উইকিভ্রমণ bnwikivoyage https://bn.wikivoyage.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.13 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিভ্রমণ উইকিভ্রমণ আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা ব্যবহারকারী আলাপ:Revi C. 3 4 76934 76932 2026-08-02T14:34:00Z Pathoschild 1088 global user pages ([[m:Synchbot|requested by Revi C.]]) 76934 wikitext text/x-wiki __NOINDEX__<div class="mw-content-ltr" lang="en" dir="ltr">[[File:Revi logo (pink).png|thumb|center|<span style="color:red">PLEASE DO NOT LEAVE MESSAGE HERE!</span>]] '''<span style="color:red"> BEFORE YOU BLOCK MY ACCOUNT: IF MY EDIT SUMMARY INCLUDE PREFIX </span>''(Script)''<span style="color:red">, DON'T BLOCK ME, JUST TELL ME TO SLOW DOWN AT COMMONS' TALK PAGE. IT IS AN AUTOMATED SCRIPT BEING USED ON COMMONS TO MOVE FILES.</span>''' Instead, please leave your message following site: <br /> [[File:Wikidata-logo-en.svg|45px|link=d:User talk:Revi C.]] [[d:User talk:Revi C.]] for Wikidata (Interwiki links) stuff <!--(I am {{int:Group-sysop}} there)--> <br /> [[File:Commons-logo.svg|45px|link=commons:User talk:Revi C.]] [[commons:User talk:Revi C.]] for renaming stuff or [[User:CommonsDelinker|CommonsDelinker]] action (I am {{int:Group-sysop}} there) <br /> [[File:Wikimedia Community Logo optimized.svg|45px|link=m:User talk:Revi C.]] [[meta:User talk:Revi C.]] for other stuff (User right notification, revert message, etc...) Messages left on this page may be reverted or moved without any response.</div> 5b8qtz4dnjnrhc9ts3mku14m3gujbq8 বাংলাদেশ 0 467 76937 67382 2026-08-02T18:46:47Z Omar Faruk salafi 6447 ওমর ফারুক সালাফী – পরিচয় আমার নাম ওমর ফারুক সালাফী। আমি বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ, দিনাজপুর জেলা, খানসামা উপজেলার বানগাঁও বিষ্ণুপুর গ্রামের একজন বাসিন্দা। আমি মাস্টার ইলেকট্রনিক সার্ভিস সেন্টার-এর স্বত্বাধিকারী। আমাদের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি মেরামত ও সার্ভিসিং, বৈধ ও অরিজিনাল নতুন ও ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল মালামাল ক্রয়-বিক্রয়, মোটর স্থাপন ও মেরামত, বৈদ্যুতিক ওয়্যারিংসহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান করা হয়। যোগাযোগ: মোবাইল: 01929591319 বিকাশ/নগদ: 01784910640 গ্রাহ 76937 wikitext text/x-wiki <ref>ওমর ফারুক সালাফী – পরিচয় আমার নাম ওমর ফারুক সালাফী। আমি বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ, দিনাজপুর জেলা, খানসামা উপজেলার বানগাঁও বিষ্ণুপুর গ্রামের একজন বাসিন্দা। আমি মাস্টার ইলেকট্রনিক সার্ভিস সেন্টার-এর স্বত্বাধিকারী। আমাদের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি মেরামত ও সার্ভিসিং, বৈধ ও অরিজিনাল নতুন ও ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল মালামাল ক্রয়-বিক্রয়, মোটর স্থাপন ও মেরামত, বৈদ্যুতিক ওয়্যারিংসহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান করা হয়। যোগাযোগ: মোবাইল: 01929591319 বিকাশ/নগদ: 01784910640 গ্রাহকের আস্থা ও সন্তুষ্টিই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সততা, বিশ্বস্ততা, দক্ষতা এবং ন্যায্য মূল্যে মানসম্মত সেবা প্রদানই আমাদের প্রতিষ্ঠানের মূল অঙ্গীকার।</ref>'''বাংলাদেশ''' [[:w:দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়া]]র একটি জনবহুল রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম '''গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'''। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব সীমান্তে [[ভারত]], দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে [[মায়ানমার]], এবং দক্ষিণ দিকে [[:w:বঙ্গোপসাগর|বঙ্গোপসাগর]] অবস্থিত। বাংলাদেশের ভূখন্ড ভৌগলিকভাবে একটি [[:w:গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ|উর্বর বদ্বীপের]] অংশ বিশেষ। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসীদের মাতৃভাষা [[:w:বাংলা ভাষা|বাংলা ভাষা]]। বাংলা ভাষা ছাড়াও এখানে চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, উর্দুসহ আরো অনেক ভাষার প্রচলন রয়েছে। প্রাচীন "[[:w:বঙ্গ|বঙ্গ]]" ভূখন্ডের পূর্বাংশের অংশ [[:w:পূর্ব বাংলা|পূর্ব বাংলা]] নামে পরিচিত, যা বর্তমানে বাংলাদেশ নামের দেশ। পৃথিবীতে যে ক'টি রাষ্ট্র জাতিরাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা পায় তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। {{পাতার ব্যানার}} {{সংক্ষিপ্ত তথ্য}} বাংলাদেশের বর্তমান সীমান্ত তৈরি হয়েছিল [[:w:১৯৪৭|১৯৪৭]] খ্রিস্টাব্দে যখন [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাবসানে]], [[:w:বঙ্গভঙ্গ (১৯৪৭)|বঙ্গ (বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি)]] এবং [[:w:ভারত বিভাগ|ব্রিটিশ ভারত]] বিভাগ করা হয়েছিল। বিভাগের পরে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চল তখন পূর্ব বাংলা নামে পরিচিত, যেটি নবগঠিত দেশ [[পাকিস্তান]]ের পূর্ব অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। [[:w:পাকিস্তান অধিরাজ্য|পাকিস্তান অধিরাজ্যে]] থাকাকালীন "পূর্ব বাংলা" থেকে "[[:w:পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তান]]"-এ নামটি পরিবর্তিত করা হয়েছিল। শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে [[:w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|সশস্ত্র সংগ্রামের]] মধ্য দিয়ে [[:w:১৯৭১|১৯৭১]] খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ঘটেছে দুর্ভিক্ষ ও [[:w:প্রাকৃতিক দুর্যোগ|প্রাকৃতিক দুর্যোগ]]; এছাড়াও প্রলম্বিত [[:w:রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা|রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা]] ও পুনঃপৌনিক [[:w:বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থান|সামরিক অভ্যুত্থান]] এদেশের রাজনৈতিক সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বারংবার ব্যাহত করেছে। গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে [[:w:১৯৯১|১৯৯১]] খ্রিস্টাব্দে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে যার ধারাবাহিকতা অদ্যাবধি বর্তমান। সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত দুই দশকে [[:w:বাংলাদেশের অর্থনীতি|বাংলাদেশের অর্থনীতি]]ক প্রগতি ও সমৃদ্ধি সারা বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান [[:w:জনসংখ্যা অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের তালিকা|অষ্টম]] যদিও আয়তনের হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে [[:w:আয়তন অনুসারে রাষ্ট্রসমূহের তালিকা|৯৪তম]]; ফলে বাংলাদেশ [[:w:জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের তালিকা|বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর]] নবম। মাত্র ৫৬ হাজার বর্গমাইলেরও কম এই ক্ষুদ্রায়তন দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫.৫৯ কোটির বেশি অর্থাৎ প্রতি বর্গমাইলে জনবসতি ২৪৯৭ জন। জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা বাংলা। শিক্ষার হার ৬৫ শতাংশ। ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ ছিল ১১,৯৮,৯২৩ কোটি টাকা (চলতি বাজারমূল্যে) যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বৃদ্ধি লাভ করে ১৩,৫০,৯২০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের মাথাপিছু বার্ষিক আয় পূর্ববর্তী বৎসরের ১,০৪৪ [[:w:মার্কিন ডলার|মার্কিন ডলার]] থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১,১৯০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে মর্মে সরকারি প্রাক্কলন করা হয়েছে, [[w:টাকা|টাকা]]র অঙ্কে যার পরিমাণ ৯২,৫১০ টাকা। দারিদ্রের হার ২৬.২০ শতাংশ, অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ১১.৯০ শতাংশ, এবং বার্ষিক দারিদ্র হ্রাসের হার ১.৫ শতাংশ। এই [[:w:উন্নয়নশীল দেশ|উন্নয়নশীল দেশ]]টি প্রায় দুই দশক যাবৎ বার্ষিক ৫ থেকে ৬.২ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অর্জনপূর্বক "[[:w:পরবর্তী একাদশ|পরবর্তী একাদশ]]" অর্থনীতিসমূহের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। রাজধানী [[:w:ঢাকা|ঢাকা]] ও অন্যান্য শহরের পরিবর্ধন বাংলাদেশের এই উন্নতির চালিকাশক্তিরূপে কাজ করছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করেছে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ত্বরিত বিকাশ এবং একটি সক্ষম ও সক্রিয় উদ্যোক্তা শ্রেণীর আর্বিভাব। [[:w:বাংলাদেশের রপ্তানীমুখী|বাংলাদেশের রপ্তানীমুখী]] [[:w:পোশাক শিল্প|পোশাক শিল্প]] সারা বিশ্বে বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। জনশক্তি রপ্তানীও দেশটির অন্যতম অর্থনৈতিক হাতিয়ার। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক [[:w:বাংলাদেশ সরকার|সরকার]] ব্যবস্থা প্রচলিত। বাংলাদেশ [[:w:দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা|দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা]] ও [[:w:বিমসটেক|বিমসটেক]]-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া দেশটি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], [[:w:বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা|বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা]], [[:w:বিশ্ব শুল্ক সংস্থা|বিশ্ব শুল্ক সংস্থা]], [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ অফ নেশনস]], [[:w:উন্নয়নশীল ৮টি দেশ|উন্নয়নশীল ৮টি দেশ]], [[:w:জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন|জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন]], [[:w:ওআইসি|ওআইসি]], ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংঘের সক্রিয় সদস্য। == অঞ্চলসমূহ == অঞ্চলভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ ৮টি। এছাড়াও দেশে মোট ৬৪টি জেলা রয়েছে। {{অঞ্চলের তালিকা | regionmap=বাংলাদেশের মানচিত্র.png | regionmaptext=বাংলাদেশের বিভাগ | region1name=[[রংপুর বিভাগ]] | region1color=#b5d07b | region1description=মন্দির, সংস্কৃতি, এবং গ্রামীণ জীবনধারা সমৃদ্ধ অঞ্চল। | region2name=[[রাজশাহী বিভাগ]] | region2color=#aab0c8 | region2description=আম, সিল্ক ও প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষের জন্য পরিচিত। | region3name=[[ময়মনসিংহ বিভাগ]] | region3color=#578e86 | region3description=সংস্কৃতি, জাতিগত ক্ষুদ্র গোষ্ঠী এবং গ্রামীণ জীবনধারা সমৃদ্ধ অঞ্চল। | region4name=[[সিলেট বিভাগ]] | region4color=#e58f8d | region4description=অবিরাম চা বাগান এবং সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলীর অঞ্চল। | region5name=[[ঢাকা বিভাগ]] | region5color=#efef7a | region5description=রাজধানী শহর। | region6name=[[খুলনা বিভাগ]] | region6color=#d1a6c2 | region6description=শান্ত, ধীর গতির এলাকা; [[সুন্দরবন]]ের বাড়ী। | region7name=[[বরিশাল বিভাগ]] | region7color=#9dd1ab | region7description=নদী, ধান ক্ষেত, এবং সবুজ জমির অঞ্চল। | region8name=[[চট্টগ্রাম বিভাগ]] | region8color=#cfc27b | region8description=পাহাড়, বন, এবং সমুদ্র সৈকত বেষ্টিত মনোরম একটি অঞ্চল। }} == প্রবেশ == যে দেশগুলির নাগরিকদের ৯০ দিন পর্যন্ত থাকার জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না: অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, [[ভূটান]], ডোমিনিকা, ফিজি, গাম্বিয়া, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, জ্যামাইকা, গায়ানা, হন্ডুরাস, লেসোথো, মালাউই, [[মালদ্বীপ]], মন্টসেরাট, পাপুয়া নিউগিনি, সেন্ট কিট্‌স ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জ, সেশেল, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, উরুগুয়ে, ভ্যাটিকান সিটি এবং জাম্বিয়া। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের বর্তমান ভিসা ডাটাবেসের আওতায় ৯০ দিনের আগমনের ভিসার জন্য ৫০ মার্কিন ডলার দিতে হয়। == পরিবহন == বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। তাই বাংলাদেশের প্রাচীনতম যাতায়াত পথ হিসেবে গণ্য করা হয় নৌপথ বা জলপথকে। নৌপথের নদীপথ এবং সমুদ্রপথ উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। নদীমাতৃক দেশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থায় নদীপথ গুরুত্বপূর্ণ, তবে বহির্বিশ্বের সাথে যাতায়াত ব্যবস্থায় সমুদ্রপথ ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে প্রায় ৮৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ রয়েছে। এর মধ্যে ৫৪০০ কিলোমিটার সারা বছর নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। অবশিষ্ট প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার শুধু [[বর্ষাকাল|বর্ষাকালে]] ব্যবহৃত হয়। সাধারণত দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের নদীগুলো নৌচলাচলের জন্য বেশি উপযোগী। এ অঞ্চলেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরগুলো অবস্থিত: [[ঢাকা জেলা|ঢাকা]], [[নারায়ণগঞ্জ জেলা|নারায়ণগঞ্জ]], [[চাঁদপুর জেলা|চাঁদপুর]], [[বরিশাল জেলা|বরিশাল]], [[ঝালকাঠি জেলা|ঝালকাঠি]], [[খুলনা জেলা|খুলনা]] প্রভৃতি। নদীপথে চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই (৯৪%) [[:w:নৌকা|নৌকা]] ও [[:w:লঞ্চ|লঞ্চে]] এবং বাকিরা (৬%) স্টিমারে যাতায়াত করেন। দেশের সমুদ্রপথ মূলত ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের প্রধান দুইটি সমুদ্র বন্দর, [[:w:চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর|চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর]], [[:w:মোংলা বন্দর|মোংলা সমুদ্র বন্দর]] এবং [[:w:পায়রা সমুদ্র বন্দর|পায়রা সমুদ্র বন্দর]] একাজে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের স্থল যোগাযোগের মধ্যে সড়কপথ উল্লেখযোগ্য। সড়কপথের অবকাঠামো নির্মাণ এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভৌগোলিক অবকাঠামোর মধ্যে বেশ ব্যয়বহুল। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে পাকা রাস্তার পরিমাণ ছিলো ১৯৩১.১৭ কিলোমিটার, ১৯৯৬-১৯৯৭ সালের দিকে তা দাঁড়ায় ১৭৮৮৫৯ কিলোমিটারে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে দেশের জাতীয় মহাসড়ক ৩৪৭৮ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪২২২ কিলোমিটার এবং ফিডার/জেলা রোড ১৩২৪৮ কিলোমিটার। দেশের সড়কপথের উন্নয়নের জন্য "[[:w:বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন|বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন]]" (বিআরটিসি) নামে একটি সংস্থা গঠন করা হয়েছে। সড়কপথে প্রায় সব জেলার সাথে যোগাযোগ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (ব্রিজ, কালভার্ট) নির্মিত না হওয়ায় ফেরি পারাপারের প্রয়োজন পরে। সড়কপথে জেলাভিত্তিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় বড় যানবাহন যেমন: [[:w:ট্রাক|ট্রাক]], [[:w:বাস|বাস]] ব্যবহৃত হলেও আঞ্চলিক বা স্থানীয় পর্যায়ে [[:w:ট্যাক্সি|ট্যাক্সি]], সিএনজি, [[:w:মিনিবাস|মিনিবাস]], ট্রাক ইত্যাদি যান্ত্রিক বাহন ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বহু পুরাতন আমলের অযান্ত্রিক বাহন যেমন: [[:w:রিকশা|রিক্সা]], [[:w:গরুর গাড়ি|গরুর গাড়ি]], [[:w:ঠেলাগাড়ি|ঠেলা গাড়ি]]ও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া স্থলভাগে রেলপথ সবচেয়ে নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা হিসেবে ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের সময় বাংলাদেশে রেলপথ ছিলো ২৮৫৭ কিলোমিটার। ২০০৮-২০০৯ সালের হিসাবমতে, বাংলাদেশে রেলপথ রয়েছে ২৮৩৫ কিলোমিটার। এদেশে মিটারগেজ এবং ব্রডগেজ-দু'ধরনের রেলপথ রয়েছে। রেলপথ, রেলস্টেশনের দ্বারা পরিচালিত হয়, এছাড়া বিভিন্ন স্টেশনকে জংশন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। রেলপথকে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনার জন্য [[:w:বাংলাদেশ রেলওয়ে|বাংলাদেশ রেলওয়ে]] নামে একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলাদেশকে ট্রান্স এশীয় রেলওয়ে জালের সঙ্গে সংযোজনের জন্য চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ অবধি ১২৮ কিলোমিটার রেলসড়ক স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে (২০১৩)। এই রেলসড়ক মিয়ানমারের গুনদুম রেলস্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এছাড়াও দেশের অভ্যন্তরে ও দেশের বাইরে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে বাংলাদেশে আকাশপথে বা বিমানপথে যাতায়াতের ব্যবস্থাও রয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিমান যাতায়াত ব্যবস্থায় দেশের ভিতরকার বিভিন্ন বিমানবন্দরে যাতায়াত করা যায়, আর আন্তর্জাতিক বিমান যাতায়াত ব্যবস্থায় শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বহির্দেশে গমনাগমন করা যায়। ঢাকার কুর্মিটোলায় অবস্থিত [[:w:শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর|শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর]] বাংলাদেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এছাড়াও [[চট্টগ্রাম]], [[সিলেট]] এবং [[কক্সবাজার]]েও আন্তর্জাতিক [[:w:বিমানবন্দর|বিমানবন্দর]] রয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা হলো [[:w:বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স|বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স]]। বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা মূলত ছিলো ডাক আদান-প্রদানভিত্তিক। কিন্তু কালের আবর্তনে [[:w:টেলিগ্রাফ|টেলিগ্রাফ]], [[:w:টেলিফোন|টেলিফোন]] এবং পরবর্তিতে [[:w:মোবাইল টেলিফোনি|মোবাইল ফোনের]] প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সংঘটিত হয়। == পর্যটন == ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের যোগাযোগ ও পর্যটন খাত অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল। আগস্ট, ১৯৭৫ সালে পৃথক একটি মন্ত্রণালয় হিসেবে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করা হয়। জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে এটি পুণরায় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বিভাগে পরিণত হয়। ডিসেম্বর, ১৯৭৭ সালে পৃথকভাবে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় খোলা হয়। ২৪ মার্চ, ১৯৮২ সালে এ মন্ত্রণালয়কে বিলুপ্ত করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাস্ত করা হয়। এরপর ১৯৮৬ সাল থেকে উক্ত মন্ত্রণালয়কে পুনঃপ্রতিষ্ঠা অদ্যাবধি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। ==কেনাকাটা== ===অর্থ=== {{বিনিময় হার | currency=বাংলাদেশি টাকা | currencyCode=BDT | date=জানুয়ারি ২০২০ | USD=৮৫ | EUR=৯৫ | GBP=১১০ | INR=১.২ | source=[http://www.xe.com/currency/bdt-bangladeshi-taka XE.com] }} {{তথ্যছক|এর দাম কতো হবে?| * ২-লিটার পানির বোতল: ২৫ টাকা * এক কাপ চা: ৫ টাকা * সংবাদপত্র: ৮ টাকা * ক্যান্ডি বার: ১৫ টাকা * কোক/পেপসি: ৩৫ টাকা * এক জোড়া রেডিমেড প্যান্ট: ৭০০/৮০০ টাকা}} বাংলাদেশের মুদ্রা হচ্ছে '''বাংলাদেশী টাকা''', যা "টাকা" বা "৳" (আইএসও কোড: বিডিটি) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। উইকিভ্রমণে মুদ্রা বোঝাতে এর নিবন্ধে টাকা ব্যবহার করবে। হালনাগাদকৃত বিনিময় হার [http://www.bb.org.bd/econdata/exchangerate.php বাংলাদেশ ব্যাংকের] অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে, যা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বিভিন্ন অর্থ বিনিময়ের দোকানে এই হার কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। বাংলাদেশের যে কোন মানি এক্সচেঞ্জ শপ বা ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করা যাবে। কিছু হোটেল বৈদেশিক মুদ্রাও গ্রহণ করবে তবে তাদের বিনিময় হার ভালো নাও হতে পারে। ব্যাংকের পরে মানি এক্সচেঞ্জ দোকানগুলোই সেরা বিনিময় হার সরবরাহ করে। বেশিরভাগ বাণিজ্যিক এবং খুচরা প্রতিষ্ঠান অর্থ আদান-প্রদানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করবে না। শুধুমাত্র স্থানীয় মুদ্রা বা ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড গ্রহণ করা হবে। '''এটিএম''' বাংলাদেশের সকল শহরে এবং এমনকি ছোট শহরগুলিতেও ব্যাপকভাবে উপলব্ধ এবং সেগুলি স্থানীয় মুদ্রায় নগদ তুলতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই অটোমেটেড টেলার মেশিনগুলি (এটিএম) সমস্ত মাস্টারকার্ড এবং ভিসা ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড গ্রহণ করে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাংক যেমন ইসলামী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম নেটওয়ার্ক রয়েছে। কেউ কেউ তাদের নিজস্ব ক্লায়েন্টদের জন্য ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস এটিএম নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে। এইচএসবিসি এটিএম বেশ কিছু হোটেলে পাওয়া যাবে তবে শুধুমাত্র ভিসা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং এইচএসবিসি গ্লোবালঅ্যাক্সেস কার্ড গ্রহণ করে। বেশিরভাগ এটিএমই সাধারণত ব্যবহার করা বেশ নিরাপদ কারণ বেশিরভাগই একটি ভবনের ভিতরে থাকে এবং একজন নিরাপত্তা রক্ষী দাঁড়িয়ে বা এর দরজায় পাহারা দেয়। '''পিওএস''' (পয়েন্ট অফ সেল) টার্মিনালগুলো সমস্ত শহর এবং এমনকি ছোট শহরগুলোর দোকানে ও ব্যাপকভাবে উপলব্ধ। এই মেশিনগুলি আমেরিকান এক্সপ্রেস, ডিসকভার, ডাইনার্স ক্লাব, জেসিবি, মাস্টারকার্ড এবং ভিসাসহ সমস্ত প্রধান ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড গ্রহণ করে। ===কেনাকাটা=== অন্যতম বৃহৎ ও জনপ্রিয় হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকের দোকান হল আড়ং, যাদের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় আউটলেট রয়েছে। এখান থেকে বাংলাদেশের স্মারক হিসেবে ও নির্দিষ্ট দামে স্টাইলিশ পাঞ্জাবি, কুর্তা বা সালোয়ার কামিজ কেনার জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা। মহিলারা একটি মার্কেটে প্রায় ৪০০ টাকায় বা দোকানে ৮০০-১৫০০ টাকা দিয়ে একটি সুতির সালোয়ার কামিজ কিনতে পারেন। সিল্ক আরও ব্যয়বহুল। '''শপিং মল'''গুলো স্থানীয় এবং বিদেশীদের কাছে জনপ্রিয়। বাংলাদেশে বিশ্বের কয়েকটি বৃহত্তম শপিং মল রয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে অবস্থিত, যেমন যমুনা ফিউচার পার্ক এবং পান্থপথে অবস্থিত বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স। এগুলোর ভিতরে প্রচুর হস্তশিল্প এবং বুটিক দোকান রয়েছে। ইস্টার্ন প্লাজা এবং মোতালিব প্লাজা সর্বশেষ আনলক করা স্মার্টফোন; স্মার্টফোন ওয়ারেন্টি সমর্থন বা মেরামত এবং স্যামসাং, এইচটিসি, অপ্পো ইত্যাদির মতো প্রধান আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলির সমস্ত ধরণের স্মার্টফোন ও আনুষঙ্গিক গ্যাজেটের জন্য জনপ্রিয়। আইফোনের জন্য বাংলাদেশে অ্যাপলের নিজস্ব পরিবেশক রয়েছে। সারা দেশে এবং আরও অসংখ্য শপিং মল রয়েছে। কখনও কখনও বিদেশীদের কাছ থেকে বেশি দাম চাওয়া হতে পারে, তবে আপনার কাছ থেকে সাধারণত এমন দাম চাওয়া হবে না, যা আপনি দিতে পারবেন না। সাধারণত স্থানীয়রা যা দাম প্রদান করে তার চেয়ে সামান্য বেশি চাওয়া হয়। বেশিরভাগ আইটেমের দামের পার্থক্য প্রায়শই কয়েক মার্কিন সেন্টের ব্যাপার। == নিরাপত্তা == [[File:Bahaddarhat Bus Terminal (3225146380).jpg|thumb|বাহাদ্দারহাট বাস টার্মিনাল, [[চট্টগ্রাম]]]] অপরিচিত লোকদের দ্বারা আপনাকে দেওয়া কিছু খাওয়া, পান করা বা ধূমপান করা উচিত নয়, কারণ অনেক এশিয়ান দেশে মাদক খাওয়ানোর সমস্যা বেড়েই চলেছে, এবং আপনি বাস, ট্রেন ইত্যাদিতে এর বিরুদ্ধে সতর্কতা চিহ্ন দেখতে পাবেন। এটা বলার উদ্দেশ্য নয় যে আপনাকে বাড়ির তৈরি খাবারের প্রস্তাব নিতে হবে না, কিন্তু আপনি পাশে বসা ব্যক্তির হাতে দেওয়া ক্যান্ডির বিষয়ে দুবার ভাবতে চাইতে পারেন। এছাড়াও, স্থানীয় রাস্তায় খাবার এবং অপ্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক্সের পরিচ্ছন্নতা প্রক্রিয়া সম্পর্কে সতর্ক থাকুন যা প্যাকেজিংয়ে নেই। গতিবেগে চলা বাস, কোচ বা ট্রাক অনেক দুর্ঘটনার কারণ হয়, প্রতিদিন অনেক মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ট্রাফিক লাইটগুলি প্রায়ই ট্রাফিক পুলিশের দ্বারা ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং বড় শহরগুলিতে ট্রাফিক জ্যাম প্রায়ই হয়, ফলে যানবাহন চলাচল করা খুব কঠিন হয়। নিজের গাড়ি চালানো বা ফুটপাথ (সাইডওয়াক) ছাড়া একা রাস্তায় হাঁটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অতএব, যদি অবশ্যই রাস্তায় যাতায়াত করতে হয় তবে একটি নিরাপদ গাড়ির সঙ্গে অভিজ্ঞ স্থানীয় চালকের সঙ্গে যাত্রা করা সেরা। যদি আপনি বাংলা বলতে পারেন, তবে রিকশাগুলো ছোট দূরত্বের জন্য একটি খুব স্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী যাতায়াত। তবে, রিকশাগুলো সাধারণত নিষিদ্ধ, বিশেষ করে প্রধান মহাসড়ক এবং রুটে। === মহিলা ভ্রমণকারী === স্থানীয় মহিলাদের পোশাক ধর্ম, ধর্মীয় রক্ষণশীলতার মাত্রা, ভৌগলিক অঞ্চল এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থার উপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে, একজন নারী পর্যটক হিসেবে, অন্তত স্যালওয়ার কামিজ পরা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ, যা পরিধানে সহজ এবং আপাতদৃষ্টিতে বহুবিধ ও কার্যকর, এবং সাধারণত সাংস্কৃতিকভাবে শ্রদ্ধাশীল। যদি আপনার স্যালওয়ার কামিজ না থাকে বা কিনতে চান না, তবে আপনার উপরের শরীরের চারপাশে একটি বড় স্কার্ফ ব্যবহার করা উচিত। বাংলাদেশ একটি রক্ষণশীল সমাজ, এবং বিদেশী নারী হিসেবে আপনি প্রচুর মনোযোগ আকর্ষণ করবেন। শর্টস, ট্যাঙ্ক টপ, বা অনেক ত্বক প্রদর্শনকারী যেকোনো উন্মুক্ত পোশাক পরবেন না। তবে, বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশ একটি আপেক্ষিকভাবে উদার মুসলিম দেশ এবং প্রধান শহরগুলোর যুবসমাজ বেশ পশ্চিমায়িত। === এলজিবিটি === বাংলাদেশে এলজিবিটির বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক বিশ্বাস থাকার কারণে, যদি কেউ এলজিবিটি সম্প্রদায়ের পক্ষে প্রচার করে, তবে তাদের সামাজিকভাবে বর্জিত করা হয় এবং এমনকি আক্রমণের শিকারও হতে পারে। কিছু পরিবার এলজিবিটি মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ মনে করে এবং তাদের 'সংশোধন' করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যায়। বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার মানুষও গৃহীত হয় না। হিজড়ারা বাংলাদেশের ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায় এবং বেশিরভাগ বাংলাদেশি তাদের প্রতি বিশ্বাস করে না বা তাদের ভালো দৃষ্টিতে দেখে না। 'হিজড়া' শব্দটি একটি গালির হিসেবেও ব্যবহার হয়, তাই এই শব্দটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। === প্রাকৃতিক দুর্যোগ === ==== বন্যা ==== [[File:Flooding after 1991 cyclone.jpg|thumb|বড় ধরনের বন্যার সময় এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়]] বাংলাদেশ '''বন্যাপ্রবণ'''। এটি মূলত দেশের বালি দিয়ে গঠিত হওয়ার কারণে, একটি উপাদান যা ব্রহ্মপুত্র নদীর ডেল্টা গঠিত নদী এবং শাখানদীর মাধ্যমে বহন করা হয়। দেশের '''৩০%''' ব্যাপক বন্যার সময় নিমজ্জিত হতে পারে। বালির জন্য বাংলাদেশর নিচু ভূ-অবস্থানে (দেশের একটি বড় অংশ ব্রহ্মপুত্র নদীর ডেল্টা দ্বারা আচ্ছাদিত), এবং প্রচুর বৃষ্টির পরে বাংলাদেশের নদীগুলি বাঁধ ভেঙে যায় বা উপচে পড়ে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন বর্ষা জুনের শুরু থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই সময়ের আগে বা পরে একটি সফর পরিকল্পনা করার চেষ্টা করুন, কারণ এই সময়ে বন্যার ঝুঁকি বাড়ে। যেহেতু বাংলাদেশ এখনও একটি উন্নয়নশীল দেশ, তাই উচ্চমানের জরুরি সেবা আশা করবেন না। দেশের বন্যায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অতি আশ্চর্যজনকভাবে ফ্ল্যাশ ফ্লাড নিবন্ধে বিভিন্ন টিপস দেখতে পারেন। যদি আপনি বর্ষা মৌসুমে দেশে থাকেন, তবে এই সাইটে দেখুন: '''[http://www.ffwc.gov.bd/ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কতা কেন্দ্র]'''. এই ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশ সরকারের দ্বারা পরিচালিত এবং আপনি এটি সময় সময়ে দেখতে পারেন যাতে আপনি ব্যাপক বন্যার সময় নিরাপদ থাকতে পারেন। ==== ঘূর্ণিঝড় ==== বাংলাদেশ একটি নিম্নভূমি দেশ, যা ঘূর্ণিঝড়ের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। এর ভূ-প্রকৃতি ও অবস্থান এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি করে, ফলে প্রতি বছর বিপর্যয়ের শিকার হতে হয়। ==== ভূমিকম্প ==== দেশের উত্তর অংশ ভূমিকম্পের জন্য সংবেদনশীল। যদিও দেশের উপর মহা ভূমিকম্প আঘাত হানার সম্ভাবনা কম, দেশের অবকাঠামো একটি বিশাল ভূমিকম্পের পরবর্তী ঝাঁকুনির মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত নয়। {{এর অংশ|দক্ষিণ এশিয়া}} ===ছুটির দিন=== {{Infobox |বারো মাসে তেরো পার্বণ |এটি একটি বাংলা প্রবাদ। আক্ষরিক অর্থ হলো "বারো মাসে তেরোটি উৎসব"। বাংলাদেশে অসংখ্য উৎসব পালিত হয়, যা হতে পারে ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা জাতীয় উৎসব। }} {{Ramadandates}} * '''[[পহেলা বৈশাখ]]''' – বাংলা নববর্ষ। এটি দেশের সবচেয়ে বড় এবং বহুলভাবে পালিত ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয় উৎসব। এদিন সব শ্রেণির মানুষ বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, জাতীয় পোশাক (পাঞ্জাবি বা শাড়ি) পরে, মিষ্টি খায় এবং সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানায় – ''শুভ নববর্ষ''। * '''[[একুশে ফেব্রুয়ারি]] (জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস''') – ২১ ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত শহীদদের স্মরণে এই দিনটি পালিত হয়। উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন থেকেই বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু হয়, যা পরে ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে। দিবসটি এশিয়ার অন্যতম বর্ণাঢ্য আয়োজন হিসেবে পালিত হয়। রাত ১২টা ১ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়, রাজনৈতিক নেতা, কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী-কারিগর, বুদ্ধিজীবী সবাই শহীদদের স্মরণে যোগ দেন। সরকারি অফিস বন্ধ থাকে। ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, বাংলাভাষীদের আত্মত্যাগের সম্মানে। * '''[[স্বাধীনতা দিবস]]''' – ২৬ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। * '''[[বিজয় দিবস]]''' – ১৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনারা ভারতীয় সেনা ও মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। * '''[[ঈদুল ফিতর]]''' – দিন তারিখ নির্ভর করে মুসলিম চান্দ্রপঞ্জিকার ওপর। রোজা শেষ হওয়ার পর এই উৎসব পালিত হয়। এটি বছরের সবচেয়ে বড় মুসলিম ধর্মীয় উৎসব। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া, শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্তত এক সপ্তাহ, কখনো দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বন্ধ থাকে। * '''[[ঈদুল আজহা]]''' – দিন তারিখ নির্ভর করে মুসলিম চান্দ্রপঞ্জিকার ওপর। একে কোরবানির ঈদও বলা হয়। বাংলাদেশিরা গরু, ছাগল বা ভেড়া কোরবানি দেয় এবং মাংস ভাগাভাগি করে। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, কোরবানি পশুর হাট বসা—সবই উৎসবের অংশ। * '''[[দুর্গা পূজা]]''' – আশ্বিন মাসে, হিন্দু চান্দ্র-সৌর পঞ্জিকা অনুযায়ী, প্রায় ১০ দিনব্যাপী পালিত হয়। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হিন্দু ধর্মীয় উৎসব। প্রতিদিনের আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন হয়। শেষ দিনে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়, সাধারণত বুড়িগঙ্গা নদীতে। * '''[[বড়দিন]]''' – ২৫ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। এটি সরকারি ছুটির দিন। ঢাকার তেজগাঁও গির্জায় ২৪ ডিসেম্বর রাত ১১টায় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার অন্যান্য গির্জায়ও ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। je6zv8gd5nzy3pen0rlgam067gq3swq 76939 76937 2026-08-03T06:42:25Z ROCKY 29 [[Special:Contributions/Omar Faruk salafi|Omar Faruk salafi]] ([[User talk:Omar Faruk salafi|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/76937|76937]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 76939 wikitext text/x-wiki '''বাংলাদেশ''' [[:w:দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়া]]র একটি জনবহুল রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম '''গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'''। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব সীমান্তে [[ভারত]], দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে [[মায়ানমার]], এবং দক্ষিণ দিকে [[:w:বঙ্গোপসাগর|বঙ্গোপসাগর]] অবস্থিত। বাংলাদেশের ভূখন্ড ভৌগলিকভাবে একটি [[:w:গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ|উর্বর বদ্বীপের]] অংশ বিশেষ। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসীদের মাতৃভাষা [[:w:বাংলা ভাষা|বাংলা ভাষা]]। বাংলা ভাষা ছাড়াও এখানে চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, উর্দুসহ আরো অনেক ভাষার প্রচলন রয়েছে। প্রাচীন "[[:w:বঙ্গ|বঙ্গ]]" ভূখন্ডের পূর্বাংশের অংশ [[:w:পূর্ব বাংলা|পূর্ব বাংলা]] নামে পরিচিত, যা বর্তমানে বাংলাদেশ নামের দেশ। পৃথিবীতে যে ক'টি রাষ্ট্র জাতিরাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা পায় তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। {{পাতার ব্যানার}} {{সংক্ষিপ্ত তথ্য}} বাংলাদেশের বর্তমান সীমান্ত তৈরি হয়েছিল [[:w:১৯৪৭|১৯৪৭]] খ্রিস্টাব্দে যখন [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাবসানে]], [[:w:বঙ্গভঙ্গ (১৯৪৭)|বঙ্গ (বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি)]] এবং [[:w:ভারত বিভাগ|ব্রিটিশ ভারত]] বিভাগ করা হয়েছিল। বিভাগের পরে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চল তখন পূর্ব বাংলা নামে পরিচিত, যেটি নবগঠিত দেশ [[পাকিস্তান]]ের পূর্ব অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। [[:w:পাকিস্তান অধিরাজ্য|পাকিস্তান অধিরাজ্যে]] থাকাকালীন "পূর্ব বাংলা" থেকে "[[:w:পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তান]]"-এ নামটি পরিবর্তিত করা হয়েছিল। শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে [[:w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|সশস্ত্র সংগ্রামের]] মধ্য দিয়ে [[:w:১৯৭১|১৯৭১]] খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ঘটেছে দুর্ভিক্ষ ও [[:w:প্রাকৃতিক দুর্যোগ|প্রাকৃতিক দুর্যোগ]]; এছাড়াও প্রলম্বিত [[:w:রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা|রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা]] ও পুনঃপৌনিক [[:w:বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থান|সামরিক অভ্যুত্থান]] এদেশের রাজনৈতিক সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বারংবার ব্যাহত করেছে। গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে [[:w:১৯৯১|১৯৯১]] খ্রিস্টাব্দে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে যার ধারাবাহিকতা অদ্যাবধি বর্তমান। সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত দুই দশকে [[:w:বাংলাদেশের অর্থনীতি|বাংলাদেশের অর্থনীতি]]ক প্রগতি ও সমৃদ্ধি সারা বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান [[:w:জনসংখ্যা অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের তালিকা|অষ্টম]] যদিও আয়তনের হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে [[:w:আয়তন অনুসারে রাষ্ট্রসমূহের তালিকা|৯৪তম]]; ফলে বাংলাদেশ [[:w:জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের তালিকা|বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর]] নবম। মাত্র ৫৬ হাজার বর্গমাইলেরও কম এই ক্ষুদ্রায়তন দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫.৫৯ কোটির বেশি অর্থাৎ প্রতি বর্গমাইলে জনবসতি ২৪৯৭ জন। জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা বাংলা। শিক্ষার হার ৬৫ শতাংশ। ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ ছিল ১১,৯৮,৯২৩ কোটি টাকা (চলতি বাজারমূল্যে) যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বৃদ্ধি লাভ করে ১৩,৫০,৯২০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের মাথাপিছু বার্ষিক আয় পূর্ববর্তী বৎসরের ১,০৪৪ [[:w:মার্কিন ডলার|মার্কিন ডলার]] থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১,১৯০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে মর্মে সরকারি প্রাক্কলন করা হয়েছে, [[w:টাকা|টাকা]]র অঙ্কে যার পরিমাণ ৯২,৫১০ টাকা। দারিদ্রের হার ২৬.২০ শতাংশ, অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ১১.৯০ শতাংশ, এবং বার্ষিক দারিদ্র হ্রাসের হার ১.৫ শতাংশ। এই [[:w:উন্নয়নশীল দেশ|উন্নয়নশীল দেশ]]টি প্রায় দুই দশক যাবৎ বার্ষিক ৫ থেকে ৬.২ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অর্জনপূর্বক "[[:w:পরবর্তী একাদশ|পরবর্তী একাদশ]]" অর্থনীতিসমূহের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। রাজধানী [[:w:ঢাকা|ঢাকা]] ও অন্যান্য শহরের পরিবর্ধন বাংলাদেশের এই উন্নতির চালিকাশক্তিরূপে কাজ করছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করেছে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ত্বরিত বিকাশ এবং একটি সক্ষম ও সক্রিয় উদ্যোক্তা শ্রেণীর আর্বিভাব। [[:w:বাংলাদেশের রপ্তানীমুখী|বাংলাদেশের রপ্তানীমুখী]] [[:w:পোশাক শিল্প|পোশাক শিল্প]] সারা বিশ্বে বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। জনশক্তি রপ্তানীও দেশটির অন্যতম অর্থনৈতিক হাতিয়ার। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক [[:w:বাংলাদেশ সরকার|সরকার]] ব্যবস্থা প্রচলিত। বাংলাদেশ [[:w:দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা|দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা]] ও [[:w:বিমসটেক|বিমসটেক]]-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া দেশটি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], [[:w:বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা|বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা]], [[:w:বিশ্ব শুল্ক সংস্থা|বিশ্ব শুল্ক সংস্থা]], [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ অফ নেশনস]], [[:w:উন্নয়নশীল ৮টি দেশ|উন্নয়নশীল ৮টি দেশ]], [[:w:জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন|জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন]], [[:w:ওআইসি|ওআইসি]], ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংঘের সক্রিয় সদস্য। == অঞ্চলসমূহ == অঞ্চলভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ ৮টি। এছাড়াও দেশে মোট ৬৪টি জেলা রয়েছে। {{অঞ্চলের তালিকা | regionmap=বাংলাদেশের মানচিত্র.png | regionmaptext=বাংলাদেশের বিভাগ | region1name=[[রংপুর বিভাগ]] | region1color=#b5d07b | region1description=মন্দির, সংস্কৃতি, এবং গ্রামীণ জীবনধারা সমৃদ্ধ অঞ্চল। | region2name=[[রাজশাহী বিভাগ]] | region2color=#aab0c8 | region2description=আম, সিল্ক ও প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষের জন্য পরিচিত। | region3name=[[ময়মনসিংহ বিভাগ]] | region3color=#578e86 | region3description=সংস্কৃতি, জাতিগত ক্ষুদ্র গোষ্ঠী এবং গ্রামীণ জীবনধারা সমৃদ্ধ অঞ্চল। | region4name=[[সিলেট বিভাগ]] | region4color=#e58f8d | region4description=অবিরাম চা বাগান এবং সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলীর অঞ্চল। | region5name=[[ঢাকা বিভাগ]] | region5color=#efef7a | region5description=রাজধানী শহর। | region6name=[[খুলনা বিভাগ]] | region6color=#d1a6c2 | region6description=শান্ত, ধীর গতির এলাকা; [[সুন্দরবন]]ের বাড়ী। | region7name=[[বরিশাল বিভাগ]] | region7color=#9dd1ab | region7description=নদী, ধান ক্ষেত, এবং সবুজ জমির অঞ্চল। | region8name=[[চট্টগ্রাম বিভাগ]] | region8color=#cfc27b | region8description=পাহাড়, বন, এবং সমুদ্র সৈকত বেষ্টিত মনোরম একটি অঞ্চল। }} == প্রবেশ == যে দেশগুলির নাগরিকদের ৯০ দিন পর্যন্ত থাকার জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না: অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, [[ভূটান]], ডোমিনিকা, ফিজি, গাম্বিয়া, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, জ্যামাইকা, গায়ানা, হন্ডুরাস, লেসোথো, মালাউই, [[মালদ্বীপ]], মন্টসেরাট, পাপুয়া নিউগিনি, সেন্ট কিট্‌স ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জ, সেশেল, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, উরুগুয়ে, ভ্যাটিকান সিটি এবং জাম্বিয়া। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের বর্তমান ভিসা ডাটাবেসের আওতায় ৯০ দিনের আগমনের ভিসার জন্য ৫০ মার্কিন ডলার দিতে হয়। == পরিবহন == বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। তাই বাংলাদেশের প্রাচীনতম যাতায়াত পথ হিসেবে গণ্য করা হয় নৌপথ বা জলপথকে। নৌপথের নদীপথ এবং সমুদ্রপথ উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। নদীমাতৃক দেশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থায় নদীপথ গুরুত্বপূর্ণ, তবে বহির্বিশ্বের সাথে যাতায়াত ব্যবস্থায় সমুদ্রপথ ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে প্রায় ৮৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ রয়েছে। এর মধ্যে ৫৪০০ কিলোমিটার সারা বছর নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। অবশিষ্ট প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার শুধু [[বর্ষাকাল|বর্ষাকালে]] ব্যবহৃত হয়। সাধারণত দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের নদীগুলো নৌচলাচলের জন্য বেশি উপযোগী। এ অঞ্চলেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরগুলো অবস্থিত: [[ঢাকা জেলা|ঢাকা]], [[নারায়ণগঞ্জ জেলা|নারায়ণগঞ্জ]], [[চাঁদপুর জেলা|চাঁদপুর]], [[বরিশাল জেলা|বরিশাল]], [[ঝালকাঠি জেলা|ঝালকাঠি]], [[খুলনা জেলা|খুলনা]] প্রভৃতি। নদীপথে চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই (৯৪%) [[:w:নৌকা|নৌকা]] ও [[:w:লঞ্চ|লঞ্চে]] এবং বাকিরা (৬%) স্টিমারে যাতায়াত করেন। দেশের সমুদ্রপথ মূলত ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের প্রধান দুইটি সমুদ্র বন্দর, [[:w:চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর|চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর]], [[:w:মোংলা বন্দর|মোংলা সমুদ্র বন্দর]] এবং [[:w:পায়রা সমুদ্র বন্দর|পায়রা সমুদ্র বন্দর]] একাজে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের স্থল যোগাযোগের মধ্যে সড়কপথ উল্লেখযোগ্য। সড়কপথের অবকাঠামো নির্মাণ এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভৌগোলিক অবকাঠামোর মধ্যে বেশ ব্যয়বহুল। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে পাকা রাস্তার পরিমাণ ছিলো ১৯৩১.১৭ কিলোমিটার, ১৯৯৬-১৯৯৭ সালের দিকে তা দাঁড়ায় ১৭৮৮৫৯ কিলোমিটারে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে দেশের জাতীয় মহাসড়ক ৩৪৭৮ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪২২২ কিলোমিটার এবং ফিডার/জেলা রোড ১৩২৪৮ কিলোমিটার। দেশের সড়কপথের উন্নয়নের জন্য "[[:w:বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন|বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন]]" (বিআরটিসি) নামে একটি সংস্থা গঠন করা হয়েছে। সড়কপথে প্রায় সব জেলার সাথে যোগাযোগ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (ব্রিজ, কালভার্ট) নির্মিত না হওয়ায় ফেরি পারাপারের প্রয়োজন পরে। সড়কপথে জেলাভিত্তিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় বড় যানবাহন যেমন: [[:w:ট্রাক|ট্রাক]], [[:w:বাস|বাস]] ব্যবহৃত হলেও আঞ্চলিক বা স্থানীয় পর্যায়ে [[:w:ট্যাক্সি|ট্যাক্সি]], সিএনজি, [[:w:মিনিবাস|মিনিবাস]], ট্রাক ইত্যাদি যান্ত্রিক বাহন ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বহু পুরাতন আমলের অযান্ত্রিক বাহন যেমন: [[:w:রিকশা|রিক্সা]], [[:w:গরুর গাড়ি|গরুর গাড়ি]], [[:w:ঠেলাগাড়ি|ঠেলা গাড়ি]]ও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া স্থলভাগে রেলপথ সবচেয়ে নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা হিসেবে ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের সময় বাংলাদেশে রেলপথ ছিলো ২৮৫৭ কিলোমিটার। ২০০৮-২০০৯ সালের হিসাবমতে, বাংলাদেশে রেলপথ রয়েছে ২৮৩৫ কিলোমিটার। এদেশে মিটারগেজ এবং ব্রডগেজ-দু'ধরনের রেলপথ রয়েছে। রেলপথ, রেলস্টেশনের দ্বারা পরিচালিত হয়, এছাড়া বিভিন্ন স্টেশনকে জংশন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। রেলপথকে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনার জন্য [[:w:বাংলাদেশ রেলওয়ে|বাংলাদেশ রেলওয়ে]] নামে একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলাদেশকে ট্রান্স এশীয় রেলওয়ে জালের সঙ্গে সংযোজনের জন্য চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ অবধি ১২৮ কিলোমিটার রেলসড়ক স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে (২০১৩)। এই রেলসড়ক মিয়ানমারের গুনদুম রেলস্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এছাড়াও দেশের অভ্যন্তরে ও দেশের বাইরে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে বাংলাদেশে আকাশপথে বা বিমানপথে যাতায়াতের ব্যবস্থাও রয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিমান যাতায়াত ব্যবস্থায় দেশের ভিতরকার বিভিন্ন বিমানবন্দরে যাতায়াত করা যায়, আর আন্তর্জাতিক বিমান যাতায়াত ব্যবস্থায় শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বহির্দেশে গমনাগমন করা যায়। ঢাকার কুর্মিটোলায় অবস্থিত [[:w:শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর|শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর]] বাংলাদেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এছাড়াও [[চট্টগ্রাম]], [[সিলেট]] এবং [[কক্সবাজার]]েও আন্তর্জাতিক [[:w:বিমানবন্দর|বিমানবন্দর]] রয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা হলো [[:w:বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স|বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স]]। বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা মূলত ছিলো ডাক আদান-প্রদানভিত্তিক। কিন্তু কালের আবর্তনে [[:w:টেলিগ্রাফ|টেলিগ্রাফ]], [[:w:টেলিফোন|টেলিফোন]] এবং পরবর্তিতে [[:w:মোবাইল টেলিফোনি|মোবাইল ফোনের]] প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সংঘটিত হয়। == পর্যটন == ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের যোগাযোগ ও পর্যটন খাত অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল। আগস্ট, ১৯৭৫ সালে পৃথক একটি মন্ত্রণালয় হিসেবে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করা হয়। জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে এটি পুণরায় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বিভাগে পরিণত হয়। ডিসেম্বর, ১৯৭৭ সালে পৃথকভাবে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় খোলা হয়। ২৪ মার্চ, ১৯৮২ সালে এ মন্ত্রণালয়কে বিলুপ্ত করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাস্ত করা হয়। এরপর ১৯৮৬ সাল থেকে উক্ত মন্ত্রণালয়কে পুনঃপ্রতিষ্ঠা অদ্যাবধি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। ==কেনাকাটা== ===অর্থ=== {{বিনিময় হার | currency=বাংলাদেশি টাকা | currencyCode=BDT | date=জানুয়ারি ২০২০ | USD=৮৫ | EUR=৯৫ | GBP=১১০ | INR=১.২ | source=[http://www.xe.com/currency/bdt-bangladeshi-taka XE.com] }} {{তথ্যছক|এর দাম কতো হবে?| * ২-লিটার পানির বোতল: ২৫ টাকা * এক কাপ চা: ৫ টাকা * সংবাদপত্র: ৮ টাকা * ক্যান্ডি বার: ১৫ টাকা * কোক/পেপসি: ৩৫ টাকা * এক জোড়া রেডিমেড প্যান্ট: ৭০০/৮০০ টাকা}} বাংলাদেশের মুদ্রা হচ্ছে '''বাংলাদেশী টাকা''', যা "টাকা" বা "৳" (আইএসও কোড: বিডিটি) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। উইকিভ্রমণে মুদ্রা বোঝাতে এর নিবন্ধে টাকা ব্যবহার করবে। হালনাগাদকৃত বিনিময় হার [http://www.bb.org.bd/econdata/exchangerate.php বাংলাদেশ ব্যাংকের] অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে, যা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বিভিন্ন অর্থ বিনিময়ের দোকানে এই হার কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। বাংলাদেশের যে কোন মানি এক্সচেঞ্জ শপ বা ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করা যাবে। কিছু হোটেল বৈদেশিক মুদ্রাও গ্রহণ করবে তবে তাদের বিনিময় হার ভালো নাও হতে পারে। ব্যাংকের পরে মানি এক্সচেঞ্জ দোকানগুলোই সেরা বিনিময় হার সরবরাহ করে। বেশিরভাগ বাণিজ্যিক এবং খুচরা প্রতিষ্ঠান অর্থ আদান-প্রদানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করবে না। শুধুমাত্র স্থানীয় মুদ্রা বা ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড গ্রহণ করা হবে। '''এটিএম''' বাংলাদেশের সকল শহরে এবং এমনকি ছোট শহরগুলিতেও ব্যাপকভাবে উপলব্ধ এবং সেগুলি স্থানীয় মুদ্রায় নগদ তুলতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই অটোমেটেড টেলার মেশিনগুলি (এটিএম) সমস্ত মাস্টারকার্ড এবং ভিসা ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড গ্রহণ করে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাংক যেমন ইসলামী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম নেটওয়ার্ক রয়েছে। কেউ কেউ তাদের নিজস্ব ক্লায়েন্টদের জন্য ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস এটিএম নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে। এইচএসবিসি এটিএম বেশ কিছু হোটেলে পাওয়া যাবে তবে শুধুমাত্র ভিসা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং এইচএসবিসি গ্লোবালঅ্যাক্সেস কার্ড গ্রহণ করে। বেশিরভাগ এটিএমই সাধারণত ব্যবহার করা বেশ নিরাপদ কারণ বেশিরভাগই একটি ভবনের ভিতরে থাকে এবং একজন নিরাপত্তা রক্ষী দাঁড়িয়ে বা এর দরজায় পাহারা দেয়। '''পিওএস''' (পয়েন্ট অফ সেল) টার্মিনালগুলো সমস্ত শহর এবং এমনকি ছোট শহরগুলোর দোকানে ও ব্যাপকভাবে উপলব্ধ। এই মেশিনগুলি আমেরিকান এক্সপ্রেস, ডিসকভার, ডাইনার্স ক্লাব, জেসিবি, মাস্টারকার্ড এবং ভিসাসহ সমস্ত প্রধান ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড গ্রহণ করে। ===কেনাকাটা=== অন্যতম বৃহৎ ও জনপ্রিয় হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকের দোকান হল আড়ং, যাদের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় আউটলেট রয়েছে। এখান থেকে বাংলাদেশের স্মারক হিসেবে ও নির্দিষ্ট দামে স্টাইলিশ পাঞ্জাবি, কুর্তা বা সালোয়ার কামিজ কেনার জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা। মহিলারা একটি মার্কেটে প্রায় ৪০০ টাকায় বা দোকানে ৮০০-১৫০০ টাকা দিয়ে একটি সুতির সালোয়ার কামিজ কিনতে পারেন। সিল্ক আরও ব্যয়বহুল। '''শপিং মল'''গুলো স্থানীয় এবং বিদেশীদের কাছে জনপ্রিয়। বাংলাদেশে বিশ্বের কয়েকটি বৃহত্তম শপিং মল রয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে অবস্থিত, যেমন যমুনা ফিউচার পার্ক এবং পান্থপথে অবস্থিত বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স। এগুলোর ভিতরে প্রচুর হস্তশিল্প এবং বুটিক দোকান রয়েছে। ইস্টার্ন প্লাজা এবং মোতালিব প্লাজা সর্বশেষ আনলক করা স্মার্টফোন; স্মার্টফোন ওয়ারেন্টি সমর্থন বা মেরামত এবং স্যামসাং, এইচটিসি, অপ্পো ইত্যাদির মতো প্রধান আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলির সমস্ত ধরণের স্মার্টফোন ও আনুষঙ্গিক গ্যাজেটের জন্য জনপ্রিয়। আইফোনের জন্য বাংলাদেশে অ্যাপলের নিজস্ব পরিবেশক রয়েছে। সারা দেশে এবং আরও অসংখ্য শপিং মল রয়েছে। কখনও কখনও বিদেশীদের কাছ থেকে বেশি দাম চাওয়া হতে পারে, তবে আপনার কাছ থেকে সাধারণত এমন দাম চাওয়া হবে না, যা আপনি দিতে পারবেন না। সাধারণত স্থানীয়রা যা দাম প্রদান করে তার চেয়ে সামান্য বেশি চাওয়া হয়। বেশিরভাগ আইটেমের দামের পার্থক্য প্রায়শই কয়েক মার্কিন সেন্টের ব্যাপার। == নিরাপত্তা == [[File:Bahaddarhat Bus Terminal (3225146380).jpg|thumb|বাহাদ্দারহাট বাস টার্মিনাল, [[চট্টগ্রাম]]]] অপরিচিত লোকদের দ্বারা আপনাকে দেওয়া কিছু খাওয়া, পান করা বা ধূমপান করা উচিত নয়, কারণ অনেক এশিয়ান দেশে মাদক খাওয়ানোর সমস্যা বেড়েই চলেছে, এবং আপনি বাস, ট্রেন ইত্যাদিতে এর বিরুদ্ধে সতর্কতা চিহ্ন দেখতে পাবেন। এটা বলার উদ্দেশ্য নয় যে আপনাকে বাড়ির তৈরি খাবারের প্রস্তাব নিতে হবে না, কিন্তু আপনি পাশে বসা ব্যক্তির হাতে দেওয়া ক্যান্ডির বিষয়ে দুবার ভাবতে চাইতে পারেন। এছাড়াও, স্থানীয় রাস্তায় খাবার এবং অপ্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক্সের পরিচ্ছন্নতা প্রক্রিয়া সম্পর্কে সতর্ক থাকুন যা প্যাকেজিংয়ে নেই। গতিবেগে চলা বাস, কোচ বা ট্রাক অনেক দুর্ঘটনার কারণ হয়, প্রতিদিন অনেক মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ট্রাফিক লাইটগুলি প্রায়ই ট্রাফিক পুলিশের দ্বারা ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং বড় শহরগুলিতে ট্রাফিক জ্যাম প্রায়ই হয়, ফলে যানবাহন চলাচল করা খুব কঠিন হয়। নিজের গাড়ি চালানো বা ফুটপাথ (সাইডওয়াক) ছাড়া একা রাস্তায় হাঁটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অতএব, যদি অবশ্যই রাস্তায় যাতায়াত করতে হয় তবে একটি নিরাপদ গাড়ির সঙ্গে অভিজ্ঞ স্থানীয় চালকের সঙ্গে যাত্রা করা সেরা। যদি আপনি বাংলা বলতে পারেন, তবে রিকশাগুলো ছোট দূরত্বের জন্য একটি খুব স্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী যাতায়াত। তবে, রিকশাগুলো সাধারণত নিষিদ্ধ, বিশেষ করে প্রধান মহাসড়ক এবং রুটে। === মহিলা ভ্রমণকারী === স্থানীয় মহিলাদের পোশাক ধর্ম, ধর্মীয় রক্ষণশীলতার মাত্রা, ভৌগলিক অঞ্চল এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থার উপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে, একজন নারী পর্যটক হিসেবে, অন্তত স্যালওয়ার কামিজ পরা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ, যা পরিধানে সহজ এবং আপাতদৃষ্টিতে বহুবিধ ও কার্যকর, এবং সাধারণত সাংস্কৃতিকভাবে শ্রদ্ধাশীল। যদি আপনার স্যালওয়ার কামিজ না থাকে বা কিনতে চান না, তবে আপনার উপরের শরীরের চারপাশে একটি বড় স্কার্ফ ব্যবহার করা উচিত। বাংলাদেশ একটি রক্ষণশীল সমাজ, এবং বিদেশী নারী হিসেবে আপনি প্রচুর মনোযোগ আকর্ষণ করবেন। শর্টস, ট্যাঙ্ক টপ, বা অনেক ত্বক প্রদর্শনকারী যেকোনো উন্মুক্ত পোশাক পরবেন না। তবে, বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশ একটি আপেক্ষিকভাবে উদার মুসলিম দেশ এবং প্রধান শহরগুলোর যুবসমাজ বেশ পশ্চিমায়িত। === এলজিবিটি === বাংলাদেশে এলজিবিটির বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক বিশ্বাস থাকার কারণে, যদি কেউ এলজিবিটি সম্প্রদায়ের পক্ষে প্রচার করে, তবে তাদের সামাজিকভাবে বর্জিত করা হয় এবং এমনকি আক্রমণের শিকারও হতে পারে। কিছু পরিবার এলজিবিটি মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ মনে করে এবং তাদের 'সংশোধন' করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যায়। বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার মানুষও গৃহীত হয় না। হিজড়ারা বাংলাদেশের ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায় এবং বেশিরভাগ বাংলাদেশি তাদের প্রতি বিশ্বাস করে না বা তাদের ভালো দৃষ্টিতে দেখে না। 'হিজড়া' শব্দটি একটি গালির হিসেবেও ব্যবহার হয়, তাই এই শব্দটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। === প্রাকৃতিক দুর্যোগ === ==== বন্যা ==== [[File:Flooding after 1991 cyclone.jpg|thumb|বড় ধরনের বন্যার সময় এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়]] বাংলাদেশ '''বন্যাপ্রবণ'''। এটি মূলত দেশের বালি দিয়ে গঠিত হওয়ার কারণে, একটি উপাদান যা ব্রহ্মপুত্র নদীর ডেল্টা গঠিত নদী এবং শাখানদীর মাধ্যমে বহন করা হয়। দেশের '''৩০%''' ব্যাপক বন্যার সময় নিমজ্জিত হতে পারে। বালির জন্য বাংলাদেশর নিচু ভূ-অবস্থানে (দেশের একটি বড় অংশ ব্রহ্মপুত্র নদীর ডেল্টা দ্বারা আচ্ছাদিত), এবং প্রচুর বৃষ্টির পরে বাংলাদেশের নদীগুলি বাঁধ ভেঙে যায় বা উপচে পড়ে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন বর্ষা জুনের শুরু থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই সময়ের আগে বা পরে একটি সফর পরিকল্পনা করার চেষ্টা করুন, কারণ এই সময়ে বন্যার ঝুঁকি বাড়ে। যেহেতু বাংলাদেশ এখনও একটি উন্নয়নশীল দেশ, তাই উচ্চমানের জরুরি সেবা আশা করবেন না। দেশের বন্যায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অতি আশ্চর্যজনকভাবে ফ্ল্যাশ ফ্লাড নিবন্ধে বিভিন্ন টিপস দেখতে পারেন। যদি আপনি বর্ষা মৌসুমে দেশে থাকেন, তবে এই সাইটে দেখুন: '''[http://www.ffwc.gov.bd/ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কতা কেন্দ্র]'''. এই ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশ সরকারের দ্বারা পরিচালিত এবং আপনি এটি সময় সময়ে দেখতে পারেন যাতে আপনি ব্যাপক বন্যার সময় নিরাপদ থাকতে পারেন। ==== ঘূর্ণিঝড় ==== বাংলাদেশ একটি নিম্নভূমি দেশ, যা ঘূর্ণিঝড়ের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। এর ভূ-প্রকৃতি ও অবস্থান এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি করে, ফলে প্রতি বছর বিপর্যয়ের শিকার হতে হয়। ==== ভূমিকম্প ==== দেশের উত্তর অংশ ভূমিকম্পের জন্য সংবেদনশীল। যদিও দেশের উপর মহা ভূমিকম্প আঘাত হানার সম্ভাবনা কম, দেশের অবকাঠামো একটি বিশাল ভূমিকম্পের পরবর্তী ঝাঁকুনির মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত নয়। {{এর অংশ|দক্ষিণ এশিয়া}} ===ছুটির দিন=== {{Infobox |বারো মাসে তেরো পার্বণ |এটি একটি বাংলা প্রবাদ। আক্ষরিক অর্থ হলো "বারো মাসে তেরোটি উৎসব"। বাংলাদেশে অসংখ্য উৎসব পালিত হয়, যা হতে পারে ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা জাতীয় উৎসব। }} {{Ramadandates}} * '''[[পহেলা বৈশাখ]]''' – বাংলা নববর্ষ। এটি দেশের সবচেয়ে বড় এবং বহুলভাবে পালিত ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয় উৎসব। এদিন সব শ্রেণির মানুষ বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, জাতীয় পোশাক (পাঞ্জাবি বা শাড়ি) পরে, মিষ্টি খায় এবং সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানায় – ''শুভ নববর্ষ''। * '''[[একুশে ফেব্রুয়ারি]] (জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস''') – ২১ ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত শহীদদের স্মরণে এই দিনটি পালিত হয়। উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন থেকেই বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু হয়, যা পরে ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে। দিবসটি এশিয়ার অন্যতম বর্ণাঢ্য আয়োজন হিসেবে পালিত হয়। রাত ১২টা ১ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়, রাজনৈতিক নেতা, কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী-কারিগর, বুদ্ধিজীবী সবাই শহীদদের স্মরণে যোগ দেন। সরকারি অফিস বন্ধ থাকে। ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, বাংলাভাষীদের আত্মত্যাগের সম্মানে। * '''[[স্বাধীনতা দিবস]]''' – ২৬ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। * '''[[বিজয় দিবস]]''' – ১৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনারা ভারতীয় সেনা ও মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। * '''[[ঈদুল ফিতর]]''' – দিন তারিখ নির্ভর করে মুসলিম চান্দ্রপঞ্জিকার ওপর। রোজা শেষ হওয়ার পর এই উৎসব পালিত হয়। এটি বছরের সবচেয়ে বড় মুসলিম ধর্মীয় উৎসব। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া, শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্তত এক সপ্তাহ, কখনো দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বন্ধ থাকে। * '''[[ঈদুল আজহা]]''' – দিন তারিখ নির্ভর করে মুসলিম চান্দ্রপঞ্জিকার ওপর। একে কোরবানির ঈদও বলা হয়। বাংলাদেশিরা গরু, ছাগল বা ভেড়া কোরবানি দেয় এবং মাংস ভাগাভাগি করে। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, কোরবানি পশুর হাট বসা—সবই উৎসবের অংশ। * '''[[দুর্গা পূজা]]''' – আশ্বিন মাসে, হিন্দু চান্দ্র-সৌর পঞ্জিকা অনুযায়ী, প্রায় ১০ দিনব্যাপী পালিত হয়। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হিন্দু ধর্মীয় উৎসব। প্রতিদিনের আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন হয়। শেষ দিনে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়, সাধারণত বুড়িগঙ্গা নদীতে। * '''[[বড়দিন]]''' – ২৫ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। এটি সরকারি ছুটির দিন। ঢাকার তেজগাঁও গির্জায় ২৪ ডিসেম্বর রাত ১১টায় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার অন্যান্য গির্জায়ও ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। ccbgpne5p3vouyqv5qfa9hjmzuwq8jj ব্যবহারকারী আলাপ:-revi 3 6967 76936 58750 2026-08-02T15:46:30Z Pathoschild 1088 global user pages ([[m:Synchbot|requested by Revi C.]]) 76936 wikitext text/x-wiki #REDIRECT [[User talk:Revi C.]] o9z79lcc9a9pfmqmrod5w3eyk4q9i0o ব্যবহারকারী:-revi 2 6968 76935 58751 2026-08-02T15:11:05Z Pathoschild 1088 global user pages ([[m:Synchbot|requested by Revi C.]]) 76935 wikitext text/x-wiki #REDIRECT [[User:Revi C.]] 88g0cv17whfgb1wkeh281mptujwtlut পার্থ 0 7723 76938 75652 2026-08-03T06:33:29Z ~2026-42831-62 6448 76938 wikitext text/x-wiki {{pagebanner}} {{অন্য ব্যবহার|পার্থ্}} '''পার্থ্''' হল পশ্চিম [[অস্ট্রেলিয়া]] রাজ্যের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। এটি [[অ্যাডিলেড]] (১০০,০০০ এরও বেশি বাসিন্দার নিকটতম শহর) থেকে ২,১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যার মধ্যে নুলারবার সমভূমির বিশাল স্থান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন শহরগুলির মধ্যে একটি করে তোলে। এই বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও, এটি একটি আশ্চর্যজনকভাবে প্রাণবন্ত এবং বিশ্বজনীন শহর, এবং একজন দর্শনার্থীকে বিনোদন দেওয়ার জন্য প্রচুর কার্যকলাপ রয়েছে। == বোঝা == যদিও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অনেক সরকারি ছুটি থাকে, তবুও আপনার ভ্রমণে খুব বেশি অসুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা কম। বেশিরভাগ দোকান এখনও খোলা থাকে, গণপরিবহন এখনও (একটি কম সময়সূচী অনুসারে) চলে এবং আকাশ এখনও নীল থাকে। ব্যতিক্রমগুলি হল গুড ফ্রাইডে, আনজাক ডে (২৫ এপ্রিল) এবং ক্রিসমাস ডে (২৫ ডিসেম্বর), যখন বেশিরভাগ দোকান এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকে। সাধারণত অন্যান্য ৭টি সরকারি ছুটির দিনে কেবল অফিস, ব্যাংক এবং সরকারি পরিষেবা বন্ধ থাকে; নববর্ষের দিন (১ জানুয়ারি), অস্ট্রেলিয়া দিবস (২৬ জানুয়ারি), গুড ফ্রাইডে, ইস্টার সোমবার, শ্রমিক দিবস (মার্চের প্রথম সোমবার), রাজার জন্মদিন (সেপ্টেম্বরের শেষ সোমবার), ওয়াশিংটন দিবস (জুন মাসের প্রথম সোমবার) এবং বক্সিং ডে (২৬ ডিসেম্বর)। {{অসম্পূর্ণ}} 15g9f4on6uwo7wbcgbd8mtag2tjxxei