উইকিভ্রমণ
bnwikivoyage
https://bn.wikivoyage.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.16
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিভ্রমণ
উইকিভ্রমণ আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
রাজশাহী
0
568
77016
63588
2026-08-20T17:17:47Z
ROCKY
29
/* খাওয়া দাওয়া */
77016
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার}}
'''রাজশাহী''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী ও রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর, যা সিল্কসিটি, গ্রীণসিটি, ক্লিনসিটি ও শিক্ষা নগরী নামে পরিচিত।
== জানুন ==
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রাজশাহী প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিখ্যাত সেন বংশের রাজা বিজয় সেনের সময়ের রাজধানী রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ৯ কি:মি: দূরে পুঠিয়ায় অবস্থিত অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান রাজশাহী 'রামপুর বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী 'বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
== ঘুরে বেড়ানো ==
রাজশাহী শহরের স্থানীয় পরিবহন মূলত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার উপর নির্ভরশীল। শহরের সর্বত্রই এটি পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে এতে যাতায়াত করা যায়। কিছু কিছু গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টেম্পু জাতীয় যানবাহন পাওয়া যায়। শহরের আশেপাশে বা অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। অন্যদিকে ভাড়ায় ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াতের জন্যও গাড়ি পাওয়া যায়, ভাড়া তুলনামূলকভাবে একটু বেশি পড়বে। ভাড়ার গাড়িগুলো স্ট্যান্ড রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ দিকে সাগরপাড়ার রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে শিরোইলে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর তুলনায় রাজশাহীর বেশ ভালো মানে ফুটপাত বা পায়ে চলার পথ রয়েছে।
==দেখুন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
* {{দেখুন
| নাম= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.37544 | দ্রাঘিমাংশ=88.57078 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত| মূল্য=প্রবেশ ফি ৳২৫
| উইকিপিডিয়া= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| উইকিউপাত্ত=Q25588258
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। অনেকে এ খেলায় সর্বস্বান্ত হয়েছে। কার্যত আয়োজকরাই লাভবান হয়েছে। রাজশাহী শহরের রেসকোর্স ছিল পদ্মার পাড়ে। সেই রেসকোর্স ময়দান এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা।
}}
[[চিত্র:Statue of Venus Island at Rajshahi Zoo.jpg|thumb|300px|শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা]]
* {{দেখুন
| নাম=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অন্য= | ইউআরএল=https://www.ru.ac.bd/ | ইমেইল=
| ঠিকানা=মতিহার | অক্ষাংশ=24.3667 | দ্রাঘিমাংশ=88.6333 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহরের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫ কি.মি. পূর্ব দিকে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | চিত্র=Administration Building, University of Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q3350920
| শেষ_সম্পাদনা=2023-07-09
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের যেকোন যায়গা থেকে খুব সহজে অটো রিক্সাযোগে যাওয়া যায়। এছাড়া রেলযোগেও যাওয়া যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি রেল স্টেশন রয়েছে। যেখানে লোকাল ট্রেনগুলো থামে, তবে কোন আন্তঃনগর রেল থামে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শাহ মখদুম রূপোশের মাজার
| ঠিকানা=দরগাপাড়া | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ= জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কি.মি. পশ্চিমে
| বিবরণ=১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত শাহ মখদুমের শেষ বিশ্রামের স্থান চিহ্নিত করতে একটি মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এ অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর হিজরী সনের রজব মাসের ২৭ তারিখ এখানে ওরস পালন করা হয়।
}}
=== ভাস্কর্য ===
* {{দেখুন
| নাম=সাবাশ বাংলাদেশ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= 24.22 | দ্রাঘিমাংশ= 88.36| দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= সাবাশ বাংলাদেশ (ভাস্কর্য)| উইকিউপাত্ত= Q7460044
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
}}
* {{দেখুন
| নাম=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | অন্য=গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | উইকিউপাত্ত=Q67190335
| শেষ_সম্পাদনা=2024-09-10
| বিবরণ=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটি নির্মাণ করা হয়।
}}
=== পদ্মার পাড় ===
* {{দেখুন
| নাম=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | অন্য=পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি পদ্মা গার্ডেন নামেও পরিচিত | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=সাহেব বাজার বা জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | উইকিউপাত্ত=Q25587391
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=পদ্মা নদীর তীর ঘেষে পুর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই পার্ক থেকে পদ্মা নদীর অপরূপ শোভা দেখতে পাওয়া যায়। এর অবকাঠামো পর্যটকার্ষক। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রেস্তোরা, বসার জায়গা, উন্মুক্ত ওয়াইফাই, নৌকা ভ্রমণ, মুক্তমঞ্চ ইত্যাদি সুবিধা আছে। এই পার্কে প্রবেশ করার জন্য কোন প্রবেশমূল্য দেওয়া লাগে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=টি-বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.36131790899475 | দ্রাঘিমাংশ=88.57003705719936 | দিকনির্দেশ=চিড়িয়াখানার ঠিক পেছনে এর অবস্থান।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=এখান থেকে পদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
}}
* {{দেখুন
| নাম=লালন শাহ পার্ক | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পাঠানপাড়া | অক্ষাংশ=24.363258 | দ্রাঘিমাংশ=88.589089 | দিকনির্দেশ=শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সাযোগে বা ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক থেকে পদ্মার পাড় দিয়ে পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=লালন শাহ পার্ক | চিত্র=Lalon Mukta Moncha, Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q31723893
| শেষ_সম্পাদনা=2024-03-26
| বিবরণ=রাজশাহী মহানগরীর পাঠানপাড়ায় পদ্মা নদীর কূল ঘেঁষে নির্মিত একটি উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একসঙ্গে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ অবস্থান করতে পারে। পার্কের অভ্যন্তরকে গ্রিন জোন, ল্যান্ডস্কেপ এবং পর্যটন ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেমে তৈরি করা হয়। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা রয়েছে। পদ্মা নদীর আবহে ৭৫০ জন বিনোদনপ্রেমী মানুষ এই উন্মুক্ত থিয়েটারে অনায়াসে এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। পদ্মা নদীর পাড়ে প্রাকৃতির নির্মল পরিবেশে মুক্ত হাওয়া উপভোগ করার জন্য চমৎকার একটি জায়গা।<p>এখানে পদ্মার পাড় ঘেঁষে 'নোঙর' ও বিজিবি পরিচালিত 'সীমান্তে নোঙর' নামে খোলা পরিবেশে খাওয়ার জন্য দুইটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
}}
===জাদুঘর===
* {{দেখুন
| নাম=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.367171 | দ্রাঘিমাংশ=88.592466 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | উইকিউপাত্ত=Q7915600
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=বাংলাদেশের প্রাচীনতম বা প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন। বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অক্ষাংশ=24.368812 | দ্রাঘিমাংশ=88.640424 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | চিত্র=Smrity 71 - RU - 3.JPG | উইকিউপাত্ত=Q25588095
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-19
| বিবরণ=এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা। স্বাধীনতা যুদ্ধের ও ইতিহাসের বিভিন্ন উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে এই সংগ্রহশালাটি প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এলাকায়। এ সংগ্রহশালার একটি প্রধান অংশ হচ্ছে গবেষকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পাঠাগার। এখানে আছে ১৯৪৭-১৯৭১ এর ওপর প্রায় ৩,০০০ বই, গ্রন্থমালা, পুস্তিকা, ইশতেহার ও সংকলন। বইয়ের পাশাপাশি এখানে উল্লিখিত সময়ের উপর বিভিন্ন পত্রিকা বাঁধাইকৃত আছে। এই সংগ্রহে আরও রয়েছে ভাষা আন্দোলন গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক পত্রিকার কাটিং ফাইল। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন পরম যত্নে সংরক্ষণ করছে এই সংগ্রহশালা।
}}
=== একটু দূরে ===
* {{দেখুন
| নাম=কিসমত মারিয়া মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=দূর্গাপুর, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.445406 | দ্রাঘিমাংশ=88.768868 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কিসমত মারিয়া মসজিদ | চিত্র=Kismat Maria Mosque 08.jpg | উইকিউপাত্ত=Q16345243
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাঘা মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=বাঘা, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.196164 | দ্রাঘিমাংশ=88.83929 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বাঘা মসজিদ | উইকিউপাত্ত=Q2656778
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=১০টি গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে ঐতিহ্যবাহী আম, গোলাপ ফুলসহ নানা রকম নকশা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ টাকার নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাঘা শাহি মসজিদ। মসজিদের বাসেই বড় একটি দীঘি রয়েছে। এছাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে আউলিয়াদের মাজার, মূল দরগাহ শরিফ ও জাদুঘর।
}}
; পুঠিয়া মন্দির চত্বর
পুঠিয়া উপজেলায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পুরনো হিন্দু মন্দির নিয়ে পুঠিয়া মন্দির চত্বর। রাজশাহী শহরের ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ঐতিহাসিক মন্দির রয়েছে। রাজশাহীর বিখ্যাত জনহিতৈষী পুঠিয়া রাজ পরিবারের হিন্দু জমিদার রাজাদের দ্বারা মন্দিরগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরগুলোর বেশ কয়েকটি টেরাকোটা সংবলিত এবং এগুলোর স্থাপত্য জোড় বাংলা স্থাপত্য রীতির সদৃশ।পুঠিয়া একটি ছোট স্থান হবার কারবে পায়ে হেঁটে সহজেই পুরা স্থান ঘুরে দেখা যায়। অন্যথায়, রিকশা করেও ঘুরা যায়। চাইলে চালককে কয়েক ঘন্টা বা এমনকি সারা দিনের জন্য ভাড়া করা সম্ভব।
* {{দেখুন
| নাম=পুঠিয়া রাজবাড়ী | অন্য=পাঁচআনি জমিদারবাড়ী | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.3633 | দ্রাঘিমাংশ=88.8355 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহর থেকে ৩২ কি.মি. উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক থেকে ১ কি:মি: দক্ষিণে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী=০৯:০০-১৭:০০ (শীতকালীন); ১০:০০-১৮:০০ (গ্রীষ্মকালীন) | মূল্য=৳২৩
| উইকিপিডিয়া=পুঠিয়া রাজবাড়ী | চিত্র=Front of Puthia Palace.jpg | উইকিউপাত্ত=Q17069850
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। ভবনের সম্মুখ ভাগের স্তম্ভ, অলংকরন, কাঠের কাজ, কক্ষের দেয়ালে ও দরজার উপর ফুল ও লতাপাতার চিত্রকর্ম চমৎকার নির্মাণ শৈলীর পরিচয় বহন করে। রাজবাড়ীর ছাদ সমতল, ছাদে লোহার বীম, কাঠের বর্গা এবং টালি ব্যবহৃত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা খনন করা হয়েছিল। পুঠিয়া রাজবাড়ীর আশে পাশে ছয়টি রাজদিঘী আছে। প্রত্যেকটা দিঘীর আয়তন ছয় একর করে। মন্দিরও আছে ছয়টি।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বড় আহ্নিক মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.361788 | দ্রাঘিমাংশ=88.832516 | দিকনির্দেশ=পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে ৫ মিনিট পায়ে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Bara Ahnik Mandir at Puthia.JPG | উইকিউপাত্ত=Q19898991
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=পুঠিয়া রাজবাড়ির তৎসংলগ্ন মন্দিররগুলোর একটি এটি
}}
* {{দেখুন
| নাম=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির | অন্য=সালামের মঠ | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.362401 | দ্রাঘিমাংশ=88.835037 | দিকনির্দেশ= পুঠিয়া রাজবাড়ির সন্নিকটেই এর অবস্থান
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Krishnapur Givinda Temple, Puthia 05.jpg | উইকিউপাত্ত=Q27216220
| শেষ_সম্পাদনা=2024-01-08
| বিবরণ=মন্দিরটি বর্গাকারে নির্মিত। মন্দিরের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪.২৫ মিটার। মন্দিরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে দরজা আছে। তবে পূর্ব প্রবেশ পথটির বাইরের দুপাশে এবং উপরে পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা নান্দনিকভাবে অলংকৃত। অলংকুত পূর্ব পাশের খিলান দরজাটিই মূলত প্রধান প্রবেশ পথ। পূর্ব পাশের প্রবেশ প্রথের পাশে ও উপরে তেমন কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের উপরে একটি উঁচু শিখর ছাদ আছে এবং এর উপরে ফিনিয়েল বিদ্যমান। ছাদের কার্ণিশ এবং কর্ণারসমূহ পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা চমৎকারভাবে সজ্জিত। পশ্চিম পাশের দেয়ালের বহিরাংশ সমতল এবং কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের ভিতরে পশ্চিম ও উত্তর পাশের দেয়ালে ১টি করে নিস বা কুলঙ্গি আছে। সাধারনত বাতি রাখার জন্য এ ধরনের নিস বা কুলঙ্গি ব্যবহৃত হতো।
}}
==যেভাবে যাবেন==
রাজধানী ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কি.মি.। সড়ক, রেল ও আকাশ এই তিনটি পথেই রাজধানী ঢাকা থেকে যাতায়াত করা যায়।
===স্থলপথে===
;বাস
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে রাজশাহী যাবার জন্য এসি-ননএসি বাস আছে। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, তুহিন এলিট, গ্রামীণ ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
নন-এসি বাসের ভাড়া ৭১০ টাকা এবং এসি বাসের ১৪০০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া বাসের ধরন ও সময়ভেদে কম বেশি হয়।
;রেল
ঢাকা থেকে রাজশাহী নিয়মিত ৩ টি রেল যাওয়া আসা করে। রেলগুলোতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের মূল্য যথাক্রমে ৩১৫, ৬০৪ এবং ৭২৫ টাকা।
{| class="wikitable"
|+ট্রেনের সময়সূচী
|-
! ট্রেন নং !! নাম !! বন্ধের দিন !! হইতে !! ছাড়ে !! গন্তব্য
|-
| ৭৫৩|| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস|| রবিবার|| ঢাকা|| ১৪৪০|| রাজশাহী
|-
| ৭৫৯|| পদ্মা এক্সপ্রেস|| মঙ্গলবার || ঢাকা|| ২৩১০|| রাজশাহী
|-
| ৭৬৯|| ধূমকেতু এক্সপ্রেস|| শনিবার || ঢাকা|| ০৬০০|| রাজশাহী
|}
===আকাশ পথে===
'শাহ মখদুম বিমানবন্দর' রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একমাত্র বিমান বন্দর। শুধু আভ্যন্তরীন রুটের উড়োজাহাজ উঠা-নামা করে। বর্তমানে শুধু রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচল করে। বিমান বাংলাদেশ, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে সেবা দিয়ে থাকে।
[[File:Kalai Ruti making beside Shyama Sarobar, Puthia (02).jpg|thumb|180px|কালাই রুটি]]
==খাওয়া দাওয়া==
রাজশাহীর কালাই-রুটি খুব বিখ্যাত। শহরের বিভিন্ন জায়গাতে এই খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া শহর জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ।
রাজশাহীর গরুর মাংসের কালা ভুনা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। পবা উপজেলার নওহাটা ব্রীজে কাছে অবস্থিত হোটেলগুলোর কালা ভুনা মাংস সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শুধু হাটবারে এটি পাওয়া গেলেও বর্তমানে চাহিদার কারণে প্রতিদিনই পাওয়া যায়। কাটাখালিতে দুটি হোটেলেও প্রতিদিন এটি পাওয়া যায়। রাজশাহীর সিটি হাটে প্রতি রবিবার ও বুধবারে হাটের দিন ভাতের হোটেলগুলোতে কালাভুনা বিক্রি হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এটি পাওয়া যায়।
== কেনাকাটা ==
সাহেব বাজারে কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে, রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট আরডিএ এখানেই অবস্থিত। এই মার্কেটে বা এর আশেপাশে কাপড়, ক্রোকারিজ, প্রসাধনীসহ, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরণের জিনিস পাওয়া যায়। গনকপাড়া-নিউ মার্কেট সড়কের দুই পাশ দিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম চোখে পড়বে। নিউ মার্কেটের পাশেই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট থিম ওমর প্লাজা অবস্থিত। রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক এর উৎপাদন দেখতে ও কিনতে চাইলে যেতে সপুরায় অবস্থিত বিসিক সিল্ক বাজারে।
==রাত্রিযাপন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
=== ব্যয়বহুল ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=রয়েল রাজ হোটেল এন্ড কন্ডোমিনিয়াম | অন্য=Royal Raj Hotel & Condominiums | ইউআরএল=https://www.royalrajbd.com/ | ইমেইল=admin@royalrajbd.com
| ঠিকানা=২৬/২৭ গণকপাড়া, রাজশাহী - ৬১০০ | অক্ষাংশ=24.0768101 | দ্রাঘিমাংশ=88.8550407 | দিকনির্দেশ=জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে
| ফোন=+৮৮০১৩২১২৩১৭৫৫ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-04-19
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= পর্যটন মোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন| অন্য= | ইউআরএল= http://www.parjatan.gov.bd/site/page/851e79b8-4aba-4f0e-9af2-5d3d6d2c8cd2/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2| ইমেইল=motelrajshahi@gmail.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= 24.368032168728213 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57291067091583| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮-০২-৫৮৮৮৫৫২৩৭| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল | অন্য= | ইউআরএল=https://hotelnicebd.com/ | ইমেইল=hotel.nice@yahoo.com
| ঠিকানা= গণকপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.3655125488298 | দ্রাঘিমাংশ= 88.60124929937493| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801740 133933| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন_করুন
| নাম=চেজ রাজ্জাক সার্ভিস | অন্য= | ইউআরএল=http://chezrazzakservice.com | ইমেইল=chezrazzak@gmail.com
| ঠিকানা=পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.377719478453656 | দ্রাঘিমাংশ= 88.6245897999993 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+৮৮০৭২১৭৬২০১১ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=$৪৫+
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2018-08-12
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= যাত্রা ফ্লাগশিপ রাজশাহী সিটি সেন্টার | অন্য= | ইউআরএল= https://flagship.jatra.com/| ইমেইল=reservation@jatra.com
| ঠিকানা= পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.378521175927606 | দ্রাঘিমাংশ= 88.62215025172497| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +880130 9552872 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেল| অন্য= | ইউআরএল=http://www.grandriverviewbd.com/ | ইমেইল= reservation@grandriverviewbd.com
| ঠিকানা= কাজিহাটা| অক্ষাংশ=24.368724441428938 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57920642892063 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801877 766966 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
=== সাশ্রয়ী ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল আনাম | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= মালোপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.36607054804341| দ্রাঘিমাংশ= 88.59988729985788| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮ ০১৮২৮ ১৬২১৯৯| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=
}}
== পরবর্তিতে যান ==
* [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ]]
* [[নওগাঁ জেলা]]
{{ভূ|24.3667|88.6000}}
{{এর অংশ|রাজশাহী জেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী]]
gt2yotfxdsmrhyinjy1eisu3eb6921j
77017
77016
2026-08-20T17:18:46Z
ROCKY
29
/* সাশ্রয়ী */
77017
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার}}
'''রাজশাহী''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী ও রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর, যা সিল্কসিটি, গ্রীণসিটি, ক্লিনসিটি ও শিক্ষা নগরী নামে পরিচিত।
== জানুন ==
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রাজশাহী প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিখ্যাত সেন বংশের রাজা বিজয় সেনের সময়ের রাজধানী রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ৯ কি:মি: দূরে পুঠিয়ায় অবস্থিত অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান রাজশাহী 'রামপুর বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী 'বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
== ঘুরে বেড়ানো ==
রাজশাহী শহরের স্থানীয় পরিবহন মূলত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার উপর নির্ভরশীল। শহরের সর্বত্রই এটি পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে এতে যাতায়াত করা যায়। কিছু কিছু গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টেম্পু জাতীয় যানবাহন পাওয়া যায়। শহরের আশেপাশে বা অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। অন্যদিকে ভাড়ায় ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াতের জন্যও গাড়ি পাওয়া যায়, ভাড়া তুলনামূলকভাবে একটু বেশি পড়বে। ভাড়ার গাড়িগুলো স্ট্যান্ড রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ দিকে সাগরপাড়ার রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে শিরোইলে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর তুলনায় রাজশাহীর বেশ ভালো মানে ফুটপাত বা পায়ে চলার পথ রয়েছে।
==দেখুন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
* {{দেখুন
| নাম= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.37544 | দ্রাঘিমাংশ=88.57078 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত| মূল্য=প্রবেশ ফি ৳২৫
| উইকিপিডিয়া= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| উইকিউপাত্ত=Q25588258
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। অনেকে এ খেলায় সর্বস্বান্ত হয়েছে। কার্যত আয়োজকরাই লাভবান হয়েছে। রাজশাহী শহরের রেসকোর্স ছিল পদ্মার পাড়ে। সেই রেসকোর্স ময়দান এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা।
}}
[[চিত্র:Statue of Venus Island at Rajshahi Zoo.jpg|thumb|300px|শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা]]
* {{দেখুন
| নাম=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অন্য= | ইউআরএল=https://www.ru.ac.bd/ | ইমেইল=
| ঠিকানা=মতিহার | অক্ষাংশ=24.3667 | দ্রাঘিমাংশ=88.6333 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহরের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫ কি.মি. পূর্ব দিকে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | চিত্র=Administration Building, University of Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q3350920
| শেষ_সম্পাদনা=2023-07-09
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের যেকোন যায়গা থেকে খুব সহজে অটো রিক্সাযোগে যাওয়া যায়। এছাড়া রেলযোগেও যাওয়া যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি রেল স্টেশন রয়েছে। যেখানে লোকাল ট্রেনগুলো থামে, তবে কোন আন্তঃনগর রেল থামে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শাহ মখদুম রূপোশের মাজার
| ঠিকানা=দরগাপাড়া | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ= জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কি.মি. পশ্চিমে
| বিবরণ=১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত শাহ মখদুমের শেষ বিশ্রামের স্থান চিহ্নিত করতে একটি মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এ অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর হিজরী সনের রজব মাসের ২৭ তারিখ এখানে ওরস পালন করা হয়।
}}
=== ভাস্কর্য ===
* {{দেখুন
| নাম=সাবাশ বাংলাদেশ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= 24.22 | দ্রাঘিমাংশ= 88.36| দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= সাবাশ বাংলাদেশ (ভাস্কর্য)| উইকিউপাত্ত= Q7460044
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
}}
* {{দেখুন
| নাম=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | অন্য=গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | উইকিউপাত্ত=Q67190335
| শেষ_সম্পাদনা=2024-09-10
| বিবরণ=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটি নির্মাণ করা হয়।
}}
=== পদ্মার পাড় ===
* {{দেখুন
| নাম=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | অন্য=পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি পদ্মা গার্ডেন নামেও পরিচিত | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=সাহেব বাজার বা জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | উইকিউপাত্ত=Q25587391
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=পদ্মা নদীর তীর ঘেষে পুর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই পার্ক থেকে পদ্মা নদীর অপরূপ শোভা দেখতে পাওয়া যায়। এর অবকাঠামো পর্যটকার্ষক। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রেস্তোরা, বসার জায়গা, উন্মুক্ত ওয়াইফাই, নৌকা ভ্রমণ, মুক্তমঞ্চ ইত্যাদি সুবিধা আছে। এই পার্কে প্রবেশ করার জন্য কোন প্রবেশমূল্য দেওয়া লাগে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=টি-বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.36131790899475 | দ্রাঘিমাংশ=88.57003705719936 | দিকনির্দেশ=চিড়িয়াখানার ঠিক পেছনে এর অবস্থান।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=এখান থেকে পদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
}}
* {{দেখুন
| নাম=লালন শাহ পার্ক | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পাঠানপাড়া | অক্ষাংশ=24.363258 | দ্রাঘিমাংশ=88.589089 | দিকনির্দেশ=শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সাযোগে বা ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক থেকে পদ্মার পাড় দিয়ে পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=লালন শাহ পার্ক | চিত্র=Lalon Mukta Moncha, Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q31723893
| শেষ_সম্পাদনা=2024-03-26
| বিবরণ=রাজশাহী মহানগরীর পাঠানপাড়ায় পদ্মা নদীর কূল ঘেঁষে নির্মিত একটি উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একসঙ্গে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ অবস্থান করতে পারে। পার্কের অভ্যন্তরকে গ্রিন জোন, ল্যান্ডস্কেপ এবং পর্যটন ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেমে তৈরি করা হয়। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা রয়েছে। পদ্মা নদীর আবহে ৭৫০ জন বিনোদনপ্রেমী মানুষ এই উন্মুক্ত থিয়েটারে অনায়াসে এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। পদ্মা নদীর পাড়ে প্রাকৃতির নির্মল পরিবেশে মুক্ত হাওয়া উপভোগ করার জন্য চমৎকার একটি জায়গা।<p>এখানে পদ্মার পাড় ঘেঁষে 'নোঙর' ও বিজিবি পরিচালিত 'সীমান্তে নোঙর' নামে খোলা পরিবেশে খাওয়ার জন্য দুইটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
}}
===জাদুঘর===
* {{দেখুন
| নাম=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.367171 | দ্রাঘিমাংশ=88.592466 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | উইকিউপাত্ত=Q7915600
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=বাংলাদেশের প্রাচীনতম বা প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন। বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অক্ষাংশ=24.368812 | দ্রাঘিমাংশ=88.640424 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | চিত্র=Smrity 71 - RU - 3.JPG | উইকিউপাত্ত=Q25588095
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-19
| বিবরণ=এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা। স্বাধীনতা যুদ্ধের ও ইতিহাসের বিভিন্ন উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে এই সংগ্রহশালাটি প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এলাকায়। এ সংগ্রহশালার একটি প্রধান অংশ হচ্ছে গবেষকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পাঠাগার। এখানে আছে ১৯৪৭-১৯৭১ এর ওপর প্রায় ৩,০০০ বই, গ্রন্থমালা, পুস্তিকা, ইশতেহার ও সংকলন। বইয়ের পাশাপাশি এখানে উল্লিখিত সময়ের উপর বিভিন্ন পত্রিকা বাঁধাইকৃত আছে। এই সংগ্রহে আরও রয়েছে ভাষা আন্দোলন গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক পত্রিকার কাটিং ফাইল। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন পরম যত্নে সংরক্ষণ করছে এই সংগ্রহশালা।
}}
=== একটু দূরে ===
* {{দেখুন
| নাম=কিসমত মারিয়া মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=দূর্গাপুর, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.445406 | দ্রাঘিমাংশ=88.768868 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কিসমত মারিয়া মসজিদ | চিত্র=Kismat Maria Mosque 08.jpg | উইকিউপাত্ত=Q16345243
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাঘা মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=বাঘা, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.196164 | দ্রাঘিমাংশ=88.83929 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বাঘা মসজিদ | উইকিউপাত্ত=Q2656778
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=১০টি গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে ঐতিহ্যবাহী আম, গোলাপ ফুলসহ নানা রকম নকশা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ টাকার নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাঘা শাহি মসজিদ। মসজিদের বাসেই বড় একটি দীঘি রয়েছে। এছাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে আউলিয়াদের মাজার, মূল দরগাহ শরিফ ও জাদুঘর।
}}
; পুঠিয়া মন্দির চত্বর
পুঠিয়া উপজেলায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পুরনো হিন্দু মন্দির নিয়ে পুঠিয়া মন্দির চত্বর। রাজশাহী শহরের ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ঐতিহাসিক মন্দির রয়েছে। রাজশাহীর বিখ্যাত জনহিতৈষী পুঠিয়া রাজ পরিবারের হিন্দু জমিদার রাজাদের দ্বারা মন্দিরগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরগুলোর বেশ কয়েকটি টেরাকোটা সংবলিত এবং এগুলোর স্থাপত্য জোড় বাংলা স্থাপত্য রীতির সদৃশ।পুঠিয়া একটি ছোট স্থান হবার কারবে পায়ে হেঁটে সহজেই পুরা স্থান ঘুরে দেখা যায়। অন্যথায়, রিকশা করেও ঘুরা যায়। চাইলে চালককে কয়েক ঘন্টা বা এমনকি সারা দিনের জন্য ভাড়া করা সম্ভব।
* {{দেখুন
| নাম=পুঠিয়া রাজবাড়ী | অন্য=পাঁচআনি জমিদারবাড়ী | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.3633 | দ্রাঘিমাংশ=88.8355 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহর থেকে ৩২ কি.মি. উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক থেকে ১ কি:মি: দক্ষিণে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী=০৯:০০-১৭:০০ (শীতকালীন); ১০:০০-১৮:০০ (গ্রীষ্মকালীন) | মূল্য=৳২৩
| উইকিপিডিয়া=পুঠিয়া রাজবাড়ী | চিত্র=Front of Puthia Palace.jpg | উইকিউপাত্ত=Q17069850
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। ভবনের সম্মুখ ভাগের স্তম্ভ, অলংকরন, কাঠের কাজ, কক্ষের দেয়ালে ও দরজার উপর ফুল ও লতাপাতার চিত্রকর্ম চমৎকার নির্মাণ শৈলীর পরিচয় বহন করে। রাজবাড়ীর ছাদ সমতল, ছাদে লোহার বীম, কাঠের বর্গা এবং টালি ব্যবহৃত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা খনন করা হয়েছিল। পুঠিয়া রাজবাড়ীর আশে পাশে ছয়টি রাজদিঘী আছে। প্রত্যেকটা দিঘীর আয়তন ছয় একর করে। মন্দিরও আছে ছয়টি।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বড় আহ্নিক মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.361788 | দ্রাঘিমাংশ=88.832516 | দিকনির্দেশ=পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে ৫ মিনিট পায়ে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Bara Ahnik Mandir at Puthia.JPG | উইকিউপাত্ত=Q19898991
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=পুঠিয়া রাজবাড়ির তৎসংলগ্ন মন্দিররগুলোর একটি এটি
}}
* {{দেখুন
| নাম=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির | অন্য=সালামের মঠ | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.362401 | দ্রাঘিমাংশ=88.835037 | দিকনির্দেশ= পুঠিয়া রাজবাড়ির সন্নিকটেই এর অবস্থান
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Krishnapur Givinda Temple, Puthia 05.jpg | উইকিউপাত্ত=Q27216220
| শেষ_সম্পাদনা=2024-01-08
| বিবরণ=মন্দিরটি বর্গাকারে নির্মিত। মন্দিরের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪.২৫ মিটার। মন্দিরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে দরজা আছে। তবে পূর্ব প্রবেশ পথটির বাইরের দুপাশে এবং উপরে পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা নান্দনিকভাবে অলংকৃত। অলংকুত পূর্ব পাশের খিলান দরজাটিই মূলত প্রধান প্রবেশ পথ। পূর্ব পাশের প্রবেশ প্রথের পাশে ও উপরে তেমন কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের উপরে একটি উঁচু শিখর ছাদ আছে এবং এর উপরে ফিনিয়েল বিদ্যমান। ছাদের কার্ণিশ এবং কর্ণারসমূহ পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা চমৎকারভাবে সজ্জিত। পশ্চিম পাশের দেয়ালের বহিরাংশ সমতল এবং কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের ভিতরে পশ্চিম ও উত্তর পাশের দেয়ালে ১টি করে নিস বা কুলঙ্গি আছে। সাধারনত বাতি রাখার জন্য এ ধরনের নিস বা কুলঙ্গি ব্যবহৃত হতো।
}}
==যেভাবে যাবেন==
রাজধানী ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কি.মি.। সড়ক, রেল ও আকাশ এই তিনটি পথেই রাজধানী ঢাকা থেকে যাতায়াত করা যায়।
===স্থলপথে===
;বাস
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে রাজশাহী যাবার জন্য এসি-ননএসি বাস আছে। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, তুহিন এলিট, গ্রামীণ ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
নন-এসি বাসের ভাড়া ৭১০ টাকা এবং এসি বাসের ১৪০০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া বাসের ধরন ও সময়ভেদে কম বেশি হয়।
;রেল
ঢাকা থেকে রাজশাহী নিয়মিত ৩ টি রেল যাওয়া আসা করে। রেলগুলোতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের মূল্য যথাক্রমে ৩১৫, ৬০৪ এবং ৭২৫ টাকা।
{| class="wikitable"
|+ট্রেনের সময়সূচী
|-
! ট্রেন নং !! নাম !! বন্ধের দিন !! হইতে !! ছাড়ে !! গন্তব্য
|-
| ৭৫৩|| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস|| রবিবার|| ঢাকা|| ১৪৪০|| রাজশাহী
|-
| ৭৫৯|| পদ্মা এক্সপ্রেস|| মঙ্গলবার || ঢাকা|| ২৩১০|| রাজশাহী
|-
| ৭৬৯|| ধূমকেতু এক্সপ্রেস|| শনিবার || ঢাকা|| ০৬০০|| রাজশাহী
|}
===আকাশ পথে===
'শাহ মখদুম বিমানবন্দর' রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একমাত্র বিমান বন্দর। শুধু আভ্যন্তরীন রুটের উড়োজাহাজ উঠা-নামা করে। বর্তমানে শুধু রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচল করে। বিমান বাংলাদেশ, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে সেবা দিয়ে থাকে।
[[File:Kalai Ruti making beside Shyama Sarobar, Puthia (02).jpg|thumb|180px|কালাই রুটি]]
==খাওয়া দাওয়া==
রাজশাহীর কালাই-রুটি খুব বিখ্যাত। শহরের বিভিন্ন জায়গাতে এই খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া শহর জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ।
রাজশাহীর গরুর মাংসের কালা ভুনা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। পবা উপজেলার নওহাটা ব্রীজে কাছে অবস্থিত হোটেলগুলোর কালা ভুনা মাংস সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শুধু হাটবারে এটি পাওয়া গেলেও বর্তমানে চাহিদার কারণে প্রতিদিনই পাওয়া যায়। কাটাখালিতে দুটি হোটেলেও প্রতিদিন এটি পাওয়া যায়। রাজশাহীর সিটি হাটে প্রতি রবিবার ও বুধবারে হাটের দিন ভাতের হোটেলগুলোতে কালাভুনা বিক্রি হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এটি পাওয়া যায়।
== কেনাকাটা ==
সাহেব বাজারে কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে, রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট আরডিএ এখানেই অবস্থিত। এই মার্কেটে বা এর আশেপাশে কাপড়, ক্রোকারিজ, প্রসাধনীসহ, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরণের জিনিস পাওয়া যায়। গনকপাড়া-নিউ মার্কেট সড়কের দুই পাশ দিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম চোখে পড়বে। নিউ মার্কেটের পাশেই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট থিম ওমর প্লাজা অবস্থিত। রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক এর উৎপাদন দেখতে ও কিনতে চাইলে যেতে সপুরায় অবস্থিত বিসিক সিল্ক বাজারে।
==রাত্রিযাপন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
=== ব্যয়বহুল ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=রয়েল রাজ হোটেল এন্ড কন্ডোমিনিয়াম | অন্য=Royal Raj Hotel & Condominiums | ইউআরএল=https://www.royalrajbd.com/ | ইমেইল=admin@royalrajbd.com
| ঠিকানা=২৬/২৭ গণকপাড়া, রাজশাহী - ৬১০০ | অক্ষাংশ=24.0768101 | দ্রাঘিমাংশ=88.8550407 | দিকনির্দেশ=জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে
| ফোন=+৮৮০১৩২১২৩১৭৫৫ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-04-19
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= পর্যটন মোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন| অন্য= | ইউআরএল= http://www.parjatan.gov.bd/site/page/851e79b8-4aba-4f0e-9af2-5d3d6d2c8cd2/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2| ইমেইল=motelrajshahi@gmail.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= 24.368032168728213 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57291067091583| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮-০২-৫৮৮৮৫৫২৩৭| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল | অন্য= | ইউআরএল=https://hotelnicebd.com/ | ইমেইল=hotel.nice@yahoo.com
| ঠিকানা= গণকপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.3655125488298 | দ্রাঘিমাংশ= 88.60124929937493| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801740 133933| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন_করুন
| নাম=চেজ রাজ্জাক সার্ভিস | অন্য= | ইউআরএল=http://chezrazzakservice.com | ইমেইল=chezrazzak@gmail.com
| ঠিকানা=পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.377719478453656 | দ্রাঘিমাংশ= 88.6245897999993 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+৮৮০৭২১৭৬২০১১ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=$৪৫+
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2018-08-12
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= যাত্রা ফ্লাগশিপ রাজশাহী সিটি সেন্টার | অন্য= | ইউআরএল= https://flagship.jatra.com/| ইমেইল=reservation@jatra.com
| ঠিকানা= পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.378521175927606 | দ্রাঘিমাংশ= 88.62215025172497| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +880130 9552872 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেল| অন্য= | ইউআরএল=http://www.grandriverviewbd.com/ | ইমেইল= reservation@grandriverviewbd.com
| ঠিকানা= কাজিহাটা| অক্ষাংশ=24.368724441428938 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57920642892063 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801877 766966 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
=== সাশ্রয়ী ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল আনাম | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= মালোপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.36607054804341| দ্রাঘিমাংশ= 88.59988729985788| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮ ০১৮২৮ ১৬২১৯৯| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=
}}
== পরবর্তিতে যান ==
* [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ]]
* [[নওগাঁ জেলা]]
{{ভূ|24.3667|88.6000}}
{{এর অংশ|রাজশাহী জেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী]]
n08x7she2v3qaxb8582lft1lor107uq
77018
77017
2026-08-20T17:21:14Z
ROCKY
29
/* ব্যয়বহুল */
77018
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার}}
'''রাজশাহী''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী ও রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর, যা সিল্কসিটি, গ্রীণসিটি, ক্লিনসিটি ও শিক্ষা নগরী নামে পরিচিত।
== জানুন ==
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রাজশাহী প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিখ্যাত সেন বংশের রাজা বিজয় সেনের সময়ের রাজধানী রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ৯ কি:মি: দূরে পুঠিয়ায় অবস্থিত অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান রাজশাহী 'রামপুর বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী 'বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
== ঘুরে বেড়ানো ==
রাজশাহী শহরের স্থানীয় পরিবহন মূলত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার উপর নির্ভরশীল। শহরের সর্বত্রই এটি পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে এতে যাতায়াত করা যায়। কিছু কিছু গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টেম্পু জাতীয় যানবাহন পাওয়া যায়। শহরের আশেপাশে বা অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। অন্যদিকে ভাড়ায় ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াতের জন্যও গাড়ি পাওয়া যায়, ভাড়া তুলনামূলকভাবে একটু বেশি পড়বে। ভাড়ার গাড়িগুলো স্ট্যান্ড রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ দিকে সাগরপাড়ার রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে শিরোইলে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর তুলনায় রাজশাহীর বেশ ভালো মানে ফুটপাত বা পায়ে চলার পথ রয়েছে।
==দেখুন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
* {{দেখুন
| নাম= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.37544 | দ্রাঘিমাংশ=88.57078 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত| মূল্য=প্রবেশ ফি ৳২৫
| উইকিপিডিয়া= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| উইকিউপাত্ত=Q25588258
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। অনেকে এ খেলায় সর্বস্বান্ত হয়েছে। কার্যত আয়োজকরাই লাভবান হয়েছে। রাজশাহী শহরের রেসকোর্স ছিল পদ্মার পাড়ে। সেই রেসকোর্স ময়দান এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা।
}}
[[চিত্র:Statue of Venus Island at Rajshahi Zoo.jpg|thumb|300px|শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা]]
* {{দেখুন
| নাম=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অন্য= | ইউআরএল=https://www.ru.ac.bd/ | ইমেইল=
| ঠিকানা=মতিহার | অক্ষাংশ=24.3667 | দ্রাঘিমাংশ=88.6333 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহরের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫ কি.মি. পূর্ব দিকে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | চিত্র=Administration Building, University of Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q3350920
| শেষ_সম্পাদনা=2023-07-09
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের যেকোন যায়গা থেকে খুব সহজে অটো রিক্সাযোগে যাওয়া যায়। এছাড়া রেলযোগেও যাওয়া যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি রেল স্টেশন রয়েছে। যেখানে লোকাল ট্রেনগুলো থামে, তবে কোন আন্তঃনগর রেল থামে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শাহ মখদুম রূপোশের মাজার
| ঠিকানা=দরগাপাড়া | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ= জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কি.মি. পশ্চিমে
| বিবরণ=১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত শাহ মখদুমের শেষ বিশ্রামের স্থান চিহ্নিত করতে একটি মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এ অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর হিজরী সনের রজব মাসের ২৭ তারিখ এখানে ওরস পালন করা হয়।
}}
=== ভাস্কর্য ===
* {{দেখুন
| নাম=সাবাশ বাংলাদেশ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= 24.22 | দ্রাঘিমাংশ= 88.36| দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= সাবাশ বাংলাদেশ (ভাস্কর্য)| উইকিউপাত্ত= Q7460044
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
}}
* {{দেখুন
| নাম=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | অন্য=গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | উইকিউপাত্ত=Q67190335
| শেষ_সম্পাদনা=2024-09-10
| বিবরণ=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটি নির্মাণ করা হয়।
}}
=== পদ্মার পাড় ===
* {{দেখুন
| নাম=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | অন্য=পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি পদ্মা গার্ডেন নামেও পরিচিত | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=সাহেব বাজার বা জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | উইকিউপাত্ত=Q25587391
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=পদ্মা নদীর তীর ঘেষে পুর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই পার্ক থেকে পদ্মা নদীর অপরূপ শোভা দেখতে পাওয়া যায়। এর অবকাঠামো পর্যটকার্ষক। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রেস্তোরা, বসার জায়গা, উন্মুক্ত ওয়াইফাই, নৌকা ভ্রমণ, মুক্তমঞ্চ ইত্যাদি সুবিধা আছে। এই পার্কে প্রবেশ করার জন্য কোন প্রবেশমূল্য দেওয়া লাগে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=টি-বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.36131790899475 | দ্রাঘিমাংশ=88.57003705719936 | দিকনির্দেশ=চিড়িয়াখানার ঠিক পেছনে এর অবস্থান।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=এখান থেকে পদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
}}
* {{দেখুন
| নাম=লালন শাহ পার্ক | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পাঠানপাড়া | অক্ষাংশ=24.363258 | দ্রাঘিমাংশ=88.589089 | দিকনির্দেশ=শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সাযোগে বা ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক থেকে পদ্মার পাড় দিয়ে পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=লালন শাহ পার্ক | চিত্র=Lalon Mukta Moncha, Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q31723893
| শেষ_সম্পাদনা=2024-03-26
| বিবরণ=রাজশাহী মহানগরীর পাঠানপাড়ায় পদ্মা নদীর কূল ঘেঁষে নির্মিত একটি উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একসঙ্গে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ অবস্থান করতে পারে। পার্কের অভ্যন্তরকে গ্রিন জোন, ল্যান্ডস্কেপ এবং পর্যটন ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেমে তৈরি করা হয়। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা রয়েছে। পদ্মা নদীর আবহে ৭৫০ জন বিনোদনপ্রেমী মানুষ এই উন্মুক্ত থিয়েটারে অনায়াসে এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। পদ্মা নদীর পাড়ে প্রাকৃতির নির্মল পরিবেশে মুক্ত হাওয়া উপভোগ করার জন্য চমৎকার একটি জায়গা।<p>এখানে পদ্মার পাড় ঘেঁষে 'নোঙর' ও বিজিবি পরিচালিত 'সীমান্তে নোঙর' নামে খোলা পরিবেশে খাওয়ার জন্য দুইটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
}}
===জাদুঘর===
* {{দেখুন
| নাম=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.367171 | দ্রাঘিমাংশ=88.592466 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | উইকিউপাত্ত=Q7915600
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=বাংলাদেশের প্রাচীনতম বা প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন। বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অক্ষাংশ=24.368812 | দ্রাঘিমাংশ=88.640424 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | চিত্র=Smrity 71 - RU - 3.JPG | উইকিউপাত্ত=Q25588095
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-19
| বিবরণ=এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা। স্বাধীনতা যুদ্ধের ও ইতিহাসের বিভিন্ন উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে এই সংগ্রহশালাটি প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এলাকায়। এ সংগ্রহশালার একটি প্রধান অংশ হচ্ছে গবেষকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পাঠাগার। এখানে আছে ১৯৪৭-১৯৭১ এর ওপর প্রায় ৩,০০০ বই, গ্রন্থমালা, পুস্তিকা, ইশতেহার ও সংকলন। বইয়ের পাশাপাশি এখানে উল্লিখিত সময়ের উপর বিভিন্ন পত্রিকা বাঁধাইকৃত আছে। এই সংগ্রহে আরও রয়েছে ভাষা আন্দোলন গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক পত্রিকার কাটিং ফাইল। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন পরম যত্নে সংরক্ষণ করছে এই সংগ্রহশালা।
}}
=== একটু দূরে ===
* {{দেখুন
| নাম=কিসমত মারিয়া মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=দূর্গাপুর, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.445406 | দ্রাঘিমাংশ=88.768868 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কিসমত মারিয়া মসজিদ | চিত্র=Kismat Maria Mosque 08.jpg | উইকিউপাত্ত=Q16345243
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাঘা মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=বাঘা, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.196164 | দ্রাঘিমাংশ=88.83929 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বাঘা মসজিদ | উইকিউপাত্ত=Q2656778
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=১০টি গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে ঐতিহ্যবাহী আম, গোলাপ ফুলসহ নানা রকম নকশা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ টাকার নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাঘা শাহি মসজিদ। মসজিদের বাসেই বড় একটি দীঘি রয়েছে। এছাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে আউলিয়াদের মাজার, মূল দরগাহ শরিফ ও জাদুঘর।
}}
; পুঠিয়া মন্দির চত্বর
পুঠিয়া উপজেলায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পুরনো হিন্দু মন্দির নিয়ে পুঠিয়া মন্দির চত্বর। রাজশাহী শহরের ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ঐতিহাসিক মন্দির রয়েছে। রাজশাহীর বিখ্যাত জনহিতৈষী পুঠিয়া রাজ পরিবারের হিন্দু জমিদার রাজাদের দ্বারা মন্দিরগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরগুলোর বেশ কয়েকটি টেরাকোটা সংবলিত এবং এগুলোর স্থাপত্য জোড় বাংলা স্থাপত্য রীতির সদৃশ।পুঠিয়া একটি ছোট স্থান হবার কারবে পায়ে হেঁটে সহজেই পুরা স্থান ঘুরে দেখা যায়। অন্যথায়, রিকশা করেও ঘুরা যায়। চাইলে চালককে কয়েক ঘন্টা বা এমনকি সারা দিনের জন্য ভাড়া করা সম্ভব।
* {{দেখুন
| নাম=পুঠিয়া রাজবাড়ী | অন্য=পাঁচআনি জমিদারবাড়ী | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.3633 | দ্রাঘিমাংশ=88.8355 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহর থেকে ৩২ কি.মি. উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক থেকে ১ কি:মি: দক্ষিণে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী=০৯:০০-১৭:০০ (শীতকালীন); ১০:০০-১৮:০০ (গ্রীষ্মকালীন) | মূল্য=৳২৩
| উইকিপিডিয়া=পুঠিয়া রাজবাড়ী | চিত্র=Front of Puthia Palace.jpg | উইকিউপাত্ত=Q17069850
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। ভবনের সম্মুখ ভাগের স্তম্ভ, অলংকরন, কাঠের কাজ, কক্ষের দেয়ালে ও দরজার উপর ফুল ও লতাপাতার চিত্রকর্ম চমৎকার নির্মাণ শৈলীর পরিচয় বহন করে। রাজবাড়ীর ছাদ সমতল, ছাদে লোহার বীম, কাঠের বর্গা এবং টালি ব্যবহৃত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা খনন করা হয়েছিল। পুঠিয়া রাজবাড়ীর আশে পাশে ছয়টি রাজদিঘী আছে। প্রত্যেকটা দিঘীর আয়তন ছয় একর করে। মন্দিরও আছে ছয়টি।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বড় আহ্নিক মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.361788 | দ্রাঘিমাংশ=88.832516 | দিকনির্দেশ=পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে ৫ মিনিট পায়ে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Bara Ahnik Mandir at Puthia.JPG | উইকিউপাত্ত=Q19898991
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=পুঠিয়া রাজবাড়ির তৎসংলগ্ন মন্দিররগুলোর একটি এটি
}}
* {{দেখুন
| নাম=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির | অন্য=সালামের মঠ | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.362401 | দ্রাঘিমাংশ=88.835037 | দিকনির্দেশ= পুঠিয়া রাজবাড়ির সন্নিকটেই এর অবস্থান
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Krishnapur Givinda Temple, Puthia 05.jpg | উইকিউপাত্ত=Q27216220
| শেষ_সম্পাদনা=2024-01-08
| বিবরণ=মন্দিরটি বর্গাকারে নির্মিত। মন্দিরের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪.২৫ মিটার। মন্দিরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে দরজা আছে। তবে পূর্ব প্রবেশ পথটির বাইরের দুপাশে এবং উপরে পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা নান্দনিকভাবে অলংকৃত। অলংকুত পূর্ব পাশের খিলান দরজাটিই মূলত প্রধান প্রবেশ পথ। পূর্ব পাশের প্রবেশ প্রথের পাশে ও উপরে তেমন কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের উপরে একটি উঁচু শিখর ছাদ আছে এবং এর উপরে ফিনিয়েল বিদ্যমান। ছাদের কার্ণিশ এবং কর্ণারসমূহ পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা চমৎকারভাবে সজ্জিত। পশ্চিম পাশের দেয়ালের বহিরাংশ সমতল এবং কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের ভিতরে পশ্চিম ও উত্তর পাশের দেয়ালে ১টি করে নিস বা কুলঙ্গি আছে। সাধারনত বাতি রাখার জন্য এ ধরনের নিস বা কুলঙ্গি ব্যবহৃত হতো।
}}
==যেভাবে যাবেন==
রাজধানী ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কি.মি.। সড়ক, রেল ও আকাশ এই তিনটি পথেই রাজধানী ঢাকা থেকে যাতায়াত করা যায়।
===স্থলপথে===
;বাস
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে রাজশাহী যাবার জন্য এসি-ননএসি বাস আছে। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, তুহিন এলিট, গ্রামীণ ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
নন-এসি বাসের ভাড়া ৭১০ টাকা এবং এসি বাসের ১৪০০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া বাসের ধরন ও সময়ভেদে কম বেশি হয়।
;রেল
ঢাকা থেকে রাজশাহী নিয়মিত ৩ টি রেল যাওয়া আসা করে। রেলগুলোতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের মূল্য যথাক্রমে ৩১৫, ৬০৪ এবং ৭২৫ টাকা।
{| class="wikitable"
|+ট্রেনের সময়সূচী
|-
! ট্রেন নং !! নাম !! বন্ধের দিন !! হইতে !! ছাড়ে !! গন্তব্য
|-
| ৭৫৩|| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস|| রবিবার|| ঢাকা|| ১৪৪০|| রাজশাহী
|-
| ৭৫৯|| পদ্মা এক্সপ্রেস|| মঙ্গলবার || ঢাকা|| ২৩১০|| রাজশাহী
|-
| ৭৬৯|| ধূমকেতু এক্সপ্রেস|| শনিবার || ঢাকা|| ০৬০০|| রাজশাহী
|}
===আকাশ পথে===
'শাহ মখদুম বিমানবন্দর' রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একমাত্র বিমান বন্দর। শুধু আভ্যন্তরীন রুটের উড়োজাহাজ উঠা-নামা করে। বর্তমানে শুধু রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচল করে। বিমান বাংলাদেশ, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে সেবা দিয়ে থাকে।
[[File:Kalai Ruti making beside Shyama Sarobar, Puthia (02).jpg|thumb|180px|কালাই রুটি]]
==খাওয়া দাওয়া==
রাজশাহীর কালাই-রুটি খুব বিখ্যাত। শহরের বিভিন্ন জায়গাতে এই খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া শহর জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ।
রাজশাহীর গরুর মাংসের কালা ভুনা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। পবা উপজেলার নওহাটা ব্রীজে কাছে অবস্থিত হোটেলগুলোর কালা ভুনা মাংস সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শুধু হাটবারে এটি পাওয়া গেলেও বর্তমানে চাহিদার কারণে প্রতিদিনই পাওয়া যায়। কাটাখালিতে দুটি হোটেলেও প্রতিদিন এটি পাওয়া যায়। রাজশাহীর সিটি হাটে প্রতি রবিবার ও বুধবারে হাটের দিন ভাতের হোটেলগুলোতে কালাভুনা বিক্রি হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এটি পাওয়া যায়।
== কেনাকাটা ==
সাহেব বাজারে কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে, রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট আরডিএ এখানেই অবস্থিত। এই মার্কেটে বা এর আশেপাশে কাপড়, ক্রোকারিজ, প্রসাধনীসহ, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরণের জিনিস পাওয়া যায়। গনকপাড়া-নিউ মার্কেট সড়কের দুই পাশ দিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম চোখে পড়বে। নিউ মার্কেটের পাশেই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট থিম ওমর প্লাজা অবস্থিত। রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক এর উৎপাদন দেখতে ও কিনতে চাইলে যেতে সপুরায় অবস্থিত বিসিক সিল্ক বাজারে।
==রাত্রিযাপন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
=== ব্যয়বহুল ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=রয়েল রাজ হোটেল এন্ড কন্ডোমিনিয়াম | অন্য=Royal Raj Hotel & Condominiums | ইউআরএল=https://www.royalrajbd.com/ | ইমেইল=admin@royalrajbd.com
| ঠিকানা=২৬/২৭ গণকপাড়া, রাজশাহী - ৬১০০ | অক্ষাংশ=24.0768101 | দ্রাঘিমাংশ=88.8550407 | দিকনির্দেশ=জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে
| ফোন=+৮৮০১৩২১২৩১৭৫৫ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-04-19
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= পর্যটন মোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন| অন্য= | ইউআরএল= http://www.parjatan.gov.bd/site/page/851e79b8-4aba-4f0e-9af2-5d3d6d2c8cd2/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2| ইমেইল=motelrajshahi@gmail.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= 24.368032168728213 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57291067091583| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮-০২-৫৮৮৮৫৫২৩৭| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳২৫০০-৳৭,৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল | অন্য= | ইউআরএল=https://hotelnicebd.com/ | ইমেইল=hotel.nice@yahoo.com
| ঠিকানা= গণকপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.3655125488298 | দ্রাঘিমাংশ= 88.60124929937493| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801740 133933| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন_করুন
| নাম=চেজ রাজ্জাক সার্ভিস | অন্য= | ইউআরএল=http://chezrazzakservice.com | ইমেইল=chezrazzak@gmail.com
| ঠিকানা=পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.377719478453656 | দ্রাঘিমাংশ= 88.6245897999993 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+৮৮০৭২১৭৬২০১১ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=$৪৫+
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2018-08-12
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= যাত্রা ফ্লাগশিপ রাজশাহী সিটি সেন্টার | অন্য= | ইউআরএল= https://flagship.jatra.com/| ইমেইল=reservation@jatra.com
| ঠিকানা= পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.378521175927606 | দ্রাঘিমাংশ= 88.62215025172497| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +880130 9552872 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেল| অন্য= | ইউআরএল=http://www.grandriverviewbd.com/ | ইমেইল= reservation@grandriverviewbd.com
| ঠিকানা= কাজিহাটা| অক্ষাংশ=24.368724441428938 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57920642892063 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801877 766966 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
=== সাশ্রয়ী ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল আনাম | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= মালোপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.36607054804341| দ্রাঘিমাংশ= 88.59988729985788| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮ ০১৮২৮ ১৬২১৯৯| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=
}}
== পরবর্তিতে যান ==
* [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ]]
* [[নওগাঁ জেলা]]
{{ভূ|24.3667|88.6000}}
{{এর অংশ|রাজশাহী জেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী]]
bi7wv5iqcnuenwlg4srftg0otml347r
77019
77018
2026-08-20T17:31:12Z
ROCKY
29
/* স্থলপথে */
77019
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার}}
'''রাজশাহী''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী ও রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর, যা সিল্কসিটি, গ্রীণসিটি, ক্লিনসিটি ও শিক্ষা নগরী নামে পরিচিত।
== জানুন ==
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রাজশাহী প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিখ্যাত সেন বংশের রাজা বিজয় সেনের সময়ের রাজধানী রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ৯ কি:মি: দূরে পুঠিয়ায় অবস্থিত অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান রাজশাহী 'রামপুর বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী 'বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
== ঘুরে বেড়ানো ==
রাজশাহী শহরের স্থানীয় পরিবহন মূলত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার উপর নির্ভরশীল। শহরের সর্বত্রই এটি পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে এতে যাতায়াত করা যায়। কিছু কিছু গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টেম্পু জাতীয় যানবাহন পাওয়া যায়। শহরের আশেপাশে বা অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। অন্যদিকে ভাড়ায় ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াতের জন্যও গাড়ি পাওয়া যায়, ভাড়া তুলনামূলকভাবে একটু বেশি পড়বে। ভাড়ার গাড়িগুলো স্ট্যান্ড রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ দিকে সাগরপাড়ার রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে শিরোইলে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর তুলনায় রাজশাহীর বেশ ভালো মানে ফুটপাত বা পায়ে চলার পথ রয়েছে।
==দেখুন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
* {{দেখুন
| নাম= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.37544 | দ্রাঘিমাংশ=88.57078 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত| মূল্য=প্রবেশ ফি ৳২৫
| উইকিপিডিয়া= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| উইকিউপাত্ত=Q25588258
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। অনেকে এ খেলায় সর্বস্বান্ত হয়েছে। কার্যত আয়োজকরাই লাভবান হয়েছে। রাজশাহী শহরের রেসকোর্স ছিল পদ্মার পাড়ে। সেই রেসকোর্স ময়দান এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা।
}}
[[চিত্র:Statue of Venus Island at Rajshahi Zoo.jpg|thumb|300px|শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা]]
* {{দেখুন
| নাম=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অন্য= | ইউআরএল=https://www.ru.ac.bd/ | ইমেইল=
| ঠিকানা=মতিহার | অক্ষাংশ=24.3667 | দ্রাঘিমাংশ=88.6333 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহরের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫ কি.মি. পূর্ব দিকে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | চিত্র=Administration Building, University of Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q3350920
| শেষ_সম্পাদনা=2023-07-09
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের যেকোন যায়গা থেকে খুব সহজে অটো রিক্সাযোগে যাওয়া যায়। এছাড়া রেলযোগেও যাওয়া যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি রেল স্টেশন রয়েছে। যেখানে লোকাল ট্রেনগুলো থামে, তবে কোন আন্তঃনগর রেল থামে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শাহ মখদুম রূপোশের মাজার
| ঠিকানা=দরগাপাড়া | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ= জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কি.মি. পশ্চিমে
| বিবরণ=১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত শাহ মখদুমের শেষ বিশ্রামের স্থান চিহ্নিত করতে একটি মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এ অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর হিজরী সনের রজব মাসের ২৭ তারিখ এখানে ওরস পালন করা হয়।
}}
=== ভাস্কর্য ===
* {{দেখুন
| নাম=সাবাশ বাংলাদেশ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= 24.22 | দ্রাঘিমাংশ= 88.36| দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= সাবাশ বাংলাদেশ (ভাস্কর্য)| উইকিউপাত্ত= Q7460044
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
}}
* {{দেখুন
| নাম=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | অন্য=গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | উইকিউপাত্ত=Q67190335
| শেষ_সম্পাদনা=2024-09-10
| বিবরণ=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটি নির্মাণ করা হয়।
}}
=== পদ্মার পাড় ===
* {{দেখুন
| নাম=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | অন্য=পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি পদ্মা গার্ডেন নামেও পরিচিত | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=সাহেব বাজার বা জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | উইকিউপাত্ত=Q25587391
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=পদ্মা নদীর তীর ঘেষে পুর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই পার্ক থেকে পদ্মা নদীর অপরূপ শোভা দেখতে পাওয়া যায়। এর অবকাঠামো পর্যটকার্ষক। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রেস্তোরা, বসার জায়গা, উন্মুক্ত ওয়াইফাই, নৌকা ভ্রমণ, মুক্তমঞ্চ ইত্যাদি সুবিধা আছে। এই পার্কে প্রবেশ করার জন্য কোন প্রবেশমূল্য দেওয়া লাগে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=টি-বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.36131790899475 | দ্রাঘিমাংশ=88.57003705719936 | দিকনির্দেশ=চিড়িয়াখানার ঠিক পেছনে এর অবস্থান।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=এখান থেকে পদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
}}
* {{দেখুন
| নাম=লালন শাহ পার্ক | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পাঠানপাড়া | অক্ষাংশ=24.363258 | দ্রাঘিমাংশ=88.589089 | দিকনির্দেশ=শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সাযোগে বা ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক থেকে পদ্মার পাড় দিয়ে পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=লালন শাহ পার্ক | চিত্র=Lalon Mukta Moncha, Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q31723893
| শেষ_সম্পাদনা=2024-03-26
| বিবরণ=রাজশাহী মহানগরীর পাঠানপাড়ায় পদ্মা নদীর কূল ঘেঁষে নির্মিত একটি উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একসঙ্গে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ অবস্থান করতে পারে। পার্কের অভ্যন্তরকে গ্রিন জোন, ল্যান্ডস্কেপ এবং পর্যটন ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেমে তৈরি করা হয়। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা রয়েছে। পদ্মা নদীর আবহে ৭৫০ জন বিনোদনপ্রেমী মানুষ এই উন্মুক্ত থিয়েটারে অনায়াসে এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। পদ্মা নদীর পাড়ে প্রাকৃতির নির্মল পরিবেশে মুক্ত হাওয়া উপভোগ করার জন্য চমৎকার একটি জায়গা।<p>এখানে পদ্মার পাড় ঘেঁষে 'নোঙর' ও বিজিবি পরিচালিত 'সীমান্তে নোঙর' নামে খোলা পরিবেশে খাওয়ার জন্য দুইটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
}}
===জাদুঘর===
* {{দেখুন
| নাম=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.367171 | দ্রাঘিমাংশ=88.592466 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | উইকিউপাত্ত=Q7915600
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=বাংলাদেশের প্রাচীনতম বা প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন। বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অক্ষাংশ=24.368812 | দ্রাঘিমাংশ=88.640424 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | চিত্র=Smrity 71 - RU - 3.JPG | উইকিউপাত্ত=Q25588095
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-19
| বিবরণ=এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা। স্বাধীনতা যুদ্ধের ও ইতিহাসের বিভিন্ন উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে এই সংগ্রহশালাটি প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এলাকায়। এ সংগ্রহশালার একটি প্রধান অংশ হচ্ছে গবেষকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পাঠাগার। এখানে আছে ১৯৪৭-১৯৭১ এর ওপর প্রায় ৩,০০০ বই, গ্রন্থমালা, পুস্তিকা, ইশতেহার ও সংকলন। বইয়ের পাশাপাশি এখানে উল্লিখিত সময়ের উপর বিভিন্ন পত্রিকা বাঁধাইকৃত আছে। এই সংগ্রহে আরও রয়েছে ভাষা আন্দোলন গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক পত্রিকার কাটিং ফাইল। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন পরম যত্নে সংরক্ষণ করছে এই সংগ্রহশালা।
}}
=== একটু দূরে ===
* {{দেখুন
| নাম=কিসমত মারিয়া মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=দূর্গাপুর, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.445406 | দ্রাঘিমাংশ=88.768868 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কিসমত মারিয়া মসজিদ | চিত্র=Kismat Maria Mosque 08.jpg | উইকিউপাত্ত=Q16345243
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাঘা মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=বাঘা, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.196164 | দ্রাঘিমাংশ=88.83929 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বাঘা মসজিদ | উইকিউপাত্ত=Q2656778
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=১০টি গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে ঐতিহ্যবাহী আম, গোলাপ ফুলসহ নানা রকম নকশা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ টাকার নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাঘা শাহি মসজিদ। মসজিদের বাসেই বড় একটি দীঘি রয়েছে। এছাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে আউলিয়াদের মাজার, মূল দরগাহ শরিফ ও জাদুঘর।
}}
; পুঠিয়া মন্দির চত্বর
পুঠিয়া উপজেলায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পুরনো হিন্দু মন্দির নিয়ে পুঠিয়া মন্দির চত্বর। রাজশাহী শহরের ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ঐতিহাসিক মন্দির রয়েছে। রাজশাহীর বিখ্যাত জনহিতৈষী পুঠিয়া রাজ পরিবারের হিন্দু জমিদার রাজাদের দ্বারা মন্দিরগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরগুলোর বেশ কয়েকটি টেরাকোটা সংবলিত এবং এগুলোর স্থাপত্য জোড় বাংলা স্থাপত্য রীতির সদৃশ।পুঠিয়া একটি ছোট স্থান হবার কারবে পায়ে হেঁটে সহজেই পুরা স্থান ঘুরে দেখা যায়। অন্যথায়, রিকশা করেও ঘুরা যায়। চাইলে চালককে কয়েক ঘন্টা বা এমনকি সারা দিনের জন্য ভাড়া করা সম্ভব।
* {{দেখুন
| নাম=পুঠিয়া রাজবাড়ী | অন্য=পাঁচআনি জমিদারবাড়ী | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.3633 | দ্রাঘিমাংশ=88.8355 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহর থেকে ৩২ কি.মি. উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক থেকে ১ কি:মি: দক্ষিণে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী=০৯:০০-১৭:০০ (শীতকালীন); ১০:০০-১৮:০০ (গ্রীষ্মকালীন) | মূল্য=৳২৩
| উইকিপিডিয়া=পুঠিয়া রাজবাড়ী | চিত্র=Front of Puthia Palace.jpg | উইকিউপাত্ত=Q17069850
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। ভবনের সম্মুখ ভাগের স্তম্ভ, অলংকরন, কাঠের কাজ, কক্ষের দেয়ালে ও দরজার উপর ফুল ও লতাপাতার চিত্রকর্ম চমৎকার নির্মাণ শৈলীর পরিচয় বহন করে। রাজবাড়ীর ছাদ সমতল, ছাদে লোহার বীম, কাঠের বর্গা এবং টালি ব্যবহৃত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা খনন করা হয়েছিল। পুঠিয়া রাজবাড়ীর আশে পাশে ছয়টি রাজদিঘী আছে। প্রত্যেকটা দিঘীর আয়তন ছয় একর করে। মন্দিরও আছে ছয়টি।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বড় আহ্নিক মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.361788 | দ্রাঘিমাংশ=88.832516 | দিকনির্দেশ=পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে ৫ মিনিট পায়ে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Bara Ahnik Mandir at Puthia.JPG | উইকিউপাত্ত=Q19898991
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=পুঠিয়া রাজবাড়ির তৎসংলগ্ন মন্দিররগুলোর একটি এটি
}}
* {{দেখুন
| নাম=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির | অন্য=সালামের মঠ | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.362401 | দ্রাঘিমাংশ=88.835037 | দিকনির্দেশ= পুঠিয়া রাজবাড়ির সন্নিকটেই এর অবস্থান
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Krishnapur Givinda Temple, Puthia 05.jpg | উইকিউপাত্ত=Q27216220
| শেষ_সম্পাদনা=2024-01-08
| বিবরণ=মন্দিরটি বর্গাকারে নির্মিত। মন্দিরের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪.২৫ মিটার। মন্দিরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে দরজা আছে। তবে পূর্ব প্রবেশ পথটির বাইরের দুপাশে এবং উপরে পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা নান্দনিকভাবে অলংকৃত। অলংকুত পূর্ব পাশের খিলান দরজাটিই মূলত প্রধান প্রবেশ পথ। পূর্ব পাশের প্রবেশ প্রথের পাশে ও উপরে তেমন কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের উপরে একটি উঁচু শিখর ছাদ আছে এবং এর উপরে ফিনিয়েল বিদ্যমান। ছাদের কার্ণিশ এবং কর্ণারসমূহ পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা চমৎকারভাবে সজ্জিত। পশ্চিম পাশের দেয়ালের বহিরাংশ সমতল এবং কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের ভিতরে পশ্চিম ও উত্তর পাশের দেয়ালে ১টি করে নিস বা কুলঙ্গি আছে। সাধারনত বাতি রাখার জন্য এ ধরনের নিস বা কুলঙ্গি ব্যবহৃত হতো।
}}
==যেভাবে যাবেন==
রাজধানী ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কি.মি.। সড়ক, রেল ও আকাশ এই তিনটি পথেই রাজধানী ঢাকা থেকে যাতায়াত করা যায়।
===স্থলপথে===
;বাস
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে রাজশাহী যাবার জন্য এসি-ননএসি বাস আছে। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, একতা, গ্রামীণ ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৩০ টাকা এবং এসি বাসের ১১০০/১৩০০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া বাসের ধরন ও সময়ভেদে কম বেশি হয়।
;রেল
ঢাকা থেকে রাজশাহী নিয়মিত ৪ টি রেল যাওয়া আসা করে। রেলগুলোতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের মূল্য যথাক্রমে ৩১৫, ৬০৪ এবং ৭২৫ টাকা।
{| class="wikitable"
|+ট্রেনের সময়সূচী
|-
! ট্রেন নং !! নাম !! বন্ধের দিন !! হইতে !! ছাড়ে !! গন্তব্য
|-
| ৭৫৩|| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস|| রবিবার|| ঢাকা|| ১৪৪০|| রাজশাহী
|-
| ৭৫৯|| পদ্মা এক্সপ্রেস|| মঙ্গলবার || ঢাকা|| ২৩১০|| রাজশাহী
|-
| ৭৯১|| বনলতা এক্সপ্রেস || শুক্রবার || ঢাকা|| ১৩৩০|| চাঁপাইনবাবগঞ্জ
|-
| ৭৬৯|| ধূমকেতু এক্সপ্রেস|| শনিবার || ঢাকা|| ০৬০০|| রাজশাহী
|}
===আকাশ পথে===
'শাহ মখদুম বিমানবন্দর' রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একমাত্র বিমান বন্দর। শুধু আভ্যন্তরীন রুটের উড়োজাহাজ উঠা-নামা করে। বর্তমানে শুধু রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচল করে। বিমান বাংলাদেশ, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে সেবা দিয়ে থাকে।
[[File:Kalai Ruti making beside Shyama Sarobar, Puthia (02).jpg|thumb|180px|কালাই রুটি]]
==খাওয়া দাওয়া==
রাজশাহীর কালাই-রুটি খুব বিখ্যাত। শহরের বিভিন্ন জায়গাতে এই খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া শহর জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ।
রাজশাহীর গরুর মাংসের কালা ভুনা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। পবা উপজেলার নওহাটা ব্রীজে কাছে অবস্থিত হোটেলগুলোর কালা ভুনা মাংস সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শুধু হাটবারে এটি পাওয়া গেলেও বর্তমানে চাহিদার কারণে প্রতিদিনই পাওয়া যায়। কাটাখালিতে দুটি হোটেলেও প্রতিদিন এটি পাওয়া যায়। রাজশাহীর সিটি হাটে প্রতি রবিবার ও বুধবারে হাটের দিন ভাতের হোটেলগুলোতে কালাভুনা বিক্রি হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এটি পাওয়া যায়।
== কেনাকাটা ==
সাহেব বাজারে কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে, রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট আরডিএ এখানেই অবস্থিত। এই মার্কেটে বা এর আশেপাশে কাপড়, ক্রোকারিজ, প্রসাধনীসহ, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরণের জিনিস পাওয়া যায়। গনকপাড়া-নিউ মার্কেট সড়কের দুই পাশ দিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম চোখে পড়বে। নিউ মার্কেটের পাশেই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট থিম ওমর প্লাজা অবস্থিত। রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক এর উৎপাদন দেখতে ও কিনতে চাইলে যেতে সপুরায় অবস্থিত বিসিক সিল্ক বাজারে।
==রাত্রিযাপন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
=== ব্যয়বহুল ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=রয়েল রাজ হোটেল এন্ড কন্ডোমিনিয়াম | অন্য=Royal Raj Hotel & Condominiums | ইউআরএল=https://www.royalrajbd.com/ | ইমেইল=admin@royalrajbd.com
| ঠিকানা=২৬/২৭ গণকপাড়া, রাজশাহী - ৬১০০ | অক্ষাংশ=24.0768101 | দ্রাঘিমাংশ=88.8550407 | দিকনির্দেশ=জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে
| ফোন=+৮৮০১৩২১২৩১৭৫৫ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-04-19
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= পর্যটন মোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন| অন্য= | ইউআরএল= http://www.parjatan.gov.bd/site/page/851e79b8-4aba-4f0e-9af2-5d3d6d2c8cd2/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2| ইমেইল=motelrajshahi@gmail.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= 24.368032168728213 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57291067091583| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮-০২-৫৮৮৮৫৫২৩৭| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳২৫০০-৳৭,৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল | অন্য= | ইউআরএল=https://hotelnicebd.com/ | ইমেইল=hotel.nice@yahoo.com
| ঠিকানা= গণকপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.3655125488298 | দ্রাঘিমাংশ= 88.60124929937493| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801740 133933| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন_করুন
| নাম=চেজ রাজ্জাক সার্ভিস | অন্য= | ইউআরএল=http://chezrazzakservice.com | ইমেইল=chezrazzak@gmail.com
| ঠিকানা=পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.377719478453656 | দ্রাঘিমাংশ= 88.6245897999993 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+৮৮০৭২১৭৬২০১১ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=$৪৫+
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2018-08-12
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= যাত্রা ফ্লাগশিপ রাজশাহী সিটি সেন্টার | অন্য= | ইউআরএল= https://flagship.jatra.com/| ইমেইল=reservation@jatra.com
| ঠিকানা= পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.378521175927606 | দ্রাঘিমাংশ= 88.62215025172497| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +880130 9552872 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেল| অন্য= | ইউআরএল=http://www.grandriverviewbd.com/ | ইমেইল= reservation@grandriverviewbd.com
| ঠিকানা= কাজিহাটা| অক্ষাংশ=24.368724441428938 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57920642892063 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801877 766966 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
=== সাশ্রয়ী ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল আনাম | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= মালোপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.36607054804341| দ্রাঘিমাংশ= 88.59988729985788| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮ ০১৮২৮ ১৬২১৯৯| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=
}}
== পরবর্তিতে যান ==
* [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ]]
* [[নওগাঁ জেলা]]
{{ভূ|24.3667|88.6000}}
{{এর অংশ|রাজশাহী জেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী]]
9hl7814kt0dxk1qv6q13qzopsub3v9q
77020
77019
2026-08-20T17:32:03Z
ROCKY
29
/* আকাশ পথে */
77020
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার}}
'''রাজশাহী''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী ও রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর, যা সিল্কসিটি, গ্রীণসিটি, ক্লিনসিটি ও শিক্ষা নগরী নামে পরিচিত।
== জানুন ==
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রাজশাহী প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিখ্যাত সেন বংশের রাজা বিজয় সেনের সময়ের রাজধানী রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ৯ কি:মি: দূরে পুঠিয়ায় অবস্থিত অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান রাজশাহী 'রামপুর বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী 'বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
== ঘুরে বেড়ানো ==
রাজশাহী শহরের স্থানীয় পরিবহন মূলত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার উপর নির্ভরশীল। শহরের সর্বত্রই এটি পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে এতে যাতায়াত করা যায়। কিছু কিছু গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টেম্পু জাতীয় যানবাহন পাওয়া যায়। শহরের আশেপাশে বা অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। অন্যদিকে ভাড়ায় ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াতের জন্যও গাড়ি পাওয়া যায়, ভাড়া তুলনামূলকভাবে একটু বেশি পড়বে। ভাড়ার গাড়িগুলো স্ট্যান্ড রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ দিকে সাগরপাড়ার রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে শিরোইলে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর তুলনায় রাজশাহীর বেশ ভালো মানে ফুটপাত বা পায়ে চলার পথ রয়েছে।
==দেখুন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
* {{দেখুন
| নাম= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.37544 | দ্রাঘিমাংশ=88.57078 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত| মূল্য=প্রবেশ ফি ৳২৫
| উইকিপিডিয়া= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| উইকিউপাত্ত=Q25588258
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। অনেকে এ খেলায় সর্বস্বান্ত হয়েছে। কার্যত আয়োজকরাই লাভবান হয়েছে। রাজশাহী শহরের রেসকোর্স ছিল পদ্মার পাড়ে। সেই রেসকোর্স ময়দান এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা।
}}
[[চিত্র:Statue of Venus Island at Rajshahi Zoo.jpg|thumb|300px|শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা]]
* {{দেখুন
| নাম=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অন্য= | ইউআরএল=https://www.ru.ac.bd/ | ইমেইল=
| ঠিকানা=মতিহার | অক্ষাংশ=24.3667 | দ্রাঘিমাংশ=88.6333 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহরের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫ কি.মি. পূর্ব দিকে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | চিত্র=Administration Building, University of Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q3350920
| শেষ_সম্পাদনা=2023-07-09
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের যেকোন যায়গা থেকে খুব সহজে অটো রিক্সাযোগে যাওয়া যায়। এছাড়া রেলযোগেও যাওয়া যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি রেল স্টেশন রয়েছে। যেখানে লোকাল ট্রেনগুলো থামে, তবে কোন আন্তঃনগর রেল থামে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শাহ মখদুম রূপোশের মাজার
| ঠিকানা=দরগাপাড়া | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ= জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কি.মি. পশ্চিমে
| বিবরণ=১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত শাহ মখদুমের শেষ বিশ্রামের স্থান চিহ্নিত করতে একটি মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এ অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর হিজরী সনের রজব মাসের ২৭ তারিখ এখানে ওরস পালন করা হয়।
}}
=== ভাস্কর্য ===
* {{দেখুন
| নাম=সাবাশ বাংলাদেশ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= 24.22 | দ্রাঘিমাংশ= 88.36| দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= সাবাশ বাংলাদেশ (ভাস্কর্য)| উইকিউপাত্ত= Q7460044
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
}}
* {{দেখুন
| নাম=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | অন্য=গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | উইকিউপাত্ত=Q67190335
| শেষ_সম্পাদনা=2024-09-10
| বিবরণ=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটি নির্মাণ করা হয়।
}}
=== পদ্মার পাড় ===
* {{দেখুন
| নাম=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | অন্য=পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি পদ্মা গার্ডেন নামেও পরিচিত | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=সাহেব বাজার বা জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | উইকিউপাত্ত=Q25587391
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=পদ্মা নদীর তীর ঘেষে পুর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই পার্ক থেকে পদ্মা নদীর অপরূপ শোভা দেখতে পাওয়া যায়। এর অবকাঠামো পর্যটকার্ষক। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রেস্তোরা, বসার জায়গা, উন্মুক্ত ওয়াইফাই, নৌকা ভ্রমণ, মুক্তমঞ্চ ইত্যাদি সুবিধা আছে। এই পার্কে প্রবেশ করার জন্য কোন প্রবেশমূল্য দেওয়া লাগে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=টি-বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.36131790899475 | দ্রাঘিমাংশ=88.57003705719936 | দিকনির্দেশ=চিড়িয়াখানার ঠিক পেছনে এর অবস্থান।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=এখান থেকে পদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
}}
* {{দেখুন
| নাম=লালন শাহ পার্ক | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পাঠানপাড়া | অক্ষাংশ=24.363258 | দ্রাঘিমাংশ=88.589089 | দিকনির্দেশ=শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সাযোগে বা ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক থেকে পদ্মার পাড় দিয়ে পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=লালন শাহ পার্ক | চিত্র=Lalon Mukta Moncha, Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q31723893
| শেষ_সম্পাদনা=2024-03-26
| বিবরণ=রাজশাহী মহানগরীর পাঠানপাড়ায় পদ্মা নদীর কূল ঘেঁষে নির্মিত একটি উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একসঙ্গে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ অবস্থান করতে পারে। পার্কের অভ্যন্তরকে গ্রিন জোন, ল্যান্ডস্কেপ এবং পর্যটন ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেমে তৈরি করা হয়। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা রয়েছে। পদ্মা নদীর আবহে ৭৫০ জন বিনোদনপ্রেমী মানুষ এই উন্মুক্ত থিয়েটারে অনায়াসে এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। পদ্মা নদীর পাড়ে প্রাকৃতির নির্মল পরিবেশে মুক্ত হাওয়া উপভোগ করার জন্য চমৎকার একটি জায়গা।<p>এখানে পদ্মার পাড় ঘেঁষে 'নোঙর' ও বিজিবি পরিচালিত 'সীমান্তে নোঙর' নামে খোলা পরিবেশে খাওয়ার জন্য দুইটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
}}
===জাদুঘর===
* {{দেখুন
| নাম=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.367171 | দ্রাঘিমাংশ=88.592466 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | উইকিউপাত্ত=Q7915600
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=বাংলাদেশের প্রাচীনতম বা প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন। বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অক্ষাংশ=24.368812 | দ্রাঘিমাংশ=88.640424 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | চিত্র=Smrity 71 - RU - 3.JPG | উইকিউপাত্ত=Q25588095
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-19
| বিবরণ=এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা। স্বাধীনতা যুদ্ধের ও ইতিহাসের বিভিন্ন উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে এই সংগ্রহশালাটি প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এলাকায়। এ সংগ্রহশালার একটি প্রধান অংশ হচ্ছে গবেষকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পাঠাগার। এখানে আছে ১৯৪৭-১৯৭১ এর ওপর প্রায় ৩,০০০ বই, গ্রন্থমালা, পুস্তিকা, ইশতেহার ও সংকলন। বইয়ের পাশাপাশি এখানে উল্লিখিত সময়ের উপর বিভিন্ন পত্রিকা বাঁধাইকৃত আছে। এই সংগ্রহে আরও রয়েছে ভাষা আন্দোলন গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক পত্রিকার কাটিং ফাইল। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন পরম যত্নে সংরক্ষণ করছে এই সংগ্রহশালা।
}}
=== একটু দূরে ===
* {{দেখুন
| নাম=কিসমত মারিয়া মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=দূর্গাপুর, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.445406 | দ্রাঘিমাংশ=88.768868 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কিসমত মারিয়া মসজিদ | চিত্র=Kismat Maria Mosque 08.jpg | উইকিউপাত্ত=Q16345243
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাঘা মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=বাঘা, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.196164 | দ্রাঘিমাংশ=88.83929 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বাঘা মসজিদ | উইকিউপাত্ত=Q2656778
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=১০টি গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে ঐতিহ্যবাহী আম, গোলাপ ফুলসহ নানা রকম নকশা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ টাকার নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাঘা শাহি মসজিদ। মসজিদের বাসেই বড় একটি দীঘি রয়েছে। এছাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে আউলিয়াদের মাজার, মূল দরগাহ শরিফ ও জাদুঘর।
}}
; পুঠিয়া মন্দির চত্বর
পুঠিয়া উপজেলায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পুরনো হিন্দু মন্দির নিয়ে পুঠিয়া মন্দির চত্বর। রাজশাহী শহরের ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ঐতিহাসিক মন্দির রয়েছে। রাজশাহীর বিখ্যাত জনহিতৈষী পুঠিয়া রাজ পরিবারের হিন্দু জমিদার রাজাদের দ্বারা মন্দিরগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরগুলোর বেশ কয়েকটি টেরাকোটা সংবলিত এবং এগুলোর স্থাপত্য জোড় বাংলা স্থাপত্য রীতির সদৃশ।পুঠিয়া একটি ছোট স্থান হবার কারবে পায়ে হেঁটে সহজেই পুরা স্থান ঘুরে দেখা যায়। অন্যথায়, রিকশা করেও ঘুরা যায়। চাইলে চালককে কয়েক ঘন্টা বা এমনকি সারা দিনের জন্য ভাড়া করা সম্ভব।
* {{দেখুন
| নাম=পুঠিয়া রাজবাড়ী | অন্য=পাঁচআনি জমিদারবাড়ী | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.3633 | দ্রাঘিমাংশ=88.8355 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহর থেকে ৩২ কি.মি. উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক থেকে ১ কি:মি: দক্ষিণে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী=০৯:০০-১৭:০০ (শীতকালীন); ১০:০০-১৮:০০ (গ্রীষ্মকালীন) | মূল্য=৳২৩
| উইকিপিডিয়া=পুঠিয়া রাজবাড়ী | চিত্র=Front of Puthia Palace.jpg | উইকিউপাত্ত=Q17069850
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। ভবনের সম্মুখ ভাগের স্তম্ভ, অলংকরন, কাঠের কাজ, কক্ষের দেয়ালে ও দরজার উপর ফুল ও লতাপাতার চিত্রকর্ম চমৎকার নির্মাণ শৈলীর পরিচয় বহন করে। রাজবাড়ীর ছাদ সমতল, ছাদে লোহার বীম, কাঠের বর্গা এবং টালি ব্যবহৃত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা খনন করা হয়েছিল। পুঠিয়া রাজবাড়ীর আশে পাশে ছয়টি রাজদিঘী আছে। প্রত্যেকটা দিঘীর আয়তন ছয় একর করে। মন্দিরও আছে ছয়টি।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বড় আহ্নিক মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.361788 | দ্রাঘিমাংশ=88.832516 | দিকনির্দেশ=পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে ৫ মিনিট পায়ে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Bara Ahnik Mandir at Puthia.JPG | উইকিউপাত্ত=Q19898991
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=পুঠিয়া রাজবাড়ির তৎসংলগ্ন মন্দিররগুলোর একটি এটি
}}
* {{দেখুন
| নাম=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির | অন্য=সালামের মঠ | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.362401 | দ্রাঘিমাংশ=88.835037 | দিকনির্দেশ= পুঠিয়া রাজবাড়ির সন্নিকটেই এর অবস্থান
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Krishnapur Givinda Temple, Puthia 05.jpg | উইকিউপাত্ত=Q27216220
| শেষ_সম্পাদনা=2024-01-08
| বিবরণ=মন্দিরটি বর্গাকারে নির্মিত। মন্দিরের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪.২৫ মিটার। মন্দিরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে দরজা আছে। তবে পূর্ব প্রবেশ পথটির বাইরের দুপাশে এবং উপরে পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা নান্দনিকভাবে অলংকৃত। অলংকুত পূর্ব পাশের খিলান দরজাটিই মূলত প্রধান প্রবেশ পথ। পূর্ব পাশের প্রবেশ প্রথের পাশে ও উপরে তেমন কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের উপরে একটি উঁচু শিখর ছাদ আছে এবং এর উপরে ফিনিয়েল বিদ্যমান। ছাদের কার্ণিশ এবং কর্ণারসমূহ পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা চমৎকারভাবে সজ্জিত। পশ্চিম পাশের দেয়ালের বহিরাংশ সমতল এবং কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের ভিতরে পশ্চিম ও উত্তর পাশের দেয়ালে ১টি করে নিস বা কুলঙ্গি আছে। সাধারনত বাতি রাখার জন্য এ ধরনের নিস বা কুলঙ্গি ব্যবহৃত হতো।
}}
==যেভাবে যাবেন==
রাজধানী ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কি.মি.। সড়ক, রেল ও আকাশ এই তিনটি পথেই রাজধানী ঢাকা থেকে যাতায়াত করা যায়।
===স্থলপথে===
;বাস
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে রাজশাহী যাবার জন্য এসি-ননএসি বাস আছে। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, একতা, গ্রামীণ ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৩০ টাকা এবং এসি বাসের ১১০০/১৩০০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া বাসের ধরন ও সময়ভেদে কম বেশি হয়।
;রেল
ঢাকা থেকে রাজশাহী নিয়মিত ৪ টি রেল যাওয়া আসা করে। রেলগুলোতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের মূল্য যথাক্রমে ৩১৫, ৬০৪ এবং ৭২৫ টাকা।
{| class="wikitable"
|+ট্রেনের সময়সূচী
|-
! ট্রেন নং !! নাম !! বন্ধের দিন !! হইতে !! ছাড়ে !! গন্তব্য
|-
| ৭৫৩|| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস|| রবিবার|| ঢাকা|| ১৪৪০|| রাজশাহী
|-
| ৭৫৯|| পদ্মা এক্সপ্রেস|| মঙ্গলবার || ঢাকা|| ২৩১০|| রাজশাহী
|-
| ৭৯১|| বনলতা এক্সপ্রেস || শুক্রবার || ঢাকা|| ১৩৩০|| চাঁপাইনবাবগঞ্জ
|-
| ৭৬৯|| ধূমকেতু এক্সপ্রেস|| শনিবার || ঢাকা|| ০৬০০|| রাজশাহী
|}
===আকাশ পথে===
'শাহ মখদুম বিমানবন্দর' রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একমাত্র বিমান বন্দর। শুধু আভ্যন্তরীন রুটের উড়োজাহাজ উঠা-নামা করে। বর্তমানে শুধু রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচল করে। বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে সেবা দিয়ে থাকে।
[[File:Kalai Ruti making beside Shyama Sarobar, Puthia (02).jpg|thumb|180px|কালাই রুটি]]
==খাওয়া দাওয়া==
রাজশাহীর কালাই-রুটি খুব বিখ্যাত। শহরের বিভিন্ন জায়গাতে এই খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া শহর জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ।
রাজশাহীর গরুর মাংসের কালা ভুনা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। পবা উপজেলার নওহাটা ব্রীজে কাছে অবস্থিত হোটেলগুলোর কালা ভুনা মাংস সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শুধু হাটবারে এটি পাওয়া গেলেও বর্তমানে চাহিদার কারণে প্রতিদিনই পাওয়া যায়। কাটাখালিতে দুটি হোটেলেও প্রতিদিন এটি পাওয়া যায়। রাজশাহীর সিটি হাটে প্রতি রবিবার ও বুধবারে হাটের দিন ভাতের হোটেলগুলোতে কালাভুনা বিক্রি হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এটি পাওয়া যায়।
== কেনাকাটা ==
সাহেব বাজারে কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে, রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট আরডিএ এখানেই অবস্থিত। এই মার্কেটে বা এর আশেপাশে কাপড়, ক্রোকারিজ, প্রসাধনীসহ, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরণের জিনিস পাওয়া যায়। গনকপাড়া-নিউ মার্কেট সড়কের দুই পাশ দিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম চোখে পড়বে। নিউ মার্কেটের পাশেই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট থিম ওমর প্লাজা অবস্থিত। রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক এর উৎপাদন দেখতে ও কিনতে চাইলে যেতে সপুরায় অবস্থিত বিসিক সিল্ক বাজারে।
==রাত্রিযাপন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
=== ব্যয়বহুল ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=রয়েল রাজ হোটেল এন্ড কন্ডোমিনিয়াম | অন্য=Royal Raj Hotel & Condominiums | ইউআরএল=https://www.royalrajbd.com/ | ইমেইল=admin@royalrajbd.com
| ঠিকানা=২৬/২৭ গণকপাড়া, রাজশাহী - ৬১০০ | অক্ষাংশ=24.0768101 | দ্রাঘিমাংশ=88.8550407 | দিকনির্দেশ=জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে
| ফোন=+৮৮০১৩২১২৩১৭৫৫ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-04-19
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= পর্যটন মোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন| অন্য= | ইউআরএল= http://www.parjatan.gov.bd/site/page/851e79b8-4aba-4f0e-9af2-5d3d6d2c8cd2/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2| ইমেইল=motelrajshahi@gmail.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= 24.368032168728213 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57291067091583| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮-০২-৫৮৮৮৫৫২৩৭| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳২৫০০-৳৭,৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল | অন্য= | ইউআরএল=https://hotelnicebd.com/ | ইমেইল=hotel.nice@yahoo.com
| ঠিকানা= গণকপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.3655125488298 | দ্রাঘিমাংশ= 88.60124929937493| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801740 133933| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন_করুন
| নাম=চেজ রাজ্জাক সার্ভিস | অন্য= | ইউআরএল=http://chezrazzakservice.com | ইমেইল=chezrazzak@gmail.com
| ঠিকানা=পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.377719478453656 | দ্রাঘিমাংশ= 88.6245897999993 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+৮৮০৭২১৭৬২০১১ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=$৪৫+
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2018-08-12
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= যাত্রা ফ্লাগশিপ রাজশাহী সিটি সেন্টার | অন্য= | ইউআরএল= https://flagship.jatra.com/| ইমেইল=reservation@jatra.com
| ঠিকানা= পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.378521175927606 | দ্রাঘিমাংশ= 88.62215025172497| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +880130 9552872 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেল| অন্য= | ইউআরএল=http://www.grandriverviewbd.com/ | ইমেইল= reservation@grandriverviewbd.com
| ঠিকানা= কাজিহাটা| অক্ষাংশ=24.368724441428938 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57920642892063 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801877 766966 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
=== সাশ্রয়ী ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল আনাম | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= মালোপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.36607054804341| দ্রাঘিমাংশ= 88.59988729985788| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮ ০১৮২৮ ১৬২১৯৯| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=
}}
== পরবর্তিতে যান ==
* [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ]]
* [[নওগাঁ জেলা]]
{{ভূ|24.3667|88.6000}}
{{এর অংশ|রাজশাহী জেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী]]
6wln9di3ho2ie79cqkccybz9l15okj0
77021
77020
2026-08-20T17:40:22Z
ROCKY
29
/* জাদুঘর */
77021
wikitext
text/x-wiki
{{পাতার ব্যানার}}
'''রাজশাহী''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী ও রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর, যা সিল্কসিটি, গ্রীণসিটি, ক্লিনসিটি ও শিক্ষা নগরী নামে পরিচিত।
== জানুন ==
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রাজশাহী প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিখ্যাত সেন বংশের রাজা বিজয় সেনের সময়ের রাজধানী রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ৯ কি:মি: দূরে পুঠিয়ায় অবস্থিত অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান রাজশাহী 'রামপুর বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী 'বোয়ালিয়া' নামে পরিচিত ছিল। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
== ঘুরে বেড়ানো ==
রাজশাহী শহরের স্থানীয় পরিবহন মূলত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার উপর নির্ভরশীল। শহরের সর্বত্রই এটি পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে এতে যাতায়াত করা যায়। কিছু কিছু গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টেম্পু জাতীয় যানবাহন পাওয়া যায়। শহরের আশেপাশে বা অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। অন্যদিকে ভাড়ায় ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াতের জন্যও গাড়ি পাওয়া যায়, ভাড়া তুলনামূলকভাবে একটু বেশি পড়বে। ভাড়ার গাড়িগুলো স্ট্যান্ড রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ দিকে সাগরপাড়ার রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে শিরোইলে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর তুলনায় রাজশাহীর বেশ ভালো মানে ফুটপাত বা পায়ে চলার পথ রয়েছে।
==দেখুন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
* {{দেখুন
| নাম= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.37544 | দ্রাঘিমাংশ=88.57078 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত| মূল্য=প্রবেশ ফি ৳২৫
| উইকিপিডিয়া= শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা| উইকিউপাত্ত=Q25588258
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। অনেকে এ খেলায় সর্বস্বান্ত হয়েছে। কার্যত আয়োজকরাই লাভবান হয়েছে। রাজশাহী শহরের রেসকোর্স ছিল পদ্মার পাড়ে। সেই রেসকোর্স ময়দান এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা।
}}
[[চিত্র:Statue of Venus Island at Rajshahi Zoo.jpg|thumb|300px|শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা]]
* {{দেখুন
| নাম=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অন্য= | ইউআরএল=https://www.ru.ac.bd/ | ইমেইল=
| ঠিকানা=মতিহার | অক্ষাংশ=24.3667 | দ্রাঘিমাংশ=88.6333 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহরের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫ কি.মি. পূর্ব দিকে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | চিত্র=Administration Building, University of Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q3350920
| শেষ_সম্পাদনা=2023-07-09
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের যেকোন যায়গা থেকে খুব সহজে অটো রিক্সাযোগে যাওয়া যায়। এছাড়া রেলযোগেও যাওয়া যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি রেল স্টেশন রয়েছে। যেখানে লোকাল ট্রেনগুলো থামে, তবে কোন আন্তঃনগর রেল থামে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শাহ মখদুম রূপোশের মাজার
| ঠিকানা=দরগাপাড়া | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ= জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কি.মি. পশ্চিমে
| বিবরণ=১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত শাহ মখদুমের শেষ বিশ্রামের স্থান চিহ্নিত করতে একটি মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এ অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর হিজরী সনের রজব মাসের ২৭ তারিখ এখানে ওরস পালন করা হয়।
}}
=== ভাস্কর্য ===
* {{দেখুন
| নাম=সাবাশ বাংলাদেশ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= 24.22 | দ্রাঘিমাংশ= 88.36| দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= সাবাশ বাংলাদেশ (ভাস্কর্য)| উইকিউপাত্ত= Q7460044
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
}}
* {{দেখুন
| নাম=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | অন্য=গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়| অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ার | উইকিউপাত্ত=Q67190335
| শেষ_সম্পাদনা=2024-09-10
| বিবরণ=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটি নির্মাণ করা হয়।
}}
=== পদ্মার পাড় ===
* {{দেখুন
| নাম=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | অন্য=পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি পদ্মা গার্ডেন নামেও পরিচিত | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= | দ্রাঘিমাংশ= | দিকনির্দেশ=সাহেব বাজার বা জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক | উইকিউপাত্ত=Q25587391
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=পদ্মা নদীর তীর ঘেষে পুর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই পার্ক থেকে পদ্মা নদীর অপরূপ শোভা দেখতে পাওয়া যায়। এর অবকাঠামো পর্যটকার্ষক। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রেস্তোরা, বসার জায়গা, উন্মুক্ত ওয়াইফাই, নৌকা ভ্রমণ, মুক্তমঞ্চ ইত্যাদি সুবিধা আছে। এই পার্কে প্রবেশ করার জন্য কোন প্রবেশমূল্য দেওয়া লাগে না।
}}
* {{দেখুন
| নাম=টি-বাঁধ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.36131790899475 | দ্রাঘিমাংশ=88.57003705719936 | দিকনির্দেশ=চিড়িয়াখানার ঠিক পেছনে এর অবস্থান।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=এখান থেকে পদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
}}
* {{দেখুন
| নাম=লালন শাহ পার্ক | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পাঠানপাড়া | অক্ষাংশ=24.363258 | দ্রাঘিমাংশ=88.589089 | দিকনির্দেশ=শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সাযোগে বা ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক থেকে পদ্মার পাড় দিয়ে পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=লালন শাহ পার্ক | চিত্র=Lalon Mukta Moncha, Rajshahi.jpg | উইকিউপাত্ত=Q31723893
| শেষ_সম্পাদনা=2024-03-26
| বিবরণ=রাজশাহী মহানগরীর পাঠানপাড়ায় পদ্মা নদীর কূল ঘেঁষে নির্মিত একটি উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একসঙ্গে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ অবস্থান করতে পারে। পার্কের অভ্যন্তরকে গ্রিন জোন, ল্যান্ডস্কেপ এবং পর্যটন ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেমে তৈরি করা হয়। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা রয়েছে। পদ্মা নদীর আবহে ৭৫০ জন বিনোদনপ্রেমী মানুষ এই উন্মুক্ত থিয়েটারে অনায়াসে এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। পদ্মা নদীর পাড়ে প্রাকৃতির নির্মল পরিবেশে মুক্ত হাওয়া উপভোগ করার জন্য চমৎকার একটি জায়গা।<p>এখানে পদ্মার পাড় ঘেঁষে 'নোঙর' ও বিজিবি পরিচালিত 'সীমান্তে নোঙর' নামে খোলা পরিবেশে খাওয়ার জন্য দুইটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
}}
===জাদুঘর===
* {{দেখুন
| নাম=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ=24.367171 | দ্রাঘিমাংশ=88.592466 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর | উইকিউপাত্ত=Q7915600
| শেষ_সম্পাদনা=2023-06-21
| বিবরণ=বাংলাদেশের প্রাচীনতম বা প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন। বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে।
}}
* {{দেখুন
| নাম=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | অক্ষাংশ=24.368812 | দ্রাঘিমাংশ=88.640424 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা | চিত্র=Smrity 71 - RU - 3.JPG | উইকিউপাত্ত=Q25588095
| শেষ_সম্পাদনা=2024-05-19
| বিবরণ=এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা। স্বাধীনতা যুদ্ধের ও ইতিহাসের বিভিন্ন উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে এই সংগ্রহশালাটি প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এলাকায়। এ সংগ্রহশালার একটি প্রধান অংশ হচ্ছে গবেষকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পাঠাগার। এখানে আছে ১৯৪৭-১৯৭১ এর ওপর প্রায় ৩,০০০ বই, গ্রন্থমালা, পুস্তিকা, ইশতেহার ও সংকলন। বইয়ের পাশাপাশি এখানে উল্লিখিত সময়ের উপর বিভিন্ন পত্রিকা বাঁধাইকৃত আছে। এই সংগ্রহে আরও রয়েছে ভাষা আন্দোলন গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক পত্রিকার কাটিং ফাইল। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন পরম যত্নে সংরক্ষণ করছে এই সংগ্রহশালা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=হেরিটেজ আর্কাইভস | অন্য= হেরিটেজ : বাংলাদেশের ইতিহাসের আর্কাইভস | ইউআরএল=https://heritage-archives.org/ | ইমেইল=ahabub52_heritage@yahoo.com
| ঠিকানা=কাজলা | অক্ষাংশ= 24.36208365310972 | দ্রাঘিমাংশ=88.63235544589469 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+88 01716760485 | সময়সূচী= শনি-বৃহস্পতি, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=হেরিটেজ আর্কাইভস | চিত্র=Entry gate of Heritage Archive Bangladesh.jpg | উইকিউপাত্ত=Q132291226
| শেষ_সম্পাদনা=
| বিবরণ=ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি সংগ্রহশালা। আর্কাইভসের সংগ্রহে ৩০৯৫ শিরোনামে প্রায় ৩০,০০০ সাময়িক পত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিন ও গবেষণা জার্নাল এবং ৫২০০ পোস্টার ও ৫০০০ লিফলেট রয়েছে। হেরিটেজ ভবনে গবেষকদের রাত্রিযাপনের জন্য ২টি গেস্টরুম আছে এবং ৭০ আসন বিশিষ্ট ১টি সেমিনার কক্ষ আছে।
}}
=== একটু দূরে ===
* {{দেখুন
| নাম=কিসমত মারিয়া মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=দূর্গাপুর, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.445406 | দ্রাঘিমাংশ=88.768868 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে।
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কিসমত মারিয়া মসজিদ | চিত্র=Kismat Maria Mosque 08.jpg | উইকিউপাত্ত=Q16345243
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বাঘা মসজিদ | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=বাঘা, রাজশাহী | অক্ষাংশ=24.196164 | দ্রাঘিমাংশ=88.83929 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বাঘা মসজিদ | উইকিউপাত্ত=Q2656778
| শেষ_সম্পাদনা=2023-08-31
| বিবরণ=১০টি গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে ঐতিহ্যবাহী আম, গোলাপ ফুলসহ নানা রকম নকশা রয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ টাকার নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাঘা শাহি মসজিদ। মসজিদের বাসেই বড় একটি দীঘি রয়েছে। এছাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে আউলিয়াদের মাজার, মূল দরগাহ শরিফ ও জাদুঘর।
}}
; পুঠিয়া মন্দির চত্বর
পুঠিয়া উপজেলায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পুরনো হিন্দু মন্দির নিয়ে পুঠিয়া মন্দির চত্বর। রাজশাহী শহরের ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ঐতিহাসিক মন্দির রয়েছে। রাজশাহীর বিখ্যাত জনহিতৈষী পুঠিয়া রাজ পরিবারের হিন্দু জমিদার রাজাদের দ্বারা মন্দিরগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরগুলোর বেশ কয়েকটি টেরাকোটা সংবলিত এবং এগুলোর স্থাপত্য জোড় বাংলা স্থাপত্য রীতির সদৃশ।পুঠিয়া একটি ছোট স্থান হবার কারবে পায়ে হেঁটে সহজেই পুরা স্থান ঘুরে দেখা যায়। অন্যথায়, রিকশা করেও ঘুরা যায়। চাইলে চালককে কয়েক ঘন্টা বা এমনকি সারা দিনের জন্য ভাড়া করা সম্ভব।
* {{দেখুন
| নাম=পুঠিয়া রাজবাড়ী | অন্য=পাঁচআনি জমিদারবাড়ী | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.3633 | দ্রাঘিমাংশ=88.8355 | দিকনির্দেশ=রাজশাহী শহর থেকে ৩২ কি.মি. উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক থেকে ১ কি:মি: দক্ষিণে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী=০৯:০০-১৭:০০ (শীতকালীন); ১০:০০-১৮:০০ (গ্রীষ্মকালীন) | মূল্য=৳২৩
| উইকিপিডিয়া=পুঠিয়া রাজবাড়ী | চিত্র=Front of Puthia Palace.jpg | উইকিউপাত্ত=Q17069850
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। ভবনের সম্মুখ ভাগের স্তম্ভ, অলংকরন, কাঠের কাজ, কক্ষের দেয়ালে ও দরজার উপর ফুল ও লতাপাতার চিত্রকর্ম চমৎকার নির্মাণ শৈলীর পরিচয় বহন করে। রাজবাড়ীর ছাদ সমতল, ছাদে লোহার বীম, কাঠের বর্গা এবং টালি ব্যবহৃত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা খনন করা হয়েছিল। পুঠিয়া রাজবাড়ীর আশে পাশে ছয়টি রাজদিঘী আছে। প্রত্যেকটা দিঘীর আয়তন ছয় একর করে। মন্দিরও আছে ছয়টি।
}}
* {{দেখুন
| নাম=বড় আহ্নিক মন্দির | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা=পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.361788 | দ্রাঘিমাংশ=88.832516 | দিকনির্দেশ=পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে ৫ মিনিট পায়ে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Bara Ahnik Mandir at Puthia.JPG | উইকিউপাত্ত=Q19898991
| শেষ_সম্পাদনা=2023-10-09
| বিবরণ=পুঠিয়া রাজবাড়ির তৎসংলগ্ন মন্দিররগুলোর একটি এটি
}}
* {{দেখুন
| নাম=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির | অন্য=সালামের মঠ | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= পুঠিয়া | অক্ষাংশ=24.362401 | দ্রাঘিমাংশ=88.835037 | দিকনির্দেশ= পুঠিয়া রাজবাড়ির সন্নিকটেই এর অবস্থান
| ফোন= | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| সময়সূচী= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া=কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া | চিত্র=Krishnapur Givinda Temple, Puthia 05.jpg | উইকিউপাত্ত=Q27216220
| শেষ_সম্পাদনা=2024-01-08
| বিবরণ=মন্দিরটি বর্গাকারে নির্মিত। মন্দিরের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪.২৫ মিটার। মন্দিরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে দরজা আছে। তবে পূর্ব প্রবেশ পথটির বাইরের দুপাশে এবং উপরে পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা নান্দনিকভাবে অলংকৃত। অলংকুত পূর্ব পাশের খিলান দরজাটিই মূলত প্রধান প্রবেশ পথ। পূর্ব পাশের প্রবেশ প্রথের পাশে ও উপরে তেমন কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের উপরে একটি উঁচু শিখর ছাদ আছে এবং এর উপরে ফিনিয়েল বিদ্যমান। ছাদের কার্ণিশ এবং কর্ণারসমূহ পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা চমৎকারভাবে সজ্জিত। পশ্চিম পাশের দেয়ালের বহিরাংশ সমতল এবং কোন অলংকরণ নেই। মন্দিরের ভিতরে পশ্চিম ও উত্তর পাশের দেয়ালে ১টি করে নিস বা কুলঙ্গি আছে। সাধারনত বাতি রাখার জন্য এ ধরনের নিস বা কুলঙ্গি ব্যবহৃত হতো।
}}
==যেভাবে যাবেন==
রাজধানী ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কি.মি.। সড়ক, রেল ও আকাশ এই তিনটি পথেই রাজধানী ঢাকা থেকে যাতায়াত করা যায়।
===স্থলপথে===
;বাস
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে রাজশাহী যাবার জন্য এসি-ননএসি বাস আছে। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, একতা, গ্রামীণ ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৩০ টাকা এবং এসি বাসের ১১০০/১৩০০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া বাসের ধরন ও সময়ভেদে কম বেশি হয়।
;রেল
ঢাকা থেকে রাজশাহী নিয়মিত ৪ টি রেল যাওয়া আসা করে। রেলগুলোতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের মূল্য যথাক্রমে ৩১৫, ৬০৪ এবং ৭২৫ টাকা।
{| class="wikitable"
|+ট্রেনের সময়সূচী
|-
! ট্রেন নং !! নাম !! বন্ধের দিন !! হইতে !! ছাড়ে !! গন্তব্য
|-
| ৭৫৩|| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস|| রবিবার|| ঢাকা|| ১৪৪০|| রাজশাহী
|-
| ৭৫৯|| পদ্মা এক্সপ্রেস|| মঙ্গলবার || ঢাকা|| ২৩১০|| রাজশাহী
|-
| ৭৯১|| বনলতা এক্সপ্রেস || শুক্রবার || ঢাকা|| ১৩৩০|| চাঁপাইনবাবগঞ্জ
|-
| ৭৬৯|| ধূমকেতু এক্সপ্রেস|| শনিবার || ঢাকা|| ০৬০০|| রাজশাহী
|}
===আকাশ পথে===
'শাহ মখদুম বিমানবন্দর' রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একমাত্র বিমান বন্দর। শুধু আভ্যন্তরীন রুটের উড়োজাহাজ উঠা-নামা করে। বর্তমানে শুধু রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচল করে। বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে সেবা দিয়ে থাকে।
[[File:Kalai Ruti making beside Shyama Sarobar, Puthia (02).jpg|thumb|180px|কালাই রুটি]]
==খাওয়া দাওয়া==
রাজশাহীর কালাই-রুটি খুব বিখ্যাত। শহরের বিভিন্ন জায়গাতে এই খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া শহর জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ।
রাজশাহীর গরুর মাংসের কালা ভুনা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। পবা উপজেলার নওহাটা ব্রীজে কাছে অবস্থিত হোটেলগুলোর কালা ভুনা মাংস সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শুধু হাটবারে এটি পাওয়া গেলেও বর্তমানে চাহিদার কারণে প্রতিদিনই পাওয়া যায়। কাটাখালিতে দুটি হোটেলেও প্রতিদিন এটি পাওয়া যায়। রাজশাহীর সিটি হাটে প্রতি রবিবার ও বুধবারে হাটের দিন ভাতের হোটেলগুলোতে কালাভুনা বিক্রি হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এটি পাওয়া যায়।
== কেনাকাটা ==
সাহেব বাজারে কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে, রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট আরডিএ এখানেই অবস্থিত। এই মার্কেটে বা এর আশেপাশে কাপড়, ক্রোকারিজ, প্রসাধনীসহ, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরণের জিনিস পাওয়া যায়। গনকপাড়া-নিউ মার্কেট সড়কের দুই পাশ দিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম চোখে পড়বে। নিউ মার্কেটের পাশেই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট থিম ওমর প্লাজা অবস্থিত। রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক এর উৎপাদন দেখতে ও কিনতে চাইলে যেতে সপুরায় অবস্থিত বিসিক সিল্ক বাজারে।
==রাত্রিযাপন==
{{মানচিত্রের কাঠামো}}
=== ব্যয়বহুল ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=রয়েল রাজ হোটেল এন্ড কন্ডোমিনিয়াম | অন্য=Royal Raj Hotel & Condominiums | ইউআরএল=https://www.royalrajbd.com/ | ইমেইল=admin@royalrajbd.com
| ঠিকানা=২৬/২৭ গণকপাড়া, রাজশাহী - ৬১০০ | অক্ষাংশ=24.0768101 | দ্রাঘিমাংশ=88.8550407 | দিকনির্দেশ=জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে
| ফোন=+৮৮০১৩২১২৩১৭৫৫ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| শেষ_সম্পাদনা=2023-04-19
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= পর্যটন মোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন| অন্য= | ইউআরএল= http://www.parjatan.gov.bd/site/page/851e79b8-4aba-4f0e-9af2-5d3d6d2c8cd2/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2| ইমেইল=motelrajshahi@gmail.com
| ঠিকানা= | অক্ষাংশ= 24.368032168728213 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57291067091583| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮-০২-৫৮৮৮৫৫২৩৭| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳২৫০০-৳৭,৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল | অন্য= | ইউআরএল=https://hotelnicebd.com/ | ইমেইল=hotel.nice@yahoo.com
| ঠিকানা= গণকপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.3655125488298 | দ্রাঘিমাংশ= 88.60124929937493| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801740 133933| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন_করুন
| নাম=চেজ রাজ্জাক সার্ভিস | অন্য= | ইউআরএল=http://chezrazzakservice.com | ইমেইল=chezrazzak@gmail.com
| ঠিকানা=পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.377719478453656 | দ্রাঘিমাংশ= 88.6245897999993 | দিকনির্দেশ=
| ফোন=+৮৮০৭২১৭৬২০১১ | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=$৪৫+
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2018-08-12
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= যাত্রা ফ্লাগশিপ রাজশাহী সিটি সেন্টার | অন্য= | ইউআরএল= https://flagship.jatra.com/| ইমেইল=reservation@jatra.com
| ঠিকানা= পদ্মা আবাসিক এলাকা | অক্ষাংশ= 24.378521175927606 | দ্রাঘিমাংশ= 88.62215025172497| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +880130 9552872 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম= গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেল| অন্য= | ইউআরএল=http://www.grandriverviewbd.com/ | ইমেইল= reservation@grandriverviewbd.com
| ঠিকানা= কাজিহাটা| অক্ষাংশ=24.368724441428938 | দ্রাঘিমাংশ= 88.57920642892063 | দিকনির্দেশ=
| ফোন= +8801877 766966 | নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2022-10-01
| বিবরণ=
}}
=== সাশ্রয়ী ===
* {{রাত্রিযাপন করুন
| নাম=হোটেল আনাম | অন্য= | ইউআরএল= | ইমেইল=
| ঠিকানা= মালোপাড়া, সাহেব বাজার| অক্ষাংশ= 24.36607054804341| দ্রাঘিমাংশ= 88.59988729985788| দিকনির্দেশ=
| ফোন= +৮৮ ০১৮২৮ ১৬২১৯৯| নিঃশুল্ক_ফোন_নম্বর= | ফ্যাক্স=
| আগমন= | প্রস্থান= | মূল্য=৳৫০০
| উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=
| শেষ_সম্পাদনা=2024-06-12
| বিবরণ=
}}
== পরবর্তিতে যান ==
* [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ]]
* [[নওগাঁ জেলা]]
{{ভূ|24.3667|88.6000}}
{{এর অংশ|রাজশাহী জেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী]]
eksn8bx0jrb7702xdvy0qzva7xec2qt
সোফিয়া
0
9025
77022
76980
2026-08-21T08:59:10Z
CommonsDelinker
673
Russian_church_(37591925970).jpg কে [[চিত্র:Panoramic_view_over_central_Sofia_and_the_Vitosha_Mountain_2017-10-08.jpg]] দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কারণ: [[:c:COM:FR|File renamed]]: [[:c:COM:FR#FR3|Criterion 3]] (obvious error) · Misleading name as it i
77022
wikitext
text/x-wiki
{{pagebanner|Sofia banner.JPG|unesco=yes|caption=রাতে আলোকিত স্বাধীনতা চত্বর|unesco_cc=yes}}
'''সোফিয়া''' (София) হলো [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়ার]] রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। শহরতলিসহ এখানে প্রায় ২০ লাখ মানুষ বাস করে। এটি একটি প্রাণবন্ত ইউরোপীয় রাজধানী, যেখানে ইউরোপীয় ও কমিউনিস্ট-ধাঁচের স্থাপত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ দেখা যায়। পাশাপাশি এখানে রয়েছে অনেক সুন্দর অর্থোডক্স গির্জা, যার মধ্যে সুবিশাল আলেকজান্ডার নেভস্কি ক্যাথেড্রাল এবং মধ্যযুগীয় ফ্রেস্কোসমৃদ্ধ বোয়ানা গির্জা (একটি [[ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান]]) উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, সোফিয়ার খুব কাছেই মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য ও উন্নত স্কি রিসোর্টসমৃদ্ধ ভিতোশা পর্বত রয়েছে। এমন সুবিধা থাকা অল্প কয়েকটি ইউরোপীয় রাজধানীর মধ্যে সোফিয়া অন্যতম।
==জানুন==
{{climate chart
|সোফিয়া
|-3.9 |3.5 |35.9
|-2.4 |6.5 |35.5
|1.1 |11.4 |45.3
|5.3 |16.7 |52.3
|9.8 |21.4 |73.1
|13.4 |25.2 |81.6
|15.3 |27.8 |64.7
|15.0 |28.3 |53.1
|10.9 |23.3 |52.3
|6.3 |17.6 |53.9
|1.9 |10.7 |38.1
|-2.4 |4.6 |39.9
|jansnow=249.0 |febsnow=210.0 |marsnow=154.0 |aprsnow=30.0 |maysnow=0.0 |junsnow=0.0 |julsnow=0.0 |augsnow=0.0 |sepsnow=0.0 |octsnow=15.0 |novsnow=107.0 |decsnow=210.0
|float=right
|clear=right
|source=[[:w:সোফিয়া]]
|description=
}}
[[File:Panoramic view over central Sofia and the Vitosha Mountain 2017-10-08.jpg|thumb|তুষারে ঢাকা ভিতোশার দিকে আকাশ থেকে দৃশ্য]]
গত আড়াই হাজার বছরে শহরটি বিভিন্ন নামে পরিচিত হয়েছে। রোমানরা একই ধরনের নামের একটি থ্রেসীয় উপজাতির কাছ থেকে শহরটি দখল করার পর এর নাম দেয় ''সেরডিকা''। স্লাভরা প্রথম বুলগেরীয় সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করার পর একে ''স্রেদেৎস'' নামে ডাকত। পরে উসমানীয়রা বলকান অঞ্চলে তাদের ঘাঁটি হিসেবে শহরটিকে ব্যবহার করার সময় এর নাম দেয় ''সোফিয়া'', যা গ্রিক ভাষায় "প্রজ্ঞা" অর্থে ব্যবহৃত হয়। শহরের বিভিন্ন অংশে এখনো এসব সমাজের নিদর্শন দেখা যায়।
শহরের কেন্দ্রস্থলে আজও প্রচুর পরিমাণে প্রবাহিত উষ্ণ প্রস্রবণের কারণে মানুষ প্রথম এখানে বসতি স্থাপন করেছিল। পরবর্তী সময়ে অনেক রোমান সম্রাট এই উষ্ণ প্রস্রবণের স্নানাগার পছন্দ করেন এবং শহরটিকে একটি আঞ্চলিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলেন। এমনকি সম্রাট কনস্টান্টাইন [[কনস্টান্টিনোপল|কনস্টান্টিনোপলের]] পরিবর্তে এখানে তাঁর সাম্রাজ্যের রাজধানী স্থাপনের কথাও বিবেচনা করেছিলেন।
এরপর থেকে সোফিয়ার ইতিহাসে বহু উত্থান-পতন ঘটেছে। হুনরা শহরটি লুণ্ঠন করে, পরে এটি প্রথম বুলগেরীয়দের একটি দুর্গে পরিণত হয় এবং এরপর উসমানীয়রা শহরটি অবরোধ করে পুনর্নির্মাণ করে। উসমানীয় সাম্রাজ্যের শেষ দিকে সোফিয়ার অবক্ষয় শুরু হলেও ১৮৭৮ সালে রুশদের হাতে মুক্তির পর শহরটি আবার প্রাণ ফিরে পায়। প্রথম জাতীয় গণপরিষদে সোফিয়াকে বুলগেরিয়ার রাজধানী হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এবং এরপর দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমাবর্ষণে হাজার হাজার ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সোভিয়েত লাল ফৌজ সোফিয়া দখল করে একটি কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এই সরকারের আমলে স্তালিনীয় গথিক শৈলীর সরকারি ভবন ও কংক্রিটের বহুতল ভবন নির্মিত হয়। সাম্প্রতিক নির্মাণকাজের ফলে শহরে কাচের সম্মুখভাগযুক্ত কার্যালয় ভবন এবং উচ্চমানের আবাসিক এলাকাও গড়ে উঠেছে।
===পর্যটন তথ্য===
*[https://www.visitsofia.bg/en/ VisitSofia.bg], সোফিয়ার সরকারি পর্যটন তথ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট। ইংরেজিসহ বেশ কয়েকটি ভাষায় তথ্য পাওয়া যায়।
*{{Listing|name=প্রধান পর্যটন তথ্যকেন্দ্র|address=২২ সার অসভোবোদিতেল বুলেভার্ড|lat=42.6932596|long=23.3343331|directions=সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারপাসে, মূল ভবনের দক্ষিণ পাশের মোড়ের নিচে|phone=+359 2 491 83 44|hours=সোম–শুক্র ০৯:৩০ – ১৮:০০|lastedit=2024-06-18}}
*{{Listing|name=পর্যটন তথ্যকেন্দ্র (লার্গো)|address=নেজাভিসিমোস্ত স্কয়ার|lat=42.6979560|long=23.3219135|directions=পথচারী আন্ডারপাসে/সেরডিকা ২ মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথে|phone=+359 2 49 49 315|hours=সোম–শুক্র ০৯:৩০–১৮:০০|lastedit=2024-06-18}}
*{{Listing|name=পর্যটন তথ্য কিয়স্ক|alt=''চিতালনিয়াতা'' (পাঠকক্ষ)|url=https://www.chitalnyata.bg/|lat=42.6949271|long=23.3247443|directions=ন্যাশনাল থিয়েটারের সামনের ছোট উদ্যান সিটি গার্ডেনের একটি কিয়স্কে|phone=+359 885 921 620|hours=১০:০০ – ২০:০০ (প্রতিদিন)|lastedit=2024-06-18|content=কাচের তৈরি একটি ছোট কিয়স্কে থাকা পাঠকক্ষ/গ্রন্থাগার, যা পর্যটন তথ্যকেন্দ্র হিসেবেও কাজ করে। (অন্তত একটি বই দান করে গ্রন্থাগারের সদস্যপদ নেওয়া যায়, তবে এখানকার বইগুলো কেবল বুলগেরীয় ভাষায়।)}}
==কীভাবে যাবেন==
===বিমানে===
* {{listing
| type = go
| name = সোফিয়া বিমানবন্দর
| alt = লেতিশ্তে "ভাসিল লেভস্কি" - সোফিয়া {{IATA|এসওএফ}}
| url = https://sofia-airport.eu/en/
| email =
| address =
| lat = 42.695
| long = 23.408333
| directions = শহরের কেন্দ্র থেকে ৯ কিমি পূর্বে
| phone =
| tollfree =
| fax =
| hours =
| price =
| wikipedia = সোফিয়া বিমানবন্দর
| lastedit = 2025-07-23
| image = Inside Sofia Airport 20090409 033.JPG
| wikidata = Q127951
| content = এটি বুলগেরিয়ার ব্যস্ততম বিমানবন্দর, যেখানে বছরে প্রায় ৪০ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন।
}}
২০টিরও বেশি বিমানসংস্থা সোফিয়া থেকে এবং সোফিয়ায় ফ্লাইট পরিচালনা করে। [[এথেন্স]], [[প্যারিস]], [[ভিয়েনা]], [[লন্ডন]], [[রোম]], [[আমস্টারডাম]], [[মিউনিখ]], [[ওয়ারশ]] ও ইউরোপের অন্যান্য শহরের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে। [[ভার্না]] থেকেও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট রয়েছে।
প্রচলিত বিমানসংস্থাগুলোর পাশাপাশি বুলগেরিয়ায় সেবা দেওয়া কয়েকটি স্বল্পমূল্যের বিমানসংস্থার মধ্যে রয়েছে [http://www.easyjet.com/ ইজিজেট] (লন্ডন-গ্যাটউইক, মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার থেকে/পর্যন্ত) এবং [http://www.wizzair.com/ উইজ এয়ার] (প্যারিস-বোভে, বার্সেলোনা, ব্রাসেলস-শার্লেরোয়া, ডর্টমুন্ড, আইন্ডহোভেন, লন্ডন-লুটন, মিলান-বের্গামো, রোম-ফিউমিচিনো ও ভ্যালেন্সিয়া থেকে/পর্যন্ত), এছাড়া রয়েছে রায়ানএয়ার। জাতীয় বিমানসংস্থা [http://www.air.bg/en বুলগেরিয়া এয়ার] [[আলিকান্তে]], [[আমস্টারডাম]], [[এথেন্স]], [[বার্সেলোনা]], [[বৈরুত]], [[বার্লিন ব্রান্ডেনবুর্গ বিমানবন্দর|বার্লিন]], [[ব্রাসেলস]], [[বুখারেস্ট]], [[ফ্রাঙ্কফুর্ট]], [[ইস্তাম্বুল]], [[লার্নাকা]], [[লন্ডন]] (গ্যাটউইক ও হিথ্রো), [[মাদ্রিদ]], [[মালাগা]], [[ম্যানচেস্টার]], [[পালমা দে মায়োর্কা]], [[পাফোস]], [[প্যারিস]], [[রোম]], [[স্কোপিয়ে]], [[তেল আবিব]], [[তিরানা]], [[ত্রিপোলি]], [[ভ্যালেন্সিয়া]], [[ভিয়েনা]] ও [[জুরিখ]] থেকে এবং এসব গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে।
ইজিজেট, ইউরোউইংস ও উইজ এয়ারের মতো স্বল্পমূল্যের বিমানসংস্থাগুলো টার্মিনাল ১ থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করে। অন্যদিকে বুলগেরিয়া এয়ারসহ প্রচলিত বিমানসংস্থাগুলো এবং রায়ানএয়ার টার্মিনাল ২ থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করে।
টার্মিনাল ১ ও ২-এর মধ্যে [https://sofia-airport.eu/en/access/transportation/#shuttle-bus বিনামূল্যের শাটল বাস] চলাচল করে। ০৫:০০ থেকে ২৩:০০ পর্যন্ত প্রতি ১৫–৩০ মিনিট অন্তর এই বাস চলে। এই সময়ের বাইরে তথ্যকেন্দ্রে অনুরোধ করে বিনামূল্যের শাটল বাস নেওয়া যায় অথবা ৮৪ নম্বর বাস ব্যবহার করা যায়। মধ্যরাতের পর এ পথে যাতায়াতের জন্য আপনাকে ট্যাক্সি বুক করতে বলা হতে পারে।
বিমানবন্দরে দোকান, ক্যাফে, ডাকঘর, এটিএম এবং মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র রয়েছে।
বিমানবন্দর ও শহরের কেন্দ্রস্থলের মধ্যে যাতায়াতের জন্য:
* '''[http://www.metrosofia.com/en/sofia-airport সোফিয়া মেট্রোর লাইন ৪ (হলুদ)]''' প্রতিদিন ০৫:৩০ থেকে ২৪:০০ পর্যন্ত বিমানবন্দরে চলাচল করে। স্টেশনটি টার্মিনাল ২-এর বাইরে কয়েক মিটার দূরে। ভবনের দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে বের হওয়া পর্যন্ত "সাবওয়ে" নির্দেশক চিহ্ন অনুসরণ করুন। শহরের কেন্দ্রস্থলে যেতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় লাগে। কেন্দ্রীয় বাস স্টেশনে যেতে প্রায় ৫৫ মিনিট লাগে এবং পথে একবার লাইন পরিবর্তন করতে হয়। একমুখী টিকিটের দাম ০.৮০ ইউরো। বড় আকারের প্রতিটি লাগেজের জন্য এখন আর আলাদা টিকিটের প্রয়োজন নেই। সব ধরনের গণপরিবহনে ব্যবহারের জন্য ২ ইউরো দিয়ে এক দিনের টিকিটও কিনতে পারেন। প্রবেশদ্বারের গেট এবং কয়েকটি টিকিট বিক্রয়যন্ত্রে ক্রেডিট কার্ড ও অ্যাপল পে-এর মতো পেমেন্ট অ্যাপের মাধ্যমেও মূল্য পরিশোধ করা যায়।
* '''গণপরিবহন বাস ৮৪''' উভয় টার্মিনাল ও শহরের কেন্দ্রস্থলের মধ্যে চলাচল করে। যাত্রায় ৩০–৪০ মিনিট সময় লাগে। বিমানবন্দরের সংবাদপত্রের দোকান বা টিকিট বিক্রয়যন্ত্র থেকে টিকিট কেনা যায়। বাসের ভেতরে কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্টের মাধ্যমেও ভাড়া পরিশোধ করা যায়। একমুখী টিকিটের দাম ০.৮০ ইউরো। বড় লাগেজের জন্য এখন আর অতিরিক্ত টিকিটের প্রয়োজন নেই। বাসটি অরলভ মোস্তে (সোফিয়া ইউনিভার্সিটি মেট্রো স্টেশন) থামে, সেখান থেকে মেট্রোতে পরিবর্তন করা যায়।
* বিমানবন্দর থেকে '''ট্যাক্সি''' পরিষেবা নিয়ন্ত্রিত। [https://www.oktaxi.net/ ওকে সুপারট্রান্স এডি] বিমানবন্দরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একমাত্র ট্যাক্সি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান। আগমন এলাকা থেকে বের হয়ে ডান দিকে থাকা ট্যাক্সি স্ট্যান্ড অথবা ব্যাগেজ সংগ্রহস্থল থেকে বেরোনোর পথের ঠিক পাশের ট্যাক্সি কার্যালয় থেকে ট্যাক্সি নেওয়াই ভালো। ট্যাক্সি পরিষেবা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে আসা দালাল এবং নকল "ওকে" লোগোযুক্ত চুক্তিবহির্ভূত ট্যাক্সি থেকে সতর্ক থাকুন। এসব ট্যাক্সি সাধারণত নির্ধারিত ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের বদলে টার্মিনালের সামনে অপেক্ষা করে। শহরের কেন্দ্রস্থলে যেতে ট্যাক্সিভাড়া প্রায় ১৫ ইউরো। নিয়ন্ত্রিত ট্যাক্সিভাড়া হলো: প্রাথমিক ভাড়া ১.৫০ ইউরো (রাতে ১.৭০ ইউরো), প্রতি কিমিতে দিনে ০.৭৫ ইউরো অথবা রাতে ০.৮৫ ইউরো, অপেক্ষার জন্য প্রতি মিনিটে ০.২৫ ইউরো এবং ফোনে ট্যাক্সি ডাকলে ০.৬০ ইউরো। [https://ridenow.taxi/en রাইডনাউ ট্যাক্সি অ্যাপ] ব্যবহার করেও ট্যাক্সি নেওয়া যায়।
===বাসে করে===
* {{go
| name=কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন | alt=''ৎসেন্ত্রালনা আভতোগারা'', Централна автогара | url=http://www.centralnaavtogara.bg/ | email=
| address=বুল. "কন্যাগিনিয়া মারিয়া-লুইজা" ১০০ | lat=42.710278 | long=23.323333 | directions=শহরের কেন্দ্রস্থলের উত্তরাংশে; ইন্ডিপেনডেন্স স্কয়ার ও লায়ন্স ব্রিজের মধ্য দিয়ে যাওয়া একই বড় বুলেভার্ডের পাশে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q2985753
| lastedit=2024-02-10
| content=জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় রুটের বাস চলাচল করে, তবে মূলত জাতীয় রুটের বাসই বেশি। সময়সূচি ও ভাড়া অনলাইনে বুলগেরীয় ভাষায় পাওয়া যায়। এটি কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশনের পাশে অবস্থিত, তাই মেট্রোর লাইন ২ (নীল)-এর একই স্টেশন থেকে এখানে যাওয়া যায়। এছাড়া ৭৮, ৮৫, ২১৩, ৩০৫, ৪০৪ ও ৪১৩ নম্বর বাস এবং ১, ৩, ৬ ও ৭ নম্বর ট্রামেও এখানে যাওয়া যায়।
}}
* {{go
| name=আন্তর্জাতিক বাস স্টেশন / সেরডিকা বাস স্টেশন | alt=Автогара Сердика | url= | email=
| address= | lat=42.710984 | long=23.322164 | directions=কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন ও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশনের ঠিক মাঝখানে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=
| lastedit=2024-02-10
| content=এটি একটি পার্কিং এলাকা, যার দুই পাশে টিকিট কার্যালয়সহ দুটি নিচু ভবন রয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক রুটের বাসের জন্য ব্যবহৃত হয়। বুলগেরিয়ার বড় পরিবহন প্রতিষ্ঠান [https://union-ivkoni.com/en ইউনিয়ন-ইভকোনি] তাদের কয়েকটি জাতীয় রুটের জন্যও এটি ব্যবহার করে, যেমন [[পেরনিক]], [[রাদোমির]] ও [[কিউস্তেনদিল]]গামী বাস।
}}
তিনটি ছোট বাস স্টেশন থেকে জাতীয় ও স্থানীয় রুটের বাস চলাচল করে:
* {{go
| name=পশ্চিম বাস স্টেশন (ওভচা কুপেল) | alt=''আভতোগারা জাপাদ'', Автогара Запад (Овча купел) | url= | email=
| address=বুল. "ওভচা কুপেল" ১ | lat=42.6726611 | long=23.2718127 | directions=শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে কয়েক কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে ওভচা কুপেল এলাকায়
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=
| lastedit=2024-02-10
| content=এটি প্রধানত সোফিয়ার আশপাশের স্থানীয় রুট পরিচালনাকারী ছোট পরিবহন প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করে (স্টেশনটির চেহারাতেও তার ছাপ রয়েছে)। তবে এখান থেকে [[ব্লাগোয়েভগ্রাদ]], [[দুপনিৎসা]] ও [[কিউস্তেনদিল|কিউস্তেনদিলেও]] বাস চলে। ৪ ও ১১ নম্বর ট্রাম এবং ১০৩, ১০৭ ও ২৬০ নম্বর বাসে এখানে যাওয়া যায়। নিকটতম মেট্রো স্টেশন হলো লাইন ৩ (সবুজ)-এর ওভচা কুপেল, যা একই বুলেভার্ড ধরে উত্তরে {{km|১.৪}} দূরে।
}}
* {{go
| name=দক্ষিণ বাস স্টেশন | alt=Автогара Юг | url= | email=
| address=বুল. "দ্রাগান ৎসানকভ" ২৩ | lat=42.668767 | long=23.352469 | directions=শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে কয়েক কিমি দক্ষিণ-পূর্বে ইজতক এলাকায়, বরিসোভা গার্ডেনের ওপারে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q12271078
| lastedit=2024-02-10
| content=দ্রাগান ৎসানকভ বুলেভার্ড যেখানে সামোকভ বুলেভার্ডের ওপর দিয়ে গেছে, সেই উড়ালসড়কের নিচে গুটিসুটি মেরে থাকা একটি ছোট প্রিফ্যাব ভবন। এখান থেকে [[সামোকভ]] ও [[ভেলিনগ্রাদ|ভেলিনগ্রাদে]] বাস চলে। ৬৭ ও ৪১৩ নম্বর বাসে ("ইন্টারপ্রেড" স্টপ) এবং লাইন ১ ও ৪ (লাল, হলুদ)-এর ঝোলিও কিউরি (জোলিও-কুরি) মেট্রো স্টেশন থেকে এখানে যাওয়া যায়। মেট্রো স্টেশনটি একই বুলেভার্ড ধরে দক্ষিণ বাস স্টেশনের ৪০০ মিটার উত্তরে।
}}
* {{go
| name=পোদুয়ানে বাস স্টেশন | alt=Автогара Подуяне | url= | email=
| address= | lat=42.703373 | long=23.360053 | directions=শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে কয়েক কিমি উত্তর-পূর্বে পোদুয়ানে ও সুহা রেকা এলাকার মাঝামাঝি, জর্জি আসপারুহভ স্টেডিয়ামের কাছে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=
| lastedit=2024-02-10
| content=এটিও দেখতে বেশ জীর্ণ একটি ছোট স্থাপনা। এখান থেকে সোফিয়ার উত্তরে [[বোতেভগ্রাদ]], [[এত্রোপোলে]] ও [[প্রাভেৎস|প্রাভেৎসে]] বাস চলে (তবে এসব গন্তব্যের কয়েকটি বাস কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন থেকেও ছাড়ে)। ১ নম্বর ট্রলিবাস এবং ৭৮, ৭৯, ৯০, ১০০ ও ১২০ নম্বর বাসে এখানে যাওয়া যায় (তবে কেবল ৭৯ নম্বর বাসই স্টেশনটির ঠিক সামনে থামে)। নিকটতম মেট্রো স্টেশন হলো লাইন ৩ (সবুজ)-এর শেষ স্টেশন হাজি দিমিতার, যা এখান থেকে ১০–১৫ মিনিটের হাঁটার পথ। নদীর পাশ দিয়ে বড় ভ্লাদিমির ভাজভ বুলেভার্ড ধরে পূর্ব দিকে হাঁটুন। একটি বড় মোড়ে পৌঁছে রাস্তার পূর্ব পাশে গিয়ে দক্ষিণ দিকে এগিয়ে যান। বাঁ দিকে তাকালে বাস স্টেশনের পার্কিং এলাকা দেখতে পাবেন।
}}
[[বেলগ্রেড]] (৫ ঘণ্টা, {{EUR|২৩}}) এবং [[সার্বিয়া|সার্বিয়ার]] অন্যান্য শহর, [[ভিয়েনা]] (১৫½ ঘণ্টা, {{EUR|৫৯}}) এবং [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়ার]] অন্যান্য শহর, [[প্যারিস]] (৩৬ ঘণ্টা, {{EUR|১২০}}) এবং [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] অন্যান্য শহর, [[বার্লিন]] (২৮ ঘণ্টা, {{EUR|১১০}}) এবং [[জার্মানি|জার্মানির]] অন্যান্য শহর, [[বুদাপেস্ট]] (১১–১৩ ঘণ্টা, {{EUR|৪৮}}) এবং [[প্রাগ]] (২১ ঘণ্টা, {{EUR|৬৩}}) থেকে সোফিয়ায় এবং সোফিয়া থেকে এসব গন্তব্যে বাস চলাচল করে।
কাছাকাছি গন্তব্য [[বুখারেস্ট#বাসে করে|বুখারেস্ট]] (৬ ঘণ্টা, ১৫ ইউরো থেকে) এবং [[স্কোপিয়ে#বাসে করে|স্কোপিয়েতেও]] (৫ ঘণ্টা, ২৫ ইউরো) বাস চলাচল করে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট নিবন্ধ দেখুন।
===রেলে করে===
সোফিয়া সম্ভবত দেশের বৃহত্তম রেলযোগাযোগ কেন্দ্র। প্রতিদিন চলাচলকারী সব ট্রেনের তালিকা দিতে গেলে তা প্রায় বুলগেরিয়ার পুরো রেল নেটওয়ার্কের বিবরণের মতো হয়ে যাবে। তা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুট হলো:
উত্তর বুলগেরিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া একটি প্রধান রেলপথ সোফিয়াকে [[বুলগেরীয় কৃষ্ণসাগর উপকূল|কৃষ্ণসাগর উপকূলের]] '''[[ভার্না|ভার্নার]]''' সঙ্গে যুক্ত করেছে (৮–৮½ ঘণ্টা, রাতের ট্রেনে স্লিপার কার রয়েছে)। এই রেলপথ [[শুমেন]] (প্রায় ৭ ঘণ্টা), [[তারগোভিশতে]] (৬½ ঘণ্টা) ও [[প্লেভেন|প্লেভেনের]] (৩–৩¾ ঘণ্টা) মধ্য দিয়ে গেছে। মূল রেলপথের বাইরে [[রুসে]] (প্রায় ৭ ঘণ্টা) ও '''[[ভেলিকো তারনোভো]]''' (৫–৬½ ঘণ্টা) যেতে গর্না ওরিয়াহোভিৎসায় ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। উত্তর-পশ্চিমে [[ভিদিন]] (৫–৬½ ঘণ্টা) ও [[ভ্রাৎসা]] (২–৩ ঘণ্টা) যেতে মেজদ্রায় ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। সোফিয়া থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে এই রেলপথ মনোরম ইসকার গিরিখাতের মধ্য দিয়ে বলকান পর্বতমালা অতিক্রম করে, তাই ক্যামেরা প্রস্তুত রাখুন।
[[বলকান পর্বতমালা|বলকান পর্বতমালার]] দক্ষিণে আরেকটি প্রধান রেলপথ সোফিয়াকে '''[[প্লভদিভ]]''' (২½–৩ ঘণ্টা) এবং কৃষ্ণসাগর উপকূলের '''[[বুরগাস|বুরগাসের]]''' (৭–৮ ঘণ্টা, রাতের শেষ দিকের ট্রেনগুলোতে স্লিপার কার রয়েছে) সঙ্গে যুক্ত করেছে। এছাড়া ছোট সাব-বলকান লাইনটি পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালের নিচ দিয়ে সাব-বলকান উপত্যকাগুলোর মধ্য দিয়ে গেছে। এই রেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে [[ইয়ামবোল]] (৬–৬½ ঘণ্টা), [[স্তারা জাগোরা]] (৫ ঘণ্টা), গ্রিস/তুরস্ক সীমান্তের কাছে [[সভিলেনগ্রাদ]] (৫ ঘণ্টা) এবং [[পাজারজিক]] (২–২½ ঘণ্টা) থেকে সরাসরি ট্রেনে সোফিয়া যাওয়া যায়।
আরেকটি রেলপথ সোফিয়া থেকে দক্ষিণ দিকে গ্রিসের সীমান্তের দিকে নেমে গেছে। এই পথে [[পেরনিক]] (৪০ মিনিট), উত্তর মেসিডোনিয়ার সীমান্তের কাছে [[কিউস্তেনদিল]] (৩ ঘণ্টা), [[ব্লাগোয়েভগ্রাদ]] (২–৩ ঘণ্টা), [[সান্দানস্কি]] এবং [[পেত্রিচ]] (৪ ঘণ্টা) থেকে সরাসরি ট্রেন চলাচল করে। আরও [https://razpisanie.bdz.bg/en/sofia সময়সূচি বিডিজেডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে] (ইংরেজিতে)।
সোফিয়ায় বেশ কয়েকটি রেলস্টেশন ও ট্রেন থামার স্থান রয়েছে, তবে ভ্রমণকারীদের জন্য মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ। রেলপথ সংস্কারের কারণে '''উত্তর বুলগেরিয়ার''' অধিকাংশ গন্তব্যের ট্রেন সোফিয়া নর্থ স্টেশনে এসে পৌঁছায় বা সেখান থেকে ছেড়ে যায়। বিশেষ করে ভার্নাগামী ''কয়েকটি'' "পর্যটক ট্রেন" এর ফলে প্রভাবিত হয়েছে (তবে কয়েকটি সরাসরি ট্রেন এখনো চালু রয়েছে)। তা সত্ত্বেও এসব গন্তব্যের টিকিট সোফিয়া সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে কেনা যায়। সোফিয়া সেন্ট্রাল থেকে সোফিয়া নর্থ পর্যন্ত শাটল ট্রেন চলে এবং সেখানে গিয়ে ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে।
* {{go
| name=সোফিয়া সেন্ট্রাল স্টেশন | alt=Централна железопътна гара София/ৎসেন্ত্রালনা ঝেলেজোপাতনা গারা সোফিয়া/ৎসেন্ত্রালনা গারা | url= | email=
| address= | lat=42.711943|long=23.321038 | directions=শহরের কেন্দ্রস্থলের উত্তর প্রান্তে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q2095010
| lastedit=2021-12-09
| content=স্টেশনটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে। অভ্যন্তরীণ ট্রেনগুলো প্রধান টার্মিনাল থেকে ছাড়ে এবং অভ্যন্তরীণ যাত্রার টিকিটও সেখান থেকে কেনা যায়। আন্তর্জাতিক কোনো গন্তব্যে যেতে চাইলে নিচতলার ২১ অথবা ২২ নম্বর টিকিট কাউন্টার ব্যবহার করুন। এগুলো ০৬:৩০–১৮:১৫ পর্যন্ত খোলা থাকে। কর্মীরা কিছুটা ইংরেজি বলতে পারেন এবং টিকিট বুক করতে পাসপোর্টের প্রয়োজন হবে। এখানে কেবল নগদ অর্থ গ্রহণ করা হয়। মূল তলার একেবারে বাঁ দিকের কোণে থাকা এসকেলেটর দিয়ে নিচে নেমে প্ল্যাটফর্মে যাওয়া যায়। প্ল্যাটফর্মের নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি কিছুটা বিভ্রান্তিকর: রোমান সংখ্যা দিয়ে প্ল্যাটফর্ম নম্বর (I থেকে VI) এবং আরবি সংখ্যা (১ থেকে ১২) দিয়ে প্রকৃত রেললাইন বা ট্র্যাক বোঝানো হয়। প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম পূর্ব ও পশ্চিম এই দুই ভাগে বিভক্ত। নির্ভরযোগ্য বৈদ্যুতিন তথ্যফলকে ট্রেন ছাড়া ও পৌঁছানোর তথ্য দেখানো হয়। তবে সতর্ক থাকুন, সেখানে প্ল্যাটফর্ম নম্বর নয়, ট্র্যাক নম্বর দেখানো হয়!
}}
* {{go
| name=সোফিয়া নর্থ স্টেশন | alt=София Север, '''''সোফিয়া সেভের''''' | url= | email=
| address= | lat=42.726337 | long=23.316479 | directions=সোফিয়া সেন্ট্রাল থেকে প্রায় {{km|৩}} উত্তর-পশ্চিমে: কন্যাগিনিয়া মারিয়া লুইজা বুলেভার্ড ধরে পশ্চিমে যান, এরপর রোজেন বুলেভার্ড ধরে উত্তরে গিয়ে ট্রামলাইনের টি-মোড়ে পূর্ব দিকে ঘুরুন
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q97324846
| lastedit=2024-05-08
| content=স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অল্পসংখ্যক যাত্রী ব্যবহার করেন এমন একটি দ্বিতীয় সারির স্টেশন। স্টেশনের সামনে ট্রাম ঘোরানোর একটি স্থান রয়েছে। ৩ ও ২৭ নম্বর ট্রাম এখান থেকে যাত্রা শুরু করে এবং সোফিয়া সেন্ট্রাল স্টেশন ও এর গণপরিবহন কেন্দ্রের (মেট্রো স্টেশনসহ) মধ্য দিয়ে যায়। চাইলে এসব ট্রামে আরও দূরেও যেতে পারেন: ৩ নম্বর ট্রাম পিরোৎস্কা স্ট্রিট (উইমেন্স মার্কেটের কাছে) ও ভাজরাজদানে স্কয়ারে (নেজাভিসিমোস্ত স্কয়ার ও মল অব সোফিয়ার কাছে) থামে; ২৭ নম্বর ট্রাম লায়ন্স ব্রিজ, সভেতা নেদেলিয়া স্কয়ার (নেজাভিসিমোস্ত স্কয়ারের কাছে), ভিতোশা বুলেভার্ড এবং ন্যাশনাল প্যালেস অব কালচারে থামে। সোফিয়া সেন্ট্রালে যেতে ৪১৩ নম্বর বাসও ব্যবহার করা যায়।
}}
====আন্তর্জাতিক====
'''রোমানিয়া''' থেকে প্রতিদিন দুপুরে [[বুখারেস্ট]] থেকে একটি ট্রেন ছাড়ে এবং সোফিয়া পৌঁছাতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগে; ফিরতি ট্রেনটি সোফিয়া থেকে ০৯:০০টায় ছাড়ে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এটি সরাসরি ট্রেন হিসেবে চলে। অক্টোবর থেকে মে পর্যন্ত সীমান্তের [[রুসে|রুসেতে]] ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। রাতের ট্রেন আর চলাচল করে না।
'''তুরস্ক''' থেকে একটি স্লিপার ট্রেন ২১:৪০টায় ইস্তাম্বুল হালকালি থেকে ছাড়ে। ট্রেনটি এদির্নে, সীমান্তের কাপিকুলে- যেখানে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রেন থেকে নামতে হয় এবং প্লভদিভ হয়ে ০৯:০০টার মধ্যে সোফিয়া পৌঁছায়। পূর্বমুখী ট্রেনটি সোফিয়া থেকে ১৮:৩০টায় ছেড়ে ০৫:৪০টায় ইস্তাম্বুল পৌঁছায়। ভাড়া ইউরোতে নির্ধারিত: ২০২২ সালে ইস্তাম্বুল থেকে সাধারণ একমুখী টিকিটের দাম {{EUR|৩১.৬৮}}। কুশেটের জন্য অতিরিক্ত {{EUR|১০}}, দুজনের ভাগাভাগি কেবিনে একটি শয্যার জন্য {{EUR|১৫}} অথবা পুরো কেবিনের জন্য {{EUR|৩৫}} দিতে হয়।
===গাড়িতে করে===
বুলগেরিয়ার মোটরওয়ে নেটওয়ার্কের নির্মাণকাজ এখনো চলছে।
বুলগেরিয়ার রাজধানীতে কয়েকটি প্রবেশপথ দিয়ে পৌঁছানো যায়:
* উত্তর দিকের ([[ভিদিন]]) ও দক্ষিণ দিকের ([[থেসালোনিকি]]) জন্য ই৭৯ হয়ে।
* পূর্ব দিক থেকে থ্রেস হাইওয়ে ই৮০/এ১ হয়ে।
* পশ্চিম দিক থেকে বুলগেরিয়া-সার্বিয়া সীমান্তের [[কালোতিনা]] সীমান্তচৌকি হয়ে।
সোফিয়ামুখী নিচের মোটরওয়েগুলো ইতিমধ্যে চালু রয়েছে:
* এ১ সোফিয়াকে বুরগাস ও কৃষ্ণসাগর উপকূলের পাশাপাশি ইস্তাম্বুলের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
* এ২ প্রতিটি শহর থেকে প্রায় ৮০ কিমি দূরে শেষ হয়েছে; পথের বাকি অংশ সাধারণ দুই লেনের সড়ক। শহরগুলো পর্যন্ত মোটরওয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
* এ৩ সোফিয়া থেকে থেসালোনিকি পর্যন্ত নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে; পথটির প্রায় ২/৩ ইতিমধ্যে চালু হয়েছে।
[[উত্তর মেসিডোনিয়া]] থেকে [[কিউস্তেনদিল]] হয়ে এলে সড়কগুলোর অবস্থা তুলনামূলকভাবে ভালো। তবে নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে গাড়ি চালালে ট্রাফিক পুলিশ কিংবা সড়কের অবস্থার কারণে সৃষ্ট অনেক ঝামেলা এড়ানো যায়। মধ্য ইউরোপ থেকে প্রায় পুরো পথই মহাসড়ক ধরে গাড়ি চালিয়ে আসা যায় (স্লোভেনিয়া–ক্রোয়েশিয়া–সার্বিয়া অথবা হাঙ্গেরি–সার্বিয়া হয়ে)। কেবল দক্ষিণ সার্বিয়ার [[নিশ]] ও সোফিয়ার মধ্যবর্তী শেষ ১০০ কিমি পথটি নিশাভা গিরিখাতের আশপাশের ব্যস্ত পাহাড়ি সড়ক দিয়ে গেছে এবং সড়কটির অবস্থাও খুব ভালো নয়।
==ঘুরে দেখুন==
=== গণপরিবহনে ===
[[File:Sofia Metro-Map.png|thumb|সোফিয়া মেট্রোর মানচিত্র]]
সোফিয়ায় বাস, ট্রলিবাস, ট্রাম ও মেট্রো লাইন নিয়ে গড়ে ওঠা একটি উন্নত, সাশ্রয়ী ও কার্যকর [https://www.sofiatraffic.bg/en/ গণপরিবহন ব্যবস্থা] রয়েছে। শহরের পরিবহনব্যবস্থা সম্পর্কে ভালোভাবে জানা না থাকলে পর্যটকদের কাছে এর নেটওয়ার্ক কিছুটা বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে, তবে যাত্রাপথ নির্ধারণের জন্য একটি [https://www.eway.bg/en/cities/sofia জার্নি প্ল্যানার] রয়েছে।
[[File:Sofia metro at Musagenitsa.jpg|thumb|সোফিয়ার একটি মেট্রো ট্রেন]]
[https://www.metropolitan.bg/en/information-for-citizens/trip-cards-sofia-metro মেট্রোর একক টিকিটের দাম ০.৮০ ইউরো, আর বাস/ট্রাম/ট্রলিবাসের টিকিটের দাম ০.৮০ ইউরো (৩০ মিনিটের মধ্যে অন্য পরিবহনে পরিবর্তনসহ) এবং ১.১০ ইউরো (৬০ মিনিটের মধ্যে অন্য পরিবহনে পরিবর্তনসহ)]। দৈনিক ভ্রমণ কার্ডও (২ ইউরো) রয়েছে। আপনি যদি ৪ দিন বা তার বেশি সময় থাকেন, অথবা ৩ দিন বা তার বেশি সময় থাকেন এবং সরাসরি শহরের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছান, তাহলে [https://webportal.sofiatraffic.bg/en/products গণপরিবহন কার্যালয় থেকে একটি ইলেকট্রনিক কার্ডে ৩ দিনের টিকিটও কিনতে পারেন (মেট্রো স্টেশন বা বিমানবন্দর থেকে নয়)]। ভাড়া পরিদর্শকেরা দল বেঁধে হঠাৎ বাস ও ট্রামে উঠে টিকিট পরীক্ষা করেন (এবং সাধারণত তাদের আচরণ মোটেও বন্ধুত্বপূর্ণ নয়)। কখনো কখনো তাদের সঙ্গে পুলিশও থাকে এবং নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে তারা কোনো ছাড় দেন না। জরিমানার পরিমাণ ২০ ইউরো।
কন্ট্যাক্টলেস ব্যাংক কার্ড এবং অ্যাপল পে ও গুগল পে-এর মতো পেমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিট কেনা যায়, যা বিদেশি পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে। মেট্রোর টিকিট গেটে কন্ট্যাক্টলেস চিহ্ন দিয়ে কার্ড রিডারের অবস্থান দেখানো থাকে (এটি ডান দিকে নয়, বাঁ দিকে)। বাস ও ট্রামে একই কন্ট্যাক্টলেস চিহ্নযুক্ত নীল রঙের ইলেকট্রনিক রিডার রয়েছে। কন্ট্যাক্টলেস পদ্ধতিতে টিকিট কিনলে মোট ভাড়া দৈনিক ভ্রমণ পাসের মূল্যের বেশি হবে না।
কাগজের টিকিট ও দৈনিক কার্ড অধিকাংশ সংবাদপত্রের দোকান থেকে, বিশেষ করে গণপরিবহনের স্টপসংলগ্ন দোকান এবং চালকের কাছ থেকে কেনা যায়। বাস/ট্রাম/ট্রলিবাসে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কার্ড/টিকিট যাচাই করে নিন। মেট্রোতে প্রতিবার যাত্রার আগে দৈনিক টিকিটটি টিকিট কার্যালয়ের কর্মীকে দেখাতে হয়। টিকিট বিক্রির সময় হাতে দেওয়া তারিখের ছাপ পরীক্ষা করার পর তিনি টিকিটটি গ্রহণের জন্য প্রবেশদ্বারের গেট সক্রিয় করে দেন।
[[File:Bus Number 284 at Sofia Airport 20090409 001.JPG|thumb|সোফিয়ার একটি বাস]]
শহরে ১৫টি ট্রাম লাইন, ৯টি ট্রলিবাস লাইন, ৯৩টি বাস লাইন এবং [https://www.metrosofia.com/en/maps ৪টি মেট্রো লাইন] রয়েছে। কয়েকটি বাস শহরের কেন্দ্রস্থলের বাইরের এলাকা ও আশপাশের গ্রামেও চলাচল করে। কয়েকটি দরকারি রুট হলো:
* বিমানবন্দরের উভয় টার্মিনাল থেকে শহরের কেন্দ্রস্থলে ৮৪ নম্বর বাস
* রেল/বাস স্টেশন থেকে অরলভ মোস্ত পর্যন্ত ২১৩ বা ২১৪ নম্বর বাস; অথবা ভিতোশা স্ট্রিট ও সভ. নেদেলিয়া স্কয়ারে যেতে ১, ৭ ও ১৮ নম্বর ট্রাম
* ন্যাশনাল প্যালেস অব কালচারে যেতে ১, ৬ ও ৭ নম্বর ট্রাম
* স্লাভেইকভ স্কয়ারে যেতে ১৮ নম্বর ট্রাম
* মেসিডোনিয়া স্কয়ারে যেতে ৬ নম্বর ট্রাম।
গণপরিবহন ০৫:০০–২৩:০০ পর্যন্ত চলাচল করে। এছাড়া [https://sofiatraffic.bg/en/info-center/noshtniiat-transport-v-sofiia-se চারটি রাতের পরিবহন লাইন] রয়েছে:
* এন১ (ঝ.কে. লিউলিন ০৬৫০) থেকে ম্লাদোস্ত ৪ ০৬৬৯)
* এন২ (ওবেলিয়া কোয়ার্টার ০৮৭৪ থেকে ঝ.কে. স্টুডেন্টস্কি গ্রাদ ১৬৯৪)
* এন৩ (ঝ.কে. লেভস্কি জি ২৪৩০ থেকে ঝ.কে. ওভচা কুপেল ২ ০৬৮৪)
* এন৪ (ঝ.কে. দ্রুঝবা-২ ০৬১২ থেকে ঝ.কে. গোৎসে দেলচেভ ০৬০০)
=== পায়ে হেঁটে ===
বিশেষ করে শহরের কেন্দ্রস্থলে রাস্তাগুলোর পাশে যথেষ্ট টাইলস-বসানো ফুটপাত রয়েছে। তবে এগুলো প্রায়ই অসমান ও খানাখন্দে ভরা থাকে। এছাড়া পার্ক করা গাড়ি, রাস্তার বিক্রেতা ও ক্যাফের কারণে হাঁটাচলা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। একেবারে কেন্দ্রস্থলের কিছু এলাকা ছাড়া ফুটপাতে হুইলচেয়ার চলাচলের উপযোগী ঢালু পথ বা সাইকেল আরোহীদের জন্য নির্ধারিত লেন খুব কমই রয়েছে। পথচারী পারাপারের স্থান প্রচুর এবং চালকেরাও তুলনামূলকভাবে এগুলো মেনে চলেন। বড় মোড় পার হওয়ার জন্য পথচারী ভূগর্ভপথ ব্যবহার করুন। তবে শহরতলির ভূগর্ভপথগুলো সাধারণত জরাজীর্ণ থাকায় সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
=== মিনিবাসে ===
মিনিবাস (মার্শরুতকি) থামাতে শুধু হাত নাড়লেই হয়। যানবাহন পরিবর্তন না করে কোথাও যাওয়ার জন্য এগুলো সাধারণত দ্রুতগতির মাধ্যম, তবে এখন আর খুব একটা দেখা যায় না। গাড়িতে ওঠার পর চালককে ভাড়া দিতে হয়। কোথায় এবং কখন নামতে চান, তা চালককে জানাতে হবে। ২০১১ সাল থেকে মার্শরুতকি বলতে গেলে আর চলাচল করে না।
=== ট্যাক্সিতে ===
সোফিয়ার ট্যাক্সিগুলো হলুদ রঙের। রাস্তায় ট্যাক্সি থামিয়ে নেওয়া যায় অথবা ফোনে ডাকা যায়। এগুলো দ্রুত আসে এবং সাধারণত নির্ভরযোগ্য। সোফিয়ার ভেতরে ট্যাক্সিভাড়া খুব কম ক্ষেত্রেই ১০ ইউরোর বেশি হয় এবং বিমানবন্দর থেকে শহরের কেন্দ্রস্থলে যেতে ৮–১০ ইউরো লাগে।
অনেক প্রতিষ্ঠান ট্যাক্সি পরিষেবা দেয়। এর মধ্যে ওকে সুপারট্রান্স ট্যাক্সি (৯৭৩ ২১২১), {{EUR|১}} ট্যাক্সি, "৯৬২-২২-২৬", ইয়েলো ট্যাক্সি (৯১১১৯) এবং রেডিও সিভি ট্যাক্সি (৯১২৬৩) অন্যতম। কয়েকটি ট্যাক্সি প্রতিষ্ঠানের স্মার্টফোন অ্যাপ রয়েছে। এসব অ্যাপে নিবন্ধন করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাক্সি ডাকা যায়, ফলে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকি কমে। ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত বিদেশিদের জন্য ইয়েলো ট্যাক্সির অ্যাপটি সবচেয়ে ব্যবহারবান্ধব।
কিছু ট্যাক্সি জনপ্রিয় ট্যাক্সি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকরণ করে, কিন্তু অত্যধিক ভাড়া আদায় করে। তাই ওঠার আগে ভালোভাবে যাচাই করে নিন। এসব ট্যাক্সি সাধারণত হোটেল ও পর্যটনস্থলের আশপাশে থাকে এবং অসতর্ক যাত্রীদের লক্ষ্য করে। সাধারণ নিয়ম হলো, কোনো ট্যাক্সিচালক নিজে আপনার কাছে এসে যাত্রার প্রস্তাব দিলে তা কখনো গ্রহণ করবেন না, কারণ তিনি আপনার কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। এছাড়া ট্যাক্সির সামনে চালকের নামসহ পরিচয়পত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।
রাস্তায় হাত দেখালেও ট্যাক্সিচালকেরা সব সময় থামেন না এবং অনেক সময় তাদের কাছে পর্যাপ্ত খুচরা টাকাও থাকে না। তাই সে অনুযায়ী প্রস্তুতি রাখুন (অথবা বকশিশ দিয়ে দিন!)
ট্যাক্সিমি অ্যাপ (উবারের মতো) সোফিয়ায় ভালোভাবে কাজ করে। এতে মার্কিন ফোন নম্বর ব্যবহার করা এবং ক্রেডিট কার্ডের তথ্য যোগ করা যায়, ফলে ট্যাক্সি ডাকা ও ভাড়া পরিশোধ- দুটিই স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা সম্ভব।
সাধারণ ট্যাক্সিতে ৪ জনের বেশি যাত্রী নেওয়া হয় না। তাই ছোট শিশুকে কোলে বসিয়ে বা অন্য কোনোভাবে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ট্যাক্সিতে ওঠা যাবে এমনটি ধরে নেবেন না।
=== গাড়িতে ===
আপনার পরিকল্পনা যদি কেবল সোফিয়া ঘুরে দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং দেশের অন্য কোথাও যাওয়ার ইচ্ছা না থাকে, তাহলে গাড়ি ভাড়া নেওয়া খুব একটা ভালো সিদ্ধান্ত নাও হতে পারে। কম অভিজ্ঞ চালকদের জন্য এখানে গাড়ি চালানো বেশ কষ্টকর হতে পারে। যানজট ও বিশৃঙ্খল যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত থাকুন। দেশের আরও বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখার পরিকল্পনা থাকলে স্থানীয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে গাড়ি ভাড়া নিতে পারেন (বড় ব্র্যান্ডগুলোর তুলনায় অনেক সস্তা)। বিকল্পভাবে কোনো ব্রোকারের সাহায্যও নিতে পারেন, কারণ স্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটও নেই।
গাড়ি পার্ক করার প্রয়োজন হলে অর্থের বিনিময়ে পাহারার ব্যবস্থা রয়েছে এমন পার্কিং এলাকায় রাখাই ভালো। শহরের কেন্দ্রস্থলে পার্কিং করা কঠিন এবং না জেনেই বেআইনিভাবে গাড়ি পার্ক করে ফেলতে পারেন। বিদেশি নম্বরপ্লেট বুলগেরীয় পুলিশ ও অপরাধীদের অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। কোনো এলাকায় অন্য গাড়ি পার্ক করা থাকলেও সেখানে পার্কিং নিষিদ্ধ করার কোনো চিহ্ন বা ফুটপাতে কোনো নির্দেশক চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ভালোভাবে যাচাই করুন। [https://www.sofiatraffic.bg/en/parking কর্মদিবসে শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় পার্কিংয়ের জন্য অর্থ দিতে হয়]। এই এলাকা তথাকথিত ব্লু জোন ("Синя зона") এবং গ্রিন জোনে ("Зелена зона") বিভক্ত। আপনার কাছে বুলগেরীয় মোবাইল নম্বর থাকলে এসএমএসের মাধ্যমেও পার্কিংয়ের মূল্য পরিশোধ করতে পারেন: "গ্রিন জোনের" জন্য গাড়ির নিবন্ধন নম্বর "১৩০২" নম্বরে অথবা "ব্লু জোনের" জন্য "১৩০৩" নম্বরে পাঠান। এতে আপনার ফোন বিলের মাধ্যমে এক ঘণ্টার পার্কিংয়ের মূল্য কেটে নেওয়া হবে। আগে থেকে পরিশোধ করা সময় শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে একটি সতর্কতামূলক এসএমএস পাবেন। তখন আরও এক ঘণ্টার জন্য আরেকটি বার্তা পাঠাতে পারেন অথবা গাড়ি সরিয়ে নিতে পারেন।
রাস্তার মাঝখানে থামা ট্রাম বা বাসের দিকে খেয়াল রাখুন। আপনার বাঁ পাশে কোনো ট্রাম বা বাস থেমে থাকতে দেখলে বুলগেরিয়ার সড়ক আইন অনুযায়ী আপনাকে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের ওঠানামার সুযোগ দিতে হবে। এভাবে গাড়ি না থামানো অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।
সারা বছর দিন ও রাত সব সময় গাড়ির আলো জ্বালিয়ে চালানো বাধ্যতামূলক।
=== সাইকেলে ===
সোফিয়া ইউরোপের অন্যতম সবুজ রাজধানী এবং এর বড় বড় উদ্যান সাইকেল চালানোর জন্য আদর্শ। শহরের কেন্দ্রস্থলে যানবাহনের ধীরগতিও সাইকেল চালানোর জন্য বেশ উপযোগী। সাইকেলে চললে সময় বাঁচবে এবং একই সঙ্গে শরীরচর্চাও হবে। শহরের কেন্দ্রস্থলের আশপাশে এবং ম্লাদোস্ত, নাদেঝদা ও হিপোদ্রুমার মতো এলাকায় কয়েকটি সাইকেলপথও রয়েছে। তবে সতর্ক থাকুন, কারণ অনেক গাড়ি পাশাপাশি দুই সারিতে পার্ক করা থাকে এবং চালক বা যাত্রীরা আপনাকে খেয়াল না করেই গাড়ির দরজা খুলে দিতে পারেন।
* {{go
| name=সোফিয়া বাইক রেন্টাল | alt= | url=https://www.sofiabike.com/en/ | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree=
| hours=এপ্রিল-নভেম্বর ১০:০০-২০:০০ | price=
| wikidata=
| lastedit=2025-12-23
| content=সাইকেলের মানচিত্র ব্যবহার করে নিজে সোফিয়া ঘুরে দেখুন অথবা অভিজ্ঞ সাইকেল গাইডের সঙ্গে ভ্রমণে যোগ দিন।
}}
==কী দেখবেন==
{{mapframe|42.6962452| 23.3271|zoom=14}}
{{mapshapes|Q234707}}
[[File:AlexanderNevskyCathedral-Sofia-6.jpg|thumb|আলেকজান্ডার নেভস্কি ক্যাথেড্রাল]]
সোফিয়ার প্রশাসনিক কেন্দ্রের রাস্তাগুলো বিশেষ ধরনের '''হলুদ ইট''' দিয়ে পাকা করা। এগুলো ২০শ শতকের শুরুতে বসানো হয়েছিল। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির রাজপরিবার বুলগেরিয়ার জার ফার্দিনান্দকে তাঁর বিয়ে উপলক্ষে এগুলো উপহার দিয়েছিল (যদিও অনেক ইতিহাসবিদ এটিকে সোফিয়ার তৎকালীন মেয়রের অহংপ্রসূত প্রকল্প বলে মনে করেন)। ভেজা আবহাওয়ায় এই ইট খুব সুবিধাজনক নয়, তবে এগুলো এখনো শহরের দৃশ্যে রঙিন বৈচিত্র্য যোগ করে।
===জাদুঘর===
* {{see
| name=সোফিয়া ইতিহাস জাদুঘর | alt=কেন্দ্রীয় খনিজ স্নানাগার | url=https://sofiahistorymuseum.bg/en/home | email=
| address= | lat=42.6994 | long=23.3237 | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=১০ লেভ
| wikidata=Q190435
| lastedit=2025-03-01
| content=সোফিয়া শহরের ইতিহাস নিয়ে এই জাদুঘরটি কেন্দ্রীয় খনিজ [জল] স্নানাগারের রঙিন পুরোনো ভবনে অবস্থিত (নির্মিত ১৯১৩ সালে)। প্রদর্শনীর মধ্যে রয়েছে বুলগেরিয়ার শেষ দিকের রাজাদের ব্যবহৃত বহু বিলাসবহুল সামগ্রী।
}}
* {{see
| name=জাতীয় সামরিক ইতিহাস জাদুঘর | alt= | url=http://www.militarymuseum.bg | email=nvim.pr@gmail.com
| address=৯২ চেরকোভনা স্ট্রিট | lat=42.688397 | long=23.350711 | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৪৬ ১৮ ০৫ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৪৬ ১৮ ০৬
| hours=১০:০০-১৮:০০ | price=https://militarymuseum.bg/en/visit/
| wikipedia=জাতীয় সামরিক ইতিহাস জাদুঘর (বুলগেরিয়া) | image=National Museum of Military History, Bulgaria, Sofia 2012 PD 039.jpg | wikidata=Q1066518
| lastedit=2026-07-31
| content=এটি বুলগেরিয়ার একমাত্র জাদুঘর যেখানে ৪ ধরনের প্রদর্শনী রয়েছে—খোলা আকাশের নিচে, কালানুক্রমিক, সংগ্রহভিত্তিক ও অস্থায়ী প্রদর্শনী। প্রাচীন যুগ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ২৮,০০০-এর বেশি প্রদর্শনযোগ্য বস্তু রয়েছে। বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম উন্মুক্ত প্রদর্শনীতে ৩০০-এর বেশি সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে। অস্ত্র, ইউনিফর্ম, পদক, শিল্পকর্ম, পতাকা, আলোকচিত্র, সামরিক সরঞ্জাম ইত্যাদির অত্যন্ত সমৃদ্ধ সংগ্রহও এখানে দেখা যায়।
}}
* {{see
| name=নৃবিজ্ঞান ও লোকসংস্কৃতি অধ্যয়ন ইনস্টিটিউটসহ নৃবৈজ্ঞানিক জাদুঘর | alt= | url=http://ethnography.cc.bas.bg/ | email=eim_bas@mail.bg
| address=৬এ মস্কোভস্কা স্ট্রিট | lat=42.696111 | long=23.327222 | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ৪১ ৯১ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৮০ ১১ ৬২
| hours= | price=
| wikidata=Q12279993
| content=এখানে ঐতিহ্যবাহী বুলগেরীয় পোশাকের একটি স্থায়ী সংগ্রহ এবং পরিবর্তনশীল প্রদর্শনী রয়েছে।
}}
* {{see
| name=আর্থ অ্যান্ড ম্যান জাতীয় জাদুঘর | alt=Национален музей | url=https://www.earthandman.org/language/en/front/ | email=earth.and.man@gmail.com
| address=৪ চেরনি ভ্রুহ বুলেভার্ড | lat= | long= | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৮৬৫ ৬৬ ৩৯ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৮৬৬ ১৪ ৫৭
| hours=১০:০০-১৮:০০ | price=
| wikidata=Q5327147
| content=এটি একটি বড় খনিজবিজ্ঞান জাদুঘর। প্রধান হলে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম বিশালাকার স্ফটিকের সংগ্রহ, যেখানে রেফ্রিজারেটরের সমান আকারের ঝলমলে খাঁজকাটা শিলাখণ্ড দেখা যায়।
}}
* {{see
| name=জাতীয় ইতিহাস জাদুঘর | alt=Национален исторически музей | url=http://www.historymuseum.org/ | email=nim1973@abv.bg
| address=১৬ ভিতোশকো লালে স্ট্রিট (ул. Витошко лале 16) | lat=42.654972 | long=23.270778 | directions=২ নম্বর ট্রলিতে করে বাস লাইনের শেষের গোলচত্বর পর্যন্ত যান। ব্যস্ত ওকোলোভ্রুস্তিনো শোসে (রিং রোড) পার হয়ে গাছপালার মধ্য দিয়ে হাঁটুন। জাদুঘরটি রাস্তা থেকে দেখা যায় না এবং কোনো নির্দেশনাচিহ্নও নেই।
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৫৫ ৪২ ৮০ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৫৫ ৭৬ ০২
| hours=০৯:৩০-১৮:০০ | price=১০ লেভ, শিক্ষার্থীদের জন্য ১ লেভ
| image=Sofia - National Museum of History.jpg | wikidata=Q1968325
| content=রেজিদেনৎসিয়া বোয়ানায় অবস্থিত জাতীয় ইতিহাস জাদুঘরে প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বুলগেরিয়ার ইতিহাসকে যতটা সম্ভব বিস্তৃত ইউরোপীয় প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়েছে। ৬৫০,০০০-এর বেশি প্রদর্শনযোগ্য বস্তু নিয়ে এটি বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম ইতিহাস জাদুঘরগুলোর একটি, তাই এখানে কয়েক ঘণ্টা কাটানোর প্রস্তুতি নিয়ে আসুন। প্রধান আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে থ্রেসীয় যুগের (প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতক) এবং রোমান যুগের সোনা ও রুপার পাত্র এবং গয়না। প্রায় অর্ধেক প্রদর্শনীর সঙ্গে ইংরেজি বর্ণনা রয়েছে।
}}
* {{see
| name=জাতীয় প্রত্নতত্ত্ব ইনস্টিটিউট ও জাদুঘর | alt= | url=http://www.naim.bg/ | email=aim-bas@aclubcable.com
| address=২ সাবোরনা স্ট্রিট | lat=42.696331 | long=23.324564 | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ২৪ ০৬ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ২৪ ০৫
| hours=১০:০০-১৮:০০ | price=১০ লেভ
| wikipedia=জাতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর (বুলগেরিয়া) | image=Sofia Archaeological museum.jpg | wikidata=Q1497827
| content=
}}
* {{see
| name=জাতীয় পলিটেকনিক জাদুঘর | alt= | url= | email=polytechnic@abv.bg
| address=৬৬ ওপালচেনস্কা স্ট্রিট | lat=42.70405 | long=23.31199 | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৮৩১ ৩০ ০৪ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৩১ ৪০ ৪৬
| hours=০৯:০০-১৭:০০ | price=
| wikipedia=জাতীয় পলিটেকনিক জাদুঘর | image=Politechnical-museum-interior.jpg | wikidata=Q6974996
| content=
}}
* {{see
| name=জাতীয় প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর | alt= | url=http://www.nmnhs.com/ | email=
| address=১, জার ওসভোবোদিতেল বুলেভার্ড | lat=42.695683 | long=23.328464 | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৭ ৪১ ৯৫ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ২৮ ৯৪
| hours=১০:০০-১৮:০০ | price=
| wikipedia=জাতীয় প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর (বুলগেরিয়া) | image=Natural-history-sofia-ifb.JPG | wikidata=Q6974486
| content=চারতলা জুড়ে শিলা ও খনিজ থেকে শুরু করে পোকামাকড় এবং সংরক্ষিত বাইসন পর্যন্ত নানা কিছু রয়েছে। বৃষ্টির বিকেল কাটানোর জন্য এটি একটি সুন্দর জায়গা।
}}
* {{see
| name=দ্য রেড ফ্ল্যাট | alt= | url=https://redflatsofia.com/ | email=
| address=২৪ ইভান দেনকোগলু স্ট্রিট | lat=42.693911 | long=23.319845 | directions=
| phone=+৩৫৯ ৯৮ ৮২৫ ২০৩২ | tollfree=
| hours=প্রতিদিন ১০:৩০–১৯:৩০ | price=
| lastedit=2025-12-23
| content=এটি অর্ধেক ভ্রমণ, অর্ধেক অভিজ্ঞতা। ১৯৮০-এর দশকের পুরোনো কমিউনিস্ট আমলের একটি ফ্ল্যাটের আদলে সাজানো বাড়ির ভেতর ঘুরে দেখুন। প্রায় সবকিছুই ছুঁয়ে দেখা ও ব্যবহার করার অনুমতি রয়েছে। ইংরেজি, স্প্যানিশ ও বুলগেরীয় ভাষায় অডিও গাইড রয়েছে।
}}
* {{see
| name=ইভান ভাজভের বাড়ি-জাদুঘর | alt= | url=http://nlmuseum.bg/index.php/filiali/otdel-ekspozitzii/ivan-vazov/kashta-muzei-ivan-vazov | email=
| address= | lat=42.69301 | long=23.32758 | directions=জি. রাকভস্কি ও ইভান ভাজভ স্ট্রিটের কোণে।
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q61412859
| content=
}}
* {{see
| name=ক্রীড়া জাদুঘর | alt= | url= | email=
| address=১এ বুলগেরিয়া বুলেভার্ড | lat=42.688057 | long=23.334656 | directions=ভাসিল লেভস্কি জাতীয় স্টেডিয়াম
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৩০ ০৭ ৬১ | tollfree=
| hours=০৯:০০ থেকে ১৭:০০ | price=
| wikidata=Q12287455
| content=
}}
* {{see
| name=জীবাশ্মবিদ্যা ও ঐতিহাসিক ভূতত্ত্ব জাদুঘর | alt= | url=https://gpff.gea.uni-sofia.bg/facilities/museum/ | email=
| address=১৫ জার ওসভোবোদিতেল বুলেভার্ড | lat=42.6934 | long=23.33523 | directions=সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে।
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৩০ ৮২ ০০ | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q110779966
| content=
}}
* {{see
| name=জাতীয় সাহিত্য জাদুঘর | alt= | url=http://nlmuseum.bg/ | email=
| address=১৩৮ জি. এস. রাকভস্কি স্ট্রিট, ২য় তলা | lat=42.689167 | long=23.323056 | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ২৪ ৯৩ | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q61411527
| content=
}}
* {{see
| name=জাতীয় কৃষি জাদুঘর | alt= | url= | email=
| address=৩০ সুহোদোলস্কা স্ট্রিট | lat= | long= | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯২৯ ৬৭ ৫৩ | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q108666396
| content=
}}
* {{see
| name=জাতীয় গির্জা-ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর | alt= | url=https://bg-patriarshia.bg/church-arch-instit | email=nciam@bg-patriarshia.bg
| address=১৯ স্বেতা নেদেলিয়া স্কয়ার | lat= | long= | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ১৩ ৪৩ | tollfree=
| hours=০৯:০০ থেকে ১৭:০০ | price=
| content=
}}
* {{see
| name=সোফিয়া আঞ্চলিক ইতিহাস জাদুঘর | alt= | url=https://www.sofiahistorymuseum.bg/en/ | email=
| address=১ বানস্কি স্কয়ার | lat=42.69937 | long=23.32356 | directions=বানিয়া বাশি মসজিদের পেছনে
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৫ ৪৪ ৫৫ | tollfree=
| hours=মঙ্গল–রবি ১০:০০-১৮:০০ | price=
| lastedit=2024-10-09
| content=
}}
===চিত্রশালা===
* {{see
| name=সমাজতান্ত্রিক শিল্পকলা জাদুঘর | alt= | url=https://nationalgallery.bg/visiting/museum-of-socialist-period/ | email=
| address=৭, লুচেজার স্তানচেভ সড়ক | lat=৪২.৭ | long=২৩.৩৩ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours=মঙ্গল - রবি, ১০:০০ - ১৮:০০ | price=
| image=Museum of Sozart 5.jpg | wikidata=Q4306473
| lastedit=2025-12-23
| content=সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং বুলগেরিয়ায় কমিউনিজমের অবসানের পর দেশটির কমিউনিস্ট আমলের শিল্পকর্মের একটি বড় অংশ শেষ পর্যন্ত এখানে সংগ্রহ করা হয়। জাদুঘরের বাইরে (যেখানে বিনামূল্যে প্রবেশ করা যায়) একটি ছোট উদ্যান রয়েছে। সেখানে উল্লেখযোগ্য কমিউনিস্ট ব্যক্তিদের মূর্তির পাশাপাশি লেনিনের বিভিন্ন ধরনের মূর্তিও রয়েছে।
}}
* {{see
| name=জাতীয় শিল্পকলা গ্যালারি | alt= | url=https://nationalartgallerybg.org/ | email=
| address=১ বাতেনবার্গ চত্বর | lat=৪২.৬৯৬৪৮১ | long=২৩.৩২৬৭৮৬ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮০ ০০ ৯৩ | tollfree= | fax=
| hours=১০:৩০ থেকে ১৮:০০ | price=
| wikipedia=জাতীয় শিল্পকলা গ্যালারি (বুলগেরিয়া) | image=Royal Palace Sofia.jpg | wikidata=Q2991178
| content=এখানে পুরোনো বুলগেরীয় শিল্পকর্ম, আইকন ইত্যাদি রয়েছে। সাবেক বিদেশি শিল্পকলা জাতীয় গ্যালারির সংগ্রহও এর অন্তর্ভুক্ত। এসব সংগ্রহ জাতীয় শিল্পকলা গ্যালারির ১৯শ ও ২০শ শতাব্দীর সংগ্রহের সঙ্গে ন্যাশনাল গ্যালারি স্কয়ার ৫০০-তে ([https://nationalgallery.bg/visiting/kvadrat-500/ কোয়াদ্রাত ৫০০] বুলগেরীয় ভাষায়) প্রদর্শিত হয়। এটি ১, ১৯শ ফেব্রুয়ারি সড়ক, সেন্ট আলেকজান্ডার নেভস্কি চত্বরে অবস্থিত এবং মঙ্গল-রবি ১০:০০-১৮:০০ পর্যন্ত খোলা থাকে; সোমবার ও ছুটির দিনে বন্ধ থাকে।
}}
* {{see
| name=সোফিয়া সিটি আর্ট গ্যালারি | alt=সোফিয়স্কা গ্রাদস্কা হুদোজেস্তভেনা গালেরিয়া | url=http://www.sghg.bg/ | email=
| address=১ জেনারেল গুরকো সড়ক | lat=৪২.৬৯৪৪৮৯ | long=২৩.৩২৪২৮ | directions=প্রবেশপথটি নিয়াজ আল. বাতেনবার্গ সড়কে
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৭ ২১৮১ | tollfree=
| hours=১০:০০ থেকে ১৯:০০ | price=প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বৃহস্পতিবার বিনামূল্যে প্রবেশ
| wikidata=Q12294210
| content=
}}
===গির্জা===
[[File:Alexander Nevsky Cathedral 31.jpg|thumb|আলেকজান্ডার নেভস্কি ক্যাথেড্রাল]]
* {{see
| name=সেন্ট আলেকজান্ডার নেভস্কি ক্যাথেড্রাল | alt=স্বেতি আলেকসান্দার নেভস্কি, আলেকসান্দার নেভস্কি | url=https://www.cathedral.bg/en/home/ | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৫৮৩৯ | long=২৩.৩৩২৯৬৯ | directions=আলেকজান্ডার নেভস্কি চত্বর
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikidata=Q43282
| lastedit=2025-12-28
| content=এটি বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম গির্জা এবং বিশ্বের বৃহত্তম খ্রিস্টান গির্জাগুলোর একটি। এখানে ৫,০০০ উপাসকের স্থান হয়। সেন্ট আলেকজান্ডার নেভস্কি ছিলেন একজন রুশ যুবরাজ। ১৮৭৭–১৮৭৮ সালের রুশ-তুর্কি যুদ্ধে নিহত রুশ সৈন্যদের সম্মানে এই ক্যাথেড্রাল নির্মিত হয়। ওই যুদ্ধের ফলে বুলগেরিয়া উসমানীয় শাসন থেকে মুক্ত হয়।
}}
* {{see
| name=সেন্ট সোফিয়া গির্জা | alt=ৎসারকভা „স্বেতা সোফিয়া“ | url= | email=
| address=২ প্যারিস সড়ক | lat=৪২.৬৯৬৫ | long=২৩.৩৩১৫ | directions=আলেকজান্ডার নেভস্কি ক্যাথেড্রাল থেকে চত্বরের অপর পাশে ডান দিকে
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikidata=Q602853
| lastedit=2025-12-28
| content=এটি ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে [[কনস্টান্টিনোপল|কনস্টান্টিনোপলের]] হাগিয়া সোফিয়ার নির্মাণকালের একই পর্যায়ে নির্মিত হয়। ১৩২৯ সালে এই গির্জার নাম থেকেই শহরটির নামকরণ হয়। এটি বেশ কয়েকবার ধ্বংস হয়েছে এবং উসমানীয় শাসনামলে মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। গির্জাটি আরও পুরোনো, ৪র্থ শতাব্দীর একটি গির্জার ওপর নির্মিত। খনন করা ভূগর্ভস্থ কক্ষ ও সমাধির মধ্য দিয়ে সেই পুরোনো গির্জার নিদর্শন ঘুরে দেখা যায়।
}}
[[File:Boyana Church.JPG|thumbnail|বোয়ানা গির্জা]]
* {{see
| name=বোয়ানা গির্জা | alt= | url=https://boyanachurch.org/indexen.htm | email=
| address=১-৩ বোয়ানস্কো এজেরো সড়ক | lat=৪২.৬৪৪৬৭২ | long=২৩.২৬৬১৭২ | directions=ভিতোশা মেট্রো স্টেশন থেকে ৬৪ নম্বর বাসে বোয়ানা গির্জা স্টপে নামুন। সেখানে কয়েকটি দোকান ও ৫-তারকা "অল সিজনস রেসিডেন্স" হোটেলসহ একটি ছোট চত্বর রয়েছে
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৫৯ ০৯ ৩৯ | tollfree=
| hours=এপ্রিল-অক্টোবর: ০৯:৩০-১৬:০০; নভেম্বর-মার্চ: প্রতিদিন ৯:০০-৫:৩০ | price=
| wikidata=Q276553
| lastedit=2025-12-28
| content=১১শ শতাব্দীর এই ছোট গির্জা ও এর বাগানটি সুসংরক্ষিত দেয়ালচিত্রের জন্য [[ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা|ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায়]] অন্তর্ভুক্ত। ১২৫৯ সালের ফ্রেস্কোর স্তরে যে বাস্তবতা ও আবেগ ফুটে উঠেছে, তা প্রারম্ভিক [[রেনেসাঁ|রেনেসাঁর]] কথা মনে করিয়ে দেয়, যদিও এগুলো তার এক শতাব্দী আগেই আঁকা হয়েছিল। ভেতরটি অন্ধকার ও সংকীর্ণ হওয়ায় সেখানে ছবি তোলা নিষিদ্ধ। ভেতরে ব্যাখ্যামূলক তথ্য খুবই কম; চাইলে সেখানকার ভ্রমণ নির্দেশক ভাড়া করতে পারেন অথবা দায়িত্বরত গাইডকে প্রশ্ন করতে পারেন। একবারে মাত্র ৮ জনকে সর্বোচ্চ ১০ মিনিটের জন্য ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। ব্যস্ত সময়ে এক ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে সারিটি দর্শনার্থীরাই নিজেরা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বজায় রাখেন, তাই কিছুক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করার জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং আপনার পরে কে এসেছে তা মনে রাখুন! এটি [[ভিতোশা]] পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এবং পর্বতে দিনের ভ্রমণ শুরু করার জন্য একটি ভালো জায়গা।
}}
* {{see
| name=সেন্ট জর্জ গির্জা | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬৮৬১ | long=২৩.৩২২৮৬১ | directions=শেরাটন হোটেলের পেছনে
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=সেন্ট জর্জ গির্জা, সোফিয়া | image=StGeorgeRotundaSofia.JPG | wikidata=Q2598073
| content=
}}
* {{see
| name=সেন্ট জোসেফ ক্যাথলিক ক্যাথেড্রাল | alt= | url=http://www.catholic-bg.org | email=
| address=১২৫, নিয়াজ বরিস প্রথম | lat=৪২.৬৯৮৬১১ | long=২৩.৩১৯৭২২ | directions=শেরাটন হোটেলের পাশে
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮১৫৫৪৮ | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=সেন্ট জোসেফ ক্যাথেড্রাল, সোফিয়া | image=| wikidata=Q598811
| content=পবিত্র মিসা: শনিবার ১৭:৩০ ও রবিবার ১০:৩০-এ বুলগেরীয় ভাষায়; ১২:০০-এ লাতিন ভাষায়; ১৮:০০-এ বুলগেরীয় ভাষায়।
}}
* {{see
| name=সেন্ট নেদেলিয়া | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬৭৭৮ | long=২৩.৩২১৫৫১ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=সেন্ট নেদেলিয়া গির্জা | image=P7120041.JPG | wikidata=Q520753
| lastedit=2016-07-31
| content=
}}
* {{see
| name=সেন্ট নিকোলাস অর্থোডক্স গির্জা | alt= | url=http://podvorie-sofia.bg/ | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৫৭ | long=২৩.৩২৯১ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=রুশ গির্জা, সোফিয়া | image=The Russian Church in Sofia.jpg | wikidata=Q873892
| lastedit=2017-08-24
| content=
}}
===অন্যান্য উপাসনালয়===
শহরটিকে "ধর্মীয় সহনশীলতার ত্রিভুজ" হিসেবে বর্ণনা করা হয়, কারণ বিশ্বের তিনটি প্রধান ধর্ম—খ্রিস্টধর্ম, ইসলাম ও ইহুদি ধর্মের উপাসনালয় পরস্পরের দুই ব্লকের মধ্যেই অবস্থিত।
* {{see
| name=বানিয়া বাশি মসজিদ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৯৫১১ | long=২৩.৩২২৫৭৫ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=বানিয়া বাশি মসজিদ | image=Banyabaşı Mosque, Sofia 2007.jpg | wikidata=Q790052
|lastedit=2021-12-03| content=সুন্দর অথচ সাধারণ নকশার একটি উসমানীয় মসজিদ। এটি মিমার সিনান নির্মাণ করেন। মসজিদটি এখনো সক্রিয় এবং ভেতরে একজন গাইড রয়েছেন।
}}
* {{see
| name=সোফিয়া সিনাগগ | alt= | url=http://www.sofiasynagogue.com/ | email=
| address= | lat=৪২.৭০০২৭৮ | long=২৩.৩২১০১১ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours=০৯:০০ থেকে ১৬:৩০ | price=
| wikipedia=সোফিয়া সিনাগগ | image=Sofia Synagogue 11c.jpg | wikidata=Q942127
| content=ইউরোপের বৃহত্তম সিনাগগগুলোর একটি।
}}
===ঐতিহাসিক ভবন===
[[File:Battenberg Mausoleum Sofia 7.jpg|thumb|বাতেনবার্গ সমাধিসৌধ]]
সোফিয়া ইউরোপের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি এবং শহরের কেন্দ্রজুড়ে প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।
* {{see
| name=সেরডিকার অ্যাম্ফিথিয়েটার | alt= | url= | email=
| address= | lat= | long= | directions=শহরের ভৌগোলিক কেন্দ্রে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকাগুলোর নিচে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q980970
| content=
}}
১৮৭৮ সালে বুলগেরিয়া উসমানীয় সাম্রাজ্যের কাছ থেকে স্বায়ত্তশাসন লাভ করলে বাতেনবার্গের আলেকজান্ডার বুলগেরিয়ার প্রথম যুবরাজ নির্বাচিত হন।
* {{see
| name=বাতেনবার্গ সমাধিসৌধ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯১৪৩ | long=২৩.৩৩২৬৪ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q3137068
| content=আধুনিক বুলগেরিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান, বুলগেরিয়ার যুবরাজ প্রথম আলেকজান্ডারের (১৮৫৭–১৮৯৩) সমাধিসৌধ ও শেষ শয়নস্থান।
}}
* {{see
| name=নিয়াজ বাতেনবার্গের প্রাসাদ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬৪৮১ | long=২৩.৩২৬৭৮৬ | directions=সিটি গার্ডেনের সামনে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q6057793
| content=
}}
===স্মৃতিস্তম্ভ===
* {{see
| name=ভাসিল লেভস্কি স্মৃতিস্তম্ভ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬৭ | long=২৩.৩৩৫৩ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q1703313
| content=১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৩ এই শহরে বুলগেরিয়ার জাতীয় বীর ও বিশিষ্ট বিপ্লবী ভাসিল লেভস্কিকে ফাঁসি দেওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে।
}}
* {{see
| name=জার মুক্তিদাতা স্মৃতিস্তম্ভ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৩৭ | long=২৩.৩৩২৩ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q2037523
| content=এটি স্বাধীনতার শক্তির প্রতীক। এর বিপরীতে রয়েছে জাতীয় পরিষদ এবং বুলগেরীয় বিজ্ঞান একাডেমি।
}}
* {{see
| name=অজ্ঞাতনামা সৈনিকের স্মৃতিস্তম্ভ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬২৫ | long=২৩.৩৩১৫৩ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q585900
| content=আলেকজান্ডার নেভস্কি ক্যাথেড্রালের বিপরীতে; হাগিয়া সোফিয়া গির্জার পাশে।
}}
* {{see
| name=জার সামুইল স্মৃতিস্তম্ভ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬২৮ | long=২৩.৩৩০৫৩ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| lastedit=2016-07-31
| content=বুলগেরীয় সামরিক নেতা ও জার সামুইলের একটি মূর্তি। তিনি ৯৯৭ থেকে ১০১৪ সাল পর্যন্ত বুলগেরিয়া শাসন করেন।
}}
* {{see
| name=রুশ স্মৃতিস্তম্ভ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯২৩ | long=২৩.৩১০৫ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q2042926
| lastedit=2016-07-31
| content=রুশদের নির্মিত একটি ওবেলিস্ক।
}}
* {{see
| name=সোভিয়েত সেনাবাহিনীর স্মৃতিস্তম্ভ | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯০৫৫ | long=২৩.৩৩৪৪৪ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q153525
| lastedit=2021-09-22
| content=
}}
===জনসাধারণের চত্বর===
* {{see
| name=লার্গো | alt=লার্গো, স্বাধীনতা চত্বর | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৭৭ | long=২৩.৩২৩৩ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q6489272
| content=সমাজতান্ত্রিক ধ্রুপদি স্থাপত্যশৈলীর ৩টি ভবন নিয়ে এই স্থাপনাগুচ্ছ গড়ে উঠেছে। এলাকাটি শহরের প্রতিনিধিত্বমূলক কেন্দ্র হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। উত্তর দিকে রয়েছে মন্ত্রী পরিষদ এবং টিএসইউএম ডিপার্টমেন্ট স্টোর; পূর্ব দিকে রয়েছে চূড়ার জন্য পরিচিত জাতীয় পরিষদ (সাবেক কমিউনিস্ট পার্টির সদর দপ্তর); আর দক্ষিণ দিকে রয়েছে রাষ্ট্রপতির প্রশাসনিক ভবন (সাবেক রাষ্ট্রীয় পরিষদ) এবং বলকান হোটেল।
}}
* {{see
| name=বাতেনবার্গের যুবরাজ আলেকজান্ডার চত্বর | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৬১১১ | long=২৩.৩২৬৩৮৯ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q3400979
| content=সোফিয়ার বৃহত্তম চত্বর। এখানে জাতীয় শিল্পকলা গ্যালারি রয়েছে।
}}
* {{see
| name=পেতকো আর. স্লাভেইকভ চত্বর | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯১৯২ | long=২৩.৩২৪৩ | directions=গ্রাফ ইগনাতিয়েভ সড়ক ধরে, সোলুনস্কা সড়ক ও রাকোভস্কি সড়কের মাঝখানে
| phone= | tollfree=
| hours= | price=বিনামূল্যে
| wikidata=Q3401326
| content=এটি একটি বিখ্যাত চত্বর এবং সোফিয়ার প্রাণকেন্দ্র। এখানে লেখক পিতা-পুত্র স্লাভেইকভের একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এটি বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম খোলা আকাশের নিচে বইয়ের বাজার। এখানে গোলাকার বেঞ্চ রয়েছে এবং প্রায়ই পথসংগীতশিল্পীরা গানবাজনা করেন।
}}
* {{see
| name=পাত্রিয়ার্হ এভতিমি চত্বর | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৮৮৩ | long=২৩.৩২৮৫ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q3400915
| content=মানুষের দেখা-সাক্ষাতের একটি জনপ্রিয় স্থান।
}}
* {{see
| name=ন্যাশনাল প্যালেস অব কালচার পার্ক | alt= | url=http://www.ndk.bg | email=
| address= | lat=৪২.৬৮৪৭২২ | long=২৩.৩১৮৮৮৯ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q3269914
| lastedit=2016-07-31
| content=
}}
===উদ্যান ও বাগান===
* {{see
| name=বরিসোভা গ্রাদিনা (বরিস উদ্যান) | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৮৮৬ | long=২৩.৩৩৭৯ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q893826
| content=এটি শহরের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে পরিচিত উদ্যান। এর মধ্যে আরিয়ানা হ্রদও রয়েছে।
}}
* {{see
| name=সিটি গার্ডেন | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৫২ | long=২৩.৩২৫৬ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q5123174
| content=এটি শহরের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে কেন্দ্রীয় জনউদ্যান, যা ১৮৭২ সাল থেকে রয়েছে।
}}
* {{see
| name=সোফিয়া চিড়িয়াখানা | alt= | url=http://www.zoosofia.eu/ | email=
| address=১ স্রেবারনা সড়ক | lat=৪২.৬৫৮২ | long=২৩.৩২৯৭ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours=০৯:০০ থেকে ১৭:০০ | price=
| wikidata=Q966676
| content=
}}
[[File:Sofia South Park.jpg|thumb|ইউজেন পার্ক (সাউথ পার্ক)]]
* {{see
| name=ইউজেন পার্ক (সাউথ পার্ক) | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৭০১৫৩ | long=২৩.৩০৮৪১৪ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q12299485
| content=শহরের দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত এটি একটি সুন্দর উদ্যান, যদিও সপ্তাহান্তে একটু বেশি ভিড় হয়। খোলা জায়গার ক্যাফে, শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের বিনোদনের ব্যবস্থা এবং হাঁসসহ কয়েকটি পুকুরের কারণে জায়গাটি বেশ প্রাণবন্ত।
}}
* {{see
| name=ওবরিশতে পার্ক | alt=জাইমভ পার্ক | url= | email=
| address=ইয়ানকো সাকাজভ বুলেভার্ড | lat=৪২.৬৯৭৪৫৮ | long=২৩.৩৪২৩৪৪ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q12280284
| lastedit=2016-07-31
| content=শহরের কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত একটি উদ্যান, যেখানে খাওয়া ও পানীয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
}}
* {{see
| name=কামবানিতে পার্ক | alt=বেলস পার্ক | url= | email=
| address=ম্লাদোস্ত ১৭৫৬ | lat=৪২.৬১৮৪৪০৮ | long=২৩.৩৭৬৬২৩৪ | directions=বিজনেস পার্ক মেট্রো স্টেশন থেকে ৩১৪ নম্বর বাসে রেসিডেনশিয়াল পার্ক সোফিয়া পর্যন্ত যান; সেখান থেকে অল্প হাঁটার পথ
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q61722653
| lastedit=
| content=বিশ্বের প্রতিটি দেশের ঘণ্টা নিয়ে গড়ে ওঠা একটি উদ্যান।
}}
===স্থাপত্য===
* {{see
| name=অরলোভ মোস্ত | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯০৫৫৬ | long=২৩.৩৩৭৫ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=ঈগলস ব্রিজ, সোফিয়া | image=Adlerbrücke Sofia c 014.JPG | wikidata=Q358267
| content=সোফিয়ার কেন্দ্রের কাছে পারলোভস্কা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু।
}}
* {{see
| name=লাভোভ মোস্ত | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৭০৫ | long=২৩.৩২৩৮৮৯ | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=লায়নস ব্রিজ, সোফিয়া | image=Lion's Bridge, Sofia 1.jpg | wikidata=Q1138538
| lastedit=2016-07-31
| content=কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনের কাছে ভ্লাদাইস্কা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু।
}}
* {{see
| name=স্নেইল হাউস | alt= | url= | email=
| address=বুলেভার্ড "সিমেওনোভস্কো শোসে ১৮৭, ১৪৩৪ সিমেওনোভো | lat=৪২.৬১৭৩ | long=২৩.৩৩৪৮ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| lastedit=2025-12-23
| content=দুটি শুঁড়সহ প্যাস্টেল রঙের ডোরাকাটা বিশাল এক শামুকের আকৃতিতে নির্মিত পাঁচতলা আবাসিক ভবন।
}}
==কী করবেন==
* {{do
| name=সোফিয়া বাইক ট্যুর | alt= | url=http://www.sofiagreentour.com/ | email=
| address=ডিয়াকন ইগনাতি, ৫ | lat= | long= | directions=শুরুর স্থান: জাতীয় থিয়েটার "ইভান ভাজভ"।
| phone=+৩৫৯ ৮৮৫৫২৩৬৩০ | tollfree= | fax=
| hours=এপ্রিল–নভেম্বর | price=
| content=প্রতিদিন ১১:০০ ও ১৭:০০-এ "বিনামূল্যের" বাইক ভ্রমণে সোফিয়া ও আশপাশের গ্রামাঞ্চল ঘুরে দেখুন। তবে ভ্রমণে অংশ নিতে হলে ট্যুর পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে একটি সাইকেল ভাড়া নিতে হবে। আর বরাবরের মতোই, এখানে "বিনামূল্য" বলতে আসলে "বকশিশ দিলে খুবই প্রশংসা করা হবে"—এই অর্থ বোঝানো হয়েছে। এই ভ্রমণটি তাদের অর্থের বিনিময়ে পরিচালিত অন্যান্য ট্যুরের প্রচারের মাধ্যমও হতে পারে; তাই কিছু ঠিক করার আগে সবসময় তুলনা করে নিন।
}}
* {{do
| name=খেলার মাঠ | alt= | url= | email=
| address= | lat= | long= | directions=
| phone= | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| content=শিশুদের নিয়ে ভ্রমণ করলে তারা খেলার মাঠগুলো পছন্দ করতে পারে। অপেক্ষাকৃত ভালো সুবিধাসম্পন্ন খেলার মাঠটি ভাসিল লেভস্কি স্টেডিয়ামসংলগ্ন উদ্যানে অবস্থিত (অরলোভ মোস্তের কোণের কাছে; আসলে এই কোণের কাছে দুটি খেলার মাঠ রয়েছে, এর মধ্যে উদ্যানের একটু ভেতরেরটিতে যেতে হবে)।
}}
* '''ফুটবল''' – পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দল ভাসিল লেভস্কি স্টেডিয়ামে (ধারণক্ষমতা ৪৩,০০০) খেলে, যা শহরের কেন্দ্র থেকে ১ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে। শহরের পাঁচটি ক্লাব বুলগেরিয়ার শীর্ষ স্তরের প্রথম লিগে খেলে:
** [https://cska.bg/ সিএসকেএ সোফিয়া] জাতীয় স্টেডিয়ামের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত বুলগেরিয়ান আর্মি স্টেডিয়ামে (ধারণক্ষমতা ২৩,০০০) খেলে।
** [https://bg.cska1948.bg/ সিএসকেএ ১৯৪৮] ২০১৬ সালে সিএসকেএ সোফিয়ার অভ্যন্তরীণ বিরোধের পর গঠিত হয়। তারা শহর থেকে ১৫ কিমি দক্ষিণে স্তাদিওন বিস্ত্রিৎসায় (ধারণক্ষমতা ২,৫০০) খেলে; দ্বিতীয় লিগের সেপতেমভ্রির সঙ্গেও এই স্টেডিয়াম ভাগাভাগি করে।
** [https://levski.bg/ লেভস্কি সোফিয়া] শহরের কেন্দ্র থেকে ৩ কিমি পূর্বে স্তাদিওন জর্জি আসপারুহভে (ধারণক্ষমতা ২৫,০০০, ভিভাকম স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত) খেলে।
** [http://www.pfcslavia.com/ স্লাভিয়া সোফিয়া] শহরের কেন্দ্র থেকে ৪ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে আলেকজান্ডার শালামানভ স্টেডিয়ামে (ধারণক্ষমতা ২৫,৫০০) খেলে।
** [https://www.fclokomotiv1929.com/ লোকোমোটিভ ১৯২৯] শহরের কেন্দ্র থেকে ৪ কিমি উত্তরে স্তাদিওন লোকোমোটিভে (ধারণক্ষমতা ১৭,৫০০) খেলে।
===থিয়েটার ও পরিবেশনাশিল্প===
[[File:IvanVazov National Theatre 7.jpg|thumb|ইভান ভাজভ জাতীয় থিয়েটার]]
* {{do
| name=সোফিয়া অপেরা ও ব্যালে | alt= | url=http://www.operasofia.bg/ | email=reservations@operasofia.bg
| address= | lat=৪২.৬৯৭৫ | long=২৩.৩৩০৫ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৮০০৬২৬৬ | tollfree= | fax=
| hours= | price=
| wikipedia=বুলগেরিয়ার জাতীয় অপেরা ও ব্যালে | image=National Opera Sofia 2009 20090406 003.JPG | wikidata=Q2915220
| content=গ্রীষ্মকালে সন্ধ্যায় খোলা আকাশের নিচে পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
}}
* {{do
| name=এরিনা সিনেমা | alt= | url=http://www.kinoarena.com/ | email=
| address= | lat=৪২.৬৬০৪৪ | long=২৩.৩৮২২৯ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| content=এটি বুলগেরিয়ার বৃহত্তম মাল্টিপ্লেক্স সিনেমাগুলোর একটি। সোফিয়ার সিনেমা হলগুলোতে শিশুতোষ চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য সব চলচ্চিত্র মূল ভাষায় বুলগেরীয় সাবটাইটেলসহ প্রদর্শিত হয়।
}}
* {{do
| name=ইভান ভাজভ জাতীয় থিয়েটার | alt= | url=http://www.nationaltheatre.bg/ | email=info@nationaltheatre.bg
| address=৫ ডিয়াকন ইগনাতি সড়ক | lat=৪২.৬৯৪১৫ | long=২৩.৩২৬৫৩ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৮১১ ৯২ ১৯ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৮৭ ৭০ ৬৬
| hours= | price=
| wikidata=Q1858012
| content=
}}
* {{do
| name=ন্যাশনাল প্যালেস অব কালচার | alt= | url=http://www.ndk.bg/ | email=
| address=১ বুলগেরিয়া চত্বর | lat=৪২.৬৮৫২ | long=২৩.৩১৯ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯১৬ ৬৩ ০০ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৮৬৫ ৭০ ৫৩
| hours= | price=
| wikidata=Q3269914
| content=এটি বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম কংগ্রেস কেন্দ্র (কমিউনিস্ট ধাঁচের একটি বিশাল একখণ্ড ভবন)। পথনির্দেশ জানতে চাইলে এনডিকে (এন-দে-কা) বলুন, কারণ অধিকাংশ বুলগেরীয় এই সংক্ষিপ্ত নামেই জায়গাটিকে চেনে।
}}
* {{do
| name=সেন্ট্রাল মিলিটারি ক্লাব | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯৫২ | long=২৩.৩২৯৯ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q190381
| content=এটি শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত বহুমুখী সাংস্কৃতিক স্মারক ভবন। এটি ক্রিস্তাল নামেও পরিচিত।
}}
===ভিতোশা===
{{main|ভিতোশা}}
[[File:Витоша, мост Морените.JPG|thumb|গোল্ডেন ব্রিজ]]
রাজধানীর ঠিক দক্ষিণে মাথা উঁচু করে থাকা ভিতোশা একটি চমৎকার পরিচিত পর্বত এবং স্থানীয়দের কাছে খুব জনপ্রিয়। গণপরিবহনে সহজেই সেখানে যাওয়া যায়: ৬৩ নম্বর বাস (''জার বরিস তৃতীয়'' স্টপ থেকে) অথবা ৬৬ নম্বর বাস (''মেত্রোস্তানৎসিয়া ভিতোশা'' মেট্রো স্টপ থেকে), কিংবা গাড়িতে। রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে ভিতোশায় দিনের ভ্রমণ বিশেষভাবে সুপারিশ করা হয়।
শীতকালে এটি স্কিইংয়ের জন্য বেশ উপযোগী এবং শহরের কাছাকাছি হওয়ায় এক দিনের স্কি ভ্রমণ করা যায়; গ্রীষ্মে হাইকিংয়ের জন্যও এটি দারুণ। সোফিয়ায় কয়েক দিন কাটানোর সময় এর "বারান্দা"সম এই পর্বতে রৌদ্রোজ্জ্বল দিন উপভোগ করা যায় এবং সেখান থেকে রাজধানীর চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়। একটি মহানগর ও তার প্রকৃতি উদ্যানের এমন বিরল সহাবস্থান দেখার এটি এক অনন্য সুযোগ।
==কেনাকাটা==
রাস্তার মানি এক্সচেঞ্জ এড়িয়ে শুধু ব্যাংকেই মুদ্রা বিনিময় করা জোরালোভাবে পরামর্শযোগ্য। কিছু মানি এক্সচেঞ্জ খুবই প্রতিকূল দরে আপনার মুদ্রা কিনে নিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করতে পারে। বিনিময় হার জানতে [[বুলগেরিয়া#অর্থ]] দেখুন।) আপনি যদি ক্যাসিনোতে খেলেন, সেখানেও ভালো হারে মুদ্রা বদলানো সম্ভব। রাস্তায় কেউ মুদ্রা বদলাতে চাইলে তাকে উপেক্ষা করুন; নইলে খুব খারাপ বিনিময় হার পেতে পারেন অথবা একমুঠো জাল নোট ধরিয়ে দেওয়া হতে পারে।
এটিএম সর্বত্রই পাওয়া যায় এবং ভিসা, মাস্টারকার্ড, অ্যামেক্স, ডাইনার্স ইত্যাদি সব প্রধান ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করে, যদিও আপনার দৈনিক সীমা ব্যাংকের সঙ্গে যাচাই করে নেওয়া উচিত। এটিএম থেকে একবারে সর্বোচ্চ ২০০ ইউরো তোলা যায়, তবে আপনার কার্ডের সীমা অনুমতি দিলে দুই বা ততোধিকবার টাকা তুলতে পারবেন।
বড় দোকান ও সুপারমার্কেটে ক্রেডিট কার্ড ব্যাপকভাবে গ্রহণ করা হয়, তবে ছোট স্যুভেনিরের দোকান বা রেস্তোরাঁয় অবশ্যই কিছু নগদ অর্থ সঙ্গে রাখা দরকার।
'''স্মারকসামগ্রী''' পুরোনো পার্টি হাউসের সামনের ভূগর্ভস্থ পথের অনেক ছোট দোকান এবং লার্গোর মেট্রো স্টেশন থেকে কেনা যায়। নৃতাত্ত্বিক জাদুঘরে একটি ছোট দোকান রয়েছে, যেখানে বুলগেরিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে আনা নানা ধরনের স্মারকসামগ্রী ঠাসা অবস্থায় বিক্রি হয় (প্রধান প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকেই ডান দিকে)। আলেকজান্ডার নেভস্কি চত্বরেও গির্জার ঠিক বিপরীতের স্টলগুলোতে প্রাচীন সামগ্রী ও স্মারকসামগ্রী পাওয়া যায়।
* {{buy
| name=ভিতোশা বুলেভার্ড | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৯১৩৩১ | long=২৩.৩১৯৬৬১ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q7937209
| content=এটি সোফিয়ার কেন্দ্রের প্রধান বাণিজ্যিক সড়ক। এর পথচারী অংশটি হাঁটাহাঁটির জনপ্রিয় জায়গা। এটি সোফিয়ার সবচেয়ে ব্যয়বহুল সড়ক হিসেবে পরিচিত।
}}
* {{buy
| name=দ্য মল | alt= | url=http://www.themall.bg/ | email=
| address=১১৫ জারিগ্রাদস্কো শোসে বুলেভার্ড | lat=৪২.৬৭০২ | long=২৩.৩৬৬৪ | directions=অনেক বাস এখানে থামে; ১, ৩, ৫, ৬, ৭৬, ৮৪, ১১৪, ২০৪, ২১৩, ২১৪, ২৮৪, ৩০৫, ৩০৬, ৩১৩ ও ৬০৪ নম্বর বাসের যেকোনোটি নিতে পারেন
| phone= | tollfree=
| hours=১০:০০ থেকে ২২:০০ | price=
| wikidata=Q6463472
| content=বুলগেরিয়ার বৃহত্তম শপিং মল; এখানে একটি কারফুর স্টোর, বড় এরিনা সিনেমা, অনেক ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ ইত্যাদিও রয়েছে।
}}
* {{buy
| name=সেন্ট্রাল সোফিয়া মার্কেট হল | alt= | url= | email=
| address=কন্যাগিনিয়া মারিয়া লুইজা বুলেভার্ড | lat=৪২.৭ | long=২৩.৩২১৬৬৭ | directions=বানিয়া বাশি মসজিদের বিপরীতে।
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q190675
| content=এখানে বিভিন্ন ধরনের খাবার, পানীয় ও প্রসাধনী বিক্রির অনেক স্টল রয়েছে। দ্বিতীয় তলায় নানা ধরনের ফাস্ট-ফুড ক্যাফে আছে। ''২০২৩ সালের শুরুর দিক অনুযায়ী সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ।''।
}}
* {{buy
| name=টিজেডইউএম | alt= | url=https://www.tzum.bg/ | email=tzum@tzum.bg
| address=২, কন্যাগিনিয়া মারিয়া লুইজা বুলেভার্ড | lat=৪২.৬৯৮৩৩৩ | long=২৩.৩২৩০৫৬ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯২৬ ০৭ ০০ | tollfree=
| hours=১০:০০ থেকে ২১:০০ | price=
| wikidata=Q136504
| content=
}}
* {{buy
| name=মল অব সোফিয়া | alt= | url=http://www.mallofsofia.com/ | email=
| address=১০১, আলেকসান্দার স্তামবোলিয়স্কি বুলেভার্ড | lat=৪২.৬৯৮০৫৬ | long=২৩.৩০৮৬১১ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯২৯ ৩৩ ৭৭ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯২৯ ৩৩ ০০
| hours= | price=
| wikidata=Q12287294
| content=এখানে একটি পিকাডিলি স্টোর ও একটি সিনেমা সিটি মাল্টিপ্লেক্স রয়েছে।
}}
* {{buy
| name=পার্ক সেন্টার | alt= | url=http://www.parkcenter.bg | email=
| address=২ আর্সেনালস্কি বুলেভার্ড, ৩য় তলা | lat=৪২.৬৭৮৬১১ | long=২৩.৩২০৫৫৬ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৮৬৫ ৭২ ৮৫ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৮৬৫ ৭১ ৩৭
| hours= | price=
| wikidata=Q3656933
| content=
}}
* {{buy
| name=স্কাইসিটি মল | alt= | url=http://www.skycitycenter.com/ | email=office@skycitycenter.com
| address=৫২ কোস্তা লুলচেভ সড়ক | lat=৪২.৬৭৯৮ | long=২৩.৩৬৭৬ | directions=২০ নম্বর ট্রাম, ৯ নম্বর বাস এবং ১, ১৯ ও ২১ নম্বর রুট ট্যাক্সিতে এখানে যাওয়া যায়
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৭১ ০২ ১৩ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৭১ ০১ ৮৯
| hours=১০:০০ থেকে ২২:০০ | price=
| content=এখানে একটি বিনোদনকেন্দ্রও রয়েছে।
}}
* {{buy
| name=সেরডিকা সেন্টার সোফিয়া | alt= | url=http://serdikacenter.bg/ | email=
| address= | lat=৪২.৬৯২ | long=২৩.৩৫৪ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q2272273
| content=এখানে একটি পিকাডিলি স্টোর রয়েছে।
}}
* {{buy
| name=সোফিয়া আউটলেট সেন্টার | alt= | url= | email=
| address= | lat=৪২.৬৪৫২৪৪ | long=২৩.৩৯২৬১৭ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q7553661
| content=
}}
* {{buy
| name=বুলগেরিয়া মল | alt= | url=https://www.bulgariamall.bg/ | email=
| address= | lat=৪২.৬৬৪১ | long=২৩.২৮৮৫ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q1252090
| content=
}}
* {{buy
| name=প্যারাডাইস সেন্টার | alt= | url=http://paradise-center.com/ | email=
| address= | lat=৪২.৬৫৭৭৭৮ | long=২৩.৩১৪৪৪৪ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q7134254
| content=বুলগেরিয়ার বৃহত্তম শপিং মল; এখানে একটি কারফুর স্টোর, বড় এরিনা সিনেমা, অনেক ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ ইত্যাদিও রয়েছে।
}}
* {{buy
| name=সোফিয়া রিং মল | alt= | url=http://www.sofiaring.bg/ | email=
| address= | lat=৪২.৬২৪৬ | long=২৩.৩৫১৯ | directions=
| phone= | tollfree=
| hours= | price=
| wikidata=Q12294461
| lastedit=2016-07-31
| content=এখানে একটি কার্টিং ট্র্যাক ও একটি সিনেমা সিটি মাল্টিপ্লেক্স রয়েছে।
}}
===অন্যান্য দর্শনীয় স্থান===
[[File:Bulgarian Parliament TodorBozhinov 041009.jpg|thumb|বুলগেরিয়ার জাতীয় পরিষদ]]
* {{see
| name=বুলগেরিয়ার জাতীয় পরিষদ | alt= | url=http://www.parliament.bg/ | email=infocenter@parliament.bg
| address=২ নারোদনো সাবরানিয়ে চত্বর | lat=৪২.৬৯৪৪৪৪ | long=২৩.৩৩২৭৭৮ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৩৯ ৩৯ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৮১ ৩১ ৩১
| hours= | price=
| wikidata=Q18543007
| content=
}}
* {{see
| name=সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয় | alt= | url=https://www.uni-sofia.bg/ | email=
| address=১৫ জার ওসভোবোদিতেল বুলেভার্ড | lat=৪২.৬৯৩৬১১ | long=২৩.৩৩৫ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৩০৮ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৪৬ ০২ ৫৫
| hours= | price=
| wikidata=Q841581
| content=
}}
* {{see
| name=বুলগেরীয় বিজ্ঞান একাডেমি | alt= | url=http://www.bas.bg/ | email=
| address=১ ১৫ নভেম্বর সড়ক | lat=৪২.৬৯৪৪৪৪ | long=২৩.৩৩১৬৬৭ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৭৯ ৫৩ ৩৩ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৯৮১ ৭২ ৬২
| hours= | price=
| wikidata=Q1003730
| content=
}}
* {{see
| name=সেন্টস সিরিল ও মেথোডিয়াস জাতীয় গ্রন্থাগার | alt= | url=http://www.nationallibrary.bg/ | email=
| address=৮৮ ভাসিল লেভস্কি সড়ক | lat=৪২.৬৯৪৮ | long=২৩.৩৩৫৯৯ | directions=
| phone=+৩৫৯ ২ ৯৮৮ ২৮ ১১ | tollfree= | fax=+৩৫৯ ২ ৮৪৩ ৫৪ ৯৫
| hours=০৮:৩০ থেকে ২০:৩০ | price=
| wikidata=Q631641
| content=
}}
epa2fllybl615ai6ifxttyrjujtv71m