উইকিভ্রমণ
bnwikivoyage
https://bn.wikivoyage.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.6
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিভ্রমণ
উইকিভ্রমণ আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
মাইথন
0
3827
76749
33260
2026-06-10T03:11:22Z
ARI
3854
/* রাত্রিযাপন */ পরিষ্কারকরণ
76749
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার|Maithondam (cropped).jpg}}
'''মাইথন''' হলো ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উত্তরে অবস্থিত একটি শহর। মাইথনের পূর্বে বরাকর শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বরাকর নদী ঝাড়খণ্ড রাজ্য এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে।
[[চিত্র:Maithon dam, india.jpg|thumb|300px|মাইথন বাঁধ]]
== প্রবেশ ==
[[চিত্র:Barakar Temple Complex.jpg|thumb|300px|বরাকর মন্দির কমপ্লেক্স]]
ট্রেন, বাস বা গাড়িতে করে [[কলকাতা]] থেকে এবং ধানবাদ বা [[আসানসোল]] থেকে সড়কপথে মাইথনে পৌঁছে যাওয়া যায়।
=== রেলপথে ===
হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে বরাকর, বা কুমারডুবি অথবা [[আসানসোল]] স্টেশনে আসতে হবে। আসানসোল থেকে মাইথনের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটো ভাড়া পাওয়া যায়। কুমারডুবি থেকে মাইথন মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকেওস্থানীয় অটো পাওয়া যায়। বরাকর থেকে মাইথনের দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার।
* {{দেখুন
| নাম=বরাকর রেলওয়ে স্টেশন | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.741683 | দ্রাঘিমাংশ=86.818859 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q25549173
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=
}}
=== সড়কপথে ===
কোলকাতা থেকে বাসে করে আসানসোলে পৌঁছাতে পারেন, সেখান থেকে অটো বা ভাড়া করা গাড়িতেও মাইথনে যেতে পারেন। তাছাড়া আসানসোল শহরের প্রধান বাস স্ট্যান্ড এবং মাইথনের মধ্যে নিয়মিত মিনি বাস পরিষেবাও রয়েছে। কোলকাতা থেকে সরসরি গাড়িতে করেও মাইথনে আসা যায়।
== দেখুন ==
{{মানচিত্রের কাঠামো|জুম=11}}
* {{দেখুন
| নাম=মাইথন বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.7852 | দ্রাঘিমাংশ=86.8119 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=মাইথন বাঁধ | উইকিউপাত্ত=Q3445863
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=বাঁধটি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তে দামোদর ও বরাকর নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। জলাধারটির আয়তন ৬৫ বর্গকিলোমিটার (২৫ বর্গমাইল)। এই বাঁধ এর নির্মাণ হয়েছিল প্রধানত বন্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে এবং ৬০,০০০ কিলো ওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যে। এখানে একটি ভূগর্ভস্থ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে, যা সমগ্র দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় প্রথম ভূগর্ভস্থ ভূগর্ভস্থ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। জায়গাটি পাহাড়, বন এবং ছোট ছোট দ্বীপ দ্বারা বেষ্টিত।
}}
* {{দেখুন
| নাম=কল্যাণেশ্বরী মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.7773 | দ্রাঘিমাংশ=86.829 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কল্যাণেশ্বরী মন্দির | উইকিউপাত্ত=Q15233093
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=একটি জনপ্রিয় উইকএন্ড পিকনিক স্পট এবং এর প্রধান আকর্ষণ বরাকর নদী। মাইথন বাঁধ ও পাহাড় মিলিত ভাবে একটি বিশাল জলাধার তৈরি করেছে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাথানবাড়ি | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.81215 | দ্রাঘিমাংশ=86.83525 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q60814342
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ= বাথানবাড়ি পিকনিক স্পট হিসেবে বিশেষ জনপ্রিয়। এই পর্যটনস্থলটি দামোদর নদীর পাড়ে এবং বাংলা-ঝাড়খন্ড সীমানায় অবস্থিত। মাইথন বাঁধের জলে তৈরি বিশাল জলাধারটিও এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বেগুনিয়া মন্দির কমপ্লেক্স | অন্য=বরাকর মন্দির কমপ্লেক্স | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.73564 | দ্রাঘিমাংশ=86.813072 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বেগুনিয়া (বাংলার মন্দির স্থাপত্য) | উইকিউপাত্ত=Q56417102
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ= বেগুনিয়া মন্দির কমপ্লেক্সে মোট চারটি মন্দির রয়েছে।
}}
== রাত্রিযাপন ==
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল বর্ষা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.782178 | দ্রাঘিমাংশ=86.826578 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+91 2520036 (হোটেল), +91 9832130409 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল শান্তিনিবাস | অন্য= | ইউআরএল=http://www.hotelshantinivasmaithan.com/ | ইমেইল=info@hotelshantinivasmaithan.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.7915 | দ্রাঘিমাংশ=86.8217 | দিকনির্দেশ=মাইথন বাঁধের কাছে
| ফোন=+91 9830217777 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-10
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=মাইথন হোটেল অ্যাণ্ড রেস্টুরেন্ট | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=সঞ্জয় চক, এনএইচ ২ | অক্ষাংশ=23.7612 | দ্রাঘিমাংশ=86.7909 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+91 6540-270042, +91 9204483017 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-10
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল সূর্য নিবাস | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=মাইথন রোড, কল্যাণেশ্বরী | অক্ষাংশ=23.781547 | দ্রাঘিমাংশ=86.82853 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+91 9641587777 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-10
| বিবরণ=
}}
{{এর অংশ|ঝাড়খণ্ড}}
ipuf9k1d0qdulyatusmjtfwpvtgr03g
76752
76749
2026-06-10T03:17:24Z
ARI
3854
/* রাত্রিযাপন */ হালনাগাদ
76752
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার|Maithondam (cropped).jpg}}
'''মাইথন''' হলো ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উত্তরে অবস্থিত একটি শহর। মাইথনের পূর্বে বরাকর শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বরাকর নদী ঝাড়খণ্ড রাজ্য এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে।
[[চিত্র:Maithon dam, india.jpg|thumb|300px|মাইথন বাঁধ]]
== প্রবেশ ==
[[চিত্র:Barakar Temple Complex.jpg|thumb|300px|বরাকর মন্দির কমপ্লেক্স]]
ট্রেন, বাস বা গাড়িতে করে [[কলকাতা]] থেকে এবং ধানবাদ বা [[আসানসোল]] থেকে সড়কপথে মাইথনে পৌঁছে যাওয়া যায়।
=== রেলপথে ===
হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে বরাকর, বা কুমারডুবি অথবা [[আসানসোল]] স্টেশনে আসতে হবে। আসানসোল থেকে মাইথনের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটো ভাড়া পাওয়া যায়। কুমারডুবি থেকে মাইথন মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকেওস্থানীয় অটো পাওয়া যায়। বরাকর থেকে মাইথনের দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার।
* {{দেখুন
| নাম=বরাকর রেলওয়ে স্টেশন | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.741683 | দ্রাঘিমাংশ=86.818859 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q25549173
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=
}}
=== সড়কপথে ===
কোলকাতা থেকে বাসে করে আসানসোলে পৌঁছাতে পারেন, সেখান থেকে অটো বা ভাড়া করা গাড়িতেও মাইথনে যেতে পারেন। তাছাড়া আসানসোল শহরের প্রধান বাস স্ট্যান্ড এবং মাইথনের মধ্যে নিয়মিত মিনি বাস পরিষেবাও রয়েছে। কোলকাতা থেকে সরসরি গাড়িতে করেও মাইথনে আসা যায়।
== দেখুন ==
{{মানচিত্রের কাঠামো|জুম=11}}
* {{দেখুন
| নাম=মাইথন বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.7852 | দ্রাঘিমাংশ=86.8119 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=মাইথন বাঁধ | উইকিউপাত্ত=Q3445863
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=বাঁধটি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তে দামোদর ও বরাকর নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। জলাধারটির আয়তন ৬৫ বর্গকিলোমিটার (২৫ বর্গমাইল)। এই বাঁধ এর নির্মাণ হয়েছিল প্রধানত বন্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে এবং ৬০,০০০ কিলো ওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যে। এখানে একটি ভূগর্ভস্থ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে, যা সমগ্র দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় প্রথম ভূগর্ভস্থ ভূগর্ভস্থ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। জায়গাটি পাহাড়, বন এবং ছোট ছোট দ্বীপ দ্বারা বেষ্টিত।
}}
* {{দেখুন
| নাম=কল্যাণেশ্বরী মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.7773 | দ্রাঘিমাংশ=86.829 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কল্যাণেশ্বরী মন্দির | উইকিউপাত্ত=Q15233093
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=একটি জনপ্রিয় উইকএন্ড পিকনিক স্পট এবং এর প্রধান আকর্ষণ বরাকর নদী। মাইথন বাঁধ ও পাহাড় মিলিত ভাবে একটি বিশাল জলাধার তৈরি করেছে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাথানবাড়ি | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.81215 | দ্রাঘিমাংশ=86.83525 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q60814342
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ= বাথানবাড়ি পিকনিক স্পট হিসেবে বিশেষ জনপ্রিয়। এই পর্যটনস্থলটি দামোদর নদীর পাড়ে এবং বাংলা-ঝাড়খন্ড সীমানায় অবস্থিত। মাইথন বাঁধের জলে তৈরি বিশাল জলাধারটিও এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বেগুনিয়া মন্দির কমপ্লেক্স | অন্য=বরাকর মন্দির কমপ্লেক্স | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.73564 | দ্রাঘিমাংশ=86.813072 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বেগুনিয়া (বাংলার মন্দির স্থাপত্য) | উইকিউপাত্ত=Q56417102
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ= বেগুনিয়া মন্দির কমপ্লেক্সে মোট চারটি মন্দির রয়েছে।
}}
== রাত্রিযাপন ==
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল বর্ষা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.782178 | দ্রাঘিমাংশ=86.826578 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+91 2520036 (হোটেল), +91 9832130409 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-09
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল শান্তিনিবাস | অন্য= | ইউআরএল=https://www.hotelshantinivas.com/ | ইমেইল=info@hotelshantinivasmaithan.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=23.7915 | দ্রাঘিমাংশ=86.8217 | দিকনির্দেশ=মাইথন বাঁধের কাছে
| ফোন=+91 9830217777 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-10
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=মাইথন হোটেল অ্যাণ্ড রেস্টুরেন্ট | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=সঞ্জয় চক, এনএইচ ২ | অক্ষাংশ=23.7612 | দ্রাঘিমাংশ=86.7909 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+91 6540-270042, +91 9204483017 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-10
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল সূর্য নিবাস | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=মাইথন রোড, কল্যাণেশ্বরী | অক্ষাংশ=23.781547 | দ্রাঘিমাংশ=86.82853 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+91 9641587777 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-10
| বিবরণ=
}}
{{এর অংশ|ঝাড়খণ্ড}}
hdxhzk6cmbksen58fa7hctjfab1vdmd
সামুদ্রিক খাবার
0
4328
76746
63142
2026-06-10T02:52:56Z
ARI
3854
/* মাছ */ ; সংশোধন
76746
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার|Fishmarket banner.jpg}}
'''সামুদ্রিক খাবার''' এই নিবন্ধে জলজ প্রাণীর পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে মাছ, শামুক ও শেলের প্রাণী রয়েছে। ইংরেজি-ভাষী বিশ্বে এর ব্যবহার ভিন্ন, এবং অনেক ইংরেজি ভাষী কেবল শামুক ও শেলের প্রাণীকে "সামুদ্রিক খাবার" হিসাবে বিবেচনা করে, তাই "মাছ এবং সামুদ্রিক খাবার" তাদের জন্য একটি অপ্রয়োজনীয় প্রকাশ নয়।
তবে, শব্দটির ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। সেতাসিয়ানদের (তিমি ও ডলফিন) মাংসকে সামুদ্রিক খাবার হিসাবে গণ্য করা হতে পারে বা নাও হতে পারে। সংজ্ঞার একটি প্রসারিত অংশে, জমিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম প্রাণী যেমন ব্যাভার বা ওটার কখনও কখনও কিছু [[খ্রিস্টান ধর্ম|খ্রিস্টান]] গির্জা দ্বারা সামুদ্রিক খাবার হিসাবে গণ্য করা হয়েছে, যা লেন্টের সময় খাওয়া হয়, কিন্তু এগুলো সাধারণত এভাবে বিবেচিত হয় না।
==জানুন==
ভ্রমণকারীরা কিছু বিপন্ন প্রজাতি এড়াতে চায়; [[পশু নৈতিকতা]] দেখুন।
===মাছ===
[[File:Tokyo Chikuyotei Unadon01s2100.jpg|thumb|''উনাদন'', উনাগি (ইল) কাবায়াকি ভাতের উপর, একটি পুরনো জাপানি খাবার]]
বহু জলজ প্রাণীকে ইংরেজিতে "মাছ" বলা হয়, যেমন জেলিফিশ বা স্টারফিশ।
তবে, সাধারণ মানুষের পরিচিত প্রাণীগুলোকে "মাছ" বলা হয়, তা একটি প্যারাফাইলেটিক। এরা একে অপরের সাথে মানুষের বা অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের তুলনায় বেশি সম্পর্কিত নয়। তবুও, অধিকাংশ প্রজাতি যেগুলো "মাছ" হিসেবে পরিচিত, বিশেষ করে অধিকাংশ রন্ধনপ্রণালীর মাছ, সেগুলো হলো '''রশ্মি-ফিন মাছ'''। '''কঙ্কাল মাছের''' মধ্যে আছে হাঙর এবং রশ্মি, এবং '''লব-ফিন মাছ''' মধ্যে আছে কোয়েলাকান্থ এবং লাঙফিশ।
রন্ধনশাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে, তেলযুক্ত মাছ (স্যালমন, ট্রাউট, ম্যাকারেল, ইল, হেরিং) এবং পাতলা মাছ (পাইক, পার্চ, কড, ইত্যাদি) এর মধ্যে একটি পার্থক্য রয়েছে।
বন্য ধরা স্যালমনের জন্য সম্ভবত সেরা স্থান হলো প্যাসিফিক নর্থওয়েস্ট, বিশেষ করে [[আলাস্কা]] এবং সংলগ্ন [[কানাডা]]র অংশ।
জাপানে ইল অত্যন্ত প্রিয় এবং এটি একটি জটিল পদ্ধতিতে গ্রিল করা হয়, যা ''কাবায়াকি'' নামে পরিচিত। তাই যদি আপনি ইল পছন্দ করেন, তাহলে সেখানে কিছু খাওয়ার জন্য নিশ্চিত হন। চীনারাও ইলকে মূল্যায়ন করে। ঐতিহাসিকভাবে, ইউরোপেও ইল সাধারণত খাওয়া হত, কিন্তু অতিরিক্ত শিকার এবং আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে স্টকগুলো গুরুতরভাবে হ্রাস পেয়েছে। জেলিযুক্ত ইল [[লন্ডন]] অঞ্চলে একটি ঐতিহ্যবাহী ঠান্ডা খাবার।
[[File:Kalakauppias Kauppatorin rannassa IM8092 C.JPG|thumb|একজন মৎস্যজীবী [[হেলসিঙ্কি]]র মার্কেট স্কয়ার কয়ে স্মোকড হেরিং বিক্রি করছে।]]
হেরিং সাধারণত বা লাইটলি পিকলড (ডাচে ''মাতজেস'' বলা হয়) অথবা পুরোপুরি পিকলড খাওয়া হয়, এবং এইগুলি উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলির বিশেষত্ব, যেখানে ডাচে মাতজেস হেরিং এবং নর্ডিক দেশগুলো এবং বাল্টিক উপকূলে পিকলড হেরিংয়ের জন্য পরিচিত। [[স্কটল্যান্ড]]ে, হেরিং সাধারণত ওটমিল দিয়ে লেপা এবং ভাজা হয়।
সাদা মাছ যেমন কড বা হাডক সাধারণত মাখনে লেপা হয়, ডিপ ফ্রাই করা হয় এবং [[যুক্তরাজ্য]], [[আয়ারল্যান্ড]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং [[নিউজিল্যান্ড]]ে চিপস (ফ্রেঞ্চ ফ্রাই) এর সাথে পরিবেশন করা হয়।
মাছ সাধারণত স্মোকিং এবং/অথবা সল্টিংয়ের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়, এবং সংরক্ষিত মাছের ব্যবহার অনেক রন্ধনশাস্ত্রের একটি অপরিহার্য অংশ। বিখ্যাত উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে ''লক্স'' এবং ''গ্রাভলাক্স'', অনুরূপ ধরনের স্মোকড স্যালমন যা আশকেনাজি ইহুদী এবং অনেক উত্তর ইউরোপীয়ের মধ্যে মূল্যায়িত হয়; অ্যানচোভি, যা ইতালি এবং স্পেনে অলিভ অয়েলে সল্টেড এবং সংরক্ষিত হয়; বাকাল/বাকালাও/বাকালাউ, ইতালীয়, স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ নামের শুকনো, সল্টেড কড, যা তিনটি ভাষার কথা বলা অঞ্চলগুলির বৃহত্তর অংশে এবং তার বাইরেও ব্যবহৃত হয়; এবং ''ইকান বিলিস'', মালয় শব্দ যা "অ্যানচোভি" হিসেবে অনুবাদিত হয় এবং এটি একটি সম্পর্কিত ছোট মাছ, যা সল্টেড এবং অনেক খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, যেমন ভাজা ভাত।
কিছু স্থানে মাছ পচানো হয়, [[সুইডেন]] এবং [[নরওয়ে]]তে, যেখানে ''সুরস্ট্রেমিং'' এবং ''লুটেফিস্ক'' উত্পাদিত হয়, এবং [[ইসান]], [[থাইল্যান্ড]]। পচা মাছ তার ন্যায়ের জন্য খ্যাত, এবং এটি একটি অধিকারিত স্বাদ। জাপানিরা রান্না করা চালের সাথে মাছ পচিয়ে ''নরেজুশি'' নামক খাদ্য তৈরি করে, যা আজকের সুশির পূর্বপুরুষ হিসেবে গণ্য হয়।
মাছের পচনের একটি আরও মৃদু ব্যবহার হলো ''মাছের সস'', যা [[থাই রন্ধনশাস্ত্র|থাই]] এবং [[ভিয়েতনামী রন্ধনশাস্ত্র|ভিয়েতনামী]] রান্নায় একটি মূল উপাদান। যদি পরিমিত ব্যবহৃত হয়, তাহলে মাছের সস ইতালীয় ধরণের অ্যানচোভি পেস্টের চেয়ে বেশি বা কম অশুভ নয়। [[কাম্বোডিয়া]]র রান্নায়, ''প্রহক'' নামে একটি পচা মাছের পেস্ট অনেক খাবারে স্বাদ যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
মাছও কাঁচা খাওয়া হয়। একটি ধরনের প্রস্তুতি হলো ''সেভিচে'', যা [[পেরু]]র একটি বিশেষত্ব, যেখানে কাঁচা মাছ লেবুর রস বা লাইমের রসে মারিনেট করা হয়। অন্যান্যগুলি [[কোরিয়া]]র জন্য ঐতিহ্যগত (যেমন ''হো''), এবং সবচেয়ে বিখ্যাত, [[জাপান]]। জাপান সুশির দেশ — প্রস্তুতি, বিশেষত কাঁচা মাছ, ভিনেগারযুক্ত ভাতের সাথে — এবং সাশিমি — কাঁচা মাছের টুকরো (এবং এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক খাবার এবং, কম হলেও, স্থল প্রাণী)। যদি তুমি কাঁচা মাছ খাওয়ার চেষ্টা করতে চাও, তাহলে সম্ভবত এটি জাপানে করার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হবে, যেহেতু এটি তাদের রান্নার কেন্দ্রে এবং জনপ্রিয়, যা স্টকের দ্রুত ঘূর্ণন নিশ্চিত করে। যেকোন ক্ষেত্রে, জাপানিরা পুরনো মাছ সহ্য করেন না, তাই তোমার যদি নিজের মাছ ধরার বা মাছ ধরা জাহাজ থেকে সরাসরি মাছ কেনার সুযোগ না থাকে, তবে তুমি অন্য কোনো দেশে তাজা মাছ পেতে পারবে না।
'''রো''' বা '''কাভিয়ার''' হলো মাছের ডিম, এবং যখন এটি বেলুগা স্টারজিওন এবং অন্যান্য দুর্লভ (এবং বিপন্ন) মাছ থেকে নেওয়া হয়, তখন এটি একটি খুব ব্যয়বহুল গৌরব। কাস্পিয়ান সাগরে মৎস্যজীবী স্টারজিয়ন জনসংখ্যার জন্য অনেক ক্যাভিয়ার উত্পাদন করে। তাই কাস্পিয়ানের বেশিরভাগ অঞ্চলে, যার মধ্যে [[রাশিয়া]], [[কাজাখস্তান]], এবং [[তুর্কমেনিস্তান]] অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ক্যাভিয়ার প্রচুর এবং তুলনামূলকভাবে সস্তা।
===শামুক===
[[File:Chilli crab-02.jpg|thumb|চিলি ক্র্যাব]]
লবস্টার, চিংড়ি এবং কাঁকড়া প্রথাগত মিষ্টি। মূল্য ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।
লবস্টার [[নিউ ইংল্যান্ড]]ের উপকূলের একটি বিশেষত্ব, [[রোড আইল্যান্ড]] থেকে [[মেইন]] পর্যন্ত, এবং সাধারণত স্টিম করা হয় এবং পরে মাখন দিয়ে পরিবেশন করা হয় এবং মৌসুমে স্টিম করা ভুট্টার সাথে।
ব্লু ক্র্যাব [[চেসাপিক বে]] অঞ্চলের বিশেষত্ব, বিশেষ করে [[মেরিল্যান্ড]]। হার্ড-শেল কাঁকড়া [[সিঙ্গাপুর]]ের জাতীয় খাবার '''চিলি ক্র্যাব''' এবং সমানভাবে জনপ্রিয় খাবার '''ব্ল্যাক পেপার ক্র্যাব'''।
ক্রফিশ (অন্যান্য অংশে কখনও কখনও ক্রেয়ফিশ নামে পরিচিত) [[লুইজিয়ানা]]র রান্নার একটি প্রিয় অংশ। একটি বিখ্যাত লুইজিয়ানা ক্রফিশ খাবার হলো '''ক্রফিশ এটাফে''', এবং সেগুলি সাধারণত সিদ্ধ অবস্থায় খাওয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ায় সেগুলোকে '''ইবিজ''', এবং কখনও কখনও উচ্চমানের মেনুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
[[মালয়েশিয়া]]তে, যখন চিলি কাঁকড়া পাওয়া যায়, তখন '''চিলি জুম্বো চিংড়ি''' খুঁজে বের করা উচিত। মালয় ভাষায় ''উদাং গালাহ'' নামে পরিচিত, এই "জুম্বো চিংড়ি"গুলি লবস্টারের আকারের কাছাকাছি হতে পারে (যদিও দুঃখজনকভাবে, সাধারণত আর নয়, সম্ভবত প্রধানত অতিরিক্ত শিকারের কারণে) এবং এটি খুব সুস্বাদু।
[[মধ্য থাইল্যান্ড]]ের বিখ্যাত ''টম ইয়াম গুঙ'' তৈরি হয়, যা একটি মশলাদার, জটিল স্বাদের সুপ, যাতে চিংড়ি থাকে।
চিংড়ির ভাটাও দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব এশিয়ায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বিশেষত মালয়েশিয়ায়, যেখানে এটি ''বেলাকান'' নামে পরিচিত এবং প্রায় প্রতিটি মশলাদার পদে ব্যবহার করা হয়। ইন্দোনেশিয়াতে এটি ''তেরাসি'' নামে পরিচিত।
===মলস্ক===
অক্টোপাস, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, মসল, কনচ এবং শামুক কিছু লোকের কাছে ঘৃণার কারণ হতে পারে এবং অন্যদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে।
[[File:Linguine seafood.JPG|thumb|লিঙ্গুইন কন ফ্রুটি ডি মারে]]
[[নেপলস]] এই ধরনের সামুদ্রিক খাবার খাওয়ার জন্য একটি অসাধারণ স্থান। যদি আপনি বিস্তৃত স্বাদ নিতে চান, তবে ''লিঙ্গুইন কন ফ্রুটি ডি মারে'' অর্ডার করুন। "ফ্রুটি ডি মারে" এর আক্ষরিক অর্থ "সাগরের ফল"। এই পাস্তা পদে আপনি যা পাবেন তার মধ্যে রয়েছে কাঁকড়া বা কাটলফিশ, ঝিনুক, মসল, স্কাঞ্জিলি (এটি একটি বড় শামুকের প্রকার যা আরও সাধারণ শামুকের মতো স্বাদ নয়) এবং চিংড়ি, যা সাধারণত একটি মশলাদার লাল সসে থাকে। কাটলফিশও ''ফ্রিটো মিস্টো'' (আক্ষরিক অর্থে "মিশ্র ভাজা") এর একটি ঐতিহ্যবাহী উপাদান, সম্ভবত কিছু ধরণের মাছ এবং কিছু সবজির সাথে যেমন জুকিনি এবং আলু, অথবা আপনি আলাদাভাবে ভাজা কাটলফিশও পেতে পারেন। ''লিঙ্গুইন কন ভংকোল'' (ঝিনুক সহ লিঙ্গুইন) আরেকটি ঐতিহ্যবাহী নেপলেটান খাবার।
[[ইন্দোনেশিয়া]]র [[মাকাসার]]ের খাবারে মাছ এবং সামুদ্রিক খাবারের পাশাপাশি ছাগল এবং অন্যান্য স্থল প্রাণীর মাংস রয়েছে। মাকাসারী খাবারগুলি সাধারণত মরিচের মতো ঝাঁজালো।
[[নিউ ইংল্যান্ড]] হচ্ছে ক্লামবেকের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং স্টিমড ক্লামের জন্যও।
[[জ্যামাইকা]] কনচ ফ্রিটারের জন্য পরিচিত এবং কনচ দিয়ে তৈরি অন্যান্য পদগুলির জন্যও।
শামুক [[ফ্রান্স]] এবং [[ভিয়েতনাম]]ে মূল্যবান।
'''ঝিনুক''' চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চীনা প্রবাসীদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় খাবার। ''ঝিনুকের অমলেট'' হল একটি খাবার যা ডিম, মিষ্টি আলুর আটা এবং ঝিনুক দিয়ে তৈরি হয়, যা [[দক্ষিণ ফুজিয়ান]] এবং [[চাওশান]] অঞ্চলে উত্পন্ন হয়, এবং এই পদের বিভিন্ন রূপ [[তাইওয়ান]] এবং [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া]]র স্থানীয় রান্নার অংশ।
===সামুদ্রিক উদ্ভিদ===
সামুদ্রিক উদ্ভিদ [[জাপানি রান্না]]র একটি অপরিহার্য অংশ; ''কনবু'' ''ডাশি'' (মৌলিক ব্রথ) এর জন্য, ''ওয়াকাম'' ''মিসো'' স্যুপের জন্য, এবং ''নোরি'' ''সুশি'' এবং ''অনিগিরি'' (ভাতের বল) এর জন্য। সামুদ্রিক উদ্ভিদ চীন, কোরিয়া, ফিলিপাইন, হাওয়াই এবং এমনকি স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়।
==ধরুন==
[[File:Cajun Cuisine.JPG|thumb|[[Acadiana|কাজুন]] সিদ্ধ ক্রফিশ হেস, লুইজিয়ানা থেকে]]
[[মাছ ধরা]] হল মাছ এবং অন্যান্য চলন্ত জলজ প্রাণী ধরা। [[ফোরেজিং]] বা খনন করা, অচল প্রাণী যেমন কাঁকড়া ধরার জন্য আরো উপযুক্ত শব্দ হতে পারে। অধিকাংশ দেশে, মাছ ধরা এবং ফোরেজিং সীমিত, যদি তা সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত হয়।
মাছ ধরার জন্য একটি লাইসেন্স ক্রয় করে অনুমোদন নিতে হতে পারে, কিন্তু এটি ব্যাপকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
==রান্না==
{{আরও দেখুন|বহিরঙ্গন রান্না}}
[[File:Sashimi.jpg|thumb|অধিকাংশ মাছ রান্না করা হয়, কিন্তু সাশিমি কাঁচা খাওয়া হয়; ছবিতে: লাল: মাগুরো (টুনা); সাদা: ইকা (কাটলফিশ); লাল এবং সাদা সংমিশ্রণ: তাই (সামুদ্রিক রাক্ষুসে মাছ)]]
মাংসের থেকে ভিন্ন (যা ব্যবহারের আগে সঠিকভাবে ঝুলিয়ে রাখতে হয়) সামুদ্রিক খাবার যতটা সম্ভব তাজা রান্না এবং খাওয়া উচিত। যদিও একটি সুপারমার্কেট বা রেস্টুরেন্টে, মাছের তাজা হওয়ার কোনো গ্যারান্টি নেই।
মাছকে সঠিকভাবে রান্না করা উচিত, স্বাদ এবং খাবারের নিরাপত্তার জন্য। কেবলমাত্র সেই সুশি বা সাশিমি রেস্টুরেন্টগুলি থেকে খাওয়া উচিত যেগুলো অভিজ্ঞ ও যাদের আপনি বিশ্বাস করেন। অনেক মাছের জন্য "অর্ধেক রান্না" বা "ভাল করে রান্না" হয় না, তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার উচ্চমানের রেস্টুরেন্টগুলি প্রায়ই টুনার মতো মাছগুলোকে এমনভাবে তৈরি করে, যাতে বাহিরে রান্না করা হয় এবং ভিতরে অর্ধেক থাকে।
আলাদা হলো কিউরড্ মাছ, যা তাপের পরিবর্তে রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। মাছ টক মসলা যেমন সাইট্রাস ফল বা ভিনেগারের সাথে আরও নরম হয়ে যায়, এবং সাধারণত এভাবে পরিবেশন করা হয়।
==সুরক্ষিত থাকুন==
মাছের ক্ষেত্রে, পচে যাওয়া স্বাস্থ্যঝুঁকির একমাত্র বিপদ নয়। মাছ সাধারণত পরজীবী বহন করে যা আপনি তাদের খাওয়ার সময় আপনার কাছে স্থানান্তরিত হতে পারে। রান্না করার মাধ্যমে পরজীবীগুলি মারা যায়, তবে সুশি/সাশিমি বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য রেস্টুরেন্টগুলি যারা কাঁচা মাছ পরিবেশন করে (যাকে কখনও কখনও ইতালীয় রেস্টুরেন্টে "ক্রুডো" বলা হয়) তাদের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী নিশ্চিত করতে এবং পরিবেশন করার আগে মাছ থেকে কোনও পরজীবী অপসারণ করতে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
কিছু মাছের সাথে আরেকটি সমস্যা হল পারদ দূষণ। এই সমস্যা বিশেষত বড় মাছগুলির ক্ষেত্রে হয় যেমন টুনা, যা খাদ্য শৃঙ্খলে উচ্চতর। বিশেষ করে যদি আপনি গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হন, তাহলে তুলনামূলকভাবে উচ্চ পারদ ধারণকারী মাছের গ্রহণ সীমাবদ্ধ করা ভাল।
দ্বি-চাপী প্রাণী (যেমন, ঝিনুক এবং ক্ল্যাম) এর ক্ষেত্রে, তাদের ফিল্টার ফিডার হিসাবে মনে রাখা উচিত যেগুলি তাদের শরীরের মাধ্যমে প্রবাহিত হওয়া বিশাল পরিমাণ জলের মধ্যে থেকে তাদের খাদ্য পরিষ্কার করে। ফলস্বরূপ, তারা জলে থাকা যেকোনো দূষণকে একটি খুব বড় আকারে শরীরে কেন্দ্রীভূত করে। তাই আপনি দ্বি-চাপী প্রাণীর গ্রহণ সীমাবদ্ধ করতে চাইতে পারেন বা সেই সমস্ত মাছ খেতে সীমাবদ্ধ থাকতে পারেন যা খুব কম দূষণের এলাকা থেকে আসে।
==গন্তব্য এবং খাবার==
[[File:Ensenada fish market 2.jpg|thumb|একটি উপকূলীয় মেক্সিকান বাজারে মাছ। আপনি যত কাছে যাবেন উৎসের, মাছ তত তাজা হবে।]]
প্রায় সকল উপকূলীয় গন্তব্যই সামুদ্রিক খাবারের জন্য পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ, [[মরডিক রন্ধনশৈলী|উত্তরী খাবার]] এবং [[জাপানি রন্ধনশৈলী|জাপানি খাবার]] খুব সাদৃশ্যপূর্ণ উপাদানের ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়।
== সম্মান করুন ==
== আরও দেখুন ==
* [[মাংস]]
* [[সৈকত]]
{{এর অংশ|খাদ্য ও পানীয়}}
{{রূপরেখা প্রসঙ্গ}}
nxi5db0v6i9aeljnazz0l9zr008tg9e
ধর্মশালা
0
7175
76756
61653
2026-06-10T03:32:44Z
ARI
3854
/* সস্তা */
76756
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার|Dharamsala banner Monastery prayer wheel.jpg|otbp=yes}}
[[File:Dharamsala View.JPG|thumb|350px|ম্যাকলয়েডগঞ্জ এবং বরফে আচ্ছাদিত ধৌলাধার পর্বতমালা]]
'''ধর্মশালা''' (হিন্দি: धर्मशाला; তিব্বতি: དྷ་རམ་ས་ལ་) [[হিমাচল প্রদেশ|হিমাচল প্রদেশের]] একটি পাহাড়ি জায়গা, যা দালাই লামার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বৃহৎ [[তিব্বত|তিব্বতি]] সম্প্রদায়ের জন্য বিখ্যাত।
== জানুন ==
ধর্মশালার তিব্বতি [[বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধ]] ঐতিহ্য ৮ম শতাব্দী পর্যন্ত প্রসারিত, যদিও স্থানীয় জনসংখ্যার বেশিরভাগই বহু আগেই [[হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] ধর্মে ফিরে গেছে এবং এখনও তাই রয়েছে। "ধর্মশালা" শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো "মন্দির সংলগ্ন সরাইখানা"। এটি তেমনই ছিল, যতদিন না [[কাংড়া]] জেলার সদর দপ্তর অতিরিক্ত ভিড়পূর্ণ হয়ে ওঠে এবং ১৮৪০-এর দশকের শেষের দিকে ব্রিটিশরা তাদের দুটি রেজিমেন্ট স্থানান্তর করে বর্তমান ধর্মশালা এলাকায় নিয়ে আসে। পরবর্তী বছরগুলোতে এটি কাংড়া জেলার সদর দপ্তর হিসেবে গড়ে ওঠে, এবং সেই স্থানটি বর্তমানে পুলিশ লাইন্স নামে পরিচিত।
এক সময় ধর্মশালাকে ভারতের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি, কারণ ১৯০৫ সালের ৪ এপ্রিল ৭.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প শহরের অধিকাংশ অংশ ধ্বংস করে দেয়। এই বিপর্যয়ে তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল এই এলাকায় ১০,০০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারায়।
ভারতের স্বাধীনতার শুরুর দিনগুলোতে গুরুত্ব হারানোর পর, ১৯৫৯ সালে দালাই লামা এবং নির্বাসিত তিব্বতি সরকার ধর্মশালায় আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি আবার কিছুটা সামাজিক মর্যাদা ফিরে পায়। এটি বিদেশি ভ্রমণকারী এবং বৌদ্ধধর্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্থান। তবে বর্তমানে এটি সম্ভবত একটু বেশিই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, এবং অনেকের মতে, শহরটি, বিশেষত ম্যাকলিয়ড গঞ্জ, এখন কেবল একটি ব্যাকপ্যাকারদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এখানে শান্তি এবং নির্জনতার প্রত্যাশা নিয়ে এলে আপনি হতাশ হতে পারেন।
=== জলবায়ু ===
নিম্ন ধর্মশালা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১,৪০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত, আর ম্যাকলিয়ড গঞ্জ প্রায় ১,৭৫০ মিটার উচ্চতায়। ফলে এই অঞ্চলটি নীচের সমতল ভূমির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে শীতল। জানুয়ারিতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যেতে পারে, আর জুনে তা ৩৮°সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এমনকি মার্চ মাসেও, যখন দালাই লামার শিক্ষাসমূহ অনুষ্ঠিত হয় এবং [[দিল্লি|দিল্লির]] আবহাওয়া আরামদায়ক থাকে, তখনও এখানে ভারী শীতের কোট প্রয়োজন হয়। এগুলো শহরের দোকানগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে কেনা যায়।
== প্রবেশ ==
'''[[DHM|কাংড়া বিমানবন্দর]]''' {{আইএটিএ|DHM}} [[কাংড়া|কাংড়ার]] গগ্গল এলাকায় অবস্থিত, যা ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে সড়কপথে এমডিআর৪৪ এবং জতীয় সড়ক১৫৪ হয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
=== বাসে ===
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা আইএসবিটি বাস স্ট্যান্ড| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://online.hrtchp.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.21820| দ্রাঘিমাংশ = 76.31726| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = অধিকাংশ মানুষ নিম্ন ধর্মশালায় বাসে পৌঁছান। এর উত্তর ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে ভালো সংযোগ রয়েছে, যদিও পাহাড়ি সরু এবং ঘুরপাক রাস্তার কারণে যাত্রাগুলো প্রায়শই ধীরগতির হয়। হিমাচল রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (HRTC), যা একটি রাজ্য সরকার পরিচালিত সংস্থা, এর টিকিট অনলাইনে বুক করা যায়।| চিত্র =
}}
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা প্রাইভেট ভলভো স্টপ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2193336| দ্রাঘিমাংশ = 76.3161606| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = | চিত্র =
}}
একসময় কিছু সরকারি এইচআরটিসি (HRTC) বাস দিল্লি এবং [[পাঠানকোট]] থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জের প্রধান স্কয়ার পর্যন্ত যেত, যেখানে ফেরার জন্য আগাম টিকিটও বুক করা যেত। তবে এখন হয়ত আর এরকম হয় না।
বেসরকারি বাসগুলি [[মানালি]], [[দেরাদুন]] এবং [[দিল্লি]] থেকে যাত্রা করে। দিল্লি থেকে রাতের বাসও চলে, যেগুলোর বেশিরভাগ তিব্বতি কলোনি মজনু কা টিল্লা থেকে ছাড়ে। এই যাত্রাগুলোতে প্রায় ১৩ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় লাগে এবং ভলভো বাসের জন্য ভাড়া ₹৪৫০ থেকে ₹১,০০০ পর্যন্ত হতে পারে।
=== ট্রেনে ===
নিকটবর্তী প্রধান রেলস্টেশন [[পাঠানকোট|পাঠানকোটে]] অবস্থিত, আর তার কাছেই ছোট একটি স্টেশন আছে, চাক্কি ব্যাংক। দিল্লি থেকে রাতভর আরামদায়ক ট্রেন যাত্রায় এখানে সহজেই পৌঁছানো যায়।
যারা ট্রেন ভ্রমণ পছন্দ করেন, তারা পাঠানকোট থেকে কাংড়া ভ্যালি রেলওয়েতে যেতে পারেন। এটি একটি সরু গেজের রেলপথ, যা ধীরগতির এবং খানিকটা কেঁপে-কেঁপে চলে, কিন্তু অত্যন্ত সুন্দর। এই যাত্রাতে [[কাংড়া]] পৌঁছাতে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময় লাগে। কাংড়ায় পৌঁছে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার জন্য হাঁটতে পারেন বা রিকশা নিতে পারেন। এখান থেকে ধর্মশালাগামী বাস সহজেই পাওয়া যায়। এই ট্রেনটি কাংড়া থেকে আরও দূরে যোগিন্দরনগর পর্যন্ত যায়।
=== ট্যাক্সিতে ===
[[পাঠানকোট]] থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জ যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি ভাড়া (একদিকে) ₹২,২০০। এই ভাড়া মে ২০১৯-এর জন্য নির্ধারিত ছিল এবং ছোট গাড়ি (যেমন অল্টো বা ইন্ডিকা) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। দূরত্ব ৮৮ কিলোমিটার। যেতে প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লাগে।
দিল্লি থেকেও সহজেই ট্যাক্সি পাওয়া যায়। বিশেষ করে, উত্তর দিল্লির মজনু কা টিল্লা তিব্বতি কলোনি থেকে ট্যাক্সি ছাড়ে। অনেক মানুষ বাসের ঝামেলা এড়ানোর জন্য ট্যাক্সি ব্যবহার করেন। দিল্লি থেকে ধর্মশালায় ট্যাক্সিতে যেতে ১০ ঘণ্টা লাগে। বেশিরভাগ সময় মানুষ আসা-যাওয়ার পুরো ভাড়া দিয়ে থাকেন।
তবে, ধর্মশালায় ফেরার পথে ট্যাক্সি চালকরা বাসের ভাড়ার সমান ভাড়া নেন। এই ট্যাক্সি নিতে হলে মজনু কা টিল্লা তিব্বতি কলোনি বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে। [[হিমাচল প্রদেশ|হিমাচল প্রদেশের]] লাইসেন্স প্লেট আছে এমন ট্যাক্সি দেখতে হবে। চালকের সঙ্গে দরদাম করতে পারবেন।
ট্যাক্সিগুলো সাধারণত সন্ধ্যায় ছাড়ে। এগুলো পরদিন ভোরে ধর্মশালায় পৌঁছে।
== ঘুরে দেখুন ==
[[File:Map of McLeod Ganj.png|thumb|370px|Map of McLeod Ganj]]
{{#invoke:মানচিত্র
| tag
| type=mapframe
| zoom=13
| align = right
| show= {{মানচিত্রের স্তর}}
| latitude=32.21968
| longitude=76.32093
| text = {{#switch: 13
| 17 | 16 | 15 | 14 |13 | 12 | 11 | 10 | 9 | 8 | 7 | 6 | 5 | 4 | 3 | 2 | 1
| 0 = <div class="magnify" title="মানচিত্র বর্ধিত করুন">{{মানচিত্র সংযোগ|32.21968|76.32093|zoom={{#expr: 13 + 1 }} |class=no-icon}}</div>
}}{{এর|{{SUBPAGENAME}}}} মানচিত্র<!--
-->{{#ifexist: Template:GPX/{{PAGENAME}} | <small id="GPX-track"> [[Template:GPX/{{PAGENAME}}|(Edit GPX)]]</small>{{জিপিএক্স নির্দেশক}} }}<!--
-->{{#if: | <div class="wv-staticMap">[[File:|{{#expr: 400 - 2 }}px|border|{{এর|{{SUBPAGENAME}}}} মানচিত্র]]</div> }}
}}{{#ifeq: {{NAMESPACE}} | {{ns:0}}
| [[বিষয়শ্রেণী:মানচিত্রের কাঠামো আছে]]<!--
-->{{#if: | [[বিষয়শ্রেণী:স্থিরচিত্র সহ মানচিত্র]] }}<!--
-->{{#if: | [[বিষয়শ্রেণী:অ-পূর্বনির্ধারিত প্রান্তিককরণ সহ মানচিত্র]] }}<!--
-->{{#if: | [[বিষয়শ্রেণী:অ-পূর্বনির্ধারিত আকার সহ মানচিত্র]] }}<!--
-->{{#ifexist: Template:GPX/{{PAGENAME}} | [[বিষয়শ্রেণী:Maps with GPX indicator]] }}
}}
=== অবস্থান ===
ধর্মশালা বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত । এই অঞ্চলগুলি একে অপরের থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার বা ১৫ মিনিটের বাস বা জিপ যাত্রার মাধ্যমে সংযুক্ত।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = নিম্ন ধর্মশালা | অক্ষাংশ = 32.21778 | দ্রাঘিমাংশ = 76.31855 }}''' – এখানে বেশিরভাগ সরকারি দপ্তর, স্কুল, স্থানীয় হাসপাতাল এবং বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে। এখানে কিছু চা বাগানও দেখা যায়, একটি চিলগারি এলাকায় এবং আরেকটি দাড়ি অঞ্চলের একটু বাইরে। এটি একটি সাধারণ ছোট ভারতীয় শহর, যা পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয় নয়, তবে বাস স্টেশন রয়েছে। শহরটির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ | অক্ষাংশ = 32.23799 | দ্রাঘিমাংশ = 76.32397 }}''' – এটি ''উচ্চ ধর্মশালা'' নামেও পরিচিত। এর নামকরণ করা হয়েছে ডেভিড ম্যাকলিয়ডের নামে, যিনি একসময় পাঞ্জাবের ব্রিটিশ লেফটেন্যান্ট-গভর্নর ছিলেন। ''গঞ্জ'' শব্দটি একটি পার্সি শব্দ, যার অর্থ "পাড়া" বা "অঞ্চল"। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০৮২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এবং নিম্ন ধর্মশালা থেকে পায়ে হেঁটে প্রায় ৫ কিলোমিটার। এটি তিব্বতি সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মিশ্র ঐতিহ্য, প্রাচীন মন্দির, গির্জা এবং মঠের জন্য বিখ্যাত। ২০২১ সাল পর্যন্ত এটি তিব্বতের ১৪তম দালাই লামা তেনজিন গ্যাতসোর বাসস্থান, যিনি [[তিব্বত]] থেকে নির্বাসিত হয়ে এখানে বসবাস করছেন। ফলে এটি তিব্বতি সম্প্রদায়ের কেন্দ্রস্থল এবং তাদের প্রধান আবাসস্থল হয়ে উঠেছে।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = ভাগসু | অক্ষাংশ = 32.24448 | দ্রাঘিমাংশ = 76.33300 }}''' – ভাগসুকে অনেক সময় "ছোটো তেল আবিব" বলা হয়। এটি ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। জায়গাটি ইসরায়েলি ব্যাকপ্যাকারদের জন্য জনপ্রিয় এবং এখানে হিব্রু ভাষা সাধারণ দেখা যায়। এটি এখন একটি বাণিজ্যিককৃত হটস্পট।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = ধর্মকোট | অক্ষাংশ = 32.24856 | দ্রাঘিমাংশ = 76.32828 }}''' – ভাগসুর ওপরে প্রায় ১০ মিনিট উঠলেই ধর্মকোট। জায়গাটি ভাগসুর তুলনায় অনেক নিরিবিলি। এখানে অনেক অতিথিশালা রয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু শৌখিন রেস্তোরাঁ এবং যোগ ও ধ্যান কেন্দ্র রয়েছে। এখানে একটি সুন্দর পায়ে হাঁটা আছে, যা অর্ধবৃত্তাকার ভাবে পাহাড় ঘিরে চলে।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = হাইনি | অক্ষাংশ = 32.25127 | দ্রাঘিমাংশ = 76.32914 }}''' – ধর্মকোট থেকে সোজা উত্তরে আরও ১০ মিনিটের চড়াইয়ে হাইনি। এটি ধর্মশালার শেষ পর্যটনকেন্দ্র। একে "উচ্চ ধর্মকোট"ও বলা হয়। এখানে অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করার মতো বেশ কিছু ভালো মানের হোস্টেল রয়েছে। রুশ ভাষাভাষী পর্যটকদের মধ্যে এটি বেশ জনপ্রিয়। তবে, অন্যান্য অনেক পর্যটকও এখানে আসেন। কারণ, এটি গালু জলপ্রপাতের পথে পড়ে।
ম্যাকলিয়ডগঞ্জের আশেপাশে কয়েকটি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ফোরসাইথগঞ্জ উল্লেখযোগ্য, যা নিম্ন ও উচ্চ ধর্মশালার মাঝামাঝি অবস্থিত।
যদি আপনি আরও নিরিবিলি এবং সাধারণ অভিজ্ঞতা চান, তাহলে নাড্ডি ঘুরে দেখতে পারেন। এটি ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে এবং একটি চমৎকার দেখার জায়গা। আরেকটি বিকল্প হলো তালনু, যা প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে।
এই এলাকাগুলো এতটাই ছোট যে পায়ে হেঁটে সহজেই ঘোরা যায়। ম্যাকলিয়ড, ভাগসু, ধর্মকোট এবং হাইনি একে অপরের খুব কাছাকাছি। পায়ে হাঁটলে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট সময় লাগে। তবে, নিম্ন ধর্মশালা কিছুটা দূরে অবস্থিত।
=== ট্যাক্সি বা অটোরিকশায় ===
ম্যাকলিয়ডগঞ্জ এবং ধর্মকোটের মধ্যে ভাড়া ট্যাক্সি প্রায় প্রতি ঘণ্টায় চলাচল করে। ভাড়া ₹২০ (২০২৩)। তবে দরদাম করার জন্য প্রস্তুত থাকুন। নিজস্ব ভাড়া করা অটোরিকশার ভাড়া প্রায় ₹২৫০।
ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে আশেপাশের স্থানে (যেমন ভাগসু) যেতে অটোরিকশার ভাড়া লাগে ₹৫০–১৫০-এর মধ্যে। কেন্দ্রস্থলে থাকা আলাদা অটোরিকশা এবং ট্যাক্সি কাউন্টার থেকে গাড়ি ভাড়া করতে পারেন। কাউন্টারে গিয়ে ভাড়া করুন এবং যারা নিজে থেকে এসে আপনাকে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার প্রস্তাব দেয়, তাদের এড়িয়ে চলুন।
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = go| নাম = অটোরিকশা কাউন্টার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹৫০–২৫০| অক্ষাংশ = 32.23938| দ্রাঘিমাংশ = 76.32363| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-09| বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = go| নাম = ট্যাক্সি ক্যাব কাউন্টার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23933| দ্রাঘিমাংশ = 76.32386| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-09| বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা বিমানবন্দর| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹১২৬০| অক্ষাংশ = 32.165939| দ্রাঘিমাংশ = 76.260217| শেষ_সম্পাদনা = 2024-10-29| বিবরণ = ধর্মশালা গাগল বিমানবন্দর থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জের জোগীওয়ারা রোডের মাঝপথ পর্যন্ত ট্যাক্সি ভাড়া ₹১২৬০। হোটেলের মাধ্যমে ট্যাক্সি ভাড়া করলে ₹১৪০০ পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে, একজন চালক দরদামের মাধ্যমে ভাড়া ₹৮০০ পর্যন্ত নামানোর কথা বলেছেন।| চিত্র =
}}
===তারশকট (কেবল কার)===
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা স্কাইওয়ে (নিম্ন স্টেশন)| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 1892 223302| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.dharamshalaskyway.in/| সময়সূচী = | মূল্য = ₹৪৫০/৬৭৫ একমুখী যাত্রা| অক্ষাংশ = 32.21987| দ্রাঘিমাংশ = 76.317| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এখন নিম্ন ধর্মশালা এবং ম্যাকলিয়ডগঞ্জের মধ্যে একটি কেবল কার পরিষেবা চালু হয়েছে। একমুখী যাত্রার ভাড়া ₹৪৫০ এবং আসা-যাওয়ার জন্য ভাড়া ₹৬৭৫।| চিত্র =
}}
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা স্কাইওয়ে (উচ্চ স্টেশন)| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23446| দ্রাঘিমাংশ = 76.32441| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = | চিত্র =
}}
== দর্শনীয় ==
[[File:Monastery PrayerWheel.JPG|thumb|201x201px|সুগলাকাং মঠে বিশাল প্রার্থনা চাকা এবং আর্য সিতাতপত্রা (তারা দেবীর এক রূপ) এর ''থাঙ্কা'' চিত্র]]
[[File:HPCA Stadium Dharamshala.jpg|thumb|এইচপিসিএ স্টেডিয়াম ধর্মশালা থেকে ধৌলাধার পর্বতমালার দৃশ্য]]
* {{দেখুন
| নাম = এইচপিসিএ ক্রিকেট স্টেডিয়াম| অন্য = এইচপিসিএ ক্রিকেট অ্যাকাডেমি| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ১০.০০ - সন্ধ্যা ৬.০০| মূল্য = ₹২০| অক্ষাংশ = 32.1976| দ্রাঘিমাংশ = 76.3259| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-10| বিবরণ = মনোরম এই হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম ভারতের অনন্য একটি স্টেডিয়াম। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১,৪৫৭ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। স্টেডিয়ামের পেছনে বরফে ঢাকা হিমালয়ের দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য দেখা যায়।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q5635576
}}
* {{দেখুন
| নাম = কুনাল পথারি মন্দির| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2| দ্রাঘিমাংশ = 76.31002| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এই মন্দিরে প্রতিদিন ভক্তরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করতে আসেন।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = ডাল হ্রদ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে, নাড্ডির নিচে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.24723| দ্রাঘিমাংশ = 76.31071| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি পবিত্র পুকুর, এর নামের মতোই জলও ডালের মতো হলুদ রঙের।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q5210129
}}
[[File:Dhauladhar Range from Naddi viewpoint 2.jpg|thumb|নাড্ডি ভিউপয়েন্ট থেকে ধৌলাধার পর্বতমালার দৃশ্য]]
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = see| নাম = নাড্ডি ভিউ পয়েন্ট| অন্য = | ঠিকানা = Naddi| দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.25339| দ্রাঘিমাংশ = 76.30281| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-08| বিবরণ = এই জায়গা থেকে বরফে ঢাকা ধৌলাধার পর্বতমালার পুরো দৃশ্য দেখা যায়। এখানে দূরবীন (₹১০–২০) পাওয়া যায়, যার সাহায্যে ত্রিউন্দ ক্যাম্পসাইট এবং গুনা দেবী মন্দির দেখা যায়। ধর্মকোট বা হাইনি থেকে হেঁটে যাওয়া সহজ। তবে, নাড্ডি ট্যাক্সি বা রিকশায়ও সহজেই পৌঁছানো যায়।| চিত্র =
}}
*{{দেখুন
| নাম = পিক আর্ট গ্যালারি| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির রাস্তা, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = মন্দির রাস্তা ধরে ৫০০মিটার, ক্যাফে নির্বানার নিচে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.peakartgallery.com| সময়সূচী = সকাল ১০.০০ - সন্ধ্যা ৭.০০| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.21968| দ্রাঘিমাংশ = 76.32093| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = রাক্কার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.19716| দ্রাঘিমাংশ = 76.37096| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ধর্মশালার নিম্নাঞ্চলের এক মনোরম গ্রাম। এটি বরফে ঢাকা ধৌলাধার পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত। ঐতিহাসিকভাবে জায়গাটি গাড্ডি সম্প্রদায়ের মেষপালকদের বাসস্থান। বর্তমানে যারা ম্যাকলিয়ডগঞ্জের ব্যস্ততা থেকে দূরে সঠিক গ্রাম্য জীবনযাত্রা দেখতে চান তাদের কাছে গ্রামটি আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে।| চিত্র =
}}
[[File:St John Cathedral in the Wilderness.jpg|thumb|ঘন অরণ্যের মধ্যে সেন্ট জন ক্যাথেড্রাল]]
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = see| নাম = ঘন অরণ্যের মধ্যে সেন্ট জন ক্যাথেড্রাল| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = বিনামূল্যে| অক্ষাংশ = 32.24263| দ্রাঘিমাংশ = 76.31829| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-08| বিবরণ = এটি সবুজের মাঝে একটি সুন্দর ও মনোরম গির্জা। ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে যাওয়ার জন্য অটো-রিকশার ভাড়া ₹৭০ (মে ২০১৯ অনুসারে)। তবে গির্জার কাছে কোনো অটো স্ট্যান্ড নেই, তাই ফেরার জন্য অটো পাওয়া একটু কঠিন। সম্ভব হলে, অটো চালককে অপেক্ষা করতে বলুন এবং একই অটোতে অন্য স্থানেও যান।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = তিব্বতি পারফর্মিং আর্ট ইনস্টিটিউট| অন্য = TIPA| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.tibetanarts.org| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.22643| দ্রাঘিমাংশ = 76.32523| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি নাচ, সঙ্গীত এবং থিয়েটারের প্রদর্শনী হয়। তবে এই প্রদর্শনীগুলি নিয়মিত হয় না।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = তিব্বতি গ্রন্থাগার| অন্য = লাইব্রেরি অফ তিব্বতি ওয়ার্কস অ্যান্ড আর্কাইভস)| ঠিকানা = গাংচেন কিশং| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 9218422467, +91 9882255047 (রিসেপশন)| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = ltwa1970@gmail.com| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.tibetanlibrary.org| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.22637| দ্রাঘিমাংশ = 76.32533| শেষ_সম্পাদনা = 2017-09-20| বিবরণ = নির্বাসিত তিব্বতি সরকারের কাছে অবস্থিত। এখানে একটি ছোট কিন্তু আকর্ষণীয় জাদুঘর রয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = তিব্বত জাদুঘর| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = সুগলাগখাং-এর বিপরীতে| ফোন = +91 18 922 2510| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.thetibetmuseum.org/| সময়সূচী = মঙ্গলবার থেকে রবিবার, সকাল ৯টা–বিকাল ৫টা| মূল্য = ₹৫| অক্ষাংশ = 32.2325| দ্রাঘিমাংশ = 76.3249| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = তিব্বতের ইতিহাস এবং এর মানুষের উপর ছোট কিন্তু আকর্ষণীয় একটি জাদুঘর।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q2464878
}}
* {{দেখুন
| নাম = সুগলাগখাং কমপ্লেক্স| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির রাস্তা, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23248| দ্রাঘিমাংশ = 76.32431| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এটি তিব্বতের বাইরে সবচেয়ে বড় তিব্বতি মন্দির। এখানে একটি বিশাল ধ্যান কক্ষ রয়েছে, যেখানে সুন্দর মূর্তি, থাংকা এবং কালচক্র মন্দিরের দেয়ালে আকর্ষণীয় চিত্র রয়েছে। কমপ্লেক্সটি দলাই লামার মঠ এবং তার বাসভবনের সামনে অবস্থিত। এখানে প্রায় ২ মিটার উচ্চতার সবচেয়ে বড় তিব্বতি প্রার্থনার চাকা রয়েছে—এটি ঘোরাতে ভুলবেন না!| চিত্র =
}}
== করণীয় ==
* {{করুন
| নাম = ঘুরে বেড়ানো| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখার জন্য দারুণ একটি জায়গা। ধৌলাধার পর্বতমালার ঢালে তৈরি হোটেল, রঙিন তিব্বতি পতাকায় সাজানো বাজার, হাতে তৈরি পণ্য এবং সুস্বাদু খাবারের দোকান—এসব মিলে জায়গাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।<br/>ধর্মকোটেও ছোট ছোট ক্যাফে এবং আরাম করার জায়গা রয়েছে, যেখানে বসে চারপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = ভাগসু মন্দির সাঁতারকুণ্ড| অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = বিনামূল্যে| অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-09| বিবরণ = ভাগসুতে অবস্থিত এই সাঁতারকুণ্ডে সাঁতার কাটতে পারেন। বিশেষ করে গরমের সময় এটি চমৎকার আরামদায়ক অভিজ্ঞতা। এই অঞ্চলের অন্যান্য পর্যটন কার্যকলাপের ভিড় থেকে দূরে স্নিগ্ধ মুহূর্ত কাটানোর উপযুক্ত জায়গা এটি। এখানে ভাগসু জলপ্রপাতের জল ব্যবহার করা হয়, যা কুণ্ডের মধ্য দিয়ে অবিরত প্রবাহিত হতে থাকে।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q116259649
}}
=== ট্রেকিং এবং হাঁটা ===
[[File:Bhagsunag Waterfall Pan.JPG|thumb|ভাগসু জলপ্রপাত]]
* {{করুন
| নাম = ভাগসু জলপ্রপাত| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে ৩ কিমি দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.24752| দ্রাঘিমাংশ = 76.33838| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে একাধিক জলপ্রপাত, একটি প্রাচীন মন্দির, স্লেট পাথরের খনি এবং একটি স্বাদু জলের ঝরনা রয়েছে। ভাগসু সড়ক ধরে গ্রামটির মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে হবে, এরপর জলপ্রপাতটির কাছে পৌঁছাতে ১ কিমি ওপরে উঠতে হবে। জলপ্রপাতের পথ বেশিরভাগটাই পাথরে বাঁধানো এবং খাড়াই অংশে নিরাপত্তার জন্য বেড়া লাগানো। জলপ্রপাতের কাছে কিছু দোকান রয়েছে, যেখানে জলখাবার এবং পানীয় বিক্রি হয়। উপরের স্নানকুণ্ডে স্নান করতে চাইলে সাবধানে থাকতে হবে, কারণ কিছু জায়গায় জলের মধ্যে কাঁচের টুকরো থাকতে পারে। স্থানীয়রা মাঝে মাঝে এই কাঁচের টুকরোগুলো ফেলে দেয়, যাতে রাতে পর্যটকরা সেখানে "অশোভন" আচরণ না করেন।<br/>আপনি চাইলে উপরের ভাগসু গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে শুরু করতে পারেন। এই রাস্তাটি তুলনামূলকভাবে সমতল এবং সরাসরি জলপ্রপাতের দিকে নিয়ে যায়। জলপ্রপাতের কাছে পৌঁছে আরও একটু উপরে উঠলেই শিবা ক্যাফে আছে। এখানে একটি ছোট ব্যক্তিগত স্নানকুণ্ড রয়েছে, যা ঠান্ডা পাহাড়ি জলে ভরা। এখানে পিকনিকের জন্য আরামদায়ক জায়গা আছে।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = গালু জলপ্রপাত| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2683058| দ্রাঘিমাংশ = 76.3294275| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এটি আরেকটি সুন্দর ট্রেকিং গন্তব্য। তবে প্রথমে আপনাকে ভাগসু থেকে হাইনি গ্রামের পেছনের একটি পার্বত্য গিরিপথ পর্যন্ত ৩০০ মিটার উচ্চতায় উঠতে হবে। তারপর পথ অতটাও খাড়াই চড়াই-উৎরাই থাকবে না। পথে ৩-৪টি ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁ রয়েছে। জলপ্রপাতের শেষে একটি ছোট ঝর্ণা রয়েছে।| চিত্র =
}}
[[File:Cjtriund1.jpg|thumb|247x247px|ত্রিউন্দ ট্রেক]]
* {{করুন
| নাম = ত্রিউন্দ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.25958| দ্রাঘিমাংশ = 76.35649| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08| বিবরণ = যদি আপনি হাঁটতে ভালোবাসেন, তবে ধর্মকোটের ওপরে ত্রিউন্দ পর্বত পর্যন্ত ট্রেক করার পরিকল্পনা করতে পারেন। এটি চণ্ডীগড় এবং দিল্লি থেকে সপ্তাহান্তে ঘুরতে যাওয়ার জন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রেক এবং হিমালয়ের সহজতম ট্রেকগুলোর মধ্যে একটি। ভগসু বা ধর্মকোট থেকে ত্রিউন্দ পর্যন্ত পথটি প্রায় ৬ কিলোমিটার লম্বা এবং শুধুমাত্র যেতে ৩ ঘণ্টার মতো সময় লাগে। পথটি কিছুটা খাড়া এবং জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যায়। প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক এই ট্রেকের অভিজ্ঞতা নিতে আসেন। ত্রিউন্দ থেকে হিমালয়ের শৃঙ্গগুলোর চমৎকার দৃশ্য দেখতে পাবেন এবং সমতলের বিস্তৃত দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। শীতকালে, বিশেষ করে ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে, এই এলাকা তুষারে ঢেকে যায়। তখন এটি আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।<br/>ত্রিউন্দের উচ্চতা ২,৮৭৫ মিটার। তাই যাওয়ার আগে ভালো জুতো, পর্যাপ্ত জল, কিছু খাবার এবং একটি অতিরিক্ত জ্যাকেট বা কোট সঙ্গে নিয়ে যান। ওপরের আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। গরম ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া হঠাৎ ঠান্ডা এবং মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যেতে পারে। প্রতি বছর কিছু পর্যটক চটি আর টি-শার্ট পরে যান এবং সমস্যায় পড়েন। তাই সতর্ক থাকুন। পশ্চিম দিকের পথটি তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে বলে মনে হয়। যদি আপনি ধর্মকোটে থাকেন, তাহলে সেই দিকের পথ ধরাই ভালো। ত্রিউন্দে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি নিতে চাইলে গুনা মন্দির পর্যন্ত ছোট একটি ট্রেক করতে পারেন। সেখানে রাতে থাকার পরিকল্পনা থাকলে বনের বিশ্রামভবনে থাকার সুযোগ পাবেন। রাত্রিকালীন ভাড়া ₹৫০০–₹১০০০ এর মধ্যে। অবশ্যই একটি টর্চ সঙ্গে রাখুন। যদি বনের বিশ্রামভবনে ঘর খালি না থাকে, তাহলে তাঁবু ভাড়া নিয়ে থাকতে পারেন। চাইলে স্নোলাইন টেন্ট ক্যাম্পেও থাকতে পারেন, যা একটু ওপরে অবস্থিত। সানসেট ক্যাফের কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা আপনাকে বিস্তারিত জানাবে।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = লাকা হিমবাহ ট্রেক| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = হিমবাহে পৌঁছানো সবসময়ই দারুণ রোমাঞ্চকর, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু এশিয়ার সবচেয়ে নিম্ন উচ্চতায় অবস্থিত লাকা গ্লেসিয়ার বেশ সহজসসধয। এই ট্রেকের পথ ত্রিউন্দ পর্বতের শীর্ষের মধ্য দিয়ে যায়, তাই এটিকে অনেক সময় ত্রিউন্দ-লাকা হিমবাহ ট্রেকও বলা হয়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = ইন্দ্রহার গিরিপথ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.29778| দ্রাঘিমাংশ = 76.38134| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ত্রিউন্দ থেকে আরও উপরে উঠে এই ট্রেকের শুরু। এই পথে যেতে হলে সাধারণত গাইড সহ ট্যুর বুক করতে হয়। এই ট্রেক ধৌলাধার পর্বতমালার বরফে ঢাকা অংশ পেরিয়ে কাংড়া উপত্যকা অতিক্রম করে এবং শেষে লামুতে পৌঁছায়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = তোড়ল গিরিপথ| অন্য = ৪,৫৭৫ মিটার| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.26504| দ্রাঘিমাংশ = 76.43062| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = এই ট্রেক শুরু হয় তাং নারওয়ানা (১,১৫০ মিটার) থেকে, যা ধর্মশালা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = করেরি হ্রদ ট্রেক| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.32556| দ্রাঘিমাংশ = 76.27361| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মাঝে অবস্থিত এই হিমবাহ হ্রদ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক অসাধারণ জায়গা। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এমন যে এখানে এলে প্রকৃতির সাথে সত্যিই একাত্ম হওয়া যায়।| চিত্র =
}}
[[File:Tibetan flag.jpg|thumb|300px|তিব্বতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক "স্নো লায়ন পতাকা"। তিব্বতে এই পতাকা নিষিদ্ধ হলেও ধর্মশালার সর্বত্র এটি দেখা যায়। এটি যেন তিব্বতীদের স্বাধীনতার স্বপ্নের এক প্রতীক।]]
=== দলাই লামার সাথে সাক্ষাৎ ===
[http://www.dalailama.com দলাই লামার] সাথে সাক্ষাৎ করা (বা অন্তত এক নজর দেখা) অনেকের কাছে জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা, আর অন্যদের জন্য স্মরণীয় এক মুহূর্ত। তবে এটি খুবই কঠিন, তাই নিশ্চিতভাবে এর উপর ভরসা করবেন না। ভাগ্যের সহায়তা প্রয়োজন।
যদি আপনি সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করতে চান, প্রথমে নিশ্চিত করুন যে ''তিনি'' যখন ধর্মশালায় থাকবেন তখনই আপনি সেখানে যাবেন। তিনি অনেক ভ্রমণ করেন। তার ওয়েবসাইটে তার ভ্রমণের সূচি প্রকাশিত থাকে। চাইলে ইমেইল করে তার ভ্রমণের তারিখ নিশ্চিত করতে পারেন। তিনি মাঝেমধ্যে জনসাধারণের জন্য নির্ধারিত বক্তব্য দেন, তবে সেখানে প্রচুর ভিড় হয়। কিছু বক্তব্য মাত্র কয়েক দিন আগে ঘোষণা করা হয়। তাই ধর্মশালায় থাকাকালীন সজাগ থাকুন। যদি ব্যক্তিগত সাক্ষাতের চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে অনেক কিছু করতে হবে। তার ওয়েবসাইট বলছে তিনি ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ দেন না। তবে সত্যি বলতে, বিশেষ কারণ বা পরিচিতি থাকলে এটি সম্ভব। এজন্য তার সচিবের অফিসে যেতে হবে।
দলাই লামার প্রশাসনিক অফিস সুগলাগখাং কমপ্লেক্সে। তার বাড়ির সামনে একটি ফটক আছে যেখানে ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষীরা থাকে। সেই ফটকের ডান দিকে কমপ্লেক্সের একদম শেষ দরজায় তার অফিস। অফিস সপ্তাহে ছয় দিন খোলা থাকে। অফিসে গেলে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে বলবে এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেবে। অনলাইনে আবেদন আগে না করে থাকলে কোনো ইন্টারনেট ক্যাফেতে গিয়ে আবেদন করুন। তবে আবেদন করলেও এটি নিশ্চিত নয় যে সাক্ষাৎ পাবেন। যদি অফিসে একজন রিসেপশনিস্ট থাকে, তাহলে তিনি হয়তো সাক্ষাৎ দেবেন না। কিন্তু যদি দেখেন অনেকে পাসপোর্ট আর কাগজ নিয়ে অপেক্ষা করছে, তাহলে তিনি সাক্ষাৎ দিচ্ছেন। এই সাক্ষাৎ সাধারণত দুপুর নাগাদ হয়।
কিছু বিশেষ দল যেমন ডকুমেন্টারি টিম বা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পরিবার সাক্ষাৎ পেতে পারে। ধর্মশালায় যাদের সাথে দেখা হয় তাদের সাথে কথা বলুন। অনেকেই হয়তো তার কর্মীদের কারো সাথে পরিচিত। এই পরিচিতদের নাম উল্লেখ করে অফিসে যান। যদি অসুস্থতার কারণ দেখান, তবে এই কারণেও সাক্ষাৎ পেতে পারেন। তবে সাক্ষাৎ মানে বড় কিছু নয়। সাধারণত আশীর্বাদের জন্য মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় দেওয়া হয়। যদি ছবি তুলতে চান, ₹৫ দিতে হয়। ফটোগ্রাফার অফিস থেকেই দেয়, নিজস্ব ক্যামেরা নিয়ে যাওয়া যায় না।
দলাই লামার সাথে দেখা করা তিব্বতীদের জন্যও একটি বিরল সুযোগ। তাই যদি আপনি এটি করতে পারেন, নিজেকে ভাগ্যবান মনে করুন। একটি খাতা (সাদা স্কার্ফ) সঙ্গে নিন। এগুলো কয়েক রুপিতে কিনতে পারেন। তবে যদি এটি স্মৃতিস্বরূপ রাখতে চান, ₹২০ খরচ করে ভালো মানের একটি কিনুন।
যদি তিনি আপনার সাথে ছবি তোলেন, অফিস বলবে একটি খালি সিডি নিয়ে আসতে। তারা সেই ছবিটি সিডিতে দেবে। মন্দির সড়কে ₹৫০-এ খালি সিডি পাওয়া যায়। যাদের নাম ব্যবহার করে বা যাদের সাহায্যে আপনি সাক্ষাৎ পেয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলবেন না। তাদের মঠে অনুদান দিন, তাদের রেস্তোরাঁয় খান বা যা আপনার কাছে সঠিক মনে হয়। এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে একটি ভালো কাজ।
প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে প্রায় দশ দিনের জন্য বা কখনো কখনো অন্য সময়েও দলাই লামা সাধারণ মানুষের জন্য ধর্মোপদেশ দেন। এর জন্য তিব্বতি শাখা নিরাপত্তা দপ্তরে (হোটেল তিব্বতের কাছাকাছি) আগাম নিবন্ধন করতে হয়। সাধারণত ৩-৪ দিন আগে নিবন্ধন করাই ভালো, যদিও কখনো কখনো কম সময়েও এটা সম্ভব। বসার জন্য একটি তোশক, তিব্বতি ভাষা থেকে বাংলায় বা ইংরেজিতে সরাসরি অনুবাদ শোনার জন্য একটি এফএম রেডিও ও হেডফোন, চা খাওয়ার জন্য একটি কাপ, এবং রোদ বা বৃষ্টির জন্য একটি টুপি বা ছাতা সঙ্গে রাখুন। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই কড়া, তাই অপ্রয়োজনীয় কিছু না নিয়ে যাওয়াই ভালো। শিক্ষা-পর্বের শেষ দিনে জনসাধারণের প্রার্থনার আয়োজন হয়, এর জন্য কোনো নিরাপত্তা পাস লাগে না। এই অনুষ্ঠানে অনুদান দেওয়া হলে তা স্বাগত জানানো হয়।
* {{করুন
| নাম = ১৭তম কারমাপা| অন্য = দলাই লামার আরেকটি বাসভবন| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.kagyuoffice.org/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.187282| দ্রাঘিমাংশ = 76.368571| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি অস্থায়ী বাসভবন ম্যাকলিয়ডগঞ্জের কাছেই সিধবাড়ি শহরে গ্যুটো তান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।| চিত্র =
}}
== শিখুন ==
[[File:Dharamsala Temple Bazaar.JPG|thumb|280px|ম্যাকলিওডগঞ্জের অর্ধ-তিব্বতি, অর্ধ-ভারতীয় বাজারে ভিড়]]
ম্যাকলিওডগঞ্জে যোগব্যায়াম, ধ্যান, রেইকির পাশাপাশি তিব্বতি ও ভারতীয় রান্নার ক্লাস, তিব্বতি ভাষার ক্লাস এবং থাই ম্যাসাজ শেখার কোর্স পাওয়া যায়। অনেক কোর্সই নিরামিষ খাবার অন্তর্ভুক্ত করে এবং এগুলো ধ্যান কেন্দ্রগুলিতে পরিচালিত হয়।
=== যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং নিরাময় ===
ভিপাসনা এবং তুষিতা (নীচে দেখুন) এই অঞ্চলের সবচেয়ে ভালো এবং জনপ্রিয় নামগুলোর মধ্যে অন্যতম।
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = আশো ইনস্টিটিউট| অন্য = | ঠিকানা = ভগসু গ্রাম| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = আয়ুর্বেদিক পুষ্টি এবং তাই-চি এর কোর্স।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = অমিত রেইকি অ্যান্ড মেডিটেশন সেন্টার| অন্য = | ঠিকানা = জোগিওয়াড়া রোড, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = ইয়ংলিং স্কুলের নীচে| ফোন = +91 94 18909046| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://amitreiki.com/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = বুদ্ধ হল-রেইকি উইথ উষা| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = জার্মান বেকারির বিপরীতে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = রেইকির বিভিন্ন স্তর (I, II, III এবং মাস্টার), ট্যারট এবং ক্রিস্টাল নিরাময়ের কোর্স বুদ্ধ হলে পরিচালিত হয়। এখানের শিক্ষক খুব নমনীয় এবং সহানুভূতিশীল।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = গেরিলা যোগা| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ইয়ংলিং স্কুলের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন; এটি বড় সবুজ ভবন| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = বিভিন্ন ধরনের যোগার পাঁচ দিনের কোর্স। ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। কর্মীরাও বন্ধুত্বপূর্ণ। এছাড়াও এখানে স্থানীয় শিল্পকর্ম ক্রয় করা যায়।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = কৈলাশ স্কুল অফ যোগা অ্যান্ড হোলিস্টিক হিলিং| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = মূল চত্বর থেকে ১০০ মিটার দূরে; গ্রিন শপ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামুন| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.yogatribe.org| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = অষ্টাঙ্গা বিন্যাসা এবং উপজাতীয় হঠ যোগ ক্লাস প্রতিদিন পাওয়া যায় এবং আপনি যেকোনো সময় অংশগ্রহণ করতে পারেন। রেইকি, আয়ুর্বেদিক ম্যাসাজ, ধ্যান এবং 'সাউন্ড হিলিং'-এর চিকিৎসা এবং সেশন উপলব্ধ। তবে এগুলোতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে অন্তত একদিন আগে থেকে ব্যবস্থা করতে হবে। এখানে ছোট এবং দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের ব্যবস্থাও রয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = কুণ্ডলিনী যোগা| অন্য = | ঠিকানা = থার্ডোলিং, এইচএইচ দালাই লামার মন্দিরের কাছে, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98 1685 1691| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = jiwankaur13@hotmail.co.uk| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = যোগা ক্লাস| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম এবং ভাষা| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98 0539 1799| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = tibhintutor@yahoo.in| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সোম-শনি সকাল ৯টা-দুপুর, দুপুর ২টা–৪টা| মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম, তিব্বতি ভাষা এবং হিন্দি ভাষার কোর্স প্রদান করা হয়।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = তুষিতা মেডিটেশন সেন্টার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.tushita.info| সময়সূচী = | মূল্য = ১০ দিনের কোর্স শুরু ₹৪,৮০০ থেকে।| অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ১০ দিনের বৌদ্ধধর্ম এবং ধ্যানের পরিচয়মূলক কোর্স, ৫ দিনের ধ্যান কোর্স এবং আরও অনেক কিছু (মূলত আবাসিক)। দিনের বেশিরভাগ সময় নীরবতা পালন করা হয়, তবে দর্শন পাঠের পর আলোচনা হয়। এটি ধর্মকোটের কাছে অবস্থিত এবং তুষিতা তিব্বতি মহাযান ঐতিহ্যের চর্চা করে। অনলাইনে বা তুষিতায় নিবন্ধন করুন। মূল্য এর মধ্যে রয়েছে আবাসন, পাঠ এবং দিনে ৩ বেলার সুস্বাদু নিরামিষ খাদ্য। প্রতিদিনের খরচ প্রায় ₹৫০০ (খাবার এবং থাকার খরচ সহ)। যারা বৌদ্ধধর্মে নতুন তাদের জন্য এটি একটি ধাপে ধাপে পরিচয়ের সুযোগ প্রদান করে।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = বিপাসনা| অন্য = ☸| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মকোটের কাছে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.dhamma.org/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ১০ দিনের ধ্যান কোর্স। আপনাকে আগেই তাদের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে, তবে এখানে কোর্সগুলো সাধারণত কয়েক মাস আগে থেকেই বুক হয়ে যায়। যদি কোর্সে আপনার গভীর আগ্রহ থাকে এবং ধর্মশালায় জায়গা না পান, তবে এটি ভারতের অন্যান্য অনেক স্থানে দেওয়া হয়—ওয়েবসাইটটি দেখুন।<br/>এই কোর্স আপনাকে বিপাসনা ধ্যানের পদ্ধতি শেখাবে। আপনাকে সম্পূর্ণ নীরব থাকতে হবে, এবং দিনে ২টি খাবার ও খুব হালকা রাতের খাবার সরবরাহ করা হয়। কোর্সটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, তবে আপনি চাইলে একটি অনুদান দিতে পারেন। কোর্সটি বেশ তীব্র ধরণের ধ্যানের রিট্রিট (দিনে ১৪ ঘণ্টা) যা থেরবাদ ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত। আগের ধ্যানের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় না, কারণ কোর্স চলাকালীন আপনাকে আপনার আগের সব ধ্যান পদ্ধতি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে বলা হবে। কিছু মানুষ পরামর্শ দেয় যে নতুনদের জন্য তুষিতা প্রদত্ত কোর্সে অংশ নেওয়া ভালো। এটি ধ্যান, দর্শন এবং আলোচনার মিশ্রণ, যা নতুনদের জন্য বেশ সহজ।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = কৈলাশ ট্রাইবাল স্কুল অফ যোগ| অন্য = যোগী কটেজ| ঠিকানা = ভগসু রোড| দিকনির্দেশ = ম্যাকলয়েডগঞ্জ| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.yogatribe.org/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = যোগা অ্যালায়েন্স অনুমোদিত ₹২০০–₹৫০০-এর যোগ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং একক বা গোষ্ঠীর জন্য রেইকি পাঠ।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = জি-মেডিটেশন| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.zmeditation.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ১৫ দিনের নীরব ধ্যান রিট্রিট, নিম্ন ধর্মশালায়। এতে গভীর পুনঃশিক্ষার অনুসন্ধান, উজ্জ্বল মন্ত্র, সৃজনশীল ধ্যান, নিজের জীবনের জটিলতা সমাধানের জন্য নির্ধারিত কাজ, প্রতিদিন ২ ঘণ্টার যোগাভ্যাস, তিনবেলা নিরামিষ খাবার এবং বিরতি অন্তর্ভুক্ত। পুরো নিরাময় নীরবতার মধ্যে সম্পন্ন হয়। কোর্সের খরচ বাসস্থানের উপর নির্ভর করে মার্কিন$৬০০–১,২০০।| চিত্র =
}}
=== রান্নার ক্লাস ===
* {{করুন
| নাম = এলএইচএ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির সড়ক, ম্যাকলিওডগঞ্জ,| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 18 92 220992| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.lhasocialwork.org/lhav3/component/content/article/63-visitor-services/108-tibetan-cooking-class| সময়সূচী = | মূল্য = ২ঘন্টা ক্লাসের জন্য ₹৩০০| অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে বিভিন্ন ধরনের মোমো, তিব্বতি রুটি এবং তিব্বতি নুডলস রান্না শেখা যায়। ক্লাসের জন্য Lha-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, এখানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার সুযোগও রয়েছে।| চিত্র = | উইকিপিডিয়া = LHA Charitable Trust| উইকিউপাত্ত = Q6458530
}}
* {{করুন
| নাম = লহামোর কিচেন| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি খাবার রান্না করা শেখা যায়। এতে স্যুপ, মোমো এবং তিব্বতি রুটি অন্তর্ভুক্ত। ক্লাসটি চালান একজন মজাদার তিব্বতি ব্যক্তি, যার নাম লহামো। ক্লাসটি লহামোর একটি ছোট একক কক্ষে, শহরের কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = মি. সাঙ্গ্যের কিচেন| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া রোড, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = ডাকঘর এবং পুল হল থেকে আরও নিচে| ফোন = +91 98 1616 4540| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = sangyla_tashi@yahoo.co.in| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি খাবার রান্না শেখা যায়। স্যুপ, মোমো এবং তিব্বতি রুটি সহ বিভিন্ন পদ তৈরি করা শেখানো হয়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = ত্রিমূর্তি রান্নার ক্লাস| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ভারতীয় খাবারের একটি বিস্তৃত তালিকা থেকে যে কোনো তিনটি পদ বেছে নিন, এবং রজনী আপনাকে তার ছোট ও সুন্দর রান্নাঘরে সেগুলি রান্না করা শিখিয়ে দেবেন। রজনী তার স্বামী এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর, নিজেকে এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য ক্লাস নেওয়া এবং কাপড় ধোয়ার কাজ শুরু করেন।| চিত্র =
}}
== কার্যক্রম ==
=== স্বেচ্ছাসেবক ===
স্বেচ্ছাসেবার কিছু সুযোগ রয়েছে। যদি দীর্ঘমেয়াদী (যেমন ১ মাস বা তার বেশি) কাজ করতে চান, তাহলে শহরের মাঝখানে অবস্থিত এলএইচএ (LHA) অফিসে যোগাযোগ করুন। সেখানকার কর্মীরা খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ এবং যারা পড়ানো বা কথোপকথনের ক্লাসে অংশ নিতে চান, তাদের সবসময় স্বাগত জানানো হয়।
* '''[http://www.lhasocialwork.org/ এলএইচএ সামাজিক কার্যক্রম]''' – ধর্মশালা এবং ম্যাকলিওডগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ দাতব্য সামাজিক কার্যক্রম সংগঠন। এটি তিব্বতি শরণার্থী, স্থানীয় ভারতীয় জনগণ এবং হিমালয়ের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও পরিষেবা প্রদান করে। ইংরেজি, ফরাসি এবং চীনা ভাষার ক্লাসে, আইটি বিষয়ক ক্লাসে,পেশাগত প্রশিক্ষণে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সচেতনতা শিক্ষায়, জামাকাপড় এবং ওষুধ বিতরণে, ভক্তশালা এবং অন্যান্য বহু কার্যক্রমে মাঝেমধ্যেই স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন হয়।
* '''রোগপা ক্যাফে''' (যোগিওয়াড়া সড়ক) – এখানে ক্যাফেতে কাজ করার জন্য বা ডে কেয়ার সেন্টারে শিশুদের দেখাশোনা করার জন্য সবসময় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রয়োজন হয়। এটি দুই সপ্তাহের একটি কার্যক্রম। এই ক্যাফের সমস্ত আয় রোগপা ডে কেয়ার সেন্টারে যায়, যা স্থানীয় শিশুদের জন্য বিনামূল্যে সেবা প্রদান করে।
* '''তেসি পরিবেশ সচেতনতা আন্দোলন''' – যদি আপনি পরিবেশ বিশেষজ্ঞ হন, তাহলে এই তিব্বতি অলাভজনক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আপনি তিব্বতি সমাজের সাথে মেলামেশার মাধ্যমে তাদের ইংরেজি শেখাতে সাহায্য করতে পারেন। এর পাশাপাশি, একে অপরের সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত গল্প জানার সুযোগও পাবেন। তবে রাস্তার ভিক্ষুদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত টিউটরের অনুরোধ পাওয়ার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকুন। কিছুদিন পর তারা হয়তো আপনাকে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বলতে পারে। যদিও এমন ঘটনা খুবই কম ঘটে। তাই এমন সহযোগিতা করতে চাইলে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোনো সংস্থার মাধ্যমে এগোনোই ভালো।
সাধারণত, বেশিরভাগ ভিক্ষু ও সাধারণ মানুষ ইংরেজি শেখানোর জন্য আপনার প্রতি খুব কৃতজ্ঞ থাকেন। এটি তিব্বতি মানুষদের কাছ থেকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে জানারও দারুণ এক সুযোগ। সাহায্য করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, টেম্পল রোডের এলএইচএ (LHA) বা যোগিওয়ারা রোডের এলআইটি (LIT)-এ গিয়ে টিউটরিংয়ের জন্য নাম লেখানো। এক মাসের কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলে তারা আরো বেশি খুশি হয়।
== কেনাকাটা ==
ধর্মশালায় তিব্বতি জিনিসপত্র কেনা যায়, যেমন গয়না ও ছোট ছোট অলংকার, উলের শাল, প্রার্থনার পতাকা, প্রার্থনার চাকা, কার্পেট, ''থাংকা'' ও মণ্ডল চিত্রকলা।
*{{কিনুন
| নাম = তিব্বতি সিংগিং বোল| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এটি বাজানো সহজ এবং এটি 'সাউন্ড হিলিং' অর্থাৎ শব্দের সাহায্যে নিরাময়, সংগীতের সাহায্যে নিরাময় বা শুধু আরামের জন্য ব্যবহার করা হয়।| চিত্র =
}}
== আহার ==
=== কি খাবেন ===
তিব্বতি রাস্তার বিক্রেতাদের কাছে পাওয়া মোমো সাধারণত ৪ পিসের জন্য ₹১০-এ বিক্রি হয়। এগুলো খাওয়া নিরাপদ এবং পশ্চিমা স্বাদের সাথে মানানসই, যদিও এগুলো নীচে উল্লেখিত কিছু সেরা রেস্তোরাঁর রান্নার সূক্ষ্মতার সমান হবে না।
ধর্মশালা [[তিব্বত#খাদ্য|তিব্বতি খাবার]] এবং [[তিব্বত#খাদ্য|পানীয়]] স্বাদ গ্রহণ করার জন্য একটি ভালো জায়গা:
* '''মোমো''' – মাংস বা সবজি দিয়ে ভরা ডাম্পলিং, যেগুলো ভাপানো বা ভাজা হয়।
* '''থুকপা''' – সবজি বা মাংস মেশানো একটি পুষ্টিকর নুডল স্যুপ।
* '''থেনথুক''' – হাতে তৈরি চ্যাপ্টা, আয়তাকার নুডল দিয়ে প্রস্তুত ''থুকপা''।
* '''পোচা''' – লবণাক্ত চা, যা মাখনের সাথে মেশানো হয়; এটি একটি তিব্বতি প্রধান খাদ্য এবং সাধারণত তিব্বতি বাটার টি (Tibetan Butter Tea) নামে পরিচিত।
=== কোথায় খাবেন ===
{{তথ্যছক|হালনাগাদ|এই বিভাগে এবং নীচের সমস্ত খাবারের তালিকা ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা আশা করি এটি আপনার জন্য সহায়ক হবে। কোনো মন্তব্য বা আপডেটের প্রস্তাব থাকলে, অনুগ্রহ করে [[আলাপ:ধর্মশালা|আলাপ পাতায়]] আপনার মতামত জানান।}}
ম্যাকলিওডগঞ্জ খাওয়া-দাওয়ার জন্য একটি দারুণ জায়গা, এবং এখানে প্রচুর রেস্তোরাঁ রয়েছে, বিশেষ করে মধ্য থেকে উচ্চমানের রেস্তোরাঁ, যেগুলো বিদেশি পর্যটকদের জন্য উপযোগী।
ভাগসু এবং ধর্মকোটেও দারুণ স্থানীয়, ফিউশন এবং বিদেশি খাবারের রেস্তোরাঁ রয়েছে—হিউমাস এবং ফালাফেল এখানে অস্বাভাবিক নয়।
ধর্মশালায় খাবারের দাম সাধারণত ভারতের অন্যান্য (পর্যটকবিহীন) অঞ্চলের তুলনায় ৫০-১০০% বেশি হয়। এছাড়াও, বিদেশি খাবারের ক্ষেত্রে প্রায়ই অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করা হয়।
=== ম্যাকলিওডগঞ্জ ===
==== সস্তা ====
* {{আহার করুন
| নাম = কমন গ্রাউন্ড ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = তুষিতা সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর বা চৌকের ১০০ মিটার উপরে।| ফোন = +91 9816273240, +91 1892220264| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.facebook.com/commongroundcafe09/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.239294| দ্রাঘিমাংশ = 76.32419| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি অলাভজনক ক্যাফে। এটি চীনা এবং তিব্বতীদের মধ্যে ঐক্য এবং বোঝাপড়া বৃদ্ধির জন্য আলোচনার স্থান হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এখানে অনেক আলোচনা ও প্রদর্শনী হয় যা দুই সংস্কৃতির মধ্যে সম্প্রীতি বাড়ায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = জেজেআই এক্সাইল ব্রাদার্স মম’স কিচেন | অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর থেকে কিছুটা দূরে, ডান দিকে, পিস কফি হাউস এবং কুংগা গেস্টহাউসের মধ্যে।| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ৮:৩০–রাত ১০টা| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.239019| দ্রাঘিমাংশ = 76.325268| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = রেস্টুরেন্টে মাত্র ৫টি টেবিল, একটি কাউন্টার এবং একটি পোষা কুকুর রয়েছে। এটি "জেজেআই এক্সাইল ব্রাদার্স" নামে পরিচিত তিনজন তিব্বতি সংগীতশিল্পী ভাইয়ের মালিকানাধীন। প্রতি রবিবার সন্ধ্যা ৭:৩০-এ তারা রেস্টুরেন্টে লাইভ পারফর্ম করেন। এখানে ভালো মানের তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়। ৫ ধরনের ''থুকপা'' এবং ''থেনথুকের'' দাম ₹৫০–৮০। বাদামী আটা দিয়ে তৈরি মোমোর দাম ₹৫০–৭০, যেখানে বিরল পালং শাকের মোমোও রয়েছে। এছাড়াও, ''টিংমো'' (সবজির সাথে পরিবেশিত বাষ্পে রান্না করা রুটি) পাওয়া যায় ₹৬০–৭০ দামে। সবজি ও ফলের সালাদ ₹৪০–৬০ দামে পাওয়া যায়। মিষ্টির মধ্যে রয়েছে ভেগান চকলেট কেক, বাদাম যোগে রাম কেক এবং বিভিন্ন ধরণের প্যানকেক, যার দাম ₹৪০–৬০। পোরিজ এবং তাজা ফলের রসের দাম ₹৪০–৫০। যদিও খাবারের পরিমাণ একটু কম, তবে রেস্টুরেন্টে একটি বইয়ের তাক আছ। এই বইগুলি পড়াও যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = ম্যাকলিও মোমোস| অন্য = | ঠিকানা = টিপা সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর বা চৌকের উপরে ডান দিকে প্রথম বাড়ি বা কুঁড়েঘর| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = গ্রীষ্মকালে সকাল ৭:৩০ থেকে রাত ৯:৩০ পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৮টা থেকে রাত ৯:৩০ পর্যন্ত।| মূল্য = ₹25–80| অক্ষাংশ = 32.2388| দ্রাঘিমাংশ = 76.324028| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ক্যাফেটি খুব সাধারণ, খানিকটা পুরনো দেখতে হলেও এর মোমোর জন্য বিখ্যাত। এখানকার মেনুতে ঐতিহ্যবাহী খাবারের সৃজনশীল রূপ দেওয়া হয়েছে, যা বড় বড় রেস্টুরেন্টেও সহজে পাওয়া যায় না। ক্যাফেটির ১২ পৃষ্ঠার দ্বিভাষিক মেনু (ইংরেজি এবং জাপানি) রয়েছে। নিরামিষাশীদের জন্য ৯ ধরনের মোমো রয়েছে, যার দাম একটি প্লেটের জন্য ₹৫০–৭০ (১০–১২টি মোমো)। আমিষভোজীদের জন্য ৫ ধরনের মোমো পাওয়া যায়, যার দাম ₹৬০–৮০ (৩–১২টি মোমো)। তিব্বতি খাবারের মধ্যে থুকপার ৯টি ভিন্ন ভিন্ন ধরন রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমা ও তিব্বতি প্রাতঃরাশে প্যানকেক, ওমলেট এবং মুসলির মতো খাবার পাওয়া যায়। চিনা খাবারের মধ্যে ৭ ধরনের চাউমিন রয়েছে। এখানকার তিব্বতি রুটি বড় আকারের হয়। খাবারের দাম ₹২৫–৮০ পর্যন্ত।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| address কুংগা অতিথিশালা, ভাগসু সড়ক | নাম = নিকের ইতালীয় রান্নাঘর| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর থেকে ৫ মিনিটের হাঁটা দূরত্ব| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা| মূল্য = ₹৩০–১৫০| অক্ষাংশ = 32.23884| দ্রাঘিমাংশ = 76.325| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে তুলনামূলকভাবে মাঝারি মানের পশ্চিমা খাবার এবং কিছু তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়। তালিকায় ১৯৪টি খাবারের ধরণ রয়েছে। রেস্তরাঁটি আলো-বাতাসপূর্ণ একটি বড় ঘর এবং পেছনে একটি ছাদ রয়েছে, যেখান থেকে ম্যাকলিওডগঞ্জ উপত্যকা এবং কাংরা উপত্যকার দারুণ দৃশ্য দেখা যায়। পাশের গ্রিন গ্রিন রেস্তোঁরাতে ও পিস কফি হাউসের মতো এখানেও চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। একটি ছোট লাইব্রেরি ও জনপ্রিয় নোটিশবোর্ডও আছে। জায়গাটি ভিড় হলে একটু কোলাহলপূর্ণ হয়ে ওঠে। |চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = তাখিয়েল পিস ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = তাখিয়েল অতিথিশালা, যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর থেকে ১০ মিনিটের হাঁটা দূরত্ব; রাস্তার সবজি বিক্রেতাদের পাশে, রাস্তা থেকে কয়েক ধাপ সিঁড়ি উপরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2367684| দ্রাঘিমাংশ = 76.325056| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এই ক্যাফেটি খুব সাধারণ এবং সরল মানের। এখানে প্রাতঃরাশের জন্য ডিমের নানা রকম পদ (₹২০–৪৫), পোরিজ (মিশ্র ফল দিয়ে ₹৬৫), টোস্ট, স্যান্ডউইচ (তোফু স্যান্ডউইচ ₹৪৫), বিভিন্ন ধরনের রুটি (₹৫–২৫; পিনাট বাটার, জ্যাম বা মধুর জন্য অতিরিক্ত খরচ), এবং প্যানকেক (₹৪০–৭০; মিশ্র ফল-চকলেট প্যানকেক ₹৭০) পাওয়া যায়। তিব্বতি খাবারের মধ্যে থুকপা (₹৪০–৭০) এবং মোমো (ভাপা ₹৪০–৫০; ভাজার জন্য ₹১০ অতিরিক্ত) পরিবেশিত হয়, তবে এদের মান অনিশ্চিত। বিভিন্ন স্বাদের ভালো লাসি (যেমন আপেল লাসি ₹২০–৩৫) পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = রেওয়া ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ডাকঘর থেকে ৫ মিনিট নিচে পাহাড়ের দিকে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2351| দ্রাঘিমাংশ = 76.3277| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এখানে ভালো তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = শাংগ্রি লা রেস্টুরেন্ট| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = বাস স্টপের কাছাকাছি| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.238464| দ্রাঘিমাংশ = 76.3239| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এই ছোট রেস্টুরেন্টটি সন্ন্যাসীরা পরিচালনা করেন এবং এর আয় গিউডমেড মঠের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রাতঃরাশে "শাংগ্রি লা স্যান্ডউইচ" চেখে দেখতে পারেন। রাত্রের খাবারও মানসম্মত এবং মূল্যবান।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = eat| নাম = ওয়েজার বেকারি| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ব্ল্যাক ম্যাজিকের নিচে, যোগিওয়াড়া সড়কের, প্রধান চত্বর থেকে ১০০ মিটার নিচে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = যোগিওয়াড়া| মূল্য = ₹৫০–১৫০| অক্ষাংশ = 32.236855| দ্রাঘিমাংশ = 76.325378| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে প্রতিদিন মানসম্মত উপকরণ দিয়ে চমৎকার পেস্ট্রি বানানো হয়। মালিক এবং বেকার, সাঙ্গমো, একজন তরুণ তিব্বতি যিনি ক্রেতাদের সাথে গল্প করতে ভালোবাসেন। এখানে ওয়ালনাট টার্ট, চকলেট চিলি ললিপপ, ক্যাপুচিনো, ভেগান কেক (গ্লুটেন-মুক্ত বিকল্পসহ), এবং তাজা বিন থেকে তৈরি কফি পাওয়া যায়। ১৫ ধরনের গরম চা, হট চকোলেট, ভারতীয় চা, মিল্কশেক এবং অন্যান্য ঠান্ডা পানীয় পরিবেশিত হয়। এছাড়া এখানে একটি ছোট লাইব্রেরি আছে, যেখানে ভালো বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে।| চিত্র =
}}
==== মাঝারি বাজেট ====
*{{আহার করুন
| নাম = জিমির ইতালীয় রান্নাঘর| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জের প্রধান চত্বর বা চক থেকে কয়েক ধাপ দূরে, বৌদ্ধ স্তূপ পেরিয়ে বাঁ দিকে, রাস্তার একতলা ওপরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹১০০–১৩০| অক্ষাংশ = 32.2391| দ্রাঘিমাংশ = 76.3254| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = সুন্দর সাজসজ্জা, যেখানে পুরনো এবং আধুনিক সিনেমার পোস্টার রয়েছে। তবে কর্মীরা কিছুটা অপ্রশিক্ষিত এবং মালিকদের নজরের বাইরে কাজ করে বলে মনে হয়। এখানকার খাবার শহরের অন্যান্য ইতালীয় খাবারের চেয়ে ভালো। সালাদ অসাধারণ এবং পাস্তা (''নাপোলিতানা'', ''আররাবিয়াতা'',''কোয়াট্রো ফর্মাজি'', ''পুটানেস্কা'') এবং পিজ্জার মানও গ্রহণযোগ্য।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = লামোর ক্রসঁ| অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু সড়ক| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98823 71507| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = lhamotso@gmail.com| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.facebook.com/lhamoscroissant/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23884| দ্রাঘিমাংশ = 76.324879| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি সাধারণ কিন্তু স্টাইলিশ ক্যাফে, যেটি সম্ভবত ম্যাকলিয়ডগঞ্জের সবচেয়ে অবমূল্যায়িত স্থান। এখানে প্রাতঃরাশ, স্যান্ডউইচ, স্যুপ, সালাদ, ডেজার্ট, কফি এবং চা পরিবেশন করা হয়। এখানে নিরামিষ খাবারের ভালো বৈচিত্র্য রয়েছে। প্রতিদিন সকালে লামো নিজে তাজা রুটি তৈরি করেন। দ্বিতীয় তলায় জাপানি শৈলীতে কুশন এবং তিব্বতি কার্পেটের উপর আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা রয়েছে। ছাদ থেকে চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = লুং-টা| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = শহরের দক্ষিণ প্রান্তের কাছে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সোমবার থেকে শনিবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত, রোববার বন্ধ| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23576| দ্রাঘিমাংশ = 76.326539| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = চমৎকার জাপানি খাবার পরিবেশন করে। প্রতিদিনের বিশেষ মেনুতে নজর দিন। এখানে একটি ছোট পোশাকের দোকানও রয়েছে, যেখানে তিব্বতি অনুপ্রাণিত উচ্চমানের ফ্যাশন বিক্রি হয়। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এর আয় সাবেক রাজনৈতিক বন্দীদের সাহায্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = পেমা থাংয়ের অতিথিশালা| অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু সড়ক| দিকনির্দেশ = ভাগসু হোটেলের বিপরীতে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.235| দ্রাঘিমাংশ = 76.32493| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = মহাদেশীয় এবং স্থানীয় ধাঁচের নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হয়। তেলে ভাজা কলা ও বাদামের খাবার এবং পেপারনি পিজ্জা অবশ্যই চেষ্টা করে দেখুন। এ ছাড়াও এখানে দারুণ ''থেনথুক'' পরিবেশন করা হয়।| চিত্র =
}}
=== হাইনা ===
==== সস্তা ====
* {{আহার করুন
| নাম = ফ্রেন্ডস কর্নার ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ডাল – ₹৯০, বোঁদে রায়তা – ₹৯০| অক্ষাংশ = 32.25083| দ্রাঘিমাংশ = 76.33036| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = স্বল্প মূল্যের বিভিন্ন খাবার পাওয়া যায়। বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত একটি ছোট্ট ঝুপড়ির মধ্যে অবস্থিত। নিয়মিত ক্রেতাদের আনাগোনা থাকে এবং খাবারের বৈচিত্র্যও হরেকরকম।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = হিনা ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = চা – ₹২০, পরোটা – ₹৫০| অক্ষাংশ = 32.2511568| দ্রাঘিমাংশ = 76.329229| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = তেমন জাঁকজমকপূর্ণ নয়, তবে এটি এলাকায় সবচেয়ে সস্তার খাবারের ঠিকানা। দুই ভাই মিলে এটি চালান। এখানে একটি বড় টেরেস রয়েছে, যেখানে বসে গালু জলপ্রপাতের দিকে পায়ে হাঁটা মানুষ বেশি দেখা যায়।.| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = টিন টিন ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ডিম চাউমিন – ₹১৭০| অক্ষাংশ = 32.25082| দ্রাঘিমাংশ = 76.329| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = আরেকটি বাজেট উপযোগী ক্যাফে, যেখানে সুস্বাদু চাউমিন পরিবেশন করা হয়। মূল চিহ্নিত স্থানে ছোট্ট একটি ঝুপড়ি থাকলেও, প্রায় ১০০ মিটার দূরে একটি ছোট ক্যাফে রয়েছে, যেখানে বসার ভালো ব্যবস্থা আছে।| চিত্র =
}}
====মাঝারি====
* {{আহার করুন
| নাম = ইয়ং মঙ্ক ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = চা – ₹৫০| অক্ষাংশ = 32.250735| দ্রাঘিমাংশ = 76.33012| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = এটি একটি হোস্টেল, যার বড় রান্নাঘর রয়েছে ও এখানে সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।| চিত্র =
}}
====বিলাসবহুল====
* {{আহার করুন
| নাম = কালি যুগা বার্বিকিউ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹৫০০ বা তার বেশি| অক্ষাংশ = 32.25133| দ্রাঘিমাংশ = 76.329058| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = এটি মূলত রাশিয়ান ভাষাভাষী কিছু মানুষের পরিচালিত একটি রেস্তোরাঁ, যেখানে বিভিন্ন ধরনের মাংসের পদ পাওয়া যায়। পশ্চিমা মানের তুলনায় এটি সস্তা হলেও বেশিরভাগ ভারতীয়দের জন্য এখানে খাওয়া বেশ ব্যয়বহুল।| চিত্র =
}}
== পানীয় ==
ম্যাকলিওডগঞ্জে বিশুদ্ধ জলের বোতল ভর্তি করার ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি মন্দির সড়কের এলএইচএ, ভাগসু সড়কের পরিবেশ শিক্ষা কেন্দ্র, আর যোগিওয়াড়া সড়কের ডগ্গা-সেন্টার থেকে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে জল ভরতে পারেন।<br>
এছাড়া, কিছু রেস্তোরাঁতেও এই সুবিধা আছে। যেমন নিক'স-এ ₹৫ এবং গ্রিন হোটেল-এ ₹১০ দিয়ে বিশুদ্ধ জল ভর্তি করা যায়। যদি বাইরের জলে ওপর নির্ভর করতে না চান, তবে এসব জায়গা আপনার জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে।
=== কফি ===
উপরের তালিকায় থাকা অনেক রেস্তোরাঁ ও বেকারিতে কফি বা চা উপভোগ করার দারুণ সুযোগ আছে। সাথে মনোরম দৃশ্যও উপভোগ করতে পারবেন। [[#আহার|এখানে দেখুন]]
* {{পান করুন
| নাম = মুনপিক এসপ্রেসো| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির সড়ক, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = মুখ্য চত্বর বা চক থেকে ১০ মিনিট হাঁটা| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ৭টা – রাত ৮টা| মূল্য = ₹৫০–১২০| অক্ষাংশ = 32.2359| দ্রাঘিমাংশ = 76.32396| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে ₹৪০–৭০ টাকায় কফি পাওয়া যায়। যদিও ম্যাকলিওডগঞ্জে আরও ভালো কফির বিকল্প আছে, তবে এটি বেশ আরামদায়ক একটি ক্যাফে। ক্যাফেটি ভারতীয় মালিকানাধীন হলেও সমস্ত কর্মচারী তিব্বতীয়। এখানে ছোট কিন্তু ভালো মানের স্যান্ডউইচ এবং প্রাতরাশ পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের চা, বিশেষ করে হার্বাল চা (₹৫০–৬০) পাওয়া যায়। এটি ম্যাকলিওডগঞ্জের কয়েকটি ক্যাফের মধ্যে একটি যেখানে বিনামূল্যে ও ভালো মানের ওয়াই-ফাই আছে। তবে, মেনুতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে যে, যদি কেউ অনেকক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাহলে কিছু অতিরিক্ত খাবার অর্ডার করাটা ভালো হবে।| চিত্র =
}}
=== সুরা ===
* {{পান করুন
| নাম = এক্স সাইট| অন্য = | ঠিকানা = প্রধান চক, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = কয়েক বছর আগে পর্যন্ত জায়গাটি জনপ্রিয় ছিল, তবে এখন সেই জৌলুস কিছুটা কমে গেছে। এটি ম্যাকলিওডগঞ্জের একমাত্র নাইটক্লাব যেখানে নাচের ফ্লোর আছে। এখানে রাত ১টা পর্যন্ত ভারতীয় এবং পশ্চিমা গান বাজানো হয়।| চিত্র =
}}
== রাত্রিযাপন ==
{{তথ্যছক|হালনাগাদ|এই বিভাগে এবং নীচের সমস্ত খাবারের তালিকা ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা আশা করি এটি আপনার জন্য সহায়ক হবে। কোনো মন্তব্য বা আপডেটের প্রস্তাব থাকলে, অনুগ্রহ করে [[আলাপ:ধর্মশালা|আলাপ পাতায়]] আপনার মতামত জানান।}}
ম্যাকলিওডগঞ্জে থাকার জন্য অনেক জায়গা আছে, তবে এর প্রধান রাস্তাগুলো, বিশেষ করে ভাগসু সড়ক, ভারতের অন্যান্য ব্যস্ত এলাকার মতোই গাড়ি, মোটরবাইক ও অটোরিকশার আওয়াজে ভরা। উপযুক্ত থাকার জায়গা খুঁজে পাওয়া সহজ—শুধু একটু হাঁটুন আর দরদাম করুন। কোনো হোটেল পছন্দ করার আগে অন্তত দুটো আলাদা ঘর দেখে নেওয়াই ভালো। ম্যাকলিওডগঞ্জে থাকার জন্য উল্লেখযোগ্য দুটি হোস্টেল হলো {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = মিত্র ২ | অক্ষাংশ = 32.2354042 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3276159 }} এবং {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = হোস্টেলার | অক্ষাংশ = 32.2350159 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3259720 }}। এখানে সরাসরি গিয়ে ঘর নেওয়াটা বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।
ভাগসু এবং হাইনিতে তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যক আবাসিক ও ব্যাকপ্যাকারদের দেখা যায়, যেখানে সাধারণ অতিথিশালা ও হোটেলও রয়েছে। উল্লেখযোগ্য আবাসিকের মধ্যে {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = মিত্র | অক্ষাংশ = 32.2523004 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3290486 }} এবং {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = ইয়ং মঙ্ক | অক্ষাংশ = 32.2506965 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3301693 }} রয়েছে। এখানে সরাসরি গিয়ে রুম নেওয়া বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।
যারা দীর্ঘ সময় থাকার পরিকল্পনা করছেন, তারা জোগিওয়ারা সড়কের ওপর ইয়ংলিং সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে পারেন। এই এলাকায় প্রায় এক ডজন সস্তা ও ভালো থাকার জায়গা রয়েছে, যেগুলো থেকে দারুণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
===সস্তা===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = কর্নেলের আরামদায়ক কর্নার| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = দারি-এর কাছাকাছি| ফোন = +91 94 1872 4897, +91 98 1677 0899 (বুকিং)| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = colkrishan@yahoo.co.in| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹৬০০-৮০০, (কতদিন থাকবেন তার উপর দরদাম করা যেতে পারে)| অক্ষাংশ = 32.20299| দ্রাঘিমাংশ = 76.3319| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এই অতিথিশালার মালিক একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী। জায়গাটি নিরাপদ ও নিরিবিলি, যেখানে কেউ বিরক্ত করবে না। এখানে মাত্র ৩টি কক্ষ আছে, তাই পরিবারের মতো পরিবেশ পাবেন। পরিষ্কার বিছানার চাদর ও নিরাপদ পানীয় জল পাওয়া যায়। স্থানীয় ‘ধাম’ (মধ্যাহ্নভোজ) খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = লর্ড কৃষ্ণা বুটিক স্টে| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 18 9222 1588| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল =https://www.hotelsinmcleodganj.in/ | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.236416| দ্রাঘিমাংশ = 76.32389089833737| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = পরিচ্ছন্ন কক্ষ, চা-কফি ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ। এখানে বাইক ভাড়ার সুবিধাও পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = sleep| নাম = রিভার ভিউ অ্যাপার্টমেন্টস| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া, হেরু| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98 1620 6406, +91 98 1629 2228| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2347164| দ্রাঘিমাংশ = 76.329159| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = প্রতিটি কক্ষের সঙ্গে ঝুলবারান্দা ও রান্নাঘর রয়েছে। অতিথিদের কাছ থেকে ভালো রেটিং পেয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = শ্রী অতিথিশালা| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = মূল চত্বরে ষ থেকে ২০০ মিটার উপরে স্বর্গ আশ্রম সড়ক বা তুষিতা সড়কের দিকে| ফোন = +91 9418920003, +91 8894060505| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23975| দ্রাঘিমাংশ = 76.3247| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = খুবই শান্ত পরিবেশে অবস্থিত একটি পারিবারিক অতিথিশালা। ডাবল ও সিঙ্গেল রুম ভালো দামে পাওয়া যায়। এই অতিথিশালাটি দেবদারু ও পাইন বনের মধ্যে অবস্থিত।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = তুষার ব্যাঘ্র অতিথিশালা| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹১৭৫| অক্ষাংশ = 32.2384| দ্রাঘিমাংশ = 76.3239| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি ভালো বাজেট হোটেল।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = sleep| নাম = তারা বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট| অন্য = | ঠিকানা = যোগীওয়ারা সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = পিংক হাউসের পাশে, ইয়ংলিং স্কুলের ঠিক পাশেই। এখানে পৌঁছাতে হলে কিছুটা সিঁড়ি নামতে হবে। বাইরে যেতে চাইলে সেই সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হবে।| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.airbnb.co.in/rooms/14228545| সময়সূচী = | মূল্য = ₹৮০০–১,০০০| অক্ষাংশ = 32.236474| দ্রাঘিমাংশ = 76.32603| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-11| বিবরণ = স্নেহশীল ও যত্নবান হোস্ট সেপাল এটি পরিচালনা করেন। জায়গাটি আরামদায়ক, বিছানা ও বাথরুম পরিষ্কার। ঝুলবারান্দা থেকে বরফে ঢাকা পাহাড় দেখা যায়। একজন পরিচারক আছেন, তিনি সকালের নাস্তা বানান এবং সাধারণত কাছাকাছিই থাকেন। তবে সবসময় কাউকে পাবেন না। এখানে বিছানা, বাথরুম ও গরম জল পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = জুস্টা বার্ডিং রিসর্ট অ্যান্ড স্পা| অন্য = | ঠিকানা = ইন্দ্রুনাগ, প্যারাগ্লাইডিং পয়েন্টের কাছে, তাহু, চোহলা| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 9816-343-255, +91-9816-377-709| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = +91-9590-777-000| ইমেইল = book@justahotels.com| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.justahotels.com/justa-birding-dharamshala/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.221383| দ্রাঘিমাংশ = 76.335543| শেষ_সম্পাদনা = 2023-11-02| বিবরণ = | চিত্র =
}}
===মধ্যম মানের===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = অসপিশিয়াস হিম ভিউ হোটেল| অন্য = | ঠিকানা = যোগীওয়ারা সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = লেডিজ ভেঞ্চার হোটেলের নিচে| ফোন = +91 94 1823 6603| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.8aushimview.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23526| দ্রাঘিমাংশ = 76.32788| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = নিজস্ব ঝুলবারান্দা থেকে বরফে ঢাকা ধৌলাধার পর্বতমালার দৃশ্য দেখা যায়। কক্ষগুলো পরিষ্কার এবং সংযুক্ত বাথরুম রয়েছে। প্রতিটি কক্ষ বৌদ্ধধর্মের আটটি শুভ চিহ্নের নামে রাখা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = পেমা থাংয়ের অতিথিশালা| অন্য = ভাগসু হোটেলের বিপরীতে| ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 18 9222 1871| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.pemathang.net/| সময়সূচী = | মূল্য = দুজনের জন্য কক্ষ ₹৭৭০–১,১০০, গ্যাস হিটার (শীতকালে দরকারি) ₹২০০/দিন অতিরিক্ত| অক্ষাংশ = 32.235| দ্রাঘিমাংশ = 76.32488| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি পুরনো, তিব্বতি-পরিচালিত অতিথিশালা, যেটি নিরিবিলি গলির মধ্যে অবস্থিত। এখান থেকে কাংড়া উপত্যকার দারুণ দৃশ্য দেখা যায়। কক্ষগুলো কিছুটা পুরনো হয়ে উঠলেও অত্যন্ত পরিষ্কার ও আরামদায়ক। প্রতিটি কক্ষে টিভি ও ২৪ ঘণ্টা গরম জল পাওয়া যায়। দীর্ঘ সময় থাকলে রান্নার সুবিধাও ব্যবহার করা যাবে।| চিত্র =
}}
===অত্যাধুনিক ও বিলাসবহুল===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = গ্লেনমুর কটেজেস| অন্য = | ঠিকানা = মল সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে প্রায় ১ কিমি দূরে, যে রাস্তা ডাল হ্রদ/টিসিভির দিকে যায়| ফোন = +91 18 9222 1010| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.glenmoorcottages.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.246| দ্রাঘিমাংশ = 76.32227| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = দেবদারু, ওক ও রডোডেনড্রনের মিশ্র বনভূমির মাঝে অবস্থিত, যেখান থেকে কাংড়া উপত্যকার অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। নিরিবিলি ও শান্ত ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ জায়গা। অনেক সেলিব্রিটি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এখানে আসেন।| চিত্র =
}}
== নিরাপদ থাকুন ==
এই জায়গাটি সাধারণত নিরাপদ, তবে সতর্ক থাকা ভালো। সব সময় সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে রাত ৯টার পর বাইরে থাকলে বেশি সতর্কতা অবলম্বন করুন।
== পরবর্তী গন্তব্য ==
* [[অমৃতসর]] – শিখদের পবিত্র শহর এবং এর স্বর্ণ মন্দিরে পৌঁছাতে বাসে প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। বাস সকাল ৫টায় নিচের বাসস্টেশন থেকে ছাড়ে। অথবা প্রথমে [[পাঠানকোট]] হয়ে যেতে পারেন, সেখান থেকে বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে এবং ট্রেনেও যাওয়া যায়।
* [[বীর]] – একটি ছোট গ্রাম যেখানে তিব্বতি ও ভারতীয় জনগোষ্ঠী বসবাস করে। এটি বৌদ্ধ মঠ ও প্যারাগ্লাইডিং সেন্টারের জন্য বিখ্যাত। এখানে বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম প্যারাগ্লাইডিং স্থান, বীর-বিলিং, রয়েছে। এটি এখন একাধিক রোমাঞ্চকর ক্রীড়ার কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
* [[ডালহৌসি (ভারত)|ডালহৌসি]] – একটি ছোট পাহাড়ি শহর, যা [[পাঠানকোট]]-এর কাছে অবস্থিত।
* [[মানালি]] – আরও গভীর পার্বত্য অঞ্চলে যাওয়ার জন্য পরবর্তী প্রধান গন্তব্য।
* [[পালমপুর]] – একটি সুন্দর উপত্যকা, যা এর চা বাগান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মন্দিরের জন্য পরিচিত।
* [[সিধবাড়ি]] – নিম্ন ধর্মশালার বাইরে অবস্থিত একটি চমৎকার স্থান। এটি পর্যটকদের ভিড় থেকে দূরে থাকার জন্য উপযুক্ত এবং উপত্যকার এক সাধারণ কৃষি গ্রামে জীবনের স্বাদ নিতে আদর্শ।
{{নির্দেশিকা শহর}}
{{এর অংশ|কাংড়া জেলা}}
{{ভূ|32.23564|76.32721|zoom=15}}
fgwqnfgf8vsxdcfre2oj7vtat6tytt9
76757
76756
2026-06-10T03:34:17Z
ARI
3854
/* মধ্যম মানের */ পরিষ্কারকরণ - ওয়েবসাইট বন্ধ
76757
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার|Dharamsala banner Monastery prayer wheel.jpg|otbp=yes}}
[[File:Dharamsala View.JPG|thumb|350px|ম্যাকলয়েডগঞ্জ এবং বরফে আচ্ছাদিত ধৌলাধার পর্বতমালা]]
'''ধর্মশালা''' (হিন্দি: धर्मशाला; তিব্বতি: དྷ་རམ་ས་ལ་) [[হিমাচল প্রদেশ|হিমাচল প্রদেশের]] একটি পাহাড়ি জায়গা, যা দালাই লামার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বৃহৎ [[তিব্বত|তিব্বতি]] সম্প্রদায়ের জন্য বিখ্যাত।
== জানুন ==
ধর্মশালার তিব্বতি [[বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধ]] ঐতিহ্য ৮ম শতাব্দী পর্যন্ত প্রসারিত, যদিও স্থানীয় জনসংখ্যার বেশিরভাগই বহু আগেই [[হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] ধর্মে ফিরে গেছে এবং এখনও তাই রয়েছে। "ধর্মশালা" শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো "মন্দির সংলগ্ন সরাইখানা"। এটি তেমনই ছিল, যতদিন না [[কাংড়া]] জেলার সদর দপ্তর অতিরিক্ত ভিড়পূর্ণ হয়ে ওঠে এবং ১৮৪০-এর দশকের শেষের দিকে ব্রিটিশরা তাদের দুটি রেজিমেন্ট স্থানান্তর করে বর্তমান ধর্মশালা এলাকায় নিয়ে আসে। পরবর্তী বছরগুলোতে এটি কাংড়া জেলার সদর দপ্তর হিসেবে গড়ে ওঠে, এবং সেই স্থানটি বর্তমানে পুলিশ লাইন্স নামে পরিচিত।
এক সময় ধর্মশালাকে ভারতের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি, কারণ ১৯০৫ সালের ৪ এপ্রিল ৭.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প শহরের অধিকাংশ অংশ ধ্বংস করে দেয়। এই বিপর্যয়ে তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল এই এলাকায় ১০,০০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারায়।
ভারতের স্বাধীনতার শুরুর দিনগুলোতে গুরুত্ব হারানোর পর, ১৯৫৯ সালে দালাই লামা এবং নির্বাসিত তিব্বতি সরকার ধর্মশালায় আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি আবার কিছুটা সামাজিক মর্যাদা ফিরে পায়। এটি বিদেশি ভ্রমণকারী এবং বৌদ্ধধর্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্থান। তবে বর্তমানে এটি সম্ভবত একটু বেশিই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, এবং অনেকের মতে, শহরটি, বিশেষত ম্যাকলিয়ড গঞ্জ, এখন কেবল একটি ব্যাকপ্যাকারদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এখানে শান্তি এবং নির্জনতার প্রত্যাশা নিয়ে এলে আপনি হতাশ হতে পারেন।
=== জলবায়ু ===
নিম্ন ধর্মশালা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১,৪০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত, আর ম্যাকলিয়ড গঞ্জ প্রায় ১,৭৫০ মিটার উচ্চতায়। ফলে এই অঞ্চলটি নীচের সমতল ভূমির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে শীতল। জানুয়ারিতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যেতে পারে, আর জুনে তা ৩৮°সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এমনকি মার্চ মাসেও, যখন দালাই লামার শিক্ষাসমূহ অনুষ্ঠিত হয় এবং [[দিল্লি|দিল্লির]] আবহাওয়া আরামদায়ক থাকে, তখনও এখানে ভারী শীতের কোট প্রয়োজন হয়। এগুলো শহরের দোকানগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে কেনা যায়।
== প্রবেশ ==
'''[[DHM|কাংড়া বিমানবন্দর]]''' {{আইএটিএ|DHM}} [[কাংড়া|কাংড়ার]] গগ্গল এলাকায় অবস্থিত, যা ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে সড়কপথে এমডিআর৪৪ এবং জতীয় সড়ক১৫৪ হয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
=== বাসে ===
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা আইএসবিটি বাস স্ট্যান্ড| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://online.hrtchp.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.21820| দ্রাঘিমাংশ = 76.31726| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = অধিকাংশ মানুষ নিম্ন ধর্মশালায় বাসে পৌঁছান। এর উত্তর ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে ভালো সংযোগ রয়েছে, যদিও পাহাড়ি সরু এবং ঘুরপাক রাস্তার কারণে যাত্রাগুলো প্রায়শই ধীরগতির হয়। হিমাচল রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (HRTC), যা একটি রাজ্য সরকার পরিচালিত সংস্থা, এর টিকিট অনলাইনে বুক করা যায়।| চিত্র =
}}
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা প্রাইভেট ভলভো স্টপ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2193336| দ্রাঘিমাংশ = 76.3161606| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = | চিত্র =
}}
একসময় কিছু সরকারি এইচআরটিসি (HRTC) বাস দিল্লি এবং [[পাঠানকোট]] থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জের প্রধান স্কয়ার পর্যন্ত যেত, যেখানে ফেরার জন্য আগাম টিকিটও বুক করা যেত। তবে এখন হয়ত আর এরকম হয় না।
বেসরকারি বাসগুলি [[মানালি]], [[দেরাদুন]] এবং [[দিল্লি]] থেকে যাত্রা করে। দিল্লি থেকে রাতের বাসও চলে, যেগুলোর বেশিরভাগ তিব্বতি কলোনি মজনু কা টিল্লা থেকে ছাড়ে। এই যাত্রাগুলোতে প্রায় ১৩ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় লাগে এবং ভলভো বাসের জন্য ভাড়া ₹৪৫০ থেকে ₹১,০০০ পর্যন্ত হতে পারে।
=== ট্রেনে ===
নিকটবর্তী প্রধান রেলস্টেশন [[পাঠানকোট|পাঠানকোটে]] অবস্থিত, আর তার কাছেই ছোট একটি স্টেশন আছে, চাক্কি ব্যাংক। দিল্লি থেকে রাতভর আরামদায়ক ট্রেন যাত্রায় এখানে সহজেই পৌঁছানো যায়।
যারা ট্রেন ভ্রমণ পছন্দ করেন, তারা পাঠানকোট থেকে কাংড়া ভ্যালি রেলওয়েতে যেতে পারেন। এটি একটি সরু গেজের রেলপথ, যা ধীরগতির এবং খানিকটা কেঁপে-কেঁপে চলে, কিন্তু অত্যন্ত সুন্দর। এই যাত্রাতে [[কাংড়া]] পৌঁছাতে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময় লাগে। কাংড়ায় পৌঁছে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার জন্য হাঁটতে পারেন বা রিকশা নিতে পারেন। এখান থেকে ধর্মশালাগামী বাস সহজেই পাওয়া যায়। এই ট্রেনটি কাংড়া থেকে আরও দূরে যোগিন্দরনগর পর্যন্ত যায়।
=== ট্যাক্সিতে ===
[[পাঠানকোট]] থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জ যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি ভাড়া (একদিকে) ₹২,২০০। এই ভাড়া মে ২০১৯-এর জন্য নির্ধারিত ছিল এবং ছোট গাড়ি (যেমন অল্টো বা ইন্ডিকা) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। দূরত্ব ৮৮ কিলোমিটার। যেতে প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লাগে।
দিল্লি থেকেও সহজেই ট্যাক্সি পাওয়া যায়। বিশেষ করে, উত্তর দিল্লির মজনু কা টিল্লা তিব্বতি কলোনি থেকে ট্যাক্সি ছাড়ে। অনেক মানুষ বাসের ঝামেলা এড়ানোর জন্য ট্যাক্সি ব্যবহার করেন। দিল্লি থেকে ধর্মশালায় ট্যাক্সিতে যেতে ১০ ঘণ্টা লাগে। বেশিরভাগ সময় মানুষ আসা-যাওয়ার পুরো ভাড়া দিয়ে থাকেন।
তবে, ধর্মশালায় ফেরার পথে ট্যাক্সি চালকরা বাসের ভাড়ার সমান ভাড়া নেন। এই ট্যাক্সি নিতে হলে মজনু কা টিল্লা তিব্বতি কলোনি বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে। [[হিমাচল প্রদেশ|হিমাচল প্রদেশের]] লাইসেন্স প্লেট আছে এমন ট্যাক্সি দেখতে হবে। চালকের সঙ্গে দরদাম করতে পারবেন।
ট্যাক্সিগুলো সাধারণত সন্ধ্যায় ছাড়ে। এগুলো পরদিন ভোরে ধর্মশালায় পৌঁছে।
== ঘুরে দেখুন ==
[[File:Map of McLeod Ganj.png|thumb|370px|Map of McLeod Ganj]]
{{#invoke:মানচিত্র
| tag
| type=mapframe
| zoom=13
| align = right
| show= {{মানচিত্রের স্তর}}
| latitude=32.21968
| longitude=76.32093
| text = {{#switch: 13
| 17 | 16 | 15 | 14 |13 | 12 | 11 | 10 | 9 | 8 | 7 | 6 | 5 | 4 | 3 | 2 | 1
| 0 = <div class="magnify" title="মানচিত্র বর্ধিত করুন">{{মানচিত্র সংযোগ|32.21968|76.32093|zoom={{#expr: 13 + 1 }} |class=no-icon}}</div>
}}{{এর|{{SUBPAGENAME}}}} মানচিত্র<!--
-->{{#ifexist: Template:GPX/{{PAGENAME}} | <small id="GPX-track"> [[Template:GPX/{{PAGENAME}}|(Edit GPX)]]</small>{{জিপিএক্স নির্দেশক}} }}<!--
-->{{#if: | <div class="wv-staticMap">[[File:|{{#expr: 400 - 2 }}px|border|{{এর|{{SUBPAGENAME}}}} মানচিত্র]]</div> }}
}}{{#ifeq: {{NAMESPACE}} | {{ns:0}}
| [[বিষয়শ্রেণী:মানচিত্রের কাঠামো আছে]]<!--
-->{{#if: | [[বিষয়শ্রেণী:স্থিরচিত্র সহ মানচিত্র]] }}<!--
-->{{#if: | [[বিষয়শ্রেণী:অ-পূর্বনির্ধারিত প্রান্তিককরণ সহ মানচিত্র]] }}<!--
-->{{#if: | [[বিষয়শ্রেণী:অ-পূর্বনির্ধারিত আকার সহ মানচিত্র]] }}<!--
-->{{#ifexist: Template:GPX/{{PAGENAME}} | [[বিষয়শ্রেণী:Maps with GPX indicator]] }}
}}
=== অবস্থান ===
ধর্মশালা বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত । এই অঞ্চলগুলি একে অপরের থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার বা ১৫ মিনিটের বাস বা জিপ যাত্রার মাধ্যমে সংযুক্ত।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = নিম্ন ধর্মশালা | অক্ষাংশ = 32.21778 | দ্রাঘিমাংশ = 76.31855 }}''' – এখানে বেশিরভাগ সরকারি দপ্তর, স্কুল, স্থানীয় হাসপাতাল এবং বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে। এখানে কিছু চা বাগানও দেখা যায়, একটি চিলগারি এলাকায় এবং আরেকটি দাড়ি অঞ্চলের একটু বাইরে। এটি একটি সাধারণ ছোট ভারতীয় শহর, যা পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয় নয়, তবে বাস স্টেশন রয়েছে। শহরটির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ | অক্ষাংশ = 32.23799 | দ্রাঘিমাংশ = 76.32397 }}''' – এটি ''উচ্চ ধর্মশালা'' নামেও পরিচিত। এর নামকরণ করা হয়েছে ডেভিড ম্যাকলিয়ডের নামে, যিনি একসময় পাঞ্জাবের ব্রিটিশ লেফটেন্যান্ট-গভর্নর ছিলেন। ''গঞ্জ'' শব্দটি একটি পার্সি শব্দ, যার অর্থ "পাড়া" বা "অঞ্চল"। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০৮২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এবং নিম্ন ধর্মশালা থেকে পায়ে হেঁটে প্রায় ৫ কিলোমিটার। এটি তিব্বতি সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মিশ্র ঐতিহ্য, প্রাচীন মন্দির, গির্জা এবং মঠের জন্য বিখ্যাত। ২০২১ সাল পর্যন্ত এটি তিব্বতের ১৪তম দালাই লামা তেনজিন গ্যাতসোর বাসস্থান, যিনি [[তিব্বত]] থেকে নির্বাসিত হয়ে এখানে বসবাস করছেন। ফলে এটি তিব্বতি সম্প্রদায়ের কেন্দ্রস্থল এবং তাদের প্রধান আবাসস্থল হয়ে উঠেছে।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = ভাগসু | অক্ষাংশ = 32.24448 | দ্রাঘিমাংশ = 76.33300 }}''' – ভাগসুকে অনেক সময় "ছোটো তেল আবিব" বলা হয়। এটি ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। জায়গাটি ইসরায়েলি ব্যাকপ্যাকারদের জন্য জনপ্রিয় এবং এখানে হিব্রু ভাষা সাধারণ দেখা যায়। এটি এখন একটি বাণিজ্যিককৃত হটস্পট।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = ধর্মকোট | অক্ষাংশ = 32.24856 | দ্রাঘিমাংশ = 76.32828 }}''' – ভাগসুর ওপরে প্রায় ১০ মিনিট উঠলেই ধর্মকোট। জায়গাটি ভাগসুর তুলনায় অনেক নিরিবিলি। এখানে অনেক অতিথিশালা রয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু শৌখিন রেস্তোরাঁ এবং যোগ ও ধ্যান কেন্দ্র রয়েছে। এখানে একটি সুন্দর পায়ে হাঁটা আছে, যা অর্ধবৃত্তাকার ভাবে পাহাড় ঘিরে চলে।
*'''{{নির্দেশক | ধরন = around | নাম = হাইনি | অক্ষাংশ = 32.25127 | দ্রাঘিমাংশ = 76.32914 }}''' – ধর্মকোট থেকে সোজা উত্তরে আরও ১০ মিনিটের চড়াইয়ে হাইনি। এটি ধর্মশালার শেষ পর্যটনকেন্দ্র। একে "উচ্চ ধর্মকোট"ও বলা হয়। এখানে অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করার মতো বেশ কিছু ভালো মানের হোস্টেল রয়েছে। রুশ ভাষাভাষী পর্যটকদের মধ্যে এটি বেশ জনপ্রিয়। তবে, অন্যান্য অনেক পর্যটকও এখানে আসেন। কারণ, এটি গালু জলপ্রপাতের পথে পড়ে।
ম্যাকলিয়ডগঞ্জের আশেপাশে কয়েকটি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ফোরসাইথগঞ্জ উল্লেখযোগ্য, যা নিম্ন ও উচ্চ ধর্মশালার মাঝামাঝি অবস্থিত।
যদি আপনি আরও নিরিবিলি এবং সাধারণ অভিজ্ঞতা চান, তাহলে নাড্ডি ঘুরে দেখতে পারেন। এটি ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে এবং একটি চমৎকার দেখার জায়গা। আরেকটি বিকল্প হলো তালনু, যা প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে।
এই এলাকাগুলো এতটাই ছোট যে পায়ে হেঁটে সহজেই ঘোরা যায়। ম্যাকলিয়ড, ভাগসু, ধর্মকোট এবং হাইনি একে অপরের খুব কাছাকাছি। পায়ে হাঁটলে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট সময় লাগে। তবে, নিম্ন ধর্মশালা কিছুটা দূরে অবস্থিত।
=== ট্যাক্সি বা অটোরিকশায় ===
ম্যাকলিয়ডগঞ্জ এবং ধর্মকোটের মধ্যে ভাড়া ট্যাক্সি প্রায় প্রতি ঘণ্টায় চলাচল করে। ভাড়া ₹২০ (২০২৩)। তবে দরদাম করার জন্য প্রস্তুত থাকুন। নিজস্ব ভাড়া করা অটোরিকশার ভাড়া প্রায় ₹২৫০।
ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে আশেপাশের স্থানে (যেমন ভাগসু) যেতে অটোরিকশার ভাড়া লাগে ₹৫০–১৫০-এর মধ্যে। কেন্দ্রস্থলে থাকা আলাদা অটোরিকশা এবং ট্যাক্সি কাউন্টার থেকে গাড়ি ভাড়া করতে পারেন। কাউন্টারে গিয়ে ভাড়া করুন এবং যারা নিজে থেকে এসে আপনাকে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার প্রস্তাব দেয়, তাদের এড়িয়ে চলুন।
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = go| নাম = অটোরিকশা কাউন্টার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹৫০–২৫০| অক্ষাংশ = 32.23938| দ্রাঘিমাংশ = 76.32363| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-09| বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = go| নাম = ট্যাক্সি ক্যাব কাউন্টার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23933| দ্রাঘিমাংশ = 76.32386| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-09| বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা বিমানবন্দর| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹১২৬০| অক্ষাংশ = 32.165939| দ্রাঘিমাংশ = 76.260217| শেষ_সম্পাদনা = 2024-10-29| বিবরণ = ধর্মশালা গাগল বিমানবন্দর থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জের জোগীওয়ারা রোডের মাঝপথ পর্যন্ত ট্যাক্সি ভাড়া ₹১২৬০। হোটেলের মাধ্যমে ট্যাক্সি ভাড়া করলে ₹১৪০০ পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে, একজন চালক দরদামের মাধ্যমে ভাড়া ₹৮০০ পর্যন্ত নামানোর কথা বলেছেন।| চিত্র =
}}
===তারশকট (কেবল কার)===
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা স্কাইওয়ে (নিম্ন স্টেশন)| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 1892 223302| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.dharamshalaskyway.in/| সময়সূচী = | মূল্য = ₹৪৫০/৬৭৫ একমুখী যাত্রা| অক্ষাংশ = 32.21987| দ্রাঘিমাংশ = 76.317| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এখন নিম্ন ধর্মশালা এবং ম্যাকলিয়ডগঞ্জের মধ্যে একটি কেবল কার পরিষেবা চালু হয়েছে। একমুখী যাত্রার ভাড়া ₹৪৫০ এবং আসা-যাওয়ার জন্য ভাড়া ₹৬৭৫।| চিত্র =
}}
* {{যান
| নাম = ধর্মশালা স্কাইওয়ে (উচ্চ স্টেশন)| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23446| দ্রাঘিমাংশ = 76.32441| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = | চিত্র =
}}
== দর্শনীয় ==
[[File:Monastery PrayerWheel.JPG|thumb|201x201px|সুগলাকাং মঠে বিশাল প্রার্থনা চাকা এবং আর্য সিতাতপত্রা (তারা দেবীর এক রূপ) এর ''থাঙ্কা'' চিত্র]]
[[File:HPCA Stadium Dharamshala.jpg|thumb|এইচপিসিএ স্টেডিয়াম ধর্মশালা থেকে ধৌলাধার পর্বতমালার দৃশ্য]]
* {{দেখুন
| নাম = এইচপিসিএ ক্রিকেট স্টেডিয়াম| অন্য = এইচপিসিএ ক্রিকেট অ্যাকাডেমি| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ১০.০০ - সন্ধ্যা ৬.০০| মূল্য = ₹২০| অক্ষাংশ = 32.1976| দ্রাঘিমাংশ = 76.3259| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-10| বিবরণ = মনোরম এই হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম ভারতের অনন্য একটি স্টেডিয়াম। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১,৪৫৭ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। স্টেডিয়ামের পেছনে বরফে ঢাকা হিমালয়ের দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য দেখা যায়।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q5635576
}}
* {{দেখুন
| নাম = কুনাল পথারি মন্দির| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2| দ্রাঘিমাংশ = 76.31002| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এই মন্দিরে প্রতিদিন ভক্তরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করতে আসেন।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = ডাল হ্রদ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে, নাড্ডির নিচে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.24723| দ্রাঘিমাংশ = 76.31071| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি পবিত্র পুকুর, এর নামের মতোই জলও ডালের মতো হলুদ রঙের।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q5210129
}}
[[File:Dhauladhar Range from Naddi viewpoint 2.jpg|thumb|নাড্ডি ভিউপয়েন্ট থেকে ধৌলাধার পর্বতমালার দৃশ্য]]
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = see| নাম = নাড্ডি ভিউ পয়েন্ট| অন্য = | ঠিকানা = Naddi| দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.25339| দ্রাঘিমাংশ = 76.30281| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-08| বিবরণ = এই জায়গা থেকে বরফে ঢাকা ধৌলাধার পর্বতমালার পুরো দৃশ্য দেখা যায়। এখানে দূরবীন (₹১০–২০) পাওয়া যায়, যার সাহায্যে ত্রিউন্দ ক্যাম্পসাইট এবং গুনা দেবী মন্দির দেখা যায়। ধর্মকোট বা হাইনি থেকে হেঁটে যাওয়া সহজ। তবে, নাড্ডি ট্যাক্সি বা রিকশায়ও সহজেই পৌঁছানো যায়।| চিত্র =
}}
*{{দেখুন
| নাম = পিক আর্ট গ্যালারি| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির রাস্তা, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = মন্দির রাস্তা ধরে ৫০০মিটার, ক্যাফে নির্বানার নিচে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.peakartgallery.com| সময়সূচী = সকাল ১০.০০ - সন্ধ্যা ৭.০০| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.21968| দ্রাঘিমাংশ = 76.32093| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = রাক্কার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.19716| দ্রাঘিমাংশ = 76.37096| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ধর্মশালার নিম্নাঞ্চলের এক মনোরম গ্রাম। এটি বরফে ঢাকা ধৌলাধার পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত। ঐতিহাসিকভাবে জায়গাটি গাড্ডি সম্প্রদায়ের মেষপালকদের বাসস্থান। বর্তমানে যারা ম্যাকলিয়ডগঞ্জের ব্যস্ততা থেকে দূরে সঠিক গ্রাম্য জীবনযাত্রা দেখতে চান তাদের কাছে গ্রামটি আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে।| চিত্র =
}}
[[File:St John Cathedral in the Wilderness.jpg|thumb|ঘন অরণ্যের মধ্যে সেন্ট জন ক্যাথেড্রাল]]
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = see| নাম = ঘন অরণ্যের মধ্যে সেন্ট জন ক্যাথেড্রাল| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = বিনামূল্যে| অক্ষাংশ = 32.24263| দ্রাঘিমাংশ = 76.31829| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-08| বিবরণ = এটি সবুজের মাঝে একটি সুন্দর ও মনোরম গির্জা। ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে যাওয়ার জন্য অটো-রিকশার ভাড়া ₹৭০ (মে ২০১৯ অনুসারে)। তবে গির্জার কাছে কোনো অটো স্ট্যান্ড নেই, তাই ফেরার জন্য অটো পাওয়া একটু কঠিন। সম্ভব হলে, অটো চালককে অপেক্ষা করতে বলুন এবং একই অটোতে অন্য স্থানেও যান।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = তিব্বতি পারফর্মিং আর্ট ইনস্টিটিউট| অন্য = TIPA| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.tibetanarts.org| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.22643| দ্রাঘিমাংশ = 76.32523| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি নাচ, সঙ্গীত এবং থিয়েটারের প্রদর্শনী হয়। তবে এই প্রদর্শনীগুলি নিয়মিত হয় না।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = তিব্বতি গ্রন্থাগার| অন্য = লাইব্রেরি অফ তিব্বতি ওয়ার্কস অ্যান্ড আর্কাইভস)| ঠিকানা = গাংচেন কিশং| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 9218422467, +91 9882255047 (রিসেপশন)| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = ltwa1970@gmail.com| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.tibetanlibrary.org| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.22637| দ্রাঘিমাংশ = 76.32533| শেষ_সম্পাদনা = 2017-09-20| বিবরণ = নির্বাসিত তিব্বতি সরকারের কাছে অবস্থিত। এখানে একটি ছোট কিন্তু আকর্ষণীয় জাদুঘর রয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{দেখুন
| নাম = তিব্বত জাদুঘর| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = সুগলাগখাং-এর বিপরীতে| ফোন = +91 18 922 2510| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.thetibetmuseum.org/| সময়সূচী = মঙ্গলবার থেকে রবিবার, সকাল ৯টা–বিকাল ৫টা| মূল্য = ₹৫| অক্ষাংশ = 32.2325| দ্রাঘিমাংশ = 76.3249| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = তিব্বতের ইতিহাস এবং এর মানুষের উপর ছোট কিন্তু আকর্ষণীয় একটি জাদুঘর।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q2464878
}}
* {{দেখুন
| নাম = সুগলাগখাং কমপ্লেক্স| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির রাস্তা, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23248| দ্রাঘিমাংশ = 76.32431| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এটি তিব্বতের বাইরে সবচেয়ে বড় তিব্বতি মন্দির। এখানে একটি বিশাল ধ্যান কক্ষ রয়েছে, যেখানে সুন্দর মূর্তি, থাংকা এবং কালচক্র মন্দিরের দেয়ালে আকর্ষণীয় চিত্র রয়েছে। কমপ্লেক্সটি দলাই লামার মঠ এবং তার বাসভবনের সামনে অবস্থিত। এখানে প্রায় ২ মিটার উচ্চতার সবচেয়ে বড় তিব্বতি প্রার্থনার চাকা রয়েছে—এটি ঘোরাতে ভুলবেন না!| চিত্র =
}}
== করণীয় ==
* {{করুন
| নাম = ঘুরে বেড়ানো| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখার জন্য দারুণ একটি জায়গা। ধৌলাধার পর্বতমালার ঢালে তৈরি হোটেল, রঙিন তিব্বতি পতাকায় সাজানো বাজার, হাতে তৈরি পণ্য এবং সুস্বাদু খাবারের দোকান—এসব মিলে জায়গাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।<br/>ধর্মকোটেও ছোট ছোট ক্যাফে এবং আরাম করার জায়গা রয়েছে, যেখানে বসে চারপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = ভাগসু মন্দির সাঁতারকুণ্ড| অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = বিনামূল্যে| অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-09| বিবরণ = ভাগসুতে অবস্থিত এই সাঁতারকুণ্ডে সাঁতার কাটতে পারেন। বিশেষ করে গরমের সময় এটি চমৎকার আরামদায়ক অভিজ্ঞতা। এই অঞ্চলের অন্যান্য পর্যটন কার্যকলাপের ভিড় থেকে দূরে স্নিগ্ধ মুহূর্ত কাটানোর উপযুক্ত জায়গা এটি। এখানে ভাগসু জলপ্রপাতের জল ব্যবহার করা হয়, যা কুণ্ডের মধ্য দিয়ে অবিরত প্রবাহিত হতে থাকে।| চিত্র = | উইকিউপাত্ত = Q116259649
}}
=== ট্রেকিং এবং হাঁটা ===
[[File:Bhagsunag Waterfall Pan.JPG|thumb|ভাগসু জলপ্রপাত]]
* {{করুন
| নাম = ভাগসু জলপ্রপাত| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মশালা থেকে ৩ কিমি দূরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.24752| দ্রাঘিমাংশ = 76.33838| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে একাধিক জলপ্রপাত, একটি প্রাচীন মন্দির, স্লেট পাথরের খনি এবং একটি স্বাদু জলের ঝরনা রয়েছে। ভাগসু সড়ক ধরে গ্রামটির মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে হবে, এরপর জলপ্রপাতটির কাছে পৌঁছাতে ১ কিমি ওপরে উঠতে হবে। জলপ্রপাতের পথ বেশিরভাগটাই পাথরে বাঁধানো এবং খাড়াই অংশে নিরাপত্তার জন্য বেড়া লাগানো। জলপ্রপাতের কাছে কিছু দোকান রয়েছে, যেখানে জলখাবার এবং পানীয় বিক্রি হয়। উপরের স্নানকুণ্ডে স্নান করতে চাইলে সাবধানে থাকতে হবে, কারণ কিছু জায়গায় জলের মধ্যে কাঁচের টুকরো থাকতে পারে। স্থানীয়রা মাঝে মাঝে এই কাঁচের টুকরোগুলো ফেলে দেয়, যাতে রাতে পর্যটকরা সেখানে "অশোভন" আচরণ না করেন।<br/>আপনি চাইলে উপরের ভাগসু গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে শুরু করতে পারেন। এই রাস্তাটি তুলনামূলকভাবে সমতল এবং সরাসরি জলপ্রপাতের দিকে নিয়ে যায়। জলপ্রপাতের কাছে পৌঁছে আরও একটু উপরে উঠলেই শিবা ক্যাফে আছে। এখানে একটি ছোট ব্যক্তিগত স্নানকুণ্ড রয়েছে, যা ঠান্ডা পাহাড়ি জলে ভরা। এখানে পিকনিকের জন্য আরামদায়ক জায়গা আছে।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = গালু জলপ্রপাত| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2683058| দ্রাঘিমাংশ = 76.3294275| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এটি আরেকটি সুন্দর ট্রেকিং গন্তব্য। তবে প্রথমে আপনাকে ভাগসু থেকে হাইনি গ্রামের পেছনের একটি পার্বত্য গিরিপথ পর্যন্ত ৩০০ মিটার উচ্চতায় উঠতে হবে। তারপর পথ অতটাও খাড়াই চড়াই-উৎরাই থাকবে না। পথে ৩-৪টি ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁ রয়েছে। জলপ্রপাতের শেষে একটি ছোট ঝর্ণা রয়েছে।| চিত্র =
}}
[[File:Cjtriund1.jpg|thumb|247x247px|ত্রিউন্দ ট্রেক]]
* {{করুন
| নাম = ত্রিউন্দ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.25958| দ্রাঘিমাংশ = 76.35649| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08| বিবরণ = যদি আপনি হাঁটতে ভালোবাসেন, তবে ধর্মকোটের ওপরে ত্রিউন্দ পর্বত পর্যন্ত ট্রেক করার পরিকল্পনা করতে পারেন। এটি চণ্ডীগড় এবং দিল্লি থেকে সপ্তাহান্তে ঘুরতে যাওয়ার জন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রেক এবং হিমালয়ের সহজতম ট্রেকগুলোর মধ্যে একটি। ভগসু বা ধর্মকোট থেকে ত্রিউন্দ পর্যন্ত পথটি প্রায় ৬ কিলোমিটার লম্বা এবং শুধুমাত্র যেতে ৩ ঘণ্টার মতো সময় লাগে। পথটি কিছুটা খাড়া এবং জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যায়। প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক এই ট্রেকের অভিজ্ঞতা নিতে আসেন। ত্রিউন্দ থেকে হিমালয়ের শৃঙ্গগুলোর চমৎকার দৃশ্য দেখতে পাবেন এবং সমতলের বিস্তৃত দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। শীতকালে, বিশেষ করে ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে, এই এলাকা তুষারে ঢেকে যায়। তখন এটি আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।<br/>ত্রিউন্দের উচ্চতা ২,৮৭৫ মিটার। তাই যাওয়ার আগে ভালো জুতো, পর্যাপ্ত জল, কিছু খাবার এবং একটি অতিরিক্ত জ্যাকেট বা কোট সঙ্গে নিয়ে যান। ওপরের আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। গরম ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া হঠাৎ ঠান্ডা এবং মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যেতে পারে। প্রতি বছর কিছু পর্যটক চটি আর টি-শার্ট পরে যান এবং সমস্যায় পড়েন। তাই সতর্ক থাকুন। পশ্চিম দিকের পথটি তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে বলে মনে হয়। যদি আপনি ধর্মকোটে থাকেন, তাহলে সেই দিকের পথ ধরাই ভালো। ত্রিউন্দে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি নিতে চাইলে গুনা মন্দির পর্যন্ত ছোট একটি ট্রেক করতে পারেন। সেখানে রাতে থাকার পরিকল্পনা থাকলে বনের বিশ্রামভবনে থাকার সুযোগ পাবেন। রাত্রিকালীন ভাড়া ₹৫০০–₹১০০০ এর মধ্যে। অবশ্যই একটি টর্চ সঙ্গে রাখুন। যদি বনের বিশ্রামভবনে ঘর খালি না থাকে, তাহলে তাঁবু ভাড়া নিয়ে থাকতে পারেন। চাইলে স্নোলাইন টেন্ট ক্যাম্পেও থাকতে পারেন, যা একটু ওপরে অবস্থিত। সানসেট ক্যাফের কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা আপনাকে বিস্তারিত জানাবে।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = লাকা হিমবাহ ট্রেক| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = হিমবাহে পৌঁছানো সবসময়ই দারুণ রোমাঞ্চকর, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু এশিয়ার সবচেয়ে নিম্ন উচ্চতায় অবস্থিত লাকা গ্লেসিয়ার বেশ সহজসসধয। এই ট্রেকের পথ ত্রিউন্দ পর্বতের শীর্ষের মধ্য দিয়ে যায়, তাই এটিকে অনেক সময় ত্রিউন্দ-লাকা হিমবাহ ট্রেকও বলা হয়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = ইন্দ্রহার গিরিপথ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.29778| দ্রাঘিমাংশ = 76.38134| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ত্রিউন্দ থেকে আরও উপরে উঠে এই ট্রেকের শুরু। এই পথে যেতে হলে সাধারণত গাইড সহ ট্যুর বুক করতে হয়। এই ট্রেক ধৌলাধার পর্বতমালার বরফে ঢাকা অংশ পেরিয়ে কাংড়া উপত্যকা অতিক্রম করে এবং শেষে লামুতে পৌঁছায়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = তোড়ল গিরিপথ| অন্য = ৪,৫৭৫ মিটার| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.26504| দ্রাঘিমাংশ = 76.43062| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = এই ট্রেক শুরু হয় তাং নারওয়ানা (১,১৫০ মিটার) থেকে, যা ধর্মশালা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = করেরি হ্রদ ট্রেক| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.32556| দ্রাঘিমাংশ = 76.27361| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-10| বিবরণ = সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মাঝে অবস্থিত এই হিমবাহ হ্রদ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক অসাধারণ জায়গা। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এমন যে এখানে এলে প্রকৃতির সাথে সত্যিই একাত্ম হওয়া যায়।| চিত্র =
}}
[[File:Tibetan flag.jpg|thumb|300px|তিব্বতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক "স্নো লায়ন পতাকা"। তিব্বতে এই পতাকা নিষিদ্ধ হলেও ধর্মশালার সর্বত্র এটি দেখা যায়। এটি যেন তিব্বতীদের স্বাধীনতার স্বপ্নের এক প্রতীক।]]
=== দলাই লামার সাথে সাক্ষাৎ ===
[http://www.dalailama.com দলাই লামার] সাথে সাক্ষাৎ করা (বা অন্তত এক নজর দেখা) অনেকের কাছে জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা, আর অন্যদের জন্য স্মরণীয় এক মুহূর্ত। তবে এটি খুবই কঠিন, তাই নিশ্চিতভাবে এর উপর ভরসা করবেন না। ভাগ্যের সহায়তা প্রয়োজন।
যদি আপনি সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করতে চান, প্রথমে নিশ্চিত করুন যে ''তিনি'' যখন ধর্মশালায় থাকবেন তখনই আপনি সেখানে যাবেন। তিনি অনেক ভ্রমণ করেন। তার ওয়েবসাইটে তার ভ্রমণের সূচি প্রকাশিত থাকে। চাইলে ইমেইল করে তার ভ্রমণের তারিখ নিশ্চিত করতে পারেন। তিনি মাঝেমধ্যে জনসাধারণের জন্য নির্ধারিত বক্তব্য দেন, তবে সেখানে প্রচুর ভিড় হয়। কিছু বক্তব্য মাত্র কয়েক দিন আগে ঘোষণা করা হয়। তাই ধর্মশালায় থাকাকালীন সজাগ থাকুন। যদি ব্যক্তিগত সাক্ষাতের চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে অনেক কিছু করতে হবে। তার ওয়েবসাইট বলছে তিনি ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ দেন না। তবে সত্যি বলতে, বিশেষ কারণ বা পরিচিতি থাকলে এটি সম্ভব। এজন্য তার সচিবের অফিসে যেতে হবে।
দলাই লামার প্রশাসনিক অফিস সুগলাগখাং কমপ্লেক্সে। তার বাড়ির সামনে একটি ফটক আছে যেখানে ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষীরা থাকে। সেই ফটকের ডান দিকে কমপ্লেক্সের একদম শেষ দরজায় তার অফিস। অফিস সপ্তাহে ছয় দিন খোলা থাকে। অফিসে গেলে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে বলবে এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেবে। অনলাইনে আবেদন আগে না করে থাকলে কোনো ইন্টারনেট ক্যাফেতে গিয়ে আবেদন করুন। তবে আবেদন করলেও এটি নিশ্চিত নয় যে সাক্ষাৎ পাবেন। যদি অফিসে একজন রিসেপশনিস্ট থাকে, তাহলে তিনি হয়তো সাক্ষাৎ দেবেন না। কিন্তু যদি দেখেন অনেকে পাসপোর্ট আর কাগজ নিয়ে অপেক্ষা করছে, তাহলে তিনি সাক্ষাৎ দিচ্ছেন। এই সাক্ষাৎ সাধারণত দুপুর নাগাদ হয়।
কিছু বিশেষ দল যেমন ডকুমেন্টারি টিম বা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পরিবার সাক্ষাৎ পেতে পারে। ধর্মশালায় যাদের সাথে দেখা হয় তাদের সাথে কথা বলুন। অনেকেই হয়তো তার কর্মীদের কারো সাথে পরিচিত। এই পরিচিতদের নাম উল্লেখ করে অফিসে যান। যদি অসুস্থতার কারণ দেখান, তবে এই কারণেও সাক্ষাৎ পেতে পারেন। তবে সাক্ষাৎ মানে বড় কিছু নয়। সাধারণত আশীর্বাদের জন্য মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় দেওয়া হয়। যদি ছবি তুলতে চান, ₹৫ দিতে হয়। ফটোগ্রাফার অফিস থেকেই দেয়, নিজস্ব ক্যামেরা নিয়ে যাওয়া যায় না।
দলাই লামার সাথে দেখা করা তিব্বতীদের জন্যও একটি বিরল সুযোগ। তাই যদি আপনি এটি করতে পারেন, নিজেকে ভাগ্যবান মনে করুন। একটি খাতা (সাদা স্কার্ফ) সঙ্গে নিন। এগুলো কয়েক রুপিতে কিনতে পারেন। তবে যদি এটি স্মৃতিস্বরূপ রাখতে চান, ₹২০ খরচ করে ভালো মানের একটি কিনুন।
যদি তিনি আপনার সাথে ছবি তোলেন, অফিস বলবে একটি খালি সিডি নিয়ে আসতে। তারা সেই ছবিটি সিডিতে দেবে। মন্দির সড়কে ₹৫০-এ খালি সিডি পাওয়া যায়। যাদের নাম ব্যবহার করে বা যাদের সাহায্যে আপনি সাক্ষাৎ পেয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলবেন না। তাদের মঠে অনুদান দিন, তাদের রেস্তোরাঁয় খান বা যা আপনার কাছে সঠিক মনে হয়। এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে একটি ভালো কাজ।
প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে প্রায় দশ দিনের জন্য বা কখনো কখনো অন্য সময়েও দলাই লামা সাধারণ মানুষের জন্য ধর্মোপদেশ দেন। এর জন্য তিব্বতি শাখা নিরাপত্তা দপ্তরে (হোটেল তিব্বতের কাছাকাছি) আগাম নিবন্ধন করতে হয়। সাধারণত ৩-৪ দিন আগে নিবন্ধন করাই ভালো, যদিও কখনো কখনো কম সময়েও এটা সম্ভব। বসার জন্য একটি তোশক, তিব্বতি ভাষা থেকে বাংলায় বা ইংরেজিতে সরাসরি অনুবাদ শোনার জন্য একটি এফএম রেডিও ও হেডফোন, চা খাওয়ার জন্য একটি কাপ, এবং রোদ বা বৃষ্টির জন্য একটি টুপি বা ছাতা সঙ্গে রাখুন। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই কড়া, তাই অপ্রয়োজনীয় কিছু না নিয়ে যাওয়াই ভালো। শিক্ষা-পর্বের শেষ দিনে জনসাধারণের প্রার্থনার আয়োজন হয়, এর জন্য কোনো নিরাপত্তা পাস লাগে না। এই অনুষ্ঠানে অনুদান দেওয়া হলে তা স্বাগত জানানো হয়।
* {{করুন
| নাম = ১৭তম কারমাপা| অন্য = দলাই লামার আরেকটি বাসভবন| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.kagyuoffice.org/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.187282| দ্রাঘিমাংশ = 76.368571| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি অস্থায়ী বাসভবন ম্যাকলিয়ডগঞ্জের কাছেই সিধবাড়ি শহরে গ্যুটো তান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।| চিত্র =
}}
== শিখুন ==
[[File:Dharamsala Temple Bazaar.JPG|thumb|280px|ম্যাকলিওডগঞ্জের অর্ধ-তিব্বতি, অর্ধ-ভারতীয় বাজারে ভিড়]]
ম্যাকলিওডগঞ্জে যোগব্যায়াম, ধ্যান, রেইকির পাশাপাশি তিব্বতি ও ভারতীয় রান্নার ক্লাস, তিব্বতি ভাষার ক্লাস এবং থাই ম্যাসাজ শেখার কোর্স পাওয়া যায়। অনেক কোর্সই নিরামিষ খাবার অন্তর্ভুক্ত করে এবং এগুলো ধ্যান কেন্দ্রগুলিতে পরিচালিত হয়।
=== যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং নিরাময় ===
ভিপাসনা এবং তুষিতা (নীচে দেখুন) এই অঞ্চলের সবচেয়ে ভালো এবং জনপ্রিয় নামগুলোর মধ্যে অন্যতম।
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = আশো ইনস্টিটিউট| অন্য = | ঠিকানা = ভগসু গ্রাম| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = আয়ুর্বেদিক পুষ্টি এবং তাই-চি এর কোর্স।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = অমিত রেইকি অ্যান্ড মেডিটেশন সেন্টার| অন্য = | ঠিকানা = জোগিওয়াড়া রোড, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = ইয়ংলিং স্কুলের নীচে| ফোন = +91 94 18909046| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://amitreiki.com/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = | চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = বুদ্ধ হল-রেইকি উইথ উষা| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = জার্মান বেকারির বিপরীতে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = রেইকির বিভিন্ন স্তর (I, II, III এবং মাস্টার), ট্যারট এবং ক্রিস্টাল নিরাময়ের কোর্স বুদ্ধ হলে পরিচালিত হয়। এখানের শিক্ষক খুব নমনীয় এবং সহানুভূতিশীল।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = গেরিলা যোগা| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ইয়ংলিং স্কুলের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন; এটি বড় সবুজ ভবন| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = বিভিন্ন ধরনের যোগার পাঁচ দিনের কোর্স। ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। কর্মীরাও বন্ধুত্বপূর্ণ। এছাড়াও এখানে স্থানীয় শিল্পকর্ম ক্রয় করা যায়।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = কৈলাশ স্কুল অফ যোগা অ্যান্ড হোলিস্টিক হিলিং| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = মূল চত্বর থেকে ১০০ মিটার দূরে; গ্রিন শপ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামুন| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.yogatribe.org| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = অষ্টাঙ্গা বিন্যাসা এবং উপজাতীয় হঠ যোগ ক্লাস প্রতিদিন পাওয়া যায় এবং আপনি যেকোনো সময় অংশগ্রহণ করতে পারেন। রেইকি, আয়ুর্বেদিক ম্যাসাজ, ধ্যান এবং 'সাউন্ড হিলিং'-এর চিকিৎসা এবং সেশন উপলব্ধ। তবে এগুলোতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে অন্তত একদিন আগে থেকে ব্যবস্থা করতে হবে। এখানে ছোট এবং দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের ব্যবস্থাও রয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = কুণ্ডলিনী যোগা| অন্য = | ঠিকানা = থার্ডোলিং, এইচএইচ দালাই লামার মন্দিরের কাছে, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98 1685 1691| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = jiwankaur13@hotmail.co.uk| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = যোগা ক্লাস| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম এবং ভাষা| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98 0539 1799| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = tibhintutor@yahoo.in| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সোম-শনি সকাল ৯টা-দুপুর, দুপুর ২টা–৪টা| মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম, তিব্বতি ভাষা এবং হিন্দি ভাষার কোর্স প্রদান করা হয়।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = তুষিতা মেডিটেশন সেন্টার| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.tushita.info| সময়সূচী = | মূল্য = ১০ দিনের কোর্স শুরু ₹৪,৮০০ থেকে।| অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ১০ দিনের বৌদ্ধধর্ম এবং ধ্যানের পরিচয়মূলক কোর্স, ৫ দিনের ধ্যান কোর্স এবং আরও অনেক কিছু (মূলত আবাসিক)। দিনের বেশিরভাগ সময় নীরবতা পালন করা হয়, তবে দর্শন পাঠের পর আলোচনা হয়। এটি ধর্মকোটের কাছে অবস্থিত এবং তুষিতা তিব্বতি মহাযান ঐতিহ্যের চর্চা করে। অনলাইনে বা তুষিতায় নিবন্ধন করুন। মূল্য এর মধ্যে রয়েছে আবাসন, পাঠ এবং দিনে ৩ বেলার সুস্বাদু নিরামিষ খাদ্য। প্রতিদিনের খরচ প্রায় ₹৫০০ (খাবার এবং থাকার খরচ সহ)। যারা বৌদ্ধধর্মে নতুন তাদের জন্য এটি একটি ধাপে ধাপে পরিচয়ের সুযোগ প্রদান করে।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = বিপাসনা| অন্য = ☸| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ধর্মকোটের কাছে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.dhamma.org/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ১০ দিনের ধ্যান কোর্স। আপনাকে আগেই তাদের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে, তবে এখানে কোর্সগুলো সাধারণত কয়েক মাস আগে থেকেই বুক হয়ে যায়। যদি কোর্সে আপনার গভীর আগ্রহ থাকে এবং ধর্মশালায় জায়গা না পান, তবে এটি ভারতের অন্যান্য অনেক স্থানে দেওয়া হয়—ওয়েবসাইটটি দেখুন।<br/>এই কোর্স আপনাকে বিপাসনা ধ্যানের পদ্ধতি শেখাবে। আপনাকে সম্পূর্ণ নীরব থাকতে হবে, এবং দিনে ২টি খাবার ও খুব হালকা রাতের খাবার সরবরাহ করা হয়। কোর্সটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, তবে আপনি চাইলে একটি অনুদান দিতে পারেন। কোর্সটি বেশ তীব্র ধরণের ধ্যানের রিট্রিট (দিনে ১৪ ঘণ্টা) যা থেরবাদ ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত। আগের ধ্যানের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় না, কারণ কোর্স চলাকালীন আপনাকে আপনার আগের সব ধ্যান পদ্ধতি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে বলা হবে। কিছু মানুষ পরামর্শ দেয় যে নতুনদের জন্য তুষিতা প্রদত্ত কোর্সে অংশ নেওয়া ভালো। এটি ধ্যান, দর্শন এবং আলোচনার মিশ্রণ, যা নতুনদের জন্য বেশ সহজ।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = কৈলাশ ট্রাইবাল স্কুল অফ যোগ| অন্য = যোগী কটেজ| ঠিকানা = ভগসু রোড| দিকনির্দেশ = ম্যাকলয়েডগঞ্জ| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.yogatribe.org/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = যোগা অ্যালায়েন্স অনুমোদিত ₹২০০–₹৫০০-এর যোগ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং একক বা গোষ্ঠীর জন্য রেইকি পাঠ।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = জি-মেডিটেশন| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.zmeditation.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ১৫ দিনের নীরব ধ্যান রিট্রিট, নিম্ন ধর্মশালায়। এতে গভীর পুনঃশিক্ষার অনুসন্ধান, উজ্জ্বল মন্ত্র, সৃজনশীল ধ্যান, নিজের জীবনের জটিলতা সমাধানের জন্য নির্ধারিত কাজ, প্রতিদিন ২ ঘণ্টার যোগাভ্যাস, তিনবেলা নিরামিষ খাবার এবং বিরতি অন্তর্ভুক্ত। পুরো নিরাময় নীরবতার মধ্যে সম্পন্ন হয়। কোর্সের খরচ বাসস্থানের উপর নির্ভর করে মার্কিন$৬০০–১,২০০।| চিত্র =
}}
=== রান্নার ক্লাস ===
* {{করুন
| নাম = এলএইচএ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির সড়ক, ম্যাকলিওডগঞ্জ,| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 18 92 220992| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.lhasocialwork.org/lhav3/component/content/article/63-visitor-services/108-tibetan-cooking-class| সময়সূচী = | মূল্য = ২ঘন্টা ক্লাসের জন্য ₹৩০০| অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে বিভিন্ন ধরনের মোমো, তিব্বতি রুটি এবং তিব্বতি নুডলস রান্না শেখা যায়। ক্লাসের জন্য Lha-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, এখানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার সুযোগও রয়েছে।| চিত্র = | উইকিপিডিয়া = LHA Charitable Trust| উইকিউপাত্ত = Q6458530
}}
* {{করুন
| নাম = লহামোর কিচেন| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি খাবার রান্না করা শেখা যায়। এতে স্যুপ, মোমো এবং তিব্বতি রুটি অন্তর্ভুক্ত। ক্লাসটি চালান একজন মজাদার তিব্বতি ব্যক্তি, যার নাম লহামো। ক্লাসটি লহামোর একটি ছোট একক কক্ষে, শহরের কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = মি. সাঙ্গ্যের কিচেন| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া রোড, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = ডাকঘর এবং পুল হল থেকে আরও নিচে| ফোন = +91 98 1616 4540| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = sangyla_tashi@yahoo.co.in| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি খাবার রান্না শেখা যায়। স্যুপ, মোমো এবং তিব্বতি রুটি সহ বিভিন্ন পদ তৈরি করা শেখানো হয়।| চিত্র =
}}
* {{করুন
| নাম = ত্রিমূর্তি রান্নার ক্লাস| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ভারতীয় খাবারের একটি বিস্তৃত তালিকা থেকে যে কোনো তিনটি পদ বেছে নিন, এবং রজনী আপনাকে তার ছোট ও সুন্দর রান্নাঘরে সেগুলি রান্না করা শিখিয়ে দেবেন। রজনী তার স্বামী এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর, নিজেকে এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য ক্লাস নেওয়া এবং কাপড় ধোয়ার কাজ শুরু করেন।| চিত্র =
}}
== কার্যক্রম ==
=== স্বেচ্ছাসেবক ===
স্বেচ্ছাসেবার কিছু সুযোগ রয়েছে। যদি দীর্ঘমেয়াদী (যেমন ১ মাস বা তার বেশি) কাজ করতে চান, তাহলে শহরের মাঝখানে অবস্থিত এলএইচএ (LHA) অফিসে যোগাযোগ করুন। সেখানকার কর্মীরা খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ এবং যারা পড়ানো বা কথোপকথনের ক্লাসে অংশ নিতে চান, তাদের সবসময় স্বাগত জানানো হয়।
* '''[http://www.lhasocialwork.org/ এলএইচএ সামাজিক কার্যক্রম]''' – ধর্মশালা এবং ম্যাকলিওডগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ দাতব্য সামাজিক কার্যক্রম সংগঠন। এটি তিব্বতি শরণার্থী, স্থানীয় ভারতীয় জনগণ এবং হিমালয়ের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও পরিষেবা প্রদান করে। ইংরেজি, ফরাসি এবং চীনা ভাষার ক্লাসে, আইটি বিষয়ক ক্লাসে,পেশাগত প্রশিক্ষণে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সচেতনতা শিক্ষায়, জামাকাপড় এবং ওষুধ বিতরণে, ভক্তশালা এবং অন্যান্য বহু কার্যক্রমে মাঝেমধ্যেই স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন হয়।
* '''রোগপা ক্যাফে''' (যোগিওয়াড়া সড়ক) – এখানে ক্যাফেতে কাজ করার জন্য বা ডে কেয়ার সেন্টারে শিশুদের দেখাশোনা করার জন্য সবসময় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রয়োজন হয়। এটি দুই সপ্তাহের একটি কার্যক্রম। এই ক্যাফের সমস্ত আয় রোগপা ডে কেয়ার সেন্টারে যায়, যা স্থানীয় শিশুদের জন্য বিনামূল্যে সেবা প্রদান করে।
* '''তেসি পরিবেশ সচেতনতা আন্দোলন''' – যদি আপনি পরিবেশ বিশেষজ্ঞ হন, তাহলে এই তিব্বতি অলাভজনক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আপনি তিব্বতি সমাজের সাথে মেলামেশার মাধ্যমে তাদের ইংরেজি শেখাতে সাহায্য করতে পারেন। এর পাশাপাশি, একে অপরের সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত গল্প জানার সুযোগও পাবেন। তবে রাস্তার ভিক্ষুদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত টিউটরের অনুরোধ পাওয়ার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকুন। কিছুদিন পর তারা হয়তো আপনাকে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বলতে পারে। যদিও এমন ঘটনা খুবই কম ঘটে। তাই এমন সহযোগিতা করতে চাইলে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোনো সংস্থার মাধ্যমে এগোনোই ভালো।
সাধারণত, বেশিরভাগ ভিক্ষু ও সাধারণ মানুষ ইংরেজি শেখানোর জন্য আপনার প্রতি খুব কৃতজ্ঞ থাকেন। এটি তিব্বতি মানুষদের কাছ থেকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে জানারও দারুণ এক সুযোগ। সাহায্য করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, টেম্পল রোডের এলএইচএ (LHA) বা যোগিওয়ারা রোডের এলআইটি (LIT)-এ গিয়ে টিউটরিংয়ের জন্য নাম লেখানো। এক মাসের কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলে তারা আরো বেশি খুশি হয়।
== কেনাকাটা ==
ধর্মশালায় তিব্বতি জিনিসপত্র কেনা যায়, যেমন গয়না ও ছোট ছোট অলংকার, উলের শাল, প্রার্থনার পতাকা, প্রার্থনার চাকা, কার্পেট, ''থাংকা'' ও মণ্ডল চিত্রকলা।
*{{কিনুন
| নাম = তিব্বতি সিংগিং বোল| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এটি বাজানো সহজ এবং এটি 'সাউন্ড হিলিং' অর্থাৎ শব্দের সাহায্যে নিরাময়, সংগীতের সাহায্যে নিরাময় বা শুধু আরামের জন্য ব্যবহার করা হয়।| চিত্র =
}}
== আহার ==
=== কি খাবেন ===
তিব্বতি রাস্তার বিক্রেতাদের কাছে পাওয়া মোমো সাধারণত ৪ পিসের জন্য ₹১০-এ বিক্রি হয়। এগুলো খাওয়া নিরাপদ এবং পশ্চিমা স্বাদের সাথে মানানসই, যদিও এগুলো নীচে উল্লেখিত কিছু সেরা রেস্তোরাঁর রান্নার সূক্ষ্মতার সমান হবে না।
ধর্মশালা [[তিব্বত#খাদ্য|তিব্বতি খাবার]] এবং [[তিব্বত#খাদ্য|পানীয়]] স্বাদ গ্রহণ করার জন্য একটি ভালো জায়গা:
* '''মোমো''' – মাংস বা সবজি দিয়ে ভরা ডাম্পলিং, যেগুলো ভাপানো বা ভাজা হয়।
* '''থুকপা''' – সবজি বা মাংস মেশানো একটি পুষ্টিকর নুডল স্যুপ।
* '''থেনথুক''' – হাতে তৈরি চ্যাপ্টা, আয়তাকার নুডল দিয়ে প্রস্তুত ''থুকপা''।
* '''পোচা''' – লবণাক্ত চা, যা মাখনের সাথে মেশানো হয়; এটি একটি তিব্বতি প্রধান খাদ্য এবং সাধারণত তিব্বতি বাটার টি (Tibetan Butter Tea) নামে পরিচিত।
=== কোথায় খাবেন ===
{{তথ্যছক|হালনাগাদ|এই বিভাগে এবং নীচের সমস্ত খাবারের তালিকা ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা আশা করি এটি আপনার জন্য সহায়ক হবে। কোনো মন্তব্য বা আপডেটের প্রস্তাব থাকলে, অনুগ্রহ করে [[আলাপ:ধর্মশালা|আলাপ পাতায়]] আপনার মতামত জানান।}}
ম্যাকলিওডগঞ্জ খাওয়া-দাওয়ার জন্য একটি দারুণ জায়গা, এবং এখানে প্রচুর রেস্তোরাঁ রয়েছে, বিশেষ করে মধ্য থেকে উচ্চমানের রেস্তোরাঁ, যেগুলো বিদেশি পর্যটকদের জন্য উপযোগী।
ভাগসু এবং ধর্মকোটেও দারুণ স্থানীয়, ফিউশন এবং বিদেশি খাবারের রেস্তোরাঁ রয়েছে—হিউমাস এবং ফালাফেল এখানে অস্বাভাবিক নয়।
ধর্মশালায় খাবারের দাম সাধারণত ভারতের অন্যান্য (পর্যটকবিহীন) অঞ্চলের তুলনায় ৫০-১০০% বেশি হয়। এছাড়াও, বিদেশি খাবারের ক্ষেত্রে প্রায়ই অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করা হয়।
=== ম্যাকলিওডগঞ্জ ===
==== সস্তা ====
* {{আহার করুন
| নাম = কমন গ্রাউন্ড ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = তুষিতা সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর বা চৌকের ১০০ মিটার উপরে।| ফোন = +91 9816273240, +91 1892220264| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.facebook.com/commongroundcafe09/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.239294| দ্রাঘিমাংশ = 76.32419| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি অলাভজনক ক্যাফে। এটি চীনা এবং তিব্বতীদের মধ্যে ঐক্য এবং বোঝাপড়া বৃদ্ধির জন্য আলোচনার স্থান হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এখানে অনেক আলোচনা ও প্রদর্শনী হয় যা দুই সংস্কৃতির মধ্যে সম্প্রীতি বাড়ায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = জেজেআই এক্সাইল ব্রাদার্স মম’স কিচেন | অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর থেকে কিছুটা দূরে, ডান দিকে, পিস কফি হাউস এবং কুংগা গেস্টহাউসের মধ্যে।| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ৮:৩০–রাত ১০টা| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.239019| দ্রাঘিমাংশ = 76.325268| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = রেস্টুরেন্টে মাত্র ৫টি টেবিল, একটি কাউন্টার এবং একটি পোষা কুকুর রয়েছে। এটি "জেজেআই এক্সাইল ব্রাদার্স" নামে পরিচিত তিনজন তিব্বতি সংগীতশিল্পী ভাইয়ের মালিকানাধীন। প্রতি রবিবার সন্ধ্যা ৭:৩০-এ তারা রেস্টুরেন্টে লাইভ পারফর্ম করেন। এখানে ভালো মানের তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়। ৫ ধরনের ''থুকপা'' এবং ''থেনথুকের'' দাম ₹৫০–৮০। বাদামী আটা দিয়ে তৈরি মোমোর দাম ₹৫০–৭০, যেখানে বিরল পালং শাকের মোমোও রয়েছে। এছাড়াও, ''টিংমো'' (সবজির সাথে পরিবেশিত বাষ্পে রান্না করা রুটি) পাওয়া যায় ₹৬০–৭০ দামে। সবজি ও ফলের সালাদ ₹৪০–৬০ দামে পাওয়া যায়। মিষ্টির মধ্যে রয়েছে ভেগান চকলেট কেক, বাদাম যোগে রাম কেক এবং বিভিন্ন ধরণের প্যানকেক, যার দাম ₹৪০–৬০। পোরিজ এবং তাজা ফলের রসের দাম ₹৪০–৫০। যদিও খাবারের পরিমাণ একটু কম, তবে রেস্টুরেন্টে একটি বইয়ের তাক আছ। এই বইগুলি পড়াও যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = ম্যাকলিও মোমোস| অন্য = | ঠিকানা = টিপা সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর বা চৌকের উপরে ডান দিকে প্রথম বাড়ি বা কুঁড়েঘর| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = গ্রীষ্মকালে সকাল ৭:৩০ থেকে রাত ৯:৩০ পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৮টা থেকে রাত ৯:৩০ পর্যন্ত।| মূল্য = ₹25–80| অক্ষাংশ = 32.2388| দ্রাঘিমাংশ = 76.324028| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ক্যাফেটি খুব সাধারণ, খানিকটা পুরনো দেখতে হলেও এর মোমোর জন্য বিখ্যাত। এখানকার মেনুতে ঐতিহ্যবাহী খাবারের সৃজনশীল রূপ দেওয়া হয়েছে, যা বড় বড় রেস্টুরেন্টেও সহজে পাওয়া যায় না। ক্যাফেটির ১২ পৃষ্ঠার দ্বিভাষিক মেনু (ইংরেজি এবং জাপানি) রয়েছে। নিরামিষাশীদের জন্য ৯ ধরনের মোমো রয়েছে, যার দাম একটি প্লেটের জন্য ₹৫০–৭০ (১০–১২টি মোমো)। আমিষভোজীদের জন্য ৫ ধরনের মোমো পাওয়া যায়, যার দাম ₹৬০–৮০ (৩–১২টি মোমো)। তিব্বতি খাবারের মধ্যে থুকপার ৯টি ভিন্ন ভিন্ন ধরন রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমা ও তিব্বতি প্রাতঃরাশে প্যানকেক, ওমলেট এবং মুসলির মতো খাবার পাওয়া যায়। চিনা খাবারের মধ্যে ৭ ধরনের চাউমিন রয়েছে। এখানকার তিব্বতি রুটি বড় আকারের হয়। খাবারের দাম ₹২৫–৮০ পর্যন্ত।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| address কুংগা অতিথিশালা, ভাগসু সড়ক | নাম = নিকের ইতালীয় রান্নাঘর| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর থেকে ৫ মিনিটের হাঁটা দূরত্ব| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা| মূল্য = ₹৩০–১৫০| অক্ষাংশ = 32.23884| দ্রাঘিমাংশ = 76.325| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে তুলনামূলকভাবে মাঝারি মানের পশ্চিমা খাবার এবং কিছু তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়। তালিকায় ১৯৪টি খাবারের ধরণ রয়েছে। রেস্তরাঁটি আলো-বাতাসপূর্ণ একটি বড় ঘর এবং পেছনে একটি ছাদ রয়েছে, যেখান থেকে ম্যাকলিওডগঞ্জ উপত্যকা এবং কাংরা উপত্যকার দারুণ দৃশ্য দেখা যায়। পাশের গ্রিন গ্রিন রেস্তোঁরাতে ও পিস কফি হাউসের মতো এখানেও চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। একটি ছোট লাইব্রেরি ও জনপ্রিয় নোটিশবোর্ডও আছে। জায়গাটি ভিড় হলে একটু কোলাহলপূর্ণ হয়ে ওঠে। |চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = তাখিয়েল পিস ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = তাখিয়েল অতিথিশালা, যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিওডগঞ্জের প্রধান চত্বর থেকে ১০ মিনিটের হাঁটা দূরত্ব; রাস্তার সবজি বিক্রেতাদের পাশে, রাস্তা থেকে কয়েক ধাপ সিঁড়ি উপরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2367684| দ্রাঘিমাংশ = 76.325056| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এই ক্যাফেটি খুব সাধারণ এবং সরল মানের। এখানে প্রাতঃরাশের জন্য ডিমের নানা রকম পদ (₹২০–৪৫), পোরিজ (মিশ্র ফল দিয়ে ₹৬৫), টোস্ট, স্যান্ডউইচ (তোফু স্যান্ডউইচ ₹৪৫), বিভিন্ন ধরনের রুটি (₹৫–২৫; পিনাট বাটার, জ্যাম বা মধুর জন্য অতিরিক্ত খরচ), এবং প্যানকেক (₹৪০–৭০; মিশ্র ফল-চকলেট প্যানকেক ₹৭০) পাওয়া যায়। তিব্বতি খাবারের মধ্যে থুকপা (₹৪০–৭০) এবং মোমো (ভাপা ₹৪০–৫০; ভাজার জন্য ₹১০ অতিরিক্ত) পরিবেশিত হয়, তবে এদের মান অনিশ্চিত। বিভিন্ন স্বাদের ভালো লাসি (যেমন আপেল লাসি ₹২০–৩৫) পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = রেওয়া ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ডাকঘর থেকে ৫ মিনিট নিচে পাহাড়ের দিকে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2351| দ্রাঘিমাংশ = 76.3277| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এখানে ভালো তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = শাংগ্রি লা রেস্টুরেন্ট| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = বাস স্টপের কাছাকাছি| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.238464| দ্রাঘিমাংশ = 76.3239| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = এই ছোট রেস্টুরেন্টটি সন্ন্যাসীরা পরিচালনা করেন এবং এর আয় গিউডমেড মঠের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রাতঃরাশে "শাংগ্রি লা স্যান্ডউইচ" চেখে দেখতে পারেন। রাত্রের খাবারও মানসম্মত এবং মূল্যবান।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = eat| নাম = ওয়েজার বেকারি| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ব্ল্যাক ম্যাজিকের নিচে, যোগিওয়াড়া সড়কের, প্রধান চত্বর থেকে ১০০ মিটার নিচে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = যোগিওয়াড়া| মূল্য = ₹৫০–১৫০| অক্ষাংশ = 32.236855| দ্রাঘিমাংশ = 76.325378| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে প্রতিদিন মানসম্মত উপকরণ দিয়ে চমৎকার পেস্ট্রি বানানো হয়। মালিক এবং বেকার, সাঙ্গমো, একজন তরুণ তিব্বতি যিনি ক্রেতাদের সাথে গল্প করতে ভালোবাসেন। এখানে ওয়ালনাট টার্ট, চকলেট চিলি ললিপপ, ক্যাপুচিনো, ভেগান কেক (গ্লুটেন-মুক্ত বিকল্পসহ), এবং তাজা বিন থেকে তৈরি কফি পাওয়া যায়। ১৫ ধরনের গরম চা, হট চকোলেট, ভারতীয় চা, মিল্কশেক এবং অন্যান্য ঠান্ডা পানীয় পরিবেশিত হয়। এছাড়া এখানে একটি ছোট লাইব্রেরি আছে, যেখানে ভালো বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে।| চিত্র =
}}
==== মাঝারি বাজেট ====
*{{আহার করুন
| নাম = জিমির ইতালীয় রান্নাঘর| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জের প্রধান চত্বর বা চক থেকে কয়েক ধাপ দূরে, বৌদ্ধ স্তূপ পেরিয়ে বাঁ দিকে, রাস্তার একতলা ওপরে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹১০০–১৩০| অক্ষাংশ = 32.2391| দ্রাঘিমাংশ = 76.3254| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = সুন্দর সাজসজ্জা, যেখানে পুরনো এবং আধুনিক সিনেমার পোস্টার রয়েছে। তবে কর্মীরা কিছুটা অপ্রশিক্ষিত এবং মালিকদের নজরের বাইরে কাজ করে বলে মনে হয়। এখানকার খাবার শহরের অন্যান্য ইতালীয় খাবারের চেয়ে ভালো। সালাদ অসাধারণ এবং পাস্তা (''নাপোলিতানা'', ''আররাবিয়াতা'',''কোয়াট্রো ফর্মাজি'', ''পুটানেস্কা'') এবং পিজ্জার মানও গ্রহণযোগ্য।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = লামোর ক্রসঁ| অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু সড়ক| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98823 71507| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = lhamotso@gmail.com| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.facebook.com/lhamoscroissant/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23884| দ্রাঘিমাংশ = 76.324879| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি সাধারণ কিন্তু স্টাইলিশ ক্যাফে, যেটি সম্ভবত ম্যাকলিয়ডগঞ্জের সবচেয়ে অবমূল্যায়িত স্থান। এখানে প্রাতঃরাশ, স্যান্ডউইচ, স্যুপ, সালাদ, ডেজার্ট, কফি এবং চা পরিবেশন করা হয়। এখানে নিরামিষ খাবারের ভালো বৈচিত্র্য রয়েছে। প্রতিদিন সকালে লামো নিজে তাজা রুটি তৈরি করেন। দ্বিতীয় তলায় জাপানি শৈলীতে কুশন এবং তিব্বতি কার্পেটের উপর আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা রয়েছে। ছাদ থেকে চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = লুং-টা| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া সড়ক| দিকনির্দেশ = শহরের দক্ষিণ প্রান্তের কাছে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সোমবার থেকে শনিবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত, রোববার বন্ধ| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23576| দ্রাঘিমাংশ = 76.326539| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = চমৎকার জাপানি খাবার পরিবেশন করে। প্রতিদিনের বিশেষ মেনুতে নজর দিন। এখানে একটি ছোট পোশাকের দোকানও রয়েছে, যেখানে তিব্বতি অনুপ্রাণিত উচ্চমানের ফ্যাশন বিক্রি হয়। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এর আয় সাবেক রাজনৈতিক বন্দীদের সাহায্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = পেমা থাংয়ের অতিথিশালা| অন্য = | ঠিকানা = ভাগসু সড়ক| দিকনির্দেশ = ভাগসু হোটেলের বিপরীতে| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত| মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.235| দ্রাঘিমাংশ = 76.32493| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-08| বিবরণ = মহাদেশীয় এবং স্থানীয় ধাঁচের নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হয়। তেলে ভাজা কলা ও বাদামের খাবার এবং পেপারনি পিজ্জা অবশ্যই চেষ্টা করে দেখুন। এ ছাড়াও এখানে দারুণ ''থেনথুক'' পরিবেশন করা হয়।| চিত্র =
}}
=== হাইনা ===
==== সস্তা ====
* {{আহার করুন
| নাম = ফ্রেন্ডস কর্নার ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ডাল – ₹৯০, বোঁদে রায়তা – ₹৯০| অক্ষাংশ = 32.25083| দ্রাঘিমাংশ = 76.33036| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = স্বল্প মূল্যের বিভিন্ন খাবার পাওয়া যায়। বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত একটি ছোট্ট ঝুপড়ির মধ্যে অবস্থিত। নিয়মিত ক্রেতাদের আনাগোনা থাকে এবং খাবারের বৈচিত্র্যও হরেকরকম।| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = হিনা ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = চা – ₹২০, পরোটা – ₹৫০| অক্ষাংশ = 32.2511568| দ্রাঘিমাংশ = 76.329229| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = তেমন জাঁকজমকপূর্ণ নয়, তবে এটি এলাকায় সবচেয়ে সস্তার খাবারের ঠিকানা। দুই ভাই মিলে এটি চালান। এখানে একটি বড় টেরেস রয়েছে, যেখানে বসে গালু জলপ্রপাতের দিকে পায়ে হাঁটা মানুষ বেশি দেখা যায়।.| চিত্র =
}}
* {{আহার করুন
| নাম = টিন টিন ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ডিম চাউমিন – ₹১৭০| অক্ষাংশ = 32.25082| দ্রাঘিমাংশ = 76.329| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = আরেকটি বাজেট উপযোগী ক্যাফে, যেখানে সুস্বাদু চাউমিন পরিবেশন করা হয়। মূল চিহ্নিত স্থানে ছোট্ট একটি ঝুপড়ি থাকলেও, প্রায় ১০০ মিটার দূরে একটি ছোট ক্যাফে রয়েছে, যেখানে বসার ভালো ব্যবস্থা আছে।| চিত্র =
}}
====মাঝারি====
* {{আহার করুন
| নাম = ইয়ং মঙ্ক ক্যাফে| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = চা – ₹৫০| অক্ষাংশ = 32.250735| দ্রাঘিমাংশ = 76.33012| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = এটি একটি হোস্টেল, যার বড় রান্নাঘর রয়েছে ও এখানে সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।| চিত্র =
}}
====বিলাসবহুল====
* {{আহার করুন
| নাম = কালি যুগা বার্বিকিউ| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹৫০০ বা তার বেশি| অক্ষাংশ = 32.25133| দ্রাঘিমাংশ = 76.329058| শেষ_সম্পাদনা = 2023-08-23| বিবরণ = এটি মূলত রাশিয়ান ভাষাভাষী কিছু মানুষের পরিচালিত একটি রেস্তোরাঁ, যেখানে বিভিন্ন ধরনের মাংসের পদ পাওয়া যায়। পশ্চিমা মানের তুলনায় এটি সস্তা হলেও বেশিরভাগ ভারতীয়দের জন্য এখানে খাওয়া বেশ ব্যয়বহুল।| চিত্র =
}}
== পানীয় ==
ম্যাকলিওডগঞ্জে বিশুদ্ধ জলের বোতল ভর্তি করার ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি মন্দির সড়কের এলএইচএ, ভাগসু সড়কের পরিবেশ শিক্ষা কেন্দ্র, আর যোগিওয়াড়া সড়কের ডগ্গা-সেন্টার থেকে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে জল ভরতে পারেন।<br>
এছাড়া, কিছু রেস্তোরাঁতেও এই সুবিধা আছে। যেমন নিক'স-এ ₹৫ এবং গ্রিন হোটেল-এ ₹১০ দিয়ে বিশুদ্ধ জল ভর্তি করা যায়। যদি বাইরের জলে ওপর নির্ভর করতে না চান, তবে এসব জায়গা আপনার জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে।
=== কফি ===
উপরের তালিকায় থাকা অনেক রেস্তোরাঁ ও বেকারিতে কফি বা চা উপভোগ করার দারুণ সুযোগ আছে। সাথে মনোরম দৃশ্যও উপভোগ করতে পারবেন। [[#আহার|এখানে দেখুন]]
* {{পান করুন
| নাম = মুনপিক এসপ্রেসো| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির সড়ক, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = মুখ্য চত্বর বা চক থেকে ১০ মিনিট হাঁটা| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = সকাল ৭টা – রাত ৮টা| মূল্য = ₹৫০–১২০| অক্ষাংশ = 32.2359| দ্রাঘিমাংশ = 76.32396| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এখানে ₹৪০–৭০ টাকায় কফি পাওয়া যায়। যদিও ম্যাকলিওডগঞ্জে আরও ভালো কফির বিকল্প আছে, তবে এটি বেশ আরামদায়ক একটি ক্যাফে। ক্যাফেটি ভারতীয় মালিকানাধীন হলেও সমস্ত কর্মচারী তিব্বতীয়। এখানে ছোট কিন্তু ভালো মানের স্যান্ডউইচ এবং প্রাতরাশ পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের চা, বিশেষ করে হার্বাল চা (₹৫০–৬০) পাওয়া যায়। এটি ম্যাকলিওডগঞ্জের কয়েকটি ক্যাফের মধ্যে একটি যেখানে বিনামূল্যে ও ভালো মানের ওয়াই-ফাই আছে। তবে, মেনুতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে যে, যদি কেউ অনেকক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাহলে কিছু অতিরিক্ত খাবার অর্ডার করাটা ভালো হবে।| চিত্র =
}}
=== সুরা ===
* {{পান করুন
| নাম = এক্স সাইট| অন্য = | ঠিকানা = প্রধান চক, ম্যাকলিওডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = কয়েক বছর আগে পর্যন্ত জায়গাটি জনপ্রিয় ছিল, তবে এখন সেই জৌলুস কিছুটা কমে গেছে। এটি ম্যাকলিওডগঞ্জের একমাত্র নাইটক্লাব যেখানে নাচের ফ্লোর আছে। এখানে রাত ১টা পর্যন্ত ভারতীয় এবং পশ্চিমা গান বাজানো হয়।| চিত্র =
}}
== রাত্রিযাপন ==
{{তথ্যছক|হালনাগাদ|এই বিভাগে এবং নীচের সমস্ত খাবারের তালিকা ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা আশা করি এটি আপনার জন্য সহায়ক হবে। কোনো মন্তব্য বা আপডেটের প্রস্তাব থাকলে, অনুগ্রহ করে [[আলাপ:ধর্মশালা|আলাপ পাতায়]] আপনার মতামত জানান।}}
ম্যাকলিওডগঞ্জে থাকার জন্য অনেক জায়গা আছে, তবে এর প্রধান রাস্তাগুলো, বিশেষ করে ভাগসু সড়ক, ভারতের অন্যান্য ব্যস্ত এলাকার মতোই গাড়ি, মোটরবাইক ও অটোরিকশার আওয়াজে ভরা। উপযুক্ত থাকার জায়গা খুঁজে পাওয়া সহজ—শুধু একটু হাঁটুন আর দরদাম করুন। কোনো হোটেল পছন্দ করার আগে অন্তত দুটো আলাদা ঘর দেখে নেওয়াই ভালো। ম্যাকলিওডগঞ্জে থাকার জন্য উল্লেখযোগ্য দুটি হোস্টেল হলো {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = মিত্র ২ | অক্ষাংশ = 32.2354042 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3276159 }} এবং {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = হোস্টেলার | অক্ষাংশ = 32.2350159 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3259720 }}। এখানে সরাসরি গিয়ে ঘর নেওয়াটা বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।
ভাগসু এবং হাইনিতে তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যক আবাসিক ও ব্যাকপ্যাকারদের দেখা যায়, যেখানে সাধারণ অতিথিশালা ও হোটেলও রয়েছে। উল্লেখযোগ্য আবাসিকের মধ্যে {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = মিত্র | অক্ষাংশ = 32.2523004 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3290486 }} এবং {{নির্দেশক | ধরন = sleep | নাম = ইয়ং মঙ্ক | অক্ষাংশ = 32.2506965 | দ্রাঘিমাংশ = 76.3301693 }} রয়েছে। এখানে সরাসরি গিয়ে রুম নেওয়া বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।
যারা দীর্ঘ সময় থাকার পরিকল্পনা করছেন, তারা জোগিওয়ারা সড়কের ওপর ইয়ংলিং সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে পারেন। এই এলাকায় প্রায় এক ডজন সস্তা ও ভালো থাকার জায়গা রয়েছে, যেগুলো থেকে দারুণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
===সস্তা===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = কর্নেলের আরামদায়ক কর্নার| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = দারি-এর কাছাকাছি| ফোন = +91 94 1872 4897, +91 98 1677 0899 (বুকিং)| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = colkrishan@yahoo.co.in| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹৬০০-৮০০, (কতদিন থাকবেন তার উপর দরদাম করা যেতে পারে)| অক্ষাংশ = 32.20299| দ্রাঘিমাংশ = 76.3319| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = এই অতিথিশালার মালিক একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী। জায়গাটি নিরাপদ ও নিরিবিলি, যেখানে কেউ বিরক্ত করবে না। এখানে মাত্র ৩টি কক্ষ আছে, তাই পরিবারের মতো পরিবেশ পাবেন। পরিষ্কার বিছানার চাদর ও নিরাপদ পানীয় জল পাওয়া যায়। স্থানীয় ‘ধাম’ (মধ্যাহ্নভোজ) খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = লর্ড কৃষ্ণা বুটিক স্টে| অন্য = | ঠিকানা = মন্দির সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 18 9222 1588| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল =https://www.hotelsinmcleodganj.in/ | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.236416| দ্রাঘিমাংশ = 76.32389089833737| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = পরিচ্ছন্ন কক্ষ, চা-কফি ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ। এখানে বাইক ভাড়ার সুবিধাও পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = sleep| নাম = রিভার ভিউ অ্যাপার্টমেন্টস| অন্য = | ঠিকানা = যোগিওয়াড়া, হেরু| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 98 1620 6406, +91 98 1629 2228| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.2347164| দ্রাঘিমাংশ = 76.329159| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = প্রতিটি কক্ষের সঙ্গে ঝুলবারান্দা ও রান্নাঘর রয়েছে। অতিথিদের কাছ থেকে ভালো রেটিং পেয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = শ্রী অতিথিশালা| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = মূল চত্বরে ষ থেকে ২০০ মিটার উপরে স্বর্গ আশ্রম সড়ক বা তুষিতা সড়কের দিকে| ফোন = +91 9418920003, +91 8894060505| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23975| দ্রাঘিমাংশ = 76.3247| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = খুবই শান্ত পরিবেশে অবস্থিত একটি পারিবারিক অতিথিশালা। ডাবল ও সিঙ্গেল রুম ভালো দামে পাওয়া যায়। এই অতিথিশালাটি দেবদারু ও পাইন বনের মধ্যে অবস্থিত।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = তুষার ব্যাঘ্র অতিথিশালা| অন্য = | ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = ₹১৭৫| অক্ষাংশ = 32.2384| দ্রাঘিমাংশ = 76.3239| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি ভালো বাজেট হোটেল।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = sleep| নাম = তারা বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট| অন্য = | ঠিকানা = যোগীওয়ারা সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = পিংক হাউসের পাশে, ইয়ংলিং স্কুলের ঠিক পাশেই। এখানে পৌঁছাতে হলে কিছুটা সিঁড়ি নামতে হবে। বাইরে যেতে চাইলে সেই সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হবে।| ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.airbnb.co.in/rooms/14228545| সময়সূচী = | মূল্য = ₹৮০০–১,০০০| অক্ষাংশ = 32.236474| দ্রাঘিমাংশ = 76.32603| শেষ_সম্পাদনা = 2019-05-11| বিবরণ = স্নেহশীল ও যত্নবান হোস্ট সেপাল এটি পরিচালনা করেন। জায়গাটি আরামদায়ক, বিছানা ও বাথরুম পরিষ্কার। ঝুলবারান্দা থেকে বরফে ঢাকা পাহাড় দেখা যায়। একজন পরিচারক আছেন, তিনি সকালের নাস্তা বানান এবং সাধারণত কাছাকাছিই থাকেন। তবে সবসময় কাউকে পাবেন না। এখানে বিছানা, বাথরুম ও গরম জল পাওয়া যায়।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = জুস্টা বার্ডিং রিসর্ট অ্যান্ড স্পা| অন্য = | ঠিকানা = ইন্দ্রুনাগ, প্যারাগ্লাইডিং পয়েন্টের কাছে, তাহু, চোহলা| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 9816-343-255, +91-9816-377-709| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = +91-9590-777-000| ইমেইল = book@justahotels.com| ফ্যাক্স = | ইউআরএল = https://www.justahotels.com/justa-birding-dharamshala/| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.221383| দ্রাঘিমাংশ = 76.335543| শেষ_সম্পাদনা = 2023-11-02| বিবরণ = | চিত্র =
}}
===মধ্যম মানের===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = অসপিশিয়াস হিম ভিউ হোটেল| অন্য = | ঠিকানা = যোগীওয়ারা সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = লেডিজ ভেঞ্চার হোটেলের নিচে| ফোন = +91 94 1823 6603| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.23526| দ্রাঘিমাংশ = 76.32788| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = নিজস্ব ঝুলবারান্দা থেকে বরফে ঢাকা ধৌলাধার পর্বতমালার দৃশ্য দেখা যায়। কক্ষগুলো পরিষ্কার এবং সংযুক্ত বাথরুম রয়েছে। প্রতিটি কক্ষ বৌদ্ধধর্মের আটটি শুভ চিহ্নের নামে রাখা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।| চিত্র =
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = পেমা থাংয়ের অতিথিশালা| অন্য = ভাগসু হোটেলের বিপরীতে| ঠিকানা = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = | ফোন = +91 18 9222 1871| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.pemathang.net/| সময়সূচী = | মূল্য = দুজনের জন্য কক্ষ ₹৭৭০–১,১০০, গ্যাস হিটার (শীতকালে দরকারি) ₹২০০/দিন অতিরিক্ত| অক্ষাংশ = 32.235| দ্রাঘিমাংশ = 76.32488| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = একটি পুরনো, তিব্বতি-পরিচালিত অতিথিশালা, যেটি নিরিবিলি গলির মধ্যে অবস্থিত। এখান থেকে কাংড়া উপত্যকার দারুণ দৃশ্য দেখা যায়। কক্ষগুলো কিছুটা পুরনো হয়ে উঠলেও অত্যন্ত পরিষ্কার ও আরামদায়ক। প্রতিটি কক্ষে টিভি ও ২৪ ঘণ্টা গরম জল পাওয়া যায়। দীর্ঘ সময় থাকলে রান্নার সুবিধাও ব্যবহার করা যাবে।| চিত্র =
}}
===অত্যাধুনিক ও বিলাসবহুল===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম = গ্লেনমুর কটেজেস| অন্য = | ঠিকানা = মল সড়ক, ম্যাকলিয়ডগঞ্জ| দিকনির্দেশ = ম্যাকলিয়ডগঞ্জ থেকে প্রায় ১ কিমি দূরে, যে রাস্তা ডাল হ্রদ/টিসিভির দিকে যায়| ফোন = +91 18 9222 1010| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = http://www.glenmoorcottages.com| সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = 32.246| দ্রাঘিমাংশ = 76.32227| শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = দেবদারু, ওক ও রডোডেনড্রনের মিশ্র বনভূমির মাঝে অবস্থিত, যেখান থেকে কাংড়া উপত্যকার অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। নিরিবিলি ও শান্ত ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ জায়গা। অনেক সেলিব্রিটি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এখানে আসেন।| চিত্র =
}}
== নিরাপদ থাকুন ==
এই জায়গাটি সাধারণত নিরাপদ, তবে সতর্ক থাকা ভালো। সব সময় সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে রাত ৯টার পর বাইরে থাকলে বেশি সতর্কতা অবলম্বন করুন।
== পরবর্তী গন্তব্য ==
* [[অমৃতসর]] – শিখদের পবিত্র শহর এবং এর স্বর্ণ মন্দিরে পৌঁছাতে বাসে প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। বাস সকাল ৫টায় নিচের বাসস্টেশন থেকে ছাড়ে। অথবা প্রথমে [[পাঠানকোট]] হয়ে যেতে পারেন, সেখান থেকে বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে এবং ট্রেনেও যাওয়া যায়।
* [[বীর]] – একটি ছোট গ্রাম যেখানে তিব্বতি ও ভারতীয় জনগোষ্ঠী বসবাস করে। এটি বৌদ্ধ মঠ ও প্যারাগ্লাইডিং সেন্টারের জন্য বিখ্যাত। এখানে বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম প্যারাগ্লাইডিং স্থান, বীর-বিলিং, রয়েছে। এটি এখন একাধিক রোমাঞ্চকর ক্রীড়ার কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
* [[ডালহৌসি (ভারত)|ডালহৌসি]] – একটি ছোট পাহাড়ি শহর, যা [[পাঠানকোট]]-এর কাছে অবস্থিত।
* [[মানালি]] – আরও গভীর পার্বত্য অঞ্চলে যাওয়ার জন্য পরবর্তী প্রধান গন্তব্য।
* [[পালমপুর]] – একটি সুন্দর উপত্যকা, যা এর চা বাগান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মন্দিরের জন্য পরিচিত।
* [[সিধবাড়ি]] – নিম্ন ধর্মশালার বাইরে অবস্থিত একটি চমৎকার স্থান। এটি পর্যটকদের ভিড় থেকে দূরে থাকার জন্য উপযুক্ত এবং উপত্যকার এক সাধারণ কৃষি গ্রামে জীবনের স্বাদ নিতে আদর্শ।
{{নির্দেশিকা শহর}}
{{এর অংশ|কাংড়া জেলা}}
{{ভূ|32.23564|76.32721|zoom=15}}
juuo4qjwu8wkdenq5x6ynto9mkpj0mc
ব্যবহারকারী:ARI/common.js
2
7216
76743
76613
2026-06-09T14:26:17Z
ARI
3854
76743
javascript
text/javascript
//অপসারণ
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/অপসারণ.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//টহলঘর
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/টহলঘর.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//আলাপ পাতা সাহায্যকারী
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/আলাপ_পাতা_সাহায্যকারী.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//WDConnect
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//wv
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/wv.js&action=raw&ctype=text/javascript');
1t8im23hznr2j34hugmwveo4qqv39zp
76754
76743
2026-06-10T03:25:37Z
ARI
3854
76754
javascript
text/javascript
//অপসারণ
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/অপসারণ.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//টহলঘর
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/টহলঘর.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//আলাপ পাতা সাহায্যকারী
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/আলাপ_পাতা_সাহায্যকারী.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//WDConnect
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//wv
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/wv.js&action=raw&ctype=text/javascript');
//autodate
mw.loader.load('//bn.wikivoyage.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/autodate.js&action=raw&ctype=text/javascript');
2jz79kkqjf5tw8r55os9t1h8bjtkvoz
থাইল্যান্ড
0
8403
76755
71875
2026-06-10T03:29:42Z
ARI
3854
/* রাত্রিযাপন */
76755
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার|Thailand banner 2.jpg|caption=আয়ুথায়ায় বুদ্ধের সারি}}
{{cautionbox|২০২৫ সালের জুলাই মাসে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে এক সংঘর্ষ ঘটে এবং বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবে পরিস্থিতি এখনও অস্থির। থাই সরকার [[চানথাবুরি]] ও [[ত্রাট]] প্রদেশের কিছু অংশে সামরিক আইন জারি করেছে এবং সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভ্রমণকারীদের কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি এলাকার মধ্যে ভ্রমণ এড়িয়ে চলা উচিত এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কিত যে কোনো হালনাগাদের প্রতি মনোযোগী থাকা উচিত।
| australia=https://www.smartraveller.gov.au/destinations/asia/thailand
| canada=https://travel.gc.ca/destinations/thailand
| hk=https://www.sb.gov.hk/eng/ota/note-Thailand.html
| us=https://th.usembassy.gov/fighting-on-the-thailand-cambodia-border/
| uk=https://www.gov.uk/foreign-travel-advice/thailand
| lastedit=2025-07-26
}}
'''থাইল্যান্ড''' ([[থাই ফ্রেজবুক|থাই]]: ประเทศไทย ''Prathet Thai'' বা เมืองไทย ''Mueang Thai'') দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বেশী পরিদর্শনকৃত দেশ, এবং এর যথেষ্ট কারণও রয়েছে। এখানে আপনি পুরু জঙ্গল পাবেন যা সবুজে পরিপূর্ণ, নীল পানিতে ভেজা অনুভূতি পাবেন যা সমুদ্রের সাঁতার কাটার চেয়ে এক ধরনের উষ্ণ স্নানের মতো, এবং এমন খাবার রয়েছে যা আপনার নাকের লোমগুলোকে কুঁকড়ে দিতে পারে, সাথেই আপনার স্বাদের অনুভূতি তালে-তালে নাচতে পারে। একদিকে অদ্ভুত, অন্যদিকে নিরাপদ; সস্তা, তবে প্রয়োজনীয় প্রতিটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত, এখানে প্রত্যেক রুচি ও প্রত্যেক বাজেটের জন্য কিছু না কিছু রয়েছে, সাগরের তীরে ব্যাকপ্যাকার হোস্টেল থেকে শুরু করে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিলাসবহুল হোটেল পর্যন্ত। একে বলা হয় "হাসির দেশ"।
বহুল পরিমাণ পর্যটনের পরেও, থাইল্যান্ড তার নিজস্ব পরিচয় বজায় রেখেছে, একটি সংস্কৃতি ও ইতিহাস যা একেবারে স্বতন্ত্র এবং একটি নির্লিপ্ত জনগণ যারা তাদের হাসি এবং ''সানুক'' জীবনযাপনের জন্য বিখ্যাত। অনেক ভ্রমণকারী থাইল্যান্ডে এসে তাদের সফরকে তাদের পরিকল্পনা থেকে অনেক বেশি দীর্ঘ করে ফেলে, আবার অনেকেই এমন কোন কারণ খুঁজে পায় না যার জন্য তারা ফিরে যাবে।
== অঞ্চলসমূহ ==
থাইল্যান্ডকে পাঁচটি ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চলে ভাগ করা যায়:
{{Mapshape|type=geoshape|wikidata=Q273794,Q275758,Q244649,Q239844,Q240520,Q275781,Q273807,Q380764,Q237874,Q244618,Q244698,Q240540,Q240495,Q244652,Q269270,Q233588,Q236419|group=map1|fill=#62a862|title=[[Northern Thailand]]}}
{{Mapshape|type=geoshape|wikidata=Q629024,Q380761,Q380757,Q327510,Q271737,Q275377,Q327533,Q468554,Q625463,Q506598,Q243791,Q275388,Q261241,Q327737,Q380752,Q1001862,Q468547,Q382125,Q382144,Q335119|group=map1|fill=#b36b48|title=[[Isaan]]}}
{{Mapshape|type=geoshape|wikidata=Q459748,Q1861,Q271529,Q334686,Q242932,Q334841,Q335492,Q459742,Q275740,Q244699,Q244628,Q466212,Q337627,Q334836,Q336122,Q459759,Q272247,Q476222,Q243795|group=map1|fill=#acac6b|title=[[Central Thailand]]}}
{{Mapshape|type=geoshape|wikidata=Q241884,Q334906,Q381889,Q321324,Q207068,Q335221,Q327730|group=map1|fill=#7272c5|title=[[Eastern Thailand]]}}
{{Mapshape|type=geoshape|wikidata=Q235574,Q243808,Q242977,Q271442,Q236781,Q236263,Q243805,Q236769,Q182565,Q236802,Q273306,Q244695,Q240463,Q244691|group=map1|fill=#945493|title=[[Southern Thailand]]}}
{{Regionlist
| regionmap=Thailand_regions_map.png
| regionmaptext=থাইল্যান্ডের মানচিত্র
| regionmapsize=450px
| regionInteractiveMap=map1
| region1name=[[উত্তরাঞ্চলীয় থাইল্যান্ড]]
| region1color=#62a862| region1color=#62a862
| region1items= [[চিয়াং মাই]], [[চিয়াং রাই]], [[সুখোথাই]], [[ফিৎসানুলোক]]
| region1description=[[চিয়াং মাই]], প্রাচীন রাজ্যের অবশেষ, পাহাড়ী জনগণ, এবং [[সোনালী ত্রিভুজ (থাইল্যান্ড)|সোনালী ত্রিভুজ]]।
| region2name=[[ইসান]]
| region2color=#b36b48
| region2description=সর্ব উত্তর-পূর্ব অঞ্চল, প্রতিবেশী লাওসের সাথে অনেক সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ভাগ করে নিয়েছে। বিটেন ট্র্যাক থেকে নেমে ব্যাককান্ট্রি থাইল্যান্ড, জিভে জল আনা খাবার এবং কিছু দুর্দান্ত খেমার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করতে পারেন।
| region3name=[[মধ্যঞ্চলীয় থাইল্যান্ড]]
| region3color=#acac6b
| region3description=[[ব্যাংকক]], নিম্নভূমি ও ঐতিহাসিক থাইল্যান্ড।
| region4name=[[পূর্বাঞ্চলীয় থাইল্যান্ড]]
| region4color=#7272c5
| region4description=ব্যাংককের খুব কাছাকাছিই কিছু সৈকত এবং দ্বীপ, যেমন [[পাতায়া]], [[কো সামেত]] এবং [[কো চ্যাং]] রয়েছে।
| region5name=[[দক্ষিণাঞ্চলীয় থাইল্যান্ড]]
| region5color=#945493
| region5description=আন্দামান সাগর এবং থাইল্যান্ড উপসাগর উভয় অঞ্চলে ঘন রেইনফরেস্ট এবং শত শত কিলোমিটার উপকূলরেখা এবং দ্বীপপুঞ্জ, এছাড়াও ফুকেট, ক্রাবি, কো সামুই, কো তাও এবং থাইল্যান্ডের আরও অনেক বিখ্যাত সৈকত স্পট। এছাড়াও এটির থাইল্যান্ডে ইসলাম এবং মালয় সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র।
}}
{{mapshape|type=geoshape|fill=#62a862|title=[[Northern Thailand]]|wikidata=Q750014}}
{{mapshape|type=geoshape|fill=#b36b48|title=[[Isaan]]|wikidata=Q381897}}
{{mapshape|type=geoshape|fill=#acac6b|title=[[Central Thailand]]|wikidata=Q190829}}
{{mapshape|type=geoshape|fill=#7272c5|title=[[Eastern Thailand]]|wikidata=Q1045682}}
{{mapshape|type=geoshape|fill=#945493|title=[[দক্ষিণ থাইল্যান্ড]]|wikidata=Q1069853}}
== শহরসমূহ ==
<!-- No more than nine (9) cities, please; discuss changes on Talk page first! -->
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[ব্যাংকক]] | অক্ষাংশ = 13.75 | দ্রাঘিমাংশ = 100.466667 | উইকিউপাত্ত = Q1861 }} (থাই: กรุงเทพมหานคร) — থাইল্যান্ডের জমজমাট, উন্মত্ত রাজধানী, থাইদের কাছে ক্রুং থেপ নামে পরিচিত
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[আয়ুথ্থায়া]] | অক্ষাংশ = 14.347778 | দ্রাঘিমাংশ = 100.560556 | উইকিউপাত্ত = Q203370 }} (থাই: พระนครศรีอยุธยา) — একটি ঐতিহাসিক শহর, ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এবং সিয়ামের পুরানো রাজধানী (পুরো নাম ফ্রা নাখোন সি আয়ুথায়া)
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[চিয়াং মাই]] | অক্ষাংশ = 18.795278 | দ্রাঘিমাংশ = 98.998611 | উইকিউপাত্ত = Q52028 }} (থাই: เชียงใหม่) — উত্তর থাইল্যান্ডের কার্যত রাজধানী এবং লান্না সংস্কৃতির কেন্দ্র
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[চিয়াং রাই]] | অক্ষাংশ = 19.909444 | দ্রাঘিমাংশ = 99.8275 | উইকিউপাত্ত = Q856772 }} (থাই: เมืองเชียงราย) — গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের প্রবেশদ্বার, জাতিগত সংখ্যালঘু এবং পর্বত ট্রেক
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[কাঞ্চনবুড়ি]] | অক্ষাংশ = 14.019444 | দ্রাঘিমাংশ = 99.531111 | উইকিউপাত্ত = Q239121 }} (Thai: กาญจนบุรี) — কোয়াই নদীর উপর সেতুর শহর এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অসংখ্য জাদুঘর
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[নাখোঁ রাতচাসিমা]] | অক্ষাংশ = 14.975 | দ্রাঘিমাংশ = 102.1 | উইকিউপাত্ত = Q633036 }} (Thai: นครราชสีมา) — [[ইসান]] অঞ্চলের বৃহত্তম শহর, খোরাত নামেও পরিচিত।
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[পাতায়া]] | অক্ষাংশ = 12.9275 | দ্রাঘিমাংশ = 100.875278 | উইকিউপাত্ত = Q170919 }} (Thai: พัทยา) — একটি প্রধান পর্যটন গন্তব্য, এট এর ওয়াল্ড নাইটলাইফের জন্য পরিচিত
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[সুখোথাই]] | অক্ষাংশ = 17 | দ্রাঘিমাংশ = 99.816667 | উইকিউপাত্ত = Q986737 }} (Thai: สุโขทัย) — থাইল্যান্ডের প্রথম রাজধানী, এখনও এখানে আশ্চর্যজনক ধ্বংসাবশেষ রয়েছে
* {{নির্দেশক | ধরন = city | নাম = [[সুরাত থানি]] | অক্ষাংশ = 9.139722 | দ্রাঘিমাংশ = 99.330556 | উইকিউপাত্ত = Q840951 }} (Thai: สุราษฎร์ธานี) — শ্রীবিজয় সাম্রাজ্যের অবস্থান, সামুই দ্বীপপুঞ্জের প্রবেশদ্বার
== অন্যান্য গন্তব্য ==
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[খাও সোক জাতীয় উদ্যান]] | অক্ষাংশ = 8.936667 | দ্রাঘিমাংশ = 98.530278 | উইকিউপাত্ত = Q1760520 }} (Thai: เขาสก) — থাইল্যান্ডের সবচেয়ে সুন্দর সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী অঞ্চলের মধ্যে একটি
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[খাও ইয়াই জাতীয় উদ্যান]] | অক্ষাংশ = 14.441389 | দ্রাঘিমাংশ = 101.369722 | উইকিউপাত্ত = Q386420 }} (Thai: เขาใหญ่) — রাতে জিপ সাফারিতে হরিণ ও দর্শনীয় জলপ্রপাত দেখতে পারবেন
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[কো চ্যাং]] | অক্ষাংশ = 12.103611 | দ্রাঘিমাংশ = 102.351944 | উইকিউপাত্ত = Q941265 }} (Thai: เกาะช้าง) — একসময় এটি একটি শান্ত দ্বীপ ছিল, এখন প্রধান পর্যটন উন্নয়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[কো লিপে]] | অক্ষাংশ = 6.49 | দ্রাঘিমাংশ = 99.3 | উইকিউপাত্ত = Q498252 }} (Thai: เกาะหลีเป๊ะ) — টারুতাও জাতীয় উদ্যানের মাঝখানে ছোট একটি দ্বীপ, এখানে দুর্দান্ত প্রবাল প্রাচীর এবং সৈকত রয়েছে
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[কো ফা নাগান]] | অক্ষাংশ = 9.75 | দ্রাঘিমাংশ = 100.033333 | উইকিউপাত্ত = Q1069922 }} (Thai: เกาะพะงัน) — মাইলের পর মাইল শান্ত উপকূলরেখা সহ বিখ্যাত ফুল মুন (পূর্ণিমা) পার্টির স্থান
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[কো সামেট]] | অক্ষাংশ = 12.567778 | দ্রাঘিমাংশ = 101.454722 | উইকিউপাত্ত = Q1073840 }} (Thai: เกาะเสม็ด) — ব্যাংকক থেকে নিকটতম দ্বীপ সৈকত
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[কো সামুই]] | অক্ষাংশ = 9.5 | দ্রাঘিমাংশ = 100 | উইকিউপাত্ত = Q270375 }} (Thai: เกาะสมุย) — আরামদায়ক, প্রকৃতি, এবং বিনোদন হিপি মক্কা আপমার্কেটে রূপ নিয়েছে
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[ক্রাবি প্রদেশ]] | অক্ষাংশ = 8.057778 | দ্রাঘিমাংশ = 98.916944 | উইকিউপাত্ত = Q236769 }} (Thai: กระบี่) — দক্ষিণে সৈকত এবং জল ক্রীড়া মক্কা, আও নাং, রাই লেহ, কো ফি ফি, এবং কো লান্টা অন্তর্ভুক্ত
* {{নির্দেশক | ধরন = vicinity | নাম = [[ফুকেট]] | অক্ষাংশ = 7.89 | দ্রাঘিমাংশ = 98.398333 | উইকিউপাত্ত = Q182565 }} (Thai: ภูเก็ต) — মূল থাই প্যারাডাইস দ্বীপ, এখন খুব উন্নত তবে এখনও সৈকতের সৌন্দর্য মোটেও কমে নি
==অনুধাবন==
{{quickbar|location=LocationThailand.png}}
[[Image:WatRajnadda_Garland.JPG|thumb|গারল্যান্ডেড স্ট্যাচু, [[ব্যাংকক/রত্নকোসিন|ওয়াট রাজনদ্দা]], [[ব্যাংকক]]]]
''মুখাবলি ভূমি'' হিসেবে পরিচিত থাইল্যান্ড, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূলভূমির হৃদয়। এখানে তুলনামূলকভাবে ভালো অবকাঠামো বিদ্যমান, যেখানে [[ব্যাংকক]] আন্তর্জাতিক ফ্লাইট হাব হিসেবে পরিচিত, এবং দেশটি অধিকাংশ বিদেশী পর্যটকদের জন্য এই অঞ্চলের প্রবেশদ্বার। থাইল্যান্ড পর্যটনের জন্য অত্যন্ত বিলাসবহুল হবার পাশাপাশি ব্যাকপ্যাকারদেরও হাব এবং বিদেশী বাসিন্দাদের স্থানে বাইরে আপনি একটি অদেখা আত্মা, সংস্কৃতি এবং উদারতা পাবেন যা আপনাকে একটি জীবন্ত এবং সম্ভবত জীবন পরিবর্তনকারী ছাপ রেখে যাবে। আপনার পছন্দ যা-ই হোক না কেন, থাইল্যান্ডে তারা জানে কিভাবে সেটি তৈরি করতে হয়।
এটি বলার উদ্দেশ্য এই নয় যে থাইল্যান্ডে কিছু খারাপ দিক নেই, যার মধ্যে একটি হলো একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় যে যেখানে একজন কৃষি শ্রমিক দিনে ১০০ বাথ আয় করতে পারে, সেখানে নতুন ধনী ব্যক্তিরা তাদের বিএমডব্লিউতে করে পাশ দিয়ে চলে যায়। [[ব্যাংকক]], রাজধানী, তার ট্র্যাফিক জ্যাম এবং ব্যাপক উন্নয়নের কারণে একসময় সুন্দর [[পাতায়া]] এবং [[ফুকেট]] ধ্বংসের মুখে পড়েছে। প্রচুর পর্যটক এলাকা যেখানে, কিছু নিচু মানের ব্যক্তি, থাই এবং বিদেশী উভয়েই, [[#নিরাপদ থাকুন|পর্যটকদের ঠকানো]] এক ধরণের শিল্পে পরিণত করেছে।
অবশেষে, যদিও থাইল্যান্ড অর্থনৈতিকভাবে উন্নত, তবুও এটি কিছু সমস্যার মুখোমুখি, যা বেশিরভাগ [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া|দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়]] দেশগুলোর মধ্যে দেখা যায়, যেমন নতুন শহর এবং পাড়া গুলোর দ্রুত এবং অগোছালো নির্মাণ, যেখানে আর্কিটেকচারাল সৌন্দর্যের প্রতি কোনো মনোযোগ দেওয়া হয়নি, বড় শহরে জনগণের প্রবেশযোগ্যতা এবং পায়ে হাঁটার সুবিধা না থাকা, এবং প্রায়ই শহর ও গ্রামীণ এলাকায় ময়লা ও আবর্জনার উপস্থিতি।
===ইতিহাস===
প্রথম পরিচিত থাই রাজ্যটি ১২৩৮ সালে [[সুখোথাই]]তে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৪শ শতকে রাজা রামখামহেংয়ের অধীনে রাজ্যটি তার শীর্ষস্থানে পৌঁছায়, এরপর [[অযোধ্যা]] রাজ্যের অধীনে চলে আসে, যা বর্তমানে থাইল্যান্ডের অধিকাংশ অঞ্চল এবং আজকের [[লাওস]] এবং [[কম্বোডিয়া]]র একটি বড় অংশ শাসন করেছিল, অবশেষে '''লান্না''' নামে পরিচিত উত্তর থাই রাজ্যকেও অধিকার করে। ১৭৬৭ সালে বর্মী বাহিনী অযোধ্যা আক্রমণ করেছিল, কিন্তু রাজা তাক্ষিন পুনর্গঠন করে [[ব্যাংকক/থনবুরি|থনবুরি]]তে একটি নতুন রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন। তার উত্তরসূরি, জেনারেল চক্রি, নদী পাড়ি দিয়ে [[ব্যাংকক]] চলে যান এবং রাজা রামা প্রথম হিসেবে অভিষিক্ত হন, যিনি '''চক্রি রাজবংশের''' প্রতিষ্ঠাতা, যা আজও সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে শাসন করছে।
থাইল্যান্ড ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত '''সিয়াম''' নামে পরিচিত ছিল, এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে পুরনো স্বাধীন দেশ এবং একমাত্র দেশ যা কখনোই কোনও বিদেশি শক্তির দ্বারা উপনিবেশিত হয়নি, এবং দেশটির বাসিন্দারা এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। ১৯৩২ সালে একটি রক্তহীন বিপ্লব সাংবিধানিক রাজতন্ত্রের দিকে নিয়ে যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, যখন জাপান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাকি অংশ দখল করে নেয় (দেখুন [[প্রশান্ত মহাসাগর যুদ্ধ]]), তখন শুধুমাত্র থাইল্যান্ড জাপানিরা দখল করতে পারেনি তাদের স্মার্ট রাজনৈতিক কৌশলগুলোর কারণে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে, থাইল্যান্ড যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রে পরিণত হয়। থাইল্যান্ড [[ইন্দোচিনা যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] মার্কিন বিমান বাহিনীর অপারেশনের একটি ঘাঁটি ছিল, এবং এটি ছিল ভিয়েতনামে যুদ্ধরত আমেরিকান সৈন্যদের জন্য একটি জনপ্রিয় বিশ্রামস্থল, যা থাইল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত পর্যটন শিল্পের সূচনা করেছিল। সেখানে একটি কমিউনিস্ট বিদ্রোহও ছিল, যা খুব বেশি সফল হয়নি এবং ১৯৮৩ সালে শেষ হয়। একাধিক সামরিক শাসনের পর এবং দ্রুত পতিত হওয়া বেসামরিক প্রধানমন্ত্রীদের পর, থাইল্যান্ড একটি প্রকারের গণতন্ত্রে স্থিতিশীল হয়ে ওঠে এবং পর্যটন এবং শিল্পের মাধ্যমে অর্থনীতি বিকশিত হয়।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, ভারত মহাসাগরে একটি ভূমিকম্পের ফলে থাইল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে [[সুনামি]] আঘাত হানে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করে এবং হাজার-হাজার মানুষ নিহত হয়, বিশেষ করে সমুদ্রসৈকত অঞ্চলে।
সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে, একটি দ্রুত এবং রক্তহীন সামরিক অভ্যুত্থানে জনপ্রিয় পপুলিস্ট ধনী ব্যবসায়ী '''থাকসিন শিনাওয়াত্রা''''র গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কিন্তু ব্যাপকভাবে সমালোচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়, যা থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যগতভাবে শাসন করা শহুরে এলিট এবং থাকসিনের সমর্থক গ্রামীণ জনগণের মধ্যে একটি ফাটল তৈরি করে। থাকসিন নির্বাসনে চলে যান এবং তার পরবর্তী সময়ে একটি অস্থির সরকার শাসন করতে থাকে, যেখানে থাকসিনের ''থাই রাক থাই'' দলের উত্তরসূরী এবং রয়েলিস্ট-কনসারভেটিভ ''পিপলস এলায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি'' গোষ্ঠী একে অপরকে পেছনের পর্দার পেছনে এবং মাঝে মাঝে রাস্তায় লড়াই করতে থাকে, যার পরিণতি হিসেবে নভেম্বরে ২০০৮ ব্যাংককের বিমানবন্দরগুলোর দখল এবং এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।
থাকসিনের বোন, ইংলাক শিনাওয়াত্রার নেতৃত্বে একটি নতুন দল ২০১১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়, তবে থাকসিনের মতোই, তিনি কেন্দ্রীয় থাইল্যান্ড, উত্তর ও ইসান এবং দক্ষিণের মুসলিমদের মধ্যে জনপ্রিয়তা বজায় রেখেছিলেন, তবে থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী এবং ব্যাংককের প্রতিষ্ঠিত শক্তির মানুষরা তার সরকারের বৈধতা কখনোই মেনে নেয়নি, এবং ৭ মে ২০১৪ তারিখে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত তাকে এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেয়। ২২ মে ২০১৪, থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী একটি রক্তহীন অভ্যুত্থান ঘটায়, দেশব্যাপী কারফিউ ঘোষণা করে এবং ইংলাকের পিউ থাই পার্টির সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে শুরু করে। ১৩ জুন ২০১৪, কারফিউ প্রত্যাহার করা হয়, তবে সংঘর্ষের মূল কারণগুলো এখনও অমীমাংসিত রয়েছে।
২০১৬ সালের শেষের দিকে '''রাজা ভুমিবল আদুল্যাদেজের''' ('''৯ম রামা''') মৃত্যুর পর, যিনি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘকাল রাজত্ব করা রাজা এবং একটি কিংবদন্তির মতো জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তার পুত্র '''রাজা ভাজিরালংকর্ন বোধিন্দ্রদেবযবরংকুন''' ('''১০ম রামা''') রাজসিংহাসনে আরোহণ করেন। রাজা ভাজিরালংকর্ন তার পিতার জনপ্রিয়তার কাছাকাছি কিছুই পাননি, এবং তার রাজত্ব তরুণ নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ দ্বারা দাগী হয়ে উঠেছে, যারা রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি দাবি করছে। ২০১৭ সালের নতুন সংবিধান অনুসারে মার্চ ২০১৯ সালে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে, নতুন সংবিধান সেনাবাহিনীকে একচেটিয়া ভাবে সিনেটর নিয়োগের অধিকার দেয় এবং সিনেটরদের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনেও ভোট দেওয়ার অধিকার দেয়, ফলে সেনাবাহিনীর থাই রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বজায় থাকে।
থাইল্যান্ড এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, এবং আজ এটি তার অনেক দরিদ্র প্রতিবেশী দেশ [[মায়ানমার]], [[লাওস]] এবং [[কম্বোডিয়া]] থেকে অভিবাসী শ্রমিকদের আকর্ষণ করছে।
===ভূগোল===
থাইল্যান্ড বিষুবরেখার উত্তরে অবস্থিত এবং এর আয়তন ৫১৩,১২০ বর্গকিলোমিটার, যা [[স্পেন|স্পেনের]] চেয়ে সামান্য বড়। দেশের ভূপ্রকৃতি বৈচিত্র্যময়—পাহাড়ি এলাকা, উর্বর নদী উপত্যকা আর সমভূমি মিলিয়ে গঠিত। দেশের উত্তরের বড় অংশজুড়ে পাহাড় রয়েছে, যা মিয়ানমারের সীমান্ত বরাবর ক্রা ইস্থমাস হয়ে মালয় উপদ্বীপ পর্যন্ত নেমে গেছে। দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা নিয়ে গঠিত কেন্দ্রীয় সমভূমি, যা চাও ফ্রায়া নদী এবং এর শাখানদীগুলো দ্বারা সেচিত—এটাই দেশের প্রধান নদী ব্যবস্থা এবং এটি ব্যাংকক উপসাগরে গিয়ে মিশেছে। উত্তর-পূর্বে খোরাট মালভূমি রয়েছে, যা মৃদু ঢেউ খেলানো পাহাড় আর অগভীর হ্রদসমৃদ্ধ এলাকা। মেকং নদী থাইল্যান্ড আর লাওসের মধ্যে বেশিরভাগ সীমান্ত গঠন করেছে। এসব নদী ব্যবস্থা থাইল্যান্ডের প্রধান কৃষিপণ্য—ধান চাষের জন্য পানি সরবরাহ করে। পর্যটকদের জন্য উল্লেখযোগ্য, দেশে ৩,২১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে, যেখানে ১,৪৩০টি সমুদ্র দ্বীপ আছে। এর মধ্যে আনুমানিক ৫০টিরও কম দ্বীপে লোক বাস করে।
===রাজনীতি===
থাইল্যান্ডের '''রাজ্য''' (রাজ্য-অন্নাচক থাই ''Ratcha-anachak Thai'') একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, যেখানে রাজা রাষ্ট্রপ্রধান। থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, যার মধ্যে একটি সেনাবাহিনী নিযুক্ত উচ্চকক্ষে সেনেট এবং একটি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত নিম্নকক্ষে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান এবং সংসদের দুইটি কক্ষের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
প্রকৃতপক্ষে, রাজা প্রথাগতভাবে সীমিত ভূমিকা পালন করেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতে সরকারে অধিক ক্ষমতা থাকে। তবে, রাজা এবং রাজকীয় পরিবার এখনও কঠোর ''লেজ-মেজেসটী'' আইনের দ্বারা সুরক্ষিত, যা রাজা বা রাজকীয় পরিবারের অন্য কোন সদস্যকে অপমান করার জন্য দীর্ঘ কারাদণ্ডের বিধান দেয়।
{{Cautionbox|boldtext=সতর্কতা|''লেজ-মেজেসটী'' (রাজকীয় পরিবারের অবমাননা) থাইল্যান্ডে '''১৫ বছর কারাদণ্ড''' পর্যন্ত দণ্ডনীয়, এবং '''ন্যূনতম শাস্তি ৩ বছর''', যদিও বিদেশীদের জন্য শাস্তি সাধারণত থাই নাগরিকদের তুলনায় কম হয়। এটি '''রাজা, তার ছবি, তার রাজকুমার বা প্রতিনিধি''' যেকোনো অপমানজনক কাজের অন্তর্ভুক্ত। ২০১৪ সালের সামরিক অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এই ধরনের মামলার সংখ্যা বেড়েছে। '''থাই কারাগারের অবস্থা খুবই খারাপ''', কারাগারে অতিরিক্ত চাপ রয়েছে এবং সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেশি। '''রাজা বা রাজকীয় পরিবারের সদস্যদের অপমানের''' যে কোন কাজ থেকে বিরত থাকুন, যার মধ্যে সিনেমা হলে রাজকীয় সঙ্গীত বাজানোর সময় দাঁড়ানো বা মুদ্রার উপর রাজা বা রাজকীয় পরিবারের ছবি পদধ্বস্ত করা অন্তর্ভুক্ত।}}
===জলবায়ু===
[[Image:Ko Tao Bay.jpg|thumb|সৈকত [[কো তাও]]]]
থাইল্যান্ড মূলত '''উষ্ণমণ্ডলীয়'''। এটি সারাবছর উষ্ণ এবং আর্দ্র থাকে, যেখানে তাপমাত্রা সাধারণত ২৮-৩৫°C (৮২-৯৫°F) রেঞ্জে থাকে, তবে উত্তর থাইল্যান্ডের পর্বতমালায় কিছুটা তাপমাত্রা কম থাকে। তবে, থাইল্যান্ডে তিনটি মৌসুম রয়েছে:
* '''শীত''': নভেম্বরে থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত, এখানে খুব বেশি বৃষ্টি হয় না এবং তাপমাত্রা কম থাকে, যদিও দক্ষিণে তেমন কোন পার্থক্য অনুভূত হবে না এবং আপনি কেবলমাত্র উত্তরাঞ্চলের পর্বতমালায় হাইকিং করার সময় একটি সোয়েটার প্রয়োজন হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৫°C (৪১°F) পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সময় ভ্রমণের জন্য এবং বিশেষ করে ক্রিসমাস এবং নিউ ইয়ারস বা তার কয়েক সপ্তাহ পরে চীনা নববর্ষের সময় ফ্লাইট এবং থাকার ব্যবস্থা খুঁজে পাওয়া ব্যয়বহুল এবং কঠিন হতে পারে।
* '''গ্রীষ্ম''': মার্চ-এপ্রিল মাসে, থাইল্যান্ড ৪০°সে (১০৪°ফা) পর্যন্ত তাপমাত্রায় গরম থাকে এবং তাপ সূচক ৫০°সে (১২২-১৪০°ফা) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যেখানে এপ্রিল সাধারণত সবচেয়ে গরম মাস। সৈকতে বসে পানীয় হাতে উপভোগ্য হলেও, ব্যাংককের মন্দির পরিদর্শনের জন্য এটি আদর্শ সময় নয়।
* '''বর্ষা''': মে-অক্টোবর মাসে, যদিও এটি সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ণরূপে শুরু হয়, যখন ট্রপিক্যাল মনসুন বৃষ্টিপাত অধিকাংশ দেশকে আঘাত করে। এর মানে এটি অনবরত বৃষ্টিপাত হয় না, তবে যখন বৃষ্টি হয়, তখন তা প্রবল হয়ে পড়ে এবং বন্যা অস্বাভাবিক নয়।
এই সাধারণ মৌসুমী প্যাটার্নে কিছু স্থানীয় পরিবর্তন রয়েছে। বিশেষত, থাইল্যান্ডের [[কেন্দ্রীয় উপসাগরীয় উপকূল]] (যেমন [[কো সামুই]]) বৃষ্টির সময়কাল উল্টানো থাকে, যেখানে শুকনো মৌসুমটি মে-অক্টোবর এবং বৃষ্টির অফ-সিজনটি নভেম্বরে-ফেব্রুয়ারিতে থাকে।
=== জনসংখ্যাতত্ত্ব ===
থাইল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক বৈচিত্র্যময় দেশগুলোর মধ্যে একটি।
==== জাতিগোষ্ঠী ====
* দেশটির সবচেয়ে বড় জাতিগত গোষ্ঠী হল '''তাই''' [sic] জনগণ। তাইরা সম্পর্কিত বেশ কিছু ভাষায় কথা বলেন, যার মধ্যে থাই ভাষার পাশাপাশি লাও ভাষাও রয়েছে, যা উত্তর-পূর্ব থাইল্যান্ডের ইসান জনগণের দ্বারা বলা হয়।
* '''খেমার''' জনগণ, যারা কম্বোডিয়ার সীমানায় দেশের প্রধান জনসংখ্যা গঠন করে, তাদের উপস্থিতি থাইল্যান্ডে ব্যাপক।
* থাইল্যান্ডের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম '''চীনা''' জাতিগত জনগণ বসবাস করে, যা গ্রেটার চীন অঞ্চল ছাড়া সর্ববৃহৎ চীনা জনগণ। তারা থাই সমাজের প্রতিটি স্তরে প্রতিনিধি আছেন এবং দেশটির অনেক বড় ব্যবসা, ব্যাংক ও কর্পোরেশন তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বেশিরভাগ থাই-চীনা '''তিয়োচিউ''' বংশোদ্ভূত। চীনা ও তাই জনগণের মধ্যে প্রচুর আন্তঃবিবাহ হয়েছে, যা দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একটি সাধারণ ধর্মীয় মিল—বৌদ্ধধর্মের—কারণে সম্ভব হয়েছে। থাই-চীনারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম থাই সমাজে একীভূত হয়েছে। এছাড়াও একটি দ্বিতীয় চীনা জনগণের গ্রুপ আছে, যারা মিয়ানমার সীমান্তের কাছের গ্রামে বসবাস করে, যার মধ্যে কুওমিনতাং সেনারা রয়েছে, যারা চীনা গৃহযুদ্ধ হারানোর পর থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছিল এবং তাদের বংশধররা এখন সেখানে বসবাস করছে।
* '''মালয়''' জনগণ মূলত [[দক্ষিণাঞ্চলীয় থাইল্যান্ড]]ে বাস করে, তবে [[ব্যাংকক|ব্যাংককেও]] একটি বড় সম্প্রদায় রয়েছে।
* থাইল্যান্ডে একটি বড় '''ভারতীয়''' জনগণ বসবাস করে এবং তারা মূলত [[ব্যাংকক]] এলাকায় বসবাস করে। থাই ভারতীয়রা দেশের অনেক টেক্সটাইল ব্যবসার মালিক এবং তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফ্যাক্টরি স্থাপন ও পরিচালনা করে, এবং তারা গহনা ব্যবসায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। অধিকাংশ থাই ভারতীয় '''পাঞ্জাবি''' বংশোদ্ভূত।
* উত্তর থাইল্যান্ডে অনেক '''পর্বত জনগণ''' বাস করে, যেমন কেরেন, মন, এবং হমং। প্রতিটি পর্বত জনগণের নিজস্ব রীতি-নীতি এবং মূল্যবোধ রয়েছে।
* থাইল্যান্ডে একটি বড় '''বর্মি''' জনগণও বসবাস করে। বেশিরভাগ বর্মি মানুষ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতা থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে শরণার্থী হিসেবে এসেছে। থাইল্যান্ডে বর্মি জনগণ সাধারণত বিভিন্ন নিম্নমানের কাজ করেন।
* থাইল্যান্ডে একটি উল্লেখযোগ্য '''পাকিস্তানি''' জনগণও রয়েছে। থাইল্যান্ডে থাকা অনেক পাকিস্তানি পাকিস্তানি খ্রিস্টান। তাদের অনেকেই ধর্মীয় বৈষম্য ও সহিংসতা থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছে।
* ১৯৫০-এর দশকে ইরাক, ইরান, ইসরায়েল এবং আফগানিস্তান থেকে অনেক '''ইহুদি''' থাইল্যান্ডে অভিবাসন করেছেন।
* থাইল্যান্ডে একটি উল্লেখযোগ্য '''রুশ''' জনগণও রয়েছে। অনেক রাশিয়ান [[ফুকেট]] শহরে বসবাস করে। ২০২২ সাল থেকে, অনেক রাশিয়ান থাইল্যান্ডে শরণার্থী হিসেবে এসেছে, যারা নিজেদের মত প্রকাশ করার জন্য নিরাপদ স্থান খুঁজছে।
==== ধর্ম ====
থাইল্যান্ড আইনগতভাবে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তবে, অধিকাংশ থাই মানুষ ধার্মিক এবং ধর্মকে তাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মনে করেন।
সরকার দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত ধর্মগুলো হলো: বৌদ্ধধর্ম, [[ইসলাম]], খ্রিস্টান ধর্ম, [[হিন্দুধর্ম]], এবং শিখ ধর্ম।
থাইল্যান্ডে অধিকাংশ ধর্ম হল '''থেরবাদ বৌদ্ধধর্ম''' এবং এটি প্রায় সব থাই দ্বারা অনুসৃত হয়।
থাইল্যান্ডে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যালঘু '''[[মুসলিম]]''' জনগণ রয়েছে, যারা প্রধানত দক্ষিণ অঞ্চলে বসবাস করে। বেশিরভাগ থাই মুসলিম সন্নি মুসলিম।
একটি ছোট সংখ্যা থাই '''[[খ্রিস্টান]]'''। ১৬ শতকে ইউরোপীয় মিশনারিদের মাধ্যমে খ্রিস্টান ধর্ম থাইল্যান্ডে প্রবেশ করে। অধিকাংশ থাই খ্রিস্টান কাথলিক, যদিও একটি বড় প্রটেস্টান্ট সম্প্রদায়ও রয়েছে।
===সংস্কৃতি===
[[Image:WatDoiSuthep_Courtyard.JPG|thumb|240px|ওয়াট ডোই সুটেপ, [[চিয়াং মাই]]]]
মেইনল্যান্ড থাই সংস্কৃতি গভীরভাবে '''[[বৌদ্ধধর্ম]]''' দ্বারা প্রভাবিত। তবে, পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ দেশগুলোর তুলনায়, থাইল্যান্ডের বৌদ্ধরা থেরবাদী সম্প্রদায় অনুসরণ করে, যা সম্ভবত তার ভারতীয় শিকড়ের সাথে আরও ঘনিষ্ঠ এবং মঠের জীবনযাত্রার উপর বেশি গুরুত্ব দেয়। থাই মন্দিরগুলো, যা '''ওয়াট''' নামে পরিচিত, সোনালি রঙে সজ্জিত এবং তাদের শোভিত, রঙিন, তীক্ষ্ণ ছাদ দিয়ে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। কমপক্ষে তিন মাসের বৃষ্টির মরসুমে একটি সোনালী চাদর পরা সন্ন্যাসী হওয়া, সাধারণত, তরুণ থাই ছেলেদের এবং পুরুষদের জন্য একটি সাধারণ রীতিনীতি। তবে, কিছু উল্লেখযোগ্য মহায়ানা বৌদ্ধ মন্দিরও রয়েছে, যেগুলো প্রধানত চীনা নকশায় তৈরি হয়েছে এবং চীনা সম্প্রদায়ের সেবা করে।
একটি প্রাচীন বৌদ্ধ পূর্ব-ধর্মীয় ঐতিহ্য যা এখনো জীবিত তা হলো '''আত্মা বাড়ি''' (ศาลพระภูมิ ''সান ফ্রাফুম''), যা সাধারণত যে কোনো বাড়ি বা ব্যবসার কোণে পাওয়া যায়, এবং এটি আত্মাদের আশ্রয় দেয় যাতে তারা বাড়িতে প্রবেশ না করে এবং সমস্যার সৃষ্টি না করে। যত বড় এবং অভিজ্ঞানময় একটি ভবন, তত বড় হতে পারে আত্মা বাড়িটি। যেসব ভবন অশুভ স্থানে নির্মিত হয়, সেখানে সাধারণত বড় আকারের আত্মা বাড়ি থাকে। সম্ভবত থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত আত্মা বাড়ি হলো এরা ওয়ান মন্দির, যা [[ব্যাংকক]] শহরে অবস্থিত, এবং এটি ১৯৫৬ সালে নির্মিত এরা ওয়ান হোটেল (বর্তমানে গ্র্যান্ড হায়াট এরা ওয়ান) রক্ষা করে, যা একটি প্রাক্তন ফাঁসি স্থলে ছিল। এটি এখন শহরের অন্যতম জনপ্রিয় এবং ব্যস্ত মন্দির। এটি এবং অন্যান্য কিছু জনপ্রিয় মন্দির ''হিন্দু'' দেবতাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। থাইল্যান্ডে হিন্দুধর্ম একসময় প্রাধান্য বিস্তার করেছিল বৌদ্ধধর্মের আগমন পূর্বে, এবং থাই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনেক দিক এখনও হিন্দু পুরাণ থেকে অনুপ্রাণিত।
থাইল্যান্ডে জনপ্রিয় কিছু ঐতিহ্যবাহী শিল্পের মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী থাই নাচ এবং সঙ্গীত, যা ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং আদালতের বিনোদনের উপর ভিত্তি করে। একটি প্রাণবন্ত পপ সঙ্গীত দৃশ্য রয়েছে, যেখানে ''মোরলাম'' এবং ''লুকথুং'' পশ্চিমা শৈলীর পপ সঙ্গীতের তুলনায় কোনওভাবে কম জনপ্রিয় নয়। বিখ্যাত '''থাই বক্সিং''' (''মুয়ে থাই''), যা থাই যোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণ থেকে উদ্ভূত, সন্দেহহীনভাবে দেশের সবচেয়ে পরিচিত স্থানীয় খেলা।
মেইনল্যান্ড থাই সংস্কৃতির পাশাপাশি, থাইল্যান্ডে আরও অনেক সংস্কৃতি রয়েছে, যেমন থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের পর্বতশ্রেণীতে বসবাসকারী "হিল ট্রাইবস" (যেমন, হমং, কারেন, লিসু, লাহু, আখা), দক্ষিণের মুসলমান, এবং অন্ধামান সাগরের আদিবাসী দ্বীপবাসীরা। চীনা জাতিগোষ্ঠী থাই সংস্কৃতিতে ব্যাপকভাবে একীভূত হয়ে গেছে, তবে তাদের চীনা ঐতিহ্যের কিছু চিহ্ন এখনো ব্যাংককের চায়নাটাউনে পাওয়া যায়। চীনারা তবে থাইল্যান্ডের রান্নার দৃশ্যে বিশাল প্রভাব ফেলেছে, এবং অনেক চীনা উত্পন্ন খাবার, যেমন নুডলস, রোস্ট শূকর এবং স্টিমড বান, ব্যাপকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং এখন থাই রন্ধনপ্রণালীর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখা হয়। থাই-চীনা জনগণ সাধারণত দুই গ্রুপে বিভক্ত হতে পারে: প্রথমত, যারা ১৯শ এবং ২০শ শতকের শুরুর দিকে ব্যবসায়ী এবং শ্রমিক হিসেবে থাইল্যান্ডে এসেছিল, যাদের বেশিরভাগ [[ফুজিয়ান]], [[গুয়াংডং]] বা [[হাইনের]] অঞ্চল থেকে এসেছিল এবং বড় শহরগুলোতে যেমন [[ব্যাংকক]], [[হাট ইয়াই]] এবং [[ফুকেট]] বসবাস করেছিল; এবং দ্বিতীয়ত, কুমিনটাং সৈন্যদের কিছু গ্রুপ যারা চীনা গৃহযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে থাইল্যান্ডে পালিয়ে এসেছিল, যাদের বেশিরভাগ [[ইউনান]] থেকে এসেছিল এবং মায়ানমার সীমান্তবর্তী থাইল্যান্ডের দুর্গম পর্বত গ্রামগুলোতে বসবাস করেছিল, যেমন [[মে সালং]] এবং [[বান রাক থাই]]।
===পঞ্জিকা===
গ্রেগরীয় পঞ্জিকার পাশাপাশি, থাইল্যান্ড থাই সৌর পঞ্জিকা ব্যবহার করে, যা বৌদ্ধ পঞ্জিকার থাই সংস্করণ এবং এটি সাধারণ খ্রিস্টাব্দের তুলনায় ৫৪৩ বছর এগিয়ে। তাই {{CURRENTYEAR}} অনুয়ায়ী বর্তমান থাই বছর হলো {{#invoke:ConvertDigit|main|{{#expr:{{#invoke:ConvertTime|main|{{CURRENTYEAR}}}}+543}}}}। ইংরেজিতে থাই তারিখগুলি প্রায়ই '''B.E.''' হিসেবে লেখা হয়, যা "বৌদ্ধ যুগ" এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
কিছু থাই ছুটি থাই চন্দ্র পঞ্জিকা অনুসারে নির্ধারিত হয়, তাই তাদের তারিখগুলি প্রতি বছর পশ্চিমা পঞ্জিকার মধ্যে পরিবর্তিত হয়।
===ছুটির দিনসমূহ===
[[Image:Thailand_Ayutthaya_Wat_Phra_Si_Sanphet.jpg|thumb|300px|ওয়াট ফ্রা সি সানপেত, [[আয়ুথিয়া]]]]
{{CNYdates}}
থাইল্যান্ডে অনেক ছুটির দিন রয়েছে, যা প্রধানত বৌদ্ধধর্ম এবং রাজতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে কেউই সব ছুটি উদযাপন করে না, তবে ব্যাংকগুলো প্রতিবার বেশকয়েকটি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = চীনা নববর্ষ| অন্য = ตรุษจีน| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = প্রতিবছর জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে (চন্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী তারিখ পরিবর্তিত হয়), এটি বসন্ত উৎসব বা চন্দ্র নববর্ষ নামে পরিচিত এবং উদযাপন প্রায় ১৫ দিন ধরে চলে। যদিও এটি একটি সরকারি ছুটি নয়, থাই-চীনাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে উদযাপিত হয়, যারা তাদের ঘর পরিষ্কার করে এবং তাদের পূর্বপুরুষদের জন্য খাদ্য নিবেদন করে। এটি মূলত এক তৃপ্তিদায়ক ভোজনের সময়। উৎসবের পূর্ণ অনুভূতি লাভের জন্য [[ইয়াওয়ারাট]], ব্যাংককের চায়না টাউন পরিদর্শন করুন।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = মাখা বুচা| অন্য = มาฆบูชา| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = চন্দ্র ক্যালেন্ডারের তৃতীয় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পড়ে, যা সাধারণত ফেব্রুয়ারি বা মার্চে ঘটে, এবং এটি বুদ্ধের সামনে ১,২৫০ জনের স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশকে স্মরণ করে, যা তাদের সন্ন্যাসী হওয়ার এবং পরবর্তী জ্ঞান লাভের দিকে পরিচালিত করে। ব্যাংকক এবং থাইল্যান্ডের অন্যান্য মন্দিরগুলোতে বৌদ্ধরা মোমবাতি নিয়ে প্রধান মন্দিরের চারপাশে তিন বার অস্থিরভাবে চলেন।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = সংকরণ| অন্য = สงกรานต์| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = অবশ্যই সবচেয়ে মজার ছুটি, এটি থাই নববর্ষের উদযাপন, যা এপ্রিল মাসে (অফিসিয়ালি ১৩-১৫ এপ্রিল, তবে কিছু স্থানে তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে)। এটি একসময় পূর্ববর্তী বছরের পাপ ধুয়ে ফেলার জন্য একটি বিনয়ী প্রথা হিসেবে শুরু হয়েছিল, কিন্তু এখন এটি '''বিশ্বের বৃহত্তম জল যুদ্ধ''' হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তিন দিন ধরে চলে। পানির পিস্তল এবং সুপার সোকার ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং এগুলি সব জায়গায় বিক্রি হয়। সর্বোত্তম স্থানগুলির মধ্যে [[চিয়াং মাই]], [[ব্যাংকক/খাও সান রোড|খাও সান রোড]] এবং পর্যটন কেন্দ্রীক স্থান যেমন [[পাতায়া]], [[কো সামুই]] এবং [[ফুকেট]] অন্তর্ভুক্ত। আপনি পুরোপুরি ভিজে যাবেন, এটি দর্শক-খেলাধুলা নয়। জল ছোড়ার দৃশ্যটি আরো অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে, যখন মানুষ একে অপরকে বরফ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ছিটাতে শুরু করেছে। পরামর্শ দেওয়া হয় গা dark ় রঙের পোশাক পরিধান করার, কারণ হালকা রঙের পোশাক ভিজে গেলে স্বচ্ছ হতে পারে।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| ধরন = listing| নাম = কিংয়ের জন্মদিন| অন্য = | ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ৫ মে, এটি রাজা রামা নবমের ১৯৫০ সালের রাজদ্বারা অভিষেকের স্মরণে উদযাপিত হয় (যদিও তার রাজত্ব ১৯৪৬ সালের ৯ জুন থেকে শুরু হয়েছিল - যেহেতু তিনি থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রাজত্বকারী রাজা)।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = লোই কৃতং| অন্য = ลอยกระทง| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = চন্দ্র ক্যালেন্ডারের দ্বাদশ মাসের প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে পড়ে, যা সাধারণত নভেম্বর মাসে ঘটে, যখন মানুষ নদী, হ্রদ এবং এমনকি হোটেলের সুইমিং পুলেও ফুল এবং মোমবাতি দিয়ে সজ্জিত কলা পাতা (অথবা এখনadays স্টাইরোফোম) ভাসিয়ে দেয়, যেগুলোকে ''কৃতং'' (กระทง) বলা হয়। কৃতং হল নদী দেবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার উদ্দেশ্যে, যিনি মানুষের জীবনকে সঞ্জীবিত করেন। থাইরা এটাও বিশ্বাস করেন যে এটি খারাপ ভাগ্য দূর করার একটি ভালো সময় এবং অনেকেই কৃতংয়ে কিছু চুলের কাঁটা বা নখের ছেঁড়া অংশ রাখেন। ঐতিহ্য অনুযায়ী, যদি আপনি যখন কৃতংটি রাখেন এবং এটি চোখের আড়ালে চলে যায় মোমবাতি নিভে যাওয়ার আগেই, তবে আপনার ইচ্ছা পূর্ণ হবে। কিছু প্রদেশে তাদের নিজস্ব লোই কৃতং সংস্করণ রয়েছে, যেমন [[সুখোথাই]] যেখানে একটি অসাধারণ প্রদর্শনী হয়। উত্তরে, চিয়াং মাই এবং চিয়াং রাই তাদের নিজস্ব অনন্য প্রথা রয়েছে ''কোম'' বা গরম বাতাসের লণ্ঠন উড়িয়ে দেওয়ার। এটি এক বিস্ময়কর দৃশ্য হতে পারে, যখন আকাশটি হঠাৎ আলোকিত হয়ে ওঠে, পূর্ণিমার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।| চিত্র =
}}
* {{তালিকাভুক্তকরণ
| নাম = রাজা জন্মদিন| অন্য = বাবা দিবস| ঠিকানা = | দিকনির্দেশ = | ফোন = | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর = | ইমেইল = | ফ্যাক্স = | ইউআরএল = | সময়সূচী = | মূল্য = | অক্ষাংশ = | দ্রাঘিমাংশ = | শেষ_সম্পাদনা = | বিবরণ = ২৮ জুলাই, রাজা জন্মদিন হলো দেশের জাতীয় দিবস এবং বাবা দিবস হিসেবেও উদযাপিত হয়, যখন থাইরা তার মহিমা রাজাকে শ্রদ্ধা জানান এবং ভালোবাসা প্রকাশ করেন। ভবন এবং বাড়িতে রাজা পতাকা (হলুদ রঙের এবং তার প্রতীক কেন্দ্রে থাকে) এবং তার প্রতিকৃতি দিয়ে সজ্জিত করা হয়। সরকারি ভবনগুলো, তাছাড়া বাণিজ্যিক ভবনগুলোর আলো দিয়ে সাজানো হয়। পুরনো ব্যাংকক ([[ব্যাংকক/রাটানাকোসিন|রাটানাকোসিন]]) বিশেষ করে রাজপ্রাসাদের চারপাশে, আপনি গাছপালা, ভবন এবং সড়কগুলিতে চমৎকার আলো প্রদর্শন দেখতে পাবেন। '''রাণীর জন্মদিন''' (১২ আগস্ট) হলো মা দিবস, এবং এটি কিছুটা কম রাজকীয় ভাবেই উদযাপিত হয়।| চিত্র =
}}
=== পর্যটক তথ্য ===
* [https://www.tourismthailand.org/ পর্যটন থাইল্যান্ড] ওয়েবসাইট
==আলাপ==
{{seealso|থাই বাক্যাংশ বই}}
থাইল্যান্ডের সরকারি ভাষা হল '''[[থাই বাক্যাংশ বই|থাই]]''' (ภาษาไทย ''phaasǎa Thai'')। এটি একটি সুরভিত ভাষা, তাই এটি মাতৃভাষী ইংরেজি বক্তাদের জন্য দ্রুত শেখা কঠিন হতে পারে, কিন্তু আপনার যে কোনো প্রচেষ্টা সবার কাছে প্রশংসিত হবে। থাই ভাষায় বিভিন্ন উপভাষা রয়েছে, তবে ব্যাংকক উপভাষা, যা কেন্দ্রীয় থাই হিসেবেও পরিচিত, তা মানক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং সব স্কুলে এটি পড়ানো হয়। ভাষা স্কুলগুলো থাইল্যান্ডের সব বড় শহরে পাওয়া যায়, যেমন [[ব্যাংকক]] এবং [[ফুকেট]]।
মুসলিম অধ্যুষিত দক্ষিণ অঞ্চলে [[মালয় বাক্যাংশ বই|মালয়]] ভাষার উপভাষাগুলি প্রচলিত, যা সাধারণ মালয়/ইন্দোনেশিয়ান ভাষাভাষীদের জন্য প্রায় অজানা, কিন্তু মূলত [[কেলান্তান#আলাপ|কেলানতানি]]র মতোই। মালয়েশিয়া, ব্রুনেই এবং ইন্দোনেশিয়ায় যেমন রোমান বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়, থাইল্যান্ডে তা ব্যবহার করা হয় না, এবং থাই-মালয়রা শুধুমাত্র আরবি ভিত্তিক জাওয়ী লিপি ব্যবহার করে।
থাই চীনা সম্প্রদায় বিভিন্ন চীনা উপভাষায় কথা বলে, এবং ব্যাংককের চায়নাটাউনে [[তেওচেউ বাক্যাংশ বই|তেওচিউ]] উপভাষা সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। দক্ষিণে [[হাত ইয়াই]]তে [[মিন্নান বাক্যাংশ বই|হোককিয়েন]] ভাষাও ব্যাপকভাবে বোঝা যায় কারণ এখানে [[পেনাং]] থেকে অনেক পর্যটক আসে। বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি গ্রামে কিছু মানুষ ইয়ুনান থেকে আসা কুয়োমিনটাং শরণার্থী দের বংশধর, তাই তারা ইয়ুনান ম্যান্ডারিন উপভাষা ব্যবহার করে। পূর্বের [[ইসান]] উপভাষাগুলি [[লাও বাক্যাংশ বই|লাও]] ভাষার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কিত, এবং উত্তরাঞ্চলের উপজাতীয় এলাকায় অনেক ছোট ভাষা গোষ্ঠী রয়েছে, কিছু এত অদ্বিতীয় যে সেখানে থাই ভাষাভাষী কম।
[[File:Khao San Road 2 (cropped).JPG|thumb|দ্বিভাষিক রাস্তার সাইন, স্থানীয়ভাষায় লেখা খাও সান রোডের নাম]]
পাবলিক সাইনগুলো সাধারণত দ্বিভাষিক হয়, থাই ও ইংরেজি ভাষায় লেখা থাকে। কিছু কিছু সাইন জাপানি এবং চীনা ভাষাতেও থাকে। যেখানে ইংরেজি লেখা থাকে, সেখানে সাধারণত তা খুবই ধ্বনিগতভাবে লেখা হয় - যেমন "সওয়াতদী" (যার অর্থ ''হ্যালো'') এটি যেমন লেখা থাকে তেমনই উচ্চারণ করা হয়: সা-ওয়াত-দী। থাই অক্ষরগুলো ইংরেজিতে ট্রান্সক্রাইব করার ক্ষেত্রে কোনো একক মানক নিয়ম নেই ([[w:Royal Thai General System of Transcription|আরটিজিএস]] একটি আধা-সরকারি পদ্ধতি হলেও), তাই [[ব্যাংকক/খাও সান রোড|খাও সান রোড]] উদাহরণস্বরূপ, এটি সাধারণত কাও সান, কাও সান, খাও সান, কোহ সান, খাওসান এবং অন্যান্য অনেক ভিন্নভাবে লেখা হয়। এবং <big>ถนน</big> ''থানন'' হিসাবে ট্রান্সক্রাইব করা যেতে পারে অথবা নামের পরে '''রাস্তা''' বা '''সড়ক''' হিসেবে অনুবাদ করা যেতে পারে। থাই এবং ইংরেজি নাম সহ মানচিত্রগুলি লোকজনকে আপনার সাহায্যে আসতে সহায়ক করে।
যদিও '''ইংরেজি''' থাই স্কুলে পড়ানো হয়, সাধারণত ভাষাগত দক্ষতা খারাপ থাকে। কিছু মানুষ এমনকি বলবে না যে তারা ইংরেজি জানে; থাইরা সাধারণত তাদের ভাষা দক্ষতা সম্পর্কে সংবেদনশীল। ধৈর্য ধরুন, বুঝুন এবং উৎসাহিত করুন। তবে, বেশিরভাগ ভাল শিক্ষিত উচ্চবিত্ত থাইরা ইংরেজির একটি মৌলিক কথোপকথন স্তরে কথা বলতে পারেন।
ভ্রমণ শিল্পের অধিকাংশ "ফ্রন্ট ডেস্ক" কর্মীরা কমপক্ষে ইংরেজি বোঝার মতো কথা বলতে পারেন, এবং অনেকেই তুলনামূলকভাবে সাবলীল; কিছু মানুষ তাদের গ্রাহকদের মধ্যে জনপ্রিয় অন্যান্য ভাষাও বলতে পারেন, যেমন চীনা, জাপানি, জার্মান, ইত্যাদি।
{{এর অংশ|দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া}}
==প্রবেশ==
১ মে ২০২৫ থেকে থাইল্যান্ডে প্রবেশ বা ট্রানজিট করার সময় বিদেশিদের '''আগমনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে [https://tdac.immigration.go.th/arrival-card/ ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড] পূরণ করতে হবে'''। এই ফর্মে থাইল্যান্ডে যাওয়ার কারণ, কোথায় থাকবেন, কখন ও কীভাবে আসবেন এবং যাবেন ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য দিতে হয়। চাইলে আগমনের সময়ও এই ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড পূরণ করা সম্ভব, তবে ব্যস্ত সময়ে দীর্ঘ সারি থাকতে পারে।
===প্রবেশের শর্তাবলি===
[[File:Visa policy of Thailand.svg|thumb|375px|থাইল্যান্ডের ভিসা নীতির মানচিত্র, যেখানে বিভিন্ন শেডের সবুজ রঙের দেশগুলোতে ভিসামুক্ত প্রবেশ এবং হলুদ রঙের দেশগুলোতে আগমনী ভিসা সুবিধা রয়েছে]]
নিচের দেশগুলোর নাগরিকরা পর্যটনের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত সময়সীমার জন্য থাইল্যান্ডে '''ভিসামুক্ত''' প্রবেশ করতে পারবেন:
*১৪ দিন: [[মিয়ানমার]] (শুধু আকাশপথে প্রবেশের ক্ষেত্রে)।
*৬০ দিন: [[অ্যান্ডোরা]], [[অস্ট্রেলিয়া]], [[অস্ট্রিয়া]], [[বাহরাইন]], [[বেলজিয়াম]], [[ভুটান]], [[ব্রুনেই]], [[বুলগেরিয়া]], [[কম্বোডিয়া]], [[কানাডা]], [[চীন]] (মূল ভূখণ্ড) (যেকোনো ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন), [[সাইপ্রাস]], [[চেক প্রজাতন্ত্র]], [[ডেনমার্ক]], [[এস্তোনিয়া]], [[ফিনল্যান্ড]], [[ফ্রান্স]], [[ফিজি]], [[জর্জিয়া]], [[জার্মানি]], [[গ্রিস]], [[হংকং]], [[হাঙ্গেরি]], [[আইসল্যান্ড]], [[ভারত]], [[ইন্দোনেশিয়া]], [[আয়ারল্যান্ড]], [[ইসরায়েল]], [[ইতালি]], [[জাপান]], [[কাজাখস্তান]], [[কুয়েত]], [[লাওস]], [[লাতভিয়া]], [[লিখটেনস্টাইন]], [[লিথুয়ানিয়া]], [[লুক্সেমবার্গ]], [[ম্যাকাও]], [[মাল্টা]], [[মালয়েশিয়া]], [[মালদ্বীপ]], [[মরিশাস]], [[মেক্সিকো]], [[মোনাকো]], [[মঙ্গোলিয়া]], [[নেদারল্যান্ডস]], [[নিউজিল্যান্ড]], [[নরওয়ে]], [[ওমান]], [[পাপুয়া নিউ গিনি]], [[ফিলিপাইন]], [[পোল্যান্ড]], [[পর্তুগাল]], [[কাতার]], [[রোমানিয়া]], [[রাশিয়া]], [[সান মারিনো]], [[সৌদি আরব]], [[সিঙ্গাপুর]], [[স্লোভাকিয়া]], [[স্লোভেনিয়া]], [[স্পেন]], [[দক্ষিণ আফ্রিকা]], [[সুইডেন]], [[সুইজারল্যান্ড]], [[তাইওয়ান]], [[তুরস্ক]], [[ইউক্রেন]], [[সংযুক্ত আরব আমিরাত]], [[যুক্তরাজ্য]], [[যুক্তরাষ্ট্র]], [[উজবেকিস্তান]] এবং [[ভিয়েতনাম]]।
*৯০ দিন: [[আর্জেন্টিনা]], [[ব্রাজিল]], [[চিলি]], [[পেরু]] এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া]]।
সর্বশেষ তথ্যের জন্য ''[https://www.thaievisa.go.th/ থাই ইলেকট্রনিক ভিসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট]'' দেখুন। স্থলপথ বা সমুদ্রপথে প্রবেশ করলে এই ভিসা অব্যাহতি বছরে সর্বোচ্চ দু’বার পর্যন্ত দেওয়া হয়।
নিচের দেশগুলোর নাগরিকরা '''আগমনী ভিসা''' নিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ দিন থাইল্যান্ডে থাকতে পারবেন: [[বুলগেরিয়া]], [[ভুটান]], [[সাইপ্রাস]], [[ইথিওপিয়া]], [[ফিজি]], [[জর্জিয়া (দেশ)|জর্জিয়া]], [[কাজাখস্তান]], [[মাল্টা]], [[মেক্সিকো]], [[নাউরু]], [[পাপুয়া নিউ গিনি]], [[রোমানিয়া]], [[তাইওয়ান]], [[উজবেকিস্তান]] এবং [[ভানুয়াতু]]।
আগমনী ভিসার ফি ২,০০০ বাত। এই সুবিধা নিতে হলে ভিসামুক্ত ভ্রমণকারীদের তুলনায় বেশি কাগজপত্র দিতে হয় এবং কেবল নির্দিষ্ট প্রবেশপথ (যার মধ্যে সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং প্রধান স্থল সীমান্ত রয়েছে) ব্যবহার করা যায়। আপনার সাথে সর্বশেষ ৬ মাসের মধ্যে তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি, থাইল্যান্ড থেকে নিশ্চিত বহির্গমন টিকিট, থাইল্যান্ডে নিশ্চিত থাকার বুকিং এবং আপনার থাকার খরচ যোগানোর প্রমাণ (প্রতি ব্যক্তি ন্যূনতম ১০,০০০ বাত বা প্রতি পরিবার ২০,০০০ বাত) থাকতে হবে।
যেসব দেশের পাসপোর্ট তেমন প্রচলিত নয়, যেমন ইউরোপের ছোট নগররাষ্ট্র, অথবা যেসব দেশে নথিপত্র জালিয়াতির সমস্যা আছে, তারা আগেই নিকটতম থাই দূতাবাস থেকে ভিসা নিয়ে নিন। এমনকি যদি আগমনী ভিসা পাওয়ার সুযোগ থাকলেও। বৈধ কিন্তু কম ব্যবহৃত পাসপোর্ট নিয়ে থাইল্যান্ডে ঢোকার সময় পর্যটকদের আটক করার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ভিসা প্রদানকারী ব্যক্তি বা দূতাবাসের বিজনেস কার্ড নিয়ে নিন যেন প্রয়োজনে আগমনের সময় যোগাযোগ করা যায়। যাদের দেশের নিজস্ব দূতাবাস ব্যাংককে নেই, তাদের উচিত সেখানে কোন তৃতীয় দেশ তাদের স্বার্থ দেখাশোনা করে তা জেনে নেওয়া এবং স্থানীয় যোগাযোগের তথ্য রাখা।
আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ থেকে বিমানযোগে আগতদের হলুদ জ্বরের সনদ দেখাতে হয় এবং ইমিগ্রেশন শেষ করার আগে অনসাইট স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ফর্মে স্ট্যাম্প নিতে হয়।
'''পরবর্তী যাত্রার প্রমাণ''' থাই ইমিগ্রেশন আগে তেমন গুরুত্ব না দিলেও কিছু ক্ষেত্রে এখন কড়াভাবে প্রয়োগ করা হয়। বিমান সংস্থাগুলো, যাদের ইমিগ্রেশন অনুমতি না দিলে যাত্রীকে ফিরিয়ে নেওয়ার খরচ দিতে হয়, তারা এটি বেশি কঠোরভাবে পরীক্ষা করে। বাজেট এয়ারলাইনের ই-টিকিটের প্রিন্ট আউটই সাধারণত যথেষ্ট, কিন্তু যারা স্থলপথে পরবর্তী যাত্রা করবেন তাদের কিছুটা কৌশল অবলম্বন করতে হতে পারে। সম্পূর্ণ ফেরতযোগ্য টিকিট কিনে থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর পর তা ফেরত দেওয়াও এক উপায়। অন্যদিকে, স্থলপথের সীমান্ত অতিক্রমের প্রক্রিয়া খুবই সহজ এবং সাধারণত কোনো পরবর্তী যাত্রার প্রমাণ লাগে না (যদি না সীমান্ত কর্মকর্তারা অন্য কিছু বলেন)।
ভ্রমণকারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ, বহিষ্কার বা অন্য কিছু করা হবে কি না, তা সীমান্ত কর্মকর্তার উপর নির্ভর করে। যেকোনো পরিস্থিতিতে ঝগড়া না করে ক্ষমা চাওয়া নিরাপদ: '''আপনার স্বাধীনতা এর উপর নির্ভর করতে পারে'''। এটি বিশেষ করে প্রযোজ্য যখন আপনি থাইল্যান্ডে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন, তবে কখনো কখনো অল্প ভ্রমণকারী হলেও এটি ঘটতে পারে, বিশেষত ব্যাংককের বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টে। সীমান্ত কর্মকর্তাদের সম্পর্কে জানা যায় যে তারা:
* সীমান্তে পরবর্তী যাত্রার টিকিট বুক না করলে প্রবেশে বাধা দিতে পারে।
* পাসপোর্টে থাকা ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা বা ভিসামুক্ত থাকার মেয়াদ বাড়ানোর স্ট্যাম্প (যেমন কোভিড মহামারীর সময় থাই সরকার যে ভিসা দিয়েছিল) বা যে কোনো কাগজপত্র অবজ্ঞা করতে পারে, ধরে নিয়ে যে সেগুলো জাল হতে পারে।
* যদি কেউ প্রশ্নের উত্তরে জানায় যে থাইল্যান্ডে থাকাকালীন দূর থেকে কাজ করছে, তবে তারা প্রমাণ চাইতে পারে যে সে থাই ব্যবসার জন্য কাজ করছে না (যেমন ফ্রিল্যান্স পোর্টফোলিও, পূর্ববর্তী গ্রাহকের তালিকা ইত্যাদি)।
* জানিয়ে দিতে পারে যে ভ্রমণকারী “শেষ ৬ মাসে সর্বোচ্চ ৯০ দিন” নিয়ম ভেঙেছে (যদিও পাসপোর্টধারী দেশের নাম উপরের তালিকায় না থাকে)।
* ভ্রমণকারীদের সাথে অভদ্র ও অনানুষ্ঠানিক আচরণ করতে পারে, যেমন খারাপ নামে ডাকা।
'''থাইল্যান্ডে ওভারস্টে''' ঝুঁকিপূর্ণ। ইমিগ্রেশনে পৌঁছে যদি ১০ দিনের কম ওভারস্টে থাকে, তাহলে সম্ভবত দিনে ৫০০ বাত জরিমানা দিয়ে বের হতে পারবেন। তবে যদি কোনো কারণে পুলিশ আপনাকে ওভারস্টে অবস্থায় ধরে, তাহলে কুখ্যাত অবৈধ অভিবাসী আটককেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে এবং থাইল্যান্ডে কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষের জন্য এটি ঝুঁকি নেওয়ার মতো নয়: বৈধভাবে মেয়াদ বাড়িয়ে নিন বা নিকটতম সীমান্তে গিয়ে ভিসা রান করুন। এখন যেহেতু স্থলপথের ভিসা অব্যাহতির সংখ্যা সীমিত, তাই ইমিগ্রেশন অফিসে গিয়ে ৩০ দিনের ভিসা বা ভিসা অব্যাহতি বাড়ানো আরও আকর্ষণীয়।
মালয়েশিয়ার সীমান্তে থাই স্থল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের বিদেশিদের কাছ থেকে মাথাপিছু প্রায় ২ রিঙ্গিত/২০ বাত ঘুষ চাওয়ার খবর আছে। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা সাধারণত ঘুষ চান না।
সব সময় পাসপোর্ট সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক কি না তা নিয়ে বিতর্ক আছে, তবে পুলিশ এ নিয়ে ঘুষ আদায়ের চেষ্টা করেছে বলে জানা যায়। কিছু ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আইডি পেজ এবং সর্বশেষ প্রবেশের স্ট্যাম্পযুক্ত পেজের ফটোকপি সঙ্গে রাখাই যথেষ্ট হয়েছে।
===সড়কপথে===
{{cautionbox|থাইল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষের পর কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটায় ২৩ জুন ২০২৫ থেকে থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সঙ্গে সব স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।|lastedit=2025-06-24}}
থাইল্যান্ডে যানবাহন বাম পাশে চলে, কিন্তু মালয়েশিয়া ছাড়া বাকি সব প্রতিবেশী দেশে ডান পাশে চলে। তাই আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে থাইল্যান্ডে প্রবেশের সময় আপনাকে রাস্তার পাশ বদলাতে হয়।
'''[[কম্বোডিয়া]]''' – ছয়টি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পারাপার রয়েছে। প্রধান সীমান্ত হলো '''[[পোইপেট]]-[[আরানিয়াপ্রাথেত]]''' সীমান্ত, যা [[সিয়েম রিয়াপ]] ও [[ব্যাংকক|ব্যাংককের]] মধ্যে প্রধান সড়কে অবস্থিত। তবে পোইপেটে সারি খুব দীর্ঘ হয় এবং এখানে দুর্নীতি ও প্রতারণার ঝুঁকি বেশি; [[কোহ কং]] / [[হাট লেক|হাট লেকের]] মতো অন্যান্য সীমান্ত (যা [[সিহানুকভিল]] থেকে [[ত্রাট]] যাওয়ার দক্ষিণ রুটে) অনেক শান্ত ও কম ঝামেলার। স্থলসীমান্ত রাতে বন্ধ থাকে। অনেক বাস কোম্পানি সীমান্ত পারাপারের জন্য একটি “সার্ভিস ফি” নেয়, যেক্ষেত্রে কোম্পানির কর্মীরা আপনার পাসপোর্ট নিয়ে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের কাজ করে দেয় এবং সম্ভাব্য ঘুষও ওই ফি-র মধ্যে ধরা থাকে।
'''[[লাওস]]''' – সবচেয়ে ব্যস্ত সীমান্ত পারাপার হলো মেকং নদীর উপর ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ, যা [[নং খাই]] এবং লাওসের রাজধানী [[ভিয়েনতিয়েন]]কে যুক্ত করেছে। এছাড়া [[চিয়াং খং]] / [[হুয়ে জাই]], [[নাখন ফানম]] / [[থা খেক]], [[মুকদাহান]] / [[সাভান্নাখেত]], [[বান পাংমন]] / [[বান হুয়াক]] এবং অন্য স্থান থেকেও মেকং পেরিয়ে যাওয়া যায়।
* [[ভিয়েনতিয়েন]] / [[উদন থানি]] – [[ভিয়েনতিয়েন|ভিয়েনতিয়েনের]] মর্নিং মার্কেট বাসস্টেশন থেকে [[উদন থানি]] বাসস্টেশনে বাস সার্ভিস চলে। ভাড়া ৮০ বাত বা ২২,০০০ কিপ এবং সময় লাগে প্রায় দুই ঘণ্টা। উদন থানি বিমানবন্দর বাসস্টেশন থেকে টুকটুকে ৩০ মিনিটের পথ এবং সেখানে থাই এয়ারওয়েজ, নক এয়ার ও এয়ারএশিয়ার ফ্লাইট রয়েছে।
'''[[মালয়েশিয়া]]''' এবং '''[[সিঙ্গাপুর]]''' – ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যাওয়া পুরোপুরি সম্ভব হলেও ভাড়া করা গাড়িতে নয়। প্রধান সীমান্ত হলো '''[[বুকিত কায়ু হিতাম]]-[[সাদাও]]''' সীমান্ত, যা মালয়েশিয়ার নর্থ-সাউথ এক্সপ্রেসওয়ের উত্তর প্রান্তে এবং থাই দিকের [[হাট ইয়াই|হাট ইয়াইয়ের]] প্রধান সড়কের সঙ্গে যুক্ত। অন্যান্য সীমান্তগুলো (মালয়েশিয়ার দিকের শহরের নাম বন্ধনীর মধ্যে) হলো [[Satun (province)|সাতুন]] প্রদেশের ওয়াং প্রচান ([[ওয়াং কেলিয়ান]]), [[Songkhla (province)|সঙখলা]] প্রদেশের [[Padang Besar (Thailand)|পাদাং বেসার]] ([[Padang Besar (Malaysia)|পাদাং বেসার]]), [[Yala (province)|ইয়ালা]] প্রদেশের বেটং (পেংকালান হুলু) এবং [[নারাথিওয়াত]] প্রদেশের [[সুংগাই কোলক]] (রানতাউ পাঞ্জাং)। [[সিঙ্গাপুর]] থেকে দক্ষিণের কেন্দ্র [[হাট ইয়াই]] পর্যন্ত এবং উল্টো দিকেও নিয়মিত বাস রয়েছে। মালয়েশিয়া সীমান্তে থাই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে জনপিছু ২০ বাত/২ রিঙ্গিত ঘুষ নেওয়ার জন্য পরিচিত ছিল, যদিও এখন এ বিষয়ে দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর বদলে এখন ব্যস্ত সময়ে সীমান্ত পার হওয়ার জন্য সরকারি ফি রয়েছে (সাপ্তাহিক দিনে ০৫:০০-০৮:৩০, ১২:০০-১৩:০০ বা ১৬:৩০-২১:০০ এবং সপ্তাহান্তে ও উভয় দেশের সরকারি ছুটিতে সারাদিন): গাড়ি দিয়ে সীমান্ত পার হলে চালকের জন্য ২৫ বাত ও প্রতি যাত্রীর জন্য ৫ বাত, মোটরসাইকেল হলে চালকের জন্য ১০ বাত ও পিছনের যাত্রীর জন্য ৩ বাত। হেঁটে সীমান্ত পার হলে কোনো ফি দিতে হয় না।
'''[[মিয়ানমার]]''' – মিয়ানমারের সঙ্গে বিদেশিদের জন্য খোলা চারটি সীমান্ত রয়েছে: '''[[মে সাই]]/[[তাচিলেইক]]''', '''[[মে সোত]]/[[মিয়াওয়াডি]]''', '''[[থ্রি প্যাগোডাস পাস]] ([[সাংখলাবুরি]]/[[পায়াথোনজু]])''' এবং '''বান ফুনামরন/হটি কি'''। সীমান্তে কোনো আগমনী ভিসা সুবিধা নেই, তাই আপনার থাই (যদি প্রয়োজন হয়) এবং বার্মিজ ভিসা ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন। [[ইয়াঙ্গুন]] পর্যন্ত স্থলপথে যাতায়াত নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সম্ভব হতে পারে বা নাও হতে পারে।
===বিমানপথে===
[[File:HS-TUC (12168910266).jpg|thumbnail|থাই এয়ারওয়েজ এয়ারবাস A380]]
থাইল্যান্ডের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটি হলো '''[[ব্যাংকক]]''' ({{IATA|BKK}}) এবং '''[[ফুকেট]]''' ({{IATA|HKT}}), যেগুলো আন্তঃমহাদেশীয় ফ্লাইটে ভালোভাবে সংযুক্ত। এশিয়ায় যেসব এয়ারলাইন উড়ে যায়, প্রায় সবই ব্যাংককে নামে, তাই টিকিটের দাম প্রতিযোগিতায় তুলনামূলক কম থাকে। ব্যাংককে দুটি বড় বিমানবন্দর রয়েছে: প্রধান '''সুভর্ণভূমি বিমানবন্দর''' ({{IATA|BKK}}), যেখানে বেশিরভাগ পূর্ণসেবা এয়ারলাইন পরিচালিত হয়, আর পুরোনো ও ছোট '''ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর''' ({{IATA|DMK}}), যা মূলত কম খরচের এয়ারলাইনগুলোর ফ্লাইট পরিচালনা করে।
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে '''[[হাট ইয়াই]]''', '''[[ক্রাবি প্রদেশ|ক্রাবি]]''', '''[[কো সামুই]]''' এবং '''[[চিয়াং মাই]]'''তেও, যদিও এগুলো মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে ফ্লাইট সীমিত। [[কুয়ালালামপুর]] ও [[সিঙ্গাপুর]] থেকে এসব ছোট থাই শহরে সহজে ফ্লাইট ধরা যায়, ফলে ব্যাংককের প্রচলিত দালাল আর দীর্ঘ সারি এড়ানো যায়। শীতকালের ব্যস্ত মৌসুমে ইউরোপের বিভিন্ন শহর থেকে ফুকেট ও ক্রাবির মতো সমুদ্রতীরবর্তী গন্তব্যে অনেক চার্টার্ড ফ্লাইটও থাকে, তবে এগুলো সাধারণত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে প্যাকেজ ট্যুরের অংশ হিসেবে বুক করা যায়।
দেশের জাতীয় এয়ারলাইন হলো খ্যাতনামা '''[https://www.thaiairways.com/ থাই এয়ারওয়েজ]''', আর '''[http://www.bangkokair.com ব্যাংকক এয়ারওয়েজ]''' অঞ্চলের কিছু শূন্যস্থান পূরণ করে। ব্যাংকক এয়ারওয়েজ বোর্ডিংয়ের আগে গেটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। এছাড়া মালয়েশিয়ার স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন '''[http://www.airasia.com/th/en/home.page এয়ারএশিয়া]''' থাইল্যান্ডে একটি শাখা চালু করেছে, যা প্রায়শই থাইল্যান্ডে প্রবেশের সবচেয়ে সস্তা বিকল্প।
সব থাই-ভিত্তিক এয়ারলাইনের একনজরের তালিকার জন্য নিচের '''[[#থাই এয়ারলাইন্স|থাই এয়ারলাইন্স]]''' অংশ দেখুন।
===রেলপথে===
'''মালয়েশিয়া''': মালয়েশিয়ার সীমান্ত শহর [[Padang Besar (Malaysia)|পাদাং বেসার]] থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত রাতারাতি ট্রেন চলে, যেখানে [[বাটারওয়ার্থ]] (যা [[পেনাং|পেনাংয়ের]] জন্য), [[ইপোহ]] এবং [[কুয়ালালামপুর]] থেকে মালয়েশিয়ান ট্রেন পরিষেবার সংযোগ রয়েছে। পাদাং বেসারে দুটি স্টেশন আছে—একটি মালয়েশিয়ায় আরেকটি থাইল্যান্ডে; উভয় দেশের ইমিগ্রেশন মালয়েশিয়ার স্টেশনেই হয় এবং এখানেই মালয়েশিয়ান ও থাই ট্রেনের মধ্যে স্থানান্তর হয়। ফার্স্ট ক্লাস স্লিপারেও টিকিট সস্তা, তবে যাত্রা ধীর। সিঙ্গাপুর থেকে যে পথে বিমানে মাত্র ২ ঘণ্টা লাগে, রেলে সেটি প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় নেবে, কারণ তিনবার ট্রেন বদলাতে হয়। বিলাসবহুল বিকল্প হলো '''[https://www.belmond.com/trains/asia/eastern-and-oriental-express/ ইস্টার্ন অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল এক্সপ্রেস]''', একটি পুনর্নির্মিত সুপার-লাক্সারি ট্রেন যা সপ্তাহে একবার সিঙ্গাপুর থেকে ব্যাংকক চলে, যেখানে গুরমে খাবার, ব্যক্তিগত বাটলার সার্ভিস আর অন্যান্য উপনিবেশ আমলের সব সুবিধা আছে। তবে ব্যাংকক থেকে বাটারওয়ার্থ পর্যন্ত একমুখী প্রায় ১,০০০ মার্কিন ডলার ভাড়া হওয়ায় এটি সাধারণ ফার্স্ট ক্লাস স্লিপারের চেয়ে প্রায় ৩০ গুণ বেশি দামি।
'''লাওস''': [[Vientiane|ভিয়েনতিয়েনের]] কাছে খামসাভাথ স্টেশন থেকে প্রতিদিন রাতারাতি স্লিপার ট্রেন ব্যাংককে চলে, [[নং খাই]]তে থাই সীমান্ত আনুষ্ঠানিকতার জন্য থামে (লাওসের সীমান্ত আনুষ্ঠানিকতা খামসাভাথেই ট্রেনে ওঠার আগে সম্পন্ন হয়), আর ভিয়েনতিয়েন থেকে ছোট একটি দিনের ট্রেন [[উদন থানি]] পর্যন্ত যায়। পুরোনো থানালেং স্টেশন যাত্রী পরিবহনের জন্য বন্ধ হয়েছে। চীনের [[কুনমিং]] থেকে ভিয়েনতিয়েন পর্যন্ত রেললাইনটি ২০২১ সালে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি ব্যাংকক পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে, তবে সম্পূর্ণ হতে এখনও কয়েক বছর বাকি।
'''কম্বোডিয়া''': যদিও আপনি ট্রেনে [[কম্বোডিয়া]] যেতে পারবেন না, তবে খুব কাছ পর্যন্ত যেতে পারবেন। ব্যাংকক থেকে আরানিয়াপ্রাথেত সীমান্তের বান ক্লং লুক স্টেশন পর্যন্ত রেললাইন আছে, যেখানে হেঁটে [[পোইপেট]] সীমান্তে প্রবেশ করা যায়।
'''মিয়ানমার''': সীমান্ত অতিক্রম করে কোনো রেলসেবা নেই, তবে কুখ্যাত বার্মা ডেথ রেলওয়ের থাই অংশটি এখনও [[কাঞ্চনাবুরি]]র কাছে চালু আছে।
===নৌপথে===
উচ্চ মৌসুমে (নভেম্বর–মে) ফুকেট থেকে ফেরিতে করে নেমে নেমে দ্বীপ ঘুরে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব।
এটি এখন মূল ভূখণ্ডে না গিয়েই করা যায়।
'''ফুকেট (থাইল্যান্ড) থেকে পেনাং (মালয়েশিয়া), পথে দ্বীপগুলো:'''
* কো ফি ফি
* কো লান্টা
* কো নাই
* কো মুক
* কো বুলন
* [[Ko Lipe|কো লিপে]] — থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার সীমান্তে অবস্থিত কো লিপেতে থাই ইমিগ্রেশন অফিস আছে।
* লাংকাউই — এখানে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন।
* পেনাং
থাইল্যান্ড অংশের যাত্রা একদিনেই করা যায়।
দক্ষিণ থাইল্যান্ডের [[সাতুন]] থেকে মালয়েশিয়ার [[লাংকাউই]] দ্বীপে ফেরি চলাচল করে, আর [[Narathiwat (province)|নারাথিওয়াত]] প্রদেশে [[তাক বাই]] থেকে মালয়েশিয়ার [[কেলান্তান]] অঙ্গরাজ্যের [[কোটা ভারু]]র কাছে পেংকালান কুবুর পর্যন্ত যানবাহনবাহী ফেরি চালু আছে।
[[মালয়েশিয়া]] ও [[সিঙ্গাপুর]] থেকে [[ফুকেট]] এবং [[ব্যাংকক]] পর্যন্ত মাঝে মাঝে ক্রুজ চলে, তবে প্রধান অপারেটর স্টার ক্রুজেস ২০২২ সালে বন্ধ হয়ে গেছে।
ছোট কাঠের লং-টেইল নৌকা [[মিয়ানমার]] এর [[কাওথাউং]] আর [[রানংয়ের]] মধ্যে চলাচল করে। এর কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই। সরাসরি নৌকা মালিকের সাথে দরদাম করতে হয় এবং দাম ঠিক হলে নৌকা ছাড়ে। অবশ্যই ভালোভাবে দরদাম করুন, না হলে ঠকতে পারেন। নৌকার মালিকরা কখনো কখনো ইমিগ্রেশন অফিস খুঁজে পাওয়ার আগেই আপনাকে নৌকায় তোলার চেষ্টা করতে পারে কিন্তু '''এটা হতে দেবেন না''', কারণ এতে আপনি অবৈধভাবে দেশ ত্যাগ করবেন। নৌকায় ওঠার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার পাসপোর্টে সঠিকভাবে স্ট্যাম্প দেওয়া হয়েছে।
== ঘুরে দেখুন==
থাইল্যান্ড একটি বড় দেশ, তবে সুখবর হলো এখানে ঘোরাফেরার জন্য অনেক সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক উপায় রয়েছে। লম্বা যাত্রার জন্য যেমন ব্যাংকক থেকে ফুকেট বা চিয়াং মাই, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ভালো বিকল্প। প্রধান রুটে আগেভাগে বুক করলে খুব প্রতিযোগিতামূলক ভাড়া পাওয়া যায়। আরামদায়ক ভিআইপি আন্তঃনগর বাস দেশের প্রায় সব বড় শহরে যায় এবং একটি মোটামুটি ভালো ট্রেন নেটওয়ার্কও রয়েছে।
নিজে গাড়ি বা মোটরবাইক ভাড়া নিয়ে চালানো কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ রাস্তাঘাট ভালো হলেও থাইল্যান্ডের সড়ক নিরাপত্তা রেকর্ড উন্নতির সুযোগ রাখে এবং বড় শহরগুলো, বিশেষত ব্যাংকক, সবসময় জ্যামে আটকে থাকে। তবুও ১২৫/১৫০ সিসি মোটরবাইকের ভাড়া হেলমেটসহ সপ্তাহে প্রায় ১০০০ বাত থেকে শুরু হয়, যা কাছাকাছি এলাকা ঘোরার জন্য আকর্ষণীয় বিকল্প। প্রায় সব হোটেল বা থাকার জায়গাই আপনাকে ভাড়া ব্যবস্থা করতে সহায়তা করতে খুশি হবে।
===বিমানপথে===
[[File:Bangkok Air Airbus A319 Prasertwit-4.jpg|thumb|একটি ব্যাংকক এয়ারওয়েজের বিমান]]
যদি ১১ ঘণ্টা বাসে বসে থাকা আপনার কাছে আনন্দদায়ক না হয়, তাহলে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বিবেচনা করতে পারেন, যা আপনাকে ব্যাংকক থেকে দেশের যেকোনো জায়গায় প্রায় এক ঘণ্টায় পৌঁছে দিতে পারে। শুরু থেকেই খুব ব্যয়বহুল নয় (অন্তত পশ্চিমা মানদণ্ডে), আর শিল্পখাতের নিয়ন্ত্রণমুক্তির পর নতুন অপারেটর এসেছে: সামান্য খোঁজখবর নিলেই ২,০০০ বাতেরও কমে দেশে প্রায় যেকোনো জায়গায় উড়ে যাওয়া সম্ভব। [[ব্যাংকক]] থেকে [[ফুকেট|ফুকেটের]] মতো অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক রুটে আগেভাগে বুক করলে বাসের টিকিটের চেয়েও কম খরচে ফ্লাইট পাওয়া যায়। ঘোষিত ভাড়ার সঙ্গে নানা কর আর (প্রায়ই বড়) সারচার্জ যোগ হয়। বুকিংয়ের সময় যে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেছেন সেটি সঙ্গে নিতে ভুলবেন না, কারণ চেক-ইনের সময় কখনো কখনো সেটি দেখাতে হয়।
যদিও বেশিরভাগ ফ্লাইট এখনও ব্যাংককের দিকেই যায়, জনপ্রিয় আঞ্চলিক হাব যেমন চিয়াং মাই আর ফুকেট দেশের অন্যান্য শহরের সঙ্গেও ভালোভাবে যুক্ত। বাজেট এয়ারলাইনগুলো এমন ‘ফ্লাইট’ও বিক্রি করছে যা আসলে ফ্লাইটের সঙ্গে ফেরি আর বাস ট্রান্সফার মিলিয়ে তৈরি প্যাকেজ, যাতে বিমানবন্দর না থাকা গন্তব্যেও যাতায়াত করা যায়। খুব কম এয়ারলাইনই কেবল অভ্যন্তরীণ রুটে সীমাবদ্ধ থাকে; কোনো কোনো বাজেট এয়ারলাইনের [[মিয়ানমার]] বা [[চীন|চীনেও]] ভালো সংযোগ থাকতে পারে। এত এয়ারলাইন আর পরিবর্তনশীল রুটের কারণে ফ্লাইট মূল্যতুলনা ওয়েবসাইটগুলো উপকারী, তবে টিকিট অবশ্যই সরাসরি এয়ারলাইন থেকেই কিনুন; তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে থাই বাজেট এয়ারলাইনের টিকিট সস্তায় পাবেন না।
====থাই এয়ারলাইন্স====
প্যান-আসিয়ান স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন '''[https://www.airasia.com এয়ারএশিয়া]''' থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের দারুণ কভারেজ দেয় এবং আগেভাগে বুক করলে অনেক ছাড় দেয়; তবে বিমানের আসন পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম বাড়তে থাকে। অন্তত এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে বুক করলে এটি প্রায়ই সবচেয়ে সস্তা বিকল্প হয়, কখনো বাস বা ট্রেনের চেয়েও সস্তা। তারা তাদের এ৩২০ বিমানগুলো [[ব্যাংকক]] থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এবং [[কম্বোডিয়া]], [[চীন]], [[ম্যাকাও]], [[হংকং]], [[তাইওয়ান]], [[মালয়েশিয়া]], [[মিয়ানমার]], [[সিঙ্গাপুর]], [[ভিয়েতনাম]] আর [[ইন্দোনেশিয়া]]য় উড়ায়। বুকিংয়ের সময় তাদের ওয়েবসাইটে "অল-ইনক্লুসিভ" দাম দেখা যায় (যেখানে ব্যাগেজ ফির মতো ঐচ্ছিক চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকে না)। অনলাইনে বুকিং সহজ এবং মোবাইল ফোন থেকেও করা যায়, তবে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে করতে হয়; চেক-ইন ডেস্কে টিকিট বিক্রি ফ্লাইট ছাড়ার এক ঘণ্টা আগে বন্ধ হয়।
'''[https://www.bangkokair.com ব্যাংকক এয়ারওয়েজ]''' নিজেকে "এশিয়ার বুটিক এয়ারলাইন" বলে প্রচার করে এবং [[কো সামুই]] (এখন থাই এয়ারওয়েজের সঙ্গেও ভাগ করে), [[সুখোথাই]] আর [[ত্রাট]]র নিজস্ব বিমানবন্দরের ফ্লাইটে একচেটিয়া অধিকার রাখে। এটি বেশ ব্যয়বহুল ও “পোশ” বিকল্প, যদিও ভাড়ার মধ্যে ব্যাগেজ, খাবার আর এমনকি বিমানবন্দর লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগও থাকে, যা সব ইকনমি ক্লাস যাত্রীর জন্য প্রযোজ্য।
'''[https://www.nokair.com নক এয়ার]''' ২০০৪ সালে আকাশে ওঠে, নাকে পাখির ঠোঁট আঁকা রঙিন বিমানের জন্য বিখ্যাত। এটি মূলত থাই এয়ারওয়েজের মালিকানাধীন এবং এয়ারএশিয়ার সঙ্গে মূল্যের প্রতিযোগিতা করে। এর একটি যথেষ্ট বিস্তৃত অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক রয়েছে, ফলে এটি মোটের ওপর বেশ ভালো বিকল্প। ২০০৮ সালে বড় ধরনের সংকটে পড়ে এর ফ্লাইট দুই-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দেয়, তবে এখন আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
'''[https://www.thaiairways.com/ থাই এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল]''' সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, ঘনঘন ফ্লাইট দেওয়া আর আরামদায়ক থাই এয়ারলাইন, তবে সাধারণত অন্যান্য বিকল্পের চেয়ে বেশি দামি (তাদের প্রমোশন খুঁজুন)। ট্রাভেল এজেন্টরা প্রায়শই কেবল থাই এয়ারওয়েজ (আর ব্যাংকক এয়ারওয়েজ) এর টিকিট বিক্রি করে; আপনি অনলাইনেও বুক করতে পারেন। থাই এয়ারওয়েজ স্টার অ্যালায়েন্সের সদস্য; প্রায় সব অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে (কিছু প্রমোশনাল ভাড়া বাদে) অন্তত ৫০০ স্টার অ্যালায়েন্স মাইলস পাওয়া যায়, যা আংশিকভাবে হলেও ভাড়ার পার্থক্য পূরণ করতে পারে।
'''[https://www.lionairthai.com/en/ থাই লায়ন এয়ার]''' ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারের একটি স্বল্পমূল্যের শাখা। তারা এখনও জনপ্রিয় রুটগুলোতে আক্রমণাত্মক মূল্যে প্রমোশন চালাচ্ছে, তবে খুব ভোরে বা গভীর রাতে অস্বস্তিকর ট্রান্সফারের সঙ্গে ফ্লাইট নিতে হতে পারে।
'''[https://vietjetair.com থাই ভিয়েটজেট এয়ার]''' ভিয়েতনামের ভিয়েটজেট এয়ারের পক্ষে ফ্লাইট পরিচালনা করে এবং সুভর্ণভূমিকে তাদের হাব হিসেবে ব্যবহার করে।
===রেলপথে===
[[Image:Thailand_rail_map.gif|frame|এসআরটি রেলওয়ে নেটওয়ার্ক]]
'''[https://www.railway.co.th/home/Default.aspx?lenguage=Eng থাইল্যান্ড স্টেট রেলওয়ে]{{Dead link|date=March 2024 |bot=InternetArchiveBot }}''' (এসআরটি) এর প্রায় ৪,০০০ কিমি রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে যা দেশের প্রায় সব জায়গা জুড়ে রয়েছে, উত্তর [[চিয়াং মাই]] থেকে শুরু করে দক্ষিণের [[মালয়েশিয়া]] সীমান্ত পর্যন্ত। বাসের তুলনায় বেশিরভাগ ট্রেন তুলনামূলক ধীর এবং বিলম্বপ্রবণ হলেও নিরাপদ। বেশিরভাগ স্টেশনে বিক্রেতাদের কাছ থেকে ফল, নাস্তা আর রান্না করা খাবার নেওয়া যায়। নতুন কোচ আসার ফলে সময় যদি বড় বিষয় না হয় তাহলে রেলপথের প্রিমিয়ার আন্তঃনগর ও স্লিপার ট্রেনগুলো থাইল্যান্ড ঘুরে দেখার সবচেয়ে আরামদায়ক উপায়। ব্যাংকক–চিয়াং মাই রুটে প্রথম শ্রেণির সিটের চাহিদা বেশি, তাই আগেভাগে বুক করতে হয়।
ভাড়া নির্ভর করে ট্রেনের ধরন (গতি) এবং কোচের শ্রেণির উপর। তিন ধরনের শ্রেণি রয়েছে:
* '''প্রথম শ্রেণি''' (''চান নুয়াং'') – ২ বার্থ বিশিষ্ট শোবার কক্ষ, যেখানে আলাদা করে নিয়ন্ত্রিত এয়ার কন্ডিশনিং থাকে। দাম কখনো কখনো বাজেট এয়ারফেয়ারের সমান হয়। জনপ্রিয় ব্যাংকক–চিয়াং মাই রুটে এই স্লিপার কম্পার্টমেন্ট টিকিট বিক্রির সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায়।
* '''দ্বিতীয় শ্রেণি''' (''চান সঙ'') – প্রথম শ্রেণির বাসের টিকিটের সমান ভাড়া এবং প্রায় একই আরাম। দ্বিতীয় শ্রেণিতে চারটি উপশ্রেণি আছে – নন-এসি সিটিং, এয়ার কন্ডিশন্ড সিটিং, নন-এসি ওপেন সেকশন স্লিপার এবং এয়ার কন্ডিশন্ড ওপেন স্লিপার। প্রতিটি উপশ্রেণির ভাড়া আলাদা এবং সব ট্রেনে সবগুলো থাকে না। আপনার অ্যাটেনডেন্ট সিটকে বিছানায় রূপান্তর করে দেয়। সাধারণত উপরের বার্থের টিকিট নিচের বার্থের চেয়ে প্রায় ১০% সস্তা, কারণ উপরের বার্থ সরু আর জানালা নেই। এই শ্রেণির মধ্যে এক্সপ্রেস ডিজেল রেলকার সার্ভিসও রয়েছে, যেগুলো পুরোপুরি এয়ার কন্ডিশন্ড, রিক্লাইনিং সিট এবং ভাড়ার মধ্যেই এয়ারলাইন-স্টাইলের খাবার থাকে; এগুলো ছাড়া অন্য সব থাই যাত্রীবাহী ট্রেনের চেয়ে দ্রুত এবং বাসের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে, তবে সাইকেল বহন করতে পারে না।
* '''তৃতীয় শ্রেণি''' (''চান সাম'') – থাইল্যান্ডে ভ্রমণের সবচেয়ে সস্তা উপায়, প্রায় নামমাত্র ভাড়া। বিদেশি হিসেবে আপনি নিশ্চিতভাবেই সবার নজরের কেন্দ্রবিন্দু হবেন, তাই প্রস্তুত থাকুন। কিছু ৩য় শ্রেণির ট্রেনে কাঠের সিট, কিছুতে আসবাবপত্রে মোড়ানো সিট থাকে; কিছু সেবার টিকিট আগে বুক করা যায়, কিছু যায় না; হকাররা কোচে ঘুরে ঘুরে খাবার বিক্রি করে। এয়ার কন্ডিশন নেই, তবে ছাদে ফ্যান আর গাড়িতে বড় বড় জানালা থাকে, ফলে প্রচুর বাতাস আসে। কেবল মধ্যদুপুরের রোদে আর ট্রেন থেমে থাকলে গরম লাগে।
টিকিট [https://www.dticket.railway.co.th ডি-টিকিট] অফিসিয়াল এসআরটি সাইট থেকে বা 12go-এর মতো রিসেলারদের কাছ থেকে কেনা যায়। প্রস্থানের ৬০ দিন আগে থেকে ২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত টিকিট বুক করা যায়। থাইল্যান্ডে এসআরটির ২৪ ঘণ্টার হটলাইন ১৬৯০ এবং এখানে ইংরেজি ভাষাভাষী অপারেটর আছে। সংরক্ষিত টিকিট পরের দিন রাত ২২:০০-এর মধ্যে ব্যাংককের বড় ট্রেনস্টেশনগুলোতে গিয়ে পরিশোধ করতে হয়। এই সেবা ব্যাংককের বাইরে পাওয়া যায় না। অফিসিয়াল ডি-টিকিট ওয়েবসাইট ব্যবহার করা সহজ নয়: পর্যটকেরা ইংরেজি সংস্করণে অসম্পূর্ণ অনুবাদ, অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন এবং পেমেন্ট সেটআপে সমস্যা হওয়ার অভিযোগ করেছেন। যদি আপনি ডি-টিকিটে ব্যাংকক খুঁজেন, কোনো ট্রেন পাবেন না (জানুয়ারি ২০২৩)। এর কারণ হলো ১৯/০১/২৩ থেকে এসআরটি ট্রেন নতুন ক্রুং থেপ আফিভাত স্টেশন থেকে ছাড়ে, তাই ব্যাংককের ট্রেন খুঁজতে এই নামটি ব্যবহার করুন। এই কারণে কিছু পর্যটক সহজ ওয়েবসাইট আর ইংরেজি কাস্টমার সার্ভিসের জন্য 12go-এর মতো এজেন্টদের থেকে টিকিট কেনা পছন্দ করেন। তবে এজেন্টরা তাদের সেবার জন্য অতিরিক্ত ফি নেয়।
আপনি আপনার মোটরবাইক সেই একই ট্রেনে পাঠাতে পারেন যেটিতে আপনি ভ্রমণ করছেন। সব ট্রেনে ব্যাগেজ কার নেই, তাই আগে টিকিট অফিসে জেনে নিন। মোটরবাইক পাঠানোর খরচ সাধারণত একই ট্রেনের প্রথম শ্রেণির টিকিটের সমান হয়। সাইকেল যে কোনো ট্রেনে ৯০ বাত নির্দিষ্ট ফি দিয়ে নেওয়া যায়। মূল ট্রেন ছাড়ার এক ঘণ্টা আগে পর্যন্ত অল্প ফি দিয়ে টিকিট বদলানো যায়। টিকিট ফেরতও পাওয়া যায়: প্রস্থানের তিন দিনের বেশি আগে ফেরত দিলে টিকিটের মূল্যের ২০% ফি কাটে; তিন দিন থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দিলে ৫০% ফি কাটে।
রুট, সময়সূচি, হালনাগাদ ভাড়া আর আকর্ষণীয় ভিডিওর জন্য [http://www.seat61.com/Thailand.htm#.UPuwkR1wqZ8 seat61.com] দেখুন।
===সড়কপথে===
থাইল্যান্ডের সড়কব্যবস্থা প্রতিবেশী [[মিয়ানমার]], [[লাওস]] বা [[কম্বোডিয়া]]র তুলনায় অনেক ভালো এবং ২০১০-এর দশকের শেষ থেকে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তবে চালানোর অভ্যাস এখনও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। '''মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো''', '''অতিরিক্ত গতি''' এবং '''অবিবেচনাপ্রসূত ওভারটেক''' সাধারণ ঘটনা। বাস ও ট্যাক্সিচালকরা (বিশেষ করে বেসরকারি কোম্পানির) অমানবিক শিফটে কাজ করেন এবং জেগে থাকার জন্য প্রায়ই মাদক নেন, যার ফলাফল অনুমেয় ও মর্মান্তিক। সম্প্রতি পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায়ই চেকপোস্ট ও কড়া নজরদারি চালু হয়েছে, তবে ফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে। থাইল্যান্ডের সড়কে বছরে আনুমানিক ২৪,০০০ জন প্রাণ হারান।<!-- http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-38660283 --> মোটরবাইক — এমনকি পুলিশও! — প্রায়ই ফুটপাথের ধারে '''ভুল দিক দিয়ে''' চলে। বড় উৎসবের সময়, বিশেষ করে সঙক্রান উৎসবে, দুর্ঘটনা বেড়ে যায়; তখন পথচারীরা প্রায়ই গাড়ি ও বাইকের উপর পানি ছোড়েন। অনেক চালক রাতের বেলা হেডলাইট জ্বালাতে ভুলে যান, ফলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। তাই সড়কপথে '''রাতে ভ্রমণ এড়ানো বা কমানো''' বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রতিবেশী দেশগুলোর (মালয়েশিয়া ব্যতীত) বিপরীতে থাইল্যান্ডে বাম পাশে গাড়ি চলে এবং থাই গাড়িগুলো সাধারণত ডানহাতি স্টিয়ারিং। অধিকাংশ সরকারি দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড দ্বিভাষিক এবং থাই ও ইংরেজি দুটোতেই লেখা থাকে।
নিজে গাড়ি ভাড়া নিয়ে ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করলে চারজনের দল হলে এটি খরচ-সাশ্রয়ী, আর স্থানীয় ট্যাক্সি/টুকটুক চালকের সঙ্গে দরকষাকষির ঝামেলা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। বেশিরভাগ প্রধান সড়ক থাই ও ইংরেজি উভয় ভাষায় চিহ্নিত এবং ট্রাফিক সংস্কৃতি ততটা খারাপ নয় যতটা অনেকে ভাবতে পারেন। ১৮-চাকাওয়ালা ট্রাক আর স্কুটারসহ পাশ কাটানো গাড়ির দিকে আয়না দু’দিকেই সতর্কভাবে নজর রাখুন। একজন সঙ্গী থাকলে এবং মোটরবাইকের লাইসেন্স থাকলে ১২৫/১৫০ সিসি ছোট অটোমেটিক বাইক ভাড়া নিয়ে কাছাকাছি ছোট ভ্রমণে যাওয়া ভালো বিকল্প হতে পারে, আর শহরের মধ্যবর্তী বড় দূরত্বের জন্য অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবহার করতে পারেন। মাঝারি গতিতে এবং রাস্তার বাম পাশে থেকে চালালে এই বাইক ব্যবহার নিরাপদ এবং দৃশ্য উপভোগের সুযোগ দেয়।
প্রধান মহাসড়কে গাড়ির গতি সাধারণত ১০০–১২০ কিমি/ঘণ্টা, ছোট মহাসড়কে প্রায় ৮০ কিমি/ঘণ্টা। পেট্রোল পাম্প সহজেই পাওয়া যায় এবং ভাষাগত বাধা থাকলেও বেশিরভাগ থাই মানুষ দিকনির্দেশনা দিতে আগ্রহী।
প্রথমদিকে খুব সতর্ক হয়ে গাড়ি চালান এবং স্থানীয়দের আচরণ লক্ষ্য করুন। অবশ্যই, আপনি যদি বাম পাশে গাড়ি চালাতে অভ্যস্ত হন তা সাহায্য করবে, যা কিছু পশ্চিমা চালকদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো অবৈধ ও বিপজ্জনক। রাতের বেলায় গাড়ি চালালেও ঝুঁকি বেড়ে যায় — কারণ আপনি সজাগ হলেও অন্যরা নাও থাকতে পারে।
বাস, ট্রেন বা বিমানে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণের খরচ আর স্থানীয় ভ্রমণের খরচের পার্থক্য দেখে আপনি অবাক হতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, খন কায়েন থেকে উদন থানি পর্যন্ত ১১৯ কিমি মাইক্রোবাস ভাড়া ৮৪ বাত, অর্থাৎ প্রতি কিমিতে ০.৭১ বাত। কিন্তু বাসস্টেশন থেকে হোটেল পর্যন্ত মাত্র ৩ কিমি যাত্রার জন্য ৬০–১০০ বাত লাগে, অর্থাৎ প্রতি কিমিতে ২০–৩৩ বাত।
====গাড়ি ভাড়া====
সাশ্রয়ী একটি গাড়ি যেমন টয়োটা ভিওস নিতে চাইলে সাধারণত ভাড়া ১,৩০০–১,৬০০ বাতের মধ্যে হয়। থাইল্যান্ডে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক কোম্পানি পাওয়া যায়। এছাড়া নির্ভরযোগ্য স্থানীয় গাড়ি ভাড়ার কোম্পানির তথ্যের জন্য নির্দিষ্ট শহরের গাইড দেখুন, যেগুলো প্রায়ই একটু সস্তা হয়। আপনি চাইলে আন্তর্জাতিক কোম্পানি যেমন [http://www.budget.co.th বাজেট], [http://www.avisthailand.com এভিস] বেছে নিতে পারেন অথবা স্থানীয় কোম্পানি [http://www.thailandcarsrentals.com/ www.thailandcarsrentals.com] থেকে বুক করতে পারেন। কাগজপত্র যাচাই করুন এবং নিশ্চিত করুন সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে। গাড়ি ব্যবহারের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করুন এবং কোনো ক্ষতি থাকলে কোম্পানিকে জানিয়ে দিন।
====বাস====
থাইল্যান্ডজুড়ে বাস চলে এবং সরকারের বাস কোম্পানি '''বিকেএস''' (บขส ''বাও কাও সাও''), ইংরেজিতে যা '''[http://home.transport.co.th/ ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি]''' নামে পরিচিত, দেশের প্রতিটি বড় প্রদেশে একটি টার্মিনাল রয়েছে।
সাধারণভাবে বলতে গেলে, বিকেএস বাসগুলো দাম ও আরামের দিক থেকে ভালো বিকল্প। বিকেএসের অনুমোদিত বেসরকারি বাসও একই রুটে একই টার্মিনাল থেকে একই ভাড়ায় চলে, এবং এগুলোও ঠিক আছে। যেগুলো থেকে সাবধান থাকতে হবে সেগুলো হলো অবৈধ বাস কোম্পানি, যেগুলো পর্যটন এলাকাগুলো থেকে (বিশেষত [[ব্যাংকক/খাও সান রোড|খাও সান রোড]]) চালানো হয় এবং সামান্য কম টিকিট মূল্যে খারাপ সুবিধা, সময়সূচি আর নিরাপত্তা দেয়। বিশেষ করে অ-সরকারি "ভিআইপি" বাস থেকে সাবধান থাকুন, যেগুলো প্রায়ই ছোটো মাইক্রোবাস হয়ে ওঠে — আর আপনি এটি কেবল আগাম অর্থ দেওয়ার পরেই জানতে পারবেন।
বিকেএস বাসের প্রধান ধরণগুলো, সবচেয়ে বিলাসবহুল থেকে সবচেয়ে সাধারণ:
* '''ভিআইপি''' – নীল ও সাদা/রুপালি রঙে গোলাপি স্ট্রাইপসহ, ৩২ সিট বা তার কম, রিক্লাইনিং সিট (সাধারণত ১৩৫ ডিগ্রি) ও ভালো লেগরুম। সাধারণত সবচেয়ে সরাসরি রুট নেয় আর খুব কম স্টপেজ করে। সবসময় এয়ার কন্ডিশন্ড, প্যাকেট করা পরিষ্কার কম্বল, পানি ও নাস্তা দেওয়া হয়। রাতের যাত্রায় মাঝরাতে ২৫-৩০ মিনিটের জন্য থাই খাবারের বিরতি থাকে, এজন্য সাধারণত শুরুতেই আলাদা (পুরোপুরি থাই ভাষায় লেখা) টিকিট দেওয়া হয়; না হলে অন্য যাত্রীদের অনুসরণ করুন। সবচেয়ে ছোট সেবাগুলো বাদে বাকি সব সেবায় বাসের ভেতরে টয়লেট থাকে। প্রথম শ্রেণির চেয়ে প্রায় ২৫–৩০% (সাধারণত ১০০–১৮০ বাত) বেশি দামি। কেবল ব্যস্ত রুটে, যেমন ব্যাংকক–চিয়াং মাই বা ফুকেট রুটে পাওয়া যায়।
* '''প্রথম শ্রেণি''' (ชั้น 1 ''চান নুয়াং'') – নীল ও সাদা। ভিআইপি বাসের মতোই প্রায় দ্রুত ও আরামদায়ক এবং একই পরিষেবা থাকে, তবে প্রায় ৪০ সিট থাকে আর একটু কম রিক্লাইন, ডাবল ডেকার হলে কখনো কখনো ৬০ সিট পর্যন্ত। মধ্য-দীর্ঘ দূরত্বের জন্য যথেষ্ট ভালো এবং প্রায়ই সেরা ক্লাস।
* '''দ্বিতীয় শ্রেণি''' (ชั้น 2 ''চান সঙ'') – নীল ও সাদা সঙ্গে স্পষ্ট লাল স্ট্রাইপ, সাধারণত ৪৫–৪৮ সিট প্রতি বাসে, এয়ার কন্ডিশন্ড (কখনো কম্বল দেয়, কখনো দেয় না)। প্রথম শ্রেণি/ভিআইপি রুটের তুলনায় কম সরাসরি যায় এবং বেশি স্টপেজ করে। বেশিরভাগের বাসের ভেতরে টয়লেট থাকে না, তবে ঘন ঘন স্টপেজ থাকায় এটি বড় সমস্যা নয়। প্রথম শ্রেণির চেয়ে মাত্র ১০–২০% সস্তা কিন্তু যথেষ্ট ধীর, কেবল তখনই ব্যবহারযোগ্য যখন আপনার গন্তব্যে ভালো বিকল্প নেই।
* '''এক্সপ্রেস''' (''রট দুয়ান'') – কমলা/লাল রঙে সহজেই চেনা যায়। নামের বিপরীতে, এগুলো উপরের বিকল্পগুলোর যেকোনোটির চেয়ে ধীর এবং কেবলমাত্র স্থানীয় বাসের চেয়ে সামান্য দ্রুত। আকার ভিন্ন হয়; বড় বাসে প্রায় ৬৫ সিট থাকে (প্রতি সারিতে ৫টি সিট) এবং পিছনের দরজার কাছে খোলা জায়গা থাকে যেখানে ব্যাকপ্যাক, সাইকেল, চালের বস্তা, জীবন্ত মুরগি ইত্যাদি রাখা যায়। এয়ার কন্ডিশন নেই।
* '''লোকাল''' – খুব ধীর, পূর্ণ হলে ঠাসাঠাসি (তবুও সবসময় আরেকজনের জায়গা থাকে), আর পথে প্রতিটি গ্রাম ও গরুর খামারে থামে। অনেক সময় বড় '''''[[থাইল্যান্ড#সঙথাও|সঙথাও]]''''' ধরনের হয়। দীর্ঘ দূরত্বের জন্য উপযুক্ত নয়, তবে স্থানীয়ভাবে ঘোরার জন্য এটি হতে পারে একমাত্র সস্তা উপায়।
<gallery mode="packed" caption="বিকেএস বাসের ধরণ">
File:VIP Bus Thailand Bangkok to Phuket.jpg|ব্যাংকক থেকে ফুকেটগামী ভিআইপি বাসের ভেতরে
File:Changtu-thailand-Bangkok-Krabi.jpg|ক্রাবিতে ১ম শ্রেণির আন্তঃনগর বাস
File:2nd class intercity bus in Rayong.jpg|রায়ং-এ ২য় শ্রেণির আন্তঃনগর বাস
File:ChiangSaen Bus Outside.JPG|[[Chiang Saen|চিয়াং সেনে]] লোকাল বাস
</gallery>একটি নির্দিষ্ট বাস সবসময় একই রুটে চলে, তাই রুটটি প্রায়ই বাসের গায়ে লেখা থাকে। সামনের সাইনবোর্ড বিশেষত লোকাল সেবায় কেবল থাই ভাষায় হতে পারে, তবে বিকেএস বাসে গায়ের পাশে সবসময়ই ইংরেজিতে গন্তব্য লেখা থাকে। কিছু বাসে টিভি আর সাউন্ড সিস্টেম বাজতে পারে, তাই প্রয়োজনে কানে লাগানোর জন্য ইয়ারপ্লাগ রাখা ভালো। দীর্ঘ রুটের বাসে যদি আপনার টিকিটে সামনের সিট থাকে, কোনো সন্ন্যাসী ওঠলে আপনাকে সিট বদলাতে হতে পারে।
দিনের বেলা দীর্ঘ দূরত্বের বাসে গেলে একটু সময় নিয়ে রোদ আর ছায়ার দিকটা দেখে নিন। উদাহরণস্বরূপ, চিয়াং মাই থেকে ব্যাংককগামী সকাল ০৯:০০-র বাসে (দক্ষিণমুখী) ডানপাশের সিটগুলো সারাদিন রোদে ভিজবে (পর্দা দেওয়া থাকে), তাই বেশিরভাগ যাত্রী বামপাশ পছন্দ করেন।
বিকেএস বাসের টিকিট সরাসরি [https://tcl99web.transport.co.th/Home অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] থেকে বুক করা যায়। অন্যান্য কোম্পানির জন্য ট্রাভেল এজেন্সি আর [http://12go.asia 12go.asia]-এর মতো অনলাইন টিকিট সিস্টেম উপকারী হতে পারে। অন্যান্য নির্ভরযোগ্য ট্যুর বাস কোম্পানির মধ্যে রয়েছে:
*[https://web.greenbusthailand.com/en গ্রিন বাস কো.] (চিয়াং মাই-ভিত্তিক)
*[http://www2.nakhonchaiair.com/ নাখনচাইএয়ার কো., লিমিটেড]
*[http://www.phetprasert.com ফেতপ্রাসারত]
*[http://www.sombattour.com/ সোমবাত ট্যুর কো., লিমিটেড]
সতর্কবার্তা: ট্রাভেল এজেন্সিগুলো, বিশেষ করে ব্যাংককের [[Bangkok/Khao San Road|খাও সান রোডে]] অবস্থিতগুলো, আপনাকে '''ভিআইপি''' বাসের টিকিট বিক্রি করতে আগ্রহী। নামের সত্ত্বেও এই বেসরকারি বাসগুলো প্রায়ই সরকারি বাসের চেয়ে খারাপ হয়: ছোটো মাইক্রোবাসে ওঠা, পথে কয়েকবার গাড়ি বদলানো আর চুরির ঝুঁকি অস্বাভাবিক নয়। থাইদের মতো পাবলিক বাসে থাকা ভালো, তবে যদি বেসরকারি বাস নেন তাহলে আপনার মূল্যবান জিনিস সবসময় সঙ্গে রাখুন আর যা হারাতে চান না সেটি বাসের স্টোরেজে রাখবেন না।
====মিনিভ্যান====
মিনিভ্যান সেবা থাইল্যান্ডজুড়ে প্রচুর, যদিও এগুলো সাধারণত নজরের বাইরে থাকে, কারণ এগুলো বেশিরভাগই কোম্পানির নামবিহীন ধূসর টয়োটা ভ্যান। এগুলো সাধারণত ছোট রুটে চলে, যেমন ক্রাবি থেকে ফুকেট (প্রায় ১৮০ কিমি) বা ব্যাংকক থেকে হুয়া হিন (প্রায় ২০০ কিমি)। মিনিভ্যান নেওয়ার কথিত সুবিধা হলো গতি—একবার চলা শুরু করলে দ্রুত যায়। অসুবিধা হলো এগুলো সাধারণ বাসের তুলনায় বেশি খরচ হয়, সাধারণত ঠাসাঠাসি থাকে এবং লাগেজের জন্য খুব কম জায়গা থাকে।
বাসস্টেশন থেকে মিনিভ্যান ধরুন। এমন মিনিভ্যান নেবেন না যেগুলো আপনার হোটেল থেকে আপনাকে তোলার প্রস্তাব দেয়। তারা আপনাকে তুলবে ঠিকই, কিন্তু পরের এক ঘণ্টা অন্য হোটেল থেকে যাত্রী তুলতে কাটবে। তারপর আপনাকে এমন একটি জায়গায় নামিয়ে দেওয়া হবে যেখানে সব যাত্রী জমা হবে এবং যার যার গন্তব্যে যাওয়ার মিনিভ্যানের জন্য অপেক্ষা করবে। এরপর আপনাকে আবার বাসস্টেশনে নিয়ে গিয়ে চূড়ান্ত মিনিভ্যানে উঠানো হবে। বরং ভালো হলো একটু দেরিতে ঘুম থেকে উঠে সরাসরি বাসস্টেশনে গিয়ে (সস্তা) মিনিভ্যানের টিকিট বুক করা, এতে প্রায় ২ ঘণ্টার অযথা ঝামেলা বাঁচবে।
====সঙথাও====
[[Image:Yellow Songthaew.JPG|thumb|একটি সাধারণ গ্রামীণ ''সঙথাও'', [[মে সালং]]]]
'''সঙথাও''' (สองแถว) হলো ট্রাকভিত্তিক যানবাহন, যার পেছনে দুই পাশে বেঞ্চ থাকে — তাই এই নাম, যার অর্থ থাই ভাষায় “দুই সারি”। ইংরেজি পর্যটন সাহিত্যে এগুলোকে কখনো কখনো “মিনিবাস” বলা হয়। সবচেয়ে প্রচলিত ধরনটি পিক-আপ ট্রাকের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়, যার ছাদ থাকে কিন্তু পাশে খোলা। বড় ধরনেরগুলো ছোট লরির ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়, যেখানে জানালা এবং অতিরিক্ত মাঝের বেঞ্চ থাকতে পারে; ছোট ধরনেরগুলো মাইক্রো-ভ্যান রূপান্তর করে বানানো হয়, যেখানে সামনে পেছনমুখী বেঞ্চ আর পিছনে সামনামুখী বেঞ্চ থাকে।
সঙথাও ব্যাপকভাবে স্থানীয় বাস হিসেবে ব্যবহৃত হয় (সাধারণত স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণের সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়) এবং ট্যাক্সি হিসেবেও চলে; কখনো কখনো একই গাড়ি উভয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। আপনি যদি সঙথাওকে কোনো জায়গায় যেতে বলেন এবং পেছনে কেউ না থাকে, তাহলে চালক হয়তো আপনাকে ট্যাক্সির ভাড়া চাইবে। এই ক্ষেত্রে যাত্রার আগে ভাড়া ঠিক করে নিন।
====টুক-টুক====
[[Image:Tuktuk3.JPG|thumb|[[Bangkok|ব্যাংককে]] টুক-টুক]]
'''টুক-টুক''' নামটি নানা ধরনের ছোট ও হালকা যানবাহন বোঝাতে ব্যবহার হয়। এর অধিকাংশই তিন চাকার; কিছু সম্পূর্ণ নতুনভাবে তৈরি (যেমন ব্যাংককের সর্বব্যাপী টুক-টুক) আর কিছু আংশিকভাবে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশের (প্রধানত ইঞ্জিন, স্টিয়ারিং, সামনের সাসপেনশন, ফুয়েল ট্যাঙ্ক, চালকের আসন) ওপর ভিত্তি করে বানানো। তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক সংযোজন হলো চার চাকার টুক-টুক (মূলত একটি মাইক্রোভ্যান-সঙথাও), যা [[ফুকেট|ফুকেটে]] দেখা যায়।
টুক-টুক ছোট, শব্দময় এবং কিছুটা বিপজ্জনকও হতে পারে; তবে যাত্রী হিসেবে সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার হলো এর নিচু ছাদ, যার কারণে আপনি বাইরের কিছুই ভালোভাবে দেখতে পারবেন না। চলন্ত দৃশ্যের এক ঝলক দেখার জন্যও প্রায় শুয়ে পড়তে হয়।
ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই আপনি টুক-টুক চালকের দয়ায় থাকবেন, কারণ গ্রহণযোগ্য ''রাকা থাই'' (“থাইদের ভাড়া”) আপনি নাও জানতে পারেন এবং আপনাকে হয়তো ''রাকা ফারাং'' (“বিদেশি ভাড়া”) দিতে হবে। এমনকি আপনি থাই ভাড়া জানলেও, চালক হয়তো নীতিগত কারণে তা নেবেন না। বড় নোটে টাকা দিলে প্রায়ই চালক অভিযোগ করেন যে খুচরা নেই। এমন হলে কাছের দোকান থেকে নোট ভাঙার চেষ্টা করুন।
====ট্যাক্সি====
[[ব্যাংকক|ব্যাংককে]] মিটারওয়ালা ট্যাক্সি সর্বত্রই দেখা যায় এবং [[চিয়াং মাই|চিয়াং মাইয়ে]] ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে, তবে দেশের অন্য অংশে এটি বিরল। যেখানে পাওয়া যায়, সেখানে এটি দারুণ পরিবহন ব্যবস্থা—সবসময় মিটার চালানোর ব্যাপারে জোর দিন। পর্যটন এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্যাক্সি থেকে সাবধান থাকুন। তারা এমন পর্যটকের খোঁজে থাকে যারা মিটার ছাড়াই ট্যাক্সি নেবে। বরং চলন্ত রাস্তায় ট্যাক্সি থামানোর চেষ্টা করুন বা যেখানে স্থানীয়রা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে সেই ট্যাক্সি স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন। সবসময় মিটার চালানোর জন্য বলুন, আর যদি চালক রাজি না হন তাহলে অন্য ট্যাক্সি নিন। বেশিরভাগ চালক ইংরেজি জানেন না, তাই আপনার হোটেলের কর্মীদের দিয়ে আপনার গন্তব্যগুলোর নাম থাই ভাষায় লিখিয়ে নিন এবং চালককে দেখান।
====রাইড-হেইলিং====
প্রধান রাইড-হেইলিং অ্যাপ হলো '''[https://www.grab.com/th/en/transport গ্র্যাব]''', যা উবারের সাবেক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কার্যক্রম, থাইল্যান্ডসহ, অধিগ্রহণ করেছে। বড় শহর আর সমুদ্রসৈকত গন্তব্যগুলোতে গ্র্যাব সাধারণত পাওয়া যায়। গ্র্যাব ভাড়া সাধারণত ট্যাক্সির চেয়ে সর্বোচ্চ দ্বিগুণ পর্যন্ত হয়, তবে দাম নির্দিষ্ট থাকে, নেভিগেশন সহজ এবং ক্রেডিট কার্ডে সহজেই অর্থ পরিশোধ করা যায়।
অন্যান্য রাইড-হেইলিং অ্যাপের মধ্যে রয়েছে '''[https://bolt.eu/en-th/ বোল্ট]''' এবং '''[https://promo.indrive.com/thai/en ইনড্রাইভ]{{Dead link|date=May 2024 |bot=InternetArchiveBot }}'''। এগুলো সাধারণত গ্র্যাবের চেয়ে সস্তা, তবে কম শহরে পাওয়া যায় এবং চালকেরা প্রায়ই এসব অ্যাপ থেকে আসা রাইড নিতে অস্বীকার করেন কারণ গ্র্যাব থেকে তারা বেশি আয় করতে পারেন।
====মোটরবাইক====
প্রায় পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতোই থাইল্যান্ডেও মোটরবাইক (''মোটোসাই'') সবচেয়ে সাধারণ যাতায়াতের মাধ্যম। সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ১০০–১২৫ সিসির স্টেপ-থ্রু মডেল। এগুলো ব্যাপকভাবে ট্যাক্সি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আর ভাড়া মাত্র ১০ বাত থেকে শুরু হয়। সেবা নেওয়ার আগে ভাড়া ঠিক করে নিন, নাহলে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি চার্জ দিতে হতে পারে।
মোটরবাইক ভাড়া করা খুব সহজ। ১০০–১২৫ সিসির আধুনিক সেমি-অটোমেটিক (পায়ে গিয়ার বদল, অটোমেটিক ক্লাচ) স্টেপ-থ্রু মডেলের ভাড়া দিনে প্রায় ১২৫ বাত থেকে শুরু হয়, আর সম্পূর্ণ অটোমেটিক স্কুটারের জন্য দিনে প্রায় ১৫০ বাত। বড় মডেলের বাইকও সহজে পাওয়া যায়, তবে ভাড়াও ঝুঁকির সঙ্গে বাড়ে: নতুন, হাই-ক্যাপাসিটি স্পোর্ট বাইক যেমন হোন্ডা CBR1000RR-এর জন্য দিনে প্রায় ২,৫০০ বাত পর্যন্ত হতে পারে। এক সপ্তাহ বা তার বেশি অগ্রিম দিলে ভাড়া সাধারণত কমে যায়; কিছু ক্ষেত্রে দূরপাল্লার যাত্রা নিষিদ্ধও থাকতে পারে। মোটরবাইক ভাড়ায় সাধারণত কোনো বীমা থাকে না, আর মোটরবাইক দুর্ঘটনা ও চুরি খুবই সাধারণ।
অনেক জায়গায় লাইসেন্স ছাড়াই ভাড়া দেয়, কিন্তু আইন অনুযায়ী আপনার বৈধ থাই লাইসেন্স বা ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট থাকা আবশ্যক। প্রায়ই অগ্রিম জামানত লাগে; কখনো পাসপোর্টের ফটোকপি, এমনকি পাসপোর্টটিও চাইতে পারে (এটি দেবেন না; পরিবর্তে কিছু বাত জামানত হিসেবে দিন)। ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট সর্বোচ্চ ৯০ দিন ব্যবহার করা যায়; এটি থাকলে আপনার প্রবেশের সিল দেখার জন্য পাসপোর্ট চাইতে পারে, আরেকটি কারণ যে পাসপোর্ট ভাড়ার কোম্পানিতে রাখা উচিত নয়। হেলমেট সাধারণত দেওয়া হয়, তবে সেগুলো সাধারণ মানের আর দুর্বল চিবুকের স্ট্র্যাপসহ থাকে। আপনি যদি মোটরবাইক চালানোর পরিকল্পনা করেন এবং বাড়িতে ভালো মানের হেলমেট থাকে, তাহলে সেটি সঙ্গে নিয়ে আসুন। যদি হেলমেটে চিবুকের কাপ থাকে (অনেক সস্তা ভাড়ার হেলমেটে থাকে), কাপটি স্ট্র্যাপের ওপর সরিয়ে রেখে খালি স্ট্র্যাপটি চোয়ালের নিচে ভালোভাবে বাঁধুন, এটি অনেক বেশি নিরাপদ।
বীমা সাধারণত অন্তর্ভুক্ত থাকে না (বা পাওয়াও যায় না), তাই আগেই নিশ্চিত করুন আপনার বাড়ির বীমা আপনাকে কভার করছে কিনা; নাহলে থাইল্যান্ডে স্থানীয় কোনো বীমা ব্রোকারের মাধ্যমে কভারেজের ব্যবস্থা করুন। বীমা ছাড়া ভাড়ার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা চুরি হলে (ভাড়ার সময় বাইকের ছবি তুলুন!) আপনাকে '''পুরো খরচ''' বহন করতে হবে। তাছাড়া, কিছু ভ্রমণ বীমা কেবল দুর্ঘটনায় চিকিৎসা কভার দেয় যদি আপনার নিজ দেশের মোটরবাইক লাইসেন্স থাকে।
ডব্লিউএইচও-এর ''২০১৩ সালের সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈশ্বিক অবস্থা প্রতিবেদন'' অনুযায়ী, ২০১০ সালে থাইল্যান্ডে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৩৮.১টি সড়ক দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়েছে, যা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এদের ৭৪% ছিল “মোটরাইজড দুই বা তিন চাকার” যানবাহনের সঙ্গে যুক্ত। মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রীদের হেলমেট পরা এবং সবসময় হেডলাইট চালু রাখা বাধ্যতামূলক। আইন প্রয়োগের মাত্রা ভিন্ন হলেও পর্যটন এলাকায় হেলমেট বা লাইসেন্সের জন্য হঠাৎ চেক হওয়া স্বাভাবিক। জরিমানা সাধারণত হালকা (প্রায় ৪০০ বাত), কিন্তু ঝামেলা অনেক হতে পারে কারণ জরিমানা না দেওয়া পর্যন্ত আপনার গাড়ি বা লাইসেন্স জব্দ থাকতে পারে, আর পুলিশ স্টেশনে লাইন দীর্ঘ হতে পারে।
কিছু সীমান্তপথে মোটরবাইক পার হওয়ার অনুমতি থাকে। যেখানে থাকে সেখানে মালিকানার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হয় (সম্ভবত [[থ্রি প্যাগোডাস পাস]] দিয়ে [[পায়াথনজু]], [[মিয়ানমার|মিয়ানমারে]] দিনের সফর ব্যতীত)।
====গাড়ি ভাড়া====
থাইল্যান্ডে নিজে গাড়ি চালানো সবার জন্য নয়, আর অনেক ভাড়ার কোম্পানি খুবই যুক্তিসঙ্গত মূল্যে চালক সরবরাহ করে। বীমা ছাড়া নিজের চালানোর জন্য ছোট গাড়ির ভাড়া দিনে প্রায় ৮০০ বাত থেকে শুরু হয়, আর খোলা জিপের ভাড়া দিনে প্রায় ৬০০ বাত থেকে শুরু হয়। বীমাসহ গাড়ির ভাড়া দিনে প্রায় ১,০০০ বাতের নিচে শুরু হয় এবং সপ্তাহে প্রায় ৫,৬০০ বাত বা মাসে প্রায় ১৮,০০০ বাতে নেমে আসে।
সাধারণত (কিন্তু সবসময় নয়!) থাইল্যান্ডে রাস্তার বাম পাশে গাড়ি চলে। বড় পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি ৩৭–৪৫ বাত/লিটার, আর ছোট দোকানদারেরা ড্রাম থেকে পাম্প করে বা বোতল থেকে ঢেলে কয়েক বাত বেশি নেয়।
অনেক জায়গায় সহজেই গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়। ঝামেলা কমাতে আর অন্তর্ভুক্ত বীমাটি সত্যিই কার্যকর কি না নিশ্চিত করতে ন্যূনতম মূল্যের চেয়ে কিছুটা বেশি দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি (যেমন এভিস, বাজেট, হার্টজ) থেকে নেওয়াই ভালো।
বিশ্বাসযোগ্য সংস্থাগুলো বৈধ লাইসেন্স দেখতে চায়। যেসব বিদেশির থাই ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই তাদের অবশ্যই বৈধ আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট রাখতে হবে। আপনার কাছে আইডিপি না থাকলেও যদি কোনোভাবে গাড়ি ভাড়া নিতে পারেন, তবুও বীমা অকার্যকর হবে এবং দুর্ঘটনায় এটি আপনার বিপক্ষে যাবে।
একটি সাধারণ প্রতারণা হলো মালিক জামানত নেওয়ার পর আগের ক্ষতির দায় দিয়ে সম্পূর্ণ ফেরত দিতে অস্বীকার করা; এই ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশ (ডায়াল ১১৫৫) সাহায্য করতে পারে। আরেকটি প্রতারণা হলো মালিক অতিরিক্ত চাবি দিয়ে কাউকে গাড়ির পেছনে পাঠিয়ে পরে “চুরি” করানো। সবসময় চুরির ঘটনা রিপোর্ট করুন: পুলিশ যুক্ত হলে সেই “চুরি হওয়া” গাড়ি হঠাৎ করেই ফিরে আসতে পারে।
===নৌপথে===
[[Image:AoNang Longtails.JPG|thumb|240px|লং-টেইল নৌকা, [[Ao Nang|আও নাং]], [[Krabi Province|ক্রাবি]]]]
থাইরা নিজেদের জন্য অনেক নাম ব্যবহার করে, তার মধ্যে একটি হলো ''জাও নাম'' (পানির প্রভু)। [[ব্যাংকক|ব্যাংককের]] রিভার এক্সপ্রেস থেকে শুরু করে [[ফুকেট|ফুকেটের]] মাছ ধরার ট্রলার পর্যন্ত, দেশের অনেক অংশে যাতায়াতের জন্য নৌকা অপরিহার্য মাধ্যম হিসেবে রয়ে গেছে।
সবচেয়ে চেনা থাই নৌকা হলো '''লং-টেইল নৌকা''' (''রুয়া হাং ইয়াও''), যা একটি লম্বা, সরু কাঠের নৌকা যার পেছনে একটি লম্বা “লেজের” শেষে প্রপেলার থাকে। এই নকশার কারণে এগুলো অগভীর পানিতেও সহজে চালানো যায়, তবে দীর্ঘ যাত্রার জন্য এগুলো কিছুটা কম শক্তিশালী আর হালকা ঢেউ থাকলেও ভিজে যেতে পারেন। লং-টেইল সাধারণত ভাড়ার ট্যাক্সি হিসেবে চলে, যদিও দাম এলাকাভেদে ভিন্ন। কয়েক ঘণ্টার জন্য ভাড়া প্রায় ৩০০–৪০০ বাত বা পুরো দিনের জন্য প্রায় ১,৫০০ বাত। কিছু জায়গায় যেমন [[ক্রাবি প্রদেশ|ক্রাবি]]তে লং-টেইল নির্দিষ্ট রুটে নির্দিষ্ট ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে।
আধুনিক, এয়ার কন্ডিশন্ড স্পিডবোট সার্ভিস, কখনো ফেরি (প্রতি ৩০ মিনিটে ছাড়ে) [[Surat Thani (province)|সুরাত থানি]] থেকে জনপ্রিয় দ্বীপ যেমন [[কো সামুই]] এবং [[Ko Pha Ngan|কো ফা ঙানে]] যায়। সত্যিকারের দীর্ঘপথের সেবা (যেমন ব্যাংকক থেকে অন্য বড় শহর) কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, কারণ বাস, প্লেন এমনকি ট্রেনও দ্রুত। নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাধারণ মানের, আর ফেরি ও স্পিডবোট মাঝেমধ্যে ডুবে যায়, তাই খারাপ আবহাওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রীবাহী জাহাজে না ওঠা ভালো, আর বোর্ডে উঠেই কাছের লাইফজ্যাকেট কোথায় আছে তা দেখে নিন। নভেম্বর ২০১৮ থেকে [https://thethaiger.com/thai-life/travel/pattaya-hua-hin-ferry-service-back-again-for-high-season হুয়া হিন ও পাতায়ার মধ্যে ফেরি সার্ভিস] চালু আছে, যা ২.৫ ঘণ্টায় ১,২৫০ বাত ভাড়ায় ৩৪০ জন ধারণক্ষম ক্যাটামারানে চলে।
এছাড়া, সীহর্স ফেরি সাত্তাহিপ ও সংখলা’র মধ্যে চলে, তবে জুলাই ২০২৩ থেকে এটি “বাৎসরিক সংস্কারে” রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব এটি আবার চালু হবে।
===হেঁটে লিফট নেওয়া===
থাইল্যান্ডে লিফট নিয়ে ভ্রমণ করা সহজ এবং দেশের অ-পর্যটন অংশ দেখার দারুণ উপায়। ট্রেন সাধারণত খুবই সস্তা হলেও, অন্য পর্যটনমুখী যাতায়াতের তুলনায় এটি স্বল্প বাজেটে ভ্রমণের ভালো পদ্ধতি হতে পারে। কখনো কখনো আপনাকে আঙুলও তুলতে হবে না; প্রচণ্ড রোদে কোনো বিদেশিকে হাঁটতে দেখে অনেক সময় স্থানীয়রা বৌদ্ধ মনোভাব থেকে গাড়ি থামিয়ে সাহায্য করতে চান।
সাধারণভাবে, বড় মহাসড়কে দাঁড়ানো এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ সেখানে গাড়ি থামানো কঠিন। এছাড়া দেখা গেছে, এক জনের চেয়ে দুই জন (এমনকি দুই জন পুরুষ) হলে লিফট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
মনে রাখবেন, মানুষ আপনাকে প্রায়ই তাদের (কখনো কখনো ময়লা) পিকআপ ট্রাকের মালবাহী অংশে বসতে আমন্ত্রণ জানাতে পারে এবং আপনি অনেক থাইদের একই কাজ করতে দেখবেন। যদি এটি আপনার জন্য অস্বস্তিকর হয়, তাহলে থাইল্যান্ডে লিফট নিয়ে ভ্রমণ না করাই ভালো।
==দেখুন==
{{infobox|ওয়াটে কী কী থাকে|থাইল্যান্ডের মন্দিরকে বলা হয় "ওয়াট"। সাধারণত একটি মন্দির একক ভবনের বদলে দেয়ালঘেরা বিভিন্ন ভবন, মন্দির, ও স্মৃতিস্তম্ভের সমষ্টি। থাইল্যান্ডে হাজার হাজার মন্দির রয়েছে এবং প্রায় প্রতিটি শহর বা গ্রামে অন্তত একটি করে থাকে। "ওয়াট" (วัด) শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো স্কুল, আর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মন্দিরই ছিল আনুষ্ঠানিক শিক্ষার একমাত্র স্থান। একটি সাধারণ বৌদ্ধ ওয়াটে নিচের কাঠামোগুলো থাকে:
* '''উবোশট (Ubosot)''' — ''বট'' নামেও পরিচিত। এটি সবচেয়ে পবিত্র প্রার্থনার ভবন, সাধারণত বিশেষ উপলক্ষে কেবল ভিক্ষুদের জন্য খোলা থাকে। এটি স্থাপত্যগতভাবে উইহানের মতো হলেও সাধারণত বেশি অলঙ্কৃত হয় এবং অশুভ শক্তি দূর করার জন্য আটটি কোণপাথর থাকে। এটিকে "অর্ডিনেশন হল" বা দীক্ষা হলও বলা হয়, কারণ এখানেই ভিক্ষুরা শপথ নেন। সব ওয়াটে উবোশট থাকে না এবং কোথাও কোথাও মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
* '''উইহান (Wihan)''' — ''ভিহার্ন'' বা ''ভিহারা'' নামেও লেখা হয়। সাধারণত একটি ওয়াটের সবচেয়ে ব্যস্ত ভবন এটি, যেখানে মন্দিরের প্রধান বুদ্ধমূর্তি থাকে এবং মানুষ এখানে দান দিতে আসে। এটি সবার জন্য খোলা থাকে। একটি ওয়াটে একাধিক উইহান থাকতে পারে।
* '''চেদি''' বা '''স্তূপ''' — লম্বা ঘণ্টার মতো আকৃতির কাঠামো, যেখানে সাধারণত বুদ্ধের অবশেষ রাখা হয়।
* '''প্রাং (Prang)''' — খমের ও আয়ুথ্যেয়া উৎসের আঙুলের মতো মিনার, যা ধর্মীয় দিক থেকে চেদির মতোই ব্যবহৃত হয়।
* '''মোন্দপ (Mondop)''' — চারটি খিলান ও পিরামিডাকৃতির ছাদবিশিষ্ট খোলা বর্গাকার ভবন। এটি প্রায়ই ধর্মীয় গ্রন্থ বা বস্তু পূজার জন্য ব্যবহৃত হয়।
* '''সালা (Sala)''' — খোলা দিকের প্যাভিলিয়ন, যা বিশ্রাম ও আড্ডার জন্য ব্যবহৃত হয় (এবং প্রায়ই বৃষ্টির সময় আশ্রয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়)।
* '''চোফা (Chofa)''' — মন্দিরের ছাদের প্রান্তে থাকা পাখির মতো অলংকরণ। এগুলো গরুড়কে (আধা পাখি আধা মানুষ এক পৌরাণিক প্রাণী) বোঝায়। অন্যান্য আকৃতির মধ্যে নাগমাথা ও হাতির মাথাও রয়েছে।}}
===ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দর্শনীয় স্থান===
[[ব্যাংকক]] অনেক দর্শনার্থীর সফরের প্রথম ধাপ, আর আধুনিক শহর হলেও এর রয়েছে সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। বেশিরভাগ পর্যটক অন্তত গ্র্যান্ড প্যালেস দেখে থাকেন, যা চমৎকারভাবে সাজানো ভবন ও স্মৃতিস্তম্ভের সমষ্টি। এখানেই রয়েছে ওয়াট ফ্রা কেও, থাইল্যান্ডের সবচেয়ে পবিত্র বৌদ্ধ মন্দির যেখানে এমেরাল্ড বুদ্ধমূর্তি রাখা আছে। অন্যান্য সাংস্কৃতিক দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে ওয়াট ফো, ওয়াট আরুন এবং জিম থম্পসনের হাউস, তবে এগুলো আপনার দেখা সম্ভব এমন জায়গাগুলোর মাত্র একটি অংশ।
সিয়ামের প্রাক্তন রাজধানী [[আয়ুথায়া]] এবং [[সুখোথাই]] থাই ইতিহাসে আগ্রহীদের জন্য দারুণ গন্তব্য। পরেরটি [[সি সাচানালাই]] এবং [[কামফায়েং ফেট]] ভ্রমণের সঙ্গে একত্রে করা যায়, যা সবই [[ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান]]। খমের স্থাপত্য মূলত ইসান অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে [[ফিমাই]] এবং [[Nang Rong|ফানম রুংয়ের]] ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে বসবাস করেন অনন্য পাহাড়ি উপজাতির মানুষরা, যাদের সাধারণত ট্রেকিংয়ের অংশ হিসেবে পরিদর্শন করা হয়। থাইল্যান্ডের ছয়টি প্রধান পাহাড়ি উপজাতি হলো আখা, লাহু, কারেন, হামং, মিয়েন ও লিসু — প্রতিটি উপজাতির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। [[চিয়াং মাই]] এইসব ট্রেক আয়োজনের জন্য ভালো ভিত্তি, আর এখানেও রয়েছে নিজস্ব সাংস্কৃতিক দর্শনীয় স্থান যেমন ওয়াট দই সুতেপ।
[[কানচনাবুরি]]তে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কিত বহু দর্শনীয় স্থান। রিভার কাওয়াইয়ের ওপরের সেতুটি একই নামের সিনেমায় জনপ্রিয় হয়েছে, তবে এর আশেপাশের যাদুঘরগুলো আরও গভীর অনুভূতি জাগায়। “দ্য ডেড রেলওয়ে” (তাং রদ ফাই সাই মরানা) হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বন্দী মিত্র বাহিনীর সৈন্যদের দ্বারা নির্মিত রেলপথ। এই রেলপথের পুরো রুটেই রয়েছে চমৎকার দৃশ্য।
===সৈকত ও দ্বীপ===
[[Image:Chaweng-beach koh Samui.jpg|thumb|350px|[[Chaweng|চাওয়েং]] সৈকত, [[Ko Samui|কো সামুই]]]]
থাইল্যান্ডের সৈকত ও দ্বীপগুলো প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে লাখো পর্যটককে আকর্ষণ করে। [[হুয়া হিন]] থাইল্যান্ডের প্রাচীনতম সৈকত রিসোর্ট, যা ১৯২০-এর দশকে রামা সপ্তম ব্যাংকক থেকে আদর্শ অবকাশযাপন কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত করেন। তখন থেকে অনেক কিছুই বদলে গেছে। [[পাতায়া]], [[ফুকেট]] এবং [[কো সামুই]] ১৯৭০-এর দশকে জনপ্রিয়তা পায়, আর এখন এগুলো দেশের সবচেয়ে উন্নত সৈকত রিসোর্ট।
[[Krabi Province|ক্রাবি প্রদেশে]] রয়েছে কিছু মনোরম স্থান, যেমন [[আও নাং]], [[রাই লেহ]] এবং [[কো লান্তা]]-র দীর্ঘ সোনালি সৈকত। [[কো ফি ফি]] সত্যিকারের দ্বীপ স্বর্গ হিসেবে পরিচিত, যা ২০০০ সালে ''দ্য বিচ'' চলচ্চিত্র মুক্তির পর থেকে ব্যাপক উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে। [[কো ফা ঙান]] একসঙ্গে দুটি অভিজ্ঞতা দেয়—উন্নত সৈকত আর অল্প দূরত্বে শান্ত নির্জন সৈকত। এখানেই বিখ্যাত “ফুল মুন পার্টি” অনুষ্ঠিত হয়।
[[কো চ্যাং]] কিছুটা কো সামুইয়ের পুরনো দিনের মতো। এখানে ব্যাকপ্যাকার ধাঁচের পরিবেশ আছে, তবে বেশ শান্ত আর সব ধরনের বাজেটের থাকার ব্যবস্থা আছে। যদি আপনি অক্ষত সৈকত খুঁজে থাকেন, তবে [[কো কুত]] খুবই কম জনবসতিপূর্ণ, যদিও ঘোরা কঠিন। [[কো সামেট]] ব্যাংককের সবচেয়ে নিকটবর্তী দ্বীপ সৈকত, তবে এর উত্তরাঞ্চলের সৈকতগুলো বেশ উন্নত এবং সপ্তাহান্তে ও সরকারি ছুটিতে হোটেলগুলো প্রায়ই পূর্ণ থাকে।
===প্রাকৃতিক দৃশ্য===
মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার মতো না হলেও থাইল্যান্ডে যথেষ্ট পরিমাণে '''ক্রান্তীয় বন''' রয়েছে। দেশের প্রথম জাতীয় উদ্যান [[খাও ইয়াই জাতীয় উদ্যান]] ব্যাংককের সবচেয়ে কাছাকাছি। বন্য বাঘ ও হাতি ক্রমেই বিরল হয়ে যাচ্ছে, তবে মাকাক, গিবন, হরিণ আর নানা প্রজাতির পাখি সহজেই দেখতে পাবেন। [[Khao Sok National Park|খাও সোক জাতীয় উদ্যানের]] জঙ্গলের অংশটি সম্ভবত আরও বেশি চিত্তাকর্ষক, আর সেখানে আপনি জঙ্গলের মাঝেই রাত কাটাতে পারবেন।
থাইল্যান্ডজুড়ে '''ঝরনা''' দেখা যায়। [[Khao Yai National Park|খাও ইয়াই জাতীয় উদ্যানের]] হেও সুয়াত ঝরনা এবং [[কানচনাবুরি]]র ৭ স্তরের এরাওয়ান ফলস সবচেয়ে বেশি পরিদর্শিত, তবে [[Umphang|উমফ্যাংয়ের]] থি লর সু ঝরনা আর [[Hua Hin|কেং ক্রাচান জাতীয় উদ্যানের]] ১১ স্তরের পা লা-উ ঝরনাও সমান রোমাঞ্চকর। শেষ পর্যন্ত, [[Phang Nga Bay|ফাং ঙ্গা উপসাগরের]] মাধ্যাকর্ষণকে উপেক্ষা করা '''চুনাপাথরের গঠনগুলো''' এই অঞ্চলে থাকা কারও মিস করা উচিত নয়।
===ভ্রমণপথ===
* [[তিন দিনে চিয়াং মাই থেকে চিয়াং রাই]] — উত্তর থাইল্যান্ডের পর্যটকদের অজানা অংশে তিন দিনের সফর।
* [[মায় হং সন লুপ]] — পাহাড়ি মে হং সন প্রদেশে একটি যাত্রা।
* [[উত্তর থাইল্যান্ড লুপ ট্যুর]] — গ্রামীণ উত্তর থাইল্যান্ডের হৃদয়ভূমি আবিষ্কার করুন।
* [[ব্যাংককে একদিন]] — যদি আপনার হাতে মাত্র একদিন থাকে এবং শহরের স্বাদ নিতে চান।
* [[রাত্তনাকোসিন ভ্রমণ]] — ব্যাংককের বিখ্যাত ঐতিহাসিক এলাকায় একটি দ্রুত সফর।
* [[সামোয়েং লুপ]] — প্রায় ১০০ কিমি লুপ যা চিয়াং মাই থেকে শুরু ও শেষ হয় এবং সাইক্লিস্ট ও মোটরসাইক্লিস্টদের মধ্যে জনপ্রিয়।
* [[ইয়াওয়ারাত ও ফাহুরাত ভ্রমণ]] — এই বহুসাংস্কৃতিক এলাকায় পুরো দিনের হাঁটা সফর।
==করুন==
===গলফ===
[[গলফ]] থাইল্যান্ডে আসে প্রায় একশো বছর আগে, রাজা রামা পঞ্চমের শাসনামলে। প্রথমে শুধু অভিজাত ও উচ্চবিত্ত সমাজের মানুষ খেলত, তবে এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। গত দশ বছরে থাইল্যান্ডে গলফের জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে; এখন এটি স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটক ও প্রবাসীদের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয়।
প্রতি বছর প্রায় চার লাখ বিদেশি গলফ খেলোয়াড়ের আগমন থাইল্যান্ডে গলফকে একটি বড় শিল্পে পরিণত করেছে। নতুন নতুন গলফ কোর্স তৈরি হচ্ছে অবিরত। শুধু গলফ থেকেই প্রতি বছর প্রায় ৮ বিলিয়ন বাথ স্থানীয় অর্থনীতিতে যোগ হয়। বর্তমানে থাইল্যান্ডে দুই শতাধিক মানসম্মত গলফ কোর্স রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের কোর্স পাওয়া যায় পর্যটন কেন্দ্র [[ব্যাংকক]], [[পাতায়া]] এবং [[ফুকেট|ফুকেটে]]।
থাইল্যান্ডে গলফ এত জনপ্রিয় হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এখানে সদস্যপদ ও খেলার খরচ অনেক কম। ভ্রমণের সামগ্রিক খরচও তুলনামূলকভাবে সস্তা হওয়ায় বাজেট সচেতন পর্যটকদের জন্য থাইল্যান্ড আদর্শ গন্তব্য। এছাড়া অনেক গলফ কোর্স বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড়দের নকশায় তৈরি, যেমন জ্যাক নিক্লাস, নিক ফাল্ডো এবং গ্রেগ নরম্যান।
* {{do
| name=থাইল্যান্ড গলফ কোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন | url= | email=
| address=৯৬ মু ৩, বিপাভাদি-রংসিত রোড, ব্যাংকক | lat= | long= | directions=
| phone=+৬৬ ২ ৬৬২৫২৩৪ | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| content=}}
===বহিরাঙ্গণ===
[[File:Surfing-surin-beach.jpg|thumb|ফুকেটে সার্ফিং]]
স্পেনের সমান বড় দেশ থাইল্যান্ডে প্রায় সব ধরনের আউটডোর খেলার সুযোগ রয়েছে। [[কো তাও]] এখন এশিয়ার অন্যতম প্রধান '''[[স্কুবা ডাইভিং]]''' কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। কাছেই রয়েছে [[কো সামুই]]র নিকটবর্তী [[আং থং ন্যাশনাল মেরিন পার্ক]] এবং খাও লাকের পাশে [[সিমিলান দ্বীপপুঞ্জ]], যেগুলোও ডাইভিংপ্রেমীদের আকর্ষণ করে। নতুন ডাইভিং স্পটের মধ্যে [[কো লিপে]] বিশেষভাবে জনপ্রিয়, এটি ছোট ও তুলনামূলকভাবে অনাবিল একটি দ্বীপ যেখানে রয়েছে সুন্দর প্রবালপ্রাচীর ও চমৎকার সমুদ্রসৈকত। প্রায় সব সৈকতেই '''স্নরকেলিং''' করা যায়, তবে [[সিমিলান দ্বীপপুঞ্জ]]র প্রবালপ্রাচীর আলাদাভাবে উল্লেখযোগ্য।
যদিও থাইল্যান্ড বালির মতো বিশ্বখ্যাত সার্ফিং স্বর্গ নয়, তবুও '''সার্ফিং''' এখানে রয়েছে। ঢেউ সাধারণত ছোট হয়, যা '''লংবোর্ডিং''' বা নতুনদের শেখার জন্য ভালো। [[খাও লাক]] এবং [[ফুকেট|ফুকেটের]] পশ্চিম উপকূলের সৈকতগুলো বেশ উপযোগী, তবে সেরা ঢেউ পাওয়া যায় তুলনামূলকভাবে অজানা [[কো ক্রাদান|কো ক্রাদানে]], যা ট্রাং প্রদেশের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। অন্যান্য সার্ফিং স্পটের মধ্যে রয়েছে [[রায়ং]] এবং [[কো সামুই]], তবে উপসাগরীয় উপকূলে ঢেউ সবসময় ভরসাযোগ্য নয়।
[[ফাং ঙ্গা উপসাগর]]র আকাশছোঁয়া চুনাপাথরের পাহাড় সাধারণত নৌকা ভ্রমণের মাধ্যমে দেখা যায়, তবে '''সি-ক্যানুইং''' করলে আপনি পর্যটকদের ভিড় এড়িয়ে অজানা জায়গায় প্রবেশ করতে পারবেন। [[রাই লেহ]]র চুনাপাথরের খাড়া পাহাড়গুলো বিশ্বসেরা '''রক-ক্লাইম্বিং''' স্থানগুলোর মধ্যে একটি।
===আরাম===
প্রচলিত '''থাই ম্যাসাজের''' ইতিহাস ২,৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো। থাই ম্যাসাজ বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস, মানুষের দেহের ভেতর অদৃশ্য শক্তির বহু রেখা প্রবাহিত হয়। ম্যাসাজকারী হাত, কনুই, পা, গোড়ালি ও হাঁটু ব্যবহার করে এসব রেখায় চাপ প্রয়োগ করেন, যাতে কোনো বাধা থাকলে তা মুক্ত হয় এবং দেহে শক্তির প্রবাহ স্বাভাবিক হয়। অনেক থাই মানুষের বিশ্বাস, এই ম্যাসাজ রোগ নিরাময়ে সহায়ক এবং সামগ্রিক সুস্থতার জন্য উপকারী। একটি সেশন শেষে শরীর একইসাথে শান্ত ও উদ্যমী মনে হওয়ার কথা।
যদিও '''স্পা''' থাইল্যান্ডে চালু হয়েছিল নব্বইয়ের দশকের শুরুতে, অল্প সময়েই দেশটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্পা গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী থাই ম্যাসাজ ছাড়াও এখানে রয়েছে আন্তর্জাতিক নানা ধরণের চিকিৎসা, যেমন অ্যারোমাথেরাপি, সুইডিশ ম্যাসাজসহ আরও অনেক কিছু। বাজেট অনুযায়ী প্রায় সবার জন্যই বিকল্প রয়েছে—আড়ম্বরপূর্ণ হোটেলের বিলাসবহুল ওয়েলনেস সেন্টার থেকে শুরু করে রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেখা যায় এমন ছোট্ট ম্যাসাজ দোকান পর্যন্ত।
===প্রচলিত খেলা===
*'''মাকরুক''' (หมากรุก) – '''থাই দাবা''' নামেও পরিচিত। এটি থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় দাবার ধরন, যার জনপ্রিয়তা আন্তর্জাতিক [[দাবা]]কেও ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক দাবার মতো এর উৎসও পারস্যের শত্রাঞ্জ খেলা থেকে, তবে মাকরুকের নিয়ম মূল পারস্য খেলাটির সাথে অনেক বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। সারা দেশজুড়েই রাস্তার পাশে মানুষকে এই খেলা খেলতে দেখা যায়, এমনকি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও হয় যেখানে দেশের সেরা খেলোয়াড়রা জাতীয় চ্যাম্পিয়নের খেতাব জয়ের জন্য একত্রিত হন।
==কেনাকাটা==
===মুদ্রা===
{{exchange rates
| currency=থাই বাত
| currencyCodeAfter= বাত
| date=জানুয়ারি ২০২৫
| EUR=৩৬
| GBP=৪৩
| USD=৩৪
| JPY=২২
| AUD=২১
| CNY=৪.৭
| SGD=২৫
| MYR=৭.৭
| source=[https://www.xe.com/currency/thb-thai-baht XE.com]}}
{{infobox|ভারী বাত|আপনার নতুন থাই বান্ধবী কি এক-বাত ওজনের সোনার আংটি চাইছে? সাবধান, এটি শুনতে যতটা সাধারণ মনে হয় আসলে ততটা নয়। থাইল্যান্ডে ‘‘বাত’’ শুধু মুদ্রা নয়, এটি ওজনেরও একটি একক—১৫.২৪৪ গ্রাম (প্রায় ০.৫ আউন্স)। ২০২৫ সালের সোনার দামে এক বাত সোনার মূল্য প্রায় ৫০,০০০ বাত!}}
থাইল্যান্ডের মুদ্রা হলো '''বাত''', প্রতীক "'''฿'''" (আইএসও কোড: THB), যা থাই ভাষায় লেখা হয় บาท বা บ। উইকিভ্রমণে "baht" শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এক বাত সমান ১০০ ''সাতাং'' (สตางค์)। প্রচলিত আছে ছয়টি কয়েন এবং ছয়টি নোট:
*২৫ ও ৫০ সাতাং (তামার রঙ) কয়েন – প্রায় মূল্যহীন, সাধারণত শুধু বাস, সুপারমার্কেট ও সেভেন-ইলেভেনে ব্যবহার হয়
*১, ২ (দুই ধরনের: রুপালি ও সোনালি), ৫ (রুপালি) ও ১০ বাত (রুপালি/সোনালি) কয়েন
*২০ (সবুজ), ৫০ (নীল), ১০০ (লাল), ৫০০ (বেগুনি) ও ১,০০০ (ধূসর-বাদামি) বাত নোট
অধিকাংশ নোটের অন্তত তিনটি সংস্করণ প্রচলিত আছে—কিছু কাগজের, কিছু পলিমারের—এবং এতে বিভিন্ন থাই রাজার প্রতিকৃতি থাকে। তবে রঙ একই থাকে এবং সব নোট সর্বত্র গ্রহণযোগ্য। ১,০০০ বাতের নোট নেওয়ার সময় সাবধান হোন, কারণ '''জাল নোট''' অস্বাভাবিক নয়। নোটের উঁচু অংশে আঙুল বুলিয়ে দেখুন, জলছাপ খুঁজুন এবং কাত করলে [https://www.bot.or.th/English/Banknotes/Pages/identify.aspx রঙ বদলানো কালি]{{Dead link|date=May 2023 |bot=InternetArchiveBot }} দেখা যায় কিনা যাচাই করুন।
সবচেয়ে উপযোগী নোট হলো ২০ ও ১০০ বাত, কারণ ছোট দোকানপাটে সাধারণত খুচরা টাকা কম থাকে। ট্যাক্সি চালকেরাও প্রায়ই ‘‘খুচরা নেই’’ বলে অজুহাত দেয়; এমন হলে কাছের কোনো দোকানে গিয়ে ছোটখাটো কিছু কিনে খুচরা করে নিতে পারেন।
'''কোনো অবস্থাতেই থাই কয়েন ও নোট অবহেলাভাবে ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে রাজাধিরাজের প্রতিকৃতি থাকে।''' কয়েন থামাতে পায়ে চাপা, নোট ভাঁজ করা, রাজার ছবির কাছে লেখা, বা রাগে ছুঁড়ে ফেলা থেকে বিরত থাকুন। এগুলোকে অসম্মানজনক হিসেবে ধরা হয় এবং এ কারণে ''lèse-majesté'' আইনের আওতায় শাস্তি হতে পারে (দেখুন "নিরাপদ থাকুন" অংশ)।
====নগদ উত্তোলন====
মুদ্রা বিনিময়ের জন্য প্রচুর পরিমাণে নগদ (মার্কিন ডলার, ইউরো ইত্যাদি) বহন করা সাধারণত ভালো নয়, আবার থাইল্যান্ডে এটিএম থেকে টাকা তোলাও বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুলগুলোর মধ্যে একটি। এই অবস্থায় ''ক্যাশ অ্যাডভান্স'' (অর্থাৎ ব্যাংকের কাউন্টার থেকে টাকা তোলা) সঠিক ক্রেডিট কার্ড থাকলে থাইল্যান্ডে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও যুক্তিসঙ্গত উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়। ফেব্রুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী, একটি জার্মান ক্রেডিট কার্ড (ব্যাংকের স্লোগান: "বিশ্বব্যাপী বিনামূল্যে উত্তোলন") অতিরিক্ত কোনো চার্জ ছাড়াই এবং আন্তঃব্যাংক বিনিময় হারে ক্যাশ অ্যাডভান্সের সুযোগ দিয়েছে। একইভাবে এন26-ও ক্যাশ অ্যাডভান্সে কোনো চার্জ নেয় না।
শুধুমাত্র ব্যাংকক ব্যাংক সর্বত্র এই ধরণের উত্তোলন গ্রহণ করে বলে জানা যায়, তাদের নিজস্ব শাখা ও কিছু ‘‘এক্সচেঞ্জ’’ বুথসহ। তবে সতর্ক থাকতে হবে—কারণ অনেক কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান (অর্থাৎ আপনার নিজ দেশের ব্যাংক) এটিএম থেকে উত্তোলনের চেয়ে ক্যাশ অ্যাডভান্সে অনেক বেশি ফি নেয়, বিশেষ করে ডেবিট কার্ড ব্যবহার করলে। এছাড়া, টাকা পরিবর্তনকারীরা যেন আপনার কার্ডকে খারাপ হারে নিজ দেশের মুদ্রায় চার্জ না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকুন (দেখুন [[মুদ্রা#গতিশীল মুদ্রা রূপান্তর]])।
কাউন্টার থেকে টাকা তুলতে আপনার ক্রেডিট কার্ড ও পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে। ব্যাংকের স্বাভাবিক কাজের সময়েই টাকা তোলা যায়—অনেক শাখা সপ্তাহান্তে ও সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ থাকে।
অতিরিক্ত নগদ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই—অবশিষ্ট বাত সহজেই শক্ত মুদ্রায় রূপান্তর করা যায় ব্যাংককের এয়ারপোর্ট রেল লিঙ্কের শেষ স্টেশনে খুব ভালো হারে (দেখুন [[ব্যাংকক#মুদ্রা|এখানে]])।
====মুদ্রা বিনিময়====
প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলো সাধারণত খুব ভালো হারে বিনিময় করা যায়, প্রায় ০.১–০.২% অতিরিক্ত মার্জিনে (বিশেষত বড় নোট হলে এবং সাধারণত ব্যাংককে)।
উল্লেখযোগ্য এক্সচেঞ্জারের মধ্যে রয়েছে [https://www.superrich1965.com/ সুপাররিচ] (যেটিকে [https://www.superrichthailand.com সুপাররিচ থাইল্যান্ডের] সাথে যেন গুলিয়ে না ফেলেন)। এর ডজনখানেক শাখা রয়েছে [[ব্যাংকক#মুদ্রা|ব্যাংকক]] জুড়ে—সিলম, রাচাদামরি, খাও সান রোড ও চাতুচাকসহ। এখানে কোনো অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয় না এবং বিশেষ করে বড় মুদ্রার ক্ষেত্রে বিনিময় হার মাত্র ০.১–০.২% আন্তঃব্যাংক হারের চেয়ে কম, যা প্রায়শই এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় আপনার ব্যাংকের দেওয়া হারের চেয়েও ভালো হয়।
তাদের জনপ্রিয়তার কারণে অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, যারা সুপাররিচকে অনুকরণ করেছে। ব্যাংককের বাইরে বড় শহরগুলোতেও এ ধরনের এক্সচেঞ্জার রয়েছে, যদিও সেসব স্থানে বিনিময় হার সাধারণত ব্যাংককের মতো ভালো নয়। সেরা হারের জন্য সংশ্লিষ্ট চেইনের প্রধান শাখায় যান, যত বড় নোট সম্ভব (যেমন: মার্কিন ডলার $১০০, ব্রিটিশ পাউন্ড £৫০, জাপানি ইয়েন ¥১০,০০০) ব্যবহার করুন এবং নিশ্চিত করুন যে নোটগুলো একেবারে পরিষ্কার ও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
ব্যাংকগুলোও তুলনামূলক ভালো হার দেয়, যদিও এক্সচেঞ্জারগুলোর মতো প্রতিযোগিতামূলক নয়। তবে তারা নোটের মান নিয়ে অতটা কড়াকড়ি করে না।
অনেক হোটেল ও অতিথিশালা অতিথিদের জন্য টাকা পরিবর্তন করে, তবে এখানে সাধারণত উচ্চ কমিশন ও খারাপ বিনিময় হার প্রযোজ্য হয়। ছোট মূল্যমানের মার্কিন ডলার (US$১, ৫ এবং ২০) প্রতিবেশী দেশগুলোতে ভ্রমণের জন্য খুব উপযোগী (মালয়েশিয়া ছাড়া), তবে থাইল্যান্ডে এগুলো কেবল বিশেষ কেনাকাটার জন্যই দরকারি (যেমন: কম্বোডিয়ার ভিসা ফি দেওয়ার সময়)।
থাই বাত প্রতিবেশী দেশগুলোর বাইরে বিনিময় করা কঠিন, তাই দেশ ছাড়ার আগে বাড়তি বাত খরচ বা বদলে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
====ক্রেডিট কার্ড====
পর্যটন শিল্পের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য—যেমন রেস্তোরাঁ, শপিং মল ও পর্যটকদের জন্য বিশেষায়িত দোকানে। তবে প্রতারণা বেশ সাধারণ ঘটনা, তাই কার্ড ব্যবহারে সতর্ক হোন এবং আগে থেকেই আপনার ব্যাংককে জানিয়ে রাখুন, যাতে ‘‘আপনি নিজেই’’ ব্যবহার করছেন ভেবে কার্ড ব্লক না হয়ে যায়। কিছু দোকান ক্রেডিট কার্ডে পরিশোধ করলে অতিরিক্ত চার্জ (সাধারণত ২–৩%) যোগ করে; এ ক্ষেত্রে নগদে পরিশোধ করাই সাশ্রয়ী হতে পারে।
এটিএম থেকে টাকা তোলার মতো, কখনও কখনও আপনাকে প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে যে লেনদেন সরাসরি আপনার নিজ দেশের মুদ্রায় বা থাই বাতে চার্জ করা হোক। এ ক্ষেত্রে সর্বদা থাই বাতে চার্জ নেওয়ার অপশন বেছে নিন, কারণ ব্যবসায়ীদের দেওয়া হার আপনার জন্য কম সুবিধাজনক হবে।
====এটিএম====
এটিএম প্রায় সর্বত্রই রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক উত্তোলনে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না, তবে ফি প্রযোজ্য। অনেক সময় এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে মানি এক্সচেঞ্জারের তুলনায় ভালো বিনিময় হার পাওয়া যায়, বিশেষ করে যদি আপনার কার্ডে বিদেশে লেনদেনের জন্য অতিরিক্ত ফি না থাকে। তবে মনে রাখবেন, কিছু মানি এক্সচেঞ্জার (বিশেষ করে [[ব্যাংকক#মুদ্রা|ব্যাংককে]]) অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক রেট দেয়, যা অনেক সময় এটিএম-এর চেয়েও ভালো হতে পারে। তাই যদি আপনি ছোট পরিসরে নগদ লেনদেন করতে চান, তবে আপনার সঙ্গে বিদেশি মুদ্রা নিয়ে এসে সেটি মানি এক্সচেঞ্জারে বদলে নেওয়া ভালো।
বেশিরভাগ এটিএমে বিদেশি কার্ড ব্যবহার করলে ২২০ বাথ সারচার্জ নেওয়া হয়। সাধারণত টাকা তোলার আগে স্ক্রিনেই এই ফি সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হয়। আগে এয়ন (Aeon) কেবল ১৫০ বাথ নিত, তবে বর্তমানে তারা বিদেশি কার্ড গ্রহণ করছে না বলে মনে হয়।
অনেক এটিএমে একবারে সর্বোচ্চ ২০টি নোট দেওয়া হয়, অর্থাৎ সর্বোচ্চ ২০,০০০ বাথ। তবে ব্যাংকক ব্যাংক একবারে ২৫টি নোট দেয়, আর কয়েকটি ব্যাংক যেমন ক্রুংশ্রী, টিএমবি ও সিআইএমবি সর্বোচ্চ ৩০টি নোট পর্যন্ত দেয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কিছু এটিএম (যেমন ক্রুংশ্রী, এসসিবি এবং আরও কিছু ব্যাংক) আপনাকে অফার দেবে যাতে তারা সরাসরি আপনার মুদ্রা বাথে রূপান্তর করে দেয়, আর আপনার কার্ডে চার্জ করে ইউএসডি বা আপনার স্থানীয় মুদ্রায়। যদি এতে রাজি হন, তবে খুব খারাপ রেট পাবেন (মধ্যবর্তী বাজার দরের তুলনায় প্রায় ৫% বা তারও বেশি কম)। তাই সর্বদা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করুন এবং শুধু থাই বাথে চার্জ নেওয়ার অপশনটি বেছে নিন, ইউএসডি বা নিজের মুদ্রায় নয়। বিস্তারিত জানতে দেখুন '''[[মুদ্রা#Dynamic_currency_conversion|ডাইনামিক কারেন্সি কনভার্সন]]'''।
খুব দূরবর্তী এলাকা (যেমন ছোট দ্বীপগুলো) প্রায়ই ব্যাংক বা এটিএমবিহীন হয়, তাই এসব জায়গায় যাওয়ার সময় হাতে নগদ অর্থ রাখা জরুরি।
===ট্যাক্স রিফান্ড ও ভ্যাট===
বিদেশি পর্যটকরা (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) ৭% ভ্যাট রিফান্ডের সুবিধা পান, যদি তারা এমন দোকান থেকে বিলাসপণ্য কেনেন যেগুলো [https://www.tourismthailand.org/Articles/plan-your-trip-vat-tax-refund 'পর্যটকদের জন্য ভ্যাট ফেরত'] স্কিমে অংশগ্রহণ করে। দোকানে যদি 'পর্যটকদের জন্য ভ্যাট ফেরত' চিহ্ন থাকে, তবে সেখানে কেনা পণ্যের উপর আরোপিত ভ্যাটের ৭% ফেরত পাওয়া যাবে। তবে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত প্রযোজ্য এবং আপনি কেবল থাইল্যান্ড ত্যাগ করার সময় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই রিফান্ড দাবি করতে পারবেন।
শুধুমাত্র অংশগ্রহণকারী দোকান থেকে কেনাকাটা করলে, যেখানে 'পর্যটকদের জন্য ভ্যাট ফেরত' চিহ্ন থাকে, এই সুবিধা পাওয়া যাবে। সেবা বা এমন কোনো পণ্যের জন্য ভ্যাট রিফান্ড দাবি করা যাবে না যেগুলো থাইল্যান্ডে অবস্থানকালে ব্যবহার বা “ভোগ” করা হয়, যেমন হোটেল বা রেস্তোরাঁর খরচ। যেকোনো এক দিনে, একটি অংশগ্রহণকারী দোকান থেকে কেনাকাটার ন্যূনতম মূল্য (ভ্যাটসহ) হতে হবে ২,০০০ বাথ। কেনাকাটার সময় বিক্রয়কর্মীকে বলুন যেন তিনি একটি ভ্যাট রিফান্ড ফর্ম (P.P.10) পূরণ করেন এবং তার সঙ্গে মূল ট্যাক্স/বিক্রয় রসিদ সংযুক্ত করেন। প্রতিটি P.P.10-এ ২,০০০ বাথ বা তার বেশি মূল্যের পণ্য থাকতে হবে। এই ফর্ম পূরণের সময় আপনাকে আপনার পাসপোর্ট দেখাতে হবে।
দেশ ছাড়ার সময়, চেক-ইনের আগে আপনার কেনা পণ্যগুলো কাস্টমসে দেখাতে হবে এবং পূর্ণ করা P.P.10-এ সিল নিতে হবে। যেহেতু আপনাকে মূল রসিদ জমা দিতে হবে, তাই আগে থেকেই ছবি তুলে রাখা বা ফটোকপি করে রাখা ভালো, যাতে দেশে ফেরার সময় কাস্টমস অফিসারদের প্রয়োজনে আপনার কেনাকাটার প্রমাণ দেখানো যায়।
===বখশিশ===
'''থাইল্যান্ডে বখশিশ দেওয়া খুব সাধারণ নয়''' এবং স্থানীয় থাই মানুষজন নিজেরাও সাধারণত এটা করেন না। তবে তারা মাঝে মাঝে ট্যাক্সি ভাড়ার টাকা সহজভাবে মেলানোর জন্য ভাড়া সামান্য কম-বেশি করে (যেমন ৫৯ বা ৬১ বাথ হলে ৬০ বাথে মিলিয়ে দেয়)। রেস্তোরাঁতেও কখনও কখনও খুচরা টাকা ফেলে যায়, তবে এটাও খুবই বিরল ঘটনা।
আপনি বখশিশ না দিলেও অস্বস্তি বোধ করার কিছু নেই, কারণ স্থানীয়রা এমনটাই করেন। তবে বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতির কারণে কিছু জায়গায় পরিস্থিতি বদলেছে। এখন অনেক নামী হোটেল ও পর্যটক-কেন্দ্রিক রেস্তোরাঁয় বখশিশ দেওয়া স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। তবে বখশিশ দিতে গিয়েও বাড়াবাড়ি করবেন না — কখনও ৫০ বাথের বেশি দেবেন না। কিছু পর্যটন এলাকায়, বিশেষ করে খাও সান রোডে, এমনকি রেস্তোরাঁগুলো ইঙ্গিত দেয় বখশিশ চাওয়ার জন্য। থাই সংস্কৃতিতে এটি স্বাভাবিক নয় (বরং অশোভন মনে করা হয়), তাই সহজেই উপেক্ষা করতে পারেন।
যেসব হোটেল বা রেস্তোরাঁয় আলাদাভাবে সার্ভিস চার্জ যোগ করা হয়, সেখানে আর বখশিশ দেওয়ার দরকার নেই। কারণ সার্ভিস চার্জই আসলে বখশিশের বিকল্প হিসেবে ধরা হয়, এবং সাধারণত এটি কেবল বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ও হোটেলগুলোতেই প্রযোজ্য।
===খরচ===
থাইল্যান্ড এখন আর আগের মতো সস্তা নয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সিঙ্গাপুরের পর ব্যাংকককে দ্বিতীয় ব্যয়বহুল শহর হিসেবে ধরা হয়। তবে যারা বাজেট ভ্রমণ করেন এবং খরচের দিকে খেয়াল রাখেন, তারা এখনো ৬০০–১,০০০ বাথের মধ্যে এক ব্যাকপ্যাকার হোস্টেলে একটি শেয়ারড বেড বা সস্তা ঘর, দিনে তিনবেলা খাবার, সাথে পরিবহন, ঘোরাঘুরি, এমনকি সামান্য আড্ডা ও বিনোদনের খরচ মেটাতে পারবেন — হোস্টেল বেড শুরু হয় ২৫০–৩০০ বাথ থেকে, আর খাবার ৫০–৬০ বাথেই পাওয়া যায়, এমনকি ব্যাংককেও। বাজেট দ্বিগুণ করলে ভালো মানের হোটেলেই থাকা সম্ভব, আর দিনে যদি ৫,০০০ বাথ বা তার বেশি খরচ করতে প্রস্তুত থাকেন তবে রাজকীয়ভাবে ভ্রমণ করা যাবে।
ব্যাংককের জন্য অন্যান্য শহরের তুলনায় বড় বাজেট দরকার, তবে সঠিকভাবে খোঁজ করলে কেনাকাটার জন্য ব্যাংককেই সবচেয়ে সাশ্রয়ী ধরা হয়। জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপগুলো যেমন ফুকেট ও কো সামুই সাধারণত ব্যয়বহুল। থাইল্যান্ডের অন্যান্য জায়গার পর্যটন এলাকায়ও পর্যটকদের কাছ থেকে আসল দামের কয়েকগুণ পর্যন্ত নেওয়া অস্বাভাবিক নয়। যদি আসল থাই দামের ধারণা পেতে চান, তবে স্থানীয়দের মতো কেনাকাটা করতে পারেন বিগ সি, টেস্কো বা ক্যারিফোরের মতো শপিং মলে। এগুলো বড় শহরে সহজেই পাওয়া যায় (শুধু ব্যাংককেই এরকম ডজনখানেক আছে) এবং বড় দ্বীপ যেমন ফুকেট বা কো সামুইতেও আছে। সাম্প্রতিক কর বৃদ্ধির কারণে অ্যালকোহল প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় স্পষ্টতই বেশি দামী হয়ে গেছে।
===কেনাকাটা===
[[Image:SiamSquare_Mannequin.JPG|thumb|[[সিয়াম স্কয়ার]], [[ব্যাংকক|ব্যাংককে]] পোশাকের দোকান]]
থাইল্যান্ডকে বলা হয় ক্রেতাদের স্বর্গ। বিশেষ করে [[ব্যাংকক|ব্যাংককে]] আসা অনেক পর্যটকই তাদের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেন অসংখ্য বাজার আর শপিং মলে। এখানে সবচেয়ে ভালো কেনাকাটার জিনিস হলো '''পোশাক''' — সস্তা স্থানীয় স্ট্রিটওয়্যার থেকে শুরু করে দামী '''থাই রেশম''' পর্যন্ত, আর বিভিন্ন ধরনের '''হস্তশিল্প'''। ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার সামগ্রীও সহজলভ্য, তবে দাম [[সিঙ্গাপুর]], [[হংকং]], [[ফিলিপাইন]] এবং [[কুয়ালালামপুর|কুয়ালালামপুরের]] তুলনায় কিছুটা বেশি।
থাইল্যান্ডের বিশেষ আকর্ষণ হলো প্রায় প্রতিটি শহরের '''নাইট মার্কেট'''। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং পরিচিত বাজার আছে [[ব্যাংকক/সিলোম#বাজার|ব্যাংকক]] ও [[চিয়াং মাই#কেনাকাটা|চিয়াং মাইয়ের]] নাইট বাজারে। এখানে ডিজাইনার থেকে শুরু করে হস্তশিল্প বিক্রেতারা নানা ধরনের দোকান বসান, যেসব জিনিস সাধারণ দিনের বাজার বা মলে পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ নাইট মার্কেটের সঙ্গে খোলা আকাশের নিচে বড় ফুড কোর্টও থাকে।
এখানে আপনি অদ্ভুত আর চমকপ্রদ আধুনিক পোশাকের অ্যাকসেসরিজও খুঁজে পাবেন। যেমন—গোলাপি স্যান্ডেল যার স্বচ্ছ প্লাস্টিক হিলের ভেতরে ভুয়া ফুল ভরা থাকে। বড় রাস্তায় লাগোয়া নাইট মার্কেট এবং ব্যাংককের সিয়াম স্কাইট্রেন স্টেশনের কাছে মাহবুনক্রং (এমবিকে) মল এসবের ভালো উৎস। আর বাদ দেওয়ার নয় বিশ্বের অন্যতম বড় সাপ্তাহিক বাজার হিসেবে পরিচিত '''চাতুচাক উইকএন্ড মার্কেট'''। স্থানীয়রা একে সহজভাবে "জেজে মার্কেট" বলে ডাকে। চাতুচাকে জামাকাপড় থেকে শুরু করে প্রাচীন সামগ্রী পর্যন্ত হাজারো জিনিস বিক্রি হয়, বাজারটির আয়তন ৩৫ একরের (১.১ কিমি²) বেশি এবং প্রতিদিনই এটি আরও বড় হচ্ছে!
[[দামাদামি]] এখানে খুব স্বাভাবিক। বাজার বা রাস্তার দোকানদাররা সাধারণত আপনাকে যতটা খরচ করতে পারবেন বলে মনে করে ততটাই দাম হাঁকেন। প্রায়ই এমন হয়—আপনি কিছু কিনলেন, দোকান থেকে বের হয়ে দেখলেন আরেকজন একই জিনিস অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ দামে কিনেছে (কখনও তারও কমে)। তাই আগে জিনিসটির আনুমানিক দাম বুঝে নেয়ার চেষ্টা করুন। পাশের দোকান, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের দোকান বা হোটেলের গিফট শপ থেকে শুরু করলে ভালো ধারণা পাওয়া যায়। দেখবেন, বিক্রেতা বুঝতে পারলেই যে আপনি দামের আসল ধারণা রাখেন, তখনই দাম দ্রুত নেমে আসে।
==শিক্ষা==
[[Image:Thai Buddhas.jpg|thumb|250px|ধ্যানরত থাই বুদ্ধ মূর্তি]]
থাইল্যান্ডে শেখার সুযোগ প্রচুর। এখানে অনেক ভালো মানের স্কুল (স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক) এবং বিশ্ববিদ্যালয় আছে, আর শিক্ষার খরচ তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। উদাহরণস্বরূপ, চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফি {{THB|76,000-133,900}} এর মধ্যে হয়ে থাকে।
থাই শিক্ষা ব্যবস্থা থাই ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত থাকার ওপর গুরুত্ব দেয়, যেগুলোকে থাই জাতীয় পরিচয়ের অপরিহার্য ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। শোনার মতো ভালো হলেও বাস্তবে থাইল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থার মান খুব ভালো নয়। বৈষম্যের মাত্রা, শিক্ষকদের ঋণের চাপ এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনা এই খারাপ অবস্থার প্রধান কারণ।
এ কারণে অনেক থাই পরিবার (বিশেষ করে উচ্চবিত্ত) তাদের সন্তানদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো হয় এমন আন্তর্জাতিক স্কুলে ভর্তি করানোর চেষ্টা করে। তবে এসব স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া প্রায় অসম্ভব, কারণ প্রতিটি আন্তর্জাতিক স্কুলে থাই শিক্ষার্থীদের জন্য কড়া কোটা নির্ধারিত থাকে। এছাড়া আন্তর্জাতিক স্কুলে থাই নাগরিক হিসেবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের পুরো পড়ালেখার সময়জুড়ে থাই ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক।
===বিশ্ববিদ্যালয়===
থাইল্যান্ডে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। এর মধ্যে অনেকগুলোতেই ইংরেজিতে পড়ানো হয়, আর দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাজধানী [[ব্যাংকক|ব্যাংককে]] অবস্থিত।
পুরো থাইল্যান্ড জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোশাক নির্দিষ্ট। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ড্রেসকোড আছে, যা সবসময় মেনে চলতে হয়। সাধারণত মেয়েদের সাদা ব্লাউজ ও কালো স্কার্ট পরতে হয়, আর ছেলেদের সাদা শার্ট, টাই ও কালো প্যান্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের পোশাকবিধি নিয়ে বিতর্ক আছে; অনেকেই এ নিয়ম তুলে দেওয়ার পক্ষে।
থাইল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো:
*'''[https://www.chula.ac.th/en/ চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়]''' — দেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়।
*'''[https://tu.ac.th/ থাম্মাসাত বিশ্ববিদ্যালয়]{{Dead link|date=October 2023 |bot=InternetArchiveBot }}'''
*'''[https://www.mcu.ac.th/ মহাচুলালংকর্নরাজবিদ্যালায় বিশ্ববিদ্যালয়]{{Dead link|date=May 2024 |bot=InternetArchiveBot }}''' — থাইল্যান্ডের প্রাচীনতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে [[বৌদ্ধধর্ম]] ও ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয়। মূলত সন্ন্যাসী, পুরোহিত ও গবেষক তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য।
*'''[https://mahidol.ac.th/ মাহিদল বিশ্ববিদ্যালয়]'''
*'''[https://www.au.edu/ অ্যাসাম্পশন বিশ্ববিদ্যালয়]''' — থাইল্যান্ডের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বেসরকারি ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ইংরেজি মাধ্যমে কোর্স পরিচালিত হয়।
*'''[https://www.bu.ac.th/th/ ব্যাংকক বিশ্ববিদ্যালয়]'''
===থাই ভাষা স্কুল===
ব্যাংককে থাই ভাষা শেখার জন্য অনেক ভাষা স্কুল আছে:
* '''[http://auathai.com/ এউএ (আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই) ভাষা কেন্দ্র ব্যাংকক]''' — এখানে প্রচলিত নিয়মে পড়ানো হয় না। সব ক্লাস থাই ভাষায় হয়, কোনো বই বা ইংরেজি ব্যবহার করা হয় না। শিক্ষার্থীরা দেখে ও শুনে শেখে, আর নির্দিষ্ট সময় পরে স্বাভাবিকভাবেই থাই ভাষায় কথা বলার প্রত্যাশা করা হয়।
* '''[http://DukeLanguage.com/ ডিউক ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল ব্যাংকক]''' — সুবিধাজনকভাবে বিটিএস নানা স্টেশনের কাছে অবস্থিত, এবং সফলতার হার খুবই বেশি।
* '''[http://www.culi.chula.ac.th/ চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টেনসিভ থাই কোর্স]''' — এখানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের একাডেমিক থাই পড়া ও লেখা শেখানো হয়।
* '''[http://www.thai-lessons.com/ জেন্টানা অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস থাই ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল]'''
* '''পিয়ামিত্র (প্রচুর বন্ধু) ভাষা স্কুল''' — বিটিএস অশোকের কাছে অবস্থিত [http://www.piammitrschool.com/]{{Dead link|date=July 2023 |bot=InternetArchiveBot }}। কোর্সের সময় ৬০ ঘণ্টা, মেয়াদ এক মাস।
* '''[http://www.mythailanguage.com/ ময় থাই ল্যাংগুয়েজে স্কুল]''' — রাচাদা রোডে অবস্থিত, এখান থেকে স্টুডেন্ট এড ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।
* '''[http://www.thaiwalen.com/ ওয়ালেন স্কুল]{{Dead link|date=July 2025 |bot=InternetArchiveBot }}'''
* '''[http://thai-language.com/ থাই ভাষা]''' — থাই শেখার জন্য রেফারেন্স ডকুমেন্ট, ইন্টারেকটিভ লেসন, অভিধান এবং ফোরাম পাওয়া যায়।
==কাজ==
{{বিদেশে চাকরির প্রতারণা|থাইল্যান্ড। থাইল্যান্ড এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে মানব পাচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবেও পরিচিত|}}
থাইল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে চাকরি ও ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের নানা প্রান্তের বিদেশিরা এখানে এসে বসবাস ও কাজ করেন। ভালো বেতনের প্রবাসীরা প্রায়ই গৃহপরিচারিকা, ন্যানি ও সাহায্যকারী রাখেন, আর জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। তবে থাইল্যান্ডে কাজ ও বসবাস করা যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে ততটা নয়; ইন্টারনেটে এ বিষয়ে প্রচুর ভুল তথ্য ঘুরে বেড়ায়।
বিদেশিদের জন্য থাইল্যান্ডে প্রধান কর্মসংস্থানের সুযোগগুলোর মধ্যে আছে [[ইংরেজি শিক্ষা]], স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক স্কুলে শিক্ষকতা, আর ডাইভ প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ। তবে এসব ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, বিশেষ করে ডাইভ মাস্টাররা প্রায়ই কম বেতন পান।
থাইল্যান্ডে কর্মসংস্থানের সংজ্ঞা বেশ বিস্তৃত। সহজভাবে বলতে গেলে—যেকোনো কাজ, যেমন মডেলিং, অর্থের বিনিময়ে স্বেচ্ছাসেবক হওয়া, সিনেমায় অতিরিক্ত চরিত্রে অভিনয়, ইন্টার্নশিপ করা, অথবা থাইল্যান্ড-ভিত্তিক কোনো কোম্পানির জন্য কাজ করা—যদি অর্থ পাওয়া যায় তবে তা চাকরি হিসেবে গণ্য হবে এবং এজন্য আপনাকে ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে। অতীতে ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করা সাধারণ ছিল, তবে এখন কর্তৃপক্ষ অবৈধ কর্মী ও অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
বিদেশি হিসেবে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। আবেদন করতে প্রচুর কাগজপত্র লাগে—যেমন আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির কপি, কোম্পানিতে কাজের প্রমাণ ইত্যাদি। সাধারণত উচ্চ বেতনের শর্তও থাকে, তবে শিক্ষকরা এই নিয়ম থেকে অব্যাহতি পান। আপনি যদি থাইল্যান্ডভিত্তিক কোনো কোম্পানিতে কাজ করতে চান, তবে কোম্পানিটিকে আপনাকে স্পন্সর করতে হবে। কিছু অসাধু নিয়োগকর্তা এই প্রক্রিয়া এড়িয়ে গিয়ে আপনাকে নিয়মিত ভিসা রান করতে বলতে পারে (নিকটবর্তী সীমান্তে গিয়ে আবার প্রবেশ করা)। এ ধরনের প্রস্তাব অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করুন এবং কর্তৃপক্ষকে জানান, কারণ ধরা পড়লে আপনাকে দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ও কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।
কিছু পেশা বিদেশিদের জন্য নিষিদ্ধ। যেমন—বিদেশিরা আইনি সেবা (আরবিট্রেশন ছাড়া), অ্যাকাউন্টিং, ট্যুর গাইড, কিংবা বিভিন্ন সাধারণ শ্রমের কাজে নিয়োজিত হতে পারবেন না। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ও স্থপতিরা লাইসেন্স প্রমাণ করতে না পারলে এখানে কাজ করতে পারবেন না।
আইন অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে কাজ করা বিদেশিদের প্রতি '''৯০ দিনে''' একবার ইমিগ্রেশন অফিসে রিপোর্ট করতে হয়। আপনার কোম্পানি এতে সহায়তা করতে পারে, অথবা চাইলে আপনি নিজেও করতে পারবেন।
থাই ভাষায় কিছুটা দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করুন। এতে অনেক সুযোগ আপনার জন্য উন্মুক্ত হবে, কারণ অধিকাংশ থাই ইংরেজিতে সাবলীল নন।
থাইল্যান্ডে অসংখ্য ডাইভিং শপ আছে যেখানে প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাওয়া যায়। বিশেষ করে [[কো টাও]] (টার্টল আইল্যান্ড) ডাইভ প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য দারুণ জায়গা।
শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করার একটি উপায় হলো টেসল/টিইএফএল সার্টিফিকেট অর্জন করা। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টেসল স্কুলের সদর দপ্তর রয়েছে বান ফে, রায়ং গ্রামের মধ্যে। থাইল্যান্ডের অন্যান্য প্রদেশেও টিইএফএল/টিইএসওএল কোর্স হয়। উত্তর থাইল্যান্ডে চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান ক্যাম্পাসে একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি রয়েছে।
থাইল্যান্ডের কর্মসংস্কৃতি আনুষ্ঠানিক ও ঊর্ধ্বতন-ভিত্তিক। এর মানে হলো, আপনাকে সবসময় আপনার ঊর্ধ্বতনদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। যদি কোনো ঊর্ধ্বতন কিছু করতে বলেন, তবে সেটি পালন করতে হবে।
=== স্বেচ্ছাসেবা ===
স্বেচ্ছাসেবা স্থানীয় মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার এবং থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে কাছ থেকে দেখার এক চমৎকার উপায়। বিশ্বব্যাপী অনেক সংস্থা রয়েছে যারা সম্প্রদায় উন্নয়ন, সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং শিক্ষা কর্মসূচির মতো বিভিন্ন প্রকল্পে স্বেচ্ছাসেবী কাজের সুযোগ দিয়ে থাকে। নিচে কিছু প্রতিষ্ঠান দেওয়া হলো যেখানে আপনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পারেন:
* {{listing
| name=চাইল্ড’স ড্রিম ফাউন্ডেশন | url=http://www.childsdream.org | email=info@childsdream.org
| address=২৩৮/৩ উয়ালাই রোড, হাইয়া, মুয়াং, চিয়াং মাই ৫০১০০ | lat= | long= | directions=
| phone=+66 53 201811 | tollfree= | fax=
| hours= | price=স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেয় না
| content=দুইজন সুইস অর্থনীতিবিদ প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা থাইল্যান্ড, লাওস ও কম্বোডিয়ার স্কুলগুলোতে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের সুযোগ দেয়। এছাড়াও তারা বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে কাজ করে। তাদের নৈতিকতা ও দক্ষতার জন্য তারা উচ্চ প্রশংসিত।
}}
* {{listing
| name=ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট | alt=পূর্বে গ্রাসরুটস হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট নামে পরিচিত | url=http://www.ghre.org | email=
| address=মু ৪ খুক খাক, টাকুয়া পা, ফাং এনগা ৮২১২০ | lat= | long= | directions=হাইওয়ে ৪ এর কিমি ৭৯০-এ, খুক খাক (খাও লাক)
| phone=+66 76 486351 | tollfree= | fax=
| hours= | price=স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেয় না
| content=বার্মিজ ও থাইদের যৌথ উদ্যোগে গঠিত এই এনজিওটি ফাং ঙ্গা প্রদেশে (ফুকেটের উত্তরে, খাও লাক অঞ্চলে) বার্মিজ অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তা করে। এফইডি স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শরণার্থীদের আইনি সহায়তা দেয়। সংগঠনটি সীমিত সম্পদে পরিচালিত হয় এবং বেতনভুক্ত কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করে।
}}
* {{listing
| name=ইসারা ফাউন্ডেশন | url=http://www.isara.org/ | email=
| address=৮৯৭/১ মি চাই আরডি, আমফুর মুয়াং, নং খাই ৪৩০০০ | lat= | long= | directions=
| phone=+66 42 460827 | tollfree= | fax=
| hours= | price=স্বেচ্ছাসেবার জন্য কোনো অর্থ নেয় না
| content=যাদের সত্যিই প্রয়োজন তাদের সরাসরি সহায়তা প্রদান করে। ইসারার প্রকল্পগুলো শিক্ষা উন্নয়ন (ফ্রি লার্নিং সেন্টার, সরকারি স্কুলে স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষক, এবং বৃত্তি), স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (হেলমেট প্রচারণা), এবং পরিবেশ (রিসাইক্লিং সেন্টার ও আবর্জনা পরিষ্কার কর্মসূচি) এর ওপর গুরুত্ব দেয়।
}}
== খাওয়া-দাওয়া ==
[[File:Miang kham platter.jpg|thumb|''মিয়াং খাম'' (পাতায় মোড়ানো খাবার)-এর উপকরণের থালা]]
[[File:Thai green chicken curry and roti.jpg|thumb|মুরগির সঙ্গে সবুজ কারি (''ক্যাং খিয়াও ওয়ান''), পরিবেশন করা হয়েছে ''রুটি''র সঙ্গে]]
[[File:SomTam_Larb_StickyRice.JPG|thumb|একটি ঐতিহ্যবাহী [[ইসান]] খাবার: ''সোম তাম'' পেঁপের সালাদ, ''লার্ব'' মাংসের সালাদ এবং স্টিকি রাইস]]
শুধু খাবারই থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য যথেষ্ট কারণ হতে পারে। কারি, ফলের শেক, স্টার-ফ্রাই, নুডলস, তাজা মাছ নানা রকমে রান্না করা—আর এ তো শুধু শুরু। থাইল্যান্ডে খাবার হতে পারে রাস্তার স্টলে মাত্র ২৫ বাথের ''প্যাড থাই'' (ผัดไทย, থাই ফ্রাইড নুডলস) থেকে শুরু করে ব্যাংককের কোনো বিলাসবহুল হোটেলে রাজকীয় শেফের তৈরি ১০ পদের খাবারের আসর, যার দাম ১০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
যেহেতু বেশিরভাগ ব্যাকপ্যাকাররা সাধারণত প্রথম ধরনের খাবারের কাছাকাছি থাকেন, তাই থাইল্যান্ডের বড় একটি সুবিধা হলো রাস্তার স্টল বা ছোট রেস্তোরাঁর খাবার সাধারণত বেশ নিরাপদ। কিছু এশীয় দেশের মতো এখানে নোংরা রান্নাঘর বা নষ্ট খাবার নিয়ে বেশি চিন্তা করার দরকার নেই। বরং অতিরিক্ত খাওয়া বা বেশি ঝাল কারি খাওয়ার বিষয়েই বেশি সাবধান থাকা দরকার। প্রকৃতপক্ষে, রাস্তার রেস্তোরাঁগুলো যেখানে আপনি সরাসরি খাবার তৈরির প্রক্রিয়া দেখতে পান এবং সবকিছু সেখানেই রান্না হয়, সেগুলো অনেক সময় আরও নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।
থাইল্যান্ডে ইয়েল্প বা ট্রিপঅ্যাডভাইজর তেমন জনপ্রিয় নয়, এবং সেখানে বেশিরভাগ রিভিউ পর্যটকেরাই দেন, স্থানীয়রা নয়। এর পরিবর্তে, '''[https://www.wongnai.com/?locale=en বঙ্গনাই]''' হলো থাইদের কাছে রেস্তোরাঁ রিভিউয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিরেক্টরি। যদিও এর ইন্টারফেস ইংরেজিতে পাওয়া যায়, তবে বেশিরভাগ রিভিউ কেবল থাই ভাষায় লেখা।
=== শিষ্টাচার ===
থাই খাবার সাধারণত '''চামচ ও কাঁটাচামচ''' দিয়ে খাওয়া হয়। ডান হাতে চামচ ধরতে হয় এবং খাওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করতে হয়, আর কাঁটাচামচ কেবল খাবার তুলে চামচে দেওয়ার কাজে ব্যবহার হয়। চপস্টিকস কেবল নুডলস স্যুপ এবং পূর্ব এশীয় ধাঁচের খাবারের জন্য ব্যবহৃত হয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় [[ইসান]] অঞ্চলে প্রচলিত স্টিকি রাইস ডান হাতে খাওয়া হয়, তবে সাধারণ জেসমিন চাল দিয়ে তৈরি ভাত হাতে খাওয়া হয় না।
থাই খাবার সাধারণত '''একসঙ্গে ভাগাভাগি করে খাওয়া হয়'''। প্রত্যেকে নিজের জন্য ভাত এবং ছোট স্যুপ বাটি পান, তবে অন্যান্য সব পদ টেবিলের মাঝখানে সাজানো হয় এবং যেকোনো পদ থেকে আপনি খেতে পারেন। তবে অনেকের বিশ্বাস, ভাগ করা প্লেট থেকে শেষ টুকরাটি খাওয়া কিছুটা অশুভ মনে করা হয়। তাই কেউ শেষ টুকরাটি খেলে প্রায়ই অন্যদের জন্য একটি শুভকামনা করে, নিজের অশুভ দূর করার জন্য। একটি জনপ্রিয় শুভকামনা হলো—"আমার প্রেমিক/প্রেমিকা যেন সুন্দর হয়!"
খাবার সাধারণত একবারে সব পরিবেশন করা হয় না; প্রস্তুত হওয়ার সাথে সাথে একে একে পরিবেশন করা হয়। পশ্চিমা সংস্কৃতির মতো সব খাবার টেবিলে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। বরং খাবার আসার সাথে সাথেই কাছে থাকা পদ থেকে খাওয়া শুরু করাই স্বাভাবিক।
=== থাই রান্না ===
{{main|থাই রন্ধনশৈলী}}
থাই রান্নার বৈশিষ্ট্য হলো ভারসাম্য এবং তীব্র স্বাদ। বিশেষত '''লেবুর রস''', '''লেমনগ্রাস''' এবং '''তাজা ধনেপাতা'''—এই তিনের সংমিশ্রণ থাই খাবারকে দেয় আলাদা স্বাদ। এছাড়া থাই খাবারের একটি ন্যায্য খ্যাতি রয়েছে '''ঝাল''' হওয়ার জন্য। ছোট টর্পেডো আকৃতির মরিচ, ''ফ্রিক খি নু'' (พริกขี้หนู, আক্ষরিক অর্থে "ইঁদুরের বিষ্ঠা মরিচ"), অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। থাইরা ভালোভাবেই জানে যে এগুলো অনেক সময় পশ্চিমাদের সহ্যসীমার বাইরে চলে যায়, তাই তারা প্রায়ই জিজ্ঞাসা করে আপনি ঝাল খাবার পছন্দ করেন কি না (เผ็ด ''ফেট'')। "হ্যাঁ" বললে নিজ দায়িত্বে বলুন! থাই রান্নায় আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হলো '''মাছের সস''' (น้ำปลา ''নাম প্লা''), এটি একটি তীব্র গন্ধযুক্ত এবং অনেক বেশি লবণাক্ত সস, যা নানা ধরনের খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
থাই রান্না অন্তত চারটি ভিন্ন আঞ্চলিক ধরণে বিভক্ত: দক্ষিণ থাই রান্না, মধ্য থাই রান্না, উত্তর থাই রান্না এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইসান রান্না। পাশাপাশি চীনা প্রভাবও থাই খাবারে ব্যাপকভাবে বিদ্যমান, বিশেষত ব্যাংকক এবং দেশের অন্যান্য শহরের বহু বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড স্টল চীনা বংশোদ্ভূতদের মালিকানায় ও পরিচালনায় রয়েছে।
=== খাদ্য সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ===
[[File:Thai "che" sign.jpg|thumb|থাই ভাষায় "নিরামিষভোজী" চিহ্ন, যা เจ অক্ষরের একটি বিশেষ রূপ]]
'''নিরামিষভোজীরা''' থাইল্যান্ডে খুব বেশি সমস্যায় পড়বেন না, তবে একটি বড় ব্যতিক্রম রয়েছে: '''মাছের সস''' (น้ำปลา ''নাম প্লা'') থাই রান্নায় যেমন অপরিহার্য, চীনা খাবারে তেমনি সয়া সস। তাই স্যুপ, কারি ও ভাজি থেকে এটি বাদ দেওয়া বেশ কঠিন।
থাইল্যান্ড একটি বৌদ্ধ দেশ এবং নিরামিষভোজন একটি পরিচিত ধারণা, বিশেষত থাই-চীনারা এটি ভালোভাবে বোঝেন (তাদের অনেকেই বিভিন্ন উৎসবে শুধুমাত্র নিরামিষ খাবার খান)। হলুদ-লাল '''เจ''' চিহ্নযুক্ত নিরামিষ রেস্তোরাঁ খুঁজে নিন। টোফু থাই রান্নার একটি ঐতিহ্যবাহী উপাদান, এবং এটি অনেক সময় নন-ট্র্যাডিশনাল খাবার যেমন অমলেট (ডিমসহ বা ডিম ছাড়া), স্যান্ডউইচ, এমনকি বুরিটোতেও ব্যবহার করা হয়। যেহেতু থাই খাবার সাধারণত অর্ডার অনুযায়ী রান্না করা হয়, তাই মাংস বা মাছ বাদ দিয়ে খাবার বানানোর অনুরোধ করা সহজ। ব্যাংককে চমৎকার ভেজি ও ভেগান রেস্তোরাঁ রয়েছে, তবে বড় শহরের বাইরে গেলে নিশ্চিত হোন যে আপনার "ভেজি" ধারণা রাঁধুনির সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। থাই-চীনা রান্নায় সাধারণত দুগ্ধজাত দ্রব্য ব্যবহার করা হয় না, তাই নিরামিষ রেস্তোরাঁর বেশিরভাগ খাবার কার্যত '''ভেগান''', তবে ডিম ব্যবহার করা হয়েছে কি না সেটা জেনে নিন।
নিরামিষভোজীদের জন্য কিছু দরকারি বাক্য:
* ''ফম কিন জে'' (পুরুষ) / ''দি-চান কিন জে'' (মহিলা) ผม(ดิฉัน)กินเจ — "আমি কেবল নিরামিষ খাবার খাই"
* ''করুণা মাই সাই নাম প্লা'' กรุณาไม่ใส่น้ำปลา — "অনুগ্রহ করে মাছের সস ব্যবহার করবেন না"
[[File:Roti kluai khai chiang mai 03.jpg|thumb|[[চিয়াং মাই|চিয়াং মাইয়ে]] একটি হালাল খাবারের দোকান]]
থাইল্যান্ডে প্রায় ৫% মুসলিম সংখ্যালঘু রয়েছে, যারা মূলত [[দক্ষিণ থাইল্যান্ড]]ে মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি বসবাস করে। দেশজুড়ে, বিশেষত বড় শহরগুলোতে, সহজেই '''হালাল''' খাবার (อาหารมุสลิม ''আহান মুসলিম'') পাওয়া যায়। সাধারণত সবুজ অর্ধচন্দ্র ও আরবি "হালাল" শব্দ দিয়ে চিহ্নিত থাকে। তবে '''কোশের''' খাবার থাইল্যান্ডে কার্যত অজানা। আপনি যদি কোশের মেনে চলেন, তাহলে আপনার ভ্রমণের আগে যথাসময়ে '''[https://www.jewishthailand.com/ চাবাদ থাইল্যান্ডের]''' সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
যদি আপনার গুরুতর '''অ্যালার্জি''' থাকে তবে থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। লেবেলিং ও সচেতনতা খুবই কম, আর ঐতিহ্যবাহী থাই রান্নায় সয়া, মাছের সস, চিংড়ির পেস্ট ও চিনাবাদামসহ অনেক সাধারণ অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান ব্যবহৃত হয়। যদিও আপনি রেস্তোরাঁয় থাই ভাষায় উপাদান বাদ দেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন, এটি খুব কমই শোনা যায়, আর রান্নার জন্য তারা কি তেল ব্যবহার করছে তা জানারও উপায় নেই। একটি নিরাপদ উপায় হতে পারে আপনার ভ্রমণের অন্তত '''এক বছর''' আগে থেকে ধীরে ধীরে ইমিউনোথেরাপি শুরু করা।
=== রেস্তোরাঁ চেইন ===
থাইল্যান্ডে প্রচুর দেশীয় রেস্তোরাঁ চেইন রয়েছে, যেগুলোতে সাধারণ রাস্তার খাবারের মতোই খাবার পরিবেশন করা হয়। তবে এখানে আপনি পাবেন এয়ার কন্ডিশনিং, মুদ্রিত মেনু (অনেক সময় ইংরেজিতে), পরিষ্কার দোকানের সামনের অংশ—যা রাস্তার দোকানগুলোতে সচরাচর থাকে না। এগুলো প্রধানত [[ব্যাংকক|ব্যাংককে]] কেন্দ্রীভূত, তবে বড় শহর ও জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায়ও এক-দুটি শাখা পাওয়া যায়।
* {{see
| name=কোকা '''এবং''' এমকে | alt= | url= | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | fax=
| hours= | price=
| content=থাইল্যান্ডজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই চেইনগুলো বিশেষভাবে পরিবেশন করে ''সুকি'' (গরম পাতিলে সেদ্ধ করা খাবার), যা অনেকের কাছে "হটপট" বা "স্টিমবোট" নামে পরিচিত। টেবিলের মাঝখানে একটি কড়াই বসানো হয়, আপনি আলাদা আলাদা উপকরণ (প্রতি আইটেম ১০–৩০ বাহত) কিনে নিজের মতো করে স্যুপ রান্না করতে পারেন। যত বেশি সময় নিয়ে খাওয়া হয়, তত বেশি সুস্বাদু হয়, আর যত বড় দলে থাকবেন, মজাটাও তত বাড়বে!
}}
* {{eat
| name=ফুজি | alt= | url=http://www.fuji.co.th | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| content=এবং '''জেন''' সাশ্রয়ী মূল্যে চমকপ্রদ জাপানি খাবার পরিবেশন করে। দামও বেশ কম—ভাত/নুডলস প্রধান খাবার ১০০ বাহতের নিচে, আর ৫০০ বাহতের কম খরচে আপনি প্রচুর সুশি খেতে পারবেন।
}}
* {{see
| name=কুয়ায়তিউ রুয়া সিয়াম | alt= | url= | email=
| address= | lat= | long= | directions=শুধু থাই ভাষায় সাইনবোর্ড; নৌকার আকারের সাজসজ্জা এবং লাল রঙের শূকর লোগো খুঁজে নিন
| phone= | fax=
| hours= | price=
| content=খুবই সস্তা নুডলস, দাম শুরু মাত্র ২৫ বাহত থেকে। পরিবেশনের পরিমাণ কম, তবে এত কম দামে চাইলে দুটো অর্ডার করতে পারেন! ইংরেজিভাষী গ্রাহকদের জন্য কোনো ছাড় নেই, তাই ছবির দিকে দেখিয়ে অর্ডার দিন এবং ঝাল স্যুপের ব্যাপারে সাবধান থাকুন।
}}
* {{eat
| name=এসএন্ডপি | alt= | url=http://www.sandp.co.th | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| content=এই চেইনের শাখাগুলো বেকারি, ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ একসঙ্গে। তবে মেনুতে আপনি সব জনপ্রিয় থাই খাবার এবং আরও অনেক কিছু পাবেন। প্রায় সবকিছুই ভালো মানের। পরিমাণ তুলনামূলক ছোট হলেও দাম ৫০–১০০ বাহতের মধ্যে।
}}
* {{see
| name=ইয়াম সাপ | alt= | url= | email=
| address= | lat= | long= | directions=শুধু থাই ভাষায় সাইনবোর্ড; বড় হলুদ হাসির লোগো খুঁজে নিন
| phone= | fax=
| hours= | price=
| content=তাদের বিশেষত্ব থাই-স্টাইল সালাদ (''ইয়াম''), তবে অন্য সব সাধারণ খাবারও পাওয়া যায়। দাম বেশ কম, প্রধান খাবার প্রায় ৫০ বাহতের মধ্যে।
}}
* {{see
| name=আফটার ইউ | alt= | url=https://www.afteryoudessertcafe.com/en/ | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | fax=
| hours= | price=
| content=স্থানীয় একটি ডেজার্ট ক্যাফে চেইন, যেখানে কোরিয়ান স্টাইলের বরফকুচি (বিংসু) পরিবেশন করা হয়, তবে অনেক থাই স্বাদের সঙ্গে। ব্যাংককের তরুণদের মধ্যে খুব জনপ্রিয়।
}}
আর হ্যাঁ, চাইলে আপনি ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, পিজ্জা হাট, কোমালাস ইত্যাদি সাধারণ ফাস্টফুডও পেয়ে যাবেন। তবে যদি ম্যাকডোনাল্ডসে যান, অন্তত তাদের ভিন্নধর্মী ফ্রাইড চিকেনের সঙ্গে ''ম্যাকসোমট্যাম'' (সবুজ পেঁপের সালাদ) চেখে দেখুন। আমেরিকান স্টাইল পিৎজার জন্য চাইলে "দ্য পিৎজা কোম্পানি" ট্রাই করতে পারেন—এটি সস্তা এবং (অনেকের মতে) সুস্বাদু স্থানীয় বিকল্প।
==পানীয়==
[[File:Soicowboy.JPG|thumb|ব্যাংককের সোই কাউবয় এলাকার একটি গো-গো বার]]
থাইল্যান্ড তার রাতের জীবনের জন্য বিখ্যাত। এখানে সমুদ্রতীরের কুটিরে অ্যাকুস্টিক গিটার বাজানো আর বৈধ গাঁজা টানার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে তারকাখ্যাত ডিজের সঙ্গীত আর আড়ম্বরপূর্ণ ককটেল পরিবেশনকারী আধুনিক নাইটক্লাব পর্যন্ত সবই আছে। [[কো ফানগান|কো ফানগানের]] ফুল মুন পার্টি বিশ্বজুড়ে ব্যাকপ্যাকারদের আকর্ষণ করে। প্রতিটি থাই সমুদ্রতীরবর্তী রিসর্টের নিজস্ব রাতের বিনোদন এলাকা থাকে। আর [[ব্যাংকক|ব্যাংককের]] অফারগুলো ধোঁয়াটে জ্যাজ ক্লাব থেকে শুরু করে বিশাল খোলা বিয়ারের বাগান পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে প্রতি রাতে [[ইসান]] এলাকার ''কুক থুং'' ও ''মর লাম'' ঘরানার গায়করা গান করেন।
থাইল্যান্ডে বড় একটি '''যৌন শিল্প'''ও আছে, যা পর্যটকদের চোখে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় [[ব্যাংকক]], [[পাতায়া]] এবং [[পাটং|পাটংয়ের]] (ফুকেট) ঝলমলে গো-গো বারে। এগুলো মূলত পর্যটকদের জন্য তৈরি। যদিও এগুলো [[#পতিতাবৃত্তি|পতিতাবৃত্তির]] আড়াল, যা থাইল্যান্ডে আইনি দিক থেকে ধূসর এলাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ, তবুও কেবল পানীয় আর শো দেখার জন্য সেখানে যাওয়া সাধারণত সমস্যা নয়।
২০২২ সালে '''গাঁজা''' পুরোপুরি বৈধ করা হয় এবং রাতারাতি ১০,০০০-এর বেশি দোকান খোলা হয়। সরকার মাঝে মাঝে বলে গাঁজা বিক্রি শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে সীমিত করবে, কিন্তু জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত সব আগের মতোই চলছে। কোথায় ধূমপান করা যাবে তার নিয়ম আছে এবং প্রায় সব অন্য মাদকদ্রব্য কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, আর এর শাস্তি খুবই কঠিন। বিস্তারিত জানতে দেখুন [[#মাদক|মাদক]]।
===অ্যালকোহল===
থাইল্যান্ডে অ্যালকোহল পান করা, বিশেষ করে যদি পশ্চিমা ধাঁচের পানীয় পছন্দ করেন, তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হলেও পশ্চিমা মানদণ্ডের তুলনায় এখনো সাশ্রয়ী।
সুপারমার্কেট ও আন্তর্জাতিক চেইন কনভিনিয়েন্স স্টোরে খুচরা অ্যালকোহল বিক্রি সকাল ১১টা–দুপুর ২টা এবং বিকাল ৫টা–মধ্যরাত পর্যন্ত সীমিত। রেস্টুরেন্ট ও বার এই নিয়মের আওতায় নয় এবং ছোট, স্থানীয় দোকানগুলো সচরাচর এই নিয়ম মানে না। তবে ৭-ইলেভেন কঠোরভাবে এটি অনুসরণ করে। কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়ম কিছুটা শিথিল থাকে। যেমন, আপনি যদি সীমিত সময়ে ৫ লিটার ওয়াইন কিনতে চান তা সম্ভব নয়, কিন্তু একই সময়ে ১০ লিটার কিনতে চাইলে হয়তো অনুমতি পাওয়া যাবে। গ্যাস স্টেশনের কনভিনিয়েন্স স্টোরে কোনো সময়েই অ্যালকোহল বিক্রি করা যায় না।
বছরের কিছু নির্দিষ্ট দিনে কোথাও অ্যালকোহল বিক্রি করা যায় না। ছোট দোকানগুলিও সেসব দিনে নিয়ম মেনে চলে এবং বেশিরভাগ বার ও পানশালাও বন্ধ থাকে (যদিও আপনি খুব চেষ্টা করলে হয়তো কোথাও একটা বিয়ার পেতে পারেন)। কেবলমাত্র উচ্চমানের হোটেলের বার ও রেস্টুরেন্টগুলো বাস্তবে এই নিয়ম থেকে কিছুটা মুক্ত থাকতে পারে। ধর্মীয় ছুটি ও নির্বাচন সাধারণত এই নিষেধাজ্ঞার কারণ।
====বিয়ার====
পশ্চিমা ধাঁচের বিয়ার (เบียร์ ''বিয়া'') থাইল্যান্ডে কিছুটা আভিজাত্যপূর্ণ পানীয় হিসেবে ধরা হয়। বেশিরভাগ পাব, বার ও রেস্তোরাঁয় ছোট বোতলের দাম সাধারণত ৪০ থেকে ১০০ বাথের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। থাইরা তুলনামূলকভাবে বেশি অ্যালকোহলযুক্ত লেগার (প্রায় ৬%) পছন্দ করে, কারণ এগুলো বরফ দিয়ে পান করার জন্য তৈরি। তাই থাইল্যান্ডের বিয়ার আপনার অভ্যাসের চেয়ে বেশি শক্তিশালী মনে হতে পারে। তবে আপনি যদি ইউরোপ বা অস্ট্রেলিয়া থেকে এসে থাকেন, তাহলে এটি আপনাকে স্বাভাবিকই লাগবে।
[[File:Craft beer of Thailand many brands คราฟท์เบียร์ไทย หลายยี่ห้อ.jpg|left|thumb|থাই ক্রাফট বিয়ার কেবলমাত্র তাদের নিজস্ব ব্রুয়ারি থেকেই কেনা যায়]]
আপনি যদি ভাবেন কেন থাইল্যান্ডে ছোট ব্র্যান্ডের স্থানীয় বিয়ার খুঁজে পাওয়া যায় না, তার কারণ চাহিদার অভাব নয়। সরকারের লিকার কন্ট্রোল আইনের অধীনে কেবল সেইসব ব্রুয়ারিকেই লাইসেন্স দেওয়া হয় যারা বছরে এক কোটি লিটার বা তার বেশি বিয়ার উৎপাদন করে। এই পরিমাণের ব্রুয়ারি তৈরি করতে ১ বিলিয়ন বাথের বেশি খরচ হয়, তাই আপনি যে স্থানীয় বিয়ার কিনতে পারবেন সেগুলো কেবল দুই বড় থাই কোম্পানি তৈরি করে: থাইবেভ (চ্যাং, আর্চা) এবং বুন রাওড ব্রুয়ারি (সিংহা, লিও)। ছোট, স্বাধীন ব্রুয়ারিগুলোর আইনত অনুমতি নেই তাদের বিয়ার দোকান, বার ও রেস্তোরাঁয় বিক্রি করার, যা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে। এর ফাঁক গলে কিছু "থাই" ক্রাফট বিয়ার বিদেশে তৈরি হয় এবং তাই "বিদেশি" বিয়ার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হয়, যা দোকানে স্বাভাবিকভাবে বিক্রি করা যায়। থাই অর্থ মন্ত্রণালয় দাবি করে এ ধরনের বিধিনিষেধ গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্য জরুরি, তবে থাইল্যান্ডে [https://www.bangkokpost.com/opinion/opinion/1735823/call-time-on-beer-barons ক্রমবর্ধমান চাপ] রয়েছে স্বাধীন ব্রুয়ারির উপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নেওয়ার জন্য।
* [[File:Rong Muang, Pathum Wan, Bangkok 10330, Thailand - panoramio.jpg|thumb|ব্যাংককে এক বোতল চ্যাং]]'''স্থানীয় বিয়ার''': বহু বছর ধরে একমাত্র স্থানীয় বিয়ার ছিল '''সিংহা''' (উচ্চারণ শুধু ''সিং'')। তবে এটি এখন সস্তা ও বেশি শক্তিশালী '''চ্যাং'''-এর কাছে বাজার হারিয়েছে। দুটোই বেশ শক্তিশালী (চ্যাং বিশেষভাবে ৬%, আর সিংহা ৫%), তবে যারা হালকা কিছু পছন্দ করেন তাদের জন্য উভয় ব্র্যান্ডই কম অ্যালকোহলযুক্ত সংস্করণ চালু করেছে। '''সিংহা লাইট''' ৩.৫%, '''চ্যাং ড্রাফট''' ৫% এবং '''চ্যাং লাইট''' ৪.২%। এছাড়াও কিছু সস্তা স্থানীয় বিয়ার আছে – '''লিও''' (খুব জনপ্রিয়, সিংহার চেয়ে ১০–২০% সস্তা) এবং '''আর্চা''' (সবচেয়ে সস্তা, আর এর স্বাদের অভাবে বারে এটি পাবেন না, তবে প্রায় সব ৭-ইলেভেনে পাওয়া যায়) সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
* '''প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড''': সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হলো '''হাইনিকেন''' ও '''টাইগার''', তবে '''সান মিগুয়েল''', '''ফেডারব্রাউ''' এবং জাপানের '''আসাহি'''র মতো অন্যান্য এশীয় বিয়ারও যথেষ্ট প্রচলিত। প্রিমিয়াম বিয়ারগুলো সাধারণত পূর্ণ-শক্তির স্থানীয় বিয়ারের তুলনায় একটু হালকা এবং প্রায় ১০–২০% বেশি দামী।
* '''আমদানি করা বিয়ার''': পর্যটন এলাকাগুলোর উচ্চমানের পাবগুলোতে সাধারণত স্থানীয় ব্র্যান্ডের সঙ্গে অন্তত কয়েকটি আমদানি করা বিয়ার থাকে, ড্রাফট, বোতল বা উভয় আকারেই। বেলজিয়ান ও জার্মান বিয়ার প্রায়ই পাওয়া যায়, সঙ্গে আয়ারিশ স্টাউট ও এলস যেমন '''গিনেস''', ব্রিটিশ বিটারস যেমন '''জন স্মিথস''' এবং হালকা মেক্সিকান বিয়ার '''কোরোনা''' জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আঞ্চলিক প্রিয় '''বিয়ারলাও'''ও এখন দেশের বিভিন্ন বার ও পাবে পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিয়ারলাও ছাড়া সব আমদানি করা বিয়ার স্থানীয় বিয়ারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামী, কারণ অ্যালকোহল আমদানিতে উচ্চ শুল্ক রয়েছে।
* '''অন্যান্য নন-বিয়ার পানীয়''': থাইল্যান্ডে সাধারণ আলকোপপস পাওয়া যায়, যেখানে '''বাকার্ডি ব্রিজার''' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। '''স্পাই''' ওয়াইন কুলার (প্রায় ১০টি ধরনের) জনপ্রিয়। '''সাইডার''' পাওয়া কঠিন, যদিও কিছু পাব '''ম্যাগনার্স''' ও '''বুলমারস''' রাখতে শুরু করেছে।
====আমদানি করা পানীয়====
আমদানি করা মদ, ওয়াইন এবং বিয়ার সহজেই পাওয়া যায়, কিন্তু সাধারণ থাই মানুষের জন্য এগুলোর দাম অত্যন্ত বেশি। যেকোনো ব্র্যান্ডের মদের এক শটের দাম কমপক্ষে ১০০ বাথ, এক পাইন্ট '''গিনেস''' খেতে খরচ হবে অন্তত ২০০ বাথ আর অদ্ভুত এক ৩৪০% করের কারণে সবচেয়ে সস্তা ওয়াইনও কিনতে ৫০০ বাথের বেশি লাগবে। সস্তা বারে (বিশেষত গো-গো ধরনের) পরিচিত বোতলের '''জ্যাক ড্যানিয়েলস'''-এর ভেতরের জিনিসটি হয়তো আসলে সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু হতে পারে।
====চালের মদ====
থাই চালের মদ (สาโท ''সাতো'') আসলে আঠালো চাল দিয়ে তৈরি এক ধরনের বিয়ার, যা জাপানি ''সাকে''র আত্মীয় বলা যায়। যদিও ঐতিহ্যগতভাবে এটি [[ইসান]] অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত, এখন এটি সারা দেশে '''সিয়াম সাতো''' ব্র্যান্ডে বিক্রি হয়। ৭-ইলেভেন-এ ০.৬৫ লিটার বোতল মাত্র ২৫ বাথ। ৮% অ্যালকোহলযুক্ত এই পানীয় সস্তা ও তেজি, তবে পরের দিন সকালে হয়তো আফসোস হবে! মূলত এই পানীয়টি মাটির পাত্রে তৈরি ও পরিবেশন করা হতো, যেগুলোকে বলা হয় ''হাই''। এই কারণেই এর আরেক নাম ''লাও হাই'' (เหล้าไห)। এগুলো পরিবেশন করা হয় পাত্রের সিল ভেঙে, পানি যোগ করে, তারপর গ্লাসে বা ঐতিহ্য অনুযায়ী সরাসরি খড় দিয়ে পাত্র থেকেই পান করে।
====হুইস্কি/রাম====
[[File:SangSom soda.jpg|thumb|সোডা পানির সঙ্গে স্যাং সোম রাম (แสงโสม โซดา ''স্যাং সোম সোডা'') – একটি জনপ্রিয় স্থানীয় পানীয়। মশার কয়েল ঐচ্ছিক।]]
'''থাই হুইস্কি''' (''লাও'') নামে পরিচিত পানীয় আসলে বিভিন্ন ধরনের মদের সমষ্টি। সবচেয়ে পরিচিত হলো কুখ্যাত '''মেকখং''' (แม่โขง ''মেকখং'') ব্র্যান্ড এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী, তুলনায় বেশি মিষ্টি '''স্যাং সোম''' (แสงโสม ''স্যাং সোম''), যেগুলো দুটোই মূলত আখ থেকে তৈরি এবং তাই আসলে রাম। হুইস্কির সঙ্গে মিল বলতে শুধু বাদামি রঙ আর বেশি অ্যালকোহল, আর কিছু মানুষের কাছে এর গন্ধ নখের রং তোলার দ্রব্যের মতো মনে হয়। তবে স্বাদ ততটা খারাপ নয়, বিশেষত কোলা বা সোডা পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে। এটি অনেক সস্তায় মাতাল হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়, কারণ যেকোনো কনভিনিয়েন্স স্টোর বা সুপারমার্কেট থেকে ছোট ফ্লাস্ক কিনতে মাত্র ৫০ বাথের মতো খরচ হয়।
"আসল" থাই হুইস্কি হলো ''লাও খাও'' (เหล้าขาว "সাদা মদ"), যা চাল থেকে পাতন করা হয়। বাণিজ্যিক সংস্করণ পাওয়া যায় বটে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি ঘরে তৈরি মদ হিসেবে পাতন করা হয়, তখন এটিকে ''লাও থুয়ান'' ("জঙ্গলের মদ") বলা হয়। ভেষজ মিশিয়ে স্বাদ ও ঔষধি গুণ বাড়ানো হলে তাকে বলা হয় ''ইয়া ডং'' (ยาดอง)। কঠোরভাবে বলতে গেলে দুটোই অবৈধ, কিন্তু কেউ তেমন পাত্তা দেয় না। বিশেষত [[North (Thailand)|উত্তর থাইল্যান্ডে]] পাহাড়ি উপজাতির সঙ্গে ভ্রমণে গেলে আপনাকে এটি স্বাদ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে, আর অন্তত এক চুমুক নেওয়াই শোভন।
===বরফ ঠান্ডা পানীয়===
'''নারিকেলের পানি''' (น้ำมะพร้าว ''নাম মা-প্রাও'') বরফ ঠান্ডা করে সরাসরি কচি নারিকেল থেকে পান করা সস্তা, সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর। এটি রেস্তোরাঁয় এবং ফলের জুস বিক্রেতাদের কাছেও পাওয়া যায়।
বিভিন্ন ধরনের ফলের জুস, ফ্রিজ আর মিল্কশেক থাই ও পর্যটক উভয়ের কাছেই খুব জনপ্রিয়। বেশিরভাগ ক্যাফে ও রেস্তোরাঁয় এর দাম ২০–৪০ বাথ, তবে বোতলজাত টাটকা '''থাই মিষ্টি কমলার জুস''' (น้ำส้ม ''নাম সোম'') — যা সত্যিই কমলা রঙের! — রাস্তার দোকানে ১৫–৩০ বাথেই বিক্রি হয়। থাইরা প্রায়ই তাদের ফলের জুসে লবণ যোগ করে, যা অভ্যাস করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে কিন্তু এক সময় হয়তো আপনারও ভালো লাগবে। থাইরা রাস্তার ধারের বরফ ঠান্ডা ফলের জুসে তুলসী বীজও মেশাতে পছন্দ করে। বোতলের তলায় ছোট ছোট জেলির মতো দেখতে বলগুলোই আসলে এই বীজ।
===চা ও কফি===
[[File:Cha_yen.JPG|thumb|থাই আইসড টি]]
থাইল্যান্ডের সবচেয়ে পরিচিত পানীয়গুলোর একটি হলো '''থাই আইসড টি''' (ชาเย็น ''চা ইয়েন'', অর্থাৎ "ঠান্ডা চা")। এর উজ্জ্বল কমলা রঙের কারণে সহজেই চিনে নেওয়া যায়, যা তৈরি হয় তেঁতুল বীজ গুঁড়ো (বা আজকাল কৃত্রিম রঙ) মেশানো আরোগ্যকরণ প্রক্রিয়ার ফলে। এই আইসড টি সাধারণত খুবই গাঢ় আর খুব মিষ্টি হয়, আর সাধারণত ঘন দুধ ও ইভাপোরেটেড মিল্ক মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়; যদি দুধ ছাড়া চান তবে ''চা দাম ইয়েন'' বলুন। স্থানীয়দের মধ্যে আরেকটি জনপ্রিয় ভ্যারিয়েশন হলো '''থাই হট টি''' (ชาร้อน ''চা রন''), যা সাধারণত সকালে বাজারে বিক্রি হয় এবং চীনা স্টাইলের ''ইয়াওতিয়াও'' (油條) ফ্রিটার্সের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, থাই ভাষায় যেগুলোকে বলা হয় ''পাতংকো'' (ปาท่องโก๋)।
''নাম চা'' ও ''চা জিন'' হলো হালকা ও পূর্ণস্বাদের চীনা চা, যা প্রায়ই রেস্তোরাঁয় বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কফিও (กาแฟ ''কাফে'') ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়, সাধারণত ঘন দুধ ও প্রচুর চিনি দিয়ে পরিবেশন করা হয়। ইনস্ট্যান্টের বদলে ঐতিহ্যবাহী ফিল্টার ব্যাগ কফি চাইলে ''কাফে থুং'' বলুন।
থাইল্যান্ডে স্টারবাকস আছে, তবে আপাতত স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী '''ব্ল্যাক ক্যানিয়ন কফি''' আর '''এস অ্যান্ড পি''' এখনো বাজারে এগিয়ে। আপনি যদি ট্রিপল-মোচা লাটে উইথ হ্যাজেলনাট swirl খুঁজে থাকেন এবং ১০০ বাথ খরচ করতে রাজি থাকেন, তাহলে এগুলোই খোঁজার জায়গা।
*{{drink
| name=ব্ল্যাক ক্যানিয়ন কফি | alt= | url=http://blackcanyoncoffee.com | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| content=থাইল্যান্ডের হোম-ব্রু স্টারবাকস। কফিই তাদের মূল আকর্ষণ, তবে তারা সীমিত খাবারের মেনুও দেয়। ''চা ইয়েন'' (দুধসহ উজ্জ্বল কমলা রঙের থাই আইসড টি) চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
}}
===এনার্জি ড্রিঙ্ক===
রেড বুল ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিঙ্কের জন্মভূমি থাইল্যান্ড – এটি আসলে থাইল্যান্ডের আসল ''ক্রাথিং ডেং'' (กระทิงแดง, "রেড বুল")-এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও পুনঃব্র্যান্ড করা সংস্করণ, যেটির পরিচিত লোগোতে দেখা যায় মুখোমুখি দুটি ষাঁড়।
তবে থাই সংস্করণটি সিরাপের মতো ঘন মিষ্টি, কার্বনেটেড নয় এবং ওষুধের মতো দেখতে বাদামি কাচের বোতলে বিক্রি হয়। এর লক্ষ্য করা গ্রাহকরা ঝকঝকে নাইটক্লাবের তরুণরা নয়, বরং শ্রমিক ও বাসচালকের মতো কর্মজীবী মানুষ, যাদের একটু শক্তি বাড়ানো প্রয়োজন। আর শক্তি বাড়ানোতে এটি সত্যিই কার্যকর; এর ক্যাফেইনের মাত্রা পশ্চিমা ধাঁচের রেড বুলের চেয়েও বেশি এবং এর প্রভাব দুই-তিন শট এসপ্রেসো কফির সমান। ক্রাথিং ডেং এবং এর বহু প্রতিদ্বন্দ্বী (যেমন M150, শার্ক, .357 এবং অবশ্যম্ভাবী ''কারাবাও ডেং'' – "রেড বাফেলো") যেকোনো কনভিনিয়েন্স স্টোরে মাত্র ১০ বাথেই পাওয়া যায়, যদিও কিছু জায়গায় এখন আমদানি করা রেড বুল পাঁচগুণ দামে বিক্রি হয়।
== রাত্রিযাপন ==
{{cautionbox|অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড একটি '''অত্যন্ত বিষাক্ত''' রাসায়নিক, যা কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং থাই হোটেলগুলোতে এর কারণে '''প্রাণঘাতী বিষক্রিয়া'''র ঘটনা ঘটেছে। এটি অবৈধ হলেও বাজারে পাওয়া যায়। নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের কীটনাশক ব্যবহারের নীতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন এবং থাকার আগে কক্ষটি পরীক্ষা করে নিন। যদি ধূসর-সবুজ-হলুদ গুঁড়া দেখেন বা পচা মাছ বা রসুনের মতো গন্ধ পান, তবে সম্ভবত সেখানে অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড ব্যবহার করা হয়েছে, আর এ ক্ষেত্রে অন্য কোথাও থাকা ভালো।
যারা অনলাইনে কোনো থাকার জায়গা নিয়ে নেতিবাচক রিভিউ লিখেছেন, তাদের গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। থাই মানহানি আইন খুবই কঠোর, আর সত্যি হলেও মন্তব্যগুলো অবৈধ ধরা হতে পারে বা অন্তত প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত অবৈধ বলে বিবেচিত হয়। তাই থাইল্যান্ড ছেড়ে যাওয়ার আগে কোনো নেতিবাচক রিভিউ '''লিখবেন না'''।|lastedit=permanent}}
[[File:Bangkok 2008 020.JPG|thumb|[[খাও সান রোড]] ব্যাংককে বাজেট আবাসন খুঁজে পাওয়ার সেরা জায়গা]]
থাইল্যান্ডে সব বাজেটের আবাসন রয়েছে। দাম ঠিক করার আগে সবসময় ঘরটি (অথবা ভালো হয় যদি কয়েকটি ঘর দেখেন, কারণ মালিকরা কখনো কখনো আগে সস্তা ঘরগুলো দেখায়) দেখে নিন। ছোট আকারের প্রতিষ্ঠানে চেক আউটের সময় সমস্যা এড়াতে লিখিতভাবে দাম নিশ্চিত করে নিন।
থাইল্যান্ডে এয়ারবিএনবি অবৈধ, শুধুমাত্র ৩০ দিনের বেশি থাকার ক্ষেত্রে এটি বৈধ।
থাইল্যান্ডের অফ সিজনে (মে–আগস্ট) থাকার সেরা দাম (প্রকাশিত মূল্যের চেয়ে ৩০–৫০% কম) পাওয়া যায়, যা স্বাভাবিকভাবেই বর্ষা মৌসুমের সঙ্গে মিলে যায়। পিক সিজন হলো ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি।
উল্লিখিত দামগুলো দেশের গড় দাম, যা অঞ্চল ও মৌসুমভেদে পরিবর্তিত হয়। ছোট প্রাদেশিক শহরে বিলাসবহুল হোটেল বা রিসর্ট থাকবে না, আর জনপ্রিয় দ্বীপের সমুদ্রসৈকতে এমনকি অফ সিজনেও ৩০০–৪০০ বাথের কমে কিছু খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে।
{{infobox|থাই ইনকিপিং-এর আয়রন রুলস|মাঝে মাঝে মনে হয় থাই বাজেট ও মাঝারি মানের হোটেলগুলো অতিথিকক্ষের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। কিছু বহুল প্রচলিত নিয়ম হলো:
* '''বাথরুম তোয়ালে রাখার র্যাক/হুক''' – থাকলেও আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে দেওয়া তোয়ালের চেয়ে এক কম র্যাক বা হুক থাকবে।
* '''আলো''' – হোটেল মালিকরা যেন শপথ নেন যে কখনো বাথরুমের আয়নার কাছে আলো দেবেন না, যাতে দাড়ি কাটা বা মেকআপ করা যায়। এই নিয়ম বিছানার পাশে থাকা আলোতেও প্রযোজ্য।
* '''ইলেকট্রিকাল সকেট''' – থাকলেও তা যেন সবচেয়ে অযৌক্তিক জায়গায় বসানো হয়। তিন-পিন গ্রাউন্ডেড সকেট না থাকলে হোটেল অতিরিক্ত কৃতিত্ব পায়।}}
পশ্চিমা ভ্রমণকারীদের জন্য আরেকটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার – থাইল্যান্ডের বেশিরভাগ হোটেলে, এমনকি নতুন এবং সুন্দরভাবে সাজানো হোটেলেও, শাওয়ার সিস্টেমে পানির ছিটানো আটকানোর জন্য কোনো আলাদা অংশ (যেমন পর্দা বা দরজা) থাকে না। ফলে বাথরুমে সব জায়গায় পানি ছড়িয়ে যায়। একটি সাধারণ ড্রেন আর শাওয়ার পর্দা দিলে বিষয়টি অনেক সহজ হতো, কিন্তু মালিকরা মনে হয় এটিকে প্রয়োজনীয় মনে করেন না। তাই অতিথিদের এই অস্বাভাবিক বাথরুম বিন্যাসের প্রতি সহনশীল হতে হয় এবং নিজেদের মানিয়ে নিতে হয়।
'''হোমস্টে''' গ্রামীণ এলাকায় সাধারণ। এর মানে সাধারণত আপনি হোস্টের বাড়িতে বা তাদের সম্পত্তিতে থাকবেন, যা সাধারণ বাণিজ্যিক আবাসনের মতো নয়। সাধারণত খাবারও এর সঙ্গে থাকে।
'''গেস্টহাউস''' সাধারণত সবচেয়ে সস্তা বিকল্প। বেসিক গেস্টহাউসের দাম প্রতি রাতে ঘরপ্রতি ৫০০ বাথ (ডর্ম বেডের জন্য ১০০ বা কম)। এতে আপনি একটি ফ্যানসহ ঘর, স্কোয়াট টয়লেট (প্রায়শই শেয়ারড), শাওয়ার (শেয়ারড বা প্রাইভেট) আর তেমন কিছু পাবেন না। ভালো গেস্টহাউসগুলো, বিশেষত যেখানে বিদেশি অতিথি বেশি, সেখানে সুবিধাও বেশি থাকে (ইউরোপীয় ধাঁচের টয়লেট, ২৪ ঘণ্টার গরম শাওয়ার, বড় ঘর বা বারান্দা, ফ্রি ওয়াই-ফাই, কখনো কখনো টিভি, দৈনিক রুম সার্ভিস, ফ্রিজ)। এর দাম ২০০–৫০০ বাথের মধ্যে থাকে, যা থাই হোটেলের কাছাকাছি। পার্থক্য হলো এগুলো পশ্চিমা অতিথিদের দিকে বেশি মনোযোগী এবং প্রায়শই বিভিন্ন ট্যুর (কখনো ওভারপ্রাইসড), কম্পিউটার এবং/অথবা ইন-রুম ইন্টারনেট, এমনকি নিচতলায় রেস্টুরেন্টও থাকে।
আপনি যদি কোনো গেস্টহাউস নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন এবং কয়েক দিনের বেশি থাকতে চান (বিশেষত অফ সিজনে বা যেখানে প্রচুর আবাসনের বিকল্প আছে যেমন চিয়াং মাই), তাহলে ছাড় চাইতে পারেন। এটি সব জায়গায় দেওয়া হয় না, তবে দেওয়া হলে সাপ্তাহিক হারে প্রায় ২৫% কম হতে পারে, আর মাসিক হারে প্রায় অর্ধেক পর্যন্ত কম হয়। সাধারণত আপনাকে পুরো সময়ের জন্য আগাম টাকা দিতে হবে। যদি পরিকল্পনা পরিবর্তন হয় আর আগেভাগে চেক আউট করতে হয়, থাইল্যান্ডে রিফান্ড দেওয়া রীতি নয়। তাই যদি আগেভাগে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে (তবে নিশ্চিত নয়), তাহলে আগেই মালিক/ম্যানেজারের সঙ্গে আলোচনা করুন।
'''[[হোস্টেল]]'''ও একটি বিকল্প, মূলত বড় শহর আর জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায়। তবে বাজেট আবাসনের প্রাচুর্য আর থাইদের কাছে হোস্টেল ধারণাটি অপরিচিত হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত কক্ষসহ গেস্টহাউসের দাম প্রায় একই বা ডর্ম বেডের চেয়েও সস্তা হতে পারে। আপনি হয়তো কিছুটা বেশি পশ্চিমা ধাঁচের বা হোটেল-সদৃশ অভ্যন্তরীণ সজ্জা পাবেন, কিন্তু এর বিনিময়ে গোপনীয়তা কম হবে।
[[File:Sala Choengmon Pool Villa.jpg|thumb|[[কো সামুই]]র একটি বিলাসবহুল ভিলা]]
'''থাই হোটেল''' সাধারণত ৫০০ বাথ থেকে শুরু হয় এবং প্রায় ১৫০০ বাথে শেষ হয়। এই সীমার উঁচু দিকের কক্ষগুলোতে এয়ারকন্ডিশন থাকে, নিচের দিকেরগুলোতে থাকে না। মূল পার্থক্য হলো হোটেল কক্ষে আপনার বাথরুম ব্যক্তিগত হবে, বিছানার চাদর ও তোয়ালে দেওয়া হবে এবং কখনো গরম শাওয়ারও থাকতে পারে। অতিথিদের বেশিরভাগই থাই। টিভি সাধারণত থাকে, তবে ইন্টারনেট গেস্টহাউসের চেয়ে কম পাওয়া যায়; আর বিনামূল্যে বা কক্ষে ইন্টারনেট পাওয়ার সম্ভাবনা আরও কম।
'''ট্যুরিস্ট হোটেল''' সাধারণত প্রায় ১,০০০ বাথ এবং সমুদ্রসৈকতের ছুটির জন্য প্রয়োজনীয় বেসিক সুবিধা দেয়: সুইমিং পুল, রুম সার্ভিস আর টিভি।
'''বুটিক হোটেল''', ২,০০০ বাথ থেকে শুরু, গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। এগুলোতে সাধারণত ১০টির কম কক্ষ থাকে আর সেবাও ব্যক্তিগতকৃত হয়। যদিও এগুলো অসাধারণ হতে পারে, মান অনেক রকম হয়, তাই গবেষণা করা জরুরি।
'''বিজনেস ও লাক্সারি হোটেল''', ৪,০০০ বাথ থেকে শুরু, আপনার কল্পনা করা প্রায় সব আধুনিক সুবিধা দেয়। আন্তর্জাতিক চেইনগুলো এখানে রয়েছে, তবে বিশ্বে যেকোনো জায়গার হোটেলের মতোই মনে হবে। কিছু হোটেল, বিশেষত [[ব্যাংকক/সিলোম#রাত্রিযাপন|ব্যাংককের]] '''দ্য ওরিয়েন্টাল''', '''দ্য সুকোথাই''' আর '''দ্য পেনিনসুলা''' বিশ্বের সেরা হোটেলের মধ্যে পড়ে। সবচেয়ে বিলাসবহুল '''রিসর্ট'''ও এই দামের শ্রেণিতে পড়ে, আর সেরাদের মধ্যে কিছুতে দামের সঙ্গে আরও কয়েকটি শূন্য যোগ হয়।
'''ক্যাম্পিং''' থাইল্যান্ডে একটি দুঃসাহসিক অভিজ্ঞতা, যা আপনাকে প্রচলিত পথের বাইরে নিয়ে যায় আর এমন জায়গায় নিয়ে যায় যেখানে পর্যটকরা খুব কম যান। জাতীয় উদ্যানে থাকা জন্য ক্যাম্পিং একটি চমৎকার উপায়, যেখানে একরকমভাবে প্রতি ক্যাম্পসাইটের জন্য ৮০ বাথ নেয়া হয়। আপনার কাছে সরঞ্জাম না থাকলে পার্ক রেঞ্জারদের কাছ থেকে সব কিছু ভাড়া নিতে পারবেন। ব্যক্তিগত ক্যাম্পসাইটও রয়েছে। দ্বীপগুলো দেখার সবচেয়ে সস্তা উপায়ও এটি। আপনি [[কো তারুতা]]ওর মতো জায়গায় সরাসরি সৈকতে ক্যাম্প করতে পারেন।
তবে থাইল্যান্ডে ক্যাম্পিং কিছু বাড়তি চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। যেমন, [[দক্ষিণ থাইল্যান্ড|দক্ষিণ থাইল্যান্ডের]] দুষ্ট বানরগুলো আপনার তাঁবু লুট করতে পারে। কখনো খাবার ভেতরে রাখবেন না। আরেকটি সমস্যা হলো সরঞ্জাম পাওয়া, যদি আপনি নিজে না নিয়ে আসেন। উদাহরণস্বরূপ, থাইল্যান্ডে বুটেন স্টোভ সাধারণ, কিন্তু পশ্চিমা দেশে জনপ্রিয় আইসোবুটেন হাইকিং স্টোভ এখানে অজানা। অন্যান্য ক্যাম্পিং সামগ্রী কেবল বড় আউটডোর দোকান যেমন ডেকাথলন (ব্যাংকক, চিয়াং মাই, নাখন রাতচাসিমা, পাটায়া ও ফুকেট) বা ব্যাংককের সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ড মলে পাওয়া যায়।
==নিরাপদ থাকুন==
থাইল্যান্ডে পর্যটকদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হলো '''মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা'''। বিশেষ করে [[ফুকেট]] ও [[সামুই]]র সরু, পাহাড়ি আর আঁকাবাঁকা রাস্তায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটে। তাই সবসময় সতর্কভাবে চালান, হেলমেট পরুন, মদ্যপ অবস্থায় চালাবেন না এবং রাতের ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন। সহিংস অপরাধ সাধারণত খুবই বিরল, আর বিদেশিরা সাধারণত সমস্যায় পড়েন মদ্যপ অবস্থায় ঝগড়া করলে।
===রাজনৈতিক অস্থিরতা===
[[File:พริษฐ์ ชิวารักษ์ เพนกวิน Parit Chiwarak Penguin.jpg|thumb|"হাঙ্গার গেমস" প্রতিবাদের হাতের ইশারা]]
থাইল্যান্ডের দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার ইতিহাস রয়েছে; ১৯৩২ সাল থেকে ১২টি সফল সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে। পর্যটকরা সাধারণত এ থেকে প্রভাবিত হন না, টার্গেট তো দূরের কথা। তবে ২০০৮ সালে এক বিরোধী গোষ্ঠী ব্যাংককের দুই বিমানবন্দর এক সপ্তাহের জন্য দখল করে রাখে, যা পর্যটন ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।
২০১৪ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত থাইল্যান্ড সামরিক জান্তার অধীনে ছিল। ২০১৯ সালের প্রকাশ্য কারচুপির নির্বাচনের পর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সামরিক নেতৃত্বাধীন সরকার অপসারণ ও রাজতন্ত্র বিলুপ্তির দাবিতে তরুণদের নেতৃত্বে ব্যাপক প্রতিবাদ হয়, যা প্রায়শই তিনটি মধ্যম আঙুল একসঙ্গে তোলা হাতের ইশারায় প্রতীকীভাবে প্রকাশ করা হতো। এ ধরনের প্রতিবাদ থেকে দূরে থাকুন, কারণ কর্তৃপক্ষ প্রায়ই কঠোরভাবে দমন করে। প্রতিবাদে প্রবল চীনবিরোধী মনোভাবও থাকে, তাই মূল ভূখণ্ড চীনের পর্যটকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।
মার্চ ২০২৫ অনুযায়ী, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় না যাওয়াই ভালো। সেখানে চলমান গৃহযুদ্ধ ও জাতিগত সংঘাত রয়েছে, যা বলা হয় থাইল্যান্ড ও চীনের সীমান্তের কাছে সবচেয়ে ভয়াবহ।
===রাজতন্ত্র অবমাননা===
'''রাজতন্ত্রকে অসম্মান করা''' (''লেসে-মাজেস্তে'') থাইল্যান্ডে আইনত অপরাধ, যার শাস্তি বাধ্যতামূলক ৩ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড। রাজা, রাজপরিবারের কোনো সদস্য বা তাদের সম্পর্কিত কিছু (যেমন তাদের পোষা প্রাণী বা চেহারা) নিয়ে নেতিবাচক বা অসম্মানজনক মন্তব্য করবেন না। এটি আপনাকে সরাসরি জেলে পাঠাতে পারে এবং আপনার দূতাবাস/কনস্যুলেটও খুব একটা সাহায্য করতে পারবে না। যেহেতু রাজা দেশের মুদ্রায় আছেন, তাই কোনো নোট বা কয়েন পোড়াবেন না, ছিঁড়বেন না বা বিকৃত করবেন না, বিশেষত অন্য থাইদের সামনে। যদি মুদ্রা মাটিতে পড়ে যায়, তা থামানোর জন্য পায়ে দেবেন না—এটি রাজাকে পায়ে দেওয়া হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া ''দ্য কিং অ্যান্ড আই'' আর ''আন্না অ্যান্ড দ্য কিং'' গল্প বা সিনেমার কোনো সংস্করণ থাইল্যান্ডে রাখা অবৈধ। প্রায় সব থাই, এমনকি যারা অন্য দেশে আছেন, এসব গল্পকে অপমানজনক ও সম্পূর্ণ ভুল মনে করেন।
পূর্বের অংশে বর্ণিত তিনটি মধ্যম আঙুল একসঙ্গে তোলা হাতের ইশারাটি, যা ২০২০ সালের প্রতিবাদে ব্যবহৃত হতো, সেটিও রাজতন্ত্রের প্রতি অসম্মানজনক হিসেবে গণ্য হয়।
যদিও মূলত থাই নাগরিকদেরই লেসে-মাজেস্তে আইনে অভিযুক্ত করা হয় (কখনো রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে), কিছু বিদেশিকেও অভিযুক্ত ও এমনকি জেলেও পাঠানো হয়েছে, যেসব মন্তব্য পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে তেমন আলোড়ন তুলত না। দোষ স্বীকার করে রাজকীয় ক্ষমা প্রার্থনা করা সাধারণত মুক্তির দ্রুততম উপায় হিসেবে দেখা হয়, যদিও তাতেও কয়েক মাসের প্রাক-বিচার আটক আর জেল এড়ানো যায় না।
===দুর্নীতি===
প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস বা কম্বোডিয়ার মতো এতটা খারাপ না হলেও, থাইল্যান্ডে দুর্নীতি এখনো বেশ সাধারণ। থাই ট্রাফিক পুলিশ প্রায়ই পর্যটকদের ছোটখাটো ট্রাফিক ভঙ্গের অজুহাতে প্রায় ২০০ বাথ ঘুষ চায়। মালয়েশিয়া সীমান্তের অভিবাসন কর্মকর্তাদের কেউ কেউ পাসপোর্টে সিল দেওয়ার আগে প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ২০ বাথ ঘুষ চাইতে পারেন, যদিও বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা ঘুষ নেন না।
===প্রতারণা===
থাইল্যান্ডে [[প্রতারণা|প্রতারণা]]র অভাব নেই, তবে কিছু সাধারণ বুদ্ধি প্রয়োগ করলে বেশিরভাগই এড়ানো যায়।
বিপদের চেয়ে বিরক্তিকর বেশি, একটি সাধারণ প্রতারণা হলো টাউট, ট্যাক্সি চালক বা টুকটুক চালকরা গুরুত্বপূর্ণ মন্দির বা স্মৃতিস্তম্ভের পাশে পশ্চিমা পর্যটকদের জন্য অপেক্ষা করে বলে যে সাইটটি কোনো "বৌদ্ধ ছুটি", "মেরামত" বা অন্য কোনো কারণে বন্ধ। তখন "সহায়ক" চালক ভ্রমণকারীদের অন্য কোথাও, যেমন কোনো বাজার বা দোকানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। যারা রাজি হন তারা প্রায়শই শহরের বাইরে অতি দামী বাজারে পৌঁছে যান, যেখান থেকে ফিরে আসার সহজ উপায় থাকে না। তাই আপনি যে সাইটে যাচ্ছেন, সেটি সত্যিই বন্ধ কিনা তা ফ্রন্ট গেটে যাচাই করুন।
[[File:PhuketStreet.jpg|thumb|ফুকেটে টুকটুক]]
কিছু টুকটুক চালক চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া চাইতে পারে, অথবা ঠিকানা না বুঝার ভান করে আপনাকে কোনো সেক্স শোতে নিয়ে যেতে পারে (ওখান থেকে তারা কমিশন পায়)। একই কারণে, বিশেষত বড় পর্যটন এলাকার কাছে যেসব চালক নিজেরাই সেবা প্রস্তাব করে, তাদের এড়িয়ে চলুন। সাধারণত একজন বিদেশির জন্য মিটারযুক্ত ট্যাক্সি নেওয়া টুকটুকের চেয়ে সস্তা হয়।
বিমানবন্দরে কোনো দর্শনীয় স্থান ট্যুর কিনবেন না। কিনলে তারা হোটেলে ফোন করে বারবার মনে করিয়ে দেবে। ট্যুরের সময় আপনাকে সংক্ষেপে কোনো ছোট মন্দিরে নিয়ে যাবে (গাইড ছাড়া) এবং তারপর একের পর এক দোকানে (ওখান থেকেও তারা কমিশন পায়)। সব দোকান না দেখা পর্যন্ত তারা হয়তো আপনাকে ফিরিয়ে নিতে চাইবে না। ফেরার পথে আপনাকে আরও ট্যুর কিনতে চাপ দেবে।
চর্চার মাধ্যমে সহজেই চিনে নেওয়া যায় – পর্যটন এলাকায় প্রায়ই একজন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সুন্দর পোশাক পরা এবং হাতে মোবাইলফোন থাকা ব্যক্তি আপনার কাছে এসে আপনার দেশ, পরিবার বা ভ্রমণসূচি নিয়ে ভদ্রভাবে কথা বলবে। শেষে কথোপকথন চলে যাবে প্রতারণার মূল বিষয়ে। এটি কখনো অতিরিক্ত দামের কান্তোকে খাবার ও শোর টিকিট হতে পারে, আবার [[ব্যাংকক]]ের কুখ্যাত '''রত্ন প্রতারণা'''র মতো গুরুতর কিছুও হতে পারে। একবার চিহ্নিত করতে পারলে সচেতন ভ্রমণকারীর জন্য এই ধরনের প্রতারকদের ভিড় থেকে চিনে নেওয়া কঠিন হবে না। ইস্ত্রি করা প্যান্ট-শার্ট, নতুন কাটা চুল আর আধুনিক মোবাইলফোন তাদের "ইউনিফর্ম"। তারা কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়া পর্যটন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে – সচেতন ভ্রমণকারীর জন্য তাদের চিনে নেওয়া সহজ।
অনেক পর্যটক এমন তরুণ থাই মেয়েদের মুখোমুখি হন যাদের হাতে থাকে একটি ক্লিপবোর্ড আর মুখে হাসি। তারা প্রায়ই আপনার জাতীয়তা জানতে চায় এবং বলে "দয়া করে আমাকে ৩০ বাথ আয় করতে সাহায্য করুন"। তারা আপনাকে একটি পর্যটন প্রশ্নাবলি পূরণ করতে বলে (যাতে আপনার হোটেলের নাম ও রুম নম্বর থাকে), আর আপনাকে "পুরস্কার জেতার" লোভ দেখায়। পরে সবাইকে ফোন করে জানানো হয় তারা "উইনার"; তবে পুরস্কার পেতে হলে আপনাকে একটি ক্লান্তিকর টাইমশেয়ার উপস্থাপনায় যেতে হবে। আপনি না গেলে সেই মেয়েটি তার ৩০ বাথ পায় না। শুধু ইংরেজিভাষী জাতীয়তাদেরই সাধারণত টার্গেট করা হয়।
একটি গুরুতর প্রতারণা হলো ব্যাংকক বিমানবন্দরের ডিউটি-ফ্রি শপে আপনাকে চুরির অভিযোগে ফাঁসানো। এটি কখনো ঘটে অস্পষ্ট সীমানা পার হয়ে হাতে পণ্য নিয়ে চলে যাওয়া বা আপনাকে "ফ্রি গিফট" দেওয়ার মাধ্যমে। সবসময় রসিদ নিন। অভিযুক্তদের দীর্ঘ কারাদণ্ডের হুমকি দেওয়া হয় এবং পরে তাদের বলা হয় সমস্যাটি দূর করতে এবং থাইল্যান্ড ছেড়ে যেতে অন্তত ১০,০০০ মার্কিন ডলার "জামিন" দিতে হবে। যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন, আপনার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের আইনজীবী বা দোভাষী ব্যবহার করুন, পাশে দাঁড়ানো "সহায়ক" লোকটির নয়।
===ভুয়া ভিক্ষু===
থেরবাদ বৌদ্ধধর্ম থাই সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, আর সকালে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের রাস্তায় বেরিয়ে দান সংগ্রহ করা একটি স্বাভাবিক দৃশ্য। দুর্ভাগ্যবশত, স্থানীয় বৌদ্ধ প্রথা সম্পর্কে অজ্ঞ বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু ভুয়া ভিক্ষু এখন নিরীহ দর্শনার্থীদের টার্গেট করছে। প্রকৃত ভিক্ষুরা কেবল সকালে দান সংগ্রহে বের হন, কারণ দুপুরের পর তাদের খাওয়া নিষিদ্ধ, আর তারা টাকা গ্রহণ বা স্পর্শ করতেও পারেন না। ভিক্ষাপাত্র শুধুমাত্র খাবার সংগ্রহের জন্য। আপনি যদি কোনো "ভিক্ষু"কে টাকা চাইতে বা তার ভিক্ষাপাত্রে টাকা দেখতে পান, তিনি ভুয়া।
ভিক্ষুর ছদ্মবেশ ধারণ করা থাইল্যান্ডে গুরুতর অপরাধ, তাই আপনি কোনো ভুয়া ভিক্ষু দেখলে পুলিশকে জানাতে পারেন।
===রাতের বাসে ডাকাতি===
থাইল্যান্ড পর্যটকদের জন্য বেশ নিরাপদ। তবে রাতের বাসে ভ্রমণের সময় কিছু মানুষকে মাদক খাইয়ে ডাকাতির শিকার করার খবর পাওয়া গেছে। এ থেকে বাঁচতে সস্তা বা বেসরকারি বাস এড়িয়ে চলুন, সব টাকা মানিবেল্ট বা অন্য কোনো হাতের নাগালের বাইরে নিরাপদ জায়গায় রাখুন এবং নামার আগে সব মূল্যবান জিনিসপত্র পরীক্ষা করুন। আপনার সহযাত্রীদেরও এই বিপদের বিষয়ে সতর্ক করা উচিত।
যদি ডাকাতির শিকার হন, দৃঢ়ভাবে বাস থেকে নামতে অস্বীকার করুন, সবার কাছে বিষয়টি জানান এবং অবিলম্বে পুলিশ ডাকুন। তবে এটি সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে, কারণ আপনি নামতে অস্বীকার করলে কর্মীরা আপনার লাগেজ রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে বাস চালিয়ে যেতে পারে, ফলে আপনাকে নামতে বা লাগেজ হারাতে বাধ্য হতে হতে পারে।
===পতিতাবৃত্তি===
থাইল্যান্ডে পতিতাবৃত্তি অবৈধ, তবে আইন মূলত অপ্রাপ্তবয়স্ক যৌনকর্মীর ক্লায়েন্ট, মানব পাচারকারী ও দালালদের লক্ষ্য করে। দুইজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে বাণিজ্যিক যৌনকর্ম সাধারণত খুব একটা অভিযুক্ত হয় না।
থাইল্যান্ডে যৌন সম্পর্কের ন্যূনতম বয়স ১৫ বছর, কিন্তু ১৮ বছরের কম বয়সী পতিতার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন অপরাধ। নাবালকের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের জন্য থাইল্যান্ডে কঠোর শাস্তি রয়েছে এবং থাইল্যান্ডে বয়সসীমা পার হলেও আপনার নিজ দেশের আইন অনুযায়ীও আপনি অভিযুক্ত হতে পারেন। বয়স নিশ্চিত করতে চাইলে মনে রাখবেন, সব প্রাপ্তবয়স্ক থাই নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র বহন করতে হয়, যেখানে তাদের জন্মতারিখ উল্লেখ থাকে। যদি কারো বয়স ১ জানুয়ারি {{CURRENTYEAR}}-এ ১৮ বছর বা তার বেশি হয়, তবে তাদের জন্মতারিখ হবে {{#expr:{{CURRENTYEAR}}+525}} বা তার আগে (থাই ক্যালেন্ডারে {{CURRENTYEAR}} সাল হলো {{#expr:{{CURRENTYEAR}}+543}})।
কিছু যৌনকর্মী “ফ্রিল্যান্সার” হলেও বেশিরভাগই বার বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। বার গার্ল, গো-গো গার্ল এবং ফ্রিল্যান্সার সবাই পেশাদার, যারা মূলত অর্থেই আগ্রহী, কোনো সম্পর্কের প্রতি নয়। অনেক দর্শনার্থী প্রেমে পড়ে পরে সর্বস্ব হারানোর ঘটনা প্রচুর। থাইল্যান্ডে এসটিডি (যৌনবাহিত রোগ) সংক্রমণের হার বেশি, যার মধ্যে এইচআইভি/এইডসও আছে, যা সাধারণ জনগণ ও যৌনকর্মী উভয়ের মধ্যেই দেখা যায়। থাইল্যান্ডে সব কনভিনিয়েন্স শপ ও ফার্মেসিতে সহজেই কনডম পাওয়া যায়, তবে এগুলো পশ্চিমা কনডমের মতো নিরাপদ নাও হতে পারে।
পতিতাবৃত্তির কিছু দিক (যেমন দালালি, রাস্তা থেকে ডেকে নেওয়া) অবৈধ হলেও আইনের প্রয়োগ শিথিল, আর দেহব্যবসার আড্ডাখানা সাধারণ দৃশ্য। থাই আইনে "স্পেশাল সার্ভিসেস" ব্যতিক্রম বা "বার ফাইন" দেওয়া বৈধ হওয়ায় যৌনকর্মের জন্য অর্থ প্রদান আইনত অপরাধ নয়।
===ভেপিং===
থাইল্যান্ডে ই-সিগারেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর আইন আছে… তাত্ত্বিকভাবে আপনি বলতে পারেন এটি থাইল্যান্ডে পতিতাবৃত্তির মতোই অবৈধ ([[পাতায়া]])। মালিকানার জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল হতে পারে (বা আমদানির ক্ষেত্রে), যদিও বিদেশিদের বিরুদ্ধে এমন শাস্তি বাস্তবে কার্যকর হওয়ার ঘটনা প্রায় নেই। পুলিশ ধরলে সাধারণত "জরিমানা" দেওয়ার বিষয়েই শেষ হয়। জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় প্রায়ই লোকজনকে প্রকাশ্যে ভেপ করতে দেখা যায় এবং ব্যাংকক আর পাটায়ায় রাস্তায় অনেক স্টল বা পুরোপুরি দোকান আছে যেখানে অবৈধভাবে ভেপ বিক্রি হয়। পাটায়ায় সাধারণ ডিসপোজেবল ভেপের ভালো দাম প্রায় ১০ হাজার পাফের জন্য ৩০০ বাথ। নিজের ভেপ নিয়ে থাইল্যান্ডে আসার সময় কাস্টমসে সমস্যার রিপোর্ট অনলাইনে প্রায় নেই।
তবে সংক্ষেপে বললে – আপনি যদি ভেপ করেন, জনসমক্ষে বিশেষ করে পুলিশ অফিসারদের সামনে এটি না করাই ভালো। আইন খুব বেশি কার্যকর না হলেও এটি এখনো অবৈধ এবং আপনি নিজের ঝুঁকিতেই এটি করবেন।
===মাদক===
[[File:Cannabis cafe in-Thailand IMG 2319 w3072.jpg|250px|right|thumb|[[কো সামুই]]র একটি "ক্যানাবিস ক্যাফে"। সীমিত হলেও থাইল্যান্ডে বিনোদনমূলক গাঁজা ব্যবহার বৈধ। ক্যাফেগুলো সাধারণত রাতের এলাকা বা রেড-লাইট জোনে থাকে এবং প্রায়শই পর্যটকদের আকর্ষণ করতে ইংরেজি ভাষায় বিজ্ঞাপন দেয়।]]
দীর্ঘদিন ধরে কঠোর মাদক আইনের জন্য কুখ্যাত থাইল্যান্ড ২০১৮ সালে বড় পরিবর্তন আনে, যখন এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য '''গাঁজা''' (กัญชา ''গাঞ্জা'') বৈধ করে। এখন বিনোদনমূলক ব্যবহারেরও অনুমতি রয়েছে, যদিও ভবিষ্যতে কেবল চিকিৎসা ব্যবহারে সীমিত করা এবং প্রেসক্রিপশন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা আছে। গাঁজা থেকে তৈরি সব ধরনের খাবারে (এডিবল) টিএইচসি ০.২%-এর মধ্যে সীমিত রাখা হয়, কিন্তু ফুল, পাতা বা কাণ্ডের মতো গাছের অংশে শক্তির কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। জনসমক্ষে খাওয়া বৈধ নয়, তবে ব্যক্তিগত বাড়ি ও যেসব ক্যাফে বা বার অনুমতি দেয় সেখানে বৈধ। ভেপিং, আমদানি ও রপ্তানি এখনো অবৈধ।
'''ক্রাটম''' (ต้นกระท่อม ''টন ক্রাটম'') – একটি স্থানীয় গাছ যার পাতা হালকা উত্তেজক হিসেবে চিবিয়ে খাওয়া হয় – ২০২১ সালে পুরোপুরি বৈধ করা হয়।
'''অন্যান্য সব মাদকের ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড এখনো অত্যন্ত কঠোর নীতি বজায় রেখেছে''', বিশেষত মেথঅ্যামফেটামিন (ยาบ้า ''ইয়া বা'', "পাগলা ওষুধ"), যা একটি বড় সামাজিক সমস্যা। বিদেশি পাসপোর্ট আইনি ঝামেলা থেকে আপনাকে রক্ষা করবে না। যে অপরাধ অন্য দেশে ট্রাফিক টিকিটের মতো হতো, থাইল্যান্ডে তার জন্য আজীবন কারাদণ্ড বা এমনকি মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। পুলিশ প্রায়শই নাইটক্লাবে হানা দেয়, বিশেষত [[ব্যাংকক|ব্যাংককে]], যেখানে তারা প্রস্রাব পরীক্ষা ও সকল অতিথিকে তল্লাশি করে। [[কো ফানগান|কো ফানগানের]] কুখ্যাত মাদক-ভরা ফুল মুন পার্টিও প্রায়ই পুলিশের নজর কাড়ে।
থাইল্যান্ডে মাদক রাখার শাস্তি মাদকের ধরন, পরিমাণ এবং উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। আপনি যদি ঝুঁকি নিয়ে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেপ্তার হন, তবে প্রথমেই আপনার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। দূতাবাস আপনাকে জেল থেকে বের করতে পারবে না, তবে আপনার পরিবারকে জানাতে এবং যোগাযোগযোগ্য আইনজীবী বা দোভাষীর তালিকা দিতে পারবে।
থাই আইনে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও আইনজীবীর কার্যকারিতা সীমিত। ছোট অপরাধের শাস্তি ২,০০০ বাথ জরিমানা ও দেশ থেকে বহিষ্কার হতে পারে। তবে এমন রায় পেতে হলে সিস্টেম সম্পর্কে অজ্ঞ কারো বহিরাগত সাহায্য, অনুবাদ, জামিন ইত্যাদি প্রয়োজন হয়। তাই মাদকমুক্ত থাকুন, যেন এসব শাস্তির চিন্তা না করতে হয়।
===গৃহযুদ্ধ ও সন্ত্রাসবাদ===
[[File:Fishing Village in Narathiwat.jpg|thumb|নারাথিওয়াতের একটি জেলেপাড়া]]
২০০৪ সালে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয় দক্ষিণের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোতে – [[নারাথিওয়াত]], [[পাত্তানি]] এবং [[ইয়ালা]]। এগুলো সাধারণ পর্যটন পথের বাইরে, যদিও [[হাত ইয়াই]] থেকে [[সুংগাই কোলক]] (যা [[মালয়েশিয়া]]র পূর্ব উপকূলে যাওয়ার গেটওয়ে) পর্যন্ত পূর্বাঞ্চলীয় রেললাইন এই এলাকায় দিয়ে যায় এবং কয়েকবার হামলায় ব্যাহত হয়েছে। সহিংসতা ২০০৪–২০১৫ সালের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র ছিল এবং এখন ধীরে ধীরে কমছে।
[[হাত ইয়াই]] (দক্ষিণ থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর) যা [[সঙখলা]] প্রদেশে অবস্থিত, সেখানেও সম্পর্কিত একাধিক বোমা হামলা হয়েছে। তবে হাত ইয়াই থেকে [[বাটারওয়ার্থ]] (পশ্চিম উপকূলে) যাওয়ার মূল আন্তঃসীমান্ত রেললাইন এতে প্রভাবিত হয়নি, আর কোনো দ্বীপ বা পশ্চিম উপকূলের সৈকতকেও টার্গেট করা হয়নি। বড় শহরগুলোতে সাধারণত শক্তিশালী সেনা উপস্থিতি থাকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, আর বিদেশি পর্যটকদের বেশিরভাগই কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন না।
২০১৫ সালে উয়ঘুর ইসলামপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা [[ব্যাংকক]]ের ইরাওয়ান মন্দিরে একটি সন্ত্রাসী হামলা চালায়, যা চীনা পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় একটি স্থান। তবে এটিকে সাধারণত একক ঘটনা হিসেবে ধরা হয় এবং আবার ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম।
থাইল্যান্ডের গভীর দক্ষিণের প্রদেশগুলো এখনো জরুরি আইনের আওতায় থাকলেও, ২০২২ অনুযায়ী এই এলাকায় পর্যটকদের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি নেই। সামরিক চেকপয়েন্ট এখনো রয়েছে এবং সৈন্যরা এখনো জনসমাগমস্থল ও ট্রেনে অবস্থান করে, তবে তারা পর্যটকদের বিরক্ত করে না।
===পরিচয়পত্র===
থাই আইনের নিয়ম অনুযায়ী সবাইকে সব সময় সঙ্গে পরিচয়পত্র রাখতে হয়।
আপনার পাসপোর্ট এবং ভিসা স্ট্যাম্পের পাতার একটি ফটোকপি করে রাখুন। ফোনে তোলা একটি ছবিও কাজ করবে। সব সময় আপনার পাসপোর্ট বা তার কপি সঙ্গে রাখুন (আইন অনুযায়ী আসল পাসপোর্ট রাখতে হয়, কিন্তু বাস্তবে সাধারণত ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হয়)। অনেক নাইট ক্লাব বয়স প্রমাণের জন্য পাসপোর্ট (শুধুমাত্র পাসপোর্ট) চাইতে পারে। হোটেলে চেক-ইনের সময় পাসপোর্ট জমা রাখা বাধ্যতামূলক নয়।
মোটরসাইকেল ভাড়ার দোকানগুলো জামানত হিসেবে আপনার পাসপোর্ট চাইতে পারে। এর পরিবর্তে অন্য কোনো নথি (ড্রাইভিং লাইসেন্স, আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স, দ্বিতীয় পাসপোর্ট, আইডি কার্ড) দেওয়া ভালো, অথবা নগদ টাকা জামানত হিসেবে দেওয়ার কথাও ভাবতে পারেন।
===নিরাপত্তা===
নিজের '''তালা''' সঙ্গে রাখা ভালো, কারণ বাজেট রুমগুলোতে কখনো কখনো সাধারণ দরজার তালার পরিবর্তে (বা তার সঙ্গে) এই তালা ব্যবহার করা হয়। বাড়তি চাবিটি নিরাপদ কোনো জায়গায়, যেমন আপনার মানিবেল্টে রাখুন; নাহলে আসল চাবি হারালে আপনাকে বাড়তি খরচ ও ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। এছাড়াও এমন কোনো তার বা কেবল রাখার কথা ভাবতে পারেন যা দিয়ে আপনার ব্যাগকে এমন কিছুতে আটকানো যায় যা দরজা বা জানালা দিয়ে বের করা সম্ভব নয়।
===বন্যপ্রাণী===
থাইল্যান্ডে কয়েকটি বিপজ্জনক প্রাণী আছে। সবচেয়ে সাধারণ ঝুঁকি হলো '''আবদার কুকুর''' (স্ট্রে ডগ), যাদের ব্যাংককের রাস্তাতেও প্রায়ই দেখা যায়। বেশিরভাগই শান্ত এবং ক্ষতিকর নয়, কিন্তু কিছু কুকুর জলাতঙ্ক বহন করতে পারে, তাই তাদের থেকে দূরে থাকুন এবং কোনো অবস্থাতেই খাবার বা আদর দেবেন না। তারা আক্রমণ করতে এলে দৌড়াবেন না, কারণ এতে তারা শিকার ভেবে তাড়া করবে। বরং ধীরে ধীরে সরে যান।
'''বানর''' দেখতে মিষ্টি আর বন্ধুসুলভ মনে হতে পারে, কিন্তু যেসব এলাকায় পর্যটকরা তাদের অভ্যাস নষ্ট করেছে সেখানে তারা মানুষের কাছ থেকে খাবার আশা করে। তারা খুব চালাক চোর হতে পারে এবং কামড়ও দিতে পারে। কুকুরের মতোই, তাদের কামড় খাওয়া বিপজ্জনক, কারণ তারা রোগ ও ভাইরাস বহন করতে পারে। বেশিরভাগ শহুরে এলাকায় "আবদার" বানর নেই, তবে [[লোপবুরি]] বানরের জন্য বিখ্যাত।
বিষাক্ত '''সাপ''' থাইল্যান্ডজুড়ে পাওয়া যায়, লম্বা ঘাস বা ঝরনার ধারে লুকিয়ে থাকে। তারা সাধারণত মানুষ এড়িয়ে চলে, তাই দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা কম, কিন্তু ভয় পেলে বা উসকানি পেলে কামড়াতে পারে। অজানা সাপ দেখলে সবচেয়ে ভালো হলো স্থির থাকা, যতক্ষণ না সেটি চলে যায়। আর '''সিয়ামিজ কুমির''' প্রায় বিলুপ্ত, যা কেবল কয়েকটি দূরবর্তী জাতীয় উদ্যানে পাওয়া যায়।
'''গুইসাপ''' বা মনিটর লিজার্ড জঙ্গলে সাধারণ এবং কখনো কখনো শহুরে এলাকায়ও (বিশেষত ব্যাংককে) দেখা যায়। ভয়ঙ্কর চেহারা হলেও তারা সাধারণত মানুষের ভয় পায় এবং দূরে থাকার চেষ্টা করে। গুইসাপ সুরক্ষিত প্রজাতি, অর্থাৎ তাদের শিকার, আহত করা বা পোষা প্রাণী হিসেবে রাখা অবৈধ। থাইল্যান্ডে গুইসাপ নিয়ে মতভেদ আছে; কেউ তাদের সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করেন, আবার অনেকে তাদের অপছন্দ করেন, ময়লা প্রাণী হিসেবে দেখেন। একটি কুসংস্কার আছে যে, যদি গুইসাপ আপনার বাড়িতে ঢোকে, তবে সৌভাগ্য আসবে।
===বর্ণবাদ===
থাইল্যান্ড মোটের ওপর একটি সমজাতীয় দেশ। দেশের বড় অংশে বিদেশিরা খুব বেশি যান না, আর থাই ও অ-থাইদের মধ্যে মেলামেশাও খুব সাধারণ নয়। অ-এশীয় চেহারার মানুষরা কম পর্যটক-যাওয়া জায়গায় (যেমন জনসাধারণের বাজার, সরকারি স্কুল) বেশি চোখে পড়তে পারেন এবং ছোট শিশু ও বড়দের কৌতূহলী দৃষ্টির শিকার হতে পারেন। এটি মোটেই শত্রুতার ইঙ্গিত নয়।
আপনি কোনো ধরনের বর্ণবাদী আচরণ বা অপমানের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই '''কম'''; থাইরা সাধারণত বিদেশিদের খারাপভাবে আচরণ করাকে লজ্জাজনক মনে করে।
যদিও থাইল্যান্ড আতিথেয়তার জন্য পরিচিত, অনেক থাই মানুষ মনে করেন বিদেশিরা থাইল্যান্ডে দীর্ঘমেয়াদে থাকতে বা থাই সমাজে মিশে যেতে আগ্রহী নয়। অ-এশীয় চেহারার মানুষদের প্রায়শই পর্যটক বা অস্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে ধরা হয়, এমনকি তারা দীর্ঘদিন এখানে থাকলেও বা প্রাকৃতিকীকৃত থাই নাগরিক হলেও।
===মারামারি===
পর্যটক ও বিদেশিদের ভিড় আছে এমন জায়গায় – বিশেষত বার আর বিনোদনকেন্দ্রে – '''মারামারি ও ঝগড়া অস্বাভাবিক নয়'''। বেশিরভাগ মারামারিই মদের সঙ্গে জড়িত। প্রায়ই একাধিক মানুষ এতে জড়িয়ে পড়ে এবং অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনাও থাকে।
থাইদের সঙ্গে প্রকাশ্যে ঝগড়া বা চিৎকারে যাবেন '''না''', এমনকি তারা ভুল করলেও। এতে থাই ব্যক্তির “মুখ হারানো” হতে পারে এবং সহিংসতার ঝুঁকি বাড়ে। ২০১৯ সালে একজন আইরিশ পর্যটক স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রকাশ্যে ঝগড়া করার পর একটি বিনোদনকেন্দ্রে দশজনের হাতে মার খেয়েছিলেন।
===ভূমিকম্প ও সুনামি===
দক্ষিণ থাইল্যান্ড ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, যেখানে ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকি আছে। এর মূল কারণ হলো ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট (যা ভারত মহাসাগর ও উপমহাদেশ বহন করছে), যা যেন উল্টোদিকে ঘোরা এক স্কিড করা ট্রাকের মতো উত্তরের দিকে ধাক্কা দিচ্ছে। এই অঞ্চলে এটি ছোট বার্মা প্লেটের (যা আন্দামান সাগর বহন করছে) সঙ্গে ধাক্কা খায়। প্লেটগুলো একে অপরের পাশ দিয়ে ঘষা খেতে খেতে (“স্লিপ-স্ট্রাইক” সংঘর্ষ) ভূমিকম্প ঘটায়। ভারতীয় প্লেটটি বার্মা প্লেটের নিচে ঠেলে দেওয়াও হচ্ছে (সাবডাকশন), যার ফলে সমুদ্রতল উঠে যায়, পানি সরিয়ে যায় এবং সুনামি তৈরি হয়। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে, যখন প্রায় ১,০০০ মাইল ফাটলরেখাজুড়ে সমুদ্রতল কয়েক মিটার হঠাৎ উঠে যায়। দুই ঘণ্টা পর ২০ মিনিট ব্যবধানে তিনটি ঢেউয়ে সুনামি থাইল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে এবং ৮,০০০-এর বেশি মানুষ মারা যায়।
তখনও ছিল না, এখনো কার্যকর কোনো স্থানীয় সতর্কতা ব্যবস্থা নেই, কারণ (প্রশান্ত মহাসাগরের মতো নয়) ভারত মহাসাগরে বড় সুনামি শতাব্দীতে একবারের ঘটনা হিসেবে ধরা হয়। “১৮৮৩ সালের ক্রাকাটোয়ার পর আর হয়নি” – এটাই প্রচলিত কথা। তবে ২০০৪ সালের ট্র্যাজেডির স্মৃতি এখনো প্রবল। ভূমিকম্প অনুভূত হলে উপকূল থেকে লোকজন হুড়োহুড়ি করে পালাতে পারে, ফলে যানজট ও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আপনার সিদ্ধান্ত হবে – ভবন ভেঙে পড়ার আগে বাইরে ছুটবেন নাকি ভেতরে গিয়ে তৃতীয় তলার ওপরে উঠবেন।
বার্মা প্লেট আবার সুনদা প্লেটের (যা উপদ্বীপের মূলভূমি ও পূর্ব সাগর বহন করছে) সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। এই নড়াচড়া তুলনামূলক কম সহিংস, তবে এই ফাটলরেখা সরাসরি পশ্চিম উপকূলের নিচে হওয়ায় এই ভূমিকম্পগুলো স্থানীয়ভাবে বেশি প্রভাব ফেলে এবং সুনামি তাৎক্ষণিক আঘাত হানতে পারে। মধ্য ও উত্তর থাইল্যান্ড তুলনামূলকভাবে কম ভূমিকম্পপ্রবণ হলেও ২০১৪ সালের মায়ে লাও ভূমিকম্প, যা চিয়াং রাইকে কেন্দ্র করে ছিল, একজনের মৃত্যু ঘটায়।
===এলজিবিটি ভ্রমণকারী===
থাইল্যান্ড এশিয়ার মধ্যে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে সহনশীল দেশগুলোর একটি। সমলিঙ্গ বিবাহ এখানে বৈধ এবং এলজিবিটি পর্যটন থাইল্যান্ডের অর্থনীতির বড় অংশ গঠন করে। প্রধান পর্যটন এলাকায় সমকামী বার ও সমকামী-বান্ধব প্রতিষ্ঠানের কোনো অভাব নেই। ট্রান্সজেন্ডার কাবারে শোও একটি বড় পর্যটন আকর্ষণ।
থাইল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ লিঙ্গ-পরিবর্তন সার্জারির মেডিকেল ট্যুরিজম কেন্দ্র হলেও থাই নাগরিকরা এখনো তাদের আইনগত লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পারেন না।
===ল্যান্ডমাইন===
ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া আর লাওসের মতো ব্যাপক না হলেও, থাইল্যান্ডের কিছু অংশ – বিশেষ করে মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় – এখনো কমিউনিস্ট বিদ্রোহের সময়কার ল্যান্ডমাইন দিয়ে দূষিত। সীমান্তের কাছাকাছি গেলে নিশ্চিত হয়ে নিন যেন আপনি পরিচিত ও পাকা রাস্তা ও ফুটপাতের বাইরে না যান, যদি না আপনার সঙ্গে এলাকাটি ভালোভাবে জানা কোনো গাইড থাকে।
==সুস্থ থাকুন==
একটি উষ্ণমণ্ডলীয় দেশ হিসেবে থাইল্যান্ডে কিছু বিরল উষ্ণমণ্ডলীয় রোগ পাওয়া যায়। বড় পর্যটন এলাকায় সাধারণত [[ম্যালেরিয়া]] সমস্যা নয়, কিন্তু [[কম্বোডিয়া]] (যার মধ্যে [[ত্রাত প্রদেশ]]ের [[কো চ্যাং]]ও আছে), [[লাওস]] ও [[মিয়ানমার]] সীমান্তের গ্রামীণ এলাকায় এটি স্থানীয়। [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া]]র মতোই, [[ডেঙ্গু জ্বর]] প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে, এমনকি আধুনিক শহরগুলোতেও। একমাত্র প্রতিরোধ হলো মশা থেকে বাঁচা। সন্ধ্যায় মশার এলাকায় লম্বা পোশাক পরুন এবং রিপেলেন্ট ব্যবহার করুন (যেকোনো দোকান বা ফার্মেসিতে পাওয়া যায়)।
থাইল্যান্ডে খাবারের স্বাস্থ্যবিধি সাধারণত ভালো, আর স্ট্রিট মার্কেটে খাওয়া বা রেস্তোরাঁয় দেওয়া পানি পান করা সাধারণত নিরাপদ। তবুও সাধারণ বুদ্ধি ব্যবহার করুন — যেমন রোদে কাঁচা মাংস রেখে মাছি ঘুরছে এমন বিক্রেতা এড়িয়ে চলুন — আর [[ভ্রমণকারীর ডায়রিয়া]] প্রবন্ধের পরামর্শ অনুসরণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
'''[[নলকূপের পানি]]''' ব্যাংককের বাইরে সাধারণত ''পানযোগ্য নয়''। তবে ব্যাংককের অনেক নতুন ভবনে নলকূপের পানি নিরাপদ। আপনি যদি ঝুঁকি নিতে না চান, বোতলজাত পানি কিনুন। বোতলজাত পানি (น้ำเปล่า ''নাম প্লাও'') সস্তা ও সহজলভ্য — বোতলের আকার ও ব্র্যান্ড অনুযায়ী ৫–২০ বাথ। রেস্তোরাঁয় দেওয়া পানীয় জল সবসময় অন্তত ফুটানো হয় (น้ำต้ม ''নাম তম'')। '''বরফ''' (น้ำแข็ง ''নাম খেং'') সাধারণত কারখানা থেকে প্যাকেজ হয়ে আসে এবং নিরাপদ; শুধু হাত-কাটা বরফ পরিবেশন করলে চিন্তার কারণ থাকতে পারে। বেশিরভাগ ৭-ইলেভেনে ৭ বাথে বড় প্যাকেজের বরফও পাওয়া যায়। ডায়রিয়াজনিত রোগ অস্বাভাবিক, আর কলেরা বা অন্য গুরুতর রোগ প্রায় নেই এবং মিয়ানমার সীমান্তের বাইরে তা খুবই বিরল।
মূলত আবাসিক এলাকায় নিজের বোতলে পানি নেওয়ার মেশিন (১ বাথ/লিটার, বা ৫ বাথের বেশি দিলে ৫০ সাতাং (০.৫ বাথ/লিটার)) প্রায়ই পাওয়া যায়, যা (থাই হোটেল, স্থানীয় দোকান বা রাস্তায়) থাকে। এটি একটি পরিষ্কার (সেখানে পানি ফিল্টার ও ইউভি-ট্রিট করা হয়) এবং খুব সস্তা উপায়, আর এতে অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিক বর্জ্যও কম হয়।
থাইল্যান্ডে রোদ উচ্চ অক্ষাংশের তুলনায় বেশি তীব্র। রোদে কয়েক ঘণ্টা অনিরাপদ ত্বক রাখলে লাল হয়ে যেতে পারে এবং ''মেঘলা দিনেও'' রাতে ব্যথা হতে পারে।
===এইচআইভি===
থাইল্যান্ডে এইচআইভির হার বেশি। ২০২১ সালে প্রাপ্তবয়স্কদের (১৫-৪৯) মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের আনুমানিক হার ছিল ১%, যা বিশ্ব গড়ের দ্বিগুণ এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। অন্যান্য যৌনবাহিত রোগও সাধারণ, বিশেষত যৌনকর্মীদের মধ্যে। কনডম সব কনভিনিয়েন্স স্টোর, সুপারমার্কেট, ফার্মেসি ইত্যাদিতে বিক্রি হয়। ইনজেকশন মাদক থেকে বিরত থাকুন।
===ফার্মেসি===
থাইল্যান্ডে প্রায় প্রতিটি ব্লকে একটি ফার্মেসি আছে এবং বেশিরভাগই প্রেসক্রিপশন ছাড়াই আপনার চাওয়া ওষুধ দিতে আগ্রহী। তবে এটি অবৈধ, আর মাঝে মাঝে পুলিশ পর্যটকদের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ রাখার জন্য ধরেছে, এমনকি হাঁপানির ওষুধের মতো সাধারণ জিনিসের জন্যও।
===স্বাস্থ্যসেবা===
থাইল্যান্ড মেডিকেল ট্যুরিজমের জন্য জনপ্রিয় একটি গন্তব্য, বিশেষত লিঙ্গ পরিবর্তন সার্জারির জন্য। ব্যাংককের সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণত গ্রহণযোগ্য মানের এবং ইংরেজি জানা ডাক্তার থাকে, তবে সেগুলোতে কর্মীসংখ্যা কম আর ভিড় বেশি থাকায় অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হয়। অন্যদিকে, সেরা বেসরকারি হাসপাতালগুলো বিশ্বের সেরাদের মধ্যে পড়ে; এগুলোর খরচ সরকারি হাসপাতালের তুলনায় বেশি হলেও পশ্চিমা মানদণ্ডে এখনো সাশ্রয়ী। এসব হাসপাতালে বিদেশি ও থাই – উভয় ধরনের ডাক্তার থাকেন, যারা ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
থাইল্যান্ডে স্বাস্থ্যসেবার মান অঞ্চলভেদে ভিন্ন। চিয়াং মাই, সামুই আর পাটায়া এলাকায় জরুরি, নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা সবই পাওয়া যায়।
পর্যটন এলাকায় বেশিরভাগ ডাক্তার ইংরেজি বলতে পারেন। ডাক্তার দেখানো সাধারণত দ্রুত হয় এবং দাম পশ্চিমা মানদণ্ডে যুক্তিসঙ্গত। দাম ভিন্ন হতে পারে, তাই স্থানীয়ভাবে যাচাই করা উচিত। প্রতিটি টেস্ট ও প্রক্রিয়া, এমনকি ওষুধের জন্যও আলাদা চার্জ থাকে। বেশিরভাগ ডাক্তার নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হন, তাই সাধারণ চিকিৎসক পাওয়া কঠিন হতে পারে। ব্যাংকক থেকে ছোট শহর বা গ্রামীণ এলাকায় গেলে স্বাস্থ্যসেবার মান ও ইংরেজি জানা কর্মীদের প্রাপ্যতা অনেক কমে যায়। অ-পর্যটন এলাকায় কেবলমাত্র বেসিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যায়।
থাইল্যান্ডের বড় শহরগুলোতে অন্তত একটি বেসরকারি হাসপাতাল থাকে যেখানে পশ্চিমা প্রবাসীরা যান। এগুলো সরকারি হাসপাতালের চেয়ে ব্যয়বহুল হলেও উচ্চমানের সেবা দেয়, ইংরেজি জানা ডাক্তার ও নার্স থাকে এবং পশ্চিমা মানদণ্ডে দাম এখনো যুক্তিসঙ্গত।
উচ্চমানের বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে রয়েছে ব্যাংককের সামিতিভেজ হাসপাতাল, ব্যাংকক হাসপাতাল (ব্যাংকক দুসিত মেডিকেল সার্ভিসেসের সদস্য), ফায়াথাই হাসপাতাল (ব্যাংককে একাধিক শাখা), বামরুংরাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল।
পাটায়া এলাকায় ব্যাংকক হাসপাতাল পাটায়া ও পাটায়া মেমোরিয়াল হাসপাতাল ভালো সেবা দেয়। চিয়াং মাইয়ে অন্তত চিয়াংমাই রাম হাসপাতাল মানসম্মত চিকিৎসা দেয়।
ফুকেটে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা দেয় ব্যাংকক হাসপাতাল ও ফুকেট প্রভিন্সিয়াল হাসপাতাল।
'''[https://www.bdms.co.th/ ব্যাংকক হাসপাতাল]''' চেইন সাধারণত উচ্চমানের, যা সারা দেশে হাসপাতাল রয়েছে (যেমন পাটায়া ও ফুকেট ছাড়াও চিয়াং মাই, হুয়া হিন, কো সামুই ও রায়ং)।
বড় শহরগুলোতে অনেক সময় হাসপাতালের ডাক্তাররা ছোট প্রাইভেট ক্লিনিকে অতিরিক্ত সময়ে রোগী দেখেন। এসব ক্লিনিকে সাধারণত দ্রুত ও সহজে চিকিৎসা পাওয়া যায়। ছোট ক্লিনিকে চিকিৎসা নেওয়া বড় বেসরকারি হাসপাতালের চেয়ে প্রায়ই সস্তা হয়।
থাইল্যান্ডে ভ্রমণের আগে অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স নেওয়া উচিত। অসুস্থ হলে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া ব্যয়বহুল এবং ইন্স্যুরেন্স ছাড়া এটি করা কঠিন। অনেক সময় প্রিপেমেন্ট বা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত চিকিৎসা শুরু হয় না। হাসপাতালে প্রায়ই নগদে বিল পরিশোধ করতে হয়। বেসরকারি ও সরকারি হাসপাতাল সাধারণত ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করে। ভ্রমণের সময় সবসময় ইন্স্যুরেন্সের কাগজপত্র (ইন্স্যুরেন্স কার্ড) সঙ্গে রাখুন।
থাইল্যান্ডে দাঁতের চিকিৎসা সাধারণত ভালো মানের। ব্যাংককে বড় বড় ডেন্টাল হাসপাতাল ও ক্লিনিক আছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় হাসপাতালে দাঁতের চিকিৎসা পাওয়া যায়, যদিও সাধারণ সেকশনে লাইনে দাঁড়াতে হয়। দাঁতের চিকিৎসার মান ও দাম ভিন্ন ভিন্ন। ব্যাংককে উচ্চমানের দাঁতের ক্লিনিকের মধ্যে রয়েছে বিআইডিএইচ (ব্যাংকক আন্তর্জাতিক ডেন্টাল হাসপাতাল) এবং বিআইডিসি (ব্যাংকক আন্তর্জাতিক ডেন্টাল ক্লিনিক)।
থাইল্যান্ডে অ্যাম্বুলেন্স সেবা এখনো উন্নয়নশীল। জরুরি নম্বরে ফোন করলে একটি আঞ্চলিক রেসকিউ ইউনিট পাঠানো হয়, যা প্রায়ই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অধীনে চলে। বড় হাসপাতালগুলোতে কখনো কখনো নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স থাকে যেখানে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা যায়। তবে ব্যাংককে যানজটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স বিরল এবং দেরি করে আসে। মোটর চালকরা সবসময় অ্যাম্বুলেন্সকে রাস্তা দেয় না, যা আরও বিলম্ব ঘটায়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ইমারজেন্সি মেডিসিনের মানদণ্ড পূরণ করলে সেবা বিনামূল্যে পাওয়া যায়। আপনি যদি কোনো হাসপাতালে নিবন্ধিত থাকেন, সেই হাসপাতালের জরুরি নম্বরগুলো সংরক্ষণ করুন।
আপনার যদি থাইল্যান্ডে অবস্থানকালে কোনো দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে, তবে হাসপাতালের কাছাকাছি থাকা ভালো। প্রয়োজন হলে সময়মতো চিকিৎসা পেতে সুবিধা হবে।
ফার্মেসিগুলোর মান ভিন্ন ভিন্ন। সাধারণত হাসপাতালে সংযুক্ত ফার্মেসি থাকে, যেখানে ডাক্তার দেখানোর পর ওষুধ কেনা উচিত। হাসপাতাল ও ফার্মেসির মান অনুযায়ী ওষুধের ভিন্নতা থাকে। প্রায়ই দামি ব্র্যান্ডেড ওষুধ আর সস্তা জেনেরিক – দুটোই পাওয়া যায়। বিশেষত আসল ওষুধগুলো থাইল্যান্ডে খুব ব্যয়বহুল হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় ওষুধের প্রাপ্যতা আরও অনিশ্চিত।
থাইল্যান্ডের ডাক্তাররা পশ্চিমা দেশের তুলনায় অনেক সময় বেশি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। ছোট রোগের জন্যও অপ্রয়োজনীয় ওষুধ দিতে পারেন। আপনি যদি অনেক ওষুধ পান বা মনে করেন আপনার অসুস্থতার এত চিকিৎসা প্রয়োজন নেই, তবে ওষুধ নিয়ে সমালোচনামূলক হোন। প্রয়োজন হলে অন্য ডাক্তারের মতামত নিন।
আপনি যদি থাইল্যান্ডে ওষুধ নিয়ে আসেন বা বের করে নিয়ে যান, থাই দূতাবাসের ওয়েবসাইটে নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকা দেখে নিন। যেসব ওষুধের অনুমোদন প্রয়োজন, তার জন্য ইংরেজি প্রেসক্রিপশন নিয়ে আসুন। প্রয়োজনে থাই স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আগে যোগাযোগ করুন, যাদের লিখিত অনুমতি লাগতে পারে।
===বায়ুর মান===
প্রতিবছর জানুয়ারি–এপ্রিল মাসে মধ্য ও উত্তর থাইল্যান্ডে "বার্নিং সিজন" বা পোড়ানো মৌসুম চলে, যখন কৃষকেরা শুকনো মৌসুমে ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়িয়ে ফেলেন। শুষ্ক বাতাস ও বন আগুনও এসময়ে তীব্র বায়ুদূষণে অবদান রাখে, বিশেষত [[উত্তর থাইল্যান্ড]]ে। আপনার যদি শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকে, এই মাসগুলোতে উত্তর থাইল্যান্ডে ভ্রমণ না করাই ভালো। এন৯৫ মাস্ক সাহায্য করতে পারে এবং থাইল্যান্ডের বায়ুর মান [http://air4thai.pcd.go.th/webV2/index.php এয়ার৪থাই ওয়েবসাইটে] দেখা যায়।
==সম্মান==
{{infobox|নামের নিয়ম|থাইরা সাধারণত পশ্চিমা ধাঁচের নামের নিয়ম মানে – আগে নিজের নাম, তারপর পারিবারিক নাম। তবে বেশিরভাগ পশ্চিমা দেশের মতো থাইল্যান্ডে কখনো শেষ নাম দিয়ে সম্বোধন করা হয় না। আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতিতে সাধারণত কোনো উপাধি দিয়ে প্রথম নাম বলা হয়। সবচেয়ে প্রচলিত উপাধি হলো "খুন" (คุณ), যা লিঙ্গ বা বৈবাহিক অবস্থার পার্থক্য ছাড়াই ব্যবহার হয়। তাই আপনি যদি নিশ্চিত না হন, বিদেশি হিসেবে "খুন" ব্যবহার করলেই হবে। যেমন, থাইল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী Prayut Chan-o-cha-কে থাই ভাষায় বলা হবে ''খুন প্রায়ুত'' এবং ইংরেজিতে "Mr. Prayut"।
সব থাইদের একটি ডাকনামও থাকে (ชื่อเล่น ''চু লেন''), যা প্রায়শই আইনগত নামের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখে না। উদাহরণস্বরূপ, Prayut-এর ডাকনাম ''টু'', এবং তিনি ''লুং টু'' (আঙ্কেল টু) নামে বেশি পরিচিত। সামাজিক পরিবেশে ডাকনাম প্রায় সর্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হয়, যা পশ্চিমা সংস্কৃতির “প্রথম নামের ভিত্তিতে ঘনিষ্ঠ সম্বোধন”-এর মতো।}}
থাই মানুষ সাধারণভাবে বন্ধুসুলভ ও ভদ্র।
=== সাধারণ ===
* এশিয়ার অন্য দেশের মতোই থাইল্যান্ডেও মানুষ সাধারণত পরোক্ষভাবে কথা বলেন এবং "মুখ রক্ষা" করার প্রয়োজনীয়তায় সংযত থাকেন। তবে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যে যোগাযোগ বেশি সরাসরি হয়।
* থাইদের নিয়ে একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো “তাদের সহজে জয় করা যায়”। কোনো থাই ব্যক্তি কথোপকথনে আনন্দিত থাকলে বা আপনার কথার সঙ্গে একমত মনে হলে তার মানে এই নয় যে তারা সত্যিই আপনার কথার সঙ্গে একমত বা তা বুঝেছেন। তারা প্রায়শই শুধু মুখ রক্ষার জন্য এমনটা করেন। কখনো কখনো আপনাকে লাইনের আড়াল পড়ে বুঝতে হবে তারা কী অনুভব করছেন।
* থাইরা হয়তো সরাসরি বলেন না, কিন্তু স্বচ্ছতা আর খোলামেলা আচরণ তারা মূল্যায়ন ও প্রশংসা করেন।
* থাইরা প্রায়ই কথাকে আক্ষরিক অর্থে নেন। তাই আপনি যা বলতে চান তা স্পষ্ট ও সরাসরি বলা জরুরি, কারণ রূপক বা ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষা ভুলভাবে বোঝা যেতে পারে। এমনকি “the world is your oyster” এর মতো সাধারণ বাক্যও তারা আক্ষরিক অর্থে নিতেও পারেন।
* থাইরা বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনাগ্রহী—এমন ধারণা অনেকটা ভুল। এর পেছনে ভাষার বাধা বড় কারণ; থাইরা সাধারণত তাদের ইংরেজি দক্ষতা নিয়ে সচেতন থাকে এবং অন্যরা তাদের ইংরেজি মূল্যায়ন করবে এই ভয়ে থাকে। আপনি যদি থাই ভাষা ও রীতিনীতি সম্পর্কে কিছু জানেন তা দেখান, তাহলে দ্রুত দূরত্ব কমে যাবে।
* থাই ও বিদেশিদের মধ্যে বন্ধুত্ব ততটা সাধারণ নয়। আপনি যদি কোনো থাই ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন, তবে সম্ভাবনা আছে যে আপনি তার প্রথম বিদেশি বন্ধু বা পরিচিত।
* বিদেশি হিসেবে আপনাকে প্রায়ই প্রশ্ন করা হতে পারে – “আপনি এখানে কাজ করছেন কেন?”, “আপনার কি দেশে ফেরার পরিকল্পনা আছে?”, “আপনি কতদিন ধরে থাইল্যান্ডে আছেন?” – এরকম প্রশ্নের ভিন্ন ভিন্ন রূপ।
* অচেনা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কথা বলা সাধারণত হয় না, যদি না কোনো জরুরি অবস্থা (যেমন দুর্ঘটনা, দিকনির্দেশনা চাওয়া) থাকে।
* কেউ যদি শুরুতে আপনার প্রতি আগ্রহ না দেখায় তাতে অবাক বা বিরক্ত হবেন না; থাইল্যান্ডে বন্ধুত্ব আর সম্পর্ককে গুরুতর বিষয় হিসেবে দেখা হয়, আর পরিচিত থেকে বন্ধু হতে সময় লাগে।
* থাইরা সাধারণত তাদের '''পরিবারের''' সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে এবং ছুটি কাটানোও তারা প্রায়শই পরিবারের সঙ্গে করে।
* থাইরা '''লটারির''' প্রতি প্রায় আবেগপ্রবণ। এটি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুয়ার ধরন এবং বিদেশিরাও এতে অংশ নিতে পারেন। লটারির টিকিট সংগ্রহ থাইদের একটি জনপ্রিয় শখ।
* থাইরা সময়কে তুলনামূলকভাবে আরামদায়কভাবে নেন। ১৫–৩০ মিনিট দেরি করে পৌঁছানো সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য ও স্বাভাবিক।
* থাইরা নানা ধরনের '''কুসংস্কারে''' বিশ্বাস করেন। অশুভ আত্মা থাই সংস্কৃতিতে বড় ভূমিকা রাখে।
* থাইরা সাধারণত বৈশ্বিক ও সমসাময়িক খবরের প্রতি ততটা আগ্রহী নন। এর কারণ দুটি: জনশিক্ষা ব্যবস্থার মান নিম্নমানের হওয়া এবং থাই গণমাধ্যমে সমসাময়িক খবরের প্রতি কম মনোযোগ। তাই এসব বিষয়ে কথা বললে তারা আগ্রহী না হয়ে বিভ্রান্ত হতে পারেন।
=== কি করবেন ===
* '''বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মান''' থাইল্যান্ডে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অপরিচিত বা আপনার চেয়ে সিনিয়র কারো সঙ্গে কথা বলার সময় সাধারণত '''সম্মানসূচক উপাধি''' ব্যবহার করা হয়। সবচেয়ে প্রচলিত উপায় হলো ব্যক্তির প্রথম নামের আগে ''খুন'' বলা (পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য)।
* '''ভিক্ষুদের প্রতি সম্মান দেখান'''। থাই সমাজে ভিক্ষুরা অত্যন্ত সম্মানিত, তাই তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথা অনুযায়ী, থাই পুরুষরা জীবনে অন্তত একবার কিছু সময় ভিক্ষু হিসেবে কাটান। রাস্তায় ভিক্ষুর সঙ্গে দেখা হলে মাথা সামান্য নিচু করে [[থাইল্যান্ড#ওয়াই|ওয়াই ভঙ্গিতে]] অভিবাদন জানান। গণপরিবহনে থাকলে তাদের জন্য আসন ছেড়ে দিন। আপনি [[বৌদ্ধ]] না হলেও ভিক্ষুকে অভিবাদন জানানো উচিত; শুধু ভদ্র হোন।
* কারো পেশা ও শিক্ষার বিষয়ে প্রশ্ন করুন। থাইরা সাধারণত আপনাকে কীভাবে সম্বোধন ও আচরণ করবে তা বোঝার জন্য এ ধরনের প্রশ্ন করে।
* [[বিদেশে ভাষা শেখা|স্থানীয় ভাষা শিখতে]] চেষ্টা করুন। থাইরা জানে [[থাই বাক্যাংশ বই|থাই]] শেখা কঠিন, তাই আপনি ভাষাটা শেখার চেষ্টা করলে তারা খুবই কৃতজ্ঞ হবে, এমনকি আপনার জ্ঞান অল্প হলেও। আপনি যদি পড়তে-লিখতে পারেন তা দেখাতে পারেন, তবে অনেককে সহজেই মুগ্ধ করতে পারবেন।
* স্থানীয় খাবার উপভোগ করুন এবং থাই সংস্কৃতি সম্পর্কে জানুন। থাইরা তাদের সংস্কৃতি ও জীবনধারা জানতে আগ্রহী বিদেশিদের প্রশংসা করে। এতে করে আপনি থাইদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে পারবেন।
* যাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আছে তাদের সঙ্গে খাবার ও নাস্তা ভাগাভাগি করুন। অফিস পরিবেশে এটি খুব সাধারণ ও প্রত্যাশিত।
* নতুন মানুষের সঙ্গে দেখা হলে [[Omiyage|উপহার বিনিময়]] করুন। এটি সাধারণ এবং প্রত্যাশিত।
=== কি করবেন না ===
[[File:Fingers_Crossed.jpg|thumb|থাইল্যান্ডে এই অঙ্গভঙ্গি করবেন না।]]
* থাই রাজপরিবারের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মানজনক কাজ বা কথা বলবেন না। উদাহরণস্বরূপ, থাই রাজার ছবি থাকা কোনো কয়েন গড়িয়ে গেলে তা থামাতে পায়ে দেবেন না। [[Thailand#Politics|রাজনীতি অংশে]] উল্লেখিত ''লেসে মাজেস্তে'' আইনের সতর্কতা দেখুন।
* '''সরাসরি বা কঠিন ভাষা ব্যবহার থাইল্যান্ডে পছন্দ করা হয় না'''। থাইরা কঠোর ভাষার প্রতি সংবেদনশীল এবং কাউকে অপমান বা “মুখ হারানো”য় ফেললে দ্রুতই আপনি শত্রু পেতে পারেন।
** থাইল্যান্ডে কঠোর '''মানহানির আইন''' আছে, এবং অনলাইনে কারো বা কিছুর সম্পর্কে কড়া মন্তব্য করলে আপনি আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন। বর্তমান আইনে মানহানির শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছরের জেল, {{THB|200,000}} বাথ জরিমানা, বা উভয়ই হতে পারে।
* কথোপকথনে আপনার কণ্ঠ উঁচু করবেন না, রাগ হারাবেন না, অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করবেন না। থাইরা এগুলোকে অত্যন্ত অশোভন মনে করেন।
* থাইল্যান্ডে '''গোপনীয়তা'''কে খুব মূল্য দেওয়া হয়। কারো বেতন, পরিবার বা জীবনযাত্রা সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন না, যদি না তাকে ভালোভাবে চিনেন। তাদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ পাওয়ার আশা করবেন না, যদি না সম্পর্ক গভীর হয়।
* আঙুল ক্রস করে দেখানো অঙ্গভঙ্গি করবেন না; থাইল্যান্ডে এটি বোঝায় কেউ আপনাকে মিথ্যা বলছে। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে ব্যাখ্যা চাইতে পারেন।
* জনসমক্ষে উচ্চস্বরে থাকবেন না; থাইরা এটি খুবই অশোভন আচরণ মনে করেন।
* পায়ের তলা টেবিলের ওপর তুলবেন না; এটি অভদ্রতা।
* কারো মাথায় হাত দেবেন না; থাইল্যান্ডে মাথা পবিত্র হিসেবে বিবেচিত।
* '''ভিক্ষুদের প্রতি অসম্মান করবেন না।''' থাই সমাজে তারা অত্যন্ত সম্মানিত।
** আপনি যদি নারী হন, '''ভিক্ষুকে স্পর্শ করবেন না'''। ভিক্ষুর পক্ষে কোনো নারীর গায়ে হাত লাগানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
** আপনি যদি নারী হন, ভিক্ষুকে সরাসরি কিছু দেবেন না। যা দিতে চান তা নামিয়ে রাখুন, ভিক্ষু নিজে তুলে নিন, অথবা একজন পুরুষকে দিন যাতে সে ভিক্ষুকে দিয়ে দিতে পারে।
** ভিক্ষুর চেয়ে উঁচুতে বসবেন বা দাঁড়াবেন না। তারা যদি উঁচু প্ল্যাটফর্মে থাকেন তবে নিচে বসুন বা হাঁটু গেড়ে বসুন।
** কোনো ভিক্ষু বা সন্ন্যাসিনী ঘরে প্রবেশ করলে আপনি বসে থাকলে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান।
** ভিক্ষুর সামনে পা ক্রস করে বসবেন না। তার পরিবর্তে হাঁটু গেড়ে বসুন।
** কোনো ভিক্ষু বা সন্ন্যাসিনীর ছবি তোলার আগে অবশ্যই অনুমতি নিন।
===''ওয়াই''===
[[Image:RonaldMcDonald Wai.JPG|thumb|রোনাল্ড ম্যাকডোনাল্ড ওয়াই করার ভঙ্গি দেখাচ্ছেন]]
প্রার্থনার মতো দুই হাত জোড় করে সামান্য মাথা নোয়ানোর যে ঐতিহ্যবাহী অভিবাদন পদ্ধতি, সেটিকে '''''ওয়াই''''' বলা হয়। এটি [[ভারত]] থেকে হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব নিয়ে এসেছে এবং এখনো থাইল্যান্ডে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। থাইদের মধ্যে ওয়াই করার ক্ষেত্রে কড়া নিয়ম আছে – কে কাকে কখন করবে তা পদমর্যাদার ওপর নির্ভর করে। সংক্ষেপে, অধস্তনরা আগে ঊর্ধ্বতনকে ওয়াই করেন। আপনি সেবাকর্মী বা রাস্তার বিক্রেতাদের ওয়াই করবেন না। আপনার হাত যত উঁচুতে যাবে, তত বেশি সম্মান প্রকাশ পাবে। মন্দির বা আত্মার ঘরের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় থাইদের প্রায়ই ওয়াই করতে দেখা যায়।
বিদেশি হিসেবে আপনাকে সঠিকভাবে ওয়াই করতে জানতে হবে এমন আশা করা হয় না, আর কেউ আপনাকে ওয়াই করলে সেটির জবাব না দিলেও ক্ষতি নেই। তবে আপনি করলে কোনো অপমান হবে না, শুধু হয়তো অদ্ভুত লাগতে পারে। কেউ যদি আপনাকে ওয়াই করে, সাধারণ পরিস্থিতিতে সামান্য মাথা নোয়ানোই যথেষ্ট। ব্যবসায়িক পরিবেশে থাইরা সাধারণত বিদেশিদের সঙ্গে হাত মেলান, ওয়াই করেন না।
===পোশাক===
[[File:Grand Palace dress code.JPG|thumb|ওয়াত ফ্রা কেও মন্দিরের পোশাকবিধি]]
'''ব্যক্তিগত চেহারা''' থাইল্যান্ডে অন্যদের প্রতি সম্মানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি। আপনি যদি উপযুক্ত পোশাক পরেন, তবে আপনাকে পাল্টা আরও বেশি সম্মান দেখানো হবে। এর প্রভাব নানা ক্ষেত্রে পড়ে, কখনো কখনো বাজারে প্রথম প্রস্তাবিত দামেরও হ্রাস ঘটাতে পারে। যদিও বিদেশিদের ভিন্ন রীতিনীতির কারণে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়, ভালো পোশাক পরা পশ্চিমাদের প্রতি থাইরা বেশি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেয়।
ব্যাংকক, পাটায়া ও ফুকেটের সবচেয়ে পর্যটকপ্রধান এলাকা বাদ দিলে, ঐতিহ্যগতভাবে থাইরা মার্জিত ও রক্ষণশীল পোশাক পরেন। অন্ততপক্ষে আপনার পোশাক যেন পরিষ্কার, ঝরঝরে এবং ছিদ্র বা ছেঁড়া না থাকে। সমুদ্রসৈকত বা পবিত্র স্থান ছাড়া সাধারণ পশ্চিমা পোশাক নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য গ্রহণযোগ্য, তবে অতিরিক্ত ত্বক দেখা যায় এমন পোশাক এড়ানো উচিত। শর্টসের চেয়ে লম্বা প্যান্ট পরা ভালো, আর সব সময় কাঁধ ঢেকে রাখুন। আপনি যদি নারী হন, তবে বুকের খোলা অংশ প্রকাশ করা উচিত নয়। বড় মন্দির বা রাজপ্রাসাদের বাইরে পুরুষদের শর্টস পরা সাধারণত গ্রহণযোগ্য।
জনসমক্ষে টপলেস হয়ে হাঁটা '''একেবারেই অগ্রহণযোগ্য'''। বিদেশি পুরুষরা টপলেস হয়ে হাঁটার জন্য গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাই অবশ্যই পোশাক পরুন। আপনার পেটের পেশি বা ড্যাড বড রাস্তায় নারীদের মন জয় করার উপায় নয়।
[[File:Shoes taken off prior to enter a building in Thailand.JPG|alt=কোনো ভবনের সামনে অনেক জুতো ছড়িয়ে রয়েছে|thumb|থাইল্যান্ডে বাড়ি বা ভবনে প্রবেশের আগে জুতো খোলা]]
মন্দির ও ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রবেশের আগে জুতো খোলা বাধ্যতামূলক শিষ্টাচার, আর কিছু দোকানেও এটি চাইতে পারে। সহজে পরা ও খোলা যায় এমন জুতো পরুন। ফ্লিপ-ফ্লপ, হাইকিং স্যান্ডেল ও ক্লগ ধাঁচের জুতো থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সাধারণত ভালো পছন্দ; কেবলমাত্র সবচেয়ে অভিজাত স্থাপনাগুলোতেই জুতো পরা আবশ্যক।
থাইল্যান্ডের ওয়াত বা অন্য পবিত্র স্থানে নিরাপদে চলতে চাইলে আপনার পোশাক যেন স্পষ্টভাবে মার্জিত হয় এবং আপনার পুরো ধড় ও বেশিরভাগ অঙ্গ ঢেকে রাখে। পুরুষদের জন্য গোড়ালি-দৈর্ঘ্য প্যান্ট বাধ্যতামূলক; উপরে টি-শার্ট গ্রহণযোগ্য হলেও বোতাম লাগানো শার্ট বা পোলো শার্ট হলে ভালো। অনেকেই পরামর্শ দেন যে নারীরা পূর্ণ দৈর্ঘ্যের পোশাক বা স্কার্ট পরুন; অন্তত আপনার কাঁধ ও হাঁটু যেন ঢাকা থাকে তা নিশ্চিত করুন; কিছু জায়গায় গোড়ালি-দৈর্ঘ্য প্যান্ট বা স্কার্ট এবং লম্বা হাতার টপস পরতে বলা হতে পারে। পবিত্র স্থানে শর্টস ও হাতাবিহীন শার্ট, ছোট স্কার্ট খুবই অনুপযুক্ত। বিদেশিদের জন্য নিয়ম আরও কঠোর, তাই যদি স্থানীয় কাউকে শর্টসে দেখেন, সেটি সবার জন্য অনুমোদন নয়।
পশ্চিমা মহিলারা অনেক পর্যটন সৈকতে টপলেস রোদ পোহান। তবে যেসব সৈকতে মূলত থাই দর্শনার্থী থাকে, সেখানে এটি করা পরামর্শযোগ্য নয়।
===ধর্মীয় শিষ্টাচার===
[[Image:Prayer Flags Bangkok.jpg|thumb|বৌদ্ধ প্রার্থনার পতাকা, [[ব্যাংকক/রত্তানাকোসিন|ওয়াত আরুন]], [[ব্যাংকক]]]]
ধর্ম নিয়ে আলোচনা করলে আপনি সাধারণত কাউকে কষ্ট দেবেন না; বেশিরভাগ থাই মানুষ ধর্ম নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসে! আপনি চাইলে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়েও কারো সঙ্গে কথা বলতে পারেন, যতক্ষণ না তা প্রতিযোগিতামূলক হয়ে যায়।
প্রচারমূলক কাজ বা সেই ধরনের কোনো ইঙ্গিত থাইল্যান্ডে পছন্দ করা হয় না। একইভাবে, আপনার ধর্ম নিয়ে অতিরিক্ত উৎসাহী হওয়া থেকেও বিরত থাকুন, কারণ এটি মানুষকে অস্বস্তি দিতে পারে। সেরা ক্ষেত্রে থাইরা হাসবে বা মৃদু প্রতিক্রিয়া দেবে।
আইন প্রতিবেশী [[মিয়ানমার|মিয়ানমারের]] মতো কঠোর নয়, তবে বৌদ্ধধর্মের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মান না দেখানোই ভালো। উদাহরণস্বরূপ, বুদ্ধ বা বৌদ্ধ প্রতীকযুক্ত টি-শার্ট পরবেন না, আর বুদ্ধের ট্যাটু করাবেন না (যদি আগেই থাকে, যতটা সম্ভব ঢেকে রাখুন)। এছাড়া ফাইন আর্টস ডিপার্টমেন্টের (সরকারি সংস্থা) লাইসেন্স ছাড়া কোনো বুদ্ধ মূর্তি দেশ থেকে বের করা অবৈধ।
ভিক্ষুরা থাইল্যান্ডের বৌদ্ধধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ, আর থাই পুরুষদের সাধারণত জীবনে অন্তত একবার কিছু সময় ভিক্ষু হিসেবে কাটানোর প্রত্যাশা থাকে।
বৌদ্ধ ভিক্ষুরা যৌন প্রলোভন এড়াতে বাধ্য, আর বিশেষত তারা নারীদের স্পর্শ করেন না বা তাদের হাত থেকে কিছু নেন না। নারীদের উচিত রাস্তায় ভিক্ষুকে পর্যাপ্ত জায়গা দেওয়া, যাতে তারা ভুলবশত আপনাকে ছুঁয়ে না ফেলে এবং দীর্ঘ শুদ্ধিকরণ আচার করতে না হয়। নারীদের উচিত ভিক্ষুকে সরাসরি হাতে কিছু না দেওয়া; বরং বস্তু বা দান (যা নগদ হওয়া উচিত নয়) ভিক্ষুর সামনে রেখে দিন, যাতে তিনি নিজে তুলে নিতে পারেন, অথবা তার বহন করা বিশেষ কাপড়ের ওপর রেখে দিন। অনেক সময় ভিক্ষুর সঙ্গে একজন সাধারণ লোক থাকে, যিনি নারীদের কাছ থেকে বস্তু গ্রহণ করেন।
থেরবাদী বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বস্তুগত প্রলোভন থেকেও দূরে থাকেন, তাই তারা টাকা ছোঁয়ার অনুমতি পান না। ফলে ভিক্ষুকে নগদ টাকা দেওয়া থেরবাদী সংস্কৃতিতে অসম্মানজনক হিসেবে বিবেচিত। আপনি যদি ভিক্ষুকে দান করতে চান, তবে কেবল খাবার দিন এবং নগদ দান মন্দিরের উপযুক্ত দানবাক্সে রাখুন। যেসব ভিক্ষু টাকা নেন তারা আসল ভিক্ষু নন।
প্রতিবেশী দেশের মতোই, থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রতীক হিসেবে স্বস্তিকা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি নাজিবাদের ২,৫০০ বছর আগের প্রতীক এবং এর কোনো ইহুদিবিদ্বেষী অর্থ নেই।
[[File:Red tunic gold helmet bangkok.jpg|alt=ব্যক্তি দুই হাঁটুর ওপর বসে আছেন, পায়ের আঙুল মাটিতে এবং নিতম্ব গোড়ালির ওপর|thumb|প্রথাগতভাবে হাঁটু গেড়ে বসার ভঙ্গি]]
মন্দির ভবনে প্রবেশের সময় সবসময় জুতো খুলে ফেলুন; জুতো পরে ঢোকা বড় অশোভনতা। দরজার চৌকাঠ আত্মাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ধরা হয়, তাই উঁচু চৌকাঠে পা দেবেন না, বরং সেটি টপকে যান।
মন্দিরে মেঝেতে বসার সময় হাঁটু গেড়ে বা পা নিজের নিচে “মারমেইড-স্টাইলে” গুটিয়ে বসুন, যেন আপনার পা কারো দিকে বা মূর্তির দিকে না থাকে। বুদ্ধ মূর্তির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবেন না আর অবশ্যই মূর্তির ওপর উঠবেন না। (মূর্তির ছবি তোলা ঠিক আছে, তবে সবাই যেন মূর্তির দিকে মুখ করে থাকে।)
থাইল্যান্ডে একটি উল্লেখযোগ্য মুসলিম সংখ্যালঘু (প্রায় ৫%) আছে, যা মূলত দক্ষিণের প্রদেশগুলোতে কেন্দ্রীভূত, তবে ব্যাংককেও একটি উল্লেখযোগ্য মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে। অধিকাংশ থাই মুসলিম জাতিগতভাবে মালয় হলেও ইন্দোনেশীয়, কম্বোডিয়ান চাম বা দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলিমও আছেন।
===প্রাণী নির্যাতন===
'''হাতি''' থাইল্যান্ডের পর্যটন ব্যবসার বড় অংশ হলেও অনেকেই জানেন না তারা কী ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। সাধারণত তাদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়, নানারকম মানসিক, মৌখিক ও শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়, আর খাবার ও পানি থেকেও বঞ্চিত রাখা হয়।
একসময় অত্যন্ত সাধারণ ছিল '''হাতি ভিক্ষুক'''; এখনো রাতে আপনি এমন দৃশ্য দেখতে পারেন। রাতে মাহুতরা (প্রশিক্ষক) বিশাল হাতি নিয়ে পর্যটকদের কাছে আসে, কলা খাওয়ানো বা ছবি তোলার বিনিময়ে টাকা নেয়। এইভাবে হাতিদের শহরে এনে ভিক্ষা করানো হয় কারণ তারা বেকার, নির্যাতিত এবং শহরের পরিবেশে দৃশ্যতই কষ্টে থাকে।
আপনি যদি '''হাতি চড়ার''' পরিকল্পনা করেন, '''হাতির ছবি আঁকা''' কেনেন বা হাতি দিয়ে অন্য কোনো বিনোদনমূলক কাজ করতে চান, তবে তাদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি মাথায় রাখুন। থাইল্যান্ডে কয়েকটি নৈতিক প্রাণী পর্যটন কেন্দ্র আছে যেমন চিয়াং মাই-এর এলিফ্যান্ট নেচার পার্ক বা ব্যাংককের কাছে [[উত্তর উপসাগরীয় উপকূল#করুন|বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্র এবং হাতি আশ্রয়]]।
কখনো কখনো লিজার্ড, পাখির মতো মাদকপ্রয়োগ করা প্রাণী ব্যবহার করে টাউটরা ছবি তোলার জন্য প্রলুব্ধ করে। এদের প্রায়ই থাইল্যান্ডের প্রধান পর্যটন সৈকতগুলোতে দেখা যায়। টাউট আপনার সঙ্গে নেশাগ্রস্ত প্রাণী নিয়ে ছবি তুলবে এবং পরে অর্থ দাবি করবে।
বিরল ও বিপন্ন প্রাণী প্রায়ই পোষা প্রাণী হিসেবে বাজারে বিক্রি হয় এবং অনেক প্রাণীজাত পণ্য বিলাসদ্রব্য হিসেবে বিক্রি হয়। বিরল পোষা প্রাণী, চামড়া, হাতির দাঁত, নখর, শুকনো সামুদ্রিক প্রাণী (যেমন স্টারফিশ), লোম, পালক, দাঁত, উল ইত্যাদি পণ্য কিনবেন না কারণ এগুলো প্রায়শই অবৈধ শিকার থেকে আসে। এগুলো কেনা প্রাণীর বিলুপ্তি ও নির্যাতনে অবদান রাখে।
===অন্যান্য===
* ফোন ধরার সময় থাই পুরুষরা সাধারণত ''খ্রাপ'' আর নারীরা ''খা'' বলেন। এই দুটি শব্দের অর্থ "হ্যাঁ"। ইংরেজিতে দক্ষ থাইরা সাধারণত ফোন ধরার সময় "হ্যাঁ" বলেন। এটি অভদ্রতা হিসেবে নেবেন না।
* ফোন ধরার সময় কিছু থাই ''ওয়া'' বলেন, যার আক্ষরিক অর্থ "কি হয়েছে" বা "বলুন"। এটি বিশ্বের অন্য স্থানে অভদ্র মনে হলেও থাইরা অভদ্রতা বোঝাতে এটা বলেন না; এটি শুধুই সাংস্কৃতিক বিষয়।
* মাথা শরীরের সবচেয়ে সম্মানিত অংশ এবং পা সবচেয়ে নীচু অংশ হিসেবে বিবেচিত। কারো '''মাথায়''' হাত দেবেন না, এমনকি শিশুরও নয়। যদি দুর্ঘটনাবশত কারো মাথায় হাত লাগে বা ধাক্কা লাগে, সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চাইবেন, নইলে আপনাকে খুব অভদ্র ভাবা হবে। একইভাবে, পা দিয়ে কাউকে স্পর্শ করবেন না, এমনকি পা দিয়ে ইঙ্গিতও করবেন না। কেউ যদি পা বাড়িয়ে বসে থাকে, তার ওপর দিয়ে পা দেবেন না; এটা খুবই অভদ্রতা আর ঝগড়ার কারণ হতে পারে। পাশ কাটিয়ে যান বা তাকে সরতে বলুন। সে যদি ঘুমিয়ে থাকে তবুও পাশে দিয়ে যাওয়াই ভালো, কারণ অন্যরা বিষয়টি লক্ষ্য করবে।
* পশ্চিমাদের তুলনায় থাইরা রক্ষণশীল। প্রকাশ্যে স্নেহ প্রদর্শন (জনসমক্ষে স্নেহের প্রদর্শন) খুব কম দেখা যায়, এমনকি স্বামী-স্ত্রীর হাত ধরা পর্যন্ত। বিদেশিদের কারণে থাইরা বিষয়টি সহ্য করে নিলেও প্রকাশ্যে ঘনিষ্ঠতা করবেন না। এতে আপনি নিজেই লজ্জিত হবেন আর থাইদের বিরক্ত করবেন।
* কারো বাড়িতে খাওয়ার সময় বিশেষ করে '''খাবার খাওয়ার আগে স্পষ্টভাবে খাবার শুঁকবেন না'''; এটি অশোভন আর অসম্মানজনক হিসেবে দেখা হয় (আপনি যদি প্রশংসাসূচকভাবেও করেন তবুও)।
* জনসমক্ষে বিশেষত খাবার টেবিলে নাক ঝাড়া অশোভন। তবে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় নাক খোঁটা থাইল্যান্ডে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য।
* থাইল্যান্ডে '''নেতিবাচক আবেগ''' যেমন রাগ বা দুঃখ প্রকাশ খুব কমই প্রকাশ্যে হয়। আপনি চাইলে থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাতে পারেন, যেন কোনো ঝগড়া বা অখুশি মানুষ চোখে না পড়ে। থাইরা পশ্চিমাদের তুলনায় বেশি হাসে। কোনো কথোপকথনে থাইরা হাসলে সেটা সুখী হওয়ার চিহ্ন নাও হতে পারে; বরং তারা জানাচ্ছে যে তারা ভদ্রভাবে আচরণ করতে চায়, এমনকি বিরোধের পরিস্থিতিতেও। হাসিকে দুর্বলতার নিদর্শন ভাববেন না। “মুখ রক্ষা” থাই সংস্কৃতির একটি বড় অংশ, আর তারা বিব্রতকর অবস্থা ও ঝগড়া এড়াতে চেষ্টা করে।
* জনসমক্ষে (যেমন বড় বাজারে) প্রতিদিন সকাল ৮টা ও সন্ধ্যা ৬টায় লাউডস্পিকারে '''জাতীয় সংগীত''' বাজানো হয়। এসময় সবাই যা করছেন থামিয়ে স্থির দাঁড়িয়ে থাকেন। আপনিও একই কাজ করুন। সিনেমায় চলচ্চিত্র শুরুর আগে রাজকীয় সংগীত (জাতীয় সংগীত নয়) বাজানো হয় এবং সবাই দাঁড়ান। এটি প্রায় এক মিনিট স্থায়ী হয়, তারপর সবাই যা করছিলেন তা চালিয়ে যান। ব্যাংককের এমআরটি ও স্কাইট্রেন স্টেশনে এই সময় এস্কেলেটরও হঠাৎ থেমে যায় যেন বড় ধরনের ভিড় না হয়।
* '''ভিজিটিং কার্ড''' দেওয়া ও নেওয়ার সময় সবসময় ডান হাত ব্যবহার করুন এবং হাতের তালু ওপরে রাখুন, আর বাম হাত দিয়ে ডান কনুই সমর্থন করুন। যেহেতু বাম হাত ঐতিহ্যগতভাবে নোংরা কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই বাম হাত দিয়ে ভিজিটিং কার্ড ধরা খুবই অভদ্রতা হিসেবে দেখা হয়।
* ধূমপায়ীদের সিগারেটের ছাই আর ফিল্টার ফেলে সৈকত নোংরা করার প্রতিক্রিয়ায়, '''২০১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের ২৪টি জনপ্রিয় সৈকতে সম্পূর্ণ ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে'''। এসব সৈকতে ধরা পড়লে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ বাথ জরিমানা এবং/অথবা এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
==মানিয়ে নেয়া==
[[File:Hat-Yai-Klonghae-Floating-Market 15.jpg|thumb|হাট ইয়াইয়ের ভাসমান বাজার]]
আপনি যদি বড় শহর আর পর্যটন এলাকায় থাকেন, বেশি জিনিসপত্র না নিলেও চলবে; সাঁতারের পোশাক আর ছাতার মতো প্রয়োজনীয় জিনিস থাইল্যান্ডে সহজেই পাওয়া যায়।
কেবল কয়েক সেট কাপড় নিলেই হবে, কারণ যে কোনো জায়গায় সস্তায় ধোয়া যায়। হাঁটার জুতো গরম হলে পরে নেওয়ার জন্য স্যান্ডেল থাইল্যান্ডে সস্তায় পাওয়া যায়, যদিও মহিলাদের জন্য বড় সাইজ পাওয়া কঠিন। আপনি যদি নারী হন এবং ইউএস সাইজ ২-এর (ইউকে/আইআরএল ৬, ইইউ ৩৬) ওপরে হন, অথবা লম্বা বা বেশি গড়নের হন, তাহলে থাই দোকান থেকে আপনার মাপে কাপড় পাওয়া কঠিন হতে পারে। আপনি যদি পুরুষ হন এবং কোমরের মাপ ৩৮" এর বেশি হয়, প্যান্ট পাওয়ায় সমস্যা হতে পারে। তখন আপনি মূলত ব্যাকপ্যাকারদের গিয়ার (যেমন সর্বত্র পাওয়া যায় এমন ফিশারম্যান প্যান্ট আর “Same Same” টি-শার্ট) বা ব্যাংককের মলে পশ্চিমা আমদানির পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন, যার দাম দেশে যেমন বা তারও বেশি। থাই আবহাওয়ায় দিনে কয়েকবার পোশাক ভিজে যেতে পারে, তাই সস্তায় ধোয়ার ব্যবস্থা থাকলেও কয়েক সেট বাড়তি কাপড় সঙ্গে রাখা ভালো।
প্রতিটি ডাবল চেইনের জন্য পর্যাপ্ত তালা রাখুন, যেন কোনো অজানা হাত থেকে আপনার জিনিসপত্র সুরক্ষিত থাকে, এমনকি হোটেল রুমেও। চেইনের উপরের টানবার ছিদ্র নয়, নিচের ছিদ্র দিয়ে লক করুন। কানে লাগানোর প্লাগও রাখুন – যদি কোনো শব্দপূর্ণ রুমে আটকে যান বা বাসে ঘুমাতে চান।
আপনার যদি প্রেসক্রিপশন চশমা থাকে, একটি বাড়তি চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স আর প্রেসক্রিপশনের একটি কপি রাখুন।
টয়লেট্রিজ ব্যাগে রাখুন সানস্ক্রিন আর মশারোধক। মশার কয়েলও ভালো হবে। ছোট পকেট টর্চ বা ফ্ল্যাশলাইট বিদ্যুৎ চলে গেলে বা গুহা দেখতে কাজে লাগবে। পাসপোর্ট ছবিও ভিসার জন্য কাজে লাগে।
আপনি যদি মোটরবাইক দিয়ে দীর্ঘ পথ ভ্রমণ করতে চান, ভালো মানের হেলমেট কিনুন – থাইল্যান্ডেই কিনতে পারবেন। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আপনার জিনিসপত্র প্লাস্টিক ব্যাগে রাখুন যেন ভিজে না যায়, বিশেষ করে বর্ষাকালে বা নৌকায় ভ্রমণের সময়।
উপরের জিনিসগুলোর বাইরে, নিম্নলিখিতগুলোও নেওয়া ভালো:
* কাস্টমস পার হওয়ার সময় যে কোনো প্রেসক্রিপশন ওষুধের প্রেসক্রিপশন
* ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স
* রক্তদাতা/রক্তের গ্রুপ কার্ড
* আপনার নিকটাত্মীয়ের যোগাযোগের তথ্য
* পাসপোর্ট ছাড়া আরেকটি ছবি সংবলিত আইডি
* ক্রেডিট কার্ড আর আলাদা অ্যাকাউন্টের একটি ব্যাকআপ কার্ড
===বিদ্যুৎ===
থাইল্যান্ডে বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ ২২০ ভি, ৫০ হার্টজ। এখানে বিভিন্ন ধরনের প্লাগ ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে সাধারণ হলো স্ট্যান্ডার্ড আনগ্রাউন্ডেড নর্থ আমেরিকান দুই-পিন প্লাগ। সতর্কতা: উত্তর আমেরিকা, জাপান ও তাইওয়ানের শুধুমাত্র ১২০ ভি-তে চলা যন্ত্রপাতি ট্রান্সফরমার ছাড়া থাইল্যান্ডে ব্যবহার করলে অতিরিক্ত গরম হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। অধিকাংশ সকেটই গ্রাউন্ডেড নয়। আপনার ল্যাপটপ সরাসরি মেইনস পাওয়ারে যুক্ত করতে অনেক সময় দুই-পিন সকেটের জন্য একটি অ্যাডাপ্টার প্রয়োজন হবে। এগুলো ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়, এমনকি ৭-ইলেভেনের মতো দোকানেও। আরও তথ্যের জন্য [[বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা]] প্রবন্ধ দেখুন।
বিদ্যুৎ নিরাপত্তা, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, তেমন ভালো নাও হতে পারে। আরসিসিবি সুরক্ষা ডিভাইস পাওয়া যায়, তবে খুব সাধারণ নয়। এটি এবং পর্যাপ্ত গ্রাউন্ডিংয়ের অভাব একসঙ্গে বৈদ্যুতিক শকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিখ্যাত “ইন শাওয়ার ওয়াটার হিটার” এ ব্যতিক্রম, কারণ সবগুলোর সঙ্গেই অন্তর্নির্মিত আরসিসিবি থাকে। টেস্ট বোতাম চাপুন, আর টেস্ট ব্যর্থ হলে এটি ব্যবহার করবেন না।
===সংবাদপত্র===
* {{listing
| name=ব্যাংকক পোস্ট | alt= | url=https://www.bangkokpost.com/ | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikipedia=Bangkok Post | wikidata=Q806491
| content=থাইল্যান্ডের প্রধান ইংরেজি ভাষার সংবাদপত্র। আপনি যদি এর ছাপা কপি না পান, তবে অনলাইনে পড়তে পারবেন।
}}
* {{listing
| name=দ্য নেশন | alt= | url=https://www.nationthailand.com/ | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikipedia=The Nation (Thailand)
| content=থাইল্যান্ডের একটি অনলাইন-ভিত্তিক ইংরেজি ভাষার সংবাদপত্র।
}}
==সংযোগ==
===ইন্টারনেট===
থাই সরকার সক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১,১০,০০০ ওয়েবসাইট বন্ধ ছিল এবং এই সংখ্যা বাড়ছে। এর প্রায় ৭৭% ব্লক করা হয় ''লেসে মাজেস্তে'' (রাজাকে অপমান, হুমকি, কুৎসা বা অবমাননাকর বিষয়বস্তু, যার মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা ও কিছু রাজনৈতিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত) কারণে, আর ২২% ব্লক করা হয় পর্নোগ্রাফির কারণে, যা থাইল্যান্ডে অবৈধ। বিবিসি ওয়ান, বিবিসি টু, সিএনএন, ইয়াহু! নিউজ, ''পোস্ট-ইন্টেলিজেন্সার'' (সিয়াটল, ইউএসএ) আর ''দ্য এইজের'' (মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া) কিছু থাই রাজনৈতিক বিষয়ক ওয়েবপেজ ব্লক করা হয়েছে। উইকিলিকসও ব্লক করা হয়েছে।
ইন্টারনেট ক্যাফে থাইল্যান্ডে ব্যাপক এবং বেশিরভাগই সস্তা। প্রতি ঘণ্টায় ১৫ বাথের মতো কম দামে পাওয়া যায় এবং সাধারণত সংযোগের গতি গ্রহণযোগ্য, যদিও অনেক ক্যাফে মধ্যরাতের পর বন্ধ হয়। বড় প্যাকেজ-ট্যুরিস্ট এলাকায় দাম বেশি (৬০ বাথ/ঘণ্টা সাধারণ, ১২০ বাথ/ঘণ্টা অস্বাভাবিক নয়)। একাধিক ইন্টারনেট ক্যাফে রয়েছে এমন দ্বীপগুলোর মধ্যে আছে [[কো ফি ফি|কো ফি ফি (ডন)]], [[কো লান্টা|কো লান্টা (ইয়াই)]], [[কো সামুই]], [[কো ফা নাগান]], [[কো টাও]], [[কো চাং|কো চাং (ত্রাত)]], [[কো সামেত|কো সামেত (রায়ং)]], [[কো সি চ্যাং|কো সি চ্যাং (চনবুরি)]], আর অবশ্যই [[ফুকেট]]।
সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন এলাকা ছাড়া বাজেট হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে ("ম্যানশন") বিনামূল্যে '''ওয়াই-ফাই''' ততটা সাধারণ নয় এবং আপনি নিজের ল্যাপটপ এনেও ওয়াই-ফাই বা ল্যান ব্যবহারের জন্য ছোট ফি দিতে হতে পারে। পশ্চিমা পর্যটকদের জন্য ক্যাফে ও রেস্তোরাঁয় ওয়াই-ফাই সাধারণত পাওয়া যায়। এটি কখনো কখনো টেলিকম কোম্পানির দেওয়া হয় যারা ব্যবহারের জন্য ফি নেয়, আর সাধারণত নিবন্ধন শেষ করতে একটি টেলিকম অ্যাকাউন্ট লাগে।
সস্তা ইন্টারনেট ক্যাফের কম্পিউটারগুলোতে প্রায়ই '''কিলগার''' ইন্সটল করা থাকে, তাই অনলাইন ব্যাংকিং, স্টক ব্রোকিং বা এমনকি পেপাল ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন। পাসওয়ার্ডের কিছু অংশ কপি-পেস্ট করে দিলে কিছু কীলগারকে বিভ্রান্ত করা যেতে পারে। অথবা ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ডের অংশ ফিল্ডে লিখে, পরে ব্রাউজারের বাইরে ক্লিক করে কিছু অক্ষর লিখে আবার ফিল্ডে ফিরে গিয়ে বাকিটা টাইপ করে এইভাবে কয়েকবার করলে সুরক্ষা বাড়তে পারে। অন্যথায় ইন্টারনেট ক্যাফেতে নিজের ল্যাপটপ নিয়ে যান।
আপনি হঠাৎ যদি নিজেকে থাই (বা অন্য কোনো ভাষা) অক্ষরে টাইপ করতে দেখতে পান, তাহলে সম্ভবত আপনি দুর্ঘটনাবশত কম্পিউটারের ভাষা পরিবর্তনের শর্টকাট (প্রায়ই Ctrl+spacebar) চেপেছেন। আবার ইংরেজিতে ফেরার জন্য "টেক্সট সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনপুট ল্যাঙ্গুয়েজেস" অপশনে যান (সাধারণত টাস্কবারে "TH" আইকন দেখায়, সেটিতে ক্লিক করে "EN" নির্বাচন করলেই হবে)।
===টেলিফোন===
থাইল্যান্ডের কান্ট্রি কোড হলো '''+66'''। থাইল্যান্ডের মোবাইল নম্বর ১০ সংখ্যার (শুরুতে শূন্যসহ), আর ল্যান্ডলাইন ফোন ৯ সংখ্যার (শুরুতে শূন্যসহ)।
থাইল্যান্ডে মোবাইল ফোন সর্বত্র ব্যবহার হয়; নেটওয়ার্ক কাভারেজ ভালো, গতি দ্রুত আর দামও কম। প্রধান মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরগুলো হলো:
* [http://www.ais.co.th/en/ এআইএস]
* [http://www.dtac.co.th/en/ ডিটিএসি]: [https://www.dtac.co.th/en/prepaid/products/tourist-sim.html পর্যটক ই-সিম পাওয়া যায়] ৩০০–৬০০ বাথ
* [http://truemoveh.truecorp.co.th ট্রুমুভ]
* [https://www.ntplc.co.th ন্যাশনাল টেলিকম]
প্রিপেইড সিম কার্ড যেকোনো কনভেনিয়েন্স স্টোর থেকে মাত্র ৫০–২০০ বাথেই কেনা যায়, আর ব্যবহার অনুযায়ী রিচার্জ করা যায়। সিম কার্ড কেনার সময় পাসপোর্টের তথ্য দিতে হয়। বেশিরভাগ দোকানে পাসপোর্ট নিবন্ধন ব্যবস্থা দিনে (সাধারণত রাত ৯টা পর্যন্ত) কাজ করে, তবে ব্যাংকক এয়ারপোর্টের কাউন্টারগুলো ২৪/৭ সেবা দেয়, ইংরেজিতেও কথা বলে এবং সঙ্গে সঙ্গে সেবা চালু করতে পারে। তবে এয়ারপোর্টের অপারেটর সার্ভিস কাউন্টারগুলো কেবল বিশেষ “ট্যুরিস্ট সিম” বিক্রি করতে পারে, যেগুলো পরে কেবল বিশেষ পর্যটক প্ল্যান দিয়ে রিচার্জ করা যায় আর থাইল্যান্ডের বাইরে রোমিং নাও করতে পারে। আপনি যদি “স্থানীয় দাম” দিতে চান, তবে দিনের বেলায় এয়ারপোর্ট টার্মিনালের কনভেনিয়েন্স স্টোর থেকে সাধারণ সিম কিনতে পারেন।
অধিকাংশ ফোন অপারেটর তাদের ফোন “লক” করে রাখে, মানে অন্য নেটওয়ার্কের সিমে ফোন কাজ করবে না যদি না আনলক করা হয়। বিদেশে ফোন ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলে আপনার অপারেটরের কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করে আনলকের নিয়ম জেনে নিন। একবার আনলক হলে যেকোনো সিম কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। বিকল্পভাবে, ব্যাংককের [[ব্যাংকক/সিয়াম স্কয়ার#কেনাকাটা|এমবিকেকে (এমবিকে)]] শপিং মলের দক্ষ কারিগররা মাত্র ৫০০ বাথের কমে বেশিরভাগ ফোন আনলক করতে পারে। প্রয়োজন হলে সেখানে সস্তা সেকেন্ড হ্যান্ড ফোনও কিনতে পারবেন (৪র্থ তলায় বিশাল সংগ্রহ আছে)।
দেশের সর্বত্র কাভারেজ ভালো; সব শহর আর পর্যটন এলাকা (রিসোর্ট দ্বীপসহ) ভালোভাবে নেটওয়ার্কে আচ্ছাদিত। আপনি যদি গ্রামের গভীরে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, এআইএস সাধারণত সেরা নেটওয়ার্ক দেয়, যদিও কলের দাম কিছুটা বেশি।
আপনি যদি প্রতি বছর অন্তত একবার থাইল্যান্ড (বা এশিয়া) ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তবে একটি সিম সংরক্ষণের জন্য কিছু বিকল্প আছে। দীর্ঘমেয়াদি বৈধতার সিম এখন আর সহজে পাওয়া যায় না, তাই এটিকে সচল রাখতে আপনাকে কিছুটা চেষ্টা বা খরচ করতে হবে। নতুন নিয়ম হলো, প্রতিটি রিচার্জ (যত ছোট বা বড়ই হোক) সিমের মেয়াদ ৩০ দিন বাড়ায়, সর্বাধিক ৩৬৫ দিন পর্যন্ত। [https://thaiprepaidcard.com থাই প্রিপেইড কার্ড] বা [https://mobiletopup.com/ মোবাইল টপ আপের] মতো সাইটগুলো বিদেশে থাকাকালীন আপনার থাই সিম সক্রিয় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
স্বল্পমেয়াদি ভিজিটরদের জন্য থাইল্যান্ডের জিএসএম নেটওয়ার্কে আন্তর্জাতিক রোমিং সম্ভব, যদি অপারেটরদের মধ্যে চুক্তি থাকে। উল্টো দিকে, থাই অপারেটররা প্রতিবেশী দেশে ভালো রোমিং প্যাকেজ অফার করে। এগুলো আগেভাগে মোবাইল অ্যাপ বা কোম্পানির শাখা থেকে সক্রিয় করতে হতে পারে।
হোয়াটসঅ্যাপ থাইল্যান্ডে জনপ্রিয় নয়; বেশিরভাগ থাই '''[https://www.line.me/en/ লাইন (LINE)]''' নামের জাপানি মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে।
==পরবর্তী গন্তব্য==
থাইল্যান্ডের সীমান্ত লাগোয়া দেশ হলো [[মালয়েশিয়া]], [[মিয়ানমার]], [[কম্বোডিয়া]] এবং [[লাওস]]। [[কম্বোডিয়া]] আর [[লাওস|লাওসের]] ওপারে রয়েছে [[ভিয়েতনাম]]। এছাড়া এই অঞ্চলের মধ্যেই দক্ষিণ [[চীন]], [[সিঙ্গাপুর]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]] অবস্থিত। বাজেট এয়ারলাইনগুলো [[ব্যাংকক]] থেকে [[জাপান]] আর [[অস্ট্রেলিয়া]] পর্যন্ত গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে।
{{related|থাইল্যান্ডে ডাইভিং}}
{{related|থাইল্যান্ডে ধ্যান}}
{{geo|14|101|zoom=6}}
{{IsPartOf|দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া}}
{{usablecountry}}
25f6bireewl5s6mqvgghohboqe5dbas
ব্যবহারকারী:ARI/wv.js
2
8991
76742
2026-06-09T14:25:22Z
ARI
3854
"(function ($, mw) { 'use strict'; // 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') { return; } // Load required MediaWiki modules before running mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.util']).then(function () { initAssistant(); }); /** * Converts English numbers to Bengali..." দিয়ে পাতা তৈরি
76742
javascript
text/javascript
(function ($, mw) {
'use strict';
// 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') {
return;
}
// Load required MediaWiki modules before running
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.util']).then(function () {
initAssistant();
});
/**
* Converts English numbers to Bengali numerals
* @param {number|string} num
* @returns {string}
*/
function toBnNum(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().replace(/\d/g, d => bnDigits[d]);
}
/**
* Injects the required CSS for the floating panel
*/
function injectCSS() {
const css = `
:root {
--wv-ast-bg: #ffffff;
--wv-ast-text: #202122;
--wv-ast-border: #a2a9b1;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.15);
--wv-ast-header-bg: #eaecf0;
--wv-ast-success: #14866d;
--wv-ast-error: #d33;
}
/* MediaWiki native dark mode support */
html.skin-theme-clientpref-night {
--wv-ast-bg: #202122;
--wv-ast-text: #eaecf0;
--wv-ast-border: #72777d;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.5);
--wv-ast-header-bg: #2c2d30;
--wv-ast-success: #00af89;
--wv-ast-error: #ff4242;
}
#wv-assistant-panel {
position: fixed;
bottom: 20px;
right: 20px;
width: 320px;
background: var(--wv-ast-bg);
color: var(--wv-ast-text);
border: 1px solid var(--wv-ast-border);
border-radius: 12px;
box-shadow: 0 4px 15px var(--wv-ast-shadow);
z-index: 9999;
font-family: sans-serif;
font-size: 14px;
overflow: hidden;
transition: height 0.3s ease;
}
#wv-assistant-header {
background: var(--wv-ast-header-bg);
padding: 12px 15px;
font-weight: bold;
font-size: 15px;
display: flex;
justify-content: space-between;
align-items: center;
cursor: pointer;
user-select: none;
}
#wv-assistant-body {
padding: 15px;
max-height: 70vh;
overflow-y: auto;
}
.wv-ast-row {
margin-bottom: 8px;
}
.wv-ast-title {
font-weight: bold;
margin-top: 15px;
margin-bottom: 5px;
border-bottom: 1px solid var(--wv-ast-border);
padding-bottom: 3px;
}
.wv-ast-badge {
display: inline-block;
padding: 3px 8px;
border-radius: 20px;
background: var(--wv-ast-header-bg);
font-weight: bold;
font-size: 13px;
}
.wv-ast-list {
list-style: none;
margin: 0;
padding: 0;
}
.wv-ast-list li {
padding: 2px 0;
}
.wv-ast-check { color: var(--wv-ast-success); font-weight: bold; }
.wv-ast-cross { color: var(--wv-ast-error); font-weight: bold; }
.wv-ast-toggle-btn {
background: none;
border: none;
color: var(--wv-ast-text);
font-size: 18px;
cursor: pointer;
}
@media (max-width: 768px) {
#wv-assistant-panel {
width: calc(100% - 40px);
bottom: 10px;
right: 20px;
}
}
`;
mw.util.addCSS(css);
}
/**
* Fetches page wikitext using MediaWiki API
*/
function fetchData() {
const title = mw.config.get('wgPageName');
const api = new mw.Api();
api.get({
action: 'query',
prop: 'revisions',
titles: title,
rvprop: 'content',
rvslots: 'main',
formatversion: 2
}).done(function (data) {
if (data.query && data.query.pages && data.query.pages[0].revisions) {
const wikitext = data.query.pages[0].revisions[0].slots.main.content;
analyzeArticle(wikitext);
}
}).fail(function (err) {
console.error('WV Assistant: Failed to fetch wikitext', err);
});
}
/**
* Analyzes the wikitext against defined criteria
* @param {string} text
*/
function analyzeArticle(text) {
// 1. Standard Sections Check
const reqSections = ['বুঝুন', 'প্রবেশ করুন', 'ঘুরে দেখুন', 'করণীয়', 'কেনাকাটা', 'খাওয়া', 'পানীয়', 'থাকা', 'নিরাপদ থাকুন'];
const foundSections = [];
const missingSections = [];
reqSections.forEach(sec => {
const regex = new RegExp('==\\s*' + sec + '\\s*==', 'i');
if (regex.test(text)) {
foundSections.push(sec);
} else {
missingSections.push(sec);
}
});
// 2. Listing Templates Check
const listings = {
'দর্শনীয়': (text.match(/\{\{\s*(see|দর্শনীয়)/gi) || []).length,
'করণীয়': (text.match(/\{\{\s*(do|করণীয়)/gi) || []).length,
'খাবার': (text.match(/\{\{\s*(eat|খাবার|খাওয়া)/gi) || []).length,
'পানীয়': (text.match(/\{\{\s*(drink|পানীয়)/gi) || []).length,
'থাকা': (text.match(/\{\{\s*(sleep|থাকা)/gi) || []).length,
'অন্যান্য': (text.match(/\{\{\s*(listing|তালিকা)/gi) || []).length
};
const totalListings = Object.values(listings).reduce((a, b) => a + b, 0);
// 3. Image Detection (Wikitext + Infobox parameters)
const hasImage = /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test(text) || /\|\s*image\s*=/i.test(text) || /\|\s*চিত্র\s*=/i.test(text);
// 4. Coordinate Detection (Wikitext coords + checking existing DOM for Wikidata coords)
const hasCoordsText = /\{\{\s*(coord|geo)/i.test(text);
const hasCoordsDOM = document.querySelector('#coordinates, .geo-default') !== null;
const hasCoords = hasCoordsText || hasCoordsDOM;
// 5. Map Detection
const hasMapText = /<mapframe|\{\{\s*mapframe/i.test(text);
const hasMapDOM = document.querySelector('.mw-kartographer-map') !== null;
const hasMap = hasMapText || hasMapDOM;
// 6. Calculate Quality Score
let score = 0;
score += (foundSections.length / reqSections.length) * 40; // Sections: 40 points
score += hasImage ? 10 : 0; // Image: 10 points
score += hasCoords ? 10 : 0; // Coordinates: 10 points
score += hasMap ? 10 : 0; // Map: 10 points
score += Math.min(totalListings * 2, 30); // Listings: 30 points (maxes out at 15 listings)
score = Math.round(score);
// 7. Determine Status Badge
let status = '';
if (score <= 30) status = '🌱 অসম্পূর্ণ';
else if (score <= 60) status = '🚧 উন্নয়নাধীন';
else if (score <= 85) status = '⭐ ব্যবহারযোগ্য';
else status = '🏆 সম্পূর্ণ';
renderPanel({
reqSections, foundSections, missingSections,
listings, hasImage, hasCoords, hasMap,
score, status
});
}
/**
* Builds and appends the HTML Panel
*/
function renderPanel(data) {
// Prevent duplicate rendering
if ($('#wv-assistant-panel').length) return;
const scoreBn = toBnNum(data.score);
const mark = (bool) => bool ? '<span class="wv-ast-check">✓</span>' : '<span class="wv-ast-cross">✗</span>';
let html = `
<div id="wv-assistant-panel">
<div id="wv-assistant-header" title="লুকান/দেখান (Toggle)">
<span>🧭 উইকিভয়েজ সহকারী</span>
<button class="wv-ast-toggle-btn">▼</button>
</div>
<div id="wv-assistant-body">
<div class="wv-ast-row">
<span class="wv-ast-badge">${data.status}</span>
</div>
<div class="wv-ast-row" style="font-size: 16px; font-weight: bold; margin-bottom: 12px;">
গুণমান স্কোর: ${scoreBn}/১০০
</div>
<div class="wv-ast-row">ছবি: ${mark(data.hasImage)} ${data.hasImage ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">স্থানাঙ্ক: ${mark(data.hasCoords)} ${data.hasCoords ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">মানচিত্র: ${mark(data.hasMap)} ${data.hasMap ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-title">বিভাগসমূহ</div>
<ul class="wv-ast-list">
`;
data.reqSections.forEach(sec => {
const isFound = data.foundSections.includes(sec);
html += `<li>${mark(isFound)} ${sec}</li>`;
});
html += `</ul>`;
if (data.missingSections.length > 0) {
html += `
<div class="wv-ast-title" style="color: var(--wv-ast-error);">অনুপস্থিত বিভাগ</div>
<ul class="wv-ast-list">
${data.missingSections.map(sec => `<li>• ${sec}</li>`).join('')}
</ul>
`;
}
html += `<div class="wv-ast-title">তালিকা</div><ul class="wv-ast-list">`;
for (const [type, count] of Object.entries(data.listings)) {
html += `<li>${type}: ${toBnNum(count)}</li>`;
}
html += `
</ul>
</div>
</div>
`;
$('body').append(html);
// Interaction logic for collapsible panel
$('#wv-assistant-header').on('click', function () {
const body = $('#wv-assistant-body');
const btn = $('.wv-ast-toggle-btn');
if (body.is(':visible')) {
body.slideUp(200);
btn.text('▲');
} else {
body.slideDown(200);
btn.text('▼');
}
});
}
function initAssistant() {
injectCSS();
fetchData();
}
})(jQuery, mediaWiki);
1k83xqoy0zzgge9t5apl0egie4a2bgd
76744
76742
2026-06-09T14:38:15Z
ARI
3854
76744
javascript
text/javascript
(function ($, mw) {
'use strict';
// 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') {
return;
}
// Load required MediaWiki modules before running
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.util']).then(function () {
initAssistant();
});
/**
* Converts English numbers to Bengali numerals
* @param {number|string} num
* @returns {string}
*/
function toBnNum(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().replace(/\d/g, d => bnDigits[d]);
}
/**
* Injects the required CSS for the floating panel
*/
function injectCSS() {
const css = `
:root {
--wv-ast-bg: #ffffff;
--wv-ast-text: #202122;
--wv-ast-border: #a2a9b1;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.15);
--wv-ast-header-bg: #eaecf0;
--wv-ast-success: #14866d;
--wv-ast-error: #d33;
}
/* MediaWiki native dark mode support */
html.skin-theme-clientpref-night {
--wv-ast-bg: #202122;
--wv-ast-text: #eaecf0;
--wv-ast-border: #72777d;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.5);
--wv-ast-header-bg: #2c2d30;
--wv-ast-success: #00af89;
--wv-ast-error: #ff4242;
}
#wv-assistant-panel {
position: fixed;
bottom: 20px;
right: 20px;
width: 320px;
background: var(--wv-ast-bg);
color: var(--wv-ast-text);
border: 1px solid var(--wv-ast-border);
border-radius: 12px;
box-shadow: 0 4px 15px var(--wv-ast-shadow);
z-index: 9999;
font-family: sans-serif;
font-size: 14px;
overflow: hidden;
transition: height 0.3s ease;
}
#wv-assistant-header {
background: var(--wv-ast-header-bg);
padding: 12px 15px;
font-weight: bold;
font-size: 15px;
display: flex;
justify-content: space-between;
align-items: center;
cursor: pointer;
user-select: none;
}
#wv-assistant-body {
padding: 15px;
max-height: 70vh;
overflow-y: auto;
}
.wv-ast-row {
margin-bottom: 8px;
}
.wv-ast-title {
font-weight: bold;
margin-top: 15px;
margin-bottom: 5px;
border-bottom: 1px solid var(--wv-ast-border);
padding-bottom: 3px;
}
.wv-ast-badge {
display: inline-block;
padding: 3px 8px;
border-radius: 20px;
background: var(--wv-ast-header-bg);
font-weight: bold;
font-size: 13px;
}
.wv-ast-list {
list-style: none;
margin: 0;
padding: 0;
}
.wv-ast-list li {
padding: 2px 0;
}
.wv-ast-check { color: var(--wv-ast-success); font-weight: bold; }
.wv-ast-cross { color: var(--wv-ast-error); font-weight: bold; }
.wv-ast-toggle-btn {
background: none;
border: none;
color: var(--wv-ast-text);
font-size: 18px;
cursor: pointer;
}
@media (max-width: 768px) {
#wv-assistant-panel {
width: calc(100% - 40px);
bottom: 10px;
right: 20px;
}
}
`;
mw.util.addCSS(css);
}
/**
* Fetches page wikitext using MediaWiki API
*/
function fetchData() {
const title = mw.config.get('wgPageName');
const api = new mw.Api();
api.get({
action: 'query',
prop: 'revisions',
titles: title,
rvprop: 'content',
rvslots: 'main',
formatversion: 2
}).done(function (data) {
if (data.query && data.query.pages && data.query.pages[0].revisions) {
const wikitext = data.query.pages[0].revisions[0].slots.main.content;
analyzeArticle(wikitext);
}
}).fail(function (err) {
console.error('WV Assistant: Failed to fetch wikitext', err);
});
}
/**
* Safely extracts listing templates, handling nested templates and brackets.
*/
function extractListings(text) {
const regex = /\{\{\s*(see|do|eat|drink|sleep|listing|দর্শনীয়|করণীয়|খাবার|খাওয়া|পানীয়|থাকা|তালিকা)\s*(?=\||\})/gi;
let match;
const templates = [];
while ((match = regex.exec(text)) !== null) {
let start = match.index;
let depth = 0;
let end = start;
for (; end < text.length; end++) {
if (text[end] === '{') depth++;
else if (text[end] === '}') depth--;
if (depth === 0 && end > start) {
end++; // Include the final closing '}'
break;
}
}
templates.push(text.substring(start, end));
}
return templates;
}
/**
* Parses template parameters securely ignoring inner templates and links.
*/
function parseTemplateParams(templateStr) {
let inner = templateStr.replace(/^\{\{[^|]+\|?/, '').replace(/\}\}$/, '');
const params = {};
let parts = [];
let currentPart = '';
let d1 = 0; // {}
let d2 = 0; // []
for (let i = 0; i < inner.length; i++) {
let c = inner[i];
if (c === '{') d1++;
else if (c === '}') d1--;
else if (c === '[') d2++;
else if (c === ']') d2--;
if (c === '|' && d1 === 0 && d2 === 0) {
parts.push(currentPart);
currentPart = '';
} else {
currentPart += c;
}
}
parts.push(currentPart);
parts.forEach(part => {
let eqIdx = part.indexOf('=');
if (eqIdx > -1) {
let k = part.substring(0, eqIdx).trim().toLowerCase();
let v = part.substring(eqIdx + 1).trim();
params[k] = v;
}
});
return params;
}
/**
* Analyzes all listings and generates statistics and issue arrays.
*/
function analyzeListingQuality(text) {
const listings = extractListings(text);
let listingIssues = { noPhone: [], noWebsite: [], noAddress: [], noCoordinates: [] };
let stats = { total: 0, phone: 0, website: 0, address: 0, coords: 0 };
listings.forEach(tpl => {
let params = parseTemplateParams(tpl);
stats.total++;
let name = params['name'] || params['নাম'] || "নামহীন তালিকা";
let hasPhone = !!(params['phone'] || params['mobile'] || params['ফোন'] || params['মোবাইল']);
let hasWeb = !!(params['url'] || params['website'] || params['ওয়েবসাইট'] || params['ইউআরএল']);
let hasAddr = !!(params['address'] || params['ঠিকানা']);
let hasCoord = !!((params['lat'] && params['long']) || (params['অক্ষাংশ'] && params['দ্রাঘিমাংশ']));
if (hasPhone) stats.phone++; else listingIssues.noPhone.push(name);
if (hasWeb) stats.website++; else listingIssues.noWebsite.push(name);
if (hasAddr) stats.address++; else listingIssues.noAddress.push(name);
if (hasCoord) stats.coords++; else listingIssues.noCoordinates.push(name);
});
let listingScore = 0;
if (stats.total > 0) {
let maxPoints = stats.total * 100;
let earnedPoints = (stats.phone * 25) + (stats.website * 25) + (stats.address * 25) + (stats.coords * 25);
listingScore = Math.round((earnedPoints / maxPoints) * 100);
} else {
listingScore = 100; // No listings means no missing data penalty
}
let listingBadge = '';
if (stats.total === 0) listingBadge = 'প্রযোজ্য নয়';
else if (listingScore <= 30) listingBadge = '🌱 দুর্বল';
else if (listingScore <= 60) listingBadge = '🚧 উন্নয়নাধীন';
else if (listingScore <= 85) listingBadge = '⭐ ভালো';
else listingBadge = '🏆 উৎকৃষ্ট';
return { stats, listingIssues, listingScore, listingBadge };
}
/**
* Analyzes the wikitext against defined criteria
* @param {string} text
*/
function analyzeArticle(text) {
// 1. Standard Sections Check
const reqSections = ['বুঝুন', 'প্রবেশ করুন', 'ঘুরে দেখুন', 'করণীয়', 'কেনাকাটা', 'খাওয়া', 'পানীয়', 'থাকা', 'নিরাপদ থাকুন'];
const foundSections = [];
const missingSections = [];
reqSections.forEach(sec => {
const regex = new RegExp('==\\s*' + sec + '\\s*==', 'i');
if (regex.test(text)) {
foundSections.push(sec);
} else {
missingSections.push(sec);
}
});
// 2. Listing Templates Check
const listings = {
'দর্শনীয়': (text.match(/\{\{\s*(see|দর্শনীয়)/gi) || []).length,
'করণীয়': (text.match(/\{\{\s*(do|করণীয়)/gi) || []).length,
'খাবার': (text.match(/\{\{\s*(eat|খাবার|খাওয়া)/gi) || []).length,
'পানীয়': (text.match(/\{\{\s*(drink|পানীয়)/gi) || []).length,
'থাকা': (text.match(/\{\{\s*(sleep|থাকা)/gi) || []).length,
'অন্যান্য': (text.match(/\{\{\s*(listing|তালিকা)/gi) || []).length
};
const totalListings = Object.values(listings).reduce((a, b) => a + b, 0);
// 3. Image Detection (Wikitext + Infobox parameters)
const hasImage = /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test(text) || /\|\s*image\s*=/i.test(text) || /\|\s*চিত্র\s*=/i.test(text);
// 4. Coordinate Detection (Wikitext coords + checking existing DOM for Wikidata coords)
const hasCoordsText = /\{\{\s*(coord|geo)/i.test(text);
const hasCoordsDOM = document.querySelector('#coordinates, .geo-default') !== null;
const hasCoords = hasCoordsText || hasCoordsDOM;
// 5. Map Detection
const hasMapText = /<mapframe|\{\{\s*mapframe/i.test(text);
const hasMapDOM = document.querySelector('.mw-kartographer-map') !== null;
const hasMap = hasMapText || hasMapDOM;
// 6. Calculate Quality Score
let score = 0;
score += (foundSections.length / reqSections.length) * 40; // Sections: 40 points
score += hasImage ? 10 : 0; // Image: 10 points
score += hasCoords ? 10 : 0; // Coordinates: 10 points
score += hasMap ? 10 : 0; // Map: 10 points
score += Math.min(totalListings * 2, 30); // Listings: 30 points (maxes out at 15 listings)
score = Math.round(score);
// 7. Determine Status Badge
let status = '';
if (score <= 30) status = '🌱 অসম্পূর্ণ';
else if (score <= 60) status = '🚧 উন্নয়নাধীন';
else if (score <= 85) status = '⭐ ব্যবহারযোগ্য';
else status = '🏆 সম্পূর্ণ';
// 8. Calculate Listing Quality
const listingAnalysis = analyzeListingQuality(text);
renderPanel({
reqSections, foundSections, missingSections,
listings, hasImage, hasCoords, hasMap,
score, status,
listingAnalysis
});
}
/**
* Builds and appends the HTML Panel
*/
function renderPanel(data) {
// Prevent duplicate rendering
if ($('#wv-assistant-panel').length) return;
const scoreBn = toBnNum(data.score);
const mark = (bool) => bool ? '<span class="wv-ast-check">✓</span>' : '<span class="wv-ast-cross">✗</span>';
let html = `
<div id="wv-assistant-panel">
<div id="wv-assistant-header" title="লুকান/দেখান (Toggle)">
<span>🧭 উইকিভ্রমণ সহকারী</span>
<button class="wv-ast-toggle-btn">▼</button>
</div>
<div id="wv-assistant-body">
<div class="wv-ast-row">
<span class="wv-ast-badge">${data.status}</span>
</div>
<div class="wv-ast-row" style="font-size: 16px; font-weight: bold; margin-bottom: 12px;">
গুণমান স্কোর: ${scoreBn}/১০০
</div>
<div class="wv-ast-row">ছবি: ${mark(data.hasImage)} ${data.hasImage ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">স্থানাঙ্ক: ${mark(data.hasCoords)} ${data.hasCoords ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">মানচিত্র: ${mark(data.hasMap)} ${data.hasMap ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-title">বিভাগসমূহ</div>
<ul class="wv-ast-list">
`;
data.reqSections.forEach(sec => {
const isFound = data.foundSections.includes(sec);
html += `<li>${mark(isFound)} ${sec}</li>`;
});
html += `</ul>`;
if (data.missingSections.length > 0) {
html += `
<div class="wv-ast-title" style="color: var(--wv-ast-error);">অনুপস্থিত বিভাগ</div>
<ul class="wv-ast-list">
${data.missingSections.map(sec => `<li>• ${sec}</li>`).join('')}
</ul>
`;
}
html += `<div class="wv-ast-title">তালিকা</div><ul class="wv-ast-list">`;
for (const [type, count] of Object.entries(data.listings)) {
html += `<li>${type}: ${toBnNum(count)}</li>`;
}
html += `</ul>`;
// --- Listing Quality Panel Section ---
if (data.listingAnalysis.stats.total > 0) {
const lStats = data.listingAnalysis.stats;
const lIssues = data.listingAnalysis.listingIssues;
html += `
<div class="wv-ast-title">তালিকার মান</div>
<div class="wv-ast-row">
<span class="wv-ast-badge">${data.listingAnalysis.listingBadge}</span>
</div>
<div class="wv-ast-row" style="font-weight: bold;">
তালিকা মান স্কোর: ${toBnNum(data.listingAnalysis.listingScore)}/১০০
</div>
<ul class="wv-ast-list">
<li>মোট তালিকা: ${toBnNum(lStats.total)}</li>
<li>📞 ফোন আছে: ${toBnNum(lStats.phone)} | ❌ নেই: ${toBnNum(lStats.total - lStats.phone)}</li>
<li>🌐 ওয়েবসাইট আছে: ${toBnNum(lStats.website)} | ❌ নেই: ${toBnNum(lStats.total - lStats.website)}</li>
<li>📍 ঠিকানা আছে: ${toBnNum(lStats.address)} | ❌ নেই: ${toBnNum(lStats.total - lStats.address)}</li>
<li>🗺 স্থানাঙ্ক আছে: ${toBnNum(lStats.coords)} | ❌ নেই: ${toBnNum(lStats.total - lStats.coords)}</li>
</ul>
`;
// --- Problem Report Section ---
let hasIssues = lIssues.noPhone.length > 0 || lIssues.noWebsite.length > 0 || lIssues.noAddress.length > 0 || lIssues.noCoordinates.length > 0;
if (hasIssues) {
html += `<div class="wv-ast-title" style="color: var(--wv-ast-error);">তালিকার সমস্যা</div>`;
html += `<ul class="wv-ast-list" style="font-size: 13px;">`;
if (lIssues.noPhone.length > 0) {
html += `<li><b>📞 ফোন নেই (${toBnNum(lIssues.noPhone.length)})</b><br>• ${lIssues.noPhone.join('<br>• ')}</li>`;
}
if (lIssues.noWebsite.length > 0) {
html += `<li><b>🌐 ওয়েবসাইট নেই (${toBnNum(lIssues.noWebsite.length)})</b><br>• ${lIssues.noWebsite.join('<br>• ')}</li>`;
}
if (lIssues.noAddress.length > 0) {
html += `<li><b>📍 ঠিকানা নেই (${toBnNum(lIssues.noAddress.length)})</b><br>• ${lIssues.noAddress.join('<br>• ')}</li>`;
}
if (lIssues.noCoordinates.length > 0) {
html += `<li><b>🗺 স্থানাঙ্ক নেই (${toBnNum(lIssues.noCoordinates.length)})</b><br>• ${lIssues.noCoordinates.join('<br>• ')}</li>`;
}
html += `</ul>`;
}
}
html += `
</div>
</div>
`;
$('body').append(html);
// Interaction logic for collapsible panel
$('#wv-assistant-header').on('click', function () {
const body = $('#wv-assistant-body');
const btn = $('.wv-ast-toggle-btn');
if (body.is(':visible')) {
body.slideUp(200);
btn.text('▲');
} else {
body.slideDown(200);
btn.text('▼');
}
});
}
function initAssistant() {
injectCSS();
fetchData();
}
})(jQuery, mediaWiki);
kpwfuebxfktyhzdnqsilooykqsylv5g
76745
76744
2026-06-09T14:44:50Z
ARI
3854
সংশোধন
76745
javascript
text/javascript
(function ($, mw) {
'use strict';
// 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') {
return;
}
// Load required MediaWiki modules before running
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.util']).then(function () {
initAssistant();
});
/**
* Converts English numbers to Bengali numerals
* @param {number|string} num
* @returns {string}
*/
function toBnNum(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().replace(/\d/g, d => bnDigits[d]);
}
/**
* Injects the required CSS for the floating panel
*/
function injectCSS() {
const css = `
:root {
--wv-ast-bg: #ffffff;
--wv-ast-text: #202122;
--wv-ast-border: #a2a9b1;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.15);
--wv-ast-header-bg: #eaecf0;
--wv-ast-success: #14866d;
--wv-ast-error: #d33;
--wv-ast-warning: #edab00;
}
/* MediaWiki native dark mode support */
html.skin-theme-clientpref-night {
--wv-ast-bg: #202122;
--wv-ast-text: #eaecf0;
--wv-ast-border: #72777d;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.5);
--wv-ast-header-bg: #2c2d30;
--wv-ast-success: #00af89;
--wv-ast-error: #ff4242;
--wv-ast-warning: #f5c518;
}
#wv-assistant-panel {
position: fixed;
bottom: 20px;
right: 20px;
width: 320px;
background: var(--wv-ast-bg);
color: var(--wv-ast-text);
border: 1px solid var(--wv-ast-border);
border-radius: 12px;
box-shadow: 0 4px 15px var(--wv-ast-shadow);
z-index: 9999;
font-family: sans-serif;
font-size: 14px;
overflow: hidden;
transition: height 0.3s ease;
}
#wv-assistant-header {
background: var(--wv-ast-header-bg);
padding: 12px 15px;
font-weight: bold;
font-size: 15px;
display: flex;
justify-content: space-between;
align-items: center;
cursor: pointer;
user-select: none;
}
#wv-assistant-body {
padding: 15px;
max-height: 70vh;
overflow-y: auto;
}
.wv-ast-row {
margin-bottom: 8px;
}
.wv-ast-title {
font-weight: bold;
margin-top: 15px;
margin-bottom: 5px;
border-bottom: 1px solid var(--wv-ast-border);
padding-bottom: 3px;
}
.wv-ast-badge {
display: block;
text-align: center;
padding: 6px 8px;
border-radius: 20px;
background: var(--wv-ast-header-bg);
font-weight: bold;
font-size: 16px;
margin-bottom: 15px;
}
.wv-ast-progress-bg {
background: var(--wv-ast-border);
border-radius: 4px;
height: 8px;
width: 100%;
margin-top: 5px;
overflow: hidden;
}
.wv-ast-progress-fill {
background: var(--wv-ast-success);
height: 100%;
transition: width 0.3s;
}
.wv-ast-list {
list-style: none;
margin: 0;
padding: 0;
}
.wv-ast-list li {
padding: 2px 0;
}
.wv-ast-check { color: var(--wv-ast-success); font-weight: bold; }
.wv-ast-cross { color: var(--wv-ast-error); font-weight: bold; }
.wv-ast-target { color: var(--wv-ast-warning); font-weight: bold; }
.wv-ast-toggle-btn {
background: none;
border: none;
color: var(--wv-ast-text);
font-size: 18px;
cursor: pointer;
}
.wv-ast-issue-list {
font-size: 13px;
margin-left: 10px;
color: var(--wv-ast-error);
}
@media (max-width: 768px) {
#wv-assistant-panel {
width: calc(100% - 40px);
bottom: 10px;
right: 20px;
}
}
`;
mw.util.addCSS(css);
}
/**
* Fetches page wikitext using MediaWiki API
*/
function fetchData() {
const title = mw.config.get('wgPageName');
const api = new mw.Api();
api.get({
action: 'query',
prop: 'revisions',
titles: title,
rvprop: 'content',
rvslots: 'main',
formatversion: 2
}).done(function (data) {
if (data.query && data.query.pages && data.query.pages[0].revisions) {
const wikitext = data.query.pages[0].revisions[0].slots.main.content;
analyzeArticle(wikitext);
}
}).fail(function (err) {
console.error('WV Assistant: Failed to fetch wikitext', err);
});
}
/**
* Safely extracts listing templates, handling nested templates and brackets.
*/
function extractListings(text) {
const regex = /\{\{\s*(see|do|eat|drink|sleep|buy|go|listing|দর্শনীয়|করণীয়|খাবার|খাওয়া|পানীয়|থাকা|কেনাকাটা|যাওয়া|তালিকা)\s*(?=\||\})/gi;
let match;
const templates = [];
while ((match = regex.exec(text)) !== null) {
let start = match.index;
let depth = 0;
let end = start;
for (; end < text.length; end++) {
if (text[end] === '{') depth++;
else if (text[end] === '}') depth--;
if (depth === 0 && end > start) {
end++;
break;
}
}
templates.push(text.substring(start, end));
}
return templates;
}
/**
* Parses template parameters securely ignoring inner templates and links.
*/
function parseTemplateParams(templateStr) {
let inner = templateStr.replace(/^\{\{[^|]+\|?/, '').replace(/\}\}$/, '');
const params = {};
let parts = [];
let currentPart = '';
let d1 = 0; // {}
let d2 = 0; // []
for (let i = 0; i < inner.length; i++) {
let c = inner[i];
if (c === '{') d1++;
else if (c === '}') d1--;
else if (c === '[') d2++;
else if (c === ']') d2--;
if (c === '|' && d1 === 0 && d2 === 0) {
parts.push(currentPart);
currentPart = '';
} else {
currentPart += c;
}
}
parts.push(currentPart);
parts.forEach(part => {
let eqIdx = part.indexOf('=');
if (eqIdx > -1) {
let k = part.substring(0, eqIdx).trim().toLowerCase();
let v = part.substring(eqIdx + 1).trim();
params[k] = v;
}
});
return params;
}
/**
* Analyzes all listings for missing parameters (Listing Quality Audit)
*/
function analyzeListingQuality(text) {
const listings = extractListings(text);
let listingAudit = { total: 0, noPhone: [], noWebsite: [], noAddress: [], noCoords: [] };
listings.forEach((tpl, index) => {
let params = parseTemplateParams(tpl);
listingAudit.total++;
let name = params['name'] || params['নাম'] || `তালিকা ${index + 1}`;
let hasPhone = !!(params['phone'] || params['ফোন']);
let hasWeb = !!(params['url'] || params['website'] || params['ইউআরএল']);
let hasAddr = !!(params['address'] || params['ঠিকানা']);
let hasCoord = !!((params['lat'] && (params['long'] || params['lon'])) || (params['অক্ষাংশ'] && params['দ্রাঘিমাংশ']));
if (!hasPhone) listingAudit.noPhone.push(name);
if (!hasWeb) listingAudit.noWebsite.push(name);
if (!hasAddr) listingAudit.noAddress.push(name);
if (!hasCoord) listingAudit.noCoords.push(name);
});
return listingAudit;
}
/**
* Scans the wikitext for hyphenated Bengali suffixes (Grammar Check)
*/
function analyzeSuffixes(text) {
// Matches Bengali word ending with incorrect hyphenated suffix
const suffixRegex = /[\u0980-\u09FF]+-(?:এ|এর|কে|তে|য়ের|য়ে|য়|র|গুলো|গুলি|দের)(?=[^\u0980-\u09FF]|$)/g;
const matches = text.match(suffixRegex) || [];
return [...new Set(matches)]; // Return unique values
}
/**
* Analyzes the wikitext against defined criteria
* @param {string} text
*/
function analyzeArticle(text) {
// 1. Standard Sections Check
const reqSections = ['বুঝুন', 'প্রবেশ করুন', 'ঘুরে দেখুন', 'করণীয়', 'কেনাকাটা', 'খাওয়া', 'পানীয়', 'থাকা', 'নিরাপদ থাকুন'];
const foundSections = [];
const missingSections = [];
reqSections.forEach(sec => {
const regex = new RegExp('==\\s*' + sec + '\\s*==', 'i');
if (regex.test(text)) {
foundSections.push(sec);
} else {
missingSections.push(sec);
}
});
// 2. Listing Templates Check
const listingsCounts = {
'দর্শনীয়': (text.match(/\{\{\s*(see|দর্শনীয়)/gi) || []).length,
'করণীয়': (text.match(/\{\{\s*(do|করণীয়)/gi) || []).length,
'খাবার': (text.match(/\{\{\s*(eat|খাবার|খাওয়া)/gi) || []).length,
'পানীয়': (text.match(/\{\{\s*(drink|পানীয়)/gi) || []).length,
'থাকা': (text.match(/\{\{\s*(sleep|থাকা)/gi) || []).length,
'কেনাকাটা': (text.match(/\{\{\s*(buy|কেনাকাটা)/gi) || []).length,
'অন্যান্য': (text.match(/\{\{\s*(listing|go|তালিকা|যাওয়া)/gi) || []).length
};
const totalListings = Object.values(listingsCounts).reduce((a, b) => a + b, 0);
// 3. Media & Location Detections
const hasImage = /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test(text) || /\|\s*image\s*=/i.test(text) || /\|\s*চিত্র\s*=/i.test(text);
const hasCoordsText = /\{\{\s*(coord|geo)/i.test(text);
const hasCoordsDOM = document.querySelector('#coordinates, .geo-default') !== null;
const hasCoords = hasCoordsText || hasCoordsDOM;
const hasMapText = /<mapframe|\{\{\s*mapframe/i.test(text);
const hasMapDOM = document.querySelector('.mw-kartographer-map') !== null;
const hasMap = hasMapText || hasMapDOM;
// 4. Audits
const listingAudit = analyzeListingQuality(text);
const suffixIssues = analyzeSuffixes(text);
// 5. Calculate Base Quality Score
let score = 0;
score += (foundSections.length / reqSections.length) * 40; // Sections: 40 points
score += hasImage ? 10 : 0; // Image: 10 points
score += hasCoords ? 10 : 0; // Coordinates: 10 points
score += hasMap ? 10 : 0; // Map: 10 points
score += Math.min(totalListings * 2, 30); // Listings: 30 points (maxes out at 15)
score = Math.round(score);
// 6. Apply Penalties
const listingProblems = listingAudit.noPhone.length + listingAudit.noWebsite.length + listingAudit.noAddress.length + listingAudit.noCoords.length;
score -= Math.min(listingProblems, 10);
score -= Math.min(suffixIssues.length, 10);
score = Math.max(0, score); // Prevent negative scores
// 7. Determine Status Badge
let status = '';
if (score <= 30) status = '🌱 অসম্পূর্ণ';
else if (score <= 60) status = '🚧 উন্নয়নাধীন';
else if (score <= 85) status = '⭐ ব্যবহারযোগ্য';
else status = '🏆 সম্পূর্ণ';
// 8. Next Task Recommendation
let nextTask = "";
if (missingSections.length > 0) {
nextTask = `"${missingSections[0]}" বিভাগ যোগ করুন`;
} else if (!hasImage) {
nextTask = "নিবন্ধে একটি ছবি যোগ করুন";
} else if (!hasCoords) {
nextTask = "নিবন্ধে স্থানাঙ্ক যোগ করুন";
} else if (!hasMap) {
nextTask = "নিবন্ধে মানচিত্র যোগ করুন";
} else if (listingAudit.noPhone.length > 0) {
nextTask = `${toBnNum(listingAudit.noPhone.length)}টি তালিকায় ফোন নম্বর যোগ করুন`;
} else if (listingAudit.noWebsite.length > 0) {
nextTask = `${toBnNum(listingAudit.noWebsite.length)}টি তালিকায় ওয়েবসাইট যোগ করুন`;
} else {
nextTask = "কোনো কাজ বাকি নেই, দারুণ!";
}
renderPanel({
reqSections, foundSections, missingSections,
listingsCounts, hasImage, hasCoords, hasMap,
score, status, nextTask,
listingAudit, suffixIssues
});
}
/**
* Builds and appends the HTML Panel
*/
function renderPanel(data) {
if ($('#wv-assistant-panel').length) return;
const scoreBn = toBnNum(data.score);
const mark = (bool) => bool ? '<span class="wv-ast-check">✓</span>' : '<span class="wv-ast-cross">✗</span>';
let html = `
<div id="wv-assistant-panel">
<div id="wv-assistant-header" title="লুকান/দেখান (Toggle)">
<span>🧭 উইকিভয়েজ সহকারী</span>
<button class="wv-ast-toggle-btn">▼</button>
</div>
<div id="wv-assistant-body">
<span class="wv-ast-badge">${data.status}</span>
<div style="font-size: 16px; font-weight: bold;">
গুণমান স্কোর: ${scoreBn}/১০০
</div>
<div class="wv-ast-progress-bg">
<div class="wv-ast-progress-fill" style="width: ${data.score}%;"></div>
</div>
<div class="wv-ast-title">🎯 পরবর্তী কাজ</div>
<div class="wv-ast-row">
<span class="wv-ast-target">• ${data.nextTask}</span>
</div>
<div class="wv-ast-title">সাধারণ তথ্য</div>
<div class="wv-ast-row">ছবি: ${mark(data.hasImage)} ${data.hasImage ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">স্থানাঙ্ক: ${mark(data.hasCoords)} ${data.hasCoords ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">মানচিত্র: ${mark(data.hasMap)} ${data.hasMap ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-title">বিভাগসমূহ</div>
<ul class="wv-ast-list" style="columns: 2; -webkit-columns: 2;">
`;
data.reqSections.forEach(sec => {
const isFound = data.foundSections.includes(sec);
html += `<li>${mark(isFound)} ${sec}</li>`;
});
html += `</ul>`;
// --- Listing Quality Audit Section ---
if (data.listingAudit.total > 0) {
const audit = data.listingAudit;
html += `<div class="wv-ast-title">তালিকার মান অডিট</div>`;
html += `<ul class="wv-ast-list">`;
if (audit.noPhone.length > 0) {
html += `<li><b>📞 ফোন নেই: ${toBnNum(audit.noPhone.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noPhone.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>📞 ফোন: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noWebsite.length > 0) {
html += `<li><b>🌐 ওয়েবসাইট নেই: ${toBnNum(audit.noWebsite.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noWebsite.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>🌐 ওয়েবসাইট: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noAddress.length > 0) {
html += `<li><b>🏠 ঠিকানা নেই: ${toBnNum(audit.noAddress.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noAddress.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>🏠 ঠিকানা: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noCoords.length > 0) {
html += `<li><b>📍 স্থানাঙ্ক নেই: ${toBnNum(audit.noCoords.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noCoords.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>📍 স্থানাঙ্ক: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
html += `</ul>`;
}
// --- Bengali Suffix Audit Section ---
if (data.suffixIssues.length > 0) {
html += `
<div class="wv-ast-title" style="color: var(--wv-ast-error);">ভাষাগত সমস্যা</div>
<div class="wv-ast-row">মোট ভুল প্রত্যয়: ${toBnNum(data.suffixIssues.length)}</div>
<ul class="wv-ast-list wv-ast-issue-list">
<li>• ${data.suffixIssues.join('<br>• ')}</li>
</ul>
`;
}
html += `
</div>
</div>
`;
$('body').append(html);
// Interaction logic for collapsible panel
$('#wv-assistant-header').on('click', function () {
const body = $('#wv-assistant-body');
const btn = $('.wv-ast-toggle-btn');
if (body.is(':visible')) {
body.slideUp(200);
btn.text('▲');
} else {
body.slideDown(200);
btn.text('▼');
}
});
}
function initAssistant() {
injectCSS();
fetchData();
}
})(jQuery, mediaWiki);
kfgdjts4t461tlqfhiy2elwthys1skq
76747
76745
2026-06-10T02:57:45Z
ARI
3854
হালনাগাদ
76747
javascript
text/javascript
(function ($, mw) {
'use strict';
// 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') {
return;
}
// Load required MediaWiki modules before running
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.util']).then(function () {
initAssistant();
});
/**
* Converts English numbers to Bengali numerals
* @param {number|string} num
* @returns {string}
*/
function toBnNum(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().replace(/\d/g, d => bnDigits[d]);
}
/**
* Injects the required CSS for the floating panel
*/
function injectCSS() {
const css = `
:root {
--wv-ast-bg: #ffffff;
--wv-ast-text: #202122;
--wv-ast-border: #a2a9b1;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.15);
--wv-ast-header-bg: #eaecf0;
--wv-ast-success: #14866d;
--wv-ast-error: #d33;
--wv-ast-warning: #edab00;
}
/* MediaWiki native dark mode support */
html.skin-theme-clientpref-night {
--wv-ast-bg: #202122;
--wv-ast-text: #eaecf0;
--wv-ast-border: #72777d;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.5);
--wv-ast-header-bg: #2c2d30;
--wv-ast-success: #00af89;
--wv-ast-error: #ff4242;
--wv-ast-warning: #f5c518;
}
#wv-assistant-panel {
position: fixed;
bottom: 20px;
right: 20px;
width: 320px;
background: var(--wv-ast-bg);
color: var(--wv-ast-text);
border: 1px solid var(--wv-ast-border);
border-radius: 12px;
box-shadow: 0 4px 15px var(--wv-ast-shadow);
z-index: 9999;
font-family: sans-serif;
font-size: 14px;
overflow: hidden;
transition: height 0.3s ease;
display: none; /* Hidden by default until toolbar clicked */
}
#wv-assistant-header {
background: var(--wv-ast-header-bg);
padding: 12px 15px;
font-weight: bold;
font-size: 15px;
display: flex;
justify-content: space-between;
align-items: center;
cursor: pointer;
user-select: none;
}
.wv-ast-header-controls {
display: flex;
gap: 10px;
}
#wv-assistant-body {
padding: 15px;
max-height: 70vh;
overflow-y: auto;
}
.wv-ast-row {
margin-bottom: 8px;
}
.wv-ast-title {
font-weight: bold;
margin-top: 15px;
margin-bottom: 5px;
border-bottom: 1px solid var(--wv-ast-border);
padding-bottom: 3px;
}
.wv-ast-badge {
display: block;
text-align: center;
padding: 6px 8px;
border-radius: 20px;
background: var(--wv-ast-header-bg);
font-weight: bold;
font-size: 16px;
margin-bottom: 15px;
}
.wv-ast-progress-bg {
background: var(--wv-ast-border);
border-radius: 4px;
height: 8px;
width: 100%;
margin-top: 5px;
overflow: hidden;
}
.wv-ast-progress-fill {
background: var(--wv-ast-success);
height: 100%;
transition: width 0.3s;
}
.wv-ast-list {
list-style: none;
margin: 0;
padding: 0;
}
.wv-ast-list li {
padding: 2px 0;
}
.wv-ast-check { color: var(--wv-ast-success); font-weight: bold; }
.wv-ast-cross { color: var(--wv-ast-error); font-weight: bold; }
.wv-ast-target { color: var(--wv-ast-warning); font-weight: bold; }
.wv-ast-icon-btn {
background: none;
border: none;
color: var(--wv-ast-text);
font-size: 16px;
cursor: pointer;
padding: 0;
}
.wv-ast-issue-list {
font-size: 13px;
margin-left: 10px;
color: var(--wv-ast-error);
}
@media (max-width: 768px) {
#wv-assistant-panel {
width: calc(100% - 40px);
bottom: 10px;
right: 20px;
}
}
`;
mw.util.addCSS(css);
}
/**
* Fetches page wikitext using MediaWiki API
*/
function fetchData() {
const title = mw.config.get('wgPageName');
const api = new mw.Api();
api.get({
action: 'query',
prop: 'revisions',
titles: title,
rvprop: 'content',
rvslots: 'main',
formatversion: 2
}).done(function (data) {
if (data.query && data.query.pages && data.query.pages[0].revisions) {
const wikitext = data.query.pages[0].revisions[0].slots.main.content;
analyzeArticle(wikitext);
}
}).fail(function (err) {
console.error('WV Assistant: Failed to fetch wikitext', err);
$('#ca-wv-assistant a').text('উইকিভয়েজ সহকারী (ত্রুটি)');
});
}
/**
* Safely extracts listing templates, handling nested templates and brackets.
*/
function extractListings(text) {
const regex = /\{\{\s*(see|do|eat|drink|sleep|buy|go|listing|দর্শনীয়|করণীয়|খাবার|খাওয়া|পানীয়|থাকা|কেনাকাটা|যাওয়া|তালিকা)\s*(?=\||\})/gi;
let match;
const templates = [];
while ((match = regex.exec(text)) !== null) {
let start = match.index;
let depth = 0;
let end = start;
for (; end < text.length; end++) {
if (text[end] === '{') depth++;
else if (text[end] === '}') depth--;
if (depth === 0 && end > start) {
end++;
break;
}
}
templates.push(text.substring(start, end));
}
return templates;
}
/**
* Parses template parameters securely ignoring inner templates and links.
*/
function parseTemplateParams(templateStr) {
let inner = templateStr.replace(/^\{\{[^|]+\|?/, '').replace(/\}\}$/, '');
const params = {};
let parts = [];
let currentPart = '';
let d1 = 0; // {}
let d2 = 0; // []
for (let i = 0; i < inner.length; i++) {
let c = inner[i];
if (c === '{') d1++;
else if (c === '}') d1--;
else if (c === '[') d2++;
else if (c === ']') d2--;
if (c === '|' && d1 === 0 && d2 === 0) {
parts.push(currentPart);
currentPart = '';
} else {
currentPart += c;
}
}
parts.push(currentPart);
parts.forEach(part => {
let eqIdx = part.indexOf('=');
if (eqIdx > -1) {
let k = part.substring(0, eqIdx).trim().toLowerCase();
let v = part.substring(eqIdx + 1).trim();
params[k] = v;
}
});
return params;
}
/**
* Analyzes all listings for missing parameters (Listing Quality Audit)
*/
function analyzeListingQuality(text) {
const listings = extractListings(text);
let listingAudit = { total: 0, noPhone: [], noWebsite: [], noAddress: [], noCoords: [] };
listings.forEach((tpl, index) => {
let params = parseTemplateParams(tpl);
listingAudit.total++;
let name = params['name'] || params['নাম'] || `তালিকা ${index + 1}`;
let hasPhone = !!(params['phone'] || params['ফোন']);
let hasWeb = !!(params['url'] || params['website'] || params['ইউআরএল']);
let hasAddr = !!(params['address'] || params['ঠিকানা']);
let hasCoord = !!((params['lat'] && (params['long'] || params['lon'])) || (params['অক্ষাংশ'] && params['দ্রাঘিমাংশ']));
if (!hasPhone) listingAudit.noPhone.push(name);
if (!hasWeb) listingAudit.noWebsite.push(name);
if (!hasAddr) listingAudit.noAddress.push(name);
if (!hasCoord) listingAudit.noCoords.push(name);
});
return listingAudit;
}
/**
* Scans the wikitext for hyphenated Bengali suffixes (Grammar Check)
*/
function analyzeSuffixes(text) {
// Matches Bengali word ending with incorrect hyphenated suffix
const suffixRegex = /[\u0980-\u09FF]+-(?:এ|এর|কে|তে|য়ের|য়ে|য়|র|গুলো|গুলি|দের)(?=[^\u0980-\u09FF]|$)/g;
const matches = text.match(suffixRegex) || [];
return [...new Set(matches)]; // Return unique values
}
/**
* Analyzes the wikitext against defined criteria
* @param {string} text
*/
function analyzeArticle(text) {
// 1. Standard Sections Check
const reqSections = ['বুঝুন', 'প্রবেশ করুন', 'ঘুরে দেখুন', 'করণীয়', 'কেনাকাটা', 'খাওয়া', 'পানীয়', 'থাকা', 'নিরাপদ থাকুন'];
const foundSections = [];
const missingSections = [];
reqSections.forEach(sec => {
const regex = new RegExp('==\\s*' + sec + '\\s*==', 'i');
if (regex.test(text)) {
foundSections.push(sec);
} else {
missingSections.push(sec);
}
});
// 2. Listing Templates Check
const listingsCounts = {
'দর্শনীয়': (text.match(/\{\{\s*(see|দর্শনীয়)/gi) || []).length,
'করণীয়': (text.match(/\{\{\s*(do|করণীয়)/gi) || []).length,
'খাবার': (text.match(/\{\{\s*(eat|খাবার|খাওয়া)/gi) || []).length,
'পানীয়': (text.match(/\{\{\s*(drink|পানীয়)/gi) || []).length,
'থাকা': (text.match(/\{\{\s*(sleep|থাকা)/gi) || []).length,
'কেনাকাটা': (text.match(/\{\{\s*(buy|কেনাকাটা)/gi) || []).length,
'অন্যান্য': (text.match(/\{\{\s*(listing|go|তালিকা|যাওয়া)/gi) || []).length
};
const totalListings = Object.values(listingsCounts).reduce((a, b) => a + b, 0);
// 3. Media & Location Detections
const hasImage = /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test(text) || /\|\s*image\s*=/i.test(text) || /\|\s*চিত্র\s*=/i.test(text);
const hasCoordsText = /\{\{\s*(coord|geo)/i.test(text);
const hasCoordsDOM = document.querySelector('#coordinates, .geo-default') !== null;
const hasCoords = hasCoordsText || hasCoordsDOM;
const hasMapText = /<mapframe|\{\{\s*mapframe/i.test(text);
const hasMapDOM = document.querySelector('.mw-kartographer-map') !== null;
const hasMap = hasMapText || hasMapDOM;
// 4. Audits
const listingAudit = analyzeListingQuality(text);
const suffixIssues = analyzeSuffixes(text);
// 5. Calculate Base Quality Score
let score = 0;
score += (foundSections.length / reqSections.length) * 40; // Sections: 40 points
score += hasImage ? 10 : 0; // Image: 10 points
score += hasCoords ? 10 : 0; // Coordinates: 10 points
score += hasMap ? 10 : 0; // Map: 10 points
score += Math.min(totalListings * 2, 30); // Listings: 30 points (maxes out at 15)
score = Math.round(score);
// 6. Apply Penalties
const listingProblems = listingAudit.noPhone.length + listingAudit.noWebsite.length + listingAudit.noAddress.length + listingAudit.noCoords.length;
score -= Math.min(listingProblems, 10);
score -= Math.min(suffixIssues.length, 10);
score = Math.max(0, score); // Prevent negative scores
// 7. Determine Status Badge
let status = '';
if (score <= 30) status = '🌱 অসম্পূর্ণ';
else if (score <= 60) status = '🚧 উন্নয়নাধীন';
else if (score <= 85) status = '⭐ ব্যবহারযোগ্য';
else status = '🏆 সম্পূর্ণ';
// 8. Next Task Recommendation
let nextTask = "";
if (missingSections.length > 0) {
nextTask = `"${missingSections[0]}" বিভাগ যোগ করুন`;
} else if (!hasImage) {
nextTask = "নিবন্ধে একটি ছবি যোগ করুন";
} else if (!hasCoords) {
nextTask = "নিবন্ধে স্থানাঙ্ক যোগ করুন";
} else if (!hasMap) {
nextTask = "নিবন্ধে মানচিত্র যোগ করুন";
} else if (listingAudit.noPhone.length > 0) {
nextTask = `${toBnNum(listingAudit.noPhone.length)}টি তালিকায় ফোন নম্বর যোগ করুন`;
} else if (listingAudit.noWebsite.length > 0) {
nextTask = `${toBnNum(listingAudit.noWebsite.length)}টি তালিকায় ওয়েবসাইট যোগ করুন`;
} else {
nextTask = "কোনো কাজ বাকি নেই, দারুণ!";
}
renderPanel({
reqSections, foundSections, missingSections,
listingsCounts, hasImage, hasCoords, hasMap,
score, status, nextTask,
listingAudit, suffixIssues
});
}
/**
* Builds and appends the HTML Panel
*/
function renderPanel(data) {
// Reset portlet link text
$('#ca-wv-assistant a').text('উইকিভয়েজ সহকারী');
if ($('#wv-assistant-panel').length) {
$('#wv-assistant-panel').fadeIn(200);
return;
}
const scoreBn = toBnNum(data.score);
const mark = (bool) => bool ? '<span class="wv-ast-check">✓</span>' : '<span class="wv-ast-cross">✗</span>';
let html = `
<div id="wv-assistant-panel">
<div id="wv-assistant-header">
<span>🧭 উইকিভয়েজ সহকারী</span>
<div class="wv-ast-header-controls">
<button class="wv-ast-icon-btn wv-ast-toggle-btn" title="লুকান/দেখান">▼</button>
<button class="wv-ast-icon-btn wv-ast-close-btn" title="বন্ধ করুন">✖</button>
</div>
</div>
<div id="wv-assistant-body">
<span class="wv-ast-badge">${data.status}</span>
<div style="font-size: 16px; font-weight: bold;">
গুণমান স্কোর: ${scoreBn}/১০০
</div>
<div class="wv-ast-progress-bg">
<div class="wv-ast-progress-fill" style="width: ${data.score}%;"></div>
</div>
<div class="wv-ast-title">🎯 পরবর্তী কাজ</div>
<div class="wv-ast-row">
<span class="wv-ast-target">• ${data.nextTask}</span>
</div>
<div class="wv-ast-title">সাধারণ তথ্য</div>
<div class="wv-ast-row">ছবি: ${mark(data.hasImage)} ${data.hasImage ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">স্থানাঙ্ক: ${mark(data.hasCoords)} ${data.hasCoords ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">মানচিত্র: ${mark(data.hasMap)} ${data.hasMap ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-title">বিভাগসমূহ</div>
<ul class="wv-ast-list" style="columns: 2; -webkit-columns: 2;">
`;
data.reqSections.forEach(sec => {
const isFound = data.foundSections.includes(sec);
html += `<li>${mark(isFound)} ${sec}</li>`;
});
html += `</ul>`;
// --- Listing Quality Audit Section ---
if (data.listingAudit.total > 0) {
const audit = data.listingAudit;
html += `<div class="wv-ast-title">তালিকার মান অডিট</div>`;
html += `<ul class="wv-ast-list">`;
if (audit.noPhone.length > 0) {
html += `<li><b>📞 ফোন নেই: ${toBnNum(audit.noPhone.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noPhone.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>📞 ফোন: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noWebsite.length > 0) {
html += `<li><b>🌐 ওয়েবসাইট নেই: ${toBnNum(audit.noWebsite.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noWebsite.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>🌐 ওয়েবসাইট: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noAddress.length > 0) {
html += `<li><b>🏠 ঠিকানা নেই: ${toBnNum(audit.noAddress.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noAddress.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>🏠 ঠিকানা: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noCoords.length > 0) {
html += `<li><b>📍 স্থানাঙ্ক নেই: ${toBnNum(audit.noCoords.length)}</b>
<div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noCoords.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>📍 স্থানাঙ্ক: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
html += `</ul>`;
}
// --- Bengali Suffix Audit Section ---
if (data.suffixIssues.length > 0) {
html += `
<div class="wv-ast-title" style="color: var(--wv-ast-error);">ভাষাগত সমস্যা</div>
<div class="wv-ast-row">মোট ভুল প্রত্যয়: ${toBnNum(data.suffixIssues.length)}</div>
<ul class="wv-ast-list wv-ast-issue-list">
<li>• ${data.suffixIssues.join('<br>• ')}</li>
</ul>
`;
}
html += `
</div>
</div>
`;
$('body').append(html);
$('#wv-assistant-panel').fadeIn(200);
// Interaction logic for collapsible panel
$('.wv-ast-toggle-btn').on('click', function () {
const body = $('#wv-assistant-body');
const btn = $(this);
if (body.is(':visible')) {
body.slideUp(200);
btn.text('▲');
} else {
body.slideDown(200);
btn.text('▼');
}
});
// Close button logic
$('.wv-ast-close-btn').on('click', function () {
$('#wv-assistant-panel').fadeOut(200);
});
}
/**
* Initializes the toolbar link
*/
function initAssistant() {
injectCSS();
// Add link to the page actions menu (the "More" / "আরও" dropdown on modern skins, or sidebar tools)
const portletId = (mw.config.get('skin') === 'vector' || mw.config.get('skin') === 'vector-2022') ? 'p-cactions' : 'p-tb';
const link = mw.util.addPortletLink(
portletId,
'#',
'উইকিভয়েজ সহকারী',
'ca-wv-assistant',
'নিবন্ধের গুণমান ও সমস্যা যাচাই করুন'
);
$(link).on('click', function (e) {
e.preventDefault();
const panel = $('#wv-assistant-panel');
if (panel.length) {
// If it already exists, just toggle its visibility
panel.fadeToggle(200);
} else {
// Show a loading indicator in the toolbar on the first click
$('#ca-wv-assistant a').text('লোড হচ্ছে...');
fetchData();
}
});
}
})(jQuery, mediaWiki);
jmuf2ab9nonmjy2bb2g6c9vsvzrp6z1
76748
76747
2026-06-10T03:05:52Z
ARI
3854
হালনাগাদ/** * @name Bengali Wikivoyage Assistant * @description A hybrid toolbar/mobile assistant for bn.wikivoyage to calculate article quality, missing components, and audits. * @author Generated Assistant * @license MIT */ (function ($, mw) { 'use strict'; // 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') { return; } // Load
76748
javascript
text/javascript
(function ($, mw) {
'use strict';
// 1. Environment Check: Run only on articles (Namespace 0) and in 'view' mode
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 0 || mw.config.get('wgAction') !== 'view') {
return;
}
// Load required MediaWiki modules before running
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.util']).then(function () {
initAssistant();
});
/**
* Converts English numbers to Bengali numerals
* @param {number|string} num
* @returns {string}
*/
function toBnNum(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().replace(/\d/g, d => bnDigits[d]);
}
/**
* Injects the required CSS for the floating panel and mobile button
*/
function injectCSS() {
const css = `
:root {
--wv-ast-bg: #ffffff;
--wv-ast-text: #202122;
--wv-ast-border: #a2a9b1;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.15);
--wv-ast-header-bg: #eaecf0;
--wv-ast-success: #14866d;
--wv-ast-error: #d33;
--wv-ast-warning: #edab00;
}
/* MediaWiki native dark mode support */
html.skin-theme-clientpref-night {
--wv-ast-bg: #202122;
--wv-ast-text: #eaecf0;
--wv-ast-border: #72777d;
--wv-ast-shadow: rgba(0, 0, 0, 0.5);
--wv-ast-header-bg: #2c2d30;
--wv-ast-success: #00af89;
--wv-ast-error: #ff4242;
--wv-ast-warning: #f5c518;
}
/* --- Panel Styling --- */
#wv-assistant-panel {
position: fixed;
bottom: 20px;
right: 20px;
width: 320px;
background: var(--wv-ast-bg);
color: var(--wv-ast-text);
border: 1px solid var(--wv-ast-border);
border-radius: 12px;
box-shadow: 0 4px 15px var(--wv-ast-shadow);
z-index: 9999;
font-family: sans-serif;
font-size: 14px;
overflow: hidden;
transition: height 0.3s ease;
display: none; /* Hidden by default until triggered */
}
#wv-assistant-header {
background: var(--wv-ast-header-bg);
padding: 12px 15px;
font-weight: bold;
font-size: 15px;
display: flex;
justify-content: space-between;
align-items: center;
cursor: pointer;
user-select: none;
}
.wv-ast-header-controls { display: flex; gap: 10px; }
#wv-assistant-body { padding: 15px; max-height: 70vh; overflow-y: auto; }
.wv-ast-row { margin-bottom: 8px; }
.wv-ast-title {
font-weight: bold; margin-top: 15px; margin-bottom: 5px;
border-bottom: 1px solid var(--wv-ast-border); padding-bottom: 3px;
}
.wv-ast-badge {
display: block; text-align: center; padding: 6px 8px;
border-radius: 20px; background: var(--wv-ast-header-bg);
font-weight: bold; font-size: 16px; margin-bottom: 15px;
}
.wv-ast-progress-bg {
background: var(--wv-ast-border); border-radius: 4px;
height: 8px; width: 100%; margin-top: 5px; overflow: hidden;
}
.wv-ast-progress-fill { background: var(--wv-ast-success); height: 100%; transition: width 0.3s; }
.wv-ast-list { list-style: none; margin: 0; padding: 0; }
.wv-ast-list li { padding: 2px 0; }
.wv-ast-check { color: var(--wv-ast-success); font-weight: bold; }
.wv-ast-cross { color: var(--wv-ast-error); font-weight: bold; }
.wv-ast-target { color: var(--wv-ast-warning); font-weight: bold; }
.wv-ast-icon-btn {
background: none; border: none; color: var(--wv-ast-text);
font-size: 16px; cursor: pointer; padding: 0;
}
.wv-ast-issue-list { font-size: 13px; margin-left: 10px; color: var(--wv-ast-error); }
/* --- Mobile Floating Trigger Button --- */
#wv-ast-mobile-trigger {
display: none; /* Hidden on desktop */
position: fixed;
bottom: 20px;
right: 20px;
width: 48px;
height: 48px;
background: var(--wv-ast-bg);
border: 1px solid var(--wv-ast-border);
border-radius: 50%;
box-shadow: 0 4px 10px var(--wv-ast-shadow);
z-index: 9998;
font-size: 24px;
text-align: center;
line-height: 48px;
cursor: pointer;
user-select: none;
}
/* Show floating button and adjust panel width on mobile */
html.skin-minerva #wv-ast-mobile-trigger,
@media (max-width: 768px) {
#wv-ast-mobile-trigger {
display: block;
}
#wv-assistant-panel {
width: calc(100% - 40px);
bottom: 10px;
right: 20px;
}
/* Hide portlet link on mobile if accidentally rendered */
#ca-wv-assistant {
display: none !important;
}
}
`;
mw.util.addCSS(css);
}
/**
* Fetches page wikitext using MediaWiki API
*/
function fetchData() {
const title = mw.config.get('wgPageName');
const api = new mw.Api();
api.get({
action: 'query',
prop: 'revisions',
titles: title,
rvprop: 'content',
rvslots: 'main',
formatversion: 2
}).done(function (data) {
if (data.query && data.query.pages && data.query.pages[0].revisions) {
const wikitext = data.query.pages[0].revisions[0].slots.main.content;
analyzeArticle(wikitext);
}
}).fail(function (err) {
console.error('WV Assistant: Failed to fetch wikitext', err);
if ($('#ca-wv-assistant a').length) $('#ca-wv-assistant a').text('সহকারী (ত্রুটি)');
$('#wv-ast-mobile-trigger').text('❌');
});
}
/**
* Safely extracts listing templates
*/
function extractListings(text) {
const regex = /\{\{\s*(see|do|eat|drink|sleep|buy|go|listing|দর্শনীয়|করণীয়|খাবার|খাওয়া|পানীয়|থাকা|কেনাকাটা|যাওয়া|তালিকা)\s*(?=\||\})/gi;
let match;
const templates = [];
while ((match = regex.exec(text)) !== null) {
let start = match.index;
let depth = 0;
let end = start;
for (; end < text.length; end++) {
if (text[end] === '{') depth++;
else if (text[end] === '}') depth--;
if (depth === 0 && end > start) {
end++;
break;
}
}
templates.push(text.substring(start, end));
}
return templates;
}
/**
* Parses template parameters
*/
function parseTemplateParams(templateStr) {
let inner = templateStr.replace(/^\{\{[^|]+\|?/, '').replace(/\}\}$/, '');
const params = {};
let parts = [];
let currentPart = '';
let d1 = 0; let d2 = 0;
for (let i = 0; i < inner.length; i++) {
let c = inner[i];
if (c === '{') d1++;
else if (c === '}') d1--;
else if (c === '[') d2++;
else if (c === ']') d2--;
if (c === '|' && d1 === 0 && d2 === 0) {
parts.push(currentPart);
currentPart = '';
} else { currentPart += c; }
}
parts.push(currentPart);
parts.forEach(part => {
let eqIdx = part.indexOf('=');
if (eqIdx > -1) {
let k = part.substring(0, eqIdx).trim().toLowerCase();
let v = part.substring(eqIdx + 1).trim();
params[k] = v;
}
});
return params;
}
function analyzeListingQuality(text) {
const listings = extractListings(text);
let listingAudit = { total: 0, noPhone: [], noWebsite: [], noAddress: [], noCoords: [] };
listings.forEach((tpl, index) => {
let params = parseTemplateParams(tpl);
listingAudit.total++;
let name = params['name'] || params['নাম'] || `তালিকা ${index + 1}`;
let hasPhone = !!(params['phone'] || params['ফোন']);
let hasWeb = !!(params['url'] || params['website'] || params['ইউআরএল']);
let hasAddr = !!(params['address'] || params['ঠিকানা']);
let hasCoord = !!((params['lat'] && (params['long'] || params['lon'])) || (params['অক্ষাংশ'] && params['দ্রাঘিমাংশ']));
if (!hasPhone) listingAudit.noPhone.push(name);
if (!hasWeb) listingAudit.noWebsite.push(name);
if (!hasAddr) listingAudit.noAddress.push(name);
if (!hasCoord) listingAudit.noCoords.push(name);
});
return listingAudit;
}
function analyzeSuffixes(text) {
const suffixRegex = /[\u0980-\u09FF]+-(?:এ|এর|কে|তে|য়ের|য়ে|য়|র|গুলো|গুলি|দের)(?=[^\u0980-\u09FF]|$)/g;
const matches = text.match(suffixRegex) || [];
return [...new Set(matches)];
}
function analyzeArticle(text) {
const reqSections = ['বুঝুন', 'প্রবেশ করুন', 'ঘুরে দেখুন', 'করণীয়', 'কেনাকাটা', 'খাওয়া', 'পানীয়', 'থাকা', 'নিরাপদ থাকুন'];
const foundSections = [];
const missingSections = [];
reqSections.forEach(sec => {
if (new RegExp('==\\s*' + sec + '\\s*==', 'i').test(text)) {
foundSections.push(sec);
} else {
missingSections.push(sec);
}
});
const listingsCounts = {
'দর্শনীয়': (text.match(/\{\{\s*(see|দর্শনীয়)/gi) || []).length,
'করণীয়': (text.match(/\{\{\s*(do|করণীয়)/gi) || []).length,
'খাবার': (text.match(/\{\{\s*(eat|খাবার|খাওয়া)/gi) || []).length,
'পানীয়': (text.match(/\{\{\s*(drink|পানীয়)/gi) || []).length,
'থাকা': (text.match(/\{\{\s*(sleep|থাকা)/gi) || []).length,
'কেনাকাটা': (text.match(/\{\{\s*(buy|কেনাকাটা)/gi) || []).length,
'অন্যান্য': (text.match(/\{\{\s*(listing|go|তালিকা|যাওয়া)/gi) || []).length
};
const totalListings = Object.values(listingsCounts).reduce((a, b) => a + b, 0);
const hasImage = /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test(text) || /\|\s*image\s*=/i.test(text) || /\|\s*চিত্র\s*=/i.test(text);
const hasCoordsText = /\{\{\s*(coord|geo)/i.test(text);
const hasCoordsDOM = document.querySelector('#coordinates, .geo-default') !== null;
const hasCoords = hasCoordsText || hasCoordsDOM;
const hasMapText = /<mapframe|\{\{\s*mapframe/i.test(text);
const hasMapDOM = document.querySelector('.mw-kartographer-map') !== null;
const hasMap = hasMapText || hasMapDOM;
const listingAudit = analyzeListingQuality(text);
const suffixIssues = analyzeSuffixes(text);
let score = 0;
score += (foundSections.length / reqSections.length) * 40;
score += hasImage ? 10 : 0;
score += hasCoords ? 10 : 0;
score += hasMap ? 10 : 0;
score += Math.min(totalListings * 2, 30);
score = Math.round(score);
const listingProblems = listingAudit.noPhone.length + listingAudit.noWebsite.length + listingAudit.noAddress.length + listingAudit.noCoords.length;
score -= Math.min(listingProblems, 10);
score -= Math.min(suffixIssues.length, 10);
score = Math.max(0, score);
let status = '';
if (score <= 30) status = '🌱 অসম্পূর্ণ';
else if (score <= 60) status = '🚧 উন্নয়নাধীন';
else if (score <= 85) status = '⭐ ব্যবহারযোগ্য';
else status = '🏆 সম্পূর্ণ';
let nextTask = "";
if (missingSections.length > 0) nextTask = `"${missingSections[0]}" বিভাগ যোগ করুন`;
else if (!hasImage) nextTask = "নিবন্ধে একটি ছবি যোগ করুন";
else if (!hasCoords) nextTask = "নিবন্ধে স্থানাঙ্ক যোগ করুন";
else if (!hasMap) nextTask = "নিবন্ধে মানচিত্র যোগ করুন";
else if (listingAudit.noPhone.length > 0) nextTask = `${toBnNum(listingAudit.noPhone.length)}টি তালিকায় ফোন নম্বর যোগ করুন`;
else if (listingAudit.noWebsite.length > 0) nextTask = `${toBnNum(listingAudit.noWebsite.length)}টি তালিকায় ওয়েবসাইট যোগ করুন`;
else nextTask = "কোনো কাজ বাকি নেই, দারুণ!";
renderPanel({
reqSections, foundSections, missingSections,
listingsCounts, hasImage, hasCoords, hasMap,
score, status, nextTask,
listingAudit, suffixIssues
});
}
/**
* Builds and appends the HTML Panel
*/
function renderPanel(data) {
// Reset button/link text upon loading completion
if ($('#ca-wv-assistant a').length) $('#ca-wv-assistant a').text('উইকিভয়েজ সহকারী');
$('#wv-ast-mobile-trigger').text('🧭').hide(); // Hide the floating trigger while panel is open
if ($('#wv-assistant-panel').length) {
$('#wv-assistant-panel').fadeIn(200);
return;
}
const scoreBn = toBnNum(data.score);
const mark = (bool) => bool ? '<span class="wv-ast-check">✓</span>' : '<span class="wv-ast-cross">✗</span>';
let html = `
<div id="wv-assistant-panel">
<div id="wv-assistant-header">
<span>🧭 উইকিভয়েজ সহকারী</span>
<div class="wv-ast-header-controls">
<button class="wv-ast-icon-btn wv-ast-toggle-btn" title="লুকান/দেখান">▼</button>
<button class="wv-ast-icon-btn wv-ast-close-btn" title="বন্ধ করুন">✖</button>
</div>
</div>
<div id="wv-assistant-body">
<span class="wv-ast-badge">${data.status}</span>
<div style="font-size: 16px; font-weight: bold;">
গুণমান স্কোর: ${scoreBn}/১০০
</div>
<div class="wv-ast-progress-bg">
<div class="wv-ast-progress-fill" style="width: ${data.score}%;"></div>
</div>
<div class="wv-ast-title">🎯 পরবর্তী কাজ</div>
<div class="wv-ast-row">
<span class="wv-ast-target">• ${data.nextTask}</span>
</div>
<div class="wv-ast-title">সাধারণ তথ্য</div>
<div class="wv-ast-row">ছবি: ${mark(data.hasImage)} ${data.hasImage ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">স্থানাঙ্ক: ${mark(data.hasCoords)} ${data.hasCoords ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-row">মানচিত্র: ${mark(data.hasMap)} ${data.hasMap ? 'আছে' : 'নেই'}</div>
<div class="wv-ast-title">বিভাগসমূহ</div>
<ul class="wv-ast-list" style="columns: 2; -webkit-columns: 2;">
`;
data.reqSections.forEach(sec => {
const isFound = data.foundSections.includes(sec);
html += `<li>${mark(isFound)} ${sec}</li>`;
});
html += `</ul>`;
if (data.listingAudit.total > 0) {
const audit = data.listingAudit;
html += `<div class="wv-ast-title">তালিকার মান অডিট</div><ul class="wv-ast-list">`;
if (audit.noPhone.length > 0) {
html += `<li><b>📞 ফোন নেই: ${toBnNum(audit.noPhone.length)}</b><div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noPhone.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>📞 ফোন: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noWebsite.length > 0) {
html += `<li><b>🌐 ওয়েবসাইট নেই: ${toBnNum(audit.noWebsite.length)}</b><div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noWebsite.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>🌐 ওয়েবসাইট: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noAddress.length > 0) {
html += `<li><b>🏠 ঠিকানা নেই: ${toBnNum(audit.noAddress.length)}</b><div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noAddress.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>🏠 ঠিকানা: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
if (audit.noCoords.length > 0) {
html += `<li><b>📍 স্থানাঙ্ক নেই: ${toBnNum(audit.noCoords.length)}</b><div class="wv-ast-issue-list">• ${audit.noCoords.join('<br>• ')}</div></li>`;
} else { html += `<li>📍 স্থানাঙ্ক: <span class="wv-ast-check">সবগুলোতে আছে</span></li>`; }
html += `</ul>`;
}
if (data.suffixIssues.length > 0) {
html += `
<div class="wv-ast-title" style="color: var(--wv-ast-error);">ভাষাগত সমস্যা</div>
<div class="wv-ast-row">মোট ভুল প্রত্যয়: ${toBnNum(data.suffixIssues.length)}</div>
<ul class="wv-ast-list wv-ast-issue-list">
<li>• ${data.suffixIssues.join('<br>• ')}</li>
</ul>
`;
}
html += `</div></div>`;
$('body').append(html);
$('#wv-assistant-panel').fadeIn(200);
// Interaction logic
$('.wv-ast-toggle-btn').on('click', function () {
const body = $('#wv-assistant-body');
if (body.is(':visible')) {
body.slideUp(200);
$(this).text('▲');
} else {
body.slideDown(200);
$(this).text('▼');
}
});
// Close button logic (shows the mobile trigger again if on mobile)
$('.wv-ast-close-btn').on('click', function () {
$('#wv-assistant-panel').fadeOut(200);
if ($(window).width() <= 768 || mw.config.get('skin') === 'minerva') {
$('#wv-ast-mobile-trigger').fadeIn(200);
}
});
}
/**
* Initializes the toolbar link & mobile trigger
*/
function initAssistant() {
injectCSS();
// 1. Try to add to Desktop Toolbar (More menu)
const portletId = (mw.config.get('skin') === 'vector' || mw.config.get('skin') === 'vector-2022') ? 'p-cactions' : 'p-tb';
const link = mw.util.addPortletLink(
portletId,
'#',
'উইকিভয়েজ সহকারী',
'ca-wv-assistant',
'নিবন্ধের গুণমান ও সমস্যা যাচাই করুন'
);
// 2. Add Mobile Floating Trigger (Only visible on mobile via CSS)
const mobileTrigger = $('<div id="wv-ast-mobile-trigger" title="উইকিভয়েজ সহকারী">🧭</div>').appendTo('body');
// Centralized click handler
const triggerHandler = function (e) {
e.preventDefault();
const panel = $('#wv-assistant-panel');
if (panel.length) {
panel.fadeIn(200);
$('#wv-ast-mobile-trigger').hide(); // Hide button when panel opens
} else {
// Show loading states
if (link) $('#ca-wv-assistant a').text('লোড হচ্ছে...');
mobileTrigger.text('⏳');
fetchData();
}
};
if (link) $(link).on('click', triggerHandler);
mobileTrigger.on('click', triggerHandler);
}
})(jQuery, mediaWiki);
224qqpxdv91xxk58mu4ckuhgp480q5h
76750
76748
2026-06-10T03:12:24Z
ARI
3854
76750
javascript
text/javascript
// <nowiki>
/**
* Checks: categories, red links, status banners, images, section completeness
* Trigger: p-cactions portlet link
* Works on both desktop (Vector/Minerva) and mobile
*/
( function () {
'use strict';
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* CONFIG */
/* ------------------------------------------------------------------ */
const BANNER_TEMPLATES = [ 'skeleton', 'outline', 'usable', 'guide', 'star' ];
// Full section hierarchy: [ heading text, level, optional canonical key ]
const SECTION_SCHEMA = [
{ title: 'জানুন', level: 2 },
{ title: 'ভাষা', level: 2 },
{ title: 'কীভাবে যাবেন', level: 2 },
{ title: 'বাসে করে', level: 3, parent: 'কীভাবে যাবেন' },
{ title: 'রেলে করে', level: 3, parent: 'কীভাবে যাবেন' },
{ title: 'ঘুরে দেখুন', level: 2 },
{ title: 'রিকশা করে', level: 3, parent: 'ঘুরে দেখুন' },
{ title: 'হেঁটে', level: 3, parent: 'ঘুরে দেখুন' },
{ title: 'কী দেখবেন', level: 2 },
{ title: 'কী করবেন', level: 2 },
{ title: 'লেখাপড়া', level: 2 },
{ title: 'কর্মসংস্থান', level: 2 },
{ title: 'কেনাকাটা', level: 2 },
{ title: 'খাওয়া-দাওয়া', level: 2 },
{ title: 'পানীয়', level: 2 },
{ title: 'রাত্রিযাপন', level: 2 },
{ title: 'নিরাপত্তা', level: 2 },
{ title: 'সমাধান', level: 2 },
{ title: 'যোগাযোগ', level: 2 },
{ title: 'পরবর্তী গন্তব্য', level: 2 },
];
// Keywords → category suggestions (Bengali Wikivoyage category names)
const CATEGORY_KEYWORDS = [
{ keywords: [ 'ঢাকা', 'চট্টগ্রাম', 'বাংলাদেশ', 'সিলেট', 'রাজশাহী', 'খুলনা', 'বরিশাল' ],
category: 'বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণ' },
{ keywords: [ 'কলকাতা', 'পশ্চিমবঙ্গ', 'দার্জিলিং', 'সুন্দরবন', 'মুর্শিদাবাদ' ],
category: 'পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন আকর্ষণ' },
{ keywords: [ 'আসাম', 'মেঘালয়', 'ত্রিপুরা', 'মিজোরাম', 'মণিপুর', 'নাগাল্যান্ড', 'অরুণাচল' ],
category: 'উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটন আকর্ষণ' },
{ keywords: [ 'সমুদ্র', 'সৈকত', 'বিচ', 'উপকূল' ],
category: 'সমুদ্র সৈকত' },
{ keywords: [ 'পাহাড়', 'হিমালয়', 'পর্বত', 'ট্রেকিং' ],
category: 'পর্বত ও হিমালয় পর্যটন' },
{ keywords: [ 'ঐতিহাসিক', 'মসজিদ', 'মন্দির', 'দুর্গ', 'প্রাসাদ', 'ঐতিহ্য' ],
category: 'ঐতিহাসিক স্থান' },
{ keywords: [ 'বন', 'অভয়ারণ্য', 'জাতীয় উদ্যান', 'বাঘ', 'বন্যপ্রাণী' ],
category: 'অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যান' },
];
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* STYLES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
mw.util.addCSS( `
#bnvh-overlay {
display: none;
position: fixed;
inset: 0;
background: rgba(10,12,16,0.72);
z-index: 99998;
backdrop-filter: blur(2px);
}
#bnvh-panel {
display: none;
position: fixed;
top: 50%;
left: 50%;
transform: translate(-50%, -50%);
width: min(96vw, 560px);
max-height: 88vh;
overflow-y: auto;
background: #13161c;
color: #d4d8e0;
border: 1px solid #2a2f3a;
border-radius: 10px;
font-family: 'Noto Sans Bengali', 'SolaimanLipi', sans-serif;
font-size: 14px;
z-index: 99999;
box-shadow: 0 24px 64px rgba(0,0,0,0.6);
}
#bnvh-panel * { box-sizing: border-box; }
#bnvh-header {
display: flex;
align-items: center;
justify-content: space-between;
padding: 14px 18px 12px;
border-bottom: 1px solid #2a2f3a;
position: sticky;
top: 0;
background: #13161c;
z-index: 1;
}
#bnvh-header h2 {
margin: 0;
font-size: 15px;
font-weight: 600;
color: #e8eaf0;
letter-spacing: 0.01em;
}
#bnvh-close {
background: none;
border: none;
color: #7a8090;
font-size: 20px;
cursor: pointer;
padding: 0 4px;
line-height: 1;
transition: color 0.15s;
}
#bnvh-close:hover { color: #e8eaf0; }
#bnvh-body { padding: 14px 18px 18px; }
#bnvh-scanning {
text-align: center;
padding: 32px 0;
color: #7a8090;
font-size: 13px;
}
.bnvh-spinner {
width: 28px; height: 28px;
border: 3px solid #2a2f3a;
border-top-color: #5b8af5;
border-radius: 50%;
animation: bnvh-spin 0.7s linear infinite;
margin: 0 auto 12px;
}
@keyframes bnvh-spin { to { transform: rotate(360deg); } }
.bnvh-module {
margin-bottom: 14px;
border: 1px solid #22273200;
border-radius: 8px;
overflow: hidden;
background: #1a1e27;
}
.bnvh-module-header {
display: flex;
align-items: center;
justify-content: space-between;
padding: 10px 14px;
cursor: pointer;
user-select: none;
border-bottom: 1px solid transparent;
transition: background 0.15s;
}
.bnvh-module-header:hover { background: #1f2430; }
.bnvh-module-header.open { border-bottom-color: #2a2f3a; }
.bnvh-module-title {
display: flex;
align-items: center;
gap: 8px;
font-weight: 500;
font-size: 13.5px;
}
.bnvh-icon { font-size: 15px; }
.bnvh-badge {
font-size: 11px;
padding: 1px 7px;
border-radius: 20px;
font-weight: 600;
letter-spacing: 0.02em;
}
.bnvh-badge-ok { background: #1a3d2b; color: #4ec97d; }
.bnvh-badge-warn{ background: #3d2a0e; color: #f0a830; }
.bnvh-badge-err { background: #3d1515; color: #f05050; }
.bnvh-badge-info{ background: #1a2a4a; color: #5b8af5; }
.bnvh-chevron { font-size: 11px; color: #5a6070; transition: transform 0.2s; }
.bnvh-chevron.open { transform: rotate(90deg); }
.bnvh-module-body {
display: none;
padding: 12px 14px;
}
.bnvh-module-body.open { display: block; }
.bnvh-list {
list-style: none;
margin: 0 0 10px;
padding: 0;
}
.bnvh-list li {
display: flex;
align-items: flex-start;
justify-content: space-between;
gap: 8px;
padding: 5px 0;
border-bottom: 1px solid #222730;
font-size: 13px;
color: #b0b8c8;
}
.bnvh-list li:last-child { border-bottom: none; }
.bnvh-list-text { flex: 1; word-break: break-word; }
.bnvh-tag {
font-size: 11px;
padding: 1px 6px;
border-radius: 4px;
white-space: nowrap;
flex-shrink: 0;
}
.bnvh-tag-section { background: #1a2a4a; color: #5b8af5; }
.bnvh-tag-missing { background: #3d1515; color: #f05050; }
.bnvh-btn {
display: inline-block;
padding: 6px 14px;
border-radius: 6px;
font-size: 12.5px;
font-family: inherit;
cursor: pointer;
border: none;
font-weight: 500;
transition: opacity 0.15s, background 0.15s;
}
.bnvh-btn:disabled { opacity: 0.45; cursor: not-allowed; }
.bnvh-btn-primary { background: #2e4fa3; color: #e8f0ff; }
.bnvh-btn-primary:hover:not(:disabled) { background: #3a5fc0; }
.bnvh-btn-danger { background: #7a1f1f; color: #ffd0d0; }
.bnvh-btn-danger:hover:not(:disabled) { background: #9a2828; }
.bnvh-btn-muted { background: #252b38; color: #8090a8; }
.bnvh-btn-muted:hover:not(:disabled) { background: #2e3545; }
.bnvh-btn-row {
display: flex;
flex-wrap: wrap;
gap: 7px;
margin-top: 10px;
}
.bnvh-info {
font-size: 12.5px;
color: #6a7488;
margin-top: 6px;
line-height: 1.5;
}
.bnvh-success-msg {
font-size: 12.5px;
color: #4ec97d;
margin-top: 6px;
}
.bnvh-error-msg {
font-size: 12.5px;
color: #f05050;
margin-top: 6px;
}
.bnvh-cat-chip {
display: inline-flex;
align-items: center;
gap: 5px;
background: #1a2a4a;
color: #7aaaff;
border: 1px solid #2a3f6a;
border-radius: 5px;
padding: 3px 8px;
font-size: 12px;
margin: 3px 3px 3px 0;
cursor: pointer;
transition: background 0.15s;
}
.bnvh-cat-chip:hover { background: #22356a; }
.bnvh-cat-chip.selected { background: #2e4fa3; border-color: #3a5fc0; color: #c8daff; }
.bnvh-cat-chip .chip-x { color: #f05050; font-size: 13px; font-weight: bold; }
.bnvh-divider { border: none; border-top: 1px solid #2a2f3a; margin: 10px 0; }
@media (max-width: 480px) {
#bnvh-panel { top: 0; left: 0; right: 0; bottom: 0; transform: none;
width: 100%; max-height: 100vh; border-radius: 0; }
}
` );
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* DOM SETUP */
/* ------------------------------------------------------------------ */
const overlay = document.createElement( 'div' );
overlay.id = 'bnvh-overlay';
document.body.appendChild( overlay );
const panel = document.createElement( 'div' );
panel.id = 'bnvh-panel';
panel.innerHTML = `
<div id="bnvh-header">
<h2>🗺️ নিবন্ধ স্বাস্থ্য পরীক্ষা</h2>
<button id="bnvh-close" title="বন্ধ করুন">✕</button>
</div>
<div id="bnvh-body">
<div id="bnvh-scanning">
<div class="bnvh-spinner"></div>
স্ক্যান করা হচ্ছে…
</div>
</div>
`;
document.body.appendChild( panel );
function openPanel() {
overlay.style.display = 'block';
panel.style.display = 'block';
}
function closePanel() {
overlay.style.display = 'none';
panel.style.display = 'none';
}
document.getElementById( 'bnvh-close' ).addEventListener( 'click', closePanel );
overlay.addEventListener( 'click', closePanel );
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* UTILITIES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function apiGet( params ) {
return new mw.Api().get( Object.assign( { format: 'json' }, params ) );
}
function apiPost( params ) {
return new mw.Api().postWithToken( 'csrf', params );
}
function makeModule( id, icon, title, badgeClass, badgeText ) {
const mod = document.createElement( 'div' );
mod.className = 'bnvh-module';
mod.id = 'bnvh-mod-' + id;
mod.innerHTML = `
<div class="bnvh-module-header" data-mod="${ id }">
<div class="bnvh-module-title">
<span class="bnvh-icon">${ icon }</span>
<span>${ title }</span>
</div>
<div style="display:flex;align-items:center;gap:8px;">
<span class="bnvh-badge ${ badgeClass }">${ badgeText }</span>
<span class="bnvh-chevron">▶</span>
</div>
</div>
<div class="bnvh-module-body" id="bnvh-mod-body-${ id }"></div>
`;
mod.querySelector( '.bnvh-module-header' ).addEventListener( 'click', function () {
const body = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-' + id );
const chevron = this.querySelector( '.bnvh-chevron' );
const isOpen = body.classList.toggle( 'open' );
this.classList.toggle( 'open', isOpen );
chevron.classList.toggle( 'open', isOpen );
} );
return mod;
}
function getWikitext() {
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
return apiGet( { action: 'query', titles: title, prop: 'revisions',
rvprop: 'content', rvslots: 'main' } ).then( function ( data ) {
const pages = data.query.pages;
const page = pages[ Object.keys( pages )[ 0 ] ];
if ( !page.revisions ) return '';
return page.revisions[ 0 ].slots.main[ '*' ] || page.revisions[ 0 ].slots.main.content || '';
} );
}
function saveWikitext( wikitext, summary ) {
return apiPost( {
action: 'edit',
title: mw.config.get( 'wgPageName' ),
text: wikitext,
summary: summary,
minor: true,
} );
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 1 — STATUS BANNER */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function detectBannerLevel( wikitext, sectionResults ) {
// Count non-empty sections
const filledSections = sectionResults.present.length;
const totalSections = SECTION_SCHEMA.filter( s => s.level === 2 ).length;
const ratio = filledSections / totalSections;
const wordCount = wikitext.replace( /\{\{[^}]+\}\}|\[\[[^\]]+\]\]|==+[^=]+==+/g, '' )
.replace( /[^\u0980-\u09FF\s]/g, '' ).trim().split( /\s+/ ).length;
if ( ratio >= 0.85 && wordCount > 1500 ) return 'guide';
if ( ratio >= 0.65 && wordCount > 700 ) return 'usable';
if ( ratio >= 0.35 && wordCount > 200 ) return 'outline';
return 'skeleton';
}
function renderBannerModule( body, wikitext, sectionResults ) {
const existing = BANNER_TEMPLATES.find( t =>
new RegExp( '\\{\\{\\s*' + t + '\\s*[|}]', 'i' ).test( wikitext )
);
const suggested = detectBannerLevel( wikitext, sectionResults );
if ( existing ) {
body.innerHTML = `<p class="bnvh-info">বর্তমান ব্যানার: <strong style="color:#f0a830">{{${ existing }}}</strong>।
পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত: <strong style="color:#5b8af5">{{${ suggested }}}</strong>.</p>`;
if ( existing !== suggested ) {
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = `{{${ existing }}} → {{${ suggested }}} পরিবর্তন করুন`;
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
const newWt = wt.replace(
new RegExp( '\\{\\{\\s*' + existing + '\\s*[|}][^}]*\\}\\}', 'i' ),
'{{' + suggested + '}}'
);
return saveWikitext( newWt, 'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ব্যানার [[Template:' + suggested + '|' + suggested + ']] তে আপডেট' );
} ).then( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-success-msg">✓ ব্যানার আপডেট হয়েছে।</p>`;
} ).catch( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-error-msg">✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।</p>`;
} );
} );
body.appendChild( btn );
}
} else {
body.innerHTML = `<p class="bnvh-info">কোনো স্ট্যাটাস ব্যানার নেই। পরামর্শ: <strong style="color:#5b8af5">{{${ suggested }}}</strong></p>`;
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = `{{${ suggested }}} যোগ করুন`;
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
return saveWikitext( '{{' + suggested + "}}\n" + wt,
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: [[Template:' + suggested + '|' + suggested + ']] ব্যানার যোগ' );
} ).then( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-success-msg">✓ ব্যানার যোগ হয়েছে।</p>`;
} ).catch( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-error-msg">✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।</p>`;
} );
} );
body.appendChild( btn );
}
return existing ? 'ok' : 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 2 — RED LINKS */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function findRedLinks( wikitext ) {
// Extract all [[target|display]] or [[target]] wikilinks
const linkRe = /\[\[([^\]|#]+)(?:\|([^\]]+))?\]\]/g;
const links = [];
let m;
while ( ( m = linkRe.exec( wikitext ) ) !== null ) {
const target = m[ 1 ].trim();
const display = ( m[ 2 ] || m[ 1 ] ).trim();
const full = m[ 0 ];
if ( /^(File|চিত্র|Image|Category|বিষয়শ্রেণী|Template|তালিকা|Help|Wikipedia|Special):/i.test( target ) ) continue;
links.push( { target, display, full } );
}
return links;
}
function checkRedLinks( links ) {
if ( !links.length ) return Promise.resolve( [] );
const titles = [ ...new Set( links.map( l => l.target ) ) ];
// batch in 50
const batches = [];
for ( let i = 0; i < titles.length; i += 50 ) {
batches.push( titles.slice( i, i + 50 ) );
}
return Promise.all( batches.map( function ( batch ) {
return apiGet( { action: 'query', titles: batch.join( '|' ) } ).then( function ( data ) {
const missing = new Set();
Object.values( data.query.pages ).forEach( function ( p ) {
if ( p.missing !== undefined ) missing.add( p.title );
} );
return missing;
} );
} ) ).then( function ( sets ) {
const allMissing = new Set();
sets.forEach( s => s.forEach( t => allMissing.add( t ) ) );
return links.filter( l => allMissing.has( l.target ) );
} );
}
function renderRedLinkModule( body, redLinks ) {
if ( !redLinks.length ) {
body.innerHTML = '<p class="bnvh-info">কোনো লাল লিঙ্ক পাওয়া যায়নি।</p>';
return 'ok';
}
const ul = document.createElement( 'ul' );
ul.className = 'bnvh-list';
redLinks.forEach( function ( link ) {
const li = document.createElement( 'li' );
li.innerHTML = `<span class="bnvh-list-text">
<span style="color:#f05050">[[</span>${ mw.html.escape( link.target ) }<span style="color:#f05050">]]</span>
${ link.display !== link.target ? '<span style="color:#6a7488"> → ' + mw.html.escape( link.display ) + '</span>' : '' }
</span>`;
ul.appendChild( li );
} );
body.appendChild( ul );
const info = document.createElement( 'p' );
info.className = 'bnvh-info';
info.textContent = 'লিঙ্ক মুছলে শুধু লিঙ্কটি সরানো হবে, প্রদর্শন টেক্সট থেকে যাবে।';
body.appendChild( info );
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-danger';
btn.textContent = `সব ${ redLinks.length }টি লাল লিঙ্ক সরান`;
const msgEl = document.createElement( 'p' );
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
let newWt = wt;
redLinks.forEach( function ( link ) {
// Replace [[target|display]] → display, [[target]] → target
const escaped = link.full.replace( /[.*+?^${}()|[\]\\]/g, '\\$&' );
newWt = newWt.replace( new RegExp( escaped, 'g' ), link.display );
} );
return saveWikitext( newWt, 'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ' + redLinks.length + 'টি লাল লিঙ্ক সরানো হয়েছে' );
} ).then( function () {
msgEl.className = 'bnvh-success-msg';
msgEl.textContent = '✓ লাল লিঙ্ক সরানো হয়েছে।';
} ).catch( function () {
msgEl.className = 'bnvh-error-msg';
msgEl.textContent = '✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।';
btn.disabled = false;
} );
} );
body.appendChild( btn );
body.appendChild( msgEl );
return 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 3 — SECTIONS */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function checkSections( wikitext ) {
const present = [];
const missing = [];
SECTION_SCHEMA.forEach( function ( sec ) {
const eq = '='.repeat( sec.level );
const re = new RegExp( eq + '\\s*' + sec.title + '\\s*' + eq );
if ( re.test( wikitext ) ) {
present.push( sec );
} else {
missing.push( sec );
}
} );
return { present, missing };
}
function buildSectionScaffold( missing ) {
// Group by parent for cleaner insertion
return missing.map( function ( sec ) {
const eq = '='.repeat( sec.level );
return eq + ' ' + sec.title + ' ' + eq + '\n\n';
} ).join( '' );
}
function renderSectionModule( body, sectionResults, wikitext ) {
const { present, missing } = sectionResults;
if ( !missing.length ) {
body.innerHTML = '<p class="bnvh-info">সব প্রয়োজনীয় অনুচ্ছেদ আছে।</p>';
return 'ok';
}
const ul = document.createElement( 'ul' );
ul.className = 'bnvh-list';
missing.forEach( function ( sec ) {
const li = document.createElement( 'li' );
li.innerHTML = `<span class="bnvh-list-text">${ mw.html.escape( sec.title ) }</span>
<span class="bnvh-tag bnvh-tag-missing">অনুপস্থিত</span>`;
ul.appendChild( li );
} );
body.appendChild( ul );
const info = document.createElement( 'p' );
info.className = 'bnvh-info';
info.textContent = 'অনুপস্থিত অনুচ্ছেদগুলো নিবন্ধের শেষে যোগ করা হবে।';
body.appendChild( info );
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = `${ missing.length }টি অনুচ্ছেদ যোগ করুন`;
const msgEl = document.createElement( 'p' );
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
const scaffold = buildSectionScaffold( missing );
return saveWikitext( wt.trimEnd() + '\n\n' + scaffold,
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ' + missing.length + 'টি অনুচ্ছেদ কাঠামো যোগ' );
} ).then( function () {
msgEl.className = 'bnvh-success-msg';
msgEl.textContent = '✓ অনুচ্ছেদ যোগ হয়েছে।';
} ).catch( function () {
msgEl.className = 'bnvh-error-msg';
msgEl.textContent = '✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।';
btn.disabled = false;
} );
} );
body.appendChild( btn );
body.appendChild( msgEl );
return missing.length >= 5 ? 'err' : 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 4 — IMAGES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function checkImages( wikitext ) {
return /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test( wikitext ) || /\|\s*image\s*=/i.test( wikitext );
}
function renderImageModule( body, hasImage ) {
const title = mw.config.get( 'wgTitle' );
const commonsUrl = 'https://commons.wikimedia.org/w/index.php?search=' + encodeURIComponent( title ) + '&title=Special:MediaSearch&type=image';
if ( hasImage ) {
body.innerHTML = '<p class="bnvh-info">নিবন্ধে অন্তত একটি ছবি আছে।</p>';
return 'ok';
}
body.innerHTML = `<p class="bnvh-info">এই নিবন্ধে কোনো ছবি যোগ করা হয়নি।</p>`;
const btn = document.createElement( 'a' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = 'Wikimedia Commons-এ খুঁজুন ↗';
btn.href = commonsUrl;
btn.target = '_blank';
btn.rel = 'noopener';
btn.style.textDecoration = 'none';
body.appendChild( btn );
return 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 5 — CATEGORIES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function getCurrentCategories() {
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
return apiGet( { action: 'query', titles: title, prop: 'categories', cllimit: 50 } ).then( function ( data ) {
const pages = data.query.pages;
const page = pages[ Object.keys( pages )[ 0 ] ];
if ( !page.categories ) return [];
return page.categories.map( c => c.title.replace( /^বিষয়শ্রেণী:/, '' ) );
} );
}
function suggestCategories( wikitext, existing ) {
const suggestions = [];
CATEGORY_KEYWORDS.forEach( function ( rule ) {
const matched = rule.keywords.some( kw => wikitext.includes( kw ) );
if ( matched && !existing.includes( rule.category ) ) {
suggestions.push( rule.category );
}
} );
return [ ...new Set( suggestions ) ];
}
function renderCategoryModule( body, wikitext, existing ) {
const suggested = suggestCategories( wikitext, existing );
const existingEl = document.createElement( 'div' );
existingEl.innerHTML = '<p class="bnvh-info" style="margin-bottom:5px;">বর্তমান বিষয়শ্রেণী:</p>';
if ( existing.length ) {
existing.forEach( function ( cat ) {
const chip = document.createElement( 'span' );
chip.className = 'bnvh-cat-chip';
chip.style.cursor = 'default';
chip.textContent = cat;
existingEl.appendChild( chip );
} );
} else {
existingEl.innerHTML += '<span style="color:#6a7488;font-size:12px;">কোনো বিষয়শ্রেণী নেই</span>';
}
body.appendChild( existingEl );
if ( !suggested.length ) {
const p = document.createElement( 'p' );
p.className = 'bnvh-info';
p.style.marginTop = '8px';
p.textContent = 'কোনো নতুন বিষয়শ্রেণী পরামর্শ পাওয়া যায়নি।';
body.appendChild( p );
return existing.length ? 'ok' : 'warn';
}
const hr = document.createElement( 'hr' );
hr.className = 'bnvh-divider';
body.appendChild( hr );
const sugInfo = document.createElement( 'p' );
sugInfo.className = 'bnvh-info';
sugInfo.style.marginBottom = '6px';
sugInfo.textContent = 'পরামর্শকৃত বিষয়শ্রেণী (যোগ করতে ক্লিক করুন):';
body.appendChild( sugInfo );
const selected = new Set();
const chipContainer = document.createElement( 'div' );
suggested.forEach( function ( cat ) {
const chip = document.createElement( 'span' );
chip.className = 'bnvh-cat-chip';
chip.textContent = cat;
chip.addEventListener( 'click', function () {
if ( selected.has( cat ) ) {
selected.delete( cat );
chip.classList.remove( 'selected' );
} else {
selected.add( cat );
chip.classList.add( 'selected' );
}
addBtn.disabled = selected.size === 0;
} );
chipContainer.appendChild( chip );
} );
body.appendChild( chipContainer );
const msgEl = document.createElement( 'p' );
const addBtn = document.createElement( 'button' );
addBtn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
addBtn.disabled = true;
addBtn.textContent = 'নির্বাচিত বিষয়শ্রেণী যোগ করুন';
addBtn.style.marginTop = '10px';
addBtn.addEventListener( 'click', function () {
addBtn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
const cats = [ ...selected ].map( c => '\n[[বিষয়শ্রেণী:' + c + ']]' ).join( '' );
return saveWikitext( wt.trimEnd() + cats,
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ' + selected.size + 'টি বিষয়শ্রেণী যোগ' );
} ).then( function () {
msgEl.className = 'bnvh-success-msg';
msgEl.textContent = '✓ বিষয়শ্রেণী যোগ হয়েছে।';
} ).catch( function () {
msgEl.className = 'bnvh-error-msg';
msgEl.textContent = '✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।';
addBtn.disabled = false;
} );
} );
body.appendChild( addBtn );
body.appendChild( msgEl );
return existing.length === 0 ? 'err' : 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MAIN RUNNER */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function badgeFromStatus( status ) {
if ( status === 'ok' ) return { cls: 'bnvh-badge-ok', text: '✓ ঠিক আছে' };
if ( status === 'warn' ) return { cls: 'bnvh-badge-warn', text: '⚠ মনোযোগ চাই' };
if ( status === 'err' ) return { cls: 'bnvh-badge-err', text: '✗ সমস্যা' };
return { cls: 'bnvh-badge-info', text: 'তথ্য' };
}
function runDashboard() {
openPanel();
const bodyEl = document.getElementById( 'bnvh-body' );
bodyEl.innerHTML = '<div id="bnvh-scanning"><div class="bnvh-spinner"></div>স্ক্যান করা হচ্ছে…</div>';
Promise.all( [ getWikitext(), getCurrentCategories() ] ).then( function ( results ) {
const wikitext = results[ 0 ];
const existCats = results[ 1 ];
const links = findRedLinks( wikitext );
return checkRedLinks( links ).then( function ( redLinks ) {
return { wikitext, existCats, redLinks };
} );
} ).then( function ( data ) {
const { wikitext, existCats, redLinks } = data;
const sectionResults = checkSections( wikitext );
const hasImage = checkImages( wikitext );
bodyEl.innerHTML = '';
// Module: Banner
const bannerMod = makeModule( 'banner', '🏷️', 'স্ট্যাটাস ব্যানার', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( bannerMod );
const bannerBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-banner' );
const bannerStatus = renderBannerModule( bannerBody, wikitext, sectionResults );
const bannerBadge = badgeFromStatus( bannerStatus );
bannerMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + bannerBadge.cls;
bannerMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = bannerBadge.text;
// Module: Red links
const redMod = makeModule( 'redlinks', '🔴', 'লাল লিঙ্ক', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( redMod );
const redBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-redlinks' );
const redStatus = renderRedLinkModule( redBody, redLinks );
const redBadge = badgeFromStatus( redStatus );
redMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + redBadge.cls;
redMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = redLinks.length
? redLinks.length + 'টি পাওয়া গেছে'
: redBadge.text;
// Module: Sections
const secMod = makeModule( 'sections', '📑', 'অনুচ্ছেদ কাঠামো', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( secMod );
const secBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-sections' );
const secStatus = renderSectionModule( secBody, sectionResults, wikitext );
const secBadge = badgeFromStatus( secStatus );
secMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + secBadge.cls;
secMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = sectionResults.missing.length
? sectionResults.missing.length + 'টি অনুপস্থিত'
: secBadge.text;
// Module: Images
const imgMod = makeModule( 'images', '🖼️', 'ছবি', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( imgMod );
const imgBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-images' );
const imgStatus = renderImageModule( imgBody, hasImage );
const imgBadge = badgeFromStatus( imgStatus );
imgMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + imgBadge.cls;
imgMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = imgBadge.text;
// Module: Categories
const catMod = makeModule( 'categories', '📂', 'বিষয়শ্রেণী', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( catMod );
const catBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-categories' );
const catStatus = renderCategoryModule( catBody, wikitext, existCats );
const catBadge = badgeFromStatus( catStatus );
catMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + catBadge.cls;
catMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = catBadge.text;
// Auto-expand modules that have issues
[ 'banner', 'redlinks', 'sections', 'images', 'categories' ].forEach( function ( id ) {
const mod = document.getElementById( 'bnvh-mod-' + id );
const badge = mod.querySelector( '.bnvh-badge' );
if ( badge.classList.contains( 'bnvh-badge-warn' ) ||
badge.classList.contains( 'bnvh-badge-err' ) ) {
mod.querySelector( '.bnvh-module-header' ).click();
}
} );
} ).catch( function ( err ) {
bodyEl.innerHTML = '<p class="bnvh-error-msg" style="padding:16px;">✗ স্ক্যান ব্যর্থ: ' + mw.html.escape( String( err ) ) + '</p>';
} );
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* PORTLET LINK */
/* ------------------------------------------------------------------ */
mw.loader.using( [ 'mediawiki.util', 'mediawiki.api' ] ).then( function () {
// Only on article/talk pages, not special pages
if ( mw.config.get( 'wgNamespaceNumber' ) < 0 ) return;
if ( mw.config.get( 'wgAction' ) !== 'view' ) return;
mw.util.addPortletLink(
'p-cactions',
'#',
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা',
'ca-bnvh',
'নিবন্ধের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন'
);
document.getElementById( 'ca-bnvh' ).addEventListener( 'click', function ( e ) {
e.preventDefault();
runDashboard();
} );
} );
} )();
// </nowiki>
hctgp6lsx8fi8zuftqxzdtth7il6avg
76751
76750
2026-06-10T03:15:52Z
ARI
3854
76751
javascript
text/javascript
// <nowiki>
/**
* Checks: categories, red links, status banners, images, section completeness
* Trigger: p-cactions portlet link
*/
( function () {
'use strict';
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* CONFIG */
/* ------------------------------------------------------------------ */
const BANNER_TEMPLATES = [ 'skeleton', 'outline', 'usable', 'guide', 'star' ];
// Full section hierarchy: [ heading text, level, optional canonical key ]
const SECTION_SCHEMA = [
{ title: 'জানুন', level: 2 },
{ title: 'ভাষা', level: 2 },
{ title: 'কীভাবে যাবেন', level: 2 },
{ title: 'বাসে করে', level: 3, parent: 'কীভাবে যাবেন' },
{ title: 'রেলে করে', level: 3, parent: 'কীভাবে যাবেন' },
{ title: 'ঘুরে দেখুন', level: 2 },
{ title: 'রিকশা করে', level: 3, parent: 'ঘুরে দেখুন' },
{ title: 'হেঁটে', level: 3, parent: 'ঘুরে দেখুন' },
{ title: 'কী দেখবেন', level: 2 },
{ title: 'কী করবেন', level: 2 },
{ title: 'লেখাপড়া', level: 2 },
{ title: 'কর্মসংস্থান', level: 2 },
{ title: 'কেনাকাটা', level: 2 },
{ title: 'খাওয়া-দাওয়া', level: 2 },
{ title: 'পানীয়', level: 2 },
{ title: 'রাত্রিযাপন', level: 2 },
{ title: 'নিরাপত্তা', level: 2 },
{ title: 'সমাধান', level: 2 },
{ title: 'যোগাযোগ', level: 2 },
{ title: 'পরবর্তী গন্তব্য', level: 2 },
];
// Keywords → category suggestions (Bengali Wikivoyage category names)
const CATEGORY_KEYWORDS = [
{ keywords: [ 'ঢাকা', 'চট্টগ্রাম', 'বাংলাদেশ', 'সিলেট', 'রাজশাহী', 'খুলনা', 'বরিশাল' ],
category: 'বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণ' },
{ keywords: [ 'কলকাতা', 'পশ্চিমবঙ্গ', 'দার্জিলিং', 'সুন্দরবন', 'মুর্শিদাবাদ' ],
category: 'পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন আকর্ষণ' },
{ keywords: [ 'আসাম', 'মেঘালয়', 'ত্রিপুরা', 'মিজোরাম', 'মণিপুর', 'নাগাল্যান্ড', 'অরুণাচল' ],
category: 'উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটন আকর্ষণ' },
{ keywords: [ 'সমুদ্র', 'সৈকত', 'বিচ', 'উপকূল' ],
category: 'সমুদ্র সৈকত' },
{ keywords: [ 'পাহাড়', 'হিমালয়', 'পর্বত', 'ট্রেকিং' ],
category: 'পর্বত ও হিমালয় পর্যটন' },
{ keywords: [ 'ঐতিহাসিক', 'মসজিদ', 'মন্দির', 'দুর্গ', 'প্রাসাদ', 'ঐতিহ্য' ],
category: 'ঐতিহাসিক স্থান' },
{ keywords: [ 'বন', 'অভয়ারণ্য', 'জাতীয় উদ্যান', 'বাঘ', 'বন্যপ্রাণী' ],
category: 'অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যান' },
];
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* STYLES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
mw.util.addCSS( `
#bnvh-overlay {
display: none;
position: fixed;
inset: 0;
background: rgba(10,12,16,0.72);
z-index: 99998;
backdrop-filter: blur(2px);
}
#bnvh-panel {
display: none;
position: fixed;
top: 50%;
left: 50%;
transform: translate(-50%, -50%);
width: min(96vw, 560px);
max-height: 88vh;
overflow-y: auto;
background: #13161c;
color: #d4d8e0;
border: 1px solid #2a2f3a;
border-radius: 10px;
font-family: 'Noto Sans Bengali', 'SolaimanLipi', sans-serif;
font-size: 14px;
z-index: 99999;
box-shadow: 0 24px 64px rgba(0,0,0,0.6);
}
#bnvh-panel * { box-sizing: border-box; }
#bnvh-header {
display: flex;
align-items: center;
justify-content: space-between;
padding: 14px 18px 12px;
border-bottom: 1px solid #2a2f3a;
position: sticky;
top: 0;
background: #13161c;
z-index: 1;
}
#bnvh-header h2 {
margin: 0;
font-size: 15px;
font-weight: 600;
color: #e8eaf0;
letter-spacing: 0.01em;
}
#bnvh-close {
background: none;
border: none;
color: #7a8090;
font-size: 20px;
cursor: pointer;
padding: 0 4px;
line-height: 1;
transition: color 0.15s;
}
#bnvh-close:hover { color: #e8eaf0; }
#bnvh-body { padding: 14px 18px 18px; }
#bnvh-scanning {
text-align: center;
padding: 32px 0;
color: #7a8090;
font-size: 13px;
}
.bnvh-spinner {
width: 28px; height: 28px;
border: 3px solid #2a2f3a;
border-top-color: #5b8af5;
border-radius: 50%;
animation: bnvh-spin 0.7s linear infinite;
margin: 0 auto 12px;
}
@keyframes bnvh-spin { to { transform: rotate(360deg); } }
.bnvh-module {
margin-bottom: 14px;
border: 1px solid #22273200;
border-radius: 8px;
overflow: hidden;
background: #1a1e27;
}
.bnvh-module-header {
display: flex;
align-items: center;
justify-content: space-between;
padding: 10px 14px;
cursor: pointer;
user-select: none;
border-bottom: 1px solid transparent;
transition: background 0.15s;
}
.bnvh-module-header:hover { background: #1f2430; }
.bnvh-module-header.open { border-bottom-color: #2a2f3a; }
.bnvh-module-title {
display: flex;
align-items: center;
gap: 8px;
font-weight: 500;
font-size: 13.5px;
}
.bnvh-icon { font-size: 15px; }
.bnvh-badge {
font-size: 11px;
padding: 1px 7px;
border-radius: 20px;
font-weight: 600;
letter-spacing: 0.02em;
}
.bnvh-badge-ok { background: #1a3d2b; color: #4ec97d; }
.bnvh-badge-warn{ background: #3d2a0e; color: #f0a830; }
.bnvh-badge-err { background: #3d1515; color: #f05050; }
.bnvh-badge-info{ background: #1a2a4a; color: #5b8af5; }
.bnvh-chevron { font-size: 11px; color: #5a6070; transition: transform 0.2s; }
.bnvh-chevron.open { transform: rotate(90deg); }
.bnvh-module-body {
display: none;
padding: 12px 14px;
}
.bnvh-module-body.open { display: block; }
.bnvh-list {
list-style: none;
margin: 0 0 10px;
padding: 0;
}
.bnvh-list li {
display: flex;
align-items: flex-start;
justify-content: space-between;
gap: 8px;
padding: 5px 0;
border-bottom: 1px solid #222730;
font-size: 13px;
color: #b0b8c8;
}
.bnvh-list li:last-child { border-bottom: none; }
.bnvh-list-text { flex: 1; word-break: break-word; }
.bnvh-tag {
font-size: 11px;
padding: 1px 6px;
border-radius: 4px;
white-space: nowrap;
flex-shrink: 0;
}
.bnvh-tag-section { background: #1a2a4a; color: #5b8af5; }
.bnvh-tag-missing { background: #3d1515; color: #f05050; }
.bnvh-btn {
display: inline-block;
padding: 6px 14px;
border-radius: 6px;
font-size: 12.5px;
font-family: inherit;
cursor: pointer;
border: none;
font-weight: 500;
transition: opacity 0.15s, background 0.15s;
}
.bnvh-btn:disabled { opacity: 0.45; cursor: not-allowed; }
.bnvh-btn-primary { background: #2e4fa3; color: #e8f0ff; }
.bnvh-btn-primary:hover:not(:disabled) { background: #3a5fc0; }
.bnvh-btn-danger { background: #7a1f1f; color: #ffd0d0; }
.bnvh-btn-danger:hover:not(:disabled) { background: #9a2828; }
.bnvh-btn-muted { background: #252b38; color: #8090a8; }
.bnvh-btn-muted:hover:not(:disabled) { background: #2e3545; }
.bnvh-btn-row {
display: flex;
flex-wrap: wrap;
gap: 7px;
margin-top: 10px;
}
.bnvh-info {
font-size: 12.5px;
color: #6a7488;
margin-top: 6px;
line-height: 1.5;
}
.bnvh-success-msg {
font-size: 12.5px;
color: #4ec97d;
margin-top: 6px;
}
.bnvh-error-msg {
font-size: 12.5px;
color: #f05050;
margin-top: 6px;
}
.bnvh-cat-chip {
display: inline-flex;
align-items: center;
gap: 5px;
background: #1a2a4a;
color: #7aaaff;
border: 1px solid #2a3f6a;
border-radius: 5px;
padding: 3px 8px;
font-size: 12px;
margin: 3px 3px 3px 0;
cursor: pointer;
transition: background 0.15s;
}
.bnvh-cat-chip:hover { background: #22356a; }
.bnvh-cat-chip.selected { background: #2e4fa3; border-color: #3a5fc0; color: #c8daff; }
.bnvh-cat-chip .chip-x { color: #f05050; font-size: 13px; font-weight: bold; }
.bnvh-divider { border: none; border-top: 1px solid #2a2f3a; margin: 10px 0; }
@media (max-width: 480px) {
#bnvh-panel { top: 0; left: 0; right: 0; bottom: 0; transform: none;
width: 100%; max-height: 100vh; border-radius: 0; }
}
` );
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* DOM SETUP */
/* ------------------------------------------------------------------ */
const overlay = document.createElement( 'div' );
overlay.id = 'bnvh-overlay';
document.body.appendChild( overlay );
const panel = document.createElement( 'div' );
panel.id = 'bnvh-panel';
panel.innerHTML = `
<div id="bnvh-header">
<h2>🗺️ নিবন্ধ স্বাস্থ্য পরীক্ষা</h2>
<button id="bnvh-close" title="বন্ধ করুন">✕</button>
</div>
<div id="bnvh-body">
<div id="bnvh-scanning">
<div class="bnvh-spinner"></div>
স্ক্যান করা হচ্ছে…
</div>
</div>
`;
document.body.appendChild( panel );
function openPanel() {
overlay.style.display = 'block';
panel.style.display = 'block';
}
function closePanel() {
overlay.style.display = 'none';
panel.style.display = 'none';
}
document.getElementById( 'bnvh-close' ).addEventListener( 'click', closePanel );
overlay.addEventListener( 'click', closePanel );
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* UTILITIES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function apiGet( params ) {
return new mw.Api().get( Object.assign( { format: 'json' }, params ) );
}
function apiPost( params ) {
return new mw.Api().postWithToken( 'csrf', params );
}
function makeModule( id, icon, title, badgeClass, badgeText ) {
const mod = document.createElement( 'div' );
mod.className = 'bnvh-module';
mod.id = 'bnvh-mod-' + id;
mod.innerHTML = `
<div class="bnvh-module-header" data-mod="${ id }">
<div class="bnvh-module-title">
<span class="bnvh-icon">${ icon }</span>
<span>${ title }</span>
</div>
<div style="display:flex;align-items:center;gap:8px;">
<span class="bnvh-badge ${ badgeClass }">${ badgeText }</span>
<span class="bnvh-chevron">▶</span>
</div>
</div>
<div class="bnvh-module-body" id="bnvh-mod-body-${ id }"></div>
`;
mod.querySelector( '.bnvh-module-header' ).addEventListener( 'click', function () {
const body = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-' + id );
const chevron = this.querySelector( '.bnvh-chevron' );
const isOpen = body.classList.toggle( 'open' );
this.classList.toggle( 'open', isOpen );
chevron.classList.toggle( 'open', isOpen );
} );
return mod;
}
function getWikitext() {
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
return apiGet( { action: 'query', titles: title, prop: 'revisions',
rvprop: 'content', rvslots: 'main' } ).then( function ( data ) {
const pages = data.query.pages;
const page = pages[ Object.keys( pages )[ 0 ] ];
if ( !page.revisions ) return '';
return page.revisions[ 0 ].slots.main[ '*' ] || page.revisions[ 0 ].slots.main.content || '';
} );
}
function saveWikitext( wikitext, summary ) {
return apiPost( {
action: 'edit',
title: mw.config.get( 'wgPageName' ),
text: wikitext,
summary: summary,
minor: true,
} );
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 1 — STATUS BANNER */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function detectBannerLevel( wikitext, sectionResults ) {
// Count non-empty sections
const filledSections = sectionResults.present.length;
const totalSections = SECTION_SCHEMA.filter( s => s.level === 2 ).length;
const ratio = filledSections / totalSections;
const wordCount = wikitext.replace( /\{\{[^}]+\}\}|\[\[[^\]]+\]\]|==+[^=]+==+/g, '' )
.replace( /[^\u0980-\u09FF\s]/g, '' ).trim().split( /\s+/ ).length;
if ( ratio >= 0.85 && wordCount > 1500 ) return 'guide';
if ( ratio >= 0.65 && wordCount > 700 ) return 'usable';
if ( ratio >= 0.35 && wordCount > 200 ) return 'outline';
return 'skeleton';
}
function renderBannerModule( body, wikitext, sectionResults ) {
const existing = BANNER_TEMPLATES.find( t =>
new RegExp( '\\{\\{\\s*' + t + '\\s*[|}]', 'i' ).test( wikitext )
);
const suggested = detectBannerLevel( wikitext, sectionResults );
if ( existing ) {
body.innerHTML = `<p class="bnvh-info">বর্তমান ব্যানার: <strong style="color:#f0a830">{{${ existing }}}</strong>।
পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত: <strong style="color:#5b8af5">{{${ suggested }}}</strong>.</p>`;
if ( existing !== suggested ) {
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = `{{${ existing }}} → {{${ suggested }}} পরিবর্তন করুন`;
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
const newWt = wt.replace(
new RegExp( '\\{\\{\\s*' + existing + '\\s*[|}][^}]*\\}\\}', 'i' ),
'{{' + suggested + '}}'
);
return saveWikitext( newWt, 'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ব্যানার [[Template:' + suggested + '|' + suggested + ']] তে আপডেট' );
} ).then( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-success-msg">✓ ব্যানার আপডেট হয়েছে।</p>`;
} ).catch( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-error-msg">✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।</p>`;
} );
} );
body.appendChild( btn );
}
} else {
body.innerHTML = `<p class="bnvh-info">কোনো স্ট্যাটাস ব্যানার নেই। পরামর্শ: <strong style="color:#5b8af5">{{${ suggested }}}</strong></p>`;
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = `{{${ suggested }}} যোগ করুন`;
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
return saveWikitext( '{{' + suggested + "}}\n" + wt,
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: [[Template:' + suggested + '|' + suggested + ']] ব্যানার যোগ' );
} ).then( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-success-msg">✓ ব্যানার যোগ হয়েছে।</p>`;
} ).catch( function () {
body.innerHTML += `<p class="bnvh-error-msg">✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।</p>`;
} );
} );
body.appendChild( btn );
}
return existing ? 'ok' : 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 2 — RED LINKS */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function findRedLinks( wikitext ) {
// Extract all [[target|display]] or [[target]] wikilinks
const linkRe = /\[\[([^\]|#]+)(?:\|([^\]]+))?\]\]/g;
const links = [];
let m;
while ( ( m = linkRe.exec( wikitext ) ) !== null ) {
const target = m[ 1 ].trim();
const display = ( m[ 2 ] || m[ 1 ] ).trim();
const full = m[ 0 ];
if ( /^(File|চিত্র|Image|Category|বিষয়শ্রেণী|Template|তালিকা|Help|Wikipedia|Special):/i.test( target ) ) continue;
links.push( { target, display, full } );
}
return links;
}
function checkRedLinks( links ) {
if ( !links.length ) return Promise.resolve( [] );
const titles = [ ...new Set( links.map( l => l.target ) ) ];
// batch in 50
const batches = [];
for ( let i = 0; i < titles.length; i += 50 ) {
batches.push( titles.slice( i, i + 50 ) );
}
return Promise.all( batches.map( function ( batch ) {
return apiGet( { action: 'query', titles: batch.join( '|' ) } ).then( function ( data ) {
const missing = new Set();
Object.values( data.query.pages ).forEach( function ( p ) {
if ( p.missing !== undefined ) missing.add( p.title );
} );
return missing;
} );
} ) ).then( function ( sets ) {
const allMissing = new Set();
sets.forEach( s => s.forEach( t => allMissing.add( t ) ) );
return links.filter( l => allMissing.has( l.target ) );
} );
}
function renderRedLinkModule( body, redLinks ) {
if ( !redLinks.length ) {
body.innerHTML = '<p class="bnvh-info">কোনো লাল লিঙ্ক পাওয়া যায়নি।</p>';
return 'ok';
}
const ul = document.createElement( 'ul' );
ul.className = 'bnvh-list';
redLinks.forEach( function ( link ) {
const li = document.createElement( 'li' );
li.innerHTML = `<span class="bnvh-list-text">
<span style="color:#f05050">[[</span>${ mw.html.escape( link.target ) }<span style="color:#f05050">]]</span>
${ link.display !== link.target ? '<span style="color:#6a7488"> → ' + mw.html.escape( link.display ) + '</span>' : '' }
</span>`;
ul.appendChild( li );
} );
body.appendChild( ul );
const info = document.createElement( 'p' );
info.className = 'bnvh-info';
info.textContent = 'লিঙ্ক মুছলে শুধু লিঙ্কটি সরানো হবে, প্রদর্শন টেক্সট থেকে যাবে।';
body.appendChild( info );
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-danger';
btn.textContent = `সব ${ redLinks.length }টি লাল লিঙ্ক সরান`;
const msgEl = document.createElement( 'p' );
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
let newWt = wt;
redLinks.forEach( function ( link ) {
// Replace [[target|display]] → display, [[target]] → target
const escaped = link.full.replace( /[.*+?^${}()|[\]\\]/g, '\\$&' );
newWt = newWt.replace( new RegExp( escaped, 'g' ), link.display );
} );
return saveWikitext( newWt, 'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ' + redLinks.length + 'টি লাল লিঙ্ক সরানো হয়েছে' );
} ).then( function () {
msgEl.className = 'bnvh-success-msg';
msgEl.textContent = '✓ লাল লিঙ্ক সরানো হয়েছে।';
} ).catch( function () {
msgEl.className = 'bnvh-error-msg';
msgEl.textContent = '✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।';
btn.disabled = false;
} );
} );
body.appendChild( btn );
body.appendChild( msgEl );
return 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 3 — SECTIONS */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function checkSections( wikitext ) {
const present = [];
const missing = [];
SECTION_SCHEMA.forEach( function ( sec ) {
const eq = '='.repeat( sec.level );
const re = new RegExp( eq + '\\s*' + sec.title + '\\s*' + eq );
if ( re.test( wikitext ) ) {
present.push( sec );
} else {
missing.push( sec );
}
} );
return { present, missing };
}
function buildSectionScaffold( missing ) {
// Group by parent for cleaner insertion
return missing.map( function ( sec ) {
const eq = '='.repeat( sec.level );
return eq + ' ' + sec.title + ' ' + eq + '\n\n';
} ).join( '' );
}
function renderSectionModule( body, sectionResults, wikitext ) {
const { present, missing } = sectionResults;
if ( !missing.length ) {
body.innerHTML = '<p class="bnvh-info">সব প্রয়োজনীয় অনুচ্ছেদ আছে।</p>';
return 'ok';
}
const ul = document.createElement( 'ul' );
ul.className = 'bnvh-list';
missing.forEach( function ( sec ) {
const li = document.createElement( 'li' );
li.innerHTML = `<span class="bnvh-list-text">${ mw.html.escape( sec.title ) }</span>
<span class="bnvh-tag bnvh-tag-missing">অনুপস্থিত</span>`;
ul.appendChild( li );
} );
body.appendChild( ul );
const info = document.createElement( 'p' );
info.className = 'bnvh-info';
info.textContent = 'অনুপস্থিত অনুচ্ছেদগুলো নিবন্ধের শেষে যোগ করা হবে।';
body.appendChild( info );
const btn = document.createElement( 'button' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = `${ missing.length }টি অনুচ্ছেদ যোগ করুন`;
const msgEl = document.createElement( 'p' );
btn.addEventListener( 'click', function () {
btn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
const scaffold = buildSectionScaffold( missing );
return saveWikitext( wt.trimEnd() + '\n\n' + scaffold,
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ' + missing.length + 'টি অনুচ্ছেদ কাঠামো যোগ' );
} ).then( function () {
msgEl.className = 'bnvh-success-msg';
msgEl.textContent = '✓ অনুচ্ছেদ যোগ হয়েছে।';
} ).catch( function () {
msgEl.className = 'bnvh-error-msg';
msgEl.textContent = '✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।';
btn.disabled = false;
} );
} );
body.appendChild( btn );
body.appendChild( msgEl );
return missing.length >= 5 ? 'err' : 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 4 — IMAGES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function checkImages( wikitext ) {
return /\[\[(File|Image|চিত্র):/i.test( wikitext ) || /\|\s*image\s*=/i.test( wikitext );
}
function renderImageModule( body, hasImage ) {
const title = mw.config.get( 'wgTitle' );
const commonsUrl = 'https://commons.wikimedia.org/w/index.php?search=' + encodeURIComponent( title ) + '&title=Special:MediaSearch&type=image';
if ( hasImage ) {
body.innerHTML = '<p class="bnvh-info">নিবন্ধে অন্তত একটি ছবি আছে।</p>';
return 'ok';
}
body.innerHTML = `<p class="bnvh-info">এই নিবন্ধে কোনো ছবি যোগ করা হয়নি।</p>`;
const btn = document.createElement( 'a' );
btn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
btn.textContent = 'Wikimedia Commons-এ খুঁজুন ↗';
btn.href = commonsUrl;
btn.target = '_blank';
btn.rel = 'noopener';
btn.style.textDecoration = 'none';
body.appendChild( btn );
return 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MODULE 5 — CATEGORIES */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function getCurrentCategories() {
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
return apiGet( { action: 'query', titles: title, prop: 'categories', cllimit: 50 } ).then( function ( data ) {
const pages = data.query.pages;
const page = pages[ Object.keys( pages )[ 0 ] ];
if ( !page.categories ) return [];
return page.categories.map( c => c.title.replace( /^বিষয়শ্রেণী:/, '' ) );
} );
}
function suggestCategories( wikitext, existing ) {
const suggestions = [];
CATEGORY_KEYWORDS.forEach( function ( rule ) {
const matched = rule.keywords.some( kw => wikitext.includes( kw ) );
if ( matched && !existing.includes( rule.category ) ) {
suggestions.push( rule.category );
}
} );
return [ ...new Set( suggestions ) ];
}
function renderCategoryModule( body, wikitext, existing ) {
const suggested = suggestCategories( wikitext, existing );
const existingEl = document.createElement( 'div' );
existingEl.innerHTML = '<p class="bnvh-info" style="margin-bottom:5px;">বর্তমান বিষয়শ্রেণী:</p>';
if ( existing.length ) {
existing.forEach( function ( cat ) {
const chip = document.createElement( 'span' );
chip.className = 'bnvh-cat-chip';
chip.style.cursor = 'default';
chip.textContent = cat;
existingEl.appendChild( chip );
} );
} else {
existingEl.innerHTML += '<span style="color:#6a7488;font-size:12px;">কোনো বিষয়শ্রেণী নেই</span>';
}
body.appendChild( existingEl );
if ( !suggested.length ) {
const p = document.createElement( 'p' );
p.className = 'bnvh-info';
p.style.marginTop = '8px';
p.textContent = 'কোনো নতুন বিষয়শ্রেণী পরামর্শ পাওয়া যায়নি।';
body.appendChild( p );
return existing.length ? 'ok' : 'warn';
}
const hr = document.createElement( 'hr' );
hr.className = 'bnvh-divider';
body.appendChild( hr );
const sugInfo = document.createElement( 'p' );
sugInfo.className = 'bnvh-info';
sugInfo.style.marginBottom = '6px';
sugInfo.textContent = 'পরামর্শকৃত বিষয়শ্রেণী (যোগ করতে ক্লিক করুন):';
body.appendChild( sugInfo );
const selected = new Set();
const chipContainer = document.createElement( 'div' );
suggested.forEach( function ( cat ) {
const chip = document.createElement( 'span' );
chip.className = 'bnvh-cat-chip';
chip.textContent = cat;
chip.addEventListener( 'click', function () {
if ( selected.has( cat ) ) {
selected.delete( cat );
chip.classList.remove( 'selected' );
} else {
selected.add( cat );
chip.classList.add( 'selected' );
}
addBtn.disabled = selected.size === 0;
} );
chipContainer.appendChild( chip );
} );
body.appendChild( chipContainer );
const msgEl = document.createElement( 'p' );
const addBtn = document.createElement( 'button' );
addBtn.className = 'bnvh-btn bnvh-btn-primary';
addBtn.disabled = true;
addBtn.textContent = 'নির্বাচিত বিষয়শ্রেণী যোগ করুন';
addBtn.style.marginTop = '10px';
addBtn.addEventListener( 'click', function () {
addBtn.disabled = true;
getWikitext().then( function ( wt ) {
const cats = [ ...selected ].map( c => '\n[[বিষয়শ্রেণী:' + c + ']]' ).join( '' );
return saveWikitext( wt.trimEnd() + cats,
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ' + selected.size + 'টি বিষয়শ্রেণী যোগ' );
} ).then( function () {
msgEl.className = 'bnvh-success-msg';
msgEl.textContent = '✓ বিষয়শ্রেণী যোগ হয়েছে।';
} ).catch( function () {
msgEl.className = 'bnvh-error-msg';
msgEl.textContent = '✗ সংরক্ষণ ব্যর্থ হয়েছে।';
addBtn.disabled = false;
} );
} );
body.appendChild( addBtn );
body.appendChild( msgEl );
return existing.length === 0 ? 'err' : 'warn';
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* MAIN RUNNER */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function badgeFromStatus( status ) {
if ( status === 'ok' ) return { cls: 'bnvh-badge-ok', text: '✓ ঠিক আছে' };
if ( status === 'warn' ) return { cls: 'bnvh-badge-warn', text: '⚠ মনোযোগ চাই' };
if ( status === 'err' ) return { cls: 'bnvh-badge-err', text: '✗ সমস্যা' };
return { cls: 'bnvh-badge-info', text: 'তথ্য' };
}
function runDashboard() {
openPanel();
const bodyEl = document.getElementById( 'bnvh-body' );
bodyEl.innerHTML = '<div id="bnvh-scanning"><div class="bnvh-spinner"></div>স্ক্যান করা হচ্ছে…</div>';
Promise.all( [ getWikitext(), getCurrentCategories() ] ).then( function ( results ) {
const wikitext = results[ 0 ];
const existCats = results[ 1 ];
const links = findRedLinks( wikitext );
return checkRedLinks( links ).then( function ( redLinks ) {
return { wikitext, existCats, redLinks };
} );
} ).then( function ( data ) {
const { wikitext, existCats, redLinks } = data;
const sectionResults = checkSections( wikitext );
const hasImage = checkImages( wikitext );
bodyEl.innerHTML = '';
// Module: Banner
const bannerMod = makeModule( 'banner', '🏷️', 'স্ট্যাটাস ব্যানার', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( bannerMod );
const bannerBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-banner' );
const bannerStatus = renderBannerModule( bannerBody, wikitext, sectionResults );
const bannerBadge = badgeFromStatus( bannerStatus );
bannerMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + bannerBadge.cls;
bannerMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = bannerBadge.text;
// Module: Red links
const redMod = makeModule( 'redlinks', '🔴', 'লাল লিঙ্ক', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( redMod );
const redBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-redlinks' );
const redStatus = renderRedLinkModule( redBody, redLinks );
const redBadge = badgeFromStatus( redStatus );
redMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + redBadge.cls;
redMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = redLinks.length
? redLinks.length + 'টি পাওয়া গেছে'
: redBadge.text;
// Module: Sections
const secMod = makeModule( 'sections', '📑', 'অনুচ্ছেদ কাঠামো', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( secMod );
const secBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-sections' );
const secStatus = renderSectionModule( secBody, sectionResults, wikitext );
const secBadge = badgeFromStatus( secStatus );
secMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + secBadge.cls;
secMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = sectionResults.missing.length
? sectionResults.missing.length + 'টি অনুপস্থিত'
: secBadge.text;
// Module: Images
const imgMod = makeModule( 'images', '🖼️', 'ছবি', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( imgMod );
const imgBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-images' );
const imgStatus = renderImageModule( imgBody, hasImage );
const imgBadge = badgeFromStatus( imgStatus );
imgMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + imgBadge.cls;
imgMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = imgBadge.text;
// Module: Categories
const catMod = makeModule( 'categories', '📂', 'বিষয়শ্রেণী', 'bnvh-badge-info', '…' );
bodyEl.appendChild( catMod );
const catBody = document.getElementById( 'bnvh-mod-body-categories' );
const catStatus = renderCategoryModule( catBody, wikitext, existCats );
const catBadge = badgeFromStatus( catStatus );
catMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).className = 'bnvh-badge ' + catBadge.cls;
catMod.querySelector( '.bnvh-badge' ).textContent = catBadge.text;
// Auto-expand modules that have issues
[ 'banner', 'redlinks', 'sections', 'images', 'categories' ].forEach( function ( id ) {
const mod = document.getElementById( 'bnvh-mod-' + id );
const badge = mod.querySelector( '.bnvh-badge' );
if ( badge.classList.contains( 'bnvh-badge-warn' ) ||
badge.classList.contains( 'bnvh-badge-err' ) ) {
mod.querySelector( '.bnvh-module-header' ).click();
}
} );
} ).catch( function ( err ) {
bodyEl.innerHTML = '<p class="bnvh-error-msg" style="padding:16px;">✗ স্ক্যান ব্যর্থ: ' + mw.html.escape( String( err ) ) + '</p>';
} );
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* PORTLET LINK */
/* ------------------------------------------------------------------ */
mw.loader.using( [ 'mediawiki.util', 'mediawiki.api' ] ).then( function () {
// Only on article/talk pages, not special pages
if ( mw.config.get( 'wgNamespaceNumber' ) < 0 ) return;
if ( mw.config.get( 'wgAction' ) !== 'view' ) return;
// Minerva (mobile) uses 'p-tb', Vector uses 'p-cactions'
const skin = mw.config.get( 'skin' );
const portlet = ( skin === 'minerva' ) ? 'p-tb' : 'p-cactions';
mw.util.addPortletLink(
portlet,
'#',
'স্বাস্থ্য পরীক্ষা',
'ca-bnvh',
'নিবন্ধের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন'
);
document.getElementById( 'ca-bnvh' ).addEventListener( 'click', function ( e ) {
e.preventDefault();
runDashboard();
} );
} );
} )();
// </nowiki>
1o359qjy43ptrfqcewupyxi623gxzbi
ব্যবহারকারী:ARI/autodate.js
2
8992
76753
2026-06-10T03:24:52Z
ARI
3854
"// <nowiki> ( function () { 'use strict'; // All listing template names to watch (add more as needed) const LISTING_TEMPLATES = [ 'রাত্রিযাপন করুন', 'খাওয়া-দাওয়া করুন', 'দেখুন', 'করুন', 'কিনুন', 'পান করুন', 'যোগাযোগ করুন', 'যান', ]; const DATE_PARAM = 'শেষ_সম্পাদনা'; //..." দিয়ে পাতা তৈরি
76753
javascript
text/javascript
// <nowiki>
( function () {
'use strict';
// All listing template names to watch (add more as needed)
const LISTING_TEMPLATES = [
'রাত্রিযাপন করুন',
'খাওয়া-দাওয়া করুন',
'দেখুন',
'করুন',
'কিনুন',
'পান করুন',
'যোগাযোগ করুন',
'যান',
];
const DATE_PARAM = 'শেষ_সম্পাদনা';
// Build regex that matches any of the listing templates
const TEMPLATE_PATTERN = new RegExp(
'\\{\\{\\s*(?:' + LISTING_TEMPLATES.map( function ( t ) {
return t.replace( /[-|]/g, '\\$&' );
} ).join( '|' ) + ')\\s*(?:\\||\\})',
'i'
);
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* CORE: Parse wikitext into listing blocks */
/* ------------------------------------------------------------------ */
/**
* Extract all listing template blocks from wikitext.
* Returns array of { start, end, text } (indices into wikitext string).
*/
function extractListingBlocks( wikitext ) {
const blocks = [];
let i = 0;
while ( i < wikitext.length ) {
// Find next {{ that starts a listing template
const openIdx = wikitext.indexOf( '{{', i );
if ( openIdx === -1 ) break;
// Check if this {{ starts a listing template
const slice = wikitext.slice( openIdx );
if ( !TEMPLATE_PATTERN.test( slice ) ) {
i = openIdx + 2;
continue;
}
// Walk forward matching braces to find the closing }}
let depth = 0;
let j = openIdx;
while ( j < wikitext.length ) {
if ( wikitext[ j ] === '{' && wikitext[ j + 1 ] === '{' ) {
depth++;
j += 2;
} else if ( wikitext[ j ] === '}' && wikitext[ j + 1 ] === '}' ) {
depth--;
j += 2;
if ( depth === 0 ) break;
} else {
j++;
}
}
blocks.push( { start: openIdx, end: j, text: wikitext.slice( openIdx, j ) } );
i = j;
}
return blocks;
}
/**
* Given a listing block's text, update | শেষ_সম্পাদনা= to today.
*/
function updateDateInBlock( blockText, todayStr ) {
const paramRe = new RegExp(
'(\\|\\s*' + DATE_PARAM + '\\s*=\\s*)([^|\\}]*)',
'g'
);
if ( paramRe.test( blockText ) ) {
// Parameter exists — replace its value
return blockText.replace(
new RegExp( '(\\|\\s*' + DATE_PARAM + '\\s*=\\s*)([^|\\}]*)', 'g' ),
function ( _match, paramPart ) {
return paramPart + todayStr;
}
);
} else {
// Parameter missing — inject before closing }}
return blockText.replace( /\}\}\s*$/, '\n| ' + DATE_PARAM + '=' + todayStr + '\n}}' );
}
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* DIFF: Find which blocks changed between original and new wikitext */
/* ------------------------------------------------------------------ */
/**
* Compare original and new wikitext.
* Returns new wikitext with শেষ_সম্পাদনা updated for changed blocks only.
*/
function applyDateUpdates( originalWikitext, newWikitext, todayStr ) {
const origBlocks = extractListingBlocks( originalWikitext );
const newBlocks = extractListingBlocks( newWikitext );
// Build a set of original block texts for quick lookup
const origTexts = new Set( origBlocks.map( b => normalizeBlock( b.text ) ) );
// Find new blocks that don't exist in original (i.e. were changed/added)
const changedBlocks = newBlocks.filter( function ( b ) {
return !origTexts.has( normalizeBlock( b.text ) );
} );
if ( !changedBlocks.length ) return newWikitext; // nothing changed
// Apply date updates to changed blocks, working backwards to preserve indices
let result = newWikitext;
for ( let i = changedBlocks.length - 1; i >= 0; i-- ) {
const block = changedBlocks[ i ];
const updated = updateDateInBlock( block.text, todayStr );
result = result.slice( 0, block.start ) + updated + result.slice( block.end );
}
return result;
}
/**
* Normalize a block for comparison: strip শেষ_সম্পাদনা value and whitespace.
* This ensures date differences don't count as content changes.
*/
function normalizeBlock( text ) {
return text
.replace( new RegExp( '\\|\\s*' + DATE_PARAM + '\\s*=\\s*[^|\\}]*', 'g' ), '|' + DATE_PARAM + '=' )
.replace( /\s+/g, ' ' )
.trim();
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* EDITOR INTEGRATION */
/* ------------------------------------------------------------------ */
function getTodayString() {
const d = new Date();
const y = d.getFullYear();
const m = String( d.getMonth() + 1 ).padStart( 2, '0' );
const day = String( d.getDate() ).padStart( 2, '0' );
return y + '-' + m + '-' + day;
}
/**
* Fetch the current saved wikitext of the page (or section).
* For section edits, MediaWiki passes the section number via wpSection.
*/
function fetchOriginalWikitext( title, section ) {
const params = {
action: 'query',
titles: title,
prop: 'revisions',
rvprop: 'content',
rvslots: 'main',
format: 'json',
};
if ( section !== null && section !== '' && section !== undefined ) {
params.rvsection = section;
}
return new mw.Api().get( params ).then( function ( data ) {
const pages = data.query.pages;
const page = pages[ Object.keys( pages )[ 0 ] ];
if ( !page.revisions ) return '';
const rev = page.revisions[ 0 ];
return ( rev.slots && rev.slots.main[ '*' ] ) ||
( rev.slots && rev.slots.main.content ) ||
rev[ '*' ] || '';
} );
}
/* ---- Standard wikitext editor (EditPage / textarea) -------------- */
function initTextareaEditor() {
const form = document.getElementById( 'editform' );
if ( !form ) return;
const textarea = document.getElementById( 'wpTextbox1' );
if ( !textarea ) return;
// Get section number (empty string = full page)
const sectionInput = form.querySelector( 'input[name="wpSection"]' );
const section = sectionInput ? sectionInput.value : '';
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
let originalWikitext = null;
// Fetch original in background
fetchOriginalWikitext( title, section ).then( function ( wt ) {
originalWikitext = wt;
} );
// Hook into form submit
form.addEventListener( 'submit', function ( e ) {
// Only act on Save (not Preview or Show changes)
const clicked = form.querySelector( 'input[type="submit"]:focus, button[type="submit"]:focus' ) ||
form.querySelector( '#wpSave' );
if ( clicked && ( clicked.id === 'wpPreview' || clicked.id === 'wpDiff' ) ) return;
if ( !originalWikitext ) return; // original not loaded yet, skip safely
const newWikitext = textarea.value;
const today = getTodayString();
const updated = applyDateUpdates( originalWikitext, newWikitext, today );
if ( updated !== newWikitext ) {
e.preventDefault();
textarea.value = updated;
// Re-submit
form.submit();
}
}, true );
}
/* ---- WikiEditor / CodeMirror (still uses same textarea) ---------- */
// WikiEditor wraps the textarea but form submit still fires, so
// initTextareaEditor() covers it automatically.
/* ---- VisualEditor source mode ------------------------------------ */
function initVisualEditor() {
mw.hook( 've.activationComplete' ).add( function () {
const veTarget = ve.init && ve.init.target;
if ( !veTarget ) return;
// Only source mode
if ( veTarget.constructor && veTarget.constructor.static &&
veTarget.constructor.static.name === 'MWDesktopWikitextTarget' ) {
// VE source mode uses its own surface; hook save
}
} );
// Hook before VE saves
mw.hook( 've.preSaveProcess' ).add( function ( saveProcess, target ) {
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
const section = target.section !== undefined ? target.section : '';
saveProcess.first( function () {
return fetchOriginalWikitext( title, section ).then( function ( originalWikitext ) {
try {
const surface = target.getSurface();
const dmDoc = surface.getModel().getDocument();
const newWikitext = target.getWikitextFragment ?
target.getWikitextFragment( dmDoc ) :
surface.getDom();
if ( typeof newWikitext !== 'string' ) return;
const today = getTodayString();
const updated = applyDateUpdates( originalWikitext, newWikitext, today );
if ( updated !== newWikitext ) {
// Inject updated wikitext back
surface.getModel().getLinearFragment(
new ve.Range( 0, dmDoc.getInternalList().getListNode().getRange().start )
).insertContent( updated );
}
} catch ( err ) {
// VE integration failed silently — don't block save
mw.log.warn( 'bnvoyageListingDate: VE hook error', err );
}
} );
} );
} );
}
/* ---- 2017 wikitext editor (VE source mode, separate target) ------ */
function init2017Editor() {
mw.hook( 've.wikitextInteractiveSaveBeforeProcess' ).add( function ( data ) {
if ( !data || !data.wikitext ) return;
const title = mw.config.get( 'wgPageName' );
const section = data.section !== undefined ? data.section : '';
fetchOriginalWikitext( title, section ).then( function ( originalWikitext ) {
const today = getTodayString();
const updated = applyDateUpdates( originalWikitext, data.wikitext, today );
if ( updated !== data.wikitext ) {
data.wikitext = updated;
}
} );
} );
}
/* ------------------------------------------------------------------ */
/* BOOT */
/* ------------------------------------------------------------------ */
mw.loader.using( [ 'mediawiki.api', 'mediawiki.util' ] ).then( function () {
const action = mw.config.get( 'wgAction' );
if ( action !== 'edit' && action !== 'submit' ) return;
// Standard textarea editor (covers desktop + mobile Minerva edit)
if ( document.readyState === 'loading' ) {
document.addEventListener( 'DOMContentLoaded', initTextareaEditor );
} else {
initTextareaEditor();
}
// VE hooks (safe to register even if VE isn't loaded)
initVisualEditor();
init2017Editor();
} );
} )();
// </nowiki>
j3zvti9wy7h0lknsbguejaoss3nl411