও একসঙ্গে অনেক কোম্পানিকে দেয় না। License fee, chilling effect, বিখ্যাত বই না থাকা, এসব শুধুই অযুক্তি। পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ যে বাড়ে নি, সেটা বাংলাদেশের প্রকাশকরা বুঝতে পারল না, আর আপনি শুধু একাই বুঝতে পারলেন? আর এটা আদালত নয়, একটা আলোচনাসভা। এখানে এভিডেন্স অ্যাক্ট দেখিয়ে ব্যবহারিক উদাহরণকে পাশ কাটানো যায় না।
* যাক, প্রকাশকরা না হয় নাই বুঝল, বাংলাদেশের বিদ্বজ্জনরাও কি বোঝে নি? বাংলাপিডিয়া একটা সরকারি প্রকাশনা। সেখানে [https://en.banglapedia.org/index.php?title=Copyright কপিরাইট] নিবন্ধে লিখেছে “In the Bangladesh Copyright Act 2000, the period has been fixed at 60 years.” কপিরাইটের দুরকম ব্যবস্থা থাকলে এখানে লিখল না কেন? এছাড়া [https://www.universepg.com/public/img/storage/journal-pdf/Sketch%20of%20the%20copyright%20act,%202000%20in%20Bangladesh%20enforcement,%20impediments%20and%20solutions.pdf এই নিবন্ধটা] দেখুন। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়-স্তরের আইনবিদদের লেখা, ২০০০-এর আইনের ওপরে। এখানেও ৬০ বছর দিয়েছে, পুরনো বইয়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থার কথা কিছু লেখেনি। এরকম আরও কিছু লেখা পড়লাম, কোথাও দুরকম ব্যবস্থার কথা (৬০ ও ৫০) লেখা নেই। বাংলাদেশের ৬০-অনুত্তীর্ণ পুরনো বইয়ের সংখ্যা এখনও বিশাল। সেইসব বইয়ের আলাদা কপিরাইট মেয়াদের কথা কেউ কিছু লিখছে না কেন? কেউ কি এটা জানে না?
সব দেখেশুনে আমি যা বুঝলাম, এই দুরকম কপিরাইট-মেয়াদের ব্যবস্থা শুধু আপনার কল্পনাতেই আছে, আর কোথাও নেই। উইকিমিডিয়া প্রকল্পগুলিতে বক্তব্য-প্রতিষ্ঠার জন্য secondary ও tertiary source-এর কদর আছে, কিন্তু আইনগুলি সবই primary source. কাজেই আপনার বক্তব্যটাকে অরিজিন্যাল রিসার্চের পর্যায়ে ফেলা যেতে পারে। আমি একজন সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন সাধারণ সম্পাদক, কোন আইনজ্ঞ নই। কিন্তু এটুকু বলতে পারি যে অরিজিন্যাল রিসার্চের উপর ভিত্তি করে (যেটা আদৌ আমার কাছে convincing মনে হয়নি) কপিরাইটের মত জটিল বিষয়ে উইকিসংকলনে এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে না। আপনি আপনার এই রিসার্চ কোন প্রতিষ্ঠিত আইনের জার্নালে প্রকাশ করতে পারেন। তারপর peer review-তে যদি দেখা যায় যে প্রতিষ্ঠিত আইন-বিশারদরা আপনার বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, তখন আপনার নিবন্ধকে রেফারেন্স হিসেবে দেখিয়ে উইকিসংকলনে পরবর্তী পদক্ষেপ করা যেতে পারে।
আমাদের বিতর্ক অনেক হলো, এবার দেখা যাক, অন্য সম্পাদকরা কি বলেন। [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১৩:২৯, ৩০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:ব্যস্ততার জন্য শুধুমাত্র কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করছি
:১। "অব্যাহত" এর সাথে এর সময়কালও বলা আছে "তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন", অর্থাৎ এইখানে সময়কাল দেওয়া আছে, যে পূর্বের সময়কাল বজায় থাকবে। আইনসভা যখন পরিষ্কার করে বলছে ‘আইন পাস না হলে যা হতো, তা-ই থাকবে’, তখন তারা মূলত একটি Time-lock বা মেয়াদের সীমা টেনে দিয়েছে।
:২। কপিরাইট কোনো ‘প্রাকৃতিক অধিকার’ বা ‘সংবিধানের মৌলিক কাঠামো’র অংশ নয়। এটি একটি Statutory Right বা আইন দ্বারা সৃষ্ট অধিকার। বিধিবদ্ধ আইনের ক্ষেত্রে বিচারিক ব্যাখ্যা তখনই ‘Spirit’ খোঁজে, যখন আইনের ভাষা অস্পষ্ট থাকে। বাংলাদেশের ২০০০ সালের আইনের ১০৫(৫) ধারার ভাষা অত্যন্ত গাণিতিক এবং স্বচ্ছ। যেখানে ভাষা স্পষ্ট, সেখানে ‘Spirit’-এর দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত ১০ বছর যোগ করা আইনসভার ক্ষমতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল।
:৩। GCA-এর ২৪ নম্বর ধারা প্রযোজ্য হয় তখন, যখন নতুন আইন পুরোনো আইনের কোনো প্রবিধান বা আদেশ সম্পর্কে নীরব থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের ২০০০ সালের আইনের ১০৫(৫) ধারাটি একটি Explicit Saving Clause। GCA-এর ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো আইন রহিত হয়, তখন নতুন আইনে ‘ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য’ (Different intention) না থাকলে পুরোনো মেয়াদের কাঠামোই বজায় থাকে। ১০৫(৫) ধারাটিই হলো সেই ‘ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য’ যা নিশ্চিত করেছে যে পুরোনো কর্মগুলো নতুন আইনের ‘৬০ বছর’ মেয়াদের ছাঁচে পড়বে না।
:৪। একাডেমিক নিবন্ধ বা এনসাইক্লোপিডিয়া সাধারণত আইনের মূল সুর (General Rule) নিয়ে আলোচনা করে, তারা প্রতিটি আইনের Transitional Provisions বা ‘সংক্রমণকালীন বিধান’ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে না। ল জার্নালের সাধারণ আলোচনা কখনোই আইনের বিধিবদ্ধ ধারাকে বাতিল করতে পারে না। নীরবতা মানেই এই নয় যে আইনটি পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
:৫। আইনের কোনো ধারা নিয়ে যদি দুটি ব্যাখ্যার সুযোগ থাকে, তবে আদালত সবসময় কোন ব্যাখ্যাটি বেছে নেবে? যা জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে (Public Access) প্রসারিত করে নাকি স্রষ্টার একচেটিয়া অধিকার। ১০৫(৫) ধারা যেহেতু পুরোনো মেয়াদের (৫০ বছর) দিকে সরাসরি নির্দেশ করছে, তাই একে টেনে বড় করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা বা যৌক্তিকতা নেই।
:৬। বাংলাদেশে কপিরাইট লঙ্ঘনের হাজারো মামলা কেন হচ্ছে না? কারণ কপিরাইট এনফোর্সমেন্ট এমনিতেই দুর্বল। এই দুর্বলতাকে আইনের ‘বৈধতা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া যায় না। আবার এই ১০ বছরের সময়কালের বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশ বই খোঁজা কষ্টকর।
:৭। ভারতীয় মেয়াদ "সংশোধনী" আইন দ্বারা বেড়েছে। এই আলাদা আইনটি খুলে দেখতে পারেন। সেখানে ভুতাপেক্ষিতার যে ধারা আছে সেখানে মেয়াদের ধারাটি নেই।
:৮।আবার ১০৫(৫)কে যদি আপনি না মানেন তাহলে ১৯৯০-২০০০ যে বই পাবলিক ডোমেইনে ঢুকেছে, সেটা আবার ফেরত আসার কথা।
:আমার বাসা থেকে কপিরাইট অফিস দূরে নয়। এই মাসের মঝামাঝি সময়ে আবার যাবো। তবে তাদের থেকে লিখিত কিছু আশা করা বৃথা। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৭:১০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::আপনার যুক্তিগুলো বেশিটাই অযুক্তি। কপিরাইট আইন আপনি বুঝতে পারেন নি, কারণ আপনি এই আইনের উদ্দেশ্যটাই জানেন না। কপিরাইট আইন ''জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকার''-এর জন্য তৈরি হয় না, কপিরাইট-হোল্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কপিরাইট-ভঙ্গকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করাই এই আইনগুলির লক্ষ্য। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন নিয়ে লেখা [https://www.universepg.com/public/img/storage/journal-pdf/Sketch%20of%20the%20copyright%20act,%202000%20in%20Bangladesh%20enforcement,%20impediments%20and%20solutions.pdf এই নিবন্ধে] Objectives of the Copyright Law অনুচ্ছেদ লক্ষ্য করুন: The motive of this law is to save the proprietor of the work from an unlawful reproduction or exploitation of his work by others. অর্থাৎ এখানে জনসাধারণের অধিকারের কোন গল্পই নেই। বরং জনসাধারণকে কিভাবে অধিকার না দেওয়া যায় এবং দিলেও কিভাবে তাতে যতটা সম্ভব দেরি করা যায় সেটা দেখাই কপিরাইট আইনের লক্ষ্য। সেজন্যই সারা পৃথিবী জুড়ে দিন কে দিন কপিরাইটের মেয়াদ বেড়েই চলেছে। বার্ন কনভেনশনে মরণোত্তর অন্তত ৫০ বছরের ব্যবস্থা থাকলেও সদস্য দেশগুলি যে যতটা পারে বাড়িয়ে নিয়েছে। আমেরিকা করেছে ৭০ বছর, মেক্সিকো ১০০ বছর। WTO-র চুক্তির দরুণ যেসব দেশ বিদেশি বইয়ের কপিরাইট মানত না, তাদেরকেও মানতে হচ্ছে। বাংলাদেশ তো আরও এককাঠি ওপরে। সচরাচর অধিকাংশ দেশই সরকারি কর্মের ওপর কিছু না কিছু Edict-Gov provisions দিয়ে থাকে, কিন্তু বাংলাদেশ সেটাও তুলে নিয়েছে তাদের ২০২৩-এর আইনে।
* এই কারণেই কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যা এমন ভাবে করতে হয় যাতে তা কপিরাইট-হোল্ডারদের পক্ষে যায়। তা না করলেই সেই ব্যাখ্যা ভুল পথে যাবে।
* ''বিধিবদ্ধ আইনের ক্ষেত্রে বিচারিক ব্যাখ্যা তখনই ‘Spirit’ খোঁজে, যখন আইনের ভাষা অস্পষ্ট থাকে।'' — এটাও ভুল কথা। এজন্যেই আপনাকে ওপরে ভারতের 377 IPC-র উদাহরণ দিয়েছি, যা ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাকচ করে দিয়েছে।
* ''GCA-এর ২৪ নম্বর ধারা প্রযোজ্য হয় তখন, যখন নতুন আইন পুরোনো আইনের কোনো প্রবিধান বা আদেশ সম্পর্কে নীরব থাকে।'' — এটাও ভুল কথা। কারণ ঐ ধারায় “unless it is otherwise expressly provided” — এই বাক্যবন্ধ আছে। ফলে শুধু নীরব থাকলে হবে না, বরং উল্টো কথা বলতে হবে।
* ১০৫(৫) ধারা কোন ''ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য'' নয়, তার উদ্দেশ্য কপিরাইটভোগীর “অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের” বিষয়ে; ফলে এটা GCA 6(c)-এর “the repeal shall not affect any right, privilege,”-এর আওতায় পড়ে। বরং এই উপধারায় উক্ত “এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে” বক্তব্য অনুযায়ী ভিন্নরূপ বিধান আছে, তা হলো নতুন আইনের ধারা ২৪।
* ভারতীয় সংশোধনী আইন অন্য আইনকে রহিত করেনি, কাজেই তাতে রহিতকরণ ধারা কারণ ছাড়া কেন থাকবে? শুধু মূল আইন চালু হওয়ার পর বিগত-কপিরাইট বইয়ের কপিরাইট ফেরত না আসার উপধারাটা দরকার ছিল, তাই আছে। বাকি ব্যবস্থা তো মূল আইনেই আছে।
* ভারতের ১৯৫৭ আর বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনে যে ছত্রে ছত্রে মিল, তা পাশাপাশি পড়লেই বোঝা যায়। কাজেই সম্পূর্ণ একরকম ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ভারতে কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারলে বাংলাদেশে না বাড়ার কোন কারণই নেই। এর ব্যাখ্যায় ভারতের ব্যবস্থাকে sloppy বলা আর সংশোধনী আইনে রহিতকরণ ধারা নেই বলে কপিরাইট বেড়েছে বলা অযুক্তি আর কুযুক্তি ছাড়া কিছু নয়।
* ''ল জার্নালের সাধারণ আলোচনা কখনোই আইনের বিধিবদ্ধ ধারাকে বাতিল করতে পারে না।'' — এটাও কুযুক্তি, কারণ আপনি প্রমাণই তো করতে পারেননি যে আপনার বক্তব্যটা বিধিবদ্ধ।
* এখন এই বিতর্কের যা পরিস্থিতি, আপনার একার বক্তব্যে আর এই প্রস্তাব দাঁড়াবে না। কাজেই এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের সমর্থন লাগবে, প্রকাশিত বই বা জার্নাল থেকে। আপনি যদি এই অবস্থান নেন যে বিশেষজ্ঞরা এ-জাতীয় ''চুলচেরা বিশ্লেষণ করে না'', তাহলে তো প্রস্তাবের সেখানেই ইতি।
[[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১২:০৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬ শুরু হয়েছে, এখনই অংশ নিন! ==
<div style="padding:15px; font-size:120%; line-height:1.6; margin:10px 0; border:2px solid #c90023; background-color:#FFFFFF; border-radius:8px;">
সুধী,
[[File:বাংলার প্রেমে উইকি লোগো.svg|right|100px|frameless|link=Commons:Wiki Loves Bangla 2025]]
আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে [[c:Commons:Wiki Loves Bangla 2026|বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬]] শুরু হয়েছে! এ বছরের প্রতিযোগিতার বিষয় '''বাংলার উৎসব''', যেখানে অংশগ্রহণকারীদের বাংলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে শেয়ার করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
'''[[c:Commons:Wiki Loves Bangla|বাংলার প্রেমে উইকি]]''' হলো উইকিমিডিয়া কমন্সে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নথিভুক্ত করা। এটি [[meta:Bangla Culture and Heritage Collation Program|বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কর্মসূচীর]] অংশ হিসেবে প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হয়।
'''আপনি কিভাবে অংশ নেবেন''', প্রক্রিয়াটি সহজ—আপনার প্রতিটি অবদান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্ত জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করবে:
[[File:পাতি মাছরাঙ্গা (Alcedo atthis), জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান ঢাকা.jpg|thumb|right|250px|link=Commons:Wiki Loves Bangla 2025|বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৫-এর বিজয়ী ছবি]]
* '''ছবি তুলুন''': বাংলার উৎসবের ছবি তুলুন বা ভিডিও ধারণ করুন।
* '''আপলোড করুন''': আপনার ফাইলগুলো '''১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ মে ২০২৬''' তারিখের মধ্যে উইকিমিডিয়া কমন্সে আপলোড করুন।
* '''জিতুন''': মোট '''১,১০০ মার্কিন ডলার''' পুরস্কার।
শুরু করতে প্রস্তুত? [https://commons.wikimedia.org/w/index.php?title=Special:UploadWizard&uselang=bn&campaign=Wlbangla এখানে ক্লিক করে আপনার মিডিয়া আপলোড করুন], অথবা বিস্তারিত জানতে [[c:Commons:Wiki Loves Bangla 2026|প্রতিযোগিতার মূল পাতা]] দেখুন।
আপনার অবদান বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী সংরক্ষণ ও উপস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ইমেইল করুন অথবা আমাদের [https://t.me/WikiLovesBangla টেলিগ্রাম গ্রুপে] যুক্ত হোন।
শুভেচ্ছান্তে,<br>
'''বাংলার প্রেমে উইকি দল'''<br>
<nowiki>#WikiLovesBangla</nowiki><br>
</div> [[User:Moheen Reeyad|<span style="text-shadow:#8b9dc3 3px 3px 2px;"><font color="#3b5998">~ <b>মহীন</b></font></span>]] [[User Talk:Moheen Reeyad|<span style="text-shadow:gray 3px 3px 2px;"><sup>(আলাপ)</sup></span>]] ২০:১৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Request for comment (global AI policy) ==
<bdi lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr">
Apologies for writing in English. {{int:Please-translate}}
A [[:m:Requests for comment/Artificial intelligence policy|request for comment]] is currently being held to decide on a global AI policy. {{int:Feedback-thanks-title}}
[[ব্যবহারকারী:MediaWiki message delivery|MediaWiki message delivery]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MediaWiki message delivery|আলাপ]]) ০০:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
</bdi>
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30424282-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Codename Noreste@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== [স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান] বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬-এর আয়োজক দলে যোগ দিন! ==
সুপ্রিয় উইকিমিডিয়ান ও শুভানুধ্যায়ী,
আশা করি ভালো আছেন।
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা আমাদের আসন্ন '''‘বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬’''' সফলভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছি। উইকিমিডিয়া আন্দোলনের এই বৃহত্তর আয়োজনকে সফল করতে আমরা একদল উৎসাহী এবং নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছি।
আপনি যদি এই সম্মেলনের নেপথ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী হন, তবে আমরা আপনাকে নিচের যেকোনো একটি দলে যুক্ত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি:
=== আমরা মূলত তিনটি দলের জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছি: ===
# '''অনুষ্ঠান বিন্যাস দল:''' সেশন পরিকল্পনা, স্পিকারদের সাথে সমন্বয় এবং ইভেন্টের সার্বিক এজেন্ডা ব্যবস্থাপনা।
# '''কার্য পরিচালন দল:''' লজিস্টিকস, ভেন্যু ব্যবস্থাপনা, রেজিস্ট্রেশন এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা।
# '''বৃত্তি পর্যালোচনা দল:''' অংশগ্রহণকারীদের বৃত্তির আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন।
=== আবেদন করবেন যেভাবে: ===
আপনি যদি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে অনুগ্রহ করে আগামী '''২০ মে ২০২৬''' তারিখের মধ্যে নিচের লিঙ্কে গিয়ে আবেদন ফর্মটি পূরণ করুন: '''https://docs.google.com/forms/u/5/d/e/1FAIpQLSdlX3Bm-A2zyBDFbeawk5rSjYuGCGjdOcsSBeP_pd03BWZkJA/viewform?usp=send_form'''
আপনার শ্রম ও মেধা বাংলা উইকিসম্মেলনকে আরও প্রাণবন্ত ও সফল করে তুলবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আয়োজক দলের পক্ষে, [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ০৬:২৬, ১১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২০২৬ সালের ইউ৪সি নির্বাচনে এখনই ভোট দিন ==
<section begin="announcement-content" />
যোগ্য ভোটারদের ২০২৬ সালের [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|সর্বজনীন আচরণবিধি সমন্বয় কমিটির]] নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। যোগ্যতা যাচাই, ভোটদান প্রক্রিয়া, প্রার্থীদের তথ্য এবং ভোটদানের লিঙ্কসহ আরও তথ্য মেটার [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|২০২৬ সালের নির্বাচনী তথ্যপাতায়]] পাওয়া যাবে। ভোটগ্রহণ ২০২৬ সালের ২ জুন [https://zonestamp.toolforge.org/1780358400 ০০:০০ ইউটিসিতে] শেষ হবে।
আপনার অ্যাকাউন্ট যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে থাকলে অনুগ্রহ করে ভোট দিন। ফলাফল ১৪ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশ করা হবে। -- ইউ৪সির পক্ষে,<section end="announcement-content" />
[[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৭:১৫, ২৭ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== [[Special:Import]] ==
*[[:en:Index:1865 Durgeshnandini.pdf]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/1]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/6]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/7]]
Sorry for English. :/ [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ০৯:২৬, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{ping|Koavf}}, we already have the same edition available here. You can delete the index and pages from English Wikisource. -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
::Thanks. I did check before I posted and [[নির্ঘণ্ট:1865 Durgeshnandini.pdf]] is a redlink and the file at [[:c:File:1865 Durgeshnandini.pdf]] is not used on bn.ws. Where is this work? [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ১৩:০২, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
:::{{ping|Koavf}}, apologies for the delay to reply. I missed your second message. The file you are looking for is [[নির্ঘণ্ট:দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu|here]] on bn.ws. It is actually a 1924 edition and not 1865 edition as claimed in the title of the newly uploaded file. -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ০২:২৬, ১৭ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
::::<span lang="en-US">I see.</span> ধন্যবাদ. [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ০৯:০৬, ১৭ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬: ভ্রমণ বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে! ==
[[File:Bangla WikiConference 2026 logo.svg|ডান|250px|link=]]
সুপ্রিয় সুধী,
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আগামী '''৩০ অক্টোবর - ১ নভেম্বর ২০২৬''' তারিখে বাংলাদেশে [[wmbd:বিশেষ:আমার_ভাষা/বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬|'''বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬''']] অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই সম্মেলনকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে অবস্থানরত আগ্রহী উইকিমিডিয়ানদের জন্য ভ্রমণ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বৃত্তির অধীনে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত ভাতা এবং সম্মেলনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সম্মেলনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেককেই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হবে এবং আবেদন সফল হওয়া অংশগ্রহণকারীগণই সম্মেলনে অংশ নিতে পারবেন।
=== বৃত্তি আবেদনের প্রাথমিক যোগ্যতা ===
নিম্নলিখিত শর্তাবলি পূরণ না করলে আবেদনটি সরাসরি অযোগ্য বলে গণ্য হবে:
# উইকিমিডিয়া অ্যাকাউন্টটি কমপক্ষে ৬ মাস পুরোনো হতে হবে (অর্থাৎ '''১৯ ডিসেম্বর ২০২৫''' বা এর পূর্বে তৈরি অ্যাকাউন্ট)।
# আবেদনকারীর বৈশ্বিক মোট সম্পাদনা সংখ্যা কমপক্ষে '''২৫০''' হতে হবে।
# আবেদনের সময় আবেদনকারীর অ্যাকাউন্ট কোনো বাংলা প্রকল্পে অবরুদ্ধ থাকা যাবে না।
=== কীভাবে বৃত্তির জন্য আবেদন করবেন? ===
বৃত্তির আবেদন করার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্মটি বিস্তারিতভাবে পূরণ করতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় প্রয়োজন হতে পারে। আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃত্তি নির্ধারণী উপদল যাচাই করবেন আপনি বৃত্তির জন্য উপযুক্ত কি না। ফর্ম পূরণ ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানার জন্য অনুগ্রহ করে [[wmbd:বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬/বৃত্তি|'''বৃত্তি সংক্রান্ত পাতাটি''']] পড়ে দেখুন।
=== গুরুত্বপূর্ণ সময়রেখা ===
* '''আবেদন শুরু:''' ১৯ জুন, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
* '''আবেদন শেষ:''' ১৯ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
''নির্দিষ্ট সময়সীমার পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে সময়সীমার অন্তত কয়েক দিন পূর্বেই আবেদন জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।''
বৃত্তি সম্পর্কে আরও জানতে যেকোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শের জন্য নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে আলাপ পাতা কিংবা [mailto:bnwikiconference@wikimedia.org.bd bnwikiconference@wikimedia.org.bd] ঠিকানায় ইমেইল করার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।
শুভেচ্ছান্তে,<br>
বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬ আয়োজক দল<br>
১৮:১৫, ১৮ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
== RFC about AI-generated content in Wikimedia Commons ==
<bdi lang="en" dir="ltr">Apologies for writing in English, please help translate this message to your language. You are invited to participate in a [[c:Commons:Requests for comment/Policy update for AI content|request for comment on Wikimedia Commons about a policy update for AI content]]. This may affect files that are uploaded to Wikimedia Commons for use on this project. Thank you. [[m:User:Codename Noreste|Codename Noreste]] ([[m:User talk:Codename Noreste|আলোচনা]])</bdi> ১৭:১২, ২৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Codename Noreste@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== <span lang="en" dir="ltr">Deployment of Legal and Safety Contacts Link in the Footer of Your Wiki</span> ==
<div lang="en" dir="ltr">
<section begin="Message"/>
'''Legal & Safety Contacts'''
Hello community, the Wikimedia Foundation has provided a [[wmf:Special:MyLanguage/Legal:Wikimedia Foundation Legal and Safety Contact Information|single legal and safety contact page]], to be linked in the footer of your wiki, to ensure access to accurate legal information. This is a regulatory requirement. We have already rolled out links to English, German, Italian, Spanish and other wikis and we will deploy to your wiki soon. [[m:Special:MyLanguage/Wikimedia_Foundation_Legal_and_Safety_Contacts_FAQ|Please read more on the project page]] and leave any comments in this thread or on the [[m:Special:MyLanguage/Talk:Wikimedia Foundation Legal and Safety Contacts FAQ|talk page]].
<section end="Message"/>
</div>
-- [[User:Sannita (WMF)|User:Sannita (WMF)]] ([[User talk:Sannita (WMF)|talk]]) ১৩:৩০, ২৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Sannita_(WMF)/Mass_sending_test&oldid=30731267-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Sannita (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== Request for comment (the future of Abstract Wikipedia) ==
<bdi lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr">
Apologies if this has not yet been translated into your wiki's language. {{int:Please-translate}}
You are invited to voice your opinions in a [[:m:Requests for comment/The future of Abstract Wikipedia|request for comment about the future of Abstract Wikipedia]]. {{Int:Feedback-thanks-title}}
[[:m:User:Kowal2701|Kowal2701]] ([[:m:User talk:Kowal2701|talk]]) ১২:২৫, ২৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
</bdi>
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:DreamRimmer@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== <span lang="en" dir="ltr">Migration to Parsoid</span> ==
<div lang="en" dir="ltr">
<section begin="announcement-content" />
<em>[[m:Special:MyLanguage/Wikimedia Foundation/Product and Technology/Parsoid Read Views/Read View Announcement|Read this in another language]]</em>
Hello everyone! I am glad to inform you that as the next step in the [[mw:Special:MyLanguage/Parsoid/Parser Unification|Parser Unification]] project, Parsoid will soon be turned on as the default article renderer on your wiki. We are gradually increasing the number of wikis using Parsoid, with the intention of making it the default wikitext parser for MediaWiki's next long-term support release. This will make our wikis more reliable and consistent for editors, readers, and tools to use, as well as making the development of future wikitext features easier.
If this disrupts your workflow, don’t worry! You can still opt out through a user preference or turn Parsoid off on the current page using the Tools submenu, as described in the [[mw:Special:MyLanguage/Help:Extension:ParserMigration|Extension:ParserMigration]] documentation.
There is [[mw:Special:MyLanguage/Parsoid/Parser Unification/Confidence Framework|more information about our roll-out strategy]] available, including the testing done before we turn on Parsoid for a new wiki.
To report bugs and issues, please look at our [[mw:Special:MyLanguage/Parsoid/Parser Unification/Known Issues|known issues]] documentation and if you found a new bug please create a phab ticket and tag the [[phab:project/view/5846|Content Transform Team in Phabricator]].
<section end="announcement-content" />
</div>
[[mw:User:MSantos (WMF)|Content Transform Team]] ১৬:৩১, ৩ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery/Wikisource&oldid=28221043-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:MSantos (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== সিলেটী নাগরী লিপিতে রচিত বাংলা বইগুলির জন্য লিপ্যন্তর চালুর প্রস্তাব ==
{{tracked|T438600}}
সুধী, উইকিসংকলনে বেশ কয়েকটি বাংলা রয়েছে যেগুলি সিলেটি নাগরীতে লিপিতে রচিত, যেমন [[নির্ঘণ্ট:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf|এই বইটি]]। Language converter সরঞ্জাম ব্যবহার করে এই সমস্ত বইগুলির সিলেটী নাগরীতে রচিত লেখাগুলি বাংলা লিপিতে লিপ্যন্তর করা যেতে পারে, যাতে বাংলা লিপিতে অভ্যস্ত পাঠকেরা সেই বইগুলি পড়ে বুঝতে পারেন। এই কারণে আমি উইকিসংকলনে সিলেটী নাগরী হতে বাংলা লিপিতে লিপ্যন্তর করার ব্যবস্থা চালু করতে প্রস্তাব করছি। সম্প্রদায়ের মতামত ও সমর্থন কাম্য। -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ০৭:০২, ২৯ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
:খুবই ভালো এবং সময়োপযোগী প্রস্তাব। সমর্থন করি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Bir|Dr. Bir]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Bir|আলাপ]]) ০৯:৫২, ২৯ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১১:২৫, ২৯ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[Special:Contributions/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪০, ২৯ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
:ভালো উদ্যোগ, {{সমর্থন}} জানাচ্ছি। -- [[ব্যবহারকারী:ROCKY|রকি]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ROCKY|আলাপ]]) ১০:৫৯, ৩১ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফাইল স্থানান্তরকারী অধিকারের আবেদন ==
আমি বর্তমানে [[WS:AGPL]] গ্ল্যাম প্রজেক্টে যুক্ত আছি এবং [[user:MS Sakib (WMBD)]] অ্যাকাউন্ট থেকে ফাইল আপলোড করছি। আপলোডের সময় শিরোনামে বিভিন্ন অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি হওয়া সম্ভব। যেমন, [[:চিত্র:ক্ষণদর্শণ - শশিভূষণ দাসগুপ্ত (১৯৬৩).pdf|চিত্র:ক্ষণদর্শণ - শশিভূষণ '''দাস'''গুপ্ত (১৯৬৩).pdf]] নামে আপলোড করা ফাইলে লেখকের নামের সঠিক বানান হচ্ছে '''দাশগুপ্ত'''। এধরণের ত্রুটি দ্রুত সংশোধনের সুযোগ পেতে আমার মূল অ্যাকাউন্টে ফাইল স্থানান্তরকারী অধিকারের অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[Special:Contributions/MS Sakib|📝]]</b> ০০:২১, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি)
== Your feedback wanted: Remove ''(Language link added:) and similar'' edits from Special:RecentChanges ==
''(Apologies for posting in English. You can help by translating it)''
Hello, I’m Danny from [[:en:w:Wikimedia_Deutschland|Wikimedia Deutschland’s]] [[m:Wikidata_For_Wikimedia_Projects|Wikidata For Wikimedia Projects]] team.<br/>
We have been investigating and examining how Wikidata’s use in the [[Special:RecentChanges]] and [[Special:Watchlist]] pages can be made to be more useful, or less ‘noisy’ (fewer edits that have little value to the reader).
We are currently exploring to make a change in the volume and the type of Wikidata edits that appear in these pages, and '''we need your feedback''' to help us ensure this is a positive change for the Wikis and won’t disrupt your workflows.<br/>
Language links are also known as sitelinks or interlanguage links and describe when a Wikidata item is connected to a Wiki, adding it to the language dropdown tool for other connected Wikis.
[[File:Types of Lang Link changes.png|x350px|frame|A variety of "Language Link" edits as seen in the Recent Changes feed]]
The request for feedback is whether you support the removal of these language link edits from the Recent Changes and Watchlist feed, or would you oppose such a change and if so, why?
Please share you thoughts on the dedicated '''[[m:Talk:Wikidata_For_Wikimedia_Projects/Clearer_Wikidata_Edit_Summaries/Hide_Language_Link_edits|metawiki Talk page]]'''.
Further information about this change: [[m:Wikidata_For_Wikimedia_Projects/Clearer_Wikidata_Edit_Summaries/Hide_Language_Link_edits|m:Wikidata_For_Wikimedia_Projects/Hide_Language_Link_edits]]
Thank you for any participation or feedback you give, -- [[m:User:Danny_Benjafield_(WMDE)|User:Danny Benjafield (WMDE)]] ১২:১৮, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Danny_Benjafield_(WMDE)/MassMessage_test_list&oldid=31080967-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Danny Benjafield (WMDE)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== Wikidata Sitelink changes in Recent Changes and Watchlist ==
''(Apologies for cross-posting in English, translating it will help spread the message)''
Editors on group 1 wikis, including Wikiquote, Wikibooks, Wikiversity, Wikivoyage, and Wikisource, will no longer see notifications on [[Special:RecentChanges|Recent Changes]] and [[Special:Watchlist|Watchlist]] when a link to ''another'' language version of a page is added, removed, or changed in its Wikidata item. This change will begin on '''October 5 at 07:00 UTC''' as a two-week trial to reduce high-volume, low-value notifications and make higher-value changes easier to identify. Editors who rely on these notifications should be aware of the change and can share feedback or concerns on the [[m:Wikidata For Wikimedia Projects/Clearer Wikidata Edit Summaries/Hide Language Link edits|project]] or [[m:Talk:Wikidata_For_Wikimedia_Projects/Clearer_Wikidata_Edit_Summaries/Hide_Language_Link_edits|talk page]].<br/>Please reach out if you have any questions, thank you! -- [[User:Danny_Benjafield_(WMDE)|Danny Benjafield (WMDE)]] ([[User_talk:Danny_Benjafield_(WMDE)|talk]]) sent via [[ব্যবহারকারী:MediaWiki message delivery|MediaWiki message delivery]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MediaWiki message delivery|আলাপ]]) ১২:৪২, ১ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Danny_Benjafield_(WMDE)/MassMessage_test_list&oldid=31106967-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Danny Benjafield (WMDE)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
p8rqz2xvauss44c2z2i96oxa1f3l4hv
ব্যবহারকারী:Nettime Sujata/খেলাঘর
2
777842
2001691
1998027
2026-10-02T05:15:18Z
Nettime Sujata
5470
/* ১ */
2001691
wikitext
text/x-wiki
==১==
{{কেন্দ্র|{{rotate|180|{{x-larger|'''সুজাতা'''}}}}}}
{{sfrac|২|১|২}}{{ফাঁক}} {{sfrac|২|৩}}{{ফাঁক}} {{sfrac|১|২}}</br> [https://w.wiki/EdhD পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/৩৫০], </br>[https://w.wiki/EdhE পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/৩৫০পাতা:বিবিধ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৯).pdf/৩৫১]</br>
[https://w.wiki/Evoi পেশবাদিগের রাজ্যশাসন-পদ্ধতি ১২৯]</br>
[https://w.wiki/Evoo পেশবাদিগের রাজ্যশাসন-পদ্ধতি ১৩০]</br>
[https://w.wiki/FwsH প্রাণের হিসাব ২৬]</br>
[https://w.wiki/JFV7 টেমপ্লেট:Multicol]
<nowiki>{{smallrefs|columns=2}}</nowiki>
{{Playscript|gap=6|গঙ্গা।—|হেৰ গোলাই অ! এই চিঠিখন বেগতে ডাক-ঘৰত দি আহগৈচোন, যাহি। তই বাটত আকৌ কাকো দেখুৱাই নিনিবি।}}
{{di|I|image=Works of Jules Verne, Volume Six - Initial I.png|imgsize=60px}}T
{{sp|হজবরল}}
{{di|T}}he following night the Toonolian crew set us down just inside the wall of the city of Phundahl, following the directions of Dar Tarus who was a native of the city, had been a warrior of the Jeddara's Guard
{{div col}}
{{index list/s}}
*<span style="position:relative; left:-1.9em; bottom:-0.2em">{{di|'''U'''|1.5em}}</span>NITY, Hindu Muslim, 586, 587.
{{index list/e}}
{{div col end}}
==২==
{{rvh|{{{pagenum}}}|অধ্যায়|প্রবাস-চিত্র}}
{{rvh|120|CHAPTER|FROM IMMIGRANT TO INVENTOR}}
{{c|{{{pagenum}}}}}
{{rvh|{{{pagenum}}}|পেশবাদিগের রাজ্যশাসন-পদ্ধতি}}
{{rvh|{{{pagenum}}}|||আমার দেখা তুরস্ক}}
{{rh|{{{pagenum}}}|টল্ষ্টয়ের গল্প|{{{pagenum}}}}}
{{rvh|{{{pagenum}}}|পুষ্পাঞ্জলি}}
{{rh|{{u|}}||{{u|প্রীতি উপহার।}}}}
{{Overline|overlined}}
{{Overline|{{u|প্রীতি উপহার।}}}}
{{u|{{xxxx-larger|{{u|'''তারপর'''}}}}}}
[https://w.wiki/5AGD Category:Formatting templates]
==৩==
{{Left margin|5em|জাতির সহিত সারসেরা যুদ্ধ করে (হোমরও এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন), তিতির পক্ষীও যুদ্ধ করে, এগুলি রাজহংসের ন্যায় বৃহৎ।||5em}}
needs to span a page break in the Page namespace
{{left margin/s|3em}}
{{lorem ipsum}}
{{left margin/e}}
==৪==
{{block center/s}}
{|style=text-align:center
|-
|width=200px;|<poem>কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১২ই মে, ১৯২৪</poem>||{{brace2|4}}||width=200px|শ্রীদীনেশচন্দ্র সেন
|}
{{block center/e}}
{|
| {{ফাঁক}}৮। মাণিকনাক বিন রাজনাক
| rowspan=2|{{brace2|2|r}} মহার
|
|-
| {{ফাঁক}}৯। য়েশনাক বিন নিম্বনাক
|}
{|
| {{overfloat left|depth=.2em|duct}} || rowspan=2 |{{brace2|3|r}} || rowspan=2 | রজন-নলী
|-
| {{overfloat left|depth=.2em|passage}}
|}
{|style=text-align:center
|-
|width=200px;|<poem>পি. ৭১এ, ধানমণ্ডি, ঢাকা
জুলাই, ১৯৫৫</poem>||{{brace2|4}}||width=200px|{{ফাঁক|5em}}{{x-larger|'''শামসুন নাহার'''}}
|}
{|style=text-align:center
|-
|width=200px;|<poem>চুঁচুড়া
১লা বৈশাখ,
১৬২৯।
</poem>||{{brace2|4}}||width=400px|<poem>বিনীত
{{x-larger|'''শ্রীদুর্গামোহন মুখোপাধ্যায়'''}}</poem>
|}
{{multicol}}
{{Block left|{{কেন্দ্র|<poem>শরৎ-স্মৃতি-মন্দির
২৪, অশ্বিনী দত্ত রোড
কলিকাতা—২৯
১৯শে ফাল্গুন, ১৩৬৩</poem>}}}}
{{multicol-break}}
[[File:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬) (page 11 crop).jpg|250px|right]]
{{multicol-end}}
==৫==
{| width=450px {{ts|mc|vtt}}
|| ১৯৯৭ সনে লোকসংখ্যা ছিল {{gap}} ... || ... {{gap}} ... {{gap}} || ১৩,০০ লক্ষ
|-
|| ১৯২৬ {{ditto|সনে|”}} {{ditto|লোকসংখ্যা|”}} {{ditto|ছিল|”}} {{gap}} ... || ... {{gap}} ... || ১৪,৯০ {{ditto|লক্ষ|”}}
|-
|| ১৯২৯ {{ditto|সনে|”}} {{ditto|লোকসংখ্যা|”}} {{ditto|ছিল|”}} {{gap}} ... || ... {{gap}} ... || ১৫,৪০ {{ditto|লক্ষ|”}}
|-
|| ১৯৩০ {{ditto|সনে|”}} {{ditto|লোকসংখ্যা|”}} {{ditto|ছিল|”}} {{gap}} ... || ... {{gap}} ... || ১৫,৮০ {{ditto|লক্ষ|”}}
|-
|| ১৯৩০ {{ditto|সনে|”}} (বসন্তকালের গৃহীত হিসাবে) || ... {{gap}} ... || ১৬,৫০ {{ditto|লক্ষ|”}}
|}
{{dhr}}{{dhr}}
{| width=450px {{ts|mc|vtt}}
|| খোন্দকার সাহেব || আনুমানিক কাল || খৃঃ ১৭১৯, সাধনা, জ্যৈষ্ঠ ১৩২৭
|-
|| ফৌজদার সাহেব || {{ditto|আনুমানিক|”}} {{ditto|কাল|”}}১৭৪০, || মানসী ও মর্ম্মবাণী পৌষ ১৩২০
|-
|| ত্রিবেণী|| {{ditto|আনুমানিক|”}} {{ditto|কাল|”}}১৭৫০, || চৈত্র ১৩২৬
|}
==৬==
{| {{ts|mc|vtt}}
|| ১৯২৫ সনে || : || মাত্র ৬টি আধুনিক বিদ্যালয়।
|-
|| ১৯২৬ সনের শেষে || : || ১১৩টি বিদ্যালয়, ২৩০০ জন ছাত্র।
|-
|| ১৯২৯ সনে || : || ৫০০টি বিদ্যালয়।
|-
|| ১৯৩২ সনে || : || শিক্ষায়তনের সংখ্যা ২,০০০ এরও উপরে, ছাত্রদের সংখ্যা ১,২০,০০০-এরও বেশি।
|}
==৭==
{{Block center|{{columns |bgcol=beige |width=5em |gap=3.25em
|col1 =
<br />প্রথমা <br />দ্বিতীয়া<br />সম্বোধন
|col2 =
একবচন<br />পিতা <br />পিতরম্<br />পিতঃ<br />
|col3 =
দ্বিবচন<br />পিতরৌ<br />পিতরৌ<br />পিতরৌ
|col4 =
বহুবচন<br />পিতরঃ<br /><br />পিতরঃ
}}}}
==৮==
{| {{ts|mc|al|w100}}
|-{{ts|ac}}
| colspan="2" | {{larger|পুরুষ}}
|-
|| জ্যোতির্ম্ময় মতিলাল || চিত্রকর।
|-
|| হরেন মল্লিক || ঐ বন্ধু।
|-
|| রাজা রূপচাঁদ রায় || জমিদার; আর্টের উৎসাহদাতা।
|-
|| চন্দ্রপ্রকাশ চম্পটি || “মুন্লাইট্” কোম্পানীর স্বত্বাধিকারী
|-
|| রোহিণীকান্ত শ্রীমানি || “মুন্লাইট্” কোম্পানীর একাধারে ম্যানেজার, কেরানী ও অফিস্-বয়।
|-
|| রামচন্দ্র || জ্যোতির্ম্ময়ের ভৃত্য।
|-
|| চিন্তামণি || জনৈক ভাবুক ভদ্রলোক (আধ্পাগ্লা)।
|-{{ts|ac}}
| colspan="2" | {{larger|স্ত্রী}}
|-
|| মিস্ বিজলী মজুমদার || লাহোরের ভূতপূর্ব্ব এড্ভোকেট্ মিষ্টার মজুমদারের কন্যা।
|-
|| মিস্ কঙ্কাবতী কাঞ্জিলাল, এম, ডি (বার্লিন) || লেডী ডাক্তার; বিজলীর মাসী।
|}
==৮==
{| {{ts|mc|vtt|ac}}
|| কোন্ সনের প্রথম তিনমাস || মোট আমদানি || মোট রপ্তানি || আমদানি-রপ্তানির মোট পরিমাণ
|-
|| ১৯২৯ || ৭৯৭২ || ৭৩১৭ || ১৫২৮৯
|-
|| ১৯৩০ || ৭৩৬৪ || ৬৫২০ || ১৩৮৮৪
|-
|| ১৯৩১ || ৫১৫৪ || ৪৫৩১ || ৯৬৮৫
|-
|| ১৯৩২ || ৩৪৩৪ || ৩০২৭ || ৬৪৬১
|-
|| ১৯৩৩ || ২৮২৯ || ২৫৫২ || ৫৩৮১
|}
{{rule}}
{{ফাঁক}}মন্ট সেনিস্ এবং ব্রিন্দিসি দিয়া রেল ও ষ্টীমারে
{{TOC begin|width=35em}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}লণ্ডন হইতে সুয়েজ বন্দর|... {{gap}} ... {{gap}}|৭ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}ষ্টীমারে সুয়েজ হইতে বোম্বাই|... {{gap}} ... {{gap}}|১৩ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}রেলে বোম্বাই হইতে কলিকাতা|... {{gap}} ... {{gap}}|৩ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}ষ্টীমারে কলিকাতা হইতে হংকং|... {{gap}} ... {{gap}}|১৩ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}ষ্টীমারে হংকং হইতে ইয়োকোহামা|... {{gap}} ... {{gap}}|৬ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}ষ্টীমারে ইয়োকোহামা হইতে সানফ্রান্সিস্কো|... {{gap}} ... {{gap}}|২২ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}রেলে সানফ্রান্সিসকো হইতে নিউইয়র্ক|... {{gap}} ... {{gap}}|৭ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|{{ফাঁক}}রেল ও ষ্টিনারে নিউইয়র্ক হইতে লণ্ডন|... {{gap}} ... {{gap}}|৯ দিন}}
{{TOC row 1-c-1|||______}}
{{TOC row 1-c-1||মোট|৮০ দিন}}
{{TOC end}}
==৯==
নির্বাচিত রচনাবলী সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য তথ্যাদি রচনার সন্নিবেশক্রম অনুসরণ করিয়া নিম্নে মুদ্রিত হইল ৷ প্রত্যেক প্রসঙ্গেই এই গ্রন্থের পত্রাঙ্ক এবং কাব্য বা কবিতার নাম উল্লিখিত হইয়াছে।
<div class="prose">
{{overfloat left|depth=4em|২৯-৩১}}ভানুসিংহের পদাবলী -রচনার কাহিনী জীবনস্মৃতিতে কবি স্বয়ং লিখিয়াছেন। ইহার অধিকাংশ রচনা সন্ধ্যাসংগীতের পূর্ববর্তী। ‘মরণ’ ভারতী পত্রিকার ১২৮৮ শ্রাবণ সংখ্যায় এবং ছবি ও গানের প্রথম সংস্করণে প্রথম প্রকাশিত। ‘প্রশ্ন’ ১২৯২ সালের প্রচার পত্রিকায় এবং কড়ি ও কোমলের প্রথম সংস্করণে প্রথম প্রকাশিত। এই দুটি পরে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ গ্রন্থে স্থান পায়।
{{overfloat left|depth=4em|৩২}}দৃষ্টি। ইহা সন্ধ্যাসংগীত কাব্যের ‘উপহার’ কবিতার প্রথম স্তবক হইতে সংকলিত; বর্জিত প্রথম কয় ছত্র এই—
</div>
{{blockquote|{{ফাঁক}}{{smaller|তুমিই ব্রাহ্মণকুলে জন্মিয়া, ধর্ম্মশাস্ত্র প্রণয়ন করিয়াছিলে, সন্দেহ নাই, নহিলে নবমীতে লাউ খাইতে নাই কেন? তুমিই আলঙ্কারিক, সাহিত্যদর্পণাদি তোমারই সৃষ্টি। কিঞ্চিৎ ঘাস খাও।}}}}
==১০==
ছি ছি{{bar|3}}শরমটুটে,
==১১==
{{sidenotes begin}}
{{Outside R|{{smaller|কাহিনীর ভারতময় ব্যাপ্তি}}}}{{gap}}মাতা ময়নামতীর চেষ্টা ও উদ্যোগে হাড়িপা বা জলন্দরি গুরুর শিষ্যত্বে নবীন নৃপতি গোপীচন্দ্রের যোগী বা সন্ন্যাসী হইয়া গৃহত্যাগই এই সকল গাথার বর্ণনীয় বিষয়। গোপীচন্দ্র বাঙ্গালার রাজা ছিলেন। কিন্তু বাঙ্গালার বাহিরে ভারতের প্রায় সৰ্ব্বত্রই তাঁহার কাহিনী প্রচলিত। “ধম্মানন্দ মহাভারতী মহাশয় তাঁহার “বঙ্গের ব্রাহ্মণ রাজবংশ” নামক পুস্তকে লিখিয়া গিয়াছেন ‘ভারতবর্ষের প্রায় সর্ব্বত্র প্রাচীন কাল
{{sidenotes end}}
==১২==
{{gap}}উড়িষ্যায় প্রাপ্ত গাথা অনুসারে বংশ তালিকা নিম্নরূপ:—
{{Tree chart/start|align=center}}
{{Tree chart|border=0| সুরচন্দ্র | সুরচন্দ্র=সুরচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| তারাচন্দ্র | তারাচন্দ্র=তারাচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| ব্রহ্মাচন্দ্র | ব্রহ্মাচন্দ্র=ব্রহ্মাচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| গোপীচন্দ্র | গোপীচন্দ্র=গোপীচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| মেহুচন্দ্র | মেহুচন্দ্র=মেহুচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| বিষ্ণুচন্দ্র | বিষ্ণুচন্দ্র=বিষ্ণুচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| রূপচন্দ্র | রূপচন্দ্র=রূপচন্দ্র}}
{{Tree chart|border=0| !}}
{{Tree chart|border=0| গোবিন্দচন্দ্র | গোবিন্দচন্দ্র=গোবিন্দচন্দ্র}}
{{Tree chart/end}}
{{Tree chart/start|align=center}}
{{Tree chart| | | | | | | | | | | | | | RR | | | | | | | | RR = {{larger|রঘুনাথ রাও (আদি পুরুষ)}} |border=0}}
{{Tree chart| | | | | |, | - | - | - | - | - | - | - | - | ^ | - | - | - | - | - | - | - | - | . | |}}
{{Tree chart| | | | | KR | | | | | | | | | | | | | | | | DR | KR = খণ্ডে রাও | DR =দামোদর রাও | border=0}}
{{Tree chart| | | | | |! | | | | | | | | | |, | - | - | - | - | - | - | - | ^ | - | - | - | - | - | . |}}
{{Tree chart| | | | | RR | | | | | | | | HP | | | | | | | | || | | SS | | RR = রামচন্দ্র রাও | HP = হরি পন্ত | SS = সদাশিব | border=0}}
{{Tree chart| | | | | |! | | | | | | | |, | - | ^ | - | - | - | - | - | - | v | - | - | - | - | - | - | . |}}
{{Tree chart| | | | | AR | | | | | | RR2 | | | | | | | SR | | | | | LR | | AR = আনন্দ রাও | RR2 = {{larger|রঘুনাথ রাও (২)}} </br> (ঝাঁশীর প্রথম সুভেদার) | SR = {{larger|শিব রাও ভাউ}}</br>(খৃঃ ১৭৯৬-১৮১৬) | LR= লক্ষ্মণ রাও | border=0}}
{{Tree chart| |, | - | - | - | ^ | - | - | . | | | | | | |, | - | - | - | - | - | - | + | - | - | - | - | - | . |}}
{{Tree chart| HV | | | | | SR | | | | | KR | | | | | RR3 | | | | GR | | HV = হরি ভাউ | SR = সখারাম | KR = কৃষ্ণ রাও | RR3 = {{larger|রঘুনাথ রাও (৩)}}</br>(খৃঃ ১৮৩৫-৩৮) | GR = {{larger|গঙ্গাধর রাও}}</br>মহারাণী লক্ষ্মী বাঈ</br>(খৃঃ ১৮৩৮-১৮৫৩) | border=0}}
{{Tree chart| |! | | | | | | |! | | | | | | |! | | | | | | | | | | | | |! |}}
{{Tree chart| KN | | | | | BRN | | | | | RR | | | | | | | | | | | DR | | KN = কাশীনাথ </br> (ইনি ১৮৫২ খৃঃ ঝাঁশীর তহশীলদার ছিলেন)। | BRN = বাসুদেব রাও নেওয়ালকর | RR = {{larger|রামচন্দ্র রাও}} </br> (খৃঃ ১৮১৬-১৮৩৫) | DR = {{larger|দামোদর রাও}} </br> (দত্তক) | border=0}}
{{Tree chart| | | | | | | | |! | | | | | | | | | | | | | | | | | | | |! |}}
{{Tree chart| | | | | | | | AR | | | | | | | | | | | | | | | | | | LR | | | AR = {{larger|আনন্দ রাও}} </br> ওরফে </br> {{larger|দামোদর রাও}} </br>
(মহারাজ গঙ্গাধর রাওয়ের দত্তক পুত্র)। | LR = লক্ষ্মণ রাও | border=0}}
{{Tree chart/end}}
==১৩==
{{block center/s}}
{| style="border-spacing: 2px; border: 1px solid black;"
|-
|
|-
|style="align:center;" colspan="3"|{{xx-larger|'''গ্রন্থকারের অন্যান্য পুস্তক'''}}
|-
|বাঙ্গালায় প্রবেশ
|style="width: 80px;" |...||॥৹
|-
|রাণী ভবানী||...||॥৶৹
|-
|আশী দিনে ভূ-প্রদক্ষিণ||...||১৷৹
|-
|বেলুনে পাঁচসপ্তাহ||...||১৲
|-
|পাতালে||...||১৷৹
|-
|বাঙ্গালীর বল||...||৪৲
|-
|পল্লী-সমাজ||...||১৶৹
|-
|
|}
{{block center/e}}
{{block center/s}}
{| style="border-spacing: 2px; border: 1px solid black;"
|-
|
|-
|style="align:center;" colspan="3"|{{x-larger|গ্রন্থকারের অন্যান্য গ্রন্থ}}
|-
|দূর্ব্বাদল
|style="width: 80px;" |...||...||॥৹
|-
|বিল্বদল||...||...||॥৹
|-
|
|}
{{block center/e}}
{{border|maxwidth=30em|bstyle=dashed|bthickness=5px|color=black|align=center|
{{কেন্দ্র|{{larger|BENGALI FAMILY LIBRARY.}}}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|গার্হস্থ্য বাঙ্গালা পুস্তক সঙ্গ্রহ।}}}}
{{Custom rule|w|160}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|ছোট কৈলাশ এবং বড় কৈলাশ।}}}}
{{Block center|{{কেন্দ্র|{{larger|শ্রীযুক্ত মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
কর্ত্তৃক
ইংরাজী ভাষা হইতে
অনুবাদিত।}}}}
}}
==১৪==
{{hi|কোশল—যুক্তপ্রদেশে অযোধ্যার নিকটবর্তী ফয়জাবাদ গণ্ডা ও বরৈচ জেলায় অবস্থিত দেশ; উত্তর ও দক্ষিণ-কোশল এই দুই অংশে বিভক্ত। পরে দক্ষিণ বা মহা-কোশল মধ্যপ্রদেশে ছত্রিশগড় জেলায়।}}
{{hi|alcohol কোহল}}
{{hi|{{ditto|alcohol|—}} absolute নির্জল কোহল}}
==১৫==
{{Custom rule|sp|50|col|6|sp|5|c|6|sp|5|col|6|sp|50}}
{{border|maxwidth=300px|bthickness=3px|align=center|{{x-larger|'''নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড'''
}}}}
{{border|maxwidth=35em|bstyle=dashed|bthickness=3px|color=black|align=center|
{{larger|'''কৃতজ্ঞতা স্বীকার'''
শ্রীযুক্ত মণি মুখােপাধ্যায় * কৃষ্ণবাগান এ্যাথ্লেটিক্ ক্লাব
নান্ এণ্ড কোং লিঃ * দি গ্র্যামো রেডিও ষ্টোরস}}}}
==১৬==
{{di|কা}}লচক্রের শোচনীয় পরিবর্তনগুণে
==১৭==
{{playscript
| “Romeo.
| Farewell! I will omit no opportunity that may convey my greeting, love to thee.}}
{{playscript
| Juliet.
| Oh I thinkest thou, we shall ever meet again?}}
==১৮==
{{Block center|{{কেন্দ্র|{{xxxx-larger|'''উৎসর্গ'''}}
তুলসীপত্রটি ক্ষুদ্র হইয়াও যেরূপ দেবপূজায় উপহৃত
হয়, এই সামান্য বৈষ্ণব-আখ্যায়িকাটিও সেরূপ
প্রীতির অর্ধস্বরূপ স্যর আশুতোষ
মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের
{{x-larger|করকমলে}}
নিবেদিত
হইল}}{{ডান|গ্রন্থকার।}}}}
==১৯==
{{ফাঁক}}যে সময়ে বালাজী বিশ্বনাথ ধনাজী যাদবের অধীনতায় কর্ম্মলাভ করেন, সেই সময়ে মহারাষ্ট্ৰীয়দিগের পুনঃ পুনঃ আক্রমণে{{float left|পদোন্নতি।|1|2}} নিতান্ত ব্যতিব্যস্ত হইয়া মোগলেরা সাম্ভাজীর পুত্র শাহুকে মুক্তিদান করিলেন। কেবল তাহাই নহে, মহারাষ্ট্রীয়দিগকে শান্ত করিবার জন্য তাঁহারা তাঁহাকে দক্ষিণাপথের সরদেশমুখী (সমগ্র রাজস্বের দশমাংশ) স্বত্বের সনন্দও প্রদান করেন।
{| width=500px {{ts|mc|vtt}}
|| পৃষ্ঠা || পঙ্ক্তি || অশুদ্ধ || শুদ্ধ
|-
|| উননব্বই || ৭ || মঘাইয়া || মগহিয়া
|-
|| {{ditto|উননব্বই|”}} || {{ditto|৭|”}} || খড়ি || খড়ী
|-
|| {{ditto|একশত|”}} {{ditto|উনিশ|”}} || ফুটনোট || মীরাবাইকা || মীরাবাইকী
|-
|এরপর পাদটীকায়
{{nopt}}
|}
পরের পাতার শীর্ষকে
{| width=500px {{ts|mc|vtt}}
{{nopt}}
|-
|| একশত সাতাত্তর || ৬ || বংশীমে || বংশীমেঁ
|-
|| {{ditto|একশত|”}} {{ditto|একশত|”}} || ২২ || বাচ্চা || বচ্চা
|-
|| {{ditto|একশত|”}} আঠাত্তর || ১৭ || নারগীস || নরগীস
|-
|| {{ditto|একশত|”}} ঊনআশী || ৫ || গুলসানের || গুলসনের
|}
ত্রিবিঘস্ত জাতির সহিত সারসেরা যুদ্ধ করে (হোমরও এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন), তিতির পক্ষীও যুদ্ধ করে, এগুলি রাজহংসের ন্যায় বৃহৎ।<ref>ক্টাসিয়সও (ভারতবিবরণ। ১১) বলেন, বামনজাতি ভারত-বর্ষবাসী। ভারতবাসীদিগের মতে এই বামনেরা কিরাত জাতি, তাহার সুস্পষ্ট প্রমাণ এই যে কিরাত বলিতেই বামন বুঝায়। প্রবাদ এই যে তাহারা গূধ্র ও গরুড়ের (ঈগলের) সহিত যুদ্ধ করে, এজন্য বিষ্ণুর বাহন গরুড়ের একটি নাম কিরাতাশী{{ref|১}}। কিরাতগণ মঙ্গোলীয় জাতি, এজন্য ভারতবর্ষীয়েরা ইহাদিগকে মঙ্গোলীয় জাতির ন্যায় বর্ণনা করিতে যাইয়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কদর্যতা অত্যন্ত বাড়াইয়া তুলিয়াছে। ‘মুখ-বিহীন’ প্রভৃতি অভিধানের ইহাই মূল।— Schwanbeck.
</br>
{{note||১}}আদিপর্ব্বের ২৮ অধ্যায়ে গরুড়ের প্রতি বিনতার উক্তি—
{{Block center|<poem>সমুদ্রকুক্ষাবেকান্তে নিষাদালয়মুত্তমম্।
নিষাদানাং সহস্রাণি তান্ ভুক্ত্বাঽমৃতমানয়॥</poem>}}</ref> ইহারা সারসদিগের ডিম্ব সংগ্রহ করিয়া বিনষ্ট করে, কারণ সারসেরা ইহাদিগেরই দেশে ডিম্ব প্রসব করে; এজন্য আর কোথায়ও সারসের ডিম্ব ও শাবক দৃষ্ট হয় না। এদেশে প্রায়শ সারস আহত হয় ও দেহে নিবদ্ধ ধাতবাস্ত্রের সূক্ষ্মাগ্র লইয়া পলায়ন করে। কর্ণপ্রাবরণ (Enoctokoitai) বনমানুষ ও অন্যান্য রাক্ষসের বৃত্তান্তও এইরূপ।<ref>Enoctokoitai—ইহাদিগের কর্ণ এত বৃহৎ যে তাহাতে শয়ন করা যায়। মহাভারতোক্ত কর্ণপ্রাবরণ জাতি।</ref> বনমানুষগুলিকে
==২০==
{{Scrollpane|height=200px|
{{AuxTOC|
{{c|{{xx-larger|'''সূচীপত্র'''}}}}
{{Table| title=পরিচ্ছেদ| page=পৃষ্ঠা}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী|ষোড়শী]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/প্রথম অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক — প্রথম দৃশ্য]]| page={{pli|4|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/প্রথম অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক — দ্বিতীয় দৃশ্য]]| page={{pli|8|14}}}}
}}}}
{{c|{{larger|সূচীপত্র}}}}
{{block center|width=500px|
{{dtpl||দেনা-পাওনা|{{nowrap|১—২২০}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||পরিণীতা|{{nowrap|২২১—২৮০}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||দর্প-চূর্ণ|{{nowrap|২৮১—৩২০}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||বোঝা|{{nowrap|৩২১—৩৪২}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||বাল্য-স্মৃতি|{{nowrap|৩৪৩—৩৫৪}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||পরেশ|{{nowrap|৩৫৫—৩৬৮}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||হরিচরণ|{{nowrap|৩৬৯—৩৭৪}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||আগামী কাল (অপ্রকাশিত)|{{nowrap|৩৭৫—৪০০}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
{{dtpl||গ্রন্থ-পরিচয়|{{nowrap|৪০১—৪০২}}|dottext=...{{gap|5em}}...{{gap|5em}}}}
}}
==২১==
English historian,{{Authority reference | title=Memoirs of celebrated women of all countries (IA memoirsofcelebra00abra).pdf | page=159 | ref=7.1 | display=1 | transclude={{#section:Page:Memoirs of celebrated women of all countries (IA memoirsofcelebra00abra).pdf/159|7.1}}}} “contains so much nature and even elegance,
4pamy8p9f7l0gte0kddli3d85a7nfa0
বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী হতে প্রকাশিত
14
861544
2001639
2001616
2026-10-01T13:20:47Z
Bodhisattwa
2549
[[Special:Contributions/Md moksedul momen|Md moksedul momen]] ([[User talk:Md moksedul momen|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
1891729
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকাশস্থান অনুযায়ী]]
qrwnjgy9dm6o4f89q2wqiz6kzzp2c07
নির্ঘণ্ট:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf
102
886629
2001659
2001453
2026-10-01T15:25:33Z
Bodhisattwa
2549
2001659
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141569516
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2="—" 3="প্রচ্ছদ" 4="প্রকাশক" 5="সূচীপত্র" 6="—" 7to8="বিজ্ঞপ্তি" 9="শিরোনাম" 10="—" 11="1" 34="—" />
|Volumes=
|Remarks={{পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/৫}}
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Header_even=
|Header_odd=
|Footer=
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
coagb8j6giqm4rc2gqm2ap3w2jbmmgb
2001665
2001659
2026-10-01T15:28:35Z
Bodhisattwa
2549
2001665
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141569516
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2="—" 3="প্রচ্ছদ" 4="প্রকাশক" 5="সূচীপত্র" 6="—" 7to8="বিজ্ঞপ্তি" 9="শিরোনাম" 10="—" 11="1" 34="—" />
|Volumes=
|Remarks={{পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/৫}}
|Notes={{RPL}}
|Header=
|Header_even={{left|শেষ লেখা}}
|Header_odd={{right|শেষ লেখা}}
|Footer={{C|{{{pagenum}}}}}
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
jzad293hv6tr4b096jsx3sseza43w8u
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৩
104
886721
2001651
2001466
2026-10-01T15:16:50Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001651
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
মৃত্যু দেখা দেয় এসে একান্তই অপরিবর্তনে
এ-বিশ্বে তাই সে সত্য নহে
এ-কথা নিশ্চিত মনে জানি।
বিশ্বেরে যে জেনেছিল আছে ব’লে
সেই তার আমি
অস্তিত্বের সাক্ষী সেই,
পরম আমির সত্যে সত্য তার
এ-কথা নিশ্চিত মনে জানি॥</poem>
{{block center/e}}
{{dhr|3em}}
{{বাম|৭ মে, ১৯৪০}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩}}</noinclude>
mruo4unrtxkcgqjlxjwoyosmdv6ojwj
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৪
104
886722
2001656
2001467
2026-10-01T15:21:18Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001656
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৩}}
{{block center/s}}<poem>
ওরে পাখি,
থেকে থেকে ভুলিস কেন সুর,
যাসনে কেন ডাকি—
বাণীহারা প্রভাত হয় যে বৃথা
জানিসনে তুই কি তা।
অরুণ-আলোর প্রথম পরশ
গাছে গাছে লাগে,
কাঁপনে তা’র তোরি যে সুর
পাতায় পাতায় জাগে—
তুই যে ভোরের আলোর মিতা
জানিসনে তুই কি তা।
জাগরণের লক্ষ্মী যে ওই
আমার শিয়রেতে
আছে আঁচল পেতে,
জানিসনে তুই কি তা।
গানের দানে উহারে তুই
করিসনে বঞ্চিতা।</poem><noinclude>{{block center/e}}{{c|৪}}</noinclude>
l84ngauz6p28b9fbxaic7sm92gfnvb5
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৫
104
886723
2001657
2001468
2026-10-01T15:24:47Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001657
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
দুঃখরাতের স্বপনতলে
প্রভাতী তোর কী যে বলে
নবীন প্রাণের গীতা,
জানিসনে তুই কি তা॥</poem>
{{block center/e}}
{{dhr|3em}}
{{Block left|উদয়ন
১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১
বিকাল}}<noinclude>{{c|৫}}</noinclude>
2ag5lrv0hn9wojadox3bfrpn1v5u6yk
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২০
104
886743
2001621
2026-10-01T12:15:50Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001621
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৮|বিলাত ভ্রমণ।|}}</noinclude>পরে, কোট গায়ে দেয়। দাড়ি গোঁপ রাখে, আবার মাথায় খোঁপা বাঁধে ও তাহাতে অর্দ্ধ চন্দ্রাকারে বাঁকা চিরুনি গুঁজিয়া রাখে। কেহই সবল সুস্থ বা হাসি মাখা মুখ নয়—কেন যে এমন কে জানে?
{{ফাঁক}}স্থানটি যেমন ছোট তেমনি এখানে দেখিবার জিনিষও অতি অল্পই আছে। ভিক্টোরিরা পার্কের ঘাসযুক্ত খোলা ময়দানটি ঠিক যেন সবুজ সতরঞ্চি পাতা। সেখানে ছোট ছোট গাছ নাই, মাঝে মাঝে বড় বড় গাছ আছে। জমিটি উঁচু-নিচু। সেখানকার জলনিকাশ হইয়া মাঝে মাঝে এক একটি মিষ্ট জলের বড় বড় দীর্ঘিকা হইয়াছে। সেখানেও সেই পাখীর গান—সেখানেও সেই অবিশ্রান্ত ঝিল্লিরব। চারিদিকের দৃশ্যে কেমন একটু নির্জ্জন মধুর ভাব আছে।
{{ফাঁক}}অনতিদূরেই কলম্বোর মিউজিয়ম। সেখানে আশেপাশে অনেকগুলি গবর্ণরের শ্বেতপ্রস্তর মূর্ত্তি আছে। সে সকল গুলিরই দেখিলাম তেজঃপূর্ণ উদ্দীপ্তভাব। একটিরও দয়া দাক্ষিণ্য বা কোমলতা মাখান ভাব নহে। যেন তাদের পদতলে পড়িয়াই সিংহলবাসীর অমন ম্লান মুখশ্রী হইয়াছে।
{{ফাঁক}}মিউজিয়মের ভিতর নীচের তলায় প্রত্নতত্ব ও স্থানীয় শিল্প-বাণিজ্যের অনেক জিনিষ সুব্যবস্থায় সাজান আছে। ঘরে ঢুকিয়াই নানা প্রকার নৌকা ও তদুপযোগী দ্রব্যাদির প্রতিকৃতি একধারে সাজান আছে। সে যে কত রকমের, তা বলা যায় না। কোন কোনটি বা কেবল কতকগুলি সোজা সোজা কাঠ দিয়া প্রস্তুত—ঠিক যেন ভেলার মত। কোনটি বা আরও ভাল রকমের কামরাওয়ালা নৌকার মতন। সবগুলি সরু ও দ্রুতগতির উপযুক্ত। নানারকমের পাল, নানা রকমের দাঁড় ও লগি এবং মাছ ধরিবার জাল। আর একধারে সিংহলে মুক্তা তোলার ছবি সাজান আছে। কাল কাল নগ্ন মানুষগুলি ঝুড়ি লইয়া দড়ি ধরিয়া, জলে ডুব দিতেছে। কোনটী বা মুক্তা কাঠিবার অবস্থা, কোনটি বা উঠিবার অবস্থা, সব গুলিই অতি সুন্দর রচিত।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
7fgmtjtnq66g88mj7f9fkzrwe9tfsoa
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২১
104
886744
2001622
2026-10-01T12:18:46Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001622
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||কলম্বো।|৯}}</noinclude>{{ফাঁক}}তার আর এক পাশে তাল ও নারিকেল গাছ হইতে যত রকম দ্রব্য হইতে পারে সেই সব রক্ষিত। গাছের গুড়ি হইতে নানারূপ কাঠের দ্রব্য ডোঙ্গা ও বরগা। পাতা হইতে কত রকম ঠোঙ্গা, চ্যাটাই, ছাতা, টোকাও লিখিবার তালপাতা। ছোবরা হইতে দড়ি ম্যাটিং বুরুষ ইত্যাদি। নারিকেল পাতার কাটি হইতে ঝাটা ঝারন। খোলা হইতে হুকা ও নানা প্রকার পাত্র। শাঁশ হইতে নানা প্রকার মিষ্টান্ন, তেল হইতে বাতি, সাবান ইত্যাদি। তালের রস হইতে গুড়, চিনি, মিছরি ও মদিরার মত নানা জাতীয় পানীয় প্রস্তুত রহিয়াছে।
{{ফাঁক}}আর এক পাশে মালদ্বীপ প্রভৃতি স্থানের যুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র ও তাহাদের পূজা করিবার দেবতা। সে দেবতাগুলি অতি ভীষণ দর্শন। অনেকেরই মুখ জলজন্তুর মত। কেহ কেহ বা আস্ত মানুষ ধরিয়া খাইতেছে। সে মনুষ্যজাতির শৈশব অবস্থার ভীষণ কল্পনার ছবিগুলির কথা ভাবিলে এখনও অবধি মনে ভয় হয়।
{{ফাঁক}}পাশের ঘরে একদিকে পুরাকালের ও আধুনিক নানাজাতীয় মুদ্রা সাজান আছে। অতি প্রাচীনকালের মুদ্রাগুলি কেবল এক একটি লোহার বা তাঁবার খণ্ডমাত্র। তার অনেক পরে সুগঠন ও ছাপামারা ধাতু মুদ্রা আসিয়াছে। মুদ্রাগুলি সাজানতে যেন মনুষ্যজাতির সভ্যতার ক্রমবিকাশ বা অভিব্যক্তি স্পষ্টাক্ষরে লেখা আছে।
{{ফাঁক}}তাহার পাশেই পাথরের, হাতীর দাঁতের, ও চন্দন কাঠের খোদাই কাজ। এ সকল দ্রব্যই সিংহলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। সকল গুলিতেই বুদ্ধপ্রাণ সিংহলবাসীরা বুদ্ধদেবের মূর্ত্তি নানা ভাবে খুদিয়াছে। আর নানা স্থানের বুদ্ধলিপি খোদিত পুরান পাথরগুলিও ইংরেজ রাজ সযতনে রক্ষা করিয়াছেন।
{{ফাঁক}}যেমন নীচের তলায় প্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কীয় জিনিষ রক্ষিত আছে, তেমনি উপর তলায়ও মৃত জীব জন্তুদেহ সবই জীবন্তের মতন সাজান আছে।<noinclude></noinclude>
sgnzqyjyqxn35ujs27oj60tgpi6nvuc
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২২
104
886745
2001623
2026-10-01T12:25:08Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001623
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|১০|বিলাত ভ্রমণ।|}}</noinclude>তার মধ্যে জলজ প্রাণী সর্ব্বাপেক্ষা বেশী। তা হবেই ত—সিংহল সমুদ্রতীরের দেশ কি না, তাই এখানে যত প্রকার নৌকার প্রতিকৃতি জলজ প্রাণীদেহের বাহুল্য দেখা যায়। ছোট বড় নানা আকৃতির ও নানা বর্ণের কত প্রকার মাছ। বিদ্যুৎ উৎপাদক “রে” ও “টরপেডো” সূচিমুখ মৎস্য বিশেষ ও লম্বা ল্যাজযুক্ত শঙ্কর মাছ। “ডিউডঙ্গ” শুশুকেরই জাতীয়—তাহারা মৎস্য নয়, সন্তানকে দুগ্ধপান করায়। বৃহদাকার একটি ঐ জন্তু ও তাহার এক ছানা একত্র রক্ষিত রহিয়াছে। আর তার তলায় লেখা যে, ছানাটিকে ধরাতে মাও আসিয়া আপনি ধরা দিল। এ রকম অধম জীবেরও এত সন্তান স্নেহ। তা ছাড়া নানা জাতীয় “কোয়াল” “স্পঞ্জ” ও “হাইড্রয়েট”ও আছে; একটি কফি গাছের উপর একটি প্রজাপতি এমন সুন্দরভাবে বসেছে—ঠিক যেন কফিগাছেরই পাতার মত। কে তাকে চিনবে প্রজাপতি ব’লে।—দেখিলাম পাখা দুখানি যেন কফিপাতা, আর ধড়টি যেন বোঁটা, আর গায়ের রঙ্গ ঠিকই কফিপাতারই মত। প্রাণীরা শত্রুর চক্ষে এমনি করিয়া ধূলা দিয়াই এই বিপদ সঙ্কুল জগতে আত্মরক্ষা করে। এইরূপ অনুকরণই (mimicry) ডারউইনএর অভিব্যক্তিবাদের মহা পরিপোষক। অর্থাৎ অবস্থানুসারে নিজেকে গড়িয়া লইতে না পারিলে মরিতে হয়।—কি প্রাণীর বেলা, কি মনুষ্যজাতির বেলা এ নিয়ম সকলের পক্ষে সমান প্রযুজ্য।
{{ফাঁক}}মিউজিয়ম হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া সেই স্থানের বাজার দেখিতে চলিলাম। কেনা-বেচার জায়গায় লোকের আবশ্যক অনাবশ্যকের জিনিষ দেখিলে সেখানকার লোকের প্রকৃতি বুঝা যায়। এই জন্যেই আমি যে দেশেই বেড়াতে যাই না কেন, দেশের বাজার ও স্থানীয় লোকদের বসতিস্থান না দেখিয়া ফিরি না। যাইতে যাইতে দেখিলাম, পথে পানওয়ালীরা পান বেচিতেছে—আস্ত আস্ত পান ও খানকতক করে সুপারি দেওয়া। দোকানে দোকানে নারিকেল, আম, কলা, পেঁপে, আনারস<noinclude></noinclude>
pk3zi3meibu6eo3xx09ldvehsj260g8
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৩
104
886746
2001624
2026-10-01T12:28:30Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001624
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||কলম্বো।|১১}}</noinclude>প্রভৃতি সুন্দর ফল বিক্রয় হইতেছে। সে রকম আকৃতিবিশিষ্ট ও সে রকম মিষ্ট ফল আর কোথাও দেখি নাই। অনেকগুলি কিনিয়া জাহাজে আনিলাম ও আনিবার সময় আমাদের বাড়ীর ছেলেদের কথা মনে হইতে লাগিল। পিপাসা হওয়াতে ডাব খাইলাম। সে হলদে হলদে ডাবগুলিকে তাহারা “রাজার ডাব” (King Coconut) নাম দিয়াছে। তাতে ছোবড়া নাই—এত নরম যে পেনকাটা ছুরি দিয়া কাটা যায়। এক একটিতে একটি গ্লাস ভরে জল। আর কি যে সুমিষ্ট, তা বলে বুঝান যায় না। তৃপ্তির সহিত আকণ্ঠ পান করিয়া দাম জিজ্ঞাসা করিলে বলিল,—এক একটি চারি আনা।
{{ফাঁক}}এখানে অনেক রকম যানবাহন দেখিলাম। মানুষে টানা রিক্স গাড়ী আছে, তাহা ঠিক দ্বিচক্র ছোট হালকা বগি গাড়ীর মত ও খুব দ্রুত চলে। দু চাকার ঘোড়ার গাড়ী ও চার চাকার ঘোড়ার গাড়ী অসংখ্য পাওয়া যায়—তাদের সব কলিকাতার গাড়িভাড়া হইতে ভাড়া সুবিধা। ছতরিওয়ালা গরুর গাড়ী আছে, সে আরও সস্তা ও গরু গুলি অনেক সুস্থ ও সবল। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক ট্রাম চলে, তার এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত ১০ সেণ্ট মাত্র ভাড়া। তবে মোটের উপর কলিকাতা হইতে লোকসংখ্যা ও গাড়ী যাতায়াত কম বলিয়া রাস্তাগুলিও ভাল থাকে।
{{ফাঁক}}এখান হইতে সে স্থানের আদৎ দেশীয় লোকেরা যে পাড়ায় বাস করে, সেই স্থান দেখিতে চলিলাম। সেই সকল স্থান আমাদের কলিকাতার রাস্তার মতন অপরিষ্কার নয়। পূর্ব্বেই স্ত্রীলোকদের ও পুরুষদের বেশভূষার কথা বলিয়াছি। তাহারা খুবই গরীব ও খুবই {{SIC|দুরবস্থাগ্রস্থ|দুরবস্থাগ্রস্ত}} বলিয়া মনে হইল। কিন্তু যে কারণেই হউক, আমাদের থেকে খুব পরিষ্কার।
{{ফাঁক}}এখান হইতে আসিতে আসিতে ওলন্দদের রাজধানীর ভগ্নাবশেষ দেখা গেল। সেখানে এখন আর সে সময়ের সমৃদ্ধির কিছুই নাই।<noinclude></noinclude>
0ye9j9fkliz6ujrt801t95ubrgyl7dv
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৪
104
886747
2001625
2026-10-01T12:30:49Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001625
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|১২|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>কেবল একটি ধ্বংসপ্রায় সমাধিক্ষেত্র ও একটি বৃহৎ ঘণ্টা উচ্চে টাঙ্গান আছে। পূর্ব্বে এ সব অঞ্চলে ওলন্দাজদের প্রাধান্য ছিল; এখনও তাহারা যব প্রভৃতি দ্বীপের রাজা। সিংহল দ্বীপে মৃতজনের অস্থি ছাড়া আর তাঁহাদের এখন কিছুই নাই।
{{ফাঁক}}ইহারই অনতিদূরে এক বিস্তীর্ণ সরোবরের তীরে একটি ছোট বৌদ্ধমন্দির দেখিতে গেলাম। সে মন্দিরটি লোকালয় হইতে দূরে এক নিভৃত স্থানে, চারিদিকের বড় বড় গাছের দ্বারা আচ্ছাদিত। বহুদিনের পুরাতন প্রাচীরগুলি ভাঙ্গা ও মন্দিরটি অযত্নে রক্ষিত। সেখানে অনেকগুলি ছাঁচি পানের গাছ আছে। যাঁহারা মন্দির দেখিতে যান, তাঁহারা স্বেচ্ছায় এক একটি পাতা ছিঁড়িয়া দেবতার প্রসাদ মনে করিয়া মুখে দেন। তা ছাড়া সে বৌদ্ধমন্দিরের ভিতর নৈবেদ্য বা শঙ্খ ঘণ্টা কিছুই নাই। ছেঁড়া গেরুয়া বসন পরিহিত সেখানকার বৌদ্ধপুরোহিতেরা অতিশয় গরিব। তাঁহারা তাঁহাদের ইষ্টদেবকে তাল পাতার পুথি পড়িয়া পূজা করেন। বুদ্ধদেবের জন্মবৃত্তান্ত, গোপার পদ্মপত্র হইতে আবির্ভাব, বুদ্ধের ধ্যানস্থ প্রতিমূর্ত্তি ভক্তেরা তাঁদের দেবতার মূর্ত্তি কত বিভিন্নরূপেই কল্পনা করিয়াছেন।
{{ফাঁক}}মন্দিরের সামনেই একটি ধর্ম্মপ্রচার করিবার স্থান। তার চারিদিকেই শ্রোতারা বসেন, আর মধ্যের এক উচ্চ বেদীতে পুরোহিত বসিয়া ধর্ম্ম-উপদেশ দেন। তার পাশেই একটি ভগ্ন উচ্চ মন্দিরচূড়ায় একটি বড় ঘণ্টা ঝুলান আছে—সন্ধ্যা-উপাসনার সময় এই ঘণ্টার রবই দূর হইতে সকলকে আহ্বান করে। আর তার পাশেই এক উচ্চ স্থানে আলো দিবার ব্যবস্থা। সে আলোটি এখন অযত্নে অতিশয় নিস্প্রভ। বিশ্বভুবন যে আলোয় আলোকিত হইয়াছে, তারই একটি ছোট মিটমিটে প্রতিকৃতি।
{{ফাঁক}}আমিও সেই প্রসাদ তরুর তলায় দিয়া আসিবার সময় একটী পানপাতা ছিঁড়িয়া মুখে দিলাম। আর ফিরিবার কালে পালিভাষায় লেখা সেই<noinclude></noinclude>
dof9ov140i3cbsb37pdggvcydabcs4g
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৫
104
886748
2001626
2026-10-01T12:34:10Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001626
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||এডেন্ বন্দর|১৩}}</noinclude>তালপাতার পুথি হইতে একটি পাতা সঙ্গে আনিলাম। তার সার মর্ম্ম আর একটি কাগজে ইংরাজিতে তর্জ্জমা করিয়া ছাপা ছিল—তা এই,—
{{কেন্দ্র|“এই বুদ্ধের ধর্ম্ম—এই প্রভুর আজ্ঞা।”}}
{{ফাঁক}}১। “জীব হত্যা করিও না—যে প্রাণ দিতে পার না সে প্রাণ নিও না।”
{{ফাঁক}}২। “দুটী দ্রব্য একান্ত বর্জ্জনীয়—অসত্য ও হিংসা।”
{{ফাঁক}}৩। “উনি আমার নিন্দা করিয়াছেন, উনি আমার উপর অন্যায় আচরণ করিয়াছেন, উনি আমার ক্ষতি করিয়াছেন—এইরূপ প্রকার রাগের কথাগুলি যদি লোকে নিজের অন্তরে অন্তরে পুষিয়া রাখে, মনুষ্যদ্বেষ সংসার হইতে কখনই দূর হইবে না।
{{কেন্দ্র|“এই বুদ্ধের ধর্ম্ম—এই প্রভুর আজ্ঞা”}}
{{ফাঁক}}কেবল এই কয়টি কথা, আর কিছুই লেখা নাই। বোধ হয় তার মানে এই কটিতেই পৃথিবীর জাতীয় ধর্ম্মতত্ত্ব নিহিত আছে।
{{dhr|3em}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
ps5atu1j5i5ugq032gc88djt0am8m1f
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৬
104
886749
2001627
2026-10-01T12:37:36Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001627
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}}
{{কেন্দ্র|{{larger|এডেন্ বন্দর।}}}}
{{ফাঁক}}বৈকালে চারিটার সময় কলম্ববন্দর হইতে আমাদের জাহাজ ছাড়িল এবং সন্ধ্যা হইবার পূর্ব্বেই লঙ্কাদ্বীপের শেষ রেখা সুদূর আকাশ ও জলের মাঝে মিশাইয়া গেল। এখন হইতে ভারতবর্ষের সহিত সকল সম্পর্ক ছাড়া—চারিদিকে কেবল অনন্তনীল জলরাশি ও সুনীল আকাশ।
{{ফাঁক}}ভারতসমুদ্র দিয়া প্রায় ১১ দিন যাওয়ার পর তবে এডেনে পৌঁছাইতে পারা যায়। এই সুদীর্ঘ সময়ের মধ্যে চারিদিকে আর কিছুই দেখিবার নাই। তবুও সেই ক্ষুদ্র জাহাজখানির ভিতরে শত সহস্র লোকের বাস বলিয়া আমোদ আহ্লাদের কোনই অভাব বোধ হয় না। কত দেশের কত রাজ্যের লোকের সহিত একত্র বসা, দাঁড়ান, খেলা ও কথা বার্ত্তা। কাজ কর্ম্ম না থাকাতে সবাই ব্যস্ত হইয়া আলাপ করে। নাচ, গান ও অন্যান্য খেলার মধ্যে জুয়াখেলা একটি প্রধান।
{{ফাঁক}}এইরূপে দিন রাত চলিয়া ১১ দিনের দিন জাহাজ এডেন বন্দরের নিকটবর্ত্তী হইতে লাগিল। এত দিন সমুদ্র বেশ প্রশান্ত ছিল,—কেবল জুলাই হইতে সেপ্টেম্বর অবধিই মোরসুম চলাতে সমুদ্র ক্ষুব্ধ থাকে। কিন্তু এডেন উপসাগরে ঢুকিবার সময় বিষম তরঙ্গ আরম্ভ হইল। সারা সমুদ্রের যত ঢেউ এই সঙ্কীর্ণ পথে ঢুকে বলিয়াই সকল উপসাগরে বা নদীর মোহানায় ঢেউ বেশী হইয়া থাকে। কিন্তু অল্পক্ষণ এইরূপে আলোড়িত হইয়াই আমরা এডেন বন্দরে পৌঁছিলাম।
{{ফাঁক}}দুর হইতে কাল কাল ও গাছপালাহীন যে সকল পাহাড় দেখা যাইতেছিল—সেইরূপ পাহাড়েরই শিরোদেশে এডেন বন্দর নির্ম্মিত। গাছ পালায় শোভিত লঙ্কাদ্বীপের সঙ্গে তুলনায় এস্থান কিরূপ ভীষণ বোধ<noinclude></noinclude>
cnd8zdh2pij01jv5xp4s7tdts0r011o
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৭
104
886750
2001628
2026-10-01T12:41:56Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001628
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||এডেন্ বন্দর|১৫}}</noinclude>হইল, তাহা বলা যায় না। এ আরবের মরুভূমির নিকটস্থ প্রস্তরময় দেশ। বন্দরেও বেশী জাহাজ বা নৌকা নাই। বড়ই নির্জ্জন স্থান। ছোট ছোট বাংলাগুলি সব পাহাড়ের গায়ে ভিন্ন ভিন্ন স্তরে রক্ষিত। তাহাতে অল্পসংখ্যক মাত্র লোক বাস করে। সে দেশের লোকেরা সব কাল কাফরীর মত দেখিতে, চুল কোঁকড়া ও ছোট ছোট পশমের মত ও ঠোঁট পুরু; কিন্তু মুখখানি নারিকেল ফলের মত সুগঠন। এ স্থান ভারতবর্ষেরই এলাকাভূক্ত, তাই তাহারা অনেকে হিন্দি বুঝে। বহুদিন পূর্ব্বে যেমন সিঙ্গাপুরে দেখিয়াছিলাম ও সম্প্রতি যেমন কলম্বোতে দেখিয়াছি—ছোট ছোট নগ্ন মূর্ত্তি কতকগুলি ছেলে ছোট ছোট নৌকায় করিয়া আসিয়া সমুদ্রে ডুব দিয়া প্রক্ষিপ্ত সিকি দুয়ানী কুড়াইতে লাগিল। ইহারা এমন করিয়াই জীবনযাত্রা নির্ব্বাহ করে। নিকটবর্ত্তী স্থান হইতে যে সকল মুসলমান সওদাগরেরা এখানে আসিয়া ব্যবসায় করে, তাহারা এইখানে আসিয়া কিছুদিনের জন্য এই দেশেরই স্ত্রীলোকদের পত্নীরূপে রাখে। তাহাদেরই গর্ভজাত এই ছেলেরা। পরে যখন এই সকল বণিকেরা নিজ দেশে ফিরিয়া যায়—এই সকল পরিত্যক্ত ছেলেদের উপায়ান্তর না থাকায়—তাহারা এইরূপে ও বন্দরে অন্যান্য কার্য্য করিয়া নিজেদের ভরণপোষণ চালায়।
{{ফাঁক}}এ মরুভূমির দেশে কেনা বেচা করিবার বেশী কিছু দ্রব্য নাই। লোকেরা নৌকায় করিয়া সুন্দর সুন্দর অষ্ট্রীচ পক্ষীর পালক ও ডিম লইয়া বেচিতে আসিল। মেমেরা এই পালকের বড়ই ভক্ত; তাঁহারা অসম্ভব দাম দিয়া পালকের পাখা ও পালক কিনিতে লাগিলেন। দূরে একখানি বড়, আরব দেশের পুরাকালে যেরূপ নৌকার ব্যবহার হইত, সেই নৌকা দেখিলাম। চীনদেশের “জাঙ্কের” মত তাহারও ধার ও গলুই উচু ও তাহা পালে চলে। এইরূপ জাহাজে চড়িয়াই বিখ্যাত আরব দস্যুরা লোহিত সমুদ্র ও নিকটবর্ত্তী স্থানে ঘুরিয়া বেড়াইয়া সমুদ্র<noinclude></noinclude>
p7dxga0th5iobbhggp7l2rvddfqqjbs
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৮
104
886751
2001630
2026-10-01T12:47:32Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001630
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|১৬|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>যাত্রা এত ভয়ানক করিয়া তুলিয়াছিল। সে দিনের তুলনায় এখন কত পরিবর্ত্তন হইয়াছে।
{{ফাঁক}}সে দিন আমাদের রাণী “এলেকজেন্দ্রিয়ার” জন্ম দিন বলিয়াই সকল জাহাজে ও বাড়ীতে সেখানে লাল ধ্বজা উঠান ছিল। দূরের সর্ব্বোচ্চ পাহাড়েও সেই ধ্বজা। সেই খানেই মার্কণীর তারহীন টেলিগ্রাফের উচ্চতর স্তম্ভ স্থাপিত ও সেনানিবাসের ব্যারাক গুলি শোভা পাইতেছিল। জলের কাছে সমুদ্রের ধারে ধারে একটি রাস্তা পাথরে গাঁথা—তার উপর দিয়া কত উষ্ট্র ও অশ্বতর বিষম কষ্টের সহিত বোঝা লইয়া পাহাড়ে চলিতেছে। এ মরুভূমি ও পাথরের দেশ এমন বৃষ্টিহীন যে, সারা বছরে ৮ ইঞ্চি মাত্র বৃষ্টি পড়ে। সেই বৃষ্টির জল ধরিয়া রাখিয়া জলকষ্ট নিবারণ করিবার জন্য এই নদীহীন দেশে পাহাড়ের জল নিকাশের পথে বাঁধ দিয়া সেই জল আটকাইয়া রাখা হয়। সে স্থানটীও দেখা যাইতে লাগিল। অনেক দিন হইতে জলরক্ষা করিবার এইরূপ প্রথা এডেন ও আরবের অন্যান্য দেশে খৃষ্ট পূর্ব্ব বহু শতাব্দী হইতে চলিয়া আসিতেছে—প্রসিদ্ধ “আরবের বাঁধ” ইহার একটি। বহুদূরে একটি আরব পল্লী দেখা যায়, তাহাতেও নূতন নুতন সমৃদ্ধিশালী কোটা বাড়ী দেখা গেল, সুসভ্য লোকের সংস্পর্শে আসিয়া আরবও সভ্য হইয়াছে। আর একদিকে সমুদ্রের ধারে পরিস্কার নুন প্রস্তুত করিবার জন্য একটী আড্ডা হইয়াছে। সেখানেও বড় বড় বাংলা ও বহুদূরব্যাপী সাদা সাদা নুন জমা করা রহিয়াছে দেখা গেল। এ কাজে খুব লাভ। যে দরে পূর্ব্বে ময়লা নুন বিক্রয় হইত, এখন তাহার সিকি দরে ভাল সাফ নুন বিক্রয় হইতেছে বলিয়া আরবদেশের ভিতরকার স্থানে অধিক এই নুনই চালান হয়। এমন কি সাইবিরিয়ায় ও অনেক অংশে এই নুন যায়। কিন্তু আজ কাল এত লাভ দেখিয়া—আরবের বন্দরের নিকটও এইরূপ অনেক নুনের আড়ৎ তৈয়ার হইয়াছে। নুন যত আবশ্যকীয় জিনিস হোক না হোক মুখরোচক জিনিস বলে সকল মানুষেই<noinclude></noinclude>
pux68o0nd89bd0w2ui0zun653kor26p
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/২৯
104
886752
2001631
2026-10-01T12:50:33Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001631
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||এডেন্ বন্দর।|১৭}}</noinclude>চায় ও সেই কারণেই এর এত দাম ও লভ্যাংশ উভয়ই বেশী। বৃষ্টির যে জল বাঁধ দিয়া ধরিয়া রাখিবার কথা পূর্ব্বে বলিয়াছি, সে জল পান করিবার উপযুক্ত নহে। সমুদ্রের জল জ্বালাইয়া সাফ করিয়া ও পুনরায় জমাইয়া যে জল হয়, সেই জলই এখানে লোকে পান করে। এরূপ জ্বালান জল স্বাস্থ্যকর নহে বলিয়া জার্ম্মাণ সৈন্যদিগকে পূর্ব্বেকার মত আর এরূপ জল পান করিতে দেওয়া হয় না।
{{ফাঁক}}দেশ বড়ই শুকনা ও গরম, কিন্তু তাহাতে অস্বাস্থ্যকর নহে। তবে ওরূপ দারুণ উত্তাপে অনেক দিন থাকিলে শরীর বড়ই খারাপ হয় ও স্নায়ুদৌর্ব্বল্য ঘটে। এইখানে বাস করিবার কালে বিস্তর সৈন্য আত্মহত্যা করে। বোধ হয়, অতিরিক্ত গরমে স্নায়ুদৌর্ব্বল্য বা মস্তিষ্কের বিকারই তাহার কারণ। প্লেগও এখানে আসিয়াছে, তবে টিকা দিয়া তাহার অনেক প্রতিকার বিধান হইয়াছে। ১৫০ জন, যাহারা টিকা লয়েন নাই, তাহাদের ভিতর ৩০টি মরেন। অপর ১৫০ জন যাহারা টিকা লইয়াছিলেন, তাঁহাদের মধ্যে কেবল একটি আক্রান্ত হন ও মরেন।
{{ফাঁক}}এ প্লেগ অবশ্য ভারতবর্ষ হইতেই আসিয়াছে। প্রতি বৎসর হাজে বা মক্কায় ভারতবর্ষ হইতে বিস্তর মুসলমান যাত্রী যায়। তাহারাই এ রোগ এখানে আনিয়াছে। এই পথই তাহাদের যাইবার পথ। বহু পূর্ব্বেও এই সকল স্থানের সহিত বাণিজ্যসূত্রে ভারতবর্ষের লোকের অনেক গতিবিধি ছিল। এখনও রামায়ণ কথিত “রাম হাইদারের” কথা এখানে কথিত আছে।
{{ফাঁক}}এই বন্দরেরই অনতিদূরে “প্যারিম” দ্বীপ ইংরেজ অধিকৃত। ইংলণ্ড হইতে ভারতবর্ষ যাইবার পথে যতগুলি ইংরাজের অধিকৃত বন্দর আছে, এডেন তাহার মধ্যে একটি। জলের তলায় “টর্পেডো মাইন” বা তোপ দাগী আছে, শত্রুর জাহাজ আসিলেই ফাটিয়া উঠিয়া সে তোপ জাহাজকে চূর্ণ করিবে। “প্যারিম দ্বীপ” ইংরেজের দ্বারা অধিকৃত হওয়ার সম্বন্ধে ত্রৈলোক্যনাথ<noinclude></noinclude>
f37z4hib4vs28n1rtlky1cy6lj9m1mp
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩০
104
886753
2001632
2026-10-01T13:00:23Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001632
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|১৮|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>মুখুজ্জে মহাশয়ের “বিলাত ভ্রমণ” নামক পুস্তকে একটি সুন্দর গল্প কথিত আছে। লোহিত সমুদ্রে ঢুকিবার পথেই এ দ্বীপটি অবস্থিত বলিয়াই ইহার জন্য নেপোলিয়নের সহিত যুদ্ধের সময় ইংরাজের এত আয়াস হইয়াছিল। একটি ফরাসী রণতরী এইটি অধিকার করিতে আসে ও তাহার অধ্যক্ষ ইংরেজ অধ্যক্ষ কর্ত্তৃক নিমন্ত্রিত হইয়া কথায় কথায় এই সংবাদ জানাইয়া ফেলেন। সেই কথা জানিবামাত্র ইংরেজ সেনাপতি গুপ্তভাবে সেনা পাঠাইয়া আগে ধ্বজা গাড়িয়া সেইস্থান অধিকার করেন। অস্ত্র লইয়া যুদ্ধেই হউক বা বাক্ যুদ্ধেই হউক বুদ্ধিই চিরকাল জয়ী হয়।
{{ফাঁক}}এই ছোট “প্যারিম্” দ্বীপটির সম্বন্ধে আর একটি বলিবার মত কথা আছে। এইখানে দাস ব্যবসায় নিবারণের জন্য বিলাতের (Humanitarian Society) পরোপকার সমিতির কতকগুলি জাহাজ থাকে। তাহারা চারিদিক পর্য্যবেক্ষণ করিয়া খুঁজিয়া বেড়ায়, কেহ কোথাও জাহাজে করিয়া দাস বিক্রয়ার্থ লইয়া যাইতেছে কিনা। সুদান জেঞ্জিবার প্রভৃতি স্থানে দাস ধরিয়া দাস ব্যবসায়ীরা এই পথ দিয়াই পারস্য উপসাগরের ভিতর Persian Gulf) ঢুকিয়া চারিদিকের দেশে দাস বিক্রয় করে। এই সকল মুসলমান দেশে সকল লোকেই দাস কেনে। তাই এই ব্যবসায়ে এত লাভ। যুবা এক একটি দাসের দাম ২৫ পাউণ্ড। এক একটি ছেলে তার অর্দ্ধেক দামে পাওয়া যায়। এক যুবতী স্ত্রীলোকের দাম আঠারো পাউণ্ড এবং সে পুত্রসম্ভবা হইলে ২০ পাউণ্ড লাগে। স্পেন পর্টুগাল ও অন্যান্য ইউরোপের লোক ও ইংরেজের পূর্ব্বপুরুষগণ,যথা “ড্রেক” “হকিন্স্” “হাডসন” এমন কি পণ্ডিত “রেলে” অবধি পূর্ব্বে আমেরিকার উপনিবেশে এই ব্যবসায় করিতেন। এখন এ প্রথা ইংরেজ রাজত্বের কোথাও নাই। আমেরিকার স্বাধীন রাজ্যের দক্ষিণ দিকে বেশী চাষ বাসেরই স্থান, সেই কারণ সেই সকল দেশে দাস ক্রয় বিক্রয় প্রথা বড়ই প্রচলিত ছিল। সেই প্রথা উঠাইয়া দিবার প্রস্তাব লইয়াই আমে-<noinclude></noinclude>
ndprs5qezwmmakxeb67kh8gtzj1ss59
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩১
104
886754
2001633
2026-10-01T13:03:12Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001633
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||এডেন্ বন্দর।|১৯}}</noinclude>রিকার যুক্তরাজ্যে ঘরাও বিবাদ উপস্থিত হয়। “Uncle Tom’s Cabin” “খুড়া টম” নামক বিখ্যাত পুস্তকে দাসদের প্রতি নৃশংস অত্যাচারের কথা লেখাতেই দেশের সৎ লোকেরা এই প্রথা উঠাইয়া দিতে বদ্ধপরিকর হন। এক সপ্তাহের ভিতর পঁচাত্তর হাজার পুস্তক বিক্রয় হয় ও দক্ষিণে ধনকুবের আপত্তিকারীদের সহিত যুদ্ধ বাধে। যুক্তরাজ্যে তৎকালীন সভাপতি “এব্রাহাম্ লিনকন্” প্রাণপণ করিয়া এ দুষ্ট প্রথা রদ করেন। ইনি একজন অতি গরিবের ছেলে ছিলেন। কুড়ে ঘর হইতে শেষে রাজপ্রাসাদে উঠিয়াছিলেন। দুর্ব্বলের দুঃখমোচন করাই তাঁর জীবনের ব্রত ছিল। সুলেখক “থেয়ারের” লিখিত জীবনীতে এই প্রাতঃস্মরণীয় লোকের পবিত্র জীবন কাহিনী সবিশেষ বর্ণিত আছে। সকল লোকেরই স্বনামধন্য সেই মহাপুরুষের জীবনবৃত্তান্ত পড়া উচিত, বিশেষতঃ যে স্থানে গুপ্ত-হন্তারকের গুলি নিক্ষেপে তাঁহার পবিত্র জীবন, মুক্ত দাসদের অশ্রুকণা উপহার লইয়া এ লীলাভূমি ছাড়িয়া গেল। অতি দরিদ্র অবস্থায় এক জঙ্গলস্থ কুঁড়েঘরে জন্মাইয়া পরে নিজের চেষ্টায় যুক্তরাজ্যের রাজপ্রাসাদে অবধি উঠিয়া জনসাধারণ ও নিগ্রোজাতির কি যে অশেষ মঙ্গল করিয়া গিয়াছেন সে পুণ্যকর্ম্ম সকলেরই জানা উচিত।
{{ফাঁক}}“এডেন” এই কথাটির মানে স্বর্গ। যদিও আমরা স্বর্গের কিছুই দেখিলাম না; তবুও অন্যান্য নিকটবর্ত্তী মরুভূমিময় স্থানের তুলনায় এই স্থানটি ভাল। ১৫০০ ফিট উচু এক আগ্নেয়গিরির উপরে অবস্থিত। ব্যবসার বাণিজ্য সম্বন্ধে পূর্ব্বকালে কতই সমৃদ্ধিশালী ছিল। পরে সুয়েজ খালের পথ হওয়ার পর হইতে আরও বড় ব্যবসায়ের স্থান হইয়াছে। এখন এখানে ৩০ হাজার লোকের বাস ও স্থানটি সুদৃঢ়রূপে রক্ষিত। প্রায় ১০০ বৎসর পূর্ব্বে এক আরবদেশীয় সুলতান ইংরাজকে ইহা দান করেন।
{{ফাঁক}}পূর্ব্বে এই পথ দিয়াই মক্কা যাইবার যাত্রীদের কতই না কষ্ট ছিল।<noinclude></noinclude>
swtt6ixg6hq36bdxjk5ntcgw9co0m58
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩২
104
886755
2001634
2026-10-01T13:04:50Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001634
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২০|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>জাহাজে অনেক লোক লওয়াতে যাত্রীদের যন্ত্রণার একশেষ ছিল ও একত্র বাসের ফলে অনেক সংক্রামক রোগও ঘটিত। তুর্কীর এলাকায় থাকিতে সেখানকার কর্ম্মচারীরা অশেষরূপে পয়সা আদায় করিয়া লইত। অনেকে অর্থাভাবে আর দেশে ফিরিতে পাইত না। এখন এ সবের সুব্যবস্থা হইয়াছে। সেখানে একজন তত্ত্বাবধান করিবার জন্য ইংরেজ তরফ হইতে অধ্যক্ষ নিযুক্ত হইয়াছে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার সুব্যবস্থার জন্য ঔষধালয় ও কর্ম্মচারী নিযুক্ত হইয়াছে।
{{dhr|3em}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
21ciru73ib0kgz0d872fyccvm2yd3i7
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৩
104
886756
2001635
2026-10-01T13:07:37Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001635
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}}
{{কেন্দ্র|{{larger|লোহিত সমুদ্র ও সুয়েজ বন্দর।}}}}
{{ফাঁক}}এডেন বন্দর ছাড়িয়া কিছু দূর যাইলেই লোহিত সমুদ্রে পড়া যায়। সে স্থানটির কেন যে লোহিত সমুদ্র নাম হইল, তার কিছুই বুঝা যায় না। অন্য স্থানেরই মত সমুদ্র-জল নীল, তবে দুধারেই জমী নিকটে থাকায় একটু সবুজ মিশ্রিত নীল। মাঝে মাঝে ঈষৎ লাল এক রকম শেওলা জলে ভাসে, তাও বেশী নয়। এ ছাড়া আর কোনও কারণ দেখিলাম না।
{{ফাঁক}}এই শেওলাগুলিতে একটি অতি বিস্ময়জনক ঘটনা ঘটিয়া থাকে, তা অনেকেই জানেন না। অনেকগুলি লম্বা লম্বা দড়ির মত শেওলা একত্র মিলিয়াই ওই চাপ শেওলা হইয়াছে। প্রতি দড়িটি অনেকগুলি কোষ পাশাপাশি সন্নিবিষ্ট হইয়াই গঠিত। ওই এক একটি কোষ সজীব পদার্থ। তার প্রতিটির ভিতর কি একটি সজীব পদার্থ নড়িতে দেখা যায়। কোষের ভিতর হইতে হাত বাড়াইয়া তাহারা নিজেদের খাদ্যসামগ্রী ধরিয়া খায়। এবং অপর একটি কোষের সহিত মিলিত হইয়া সেই কোষটির গর্ভাধান ঘটায়। অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এই সকল বিস্ময়কর পরিবর্ত্তন স্বচক্ষে দেখা যায়। প্রতি কোষ একা থাকিয়াও ভাগ হইতে পারে সত্য, কিন্তু (cell division) দুইটিতে মিলিত হইয়া যে নূতন কোষ হয়—সে আরও সুস্থ ও সতেজ হয়। তাই প্রকৃতির সর্ব্বত্রই এইরূপই নিয়ম।
{{ফাঁক}}চারিদিকে জমী থাকায় এ স্থানে সমুদ্র অন্যান্য সমুদ্র হইতে অনেক ধীর, যেন বড় পুকুরের মত। তাই জাহাজও বেশী দোলে না। আর আফ্রিকা ও আরব—উভয় দিকেই দারুণ উত্তপ্ত বালুময় মরুভূমি থাকায় স্থানটি বড়ই গরম। এই কারণে গরম কালে এখানে অনেক লোকের সর্দ্দিগর্ম্মী হয়। এই লোহিত সমুদ্রে তিন চারি দিন থাকিতে হয়।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
4cg4ami0chujvgnscq0f58afy9uxmch
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৪
104
886757
2001636
2026-10-01T13:11:14Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001636
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২২|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}জাহাজ যাইবার পক্ষে এ সমুদ্রটিও বড় ভয়ানক। জলে নিমজ্জিত পাহাড় আছে—তাহাতে জাহাজ লাগিলে সে জাহাজের আর রক্ষা নাই। তাই ঐ সকল বিপদ সঙ্কুল স্থানে আলোক স্তম্ভ নির্ম্মিত আছে। ভিন্ন ভিন্ন গতিতে নানা রঙের আলো ঘুরিয়া বিশেষ বিশেষ স্থান জানাইয়া দেয়। তার মধ্যে এক স্থানে কতকগুলি একত্র অবস্থিত পাহাড়ের নাম “সাত শিষ্য” (Seven apostle) আর এক স্থানের একটি অর্দ্ধ নিমজ্জিত পাহাড়ের নাম (Diadalus) “ডায়েডেলস্”, সবগুলিই ভয়ানক স্থান।
{{ফাঁক}}লোহিত সমুদ্র বেশী চওড়াও নয়। অনেক স্থলেই একদিককার বা অপর দিকের জমী ও পাহাড় দেখা যায়। অনেক স্থলে দুদিকেরই জমী দৃষ্টিগোচর হয়। ইহুদীরা যখন মিশর দেশ হইতে পলাইয়া আসিতেছিলেন, এই সকল অপ্রশস্ত স্থানের কোনও স্থান দিয়াই বোধ হয় তাঁহাদের যাইবার জন্য জলের মধ্য হইতে শুকনা পথ বাহির হইয়াছিল।
{{ফাঁক}}এই অল্প আয়তন স্থান দিয়া, এসিয়া হইতে ইউরোপ যাইবার অধিকাংশ জাহাজকেই যাইতে হয় বলিয়া এখানে অনেক জাহাজের সহিত দেখা হয়। সবাই তখন সকল কাজ ফেলিয়া এক দৃষ্টে পরস্পরকে দেখে—ও আনন্দের ধ্বনি তুলিয়া পরস্পরের শুভবার্ত্তা জানায়। পথে জাহাজ দেখিলেই তার নাম ধাম ও পথের খবর লইয়া পরবর্ত্তী বন্দরে গিয়া খবর দিতে সকল জাহাজই বাধ্য। এই নিয়ম থাকাতেই অকূল সমুদ্রে জাহাজের খবরাখবর হয়।
{{ফাঁক}}পুরাতন ভূগোল লেখক পণ্ডিত টলেমী আরব দেশকে নানা ভাগে বিভক্ত করিয়াছিলেন। যথা—“মরুময় আরব”, “প্রস্তরময় আরব,” ও “সুখের আরব”। চারিদিকের সমুদ্র ধারের জমীগুলি কতক বা উর্ব্বরাক্ষেত্র কতক বা প্রস্তরময় কিন্তু ভিতরকার সব অংশ মরুভূমি। এখানে অতি সামান্য বৃষ্টি পড়ে বলিয়া এই সমস্ত দেশে একটিও বড় নদী নাই।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
pkejcrxp1ok6rgcvif00kg11bof347t
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৫
104
886758
2001637
2026-10-01T13:13:54Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001637
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||লোহিত সমুদ্র ও সুয়েজ বন্দর।|২৩}}</noinclude>{{ফাঁক}}পুরাতন ইতিহাসে এই সকল স্থান প্রসিদ্ধ স্থান ছিল। বাম ধারে “অবিসিনিয়া,” “নিউবিয়া” ও “মিশর।” যত দেশের পুরাতত্ত্ব জানা আছে, তার মধ্যে মিশর দেশই সর্ব্বাপেক্ষা পুরাতন। খৃষ্টপূর্ব্ব পাঁচ হাজার বৎসরের আগেও তাহাদের সভ্যতার খবর পাওয়া যায়। এই খানেই রাণী “ক্লিওপেট্রা”র রাজ্য ছিল। এইখানেই এখনও সেই সকল পুরাতন পিরামিড্ বর্ত্তমান আছে। আর ডান দিকে আরবদেশে মুসলমানধর্ম্মের সংস্থাপক মহম্মদের জন্ম। মক্কা ও মেদীনাই তাঁহার লীলাভূমি ছিল। সে সকল দেশ লোহিত সমুদ্রের খুব ধারে ধারে। সুয়েজে ঢুকিবার পথেই ডান দিকে “সাইনে পর্ব্বত”। এই পুণ্য ভূমিতেই “মোসেস্” প্রথমে ঈশ্বর কথিত দশটি আজ্ঞা প্রাপ্ত হইয়াছিলেন।
{{ফাঁক}}খৃষ্টধর্ম্মের উৎপত্তিস্থান “পেলেষ্টাইন” এখান হইতে কতক দূরে। মরুময় আরব দেশেই কেন যে এই দুইটি ধর্ম্মের উৎপত্তি হইয়াছিল, বুঝা যায় না। যেখানে গাছ পালা ফুল ফল ও জীবনের অন্যান্য ভোগ্যবস্তু কম, সেইখানেই কি ইহসংসারের উপর বিরাগ আপনিই আসে। তাহলে শস্য-শ্যামলা ভারতবর্ষেই বা কেন হিন্দুধর্ম্ম ও বুদ্ধধর্ম্মের আবির্ভাব হলো। সমস্ত পৃথিবীই হয় আরবদেশের নয় ভারতবর্ষের ধর্ম্মেই দীক্ষিত। অন্য কোথাওতো এমন ধর্ম্ম প্রচারকগণ জন্মেন নাই।
{{ফাঁক}}সুয়েজের কাছে যাইয়াই আবার সমুদ্র বিষম তরঙ্গময় হইয়া উঠিল। অতি তেজে হাওয়া বহিতে লাগিল। জাহাজ অত্যন্ত অস্থির হইল। সুতরাং সেদিন বৈকালে বন্দরে নোঙ্গর করিলেও কেহ তীরে নামিতে পারিলেন না, বা তীর হইতেও কেহ জাহাজে আসিতে পারিলেন না। কেবল আমরা জাহাজের উঁচু ডেকে দাঁড়াইয়া দুই ধারের বালুকাময় ও কাল কাল পাহাড়যুক্ত জমীর, ও বড় বড় তরঙ্গপূর্ণ সমুদ্রজলের, ও দূরস্থ সুয়েজ বন্দরের অপূর্ব্ব ভীষণ শোভা দেখিতে লাগিলাম।
{{ফাঁক}}সুয়েজ বন্দরটি অতি ছোট বন্দর। যে স্থানে সে দেশীয় লোকের<noinclude></noinclude>
nx9ctaz2xcydp64rn8uijvdsdtvyyrn
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৬
104
886759
2001638
2026-10-01T13:19:04Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001638
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৪|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>বাস, সে স্থান এখান হইতে অনেক দূরে। গাধায় চড়িয়া যাইতে হয়, অন্য কোনও যান পাওয়া যায় না। বন্দরে সব পাথরের উচু উচু বাড়ীগুলি সমুদ্রের ধারে ধারে নির্ম্মিত; তাহার অধিকাংশই সওদাগরদের মাল রাখিবার গুদাম—বড় একটা লোকবাসের নহে। অনেক কল কারখানাও আছে। স্থানটি দুটি অংশে বিভক্ত। সুয়েজের খাল এই দুটির মধ্য দিয়া কাটা। তার উপর দিয়া এক চওড়া পাথরের প্রাচীর গাথা—ইহারই উপর সুয়েজের রেল চলে। এইখানেই বিলাতী মেল জাহাজ হইতে এই রেলে দেওয়া হয়—ও সেই রেলযোগে সুয়েজ খালের ধার দিয়া সে ডাক এলেকজান্দ্রায় পৌঁছায়, সেখান হইতে আবার জাহাজে করিয়া বৃন্দিসি বন্দরে যায়, আবার রেলযোগে ও ষ্টীমারে ইটালী ফ্রান্স ও ইংলিশ চ্যানেল পার হইয়া বিলাতে পৌঁছায়। সে সাত সমুদ্র তের নদীর পথ। এত দূর হইতেও ইংরেজ আসিয়া,—ত্রিশ কোটী লোককে শাসন করেন। এর কারণ কি? কারণ আর কিছুই নহে, তাঁহাদের বুদ্ধির বল, সুব্যবস্থা, ও সতত উন্নতির চেষ্টা। আর আমাদের নিশ্চেষ্ট হয়ে নানারূপ সূক্ষ্ম বিচার ও পরচর্চায় মূল্যবান্ সময় কাটান।
{{ফাঁক}}জাহাজ নোঙ্গর করিলে অনেক মিশরবাসী নানারূপ দেশী ও বিদেশী দ্রব্যাদি লইয়া জাহাজে বেচিতে আসিল। তারা আমাদের দেশের লোকের অপেক্ষা অনেক ঢেঙা, অনেক বলিষ্ঠ ও ফরসা রং বিশিষ্ট। তাহারা ঢলঢলে ইজেরের উপরে পা অবধি লম্বা একটি আলখেল্লা পরে। তাতে বেশ সুসভ্য ও সুশ্রী দেখায়। মাথায় একটি রঙ্গিন কাপড়ের পাগড়ী। আরব দেশের লোকেরা এইরূপই পোষাক করে। আমাদের অপেক্ষাও গরম দেশ, কিন্তু তবুও লম্বা সুসভ্য পোষাক পরা তাহাদের দেশের বিধি। আমাদের বাঙ্গালা দেশের কি স্ত্রী কি পুরুষ সকলেরই নিত্যকার পোষাক সম্বন্ধে অনেক কথা শিখিতে আছে। তাহারা অতিশয় বলিষ্ঠ; জিনিষ পত্র হাতে লইয়াই নৌকার মাস্তুল বহিয়া জাহাজে উঠিতে<noinclude></noinclude>
jce183nqf2cx43ehespcykgxr0spd49
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৭
104
886760
2001640
2026-10-01T13:24:03Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001640
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||লোহিত সমুদ্র ও সুয়েজ বন্দর।|২৫}}</noinclude>লাগিল। তাহাদের মুখের ভাব কিন্তু একটুও মধুর নহে। যেন তাতে কুবাসনা ও দস্যুবৃত্তি সর্ব্বদাই জাগিয়া আছে। আরব দস্যুর কথা তো সকলেই জানেন, তাহারা বড়ই ভয়ানক; উটে চড়িয়া পথে পথে ধনলুণ্ঠন, দল সংগ্রহ ও নরহত্যা করে। মিশরের রাণী ক্লিউপেট্রার চরিত্র হইতেই যেমন দেখা যায়—তাদের হাব ভাব এই হিসাবে বড়ই হীন।
{{ফাঁক}}আরব ও মিশরে জিনিষ পত্র ইউরোপবাসীরা প্রবাস হইতে বাড়ী ফিরিবার কালে বড়ই আদর করিয়া কেনে। আসিয়া আফ্রিকা এই সকল দেশই ইউরোপের খুব নিকটবর্ত্তী। মিশরেই কিন্তু কথায় কথায় তাঁহারা শীতকালে পরিবর্ত্তনে আসেন। যত কিছু পুরাতত্ত্ব মিশর লইয়াই গঠিত। অন্যান্য সকল পুরাতন দেশের সঙ্গে তুলনায় তারাই সর্ব্বাপেক্ষা পুরাতন জাতি বলিয়া {{SIC|সাব্যস্থ|সাব্যস্ত}} হইয়াছে। সেই খানেই অতি বিস্ময়কর পিরামিড আছে ও অন্যান্য নানা প্রকার প্রত্নতত্ত্বের স্থান। সেই কারণেই মিশর ও মিশরদেশীয় যা কিছুর এত আদর। বাড়ী ফিরিবার কালে সবাই বৈঠকখানা সাজাইবার ও বন্ধু বান্ধবদের উপহার দিবার জন্য এখানকার জিনিষপত্র কিনেন। আমিও কিছু কিছু কিনিয়াছি; যখনই সেগুলি দেখি সেই স্থানের ও সেই দেশের কথা অহরহ মনে পড়ে। এই সকল দ্রব্যের কতকগুলির সংক্ষেপে বর্ণনা করিতেছি।
{{ফাঁক}}বলা বাহুল্য মিশর একটি বিখ্যাত তামাকপাতা ও সিগারেটের দেশ। সেই সকল বহু পরিমাণে এখান হইতে রপ্তানি হয়। ছোট ছোট বাক্স করিয়া সেই সকল সিগারেটও জাহাজে বেচিতে আনে। সে কৌটাগুলির অনেকগুলির সামনে নগ্ন স্ত্রীমূর্ত্তি আঁকা। ছেলে বুড়া সবাই বাছিয়া বাছিয়া সেই কোঁটাগুলিই কিনে।
{{ফাঁক}}আর একটি কিনিবার জিনিষ—কাঁচ ও পলাকাটি নির্ম্মিত গলার হার। সেগুলিতে বহু রকমের রং বিন্যস্ত আছে। গলায় পর বা হাতে জড়িয়ে রাখ, অতি সুন্দর দেখায়। দেখিলেই কিনিতে ইচ্ছা হয়। যত রমণীর<noinclude></noinclude>
0rupokm32uf5nl63wq4khly3p84qmla
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৮
104
886761
2001641
2026-10-01T13:27:09Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001641
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|২৬|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>সেই দিকে আকর্ষণ—সেই দিকেই সর্ব্বাপেক্ষা জনতা। অনেকে অসম্ভব দাম দিয়া লইলেন। আর যে সকল পুরুষের ঘরেও হার পরাবার লোক আছেন, তাহারাও অনেকগুলি কিনিলেন। প্রথম এক জনা যে দামে নেন শেষে সে দাম কমিয়া কমিয়া সিকি হইল।
{{ফাঁক}}সুন্দর সুন্দর কার্পেটও পাওয়া যায়। তাতে নানারূপ ভাল ভাল মিশর দেশ ও সমাজের ছবি লেখা। তার অধিকাংশেই সোফায় বসিয়া গৃহস্বামী ধূম পান বা চা পান করছেন,আর সামনে নর্তকী নৃত্য করিতেছে। আবার কতকগুলিতে উটের গোল হাওদায় চড়িয়া কোমলদেহা পরদানসীন রমণীরা স্থানান্তরে যাইতেছেন—আর তাঁহাদের স্বামী নিজে উট চালাইয়া পদব্রজে যাইতেছেন। মিশর দেশের প্রায় সকল চিত্রপটেই স্ত্রীলোক, উট ও তাল গাছের চিত্র থাকে।
{{ফাঁক}}ছবি আঁকা পোষ্টকার্ড বিক্রয় এখানে একটি প্রসিদ্ধ লাভের ব্যবসা। এখানকার প্রত্নতত্ত্ব সম্বন্ধে যত জিনিষ আছে সবেরই সুন্দর সুন্দর ছবি বিক্রয় হয়। মরুভূমিতে পিরামিড্, ফিন্কস্, ও ভাঙ্গা দেবমন্দির ও অট্টালিকার নানারূপ মূর্ত্তি খোদিত দেওয়ালের ছবি আঁকা। আমি তার অনেক ছবি সঙ্গে আনিয়াছি; বারান্তরে বলিব।
{{ফাঁক}}আর একটি কিনিবার জিনিষ—সে দেশের দস্তার পদক। সেগুলিতে নানারূপ জীবজন্তুর মাথা বিশিষ্ট নরমূর্ত্তি বিভিন্ন ভাবে খোদিত আছে। সেগুলি সব সেই দেশেরই দেবতা।
{{ফাঁক}}শেষ যেটি কিনিলাম, পূর্ব্বে কিনিয়াও আবার কিনিলাম—সে কতকগুলি ছোট ছোট ফুলের খাতা। প্যালেষ্টাইনের ফুল বলিয়া অনেক খৃষ্টানেরা আগ্রহের সহিত কিনেন। একজন ভারতবর্ষেরই পাদরী মেম বিস্তর কিনিয়া নানা লোককে উপহার পাঠাইলেন, আমিও অনেকগুলি কিনিলাম। ছোট ফুলের এমন সৌন্দর্য্য কোথাও দেখি নাই। খাতাখানি এত ছোট যে বুকের পকেটে রাখা চলে। আর খুলিয়া দেখিলেই মোটা<noinclude></noinclude>
s45nzu5il06kcbeu140u7vqz622du4e
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৩৯
104
886762
2001642
2026-10-01T13:28:55Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001642
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||লোহিত সমুদ্র ও সুয়েজ বন্দর।|২৭}}</noinclude>পাতে আলো করা পুণ্যভূমির সেই ফুলগুলি দেখা যায়। পাতলা পাতা দিয়া চাপা। কি দিয়া যে ফুলের মত এত সুন্দর এত নশ্বর জিনিষকে এমন করিয়া ঠিক রাখিয়াছে, তাহা জানি না। মনুষ্য দেহ তো এমন করিয়া রাখা যায় না। কিন্তু এ ফুলগুলি এমন সুরক্ষিত যে, এক বৎসর পরে এখনও খুলিলে যেন সদ্য তাজা মনে হয়—ও ফুলপ্রিয় একজনের মধুর স্মৃতি মনে জাগাইয়া প্রাণ আনন্দে মাতাইয়া তুলে।
{{dhr|3em}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
45sdk1mwttnaayoukavmt19x5s6ojde
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪০
104
886763
2001643
2026-10-01T13:32:53Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001643
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}}
{{কেন্দ্র|{{larger|সুয়েজের খাল।}}}}
{{ফাঁক}}সন্ধ্যার সময় আমরা সুয়েজখালে ঢুকিলাম। তখন অন্ধকার হইয়াছে—তাই কেবল ক্ষীণ দীপালোকে আলোকিত চতুর্দ্দিকের দৃশ্য অস্পষ্ট ভাবে দেখা গেলমাত্র; ভাল করিয়া তেমন বুঝা গেল না।
{{ফাঁক}}জাহাজ দিনরাতই চলে, তবে সুয়েজখালে অতি আস্তে আস্তে গিয়া থাকে, তার কারণ অপ্রশস্ত খালের দুই ধারই বালুময়। জোরে জাহাজ চালাইলে জলের বেশী আন্দোলনে দুই ধারের বালু পাছে ঝরিয়া যায়, এই আশঙ্কা। খালটি স্থানে স্থানে অতি অপ্রশস্ত ও অনতিগভীর। অনেক স্থানে এমন কি দুটি জাহাজ পাশাপাশি যাইতে পারে না। বড় জাহাজ বা চওড়া জাহাজ যে অনেক জল ভাঙ্গে সে সব জাহাজও এখান দিয়া আসিতে পারে না। তাই রুষ-জাপান যুদ্ধে এডমিরাল রুডোভিনস্কির জাহাজ “কেপ্ অব্ গুড্হোপ” ঘুরাইয়া আনিতে হইল। মাঝে মাঝে কতক বিস্তীর্ণ লোণা জলের হ্রদ আছে, খাল সেইগুলির সহিতই সংযুক্ত। একটি জাহাজ সেইখানে দাঁড়াইলে, অপরটি পাশ কাটাইয়া যায়। খালেও অপর এমন সকল স্থান আছে যেখানে পাশাপাশি যাইতে পারে। এখন অল্প অল্প করিয়া কাটিয়া খাল চওড়া করা হইতেছে।
{{ফাঁক}}খালটি ১০০ মাইল লম্বা, তবে জাহাজ অত আস্তে যায় বলিয়া পার হইতে প্রায় দুইদিন লাগে। অল্প গভীর ও অল্প প্রশস্ত এই খালে জাহাজ ঢুকিলেই জলগুলি উপচাইয়া ধারের বালুর উপর উঠিয়া ফেনাইতে ফেনাইতে বাণডাকার মত ছুটে; তাতেই দেখা যায়— অনেক বালু ঝরিয়া পড়িতেছে, তাই এখন {{SIC|ধরেে|ধারে}} ধারে ইটের ছোট প্রাচীরে বাঁধান হইতেছে। লোকজন খাল পরিষ্কার রাখিবার জন্য অনবরত মজুত আছে। তারা সব<noinclude></noinclude>
rs428xvxv4nh2z0h9d1m7s8m4lyp640
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪১
104
886764
2001644
2026-10-01T13:39:24Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001644
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||সুয়েজের খাল।|২৯}}</noinclude>সেই দেশেরই লোক—কাল যণ্ডা ও নীল আলখাল্লা পরা। উটের পিঠে করিয়া কাটা বালি বোঝাই করিয়া দূরে ফেলিতেছে।
{{ফাঁক}}এস্থানে এমন মরুভূমির স্থান যে, দুইধারে বালুময় মাঠ বই আর কিছুই দেখা যায় না। অনেক স্থানেই গাছপালার চিহ্নও নাই। এমন কি একটু শেওলা বা পানা বা ঘাসও দেখা যায় না। তবে আজকাল একরূপ অনেক শিকড়বিশিষ্ট লতান গাছ রোপণ করা হইতেছে। সে গাছগুলি পুরীর সমুদ্রধারের বালুময় স্থানগুলিতে বালু উড়া বন্ধ করিবার জন্য বিস্তর দেওয়া আছে—দেখা যায়। “কনভলভুলস্” শ্রেণীর গাছ। এক স্থান হইতে অল্পদিনেই চারিদিকে লতাইয়া জমিতে ঘন ঘন শিকড় চালায়—ও যত শুক্না জমি হউক না কেন তা হইতে রস শুষিয়া জীবন ধারণ করে। অতি অল্প দিনেই চারিদিকে ছড়াইয়া পড়াতে—ও অনেক স্থানে শিকড় আছে বলিয়া—এক স্থান মরিলেই অপর স্থান মরে না। আর প্রতি শিকড়গুলি অনেকগুলি বালুকে একত্র করিয়া রাখে, তাই বালিও ভাঙ্গে না। এইরূপ নানা সুবিধার জন্য এই গাছই এরূপ স্থানে এত উপকারী। যেমন ধান গম আমাদের খাদ্য জোগায় ও বাঁশ খড় শাল সেগুন আমাদের ঘর বাঁধিয়া দেয়, এবং কার্পাস শিমুল আমাদের বস্ত্র আনে,তেমনি এই সকল গাছও স্থান বিশেষে এত কাজে লাগে। সকল জিনিষেরই এমনি উপকারিতা আছে, বিজ্ঞানের সাহায্যে মানববুদ্ধি সেইগুলিকে অনুসন্ধান করিয়া নিজের কাজে লাগাইতেছে। যে এইরূপে প্রকৃতির বিভিন্ন দ্রব্যগুলিকে ও শক্তি সমূহকে বুদ্ধিবলে আপন কাজে লাগাইতে পারে সেই জয়ী—সেই কৃতকার্য্য—সেই রাজা।
{{ফাঁক}}অমন স্থানে কিনারায় থাকিবার তো জায়গা নাই; তাই জলের উপরেই একরূপ দোতালা বাড়ীর মত বোট আছে, সেইখানে কর্ম্মচারীরা থাকে। তবে মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর ইষ্টিসনও দেখা যায়। জলের ধারেই নূতন বাংলা গাঁথা। সেগুলি অতি সুন্দর স্থান। ভীষণ স্থানের<noinclude></noinclude>
2bcdm5g8nzxd8kcxoegcwht1vvkmcbu
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪২
104
886765
2001645
2026-10-01T13:41:34Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001645
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩০|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>পাশে থাকিয়া আরও সুন্দর হইয়াছে। সেখানে অনেক গাছ পালা দেখা যায়। ওদিককার প্রসিদ্ধ ঘন পাতাযুক্ত খেজুর গাছ তো আছেই তা ছাড়া বিস্তর ফুল গাছও দেখা যায়। কর্ম্মচারীরা অতি যত্ন করিয়া টবে করিয়া সেগুলিকে রক্ষা করে। অনেকগুলিতে ফুল ফুটা ছিল—দেখে চোখ জুড়াল। লোক অতি কম—তবে অনেকগুলি সে দেশীয় ছেলেদের খেলা করিতে দেখিলাম। অন্য দেশের ছেলের মত তারাও মরুভূমির মাঝে নেচে হেসে খেলা করচে। আবরু প্রথা সকল মুসলমান দেশেই এত প্রচলিত বলিয়া, এ সকল স্থানে স্ত্রীলোক বড় একটা দেখা যায় না, তাই এ সকল স্থান আরও ভীষণ মরুভূমি বলিয়া মনে হয়। তবে একটি স্থানে দুটি আরব রমণী দেখিলাম। তার মধ্যে একজন অর্দ্ধাবগুণ্ঠিতা, আর এক স্থানে একটি অতি সুন্দর দৃশ্য দেখিলাম—ফরসা ইউরোপীয় রং বিশিষ্ট ও আরবের মুখশ্রী লইয়া একটি শিশু তীরে দাঁড়াইয়া ছিল। দুটি জাতির মাধুর্য্যের একত্র সমাবেশ—কি সুন্দর হইয়াছে—এইরূপ সুন্দর দৃশ্য আমি চীনেও দেখিয়াছি। সমাজের কঠিন নিয়ম তুচ্ছ করিয়া এ মরুভূমেও মানবপ্রকৃতি আপনার আধিপত্য দেখাইয়াছে।
{{ফাঁক}}এই সকল দেশ একরূপ ভোজবাজীর দেশ, চারি পাশে মরুভূমির বালুর উপর সব ছায়া দেখা যায়। যেন জলেরই প্রতিবিম্ব। একেই মিরাজ বা “মরীচিকা” বলে। মরুভূমির তপ্ত বালুর উপরকার বালুস্তর বিভিন্ন রূপে উত্তপ্ত হইয়া এইরূপ ছবি দেখায়। ইহাই “মৃগতৃষ্ণা”, এইরূপ প্রতিবিম্বকেই জল হইতে প্রতিবিম্ব মনে করিয়া শুষ্ককণ্ঠ মৃগ চারিদিনে জলপান আশায় ছুটে। প্রতি দিনকার মানব হৃদয়েরই অতৃপ্ত বাসনার সঙ্গে তার অনেক সৌসাদৃশ্য আছে।
{{ফাঁক}}উটগুলি এই মরুভূমিরই জন্তু; এই মরুভূমিতে থাকিবার উপযুক্ত করিয়াই তারা সৃষ্ট হইয়াছে। তপ্ত বালুর উপর বেড়াইবার জন্য পায়ের তলাগুলি চেপ্টা ও নরম। সে স্থানের হাওয়া উত্তপ্ত বালুকণামিশ্রিত<noinclude></noinclude>
2lm8pjeqifjrs18gvqfh2dsh10e1vjz
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৩
104
886766
2001646
2026-10-01T13:45:19Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001646
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||সুয়েজের খাল।|৩১}}</noinclude>বলিয়া—তাদের চোখ নাক ও কানের জন্য চামড়ার আবরণ আছে, টানিয়া দিয়া বন্ধ করা যায়। দাঁতগুলি মরুভূমির দগ্ধ শুক্না ও শক্ত ঘাস উপড়াইয়া খাইবার অনুরূপ। নীচে পাটীর সামনের চেপ্টা দাঁতের উপর—শক্ত মাড়ীর স্তর। পিটে উচু কুব্জের মত থাকে—সেগুলি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষদ্বারা গঠিত। অনেক দিন মরুভূমে খাদ্য ও জলহীন হইয়া থাকিতে হয় বলিয়া এই সকলের ভিতর উট জল পান করিয়া ও আহার করিয়া জল ও খাদ্য রস ভরিয়া রাখে। এই গুলি হইতে সার রস শোষণ করিয়া বহুদিন ধরিয়া উপবাসী উট মরুভূমে বাঁচিয়া থাকে। বীজের ভিতর যেমন শস্য ভ্রুণের আহার্য্য থাকে এ সকল জীবও আহার সঙ্গে রাখিয়াই বাঁচিয়া থাকে।
{{ফাঁক}}বোঝাই লইবার কালে উট আপনিই বসে, ও বাঁশি বাজাইলে চলিয়া যায়। এ সকল দেশে উষ্ট্রই গৃহ পালিত পশু। আমাদের দেশের গরুর মত কত উপকারে লাগে। মোট বয়, দুধ দেয়, ও শরীরের মাংস দিয়া আরব দেশের লোককে খাওয়ায়। তার আর একটী আদরের নাম “Ship of the desert” অর্থাৎ মরুভূমির জাহাজ। দলে দলে সুশিক্ষিত এই সকল উট ইঙ্গিতে মানবের হিতকর এই সকল কার্য্য করিতেছে দেখিলে এক অপূর্ব্ব ভাব মনে আসে।
{{ফাঁক}}এ ছাড়া কতকগুলি মিউল বা অশ্বতরও দেখিলাম। সেগুলি গাধা ও ঘোড়ায় দো-আসলা জাতি। খর্ব্বাকৃতি কিন্তু বড়ই কষ্টসহিষ্ণু। দো-আসলা জাতির এই গুণ চিরপ্রসিদ্ধ। তাহারা মরিয়াও মরে না—অতি হীন অবস্থায় জীবন রক্ষা করিতে পারে। যে দুইটী জাতি মিশ্রিত হইয়া তাহারা হইয়াছে সেই দুটি জাতিরই কষ্ট সহিবার ক্ষমতা লইয়া জন্মায়। তাই তারা এত কর্ম্মঠ। তাই প্রকারান্তরে পশুপালকেরা পশুর শক্তি ও ক্ষমতা জন্মাইবার জন্য এইরূপ নিয়মের সময়ে সময়ে সাহায্য লয়। অশ্বতরেও বিশেষ উপকারিতা এই কারণে এরূপ পশুর দোষ এই যে ইহারা ফলবান হয় না—অর্থাৎ ইহাদের বংশরক্ষা করিবার ক্ষমতা নাই।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
tnsmcnixh8xjj7yzu6rfq7g06khb3fk
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৪
104
886767
2001647
2026-10-01T13:48:42Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001647
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩২|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}এ ছাড়া আরব দেশে সুন্দর সুন্দর ঘোড়া আছে—সে ঘোড়া পৃথিবীর সকল স্থানে আদরণীয়। তাহারই সঙ্গে দো-আসলা করিয়া পৃথিবীর অনেক শ্রেণীর ভাল ভাল ঘোড়া হইয়াছে। আরব ঘোড়া কত বুদ্ধিমান্ কত প্রভুভক্ত। তার অনেক দৃষ্টান্ত সকলেই জানেন। প্রভুর কাজে তারা মরিতেও কুণ্ঠিত হয় না।
{{ফাঁক}}এই জায়গায় এক স্থানে একটি আরবদেশের ফকিরকে দেখিয়াছিলাম। তাদের “সুফী” বলে। তারা অনেকটা আমাদের দেশের সাধুদেরই মত। বেদান্তের মত মত ও খিষ্টিকদের মত ধর্ম্ম বিশ্বাস। আসন-পিড়িতে বসিয়া ধ্যান করে। তাদের কথা বারান্তরে বলিব।
{{ফাঁক}}গেল বারের আরব দস্যুর ছবিতে যে দস্যুদের প্রতিমূর্ত্তি দেখান হইয়াছে তারা সব “বুডিন” জাতীয় আরব। দস্যুবৃত্তিই তাদের অধিকাংশ লোকের পেশা। ইহারা আরবের সেনা স্থানে থাকিয়া কঠিন পরিশ্রম করে বলিয়া ইহাদের শরীর বড়ই পটু ও মাংসপেশী শক্ত ও দৃঢ়। মুসলমান ধর্ম্মের সংস্থাপক মহম্মদ এই জাতীয় ধাত্রীর হাতেই লালিত পালিত হন। তাঁহার মাতা ছেলেকে সবল ও সুস্থ করিবার জন্য তখনকার প্রথা অনুসারে বুডিন জাতীয়া এক ধাত্রীর হাতে তাহার লালন পালন ভার দিয়াছিলেন। পাঁচ বৎসর পরে যখন ধাত্রী ছেলেকে ফিরাইয়া দিতে আসিল মা ছোট ছেলের দৃঢ় গঠন দেখিয়া তাহাকে আরও দৃঢ় করিবার মানসে ধাত্রীকে ছেলে ফিরাইয়া পূর্ব্বস্থানে লইয়া যাইতে বলিলেন। এমন মা ও এমন ধাত্রী ছিল বলিয়াই মহম্মদ এমন কর্ম্মবীর হইয়াছিলেন। এই বুড়িন জাতীয় আরবেরা অতি সুপুরুষ ও বন্দরে ও এই সকল স্থানে অনেক দেখা যায়।
{{ফাঁক}}এই খালের এক প্রান্তে যেমন সুয়েজ—তেমনি অপর প্রান্তে “সৈয়েদ্” বন্দর বর্ত্তমান; আর এ দুইয়ের মাঝে অর্থাৎ কেনালের অর্দ্ধ পথে ইসলামিয়া সহর অবস্থিত। এ স্থানটি ছোট ও দেখিতে যেন ছবির মত,<noinclude></noinclude>
t8wgncvs1wymtqoka6h4mwmmf8ns37k
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৫
104
886768
2001648
2026-10-01T14:03:13Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001648
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||সুয়েজের খাল।|৩৩}}</noinclude>একটি লোনা হ্রদের উপর প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে এমন কদর্য্য স্থান আর ছিল না। ম্যালেরিয়া প্রভৃতি কীটাণুজ রোগের এত প্রাদুর্ভাব ছিল যে ইউরোপবাসী যে এখানে আসিত সেই মরিত। অথচ স্থানটি ব্যবসা বাণিজ্যের পক্ষে বড়ই সুবিধাজনক। কোনওরূপে দাঁড় করান চাই। এইরূপ স্বার্থের চেষ্টায় প্রণোদিত হইয়া কতরূপ পরীক্ষাই চলিতে লাগিল। এই সময়েই “রসেব” (Mosquito malaria theory) মশাও ম্যালেরিয়া রোগের সহিত যে ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ আছে সেই আবিষ্কার প্রচার হয়। মশা কামড়েই এক রোগী হইতে অপর রোগীতে ম্যালেরিয়া রোগ যায়। অতএব মশা হনন করিলেই সে রোগ থামিবে। এখন মশা মারা তো সোজা নয়। কি করে মশাকে নির্ব্বংশ করা যায়, এই অনুসন্ধান করিতে করিতে জানা গেল যে মশার বীজ প্রথমে জলে থাকে তাই জল জমা বন্ধ করিয়া ও জলের উপর কেরাসীন্ তেল ঢালিয়া আগুন দিয়া মশার বীজ মারাতে এখন ম্যালেরিয়া এখানে অনেক কমিয়াছে। এমন মারীভয় ছিল বলিয়া সেখানে কেহ যাইতে চাহিত না। জমির দাম ছিল না। কতক স্বাস্থ্যকর হওয়াতে এখন তাহার কত দাম বাড়িয়াছে।
{{ফাঁক}}বুদ্ধি বলে মানুষ কিনা করিতে পারে? সেই বুদ্ধির সাহায্যে ক্ষুদ্র মানব প্রকৃতির বিশাল রাজ্যে দিন দিন কিরূপ ক্ষমতা বিস্তার করিতেছে। সাগর বাঁধিয়াছে, পাহাড় কাটিয়া সুরঙ্গ করিয়া পথ করিয়াছে, জলস্রোত হাওয়া তার ভৃত্যের মত কাজ করে, আর স্বয়ং অগ্নি কল চালাইয়া তাকে সাহায্য করে; এমন ব্রহ্মাণ্ড প্রসারী মহতী মানববুদ্ধিকে আমি শতবার নমস্কার করি।
{{dhr|3em}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
twgg3wmf5j8v4pji1uqx25fnabbsmzs
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৬
104
886769
2001649
2026-10-01T14:07:08Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001649
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}}
{{কেন্দ্র|{{larger|সৈয়দ বন্দর।}}}}
{{ফাঁক}}দুই দিন ক্রমাগত যাওয়ার পর তৃতীয় দিন সন্ধ্যাবেলা সৈয়দবন্দর দেখা গেল। আরবের মরুভূমির একপ্রান্তে ভূমধ্যস্থসাগর ও সুয়েজ খালের সঙ্গম স্থলে সেই ছোট নূতন বন্দরটি অবস্থিত। খোলা স্থান ও মরুভূমির দেশ কিনা, তাই বহুদূর হইতে দূরের জিনিষ দেখা যায়। বন্দরের নূতন উচু উচু বাড়ীগুলি ও সব কল কারখানা, আকাশে চূড়া তুলিয়া পাশাপাশি দাঁড়াইয়া আছে। বন্দরে অসংখ্য নানাজাতীয় জাহাজের ভিড়। উচ্চ আলোকস্তম্ভ হইতে একটি প্রখর আলো চারিদিক জুড়িয়া সব জাহাজগুলিকে পর্য্যবেক্ষণ করিতেছে।
{{ফাঁক}}প্রবেশ করিয়াই বড় বড় থাম ও গম্বুজযুক্ত কষ্টম হাউসের বাড়ীটি প্রথমেই দেখা গেল। ইউরোপ ও এসিয়ার মধ্যে এই স্থানটিই এখন সঙ্গম স্থল হইয়াছে বলিয়া এখানে সকল বিষয়েই কড়াকড়ি। তার উপর আবার এস্থলে নানাজাতীয় লোকের একত্র বাস ও ক্ষমতা বিস্তর। ফরাসী জাতিরাই প্রথমে সুয়েজ খাল কাটেন ও এই বন্দরটি নির্ম্মাণ করেন। কিন্তু এটি তুর্কীর সুলতানের এলাকাভুক্ত। আবার উভয়ের ক্ষমতাকে অতিক্রম করিয়া ইংরেজই এখানে প্রবল। অনেক গ্রীক ও ইতালী দেশের লোক এখানে ব্যবসা বাণিজ্য করে। তবে মিশর দেশের অধিবাসীরাই অধিকাংশ কর্ম্মচারীর কাজ করে। বলা বাহুল্য, সকল বিষয়েই তত্ত্বাবধানের ভার ইংরেজেরই হাতে ন্যস্ত।
{{ফাঁক}}জাহাজ নঙ্গর করিবামাত্রই ডাক আসে ও টাকা ভাঙ্গাইবার ও জিনিষ পত্র বেচিবার জন্য লোক আসে। ভিন্ন ভিন্ন এজেণ্ট আফিসের দালালেরা আসিয়া যাত্রীদের উঠানাবা কার্য্যে সাহায্য করিতে সচেষ্ট হইয়া ঘুরে। দোকানদারদের ও হোটেলের লোকেরা কার্ড দিয়া দিয়া একবার যাইয়া<noinclude></noinclude>
ou8x72an18txneyd8t01uaa2q3pvcw9
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৭
104
886770
2001650
2026-10-01T14:10:50Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001650
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||সৈয়দ বন্দর।|৩৫}}</noinclude>তাদের দোকানপশার দেখিতে অনুনয় করে। তাহারা যে কত রকমের ভাষা জানে, তার অন্ত নাই। একজনের সঙ্গে ফরাসী ভাষায় কথা কহিয়াই অপর একজনের সঙ্গে তুর্কীতে কথা কহিল। অধিকাংশ লোকই ইংরেজী বুঝে, যদিও পূর্ব্বোক্ত দুইটি ভাষাই বেশী প্রচলিত। তাহাদের অনেকে হিন্দিও জানে। আমাদের কালো মুর্ত্তি দেখিয়া দেশ চিনিয়া বলে,—“কই জাগ্যা দেখনেকো যাইয়ে গা।” এ কথাটির মানে অনেক। সব শুনিয়া কাজ নাই। খবরের কাগজ ওয়ালারাও কাগজ বেচিতে আসে।
{{ফাঁক}}সে দেশের বিশেষ কিনিবার দ্রব্যসামগ্রীগুলি সব সুয়েজেরই মত। সেই মিশরের প্রত্নতত্ত্বের ছাপাবিশিষ্ট পোষ্টকার্ড, সুগন্ধ মধুর সিগারেট, বস্ত্রবক্ষে ছবি আঁকা কার্পেট্, কাঁচ ও প্রবালের হাড়, মিশরের জন্তুদেহবিশিষ্ট দেবমূর্ত্তির পদক, আর সেই ছোট ছোট ফুলের খাতা। সেগুলি এমন মনোহর যে ইচ্ছা হ’ল সিন্দুকে ভরিয়া লইয়া গিয়া দেশে আপনার লোকদের দিই। আবার কিনিলাম, আর বহুক্ষণ হাতে করিয়া তার সুন্দর রঙ্গবেরঙ্গের উজ্জ্বল রেখাগুলি অনিমেষে দেখিতে লাগিলাম। ফুলের স্বভাবজাত সুগন্ধ তখনও তাতে ভরা।
{{ফাঁক}}প্রতি বন্দরে বন্দরে লোক বা মালপত্র নামাইবার আগে বন্দরের ডাক্তার আসিয়া লোকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। তখন নাম অনুসারে সবাইকে সার দিয়া দাঁড়াইতে হয়; আর তিনি দেখিয়া যান। জাহাজের উপর এ সব নিয়ম ঠিক যুদ্ধক্ষেত্রেরই মত কড়া। প্লেগ প্রভৃতি রোগ এক দেশ হইতে পাছে অন্য দেশে কেহ লইয়া যায়, এই আশঙ্কায় এত কড়া ব্যবস্থা। আর অত লোকের একত্র পরীক্ষার এতটা সুনিয়ম থাকায় এত অল্প সময়ের মধ্যে এত কাজ সমাধা হয়। ইহা দেখিলে, সুনিয়ম ও সুব্যবস্থার, কার্য্যের অল্পকালের মধ্যে সম্পাদন ও সিদ্ধি সম্বন্ধে কত যে প্রয়োজনীয়তা তা বুঝা যায়। ইউরোপের সকল জাতির ভিতর এইরূপ সুব্যবস্থা আছে; আমাদেরই নাই তাই আমরা অব্যবস্থিত ও হীনবল।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
3gvfuh5m4j154hcidynwbsh4xryp5on
বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ)/কলম্বো
0
886771
2001652
2026-10-01T15:18:09Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=16 to=25 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001652
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=16 to=25 header=1/>
fjx15ghgs5dccclj2dgy4whocugk3ik
বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ)/এডেন্ বন্দর
0
886772
2001653
2026-10-01T15:18:38Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=26 to=32 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001653
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=26 to=32 header=1/>
7l1a3s2k38vrauqjqxghtttkvaw1jv2
বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ)/লোহিত সমুদ্র ও সুয়েজ বন্দর
0
886773
2001654
2026-10-01T15:19:08Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=33 to=39 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001654
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=33 to=39 header=1/>
8yt838mjn9yn44q31w47c4y0lbdnpe7
বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ)/সুয়েজের খাল
0
886774
2001655
2026-10-01T15:19:35Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=40 to=45 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001655
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=40 to=45 header=1/>
bqa8uxdld7lvldcvirysbqv3xgxpikw
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/৫
104
886775
2001658
2026-10-01T15:25:10Z
Bodhisattwa
2549
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001658
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|{{x-larger|'''সূচীপত্র'''}}}}
{{block center|width=400px|
{{dtpl|১|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/সমুখে শান্তিপারাবার|সমুখে শান্তিপারাবার]]||dottext=}}
{{dtpl|২|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/রাহুর মতন মৃত্যু|রাহুর মতন মৃত্যু]]||dottext=}}
{{dtpl|৩|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/ওরে পাখি|ওরে পাখি]]||dottext=}}
{{dtpl|৪|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/রৌদ্রতাপ ঝাঁঝা করে|রৌদ্রতাপ ঝাঁঝা করে]]||dottext=}}
{{dtpl|৫|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/আরো একবার যদি পারি|আরো একবার যদি পারি]]||dottext=}}
{{dtpl|৬|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/ঐ মহামানব আসে|ঐ মহামানব আসে]]||dottext=}}
{{dtpl|৭|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/জীবন পবিত্র জানি|জীবন পবিত্র জানি]]||dottext=}}
{{dtpl|৮|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/বিবাহের পঞ্চম বরষে|বিবাহের পঞ্চম বরষে]]||dottext=}}
{{dtpl|৯|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/বাণীর মুরতি গড়ি|বাণীর মুরতি গড়ি]]||dottext=}}
{{dtpl|১০|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/আমার এ জন্মদিন-মাঝে আমি হারা|আমার এ জন্মদিন-মাঝে আমি হারা]]||dottext=}}
{{dtpl|১১|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/রূপ-নারানের কূলে|রূপ-নারানের কূলে]]||dottext=}}
{{dtpl|১২|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/তব জন্মদিবসের দানের উৎসবে|তব জন্মদিবসের দানের উৎসবে]]||dottext=}}
{{dtpl|১৩|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/প্রথম দিনের সূর্য|প্রথম দিনের সূর্য]]||dottext=}}
{{dtpl|১৪|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে|দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে]]||dottext=}}
{{dtpl|১৫|[[শেষ লেখা (১৯৪২)/তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’|তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’]]||dottext=}}
}}<noinclude></noinclude>
0ljp81g6kw55ohy36ai2vu6x21ymf6m
শেষ লেখা (১৯৪২)/সমুখে শান্তিপারাবার
0
886776
2001660
2026-10-01T15:26:09Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=11 to=11 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001660
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=11 to=11 header=1/>
aig20p8fx05b6yj7zj2goa2plmbfmrn
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৬
104
886777
2001661
2026-10-01T15:26:26Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001661
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude>শেষ লেখা
উদয়ন
8
<poem>রৌদ্রতাপ ঝাঁঝা করে
জনহীন বেলা দু-পহরে।
শূন্য চৌকির পানে চাহি
সেথায় সান্ত্বনা-লেশ নাহি।
বুক ভরা তার
হতাশের ভাষা যেন করে হাহাকার।
শূন্যতার বাণী ওঠে করুণায় ভরা
মর্ম তার নাহি যায় ধরা।
কুকুর মনিবহারা যেমন করুণ চোখে চায়
অবুঝ মনের ব্যথা করে হায় হায়,
কী হোলো যে কেন হোলো কিছু নাহি বোঝে,
দিনরাত ব্যর্থ চোখে চারিদিকে খোঁজে।
চৌকির ভাষা যেন আরো বেশি করুণ কাতর
শূন্যতার মূক ব্যথা ব্যাপ্ত করে প্রিয়হীন ঘর॥</poem>
২৬ মার্চ, ১৯৪১
বিকাল<noinclude></noinclude>
i2dmn23g9lfob45qdlueplu07wtyt6g
2001672
2001661
2026-10-01T15:38:39Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001672
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৪}}
{{Block center|<poem>
রৌদ্রতাপ ঝাঁঝা করে
জনহীন বেলা দু-পহরে।
শূন্য চৌকির পানে চাহি
সেথায় সান্ত্বনা-লেশ নাহি।
বুক ভরা তার
হতাশের ভাষা যেন করে হাহাকার।
শূন্যতার বাণী ওঠে করুণায় ভরা
মর্ম তার নাহি যায় ধরা।
কুকুর মনিবহারা যেমন করুণ চোখে চায়
অবুঝ মনের ব্যথা করে হায় হায়,
কী হোলো যে কেন হোলো কিছু নাহি বোঝে,
দিনরাত ব্যর্থ চোখে চারিদিকে খোঁজে।
চৌকির ভাষা যেন আরো বেশি করুণ কাতর
শূন্যতার মূক ব্যথা ব্যাপ্ত করে প্রিয়হীন ঘর॥</poem>}}
{{dhr|3em}}
{{Block left|উদয়ন
২৬ মার্চ, ১৯৪১
বিকাল}}<noinclude>{{c|৬}}</noinclude>
dpbd408frqvzcl6k7dakbh1xyg175a9
2001673
2001672
2026-10-01T15:39:15Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
2001673
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৪}}
{{Block center|<poem>
রৌদ্রতাপ ঝাঁঝা করে
জনহীন বেলা দু-পহরে।
শূন্য চৌকির পানে চাহি
সেথায় সান্ত্বনা-লেশ নাহি।
বুক ভরা তার
হতাশের ভাষা যেন করে হাহাকার।
শূন্যতার বাণী ওঠে করুণায় ভরা
মর্ম তার নাহি যায় ধরা।
কুকুর মনিবহারা যেমন করুণ চোখে চায়
অবুঝ মনের ব্যথা করে হায় হায়,
কী হোলো যে কেন হোলো কিছু নাহি বোঝে,
দিনরাত ব্যর্থ চোখে চারিদিকে খোঁজে।
চৌকির ভাষা যেন আরো বেশি করুণ কাতর
শূন্যতার মূক ব্যথা ব্যাপ্ত করে প্রিয়হীন ঘর॥</poem>}}
{{dhr}}
{{Block left|উদয়ন
২৬ মার্চ, ১৯৪১
বিকাল}}<noinclude>{{c|৬}}</noinclude>
iau1oqj4yk3epwhzx1ct5cxkxhnrfdi
শেষ লেখা (১৯৪২)/রাহুর মতন মৃত্যু
0
886778
2001662
2026-10-01T15:26:46Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=12 to=13 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001662
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=12 to=13 header=1/>
e808fmurpzv6yhidqg4nzmfiz5gmwmx
শেষ লেখা (১৯৪২)/ওরে পাখি
0
886779
2001663
2026-10-01T15:27:32Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=14 to=15 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001663
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=14 to=15 header=1/>
a3y0s8ci9elxtapxumz10auxsb6cp06
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৭
104
886780
2001664
2026-10-01T15:28:09Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001664
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude><poem>আরো একবার যদি পারি
খুঁজে দেব সে-আসনখানি
যার কোলে রয়েছে বিছানো
বিদেশের আদরের বাণী।
অতীতের পালানো স্বপন
আবার করিবে সেথা ভিড়,
অম্ফ ট গুঞ্জন স্বরে
আরবার রচি দিবে নীড়।
সুখস্মৃতি ডেকে ডেকে এনে
জাগরণ করিবে মধুর,
যে-বাঁশি নীরব হয়ে গেছে
ফিরায়ে আনিবে তার সুর।
বাতায়নে র'বে বাহু মেলি
বসন্তের সৌরভের পথে
মহা নিঃশব্দের পদধ্বনি
শোনা যাবে নিশীথ জগতে।</poem>
শেষ লেখা<noinclude></noinclude>
7en7wjs8ni1hofwroncdynhqo57x98f
2001674
2001664
2026-10-01T15:49:09Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001674
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৫}}
{{block center/s}}<poem>
আরো একবার যদি পারি
খুঁজে দেব সে-আসনখানি
যার কোলে রয়েছে বিছানো
বিদেশের আদরের বাণী।
অতীতের পালানো স্বপন
আবার করিবে সেথা ভিড়,
অস্ফুট গুঞ্জন স্বরে
আরবার রচি দিবে নীড়।
সুখস্মৃতি ডেকে ডেকে এনে
জাগরণ করিবে মধুর,
যে-বাঁশি নীরব হয়ে গেছে
ফিরায়ে আনিবে তার সুর।
বাতায়নে র’বে বাহু মেলি’
বসন্তের সৌরভের পথে
মহা নিঃশব্দের পদধ্বনি
শোনা যাবে নিশীথ জগতে।</poem><noinclude>{{block center/e}}{{c|৭}}</noinclude>
lusu5l0e8pghox210mhk0jl83v8ljql
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৮
104
886781
2001666
2026-10-01T15:28:53Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001666
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude>শেষ লেখা
<poem>বিদেশের ভালোবাসা দিয়ে
যে-প্রেয়সী পেতেছে আসন
চিরদিন রাখিবে বাঁধিয়া
কানে কানে তাহারি ভাষণ।
ভাষা যার জানা ছিল নাকো
আঁখি যার কয়েছিল কথা
জাগায়ে রাখিবে চিরদিন
সকরুণ তাহারি বারতা।</poem>
উদয়ন
৬ এপ্রিল, ১৯৪১
দুপুর<noinclude></noinclude>
1sfkqy8li1yorjdn34beiu7rlxxt6m4
2001677
2001666
2026-10-01T16:03:17Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001677
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
বিদেশের ভালোবাসা দিয়ে
যে-প্রেয়সী পেতেছে আসন
চিরদিন রাখিবে বাঁধিয়া
কানে কানে তাহারি ভাষণ।
ভাষা যার জানা ছিল নাকো
আঁখি যার কয়েছিল কথা
জাগায়ে রাখিবে চিরদিন
সকরুণ তাহারি বারতা॥</poem>
{{block center/e}}
{{dhr}}
{{Block left|উদয়ন
৬ এপ্রিল, ১৯৪১
দুপুর}}<noinclude>{{c|৮}}</noinclude>
g98afqg60r9yphig8kn3lmi5hk5iwsu
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৮
104
886782
2001667
2026-10-01T15:29:21Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001667
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৩৬|বিলাত ভ্রমণ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}মিশরের একজন গণৎকার আসিয়া লোকের ভাগ্য গণনা করিল। সবাই তাহাকে হাত দেখাইবার জন্য ব্যস্ত; তার অধিকাংশই অল্পবয়সী রমণী। কতক্ষণ পরে হাসিতে হাসিতে এক সুহাসিনী তাঁর হাত বাড়াইলেন। গণক বলিল,—“বাঁ হাত দেখাও।”—“আমাকে কেহ কি ভালবাসে”? এই কথার উত্তরে গণক বলিল,—‘অন্ততঃ ছয় জন তোমার প্রণয়ার্থী।’ তিনি তাহাকে একটি শিলিং দিলেন। আর এক যুবা সওদাগর হাত দেখাইলে গণক বলিল—“তোমার মালপত্র সব অগ্নিতে ভস্মসাৎ হইবে।” তিনি তাহাকে কিছুই দিলেন না। আর একজন ম্লানমুখী রমণীকে গণক বলিল—“তোমার প্রিয়জন অন্য রমণীতে অনুরক্ত”—তাঁর মুখ আরও বিষণ্ণ হইল।
{{ফাঁক}}একজন বাজীকর আসিয়া বাজী দেখাইল। এক সাহেবের ও এক মেমের নিকট হইতে এক একটি আংটী লইয়া গিলিয়া ফেলিল, পরে সেই আংটা দুইটি আবার তাহাদেরই আঙ্গুলে দেখা গেল—বদলা বদলী হইয়াছে। আর অমনি হাসির রোল।
{{ফাঁক}}নীচে জলের উপর ছোট বোটে করিয়া দুইটি ইটালীয় বালিকা ও দুইটি পুরুষ সেতার বেহালা ও ব্যান্জো বাজাইয়া গান শুনাইতে আসিল। যাত্রীরা তাহাদের মধুর গানে মুগ্ধ হইয়া জাহাজের উপর হইতেই তাহাদের ছোট ছোট রৌপ্যমুদ্রা ছুড়িয়া দিতে লাগিল। তাহারা ছাতা খুলিয়া সেইগুলি ধরিতে লাগিল, কিন্তু অনেকগুলি জলে পড়িয়া লোকসান হইল। তাহারা প্রায় আমাদেরই মত কালো। সাহেবদের ও মেমদের মত পোষাক পরা ও আমাদের দেশের মত কাল ঝাকড়া ঝাকড়া চুলবিশিষ্ট। আর সে মেয়ে দুটি কি ঠিক আমাদের বাঙ্গালী মেয়ের মত—তেমনি বড় বড় ভাব মাখান চোখ, তেমনি মুখের মধুর ভাব। ইংরাজ প্রভৃতি ইউরোপিয়ানদের রমণীর মত উজ্জ্বল বর্ণও নহে বা মুখের অমন স্বাধীন প্রদৃপ্ত ভাবও নহে। আর তাদের গানগুলিও অতি মধুর আমাদেরই গানের মত ভাবাতিশয্যে<noinclude></noinclude>
ra39x7ydy05gr8i7j6xfl4dp4vyclce
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১৯
104
886783
2001668
2026-10-01T15:30:18Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001668
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}</noinclude>শেষ লেখা
উদয়ন
{{Block center|<poem>ঐ মহামানব আসে;
দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে
মর্ত্য ধূলির ঘাসে ঘাসে।
সুরলোকে বেজে উঠে শঙ্খ,
নরলোকে বাজে জয়ডঙ্ক
এল মহাজন্মের লগ্ন।
আজি অমারাত্রির দুর্গতোরণ যত
ধূলিতলে হয়ে গেল ভগ্ন
উদয়শিখরে জাগে মাভৈঃ মাভৈঃ রব
নবজীবনের আশ্বাসে।
জয় জয় জয় রে মানব-অভ্যুদয়,
মন্দ্রি উঠিল মহাকাশে॥</poem>}}
১ বৈশাখ, ১৩৪৮
R<noinclude>{{C|৯}}</noinclude>
pbditvywi9pfg9dj9dv5svtxsjhgo0y
2001679
2001668
2026-10-01T16:09:38Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001679
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}</noinclude>{{Block center|<poem>
ঐ মহামানব আসে;
দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে
মর্ত্য ধূলির ঘাসে ঘাসে।
সুরলোকে বেজে উঠে শঙ্খ,
নরলোকে বাজে জয়ডঙ্ক
এল মহাজন্মের লগ্ন।
আজি অমারাত্রির দুর্গতোরণ যত
ধূলিতলে হয়ে গেল ভগ্ন
উদয়শিখরে জাগে মাভৈঃ মাভৈঃ রব
নবজীবনের আশ্বাসে।
জয় জয় জয় রে মানব-অভ্যুদয়,
মন্দ্রি উঠিল মহাকাশে॥</poem>}}
{{dhr}}
{{Block left|উদয়ন
১ বৈশাখ, ১৩৪৮}}<noinclude>{{C|৯}}</noinclude>
rdmeo4ph009duw7dbj9rt5zynbffz23
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২০
104
886784
2001669
2026-10-01T15:31:27Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001669
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>শেষ লেখা
<poem>জীবন পবিত্র' জানি,
অভাব্য স্বরূপ তার
অজ্ঞেয় রহস্য-উৎস হতে
পেয়েছে প্রকাশ
কোন্ অলক্ষিত পথ দিয়ে,
সন্ধান মেলে না তার।
প্রত্যহ নূতন নির্মলতা
দিল তা’রে সূর্যোদয়
লক্ষ ক্রোশ হতে
স্বর্ণঘটে পূর্ণ করি' আলোকের অভিষেক-ধারা,
সে-জীবন বাণী দিল দিবসরাত্রিরে,
রচিল অরণ্যফুলে অদৃশ্যের পূজা-আয়োজন,
আরতির দীপ দিল জ্বালি
নিঃশব্দ প্রহরে।
চিত্ত তারে নিবেদিল
জন্মের প্রথম ভালোবাসা।</poem><noinclude>{{C|১০}}</noinclude>
2ilvty1kqz3jao7i9r0kh2k4e6rz55v
2001680
2001669
2026-10-01T16:12:44Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001680
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৭}}
{{block center/s}}<poem>
জীবন পবিত্র জানি,
অভাব্য স্বরূপ তার
অজ্ঞেয় রহস্য-উৎস হতে
পেয়েছে প্রকাশ
কোন্ অলক্ষিত পথ দিয়ে,
সন্ধান মেলে না তার।
প্রত্যহ নূতন নির্মলতা
দিল তা’রে সূর্যোদয়
লক্ষ ক্রোশ হতে
স্বর্ণঘটে পূর্ণ করি' আলোকের অভিষেক-ধারা,
সে-জীবন বাণী দিল দিবসরাত্রিরে,
রচিল অরণ্যফুলে অদৃশ্যের পূজা-আয়োজন,
আরতির দীপ দিল জ্বালি
নিঃশব্দ প্রহরে।
চিত্ত তারে নিবেদিল
জন্মের প্রথম ভালোবাসা।</poem><noinclude>{{block center/e}}{{C|১০}}</noinclude>
jogf4gd1o8lhn0ohd21f1wrc3jo589e
পাতা:বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf/৪৯
104
886785
2001670
2026-10-01T15:31:27Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001670
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||সৈয়দ বন্দর।|৩৭}}</noinclude>ভাঙ্গা ভাঙ্গা ও কাঁপান সুর গিট্কিরী ও গমকবিশিষ্ট। ইংরেজী গানের মত নির্লিপ্ত ও সোজা সোজা সুর নয়। সুরগুলি পরস্পরের সহিত কোলাকুলি করে—গাহিতে গাহিতে গায়কের ও শ্রোতার মুখের ভাব পরিবর্ত্তন হয় ও চোখে জল আসে। আর সে যন্ত্রের সঙ্গীতগুলিও কি মধুর ও সুশ্রাব্য। সবগুলিই তারের যন্ত্র, একটিও বাঁশী বা কোনওরূপ বায়ুযন্ত্র নাই। তারের যন্ত্রগুলির আওয়াজ স্বভাবত আরও নরম ও কোমল এবং চুপে চুপে কথা ও গুমরে কাঁদার মত অস্পষ্ট। বাঁশীর স্বর উচ্চ ও আকুলতা মাখা। রমণী হৃদয়ের মত অস্ফুট ভাবমাখা বলিয়া স্ত্রীকণ্ঠের সহিত গাহিতে পূর্ব্বটি আরও উপযুক্ত হয়। স্বর যত অনুচ্চ হয় ততই মধুর। তাই প্রতিধ্বনির অস্পষ্ট রব ও হৃদয়ের ভিতরকার নিস্তব্ধ সঙ্গীতকল্পনার বিপুল বিস্তার সহায়তা করে বলিয়া সর্ব্বাপেক্ষা মধুর।
{{dhr|3em}}
{{rule|4em}}<noinclude></noinclude>
qh6l6v3htjqi8s0uliirmwusar0y80j
শেষ লেখা (১৯৪২)/রৌদ্রতাপ ঝাঁঝা করে
0
886786
2001675
2026-10-01T15:55:05Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=16 to=16 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001675
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=16 to=16 header=1/>
0lq9kf6xvbmaj6n7h98666g8lkuzd5g
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/১
104
886787
2001676
2026-10-01T15:57:44Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001676
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" /></noinclude>{{dhr|6em}}
{{কেন্দ্র|{{xxxx-larger|'''শেষ লেখা'''}}}}
{{dhr|30em}}<noinclude></noinclude>
nvawiwp0esnn9ubxcf2hmipmclon10z
শেষ লেখা (১৯৪২)/আরো একবার যদি পারি
0
886788
2001678
2026-10-01T16:03:53Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=17 to=18 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001678
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=17 to=18 header=1/>
1gyfc4jkpvogwohppr37qigoquqzopk
নির্ঘণ্ট:বিধবামনোরঞ্জন নাটক (প্রথম ভাগ) - রাধামাধব মিত্র (১৮৫৬).pdf
102
886789
2001681
2026-10-01T16:14:24Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
2001681
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141613708
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Header_even=
|Header_odd=
|Footer=
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
sd4cwad6dyyia2go21nr5e7b4hm32en
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২১
104
886790
2001682
2026-10-01T16:14:33Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001682
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}</noinclude>শেষ লেখা
উদয়ন
<poem>প্রত্যহের সব ভালোবাসা
তারি আদি সোনার কাঠিতে
উঠেছে জাগিয়া,
প্রিয়ারে বেসেছি ভালো
বেসেছি ফুলের মঞ্জরীকে;
করেছে সে অন্তরতম
পরশ করেছে যারে।
জন্মের প্রথম গ্রন্থে নিয়ে আসে অলিখিত পাতা,
দিনে দিনে পূর্ণ হয় বাণীতে বাণীতে
আপনার পরিচয় গাঁথা হয়ে চলে
দিনশেষে পরিস্ফুট হয়ে ওঠে ছবি,
নিজেরে চিনিতে পারে
রূপকার নিজের স্বাক্ষরে,
তার পরে মুছে ফেলে বর্ণ তার রেখা তার
উদাসীন চিত্রকর কালো কালি দিয়ে;
কিছু বা যায় না মোছা সুবর্ণের লিপি
ধ্রুবতারকার পাশে জাগে তার জ্যোতিষ্কের লীলা।</poem>
২৫ এপ্রিল, ১৯৪১<noinclude>{{C|১১}}</noinclude>
3lnot89shjspj6up8e31me2r7ymktg8
2001697
2001682
2026-10-02T07:19:35Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001697
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
প্রত্যহের সব ভালোবাসা
তারি আদি সোনার কাঠিতে
উঠেছে জাগিয়া,
প্রিয়ারে বেসেছি ভালো
বেসেছি ফুলের মঞ্জরীকে;
করেছে সে অন্তরতম
পরশ করেছে যারে।
জন্মের প্রথম গ্রন্থে নিয়ে আসে অলিখিত পাতা,
দিনে দিনে পূর্ণ হয় বাণীতে বাণীতে
আপনার পরিচয় গাঁথা হয়ে চলে
দিনশেষে পরিস্ফুট হয়ে ওঠে ছবি,
নিজেরে চিনিতে পারে
রূপকার নিজের স্বাক্ষরে,
তার পরে মুছে ফেলে বর্ণ তার রেখা তার
উদাসীন চিত্রকর কালো কালি দিয়ে;
কিছু বা যায় না মোছা সুবর্ণের লিপি
ধ্রুবতারকার পাশে জাগে তার জ্যোতিষ্কের লীলা॥</poem>
{{block center/e}}
{{dhr}}
{{Block left|উদয়ন
২৫ এপ্রিল, ১৯৪১}}<noinclude>{{C|১১}}</noinclude>
cp6239csv22eichbcrow6nx58iqdz7l
নির্ঘণ্ট:কবিতাবলী (দ্বিতীয় ভাগ) - রাধামাধব মিত্র (১৮৬৬).pdf
102
886791
2001683
2026-10-01T16:21:34Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
2001683
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141613730
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Header_even=
|Header_odd=
|Footer=
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
dyaec0cvovm9igpptu2u5h03ez347xz
রচনা:কবিতাবলী (রাধামাধব মিত্র)
110
886792
2001684
2026-10-01T16:22:01Z
Bodhisattwa
2549
"{{রচনা শীর্ষক}} ;সংস্করণ {{Talikak list|sparql= SELECT ?item WHERE { SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". } ?item wdt:P31 wd:Q3331189; wdt:P629 wd:{{#invoke:Wikibase|id}}; wdt:P407 wd:Q9610. {?item wdt:P1957 [].} UNION {?item wdt:P1433 ?item2. ?item2 wdt:P1957 [].} optional { ?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(":d:",strafter(str(?item),str(wd:)),"{","{!}..." দিয়ে পাতা তৈরি
2001684
wikitext
text/x-wiki
{{রচনা শীর্ষক}}
;সংস্করণ
{{Talikak list|sparql=
SELECT ?item WHERE {
SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". }
?item wdt:P31 wd:Q3331189;
wdt:P629 wd:{{#invoke:Wikibase|id}};
wdt:P407 wd:Q9610.
{?item wdt:P1957 [].} UNION {?item wdt:P1433 ?item2. ?item2 wdt:P1957 [].}
optional { ?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(":d:",strafter(str(?item),str(wd:)),"{","{!}","}",?label_) as ?label1) }
optional
{
[] schema:about ?item; schema:isPartOf <https://bn.wikisource.org/>; schema:name ?label__ .
?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(?label__,"{","{!}","}",?label_) as ?label2)
}
bind(coalesce(?label2,?label1) as ?label)
}
|columns=item,label,P577,P655,P98,P1433,P1957,P123
|row_template=রচনা সংস্করণ সারি
|skip_table=1
|sort=P577
}}
{{Talikak list end}}
35i4rkupcvn2xevs30qu3lsz3v8na19
2001689
2001684
2026-10-01T16:43:44Z
Bodhisattwa
2549
2001689
wikitext
text/x-wiki
{{রচনা শীর্ষক}}
;সংস্করণ
{{Talikak list|sparql=
SELECT ?item WHERE {
SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". }
?item wdt:P31 wd:Q3331189;
wdt:P629 wd:{{#invoke:Wikibase|id}};
wdt:P407 wd:Q9610.
{?item wdt:P1957 [].} UNION {?item wdt:P1433 ?item2. ?item2 wdt:P1957 [].}
optional { ?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(":d:",strafter(str(?item),str(wd:)),"{","{!}","}",?label_) as ?label1) }
optional
{
[] schema:about ?item; schema:isPartOf <https://bn.wikisource.org/>; schema:name ?label__ .
?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(?label__,"{","{!}","}",?label_) as ?label2)
}
bind(coalesce(?label2,?label1) as ?label)
}
|columns=item,label,P577,P655,P98,P1433,P1957,P123
|row_template=রচনা সংস্করণ সারি
|skip_table=1
|sort=P577
}}
{{রচনা সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q141613730|Q141613730]]|label = ''[[d:Q141613730|কবিতাবলী (দ্বিতীয় ভাগ)]]''|P577 = 1866|P1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:কবিতাবলী_(দ্বিতীয়_ভাগ)_-_রাধামাধব_মিত্র_(১৮৬৬).pdf}}
{{রচনা সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q141613754|Q141613754]]|label = ''[[d:Q141613754|কবিতাবলী (তৃতীয় ভাগ)]]''|P577 = 1867-03|P1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:কবিতাবলী_(তৃতীয়_ভাগ)_-_রাধামাধব_মিত্র_(১৮৬৭).pdf}}
{{রচনা সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q113535135|Q113535135]]|label = ''[[d:Q113535135|কবিতাবলী (পঞ্চম ভাগ)]]''|P577 = 1873-01|P1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:কবিতাবলী_-_পঞ্চম_ভাগ_(রাধামাধব_মিত্র).pdf}}
{{Talikak list end}}
s45gjo3y17nohmvurz0yp5mepspyeno
শেষ লেখা (১৯৪২)/ঐ মহামানব আসে
0
886793
2001685
2026-10-01T16:22:41Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=19 to=19 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001685
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf" from=19 to=19 header=1/>
4m4v4pi1oc4dppla5xoekaa0i6uhlrk
নির্ঘণ্ট:কবিতাবলী (তৃতীয় ভাগ) - রাধামাধব মিত্র (১৮৬৭).pdf
102
886794
2001686
2026-10-01T16:29:04Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
2001686
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141613754
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Header_even=
|Header_odd=
|Footer=
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
kvf6jaz850npzuyix0zfv6kcsb7bxyf
বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ)/সৈয়দ বন্দর
0
886795
2001687
2026-10-01T16:35:25Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=46 to=49 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
2001687
wikitext
text/x-wiki
<pages index="বিলাত ভ্রমণ (প্রথম ভাগ) - ইন্দুমাধব মল্লিক (১৯১০).pdf" from=46 to=49 header=1/>
o8vlnxgqy7ceh5c99o0mudnutq49lcl
নির্ঘণ্ট:কবিতাবলী (চতুর্থ ভাগ) - রাধামাধব মিত্র (১৮৬৮).pdf
102
886796
2001688
2026-10-01T16:43:35Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
2001688
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141613795
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Header_even=
|Header_odd=
|Footer=
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
9ymqiycfgmk5ulegls6bwopvkixadea
নির্ঘণ্ট:স্ত্রীলোকের দর্পচূর্ণ - রাধামাধব মিত্র (১৮৬৩).pdf
102
886797
2001690
2026-10-01T16:51:08Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
2001690
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q141613833
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Header_even=
|Header_odd=
|Footer=
|Footer_even=
|Footer_odd=
}}
fo9kyqmncny87g11j46pih44c170e2c
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২২
104
886798
2001692
2026-10-02T07:03:45Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001692
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude><poem>বিবাহের পঞ্চম বরষে
যৌবনের নিবিড় পরশে
গোপন রহস্য ভরে
পরিণত রসপুঞ্জ অন্তরে অন্তরে
পুষ্পের মঞ্জরী হতে ফলের স্তবকে
বৃন্ত হতে ত্বকে
সুবর্ণ-বিভায় ব্যাপ্ত করে।
সংবৃত সুমন্দ গন্ধ অতিথিরে ডেকে আনে ঘরে।
সংযত শোভায়
পথিকের নয়ন লোভায়।
পাঁচ বৎসরের ফুল্ল বসন্তের মাধবী-মঞ্জরী
মিলনের স্বর্ণপাত্রে সুধা দিল ভরি;
মধু সঞ্চয়ের পর
মধুপেরে করিল মুখর।
শান্ত আনন্দের আমন্ত্রণে
আসন পাতিয়া দিল রবাহূত অনাহূত জনে।
বিবাহের প্রথম বৎসরে
দিকে দিগন্তরে</poem><noinclude>{{C|১২}}</noinclude>
6tm7xxxmpawbow7xt1fwxos44t0eqgv
2001698
2001692
2026-10-02T07:22:41Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001698
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৮}}
{{block center/s}}<poem>
বিবাহের পঞ্চম বরষে
যৌবনের নিবিড় পরশে
গোপন রহস্য ভরে
পরিণত রসপুঞ্জ অন্তরে অন্তরে
পুষ্পের মঞ্জরী হতে ফলের স্তবকে
বৃন্ত হতে ত্বকে
সুবর্ণ-বিভায় ব্যাপ্ত করে।
সংবৃত সুমন্দ গন্ধ অতিথিরে ডেকে আনে ঘরে।
সংযত শোভায়
পথিকের নয়ন লোভায়।
পাঁচ বৎসরের ফুল্ল বসন্তের মাধবী-মঞ্জরী
মিলনের স্বর্ণপাত্রে সুধা দিল ভরি;
মধু সঞ্চয়ের পর
মধুপেরে করিল মুখর।
শান্ত আনন্দের আমন্ত্রণে
আসন পাতিয়া দিল রবাহূত অনাহূত জনে।
বিবাহের প্রথম বৎসরে
দিকে দিগন্তরে</poem><noinclude>{{block center/e}}{{C|১২}}</noinclude>
bxealcc7m9dmunuujunovaiwy10iqf5
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২৩
104
886799
2001693
2026-10-02T07:05:13Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001693
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}</noinclude><poem>সাহানায় বেজেছিল বাঁশি
উঠেছিল কল্লোলিত হাসি,
আজ স্মিতহাস্য ফুটে প্রভাতের মুখে
নিঃশব্দ কৌতুকে।
বাঁশি বাজে কানাড়ায় সুগম্ভীর তানে
সপ্তর্ষির ধ্যানের আহ্বানে।
পাঁচ বৎসরের ফুল্ল বিকশিত সুখস্বপ্নখানি
সংসারের মাঝখানে পূর্ণতার স্বর্গ দিল আনি।
বসন্তপঞ্চম রাগ আরম্ভেতে উঠেছিল বাজি'
সুরে সুরে তালে তালে পূর্ণ হয়ে উঠিয়াছে আজি।
পুষ্পিত অরণ্যতলে প্রতি পদক্ষেপে
মঞ্জীরে বসন্ত রাগ উঠিতেছে কেঁপে॥</poem>
উদয়ন
২৫ এপ্রিল, ১৯৪১
সকাল<noinclude>{{C|১৩}}</noinclude>
hxhi4fa15ofeocu2i3i7zuxil77jnz0
2001699
2001693
2026-10-02T07:26:31Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001699
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
সাহানায় বেজেছিল বাঁশি
উঠেছিল কল্লোলিত হাসি,
আজ স্মিতহাস্য ফুটে প্রভাতের মুখে
নিঃশব্দ কৌতুকে।
বাঁশি বাজে কানাড়ায় সুগম্ভীর তানে
সপ্তর্ষির ধ্যানের আহ্বানে।
পাঁচ বৎসরের ফুল্ল বিকশিত সুখস্বপ্নখানি
সংসারের মাঝখানে পূর্ণতার স্বর্গ দিল আনি।
বসন্তপঞ্চম রাগ আরম্ভেতে উঠেছিল বাজি’
সুরে সুরে তালে তালে পূর্ণ হয়ে উঠিয়াছে আজি।
পুষ্পিত অরণ্যতলে প্রতি পদক্ষেপে
মঞ্জীরে বসন্ত রাগ উঠিতেছে কেঁপে॥</poem>
{{block center/e}}
{{dhr}}
{{Block left|উদয়ন
২৫ এপ্রিল, ১৯৪১
সকাল}}<noinclude>{{C|১৩}}</noinclude>
k1nfhxod1llozakhgmiomeergv2w57n
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২৪
104
886800
2001694
2026-10-02T07:10:04Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001694
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude><poem>বাণীর মুরতি গড়ি
একমনে
নির্জন প্রাঙ্গণে
পিত্ত পিণ্ড মাটি তার
যায় ছড়াছড়ি
অসমাপ্ত মূক
শূন্যে চেয়ে থাকে
নিরুৎসুক।
গর্বিত মূর্তির পদানত
মাথা ক’রে থাকে নিচু
কেন আছে উত্তর না দিতে পারে কিছু।
বহুগুণে শোচনীয় হায় তার চেয়ে
এককালে যাহা রূপ পেয়ে
কালে কালে অর্থহীনতায়
ক্রমশ মিলায়।
নিমন্ত্রণ ছিল কোথা শুধাইলে তারে
উত্তর কিছু না দিতে পারে,</poem><noinclude>{{C|১৪}}</noinclude>
18x0tgevjglwhc3d2803of8c653owez
2001700
2001694
2026-10-02T07:30:18Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001700
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|৯}}
{{block center/s}}<poem>
বাণীর মুরতি গড়ি
একমনে
নির্জন প্রাঙ্গণে
পিত্ত পিণ্ড মাটি তার
যায় ছড়াছড়ি
অসমাপ্ত মূক
শূন্যে চেয়ে থাকে
নিরুৎসুক।
গর্বিত মূর্তির পদানত
মাথা ক’রে থাকে নিচু
কেন আছে উত্তর না দিতে পারে কিছু।
বহুগুণে শোচনীয় হায় তার চেয়ে
এককালে যাহা রূপ পেয়ে
কালে কালে অর্থহীনতায়
ক্রমশ মিলায়।
নিমন্ত্রণ ছিল কোথা শুধাইলে তারে
উত্তর কিছু না দিতে পারে,</poem><noinclude>{{block center/e}}{{C|১৪}}</noinclude>
9imxmaxwxeju4xnqnhlnkc554djvxf6
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২৫
104
886801
2001695
2026-10-02T07:11:10Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001695
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}</noinclude><poem>কোন্ স্বপ্ন বাঁধিবারে
বহিয়া ধূলির ঋণ
দেখা দিল
মানবের দ্বারে।
বিস্মৃত স্বর্গের কোন্
উর্বশীর ছবি
ধরণীর চিত্তপটে
শেষ লেখা
বাঁধিতে চাহিয়াছিল
কবি
তোমারে বাহন রূপে
ডেকেছিল
চিত্রশালে যত্নে রেখেছিল
কখন সে অন্যমনে গেছে ভুলি
আদিম আত্মীয় তব ধূলি,
অসীম বৈরাগ্যে তার দিক্-বিহীন পথে
তুলি নিল বাণীহীন রথে।
এই ভালো,
বিশ্বব্যাপী ধূসর সম্মানে
আজ পঙ্গু আবর্জনা
নিয়ত গঞ্জনা</poem><noinclude>{{C|১৫}}</noinclude>
rc53n2bvcc4z3fllb5wkoete3wr1b5p
2001701
2001695
2026-10-02T07:35:00Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001701
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{right|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
কোন্ স্বপ্ন বাঁধিবারে
বহিয়া ধূলির ঋণ
দেখা দিল
মানবের দ্বারে।
বিস্মৃত স্বর্গের কোন্
উর্বশীর ছবি
ধরণীর চিত্তপটে
বাঁধিতে চাহিয়াছিল
কবি
তোমারে বাহন রূপে
ডেকেছিল
চিত্রশালে যত্নে রেখেছিল
কখন সে অন্যমনে গেছে ভুলি
আদিম আত্মীয় তব ধূলি,
অসীম বৈরাগ্যে তার দিক্-বিহীন পথে
তুলি নিল বাণীহীন রথে।
এই ভালো,
বিশ্বব্যাপী ধূসর সম্মানে
আজ পঙ্গু আবর্জনা
নিয়ত গঞ্জনা</poem><noinclude>{{block center/e}}{{c|১৫}}</noinclude>
gft7i5n7itvqrlhmk36m2032p0zxfs9
পাতা:শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪২).pdf/২৬
104
886802
2001696
2026-10-02T07:13:18Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
2001696
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}</noinclude><poem>কালের চরণক্ষেপে পদে পদে
বাধা দিতে জানে,
পদাঘাতে পদাঘাতে জীর্ণ অপমানে
শান্তি পায় শেষে
আবার ধূলিতে যবে মেশে।</poem>
উদয়ন
৩ মে, ১৯৪১
সকাল<noinclude>{{C|১৬}}</noinclude>
c6znnit6ztgb6bbgdmlr76uc63d7scy
2001702
2001696
2026-10-02T07:37:59Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
2001702
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Salil Kumar Mukherjee" />{{left|শেষ লেখা}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
কালের চরণক্ষেপে পদে পদে
বাধা দিতে জানে,
পদাঘাতে পদাঘাতে জীর্ণ অপমানে
শান্তি পায় শেষে
আবার ধূলিতে যবে মেশে।</poem>
{{block center/e}}
{{dhr}}
{{Block left|উদয়ন
৩ মে, ১৯৪১
সকাল}}<noinclude>{{C|১৬}}</noinclude>
753cthwrylna83neqb7jvt3pluv076h